<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
     xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
     xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
     xmlns:admin="http://webns.net/mvcb/"
     xmlns:rdf="http://www.w3.org/1999/02/22-rdf-syntax-ns#"
     xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
     xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/">
<channel>
<title>Digi Bangla &#45; : কমিউনিটি</title>
<link>https://digibanglatech.news/rss/category/কমিউনিটি</link>
<description>Digi Bangla &#45; : কমিউনিটি</description>
<dc:language>en</dc:language>
<dc:rights>নিবন্ধন নং &#45; ২৩৩ &amp;lt;br /&amp;gt;প্রকাশক: সাইফুল ইসলাম সিদ্দিক &amp;lt;/br&amp;gt;  নির্বাহী সম্পাদক: এস এম ইমদাদুল হক &amp;lt;/br&amp;gt; সম্পাদকীয় কার্যালয়: সড়ক ২৯, বাড়ি ২/ই (গুলশান লেক প্যালেস), সি&#45;২, গুলশান&#45;১, ঢাকা&#45;১২১২, বাংলাদেশ।  &amp;lt;/br&amp;gt;ফোন: ০৯৬৩৯&#45;৩৩৩৫৫৫, ইমেইল: press@digibanglatech.news   &amp;lt;/br&amp;gt; © স্বত্ব ডিজিটাল বাংলা মিডিয়া লিমিটেড ২০১৯&#45;২০২৬</dc:rights>

<item>
<title>রোবট অলিম্পিয়াডে বাংলাদেশের ব্রোঞ্জ</title>
<link>https://digibanglatech.news/191260</link>
<guid>https://digibanglatech.news/191260</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li&gt;&lt;span&gt;ফিউচার ইঞ্জিনিয়ার্স বিভাগে ব্রোঞ্জ জিতেছে টিম ব্লুপ্রিন্ট।&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;li&gt;&lt;span&gt;ফিউচার ইনোভেটরস সিনিয়রে সপ্তম হয়েছে টিম ওডিসি এক্স।&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;li&gt;&lt;span&gt;২৫ দেশের ১৪৯ দল অংশ নেয় প্রতিযোগিতায়।&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6aba9cce5cc2b.jpg" length="118471" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 28 Sep 2026 00:59:09 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>বিশ্ব রোবট অলিম্পিয়াড, ডব্লিউআরও, বাংলাদেশ, রোবটিক্স, টিম ব্লুপ্রিন্ট, টিম ওডিসি এক্স, ফিউচার ইঞ্জিনিয়ার্স, রোবট প্রযুক্তি, এশিয়া-প্যাসিফিক</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>আন্তর্জাতিক রোবটিক্স প্রতিযোগিতায় প্রযুক্তিগত দক্ষতার স্বাক্ষর রেখেছে বাংলাদেশের তরুণরা। ভারতের হায়দরাবাদে অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড রোবট অলিম্পিয়াড (WRO) এশিয়া-প্যাসিফিক ওপেন চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৬-এ ফিউচার ইঞ্জিনিয়ার্স বিভাগে ব্রোঞ্জ পদক জিতেছে বাংলাদেশের টিম ব্লুপ্রিন্ট। একই প্রতিযোগিতার ফিউচার ইনোভেটরস সিনিয়র বিভাগে সপ্তম হয়েছে আরেক বাংলাদেশি দল টিম ওডিসি এক্স।</p>
<p><span data-placeholder-token="true">[ঢাকা, ২৭ সেপ্টেম্বর]</span> ২৫ থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর ভারতের হায়দরাবাদে অনুষ্ঠিত এ আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় ২৫ দেশের ১৪৯টি দল বিভিন্ন বিভাগে অংশ নেয়। এবারের প্রতিযোগিতার মূল প্রতিপাদ্য ছিল ‘রোবট মিটস কালচার’।</p>
<p>বাংলাদেশ তিনটি বিভাগে চারটি দল নিয়ে প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। ফিউচার ইঞ্জিনিয়ার্স বিভাগে অংশ নেয় টিম ব্লুপ্রিন্ট। ফিউচার ইনোভেটরস সিনিয়র বিভাগে অংশ নেয় টিম ওডিসি এক্স ও টিম নেবুকোডার্স। আর রোবোমিশন সিনিয়র বিভাগে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে টিম রোবোম্যানিয়া।</p>
<p>ব্রোঞ্জজয়ী টিম ব্লুপ্রিন্টের সদস্যরা হলেন সৈয়দ সুবেহ-সাদিক শোলক, মো. আজমাইন শেখ ও সম্মান রাহিন। ফিউচার ইনোভেটরস সিনিয়র বিভাগে সপ্তম হওয়া টিম ওডিসি এক্সে ছিলেন আবিদা ওয়াদুদ ও সাদমান আল হক।</p>
<p>সাফল্যের বিষয়ে টিম ব্লুপ্রিন্টের সদস্য আজমাইন শেখ রুবায়েদ বলেন, আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় তৃতীয় স্থান অর্জন দলের জন্য অত্যন্ত আনন্দের অভিজ্ঞতা। বিভিন্ন দেশের দক্ষ দলগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতা ও একসঙ্গে কাজ করার মাধ্যমে অন্যদের কাছ থেকে শেখার এবং নিজেদের দক্ষতা যাচাইয়ের সুযোগ হয়েছে।</p>
<p>তিনি বলেন, “এই অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতের প্রতিযোগিতায় আরও কঠোর পরিশ্রম ও ভালো করার জন্য আমাদের অনুপ্রাণিত করেছে।”</p>
<p>বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলে ছিলেন নয়জন প্রতিযোগী। দলের নেতৃত্ব দেন ডব্লিউআরও বাংলাদেশের জাতীয় আয়োজক প্রমী নাহিদ। দলের কোচ ছিলেন নাসির খান সাইকাত। এ ছাড়া একজন মেন্টর ও আরও দুজন দলীয় কর্মকর্তা প্রতিনিধিদলের সঙ্গে ছিলেন।</p>
<p>প্রমী নাহিদ বলেন, আন্তর্জাতিক রোবটিক্স প্রতিযোগিতায় সাফল্যের জন্য শুধু রোবট তৈরি করাই যথেষ্ট নয়। সমস্যা বিশ্লেষণ, সময় ব্যবস্থাপনা, দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং দলগত কাজও সমান গুরুত্বপূর্ণ। বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের মধ্যেও বাংলাদেশি দলগুলো দক্ষতা ও সক্ষমতার কার্যকর প্রমাণ দিয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।</p>
<p>তিনি আরও বলেন, এই অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতের আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার জন্য প্রতিযোগীদের প্রস্তুত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।</p>
<p>আন্তর্জাতিক বিচারক রেডওয়ান ফেরদৌস বলেন, “এ বছর বাংলাদেশের জন্য যাত্রাটি সহজ ছিল না। চ্যালেঞ্জের মধ্যেও বাংলাদেশি দলগুলো বিভিন্ন দেশের দলের বিপক্ষে শক্তভাবে প্রতিযোগিতা করেছে এবং তাদের প্রতিভা, দক্ষতা ও উপস্থিত বুদ্ধির প্রমাণ দিয়েছে। তৃতীয় স্থান অর্জন তাদের অসাধারণ পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি।”</p>
<p>এর আগে ১৪ আগস্ট ঢাকা, চট্টগ্রাম ও রংপুর বিভাগে একযোগে ডব্লিউআরও বাংলাদেশ ২০২৬-এর জাতীয় পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রায় ৭২টি দলের দুই শতাধিক শিক্ষার্থী অংশ নেয়। প্রতিযোগিতায় ফিউচার ইনোভেটরস, রোবোমিশন, রোবোস্পোর্টস ও ফিউচার ইঞ্জিনিয়ার্স—এই চার বিভাগ ছিল।</p>
<p>জাতীয় পর্বের ফলাফলের ভিত্তিতে তিনটি বিভাগে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার জন্য চারটি দল নির্বাচিত হয়। জাতীয় পর্বে ঢাকা থেকে ৩৪টি, চট্টগ্রাম থেকে ২৬টি এবং রংপুর থেকে ১২টি দল অংশ নেয়।</p>
<p>আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার জন্য নির্বাচিত ৯ প্রতিযোগীসহ ১৩ সদস্যের বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল ২৪ সেপ্টেম্বর হায়দরাবাদে পৌঁছায়। ২৫ থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর বিভিন্ন ধাপে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।</p>
<p>জাতীয় পর্বের আগে জুন মাসে শিক্ষার্থীদের রোবটিক্সে আগ্রহী করে তুলতে এবং ডব্লিউআরওতে অংশগ্রহণে উৎসাহ দিতে পাঁচ জেলার ১৪টি স্থানে অ্যাক্টিভেশন কর্মসূচি আয়োজন করে ডব্লিউআরও বাংলাদেশ। বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত রোবটিক্স কর্মশালায় প্রায় ২ হাজার শিক্ষার্থী অংশ নেয়।</p>
<p>/<strong>/ডিবিটেক/এসএবি/বিওই/এমআই/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বাকৃবির আইআইএফএসে নতুন সহযোগী পরিচালক</title>
<link>https://digibanglatech.news/191121</link>
<guid>https://digibanglatech.news/191121</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li&gt;&lt;span&gt;দুই বছরের জন্য সহযোগী পরিচালক হলেন অধ্যাপক হারুন অর রশিদ&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;li&gt;&lt;span&gt;তিনি বাকৃবির উদ্যানতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;li&gt;&lt;span&gt;খাদ্যনিরাপত্তার আন্তঃবিভাগীয় গবেষণায় যুক্ত থাকবেন&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6ab8d5c90288f.jpg" length="104820" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 27 Sep 2026 13:37:45 +0600</pubDate>
<dc:creator>ক্যাম্পাস করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, বাকৃবি, আইআইএফএস, খাদ্যনিরাপত্তা, অধ্যাপক হারুন অর রশিদ, উদ্যানতত্ত্ব বিভাগ, কৃষি গবেষণা, আন্তঃবিভাগীয় গবেষণা, বিশ্ববিদ্যালয় নিয়োগ</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="isSelectedEnd"><span>বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) ইন্টারডিসিপ্লিনারি ইনস্টিটিউট ফর ফুড সিকিউরিটি (আইআইএফএস)-এর সহযোগী পরিচালক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যানতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. হারুন অর রশিদ। নতুন দায়িত্বে তিনি খাদ্যনিরাপত্তা বিষয়ে আন্তঃবিভাগীয় শিক্ষা, গবেষণা ও একাডেমিক কার্যক্রমে প্রশাসনিকভাবে যুক্ত থাকবেন।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>২৭ সেপ্টেম্বর, রবিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>আদেশ অনুযায়ী, নিয়োগটি আদেশ জারির তারিখ থেকে পরবর্তী </span>দুই বছরের জন্য<span> কার্যকর থাকবে। এ সময়ে আইআইএফএসের বিভিন্ন আন্তঃবিভাগীয় শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রমে প্রশাসনিক সমন্বয়ের দায়িত্ব পালন করবেন অধ্যাপক ড. মো. হারুন অর রশিদ।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারের কার্যালয় থেকে জারি করা আদেশের অনুলিপি আইআইএফএসের পরিচালক, বিভিন্ন অনুষদের ডিন ও কো-অর্ডিনেটর, উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা কমিটি, ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তর ও কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>অধ্যাপক ড. মো. হারুন অর রশিদ বর্তমানে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যানতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। উদ্যানতত্ত্বের জ্ঞান ও গবেষণার অভিজ্ঞতার পাশাপাশি নতুন দায়িত্বের মাধ্যমে তিনি খাদ্যনিরাপত্তার বৃহত্তর আন্তঃবিভাগীয় গবেষণা কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত হলেন।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>খাদ্য উৎপাদন, পুষ্টি, কৃষি প্রযুক্তি, পরিবেশ ও টেকসই কৃষিব্যবস্থার মতো বিভিন্ন বিষয়ের সমন্বিত গবেষণায় আন্তঃবিভাগীয় পদ্ধতি গুরুত্বপূর্ণ। আইআইএফএসের সহযোগী পরিচালক হিসেবে অধ্যাপক হারুন অর রশিদের নতুন দায়িত্ব সেই সমন্বিত শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রমে ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।</span></p>
<p><span>/<strong>/ডিবিটেক/এসএমই/এমআইএসটি/</strong>/</span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>মালয়েশিয়ায় ডব্লিউআইসিই ২০২৬&#45;এ বাংলাদেশের গৌরবময় সাফল্য</title>
<link>https://digibanglatech.news/191173</link>
<guid>https://digibanglatech.news/191173</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;6,0,0&quot;&gt;&lt;span data-path-to-node=&quot;6,0,0,0&quot;&gt;মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের ২৩টি দলেরই পদক জয়&lt;/span&gt;&lt;span data-path-to-node=&quot;6,0,0,1&quot; class=&quot;&quot;&gt;&lt;span&gt;&lt;response-element class=&quot;no-md&quot; ng-version=&quot;0.0.0-PLACEHOLDER&quot;&gt;&lt;source-footnote _nghost-ng-c2056820965=&quot;&quot; class=&quot;ng-star-inserted&quot;&gt;&lt;/source-footnote&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!---- ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6ab95b4430f32.jpg" length="144976" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 27 Sep 2026 11:07:31 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>WICE ২০২৬, ড্রিমস অব বাংলাদেশ, মালয়েশিয়া, রোবটিক্স, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, স্বর্ণপদক, বিজ্ঞান উদ্ভাবন, তরুণ বিজ্ঞানী, প্রযুক্তি প্রদর্শনী, আন্তর্জাতিক অ্যাওয়ার্ড</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="10"><span data-path-to-node="10,0">মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিত বিশ্বখ্যাত ‘World Invention Competition and Exhibition-WICE 2026’-এর আন্তর্জাতিক পর্বে অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জন করেছে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল</span><span data-path-to-node="10,1"><response-element ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element><!----><response-element ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><source-footnote _nghost-ng-c2056820965=""></source-footnote><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element></span><span data-path-to-node="10,2">। 'ড্রিমস অব বাংলাদেশ' (Dreams of Bangladesh - DoB)-এর সার্বিক নেতৃত্বে অংশগ্রহণকারী বাংলাদেশি ২৩টি দলের প্রতিটিই পদক জয় করার গৌরব অর্জন করেছে</span><span data-path-to-node="10,3"><response-element ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element><!----><response-element ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><source-footnote _nghost-ng-c2056820965=""></source-footnote><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element></span><span data-path-to-node="10,4">। সার্বিক প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের তরুণ উদ্ভাবকরা ১৭টি স্বর্ণপদক, ৬টি রৌপ্যপদক এবং অতিরিক্ত ৫টি বিশেষ সম্মাননা পুরস্কার ছিনিয়ে এনেছে</span><span data-path-to-node="10,5"><response-element ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element><!----><response-element ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><source-footnote _nghost-ng-c2056820965=""></source-footnote><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element></span><span data-path-to-node="10,6">।</span></p>
<p data-path-to-node="11"><span data-path-to-node="11,0">গত ১৯ থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত এই আন্তর্জাতিক সফরে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক, বিচারক ও সুপারভাইজারসহ মোট ১৪০ জনের একটি শক্তিশালী প্রতিনিধিদল অংশ নেয়</span><span data-path-to-node="11,1"><response-element ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element><!----><response-element ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><source-footnote _nghost-ng-c2056820965=""></source-footnote><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element></span><span data-path-to-node="11,2">। আয়োজক সংস্থা DoB-এর বাইরে বুয়েট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (আইবিএ), ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, রুয়েট/এমআইএসটিসহ দেশের স্বনামধন্য ৩৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং ২টি পৃথক সংগঠন—মোট ৩৬টি প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে এই প্রথম এত বড় পরিসরে আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করা হলো</span><span data-path-to-node="11,3"><response-element ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element><!----><response-element ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><source-footnote _nghost-ng-c2056820965=""></source-footnote><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element></span><span data-path-to-node="11,4">। প্রতিযোগিতায় অনলাইন ও অফলাইন মিলে ১৯টি দেশের ২৫৮টি দল সরাসরি উপস্থিত হয়ে মোট ৪১২টি প্রজেক্ট প্রদর্শন করে</span><span data-path-to-node="11,5"><response-element ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element><!----><response-element ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><source-footnote _nghost-ng-c2056820965=""></source-footnote><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element></span><span data-path-to-node="11,6">। এতে প্রতিযোগী দলের পাশাপাশি বাংলাদেশ থেকে ৭ জন আন্তর্জাতিক বিচারকও মূল বিচারকার্যে দায়িত্ব পালন করেন</span><span data-path-to-node="11,7"><response-element ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element><!----><response-element ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><source-footnote _nghost-ng-c2056820965=""></source-footnote><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element></span><span data-path-to-node="11,8">।</span></p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x_6ab95b464d289.jpg" alt=""></p>
<p data-path-to-node="12"><span data-path-to-node="12,0">অংশগ্রহণকারী প্রজেক্টগুলোতে মূলত রোবটিক্স, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), স্বয়ংক্রিয় পরিবেশ পর্যবেক্ষণ, স্মার্ট কৃষি, অগ্নিনির্বাপণ ও উদ্ধারপ্রযুক্তি এবং বায়ো-প্যাকেজিংভিত্তিক বাস্তবসম্মত সমাধান প্রাধান্য পায়</span><span data-path-to-node="12,1"><response-element ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element><!----><response-element ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><source-footnote _nghost-ng-c2056820965=""></source-footnote><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element></span><span data-path-to-node="12,2">। কৃষিক্ষেত্রে Phantom Forge-এর 'Agri Nexus' ও The Aura Farmers-এর 'Climate Adaptive Smart Farming Robot' বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়</span><span data-path-to-node="12,3"><response-element ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element><!----><response-element ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><source-footnote _nghost-ng-c2056820965=""></source-footnote><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element></span><span data-path-to-node="12,4">। অগ্নিনির্বাপণ ও উদ্ধারকাজে BOTNIX-এর 'Borewell Rescue Robot', Quantum Spark-এর 'Fire Fighting Robot' এবং SYT Innovators-এর 'AI Military Rover' আন্তর্জাতিক দৃষ্টি আকর্ষণ করে</span><span data-path-to-node="12,5"><response-element ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element><!----><response-element ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><source-footnote _nghost-ng-c2056820965=""></source-footnote><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element></span><span data-path-to-node="12,6">।</span></p>
<p data-path-to-node="13"><span data-path-to-node="13,0">পরিবেশ ও বায়ো-টেকনোলজিতে Paradox-এর AI পরিবেশ পরিচ্ছন্নতাকারী রোবট, Pharmagradable-এর পচনশীল ওষুধের প্যাকেট এবং RayShield-এর সৌরচালিত মশা প্রতিরোধক ডিভাইস স্বর্ণপদক অর্জন করে</span><span data-path-to-node="13,1"><response-element ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element><!----><response-element ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><source-footnote _nghost-ng-c2056820965=""></source-footnote><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element></span><span data-path-to-node="13,2">। প্রতিযোগিতায় অন্যান্য পদক বিজয়ীদের মধ্যে EcoGuard, Bio_Logik, TerraFusion, FireGuard i.0, Innertia, EcoNexus এবং Eco Warriors স্বর্ণপদক জয় করে</span><span data-path-to-node="13,3"><response-element ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element><!----><response-element ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><source-footnote _nghost-ng-c2056820965=""></source-footnote><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element></span><span data-path-to-node="13,4">। অন্যদিকে InnovAid, SolarEffix, Quantis, Revel, RoboBee Innovators ও Noor Aero Next BD রৌপ্যপদক অর্জন করে</span><span data-path-to-node="13,5"><response-element ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element><!----><response-element ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><source-footnote _nghost-ng-c2056820965=""></source-footnote><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element></span><span data-path-to-node="13,6">। ডব্লিউআইসিই ২০২৬-এর এই অর্জন বৈশ্বিক প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনী গবেষণার অঙ্গনে বাংলাদেশের নতুন সম্ভাবনার দ্বিমুক্ত করল</span><span data-path-to-node="13,7"><response-element ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element><!----><response-element ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><source-footnote _nghost-ng-c2056820965=""></source-footnote><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element></span><span data-path-to-node="13,8">।</span></p>
<p data-path-to-node="14">/<strong>/ডিবিটেক/এসএমই/আইএসপি/এমআইএস/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>নানিয়ারচরে সেনাবাহিনীর মোবাইল সার্ভিসিং প্রশিক্ষণ সম্পন্ন</title>
<link>https://digibanglatech.news/190952</link>
<guid>https://digibanglatech.news/190952</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;4,0,0&quot;&gt;পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি ও বাঙালি যুবকদের স্বাবলম্বী করতে নানিয়ারচর জোনে দুই সপ্তাহব্যাপী মোবাইল সার্ভিসিং প্রশিক্ষণ সমাপ্ত&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;4,1,0&quot;&gt;তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক প্রশিক্ষণের পাশাপাশি ১৪ জন প্রশিক্ষণার্থীর প্রত্যেককে দেওয়া হয়েছে প্রয়োজনীয় সার্ভিসিং টুলস&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;4,2,0&quot;&gt;সমাপনী দিনে প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে সনদ বিতরণ করেন নানিয়ারচর জোনের উপ-অধিনায়ক মেজর শেখ মোহাম্মদ নাঈম&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6ab68bd4f1064.jpg" length="97517" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 25 Sep 2026 17:58:56 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নানিয়ারচর জোন, মোবাইল সার্ভিসিং প্রশিক্ষণ, পার্বত্য চট্টগ্রাম কারিগরি শিক্ষা, আত্মকর্মসংস্থান, লেঃ কর্নেল মো. মশিউর রহমান, মেজর শেখ মোহাম্মদ নাঈম, রাঙ্গামাটি যুব উন্নয়ন</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="7">পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি ও বাঙালি যুবসমাজকে বাস্তবমুখী কারিগরি দক্ষতায় দক্ষ করে গড়ে তোলা, আত্মনির্ভরশীলতা অর্জন এবং স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর রাঙ্গামাটির নানিয়ারচর জোনের উদ্যোগে আয়োজিত দুই সপ্তাহব্যাপী মোবাইল সার্ভিসিং প্রশিক্ষণ কর্মসূচি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বৃহস্পতিবার নানিয়ারচর জোন সদর দপ্তরে আনুষ্ঠানিক সমাপনী ও সনদ বিতরণের মধ্য দিয়ে এ প্রশিক্ষণ শেষ হয়।</p>
<p data-path-to-node="8">এর আগে গত ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে নানিয়ারচর জোন সদর দপ্তরে এই বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শুরু হয়েছিল। এতে পাহাড়ি ও বাঙালি সম্প্রদায়ের সর্বমোট ১৪ জন নির্বাচিত তরুণ প্রশিক্ষণার্থী অংশগ্রহণ করেন। দুই সপ্তাহের এই নিবিড় কোর্সে প্রশিক্ষণার্থীদের আধুনিক মোবাইল হ্যান্ডসেটের বিভিন্ন জটিল কারিগরি ত্রুটি নির্ণয় ও মেরামতের ওপর তাত্ত্বিক জ্ঞানের পাশাপাশি ব্যাপক ব্যবহারিক বা হ্যান্ডস-অন প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x_6ab68bd3c3d82.jpg" alt=""></p>
<p data-path-to-node="9">প্রশিক্ষণার্থীদের অর্জিত জ্ঞান বাস্তব জীবনে সরাসরি প্রয়োগ এবং আত্মকর্মসংস্থানে উদ্বুদ্ধ করার উদ্দেশ্যে কোর্সের শুরুতেই প্রত্যেকের হাতে বিনামূল্যে আধুনিক মোবাইল সার্ভিসিং টুলকিট তুলে দেওয়া হয়। ফলে অংশগ্রহণকারীরা আধুনিক যন্ত্রপাতির নিখুঁত ব্যবহার শিখে হাতেকলমে সার্ভিসিংয়ের যাবতীয় কলাকৌশল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে আয়ত্ত করার সুযোগ পান। অর্জিত এই দক্ষতা কাজে লাগিয়ে তরুণরা নিজ নিজ এলাকায় স্বাধীনভাবে মোবাইল সার্ভিসিং ব্যবসা শুরু করে স্বাবলম্বী হতে পারবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়েছে।</p>
<p data-path-to-node="10">নানিয়ারচর জোন কমান্ডার লেঃ কর্নেল মোঃ মশিউর রহমান, পিএসসি-এর সার্বিক দিকনির্দেশনায় আয়োজিত সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জোনের উপ-অধিনায়ক মেজর শেখ মোহাম্মদ নাঈম। তিনি সফলভাবে কোর্স সম্পন্নকারী ১৪ জন প্রশিক্ষণার্থীর হাতে আনুষ্ঠানিক প্রশংসাপত্র ও প্রশিক্ষণ সনদ তুলে দেন। অনুষ্ঠানে কোর্সের প্রশিক্ষকবৃন্দ, সামরিক কর্মকর্তা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p data-path-to-node="11">নানিয়ারচর জোনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, পার্বত্য অঞ্চলের যুবসমাজকে প্রযুক্তিগতভাবে দক্ষ, উদ্যমী ও স্বাবলম্বী মানবসম্পদে রূপান্তর করে মূলধারার অর্থনৈতিক কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এ ধরনের জনকল্যাণমূলক ও কারিগরি উদ্যোগ ভবিষ্যতেও নিয়মিত অব্যাহত থাকবে।</p>
<p data-path-to-node="12">/<strong>/ডিবিটেক/ এসএইএচসিটিজি/ এমএসআই/এসএমপি/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>সীমান্ত ব্যাংক পিএলসিতে ‘আইটি এন্টারপ্রাইজ অ্যাপ্লিকেশনস’ পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি</title>
<link>https://digibanglatech.news/190938</link>
<guid>https://digibanglatech.news/190938</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;3,0,0&quot;&gt;সীমান্ত ব্যাংক পিএলসি ‘আইটি এন্টারপ্রাইজ অ্যাপ্লিকেশনস (এসও টু এসপিও)’ পদে জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;3,1,0&quot;&gt;প্রার্থীকে কম্পিউটার বিজ্ঞানে বিএসসি বা এমএসসি ডিগ্রিধারী হতে হবে এবং ৪ থেকে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;3,2,0&quot;&gt;নির্বাচিত প্রার্থীদের ঢাকায় কাজ করার মানসিকতা থাকতে হবে; আবেদন করা যাবে অনলাইনে&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6ab66bf2144e5.jpg" length="154160" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 25 Sep 2026 10:41:36 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>সীমান্ত ব্যাংক পিএলসি, ব্যাংক জব ২০২৬, আইটি এন্টারপ্রাইজ অ্যাপ্লিকেশনস, ব্যাংক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, বিডিজবস, ঢাকা</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="6">সীমান্ত ব্যাংক পিএলসি ‘আইটি এন্টারপ্রাইজ অ্যাপ্লিকেশনস (এসও টু এসপিও)’ পদে অভিজ্ঞ জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। আগ্রহী নারী ও পুরুষ উভয় প্রার্থীই পদটির জন্য অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে শুরু হওয়া এ আবেদন প্রক্রিয়া চলবে আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত।</p>
<p data-path-to-node="7"><b data-path-to-node="7" data-index-in-node="0">এক নজরে সীমান্ত ব্যাংক পিএলসির নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬</b></p>
<table data-path-to-node="8">
<thead>
<tr>
<td><strong>তথ্যের ধরন</strong></td>
<td><strong>বিবরণ</strong></td>
</tr>
</thead>
<tbody>
<tr>
<td><span data-path-to-node="8,1,0,0"><b data-path-to-node="8,1,0,0" data-index-in-node="0">প্রতিষ্ঠানের নাম</b></span></td>
<td><span data-path-to-node="8,1,1,0">সীমান্ত ব্যাংক পিএলসি</span></td>
</tr>
<tr>
<td><span data-path-to-node="8,2,0,0"><b data-path-to-node="8,2,0,0" data-index-in-node="0">পদের নাম</b></span></td>
<td><span data-path-to-node="8,2,1,0">আইটি এন্টারপ্রাইজ অ্যাপ্লিকেশনস (এসও টু এসপিও)</span></td>
</tr>
<tr>
<td><span data-path-to-node="8,3,0,0"><b data-path-to-node="8,3,0,0" data-index-in-node="0">পদসংখ্যা</b></span></td>
<td><span data-path-to-node="8,3,1,0">নির্ধারিত নয়</span></td>
</tr>
<tr>
<td><span data-path-to-node="8,4,0,0"><b data-path-to-node="8,4,0,0" data-index-in-node="0">চাকরির ধরন</b></span></td>
<td><span data-path-to-node="8,4,1,0">বেসরকারি, ফুল টাইম</span></td>
</tr>
<tr>
<td><span data-path-to-node="8,5,0,0"><b data-path-to-node="8,5,0,0" data-index-in-node="0">প্রার্থীর ধরন</b></span></td>
<td><span data-path-to-node="8,5,1,0">নারী-পুরুষ উভয়ই</span></td>
</tr>
<tr>
<td><span data-path-to-node="8,6,0,0"><b data-path-to-node="8,6,0,0" data-index-in-node="0">শিক্ষাগত যোগ্যতা</b></span></td>
<td><span data-path-to-node="8,6,1,0">বিএসসি অথবা এমএসসি ডিগ্রিধারী</span></td>
</tr>
<tr>
<td><span data-path-to-node="8,7,0,0"><b data-path-to-node="8,7,0,0" data-index-in-node="0">অভিজ্ঞতা</b></span></td>
<td><span data-path-to-node="8,7,1,0">৪ থেকে ৮ বছর</span></td>
</tr>
<tr>
<td><span data-path-to-node="8,8,0,0"><b data-path-to-node="8,8,0,0" data-index-in-node="0">কর্মস্থল</b></span></td>
<td><span data-path-to-node="8,8,1,0">ঢাকা</span></td>
</tr>
<tr>
<td><span data-path-to-node="8,9,0,0"><b data-path-to-node="8,9,0,0" data-index-in-node="0">বেতন ও সুবিধা</b></span></td>
<td><span data-path-to-node="8,9,1,0">আলোচনা সাপেক্ষে</span></td>
</tr>
<tr>
<td><span data-path-to-node="8,10,0,0"><b data-path-to-node="8,10,0,0" data-index-in-node="0">বয়সসীমা</b></span></td>
<td><span data-path-to-node="8,10,1,0">নির্ধারিত নয়</span></td>
</tr>
<tr>
<td><span data-path-to-node="8,11,0,0"><b data-path-to-node="8,11,0,0" data-index-in-node="0">আবেদন পদ্ধতি</b></span></td>
<td><span data-path-to-node="8,11,1,0">অনলাইন (বিডিজবস ডটকমের মাধ্যমে)</span></td>
</tr>
</tbody>
</table>
<p data-path-to-node="9"><b data-path-to-node="9" data-index-in-node="0">আবেদনের নিয়ম ও গুরুত্বপূর্ণ সময়সীমা:</b></p>
<p data-path-to-node="10">আগ্রহী প্রার্থীদের বিডিজবস ডটকম (BDJobs.com)-এর মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন সম্পন্ন করতে হবে। আবেদনকারীদের ঢাকায় অবস্থিত সীমান্ত ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় বা সংশ্লিষ্ট শাখায় কাজ করার মানসিকতা থাকতে হবে। আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখের মধ্যে নির্ধারিত লিংকে গিয়ে প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন।</p>
<p data-path-to-node="10">//<strong>ডিবিটেক/জেএনও/এসএমই/এমআইএসটি</strong>//</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>সাইবার সুরক্ষা আইনের সংশোধনী: মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় ডিএসএ&#45;র ছায়া</title>
<link>https://digibanglatech.news/190985</link>
<guid>https://digibanglatech.news/190985</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6ab6c813cb7e3.jpg" length="107944" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 25 Sep 2026 01:15:03 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>সাইবার সুরক্ষা আইন ২০২৬, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, ফৌজদারি মানহানি, অনলাইন সেন্সরশিপ, মুশতাক আহমেদ, আইসিটি আইন, নাগরিক অধিকার</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p></p>
<table border="1" style="border-collapse: collapse; width: 100.041%;"><colgroup><col style="width: 99.8764%;"></colgroup>
<tbody>
<tr>
<td>
<ul>
<li data-path-to-node="45,0,0">সাইবার সুরক্ষা আইনের প্রস্তাবিত সংশোধনীতে মানহানি, অপমান ও বুলিংকে ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে পুনঃপ্রবর্তনের চেষ্টা চলছে।</li>
<li data-path-to-node="45,1,0">‘গুজব’ ও ‘অযাচাইকৃত তথ্য’ প্রকাশের অভিযোগে সর্বোচ্চ ১০ বছর কারাদণ্ড ও ৪০ লাখ টাকা জরিমানার কঠোর বিধান রাখা হয়েছে।</li>
<li data-path-to-node="45,2,0">বিচারিক নজরদারি ছাড়াই সন্দেহভাজন কনটেন্ট ব্লক করার নির্বাহী ক্ষমতা প্রশাসনের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে।</li>
<li data-path-to-node="45,3,0">সাইবার সুরক্ষা কাউন্সিল থেকে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে বাদ দিয়ে সরকারি কর্মকর্তাদের দায়মুক্তি দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।</li>
<li data-path-to-node="45,4,0">খসড়াটি ভারতের শ্রেয়া সিংঘল রায় এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানদণ্ড (ICCPR)-এর সম্পূর্ণ পরিপন্থী।</li>
</ul>
</td>
</tr>
</tbody>
</table>
<p data-path-to-node="11">বাংলাদেশের সংসদ ২০২৬ সালের এপ্রিল মাসে সাইবার সুরক্ষা আইন পাস করে, যার মূল লক্ষ্য ছিল বহুল সমালোচিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮ (ডিএসএ)-এর বিতর্কিত উত্তরাধিকার থেকে বেরিয়ে আসা। কিন্তু আইনটি পাসের কয়েক মাসের মাথায় সরকার এমন কিছু সংশোধনীর প্রস্তাব উত্থাপন করে, যা কার্যত ডিএসএ-র দমনমূলক বিধানগুলোকে নতুন আঙ্গিকে ফিরিয়ে আনছে। প্রস্তাবিত সংশোধনীতে মানহানিকে ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে, “অপমান” ও “বুলিং”-এর মতো অস্পষ্ট অপরাধ সৃষ্টি করা হচ্ছে এবং “গুজব” ও “অপতথ্য” ছড়ানোর অভিযোগে সর্বোচ্চ ১০ বছর কারাদণ্ড ও ৪০ লাখ টাকা জরিমানের বিধান রাখা হচ্ছে। এই নীতি গবেষণা নিবন্ধটি প্রস্তাবিত সংশোধনীর খসড়া, নাগরিক সমাজের উদ্বেগ এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার নীতিমালার আলোকে পর্যালোচনা করে দেখিয়েছে কীভাবে এই খসড়াটি মুক্তমত প্রকাশের সাংবিধানিক অধিকারকে চরম ঝুঁকিতে ফেলছে।</p>
<p data-path-to-node="13"><b data-path-to-node="13" data-index-in-node="0">১. ভূমিকা</b></p>
<p data-path-to-node="14">২০২৬ সালের এপ্রিল মাসে বহুল বিতর্কিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮ বাতিলের প্রতিশ্রুতি দিয়ে জাতীয় সংসদে সাইবার সুরক্ষা আইন ২০২৬ পাস করা হয়। ডিএসএ দীর্ঘদিন ধরে অনুসন্ধানী সাংবাদিক, লেখক, অধিকারকর্মী এবং সাধারণ নাগরিকের বিরুদ্ধে ভিন্নমত দমনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল। পরবর্তীতে ২০২৬ সালের ১ জুলাই প্রথম সংশোধনীর মাধ্যমে আইনটির বিতর্কিত ধারা ২০ বিলুপ্ত করা হয়। কিন্তু সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ আইসিটি বিভাগ একটি নতুন সংশোধনীর খসড়া প্রকাশ করে, যা পর্যালোচনার জন্য ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রীর নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করা হয়।</p>
<p data-path-to-node="15">প্রস্তাবিত সংশোধনীতে মানহানি, অপমান, বুলিং, গুজব ও অপতথ্য সংক্রান্ত নতুন অপরাধ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে; কনটেন্ট ব্লকিংয়ের নির্বাহী ক্ষমতা বৃদ্ধি করা হয়েছে; মোবাইল কোর্টের এখতিয়ার বাড়ানো হয়েছে এবং জাতীয় সাইবার সুরক্ষা কাউন্সিল থেকে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের প্রতিনিধিত্ব বাদ দেওয়া হয়েছে। এই পরিবর্তনগুলো বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদে স্বীকৃত চিন্তা, বিবেক ও বাক্-স্বাধীনতা এবং আন্তর্জাতিক নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার চুক্তির (ICCPR) ১৯ অনুচ্ছেদের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।</p>
<p data-path-to-node="17"><b data-path-to-node="17" data-index-in-node="0">২. ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮: অপব্যবহারের ইতিহাস</b></p>
<p data-path-to-node="18">ডিএসএ কার্যত তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন ২০০৬-এর বিতর্কিত ৫৭ ধারারই দমনমূলক ধারাবাহিকতা বহন করেছিল। ২০১৮ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কেবল ডিএসএ-র অধীনেই ৪,৫০০-এর বেশি মানুষ নিপীড়নের শিকার হন—যাদের বড় অংশই সাংবাদিক, বিরোধী রাজনীতিবিদ ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি। সাধারণ বৈঠকেও মানুষ মোবাইল ফোন সঙ্গে নিতে ভয় পেত; জনপরিসরে তৈরি হয়েছিল চরম আতঙ্কের পরিবেশ।</p>
<p data-path-to-node="19">ক্লুনি জাস্টিস ফাউন্ডেশন ও সেন্টার ফর গভর্নেন্স স্টাডিজের (CGS) যৌথ বিশ্লেষণে ৩৯৬ জন সাংবাদিক জড়িত এমন ২২২টি মামলা পর্যালোচনায় দেখা গেছে, আইনটিকে মূলত ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক প্রতিহিংসার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। অভিযুক্ত সাংবাদিকদের বিনা পরোয়ানায় গ্রেপ্তার এবং রিমান্ডে শারীরিক নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে। ২০১৮ সালে আলোকচিত্রী শাহিদুল আলমকে ছাত্র আন্দোলনের সমালোচনার জেরে ৫৭ ধারায় গ্রেপ্তার করে ১০৮ দিন কারারুদ্ধ রাখা হয়। ময়মনসিংহে আইনজীবীদের বিরুদ্ধে কিংবা রংপুর-রাজশাহীর সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ডিএসএ-তে মামলা দিয়ে দীর্ঘ কারাবাসে বাধ্য করা হয়, যা পরবর্তীতে তাদের পেশাগত ও ব্যক্তিগত জীবন ধ্বংস করে দেয়।</p>
<p data-path-to-node="20"><b data-path-to-node="20" data-index-in-node="0">২.১ মুশতাক আহমেদ: আইনের প্রাণঘাতী পরিণতি</b></p>
<p data-path-to-node="21">ডিএসএ-র নির্মমতম শিকার ছিলেন লেখক ও ব্লগার মুশতাক আহমেদ। ২০২০ সালের মে মাসে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে করোনা মহামারি নিয়ে সরকারের ব্যবস্থাপনার সমালোচনা করায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। টানা ছয়বার জামিন নামঞ্জুর হওয়ার পর ২০২১ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কারাগারে তাঁর মৃত্যু হয়। তিনিই ডিএসএ-র অধীনে পুলিশি হেফাজতে মৃত্যুবরণকারী প্রথম ব্যক্তি। তাঁর সহ-অভিযুক্ত কার্টুনিস্ট আহমেদ কবির কিশোর দীর্ঘ নির্যাতন সহ্য করে জামিনে মুক্তি পান, যিনি পরবর্তীতে হেফাজতে নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়ে শ্রবণশক্তি হারানোর বিষয়টি প্রকাশ্যে আনেন।</p>
<p data-path-to-node="22"><b data-path-to-node="22" data-index-in-node="0">২.২ সাংবাদিকতায় বিধ্বংসী প্রভাব</b></p>
<p data-path-to-node="23">সিজিএস-এর পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ডিএসএ-র মোট মামলার ২৭.৪১ শতাংশই দায়ের হয়েছিল সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে; যেখানে কমপক্ষে ৩৫৫ জন গণমাধ্যমকর্মীকে অভিযুক্ত করা হয়। “গুজব ছড়ানো” ও “ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত”-এর মতো অস্পষ্ট ধারার সুযোগ নিয়ে কর্তৃপক্ষ যেকোনো গঠনমূলক সমালোচনাকে অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করার অবাধ সুযোগ পেয়েছিল।</p>
<p data-path-to-node="25"><b data-path-to-node="25" data-index-in-node="0">৩. প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা (সংশোধন) আইন ২০২৬: ডিএসএ-র প্রত্যাবর্তন</b></p>
<p data-path-to-node="26">সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ প্রস্তাবিত খসড়াটি পর্যালোচনায় দেখা যায়, এটি কার্যত ডিএসএ-র দমনমূলক চরিত্রকেই পুনরুজ্জীবিত করছে। টিআইবি, ব্লাস্ট এবং আর্টিকেল ১৯-সহ ১৯টি নাগরিক সমাজ সংগঠন এক যৌথ বিবৃতিতে এই সংশোধনীকে ‘ডিএসএ-র চেয়েও বেশি প্রতিক্রিয়াশীল’ বলে আখ্যায়িত করেছে।</p>
<ul data-path-to-node="27">
<li>
<p data-path-to-node="27,0,0"><b data-path-to-node="27,0,0" data-index-in-node="0">ফৌজদারি মানহানি (ধারা ২৫):</b> যৌন হয়রানি ও ব্ল্যাকমেইল সংক্রান্ত ধারায় ‘মানহানি’ ও ‘অপমান’ যুক্ত করা হয়েছে। এতে সর্বোচ্চ ৫ বছর কারাদণ্ড ও ২০ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে (নারী ও শিশুর ক্ষেত্রে দ্বিগুণ)। পেনাল কোডের ৪৯৯ ধারায় দেওয়ানি প্রতিকার থাকা সত্ত্বেও ডিজিটাল মাধ্যমে এটিকে অজামিনযোগ্য ও কঠোর শাস্তির আওতায় আনা জনস্বার্থের সাংবাদিকতাকে সরাসরি রুদ্ধ করবে।</p>
</li>
<li>
<p data-path-to-node="27,1,0"><b data-path-to-node="27,1,0" data-index-in-node="0">অপমান ও বুলিং (ধারা ২৫):</b> “মর্যাদা ক্ষুণ্ন হওয়া” বা “মানসিক অস্বস্তি”র মতো অত্যন্ত অনির্দিষ্ট ও সাবজেক্টিভ সংজ্ঞার ওপর ভিত্তি করে কাউকে কারাদণ্ড দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে। এর ফলে যৌক্তিক রাজনৈতিক বিতর্ক, অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা বা ভোক্তার ন্যায্য অভিযোগকেও ‘বুলিং’ হিসেবে চিহ্নিত করার ঝুঁকি তৈরি হবে।</p>
</li>
<li>
<p data-path-to-node="27,2,0"><b data-path-to-node="27,2,0" data-index-in-node="0">গুজব ও অপতথ্য (নতুন ধারা ২৬ক):</b> এই ধারায় “অযাচাইকৃত তথ্য” ছড়ানোর দায়ে সর্বোচ্চ ১০ বছর কারাদণ্ড ও ৪০ লাখ টাকা জরিমানার প্রস্তাব করা হয়েছে। জরুরি দুর্যোগ, মানবাধিকার লঙ্ঘন বা দুর্নীতির ঘটনা তাৎক্ষণিক প্রকাশের ক্ষেত্রে এটি সাংবাদিকদের জন্য চরম ফাঁদ হিসেবে কাজ করবে।</p>
</li>
<li>
<p data-path-to-node="27,3,0"><b data-path-to-node="27,3,0" data-index-in-node="0">কনটেন্ট ব্লকিং ও তদারকিহীন ক্ষমতা (ধারা ৮):</b> কেবল আইন প্রয়োগকারী সংস্থা নয়, বরং যেকোনো ক্ষমতাপ্রাপ্ত সরকারি সংস্থা অপরাধের “সন্দেহ” থেকেই কনটেন্ট ব্লক করার নির্দেশ দিতে পারবে। সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয়—ব্লক করা কনটেন্টের তালিকা জনসমক্ষে প্রকাশের বর্তমান আইনি বাধ্যবাধকতা তুলে নেওয়া হয়েছে।</p>
</li>
<li>
<p data-path-to-node="27,4,0"><b data-path-to-node="27,4,0" data-index-in-node="0">মোবাইল কোর্ট ও মানবাধিকার কমিশন বাদ:</b> নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পরিচালিত মোবাইল কোর্টকে সংক্ষিপ্ত বিচারে এসব অপরাধের শাস্তিদানের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে, যা নিরপেক্ষ শুনানির পরিপন্থী। এছাড়া সাইবার সুরক্ষা কাউন্সিল থেকে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে বাদ দিয়ে কেবল সরকারি আমলাদের প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে এবং কর্মকর্তাদের কাজের ক্ষেত্রে ‘সৎ বিশ্বাসে’র নামে আইনি দায়মুক্তি দেওয়া হয়েছে।</p>
</li>
</ul>
<p data-path-to-node="29"><b data-path-to-node="29" data-index-in-node="0">৪. আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট ও তুলনামূলক পর্যালোচনা</b></p>
<ul data-path-to-node="30">
<li>
<p data-path-to-node="30,0,0"><b data-path-to-node="30,0,0" data-index-in-node="0">ভারতের শ্রেয়া সিংঘল রায় (২০১৫):</b> ভারতের সুপ্রিম কোর্ট আইটি আইনের বিতর্কিত ৬৬ক ধারা বাতিল করে রায় দিয়েছিল যে, আইনের সংজ্ঞা যদি অস্পষ্ট হয় এবং তা মুক্তমত প্রকাশের ওপর ভীতি ছড়ায় (Chilling Effect), তবে তা অসাংবিধানিক। বাংলাদেশের প্রস্তাবিত ‘অপমান’ ও ‘বুলিং’-এর ধারাগুলো শ্রেয়া সিংঘল নীতির সম্পূর্ণ বিরোধী।</p>
</li>
<li>
<p data-path-to-node="30,1,0"><b data-path-to-node="30,1,0" data-index-in-node="0">সিঙ্গাপুরের অভিজ্ঞতা (POFMA):</b> সিঙ্গাপুরের অনলাইন সুরক্ষা আইনে নির্বাহী ক্ষমতা প্রয়োগের সুযোগ থাকায় তা বিরোধী মত ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতাকে সংকুচিত করেছে বলে আন্তর্জাতিক মহলে সমালোচিত। বাংলাদেশের প্রস্তাবিত খসড়ায় সিঙ্গাপুরের চেয়েও কম আইনি সুরক্ষা রাখা হয়েছে; কারণ এখানে কনটেন্ট ব্লকের বিরুদ্ধে স্বাধীন বিচারিক আপিলের কার্যকর সুযোগ রাখা হয়নি।</p>
</li>
</ul>
<p data-path-to-node="32"><b data-path-to-node="32" data-index-in-node="0">৫. প্রভাব মূল্যায়ন: কারা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন?</b></p>
<ul data-path-to-node="33">
<li>
<p data-path-to-node="33,0,0"><b data-path-to-node="33,0,0" data-index-in-node="0">সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মী:</b> ‘অযাচাইকৃত তথ্য’ প্রকাশের অজুহাতে অনুসন্ধানী সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ১০ বছরের কারাদণ্ডের খড়্গ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।</p>
</li>
<li>
<p data-path-to-node="33,1,0"><b data-path-to-node="33,1,0" data-index-in-node="0">লেখক, কার্টুনিস্ট ও গবেষক:</b> ব্যঙ্গাত্মক রাজনৈতিক কার্টুন বা সাহিত্যচর্চাকে ‘অপমান’ হিসেবে চিহ্নিত করে আইনি হেনস্তার পথ সুগম হবে।</p>
</li>
<li>
<p data-path-to-node="33,2,0"><b data-path-to-node="33,2,0" data-index-in-node="0">মানবাধিকার কর্মী ও সাধারণ নাগরিক:</b> বিচারবহির্ভূত ঘটনার তথ্য নথিভুক্তকারীদের ‘গুজব রটনাকারী’ তকমা দিয়ে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে সংক্ষিপ্ত বিচারে দণ্ড দেওয়ার ঝুঁকি তৈরি হবে।</p>
</li>
</ul>
<p data-path-to-node="35"><b data-path-to-node="35" data-index-in-node="0">৬. নীতিগত সুপারিশমালা</b></p>
<p data-path-to-node="36">১. <b data-path-to-node="36" data-index-in-node="3">প্রস্তাবিত সংশোধনী অবিলম্বে প্রত্যাহার:</b> খসড়া সংশোধনীটি প্রত্যাহার করে গণমাধ্যমকর্মী, নাগরিক সমাজ, প্রযুক্তিবিদ ও মানবাধিকার বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে অর্থবহ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সংলাপ শুরু করতে হবে।</p>
<p data-path-to-node="37">২. <b data-path-to-node="37" data-index-in-node="3">ধারা ২৫ থেকে মানহানি ও বুলিং বাদ দেওয়া:</b> অনলাইন মানহানিকে ফৌজদারি অপরাধের বাইরে রাখতে হবে। পেনাল কোডের সাধারণ আইনি কাঠামোর বাইরে এটিকে টেনে এনে মতপ্রকাশ রুদ্ধ করা বন্ধ করতে হবে।</p>
<p data-path-to-node="38">৩. <b data-path-to-node="38" data-index-in-node="3">প্রস্তাবিত ধারা ২৬ক বিলুপ্তকরণ:</b> ‘গুজব’ ও ‘ফেক নিউজ’-এর অস্পষ্ট সংজ্ঞার আড়ালে মুক্ত সাংবাদিকতা দমনের ধারাটি পুরোপুরি বাতিল করতে হবে।</p>
<p data-path-to-node="39">৪. <b data-path-to-node="39" data-index-in-node="3">কনটেন্ট ব্লকিংয়ে বিচারিক নজরদারি প্রতিষ্ঠা:</b> স্বাধীন বিচারিক পরোয়ানা ব্যতীত নির্বাহী আদেশে কনটেন্ট ব্লক করা যাবে না এবং স্বচ্ছতার স্বার্থে ব্লককৃত তথ্যের সরকারি তালিকা জনসমক্ষে প্রকাশ করতে হবে।</p>
<p data-path-to-node="40">৫. <b data-path-to-node="40" data-index-in-node="3">কাউন্সিল পুনর্গঠন ও মানবাধিকার কমিশন অন্তর্ভুক্তি:</b> সাইবার সুরক্ষা কাউন্সিলে মানবাধিকার কমিশন ও নাগরিক সমাজের স্বাধীন বিশেষজ্ঞদের অন্তর্ভুক্ত করতে হবে এবং নির্বাহীদের স্বেচ্ছাচারী দায়মুক্তি বাতিল করতে হবে।</p>
<p data-path-to-node="41">৬. <b data-path-to-node="41" data-index-in-node="3">আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানদণ্ড নিশ্চিতকরণ:</b> আইনটিকে আইসিসিপিআর-এর ১৯ অনুচ্ছেদ এবং আন্তর্জাতিক নাগরিক অধিকার সনদের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ রূপ দিতে হবে।</p>
<p data-path-to-node="42"><b data-path-to-node="42" data-index-in-node="0">উপসংহার</b></p>
<p data-path-to-node="43">ডিএসএ-র অন্ধকার যুগ পেরিয়ে মুক্ত গণমাধ্যম ও গণতান্ত্রিক পরিসর নিশ্চিত করার যে ঐতিহাসিক সুযোগ বাংলাদেশের সামনে এসেছে, প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা (সংশোধন) আইন ২০২৬ তার সম্পূর্ণ বিপরীত পথ নির্দেশ করছে। মুশতাক আহমেদের মর্মান্তিক আত্মত্যাগ আমাদের মনে করিয়ে দেয়—আইনের অস্পষ্ট ভাষা কীভাবে নাগরিকের জীবনের জন্য প্রাণঘাতী হয়ে উঠতে পারে। সাইবার অবকাঠামোর বাস্তব সুরক্ষার নামে নাগরিকদের সাংবিধানিক কণ্ঠরোধ করার এই অপচেষ্টা অবিলম্বে বন্ধ করা প্রয়োজন।</p>
<hr>
<p data-path-to-node="46"><b data-path-to-node="46" data-index-in-node="0">লেখক || </b>আহ্বায়ক, ডিএসএ ভিকটিমস নেটওয়ার্ক; প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও), সি-বিচ৭৭ লিমিটেড।</p>
<hr>
<p data-path-to-node="48"><b data-path-to-node="48" data-index-in-node="0">এডিটরস নোট || </b>আলোচ্য নীতি গবেষণা নিবন্ধে প্রকাশিত পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ লেখকের নিজস্ব। দেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি মুক্তচিন্তা, মতপ্রকাশের সাংবিধানিক অধিকার ও মানবাধিকার সুরক্ষার স্বার্থে লেখাটি সম্পাদকীয় প্রমিতকরণসহ প্রকাশ করা হলো।</p>
<hr><hr>
<p data-path-to-node="48"></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>প্রযুক্তি শিক্ষায় অংশীদার রাইজআপ&#45;স্পেস ক্যাম্প</title>
<link>https://digibanglatech.news/190870</link>
<guid>https://digibanglatech.news/190870</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li&gt;&lt;span&gt;প্রযুক্তি শিক্ষায় যৌথভাবে কাজ করবে দুই প্রতিষ্ঠান&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;li&gt;&lt;span&gt;বিজ্ঞান-রোবটিকসে হাতে-কলমে শেখার সুযোগ&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;li&gt;&lt;span&gt;তরুণদের উদ্ভাবন ও সমস্যা সমাধানে উৎসাহ&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6ab53160b8518.jpg" length="85472" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 24 Sep 2026 19:19:39 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>রাইজআপ ল্যাবস, স্পেস ইনোভেশন ক্যাম্প, প্রযুক্তি শিক্ষা, রোবটিকস, মহাকাশবিজ্ঞান, বিজ্ঞান শিক্ষা, উদ্ভাবন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, তরুণদের দক্ষতা</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="isSelectedEnd"><span>প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার উন্নয়ন এবং শিশু-কিশোরদের বিজ্ঞান ও উদ্ভাবনমুখী দক্ষতা গড়ে তুলতে যৌথভাবে কাজ করবে রাইজআপ ল্যাবস ও স্পেস ইনোভেশন ক্যাম্প। এ লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠান দুটি একটি সমঝোতা স্মারক সই করেছে। অংশীদারিত্বের আওতায় রাইজআপ ল্যাবস স্পেস ইনোভেশন ক্যাম্পের প্রযুক্তি অংশীদার হিসেবে নির্বাচিত বিভিন্ন কর্মসূচি, অনুষ্ঠান ও উদ্যোগে প্রযুক্তিগত সহায়তা দেবে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>এ সহযোগিতার মূল লক্ষ্য বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, রোবটিকস, মহাকাশবিজ্ঞান ও উদ্ভাবনে আগ্রহী শিশু-কিশোরদের হাতে-কলমে শেখার সুযোগ তৈরি করা। স্পেস ইনোভেশন ক্যাম্পের বিভিন্ন কার্যক্রমে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল, গণিত ও কম্পিউটিং শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>এ ধরনের কার্যক্রমের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা তাত্ত্বিক জ্ঞানের পাশাপাশি বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পায়। একই সঙ্গে সমস্যা সমাধান ও সৃজনশীল চিন্তার দক্ষতা গড়ে তোলার ক্ষেত্রও তৈরি হয়।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>স্পেস ইনোভেশন ক্যাম্পের বিভিন্ন উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে স্পেস ক্যাম্প, রোবটিকস কার্যক্রম, কর্মশালা ও শিক্ষামূলক প্রতিযোগিতা। এসব আয়োজনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের বৈজ্ঞানিক ধারণাকে বাস্তব কাজের সঙ্গে যুক্ত করার চেষ্টা করা হয়।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>সমঝোতা স্মারকের আওতায় রাইজআপ ল্যাবস তাদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা ও শিল্পখাতের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে স্পেস ইনোভেশন ক্যাম্পের প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন কর্মসূচিতে সহায়তা করবে। এর ফলে শিক্ষার্থীরা নতুন প্রযুক্তি সম্পর্কে ধারণা নেওয়ার পাশাপাশি প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিভিন্ন সমস্যা সমাধান, পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং নতুন কিছু তৈরির সুযোগ পাবে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>রাইজআপ ল্যাবস দীর্ঘদিন ধরে তরুণদের প্রযুক্তি দক্ষতা উন্নয়ন, গেম ও অ্যাপ উন্নয়ন, অ্যানিমেশনসহ বিভিন্ন প্রশিক্ষণ, কর্মশালা ও সক্ষমতা বৃদ্ধির কার্যক্রমে যুক্ত রয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে প্রতিষ্ঠানটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও প্রযুক্তিভিত্তিক উদ্ভাবনেও তরুণদের সম্পৃক্ত করছে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>দুই প্রতিষ্ঠানের এ অংশীদারিত্বের মাধ্যমে প্রযুক্তি, শিক্ষা ও সৃজনশীলতার সমন্বয়ে তরুণ প্রজন্মকে ভবিষ্যতের উদ্ভাবক ও সমস্যা সমাধানকারী হিসেবে গড়ে তোলার নতুন সুযোগ তৈরি হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।</span></p>
<p style="text-align: center;"><strong>//<span style="color: rgb(52, 73, 94);">ডিবিটেক</span>/<span style="color: rgb(52, 73, 94);">এসআইবি</span>/<span style="color: rgb(52, 73, 94);">এসএমই</span>/<span style="color: rgb(52, 73, 94);">এমআইএস</span>//</strong></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>একাডেমিয়া&#45;ইন্ডাস্ট্রি সহযোগিতায় গবেষণাকে কর্মসংস্থানে রূপান্তরের উদ্যোগ ইউজিসির</title>
<link>https://digibanglatech.news/190866</link>
<guid>https://digibanglatech.news/190866</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;3,0,0&quot;&gt;শিক্ষা ও গবেষণাকে শিল্প খাত এবং কর্মসংস্থানের সঙ্গে যুক্ত করতে ইউজিসির সমন্বিত কৌশলগত পরিকল্পনা&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;3,1,0&quot;&gt;ক্যাম্পাস থেকেই উদ্ভাবক তৈরিতে সিড ফান্ডিং, সায়েন্স পার্ক ও উদ্যোক্তা ইনস্টিটিউট স্থাপনের সিদ্ধান্ত&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;3,2,0&quot;&gt;বাজেটে স্টার্টআপে ৫০০ কোটি এবং সৃজনশীল অর্থনীতিতে ব্যাংশের সিএসআরসহ অতিরিক্ত তহবিলের প্রস্তাব&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6ab52827164db.jpg" length="106206" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 24 Sep 2026 18:39:39 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>ইউজিসি, একাডেমিয়া ইন্ডাস্ট্রি কোলাবোরেশন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ-আল-মামুন, সিড ফান্ডিং, স্টার্টআপ ফান্ড, ঢাকা</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="6">বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাকে দেশের শিল্প খাত ও কর্মসংস্থানের সঙ্গে যুক্ত করে জাতীয় উন্নয়নের লক্ষ্য অর্জনে সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ-আল-মামুন। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে ‘ইউজিসি-একাডেমিয়া কোলাবোরেশন: বর্তমান সরকার ও বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের নীতি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান’ শীর্ষক সেমিনারে মূল বক্তার বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।</p>
<p data-path-to-node="7">অধ্যাপক মামুন উল্লেখ করেন, গবেষণা থেকে উদ্ভাবন, সেখান থেকে নমুনা পণ্য তৈরি, বাণিজ্যিকীকরণ এবং সবশেষে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি—এটাই হওয়া উচিত উচ্চশিক্ষার মূল লক্ষ্য। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে আগামী নভেম্বরের শেষ সপ্তাহে ‘একাডেমিয়া-ইন্ডাস্ট্রি কোলাবোরেশন ডে’ পালনের ঘোষণা দেন তিনি। শিল্প খাতের চাহিদা অনুযায়ী কারিকুলাম আধুনিকায়ন, শিক্ষার্থীদের জন্য বাধ্যতামূলক ইন্টার্নশিপ এবং ক্যাম্পাস থেকেই উদ্যোক্তা তৈরিতে ‘সিড ফান্ডিং’ ও ‘ইনোভেশন গ্রান্ট’ প্রদানের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। এছাড়া ‘উদ্ভাবন ও উদ্যোক্তা উন্নয়ন ইনস্টিটিউট’ এবং ‘সায়েন্স পার্ক’ প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা রয়েছে ইউজিসির।</p>
<p data-path-to-node="8">অর্থনৈতিক অর্থায়নের চিত্র তুলে ধরে তিনি জানান, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে স্টার্টআপ তহবিলের জন্য ৫০০ কোটি টাকা এবং সৃজনশীল অর্থনীতি খাতের উন্নয়নে প্রাথমিকভাবে ৩০০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশ ব্যাংকের সিএসআর খাত থেকে আরও ৫০০ কোটি টাকা সংগ্রহের পরিকল্পনা রয়েছে। দেশ-বিদেশের বাংলাদেশি বিজ্ঞানীদের এক ছাতার নিচে এনে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা দেওয়া হবে। একই সঙ্গে সরকারি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে তৃতীয় ভাষা শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগ প্রক্রিয়াধীন।</p>
<p data-path-to-node="9">ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রোভিসি (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী ও ট্রেজারার অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।</p>
<p data-path-to-node="9" style="text-align: center;"><span style="color: rgb(0, 0, 0);">/<strong>/ডিবিটেক/আইএইচইউ/এসএমই/সিএমপি/</strong>/</span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ডিজিটাল ব্যাংকের দুয়ার খুলেছে: প্রান্তিক ক্ষমতায়ন ও সুস্থ প্রতিযোগিতার সুযোগ বাড়ুক</title>
<link>https://digibanglatech.news/190976</link>
<guid>https://digibanglatech.news/190976</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6ab6c20269b53.jpg" length="93303" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 24 Sep 2026 00:42:29 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>ডিজিটাল ব্যাংক বাংলাদেশ, বাংলাদেশ ব্যাংক এলওআই, ক্যাশলেস অর্থনীতি, ক্ষুদ্র ঋণ, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি, ফিনটেক প্রতিযোগিতা, সাইবার নিরাপত্তা, এ এইচ এম বজলুর রহমান</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<table border="1" style="border-collapse: collapse; width: 100%;"><colgroup><col style="width: 99.8744%;"></colgroup>
<tbody>
<tr>
<td>
<ul>
<li data-path-to-node="22,0,0">ডিজিটাল ব্যাংকিংয়ের প্রথম ধাপে ৫টি প্রতিষ্ঠানকে এলওআই দেওয়া ইতিবাচক, তবে বাজারের আকার ৫-এ সীমাবদ্ধ রাখা উচিত নয়।</li>
<li data-path-to-node="22,1,0">সুস্থ প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করতে প্রকাশ্য মানদণ্ডের ভিত্তিতে যোগ্য অন্যান্য আবেদনকারীদের জন্যও লাইসেন্সিংয়ের পথ খোলা রাখতে হবে।</li>
<li data-path-to-node="22,2,0">ন্যূনতম পরিশোধিত মূলধন ৩০০ কোটি টাকার পাশাপাশি ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা ও পরিচালন সক্ষমতা যাচাই অপরিহার্য।</li>
<li data-path-to-node="22,3,0">ডিজিটাল ব্যাংকের কোনো নিজস্ব শাখা না থাকায় নগদ অর্থ জমা ও উত্তোলনে বিদ্যমান আর্থিক অবকাঠামোর ইন্টারঅপারেবিলিটি জরুরি।</li>
<li data-path-to-node="22,4,0">সাফল্যের পরিমাপ অ্যাপ ডাউনলোড দিয়ে নয়, বরং নারী ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জামানতবিহীন ঋণের সহজলভ্যতায় নির্ধারিত হওয়া উচিত।</li>
</ul>
</td>
</tr>
</tbody>
</table>
<p data-path-to-node="10">পাঁচটি প্রস্তাবিত ডিজিটাল ব্যাংককে প্রাথমিক সম্মতি বা লেটার অব ইনটেন্ট (LOI) দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিঃসন্দেহে একটি সময়োপযোগী ও ইতিবাচক পদক্ষেপ। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের পরবর্তী মূল দায়িত্ব হলো যোগ্য অন্যান্য আবেদনকারীদের জন্যও স্বচ্ছ নীতিমালা বজায় রাখা এবং নিশ্চিত করা যেন এই নতুন প্রতিষ্ঠানগুলো সাধারণ মানুষের আর্থিক জীবনে অর্থবহ ও দৃশ্যমান পরিবর্তন আনতে পারে।</p>
<p data-path-to-node="11">গ্রামের একজন নারী উদ্যোক্তা হয়তো মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের (MFS) মাধ্যমে নিয়মিত অর্থ লেনদেন করেন, কাঁচামালের সরবরাহকারীকে মূল্য পরিশোধ করেন এবং প্রাত্যহিক সংসারের খরচও নির্বাহ করেন। কিন্তু ব্যবসা সম্প্রসারণের প্রয়োজনে যখন তাঁর একটি ছোট অঙ্কের প্রাতিষ্ঠানিক ঋণের দরকার হয়, তখন তাঁকে এমন জটিল কাগজপত্র, স্থাবর জামানত বা দূরবর্তী ব্যাংক শাখার মুখোমুখি হতে হয়—যা তাঁর নাগালের বাইরে। বাংলাদেশের ডিজিটাল ব্যাংকিংয়ের প্রকৃত সম্ভাবনা অনুধাবন করতে হলে এই কাঠামোগত ব্যবধানটি বুঝতে হবে: দেশে ডিজিটাল লেনদেনের পরিধি বেড়েছে, কিন্তু প্রান্তিক পর্যায়ের আর্থিক ও উৎপাদনশীল সুযোগ কি সমান্তরাল গতিতে বেড়েছে?</p>
<p data-path-to-node="12">এই বাস্তবতায় পাঁচটি প্রস্তাবিত ডিজিটাল ব্যাংককে লেটার অব ইনটেন্ট দেওয়ার বাংলাদেশ ব্যাংকের সিদ্ধান্ত প্রশংসনীয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ডিকে, বিকাশ, নোভা, বুস্ট ও কড়ি ডিজিটাল ব্যাংককে প্রাথমিক সম্মতি দিয়েছে বলে জানা গেছে। তবে মনে রাখা দরকার, এলওআই পাওয়া মানেই চূড়ান্ত লাইসেন্স পাওয়া নয়; মূলধনের শর্ত পূরণ, কারিগরি প্রস্তুতি ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা মূল্যায়নের পরই পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম শুরুর চূড়ান্ত অনুমোদন আসবে।</p>
<p data-path-to-node="13">এটি একটি আশাব্যঞ্জক সূচনা হলেও শুরুতেই ‘পাঁচ’ সংখ্যাটিকে গোটা বাজারের জন্য স্থায়ী সিলিং বা সীমা বানানো যৌক্তিক হবে না। দ্বিতীয় দফায় জমা পড়া ১২টি আবেদনের মধ্যে যারা এই দফায় এলওআই পাননি, তাঁদের মধ্যে যোগ্য প্রতিষ্ঠানগুলো প্রয়োজনীয় শর্ত ও মানদণ্ড পূরণ করলে ভবিষ্যতে লাইসেন্স পাওয়ার সুযোগ উন্মুক্ত রাখা উচিত। সেই মূল্যায়ন প্রক্রিয়া হতে হবে সুস্পষ্ট ও প্রকাশ্য মানদণ্ডের ভিত্তিতে।</p>
<p data-path-to-node="14">বাজারে আরও ডিজিটাল ব্যাংক প্রবেশের সুযোগ রাখার পক্ষে মূল যুক্তি কেবল সংখ্যা বৃদ্ধি নয়। কেবল কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে কাজ করতে দিলেই তারা স্বয়ংক্রিয়ভাবে লেনদেন মাশুল কমাবে, সেবার মান বাড়াবে কিংবা সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কাছে ঋণ পৌঁছে দেবে—এমন নিশ্চয়তা নেই। কিন্তু বাজারে যোগ্য ও সক্ষম প্রতিষ্ঠানের অবাধ প্রবেশের পরিবেশ থাকলে সেবার মান, মূল্য নির্ধারণ ও উদ্ভাবনী প্রযুক্তির মধ্যে স্বাস্থ্যকর প্রতিযোগিতা তৈরি হয়। একজন গ্রাহক তখন অ্যাকাউন্ট খোলা, তহবিল স্থানান্তর কিংবা মাইক্রো-লোন গ্রহণের ক্ষেত্রে একাধিক বিকল্প যাচাইয়ের স্বাধীনতা পান।</p>
<p data-path-to-node="15">তবে সেই প্রতিযোগিতার সুফল প্রান্তিক জনগোষ্ঠী কতটুকু পাবে, সেটিই মূল বিবেচ্য। কেবল শহুরে স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের জন্য দ্রুতগতির অ্যাপ তৈরি করলেই ডিজিটাল ব্যাংকিংয়ের অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত হবে না। গ্রামীণ ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, কৃষিজীবী পরিবার, নারী উদ্যোক্তা, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন জনগোষ্ঠী এবং স্বল্প ডিজিটাল দক্ষতাসম্পন্ন মানুষের প্রয়োজনকে সেবার আর্কিটেকচারে অগ্রাধিকার দিতে হবে। সহজ মাতৃভাষায় সেবার শর্তাবলি উপস্থাপন, ক্ষুদ্র সঞ্চয় ও ঋণে নামমাত্র খরচ, ২৪/৭ কার্যকর কাস্টমার সাপোর্ট এবং প্রয়োজনে মানবিক সহায়তা পাওয়ার ব্যবস্থা থাকা আবশ্যক।</p>
<p data-path-to-node="16">ডিজিটাল ব্যাংকের কোনো ভৌত শাখা থাকবে না বটে, কিন্তু তৃণমূল মানুষের দৈনন্দিন জীবনে নগদ টাকার প্রয়োজনীয়তা ফুরিয়ে যাবে না। তাই বিদ্যমান ব্যাংকিং পরিকাঠামো ও এজেন্ট নেটওয়ার্কের সঙ্গে আন্তঃসংযোগ বজায় রেখে সহজে ক্যাশ-ইন ও ক্যাশ-আউটের বাস্তব সুবিধা নিশ্চিত করা অপরিহার্য। অ্যাপের মাধ্যমে এক মিনিটে অ্যাকাউন্ট খোলা গেলেও জরুরি প্রয়োজনে গ্রাহক যদি নিজের অর্থ তুলতে বা জমা দিতে না পারেন, তবে পুরো ব্যবস্থার ওপর মানুষের আস্থা নষ্ট হবে।</p>
<p data-path-to-node="17">আস্থার দ্বিতীয় অপরিহার্য শর্ত হলো কঠোর সাইবার নিরাপত্তা ও গ্রাহক তথ্যের সুরক্ষা। ডিজিটাল ব্যাংক যত বেশি মানুষের স্পর্শকাতর ডেটা ও লেনদেন পরিচালনা করবে, পরিচয় জালিয়াতি, সাইবার আক্রমণ ও অপ্রত্যাশিত সিস্টেম ডাউনটাইমের ঝুঁকিও তত বাড়বে। গ্রাহকের ব্যক্তিগত আর্থিক তথ্য কী উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হচ্ছে, তার পূর্ণ স্বচ্ছতা থাকতে হবে। ভুল লেনদেন বা প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ নিষ্পত্তিতে দ্রুত প্রাতিষ্ঠানিক সমাধান নিশ্চিত করতে হবে; ব্যাংকিংয়ের ভবিষ্যৎ অ্যাপভিত্তিক হলেও গ্রাহকের আর্থিক ক্ষতির দায় কোনো স্বয়ংক্রিয় চ্যাটবট উত্তরের আড়ালে ঢেকে রাখা যায় না।</p>
<p data-path-to-node="18">বাংলাদেশ ব্যাংকের জন্য তাই দুটি কাজ একসঙ্গে এগিয়ে নেওয়া জরুরি। প্রথমত, এলওআইপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর ঘোষিত পরিশোধিত মূলধন (যা ১২৫ কোটি থেকে বাড়িয়ে ৩০০ কোটি টাকা করা হয়েছে), প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ও গ্রাহক সুরক্ষা মানদণ্ড কঠোরভাবে যাচাই করা। দ্বিতীয়ত, ভবিষ্যতে নতুন প্রতিষ্ঠান অন্তর্ভুক্তির জন্য একটি প্রকাশ্য ও বিশ্বাসযোগ্য গাইডলাইন উন্মুক্ত রাখা। কোন ত্রুটির কারণে আবেদন বাতিল হলো এবং কোন সক্ষমতা অর্জন করলে পরবর্তী ধাপে আবেদন বিবেচনা করা হবে—তা সুস্পষ্ট থাকলে নিয়ন্ত্রক সংস্থার স্বাধীনতা ও জবাবদিহি দুটিই সমুন্নত থাকবে।</p>
<p data-path-to-node="19">নতুন ডিজিটাল ব্যাংকগুলোর সাফল্য কেবল অ্যাপ ডাউনলোডের সংখ্যা বা খোলা অ্যাকাউন্টের পরিসংখ্যান দিয়ে পরিমাপ করা উচিত নয়। দেখতে হবে—কতজন প্রান্তিক মানুষ নিয়মিত ও নিরাপদে এই সেবা ব্যবহার করছেন; উৎপাদনশীল ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা জামানতবিহীন সহজ ঋণ পাচ্ছেন কি না; গ্রাহকের প্রকৃত সেবা খরচ কমছে কি না; এবং বিরোধ নিষ্পত্তিতে কতটুকু দ্রুততা বজায় রাখা হচ্ছে। কেবল একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থাকা আর সেই অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে নিজের জীবিকা ও অর্থনৈতিক সক্ষমতা পরিবর্তনের ক্ষমতা পাওয়ার মধ্যে আকাশ-পাতাল ব্যবধান রয়েছে।</p>
<p data-path-to-node="20">বাংলাদেশ ব্যাংক ডিজিটাল ব্যাংকের দ্বার উন্মোচন করে একটি সময়োপযোগী পদক্ষেপ নিয়েছে। এখন প্রত্যাশা—প্রথম ধাপের প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রস্তুতি কঠোরভাবে তদারকির পাশাপাশি যোগ্য আরও দেশীয় ও আন্তর্জাতিক ফিনটেক প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রতিযোগিতার পথ উন্মুক্ত রাখা হবে। মূল লক্ষ্য ব্যাংকের সংখ্যা বাড়ানো নয়; লক্ষ্য এমন একটি গণমুখী আর্থিক ইকোসিস্টেম গড়ে তোলা, যেখানে প্রতিটি নাগরিক নিরাপদে, সাশ্রয়ী মূল্যে এবং নিজের চাহিদা অনুযায়ী আধুনিক ব্যাংকিং সেবা বেছে নিতে পারেন।</p>
<hr>
<p data-path-to-node="23"><b data-path-to-node="23" data-index-in-node="0">লেখক II </b>দায়িত্বশীল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স বিষয়ক আন্তর্জাতিক অ্যাম্বাসেডর; প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, বাংলাদেশ এনজিওস নেটওয়ার্ক ফর রেডিও অ্যান্ড কমিউনিকেশন (বিএনএনআরসি)।</p>
<hr>
<p data-path-to-node="25"><b data-path-to-node="25" data-index-in-node="0">এডিটরস II </b>আলোচ্য নিবন্ধে প্রকাশিত পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ লেখকের নিজস্ব। দেশে আর্থিক অন্তর্ভুক্তি জোরদার, উদ্ভাবনী ফিনটেক সংস্কার এবং গ্রাহকবান্ধব ডিজিটাল রূপান্তরের স্বার্থে লেখাটি সম্পাদকীয় প্রমিতকরণসহ প্রকাশ করা হলো।</p>
<hr><hr>
<p data-path-to-node="25"></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ডিআইইউতে গবেষণা ও গ্রান্ট রাইটিং প্রশিক্ষণ কর্মসূচি</title>
<link>https://digibanglatech.news/190732</link>
<guid>https://digibanglatech.news/190732</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;4,0,0&quot;&gt;১৬২ জন শিক্ষকের অংশগ্রহণে গ্রান্ট রাইটিং সেশন&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;4,1,0&quot;&gt;এআই ও আধুনিক গবেষণা পদ্ধতিবিষয়ক কৌশল আলোচনা&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;4,2,0&quot;&gt;প্রফেসর ড. গিয়াস ইউ. আহসানের সঞ্চালনা&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6ab3abbc89c67.jpg" length="109721" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 23 Sep 2026 11:38:11 +0600</pubDate>
<dc:creator>ক্যাম্পাস করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়, ডিআইইউ, গবেষণা প্রশিক্ষণ, গ্রান্ট রাইটিং, ড. গিয়াস ইউ. আহসান, বিশ্ববিদ্যালয় সংবাদ, উচ্চশিক্ষা, ঢাকা, গবেষণা অনুদান</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="8">আধুনিক সাইটেশন ইনডেক্সিং, এআই-অ্যাসিস্টেড মেথডোলজি এবং আন্তর্জাতিক গ্রান্ট অ্যালগরিদমের মানদণ্ড বজায় রেখে আন্তর্জাতিক গবেষণা ফান্ডিং নিশ্চিত করার লক্ষে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে (ডিআইইউ) “গবেষণা ও গ্রান্ট রাইটিং-এ উৎকর্ষ” (Research and Grant Writing Excellence) শীর্ষক একটি দিনব্যাপী ফলপ্রসূ প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।</p>
<p data-path-to-node="8">বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব মিলনায়তনে ‘মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) গ্রান্ট রাইটিং টাস্ক ফোর্স’-এর সহায়তায় ‘অফিস অফ দ্য অ্যাডভাইজার, স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড ইনোভেশন’ এবং ‘গবেষণা বিভাগ’ যৌথভাবে এই কর্মসূচিটি সফলভাবে পরিচালনা করে।</p>
<p data-path-to-node="9">কৌশল ও উদ্ভাবন বিষয়ক উপদেষ্টা এবং জনস্বাস্থ্যের অধ্যাপক ড. গিয়াস ইউ. আহসান মূল বক্তা হিসেবে প্রধান প্রশিক্ষণ সেশনটি পরিচালনা করেন। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক গবেষণা অনুদান প্রাপ্তি ও ব্যবস্থাপনায় তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতার আলোকে তিনি প্রতিযোগিতামূলক প্রস্তাবনা তৈরি, অর্থায়নকারী সংস্থার অগ্রাধিকার ও মূল্যায়ন মানদণ্ডের সাথে আবেদনের সামঞ্জস্য বিধান, পর্যালোচকদের প্রত্যাশা অনুধাবন, শক্তিশালী ও বহু-বিভাগীয় (multidisciplinary) দল গঠন, বলিষ্ঠ গবেষণা পদ্ধতি প্রণয়ন এবং বাস্তবসম্মত বাজেট প্রস্তুতির বিষয়ে কার্যকর কৌশলসমূহ তুলে ধরেন।</p>
<p data-path-to-node="12">গবেষণা বিভাগের পরিচালকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই কর্মসূচিতে টাস্ক ফোর্সের সদস্যরা প্রয়োজনীয় কারিগরি সহায়তা প্রদান করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৬২ জন শিক্ষক এই কর্মসূচিতে নিবন্ধিত হয়ে অংশ নেন, যা গবেষণা ও অনুদান-প্রস্তাবনা লেখার দক্ষতা উন্নয়নে ডিআইইউ (DIU)-এর শিক্ষাবিদদের আগ্রহ প্রদর্শন করে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আশা করছে, এই প্রশিক্ষণ শিক্ষাবিদদের বৈশ্বিক মানের ফান্ডিং প্রাপ্তিতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।<br>/<strong>/ডিবিটেক/এএইচকে/এসএমই/এমআইএসটি/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ই&#45;কমার্সে খাদ্য নিরাপত্তা: চাহিদার অসঙ্গতি, সহজ ইউবিআইডি ও ভোক্তার অধিকার</title>
<link>https://digibanglatech.news/190972</link>
<guid>https://digibanglatech.news/190972</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202608/image_870x_6a7149a69d6da.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 22 Sep 2026 23:54:49 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>ই-কমার্স খাদ্য নিরাপত্তা, এফ-কমার্স ভেজাল, ইউবিআইডি নিবন্ধন, বিএসটিআই মানদণ্ড, নিরাপদ খাদ্য আইন, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ, অনলাইন শপিং সচেতনতা, ই-ক্যাব</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<table border="1" style="border-collapse: collapse; width: 100%;"><colgroup><col style="width: 99.8688%;"></colgroup>
<tbody>
<tr>
<td>
<ul>
<li data-path-to-node="21,0,0">উৎপাদন ব্যয়ের গাণিতিক হিসেবে কম দামে বিক্রি বেশিরভাগ অনলাইন ঘি, মধু ও সরিষার তেল কৃত্রিম উপাদানে তৈরি।</li>
<li data-path-to-node="21,1,0">৩ লাখেরও বেশি এফ-কমার্স পেজের মধ্যে ৯০ শতাংশেরই কোনো প্রাতিষ্ঠানিক বা আইনি অনুমোদন নেই।</li>
<li data-path-to-node="21,2,0">জটিল আমলাতান্ত্রিক প্রক্রিয়া বাদ দিয়ে ই-টিনের মতো ১০ মিনিটে স্বয়ংক্রিয় ও বিনামূল্যে ইউবিআইডি নিশ্চিত করা জরুরি।</li>
<li data-path-to-node="21,3,0">লজিস্টিকস ও কুরিয়ার সার্ভিসে পণ্য প্রেরণে ইউবিআইডি বাধ্যতামূলক করলে ভুয়া পেজের কার্যক্রম স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হবে।</li>
<li data-path-to-node="21,4,0">প্রতিটি পণ্যের মোড়কে বিএসটিআই ল্যাব রিপোর্টের যাচাইযোগ্য কিউআর কোড যুক্ত করা এবং সচেতনভাবে প্রমাণসহ ভোক্তা অধিকারে অভিযোগ দায়ের করা প্রয়োজন।</li>
</ul>
</td>
</tr>
</tbody>
</table>
<p data-path-to-node="10">বাংলাদেশে ই-কমার্স এবং ফেসবুকভিত্তিক এফ-কমার্স ব্যবসার দ্রুত প্রসারের সাথে সাথে অনলাইনে খাবার কেনাবেচার দৃশ্যপট নাটকীয়ভাবে পরিবর্তিত হয়েছে। ডিজিটাল লেনদেনের সহজলভ্যতা এবং হোম ডেলিভারির সুবিধার কারণে ঘি, মধু, সরিষার তেল, গুঁড়া মসলা, ভেষজ পাউডার, ফলের জুস, দই, মিষ্টি এবং হোমমেড কেকের বিক্রি এখন আকাশচুম্বী। '১০০% খাঁটি', 'অর্গানিক', 'ঘানি ভাঙা' কিংবা 'ঘরে তৈরি' মুখরোচক বিজ্ঞাপনী স্লোগানে সাধারণ ক্রেতারা বিভ্রান্ত হয়ে কোটি কোটি টাকার কেনাকাটা করছেন। অথচ এই চটকদার বিজ্ঞাপনের আড়ালে কাঁচামালের বাস্তব জোগানের তীব্র ঘাটতি, বিএসটিআই সনদের জালিয়াতি এবং প্রাতিষ্ঠানিক নজরদারির অভাবে এক নীরব জনস্বাস্থ্য বিপর্যয় দানা বাঁধছে।</p>
<p data-path-to-node="11">ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (e-CAB) এবং ডিজিটাল কমার্স রিসার্চ অ্যান্ড অ্যাডভোকেসি ফোরামের (DCRAF) সমীক্ষা অনুযায়ী, দেশে অনলাইন বাণিজ্যের বাজার ২৫ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে, যার প্রায় এক-চতুর্থাংশ খাদ্য ও নিত্যপণ্যের। অথচ খাতটিতে নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান মাত্র হাজারখানেক হলেও ৩ লাখের বেশি ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ফেসবুক পেজে ব্যবসা করছেন। এদের ৯০ শতাংশেরও বেশি বিক্রেতার কোনো ট্রেড লাইসেন্স, ভ্যাট নিবন্ধন, বিএসটিআই মানসনদ বা নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের ছাড়পত্র নেই। বেশিরভাগ পেজে প্রদর্শিত ল্যাব টেস্টের রিপোর্টগুলো হয় জাল, নয়তো পুরোনো। তদুপরি হোমমেড কেক, দই কিংবা খোলা ভেষজ পাউডারের ব্যাচভিত্তিক মান যাচাইয়ের সরকারি কোনো নজরদারি সেলও সক্রিয় নেই।</p>
<p data-path-to-node="12">বিএসটিআই ও নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সাম্প্রতিক অনুসন্ধান থেকে স্পষ্ট যে, অনলাইনে ‘খাঁটি গাওয়া ঘি’ হিসেবে বিক্রি হওয়া পণ্যের বড় অংশে ডেইরি ফ্যাটের অস্তিত্বই নেই; বরং মিল্ক ফ্যাট সরিয়ে সেখানে পাম অলিন, ডালডা, সুগন্ধি এসেন্স এবং বিপজ্জনক রাসায়নিক ডাই-মিথাইল হলুদ মেশানো হচ্ছে। খাঁটি সরিষার তেলে ঝাঁঝ বাড়াতে ব্যবহৃত হচ্ছে ক্ষতিকর খনিজ তেল ও রাসায়নিক। প্রাকৃতিক মধুর নামে বাজার সয়লাব সুগার ও গ্লুকোজ সিরাপের মিশ্রণে, যা উচ্চ তাপে ফোটানোর ফলে বিষাক্ত উপাদানে রূপ নিয়ে ফ্যাটি লিভার ও ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ায়। গুঁড়া মসলায় টেক্সটাইল ডাই ও বিষাক্ত সিসা, ভেষজ পাউডারে দ্রুত ফল দেখাতে স্টেরয়েড, ফলের জুসে কৃত্রিম স্যাকারিন এবং মিষ্টি তৈরিতে কৃত্রিম স্টার্চ মেশানো দুধ ব্যবহারের কারণে মানুষ ক্যানসার ও কিডনি বিকল হওয়ার মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়ছে।</p>
<p data-path-to-node="13">খাদ্যপণ্যের জালিয়াতি বোঝার সবচেয়ে অকাট্য প্রমাণ মেলে দেশীয় উৎপাদন ও চাহিদার সহজ অর্থনৈতিক সমীকরণে:</p>
<ul data-path-to-node="14">
<li>
<p data-path-to-node="14,0,0"><b data-path-to-node="14,0,0" data-index-in-node="0">ঘিয়ের ক্ষেত্রে:</b> প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, দেশে বছরে তরল দুধের উৎপাদন ১ কোটি ৪০ লাখ মেট্রিক টন হলেও চাহিদা ১ কোটি ৫০ লাখ টনের বেশি। ১ কেজি খাঁটি ঘি তৈরিতে গড়ে ১৬ থেকে ২০ লিটার দুধ লাগে। প্রতি লিটার কাঁচা দুধের দাম ৭০ থেকে ৮০ টাকা ধরলে কেবল কাঁচামালেই ব্যয় হয় ১,১০০ থেকে ১,৪০০ টাকা। প্রসেসিং, প্যাকেজিং ও পরিবহন মিলিয়ে ১ কেজি ঘিয়ের ন্যূনতম উৎপাদন ব্যয় দাঁড়ায় ১,৪০০ থেকে ১,৬০০ টাকা, যা বাজারে ১,৮০০ থেকে ২,৫০০ টাকায় বিক্রি হওয়ার কথা। অথচ অনলাইনে তা ৭০০ থেকে ১,০০০ টাকায় অহরহ মিলছে, যা প্রমাণ করে এর সিংহভাগই পাম অয়েল ও ডালডার মিশ্রণ।</p>
</li>
<li>
<p data-path-to-node="14,1,0"><b data-path-to-node="14,1,0" data-index-in-node="0">সরিষার তেলের ক্ষেত্রে:</b> কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, বার্ষিক উৎপাদিত ১১-১২ লাখ টন সরিষা থেকে সর্বোচ্চ ৪-৪.৫ লাখ টন তেল পাওয়া যায়। অথচ দেশে ভোজ্যতেলের বার্ষিক চাহিদা ২৪-২৫ লাখ টন। এই বিশাল ঘাটতির মধ্যেও অনলাইনে যে পরিমাণ ‘খাঁটি ঘানি ভাঙা’ তেল সয়লাব, তার অধিকাংশই কৃত্রিম ঝাঁঝযুক্ত পাম তেল।</p>
</li>
<li>
<p data-path-to-node="14,2,0"><b data-path-to-node="14,2,0" data-index-in-node="0">মধুর ক্ষেত্রে:</b> সুন্দরবন ও বাণিজ্যিক মৌ-চাষ থেকে বছরে সংগৃহীত ১০-১২ হাজার টন মধুর বিপরীতে বাজারে বিক্রি হয় ২০ হাজার টনের বেশি। এই অতিরিক্ত ৮-১০ হাজার টন ব্যবধান তৈরি করছে কারখানাভিত্তিক কৃত্রিম চিনির শিরা।</p>
</li>
</ul>
<p data-path-to-node="15">দেশে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন (২০০৯), নিরাপদ খাদ্য আইন (২০১৩), বিএসটিআই আইন (২০১৮) এবং ডিজিটাল কমার্স পরিচালনা নির্দেশিকা (২০২১) থাকা সত্ত্বেও কার্যকর প্রতিকার মিলছে না। স্থায়ী ঠিকানা না থাকায় ফেসবুকভিত্তিক পেজগুলোর বিরুদ্ধে প্রচলিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা যায় না। একটি পেজ বন্ধ হলে নাম বদলে আরেকটি পেজ খুলে সহজেই প্রতারণা চালিয়ে যাওয়া যায়।</p>
<p data-path-to-node="16">এই সংকট উত্তরণে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ইউনিক বিজনেস আইডেন্টিফিকেশন (UBID) প্রক্রিয়াটিকে আমলাতান্ত্রিক জটিলতামুক্ত করতে হবে। জটিল নথিপত্রের কারণে গত কয়েক বছরে মাত্র হাতেগোনা উদ্যোক্তা এটি নিতে পেরেছেন। এনআইডি ও জাতীয় তথ্যের সাথে সংযুক্ত করে ই-টিনের (e-TIN) মতো সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয়, বিনামূল্যে এবং সর্বোচ্চ ১০ মিনিটে অনলাইন ইউবিআইডি পাওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। এর মাধ্যমে লাখ লাখ উদ্যোক্তার জাতীয় ডাটাবেজ তৈরি হবে, যা দিয়ে নীতি-নির্ধারকেরা কার্যকর তদারকি চালাতে পারবেন।</p>
<p data-path-to-node="17">একই সাথে কুরিয়ার ও লজিস্টিকস কোম্পানিগুলোর ওপর কঠোর বাধ্যবাধকতা আরোপ করতে হবে, যাতে বৈধ ইউবিআইডি ছাড়া কোনো খাদ্যপণ্যের পার্সেল বুকিং নেওয়া না হয়। এর ফলে অনিবন্ধিত অসাধু বিক্রেতারা স্বয়ংক্রিয়ভাবে লেনদেন ব্যবস্থা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে। পাশাপাশি বিএসটিআই-এর ল্যাব রিপোর্টের সত্যতা যাচাইয়ে প্রতিটি খাদ্যপণ্যের প্যাকেটে যাচাইযোগ্য কিউআর (QR) কোড থাকা বাধ্যতামূলক করা দরকার।</p>
<p data-path-to-node="18">আইনি সুরক্ষার বাইরে সাধারণ ক্রেতার সচেতনতাই বড় প্রতিরোধ। অবিশ্বাস্য স্বল্পমূল্যে পণ্য কেনা পরিহার করে বিক্রেতার স্থায়ী পরিচয় ও ইউবিআইডি যাচাই করা উচিত। লেনদেনের ক্যাশ মেমো ও চ্যাট রেকর্ড সংরক্ষণ করা থাকলে প্রতারণার শিকার হলে ৩০ দিনের মধ্যে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে লিখিত অভিযোগ করা যায়, যেখানে প্রমাণিত জরিমানার ২৫ শতাংশ অর্থ অভিযোগকারী গ্রাহককে দেওয়া হয়।</p>
<p data-path-to-node="19">অনলাইন খাদ্য বাণিজ্য দেশের অর্থনীতির বিরাট সম্ভাবনা। কিন্তু নিয়ন্ত্রণহীন ভেজাল এই খাতটিকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছে। প্রশাসনিক অটোমেশন, সহজ ইউবিআইডি এবং কঠোর নজরদারির মাধ্যমেই কেবল এই খাতকে নিরাপদ ও টেকসই করা সম্ভব।</p>
<hr>
<p data-path-to-node="22"><b data-path-to-node="22" data-index-in-node="0">লেখক || </b>ই-কমার্স বিশ্লেষক এবং প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য, ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ই-ক্যাব)।</p>
<hr>
<p data-path-to-node="24"><b data-path-to-node="24" data-index-in-node="0">এডিটরস নোট || </b>আলোচ্য নিবন্ধে প্রকাশিত তথ্য ও মতামত লেখকের নিজস্ব বিশ্লেষণ। ডিজিটাল বাণিজ্যে জনস্বাস্থ্যের সুরক্ষা ও প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন নিশ্চিতের তাগিদে লেখাটি সম্পাদকীয় পরিমার্জনসহ প্রকাশ করা হলো।</p>
<hr><hr>
<p data-path-to-node="24"></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>কপ৩১ কেন্দ্র করে তরুণদের ২০ দফা জলবায়ু সনদ প্রকাশ</title>
<link>https://digibanglatech.news/190655</link>
<guid>https://digibanglatech.news/190655</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;4,0,0&quot;&gt;৭টি মূল ক্ষেত্র অগ্রাধিকার দিয়ে ২০ দফা দাবি পরিবেশ মন্ত্রণালয়ে হস্তান্তর&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;4,1,0&quot;&gt;৬৪ জেলার তরুণ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ৩ বছরের গবেষণায় সনদ তৈরি&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;4,2,0&quot;&gt;ক্লাইমেট-টেক ও প্রযুক্তি রূপান্তরের মাধ্যমে নীতি বাস্তবায়নের তাগিদ&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6ab28b09cd785.jpg" length="118146" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 22 Sep 2026 17:04:47 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>বাংলাদেশ ইয়ুথ কপ ২০২৬, জলবায়ু অবস্থানপত্র, কপ৩১, একশনএইড বাংলাদেশ, ব্রাইটার্স, পরিবেশ মন্ত্রণালয়, ক্লাইমেট প্রযুক্তি, তরুণ জলবায়ুকর্মী, ঢাকা</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="8">আন্তর্জাতিক জলবায়ু আলোচনায় ডাটা-ড্রাইভেন পলিসি মডেলিং ও ক্লাইমেট-টেক অ্যাকসেস ব্যবস্থার প্রয়োগ ঘটিয়ে আন্তর্জাতিক জলবায়ু সম্মেলন কপ৩১-কে (COP31) সামনে রেখে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের বাস্তবতা ও দাবিগুলো বাংলাদেশের জাতীয় নীতিতে যুক্ত করার আহ্বান জানিয়ে ২০ দফা সনদ প্রকাশ করেছেন দেশের শতাধিক তরুণ জলবায়ুকর্মী। একই সঙ্গে ৬৪ জেলার তরুণদের দাবি এবং জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলের মানুষের সরাসরি অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে তৈরি এই ‘যুব জলবায়ু অবস্থানপত্র ২০২৬’ পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়।</p>
<p data-path-to-node="9">আজ মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে অবস্থিত এক এক মিলনায়তনে একশনএইড বাংলাদেশ ও ব্রাইটার্স আয়োজিত চার দিনব্যাপী ‘বাংলাদেশ ইয়ুথ কপ ২০২৬’-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে এই সনদ আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচন ও প্রকাশ করা হয়। প্রকাশিত এই অবস্থানপত্রে জলবায়ু প্রশমন, স্থানীয় নেতৃত্বাধীন অভিযোজন, পরিবেশগত ক্ষয়ক্ষতি ও ন্যায়সংগত অর্থায়ন, প্রযুক্তি হস্তান্তর, জলবায়ু শিক্ষা ও সচেতনতা, জেন্ডার সমতা ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তি এবং নীতি নির্ধারণে তরুণদের নেতৃত্বের মতো ৭টি মূল ক্ষেত্রকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। এবারের সম্মেলনের মূল প্রতিপাদ্য ছিল ‘প্যারিস থেকে আনতালিয়া: এক দশকের জলবায়ু প্রতিশ্রুতি ও বাস্তবতা’।</p>
<p data-path-to-node="10">এই অবস্থানপত্র তৈরির প্রক্রিয়ায় দেশের ৬৪ জেলার তরুণদের পাশাপাশি জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা বিভিন্ন প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মতামত নেওয়া হয়। ফোকাস গ্রুপ আলোচনা, গল্প বলার আসর, অংশগ্রহণমূলক মানচিত্রায়ন ও কমিউনিটি স্কোরকার্ডের মাধ্যমে সংগৃহীত তথ্যের পাশাপাশি দেশের ৭টি সুনির্দিষ্ট সংকটাপন্ন এলাকার ভুক্তভোগীদের মতামত এবং ৬টি ঝুঁকিপূর্ণ ক্লাস্টারের ৩ বছরের গবেষণার ওপর ভিত্তি করে সনদটি প্রস্তুত করা হয়েছে।</p>
<p data-path-to-node="11">সমাপনী দিনের প্রথম পর্বে ‘ফেসিং দ্য ফ্রন্টলাইনার্স: সিএসও অ্যান্ড এক্সপার্টস’ শীর্ষক আলোচনায় অংশ নেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও সিসিজে-বি পরিচালক এম হাফিজুল ইসলাম খান, সিপিআরডির প্রধান নির্বাহী মোঃ শামসুদ্দোহা, ইউএনডিপির শারমিন ইসলাম, ইউএন উইমেনের দিলরুবা শারমিন এবং প্রান্তিক এলাকার প্রতিনিধিরা। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন একশনএইড বাংলাদেশের ইয়ুথ, রেসিলিয়েন্স অ্যান্ড ক্লাইমেট জাস্টিস লিড মো. নাজমুল আহসান।</p>
<p data-path-to-node="12">পরবর্তীতে ‘চিলড্রেনস ভয়েস অন ক্লাইমেট’ টকশোতে পথশিশু ও হ্যাপি হোমসের শিশুরা জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব ও ভবিষ্যৎ নিয়ে নিজেদের উদ্বেগের কথা তুলে ধরে। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন আহমেদ রেজা। এছাড়া ‘ক্লাইমেট পলিসি নেগোশিয়েশন ফেলোশিপ’-এর ১৯ জন তরুণ আন্তর্জাতিক সম্মেলনের আদলে এক ছায়া নীতি-আলোচনায় (Mock Negotiation) অংশ নেন। সেখানে ক্ষয়ক্ষতি, জলবায়ু অর্থায়ন, ন্যায়সংগত রূপান্তর ও কপ৩১ সম্মেলনে দরকষাকষিতে বাংলাদেশের কৌশলগত অবস্থান নিয়ে চর্চা করা হয়।</p>
<p data-path-to-node="13">বিকেলের ‘ইন কনভারসেশন উইথ ডিপ্লোম্যাটস’ পর্বে উপস্থিত কূটনৈতিক প্রতিনিধিরা তরুণদের তৈরি অবস্থানপত্রটি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করেন এবং জলবায়ু সংকট মোকাবেলায় যুবদের সক্রিয় ভূমিকার ওপর জোর দেন। এ পর্বে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অভিজ্ঞতা এবং নীতি নির্ধারণী পর্যায়ে তরুণদের যুক্ত করার প্রয়োজনীয়তা উঠে আসে।</p>
<p data-path-to-node="14">পরবর্তীতে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. ফাহমিদা খানম ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর অবদান স্মরণ করে বলেন, “প্রকৃতপক্ষে, একা সরকারের পক্ষে এই বৈশ্বিক ও সর্বগ্রাসী সংকট সামাল দেওয়া অসম্ভব। পরিবেশ রক্ষায় তরুণরাই হতে পারে সবচেয়ে বড় প্রহরী। দূষণ চিহ্নিত করা, জীববৈচিত্র্যের ক্ষয় রোধ এবং জলবায়ু ঝুঁকির কথা তুলে ধরার পাশাপাশি তারা সাধারণ মানুষের মাঝে সচেতনতা তৈরিতে এক বিশাল ভূমিকা রাখতে পারে।”</p>
<p data-path-to-node="15">পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক (জলবায়ু, পরিবেশ ও আন্তঃসীমান্ত পানিসম্পদ অনুবিভাগ) কাজী এহসানুল হক বলেন, “জলবায়ু বিষয়ে নেওয়া বর্তমান সিদ্ধান্তগুলো তরুণদের ভবিষ্যৎকে প্রভাবিত করবে। তাই জলবায়ু নীতি ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় তরুণদের এখন থেকেই আরও সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত করতে হবে।”</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x_6ab28b0b01b64.jpg" alt=""></p>
<p data-path-to-node="16">সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, চরম আবহাওয়া এবং বাস্তুচ্যুতির কারণে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের মানুষ ইতোমধ্যে জলবায়ু পরিবর্তনের শিকার হচ্ছে বলে উল্লেখ করেন অস্ট্রেলিয়ার হাই কমিশনার সুজান রাইল। তিনি বলেন, “কার্যকর জলবায়ু পদক্ষেপের জন্য সরকার, স্থানীয় কমিউনিটি, তরুণ সমাজ ও ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীকে একসাথে কাজ করতে হবে। কপ৩১ সম্মেলনে বাস্তবায়নের ওপর জোর দিতে হবে এবং ঝুঁকিপূর্ণ মানুষের কণ্ঠস্বর নিশ্চিত করতে হবে।”</p>
<p data-path-to-node="17">ডেনিশ দূতাবাসের ডেপুটি হেড অব মিশন অ্যান্ডার্স বি. কার্লসেন বলেন, “জলবায়ু পরিবর্তনের কোনো সীমানা নেই। তাই স্থানীয় কমিউনিটি থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক নীতি-নির্ধারক - সবার যৌথ প্রচেষ্টা প্রয়োজন। নীতি নির্ধারণ ও স্থানীয় বাস্তবতার সমন্বয় এখন সময়ের দাবি।”</p>
<p data-path-to-node="18">অনুষ্ঠানে মালদ্বীপের হাই কমিশনার শিউনীন রশিদ বলেন, "জলবায়ু পদক্ষেপের কেন্দ্রে তরুণদের থাকা জরুরি, কারণ আজকের গৃহীত সিদ্ধান্তই তাদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে।"</p>
<p data-path-to-node="19">অন্যদিকে নোয়াখালীর হাতিয়া থেকে আসা প্রান্তিক যুব প্রতিনিধি নিজাম উদ্দিন দ্বীপাঞ্চলের নির্মম বাস্তবতা তুলে ধরে বলেন, “ঝড় ও জলাবদ্ধতা আমাদের বিচ্ছিন্ন করে ফেলে। যাতায়াত ও চিকিৎসাসেবা ভেঙে পড়ে, যা অন্তঃসত্ত্বা নারী ও জরুরি রোগীদের জীবন ঝুঁকিতে ফেলে। জলবায়ু অভিযোজন নীতিতে আমাদের মৌলিক সেবা ও স্থানীয় সুরক্ষাকে প্রাধান্য দিতে হবে।”</p>
<p data-path-to-node="20">একশনএইড বাংলাদেশ-এর কান্ট্রি ডিরেক্টর ফারাহ্ কবিরের সঞ্চালনায় এ পর্বে বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের প্রান্তিক মানুষের দাবি তুলে ধরার তাগিদ দেওয়া হয়।</p>
<p data-path-to-node="21">সমাপনী অধিবেশনে তরুণদের পক্ষ থেকে ব্রাইটার্সের চেয়ারপারসন ফারিহা অমি ‘বাংলাদেশ ইয়ুথ পজিশন ২০২৬’ উপস্থাপন করেন। সনদটি আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. ফাহমিদা খানম।</p>
<p data-path-to-node="22">একশনএইড ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ সোসাইটির চেয়ারপারসন ইব্রাহিম খলিল আল-জায়াদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ পর্বে জানানো হয়, গৃহীত সুপারিশগুলো কপ৩১ সম্মেলনে বাংলাদেশের সরকারি নীতিমালার অংশ হিসেবে তুলে ধরা হবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন। সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ‘ইয়ুথ অ্যাসপিরেশনস’-এর মাধ্যমে সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে।</p>
<p data-path-to-node="24">১৯ সেপ্টেম্বর পুলিশ প্লাজা থেকে গ্লোবাল প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশ পর্যন্ত পদযাত্রার মাধ্যমে চার দিনের এই কার্যক্রম শুরু হয়। ২০ সেপ্টেম্বর বিষয়ভিত্তিক আলোচনা ও ২১ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক অনলাইন আলোচনার (ওয়েবিনার) পর মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হলো মূল ও সমাপনী সম্মেলন।<br>/<strong>/ডিবিটেক/জেইএইচ/এসএমই/বিপিও/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ইউসিটিসি’র মেডিবোটিক্স’ থেকে জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র</title>
<link>https://digibanglatech.news/190593</link>
<guid>https://digibanglatech.news/190593</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;4,0,0&quot;&gt;বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের ‘বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬’-এ জাতীয় অগ্রাধিকারভিত্তিক পাঁচটি যুগান্তকারী উদ্ভাবন প্রদর্শন করেছে ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজি চিটাগং (ইউসিটিসি)&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;4,1,0&quot;&gt;স্বাস্থ্যসেবা, প্লাস্টিক বর্জ্য থেকে জ্বালানি, সামুদ্রিক তেল অপসারণ, কৃষি আইওটি ও মাইক্রো-পেল্টন জলবিদ্যুৎ প্রকল্পে উদ্ভাবনী সক্ষমতা তুলে ধরেন মেকানিক্যাল বিভাগের শিক্ষার্থীরা&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;4,2,0&quot;&gt;ডুয়েট ও কুয়েটের শীর্ষ অধ্যাপ ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6ab1e96071875.jpg" length="114585" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 22 Sep 2026 00:36:05 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬, ইউসিটিসি, ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজি চিটাগং, মেডিবোটিক্স রোবট, প্লাস্টিক বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ, ডিস্ক স্কিমার, স্মার্ট এগ্রিকালচারাল রোবট, মাইক্রো পেল্টন হুইল, ল্যাব টু মার্কেট, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="7">বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের গবেষণাগারে উদ্ভাবিত চমৎকার সব বৈজ্ঞানিক প্রোটোটাইপ কি কেবল মেলা প্রাঙ্গণ বা প্রদর্শনী হলের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে, নাকি দেশের শিল্প ও মানুষের কল্যাণে পৌঁছাবে বাণিজ্যিক পণ্য হিসেবে? বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ‘ইনোভেশন টু মার্কেট’ (উদ্ভাবন থেকে বাজারে) প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সম্প্রতি সমাপ্ত ‘বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬’-এ এই প্রশ্নটি নতুন করে সামনে এসেছে। জাতীয় অগ্রাধিকারের সঙ্গে সংগতি রেখে এই মেলায় অংশ নিয়ে প্রযুক্তি অঙ্গনের গভীর মনোযোগ কেড়েছে বন্দরনগরীর ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজি চিটাগং (ইউসিটিসি)-এর মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ।</p>
<p data-path-to-node="8">মেলায় ইউসিটিসির তরুণ উদ্ভাবক দল পাঁচটি সুনির্দিষ্ট ও বাস্তবমুখী উদ্ভাবন উপস্থাপন করে। প্রদর্শনী ও ডেলিগেশন সেশনটির সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন বিভাগের সমন্বয়ক মো. আবু বক্কর সিকদার, যা পরিদর্শনে আসা শিক্ষাবিদ, নীতিনির্ধারক ও বিচারকমণ্ডলীর সঙ্গে প্রযুক্তিগত আদান-প্রদানকে গতিশীল করে। ইউসিটিসির উদ্ভাবনগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছে—</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x_6ab1e962d11db.jpg" alt=""></p>
<p data-path-to-node="9"><strong>মেডিবোটিক্স (Medibotix):</strong> স্বাস্থ্যসেবা ও চিকিৎসা রোবোটিক্সে যুগান্তকারী এ প্রকল্পটির নেতৃত্বে ছিলেন শাফাত হাবিব জনি ও ইমরান মোহাম্মদ তাহসিন। এটি চিকিৎসক ও চিকিৎসা কর্মীদের জন্য সহায়ক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সমৃদ্ধ রিমোট মনিটরিং ও হেলথ ডাটা অ্যানালাইটিক্স ব্যবস্থা।</p>
<p data-path-to-node="10"><strong>প্লাস্টিক বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন: </strong>পরিবেশ সুরক্ষায় ব্যবহৃত বর্জ্য প্লাস্টিক প্রক্রিয়াজাত করে বিদ্যুৎ উৎপাদনের টেকসই মডেল। এ প্রকল্পের নেতৃত্বে ছিলেন মো. হানিফ হোসেন ও মোহাম্মদ আলী।</p>
<p data-path-to-node="11"><strong>ডিস্ক স্কিমার অয়েল স্পিল রিকভারি: </strong>কর্ণফুলী ও বঙ্গোপসাগরের বাস্তবতায় সামুদ্রিক জলজ পরিবেশ রক্ষায় তেল ছড়িয়ে পড়া রোধ ও তা দ্রুত অপসারণের কার্যকর যান্ত্রিক ব্যবস্থা, যা প্রস্তুত করেছেন অন্বয় দাস ও খালেদ রেজা।</p>
<p data-path-to-node="12"><strong>আইওটি স্মার্ট এগ্রিকালচারাল রোবট: </strong>ডেটা প্রেডিকশনের মাধ্যমে জলবায়ু ও মাটির গুণাগুণ বিশ্লেষণ করে ফসলের রোগবালাই শনাক্তকারী স্বয়ংক্রিয় কৃষি রোবট। দলনেতা হিসেবে কাজ করেছেন জিল্লুর রহমান ও সৈয়দ মো. খায়রুল ইসলাম।</p>
<p data-path-to-node="13"><strong>স্মার্ট মাইক্রো-পেল্টন হুইল হাইড্রো স্টেশন: </strong>অফ-গ্রিড দুর্গম পাহাড় ও পাহাড়ি ছড়ার পানির প্রবাহ কাজে লাগিয়ে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জ্বালানি চাহিদা মেটানোর ক্ষুদ্র জলবিদ্যুৎ প্রকল্প। এর নেতৃত্বে ছিলেন মহিব উল্লাহ ও মোহাম্মদ খোরশেদ আলম।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x_6ab1e961619f7.jpg" alt=""></p>
<p data-path-to-node="14">প্রদর্শনীর দিনগুলোতে মেগা প্রকল্পগুলোর কারিগরি নিখুঁততার স্বীকৃতি হিসেবে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) এবং ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (ডুয়েট) জ্যেষ্ঠ অধ্যাপকরা ইউসিটিসির শিক্ষার্থীদের সরাসরি তাদের অধীনে মাস্টার্স ও পিএইচডি গবেষণায় যুক্ত হওয়ার আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দেন।</p>
<p data-path-to-node="15">তবে অ্যাকাডেমিক এমন ভূয়সী প্রশংসা ও স্বীকৃতির পরও মেলাটি দেশের বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের আরঅ্যান্ডডি (R&amp;D) ব্যবস্থার এক দীর্ঘস্থায়ী সীমাবদ্ধতা ও প্যারাডক্স উন্মোচন করেছে। শিক্ষার্থীরা অসাধারণ প্রকৌশল মেধা দিয়ে ল্যাবে ‘প্রুফ-অব-কনসেপ্ট’ দাঁড় করালেও তা প্রায়শই তাৎক্ষণিক বাণিজ্যিক স্বীকৃতি বা বাজারে প্রবেশের বিনিয়োগ পেতে ব্যর্থ হয়। এর মূল বাধা কিন্তু মেধার ঘাটতি নয়; বরং ল্যাবরেটরি প্রোটোটাইপ থেকে স্ট্যান্ডার্ডাইজড শিল্পপণ্যে রূপান্তরের মধ্যে যে বিশাল কাঠামোগত দূরত্ব (Structural Chasm) রয়েছে, তা অতিক্রম করার প্রাতিষ্ঠানিক সুযোগের অভাব। একটি কার্যকর মডেলকে বাজারে আনতে হলে আধুনিক ম্যানুফ্যাকচারিং টুলস, ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি (আইপি) বা পেটেন্ট সুরক্ষা, দীর্ঘমেয়াদি মূলধন এবং মাঠপর্যায়ের কঠোর পরীক্ষার প্রয়োজন হয়—যা এককভাবে কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে জোগান দেওয়া অসম্ভব।</p>
<p data-path-to-node="16">আলাপকালে জানাযায়, ইউসিটিসির গবেষক দল এখন প্রাপ্ত বিশেষজ্ঞ মূল্যায়নের ভিত্তিতে প্রযুক্তিগুলোর ডিজাইন অপটিমাইজেশন, পেটেন্ট আবেদন এবং বাণিজ্যিক রূপরেখা তৈরির দিকে নজর দিচ্ছে।</p>
<p data-path-to-node="17">তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশের ইনোভেশন ইকোসিস্টেমকে পূর্ণাঙ্গ রূপ দিতে হলে শুধু শিক্ষার্থীদের কৃতিত্বের ওপর নির্ভর করলে চলবে না; প্রয়োজন সমন্বিত সরকারি ইনকিউবেশন অনুদান, ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ফান্ডের সহজলভ্যতা এবং দেশীয় শিল্পগোষ্ঠীগুলোর সরাসরি আরঅ্যান্ডডি পার্টনারশিপ। বিশ্ববিদ্যালয় ও করপোরেট শিল্পের মধ্যে এই কার্যকর সেতুবন্ধন রচিত না হলে দেশীয় মেধাবীদের উজ্জ্বল সব উদ্ভাবন প্রদর্শনী হলের স্মারক স্মারক হয়েই থেকে যাবে।<br>/<strong>/ডিবিটেক/ এনএপি/এসএমই/বিপিও/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ডিজিটাল সহিংসতাই বাস্তব সহিংসতা: কৃত্রিম বিভাজনের ফাঁদ ও নাগরিক অধিকার</title>
<link>https://digibanglatech.news/190974</link>
<guid>https://digibanglatech.news/190974</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6ab6bbcd1808b.jpg" length="121776" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 21 Sep 2026 00:22:23 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>ডিজিটাল সহিংসতা, প্রযুক্তি-সহায়ক লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা, নারীদের নাগরিক অধিকার, সাইবার হয়রানি, অনলাইন ব্ল্যাকমেলিং, ডক্সিং ও ডিপফেক, হেল্পলাইন ১০৯, ডিজিটাল ন্যায়বিচার</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<table border="1" style="border-collapse: collapse; width: 100.04%;"><colgroup><col style="width: 99.8794%;"></colgroup>
<tbody>
<tr>
<td>
<ul>
<li data-path-to-node="18,0,0">ডিজিটাল দুনিয়া থেকে অ্যাকাউন্ট বন্ধ বা লগ অফ করা কোনো স্থায়ী প্রতিকার নয়, বরং প্রকাশ্য নাগরিক জীবন থেকে উচ্ছেদ।</li>
<li data-path-to-node="18,1,0">শারীরিক পদধ্বনি আর ডিজিটাল কমেন্টের মধ্যে শরীর বা কর্টিসল হরমোন কোনো পার্থক্য খোঁজে না; মানসিক আঘাত সমপর্যায়ের।</li>
<li data-path-to-node="18,2,0">বিবিএস-এর তথ্যানুযায়ী, বাংলাদেশের ৮৯ শতাংশ নারী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্তত একবার সহিংসতার শিকার হয়েছেন।</li>
<li data-path-to-node="18,3,0">কোনো দৃশ্যমান কালশিটে দাগের জন্য অপেক্ষা করে বিচার করতে গেলে ডিজিটাল অপরাধের গভীর সামাজিক আঘাত আড়াল থেকে যায়।</li>
<li data-path-to-node="18,4,0">হেল্পলাইন ১০৯-এর কল রেকর্ড কেবল সংখ্যা নয়; জরুরি ভিত্তিতে রাষ্ট্র ও প্ল্যাটফর্মগুলোর সমন্বিত হস্তক্ষেপ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।</li>
</ul>
</td>
</tr>
</tbody>
</table>
<p data-path-to-node="10">ডিজিটাল দুনিয়া থেকে 'লগ অফ' করা বা সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা কোনো প্রতিকার নয়; এটি মূলত একজন নাগরিককে তার প্রকাশ্য সামাজিক ও নাগরিক জীবন থেকে উচ্ছেদের নামান্তর।</p>
<p data-path-to-node="11">সংবাদকক্ষ থেকে শুরু করে কিছু আদালতের এজলাসেও আজও একটি আপাত-নম্র কিন্তু মারাত্মক মানসিক প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়—যেখানে অনলাইন সহিংসতাকে অপেক্ষাকৃত 'লঘু' ক্ষতি হিসেবে দেখা হয়: এটিকে হয়তো দুর্ভাগ্যজনক কিংবা কুৎসিত বলা হয়, কিন্তু পূর্ণাঙ্গ ‘সহিংসতা’ বলে গণ্য করা হয় না। আর এই সমস্যার প্রস্তাবিত দাওয়াই হিসেবে দেওয়া হয় স্ব-উদ্যোগী সমাধানের পরামর্শ—'পাসওয়ার্ড বদলে ফেলুন', 'অ্যাকাউন্ট নিষ্ক্রিয় করুন', কিংবা 'ট্রলদের পাত্তা দেবেন না'। এই উপদেশগুলো মূলত নারীদের রাজপথ ও রান্নাঘরে যুগ যুগ ধরে দেওয়া পুরোনো নিষেধাজ্ঞারই আধুনিক সংস্করণ: "ঘর থেকে বেরিয়ো না, ওই ঘর ছেড়ে চলে যাও।" অথচ সেই 'ঘর' বা প্রকাশ্য আঙিনাই আজ কর্মসংস্থান, ব্যাংকিং, শিক্ষাঙ্গন, সাংবাদিকতা এবং রাষ্ট্রীয় রাজনীতির মূল কেন্দ্রবিন্দু।</p>
<p data-path-to-node="12">স্মার্টফোনের যুগ শুরুর বহু আগেই লিজ কেলি যৌন সহিংসতার ধারাবাহিক রূপরেখা (Continuum of Sexual Violence) নিয়ে লিখেছিলেন। সমকালীন বাস্তবতাকে তা আজও এক নির্মম নির্ভুলতায় চিত্রিত করে। এই ধারাবাহিক কাঠামোর মূল কথা কেবল যৌন নিপীড়নের মাত্রাভেদে অপরাধকে ছোট-বড় হিসেবে তালিকাভুক্ত করা নয়; বরং এটি দেখানো যে, সহিংসতার বহুমুখী রূপের একটাই উদ্দেশ্য—নারীদের মুক্ত বিচরণের পরিসর সংকুচিত করা এবং জনপরিসরে উপস্থিত থাকার মাশুল হিসেবে সাধারণ দর্শকমহলকে ভীতি প্রদর্শন করা। প্রযুক্তি-সহায়ক লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা (TFGBV) কখনোই সনাতন শারীরিক আঘাত বা চারদেয়ালে বন্দিত্বের বিকল্প নয়; বরং এটি ডিভাইসের পর্দা, বাণিজ্যিক প্ল্যাটফর্ম এবং সিন্থেটিক মিডিয়ার মাধ্যমে সেই নিপীড়নের ভৌগোলিক সীমানাকে আরও বিস্তৃত করে মাত্র। একজন রক্তমাংসের অন্ধ অনুসারী (Stalker) আর সুসংগঠিত ‘ডক্সিং’ প্রচারণা কোনো আলাদা জগৎ নয়; এগুলো মূলত একই শিকারি বা একই চক্রের ব্যবহৃত দুটি ভিন্ন প্রবেশদ্বার।</p>
<p data-path-to-node="13">মানুষের শরীর এই মানসিক ক্ষতের প্রতিটি আঘাত অনুভব করে। ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে। রক্তের কর্টিসল হরমোন একটি হিংস্র শারীরিক পদধ্বনি আর একটি বিদ্বেষমূলক কমেন্টের মধ্যে কোনো তফাত করে না। ফলে একজন নারী প্রথমে ডিজিটাল ফিড থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেন, তারপর সংবাদপত্রের বাইলাইন থেকে সরে দাঁড়ান এবং একপর্যায়ে রাজনৈতিক বা প্রাতিষ্ঠানিক প্রার্থিতা থেকেই পিছিয়ে যান। ইউএন উইমেন (UN Women)-এর এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে—৩৮ শতাংশ নারী ব্যক্তিগতভাবে অনলাইন সহিংসতার শিকার হয়েছেন এবং ৮৫ শতাংশ নারী এর প্রত্যক্ষদর্শী; সহিংসতার আশঙ্কায় ৪০ শতাংশের বেশি নারী আত্ম-নজরদারি বা নিজস্ব মতপ্রকাশ সংকুচিত করেছেন এবং প্রতি পাঁচজনে একজন পেশাগত প্রকাশ্য আলোচনা থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন। বাংলাদেশে পরিসংখ্যান ব্যুরোর (BBS) এক তথ্যে দেখা যায়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারী নারীদের মধ্যে ৮৯ শতাংশই অন্তত একবার অনলাইনে নিপীড়নের শিকার হয়েছেন। অথচ তাদের মধ্যে প্রতি পাঁচজনে একজনও আইনি প্রতিকার বা অভিযোগের পথ বেছে নেন না। যে ক্ষত এত সর্বব্যাপী এবং যার অভিযোগের হার এত কম, তা নিছক কোনো অনলাইন কনটেন্টের সমস্যা নয়—এটি একটি গভীর নাগরিক অধিকার সংকট।</p>
<p data-path-to-node="14">আমাদের সনাতন আইনি কাঠামো আজও সেই সেকেলে ফরেনসিক যুক্তির ওপর হোঁচট খাচ্ছে—যেখানে মনে করা হয়, কোনো অপরাধের দৃশ্যমান শারীরিক চিহ্ন না থাকলে তা অপরাধ নয়। যখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে কারও মুখাবয়ব বা সিন্থেটিক ছবি তৈরি করা হয়, তখন বহু তদন্ত কর্মকর্তা কিংবা স্বজন আজও প্রশ্ন তোলেন—ক্ষতিটা কি সত্যিই “বাস্তব”? এই নির্লজ্জ প্রশ্নটিই প্রমাণ করে আমরা এক কৃত্রিম ও মিথ্যা বিভাজনের ফাঁদে বন্দি। এই অপরাধের মূল ক্ষত লুকিয়ে থাকে ছবিটির অবাধ ছড়িয়ে পড়ায়, পরিবারের সাথে সম্মান রক্ষার দেনদরবারে, চাকরি হারানোর মর্মান্তিকতায় এবং সন্তানের সামনে ছড়িয়ে পড়া সেই কলঙ্কিত নথির সামাজিক যন্ত্রণায়। যে বিচারব্যবস্থা কেবল চামড়ার ওপর ক্ষতের কালশিটের অপেক্ষা করে, তা বরাবরই এই ডিজিটাল সহিংসতার সারবত্তা অনুধাবনে ব্যর্থ হবে।</p>
<p data-path-to-node="15">বাংলাদেশে জাতীয় হেল্পলাইন ‘১০৯’-এ প্রতিদিন অনলাইন ব্ল্যাকমেলিং, অনুমতিহীন অন্তরঙ্গ ছবি প্রকাশ, পরিচয় জালিয়াতি (Impersonation) এবং সেক্সটরশনের শত শত ফোন আসছে। যারা এই বিপদে কল করছেন, তারা নিছক কোনো ব্যক্তিগত মেজাজ বা অনুভূতির বর্ণনা দিচ্ছেন না; তারা বর্ণনা করছেন এমন এক সুপরিকল্পিত নির্মম চক্রের, যার চূড়ান্ত পরিণতি রূপ নেয় কর্মক্ষেত্র, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কিংবা প্রকাশ্য রাজপথ থেকে তাদের পুরোপুরি ছিটকে পড়ার মাধ্যমে। যে রাষ্ট্র কেবল ভুক্তভোগীর এই আর্তনাদ কলরেকর্ডে নথিভুক্ত করে কিন্তু অপরাধের মূল চক্রকে ভেঙে দেওয়ার প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা গড়ে তোলে না, সেই রাষ্ট্র প্রকারান্তরে এই মিথ্যা বিভাজনকেই নিজস্ব সরকারি নীতি হিসেবে মেনে নেয়।</p>
<p data-path-to-node="16">যতদিন না দেশের আইন, গণমাধ্যমের সম্পাদকীয় নীতিমালা এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলোর বিধিমালার কেন্দ্রবিন্দুতে ডিজিটাল সহিংসতাকে উন্মুক্ত নাগরিক চলাচলের ওপর সরাসরি আঘাত হিসেবে বিবেচনা করা হবে, ততদিন এর প্রতিকার কেবল ভুক্তভোগী নারীর ওপর চাপিয়ে দেওয়া এক ব্যক্তিগত দায় হিসেবেই রয়ে যাবে। ‘ঢাকা ডায়ালগ’-এ এই সম্মিলিত সংজ্ঞায়নের জোর দাবি মূলত ইন্টারনেটের 'শূন্যতার তত্ত্ব' (Vacuum theory) কবর দেওয়ার এক সাহসী প্রচেষ্টা। ডিজিটাল দুনিয়ায় কোনো শূন্যতা নেই; এখানে কেবল এমন কিছু নাগরিক পরিসর রয়েছে, যেখান থেকে প্রতিদিন নারীদের মুখ বুজে বেরিয়ে যেতে বলা হচ্ছে।</p>
<hr>
<p data-path-to-node="19"><b data-path-to-node="19" data-index-in-node="0">লেখক || </b>ধান উদ্ভাবন কর্মকর্তা ও মহাপরিচালক, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও প্রযুক্তি, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। তিনি একজন কূটনীতিক ও উদ্ভাবন কৌশলবিদ; কাজ করছেন বাণিজ্য, বিনিয়োগ, প্রযুক্তি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সুশাসনের সন্ধিক্ষণে। যুক্ত রয়েছেন Digital@UNGA, শিক্ষা ও এআই, সার্বভৌম কম্পিউট এবং অর্থনৈতিক কূটনীতির নীতিগত চর্চায়।</p>
<hr>
<p data-path-to-node="21"><b data-path-to-node="21" data-index-in-node="0">এডিটরস নোট || </b>আলোচ্য নিবন্ধে প্রকাশিত মতামত ও তাত্ত্বিক পর্যবেক্ষণ লেখকের নিজস্ব। ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে নাগরিকের অধিকার রক্ষা, লিঙ্গবৈষম্য নিরসন এবং জনসচেতনতা তৈরির অংশ হিসেবে লেখাটি সম্পাদকীয় প্রমিতকরণসহ প্রকাশ করা হলো।</p>
<hr><hr>
<p data-path-to-node="21"></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>টেলিস্কোপে চাঁদ দেখে মহাকাশ শিখল শিশুরা</title>
<link>https://digibanglatech.news/190428</link>
<guid>https://digibanglatech.news/190428</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li&gt;&lt;span&gt;৩৫ স্কুলের ৪২ শিশু-কিশোর অংশ নেয়&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;li&gt;&lt;span&gt;হাতে-কলমে মহাকাশবিজ্ঞান শেখার আয়োজন&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;li&gt;&lt;span&gt;টেলিস্কোপে চাঁদ পর্যবেক্ষণ ও চন্দ্রযান নির্মাণ&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6aafc016b681e.jpg" length="88485" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 20 Sep 2026 16:15:35 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>চাঁদ পর্যবেক্ষণ, মুন ক্যাম্প, মহাকাশবিজ্ঞান, শিশু-কিশোর, টেলিস্কোপ, স্পেস ইনোভেশন ক্যাম্প, আইইউবি, নাসা, বিজ্ঞান শিক্ষা</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="isSelectedEnd"><span>টেলিস্কোপে চাঁদ পর্যবেক্ষণ, চাঁদের মাধ্যাকর্ষণ বোঝা এবং নিজের হাতে চন্দ্রযানের মডেল তৈরি—এমন নানা হাতে-কলমে কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘ইন্টারন্যাশনাল অবজার্ভ দ্য মুন নাইট ও মুন ক্যাম্প’। বইয়ের গণ্ডি পেরিয়ে বাস্তব অভিজ্ঞতার মাধ্যমে শিশু-কিশোরদের মহাকাশবিজ্ঞান ও চাঁদের রহস্যের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয় এ আয়োজনে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশে শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬  প্রায় পাঁচ ঘণ্টাব্যাপী চলে এ বিজ্ঞানভিত্তিক আয়োজন। নাসার নেতৃত্বে বিশ্বব্যাপী আয়োজিত চাঁদ পর্যবেক্ষণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে বাংলাদেশে অনুষ্ঠানটি যৌথভাবে আয়োজন করে স্পেস ইনোভেশন ক্যাম্প ও কাসা, ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ।</span></p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x_6aafc0154b19f.jpg" alt=""></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>আয়োজকেরা জানান, দেশের ৩৫টি স্কুল থেকে ৪ থেকে ১৪ বছর বয়সী ৪২ জন শিশু-কিশোর এতে অংশ নেয়। ছোট ছোট দলে ভাগ হয়ে তারা চাঁদে বসতি তৈরির ধারণা, পৃথিবী থেকে চাঁদের দূরত্ব, চাঁদের মাধ্যাকর্ষণ এবং মহাকাশবিজ্ঞানের বিভিন্ন পরীক্ষায় অংশ নেয়।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>শুধু তাত্ত্বিক আলোচনা নয়, অংশগ্রহণকারীদের জন্য রাখা হয় ব্যবহারিক বিজ্ঞানচর্চার সুযোগ। তারা নিজের হাতে চন্দ্রযানের মডেল তৈরি করে সেটি পরীক্ষা করে। এর মাধ্যমে মহাকাশযানের নকশা, কার্যপ্রণালি এবং চন্দ্রপৃষ্ঠে অভিযানের ধারণা সম্পর্কে প্রাথমিক অভিজ্ঞতা নেওয়ার সুযোগ পায় শিশুরা।</span></p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x_6aafc01978c11.jpg" alt=""></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>আয়োজনের অন্যতম আকর্ষণ ছিল টেলিস্কোপে সরাসরি চাঁদ পর্যবেক্ষণ। শিশু-কিশোরদের পাশাপাশি তাদের অভিভাবকেরাও এ পর্বে অংশ নেন। অনেক অংশগ্রহণকারীর জন্য টেলিস্কোপে চাঁদ কাছ থেকে দেখার অভিজ্ঞতা ছিল প্রথমবারের মতো।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>চাঁদ পর্যবেক্ষণের সময় শিশুদের নানা প্রশ্ন, কৌতূহল ও অনুসন্ধিৎসা আয়োজনকে প্রাণবন্ত করে তোলে। বইয়ে পড়া মহাকাশবিজ্ঞানের ধারণাগুলোকে বাস্তব পর্যবেক্ষণের সঙ্গে যুক্ত করার সুযোগ পায় তারা।</span></p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x_6aafc017e9165.jpg" alt=""></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>স্পেস ইনোভেশন ক্যাম্পের সভাপতি আরিফুল হাসান অপু বলেন, শিশুরা যেন শুধু বই পড়ে মহাকাশ সম্পর্কে না জানে, বরং নিজের চোখে দেখে, হাতে-কলমে কাজ করে এবং প্রশ্ন করতে শেখে—এটাই তাদের লক্ষ্য।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>তিনি বলেন, একটি শিশু যখন টেলিস্কোপে চাঁদ দেখে বা নিজের হাতে চন্দ্রযানের মডেল তৈরি করে, তখন তার মধ্যে মহাকাশ নিয়ে নতুন স্বপ্ন তৈরি হয়। সেই স্বপ্নকে আরও বড় করে তোলাই তাদের প্রচেষ্টা।</span></p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x_6aafc01a5b066.jpg" alt=""></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>আয়োজকদের ভাষ্য, বিজ্ঞান ও মহাকাশকে শিশুদের কাছে সহজ, আনন্দময় ও বাস্তব অভিজ্ঞতার মাধ্যমে তুলে ধরার পাশাপাশি সৃজনশীলতা, দলগত কাজ, সমস্যা সমাধানের দক্ষতা এবং নতুন কিছু জানার আগ্রহ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।</span></p>
<p><span>কার্যক্রম শেষে অংশগ্রহণকারী শিশু-কিশোরদের হাতে সনদ তুলে দেওয়া হয়। চাঁদ পর্যবেক্ষণ, ব্যবহারিক বিজ্ঞানচর্চা ও মহাকাশ নিয়ে নতুন প্রশ্নের মধ্য দিয়ে শেষ হয় এবারের ‘ইন্টারন্যাশনাল অবজার্ভ দ্য মুন নাইট ও মুন ক্যাম্প’।</span></p>
<p>/<strong>/ডিবিটেক/এএইচও/বিপিও/এসএমই/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বিইউপি ফোটোগ্রাফিক সোসাইটির &amp;apos;স্ফুরণ ৬.০&amp;apos; উৎসবের পার্টনার হলো অপো</title>
<link>https://digibanglatech.news/190410</link>
<guid>https://digibanglatech.news/190410</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;3,0,0&quot;&gt;বিইউপি-এর &#039;স্ফুরণ ৬.০&#039; ভিজ্যুয়াল স্টোরিটেলিং উৎসবে টাইটেল স্পন্সরশিপের ঘোষণা দিয়েছে বৈশ্বিক প্রযুক্তি ব্র্যান্ড অপো&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;3,1,0&quot;&gt;ক্যামেরা ও মোবাইল ফটোগ্রাফি, আর্ট ও কার্টুন প্রদর্শনীসহ ৪টি ক্যাটাগরিতে শিক্ষার্থীদের ১০টি পর্যন্ত ছবি জমা দেওয়ার সুযোগ&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;3,2,0&quot;&gt;ইভেন্ট উপলক্ষে বিইউপি শিক্ষার্থীদের জন্য অপো কেয়ার সার্ভিস, ছাড়, ইএমআই এবং বিশেষ আফটার-সেলস সেবা চালু করা হয়েছে&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6aaf9849db734.jpg" length="122166" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 20 Sep 2026 12:25:15 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>অপো বাংলাদেশ, বিইউপি ফটোগ্রাফিক সোসাইটি, স্ফুরণ ৬.০, অপো স্মার্টফোন, ড্যামন ইয়াং, ঢাকা</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="6">বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস (বিইউপি)-এর বিইউপি ফটোগ্রাফিক সোসাইটি আয়োজিত ছবি তোলা ও ভিজ্যুয়াল প্রদর্শনী উৎসব ‘স্ফুরণ ৬.০’-এর পৃষ্ঠপোষক হিসেবে যুক্ত হয়েছে শীর্ষস্থানীয় বৈশ্বিক প্রযুক্তি ব্র্যান্ড অপো (OPPO)। দেশের বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণ শিক্ষার্থীদের সৃষ্টিশীল সম্ভাবনাকে তুলে ধরতে এই যৌথ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।</p>
<p data-path-to-node="7">'স্ফুরণ ৬.০'-এ রয়েছে চারটি সৃজনশীল বিভাগ—ক্যামেরা ফটোগ্রাফি, মোবাইল ফটোগ্রাফি, আর্ট এবং কার্টুন প্রদর্শনী। প্রতিযোগিতাটির ফটোগ্রাফি সেগমেন্ট উন্মুক্ত থিমে সাজানো হয়েছে, যেখানে কালার ও ব্ল্যাক-অ্যান্ড-হোয়াইট উভয় ধরনের ছবি জমা দেওয়া যাবে। যেকোনো স্মার্টফোন, পয়েন্ট-অ্যান্ড-শুট, পোলারয়েড বা ডিএসএলআর ক্যামেরা দিয়ে তোলা সর্বোচ্চ ১০টি পর্যন্ত ছবি জমা দিতে পারবেন প্রতিযোগীরা। শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা, মৌলিকতা এবং ভিজ্যুয়াল ভাব প্রকাশের ওপর ভিত্তি করে মূল মূল্যায়ন করা হবে।</p>
<div class="attachment-container search-images"><response-element class="no-md" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><single-image _nghost-ng-c1432618083="" data-is-interactive="false" class="spark-licensed-center-host luminous-layout ng-star-inserted" data-image-attachment-index="0"><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></single-image><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element></div>
<p data-path-to-node="9">এ অংশীদারিত্বের অংশ হিসেবে বিইউপি প্রাঙ্গণে অপো কেয়ার সার্ভিস সুবিধাসহ বিশেষ অভিজ্ঞতা ও বিনোদনমূলক অ্যাক্টিভিটির আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে বিইউপি শিক্ষার্থীরা ডিসকাউন্ট, ইএমআই সুবিধা এবং সার্ভিস অফারের আওতায় বিনামূল্যে প্রোটেক্টিভ ফিল্ম, ডিসইনফেকশন ও ক্লিন আপ সার্ভিস, সিস্টেম আপগ্রেড, ১-ঘণ্টায় ফ্ল্যাশ ফিক্স এবং আইওটি অ্যাক্সেসরিজের ওপর বিশেষ ছাড় পাবেন।</p>
<p data-path-to-node="10">সহযোগিতা নিয়ে অপো বাংলাদেশ অথরাইজড এক্সক্লুসিভ ডিস্ট্রিবিউটরের জেনারেল ম্যানেজার ড্যামন ইয়াং (Damon Yang) বলেন, "তরুণ নির্মাতারা নতুন দৃষ্টিকোণ নিয়ে বিশ্বকে দেখেন। অপো বিশ্বাস করে, তাদের নিজেদের গল্পগুলো ফুটিয়ে তুলতে এবং বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে দিতে প্রযুক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বিইউপি ফটোগ্রাফিক সোসাইটির ‘স্ফুরণ ৬.০’-এর মাধ্যমে আমরা শিক্ষার্থীদের সেই সৃষ্টিশীল প্রকাশকে উন্মুক্ত করার একটি চমৎকার প্ল্যাটফর্ম দিতে পেরে আনন্দিত।"<br>/<strong>/ডিবিটেক/ওপিপিএন/এসএমই/বিপিও/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>৪ হাজার ৮০০ আসনে ৫২ হাজার ২০০ বৈধ প্রার্থী</title>
<link>https://digibanglatech.news/190294</link>
<guid>https://digibanglatech.news/190294</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li&gt;&lt;strong&gt;৬৪ জেলায় একযোগে লিখিত পরীক্ষা&lt;/strong&gt;&lt;/li&gt;
&lt;li&gt;&lt;strong&gt;৮১ হাজার ৪০০ আবেদনের মধ্যে বৈধ ৫২ হাজার ২০০&lt;/strong&gt;&lt;/li&gt;
&lt;li&gt;&lt;strong&gt;ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণে ১৯ হাজার ২০০ জনের প্রশিক্ষণ সম্পন্ন&lt;/strong&gt;&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6aae49a2a255d.jpg" length="87601" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 19 Sep 2026 13:37:44 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ, যুব উন্নয়ন, ডিজিটাল দক্ষতা, অনলাইন কর্মসংস্থান, ফ্রিল্যান্সার, যুব কর্মসংস্থান, ডিজিটাল অর্থনীতি, দক্ষতা উন্নয়ন, আইটি প্রশিক্ষণ</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<h1><span style="font-size: 14px;">ডিজিটাল দক্ষতা অর্জন ও ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির সরকারি উদ্যোগে ৬৪ জেলায় একযোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে অষ্টম ব্যাচের ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের লিখিত বাছাই পরীক্ষা। ৫২ হাজার ২০০ প্রার্থী শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সকাল ৯টায় পরীক্ষায় অংশ নেন।</span></h1>
<p>যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের ‘৬৪ জেলায় শিক্ষিত কর্মপ্রত্যাশী যুবকদের ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি’ প্রকল্পের আওতায় এই ভর্তি প্রক্রিয়া পরিচালিত হচ্ছে। প্রকল্পের অধীনে তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লিমিটেড প্রশিক্ষণ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে।</p>
<p>অষ্টম ব্যাচে ৪ হাজার ৮০০টি প্রশিক্ষণ আসনের বিপরীতে মোট ৮১ হাজার ৪০০টি আবেদন জমা পড়ে। যাচাই-বাছাই শেষে ৫২ হাজার ২০০টি আবেদন বৈধ হিসেবে বিবেচিত হয়। এসব যোগ্য প্রার্থীকে শনিবারের লিখিত বাছাই পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়।</p>
<p>পরীক্ষা চলাকালে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুব-উল-আলম এবং যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. মোতাহার হোসাইন ঢাকার কল্যাণপুরে একটি পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। তারা পরীক্ষার সার্বিক কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন। দেশের অন্যান্য জেলার কেন্দ্রগুলোতেও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা পরীক্ষা কার্যক্রম তদারকি করেন।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x_6aae49c65abb9.jpg" alt=""></p>
<p>ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লিমিটেডের কল্যাণপুর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় ৫ হাজার ৫০০ প্রার্থী অংশ নেন। সারাদেশে বিপুলসংখ্যক তরুণের অংশগ্রহণ ডিজিটাল দক্ষতা অর্জন এবং ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে আয় করার সুযোগের প্রতি তরুণদের আগ্রহের বিষয়টি তুলে ধরেছে।</p>
<p>লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীরা রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নেবেন। চূড়ান্ত বাছাই শেষে অষ্টম ব্যাচের প্রশিক্ষণ শুরু হবে। এতে মোট ৪ হাজার ৮০০ জন প্রশিক্ষণার্থী নির্বাচিত হবেন। প্রতিটি জেলা থেকে ৭৫ জন করে প্রশিক্ষণার্থী নেওয়া হবে।</p>
<p>যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এই প্রকল্পের আওতায় এখন পর্যন্ত মোট ১৯ হাজার ২০০ জন প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেছেন। তাদের মধ্যে প্রায় ৬৪ শতাংশ, অর্থাৎ ১২ হাজার ৩৫৪ জন বিভিন্ন দেশি-বিদেশি ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে কাজ করে আয় করতে সক্ষম হয়েছেন বলে প্রকল্পের তথ্য জানানো হয়েছে।</p>
<p>প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের সম্মিলিত আয় প্রায় ৩ দশমিক ৪৩৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বলে উল্লেখ করা হয়েছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ৪২ কোটি ৩০ লাখ টাকা।</p>
<p>৬৪ জেলায় একযোগে লিখিত পরীক্ষা, জেলা-ভিত্তিক প্রশিক্ষণার্থী নির্বাচন এবং প্রশিক্ষণ শেষে আন্তর্জাতিক ও দেশীয় ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে কাজের সুযোগ তৈরির এই উদ্যোগে তরুণদের ডিজিটাল দক্ষতা উন্নয়নকে কর্মসংস্থানের সঙ্গে যুক্ত করা হচ্ছে।</p>
<p>//<strong>ডিবিটেক/ এমআরএস/এসএমই/এমআইটি</strong>//</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ডিজিটাল পরিসরে নারীর নিরাপত্তা: সুরক্ষার প্রতিশ্রুতি কেবল কাগজে নয়, বাস্তবে চাই</title>
<link>https://digibanglatech.news/190597</link>
<guid>https://digibanglatech.news/190597</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6ab1f80ee12b5.jpg" length="155061" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 18 Sep 2026 09:38:59 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>অনলাইন নিরাপত্তা, নারী ও সাইবার সহিংসতা, টিএফজিবিভি, ডিজিটাল অধিকার, আইনি প্রতিকার, প্ল্যাটফর্ম জবাবদিহি, ইউএনএফপিএ, সাইবার সুরক্ষা</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<ul>
<li data-path-to-node="20,0,0">প্রযুক্তির অগ্রযাত্রার সমান্তরালে সাইবার বুলিং ও ডিপফেকের মাধ্যমে নারীদের লক্ষ্যবস্তু করার হার মারাত্মকভাবে বাড়ছে।</li>
<li data-path-to-node="20,1,0">ইউএনএফপিএর তথ্যানুযায়ী, বিশ্বের অর্ধেকের বেশি নারী অনলাইন সহিংসতার বিরুদ্ধে কার্যকর আইনি সুরক্ষার বাইরে।</li>
<li data-path-to-node="20,2,0">ফৌজদারি শাস্তির পাশাপাশি দেওয়ানি প্রতিকার এবং প্রযুক্তি-নিরপেক্ষ (Tech-neutral) আধুনিক আইন প্রণয়ন জরুরি।</li>
<li data-path-to-node="20,3,0">২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ক্ষতিকর কনটেন্ট অপসারণে বৃহৎ প্রযুক্তি প্ল্যাটফর্মগুলোর প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।</li>
<li data-path-to-node="20,4,0">ডিজিটাল প্রমাণ সংরক্ষণ, বিশেষায়িত তদন্ত এবং ভুক্তভোগী সুরক্ষায় রুদ্ধদ্বার শুনানির আইনি বাধ্যবাধকতা প্রয়োজন।</li>
</ul>
<p data-path-to-node="10"><strong><span style="font-size: 12pt;">আ</span></strong>মরা এমন এক যুগে বাস করছি, যেখানে মানুষের বাস্তব জীবন আর ভার্চুয়াল জগতের মধ্যকার সীমারেখা কার্যত মুছে গেছে। তবে প্রযুক্তির এই অভাবনীয় অগ্রযাত্রার সাথে সাথে একটি অন্ধকার দিক ক্রমেই প্রকট হয়ে উঠছে—তা হলো ‘প্রযুক্তি-সহায়ক লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা’ বা টেকনোলজি-ফ্যাসিলিটেটেড জেন্ডার-বেসড ভায়োলেন্স (TFGBV)। সাইবার বুলিং, সম্মতিবিহীন অন্তরঙ্গ ছবি বা ডিপফেক ছড়িয়ে দেওয়া, অনলাইন স্টকিং থেকে শুরু করে চরিত্রহনন- ডিজিটাল পরিসরে নারী ও কন্যাশিশুরা প্রতিনিয়ত নিত্যনতুন কৌশলে সহিংসতার শিকার হচ্ছেন। দুঃখজনক হলেও সত্য, বাস্তব পৃথিবীর মতো ডিজিটাল জগতেও নারীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বৈশ্বিক আইন ও বিচারব্যবস্থা এখনো অনেকটাই পিছিয়ে রয়েছে।</p>
<p data-path-to-node="11">জাতিসংঘের জনসংখ্যা তহবিল (UNFPA)-এর সাম্প্রতিক তথ্য বিশ্লেষণ করলে উদ্বেগজনক চিত্র সামনে আসে। পরিসংখ্যান বলছে, বিশ্বের অর্ধেকেরও বেশি নারী এখনো অনলাইন সহিংসতার বিরুদ্ধে কার্যকর আইনি সুরক্ষার বাইরে। বিশ্বের মাত্র ৪০ শতাংশের কম দেশে সাইবার হয়রানি বিরোধী সুনির্দিষ্ট আইন রয়েছে এবং দেওয়ানি প্রতিকারের সুযোগ রয়েছে মাত্র ১৪ শতাংশ দেশে। এই পরিসংখ্যান স্পষ্ট করে দেয় যে, আইন যেখানে রয়েছে, সেখানেও তা দ্রুত পরিবর্তনশীল প্রযুক্তির সাথে তাল মেলাতে পারছে না। ফলে অপরাধীরা প্রতিনিয়ত দায়মুক্তির সুযোগ পেয়ে যাচ্ছে।</p>
<p data-path-to-node="12">আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন ও সনদ—যেমন CEDAW, ICCPR কিংবা জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সাম্প্রতিক রেজ্যুলেশন—স্পষ্টভাবে ঘোষণা করেছে: "<strong>অফলাইনে মানুষের যে অধিকার রয়েছে, তা অনলাইনেও সমানভাবে সুরক্ষিত হতে হবে"</strong>। কিন্তু এই নীতিকে বাস্তবে রূপ দিতে হলে প্রয়োজন একটি আধুনিক, কার্যকর ও মানবাধিকারভিত্তিক আইনি মডেল কাঠামো।</p>
<p data-path-to-node="13"><strong>আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে চারটি মৌলিক নীতিকে ভিত্তি হিসেবে ধরা জরুরি: </strong></p>
<ul>
<li>১. সম্মতি (Consent): আইনের কেন্দ্রবিন্দু হতে হবে ‘সম্মতি’, অপরাধীর তথাকথিত ‘উদ্দেশ্য’ নয়। সম্মতি হতে হবে অবাধ, সুনির্দিষ্ট ও প্রত্যাহারযোগ্য।</li>
<li>২. স্বায়ত্তশাসন ও এজেন্সি (Autonomy &amp; Agency): ভুক্তভোগীকে কেবল ‘রক্ষার পাত্র’ হিসেবে না দেখে তার নিজস্ব পরিচয়, তথ্য ও সিদ্ধান্তের ওপর অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে হবে।</li>
<li>৩. আন্তঃবিভাগীয়তা (Intersectionality): প্রান্তিক, সংখ্যালঘু, প্রতিবন্ধী নারী বা গণমাধ্যমে কাজ করা নারীদের বর্ধিত ঝুঁকি বিশেষভাবে বিবেচনায় নিতে হবে।</li>
<li>৪. স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা (Transparency &amp; Accountability): রাষ্ট্র ও বৃহৎ প্রযুক্তি প্ল্যাটফর্ম—উভয়কেই জনস্বার্থে জবাবদিহিতার আওতায় আনতে হবে।</li>
</ul>
<p data-path-to-node="14">একটি পূর্ণাঙ্গ আইনি কাঠামোর জন্য ফৌজদারি শাস্তির পাশাপাশি দেওয়ানি ও প্রশাসনিক প্রতিকারের সমান গুরুত্ব দেওয়া দরকার। আইনকে হতে হবে প্রযুক্তি-নিরপেক্ষ (Tech-neutral), যেন নতুন কোনো এআই বা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম আসার সাথে সাথে আইনের কার্যকারিতা ফুরিয়ে না যায়। যুক্তরাজ্যের ‘অনলাইন সেফটি অ্যাক্ট ২০২৩’-এর মতো স্পষ্ট আইন থাকা দরকার, যেখানে সম্মতি ছাড়া ব্যক্তিগত ছবি বা কনটেন্ট প্রকাশ সরাসরি অপরাধ; অপরাধীর ক্ষতিকর উদ্দেশ্য প্রমাণের অজুহাতে মামলা ঝুলে থাকার সুযোগ সেখানে নেই।</p>
<p data-path-to-node="15">একই সাথে প্রযুক্তি প্ল্যাটফর্মগুলোর ওপর কঠোর আইনি বাধ্যবাধকতা আরোপের সময় এসেছে। যুক্তরাষ্ট্রের ‘Take It Down Act’ কিংবা জার্মানির ‘NetzDG’-এর দৃষ্টান্ত অনুসরণ করে নির্দিষ্ট সময়ের (যেমন ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টা) মধ্যে ক্ষতিকর বা সম্মতিবিহীন কনটেন্ট অপসারণের নোটিশ কার্যকরের বাধ্যবাধকতা থাকা প্রয়োজন; ব্যর্থতায় বড় অঙ্কের জরিমানা ও প্রাতিষ্ঠানিক শাস্তির সুস্পষ্ট বিধান থাকতে হবে।</p>
<p data-path-to-node="16">পাশাপাশি তদন্ত প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের সংস্কার আবশ্যক। সনাতনী পুলিশিং দিয়ে সাইবার অপরাধের ডিজিটাল এভিডেন্স সংগ্রহ ও মেটাডেটা সংরক্ষণ সম্ভব নয়। এজন্য প্রয়োজন বিশেষায়িত তদন্ত প্রোটোকল, নিয়মিত প্রশিক্ষণ এবং সাক্ষ্য আইনে ডিজিটাল প্রমাণের সুস্পষ্ট গ্রহণযোগ্যতা। বিচার প্রক্রিয়ায় ভুক্তভোগীর পরিচয় সুরক্ষায় ছদ্মনাম ব্যবহার ও ইন-ক্যামেরা বা রুদ্ধদ্বার শুনানির মতো সংবেদনশীল ব্যবস্থাও রাখা চাই।</p>
<p data-path-to-node="17">তবে সবকিছুর ঊর্ধ্বে মনে রাখা দরকার, সুরক্ষার নামে যেন এমন কোনো বিধিনিষেধ তৈরি না হয় যা নাগরিকদের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা খর্ব করে। আবার আইনের কোনো অসতর্ক ফাঁদে পড়ে ভুক্তভোগী নারী নিজেই যেন পুনরায় হেনস্তার শিকার না হন।</p>
<p data-path-to-node="18">ডিজিটাল দুনিয়া কোনো আইনহীন প্রান্ত নয়। নারীর জন্য ডিজিটাল মাধ্যমকে নিরাপদ ও সমতাভিত্তিক করতে হলে বিচ্ছিন্ন কোনো পদক্ষেপ নয়, বরং একটি সমন্বিত জাতীয় কর্মপরিকল্পনা, সুনির্দিষ্ট বাজেট এবং কঠোর আইনি কাঠামোর দ্রুত বাস্তবায়ন প্রয়োজন। অনলাইন পরিসরে নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে সমতা ও টেকসই উন্নয়নের যেকোনো প্রতিশ্রুতিই অর্থহীন হয়ে পড়বে।</p>
<hr>
<p data-path-to-node="21"><b data-path-to-node="21" data-index-in-node="0">লেখক || </b>জেন্ডার-বেসড ভায়োলেন্স (GBV) বিশেষজ্ঞ, জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল (UNFPA)</p>
<hr>
<p data-path-to-node="23"><b data-path-to-node="23" data-index-in-node="0">এডিটরস নোট || </b>আলোচ্য নিবন্ধে ব্যক্ত মতামত লেখকের নিজস্ব পর্যবেক্ষণ ও নীতিগত বিশ্লেষণ। ডিজিটাল পরিসরে নারীর মৌলিক মানবাধিকার ও কার্যকর সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিতের তাগিদে লেখাটি সম্পাদকীয় প্রমিতকরণসহ প্রকাশ করা হলো।</p>
<hr><hr>
<p data-path-to-node="23"></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>মক্কায় ড্রোন ভূপাতিতের ভিডিওটি পুরোনো ও বিভ্রান্তিকর</title>
<link>https://digibanglatech.news/190113</link>
<guid>https://digibanglatech.news/190113</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;2,0,0&quot;&gt;ডিজিটাল যাচাইয়ে নিশ্চিত হওয়া গেছে ভিডিওটি ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসের&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;2,1,0&quot;&gt;ফুটেজটি মক্কার নয়, মদিনার আকাশে অজ্ঞাত ড্রোন ভূপাতিতের পুরোনো দৃশ্য&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;2,2,0&quot;&gt;সৌদি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ড্রোন ভূপাতিত করলেও ফুটেজটি ভিন্ন ঘটনার&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6aab9146dc1cd.jpg" length="98184" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 17 Sep 2026 09:05:51 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>ফ্যাক্টচেক, ড্রোন ভূপাতিত, মক্কা, মদিনা, হুতি ড্রোন, সৌদি এয়ার ডিফেন্স, ভুয়া ভিডিও, রিভার্স ইমেজ সার্চ, ফ্যাক্ট যাচাই</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="5">ডিজিটাল ফরেনসিক ও ফ্রেম-বাই-ফ্রেম রিভার্স ইমেজ বিশ্লেষণ প্রযুক্তির মাধ্যমে মক্কার আকাশে হুতিদের ড্রোন ভূপাতিতের দাবিতে ভাইরাল হওয়া ৩৫ সেকেন্ডের একটি ভিডিওকে পুরোনো ও বিভ্রান্তিকর বলে শনাক্ত করা হয়েছে।</p>
<p data-path-to-node="6">সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ওই ভিডিওতে রাতের আকাশে একটি প্রজ্বলিত বস্তুকে বিস্ফোরিত হয়ে নিচে পড়তে দেখা যায়। দাবি করা হয়, সৌদি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মক্কার দক্ষিণে হুতিদের নিক্ষিপ্ত একটি মানববিহীন আকাশযান (ড্রোন) ভূপাতিত করেছে। ফেসবুকসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে শতাধিক পেজে পোস্ট হওয়া এই ক্লিপটি <response-element class="no-md" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element><a _ngcontent-ng-c1002222265="" target="_blank" externallink="" _nghost-ng-c1732232618="" jslog="197247;track:generic_click,impression,attention;BardVeMetadataKey:W1sicl9lMTA3NDY1NTAwOWE4ZDhkIiwiY18zYzlhNjIzNjkzNzJhMGU2IixudWxsLCJyY18zNGM4ZWYwM2U3YjI1NWY5IixudWxsLG51bGwsImJuIixudWxsLDEsbnVsbCxudWxsLDEsMF1d" href="https://x.com/MOSSADil/status/2100109363415253023?s=20" class="ng-star-inserted" data-hveid="0" decode-data-ved="1" data-ved="0CAAQ_4QMahgKEwjyzI7LgPOWAxUAAAAAHQAAAAAQngY" rel="noopener">প্রথম লিংক</a><response-element class="no-md" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><link-block _nghost-ng-c1002222265="" class="ng-star-inserted"><!----></link-block><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element>, <response-element class="no-md" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element><a _ngcontent-ng-c1002222265="" target="_blank" externallink="" _nghost-ng-c1732232618="" jslog="197247;track:generic_click,impression,attention;BardVeMetadataKey:W1sicl9lMTA3NDY1NTAwOWE4ZDhkIiwiY18zYzlhNjIzNjkzNzJhMGU2IixudWxsLCJyY18zNGM4ZWYwM2U3YjI1NWY5IixudWxsLG51bGwsImJuIixudWxsLDEsbnVsbCxudWxsLDEsMF1d" href="https://www.facebook.com/reel/1453694496621320" class="ng-star-inserted" data-hveid="0" decode-data-ved="1" data-ved="0CAAQ_4QMahgKEwjyzI7LgPOWAxUAAAAAHQAAAAAQnwY" rel="noopener">দ্বিতীয় লিংক</a><response-element class="no-md" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><link-block _nghost-ng-c1002222265="" class="ng-star-inserted"><!----></link-block><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element>, <response-element class="no-md" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element><a _ngcontent-ng-c1002222265="" target="_blank" externallink="" _nghost-ng-c1732232618="" jslog="197247;track:generic_click,impression,attention;BardVeMetadataKey:W1sicl9lMTA3NDY1NTAwOWE4ZDhkIiwiY18zYzlhNjIzNjkzNzJhMGU2IixudWxsLCJyY18zNGM4ZWYwM2U3YjI1NWY5IixudWxsLG51bGwsImJuIixudWxsLDEsbnVsbCxudWxsLDEsMF1d" href="https://www.facebook.com/reel/1360142275866485" class="ng-star-inserted" data-hveid="0" decode-data-ved="1" data-ved="0CAAQ_4QMahgKEwjyzI7LgPOWAxUAAAAAHQAAAAAQoAY" rel="noopener">তৃতীয় লিংক</a><response-element class="no-md" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><link-block _nghost-ng-c1002222265="" class="ng-star-inserted"><!----></link-block><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element>, <response-element class="no-md" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element><a _ngcontent-ng-c1002222265="" target="_blank" externallink="" _nghost-ng-c1732232618="" jslog="197247;track:generic_click,impression,attention;BardVeMetadataKey:W1sicl9lMTA3NDY1NTAwOWE4ZDhkIiwiY18zYzlhNjIzNjkzNzJhMGU2IixudWxsLCJyY18zNGM4ZWYwM2U3YjI1NWY5IixudWxsLG51bGwsImJuIixudWxsLDEsbnVsbCxudWxsLDEsMF1d" href="https://www.facebook.com/reel/2395314764329327" class="ng-star-inserted" data-hveid="0" decode-data-ved="1" data-ved="0CAAQ_4QMahgKEwjyzI7LgPOWAxUAAAAAHQAAAAAQoQY" rel="noopener">চতুর্থ লিংক</a><response-element class="no-md" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><link-block _nghost-ng-c1002222265="" class="ng-star-inserted"><!----></link-block><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element>,<a href="https://www.facebook.com/reel/2270386647082653" target="_blank" rel="noopener"> </a><response-element class="no-md" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element><a href="https://www.facebook.com/reel/2270386647082653" target="_blank" rel="noopener">পঞ্চম লিংক</a><a _ngcontent-ng-c1002222265="" target="_blank" rel="noopener" externallink="" _nghost-ng-c1732232618="" jslog="197247;track:generic_click,impression,attention;BardVeMetadataKey:W1sicl9lMTA3NDY1NTAwOWE4ZDhkIiwiY18zYzlhNjIzNjkzNzJhMGU2IixudWxsLCJyY18zNGM4ZWYwM2U3YjI1NWY5IixudWxsLG51bGwsImJuIixudWxsLDEsbnVsbCxudWxsLDEsMF1d" href="https://www.facebook.com?utm_source=gemini" class="ng-star-inserted" data-hveid="0" decode-data-ved="1" data-ved="0CAAQ_4QMahgKEwjyzI7LgPOWAxUAAAAAHQAAAAAQogY"></a><response-element class="no-md" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><link-block _nghost-ng-c1002222265="" class="ng-star-inserted"><!----></link-block><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element> এবং <response-element class="no-md" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element><a _ngcontent-ng-c1002222265="" target="_blank" externallink="" _nghost-ng-c1732232618="" jslog="197247;track:generic_click,impression,attention;BardVeMetadataKey:W1sicl9lMTA3NDY1NTAwOWE4ZDhkIiwiY18zYzlhNjIzNjkzNzJhMGU2IixudWxsLCJyY18zNGM4ZWYwM2U3YjI1NWY5IixudWxsLG51bGwsImJuIixudWxsLDEsbnVsbCxudWxsLDEsMF1d" href="https://www.facebook.com/reel/1557737856373297" class="ng-star-inserted" data-hveid="0" decode-data-ved="1" data-ved="0CAAQ_4QMahgKEwjyzI7LgPOWAxUAAAAAHQAAAAAQowY" rel="noopener">ষষ্ঠ লিংকে</a><response-element class="no-md" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><link-block _nghost-ng-c1002222265="" class="ng-star-inserted"><!----></link-block><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element> প্রচার করা হয়, যার একটিতেই ভিউ ছাড়িয়েছে ছয় লাখ।</p>
<p data-path-to-node="7">ভিডিওটির কি-ফ্রেম নিয়ে রিভার্স ইমেজ সার্চ এবং মেটাডেটা ট্র্যাকিং করে দেখা যায়, হুবহু একই ফুটেজ ২০২৫ সালের ১২ সেপ্টেম্বর থেকেই অনলাইনে সক্রিয় রয়েছে, যা সাবেক টুইটারের এক্স প্লাটফর্মের দুইটি লিংকে<a href="https://www.facebook.com/reel/1557737856373297" target="_blank" rel="noopener">-</a>  <response-element class="no-md" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element><a href="https://www.facebook.com/reel/1557737856373297" target="_blank" rel="noopener">প্রথম লিংক</a><response-element class="no-md" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><link-block _nghost-ng-c1002222265="" class="ng-star-inserted"><!----></link-block><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element> ও <response-element class="no-md" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element><a href="https://x.com/MiddleEast_24/status/1966504081695928461" target="_blank" rel="noopener">দ্বিতীয় লিংক</a><response-element class="no-md" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><link-block _nghost-ng-c1002222265="" class="ng-star-inserted"><!----></link-block><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element><a href="https://x.com/MiddleEast_24/status/1966504081695928461" target="_blank" rel="noopener"> </a>এবং মেটার <a href="https://www.instagram.com/p/DOgyhGJkhFG/" target="_blank" rel="noopener">ইনস্টাগ্রামে </a>সংরক্ষিত আছে। এছাড়া ‘ইসলাম চ্যানেল’ নামের ফেসবুকের একটি ভেরিফায়েড পেজের <response-element class="no-md" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element><a href="https://www.facebook.com/islamchanneluk/videos/821297893659623/" target="_blank" rel="noopener">পোস্টে</a><response-element class="no-md" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><link-block _nghost-ng-c1002222265="" class="ng-star-inserted"><!----></link-block><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element><a href="https://www.facebook.com/islamchanneluk/videos/821297893659623/" target="_blank" rel="noopener"> </a>সে সময় এটিকে সৌদি আরবের মদিনার মসজিদে নববির কাছাকাছি আকাশে বিস্ফোরণ হিসেবে প্রচার করা হয়েছিল।</p>
<p data-path-to-node="8">আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের আর্কাইভ ও ওপেন-সোর্স ইনভেস্টিগেশন অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১১ সেপ্টেম্বর ভোর আনুমানিক ৫টা ৪০ মিনিটে মদিনায় একটি অননুমোদিত ড্রোন প্রযুক্তিগতভাবে শনাক্ত ও ভূপাতিত করা হয়, যার বিস্তারিত রয়েছে<a href="https://timesofindia.indiatimes.com/videos/international/explosions-in-saudi-city-missile-shot-down-near-prophets-mosque-in-holy-medina-rt-reports/videoshow/123859159.cms" target="_blank" rel="noopener"> </a><response-element class="no-md" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element><a href="https://timesofindia.indiatimes.com/videos/international/explosions-in-saudi-city-missile-shot-down-near-prophets-mosque-in-holy-medina-rt-reports/videoshow/123859159.cms" target="_blank" rel="noopener">প্রথম লিংক</a><response-element class="no-md" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><link-block _nghost-ng-c1002222265="" class="ng-star-inserted"><!----></link-block><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element>, <response-element class="no-md" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element><a _ngcontent-ng-c1002222265="" target="_blank" externallink="" _nghost-ng-c1732232618="" jslog="197247;track:generic_click,impression,attention;BardVeMetadataKey:W1sicl9lMTA3NDY1NTAwOWE4ZDhkIiwiY18zYzlhNjIzNjkzNzJhMGU2IixudWxsLCJyY18zNGM4ZWYwM2U3YjI1NWY5IixudWxsLG51bGwsImJuIixudWxsLDEsbnVsbCxudWxsLDEsMF1d" href="https://apnews.com?utm_source=gemini" class="ng-star-inserted" data-hveid="0" decode-data-ved="1" data-ved="0CAAQ_4QMahgKEwjyzI7LgPOWAxUAAAAAHQAAAAAQqQY" rel="noopener">দ্বিতীয় লিংক</a><response-element class="no-md" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><link-block _nghost-ng-c1002222265="" class="ng-star-inserted"><!----></link-block><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element>,<a href="https://noticiaslatam.lat/20250913/1166449189.html" target="_blank" rel="noopener"> </a><response-element class="no-md" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element><a href="https://www.detik.com/hikmah/khazanah/d-8116058/saudi-konfirmasi-tembak-jatuh-drone-yang-melintas-di-madinah" target="_blank" rel="noopener">তৃতীয় লিংক</a><response-element class="no-md" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><link-block _nghost-ng-c1002222265="" class="ng-star-inserted"><!----></link-block><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element><a href="https://www.detik.com/hikmah/khazanah/d-8116058/saudi-konfirmasi-tembak-jatuh-drone-yang-melintas-di-madinah" target="_blank" rel="noopener"> </a>ও <response-element class="no-md" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element><a href="https://theislamicinformation.com/news/missile-like-object-spotted-over-masjid-an-nabawi-sept-2025/?utm" target="_blank" rel="noopener">চতুর্থ লিংকে</a><response-element class="no-md" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><link-block _nghost-ng-c1002222265="" class="ng-star-inserted"><!----></link-block><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element><a href="https://theislamicinformation.com/news/missile-like-object-spotted-over-masjid-an-nabawi-sept-2025/?utm" target="_blank" rel="noopener">।</a> ওই ঘটনায় কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের ঘটনা ঘটেনি এবং ড্রোনের উৎস বা কোনো গোষ্ঠীর সম্পৃক্ততা নিশ্চিত করা হয়নি।</p>
<p data-path-to-node="8">রয়টার্সসহ বৈশ্বিক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, সম্প্রতি মক্কার আকাশে ড্রোন ভূপাতিতের দাবি করলেও সৌদি কর্তৃপক্ষ প্রযুক্তিগত বা চাক্ষুষ কোনো প্রমাণ দেয়নি এবং হুতিরা তা অস্বীকার করেছে। ফলে প্রমাণিত হয়, মদিনার এক বছর পুরোনো ফুটেজ বিভ্রান্তিকরভাবে মক্কার বর্তমান দাবি হিসেবে প্রচার করা হচ্ছে।<br>/<strong>/ডিবিটেক/এফসিডি/এসএমই/এমআইএসটি/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>স্টার্টআপ ওয়ার্ল্ড কাপে চ্যাম্পিয়ন থিতান</title>
<link>https://digibanglatech.news/190023</link>
<guid>https://digibanglatech.news/190023</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li&gt;&lt;span&gt;থিতান চ্যাম্পিয়ন, গ্রিন পোলারিস প্রথম রানারআপ&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;li&gt;&lt;span&gt;শূন্য দ্বিতীয় রানারআপ, পুরস্কার ১ লাখ টাকা&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;li&gt;&lt;span&gt;সান ফ্রান্সিসকোতে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবে চ্যাম্পিয়ন দল&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6aaa6c9ac9b19.jpg" length="114155" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 16 Sep 2026 15:02:44 +0600</pubDate>
<dc:creator>ক্যাম্পাস করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>স্টার্টআপ ওয়ার্ল্ড কাপ, থিতান, গ্রিন পোলারিস, শূন্য, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, স্টার্টআপ, উদ্যোক্তা, বিনিয়োগ, প্রযুক্তি</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="isSelectedEnd"><span>বাংলাদেশের স্টার্টআপ খাতে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার মঞ্চে জায়গা করে নিল </span><strong><span>থিতান</span></strong><span>। ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে অনুষ্ঠিত স্টার্টআপ ওয়ার্ল্ড কাপ বাংলাদেশ ২০২৬-এর গ্র্যান্ড ফাইনালে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে দলটি। প্রথম রানারআপ হয়েছে গ্রিন পোলারিস লিমিটেড এবং দ্বিতীয় রানারআপ হয়েছে টিম শূন্য। চ্যাম্পিয়ন দলটি যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রান্সিসকোতে অনুষ্ঠেয় বৈশ্বিক স্টার্টআপ ওয়ার্ল্ড কাপে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>সাভারের বিরুলিয়ায় ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬  স্টার্টআপ ওয়ার্ল্ড কাপ বাংলাদেশের আঞ্চলিক পর্বের গ্র্যান্ড ফাইনাল অনুষ্ঠিত হয়। ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ইনোভেশন অ্যান্ড এন্টারপ্রেনারশিপ বিভাগ এ আয়োজন করে। ইভেন্ট পার্টনার হিসেবে সহায়তা করেছে কারা বাংলাদেশ ও অ্যাক্সিয়ন বাংলাদেশ।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>গ্র্যান্ড ফাইনালে দেশের সেরা ১০টি স্টার্টআপ দল চূড়ান্ত পর্বে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। বিজয়ী দলগুলো মোট ১ লাখ টাকা পুরস্কার পায়। পাশাপাশি চ্যাম্পিয়ন দলটি সান ফ্রান্সিসকোতে অনুষ্ঠেয় বৈশ্বিক স্টার্টআপ ওয়ার্ল্ড কাপে অংশ নেওয়ার সুযোগ পেয়েছে। সেখানে দলটি ১০ লাখ মার্কিন ডলারের বিনিয়োগ পুরস্কারের জন্য নিজেদের উদ্যোগ উপস্থাপনের সুযোগ পাবে। শীর্ষ ১০টি দলকেও বিশেষ নেটওয়ার্কিং সেশনে অংশ নিতে সান ফ্রান্সিসকো যাওয়ার আমন্ত্রণ পাওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>বাংলাদেশ পর্বের কান্ট্রি ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ইনোভেশন অ্যান্ড এন্টারপ্রেনারশিপ বিভাগের প্রধান মো. কামরুজ্জামান দিদার। প্রোগ্রাম ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তরুণ উদ্যোক্তা এবং লাইভ শপিংয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও প্রতিষ্ঠাতা মো. আশিক খান।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন ড্যাফোডিল ফ্যামিলির চেয়ারম্যান ও ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খান। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. আর. কবির।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>বিশেষ অতিথি ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের পেগাসাস টেক ভেঞ্চারের ব্যবসা উন্নয়ন পরিচালক জাস্টিন জ্যাকসন। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মাসুম ইকবাল এবং আইসিটি বিভাগের উপসচিব মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম খান।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>অধ্যাপক ড. এম. আর. কবির বলেন, “ইনোভেশন অ্যান্ড এন্টারপ্রেনারশিপ বিভাগ সবসময় শিক্ষার্থীদের বাস্তবভিত্তিক ও বাস্তব জীবনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা দেওয়ার চেষ্টা করে। সেই ধারাবাহিকতায় বিভাগটি দ্বিতীয়বারের মতো স্টার্টআপ ওয়ার্ল্ড কাপ আয়োজন করেছে। স্টার্টআপ ওয়ার্ল্ড কাপ বাংলাদেশ ২০২৬ দেশের সম্ভাবনাময় স্টার্টআপগুলোকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরার এবং বাংলাদেশের উদ্ভাবনী সক্ষমতাকে বৈশ্বিক মঞ্চে প্রতিষ্ঠার নতুন সুযোগ তৈরি করেছে।”</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>জাস্টিন জ্যাকসন বলেন, “স্টার্টআপ ওয়ার্ল্ড কাপ বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ স্টার্টআপ প্রতিযোগিতা। বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের মেধাবী উদ্যোক্তাদের বৈশ্বিক মঞ্চে তুলে ধরার জন্য এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে।”</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>আয়োজকেরা জানান, স্টার্টআপ ওয়ার্ল্ড কাপ বাংলাদেশ শুধু একটি প্রতিযোগিতা নয়; দেশের উদ্ভাবনী ও সম্ভাবনাময় তরুণ প্রজন্মকে আন্তর্জাতিক ব্যবসায়িক মঞ্চে তুলে ধরার একটি উদ্যোগ। এর মাধ্যমে তরুণ উদ্যোক্তারা বিনিয়োগকারী, শিল্পসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও ব্যবসায়িক অংশীদারদের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ পেয়েছেন, যা তাদের ব্যবসার সম্প্রসারণ ও বিকাশে ভূমিকা রাখতে পারে।</span></p>
<p>দেশের স্টার্টআপ পরিবেশকে আরও শক্তিশালী করতে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ইনোভেশন অ্যান্ড এন্টারপ্রেনারশিপ বিভাগ নিয়মিত বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়ে আসছে। এসব কার্যক্রম উদ্ভাবন, উদ্যোক্তা উন্নয়ন, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।<br>/<strong>/ডিবিটেক/এএইচকে/েএনএপিিআইএইচ/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>প্রযুক্তির নগর শেনজেন ও বাংলাদেশের নাগরিক ভাবনার ভবিষ্যৎ</title>
<link>https://digibanglatech.news/189954</link>
<guid>https://digibanglatech.news/189954</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6aa98a69404cf.jpg" length="51401" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 15 Sep 2026 20:14:41 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>শেনচেন নগর ব্যবস্থাপনা, প্রযুক্তি ও নাগরিক সেবা, ক্যান্টন ফেয়ার, আইএসপিএবি, টেকসই নগরায়ণ, ইন্টারনেট ও বিদ্যুৎ অবকাঠামো, ডিজিটাল অর্থনীতি, স্থানীয় সরকার সংস্কার, সেনজেন প্রযুক্তি বিপ্লব</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p></p>
<table border="1" style="border-collapse: collapse; width: 99.967%; height: 100px;"><colgroup><col style="width: 100%;"></colgroup>
<tbody>
<tr style="height: 100px;">
<td style="height: 100px;">
<ul>
<li data-path-to-node="46,0,0">চীনের প্রযুক্তি নগর সেনজেন পরিদর্শন ছিল নাগরিক সেবা ও প্রযুক্তির সমন্বিত রূপ দেখার এক বাস্তব অভিজ্ঞতা।</li>
<li data-path-to-node="46,1,0">কেবল উড়ালসড়ক বা বড় ভবন নয়; কার্যকর ট্রাফিক, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ, দ্রুতগতির ইন্টারনেট ও জনকল্যাণই প্রকৃত আধুনিকতা।</li>
<li data-path-to-node="46,2,0">সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের অভাব সরকারি অর্থের অপচয় বাংলাদেশের নগর ব্যবস্থাপনার অন্যতম প্রধান সংকট।</li>
<li data-path-to-node="46,3,0">শুধু প্রযুক্তির ‘ভোক্তা’ হয়ে থাকলে চলবে না; গবেষণা ও নীতিগত প্রণোদনার মাধ্যমে ‘উৎপাদক’ হওয়ার সক্ষমতা অর্জন করতে হবে।</li>
<li data-path-to-node="46,4,0">নাগরিকের অভিযোগ ও সেবায় ওপেন ড্যাশবোর্ড এবং স্থানীয় সরকার কাঠামোর ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।</li>
</ul>
</td>
</tr>
</tbody>
</table>
<p data-path-to-node="12"></p>
<p data-path-to-node="12">গত ৯ থেকে ১১ সেপ্টেম্বর চীনের কুয়াংচৌ শহরে ঐতিহ্যবাহী আসন্ন সিআইও ফেয়ারের পার্শ্ববর্তী প্রযুক্তি নগরী সেনজেন পরিদর্শনের সুযোগ হয়েছিল আমার। সেখানে অনুষ্ঠিত হয় সিআইওই চায়না আন্তর্জাতিক অপটোইলেকট্রনিক প্রদর্শনী (সিআইও) থেকে আমার সঙ্গে আইএসপি, আইটি ও প্রযুক্তিসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ব্যবসায়ী ও শীর্ষ প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরাও এই মেলায় অংশ নেন।</p>
<p data-path-to-node="12">এটি বলে রাখা ভালো যে, এই মেলায় অংশগ্রহণ ছিল সবার ব্যক্তিগত বা নিজ প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে। সেখানে দেখা হয় ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (আইএসপিএবি) মহাসচিব নাজমুল করিম ভূঁইয়া, জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি সাইফুল ইসলাম সিদ্দিক, কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য মিঠু হাওলাদার, সেলিমসহ প্রায় ৫০ জন সদস্যের সঙ্গে। তাঁরা তিন দিন ধরে মেলা ঘুরে দেখেন, আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে অভিজ্ঞতা বিনিময় করেন, উন্নত প্রযুক্তি পণ্যের ক্রয়াদেশ দেন এবং সরাসরি অত্যাধুনিক হাই-টেক ফ্যাক্টরি পরিদর্শন করেন।</p>
<p data-path-to-node="13">সিআইও ফেয়ার মূলত চীনের উৎপাদন, আধুনিক প্রযুক্তি, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও উদ্ভাবনী সক্ষমতার অন্যতম বৃহৎ প্রদর্শনী। তবে এই সফর কেবল একটি বাণিজ্যিক প্রদর্শনী দেখার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না; এটি ছিল একটি দেশের প্রযুক্তিগত অগ্রগতি, টেকসই নগর ব্যবস্থাপনা, সহজলভ্য নাগরিক সেবা এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়ন রূপরেখাকে অত্যন্ত কাছ থেকে প্রত্যক্ষ করার এক বিরল অভিজ্ঞতা।</p>
<p data-path-to-node="14">সেনজেন শহর ঘুরে এবং চীনের প্রযুক্তিনির্ভর নাগরিক ব্যবস্থাপনার নানা দিক গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করে মনে একটি প্রশ্ন বারবার জেগেছে—চীন যেভাবে প্রযুক্তিকে সরাসরি মানুষের দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে একীভূত করে এগিয়ে চলেছে, বাংলাদেশ কি একইভাবে প্রযুক্তিকে সাধারণ মানুষের প্রাত্যহিক কল্যাণ ও জীবনমানের অংশ করে তুলতে পারছে?</p>
<p data-path-to-node="15">বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের ব্যবধান কেবল জিডিপি প্রবৃদ্ধি বা আকাশচুম্বী অবকাঠামোতেই সীমাবদ্ধ নয়। এই পার্থক্য সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা, নিখুঁত বাস্তবায়ন, নাগরিক সেবা নিশ্চিতকরণ, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, স্থানীয় সরকারের স্বায়ত্তশাসন এবং ভবিষ্যৎমুখী চিন্তাভাবনার মধ্যেও স্পষ্ট। তবে এই তুলনার উদ্দেশ্য চীনের সবকিছুকে অন্ধভাবে আদর্শ কিংবা বাংলাদেশের অর্জনকে খাটো করে দেখা নয়। বরং একটি উন্নয়নশীল দেশের নাগরিক ও অধিকারকর্মী হিসেবে চীনের বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে বাংলাদেশ কীভাবে শিক্ষা নিতে পারে, সেই নীতিগত পথরেখা খোঁজাটাই মূল লক্ষ্য।</p>
<p data-path-to-node="16"><strong><span style="font-size: 10pt;">সেনজেন: নিছক শহর নয়, পরিকল্পিত উন্নয়নের মডেল</span></strong></p>
<p data-path-to-node="17">চীনের সেনজেন একসময় ছিল একটি ক্ষুদ্র ও অনুন্নত সীমান্ত জনপদ। ১৯৭৯-৮০ সালে দেং জিয়াওপিংয়ের অর্থনৈতিক সংস্কার ও প্রথম বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (SEZ) হিসেবে ঘোষণার পর, কয়েক দশকের ব্যবধানে শহরটি আজ বিশ্বের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি, হার্ডওয়্যার উৎপাদন ও উদ্ভাবনী হাব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।</p>
<p data-path-to-node="18">সেনজেনের রূপান্তর প্রমাণ করে—একটি নগরীকে আধুনিক করে তোলার অর্থ কেবল কাচের বহুতল ভবন, প্রশস্ত রাজপথ বা দৃষ্টিনন্দন উড়ালসড়ক নির্মাণ নয়। একটি আধুনিক শহরের প্রকৃত শক্তি নিহিত থাকে তার সমন্বিত গণপরিবহন, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও ব্রডব্যান্ড নেটওয়ার্ক, পরিবেশবান্ধব বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, জননিরাপত্তা, স্বাস্থ্যসেবা এবং হয়রানিমুক্ত ডিজিটাল পাবলিক সার্ভিসে।</p>
<p data-path-to-node="19">শহরের প্রতিটি কোণে প্রযুক্তির প্রয়োগ, বৈদ্যুতিক বাসের সুশৃঙ্খল নেটওয়ার্ক, সড়ক ব্যবস্থাপনা এবং উন্মুক্ত জনপরিসরের বিন্যাস দেখে স্পষ্ট বোঝা যায়—সেখানে নগর উন্নয়নকে একটি দীর্ঘমেয়াদি, সামগ্রিক পরিকল্পনার অংশ হিসেবে দেখা হয়। বর্তমানের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি আগামী দশকের জনসংখ্যা বৃদ্ধি, শিল্পায়ন ও আধুনিক সেবার চাপও আগাম বিবেচনায় নেওয়া হয়।</p>
<p data-path-to-node="20">অন্যদিকে, আমাদের দেশে নগর উন্নয়ন প্রায়ই বিচ্ছিন্ন কোনো মেগা প্রকল্প, নতুন ফ্লাইওভার বা সড়ক নির্মাণের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু প্রকল্প শেষের পর তা কীভাবে পরিচালিত হবে, আন্তঃসংস্থার সমন্বয় কীভাবে হবে এবং নাগরিকের প্রাত্যহিক দুর্ভোগ কতটা কমবে—সেই প্রশ্নগুলো নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে উপেক্ষিত থেকে যায়। সেনজেনের অভিজ্ঞতা চোখে আঙুল দিয়ে দেখায়—অবকাঠামো নির্মাণই শেষ কথা নয়; তাকে কার্যকর, টেকসই ও নাগরিকবান্ধব করাই প্রকৃত উন্নয়ন।</p>
<p data-path-to-node="21"><strong><span style="font-size: 10pt;">প্রযুক্তি যখন প্রদর্শনীর বদলে নাগরিক জীবনের অংশ</span></strong></p>
<p data-path-to-node="22">সিআইও ফেয়ারে আধুনিক ইলেকট্রনিকস, স্মার্ট আইওটি ডিভাইস, ইন্ডাস্ট্রিয়াল অটোমেশন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং সমন্বিত যোগাযোগ প্ল্যাটফর্ম সম্পর্কে গভীর ধারণা পাওয়ার সুযোগ হয়েছে। এসব আধুনিক প্রযুক্তির বাস্তব প্রয়োগ বাংলাদেশের ভবিষ্যতের জন্যও অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক।</p>
<p data-path-to-node="23">আজকের বিশ্বে প্রযুক্তি কেবল দামি স্মার্টফোন বা ইন্টারনেটের চটকদার বিজ্ঞাপনে সীমাবদ্ধ নয়। জ্বালানি বণ্টন, ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ, বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ, টেলিমেডিসিন, স্বয়ংক্রিয় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং সরকারি নথিপত্র ব্যবস্থাপনায় প্রযুক্তিই মূল চালিকাশক্তি।</p>
<p data-path-to-node="24">চীনের স্মার্ট নগর ব্যবস্থাপনা দেখে উপলব্ধি করা যায়—বিদেশ থেকে কেবল দামি গ্যাজেট বা সার্ভার আমদানি করলেই 'স্মার্ট নগরী' গড়ে ওঠে না। এর জন্য প্রয়োজন সমন্বিত তথ্যভাণ্ডার (Interoperable Database), প্রশিক্ষিত জনবল, শতভাগ স্থিতিশীল বিদ্যুৎ গ্রিড, মানসম্মত ব্যান্ডউইথ এবং সর্বোপরি একটি জবাবদিহিমূলক প্রশাসনিক কাঠামো।</p>
<p data-path-to-node="25">আমরা প্রায়ই 'ডিজিটাল' বা 'স্মার্ট' সেবার কথা বলি। কিন্তু বাস্তবে দেশের সাধারণ নাগরিককে একটি সাধারণ সনদপত্র বা সরকারি সেবা নিতে আজও দীর্ঘ লাইনে দাঁড়াতে হয়, এক টেবিল থেকে অন্য টেবিলে ঘুরতে হয় এবং সীমাহীন ভোগান্তির মুখোমুখি হতে হয়। প্রযুক্তি তখনই সফল, যখন নাগরিক ঘরে বসেই কয়েক ক্লিকে জন্মনিবন্ধন, ভূমিসেবা, কর পরিশোধ কিংবা অভিযোগ নিষ্পত্তির সুনির্দিষ্ট ফলাফল হাতে পান। প্রযুক্তি যদি নাগরিকের সময়, অর্থ ও প্রশাসনিক হয়রানি লাঘব করতে না পারে, তবে তা নিছক প্রচারণার প্রযুক্তি—জনকল্যাণের প্রযুক্তি নয়।</p>
<p data-path-to-node="26"><span style="font-size: 10pt;"><b data-path-to-node="26" data-index-in-node="0">নগর পরিচালনায় সমন্বয়হীনতা ও বাংলাদেশের সংকট</b></span></p>
<p data-path-to-node="27">সেনজেনের মতো মেগাসিটিতে নগর ব্যবস্থাপনা এক বিশাল কর্মযজ্ঞ। বিপুল জনসংখ্যা ও শিল্পকারখানা পরিচালনার জন্য সেখানে রয়েছে কঠোর প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় ও তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের সংস্কৃতি।</p>
<p data-path-to-node="28">বাংলাদেশের নগর ব্যবস্থাপনার প্রধানতম সংকট হলো দায়িত্বের তীব্র বিভাজন এবং আন্তঃসংস্থার চরম সমন্বয়হীনতা। সড়ক নির্মাণ করে একটি বিভাগ, পানি নিষ্কাশন ও ড্রেনেজ করে অন্য সংস্থা, বিদ্যুৎ ও গ্যাস সরবরাহ করে পৃথক দুটি দপ্তর, আবার ইন্টারনেট বা ক্যাবল অপারেশনের জন্য চলে আলাদা লাইন টানাটানি। ফলে কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে একটি আধুনিক সড়ক নির্মাণের কয়েক মাসের মধ্যেই অন্য সংস্থার কাজের নামে তা খুঁড়ে ফেলা হয়। এই সমন্বয়হীনতার চূড়ান্ত মাশুল দেন সাধারণ করদাতা—যানজট, জলাবদ্ধতা আর সরকারি অর্থের অপচয়ের মধ্য দিয়ে।</p>
<p data-path-to-node="29">একটি সড়ক নির্মাণের আগেই সেখানে ভূগর্ভস্থ বিদ্যুৎ, অপটিক্যাল ফাইবার ডাক্ট, সুয়ারেজ এবং গ্যাস পাইপলাইনের ভবিষ্যৎ সম্প্রসারণের সমন্বিত সমন্বয় থাকা বাধ্যতামূলক। প্রতিটি প্রকল্পের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি রক্ষণাবেক্ষণ পরিকল্পনা যুক্ত না থাকলে টেকসই উন্নয়ন অসম্ভব।</p>
<p data-path-to-node="30"><span style="font-size: 10pt;"><b data-path-to-node="30" data-index-in-node="0">প্রযুক্তির ভোক্তা থেকে উৎপাদক হওয়ার প্রত্যয়</b></span></p>
<p data-path-to-node="31">বাংলাদেশে টেলিকম, মোবাইল ব্যাংকিং, ফ্রিল্যান্সিং ও ই-কমার্সে ঈর্ষণীয় বিস্তার ঘটেছে। তরুণ সমাজের প্রযুক্তিমুখী মনোভাব আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি। কিন্তু আমাদের প্রযুক্তির মূল দুর্বলতা হলো—আমরা এখনো কেবল প্রযুক্তির ভোক্তা (Consumer), উৎপাদক (Producer) নই।</p>
<p data-path-to-node="32">আমরা শত শত কোটি ডলার খরচ করে হ্যান্ডসেট, নেটওয়ার্ক সরঞ্জাম, সার্ভার ও সফটওয়্যার আমদানি করি। অথচ নিজস্ব চিপ ডিজাইন, উচ্চতর প্রযুক্তি গবেষণা, ইন্ডাস্ট্রিয়াল হার্ডওয়্যার উৎপাদন এবং সফটওয়্যার পেটেন্ট তৈরিতে আমাদের অংশগ্রহণ এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x_6aa98af522a4b.jpg" alt=""></p>
<p data-path-to-node="33">সিআইও ফেয়ারের অভিজ্ঞতা থেকে আমাদের স্পষ্ট সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে হবে—বাংলাদেশ কি অনন্তকাল আমদানিনির্ভর থাকবে, নাকি নিজস্ব উৎপাদনশীলতার বিকাশ ঘটাবে? এর জন্য প্রয়োজন:</p>
<ul>
<li data-path-to-node="34,0,0">তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি গবেষণায় (R&amp;D) জাতীয় বাজেটের বরাদ্দ বৃদ্ধি;</li>
<li data-path-to-node="34,1,0">বিশ্ববিদ্যালয় ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে যৌথ কারিগরি গবেষণা;</li>
<li data-path-to-node="34,2,0">হার্ডওয়্যার ও ভিএলএসআই (VLSI) প্রকৌশলী তৈরির জাতীয় উদ্যোগ;</li>
<li data-path-to-node="34,3,0">দেশীয় প্রযুক্তিপণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে কার্যকর শুল্ক ও নীতিগত প্রণোদনা;</li>
<li data-path-to-node="34,4,0">ক্ষুদ্র ও মাঝারি প্রযুক্তি উদ্যোক্তাদের জন্য সহজ শর্তে ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ও অর্থায়ন।</li>
</ul>
<p data-path-to-node="35"><span style="font-size: 10pt;"><b data-path-to-node="35" data-index-in-node="0">জ্বালানি ও ইন্টারনেট: জাতীয় অর্থনীতির হৃৎস্পন্দন</b></span></p>
<p data-path-to-node="36">প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক সমাজ বিনির্মাণে বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেটকে পৃথক কোনো বিলাসিতা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। বিদ্যুৎ সরবরাহে সামান্য বিঘ্ন ঘটলেই ডেটা সেন্টার অচল হয়ে পড়ে, মোবাইল টাওয়ার নিষ্ক্রিয় হয় এবং ব্যাংক থেকে শুরু করে স্বাস্থ্যসেবার পুরো ডিজিটাল ইকোসিস্টেম মুখ থুবড়ে পড়ে।</p>
<p data-path-to-node="37">তাই ডিজিটাল অবকাঠামোর পূর্বশর্ত হলো নিরবচ্ছিন্ন ও স্থিতিশীল বিদ্যুৎ, ব্যাকআপ পাওয়ার গ্রিড এবং দেশব্যাপী মানসম্মত হাই-স্পিড ব্রডব্যান্ড ফাইবার নেটওয়ার্ক। অবকাঠামো নির্ভরযোগ্য না হলে কোনো ডিজিটাল রূপান্তরই টেকসই হতে পারে না।</p>
<p data-path-to-node="38"><span style="font-size: 10pt;"><b data-path-to-node="38" data-index-in-node="0">স্থানীয় সরকারের ক্ষমতায়ন ছাড়া রূপান্তর অসম্ভব</b></span></p>
<p data-path-to-node="39">উন্নয়নের জন্য কেন্দ্রীয় সচিবালয় বা মন্ত্রণালয়ের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা বাংলাদেশের একটি বড় প্রশাসনিক সীমাবদ্ধতা। ঢাকা বা জেলা শহরের নাগরিক ড্রেনেজ বা সড়কের সমস্যা সমাধানের অনুমোদন যদি কেন্দ্রীয় স্তরের আমলাতন্ত্রে আটকে থাকে, তবে দ্রুত ও কার্যকর নাগরিক সেবা দেওয়া অসম্ভব।</p>
<p data-path-to-node="40">স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে পর্যাপ্ত বাজেট, আধুনিক প্রযুক্তিগত সরঞ্জাম ও স্বাধীন সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা দিতে হবে। একই সঙ্গে জনসেবায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রতিটি পৌরসভা ও সিটি করপোরেশনে ওপেন ড্যাশবোর্ড চালু করা প্রয়োজন—যেখানে নাগরিকের অভিযোগ কোথায় পেন্ডিং আছে এবং কত দিনে সমাধান হবে, তা প্রকাশ্য থাকবে।</p>
<p data-path-to-node="42">সেনজেন ও কুয়াংচৌ সফরের অভিজ্ঞতা এই সত্যটি আবারও প্রমাণ করেছে—কোনো দেশের প্রকৃত উন্নয়ন কেবল মোট জাতীয় আয়ের সংখ্যাতত্ত্বে নয়; বরং নাগরিকের প্রাত্যহিক জীবন কতটা স্বাচ্ছন্দ্যময়, মর্যাদাপূর্ণ ও নিরাপদ হলো, সেটিই অগ্রগতির মূল মাপকাঠি।</p>
<p data-path-to-node="43">চীন আমাদের দেখিয়েছে কীভাবে প্রযুক্তি, শিল্পনীতি ও জবাবদিহিমূলক নগর ব্যবস্থাপনাকে একই সূত্রে গাঁথা যায়। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট ভিন্ন হতে পারে, কিন্তু সেই অভিজ্ঞতা থেকে সমন্বিত পরিকল্পনা, দেশীয় উদ্ভাবন এবং নাগরিকবান্ধব সেবার শিক্ষা গ্রহণ করা আমাদের জন্য এখন অপরিহার্য।</p>
<p data-path-to-node="44">উন্নয়নের চূড়ান্ত লক্ষ্য কেবল ইট-পাথরের শহর গড়ে তোলা নয়; মানুষের জীবনকে সহজ ও অর্থবহ করা। আর সেই জনকল্যাণমূলক দর্শনের ওপর দাঁড়িয়েই পরিচালিত হোক বাংলাদেশের আগামীর প্রযুক্তি ও নগর উন্নয়ন পরিকল্পনা।</p>
<hr>
<p data-path-to-node="47"><b data-path-to-node="47" data-index-in-node="0">লেখক ||  </b>সভাপতি, বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশন (বিএমজিএ); প্রযুক্তি ও ভোক্তা অধিকার গবেষক এবং কলামিস্ট</p>
<hr>
<p data-path-to-node="49"><b data-path-to-node="49" data-index-in-node="0">এডিটরস || </b>আলোচ্য নিবন্ধে প্রকাশিত পর্যবেক্ষণ ও প্রস্তাবনা লেখকের নিজস্ব মূল্যায়ন। নাগরিক সেবায় প্রযুক্তির কার্যকর প্রয়োগ এবং টেকসই নগর পরিকল্পনা বিনির্মাণে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নিবন্ধটি প্রয়োজনীয় তথ্যগত প্রমিতকরণসহ প্রকাশ করা হলো।</p>
<hr><hr>
<p data-path-to-node="49"></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>গুজব ছড়ানো পেজে ব্যবস্থা: হাইকোর্ট</title>
<link>https://digibanglatech.news/189952</link>
<guid>https://digibanglatech.news/189952</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li&gt;অনিবন্ধিত নিউজ পোর্টালের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ&lt;/li&gt;
&lt;li&gt;গুজব ও বিভ্রান্তিকর পেজে আইনগত পদক্ষেপের নির্দেশ&lt;/li&gt;
&lt;li&gt;সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে হাইকোর্টের রুল&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202506/image_870x580_686170e7cf4ea.jpg" length="124447" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 15 Sep 2026 19:25:20 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>হাইকোর্ট, বিটিআরসি, অনিবন্ধিত অনলাইন নিউজ পোর্টাল, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, গুজব, মিথ্যা তথ্য, বিভ্রান্তিকর তথ্য, আইনগত ব্যবস্থা, ডিজিটাল তথ্যপ্রবাহ</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>অনিবন্ধিত অনলাইন নিউজ পোর্টাল এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব, মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পেজগুলোর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যানকে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে এসব অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ও পেজের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে রুল জারি করেছেন আদালত।</p>
<p> ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার জনস্বার্থে দায়ের করা এক রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।</p>
<p>আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন রিটকারী ন্যাশনাল লইয়ার্স কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ও সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট এস. এম. জুলফিকার আলী জুনু।</p>
<p>রিট আবেদনে দেশে পরিচালিত অনিবন্ধিত অনলাইন নিউজ পোর্টাল এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভিন্ন পেজের মাধ্যমে গুজব, মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়ার আবেদন জানানো হয়।</p>
<p>শুনানি শেষে হাইকোর্ট বিটিআরসি চেয়ারম্যানকে অনিবন্ধিত অনলাইন পোর্টাল এবং গুজব, মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পেজগুলোর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন।</p>
<p>একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিষ্ক্রিয়তা কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না এবং অনিবন্ধিত অনলাইন পোর্টাল ও গুজব ছড়ানো পেজগুলোর বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না—তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন আদালত।<br>/<strong>/ডিবিটেক/এসএমই/এমআইএস/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>তরুণদের এআই দক্ষ হওয়ার আহ্বান</title>
<link>https://digibanglatech.news/189931</link>
<guid>https://digibanglatech.news/189931</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li&gt;&lt;span&gt;চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের পর পঞ্চম শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ আসছে&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;li&gt;&lt;span&gt;এআইসহ আধুনিক প্রযুক্তিতে তরুণদের দক্ষ হতে হবে&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;li&gt;&lt;span&gt;বিজ্ঞান এক্সপোজিয়ামে ২০০ শিক্ষার্থী পেল পুরস্কার&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6aa95cee2fd71.jpg" length="125653" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 15 Sep 2026 17:18:28 +0600</pubDate>
<dc:creator>ক্যাম্পাস করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>বাংলাদেশ সায়েন্স এক্সপোজিয়াম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, এআই, আধুনিক প্রযুক্তি, পঞ্চম শিল্প বিপ্লব, বিজ্ঞান শিক্ষা, গবেষণা, তরুণ প্রজন্ম, বিজ্ঞান সোসাইটি</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="isSelectedEnd"><span>কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও আধুনিক প্রযুক্তিতে দক্ষতা অর্জনের পাশাপাশি জ্ঞান, প্রজ্ঞা ও নৈতিকতা কাজে লাগিয়ে তরুণদের দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে ওঠার আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী। তিনি বলেছেন, চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের ধারাবাহিকতায় সামনে পঞ্চম শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ আসছে। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষতা অর্জনের বিকল্প নেই।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র মিলনায়তনে ‘দ্বিতীয় বাংলাদেশ সায়েন্স এক্সপোজিয়াম ২০২৬’-এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। পরে তিনি বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সায়েন্স সোসাইটি, বেস্টক্যাড কর্প এবং ওয়াদুদ ময়মুন্নেসা ফাউন্ডেশন যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী বলেন, বর্তমান বিশ্ব দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের পাশাপাশি সামনে পঞ্চম শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জও আসছে। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তরুণ প্রজন্মকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসহ আধুনিক প্রযুক্তিতে দক্ষতা অর্জন করতে হবে।</span></p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x_6aa95cf06c7e6.jpg" alt=""></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>তবে প্রযুক্তিগত দক্ষতার পাশাপাশি শিক্ষা, প্রজ্ঞা ও জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে ভালো মানুষ এবং দায়িত্বশীল সুনাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি। তাঁর মতে, ভবিষ্যতের প্রযুক্তিনির্ভর বিশ্বে দক্ষতার সঙ্গে নৈতিকতা ও দায়িত্ববোধও গুরুত্বপূর্ণ।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার প্রসঙ্গে তিনি সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, উচ্চশিক্ষায় ঋণ সুবিধা দেওয়ার পাশাপাশি গবেষণা খাতেও বরাদ্দ বাড়ানো হচ্ছে। এর ফলে শিক্ষার্থী ও তরুণদের উচ্চশিক্ষা এবং গবেষণায় আরও বেশি সুযোগ তৈরি হবে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>তরুণ প্রজন্মকে দেশের ভবিষ্যৎ উল্লেখ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর বলেন, আজকের তরুণরাই আগামী দিনের শক্তি। জ্ঞান, দক্ষতা ও নৈতিকতার মাধ্যমে নিজেদের দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে তিনি শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান।</span></p>
<p>এর আগে গত ৩১ জুলাই ও ১ আগস্ট অনুষ্ঠিত ‘দ্বিতীয় বাংলাদেশ সায়েন্স এক্সপোজিয়াম ২০২৬’-এ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে দুই হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিভিত্তিক এ আয়োজনে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ২০০ জনকে পুরস্কার দেওয়া হয়।<br>/<strong>/ডিবিটেক/এমআরআইডিইউ/এমএমই/এমআইএসটি/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে ‘ইনোভেশন ইঞ্জিন’ করার জোর তাগিদ</title>
<link>https://digibanglatech.news/189872</link>
<guid>https://digibanglatech.news/189872</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;3,0,0&quot;&gt;অ্যাকাডেমিক গবেষণাকে শিল্প ও অর্থনৈতিক মূল্যে রূপান্তরের কৌশলগত রূপরেখা প্রকাশ&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;3,1,0&quot;&gt;সক্ষম বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ইনোভেশন সেন্টার ও পেটেন্ট সুরক্ষায় সহায়তা দেবে ইউজিসি&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;3,2,0&quot;&gt;ক্যাম্পাসভিত্তিক ইনকিউবেশন ও স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম জোরদারে নীতিমালার সুপারিশ প্রণয়ন&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6aa8f6a238f3b.jpg" length="87730" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 15 Sep 2026 00:00:03 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>বিশ্ববিদ্যালয় ইনোভেশন ইঞ্জিন, গবেষণা বাণিজ্যিকীকরণ, ইউজিসি বাংলাদেশ, প্রফেসর ড. মামুন আহমেদ, ড. মো. সবুর খান, বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার, ক্যাম্পাস ইনকিউবেশন, একাডেমিয়া ইন্ডাস্ট্রি অংশীদারত্ব, স্টার্টআপ বাংলাদেশ</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="6">দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মৌলিক গবেষণা ও উদ্ভাবনী জ্ঞানকে শিল্প ও বাস্তব অর্থনৈতিক মূল্যে রূপান্তর করে প্রতিটি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে একেকটি ‘ইনোভেশন ইঞ্জিন’-এ পরিণত করার তাগিদ দিয়েছেন প্রযুক্তিবিদ ও শিক্ষাবিদরা।</p>
<p data-path-to-node="7">১৪ সেপ্টেম্বর, সোমবার রাজধানীর বিজয় সরণির নভোথিয়েটার সম্মেলন কক্ষে ‘বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬’-এর অংশ হিসেবে আয়োজিত এক উচ্চপর্যায়ের গোলটেবিল বৈঠকে এ প্রত্যয় ব্যক্ত করেন সংশ্লিষ্টরা। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মামুন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বিশ্ববিদ্যালয়, সরকারি প্রতিষ্ঠান, শিল্প খাত ও ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ইকোসিস্টেমের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।</p>
<p data-path-to-node="8">বৈঠকে বিশেষজ্ঞরা জানান, গবেষণা ও মেধার সুফল জাতীয় অর্থনীতিতে যুক্ত করতে শিক্ষক মূল্যায়ন কাঠামোয় গবেষণা বাণিজ্যিকীকরণকে যুক্ত করা, ইনোভেশন অবকাঠামো সম্প্রসারণ এবং স্থানীয় শিল্পের বাস্তব চ্যালেঞ্জ সমাধানে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের যৌথ গবেষণা নিশ্চিত করা জরুরি।</p>
<p data-path-to-node="9">সভাপতির বক্তব্যে প্রফেসর ড. মামুন আহমেদ বলেন, "দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে উদ্ভাবন, প্রযুক্তি উদ্যোক্তা তৈরি ও অর্থনীতিতে মূল্য সৃষ্টির মূল চালিকাশক্তি হিসেবে গড়ে তুলতে কার্যকর প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা নেবে ইউজিসি। এ লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয় ও শিল্প খাতের যৌথ অর্থায়নে গবেষণা, উদ্ভাবনের বাণিজ্যিকীকরণ, পেটেন্ট সহায়তা এবং সক্ষম বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বিশেষায়িত উদ্ভাবনকেন্দ্র ও ইনকিউবেটর প্রতিষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।"</p>
<p data-path-to-node="10">অ্যাসোসিয়েশন অব প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিজ অব বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ও ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা ড. মো. সবুর খান অধিবেশনটি সঞ্চালনা করেন। সূচনা বক্তব্যে তিনি বলেন, "দেশের সামগ্রিক অগ্রযাত্রায় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে কেবল ডিগ্রি প্রদানে সীমাবদ্ধ না থেকে উদ্ভাবনী কেন্দ্র হিসেবে আবির্ভূত হতে হবে। গবেষণার ফলাফল ল্যাব থেকে বের করে বাস্তবে প্রয়োগের মাধ্যমেই টেকসই সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রভাব সৃষ্টি সম্ভব।"</p>
<p data-path-to-node="12">বৈঠকে অংশ নিয়ে মতামত দেন বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের পরিচালক এ. কে. এম. আমিরুল ইসলাম, স্টার্টআপ বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নুরুল হাই, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োটেকনোলজি ও জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. উম্মে সালমা জোহরা এবং গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. জি. কে. এম. মোস্তাফিজুর রহমান। সংশ্লিষ্ট দফতরগুলো জানায়, আলোচকদের মতামতের ভিত্তিতে উচ্চশিক্ষায় উদ্ভাবনী সংস্কারের একটি সমন্বিত সুপারিশমালা তৈরি করে দ্রুত সরকারের নীতিনির্ধারণী ফোরামে পাঠানো হবে।<br>/<strong>/ডিবিটেক/ওসি/এসই/ইআইসি/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ইনোভেশন ফেয়ারে দ্বিতীয় চ্যাম্পিয়ন যবিপ্রবি</title>
<link>https://digibanglatech.news/189840</link>
<guid>https://digibanglatech.news/189840</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li&gt;&lt;span&gt;জাতীয় ইনোভেশন ফেয়ারে দ্বিতীয় চ্যাম্পিয়ন যবিপ্রবি&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;li&gt;&lt;span&gt;পাঁচ উদ্ভাবনে বিচারকদের নজর কেড়েছে বিশ্ববিদ্যালয়টি&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;li&gt;&lt;span&gt;ন্যানো-ইউরিয়া থেকে পানি দিয়ে হাইড্রোজেন উৎপাদন প্রযুক্তি প্রদর্শন&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6aa843f97e885.jpg" length="115663" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 15 Sep 2026 00:00:00 +0600</pubDate>
<dc:creator>ক্যাম্পাস করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>যবিপ্রবি, বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬, ন্যানো-ইউরিয়া, স্মার্ট সেন্সর, ন্যানো-ক্যারিয়ার ড্রাগ, হাইড্রোজেন প্রযুক্তি, গবেষণা, উদ্ভাবন, প্রযুক্তি</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>জাতীয় পর্যায়ের ‘বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬’-এ দ্বিতীয় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (যবিপ্রবি)। সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অংশগ্রহণে আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয়কে চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রথম অবস্থানে রয়েছে গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়।</p>
<p>১৪ সেপ্টেম্বর, সোমবার সন্ধ্যায় রাজধানীর নভোথিয়েটারে আয়োজিত ইনোভেশন ফেয়ারের সমাপনী অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়। এবারের মেলায় সরকারি ও বেসরকারি মিলিয়ে ৭৮টির বেশি বিশ্ববিদ্যালয় অংশ নেয় এবং প্রদর্শিত হয় ১৫০টির বেশি উদ্ভাবন। এর মধ্যে যবিপ্রবি পাঁচটি উদ্ভাবন প্রদর্শন করে।</p>
<h3>পাঁচ উদ্ভাবনে যবিপ্রবির সাফল্য</h3>
<p>যবিপ্রবির প্রদর্শিত উদ্ভাবনের মধ্যে রয়েছে ন্যানো-ইউরিয়া, কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তায় স্মার্ট সেন্সর, ন্যানো-ক্যারিয়ার ড্রাগ, পরবর্তী প্রজন্মের জন্য প্রিবায়োটিক এবং সরাসরি পানি থেকে হাইড্রোজেন উৎপাদন প্রযুক্তি।</p>
<p>বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক দলের নেতৃত্বে থাকা এবং ন্যানো-ইউরিয়া উদ্ভাবনের সঙ্গে যুক্ত কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. জাভেদ হোসেন খান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের যাচাই-বাছাই শেষে তারা পাঁচটি উদ্ভাবন নিয়ে মেলায় অংশ নেন।</p>
<p>তিনি বলেন, “আমাদের প্রত্যেকটি ইনোভেশন বর্তমান সময়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়ায় বিচারকদের নজর কেড়েছে। ইনোভেশন ফেয়ারের প্রস্তুতি থেকে শুরু করে এই অর্জন পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আমাদের সার্বিকভাবে সহযোগিতা করেছে। এজন্য প্রশাসনের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ। আমরা সবাই মিলে বিশ্ববিদ্যালয়কে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই।”</p>
<h3>‘গবেষকদের জন্য বড় অনুপ্রেরণা’</h3>
<p>ইনোভেশন ফেয়ারে অংশ নেওয়া যবিপ্রবির গবেষক দলকে অভিনন্দন জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবীর বলেন, এ অর্জন বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য বড় পাওয়া।</p>
<p>তিনি বলেন, “এটা আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য অনেক বড় একটি পাওয়া। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের সব গবেষকের জন্য এটি একটি অনুপ্রেরণা। আমরা আমাদের উদ্ভাবনগুলো নিয়ে খুবই আশাবাদী ছিলাম। প্রতিনিধি দলও অনেক পরিশ্রম করেছে। আমরা এই কাজের ধারা অব্যাহত রাখতে চাই এবং দেশের গবেষণায় বড় ভূমিকা রাখতে চাই।”</p>
<p>উপাচার্যের মতে, জাতীয় পর্যায়ের এমন স্বীকৃতি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের নতুন উদ্ভাবনে আরও উৎসাহিত করবে।</p>
<h3>‘ল্যাবরেটরিতে সীমাবদ্ধ রাখতে চাই না’</h3>
<p>বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান বলেন, দেশের ৭৮টি সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের কারণে প্রতিযোগিতাটি বেশ চ্যালেঞ্জিং ছিল।</p>
<p>তিনি বলেন, “আমাদের উদ্ভাবনগুলো থেকে কঠোর বাছাইয়ের মাধ্যমে সেরা পাঁচটি প্রকল্পকে আমরা এই মেলায় চূড়ান্তভাবে মনোনীত করেছিলাম। মেলার স্টলে সরকারের নীতিনির্ধারণী মহলসহ দর্শনার্থীদের কাছ থেকে চমৎকার আগ্রহ ও প্রশংসা পেয়েছি।”</p>
<p>যবিপ্রবির দ্বিতীয় স্থান অর্জনকে আনন্দের উল্লেখযোগ্য কারণ হিসেবে তুলে ধরে তিনি বলেন, “যবিপ্রবি দ্বিতীয় স্থান অর্জন করায় আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। তবে এই অর্জনকে কেবল মেলা বা গবেষণাগারে সীমাবদ্ধ রাখতে চাই না; সাধারণ মানুষের কল্যাণে এসব উদ্ভাবন ব্যবহার করাই আমাদের মূল উদ্দেশ্য।”</p>
<p>তিনি আরও বলেন, “সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা ও প্রয়োজনীয় সহায়তা পেলে এই ইনোভেশনগুলো খুব শিগগিরই দেশের সর্বস্তরের মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে পারব।”</p>
<h3>গবেষণাকে মানুষের কাজে নেওয়ার লক্ষ্য</h3>
<p>বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ফারুক হাসান বলেন, এই অর্জন যবিপ্রবির জন্য গর্বের।</p>
<p>তিনি বলেন, “এই অর্জন আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য অনেক গর্বের। আমি গবেষক দলকে অভিনন্দন জানাই। আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সব শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে সঙ্গে নিয়ে এগিয়ে যেতে চাই। সবার সহযোগিতায় আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের র‌্যাংকিং আরও সামনের দিকে নিয়ে যেতে চাই।”</p>
<h3>গবেষক দলে যারা</h3>
<p>যবিপ্রবির প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব ও দিকনির্দেশনায় ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবীর, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ফারুক হাসান।</p>
<p>গবেষক প্রতিনিধি দলে আরও ছিলেন কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. জাভেদ হোসেন খান, ফার্মেসি বিভাগের অধ্যাপক ড. কিশোর মজুমদার, মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. সেলিনা আক্তার, পেট্রোলিয়াম অ্যান্ড মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. আমিনুল ইসলাম, কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. রাফিউল হাসান এবং ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা ইয়াসমিন।</p>
<p>এছাড়া বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরাও যবিপ্রবির প্রতিনিধি দলের সঙ্গে ইনোভেশন ফেয়ারে অংশ নেন।</p>
<p>জাতীয় পর্যায়ের এই অর্জনে যবিপ্রবির পাঁচটি উদ্ভাবন শুধু প্রদর্শনীতে সাফল্য অর্জন করেনি; গবেষণাগারের প্রযুক্তিকে বাস্তব জীবনের সমস্যা সমাধান ও সম্ভাব্য বাণিজ্যিক ব্যবহারের দিকে নেওয়ার ক্ষেত্রেও বিশ্ববিদ্যালয়টির গবেষণা সক্ষমতার একটি চিত্র তুলে ধরেছে।</p>
<p>/<strong>/ডিবিটেক/ এনএইচজে/এসএমই/এমআইএসটি/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বিনামূল্যে ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ আবেদন শেষ ১৫ সেপ্টেম্বর</title>
<link>https://digibanglatech.news/189825</link>
<guid>https://digibanglatech.news/189825</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul data-spread=&quot;false&quot;&gt;
&lt;li&gt;&lt;span&gt;৬৪ জেলার ১৮-৩৫ বছর বয়সীরা আবেদন করতে পারবেন&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;li&gt;&lt;span&gt;তিন মাসে ৬০০ ঘণ্টার প্রশিক্ষণ, নেই কোনো ফি&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;li&gt;&lt;span&gt;দৈনিক ২০০ টাকা যাতায়াত ভাতা ও খাবার মিলবে&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6aa83a5acb64a.jpg" length="105146" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 14 Sep 2026 15:18:52 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ, সরকারি প্রশিক্ষণ, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, কর্মসংস্থান, যুবক যুব নারী, অনলাইন আবেদন, ফ্রিল্যান্সিং, ই-লার্নিং, ডিজিটাল দক্ষতা</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="isSelectedEnd"><span>দেশের ৬৪ জেলার শিক্ষিত কর্মপ্রত্যাশী যুবক ও যুব নারীদের বিনামূল্যে ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ দেবে সরকার। ‘দেশের ৬৪ জেলায় শিক্ষিত কর্মপ্রত্যাশী যুবদের ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি’ প্রকল্পের আওতায় এ প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। এরই মধ্যে প্রকল্পের অষ্টম ব্যাচের তিন মাস মেয়াদি প্রশিক্ষণের ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর। সারাদেশে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লিমিটেড।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>অষ্টম ব্যাচের প্রশিক্ষণ আগামী ১ অক্টোবর থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত চলবে। তিন মাসের এই প্রশিক্ষণে প্রতিদিন আট ঘণ্টা করে ক্লাস হবে। মোট ৬০০ ঘণ্টার প্রশিক্ষণে অংশ নিতে কোনো প্রশিক্ষণ ফি দিতে হবে না।</span></p>
<h3><strong><span style="font-size: 10pt;">কারা আবেদন করতে পারবেন</span></strong></h3>
<p class="isSelectedEnd"><span>প্রশিক্ষণে আবেদন করতে হলে প্রার্থীকে এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। বয়স হতে হবে ১৮ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে। দেশের সব জেলার কর্মপ্রত্যাশী যুবক ও যুব নারীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>আইসিটি বা কম্পিউটার বিষয়ে মৌলিক ধারণা এবং ইংরেজিতে দক্ষতা রয়েছে—এমন প্রার্থীদের প্রশিক্ষণার্থী বাছাইয়ে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।</span></p>
<h3><strong><span style="font-size: 10pt;">যেভাবে হবে বাছাই</span></strong></h3>
<p class="isSelectedEnd"><span>প্রশিক্ষণার্থী বাছাইয়ের জন্য সংশ্লিষ্ট জেলার যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপপরিচালকের সভাপতিত্বে পাঁচ সদস্যের ভর্তি কমিটি গঠন করা হবে। কমিটিতে জেলা প্রশাসকের একজন প্রতিনিধি থাকবেন।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার ভিত্তিতে প্রশিক্ষণার্থী নির্বাচন করা হবে। পাশাপাশি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয় থেকে মনোনীত প্রতিনিধিরা সরেজমিন তদারকির মাধ্যমে বাছাই কার্যক্রমে অংশ নেবেন।</span></p>
<h3><strong><span style="font-size: 10pt;">প্রশিক্ষণে যেসব সুবিধা</span></strong></h3>
<p class="isSelectedEnd"><span>প্রশিক্ষণ চলাকালে প্রত্যেক প্রশিক্ষণার্থীকে দৈনিক ২০০ টাকা হারে যাতায়াত ভাতা দেওয়া হবে। প্রতিদিন সকালের নাশতা, দুপুরের খাবার ও বিকেলের নাশতার ব্যবস্থাও থাকবে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>প্রশিক্ষণ শেষে উত্তীর্ণদের সনদ দেওয়া হবে। প্রশিক্ষণ পরবর্তী সময়ে আয় বৃদ্ধির কার্যক্রমে যুক্ত হতে প্রশিক্ষণার্থীদের মেন্টরিং সহায়তাও দেওয়া হবে।</span></p>
<h3><strong><span style="font-size: 10pt;">আবেদন করবেন যেভাবে</span></strong></h3>
<p class="isSelectedEnd"><span>আগ্রহী প্রার্থীদের নির্ধারিত ওয়েবসাইটে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। আবেদন সফলভাবে জমা দেওয়ার পর আবেদনের কপি ডাউনলোড করে সংরক্ষণ করতে হবে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>বৈধ আবেদনকারীদের মোবাইল ফোনে খুদে বার্তার মাধ্যমে লিখিত পরীক্ষার তারিখ ও সময় জানানো হবে। খুদে বার্তায় দেওয়া নির্দেশনা অনুযায়ী প্রবেশপত্র ডাউনলোড করে প্রিন্ট করতে হবে এবং পরীক্ষার সময় সঙ্গে আনতে হবে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>অনলাইনে আবেদনের শেষ সময় </span><strong><span>১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ রাত ১১টা ৫৯ মিনিট</span></strong><span>। নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার পর আবেদন লিংক স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যাবে।</span></p>
<h3><strong><span style="font-size: 10pt;">পরীক্ষার সময়সূচি</span></strong></h3>
<p class="isSelectedEnd"><span>বৈধ আবেদনকারীদের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে </span><strong><span>১৯ সেপ্টেম্বর</span></strong><span>। এরপর </span><strong><span>২০ সেপ্টেম্বর</span></strong><span> নেওয়া হবে মৌখিক পরীক্ষা।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত প্রার্থীদের তালিকা ও পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হবে </span><strong><span>২৩ সেপ্টেম্বর</span></strong><span>। পরীক্ষার স্থান, সময় ও ফলাফলসহ প্রয়োজনীয় তথ্য মোবাইল ফোনে খুদে বার্তার মাধ্যমে জানানো হবে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>প্রশিক্ষণ ও ভর্তি সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে </span><a href="https://e-laeltd.com/64-student-reg-jubo?utm_source=chatgpt.com"><span>নির্ধারিত ওয়েবসাইটে</span></a><span>।</span></p>
<p><span>/<strong>/ডিবিটেক/এনএপি/এসএমই/এমআইএস/</strong>/</span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>নানিয়ারচরে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে মোবাইল সার্ভিসিং প্রশিক্ষণ</title>
<link>https://digibanglatech.news/189788</link>
<guid>https://digibanglatech.news/189788</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li&gt;পাহাড়ি ও বাঙালি তরুণদের মোবাইল হার্ডওয়্যার মেরামত ও ত্রুটি শনাক্তকরণে প্রশিক্ষণ&lt;/li&gt;
&lt;li&gt;তাত্ত্বিক ক্লাসের পাশাপাশি প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে বিতরণ করা হলো সার্ভিসিং টুলস&lt;/li&gt;
&lt;li&gt;পার্বত্য চট্টগ্রামে টেকসই কর্মসংস্থান ও তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক আত্মনির্ভরশীলতা তৈরির উদ্যোগ&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6aa7e5dc86a5e.jpg" length="81364" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 14 Sep 2026 13:18:02 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>মোবাইল সার্ভিসিং প্রশিক্ষণ, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নানিয়ারচর জোন, কারিগরি শিক্ষা, হার্ডওয়্যার মেরামত, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন, তরুণ কর্মসংস্থান, স্মার্টফোন প্রযুক্তি, আইসিটি দক্ষতা</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="6">পার্বত্য চট্টগ্রামের তরুণ প্রজন্মকে প্রযুক্তিভিত্তিক কারিগরি শিক্ষায় দক্ষ করে তুলতে এবং আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে নানিয়ারচর জোনের উদ্যোগে ‘মোবাইল সার্ভিসিং প্রশিক্ষণ-২০২৬’ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।</p>
<p data-path-to-node="7">১৪ সেপ্টেম্বর, সোমবার এ তথ্য জানা যায়। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সম্প্রীতি ও উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ১৩ সেপ্টেম্বর থেকে নানিয়ারচর জোন সদরে আনুষ্ঠানিকভাবে এ প্রশিক্ষণ শুরু হয়, যা আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে। নানিয়ারচর জোনের কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মশিউর রহমান, পিএসসি-এর দিকনির্দেশনায় জোনের উপ-অধিনায়ক মেজর শেখ মোহাম্মদ নাঈম এ প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।</p>
<p data-path-to-node="8">প্রশিক্ষণে স্থানীয় পাহাড়ি ও বাঙালি জনগোষ্ঠীর তরুণদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। প্রশিক্ষণার্থীদের আধুনিক মোবাইল সার্ভিসিংয়ের মৌলিক স্থাপত্য, স্মার্টফোনের সার্কিট ও যন্ত্রাংশের বিভিন্ন ত্রুটি শনাক্তকরণ, হার্ডওয়্যার মেরামত প্রক্রিয়া এবং সংশ্লিষ্ট আধুনিক ডায়াগনস্টিক টুলস ব্যবহারের ওপর গভীর তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে। আয়োজকরা জানান, বর্তমান প্রযুক্তিনির্ভর বিশ্বে মোবাইল ফোন শিক্ষা, ব্যবসা ও যোগাযোগের অপরিহার্য মাধ্যম। ফলে মোবাইল মেরামতের মতো ব্যবহারিক কারিগরি দক্ষতা তরুণদের জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদি মূল্যবান সম্পদে পরিণত হবে।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x_6aa7e5db9ff80.jpg" alt=""></p>
<p data-path-to-node="9">উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মেজর শেখ মোহাম্মদ নাঈম বলেন, "শিক্ষিত ও দক্ষ মানবসম্পদ একটি অঞ্চলের টেকসই উন্নয়নের অন্যতম প্রধান ভিত্তি। তরুণদের বাস্তবমুখী কারিগরি দক্ষতায় পারদর্শী করার মাধ্যমে তাদের আত্মনির্ভরশীল হওয়ার সুযোগ তৈরি করা সম্ভব। পাহাড়ি ও বাঙালি তরুণদের যৌথভাবে এ প্রশিক্ষণে সম্পৃক্ত করায় পারস্পরিক সহযোগিতা, সৌহার্দ্য ও সামাজিক সম্প্রীতি আরও জোরদার হবে।"</p>
<p data-path-to-node="11">এ প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়া সকল প্রশিক্ষণার্থীকে নানিয়ারচর জোনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় মোবাইল সার্ভিসিং টুলকিট এবং সহায়ক ইলেকট্রনিক সামগ্রী বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়েছে। এসব আধুনিক যন্ত্রপাতি তাদের হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ গ্রহণে এবং কোর্স শেষে স্বাধীনভাবে সার্ভিসিং ব্যবসা শুরু করতে প্রত্যক্ষ ভূমিকা রাখবে। সেনাবাহিনীর সংশ্লিষ্ট দফতরের কর্মকর্তারা জানান, এ ধরনের উদ্যোগ পার্বত্য এলাকার তরুণদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করার পাশাপাশি আঞ্চলিক আর্থ-সামাজিক অগ্রগতিতে কার্যকর অবদান রাখবে।<br>/<strong>/ডিবিটেক/এসএইচএস/এসই/ইআইসি/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>অ্যালগরিদম নয়, বিদ্যুৎ ও পুঁজির দামেই নির্ধারিত হবে এআই ভবিষ্যৎ</title>
<link>https://digibanglatech.news/189843</link>
<guid>https://digibanglatech.news/189843</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6aa849443ad4a.jpg" length="95198" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 14 Sep 2026 01:22:01 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>এআই অর্থনীতি, বিশ্ব উন্নয়ন প্রতিবেদন ২০২৬, ডিজিটাল সার্বভৌমত্ব, কম্পিউট সক্ষমতা, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, ডিজিটাল পাবলিক অবকাঠামো, ডেটা সেন্টার অর্থায়ন, এআই বাংলাদেশ</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<table border="1" height="123" style="border-collapse: collapse; width: 77.1401%;"><colgroup><col style="width: 100%;"></colgroup>
<tbody>
<tr>
<td>
<ul>
<li data-path-to-node="33,0,0">এআই বিপ্লবে উন্নয়নশীল দেশের প্রতিযোগিতা কেবল অ্যালগরিদমে নয়, বিদ্যুৎ ও পুঁজির ব্যয়ের ওপরও নির্ভর করছে।</li>
<li data-path-to-node="33,1,0">উন্নয়নশীল দেশের ডেটা সেন্টার প্রকল্পগুলোকে অতিরিক্ত ‘অনুভূত ঝুঁকি’র কারণে চড়া সুদে মূলধন সংগ্রহ করতে হয়।</li>
<li data-path-to-node="33,2,0">ফ্রন্টিয়ার এআই মডেল তৈরির চেয়ে বিদ্যমান প্রযুক্তি গ্রহণ ও স্থানীয় ভাষায় অভিযোজন (Adopt, Adapt, Advance) অধিক ফলপ্রসূ।</li>
<li data-path-to-node="33,3,0">সার্বভৌম গ্যারান্টি দেওয়ার ক্ষেত্রে সতর্কতা জরুরি, যাতে বেসরকারি মুনাফার বিপরীতে জনগণের ওপর অপ্রকাশিত দায় না চাপে।</li>
<li data-path-to-node="33,4,0">বিশাল মেগা ডেটা সেন্টারের চেয়ে শিক্ষা ও শিল্প খাতের বাস্তব চাহিদানির্ভর মডুলার কম্পিউটিং ব্যবস্থা গড়ে তোলা প্রয়োজন।</li>
</ul>
</td>
</tr>
</tbody>
</table>
<p data-path-to-node="10">কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎ শুধু অ্যালগরিদমে নয়, বিদ্যুৎ ও পুঁজির দামেও নির্ধারিত হবে।</p>
<p data-path-to-node="11">বিশ্বব্যাংকের <i data-path-to-node="11" data-index-in-node="14">World Development Report 2026</i>-এর পটভূমি গবেষণা বাংলাদেশের সামনে একটি মৌলিক প্রশ্ন রেখেছে: আমাদের এআই ব্যবহারের আকাঙ্ক্ষা আছে, কিন্তু সেই প্রযুক্তি পরিচালনার ডিজিটাল ভিত্তি কতটা নির্ভরযোগ্য, সাশ্রয়ী ও ঝুঁকিমুক্ত?</p>
<p data-path-to-node="12">কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা নিয়ে আলোচনায় সচরাচর লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল (LLM), বিপুল ডেটাসেট, চিপ প্রযুক্তি, দক্ষ জনবল কিংবা চ্যাটজিপিটির মতো পণ্যের নাম উঠে আসে। কিন্তু উন্নয়নশীল অর্থনীতির জন্য এআই যুগের ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হবে অতি-প্রাথমিক কিছু ভিত্তির ওপর: বিদ্যুৎ সরবরাহ কতটা নিরবচ্ছিন্ন? ইন্টারনেট সংযোগ কি টেকসই ও স্বল্পব্যয়ী? উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কম্পিউটিং লজিস্টিকস দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর নাগালের মধ্যে কি না? এবং নাগরিক পরিচয়, লেনদেন ও নিরাপদ তথ্য বিনিময়ের মতো ডিজিটাল পাবলিক অবকাঠামো (DPI) পরস্পরের সঙ্গে নির্বিঘ্নে কাজ করতে পারছে কি না?</p>
<p data-path-to-node="13">বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনটির জন্য প্রস্তুতকৃত মারিয়ানা দাহান, জুনায়েদ আহমেদ ও ডেভিড স্যাভেজের যৌথ গবেষণা <i data-path-to-node="13" data-index-in-node="103">De-Risking the Digital Foundations of AI: Capital, Risk, and the Diffusion of AI</i> মূলত এই পরোক্ষ অবকাঠামোর গুরুত্ব তুলে ধরেছে। তাদের গবেষণার মূল প্রতিপাদ্য হলো—এআই প্রযুক্তির সুষম বিস্তারে চারটি উপাদান অপরিহার্য: নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ, উচ্চগতির কানেক্টিভিটি, কম্পিউট সামর্থ্য এবং আন্তঃসংযুক্ত ডিজিটাল পাবলিক অবকাঠামো। অথচ উন্নয়নশীল দেশগুলোতে এই উপাদানগুলোর অর্থায়ন ব্যয় বা ক্যাপিটাল কস্টই প্রযুক্তি প্রসারের প্রধান প্রতিবন্ধক।</p>
<p data-path-to-node="14"><b data-path-to-node="14" data-index-in-node="0">প্রযুক্তির নয়, মূল ব্যবধান পুঁজির ব্যয়ে</b></p>
<p data-path-to-node="15">অতীতে ডিজিটাল বিভাজন বলতে কেবল ইন্টারনেট সংযোগ থাকা বা না থাকাকে বোঝাত। এআই যুগে এই ব্যবধান বহুমাত্রিক ও জটিল আকার ধারণ করেছে।</p>
<p data-path-to-node="16">উন্নত বিশ্বের একটি ডেটা সেন্টার প্রকল্প যদি স্বল্প সুদে দীর্ঘমেয়াদি মূলধন পায়, আর উন্নয়নশীল দেশের অনুরূপ প্রকল্পকে রাজনৈতিক ঝুঁকি, বৈদেশিক মুদ্রার অস্থিরতা, অস্পষ্ট নীতিমালা কিংবা বিদ্যুৎ বিভ্রাটের আশঙ্কায় চড়া সুদে ঋণ নিতে হয়, তবে প্রযুক্তির প্রাপ্যতা সমান হলেও প্রতিযোগিতার ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যায়।</p>
<p data-path-to-node="17">মাল্টিলেটারাল ইনভেস্টমেন্ট গ্যারান্টি এজেন্সির (MIGA) পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, এআই পরিকাঠামোতে শুধু প্রাথমিক বিনিয়োগই একমাত্র চ্যালেঞ্জ নয়। নিয়ন্ত্রক সংস্থার সিদ্ধান্তহীনতা, চুক্তিগত অনিশ্চয়তা, ভূরাজনৈতিক সংঘাত, জলবায়ু পরিবর্তন এবং পরিচালনাগত ঝুঁকি বিনিয়োগকারীদের হিসাব-নিকাশকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে। ফলে কোনো দেশের প্রকৃত ঝুঁকির তুলনায় বাজারে তার ‘অনুভূত ঝুঁকি’ (Perceived Risk) বেশি হলে মূলধনের ব্যয়ও বেড়ে যায়। এভাবে প্রযুক্তিগত ব্যবধান রূপ নেয় সুদূরপ্রসারী আর্থিক বৈষম্যে।</p>
<p data-path-to-node="18">এ কারণেই ‘এআই সার্বভৌমত্ব’ নিশ্চিত করতে কেবল নিজস্ব ভাষা মডেল বা জাতীয় ডেটা সেন্টার গড়ে তোলাই যথেষ্ট নয়। প্রকৃত ডিজিটাল সার্বভৌমত্ব হলো একটি দেশের স্বাধীন বিকল্প বেছে নেওয়ার সক্ষমতা—কোন ক্লাউড নেটওয়ার্ক দেশ ব্যবহার করবে, কোন মডেল গ্রহণ করবে, প্রয়োজনে একক সরবরাহকারী পরিবর্তন করা যাবে কি না, স্থানীয় ভাষার উপযোগী এআই তৈরি করা সম্ভব কি না এবং জাতীয় জনগুরুত্বপূর্ণ সেবাগুলো কোনো বিদেশি টেক জায়ান্টের একচেটিয়া নির্ভরতায় জিম্মি হয়ে পড়ছে কি না।</p>
<p data-path-to-node="19">এ বাস্তবতায় <i data-path-to-node="19" data-index-in-node="12">World Development Report 2026</i> উন্নয়নশীল দেশগুলোকে ‘Adopt, Adapt, Advance’ কাঠামো অনুসরণের দিকনির্দেশনা দিয়েছে। অধিকাংশ উন্নয়নশীল দেশের পক্ষে শুরুতেই সর্বাধুনিক ফ্রন্টিয়ার মডেল তৈরি করা অর্থনৈতিকভাবে বাস্তবসম্মত নয়। বরং বিদ্যমান প্রযুক্তি গ্রহণ, স্থানীয় ভাষা ও বাস্তবতার সঙ্গে তার সংবেদনশীল অভিযোজন এবং পর্যায়ক্রমে অভ্যন্তরীণ সক্ষমতা বাড়ানোই টেকসই পথ।</p>
<p data-path-to-node="20"><b data-path-to-node="20" data-index-in-node="0">ঝুঁকি প্রশমন বনাম রাষ্ট্রীয় দায়</b></p>
<p data-path-to-node="21">গবেষণাটির গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ হলো—ক্রেডিট গ্যারান্টি, পলিটিক্যাল রিস্ক ইন্স্যুরেন্স ও ব্লেন্ডেড ফাইন্যান্সিংয়ের মতো ঝুঁকি-বণ্টন ব্যবস্থার মাধ্যমে এমন সব জাতীয় অবকাঠামোয় বেসরকারি বিনিয়োগ আনা সম্ভব, যা অর্থনৈতিকভাবে সম্ভাবনাময় হলেও অতিরিক্ত ঝুঁকি-ধারণার কারণে অর্থায়ন পাচ্ছিল না।</p>
<p data-path-to-node="22">তবে এই ঝুঁকি প্রশমন (De-risking) প্রক্রিয়া যেন বেসরকারি মুনাফা নিশ্চিত করতে গিয়ে রাষ্ট্রীয় কোষাগারের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক দায় (Contingent Liability) চাপিয়ে না দেয়। নির্বিচারে সার্বভৌম নিশ্চয়তা (Sovereign Guarantee) দিলে দুর্বল প্রকল্পও ‘জাতীয় প্রকল্প’ তকমা নিয়ে সুবিধা নিতে পারে, যার চূড়ান্ত বোঝা চাপে জনগণের করের ওপর। ফলে ডি-রিস্কিংয়ের সঙ্গে স্বচ্ছ জবাবদিহি নিশ্চিত করা অপরিহার্য।</p>
<p data-path-to-node="23"><b data-path-to-node="23" data-index-in-node="0">বাংলাদেশের ডিজিটাল ভিত্তি ও চ্যালেঞ্জ</b></p>
<p data-path-to-node="24">বাংলাদেশের ইতিবাচক দিক হলো, দেশটি শূন্য থেকে এআই যুগে প্রবেশ করছে না। জি-টোয়েন্টিভুক্ত ডিজিটাল পাবলিক অবকাঠামো বিষয়ক গবেষণায় বাংলাদেশকে ডিজিটাল আইডেন্টিটি, পেমেন্ট এবং ডেটা এক্সচেঞ্জ—এই তিন স্তরেই কার্যকর ব্যবস্থার একটি উদাহরণ হিসেবে মূল্যায়ন করা হয়েছে। জাতীয় পরিচয়পত্র (NID), পরিচয় প্ল্যাটফর্ম, ই-কেওয়াইসি (e-KYC), একপে (EkPay), বিনিময় (Binimoy) এবং মাইগভ (MyGov)-এর মতো প্ল্যাটফর্ম সমন্বিত ডিজিটাল ইকোসিস্টেমের মজবুত ভিত্তি গড়ে তুলেছে। বর্তমান চ্যালেঞ্জ হলো বিদ্যমান এই অবকাঠামোকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উপযোগী, সুরক্ষিত এবং অধিক জনমুখী রূপ দেওয়া।</p>
<p data-path-to-node="25">তবে অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতাও স্পষ্ট। শতভাগ বিদ্যুতায়নের পর এখন প্রশ্ন নিরবচ্ছিন্নতা ও স্থিতিশীলতার। গ্রিডে নবায়নযোগ্য জ্বালানির অনুপাত অত্যন্ত সীমিত এবং ক্ষুদ্র-মাঝারি শিল্পের জন্য অবকাঠামোগত নির্ভরযোগ্যতার ঘাটতি রয়েছে। একটি এআই-রেডি ডেটা সেন্টার বা ক্লাউড ফ্যাসিলিটি পরিচালনার জন্য নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ, কার্যকর কুলিং সিস্টেম, হাই-ক্যাপাসিটি ব্যান্ডউইথ, সাইবার নিরাপত্তা ও সার্বক্ষণিক দুর্যোগ মোকাবিলার প্রস্তুতি নিশ্চিত করা পূর্বশর্ত।</p>
<p data-path-to-node="26"><b data-path-to-node="26" data-index-in-node="0">মেগা প্রকল্প বনাম চাহিদাভিত্তিক পরিকাঠামো</b></p>
<p data-path-to-node="27">একটি বিশাল ‘ন্যাশনাল এআই ডেটা সেন্টার’ স্থাপন রাজনৈতিকভাবে আকর্ষণীয় মনে হলেও চাহিদা ছাড়া তা দ্রুত অকার্যকর সম্পদে (Stranded Asset) পরিণত হতে পারে; বিশেষ করে যখন জিপিইউ প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তন ঘটে।</p>
<p data-path-to-node="28">এআই অবকাঠামোর নীতি ‘আগে নির্মাণ, পরে ব্যবহারকারী সন্ধান’ হওয়া উচিত নয়। আগে শনাক্ত করতে হবে দেশে কোথায় কম্পিউটেশনের কার্যকর চাহিদা রয়েছে—যেমন বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণা, বাংলা ভাষা মডেল, আবহাওয়া ও জলবায়ু পূর্বাভাস, স্বাস্থ্যসেবা, কৃষি ও জনসেবা। সেই চাহিদার ভিত্তিতে মডুলার ও শেয়ার্ড কম্পিউটিং মডেলে বিনিয়োগ করাই যুক্তিযুক্ত।</p>
<p data-path-to-node="29">একই সঙ্গে জাতীয় অবকাঠামো যেন কোনো একক ভেন্ডর বা ক্লাউড সেবাদাতার ওপর স্থায়ীভাবে নির্ভরশীল (Vendor Lock-in) না হয়ে পড়ে, সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখা জরুরি। ওপেন স্ট্যান্ডার্ড, এপিআই ইন্টারঅপারেবিলিটি এবং ডেটা পোর্টেবিলিটি নিশ্চিত করাকে সরকারি তহবিল বা গ্যারান্টিপ্রাপ্ত প্রকল্পের বাধ্যতামূলক শর্ত করা উচিত। সরকারি সহায়তায় গড়ে ওঠা অবকাঠামো থেকে বিশ্ববিদ্যালয় ও দেশীয় স্টার্টআপগুলোর জন্য সাশ্রয়ী ‘কম্পিউট কোটা’ বরাদ্দ রাখা এবং জ্বালানি ব্যবহারে কার্বন ফুটপ্রিন্ট নিয়ন্ত্রণের সুনির্দিষ্ট মানদণ্ড থাকাও প্রয়োজন।</p>
<p data-path-to-node="30">প্রযুক্তিগত উৎকর্ষের চেয়েও এআই যুগে দেশের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ হলো ব্যবহারকারীর ‘আস্থা’। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক স্বাস্থ্যসেবা বা প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে নাগরিকের তথ্যের গোপনীয়তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। কাঠামোগত দুর্বলতার বোঝা কখনোই সাধারণ নাগরিকের মৌলিক অধিকার খর্ব করে চাপানো যাবে না।</p>
<p data-path-to-node="31">কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎ নিয়ন্ত্রণ কেবল অ্যালগরিদমের শ্রেষ্ঠত্বে সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ, নিরবচ্ছিন্ন সংযোগ এবং ন্যায্যমূল্যের মূলধনের ওপর ভিত্তি করে যে দেশ কার্যকর পরিকাঠামো দাঁড় করাতে পারবে, তারাই এই রূপান্তরের সুফল পাবে।</p>
<hr>
<p data-path-to-node="34"><b data-path-to-node="34" data-index-in-node="0">লেখক || </b>দায়িত্বশীল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স বিষয়ক আন্তর্জাতিক অ্যাম্বাসেডর; প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, বিএনএনআরসি</p>
<hr>
<p data-path-to-node="36"><b data-path-to-node="36" data-index-in-node="0">এডিটরস নোট || </b>আলোচ্য নিবন্ধে প্রকাশিত মতামত ও বিশ্লেষণ লেখকের নিজস্ব। ডিজিটাল বাংলাদেশ ও প্রযুক্তি খাতের অন্তর্ভুক্তিমূলক বিকাশ এবং টেকসই নীতি নির্ধারণের স্বার্থে নিবন্ধটি সম্পাদকীয় পরিমার্জনসহ প্রকাশ করা হলো।</p>
<hr><hr>
<p data-path-to-node="36"></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>কোড যখন ক্ষমতার রাজনীতির দর্পণ</title>
<link>https://digibanglatech.news/189845</link>
<guid>https://digibanglatech.news/189845</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6aa8509f935dd.jpg" length="104289" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 13 Sep 2026 01:53:27 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>এআই রাজনীতি, প্রযুক্তি নিরপেক্ষতা, টেকনোফেমিনিজম, ডিপফেক সহিংসতা, অ্যালগরিদম পক্ষপাত, ডেটা স্ক্র্যাপিং, এআই গভর্ন্যান্স, জেন্ডার ও প্রযুক্তি</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: center;"></p>
<table border="1" height="121" style="border-collapse: collapse; width: 68.104%; height: 132px;"><colgroup><col style="width: 100%;"></colgroup>
<tbody>
<tr style="height: 128px;">
<td style="height: 128px;">
<ul>
<li data-path-to-node="17,0,0">কোড কেবল প্রযুক্তিগত বিন্যাস নয়; এটি প্রকৌশলের ছদ্মবেশে এক গভীর রাজনৈতিক ক্ষমতার চর্চা।</li>
<li data-path-to-node="17,1,0">ইন্টারনেট ক্ষমতা বা লিঙ্গভেদ মেটায়নি; বরং পুঁজিবাদী প্ল্যাটফর্মগুলো মনোযোগ বন্দি করার ওপর দাঁড়িয়েছে।</li>
<li data-path-to-node="17,2,0">ফাউন্ডেশন মডেল তৈরির শীর্ষ ল্যাবগুলো পুরুষ-প্রধান হওয়ায় সিস্টেমে একপেশে দৃষ্টিভঙ্গি স্থায়ী হচ্ছে।</li>
<li data-path-to-node="17,3,0">বিশ্বজুড়ে ডিপফেক কনটেন্টের ৯৫ শতাংশই সম্মতিহীন যৌন নিপীড়নমূলক, যার ৯৯ শতাংশের শিকার নারী।</li>
<li data-path-to-node="17,4,0" style="text-align: justify;">প্রযুক্তিকে নিরপেক্ষ দাবি করা একটি অজুহাত মাত্র, যার আড়ালে অ্যালগরিদমভিত্তিক মুনাফার ব্যবসা জারি থাকে।</li>
</ul>
</td>
</tr>
</tbody>
</table>
<p data-path-to-node="10"></p>
<p data-path-to-node="10">কোড কেবল কোনো নিরীহ পাইপলাইন বা প্রযুক্তিগত নল নয়; এটি মূলত এমন এক রাজনীতি, যা সুকৌশলে প্রকৌশলের ছদ্মবেশ ধারণ করেছে।</p>
<p data-path-to-node="11">নব্বইয়ের দশকের একটি সংক্ষিপ্ত সময়ে প্রাথমিক সাইবার-নারীবাদীরা ইন্টারনেটকে এমন এক মুক্ত পরিসর হিসেবে কল্পনা করতে পেরেছিলেন, যেখানে মানব শরীরকে দরজার বাইরে রেখেই প্রবেশ করা সম্ভব। ধারণা করা হয়েছিল, ভার্চুয়াল অবতার লিঙ্গপরিচয়কে মুছে দেবে এবং নেটওয়ার্ক গুঁড়িয়ে দেবে সনাতন ক্ষমতার স্তরবিন্যাস। সেই বাজিটি বোকামি ছিল না, তবে তা ছিল নিশ্চিতভাবেই অসম্পূর্ণ। এর পরবর্তী সময়ে যে বাণিজ্যিক প্ল্যাটফর্মগুলো গড়ে উঠল, তা তৈরি করেছে করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলো; যা পরিপুষ্ট হয়েছে রাজপথ ও সামরিক ব্যারাকের রূঢ় ভাষায় এবং যেখানে মুনাফা এসেছে কেবল মানুষের মনোযোগকে বন্দি করে। ফলে টেকনোফেমিনিজমের সংশোধনী আজ এড়িয়ে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই: প্রযুক্তি এমন কোনো নিরপেক্ষ হাতিয়ার নয়, যা কেবল ভালো কিংবা খারাপভাবে ব্যবহারের অপেক্ষায় বসে থাকে। এটি বরং সেই সমাজেরই একটি নিখুঁত আয়না এবং পরবর্তীতে শক্তিশালী মেগাফোন—যে সমাজ এটিকে অর্থায়ন করে, কর্মী জোগায় এবং ডেটা স্ক্র্যাপ করে গড়ে তোলে।</p>
<p data-path-to-node="12">যে ল্যাবরেটরিগুলো বিশ্বের মূল ফাউন্ডেশন মডেল তৈরি করে সরবরাহ করছে, সেখানে কর্মীদের সিংহভাগই পুরুষ এবং প্রতিষ্ঠানগুলো হাতেগোনা কয়েকটি পশ্চিমা ভূখণ্ডের ভৌগোলিক বলয়ে সীমাবদ্ধ। ফলস্বরূপ, এই সিস্টেমগুলো কেবল নিছক অনাকাঙ্ক্ষিত অবশিষ্টাংশ হিসেবে পক্ষপাত বা বায়াস তৈরি করে না; বরং তারা একটি নির্দিষ্ট একতরফা দৃষ্টিভঙ্গিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়। জিপিইউর (GPU) দাম সস্তা হওয়ার বহু আগেই নারীবাদী তত্ত্বে যে যৌন বৈষম্য ও অবমাননার কথা চিহ্নিত করা হয়েছিল, মডেলের ট্রেনিং ডেটাসেটগুলো ঠিক সেই সনাতন বৈষম্যেই ঠাসা। নিরাপত্তা মূল্যায়নকারী ফ্রেমওয়ার্কগুলো আজও শুধু ইংরেজি ভাষার আপত্তিকর বিষয়গুলোকেই বিশ্বের সার্বজনীন মানদণ্ড হিসেবে বিবেচনা করে। অন্যদিকে, প্ল্যাটফর্মগুলোর নিরাপত্তা নীতিমালায় নারীর সম্মতিহীন ডিপফেক যৌন কনটেন্টগুলোকে কোনো গভীর অপরাধ হিসেবে না দেখে 'অ্যাডাল্ট কনটেন্ট' নামক এক সাধারণ ঝুড়িতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এর কোনোটিই কোনো নির্দোষ যন্ত্রের যান্ত্রিক ত্রুটি বা গ্লিচ নয়; বরং বিদ্যমান রাজনৈতিক ও সামাজিক বৈষম্য যখন কোডের ভাষায় রূপান্তরিত হয়, তখন ফলাফল এমনই রূপ নেয়।</p>
<p data-path-to-node="13">এর বাস্তব পরিণতি এখন আর তাত্ত্বিক কোনো আলোচনার বিষয় নয়। অনলাইনে ছড়িয়ে থাকা ডিপফেক কনটেন্টের প্রায় পঁচানব্বই শতাংশই সম্মতিহীন যৌন বিষয়ক চিত্রায়ণ, যার নিরঙ্কুশ নিরানব্বই শতাংশের লক্ষ্যবস্তু হচ্ছেন নারী। অতীতে যে অপকর্ম করতে একটি ডার্করুম আর চুরিকৃত ছবির প্রয়োজন হতো, আজ কেবল একটি অ্যাপ এবং মাত্র নব্বই সেকেন্ডেই তা সম্পন্ন হচ্ছে। এআই মডেল মানুষের ভেতরে এই বিকৃত কামনার জন্ম দেয়নি; বরং এটি অপবৃত্তিকে প্রাতিষ্ঠানিক ও শিল্পায়িত রূপ দিয়েছে এবং ইন্টারনেট সংযোগ থাকা যেকোনো মানুষের হাতে একে একটি প্রযুক্তিগত 'ফিচার' হিসেবে তুলে দিয়েছে। প্রযুক্তির 'নিরপেক্ষতার বয়ান' হলো এমন এক সুবিধাজনক অজুহাত, যা সফটওয়্যার প্রস্তুতকারী ভেন্ডরকে দায়মুক্তি দিয়ে ব্যবহারকারীর দিকে আঙুল তোলার সুযোগ করে দেয়, আর পেছনের অ্যালগরিদমিক আর্কিটেকচার থেকে ক্রমাগত নগদ মুনাফা ঝরে পড়তে থাকে।</p>
<p data-path-to-node="14">নিরপেক্ষতার এই মিথ পরিত্যাগ করার অর্থ কখনোই প্রযুক্তি ধ্বংস করার ডাক নয়। এর প্রকৃত উদ্দেশ্য হলো সিস্টেমের ভেতরের ডিজাইনসংক্রান্ত প্রতিটি সিদ্ধান্তকে একটি প্রকাশ্য সামাজিক সিদ্ধান্ত হিসেবে বিবেচনা করা। কার ডেটা স্ক্র্যাপ করা হচ্ছে? মডেলের মৌলিক বিধানে কোন কোন ক্ষতিকে স্পষ্টভাবে চিহ্নিত করা হচ্ছে? সিস্টেমের প্রত্যাখ্যাত হওয়ার নির্দেশিকা বা সেফটি-রিফিউজাল কোন ভাষায় পরীক্ষা করা হচ্ছে? রেড-টিমিংয়ের নিরাপত্তা যাচাইয়ে কারা দায়িত্ব পালন করছেন? আর যখন একজন নারী অভিযোগ করেন যে ক্লাসিফায়ার হুমকিটি শনাক্ত করতে ব্যর্থ হয়েছে কারণ এটি বাংলা ভাষায় লেখা হয়েছিল কিংবা নিছক গালাগালির বদলে ‘সম্মান’ বা সামাজিক সংস্কারের আড়ালে প্রকাশ করা হয়েছিল—তখন কার বক্তব্যকে বিশ্বাস করা হচ্ছে? এগুলো নিছক বৈচিত্র্য প্রদর্শনের কোনো অলংকার নয়; এগুলো হলো প্রযুক্তি-কাঠামোর অন্তর্নিহিত রাজনীতি।</p>
<p data-path-to-node="15">কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-সহায়ক এই নারীবিদ্বেষী সহিংসতা যদি বৃদ্ধির বদলে কমাতে হয়, তবে প্রকৌশলী, বিনিয়োগকারী এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে প্রথমেই একটি বুদ্ধিবৃত্তিক সত্যকে অবনত মস্তকে স্বীকার করতে হবে: কোড হলো একটি রাজনৈতিক উপাদান। ঢাকার মতো জায়গায় এ ধরনের সংলাপ আয়োজনের প্রয়োজনীয়তা ঠিক এই কারণেই যে, যে কক্ষগুলোতে মানুষ কেবল উদ্ভাবনের জয়গান গাইতে ভালোবাসে, সেখানে এখনও এই বাক্যটির পক্ষে লড়াই চালিয়ে যেতে হচ্ছে। যতদিন না এই সত্য গৃহীত হচ্ছে, ততদিন ওয়াটারমার্কিং, কনটেন্ট টেকডাউন, ফরেনসিক প্রশিক্ষণ কিংবা নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা (WPS) জাতীয় কর্মপরিকল্পনার মতো প্রতিটি পরবর্তী সংস্কার কেবল খোলা নলের নিচে দাঁড়িয়ে প্লাবিত মেঝে মোছার নিষ্ফল চেষ্টার মতোই পরিহাস হয়ে থাকবে।</p>
<hr>
<p data-path-to-node="18"><b data-path-to-node="18" data-index-in-node="0">লেখক || </b>পিএইচডি, পিজিডি (অক্সফোর্ড); প্রধান উদ্ভাবন কর্মকর্তা ও মহাপরিচালক, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও প্রযুক্তি, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। তিনি একজন কূটনীতিক ও উদ্ভাবন কৌশলবিদ, যিনি বাণিজ্য, বিনিয়োগ, প্রযুক্তি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার শাসনব্যবস্থার সংযোগস্থলে কাজ করেন। যুক্ত রয়েছেন Digital@UNGA, শিক্ষা ও এআই, সার্বভৌম কম্পিউট এবং অর্থনৈতিক কূটনীতিতে।</p>
<hr>
<p data-path-to-node="20"><b data-path-to-node="20" data-index-in-node="0">এডিটরস নোট || </b>আলোচ্য নিবন্ধে প্রকাশিত অভিমত লেখকের নিজস্ব তাত্ত্বিক ও নীতিগত বিশ্লেষণ। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও জেন্ডার ন্যায়ের জটিল সমীকরণকে উন্মোচনের অংশ হিসেবে নিবন্ধটি সম্পাদকীয় প্রমিতকরণসহ প্রকাশ করা হলো।</p>
<hr><hr>
<p data-path-to-node="20"></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>আন্তর্জাতিক রোবট অলিম্পিয়াডের জাতীয় পর্বে ভিয়েনাগামী বাংলাদেশ দল বাছাই</title>
<link>https://digibanglatech.news/189625</link>
<guid>https://digibanglatech.news/189625</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;2,0,0&quot;&gt;ফিজিক্যাল কম্পিউটিং ও রোবোটিকসে তিন সোনা এবং সাত রৌপা জয়&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;2,1,0&quot;&gt;পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থীর উদ্ভাবনী প্রকৌশল দক্ষতা প্রদর্শিত হয়েছে জাতীয় অলিম্পিয়াডে&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;2,2,0&quot;&gt;নির্বাচিতদের নিয়ে আন্তর্জাতিক দলের ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হবে আঠারো সেপ্টেম্বর&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6aa58cb74d8df.jpg" length="135343" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 12 Sep 2026 18:33:21 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>আন্তর্জাতিক রোবট অলিম্পিয়াড, আইআরও বাংলাদেশ ওপেন ২০২৬, বিডিওএসএন, ফিজিক্যাল কম্পিউটিং, রোবোটিকস কুইজ, ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিক, রোবট অলিম্পিয়াড ভিয়েনা, আইসিটি বিভাগ, স্টেম এডুকেশন</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="5">অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায় অনুষ্ঠেয় ২৮তম আন্তর্জাতিক রোবট অলিম্পিয়াডে (আইআরও) দেশের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে ফিজিক্যাল কম্পিউটিং, মিশন চ্যালেঞ্জ ও অ্যালগরিদমিক রোবোটিকসের জাতীয় প্রতিযোগিতা সম্পন্ন হয়েছে।</p>
<p data-path-to-node="6">১২ সেপ্টেম্বর, শনিবার রাজধানীর ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিক (ইউএপি) ক্যাম্পাসে শেষ হলো দুই দিনব্যাপী ‘আইআরও বাংলাদেশ ওপেন ২০২৬’-এর জাতীয় পর্ব। বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্ক (বিডিওএসএন)-এর উদ্যোগে আয়োজিত এ আসরে সারাদেশের পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থী প্রকৌশল ও রোবোটিকস প্রকল্প উপস্থাপন করে। এতে মোট ৩টি স্বর্ণ, ৭টি রৌপ্য, ১০টি ব্রোঞ্জ ও ৩টি কারিগরি পদক দেওয়া হয়েছে।</p>
<p data-path-to-node="7">প্রতিযোগিতায় ফিজিক্যাল কম্পিউটিং জুনিয়র গ্রুপে সানিডেল স্কুলের ওয়াদি বিনতে হাবিব ও ওয়ারিদ বিন হাবিব রৌপ্য এবং মোহাম্মদপুর প্রিপারেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের জুবাইদাহ জাফরিন ব্রোঞ্জ পদক লাভ করে। সিনিয়র গ্রুপে স্বর্ণপদক পায় ওয়াইডব্লিউসিএ উচ্চমাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের নুসাইবা তাজরিন। এ গ্রুপে ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের মুয়াজ ইবনে বাশার রৌপ্য এবং নাফিয়া বাসার, মোহাম্মদ জারিফ বিন সালেক ও সস্মিত বণিক ব্রোঞ্জ পদক অর্জন করে। এ ছাড়া ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের রাইয়ানা রুফাইদা ও ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের মো. আয়ান রহমান কারিগরি পদক পায়।</p>
<p data-path-to-node="8">ক্রিয়েটিভ জুনিয়র গ্রুপে ব্রোঞ্জপদক পায় এমেরাল্ড ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের মুহতাসিম মাহির, মো. আবদুল্লাহীল আলীম ও মুনাওয়ার হিসান। সিনিয়র গ্রুপে উইলিয়াম কেরি একাডেমির জাইমা যাহিন রৌপ্যপদক এবং মিশন চ্যালেঞ্জে নুসাইবা তাজরিন কারিগরি পদক পায়। রোবোটিকস কুইজ জুনিয়র গ্রুপে স্বর্ণ পায় জালালাবাদ ক্যান্টনমেন্ট ইংলিশ স্কুল অ্যান্ড কলেজের মুহতাদী মাহরুস, রৌপ্য পায় মো. তৌফিক হাসান ও আজমান রসুল এবং ব্রোঞ্জ পায় ফাতিন হাসনাত। কুইজ সিনিয়র গ্রুপে সেন্ট যোসেফ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের মো. মাহিদ জামান স্বর্ণ, মো. আজফার হক রৌপ্য এবং আকরামুল ইসলাম ও আরিব জামান ব্রোঞ্জ লাভ করে।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x_6aa58cb632ca3.jpg" alt=""></p>
<p data-path-to-node="9">স্বর্ণপদকজয়ী নুসাইবা তাজরিন বলে, "আজ পুরস্কার অর্জনটা আমার জন্য অপ্রত্যাশিত ছিল। জাতীয় দলে সুযোগ পেলে আন্তর্জাতিক পর্বে ভালো ফল করার আশা রাখি।" রামু ক্যান্টনমেন্ট ইংলিশ স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আব্দুর রহিম বলেন, "আমাদের স্কুলের শিক্ষার্থীরা অনেক দিন ধরে এই প্রতিযোগিতার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। আজ পুরস্কার পেলে আরও ভালো লাগত, কিন্তু পুরস্কার না পেলেও তারা অনেক কিছু শিখেছে, অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে। এটা আগামী দিনে তাদের বেশ কাজে দেবে।"</p>
<p data-path-to-node="10">সমাপনী অনুষ্ঠানে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের সচিব মো. মামুনুর রশীদ ভূঞা বলেন, "আজ এই আয়োজনে থাকতে পেরে আমি খুবই আনন্দিত। আয়োজকেরা এত বছর ধরে অসাধারণ কাজ করছে। এ জন্য তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। আগামী দিনগুলোয় আমরা আইসিটি বিভাগ থেকে সারা দেশে এটি ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য কাজ করব।"</p>
<p data-path-to-node="10">অনুষ্ঠানে ইউএপির ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য মোহাম্মদ আহমেদ ভূঁইয়া, আইসিটি অধিদফতরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) সাদিয়া শারমিন, উলকাসেমির অ্যানালগ লেআউট ডিজাইন ডিপার্টমেন্টের পরিচালক মুন সাদিয়া, বিডিওএসএন সভাপতি মুনির হাসান এবং আইআরও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য অধ্যাপক লাফিফা জামাল উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p data-path-to-node="10">বিজয়ীদের নিয়ে ১৮ ও ১৯ সেপ্টেম্বর দল নির্বাচনী ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হবে এবং চূড়ান্ত দল ২০২৭ সালের জানুয়ারিতে অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায় বিশ্বমঞ্চে লড়বে।<br>/<strong>/ডিবিটেক/এমএমপি/এসই/ইআইসি/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ইনোভেশন ফেয়ারে ড্যাফোডিলের এআই</title>
<link>https://digibanglatech.news/189566</link>
<guid>https://digibanglatech.news/189566</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li&gt;&lt;span&gt;ড্যাফোডিল প্রদর্শন করছে চার এআই এজেন্ট&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;li&gt;&lt;span&gt;এজেন্টিক এআইয়ে অটোমেশনের নতুন উদ্যোগ&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;li&gt;&lt;span&gt;মেলায় এক হাজারের বেশি উদ্ভাবন&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6aa51156c0623.jpg" length="130792" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 12 Sep 2026 13:46:47 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬, ড্যাফোডিল, এজেন্টিক এআই, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, এডুভাস, এআই প্রফেসর, পারফেক্ট এইচআর, সিইও ড্যাশবোর্ড, প্রযুক্তি উদ্ভাবন</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>নতুন প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও তরুণদের উদ্ভাবনী উদ্যোগে রাজধানীর বিজয় সরণির নভোথিয়েটার প্রাঙ্গণে শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী ‘বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার-২০২৬’। মেলার উদ্বোধনী দিনে এক হাজারের বেশি প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন প্রদর্শনের পাশাপাশি বিশেষ আকর্ষণ তৈরি করেছে ড্যাফোডিলের এজেন্টিক এআই-নির্ভর চারটি পণ্য, যেগুলো শিক্ষা, মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা ও প্রতিষ্ঠানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় স্বয়ংক্রিয়তা আনার লক্ষ্য নিয়ে তৈরি।</p>
<p>১২ সেপ্টেম্বর, শনিবার সকালে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এবং জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরের বাস্তবায়নে আয়োজিত মেলার উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ‘Innovate to Market’ প্রতিপাদ্য সামনে রেখে আয়োজিত এ মেলায় উদ্ভাবক, নীতিনির্ধারক, শিল্প উদ্যোক্তা, বিনিয়োগকারী এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ব্যাপক সমাগম ঘটে।</p>
<p>মেলায় ব্যক্তি পর্যায়ের শতাধিক উদ্ভাবক ও নতুন স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠাতা নিজেদের তৈরি এক হাজারের বেশি পরিবেশবান্ধব ও নতুন প্রযুক্তি প্রদর্শন করছেন। সরকারি-বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান, ৭৩টি সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, স্বতন্ত্র গবেষক, শিক্ষার্থী, নতুন স্টার্টআপ, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পপ্রতিষ্ঠান এবং বৈশ্বিক বিনিয়োগকারীরাও এতে অংশ নিয়েছেন।</p>
<p>প্রযুক্তি, ব্যবসা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও পরিবেশসহ বিভিন্ন খাতের উদ্ভাবন প্রদর্শনের পাশাপাশি দেশীয় উদ্ভাবক ও উদ্ভাবনী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে নীতিনির্ধারক, উদ্যোক্তা, বিনিয়োগকারী, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও উন্নয়ন সহযোগীদের মধ্যে টেকসই অংশীদারত্ব গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।</p>
<p>মেলা প্রাঙ্গণ ঘুরে দেখা যায়, উদ্বোধনের পর থেকেই ঢাকার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা শিক্ষার্থী, প্রযুক্তিপ্রেমী ও সাধারণ দর্শনার্থীদের ভিড় বাড়তে থাকে। বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের তৈরি রোবোটিক্স, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির স্টলগুলোতে বিশেষ আগ্রহ দেখা যায়। তরুণ উদ্ভাবকদের উপস্থিতিতে পুরো মেলাপ্রাঙ্গণে তৈরি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ।</p>
<p>এই আয়োজনের অন্যতম প্রযুক্তি আকর্ষণ ড্যাফোডিলের চারটি এআই এজেন্ট-চালিত পণ্য। এর মধ্যে ‘এডুভাস’ একটি শিক্ষা ও পরিচালন ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা, যা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন কার্যক্রম স্বয়ংক্রিয় করার জন্য তৈরি করা হয়েছে।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x_6aa5114d83bae.jpg" alt=""></p>
<p>ড্যাফোডিলের ‘এআই প্রফেসর’ সফটওয়্যারটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক শেখার সুযোগ তৈরি করে। শিক্ষাক্ষেত্রে এআই ব্যবহারের মাধ্যমে শেখার অভিজ্ঞতাকে আরও ব্যক্তিকেন্দ্রিক ও প্রযুক্তিনির্ভর করাই এর লক্ষ্য।</p>
<p>মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনাকে আধুনিক করতে ড্যাফোডিল এনেছে ‘পারফেক্ট এইচআর’। সফটওয়্যারটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে জীবনবৃত্তান্ত বাছাই, ভিডিও সাক্ষাৎকার বিশ্লেষণ এবং কর্মীদের কর্মদক্ষতা বিশ্লেষণে সহায়তা করে। এর মাধ্যমে পদোন্নতি বা বেতন বৃদ্ধির মতো সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করার পাশাপাশি দক্ষ কর্মী প্রতিষ্ঠান ছাড়ার সম্ভাবনাও আগে থেকে শনাক্ত করার দাবি করা হয়েছে।</p>
<p>অন্যদিকে, ‘লিডারশিপ অপারেটিং সিস্টেম (ওএস)’ বা সিইও ড্যাশবোর্ড এজেন্টিক এআই ব্যবহার করে একটি প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন তথ্য এক পর্দায় বিশ্লেষণের সুযোগ দেয়। এর মাধ্যমে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বা নীতিনির্ধারকেরা প্রতিষ্ঠানের সার্বিক তথ্য দ্রুত বিশ্লেষণ করে সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন বলে জানিয়েছে ড্যাফোডিল।</p>
<p>ড্যাফোডিল গ্রুপের জয়েন্ট ডিরেক্টর মুহাম্মাদ রফিকুল আলম জানান, তাদের মূল লক্ষ্য হচ্ছে ‘এজেন্টিক এআই’ তৈরি করা। এর মাধ্যমে মানুষের দৈনন্দিন কাজ, বিক্রয়, ক্রয় এবং মানবসম্পদ বিশ্লেষণে ব্যয় হওয়া সময় কমিয়ে কাজের গতি বাড়ানো সম্ভব হবে বলে তিনি জানান।</p>
<p>মেলায় আসা দর্শনার্থীরা তরুণ প্রজন্মের উদ্ভাবনী উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন। তাদের মতে, তরুণদের তৈরি এসব প্রযুক্তি দেশের প্রযুক্তি ও কৃষিখাতসহ বিভিন্ন খাতকে আরও এগিয়ে নিতে ভূমিকা রাখতে পারে।</p>
<p>বিশেষ করে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে তৈরি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও প্রযুক্তিনির্ভর প্রকল্পগুলো দর্শনার্থীদের নজর কাড়ছে। গবেষণা, উদ্ভাবন, শিল্প ও বাজারের মধ্যে সংযোগ তৈরির মাধ্যমে এসব প্রযুক্তিকে বাস্তব প্রয়োগে নিয়ে যাওয়াই এবারের মেলার অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।<br>/<strong>/ডিবিটেক/এনপি/এসএমই/এমআইএসটি/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বাংলা কিউআরে অবৈধ ক্যাশ আউট: ক্যাশলেস অর্থনীতির নীতিগত রূপান্তরে বড় হুমকি</title>
<link>https://digibanglatech.news/189648</link>
<guid>https://digibanglatech.news/189648</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6aa62287e78f6.jpg" length="57713" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 12 Sep 2026 10:12:12 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>বাংলা কিউআর, ক্যাশলেস সোসাইটি, এমএফএস ক্যাশ আউট, বাংলাদেশ ব্যাংক, মার্চেন্ট পেমেন্ট জালিয়াতি, রাজস্ব ফাঁকি, ফিনটেক অনিয়ম, ডিজিটাল অর্থনীতি</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<table border="1" style="border-collapse: collapse; width: 99.9683%;"><colgroup><col style="width: 100%;"></colgroup>
<tbody>
<tr>
<td>
<ul>
<li>ক্যাশ ব্যবস্থাপনায় সরকারের বছরে প্রায় ২৫,০০০ কোটি টাকা অপচয় কমাতে ‘বাংলা কিউআর’-এর যাত্রা</li>
<li>পণ্য ও সেবা ছাড়া মার্চেন্ট কিউআরে কৃত্রিম লেনদেন দেখিয়ে সংঘটিত হচ্ছে: ভুয়া বাণিজ্যিক পেমেন্ট, গ্রাহক প্রতারণা এবং ভ্যাট-ট্যাক্স ফাঁকি</li>
<li>এমএফএস অ্যাপে মার্চেন্ট পেমেন্ট সম্পূর্ণ ফি-মুক্ত (০%) হলেও অসাধু এজেন্টরা হাতিয়ে নিচ্ছে প্রতি হাজারে ১৪.৯০ থেকে ১৮.৫০ টাকা</li>
<li>ফিল্ড ভিজিট ও কেওয়াইসি (KYC) যাচাই ছাড়াই লক্ষ্যমাত্রা পূরণের তীব্র প্রতিযোগিতায় ব্যাংক ও ফিনটেকগুলোর লাগামহীন মার্চেন্ট অনবোর্ডিং</li>
<li>অবৈধ ক্যাশ আউটের লেনদেন মানি লন্ডারিং, অনলাইন জুয়া এবং হুন্ডি কার্যক্রমে ব্যবহারের ঝুঁকি; কঠোর হচ্ছে BFIU এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংক</li>
<li data-path-to-node="32,5,0">অপরাধী মার্চেন্টের অ্যাকাউন্ট জব্দ ও ট্রেড লাইসেন্স বাতিলসহ সংশ্লিষ্ট একুয়ারিং ব্যাংককে ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানার বিধান আছে </li>
</ul>
</td>
</tr>
</tbody>
</table>
<p data-path-to-node="2">বাংলাদেশের আর্থিক লেনদেন ব্যবস্থার ডিজিটাইজেশন ও সার্বিক আধুনিকায়নের ইতিহাসে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও নীতিগত মাইলফলক ছিল সর্বজনীন ও ইন্টারঅপারেবল পেমেন্ট পরিকাঠামো ‘বাংলা কিউআর’ (Bangla QR)। দেশজুড়ে নগদ অর্থের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে একটি নিরবচ্ছিন্ন, নিরাপদ ও স্বচ্ছ ‘ক্যাশলেস সোসাইটি’ গড়ে তোলার প্রত্যয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক এই জাতীয় কিউআর স্ট্যান্ডার্ড প্রবর্তন করা হয়।</p>
<p data-path-to-node="3">জাতীয় আর্থিক অন্তর্ভুক্তি কৌশল (National Financial Inclusion Strategy - NFIS) এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেমস ডিপার্টমেন্টের সামগ্রিক রূপরেখা অনুযায়ী, একটি সমন্বিত পেমেন্ট ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার প্রাথমিক লক্ষ্য ছিল সরকারের বিশাল পরিচালনা ও নগদ অর্থ ব্যবস্থাপনা ব্যয় হ্রাস করা। কারণ, নতুন কাগজের নোট ছাপা, ভল্টিং, নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, পরিবহন এবং ব্যাংকগুলোতে ক্যাশ প্রসেসিং সহ অন-ক্যাশ ট্রানজেকশনের পেছনে সরকারের প্রতি বছর আনুমানিক ২০,০০০ থেকে ২৫,০০০ কোটি (২০০-২৫০ বিলিয়ন) টাকা খরচ হয়। দীর্ঘমেয়াদি এই ডিজিটাল পরিকল্পনার মূল উদ্দেশ্য ছিল এই জাতীয় অপচয়ের পরিমাণ অন্তত ৫০ শতাংশে নামিয়ে আনা।</p>
<p data-path-to-node="4">একই উদ্দেশ্যে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, জাতীয় সংস্কার কৌশল, ডিজিটাল কমার্স নীতিমালার সংশোধিত আইন কাঠামো এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) যৌথভাবে ক্ষুদ্র, কুটির ও মাঝারি শিল্প (CMSME) খাতের উদ্যোক্তাদের আধুনিক পেমেন্ট নেটওয়ার্কে যুক্ত করতে বিশেষ ট্যাক্স রিবেট, মার্চেন্ট ডিসকাউন্ট রেট (MDR) শিথিলকরণ এবং প্রণোদনা সুবিধা নিশ্চিত করে আসছে। সরকারের মূল লক্ষ্য ছিল প্রতিটি ক্ষুদ্র পানের দোকান থেকে শুরু করে প্রান্তিক বাজারের নিত্যপণ্যের বিক্রেতাকে বাণিজ্যিক পেমেন্টের আওতায় আনা।</p>
<p data-path-to-node="5">তবে নীতিগত এই যুগান্তকারী উদ্যোগের বিপরীত পিঠে দাঁড়িয়ে মাঠপর্যায়ে মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে এক গভীর অনিয়ম ও ডিজিটাল রূপান্তরের অপব্যবহার। দেশের মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) এজেন্ট ও একশ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ীদের চক্র কেনাকাটার জন্য নির্ধারিত ‘মার্চেন্ট পেমেন্ট’ পোর্টালকে সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে ‘ক্যাশ আউট’ বা অনিয়ন্ত্রিত নগদ উত্তোলনের অবৈধ ব্যবসায় রূপান্তরিত করেছে। এর ফলে সরকারের ক্যাশলেস রূপান্তরের মৌলিক উদ্দেশ্য ভেস্তে যাওয়ার পাশাপাশি জাতীয় রাজস্ব, ব্যাংকিং শৃঙ্খলা, পেমেন্ট সিকিউরিটি এবং প্রান্তিক আর্থিক কাঠামো নজিরবিহীন ঝুঁকির মুখে পড়ছে।</p>
<p data-path-to-node="6"><span style="font-size: 12pt;"><b data-path-to-node="6" data-index-in-node="0">১. ছদ্মবেশী লেনদেনের মেকানিজম ও তিন স্তরের অপরাধের ধরন</b></span></p>
<p data-path-to-node="7">অভিযোগ মতে, রাজধানী ঢাকার প্রধান প্রধান বাণিজ্যিক হাব—যেমন মতিঝিল, কারওয়ান বাজার, মালিবাগ, উত্তরা, মিরপুর, ফার্মগেট—থেকে শুরু করে দেশের বিভাগীয় ও জেলা শহরগুলো (চট্টগ্রাম, সিলেট, বগুড়া, খুলনা, রাজশাহী, বরিশাল) এবং গ্রামীণ বাজারের টেলিকম ফ্ল্যাক্সিলোড ও ক্ষুদ্র রিচার্জ পয়েন্টগুলোতে এই ছদ্মবেশী লেনদেন অনিয়ন্ত্রিতভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।</p>
<p data-path-to-node="8">জরুরি প্রয়োজনে সাধারণ কোনো গ্রাহক যখন নিজের এমএফএস অ্যাকাউন্ট থেকে নগদ অর্থ তুলতে এজেন্ট পয়েন্টে যান, তখন তাকে ব্যাংকিং নিয়মানুযায়ী নির্ধারিত এজেন্ট ক্যাশ আউট নম্বর না দিয়ে কাউন্টারে ঝুলানো কোনো বাণিজ্যিক ব্যাংক বা ফিনটেক প্রতিষ্ঠানের 'বাংলা কিউআর' স্ক্যান করে ‘পেমেন্ট’ করতে উৎসাহিত বা বিভ্রান্ত করা হয়। সাধারণ গ্রাহক পেমেন্ট ও ক্যাশ আউটের কারিগরি এবং আইনি পার্থক্য না বুঝে অ্যাপের মাধ্যমে মার্চেন্ট পেমেন্ট সম্পন্ন করেন। অন্যদিকে, অসাধু দোকানদার কোনো পণ্য বা সেবা হস্তান্তর ছাড়াই নিজের ক্যাশ ড্রয়ার থেকে সমপরিমাণ নগদ অর্থ গ্রাহকের হাতে তুলে দেন।</p>
<p data-path-to-node="9">এই একটিমাত্র কৃত্রিম লেনদেনের আড়ালে পদ্ধতিগত ও আইনিভাবে তিনটি গুরুতর অপরাধ পর্যায়ক্রমে সংঘটিত হচ্ছে।</p>
<p data-path-to-node="10">প্রথমত, এটি একটি পণ্যহীন ভুয়া বাণিজ্যিক পেমেন্ট (Fictitious Commercial Payment)। পেমেন্ট অ্যান্ড সেটেলমেন্ট সিস্টেমস অ্যাক্ট এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিপত্র অনুযায়ী মার্চেন্ট পেমেন্টের একমাত্র আইনি ভিত্তি হলো বাস্তব পণ্য বা সেবার হস্তান্তর। কোনো লেনদেনে পণ্য কেনাবেচা না থাকা সত্ত্বেও ব্যাংকিং চ্যানেলে পেমেন্ট দেখানো পেমেন্ট সিকিউরিটি ও ফিন্যান্সিয়াল ইন্টিগ্রিটির স্পষ্ট লঙ্ঘন।</p>
<p data-path-to-node="11">দ্বিতীয়ত, গ্রাহক শোষণ ও অনৈতিক ফি গ্রহণ। বাংলাদেশ ব্যাংকের কঠোর নির্দেশনায় বাংলা কিউআরে কেনাকাটার পেমেন্ট গ্রাহকের জন্য সম্পূর্ণ ফি-মুক্ত (০% চার্জ) নির্ধারণ করা হয়েছে। কিন্তু অসাধু ব্যবসায়ীরা অসচেতন গ্রাহকের অজ্ঞতার সুযোগ নিয়ে সাধারণ ক্যাশ আউটের পূর্ণাঙ্গ ফি (প্রতি হাজারে ১৪.৯০ টাকা থেকে ১৮.৫০ টাকা পর্যন্ত) গ্রাহকের কাছ থেকে নগদে বা কেটে রেখে বেআইনিভাবে আদায় করছেন।</p>
<p data-path-to-node="12">তৃতীয়ত, বিপুল পরিমাণ ভ্যাট ও কর ফাঁকি। এমএফএস ক্যাশ আউটের ওপর সরকার নির্ধারিত ১৫% ভ্যাট (VAT) এবং ব্যাংকিং বা এমএফএস অপারেটরের আয়ের ওপর প্রযোজ্য কর্পোরেট ট্যাক্স সম্পূর্ণ এড়িয়ে যাওয়া হচ্ছে। এতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) প্রতিদিন লাখ লাখ টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে।</p>
<p data-path-to-node="13"><span style="font-size: 12pt;"><b data-path-to-node="13" data-index-in-node="0">২. অনবোর্ডিং বিশৃঙ্খলা, তদারকিমূলক ঘাটতি ও প্রান্তিক ইকোসিস্টেমে আঘাত</b></span></p>
<p data-path-to-node="14">শিল্প খাতের বিভিন্ন পরিসংখ্যান ও প্রাক্কলন অনুযায়ী, দেশে ইতোমধ্যেই প্রায় ৩২ লক্ষাধিক ছোট-বড় ব্যবসায়ী ও ক্ষুদ্র দোকানদারকে 'বাংলা কিউআর' ইকোসিস্টেমে নিবন্ধিত করা হয়েছে। প্রতিদিন শত শত কোটি টাকার লেনদেন এই ইন্টারঅপারেবল সমন্বিত নেটওয়ার্কে পরিচালিত হচ্ছে। তবে অনবোর্ডিংয়ের এই দ্রুত প্রসারের আড়ালেই মূলত শক্তিশালী তদারকি কাঠামোর অভাব স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।</p>
<p data-path-to-node="15">ব্যাংক ও ফিনটেক প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের ব্যবসায়িক পারফর্মেন্স লক্ষ্যমাত্রা (KPI Target) পূরণের তীব্র প্রতিযোগিতায় নেমে যথাযথ ফিল্ড ভিজিট (Site Inspection) বা 'নো ইউর কাস্টমার' (KYC) যাচাই ছাড়াই সাধারণ এমএফএস এজেন্টদের হাতে মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট তুলে দিচ্ছে। এর ফলে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের সত্যতা যাচাই না করেই মার্চেন্ট কিউআর কোড সরবরাহ করা হচ্ছে।</p>
<p data-path-to-node="16">একই সাথে এজেন্ট ও মার্চেন্ট কাঠামোর মধ্যে বড় ধরনের নীতিগত অসামঞ্জস্য তৈরি হয়েছে। প্রায় দেড় দশক ধরে এমএফএস খাতের ভারসাম্য রক্ষায় একই দোকানে 'এজেন্ট' এবং 'মার্চেন্ট' অ্যাকাউন্ট চালুর ওপর সুস্পষ্ট আইনি নিষেধাজ্ঞা ছিল। কিন্তু সর্বজনীন কিউআর চালুর পর সেই দুই ব্যবস্থার সুনির্দিষ্ট ভৌগোলিক ও আইনি সীমারেখা অস্পষ্ট হয়ে পড়ে। ফলস্বরূপ, অসাধু চক্র একই কাউন্টারে এজেন্টের আড়ালে ব্যাংকের মার্চেন্ট কিউআর ঝুলিয়ে অবৈধ নগদ উত্তোলনের সমান্তরাল সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছে।</p>
<p data-path-to-node="17">এর সুদূরপ্রসারী নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে দেশের লাখ লাখ বৈধ এমএফএস এজেন্টের ওপর। এমএফএস খাতের মূল চালিকাশক্তি হলো প্রান্তিক এজেন্ট নেটওয়ার্ক। অনিয়মতান্ত্রিক উপায়ে পেমেন্ট পোর্টালে অবৈধ ক্যাশ আউট বাড়তে থাকলে প্রকৃত এজেন্টরা তাদের ন্যায্য কমিশন হারাবেন এবং ব্যবসা গুটাতে বাধ্য হবেন। ফলে দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর তৃণমূল পর্যায়ে আর্থিক সেবা পাওয়ার মৌলিক অধিকারই ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।</p>
<p data-path-to-node="18"><span style="font-size: 12pt;"><b data-path-to-node="18" data-index-in-node="0">৩. সামষ্টিক অর্থনৈতিক ঝুঁকি, মানি লন্ডারিং ও কঠোর আইনি বিধান</b></span></p>
<p data-path-to-node="19">এই অনিয়মের ব্যাপ্তি কেবল একজন দোকানদারের ব্যক্তিগত অনৈতিক মুনাফা অর্জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এটি দেশের সামষ্টিক অর্থনীতির ওপর বেশ কিছু বহুমুখী ঝুঁকি তৈরি করছে।</p>
<p data-path-to-node="20">প্রথমত, মানি লন্ডারিং ও ছায়া অর্থনীতির বিস্তার ঘটছে। মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ অনুযায়ী, বাস্তব লেনদেন ছাড়া ইলেকট্রনিক অর্থকে নগদে রূপান্তর করা অর্থ পাচারের শামিল। অভিযোগ রয়েছে, এই অপ্রদর্শিত পেমেন্ট চ্যানেল ব্যবহার করে অনিয়ন্ত্রিত অর্থ প্রবাহ, ক্রিপ্টোকারেন্সি কেনাবেচা, অবৈধ অনলাইন জুয়া এবং হুন্ডি চক্র তাদের অর্থের প্রকৃত উৎস ও গন্তব্য গোপন (Layering) করার সুযোগ পাচ্ছে।</p>
<p data-path-to-node="21">দ্বিতীয়ত, গ্রাহকের অনাকাঙ্ক্ষিত আইনি সংকট তৈরি হচ্ছে। সাধারণ নাগরিক না বুঝে ক্যাশ আউটের উদ্দেশ্যে এমন পেমেন্ট করলেও, বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (BFIU) এআই মনিটরিং সিস্টেমে ট্রানজেকশনটি "সন্দেহজনক লেনদেন" (Suspicious Transaction Report - STR) হিসেবে ফ্ল্যাগ হতে পারে। এতে ভবিষ্যতে ওই সাধারণ ব্যবহারকারী আইন প্রয়োগকারী সংস্থার প্রশ্নের মুখে পড়তে পারেন।</p>
<p data-path-to-node="22">তৃতীয়ত, সরকারি আইনি অবকাঠামো ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অবস্থান অত্যন্ত কঠোর। পরিশোধ ও নিষ্পত্তি ব্যবস্থা আইন, ২০২৪ এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্তৃক সম্প্রতি জারিকৃত স্পষ্ট নির্দেশিকা অনুযায়ী—মার্চেন্ট অ্যাকাউন্টে কৃত্রিম লেনদেন বিভাজন (Artificial Splitting) বা অনিয়ন্ত্রিত ক্যাশ আউটের প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীর ট্রেড লাইসেন্স ও মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট চিরতরে বাতিল করা হবে। অভিযুক্ত ব্যক্তির সমস্ত ব্যাংক ও এমএফএস অ্যাকাউন্ট জব্দ করার আদেশ দেওয়া হবে। পাশাপাশি তদারকিতে ব্যর্থ অনবোর্ডিংকারী ব্যাংক বা একুয়ারিং প্রতিষ্ঠানের ওপর সর্বোচ্চ ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত শাস্তিমূলক জরিমানা এবং মার্চেন্ট অ্যাকুয়ারিং সনদ স্থগিতের স্পষ্ট বিধান রয়েছে।</p>
<p data-path-to-node="23"><span style="font-size: 12pt;"><b data-path-to-node="23" data-index-in-node="0">৪. টেকসই উত্তরণের নীতিগত রূপরেখা ও সুপারিশমালা</b></span></p>
<p data-path-to-node="24">‘বাংলা কিউআর’-এর বৈপ্লবিক সাফল্য ও সুবিধা অক্ষুণ্ন রেখে সার্বিক ডিজিটাল পেমেন্ট ইকোসিস্টেমের সুরক্ষায় একটি সমন্বিত জাতীয় কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা আবশ্যক:</p>
<p data-path-to-node="25">১. অ্যালগরিদমভিত্তিক রিয়েল-টাইম ট্র্যাকিং: কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও ব্যাংকগুলোর ব্যাংকিং আইটি বিভাগে এআই-ভিত্তিক ট্রানজেকশন মনিটরিং চালু করতে হবে। কোনো সাধারণ মুদি বা পানের দোকানে যদি নির্দিষ্ট সময় পরপর একই অঙ্কের গোল ফিগারের (যেমন: ৫,০০০, ১০,০০০ বা ২০,০০০ টাকা) পুনরাবৃত্তিমূলক পেমেন্ট আসতে থাকে, তবে সিস্টেম যেন তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্থগিত ও ফ্ল্যাগ করে।</p>
<p data-path-to-node="26">২. অনসাইট ফিল্ড অডিট: মার্চেন্ট অনবোর্ডিংকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিয়মিত সরেজমিন ফিল্ড অডিট চালাতে হবে। কোনো এমএফএস এজেন্ট পয়েন্টে অননুমোদিত মার্চেন্ট কিউআর ঝুলানো থাকলে তা অবিলম্বে সরিয়ে ফেলা নিশ্চিত করতে হবে।</p>
<p data-path-to-node="27">৩. প্রযুক্তিগত পপ-আপ ও গ্রাহক সচেতনতা: ব্যাংকিং ও এমএফএস অ্যাপগুলোতে কিউআর কোড স্ক্যান করার সময় সরাসরি দৃশ্যমান লাল ফন্টে সতর্কবার্তা প্রদর্শন নিশ্চিত করা প্রয়োজন—"এটি মার্চেন্ট পেমেন্ট কোড, ক্যাশ আউট নয়। এখানে অতিরিক্ত কোনো ফি দেওয়া আইনত দণ্ডনীয়।"</p>
<p data-path-to-node="28">৪. যৌথ রাজস্ব তদারকি: জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (NBR) ভ্যাট ট্র্যাকিং সেল এবং সিআইডির ফিন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিটকে যৌথভাবে অনলাইন পেমেন্টের অসঙ্গতি পর্যবেক্ষণ করে ডিজিটাইজড কর ফাঁকি ও ভয়েল পেমেন্ট চক্রের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান দৃষ্টান্তমূলক আইনি ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।</p>
<p data-path-to-node="29">‘বাংলা কিউআর’ স্মার্ট বাংলাদেশ ও আধুনিক ক্যাশলেস অর্থনৈতিক রূপান্তরের অন্যতম মূল স্তম্ভ। কিন্তু নীতিগত তদারকি ব্যবস্থার কঠোর প্রয়োগ এবং মাঠপর্যায়ে নজরদারি নিশ্চিত করা না গেলে এই যুগান্তকারী অর্জন কর ফাঁকি ও ডিজিটাল কালোবাজারির সুযোগ হিসেবে ব্যবহৃত হতে থাকবে।</p>
<hr>
<p data-path-to-node="35"><b>লেখক || </b>ই-কমার্স বিশ্লেষক ও প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য, ই-ক্যাব (e-CAB)</p>
<hr>
<p data-path-to-node="36"><b data-path-to-node="36" data-index-in-node="0">এডিটরস নোট || </b>লেখাটি লেখকের নিজস্ব চিন্তার ফসল। এর সঙ্গে কারও চরিত্র মিলে গেলে তা কাকতাল মাত্র। এর সাথে ডিজিটাল বাংলা মিডিয়া কর্তৃপক্ষের সম্পাদকীয় নীতিমালার প্রত্যক্ষ সংশ্লিষ্টতা নেই। মতপ্রকাশের উদারতা সমুন্নত রাখতে লেখাটি অবিকৃত রেখে প্রকাশ করা হলো।</p>
<hr>
<p data-path-to-node="36"></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>নৌবাহিনীর ডকইয়ার্ডে ৮৬ প্রকৌশলী নিয়োগ</title>
<link>https://digibanglatech.news/189520</link>
<guid>https://digibanglatech.news/189520</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;2,0,0&quot;&gt;৩৫ পদে চুক্তিভিত্তিক ৮৬ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী নিচ্ছে নৌবাহিনীর ডকইয়ার্ড&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;2,1,0&quot;&gt;কোনো ফি ছাড়াই ১৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সরাসরি বা ডাকযোগে আবেদন&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;2,2,0&quot;&gt;প্রকৌশল, প্রযুক্তি ও সাধারণ বিষয়ে সব জেলার প্রার্থীরা যোগ্য&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6aa4434795a78.jpg" length="425003" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 11 Sep 2026 12:39:00 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords>ডকইয়ার্ড অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস লিমিটেড, বাংলাদেশ নৌবাহিনী নিয়োগ, প্রকৌশলী চাকরি, ডিপ্লোমা প্রকৌশল, নৌ-স্থপতি নিয়োগ, সোনাকান্দা ডকইয়ার্ড, সরকারি চাকরি বিজ্ঞপ্তি, টেকনিক্যাল নিয়োগ, কারিগরি কর্মসংস্থান</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="5">জাহাজ নির্মাণ শিল্প ও ভারী সামুদ্রিক প্রকৌশল অবকাঠামোকে জোরদার করতে ৩৫টি ক্যাটাগরিতে মোট ৮৬ জন কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগ দিচ্ছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী পরিচালিত ডকইয়ার্ড অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস লিমিটেড (ডিইডব্লিউবিএন)।</p>
<p data-path-to-node="6">বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিনে প্রকাশিত এই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী সম্পূর্ণ চুক্তিভিত্তিক ও দৈনিক ভিত্তিক শূন্য পদের জন্য এ বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। এর আগে ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে ০৬.০২.৬৭৫৮.১৬৫.১১.১৬৫.২৬.১০৮৩ স্মারক নম্বরে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিটি অনুমোদন দেয় কর্তৃপক্ষ।</p>
<p data-path-to-node="7">বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, সহকারী প্রকৌশলী (নৌ-স্থপতি), পিএন্ডডি বিভাগ; সহকারী প্রকৌশলী (নৌ-স্থপতি), পিএন্ডডি বিভাগ, কিউসি সেল; সহকারী প্রকৌশলী (নৌ স্থপতি), উৎপাদন বিভাগ এবং উপ-সহকারী প্রকৌশলী, শিপবিল্ডিং শপসহ ৩৫টি পদে আবেদন আহ্বান করা হয়েছে। নারায়ণগঞ্জের সোনাকান্দা, বন্দর এলাকার এই ডকইয়ার্ডে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে স্নাতক, বি.এসসি, ডিপ্লোমা প্রকৌশলী ছাড়াও পদভেদে ৮ম শ্রেণি, এসএসসি, বাণিজ্য ও সাধারণ স্নাতকেরা অংশ নিতে পারবেন।</p>
<p data-path-to-node="8">বাণিজ্য ও হিসাব বিভাগের বি.কম, এম.কম বা এইচএসসি পাস প্রার্থীরা হিসাব ও অডিট পদে আবেদন করতে পারবেন। এইচএসসি বা সমমানের কম্পিউটার দক্ষতাসম্পন্ন প্রার্থীরা হিসাব সহকারী ও নিম্নমান করণিক কাম কম্পিউটার অপারেটরের (এলডিসি) মতো পদে কাজের সুযোগ পাবেন। কারিগরি প্রতিষ্ঠান থেকে ট্রেড সার্টিফিকেট অথবা অভিজ্ঞতাসম্পন্ন প্রার্থীদের জন্য উপ-সহকারী প্রকৌশলী, আউটফিটিং শপ এবং উপ-সহকারী প্রকৌশলী, আইসিই শপসহ কারিগরি পদ রয়েছে। বিআরটিএর বৈধ লাইসেন্সধারীদের জন্য ক্রেন ড্রাইভার এবং ৮ম ও এসএসসি পাসের ভিত্তিতে মেইলম্যান ও যানবাহন চালক নিয়োগ দেওয়া হবে।</p>
<p data-path-to-node="9">সাধারণ প্রার্থীদের বয়স হতে হবে ১৮ থেকে ৩৫ বছর; তবে বিশেষ অভিজ্ঞতাসম্পন্নদের বয়স শিথিলযোগ্য। চুক্তিভিত্তিক পদের ক্ষেত্রে মূল বেতনের সঙ্গে অন্যান্য ভাতা ও বোনাস প্রদান করা হবে। দৈনিক ভিত্তিক পদে মজুরি প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব কাঠামো ও শ্রম আইন অনুযায়ী কার্যকর হবে।</p>
<p data-path-to-node="10">এই নিয়োগে কোনো আবেদন ফি প্রযোজ্য নয়। আগ্রহী প্রার্থীদের <span style="background-color: rgb(206, 212, 217);"><strong><a href="https://www.dewbn.gov.bd" target="_blank" rel="noopener" style="background-color: rgb(206, 212, 217);">www.dewbn.gov.bd</a></strong></span> ওয়েবসাইট থেকে নির্ধারিত চাকরির আবেদন ফরম ডাউনলোড করে তা পূরণ করতে হবে। আবেদনপত্রের সঙ্গে সব শিক্ষাগত সনদের সত্যায়িত অনুলিপি, জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্মনিবন্ধন সনদ, নাগরিকত্ব সনদ এবং প্রথম শ্রেণির গেজেটেড কর্মকর্তা কর্তৃক সত্যায়িত ৪ কপি রঙিন ছবি যুক্ত করে পাঠাতে হবে। খামের ওপর পদের নাম, স্মারক নম্বর ও নিজ জেলার নাম উল্লেখ করে ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখ অফিস চলাকালীন সময়ের মধ্যে 'ব্যবস্থাপনা পরিচালক, ডকইয়ার্ড অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস লিমিটেড, বাংলাদেশ নৌবাহিনী, সোনাকান্দা, বন্দর-১৪১০, নারায়ণগঞ্জ' ঠিকানায় ডাকযোগে বা সরাসরি পৌঁছাতে হবে।<br>/<strong>/ডিবিটেক/ওসি/এসই/ইআইসি/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>সাইবার সুরক্ষার নামে নিয়ন্ত্রণের নতুন খসড়া?</title>
<link>https://digibanglatech.news/189448</link>
<guid>https://digibanglatech.news/189448</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6aa37429ccfd9.jpg" length="114990" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 11 Sep 2026 09:23:43 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="isSelectedEnd"><span>এটি সাইবার নিরাপত্তার সংশোধনী নয়, বরং বক্তব্য নিয়ন্ত্রণ এবং গোয়েন্দা সংস্থা ও পুলিশের হাতে ক্ষমতা বাড়িয়ে দেওয়ার সংশোধনী—এমন আশঙ্কাই তৈরি করছে প্রস্তাবিত পরিবর্তনগুলো।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>সাইবার অপরাধ দমনে একটি শক্তিশালী ও আধুনিক আইন প্রয়োজন—এ নিয়ে বিতর্কের অবকাশ নেই। কিন্তু ‘সাইবার সুরক্ষা (সংশোধন) আইন, ২০২৬’-এর সর্বশেষ খসড়া পর্যালোচনা করলে প্রশ্ন উঠছে, এর কেন্দ্রবিন্দু কি সত্যিই সাইবার নিরাপত্তা, নাকি অনলাইন বক্তব্য ও কনটেন্ট নিয়ন্ত্রণ?</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর পরামর্শ সভায় আলোচিত খসড়ায় গুজব ও অপতথ্যকে নতুন অপরাধ হিসেবে যুক্ত করা, মানহানি ও ‘হেয়প্রতিপন্ন’ করাকে আবার অপরাধের আওতায় আনা, বিচারব্যবস্থার পরিধি বদলানো এবং কনটেন্ট অপসারণ ও ব্লক করার ক্ষমতা আরও বিস্তৃত করার প্রস্তাব রয়েছে। পাশাপাশি কর্মকর্তাদের দায়মুক্তির নতুন বিধান এবং জাতীয় সাইবার সুরক্ষা কাউন্সিলের সভার সময়সীমা বাড়ানোর প্রস্তাবও রয়েছে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>এখানে আপত্তি সাইবার অপরাধ দমনের বিরুদ্ধে নয়। আপত্তি হলো—সাইবার নিরাপত্তার নামে এমন ক্ষমতা তৈরি করা হচ্ছে কি না, যা শেষ পর্যন্ত মতপ্রকাশ, সাংবাদিকতা, নাগরিক অনুসন্ধান ও সমালোচনার ওপর প্রয়োগ করা যেতে পারে।</span></p>
<h3><strong><span style="font-size: 10pt;">সাইবার আইনের জীবনচক্র</span></strong></h3>
<p class="isSelectedEnd"><span>বাংলাদেশে সাইবার আইন নিয়ে বিতর্কের ইতিহাস দীর্ঘ। ২০১৮ সালে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন প্রণীত হয়। এর নানা ধারা নিয়ে দীর্ঘদিন সমালোচনা ছিল। পরে ২০২৩ সালে নাম ও কিছু বিধান পরিবর্তন করে সাইবার নিরাপত্তা আইন করা হয়। তখনও সমালোচকদের অভিযোগ ছিল, পুরোনো আইনের অনেক বিতর্কিত কাঠামো নতুন আইনে রয়ে গেছে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>২০২৫ সালে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সাইবার নিরাপত্তা অধ্যাদেশ প্রণয়ন করে। পরে ২০২৬ সালের এপ্রিল মাসে নির্বাচিত সংসদে ‘সাইবার সুরক্ষা আইন, ২০২৬’ প্রণীত হয়। জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সির সরকারি তালিকাতেও ২০২৫ সালের অধ্যাদেশ এবং ২০২৬ সালের আইন—দুটিই পৃথকভাবে নথিভুক্ত রয়েছে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>এরপর ১ জুলাই ২০২৬ ‘সাইবার সুরক্ষা (সংশোধন) আইন, ২০২৬’ গেজেট হয়। সরকারি গেজেটের তালিকায় এটি ২০২৬ সনের ৯৯ নম্বর আইন হিসেবে প্রকাশিত হয়েছে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>কিন্তু সেই সংশোধনের পরও নতুন করে আরও একটি সংশোধনী খসড়া সামনে এসেছে। জুলাইয়ে এ খসড়া পর্যালোচনা ও চূড়ান্ত করার জন্য মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করা হয় এবং ১৫ জুলাই কমিটির সভাও অনুষ্ঠিত হয়। সেপ্টেম্বরের ১০ তারিখে এ নিয়ে আবার পরামর্শ সভা হয়েছে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>অর্থাৎ আলোচ্য বিষয়টি এখন আর কেবল আইন প্রণয়নের প্রশ্ন নয়; বরং একটি সদ্য প্রণীত আইনের পরপরই আরও বিস্তৃত নিয়ন্ত্রণমূলক বিধান যুক্ত করার প্রশ্ন।</span></p>
<h3><span style="font-size: 12pt;"><strong>১. বিলের প্রস্তাবনাই বিলের বিরুদ্ধে প্রশ্ন তোলে</strong></span></h3>
<p class="isSelectedEnd"><span>সাইবার সুরক্ষা আইনের মূল দর্শন ছিল নাগরিকের অধিকার ও সাইবার নিরাপত্তার মধ্যে ভারসাম্য তৈরি করা। সেই জায়গা থেকেই প্রশ্ন আসে—যে ধরনের বিধান অতীতে মৌলিক অধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সংকুচিত করার অভিযোগে সমালোচিত হয়েছে, সেগুলোই যদি নতুন নামে ফিরে আসে, তাহলে আইনের চরিত্র কতটা বদলাল?</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>প্রস্তাবিত নতুন ২৬ক ধারাই এই প্রশ্নকে সবচেয়ে তীব্র করে।</span></p>
<h3><span style="font-size: 12pt;"><strong>২. নতুন ২৬ক: ‘গুজব’-এ ১০ বছর</strong></span></h3>
<p class="isSelectedEnd"><span>খসড়ায় সাইবার স্পেসে ‘গুজব ও অপতথ্য’ প্রকাশ বা প্রচারকে নতুন অপরাধ করার প্রস্তাব রয়েছে। সর্বোচ্চ শাস্তি হতে পারে ১০ বছর কারাদণ্ড বা ৪০ লাখ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ড।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>সমস্যার জায়গাটি শুধু শাস্তির মাত্রা নয়; ‘গুজব’-এর সংজ্ঞা।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>প্রস্তাবিত সংজ্ঞায় অসমর্থিত বা যাচাই না করা তথ্য, সংবাদ বা দাবিকে এমন ক্ষেত্রে গুজব বলা হচ্ছে, যা বিভ্রান্তি, আতঙ্ক, উত্তেজনা বা সামাজিক অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করে বা করার সম্ভাবনা রাখে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>এখানে তিনটি প্রশ্ন গুরুত্বপূর্ণ।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><strong><span>প্রথমত, তথ্যটি মিথ্যা হওয়া কি আবশ্যক?</span></strong><br><span>না। ‘অযাচাইকৃত’ হওয়াই যথেষ্ট হতে পারে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><strong><span>দ্বিতীয়ত, ইচ্ছাকৃততা কি আবশ্যক?</span></strong><br><span>‘অপতথ্য’-এর ক্ষেত্রে উদ্দেশ্য বা ইচ্ছাকৃততার প্রশ্ন থাকলেও ‘গুজব’-এর প্রস্তাবিত সংজ্ঞায় সেটি একইভাবে স্পষ্ট নয়।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><strong><span>তৃতীয়ত, প্রকৃত ক্ষতি হওয়া কি আবশ্যক?</span></strong><br><span>না। ‘ক্ষতি বা অস্থিতিশীলতার সম্ভাবনা’ও বিবেচ্য হতে পারে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>এখানেই সাংবাদিকতার সঙ্গে সংঘাতের সম্ভাবনা তৈরি হয়। সংবাদ প্রকাশের কাজের একটি মৌলিক বৈশিষ্ট্য হলো—সরকারি নিশ্চিতকরণের আগেও তথ্য প্রকাশ করা। পরে কোনো তথ্য সত্য প্রমাণিত হলেও, প্রকাশের সময় সেটি ‘যাচাই না করা’ ছিল কি না—এই প্রশ্নটি তখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>এ ধরনের অস্পষ্টতা থাকলে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা, নাগরিক সাংবাদিকতা ও জনস্বার্থে তথ্য প্রকাশের ক্ষেত্র সংকুচিত হওয়ার আশঙ্কা অমূলক নয়।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>আর ধারা ২৭ অনুযায়ী সহায়তা বা সহযোগিতার অপরাধের শাস্তিও মূল অপরাধের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হলে একটি তথ্য শেয়ার বা পুনঃপ্রচার করাও গুরুতর ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।</span></p>
<h3><strong><span style="font-size: 10pt;">শাস্তির তুলনায় অসামঞ্জস্য</span></strong></h3>
<p class="isSelectedEnd"><span>খসড়ার প্রস্তাবিত ২৬ক ধারার সর্বোচ্চ ১০ বছরের শাস্তি বিশেষভাবে প্রশ্ন তৈরি করে। কারণ এটি এমন একটি অপরাধের জন্য, যেখানে ‘অযাচাইকৃত’ তথ্যই অপরাধের একটি ভিত্তি হতে পারে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>অন্যদিকে বর্তমান কাঠামোয় সাইবার প্রতারণা, গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোতে গুরুতর আক্রমণ এবং সাইবার সন্ত্রাসের মতো অপরাধের সঙ্গে শাস্তির মাত্রার তুলনা করলে ‘গুজব’-এর প্রস্তাবিত শাস্তি কতটা আনুপাতিক—সে প্রশ্ন থেকেই যায়।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>এখানে মূল প্রশ্ন শাস্তি দেওয়া হবে কি না নয়; বরং </span><strong><span>অপরাধের সংজ্ঞা ও শাস্তির মধ্যে সামঞ্জস্য আছে কি না।</span></strong></p>
<h3><span>৩. সুরক্ষার বিধান যেখানে আছে, সেখানে নেই কেন?</span></h3>
<p class="isSelectedEnd"><span>খসড়ার অন্য কিছু বিধানে জনস্বার্থ, আইন প্রয়োগ, তদন্ত, চিকিৎসা, অনুমোদিত গবেষণা, শিক্ষা কিংবা হুইসেলব্লোয়িংয়ের মতো বৈধ ব্যবহারের জন্য ব্যতিক্রম রাখার প্রয়োজনীয়তা স্বীকার করা হয়েছে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>তাহলে মতপ্রকাশ-সম্পর্কিত ধারাগুলোতে সাংবাদিকতা, ব্যঙ্গ-রসিকতা, গবেষণা, সৎ সমালোচনা বা জনস্বার্থে তথ্য প্রকাশের জন্য স্পষ্ট সুরক্ষা থাকবে না কেন?</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>একই আইনে যখন ব্যতিক্রম তৈরির কৌশল প্রয়োগ করা সম্ভব, তখন সবচেয়ে সংবেদনশীল বক্তব্য-সম্পর্কিত ধারায় তা না থাকা নিছক drafting oversight হিসেবে দেখলে প্রশ্ন থেকেই যায়।</span></p>
<h3><span>৪. মানহানি ও ‘হেয়প্রতিপন্ন’ আবার কেন?</span></h3>
<p class="isSelectedEnd"><span>খসড়ায় বর্তমান ২৫ ধারার যৌন হয়রানি, ব্ল্যাকমেইলিং, রিভেঞ্জ পর্ন, সেক্সটর্শন ও শিশু যৌন নিপীড়নসংক্রান্ত অপরাধের তালিকায় মানহানি, ‘হেয়প্রতিপন্ন’ ও বুলিং যুক্ত করার প্রস্তাব রয়েছে। শাস্তিও বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>শিশু যৌন নিপীড়ন বা সেক্সটর্শনের মতো গুরুতর অপরাধের শাস্তি কঠোর করার প্রয়োজন নিয়ে আপত্তি থাকার কথা নয়। কিন্তু একই ধারায় অনলাইন মানহানি ও ‘হেয়প্রতিপন্ন’-এর মতো বিস্তৃত ধারণাকে যুক্ত করা হলে আইন প্রয়োগের সীমা কোথায়—সেটিই প্রশ্ন।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>বিশেষ করে ‘হেয়প্রতিপন্ন’-এর সংজ্ঞা যদি এমনভাবে বিস্তৃত হয়, যার আওতায় নেতিবাচক পর্যালোচনা, জবাবদিহিমূলক প্রতিবেদন, ব্যঙ্গচিত্র বা মিমও পড়তে পারে, তাহলে সমালোচনা ও অপরাধের সীমারেখা অস্পষ্ট হয়ে যায়।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>এখানে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো বিচারযোগ্যতা ও গ্রেপ্তারের ক্ষমতা। খসড়ায় মানহানি-সংক্রান্ত অপরাধকে বিচারব্যবস্থার এমন কাঠামোর মধ্যে রাখার প্রস্তাব রয়েছে, যা অতীতে ডিজিটাল আইনের অপব্যবহার নিয়ে উদ্বেগ তৈরি করেছিল।</span></p>
<h3><span>৫. সাইবার অপরাধের বিচার কি মোবাইল কোর্টে?</span></h3>
<p class="isSelectedEnd"><span>খসড়ায় সব সাইবার অপরাধকে একই বিচারিক কাঠামোর মধ্যে না রেখে গুরুতর কিছু অপরাধ সাইবার ট্রাইব্যুনালে এবং অন্যান্য অপরাধ প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানোর প্রস্তাব রয়েছে। কিছু অপরাধ মোবাইল কোর্টের তফসিলে অন্তর্ভুক্ত হলে সেখানে বিচারও হতে পারে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>এখানে কাঠামোগত প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>সাইবার অপরাধের ক্ষেত্রে ডিজিটাল ফরেনসিক, অডিও-ভিডিও যাচাই, তথ্য-উপাত্তের উৎস নির্ধারণ এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-নির্মিত বা সম্পাদিত কনটেন্ট শনাক্ত করার মতো প্রযুক্তিগত বিষয় জড়িত। খসড়াতেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে অডিও-ভিডিও তৈরি বা সম্পাদনার বাস্তবতা স্বীকার করা হয়েছে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>তাহলে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সংক্ষিপ্ত বিচারপ্রক্রিয়ায় একটি স্ক্রিনশট, অডিও বা ভিডিওর সত্যতা নির্ধারণ কতটা সম্ভব—এ প্রশ্নের উত্তর স্পষ্ট হওয়া দরকার।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>আরও গুরুত্বপূর্ণ হলো, বিচারিক স্বাধীনতা ও ন্যায্য বিচারের সাংবিধানিক নিশ্চয়তা। প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধের বিচারকে যদি দ্রুততার নামে এমন ব্যবস্থায় নেওয়া হয়, যেখানে প্রমাণ যাচাইয়ের সুযোগ সীমিত, তাহলে সেটি ন্যায়বিচারের মান নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করতে পারে।</span></p>
<h3><span>৬. ব্লক করার ক্ষমতা কার হাতে যাচ্ছে?</span></h3>
<p class="isSelectedEnd"><span>খসড়ায় কনটেন্ট অপসারণ বা ব্লক করার ক্ষমতার পরিধি বাড়ানোর প্রস্তাব রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এবং সরকারের ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্যান্য সংস্থা বা বাহিনীকে এর আওতায় আনার কথা বলা হয়েছে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>এখানে ‘অন্যান্য ক্ষমতাপ্রাপ্ত সংস্থা বা বাহিনী’ কথাটিই বড় প্রশ্ন তৈরি করে। কারণ ক্ষমতাপ্রাপ্ত সংস্থার পরিধি যদি আইনে স্পষ্টভাবে নির্ধারিত না থাকে, তাহলে প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের মাধ্যমে ক্ষমতার ক্ষেত্র ক্রমশ বিস্তৃত হতে পারে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>আরও উদ্বেগের বিষয় হলো, ‘অপতথ্য বা গুজব’, ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের জন্য ‘মানহানিকর’ এবং রাষ্ট্রের জন্য ‘অবমাননাকর’ কনটেন্টও অপসারণ বা ব্লকের আওতায় আনার প্রস্তাব রয়েছে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>‘রাষ্ট্রের জন্য অবমাননাকর’—এই শব্দবন্ধের সুনির্দিষ্ট আইনি সংজ্ঞা না থাকলে তার সীমা কোথায়?</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>তবে খসড়ার একটি স্বচ্ছতা-সংক্রান্ত নীতি অবশ্যই রাখা উচিত—কোন কনটেন্ট কেন ব্লক বা অপসারণ করা হয়েছে, তার তথ্য জনসম্মুখে প্রকাশের ব্যবস্থা। স্বচ্ছতা ছাড়া ব্লকিং ক্ষমতা সহজেই নির্বাহী ক্ষমতার হাতিয়ার হয়ে উঠতে পারে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>আরও গুরুত্বপূর্ণ হলো প্রতিকার। যে সংস্থা কনটেন্ট ব্লক করবে, তার কাছেই যদি সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করতে হয়, তাহলে স্বাধীন প্রতিকারের প্রশ্ন ওঠে। এ ক্ষেত্রে আদালতের কাছে যাওয়ার পথ স্পষ্ট ও কার্যকর থাকা জরুরি।</span></p>
<h3><span>৭. তদারকি কমছে, দায়মুক্তি বাড়ছে?</span></h3>
<p class="isSelectedEnd"><span>খসড়ায় জাতীয় সাইবার সুরক্ষা কাউন্সিলের সভার ব্যবধান তিন মাস থেকে ছয় মাস করার প্রস্তাব রয়েছে—এমন তথ্য আলোচ্য তুলনামূলক নথি ও বিভিন্ন প্রতিবেদনে এসেছে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>একই সময়ে নির্বাহী সংস্থার কনটেন্ট ব্লক ও অপসারণের ক্ষমতা বাড়ানোর প্রস্তাব থাকলে তদারকির ব্যবধান বাড়ানোর যৌক্তিকতা ব্যাখ্যা করা জরুরি।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>আরও বড় প্রশ্ন কর্মকর্তাদের দায়মুক্তি নিয়ে। খসড়ায় কাউন্সিলের চেয়ারম্যান, সদস্য এবং ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ‘সরল বিশ্বাসে’ করা কাজের জন্য দেওয়ানি বা ফৌজদারি মামলার দায় থেকে সুরক্ষা দেওয়ার প্রস্তাবের কথা বলা হয়েছে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষেত্রে ‘সরল বিশ্বাস’ প্রয়োজনীয় সুরক্ষা হতে পারে। কিন্তু এর সীমা, সংজ্ঞা ও জবাবদিহি স্পষ্ট না হলে দায়মুক্তি নিজেই অপব্যবহারের ঝুঁকি তৈরি করে।</span></p>
<h3><span>আসল প্রশ্নটি এখানেই</span></h3>
<p class="isSelectedEnd"><span>সাইবার অপরাধ দমনে আধুনিক আইন দরকার। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ডিপফেক, র‍্যানসমওয়্যার, ম্যালওয়্যার, পরিচয় চুরি, সাইবার প্রতারণা ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোর ওপর আক্রমণ—এসব বাস্তব হুমকি। সরকারকে এগুলোর বিরুদ্ধে কার্যকর আইন করতেই হবে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>কিন্তু নিরাপত্তা আর নিয়ন্ত্রণ এক জিনিস নয়।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>সাইবার নিরাপত্তার একটি আধুনিক আইন নাগরিকের ডিজিটাল অধিকারও সুরক্ষিত করবে। একই সঙ্গে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো, সরকারি ব্যবস্থা, ব্যবসা ও নাগরিকের তথ্যকে সাইবার হামলা থেকে রক্ষা করবে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>সমস্যা তৈরি হয় তখন, যখন ‘গুজব’, ‘অপতথ্য’, ‘হেয়প্রতিপন্ন’, ‘রাষ্ট্রের জন্য অবমাননাকর’ কিংবা ‘অস্থিতিশীলতার সম্ভাবনা’র মতো অস্পষ্ট শব্দের ওপর দীর্ঘ কারাদণ্ড ও বিস্তৃত প্রশাসনিক ক্ষমতা নির্ভর করে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৬ ইতোমধ্যে প্রণীত হওয়ার পর এত দ্রুত নতুন সংশোধনের প্রয়োজনীয়তা সরকার ব্যাখ্যা করতে পারে। ২০২৬ সালের জুলাইয়েই একটি সংশোধনী আইন গেজেট হয়েছে এবং এখন আবার নতুন খসড়া নিয়ে পরামর্শ চলছে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>সুতরাং প্রশ্নটি হওয়া উচিত—আমরা কি সত্যিই সাইবার নিরাপত্তা শক্তিশালী করছি, নাকি নিরাপত্তার কাঠামোর ভেতরে বক্তব্য নিয়ন্ত্রণের পুরোনো পদ্ধতিগুলো ফিরিয়ে আনছি?</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করতে দীর্ঘ সময় লেগেছে। নতুন আইন যদি একই ধরনের অস্পষ্ট সংজ্ঞা, অতিরিক্ত শাস্তি, বিস্তৃত ব্লকিং ক্ষমতা, দুর্বল প্রতিকার ও কর্মকর্তাদের দায়মুক্তির কাঠামো ফিরিয়ে আনে, তাহলে শুধু আইনের নাম বদলাবে; সমস্যার চরিত্র বদলাবে না।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><strong><span>একটি ভালো সাইবার আইন দরকার। কিন্তু সেই আইন নাগরিককে নিরাপদ করবে—নীরব নয়।</span></strong></p>
<hr>
<p class="isSelectedEnd"><strong><span>লেখক ||  </span></strong>পলিসি টেকনোলজিস্ট, ডাটা সায়েন্টিস্ট এবং গবেষক  </p>
<hr>
<p><strong><span>সম্পাদকীয় নোট ||</span></strong><span> </span><em><span>প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব এবং তা ডিজিটাল বাংলা মিডিয়া কর্তৃপক্ষের সম্পাদকীয় অবস্থানকে অপরিহার্যভাবে প্রতিফলিত করে না। মতপ্রকাশের বৈচিত্রময়তাকে সমুন্নত রাখতে কোনো সম্পাদকীয় সেন্সরশিপ ছাড়াই </span></em><strong><em><span>টেক-থট</span></em></strong><em><span> প্রকাশ করা হয়।</span></em></p>
<hr><hr>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বিশ্ব রোবট অলিম্পিয়াডে আফিয়ার হাত ধরে রৌপ্য</title>
<link>https://digibanglatech.news/189430</link>
<guid>https://digibanglatech.news/189430</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;6,0,0&quot;&gt;বিশ্ব রোবট অলিম্পিয়াডে আফিয়া হুমায়রার নেতৃত্বে টানা দুই বছর ব্রোঞ্জ ও রৌপ্যপদক জয় করে বৈশ্বিক সাফল্য পেয়েছে দল ‘সাইবার স্কোয়াড’&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;6,1,0&quot;&gt;২০২৪ সালে তুরস্কে ব্রোঞ্জ এবং ২০২৫ সালে সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক ফাইনালে বিশ্বের ১০০টির বেশি দেশের সঙ্গে লড়ে রৌপ্য অর্জন করে দলটি&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;6,2,0&quot;&gt;আন্তর্জাতিক সাফল্যের পাশাপাশি নতুন শিক্ষার্থীদের রোবোটিক্স প্রকৌশল ও প্রোগ্রামিং প্রশিক্ষণে প্রশিক্ষক হিসেবে তরুণদের দিকনির্দেশ ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6aa2d5db92b78.jpg" length="63212" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 10 Sep 2026 17:20:00 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>আফিয়া হুমায়রা, সাইবার স্কোয়াড, বিশ্ব রোবট অলিম্পিয়াড, রোবোটিক্স প্রকৌশল, বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ পাবলিক কলেজ, প্রোগ্রামিং, ফিউচার ইনোভেটরস, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক, সিঙ্গাপুর ফাইনাল</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="13"><b data-path-to-node="13" data-index-in-node="0">ঢাকা:</b> রোবোটিক্স প্রকৌশল, প্রোগ্রামিং অ্যালগরিদম ও হার্ডওয়্যার উদ্ভাবনের আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের নাম উজ্জ্বল করেছে বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ পাবলিক কলেজের তরুণ শিক্ষার্থী আফিয়া হুমায়রা। ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ বৃহস্পতিবার সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তি সূত্রে এ তথ্য জানা যায়। তরুণ এই প্রযুক্তিবিদের দলগত নেতৃত্বে মাত্র এক বছরের ব্যবধানে আন্তর্জাতিক পর্যায় থেকে ব্রোঞ্জের পর এবার রৌপ্যপদক অর্জন করেছে বাংলাদেশি রোবোটিক্স দল ‘সাইবার স্কোয়াড’।</p>
<p data-path-to-node="14">দলনেতা হিসেবে আফিয়া টানা দুই বছর বিশ্ব রোবট অলিম্পিয়াডে (WRO) আন্তর্জাতিক সাফল্য ছিনিয়ে আনেন। ২০২৪ সালে তুরস্কের ইজমিরে অনুষ্ঠিত বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় ৮৭টি দেশের ৫৬০টি দলের সাথে অংশ নিয়ে ‘ফিউচার ইনোভেটরস’ ক্যাটাগরিতে ব্রোঞ্জপদক লাভ করে সাইবার স্কোয়াড। ওই আসরে সাদিয়া আনজুম পুষ্পার দল ‘চেঞ্জ মেকার্স ২০২৪’ ব্রোঞ্জ অর্জন করে। উভয় দলের নেতৃত্বে নারী শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বৈশ্বিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি প্রতিযোগিতায় দেশের তরুণীদের নেতৃত্বের বড় প্রমাণ দেয়।</p>
<p data-path-to-node="15">পরবর্তীতে ২০২৫ সালে জাতীয় পর্যায়ে প্রায় দুই শতাধিক শিক্ষার্থীর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জুনিয়র গ্রুপে গোল্ড পদক জয় করে দলটি। এর মাধ্যমে বিশ্বমঞ্চে পুনরায় দেশকে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ তৈরি হয়। ২০২৫ সালের ২৬ নভেম্বর বুধবার থেকে ২৮ নভেম্বর শুক্রবার পর্যন্ত সিঙ্গাপুরের মেরিনা বে স্যান্ডস এক্সপো সেন্টারে ১০০টিরও বেশি দেশের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক ফাইনালে অংশ নেয় বাংলাদেশ থেকে যাওয়া ৯টি দল। সেখানে আফিয়া হুমায়রার সাইবার স্কোয়াড জুনিয়র গ্রুপে নবম স্থান নিশ্চিত করে মর্যাদাপূর্ণ রৌপ্যপদক লাভ করে।</p>
<p data-path-to-node="16">সাফল্যের অনুভূতি প্রকাশ করে আফিয়া হুমায়রা জানান, মহান সৃষ্টিকর্তার রহমত, পরিবারের অনুপ্রেরণা ও মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের আর্থিক পৃষ্ঠপোষকতা এই অর্জন সহজ করেছে। তিনি আরও বলেন, দেশের অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান যদি তরুণ উদ্ভাবকদের কারিগরি ও গবেষণামুখী উদ্যোগে পৃষ্ঠপোষকতা দেয়, তবে আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি অঙ্গনে বাংলাদেশ আরও দৃঢ় অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হবে।</p>
<p data-path-to-node="18">প্রতিযোগিতার বাইরেও আফিয়া খুদে শিক্ষার্থীদের রোবোটিক্সের মৌলিক ইলেকট্রনিক্স ও প্রোগ্রামিং শেখাতে প্রশিক্ষক হিসেবে কাজ শুরু করেছেন। সম্প্রতি ক্র্যাব (CRAB) ও উইংস ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ আয়োজিত ‘রোবোজেনেসিস: ইগনাইটিং দ্য ফিউচার অব রোবোটিক্স’ শীর্ষক কর্মশালায় তিনি প্রশিক্ষণ পরিচালনা করেন। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, অটোমেশন এবং মেশিন ভিশনের বৈশ্বিক অগ্রগতির এই সময়ে তার এই নেতৃত্ব আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের ভবিষ্যত রোবোটিক্স প্রকৌশলের বিকাশকে আরও গতিশীল করবে।<br>/<strong>/ডিবিটেক/এসবিএন/এসএমই/এমআইএসটি/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>২৩ হাজার ছবির মধ্য থেকে বাছাই হলো ‘অপো ফটোগ্রাফি কনটেস্ট ২০২৬’&#45;এর সেরা ফ্রেম</title>
<link>https://digibanglatech.news/189416</link>
<guid>https://digibanglatech.news/189416</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;4,0,0&quot;&gt;বিশ্ব ফটোগ্রাফি দিবস উপলক্ষ্যে অপোর ‘এভরি ফটো টেলস এ স্টোরি’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত প্রতিযোগিতায় জমা পড়ে ২৩ হাজারের বেশি ছবি&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;4,1,0&quot;&gt;পোর্ট্রেট, ওয়াইল্ডলাইফ, স্ট্রিট ও আর্কিটেকচার, লো লাইট এবং হেরিটেজ—এই পাঁচ ক্যাটাগরিতে সেরা ছবি বাছাই&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;4,2,0&quot;&gt;নিখুঁত কারিগরি দিকের চেয়ে ছবির আবেগ, ভিন্নধর্মী দৃষ্টিভঙ্গি এবং গল্প বলার সক্ষমতাকে প্রধান মানদণ্ড ধরেন বিচারকেরা&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6aa2bc9a88745.jpg" length="128842" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 10 Sep 2026 16:37:00 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>অপো ফটোগ্রাফি কনটেস্ট ২০২৬, অপো রেনো১৫ সিরিজ ফাইভজি, পাঠশালা সাউথ এশিয়ান মিডিয়া ইনস্টিটিউট, স্মার্টফোন ফটোগ্রাফি, খন্দকার তানভীর মুরাদ, শফিকুল আলম কিরণ, কে এম আসাদ, রাজোয়ানা চৌধুরী জিনিয়া</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="7"><b data-path-to-node="7" data-index-in-node="15">ঢাকা:</b> তরুণদের সৃজনশীল দৃষ্টিভঙ্গি এবং স্মার্টফোনে গল্প বলার সক্ষমতাকে তুলে ধরতে আয়োজিত ‘অপো ফটোগ্রাফি কনটেস্ট ২০২৬’-এ জমা পড়া ২৩ হাজারের বেশি ছবির মধ্য থেকে সেরা ফ্রেমগুলো বাছাই করেছেন দেশের চারজন স্বনামধন্য আলোকচিত্রী ও ভিজ্যুয়াল স্টোরিটেলার। পাঠশালা সাউথ এশিয়ান মিডিয়া ইনস্টিটিউটের সাথে যৌথ উদ্যোগে অপো রেনো১৫ সিরিজ ফাইভজি নিবেদিত এ প্রতিযোগিতায় সারা দেশ থেকে তরুণ আলোকচিত্রীরা অংশগ্রহণ করেন।</p>
<p data-path-to-node="7">১০ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে অপো বাংলাদেশ। </p>
<p data-path-to-node="8">মোবাইলফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, বিশ্ব ফটোগ্রাফি দিবস উদযাপনের অংশ হিসেবে ‘এভরি ফটো টেলস এ স্টোরি’ প্রতিপাদ্যে প্রতিযোগিতাটি অনুষ্ঠিত হয় মোট পাঁচটি পৃথক ক্যাটাগরিতে—পোর্ট্রেট, নেচার অ্যান্ড ওয়াইল্ডলাইফ, স্ট্রিট অ্যান্ড আর্কিটেকচার, লো লাইট এবং হেরিটেজ অ্যান্ড কালচার। জমা পড়া বিপুলসংখ্যক ছবি মূল্যায়নে বিচারকমণ্ডলী কেবল কারিগরি নিখুঁততার ওপর নির্ভর না করে ছবির অন্তর্গত আবেগ, মৌলিকত্ব, অনন্য দৃষ্টিকোণ এবং দৃশ্যভাষার মাধ্যমে গল্প ফুটিয়ে তোলার দক্ষতাকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন।</p>
<p data-path-to-node="9">বি</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x_6aa2bc84a219d.jpg" alt=""></p>
<p data-path-to-node="9">চারক প্যানেলে ছিলেন পাঠশালা সাউথ এশিয়ান মিডিয়া ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ও ফটোগ্রাফি বিভাগের প্রধান খন্দকার তানভীর মুরাদ, আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন প্রবীণ ডকুমেন্টারি আলোকচিত্রী শফিকুল আলম কিরণ, পুরস্কারপ্রাপ্ত ফটোসাংবাদিক কে এম আসাদ এবং আলোকচিত্রী রাজোয়ানা চৌধুরী জিনিয়া।</p>
<p data-path-to-node="10">মূল্যায়নের অভিজ্ঞতা জানিয়ে খন্দকার তানভীর মুরাদ বলেন, "ফটোগ্রাফি মানে সাধারণ মুহূর্তের মাঝে অসাধারণ কিছু আবিষ্কার করা, যা অপোর আধুনিক প্রযুক্তি সহজ করে দিয়েছে।" ডকুমেন্টারি ফটোগ্রাফার শফিকুল আলম কিরণ মন্তব্য করেন, সবচেয়ে প্রভাবশালী ফ্রেম সেটাই, যা দর্শকের মনে গভীর কোনো মানবিক বার্তা পৌঁছে দিতে পারে। অপরদিকে, বিপুল প্রতিযোগীর মানসম্মত ফ্রেম থেকে সেরা ছবি বেছে নেওয়াকে অন্যতম কঠিন কাজ হিসেবে উল্লেখ করেন কে এম আসাদ।</p>
<p data-path-to-node="12">বিচারকদের মতে, কোনো নিখুঁত ফর্মুলা দিয়ে ছবির শ্রেষ্ঠত্ব বিচার করা যায় না; বরং যে ফ্রেমটি সাধারণ দর্শককে এক মুহূর্ত থামিয়ে ছবির ভেতরের গল্পের সাথে আত্মিকভাবে যুক্ত করতে পারে, সেখানেই এর সার্থকতা। ২৩ হাজার তরুণ আলোকচিত্রীর নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি থেকে বাছাইকৃত এই সেরা ছবিগুলো স্মার্টফোন ফটোগ্রাফির পরিধিকে আরও সমৃদ্ধ করেছে।<br>/<strong>/ডিবিটেক/এনওপি/এসএমই/এমআইএসটি/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>নমনীয় সিলিকন থেকে বাংলাদেশের স্বপ্ন</title>
<link>https://digibanglatech.news/189446</link>
<guid>https://digibanglatech.news/189446</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6aa3624babe0b.jpg" length="85356" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 10 Sep 2026 08:07:49 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>নমনীয় সিলিকন, সেমিকন্ডাক্টর, গভীর প্রযুক্তি, সিলিকন রিভার, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, এআইওটি, নমনীয় ইলেকট্রনিক্স, গবেষণা, বাংলাদেশ</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>আজ অ্যাপল তাদের প্রথম ভাঁজযোগ্য আইফোন—আইফোন ডুও—নিয়ে এসেছে। অ্যাপল অবশ্যই প্রথম নয়। স্যামসাংসহ আরও অনেক প্রতিষ্ঠান অনেক আগেই ভাঁজযোগ্য ফোন বাজারে এনেছে। তারও আগে জন রজার্সসহ অসাধারণ গবেষকেরা নমনীয় ও প্রসারণযোগ্য ইলেকট্রনিক্স নিয়ে পথপ্রদর্শক কাজ করেছেন।</p>
<p>কিন্তু ১৩ বছর আগে আরেকটি দল একটু অন্য প্রশ্ন করেছিল।</p>
<p>নতুন কোনো অভিনব উপাদান নয়, প্লাস্টিক ইলেকট্রনিক্সও নয়—শিল্পমানের বাল্ক একক-স্ফটিক সিলিকন ওয়েফার এবং প্রচলিত সিএমওএস-সামঞ্জস্যপূর্ণ প্রক্রিয়া ব্যবহার করে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ইলেকট্রনিক্স তৈরি করে, সেই সিলিকনকেই কি পরে নমনীয় করা যায়? কর্মক্ষমতা, বৃহৎ পরিসরে উৎপাদনযোগ্যতা এবং সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদনের মূল সুবিধাগুলো ধরে রেখেই?</p>
<p>জন রজার্স ও অন্য গবেষকেরা এর আগে সিলিকন-অন-ইনসুলেটর বা এসওআই, সিলিকন (১১১)সহ বিভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহার করে নমনীয় সিলিকন ইলেকট্রনিক্স নিয়ে কাজ করেছিলেন। এসব পদ্ধতির কিছু ক্ষেত্রে সাবস্ট্রেটের খরচ, ত্রুটির ঘনত্ব বা কর্মক্ষমতা নিয়ে সীমাবদ্ধতা ছিল। আমাদের প্রশ্ন ছিল আরও সরাসরি: মূলধারার সেমিকন্ডাক্টর শিল্প যে বাল্ক সিলিকন (১০০) ওয়েফার ব্যবহার করে, সেটিকেই কি নমনীয় ইলেকট্রনিক্সের ভিত্তি করা যায়?</p>
<p>২০১৩ সালের ১০ সেপ্টেম্বর <em>সায়েন্টিফিক রিপোর্টস</em>-এ প্রকাশিত আমাদের গবেষণাপত্রটির শিরোনাম ছিল, <em>“আমরা কি সত্যিই উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন, নমনীয় ও স্বচ্ছ কম্পিউটার তৈরি করতে পারি?”</em> গবেষণাটি দেখিয়েছিল, বাল্ক সিলিকন (১০০) ওয়েফার থেকে প্রচলিত মাইক্রোফ্যাব্রিকেশন ও সিএমওএস-সামঞ্জস্যপূর্ণ প্রক্রিয়া ব্যবহার করে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন সিলিকন ইলেকট্রনিক্সকে নমনীয় ও আংশিক স্বচ্ছ করা সম্ভব।</p>
<p>গবেষণায় তৈরি সিলিকন ফ্যাব্রিকের পুরুত্ব ছিল প্রায় ১৫–১৭.৫ মাইক্রোমিটার এবং এটি প্রায় ৫ মিলিমিটার বাঁকন-ব্যাসার্ধ পর্যন্ত বাঁকানো সম্ভব হয়েছিল। ডিভাইসগুলোতে উচ্চ-কে/ধাতব-গেট প্রযুক্তির পি-টাইপ এমওএসএফইটি ব্যবহার করা হয়। একই সঙ্গে গবেষণায় দেখানো হয়েছিল, ব্যবহৃত বাল্ক সিলিকন সাবস্ট্রেট রাসায়নিক-যান্ত্রিক সমতলীকরণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পুনরায় ব্যবহার করা সম্ভব।</p>
<p>সেই সময় ন্যানোওয়ার্ক এই কাজ নিয়ে লিখেছিল, <em>“নমনীয় উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কম্পিউটার তৈরির পথে।”</em> ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার আলোচনায় ভাঁজযোগ্য, কাগজের মতো পাতলা ট্যাবলেট কম্পিউটার ও স্মার্টফোনের কথাও উঠে এসেছিল।</p>
<p>এবার চমকটা বলি। </p>
<p>কাজটি এমআইটি, স্ট্যানফোর্ড বা সিলিকন ভ্যালিতে হয়নি। হয়েছিল সৌদি আরবের মরুভূমিতে, তখনকার সদ্য প্রতিষ্ঠিত কিং আবদুল্লাহ ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি বা কেএইউএসটির ইন্টিগ্রেটেড ন্যানোটেকনোলজি ল্যাবে। গবেষণাপত্রের লেখক ছিলেন জনাথান পি. রোজাস, গালো এ. টরেস সেভিয়া এবং আমি—মুহাম্মদ এম. হুসাইন। গবেষণাপত্রে আমাদের সবার প্রাতিষ্ঠানিক পরিচয় হিসেবে কেএইউএসটির ইন্টিগ্রেটেড ন্যানোটেকনোলজি ল্যাবের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।</p>
<p>আলহামদুলিল্লাহ, সেই দলটি ছিল আমাদের।</p>
<p>আমরা আজকের অ্যাপল বা স্যামসাংয়ের ভাঁজযোগ্য ফোন বানিয়েছি—এমন দাবি করছি না। নমনীয় ইলেকট্রনিক্সও আমরা আবিষ্কার করিনি। আমাদের প্রশ্নটি ছিল আলাদা: বিদ্যমান সেমিকন্ডাক্টর ব্যবস্থাকে বাদ না দিয়েই উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন সিলিকন ইলেকট্রনিক্সকে নমনীয় করা যায় কি? আলহামদুলিল্লাহ, আমরা দেখিয়েছিলাম—যায়।</p>
<p>তখন কেএইউএসটি নতুন। সৌদি আরবকে প্রযুক্তির অগ্রভূমি হিসেবে দেখার লোকও কম ছিল। তাই হয়তো কাজটি তার প্রাপ্য আলো পায়নি। কিন্তু বিজ্ঞানের কোনো পাসপোর্ট নেই। উদ্ভাবনের কোনো ঠিকানাও নেই।</p>
<p>আর ঠিক এখানেই সিলিকন রিভার বাংলাদেশের দুঃসাহসী স্বপ্নের সঙ্গে গল্পটি মিলে যায়—ভীষণ নয়, ভিশন! </p>
<p>আজ কেউ বলবে, বাংলাদেশ কেন উন্নত মেমোরি, এজেন্টিক এআই, এআইওটি, ডিজিটাল টুইন, বিশেষায়িত পরীক্ষা, স্বয়ংক্রিয় সংযোজন, প্যাকেজিং, কৌশলগত ফ্যাব্রিকেশন, মেধাস্বত্ব বা পণ্য উন্নয়ন নিয়ে ভাববে? সক্ষমতা কোথায়?</p>
<p>আমার উত্তর খুব সহজ।</p>
<p>সক্ষমতা সবসময় শুরু করার আগে তৈরি থাকে না। কাজ করতে করতেই সক্ষমতা তৈরি হয়।</p>
<p>২০১৩ সালে মরুভূমির একটি নতুন বিশ্ববিদ্যালয় যদি ভবিষ্যতের নমনীয় উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কম্পিউটিং নিয়ে প্রশ্ন করতে পারে, ২০২৬ সালে বাংলাদেশ কেন সেমিকন্ডাক্টর ও গভীর প্রযুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন করবে না?</p>
<p>অন্যের প্রযুক্তি সফল হওয়ার পরে সস্তা সেবা-দাতা হিসেবে প্রবেশ করা সহজ।</p>
<p>আমাদের লক্ষ্য হলো তার আগেই জ্ঞান, মেধাস্বত্ব, পণ্য ও কোম্পানি তৈরির টেবিলে বসা।</p>
<p>কারণ ভবিষ্যৎ যখন সবার কাছে স্পষ্ট হয়ে যায়, সবচেয়ে মূল্যবান চেয়ারগুলো সাধারণত ততক্ষণে দখল হয়ে গেছে।</p>
<p>সিলিকন রিভার সেই চেয়ারগুলোর একটিতে বাংলাদেশের নাম লিখতে চায়।</p>
<p>ইনশাআল্লাহ; বাংলাদেশ।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><strong>তথ্যসূত্র:</strong></span><br><em>জনাথান পি. রোজাস, গালো এ. টরেস সেভিয়া ও মুহাম্মদ এম. হুসাইন, “আমরা কি সত্যিই উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন, নমনীয় ও স্বচ্ছ কম্পিউটার তৈরি করতে পারি?”, সায়েন্টিফিক রিপোর্টস, ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৩।</em><br><em>ন্যানোওয়ার্ক, “নমনীয় উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কম্পিউটার তৈরির পথে”, সেপ্টেম্বর ২০১৩।</em></p>
<hr>
<p><strong>লেখক ||</strong><em><strong> </strong>প্রধান স্থপতি, সিলিকন রিভার; অধ্যাপক, পারডু ইউনিভার্সিটি, ইন্ডিয়ানা, যুক্তরাষ্ট্র</em></p>
<hr>
<p><strong>সম্পাদকীয় নোট || </strong> <em>প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব এবং তা ডিজিটাল বাংলা মিডিয়া কর্তৃপক্ষের সম্পাদকীয় অবস্থানকে অপরিহার্যভাবে প্রতিফলিত করে না। মতপ্রকাশের বৈচিত্রময়তাকে সমুন্নত রাখতে কোনো সম্পাদকীয় সেন্সরশিপ ছাড়াই <strong>টেক-থট</strong> প্রকাশ করা হয়।</em></p>
<hr><hr>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের ৩ মাসের ফ্রি ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ: কীভাবে করবেন আবেদন</title>
<link>https://digibanglatech.news/189386</link>
<guid>https://digibanglatech.news/189386</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;4,0,0&quot;&gt;যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়াধীন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের অধীনে ৬৪ জেলার শিক্ষিত যুবকদের জন্য ৩ মাস মেয়াদি ৬০০ ঘণ্টার ফ্রি ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;4,1,0&quot;&gt;আবেদনকারীর বয়স ১৮-৩৫ বছর এবং ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা এইচএসসি বা সমমান হতে হবে; অগ্রাধিকার পাবেন আইসিটি ও ইংরেজিতে দক্ষরা&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;4,2,0&quot;&gt;প্রশিক্ষণার্থীদের দৈনিক ২০০ টাকা যাতায়াত ভাতা, তিন বেলার খাবার এবং কোর্স শেষে সরকারি সনদপত্র প্রদান করা হবে&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6aa28b27dce52.jpg" length="204179" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 10 Sep 2026 00:49:19 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ ২০২৬, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়, ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লিমিটেড, ফ্রি আইটি কোর্স, ডিজিটাল কর্মসংস্থান, যুব ভাতা, ফ্রিল্যান্সিং আবেদন</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="7"><b data-path-to-node="7" data-index-in-node="15">ঢাকা:</b> দেশের ৬৪ জেলার শিক্ষিত ও কর্মপ্রত্যাশী তরুণ-তরুণীদের তথ্যপ্রযুক্তি খাতে দক্ষ করে স্বাবলম্বী করতে এবং আন্তর্জাতিক ডিজিটাল মার্কেটপ্লেসে কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে বড় সুযোগ নিয়ে এসেছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়াধীন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর। এক বিশেষ প্রকল্পের আওতায় ৩ মাস মেয়াদি ৬০০ ঘণ্টার সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ‘ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ’ প্রদানের জন্য আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। ‘ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লিমিটেড’-এর সার্বিক ব্যবস্থাপনায় আগামী ১ অক্টোবর থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত দেশব্যাপী এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালিত হবে।</p>
<p data-path-to-node="8"><b data-path-to-node="8" data-index-in-node="0">আবেদনের যোগ্যতা ও অন্যান্য সুবিধা:</b> প্রশিক্ষণে অংশ নিতে প্রার্থীর বয়স হতে হবে ১৮ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে এবং শিক্ষাগত যোগ্যতা হিসেবে কমপক্ষে এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। আইসিটি বা কম্পিউটার পরিচালনায় মৌলিক ধারণা এবং ইংরেজি ভাষায় প্রাথমিক যোগাযোগে সক্ষম প্রার্থীরা বাছাই প্রক্রিয়ায় অগ্রাধিকার পাবেন। এ কোর্সে অংশ নিতে কোনো প্রকার আবেদন ফি বা টিউশন ফি দিতে হবে না। উপরন্তু, প্রশিক্ষণ চলাকালে প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে দৈনিক ২০০ টাকা হারে যাতায়াত ভাতা, প্রতিদিন তিন বেলার খাবার (সকালের নাশতা, দুপুরের খাবার ও বিকেলের নাশতা) এবং কোর্স সফলভাবে সমাপ্তির পর যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সরকারি সনদপত্র প্রদান করা হবে।</p>
<p data-path-to-node="9"><b data-path-to-node="9" data-index-in-node="0">কীভাবে আবেদন করবেন:</b> আগ্রহী প্রার্থীদের আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ রাত ১১টা ৫৯ মিনিটের মধ্যে নির্ধারিত ওয়েবলিংকে প্রবেশ করে অনলাইনে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। আবেদনের জন্য সরাসরি <response-element class="no-md" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element><a _ngcontent-ng-c4113592580="" target="_blank" rel="noopener" externallink="" _nghost-ng-c935023329="" jslog="197247;track:generic_click,impression,attention;BardVeMetadataKey:W1sicl9hOWMwZGYwNzViYTgyNGFkIiwiY183ZGFmMmM3M2I2NzY1MjgzIixudWxsLCJyY19mMmUyYzcwNmI2NjU1NjExIixudWxsLG51bGwsImJuIixudWxsLDEsbnVsbCxudWxsLDEsMF1d" href="https://e-laeltd.com/64-student-reg-jubo" class="ng-star-inserted" data-hveid="0" decode-data-ved="1" data-ved="0CAAQ_4QMahgKEwjss63cueOWAxUAAAAAHQAAAAAQwgI">https://e-laeltd.com/64-student-reg-jubo</a><response-element class="no-md" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><link-block _nghost-ng-c4113592580="" class="ng-star-inserted"><!----></link-block><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element> লিংকে প্রবেশ করে ব্যক্তিগত ও শিক্ষাগত তথ্য দিয়ে ফরম পূরণ করতে হবে। আবেদন সাবমিট করার পর প্রাপ্ত কনফার্মেশন প্রিন্ট কপিটি ভবিষ্যতের জন্য সংরক্ষণ করতে বলা হয়েছে। নির্ধারিত সময়সীমার পর অনলাইন পোর্টালটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যাবে।</p>
<p data-path-to-node="10"><b data-path-to-node="10" data-index-in-node="0">নির্বাচন ও মৌখিক পরীক্ষার সময়সূচি: </b>অনলাইনে জমা পড়া বৈধ আবেদনপত্র যাচাই-বাছাইয়ের পর আগামী ১৯ ও ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে প্রার্থীদের মৌখিক পরীক্ষা (ভাইভা) অনুষ্ঠিত হবে। এরপর আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত প্রশিক্ষণার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হবে। পরীক্ষার সুনির্দিষ্ট তারিখ, সময়, কেন্দ্র ও আনুষঙ্গিক নির্দেশনাবলী যোগ্য আবেদনকারীদের নিবন্ধিত মোবাইল নম্বরে এসএমএসের মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে।<br>/<strong>/ডিবিটেক/ সিডিএপি/ এসএমই/এমআইএসটি/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>সোফিয়ায় যাবে ছয় কিশোর বিজ্ঞানী, প্রস্তুতি শুরু ১৫ সেপ্টেম্বর</title>
<link>https://digibanglatech.news/189318</link>
<guid>https://digibanglatech.news/189318</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li&gt;সোফিয়ায় আইজেএসও ২০২৬-এ বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবে ছয় শিক্ষার্থী&lt;/li&gt;
&lt;li&gt;১৫ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হবে বিশেষ প্রস্তুতি ও ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ&lt;/li&gt;
&lt;li&gt;আইজেএসওতে মোট নম্বরের ৪০ শতাংশ ব্যবহারিক পরীক্ষায় নির্ভরশীল&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6aa1779254f7a.jpg" length="78764" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 09 Sep 2026 19:43:47 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>আন্তর্জাতিক জুনিয়র সায়েন্স অলিম্পিয়াড, আইজেএসও ২০২৬, বাংলাদেশ দল, বাংলাদেশ জুনিয়র সায়েন্স অলিম্পিয়াড, বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড, কিশোর বিজ্ঞানী, ব্যবহারিক পরীক্ষা, বিজ্ঞান জনপ্রিয়করণ, সোফিয়া</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><strong>ঢাকা, ৯ সেপ্টেম্বর, বুধবার:</strong> বুলগেরিয়ার রাজধানী সোফিয়ায় আগামী ২ থেকে ৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠেয় ২৩তম আন্তর্জাতিক জুনিয়র সায়েন্স অলিম্পিয়াড (আইজেএসও ২০২৬)-এ বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবে ছয় সদস্যের দল। নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার জন্য প্রস্তুত করতে আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে ধানমন্ডির মাকসুদুল আলম বিজ্ঞানাগারে (ম্যাসল্যাব) বিশেষ প্রস্তুতিমূলক ক্যাম্প ও ব্যবহারিক বিজ্ঞানের প্রশিক্ষণ শুরু হবে।</p>
<p>এবারের বাংলাদেশ দলের ছয় সদস্য হলেন— ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী আবরার জাহিন পাঠান, সেন্ট যোসেফ উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী আহমেদ সাদ, এসএফএক্স গ্রিনহেরাল্ড ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী কাজী সুনেহরা ইসলাম সমৃদ্ধি, সেন্ট যোসেফ উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী মোহাম্মদ সাইফান হায়দার, এসএফএক্স গ্রিনহেরাল্ড ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী মারজানা মানহা এবং ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী নাশওয়ান হক মাহির।</p>
<p>এরাই আগামী ডিসেম্বরে সোফিয়ায় বাংলাদেশের হয়ে ২৩তম আইজেএসওতে অংশ নেবে।</p>
<h3><strong><span style="font-size: 10pt;">জাতীয় চ্যাম্পিয়ন মারজানা</span></strong></h3>
<p>এবারের জাতীয় পর্বের জুনিয়র ক্যাটাগরিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ দলের সদস্য মারজানা মানহা। ফলাফল ঘোষণার পর নিজের অনুভূতি জানাতে গিয়ে সে জানিয়েছিল, এই সাফল্যের জন্য সে দুই বছর ধরে চেষ্টা করে গেছে। তার স্বপ্ন একদিন এমআইটিতে পড়াশোনা করা।</p>
<h3><strong><span style="font-size: 10pt;">নেতৃত্বে বুয়েট অধ্যাপক</span></strong></h3>
<p>আইজেএসও ২০২৬ বাংলাদেশ দলের প্রধান দলনেতা হিসেবে থাকছেন বুয়েটের তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল বিভাগের অধ্যাপক এবং বাংলাদেশ বিজ্ঞান জনপ্রিয়করণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক ড. ফারসীম মান্নান মোহাম্মদী।</p>
<p>সহকারী দলনেতা হিসেবে থাকছেন বিডিজেএসওর কো-অর্ডিনেটর ও সমিতির সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার মো. রেজাউল ইসলাম এবং বিডিজেএসও ২০২৬-এর একাডেমিক কো-অর্ডিনেটর ও সেন্টার ফর অ্যাস্ট্রোনমি, স্পেস সায়েন্স অ্যান্ড অ্যাস্ট্রোফিজিক্সের প্রজেক্ট ম্যানেজার ফারজানা আক্তার লিমা।</p>
<h3><strong><span style="font-size: 10pt;">ব্যবহারিক পরীক্ষায় বিশেষ গুরুত্ব</span></strong></h3>
<p>নির্বাচিত ছয় শিক্ষার্থীকে আন্তর্জাতিক অলিম্পিয়াডের জন্য প্রস্তুত করতে আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে ধানমন্ডির মাকসুদুল আলম বিজ্ঞানাগারে বিশেষ প্রস্তুতিমূলক ক্যাম্প ও ব্যবহারিক বিজ্ঞানের প্রশিক্ষণ শুরু হবে।</p>
<p>আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আইজেএসওতে মোট নম্বরের ৪০ শতাংশ ব্যবহারিক পরীক্ষার ফলাফলের ওপর নির্ভর করে। ফলে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার আগে ব্যবহারিক বিজ্ঞান ও পরীক্ষাগারভিত্তিক দক্ষতার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।</p>
<p>প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম শেষে বাংলাদেশ দল আগামী ১ ডিসেম্বর সোফিয়ার উদ্দেশে ঢাকা ছাড়বে।</p>
<h3><strong><span style="font-size: 10pt;">বিডিজেএসও থেকে আন্তর্জাতিক মঞ্চে</span></strong></h3>
<p>১২তম বাংলাদেশ জুনিয়র সায়েন্স অলিম্পিয়াড (বিডিজেএসও ২০২৬)-এর মাধ্যমে এবারের বাংলাদেশ দল নির্বাচন করা হয়েছে।</p>
<p>গত ২৮ আগস্ট রাজধানীর উত্তরায় ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস এগ্রিকালচার অ্যান্ড টেকনোলজি (আইইউবিএটি) ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত জাতীয় পর্বে স্কুল অলিম্পিয়াড ও অনলাইন বাছাই পর্ব পেরিয়ে আসা প্রায় ৪০০ শিক্ষার্থী অংশ নেয়। সেখান থেকে ৫৯ জনকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।</p>
<p>এরপর ৩১ আগস্ট থেকে ২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশ বিজ্ঞান জনপ্রিয়করণ সমিতির ধানমন্ডি কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত তিন দিনের জাতীয় অনাবাসিক ক্যাম্প ও টিম সিলেকশন টেস্টের মাধ্যমে চূড়ান্ত ছয় সদস্যের বাংলাদেশ দল নির্বাচন করা হয়।</p>
<p>২০০৪ সাল থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মেধাবী কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে বিজ্ঞানভিত্তিক জ্ঞান, দক্ষতা ও পারস্পরিক যোগাযোগ তৈরির উদ্দেশ্যে আন্তর্জাতিক জুনিয়র সায়েন্স অলিম্পিয়াড আয়োজন করা হচ্ছে। বাংলাদেশ ২০১৫ সাল থেকে নিয়মিতভাবে এ প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছে।</p>
<p>/<strong>/ডিবিটেক/ এমএম/এসএমই/এমআইএসটি/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>জ্বালানি ক্রয়ে চাই রাইট এক্সপার্টিজ</title>
<link>https://digibanglatech.news/189467</link>
<guid>https://digibanglatech.news/189467</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6aa39840818b1.jpg" length="101475" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 09 Sep 2026 12:02:37 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>জ্বালানি প্রকিউরমেন্ট, এলএনজি, এনার্জি মার্কেট, ফুয়েল প্ল্যান, লোড ফোরকাস্টিং, পেট্রোবাংলা, বিপিসি, স্পট মার্কেট, এনার্জি রিস্ক ম্যানেজমেন্ট</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশের জ্বালানি সংগ্রহ ও বিশেষ করে এলএনজি প্রকিউরমেন্টে আমাদের <strong>রাইট এক্সপার্টিজ</strong> আনা দরকার। ঐতিহাসিকভাবেই এই জায়গায় আমরা লোকসান করছি। সঠিক সময়ে, সঠিক দামে এবং সঠিক ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে জ্বালানি কেনার সক্ষমতা এখনও আমাদের কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে পৌঁছায়নি।</p>
<p>হিসাব করে দেখা যাচ্ছে, বছরে বাংলাদেশের ১১০-১১৫টি এলএনজি কার্গো কেনার ক্ষেত্রে বাজারদর ও ক্রয়মূল্যের ব্যবধান থেকে প্রায় ২৫০ মিলিয়ন ডলারের বাড়তি খরচ হতে পারে। তবে এই হিসাবের নির্ভুলতা নির্ভর করবে কোন আন্তর্জাতিক বেঞ্চমার্ক, কোন ডেলিভারি উইন্ডো এবং কোন মূল্যকে তুলনার ভিত্তি ধরা হচ্ছে তার ওপর।</p>
<p>২০২৬ সালে পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ, হরমুজ প্রণালিতে সরবরাহ বিঘ্ন এবং বৈশ্বিক এলএনজি বাজারের অস্থিরতায় বাংলাদেশকে একাধিক স্পট কার্গো উচ্চ দামে কিনতে হয়েছে। ২৪ আগস্ট সরকার সেপ্টেম্বরের জন্য দুটি স্পট কার্গো অনুমোদন করে—একটি POSCO International-এর কাছ থেকে ২৪.৬২৫ ডলার এবং অন্যটি TotalEnergies Gas &amp; Power-এর কাছ থেকে ২৪.২৫ ডলার প্রতি MMBtu দরে।</p>
<p>অন্যদিকে, ২০২৬ সালের বার্ষিক সরবরাহ পরিকল্পনায় মোট ১১৫টি এলএনজি কার্গো আমদানির লক্ষ্য ছিল। এর মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির পাশাপাশি স্বল্পমেয়াদি ও স্পট কার্গোর ব্যবস্থাও রাখা হয়েছিল।</p>
<p>কাতার বাংলাদেশের বড় দীর্ঘমেয়াদি সরবরাহকারী। কিন্তু ২০২৬ সালে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত ও হরমুজ-সংক্রান্ত বিঘ্নের কারণে QatarEnergy বাংলাদেশে নির্ধারিত সরবরাহের বড় অংশ কমিয়ে দেওয়ার কথা জানায়। ফলে ঘাটতি পূরণে বাংলাদেশকে স্পট বাজারে আরও বেশি যেতে হয়েছে।</p>
<p>এখানে কয়েকটি বিষয় আমলে নিতে হবে।</p>
<h3><strong><span style="font-size: 10pt;">১. জ্বালানি পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের ফাইলে নয়, সমীকরণে হতে হবে</span></strong></h3>
<p>বর্তমান ব্যবস্থায় একজন মন্ত্রী ও একজন সচিবের নেতৃত্বে জ্বালানি পরিকল্পনার বড় সিদ্ধান্তগুলো নেওয়া হয়। বিপিসি বা পেট্রোবাংলা বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রাথমিক প্রস্তাব তৈরি করে। এরপর ফাইল মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন স্তর পেরিয়ে সচিব ও মন্ত্রীর অনুমোদনের পর সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিতে যায়। অনুমোদনের পর আবার একই প্রশাসনিক পথে তা নিচে নামে।</p>
<p>অর্থাৎ কাঠামোটা অনেকটা এমন—</p>
<p><strong>বিপিসি/পেট্রোবাংলা → মন্ত্রণালয় → সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি → মন্ত্রণালয় → বিপিসি/পেট্রোবাংলা।</strong></p>
<p>একবার ফাইল ওঠে, অনুমোদন নেয় এবং আবার নামে। এরপর শুরু হয় প্রকৃত ক্রয়।</p>
<p>এ ধরনের দীর্ঘ প্রশাসনিক প্রক্রিয়া জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় হতে পারে। কিন্তু জ্বালানি বাজারের মতো অত্যন্ত দ্রুত পরিবর্তনশীল বাজারে প্রতিটি কার্গোকে যদি খুচরা ক্রয় হিসেবে বিবেচনা করতে হয়, তাহলে বাজারের ভালো সময় ধরে মূল্য নির্ধারণ বা আগাম মূল্য সুরক্ষার সুযোগ কমে যায়।</p>
<p>২০২৬ সালের ২৪ আগস্টের দুটি কার্গোই এর একটি উদাহরণ। দুটি কার্গোর দাম ২৪ ডলারের ওপরে ছিল। এর মাত্র কয়েক দিন আগে অনুমোদিত একটি কার্গোর দাম ছিল ২৩.৯৩ ডলার/MMBtu; তারও আগে আগস্টের দুটি কার্গো ২১.৭৭৮ ও ২১.৮৭৮ ডলারে অনুমোদিত হয়েছিল।</p>
<p>এখানে প্রশ্ন শুধু দাম বেশি কি না, তা নয়। প্রশ্ন হলো—আমরা কি বাজারকে আগে থেকে বুঝে ক্রয় করছি, নাকি সংকট তৈরি হওয়ার পর বাজারের কাছে গিয়ে দাম মেনে নিচ্ছি?</p>
<p>মন্ত্রী বা সচিবের ব্যক্তিগত বাজার-অভিজ্ঞতার ওপর জ্বালানি পরিকল্পনা নির্ভর করা উচিত নয়। <strong>ফুয়েল প্ল্যান তৈরি হতে হবে প্রকৌশল, অর্থনীতি, চাহিদা, বাজার ও ঝুঁকি বিশ্লেষণের সমন্বিত মডেলের ভিত্তিতে।</strong></p>
<p>এর জন্য প্রথম প্রয়োজন নির্ভুল <strong>লোড ফোরকাস্টিং</strong>।</p>
<p>সাবস্টেশন, বিদ্যুৎ বিতরণ অঞ্চল ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তথ্যের পাশাপাশি শিল্প ও বণিক সমিতি, ইপিজেড, বেজা, বেপজা, হাই-টেক পার্কসহ শিল্পায়নের নতুন কেন্দ্রগুলোর সম্ভাব্য চাহিদাকেও হিসাবের মধ্যে আনতে হবে।</p>
<p>একটি উদাহরণ দিই। এবছর আমাদের লোড ফোরকাস্ট ছিল ১২.৪ শতাংশ; বাস্তব লোড বেড়েছে ১৭ শতাংশের বেশি—এমন হিসাব পাওয়া যাচ্ছে। আবার পূর্বাভাসের মধ্যেও বড় অংশের সরবরাহ নিশ্চিত করা যায়নি। ফলে একদিকে প্রকৃত চাহিদার বৃদ্ধি ছিল, অন্যদিকে সরবরাহ ঘাটতি ও লোডশেডিংও ছিল।</p>
<p>অর্থাৎ শুধু বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য কত গ্যাস লাগবে, সেই হিসাব যথেষ্ট নয়। <strong>কোথায়, কখন, কত বিদ্যুৎ প্রয়োজন হবে—তার ওপর ভিত্তি করে গ্যাস, কয়লা, ফার্নেস অয়েল ও অন্যান্য জ্বালানির সমন্বিত পরিকল্পনা করতে হবে।</strong></p>
<h3><strong><span style="font-size: 10pt;">২. দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ছাড়া স্পট মার্কেট বিপজ্জনক</span></strong></h3>
<p>নিখুঁত লোড ফোরকাস্টের ভিত্তিতে ফুয়েল মিক্স পরিকল্পনা করতে হবে। সেই পরিকল্পনার সঙ্গে মিলিয়ে প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি ও মধ্যমেয়াদি ক্রয়।</p>
<p>বাংলাদেশের ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির ভিত্তি ইতোমধ্যে আছে। QatarEnergy, OQ Trading এবং Excelerate Energy-সহ একাধিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি সরবরাহ চুক্তি রয়েছে। ২০২৬ সালে নতুন চুক্তিগুলোর আওতায় সরবরাহ শুরু হওয়ার কথাও ছিল।</p>
<p>সমস্যা হলো—দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি থাকলেও সরবরাহের ঝুঁকি রয়েছে। কাতারের ক্ষেত্রে ২০২৬ সালের ভূরাজনৈতিক সংকট সেটিই দেখিয়েছে। তাই দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির পাশাপাশি বিকল্প সরবরাহকারী ও বিকল্প সরবরাহপথও তৈরি রাখতে হবে।</p>
<p>সত্যি বলতে লজ্জার কিছু নেই—আমাদের আন্তর্জাতিক এনার্জি মার্কেট, ট্রেডিং ও রিস্ক ম্যানেজমেন্ট এক্সপার্টিজের ঘাটতি আছে।</p>
<h3><strong><span style="font-size: 10pt;">৩. সরাসরি উৎস ও নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ সম্পর্ক দরকার</span></strong></h3>
<p>স্বল্প ও মধ্যমেয়াদে তৃতীয় পক্ষের ট্রেডিং মধ্যস্বত্বভোগীর ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কমিয়ে মূল উৎপাদক ও শক্তিশালী আন্তর্জাতিক মার্কেটারদের সঙ্গে সরাসরি সরবরাহ সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে।</p>
<p>Shell, TotalEnergies, QatarEnergy-এর মতো প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ট্রেডিং হাউসগুলোর সঙ্গেও প্রতিযোগিতামূলক সম্পর্ক রাখতে হবে। তবে ‘উৎপাদক’ ও ‘ট্রেডিং কোম্পানি’কে এক করে দেখা যাবে না—চুক্তির ধরন, মূল্য কাঠামো, সরবরাহের নিশ্চয়তা এবং ঝুঁকি আলাদাভাবে বিশ্লেষণ করতে হবে।</p>
<p>একাধিক নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ উৎস প্রয়োজন, যেখান থেকে জরুরি পরিস্থিতিতে সরবরাহ কিছুটা বাড়ানো সম্ভব হবে।</p>
<p>কারও সঙ্গে নিয়মিত ক্রয়সম্পর্ক না থাকলে সংকটের মুহূর্তে তার কাছ থেকে জ্বালানি পাওয়ার নিশ্চয়তাও থাকে না।</p>
<h3><strong><span style="font-size: 10pt;">৪. সংকটের পরে নয়, সংকটের আগেই ক্রয়</span></strong></h3>
<p>নির্ভুল ফুয়েল প্ল্যান না থাকায় আমরা প্রায়ই সংকট তৈরি হওয়ার পর ক্রাঞ্চ টাইমে তাৎক্ষণিক বাজার ক্রয়ের ওপর নির্ভর করি। তখন বাজারও জানে যে ক্রেতার হাতে সময় কম।</p>
<p>ফলে দর-কষাকষির ক্ষমতা কমে এবং দাম বেড়ে যায়।</p>
<p>একটি ভারসাম্যপূর্ণ ক্রয় পোর্টফোলিও দরকার। সেখানে এক, দুই, তিন বা পাঁচ বছর মেয়াদি নির্ধারিত বা সূত্রভিত্তিক মূল্য চুক্তি থাকবে। পাশাপাশি এপ্রিল-আগস্টের দীর্ঘ পিক-ডিমান্ড সময়ের জন্য দেশীয় ও বৈদেশিক সরবরাহের নিশ্চয়তা আগেই ঠিক করতে হবে।</p>
<p>স্পট ক্রয় থাকবে, কিন্তু সেটি হবে <strong>পরিকল্পিত ও সীমিত</strong>।</p>
<p>বড় সংকট, দুর্যোগ, সরবরাহ বিচ্ছিন্নতা বা আকস্মিক চাহিদা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে কিছু সুশৃঙ্খল স্পট ক্রয় রাখা যেতে পারে। কিন্তু দীর্ঘ সামার উইন্ডোকে যদি ধারাবাহিক স্পট ক্রয়ের ওপর নির্ভর করে চালাতে হয়, তাহলে সেটি কোনো টেকসই জ্বালানি কৌশল নয়।</p>
<p>বাংলাদেশের ২০২৬ সালের অভিজ্ঞতা তার প্রমাণ। কাতারের সরবরাহ কমে যাওয়ার পর বাংলাদেশকে স্পট বাজারে উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি যেতে হয়েছে। রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধ শুরুর পর বাংলাদেশকে বিকল্প উৎস থেকে স্পট কার্গো সংগ্রহ বাড়াতে হয়েছিল।</p>
<h3><strong><span style="font-size: 10pt;">৫. জ্বালানি কেনায় আর্থিক ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা জরুরি</span></strong></h3>
<p>মূল্য অস্থিরতার সময় বাজারের ঝুঁকিকে পেশাদার আর্থিক ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার আওতায় আনতে হবে।</p>
<p>Petrobangla ও BPC-এর মূল্য নির্ধারণ এবং ঝুঁকি বিশ্লেষণ টিমকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা জরুরি। Henry Hub futures, Brent-linked derivatives, LNG price swaps কিংবা অন্যান্য OTC ব্যবস্থার ব্যবহার সম্পর্কে দক্ষতা তৈরি করতে হবে।</p>
<p>এখানে একটি বাস্তব সমস্যা হলো—সরকারি সচিব বা মন্ত্রী পদগুলো ঘূর্ণায়মান। একজন মন্ত্রীর বা সচিবের ব্যক্তিগত বাজার-অভিজ্ঞতার ওপর এই দক্ষতা তৈরি করা যায় না।</p>
<p><strong>প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতা তৈরি করতে হবে।</strong></p>
<p>অর্থাৎ একটি পেশাদার এনার্জি ট্রেডিং, মার্কেট অ্যানালিটিক্স ও রিস্ক ম্যানেজমেন্ট টিম দরকার, যারা সরকার পরিবর্তন বা কর্মকর্তা বদল হলেও কাজ চালিয়ে যাবে।</p>
<p>বাংলাদেশের এনার্জি প্রকিউরমেন্ট ব্যবস্থায় সবচেয়ে বড় ঘাটতি হয়তো অর্থের নয়—<strong>দক্ষতার।</strong></p>
<h3><strong><span style="font-size: 10pt;">৬. ‘অ্যাড-হক’ ক্রয় থেকে পোর্টফোলিও ব্যবস্থাপনায় যেতে হবে</span></strong></h3>
<p>আমাদের ক্রয় ব্যবস্থা এখনো অনেক ক্ষেত্রে প্রয়োজনের সময় ক্রয় করার দিকে ঝুঁকে আছে। আধুনিক এনার্জি মার্কেটে এটি যথেষ্ট নয়।</p>
<p>প্রথমে চাহিদা নির্ধারণ করতে হবে। তারপর ফুয়েল মিক্স। এরপর সরবরাহ নিরাপত্তা। এরপর দীর্ঘমেয়াদি ও মধ্যমেয়াদি চুক্তি। এরপর ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা। সবশেষে অবশিষ্ট ঘাটতি পূরণের জন্য স্পট মার্কেট।</p>
<p>এই ক্রমটাই হওয়া উচিত।</p>
<p>স্পট মার্কেটকে ভয় পাওয়ার দরকার নেই। বরং সঠিক সময়ে ব্যবহার করতে হবে। বাজার যখন কম দামে থাকে, তখন ভবিষ্যৎ ডেলিভারির জন্য স্পট কার্গো ব্লক বা মূল্য সুরক্ষার সুযোগ নিতে হবে—যদি চুক্তি, বাজারের তারল্য ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কাঠামো তা সমর্থন করে।</p>
<p>এজন্যই <strong>ডিমান্ড ফোরকাস্ট, ফুয়েল প্ল্যান ও প্রকিউরমেন্টকে একই ব্যবস্থাপনা কাঠামোর মধ্যে আনতে হবে।</strong></p>
<h3>শেষ কথা</h3>
<p>বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা এখন শুধু কত গ্যাস আছে, কত বিদ্যুৎকেন্দ্র আছে বা কত কার্গো কেনা যাবে—এই প্রশ্নে সীমাবদ্ধ নেই।</p>
<p>প্রশ্ন হলো, <strong>আমরা কতটা বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে কিনছি।</strong></p>
<p>২০২৬ সালের বাজার অস্থিরতা দেখিয়ে দিয়েছে, একক সরবরাহ উৎস, একক সরবরাহপথ কিংবা সংকটের সময় স্পট বাজারের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কতটা ঝুঁকিপূর্ণ।</p>
<p>বাংলাদেশকে তাই একটি পেশাদার <strong>Energy Procurement &amp; Trading Architecture</strong> তৈরি করতে হবে।</p>
<p>দরকার আন্তর্জাতিক মানের এনার্জি মার্কেট এক্সপার্ট, ট্রেড নেগোশিয়েটর, ডিমান্ড ফোরকাস্টার, কমোডিটি রিস্ক ম্যানেজার এবং আর্থিক বাজার বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে স্থায়ী টিম।</p>
<p>আমাদের অ্যাড-হক ক্রয় কমাতে হবে। অপ্রয়োজনীয় মধ্যস্বত্বভোগী নির্ভরতা কমাতে হবে। সরাসরি ও বহুমুখী সরবরাহ সম্পর্ক তৈরি করতে হবে। দীর্ঘমেয়াদি ও মধ্যমেয়াদি চুক্তির সঙ্গে পরিকল্পিত স্পট ক্রয় রাখতে হবে। আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ—<strong>জ্বালানি কেনার সিদ্ধান্তকে রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক অনুমানের বদলে প্রকৌশল, অর্থনীতি, ডেটা ও বাজার-ঝুঁকির সমীকরণে আনতে হবে।</strong></p>
<p>বাংলাদেশের ১১৫টি কার্গো কেনা শুধু ১১৫টি আলাদা ক্রয় নয়। এটি একটি জাতীয় <strong>Energy Portfolio</strong>।</p>
<p>সেই পোর্টফোলিও যদি পেশাদারভাবে পরিচালনা করা যায়, তাহলে কয়েকশ মিলিয়ন ডলারের সম্ভাব্য অপচয় কমানো সম্ভব। আর যদি না যায়, তাহলে বাজার যতই বদলাক, আমরা বারবার একই জায়গায় ফিরে আসব—<strong>সংকটের পরে বাজারে গিয়ে বেশি দামে জ্বালানি কেনা।</strong></p>
<hr>
<p><strong>লেখক || </strong>অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক উপদেষ্টা; প্রকৌশলী ও লেখক</p>
<hr>
<p><strong>সম্পাদকীয় নোট ||</strong> <em>প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব এবং তা ডিজিটাল বাংলা মিডিয়া কর্তৃপক্ষের সম্পাদকীয় অবস্থানকে অপরিহার্যভাবে প্রতিফলিত করে না। মতপ্রকাশের বৈচিত্রময়তাকে সমুন্নত রাখতে কোনো সম্পাদকীয় সেন্সরশিপ ছাড়াই <strong>টেক-থট</strong> প্রকাশ করা হয়।</em></p>
<hr><hr>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>লগফাইলের অন্ধকারে লুকানো অপরাধী</title>
<link>https://digibanglatech.news/189228</link>
<guid>https://digibanglatech.news/189228</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6aa0f44b8f504.jpg" length="126070" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 08 Sep 2026 22:00:00 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>সাইবার ফরেনসিক, তানভীর হাসান জোহা, রিমোট অ্যাক্সেস ট্রোজান, ব্ল্যাকমেইল তদন্ত, ডিজিটাল এভিডেন্স, ডেটা এক্সফিলট্রেশন, ক্লাউড ফরেনসিক, সাইবার ক্রাইম তদন্ত, চেইন অব কাস্টডি, তথ্যপ্রযুক্তি নিরাপত্তা</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="4">ফোনের ওপাশ থেকে ভেসে এলো মালিহার (ছদ্মনাম) আতঙ্কিত কণ্ঠ। গভীর রাত, পাশে ঘুমিয়ে আছে তাঁর দুই বছরের ফুটফুটে কন্যাসন্তান। অথচ মা দুচোখের পাতা এক করতে পারছেন না। তাঁর কিছু পুরোনো ব্যক্তিগত ছবি পাঠিয়ে অজানা এক নম্বর থেকে ব্ল্যাকমেইল করা হচ্ছে।</p>
<p data-path-to-node="5">পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে স্বাভাবিকভাবেই প্রথম সন্দেহ গিয়ে পড়েছিল তাঁর সাবেক প্রেমিকের দিকে। সামাজিকভাবে এমন ক্ষেত্রে আঙুল তো সেদিকেই ওঠে। সাবেক প্রেমিক ব্যাকুল হয়ে শপথ করে বললেন, “বিশ্বাস করুন, আমি কিছুই করিনি।”</p>
<p data-path-to-node="6">আমি কেবল চুপ করে শুনলাম।</p>
<p data-path-to-node="7">আমাদের বাস্তবতায় অনেক সময় মানুষ কোনো অপরাধ না করেও পরিস্থিতির শিকার হয়ে অপরাধীর কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে যায়। কিন্তু অনুমানের ওপর তো আর বিচার চলে না। সত্যিটা তবে লুকিয়ে থাকে কোথায়? সত্যি থাকে অপারেটিং সিস্টেমের গভীরে, লগফাইলের অন্ধকারে, হার্ডড্রাইভের অপরিচিত সেক্টরে কিংবা গুগল ক্লাউডের নীরব অ্যাক্টিভিটি লগে।</p>
<p data-path-to-node="8">ডিভাইসটি ফরেনসিক পর্যালোচনার জন্য হাতে নিলাম। সামনে এলো এক ভয়াবহ চিত্র—একটি মারাত্মক র‍্যাট (Remote Access Trojan - RAT)-এর মাধ্যমে সিস্টেমের ‘রুট অ্যাক্সেস’ নিয়ে বসে রয়েছে এক অচেনা হ্যাকার। সে দূর থেকেই মালিহার ক্লাউড ও ডিভাইসের গুগল ফটোজ ঘেঁটে সংবেদনশীল ছবিগুলো হাতিয়ে নিয়েছে। বিস্ময়কর বিষয় হলো, সাবেক প্রেমিকের ফোনটিও একই কৌশলে অন্য কারো নিয়ন্ত্রণে চলে গিয়েছিল, যা তিনি নিজেও ঘুণাক্ষরে টের পাননি।</p>
<p data-path-to-node="9">এখানেই দৃশ্যপটে এলো ডিজিটাল ফরেনসিকের বৈজ্ঞানিক তদন্ত:</p>
<ul data-path-to-node="10">
<li>
<p data-path-to-node="10,0,0"><b data-path-to-node="10,0,0" data-index-in-node="0">চেইন অব কাস্টডি ও হ্যাশ ভ্যালু:</b> আইনি মান বজায় রেখে শুরুতেই ডিভাইসের ক্রিপ্টোগ্রাফিক হ্যাশ ভ্যালু সংরক্ষণ করা হলো, যাতে কোনো ডেটা সামান্যতম বিকৃত না হয়।</p>
</li>
<li>
<p data-path-to-node="10,1,0"><b data-path-to-node="10,1,0" data-index-in-node="0">ফিজিক্যাল ইমেজিং ও সিস্টেম বিশ্লেষণ:</b> ফোনের ফিজিক্যাল ইমেজ তৈরি করে অভ্যন্তরীণ ফাইল সিস্টেম ঘেঁটে সুকৌশলে লুকিয়ে থাকা আরএটি (RAT) ম্যালওয়্যারটির ডিজিটাল স্বাক্ষর শনাক্ত করা হলো।</p>
</li>
<li>
<p data-path-to-node="10,2,0"><b data-path-to-node="10,2,0" data-index-in-node="0">ক্লাউড ও নেটওয়ার্ক ফরেনসিক:</b> ক্লাউড হিস্ট্রি উন্মোচন করতেই দেখা গেল অজ্ঞাত আইপি (IP) অ্যাড্রেস থেকে বারবার অননুমোদিত অ্যাক্সেস। এরপর নেটওয়ার্ক ফরেনসিকে ধরা পড়ল দূরবর্তী এক বিদেশি কমান্ড-অ্যান্ড-কন্ট্রোল (C2) সার্ভারের সঙ্গে ডেটার গোপন সংযোগ।</p>
</li>
<li>
<p data-path-to-node="10,3,0"><b data-path-to-node="10,3,0" data-index-in-node="0">ম্যালওয়্যার অ্যানালাইসিস:</b> বিশ্লেষণে অকাট্যভাবে বেরিয়ে এলো যে ব্যাকগ্রাউন্ডে নিয়মিত ‘ডেটা এক্সফিলট্রেশন’ বা সংবেদনশীল ফাইল পাচার হচ্ছিল।</p>
</li>
</ul>
<p data-path-to-node="11">প্রমাণভিত্তিক তদন্তের প্রতিটি ধাপে মেঘ সরে গিয়ে আলো ফুটে উঠল। আসল অপরাধী মালিহার পরিচিত বৃত্তের কোনো মানুষ নয়; লুকিয়ে ছিল সাইবার জগতের অন্ধকারের এক অদৃশ্য হ্যাকার।</p>
<p data-path-to-node="12">মানুষ স্বভাবসুলভ আবেগে মানুষকে ভুল সন্দেহ করে; কিন্তু প্রযুক্তি নিরপেক্ষ থেকে নির্ভুল সত্যটি সামনে তুলে ধরে। ন্যায়বিচার কেবল কোনো অপরাধীকে চিহ্নিত করার নাম নয়—একজন নির্দোষকে অপবাদের হাত থেকে মুক্ত করাও ন্যায়বিচারের সমান মর্যাদাপূর্ণ অংশ।</p>
<p data-path-to-node="13">আমার হাতের ফরেনসিক কিবোর্ডে ন্যায়বিচার কখনো পথ হারায় না; সত্য কেবল নিজেকে উন্মোচনের সঠিক উপায় ও কিছুটা সময় চায়। </p>
<hr>
<p data-path-to-node="13"><strong>লেখক</strong> || সাইবার ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের (আইসিটি) প্রসিকিউটর ও তদন্ত কর্মকর্তা</p>
<hr><hr>
<p data-path-to-node="13">লেখাটি লেখকের নিজস্ব চিন্তার ফসল। এর সঙ্গে কারও চরিত্রের মিল পাওয়া গেলে তা একান্তই কাকতাল মাত্র। একইসঙ্গে লেখকের ব্যক্তিগত বিশ্লেষণী মূল্যায়নে ‘<strong>ডিজিবাংলাটেক.নিউজ</strong>’-এর কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। ‘টেক-থট’-এ প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব; এর সাথে ডিজিটাল বাংলা মিডিয়া কর্তৃপক্ষের সম্পাদকীয় নীতিমালার প্রত্যক্ষ সংশ্লিষ্টতা নেই। মতপ্রকাশের উদারতা সমুন্নত রাখতে লেখাটি অবিকৃত রেখে প্রকাশ করা হলো।</p>
<hr><hr>
<p data-path-to-node="13"></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>রাশিয়ায় আন্তর্জাতিক জলবায়ু অলিম্পিয়াডে বাংলাদেশের দলঘোষণা</title>
<link>https://digibanglatech.news/189117</link>
<guid>https://digibanglatech.news/189117</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;3,0,0&quot;&gt;রাশিয়ার আন্তর্জাতিক জলবায়ু অলিম্পিয়াডের জন্য পাঁচ সদস্যের দল ঘোষণা&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;3,1,0&quot;&gt;জাতীয় অলিম্পিয়াডে হাজারো শিক্ষার্থীর মধ্য থেকে পাঁচজন প্রতিনিধি নির্বাচন&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;3,2,0&quot;&gt;পরিবেশ বিজ্ঞান ও টেকসই উন্নয়নে বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে লড়বে বাংলাদেশ&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6a9f0c5886dfc.jpg" length="84030" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 07 Sep 2026 20:36:00 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>আইওসিই ২০২৬, পরিবেশ অলিম্পিয়াড, বিওসিই, রাশিয়া, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জলবায়ু বিজ্ঞান, এসএলএসএন, সিরিয়াস, বাংলাদেশ</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="6">আন্তর্জাতিক অলিম্পিয়াড অন ক্লাইমেট চেঞ্জ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল ইস্যুজ (আইওসিই) ২০২৬-এ বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করার জন্য পাঁচ সদস্যের চূড়ান্ত দল ঘোষণা করা হয়েছে। রাশিয়ার সিরিয়াসে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া মর্যাদাপূর্ণ এই আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় লাল-সবুজের প্রতিনিধিত্ব করবে এ তরুণ দল। ৭ সেপ্টেম্বর, সোমবার রাশিয়ান দূতাবাসের কালচারাল উইং সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তথ্যটি নিশ্চিত করে।</p>
<p data-path-to-node="7">বাংলাদেশ অলিম্পিয়াড অন ক্লাইমেট চেঞ্জ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল ইস্যুজ (বিওসিই) ২০২৬-এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক দল নির্বাচন করা হয়। সাসটেইনেবিলিটি অ্যান্ড লাইফ সায়েন্সেস নেটওয়ার্ক (এসএলএসএন) এবং জিরো কম্পিটিশনস যৌথভাবে এ জাতীয় প্রতিযোগিতাটির আয়োজন করে।</p>
<p data-path-to-node="8">আইওসিই ২০২৬-এ বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বকারী পাঁচ শিক্ষার্থী হলেন আবু মাহজুরাহ আয়মান, ফাবিহা নূরজিনা, ইসমাহ আরুশ, এস এম আনফাল হাবিব এবং কামরুন নাহার মেঘা। প্রতিনিধিদলের লিডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন তাসিন মোহাম্মদ ও আহনাফ তাহমিদ উদ্দিন। পর্যবেক্ষক হিসেবে দলের সঙ্গে রাশিয়া সফর করবেন ফেরদৌস আহমেদ। বিশ্বমঞ্চে তারা জলবায়ু বিজ্ঞান, পরিবেশবিজ্ঞান ও টেকসই উন্নয়ন-সম্পর্কিত তাত্ত্বিক, ব্যবহারিক ও প্রকল্পভিত্তিক প্রতিযোগিতায় অংশ নেবেন।</p>
<p data-path-to-node="9">বাছাই প্রক্রিয়ার বিষয়ে জানানো হয়, চলতি বছরের ১৭ জুলাই সারা দেশে অনলাইন প্রাথমিক পর্বের মাধ্যমে বিওসিই প্রতিযোগিতা শুরু হয়। পরবর্তীতে ঢাকা, রাজশাহী ও সিলেটে আঞ্চলিক পর্ব এবং একটি অনলাইন আঞ্চলিক পর্বে প্রায় ১,০০০ শিক্ষার্থী অংশ নেয়। মেধার ভিত্তিতে বাছাইকৃত ৩০০ শিক্ষার্থীকে ২১ আগস্ট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলে অনুষ্ঠিত জাতীয় পর্বে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়। পরবর্তীতে ২৭ আগস্ট ঢাকার রাশিয়ান হাউসে চূড়ান্ত নির্বাচন পরীক্ষার মাধ্যমে বৈজ্ঞানিক জ্ঞান, বিশ্লেষণী দক্ষতা ও জটিল সমস্যা সমাধানের সক্ষমতা মূল্যায়ন করে এই দল চূড়ান্ত করা হয়।<br>/<strong>/ডিবিটেক/এনএপি/এসএমই/এমআইএস/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ফেমল্যাব একাডেমিতে জাতীয় চ্যাম্পিয়ন হুমায়রা</title>
<link>https://digibanglatech.news/189094</link>
<guid>https://digibanglatech.news/189094</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li&gt;&lt;span&gt;হুমায়রা তাফশির সারা জাতীয় চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;li class=&quot;&quot;&gt;&lt;span&gt;২২ স্কুলের ৪৪ শিক্ষার্থী প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;li&gt;&lt;span&gt;চেলটেনহ্যাম বিজ্ঞান উৎসবে যুক্তরাজ্য সফর করবেন হুমায়রা&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6a9eefda4c627.jpg" length="89311" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 07 Sep 2026 18:10:38 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>ফেমল্যাব একাডেমি বাংলাদেশ, হুমায়রা তাফশির সারা, বিজ্ঞান যোগাযোগ, স্টেম শিক্ষা, বিজ্ঞান প্রতিযোগিতা, ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশ, চেলটেনহ্যাম বিজ্ঞান উৎসব, শিক্ষার্থী উদ্ভাবন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>জটিল বিজ্ঞান, প্রকৌশল ও গণিতের ধারণাকে মাত্র তিন মিনিটে সহজ, স্পষ্ট ও আকর্ষণীয়ভাবে উপস্থাপনের দক্ষতায় ফেমল্যাব একাডেমি বাংলাদেশ ২০২৬-এর জাতীয় চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন লন্ডন স্কুল অব ইংলিশের শিক্ষার্থী হুমায়রা তাফশির সারা। জাতীয় পর্যায়ের এই বিজ্ঞান যোগাযোগ প্রতিযোগিতায় প্রথম রানার-আপ হয়েছেন স্যার জন উইলসন স্কুলের ওয়ারদা ফাতিমা খান এবং দ্বিতীয় রানার-আপ হয়েছেন সেন্ট জোসেফ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের মো. জিয়াউল হক রেয়ান।</p>
<p>৭ সেপ্টেম্বর, সোমবার ঢাকার ফুলার রোডে ব্রিটিশ কাউন্সিলের প্রাঙ্গণে ফেমল্যাব একাডেমি বাংলাদেশ ২০২৬-এর গ্র্যান্ড ফিনালে অনুষ্ঠিত হয়। দেশের পরবর্তী প্রজন্মের বিজ্ঞান যোগাযোগকারীদের তুলে ধরতে আয়োজিত এবারের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ ও প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা আগের বছরের তুলনায় বেড়েছে।</p>
<p>ফেমল্যাব একাডেমি নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য আয়োজিত একটি স্টেম (বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিত) যোগাযোগ প্রতিযোগিতা। এতে প্রতিযোগীদের কোনো পাওয়ারপয়েন্ট স্লাইড, ডিজিটাল সহায়তা বা লিখিত নোট ব্যবহার না করে খালি মঞ্চে হাতে বহনযোগ্য উপকরণ ব্যবহার করে তিন মিনিটের মধ্যে একটি জটিল বৈজ্ঞানিক, প্রকৌশল বা গাণিতিক ধারণা ব্যাখ্যা করতে হয়।</p>
<p>প্রতিযোগীদের মূল্যায়নে মূলত তিনটি বিষয় বিবেচনা করা হয়—বিষয়বস্তু, স্পষ্টতা ও উপস্থাপনার আকর্ষণীয়তা। অর্থাৎ শুধু কোনো বৈজ্ঞানিক বিষয় সম্পর্কে জ্ঞান থাকলেই হয় না; সেটি অন্যদের কাছে কতটা সহজবোধ্য ও আগ্রহ তৈরি করে উপস্থাপন করা যায়, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ।</p>
<p>এবারের প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশজুড়ে ২২টি স্কুলের ৪৪ জন প্রার্থী অংশ নেন। গত বছর ১১টি স্কুলের ৩১ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছিলেন। আঞ্চলিক পর্যায়ে মোট ৩৯ জন শিক্ষার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। সেখান থেকে ১০ জন গ্র্যান্ড ফিনালের জন্য নির্বাচিত হন।</p>
<p>গ্র্যান্ড ফিনালের ১০ প্রতিযোগী সাতটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিত্ব করেন। প্রতিষ্ঠানগুলো হলো—স্যার জন উইলসন স্কুল, লন্ডন স্কুল অব ইংলিশ, কিডস ক্যাম্পাস স্কুল, প্যারামাউন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ম্যাপল লিফ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ঢাকা, গ্রেস ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এবং সেন্ট জোসেফ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x_6a9eefdbb08ab.jpg" alt=""></p>
<p>অনুষ্ঠানে ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও মার্কেটপ্রধান জুনায়েদ আহমেদ বলেন, “ফেমল্যাব আসলে ফাইনালিস্টরা কতটা জানেন, তা পরীক্ষা করছে না। বরং তাঁরা যা জানেন, সেটি নিয়ে অন্যদের কতটা আগ্রহী করে তুলতে পারেন, সেটি পরীক্ষা করছে। কোনো বিষয় জানা এবং সেটি অন্যকে বোঝাতে পারা দুটি ভিন্ন দক্ষতা। আজকের নম্বরের দুই-তৃতীয়াংশ নির্ভর করছে একজন প্রতিযোগী কতটা ভালোভাবে বোঝাতে পারছেন তার ওপর, শুধু তিনি কতটা জানেন তার ওপর নয়।”</p>
<p>গ্র্যান্ড ফিনালের উপস্থাপনাগুলো মূল্যায়ন করেন তিন সদস্যের বিচারক প্যানেল। এতে ছিলেন ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশের বিজনেস ইমপ্রুভমেন্ট বিভাগের প্রধান আহসানুল আজাদ, আইসিডিডিআর,বির গবেষণা সহকারী ফারিয়া মারহা এবং নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. সালেকুল ইসলাম।</p>
<p>গ্র্যান্ড ফিনালের আগে ২৬ ও ২৭ আগস্ট জাতীয় পর্যায়ের ১০ ফাইনালিস্ট দুই দিনের একটি মাস্টারক্লাসে অংশ নেন। যুক্তরাজ্যের বিজ্ঞানবিষয়ক টেলিভিশন উপস্থাপক ও মাস্টার ট্রেইনার ডালাস ক্যাম্পবেলের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত এই মাস্টারক্লাসে মঞ্চে উপস্থিতি, গল্প বলার কৌশল ও উপস্থাপনার দক্ষতার ওপর প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।</p>
<p>জাতীয় চ্যাম্পিয়ন হিসেবে হুমায়রা তাফশির সারা ব্রিটিশ কাউন্সিলের অর্থায়নে যুক্তরাজ্যের চেলটেনহ্যাম বিজ্ঞান উৎসবে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন। তাঁর এই সফরের সব খরচ বহন করবে ব্রিটিশ কাউন্সিল।</p>
<p>এ ছাড়া প্রতিযোগিতার ১০ ফাইনালিস্টই বিভিন্ন সহযোগী প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে পুরস্কার পেয়েছেন। গোযায়ান বিজয়ী হুমায়রাকে ১০ হাজার টাকার ভ্রমণ ভাউচার এবং অন্য নয়জন ফাইনালিস্টকে তিন হাজার টাকা করে ভ্রমণ ভাউচার দিয়েছে। গরুর ঘাস ফ্যাশন পোশাকে ২০ শতাংশ ছাড়ের ভাউচার দিয়েছে।</p>
<p>প্রথম আলো ফাইনালিস্টদের ১২ মাসের ডিজিটাল ই-পেপার সাবস্ক্রিপশন দিয়েছে। এর আওতায় কিশোর আলো ও বিজ্ঞান চিন্তার ই-সংস্করণও রয়েছে। গ্র্যাবগো সব ফাইনালিস্টকে প্রিমিয়াম ব্যাকপ্যাক এবং হেডগিয়ার কাস্টম ক্যাপ দিয়েছে।</p>
<p>সনদ বিতরণ ও শিক্ষার্থী, অভিভাবক, স্কুলের অধ্যক্ষ, মেন্টর ও অতিথিদের অংশগ্রহণে নেটওয়ার্কিং পর্বের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়। এবারের আয়োজনের মাধ্যমে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জটিল বিষয়কে সহজ ভাষায় সাধারণ মানুষের কাছে তুলে ধরার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞান যোগাযোগ, সৃজনশীল উপস্থাপন এবং মঞ্চভিত্তিক যোগাযোগ দক্ষতা উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।<br>/<strong>/ডিবিটেক/এমআরএমপি/এসএমই /এমআইএস /</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ট্রেনের ছাদ থেকে স্টারলিংক উধাও: প্রযুক্তি আনলেই কি ডিজিটাল রূপান্তর হয়?</title>
<link>https://digibanglatech.news/189008</link>
<guid>https://digibanglatech.news/189008</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6a9e21036cdb6.jpg" length="115734" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 07 Sep 2026 08:27:39 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>স্টারলিংক চুরি, রেলওয়ে ওয়াইফাই, ডিজিটাল সম্পদ নিরাপত্তা, বিএসসিএল, গণপরিবহন প্রযুক্তি, স্মার্ট বাংলাদেশ, স্যাটেলাইট ইন্টারনেট, টেকসই রূপান্তর, প্রযুক্তি সুশাসন, সাইবার সিকিউরিটি</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="4">চলন্ত রেলে উচ্চগতির স্যাটেলাইট ইন্টারনেট সংযোগ চালু করা নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের গণপরিবহন ব্যবস্থায় এক যুগান্তকারী ডিজিটাল উদ্ভাবন। তবে সেবা চালুর মাত্র ছয় মাসের মাথায় একাধিক আন্তঃনগর ট্রেন থেকে স্টারলিংকের মূল্যবান যন্ত্রপাতি চুরির ঘটনা একটি রূঢ় সত্য চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল—কেবল দামি প্রযুক্তি কেনাই ডিজিটাল রূপান্তর নয়; এর সঙ্গে প্রয়োজন সমন্বিত নিরাপত্তা, সার্বক্ষণিক রক্ষণাবেক্ষণ, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা এবং স্বচ্ছ জবাবদিহি।</p>
<p data-path-to-node="5"><span style="font-size: 10pt;"><b data-path-to-node="5" data-index-in-node="0">চাহিদা বনাম নিরাপত্তা সংকট</b></span></p>
<p data-path-to-node="6">গত ১৩ মার্চ পর্যটক এক্সপ্রেস, পারাবত এক্সপ্রেস, উপবন এক্সপ্রেস ও বনলতা এক্সপ্রেসে পরীক্ষামূলকভাবে স্টারলিংকভিত্তিক ফ্রি ওয়াই-ফাই সেবা চালু হয়। দূরপাল্লার রুটে, বিশেষ করে যেখানে সেলুলার নেটওয়ার্ক দুর্বল বা অনুপস্থিত, সেখানে উদ্যোগটি তাৎক্ষণিকভাবে যাত্রীদের মধ্যে বিপুল সাড়া ফেলে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, মাত্র চারটি ট্রেনের যাত্রীরাই প্রায় ১৮ টেরাবাইট (TB) ডেটা ব্যবহার করেছেন—যা এই সেবার বাস্তব উপযোগিতা ও চাহিদাকেই প্রমাণ করে।</p>
<p data-path-to-node="7">কিন্তু এই সাফল্যের সমান্তরালে ফুটে উঠেছে আমাদের সম্পদ ব্যবস্থাপনার বড় ধরনের দুর্বলতা। উপবন এক্সপ্রেসের ট্রেনের ছাদ থেকে আস্ত ফ্ল্যাট অ্যান্টেনা খুলে নেওয়ার পাশাপাশি অন্যান্য ট্রেন থেকেও আধুনিক তারহীন নেটওয়ার্ক ডিভাইস চুরি হয়ে গেছে। এমনকি কোনো কোনো ক্ষেত্রে নতুন যন্ত্র প্রতিস্থাপনের পরও তা পুনরায় খোয়া গেছে।</p>
<p data-path-to-node="8">এই ধারাবাহিকতা প্রমাণ করে, এটি বিচ্ছিন্ন কোনো ছিঁচকে চুরির ঘটনা নয়; এটি মূলত আমাদের ‘ডিজিটাল সম্পদ ব্যবস্থাপনা’ ও তদারকি ব্যবস্থার চরম ব্যর্থতা।</p>
<p data-path-to-node="9"><span style="font-size: 10pt;"><b data-path-to-node="9" data-index-in-node="0">প্রযুক্তি বনাম প্রাতিষ্ঠানিক প্রস্তুতি</b></span></p>
<p data-path-to-node="10">একজন যাত্রী হয়তো একটি কিউআর কোড স্ক্যান করে কয়েক সেকেন্ডেই উচ্চগতির ইন্টারনেটে যুক্ত হতে পারেন। কিন্তু এই সহজ অভিজ্ঞতার পেছনে সক্রিয় থাকে ট্রেনের ছাদে বসানো স্যাটেলাইট টার্মিনাল, অভ্যন্তরীণ রাউটার, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ এবং পুরো ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক কাঠামো। স্পর্শকাতর এই শৃঙ্খলের একটিমাত্র যন্ত্র চুরি হয়ে গেলেই পুরো সিস্টেমটি অকেজো হয়ে পড়ে।</p>
<p data-path-to-node="11">স্বয়ং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিবও এ ক্ষেত্রে তদারকির সীমাবদ্ধতার কথা স্বীকার করেছেন এবং সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বিত পর্যালোচনার তাগিদ দিয়েছেন। এখানেই মৌলিক প্রশ্নগুলো সামনে আসে:</p>
<ul data-path-to-node="12">
<li>
<p data-path-to-node="12,0,0">প্রতিটি যাত্রার আগে ও পরে স্টারলিংক ডিভাইসের ইনভেন্টরি অডিট কে করবে?</p>
</li>
<li>
<p data-path-to-node="12,1,0">ট্রেন ছাড়া ও গন্তব্যে পৌঁছানোর পর বাধ্যতামূলক নিরাপত্তা তল্লাশি হচ্ছে কি?</p>
</li>
<li>
<p data-path-to-node="12,2,0">ট্রেনের ছাদে থাকা টার্মিনালে কোনো টেম্পার সেন্সর কিংবা রিমোট অ্যালার্ম ছিল কি?</p>
</li>
<li>
<p data-path-to-node="12,3,0">কোনো ডিভাইস খোয়া গেলে রেলওয়ে, রেলওয়ে পুলিশ (জিআরপি), বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিএল) এবং সরবরাহকারী প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দায়দায়িত্ব কীভাবে বণ্টিত হবে?</p>
</li>
</ul>
<p data-path-to-node="13">এই মৌলিক প্রশ্নগুলোর সুরাহা না করে বাস, ফেরি কিংবা অন্যান্য গণপরিবহনে একই প্রযুক্তি সম্প্রসারণ করতে গেলে তা আরও বড় আর্থিক ও প্রযুক্তিগত ঝুঁকির জন্ম দেবে।</p>
<p data-path-to-node="14"><span style="font-size: 10pt;"><b data-path-to-node="14" data-index-in-node="0">প্রযুক্তি বর্জন সমাধান নয়</b></span></p>
<p data-path-to-node="15">চুরির ভয়ে স্টারলিংক সেবা বন্ধ করে দেওয়া কোনো দূরদর্শী সমাধান হতে পারে না। মূলত একটি পাইলট প্রকল্পের উদ্দেশ্যই হলো প্রযুক্তির কার্যকারিতার পাশাপাশি মাঠপর্যায়ের ব্যবস্থাপনা ও সুরক্ষার ফাঁকফোকরগুলো চিহ্নিত করা।</p>
<p data-path-to-node="16">বরং ইতিবাচক বিষয় হলো, বিএসসিএল ট্রেনের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে দূরপাল্লার বাস ও ফেরিতে সেবাটি সম্প্রসারণ এবং একটি সমন্বিত সাবস্ক্রিপশন মডেল চালুর কথা ভাবছে। উদ্যোগটি অবশ্যই সম্ভাবনাময়। তবে যেকোনো বাণিজ্যিক সম্প্রসারণের আগে ডিভাইসের ভৌগোলিক নিরাপত্তা, লাইফ-সাইকেল ব্যয়, নেটওয়ার্কের নির্ভরযোগ্যতা এবং দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক টেকসইতার নিরপেক্ষ মূল্যায়ন অপরিহার্য।</p>
<p data-path-to-node="17"><span style="font-size: 10pt;"><b data-path-to-node="17" data-index-in-node="0">জাতীয় ‘ডিজিটাল সম্পদ নিরাপত্তা প্রটোকল’ সময়ের দাবি</b></span></p>
<p data-path-to-node="18">গণপরিবহনে ডিজিটাল রূপান্তর টিকিয়ে রাখতে অবিলম্বে একটি জাতীয় রূপরেখা বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন:</p>
<ul data-path-to-node="19">
<li>
<p data-path-to-node="19,0,0"><b data-path-to-node="19,0,0" data-index-in-node="0">সেন্ট্রাল ডিজিটাল ট্র্যাকিং:</b> প্রতিটি ডিভাইসকে রিয়েল-টাইম কেন্দ্রীয় ডিজিটাল ইনভেন্টরির আওতায় আনা।</p>
</li>
<li>
<p data-path-to-node="19,1,0"><b data-path-to-node="19,1,0" data-index-in-node="0">হার্ডওয়্যার সুরক্ষা:</b> টার্মিনালগুলোতে টেম্পার-প্রুফ কেসিং, বিশেষায়িত মাউন্ট, মোশন অ্যালার্ম এবং জিপিএস ট্র্যাকিং সংযুক্ত করা।</p>
</li>
<li>
<p data-path-to-node="19,2,0"><b data-path-to-node="19,2,0" data-index-in-node="0">জবাবদিহিমূলক পর্যবেক্ষণ:</b> প্রতিটি প্রারম্ভিক ও অন্তিম স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মীদের মাধ্যমে ডিভাইসের নিয়মিত সাইন-ইন ও সাইন-অফ তদারকি বাধ্যতামূলক করা।</p>
</li>
<li>
<p data-path-to-node="19,3,0"><b data-path-to-node="19,3,0" data-index-in-node="0">ঝুঁকি ও জীবনচক্র বাজেট:</b> যেকোনো পাইলট প্রকল্পের বাজেট পরিকল্পনায় শুরু থেকেই নিরাপত্তা, রক্ষণাবেক্ষণ ও প্রতিস্থাপন ব্যয় অন্তর্ভুক্ত করা।</p>
</li>
<li>
<p data-path-to-node="19,4,0"><b data-path-to-node="19,4,0" data-index-in-node="0">নাগরিক স্বচ্ছতা:</b> জনগণের করের টাকায় কেনা মূল্যবান পাবলিক টেকনোলজি খোয়া গেলে তার ক্ষয়ক্ষতি, প্রতিস্থাপন ব্যয় ও তদন্তের হালনাগাদ অগ্রগতি জনসমক্ষে প্রকাশ করা।</p>
</li>
</ul>
<p data-path-to-node="20">রেলের ছাদ থেকে স্টারলিংক উধাও হওয়ার ঘটনাকে কোনোভাবেই আমাদের প্রযুক্তি অভিযাত্রার ব্যর্থতা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই; বরং এটি একটি সময়োপযোগী প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা। নতুন প্রযুক্তি কত দ্রুত আমদানি করা হলো, তা দিয়ে ডিজিটাল রূপান্তর মাপা যায় না; বরং সেই প্রযুক্তিকে কতটা নিরাপদ, কার্যকর এবং জবাবদিহির সঙ্গে জনসেবায় টিকিয়ে রাখা গেল—সেটিই আধুনিক রাষ্ট্রের আসল মাপকাঠি।</p>
<hr>
<p data-path-to-node="20"><strong>লেখক </strong>|| ডিজিটাল গণতন্ত্র, তথ্যের অখণ্ডতা ও গণমাধ্যম উন্নয়নবিষয়ক বিশেষজ্ঞ; দায়িত্বশীল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স বিষয়ক অ্যাম্বাসেডর</p>
<hr><hr>
<p data-path-to-node="20"></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৮৫% র‍্যানসমওয়্যার হামলা আইডেন্টিটি&#45;ভিত্তিক</title>
<link>https://digibanglatech.news/188951</link>
<guid>https://digibanglatech.news/188951</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li&gt;&lt;span&gt;• শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৮৫ শতাংশ র‍্যানসমওয়্যার হামলাই আইডেন্টিটি বা অ্যাকাউন্টের তথ্য চুরির মাধ্যমে সংঘটিত&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;li&gt;&lt;span&gt;• ডেটা পুনরুদ্ধারে প্রতিষ্ঠানগুলোর গড় খরচ হয়েছে ২২.&lt;/span&gt;&lt;span&gt;৬ লাখ ডলার এবং ২৬% ক্ষেত্রে সময় লেগেছে ১-৩ মাস&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;li&gt;&lt;span&gt;• এআই প্রযুক্তির ব্যবহারে বৃদ্ধি পেয়েছে আইটি টিমের মানসিক চাপ; তবে এনক্রিপশন ৬১% পর্যন্ত বেড়েছে&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6a9d495819e9a.jpg" length="62315" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 06 Sep 2026 14:08:08 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>সফোস, সাইবার নিরাপত্তা, র‍্যানসমওয়্যার, আইডেন্টিটি চুরি, ফিশিং, এনক্রিপশন, এডুকেশন সিকিউরিটি, তথ্য প্রযুক্তি, আইটি টিম</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="16"><span>বিশ্বজুড়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে হওয়া ৮৫ শতাংশ র‍্যানসমওয়্যার হামলাই আইডেন্টিটি-ভিত্তিক অর্থাৎ অ্যাকাউন্টের সংবেদনশীল তথ্য ও পরিচয় ব্যবহার করে পরিচালনা করা হয়েছে। ক্ষতিকর ই-মেইল,</span><span> ফিশিং,</span><span> চুরি করা লগইন ক্রেডেনশিয়াল এবং ব্রুট-ফোর্স পদ্ধতির সমন্বয়ে এসব সাইবার আক্রমণ চালানো হয়। সম্প্রতি প্রকাশিত সাইবার নিরাপত্তা সংস্থা সফোসের বার্ষিক ‘স্টেট অব র‍্যানসমওয়্যার ইন এডুকেশন ২০২৬’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এই উদ্বেগজনক তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। ১৭টি দেশের ২২৬ জন আইটি ও সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞের ওপর ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত পরিচালিত জরিপের ভিত্তিতে সফোস বাংলাদেশ থেকে রবিবার এই তথ্য জানানো হয়।</span></p>
<p data-path-to-node="17"><span class="">প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়,</span><span> সাইবার হামলার প্রধান ভেক্টর বা মাধ্যম ছিল ক্ষতিকর ই-মেইল। প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩১ শতাংশ এবং উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ২৯ শতাংশ হামলার পেছনে প্রধান কারণ ছিল এটি। এছাড়া ৭৭ শতাংশ উচ্চশিক্ষা এবং ৭১ শতাংশ প্রাথমিক ও মাধ্যমিক প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে,</span><span> তাদের মারাত্মক আইডেন্টিটি অ্যাটাকের সঙ্গে সরাসরি র‍্যানসমওয়্যার জড়িত ছিল। হামলার পর ডেটা ও সিস্টেম পুনরুদ্ধারে অর্ধেকেরও বেশি প্রতিষ্ঠানের এক মাসের বেশি সময় লেগেছে এবং ২৬ শতাংশের সময় লেগেছে এক থেকে তিন মাস। এতে গাণিতিকভাবে গড় পুনরুদ্ধার খরচ দাঁড়িয়েছে ২২.</span><span class="">৬ লাখ ডলার এবং মুক্তিপণের গড় দাবি ছিল ৭ লাখ ৭৫ হাজার ২০০ ডলার।</span></p>
<p data-path-to-node="18">সফোসের চিফ ইনফরমেশন সিকিউরিটি অফিসার রস ম্যাককারচার বলেন, বিপুল পরিমাণ ব্যক্তিগত তথ্য থাকা সত্ত্বেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর প্রয়োজনীয় বাজেট ও রিসোর্স সীমিত। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও আইডেন্টিটি চুরির কারণে হামলাগুলো এখন অত্যন্ত দ্রুত ও জটিল হচ্ছে। ফলে আগাম হুমকি শনাক্তকরণ ও তাৎক্ষণিক মোকাবিলার সক্ষমতা বাড়ানো অপরিহার্য। প্রতিবেদনে আরও দেখা গেছে, নিরাপত্তা ঘাটতি থাকলেও এনক্রিপশন প্রয়োগের হার ২০২৫ সালের ২৯ শতাংশ থেকে বেড়ে ২০২৬ সালে ৬১ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। তবে আইটি কর্মীদের ওপর মানসিক চাপ চরম বৃদ্ধি পেয়েছে; উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৫৩ শতাংশ টিম অতিরিক্ত মানসিক চাপের কথা জানিয়েছে এবং ৩৯ শতাংশ প্রতিষ্ঠানে মানসিক স্বাস্থ্যজনিত কারণে কর্মীরা নিয়মিত অনুপস্থিত থাকছেন।<br>/<strong>/ডিবিটেক/এসজিএপি/এসএমই/ পিএমএস/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>প্রযুক্তি উদ্ভাবনে তরুণরা: সেরা ১৩ উদ্যোক্তা পুরস্কৃত</title>
<link>https://digibanglatech.news/188892</link>
<guid>https://digibanglatech.news/188892</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;8,0,0&quot;&gt;১০ থেকে ১৯ বছর বয়সীদের জুনিয়র স্টার্টআপ চ্যালেঞ্জে ১৩টি উদ্ভাবনী প্রযুক্তি উদ্যোগ নির্বাচিত&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;8,1,0&quot;&gt;এআই বিপ্লবের যুগে শিশু-কিশোরদের জন্য ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জোর আহ্বান&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;8,2,0&quot;&gt;টুইম্বল, ইয়ুথ হাব মালয়েশিয়া ও সহযোগীদের যৌথ উদ্যোগে রাজধানীতে সামিট অনুষ্ঠিত&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6a9c6271364f7.jpg" length="90801" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 05 Sep 2026 22:43:03 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল, অনলাইন, ডিজিটাল নিরাপত্তা, স্টার্টআপ, উদ্ভাবন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ইয়ুথ সামিট</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="12">নিরাপদ ও দায়িত্বশীল প্রযুক্তি ব্যবহার এবং কিশোর উদ্যোক্তা তৈরির প্রত্যয় নিয়ে রাজধানীর ৭১ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হলেঅ 'টুইম্বল ইয়ুথ কানেক্ট সামিট ২০২৬' এবং দেশের প্রথম 'জুনিয়র স্টার্টআপ চ্যালেঞ্জ–সিজন ১'-এর গালা ডে ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। টুইম্বল, ইয়ুথ হাব ফাউন্ডেশন মালয়েশিয়া, ইয়ুথ কানেক্ট ফাউন্ডেশন এবং টিন্স সেভার বাংলাদেশ যৌথভাবে এ ইভেন্টের আয়োজন করে।</p>
<p data-path-to-node="13">আয়োজক সূত্রে প্রকাশ, ১০ থেকে ১৯ বছর বয়সী তরুণদের উদ্ভাবনী ধারণাগুলোকে বাস্তব উদ্যোগে রূপান্তর করতে মে থেকে জুলাই পর্যন্ত ধাপে ধাপে প্রতিযোগিতাটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে ক্যাটাগরিভিত্তিক সেরা ১৩টি প্রযুক্তি উদ্যোগকে পুরস্কৃত করা হয়।</p>
<p data-path-to-node="13">৩ সেপ্টেম্বর,শনিবার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলে বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের 'ডিজিটাল এন্টারপ্রেনারশিপ অ্যান্ড ইনোভেশন ইকোসিস্টেম ডেভেলপমেন্ট' প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মনজুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার। তিনি বক্তব্যে মেন্টরিং, বিনিয়োগকারী সংযোগ ও সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেন।</p>
<p data-path-to-node="13">অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এসিআই পিএলসির অদম্য মেধাবী প্রোগ্রামের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ শাহ আলম; ইসিএস–এডুকেশন অ্যান্ড কালচারাল সোসাইটির নির্বাহী পরিচালক কাজী নাসরিন সিদ্দিকা; এসবিএলের ইমপ্যাক্ট অ্যান্ড ইকোসিস্টেম বিভাগের অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. দেওয়ান আদনান এবং ড্যাফোডিল গ্রুপের স্কিলস অ্যান্ড এমপ্লয়মেন্ট ইকোসিস্টেমের নির্বাহী পরিচালক ড. কে এম হাসান রিপন।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x_6a9c6272156c9.jpg" alt=""></p>
<p data-path-to-node="14">সামিটে প্রধান বক্তা ছিলেন দ্য প্রিমিয়ার ব্যাংক পিএলসির স্বতন্ত্র পরিচালক এম নুরুল আলম। বিশেষ অতিথি ছিলেন টেসল বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী মুহাম্মদ ইয়াসির এবং ড্যাফোডিল হেলথ ইনস্টিটিউটের প্রভাষক ইসরাক মুজবিন পৃথিল।</p>
<p data-path-to-node="14">প্যানেল আলোচনায় প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিকাশের পাশাপাশি শিশুদের অনলাইন নিরাপত্তা নিয়ে কথা বলেন টেকনোলজি মিডিয়া গিল্ড বাংলাদেশের সভাপতি মোহাম্মদ কাওসার উদ্দিন, ইসিএস বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক কাজী নাসরিন সিদ্দিকা, স্পেস ইনোভেশন ক্যাম্পের সভাপতি ও নাসা স্পেস অ্যাপস চ্যালেঞ্জ বাংলাদেশের উপদেষ্টা আরিফুল হাসান অপু এবং এসিআইর মোহাম্মদ শাহ আলম।</p>
<p data-path-to-node="16">প্রতিযোগিতার মেন্টর প্যানেলে ছিলেন ইউনিভার্সিটি ইনোভেশন হাবের লিড মেন্টর আবদুর রশিদ সোহাগ, কনফিডেন্স গ্রুপের এইচআর প্রধান হুমায়ুন রশিদ, গ্রিনটেক সোলারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাজিব আশরাফুল ইসলাম এবং টেক্সোর্টের প্রধান নির্বাহী এস এম বেলাল উদ্দিন। মেন্টর প্যানেল সঞ্চালনা করেন রুদ্র চৌধুরী তুর্জ। জুরি প্যানেলে ছিলেন ইয়ুথ আপস্কিল নেটওয়ার্কের মো. আলতামিস নাবিল, ফারহানাস ব্রেইনস্টেশনের ফারহানা খান, হ্যাপি ভেঞ্চারের আবদুল্লাহ হাসান এবং এসটিএসের আরেফিন মিজান। পুরো আয়োজন পরিচালনায় ছিলেন টুইম্বলের শামীম আশরাফ, রুদ্র চৌধুরী তুর্জ এবং তাশদীদ হোসাইন চৌধুরী।</p>
<p data-path-to-node="16">সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, কিডলোন ও এমডি গ্লোবাল রিসোর্সের পৃষ্ঠপোষকতায় এ আয়োজন তরুণদের প্রযুক্তি গ্রহীতার বদলে দায়িত্বশীল প্রযুক্তি প্রকৌশলী হিসেবে তৈরি করবে।<br>/<strong>/ডিবিটেক/পিএসপি/এসএমই/এমআইএস/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ওটিপির বিকল্প পাসকি: ডিজিটাল লেনদেনে নিরাপত্তা ও গতির নতুন দিগন্ত</title>
<link>https://digibanglatech.news/188870</link>
<guid>https://digibanglatech.news/188870</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6a9c3021e9b98.jpg" length="63663" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 05 Sep 2026 10:07:49 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>ভিসা পেমেন্ট পাসকি, ওটিপি প্রতারণা, ডিজিটাল পেমেন্ট বাংলাদেশ, বাংলাদেশ ব্যাংক, ফাইডো অ্যালায়েন্স, টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন, সাইবার নিরাপত্তা, ই-কমার্স পেমেন্ট, বায়োমেট্রিক লেনদেন, ফিনটেক রূপান্তর</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="4">বাংলাদেশে ডিজিটাল লেনদেনের পরিধি দ্রুত বাড়ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশে ইন্টারনেট ব্যাংকিং ও কার্ডের মাধ্যমে প্রতি মাসে গড়ে ৪৫ থেকে ৫০ হাজার কোটি টাকার লেনদেন সম্পন্ন হচ্ছে। তবে এই প্রবৃদ্ধির সমান্তরালে বড় হুমকি হয়ে দেখা দিয়েছে সাইবার প্রতারণা ও ডিজিটাল জালিয়াতি। দীর্ঘদিন ধরে কেনাকাটা বা বিল পরিশোধে নিরাপত্তাবলয় হিসেবে ব্যবহৃত ৬ ডিজিটের ওটিপি (One-Time Password) এখন নানা ধরনের প্রযুক্তিগত ও সামাজিক ঝুঁকিতে পড়েছে।</p>
<p data-path-to-node="5">দেশীয় ও বৈশ্বিক সাইবার নিরাপত্তা পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, আর্থিক খাতে সংঘটিত ডিজিটাল ফ্রডের প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশই ঘটে ওটিপি চুরি কিংবা ভুয়া পরিচয়ে ফোন দিয়ে সংবেদনশীল তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার (সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং) মাধ্যমে। এছাড়া দুর্বল মোবাইল নেটওয়ার্ক বা এসএমএস পৌঁছাতে বিলম্বের কারণে অন্তত ১০ থেকে ১৫ শতাংশ ই-কমার্স লেনদেন পেমেন্ট ধাপেই আটকে যায় এবং গ্রাহকরা তা বাতিল করতে বাধ্য হন।</p>
<p data-path-to-node="6">এই দ্বিমুখী সংকট কাটাতে আন্তর্জাতিক পেমেন্ট নেটওয়ার্ক ভিসা (Visa) বাংলাদেশে ‘ভিসা পেমেন্ট পাসকি’ (Visa Payment Passkey) প্রযুক্তি চালুর উদ্যোগ নিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির বাংলাদেশ, নেপাল ও ভুটানের কান্ট্রি ম্যানেজার সাব্বির আহমেদ জানান, এ পদ্ধতির মূল লক্ষ্য হলো এসএমএস-ভিত্তিক ওটিপির ওপর অতিনির্ভরশীলতা দূর করা। এর ফলে গ্রাহক নিজের ডিভাইসের ফিঙ্গারপ্রিন্ট, ফেস আইডি কিংবা ডিভাইসের বায়োমেট্রিক/পিন ব্যবহার করে চোখের পলকে লেনদেন সম্পন্ন করতে পারবেন।</p>
<p data-path-to-node="7"><b data-path-to-node="7" data-index-in-node="0">পাসকি প্রযুক্তির কর্মপদ্ধতি ও বৈশ্বিক অভিজ্ঞতা</b></p>
<p data-path-to-node="8">আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি মান সংস্থা ফাইডো অ্যালায়েন্স (FIDO Alliance) এবং ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব কনসোর্টিয়াম (W3C)-এর পাবলিক-কি ক্রিপ্টোগ্রাফির (Public-Key Cryptography) ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছে এই পাসকি ব্যবস্থা। সাধারণ নিয়মে ব্যাংকের এসএমএসের জন্য অপেক্ষা করতে হলেও পাসকিতে কোনো ম্যানুয়াল কোড প্রবেশ করাতে হয় না।</p>
<p data-path-to-node="9">গ্রাহক যখন প্রথমবার কোনো ডিভাইসে সেবাটি সক্রিয় করেন, তখন ফোনের সুরক্ষিত হার্ডওয়্যার অংশ ‘সিকিউর এনক্লেভ’-এ একটি ইউনিক ক্রিপ্টোগ্রাফিক প্রাইভেট কি (Private Key) সংরক্ষিত হয়। লেনদেনের সময়ে পেমেন্ট গেটওয়ে ও ব্যাংকিং সিস্টেমের সঙ্গে এটি ব্যাক-এন্ডে স্বয়ংক্রিয়ভাবে তথ্য যাচাই করে নেয়। গ্রাহক কেবল নিজের আঙুলের ছাপ বা ফেস আইডি স্পর্শ করেই পেমেন্ট অনুমোদন করেন।</p>
<p data-path-to-node="10">বিশ্বজুড়ে বর্তমানে ৩০০ কোটিরও বেশি অ্যাকাউন্টে পাসকি ব্যবহৃত হচ্ছে। উত্তর আমেরিকা ও ইউরোপের দেশগুলোতে এই ব্যবস্থা চালুর পর দেখা গেছে, নেটওয়ার্কজনিত কারণে লেনদেন বাতিলের হার প্রায় ৭০ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে এবং ওটিপি-কেন্দ্রিক জালিয়াতি নেমে এসেছে শূন্যের কোঠায়।</p>
<p data-path-to-node="11"><b data-path-to-node="11" data-index-in-node="0">বাংলাদেশ ব্যাংক ও ডেটা সুরক্ষানীতির সামঞ্জস্য</b></p>
<p data-path-to-node="12">বাংলাদেশে যেকোনো ডিজিটাল লেনদেনে দ্বি-স্তরবিশিষ্ট নিরাপত্তা বা টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন (2FA) নিশ্চিত করা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সুস্পষ্ট নির্দেশনার অংশ। পাসকি প্রযুক্তি গ্রাহকের নিজস্ব ডিভাইসকে প্রথম উপাদান (Possession) এবং বায়োমেট্রিক বা পিনকে দ্বিতীয় উপাদান (Inherence) হিসেবে গ্রহণ করায় এটি বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশিকার সঙ্গে শতভাগ সঙ্গতিপূর্ণ।</p>
<p data-path-to-node="13">পাশাপাশি দেশের উপাত্ত সুরক্ষা নীতিমালা অনুযায়ী, নাগরিকদের সংবেদনশীল আর্থিক বা বায়োমেট্রিক তথ্য দেশের সীমানার বাইরে পাঠানো কিংবা কোনো সাধারণ ব্যাংকিং ক্লাউড সার্ভারে সংরক্ষণ করা নিষিদ্ধ। পাসকির বড় বিশেষত্ব হলো, গ্রাহকের আঙুলের ছাপ বা ফেস আইডির মূল ডেটা কখনো ব্যাংকের সার্ভার বা ইন্টারনেটে সঞ্চালিত হয় না; এটি সংরক্ষিত থাকে কেবল ব্যবহারকারীর নিজস্ব ডিভাইসের এনক্রিপ্টেড মেমরিতে। ফলে নীতিগত ও আইনগতভাবেও এটি সম্পূর্ণ নিরাপদ।</p>
<p data-path-to-node="14"><b data-path-to-node="14" data-index-in-node="0">লেনদেনে গতি ও সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রভাব</b></p>
<p data-path-to-node="15">ই-কমার্স খাতের সমীক্ষা অনুযায়ী, ওটিপির মাধ্যমে কেনাকাটার অর্থ পরিশোধ করতে একজন গ্রাহকের গড়ে ৩০ থেকে ৪৫ সেকেন্ড সময় লাগে। অন্যদিকে পাসকির মাধ্যমে মাত্র ৫ থেকে ৭ সেকেন্ডেই পুরো প্রক্রিয়া শেষ হয়ে যায়।</p>
<p data-path-to-node="16">এই সময় সাশ্রয় অর্থনৈতিকভাবে বিপুল তাৎপর্য বহন করে। ওটিপি জটিলতার কারণে যে বিপুল পরিমাণ অনলাইন কেনাকাটা মাঝপথে বাতিল হয়ে যেত (Cart Abandonment), তা সফল হলে দেশীয় ই-কমার্স খাতের বার্ষিক টার্নওভার এক লাফে বহুগুণ বাড়বে। সরকারের রাজস্ব আদায় বৃদ্ধি পাবে এবং কাগুজে নোটের ব্যবহার হ্রাস পেয়ে ক্যাশলেস অর্থনীতির পরিধি সম্প্রসারিত হবে।</p>
<p data-path-to-node="17">গ্রাহকের দিক থেকেও সবচেয়ে বড় স্বস্তি—প্রতারকরা দূর থেকে ফোন করে কোনোভাবেই বায়োমেট্রিক ডেটা হাতিয়ে নিতে পারবে না। ফলে ওটিপি বা পিন চাওয়ার যে প্রতারণার ফাঁদ সমাজে চেপে বসেছে, তা সম্পূর্ণ অকার্যকর হয়ে পড়বে। এছাড়া প্রবাসী কিংবা বিদেশে ভ্রমণরত বাংলাদেশিরা রোমিং নেটওয়ার্ক ছাড়াই কেবল ইন্টারনেট সংযোগ দিয়ে সহজে পেমেন্ট সম্পন্ন করতে পারবেন।</p>
<p data-path-to-node="18"><b data-path-to-node="18" data-index-in-node="0">বাস্তবায়নের চ্যালেঞ্জ ও কারিগরি সীমাবদ্ধতা</b></p>
<p data-path-to-node="19">উন্নত সুরক্ষা কাঠামো সত্ত্বেও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে প্রযুক্তিটির কিছু দৃশ্যমান চ্যালেঞ্জ রয়েছে:</p>
<ul data-path-to-node="20">
<li>
<p data-path-to-node="20,0,0"><b data-path-to-node="20,0,0" data-index-in-node="0">ডিভাইস চুরির ঝুঁকি:</b> কোনো গ্রাহকের হ্যান্ডসেট চুরি হলে এবং অপরাধী যদি কৌশলে ডিভাইসের পিন বা স্ক্রিন লক আগেই জেনে ফেলে, তবে ওটিপি ছাড়াই কার্ড ব্যবহারের একটি তাত্ত্বিক ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।</p>
</li>
<li>
<p data-path-to-node="20,1,0"><b data-path-to-node="20,1,0" data-index-in-node="0">সাশ্রয়ী হ্যান্ডসেটের সীমাবদ্ধতা:</b> দেশের একটি উল্লেখযোগ্য জনগোষ্ঠীর হাতে এখনো আধুনিক বায়োমেট্রিক সেন্সর বা ফাইডো সাপোর্টহীন পুরোনো হ্যান্ডসেট কিংবা বেসিক ফিচার ফোন রয়েছে। এই প্রযুক্তি থেকে তারা তাৎক্ষণিকভাবে বঞ্চিত হতে পারেন।</p>
</li>
<li>
<p data-path-to-node="20,2,0"><b data-path-to-node="20,2,0" data-index-in-node="0">ব্যাংকগুলোর প্রস্তুতি ও বড় বিনিয়োগ:</b> ভিসা পাসকির আধুনিক এপিআই যুক্ত করতে দেশের ব্যাংকগুলোকে তাদের প্রথাগত কোর-ব্যাংকিং ও পেমেন্ট সফটওয়্যার আর্কিটেকচারে বড় সংস্কার আনতে হবে, যা বেশ ব্যয়বহুল ও সময়সাপেক্ষ।</p>
</li>
<li>
<p data-path-to-node="20,3,0"><b data-path-to-node="20,3,0" data-index-in-node="0">ব্যবহারকারীর মনস্তাত্ত্বিক দ্বিধা:</b> বহুদিনের অভ্যস্ত ওটিপি ব্যবস্থা ছেড়ে নতুন পদ্ধতিতে অভ্যস্ত হতে সাধারণ গ্রাহকদের মধ্যে শুরুতে কিছুটা সংশয় ও আস্থার ঘাটতি দেখা দিতে পারে।</p>
</li>
</ul>
<p data-path-to-node="21"><b data-path-to-node="21" data-index-in-node="0">ভবিষ্যতের পথরেখা</b></p>
<p data-path-to-node="22">২০২৭ সালের মধ্যে দেশের সিংহভাগ খুচরা লেনদেন ডিজিটাল করার যে জাতীয় লক্ষ্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক নির্ধারণ করেছে, ভিসার পাসকি চালুর উদ্যোগ সেই যাত্রায় একটি বড় রূপান্তর। তবে এই উদ্যোগের পূর্ণ সুফল পেতে বাংলাদেশ ব্যাংককে দ্রুত সুনির্দিষ্ট ডেটা সিকিউরিটি ও ডিভাইস ম্যানেজমেন্ট গাইডলাইন জারি করতে হবে।</p>
<p data-path-to-node="23">একইসঙ্গে যেসব গ্রাহক এখনো ফিচার ফোন বা পুরোনো হ্যান্ডসেট ব্যবহার করছেন, তাদের জন্য সমান্তরালভাবে ওটিপি সুবিধা চালু রাখতে হবে; অন্যদিকে আধুনিক স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের ধীরে ধীরে পাসকিতে অভ্যস্ত করে তুলতে হবে। কার্যকর নিয়ন্ত্রণ, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা ও জনসচেতনতা নিশ্চিত করা গেলে এই প্রযুক্তি বাংলাদেশের ফিনটেক ইকোসিস্টেমকে বিশ্বমানের আধুনিক ও সুরক্ষিত করে তুলবে।</p>
<hr>
<p data-path-to-node="23"><b>লেখকঃ</b> ই-কমার্স বিশ্লেষক এবং প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য, ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ই-ক্যাব)।</p>
<hr><hr>
<p data-path-to-node="23"></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>জিসিসির শ্রমবাজারে দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে সমন্বিত উদ্যোগ</title>
<link>https://digibanglatech.news/188802</link>
<guid>https://digibanglatech.news/188802</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;6,0,0&quot;&gt;জিসিসিভুক্ত দেশগুলোর প্রযুক্তি, স্বাস্থ্য ও প্রকৌশল খাতে ২০৩০ সালের মধ্যে ২৫ লাখ দক্ষ পেশাজীবীর কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;6,1,0&quot;&gt;বাজার-ভিত্তিক চাহিদানুযায়ী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, চতুর্থ শিল্পবিপ্লব ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতে শিক্ষার্থীদের দক্ষ করে তুলতে পাঠ্যক্রম আধুনিকায়নের উদ্যোগ&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;6,2,0&quot;&gt;অদক্ষ শ্রমিক প্রেরণের প্রবণতা রোধে প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানগুলোতে আধুনিক প্রযুক্তি ও তৃতীয় ভাষা শিক্ষা কর্মসূচি চালুর  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6a9ba9e6a8d07.jpg" length="496845" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 04 Sep 2026 17:34:58 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>জিসিসি শ্রমবাজার, দক্ষ জনশক্তি, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, চতুর্থ শিল্পবিপ্লব, কারিগরি শিক্ষা, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, এ এস এম আমানুল্লাহ, মাহ্দী আমিন</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="13">উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদভুক্ত (জিসিসি) দেশগুলোর আধুনিক প্রকৌশল ও প্রযুক্তিভিত্তিক শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী বাংলাদেশের তরুণদের দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তর করতে বিশ্ববিদ্যালয়, প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান, শিল্পখাত এবং সরকারের যৌথ সমন্বয় অপরিহার্য। ৪ সেপ্টেম্বর শুক্রবার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দফতর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।</p>
<p data-path-to-node="14">বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ৩ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর একটি হোটেলে অ্যারাইজ বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন আয়োজিত ‘বাংলাদেশ–জিসিসি ওয়ার্কফোর্স অ্যান্ড ইকোনমিক আউটলুক: হিউম্যান ক্যাপিটাল অপরচুনিটিজ, মার্কেট প্রসপেক্টস অ্যান্ড দ্য রোডম্যাপ ফর বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় সংশ্লিষ্টরা এ অভিমত প্রকাশ করেন।</p>
<p data-path-to-node="15">অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ এস এম আমানুল্লাহ বলেন, বিশ্ব অর্থনীতির কাঠামোগত পরিবর্তনের কারণে জিসিসি দেশগুলোতে তথ্যপ্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), নবায়নযোগ্য জ্বালানি, লজিস্টিকস ও স্বাস্থ্যপ্রযুক্তি খাতে দক্ষ পেশাজীবীদের চাহিদা দ্রুত বাড়ছে। আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন প্রযুক্তি ও প্রকৌশলগত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা গেলে বাংলাদেশের বিশাল তরুণ জনগোষ্ঠী এই বাজার ধরতে পারবে। এ লক্ষ্যে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত কলেজগুলোতে ক্যারিয়ার সেন্টার স্থাপন, তৃতীয় ভাষা শিক্ষা, সফট স্কিল এবং চতুর্থ শিল্পবিপ্লব উপযোগী পাঠ্যক্রম চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, শুধু শ্রমিক রফতানি নয়, বরং পেশাদার প্রযুক্তিবিদদের আন্তর্জাতিক উৎস হিসেবে দেশকে প্রতিষ্ঠা করতে হবে।</p>
<p data-path-to-node="16">অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষা, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন বলেন, বৈদেশিক কর্মসংস্থানে টিকে থাকতে হলে অদক্ষ জনশক্তি রফতানির ধারা পরিবর্তন করে 'ডিমান্ড-ড্রাইভেন সাপ্লাই চেইন' বা চাহিদাভিত্তিক সরবরাহ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। বিদেশের প্রযুক্তি ও প্রকৌশল খাতের চাহিদা পর্যালোচনা করে দেশের প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোতে বাস্তবমুখী কারিগরি শিক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। অভিবাসনের ক্ষেত্রে ভাষাগত জটিলতা নিরসনে টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার (টিটিসি) এবং পলিটেকনিক ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে (টিভিইটি) জাপানি ও কোরীয়সহ তৃতীয় ভাষা শিক্ষা কোর্স অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। এছাড়া আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখতে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষসহ (এনএসডিএ) সংশ্লিষ্ট দফতরগুলো সমন্বিতভাবে কাজ করছে।</p>
<p data-path-to-node="18">অনুষ্ঠানে অ্যারাইজ বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক কানিজ ফাতেমা ১০ বছর মেয়াদি কৌশলগত কর্মপরিকল্পনা ও গবেষণা প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন। তথ্যে দাবি করা হয়, বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে কর্মরত বাংলাদেশি কর্মীদের ৮১ দশমিক ৬ শতাংশই অদক্ষ। অথচ ২০৩০ সালের মধ্যে জিসিসি অঞ্চলে তথ্যপ্রযুক্তি, প্রকৌশল নির্মাণ, লজিস্টিকস ও স্বাস্থ্যসেবা খাতে প্রায় ২৫ লাখ দক্ষ কর্মীর বিশাল সুযোগ সৃষ্টি হবে।<br>/<strong>/ডিবিটেক/বিটিও/ এনএপি/এসএমই/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>তরুণদের মোবাইল আসক্তি ঠেকাতে বইপড়ায় জোর</title>
<link>https://digibanglatech.news/188779</link>
<guid>https://digibanglatech.news/188779</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li&gt;&lt;span&gt;ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সঠিক পথে রাখতে বই পড়ার বিকল্প নেই&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;li&gt;&lt;span&gt;আনন্দময় ও সৃজনশীল শিক্ষা ব্যবস্থায় গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;li&gt;&lt;span&gt;তরুণদের মাদক ও মোবাইল আসক্তি থেকে দূরে রাখতে বইপড়ার আহ্বান&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6a9add4230819.jpg" length="162096" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 04 Sep 2026 15:02:48 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>বইপড়া কর্মসূচি, শিক্ষামন্ত্রী, আ ন ম এহছানুল হক মিলন, বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র, বিকাশ, সৃজনশীল শিক্ষা, মোবাইল আসক্তি, তরুণ সমাজ, কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="isSelectedEnd"><span>ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সঠিক পথে পরিচালিত এবং যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে বই পড়ার কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>তিনি শিক্ষার্থীদের ভালো বই পড়ায় উৎসাহিত করতে অভিভাবক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সমাজের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>আজ ঢাকার স্থানীয় একটি হোটেলে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র ও বিকাশ আয়োজিত ‘যৌথ উদ্যোগে বইপড়া কর্মসূচির ১২ বছর’ উদযাপন উপলক্ষ্যে আয়োজিত প্রীতি সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, </span><strong><span>‘ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে বইয়ের কোন বিকল্প নেই। এজন্য শিক্ষার্থীদের বই পড়ায় উৎসাহিত করতে হবে।’</span></strong></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>তিনি বলেন, আজকের ভবিষ্যৎ প্রজন্মই আগামী দিনে দেশকে নেতৃত্ব দেবে। তাই তাদের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। এ জন্য আগামী প্রজন্মকে ভালো বই পড়ায় উৎসাহিত করা প্রয়োজন।</span></p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x_6a9add7bba4b7.jpg" alt=""></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও আনন্দময় ও সৃজনশীল করে তুলতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে বলেও জানান শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, সরকার খেলাধুলা, সংস্কৃতি, কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা এবং আনন্দময় শিক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>তার মতে, সরকারের এসব উদ্যোগ ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে আগামী দিনে যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে ভূমিকা রাখবে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা বা ‘কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপন্সিবিলিটি’ সমাজের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। মানবিক ও সৃজনশীল মানুষ গড়ে তুলতে রাষ্ট্রের পাশাপাশি সমাজের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকেও এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>এ সময় তরুণ সমাজকে মাদক ও মোবাইল আসক্তি থেকে দূরে রাখতে ভালো বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন শিক্ষামন্ত্রী।</span></p>
<p>অনুষ্ঠানে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক খন্দকার মোঃ আসাদুজ্জামান এবং বিকাশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কামাল কাদির বক্তব্য রাখেন।<br>/<strong>/ডিবিটেক/এএসপিও/এসএমই/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>‘ডেভিয়েশন’ চ্যাম্পিয়ন ভিএলএসআইথন ৩.০</title>
<link>https://digibanglatech.news/188737</link>
<guid>https://digibanglatech.news/188737</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li class=&quot;&quot;&gt;&lt;span&gt;৩০টির বেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৬ দল, ২০৬ শিক্ষার্থী অংশ নেয়।&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;li&gt;&lt;span&gt;শিল্পের চাহিদা অনুযায়ী এবারের প্রতিযোগিতার বিষয় ছিল প্লেস অ্যান্ড রাউট।&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;li&gt;&lt;span&gt;চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ডেভিয়েশন’ চ্যাম্পিয়ন, ভলটেক্স প্রথম রানার্সআপ।&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6a99c8035ce66.jpg" length="98500" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 03 Sep 2026 21:18:44 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>৩০টির বেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৬ দল, ২০৬ শিক্ষার্থী অংশ নেয়। শিল্পের চাহিদা অনুযায়ী এবারের প্রতিযোগিতার বিষয় ছিল প্লেস অ্যান্ড রাউট। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ডেভিয়েশন’ চ্যাম্পিয়ন, ভলটেক্স প্রথম রানার্সআপ।</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="isSelectedEnd"><span>সেমিকন্ডাক্টর শিল্পে বিশ্বজুড়ে তরুণ পেশাজীবীদের কাজের সুযোগ বাড়ছে। এই শিল্পের বাস্তব চাহিদার সঙ্গে বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের দক্ষতার সমন্বয় ঘটাতে আয়োজিত ভিএলএসআই-নির্ভর চিপ ডিজাইন প্রতিযোগিতা ‘ভিএলএসআইথন ৩.০’-এ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের দল ‘ডেভিয়েশন’।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>বৃহস্পতিবার রাজধানীর উল্কাসেমি ঢাকা ডিজাইন সেন্টারে ভিএলএসআইথন ৩.০-এর চূড়ান্ত পর্ব ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়। উল্কাসেমির আয়োজনে উল্কাসেমি ভিএলএসআই ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের (ইউভিটিআই) সঙ্গে যৌথভাবে এবং আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের (এআইইউবি) সহায়তায় এবারের প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>দেশের ৩০টির বেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৬টি দল ও মোট ২০৬ জন শিক্ষার্থী প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। কয়েক ধাপের প্রতিযোগিতা শেষে সেরা ১০টি দল চূড়ান্ত পর্বে অংশ নেয়। সমস্যা সমাধানের উপস্থাপনা শেষে সেরাদের মধ্য থেকে তিনটি দলকে বিজয়ী নির্বাচন করা হয়।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>চ্যাম্পিয়ন ‘ডেভিয়েশন’ দলের সদস্য মো. রাকিব হাসনাত ও মো. শাহরিয়ার খান। প্রথম রানার্সআপ হয়েছে আহছানউল্লা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ভলটেক্স’ দল। দ্বিতীয় রানার্সআপ হয়েছে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ডেনসিটি ডিমনস’ দল।</span></p>
<h3><span>শিল্পের চাহিদায় পিএনআর</span></h3>
<p class="isSelectedEnd"><span>আয়োজকেরা জানান, ভিএলএসআইথন মূলত সেমিকন্ডাক্টর শিল্পে যে ডোমেইনে দক্ষ জনবলের চাহিদা বেশি, সেটিকে কেন্দ্র করে আয়োজন করা হয়। এবারের প্রতিযোগিতায় তাই গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে ‘প্লেস অ্যান্ড রাউট’ বা পিএনআর ডোমেইনে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>মালয়েশিয়া থেকে জার্মানি পর্যন্ত বিভিন্ন দেশে পিএনআর দক্ষতার জনবলের চাহিদা বাড়ছে। শিল্পের এই চাহিদাকে বিবেচনায় নিয়েই এবারের ভিএলএসআইথনের বিষয় নির্ধারণ করা হয়েছে বলে আয়োজকেরা জানান।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>এ ধরনের প্রতিযোগিতার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের বাস্তব কাজের ধরন সম্পর্কে জানতে পারেন এবং চাকরির বাজারের জন্য নিজেদের প্রস্তুত করার সুযোগ পান।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>ভিএলএসআইথনে একাডেমিক পর্যায়ে অর্জিত জ্ঞান বাস্তব সমস্যা সমাধানে প্রয়োগের সুযোগ পান শিক্ষার্থীরা। ফলে প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা চাকরির বাজারে অন্য প্রার্থীদের তুলনায় বাড়তি সুবিধা পান বলে আয়োজকদের দাবি।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>আয়োজকেরা আরও জানান, ভিএলএসআইথনে বিজয়ী বা অংশগ্রহণকারী অনেক শিক্ষার্থী বর্তমানে উল্কাসেমিসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কাজ করছেন।</span></p>
<h3><span>পরীক্ষা থেকে বাস্তব সমস্যা সমাধান</span></h3>
<p class="isSelectedEnd"><span>ভিএলএসআই নিয়ে এটিই প্রথম সেমিকন্ডাক্টর-সংশ্লিষ্ট প্রতিযোগিতা বলে জানান আয়োজকেরা। প্রতিযোগিতার শুরুতে ১০৬টি দলকে সেমিনার ও কর্মশালার মাধ্যমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>এরপর ১০০ নম্বরের পরীক্ষায় শিক্ষার্থীদের তাত্ত্বিক জ্ঞান এবং ইডিএ টুল ব্যবহার করে বাস্তব সমস্যা সমাধানের সক্ষমতা যাচাই করা হয়। পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে সেরা ১০টি দলকে পরবর্তী ধাপের কেস সলভিং ও উপস্থাপনার জন্য নির্বাচিত করা হয়।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব মু. নজরুল ইসলাম, এআইইউবির উপাচার্য সাইফুল ইসলাম এবং উল্কাসেমির সিইও ও প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ এনায়েতুর রহমান।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>সাইফুল ইসলাম বলেন, একাডেমিয়া ও শিল্পের যৌথ উদ্যোগে এ ধরনের আয়োজন ভবিষ্যতে আরও শিক্ষার্থীকে সেমিকন্ডাক্টর খাতে পেশা গড়তে আগ্রহী করবে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>মোহাম্মদ এনায়েতুর রহমান বলেন, ভিএলএসআইথন একাডেমিক পড়াশোনা ও শিল্প খাতের বাস্তব চাহিদার মধ্যে সেতু তৈরি করছে। দেশে ভিএলএসআইথনে অংশগ্রহণ করা অনেক প্রতিযোগীই এখন উল্কাসেমিসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে সফলভাবে কর্মরত।</span></p>
<h3><span>বিজয়ীদের অভিজ্ঞতা</span></h3>
<p class="isSelectedEnd"><span>চ্যাম্পিয়ন দল ডেভিয়েশনের সদস্য মো. রাকিব হাসনাত ও মো. শাহরিয়ার খান। মো. রাকিব হাসনাত প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা নিজেদের আগ্রহ থেকে এখানে অংশ নিয়েছে। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে এখনো ভিএলএসআই নিয়ে কোর্স না থাকলেও এখানে আসার জন্য আমরা নিজেরা আগ্রহ থেকে শিখেছি। আমরা আরও কাজ শিখতে চাই। আমরা এই প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হওয়ার মাধ্যমে ভবিষ্যতে আরও বড় কাজের সঙ্গে যুক্ত হতে আগ্রহী।’</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>প্রথম রানার্সআপ ভলটেক্সের সদস্য মেহেদী করিম ও এসএম মঈন হক। মেহেদী করিম বলেন, ‘সামনে সেমিকন্ডাক্টর খাতে কাজের সুযোগ অনেক। সেই সুযোগে এমন প্রতিযোগিতা আমাদের দক্ষতা বাড়াতে ও নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ জয় করতে সহায়তা করবে। আমরা ক্লাস বা ল্যাবে যা শিখি, এই প্রতিযোগিতায় তা বাস্তবে ব্যবহারের সুযোগ পেয়েছি। দেশের সেমিকন্ডাক্টর খাত আরও বড় হবে, সেই লক্ষ্যে আমরা এই খাতে পেশা গড়তে আগ্রহী।’</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>দ্বিতীয় রানার্সআপ ডেনসিটি ডিমনস দলের সদস্য সাঈদ আহমেদ মৃধা ও মো. রাশেদুল ইসলাম সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছেন। মো. রাশেদুল ইসলাম বলেন, ‘এই প্রতিযোগিতার মাধ্যমে আমাদের ইইই বিষয়ে পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের জন্য কারিগরি দক্ষতা ও জানাশোনার সুযোগ বাড়ে। আমরা ভবিষ্যতে সেমিকন্ডাক্টর খাত-সংশ্লিষ্ট প্রতিযোগিতামূলক কাজ ও গবেষণার সুযোগ নিতে চাই। সামনে প্রসেসর ও চিপনির্ভর কাজ আরও বাড়বে, সেখানে এমন ভিএলএসআই প্রতিযোগিতা আমাদের দক্ষতা বাড়াবে।’</span></p>
<p>আয়োজকেরা জানিয়েছেন, শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বাড়াতে নিয়মিত এ ধরনের প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় থেকেই শিক্ষার্থীদের সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের প্রতি আগ্রহী করে তুলতে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।<br><strong>//ডিবিটেক/নাফিসা আঞ্জুম/আইএইচ/এসএমই/</strong>/ </p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>শিশুরা কেন ডিজিটাল স্ক্রিনে আসক্ত হচ্ছে?</title>
<link>https://digibanglatech.news/188656</link>
<guid>https://digibanglatech.news/188656</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p&gt;&lt;strong&gt;ডিজিটাল স্ক্রিনের অদৃশ্য ফাঁদ: হুমকির মুখে শৈশব ও ভবিষ্যৎ প্রজন্ম&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6a99148829103.jpg" length="51709" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 03 Sep 2026 05:32:25 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>ডিজিটাল স্ক্রিন আসক্তি, শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্য, অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইম, আইসিডিডিআরবি গবেষণা, স্পিচ ডিলে, অলিম্পিয়াড আন্দোলন, অভিভাবকত্ব সচেতনতা, শিশু বিকাশ, ডোপামিন ইফেক্ট, জনস্বাস্থ্য সংকট</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="4">বাংলাদেশে গত দুই দশক ধরে অলিম্পিয়াড আন্দোলন বেশ জনপ্রিয়। গণিত অলিম্পিয়াড দিয়ে যাত্রা শুরু হলেও দেশে এখন প্রায় ২৪-২৫ ধরনের অলিম্পিয়াড চালু রয়েছে। বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াড কমিটির অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলর ও কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে প্রায় ১৮ বছর ধরে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষকদের খুব কাছ থেকে পর্যবেক্ষণ করার সুযোগ আমার হয়েছে।</p>
<p data-path-to-node="5">আমাদের শিক্ষার্থীরা অলিম্পিয়াডে দারুণ সাফল্য দেখাচ্ছে, তাদের অংশগ্রহণও বাড়ছে। তবে তৃতীয় থেকে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়মিত ব্যক্তিগত আলাপে তাদের মধ্যে স্মার্টফোন বা ডিজিটাল স্ক্রিনের প্রতি প্রবল এক আসক্তি চোখে পড়ছে—বিশেষ করে ২০১৬ সালের পর থেকে এই প্রবণতা জ্যামিতিক হারে বেড়েছে।</p>
<p data-path-to-node="6">আজকের বিশ্বে শিশুরা শৈশব থেকেই ট্যাব, স্মার্টফোন আর টেলিভিশনের পর্দার সঙ্গে পরিচিত হয়ে উঠছে। পড়াশোনা থেকে শুরু করে প্রাত্যহিক বিনোদন—সবক্ষেত্রেই ডিজিটাল মাধ্যমের আধিপত্য অস্বাভাবিক রূপ নিয়েছে। এই আধুনিক রূপান্তর শিশুদের দৈনন্দিন জীবনকে যতটা সহজ করেছে, তার চেয়েও বেশি ডেকে এনেছে এক গভীর অদৃশ্য সংকট।</p>
<p data-path-to-node="7">সুধীর কুমার মুপ্পালার (Sudheer Kumar Muppalla, ২০২৩) গবেষণায় দেখা গেছে, অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইম শিশুদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের অপূরণীয় ক্ষতি করছে। এই আসক্তির বেড়াজালে হারিয়ে যাচ্ছে স্বাভাবিক শৈশব, মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে শিশুদের সামগ্রিক বিকাশ।</p>
<p data-path-to-node="8"><strong>স্ক্রিন আসক্তির স্বরূপ ও ক্ষতিকর কনটেন্ট</strong></p>
<p data-path-to-node="9">বিশেষ করে করোনা মহামারি-পরবর্তী সময়ে কার্টুন, অনলাইন গেম আর শর্ট-ভিডিও প্ল্যাটফর্মের প্রতি শিশুদের আকর্ষণ চরমে পৌঁছেছে। ইউটিউব শর্টস কিংবা টিকটকের মতো মাধ্যমে দ্রুত পরিবর্তনশীল রঙিন দৃশ্য ও কৃত্রিম শব্দ শিশুদের মস্তিষ্কে অতিরিক্ত ডোপামিন হরণ ঘটায়, যা তাদের বারবার স্ক্রিনে ফিরতে বাধ্য করে।</p>
<p data-path-to-node="10">আন্তর্জাতিক গবেষণার প্রতিফলন দেখা গেছে ঢাকা শহরের শিশুদের ওপর পরিচালিত সাম্প্রতিক এক গবেষণাতেও। আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ (icddr,b)-এর গবেষক ড. শাহরিয়া হাফিজ কাকন ও তাঁর দলের এই গবেষণাটি বিখ্যাত 'জার্নাল অব মেডিকেল ইন্টারনেট রিসার্চ হিউম্যান ফ্যাক্টর্স' (JMIR Human Factors)-এ প্রকাশিত হয়েছে।</p>
<p data-path-to-node="11">গবেষণায় দেখা গেছে, ঢাকার ৬ থেকে ১৪ বছর বয়সী স্কুলগামী শিশুদের প্রায় ৮৩ শতাংশই প্রতিদিন দুই ঘণ্টার বেশি সময় স্ক্রিনের সামনে কাটাচ্ছে। অথচ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) সুস্পষ্ট নির্দেশনা হলো—এই বয়সী শিশুদের বিনোদনমূলক স্ক্রিন টাইম কোনোভাবেই দিনে দুই ঘণ্টার বেশি হওয়া উচিত নয়। ঢাকার ছয়টি স্কুলের ৪২১ জন শিক্ষার্থীর ওপর পরিচালিত গবেষণায় দেখা গেছে, শিশুরা গড়ে প্রতিদিন প্রায় ৪.৬ ঘণ্টা ব্যয় করছে স্মার্টফোন, টেলিভিশন ও ট্যাবলেটের পেছনে।</p>
<p data-path-to-node="12"><strong>শারীরিক ও আচরণগত সংকট</strong></p>
<p data-path-to-node="13">প্রশান্ত ভিকারিয়া, রিনাম এন দোশি এবং অমিত এস জৈনের ক্রস-সেকশনাল গবেষণায় স্ক্রিন আসক্তির সঙ্গে আচরণগত জটিলতার গভীর যোগসূত্র উঠে এসেছে। প্রতি চারজন শিশুর মধ্যে একজন ঘুমের ঘাটতি, স্থূলতা এবং দীর্ঘস্থায়ী মাথাব্যথায় ভুগছে। এছাড়া প্রায় ৪০ শতাংশ শিশুর মধ্যে দেখা দিচ্ছে অতিরিক্ত উদ্বেগ, অতিচঞ্চলতা (ADHD লক্ষণ) এবং অবসাদ। ডিভাইসের নীল আলো মেলাটোনিন হরমোনের নিঃসরণ বাধাগ্রস্ত করে স্বাভাবিক ঘুমের চক্র ধ্বংস করে দিচ্ছে।</p>
<p data-path-to-node="14">প্রয়াস ইনস্টিটিউট অব স্পেশাল এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চের সহকারী অধ্যাপক ফাতিমা মেঘলা জানান, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের পাশাপাশি সাধারণ শিশুদের মধ্যেও স্ক্রিন আসক্তি আজ এক নীরব মহামারির রূপ নিয়েছে। শিশুদের মধ্যে অটিজম-সদৃশ লক্ষণ, মনোযোগের স্থায়িত্ব হ্রাস এবং ভাষা প্রকাশে বিলম্ব (Speech Delay) তীব্র হচ্ছে। ক্লাসরুমে শিক্ষকের সাধারণ নির্দেশনা বুঝতেও তারা খেই হারিয়ে ফেলছে।</p>
<p data-path-to-node="15">একইভাবে ভাষাগত বিপর্যয়ের কথা তুলে ধরেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম চৌধুরী। তাঁর মতে, ডিজিটাল স্ক্রিনের অগভীর ও যান্ত্রিক ভাষা শিশুদের শব্দভাণ্ডার সংকুচিত করছে। নিথর স্ক্রিন কখনো মানুষের মতো ভাববিনিময়ের অনুভূতি দিতে পারে না। শিশুদের বইমুখী না করলে তারা অচিরেই নিজস্ব সাহিত্য, সংস্কৃতি ও মাতৃভাষার শিকড় থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে।</p>
<p data-path-to-node="16">ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যোগাযোগ বৈকল্য (Communication Disorders) বিভাগের অধ্যাপক ড. হাকিম আরিফ বলেন, স্ক্রিনভিত্তিক ভার্চুয়াল জগৎ শিশুদের একমুখী যোগাযোগ শেখায়। পারস্পরিক মিথস্ক্রিয়া ছাড়া ভাষা ও আবেগ কখনোই স্বাভাবিকভাবে বিকশিত হতে পারে না। ফলে শিশুরা বাস্তব জীবনে অন্যের অনুভূতি বুঝতে পারে না এবং তাদের মধ্যে তীব্র সামাজিক বিচ্ছিন্নতা জন্ম নেয়।</p>
<p data-path-to-node="17">অনলাইন কনটেন্ট বিশ্লেষক নুরুন্নবী চৌধুরী হাছিব স্পষ্ট করেন যে, বর্তমান অনলাইন অ্যালগরিদমগুলো শিশুদের প্রবৃত্তি ও মনোযোগকে বন্দি করার জন্যই পরিকল্পিতভাবে ডিজাইন করা। কনটেন্ট নির্মাতারা ভিউ বাড়ানোর তাগিদে হাইপার-স্টিমুলেটিং উপাদান ব্যবহার করে শিশুদের মস্তিষ্কের নিউরোলজিক্যাল প্যাটার্নকে ক্ষতিগ্রস্ত করছেন।</p>
<p data-path-to-node="18"><strong>উত্তরণের পথ</strong></p>
<p data-path-to-node="19">প্রযুক্তির সম্পূর্ণ ব্যবহার নিষিদ্ধ করা কোনো বাস্তবসম্মত সমাধান নয়; প্রয়োজন সুষম নিয়ন্ত্রণ ও পারিবারিক সচেতনতা। icddr,b-এর নির্বাহী পরিচালক ড. তাহমিদ আহমেদ মনে করেন, শিশুদের ডিভাইস থেকে ফিরিয়ে এনে নিয়মিত বহিরাঙ্গন খেলাধুলা (Outdoor games), বিতর্ক, বইপড়ার অভ্যাস এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত করতে হবে। চোখের সুরক্ষায় স্ক্রিন ব্যবহারের ক্ষেত্রে ‘২০-২০-২০’ নিয়ম (প্রতি ২০ মিনিট পর অন্তত ২০ সেকেন্ডের জন্য ২০ ফুট দূরের কিছুর দিকে তাকানো) মেনে চলা জরুরি।</p>
<p data-path-to-node="20">একজন গবেষক হিসেবে আমি মনে করি, শিশুদের ডিজিটাল আসক্তি এখন আর পারিবারিক পরিসরে সীমাবদ্ধ নেই; এটি রূপ নিয়েছে জাতীয় জনস্বাস্থ্য সংকটে। অভিভাবক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও রাষ্ট্র—এই তিন পক্ষের সমন্বিত নীতি ও উদ্যোগ ছাড়া এই অদৃশ্য মহামারি রুখে দেওয়া সম্ভব নয়। আমাদের আগামী প্রজন্মকে একটি সুস্থ, প্রাণবন্ত ও চিন্তাশীল শৈশব উপহার দেওয়া এখন সময়ের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব।</p>
<hr>
<p data-path-to-node="20"><strong>লেখকঃ </strong>সিনিয়র লেকচারার, নর্দার্ন ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ; এমফিল গবেষক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলর, বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াড কমিটি।</p>
<hr><hr>
<p data-path-to-node="20"></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>গ্রিনম্যান&#45;২০২৬ পেলেন মাহমুদ সোহেল</title>
<link>https://digibanglatech.news/188626</link>
<guid>https://digibanglatech.news/188626</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li&gt;&lt;span&gt;পরিবেশ সচেতনতা তৈরিতে অবদানের জন্য মাহমুদ সোহেল সম্মানিত&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;li&gt;&lt;span&gt;প্রায় ২৩ বছরের সাংবাদিকতায় কাজ করেছেন বিভিন্ন গণমাধ্যমে&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;li&gt;&lt;span&gt;মাঠপর্যায়ের সাংবাদিকতা ও জনস্বার্থের প্রতিবেদনে সাহসী ভূমিকার স্বীকৃতি&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6a9854bb1cd7e.jpg" length="44745" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 02 Sep 2026 19:54:37 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>মাহমুদ সোহেল, গ্রিনম্যান-২০২৬, পরিবেশ সাংবাদিকতা, জলবায়ু পরিবর্তন, পরিবেশ সচেতনতা, সবুজ আন্দোলন, জিটিভি, ডিআরইউ, নবায়নযোগ্য জ্বালানি</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="isSelectedEnd"><span> পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে জনসচেতনতা তৈরিতে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ‘জাতীয় অ্যাওয়ার্ড গ্রিনম্যান-২০২৬’ পেয়েছেন গাজী টেলিভিশনের (জিটিভি) বার্তা সম্পাদক ও ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) তথ্যপ্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান (মাহমুদ সোহেল)।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>তিনি পরিবেশবাদী সংগঠন মেরিন জার্নালিস্ট নেটওয়ার্কের (এমজেএন) সাবেক সভাপতি।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>২ সেপ্টেম্বর, বুধবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী মিলনায়তনে পরিবেশবাদী সংগঠন সবুজ আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তাকে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>পরিবেশ সাংবাদিকতায় অবদানের জন্য প্রতিবছর বিশিষ্ট নাগরিকদের এ সম্মাননা দেওয়া হয়।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>‘বিদ্যুৎ ঘাটতি নিরসনে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার নিশ্চিত করতে করণীয়’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সবুজ আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান বাপ্পি সরদার।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. কামরুল আহসান।</span></p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x_6a985d3a972e0.jpg" alt=""></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>বিশেষজ্ঞ আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন নলেজ হাব ইনস্টিটিউট ট্রাস্টের চেয়ারম্যান ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম, স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের অধ্যাপক ড. আহমেদ কামরুজ্জামান মজুমদার, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. আদিল মুহাম্মদ খান, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্সের নগর পরিকল্পনাবিদ মেহেদী আহসান, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো. ফরহাদুর রেজা, জাস্ট এনার্জি ট্রানজিশন (অ্যাকশনএইড বাংলাদেশ)-এর ম্যানেজার মো. আবুল কালাম আজাদ এবং সাসটেইনেবল রিসার্চ অ্যান্ড কনসালটেন্সি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও নগর পরিবেশবিদ আবু জোবায়ের।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলমগীর কবির, মিশন গ্রিন বাংলাদেশের নির্বাহী প্রধান আহসান রনি, সবুজ আন্দোলন পরিচালনা পরিষদের মহাসচিব মহসিন সিকদার পাভেল, দ্য আম্পায়ার বে গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ নুরুজ্জামান হোসাইন বাবু, মাতৃভূমি গ্রুপের অর্থ পরিচালক মো. ফিরোজ আলম এবং বিএম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রবিউল ইসলাম রবি।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>অনুষ্ঠানে পরিবেশ সচেতনতা তৈরিতে বিশেষ অবদানের জন্য সাতটি প্রতিষ্ঠান ও বিশিষ্ট নাগরিককে ‘জাতীয় অ্যাওয়ার্ড গ্রিনম্যান-২০২৬’ দেওয়া হয়। তাদের মধ্যে গণমাধ্যমে পরিবেশ ও জলবায়ু বিষয়ে জনসচেতনতা তৈরিতে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এ পুরস্কার পান জিটিভির বার্তা সম্পাদক মাহমুদ সোহেল।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>প্রায় ২৩ বছরের সাংবাদিকতা জীবনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস রিপোর্টিংয়ের মাধ্যমে সাংবাদিকতা শুরু করেন মাহমুদ সোহেল। রেডিও, টেলিভিশন, সংবাদপত্র, অনলাইন ও ডিজিটাল—প্রায় সব ধরনের গণমাধ্যমে কাজ করেছেন তিনি।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>দিগন্ত টিভি, এসএটিভি, এটিএন নিউজ ও আজকের পত্রিকায় সিনিয়র রিপোর্টার হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি দেশ টিভির অনলাইন ইনচার্জ এবং জিটিভির ডিজিটাল প্রধান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>সাংবাদিকতা জীবনে অনুসন্ধানী ও জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিবেদন করতে গিয়ে বিভিন্ন সময়ে মামলা, হয়রানি ও নানা ধরনের চাপের মুখে পড়েছেন মাহমুদ সোহেল।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>দুর্নীতিবিষয়ক সংবাদ প্রকাশের জেরে সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশির করা মামলায় একাধিকবার রংপুর আদালতে হাজিরা দিতে হয়েছে তাকে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>নানা প্রতিকূলতা ও পেশাগত চ্যালেঞ্জের মধ্যেও মাঠপর্যায়ে কাজ এবং সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার অবস্থান থেকে সরে আসেননি তিনি। সহকর্মীদের কাছে মাহমুদ সোহেল একজন সাহসী, সৎ ও আপসহীন সাংবাদিক হিসেবে পরিচিত।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>বর্তমানে জিটিভির বার্তা সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির তথ্যপ্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণ সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। ঢাকাস্থ যশোর সাংবাদিক ফোরামের আহ্বায়কও তিনি।</span></p>
<p>দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনের সংগ্রাম এবং পরিবেশ সাংবাদিকতায় অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ‘গ্রিনম্যান-২০২৬’ প্রাপ্তিকে তার ক্যারিয়ারের গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে দেখছেন সহকর্মীরা।<br>/<strong>/ডিবিটেক/এসএইচএম/এমএসআই/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>গ্রামীণফোনের দ্বিতীয় এআই প্রতিযোগিতা ‘ফিউচারমেকার্স’ শুরু</title>
<link>https://digibanglatech.news/188584</link>
<guid>https://digibanglatech.news/188584</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;4,0,0&quot;&gt;&lt;span&gt;গ্রামীণফোন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের বাস্তব সমস্যা সমাধানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ভিত্তিক আইডিয়া প্রতিযোগিতা ‘ফিউচারমেকার্স’-এর দ্বিতীয় আসর শুরু করেছে।&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;4,1,0&quot;&gt;&lt;span&gt;স্টেম ও নন-স্টেম ব্যাকগ্রাউন্ডের শিক্ষার্থীরা ছয়টি প্রধান সামাজিক ও কারিগরি ক্ষেত্রে ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত দলগত বা এককভাবে আবেদন করতে পারবেন।&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;4,2,0&quot;&gt;&lt;span&gt;বিজয়ীরা আর্থিক পুরস্কারের পাশাপাশি প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6a9803a97c3a5.jpg" length="126679" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 02 Sep 2026 15:08:42 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>ফিউচারমেকার্স, গ্রামীণফোন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, স্টেম শিক্ষা, সোশ্যাল গুড, স্টার্টআপ মেন্টরশিপ, ডেটা গোপনীয়তা, ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি, কারিগরি উদ্ভাবন</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="9">বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণ উদ্ভাবকদের জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ভিত্তিক প্রযুক্তিগত আইডিয়া প্রতিযোগিতা ‘ফিউচারমেকার্স’-এর দ্বিতীয় আসর আয়োজনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছে টেলিযোগাযোগ খাতের শীর্ষ প্রতিষ্ঠান গ্রামীণফোন। বাস্তব জীবনের বিভিন্ন সংকট নিরসনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও প্রকৌশলগত প্রযুক্তির প্রয়োগ ঘটিয়ে টেকসই সমাধান উদ্ভাবনের লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।</p>
<p data-path-to-node="10">২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বুধবার জিপি সূত্র জানায়, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিত (স্টেম) এবং নন-স্টেমসহ সকল একাডেমিক শাখার শিক্ষার্থীদের জন্য উন্মুক্ত এ প্রতিযোগিতাটি এ বছর ‘সামাজিক কল্যাণে এআই’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে পরিচালিত হচ্ছে। তরুণ সমাজকে নৈতিক, সৃজনশীল ও দায়িত্বশীলভাবে ডিপ টেকনোলজি ব্যবহারে উৎসাহিত করাই এই প্ল্যাটফর্মের মূল লক্ষ্য।</p>
<p data-path-to-node="11">প্রতিযোগিতার এবারের আসরে সমাজ ও প্রযুক্তির মেলবন্ধনে ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নির্ধারণ করা হয়েছে: ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি ও শিক্ষা; স্বাস্থ্যসেবা ও মানসিক সুস্থতা; প্রযুক্তিগত দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ; লিঙ্গ সমতা ও অন্তর্ভুক্তি; পরিবেশগত ভারসাম্য ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা; এবং সাইবার নিরাপত্তা, সার্বিক সুরক্ষা ও ডেটা গোপনীয়তা।</p>
<p data-path-to-node="12">আগ্রহী শিক্ষার্থীরা আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বুধবারের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈধ পরিচয়পত্র ব্যবহারের মাধ্যমে অনলাইন রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়ায় আবেদন করতে পারবেন। শিক্ষার্থীরা এককভাবে অথবা সর্বোচ্চ তিনজনের দলে বিভক্ত হয়ে এতে অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন। শিল্পখাত বিশেষজ্ঞ, প্রযুক্তিভিত্তিক স্টার্টআপ প্রতিনিধি এবং গ্রামীণফোনের অভ্যন্তরীণ টেকনিক্যাল বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠিত বিচারকমণ্ডলী প্রস্তাবিত প্রজেক্টগুলো মূল্যায়ন করবেন। নির্বাচিত উদ্ভাবকরা পরবর্তীতে ‘কনসেপ্ট পিচ’ ও বিশেষজ্ঞদের সরাসরি নির্দেশনায় পরিচালিত ‘ইগনিশন চেম্বার’-এ যোগ দিয়ে নিজেদের এআই মডেল ও ব্যবসায়িক ধারণাগুলো আরও পরিমার্জিত করার সুযোগ পাবেন। চূড়ান্ত পর্বে গালা ইভেন্টে উদ্ভাবনী সমাধানগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রদর্শন করা হবে। প্রতিযোগিতার বিজয়ীরা নির্ধারিত আর্থিক পুরস্কারের পাশাপাশি গ্রামীণফোনের বিভিন্ন ফ্ল্যাগশিপ প্রোগ্রামে সরাসরি যুক্ত হওয়ার অগ্রাধিকার পাবেন।</p>
<p data-path-to-node="13">গ্রামীণফোনের চিফ হিউম্যান রিসোর্সেস অফিসার (সিএইচআরও) সৈয়দা তাহিয়া হোসেন বলেন, “এআই যেভাবে আমাদের শেখা, সৃষ্টি, উদ্ভাবন এবং সমস্যা সমাধানের পদ্ধতিকে ক্রমেই পরিবর্তন করছে, তাতে এ প্রযুক্তিকে বুঝে কার্যকরভাবে ব্যবহার করার সক্ষমতা আজকের ডিজিটাল অর্থনীতিতে অংশগ্রহণের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ফিউচারমেকার্স এবং এ বছরের প্রতিপাদ্য 'সামাজিক কল্যাণে এআই'-এর মাধ্যমে আমরা তরুণদের কেবল এআই ব্যবহারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ না রেখে, বাস্তব সমস্যার সমাধান ও ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টির লক্ষ্যে কীভাবে দায়িত্বশীলভাবে এটি প্রয়োগ করা যায়, তা খুঁজে বের করতে অনুপ্রাণিত করতে চাই।”</p>
<p data-path-to-node="14">/<strong>/ডিবিটেক/এমআরজিপিআর /এমএসআই/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>জেলা প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিকায়নের কঠোর নির্দেশ</title>
<link>https://digibanglatech.news/188576</link>
<guid>https://digibanglatech.news/188576</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;4,0,0&quot;&gt;জেলা প্রশিক্ষণ কেন্দ্রসমূহ আধুনিক ইকুইপমেন্ট ও প্রযুক্তিসমৃদ্ধ করে সচল করার পাশাপাশি প্রশিক্ষণার্থীদের তথ্য এমআইএসে সংরক্ষণের নির্দেশ &lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;4,1,0&quot;&gt;বাজারভিত্তিক বাস্তবসম্মত ট্রেড প্রশিক্ষণ, ব্যবসা পরিচালনার প্রাথমিক মূলধন এবং পণ্য বিপণনে নারীদের প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা দেবে সরকার&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;4,2,0&quot;&gt;স্বেচ্ছাসেবী মহিলা সমিতিগুলোর মধ্যে অনুদানের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে তিন ক্যাটাগরিতে আট কোটি পনেরো লাখ টাকার বেশি বরাদ্দ হস্তান্তর  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6a97f498a2a9d.jpg" length="112769" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 02 Sep 2026 13:04:31 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>প্রযুক্তি প্রশিক্ষণ, ইকুইপমেন্ট আধুনিকায়ন, ডাটাবেজ এমআইএস, নারী উদ্যোক্তা, কেয়ার ইকোনমি, সিড মানি, ফ্যামিলি কার্ড, কারিগরি দক্ষতা, অনুদান বিতরণ</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="9">দেশের জেলা পর্যায়ের প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোকে আধুনিক ইকুইপমেন্ট ও প্রযুক্তিসমৃদ্ধ করে অবিলম্বে পূর্ণাঙ্গরূপে সচল করার কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নারীদের কেবল সনদের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও প্রকৌশলগত দক্ষতায় স্বাবলম্বী উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।</p>
<p data-path-to-node="10">২ সেপ্টেম্বর, বুধবার বাংলাদেশ শিশু একাডেমি মিলনায়তনে মহিলা বিষয়ক অধিদফতরের আওতায় নিবন্ধিত স্বেচ্ছাসেবী মহিলা সমিতিসমূহের মধ্যে ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের অনুদানের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন এ নির্দেশ দেন।</p>
<p data-path-to-node="11">অনুষ্ঠানে জানানো হয়, নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করতে গতানুগতিক ধারার বাইরে গিয়ে বাজারের চাহিদা অনুযায়ী যুগোপযোগী ট্রেড ও আধুনিক প্রযুক্তির প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। ভবিষ্যতে মাঠপর্যায়ের পারফরম্যান্স ও প্রযুক্তিগত দক্ষতার মূল্যায়নের ওপর ভিত্তি করেই সংশ্লিষ্ট সমিতি ও সংস্থাসমূহকে সরকারি সহায়তা বরাদ্দ করা হবে। এছাড়া প্রশিক্ষণ সমাপ্তির পর মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনাকে ডেটাভিত্তিক কাঠামোর আওতায় আনতে সকল প্রশিক্ষণার্থীর বিস্তারিত তথ্য এমআইএস (MIS)-এ যথাযথভাবে সংরক্ষণের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়।</p>
<p data-path-to-node="12">প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, মানবিক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে নিরলসভাবে কাজ করছেন। দল-মত, ধর্ম-বর্ণ এবং পাহাড়ি-সমতল নির্বিশেষে নাগরিকদের সমান অধিকার ও ন্যায্যতার ভিত্তিতে ফ্যামিলি কার্ড ইস্যু করা হচ্ছে, যার মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় সহায়তা স্বচ্ছ ও কার্যকরভাবে পৌঁছে যাবে।</p>
<p data-path-to-node="13">তিনি আরও উল্লেখ করেন, প্রশিক্ষণার্থীদের সফল প্রযুক্তি উদ্যোক্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে উৎপাদিত পণ্য দ্রুত ও সহজে বাজারজাতকরণের জন্য বিশেষায়িত বিপণন প্রশিক্ষণ, ব্যবসা শুরুর জন্য সিড মানি (প্রারম্ভিক মূলধন) এবং বহুমুখী প্রাতিষ্ঠানিক কারিগরি সহায়তা দেওয়া হবে। এছাড়া বিশ্বব্যাপী বিকাশমান ‘কেয়ার ইকোনমি’তে দেশের নারীদের অংশগ্রহণ বাড়াতে জেলা পর্যায়ে আধুনিক কেয়ার গিভিং প্রশিক্ষণ চালুর কথা জানান তিনি। দ্রুত সেবা নিশ্চিতে মহিলা বিষয়ক অধিদফতরের শূন্য পদসমূহে দ্রুত নিয়োগ সম্পন্ন করার তাগিদ দেওয়ার পাশাপাশি নারী-শিশু নির্যাতন, যৌতুক ও বাল্যবিবাহ নির্মূলে সামাজিক আন্দোলনের আহ্বান জানানো হয়।</p>
<p data-path-to-node="14">অনুষ্ঠানে ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে সাধারণ অনুদান হিসেবে তিনটি ক্যাটাগরিতে ৩ হাজার ১৮০টি সমিতিকে মোট ৮ কোটি ১৫ লাখ ২ হাজার ৬০০ টাকার চেক হস্তান্তর করা হয়। এছাড়া ঘূর্ণায়মান অনুদান হিসেবে ৪০টি জেলার ৭০টি সমিতিকে ৩৫ লাখ টাকা এবং স্বেচ্ছাধীন অনুদান হিসেবে ২১টি জেলার ৬৯টি সমিতিকে ২৩ লাখ ৯৪ হাজার ৩০০ টাকার চেক বিতরণ করা হয়।</p>
<p data-path-to-node="16">মহিলা ও শিশু বিষয়ক সচিব ড. রওশন আরা বেগমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন মহিলা বিষয়ক অধিদফতরের মহাপরিচালক শায়লা শার্মিন জামান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বেচ্ছাসেবী মহিলা সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এলিজা জামান। অনুষ্ঠানে সমাজসেবা অধিদফতরের মহাপরিচালক শাহ মোহাম্মদ মাহ্‌বুবসহ মন্ত্রণালয় ও অধীনস্থ দফতর-সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং সমিতিগুলোর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।<br>/<strong>/ডিবিটেক/ আরএইচপিআর/এমআইএসটি/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>স্বপ্নের স্থপতি কামরুল ইসলাম সিদ্দিক: স্মৃতিতে ও অর্জনে অম্লান এক কর্মবীর</title>
<link>https://digibanglatech.news/188436</link>
<guid>https://digibanglatech.news/188436</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6a966da982a14.jpg" length="75943" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 01 Sep 2026 09:30:39 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>কামরুল ইসলাম সিদ্দিক, এলজিইডি, গ্রামীণ অবকাঠামো, বীর মুক্তিযোদ্ধা, নঈম নিজাম, শহীদুল হাসান, প্রকৌশল ও উন্নয়ন, স্মৃতিচারণ, বাংলাদেশ স্থানীয় সরকার</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="4">বাংলাদেশ সচিবালয়ের মাত্র দুটি কক্ষ থেকে যাত্রা শুরু করেছিলেন প্রকৌশলী কামরুল ইসলাম সিদ্দিক। এরপর লালমাটিয়ার একটি ভাড়া বাড়ি; সেখান থেকে কয়েক বছরের ব্যবধানে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে গড়ে উঠল দৃষ্টিনন্দন এলজিইডি ভবন। সেই বহুতল ভবনটি ছিল মূলত তাঁর অদম্য স্বপ্ন, সাহস ও অনন্য নেতৃত্বের জীবন্ত প্রতীক।</p>
<p data-path-to-node="5">বীর মুক্তিযোদ্ধা কামরুল ইসলাম সিদ্দিকের সেই লড়াই ও কর্মযজ্ঞ খুব কাছ থেকে প্রত্যক্ষ করার বিরল সুযোগ আমার হয়েছিল। একজন সরকারি কর্মকর্তা কীভাবে আমলাতান্ত্রিক গণ্ডি পেরিয়ে সত্যিকারের দূরদর্শী রূপকার হয়ে উঠতে পারেন, তিনি ছিলেন তার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। দুঃসাহসী, নিরলস ও স্বপ্নবান এই মানুষটি বাংলাদেশের গ্রামীণ অবকাঠামো এবং গ্রামীণ অর্থনীতির মানচিত্র আমূল বদলে দিয়েছিলেন। এই উন্নয়নযাত্রায় তাঁর অন্যতম বিশ্বস্ত সহযোদ্ধা ছিলেন শহীদুল হাসান (যিনি পরবর্তীতে এলজিআরডি সচিবের দায়িত্ব পালন করেছেন)।</p>
<p data-path-to-node="6">কামরুল ইসলাম সিদ্দিকের সঙ্গে জড়িয়ে আছে আমার অগুনতি স্মৃতি। তিনি আমাকে অত্যন্ত স্নেহ করতেন, বিশ্বাস করতেন এবং মনের অনেক কথা অকপটে ভাগ করে নিতেন। এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) চেয়ারম্যান কিংবা গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তাঁর বহুমুখী অভিজ্ঞতা, পেশাগত সাফল্য, নানা সংকট এবং রাজনীতিকদের অন্যায্য আবদার প্রত্যাখ্যানের ফলে তৈরি হওয়া মানসিক যন্ত্রণার কথা তিনি আমাকে বলতেন। তিনি ছিলেন আপসহীন ও স্পষ্টভাষী; অন্যায়কে অন্যায় বলতে কখনো কুণ্ঠাবোধ করতেন না। রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব সততার সঙ্গে পালন করতে গিয়ে কী পরিমাণ চাপ ও বৈরিতা তাঁকে সামাল দিতে হয়েছিল, তা কাছ থেকেই দেখেছি ও শুনেছি।</p>
<p data-path-to-node="7">২০০৮ সালে মৃত্যুর কিছুদিন আগে বিশ্ব পানি সম্মেলনে যোগ দিতে তিনি সুইডেন গিয়েছিলেন। সেখান থেকেই আমাকে ফোন করেছিলেন। অনেকক্ষণ কথা হয়েছিল আমাদের। জানিয়েছিলেন, সুইডেন থেকে যুক্তরাষ্ট্রে ছেলের বাসায় কিছুদিন কাটিয়ে আসন্ন ঈদের পর ঢাকায় ফিরবেন।</p>
<hr>
<p data-path-to-node="7"><strong>লেখকঃ</strong> প্রথিতযশা জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক, সম্পাদক ও কলামিস্ট</p>
<hr>
<p data-path-to-node="8">কিন্তু সেই ফেরা আর কখনোই হয়নি।</p>
<p data-path-to-node="9">আজও সেই শোকাবহ দিনটির কথা স্পষ্ট মনে পড়ে। ২০০৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর অফিসে বসে তাঁর পাঠানো শেষ ই-মেইলটি পড়ছিলাম এবং তাঁর জবাব টাইপ করছিলাম। ঠিক সেই মুহূর্তে টেলিফোন বেজে উঠল। ওপাশে এলজিইডির তৎকালীন অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ইফতেখার ভাই।</p>
<p data-path-to-node="10">ভারাক্রান্ত কণ্ঠে তিনি বললেন, “কামরুল ইসলাম সিদ্দিক স্যার আর নেই।”</p>
<p data-path-to-node="11">মুহূর্তের জন্য আমি স্তব্ধ হয়ে গেলাম। অবিশ্বাসের সুরে বললাম, “আমি তো ঠিক এই মুহূর্তেই স্যারের মেইলের উত্তর লিখছি!”</p>
<p data-path-to-node="12">ইফতেখার ভাই জানালেন, আমাদের মেইল পাঠানোর কিছুক্ষণের মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সিতে বড় ছেলে সাইফের বাসায় তিনি হঠাৎ হৃদরোগে আক্রান্ত হন। ছেলে দ্রুত অ্যাম্বুলেন্স ডাকলেও হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।</p>
<p data-path-to-node="13">নিয়তির কী নির্মম পরিহাস—যে মানুষের সঙ্গে ভাববিনিময়ের জন্য আমরা উত্তর লিখি, সেই উত্তর আর কোনোদিন তাঁর কাছে পৌঁছায় না!</p>
<p data-path-to-node="14">অসময়েই চলে গিয়েছিলেন এই কর্মবীর রূপকার। ২০০৮ সালের আজকের এই দিনটিতেই তিনি সবাইকে কাঁদিয়ে না-ফেরার দেশে পাড়ি জমান।</p>
<p data-path-to-node="15">কাল পরিক্রমায় মানুষ চলে যায়, কিন্তু কিছু মানুষ বেঁচে থাকেন তাঁদের অমর সৃষ্টির মাঝে—দেশের পথে প্রান্তরে, মানুষের জীবনযাত্রায় এবং স্মৃতির মণিকোঠায়। এত বছর পরও মাঝে মাঝে মনে হয়, কোনো এক বিকেলে আবার সেই চিরচেনা নম্বর থেকে ফোন আসবে; ওপাশ থেকে ভেসে আসবে স্নেহমাখা সেই কণ্ঠস্বর: “নঈম, কেমন আছেন?”</p>
<p data-path-to-node="16">সেই কণ্ঠ আর কোনোদিন শোনা হবে না।</p>
<p data-path-to-node="17">প্রয়াণ দিবসে গ্রামীণ বাংলাদেশের এই রূপকারকে গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় স্মরণ করছি। পরপারে শান্তিতে থাকুন প্রিয় মানুষটি। </p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>সিলিকন রিভারের চার মাস: অর্জন, অন্তর্দ্বন্দ্ব ও সেমিকন্ডাক্টরে বাংলাদেশের উত্তরণ</title>
<link>https://digibanglatech.news/188427</link>
<guid>https://digibanglatech.news/188427</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202608/image_870x_6a6f47729be44.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 01 Sep 2026 02:18:39 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>সিলিকন রিভার, সেমিকন্ডাক্টর শিল্প, নেশন অব ইনোভেশন, চিপ ডিজাইনিং, সিনপসিস চুক্তি, বিয়ার সামিট ২০২৬, সিইএস ২০২৭, এসকে হাইনিক্স, গ্লোবালফাউন্ড্রিজ, প্রযুক্তিগত সংস্কার</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="4">গত ১ মে থেকে ৩১ আগস্ট—এই চার মাসে ‘সিলিকন রিভার’ (Silicon River) কী কী অর্জন করেছে, তার একটি বস্তুনিষ্ঠ খতিয়ান তুলে ধরা যাক:</p>
<p data-path-to-node="5">১. <b data-path-to-node="5" data-index-in-node="3">দক্ষিণ কোরিয়ায় রোডশো:</b> এসকে হাইনিক্স (SK hynix)-এর প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণে তাদের উন্নত প্যাকেজিং ফ্যাসিলিটি পরিদর্শন; কেএসআইএ (KSIA)-সহ শীর্ষস্থানীয় ৫টি সেমিকন্ডাক্টর কোম্পানির সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক এবং কাইস্ট (KAIST)-এর সঙ্গে ক্রেস্ট (CREST)-এর কৌশলগত দ্বিপাক্ষিক চুক্তি সম্পাদন।</p>
<p data-path-to-node="6">২. <b data-path-to-node="6" data-index-in-node="3">যুক্তরাষ্ট্রে সফল রোডশো:</b> অস্টিন, ফিনিক্স, সিলিকন ভ্যালি, ফলসম থেকে শুরু করে পোর্টল্যান্ড পর্যন্ত বিস্তৃত সফর। এতে ১১টি গ্লোবাল টেক কোম্পানি, ৩টি বিশ্বমানের বিশ্ববিদ্যালয় এবং প্রবাসীদের নিয়ে ৫টি বিশেষ নেটওয়ার্কিং সেশন সম্পন্ন।</p>
<p data-path-to-node="7">৩. <b data-path-to-node="7" data-index-in-node="3">নীতিগত সংস্কার:</b> জাতীয় স্বার্থে সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের কাঁচামাল ও সরঞ্জাম আমদানির ওপর শুল্ক কার্যকরভাবে ১ শতাংশের নিচে নামিয়ে আনা।</p>
<p data-path-to-node="8">৪. <b data-path-to-node="8" data-index-in-node="3">ন্যাশনাল সেমিকন্ডাক্টর সিম্পোজিয়াম ও BEAR Summit 2026:</b> সরকার, শিল্প খাত, শিক্ষাবিদ, প্রবাসী এবং আন্তর্জাতিক অতিথিদের (টেক্সাস ইনস্ট্রুমেন্টসের সিটিও-সহ) নিয়ে এক ঐতিহাসিক আয়োজন। এতে ৩,৮৮১ জন নিবন্ধিত অংশগ্রহণকারী, বাংলাদেশি তরুণদের ৩৭টি উদ্ভাবনী প্রদর্শনী এবং ১৩০ জন মেধাবী তরুণের সক্রিয় অবদান নিশ্চিত হয়েছে।</p>
<p data-path-to-node="9">৫. <b data-path-to-node="9" data-index-in-node="3">আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ:</b> এসআইসিআইপি (SICIP)-এর মাধ্যমে বিশেষায়িত চিপ ডিজাইনিং ও সেমিকন্ডাক্টর প্রশিক্ষণের লক্ষ্যে বিশ্বখ্যাত সিনপসিস (Synopsys)-এর সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর।</p>
<p data-path-to-node="10">৬. <b data-path-to-node="10" data-index-in-node="3">গ্লোবাল ক্যারিয়ার ও ফেলোশিপ:</b> ওয়াইইএস (YES)-এর সঙ্গে ওয়াইসিআরসি (YCRC) ও ক্রেস্ট ২০২৭-এর জন্য ডাবল ফেলোশিপের সুযোগ, কাউস্ট (KAUST)-এ পেইড ইন্টার্নশিপ এবং গ্লোবালফাউন্ড্রিজে (GlobalFoundries) সরাসরি চাকরির নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু।</p>
<p data-path-to-node="11">৭. <b data-path-to-node="11" data-index-in-node="3">সিইএস ২০২৭-এ ঐতিহাসিক আত্মপ্রকাশ:</b> বিশ্বমঞ্চে ‘কনজিউমার ইলেকট্রনিক্স শো’ (CES 2027)-এ প্রথমবারের মতো ‘বাংলাদেশ প্যাভিলিয়ন’-এর চুক্তি সম্পাদন এবং সারা (SARA) প্রোগ্রামে শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সফল অন্তর্ভুক্তি।</p>
<p data-path-to-node="12">৮. <b data-path-to-node="12" data-index-in-node="3">তারুণ্যের মেলবন্ধন:</b> ‘সিলিকন রিভার স্টুডেন্টস ব্রাঞ্চ’-এর জন্য দেশের ৫০টিরও বেশি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রায় ৬০০ মেধাবী শিক্ষার্থীর স্বতঃস্ফূর্ত আবেদন।</p>
<p data-path-to-node="13">এক মুহূর্তের জন্য ভাবুন—যদি ‘সিলিকন রিভার’ না থাকত, তবে এই অর্জনের কয়টি দৃশ্যমান হতো? বড়জোর শুল্ক সংস্কার কিংবা একটি সমঝোতা স্মারক; এর বেশি কিছু নয়।</p>
<p data-path-to-node="14">আমরা যখন বাংলাদেশকে একটি সত্যিকারের ‘নেশন অব ইনোভেশন’ হিসেবে গড়ে তোলার রূপরেখা দিই, তখন দেশের ৭টি প্রধান অংশীজন (Stakeholders)-এর সুনির্দিষ্ট ভূমিকা চিহ্নিত করেছিলাম। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভিশন বক্তব্যে সুস্পষ্টভাবে বলা হয়েছিল—কোন পক্ষের কী দায়িত্ব পালন করলে আমরা লক্ষ্যপূরণে সফল হব।</p>
<p data-path-to-node="15">বাস্তবে গত চার মাসে এই ৭টি অংশীজনের আচরণ কেমন ছিল?</p>
<ul data-path-to-node="16">
<li>
<p data-path-to-node="16,0,0"><b data-path-to-node="16,0,0" data-index-in-node="0">একাডেমিক (Academics):</b> শিক্ষকদের একাংশের মধ্যে এক ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঈর্ষা ও অসন্তোষ দেখা গেছে। শুরু হয়েছে নানামুখী বয়ান তৈরি, তদবিরের মহোৎসব ও অপ্রয়োজনীয় কূটনামি।</p>
</li>
<li>
<p data-path-to-node="16,1,0"><b data-path-to-node="16,1,0" data-index-in-node="0">বিল্ডার্স (Builders - তারুণ্য):</b> তরুণ প্রজন্মই আমাদের প্রকৃত শক্তি। তাদের অফুরন্ত মেধা ও দায়বদ্ধতাই দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।</p>
</li>
<li>
<p data-path-to-node="16,2,0"><b data-path-to-node="16,2,0" data-index-in-node="0">নাগরিক (Citizens):</b> সাধারণ মানুষের অফুরন্ত ভালোবাসা ও অকুণ্ঠ সমর্থন পেয়েছি। তাদের এই অটুট আস্থার প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ।</p>
</li>
<li>
<p data-path-to-node="16,3,0"><b data-path-to-node="16,3,0" data-index-in-node="0">প্রবাসী সমাজ (Diaspora):</b> একটি বিশেষ চক্র দশকের পর দশক কোনো অবদান না রেখে কিংবা ক্ষতিকর ভূমিকা পালন করেও এখন নানা ষড়যন্ত্রমূলক পারফরমেটিভ কর্মকাণ্ডে লিপ্ত।</p>
</li>
<li>
<p data-path-to-node="16,4,0"><b data-path-to-node="16,4,0" data-index-in-node="0">উদ্যোক্তা (Entrepreneurs):</b> সুস্থ প্রতিযোগিতা ও বড় হওয়ার আকাঙ্ক্ষা ইতিবাচক; তবে সক্ষমতা না বাড়িয়ে সিন্ডিকেট তৈরি, অপপ্রচার ও একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার অপচেষ্টা জাতীয় অগ্রগতিকে পিছিয়ে দেয়।</p>
</li>
<li>
<p data-path-to-node="16,5,0"><b data-path-to-node="16,5,0" data-index-in-node="0">ফোর্থ কলাম (Media):</b> গণমাধ্যমকর্মীদের মাঝে সেমিকন্ডাক্টর নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। তবে কিছু ক্ষেত্রে সুযোগসন্ধানী স্বঘোষিত ‘পণ্ডিতেরা’ গণমাধ্যমকে ভুল বুঝিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টাও করছে।</p>
</li>
<li>
<p data-path-to-node="16,6,0"><b data-path-to-node="16,6,0" data-index-in-node="0">সরকার (Government):</b> প্রশাসনে কিছু অসাধারণ দূরদর্শী কর্মকর্তা রয়েছেন, যাদের আন্তরিক সহযোগিতার শেষ নেই। বিপরীতে কতিপয় ব্যক্তি ব্যস্ত স্রেফ প্রচারের আলো কেড়ে নেওয়ার নাটকে।</p>
</li>
</ul>
<p data-path-to-node="17">অনেকেই বলতে পারেন—এসব তো থাকবেই। কিন্তু সংকট হলো, একটি দেশ হিসেবে আমরা এখন অত্যন্ত ভারসাম্যপূর্ণ এক সরু রশির ওপর দিয়ে হাঁটছি। বাইরে থেকে অনেকেই সেই রশি ঝাঁকিয়ে ফেলার চেষ্টা করছে। তার ওপর আমরা যারা সেই রশির ওপর একসঙ্গেই হাঁটছি, তাদেরই কেউ যদি ছুরি দিয়ে রশি কেটে দেওয়ার চক্রান্তে লিপ্ত হয়, তবে পরিণতি কী হবে? সবাই মিলেই খাদে পড়তে হবে। তখন সেই পুরোনো কৌতুকটিই সত্য হবে—আমাদের দোযখের ওপর কোনো প্রহরীর দরকার পড়ে না, কারণ একজন উঠতে গেলেই অন্যজন তার পা টেনে নিচে নামায়।</p>
<p data-path-to-node="18">প্রতিদিন যেসব প্রতিকূলতার মুখোমুখি হতে হচ্ছে, তাতে টিকে থাকাটাই এক নিরন্তর সংগ্রাম। তবে এই সংগ্রাম চলবেই, ইনশাআল্লাহ।</p>
<p data-path-to-node="19"><b data-path-to-node="19" data-index-in-node="0">পুনশ্চ:</b> অনেকে হয়তো প্রশ্ন তুলবেন—কয় টাকা সরাসরি বিনিয়োগ এলো কিংবা জাতীয় রাজস্ব কত বাড়ল? প্রথমত, এই পুরো কর্মযজ্ঞে সরকারের এক টাকাও ব্যয় হয়নি। দ্বিতীয়ত, যারা ঢালাও সমালোচনা করছেন, তাদের পকেটেরও কোনো টাকা খরচ হয়নি। অথচ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ইতোমধ্যে ২ মিলিয়ন ডলারের বেশি প্রত্যক্ষ বৈদেশিক আয় অর্জিত হয়েছে এবং ‘ডিজিটাল টুইন’ প্রযুক্তিতে দেশের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বহুলাংশে বেড়েছে। আর কোনো অগ্রগতি যদি কেউ স্বীকার করতে না-ও চান, অন্তত এটুকু নিশ্চিত যে দেশজুড়ে সেমিকন্ডাক্টর নিয়ে অভূতপূর্ব আলোড়ন তৈরি হয়েছে—এমনকি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) কল্যাণে রাতারাতি বহু সমালোচকও এখন সেমিকন্ডাক্টর বিশেষজ্ঞ বনে গেছেন!</p>
<hr>
<p data-path-to-node="19"><strong>লেখকঃ</strong><span> চিফ আর্কিটেক্ট, সিলিকন রিভার; </span><span>অধ্যাপক, পারডু বিশ্ববিদ্যালয়, ইন্ডিয়ানা, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র</span></p>
<hr>
<p data-path-to-node="19"></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ডেটা সুরক্ষায় রবি’র ‘প্রাইভেসি অ্যাভেঞ্জার্স’</title>
<link>https://digibanglatech.news/188277</link>
<guid>https://digibanglatech.news/188277</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li&gt;ডেটা সুরক্ষা ও গোপনীয়তা নিয়ে জাতীয় প্রতিযোগিতা আয়োজন করেছে রবি&lt;span aria-hidden=&quot;true&quot; class=&quot;PDq2pG_selectionAnchor&quot;&gt;&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;li&gt;তিন সদস্যের দলে বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারবেন&lt;/li&gt;
&lt;li&gt;প্রতিযোগিতায় মোট পাঁচ লাখ টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202608/image_870x580_6a9423f9a5924.jpg" length="73224" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 30 Aug 2026 17:37:42 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>ডেটা সুরক্ষা, ব্যক্তিগত তথ্য, গোপনীয়তা, রবি আজিয়াটা, প্রাইভেসি অ্যাভেঞ্জার্স, সাইবার নিরাপত্তা, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী, ডিজিটাল নেতৃত্ব, কেস প্রতিযোগিতা</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-start="785" data-end="1084" class="PDq2pG_selectionAnchorContainer">ডেটা সুরক্ষা ও ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা নিয়ে তরুণদের দক্ষতা বাড়াতে জাতীয় পর্যায়ের ‘প্রাইভেসি অ্যাভেঞ্জার্স’ কেস প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে রবি আজিয়াটা পিএলসি। ‘প্রাইভেসি ফার্স্ট’ উদ্যোগের অংশ হিসেবে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকোনো বিভাগের শিক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারবেন।<span aria-hidden="true" class="PDq2pG_selectionAnchor"></span></p>
<p data-start="1086" data-end="1398">তিনজনের দল গঠন করে প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে হবে। বাস্তব জীবনে ডেটা সুরক্ষা ও ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা সম্পর্কিত বিভিন্ন সমস্যা চিহ্নিত করে নতুন ও কার্যকর সমাধান উপস্থাপন করতে হবে দলগুলোকে। সমাধান তৈরির ক্ষেত্রে গ্রাহকের আস্থা, ব্যবসায়িক প্রয়োজন এবং নতুন প্রযুক্তির বিষয়গুলোও বিবেচনায় নিতে হবে।</p>
<p data-start="1400" data-end="1559">রবি জানিয়েছে, এই উদ্যোগের মাধ্যমে তরুণদের মধ্যে দায়িত্বশীলভাবে তথ্য ব্যবহারের সংস্কৃতি গড়ে তোলা এবং ভবিষ্যতের ডিজিটাল নেতৃত্ব তৈরিতে ভূমিকা রাখাই তাদের লক্ষ্য।</p>
<p data-start="1561" data-end="1681">প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। ১ সেপ্টেম্বর থেকে ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত রবির ওয়েবসাইটে নিবন্ধন করা যাবে।</p>
<p data-start="1683" data-end="1869">নিবন্ধিত দলগুলোকে নির্ধারিত একটি কেস বিশ্লেষণ করে ২৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে কনসেপ্ট পেপার জমা দিতে হবে। প্রাথমিক বাছাইয়ের পর সেরা ২০টি দল ‘প্রাইভেসি ডিফেন্ডারস’ হিসেবে পরবর্তী ধাপে অংশ নেবে।</p>
<p data-start="1871" data-end="1984">পরবর্তী ধাপে নির্বাচিত ১০টি দল শিল্পখাতের অভিজ্ঞ পেশাজীবীদের কাছ থেকে মেন্টরশিপ ও দিকনির্দেশনা পাওয়ার সুযোগ পাবে।</p>
<p data-start="1986" data-end="2141">চূড়ান্ত পর্বে ১৩ অক্টোবর দলগুলো গ্র্যান্ড জুরির সামনে তাদের সমাধান উপস্থাপন করবে। ১৫ অক্টোবর অনুষ্ঠিত পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হবে।</p>
<p data-start="2258" data-end="2286">বিজয়ী দলকে ‘প্রাইভেসি গার্ডিয়ান ২০২৬’ সম্মাননায় ভূষিত করা হবে। প্রতিযোগিতায় মোট পাঁচ লাখ টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে।<br>/<strong>/ডিবিটেক/জেডএইচআইপি/এমআইএসটি/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>এআইইউবিতে স্পেস এক্সপ্লোরেশন অলিম্পিয়াডের গ্র্যান্ড ফিনালে</title>
<link>https://digibanglatech.news/188293</link>
<guid>https://digibanglatech.news/188293</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;4,0,0&quot;&gt;এআইইউবি ক্যাম্পাসে ২০২ জন চূড়ান্ত প্রতিযোগীকে নিয়ে অনুষ্ঠিত হলো ৩য় স্পেস এক্সপ্লোরেশন অলিম্পিয়াড&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;4,1,0&quot;&gt;সৌরজগৎ, স্যাটেলাইট, মার্স রোভার ও আধুনিক মহাকাশ প্রযুক্তির ওপর ৪টি ক্যাটাগরিতে পরীক্ষা গ্রহণ&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;4,2,0&quot;&gt;অনলাইন বাছাই পেরিয়ে আসা দেশ-বিদেশের শিশু-কিশোরদের মধ্য থেকে ৩৩ জন শিক্ষার্থীকে পুরস্কার প্রদান&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202608/image_870x580_6a9430b431037.jpg" length="132331" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 30 Aug 2026 17:32:11 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>স্পেস এক্সপ্লোরেশন অলিম্পিয়াড, মহাকাশ বিজ্ঞান, এআইইউবি, স্পেস রোবোটিকস, স্যাটেলাইট প্রযুক্তি, মার্স রোভার, বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড, মহাকাশ প্রযুক্তি, তরুণ বিজ্ঞানী</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="7">শিশু-কিশোরদের মধ্যে মহাকাশ বিজ্ঞানের কৌতূহল ও প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনী মেধা বিকাশের লক্ষ্যে সফলভাবে সম্পন্ন হলো তৃতীয় ‘স্পেস এক্সপ্লোরেশন অলিম্পিয়াড’-এর গ্র্যান্ড ফিনালে। রাজধানীর আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশ (এআইইউবি) ক্যাম্পাসে ২৯ আগস্ট, শনিবার দিনব্যাপী এ চূড়ান্ত পর্ব ও সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনলাইন বাছাই পর্বের একাধিক ধাপ পেরিয়ে দেশ-বিদেশের মোট ২০২ জন শিক্ষার্থী এই জাতীয় ফাইনালে অংশ নেয়।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202608/image_870x_6a9430b512e88.jpg" alt=""></p>
<p data-path-to-node="8">আয়োজকেরা জানান, ৬ থেকে ১৬ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের বয়স ও শেখার স্তর অনুযায়ী চারটি পৃথক ক্যাটাগরিতে প্রতিযোগিতাটি পরিচালিত হয়। প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের জন্য সৌরজগৎ, গ্রহ-নক্ষত্র, রকেট্রি ও স্যাটেলাইটের মৌলিক বিষয় অন্তর্ভুক্ত ছিল। অন্যদিকে সিনিয়র শিক্ষার্থীদের জন্য মহাকাশ রোবোটিকস, মঙ্গল গ্রহের রোভার, স্পেস স্টেশন এবং ভবিষ্যৎ মহাকাশ প্রকৌশলের মতো আধুনিক প্রযুক্তিগত বিষয় নির্ধারণ করা হয়। দিনব্যাপী মূল্যায়ন শেষে ৪টি ক্যাটাগরিতে মোট ৩৩ জন কৃতি শিক্ষার্থীকে আনুষ্ঠানিক পুরস্কার ও মেডেল প্রদান করা হয়।</p>
<p data-path-to-node="9">অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এআইইউবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. সাইফুল ইসলাম বলেন, "আজকের এই অনুসন্ধিৎসু শিশুরাই আগামী দিনের প্রকৌশলী, বিজ্ঞানী ও উদ্ভাবক। মহাকাশ বিজ্ঞানের মতো জটিল ও অগ্রসর বিষয়কে আনন্দের সঙ্গে শেখার সুযোগ করে দিলে তাদের মেধা আরও কার্যকরভাবে বিকশিত হয়। একাডেমিক অংশীদার হিসেবে এ জাতীয় আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পেরে এআইইউবি অত্যন্ত আনন্দিত।"</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202608/image_870x_6a9430b346d18.jpg" alt=""></p>
<p data-path-to-node="11">বিশেষ অতিথি হিসেবে ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ (আইইউবি)-এর ফিজিক্যাল সায়েন্সেস বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. সৈয়দ আশরাফ উদ্দিন বলেন, "মহাকাশ ও পদার্থবিজ্ঞানের প্রতি আগ্রহ শৈশব থেকেই তৈরি হওয়া প্রয়োজন। এই প্ল্যাটফর্ম শিক্ষার্থীদের পাঠ্যবইয়ের গণ্ডি পেরিয়ে গবেষণাধর্মী চিন্তাভাবনা করতে শেখাবে।" স্পেস ইনোভেশন ক্যাম্পের সভাপতি আরিফুল হাসান সমাপনী বক্তব্যে জানান, আগামী দিনে দেশের নতুন প্রজন্মকে মহাকাশ প্রযুক্তির বৈশ্বিক মঞ্চে নেতৃত্ব দেওয়ার উপযোগী করে গড়ে তুলতে এ ধরনের আয়োজন আরও বৃহৎ পরিসরে অব্যাহত থাকবে।<br>/<strong>/ডিবিটেক/এইচপিও /এমআইএস/এমআইএসটি/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>নাগরিক সেবা: প্রশ্নটা সরঞ্জাম বা বাজেটের নয়, আন্তঃমন্ত্রণালয় এপিআই সংযোগের</title>
<link>https://digibanglatech.news/188177</link>
<guid>https://digibanglatech.news/188177</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202608/image_870x580_6a92b80a6ffb0.jpg" length="81681" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 29 Aug 2026 11:44:45 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>নাগরিক সেবা, এপিআই কানেক্টিভিটি, ন্যাশনাল সার্ভিস হাব, প্রশাসনিক সংস্কার, ডিজিটাল সেন্টার, ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব, সুশাসন, তথ্যপ্রযুক্তি</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="1">গত সপ্তাহে ব্যক্তিউদ্যোগে চালু হওয়া 'ঘুষ ডট সাইট' চালুর মাত্র ৮ দিনেই ৮ হাজার ৯৪১টি বেনামি অভিযোগ পেয়েছে, যেখানে দাবিকৃত ঘুষের অংক প্রায় ২৯৮ কোটি টাকা। উদ্যোক্তারা স্বীকার করেছেন এগুলো অযাচাইকৃত ও স্বেচ্ছাপ্রদত্ত রিপোর্ট। তবু এই পরিসংখ্যান যা উন্মোচন করে তা নতুন কিছু নয়—সরকারি সেবা নিতে গিয়ে চরম হয়রানি, ঘুষ ও সীমাহীন সময়ক্ষেপণ আমাদের নাগরিক জীবনের নিত্যদিনের বাস্তবতা। এটি হিমশৈলের চূড়া মাত্র। ১৮ কোটি মানুষের দেশে সরকারি সেবা নিতে গিয়ে ভোগান্তিতে পড়েননি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া ভার; শিশুর জন্মনিবন্ধন থেকে শুরু করে মৃত্যুসনদ পর্যন্ত এই দুষ্টচক্র আবর্তিত হতে থাকে।</p>
<p data-path-to-node="2">‘নাগরিক সেবা’র ধারণার উৎপত্তি ঠিক এই সংকট নিরসনের জায়গা থেকেই।</p>
<p data-path-to-node="3">সম্প্রতি মহৎ এই উদ্যোগটি নিয়ে কিছু মহল বিদ্বেষমূলক ও অবান্তর প্রশ্ন তুলেছে। তাদের দাবি—মাঠপর্যায়ে সরঞ্জাম দেওয়া হয়নি, আলাদা বাজেট নেই, তাই উদ্যোগটি টেকসই হয়নি। প্রশ্ন ওঠা ইতিবাচক, তবে যারা প্রশ্ন তুলছেন তারা উদ্যোগটির মৌলিক কারিগরি স্থাপত্য বুঝতেই ব্যর্থ হয়েছেন। আমাদের দেশে দলীয় সুপারিশে অদক্ষ লোক দিয়ে দায়িত্ব সারার প্রবণতা রয়েছে, যাদের প্রযুক্তিগত বিষয়ে ন্যূনতম ধারণাও নেই।</p>
<p data-path-to-node="4">‘নাগরিক সেবা’ কোনো হার্ডওয়্যার বা সরঞ্জাম বিলির প্রকল্প নয়; এটি কোডভিত্তিক সার্ভিস শেয়ারিং ও ইন্টারকানেক্টিভিটি প্রোটোকলনির্ভর একটি জাতীয় উদ্যোগ। নাগরিক সেবা সরঞ্জামনির্ভর হলে সেখানে কেনাকাটার দুর্নীতি বাসা বাঁধে, আর বাজেটনির্ভর হলে প্রকল্পের মেয়াদ ও অর্থ শেষের সাথে সাথে সেবাও বন্ধ হয়ে যায়। এটি ছিল মূলত সরকারি দপ্তরের ভেতরের কর্মীদের দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে পরিচালিত একটি রুটিন সেবা কার্যক্রম। প্রকল্প নেই, পিডি (প্রকল্প পরিচালক) নেই, বাজেট ও খরচের সুযোগ নেই বলেই কি নাগরিক সেবা বন্ধ রাখতে হবে?</p>
<p data-path-to-node="5">এই মডেলে উদ্যোক্তাদের কম্পিউটার বা ইন্টারনেট দেওয়া হয় না (মডেল হিসেবে প্রদর্শনের জন্য মাত্র ৬টি কেন্দ্র করা হয়েছিল); বরং তাদের দেওয়া হয় একটি সমন্বিত প্ল্যাটফর্ম (এপিআই হাব) এবং সেটির ভেরিফায়েড অ্যাক্সেস। উদ্যোক্তা নিজস্ব সরঞ্জাম ব্যবহার করে নাগরিককে সেবা দেন এবং নির্ধারিত সার্ভিস চার্জ নেন। প্ল্যাটফর্মে সেবার সংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে উদ্যোক্তার আয়ও বাড়ে। সরকারের মূল দায়িত্ব হলো ধাপে ধাপে সব মন্ত্রণালয়ের সেবাকে এই একক প্ল্যাটফর্মে যুক্ত করা, যাতে সাধারণ মানুষকে সেবার জন্য ৫৭টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগে দৌড়াতে না হয়।</p>
<p data-path-to-node="6">পুরোনো ‘ডিজিটাল সেন্টার’ আর ‘নাগরিক সেবা’র দর্শন এক নয়। ডিজিটাল সেন্টারে উদ্যোক্তাকে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের শত শত পৃথক ওয়েবসাইটে গিয়ে আলাদাভাবে আবেদন করতে হতো—যা কার্যত বিচ্ছিন্ন একেকটি ডিজিটাল দ্বীপ। নাগরিক সেবা ভিন্ন কাজ করে: এটি বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সফটওয়্যারের কোডকে এপিআই (API)-এর মাধ্যমে একক প্ল্যাটফর্মে সংযুক্ত করে। ফলে এক ঠিকানা থেকেই সব আবেদন সম্পন্ন হয় এবং আবেদনকারী, উদ্যোক্তা ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়—তিন পক্ষই রিয়েল-টাইম ড্যাশবোর্ডে দেখতে পায় ফাইলটি কোথায় আটকে আছে এবং প্রক্রিয়াকরণে কত সময় লাগছে।</p>
<p data-path-to-node="7">এই স্বচ্ছতা ও দৃশ্যমানতাই ঘুষ-দুর্নীতির বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় প্রতিরোধ। অস্বচ্ছতায় দালালের দৌরাত্ম্য বাড়ে, আর দীর্ঘসূত্রতায় বাড়ে দুর্নীতির সুযোগ।</p>
<p data-path-to-node="8">বাজেট কোনো দিনই এই প্ল্যাটফর্মের মূল বাধা ছিল না। নতুন কোনো মেগা প্রকল্প, টেন্ডার বা সরকারি বাড়তি বরাদ্দ ছাড়াই বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের নিজস্ব প্রোগ্রামারদের প্রস্তুত করে মাত্র ছয়-সাত মাসে ১১টি মন্ত্রণালয়ের ৪১টি সেবা এপিআইভুক্ত করা হয়েছিল। মাইগভ (MyGov)-এর ইন্টার-কানেক্টিভিটি থেকে যুক্ত হয়েছিল আরও ৪৫২টি আবেদন; সব মিলিয়ে প্রায় ৪৯৩টি সেবা এবং সাড়ে আটশত উদ্যোক্তাকে প্রশিক্ষণ ও লগইন সুবিধা দেওয়া হয়েছিল। প্রচলিত সরকারি ক্রয় মডেলে এই কাজের পেছনে শত শত কোটি টাকা ব্যয় দেখানো হতো। আমরা সেই পথে না হেঁটে প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর জোর দিয়েছিলাম।</p>
<p data-path-to-node="9">প্রকৃত বাধা ছিল সেবার ওপর বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখার মানসিকতা। সেবা প্রদানকারী দপ্তরগুলোর ভয় ছিল, এপিআই সংযোগ দিলে হয়তো তাদের একক কর্তৃত্ব বা নিয়ন্ত্রণ খর্ব হবে। পাসপোর্ট অধিদপ্তর থেকে এপিআই সংযোগ চেয়ে পাওয়া গিয়েছিল একটি যন্ত্র, যা শুরু থেকেই আংশিক অচল। এটি প্রযুক্তিগত জটিলতা নয়, বরং প্রাতিষ্ঠানিক কায়েমি স্বার্থের প্রতিবন্ধকতা।</p>
<p data-path-to-node="10">বর্তমানে সেবা ইন্টিগ্রেশনের কাজ বন্ধ রয়েছে। নতুন কোনো এপিআই যুক্ত করা হয়নি এবং আগে চালু থাকা কিছু সেবার কোড-অ্যাক্সেসও বন্ধ রাখা হয়েছে।</p>
<p data-path-to-node="11">আমার প্রশ্নটি কোনো রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে নয়, সরাসরি প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থার প্রতি: এই জনকল্যাণমূলক প্রযুক্তি সংযোগ বন্ধ রাখা হলো কেন?</p>
<p data-path-to-node="12">বর্তমান সরকারের কার্যকালের মধ্যে চাইলে কোনো অতিরিক্ত বাজেট ছাড়াই আরও শতাধিক এপিআই যুক্ত করা যেত। নাম কিংবা ব্র্যান্ডিং পছন্দ না হলে তা পুনর্নির্ধারণ করা হোক। মূল নীতিটি অপরিবর্তিত রাখা জরুরি: ড্রাইভিং লাইসেন্স, পাসপোর্ট কিংবা জাতীয় পরিচয়পত্রের (NID) সেবা সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ের ভৌগোলিক সীমানার বাইরে নিয়ে আসতে হবে। কারণ ঘুষ ও মধ্যস্বত্বভোগীদের সিন্ডিকেট সেই কাউন্টারগুলোকে ঘিরেই গড়ে ওঠে। এই ব্যবস্থার কার্যকর রূপান্তরই মূল সংস্কার।</p>
<p data-path-to-node="13">প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের কাজ সেবাগ্রহীতাদের সরাসরি ভিড় সামলানো নয়; তাদের মূল দায়িত্ব সেবার মান নিয়ন্ত্রণ, নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ, সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং ড্যাশবোর্ডের মাধ্যমে অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ। সেবা পৌঁছে দেওয়ার কাজটি করবে মাঠপর্যায়ের উদ্যোক্তারা, পরবর্তীতে যা সচেতন নাগরিক ও প্রবাসীরা নিজেরাই সম্পন্ন করতে পারবেন।</p>
<p data-path-to-node="14">বিদ্যমান জনবল ও অবকাঠামো কাজে লাগিয়ে নাগরিক ভোগান্তি কমানোর যে ভিত্তি দাঁড়িয়ে গেছে, তাকে এগিয়ে নেওয়াই যৌক্তিক। প্রশ্নটি কোনো সরকারের একক কৃতিত্বের নয়, নাগরিকের অর্থ ও সময় বাঁচানোর।</p>
<p data-path-to-node="15">সরকারের কাছে বিনীত আহ্বান—এপিআই-ভিত্তিক ‘ন্যাশনাল সিঙ্গেল সার্ভিস প্ল্যাটফর্ম’-এর অগ্রযাত্রা থামিয়ে না রেখে প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর ভেতর থেকেই এটি এগিয়ে নিন। নতুন প্রকল্প খুলে ফান্ড নির্ভরতা তৈরি করলে মেয়াদ শেষে পুরো উদ্যোগটি আবারও স্থবির হয়ে পড়ার ঝুঁকি থাকবে। নাগরিকের ভোগান্তি কমাতে এবং দুর্নীতিমুক্ত সেবা নিশ্চিতে এক ঠিকানায় সব নাগরিক সেবার সমন্বয় ফিরিয়ে আনা এখন সময়ের দাবি।</p>
<hr>
<p data-path-to-node="17"><b data-path-to-node="17" data-index-in-node="0">লেখক:</b> প্রযুক্তিবিদ, লেখক এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার সাবেক বিশেষ সহকারী।</p>
<hr>
<p data-path-to-node="17"></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>১২তম বাংলাদেশ জুনিয়র সায়েন্স অলিম্পিয়াড সম্পন্ন</title>
<link>https://digibanglatech.news/188128</link>
<guid>https://digibanglatech.news/188128</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;4,1,0&quot;&gt;প্রাইমারি, জুনিয়র ও সেকেন্ডারিতে চ্যাম্পিয়ন প্রিয়াংশু ঋদ্ধি, মারজানা মানহা ও মাহির আরিব।&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;4,2,0&quot;&gt;বুলগেরিয়ায় ২৩তম আন্তর্জাতিক অলিম্পিয়াডে অংশ নিতে ৬ সদস্যের দল নির্বাচনে জাতীয় ক্যাম্প ঘোষণা&lt;/li&gt;
&lt;li&gt;রাজধানীর আইইউবিএটি ক্যাম্পাসে চারশত প্রতিযোগীর অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হলো ১২তম বিজ্ঞান অলিম্পিয়াডের জাতীয় পর্ব।&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202608/image_870x580_6a91cf56cb3c7.jpg" length="117095" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 28 Aug 2026 20:12:10 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড, বিডিজেএসও, বিজ্ঞান শিক্ষা, আন্তর্জাতিক দল, প্রবলেম সলভিং, জিন প্রকৌশল, আইইউবিএটি, খুদে বিজ্ঞানী, এসপিএসবি</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="7">তরুণ শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞান ও প্রকৌশল শিক্ষায় উৎসাহিত করার লক্ষ্যে সফলভাবে সম্পন্ন হলো ১২তম বাংলাদেশ জুনিয়র সায়েন্স অলিম্পিয়াডের (বিডিজেএসও) জাতীয় পর্ব। ২৯ আগস্ট, ২০২৬ শনিবার সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, রাজধানীর উত্তরায় ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস এগ্রিকালচার অ্যান্ড টেকনোলজি (আইইউবিএটি) ক্যাম্পাসে দিনব্যাপী এ প্রতিযোগিতা ও সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। স্কুল অলিম্পিয়াড ও অনলাইন পর্ব পেরিয়ে আসা প্রায় চারশত শিক্ষার্থীর মধ্য থেকে মোট ৫৯ জনকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।</p>
<p data-path-to-node="8">জাতীয় পর্বে তিনটি ক্যাটাগরিতে তিনজনকে সেরা চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করা হয়। প্রাইমারি ক্যাটাগরিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে এসএফএক্স গ্রিন হেরাল্ড ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থী প্রিয়াংশু ঋদ্ধি রায়, জুনিয়র ক্যাটাগরিতে একই স্কুলের ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থী মারজানা মানহা এবং সেকেন্ডারি ক্যাটাগরিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে রাজুক উত্তরা মডেল কলেজের শিক্ষার্থী মাহির আরিব।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202608/image_870x_6a91cf55bc3d9.jpg" alt=""></p>
<p data-path-to-node="9">অনুষ্ঠানে সকাল ৯টা থেকে ২ ঘণ্টাব্যাপী লিখিত পরীক্ষায় শিক্ষার্থীরা বিজ্ঞানের ৯টি জটিল সমস্যার সমাধান করে। পরবর্তীতে বিশেষ প্রশ্নোত্তর পর্বে শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানভিত্তিক প্রশ্নের উত্তর দেন বুয়েটের তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. ফারসীম মান্নান মোহাম্মদী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জিন প্রকৌশল ও জীবপ্রযুক্তি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মুশতাক ইবনে আয়ুব এবং নোবিপ্রবির সাবেক উপাচার্য ড. মুহাম্মদ ইসমাইল।</p>
<p data-path-to-node="10">পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইইউবিএটি উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুর রব বলেন, "বিজ্ঞানই আমাদের ভবিষ্যৎ। খুদে বিজ্ঞানীদের মেধা ও আগ্রহকে উৎসাহিত করতে এ ধরনের প্ল্যাটফর্ম অপরিহার্য।" প্রখ্যাত জিনবিজ্ঞানী ড. আবেদ চৌধুরী শিক্ষার্থীদের কেবল এআই-এর ওপর নির্ভরশীল না হয়ে নিজস্ব মেধা ও বিজ্ঞানমনস্ক বিশ্লেষণের মাধ্যমে নতুন সমস্যার সমাধান বের করার পরামর্শ দেন।</p>
<p data-path-to-node="12">অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাজ্জাদুর রহমান চৌধুরী, মো: শাহ আলম এবং বাংলাদেশ বিজ্ঞান জনপ্রিয়করণ সমিতির সভাপতি মুনির হাসান। বিজয়ীদের নিয়ে আগামী ৩১ আগস্ট থেকে ২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ধানমন্ডিতে বিডিজেএসও ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হবে, যেখান থেকে নির্বাচিত ৬ সদস্যের দল বুলগেরিয়ায় ২৩তম আন্তর্জাতিক জুনিয়র সায়েন্স অলিম্পিয়াডে (আইজেএসও) অংশ নেবে।<br>/<strong>/ডিবিটেক/ এমএম/এমআইএস/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ঘুষের তথ্য জানতে ক্রাউডসোর্সিং প্ল্যাটফর্ম ঘুষসাইট</title>
<link>https://digibanglatech.news/187968</link>
<guid>https://digibanglatech.news/187968</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;4,0,0&quot;&gt;সরকারি সেবা পেতে ঘুষের অংক ও ধরন নথিবদ্ধে উন্মুক্ত প্ল্যাটফর্ম চালু&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;4,1,0&quot;&gt;ব্যক্তিগত পরিচয় ও সংবেদনশীল তথ্য সুরক্ষায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার স্বয়ংক্রিয় মডারেশন প্রযুক্তি&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;4,2,0&quot;&gt;চার দিনে জমা পড়েছে ৪৯ কোটি টাকা দাবির অযাচাইকৃত ক্রাউডসোর্সড অভিযোগ&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202608/image_870x580_6a8f42ca60cdb.jpg" length="62811" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 26 Aug 2026 01:46:50 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>ক্রাউডসোর্সিং প্রযুক্তি, তথ্য গোপনীয়তা, ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল, ওপেন লেজার, ডেটাবেজ ফিল্টারিং, অ্যালগরিদম মডারেশন, পাবলিক ডেটা, সাইবার নিরাপত্তা, ঘুষসাইট</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="7">দেশব্যাপী সরকারি সেবা গ্রহণে অনানুষ্ঠানিক অর্থ দাবির ডেটা বেনামে সংগ্রহের (ক্রাউডসোর্সিং) লক্ষ্যে 'ঘুষসাইট' নামে একটি নতুন প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছেন দুই বাংলাদেশি তরুণ উদ্যোক্তা। ২১ আগস্ট, শুক্রবার www.ghush.site ঠিকানার এই ওয়েবসাইটটি উন্মুক্ত করা হয়। কোনো ব্যক্তি যেন অকারণ মানহানি বা ক্ষতির শিকার না হন, সেজন্য প্ল্যাটফর্মটিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর ভাষা মডেল ও বিশেষ অ্যালগরিদম প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। </p>
<p data-path-to-node="8">চালু হওয়ার পর থেকেই ব্যবহারকারীরা অ্যাকাউন্ট তৈরি বা পরিচয় প্রকাশ ছাড়া সরকারি দফতরের নাম, সেবার ধরন, আনুমানিক অবস্থান, অর্থের পরিমাণ এবং ফলাফল শেয়ার করতে পারছেন। প্ল্যাটফর্মটিতে দুই দিনেই জমা পড়ে ৮০৪টি অভিযোগ। ঘাষ দাবি করা হয় মোট ১৩ কোটি ৬৫ লাখ।  তৃতীয় দিনে ২ হাজার ৭০৯টি অভিযোগে নথিভুক্ত ঘুষ দাবির অংক বেড়ে দাড়ায় ৩৫.১৭ কোটি টাকা।  চার দিনে মোট ৪৯ কোটি টাকার ঘুষ দাবির অভিযোগ নথিভুক্ত হয়। এর আগে ২৩ আগস্ট পর্যন্ত দেশের আটটি বিভাগ থেকে প্রাথমিক ৪৫৮টি রিপোর্টে প্রায় ২.৪৫ কোটি টাকার ঘুষের দাবির তথ্য উঠে আসে। যার মধ্যে সর্বোচ্চ ২৫৪টি অভিযোগ ছিল ঢাকা বিভাগ থেকে।</p>
<p data-path-to-node="9">প্ল্যাটফর্মের কারিগরি দিক নিয়ে এর অন্যতম নির্মাতা সাইফ কবির বলেন, "বাংলাদেশের প্রত্যেকেই জানে যে ঘুষের অস্তিত্ব আছে। তবে যে তথ্যটি কারও কাছে নেই, তা হলো এর সুনির্দিষ্ট অংক বা হিসাব। তাড়াহুড়োর মধ্যে কাউন্টারে দাঁড়িয়ে একজন গ্রাহক হয়তো জানেন না চাওয়া টাকাটা স্বাভাবিক হার নাকি দ্বিগুণ। সেই তথ্যের ঘাটতি মেটাতেই এই উন্মুক্ত লেজার তৈরি করা হয়েছে।" তিনি আরও উল্লেখ করেন, ভারতের 'bribes.fyi' থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে সহ-নির্মাতা সাহেদ শরীফকে সাথে নিয়ে মাত্র একদিনে এর বাংলাদেশি সংস্করণটি তৈরি করা হয়।</p>
<p data-path-to-node="10">ওয়েবসাইটের তথ্য প্রক্রিয়াকরণ মূলত তিনটি ধাপে বিভক্ত। ব্যবহারকারীদের ইনপুট দেওয়ার পর একটি ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল স্বয়ংক্রিয়ভাবে লেখাগুলো পরীক্ষা করে নাম, ফোন নম্বর, এনআইডি, ফাইল নম্বর বা শনাক্তকারী তথ্য এবং আপত্তিকর ভাষা বাদ দিয়ে দেয়। সাইফ কবির জানান, "প্রকাশিত তথ্য থেকে ব্যক্তিগত উপাত্ত সরাতে ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল কাজ করে। এটি একটি প্রাইভেসি ফিল্টার, সত্যতা যাচাইয়ের যন্ত্র নয়। কারও যাতে মানহানি না ঘটে সেজন্য দফতরের নাম লেখার সুযোগ থাকলেও ব্যক্তির নাম লেখার সুযোগ নেই। অটোমেটিক সেন্সর সিস্টেম ও পারমানেন্ট ফিল্টারিংয়ের কারণে আমাদের ডেটাবেজেও অভিযুক্ত ব্যক্তির কোনো তথ্য সংরক্ষিত থাকে না।"</p>
<p data-path-to-node="14">নির্মাতারা জানান, এই প্ল্যাটফর্মের মূল লক্ষ্য নির্দিষ্ট কারও অপকর্ম প্রমাণ করা বা কোনো কর্তৃপক্ষ হওয়া নয়; বরং দুর্নীতি ও অনিয়মের ধারাবাহিক ধরন বা 'প্যাটার্ন' উন্মোচন করা। সাইফ কবিরের ভাষ্যমতে, "একজন ব্যক্তি কোনো নির্দিষ্ট অঙ্কের দাবি করলে তা একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা হতে পারে, কিন্তু একই দফতরের ক্ষেত্রে একাধিক ব্যবহারকারী একই ধরনের তথ্য দিলে তা প্যাটার্নে রূপ নেয়।" এই সাইটের তথ্য গবেষক, সাংবাদিক ও নীতিনির্ধারকদের জন্য প্রাথমিক উৎস হিসেবে কাজ করবে বলে আশা প্রকাশ করেন এর নির্মাতারা।<br>/<strong>/ডিবিটেক/ এনএপি/ এসএমই/ ইএমএস/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বিডিঅ্যাপসের সর্বকনিষ্ঠ ডেভেলপার শরীয়তপুরের দুই যমজ</title>
<link>https://digibanglatech.news/187828</link>
<guid>https://digibanglatech.news/187828</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;4,0,0&quot;&gt;ইউটিউব ও অনলাইন রিসোর্স দেখে মায়ের ফোনে কোডিং শিখে ৩টি অ্যাপ তৈরি&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;4,1,0&quot;&gt;বিডিঅ্যাপসের পক্ষ থেকে দুই ভাইকে নতুন ল্যাপটপ, স্কলারশিপ ও এআই প্রশিক্ষণ প্রদান&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;4,2,0&quot;&gt;ভবিষ্যতে সফটওয়্যার প্রকৌশলী হয়ে এআই চালিত উন্নত রোবট তৈরির স্বপ্ন ক্ষুদে প্রতিভাদের&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202608/image_870x580_6a8d7036bfac6.jpg" length="133419" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 25 Aug 2026 10:36:51 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>বিডিঅ্যাপস ডেভেলপার, অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট, সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রবি আজিয়াটা, কোডিং স্কলারশিপ, এআই রোবটিক্স, টেলিকম এপিআই, জুনিয়র প্রোগ্রামার</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p> প্রযুক্তির প্রতি অদম্য আগ্রহ ও শেখার প্রবল ইচ্ছায় কোনো প্রাতিষ্ঠানিক সুযোগ ছাড়াই অ্যাপ স্টোর 'বিডিঅ্যাপস'-এর সর্বকনিষ্ঠ ডেভেলপার হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত হয়েছে শরীয়তপুরের ১১ বছর বয়সী যমজ ভাই তানভীর হাসান ও তাফসীর হাসান। </p>
<p>ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ুয়া এই দুই ভাই নিজস্ব কম্পিউটার বা ল্যাপটপ না থাকায় গত তিন বছর ধরে ইউটিউব এবং ইন্টারনেটের উন্মুক্ত রিসোর্স ব্যবহার করে মায়ের স্মার্টফোনে কোডিং অনুশীলন চালিয়ে গেছে। ইতোমধ্যে তারা সফলভাবে ৩টি মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করেছে। গণমাধ্যমে তাদের মেধার খবর প্রকাশের পর গত ১৩ আগস্ট, বৃহস্পতিবার রবি আজিয়াটার কর্পোরেট কার্যালয়ে তাদের আমন্ত্রণ জানানো হয়। সেখানে তাদের উদ্ভাবনী দক্ষতা ও কোডিং অভিজ্ঞতা পর্যালোচনা করে বিডিঅ্যাপস কর্তৃপক্ষ তাদের প্ল্যাটফর্মটির সর্বকনিষ্ঠ ডেভেলপার হিসেবে তালিকাভুক্ত করে।</p>
<p>পরবর্তীতে গত ১৯ আগস্ট, বুধবার বিডিঅ্যাপসের একটি প্রযুক্তি ও প্রকৌশল প্রতিনিধি দল শরীয়তপুরে তাদের বাড়িতে গিয়ে বিশেষ পরামর্শ ও প্রশিক্ষণ সেশনের আয়োজন করে। বিডিঅ্যাপসের প্রকৌশলীরা তাদের আধুনিক কোডিং চর্চা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) এবং এআই-চালিত অ্যাপ তৈরির কারিগরি দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। তাদের প্রযুক্তি চর্চা সহজতর করতে বিডিঅ্যাপসের পক্ষ থেকে একটি নতুন ল্যাপটপ এবং প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণের জন্য 'ফুল অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট কোর্স'-এর সম্পূর্ণ স্কলারশিপ দেওয়া হয়েছে।</p>
<p>মেধাভিত্তিক প্রাথমিক বৃত্তিপ্রাপ্ত তানভীর ও তাফসীর ভবিষ্যতে সফটওয়্যার প্রকৌশলী হওয়ার স্বপ্ন দেখছে। তারা মাইক্রোসফট বা নাসার মতো বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠানে কাজের পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা চালিত আধুনিক রোবট তৈরির লক্ষ্য ব্যক্ত করেছে। রবি আজিয়াটার হেড অব মার্কেটিং মোহাম্মদ শওকত কাদের চৌধুরী জানান, সঠিক দিকনির্দেশনা পেলে এই তরুণ প্রতিভারা এআই ও ভবিষ্যৎ প্রযুক্তিতে দেশকে নেতৃত্ব দেবে। দেশের অন্যতম বৃহৎ ডেভেলপার প্ল্যাটফর্ম বিডিঅ্যাপসে বর্তমানে এক লাখেরও বেশি ডেভেলপার এবং সমপরিমাণ অ্যাপ যুক্ত রয়েছে।<br>/<strong>/ডিবিটেক/এনএপি/জেডএইচপি/এমআইএস/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বাংলাদেশে এআই ও আইনের শাসন: বিচারব্যবস্থায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নীতি ও কাঠামো</title>
<link>https://digibanglatech.news/187815</link>
<guid>https://digibanglatech.news/187815</guid>
<description><![CDATA[ &lt;div&gt;বিচারব্যবস্থায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ব্যবহারের আগে প্রয়োজন স্পষ্ট নীতি, নিরাপত্তা ও জবাবদিহির কাঠামো। সুপ্রিম কোর্টের নেতৃত্বে বিচারিক এআই কাঠামোর প্রয়োজনীয়তা নিয়ে বিশ্লেষণাত্মক লেখা।&lt;/div&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202608/image_870x580_6a8d60bb986c3.jpg" length="106807" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 25 Aug 2026 10:31:08 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, বিচারব্যবস্থা, আইনের শাসন, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট, ইউনেস্কো এআই টুলকিট, ডিজিটাল বিচার বিভাগ, জুডিশিয়াল এআই framework, এআই নীতি, এআই ঝুঁকি।</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div _ngcontent-ng-c3448621589="" inline-copy-host="" class="markdown markdown-main-panel md-content enable-luminous-fast-follows enable-updated-hr-color stronger tutor-markdown-rendering" id="model-response-message-contentr_075e6e168a9213e5" aria-busy="false" aria-live="polite" dir="ltr">
<p>একসময় ধারণা করা হতো তথ্যপ্রযুক্তি কেবলই যোগাযোগের মাধ্যম, কিন্তু কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) আবির্ভাব সেই ধারণাকে পুরোপুরি বদলে দিয়েছে। এআই এখন বিচারব্যবস্থার মতো সংবেদনশীল জায়গায়ও প্রবেশ করছে। বিশ্বজুড়ে বিচারব্যবস্থাগুলো যখন এখনো ঠিক করে উঠতে পারেনি এই প্রযুক্তির ব্যবহার কীভাবে নিয়ন্ত্রিত হওয়া উচিত, তখনই বাংলাদেশেও এর ব্যবহারের প্রশ্নটি সামনে এসেছে। ইউনেস্কোর 'Global Toolkit on AI and the Rule of Law for the Judiciary' এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের জন্য একটি সময়োপযোগী নীতিগত ভিত্তি হতে পারে। তবে মনে রাখা প্রয়োজন, এআই ব্যবহারের মূল লক্ষ্য বিচারককে প্রযুক্তি দিয়ে প্রতিস্থাপন করা নয়। বরং বিচারিক স্বাধীনতা, ন্যায়বিচার, সমতা, গোপনীয়তা ও মানবীয় সিদ্ধান্তের মর্যাদা অক্ষুণ্ন রেখে বিচারপ্রাপ্তি সহজ করা ও আদালতের দক্ষতা বাড়ানোই এর উদ্দেশ্য হওয়া উচিত। </p>
<p><strong>জেনারেটিভ এআই এবং সম্ভাবনার দুয়ার</strong><br>একজন বিচারক জেনারেটিভ এআই ব্যবহার করে দীর্ঘ নথির সারসংক্ষেপ তৈরি করতে পারেন, একজন আইনজীবী নজির খুঁজতে পারেন, আর আদালত প্রশাসন মামলার শ্রেণিবিন্যাস, শুনানির সময়সূচি তৈরি, অনুবাদ, ট্রান্সক্রিপশন বা মামলার জট শনাক্তে অ্যালগরিদম ব্যবহার করতে পারে। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে মামলার দীর্ঘসূত্রতা কমানো এবং প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে এআই নিঃসন্দেহে একটি বড় সম্ভাবনা। </p>
<p>তবে মূল প্রশ্নটি এটি নয় যে বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থা এআই ব্যবহার করবে কি না। আসল প্রশ্ন হলো—কোন নিয়মে, কী ধরনের সুরক্ষার মধ্যে এবং কার কাছে জবাবদিহির ভিত্তিতে এটি ব্যবহৃত হবে</p>
<br><response-element class="no-md" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element>
<div _ngcontent-ng-c1203130217="" class="code-block ng-tns-c1203130217-68 ng-animate-disabled ng-trigger ng-trigger-codeBlockRevealAnimation" jslog="223238;track:impression,attention;BardVeMetadataKey:[[&quot;r_075e6e168a9213e5&quot;,&quot;c_f379bc1f7688e2c7&quot;,null,&quot;rc_2c4c93450bdf4bf3&quot;,null,null,&quot;bn&quot;,null,1,null,null,1,0]]" data-hveid="0" decode-data-ved="1" data-ved="0CAAQhtANahgKEwjRq8mT-bqWAxUAAAAAHQAAAAAQ3wI"><!---->
<div _ngcontent-ng-c1203130217="" class="formatted-code-block-internal-container ng-tns-c1203130217-68">
<div _ngcontent-ng-c1203130217="" class="animated-opacity ng-tns-c1203130217-68"><!---->
<pre _ngcontent-ng-c1203130217="" class="ng-tns-c1203130217-68"><sider-code-explain id="sider-code-explain" data-gpts-theme="light"></sider-code-explain><sider-code-explain id="sider-code-explain" data-gpts-theme="light"></sider-code-explain><code _ngcontent-ng-c1203130217="" role="text" data-test-id="code-content" class="code-container formatted ng-tns-c1203130217-68 no-decoration-radius">                            [ সুপ্রিম কোর্টের নেতৃত্ব ]
                                      │
              ┌───────────────────────┴───────────────────────┐
              ▼                                               ▼
   [ ঝুঁকিভিত্তিক প্রয়োগ ]                          [ Judicial AI Policy Lab ]
 (ট্রান্সক্রিপশন, ডকেট প্রসেসিং)                  (নিয়ন্ত্রিত পরীক্ষা, পরীক্ষা-নিরীক্ষা)
              │                                               │
              └───────────────────────┬───────────────────────┘
                                      ▼
                        [ প্রামাণ্য বিচারিক ভান্ডার ]
                        (বাংলাদেশের আইন, নথি ও বাংলা ভাষা)
</code></pre>
<!----></div>
</div>
</div>
<response-element class="no-md" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><code-block _nghost-ng-c1203130217="" class="ng-tns-c1203130217-68 enable-luminous-code-block ng-star-inserted"><!----><!----><!----></code-block><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element>
<div>
<p><strong>বিচারিক সিদ্ধান্তের বিকল্প নয়</strong><br>এআই হয়তো মানুষের চেয়ে দ্রুত হাজার পৃষ্ঠার নথি বিশ্লেষণ করতে পারে, প্রাসঙ্গিক রায় খুঁজে দিতে পারে বা সাক্ষ্য ট্রান্সক্রাইব করতে পারে। কিন্তু বিচারিক প্রক্রিয়া কেবল তথ্য প্রক্রিয়াকরণের (Data Processing) কাজ নয়। আদালতকে মামলার সামাজিক ও মানবিক প্রেক্ষাপট বুঝতে হয়, সাক্ষ্যের বিশ্বাসযোগ্যতা যাচাই করতে হয়, পরস্পরবিরোধী অধিকারের ভারসাম্য নির্ধারণ করতে হয় এবং যুক্তি উপস্থাপন করে সিদ্ধান্তের দায় নিতে হয়। </p>
<p>তাই আমাদের একটি মৌলিক নীতি নির্ধারণ করা আবশ্যক: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিচারিক সিদ্ধান্তকে সহায়তা করতে পারে, কিন্তু এটি কখনো বিচারকের দায়িত্বকে প্রতিস্থাপন করতে পারে না। </p>
<p><strong>অনানুষ্ঠানিক ব্যবহারের ঝুঁকি ও সংবিধানের নীতি</strong><br>নীতিমালা তৈরির আগেই প্রযুক্তির ব্যবহার শুরু হয়ে যাওয়া এক বড় ঝুঁকি তৈরি করে। বিচারক, আইনজীবী বা আদালতের কর্মকর্তারা যদি নীতিমালার অভাবে উন্মুক্ত এআই প্ল্যাটফর্মে কোনো সংবেদনশীল বা গোপন বিচারিক নথি আপলোড করেন, তবে ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা চরম হুমকির মুখে পড়তে পারে। তদুপরি, জেনারেটিভ এআই মাঝে মাঝে কাল্পনিক রায় বা ভুল নজির (Hallucination) তৈরি করে এবং ভুয়া তথ্যকেও চরম আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে উপস্থাপন করে। </p>
<p>সংবিধানে বর্ণিত আইনের দৃষ্টিতে সমতা, ন্যায়বিচার, স্বাধীন ও নিরপেক্ষ বিচার এবং যথাযথ প্রক্রিয়ার নীতিই বিচারিক এআই ব্যবহারের প্রধান মানদণ্ড হওয়া উচিত। প্রতিটি এআই ব্যবস্থার ক্ষেত্রে কয়েকটি মৌলিক প্রশ্নের উত্তর থাকা বাধ্যতামূলক: </p>
<ul style="list-style-type: square;">
<li>এটি কি কোনো নাগরিকের প্রতি বৈষম্য তৈরি করছে?</li>
<li>সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি কি জানতে পারছেন যে সিদ্ধান্তে এআই ব্যবহৃত হয়েছে?</li>
<li>এআই-এর সুপারিশকে চ্যালেঞ্জ করার সুযোগ আছে কি না?</li>
<li>ব্যবস্থাটি কোনো ভুল করলে দায় কে নেবে?</li>
</ul>
<p><strong>কম ঝুঁকির ক্ষেত্র থেকে শুরু ও জাতীয় কাঠামোর প্রয়োজনীয়তা</strong><br>বাংলাদেশকে দুটি চরম অবস্থান এড়িয়ে চলতে হবে—এআইকে পুরোপুরি প্রত্যাখ্যান করা কিংবা তাড়াহুড়ো করে পুরোপুরি স্বয়ংক্রিয় বিচারব্যবস্থার দিকে ঝুঁকে পড়া। সঠিক পথ হলো ঝুঁকিভিত্তিক প্রয়োগ। প্রথম পর্যায়ে এআই কেবল ট্রান্সক্রিপশন, নথি শ্রেণিবিন্যাস, অনুবাদ, শুনানির সময়সূচি ব্যবস্থাপনা ও ডুপ্লিকেট আবেদন শনাক্তকরণের মতো কম ঝুঁকির প্রশাসনিক কাজে ব্যবহার করা যেতে পারে। কিন্তু জামিন প্রদান, শাস্তির মাত্রা নির্ধারণ বা সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা মূল্যায়নের মতো সংবেদনশীল ক্ষেত্রে এআই-এর ব্যবহার থেকে সম্পূর্ণ বিরত থাকতে হবে। </p>
<p>এ জন্য সুপ্রিম কোর্টের নেতৃত্বে একটি 'Bangladesh Judicial AI and Rule of Law Framework' গঠন করা যেতে পারে। এই কাঠামোর মূল ভিত্তি হবে মানবীয় সিদ্ধান্তের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ ক্ষমতা, গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে এআই ব্যবহারের স্বচ্ছতা, উচ্চতর ডেটা নিরাপত্তা এবং প্রযুক্তি ক্রয়ের স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণ। </p>
<p><strong>স্থানীয় বাস্তবতা, প্রশিক্ষণ ও দৃষ্টিভঙ্গি</strong><br>আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক এআই মডেলগুলো প্রধানত ইংরেজি ভাষা ও পশ্চিমা ডেটাসেটে প্রশিক্ষিত। বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থায় বাংলা ভাষা, স্ক্যান করা পুরোনো নথি এবং নিজস্ব আইনের জটিলতা রয়েছে। ফলে বিদেশি মডেলের ওপর ভরসা না করে দেশের নিজস্ব প্রামাণ্য আইন, বিধি ও রায়ের ওপর ভিত্তি করে একটি নিরাপদ ডিজিটাল ভান্ডার গড়ে তোলা জরুরি। একই সাথে বিচার বিভাগীয় প্রাতিষ্ঠানিক নেতৃত্বে একটি 'Judicial AI and Rule of Law Lab' স্থাপন করা যেতে পারে, যা এই প্রযুক্তিগুলোকে নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করবে। </p>
<p>প্রযুক্তি কেনার পর প্রশিক্ষণের প্রথাগত অভ্যাস বদলে, প্রযুক্তি বাস্তবায়নের আগেই বিচারক, আইনজীবী ও কর্মকর্তাদের এআই-এর কার্যপ্রণালী, এর সীমাবদ্ধতা এবং ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতন করতে হবে। কারণ বিচার বিভাগ কেবল এআই-এর ব্যবহারকারী নয়, ভবিষ্যতে এআই-সম্পর্কিত জটিল আইনি বিরোধেরও বিচারক। </p>
<p><strong>শেষ কথা</strong><br>বিচারের প্রধান উদ্দেশ্য দ্রুত সিদ্ধান্ত দেওয়া নয়, বরং সঠিক, স্বাধীন ও যুক্তিনির্ভর ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা। প্রযুক্তিকে বিচারকের পাশে স্থান দিতে হবে, বিচারকের আসনে নয়। নীতিগত সীমারেখা যদি আমরা এখনই নির্ধারণ না করি, তবে ভবিষ্যতে অনিয়ন্ত্রিত প্রযুক্তিই আমাদের বিচারিক সিদ্ধান্ত নিয়ন্ত্রণ করতে শুরু করবে।</p>
</div>
<div><span data-path-to-node="23,6"></span></div>
<div><hr><span data-path-to-node="23,6"><span data-path-to-node="23,6">লেখক:  ডিজিটাল গণতন্ত্র, তথ্যের অখণ্ডতা ও গণমাধ্যম উন্নয়নবিষয়ক বিশেষজ্ঞ</span></span><hr><span data-path-to-node="23,6"></span></div>
<br>
<div></div>
<br>
<div></div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>সিভি বিক্রির দাবি নাকচ করে সাইবার সুরক্ষার আশ্বাস দিল বিডিজবস</title>
<link>https://digibanglatech.news/187784</link>
<guid>https://digibanglatech.news/187784</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;4,0,0&quot;&gt;ডার্ক ওয়েবে ৬০ লাখ সিভি বিক্রি নিয়ে ছড়ানো তথ্যে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;4,1,0&quot;&gt;প্ল্যাটফর্মে উন্নত ডেটা নিরাপত্তা ও চাকরিপ্রার্থীদের প্রোফাইলে শক্তিশালী নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা চালু&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;4,2,0&quot;&gt;তৃতীয় পক্ষের কাছে তথ্য বিক্রির প্রমাণ পেলে নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202608/image_870x580_6a8c98a94d422.jpg" length="133261" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 24 Aug 2026 22:17:20 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>ডার্ক ওয়েব, বিডিজবস নিরাপত্তা, সাইবার সুরক্ষা, ডেটা প্রাইভেসি, সিভি ডেটাবেজ, ইনফরমেশন সিকিউরিটি, ডেটা লঙ্ঘন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম গুজব, অ্যাক্সেস কন্ট্রোল</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="7">চাকরি খোঁজার অনলাইন প্ল্যাটফর্ম বিডিজবস থেকে ডার্ক ওয়েবে ৬০ লাখ সিভি বিক্রি হওয়া সংক্রান্ত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের দাবিকে বিভ্রান্তিকর ও অপতথ্য বলে উল্লেখ করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এ বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্যে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে তারা। </p>
<p data-path-to-node="8">সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্ল্যাটফর্মটির ডেটাবেজ ও ওয়েব নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠার পরিপ্রেক্ষিতে ২৪ আগস্ট, সোমাবর <a href="https://scontent.fdac157-1.fna.fbcdn.net/v/t45.1600-4/784198957_1083290547469056_8939375371403153964_n.jpg?stp=cp0_dst-jpg_fr_q75_sh2.08_spS444_tt6&amp;cstp=mx1080x1080&amp;ctp=p526x296&amp;_nc_cat=104&amp;ccb=1-7&amp;_nc_sid=f0a831&amp;_nc_eui2=AeEnPHcn1BbajBEoxL-w0DV1CNs6BMAmahcI2zoEwCZqF-8Jj7Zc0YPKTvmVjVAgwWSWzOz21dq5CvndZEGTofJQ&amp;_nc_ohc=TwoNKus37CwQ7kNvwEHZvKa&amp;_nc_oc=AdrnkQo_zgQXc2VhFi7TGU5JKq_UzI9oEoUD4rEOpBQvDcKLyh_X02AVwJc2MPr7Xj8&amp;_nc_zt=1&amp;_nc_ht=scontent.fdac157-1.fna&amp;_nc_gid=S0g7-7ZeYqg-FLGdrzJP3A&amp;_nc_ss=7b2a8&amp;oh=00_AQHjNzLSCG1gyivkWE3oJtCXOBtIneTyC735zxEdYyhDnw&amp;oe=6A925553" target="_blank" rel="noopener">ফেসবুকে প্রকাশিত</a> এক জরুরি নিরাপত্তা সতর্কবার্তায় বিডিজবস জানায়, সূচনালগ্ন থেকেই তারা ব্যবহারকারীদের ডেটা সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে আসছে। ব্যবহারকারীদের তথ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আধুনিক সাইবার নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি চাকরিপ্রার্থীদের প্রোফাইল অ্যাক্সেসের ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রযুক্তিগত নিয়ন্ত্রণ ও অথেন্টিকেশন ব্যবস্থা বহাল রয়েছে।</p>
<p data-path-to-node="8"><img src="https://digibanglatech.news/admin/&lt;iframe src=&quot;https:/www.facebook.com/plugins/post.php?href=https%3A%2F%2Fwww.facebook.com%2Fmybdjobs%2Fposts%2Fpfbid0knjxCCJ2Mve9sHBuA7Yn5qUroJTezCGiu9bhNM5d3BgNWLmtypre4Pnb8pHtR94fl&amp;show_text=true&amp;width=500&quot; width=&quot;500&quot; height=&quot;691&quot; style=&quot;border:none;overflow:hidden&quot; scrolling=&quot;no&quot; frameborder=&quot;0&quot; allowfullscreen=&quot;true&quot; allow=&quot;autoplay; clipboard-write; encrypted-media; picture-in-picture; web-share&quot;&gt;&lt;/iframe&gt;" alt="">বিডিজবস জানায়, প্ল্যাটফর্মে নিবন্ধিত লক্ষাধিক নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নিজস্ব যাচাইকৃত অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে শুধুমাত্র অভ্যন্তরীণ নিয়োগ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে চাকরিপ্রার্থীদের প্রোফাইল দেখার সুযোগ পায়। এসব তথ্যের অননুমোদিত ব্যবহার বা বাণিজ্যিক লেনদেন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। কোনো নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান চাকরিপ্রার্থীদের তথ্য তৃতীয় পক্ষের কাছে বিক্রির চেষ্টা করলে এবং সে সংক্রান্ত প্রমাণ অভিযোগের মাধ্যমে নজরে এলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের ঘোষণা দিয়েছে তারা।</p>
<p data-path-to-node="11">প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, প্রযুক্তিগতভাবে যাচাই-বাছাই না করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো ধরনের বিভ্রান্তিকর পোস্ট বা অপতথ্য শেয়ার করা থেকে ব্যবহারকারীদের বিরত থাকতে হবে। যেকোনো তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করতে সামাজিক মাধ্যমের দাবির ওপর নির্ভর না করে বিডিজবসের অফিসিয়াল নিরাপত্তা বিবৃতি ও মূল সূত্র থেকে যাচাই করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।<br>/<strong>/ডিবিটেক/বিএনও/এসএমই/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>রোবোরেইভ ওসাকায় চ্যাম্পিয়ন টিম অ্যাটলাস</title>
<link>https://digibanglatech.news/187566</link>
<guid>https://digibanglatech.news/187566</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;7,0,0&quot;&gt;জাপানের ওসাকায় অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক রোবোটিক্স প্রতিযোগিতা &#039;রোবোরেইভ&#039;-এ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশের &#039;টিম অ্যাটলাস&#039;।&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;7,1,0&quot;&gt;তাদের উদ্ভাবিত &#039;হাইড্রাজ&#039; এআই-চালিত স্মার্ট অ্যাকুয়াকালচার প্ল্যাটফর্মটি ১৯টি দেশের মধ্যে শীর্ষস্থান অর্জন করে।&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;7,2,0&quot;&gt;এটি আইওটি, এআই ও কম্পিউটার ভিশন ব্যবহার করে মাছের খামার ও পানির মান পর্যবেক্ষণ করে।&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202608/image_870x580_6a89c3d79cf21.jpg" length="125512" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 22 Aug 2026 19:47:18 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>টিম অ্যাটলাস, রোবোরেইভ ওসাকা, সানি জুবায়োর, হাইড্রাজ, অ্যাকুয়াকালচার, এআই রোবোটিক্স, আইওটি, বাংলাদেশ রোবোটিক্স, আন্তর্জাতিক জয়</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="15">জাপানের ওসাকায় অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক রোবোটিক্স প্রতিযোগিতা 'রোবোরেইভ ওসাকা'-এর ‘অন্ট্রাপ্রুনারশিপ চ্যালেঞ্জ’-এ বিশ্বের ১৯টি দেশকে পেছনে ফেলে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে বাংলাদেশের ‘টিম অ্যাটলাস’।</p>
<p data-path-to-node="16">জাপানের ওসাকা ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে গত ১০ থেকে ১২ আগস্ট এই আন্তর্জাতিক রোবোটিক্স প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। টিম অ্যাটলাসের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই অর্জনের কথা নিশ্চিত করা হয়েছে।</p>
<p data-path-to-node="17">প্রতিযোগিতায় টিম অ্যাটলাস ‘হাইড্রাজ’ (Hydraz) নামের একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) চালিত আধুনিক ও উদ্ভাবনী স্মার্ট অ্যাকুয়াকালচার প্ল্যাটফর্ম উপস্থাপন করে। ইন্টারনেটস অব থিংস (আইওটি), আর্টিফিসিয়াল ইনটেলিজেন্স (এআই) এবং কম্পিউটার ভিশন প্রযুক্তির চমৎকার সমন্বয়ে সিস্টেমটি তৈরি করা হয়েছে। এর মাধ্যমে সহজেই মাছের খামারের পানির মান, মাছের আচরণ পর্যবেক্ষণ এবং খাদ্য ব্যবস্থাপনা সুনিপুণভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। শুধু তা-ই নয়, সম্ভাব্য ঝুঁকি বিশ্লেষণ করে এটি খামারিদের প্রয়োজনীয় পরামর্শও প্রদান করে।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202608/image_870x_6a89c467db727.jpg" alt=""></p>
<p data-path-to-node="19">বিশ্বমঞ্চের এই মর্যাদাপূর্ণ প্রতিযোগিতায় আয়োজক জাপান ছাড়াও বাংলাদেশ, চীন, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, ম্যাকাও, মিশর, ফিলিপাইন, ব্রাজিল, মেক্সিকো, কলম্বিয়া, তিউনিসিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, তাইওয়ান, পোল্যান্ড, গ্রিস, কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র ও স্লোভাকিয়াসহ মোট ১৯টি দেশ অংশগ্রহণ করে।</p>
<p data-path-to-node="22">আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করা টিম অ্যাটলাসের কৃতি সদস্যরা হলেন—সানি জুবায়োর, জান্নাতুল ফেরদৌস ফাহিম, আরাফাত আহমেদ খাঁন আরহাম, মো. শাহরিয়ার হাসান এবং অরণী সাহা। তাদের এই যুগান্তকারী এআই উদ্ভাবন আন্তর্জাতিক বিচারকদের প্রশংসা কুড়িয়েছে।<br>/<strong>/ডিবিটেক/বিএনটু/আইএসএম/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>স্ট্যানফোর্ডে রুয়েটের দুই সাবেক শিক্ষার্থী</title>
<link>https://digibanglatech.news/187534</link>
<guid>https://digibanglatech.news/187534</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;7,0,0&quot;&gt;বিশ্বখ্যাত স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পোস্টডক্টরাল গবেষক হিসেবে কাজ করছেন রুয়েট সিএসই বিভাগের দুই সাবেক শিক্ষার্থী।&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;7,1,0&quot;&gt;তারা হলেন মো. আতিক আহমেদ এবং রাবেয়া তুস সাদিয়া।&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;7,2,0&quot;&gt;কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ডিপ লার্নিং ও মেডিকেল ইমেজিং প্রযুক্তির উন্নয়নে তারা অবদান রাখছেন।&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202608/image_870x580_6a8957e9286ee.jpg" length="95233" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 22 Aug 2026 12:24:50 +0600</pubDate>
<dc:creator>Campus Correspondent</dc:creator>
<media:keywords>রুয়েট, স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়, পোস্টডক্টরাল গবেষক, আতিক আহমেদ, রাবেয়া তুস সাদিয়া, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ডিপ লার্নিং, মেডিকেল ইমেজিং, ইউনিভার্সিটি অব কেন্টাকি</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="15">বিশ্বখ্যাত স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পোস্টডক্টরাল গবেষক (পোস্টডক) হিসেবে কাজ করছেন রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের সাবেক দুই শিক্ষার্থী—মো. আতিক আহমেদ ও রাবেয়া তুস সাদিয়া। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), মেশিন লার্নিং এবং চিকিৎসাবিজ্ঞানে প্রযুক্তির বহুমুখী প্রয়োগভিত্তিক গবেষণার মাধ্যমে তারা আন্তর্জাতিক গবেষণা অঙ্গনে বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করেছেন।</p>
<p data-path-to-node="16">উভয়েই রুয়েটের সিএসই বিভাগের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের সাবেক শিক্ষার্থী এবং যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব কেন্টাকি থেকে কম্পিউটার সায়েন্সে পিএইচডি সম্পন্ন করেছেন। মো. আতিক আহমেদ বর্তমানে স্ট্যানফোর্ডে রেডিয়েশন ফিজিক্স বিষয়ে পোস্টডক্টরাল গবেষণা করছেন। তাঁর গবেষণার প্রধান ক্ষেত্র ডিপ লার্নিং, মাল্টিমোডাল লার্নিং এবং তথ্যনির্ভর এআই সলিউশন। পিএইচডি চলাকালে তিনি গুগলে প্রায় ৯ মাস ইন্টার্ন হিসেবে কাজ করেন এবং তাঁর গবেষণা নেচার কমিউনিকেশনস, আইসিএমএল, এএএআই ও কেডিডি-র মতো শীর্ষ সারির সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে।</p>
<p data-path-to-node="18">অন্যদিকে, রাবেয়া তুস সাদিয়া বর্তমানে স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটি স্কুল অব মেডিসিনে পোস্টডক্টরাল স্কলার হিসেবে কর্মরত। তাঁর গবেষণার মূল ক্ষেত্র হলো এআই, মেডিকেল ইমেজিং এবং সার্জিক্যাল ভিডিও অ্যানালাইসিস। তিনি সার্জন ও গবেষকদের সাথে সমন্বয় করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে বাস্তব স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নত করতে কাজ করছেন।</p>
<p data-path-to-node="21">নিজের এই সাফল্য প্রসঙ্গে রাবেয়া তুস সাদিয়া জানান, কেন্টাকিতে পিএইচডি চলাকালীন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে গবেষণা এবং একাধিক টেকনিক্যাল ইন্টারভিউ ও উপস্থাপনার মধ্য দিয়ে তিনি নির্বাচিত হন। রুয়েট থেকে গড়ে ওঠা মৌলিক ভিত্তিকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি জুনিয়র শিক্ষার্থীদের বড় স্বপ্ন দেখার এবং ব্যর্থতায় হতাশ না হয়ে প্রতিনিয়ত নিজের দক্ষতা বৃদ্ধির আহ্বান জানান। বিশ্বমঞ্চে এই দুই গবেষকের সাফল্য দেশের প্রযুক্তি ও প্রকৌশল খাতের শিক্ষার্থীদের জন্য এক বিরাট অনুপ্রেরণা।<br>/<strong>/ডিবিটেক/টিসিও/এমআইএস/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>নোবিপ্রবি রোভার স্কাউটে নতুন নেতৃত্ব</title>
<link>https://digibanglatech.news/187450</link>
<guid>https://digibanglatech.news/187450</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;8,0,0&quot;&gt;নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় রোভার স্কাউট গ্রুপে ২০২৬-২৭ সেশনের জন্য নতুন নেতৃত্ব নির্বাচিত হয়েছে।&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;8,1,0&quot;&gt;সিনিয়র রোভার মেট পদে মোহাম্মদ ইউসুফ শেখ এবং গার্লস ইন সিনিয়র রোভার মেট পদে উম্মে হাবিবা ইন্না দায়িত্ব পেয়েছেন।&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;8,2,0&quot;&gt;নতুন মেটদ্বয় সেশনের মানবিক, সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রম পরিচালনায় নেতৃত্ব প্রদান করবেন।&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202608/image_870x580_6a87fa1ce2552.jpg" length="103702" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 21 Aug 2026 09:31:47 +0600</pubDate>
<dc:creator>ক্যাম্পাস করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>নোবিপ্রবি, রোভার স্কাউট, সিনিয়র রোভার মেট, মোহাম্মদ ইউসুফ শেখ, উম্মে হাবিবা ইন্না, রসায়ন বিভাগ, অণুজীববিজ্ঞান বিভাগ, স্বেচ্ছাসেবামূলক কার্যক্রম, স্কাউটিং</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="16">নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) রোভার স্কাউট গ্রুপে ২০২৬–২৭ সেশনের জন্য সিনিয়র রোভার মেট ও গার্লস ইন সিনিয়র রোভার মেট নির্বাচিত হয়েছেন দুই শিক্ষার্থী।</p>
<p data-path-to-node="17">নবগঠিত এই নেতৃত্বে সিনিয়র রোভার মেট হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের ২০২১–২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ ইউসুফ শেখ। অন্যদিকে, একই শিক্ষাবর্ষের অণুজীববিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী উম্মে হাবিবা ইন্না নির্বাচিত হয়েছেন গার্লস ইন সিনিয়র রোভার মেট হিসেবে।</p>
<div class="attachment-container search-images"><response-element class="no-md" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><single-image _nghost-ng-c3062756448="" data-is-interactive="false" class="spark-licensed-center-host luminous-layout ng-star-inserted" data-image-attachment-index="1"><!----></single-image></response-element></div>
<div class="attachment-container search-images">
<p data-path-to-node="22">নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত এই দুই শিক্ষার্থী ২০২৬–২৭ সেশনে নোবিপ্রবি রোভার স্কাউট গ্রুপের সার্বিক কার্যক্রমে নেতৃত্ব প্রদান করবেন। তাঁরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে ও বাইরে স্কাউটিংয়ের বিভিন্ন সামাজিক, মানবিক, দুর্যোগ মোকাবেলা এবং বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবামূলক কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা রাখবেন বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।<br>//<strong>ডিবিটেক/এ্সএইচএম/এমআইএস</strong>//</p>
<h2 data-path-to-node="25"></h2>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>আসল সংকট প্রসেসর নয়, বিদ্যুৎ আর মানুষের হাত</title>
<link>https://digibanglatech.news/187454</link>
<guid>https://digibanglatech.news/187454</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x_6a66e1e9824a5.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 21 Aug 2026 00:44:06 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই নিয়ে বিশ্বজুড়ে দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রধান উদ্বেগ ঘুরেফিরে আসছে—এআই কি আমাদের সবার চাকরি কেড়ে নেবে? সফটওয়্যার ডেভলপার, কনটেন্ট রাইটার কিংবা ডেটা এনালিস্টদের কাজের ভবিষ্যৎ নিয়ে যখন চারিদিকে আলোচনা, ঠিক তখনই পর্দার আড়ালে বিশ্ব অর্থনীতির শীর্ষ টেক ও ফাইন্যান্সিয়াল জায়ান্টরা একদম বিপরীতধর্মী ও অভূতপূর্ব এক বাস্তবতার মুখোমুখি দাঁড়িয়েছে। মেটা, গুগল কিংবা ব্ল্যাকরকের মতো বিশ্ব কাঁপানো প্রযুক্তি ও বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠানগুলো একদিকে যেমন সফটওয়্যার প্রকৌশলী ও হোয়াইট-কলার কর্মীদের ছাঁটাই করছে, অন্যদিকে তেমনি হাজার হাজার ইলেকট্রিশিয়ান, ওয়েল্ডার, প্লাম্বার ও নির্মাণশ্রমিক খোঁজার জন্য হন্যে হয়ে উঠেছে।</p>
<p>প্রথম দেখায় বিষয়টি বৈপরীত্য মনে হলেও অর্থনৈতিক ডেটা ও টেক-ইন্ডাস্ট্রির বৈশ্বিক গতিপথ পর্যবেক্ষণ করলে এর পেছনের মূল কারণ স্পষ্ট হয়ে ওঠে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবস্থার জন্য যে সুবিশাল কম্পিউটিং ক্ষমতা প্রয়োজন, তা কেবল কয়েক লাখ প্রসেসর বা জিপিইউ (GPU) কিনলেই অর্জন করা সম্ভব নয়। এআই বিপ্লবের আসল সংকট এখন আর সিলিকন চিপস কিংবা এআই অ্যালগরিদম নয়; আসল সংকট হয়ে দাঁড়িয়েছে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ এবং ভৌত অবকাঠামো গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় মানুষের দক্ষ হাত।</p>
<p><strong>১. টেক জায়ান্টদের কারিগরি প্রশিক্ষণ উদ্যোগ ও শত কোটি টাকার তহবিল</strong></p>
<p>এআই প্রযুক্তিকে বাস্তবে কার্যকর করতে হাজার হাজার হাইপারস্কেল ডেটা সেন্টার নির্মাণ ও সেগুলোকে আঞ্চলিক পাওয়ার গ্রিডের সাথে যুক্ত করা জরুরি হয়ে পড়েছে। কিন্তু এই অবকাঠামো গড়ে তোলার মতো পর্যাপ্ত দক্ষ লোকবল বিশ্ববাজারে নেই। পরিস্থিতি মোকাবিলায় সিলিকন ভ্যালির বিশ্বখ্যাত প্রতিষ্ঠানগুলো এখন নিজেরাই সরাসরি কারিগরি শিক্ষা ও হস্তশিল্প প্রশিক্ষণে শত শত মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছে।</p>
<p><strong>মেটা (Meta):</strong> টেক জায়ান্ট মেটা তাদের নিজস্ব ও মূল নির্মাণকারী পার্টনারদের সাথে যৌথভাবে প্রায় ১১২ থেকে ১১৫ মিলিয়ন ডলারের একটি বিশাল তহবিল গঠন করেছে। তাদের "America's Workforce Academy" সহ অন্যান্য পার্টনারশিপ প্রোগ্রামের আওতায় এই অর্থ ব্যবহৃত হচ্ছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ট্রেনিং, যাতায়াতের জন্য প্লেন টিকিট, বিনামূল্যে থাকার সুবিধা এবং স্টাইপেন্ড প্রদান করা হচ্ছে। ৫ সপ্তাহের একটি নিবিড় বুটক্যাম্প শেষে অংশগ্রহণকারীদের সরাসরি ডেটা সেন্টার নির্মাণ সাইটে কাজের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। প্রথম ব্যাচেই প্রায় ৫,০০০ জনকে অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্য রাখা হয়েছে এবং কনস্ট্রাকশন বা কারিগরি কাজের পূর্ব অভিজ্ঞতা না থাকলেও এতে যোগ দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে।</p>
<p><strong>গুগল (Google):</strong> টেক জায়ান্ট গুগল কারিগরি ট্রেড গ্রোথ তরান্বিত করতে ৫০ মিলিয়ন ডলারের একটি বিশেষ আর্থিক অনুদান ঘোষণা করেছে। এই প্রকল্পটি পরিচালিত হচ্ছে International Brotherhood of Electrical Workers (IBEW) এবং তাদের ন্যাশনাল ইলেকট্রিক্যাল কন্ট্রাক্টর অ্যাসোসিয়েশনের যৌথ নেটওয়ার্কের মাধ্যমে। গুগলের মূল টার্গেট হলো আমেরিকায় বার্ষিক কারিগরি শিক্ষানবিশ বা অ্যাপ্রেন্টিস গ্রহণের সংখ্যা ১৯,৫০০ থেকে বাড়িয়ে ৩০,০০০-এ উন্নীত করা, যাতে দ্রুত বর্ধনশীল ডেটা সেন্টার হাবগুলোতে লাইসেন্সপ্রাপ্ত ইলেকট্রিশিয়ানের যোগান নিশ্চিত করা যায়।</p>
<p><strong>ব্ল্যাকরক (BlackRock):</strong> বিশ্বের সবচেয়ে বড় অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি ব্ল্যাকরকের ফাউন্ডেশন শাখা কারিগরি দক্ষতা উন্নয়ন ও ফ্রন্টলাইন ওয়ার্কফোর্স গড়ার লক্ষ্যে আগামী ৫ বছরের জন্য ১০০ মিলিয়ন ডলারের একটি তহবিল বরাদ্দ করেছে। এই ফান্ডের মাধ্যমে আনুমানিক ৫০,০০০ জন তরুণকে আধুনিক ম্যানুফ্যাকচারিং, সাবস্টেশন ডেভেলপমেন্ট ও হাই-ভোল্টেজ গ্রিড সংযোগের কাজে দক্ষ কর্মী হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।</p>
<p><strong>২. কেন এই তীব্র সংকট? ওপেনএআই ও হোয়াইট হাউসের অর্থনৈতিক পর্যালোচনা</strong></p>
<p>কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অবকাঠামো তৈরি করতে কতটা নজিরবিহীন পরিমাণ লোকবল প্রয়োজন, তার একটি স্পষ্ট চিত্র উঠে এসেছে ওপেনএআই (OpenAI)-এর পক্ষ থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নীতি-নির্ধারক ও হোয়াইট হাউসের কাছে জমা দেওয়া এক অর্থনৈতিক পর্যালোচনায়।</p>
<p>ওপেনএআই-এর রিপোর্টে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, কেবল তাদের প্রস্তাবিত মেগা ডেটা সেন্টার প্রজেক্টসমূহ এবং সেগুলোর চালিকাশক্তি হিসেবে নতুন পাওয়ার প্ল্যান্ট ও পাওয়ার গ্রিড কানেকশন তৈরি করতেই যুক্তরাষ্ট্রের মোট অভিজ্ঞ ও দক্ষ ইলেকট্রিশিয়ান ও টেকনিশিয়ানদের প্রায় ২০ শতাংশের প্রয়োজন হবে। অর্থাৎ, আমেরিকার প্রতি ৫ জন অভিজ্ঞ ইলেকট্রিশিয়ানের মধ্যে ১ জনকে শুধু একটি এআই কোম্পানির পরিকল্পিত অবকাঠামো নির্মাণে নিয়োজিত থাকতে হবে।</p>
<p><strong><span style="color: rgb(10, 137, 17);">এই তীব্র সংকটের পেছনে আরও কয়েকটি গভীর কারণ বিদ্যমান:</span></strong></p>
<p>প্রথমত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বর্তমানে কর্মরত অভিজ্ঞ ইলেকট্রিশিয়ান ও ট্রেড-ওয়ার্কারদের গড় বয়স ৪৫ থেকে ৪৬ বছরের বেশি। প্রতি বছর যে পরিমাণ প্রবীণ কারিগর অবসর গ্রহণ করছেন, তরুণ প্রজন্ম শারীরিক শ্রমে আগ্রহী না হওয়ায় ট্রেড স্কুলগুলোতে সেই অনুপাতে নতুন শিক্ষার্থী আসছে না।</p>
<p>দ্বিতীয়ত, একটি আধুনিক হাইপারস্কেল এআই ডেটা সেন্টারের বিদ্যুৎ চাহিদা ১০০ মেগাওয়াট থেকে শুরু করে ১ গিগাওয়াট পর্যন্ত হতে পারে। ১ গিগাওয়াট বিদ্যুৎ দিয়ে প্রায় ৭ থেকে ৮ লাখ সাধারণ বাড়িতে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব। এই বিপুল পরিমাণ বিদ্যুৎ ডেটা সেন্টারে নিয়ে আসতে সুবিশাল হাই-ভোল্টেজ সাবস্টেশন, ট্রান্সফরমার ও হাজার হাজার মাইল ভারী কেবলিং করতে হয়। এই বিশেষ ধরনের কাজের জন্য উচ্চপর্যায়ের লাইসেন্সপ্রাপ্ত ও সার্টিফাইড ইলেকট্রিশিয়ানের তীব্র ঘাটতি রয়েছে।</p>
<p><strong>৩. বেতন, প্রিমিয়াম এবং ভেতরের বাস্তবতার সমীকরণ</strong></p>
<p>চাহিদা ও যোগানের এই চরম বৈষম্যের কারণে লাইসেন্সপ্রাপ্ত ইলেকট্রিশিয়ান ও টেকনিশিয়ানদের বেতন রেকর্ড পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে। জনপ্রিয় আমেরিকান টিভি হোস্ট মাইক রো (Mike Rowe) টেক্সাসের একটি হাই-টেক ডেটা সেন্টার নির্মাণ সাইট পরিদর্শনের পর সেখানকার কাজের ধরন ও বেতনের বাস্তব চিত্র তুলে ধরেন। তিনি সেখানে এমন কয়েকজন তরুণ লাইসেন্সড ইলেকট্রিশিয়ানের সাক্ষাৎকার নেন, যাদের প্রত্যেকের বয়স ৩০ বছরের নিচে এবং যাদের ওপর কোনো স্টুডেন্ট লোনের বোঝা নেই। কিন্তু অতি-জরুরি প্রজেক্টে ডেডলাইন মেলানোর জন্য তারা ওভারটাইম, ডাবল-টাইম বোনাস এবং প্রজেক্ট কমপ্লিশন অ্যালাউন্সসহ বছরে প্রায় ২,৬০,০০০ ডলার (বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৩ কোটি টাকার বেশি) পর্যন্ত আয় করছেন। ট্রেড জব বাজারে এই দক্ষ কারিগরদের এতটাই টানাটানি যে, ১৮ মাসের মধ্যে একেকজন ইলেকট্রিশিয়ানকে অন্য কোম্পানিগুলো আরও বেশি বেতনের অফার দিয়ে ৩ বার পর্যন্ত হাইজ্যাক বা ড্রাফট করে নিয়ে গেছে।</p>
<p><span style="color: rgb(10, 137, 17);"><strong>তবে এই বেতনের হিসাবের পেছনে বাজার ও প্রাতিষ্ঠানিক কিছু মূল পার্থক্য বুঝে নেওয়া প্রয়োজন:</strong></span></p>
<p>গড় বা মিডিয়ান বেতন বনাম টপ-এন্ড কেস: ইউএস ব্যুরো অব লেবার স্ট্যাটিস্টিকস (BLS)-এর তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে একজন সাধারণ লাইসেন্সপ্রাপ্ত ইলেকট্রিশিয়ানের বার্ষিক গড় বা মিডিয়ান বেতন ৬১,০০০ থেকে ৬৬,০০০ ডলারের কাছাকাছি। বছরে ২,৬০,০০০ ডলার আয় করার ক্ষেত্রগুলো মূলত ডাটা সেন্টার ও ক্রিটিক্যাল ইনফ্রাস্ট্রাকচারের বিশেষ প্রজেক্টভিত্তিক কাজ, যেখানে সপ্তাহে ৬০ থেকে ৭০ ঘণ্টা পর্যন্ত অতিরিক্ত শারীরিক পরিশ্রম করতে হয়।</p>
<p>পে গ্রোথ প্রিমিয়াম: জব মার্কেট ডেটা প্ল্যাটফর্ম ইনডিড (Indeed)-এর সাম্প্রতিক সূচক অনুযায়ী, ডেটা সেন্টার ও এআই ইনফ্রাস্ট্রাকচার সম্পর্কিত ইলেকট্রিক্যাল ও ট্রেড জবগুলোর বেতন সাধারণ বাণিজ্যিক বা আবাসিক ট্রেড জবের চেয়ে প্রায় ৪২% বেশি গতিতে বাড়ছে।</p>
<p>শর্ট-টার্ম বুটক্যাম্প বনাম ৪ বছরের প্রাতিষ্ঠানিক ডিগ্রি: North America's Building Trades Unions (NABTU) এর প্রেসিডেন্ট শন ম্যাকগার্ভি মেটা ও অন্যান্য টেক কোম্পানির ৫ সপ্তাহের বুটক্যাম্প প্রোগ্রামের কঠোর সমালোচনা করে বলেছেন, এটি মূলত একটি চতুর পিআর (PR) কৌশল। ৫ সপ্তাহের বুটক্যাম্পে প্রশিক্ষণ নিয়ে কেবল প্রাথমিক সহকারী (Helper/Laborer) বা ক্যাবল টানার কাজ শেখা সম্ভব। কিন্তু বিপজ্জনক হাই-ভোল্টেজ প্রজেক্টে কাজ করার মতো যোগ্য 'লাইসেন্সড জর্নিম্যান' বা 'মাস্টার ইলেকট্রিশিয়ান' হতে এখনও ৪ বছরের প্র্যাকটিক্যাল অ্যাপ্রেন্টিসশিপ ও প্রাতিষ্ঠানিক ঘণ্টার প্রয়োজন হয়।</p>
<p>ক্যাপেক্স (CapEx) বনাম ট্রেনিং বাজেট: মেটা ও গুগলের মতো কোম্পানিগুলো কেবল এই বছরই ডেটা সেন্টার ও এআই হার্ডওয়্যার কেনাকাটায় ৩৩৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি মূলধনী ব্যয় (CapEx) করছে। সেই বিশাল অঙ্কের তুলনায় ট্রেড ট্রেইনিংয়ের পেছনে তাদের ২৬৫ বা ৩০০ মিলিয়ন ডলারের বাজেটটি তাদের মাত্র কয়েক ঘণ্টার আয় বা ব্যয়ের সমান।</p>
<p>এছাড়াও এটি স্মরণ রাখা জরুরি যে, এই কাজের অফারগুলো পুরোপুরি যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বাজারের জন্য প্রযোজ্য। উপযুক্ত মার্কিন ওয়ার্ক ভিসা এবং স্থানীয় রাজ্যের ইলেকট্রিশিয়ান লাইসেন্স ছাড়া বাইরে থেকে সরাসরি এই চাকরিগুলোতে যোগদান করার কোনো সুযোগ নেই।</p>
<p><strong>৪. আমাদের সামাজিক সাংস্কৃতিক ভুল ধারণা ও বাংলাদেশের জন্য বিশাল বার্তা</strong></p>
<p>দক্ষিণ এশীয় বিশেষ করে বাংলাদেশের সংস্কৃতিতে ছোটবেলা থেকেই একটি চেনা মানসিকতা গড়ে ওঠে—"মন দিয়ে পড়ালেখা না করলে বড় হয়ে মিস্ত্রি বা কাঠমিস্ত্রির কাজ করে খেতে হবে।" প্রথাগত কায়িক শ্রম বা হাতেনাতে কাজকে আমরা সবসময় দ্বিতীয় সারির পেশা হিসেবে দেখে এসেছি এবং গ্রাজুয়েশন বা হোয়াইট-কলার চাকরিকে প্রাধান্য দিয়েছি। কিন্তু ২০২৬ সালের বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এই পুরনো হিসাবকে পুরোপুরি উল্টে দিয়েছে।</p>
<p>জেনারেটিভ এআই প্রযুক্তি কোডিং, টেক্সট রাইটিং, গ্রাফিক্স ডিজাইন বা ক্লাসিক্যাল অফিসের কাজগুলো অতি দ্রুত স্বয়ংক্রিয় বা অটোমেট করে ফেলছে। কিন্তু ভৌত জগতে (Physical World) গিয়ে তামার তার যুক্ত করা, সাবস্টেশন মেরামত করা বা বড় অবকাঠামো গড়ে তোলার মতো মানুষের দক্ষ হাতের কাজ প্রতিস্থাপন করার ক্ষমতা এআই বা রোবোটিক্সের এখনো তৈরি হয়নি।</p>
<p><strong><span style="color: rgb(10, 137, 17);">এই বৈশ্বিক পরিবর্তন থেকে বাংলাদেশের অর্থনীতি ও কারিগরি শিক্ষা ব্যবস্থার জন্য ৩টি বড় শিক্ষা রয়েছে:</span></strong></p>
<p>১. ডিগ্রি বনাম সার্টিফাইড হ্যান্ডস-অন স্কিল: প্রথাগত সাধারণ ডিগ্রির চেয়ে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত এবং হ্যান্ডস-অন প্র্যাকটিক্যাল স্কিলের কদর বৈশ্বিক বাজারে দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে।</p>
<p>২. প্রবাসী শ্রমিকদের মানোন্নয়ন ও সার্টিফাইড করা: বাংলাদেশ থেকে প্রতি বছর মধ্যপ্রাচ্য ও পশ্চিমা দেশগুলোতে লাখ লাখ ইলেকট্রিশিয়ান, ওয়েল্ডার, প্লাম্বার ও নির্মাণশ্রমিক যান। কিন্তু আমাদের দেশে উপযুক্ত আন্তর্জাতিক লাইসেন্স বা মানসম্মত সার্টিফিকেশন (যেমন: NVQ বা ISO সার্টিফাইড প্রশিক্ষণ) না থাকায় তারা অদক্ষ বা আধা-দক্ষ লেবার হিসেবে সর্বনিম্ন মজুরিতে কাজ করতে বাধ্য হন। তাদের যদি উপযুক্ত আন্তর্জাতিক মানের ট্রেনিং দিয়ে সার্টিফাইড করে পাঠানো যায়, তবে একই শ্রমে তাদের বার্ষিক আয় ৫ গুণ পর্যন্ত বাড়ানো সম্ভব।</p>
<p>৩. মূল দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন: আমরা হয়তো এআই নিয়ে একদম ভুল প্রশ্নটি করছি। প্রশ্নটা এটা নয় যে—"এআই কি আমাদের চাকরি কেড়ে নেবে?"</p>
<p>প্রকৃত ও সঠিক প্রশ্নটি হলো—"এআই যে বিশাল ডিজিটাল পৃথিবী গড়ে তুলতে চায়, সেই পৃথিবীর অবকাঠামো তৈরি ও চালনা করার আসল কাজটা করবে কে?"</p>
<p>পরিশেষে বলা যায়, আমাদের ডিজিটাল পৃথিবী যতই ক্লাউড বা ভার্চুয়াল জগতের দিকে যাক না কেন, তার মূল অস্তিত্ব টিকে থাকে কনক্রিটের দেয়াল, তামার ক্যাবল, সাবস্টেশন আর নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুতের ওপর। আর সেই ভৌত অবকাঠামো তৈরির জন্য বিশ্ব অর্থনীতির কাছে মানুষের দক্ষ হাত ছাড়া দ্বিতীয় কোনো বিকল্প আজও নেই।</p>
<hr>
<p><b data-path-to-node="22,0,0" data-index-in-node="0">লেখক:</b><span> </span><i data-path-to-node="22,0,1" data-index-in-node="0">ই-কমার্স বিশ্লেষক ও প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য, ই-ক্যাব </i></p>
<hr>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বাকৃবিতে ৭২ কৃতি শিক্ষার্থী পেলেন সংবর্ধনা</title>
<link>https://digibanglatech.news/187438</link>
<guid>https://digibanglatech.news/187438</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p&gt;• বাকৃবির সোহরাওয়ার্দী হলে নবীনবরণ ও কৃতি সংবর্ধনা&lt;br&gt;• মেধা, চাকরি ও ক্রীড়ায় ৭২ শিক্ষার্থী পুরস্কৃত&lt;br&gt;• শিক্ষা ও গবেষণায় মনোযোগী হওয়ার তাগিদ&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202608/image_870x580_6a874c2d7e397.jpg" length="101433" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 21 Aug 2026 00:09:47 +0600</pubDate>
<dc:creator>ক্যাম্পাস করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, বাকৃবি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা, সোহরাওয়ার্দী হল, রফিকুল ইসলাম সরদার, বাকৃবি নবীনবরণ, কৃষি শিক্ষা, বাকৃবি খবর, ক্যাম্পাস সংবাদ, শিক্ষার্থী পুরস্কার</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>উচ্চশিক্ষা, বৈজ্ঞানিক কৃষি গবেষণা ও সহশিক্ষা কার্যক্রমে শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করতে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলে কৃতি সংবর্ধনা, নবীনবরণ ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে। মেধা তালিকা, সরকারি-ব্যাংকিং নিয়োগ এবং খেলাধুলায় অনন্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে হলের ৭২ জন শিক্ষার্থীকে এ সংবর্ধনা ও পুরস্কার দেওয়া হয়। ২০ আগস্ট ২০২৬, বৃহস্পতিবার রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।</p>
<p>এর আগে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় হল মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক প্রথম বর্ষের (লেভেল ১, সেমিস্টার ১) শিক্ষার্থীদের আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করে নেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে একাডেমিক মেধা তালিকায় শীর্ষে থাকা বিভিন্ন বর্ষের ২৮ জন কৃতি শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন ব্যাংক ও সরকারি চাকরিতে নিয়োগপ্রাপ্ত ১৪ জন আবাসিক শিক্ষার্থী এবং ক্রীড়া ক্ষেত্রে কৃতিত্বের জন্য ৩০ জন শিক্ষার্থীকে পুরস্কৃত করা হয়।</p>
<p>অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনিযুক্ত ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার বলেন, একাডেমিক ফলাফলের পাশাপাশি নিয়মিত শিক্ষা কার্যক্রম ও সামাজিক দায়বদ্ধতার চর্চা একজন শিক্ষার্থীর সার্বিক বিকাশে বড় ভূমিকা রাখে। তিনি নবাগত শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে উল্লেখ করেন, হলের আবাসন সুবিধা ও গবেষণাবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে প্রশাসন নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করছে।</p>
<p>হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. বজলুর রহমান মোল্যার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আবদুল আলীম, সোনালী দলের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. হাম্মাদুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. এ কে এম আদহাম, বাকৃবির উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা কমিটির কো-অর্ডিনেটর অধ্যাপক ড. মো. রুহুল আমিন এবং হলের হাউজ টিউটর আবু হানিফ।</p>
<p>এ ছাড়া বাকৃবি শাখা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক এ এম সোয়াইব, যুগ্ম-আহ্বায়ক মো. শাহীন আলম, মো. নুরনবী হোসেন, মো. তায়েফ মাহমুদ, মো. মিজবাউল হক মিজুসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ এবং হলের বিভিন্ন বর্ষের শিক্ষার্থীরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন। সভাপতির বক্তব্যে ড. বজলুর রহমান মোল্যা হলের বিগত দুই বছরের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের চিত্র তুলে ধরেন।<br>/<strong>/ডিবিটেক/বাওএএইচ/এমআইএস</strong>//</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>অপো ফটোগ্রাফি কনটেস্টে রেকর্ড সাবমিশন</title>
<link>https://digibanglatech.news/187397</link>
<guid>https://digibanglatech.news/187397</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p&gt;• অপো ও পাঠশালার আয়োজনে ২৩ হাজারের বেশি ছবি জমা।&lt;br&gt;• ৫টি ক্যাটাগরিতে স্মার্টফোন ফটোগ্রাফি প্রতিভা অন্বেষণ ও পুরষ্কার।&lt;br&gt;• গ্র্যান্ড উইনার পাচ্ছেন নগদ অর্থ, ফ্ল্যাগশিপ ফোন ও কোর্স।&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202608/image_870x580_6a86fb563caff.jpg" length="124310" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 20 Aug 2026 15:08:01 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>অপো ফটোগ্রাফি কনটেস্ট, অপো রেনো১৫ সিরিজ ফাইভজি, বিশ্ব ফটোগ্রাফি দিবস, পাঠশালা সাউথ এশিয়ান মিডিয়া ইনস্টিটিউট, স্মার্টফোন ফটোগ্রাফি, ডেমন ইয়াং, এআই ইমেজিং, মোবাইল ক্যামেরা, অপো বাংলাদেশ</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>স্মার্টফোনের উন্নত ইমেজিং ও এআই প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে সৃজনশীল গল্প বলার প্ল্যাটফর্ম হিসেবে বিশ্ব ফটোগ্রাফি দিবস উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত অপো ফটোগ্রাফি কনটেস্ট ২০২৬-এর গ্র্যান্ড ফিনালে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট ২০২৬) সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। ‘এভরি ফটো টেলস আ স্টোরি’ শীর্ষক ‘অপো রেনো১৫ সিরিজ ফাইভজি প্রেজেন্টস অপো ফটোগ্রাফি কনটেস্ট ২০২৬’ শীর্ষক এই আয়োজনে সারাদেশ থেকে রেকর্ড পরিমাণ ২৩ হাজারেরও বেশি ছবি জমা পড়েছে।</p>
<p>বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ফটোগ্রাফি ও ভিজ্যুয়াল আর্টস প্রতিষ্ঠান পাঠশালা সাউথ এশিয়ান মিডিয়া ইনস্টিটিউটের সঙ্গে অংশীদারিত্বে এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করে অপো বাংলাদেশ। এতে তরুণদের স্মার্টফোনে তোলা ছবিগুলো পাঁচটি ক্যাটাগরিতে আহ্বান করা হয়—পোর্ট্রেট, নেচার অ্যান্ড ওয়াইল্ডলাইফ, স্ট্রিট অ্যান্ড আর্কিটেকচার, লো লাইট এবং হেরিটেজ অ্যান্ড কালচার।</p>
<p>প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড উইনার পুরস্কার হিসেবে পাবেন নগদ ১ লাখ টাকা, একটি অপো ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোন এবং পাঠশালার একটি ফটোগ্রাফি কোর্স। এছাড়া এলিট উইনার ৫০ হাজার টাকা, মাস্টার উইনার ৩০ হাজার টাকা এবং প্রতি ক্যাটাগরির বিজয়ী ২০ হাজার টাকাসহ অপো স্মার্টফোন ও পাঠশালার ফটোগ্রাফি কোর্স সুবিধা পাবেন।</p>
<p>অপো বাংলাদেশের অনুমোদিত এক্সক্লুসিভ ডিস্ট্রিবিউটরের জেনারেল ম্যানেজার ডেমন ইয়াং বলেন, অপোতে ফটোগ্রাফিকে আত্মপ্রকাশের অন্যতম শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবে বিবেচনা করা হয়। বিশ্ব ফটোগ্রাফি দিবসের এই আয়োজন কেবল ইমেজিং প্রযুক্তির বিকাশ নয়, বরং তরুণদের সৃজনশীল কমিউনিটিকে ক্ষমতায়ন করার অংশ। ২৩ হাজারের বেশি সাবমিশন প্রমাণ করে দেশের তরুণদের মধ্যে স্মার্টফোন ফটোগ্রাফির মাধ্যমে গল্প তুলে ধরার আগ্রহ কতটা প্রবল।<br>//<strong>ডিবিটেক/এমএনও/এমএসআই</strong>//</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>যবিপ্রবিতে শুরু হচ্ছে বিনামূল্যের এআই প্রশিক্ষণ</title>
<link>https://digibanglatech.news/187349</link>
<guid>https://digibanglatech.news/187349</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li&gt;শিক্ষার্থীদের জন্য এআই প্রশিক্ষণ&lt;/li&gt;
&lt;li&gt;বিনামূল্যে আট সেশন&lt;/li&gt;
&lt;li&gt;কোডিং অভিজ্ঞতা ছাড়াই অংশগ্রহণ&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a54919852f1b.jpg" length="79434" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 20 Aug 2026 00:00:02 +0600</pubDate>
<dc:creator>ক্যাম্পাস করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>যবিপ্রবি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, এআই ন্যাভিগেটর, এআই প্রশিক্ষণ, প্রম্পট ইঞ্জিনিয়ারিং, এআই গবেষণা, দায়িত্বশীল এআই, ডিজিটাল দক্ষতা, শিক্ষার্থী</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) শিক্ষার্থীদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই বিষয়ে ব্যবহারিক দক্ষতা তৈরির সুযোগ দিতে শুরু হচ্ছে ‘এআই ন্যাভিগেটর অটাম ২০২৬ ও উইন্টার ইনটেক ২০২৬’ কর্মসূচি। ‘সেন্ড এ লিটল হোপ’-এর উদ্যোগে পরিচালিত এ কর্মসূচিতে যবিপ্রবির শিক্ষার্থীরা বিনামূল্যে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন।</p>
<p>নতুন ঘোষণা অনুযায়ী, অটাম ইনটেক ২০২৬-এ অংশ নিতে আগ্রহী যবিপ্রবির শিক্ষার্থীদের ২৩ আগস্ট ২০২৬-এর মধ্যে নিবন্ধন করতে হবে। অটাম ইনটেকের ক্লাস শুরু হবে ১ সেপ্টেম্বর থেকে। আর উইন্টার ইনটেক ২০২৬-এর নিবন্ধন শুরু হবে ১ অক্টোবর এবং ক্লাস শুরু হবে ১ ডিসেম্বর থেকে।</p>
<p>সম্পূর্ণ অনলাইনভিত্তিক এ কর্মসূচিতে মোট আটটি সেশন থাকবে। অংশগ্রহণের জন্য কোনো ফি দিতে হবে না এবং পূর্বে কোডিংয়ের অভিজ্ঞতাও বাধ্যতামূলক নয়। কর্মসূচিটি সিপিডি-সার্টিফায়েড প্রোগ্রাম হিসেবে পরিচালিত হবে।</p>
<p>প্রশিক্ষণে এআই টুলস ও প্রম্পট ইঞ্জিনিয়ারিং, গবেষণা ও লেখালেখিতে এআইয়ের ব্যবহার, নৈতিক ও দায়িত্বশীল এআই এবং ব্যবহারিক প্রকল্প উন্নয়ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। এর মাধ্যমে পড়াশোনা, গবেষণা, লেখালেখি, সমস্যা সমাধান ও অন্যান্য বাস্তব কাজে এআই ব্যবহারের বিষয়ে শিক্ষার্থীরা হাতে-কলমে ধারণা পাবেন।</p>
<p>আয়োজকদের মতে, শিক্ষা, গবেষণা, কর্মসংস্থান ও পেশাগত বিভিন্ন ক্ষেত্রে এআইয়ের ব্যবহার দ্রুত বাড়ছে। ফলে এআই বিষয়ে মৌলিক ও ব্যবহারিক দক্ষতা এখন শুধু প্রযুক্তি বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য নয়, সব বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। এ বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে কর্মসূচিতে যবিপ্রবির বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের সুযোগ রাখা হয়েছে।</p>
<p>এ বিষয়ে যবিপ্রবির কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের চেয়ারম্যান সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. কামরুল ইসলাম জানান, একাডেমিক গবেষণা, লেখা ও যোগাযোগ, উৎপাদনশীলতা ও সমস্যা সমাধান, বিশ্লেষণ, নৈতিকভাবে এআই ব্যবহার, প্রকল্প উন্নয়ন এবং কমিউনিটি-কেন্দ্রিক উদ্ভাবনের দক্ষতা তৈরির লক্ষ্যেই কর্মসূচিটি আয়োজন করা হয়েছে।</p>
<p>তিনি জানান, ডিজিটাল কোর্স সফলভাবে সম্পন্নকারী যোগ্য শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে সনদ দেওয়া হবে। এআই ন্যাভিগেটর সেশন শেষ করার পর শিক্ষার্থীরা ‘সেন্ড এ লিটল হোপ’ কর্তৃক ইস্যুকৃত মুদ্রিত মূল সনদের জন্য আবেদন করতে পারবেন। মুদ্রিত প্রতিটি সনদের জন্য ২৫০ টাকা ফি প্রযোজ্য হবে।<br>প্রতি ব্যাচে সর্বোচ্চ ৩০০ জন শিক্ষার্থীকে নেওয়া হবে। ফলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আগ্রহী যবিপ্রবি শিক্ষার্থীদের নিবন্ধন সম্পন্ন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।</p>
<p>আয়োজকেরা বলছেন, প্রযুক্তিতে পূর্ব অভিজ্ঞতা বা কোডিং দক্ষতা না থাকলেও শিক্ষার্থীরা কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে এআইয়ের বিভিন্ন ব্যবহারিক দিক সম্পর্কে জানতে পারবেন। এর মাধ্যমে নিজ নিজ পড়াশোনা ও ভবিষ্যৎ কর্মক্ষেত্রের জন্য এআইভিত্তিক দক্ষতা তৈরির সুযোগ পাবেন তারা।<br>//<strong>ডিবিটেক/ এমএইচএম/ এমআইএস</strong>//</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>জাতীয় মৎস্য পদক পেলেন ড. রফিকুল</title>
<link>https://digibanglatech.news/187330</link>
<guid>https://digibanglatech.news/187330</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;7,0,0&quot; id=&quot;p-rc_7b3a946d63821a21-359&quot;&gt;&lt;span data-path-to-node=&quot;7,0,0,0&quot;&gt;মৎস্যসম্পদ গবেষণা ও বিজ্ঞানে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে &#039;জাতীয় মৎস্য পদক ২০২৬ (স্বর্ণপদক)&#039; অর্জন&lt;/span&gt;&lt;sources-carousel-inline ng-version=&quot;0.0.0-PLACEHOLDER&quot; _nghost-ng-c3991888348=&quot;&quot;&gt;&lt;source-inline-chip _ngcontent-ng-c3991888348=&quot;&quot; _nghost-ng-c4275886824=&quot;&quot; class=&quot;ng-star-inserted&quot;&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;/source-inline-chip&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;/sources-carousel-inline&gt;&lt;/li&gt;
 ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202608/image_870x580_6a85dc34c669f.jpg" length="80389" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 19 Aug 2026 20:40:00 +0600</pubDate>
<dc:creator>ক্যাম্পাস করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>জাতীয় মৎস্য পদক, রফিকুল ইসলাম সরদার, বাকৃবি, ক্রায়োপ্রিজারভেশন, স্বর্ণপদক, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, মৎস্য অধিদপ্তর, কটিয়াদী, গবেষক ক্যাটাগরি</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="15" id="p-rc_7b3a946d63821a21-362"><span data-path-to-node="15,0">মৎস্যসম্পদ গবেষণা ও বিজ্ঞান চর্চায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘জাতীয় মৎস্য পদক ২০২৬ (স্বর্ণপদক)’ লাভ করেছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের ফিশারিজ বায়োলজি অ্যান্ড জেনেটিক্স বিভাগের অধ্যাপক ও সাবেক ডিন ড. মোঃ রফিকুল ইসলাম সরদার</span><span data-path-to-node="15,1"><span><response-element class="no-md" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element><sup _ngcontent-ng-c1500922118="" class="superscript"><!----></sup><response-element class="no-md" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><source-footnote _nghost-ng-c1500922118="" class="ng-star-inserted"></source-footnote><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element></span></span><span data-path-to-node="15,2">। বুধবার (১৯ আগস্ট) রাতে তিনি নিজেই বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন</span><span data-path-to-node="15,3"><span><response-element class="no-md" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element><sup _ngcontent-ng-c1500922118="" class="superscript"><!----></sup><response-element class="no-md" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><source-footnote _nghost-ng-c1500922118="" class="ng-star-inserted"></source-footnote><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element></span></span><span data-path-to-node="15,4">।</span><sources-carousel-inline ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER" _nghost-ng-c3991888348=""> <source-inline-chip _ngcontent-ng-c3991888348="" _nghost-ng-c4275886824="" class="ng-star-inserted"><!----><!----><!----><!----><!----></source-inline-chip><!----><!----><!----></sources-carousel-inline></p>
<p data-path-to-node="16" id="p-rc_7b3a946d63821a21-363"><span data-path-to-node="16,0">কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং মৎস্য অধিদপ্তরের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে এই সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়</span><span data-path-to-node="16,1"><span><response-element class="no-md" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element><sup _ngcontent-ng-c1500922118="" class="superscript"><!----></sup><response-element class="no-md" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><source-footnote _nghost-ng-c1500922118="" class="ng-star-inserted"></source-footnote><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element></span></span><span data-path-to-node="16,2">। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অধ্যাপক ড. মোঃ রফিকুল ইসলাম সরদারের হাতে ‘জাতীয় মৎস্য পদক ২০২৬ (স্বর্ণপদক)’ এবং সম্মাননা সনদপত্র তুলে দেন</span><span data-path-to-node="16,3"><span><response-element class="no-md" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element><sup _ngcontent-ng-c1500922118="" class="superscript"><!----></sup><response-element class="no-md" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><source-footnote _nghost-ng-c1500922118="" class="ng-star-inserted"></source-footnote><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element></span></span><span data-path-to-node="16,4">।</span><sources-carousel-inline ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER" _nghost-ng-c3991888348=""> <source-inline-chip _ngcontent-ng-c3991888348="" _nghost-ng-c4275886824="" class="ng-star-inserted"><!----><!----><!----><!----><!----></source-inline-chip><!----><!----><!----></sources-carousel-inline></p>
<p data-path-to-node="18" id="p-rc_7b3a946d63821a21-364"><span data-path-to-node="18,0">নিজের উদ্ভাবন ও গবেষণার বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়ে অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম সরদার বলেন, "আমার মূল গবেষণার ক্ষেত্র হলো মাছের স্পার্ম সংরক্ষণ বা 'ক্রায়োপ্রিজারভেশন'</span><span data-path-to-node="18,1"><span><response-element class="no-md" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element><sup _ngcontent-ng-c1500922118="" class="superscript"><!----></sup><response-element class="no-md" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><source-footnote _nghost-ng-c1500922118="" class="ng-star-inserted"></source-footnote><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element></span></span><span data-path-to-node="18,2">। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে বিশেষভাবে স্পার্ম দীর্ঘ মেয়াদে সংরক্ষণ করে পরবর্তীতে মাছের ডিম নিষিক্ত করা হয় এবং তা থেকে উন্নত গুণগত মানসম্পন্ন ব্রুড বা মা-মাছ তৈরি করা সম্ভব হয়</span><span data-path-to-node="18,3"><span><response-element class="no-md" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element><sup _ngcontent-ng-c1500922118="" class="superscript"><!----></sup><response-element class="no-md" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><source-footnote _nghost-ng-c1500922118="" class="ng-star-inserted"></source-footnote><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element></span></span><span data-path-to-node="18,4">।"</span><sources-carousel-inline ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER" _nghost-ng-c3991888348=""> <source-inline-chip _ngcontent-ng-c3991888348="" _nghost-ng-c4275886824="" class="ng-star-inserted"><!----><!----><!----><!----><!----></source-inline-chip><!----><!----><!----></sources-carousel-inline></p>
<p data-path-to-node="19" id="p-rc_7b3a946d63821a21-365"><span data-path-to-node="19,0">তিনি আরও জানান, গবাদিপশুর মতো মাছের ক্ষেত্রেও কৃত্রিম প্রজনন প্রযুক্তি প্রয়োগ করে মানসম্পন্ন মা-মাছ তৈরির মাধ্যমে দেশের মৎস্য উৎপাদনশীলতা বহুগুণ বাড়ানো সম্ভব</span><span data-path-to-node="19,1"><span><response-element class="no-md" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element><sup _ngcontent-ng-c1500922118="" class="superscript"><!----></sup><response-element class="no-md" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><source-footnote _nghost-ng-c1500922118="" class="ng-star-inserted"></source-footnote><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element></span></span><span data-path-to-node="19,2">।</span><sources-carousel-inline ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER" _nghost-ng-c3991888348=""> <source-inline-chip _ngcontent-ng-c3991888348="" _nghost-ng-c4275886824="" class="ng-star-inserted"><!----><!----><!----><!----><!----></source-inline-chip><!----><!----><!----></sources-carousel-inline></p>
<p data-path-to-node="20" id="p-rc_7b3a946d63821a21-366"><span data-path-to-node="20,0">প্রসঙ্গত, জাতীয় মৎস্য সপ্তাহের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মোট ১৩টি ক্যাটাগরিতে বিভিন্ন সফল চাষি, উদ্যোক্তা, খামারি ও গবেষককে জাতীয় মৎস্য পদক দেওয়া হয়</span><span data-path-to-node="20,1"><span><response-element class="no-md" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element><sup _ngcontent-ng-c1500922118="" class="superscript"><!----></sup><response-element class="no-md" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><source-footnote _nghost-ng-c1500922118="" class="ng-star-inserted"></source-footnote><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element></span></span><span data-path-to-node="20,2">। এর মধ্যে সম্মানজনক 'গবেষক' ক্যাটাগরিতে বাকৃবির এই অধ্যাপক স্বর্ণপদক লাভ করেন</span><span data-path-to-node="20,3"><span><response-element class="no-md" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element><sup _ngcontent-ng-c1500922118="" class="superscript"><!----></sup><response-element class="no-md" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><source-footnote _nghost-ng-c1500922118="" class="ng-star-inserted"></source-footnote><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element></span></span><span data-path-to-node="20,4">। এই মর্যাদাপূর্ণ প্রাপ্তি তাঁকে ভবিষ্যতে দেশের মৎস্য খাতের উন্নয়নে আরও নিবেদিতভাবে কাজ করতে অনুপ্রাণিত করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি</span><span data-path-to-node="20,5"><span><response-element class="no-md" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element><sup _ngcontent-ng-c1500922118="" class="superscript"><!----></sup><response-element class="no-md" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><source-footnote _nghost-ng-c1500922118="" class="ng-star-inserted"></source-footnote><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element></span></span><span data-path-to-node="20,6">।</span><sources-carousel-inline ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER" _nghost-ng-c3991888348=""> <source-inline-chip _ngcontent-ng-c3991888348="" _nghost-ng-c4275886824="" class="ng-star-inserted"><!----><!----><!----><!----><!----></source-inline-chip><!----><!----><!----></sources-carousel-inline></p>
<p data-path-to-node="22">/<strong>/ডিবিটেক/আরাফাত হোসাইন/এমআইএস/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>কর্মসংস্থানে ইন্ডাস্ট্রি&#45;একাডেমিয়া সমন্বয়ে জোর ইউজিসির</title>
<link>https://digibanglatech.news/187272</link>
<guid>https://digibanglatech.news/187272</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;2&quot;&gt;এক কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সফট স্কিলস ও তৃতীয় ভাষা শিক্ষায় জোর। &lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;2&quot;&gt;উদ্ভাবন তহবিল, স্টার্টআপ সহায়তা ও বাধ্যতামূলক ইন্টার্নশিপ চালুর উদ্যোগ। &lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;2&quot;&gt; কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে ৪২ প্রতিষ্ঠানের অংশীদারিত্বে ৬ সমঝোতা স্মারক।&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202608/image_870x580_6a85642430f55.jpg" length="124786" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 19 Aug 2026 00:00:00 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>ইউজিসি, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, ইন্ডাস্ট্রি একাডেমিয়া কোলাবোরেশন, কর্মসংস্থান, স্টার্টআপ তহবিল, সফট স্কিলস, উদ্ভাবন, ইন্টার্নশিপ, যুব উদ্যোক্তা</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="3">দেশে ও বিদেশে এক কোটি কর্মসংস্থানের লক্ষ্য বাস্তবায়নে তরুণদের প্রযুক্তি ও ব্যবহারিক দক্ষতায় পারদর্শী করতে বিশ্ববিদ্যালয় এবং শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সহযোগিতা বাড়াচ্ছে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি)। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট ২০২৬) কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত ‘ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া কোলাবোরেশন ইনিশিয়েটিভস’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনা ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে এই তথ্য জানানো হয়। অনুষ্ঠানে ৪২টি শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে মোট ৬টি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।</p>
<p data-path-to-node="4">অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ-আল-মামুন বলেন, শুধু একাডেমিক জ্ঞানসম্পন্ন গ্র্যাজুয়েট নয়, শিক্ষার্থীদের আধুনিক কর্মক্ষেত্রের উপযোগী দক্ষতা অর্জনের সুযোগ দিতে হবে। শিল্পখাতের চাহিদা মেটাতে শিক্ষার্থীদের জন্য বাধ্যতামূলক ইন্টার্নশিপ ও চাকরির সুযোগ তৈরিতে ইউজিসি কাজ করছে।</p>
<p data-path-to-node="5">তিনি জানান, ২০৩০ সালের মধ্যে কর্মসংস্থানের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে শিক্ষার্থীদের তৃতীয় ভাষা শিক্ষা, সফট স্কিলস প্রশিক্ষণ এবং ক্যারিয়ার সেন্টারের কার্যক্রম জোরদার করা হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়জীবন থেকেই শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত থাকলে শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যৎ কর্মসংস্থান ও উদ্যোক্তা হওয়ার উপযোগী অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারবে।</p>
<p data-path-to-node="6">শিক্ষার্থীদের স্টার্টআপ ও উদ্ভাবনী উদ্যোগ বিকাশে বিশেষ তহবিল গঠনের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেটে স্টার্টআপ, নারী ও তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। পাশাপাশি সৃজনশীল অর্থনীতির বিকাশে ৮০০ কোটি টাকার কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে, যা তথ্যপ্রযুক্তি ও গবেষণাকে শিল্পের সঙ্গে যুক্ত করবে।</p>
<p data-path-to-node="7">কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বেলাল উদ্দিন।<br>/<strong>/ডিবিটেক/আইএইচইউ/এমআইএস/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বিইউপির গবেষণা প্রতিযোগিতায় বাকৃবির চ্যাম্পিয়ন</title>
<link>https://digibanglatech.news/187094</link>
<guid>https://digibanglatech.news/187094</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p&gt;বাকৃবির চ্যাম্পিয়ন দল, ধানের লবণ চাপ গবেষণা, জাতীয় গবেষণা প্রতিযোগিতা&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202608/image_870x580_6a824da550caf.jpg" length="87279" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 17 Aug 2026 00:00:37 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, বিইউপি, গবেষণা প্রতিযোগিতা, অটোফ্যাগি, ধান, লবণ চাপ, কৃষি গবেষণা, বাউরেস, শিক্ষার্থী গবেষণা</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের (বিইউপি) ‘পঞ্চম ন্যাশনাল রিসার্চ প্রজেক্ট কনটেস্ট-২০২৬’-এর ‘এ’ ক্যাটাগরিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) তিন সদস্যের গবেষণা দল।</p>
<p>১৬ আগস্ট,  রবিবার ঢাকায় বিইউপির বিজয় অডিটোরিয়ামে প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। বিইউপি রিসার্চ সোসাইটির আয়োজনে জাতীয় পর্যায়ের এ প্রতিযোগিতায় দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ও শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।</p>
<p>বাকৃবির চ্যাম্পিয়ন দলের সদস্যরা হলেন কৃষি অনুষদের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী নাশমিন ফেরদাউস এবং একই অনুষদের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী চপল কুন্ডু ও মুশফিকুর ইবনে জাহিদ।</p>
<p>আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, এবারের প্রতিযোগিতায় প্রায় ৫০টি সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মোট ২৫০টি গবেষণার সারাংশ জমা পড়ে। প্রাথমিক যাচাই-বাছাই শেষে ৩২টি গবেষণা চূড়ান্ত উপস্থাপনার জন্য নির্বাচিত হয়।</p>
<p>চূড়ান্ত পর্বে নির্বাচিত দলগুলোর সদস্যরা বিচারকমণ্ডলীর সামনে নিজেদের গবেষণা উপস্থাপন করেন। গবেষণার বৈজ্ঞানিক গুরুত্ব, বিষয়বস্তুর প্রাসঙ্গিকতা, উপস্থাপনার মান এবং গবেষণালব্ধ ফলাফলের সামগ্রিক মূল্যায়নের ভিত্তিতে বাকৃবির দলটি ‘এ’ ক্যাটাগরিতে সেরা নির্বাচিত হয়।</p>
<p>প্রতিযোগিতায় দুটি পৃথক বিভাগ ছিল—রিসার্চ প্রজেক্ট পেপার এবং ক্রিটিক্যাল অ্যাসে রাইটিং। বাকৃবির দলটি রিসার্চ প্রজেক্ট পেপার বিভাগের ‘রিসার্চ ইন সায়েন্স, ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি’ ক্যাটাগরিতে অংশ নেয়।</p>
<p>চূড়ান্ত পর্বে দলটি ‘অ্যাক্টিভেশন অফ অটোফ্যাগি মিটিগেটেড দ্য সল্ট স্ট্রেস সেনসিটিভিটি ইন রাইস সিডলিংস’ শীর্ষক গবেষণার ফলাফল উপস্থাপন করে। গবেষণাটি বাকৃবি রিসার্চ সিস্টেমের (বাউরেস) অর্থায়নে পরিচালিত ‘ইফেক্টস অফ অটোফ্যাগি অ্যাক্টিভেটর অ্যান্ড ইনহিবিটর অন সল্ট স্ট্রেস সেনসিটিভিটি ইন রাইস সিডলিংস’ প্রকল্পের ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে সম্পন্ন হয়।</p>
<p>প্রকল্পটির প্রধান গবেষক ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. আরিফ শাকিল। প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া তিন শিক্ষার্থী ওই প্রকল্পে গবেষণা সহকারী হিসেবে যুক্ত ছিলেন।</p>
<p>বিজয়ী দলের সদস্য নাশমিন ফেরদাউস বলেন, গবেষণার প্রতি আগ্রহ থেকেই তারা ড. মো. আরিফ শাকিলের কাছে গিয়ে স্নাতক পর্যায়েই গবেষণায় যুক্ত হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন। পরে তিনি তাঁর গবেষণা প্রকল্পে কাজ করার সুযোগ দেন।</p>
<p>নাশমিন বলেন, প্রতিযোগিতার প্রস্তুতি থেকে চূড়ান্ত উপস্থাপনা পর্যন্ত শিক্ষক ও গবেষণা দলের সদস্যরা প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা ও সহযোগিতা দিয়েছেন। জাতীয় পর্যায়ের এই প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হতে পেরে তাঁরা অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত।</p>
<p>ধানের চারা পর্যায়ে লবণ চাপের প্রভাব এবং অটোফ্যাগির ভূমিকা নিয়ে করা এই গবেষণা কৃষি বিজ্ঞানে উদ্ভিদ সহনশীলতা ও ভবিষ্যৎ গবেষণার জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়কে সামনে এনেছে। জাতীয় পর্যায়ের গবেষণা প্রতিযোগিতায় শিক্ষার্থীদের এই সাফল্য স্নাতক পর্যায়ে গবেষণাভিত্তিক শিক্ষার গুরুত্বও তুলে ধরেছে।</p>
<p>//<strong>ডিবিটেক/ ডিএমও/ এমআইএস</strong>//</p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>আজ অন্যের কল রেকর্ড, কাল কার?</title>
<link>https://digibanglatech.news/186907</link>
<guid>https://digibanglatech.news/186907</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p&gt;&lt;span style=&quot;color: rgb(10, 137, 17); background-color: rgb(236, 240, 241);&quot;&gt;&lt;strong&gt;নাগরিকের ব্যক্তিগত যোগাযোগ, রাষ্ট্রীয় নজরদারি ও গণমাধ্যমের দায়িত্বের প্রশ্ন &lt;/strong&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202608/image_870x580_6a7f1556cde9e.jpg" length="67450" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 14 Aug 2026 10:17:34 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বর্তমান সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে বিগত সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি, রাজনৈতিক নেতা এবং কখনো কখনো সাধারণ নাগরিকের কথোপকথনের অডিও বা কল রেকর্ড প্রকাশ হতে দেখা যাচ্ছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে এসব রেকর্ডে রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, ক্ষমতার অপব্যবহার কিংবা অপরাধের অভিযোগের সূত্র থাকতে পারে। সেক্ষেত্রে তদন্ত ও জনস্বার্থের প্রশ্ন অবশ্যই রয়েছে।</p>
<p>কিন্তু এর পাশাপাশি আরও একটি মৌলিক প্রশ্ন সামনে এসেছে—<br>আজ যাদের কল রেকর্ড প্রকাশিত হচ্ছে, আগামীকাল বর্তমান সরকার বা বর্তমান ক্ষমতাকেন্দ্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের কল রেকর্ড প্রকাশ হবে না—তার নিশ্চয়তা কোথায়?</p>
<p>আর যদি ভবিষ্যতে কোনো সরকার ক্ষমতা পরিবর্তনের পর আজকের ক্ষমতাবানদের ব্যক্তিগত কথোপকথন প্রকাশ করে, তখন কি আমরা বলব সেটি ন্যায়সংগত?</p>
<p>এই প্রশ্নটি কোনো ব্যক্তি বা দলের পক্ষে-বিপক্ষে নয়। এটি রাষ্ট্র, আইন, নাগরিক অধিকার এবং গণতন্ত্রের প্রশ্ন।</p>
<p><strong>সংবিধান কী বলে?</strong><br>বাংলাদেশের সংবিধান নাগরিকের যোগাযোগের গোপনীয়তাকে মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। সংবিধানের ৪৩ অনুচ্ছেদের (খ) দফায় প্রত্যেক নাগরিকের correspondence and other means of communication”-এর privacy বা যোগাযোগের গোপনীয়তার অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে।</p>
<p>অর্থাৎ ফোনে কথা বলা, চিঠিপত্র, ই-মেইল কিংবা আধুনিক যোগাযোগের অন্যান্য মাধ্যম—এসব ব্যক্তিগত যোগাযোগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রের হস্তক্ষেপেরও একটি সাংবিধানিক সীমা রয়েছে।</p>
<p>এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনে রাখা দরকার—<br>গোপনীয়তার অধিকার কোনো অপরাধীর জন্য বিশেষ সুবিধা নয়; এটি প্রত্যেক নাগরিকের অধিকার।<br>কেউ অপরাধ করলে তদন্ত হবে, তার যোগাযোগ আইন অনুযায়ী তদন্তের আওতায় আসতে পারে। কিন্তু অপরাধের তদন্তের প্রয়োজনীয়তা আর নির্বিচারে ব্যক্তিগত যোগাযোগ সংগ্রহ বা প্রকাশ—দুটি এক বিষয় নয়।<br>তাহলে কি সরকার কখনো কল রেকর্ড সংগ্রহ করতে পারবে না?<br>না। বিষয়টি এত সরল নয়।</p>
<p>রাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা, গুরুতর অপরাধের তদন্ত কিংবা আইন প্রয়োগের বৈধ প্রয়োজন থাকতে পারে। বাংলাদেশে টেলিযোগাযোগ খাত নিয়ন্ত্রণের জন্য বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০০১ রয়েছে।  কিন্তু একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে প্রশ্ন হলো—কোন পরিস্থিতিতে নজরদারি করা যাবে, কে অনুমোদন দেবে, কতদিন করা যাবে, কী তথ্য সংগ্রহ করা যাবে, সেই তথ্য কে ব্যবহার করবে এবং কখন তা ধ্বংস করতে হবে?</p>
<p>রাষ্ট্রের হাতে ক্ষমতা থাকা এবং রাষ্ট্র সেই ক্ষমতা যেকোনোভাবে ব্যবহার করতে পারা—এক জিনিস নয়।</p>
<p>আইনের শাসনের মূল কথাই হলো, রাষ্ট্রীয় ক্ষমতারও সীমা থাকবে। ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষায় নতুন আইন—কতটা সুরক্ষা দিচ্ছে?</p>
<p>বাংলাদেশে ডিজিটাল যুগের বাস্তবতায় ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এসেছে Personal Data Protection Ordinance, 2025-এর মাধ্যমে। এই অধ্যাদেশ ব্যক্তিগত তথ্যকে ব্যক্তির সম্পত্তি হিসেবে বিবেচনা করার ভিত্তি গ্রহণ করেছে এবং তথ্য সংগ্রহ, প্রক্রিয়াকরণ, সংরক্ষণ ও ব্যবহারের ক্ষেত্রে আইনি কাঠামো তৈরি করেছে।</p>
<p>এটি নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি। কিন্তু এখানেই প্রশ্ন শেষ নয়। কারণ ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষার আইন থাকলেই নাগরিক নিরাপদ হয়ে যায় না। আইন কতটা স্বাধীনভাবে প্রয়োগ হচ্ছে, রাষ্ট্রীয় সংস্থাগুলো কতটা জবাবদিহির মধ্যে রয়েছে এবং নাগরিক বেআইনি নজরদারির বিরুদ্ধে কী ধরনের প্রতিকার পাচ্ছেন—সেটিই আসল পরীক্ষা।</p>
<p>বর্তমান কাঠামো নিয়ে অধিকার ও সুশাসন নিয়ে কাজ করা প্রতিষ্ঠানগুলোরও উদ্বেগ রয়েছে। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (TIB) ২০২৬ সালে ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষা অধ্যাদেশের কিছু বিধান নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছে, অপরাধ প্রতিরোধ, জাতীয় নিরাপত্তা ও জনস্বার্থের মতো বিস্তৃত ভিত্তিতে ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবহারের সুযোগ অপব্যবহারের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।</p>
<p>অর্থাৎ আইন হয়েছে—এটি ইতিবাচক; কিন্তু আইনের ক্ষমতার সীমা ও স্বাধীন তদারকি আরও গুরুত্বপূর্ণ।</p>
<p><strong>রাষ্ট্র কি নাগরিকের তথ্যের মালিক?</strong><br>আধুনিক তথ্য-অধিকার ও ডেটা-সুরক্ষা ধারণায় রাষ্ট্র নাগরিকের ব্যক্তিগত তথ্যের অবাধ মালিক নয়।<br>বাংলাদেশের নতুন ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষা কাঠামোর একটি গুরুত্বপূর্ণ দর্শন হলো—ব্যক্তিগত তথ্যের ওপর ব্যক্তির অধিকার ও নিয়ন্ত্রণকে স্বীকৃতি দেওয়া। সরকারের ২০২৬ সালের একটি নীতিগত নথিতেও Personal Data Protection Ordinance, 2025-এর অধীনে নাগরিকের access, correction, erasure ও consent withdrawal-এর মতো অধিকারগুলোর কথা উল্লেখ করা হয়েছে।</p>
<p>এটি রাষ্ট্রের জন্য একটি বড় নীতিগত পরিবর্তন। রাষ্ট্র নাগরিকের তথ্য সংগ্রহ করতে পারে আইনের প্রয়োজনে সেই তথ্যের অর্থ এই নয় যে রাষ্ট্র সেটিকে রাজনৈতিক, ব্যক্তিগত বা প্রচারণামূলক উদ্দেশ্যে অবাধে ব্যবহার করতে পারবে। আজকের সরকার কি আগামীকাল নিরাপদ থাকবে? এখানেই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।</p>
<p>বর্তমান সরকার যদি বলে—“আমরা নাগরিকের কল রেকর্ড অপব্যবহার করব না”—তাহলে সেটি রাজনৈতিক আশ্বাস হতে পারে। কিন্তু একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে নাগরিকের অধিকার কোনো সরকারের সদিচ্ছার ওপর নির্ভর করা উচিত নয়।<br>কারণ সরকার পরিবর্তন হয়।<br>ক্ষমতার ব্যক্তি পরিবর্তন হয়।<br>রাজনৈতিক দল পরিবর্তন হয়।<br>কিন্তু আইন ও নাগরিকের মৌলিক অধিকার পরিবর্তিত হওয়া উচিত নয়। আজ যে সরকার ক্ষমতায় আছে, আগামীকাল সে সরকার ক্ষমতায় নাও থাকতে পারে। আজ যে কর্মকর্তা তথ্যের নিয়ন্ত্রণে আছেন, আগামীকাল তিনি হয়তো সেই পদে থাকবেন না।</p>
<p><strong>তাই প্রশ্ন হওয়া উচিত—</strong><br>বর্তমান সরকার ভালো থাকবে কি না?” নয়; বরং “যে সরকারই ক্ষমতায় আসুক, সে যাতে নাগরিকের গোপনীয়তা লঙ্ঘন করতে না পারে—সেই ব্যবস্থা কি আমরা করেছি?”<br>আমার মতে, এখানেই আমাদের বড় ঘাটতি।<br>কল রেকর্ড প্রকাশ কি সাংবাদিকতার স্বাধীনতা?</p>
<p><strong>এখানেও ভারসাম্য প্রয়োজন</strong><br>কোনো কল রেকর্ড হাতে এলেই সেটি প্রকাশ করা সাংবাদিকতার স্বাধীনতার অপরিহার্য অংশ নয়।<br>গণমাধ্যমের স্বাধীনতা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি নাগরিকের ব্যক্তিগত গোপনীয়তাও গুরুত্বপূর্ণ।<br>কোনো রেকর্ডে যদি দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার, গুরুতর অপরাধ বা রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ অনিয়মের বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ থাকে, তাহলে সেটি যাচাই করে জনস্বার্থে প্রকাশের প্রশ্ন উঠতে পারে।</p>
<p>কিন্তু একটি সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত কথোপকথন প্রকাশ করে কাউকে সামাজিকভাবে অপমান করা, রাজনৈতিকভাবে হেয় করা কিংবা ব্যক্তিগত জীবনকে জনসমক্ষে টেনে আনা সাংবাদিকতার দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ—সেটিও বিবেচনা করা প্রয়োজন।</p>
<p><strong>জনস্বার্থ আর জনকৌতূহল এক নয়</strong><br>মানুষ কোনো বিখ্যাত ব্যক্তির ব্যক্তিগত কথোপকথন শুনতে আগ্রহী হতে পারে। কিন্তু মানুষের কৌতূহল মেটানো আর জনস্বার্থ রক্ষা করা একই বিষয় নয়।<br>সাংবাদিকতার শক্তি তথ্য প্রকাশে যেমন, তেমনি কোন তথ্য প্রকাশ না করা উচিত—সেই নৈতিক বিচারবোধের মধ্যেও।</p>
<p><strong>আন্তর্জাতিক আইন কী বলে?</strong><br>আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনে বিষয়টি আরও স্পষ্ট।<br>বাংলাদেশ International Covenant on Civil and Political Rights (ICCPR)-এ ৬ সেপ্টেম্বর ২০০০ তারিখে যোগ দেয়; এটি বাংলাদেশের জন্য ৬ ডিসেম্বর ২০০০ থেকে কার্যকর হয়।<br> <br>ICCPR-এর ১৭ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তির ব্যক্তিগত জীবন, পরিবার, বাসস্থান বা correspondence বা যোগাযোগের ওপর arbitrary বা unlawful interference করা যাবে না। একই সঙ্গে ব্যক্তির সম্মান ও সুনামের বিরুদ্ধে বেআইনি আক্রমণ থেকেও আইনি সুরক্ষার কথা বলা হয়েছে।</p>
<p>এখানে দুটি শব্দ বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ—<br>Unlawful— অর্থাৎ বেআইনি হস্তক্ষেপ করা যাবে না; Arbitrary— অর্থাৎ আইন থাকলেও তা যেন খামখেয়ালি, অযৌক্তিক বা অনিয়ন্ত্রিতভাবে প্রয়োগ না হয়।</p>
<p>জাতিসংঘের মানবাধিকার কাঠামোও ডিজিটাল যুগে ব্যক্তিগত গোপনীয়তার অধিকারকে মৌলিক মানবাধিকারের অংশ হিসেবে বিবেচনা করে। জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের দপ্তর বলছে, অনলাইন ও অফলাইন—উভয় ক্ষেত্রেই privacy মানবাধিকার ভোগের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এবং গণতান্ত্রিক সমাজের অন্যতম ভিত্তি।</p>
<p>জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদও ডিজিটাল যুগে গোপনীয়তার অধিকার নিয়ে পৃথক রেজল্যুশন গ্রহণ করেছে। অর্থাৎ প্রযুক্তি যত উন্নত হবে, নাগরিকের গোপনীয়তার প্রশ্ন ততই গুরুত্বপূর্ণ হবে। রাষ্ট্রের নিরাপত্তা বনাম নাগরিকের গোপনীয়তা—সমাধান কোথায়? রাষ্ট্র বলবে—জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষার জন্য নজরদারি প্রয়োজন। নাগরিক বলবে—আমার ব্যক্তিগত জীবন রক্ষা করতে হবে। দুটিই গুরুত্বপূর্ণ।</p>
<blockquote>
<p><span style="font-size: 14pt;">সমাধান হলো না রাষ্ট্রকে সম্পূর্ণ অন্ধ করে দেওয়া, আবার নাগরিকের ওপর রাষ্ট্রকে সীমাহীন ক্ষমতা দিয়ে দেওয়া নয়। সমাধান হলো— আইন + বিচারিক অনুমোদন + প্রয়োজনীয়তা + আনুপাতিকতা + সময়সীমা + স্বাধীন তদারকি + জবাবদিহি।</span></p>
</blockquote>
<p>কোনো নাগরিকের ফোনে নজরদারি প্রয়োজন হলে তার কারণ লিখিতভাবে নির্ধারণ করতে হবে। যতটা তথ্য প্রয়োজন, ততটাই সংগ্রহ করতে হবে। প্রয়োজন শেষ হলে তথ্যের ব্যবহার ও সংরক্ষণ বন্ধ করতে হবে। বেআইনি নজরদারি হলে নাগরিককে প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ দিতে হবে।</p>
<p>আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ—রাষ্ট্রীয় সংস্থার সংগৃহীত তথ্য রাজনৈতিক দলের সম্পত্তি হতে পারবে না।<br>কল রেকর্ড ফাঁসের দায় কার? এখানে শুধু সরকার নয়, আরও কয়েকটি পক্ষের দায়িত্ব রয়েছে।</p>
<p>প্রথমত, রাষ্ট্রীয় সংস্থা বা আইন প্রয়োগকারী প্রতিষ্ঠানকে নিশ্চিত করতে হবে যে সংগৃহীত তথ্য কঠোরভাবে নিরাপদ থাকবে।<br>দ্বিতীয়ত, টেলিযোগাযোগ প্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তিগত প্রতিষ্ঠানগুলোরও তথ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব রয়েছে।<br>তৃতীয়ত, কোনো কর্মকর্তা বা ব্যক্তি যদি বেআইনিভাবে রাষ্ট্রীয় তথ্য বাইরে দেন, তার বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।<br>চতুর্থত, গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদেরও বুঝতে হবে—কোনো তথ্য পাওয়া মানেই সেটি প্রকাশ বা শেয়ার করার নৈতিক অধিকার পাওয়া নয়।</p>
<p>একটি ব্যক্তিগত কথোপকথন ভাইরাল করে দেওয়া একজন মানুষের সামাজিক মর্যাদা, পরিবার, পেশা এমনকি নিরাপত্তাকেও ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।</p>
<p><strong>ভবিষ্যতের জন্য কী ধরনের আইন দরকার?</strong><br>বাংলাদেশে এখন প্রয়োজন শুধু ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষার আইন নয়; প্রয়োজন যোগাযোগের গোপনীয়তা ও রাষ্ট্রীয় নজরদারি সম্পর্কে আরও স্পষ্ট, কঠোর এবং বিচারিকভাবে নিয়ন্ত্রিত কাঠামো।</p>
<p><strong>এমন পরিস্থিতে করণীয়</strong><br>১.আদালতের অনুমোদন ছাড়া নিয়মিতভাবে নাগরিকের ব্যক্তিগত যোগাযোগে নজরদারি করা যাবে না।<br>২.জরুরি পরিস্থিতিতে বিশেষ নজরদারি হলে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বিচারিক পর্যালোচনা বাধ্যতামূলক করতে হবে।<br>৩.নজরদারির সুনির্দিষ্ট কারণ ও সর্বোচ্চ সময়সীমা নির্ধারণ করতে হবে।<br>৪.যে উদ্দেশ্যে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে, তার বাইরে অন্য কাজে তথ্য ব্যবহার নিষিদ্ধ করতে হবে।<br>৫রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে রাষ্ট্রীয় নজরদারির তথ্য ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করতে হবে।<br>৬.বেআইনিভাবে কল রেকর্ড সংগ্রহ, সংরক্ষণ, হস্তান্তর বা প্রকাশের জন্য কার্যকর শাস্তির ব্যবস্থা থাকতে হবে।<br>৭. তদন্ত শেষ হলে প্রয়োজনহীন ব্যক্তিগত তথ্য ধ্বংস করার বিধান থাকতে হবে।<br>৮.নাগরিককে তার ওপর বেআইনি নজরদারি হলে প্রতিকার ও ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সুযোগ দিতে হবে।<br>৯.নজরদারি ব্যবস্থার ওপর স্বাধীন বিচারিক ও সংসদীয় তদারকি থাকতে হবে। রাষ্ট্রীয় সংস্থাগুলোর তথ্য ব্যবহারের বিষয়ে নিয়মিত স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির ব্যবস্থা থাকতে হবে।</p>
<p><strong>একটি রাজনৈতিক ঐকমত্য এখনই প্রয়োজন</strong><br>এই বিষয়টি কোনো আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টি, জামায়াত, এনসিপি কিংবা অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের বিষয় নয়।<br>এটি রাষ্ট্রের সঙ্গে নাগরিকের সম্পর্কের বিষয়।<br>আজ যে দল ক্ষমতায় আছে, আগামীকাল অন্য দল ক্ষমতায় আসতে পারে।<br>আজ যে ব্যক্তি বিরোধী দলে আছেন, আগামীকাল তিনি সরকারে যেতে পারেন।<br>আজ যে কর্মকর্তা ক্ষমতার কেন্দ্রে আছেন, আগামীকাল তিনি সাধারণ নাগরিক হয়ে যেতে পারেন।<br>তাই রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে একটি বিষয়ে ঐকমত্য প্রয়োজন—<br>সরকার বদলালেও নাগরিকের গোপনীয়তার অধিকার বদলাবে না।</p>
<p>আজ যদি অন্যের অধিকার রক্ষা না করি। বিগত সরকারের কোনো ব্যক্তি অপরাধ করে থাকলে তার বিচার অবশ্যই হতে হবে।<br>তার বিরুদ্ধে প্রমাণ থাকলে তদন্ত হোক। প্রমাণ আদালতে উপস্থাপন করা হোক। অপরাধ প্রমাণিত হলে শাস্তি হোক।<br>কিন্তু সেই বিচার যেন এমন কোনো নজির তৈরি না করে, যেখানে ভবিষ্যৎ সরকারও বলতে পারে—“আগের সরকার করেছে, আমরাও করতে পারি।”<br>আইনের শাসনের সবচেয়ে বড় পরীক্ষা হলো—আমরা আমাদের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের অধিকারও রক্ষা করতে পারি কি না।<br>আজ যার কল রেকর্ড প্রকাশ হচ্ছে, তিনি হয়তো ক্ষমতাবান ছিলেন। আগামীকাল তিনি ক্ষমতাহীন।<br>কিন্তু ক্ষমতা হারানোর সঙ্গে তার নাগরিক অধিকার শেষ হয়ে যায় না।<br>একইভাবে আজ যিনি সরকারপ্রধান, আগামীকাল তিনিও সাবেক সরকারপ্রধান হতে পারেন।<br>তাই আজকের প্রশ্ন শুধু—কার কল রেকর্ড প্রকাশ হলো?</p>
<p><strong>প্রশ্ন হওয়া উচিত—</strong><br>কেন প্রকাশ হলো? কে প্রকাশ করল? কী আইনি প্রক্রিয়ায় তা সংগ্রহ করা হয়েছিল? এর জনস্বার্থ কোথায়? এবং আগামীকাল একই কাজ যদি আমাদের সঙ্গে ঘটে, তখন আমাদের সুরক্ষা কোথায়?<br>গণতন্ত্রের সৌন্দর্য হলো—ক্ষমতাবান ব্যক্তির জন্যও একই আইন, সাধারণ নাগরিকের জন্যও একই আইন।<br>রাষ্ট্রের শক্তি এই নয় যে সে নাগরিকের সব কথা শুনতে পারে।<br>রাষ্ট্রের প্রকৃত শক্তি হলো— সে নাগরিকের ব্যক্তিগত কথা শুনতে সক্ষম হয়েও আইন ও নৈতিকতার সীমা অতিক্রম করে না।</p>
<p>সরকার আসে, সরকার যায়।<br>ক্ষমতার কেন্দ্র বদলায়।<br>রাজনৈতিক পরিচয় বদলায়।<br>কিন্তু নাগরিকের অধিকার থেকে যায়।<br>তাই আজই আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে—</p>
<p>আমরা কি এমন একটি রাষ্ট্র চাই যেখানে ক্ষমতাবানরা প্রয়োজনমতো নাগরিকের ব্যক্তিগত কথোপকথন সংগ্রহ ও প্রকাশ করতে পারবে, নাকি এমন একটি রাষ্ট্র চাই যেখানে অপরাধের বিচার হবে, দুর্নীতির তদন্ত হবে, রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা রক্ষা হবে—কিন্তু একই সঙ্গে প্রত্যেক নাগরিকের ব্যক্তিগত জীবন, যোগাযোগ ও তথ্যের গোপনীয়তাও আইনের কঠোর সুরক্ষায় থাকবে?</p>
<p>আমার বিশ্বাস, দ্বিতীয় পথটিই গণতন্ত্রের পথ।<br>কারণ— সরকার বদলায়, ক্ষমতা বদলায়, শাসক বদলায়; কিন্তু নাগরিকের অধিকার কোনো সরকারের দয়া নয়—এটি রাষ্ট্রের আইনি ও সাংবিধানিক দায়বদ্ধতা।</p>
<p>আর আজ যদি আমরা অন্যের গোপনীয়তা রক্ষার জন্য কথা না বলি, তাহলে আগামীকাল যখন আমাদের নিজেদের গোপনীয়তা জনসমক্ষে চলে আসবে, তখন প্রতিবাদ করার নৈতিক অধিকারও দুর্বল হয়ে যাবে।</p>
<p>আজ অন্যের কল রেকর্ড ফাঁসকে যদি আমরা স্বাভাবিক করে তুলি, কাল সেটিই আমাদের সবার জন্য স্বাভাবিক রাষ্ট্রব্যবস্থা হয়ে যেতে পারে।<br>সুতরাং এখনই সময় একটি স্পষ্ট নীতি প্রতিষ্ঠার—<br>অপরাধের বিচার হবে, কিন্তু নাগরিকের গোপনীয়তার বিচার হবে না।<br>রাষ্ট্র নিরাপদ থাকবে, নাগরিকের অধিকারও নিরাপদ থাকবে।<br>সরকার বদলাবে, কিন্তু নাগরিকের মৌলিক অধিকার বদলাবে না।</p>
<hr>
<p><strong>লেখকঃ</strong> সভাপতি, বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশন</p>
<hr>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বাংলাদেশের এআই ভবিষ্যৎ?</title>
<link>https://digibanglatech.news/186787</link>
<guid>https://digibanglatech.news/186787</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p&gt;&lt;strong&gt;অর্থবহ এআই সার্বভৌমত্বের জন্য বাংলাদেশের প্রয়োজন কম্পিউটিং সক্ষমতার পাশাপাশি&lt;/strong&gt;&lt;br&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 14pt;&quot;&gt;স্বাধীন গণমাধ্যম, জনসম্পৃক্ততা, বাংলা ভাষাভিত্তিক প্রযুক্তি এবং শক্তিশালী জবাবদিহি&lt;/span&gt;&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202608/image_870x580_6a7d5ef41b8ba.jpg" length="130124" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 13 Aug 2026 11:07:04 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>সেমিকন্ডাক্টর, ক্লাউড, ডেটা সেন্টার, উন্নত কম্পিউটিং, বাংলাদেশ, এআই, প্রযুক্তিগত ও রাজনৈতিক ক্ষমতা, ডিজিবাংলা, টেকনিউজ, প্রযুক্তি দুনিয়া</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দ্রুতই অর্থনৈতিক, প্রযুক্তিগত ও রাজনৈতিক ক্ষমতার নতুন অবকাঠামো হয়ে উঠছে। দেশগুলো প্রতিযোগিতা করছে সেমিকন্ডাক্টর, ক্লাউড, ডেটা সেন্টার, উন্নত কম্পিউটিং এবং দক্ষ মানবসম্পদের জন্য। একই সঙ্গে সরকার ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলো ভাবছে, শক্তিশালী এআই ব্যবস্থাকে কীভাবে নিরাপদ, ন্যায়সংগত ও জবাবদিহিমূলক রাখা যায়।</p>
<p>বাংলাদেশের জন্য এই পরিবর্তন একই সঙ্গে সুযোগ ও ঝুঁকি।<br>আমাদের অবশ্যই ভাবতে হবে কম্পিউটিং সক্ষমতা, ডেটা শাসন, বাংলা ভাষাভিত্তিক এআই, সাইবার নিরাপত্তা, মানবসম্পদ এবং বৈশ্বিক এআই শাসনে বাংলাদেশের অবস্থান নিয়ে। কিন্তু এই আলোচনায় আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন প্রায়ই আড়ালে থেকে যায়: গণমাধ্যমের ভূমিকা কী হবে?</p>
<p>এআই শাসন শুধু প্রযুক্তিবিদ, মন্ত্রণালয় বা কূটনীতিকদের বিষয় হতে পারে না। নাগরিকদের জানতে হবে, এআই তাদের চাকরি, শিক্ষা, কৃষি, ব্যাংকিং, সরকারি সেবা, নির্বাচন, তথ্যপ্রবাহ ও দৈনন্দিন জীবনকে কীভাবে বদলে দিচ্ছে।</p>
<p>তাই গণমাধ্যমকে এআই পরিবর্তনের শুধু দর্শক নয়, এআই শাসনের গণতান্ত্রিক অবকাঠামোর অংশ হিসেবে দেখতে হবে।</p>
<p><strong>সার্বভৌমত্ব শুধু GPU নয়</strong><br>এআই সার্বভৌমত্বের আলোচনায় সাধারণত প্রশ্ন ওঠে: চিপ কার হাতে, ডেটা সেন্টার কোথায়, ক্লাউড কে দিচ্ছে, উন্নয়নশীল দেশগুলো পর্যাপ্ত কম্পিউটিং ক্ষমতা পাচ্ছে কি না।</p>
<p>এসব প্রশ্ন গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু সার্বভৌমত্বকে শুধু GPU, সার্ভার ও মেগাওয়াটে মাপা যায় না।<br>বাংলাদেশ যদি প্রযুক্তি ব্যবহার করে, কিন্তু সেই প্রযুক্তি কী করছে, কার স্বার্থে কাজ করছে, কী তথ্য ব্যবহার করছে এবং ভুল হলে দায় কার, তা স্বাধীনভাবে বোঝা ও প্রশ্ন করার সক্ষমতা না থাকে, তাহলে সেই সার্বভৌমত্ব অসম্পূর্ণ।</p>
<p>এখানেই সাংবাদিকতার ভূমিকা।<br>গণমাধ্যমকে প্রশ্ন করতে হবে: সরকারি সংস্থা যে এআই ব্যবস্থা ব্যবহার করছে, তার মালিক কে? সরকারি ডেটা কোথায় রাখা হচ্ছে? সংবেদনশীল তথ্য দেশের বাইরে যাচ্ছে কি? অ্যালগরিদম কে পরীক্ষা করছে? স্বয়ংক্রিয় সিদ্ধান্তে কোনো নাগরিক ক্ষতিগ্রস্ত হলে প্রতিকার কোথায়?</p>
<p>এসব কেবল প্রযুক্তির প্রশ্ন নয়। এগুলো ক্ষমতা, অধিকার ও জবাবদিহির প্রশ্ন।<br>প্রযুক্তির শব্দগুলোকে মানুষের ভাষায় রূপান্তর করতে হবে<br>সাধারণ মানুষ ‘কম্পিউট সার্বভৌমত্ব’, ‘ফাউন্ডেশন মডেল’, ‘অ্যালগরিদমিক জবাবদিহি’ বা ‘ডেটা গভর্ন্যান্স’ বুঝতে পারে না। ‘কম্পিউট সার্বভৌমত্ব’, ‘ফাউন্ডেশন মডেল’, ‘অ্যালগরিদমিক জবাবদিহি’ এবং ‘ডেটা গভর্ন্যান্স’ সাধারণ মানুষের কাছে দূরবর্তী।</p>
<p>গণমাধ্যম তথ্যগুলোকে মানুষের জীবনের প্রশ্নে রূপান্তর করে।<br>এআই কীভাবে পোশাকশ্রমিকের কাজ বদলাবে?<br>কৃষক বাজার ও আবহাওয়ার সঠিক তথ্য পাবে?<br>সরকারি সেবা সহজ হবে?<br>নজরদারি বাড়বে?<br>বাংলাভাষী মানুষ ইংরেজিভাষীর সমমানের এআই সেবা পাবে?<br>কোন কাজ হারাবে?<br>কোন নতুন কাজ তৈরি হবে?<br>এই প্রশ্নগুলো প্রযুক্তি নিয়ে আলোচনা সবার জন্য সমান করে।<br>উচ্ছ্বাস না, আতঙ্কও না।</p>
<p>এআই নিয়ে সংবাদে দুই রকমের প্রবণতা দেখা যায়। একদিকে মানুষ এআই নিয়ে উচ্ছ্বাস করে, যেন এআই এলে উন্নতি নিশ্চিত হবে। অন্যদিকে মানুষ এআই নিয়ে ভয় করে, যেন এআই এলে চাকরি, সাংবাদিকতা, মানুষের সিদ্ধান্ত শেষ হবে।</p>
<p>এখানে ব্যবহারকারীর তথ্য আছে: দুটিই ভুল।<br>এআইয়ের ফল নির্ভর করে এআই কীভাবে তৈরি, কীভাবে ব্যবহার এবং কীভাবে নিয়ন্ত্রিত হয় তার ওপর।<br>যদি কোনো সরকারি সংস্থা এআই ব্যবহার করে দক্ষতা বাড়ার দাবি করে, গণমাধ্যমকে জিজ্ঞেস করতে হবে, প্রমাণ কী? যদি কোনো কোম্পানি অ্যালগরিদম পক্ষপাতহীন বলে, তাহলে জানাতে হবে কোম্পানি কীভাবে অ্যালগরিদম পরীক্ষা করেছে।</p>
<p>ব্যবহারকারীর কাছ থেকে পাওয়া তথ্য এই অংশে আছে। সাংবাদিকতার মৌলিক প্রশ্ন এই অংশেও একই।<br>ক্ষমতা কার কাছে, এবং ক্ষমতা কীভাবে ব্যবহার করা হয়?<br>ব্যবহারকারীর তথ্য এখানে দেওয়া আছে:<br>ডিপফেকের সময়ে মূল সক্ষমতা পরীক্ষা করা হবে।<br>জেনারেটিভ এআই এখন বাস্তবের মতো ভুয়া ছবি, ভুয়া কণ্ঠ, ভুয়া ভিডিও এবং ভুয়া লেখা সৃষ্টি করে। নির্বাচন, রাজনৈতিক উত্তেজনা, সাম্প্রদায়িক সংঘাত বা দুর্যোগের সময় জেনারেটিভ এআই দ্বারা সৃষ্ট প্রভাব ভয়ানক হতে পারে।<br>নকল অডিও জনমত পরিবর্তন করতে পারে।<br>ভুয়া ছবি সহিংসতা উস্কে দিতে পারে।<br>ডিপফেক নারী সাংবাদিক বা মানবাধিকার কর্মীর বিরুদ্ধে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করতে পারে।</p>
<p><strong>ব্যবহারকারীর কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্য এখানে দেওয়া হল:</strong><br>তাই তথ্য যাচাই শুধু ফ্যাক্ট-চেকারদের কাজ না। সব সংবাদকক্ষকে তথ্য যাচাইকে মৌলিক কাজ হিসেবে নিতে হবে।</p>
<p>বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম ডিজিটাল তদন্তের জ্ঞান, সূত্র যাচাই, এআই নির্মিত কন্টেন্ট চেনা এবং প্রকাশে স্বচ্ছ নীতি চায়।<br>এআই যুগে গতি বাড়বে। যাচাইয়ের মূল্যও বাড়বে।<br>ঢাকার বাইরে এআই আলোচনা নিতে হবে<br>বাংলাদেশে এআই আলোচনা যদি ঢাকায় বেশি হয়, ইংরেজি ভাষায় হয় এবং প্রযুক্তিবিদদের উপর নির্ভর করে, তাহলে দেশের বড় অংশ বাদ পড়ে যাবে।</p>
<p>প্রযুক্তি-সুবিধাপ্রাপ্ত লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা এবং ডিপফেকের নতুন ঝুঁকি নারীদের জন্য বাড়ছে। গ্রামীণ জনগোষ্ঠী কৃষি এবং স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে উপকার পেতে পারে, তবে ইন্টারনেট সংযোগ, উচ্চ খরচ এবং ভাষা বড় বাধা। প্রতিবন্ধী ব্যক্তি সহায়ক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা থেকে বড় সুবিধা পেতে পারে, শর্ত হল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা অন্তর্ভুক্তিমূলক হতে হবে।</p>
<p>কমিউনিটি মিডিয়া ও স্থানীয় গণমাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ। কমিউনিটি মিডিয়া ও স্থানীয় গণমাধ্যম এআইকে সহজ বাংলায় ব্যাখ্যা করে, স্থানীয় অভিজ্ঞতা জাতীয় নীতিতে আনে, এবং মানুষে উদ্বেগ ও প্রত্যাশা তুলে ধরে।<br>এআইকে গণতান্ত্রিক করা মানে হল, যাদের জীবনে প্রযুক্তি পরিবর্তন হবে, সেসব মানুষকে আলোচনায় অন্তর্ভুক্ত করা।</p>
<p><strong>বাংলা ভাষাভিত্তিক এআই জনস্বার্থের প্রশ্ন</strong><br>অনেক এআই ব্যবস্থা এখনো ইংরেজিতে ভাল কাজ করে, বাংলায় কম। এআই ব্যবস্থার পার্থক্য যদি দীর্ঘ সময় থাকে, নতুন ডিজিটাল বৈষম্য দেখা দিতে পারে।<br>সরকারি চ্যাটবট ইংরেজিতে সঠিক, বাংলায় দুর্বল হলে, সরকারি চ্যাটবটের সমস্যা প্রযুক্তিগত ত্রুটি নয়, সমান অধিকার ও প্রবেশাধিকারের প্রশ্ন।<br>গণমাধ্যমকে জানতে হবে: বাংলা ডেটা কে তৈরি করছে? বাংলা ডেটায় আঞ্চলিক ভাষা ও উচ্চারণ আছে কি? বাংলা ডেটার মালিকানা কার? বাংলাদেশের গবেষকরা প্রয়োজনীয় কম্পিউটিং সক্ষমতা পায় কি?<br>ভাষা এখানে সংস্কৃতি, অর্থনীতি ও প্রযুক্তি—এই সবের নিজস্ব নিয়ন্ত্রণের বিষয়ও।</p>
<p>সংবাদকক্ষেরও নিজস্ব এআই নীতি থাকা দরকার।<br>গণমাধ্যম অন্যদের এআই ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন করবে, তবে গণমাধ্যমকে নিজের দায়িত্ব নিতে হবে।<br>এআই ট্রান্সক্রিপশন, অনুবাদ, গবেষণা, ডেটা বিশ্লেষণ এবং নথি পর্যালোচনা সাংবাদিকদের সাহায্য করে। কিন্তু গোপন সূত্রের তথ্য যদি বাণিজ্যিক এআই প্ল্যাটফর্মে চলে যায়? এআই যদি ভুল তথ্য তৈরি করে? পাঠককে কখন জানাবে যে কনটেন্ট তৈরিতে এআই ব্যবহার করা হয়েছে?</p>
<p>প্রতিটি দায়িত্বশীল সংবাদমাধ্যমের Responsible AI Policy থাকা দরকার। Responsible AI Policy তে উৎসের গোপনীয়তা, তথ্য যাচাই, কপিরাইট, ডেটা সুরক্ষা, স্বচ্ছতা এবং মানবসম্পাদনার দায়িত্ব স্পষ্ট করা হবে।<br>নীতি হল: এআই সাংবাদিকতাকে সাহায্য করবে, কিন্তু সাংবাদিকের দায়িত্বের বদলে নয়।</p>
<p>প্রয়োজন হল 'Bangladesh Media and AI Governance Initiative'<br>Bangladesh Media and AI Governance Initiative গড়ে তোলা সম্ভব। Bangladesh Media and AI Governance Initiative-এ জাতীয় গণমাধ্যম, কমিউনিটি মিডিয়া, সাংবাদিকতা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ফ্যাক্ট-চেকার, নাগরিক সমাজ, বিশ্ববিদ্যালয়, প্রযুক্তিবিদ এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি প্রতিষ্ঠান যুক্ত হতে পারে।<br>ব্যবহারকারীর কাছ থেকে পাওয়া তথ্য এখানে:</p>
<p>সাংবাদিকদের AI literacy বাড়াবে, deepfake verification সক্ষমতা গড়ে তুলবে এবং newsroom AI guideline প্রণয়ন করবে। এরপর বাংলা ভাষায় AI সাংবাদিকতার উপকরণ তৈরি করবে এবং সরকারি AI ক্রয়, অ্যালগরিদম ও আন্তর্জাতিক AI শাসন নিয়ে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা শক্তিশালী করবে। এভাবে সাংবাদিকতার গুণমান উন্নত হবে।</p>
<p><strong>শেষ কথা</strong><br>বাংলাদেশের এআই ভবিষ্যৎ শুধু ডেটা সেন্টারের সংখ্যা, GPU কেনা বা AI কোম্পানির সংখ্যা দিয়ে বিচার করা যায় না।<br>প্রকৃত পরীক্ষা হবে অন্য জায়গায়।<br>নাগরিকরা কি জানে প্রযুক্তি কীভাবে ব্যবহার হয়?<br>সাংবাদিকরা কি শক্তিশালী এআইকে প্রশ্ন করে?<br>মানুষ কি স্বয়ংক্রিয় সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে?</p>
<p>নারী, তরুণ, গ্রামীণ মানুষ ও প্রান্তিক গোষ্ঠী কি নীতি আলোচনায় অংশ নেয়?<br>কম্পিউটিং ক্ষমতা দরকার। ডেটা দরকার। অবকাঠামো দরকার। তবে গণতান্ত্রিক নজরদারিও ততটাই দরকার।<br>এআই যুগে গণমাধ্যমের কাজ কেবল প্রযুক্তি ভবিষ্যৎ ঘটার পর খবর দেওয়া নয়।</p>
<p>বাংলাদেশের প্রযুক্তি ভবিষ্যৎ গড়তে সমাজকে সচেতন করা এবং সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে সাহায্য করা এখন সাংবাদিকতার নতুন কাজ।</p>
<hr>
<p><strong>লেখকঃ </strong>প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, বাংলাদেশ এনজিওস নেটওয়ার্ক ফর রেডিও অ্যান্ড কমিউনিকেশন (বিএনএনআরসি)। </p>
<hr>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বাকৃবিতে ‘সিটি ব্যাংক স্পটলাইট’ অনুষ্ঠিত</title>
<link>https://digibanglatech.news/186733</link>
<guid>https://digibanglatech.news/186733</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202608/image_870x580_6a7c8b43d0429.jpg" length="78345" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 12 Aug 2026 19:02:09 +0600</pubDate>
<dc:creator>ক্যাম্পাস করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>বাকৃবি সিটি ব্যাংক স্পটলাইট, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ফেস্ট, উপাচার্য ফজলুল হক ভূঁইয়া, করপোরেট ক্যারিয়ার গাইডলাইন, আইএডিএস বাকৃবি</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<ul>
<li dir="ltr">​বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ার ও করপোরেট গাইডলাইন দিতে ‘সিটি ব্যাংক স্পটলাইট’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।</li>
<li dir="ltr">​ইনস্টিটিউট অব এগ্রিবিজনেস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজের (আইএডিএস) ব্যবস্থাপনায় ১২ আগস্ট (বুধবার) এই আয়োজন করা হয়।</li>
<li dir="ltr">​অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে শিক্ষার্থীদের মেধা ও কঠোর পরিশ্রমের ওপর গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া।</li>
<li dir="ltr">​মূল কি-নোট সেশন পরিচালনা করেন সিটি ব্যাংক পিএলসির ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর মোহাম্মদ মাহমুদ গনি।</li>
<li dir="ltr">​বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ নজরুল ইসলাম কনফারেন্স হলে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রায় ২৫০ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন।</li>
</ul>
<p dir="ltr">বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ার পরিকল্পনা ও করপোরেট জগতের সম্ভাবনা সম্পর্কে ধারণা দিতে ‘সিটি ব্যাংক স্পটলাইট’ শীর্ষক ক্যারিয়ার ও দিকনির্দেশনামূলক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।</p>
<p dir="ltr">বুধবার (১২ আগস্ট) সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ নজরুল ইসলাম কনফারেন্স হলে ইনস্টিটিউট অব এগ্রিবিজনেস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজের (আইএডিএস) ব্যবস্থাপনায় এই অনুষ্ঠানটি আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া।</p>
<p dir="ltr">​আইএডিএসের পরিচালক অধ্যাপক ড. ছাদেকা হকের স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে শুরু হওয়া এই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. শহীদুল হক, উচ্চ শিক্ষা ও গবেষণা কমিটির কো-অর্ডিনেটর অধ্যাপক ড. মো. সামছুল আলম, বাউরেসের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. হাম্মাদুর রহমান এবং বাংলাদেশ এগ্রিকালচারাল ইকোনমিস্টস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোহাম্মদ আহসানুজ্জামান লিন্টু। অধ্যাপক ড. শাকিলা সালামের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথিরা শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে ক্যারিয়ার ও ব্যক্তিগত উন্নয়ন বিষয়ে বিভিন্ন পরামর্শ দেন।</p>
<p dir="ltr">​অনুষ্ঠানের মূল পর্ব ‘স্পটলাইট কি-নোট সেশন’ পরিচালনা করেন সিটি ব্যাংক পিএলসির ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও হেড অব করপোরেট অ্যান্ড ইনস্টিটিউশনাল ব্যাংকিং মোহাম্মদ মাহমুদ গনি। তিনি করপোরেট জগতের পরিবর্তিত বাস্তবতা, সম্ভাবনা, প্রয়োজনীয় দক্ষতা এবং ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার পরিকল্পনার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি সময় ব্যবস্থাপনা, মনোযোগ ও কঠোর পরিশ্রমের ওপর গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান।</p>
<p dir="ltr">তিনি ভালো আচরণ, ইতিবাচক বডি ল্যাঙ্গুয়েজ ও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে যোগাযোগের ওপর জোর দেন। দুই ঘণ্টার এই আয়োজনে কি-নোট সেশনের পর শিক্ষার্থীদের নিয়ে একটি মিথস্ক্রিয়াশীল (ইন্টার‌্যাকটিভ) প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। সমাপনী বক্তব্য ও ফটোসেশনের মধ্য দিয়ে শেষ হওয়া এই অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও সিটি ব্যাংকের কর্মকর্তাসহ প্রায় ২৫০ জন শিক্ষার্থী অংশ নেন।<br>​/<strong>/ডিবিটেক/আরএমও/এসএমআই//</strong></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>উন্নয়ন না করের বোঝা?</title>
<link>https://digibanglatech.news/186785</link>
<guid>https://digibanglatech.news/186785</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p&gt;&lt;strong&gt;পরোক্ষ কর ও ভ্যাটের বৈষম্য: খেটে খাওয়া মানুষের ওপর প্রভাব এবং সম্পদের অসম বণ্টন&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202608/image_870x580_6a7d5a82839c2.jpg" length="102845" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 12 Aug 2026 11:48:20 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>একটি রাষ্ট্র কতটা ন্যায়ভিত্তিক, তার মূল চালিকাশক্তি হলো দেশের রাজস্ব নীতি। সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ রাষ্ট্রের কর ব্যবস্থা হওয়া উচিত প্রগতিশীল। অর্থাৎ, যার আয় ও সম্পদ যত বেশি, সে তত বেশি কর দেবে; আর সেই টাকায় সামাজিক সুরক্ষা পাবে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী।</p>
<p>কিন্তু বাংলাদেশের চিত্র উল্টো। একপাশে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ও অবকাঠামোর গল্প, অন্যপাশে রাজস্ব আদায়ের মূল ভরসা পরোক্ষ কর বা ভ্যাট (VAT)। এই পরোক্ষ কর আয় বৈষম্য বিবেচনা না করে রিকশাচালক, পোশাক শ্রমিক, কৃষক ও নিম্ন-মধ্যবিত্তের ওপর এক অন্যায্য বোঝা হয়ে চেপে বসেছে। ঝুমবৃষ্টিতে ভিজে যাওয়া এক রিকশাচালকের আক্ষেপই এই ব্যবস্থার আসল সত্য উন্মোচন করে। তিনি প্রশ্ন তুলেছিলেন, সারাদিন কষ্ট করে রিকশা চালিয়ে যা পান, সেই টাকায় পরিবার নিয়ে একটু শান্তিতে খেয়ে-পরে বেঁচে থাকা যায় না কেন?</p>
<p>সারাদিন হাড়ভাঙা খাটুনি খেটেও যে মানুষ খাবারের নিশ্চয়তা পায় না, এক কেজি আটা বা বিস্কুট কিনতে তাকেও কোটিপতির সমান ভ্যাট দিতে হয়। অসম আয়ের দেশে পণ্যে সমান কর বসানোর এই নীতিগত অন্যায় এবং ধনীদের আয়কর ফাঁকির পরিণতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার সময় এসেছে।</p>
<p><strong>সবার জন্য সমান ভ্যাট কেন চরম অন্যায়?</strong><br>কর মূলত দুই ধরনের। প্রথমটি প্রত্যক্ষ কর বা আয়কর, যা আয়ের ওপর সরাসরি ধার্য হয়। অন্যটি পরোক্ষ কর বা ভ্যাট, যা বাজারে পণ্য বা সেবা কেনার সময় ক্রেতাকে মেটাতে হয়। একটি সাবান বা আটার প্যাকেটে সবার জন্য সমান ভ্যাট থাকা বাহ্যিকভাবে সমান নিয়ম মনে হলেও অর্থনৈতিক বিচারে তা চরম অন্যায্য। একে বলা হয় पश्चাৎমুখী কর ব্যবস্থা বা Regressive Tax System।</p>
<p>এর মূল কারণ আয়ের গাণিতিক তফাত। বাজারে আটা কিনতে গিয়ে ৫ টাকা ভ্যাট দিলে, মাসে ১০ লাখ টাকা আয় করা কোটিপতির জন্য তা আয়ের মাত্র ০.০০০৫ শতাংশ। কিন্তু দৈনিক ৫০০ টাকা আয় করা রিকশাচালকের জন্য এই ৫ টাকা তাঁর আয়ের সরাসরি ১ শতাংশ। উপরন্তু, নিম্নআয়ের মানুষকে তাঁর উপার্জনের ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ টাকাই খাদ্য, ওষুধ ও প্রাত্যহিক খরচে ব্যয় করে ফেলতে হয়। ফলে তাঁর আয়ের প্রায় পুরোটাই ভ্যাটের আওতায় চলে আসে। অন্যদিকে ধনিক শ্রেণী আয়ের বড় অংশ ব্যাংকে সঞ্চয় করেন বা নতুন ব্যবসায় বিনিয়োগ করেন, যা নিত্যপণ্যের ভ্যাটের আওতার বাইরে থেকে যায়।</p>
<p><strong>দিন এনে দিন খাওয়া মানুষের বাস্তব জীবন</strong><br>এই অন্যায্য বৈষম্যের শিকার সমাজের প্রতিটি মেহনতী মানুষ। কাকভেজা হয়ে সারাদিন রিকশার প্যাডেল ঘোরালেও দিনশেষে টিকে থাকার দুশ্চিন্তা মেটে না রিকশাচালক কিংবা দিনমজুরের। অসুস্থ হলে সরকারি হাসপাতালে ফ্রি ওষুধ বা বেড মেলে না, অথচ তাঁদের কেনা পণ্যের ভ্যাট নিয়মিত সরকারি কোষাগারে জমা হয়। একইভাবে, গার্মেন্টস শ্রমিকেরা মাসজুড়ে কায়িক শ্রম দিয়ে পাওয়া ১২ থেকে ১৫ হাজার টাকা মজুরির বড় অংশ চাল, ডাল, তেল, সাবান বা স্যানিটারি প্যাড কিনতে ভ্যাট হিসেবে দিয়ে দেন, অথচ মৌলিক স্বাস্থ্যসেবা থেকে তাঁরা চিরকাল বঞ্চিত থাকেন।</p>
<p>একই করুণ অবস্থা প্রান্তিক কৃষকের। জমিতে সেচের ডিজেল, সার বা কীটনাশক কেনার সময় শুল্ক ও ভ্যাট দিলেও বাজারে ফসল বিক্রিতে ন্যায্য দাম পান না তাঁরা। প্রাকৃতিক দুর্যোগে ফসল নষ্ট হলেও রাষ্ট্র থেকে বিনামূল্যে সার-বীজ পাওয়ার নিশ্চয়তা মেলে না। এমনকি নির্দিষ্ট আয়ের শিক্ষক ও চাকরিজীবীরাও এই চাপের বাইরে নন। ব্যাংকে বেতন আসার আগেই তাঁদের থেকে উৎসে আয়কর (TDS) কেটে নেওয়া হয়। এর ওপর বাজার খরচ, বিদ্যুৎ বিল ও মোবাইল রিচার্জে পদে পদে ভ্যাট গুনে তাঁরা নিঃস্ব হন। তাঁরা প্রত্যক্ষ কর ফাঁকি দিতে পারেন না, আবার ভ্যাট দিয়েও মানসম্মত কোনো সেবা পান না। অন্যদিকে তরুণ ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা দোকান বরাদ্দ, ট্রেড লাইসেন্স ও কাঁচামালের ভ্যাট দিয়ে ব্যবসা চালাতে হিমশিম খান, যেখানে বড় বড় শিল্পপতিরা প্রশাসনিক দাপটে বছরের পর বছর বিশেষ কর অবকাশ পান।</p>
<p><strong>কর ফাঁকি দেন ধনীরা, চাপ পড়ে আমজনতার ওপর</strong><br>জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) প্রশাসনিক উপাত্ত পর্যালোচনা করলে রাজস্ব কাঠামোর এই সংকট স্পষ্ট হয়ে ওঠে। বৈশ্বিক মানদণ্ডে একটি রাষ্ট্রের মোট রাজস্বের প্রায় ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ আসা উচিত ধনীদের প্রত্যক্ষ আয়কর থেকে। কিন্তু বাংলাদেশে মোট রাজস্বের প্রায় ৬৫ থেকে ৭০ শতাংশই আসে পরোক্ষ কর, অর্থাৎ ভ্যাট ও আমদানি শুল্ক থেকে। বিপরীতে রাজস্বে প্রত্যক্ষ করের অবদান মাত্র ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশ। ১৭ কোটি মানুষের দেশে টিআইএনধারী প্রায় ১ কোটি হলেও প্রকৃতপক্ষে আয়কর বিবরণী জমা দেন মাত্র ৩৫ থেকে ৪০ লাখ মানুষ, যা মোট জনসংখ্যার ১ শতাংশেরও কম। ফলে আমাদের কর-জিডিপি অনুপাত মাত্র ৭.৫ থেকে ৮ শতাংশে আটকে আছে, যা দক্ষিণ এশিয়ায় অন্যতম সর্বনিম্ন।</p>
<p>অন্যদের প্রতি এই অবিচার আরও গভীর হয় বাজেটে অসাধু উপায়ে অর্জিত কালো টাকা অল্প জরিমানায় বৈধ করার সুবিধায়। সাধারণ মানুষ কেনাকাটায় ভ্যাট দিচ্ছে, অথচ কর ফাঁকিবাজেরা ছাড় পাচ্ছে। এছাড়া মূল্যস্ফীতিতে পণ্যের দাম বাড়লে নির্দিষ্ট শতাংশ হারের ভ্যাটের টাকার অঙ্কও স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাড়ে, যা মানুষকে দ্বিগুণ চাপে ফেলে। আবার ক্যাশলেস কেনাকাটা, মোবাইল ওয়ালেট বা ইএফডি মেশিনে মানুষ ভ্যাট দিলেও তদারকির অভাবে অনেক ব্যবসায়ী তা সরকারি খাত থেকে আত্মসাৎ করে। ডিজিটাল কমার্স খাতে ভোক্তা অধিকার ও নীতিগত উন্নয়ন নিয়ে গবেষণারত প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর ডিজিটাল কমার্স রিসার্চ অ্যান্ড অ্যাডভোকেসি (CDCRA)-এর পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, ডিজিটাল ইকোসিস্টেমে স্বচ্ছতা ও সঠিক ট্র্যাকিং না থাকায় প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ পরোক্ষ কর রাজস্ব থেকে রাষ্ট্র বঞ্চিত হচ্ছে, আর ভোক্তারা সেবা না পেয়ে ক্ষতির মুখে পড়ছেন। 'ট্যাক্স জাস্টিস নেটওয়ার্ক'-এর মতে, কর ফাঁকি ও বিদেশে অর্থ পাচারে বাংলাদেশ প্রতি বছর বিপুল রাজস্ব হারায়। আর পিপিআরসি ও বিভিন্ন সংস্থার মতে, চিকিৎসাব্যয় ও পরোক্ষ করের চাপে প্রতি বছর লাখ লাখ মানুষ নতুন করে দরিদ্র হয়ে পড়ছে।</p>
<p><strong>সাধারণ মানুষের করের টাকা যায় কোথায়?</strong><br>এই অন্যায্য রাজস্ব ব্যবস্থার ফলে দেশে আয় বৈষম্য পরিমাপক 'জিনি সহগ' বেড়ে প্রায় ০.৫০০-এর কাছাকাছি পৌঁছেছে, যার অর্থ দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সিংহভাগ জমা হচ্ছে গুটিকয়েক ধনীর পকেটে। উপরন্তু স্বাস্থ্যসেবার প্রায় ৬৮ শতাংশ খরচ সাধারণ মানুষকে নিজের পকেট থেকেই দিতে হয়। সাধারণ মানুষের ঘাম ঝরানো ভ্যাটের টাকা মূলত তিনটি জায়গায় চলে যায়। প্রথমত, সাধারণের ট্যাক্সের টাকায় প্রশাসনিক বিশাল বেতন-ভাতা মেটানো হয়, যার একটি অংশ দুর্নীতিবাজদের মাধ্যমে বিদেশে পাচার (Capital Flight) হয়। দ্বিতীয়ত, রাজস্বের বড় অংশ চলে যায় অসাধু ঠিকাদার ও প্রভাবশালী রাজনৈতিক চক্রের হাতে। আর তৃতীয়ত, ভৌগোলিক বৈষম্যের কারণে বার্ষিক উন্নয়ন বরাদ্দের সিংহভাগ ব্যয় হয় ধানমণ্ডি, গুলশান, বনানী বা উত্তরার মতো অভিজাত এলাকার অবকাঠামো সাজাতে, যেখানে টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়ার মেহনতী মানুষের ভাগ্যে জোটে সামান্যই।</p>
<p>টেলিভিশনের টকশোতে বুদ্ধিজীবীরা এসি রুমে বসে দেশপ্রেমের বুলি আওড়ে দিনশেষে সম্মানী পকেটে তোলেন। কিন্তু যে মেহনতী মানুষের করের টাকায় এই রাষ্ট্র ও অর্থনীতি ঘোরে, তাঁদের দৈনন্দিন বেঁচে থাকার হিসাব কোথাও মেলে না।</p>
<p><strong>বিশ্ব কীভাবে এই বৈষম্য সামলালো?</strong><br>বিশ্বের অনেক দেশই এই অন্যায্য কর কাঠামো বদলে বৈষম্য কমাতে সফল হয়েছে। স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশগুলো, যেমন—ডেনমার্ক, নরওয়ে ও সুইডেনে প্রগতিশীল কর ব্যবস্থা কার্যকর। সেখানে ধনীদের আয়ের ওপর ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত প্রত্যক্ষ কর বসিয়ে সেই টাকায় প্রতিটি নাগরিককে বিনামূল্যে বিশ্বমানের স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও সামাজিক নিরাপত্তা দেওয়া হয়।</p>
<p>নিউজিল্যান্ড ও উরুগুয়ের মতো দেশ চাল, আটা, ডাল ও জীবনরক্ষাকারী ওষুধে ভ্যাটের হার কমিয়ে ০ শতাংশ করেছে, আর সেই রাজস্ব ঘাটতি মেটাতে বিলাসবহুল পণ্য ও ধনীদের সম্পদের ওপর বাড়তি কর বসিয়েছে। এমনকি আমাদের প্রতিবেশী ভারতও ডিজিটাল তথ্যব্যবস্থায় (আধার ও প্যান কার্ড) সমন্বয় করে প্রত্যক্ষ করদাতার সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি করেছে এবং নিত্যপণ্যে ভ্যাট কমিয়ে বিলাসদ্রব্যে শুল্ক বাড়িয়েছে।</p>
<p><strong>পরিস্থিতি বদলাতে যা করা জরুরি</strong><br>বাংলাদেশের কর ব্যবস্থার এই সামাজিক অন্যায্যতা দূর করতে সুনির্দিষ্ট রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংস্কার জরুরি। প্রথমত, চাল, ডাল, আটা, ভোজ্যতেল, ওষুধ ও শিশুখাদ্যের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য থেকে পরোক্ষ কর বা ভ্যাট সম্পূর্ণ তুলে নিতে হবে এবং এর বদলে বিলাসবহুল গাড়ি, এসি, রিসোর্ট ও ইলেকট্রনিক্স পণ্যে ভ্যাটের হার বাড়াতে হবে। দ্বিতীয়ত, ভ্যাট তোলার সহজ পথ থেকে সরে এসে ধনীদের ওপর প্রগতিশীল আয়কর জোরদার করতে হবে এবং ১০ কোটি টাকার ওপর সম্পদে কড়া সম্পদ কর (Wealth Tax) আরোপ করতে হবে।</p>
<p>তৃতীয়ত, কর আদায় প্রক্রিয়া শতভাগ অনলাইন ও 'Faceless Assessment'-এর আওতায় আনতে হবে। সিডিসিআরএ (CDCRA)-এর পক্ষ থেকে ডিজিটাল অর্থনীতিতে সুনির্দিষ্ট কর ছাড় ও স্বচ্ছতার যে তাগিদ দেওয়া হচ্ছে, তা মেনে ইএফডি ও ডিজিটাল ট্র্যাকিং বাধ্যতামূলক করে ব্যবসায়ীদের ভ্যাট আত্মসাৎ বন্ধ করতে হবে। চতুর্থত, কালো টাকা সাদা করার প্রথা চিরতরে বাতিল করে সৎ করদাতাদের পুরস্কৃত করতে হবে। এবং পঞ্চমত, জনগণের ভ্যাটের টাকায় সবার জন্য বিনামূল্যে প্রাথমিক চিকিৎসা এবং সার্বজনীন সামাজিক সুরক্ষার সুনির্দিষ্ট ব্যবস্থা করতে হবে।</p>
<p><strong>সমাধান কোথায়?</strong><br>পণ্য কেনার সময় ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে ঢালাওভাবে একই ভ্যাট বসিয়ে রেখে "সবার জন্য সমান আইন" দাবি করাটা বাস্তবে এক ধরণের সামাজিক প্রতারণা। কারণ অসম উপার্জনের মানুষের ওপর সমান কর বসানো কখনোই সমতা হতে পারে না। যতক্ষণ না পর্যন্ত রাষ্ট্র ধনীদের আয় ও সম্পদ থেকে বড় অঙ্কের প্রত্যক্ষ কর আদায় করে খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষের কল্যাণে তা ব্যয় করার নীতি গ্রহণ করবে, ততক্ষণ পর্যন্ত সেই কাঁকভেজা রিকশাচালকের জীবনের চাকা ঘুরবে না—ঘুরবে কেবল ক্ষমতাবান বুর্জোয়া আর এলিটদের ভাগ্যের চাকা।</p>
<hr>
<p><b data-path-to-node="22,0,0" data-index-in-node="0">লেখক:</b><span> </span><i data-path-to-node="22,0,1" data-index-in-node="0">ই-কমার্স বিশ্লেষক ও প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য, ই-ক্যাব </i></p>
<hr>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>জনমিতিক লভ্যাংশে কারিগরি শিক্ষায় গুরুত্ব</title>
<link>https://digibanglatech.news/186702</link>
<guid>https://digibanglatech.news/186702</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li&gt;&lt;span&gt;তরুণদের দক্ষ করে বিশ্বসম্পদে পরিণত করার আহ্বান মন্ত্রীর&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;li&gt;&lt;span&gt;জনমিতিক লভ্যাংশ কাজে কারিগরি শিক্ষায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার পরামর্শ&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;li&gt;&lt;span&gt;তরুণদের উদ্যোক্তা করতে ৫০০ কোটি টাকার তহবিল রেখেছে সরকার&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202608/image_870x580_6a7c5472f3f7d.jpg" length="103068" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 12 Aug 2026 10:10:03 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>কারিগরি শিক্ষা, প্রযুক্তি দক্ষতা, জনমিতিক লভ্যাংশ, তরুণ, যুব দিবস, স্টার্টআপ, উদ্যোক্তা, দক্ষতা উন্নয়ন, বাংলাদেশ</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>দক্ষতা, প্রযুক্তিনির্ভর প্রশিক্ষণ ও কারিগরি শিক্ষার মাধ্যমে তরুণ জনগোষ্ঠীকে জনমিতিক লভ্যাংশে রূপান্তরের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, এমপি। তিনি বলেছেন, তরুণদের শিক্ষিত ও দক্ষ করে গড়ে তুলতে পারলে তারা শুধু বাংলাদেশের নয়, পুরো বিশ্বের সম্পদে পরিণত হবে।</p>
<p>১২ আগস্ট, বুধবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ের আলোকিতে সেভ দ্য চিলড্রেন আয়োজিত দুই দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক যুব দিবসের অনুষ্ঠান উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।</p>
<p>মন্ত্রী বলেন, সরকার একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও মানবিক বাংলাদেশ গঠন করতে চায়। এটি শুধু একটি ধারণার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে বাস্তবে প্রতিষ্ঠা করতে সমাজের সব মানুষের অংশগ্রহণ প্রয়োজন।</p>
<p>জনমিতিক লভ্যাংশকে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান মন্ত্রী। একই সঙ্গে তরুণ-তরুণীদের উদ্যোক্তা হওয়ারও আহ্বান জানান তিনি।</p>
<p>অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, সরকার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে তরুণ-তরুণীদের বিভিন্ন ট্রেডে প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। যাদের ব্যবসা শুরু করার মতো আর্থিক সামর্থ্য নেই, তাদের সিড মানি দেওয়া হচ্ছে। তরুণদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার বাজেটে ৫০০ কোটি টাকার স্টার্টআপ তহবিলও রেখেছে।</p>
<p>অনুষ্ঠানের আলোচকরা শ্রমবাজারের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ চাহিদাভিত্তিক দক্ষতা উন্নয়ন এবং তরুণদের মধ্যে নেটওয়ার্কিং বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন। তারা তরুণদের শিক্ষার্থী, দক্ষ কর্মী, উদ্যোক্তা, নেতা, সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী এবং পরিবর্তনের নেতৃত্বদানকারী হিসেবে নিজেদের ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।</p>
<p>অনুষ্ঠানে সেভ দ্য চিলড্রেনের কান্ট্রি ডিরেক্টর সুমন সেনগুপ্ত, এম্বাসি অব দ্য কিংডম অব নেদারল্যান্ডসের প্রথম সচিব জাওয়াদ আজাউই, ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টসের উপাচার্য অধ্যাপক ড. সামসাদ মর্তূজাসহ বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী, এনজিও, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।<br>/<strong>/ডিবিটেক/আরএইচ/এসএমই/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>স্ক্যাফোল্ডিংয়ে দক্ষ জনবল তৈরিতে উদ্যোগ</title>
<link>https://digibanglatech.news/186639</link>
<guid>https://digibanglatech.news/186639</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li&gt;&lt;span&gt;নির্মাণ ও বিদেশি শ্রমবাজারে স্ক্যাফোল্ডারের চাহিদা বাড়ছে।&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;li&gt;&lt;span&gt;আন্তর্জাতিক মানে প্রশিক্ষিত কর্মী তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;li&gt;&lt;span&gt;স্ক্যাফোল্ডিং কোর্স চালুর পথ তৈরি করেছে এনএসডিএ&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202608/image_870x580_6a7b511b6c027.jpg" length="154893" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 11 Aug 2026 19:47:44 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>স্ক্যাফোল্ডিং প্রশিক্ষণ, জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, এনএসডিএ, নির্মাণ খাত, দক্ষ জনবল, কারিগরি প্রশিক্ষণ, মধ্যপ্রাচ্যের শ্রমবাজার, কম্পিটেন্সি স্ট্যান্ডার্ড, কর্মসংস্থান</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><strong>ঢাকা, ১১ আগস্ট ২০২৬:</strong> নির্মাণ খাতে ভবন নির্মাণ থেকে শুরু করে বড় অবকাঠামো প্রকল্প- সব ক্ষেত্রেই স্ক্যাফোল্ডিং অপরিহার্য। এ কাজে দক্ষ জনবলের চাহিদাও দিন দিন বাড়ছে। দেশের নির্মাণ খাতের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের শ্রমবাজারেও স্ক্যাফোল্ডারদের চাহিদা বাড়ায় এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে মানসম্মত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ জনবল তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (এনএসডিএ)।</p>
<p>এর অংশ হিসেবে মঙ্গলবার কনস্ট্রাকশন সেক্টরের অধীন ‘স্ক্যাফোল্ডিং’ অকুপেশনের কম্পিটেন্সি স্ট্যান্ডার্ড (সিএস) ও কোর্স অ্যাক্রিডিটেশন ডকুমেন্ট (সিএডি) যাচাই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রাজধানীর আগারগাঁওয়ে এনএসডিএর সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত কর্মশালায় শিল্পখাতের প্রতিনিধি, সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, একাডেমিয়া, বিশেষজ্ঞ এবং এনএসডিএর প্রতিনিধিরা অংশ নেন।</p>
<p>কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন এনএসডিএর নির্বাহী চেয়ারম্যান ও  সচিব ড. নাজনীন কাউসার চৌধুরী।</p>
<p>সভাপতির বক্তব্যে ড. নাজনীন কাউসার চৌধুরী বলেন, দেশে স্ক্যাফোল্ডিং পেশায় কাজ করা অনেক কর্মী প্রচলিত পদ্ধতি বা অভিজ্ঞতার মাধ্যমে দক্ষতা অর্জন করেন। কিন্তু নির্ধারিত মানদণ্ড অনুযায়ী প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা যাচাইয়ের সুযোগ সীমিত। নতুন কম্পিটেন্সি স্ট্যান্ডার্ড ও প্রশিক্ষণ কাঠামো চালু হলে এ ঘাটতি কমে আসবে।</p>
<p>তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে দক্ষতা উন্নয়ন কার্যক্রমকে কর্মসংস্থানমুখী করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ‘স্ক্যাফোল্ডিং’ পেশার জন্য কম্পিটেন্সি স্ট্যান্ডার্ড ও প্রশিক্ষণ কারিকুলাম প্রণয়ন সেই উদ্যোগেরই অংশ।</p>
<p>এনএসডিএর নির্বাহী চেয়ারম্যান আরও বলেন, শুধু দেশের নির্মাণ খাত নয়, বিদেশের শ্রমবাজারেও বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে এ উদ্যোগের সম্ভাবনা রয়েছে। সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, কুয়েতসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে অবকাঠামো ও নির্মাণ প্রকল্পে স্ক্যাফোল্ডারদের প্রয়োজন রয়েছে। আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী প্রশিক্ষিত কর্মী তৈরি করা গেলে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য এসব বাজারে নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে।</p>
<p>নির্মাণকাজে শ্রমিকদের নিরাপদে উঁচু স্থানে ওঠা, চলাচল ও কাজ করার জন্য ব্যবহৃত অস্থায়ী কাঠামোকে স্ক্যাফোল্ডিং বলা হয়। এটি স্থাপন বা ব্যবহারে দক্ষতার ঘাটতি থাকলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। তাই এ পেশায় প্রশিক্ষিত জনবল তৈরির পাশাপাশি নিরাপদ কর্মপদ্ধতি নিশ্চিত করাও গুরুত্বপূর্ণ।</p>
<p>কর্মশালায় প্রস্তাবিত কম্পিটেন্সি স্ট্যান্ডার্ড ও প্রশিক্ষণ কোর্সের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। শিল্পের বাস্তব চাহিদা, প্রয়োজনীয় কারিগরি দক্ষতা, নিরাপত্তাব্যবস্থা, সরঞ্জাম ব্যবহার এবং কর্মক্ষেত্রে দায়িত্বের বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে অংশীজনদের মতামত নেওয়া হয়।</p>
<p>অংশীজনদের মতামত অন্তর্ভুক্ত করে কর্মশালায় সিএস ও সিএডি চূড়ান্ত করা হয়। এর মাধ্যমে প্রশিক্ষণ কারিকুলাম তৈরির পাশাপাশি এনএসডিএ নিবন্ধিত প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে স্ক্যাফোল্ডিং কোর্স চালুর সুযোগ তৈরি হবে।</p>
<p>ফলে দেশে স্ক্যাফোল্ডিং পেশায় প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণের সুযোগ সৃষ্টি এবং দক্ষ জনবল তৈরির পথ আরও সুগম হবে বলে আশা করা হচ্ছে।<br>/<strong>/ডিবিটেক/এনপিবি/এসএমই/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>যুক্তরাজ্যগামী ১০০০ শিক্ষার্থী নিয়ে এএইচজেডের ‘প্রি&#45;ডিপারচার ২০২৬’ অনুষ্ঠিত</title>
<link>https://digibanglatech.news/186518</link>
<guid>https://digibanglatech.news/186518</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;1,0,0&quot;&gt;সেপ্টেম্বর ২০২৬ সেশনে যুক্তরাজ্যে উচ্চশিক্ষার উদ্দেশ্যে গমনকারী সহস্রাধিক শিক্ষার্থীকে নিয়ে রাজধানীর গুলশান শুটিং ক্লাবে বিশেষ সংবর্ধনা।&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;1,1,0&quot;&gt;যুক্তরাজ্যে গমনাভিলাষী শিক্ষার্থীদের প্রায় ৬০ শতাংশকে নিখরচায় পূর্ণাঙ্গ সেবা প্রদান করছে ইউকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি প্রতিষ্ঠান এএইচজেড (AHZ)।&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;1,2,0&quot;&gt;নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের সর্বোচ্চ ৯০ শতাংশ পর্যন্ত স্কলারশিপ অর্জন; কুইজ প্রতিযোগিতায় স্পন্সর পার্টনার টার্কিশ এ ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202608/image_870x580_6a79c5d15b43d.jpg" length="145897" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 10 Aug 2026 18:06:45 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>এএইচজেড, প্রিডিপারচার২০২৬, যুক্তরাজ্যউচ্চশিক্ষা, স্কলারশিপ, টার্কিশএয়ারলাইন্স, গুলশানশুটিংক্লাব, শিক্ষার্থীসংবর্ধনা</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="8">যুক্তরাজ্যে উচ্চশিক্ষার স্বপ্নপূরণে যাত্রা শুরু করতে যাওয়া সহস্রাধিক শিক্ষার্থীকে উষ্ণ বিদায় ও দিকনির্দেশনা জানাতে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি প্রতিষ্ঠান ‘এএইচজেড’ (AHZ)।</p>
<p data-path-to-node="9">আজ ৯ আগস্ট, সোমবার ঢাকার গুলশান শুটিং ক্লাবে ‘প্রি-ডিপারচার ২০২৬’ শীর্ষক এই বিশেষ মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়। আসন্ন সেপ্টেম্বর ২০২৬ সেশনে পড়াশোনার উদ্দেশ্যে যুক্তরাজ্যে পাড়ি জমাতে যাওয়া এক হাজারের বেশি শিক্ষার্থী, তাদের অভিভাবক, শীর্ষ শিক্ষাবিদ ও শিক্ষা উদ্যোক্তাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পুরো আয়োজন উৎসবে পরিণত হয়।</p>
<p data-path-to-node="10">উচ্চশিক্ষার জন্য বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের কাছে যুক্তরাজ্যের জনপ্রিয়তা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশীয় শিক্ষার্থীদের প্রায় ৬০ শতাংশকেই বিনামূল্যে অ্যাডমিশন, প্রসেসিং ও পরামর্শসহ পূর্ণাঙ্গ সেবা দিয়ে আসছে এএইচজেড।</p>
<p data-path-to-node="11">চলতি বছর যুক্তরাজ্যে যাওয়ার অপেক্ষায় থাকা শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশ মেধার ভিত্তিতে নানা ধরনের স্কলারশিপ অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন। এতে শিক্ষার্থীরা ৩০% থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ৯০% পর্যন্ত টিউশন ফি ছাড় লাভ করেছেন। অনুষ্ঠানে প্রার্থীরা তাদের আবেদন প্রক্রিয়ার অভিজ্ঞতা, ভিসা চ্যালেঞ্জ জয় ও সাফল্যের গল্প সহপাঠীদের উদ্দেশ্যে তুলে ধরেন।</p>
<p data-path-to-node="12">অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন এমএইচ গ্লোবাল গ্রুপের চেয়ারম্যান ক্যাপ্টেন এ কে এম গোলাম কিবরিয়া (সিআইপি), চিফ কমার্শিয়াল অফিসার জহিরুল ইসলাম (সিআইপি), এএইচজেড বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার ওয়াহিদ জামান, কোর্স হান্টারের রিজিওনাল মার্কেটিং ম্যানেজার মাহফুজ এম কুশল এবং এমএইচ গ্লোবাল গ্রুপের বিজনেস ডেভেলপমেন্ট ম্যানেজার আহসান মাহমুদ। এছাড়াও এএইচজেডের গুলশান, ধানমন্ডি, উত্তরা ও মিরপুর শাখার অপারেশন ম্যানেজারবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p data-path-to-node="13">অনুষ্ঠানের স্পেশাল পার্টনার হিসেবে যুক্ত ছিল আন্তর্জাতিক বিমান সংস্থা ‘টার্কিশ এয়ারলাইন্স’। আয়োজনের আকর্ষণীয় কুইজ সেশনে অংশ নিয়ে বিজয়ী শিক্ষার্থী অর্জন করেন যুক্তরাজ্য যাতায়াতের জন্য টার্কিশ এয়ারলাইন্সের সম্পূর্ণ বিনামূল্যে রিটার্ন এয়ার টিকিট।</p>
<p data-path-to-node="14">অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের যুক্তরাজ্যের এয়ারপোর্ট প্রসিডিউর, ইমিগ্রেশন নিয়মকানুন, ক্যাম্পাস লাইফ, কালচারাল অ্যাডাপ্টেশন, খণ্ডকালীন চাকরির নিয়ম এবং প্রাতিষ্ঠানিক নেটওয়ার্কিং নিয়ে সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।</p>
<p data-path-to-node="15">/<strong>/ডিবিটেক/বিআরপিও/এমএসআই/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ইউএফটিবির জাতীয় রোবোটিক্স উৎসবে পাঁচ বিভাগে বিজয়ী যারা</title>
<link>https://digibanglatech.news/186498</link>
<guid>https://digibanglatech.news/186498</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li&gt;প্রজেক্ট শোকেসে চ্যাম্পিয়ন ‘আবহয়া’&lt;/li&gt;
&lt;li&gt;টেকাথনে হানট্রিক্সের জয় &lt;/li&gt;
&lt;li&gt;লাইন ফলোয়িং রোবটে দেশি-বটস&lt;/li&gt;
&lt;li&gt;রোবো সকারে হাইপার ভোল্টেজ&lt;/li&gt;
&lt;li&gt;রোবো সকারে হাইপার ভোল্টেজ&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202608/image_870x580_6a799ec492fb4.jpg" length="108702" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 10 Aug 2026 14:50:47 +0600</pubDate>
<dc:creator>ক্যাম্পাস করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>রোবোফিউশন ১.০, ইউএফটিবি, রোবোটিক্স উৎসব, রোবো সকার, টেকাথন, লাইন ফলোয়িং রোবট, বোট রেসিং, প্রজেক্ট শোকেস, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-start="568" data-end="899" class="PDq2pG_selectionAnchorContainer">রোবোটিক্স, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও প্রযুক্তিনির্ভর উদ্ভাবনে তরুণদের মেধা ও দক্ষতা তুলে ধরার মধ্য দিয়ে ইউনিভার্সিটি অব ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজি, বাংলাদেশে (ইউএফটিবি) অনুষ্ঠিত হলো জাতীয় রোবোটিক্স উৎসব <strong data-start="796" data-end="815">‘রোবোফিউশন ১.০’</strong>।  দিনব্যাপী উৎসবের পাঁচটি প্রতিযোগিতা বিভাগে সেরা দল ও বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে।<span aria-hidden="true" class="PDq2pG_selectionAnchor"></span></p>
<p data-start="901" data-end="1133">ইউএফটিবির রোবোটিক্স ক্লাবের আয়োজনে ৮ আগস্ট গাজীপুরের কালিয়াকৈর হাই-টেক পার্কের দ্বিতীয় ভবনে অনুষ্ঠিত এ উৎসবে সারাদেশের <strong data-start="1020" data-end="1086">১৬৬টি নিবন্ধিত দলের সাড়ে পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থী ও তরুণ উদ্ভাবক</strong> অংশ নেন। <span class="contents" data-content-reference-start="1129" data-content-reference-end="1146"><span class="" data-state="closed"></span></span></p>
<p data-start="1135" data-end="1396">উৎসবে <strong data-start="1141" data-end="1208">লাইন ফলোয়িং রোবট, রোবো সকার, টেকাথন, প্রজেক্ট শোকেস ও বোট রেসিং</strong>—এই পাঁচ বিভাগে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে লাইন ফলোয়িং রোবটে ৩৩, রোবো সকারে ২০, টেকাথনে ৩৫, প্রজেক্ট শোকেসে ৬৫ এবং বোট রেসিংয়ে ১৩টি দল অংশ নেয়। <span class="contents" data-content-reference-start="1372" data-content-reference-end="1389"><span class="" data-state="closed"></span></span></p>
<h3 data-section-id="1kkqczs" data-start="1398" data-end="1438"><span role="text"><strong data-start="1402" data-end="1438">প্রজেক্ট শোকেসে</strong></span><span role="text"><strong data-start="1402" data-end="1438"> চ্যাম্পিয়ন </strong></span><span role="text"><strong data-start="1402" data-end="1438">‘আবহয়া’</strong></span></h3>
<p data-start="1440" data-end="1572">প্রজেক্ট শোকেস বিভাগে <strong data-start="1462" data-end="1516">৮২.৮৩ নম্বর পেয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ‘আবহয়া’ (টিম-১০)</strong>। দলের সদস্য ওয়ালিউর রহমান, শুভ কুমার আচার্য ও পুনম পাল।</p>
<p data-start="1574" data-end="1691"><strong data-start="1574" data-end="1625">৭৯ নম্বর পেয়ে প্রথম রানারআপ ‘টিম আলফা’ (টিম-৫৯)</strong>। দলের সদস্য মো. তাহসান ইসলাম, মুফরিদ জোহানী ও শাদিয়া জামান তানহা।</p>
<p data-start="1693" data-end="1811"><strong data-start="1693" data-end="1747">৭৮.৩৩ নম্বর পেয়ে দ্বিতীয় রানারআপ ‘পুরিয়ন’ (টিম-৪৫)</strong>। দলের সদস্য মো. আবু মুসাব, অনিক কাদের ও মো. রিফাত হোসাইন সাজিদ।</p>
<h3 data-section-id="1s50v3t" data-start="1813" data-end="1844"><span role="text"><strong data-start="1817" data-end="1844">টেকাথনে হানট্রিক্সের জয়</strong></span></h3>
<p data-start="1846" data-end="1936">টেকাথন বিভাগে <strong data-start="1860" data-end="1905">১৫৪ নম্বর পেয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ‘HUNTRIX’</strong>। দলের সদস্য তৌহিদুল আলম সায়েম।</p>
<p data-start="1938" data-end="2063"><strong data-start="1938" data-end="1990">৯২ নম্বর পেয়ে প্রথম রানারআপ ‘KUET-PorotaDalVaji’</strong>। দলের সদস্য রেজওয়ান মুস্তাফা হাসান, ফারহান তাহমিদ ও তাসমিন হোসাইন জিহাদ।</p>
<p data-start="2065" data-end="2167"><strong data-start="2065" data-end="2111">৮৯ নম্বর পেয়ে দ্বিতীয় রানারআপ ‘Threatless’</strong>। দলের সদস্য সাঈদ জয়, তানভীর আহমেদ ও ফেরদৌস হাসান রাহিদ।</p>
<h3 data-section-id="6vtov4" data-start="2169" data-end="2212"><span role="text"><strong data-start="2173" data-end="2212">বোট রেসিংয়ে দুই শ্রেণিতে চ্যাম্পিয়ন</strong></span></h3>
<p data-start="2214" data-end="2356">বোট রেসিংয়ের <strong data-start="2227" data-end="2268">ওপেন ক্লাসে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে EF-40320</strong>। দলের সদস্য হিসেবে ফলাফলে ইসমাইল হোসাইন, আরিফিন আক্তার ও আনাজাত ইসলাম আবিরের নাম রয়েছে।</p>
<p data-start="2358" data-end="2450">অন্যদিকে <strong data-start="2367" data-end="2412">মোনো ক্লাসে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ‘Smokey ESC’</strong>। দলের সদস্য মো. ইয়াসিন, তৌহিদ ও আহাদ।</p>
<h3 data-section-id="1r6puc" data-start="2452" data-end="2486"><span role="text"><strong data-start="2456" data-end="2486">লাইন ফলোয়িং রোবটে দেশি-বটস</strong></span></h3>
<p data-start="2488" data-end="2596">লাইন ফলোয়িং রোবট বা এলএফআর বিভাগে <strong data-start="2522" data-end="2555">চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ‘Deshi-Bots’</strong>। দলের নেতৃত্বে ছিলেন আরাফাত ইসলাম মাহিম।</p>
<p data-start="2598" data-end="2659"><strong data-start="2598" data-end="2631">প্রথম রানারআপ ‘JU_Innovators’</strong>। দলের নেতা মো. নাফীস জামান।</p>
<p data-start="2661" data-end="2723"><strong data-start="2661" data-end="2689">দ্বিতীয় রানারআপ ‘Bahmud’</strong>। দলের নেতা মো. আহসান হাবিব সিয়াম।</p>
<h3 data-section-id="pxtwo7" data-start="2725" data-end="2758"><span role="text"><strong data-start="2729" data-end="2758">রোবো সকারে হাইপার ভোল্টেজ</strong></span></h3>
<p data-start="2760" data-end="2894">রোবো সকার বিভাগে <strong data-start="2777" data-end="2813">চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ‘Hyper Voltage’</strong>। প্রথম রানারআপ <strong data-start="2829" data-end="2852">‘TH DANGER BOT V.3’</strong> এবং দ্বিতীয় রানারআপ <strong data-start="2873" data-end="2893">‘IUBPC Meaw UWU’</strong>।</p>
<h3 data-section-id="1711cki" data-start="2896" data-end="2934"><span role="text"><strong data-start="2900" data-end="2934">প্রযুক্তি ও এআইতে তরুণদের মঞ্চ</strong></span></h3>
<p data-start="2936" data-end="3249">আয়োজকেরা জানান, রোবোফিউশন ১.০ শুধু প্রতিযোগিতা নয়, বরং তরুণদের রোবোটিক্স, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে আরও নিবিড়ভাবে যুক্ত করার একটি জাতীয় প্ল্যাটফর্ম। উৎসবের প্রতিযোগিতাগুলোর পাশাপাশি প্রযুক্তিগত জ্ঞান ও দক্ষতা বাড়াতে বিভিন্ন প্রায়োগিক সেশনেরও আয়োজন করা হয়। <span class="contents" data-content-reference-start="3205" data-content-reference-end="3222"><span class="" data-state="closed"></span></span></p>
<p data-start="3251" data-end="3484">এর আগে উৎসবের আয়োজকেরা জানিয়েছিলেন, <strong data-start="3287" data-end="3319">‘Innovate, Create, Automate’</strong> প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এই উৎসবের লক্ষ্য ছিল তরুণদের উদ্ভাবনী সক্ষমতা বিকাশ এবং বাস্তব সমস্যার প্রযুক্তিনির্ভর সমাধানে উৎসাহিত করা। <span class="contents" data-content-reference-start="3420" data-content-reference-end="3439"><span class="" data-state="closed"></span></span></p>
<p data-start="3486" data-end="3605">ওয়ালটনের পৃষ্ঠোপষকতায় উৎসবের ৮ আগষ্ট সন্ধ্যায় সমাপনী পর্বে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন <strong data-start="3538" data-end="3604">ইউএফটিবির বিদায়ী ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবু ইউসুফ</strong>। এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাষক মোঃ আশিকুচ্ছালেহীনের সভাপতিত্বে অন্যান্যের বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার আতাউর রাহমান খান, মার্ডান বায়োটেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক। ড. মোঃ বখতিয়ার, কেপিজে স্পেশাল হসপিটালের মার্কেটিং হেড মোঃ সজিব উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p data-start="3486" data-end="3605">অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন ইউএফটিবি রোবটিক্স ক্লাবের সভাপতি মোহাম্মদ মোরসালিন হোসেন মিশাদ। </p>
<p data-start="3806" data-end="3838">আয়োজকদের প্রত্যাশা, এ ধরনের জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতা দেশের তরুণদের হাতে-কলমে প্রযুক্তি উদ্ভাবনের সুযোগ বাড়াবে এবং ভবিষ্যতে রোবোটিক্স ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় বাংলাদেশের সক্ষমতা তৈরিতে ভূমিকা রাখবে।<br>/<strong>/ডিবিটেক/ এসএমই/ এমআইএস/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>‘ডিজিটাল টুইন’ গতি দেবে ‘সিলিকন রিভার’ বাস্তবায়নে</title>
<link>https://digibanglatech.news/186473</link>
<guid>https://digibanglatech.news/186473</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202608/image_870x580_6a795402a1f61.jpg" length="106426" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 10 Aug 2026 09:37:09 +0600</pubDate>
<dc:creator>সাইফুল ইসলাম সিদ্দিক</dc:creator>
<media:keywords>ডিজিটাল সিমিউলেশন, জিটাল টুইন এক্সপার্ট, ওয়েফার ফেব্রিকেশন প্ল্যান্ট, ফ্যাব ল্যাব</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>গত কয়েক দশক ধরে বাংলাদেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি হলো আমাদের তৈরি পোশাক (RMG) খাত। পোশাক শিল্প একটি কৃষিপ্রধান দেশকে বিশ্বের অন্যতম প্রধান তৈরি পোশাক রফতানিকারকে পরিণত করেছে। কিন্তু ক্রমবর্ধমান মজুরি, প্রযুক্তির পরিবর্তন এবং আন্তর্জাতিক বাজারের তীব্র প্রতিযোগিতার কারণে এখন এই খাতের ওপর চাপ বাড়ছে।</p>
<p>বাংলাদেশ এখন এমন একটি শিল্পে নজর দিচ্ছে, যা দেখতে শার্টের বোতামের চেয়েও ছোট কিন্তু প্রভাব ও গুরুত্বে বহুগুণ শক্তিশালী—তা হলো ‘সেমিকন্ডাক্টর’ বা মাইক্রোচিপ।</p>
<p>‘সিলিকন রিভার’ ভিশনের ওপর ভর করে ২০৩০ সালের মধ্যে সেমিকন্ডাক্টর খাত থেকে ১ বিলিয়ন (১০০ কোটি) ডলার রফতানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। সিদ্ধান্তটি অত্যন্ত সময়োপযোগী। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), রোবটিক্স, বৈদ্যুতিক গাড়ি (EV), টেলিযোগাযোগ, চিকিৎসা সরঞ্জাম থেকে শুরু করে নরোবটিক্স, বৈদ্যুতিক গাড়ি—আধুনিক প্রতিটি শিল্পের মূল ভিত্তি হলো এই সেমিকন্ডাক্টর।</p>
<p><strong>আমাদের ভিত্তি ও সম্ভাবনা</strong><br>শুধু স্বপ্ন দেখে বৈশ্বিক চিপের বাজারে জায়গা করে নেওয়া যাবে না, তবে আমাদের একটি শক্ত সূচনা পয়েন্ট রয়েছে। বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (BIDA) তথ্য অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে ৭০০-রও বেশি অভিজ্ঞ চিপ ডিজাইনার রয়েছেন এবং প্রতি বছর কম্পিউটার ও ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে প্রায় ২০,০০০ গ্র্যাজুয়েট বের হচ্ছেন। এক্ষেত্রে তাদের দক্ষতা উন্নয়নে ডিজিটাল টুইন আমাদের জন্য দারুণ একটা সুযোগ তৈরি করতে পারে। এটি ব্যবহারের মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সিং থেকে শুরু করে শিল্পকর্মেও আমাদের প্রকৌশলীরা বিশ্বমঞ্চে দক্ষতার স্বাক্ষর রাখতে সক্ষম হবেন।</p>
<p>আমাদের শুরুতেই শত শত কোটি ডলার খরচ করে বিশাল 'ওয়েফার ফেব্রিকেশন প্ল্যান্ট' বা ফ্যাব্রিকেটর (Fab) তৈরির আগে ডিজিটাল টুইনে মনযোগী হতে হবে। কেননা, সব আধুনিক ম্যানুফ্যাকচারিং প্লান্ট এর ডিজিটাল টুইন দরকার। কিন্তু এখানে ডিজিটাল টুইন বিষয়ে যেমন শেখানো হয় না; তেমনি শিল্প ক্ষেত্রেও এর ব্যবহার নেই । তাই সবচেয়ে আগে এটির ব্যবহার প্রয়োজন বোধ করছে সেমিকন্ডাক্টর ইন্ডাস্ট্রি। তাই ছয় মাসের ট্রেনিং এর মাধ্যমে লাখ লাখ আইটি  প্রফেশনাল দেরকে পিভোট করানো সম্ভব।</p>
<p>একজন ডিজিটাল টুইন এক্সপার্ট বা ইঞ্জিনিয়ারের আয় বিশ্বব্যাপী অত্যন্ত আকর্ষণীয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এই পেশায় গড় বার্ষিক আয় প্রায় ১৩৯,০০০ থেকে ১৫৮,০০০ মার্কিন ডলার এবং অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে সিনিয়র পদে তা ১,৮০,০০০ থেকে ২,৮০,০০০ ডলারে পৌঁছাতে পারে। অন্যদিকে, ভারতে বার্ষিক গড় আয় প্রায় ১৫ লাখ থেকে ২৫ লাখ রুপি পর্যন্ত হয়ে থাকে।</p>
<p>অপরদিকে ‘ফ্যাব’ তৈরি করা অত্যন্ত ব্যয়বহুল, ঝুঁকিপূর্ণ এবং এর জন্য নিরবচ্ছিন্ন উচ্চ প্রযুক্তির পরিকাঠামো প্রয়োজন। তাই ফ্যাবের আগে আমাদের জন্য সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ হবে তরুণ প্রকৌশলীদের দক্ষতাকে কাজে লাগানো। </p>
<p><strong>প্রথম ধাপেই ‘ডিজিটাল টুইন’ ব্যবহারের গুরুত্ব</strong><br>বাংলাদেশকে সেমিকন্ডাক্টর খাতের শিল্পায়নের প্রথম ধাপেই গবেষণা ও উন্নয়ন (R&amp;D) থেকে শুরু করে পোস্ট-প্রোডাকশন এবং ভোক্তাদের অভিজ্ঞতা জানার জন্য ডিজিটাল টুইন-এ জোর দিতে হবে।</p>
<p>ডিজিটাল টুইন হলো কোনো বাস্তব পণ্য, যন্ত্র বা পুরো কারখানার একটি জীবন্ত এবং পরিবর্তনশীল ডিজিটাল প্রতিরূপ। এটি বাস্তব ও ডিজিটাল জগতকে একই সুতোয় বেধে ফেলে; ফলে বাস্তবে চিপ বা প্রোটোটাইপ তৈরির আগেই ডিজিটাল মডেলে তা সিমিউলেশন, টেস্ট এবং অপটিমাইজ করা সম্ভব হয়।</p>
<p><strong>ডিজিটাল টুইন ব্যবহারের সরাসরি সুবিধা</strong><br>ঝুঁকি ও খরচ হ্রাস: বাস্তবে চিপ বানানোর আগেই ডিজিটাল মডেলে পরীক্ষা করা যায় বলে কোটি টাকার শারীরিক প্রোটোটাইপ তৈরির খরচ ও ঝুঁকি বেঁচে যায়।<br>প্রথমবারেই নিখুঁত ফলাফল: চিপের ত্রুটি বা পারফরম্যান্স আগে থেকেই পূর্বাভাস করা যায়, ফলে পুনর্বার কাজ করার প্রয়োজন কমে।<br>উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি: সিস্টেমের ডাউনটাইম কমে, রক্ষণাবেক্ষণ সহজ হয় এবং ডিজাইনের সর্বোচ্চ পুনঃব্যবহার (Reuse) নিশ্চিত করা যায়।<br>ছোট থেকে শুরু করে বড় পরিসরে রূপান্তর: নতুন স্টার্টআপ এবং গবেষকরা ডিজিটাল সিমিউলেশনের মাধ্যমে ছোট স্কেলে কাজ শুরু করে ধীরে ধীরে বড় পরিসরে যেতে পারেন।</p>
<p><strong>বাস্তবায়নযোগ্য অ্যাকশন প্ল্যান</strong><br>এই ভিশনকে বাস্তবে রূপ দিতে সুনির্দিষ্ট ৫টি স্তম্ভে কাজ করতে হবে:<br><strong>১. দক্ষ মানবসম্পদ ও ডিজিটাল অবকাঠামো</strong>: ভিএলএসআই (VLSI), মাইক্রোইলেকট্রনিক্স এবং ইডিএ (EDA) কোর্সের আধুনিকায়ন। শিক্ষার্থী ও স্টার্টআপদের জন্য যৌথ উদ্যোগে ‘ডিজিটাল টুইন ও ইডিএ সিমুলেশন ল্যাব’ স্থাপন করা, যাতে তারা ব্যয়বহুল সফ্টওয়্যারগুলো সহজে ব্যবহার করতে পারে।</p>
<p><strong>২. নীতি ও অবকাঠামোগত নিশ্চয়তা:</strong> বাজেটে ঘোষিত কাঁচামাল আমদানিতে ১% ডিউটি এবং ২০৩১ সাল পর্যন্ত কর অব্যাহতির সুবিধা লাল ফিতার দৌরাত্ম্য মুক্ত করে দ্রুত কার্যকর করা। একইসঙ্গে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ, দ্রুতগতির ডাটা করিডোর, শক্তিশালী সাইবার নিরাপত্তা এবং মেধা সম্পদ সুরক্ষা (IP Protection) নিশ্চিত করা।</p>
<p><strong>৩. আঞ্চলিক বাস্তবতা ও নিজস্ব অবস্থান তৈরি: </strong>ভারত তাদের সেমিকন্ডাক্টর খাতে প্রায় ১৯ বিলিয়ন ডলার (১.৬ লাখ কোটি রুপি) বিনিয়োগ করছে। ভারত বা তাইওয়ানের সাথে সরাসরি প্রতিযোগিতায় না গিয়ে বাংলাদেশের উচিত চিপ ডিজাইন, ডিজিটাল টুইন সিমিউলেশন, ভেরিফিকেশন এবং পরবর্তীতে অ্যাসেম্বলি ও টেস্টিং (ATP) খাতে প্রাধান্য দেওয়া। </p>
<p><strong>৪. পোস্ট-প্রোডাকশন টেস্টিং, প্যাকেজিং ও গ্রাহক মতামত মূল্যায়ন:</strong> চিপ ডিজাইনে দক্ষতা অর্জনের পর ধীরে ধীরে সেমিকন্ডাক্টর অ্যাসেম্বলি, টেস্টিং এবং প্যাকেজিং (ATP/OSAT) শিল্পে প্রবেশ করে আন্তর্জাতিক সাপ্লাই চেইনে নিজস্ব অবস্থান বড় করা। এরপর অ্যাসেম্বলি ও টেস্টিংয়ে রূপান্তর করা সম্ভব হয়।<br><strong>৫. সার্বিক লাইফসাইকেল পর্যবেক্ষণ:</strong> বাজারে চিপ ছাড়ার পর ব্যবহারকারীর বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং পারফরম্যান্স ডেটা ডিজিটাল টুইনের মাধ্যমে রিয়েল-টাইমে সংগ্রহ করা। সেই তথ্য পুনরায় আরএন্ডডি (R&amp;D) ও পরবর্তী চিপ ডিজাইনে ব্যবহার করে সেমিকন্ডাক্টরের মান নিরবচ্ছিন্নভাবে উন্নত করা।</p>
<p><strong>স্বপ্ন থেকে বাস্তবায়নে</strong><br>এক বিলিয়ন ডলার রফতানির লক্ষ্যমাত্রা কেবল একটি সংখ্যা নয়, এটি আমাদের জাতীয় দক্ষতার পরীক্ষা। পোশাক খাত সফল হয়েছিল কারণ আমরা দশকের পর দশক ধরে এর চারপাশে একটি শক্তিশালী ইকোসিস্টেম তৈরি করেছি। সেমিকন্ডাক্টর শিল্পেও ঠিক একই রকম ধৈর্য, নিখুঁত পরিকল্পনা ও প্রযুক্তিগত দূরদর্শিতা প্রয়োজন।</p>
<p>‘সিলিকন রিভার’ ভিশন অবশ্যই অর্জন যোগ্য। আসল চ্যালেঞ্জ হলো বৈশ্বিক প্রযুক্তির সাপ্লাই চেইনে শক্ত অবস্থান তৈরি করতে আমরা ডিজিটাল-ফার্স্ট এই কঠিন কাজগুলো কতটা দক্ষতার সাথে বাস্তবায়ন করছি।</p>
<hr>
<p><strong>লেখকঃ </strong>প্রকাশক, ডিজিবাংলা, সম্পাদক, সারবাংলা, উদ্যোক্তা ও জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি, আইএসপিএবি</p>
<hr>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটকে কেন্দ্র করে নাফসিনকে জড়িয়ে গুজব ছড়ানোর তথ্য উন্মোচন</title>
<link>https://digibanglatech.news/186369</link>
<guid>https://digibanglatech.news/186369</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;8,0,0&quot;&gt;শর্ট সার্কিটের আগুন নিয়ে ফেসবুকে ৩২টি অসত্য পোস্ট শনাক্ত&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;8,1,0&quot; id=&quot;p-rc_81499da857174613-35&quot;&gt;&lt;span class=&quot;citation-77 citation-end-77&quot;&gt;এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে নাফসিনের বিকৃত ছবি ছড়ানো হয়&lt;/span&gt;&lt;sources-carousel-inline ng-version=&quot;0.0.0-PLACEHOLDER&quot; _nghost-ng-c2510184733=&quot;&quot;&gt;&lt;source-inline-chip _ngcontent-ng-c2510184733=&quot;&quot; _nghost-ng-c615924515=&quot;&quot; class=&quot;ng-star-inserted&quot;&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;/source-inline-chip&gt;&lt;!--- ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202608/image_870x580_6a7812fb7d828.jpg" length="90271" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 09 Aug 2026 09:41:32 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>রিউমর স্ক্যানার, নাফসিন মেহনাজ, পাকিস্তানি হাইকমিশনার, অপপ্রচার, তথ্য যাচাই, ফায়ার সার্ভিস, ডিপ্লোমেটিক সিকিউরিটি, এআই, ফ্যাক্টচেক</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><b data-path-to-node="14" data-index-in-node="0">ঢাকা:</b> গুলশানে পাকিস্তানি হাইকমিশনার ইমরান হায়দারের বাসভবনে গত ৬ আগস্ট রাতে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাকে কেন্দ্র করে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পরিকল্পিত কুচক্রী অপপ্রচারের তথ্য উন্মোচন করেছে ফ্যাক্টচেকিং প্রতিষ্ঠান রিউমর স্ক্যানার। <span class="citation-74 citation-end-74">আগুন লাগার মাত্র দেড় ঘণ্টার মধ্যে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও জুলাই আন্দোলনের সক্রিয়কর্মী নাফসিন মেহনাজকে জড়িয়ে ভিত্তিহীন দাবি ছড়াতে শুরু করে একটি গোষ্ঠী। <sup _ngcontent-ng-c717954970="" class="superscript" data-turn-source-index="6"><!----></sup></span><sources-carousel-inline ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER" _nghost-ng-c2510184733=""><source-inline-chip _ngcontent-ng-c2510184733="" _nghost-ng-c615924515="" class="ng-star-inserted"></source-inline-chip></sources-carousel-inline></p>
<p><span class="citation-74 citation-end-74"><span class="citation-73 citation-end-73">রিউমর স্ক্যানারের অনুসন্ধানে দেখা যায়, অন্তত ৩২টি আইডি ও পেজ থেকে এই অসত্য দাবি প্রচার করা হয়।<sup _ngcontent-ng-c717954970="" class="superscript" data-turn-source-index="7"><!----></sup></span> <span class="citation-72 citation-end-72">সেখানে অনৈতিক সম্পর্ক ও আত্মহত্যার চেষ্টার মতো কাল্পনিক গল্প জুড়ে দেওয়া হয়।<sup _ngcontent-ng-c717954970="" class="superscript" data-turn-source-index="8"><!----></sup></span> <span class="citation-71 citation-end-71">অথচ ফায়ার সার্ভিস ও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ডিপ্লোমেটিক সিকিউরিটি ডিভিশন নিশ্চিত করেছে—অগ্নিপ্রকোপটির আসল কারণ ছিল বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট বা পোড়া একটি টেলিভিশন।<sup _ngcontent-ng-c717954970="" class="superscript" data-turn-source-index="9"><!----></sup></span><sources-carousel-inline ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER" _nghost-ng-c2510184733=""> <source-inline-chip _ngcontent-ng-c2510184733="" _nghost-ng-c615924515="" class="ng-star-inserted"></source-inline-chip></sources-carousel-inline></span></p>
<p><span class="citation-74 citation-end-74"><span class="citation-70 citation-end-70">গবেষণায় দেখা যায়, ছড়িয়ে পড়া বিভ্রান্তিকর পোস্টগুলোকে মূলত ৫টি ক্যাটাগরিতে ভাগ করা যায়।<sup _ngcontent-ng-c717954970="" class="superscript" data-turn-source-index="10"><!----></sup></span> <span class="citation-69 citation-end-69">এতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই (Google Gemini AI) ব্যবহার করে নাফসিনের ছবি বিকৃত করা হয় এবং ভূয়া গর্ভবতী সাজিয়ে অত্যন্ত আপত্তিকর ভাষা ব্যবহার করা হয়।<sup _ngcontent-ng-c717954970="" class="superscript" data-turn-source-index="11"><!----></sup></span> <span class="citation-68 citation-end-68">এমনকি ভারতের ‘GEOPulse’ নামক কন্টেন্ট প্ল্যাটফর্মেও এই অসত্য ভিডিও লাখ লাখ বার দেখা হয়।<sup _ngcontent-ng-c717954970="" class="superscript" data-turn-source-index="12"><!----></sup></span> মূলত ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে সাবেক পাকিস্তানি হাইকমিশনার সৈয়দ আহমেদ মারুফের একটি আমন্ত্রণে অংশ নেওয়া ছবিকে কেন্দ্র করেই শুরু থেকেই নাফসিনকে বারবার রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে টার্গেট বানিয়ে এই অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।<sources-carousel-inline ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER" _nghost-ng-c2510184733=""> <source-inline-chip _ngcontent-ng-c2510184733="" _nghost-ng-c615924515="" class="ng-star-inserted"></source-inline-chip></sources-carousel-inline></span></p>
<p><span class="citation-74 citation-end-74"><span>এসব পোস্টের কোনোটিতে ‘এমন শুনলাম’, কোনোটিতে ‘দাবি’ আবার কোনোটিতে এটিকে সিদ্ধান্তমূলকভাবে উপস্থাপন করা হয়। অনুসন্ধান বলছে,  </span></span>নাফসিনকে জড়িয়ে এসব অপপ্রচার সীমান্তের কাঁটাতার পেরিয়ে পৌঁছে গেছে ভারতেও। GEOPulse নামে ভারতীয় একটি কনটেন্ট প্ল্যাটফর্মে (<a href="https://archive.ph/Eegpj" target="_blank" rel="noopener">ফেসবুক</a>,<span> </span><a href="https://archive.ph/Yt2ut" target="_blank" rel="noopener">ইউটিউব</a>) একই দাবির একটি ভিডিও দেখা হয়েছে লক্ষাধিক বার।</p>
<p><span>রিউমর স্ক্যানার আলোচিত এই ইস্যুর সূত্রপাত অনুসন্ধান করতে গিয়ে </span><a href="https://archive.ph/qCjq1" target="_blank" rel="noopener">‘Aronno Abir’</a><span> নামের একটি প্রোফাইলে ০৬ আগস্ট রাত পৌনে দশটার কিছু আগে এ সংক্রান্ত সম্ভাব্য প্রথম </span><a href="https://megalodon.jp/2026-0808-0254-23/https://www.facebook.com:443/61591784220658/posts/122115612519392807/?app=fbl" target="_blank" rel="noopener">পোস্টটি</a><span> খুঁজে পায়। </span></p>
<p><span>এই প্রোফাইলটি মূলত আওয়ামী পন্থী ফেসবুক প্ল্যাটফর্ম ক্র্যাক প্লাটুনের সাথে যুক্ত। পরবর্তীতে একই গ্রুপের <a href="https://megalodon.jp/2026-0808-0312-14/https://www.facebook.com:443/61591583970161/posts/122117878989386132/?app=fbl" target="_blank" rel="noopener">Ryan Draper</a> নামের আরেক প্রোফাইল থেকেও একই পোস্ট করা হয়৷ রিউমর স্ক্যানারের গত জুলাইয়ের এক <a href="https://rumorscanner.com/fact-file/hsc-protests-disinformation-same-cycle-of-tactics-repeated/212199">প্রতিবেদন</a> সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশে গেল বেশ কয়েক মাসে ক্র্যাক প্লাটুন বাংলাদেশ গ্রুপ এবং এর সাথে যুক্ত একাধিক সার্কাজম-ভুঁইফোঁড় পেজের মাধ্যমে রাজনৈতিক বিভিন্ন ইস্যুতে অপতথ্যের প্রচারে এই গ্রুপের নাম ঘুরেফিরে এসেছে। গ্রুপটির এডমিন Aronno Abir নামের এই প্রোফাইল। একই গ্রুপের সাথে সংশ্লিষ্ট <a href="https://megalodon.jp/2026-0718-0012-52/https://www.facebook.com:443/rebroar71" target="_blank" rel="noopener">Rebellious Roar</a> ও <a href="https://megalodon.jp/2026-0718-0012-55/https://www.facebook.com:443/leo.cypher.2025" target="_blank" rel="noopener">Leo Cypher</a> নামে আরো দুইটি প্রোফাইল শনাক্ত করেছে রিউমর স্ক্যানার। অনলাইন ভেরিফিকেশন ও মিডিয়া গবেষণা প্লাটফর্ম ডিসমিসল্যাবও সম্প্রতি সাংবাদিক ও এক্টিভিস্টদের ফেসবুক প্রোফাইল বন্ধ করে দেওয়ার হোতা হিসেবে এই গ্রুপকে <a href="https://dismislab.com/research/how-political-actors-abuse-meta-safety-system-to-silence-voices/" target="_blank" rel="noopener">শনাক্ত</a> করেছে। </span></p>
<figure class="wp-block-image size-large"><a href="https://cdn.rumorscanner.net/wp-content/uploads/2026/08/unnamed-2026-08-08T172029.390.jpg" class="td-modal-image"></a></figure>
<p><span class="citation-74 citation-end-74">তথ্যসূত্র: <response-element class="no-md" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element><a _ngcontent-ng-c446794622="" target="_blank" rel="noopener" externallink="" _nghost-ng-c644816020="" jslog="197247;track:generic_click,impression,attention;BardVeMetadataKey:[[&quot;r_4cce947a5b1bddfc&quot;,&quot;c_56bb574afb56ee20&quot;,null,&quot;rc_81499da857174613&quot;,null,null,&quot;bn&quot;,null,1,null,null,1,0]]" href="https://rumorscanner.com/digital-investigation/fire-at-pakistan-high-commissioners-residence-how-nafsin-was-targeted/214286" class="ng-star-inserted" data-hveid="0" decode-data-ved="1" data-ved="0CAAQ_4QMahgKEwibu8zu0pKWAxUAAAAAHQAAAAAQ6gE">রিউমর স্ক্যানার ফ্যাক্টচেক প্রতিবেদন</a></span></p>
<div class="td_block_wrap tdb_single_content tdi_103 td-pb-border-top td_block_template_1 td-post-content tagdiv-type" data-td-block-uid="tdi_103">
<div class="tdb-block-inner td-fix-index">
<p class="wp-block-paragraph">প্রসঙ্গত, পাকিস্তানের সাথে নাফসিন মেহনাজকে জড়িয়ে অপতথ্য এবং অপপ্রচারের শুরুটা ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে। নাফসিন সম্প্রতি এক ফেসবুক<span> </span><a href="https://www.facebook.com/share/v/1KQZUZGfvQ/" target="_blank" rel="noopener">ভিডিওতে</a><span> </span>বলছিলেন, গেল বছর অভ্যুত্থানের পরবর্তী প্রথম<span> </span><a href="https://www.facebook.com/100001255706076/posts/9744395572278869/?app=fbl" target="_blank" rel="noopener">রমজানে</a><span> </span>তাকে জড়িয়ে এমন অপপ্রচার শুরু হয়। এরপর সৈয়দ আহমেদ মারুফের অনুষ্ঠানে গিয়ে তোলা ছবি নিয়ে এখনও অপপ্রচারের লক্ষ্যবস্তু বানানো হচ্ছে তাকে। এমনকি তিনি পাকিস্তানের হাইকমিশনারের সাথে কক্সবাজারে গিয়েছেন বলেও ভুয়া তথ্য ছড়ানো হয় বলে জানান। তাকে নিয়ে অতি সাম্প্রতিক অপপ্রচারের ক্যাম্পেইনের বিষয়ে জানতে চাইলে নাফসিন রিউমর স্ক্যানারকে জানান, সৈয়দ আহমেদ মারুফের আমন্ত্রণে গত বছরের এপ্রিলে হাইকমিশনের অনুষ্ঠানে যাওয়ার পর আর সেখানে যাননি তিনি। “আমি এমনকি এখন নতুন হাইকমিশনার হিসেবে যে এসেছেন তার নামও জানি না, তিনি নতুন কবে দায়িত্ব পেয়েছেন সেটাও জানিনা।” </p>
<p class="wp-block-paragraph">নাফসিন মনে করেন, একটি গ্রুপ এসব প্রোপাগাণ্ডা ছড়ানোর পেছনে কাজ করছে। তিনি বলছেন, “আমিও এবার এসবের বিরুদ্ধে শক্ত পদক্ষেপ নিতে চাচ্ছি।”</p>
</div>
</div>
<p data-path-to-node="18">/<strong>/ডিবিটেক/আরএস/এমআইএস/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>কমিউনিকেশনস পেশাজীবীদের এআই দক্ষতা বাড়াতে বিসিপিএসের মাস্টারক্লাস</title>
<link>https://digibanglatech.news/186406</link>
<guid>https://digibanglatech.news/186406</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;2,0,0&quot;&gt;রাজধানীতে অনুষ্ঠিত ‘ডেভেলপমেন্ট কমিউনিকেশনসে এআইয়ের ব্যবহার’ শীর্ষক বিশেষ মাস্টারক্লাস&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;2,1,0&quot;&gt;উন্নয়ন সংস্থা, করপোরেট ও গণমাধ্যমসহ বিভিন্ন খাতের ৩৫ জন পেশাজীবীর হাতে-কলমে অংশ গ্রহণ&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;2,2,0&quot;&gt;প্রেস বিজ্ঞপ্তি, কনটেন্ট তৈরি, ডেটা অ্যানালাইসিস ও প্রম্পট রাইটিংয়ের ওপর ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202608/image_870x580_6a7852fe132ea.jpg" length="109310" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 09 Aug 2026 09:31:51 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>বিসিপিএস, এআই, কৃত্রিমবুদ্ধিমত্তা, মাস্টারক্লাস, কমিউনিকেশনস, প্রযুক্তি, ঢাকা</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="7"><b data-path-to-node="7" data-index-in-node="0">৯ আগস্ট, রবিবার:</b> কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এখন আর ভবিষ্যতের দূরবর্তী বিষয় নয়, বরং এটি বর্তমানে যোগাযোগ ও কমিউনিকেশনস খাতের দৈনন্দিন কাজের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার। প্রেস বিজ্ঞপ্তি, প্রতিবেদন তৈরি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কনটেন্ট নির্মাণ, গবেষণা ও প্ল্যানিং সহজ করতে কমিউনিকেশনস পেশাজীবীদের নিয়ে একটি বিশেষ মাস্টারক্লাসের আয়োজন করেছে বাংলাদেশ কমিউনিকেশনস প্রফেশনালস সোসাইটি (বিসিপিএস)।</p>
<p data-path-to-node="8">রাজধানীর বাংলামটরে অবস্থিত উন্নয়ন সমন্বয় মিলনায়তনে শনিবার (৮ আগস্ট) ‘ডেভেলপমেন্ট কমিউনিকেশনসে এআইয়ের ব্যবহার’ শীর্ষক এ মাস্টারক্লাস অনুষ্ঠিত হয়। এতে উন্নয়ন সংস্থা, করপোরেট প্রতিষ্ঠান, গণমাধ্যম, সরকারি-বেসরকারি খাত ও বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রায় ৩৫ জন পেশাজীবী অংশ নেন।</p>
<p data-path-to-node="9">দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণে বিভিন্ন এআই সরঞ্জামের ব্যবহার, সঠিক প্রম্পট (Prompt) লেখার কৌশল, প্রেস বিজ্ঞপ্তি ও বক্তব্য তৈরি, ডেটা অ্যানালাইসিস এবং দৈনন্দিন কাজের সময় কমিয়ে কাজের মান বাড়াতে এআইয়ের ব্যবহারিক প্রয়োগ শেখানো হয়।</p>
<p data-path-to-node="10">মাস্টারক্লাসটি যৌথভাবে পরিচালনা করেন নগদের ক্রিয়েটিভ লিড (এআই) মো. আব্দুর রউফ এবং বিইউপি-র গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও বিসিপিএসের গবেষণা পরিচালক মালিহা তাবাসসুম। তারা এআই দিয়ে কনটেন্ট তৈরি, উপস্থাপনা এবং ভিজ্যুয়াল স্টোরিটেলিংয়ের নানা দিক ব্যবহারিক অনুশীলনের মাধ্যমে তুলে ধরেন।</p>
<p data-path-to-node="12">বিসিপিএসের চেয়ারপারসন টনি মাইকেল গোমেজ তাঁর বক্তব্যে বলেন, “এআই কখনই কমিউনিকেশনস পেশাজীবীদের বিকল্প হতে পারে না; বরং যারা এআই দক্ষতার সঙ্গে ব্যবহার করতে পারবেন, তারাই ভবিষ্যতে এগিয়ে থাকবেন। পেশাজীবীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা বাড়াতেই আমাদের এই উদ্যোগ।” বিসিপিএসের ক্যাপাসিটি বিল্ডিং পরিচালক জাকিয়া হক নীলা পুরো প্রশিক্ষণ কর্মশালাটি সমন্বয় করেন।<br>/<strong>/ডিবিটেক/ এআরএল/ এসএমই/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>চার শহরে অনুষ্ঠিত হলো বিডিএমএসও ২০২৬</title>
<link>https://digibanglatech.news/186340</link>
<guid>https://digibanglatech.news/186340</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;9,0,0&quot;&gt;চার শহরে ৮০০ শিক্ষার্থীর মধ্যে ১৮০ জন বিজয়ী&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;9,1,0&quot;&gt;১১-২০ আগস্ট অনলাইনে অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় ক্যাম্প&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;9,2,0&quot;&gt;ইন্দোনেশিয়ায় ২৩তম আইএমএসও-তে অংশ নেবে চূড়ান্ত দল&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202608/image_870x580_6a776f4f43d72.jpg" length="128795" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 08 Aug 2026 21:05:53 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>বিডিএমএসও, অলিম্পিয়াড, গণিত, বিজ্ঞান, মেধানুসন্ধান, আইএমএসও, এসপিএসবি, বিডিওএসএন, ফলাফল</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="15"><b data-path-to-node="15" data-index-in-node="0">ঢাকা:</b> প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য আয়োজিত দেশের অন্যতম বৃহৎ মেধা যাচাই প্রতিযোগিতা ‘বাংলাদেশ গণিত ও বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড (বিডিএমএসও) ২০২৬’-এর জাতীয় পর্ব আজ শনিবার ঢাকা, চট্টগ্রাম, রংপুর ও সিলেটে একযোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে। চার শহরের প্রায় আটশত প্রতিযোগীর মধ্য থেকে সর্বমোট ১৮০ জন শিক্ষার্থীকে বিজয়ী নির্বাচিত করা হয়েছে।</p>
<p data-path-to-node="16">ঢাকার সেন্ট জোসেফ উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত পর্বে ৫৫২ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ১২৮ জন বিজয়ী হয়। এছাড়া চিটাগাং ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটিতে ১১৫ জনের মধ্যে ২৭ জন, রংপুরের ইন্টারন্যাশনাল গ্রামার স্কুলে ৪৭ জনের মধ্যে ১৩ জন এবং সিলেটের মুহিবুর রহমান একাডেমিতে ৪৪ জনের মধ্যে ১২ জন বিজয়ী হয়েছে। গণিত ও বিজ্ঞান দুই বিভাগে আয়োজিত মূল পরীক্ষার পর সুমোবট ফাইট, পাপেট শো, ম্যাজিক শো এবং সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মধ্য দিয়ে মূল আয়োজন সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এসপিএসবি ও বিডিওএসএন-এর সভাপতি মুনির হাসান এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন ব্রাদার লিও জেমস পেরেরা, সিএসসি।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202608/image_870x_6a776f6699faf.jpg" alt=""></p>
<p>সিলেটে জাতীয় পর্বের একজন বিজয়ী হবিগঞ্জ বানিয়াচং থানার চৌধুরী পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থী মরিয়ম আক্তার বলেন, এরকম অলিম্পিয়াডে এটা তার প্রথম অংশগ্রহণ। তার অসাধারণ অভিজ্ঞতা অর্জিত হয়েছে। সে পুরস্কার পেয়ে খুবই আনন্দিত। পরবর্তী ধাপগুলোর জন্য সে অনেক উৎসাহী।<o:p></o:p></p>
<p>তার বাবা শেখ আবুল মনসুর আহমদ বলেন, “আমরা কল্পনাও করতে পারিনি এতো দূর থেকে এসে, সরকারি প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষার্থী হিসেবে আমার মেয়ে পুরস্কার পাবে। এতে বুঝা যায়, অলিম্পিয়াডের রেজাল্ট প্রক্রিয়াটা খুবই স্বচ্ছ। আর অলিম্পিয়াডে বাচ্চাদেরকে যেসমস্ত গিফট দেয়া হয়েছে সেগুলো খুবই ভাল লেগেছে। বাচ্চারা এগুলো পেয়ে খুবই খুশি হয়েছে। আয়োজকরা খুবই আন্তরিক ছিল। তাঁদেরকে অনেক ধন্যবাদ জানাই।”<o:p></o:p></p>
<p>গত বছর মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিত ২২তম আইএমএসওতে বাংলাদেশের ১২ সদস্যের দল শতভাগ সাফল্য অর্জন করে ২টি রৌপ্য ও ১০টি ব্রোঞ্জ পদক জেতে।</p>
<p data-path-to-node="17">বিজয়ী শিক্ষার্থীদের নিয়ে আগামী ১১ থেকে ২০ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত অনলাইনে জাতীয় ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ২১ ও ২২ আগস্ট যথাক্রমে গণিত ও বিজ্ঞানের দল নির্বাচনী পরীক্ষার মাধ্যমে ইন্দোনেশিয়ার পশ্চিম জাভায় অনুষ্ঠিতব্য ২৩তম আন্তর্জাতিক গণিত ও বিজ্ঞান অলিম্পিয়াডের (আইএমএসও) বাংলাদেশ দল গঠন করা হবে। প্রতিযোগিতার ফলাফল সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে official ওয়েবসাইট bdmso.org-এ।</p>
<p data-path-to-node="18">/<strong>/ডিবিটেক/ টিআর/ এসমই/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>তথ্যযুদ্ধের ভবিষ্যৎ, বাংলাদেশের করণীয় এবং নাগরিকের দায়িত্ব</title>
<link>https://digibanglatech.news/186392</link>
<guid>https://digibanglatech.news/186392</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202608/image_870x_6a6f385f6d0e8.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 08 Aug 2026 14:20:07 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>একসময় ধারণা করা হয়েছিল তথ্যপ্রযুক্তির বিকাশ গণতন্ত্রকে সংহত করবে এবং নাগরিক অংশগ্রহণ বাড়াবে। তবে ২০২৪ থেকে ২০২৬ সালের বৈশ্বিক অভিজ্ঞতা প্রমাণ করেছে যে, এই প্রযুক্তিকেই যখন সংগঠিত অপপ্রচার ও কৃত্রিম জনমত তৈরির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়, তখন তা গণতন্ত্রের জন্য এক অভূতপূর্ব ঝুঁকি তৈরি করে। তথ্যযুদ্ধ আর ভবিষ্যতের কোনো আশঙ্কা নয়, এটি আমাদের বর্তমান বাস্তবতা।</p>
<h3><span style="font-size: 10pt;">১. আধুনিক তথ্যযুদ্ধের প্রকৃতি ও বট বাহিনীর মেকানিজম</span></h3>
<p><strong>মাল্টি-লেয়ার্ড ডিজিটাল অ্যাটাক:</strong> বট বাহিনী কেবল স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যার নয়; এটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), ট্রল নেটওয়ার্ক, ভুয়া অ্যাকাউন্ট, স্পনসরড ডিজিটাল ক্যাম্পেইন ও অ্যালগরিদমের সমন্বয়ে গঠিত এক জটিল ব্যবস্থা।</p>
<p><strong>অ্যালগরিদমকে বিভ্রান্ত করা:</strong> সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মূল চালিকাশক্তি হলো ইউজার এঙ্গেজমেন্ট। বট বাহিনী হাজারো ভুয়া অ্যাকাউন্ট থেকে একই বার্তা ছড়িয়ে কৃত্রিম সক্রিয়তা (Artificial Engagement) তৈরি করে, যা অ্যালগরিদমকে বিভ্রান্ত করে বিষয়টিকে প্রকৃত ব্যবহারকারীদের কাছে ভাইরাল করে দেয়।</p>
<p><strong>ব্যক্তিভিত্তিক মনস্তাত্ত্বিক টার্গেটিং (Hyper-Personalized Targeting): </strong>কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারকারীর রাজনৈতিক মতাদর্শ, সংবেদনশীলতা ও ভাষার ব্যবহার বিশ্লেষণ করে ব্যক্তিভেদে ভিন্ন ভিন্ন বার্তা তৈরি করতে পারে। ফলে প্রতিটি নাগরিক আলাদা আলাদা ডিজিটাল প্রভাব অভিযানের লক্ষ্যবস্তু হতে পারেন।</p>
<h3><span style="font-size: 10pt;">২. বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট ও বিদ্যমান ঝুঁকি</span></h3>
<p>বাংলাদেশ দ্রুত বর্ধনশীল ইন্টারনেট ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীর দেশ। এখানে মোবাইল ফোননির্ভর সংবাদ গ্রহণের প্রবণতা বেশি হওয়ায় যেকোনো গুজব বা অসম্পূর্ণ তথ্য দ্রুত দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ে:</p>
<p><strong>সামাজিক ও আইনশৃঙ্খলা সংকট:</strong> কোনো ঘটনা বা কনটেন্ট ভাইরাল হওয়ার পর তথ্যের সত্যতা যাচাইয়ের আগেই জনমত গড়ে ওঠে। এর ফলে ব্যক্তি সামাজিকভাবে হেনস্তার শিকার হন, প্রতিষ্ঠান প্রশ্নবিদ্ধ হয় এবং অনেক ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি ঘটে।</p>
<p><strong>অপূরণীয় ক্ষতি:</strong> পরবর্তীতে তথ্যের সত্যতা প্রকাশিত হলেও প্রাথমিক ধাক্কায় যে সামাজিক বা প্রাতিষ্ঠানিক ক্ষতি হয়, তা আর পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হয় না।</p>
<h3><span style="font-size: 10pt;">৩. অংশীদারদের ভূমিকা ও কৌশলগত রূপরেখা</span></h3>
<p>তথ্যযুদ্ধ মোকাবিলায় কেবল আইন প্রণয়ন যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন একটি সমন্বিত ও বহুমাত্রিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।</p>
<p>```<br>                         [ রাষ্ট্র ও সরকার ]<br>                    (দ্রুত ও সত্য তথ্য পরিবেশন)<br>                                 │<br>     ┌───────────────────────────┼───────────────────────────┐<br>     ▼                           ▼                           ▼<br>[ গণমাধ্যম ]               [ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ]         [ প্রযুক্তি কোম্পানি ]<br>(ফ্যাক্ট-চেকিং ও কন্টেন্ট)   (ডিজিটাল সাক্ষরতা শিক্ষা)   (সমন্বিত আচরণ শনাক্তকরণ)<br>     │                           │                           │<br>     └───────────────────────────┼───────────────────────────┘<br>                                 ▼<br>                        [ সচেতন সচেতন নাগরিক ]<br>                     (ডিজিটাল যুগের মূল প্রতিরক্ষা)</p>
<p>```</p>
<p><strong>৩.১. রাষ্ট্রের ভূমিকা</strong></p>
<p><strong>তথ্যশূন্যতা দূরীকরণ:</strong> তথ্যের শূন্যতা বা গ্যাপ তৈরি হলেই সেখানে গুজবের উৎপত্তি হয়। রাষ্ট্র ও সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর মূল কাজ হবে যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ ঘটনায় দ্রুত, সঠিক ও স্বচ্ছ তথ্য জনসম্মুখে আনা।</p>
<p><strong>প্রযুক্তিগত সমন্বয়: </strong>আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে সমন্বিত অপ্রামাণিক কার্যকলাপ (Coordinated Inauthentic Behavior) দ্রুত শনাক্ত ও অপসারণের সক্ষমতা বাড়ানো।</p>
<p><strong>৩.২. গণমাধ্যমের দায়িত্ব</strong></p>
<p><strong>ফ্যাক্ট-চেকিং ও যাচাইকরণ:</strong> ভাইরাল হওয়া কোনো বিষয়ই স্বয়ংস্ক্রিয়ভাবে সংবাদ হতে পারে না। একাধিক নির্ভরযোগ্য উৎস থেকে নিশ্চিত হয়ে এবং ঘটনার সঠিক প্রেক্ষাপট বিশ্লেষণ করে সংবাদ পরিবেশন করতে হবে।</p>
<p><strong>প্রতিরক্ষামূলক সাংবাদিকতা: </strong>বর্তমান যুগে সাংবাদিকতার ভূমিকা কেবল খবর দেওয়া নয়, বরং বিভ্রান্তিকর তথ্যের বিরুদ্ধে প্রথাগত প্রতিরক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলা।</p>
<p><strong>৩.৩. শিক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকায়ন</strong></p>
<p><strong>ডিজিটাল সাক্ষরতা (Digital Literacy):</strong> ডিজিটাল সাক্ষরতা এখন আর বিলাসিতা নয়, এটি নাগরিকের মৌলিক দক্ষতা।</p>
<p><strong>কারিকুলামে সংযোজন: </strong>শিক্ষার্থীদের ছোটবেলা থেকেই এআই-জেনারেটেড কনটেন্ট চিহ্নিতকরণ, ছবি/ভিডিওর উৎস যাচাই এবং অ্যালগরিদমের কার্যপদ্ধতি সম্পর্কে বাস্তবসম্মত শিক্ষা দিতে হবে।</p>
<h3><span style="font-size: 10pt;">৪. নাগরিকের দায়িত্ব: সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিরক্ষা</span></h3>
<p>প্রযুক্তি বা কঠোর আইন দিয়ে তথ্যযুদ্ধ থামানো অসম্ভব; তথ্যসচেতন নাগরিকই এর সবচেয়ে কার্যকর ঢাল।</p>
<ul>
<li><strong>যাচাই না করে শেয়ার না করা: </strong>কোনো আবেগীয় বা বিতর্কিত তথ্য দেখার সাথে সাথে শেয়ার বা প্রতিক্রিয়া না জানিয়ে তার উৎস যাচাই করার অভ্যাস গড়ে তোলা।</li>
<li><strong>অযাচিত ছড়ানো বন্ধ করা:</strong> যাচাইহীন কনটেন্ট শেয়ার করলে নাগরিক না বুঝেই বট বাহিনীর এজেন্ডা বাস্তবায়নে সহায়তা করে ফেলেন।</li>
<li><strong>তথ্যের ভোক্তা থেকে সচেতন নাগরিকে রূপান্তর: </strong>তথ্যের অন্ধ ভোক্তা না হয়ে তথ্যের সত্যতা ও উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তোলার মানসিকতা লালন করা।</li>
</ul>
<p>ডিজিটাল যুগে তথ্য কেবল জ্ঞানের মাধ্যম নয়, এটি ক্ষমতারও অন্যতম উৎস। বট বাহিনী ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিন দিন আরও নিখুঁত ও শক্তিশালী হবে। তবে রাষ্ট্র, গণমাধ্যম, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও নাগরিক সমাজ যদি একত্রে যুক্তিনির্ভর ও সচেতন চর্চা বজায় রাখে, তবে অদৃশ্য এই তথ্যযুদ্ধে সত্য ও জনস্বার্থের জয় নিশ্চিত করা সম্ভব।</p>
<hr>
<p><span><strong>লেখকঃ</strong> সভাপতি, বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক এসোসিয়েশন</span></p>
<hr>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>কাজাখস্তানে আন্তর্জাতিক এআই অলিম্পিয়াডে তিনটি ব্রোঞ্জ পেলো  বাংলাদেশ</title>
<link>https://digibanglatech.news/186261</link>
<guid>https://digibanglatech.news/186261</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;2,0,0&quot;&gt;পদক জয় করেছেন লাবিব শাহরিয়ার, মো. সাইদুজ্জামান আরাফ এবং মোবতাসিম চৌধুরী প্রিয়ম&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202608/image_870x580_6a76034e4f896.jpg" length="68901" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 07 Aug 2026 20:10:17 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>এআইঅলিম্পিয়াড, কাজাখস্তান, ব্রোঞ্জপদক, আইওএআই, কৃত্রিমবুদ্ধিমত্তা, বিডিওএসএন, প্রযুক্তি, বিজ্ঞান</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="7"><b data-path-to-node="7" data-index-in-node="0">৭ আগস্ট, শুক্রবার:</b> কাজাখস্তানের রাজধানী আস্তানায় অনুষ্ঠিত ৩য় আন্তর্জাতিক আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স অলিম্পিয়াডে (আইওএআই ২০২৬) ৩টি ব্রোঞ্জ পদক অর্জন করে ঐতিহাসিক সফলতা ছিনিয়ে এনেছে বাংলাদেশ দল। আজ ৭ আগস্টম শুক্রবার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশের মাধ্যমে পর্দানামল বিশ্বমঞ্চের এই মর্যাদাপূর্ণ প্রতিযোগিতার।</p>
<p data-path-to-node="9">প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের হয়ে ব্রোঞ্জ পদক জয়ী ৩ জন হলেন—কুমিল্লার হোমনা আদর্শ উচ্চবিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী লাবিব শাহরিয়ার, মৌলভীবাজার সরকারি কলেজের একাদশ শ্রেণির মো. সাইদুজ্জামান আরাফ এবং ঢাকার নটর ডেম কলেজের একাদশ শ্রেণির মোবতাসিম চৌধুরী প্রিয়ম। বাংলাদেশ দলের চতুর্থ সদস্য হিসেবে অংশ নেন মানিকগঞ্জের মুন্নু ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী অনন্য যারিফ আকন্দ। পুরো দলের নেতৃত্ব দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য প্রযুক্তি ইনস্টিটিউটের (আইআইটি) অধ্যাপক ড. বি এম মইনুল হোসেন এবং কোচের দায়িত্ব পালন করেন ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটির সিআইএস বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আজম খান।</p>
<p data-path-to-node="10">ধারাবাহিক সাফল্য নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বাংলাদেশ দলের নেতৃত্বদানকারী অধ্যাপক ড. বি এম মইনুল হোসেন বলেন, “বুলগেরিয়ায় প্রথম আসরে আমরা কোনো মেডেল পাইনি, চীনে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় আসরে পেয়েছিলাম ২ টি ব্রোঞ্জ। আর এবার কাজাখস্তানে আমরা পেলাম ৩ টি ব্রোঞ্জ। প্রতিনিয়ত আমাদের টিম উন্নতি করছে। তবে আমাদের আরও সামনে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে, যার জন্য শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ ও সুবিধাদি বাড়াতে হবে।”</p>
<p data-path-to-node="11">পদকজয়ী শিক্ষার্থী মো. সাইদুজ্জামান আরাফ নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন, “এই মেডেল জেতা মানে আমাদের পরবর্তী প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করা। আশা করি আগামী দিনেও বাংলাদেশ এআই দল বিজয়ের এই ধারা অব্যাহত রাখবে।”</p>
<p data-path-to-node="11">গত ২ আগস্ট পর্দা ওঠা এবারের বৈশ্বিক আসরে বিশ্বের ১০৭টি দেশের ৪৩৭ জন প্রতিযোগী অংশ নেন। গত ৪ ও ৬ আগস্ট অনুষ্ঠিত দুটি একক মেশিন লার্নিং প্রতিযোগিতায় প্রতিযোগীদের টানা ৬ ঘণ্টা করে অত্যন্ত জটিল গাণিতিক ও প্রযুক্তিগত সমস্যার সমাধান করতে হয়।</p>
<p data-path-to-node="12">গত এপ্রিল মাস থেকে শুরু হওয়া বাংলাদেশ এআই অলিম্পিয়াডের জাতীয় কার্যক্রম পরিচালনা করে মূল আয়োজক প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্ক (বিডিওএসএন)। দেশব্যাপী মে মাসে আঞ্চলিক ও বিইউবিটিতে অনুষ্ঠিত জাতীয় পর্ব শেষে সেরা চারজনকে মূল জাতীয় দলের জন্য নির্বাচিত করে ২ মাসব্যাপী নিবিড় প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। প্রতিযোগিতাটিতে প্ল্যাটিনাম স্পন্সর ও হোস্ট পার্টনার ছিল বিইউবিটি এবং পাওয়ার্ড বাই পার্টনার হিসেবে কাজ করেছে রিভ চ্যাট।<br>/<strong>/ডিবিটেক/ এমএম/ এমএসআই/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>১০৬টি দলের রেকর্ড অংশগ্রহণে  শুরু ‘ভিএলএসআইথন ৩.০’</title>
<link>https://digibanglatech.news/186237</link>
<guid>https://digibanglatech.news/186237</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li&gt;দেশের ৩০টিরও বেশি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১০৬টি দলের প্রায় ২১০ জন প্রতিযোগীর অংশগ্রহণ&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;2,1,0&quot;&gt;সেমিকন্ডাক্টর খাতের চাহিদা বিবেচনায় প্রথমবারের মতো যুক্ত হয়েছে “প্লেস অ্যান্ড রাউট (পিএনআর)” ডোমেইন&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;2,2,0&quot;&gt;বিজয়ী দলগুলোর জন্য মোট ২ লাখ টাকা মূল্যমানের পুরস্কার ঘোষণা&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202608/image_870x580_6a75cfc3d899f.jpg" length="119665" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 07 Aug 2026 17:03:35 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>ভিএলএসআইথন, উল্কাসেমি, এআইইউবি, সেমিকন্ডাক্টর, চিপডিজাইন, প্রযুক্তি, প্রতিযোগিতা, ঢাকা</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="7"><b data-path-to-node="7" data-index-in-node="0">৭ আগস্ট, শুক্রবার:</b> শুরু হলো দেশের বৃহত্তম ভিএলএসআই ও চিপ ডিজাইন প্রতিযোগিতা ‘ভিএলএসআইথন ৩.০’। আজ শুক্রবার সকাল ১০টায় রাজধানীর আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশ (এআইইউবি) ক্যাম্পাসে আয়োজিত এক উৎসবমুখর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিযোগিতাটির সূচনা করা হয়।</p>
<p data-path-to-node="8">এবারের আসরে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে তৈরি হয়েছে নতুন রেকর্ড। দেশের ৩০টিরও বেশি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মোট ১০৬টি দলের প্রায় ২১০ জন প্রতিযোগী নিবন্ধিত হয়েছেন, যা বাংলাদেশে আয়োজিত যেকোনো ভিএলএসআই প্রতিযোগিতার ইতিহাসে সর্বোচ্চ। সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের আন্তর্জাতিক চাহিদা বিবেচনায় এবারের আসরে প্রথমবারের মতো যুক্ত করা হয়েছে “প্লেস অ্যান্ড রাউট (পিএনআর)” ডোমেইন।</p>
<p data-path-to-node="9">বাংলাদেশের সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের অগ্রদূত ‘উল্কাসেমি’র আয়োজনে, উল্কাসেমি ভিএলএসআই ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (ইউভিটিআই)-এর সঙ্গে যৌথভাবে এবং এআইইউবির সহায়তায় এটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এআইইউবির উপাচার্য প্রফেসর ড. সাইফুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন উল্কাসেমির সিইও ও প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ এনায়েতুর রহমান। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন উল্কাসেমির চেয়ারম্যান ডা. আরিফা চৌধুরী রহমান, এআইইউবির উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আব্দুর রহমান, সহযোগী অধ্যাপক ড. শাহরিয়ার মাসুদ রিজভী এবং পিসি হেল্পলাইন বিডির প্রতিষ্ঠাতা অনন্য জামানসহ আরও অনেকে।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202608/image_870x_6a75cfc5542a2.jpg" alt=""></p>
<p data-path-to-node="10">আয়োজন প্রসঙ্গে উল্কাসেমির সিইও ও প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ এনায়েতুর রহমান বলেন, “১০৬টি দলের অংশগ্রহণ প্রমাণ করে যে আমাদের তরুণরা সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত। আমরা বিশ্বাস করি, সঠিক পৃষ্ঠপোষকতা ও নীতিগত সহায়তা পেলে ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশের সেমিকন্ডাক্টর খাত একটি মাল্টি-বিলিয়ন ডলারের শিল্পে পরিণত হতে পারে এবং এই তরুণ প্রকৌশলীরাই হবেন তার মূল চালিকাশক্তি।”</p>
<p data-path-to-node="11">প্রধান অতিথির বক্তব্যে এআইইউবির উপাচার্য প্রফেসর ড. সাইফুল ইসলাম বলেন, “আজ ভিএলএসআইথনে এত বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণ দেখে আমি আনন্দিত ও আশাবাদী। এটি প্রমাণ করে, দেশের তরুণদের মধ্যে সেমিকন্ডাক্টর শিল্প নিয়ে আগ্রহ দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে এই প্রতিযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”</p>
<p data-path-to-node="13">উদ্বোধনী আয়োজনের পরপরই দিনব্যাপী বিশেষ কারিগরি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে থিওরির পাশাপাশি ইডিএ (EDA) টুলস ব্যবহারের মাধ্যমে সরাসরি হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ নেন শিক্ষার্থীরা। আগামী ১৫ আগস্ট অনুষ্ঠিত হবে মূল প্রতিযোগিতা। চূড়ান্ত পর্যায়ে বিজয়ী দলগুলোর জন্য রয়েছে মোট দুই লাখ টাকার আকর্ষণীয় পুরস্কার।<br>/<strong>/ডিবিটেক/ এসজেটি/ এমএসআই/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>কারিগরের নাম মুছে ফেলবেন না!</title>
<link>https://digibanglatech.news/186195</link>
<guid>https://digibanglatech.news/186195</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202608/image_870x_6a6f876a9ec69.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 07 Aug 2026 01:36:45 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর, কনসেপচুয়াল আর্কিটেক্ট, মেধার স্বীকৃতি, ৭০০ মেগাহার্টজ স্পেক্ট্রাম, ন্যাশনাল সাইবার রেটিং সিস্টেম, কোয়ালিটি অব সার্ভিস বেঞ্চমার্কিং, রিভার্স ব্রেইন ড্রেন, নাগরিক সেবা, ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<ul>
<li><b data-path-to-node="17" data-index-in-node="3">নেপথ্যের কারিগরের স্বীকৃতি:</b> জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের মতো ঐতিহাসিক প্রকল্পের কনসেপচুয়াল আর্কিটেক্টের অবদানকে রাষ্ট্রীয়ভাবে মূল্যায়নের দাবি।</li>
<li><b data-path-to-node="17" data-index-in-node="156">টেলিকম ও সাইবার নিরাপত্তা সংস্কার:</b> ৭০০ মেগাহার্টজ গোল্ডেন স্পেক্ট্রাম উন্মুক্তকরণ এবং প্রফেসর ইউনূসের নির্দেশনায় তৈরি 'ন্যাশনাল সাইবার রেটিং সিস্টেম'-এর নেপথ্য বাস্তবায়নের ইতিহাস ও কৃতিত্বের অপলাপ। </li>
<li><b data-path-to-node="17" data-index-in-node="358">রিভার্স ব্রেইন ড্রেনের সংকট:</b> মেধার সঠিক মূল্যায়ন ও প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি না দিলে দেশীয় ও প্রবাসী বিশেষজ্ঞরা দেশের জন্য কাজ করার আগ্রহ হারিয়ে ফেলবেন। </li>
<li><b data-path-to-node="17" data-index-in-node="512">ডিজিটাল গভর্ন্যান্সের ক্ষতি:</b> 'নাগরিক সেবা' এবং ইন্টারঅপারেবিলিটি প্রজেক্টে কারিগরি জ্ঞানহীন হস্তক্ষেপের কারণে রাষ্ট্রীয় ক্ষতি ও প্রকল্পের মূল দর্শন বিচ্যুতির আশঙ্কা।</li>
</ul>
<p data-path-to-node="6">জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন হয়েছে। এই সময়োপযোগী ও ঐতিহাসিক উদ্যোগের জন্য মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই। কিন্তু উদ্বোধনের আলোকচ্ছটায় একটি মুখ সেভাবে আলো পায়নি—যিনি এই জাদুঘরের কনসেপচুয়াল আর্কিটেক্ট (ভাবাগত স্থপতি)। এই স্বপ্নটাকে বাস্তবে রূপ দিতে যিনি দিনরাত অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন, এমনকি অসুস্থ হয়ে পড়েছেন, তিনি আড়ালেই রয়ে গেলেন। একজন স্থপতি বা পরিকল্পনাকার নিজের সৃষ্টিকে কতটা গভীরভাবে ধারণ করেন, তা ভাষায় প্রকাশ করা অসম্ভব। সৃষ্টির মূল কারিগরকে লাইমলাইটে বা সামনে না রাখাটা অত্যন্ত দৃষ্টিকটু। শিল্পের কারিগরকে যথাযথ সম্মান দিলে কারও সম্মান কমে না।</p>
<p data-path-to-node="7">আমি জীবনের একটি বড় সময় বিভিন্ন বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানে 'সলিউশন আর্কিটেক্ট' হিসেবে কাজ করেছি। তাই আমি জানি, একটি ভাবনা বা আইডিয়াকে কনসেপ্ট থেকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার প্রক্রিয়াটি কতটা একাকী লড়াইয়ের। আর সেই দীর্ঘ লড়াইয়ের শেষে কৃতিত্বের জায়গায় যখন কেবল নীরবতা উপহার মেলে, তখন সেই কষ্টটা আর ব্যক্তিগত থাকে না; তা একটি রাষ্ট্রের প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কৃতির সংকট হয়ে দাঁড়ায়।</p>
<p data-path-to-node="8">আজ দেশের ইতিহাসের অন্যতম বড় এক অর্জনের কথা মনে পড়ছে—ফোরজি ও ফাইভজি সেবার জন্য ৭০০ মেগাহার্টজ ব্যান্ড উন্মুক্ত করার সেই কঠিন প্রক্রিয়া। টেলিনর, আজিয়াটা ও রবির সাথে দফায় দফায় জটিল দরকষাকষি, অর্থ মন্ত্রণালয়ে গিয়ে এই কাজের সুদূরপ্রসারী গুরুত্ব বোঝানো, তরঙ্গ ফি নিয়ে বার্গেইন করে তা পাস করিয়ে আনা, ছয় মাসের কাজকে রাতদিন এক করে ছয় সপ্তাহে নামিয়ে আনা, এবং আদালতের রিট খারিজ করাতে সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল ও অ্যাটর্নি জেনারেলের দপ্তরে ক্রমাগত ছোটাছুটি (এমনকি ৭০০ মেগাহার্টজ ব্লক করে রাখা স্বার্থান্বেষী মহল প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় পর্যন্ত পৌঁছে গিয়েছিল)। এরপর পিটিডি ও বিটিআরসির মধ্যে সমন্বয় সাধন করা। সেই সময়ে গ্রামীণফোন যখন দুই হাজার তিনশত কোটি টাকার স্পেক্ট্রামে নতুন বিনিয়োগ নিয়ে এলো, তখন আমাদের বিরুদ্ধে অপবাদ দেওয়া হলো যে আমরা নাকি কাউকে বিশেষ সুবিধা (ফেভার) দিয়েছি। অথচ গত মাসে যখন এই ঘনবসতিপূর্ণ দেশে সোনার হরিণের মতো সেই 'গোল্ডেন স্পেক্ট্রাম' উদ্বোধন হলো, যা 'ডিপ-ইনডোর' কভারেজ হিসেবে ফোরজি-ফাইভজি সেবার এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করল, তখন কেউ একটিবারও মনে করল না যে নেপথ্যের সেই মানুষগুলোর প্রতি একটি ছোট ধন্যবাদ অন্তত প্রাপ্য ছিল।</p>
<p data-path-to-node="9">নির্বাচনী প্রস্তুতির সময় সাইবার যুদ্ধ, আর্থিক প্রতারণা প্রতিরোধ এবং বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় সংস্থার সমন্বিত এস্কেলেশন নিয়ে গঠিত একটি কোর কমিটির হয়ে কাজ করার সুযোগ হয়েছিল আমার। সেই সময় নিয়মিত মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস স্যারকে ব্রিফ দিতাম। এক বৈঠকে স্যার নির্দেশ দিলেন, দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের সাইবার সক্ষমতা যাচাইয়ের জন্য একটি রেটিং সিস্টেম বা মূল্যায়ন কাঠামো দাঁড় করাতে। স্যারের সেই নির্দেশনার আলোকেই আমরা একটি 'কোর স্কোরিং ও ওয়েটেড র‍্যাঙ্কিং' কাঠামো তৈরি করি। সেখানে চারটি প্রধান স্তম্ভ নির্ধারণ করা হয়েছিল: আইটি ও তথ্য-সুরক্ষা প্রশাসনের জন্য ২০ শতাংশ, অবকাঠামো ও অপারেশনসের জন্য ৩০ শতাংশ, সাইবার নিরাপত্তা ও ডেটা সুরক্ষার জন্য ৩০ শতাংশ, এবং ডিজিটাল সেবা ও ব্যবহারকারী পরিপক্বতার জন্য ২০ শতাংশ—যা পরিবর্তনযোগ্য (চেঞ্জেবল) একটি সেটআপ। আইসিটি বিভাগ থেকে বিসিসি এবং এনসিএসএ অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে এই 'ন্যাশনাল রেটিং সিস্টেম' এর কাজ এগিয়ে নিয়েছিল এবং আমাদের প্রকৌশলীরা ইন-হাউজ এর সফল বাস্তবায়নও সম্পন্ন করেছিলেন। গত ১০ ফেব্রুয়ারি আমার শেষ কর্মদিবসেই এটি উদ্বোধনের কথা ছিল, নোটিশও জারি হয়েছিল। কিন্তু নির্বাচনী প্রস্তুতি, হ্যান্ড-ওভার এবং 'নোট টু সাকসেসর লেটার' তৈরির চরম ব্যস্ততায় তা আর হয়ে ওঠেনি। গত সপ্তাহে যখন অবশেষে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন হলো, তখন এই আইডিয়াটি কোথা থেকে এলো, কীভাবে এর বাস্তবায়ন শুরু হয়েছিল—সেই সামান্যতম প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতিটুকুও দেওয়া হলো না।</p>
<p data-path-to-node="10">আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কাজের কথা উল্লেখ করা প্রয়োজন। দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক মানের 'টেলিকম কোয়ালিটি অব সার্ভিস (QoS) বেঞ্চমার্কিং' ডিজাইন করা হয়েছিল, যা প্রায় ছত্রিশটি কেপিআই (KPI) সমৃদ্ধ। আপলিংক পারফরম্যান্স, মোবিলিটি, শহর-গ্রাম মিশ্র এলাকা এবং মহাসড়কের মতো বাস্তব ব্যবহারিক দৃশ্যপট প্রথমবারের মতো এই কাঠামোয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। পাশাপাশি এনটিটিএন (NTTN) ও আইএসপি (ISP)-দের জন্যও আলাদা কেপিআই বেঞ্চমার্কিং দাঁড় করানো হয়েছিল; কারণ মোবাইল ও ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের মানে বাংলাদেশ তখন নব্বইটিরও বেশি দেশের পেছনে অবস্থান করছিল। এই কাজটির খবর গণমাধ্যমে এসেছে ঠিকই, কিন্তু যাঁরা এর নেপথ্যে মূল কারিগর ছিলেন, তাঁদের নাম আসেনি। নিজের নাম বাদ পড়ুক, তাতে আমার কোনো আপত্তি নেই। কিন্তু দেশ-বিদেশের যে শীর্ষস্থানীয় বিশেষজ্ঞরা হাজার হাজার ডলার মূল্যের পেশাদার কাজ সম্পূর্ণ বিনামূল্যে করে দিলেন, তাঁদের নাম সামনে আনার ক্ষেত্রে আমাদের রাষ্ট্রযন্ত্রের এত কার্পণ্য কেন?</p>
<p data-path-to-node="11">এখানেই মূল প্রশ্নটি আসে—এটি কোনো রাজনৈতিক প্রশ্ন নয়, এটি একটি গভীর কাঠামোগত ও সাংস্কৃতিক সংকট। 'রিভার্স ব্রেইন ড্রেন' বা যাঁরা দেশে কিংবা প্রবাসে থেকে দেশের জন্য নিজের মেধা ও শ্রম বিলিয়ে দিতে চান, তাঁদের আমরা কীভাবে উৎসাহিত করব, যদি ন্যূনতম রাষ্ট্রীয় বা প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতিটুকুও না মেলে? নাকি আমরা পরোক্ষভাবে ধরে নিচ্ছি যে দেশের উন্নয়নের জন্য আর কোনো দক্ষ মস্তিস্কের প্রয়োজন নেই? যিনি একটি প্রকল্পের প্রাথমিক ধারণা বা নকশা এঁকেছেন, তাঁর মেধা ও জ্ঞানকে মূল্যায়ন করতে এত দ্বিধা থাকা উচিত নয়। অন্তত জ্ঞান হস্তান্তরের (Knowledge Transfer) স্বার্থেও মূল স্থপতির সাথে একটি নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগের সেতু বজায় রাখা জরুরি।</p>
<p data-path-to-node="12">কিন্তু আমাদের বাস্তব চিত্র সম্পূর্ণ উল্টো। নীতিটা যেন এমন—"অমুক এটা আগে করেছিল, যেহেতু প্রচার হয়নি, তাই সেটা চেপে যাও বা ভিন্ন নামে নতুন করে ক্রেডিট নাও।" এভাবেই আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় সেরা কাজগুলো স্থগিত হয়ে যায়, প্রকল্প প্রস্তাবে বদলে যায় নাম ও রূপরেখা। আর্কিটেক্টের মূল দর্শন, টেকনিক্যাল পাথওয়ে এবং রোডম্যাপ সঠিকভাবে হস্তান্তর না করে কাজ চালিয়ে গেলে দুটি ধারণার জন্ম হয়—হয় আপনি সবকিছু একাই বুঝে ফেলেছেন, অথবা আপনি আসলে কিছুই বুঝতে চান না, আপনার কেবল সস্তা কৃতিত্ব (Credit) নেওয়া দরকার।</p>
<p data-path-to-node="13">বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অন্যতম সেরা একটি কাজ ছিল 'নাগরিক সেবা' প্রজেক্ট—যদি কেউ এর গভীরতা বুঝে থাকেন। ন্যাশনাল ইন্টারঅপারেবিলিটির মাধ্যমে সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সেবাকে একটি এপিআই (API) ভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম এবং ডিজিটাল সার্ভিস এক্সচেঞ্জের আওতায় আনার রূপরেখা ছিল এটি। কিন্তু দুঃখজনকভাবে, 'নাগরিক সেবা' প্রজেক্টটি বর্তমানে স্থগিত। ইন্টার-অপারেবিলিটির ডিপিপিতে (DPP) এমন সব পরিবর্তন আনা হচ্ছে, যা এই প্রযুক্তি সম্পর্কে অভিজ্ঞতাহীন লোকজনের ইনপুটের কারণে ঘটছে। আর্কিটেকচারাল ফিলোসফি, টেকনিক্যাল পাথওয়ে এবং রোডম্যাপ সম্পর্কে ধারণা না রেখে কাজ করলে, এর প্রকৃত সুফল থেকে রাষ্ট্র ও জনগণ বঞ্চিত হবে।</p>
<p data-path-to-node="14">এটি কোনো অভিযোগ নয়, বরং একটি বিনীত অনুরোধ। মেধা, আইডিয়া, উদ্যোগ এবং শিল্পের সৃজনশীলতাকে সম্মান জানাতে শিখুন। একটি প্রতিষ্ঠান বা রাষ্ট্র তখনই প্রকৃত অর্থে এগিয়ে যায়, যখন যিনি প্রথম রেখাটি টেনেছিলেন, তাঁর নামটিও ইতিহাসে সগৌরবে টিকে থাকে। জুলাই স্মৃতি জাদুঘরের ফলকে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস এবং সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী ভাইয়ের নামের পাশাপাশি সেই নেপথ্যের মূল কনসেপচুয়াল আর্কিটেক্টের নামটিও অনায়াসে রাখা যেত। হার্ড কিংবা সফট—যেকোনো ক্রিয়েটিভ কাজে মূল আর্কিটেক্টকে সম্মান করুন। অন্যথায়, আগামী প্রজন্মের কারিগর, স্থপতি এবং উদ্ভাবকেরা প্রশ্ন তুলবে—রাতের পর রাত জেগে দেশের জন্য নিঃস্বার্থভাবে কাজ করার মূল্য কী? ফলাফলের ভাগীদার হওয়াটা বড় কথা নয়, কিন্তু মেধার স্বীকৃতি দিয়ে আগামী প্রজন্মের অনুপ্রেরণাকে সঞ্চারিত করাটাই রাষ্ট্রের আসল দায়িত্ব।</p>
<hr>
<p data-path-to-node="14"><strong>লেখকঃ<span> </span></strong><span>প্রযুক্তিবিদ ও লেখক এবং সাবেক অন্তর্বতীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী</span></p>
<hr><hr>
<p data-path-to-node="14"></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>রাশিয়ার পারমাণবিক আইসব্রেকারে উত্তর মেরু অভিযানে রাজশাহীর ক্যাডেট প্রত্যয়</title>
<link>https://digibanglatech.news/186159</link>
<guid>https://digibanglatech.news/186159</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p&gt;রাশিয়ার পারমাণবিক শক্তিচালিত ঐতিহ্যবাহী আইসব্রেকার ‘ফিফটি লেট পোবেডি’-তে চড়ে উত্তর মেরুর বিরল বৈজ্ঞানিক অভিযানে অংশ নিচ্ছেন রাজশাহী ক্যাডেট কলেজের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী মো. মালেকুল সালেহীন প্রত্যয়। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু সংস্থা রসাটম-এর সহায়তায় আয়োজিত ‘আইসব্রেকার অব নলেজ’ প্রতিযোগিতায় বিশ্বের ২২টি দেশের ৫ হাজার প্রতিযোগীকে পেছনে ফেলে প্রত্যয় এই সাফল্য অর্জন করে।&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202608/image_870x580_6a749fdc8bd29.jpg" length="102420" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 06 Aug 2026 20:03:38 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="7"><b data-path-to-node="7" data-index-in-node="0">৬ আগস্ট, বৃহস্পতিবার:</b> রাশিয়ার পারমাণবিক শক্তিচালিত আইসব্রেকার ‘ফিফটি লেট পোবেডি’-তে চড়ে উত্তর মেরুতে এক বিরল বৈজ্ঞানিক অভিযানে অংশ নিচ্ছে রাজশাহী ক্যাডেট কলেজের দশম শ্রেণির ছাত্র মো. মালেকুল সালেহীন প্রত্যয়। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু সংস্থা রসাটম-এর সহায়তায় আয়োজিত বিশ্বের ২১টি দেশের মেধাবী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রত্যয় এই অভিযানে গিয়েছেন।</p>
<p data-path-to-node="8">সম্প্রতি মুরমানস্কে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এ অভিযানের সূচনা হয়। ১০ দিনব্যাপী এ অভিযানে আইসব্রেকার জাহাজের ক্যাপ্টেন হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন রুসলান সাসোভ। যাত্রাপথে অংশগ্রহণকারীরা ব্যারেন্টস সাগর পাড়ি দিয়ে উত্তর মেরু এবং ফ্রাঞ্জ জোসেফ ল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ হয়ে আবার মুরমানস্কে ফিরে আসবে।</p>
<p data-path-to-node="9">বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বিকেলে রসাটম এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। রসাটম পাবনার ঈশ্বরদীতে নির্মাণাধীন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন প্রকল্পের মূল ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান।</p>
<p data-path-to-node="10">রসাটম প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, মাল্টি-স্টেজ ‘আইসব্রেকার অব নলেজ’ প্রতিযোগিতার সপ্তম আসরের অন্যতম বিজয়ী হিসেবে প্রত্যয় এই সুযোগ অর্জন করে। প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ, ভারত, চীন, ব্রাজিল, কাজাখস্তান, দক্ষিণ আফ্রিকা, তুরস্ক ও ভিয়েতনামসহ ২২টি দেশ থেকে ৫ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছিল।</p>
<p data-path-to-node="11">যাত্রার পূর্বে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে প্রত্যয় বলে, ‘এটি আমার জন্য অত্যন্ত বিশেষ একটি দিন। আমি কখনোই কল্পনা করিনি যে, একদিন আমি উত্তর মেরুতে ভ্রমণ করব। বাংলাদেশ থেকে আর্কটিক অঞ্চলের দূরত্ব বিশাল। আমি এই অভিযান নিয়ে ভীষণভাবে এক্সাইটেড। এই অসাধারণ যাত্রায় নিজের দেশের প্রতিনিধিত্ব করতে পেরে আমি গর্বিত।’</p>
<p data-path-to-node="12">রসাটমের মহাপরিচালক আলেক্সি লিখাচেভ বলেন, ‘আর্কটিক হলো এমন একটি স্থান যেখানে সবচেয়ে উদ্ভাবনী ধারণাগুলো জন্ম নেয়। এই অভিযান এমন সব প্রতিভাবান তরুণদের একত্র করেছে যারা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির মাধ্যমে ভবিষ্যৎ গঠনে সাহায্য করবে।’ তিনি উল্লেখ করেন, রাশিয়ার অনন্য পারমাণবিক শক্তিচালিত আইসব্রেকার বহর শিক্ষার্থীদের এমন কিছু প্রযুক্তির অভিজ্ঞতা লাভের সুযোগ করে দেয় যা অন্য কোথাও পাওয়া যায় না। একই সঙ্গে এটি বৈজ্ঞানিক অগ্রগতি ও পরিবেশ রক্ষায় অবদান রাখতেও তাদের অনুপ্রাণিত করে।</p>
<p data-path-to-node="13">প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, অভিযানকালে অংশগ্রহণকারীরা পারমাণবিক শক্তিচালিত আইসব্রেকারের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করবেন, আর্কটিক পরিবেশ অন্বেষণ করবেন এবং আর্কটিকের নৌ চলাচলে পারমাণবিক প্রযুক্তির ভূমিকা সম্পর্কে জানতে পারবেন। তারা পারমাণবিক, সামুদ্রিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি খাতের শীর্ষস্থানীয় বিশেষজ্ঞদের লেকচার এবং তাদের দ্বারা পরিচালিত বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা, কর্মশালা, আলোচনা, ক্যারিয়ার গাইডেন্স সেশন এবং সৃজনশীল কার্যক্রমেও অংশ নেবেন। এই অভিযানের একটি প্রতীকী আকর্ষণ হবে—শিক্ষার্থীরা ভৌগোলিক উত্তর মেরুতে (৯০ ডিগ্রি উত্তর) নিজ নিজ দেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করবে।</p>
<p data-path-to-node="14">প্রোগ্রামে বিশেষ অতিথি হিসেবে রয়েছেন রাশিয়ান সায়েন্স ফিকশন লেখক সের্গেই লুকিয়াওনেঙ্কো। তিনি একটি সহযোগিতামূলক সৃজনশীল লেখার কর্মশালা পরিচালনা করবেন। শিক্ষার্থীদের যৌথভাবে লেখা কল্পবিজ্ঞানের গল্পটি অভিযানের পর প্রকাশিত হবে।</p>
<p data-path-to-node="15">‘আইসব্রেকার অব নলেজ’ প্রকল্পটি বিশ্বব্যাপী তরুণ প্রতিভাদের শনাক্ত ও পরিচর্যা করার পাশাপাশি ১৪ থেকে ১৬ বছর বয়সি শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি এবং পারমাণবিক শিক্ষার প্রসার ঘটায়। এর আগের ছয়টি আসরে, এই প্রোগ্রামটি সারা বিশ্ব থেকে ৪০০ জনেরও বেশি শিক্ষার্থীকে উত্তর মেরুতে শিক্ষামূলক অভিযানে নিয়ে গেছে।</p>
<p data-path-to-node="16">বিশ্বের একমাত্র দেশ হিসেবে রাশিয়া পারমাণবিক শক্তিচালিত আইসব্রেকার বহর পরিচালনা করে। রসাটমের প্রতিষ্ঠান এফএসইউই অ্যাটমফ্লট দ্বারা পরিচালিত এই বহরে বর্তমানে আটটি পারমাণবিক শক্তিচালিত আইসব্রেকার রয়েছে। এগুলো নর্দান সি রুট বরাবর নৌ চলাচলে সহায়তা করে, যা পশ্চিম ইউরেশিয়া এবং এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের মধ্যে সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত সামুদ্রিক পথ।</p>
<p data-path-to-node="13">/<strong>/ডিবিটেক/ পিআর/এসএমই/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ভিভোর সহায়তায় এনইউবি ক্লাব ফেস্টে ৫ হাজার শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণ</title>
<link>https://digibanglatech.news/186149</link>
<guid>https://digibanglatech.news/186149</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p data-path-to-node=&quot;5&quot;&gt;নর্দার্ন ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ (এনইউবি) ক্যাম্পাসে সাফল্যজনকভাবে সম্পন্ন হলো তিন দিনব্যাপী ‘ভিভো প্রেজেন্টস এনইউবি ক্লাব ফেস্ট ২০২৬’। গত ২ থেকে ৪ আগস্ট আয়োজিত এই উৎসবে ক্যাম্পাসের ৫ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী অংশ নেন। টাইটেল স্পন্সর হিসেবে স্মার্টফোন ব্র্যান্ড ভিভো বাংলাদেশ শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা, উদ্ভাবন ও নেতৃত্ব বিকাশে পুরো উৎসবজুড়ে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে।&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202608/image_870x580_6a748988431bf.jpg" length="131761" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 06 Aug 2026 17:18:12 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="7"><b data-path-to-node="7" data-index-in-node="0">ঢাকা, ০৬ আগস্ট ২০২৬:</b> নর্দার্ন ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ (এনইউবি) ক্যাম্পাসে উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হলো তিন দিনব্যাপী ‘ভিভো প্রেজেন্টস এনইউবি ক্লাব ফেস্ট ২০২৬’। গত ২ থেকে ৪ আগস্ট আয়োজিত এ উৎসবের টাইটেল স্পন্সর হিসেবে যুক্ত ছিল গ্লোবাল স্মার্টফোন ব্র্যান্ড ‘ভিভো বাংলাদেশ’। শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা, মেধা, নেতৃত্ব ও সহশিক্ষামূলক কার্যক্রমে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে আয়োজিত এই মেগা উৎসবে ৫ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন। আজ ৬ আগস্ট, বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে উৎসবের বিস্তারিত তথ্য আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়।</p>
<p data-path-to-node="8">উৎসবের প্রধান আয়োজক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে এনইউবি ফিল্ম অ্যান্ড ফটোগ্রাফি ক্লাব। সহ-আয়োজক হিসেবে যুক্ত ছিল এনইউবি লিটারেচার অ্যান্ড কালচারাল ক্লাব এবং এনইউবি ডিবেট অ্যান্ড পাবলিক স্পিকিং ক্লাব। এছাড়া ক্লাব পার্টনার হিসেবে ছিল টেক্সটাইল ক্লাব, গেমস অ্যান্ড স্পোর্টস ক্লাব এবং এনইউবি বিজনেস এন্টারপ্রেনিউরশিপ অ্যান্ড লিডারশিপ ক্লাব।</p>
<p data-path-to-node="9">তিন দিনব্যাপী এই উৎসবে মোবাইল ফটোগ্রাফি কর্মশালা, ফটো ওয়াক, ফটোগ্রাফি প্রতিযোগিতা, ফটো স্টোরি চ্যালেঞ্জ এবং যুক্তিনির্ভর বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। ই-স্পোর্টস প্রেমীদের জন্য আয়োজন করা হয়েছিল জনপ্রিয় গেম পাবজি (PUBG) ও ই-ফুটবল টুর্নামেন্ট। পাশাপাশি র‍্যাম্প শো, ফ্ল্যাশ মব, চমৎকার সাংস্কৃতিক পরিবেশনা এবং ইন্টারঅ্যাকটিভ গেমসে মেতে ওঠে পুরো ক্যাম্পাস।</p>
<p data-path-to-node="10">শিক্ষার্থীদের বাড়তি আকর্ষণ ছিল ‘ভিভো স্মার্টফোন এক্সপেরিয়েন্স জোন’, যেখানে নতুন প্রযুক্তির ভিভো হ্যান্ডসেট অভিজ্ঞতার পাশাপাশি ফটো জোন থেকে তাৎক্ষণিক ছবি প্রিন্টের সুযোগ পান তারা। ভবিষ্যতে ভিভোর ক্যাম্পাস কার্যক্রমে যুক্ত থাকতে অনেকে ‘ভিভো বিডি কমিউনিটি’তে নিজেদের নিবন্ধন করেন।</p>
<p data-path-to-node="11">এনইউবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মিজানুর রহমান এ উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, “শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত ও পেশাগত দক্ষতা বিকাশে সহশিক্ষামূলক কার্যক্রম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভিভো বাংলাদেশের মতো বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠানের এমন উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনে চমৎকার সুযোগ তৈরি করে।” বর্ণাঢ্য এই উৎসবের শেষ দিনে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে আকর্ষণীয় উপহার, টি-শার্ট, সনদপত্র ও বিশেষ সম্মাননা তুলে দেওয়ার মাধ্যমে সমাপনী টানা হয়।</p>
<p data-path-to-node="13">/<strong>/ডিবিটেক/এফএইচআই/এমএসআই/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কি সত্যিই খরচ কমাতে পারবে?</title>
<link>https://digibanglatech.news/186094</link>
<guid>https://digibanglatech.news/186094</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202608/image_870x580_6a742b64bad54.jpg" length="123508" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 06 Aug 2026 01:39:03 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="western"><span style="font-family: Times New Roman, serif;"><span lang="ar-SA"><span style="font-family: Aptos, sans-serif;"><span style="font-size: small;">তৈরি পোশাক শিল্পে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই কি সত্যিই বড় আকারে খরচ কমাতে সক্ষম</span></span></span></span><span style="font-size: small;">? </span><span style="font-family: Times New Roman, serif;"><span lang="ar-SA"><span style="font-family: Aptos, sans-serif;"><span style="font-size: small;">নাকি অর্থনৈতিক চাপের কারণে নেওয়া সিদ্ধান্তগুলোকে আড়াল করতে ’প্রযুক্তি’র দোহাই দেওয়া হচ্ছে</span></span></span></span><span style="font-size: small;">?</span></p>
<p class="western"><span style="font-family: Aptos, sans-serif;"><span style="font-size: small;"><span lang="ar-SA">সম্প্রতি হা</span></span></span><span style="font-size: small;">-</span><span style="font-family: Aptos, sans-serif;"><span style="font-size: small;"><span lang="ar-SA">মীম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ কে আজাদ তার প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৭৫ হাজার কর্মীর মধ্য থেকে ১০ হাজার কর্মী কমানোর ঘোষণা দেওয়ার পর এই প্রশ্নটি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। একটি সাক্ষাৎকারে তিনি জানান</span></span></span><span style="font-size: small;">, </span><span style="font-family: Aptos, sans-serif;"><span style="font-size: small;"><span lang="ar-SA">দেশে প্রায় ৯ শতাংশ মুদ্রাস্ফীতির কারণে ব্যবসায়ীদের মজুরি ও অন্যান্য সুবিধা বাড়াতে হচ্ছে। অথচ বিপরীতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের আন্তর্জাতিক ক্রেতারা পণ্যের দাম বাড়াতে রাজি নন।</span></span></span></p>
<p class="western"><span style="font-family: Times New Roman, serif;"><span lang="ar-SA"><span style="font-family: Aptos, sans-serif;"><span style="font-size: small;">তিনি আরও বলেন</span></span></span></span><span style="font-size: small;">, </span><span style="font-family: Times New Roman, serif;"><span lang="ar-SA"><span style="font-family: Aptos, sans-serif;"><span style="font-size: small;">বৈশ্বিক ক্রেতারা এখন উৎপাদন খরচ কমাতে এবং জনবলের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে কারখানায় এআই ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর জন্য গার্মেন্টস লিকদের চাপ দিচ্ছেন।</span></span></span></span></p>
<p class="western"><span style="font-family: Times New Roman, serif;"><span lang="ar-SA"><span style="font-family: Aptos, sans-serif;"><span style="font-size: small;">এই ব্যাখ্যাটির গভীর বিশ্লেষণ প্রয়োজন। এআই উৎপাদনের নির্দিষ্ট কিছু ধাপে খরচ কমাতে পারে ঠিকই</span></span></span></span><span style="font-size: small;">, </span><span style="font-family: Times New Roman, serif;"><span lang="ar-SA"><span style="font-family: Aptos, sans-serif;"><span style="font-size: small;">কিন্তু বাংলাদেশে এটি দ্রুত ও সফলভাবে কার্যকর করার পথে দুটি বড় বাধা রয়েছে</span></span></span></span><span style="font-size: small;">: </span><span style="font-family: Times New Roman, serif;"><span lang="ar-SA"><span style="font-family: Aptos, sans-serif;"><span style="font-size: small;">দক্ষ জনবলের অভাব এবং উচ্চ প্রযুক্তি খরচ।</span></span></span></span></p>
<p class="western"><span style="font-family: Times New Roman, serif;"><span lang="ar-SA"><span style="font-family: Aptos, sans-serif;"><b>হ্যাঁ</b></span></span></span><b>, </b><span style="font-family: Times New Roman, serif;"><span lang="ar-SA"><span style="font-family: Aptos, sans-serif;"><b>এআই খরচ কমাতে পারে</b></span></span></span><b>, </b><span style="font-family: Times New Roman, serif;"><span lang="ar-SA"><span style="font-family: Aptos, sans-serif;"><b>তবে নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে</b></span></span></span></p>
<p class="western"><span style="font-family: Aptos, sans-serif;"><span style="font-size: small;"><span lang="ar-SA">এআই কোনো একটি একক যন্ত্র নয়। পোশাক তৈরির বিভিন্ন ধাপে এটি ভিন্ন ভিন্নভাবে কাজ করে।</span></span></span></p>
<ul>
<li>
<p><span style="font-family: Times New Roman, serif;"><span lang="ar-SA"><span style="font-family: Aptos, sans-serif;"><span style="font-size: small;"><b>মান নিয়ন্ত্রণ </b></span></span></span></span><span style="font-size: small;"><b>(Quality Control):</b></span><span style="font-size: small;"> </span><span style="font-family: Times New Roman, serif;"><span lang="ar-SA"><span style="font-family: Aptos, sans-serif;"><span style="font-size: small;">বাংলাদেশে অনেক কারখানায় এআই</span></span></span></span><span style="font-size: small;">-</span><span style="font-family: Times New Roman, serif;"><span lang="ar-SA"><span style="font-family: Aptos, sans-serif;"><span style="font-size: small;">ভিত্তিক ত্রুটি শনাক্তকরণ পদ্ধতি ব্যবহার হচ্ছে। মানুষের চোখের চেয়ে ক্যামেরা দ্রুত সেলাই বা কাপড়ের ত্রুটি ধরতে পারে।</span></span></span></span></p>
</li>
<li>
<p><span style="font-family: Times New Roman, serif;"><span lang="ar-SA"><span style="font-family: Aptos, sans-serif;"><span style="font-size: small;"><b>রক্ষণাবেক্ষণ </b></span></span></span></span><span style="font-size: small;"><b>(Maintenance):</b></span><span style="font-size: small;"> </span><span style="font-family: Times New Roman, serif;"><span lang="ar-SA"><span style="font-family: Aptos, sans-serif;"><span style="font-size: small;">এআই সিস্টেম রিয়েল</span></span></span></span><span style="font-size: small;">-</span><span style="font-family: Times New Roman, serif;"><span lang="ar-SA"><span style="font-family: Aptos, sans-serif;"><span style="font-size: small;">টাইমে মেশিনের কার্যক্ষমতা পর্যবেক্ষণ করতে পারে। মেশিন কখন নষ্ট হতে পারে তা এটি আগেভাগেই বলে দিতে পারে। এতে কাজ বন্ধ থাকার সময় কমে এবং সার্বক্ষণিক মেশিন পাহারা দেওয়ার জন্য বাড়তি কর্মীর প্রয়োজন হয় না।</span></span></span></span></p>
</li>
<li>
<p><span style="font-family: Times New Roman, serif;"><span lang="ar-SA"><span style="font-family: Aptos, sans-serif;"><span style="font-size: small;"><b>পরিকল্পনা </b></span></span></span></span><span style="font-size: small;"><b>(Planning):</b></span><span style="font-size: small;"> </span><span style="font-family: Times New Roman, serif;"><span lang="ar-SA"><span style="font-family: Aptos, sans-serif;"><span style="font-size: small;">চাহিদা পূর্বাভাস এবং রিপোর্ট তৈরির কাজগুলো এআই স্বয়ংক্রিয়ভাবে করতে পারে। এতে দাপ্তরিক কাজের জন্য বাড়তি লোকের প্রয়োজন কমে।</span></span></span></span></p>
</li>
</ul>
<p class="western"><span style="font-family: Times New Roman, serif;"><span lang="ar-SA"><span style="font-family: Aptos, sans-serif;"><span style="font-size: small;">তবে সেলাইয়ের কাজ এখনও মানুষের হাতের স্পর্শ এবং বিচার</span></span></span></span><span style="font-size: small;">-</span><span style="font-family: Times New Roman, serif;"><span lang="ar-SA"><span style="font-family: Aptos, sans-serif;"><span style="font-size: small;">বুদ্ধির ওপর নির্ভরশীল হলেও কাটিং এবং ডিজাইনের ক্ষেত্রে এআই</span></span></span></span><span style="font-size: small;">-</span><span style="font-family: Times New Roman, serif;"><span lang="ar-SA"><span style="font-family: Aptos, sans-serif;"><span style="font-size: small;">এর উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে।</span></span></span></span></p>
<p class="western"><span style="font-family: Times New Roman, serif;"><span lang="ar-SA"><span style="font-family: Aptos, sans-serif;"><span style="font-size: small;">অর্থাৎ</span></span></span></span><span style="font-size: small;">, </span><span style="font-family: Times New Roman, serif;"><span lang="ar-SA"><span style="font-family: Aptos, sans-serif;"><span style="font-size: small;">উত্তরটি হলো </span></span></span></span><span style="font-size: small;">- </span><span style="font-family: Times New Roman, serif;"><span lang="ar-SA"><span style="font-family: Aptos, sans-serif;"><span style="font-size: small;">হ্যাঁ</span></span></span></span><span style="font-size: small;">, ‘</span><span style="font-family: Times New Roman, serif;"><span lang="ar-SA"><span style="font-family: Aptos, sans-serif;"><span style="font-size: small;">এআই খরচ কমাতে পারে’। কিন্তু এটি তখনই সম্ভব যখন কারখানাগুলো এটি সঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারবে। আর এখানেই আসল প্রতিবন্ধকতাগুলো দেখা দেয়।</span></span></span></span></p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202608/image_870x_6a742b660a1f8.jpg" alt=""></p>
<p class="western"><span style="font-family: Times New Roman, serif;"><span lang="ar-SA"><span style="font-family: Nirmala UI, sans-serif;"><b>প্রথম</b></span><span style="font-family: Aptos, sans-serif;"><b> </b></span><span style="font-family: Nirmala UI, sans-serif;"><b>বাধা</b></span></span></span><b>: </b><span style="font-family: Times New Roman, serif;"><span lang="ar-SA"><span style="font-family: Nirmala UI, sans-serif;"><b>ইঞ্জিনিয়ারের</b></span><span style="font-family: Aptos, sans-serif;"><b> </b></span><span style="font-family: Nirmala UI, sans-serif;"><b>অভাব</b></span><span style="font-family: Aptos, sans-serif;"><b> </b></span><span style="font-family: Nirmala UI, sans-serif;"><b>নয়</b></span></span></span><b>, </b><span style="font-family: Times New Roman, serif;"><span lang="ar-SA"><span style="font-family: Nirmala UI, sans-serif;"><b>অভাব</b></span><span style="font-family: Aptos, sans-serif;"><b> ‘</b></span><span style="font-family: Nirmala UI, sans-serif;"><b>সমন্বিত</b></span><span style="font-family: Aptos, sans-serif;"><b> </b></span><span style="font-family: Nirmala UI, sans-serif;"><b>দক্ষতার</b></span><span style="font-family: Aptos, sans-serif;"><b>’</b></span></span></span></p>
<p class="western"><span style="font-family: Aptos, sans-serif;"><span style="font-size: small;"><span lang="ar-SA">অনেকেই মনে করেন বাংলাদেশে এআই প্রতিভার অভাব আছে। এটি সঠিক নয়। বাংলাদেশে প্রচুর দক্ষ সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার রয়েছেন। আসল সমস্যা হলো দুটি ভিন্ন খাতের সমন্বয় ঘটানো।</span></span></span></p>
<p class="western"><span style="font-family: Times New Roman, serif;"><span lang="ar-SA"><span style="font-family: Aptos, sans-serif;"><span style="font-size: small;">একজন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার এআই মডেল তৈরি করতে পারেন। কিন্তু সেই মডেলটি তখনই কার্যকর হবে যখন এটি জানবে কারখানার ফ্লোরে সেলাই বা কাটিংয়ের কাজগুলো আসলে কীভাবে হয়। এই জ্ঞান কোডারদের নেই</span></span></span></span><span style="font-size: small;">, </span><span style="font-family: Times New Roman, serif;"><span lang="ar-SA"><span style="font-family: Aptos, sans-serif;"><span style="font-size: small;">বরং এটি আছে কারখানা ব্যবস্থাপক বা টেকনিশিয়ানদের কাছে।</span></span></span></span></p>
<p class="western"><span style="font-family: Times New Roman, serif;"><span lang="ar-SA"><span style="font-family: Inter, Cambria, serif;"><span style="font-size: small;">বর্তমানে বাংলাদেশে এমন মানুষের সংখ্যা খুবই কম যাদের পোশাক উৎপাদন এবং এআই </span></span></span></span><span style="font-family: Inter, Cambria, serif;"><span style="font-size: small;">- </span></span><span style="font-family: Times New Roman, serif;"><span lang="ar-SA"><span style="font-family: Inter, Cambria, serif;"><span style="font-size: small;">উভয় বিষয়েই গভীর জ্ঞান আছে। আর এটিই এই খাতের সবথেকে বড় বাধা বা ‘বটলনেক’।</span></span></span></span></p>
<p class="western"><span style="font-family: Times New Roman, serif;"><span lang="ar-SA"><span style="font-family: Inter, Cambria, serif;"><span style="font-size: small;">এক্ষেত্রে একটি মৌলিক প্রশ্ন থেকে যায়</span></span></span></span><span style="font-family: Inter, Cambria, serif;"><span style="font-size: small;">: </span></span><span style="font-family: Times New Roman, serif;"><span lang="ar-SA"><span style="font-family: Inter, Cambria, serif;"><span style="font-size: small;"><b>প্রশিক্ষককে প্রশিক্ষণ দেবে কে</b></span></span></span></span><span style="font-family: Inter, Cambria, serif;"><span style="font-size: small;"><b>?</b></span></span></p>
<p class="western"><span style="font-family: Inter, Cambria, serif;"><span style="font-size: small;"><span lang="ar-SA">কারখানায় এআই ব্যবহারের আগে ইঞ্জিনিয়ারদের বুঝতে হবে পোশাক শিল্প কীভাবে চলে। এই সমন্বিত জ্ঞান দেওয়ার মতো প্রতিষ্ঠান বা প্রশিক্ষক বাংলাদেশে বর্তমানে নেই বললেই চলে।</span></span></span></p>
<p class="western"><span style="font-family: Times New Roman, serif;"><span lang="ar-SA"><span style="font-family: Inter, Cambria, serif;"><span style="font-size: small;">সাবেক বাংলাদেশ গার্মেন্ট ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন </span></span></span></span><span style="font-family: Inter, Cambria, serif;"><span style="font-size: small;">(</span></span><span style="font-family: Times New Roman, serif;"><span lang="ar-SA"><span style="font-family: Inter, Cambria, serif;"><span style="font-size: small;">বিজিএমইএ</span></span></span></span><span style="font-family: Inter, Cambria, serif;"><span style="font-size: small;">) </span></span><span style="font-family: Times New Roman, serif;"><span lang="ar-SA"><span style="font-family: Inter, Cambria, serif;"><span style="font-size: small;">সভাপতি ফারুক হাসান এক সামিটে বলেছিলেন</span></span></span></span><span style="font-family: Inter, Cambria, serif;"><span style="font-size: small;">, </span></span><span style="font-family: Times New Roman, serif;"><span lang="ar-SA"><span style="font-family: Inter, Cambria, serif;"><span style="font-size: small;">প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ করতে হবে। বর্তমান সভাপতি মাহমুদ হাসান খানও প্রযুক্তিনির্ভর হওয়ার ওপর জোর দিয়েছেন। কিন্তু বর্তমানে বিজিএমইএ</span></span></span></span><span style="font-family: Inter, Cambria, serif;"><span style="font-size: small;">-</span></span><span style="font-family: Times New Roman, serif;"><span lang="ar-SA"><span style="font-family: Inter, Cambria, serif;"><span style="font-size: small;">র প্রশিক্ষণ প্রোগ্রামগুলো মূলত সাধারণ কর্মীদের দক্ষতা বাড়ানোর জন্য তৈরি। এআই</span></span></span></span><span style="font-family: Inter, Cambria, serif;"><span style="font-size: small;">-</span></span><span style="font-family: Times New Roman, serif;"><span lang="ar-SA"><span style="font-family: Inter, Cambria, serif;"><span style="font-size: small;">এর জন্য প্রয়োজনীয় বিশেষায়িত জনবল তৈরির কাঠামো সেখানে এখনো গড়ে ওঠেনি।</span></span></span></span></p>
<p class="western"><span style="font-family: Nirmala UI, sans-serif;"><span lang="ar-SA"><b>দ্বিতীয় বাধা</b></span></span><span style="font-family: Nirmala UI, sans-serif;"><b>: </b></span><span style="font-family: Nirmala UI, sans-serif;"><span lang="ar-SA"><b>প্রযুক্তি গ্রহণের উচ্চ ব্যয়</b></span></span></p>
<p class="western"><span style="font-family: Times New Roman, serif;"><span lang="ar-SA"><span style="font-family: Inter, Cambria, serif;"><span style="font-size: small;">দক্ষ জনবল থাকলেও খরচ একটি বিশাল বাধা। এআই সিস্টেম মোটেও সহজলভ্য নয়। সরঞ্জাম কেনা</span></span></span></span><span style="font-family: Inter, Cambria, serif;"><span style="font-size: small;">, </span></span><span style="font-family: Times New Roman, serif;"><span lang="ar-SA"><span style="font-family: Inter, Cambria, serif;"><span style="font-size: small;">সফটওয়্যার লাইসেন্স এবং কর্মীদের প্রশিক্ষণের জন্য বড় অঙ্কের প্রাথমিক বিনিয়োগ প্রয়োজন। হা</span></span></span></span><span style="font-family: Inter, Cambria, serif;"><span style="font-size: small;">-</span></span><span style="font-family: Times New Roman, serif;"><span lang="ar-SA"><span style="font-family: Inter, Cambria, serif;"><span style="font-size: small;">মীম গ্রুপের মতো বড় প্রতিষ্ঠানের জন্য এই খরচ বহন করা সম্ভব হলেও</span></span></span></span><span style="font-family: Inter, Cambria, serif;"><span style="font-size: small;">, </span></span><span style="font-family: Times New Roman, serif;"><span lang="ar-SA"><span style="font-family: Inter, Cambria, serif;"><span style="font-size: small;">মাঝারি ও ছোট কারখানাগুলোর জন্য এটি অত্যন্ত কঠিন।</span></span></span></span></p>
<p class="western"><span style="font-family: Inter, Cambria, serif;"><span style="font-size: small;"><span lang="ar-SA">এর ফলে শিল্পে একটি বৈষম্য তৈরি হতে পারে। বড় গ্রুপগুলো আধুনিকায়নের সুযোগ পাবে</span></span></span><span style="font-family: Inter, Cambria, serif;"><span style="font-size: small;">, </span></span><span style="font-family: Inter, Cambria, serif;"><span style="font-size: small;"><span lang="ar-SA">আর ছোট কারখানাগুলো শুধু টিকে থাকার লড়াইয়ে কর্মী ছাঁটাই করবে।</span></span></span></p>
<p class="western"><span style="font-family: Times New Roman, serif;"><span lang="ar-SA"><span style="font-family: Inter, Cambria, serif;"><span style="font-size: small;">আরও একটি বড় সমস্যা হলো বৈদেশিক মুদ্রা। বেশিরভাগ এআই সফটওয়্যার ও হার্ডওয়্যার বিদেশি কোম্পানি থেকে কিনতে হয়। এর মানে হলো</span></span></span></span><span style="font-family: Inter, Cambria, serif;"><span style="font-size: small;">, </span></span><span style="font-family: Times New Roman, serif;"><span lang="ar-SA"><span style="font-family: Inter, Cambria, serif;"><span style="font-size: small;">স্থানীয় মুদ্রায় মজুরি দেওয়ার বদলে ডলার বা ইউরোতে লাইসেন্স ফি দিতে হবে। এ কে আজাদ যখন মুদ্রাস্ফীতির কথা বলছেন</span></span></span></span><span style="font-family: Inter, Cambria, serif;"><span style="font-size: small;">, </span></span><span style="font-family: Times New Roman, serif;"><span lang="ar-SA"><span style="font-family: Inter, Cambria, serif;"><span style="font-size: small;">তখন</span></span><span style="font-family: Inter, Cambria, serif;"><span style="font-size: small;"><b> বিদেশি প্রযুক্তি আমদানি করা মানে হলো খরচ কমানো নয়</b></span></span></span></span><span style="font-family: Inter, Cambria, serif;"><span style="font-size: small;"><b>, </b></span></span><span style="font-family: Times New Roman, serif;"><span lang="ar-SA"><span style="font-family: Inter, Cambria, serif;"><span style="font-size: small;"><b>বরং খরচের খাত পরিবর্তন করা।</b></span></span></span></span></p>
<p class="western"><span style="font-family: Nirmala UI, sans-serif;"><span lang="ar-SA"><b>অমিমাংসিত প্রশ্ন</b></span></span></p>
<p class="western"><span style="font-family: Times New Roman, serif;"><span lang="ar-SA"><span style="font-family: Inter, Cambria, serif;"><span style="font-size: small;">এ কে আজাদ হা</span></span></span></span><span style="font-family: Inter, Cambria, serif;"><span style="font-size: small;">-</span></span><span style="font-family: Times New Roman, serif;"><span lang="ar-SA"><span style="font-family: Inter, Cambria, serif;"><span style="font-size: small;">মীম গ্রুপের কর্মী ছাঁটাইয়ের কারণ হিসেবে ক্রেতাদের চাপের কথা বলেছেন। প্রমাণ বলছে যে</span></span></span></span><span style="font-family: Inter, Cambria, serif;"><span style="font-size: small;">, </span></span><span style="font-family: Times New Roman, serif;"><span lang="ar-SA"><span style="font-family: Inter, Cambria, serif;"><span style="font-size: small;">এআই নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে খরচ কমাতে পারে। কিন্তু তার আগে দুটি শর্ত পূরণ হওয়া প্রয়োজন। প্রথমত</span></span></span></span><span style="font-family: Inter, Cambria, serif;"><span style="font-size: small;">, </span></span><span style="font-family: Times New Roman, serif;"><span lang="ar-SA"><span style="font-family: Inter, Cambria, serif;"><span style="font-size: small;">বাংলাদেশে এমন বিশেষজ্ঞ প্রয়োজন যারা পোশাক উৎপাদন এবং এআই </span></span></span></span><span style="font-family: Inter, Cambria, serif;"><span style="font-size: small;">- </span></span><span style="font-family: Times New Roman, serif;"><span lang="ar-SA"><span style="font-family: Inter, Cambria, serif;"><span style="font-size: small;">উভয়টিই বোঝেন। দ্বিতীয়ত</span></span></span></span><span style="font-family: Inter, Cambria, serif;"><span style="font-size: small;">, </span></span><span style="font-family: Times New Roman, serif;"><span lang="ar-SA"><span style="font-family: Inter, Cambria, serif;"><span style="font-size: small;">কারখানাগুলোর জন্য এই প্রযুক্তি সহজে পাওয়ার সুযোগ থাকতে হবে।</span></span></span></span></p>
<p class="western"><span style="font-family: Inter, Cambria, serif;"><span style="font-size: small;"><span lang="ar-SA">বর্তমানে এই দুটি শর্তের কোনোটিই পুরোপুরি পূরণ হয়নি। তাই প্রশ্ন থেকেই যায়</span></span></span><span style="font-family: Inter, Cambria, serif;"><span style="font-size: small;">: </span></span><span style="font-family: Inter, Cambria, serif;"><span style="font-size: small;"><span lang="ar-SA">কর্মী ছাঁটাইয়ের পেছনে কি সত্যিই এআই</span></span></span><span style="font-family: Inter, Cambria, serif;"><span style="font-size: small;">-</span></span><span style="font-family: Inter, Cambria, serif;"><span style="font-size: small;"><span lang="ar-SA">এর ভূমিকা রয়েছে</span></span></span><span style="font-family: Inter, Cambria, serif;"><span style="font-size: small;">, </span></span><span style="font-family: Inter, Cambria, serif;"><span style="font-size: small;"><span lang="ar-SA">নাকি এটি স্রেফ একটি অজুহাত</span></span></span><span style="font-family: Inter, Cambria, serif;"><span style="font-size: small;">?</span></span></p>
<hr>
<p class="western"><span style="font-family: Times New Roman, serif;"><span lang="ar-SA"><span style="font-family: Inter, Cambria, serif;"><span style="font-size: small;"><b>লেখক</b></span></span></span></span><span style="font-family: Inter, Cambria, serif;"><span style="font-size: small;"><b>: </b></span></span><span style="font-family: Times New Roman, serif;"><span lang="ar-SA"><span style="font-family: Inter, Cambria, serif;"><span style="font-size: small;">টেক ইন্ডাস্ট্রি প্রফেশনাল ও সাবেক সাংবাদিক</span></span></span></span></p>
<hr>
<p class="western"><br><br></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>অসমাপ্ত ডিজিটাল বিপ্লব:  বাংলাদেশের সবার কাছে ইন্টারনেট পৌঁছাবে কীভাবে</title>
<link>https://digibanglatech.news/186040</link>
<guid>https://digibanglatech.news/186040</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p&gt;নেটওয়ার্কের আওতা বাড়লেই ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত হয় না। প্রয়োজন সাশ্রয়ী সংযোগ, মানসম্মত সেবা, উপযুক্ত ডিভাইস, ব্যবহারিক দক্ষতা এবং নাগরিক অধিকার রক্ষার নিশ্চয়তা&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202608/image_870x580_6a73317a2f3a6.jpg" length="129374" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 05 Aug 2026 00:16:36 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশের প্রায় সর্বত্র এখন মোবাইল নেটওয়ার্কের সংকেত দেখা যায়। শহরের বিপণিবিতান থেকে উপকূলের গ্রাম পর্যন্ত স্মার্টফোন মানুষের হাতে পৌঁছে গেছে। সরকারি সেবা, শিক্ষা, ব্যাংকিং, ব্যবসা, চাকরির আবেদন এবং ব্যক্তিগত যোগাযোগ ক্রমেই অনলাইননির্ভর হয়ে উঠছে। বাইরে থেকে দেখলে মনে হতে পারে, বাংলাদেশের ডিজিটাল বিপ্লব প্রায় সম্পন্ন।</p>
<p>কিন্তু নেটওয়ার্কের মানচিত্র আর মানুষের বাস্তব অভিজ্ঞতা এক নয়।<br>একজন কৃষক মোবাইল ফোনে সংকেত পেলেও প্রয়োজনের সময় আবহাওয়ার নির্ভরযোগ্য তথ্য নাও পেতে পারেন। একজন শিক্ষার্থীর স্মার্টফোন থাকলেও নিয়মিত অনলাইন ক্লাস করার মতো ডেটা কেনার সামর্থ্য নাও থাকতে পারে। একজন নারী পরিবারের ফোন ব্যবহার করতে পারলেও সেটির ওপর তাঁর ব্যক্তিগত নিয়ন্ত্রণ নাও থাকতে পারে। আবার কোনো প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ইন্টারনেটে যুক্ত হলেও ডিজিটাল সেবার নকশা তাঁর জন্য ব্যবহারযোগ্য না-ও হতে পারে।</p>
<p>এই বাস্তবতাই বলে দেয়, ইন্টারনেটের বিস্তার হয়েছে, কিন্তু ডিজিটাল বিপ্লব এখনো অসমাপ্ত।</p>
<p><strong>সংযোগ আছে, ব্যবহার নেই</strong><br>বিশ্বব্যাংকের ২০২৬ সালের তথ্যচিত্র “The Unfinished Digital Revolution: Expanding Internet Access” একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য সামনে এনেছে। নেটওয়ার্ক মানুষের বসতির কাছাকাছি পৌঁছানো আর মানুষ বাস্তবে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারা এক বিষয় নয়। ২০২৫ সালেও বিশ্বে প্রায় ২২০ কোটি মানুষ অফলাইনে ছিল। অবকাঠামোর ঘাটতি এর একটি কারণ, কিন্তু একমাত্র কারণ নয়। উচ্চ ব্যয়, ডিভাইসের অভাব, সীমিত ডিজিটাল দক্ষতা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক নীতির অনুপস্থিতিও মানুষকে অনলাইনের বাইরে রাখে। বিশ্বব্যাংক সতর্ক করেছে, প্রতিযোগিতা, দক্ষতা ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান ছাড়া ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যাপক সুফল না দিয়ে বৈষম্য আরও বাড়াতে পারে।</p>
<p><strong>বিশ্বব্যাংকের ইন্টারনেট অ্যাকসেস অ্যাটলাস</strong><br>বাংলাদেশের সাম্প্রতিক তথ্যেও একই চিত্র পাওয়া যায়। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর ২০২৪–২৫ অর্থবছরের আইসিটি জরিপ অনুযায়ী, দেশের ৫৩ দশমিক ৪ শতাংশ মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করেন। অর্থাৎ উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সত্ত্বেও প্রায় অর্ধেক জনগোষ্ঠী এখনো ইন্টারনেট ব্যবহারের বাইরে।</p>
<p>আরও উদ্বেগজনক হলো ভৌগোলিক বৈষম্য। শহরে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর হার ৭৫ দশমিক ৭ শতাংশ, অথচ গ্রামে মাত্র ৪৩ দশমিক ৬ শতাংশ। ব্যবধান ৩২ দশমিক ১ শতাংশ পয়েন্ট। একই জরিপে ব্যক্তিগত মোবাইল ফোনের মালিকানা ৬৪ দশমিক ৪ শতাংশ এবং কম্পিউটার ব্যবহারের হার মাত্র ১১ দশমিক ৩ শতাংশ পাওয়া গেছে। বিবিএস জরিপের প্রতিবেদিত ফলাফল</p>
<p>এই ব্যবধান শুধু সংখ্যার নয়। এটি শিক্ষা, আয়, কর্মসংস্থান, সরকারি সেবা এবং নাগরিক অংশগ্রহণের ব্যবধান।</p>
<p><strong>ইন্টারনেটের প্রকৃত মূল্য কোথায়</strong><br>ইন্টারনেটকে এখনো অনেক ক্ষেত্রে বিনোদন বা সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে দেখা হয়। কিন্তু আধুনিক রাষ্ট্র ও অর্থনীতিতে এটি প্রায় মৌলিক অবকাঠামোর ভূমিকা পালন করছে। একজন শিক্ষার্থী ভর্তি, বৃত্তি ও পাঠ্যসামগ্রী খুঁজে পায় অনলাইনে। ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ডিজিটাল পেমেন্ট গ্রহণ করেন, পণ্যের বাজার তৈরি করেন এবং সরবরাহকারীর সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন। প্রবাসী পরিবারের কাছে অর্থ পাঠান। কৃষক বাজারদর ও আবহাওয়ার খবর জানতে পারেন। নাগরিক সরকারি চাকরি, সামাজিক সুরক্ষা কিংবা স্বাস্থ্যসেবার তথ্য পান।</p>
<p>কিন্তু এই সেবাগুলো যখন “ডিজিটাল ফার্স্ট” হয়ে যায়, তখন অফলাইনে থাকা মানুষ শুধু ইন্টারনেট থেকে নয়, রাষ্ট্র ও অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ থেকেও বাদ পড়েন।</p>
<p>এই কারণে ইন্টারনেট সংযোগকে আর কেবল টেলিযোগাযোগ খাতের বাণিজ্যিক পণ্য হিসেবে দেখা যায় না। এটি শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, সামাজিক সুরক্ষা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং স্থানীয় অর্থনীতির সঙ্গে সম্পর্কিত একটি জাতীয় উন্নয়ন প্রশ্ন।</p>
<p><strong>সিমকার্ড সংযোগের প্রমাণ নয়</strong><br>বাংলাদেশে ডিজিটাল অগ্রগতি মাপতে প্রায়ই মোবাইল গ্রাহক, ইন্টারনেট সাবস্ক্রিপশন অথবা নেটওয়ার্ক কভারেজের সংখ্যা ব্যবহার করা হয়। এই সূচকগুলো প্রয়োজনীয়, তবে অসম্পূর্ণ।</p>
<p>এক ব্যক্তি একাধিক সিম ব্যবহার করতে পারেন। আবার একটি পরিবারের পাঁচ সদস্য একটি স্মার্টফোন ভাগ করে নিতে পারেন। নিবন্ধিত সংযোগ থাকলেও সেটি নিয়মিত ব্যবহার করা না-ও হতে পারে। ডেটার দাম, দুর্বল গতি, বিদ্যুৎ বিভ্রাট কিংবা মানসম্মত ডিভাইসের অভাবে কার্যকর ব্যবহার বাধাগ্রস্ত হতে পারে।</p>
<p>তাই নীতিনির্ধারণে “কতটি সংযোগ আছে” প্রশ্নের পাশাপাশি জানতে হবে:</p>
<p>কে নিয়মিত ইন্টারনেট ব্যবহার করছেন?<br>কোন ডিভাইস দিয়ে এবং কী মানের সংযোগে ব্যবহার করছেন?<br>ডেটা ও ডিভাইস কিনতে আয়ের কত অংশ ব্যয় হচ্ছে?<br>নারী ও কিশোরীরা নিজের ডিভাইস স্বাধীনভাবে ব্যবহার করতে পারছেন কি না?<br>প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ও ভাষাগতভাবে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য সেবাগুলো ব্যবহারযোগ্য কি না?<br>নাগরিকেরা নিরাপদে ও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে অনলাইন সেবা নিতে পারছেন কি না?</p>
<p>এই প্রশ্নগুলোর উত্তর না জানলে কভারেজ বাড়লেও প্রকৃত অন্তর্ভুক্তি পরিমাপ করা যাবে না।</p>
<p><strong>ব্যয়ের বাধা</strong><br>বিবিএস জরিপে ইন্টারনেট সেবার উচ্চ ব্যয় এবং ডিভাইসের দামকে ব্যবহারের বড় বাধা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বিষয়টি শুধু একটি ডেটা প্যাকের দাম কত, তা দিয়ে বিচার করলে ভুল হবে। দেখতে হবে নিম্ন আয়ের পরিবারের মাসিক আয়ের কত অংশ নিয়মিত সংযোগ বজায় রাখতে ব্যয় হয়।</p>
<p>একটি পরিবারের কাছে খাদ্য, বাসস্থান, চিকিৎসা ও শিক্ষার খরচ মেটানোর পর ইন্টারনেট কেনা যদি বিলাসিতা হয়ে দাঁড়ায়, তবে নেটওয়ার্কের উপস্থিতি কোনো অর্থবহ পরিবর্তন আনবে না। অনিয়মিত বা অল্প ডেটার সংযোগ দিয়ে ভিডিওভিত্তিক শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, টেলিমেডিসিন কিংবা অনলাইন ব্যবসা চালানোও সম্ভব নয়।</p>
<p>সরকারের তাই সাশ্রয়ী মূল্যের ন্যূনতম ব্রডব্যান্ড প্যাকেজ, শিক্ষার্থী ও নিম্ন আয়ের পরিবারের জন্য লক্ষ্যভিত্তিক সহায়তা এবং ডিভাইসের করকাঠামো পুনর্বিবেচনা করা প্রয়োজন। তবে ভর্তুকি যেন রাজনৈতিক সুবিধা বা অপচয়ের ব্যবস্থায় পরিণত না হয়। উপকারভোগী নির্বাচন, সেবার মান এবং ফলাফল প্রকাশ্যে যাচাইযোগ্য হতে হবে।</p>
<p><strong>গ্রামকে শহরের দুর্বল সংস্করণ ভাবা যাবে না</strong><br>গ্রামীণ সংযোগের সমস্যার সমাধান শহরের মডেল হুবহু নকল করে হবে না। চর, হাওর, দ্বীপ, পাহাড়, উপকূল এবং দুর্যোগপ্রবণ এলাকার ভৌগোলিক ও অর্থনৈতিক বাস্তবতা ভিন্ন। বাণিজ্যিকভাবে কম লাভজনক এলাকায় অপারেটররা প্রয়োজনীয় বিনিয়োগে অনাগ্রহী হতে পারে।</p>
<p>ফলে সর্বজনীন সেবা তহবিলের অর্থ কোথায় যাচ্ছে, কী ফল দিচ্ছে এবং কোন জনগোষ্ঠী উপকৃত হচ্ছে, তার স্বচ্ছ হিসাব প্রয়োজন। ফাইবার, মোবাইল ব্রডব্যান্ড, কমিউনিটি নেটওয়ার্ক, স্থানীয় ওয়াই-ফাই কেন্দ্র এবং প্রয়োজন অনুযায়ী স্যাটেলাইট প্রযুক্তির সমন্বিত ব্যবহার বিবেচনা করতে হবে। কোনো একটি প্রযুক্তিকে সব সমস্যার সমাধান হিসেবে প্রচার করা উচিত নয়।</p>
<p>পাশাপাশি স্কুল, ইউনিয়ন পরিষদ, কমিউনিটি ক্লিনিক, ডাকঘর, গ্রন্থাগার ও কমিউনিটি রেডিওকেন্দ্রকে জনস্বার্থভিত্তিক ডিজিটাল সংযোগকেন্দ্র হিসেবে কাজে লাগানো যেতে পারে। এসব স্থান শুধু ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ দেবে না, স্থানীয় মানুষকে সেবা গ্রহণে সহায়তাও করতে পারবে।</p>
<p><strong>ডিজিটাল দক্ষতা মানে অ্যাপ চালানো নয়</strong><br>ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারা আর ডিজিটালভাবে সক্ষম হওয়া এক নয়। ফেসবুক বা ভিডিও প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করতে পারলেও অনেকে তথ্যের সত্যতা যাচাই, শক্তিশালী পাসওয়ার্ড তৈরি, প্রতারণা শনাক্ত, গোপনীয়তা নিয়ন্ত্রণ কিংবা সরকারি অনলাইন ফরম পূরণ করতে পারেন না।</p>
<p>কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিস্তারের সঙ্গে এই দক্ষতার ঘাটতি আরও গুরুতর হবে। মানুষ শুধু ভুল তথ্য গ্রহণ করবেন না, তাঁদের ছবি, কণ্ঠ ও ব্যক্তিগত তথ্যও অপব্যবহারের ঝুঁকিতে পড়বে। নারী ও মেয়েরা প্রযুক্তি-সহায়িত জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা, ভুয়া পরিচয়, ব্ল্যাকমেল এবং কৃত্রিমভাবে তৈরি আপত্তিকর কনটেন্টের বিশেষ ঝুঁকিতে রয়েছেন।</p>
<p>তাই ডিজিটাল সাক্ষরতায় নিরাপত্তা, গোপনীয়তা, তথ্য যাচাই, অনলাইন অধিকার, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং অভিযোগ প্রতিকারের শিক্ষা যুক্ত করতে হবে। এই প্রশিক্ষণ স্থানীয় ভাষা ও বাস্তব সমস্যার ভিত্তিতে হতে হবে। একদিনের কর্মশালা দিয়ে জাতীয় সক্ষমতা তৈরি হয় না।</p>
<p><strong>ইন্টারনেট বন্ধ রেখে ডিজিটাল অর্থনীতি চলে না</strong><br>ইন্টারনেট প্রবেশাধিকার নিয়ে আলোচনায় আরেকটি অস্বস্তিকর প্রশ্ন এড়িয়ে যাওয়া যায় না। নাগরিককে সংযুক্ত করার পর প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে সেবা বন্ধ করে দিলে সেই সংযোগকে নির্ভরযোগ্য বলা যায় না।</p>
<p>ইন্টারনেট বন্ধ হলে শুধু সামাজিক যোগাযোগ ব্যাহত হয় না। ব্যাংকিং, রপ্তানি, ফ্রিল্যান্সিং, সংবাদমাধ্যম, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও জরুরি যোগাযোগ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ডিজিটাল অর্থনীতি গড়ে তুলতে চাইলে সংযোগের ধারাবাহিকতাকে আইনি ও নীতিগতভাবে রক্ষা করতে হবে। যেকোনো বিধিনিষেধ হতে হবে আইনসম্মত, প্রয়োজনীয়, আনুপাতিক, সময়সীমাবদ্ধ এবং স্বাধীন পর্যালোচনার আওতাভুক্ত।</p>
<p>একই সঙ্গে রাষ্ট্রকে সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। কিন্তু নিরাপত্তার নামে নির্বিচার নজরদারি বা মতপ্রকাশ নিয়ন্ত্রণ করা হলে মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহারে আস্থা হারাবে। নিরাপত্তা এবং অধিকারকে পরস্পরের প্রতিপক্ষ ভাবা ভুল। গণতান্ত্রিক ডিজিটাল ব্যবস্থায় দুটিই প্রয়োজন।</p>
<p><strong>পাঁচটি জাতীয় অগ্রাধিকার</strong><br>বাংলাদেশের অসমাপ্ত ডিজিটাল বিপ্লব সম্পন্ন করতে অন্তত পাঁচটি পদক্ষেপ জরুরি।</p>
<p>প্রথমত, জেলা, লিঙ্গ, বয়স, আয়, প্রতিবন্ধিতা ও গ্রাম-শহরভিত্তিক নির্ভরযোগ্য তথ্য প্রকাশ করতে হবে। জাতীয় গড় বৈষম্য আড়াল করে।</p>
<p>দ্বিতীয়ত, ইন্টারনেট ও উপযুক্ত ডিভাইসের ব্যয়কে নিম্ন আয়ের মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে আনতে হবে।</p>
<p>তৃতীয়ত, গ্রামীণ ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে ফাইবার, মোবাইল, কমিউনিটি নেটওয়ার্ক ও অন্যান্য প্রযুক্তির সমন্বয়ে স্থিতিস্থাপক অবকাঠামো গড়ে তুলতে হবে।</p>
<p>চতুর্থত, বিদ্যালয় থেকে প্রাপ্তবয়স্ক শিক্ষা পর্যন্ত ব্যবহারিক ডিজিটাল, মিডিয়া ও এআই সাক্ষরতা চালু করতে হবে।</p>
<p>পঞ্চমত, ইন্টারনেটকে নাগরিক অধিকার, অর্থনৈতিক সুযোগ এবং প্রয়োজনীয় সেবায় প্রবেশের মাধ্যম হিসেবে রক্ষা করতে হবে। এ জন্য দরকার স্বাধীন নিয়ন্ত্রণ, বাজারে কার্যকর প্রতিযোগিতা, সেবার মান প্রকাশ এবং সহজ অভিযোগ প্রতিকার।</p>
<p><strong>কেবল অনলাইনে আনা যথেষ্ট নয়</strong><br>বাংলাদেশের সামনে এখন পছন্দটি স্পষ্ট। আমরা এমন একটি ডিজিটাল ব্যবস্থা তৈরি করতে পারি, যেখানে দ্রুতগতির সংযোগ, উন্নত ডিভাইস এবং নতুন প্রযুক্তির সুবিধা প্রধানত শহরের সচ্ছল জনগোষ্ঠীর মধ্যে কেন্দ্রীভূত থাকবে। অথবা ইন্টারনেটকে এমন একটি জনস্বার্থভিত্তিক অবকাঠামো হিসেবে গড়ে তুলতে পারি, যা একজন উপকূলীয় নারী, চরাঞ্চলের শিক্ষার্থী, ক্ষুদ্র কৃষক, প্রতিবন্ধী নাগরিক এবং শহরের নিম্ন আয়ের শ্রমিককেও বাস্তব সুযোগ দেয়।</p>
<p>সাফল্যের মাপকাঠি আর কতটি টাওয়ার বসানো হলো বা কতটি সিম নিবন্ধিত হলো, সেটি হতে পারে না। আসল প্রশ্ন হলো, মানুষ সংযোগটি নিয়মিত ব্যবহার করতে পারছে কি না, সেটি তার জীবন ও জীবিকায় মূল্য যোগ করছে কি না এবং ব্যবহারের সময় তার অধিকার ও নিরাপত্তা রক্ষা পাচ্ছে কি না।</p>
<p>বাংলাদেশের ডিজিটাল বিপ্লব তখনই সম্পন্ন হবে, যখন ইন্টারনেট কেবল সবার নাগালের মধ্যে নয়, সবার সামর্থ্য, প্রয়োজন ও অধিকারের মধ্যেও থাকবে।</p>
<hr>
<p><strong>লেখকঃ </strong>দায়িত্বশীল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স বিষয়ক অ্যাম্বাসেডর</p>
<hr>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ফ্রিল্যান্সিং রেমিট্যান্স ও &amp;apos;সবার আগে বাংলাদেশ&amp;apos;: অপার সম্ভাবনা এবং ব্যাংকিং খাতের বাধা</title>
<link>https://digibanglatech.news/185886</link>
<guid>https://digibanglatech.news/185886</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202608/image_870x580_6a7149a68e675.jpg" length="75457" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 04 Aug 2026 00:07:48 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>আজকের ডিজিটাল যুগে দেশের লাখ লাখ তরুণ-তরুণীর জন্য সবচেয়ে প্রমিজিং আর বাস্তবসম্মত আয়ের জায়গা হয়ে উঠেছে অনলাইন ফ্রিল্যান্সিং ও আইসিটি খাত। তৈরি পোশাক শিল্পের পর খুব অল্প সময়ে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার বড় উৎস হওয়ার সব রকম ক্ষমতাই এর আছে। সরকার যে 'সবার আগে বাংলাদেশ' বা 'Bangladesh First' নীতি নিয়ে এগোচ্ছে, তার মূলে কিন্তু রয়েছে আত্মনির্ভরশীলতা—চাকরির পেছনে না ছুটে তরুণরা যেন নিজেদের দক্ষতায় বিশ্বমঞ্চ থেকে আয় করতে পারে। এই চিন্তাকে বাস্তবে রূপ দিতে এবং ফ্রিল্যান্সারদের টাকা আনার পথ সহজ করতে সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংক বেশ কিছু যুগান্তকারী নিয়ম চালু করেছে। কিন্তু বাস্তবতা হলো, কাগুজে নীতি যতই ভালো হোক, ব্যাংকগুলোর অভ্যন্তরীণ সমন্বয়হীনতা, ডলারের দরের পার্থক্য আর আন্তর্জাতিক বাজারে বেশি দামি কাজের অভাবে আমাদের তরুণরা এখনো তাদের মেধার পুরোটা কাজে লাগাতে পারছেন না।</p>
<p>বিশ্ববাজারে আমাদের অবস্থান</p>
<p>বিশ্বজুড়ে আউটসোর্সিং বা গিগ ইকোনমির বাজার হু হু করে বাড়ছে। বর্তমানে এই ফ্রিল্যান্সিং বাজারের আকার কয়েক বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গবেষণা বলছে, ২০৩৪ সালের মধ্যে এটি ৩০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে। আর পুরো প্রজেক্ট-ভিত্তিক কাজের বাজার হিসেব করলে তা শতবিলিয়ন ডলারের ওপর। সেখানে আমাদের দেশের অবস্থান কোথায়? আইসিটি বিভাগের মতে, বাংলাদেশে প্রায় সাড়ে ছয় লাখ নিবন্ধিত ফ্রিল্যান্সার আছেন, যার মধ্যে নিয়মিত কাজ করেন প্রায় ৫ লাখ। তারা বছর শেষে ৫০০ মিলিয়ন থেকে ১ বিলিয়ন ডলারের মতো রেমিট্যান্স দেশে আনছেন। অর্থাৎ, এত বড় বিশ্ববাজারের তুলনায় আমরা কিন্তু এখনো ১ শতাংশের কম ধরে রাখতে পারছি। আবার যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড ইন্টারনেট ইনস্টিটিউট (OII) বলছে, বিশ্ববাজারে ফ্রিল্যান্সার সরবরাহের দিক থেকে বাংলাদেশ দ্বিতীয়—ঠিক ভারতের পরেই। কিন্তু আয়ের অংকের দিক থেকে আমরা এখনো বেশ পিছিয়ে। কারণ আমাদের অধিকাংশ ফ্রিল্যান্সার এখনো কম মূল্যের প্রথাগত কাজেই সীমাবদ্ধ আছেন।</p>
<p>আমরা কোথায় কাজ করছি এবং ঘাটতি কোথায়?</p>
<p>আমাদের ফ্রিল্যান্সাররা মূলত যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, যুক্তরাজ্য, জার্মানি বা অস্ট্রেলিয়ার মতো দেশের ক্লায়েন্টদের সেবা দেন। আমাদের মূল শক্তি হলো ওয়েবসাইট ডিজাইন ও সাধারণ ডেভেলপমেন্ট (যেমন ওয়ার্ডপ্রেস, শপিফাই), গ্রাফিক ডিজাইন, সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং, এসইও কিংবা ডাটা এন্ট্রি ও ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্সের কাজ। কিন্তু আন্তর্জাতিক বাজারে যে কাজগুলোর দাম সবচেয়ে বেশি—যেমন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI/ML), সাইবার নিরাপত্তা, ক্লাউড কম্পিউটিং, ব্লকচেইন প্রযুক্তি কিংবা বড় বড় প্রাতিষ্ঠানিক ডেটা সায়েন্স—সেসব জায়গায় আমাদের উপস্থিতি খুবই কম। এর সাথে যুক্ত হয়েছে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ক্লায়েন্টের সঙ্গে দরদাম করার মতো ইংরেজি ভাষা ও প্রেজেন্টেশন দক্ষতার দুর্বলতা।</p>
<p>আমাদের প্রতিবেশীরা কীভাবে এগোচ্ছে?</p>
<p>গিগ ইকোনমিতে ফিলিপাইন, ভারত, পাকিস্তান বা ভিয়েতনাম বেশ দ্রুত নিজেদের অবস্থান শক্ত করছে। ফিলিপাইন সরকার 'ফ্রিল্যান্সার প্রটেকশন অ্যাক্ট' করার পাশাপাশি এমন এক ক্যাশলেস ব্যবস্থা বানিয়ে দিয়েছে, যেখানে পেপ্যাল বা পেওনিয়ারের মাধ্যমে সরাসরি টাকা চলে আসে কোনো ঝামেলা ছাড়াই। ভারত সরকার আইটি পার্ক ব্যবহারের সুযোগ দিচ্ছে, সফটওয়্যার আমদানিতে কর ছাড় দিচ্ছে এবং এআই-ভিত্তিক কাজের জন্য তরুণদের ট্রেইনিং দিতে বাজেট রাখছে। আর পাকিস্তান 'e-Rozgaar' ও ই-রেসিডেন্সি চালু করে ফ্রিল্যান্সারদের পেওনিয়ার বা স্ট্রাইপ ব্যবহারে পথ সহজ করেছে, এমনকি ব্যাংকে আসা প্রতি ডলারে সরাসরি নগদ প্রণোদনাও দিচ্ছে।</p>
<p>বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন সার্কুলারে  যা বলছে ফ্রিল্যান্সারদের জন্য? </p>
<p>বাংলাদেশ ব্যাংকের ফরেন এক্সচেঞ্জ পলিসি ডিপার্টমেন্ট সম্প্রতি এফইপিডি-১ (সার্কুলার ২২) জারির মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সারদের জন্য বেশ কিছু বড় সুযোগ দিয়েছে:</p>
<p>প্রথমত, ইন্টারনেটে সেবা রফতানির ক্ষেত্রে আগের মতো জটিল 'EXP Form' পূরণের বাধ্যবাধকতা তুলে নেওয়া হয়েছে। এখন ই-মেইল, ডিজিটাল চুক্তি, অনলাইন ইনভয়েস বা প্ল্যাটফর্মের স্টেটমেন্ট দেখালেই টাকা জমা হয়ে যাবে।</p>
<p>দ্বিতীয়ত, ২০ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত রেমিট্যান্সের জন্য কোনো প্রকার 'Form-C' পূরণ করতে হবে না। আর টাকার পরিমাণ ২০ হাজারের বেশি হলে ব্যাংক অ্যাপ বা ডিজিটাল মাধ্যমে তা জমা করার সুবিধা রাখা হয়েছে।</p>
<p>তৃতীয়ত, আন্তর্জাতিক পেমেন্ট গেটওয়ের (OPGSP) মাধ্যমে প্রতিবারে সর্বোচ্চ ১০,০০০ ডলার পর্যন্ত সরাসরি দেশে আনা যাবে।</p>
<p>চতুর্থত, আইটি বা সফটওয়্যার আয়ের সর্বোচ্চ ৫০% এবং অন্যান্য সেবার আয়ের ৩০% পর্যন্ত এক্সপোর্টার্স রিটেনশন কোটা (ERQ) অ্যাকাউন্টে ডলারে রেখে দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। এই ডলার দিয়ে ফ্রিল্যান্সাররা পরবর্তীতে সফটওয়্যার সাবস্ক্রিপশন, ডোমেইন-হোস্টিং বা সার্ভারের বিল মেটাতে পারবেন। সাথে ডুয়াল কারেন্সি 'ফ্রিল্যান্সার কার্ড' এবং বিকাশ-নগদের মতো এমএফএস বা পিএসপির মাধ্যমে টাকা তোলার পথও খোলা হয়েছে।</p>
<p>কেন্দ্রীয় ব্যাংক আর শাখা ব্যাংকের মধ্যকার নির্দেশনা এবং কাজের দূরত্বের খেসারত। </p>
<p>প্রশ্ন হলো, বাংলাদেশ ব্যাংক এত সুন্দর নিয়ম করার পরও মাঠপর্যায়ে ফ্রিল্যান্সাররা সুফল পাচ্ছেন না কেন? মূল সমস্যা হলো, সার্কুলার জারির পর প্রতিটি ব্যাংকের হেড অফিস থেকে নিজেদের শাখাগুলোর জন্য যে অভ্যন্তরীণ নির্দেশিকা পাঠানো দরকার, তা তৈরিতে অনেক ব্যাংকই বিলম্ব করে। এর ওপর শাখা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের ই-কমার্স বা আইটি খাতের লেনদেন সম্পর্কে তেমন ধারণাই নেই। ফলে ঘটে চলেছে নানা রকমের ভোগান্তি:</p>
<p><br>সি-ফর্মের চক্কর: সার্কুলারে পরিষ্কার বলা আছে ২০,০০০ ডলার পর্যন্ত সি-ফর্ম লাগবে না। অথচ জেলা বা শাখা পর্যায়ে ৫০০ বা ১,০০০ ডলার এলেও ব্যাংক কর্মকর্তারা গ্রাহককে ধরে সি-ফর্ম পূরণ করাচ্ছেন।</p>
<p>ইআরকিউ অ্যাকাউন্ট না খোলা: আয়ের ৫০% ডলারে রাখার নিয়ম থাকলেও ঢাকার বাইরে বা মফস্বল শাখাগুলোতে এই অ্যাকাউন্ট খোলাই যায় না। শুধুমাত্র অথরাইজড ডিলার (AD) শাখায় যেতে বলায় দূর-দূরান্তের ফ্রিল্যান্সাররা চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন।</p>
<p>অহেতুক যোগ্যতা যাচাই ও কর কাটা: ব্যাংকের সাধারণ অফিসারদের হাতে ফ্রিল্যান্সারের কাজের ধরন বা যোগ্যতা যাচাইয়ের ভার দেওয়া হয়েছে, যা নিয়ে তৈরি হচ্ছে নানা জটিলতা। আইটি সেবায় কর ছাড় থাকার পরও অনেক শাখা না বুঝে উৎস থেকে আয়কর (TDS) কেটে রাখছে। ফলে ফ্রিল্যান্সাররা বৈধ পথে টাকা আনতে নির উৎসাহিত হচ্ছেন।</p>
<p>তদারকির অভাব: কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ভালো নির্দেশগুলো শাখা পর্যায়ে মানা হচ্ছে কি না, তা দেখার জন্য বা ফ্রিল্যান্সারদের অভিযোগ জানানোর মতো কোনো আলাদা 'কমপ্লেন সেল' নেই।</p>
<p>বাস্তব সংকট হুন্ডি, আইনি জটিলতা ও দ্বৈত কর।</p>
<p>একজন ফ্রিল্যান্সার দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখলেও ব্যাংকিং টেবিলে গিয়ে পদে পদে বৈষম্যের মুখে পড়েন।</p>
<p>এক. হুন্ডি ও ব্যাংকের হারের বড় ব্যবধান: ব্যাংকিং চ্যানেলে ডলারের অফিশিয়াল রেট যদি হয় ১১৮ টাকা, সেখানে খোলা বাজারে বা অনানুষ্ঠানিক মাধ্যমে তা ১২২ থেকে ১২৯ টাকা পর্যন্ত পাওয়া যায়। প্রতি ডলারে ৪ থেকে ১১ টাকার এই বড় ব্যবধানের কারণে অনেকেই ব্যাংকিং চ্যানেল ছেড়ে অপ্রাতিষ্ঠানিক মাধ্যমে টাকা আনছেন, যা শেষ পর্যন্ত দেশের রেমিট্যান্সেরই ক্ষতি করছে।</p>
<p>দুই. বিদেশে ফান্ড রাখা সংক্রান্ত আইনের জট: 'ফরেন এক্সচেঞ্জ রেগুলেশন অ্যাক্ট, ১৯৪৭' অনুযায়ী অনুমোদিত উপায় ছাড়া বিদেশে টাকা রেখে দেওয়া বা ক্রিপ্টোকারেন্সিতে বিনিয়োগ দণ্ডনীয় অপরাধ। কিন্তু বাস্তবে যখন কোনো ফ্রিল্যান্সার বা এজেন্সি আন্তর্জাতিক ক্লায়েন্টের সরাসরি প্রজেক্ট চালায়, তখন ইউকে বা অন্য দেশের বিজনেস অ্যাকাউন্ট থেকেই অপারেশনাল ও মার্কেটিং খরচ মেটাতে হয়। সব টাকা সঙ্গে সঙ্গে দেশে নিয়ে আসার বাধ্যবাধকতা থাকায় তাদের বৈশ্বিক ব্যবসা বাড়ানো কঠিন হয়ে পড়ছে।</p>
<p>তিন. Payoneer ও প্রণোদনার জট: পেওনিয়ারের মতো বৈধ প্ল্যাটফর্ম থেকে আনা টাকার সব ডকুমেন্টস থাকা সত্ত্বেও সরকার ঘোষিত ২.৫% প্রণোদনার টাকা অনেক সময় ফ্রিল্যান্সারের অ্যাকাউন্টে ঠিকমতো জমা হয় না।</p>
<p>চার. দ্বৈত করের (Double Taxation) মার প্যাঁচ: বিদেশি ক্লায়েন্টদের সঙ্গে সরাসরি চুক্তি করে কাজ করার সময় ক্লায়েন্টের দেশ (যেমন যুক্তরাষ্ট্র বা ইউরোপ) তাদের স্থানীয় আইন অনুযায়ী উৎসে কর (Withholding Tax) কেটে বাকি টাকা পাঠায়। আবার সেই টাকা বাংলাদেশে আসার পর ব্যাংকগুলো আন্তর্জাতিক ট্যাক্স সার্টিফিকেটের সঠিক কাঠামোর অভাবে আবারও প্রসেসিং ফি বা ট্যাক্স কেটে নেয়। ফলে ফ্রিল্যান্সার একই আয়ের ওপর দুই দেশে কর দিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। এনবিআর ও ব্যাংকের মধ্যে এই দ্বৈত কর পরিহার চুক্তি (DTAA) সংক্রান্ত ডিজিটাল সমন্বয় না থাকা এর প্রধান কারণ।</p>
<p>পাঁচ. জেনারেটিভ এআই ও পেমেন্টের লিমিটেশন: আজকের দিনে মানসম্মত কাজ করতে হলে প্রজেক্ট পরিচালনায় নামি-দামি সব এআই ও ক্লাউড টুলস (যেমন OpenAI, Midjourney, AWS সার্ভার) সাবস্ক্রাইব করতে হয়। কিন্তু আমাদের ফ্রিল্যান্সার কার্ডে বা ক্রেডিট কার্ডে বাৎসরিক ডলার খরচের যে লিমিট দেওয়া আছে, তা এই আধুনিক প্রযুক্তির যুগের খরচের তুলনায় খুবই কম। সময়মতো সার্ভার বা এআই টুলের বিল দিতে না পেরে অনেক রানিং প্রজেক্ট বন্ধ হয়ে যাচ্ছে এবং বিদেশি অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড হচ্ছে।</p>
<p>ছয়. ERQ অ্যাকাউন্টে সুদের অভাব ও কনভার্সন রেটে লস: ইআরকিউ অ্যাকাউন্টে রাখা ডলার যখন স্থানীয় টাকায় ভাঙানো হয়, তখন ব্যাংকগুলো বাজারের স্বাভাবিক রেটের চেয়ে কম দেয়। তার ওপর সাধারণ বিডিটি সেভিংস অ্যাকাউন্টে সুদ পাওয়া গেলেও ইআরকিউ অ্যাকাউন্টের ডলারে কোনো সুদ দেয় না ব্যাংক। ফলে ডলারে টাকা জমিয়ে রাখতে আগ্রহ পান না তরুণরা।</p>
<p>সাত. পেপ্যাল না থাকা ও এআইয়ের ধাক্কা: পূর্ণাঙ্গ পেপ্যাল সেবা না থাকায় এখনো পেমেন্ট পাওয়া নিয়ে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। অন্যদিকে সাধারণ ক্যাটাগরির কাজগুলো (যেমন সাধারণ কনটেন্ট বা ডাটা এন্ট্রি) এখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিজেই করে ফেলছে। ফলে দ্রুত সময়ের মধ্যে অ্যাডভান্সড লেভেলের স্কিল অর্জন করতে না পারলে কাজ হারানোর তীব্র ঝুঁকি রয়েছে। এর ওপর নিরবচ্ছিন্ন উচ্চগতির ইন্টারনেট না থাকা আর ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ড বা লোন পেতে ঝামেলা তো আছেই।</p>
<p>'সবার আগে বাংলাদেশ' বাস্তবায়নে যা করা জরুরি। </p>
<p>কোনো সরকারি অবকাঠামোগত বাজেট ছাড়াই নিজ যোগ্যতায় ঘরে বসে দেশের জন্য বৈদেশিক মুদ্রা আনছেন ফ্রিল্যান্সাররা। তৃণমূলের বেকারত্ব দূর আর মফস্বলের অর্থনীতি চাঙ্গা করতে তাদের অবদান অনন্য। তবে কোনো নির্দিষ্ট শক্তিশালী প্রতিনিধিত্ব না থাকায় তাদের মাঠপর্যায়ের কষ্টগুলো আড়ালেই থেকে যায়। 'সবার আগে বাংলাদেশ' নীতির সুফল নিশ্চিত করতে এবং তাদের পথের বাধা সরাতে এখনই কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া দরকার:</p>
<p>প্রথমত, সরকারি-বেসরকারি যৌথ উদ্যোগে (PPP) জেলা-উপজেলা পর্যায়ে এআই, ডাটা আর্কিটেকচার, সাইবার সিকিউরিটি ও সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টের ওপর মানসম্মত বুট ক্যাম্প চালু করতে হবে। একই সাথে সব ফ্রিল্যান্সারকে সরকারি স্বীকৃতি হিসেবে স্মার্ট ডিজিটাল আইডি দিতে হবে, যা দিয়ে তারা সহজেই ব্যাংকিং লোন, ট্রেড লাইসেন্স ও ল্যাপটপ কেনার ক্ষেত্রে বিশেষ সুবিধা (Tax Exemption) পাবেন।</p>
<p>দ্বিতীয়ত, ব্যাংকিং ভোগান্তি কমাতে প্রতিটি ব্যাংকের জেলা বা উপজেলা শাখায় অন্তত একজন প্রশিক্ষিত অফিসার এবং আলাদা ‘ফ্রিল্যান্সার সাপোর্ট ডেস্ক’ রাখা বাধ্যতামূলক করতে হবে। সার্কুলার অনুযায়ী যেন অহেতুক সি-ফর্ম চাওয়া না হয় বা অন্যায়ভাবে কর না কাটা হয়, তা হেড অফিস থেকে মনিটর করতে হবে। পাশাপাশি এআই ও ক্লাউড ব্যবহারের জন্য ক্রেডিট ও ফ্রিল্যান্সার কার্ডের ডলার খরচের কোটা বা লিমিট বাড়ানো দরকার।</p>
<p>তৃতীয়ত, নীতিগত নানা জটিলতা দূর করতে ডিসিআরএএফ (DCRAF - Digital Commerce Research and Advocacy Forum)-এর মতো গবেষণা ফোরাম এবং বেসিস (BASIS), বাক্কো (BACCO) ও ই-ক্যাব (e-CAB)-এর মতো ট্রেড বডিগুলোকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। ব্যাংকের হয়রানি বন্ধে এবং দ্বৈত কর জটিলতা নিরসনে এনবিআর ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সাথে সেতুবন্ধন হিসেবে এই প্ল্যাটফর্মগুলো বড় ভূমিকা রাখতে পারে।</p>
<p>চতুর্থত, ব্যাংকিং চ্যানেলে ডলারের রেট বাজারের কাছাকাছি ও বাস্তবসম্মত করতে হবে। ইআরকিউ অ্যাকাউন্টের ডলারে সুদের ব্যবস্থা করা এবং তা টাকায় ভাঙানোর সময় ফেয়ার রেট দেওয়া উচিত। এছাড়া আন্তর্জাতিক ওয়ালেট থেকে আসা টাকায় সরকারের ২.৫% প্রণোদনা যেন অটোমেটিক অ্যাকাউন্টে জমা হয় সেই ব্যবস্থা করা এবং দেশে সরাসরি পেপ্যাল (PayPal) আনার দ্রুত উদ্যোগ নিতে হবে।</p>
<p>আমাদের লাখ লাখ তরুণ আজ নিজেদের মেধা দিয়ে দেশের অর্থনীতি সমৃদ্ধ করছেন। শুধুমাত্র আদেশ বা প্রজ্ঞাপন জারি করেই কাজ শেষ ভাবলে চলবে না; ব্যাংকিং টেবিলের লালফিতার দৌরাত্ম্য দূর করা এবং এআই যুগের সাথে আমাদের তরুণদের মানিয়ে নেওয়ার সুযোগ দেওয়া এখন সময়ের দাবি। ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতি সফল করতে হলে দেশের এই মুক্ত পেশাজীবীদের সামনের সব বাধা অবিলম্বে দূর করতেই হবে।</p>
<hr>
<p><b data-path-to-node="22,0,0" data-index-in-node="0">লেখক:</b><span> </span><i data-path-to-node="22,0,1" data-index-in-node="0">ই-কমার্স বিশ্লেষক ও প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য, ই-ক্যাব </i><span></span></p>
<hr>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত</title>
<link>https://digibanglatech.news/185824</link>
<guid>https://digibanglatech.news/185824</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;2,0,0&quot;&gt;বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটিতে ‘একাডেমিক গবেষণায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;2,1,0&quot;&gt;মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট বোনাভেঞ্চার ইউনিভার্সিটির সহকারী অধ্যাপক ড. মানসুরা নুসরাত&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;2,2,0&quot;&gt;উপাচার্য জানান, এআই গবেষণাকে বেগবান করতে বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতোমধ্যে &#039;এআই সেন্টার&#039; প্রতিষ্ঠিত হয়েছে&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202608/image_870x580_6a70586c821d2.jpg" length="75270" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 03 Aug 2026 13:40:14 +0600</pubDate>
<dc:creator>ক্যাম্পাস করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>বাংলাদেশইউনিভার্সিটি, কৃত্রিমবুদ্ধিমত্তা, এআই, সেমিনার, গবেষণা, প্রযুক্তি, শিক্ষা, ডাটাঅ্যানালাইসিস</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="7"><b data-path-to-node="7" data-index-in-node="0">৩ আগস্ট, সোমবার:</b> দেশের অন্যতম বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটিতে “একাডেমিক গবেষণায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা: উদীয়মান প্রবণতা, গবেষণা পদ্ধতি এবং ব্যবহারিক প্রয়োগ” শীর্ষক এক সেমিনার ইউনিভার্সিটির সেমিনার হলরুমে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটির ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগ এই সেমিনারের আয়োজন করে।</p>
<p data-path-to-node="8">সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ জাহাঙ্গীর আলম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ব্রি. জে. মোঃ মাহবুবুল হক (অব.) এবং ব্যবসায় ও অর্থনীতি অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. তাজুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের প্রধান প্রফেসর ড. গাজী মোঃ আবু ঈসা নূর।</p>
<p data-path-to-node="9">অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট বোনাভেঞ্চার ইউনিভার্সিটির স্কুল অব বিজনেসের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. মানসুরা নুসরাত।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202608/image_870x_6a70586dac92a.jpg" alt=""></p>
<p data-path-to-node="10">মূল প্রবন্ধে ড. মানসুরা নুসরাত একাডেমিক গবেষণায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) ক্রমবর্ধমান গুরুত্ব, গবেষণা নকশা ও তথ্য বিশ্লেষণে আধুনিক এআই টুলের ব্যবহার, গবেষণার মানোন্নয়নে এআই-এর সম্ভাবনা, নৈতিকতা, সীমাবদ্ধতা এবং দায়িত্বশীল ব্যবহারের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গবেষণাকে আরও গতিশীল, তথ্য নির্ভর ও কার্যকর করে তুললেও এর যথাযথ ও নৈতিক ব্যবহার নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এআই-নির্ভর কনটেন্ট তৈরি এবং স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তির বিস্তারের ফলে প্রচলিত শিক্ষা ও মূল্যায়ন পদ্ধতি নতুনভাবে পর্যালোচনার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে।”</p>
<p data-path-to-node="11">প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা আজ শিক্ষার প্রতিটি স্তরে সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলছে। এটি আমাদের দৈনন্দিন জীবন, শিক্ষা ও গবেষণাকে রূপান্তর করছে। বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি সব সময় উদ্ভাবনকে গুরুত্ব দেয়, যার অংশ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতোমধ্যে একটি আধুনিক ‘এআই সেন্টার’ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এই গবেষণাগারের মাধ্যমে এআই-ভিত্তিক নানা প্রকল্প পরিচালিত হচ্ছে।”</p>
<p data-path-to-node="12">সভাপতির বক্তব্যে প্রফেসর ড. গাজী মোঃ আবু ঈসা নূর বলেন, ব্যবসায় প্রশাসনসহ সকল অনুষদের গবেষণাতেই এখন প্রযুক্তির ছোঁয়া লেগেছে এবং শিক্ষার্থীদের এই নতুন ধারার সাথে পরিচিত করাই এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য। সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p data-path-to-node="13">/<strong>/ডিবিটেক/ এসএএন/ এমআইএস/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ডিজিটাল সাংবাদিকতা ও দায়িত্বশীল কনটেন্ট তৈরিতে এনএসইউতে টিকটকের মাস্টারক্লাস</title>
<link>https://digibanglatech.news/185826</link>
<guid>https://digibanglatech.news/185826</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;2,0,0&quot;&gt;এনএসইউতে মিডিয়া, কমিউনিকেশন অ্যান্ড জার্নালিজম বিভাগের সহযোগিতায় টিকটকের দুই দিনের ওয়ার্কশপ&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;2,1,0&quot;&gt;শিক্ষার্থী ও ক্রিয়েটরদের জন্য ছিল প্যানেল আলোচনা, প্রশিক্ষণ ও নিউজরুম পরিদর্শনের সুযোগ&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;2,2,0&quot;&gt;তথ্য যাচাই, নৈতিক কনটেন্ট নির্মাণ এবং এআই-এর প্রভাব নিয়ে বিশেষজ্ঞদের আলোচনা&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202608/image_870x580_6a705e78b4712.jpg" length="104665" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 03 Aug 2026 00:26:02 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>এনএসইউ, টিকটক, সাংবাদিকতা, স্টোরিটেলিং, কনটেন্ট, ডিজিটাল, প্রশিক্ষণ, মিডিয়া, প্রযুক্তি</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="7"><b data-path-to-node="7" data-index-in-node="0">৩ আগস্ট, সোমবার:</b> ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে সাংবাদিকতা, দায়িত্বশীল কনটেন্ট তৈরি এবং স্টোরিটেলিং বিষয়ে শিক্ষার্থীদের দক্ষ করে তুলতে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (এনএসইউ) দুই দিনব্যাপী “টিকটক মাস্টারক্লাস অন জার্নালিজম অ্যান্ড ডিজিটাল স্টোরিটেলিং” শীর্ষক একটি বিশেষ ওয়ার্কশপ আয়োজন করেছে টিকটক। </p>
<p data-path-to-node="8">এনএসইউ ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত এই কর্মশালায় শিক্ষার্থী, শিক্ষক, সাংবাদিক এবং কনটেন্ট ক্রিয়েটররা অংশ নেন। আয়োজনে ছিল প্রশিক্ষণ, প্যানেল আলোচনা, অনলাইন নিরাপত্তা, ফ্যাক্ট-চেকিং এবং বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য জাতীয় সংবাদ মাধ্যমের নিউজরুম পরিদর্শনের সুযোগ।</p>
<p data-path-to-node="9">এনএসইউ উপাচার্য ড. আবদুল হান্নান চৌধুরী বলেন, “আমাদের মিডিয়া, কমিউনিকেশন অ্যান্ড জার্নালিজম বিভাগের সাথে টিকটক এমন একটি আয়োজন করায় আমরা আনন্দিত। এটি শিক্ষার্থীদের ডিজিটাল যোগাযোগ ও সাংবাদিকতায় ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ারের জন্য প্রস্তুত হতে সাহায্য করবে।”</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202608/image_870x_6a705e7a56969.jpg" alt=""></p>
<p data-path-to-node="10">ওয়ার্কশপের প্রথম দিনে বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মো. হারিসুর রহমান, হিউম্যানিটিজ অ্যান্ড সোশ্যাল সায়েন্সেস-এর ডিন ড. মো. রিজওয়ানুল ইসলাম ও উপাচার্য বক্তব্য রাখেন। এ সময় অনুষ্ঠিত প্যানেল আলোচনায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) প্রভাব ও নির্ভুল তথ্যের গুরুত্ব তুলে ধরেন বিবিসি বাংলার সম্পাদক মীর সাব্বির, টিকটকের ট্রাস্ট অ্যান্ড সেফটি লিড আসমা আনজুম ও ক্রিয়েটর কারান পারিহার। ড. হারিসুর রহমান বলেন, “সাংবাদিকতার পড়াশুনা এখন আর শুধু প্রচলিত রিপোর্টিংয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। আমাদের লক্ষ্য শিক্ষার্থীদের আধুনিক মিডিয়া ও তথ্যভিত্তিক কনটেন্ট তৈরির জন্য উপযোগী করা।”</p>
<p data-path-to-node="11">দ্বিতীয় দিনে তথ্য যাচাই, সামাজিক প্রভাব ও কনটেন্ট ক্রিয়েশনের নানা দিক নিয়ে আলোচনা করেন গবেষক মো. জাহিদ হোসেন খান, টিকটকের ট্রাস্ট অ্যান্ড সেফটি লিড ইমাদ জাফর এবং জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর রাশিক মোহতাসিন (ম্যাজিক রাজিক) ও সাবা চৌধুরী।</p>
<p data-path-to-node="11">নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মিডিয়া, কমিউনিকেশন অ্যান্ড জার্নালিজম বিভাগের সহযোগিতায় গত ২৭ ও ২৮ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়।</p>
<p data-path-to-node="12">কর্মশালা চলাকালে শিক্ষার্থীরা সামাজিক বিভিন্ন ইস্যুতে শর্ট ভিডিও বানিয়ে স্টোরিটেলিং প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। সমাপনী দিনে এনএসইউ উপ-উপাচার্য ড. নাসার ইউ. আহমেদ অংশগ্রহণকারীদের হাতে সনদ ও সেরা ৩ বিজয়ী কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের পুরস্কার তুলে দেন। পরবর্তীতে বিজয়ীরা সরাসরি জাতীয় টিভির নিউজরুম পরিদর্শনের সুযোগ পান।</p>
<p data-path-to-node="13">/<strong>/ডিবিটেক/ সিবিপি/ এসএমই/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>এনভিডিয়া ডেটা সায়েন্টিস্ট ড. ইরফানের অকাল প্রয়াণ: সিলিকন ভ্যালি থেকে বুয়েটে শোকের ছায়া</title>
<link>https://digibanglatech.news/185787</link>
<guid>https://digibanglatech.news/185787</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202608/image_870x580_6a7028e47332c.jpg" length="45373" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 03 Aug 2026 00:00:05 +0600</pubDate>
<dc:creator>গ্লোবাল টেক</dc:creator>
<media:keywords>Dr. Irfan Al Hussaini, NVIDIA Data Scientist death, BUET alumnus, Georgia Tech PhD, Irfan Al Hussaini BUET, Healthcare AI researcher</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="1">মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (ICU) চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) মেধাবী প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও বিশ্বখ্যাত চিপ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান এনভিডিয়া (NVIDIA)-র সিনিয়র ডেটা সায়েন্টিস্ট ড. ইরফান আল-হুসাইনি। অত্যন্ত সম্ভাবনাময় এই প্রযুক্তিবিদের অকাল প্রয়াণে বুয়েট, জর্জিয়া ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (Georgia Tech), এনভিডিয়া সহ দেশ-বিদেশের আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি ও আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI) গবেষণা মহলে গভীর শোক প্রকাশ করা হয়েছে।</p>
<p data-path-to-node="2">তবে পরিবার বা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখনো পর্যন্ত তাঁর মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি। ফলে সোশ্যাল মিডিয়ায় তার সহপাঠী ও শিক্ষক-শুভাকাঙ্ক্ষীদের গভীর শোক ও স্মৃতিচারণের পাশাপাশি নানা আলোচনা পরিলক্ষিত হচ্ছে।</p>
<h3 data-path-to-node="3"><b data-path-to-node="3" data-index-in-node="0">শিক্ষা ও কৃতিত্বপূর্ণ গবেষণাজীবন</b></h3>
<p data-path-to-node="4">ড. ইরফান আল-হুসাইনি ছিলেন বুয়েটের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের বিশিষ্ট শিক্ষক ও ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. তাহমিদ আল-হুসাইনির ছেলে। বুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (EEE) বিভাগ থেকে কৃতিত্বের সাথে স্নাতক সম্পন্ন করে তিনি উচ্চশিক্ষার্থে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান। পরবর্তীতে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ সারির শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জর্জিয়া টেক (Georgia Tech) থেকে ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।</p>
<p data-path-to-node="5">গবেষণাজীবনে তিনি স্বাস্থ্যসেবায় ব্যাখ্যাযোগ্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Interpretable Machine Learning in Healthcare), বায়োমেডিক্যাল ডেটা অ্যানালিসিস, টেক্সট সামারাইজেশন এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় ডোমেইন নলেজ ব্যবহারের মতো জটিল বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। তাঁর লেখা গবেষণাপত্র বিশ্ববিখ্যাত শীর্ষ সম্মেলন NeurIPS, SIGIR, CIKM, ICASSP, BioNLP এবং MLHC-তে প্রকাশিত হয়েছে।</p>
<p data-path-to-node="6">পিএইচডি শেষে তিনি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি খাতের বিশ্বসেরা প্রতিষ্ঠান এনভিডিয়ায় (NVIDIA) সিনিয়র ডেটা সায়েন্টিস্ট হিসেবে যোগ দিয়ে স্বাস্থ্যসেবায় AI প্রযুক্তির প্রয়োগ নিয়ে কাজ করছিলেন।</p>
<h3 data-path-to-node="7"><b data-path-to-node="7" data-index-in-node="0">অনুপ্রেরণাদায়ক জীবনগাথা</b></h3>
<p data-path-to-node="8">উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে জর্জিয়া টেক তাদের অফিসিয়াল নিউজে ড. ইরফান আল-হুসাইনি এবং তাঁর স্ত্রী ড. ফাবিয়া ফারলিন অ্যাথেনাকে নিয়ে একটি বিশেষ ফিচার প্রকাশ করে। বুয়েটে একই সমসাময়িক হলেও যুক্তরাষ্ট্রে জর্জিয়া টেকে পড়ার সময় তাঁদের পরিচয় হয়, ২০২২ সালে তাঁরা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন এবং ২০২৪ সালে একই সাথে পিএইচডি সমাবর্তন গ্রহণ করেন। শিক্ষা ও যৌথ ক্যারিয়ারে তাঁদের পথচলা বিশ্বজুড়ে তরুণদের অনুপ্রাণিত করেছিল।</p>
<p data-path-to-node="9">সহপাঠীদের মতে, প্রাতিষ্ঠানিক মেধার পাশাপাশি তিনি ছিলেন অত্যন্ত বিনয়ী, ধর্মপ্রাণ এবং একজন দক্ষ ফুটবলার, যিনি বুয়েটে খেলার মাঠ থেকে শুরু করে আইইইই (IEEE) সিগন্যাল প্রসেসিং কাপ প্রতিযোগিতাতেও দলের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিলেন।</p>
<p data-path-to-node="9">/<strong>/ডিবিটেক/এফবিপি/এসএমই/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বিশ্বচ্যাম্পিয়ন এমআইএসটি শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানালেন প্রধানমন্ত্রী</title>
<link>https://digibanglatech.news/185713</link>
<guid>https://digibanglatech.news/185713</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;2,0,0&quot;&gt;‘মেট রোভ ২০২৬’-এ ১৮ দেশের ৮৮টি দলকে হারিয়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন এমআইএসটি&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;2,1,0&quot;&gt;প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ গবেষণায় সর্বাত্মক সহায়তার আশ্বাস দেন&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;2,2,0&quot;&gt;সেমিকন্ডাক্টর ও নতুন রপ্তানি খাত গড়ে তোলার ওপর জোর দিলেন প্রধানমন্ত্রী &lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202608/image_870x580_6a6f3d7d9c7c0.jpg" length="109019" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 02 Aug 2026 17:25:48 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>রোবটিক্স, মেট রোভ, বিশ্বচ্যাম্পিয়ন, প্রধানমন্ত্রী, এমআইএসটি, প্রযুক্তি, স্টার্টআপ, সেমিকন্ডাক্টর, উদ্ভাবন</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="6">আন্তর্জাতিক আন্ডারওয়াটার রোবটিক্স প্রতিযোগিতা ‘মেট রোভ প্রতিযোগিতা ২০২৬’-এ বিশ্বচ্যাম্পিয়ন মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সাইন্স অ্যান্ড টেকনোলজির (এমআইএসটি) শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।</p>
<p data-path-to-node="7">১ আগস্ট, রবিবার বিকেলে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দলের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি এ অভিনন্দন জানান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এ কে এম শামসুল ইসলাম, এমআইএসটির কমান্ড্যান্ট মেজর জেনারেল মো. হাকিমুজ্জামান, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কে এম মোস্তাফিজুর রহমান এবং উদ্ভাবনী দলের ১০ জন শিক্ষার্থী প্রতিনিধি।</p>
<div class="attachment-container search-images"><response-element class="no-md" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><single-image _nghost-ng-c998915861="" data-is-interactive="false" class="spark-licensed-center-host luminous-layout ng-star-inserted" data-image-attachment-index="0"><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></single-image><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element></div>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202608/image_870x_6a6f3d7edbfb7.jpg" alt=""></p>
<p data-path-to-node="10">সাক্ষাৎকালে এমআইএসটির শিক্ষার্থীরা প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হওয়া তাদের উদ্ভাবিত আন্ডারওয়াটার রোবটটি প্রদর্শনী করেন। প্রধানমন্ত্রী রোবটটির নকশা, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ও ব্যবহারিক দিক সম্পর্কে বিস্তারিত খোঁজখবর নেন। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের জন্য গৌরব বয়ে আনার জন্য প্রশংসার পাশাপাশি তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, রোবটটির আরও প্রযুক্তিগত উন্নয়ন, বাণিজ্যিকীকরণ এবং ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক অংশগ্রহণে প্রয়োজনীয় সরকারি সহায়তা দেওয়া হবে।</p>
<p data-path-to-node="11">প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি সুজাউদ্দৌলা সুজন মাহমুদ জানান, সরকারপ্রধান সাক্ষাৎকালে বলেছেন—তরুণ উদ্ভাবকরাই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ। সেমিকন্ডাক্টর, ওষুধশিল্প, আসবাবশিল্প ও প্রসাধনী শিল্পের মতো নতুন নতুন সম্ভাবনাময় খাত শক্তিশালী করে বহুমুখী রপ্তানি অর্থনীতি গড়ে তোলার ওপর জোর দেন প্রধানমন্ত্রী। বিশেষ করে সেমিকন্ডাক্টর খাতকে অগ্রাধিকার দিয়ে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ এবং দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202608/image_870x_6a6f3d7dac80b.jpg" alt=""></p>
<p>তরুণদের উদ্দেশে তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশকে আরও এগিয়ে নিতে হলে উদ্ভাবক, গবেষক ও প্রযুক্তি উদ্যোক্তাদের এগিয়ে আসতে হবে এবং সরকার তাদের পাশে থাকবে। তিনি বলেন, তৈরি পোশাকশিল্প দেশের প্রধান রপ্তানি খাত হলেও এর পাশাপাশি সেমিকন্ডাক্টর, ওষুধশিল্প, আসবাবশিল্প ও প্রসাধনীসহ নতুন সম্ভাবনাময় শিল্পকে শক্তিশালী করে বহুমুখী রপ্তানি অর্থনীতি গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে।</p>
<p data-path-to-node="12">এমআইএসটির শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা শেষে প্রযুক্তি খাতেই কাজ করা এবং নতুন উদ্যোগ গড়ে তোলার ইচ্ছার কথা জানালে প্রধানমন্ত্রী সরকারের স্টার্ট-আপ কর্মসূচির মাধ্যমে তাদের সার্বিক সহায়তার আশ্বাস দেন।</p>
<p>প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, সেমিকন্ডাক্টর শিল্পকে অগ্রাধিকার দিয়ে সরকার দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ এবং দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে। বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশি সেমিকন্ডাক্টর বিশেষজ্ঞদেরও দেশে এসে এ খাতের বিকাশে অবদান রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে। <span> দেশের প্রতিটি খাতে সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে দক্ষতার সঙ্গে কাজ করলে বাংলাদেশ আরও দ্রুত এগিয়ে যাবে।</span></p>
<p data-path-to-node="14">প্রসঙ্গত, কানাডার নিউফাউন্ডল্যান্ড ও ল্যাব্রাডরে গত ২৩ থেকে ২৯ জুন অনুষ্ঠিত এই প্রতিযোগিতায় বিশ্বের ১৮টি দেশের ৮৮টি দল অংশ নেয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, চীন ও সৌদি আরবের শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে পেছনে ফেলে এমআইএসটি প্রথম স্থান অর্জন করে। প্রতিযোগিতায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র রানারআপ এবং কানাডা তৃতীয় স্থান অধিকার করে।<br>/<strong>/ডিবিটেক/ জেএনএন/ এমএসআই/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বট বাহিনী: ডিজিটাল যুদ্ধের অদৃশ্য সৈনিক</title>
<link>https://digibanglatech.news/185712</link>
<guid>https://digibanglatech.news/185712</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202608/image_870x580_6a6f385f5dcf4.jpg" length="78749" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 02 Aug 2026 12:29:20 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>বট বাহিনী, ডিজিটাল যুদ্ধ, কম্পিউটেশনাল প্রোপাগান্ডা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, অপপ্রচার, জনমত গঠন, সাইবার নিরাপত্তা, ফেক নিউজ, তথ্যযুদ্ধ</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="6">একসময় যুদ্ধ মানেই ছিল রক্তাক্ত সীমান্ত, পদাতিক সৈন্য, কামান কিংবা যুদ্ধবিমান। কূটনৈতিক সংঘাতের সরাসরি পরিণতি দেখা যেত সমরে। কিন্তু প্রযুক্তিনির্ভর এই একবিংশ শতাব্দীতে যুদ্ধের মানচিত্র এক আমূল পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে গেছে। এখন যুদ্ধের অন্যতম প্রধান ও শক্তিশালী রণক্ষেত্র হলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম। এখানে গোলাবারুদ বা অস্ত্রের বদলে সমানে ব্যবহৃত হচ্ছে তথ্য, গুজব, অপপ্রচার, বিভেদ, আবেগ এবং অ্যালগরিদম। আর এই ডিজিটাল যুদ্ধের সবচেয়ে কার্যকর ও ধারালো অস্ত্রগুলোর একটি হলো "বট বাহিনী"—এমন এক অদৃশ্য ডিজিটাল শক্তি, যা কয়েক মিনিটের ব্যবধানে তৈরি করা জনমতকে অন্যদিকে ঘুরিয়ে দিতে পারে, সামাজিক বিভাজনে ঘৃতাহুতি দিতে পারে কিংবা পুরো একটি রাষ্ট্রের রাজনৈতিক পরিবেশকে অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে।</p>
<p data-path-to-node="7">২০২৪ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে বিশ্বজুড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের চরিত্র ও গতিপ্রকৃতিতে যে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে, তার পেছনে মূল চালিকাশক্তি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) অভাবনীয় অগ্রগতি। আগের দিনের বটের কাজ ছিল কেবল নির্দিষ্ট কিছু লেখা বা বার্তা বারংবার পোস্ট বা প্রচার করা। কিন্তু আধুনিক এআই-চালিত বট স্বয়ংক্রিয়ভাবে মানুষের মতো যৌক্তিক ভাষা ব্যবহার করতে পারে, যেকোনো প্রশ্নের উত্তর প্রদান করতে পারে, অনলাইন বিতর্কে অংশ নিতে পারে, এমনকি আলাদা মানুষের মনস্তত্ত্ব বুঝে ভিন্ন ভিন্ন ধারার বার্তাও তৈরি করতে পারে। ফলস্বরূপ, সাধারণ একজন ব্যবহারকারীর পক্ষে রক্তমাংসের প্রকৃত মানুষ এবং কৃত্রিমভাবে পরিচালিত অ্যাকাউন্টের পার্থক্য চেনা ক্রমেই দুঃসাধ্য হয়ে উঠছে।</p>
<p data-path-to-node="8">প্রযুক্তি গবেষকেরা এই নজিরবিহীন পরিবর্তনকে সংজ্ঞায়িত করছেন "কম্পিউটেশনাল প্রোপাগান্ডা" (Computational Propaganda) নামে। এর মূলকথা হলো—কম্পিউটিং সিস্টেম, উন্নত অ্যালগরিদম, স্বয়ংক্রিয় অ্যাকাউন্ট এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে কাজে লাগিয়ে পরিকল্পিতভাবে জনমত গঠন বা পরিবর্তন করা। এই প্রোপাগান্ডার একমাত্র লক্ষ্য যে কেবল নির্দিষ্ট কোনো রাজনৈতিক বা আদর্শিক মতবাদ প্রতিষ্ঠা করা, তা নয়; বরং জনমনে চরম বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা, রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের প্রতি আস্থা নষ্ট করা এবং সমাজে এমন এক কুয়াশাচ্ছন্ন পরিবেশ তৈরি করা—যেখানে সত্য ও মিথ্যার সূক্ষ্ম সীমারেখাটি একেবারেই অস্পষ্ট হয়ে যায়।</p>
<p data-path-to-node="9">বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরাম (WEF) তাদের ২০২৫ সালের বৈশ্বিক ঝুঁকি মূল্যায়নে "ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্যকে" (Misinformation &amp; Disinformation) মানবজাতির জন্য অন্যতম প্রধান স্বল্পমেয়াদি ঝুঁকি হিসেবে চিহ্নিত করেছে। কারণ, কৃত্রিমভাবে ভাইরাল হওয়া একটি অসত্য তথ্য কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে একটি দেশের জাতীয় নির্বাচন, জাতীয় অর্থনীতি, স্বাস্থ্যনীতি বা সামাজিক সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ওপর প্রত্যক্ষ ও ধ্বংসাত্মক প্রভাব ফেলতে সক্ষম। প্রযুক্তি যত দ্রুত উৎকর্ষ লাভ করছে, অপপ্রচারকারীরাও তত নিখুঁত ও চটজলদি তাদের ডিজিটাল চাল চালতে পারছে।</p>
<p data-path-to-node="10">আজকের বট বাহিনী আর কেবল কয়েকটি স্বয়ংক্রিয় ভুয়া অ্যাকাউন্টের সমষ্টিমাত্র নয়। এর পেছনে যুক্ত হয়েছে জটিল ট্রল নেটওয়ার্ক, ডিপফেক (Deepfake) ভিডিও, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি ছবি ও কণ্ঠস্বর এবং অ্যালগরিদম নির্ভর নিখুঁত প্রচারণা। অনেক সময় একই ন্যারেটিভ বা বার্তা হাজার হাজার সমন্বিত অ্যাকাউন্ট থেকে একযোগে শেয়ার বা কমেন্ট করা হয়। এর ফলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যালগরিদম সেটিকে "অত্যন্ত জনপ্রিয়" বা "ট্রেন্ডিং" হিসেবে চিহ্নিত করে স্বাভাবিক ব্যবহারকারীদের টাইমলাইনে ঠেলে দেয়। সাধারণ পাঠকের কাছে তখন মনে হয়, এটাই বুঝি সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের মতামত। অথচ বাস্তবে সেই তুমুল আলোচনার সিংহভাগই একটি সুনির্দিষ্ট কেন্দ্র থেকে কৃত্রিমভাবে নিয়ন্ত্রিত।</p>
<p data-path-to-node="11">এই কৌশলটি একেবারে নতুন না হলেও, এর ব্যপ্তি ও সক্ষমতা আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বহুগুণ শক্তিশালী। গত এক দশকে বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশের নির্বাচন, ভূরাজনৈতিক সংঘাত এবং সামাজিক আন্দোলনগুলোকে কেন্দ্র করে সমন্বিত ডিজিটাল প্রচারণার অভিযোগ উঠেছে। তবে ২০২৪ সালের পর থেকে এআই-ভিত্তিক কন্টেন্ট তৈরির প্রযুক্তি সবার জন্য সহজলভ্য হয়ে ওঠায় পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নতুন মাত্রা পেয়েছে। বর্তমানে অতি অল্প খরচে সামান্য কয়েকজন ব্যক্তি বা ছোট একটি গোষ্ঠীও বিপুল পরিমাণ লেখা, ছবি ও ভিডিও তৈরি করে ইন্টারনেটে অপপ্রচারের বন্যা বইয়ে দিতে পারে।</p>
<p data-path-to-node="12">বট বাহিনীর সবচেয়ে বড় মানসিক অস্ত্র হলো—মানুষের সংবেদনশীল আবেগকে নিশানা করা। ধর্ম, জাতীয়তাবাদ, ভাষা, নির্বাচন, অর্থনীতি কিংবা জাতীয় নিরাপত্তার মতো স্পর্শকাতর বিষয়গুলোকে ঘিরে যখন কোনো বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হয়, তখন সাধারণ মানুষ দ্রুত আবেগের বশে প্রতিক্রিয়া দেখায়। আর অ্যালগরিদমের নিয়মই হলো—যে পোস্ট বা কন্টেন্টে প্রতিক্রিয়া বেশি, সেটিকে আরও বেশি মানুষের সামনে মেলে ধরা। ফলে অপপ্রচার খুব স্বাভাবিক নিয়মেই বহুগুণ গতিতে ছড়িয়ে পড়ে।</p>
<p data-path-to-node="13">২০২৪-পরবর্তী সময়ে বিশ্বজুড়ে একটি নতুন বিপজ্জনক প্রবণতা স্পষ্ট হয়েছে—"এআই-সমর্থিত প্রভাব অভিযান" (AI-Enabled Influence Operations)। এতে মানুষের বুদ্ধিমত্তা এবং কৃত্রিম সফটওয়্যারের শক্তি এক হয়ে কাজ করে। ধরা যাক, কোনো একজন ব্যক্তি একটি অসত্য বা বিভ্রান্তিকর মূল দাবি তৈরি করলেন; এরপর শত শত বা হাজারো স্বয়ংক্রিয় বট অ্যাকাউন্ট সেটিকে মুহূর্তেই ছড়িয়ে দিল। কোথাও বটের কাজ, কোথাও মানুষের অপপ্রচার, আবার কোথাও দুইয়ের সমন্বয়—এর ফলে কোনটা প্রকৃত জনমত আর কোনটা কৃত্রিম অপপ্রচার, তার পার্থক্য ধোঁয়াশা হয়ে যায়।</p>
<p data-path-to-node="14">বাংলাদেশও এই বৈশ্বিক সাইবার বাস্তবতার বাইরে নয়। বিশেষ করে ২০২৪-পরবর্তী সময়ে দেশের রাজনৈতিক পরিবর্তন, সামাজিক উত্তেজনা এবং বিভিন্ন আলোচিত ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভুয়া তথ্য, পুরোনো সংবেদনশীল ভিডিওকে নতুন ঘটনার রূপ দেওয়া, এডিটেড ছবি এবং মনগড়া পোস্ট দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে দেখা গেছে। দেশের ফ্যাক্ট-চেকিং প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়মিতভাবে এসব অপতথ্য শনাক্ত করছে। একই সঙ্গে প্রযুক্তি বিশ্লেষকেরা লক্ষ্য করেছেন, নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে সমন্বিতভাবে একই ধরনের বার্তা প্রচারের প্রবণতা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। তবে কোনো নির্দিষ্ট ঘটনার পেছনে পুরোপুরি বট কাজ করেছে কিনা—তা চূড়ান্তভাবে বলতে গভীর প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণ ও অকাট্য প্রমাণের প্রয়োজন।</p>
<p data-path-to-node="15">এখানেই মূল প্রশ্নটি উঠে আসে—বট বাহিনী কি কেবলই একটি কারিগরি বা প্রযুক্তিগত সমস্যা, নাকি এটি গণতন্ত্র, রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্ব এবং নাগরিক সমাজের অস্তিত্বের জন্য এক বিরাট হুমকি?</p>
<p data-path-to-node="16">উত্তরটি বেশ জটিল। কারণ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এখন আর কেবল বিনোদন বা কুশল বিনিময়ের মাধ্যম নয়; এটি রাজনৈতিক আলোচনা, অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত, সংবাদ পাঠ এবং জনমত গঠনের প্রধান নিয়ন্ত্রক হয়ে উঠেছে। ফলে এই সামাজিক পরিসরটি যদি কৃত্রিমভাবে বিষাক্ত বা প্রভাবিত করা হয়, তবে তার মাশুল গুণতে হয় বাস্তব জীবনে। মানুষ ভুল তথ্যের ওপর ভিত্তি করে বিভ্রান্তিকর সিদ্ধান্ত নেয়, সমাজে হিংসা ও বিভাজন বাড়ে, রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক কাঠামোর প্রতি আস্থা কমে যায় এবং সরকার ও নাগরিকের মধ্যে অবিশ্বাসের সৃষ্টি হয়।</p>
<p data-path-to-node="17">সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, এই ডিজিটাল তথ্যযুদ্ধে সত্যের চেয়ে মিথ্যার গতি বহুগুণ বেশি। কারণ সত্যকে যাচাই করতে সময়ের প্রয়োজন হয়, অথচ একটি চমকপ্রদ বা উত্তেজনাপূর্ণ গুজব চোখের পলকে কোটি মানুষের কাছে পৌঁছে যায়। পরবর্তীতে তা মিথ্যা প্রমাণিত হলেও, মানুষের মনস্তত্ত্বে এবং সমাজে তার ক্ষতিকর প্রভাব অনেকটাই থেকে যায়।</p>
<p data-path-to-node="18">তাই এই আধুনিক ডিজিটাল যুগে বট বাহিনীকে কেবল একটি প্রযুক্তিগত সমস্যা হিসেবে দেখলে ভুল হবে। এটি এখন জাতীয় নিরাপত্তা, গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং নাগরিক সচেতনতার সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত এক বৈশ্বিক বাস্তবতা। তথ্যকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করার এই নতুন যুগে যে রাষ্ট্র তথ্যক্ষেত্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারবে না, এবং যে সমাজ তথ্য যাচাইয়ের সুস্থ সংস্কৃতি গড়ে তুলতে ব্যর্থ হবে—তারা সহজেই এই অদৃশ্য বট বাহিনীর কৃত্রিম জনমত ও বিভাজনের শিকার হবে।</p>
<hr>
<p data-path-to-node="18">লেখকঃ সভাপতি, বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক এসোসিয়েশন</p>
<hr>
<p data-path-to-node="18"></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>গ্যারেজ নয়, স্বপ্নই ইতিহাস বদলায়: সিলিকন ভ্যালি থেকে সিলিকন রিভার</title>
<link>https://digibanglatech.news/185725</link>
<guid>https://digibanglatech.news/185725</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202608/image_870x580_6a6f47728b462.jpg" length="104806" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 02 Aug 2026 00:35:23 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>সিলিকন রিভার, সিলিকন ভ্যালি, স্টার্টআপ বাংলাদেশ, প্রযুক্তি বিপ্লব, উদ্যোক্তা, অ্যাপল, গুগল, অ্যামাজন, এনভিডিয়া, সেমিকন্ডাক্টর, উদ্ভাবন, তরুণ প্রজন্ম</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="7">অনেকেরই ধারণা, পৃথিবীর বড় বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের জন্ম হয়েছে বিপুল পুঁজি, বিশ্বমানের অবকাঠামো কিংবা একদম অনুকূল ও নিখুঁত পরিবেশে। কিন্তু বাস্তবতার ইতিহাস ঠিক উল্টো। বিশ্ব ইতিহাস আমাদের স্পষ্ট দেখায়, প্রতিটি প্রযুক্তি বিপ্লবের সূচনা হয়েছে সীমাহীন অনিশ্চয়তা, সীমিত সম্পদ এবং অসম্ভবকে সম্ভব করার অদম্য সাহস থেকে। গ্যারেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের ডরমিটরি কিংবা ছোট্ট একটি কামরা কখনোই সাফল্যের আসল রহস্য ছিল না। মূল রহস্য লুকিয়ে ছিল মানুষের কল্পনাশক্তি, অবিরত অধ্যবসায় এবং পৃথিবীকে বদলে দেওয়ার সাহসের মধ্যে।</p>
<p data-path-to-node="8">অ্যাপল (Apple)-এর যাত্রা শুরু হয়েছিল ১৯৭৬ সালে, স্টিভ জবসের পরিবারের একটি সাধারণ গ্যারেজে। প্রাথমিক মাত্র ১,৩০০ ডলার পুঁজি জোগাড় করতে স্টিভ জবস তাঁর প্রিয় ভক্সওয়াগেন ভ্যানটি বিক্রি করে দিয়েছিলেন, আর স্টিভ ওজনিয়াক বিক্রি করেছিলেন তাঁর পছন্দের এইচপি (HP) বৈজ্ঞানিক ক্যালকুলেটরটি। সেখানে কোনো ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ছিল না, ছিল না কোনো সরকারি মেগা প্রকল্প কিংবা বিলিয়ন ডলারের স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম। ছিল কেবল একটি সুদৃঢ় বিশ্বাস—একদিন প্রতিটি মানুষের হাতে নিজস্ব একটি কম্পিউটার থাকবে। আজ অ্যাপল বিশ্বের অন্যতম মূল্যবান ও প্রভাবশালী প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান।</p>
<p data-path-to-node="9">গুগল (Google)-এর সূচনা হয়েছিল স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই পিএইচডি শিক্ষার্থী ল্যারি পেজ ও সের্গেই ব্রিনের একটি গবেষণা প্রকল্প হিসেবে। দামি ও শক্তিশালী সার্ভার কেনার সামর্থ্য তখন তাদের ছিল না। তাই সস্তা যন্ত্রাংশ জুড়াতালি দিয়ে তারা নিজস্ব সার্ভার বানিয়েছিলেন, এমনকি সেই হার্ডড্রাইভ রাখার কাঠামোটি তৈরি করেছিলেন শিশুদের ‘লেগো’ (LEGO) খেলনার ব্লক দিয়ে! তাদের লক্ষ্য কিন্তু বিশ্বের সবচেয়ে বড় কোম্পানি হওয়া ছিল না; লক্ষ্য ছিল একটি জটিল ও কঠিন সমস্যার নিখুঁত সমাধান বের করা। সেই সততা ও গবেষণাই আজকের পরাক্রমশালী গুগল।</p>
<p data-path-to-node="10">অ্যামাজন (Amazon) শুরু হয়েছিল জেফ বেজোসের ভাড়া করা একটি গ্যারেজে। তাঁর প্রথম দিকের অফিসের কাজের ডেস্কগুলো বানানো হয়েছিল সাধারণ কাঠের দরজা দিয়ে! তিনি অনলাইনে বই বিক্রি দিয়ে যাত্রা শুরু করেছিলেন, কারণ তৎকালীন সময়ে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে কাজ শুরু করার জন্য ওটাই ছিল সবচেয়ে সহজ খাত। কিন্তু তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি ছিল সুদূরপ্রসারী—ডিজিটাল বাণিজ্যের সম্পূর্ণ ভবিষ্যৎ পুনঃনির্মাণ করা। আজ অ্যামাজন কেবল কোনো ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম নয়; তারা ক্লাউড কম্পিউটিং, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রোবোটিক্স ও গ্লোবাল লজিস্টিকসের বৈশ্বিক নিয়ন্তা।</p>
<p data-path-to-node="11">মেটা বা ফেসবুক (Facebook)-এর জন্ম হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রাবাসের এক চিলতে কক্ষে। কোনো বিশাল ব্যবসায়িক পরিকল্পনা বা পুঁজি নিয়ে মার্ক জাকারবার্গ নামেননি। ছিল কেবল একটি সামাজিক যোগাযোগের সহজ সমাধান, যা মানুষ ব্যবহার করতে চেয়েছিল। কয়েক মাসের মধ্যেই সেই সাধারণ সমাধান বিশ্বের বড় বড় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ছড়িয়ে পড়ে।</p>
<p data-path-to-node="12">আজকের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) বিপ্লবের মূল চালিকাশক্তি এনভিডিয়া (NVIDIA)-র গল্পটিও সমান অনুপ্রেরণাদায়ক। কোম্পানিটির প্রতিষ্ঠাতারা কোনো বিলাসবহুল করপোরেট বোর্ডরুমে নয়, বরং ডেনিস (Denny’s) নামক একটি সাধারণ রেস্তোরাঁর নাস্তার টেবিলে বসে ভবিষ্যতের স্বপ্ন বুনেছিলেন। তখন খুব কম মানুষই বিশ্বাস করতেন যে, গ্রাফিক্স প্রসেসর (GPU) একদিন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মূল ভিত্তি হয়ে উঠবে। কিন্তু তারা নিজেদের ভিশনে বিশ্বাস হারাননি।</p>
<p data-path-to-node="13">একইভাবে মাইক্রোসফট (Microsoft) এমন এক সময়ে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, যখন সাধারণ মানুষের ব্যক্তিগত কম্পিউটারের (PC) আদৌ কোনো প্রয়োজন আছে কি না—তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে সন্দেহ ছিল। বিল গেটস ও পল অ্যালেনের স্বপ্ন ছিল: <i data-path-to-node="13" data-index-in-node="201">“প্রত্যেক ডেস্কে এবং প্রতিটি ঘরে একটি করে কম্পিউটার থাকবে।”</i> সে সময় বিষয়টিকে চরম অবাস্তব মনে হলেও, আজ সেটিই বাস্তবতা।</p>
<p data-path-to-node="14">ইতিহাস আমাদের খুব স্পষ্টভাবে একটি সত্য শেখায়:</p>
<ul>
<li data-path-to-node="15,0,0">অ্যাপল কেবল গ্যারেজের কারণে সফল হয়নি</li>
<li data-path-to-node="15,1,0">গুগল কেবল লেগো ব্লক দিয়ে সার্ভার বানানোর কারণে বিশ্বের শীর্ষ সার্চ ইঞ্জিন হয়নি</li>
<li data-path-to-node="15,2,0">কিংবা অ্যামাজন কাঠের দরজা কেটে টেবিল বানিয়েছিল বলেই বিশ্বখ্যাত কোম্পানি হয়ে যায়নি</li>
</ul>
<p data-path-to-node="16">তারা সফল হয়েছে কারণ—তারা এমন এক ভবিষ্যৎ কল্পনা করতে পেরেছিল, যা অন্যরা তখন ধারণাও করতে পারেনি। তাইওয়ান (TSMC) যেমন সেমিকন্ডাক্টর ‘ফাউন্ড্রি’ কনসেপ্ট এনে বৈশ্বিক চিপ শিল্পে নিজেদের অপরিহার্য করে তুলেছে, কিংবা দক্ষিণ কোরিয়া যেমন শুরু থেকেই মেমোরি চিপ প্রযুক্তিতে নিজেদের একক আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করেছে।</p>
<p data-path-to-node="17">যারা ভারতের আইটি আধিপত্যের অজুহাত দেখিয়ে বাংলাদেশের ‘সিলিকন রিভার’ (Silicon River) স্বপ্নের অসম্ভাব্যতা নিয়ে ঘ্যানঘ্যান করেন, তাদের জেনে রাখা ভালো—কষ্টসহিষ্ণু ও দক্ষ প্রোগ্রামিং জনশক্তি হলো ভারতের ব্র্যান্ড। তারা যেকোনো করপোরেট কাঠামোর ছাঁচে নিজেদের মানিয়ে নিতে পারে।</p>
<p data-path-to-node="18">কিন্তু রক্ত দিয়ে রক্তিম ইতিহাস লেখা আমাদের তরুণ প্রজন্মের মানসিকতা ভিন্ন! তাদের যে জেদ, অহংকার, অপ্রতিরোধ্য ঘাউরামি, এমনকি ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা নিয়ে মারামারি আর রাজনীতি নিয়ে তীব্র আবেগ—আমাদের সেই দ্রোহ ও আগুনকে সঠিক পথে কাজে লাগাতে হবে। আমাদের কাজ হবে একদম নতুন প্রোডাক্ট, সার্ভিস ও কনসেপ্ট তৈরি করে সেগুলোর বৈশ্বিক মালিকানা (Ownership) নিজেদের হাতে নেওয়া। আমাদের সবচেয়ে বড় ব্র্যান্ড হবে: <b data-path-to-node="18" data-index-in-node="388">স্বল্প খরচে ও দ্রুততম সময়ে যেকোনো ইউনিক ‘আইডিয়া’কে সফল ‘প্রোডাক্টে’ রূপান্তর করার ক্ষমতা।</b></p>
<p data-path-to-node="19">বাংলাদেশের আজ প্রয়োজন হাজার হাজার গ্যারেজ, গবেষণাগার, দেশীয় স্টার্টআপ, ডিজাইন সেন্টার, উদ্ভাবনী প্রকৌশলী দল, সাহসী তরুণ এবং একটি বলিষ্ঠ জাতীয় স্বপ্ন। উবার (Uber) দেখে আমরা ‘পাঠাও’ বানিয়েছি সত্য; কিন্তু এখন আমাদের চিন্তা করতে হবে উবারের চেয়েও উন্নত ভার্সন কী হতে পারে! কম জ্বালানি, স্বল্প খরচ, পরিবেশবান্ধব, দ্রুত ও শতভাগ নিরাপদ রাইড-শেয়ারিং মডেল নিয়ে আমাদের ভাবতে হবে।</p>
<p data-path-to-node="20">একটি জাতি তখনই রূপান্তরিত হয়, যখন তার নাগরিকেরা নিরাশ হয়ে প্রশ্ন করা বন্ধ করে—<i data-path-to-node="20" data-index-in-node="78">“এখানে কেন হয় না?”</i>—বরং বুক চিতিয়ে উল্টো প্রশ্ন করে—<b data-path-to-node="20" data-index-in-node="129"><i data-path-to-node="20" data-index-in-node="129">“কেন হবে না?”</i></b></p>
<div class="xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs x126k92a">
<div dir="auto"><strong>তাহলে সিলিকন ভ্যালি কীভাবে তৈরি হলো?</strong></div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">অনেকে মনে করেন, সিলিকন ভ্যালি সফল হয়েছে কারণ ক্যালিফোর্নিয়া ধনী ছিল। কিন্তু এটি অ্যাকিউরেট নয়।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">১৯৪০-এর দশক পর্যন্ত বর্তমান সিলিকন ভ্যালি ছিল মূলত ফলের বাগানের অঞ্চল, যার নাম ছিল Valley of Heart’s Delight। এপ্রিকট, চেরি ও জলপাইয়ের জন্য অঞ্চলটি পরিচিত ছিল, মাইক্রোচিপের জন্য নয়।</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">পরিবর্তনের সূচনা হয় স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ফ্রেডেরিক টারম্যান-এর হাত ধরে (খেয়াল করবেন ইনি একজন অধ্যাপক)। তিনি তাঁর ছাত্রদের শুধু চাকরি খুঁজতে বলেননি; নতুন কোম্পানি গড়তে উৎসাহিত করেছিলেন। সেই ছাত্রদের মধ্যেই ছিলেন বিল হিউলেট ও ডেভ প্যাকার্ড, যারা পরে Hewlett-Packard প্রতিষ্ঠা করেন।</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য Stanford Research Park গড়ে তোলে। বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণাগার, উদ্যোক্তা, শিল্পপ্রতিষ্ঠান এবং সরকার একই ইকোসিস্টেমে কাজ করতে শুরু করে।  এরপর আসে Shockley Semiconductor। সেখান থেকে বেরিয়ে আসা বিখ্যাত Traitorous Eight প্রতিষ্ঠা করেন Fairchild Semiconductor। আর Fairchild থেকেই জন্ম নেয় Intel, AMD, National Semiconductor-সহ অসংখ্য প্রতিষ্ঠান। অর্থাৎ, সিলিকন ভ্যালির জন্ম কোনো একক কোম্পানির মাধ্যমে নয়। এটি তৈরি হয়েছে একটি ইকোসিস্টেম থেকে।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto"><strong>বাংলাদেশের আজকের অবস্থান</strong></div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হলো, আজ বাংলাদেশের হাতে এমন কিছু শক্তি রয়েছে, যা Apple, Google কিংবা NVIDIA-এর প্রতিষ্ঠাতাদের কাছে ছিল না।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">আজ বাংলাদেশে প্রতি বছর প্রায় ২০,০০০-এরও বেশি প্রকৌশলী স্নাতক হচ্ছেন। বিশ্বজুড়ে রয়েছেন হাজার হাজার বাংলাদেশি সেমিকন্ডাক্টর ও ডিপ-টেক পেশাজীবী, যারা বিশ্বের শীর্ষ প্রতিষ্ঠানগুলোতে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। আজ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ক্লাউড কম্পিউটিং, ওপেন-সোর্স প্রযুক্তি, RISC-V, অনলাইন শিক্ষা এবং বৈশ্বিক সহযোগিতার সুযোগ আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি।</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, বাংলাদেশ এখন সেমিকন্ডাক্টর ও ডিপ-টেককে জাতীয় অগ্রাধিকারের পর্যায়ে নিয়ে এসেছে।</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">তাহলে প্রশ্ন হলো, যদি তারা এত সীমাবদ্ধতার মধ্যেও পৃথিবী বদলে দিতে পারে, তাহলে বাংলাদেশ কেন পারবে না?</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">কারণ কি আর কেউ পারেনি? পারে নাই কেন?</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">কারণ শুধু মেধাই যথেষ্ট নয়। প্রয়োজন একটি ইকোসিস্টেম। প্রয়োজন এমন একটি পরিবেশ, যেখানে বিশ্ববিদ্যালয়, শিল্পপ্রতিষ্ঠান, সরকার, গবেষক, উদ্যোক্তা, বিনিয়োগকারী এবং প্রবাসী বিশেষজ্ঞরা একই লক্ষ্য নিয়ে কাজ করেন।</div>
<div dir="auto"></div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">প্রয়োজন এমন একটি জাতীয় উদ্দেশ্য, যা তরুণদের বলে, “তোমাদের কাজ শুধু নিজের ক্যারিয়ার গড়া নয়; একটি নতুন বাংলাদেশ গড়া।”</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">এখানেই সিলিকন রিভারের দর্শন: Silicon River কোনো সংগঠনের নাম নয়।</div>
<div dir="auto"></div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">এটি একটি জাতীয় ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার আন্দোলন।</div>
<div dir="auto"></div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">যেমন স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় সিলিকন ভ্যালির বীজ বপন করেছিল, তেমনি BSIA এবং বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে গবেষণা, উদ্ভাবন ও উদ্যোক্তা তৈরির কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করছে Silicon River।</div>
<div dir="auto"></div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">যেমন Fairchild Semiconductor থেকে অসংখ্য নতুন কোম্পানির জন্ম হয়েছিল, তেমনি আজকের বাংলাদেশি তরুণদের মধ্য থেকেই আগামী দিনের বৈশ্বিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা তৈরি করার লক্ষ্য নিয়েই এগিয়ে যাচ্ছে Silicon River। </div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">যেমন সিলিকন ভ্যালি বিশ্বজুড়ে প্রতিভাকে একত্র করেছিল, তেমনি Silicon River বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কর্মরত বাংলাদেশি বিশেষজ্ঞদের জ্ঞান, অভিজ্ঞতা, শিল্পসংযোগ এবং সুযোগকে দেশের উন্নয়নের সঙ্গে যুক্ত করছে।</div>
<div dir="auto"></div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">এই লক্ষ্যেই শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক রোডশো, বিশ্ববিদ্যালয়-শিল্প অংশীদারিত্ব, বৈশ্বিক ইন্টার্নশিপ, গবেষণা সহযোগিতা, দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি, National Semiconductor Symposium, BEAR Summit, BEAR to CES উদ্যোগ এবং আরও বহু কার্যক্রম।</div>
<div dir="auto"></div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">প্রতিটি উদ্যোগ আলাদা মনে হতে পারে। কিন্তু সবগুলো মিলে তৈরি করছে বাংলাদেশের আগামী প্রযুক্তি ইকোসিস্টেম।</div>
<div dir="auto"></div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">আমাদের লক্ষ্য সিলিকন ভ্যালিকে অনুকরণ করা নয়।  আমাদের লক্ষ্য বাংলাদেশের নিজস্ব পরিচয়ে একটি নতুন উদ্ভাবনী ইকোসিস্টেম গড়ে তোলা। সিলিকন ভ্যালির শক্তি ছিল ভেঞ্চার ক্যাপিটাল। সিলিকন রিভারের শক্তি হবে জাতীয় উদ্দেশ্য, তরুণ জনগোষ্ঠী, বৈশ্বিক প্রবাসী নেটওয়ার্ক, জ্ঞান, গবেষণা এবং সম্মিলিত নেতৃত্ব।</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">সিলিকন ভ্যালি বিশ্বকে কম্পিউটিংয়ের নতুন যুগ উপহার দিয়েছে। সিলিকন রিভারের স্বপ্ন, বাংলাদেশকে এমন একটি দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা, যেখানে সেমিকন্ডাক্টর, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রোবোটিক্স, বায়োইলেকট্রনিক্স এবং ডিপ-টেকের মাধ্যমে বিশ্বের সমস্যার সমাধান তৈরি হবে। যাতে সবাই আমাদের উপরে নির্ভর করে এই বিষয়গুলোতে।</div>
<div dir="auto"></div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">ইনশাআল্লাহ এটাই হবে আমাদের জাতীয় নিরাপত্তা, বৈশ্বিক শক্তিশালী অবস্থান এর অন্যতম ভিত্তি। আর জাতীয় পর্যায়ে সেলফ গভর্নেন্স । জনগণ চাইলে এক হয়ে অনেক কিছু করতে পারে ইনশাআল্লাহ।</div>
</div>
<p data-path-to-node="21">এগুলো কোনো ফাঁকা বুলি বা রোমান্টিক কথা নয়। জীবন ও ইতিহাস থেকে নেওয়া শিক্ষা থেকেই এই যৌক্তিক সত্য উঠে এসেছে—যা আমাদের দেশের তথাকথিত ভীরু-কা পুরুষদের নেই। তাদের অভাব সাহসের, অভাব অদম্য ইচ্ছাশক্তির, উদ্যমের এবং অমানুষিক পরিশ্রম করার সাধ্য ও সাধনার।</p>
<p data-path-to-node="22">মহান আল্লাহ আমাদের সহায় হোন।</p>
<p data-path-to-node="24"><b data-path-to-node="24" data-index-in-node="0">পুনশ্চ:</b> গত এক সপ্তাহে দেশের মূলধারার সংবাদপত্রগুলো যেন সেমিকন্ডাক্টর বিষয়ের লেখায় সয়লাব হয়ে গেছে! হঠাৎ করেই দেখা যাচ্ছে সবাই সেমিকন্ডাক্টর বিশেষজ্ঞ বনে গেছেন—ব্যারিস্টার, সাবেক এমপি, কম্পিউটার বিশেষজ্ঞ, পিএইচডি শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে বহু সম্মানীয় শিক্ষক-অধ্যাপক। অথচ এদের অনেকের সঙ্গেই সরাসরি সেমিকন্ডাক্টর বিষয়ের দূরতম কোনো একাডেমিক বা প্রায়োগিক সম্পর্ক নেই! যার যেভাবে মনে আসছে, সেভাবেই অনলাইন ও পত্রিকায় বয়ান দিয়ে যাচ্ছেন। আমরাও বাধ্য হয়ে তা পড়ছি ও শুনছি। কেউ প্রগাঢ় জ্ঞান দিচ্ছেন, কেউবা হালকা কথার তর্ল গড়াচ্ছেন। সেলুকাস! হে আল্লাহ, আমাদের রক্ষা করো!</p>
<hr>
<p data-path-to-node="24"><strong>লেখকঃ</strong> চিফ আর্কিটেক্ট, সিলিকন রিভার; <span>অধ্যাপক, পারডু বিশ্ববিদ্যালয়, ইন্ডিয়ানা, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র</span></p>
<hr>
<p data-path-to-node="24"></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ডিজিটাল পেমেন্ট সংস্কার: আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বাংলাদেশের নতুন দিগন্ত</title>
<link>https://digibanglatech.news/185630</link>
<guid>https://digibanglatech.news/185630</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202608/image_870x580_6a6dfd695cc06.jpg" length="85737" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 01 Aug 2026 10:06:22 +0600</pubDate>
<dc:creator>সাহাব উদ্দিন শিপন</dc:creator>
<media:keywords>ডিজিটাল পেমেন্ট, ক্রস-বর্ডার পেমেন্ট, বাংলাদেশ ব্যাংক সার্কুলার, ফ্রিল্যান্সিং আয়, ডিভিএ (DVA), ফিনটেক, ডিজিটাল অর্থনীতি, ই-কমার্স, পেপাল বাংলাদেশ, ডিজিটাল এক্সপোর্ট</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="5">রাত তখন প্রায় সাড় এগারোটা। ঢাকার মিরপুরের একটি ছোট্ট ফ্ল্যাটে বসে সুস্মিতা তার ল্যাপটপের স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে আছে। যুক্তরাষ্ট্রের একটি সফটওয়্যার কোম্পানির হয়ে সে গত তিন বছর ধরে ফ্রিল্যান্স ডিজাইনার হিসেবে কাজ করছে। কাজ শেষ, ক্লায়েন্ট সন্তুষ্ট, ইনভয়েসও পাঠানো হয়ে গেছে। কিন্তু পারিশ্রমিক হাতে পেতে এখনও লাগবে কিছুদিন—মাঝখানে থাকবে একাধিক ইন্টারমিডিয়ারি (Intermediary), কারেন্সি কনভার্সন চার্জ (Currency conversion charge) এবং একটি দীর্ঘ জটিল প্রক্রিয়া। সুস্মিতার মতো লক্ষাধিক তরুণ-তরুণী প্রতিদিন এই বাস্তবতার মুখোমুখি হন। তাদের দক্ষতা আন্তর্জাতিক মানের, কিন্তু তাদের ব্যবহারের জন্য থাকা পেমেন্ট ইনফ্রাস্ট্রাকচার (Payment infrastructure) এখনও বৈশ্বিক অর্থনীতির গতির সঙ্গে পুরোপুরি তাল মেলাতে পারেনি।</p>
<p data-path-to-node="6">আমি এক দশকের বেশি সময় ধরে বাংলাদেশের ই-কমার্স (E-commerce) ও ডিজিটাল ইকোনমির (Digital economy) নীতিনির্ধারণী প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত থেকেছি। ই-ক্যাব (e-CAB)-এর দায়িত্বে থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, ব্যাংক, ফিনটেক প্রতিষ্ঠান ও উদ্যোক্তাদের সঙ্গে কাজ করার সময় বারবার একটি প্রশ্ন উঠে এসেছে: আমাদের উদ্যোক্তারা বিশ্বমানের পণ্য ও সেবা তৈরি করলেও কেন ক্রস-বর্ডার (Cross-border) অর্থ আনা-নেওয়ার ক্ষেত্রে এত বাধার মুখে পড়েন? সমস্যা কখনোই দক্ষতার ছিল না—সমস্যা ছিল ফাইন্যান্সিয়াল কানেক্টিভিটির (Financial connectivity)।</p>
<p data-path-to-node="7">২৯ জুলাই ২০২৬ তারিখে বাংলাদেশ ব্যাংকের ফরেন এক্সচেঞ্জ পলিসি ডিপার্টমেন্ট-১ (FEPD-1) থেকে জারি হওয়া সার্কুলার নম্বর ২৫ এই দীর্ঘদিনের সমস্যার একটি গুরুত্বপূর্ণ, যদিও আংশিক, সমাধানের কাঠামো তৈরি করেছে। এই লেখায় আমি সার্কুলারটি প্রকৃতপক্ষে কী প্রবর্তন করছে, এর ওপর আমার পেশাগত বিশ্লেষণ কী, এবং ভবিষ্যতের জন্য আমার সুপারিশ কী—এই তিনটি স্তরে আলাদা করে তুলে ধরব।</p>
<p data-path-to-node="9"><strong>কেন এই সংস্কার জরুরি ছিল?</strong><br>গত এক দশকে বাংলাদেশের ডিজিটাল অর্থনীতি রূপান্তরিত হয়েছে। আগে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বলতে মূলত ভৌত পণ্য রপ্তানিকে বোঝানো হতো। এখন একটি সফটওয়্যার কোড (Software code), একটি ডিজাইন সার্ভিস (Design service), একটি স্যাস সাবস্ক্রিপশন (SaaS subscription) বা একটি ডিজিটাল প্রোডাক্টও (Digital product) মূল্যবান রপ্তানিযোগ্য সম্পদ। দেশের ই-কমার্স খাত প্রতিবছর বিস্তৃত হচ্ছে, ফ্রিল্যান্সিং অর্থনীতিতে বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ দেশ, আর তরুণ প্রজন্মের একটি বড় অংশ সফটওয়্যার ও স্যাস ব্যবসায় বিনিয়োগ করছে।</p>
<p data-path-to-node="10">কিন্তু পেমেন্ট অবকাঠামো এই পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে পারেনি। ফ্রিল্যান্সাররা বিদেশি পেমেন্ট গ্রহণে সীমিত মাধ্যমের মুখোমুখি হয়েছেন, লেনদেনে বিলম্ব হয়েছে নিয়মিত। সফটওয়্যার রপ্তানিকারকরা আন্তর্জাতিক ক্লায়েন্টের কাছ থেকে সাবস্ক্রিপশন রাজস্ব সংগ্রহে জটিলতায় পড়েছেন। স্যাস কোম্পানিগুলোর জন্য মাসিক রিকারিং পেমেন্ট (Recurring payment) ও বৈশ্বিক গ্রাহক বিলিং (Global billing) প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছিল। আর ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলো বিদেশি ক্রেতার পেমেন্ট গ্রহণ ও বৈশ্বিক মার্কেটপ্লেসের (Marketplace) সঙ্গে সংযুক্তির ক্ষেত্রে বারবার বাধাগ্রস্ত হয়েছে।</p>
<p data-path-to-node="12"><strong>সার্কুলারে কী পরিবর্তন আসছে?</strong><br>সার্কুলারটি একটি ব্যাংক-ইন্টারমিডিয়েটেড ক্রস-বর্ডার ডিজিটাল পেমেন্ট (Bank-Intermediated Cross-border Digital Payment) কাঠামো প্রবর্তন করেছে, যার মাধ্যমে অথরাইজড ডিলার (Authorized Dealer - AD) ব্যাংকগুলো বিদেশি পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডার (PSP), ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম, অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ে সার্ভিস প্রোভাইডার (OPGSP) এবং অন্যান্য বৈধ পেমেন্ট সলিউশন প্রোভাইডার—যাদের সার্কুলারে ‘ক্রস-বর্ডার ডিজিটাল পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডার’ বা সিডিপএসপি (CDPSP) বলা হয়েছে—তাদের সঙ্গে চুক্তিভিত্তিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারবে।</p>
<p data-path-to-node="13">এই কাঠামোর কেন্দ্রে আছে ডিজিটাল ভ্যালু একাউন্ট বা ডিভিএ (Digital Value Account - DVA)। সহজ ভাষায়, DVA হলো একজন ব্যক্তির নামে CDPSP-র কাছে রক্ষিত একটি রেগুলেটেড ডিজিটাল ওয়ালেট (Regulated Digital Wallet) বা স্টোরড-ভ্যালু একাউন্ট (Stored-Value Account), যেখানে বৈদেশিক মুদ্রা জমা রাখা যাবে। তবে এটি কোনো স্বাধীন ওয়ালেট নয়—প্রতিটি DVA বাধ্যতামূলকভাবে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের একটি মাস্টার DVA বা সেটেলমেন্ট একাউন্টের (Settlement Account) অধীনে সাব-একাউন্ট (Sub-Account) হিসেবে কাজ করবে, এবং ব্যাংক প্রতিটি লেনদেনের একটি মিরর লেজার (Mirror Ledger) সংরক্ষণ করবে।</p>
<p data-path-to-node="14">সাধারণ মানুষের জন্য এর অর্থ কী? একজন ফ্রিল্যান্সার তার ব্যাংকের মাধ্যমে অনুমোদিত CDPSP-র কাছে একটি DVA খুলতে পারবেন, যা সরাসরি তার ব্যাংকের সঙ্গে রিয়েল-টাইমে (Real-time) সংযুক্ত থাকবে। এতে স্বচ্ছতা বাড়লেও ব্যক্তিগত ডিজিটাল ওয়ালেটের স্বাধীনতা সীমিত থাকবে—ব্যাংকিং তদারকি (Banking Oversight) ও রেগুলেটরি কন্ট্রোল (Regulatory Control) পুরোপুরি বজায় থাকবে।</p>
<p data-path-to-node="15">সার্কুলারে আরও কিছু সুবিধার কথা বলা হয়েছে। ভ্রমণ, চিকিৎসা বা সরকারি সফরের জন্য বৈদেশিক মুদ্রা বরাদ্দ এখন DVA-র মাধ্যমে সহজতর হবে। রপ্তানি ধারণকারী কোটা (ERQ) ও আবাসিক বৈদেশিক মুদ্রা আমানত (RFCD) হিসাবের অর্থ DVA-তে লোড করে ব্যবহারের সুযোগ তৈরি হয়েছে—যদিও রপ্তানিমুখী প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ তিনজন শীর্ষ কর্মকর্তা এই সুবিধা ব্যবহার করতে পারবেন। DVA ধারীরা প্রতি ট্রানজেকশনে (Transaction) সর্বোচ্চ ৩০০ মার্কিন ডলার পর্যন্ত অনলাইন পেমেন্ট করতে পারবেন—সদস্যপদ ফি, তথ্যপ্রযুক্তি ব্যয়, ভিসা ফি বা হোটেল বুকিংয়ের জন্য। সবক্ষেত্রে ব্যাংককে নিয়মিত প্রতিবেদন দিতে হবে এবং কেওয়াইসি (KYC), সিডিডি (CDD) ও এএমএল/সিএফটি (AML/CFT) নিয়ম কড়াকড়িভাবে মেনে চলতে হবে।</p>
<p data-path-to-node="17"><strong>পেপাল, পেওনিয়ার বা স্ট্রাইপ কি সরাসরি চালু হয়ে গেল?</strong><br>উত্তরটি হলো—না। এই সার্কুলার পেপাল (PayPal), পেওনিয়ার (Payoneer), স্ট্রাইপ (Stripe), উইচ্যাট পে (WeChat Pay) বা আলিপে (Alipay)-র মতো বৈশ্বিক পেমেন্ট প্ল্যাটফর্মকে সরাসরি বাংলাদেশে চালু করে দিচ্ছে না। বরং এটি একটি রেগুলেটরি পাথওয়ে (Regulatory Pathway) তৈরি করেছে, যার মাধ্যমে বাংলাদেশি ব্যাংক ও অনুমোদিত পেমেন্ট প্রতিষ্ঠানগুলো ভবিষ্যতে এসব বৈশ্বিক নেটওয়ার্কের সঙ্গে পার্টনারশিপ গড়ে তুলতে পারে। এই সেবাগুলো কবে, কীভাবে চালু হবে—তা নির্ভর করবে ব্যাংক-CDPSP চুক্তি এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের চূড়ান্ত অনুমোদনের ওপর।</p>
<p data-path-to-node="18">এখানে চারটি ধারণার পার্থক্য স্পষ্ট করা দরকার: ১. <b data-path-to-node="18" data-index-in-node="49">পেমেন্ট গেটওয়ে (Payment Gateway):</b> অনলাইন ট্রানজেকশন প্রক্রিয়াকরণের প্রযুক্তি। ২. <b data-path-to-node="18" data-index-in-node="131">ডিজিটাল ওয়ালেট (Digital Wallet):</b> অর্থ জমা রেখে লেনদেনের মাধ্যম। ৩. <b data-path-to-node="18" data-index-in-node="198">মার্চেন্ট একাউন্ট (Merchant Account):</b> ব্যবসায়ীদের কার্ড-ভিত্তিক পেমেন্ট গ্রহণের সুযোগ। ৪. <b data-path-to-node="18" data-index-in-node="288">ইন্টারন্যাশনাল পেমেন্ট নেটওয়ার্ক (International Payment Network):</b> বিভিন্ন দেশের ব্যাংকিং ব্যবস্থাকে সংযুক্তকারী নেটওয়ার্ক।</p>
<p data-path-to-node="19">DVA কাঠামো মূলত এই চার স্তরের মধ্যে একটি রেগুলেটেড ব্রিজ (Regulated Bridge) হিসেবে কাজ করবে, এটি নিজেই সরাসরি একক কোনো সমাধান নয়।</p>
<p data-path-to-node="21"><strong>বাস্তব জীবনে এর প্রভাব</strong><br>সুস্মিতার মতো ফ্রিল্যান্সাররা এখন অনুমোদিত DVA খুলে বিদেশি ক্লায়েন্টের পেমেন্ট আগের চেয়ে সংগঠিতভাবে গ্রহণ করতে পারবেন, যদিও এর গতি নির্ভর করবে ব্যাংক-CDPSP সংযুক্তির কারিগরি দক্ষতার ওপর। রংপুরের একজন নারী উদ্যোক্তা, যিনি দেশীয় হস্তশিল্প বিশ্ববাজারে বিক্রি করেন, তিনি রপ্তানি আয় প্রত্যাবাসনের (Repatriation) একটি স্পষ্টতর কাঠামো পাবেন। ঢাকার একটি স্যাস স্টার্টআপ (SaaS Startup) ধীরে ধীরে এমন একটি ব্যাংকিং পরিবেশ পেতে পারে যেখানে রিকারিং ইন্টারন্যাশনাল বিলিং (Recurring International Billing) সহজতর হবে। আর বিদেশে চিকিৎসা বা শিক্ষা ফি পরিশোধের ক্ষেত্রেও অনলাইন পেমেন্টের সীমা ও প্রক্রিয়া আগের চেয়ে স্পষ্ট হয়েছে।</p>
<p data-path-to-node="22">তবে মনে রাখা দরকার—এই সুবিধাগুলো এখনও শতভাগ বাস্তবায়নের পর্যায়ে যায়নি। ব্যাংকগুলোকে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমতি নিতে হবে এবং CDPSP-দের সঙ্গে প্রযুক্তিগত ইন্টিগ্রেশন (Technical Integration) গড়ে তুলতে হবে। সার্কুলারটি একটি মজবুত ভিত্তি (Foundation) তৈরি করেছে, বাস্তব সুফল পেতে এখন প্রয়োজন এর সঠিক ও দ্রুত বাস্তবায়ন (Effective Implementation)।</p>
<p data-path-to-node="24"><strong>ভারসাম্যপূর্ণ মূল্যায়ন</strong><br>বাংলাদেশ ব্যাংক এই সার্কুলারের মাধ্যমে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সঠিক পথে হেঁটেছে। এটি রেগুলেটরি স্বচ্ছতা এনেছে—আগে যে গ্রে এরিয়াতে (Grey area) ফ্রিল্যান্সার ও ব্যবসায়ীরা কাজ করতেন, এখন সেখানে একটি প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো তৈরি হয়েছে। এটি একটি নিয়ন্ত্রিত মডেল—সবকিছু সম্পূর্ণ উন্মুক্ত না করে ধাপে ধাপে সংস্কারের পথ বেছে নেওয়া হয়েছে। আর আনুষ্ঠানিক ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে লেনদেন পরিচালনার সিদ্ধান্ত মানি লন্ডারিং ঝুঁকি কমাতে অত্যন্ত সহায়তায় করবে।</p>
<p data-path-to-node="25">তবে চ্যালেঞ্জ থেকেই যাচ্ছে। অনেক ব্যাংকের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা এখনও রিয়েল-টাইম সিস্টেম ইন্টিগ্রেশনের (Real-time System Integration) জন্য প্রস্তুত নয়। বাস্তবায়নের খরচ ছোট ও মাঝারি ব্যাংকের জন্য বড় বাধা হতে পারে। বৈশ্বিক পেমেন্ট নেটওয়ার্কগুলোর সঙ্গে প্রকৃত সংযুক্তি তৈরি করাও এখনও কিছুটা অনিশ্চিত। সাইবার সিকিউরিটি (Cybersecurity), ডেটা প্রটেকশন (Data Protection) ও ভোক্তার আস্থা অর্জন করতে সময় লাগবে, এবং মার্চেন্টদের গ্রহণের হারও (Merchant Adoption Rate) একটি দেখার বিষয়।</p>
<p><strong>ভবিষ্যতের করণীয়</strong><br><strong>বাংলাদেশ ব্যাংক: </strong>অবিলম্বে একটি সুনির্দিষ্ট ইমপ্লিমেন্টেশন রোডম্যাপ (Implementation Roadmap) প্রকাশ করা উচিত, যেখানে সময়সীমা ও প্রত্যাশিত ফলাফল নির্দিষ্ট থাকবে। পাশাপাশি শিল্প খাতের প্রতিনিধিদের সঙ্গে নিয়মিত পরামর্শ বজায় রাখতে হবে।<br><strong>বাণিজ্য মন্ত্রণালয়:</strong> একটি সমন্বিত ক্রস-বর্ডার ই-কমার্স (Cross-border E-commerce) নীতিমালা প্রণয়নে এগিয়ে আসতে হবে।<br><strong>আইসিটি বিভাগ: </strong>সুস্পষ্ট ডিজিটাল এক্সপোর্ট স্ট্র্যাটেজি (Digital Export Strategy) তৈরি করা জরুরি।<br><strong>জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR): </strong>ডিজিটাল এক্সপোর্ট আয়ের ওপর কর প্রক্রিয়া সহজ ও পূর্বানুমানযোগ্য করা উচিত, বিশেষত ছোট উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করতে।<br><strong>ব্যাংক খাত: </strong>প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে যাতে রিয়েল-টাইম ইন্টিগ্রেশনের স্ট্যান্ডার্ড পূরণ করা যায়।<br><strong>ফিনটেক খাত: </strong>ব্যাংক ও CDPSP-দের মধ্যে সেতুবন্ধনকারী নির্ভরযোগ্য টেকনোলজি সলিউশন তৈরি করতে পারে।<br><strong>ই-কমার্স খাত: </strong>পণ্যের মান, লজিস্টিকস, কমপ্লায়েন্স ও গ্রাহকসেবাসহ সার্বিক বৈশ্বিক বাজারের জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে।</p>
<p data-path-to-node="29">বাংলাদেশের সামনে এখন একটি ঐতিহাসিক সুযোগ—আঞ্চলিক ডিজিটাল ট্রেড, ডিজিটাল এক্সপোর্ট ও ক্রস-বর্ডার পেমেন্টের একটি উদীয়মান কেন্দ্র হয়ে ওঠার সুযোগ। FEPD-1 সার্কুলার এই দীর্ঘ যাত্রার একটি তাৎপর্যপূর্ণ পদক্ষেপ। তবে চূড়ান্ত সাফল্য নির্ভর করবে এর কার্যকর বাস্তবায়ন, স্বচ্ছতা, উদ্ভাবন এবং বাংলাদেশ ব্যাংক, সরকারি সংস্থা, ব্যাংক, ফিনটেক প্রতিষ্ঠান ও বেসরকারি খাতের সমন্বিত সহযোগিতার ওপর।</p>
<p data-path-to-node="30">সুস্মিতার মতো লক্ষ লক্ষ তরুণ-তরুণীর স্বপ্ন এখন এই সংস্কারের সফল বাস্তবায়নের ওপর নির্ভর করছে। সঠিক সিদ্ধান্ত, দ্রুত বাস্তবায়ন এবং সরকারি-বেসরকারি যৌথ উদ্যোগ বজায় থাকলে আগামী দশকে বাংলাদেশ শুধু ভৌত পণ্য রপ্তানির দেশ নয়; বরং ডিজিটাল সার্ভিস, প্রযুক্তি ও ইনোভেশনের মাধ্যমে বিশ্বমঞ্চে একটি শক্তিশালী ডিজিটাল ইকোনমি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারবে।</p>
<div class="post-text mt-4"><hr>
<p><strong>লেখক :</strong><span> </span>সাবেক সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট, ই-ক্যাব</p>
<hr>
<p></p>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বিনিয়োগের জটিল পাজল ও ডিপিআই: বাংলাদেশে টেকসই বিনিয়োগের পথরেখা</title>
<link>https://digibanglatech.news/185752</link>
<guid>https://digibanglatech.news/185752</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202608/image_870x580_6a6f876a90213.jpg" length="77098" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 01 Aug 2026 00:10:22 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>বিনিয়োগ পাজল, ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার, ডিপিআই (DPI), বিডা (BIDA), ওয়ান স্টপ সার্ভিস, ন্যাশনাল ইন্টারঅপারেবিলিটি, ডেটা গভর্নেন্স, বৈদেশীক বিনিয়োগ (FDI), ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন, সাইলো প্রজেক্ট</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="5">বাংলাদেশে প্রত্যক্ষ বৈদেশিক বিনিয়োগ (FDI) কিংবা অভ্যন্তরীণ বিনিয়োগ—কোনোটিই আশানুরূপ বাড়ছে না। বিডা (BIDA) বা সার্বিক উন্নয়ন কাঠামোর আওতায় এ নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা হলেও টেকসই সমাধানের পথ খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। বিষয়টি আপাতদৃষ্টিতে জটিল মনে হলেও এর গোড়ার সমস্যাগুলো একে অপরের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত।</p>
<p data-path-to-node="6">বাংলাদেশের মতো আকর্ষণহীন বিনিয়োগ গন্তব্যে মূলধন আনাটা মূলত একটি জটিল রিয়েল-লাইফ পাজল (Real-life puzzle) মেলাবার মতো। এই পাজল সঠিকভাবে সমাধান না করে কেবল লাক্সারি অফিস তৈরি, একের পর এক আলোঝলমলে ইনভেস্টমেন্ট সামিট আয়োজন কিংবা চীন-জাপানে নতুন দফতর খুলে অর্থ গচ্চা দিলে কোনো বড় পরিবর্তন আসবে না। এতে হয়তো সামান্য কিছু দৃশ্যমান উন্নয়ন দেখা যাবে, তবে প্রকৃত বা উল্লেখযোগ্য 'ডেল্টা চেঞ্জ' (Delta change) আসবে না।</p>
<p data-path-to-node="7">বিনিয়োগ পাজলের প্রধান বাধাটি শুরু হয় খাতভেদে ১২ থেকে ১৮টি বিভিন্ন পারমিশন বা ছাড়পত্র নেওয়ার দীর্ঘসূত্রতা থেকে। বিদেশি বা দেশি—কোনো বিনিয়োগকারীরই বছরের পর বছর বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে ঘুরে এসব ছাড়পত্র সংগ্রহ করার সময় বা ধৈর্য নেই। অথচ আমরা আজও তাদের একটি কার্যকর 'ওয়ান স্টপ সার্ভিস' (One Stop Service - OSS) দিতে পারছি না। সিঙ্গেল সার্ভিস উইন্ডোর নামে আমরা কেবল সময় নষ্ট করছি। এখন পর্যন্ত যে টুকটাক কাজ হয়েছে, সেগুলো মূলত একেকটি আইসোলেটেড ‘সাইলো’ (Silo) বা ডিজিটাল আইল্যান্ড (Digital Island)—যা আদতে একটি আই-ওয়াশ মাত্র।</p>
<p data-path-to-node="8">এক্ষেত্রে যেসব পরামর্শক প্রতিষ্ঠান কাজ করছে—যেমন পিডব্লিউসি (PwC), বোস্টন কনসালটিং গ্রুপ (BCG) কিংবা স্থানীয় কনসালট্যান্টরা—তারা অধিকাংশই পুরোনো আমলের আমলাতান্ত্রিক ধাঁচে অকার্যকর রূপরেখা বিক্রি করে আসছে। গত এক দশক ধরে তারা একই খসড়া বিক্রি করেছে, পুরোনো ডিভাইসের বাণিজ্য করেছে। ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশনের (Digital Transformation) প্রকৃত রূপ রূপায়ন ও কৌশল সম্পর্কে তাদের নিজেদেরই ধারণা সীমিত। এটি কোনো ধারণানির্ভর কথা নয়, বরং দীর্ঘদিনের প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা থেকে নেওয়া বাস্তব উপলব্ধি।</p>
<p data-path-to-node="9">বাংলাদেশের আজ প্রয়োজন ‘এন্ড-টু-এন্ড ন্যাশনাল ইন্টারঅপারেবিলিটি’ (End-to-End National Interoperability)। নতুন কোনো ডিজিটাল আইল্যান্ড বা বিচ্ছিন্ন সাইলো নয়; বরং এমন একটি ব্যবস্থা যা দেশের সব ডেটাবেজের মধ্যে একটি সুরক্ষিত কানেক্টিভিটি হাইওয়ে (Connectivity Highway) তৈরি করবে। এই জাতীয় হাইওয়ে তৈরি থাকলে তার ওপর ভিত্তি করে যখন-তখন নতুন ও উদ্ভাবনী সার্ভিস লেয়ার (Service layer) কিংবা অ্যাপ্লিকেশন যুক্ত করা সম্ভব হবে। অর্থাৎ, আমাদের দ্রুত 'ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার' (DPI) গড়ে তুলতে হবে।</p>
<p data-path-to-node="10">কিন্তু আমরা যদি ডিপিআই-কে কেন্দ্রীয় জাতীয় এজেন্ডা না বানাই, তবে ৫৭টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ নিজেদের মতো করে পৃথক পৃথক আইসিটি প্রজেক্ট করতে থাকবে। এতে আরও কিছু নতুন সাইলো বা ডিজিটাল দ্বীপ তৈরি হবে ঠিকই, কিন্তু প্রকৃত ডিপিআই বা টেকসই সমাধান কখনোই আসবে না।</p>
<p data-path-to-node="11">বিশ্বব্যাংকের ২৫০ মিলিয়ন ডলার অর্থায়নে পরিচালিত 'সিটা' (CITA) প্রকল্পটি যখন একনেকে (ECNEC) ওঠার কথা, তখন আমি জোর দিয়ে বলেছিলাম—এই পুরো তহবিলকে 'ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার' (DPI) এজেন্ডায় ডাইভার্ট করতে হবে এবং এর আওতায় সেক্টরাল ইন্টার-অপারেবিলিটি হাব ও এক্সচেঞ্জ গড়ে তুলতে হবে। বিষয়টি রিভিউ করার জন্য ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ স্যার দায়িত্ব দেওয়ার পর আমি এনবিআর (NBR), বিবিএস (BBS), মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় (CAG), পাবলিক প্রকিউরমেন্ট কর্তৃপক্ষ এবং পরিকল্পনা কমিশনের সাথে যৌথ বৈঠক করি। দেশি-বিদেশি ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা শেষে টিএপিপি (TAPP) ও ডিপিপি-র (DPP) ওপর একটি বিস্তারিত ৩৪ পৃষ্ঠার রিভিউ ফিডব্যাক জমা দিই। পরবর্তীতে আইসিটি বিভাগের 'ডি-স্টার' (D-STAR) প্রজেক্টটিকেও আমরা আমূল রূপান্তর করে ডিপিআই এজেন্ডার আওতায় এনেছি এবং এর ডিপিপিতে আর্কিটেকচার ও হাই-লেভেল স্পেসিফিকেশন তৈরি করে দিয়েছি।</p>
<p data-path-to-node="12">এখন নির্বাচিত কিংবা দায়বদ্ধ সরকারকে এই দুটি কাজ ঠিকঠাক বাস্তবায়ন করতে হবে। ডিপিপি-কে সঠিক টেকনিক্যাল স্পেসিফিকেশনে রূপান্তর করে টেন্ডারিংয়ে যেতে হবে এবং কঠোর মান নিয়ন্ত্রণ করে তা বাস্তবায়ন করতে হবে। ১১ মাসের সংক্ষিপ্ত মেয়াদে সাধ্যের সবটুকু দিয়ে আমি যে ভিত্তিমূল তৈরি করেছি, তার চেয়ে বেশি হয়তো ওই সময়ে সম্ভব ছিল না। তবে এই দুটি প্রকল্প ঠিকভাবে বাস্তবায়িত হলে ডিপিআই-এর মূল ফাউন্ডেশন দাঁড়িয়ে যাবে—একটি 'অল-টু-অল' (All-to-All) বা 'অল-এপিআই' (All-API) কানেক্টিভিটি তৈরি হবে। গড়ে উঠবে সেন্ট্রাল সিকিউর এক্সচেঞ্জ ও বিভিন্ন সেক্টরাল এক্সচেঞ্জ।</p>
<p data-path-to-node="13">তখন আর কোনো বিনিয়োগকারীকে আবেদন করার জন্য ১২টি দফতর ঘুরে ১৮টি সার্টিফিকেট ম্যানুয়ালি আপলোড করতে হবে না। রুট-কি ভেরিফাইড ই-সিগনেচার (Root-key verified e-signature) ও রিয়েল-টাইম অথেন্টিকেশনের মাধ্যমে সবকিছু স্বয়ংক্রিয়ভাবে সিস্টেম যাচাই করে নেবে। ডেটার ক্রস-ডোমেইন চেক, জাল ডকুমেন্ট শনাক্তকরণ, ফোর্জারি প্রতিরোধ, রাজস্ব ফাঁকি রোধ কিংবা তথ্য যাচাইয়ের জন্য আমরা এখানে ব্লকচেইন (Blockchain), সিস্টেমাটিক প্রোপাগেশন, ফেডারেটেড সিস্টেম এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) প্রয়োগ করতে পারব। এ ধরনের সমন্বিত নেটওয়ার্ক থাকলে প্রপার ক্রেডিট রেটিং (Credit rating) বাস্তবায়ন করা সহজ হবে—যা বর্তমানে আমাদের খেলাপি ঋণের পর্বতসম সমস্যা দূরীকরণে মূল ভূমিকা রাখবে।</p>
<p data-path-to-node="14">অবশ্য ডেটা সিকিউরিটি বা তথ্য সুরক্ষার বিষয়টি অত্যন্ত স্পর্শকাতর। সে কারণেই আমরা সময়োপযোগী 'পার্সোনাল ডেটা প্রটেকশন আইন' তৈরি করেছি এবং এর তদারকির জন্য 'ন্যাশনাল ডেটা গভর্নেন্স অথরিটি' গঠনের বিধান এনেছি। এই ডেটা অথরিটি একই সাথে সিকিউরিটি এজেন্ট হিসেবে কাজ করবে, আইন এনফোর্স করবে এবং ডেটা ব্রোকার হিসেবে ভূমিকা রাখবে।</p>
<p data-path-to-node="15">অথচ এই আর্কিটেকচারকে সর্বজনীন ও সবার জন্য এডাপ্টিভ (Adaptive) না করে, সবাই এখনো বিচ্ছিন্ন প্রজেক্ট নেওয়ার দিকে ঝুঁকছে! ফলে দিনশেষে ডিজিটাল বিন (Business Identification Number - BIN) কিংবা ইলেকট্রনিক ট্রেড লাইসেন্স ইস্যু করলেও সেখানে ১২ থেকে ১৮টির বেশি কোলেটেরাল লেগে যায়। বিডা সম্প্রতি ৬৬১ কোটি টাকা ব্যয়ে 'ওয়ান স্টপ সার্ভিস' ও 'BanglaBiz' প্রজেক্টের কথা বলছে। একইভাবে ই-জুডিশিয়ারি, ই-রেজিস্ট্রেশন, ই-ল্যান্ড সার্ভিস, ই-ড্রাইভিং লাইসেন্স কিংবা ই-ট্রেডমার্কের জন্য ডিপিআই এজেন্ডাকে পাশ কাটিয়ে সবাই ৩০০ থেকে ১০০০ কোটি টাকার পৃথক পৃথক বিচ্ছিন্ন প্রজেক্ট করছে। সবাই কেবল নতুন বায়োমেট্রিক ও আইরিশ (Iris) স্ক্যানার ডিভাইস কেনাতেই ব্যস্ত!</p>
<p data-path-to-node="16">এভাবে ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশনের মুখরোচক নামে জাতীয় রিজার্ভের মূল্যবান ডলারের শ্রাদ্ধ ছাড়া আর কিছুই হবে না। অভ্যন্তরীণ নীতিনির্ধারণী মিটিংগুলোতে এসব নিয়ে কড়া কথা বলার কারণে প্রতিটি মন্ত্রণালয়ে আমি শত্রু তৈরি করেছি; অনেকেই ভেবেছেন আমি তাদের কোটি টাকার প্রজেক্টের ভাগাড়ে বাগড়া দিচ্ছি!</p>
<p data-path-to-node="17">বাস্তবতা হলো—বিডা, এনবিআর, বিবিএস, পরিকল্পনা কমিশন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ ব্যাংক, মহাহিসাব নিরীক্ষক ও আইসিটি বিভাগ—সবাইকে একটি অভিন্ন ডিপিআই ইকোসিস্টেমে আসতে হবে। জন্ম নিবন্ধন, এনআইডি, পাসপোর্ট ইত্যাদির জাতীয় ডেটাস্টোরগুলোকে ইন্টারফেসিং, ইন্টিগ্রেটিং ও ডেটা কন্সিস্টেন্সির মাধ্যমে ইন্টারপ্রেট করতে হবে। শত শত কোটি টাকা ঢেলে বিচ্ছিন্ন সাইলো বানালে দেশের ডিজিটাল সার্ভিস ইকোনমিও বাড়বে না, বিনিয়োগও আসবে না। কানেক্টিভিটি ইকোসিস্টেমের যে মূল 'হাইওয়ে', সেখানে পেমেন্ট ইকোসিস্টেম এসে যুক্ত হবে এবং তার ওপর ভর করেই আমরা নতুন নতুন সার্ভিস লেয়ার তৈরি করে ডিজিটাল ইকোনমিকে সমৃদ্ধ করতে পারব।</p>
<p data-path-to-node="18">একজন দেশের নাগরিক হোক বা বিদেশি বিনিয়োগকারী—কাউকে সেবা দিতে গেলে বুঝতে হবে যে মূল কানেক্টিভিটি আর্কিটেকচারটি মূলত ডিপিআই-এর একটি ‘সাব-সেট’ (Sub-set)। ডেটা গভর্নেন্স আইনের আওতায় প্রস্তাবিত 'ন্যাশনাল ডেটা অথরিটি'র ডিপিআই আর্কিটেকচার এবং একটি 'ইউনিফায়েড ট্রেড লাইসেন্স'-এর আর্কিটেকচার মূলত একই কাঠামোর বড় ও ছোট রূপ। তবে প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব বিজনেস প্রসেস ও ডেটা প্রসেসিংয়ের চাহিদা ভিন্ন বলে তাদের আলাদা ইআরপি (ERP) লাগবে—যার কিছু অংশ হবে কমন, কিছু অংশ ইউনিক। এগুলো মূলত সার্ভিস লেয়ারের সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট।</p>
<p data-path-to-node="19">যেসব সংস্থা বড় পরিসরে সেবা দেবে, তাদের ডিপিআই সাব-সেটটি বড় হবে; আর ছোট সেবাদাতারা ডিপিআই-এর ছোট কানেক্টিভিটি লেয়ার ব্যবহার করবে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, প্রবাসকল্যাণ, এনবিআর বা বাংলাদেশ ব্যাংকের মতো বিশেষায়িত সংস্থার নির্দিষ্ট 'ইউজ কেস' (Use case) ও স্পেসিফিক ডেটা ডিমান্ড অনুযায়ী সেক্টরাল সাব-সেট বা ভিন্ন ভিন্ন কানেক্টিভিটি প্রয়োজন হবে। তবে মূল নির্যাসটি হলো—আমাদের 'অল-টু-অল' কানেক্টিভিটি লাগবে, সব ভার্টিক্যাল (সেক্টরাল ডেটা স্টোর) এবং সব হরাইজন্টাল (এনআইডি, বিডিআরইএস ইত্যাদি) ডেটাস্টোরের মধ্যে পারস্পরিক সংযোগ থাকতে হবে। এটি না করে যেভাবে পৃথক আইসিটি প্রজেক্টের মহোৎসব চলছে, তা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। সরকারি অর্থ অপচয় হবে, কিন্তু কোনো টেকসই সমাধান আসবে না।</p>
<p data-path-to-node="20">সিঙ্গাপুরের 'Singpass' বা ভারতের 'Aadhaar' কার্ডের মতো যখন আমরা একটি কেন্দ্রীয় ডিপিআই কানেক্টিভিটি হাইওয়ে গড়ে তুলতে পারব, তখন একদিকে নাগরিক পাবে 'সিটিজেন ওয়ান আইডি' (Citizen One ID), অন্যদিকে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পাবে 'ডিজিটাল বিন' (Digital BIN)। সেইসাথে বিনিয়োগকারীদের ডজনখানেক পারমিটের জটিলতা এক ছাদের নিচে নিমিষেই দূর হবে। এর আগে যা-ই করা হোক না কেন—তা কেবল সাময়িক শো-কেসিং বা প্রচারণাতেই সীমাবদ্ধ থাকবে, আসল কাজের কাজ কিছুই হবে না। পরবর্তীতে যে ম্যানেজমেন্টই আসুক না কেন, তারা অন্ধকারে হাবুডুবু খাবে।</p>
<p data-path-to-node="21">বিনিয়োগ পাজলের দ্বিতীয় অধ্যায়ে যেসব বিষয় আসে:</p>
<ul>
<li data-path-to-node="22,0,0"><b data-path-to-node="22,0,0" data-index-in-node="0">গুণগত মানের জমি:</b> মাল্টি-মোডাল ট্রান্সপোর্টেশনের (Multi-modal transportation) সুবিধাযুক্ত জমি।</li>
<li data-path-to-node="22,1,0"><b data-path-to-node="22,1,0" data-index-in-node="0">বিচ্ছিন্নতাহীন সেবা:</b> লোডশেডিংমুক্ত, ভোল্টেজ-স্ট্যাবল বিদ্যুৎ এবং নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহ।</li>
<li data-path-to-node="22,2,0"><b data-path-to-node="22,2,0" data-index-in-node="0">ডিজিটাল কানেক্টিভিটি:</b> হাই-স্পিড ও লো-ল্যাটেন্সির কোয়ালিটি ইন্টারনেট সংযোগ।</li>
<li data-path-to-node="22,3,0"><b data-path-to-node="22,3,0" data-index-in-node="0">নীতিমালার স্থায়িত্ব (Policy Stability):</b> শুল্ক ও কর কাঠামোর সুনির্দিষ্ট স্থায়িত্ব। বিনিয়োগকারীকে যেন আগামী ৫ বছরের ডিউটি স্ট্রাকচার সম্পর্কে আগাম ধারণা দেওয়া যায়, যাতে তারা হঠাৎ নীতি পরিবর্তনের ধাক্কা না খায়।</li>
<li data-path-to-node="22,4,0"><b data-path-to-node="22,4,0" data-index-in-node="0">উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা:</b> মানসম্পন্ন এক্সপ্রেসওয়ে, উন্নত রেল সংযোগ ও সুরক্ষিত নৌ-রুট।</li>
<li data-path-to-node="22,5,0"><b data-path-to-node="22,5,0" data-index-in-node="0">আর্থিক কাঠামোর শৃঙ্খলা:</b> গতিশীল শেয়ারবাজার এবং স্বচ্ছ ব্যাংক ঋণ ব্যবস্থা।</li>
</ul>
<p data-path-to-node="23">এর পরবর্তী ধাপে প্রয়োজন সুপার-ফাস্ট কাস্টমার রেসপন্স, পেশাদারিত্ব এবং শূন্য চাদাবাজি। সেই সঙ্গে করপোরেট ট্যাক্স সামঞ্জস্য করা, বিদেশে লভ্যাংশ নিয়ে যাওয়ার সহজ পথ তৈরি করা এবং 'Tax Holidays'-এর মতো চিরাচরিত সুবিধার বদলে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী 'Cost-based Incentives'-এর দিকে যাওয়া অত্যন্ত জরুরি। একইসঙ্গে বিনিয়োগ পাইপলাইনের চাহিদানুযায়ী 'হাই-স্কিলড ওয়ার্কফোর্স' বা দক্ষ জনশক্তি তৈরির তাগিদ তো রয়েইছে।</p>
<p data-path-to-node="24">আমি যে 'বিনিয়োগ পাজল'-এর কথা বলছিলাম—এই পুরো পাজলটি শেষ পর্যন্ত সমাধান না করে আপনি যদি কোনো দেশি বা বিদেশি বিনিয়োগকারীকে বাংলাদেশে আনেন, ব্যাংক ঋণ দেন, তবে দেখা যাবে কারখানার কাজ অর্ধেক হওয়ার পর তিনি গ্যাস বা বিদ্যুৎ পাচ্ছেন না! কিংবা পোর্টে কাঁচামাল আটকে আছে কারণ মাঝপথে সরকার শুল্কহার বদলে দিয়েছে। ফলে বিনিয়োগকারী কাঁচামালের অর্ডার দিয়ে, শিপমেন্ট করে সামান্য একটা ফাইলের জন্য দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন (হাই-টেক পার্ক প্রজেক্টের প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা থেকে বলছি)।</p>
<p data-path-to-node="25">এভাবে কোনো দেশি বা বিদেশি বিনিয়োগকারী বাংলাদেশে আস্থা পাবে না। সকল অংশীদারদের (Stakeholders) এক টেবিলে বসে উপাত্তনির্ভর (Data-driven) অগ্রাধিকার তালিকা বা 'Priority Order' তৈরি করতে হবে। আর এই ডেটা-ড্রিভেন সিদ্ধান্তের জন্য ডিপিআই নিশ্চিত করা ছাড়া কোনো বিকল্প নেই।</p>
<p data-path-to-node="26">যে বিনিয়োগকারীর জন্য শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এই পুরো পাজলটি সমাধান করা সম্ভব হবে—কেবল তাকেই জমি, লোন, গ্যাস, বিদ্যুৎ এবং শুল্ক কাঠামোর নিশ্চয়তা দিন। মাঝপথে কাউকে ঝুলিয়ে রেখে হয়রানি করবেন না।</p>
<p data-path-to-node="27">আর এই পুরো পাজল সমাধান না করে এবং শক্ত ডিপিআই ভিত্তি না গড়ে বিদেশে দফতর খুলে কোনো লাভ নেই। এতে বরং কিছু বিদেশি ফাস্ট-ট্র্যাকে এসে এদেশের আমলাতান্ত্রিক জটিলতার আসল রূপ দেখে বাকি বিনিয়োগকারীদেরও ভাগিয়ে দেবে, যার ফলে পুরো ইনভেস্টমেন্ট পাইপলাইনটাই স্থায়ীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।<br>/<strong>/ডিবিটেক/এসআই/এমআইএস/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>এজেন্টিক SOC হবে আগামীর সাইবার আক্রমণ প্রতিরোধের অন্যতম হাতিয়ার</title>
<link>https://digibanglatech.news/185577</link>
<guid>https://digibanglatech.news/185577</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p&gt;স্পেশাল ব্রাঞ্চের মেইন্টেইন্যান্স ইঞ্জিনিয়ার ও সাইবার সিকিউরিটি অ্যানালিস্ট (SB-CIRT) প্রকৌশলী মোঃ নাজমুল হুদা মাসুদের সাথে বিশেষ সাক্ষাৎকার&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a6ce01888e02.jpg" length="79762" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 31 Jul 2026 23:57:54 +0600</pubDate>
<dc:creator>এস এম ইমদাদুল হক</dc:creator>
<media:keywords>Agentic SOC, সাইবার নিরাপত্তা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, বাংলাদেশ পুলিশ, SB-CIRT, স্মার্ট বাংলাদেশ, জিরো ট্রাস্ট, থ্রেট ইন্টেলিজেন্স, ইমিগ্রেশন সিকিউরিটি, গুরুত্বপূর্ণ তথ্য অবকাঠামো</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<table border="1" height="277" style="border-collapse: collapse; width: 94.9059%;"><colgroup><col style="width: 100%;"></colgroup>
<tbody>
<tr>
<td>
<p data-path-to-node="15" style="text-align: justify;"><span class="">বাংলাদেশের দ্রুত ডিজিটাল রূপান্তর ও ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ লক্ষ্যমাত্রার সাথে সাথে জাতীয় নিরাপত্তার পরিধিতে সাইবার নিরাপত্তা শীর্ষ স্থান দখল করেছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI),</span><span class=""> মেশিন লার্নিং এবং স্বয়ংক্রিয় সাইবার প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার বিকাশ বিশ্বব্যাপী নিরাপত্তা ধারণাকে আমূল বদলে দিচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে বিশ্বজুড়ে অত্যন্ত কার্যকর ও জনপ্রিয় হয়ে উঠছে </span><b data-path-to-node="15" data-index-in-node="347" class="">“Agentic Security Operations Center (Agentic SOC)”</b><span class="">।</span></p>
<p data-path-to-node="16" style="text-align: justify;"><span class="">ভবিষ্যতের সাইবার আক্রমণ মোকাবিলায় এ প্রযুক্তির সম্ভাবনা,</span><span class=""> বাংলাদেশের প্রস্তুতি এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাইবার নিরাপত্তা কাঠামো নিয়ে মুখোমুখি হয়েছেন স্পেশাল ব্রাঞ্চ,</span><span class=""> বাংলাদেশ পুলিশের মেইন্টেইন্যান্স ইঞ্জিনিয়ার,</span><span class=""> সাইবার সিকিউরিটি অ্যানালিস্ট (SB-CIRT) এবং বাংলাদেশ কম্পিউটার সোসাইটির জয়েন্ট সেক্রেটারি (একাডেমিক) </span><b data-path-to-node="16" data-index-in-node="324" class="">প্রকৌশলী মোঃ নাজমুল হুদা মাসুদ</b><span class="">। সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন ‘ডিজিবাংলাটেক’-এর নির্বাহী সম্পাদক </span><b data-path-to-node="16" data-index-in-node="413" class="">এস এম ইমদাদুল হক</b><span class="">।</span></p>
<p data-path-to-node="17" style="text-align: justify;"><span class="">সাক্ষাৎকারে প্রকৌশলী মাসুদ তুলে ধরেছেন কীভাবে বিশ্বজুড়ে ক্রমবর্ধমান র‍্যানসমওয়্যার,</span><span class=""> জিরো-ডে এক্সপ্লয়েট এবং AI-চালিত ফিশিং আক্রমণ মোকাবিলায় ম্যানুয়াল ডিফেন্সের সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে Agentic SOC এক যুগান্তকারী ভূমিকা রাখছে। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে AI মানবসম্পদকে প্রতিস্থাপন করবে না,</span><span class=""> বরং সাইবার বিশ্লেষকদের সক্ষমতা বহুগুণ বৃদ্ধি করবে। এছাড়া বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো (CII),</span><span class=""> সীমান্ত ও ইমিগ্রেশন ব্যবস্থাপনা এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ডাটা সুরক্ষায় Agentic SOC বাস্তবায়নের কৌশলগত গুরুত্ব ও পদক্ষেপ নিয়ে তিনি বিশদ আলোচনা করেছেন।</span></p>
</td>
</tr>
</tbody>
</table>
<p data-path-to-node="20"><b data-path-to-node="20" data-index-in-node="0" class="">প্রশ্ন ১: Agentic SOC কী এবং এটি প্রচলিত SOC থেকে কীভাবে আলাদা?</b></p>
<p data-path-to-node="21"><b data-path-to-node="21" data-index-in-node="0" class="">প্রকৌশলী নাজমুল:</b><span class=""> প্রচলিত SOC (Security Operations Center) মূলত মানব নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের উপর সরাসরি নির্ভর করে সাইবার হুমকি শনাক্ত,</span><span class=""> বিশ্লেষণ ও প্রতিক্রিয়া প্রদান করে। অন্যদিকে,</span><span class=""> Agentic SOC কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক স্বয়ংক্রিয় 'অটোনোমাস এজেন্ট' ব্যবহার করে কাজ করে। এটি শুধু হুমকি শনাক্তকরণের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না; বরং স্বয়ংক্রিয়ভাবে সার্বিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিতে পারে। সহজ কথায়,</span><span class=""> এটি একজন অভিজ্ঞ সাইবার বিশ্লেষকের মতো রিয়েল-টাইমে স্বায়ত্তশাসিত সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করে।</span></p>
<p data-path-to-node="22"><b data-path-to-node="22" data-index-in-node="0" class="">প্রশ্ন ২: বর্তমানে বিশ্বব্যাপী Agentic SOC নিয়ে এত আলোচনা কেন?</b></p>
<p data-path-to-node="23"><b data-path-to-node="23" data-index-in-node="0" class="">প্রকৌশলী নাজমুল:</b><span class=""> বর্তমানে সাইবার আক্রমণের পরিমাণ ও জটিলতা বহুগুণ বেড়েছে। বিশেষ করে র‍্যানসমওয়্যার,</span><span class=""> জিরো-ডে এক্সপ্লয়েট (Zero-day exploits),</span><span class=""> AI-চালিত ফিশিং এবং সাপ্লাই-চেইন আক্রমণগুলো এত দ্রুত সংঘটিত হয় যে প্রচলিত ম্যানুয়াল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দিয়ে তা প্রতিহত করা প্রায় অসম্ভব। Agentic SOC সেকেন্ডের মধ্যে বিপুল পরিমাণ সিকিউরিটি লগ,</span><span class=""> নেটওয়ার্ক ট্রাফিক এবং নিরাপত্তা ইভেন্ট বিশ্লেষণ করে রিয়েল-টাইমে স্বয়ংক্রিয় প্রতিক্রিয়া জানাতে পারে।</span></p>
<p data-path-to-node="24"><b data-path-to-node="24" data-index-in-node="0" class="">প্রশ্ন ৩: বাংলাদেশে Agentic SOC বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয়তা কতটুকু?</b></p>
<p data-path-to-node="25"><b data-path-to-node="25" data-index-in-node="0" class="">প্রকৌশলী নাজমুল:</b><span class=""> বাংলাদেশ দ্রুত 'স্মার্ট বাংলাদেশ' বাস্তবায়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। সরকারি সেবা,</span><span class=""> আর্থিক খাত,</span><span class=""> বিমানবন্দর,</span><span class=""> সমুদ্রবন্দর,</span><span class=""> টেলিকম অবকাঠামো এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ডিজিটাল সিস্টেমগুলো এখন দেশের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য অবকাঠামো (Critical Information Infrastructure - CII)। এই বিস্তৃত অবকাঠামো সুরক্ষায় প্রচলিত নিরাপত্তা ব্যবস্থা অপ পর্যাপ্ত। Agentic SOC বাস্তবায়ন করলে সীমিত দক্ষ জনবল সত্ত্বেও একটি সর্বাধুনিক ও শতভাগ কার্যকর সাইবার প্রতিরক্ষা বলয় গড়ে তোলা সম্ভব।</span></p>
<p data-path-to-node="26"><b data-path-to-node="26" data-index-in-node="0" class="">প্রশ্ন ৪: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কীভাবে SOC-এর কার্যকারিতা বাড়ায়?</b></p>
<p data-path-to-node="27"><b data-path-to-node="27" data-index-in-node="0" class="">প্রকৌশলী নাজমুল:</b><span class=""> AI অস্বাভাবিক আচরণ (Anomalous behavior) শনাক্ত করতে পারে,</span><span class=""> পূর্ববর্তী সাইবার হামলার তথ্যের ভিত্তিতে ঝুঁকি মূল্যায়ন করতে পারে এবং সম্ভাব্য আক্রমণের পূর্বাভাস দিতে পারে। যেমন—কোনো ব্যবহারকারী বা ডিভাইসের স্বাভাবিক আচরণে পরিবর্তন এলেই AI তা চিহ্নিত করে এলার্ট তৈরি করে। পাশাপাশি,</span><span class=""> AI এজেন্ট তাৎক্ষণিকভাবে আক্রান্ত ডিভাইসকে নেটওয়ার্ক থেকে বিচ্ছিন্ন করা (Isolate),</span><span class=""> ক্ষতিকর IP ব্লক করা বা নতুন সিকিউরিটি পলিসি সক্রিয় করার মতো কাজ নিজে থেকেই সম্পাদন করতে পারে।</span></p>
<p data-path-to-node="28"><b data-path-to-node="28" data-index-in-node="0" class="">প্রশ্ন ৫: Agentic SOC কি সাইবার নিরাপত্তার মানবসম্পদকে প্রতিস্থাপন করবে?</b></p>
<p data-path-to-node="29"><b data-path-to-node="29" data-index-in-node="0" class="">প্রকৌশলী নাজমুল:</b><span class=""> একদমই নয়। Agentic SOC মানবসম্পদকে প্রতিস্থাপন করার জন্য নয়,</span><span class=""> বরং তাদের কর্মক্ষমতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি করার জন্য তৈরি। সাইবার নিরাপত্তায় মানুষের অভিজ্ঞতা,</span><span class=""> প্রজ্ঞা এবং কৌশলগত সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা অপরিহার্য। AI মূলত পুনরাবৃত্তিমূলক,</span><span class=""> জটিল ও সময়সাপেক্ষ কাজগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পন্ন করবে,</span><span class=""> যার ফলে মানব বিশ্লেষকরা কৌশলগত পরিকল্পনা ও জটিল থ্রেট হান্টিংয়ে মনোযোগ দিতে পারবেন।</span></p>
<p data-path-to-node="30"><b data-path-to-node="30" data-index-in-node="0" class="">প্রশ্ন ৬: বাংলাদেশের সাইবার নিরাপত্তা খাতে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জগুলো কী কী?</b></p>
<p data-path-to-node="31"><b data-path-to-node="31" data-index-in-node="0" class="">প্রকৌশলী নাজমুল:</b><span class=""> প্রধান চ্যালেঞ্জ হলো অভিজ্ঞ ও দক্ষ সাইবার জনবলের ঘাটতি,</span><span class=""> ব্যাপক প্রাতিষ্ঠানিক সচেতনতার অভাব এবং একটি সমন্বিত জাতীয় সাইবার কাঠামোর অনুপস্থিতি। তাছাড়া,</span><span class=""> অধিকাংশ প্রতিষ্ঠান এখনও 'Reactive Security Model' (আক্রমণ ঘটে যাওয়ার পর ব্যবস্থা নেওয়া) অনুসরণ করে। অথচ আধুনিক বাস্তবতায় আমাদের প্রয়োজন 'Proactive' (পূর্বপ্রস্তুতিমূলক) এবং 'Predictive' (পূর্বাভাসমূলক) সিকিউরিটি মডেল।</span></p>
<p data-path-to-node="32"><b data-path-to-node="32" data-index-in-node="0" class="">প্রশ্ন ৭: আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সুরক্ষায় Agentic SOC কতটা গুরুত্বপূর্ণ?</b></p>
<p data-path-to-node="33"><b data-path-to-node="33" data-index-in-node="0" class="">প্রকৌশলী নাজমুল:</b><span class=""> আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অত্যন্ত সংবেদনশীল জাতীয় তথ্য,</span><span class=""> সীমান্ত ডাটা,</span><span class=""> অপরাধ তদন্তের ফাইল ও গোয়েন্দা তথ্য পরিচালনা করে। এসব ডাটাবেজ সুরক্ষিত রাখতে Agentic SOC অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এটি সার্বক্ষণিক নজরদারির মাধ্যমে যেকোনো সন্দেহজনক অনুপ্রবেশ শনাক্ত করে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার ঝুঁকি তাৎক্ষণিকভাবে প্রতিরোধ করে।</span></p>
<p data-path-to-node="34"><b data-path-to-node="34" data-index-in-node="0" class="">প্রশ্ন ৮: বিমানবন্দর ও ইমিগ্রেশন ব্যবস্থাপনায় এর প্রয়োগ ও সম্ভাবনা কেমন?</b></p>
<p data-path-to-node="35"><b data-path-to-node="35" data-index-in-node="0" class="">প্রকৌশলী নাজমুল:</b><span class=""> বিমানবন্দর ও ইমিগ্রেশনে Agentic SOC ও AI-এর প্রয়োগ ফিজিক্যাল ও সাইবার নিরাপত্তাকে সমন্বিত করে বর্ডার কন্ট্রোলকে দ্রুত ও নির্ভুল করে তোলে। বায়োমেট্রিক ই-গেট ও ফেসিয়াল রিকগনিশনের মাধ্যমে পাসপোর্ট বা ভিসা যাচাই করে মাত্র কয়েক সেকেন্ডে স্বয়ংক্রিয় ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করা সম্ভব। এছাড়াও AI এজেন্ট সিসিটিভি ক্যামেরা ও সার্ভেইল্যান্স বিশ্লেষণের মাধ্যমে অস্বাভাবিক আচরণ, পরিত্যক্ত বস্তু বা ভুয়া ডকুমেন্ট রিয়েল-টাইমে শনাক্ত করে। এতে ম্যানুয়াল ভুল ও দীর্ঘ লাইন কমার পাশাপাশি ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়ার দক্ষতা বহুগুণ বৃদ্ধি পায়। ফলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাগুলোর মধ্যে রিয়েল-টাইম ডাটা শেয়ারিং সহজ হয় এবং সামগ্রিক বিমানবন্দর সুরক্ষা সুদৃঢ় হয়।</span></p>
<p data-path-to-node="37"><b data-path-to-node="37" data-index-in-node="0" class="">প্রশ্ন ৯: বিশ্বজুড়ে জিরো-ট্রাস্ট আর্কিটেকচার (Zero Trust Architecture)-এর প্রসার ঘটছে। Agentic SOC এবং Zero Trust-এর মধ্যে সমন্বয় কীভাবে ঘটানো সম্ভব?</b></p>
<p data-path-to-node="38"><b data-path-to-node="38" data-index-in-node="0" class="">প্রকৌশলী নাজমুল:</b><span class=""> "Never Trust,</span><span class=""> Always Verify" হলো জিরো-ট্রাস্টের মূলনীতি। Agentic SOC হলো জিরো-ট্রাস্ট বাস্তবায়নের প্রধান চালিকাশক্তি। জিরো-ট্রাস্ট মডেলে প্রতিনিয়ত প্রতিটি ব্যবহারকারী ও ডিভাইসের আচরণ ভেরিফাই করতে হয়,</span><span class=""> যা মানুষের পক্ষে ম্যানুয়ালি করা অসম্ভব। Agentic SOC-এর AI এজেন্টগুলো সার্বক্ষণিক ব্যাকগ্রাউন্ডে ব্যবহারকারীর আচরণ বিশ্লেষণ করে জিরো-ট্রাস্ট পলিসি কঠোরভাবে প্রয়োগ করতে পারে।</span></p>
<p data-path-to-node="38"><span class=""><b data-path-to-node="39" data-index-in-node="0" class="">প্রশ্ন ১০: </b><strong>Agentic SOC-এ এআই ব্যবহারের ক্ষেত্রে ডেটা প্রাইভেসি বা নৈতিক কোনো ঝুঁকি রয়েছে কি?</strong></span></p>
<p data-path-to-node="38"><span class=""><b data-path-to-node="40" data-index-in-node="0" class="">প্রকৌশলী নাজমুল: </b><span>হ্যাঁ। য‌দি এআই প‌লি‌সি মে‌নে SOC করা হয়। যেখা‌নে  সাধা‌রন এআই ক‌তিপয় প্রিডিফাইন্ড  নি‌র্দেশনা অনুযায়ী কাজ ক‌রে সেখা‌নে এজে‌ন্টিক এআই নি‌জেই প‌রিকল্পনা, সিদ্ধান্ত ও ম‌া‌ল্টিপল সি‌স্টে‌মের সা‌থে যুক্ত  হ‌য়ে কাজ সম্পন্ন করার সক্ষমতা রা‌খে।</span></span></p>
<p data-path-to-node="39"><b data-path-to-node="39" data-index-in-node="0" class="">প্রশ্ন ১১: বাংলাদেশে Agentic SOC সফলভাবে বাস্তবায়নের পথে প্রধান বাধা কী জন্য কী এবং উত্তরণের উপায় কী?</b></p>
<p data-path-to-node="40"><b data-path-to-node="40" data-index-in-node="0" class="">প্রকৌশলী নাজমুল:</b><span class=""> </span>বাংলাদেশে Agentic SOC বাস্তবায়নের সবচেয়ে বড় বাধা প্রযুক্তি নয়, বরং দক্ষ মানবসম্পদ, আধুনিক অবকাঠামো, সমন্বিত ডেটা ব্যবস্থাপনা, স্পষ্ট নীতিমালা এবং পর্যাপ্ত বিনিয়োগের অভাব।  দক্ষ মানবসম্পদের ঘাটতি, AI-এর ওপর আস্থার অভাব (Trust &amp; False Positives), বাজেট ও রিটার্ন অন ইনভেস্টমেন্ট (ROI) নিয়ে অনিশ্চয়তা উত্তোর‌ণের জন্য  ডাটা ইনফ্রাস্ট্রাকচার আধুনিকীকরণ, আপ‌স্কি‌লিং একা‌ডে‌মিয়া ইন্ডা‌স্ট্রি -কোলাব‌রেশন<br>এসব ক্ষেত্রে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া গেলে Agentic SOC ভবিষ্যতে সরকারি প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক, টেলিযোগাযোগ, স্বাস্থ্যসেবা এবং Critical Information Infrastructure (CII)-এর সাইবার নিরাপত্তাকে আরও দ্রুত, বুদ্ধিমান ও কার্যকর করে তুলতে পারে।</p>
<p data-path-to-node="41"><b data-path-to-node="41" data-index-in-node="0" class="">প্রশ্ন ১২: ভবিষ্যতে বাংলাদেশের সাইবার নিরাপত্তাকে আপনি কোথায় দেখতে চান?</b></p>
<p data-path-to-node="42"><b data-path-to-node="42" data-index-in-node="0" class="">প্রকৌশলী নাজমুল:</b><span class=""> আমি এমন একটি নিরাপদ বাংলাদেশ দেখতে চাই যেখানে দেশের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো AI-চালিত স্বয়ংক্রিয় নিরাপত্তা ব্যবস্থার মাধ্যমে সুরক্ষিত থাকবে। স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে সাইবার নিরাপত্তাকে জাতীয় অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। Agentic SOC,</span><span class=""> Threat Intelligence,</span><span class=""> Zero Trust Architecture এবং Cyber Resilience Framework-এর সুসমন্বিত প্রয়োগ আমাদের ডিজিটাল ভবিষ্যৎকে সুরক্ষিত ও টেকসই করবে।</span></p>
<p data-path-to-node="43"><b data-path-to-node="43" data-index-in-node="0" class="">ইমদাদুল হক:</b><span class=""> চমৎকার তথ্যের জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।</span></p>
<p data-path-to-node="44"><b data-path-to-node="44" data-index-in-node="0" class="">প্রকৌশলী নাজমুল:</b><span class=""> আপনাকে এবং ডিজিবাংলাটেক-এর সম্মানিত পাঠকদেরকেও অসংখ্য ধন্যবাদ।</span></p>
<hr>
<p data-path-to-node="47"><b data-path-to-node="47" data-index-in-node="0">প্রকৌশলী মোঃ নাজমুল হুদা মাসুদ : </b>মেইন্টেইন্যান্স ইঞ্জিনিয়ার, স্পেশাল ব্রাঞ্চ, বাংলাদেশ পুলিশ, সাইবার সিকিউরিটি অ্যানালিস্ট (SB-CIRT), জয়েন্ট সেক্রেটারি (একাডেমিক), বাংলাদেশ কম্পিউটার সোসাইটি (BCS)। Cybersecurity, AI, SOC, Threat Intelligence, Digital Forensics, Critical Infrastructure Security, Network Security, Software Security, Web Security এবং সমসাময়িক প্রযুক্তি বিষয়ক গবেষক, লেখক ও কলামিস্ট। তিনি CEH | CSA | COFPS | CRTA | CCEP | ISO-27001 LA | OCP | OCA | SFC | HCIA | CDFOS প্রফেশনালস। </p>
<hr>
<p data-path-to-node="47"></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>মাইক্রোসফট এমভিপি হলেন ভিভাসফটের দুই প্রকৌশলী</title>
<link>https://digibanglatech.news/185549</link>
<guid>https://digibanglatech.news/185549</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;4,0,0&quot;&gt;ভিভাসফটের প্রকৌশলী মো. রিজওয়ান আনসারি এবং সত্যাদেবী কার্কি মাইক্রোসফট এমভিপি স্বীকৃতি পেয়েছেন&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;4,1,0&quot;&gt;রিজওয়ান আনসারি টানা ৬ষ্ঠ বার এবং সত্যাদেবী কার্কি টানা ৫ম বার এ সম্মাননা অর্জন করলেন&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;4,2,0&quot;&gt;বিশ্বব্যাপী প্রযুক্তি জ্ঞান বিনিময়, ওপেন সোর্স অবদান ও নেতৃত্বের স্বীকৃতিতে মাইক্রোসফট এই অ্যাওয়ার্ড দেয়&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a6c72ead5aa3.jpg" length="122788" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 31 Jul 2026 00:03:56 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>মাইক্রোসফট এমভিপি, ভিভাসফট, সফটওয়্যার প্রকৌশলী, রিজওয়ান আনসারি, সত্যাদেবী কার্কি, ডট নেট, ডেভেলপার টেকনোলজিস, প্রযুক্তি কমিউনিটি, সফটওয়্যার শিল্প</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বিশ্বব্যাপী প্রযুক্তি কমিউনিটিতে প্রযুক্তিগত নেতৃত্ব, জ্ঞান বিনিময় এবং কমিউনিটি গঠনে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে মর্যাদাপূর্ণ ‘মাইক্রোসফট মোস্ট ভ্যালুয়েবল প্রফেশনাল’ (MVP) অর্জন করেছেন বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠিত সফটওয়্যার প্রকৌশল প্রতিষ্ঠান ভিভাসফট (VivaSoft)-এর দুই প্রকৌশলী।</p>
<p>স্বীকৃতিপ্রাপ্ত দুই প্রকৌশলী হলেন— ভিভাসফটের সফটওয়্যার আর্কিটেক্ট ও নেপালভিত্তিক অফশোর ইঞ্জিনিয়ারিং টিমের প্রধান মো. রিজওয়ান আনসারি এবং প্রতিষ্ঠানটির সিনিয়র সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার সত্যাদেবী কার্কি। তারা দুজনই 'ডেভেলপার টেকনোলজিস' ক্যাটাগরিতে এই বৈশ্বিক সম্মাননা অর্জন করেছেন।</p>
<p><strong>ধারাবাহিক সাফল্যের রেকর্ড</strong><br>মাইক্রোসফট ডট নেট (.NET) প্রযুক্তি ক্ষেত্রে নিজের ধারাবাহিক দক্ষতা ও কমিউনিটি অবদানের মাধ্যমে টানা ষষ্ঠ বছরের মতো এমভিপি পদক ধরে রেখেছেন মো. রিজওয়ান আনসারি। অন্যদিকে ডেভেলপার টুলস ও ডট নেট প্রযুক্তিতে পঞ্চমবারের মতো এই মর্যাদাপূর্ণ বৈশ্বিক স্বীকৃতি অর্জন করলেন সত্যাদেবী কার্কি।</p>
<p>প্রসঙ্গত, মাইক্রোসফট প্রতি বছর বিশ্বজুড়ে এমন প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের এই সম্মাননা দেয়, যারা নিজেদের পেশাগত কাজের পাশাপাশি প্রযুক্তিভিত্তিক লেখালেখি, ওপেন সোর্সে অবদান, আন্তর্জাতিক কনফারেন্সে বক্তব্য, মেন্টরিং এবং তরুণ ডেভেলপারদের জ্ঞান বৃদ্ধিতে প্রতিনিয়ত কাজ করেন। প্রতি বছর কাজের মূল্যায়নের ওপর ভিত্তি করে এটি নবায়ন করা হয়।</p>
<p><strong>প্রকৌশলী ও কর্তৃপক্ষের প্রতিক্রিয়া</strong><br>ষষ্ঠবারের মতো স্বীকৃত পেয়ে মো. রিজওয়ান আনসারি বলেন, "এমভিপি স্বীকৃতি পাওয়া নিঃসন্দেহে বড় সম্মানের। তবে এর চেয়েও আনন্দের বিষয় হলো কমিউনিটির সঙ্গে শেখা ও অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেওয়া। জ্ঞান তখনই মূল্যবান হয়, যখন তা অন্যের কাজে আসে।"</p>
<p>সত্যাদেবী কার্কি তার প্রতিক্রিয়ায় জানান, "এই প্রোগ্রাম আমাকে বিশ্বের সেরা প্রযুক্তিবিদদের সঙ্গে কাজের সুযোগ দিয়েছে। নতুন প্রজন্মের ডেভেলপারদের শিখতে ও শেখাতে এ অর্জন আমাকে আরও অনুপ্রাণিত করবে।"</p>
<p>ভিভাসফটের কো-ফাউন্ডার ও চিফ টেকনোলজি অফিসার (সিটিও) শাফকাত আসিফ বলেন, "একটি শক্তিশালী সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠে শেখার মানসিকতাসম্পন্ন প্রকৌশলীদের মাধ্যমে। রিজওয়ান ও সত্যাদেবীর এই অর্জন তাদের ব্যক্তিগত নিষ্ঠার ফল এবং আমাদের এমন এক কর্মপরিবেশের প্রতিফলন, যা কর্মীদের বৈশ্বিক সক্ষমতা প্রকাশের সুযোগ দেয়।"</p>
<p>বাংলাদেশের সফটওয়্যার খাত যখন আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে নিজস্ব স্থান শক্ত করছে, তখন দেশীয় প্রতিষ্ঠানের দুই শীর্ষ প্রকৌশলীর এই অর্জন বৈশ্বিক তথ্যপ্রযুক্তি বাজারে বাংলাদেশের প্রকৌশলীদের পেশাগত দক্ষতার আরেক উজ্জ্বল দলিল।<br>/<strong>/ডিবিটেক/ কেএনএস/ এসআইএম/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বিডিজবস ও তারুণ্যের জুলাই ফাউন্ডেশনের কর্মসংস্থান উদ্যোগ</title>
<link>https://digibanglatech.news/185515</link>
<guid>https://digibanglatech.news/185515</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;2,0,0&quot;&gt;বিডিজবস ও তারুণ্যের জুলাই ফাউন্ডেশন জুলাই অভ্যুত্থানে আহত ও কর্মহীনদের কর্মসংস্থানে স্মারক স্বাক্ষর করেছে&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;2,1,0&quot;&gt;আহতদের প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষণ, সিভি তৈরি, ইন্টারভিউ কৌশল শেখানো এবং বিডিজবসে বিশেষ হাইলাইট দেওয়া হবে&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;2,2,0&quot;&gt;সংবাদ সম্মেলনে আহতদের পুনর্বাসনে সরকারি-বেসরকারি খাত ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান জোরদারের আহ্বান জানানো হয়&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a6b9c91de959.jpg" length="122854" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 30 Jul 2026 21:49:20 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>বিডিজবস, তারুণ্যের জুলাই ফাউন্ডেশন, জুলাই অভ্যুত্থান, কর্মসংস্থান, ফাহিম মাশরুর, সমঝোতা স্মারক, প্রশিক্ষণ, পুনর্বাসন, চাকরির বাজার</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত ও কর্মহীন যোদ্ধাদের জন্য কাজের সুযোগ সৃষ্টি করতে একযোগে কাজ করার ঘোষণা দিয়েছে দেশের শীর্ষস্থানীয় জব পোর্টাল বিডিজবস এবং ‘তারুণ্যের জুলাই ফাউন্ডেশন’। এ লক্ষ্যে উভয় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এক সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছে।</p>
<p>রাজধানীর কারওয়ান বাজারে ৩০ জুলাই), বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। বিডিজবসের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ফাহিম মাশরুর এবং তারুণ্যের জুলাই ফাউন্ডেশনের সভাপতি মো. সাগর উদ্দিন নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।</p>
<p><strong>প্রশিক্ষণ, কেরিয়ার কর্মশালা ও বিশেষ ভিজিবিলিটি</strong><br>এই যৌথ উদ্যোগের আওতায় জুলাই অভ্যুত্থানে আহত ও বর্তমানে বেকার যোদ্ধাদের চাকরির বাজারে উপযুক্ত করে তুলতে বিশেষ কারিগরি ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে। একই সাথে তাদের জন্য সিভি রাইটিং এবং ইন্টারভিউ টেকনিক বিষয়ক কেরিয়ার ডেভেলপমেন্ট ওয়ার্কশপ আয়োজন করা হবে। নিয়োগকর্তাদের কাছে দ্রুত দৃষ্টিগোচর করতে বিডিজবস প্ল্যাটফর্মে তাদের প্রোফাইলকে বিশেষ ভিজিবিলিটি দেওয়া হবে।</p>
<p>সংবাদ সম্মেলনে বিডিজবসের সিইও ফাহিম মাশরুর বলেন, “২০২৪ সালের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে ১৪০০-র বেশি মানুষ শহীদ হন এবং প্রায় ২০ হাজার মানুষ আহত বা পঙ্গুত্ব বরণ করেন। সরকারি কিছু উদ্যোগ থাকলেও বহু আহত যোদ্ধা ও তাদের পরিবার চরম আর্থিক সংকটে দিন কাটাচ্ছে। চিকিৎসার কারণে অনেকে চাকরি হারিয়েছেন, আবার শারীরিক প্রতিবন্ধকতার কারণে অনেকেই নতুন কাজ পাচ্ছেন না।”</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x_6a6b9c4ee1926.jpg" alt=""></p>
<p><strong>কৃতজ্ঞতাবোধ থেকে এগিয়ে আসার আহ্বান</strong><br>অনুষ্ঠানে আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি)-র সভাপতি মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানের সাফল্যের বলেই আজ সব রাজনৈতিক দল স্বাধীনভাবে রাজনীতি করার সুযোগ পাচ্ছে। তিনি দেশপ্রেম ও কৃতজ্ঞতাবোধ থেকে সকল খাতকে এদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান এবং বিডিজবসকে ধন্যবাদ জানান। একই সাথে তিনি প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়কে আহতদের জন্য স্বল্প খরচে বিদেশে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করার অনুরোধ জানান।</p>
<p>সংবাদ সম্মেলনে নরসিংদী থেকে আসা আহত ভুক্তভোগী রেহানা সুলতানা সন্তান কোলে নিয়ে নিজের মর্মান্তিক অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন। গর্ভবতী অবস্থায় পুলিশের গুলিতে আহত হয়েও অলৌকিকভাবে বেঁচে যাওয়া সন্তানকে তিনি সাথে নিয়ে এসেছিলেন।</p>
<p>তারুণ্যের জুলাই ফাউন্ডেশনের সভাপতি মো. সাগর উদ্দিন বলেন, আহতদের কল্যাণে তাদের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে এবং বিডিজবসের সাথে চুক্তি তারই একটি অংশ।</p>
<p>অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক আহাদুল ইসলাম। এতে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য ও শহীদ জাবিরের মা রোকেয়া বেগম, ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের সদস্য সচিব সাজ্জাদুল ইসলাম মিরাজসহ বহু আহত জুলাই যোদ্ধা।<br>/<strong>/ডিবিটেক/এফএম/ এসএনআই/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ইউনিলিভার বিজমায়েস্ট্রোজ ২০২৬&#45;এর চ্যাম্পিয়ন টিম সোপ&#45;আর&#45;স্টারস</title>
<link>https://digibanglatech.news/185499</link>
<guid>https://digibanglatech.news/185499</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;6,0,0&quot; id=&quot;p-rc_0fdf0f1a474bde91-290&quot;&gt;&lt;span data-path-to-node=&quot;6,0,0,0&quot;&gt;১. &#039;বিজমায়েস্ট্রোজ এক্স ইউএফএলপি ২০২৬&#039;-এর ফাইনালে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে টিম &#039;সোপ-আর-স্টারস&#039;&lt;/span&gt;&lt;span data-path-to-node=&quot;6,0,0,1&quot;&gt;&lt;span&gt;&lt;response-element class=&quot;no-md&quot; ng-version=&quot;0.0.0-PLACEHOLDER&quot;&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!-- ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a6b7d12073a0.jpg" length="123927" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 30 Jul 2026 17:34:46 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>ইউনিলিভার বাংলাদেশ, বিজমায়েস্ট্রোজ ২০২৬, ইউএফএলপি, সোপ-আর-স্টারস, ফিউচার লিডার্স, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আইবিএ, বিজমায়েস্ট্রোজ ফিনালে, তরুণ নেতৃত্ব, বিজনেস কম্পিটিশন</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় বহুজাতিক কোম্পানি ইউনিলিভার বাংলাদেশ লিমিটেডের (ইউবিএল) ফ্ল্যাগশিপ বিজনেস কম্পিটিশন ‘বিজমায়েস্ট্রোজ এক্স ইউনিলিভার ফিউচার লিডার্স প্রোগ্রাম (ইউএফএলপি) ২০২৬’-এর ১৬তম আসরের গ্র্যান্ড ফিনালে অনুষ্ঠিত হয়েছে। শীর্ষ ছয় দলের তুমুল লড়াই শেষে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে টিম ‘সোপ-আর-স্টারস’। </p>
<p>বিজয়ী দলের সদস্যরা হলেন- মির রামিসা রাইয়ান রোজ, ফাইয়াজ আমিন রাহিন ও রুশমিলা হাবিব। প্রতিযোগিতায় প্রথম রানারআপ হয়েছে টিম ‘লকড আউট’ এবং দ্বিতীয় রানারআপের ট্রফি অর্জন করেছে টিম ‘ব্রেকিং গুড’।  </p>
<p>‘ডিসরাপ্ট টু উইন’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় এবারই প্রথম বিজমায়েস্ট্রোজ ও ইউএফএলপিকে এক প্ল্যাটফর্মে যুক্ত করে ইউনিলিভার। চূড়ান্ত পর্বে বিজয়ী নির্ধারণে বিচারক প্যানেলে উপস্থিত ছিলেন ইউনিলিভার বাংলাদেশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বাটা শু বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক। </p>
<p>আয়োজনটি দেশের তরুণ মেধাবীদের বাস্তব ব্যবসায়িক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং নেতৃত্ব বিকাশের সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে।  </p>
<p>প্রতিযোগিতার প্রাথমিক বাছাই ও কঠিন মূল্যায়ন প্রক্রিয়া শেষে ১৮ জন শীর্ষ প্রতিযোগী ফাইনালের ৬টি দলে জায়গা করে নেন। বিজয়ী ও প্রতিশ্রুতিশীল অংশগ্রহণকারীরা ইউনিলিভার বাংলাদেশের ম্যানেজমেন্ট ট্রেইনি প্রোগ্রাম (ইউএফএলপি)-এর চূড়ান্ত সাক্ষাৎকার পর্বে সরাসরি অংশগ্রহণ, লিডারশিপ ইন্টার্নশিপ এবং বিভিন্ন এন্ট্রি-লেভেল পদে ক্যারিয়ার গড়ার আকর্ষণীয় সুযোগ পাবেন।  <br>/<strong>/ডিবিটেক/ পিআরএএন/ এসএমই/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>রোবোসাব ২০২৬&#45;এ ইতিহাস গড়লো ব্র্যাকইউ ডুবুরি</title>
<link>https://digibanglatech.news/185426</link>
<guid>https://digibanglatech.news/185426</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p data-path-to-node=&quot;8&quot;&gt;যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় অনুষ্ঠিত বৈশ্বিক রোবোটিকস প্রতিযোগিতা ‘রোবোসাব ২০২৬’–এ বিশ্বমঞ্চে অষ্টম স্থান অর্জন করেছে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের অটোনমাস আন্ডারওয়াটার রোবোটিকস দল ‘ব্র্যাকইউ ডুবুরি’।&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a6ae1f343bf6.jpg" length="116220" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 30 Jul 2026 00:00:07 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>ব্র্যাকইউ ডুবুরি, রোবোসাব ২০২৬, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়, অটোনমাস আন্ডারওয়াটার ভেহিকল, রোবোটিকস বাংলাদেশ, অনার বাংলাদেশ</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="15">বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ রোবোটিকস প্রতিযোগিতা ‘রোবোসাব ২০২৬’–এ বিশ্বমঞ্চে এক অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অটোনমাস আন্ডারওয়াটার রোবোটিকস দল ‘ব্র্যাকইউ ডুবুরি’। ক্যালিফোর্নিয়ার আর্ভিনের উলেট অ্যাকুয়াটিকস সেন্টারে অনুষ্ঠিত মূল পর্বে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের ৫৮টি দলের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে অষ্টম স্থান ছিনিয়ে নিয়েছে দলটি।</p>
<p data-path-to-node="16">প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ থেকে অংশ নেওয়া তিনটি দলের মধ্যে ব্র্যাকইউ ডুবুরি সর্বোচ্চ স্থান অর্জন করেছে। এ অর্জনের পথে তারা পেছনে ফেলে দিয়েছে স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটি, কার্নেগী মেলন ইউনিভার্সিটি এবং ডিউক ইউনিভার্সিটির মতো বিশ্বখ্যাত সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দক্ষ দলগুলোকে।</p>
<p data-path-to-node="17">বাংলাদেশের প্রথম স্বয়ংক্রিয় ডুবোযান বা অটোনমাস আন্ডারওয়াটার ভেহিকল (এইউভি) প্রস্তুতকারী দল হিসেবে ব্র্যাকইউ ডুবুরি এবার মাঠে নামায় ‘ডুবুরি ৪.৫’ নামের মূল ডুবোযান এবং ‘ডুবোমিনি ২.০’ নামের একটি সহযোগী রোবট। মূল প্রতিযোগিতায় সার্বিক অষ্টম স্থান অর্জনের পাশাপাশি দলগত অন্যান্য ক্যাটাগরিতেও নিজেদের প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছে তারা—টেকনিক্যাল প্রেজেন্টেশনে ষষ্ঠ, টেকনিক্যাল ডিজাইন রিপোর্টে ১১তম এবং টিম ভিডিও বিভাগে ১২তম স্থান লাভ করে দলটি।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x_6a6ae1f1611ec.jpg" alt=""></p>
<p data-path-to-node="18">ভিসা জটিলতা, যান্ত্রিক যন্ত্রাংশ নষ্ট হওয়া কিংবা ক্যালিফোর্নিয়ায় অবস্থানকালে সদস্যদের আকস্মিক অসুস্থতার মতো নানা প্রতিকূলতার কথা স্মরণ করে দলের মুখপাত্র তাহিরাহ জান্নাত মীম বলেন, “প্রতিটি ধাপে একের পর এক নানা বাধার মুখোমুখি হয়েও আমরা পিছু হটিনি। তরুণদের একনিষ্ঠ পরিশ্রম আর উদ্ভাবনী শক্তিই আমাদের বিশ্বমঞ্চের সেরা ১০-এ নিয়ে এসেছে।”</p>
<p data-path-to-node="19">এই সাফল্যের নেপথ্যে গুরুত্বপূর্ণ স্পন্সর ও পৃষ্ঠপোষক হিসেবে পাশে ছিল আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান অনার (HONOR)। অনার বাংলাদেশের হেড অব বিজনেস আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, “তরুণ উদ্ভাবকদের বড় স্বপ্ন দেখতে এবং প্রযুক্তির মাধ্যমে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করতে উৎসাহিত করে এমন উদ্যোগের পাশে থাকতে পেরে অনার গর্বিত। ব্র্যাকইউ ডুবুরিকে সহযোগিতা করা আমাদের সেই সামাজিক অঙ্গীকারেরই অংশ, যার মাধ্যমে আমরা নতুন প্রজন্মের প্রকৌশলীদের দক্ষতা বিকাশ ও দেশের প্রযুক্তিগত উন্নয়নে সরাসরি অবদান রাখতে চাই।”</p>
<p data-path-to-node="20">সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, আন্তর্জাতিক এই প্ল্যাটফর্মে ব্র্যাকইউ ডুবুরির অভূতপূর্ব সাফল্য প্রমাণ করে যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), রোবোটিকস, এমবেডেড সিস্টেম এবং মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মতো জটিল ফ্রন্টিয়ার প্রযুক্তিতে বাংলাদেশের তরুণদের মেধা ও বিশ্বমানের কাজের সক্ষমতা রয়েছে।<br>/<strong>/ডিবিটেক/বিআরএফ/এনএএম/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>কনটেন্ট ক্রিয়েটর প্রতিযোগিতা ‘গেট দ্য চ্যালেঞ্জ’ শুরু</title>
<link>https://digibanglatech.news/185422</link>
<guid>https://digibanglatech.news/185422</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p data-path-to-node=&quot;8&quot;&gt;তরুণদের সৃজনশীলতাকে পেশাগত রূপ দিতে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ শুরু করেছে কনটেন্ট ক্রিয়েটর প্রতিযোগিতা ‘গেট দ্য চ্যালেঞ্জ’। এতে আইফোন ১৭ প্রো ম্যাক্স, ব্যাংকক ভ্রমণসহ ১ বছরের জন্য চুক্তিবদ্ধ হওয়ার বিশাল সুযোগ থাকছে।&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a6ad98c9699e.jpg" length="112836" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 29 Jul 2026 19:57:01 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>গেট দ্য চ্যালেঞ্জ, প্রাণ আরএফএল গ্রুপ, কনটেন্ট ক্রিয়েটর প্রতিযোগিতা, আইফোন ১৭ প্রো ম্যাক্স, ডিজিটাল কনটেন্ট বাংলাদেশ।</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="15">স্মার্টফোনের স্ক্রিনে কয়েক সেকেন্ডের একটি ভিডিও তৈরি করে এখন আর কেবল সোশ্যাল মিডিয়ার ‘লাইক-কমেন্ট’ কুড়ানো নয়, বরং সেটিকে এক সম্ভাবনাময় পেশায় রূপ দেওয়ার সুবর্ণ সুযোগ নিয়ে এলো প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ। তরুণদের সৃজনশীলতাকে প্রাতিষ্ঠানিক ও পেশাগত রূপ দিতে এবং দেশের উদীয়মান কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের এক ছাতার নিচে নিয়ে আসতে মহাসমারোহে শুরু হয়েছে কনটেন্ট ক্রিয়েটর প্রতিযোগিতা ‘গেট দ্য চ্যালেঞ্জ’।</p>
<p data-path-to-node="17">প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে আগ্রহী কনটেন্ট নির্মাতাদের প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের বিশাল প্রোডাক্ট লাইন থেকে যেকোনো একটি পণ্য বা ব্র্যান্ড বেছে নিয়ে ১০ থেকে ৬০ সেকেন্ডের একটি সাবলীল ও নান্দনিক ভিডিও বানাতে হবে। এরপর ভিডিওটি অংশগ্রহণকারীর নিজস্ব সোশ্যাল মিডিয়া (ফেসবুক/ইনস্টাগ্রাম/ইউটিউব ইত্যাদি) প্রোফাইল বা পেজে পাবলিকলি আপলোড করতে হবে। পোস্টের ক্যাপশনে বাধ্যতামূলকভাবে <code data-path-to-node="17" data-index-in-node="398">#GetTheChallenge</code> এবং <code data-path-to-node="17" data-index-in-node="419">#PRANRFLGroup</code> হ্যাশট্যাগ দুটি ব্যবহার করতে হবে। সবশেষে আপলোড করা ভিডিওর লিংকটি প্রতিযোগিতার অফিশিয়াল ফেসবুক পেজের ইনবক্স অথবা নির্ধারিত হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে পাঠিয়ে দিলেই রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হবে।</p>
<p data-path-to-node="18"><b data-path-to-node="18" data-index-in-node="0">পুরস্কার ও আর্থিক সুবিধা:</b> সৃজনশীল নির্মাতাদের উৎসাহ দিতে রাখা হয়েছে আকর্ষণীয় সব পুরস্কার ও দীর্ঘমেয়াদী পেশাদার সুযোগ:</p>
<ul data-path-to-node="19">
<li>
<p data-path-to-node="19,0,0"><b data-path-to-node="19,0,0" data-index-in-node="0">মেগা পুরস্কার:</b> সেরা বিজয়ীদের জন্য থাকছে ব্র্যান্ড নিউ ফ্ল্যাগশিপ <b data-path-to-node="19,0,0" data-index-in-node="65">iPhone 17 Pro Max</b>, ঢাকা–ব্যাংকক–ঢাকা দ্বিপাক্ষিক এয়ার টিকিট ও আকর্ষণীয় ভ্রমণ প্যাকেজ, রেফ্রিজারেটর এবং এয়ার কন্ডিশনারসহ (AC) নানা দামি ইলেকট্রনিক্স উপহার।</p>
</li>
<li>
<p data-path-to-node="19,1,0"><b data-path-to-node="19,1,0" data-index-in-node="0">ইনস্ট্যান্ট রিওয়ার্ড ও মাসিক আয়:</b> প্রতিটি অনুমোদিত বা নির্বাচিত কনটেন্টের জন্য দেওয়া হবে ১,০০০০০ টাকা পর্যন্ত তাৎক্ষণিক অর্থ বা রিওয়ার্ড। এছাড়া ভালো মানের কনটেন্ট তৈরি করে প্রতি মাসে ১০ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত স্থায়ী আয়ের পথও উন্মুক্ত থাকবে।</p>
</li>
<li>
<p data-path-to-node="19,2,0"><b data-path-to-node="19,2,0" data-index-in-node="0">১ বছরের চুক্তির সুযোগ:</b> সবচেয়ে বড় চমক হিসেবে, প্রতিযোগিতা থেকে বাছাই করা শীর্ষ ২৫ জন সেরা কনটেন্ট ক্রিয়েটর প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের সাথে সরাসরি ১ বছরের জন্য পেশাদার চুক্তিতে কাজ করার বিরল সুযোগ পাবেন।</p>
</li>
</ul>
<p data-path-to-node="20">রাজধানীর গুলশানের একটি অভিজাত রেস্তোরাঁয় জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে সম্প্রতি এই উদ্ভাবনী প্রতিযোগিতার শুভ উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিশিষ্টজনেরা আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, বর্তমান ডিজিটাল বিপ্লবের যুগে কনটেন্ট ক্রিয়েশন কেবল বিনোদনের মাধ্যম নয়; এটি তরুণ প্রজন্মের উদ্যোক্তা হওয়া এবং বিশ্বজুড়ে নিজেদের তুলে ধরার একটি অত্যন্ত শক্তিশালী মাধ্যম। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রাণ-আরএফএল প্রডাকশনের বিভাগীয় প্রধান মাসউদ যাকারিয়া সাবিন, জনপ্রিয় নাট্যনির্মাতা জাকারিয়া সৌখিন, ইমরাউল রাফাত, রাফাত মজুমদার রিংকু, চলচ্চিত্র ও নাট্যনির্মাতা রায়হান জুয়েল এবং জনপ্রিয় তরুণ কনটেন্ট ক্রিয়েটর অতনুসহ সাংস্কৃতিক অঙ্গনের শীর্ষ ব্যক্তিবর্গ। আয়োজকরা আশা প্রকাশ করছেন, এই ‘গেট দ্য চ্যালেঞ্জ’ প্ল্যাটফর্মটির মাধ্যমে বাংলাদেশের ডিজিটাল কনটেন্ট ইন্ডাস্ট্রি এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে। <br>/<strong>/ডিবিটেক/জেএনও/এনএএম/</strong>/</p>
<p data-path-to-node="20"></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>যুব দক্ষতা বাড়ানো এখন সময়ের দাবি</title>
<link>https://digibanglatech.news/185262</link>
<guid>https://digibanglatech.news/185262</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-section-id=&quot;1cm7nyi&quot; data-start=&quot;153&quot; data-end=&quot;183&quot;&gt;প্রতি চার যুবকের একজন বেকার&lt;span aria-hidden=&quot;true&quot; class=&quot;PDq2pG_selectionAnchor&quot;&gt;&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;li data-section-id=&quot;1dleqox&quot; data-start=&quot;184&quot; data-end=&quot;220&quot;&gt;৪০% তরুণ শিক্ষা-প্রশিক্ষণের বাইরে&lt;/li&gt;
&lt;li data-section-id=&quot;ntjyju&quot; data-start=&quot;221&quot; data-end=&quot;257&quot;&gt;দক্ষতা উন্নয়নে সংস্কারের ওপর জোর&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a688ef428047.jpg" length="55506" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 28 Jul 2026 14:19:37 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>জনমিতিক লভ্যাংশ, যুব দক্ষতা, এনএসডিএ, কারিগরি শিক্ষা, টিভেট, কর্মসংস্থান, রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, দক্ষ মানবসম্পদ, বিশ্ব যুব দক্ষতা দিবস</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশের বিপুল যুব জনসংখ্যাকে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তর করা না গেলে দেশের জনমিতিক লভ্যাংশ ভবিষ্যতে বড় অর্থনৈতিক ও সামাজিক বোঝায় পরিণত হবে বলে সতর্ক করেছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। তিনি বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষতা, কারিগরি শিক্ষা এবং শ্রমবাজারের চাহিদাভিত্তিক প্রশিক্ষণ ছাড়া টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি সম্ভব নয়।</p>
<p>বিশ্ব যুব দক্ষতা দিবস ২০২৬ উপলক্ষে ২৮ জুলাই, মঙ্গলবার রাজধানীর বিনিয়োগ ভবনের মাল্টিপারপাস অডিটোরিয়ামে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (এনএসডিএ) আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।</p>
<p>সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নূরুল হক নূর, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এবিএম আব্দুস সাত্তার এবং জাতীয় মানবসম্পদ উন্নয়ন তহবিলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. তৌহিদুর রহমান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এনএসডিএর নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. নাজনীন কাউসার চৌধুরী।</p>
<p><strong>উদ্বেগজনক যুব বাস্তবতা</strong><br>ড. তিতুমীর বলেন, বর্তমানে দেশের প্রতি চারজন যুবকের একজন বেকার। এছাড়া ১৫ থেকে ২৪ বছর বয়সী তরুণ-তরুণীদের ৪০ শতাংশ শিক্ষা, কর্মসংস্থান কিংবা প্রশিক্ষণের বাইরে রয়েছে। নারীদের ক্ষেত্রে এই হার প্রায় ৬০ শতাংশ, যা দেশের মানবসম্পদ উন্নয়নের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।</p>
<p>তিনি বলেন, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শক্তি তার তরুণ জনগোষ্ঠী। কিন্তু দক্ষতার ঘাটতি ও কর্মসংস্থানের সীমাবদ্ধতার কারণে এই সম্ভাবনা ধীরে ধীরে জনমিতিক বোঝায় পরিণত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।</p>
<p><strong>প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষতা উন্নয়নে জোর</strong><br>অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা জানান, দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে শিক্ষা ব্যবস্থায় কাঠামোগত সংস্কার, পাঠ্যক্রম আধুনিকায়ন এবং ষষ্ঠ শ্রেণি থেকেই কারিগরি শিক্ষার সম্প্রসারণ করা হচ্ছে।</p>
<p>তিনি বলেন, সরকারি পর্যায়ে টিভেট (Technical and Vocational Education and Training) প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ও সক্ষমতা বাড়ানো, বহুভাষিক দক্ষতা উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।</p>
<p><strong>২০৩৪ সালের লক্ষ্য</strong><br>সরকারের লক্ষ্য ২০৩৪ সালের মধ্যে ১ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ে তোলা এবং অন্তত ১ কোটি মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা। এ লক্ষ্য অর্জনে দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন, নারীদের শ্রমবাজারে অংশগ্রহণ বৃদ্ধি, নতুন আন্তর্জাতিক শ্রমবাজার সৃষ্টি এবং প্রযুক্তিনির্ভর প্রশিক্ষণ ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।</p>
<p><strong>বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণের আহ্বান</strong><br>প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নূরুল হক নূর বলেন, দক্ষতা উন্নয়ন কার্যক্রমে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি খাতের সক্রিয় অংশগ্রহণ জরুরি।</p>
<p>তিনি জানান, সরকারের ১১০টি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের (টিটিসি) অবকাঠামো বেসরকারি প্রতিষ্ঠানও ব্যবহার করতে পারবে। এছাড়া কাতার, সৌদি আরবসহ বিভিন্ন দেশের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ কর্মী তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গত বছর বিএমইটির বিভিন্ন প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে ১ লাখ ৬৭ হাজার মানুষকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।</p>
<p>বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, অটোমেশন ও ডিজিটাল অর্থনীতির যুগে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়াতে প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষতা, কারিগরি শিক্ষা এবং জীবনব্যাপী শেখার (Lifelong Learning) সংস্কৃতি গড়ে তোলা এখন সময়ের সবচেয়ে বড় অগ্রাধিকার।<br>/<strong>/ডিবিটেক/ এমএফএ/ এমএনএ/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>টেলিকম নির্বাহী এখন বিএসইসি কমিশনার</title>
<link>https://digibanglatech.news/185231</link>
<guid>https://digibanglatech.news/185231</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li&gt;&lt;span&gt;হোসেন সাদাত বিএসইসি কমিশনার&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;li&gt;&lt;span&gt;চার বছরের জন্য নিয়োগ&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;li&gt;&lt;span&gt;টেলিকম অভিজ্ঞতা পুঁজিবাজারে কাজে লাগবে&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a6853d0026a1.jpg" length="40280" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 28 Jul 2026 11:01:54 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>বিএসইসি, হোসেন সাদাত, পুঁজিবাজার, করপোরেট গভর্ন্যান্স, গ্রামীণফোন, আইসিএসবি, কমিশনার, অর্থ মন্ত্রণালয়, সিকিউরিটিজ কমিশন</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে (বিএসইসি) নতুন কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের (পুঁজিবাজার-১ শাখা) উপসচিব ফারজানা জাহান স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে এ নিয়োগের আদেশ জারি করা হয়েছে।</p>
<p>বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন আইন, ১৯৯৩-এর ধারা ৫(২) অনুযায়ী হোসেন সাদাত, এফসিএস-কে যোগদানের তারিখ থেকে চার বছরের জন্য কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।</p>
<p>প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, কমিশনার হিসেবে যোগদানের আগে তাকে অন্য সব প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের সঙ্গে বিদ্যমান কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগ করতে হবে। বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা সরকারের সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তি অনুযায়ী নির্ধারিত হবে। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জারি করা এ নিয়োগ অবিলম্বে কার্যকর হবে।</p>
<h3>টেলিকম থেকে পুঁজিবাজারে</h3>
<p>হোসেন সাদাত দেশের করপোরেট ও টেলিযোগাযোগ খাতের পরিচিত পেশাজীবী। তিনি দীর্ঘদিন গ্রামীণফোন-এ সিনিয়র ডিরেক্টর (করপোরেট অ্যাফেয়ার্স) ও কোম্পানি সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। করপোরেট গভর্ন্যান্স, নিয়ন্ত্রক সংস্থার সঙ্গে সমন্বয়, কমপ্লায়েন্স এবং শেয়ারহোল্ডার ব্যবস্থাপনায় তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে।</p>
<p>বর্তমানে তিনি ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড সেক্রেটারিজ অব বাংলাদেশ (আইসিএসবি)-এর প্রেসিডেন্ট হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।</p>
<p>বিশ্লেষকদের মতে, তালিকাভুক্ত কোম্পানির পরিচালনা, স্বচ্ছতা, তথ্য প্রকাশ, নিয়ন্ত্রক কমপ্লায়েন্স এবং করপোরেট প্রশাসনে তাঁর অভিজ্ঞতা দেশের পুঁজিবাজারের সুশাসন, বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধি এবং বাজার সংস্কারে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। বিশেষ করে প্রযুক্তিনির্ভর করপোরেট রিপোর্টিং, ডিজিটাল কমপ্লায়েন্স এবং আধুনিক নিয়ন্ত্রক কাঠামো বাস্তবায়নে তাঁর অভিজ্ঞতা কমিশনের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে সহায়ক হতে পারে।</p>
<p>/<strong>/ডিবিটেক/ ইএনও/ এনএএম/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>যুক্তরাষ্ট্রের এআই নেতৃত্বের পরীক্ষা: একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ নয়, চাই দায়িত্বশীল উন্মুক্ততা</title>
<link>https://digibanglatech.news/185106</link>
<guid>https://digibanglatech.news/185106</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;5,0,0&quot;&gt;এআই-যুগে প্রযুক্তির সহজলভ্যতা, অর্থনৈতিক নিয়ন্ত্রণ ও উন্মুক্ত জবাবদিহিতার ওপর নির্ভর করবে নেতৃত্বের মানদণ্ড&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;5,1,0&quot;&gt;&#039;ভাড়াটে বুদ্ধিমত্তা&#039;র বদলে ওপেন-ওয়েট মডেলের প্রযুক্তিগত সার্বভৌমত্ব ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা &lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;5,2,0&quot;&gt;স্বাধীন এআই মূল্যায়ন প্রতিষ্ঠান গঠন এবং সাশ্রয়ী কম্পিউটিং সুবিধাসহ ৫-দফা সুপারিশ&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a66eb631b2f7.jpg" length="123162" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 27 Jul 2026 00:24:00 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ওপেন-ওয়েট মডেল, বৈশ্বিক এআই নেতৃত্ব, প্রযুক্তিগত সার্বভৌমত্ব, দায়িত্বশীল উন্মুক্ততা, ওয়াইকো, ইউএস এআই পলিসি</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="9">বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) মডেল তৈরি করলেই যে এআই যুগের বৈশ্বিক নেতৃত্ব স্থায়ী হবে—এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই।</p>
<p data-path-to-node="10">প্রকৃত নেতৃত্ব বরং সেই দেশের হাতেই থাকবে, যার প্রযুক্তি বিশ্বের অন্যান্য দেশ সাশ্রয়ী মূল্যে ব্যবহার করতে পারবে, পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাতে পারবে, নিজস্ব প্রয়োজন অনুযায়ী রূপান্তর করতে পারবে এবং নিজস্ব ডেটা, প্রতিষ্ঠান কিংবা অর্থনৈতিক ভবিষ্যতের ওপর থেকে নিয়ন্ত্রণ না হারিয়েই কাজে লাগাতে পারবে।</p>
<p data-path-to-node="11">এই পার্থক্যটি বোঝা এখন অত্যন্ত জরুরি। জাতিসংঘ কর্তৃক আয়োজিত এআই শাসনবিষয়ক প্রথম বৈশ্বিক সংলাপের মাধ্যমে সরকার, প্রযুক্তি কোম্পানি, গবেষক ও নাগরিক সমাজকে এক ছাতার নিচে আনার চেষ্টা চলছে। অন্যদিকে, ২৯টি দেশ সম্প্রতি সাংহাই-ভিত্তিক আন্তসরকারি সংস্থা হিসেবে 'ওয়ার্ল্ড আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কোঅপারেশন অর্গানাইজেশন' (WAICO) গঠনে একমত হয়েছে। এ থেকে স্পষ্ট যে, বৈশ্বিক এআই প্রতিযোগিতা এখন আর কেবল গবেষণাগার কিংবা সক্ষমতার বেঞ্চমার্কে সীমাবদ্ধ নেই; বরং তা আন্তর্জাতিক জোট, মানদণ্ড এবং নীতি প্রণয়নের বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় রূপ নিয়েছে।</p>
<p data-path-to-node="12">এই নতুন ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ওপেন-ওয়েট (Open-Weight) মডেল নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে চলমান বিতর্কটি নিছক কোনো কারিগরি আলোচনা নয়—এটি বিশ্বমঞ্চে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বের ধরন নির্ধারণের পরীক্ষা।</p>
<h3 data-path-to-node="13"><strong><span style="font-size: 10pt;">ওপেন-ওয়েট মডেল কেন গুরুত্বপূর্ণ</span></strong></h3>
<p data-path-to-node="14">সম্প্রতি প্রযুক্তি খাত, বিনিয়োগকারী ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের যৌথ চিঠিতে যুক্তি দেওয়া হয়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্রের বৈশ্বিক এআই নেতৃত্ব টিকিয়ে রাখতে 'ওপেন-ওয়েট' মডেল অপরিহার্য।</p>
<p data-path-to-node="15">ওপেন-ওয়েট মডেলে ব্যবহারকারীরা মডেলের সংখ্যাভিত্তিক প্যারামিটার বা ‘ওয়েট’ ডাউনলোড করে নিজস্ব পরিকাঠামোয় চালাতে পারেন এবং প্রয়োজনমতো তা বদলে নিতে পারেন। এর ফলে উদ্ভাবনী খরচ কমে, বাজারে প্রতিযোগিতা বাড়ে, একক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের ওপর নির্ভরতা হ্রাস পায় এবং স্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের তথ্যের (Data) ওপর নিজস্ব সার্বভৌমত্ব বজায় রাখতে পারে।</p>
<p data-path-to-node="16">এই যুক্তিটি নিঃসন্দেহে শক্তিশালী, তবে জনস্বার্থের পূর্ণাঙ্গ দৃষ্টিকোণ থেকে এটি এখনো কিছুটা অসম্পূর্ণ।</p>
<h3 data-path-to-node="17"><span style="font-size: 10pt;"><strong>বন্ধ ব্যবস্থার ঝুঁকি ও 'ভাড়াটে বুদ্ধিমত্তা'</strong></span></h3>
<p data-path-to-node="18">যুক্তরাষ্ট্রের এআই নেতৃত্বকে প্রায়শই কেবল 'সবচেয়ে শক্তিশালী ফ্রন্টিয়ার মডেল' তৈরির দৌড় হিসেবে দেখা হয়। কিন্তু নেতৃত্বের এই ধারণা অত্যন্ত সংকীর্ণ।</p>
<p data-path-to-node="19">কোনো দেশ শীর্ষ মডেল তৈরি করেও যদি এমন একটি বন্ধ ইকোসিস্টেম তৈরি করে, যেখানে বিশ্ববিদ্যালয়, হাসপাতাল, ক্ষুদ্র উদ্যোগ ও সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো গুটিকয়েক প্রাইভেট টেক-জায়ান্টের ওপর চিরতরে নির্ভরশীল হয়ে পড়ে, তবে তা বড় ধরনের সংকট তৈরি করবে। তারা প্রযুক্তি ব্যবহার করতে পারবে ঠিকই, কিন্তু মডেল পরীক্ষা, স্থানীয়করণ বা নিজস্ব পেশাগত জ্ঞান থেকে তৈরি মূল্য বা ভ্যালু ধরে রাখার ক্ষমতা তাদের থাকবে না। এটি কোনো প্রযুক্তিগত সার্বভৌমত্ব নয়—এটি মূলত ‘ভাড়াটে বুদ্ধিমত্তা’ (Rented Intelligence)।</p>
<p data-path-to-node="20">ক্লোজড বা বন্ধ মডেলগুলোতে নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কিংবা জরুরি প্রয়োজনে সেবা প্রত্যাহার সহজ হতে পারে। কিন্তু ক্ষমতার অতি-কেন্দ্রিকীকরণ এক বিশাল ঝুঁকিস্বরূপ। গুটিকয়েক করপোরেট প্রতিষ্ঠান যদি শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও গণমাধ্যমের প্রযুক্তির মূল্য এবং শর্ত নির্ধারণ করে, তবে জনস্বার্থের সিদ্ধান্তগুলো প্রাইভেট বোর্ডের হাতে জিম্মি হয়ে পড়ে।</p>
<p data-path-to-node="21">ওপেন-ওয়েট মডেল এই পরাধীনতা ভেঙে নমনীয়তা তৈরি করে। বিশেষায়িত গবেষণার জন্য প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে কেন শূন্য থেকে ফ্রন্টিয়ার মডেল বানাতে হবে? কিংবা সাধারণ কাজের জন্য কেন প্রতিদিন কোটি ডলারের ক্লাউড সেবা কিনতে হবে?</p>
<h3 data-path-to-node="22"><strong><span style="font-size: 10pt;">বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতি ও এআই কূটনীতি</span></strong></h3>
<p data-path-to-node="23">আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে ওপেন-ওয়েট মডেল যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক প্রভাব অনেক বাড়াতে পারে। বৈশ্বিক দক্ষিণের (Global South) উন্নয়নশীল দেশগুলো কেবল এটি জানতে চায় না যে, কোন মডেল ইংরেজি ভাষার পরীক্ষায় সেরা নম্বর পেয়েছে। তারা জানতে চায়—কোন মডেলটি তাদের নিজস্ব সার্ভারে চলবে, স্থানীয় ভাষা বোঝে, সংবেদনশীল তথ্য গোপন রাখে এবং জাতীয় অগ্রাধিকার অনুযায়ী কাস্টমাইজ করা যায়।</p>
<p data-path-to-node="24">চীনের সাম্প্রতিক এআই কূটনীতি প্রমাণ করে তারা এই বাস্তবতাটি দ্রুত উপলব্ধি করেছে। শুধু প্রযুক্তি সরবরাহ নয়, বরং সক্ষমতা বৃদ্ধি, অবকাঠামো এবং প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতাকে তারা একটি প্যাকেজ হিসেবে গ্লোবাল সাউথের সামনে উপস্থাপন করছে। ওয়াইকো (WAICO) প্রতিষ্ঠা সেই কৌশেরই অংশ।</p>
<p data-path-to-node="25">যুক্তরাষ্ট্র কেবল "আমাদের কোম্পানিগুলোর মডেল সবচেয়ে শক্তিশালী"—এই দোহাই দিয়ে এর জবাব দিতে পারবে না। তাকে আরও বৈচিত্র্যময় ও উন্মুক্ত ইকোসিস্টেম নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে।</p>
<h3 data-path-to-node="26"><strong><span style="font-size: 10pt;">উন্মুক্ততার নিরাপত্তা ও দায়িত্বশীলতার সীমানা</span></strong></h3>
<p data-path-to-node="27">উন্মুক্ততার সমর্থন মানেই যেন প্রযুক্তির অন্ধ অনুকরণ না হয়। মনে রাখা দরকার, ওপেন-ওয়েট মানেই পুরোপুরি 'ওপেন সোর্স' নয়। অনেক সময় মডেলে ট্রেইনিং ডেটা, নিরাপত্তা মূল্যায়নের পদ্ধতি কিংবা পুনর্নির্মাণের উপাদান অনুপস্থিত থাকে। তাছাড়া বৈদেশিক চিপ বা বিদেশি ক্লাউডের ওপর নির্ভরতা থাকলে কেবল ওয়েট হাতে পাওয়া স্বাধীনতার পূর্ণ নিশ্চয়তা দেয় না।</p>
<p data-path-to-node="28">দ্বিতীয়ত, নিরাপত্তার ঝুঁকিও বাস্তব। অত্যন্ত সক্ষম কোনো মডেলের ওয়েট একবার জনসমক্ষে উন্মুক্ত হয়ে গেলে এর অপব্যবহার রোধ করা কঠিন হয়ে পড়ে। যদিও ওপেন-ওয়েট সমর্থকরা বলছেন—সাইবার হামলাকারীদের বিরুদ্ধে সাইবার সুরক্ষাকর্মীদেরও একই স্তরের মডেলে অ্যাক্সেস থাকা দরকার, যাতে তারা দ্রুত ত্রুটি শনাক্ত ও প্রতিরোধ করতে পারেন।</p>
<p data-path-to-node="29">এই যুক্তি গ্রহণযোগ্য হলেও চূড়ান্ত নয়। মূল পছন্দটি 'অনিয়ন্ত্রিত প্রকাশ' আর 'সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা'র মধ্যে নয়—বরং পছন্দটি হলো 'দায়িত্বশীল উন্মুক্ততা' এবং 'অনিয়ন্ত্রিত উন্মুক্ততা'র মধ্যে।</p>
<h3 data-path-to-node="30"><strong><span style="font-size: 10pt;">কৌশলগত রোডম্যাপ: যুক্তরাষ্ট্রের সামনে করণীয়</span></strong></h3>
<p data-path-to-node="31">কৃষি তথ্যের অনুবাদের একটি সাধারণ মডেল এবং জটিল সাইবার নিরাপত্তা বা স্বায়ত্তশাসিত সিস্টেম পরিচালনা করতে সক্ষম মডেলে একই নিয়ম প্রয়োগ করা যুক্তিযুক্ত নয়। নিয়ন্ত্রণ নির্ভর করা উচিত মডেলের নাম বা ক্যাটাগরির ওপর নয়, বরং তার বাস্তব সক্ষমতা ও সম্ভাব্য ঝুঁকির ওপর। যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি ভারসাম্যপূর্ণ এআই কৌশল প্রয়োজন:</p>
<p data-path-to-node="32">১. কম্পিউটিং সুবিধা নিশ্চিত করা: বিশ্ববিদ্যালয়, স্টার্টআপ ও স্বাধীন গবেষকদের জন্য সাশ্রয়ী কম্পিউটিং সক্ষমতা বাড়াতে হবে, যেন কেবল বড় করপোরেটগুলোই প্রতিযোগিতায় টিকে না থাকে।</p>
<p data-path-to-node="33">২. উন্মুক্ত ডেটাসেট ও নৈতিকতার বাজেট: বহুভাষিক বেঞ্চমার্ক, যাচাইকৃত ডেটাসেট এবং নিরাপদ গবেষণার জন্য সরকারি-বেসরকারি যৌথ বিনিয়োগ প্রয়োজন; যেখানে কপিরাইট, তথ্য-গোপনীয়তা ও স্রষ্টার অধিকার সংরক্ষিত থাকবে।</p>
<p data-path-to-node="34">৩. ধাপভিত্তিক ও দায়িত্বশীল প্রকাশ: উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ ফ্রন্টিয়ার মডেলের ক্ষেত্রে একবারে সব উন্মুক্ত না করে ধাপভিত্তিক প্রকাশ (Staged Release), নিয়মিত নথিপত্র প্রদান এবং অ্যাক্সেস কন্ট্রোল নিশ্চিত করা।</p>
<p data-path-to-node="35">৪. স্বাধীন মূল্যায়ন ইনস্টিটিউট: মডেল প্রস্তুতকারক কোম্পানির নিজস্ব নিরাপত্তার দাবির ওপর নির্ভর না করে স্বাধীন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক এআই মূল্যায়ন প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা।</p>
<p data-path-to-node="36">৫. উন্নয়নশীল দেশকে অংশীদার করা: গ্লোবাল সাউথের দেশগুলোকে কেবল ভোক্তা না ভেবে, স্থানীয় ভাষা ও চাহিদামাফিক মডেল অভিযোজনের জন্য বৈশ্বিক গবেষণা নেটওয়ার্কে যুক্ত করা।</p>
<h3 data-path-to-node="37"><strong><span style="font-size: 10pt;">চূড়ান্ত পরীক্ষা</span></strong></h3>
<p data-path-to-node="38">জাতিসংঘের বৈশ্বিক সংলাপ সর্বজনীন নীতি তৈরির পথ দেখাচ্ছে, অন্যদিকে ওয়াইকো রাষ্ট্রীয় সহযোগিতার নতুন অক্ষ তৈরি করছে। এই দুই প্রক্রিয়াই প্রমাণ করে—ভবিষ্যতের এআই নেতৃত্ব নির্ধারিত হবে কেবল কে সেরা প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছে তা দিয়ে নয়; বরং কে অন্যদের সেই প্রযুক্তির সুফল ও ভবিষ্যৎ নির্মাণে অর্থবহ অংশগ্রহণের সুযোগ দিয়েছে, তা দিয়ে।</p>
<p data-path-to-node="39">যুক্তরাষ্ট্রের সামনে স্পষ্ট দুটি পথ: একচেটিয়া করপোরেট আধিপত্য ও আবদ্ধ প্রযুক্তির স্বল্পমেয়াদী পথ, অথবা দায়িত্বশীল উন্মুক্ততা, প্রতিযোগিতা ও আন্তর্জাতিক অংশগ্রহণের দীর্ঘস্থায়ী পথ। শক্তি ও একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণকে এক করে দেখার ভুল না করে, প্রযুক্তিগত ভবিষ্যৎ গঠনে অন্যদের অর্থবহ স্থান দেওয়াই হবে মার্কিন এআই নেতৃত্বের আসল পরীক্ষা।</p>
<hr>
<p data-path-to-node="41"><b data-path-to-node="41" data-index-in-node="0">লেখক: </b><i data-path-to-node="42" data-index-in-node="0">ডিজিটাল গণতন্ত্র, তথ্যের অখণ্ডতা ও গণমাধ্যম উন্নয়ন নীতিবিষয়ক বিশেষজ্ঞ; দায়িত্বশীল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স বিষয়ক অ্যাম্বাসেডর।</i></p>
<hr>
<p data-path-to-node="41"></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>চিপ যুদ্ধের যুগে বাংলাদেশ: সেমিকন্ডাক্টরে ১ বিলিয়ন ডলারের স্বপ্ন ও বাস্তবচিত্র</title>
<link>https://digibanglatech.news/185104</link>
<guid>https://digibanglatech.news/185104</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;5,0,0&quot;&gt;&#039;চিপ ওয়ার&#039;-এর প্রেক্ষাপটে নীতিগত সংস্কারের তাগিদ&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;5,1,0&quot;&gt;শুল্ক জটিলতা এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে প্র্যাকটিক্যাল ল্যাব ও ইডিএ (EDA) টুলের সংকট &lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;5,2,0&quot;&gt; ব্যয়বহুল ফ্যাব্রিকেশন কারখানার বদলে OSAT/টেস্টিং হাব প্রতিষ্ঠা, &#039;ব্রেইন গেইন&#039; ফ্রেমওয়ার্ক, বন্ডেড কাস্টমস সুবিধা&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a66e1e96f8ed.jpg" length="106861" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 26 Jul 2026 10:43:35 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>সেমিকন্ডাক্টর, চিপ যুদ্ধ, বিইএআর সামিট ২০২৬, ফ্যাবলেস ডিজাইন, ভিএলএসআই, ওএসএটি, সবার আগে বাংলাদেশ</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="8">ঢাকার নভোথিয়েটারে বসে দেশের প্রযুক্তি খাতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় সম্মেলন—‘ন্যাশনাল সেমিকন্ডাক্টর সিম্পোজিয়াম এবং বায়োটেকনোলজি, ইলেকট্রনিক্স, এআই ও রোবোটিক্স (BEAR) সামিট ২০২৬’। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ সেমিকন্ডাক্টর ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন (BSIA) এবং ‘সিলিকন রিভার’ উদ্যোগের যৌথ পরিচালনায় অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনটি কেবল আনুষ্ঠানিকতার কোনো আয়োজন নয়; বরং তৈরি পোশাক (RMG) খাতের বাইরে গিয়ে একটি উচ্চ-মূল্যের মেধানির্ভর অর্থনীতির বিকল্প পথ খোঁজার জোরালো পদক্ষেপ। বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের (WEF) উপাত্ত অনুযায়ী, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), স্বায়ত্তশাসিত যানবাহন এবং ৫জি প্রযুক্তির প্রসারে বৈশ্বিক সেমিকন্ডাক্টর বাজার ২০৩০ সালের মধ্যে ১ ট্রিলিয়ন (১,০০০ বিলিয়ন) ডলার ছাড়িয়ে যাবে। আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক মঞ্চে চিপের বাজার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে যে ‘চিপ ওয়ার’ (Chip War) চলছে, সেখানে ২০৩০ সালের মধ্যে ১ বিলিয়ন (১০০ কোটি) ডলার এবং ২০৪১ সালের মধ্যে ১০ বিলিয়ন (১,০০০ কোটি) ডলার চিপ ও আইটি সেবা রপ্তানির জাতীয় লক্ষ্য নির্ধারণ সময়োপযোগী। তবে আবেগের ঊর্ধ্বে উঠে আমাদের প্রস্তুত থাকতে হবে—আন্তর্জাতিক বাজারের বিপরীতে আমাদের অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত ঘাটতি কোথায়, অতীতের নীতিগত ভুলগুলো কী ছিল এবং ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ ভাবনায় সরকার ও স্থানীয় শিল্পের আগামী দিনের কৌশল কেমন হওয়া উচিত।</p>
<h3 data-path-to-node="9">বৈশ্বিক বাজার ও বাংলাদেশের অর্থনৈতিক বাস্তব অবস্থান</h3>
<p data-path-to-node="10">আধুনিক বৈশ্বিক অর্থনীতির মূল ভিত্তি সেমিকন্ডাক্টর বা চিপ খাত, যার বর্তমান বাজার প্রায় ৬০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। তবে বৈশ্বিক এই বিশাল পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের সরাসরি অংশগ্রহণ এখনো অতি নগণ্য।</p>
<ul data-path-to-node="11">
<li>
<p data-path-to-node="11,0,0"><b data-path-to-node="11,0,0" data-index-in-node="0">সরাসরি রপ্তানি আয়:</b> বাংলাদেশ থেকে বর্তমানে ফ্যাবলেস আইসি ডিজাইন (Fabless IC Design), ভেরিফিকেশন এবং এম্বেডেড সিস্টেম খাত থেকে বছরে মাত্র ৮ থেকে ১০ মিলিয়ন ডলার রপ্তানি আয় আসছে।</p>
</li>
<li>
<p data-path-to-node="11,1,0"><b data-path-to-node="11,1,0" data-index-in-node="0">বিশেষায়িত মানবসম্পদ:</b> উল্কাসেমি, নিউরাল সেমিকন্ডাক্টর, প্রাইমসিলিকন ও সিলিকনোভা-র মতো প্রতিষ্ঠানগুলোতে মাত্র ৭০০ থেকে ৮০০ জন দক্ষ ভিএলএসআই (VLSI) প্রকৌশলী কাজ করছেন, যারা আন্তর্জাতিক জায়ান্ট যেমন—অ্যাপল, এএমডি, কোয়ালকম ও গ্লোবালফাউন্ড্রিজের বিভিন্ন প্রজেক্টে যুক্ত।</p>
</li>
<li>
<p data-path-to-node="11,2,0"><b data-path-to-node="11,2,0" data-index-in-node="0">অভ্যন্তরীণ চাহিদা ও বৈশ্বিক মুদ্রার চাপ:</b> সরাসরি চিপ রপ্তানি কম হলেও দেশে এর পরোক্ষ ব্যবহার বিশাল। স্থানীয়ভাবে প্রস্তুতকৃত মোট টিভির ৯০%, এয়ার কন্ডিশনারের ৭০–৭৫% এবং সামগ্রিক ইলেকট্রনিক্স চাহিদার ৮০% স্থানীয় শিল্প মেটাচ্ছে। স্মার্টফোন, স্মার্ট মিটার ও অন্যান্য গ্যাজেট মিলিয়ে প্রতি বছর প্রায় ১.৫ বিলিয়ন ডলারের চিপ আমদানি করতে হয়। চাহিদার ৯৯%-এর বেশি আমদানিনির্ভর হওয়ায় বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা বাইরে চলে যাচ্ছে, যা ২০৩০ সাল নাগাদ ৩ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে।</p>
</li>
</ul>
<h3 data-path-to-node="12">ভারত ও ভিয়েতনামের সাফল্য বনাম বাংলাদেশের ঘাটতি</h3>
<p data-path-to-node="13">ভারত ও ভিয়েতনামের মতো প্রতিবেশীরা যখন চিপ খাতে কোটি কোটি ডলারের বৈশ্বিক বিনিয়োগ টেনে আনছে, তখন আমাদের পিছিয়ে পড়ার কারণগুলো চিহ্নিত করা জরুরি:</p>
<p data-path-to-node="14">১. <b data-path-to-node="14" data-index-in-node="3">ভিয়েতনামের কৌশলগত সিদ্ধান্ত:</b> ভিয়েতনাম শুরুতেই নিজস্ব চিপ বানানোর ব্যয়বহুল কারখানা (Fab) বসানোর পেছনে সময় নষ্ট না করে ইন্টেল ও আমকোর-এর মতো প্রতিষ্ঠানগুলোকে আকৃষ্ট করেছে। তারা OSAT (অ্যাসেম্বলি, টেস্টিং ও প্যাকেজিং) হাব গড়ে তুলে সরাসরি আন্তর্জাতিক সাপ্লাই চেইনে যুক্ত হয়েছে।</p>
<p data-path-to-node="15">২. <b data-path-to-node="15" data-index-in-node="3">ভারতের সরকারি অনুদান:</b> ভারত তাদের ১০ বিলিয়ন ডলারের 'Semicon India' প্রকল্পের মাধ্যমে চিপ অ্যাসেম্বলি প্ল্যান্ট ও ডিজাইন হাব তৈরিতে সরাসরি ৫০% সরকারি ভর্তুকি দিচ্ছে।</p>
<p data-path-to-node="16">৩. <b data-path-to-node="16" data-index-in-node="3">বাংলাদেশের নীতিগত স্থবিরতা:</b> নীতিগত ধারাবাহিকতার অভাব, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা এবং কাস্টমসের শুল্ক বাঁধার কারণে বিদেশী বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশে আসতে দ্বিধা করেছে। দীর্ঘদিন কেবল প্রথাগত কম-মূল্যের খাতের ওপর নির্ভরশীল থাকা হাই-টেক খাতের যাত্রাকে পিছিয়ে দিয়েছে।</p>
<h3 data-path-to-node="17">প্রকৌশল শিক্ষা ও শিল্পখাতের সমন্বয়হীনতা</h3>
<p data-path-to-node="18">বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে প্রতি বছর ইইই (EEE) এবং সিএসই (CSE) থেকে প্রায় ২০,০০০ গ্র্যাজুয়েট বের হলেও সেমিকন্ডাক্টর খাতের উপযোগী দক্ষ জনবলের সংকট স্পষ্ট।</p>
<ul data-path-to-node="19">
<li>
<p data-path-to-node="19,0,0"><b data-path-to-node="19,0,0" data-index-in-node="0">ইলেকট্রনিক ডিজাইন অটোমেশন (EDA) টুলের সংকট:</b> চিপ ডিজাইনের মৌলিক সফটওয়্যার বা EDA টুলস (যেমন: Synopsys, Cadence) অত্যন্ত ব্যয়বহুল। পর্যাপ্ত সরকারি সহায়তা না থাকায় শিক্ষার্থীরা আন্তর্জাতিক মানের এই টুলসগুলো হাতেকলমে ব্যবহারের সুযোগ পায় না।</p>
</li>
<li>
<p data-path-to-node="19,1,0"><b data-path-to-node="19,1,0" data-index-in-node="0">তত্ত্বনির্ভর পাঠ্যক্রম:</b> বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর পাঠ্যক্রম মূলত থিওরি-নির্ভর, যা শিল্পের বর্তমান চাহিদার সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ।</p>
</li>
<li>
<p data-path-to-node="19,2,0"><b data-path-to-node="19,2,0" data-index-in-node="0">সুযোগের অভাব ও মেধা পাচার:</b> প্রয়োজনীয় ল্যাব, ইন্টার্নশিপ ও প্র্যাকটিক্যাল প্রজেক্ট সুবিধার অভাবে হাজার হাজার মেধা প্রতি বছর অন্য পেশায় চলে যাচ্ছে কিংবা বিদেশে পাড়ি জমাচ্ছে (Brain Drain)।</p>
</li>
</ul>
<h3 data-path-to-node="20">সেমিকন্ডাক্টরে সরকারের নীতি ও ডিসিআরএএফ-এর ভূমিকা</h3>
<p data-path-to-node="21">বর্তমান বাস্তবতায় সরকার সেমিকন্ডাক্টর খাতকে মেধানির্ভর অর্থনৈতিক রূপান্তরের প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে বিবেচনা করছে। ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতির আওতায় এবং ডিজিটাল কমার্স রিসার্চ অ্যান্ড এডভোকেসি ফোরাম (DCRAF)-এর মতো থিঙ্ক-ট্যাংক ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের নীতিগত এডভোকেসির প্রেক্ষিতে একটি কার্যকর কাঠামো তৈরি করা হচ্ছে:</p>
<ul data-path-to-node="22">
<li>
<p data-path-to-node="22,0,0"><b data-path-to-node="22,0,0" data-index-in-node="0">জাতীয় সেমিকন্ডাক্টর টাস্কফোর্স:</b> রূপরেখার মাধ্যমে ২০৩০ সালের মধ্যে ১ বিলিয়ন ডলার এবং ২০৪১ সালের মধ্যে ১০ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি অর্জনে সময়ভিত্তিক পরিকল্পনা।</p>
</li>
<li>
<p data-path-to-node="22,1,0"><b data-path-to-node="22,1,0" data-index-in-node="0">কর মওকুফ ও প্রণোদনা:</b> হাই-টেক পার্কগুলোতে সেমিকন্ডাক্টর কোম্পানিগুলোর জন্য ১০ বছরের পূর্ণ কর মওকুফ (Tax Holiday), যন্ত্রপাতি আমদানিতে শুল্ক ছাড় এবং রপ্তানিতে ১০ থেকে ১৫ শতাংশ ক্যাশ ইনসেনটিভের নীতিগত সিদ্ধান্ত।</p>
</li>
<li>
<p data-path-to-node="22,2,0"><b data-path-to-node="22,2,0" data-index-in-node="0">কাস্টমস জটিলতা নিরসন:</b> প্রোটোটাইপ যন্ত্রপাতি ও টেস্ট বোর্ড আমদানিতে দীর্ঘসূত্রতা কাটাতে আলাদা এইচএস কোড (HS Code) নির্ধারণের উদ্যোগ।</p>
</li>
</ul>
<blockquote data-path-to-node="23">
<p data-path-to-node="23,0"><b data-path-to-node="23,0" data-index-in-node="0">সম্পাদকের নোট (নীতিগত বৈপরীত্য ও ফ্যাক্টচেক):</b></p>
<p data-path-to-node="23,1">১. <b data-path-to-node="23,1" data-index-in-node="3">ইকোসিস্টেম বনাম বাজেট বরাদ্দ:</b> নীতিমালায় ট্যাক্স হলিডে বা ইনসেনটিভের কথা বলা হলেও প্রোটোটাইপ আমদানিতে কাস্টমস দীর্ঘসূত্রতা ও উচ্চ শুল্ক হার এখনো মাঠপর্যায়ের স্টার্টআপগুলোর প্রধান বাধা।</p>
<p data-path-to-node="23,2">২. <b data-path-to-node="23,2" data-index-in-node="3">প্রতিষ্ঠান ও খাতের প্রাসঙ্গিকতা:</b> 'ডিজিটাল কমার্স রিসার্চ অ্যান্ড এডভোকেসি ফোরাম (DCRAF)' মূলত ই-কমার্স ও ডিজিটাল বাণিজ্য নীতি নিয়ে কাজ করে। সেমিকন্ডাক্টরের মতো নিবেদিত হাই-টেক ও ডিপ-টেক খাতে নীতি প্রণয়নের ক্ষেত্রে BSIA, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (BCC) এবং সরাসরি আইসিটি বিভাগের কারিগরি কমিটির সক্রিয় ভূমিকা থাকা আবশ্যক।</p>
</blockquote>
<h3 data-path-to-node="24">২০৩০ সালের ১ বিলিয়ন ডলার অর্জনে ৫ কৌশলগত রোডম্যাপ</h3>
<p data-path-to-node="25">'BEAR Summit 2026' থেকে ১ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছাতে নিচের ৫টি পদক্ষেপ অগ্রাধিকার দেওয়া প্রয়োজন:</p>
<p data-path-to-node="26">১. <b data-path-to-node="26" data-index-in-node="3">অ্যাডভান্সড OSAT ও টেস্টিং হাব তৈরি:</b> বিপুল খরচে ফ্যাব্রিকেশন প্ল্যান্ট না বসিয়ে ২০০ থেকে ৫০০ মিলিয়ন ডলারের যৌথ বিনিয়োগে (Joint Venture) অ্যাসেম্বলি, টেস্টিং ও প্যাকেজিং প্ল্যান্ট চালু করা।</p>
<p data-path-to-node="27">২. <b data-path-to-node="27" data-index-in-node="3">বিশ্ববিদ্যালয়ে ইডিএ (EDA) ল্যাব স্থাপন:</b> সরকারি অর্থায়নে প্রতিটি প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক মানের ইডিএ ল্যাব ও আধুনিক ভিএলএসআই কোর্স চালুকরণ।</p>
<p data-path-to-node="28">৩. <b data-path-to-node="28" data-index-in-node="3">‘ব্রেইন গেইন’ (Brain Gain) উদ্যোগ:</b> ইন্টেল, এনভিডিয়া, এএমডি বা টিএসএমসি-র মতো প্রতিষ্ঠানে কর্মরত প্রবাসী প্রকৌশলীদের অভিজ্ঞতাকে দেশের একাডেমিয়া ও ইন্ডাস্ট্রির সাথে যুক্ত করা।</p>
<p data-path-to-node="29">৪. <b data-path-to-node="29" data-index-in-node="3">জাতীয় ভিএলএসআই সেন্টার সংস্কার:</b> বুয়েটের ন্যানোল্যাব, ডুয়েটের টেস্টিং সেন্টার এবং আণবিক শক্তি কমিশনের ক্লিনরুম আধুনিকায়ন করে বাণিজ্যিক প্রোটোটাইপিংয়ের জন্য উন্মুক্ত করা।</p>
<p data-path-to-node="30">৫. <b data-path-to-node="30" data-index-in-node="3">বিশেষ বন্ডেড কাস্টমস সুবিধা:</b> প্রোটোটাইপ চিপ ও টেস্ট বোর্ডের দ্রুত খালাসের জন্য 'গ্রিন চ্যানেল' বা বিশেষ কাস্টমস সুবিধা প্রদান।</p>
<h3 data-path-to-node="31">‘স্যান্ড থেকে সিলিকন’ — নতুন অর্থনৈতিক দিগন্ত</h3>
<p data-path-to-node="32">তৈরি পোশাক শিল্প বাংলাদেশকে বিশ্ববাজারে স্থান করে দিয়েছে, তবে তা মূলত কম-মূল্যের শ্রমনির্ভর খাত। অন্যদিকে, সেমিকন্ডাক্টর হলো উচ্চ-মূল্যের মেধানির্ভর খাত।</p>
<p data-path-to-node="33">সিলিকন চিপে বৈশ্বিক মান তৈরি করার সক্ষমতা আমাদের তরুণদের রয়েছে। কেবল তত্ত্বভিত্তিক শিক্ষা থেকে বের হয়ে ল্যাব সুবিধা, নিখুঁত নীতি বাস্তবায়ন এবং কাস্টমস প্রক্রিয়া সহজ করা গেলে ২০৩০ সালের মধ্যে ১ বিলিয়ন ডলারের চিপ রপ্তানির লক্ষ্য অর্জন সম্ভব। বালু (Sand) থেকে উন্নত সিলিকন চিপ তৈরির এই লড়াইয়ে সমন্বিত নীতি ও সঠিক বাস্তবায়নই হবে আমাদের মূল শক্তি।</p>
<hr>
<p data-path-to-node="33"><b data-path-to-node="22,0,0" data-index-in-node="0">লেখক:</b><span> </span><i data-path-to-node="22,0,1" data-index-in-node="0">ই-কমার্স বিশ্লেষক ও প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য, ই-ক্যাব </i></p>
<hr>
<p data-path-to-node="33"></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>অনানুষ্ঠানিক খাতের দক্ষতা উন্নয়নে আইএসআইএসসির পর্যালোচনা কর্মশালা</title>
<link>https://digibanglatech.news/184968</link>
<guid>https://digibanglatech.news/184968</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;7,0,1,0,0&quot;&gt;আগারগাঁওয়ে আইএসআইএসসি–ইবিটি বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা কর্মশালা অনুষ্ঠিত&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;7,0,1,1,0&quot;&gt;একই ব্যক্তির বারবার প্রশিক্ষণ রোধে সমন্বিত তথ্য যাচাইয়ের আহ্বান&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;7,0,1,2,0&quot;&gt;অ্যাসেট প্রকল্পের অধীনে অনানুষ্ঠানিক খাতের হাজারো কর্মীর দক্ষতা বৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a64e634d190d.jpg" length="112130" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 25 Jul 2026 20:37:44 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>অনানুষ্ঠানিক খাত, আইএসআইএসসি, এন্টারপ্রাইজভিত্তিক প্রশিক্ষণ, অ্যাসেট প্রকল্প, মো. দাউদ মিয়া, মির্জা নুরুল গনি শোভন, কারিগরি শিক্ষা, ডিজিটাল তথ্যব্যবস্থা, কর্মসংস্থান</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="17">অনানুষ্ঠানিক খাতের কর্মীদের দক্ষতা উন্নয়ন, প্রশিক্ষণের গুণগত মান নিশ্চিতকরণ এবং টেকসই কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে ‘আইএসআইএসসি–ইবিটি বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা কর্মশালা’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।</p>
<p data-path-to-node="17">শনিবার (২৫ জুলাই) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের পর্যটন অডিটোরিয়ামে ইনফরমাল সেক্টর ইন্ডাস্ট্রি স্কিলস কাউন্সিল (আইএসআইএসসি) এই কর্মশালার আয়োজন করে। কর্মশালায় প্রশিক্ষণের পুনরাবৃত্তি রোধ, তথ্য যাচাই এবং একটি সমন্বিত ডিজিটাল তথ্যব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।</p>
<p data-path-to-node="18">অ্যাসেট (ASSET) প্রকল্পের আওতায় বাস্তবায়নাধীন এন্টারপ্রাইজভিত্তিক প্রশিক্ষণ (ইবিটি) কার্যক্রমের অগ্রগতি মূল্যায়ন ও সমস্যা চিহ্নিতকরণ ছিল এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. দাউদ মিয়া বলেন, “শুধু প্রশিক্ষণার্থীর সংখ্যা বাড়ানো নয়, অরিজত দক্ষতা, মূল্যায়নে সফলতা এবং প্রকৃত কর্মসংস্থানই সাফল্যের মূল সূচক। একই প্রশিক্ষণার্থী যাতে একাধিক প্রকল্পে বারবার প্রশিক্ষণ না নেন, সে জন্য সমন্বিত ডিজিটাল তথ্যব্যবস্থা ও আন্তঃপ্রতিষ্ঠান তথ্য বিনিময় জরুরি।”</p>
<p data-path-to-node="19">কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন আইএসআইএসসি চেয়ারম্যান মির্জা নুরুল গনি শোভন। তিনি অনানুষ্ঠানিক খাতের কর্মীদের প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতির ওপর জোর দেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রকৌশলী আবুল খায়ের মো. আক্কাস আলী প্রশিক্ষণস্থলে নিরাপত্তা সামগ্রী নিশ্চিতকরণ ও নিয়মিত ডেটা হালনাগাদের আহ্বান জানান। কর্মশালায় উপস্থাপিত প্রতিবেদনে জানানো হয়, প্রকল্পের বিভিন্ন পর্যায়ে ইতিপূর্বে হাজার হাজার কর্মী প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করে সফলভাবে কর্মসংস্থানে যুক্ত হয়েছেন এবং বর্তমানে চতুর্থ পর্যায়ে ৪১,৭৬০ জন প্রশিক্ষণার্থী নিবন্ধিত রয়েছেন।</p>
<p data-path-to-node="25">/<strong>/ডিবিটেক/ সংবাদ/ সম্পাদনা/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ডিজিটাল মিডিয়ার গুঞ্জন সত্যি করে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ</title>
<link>https://digibanglatech.news/184847</link>
<guid>https://digibanglatech.news/184847</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;6,0,0&quot;&gt;দীর্ঘদিনের গুঞ্জনের অবসান ঘটিয়ে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;6,1,0&quot;&gt;শারীরিক অসুস্থতা, বিশেষ করে &#039;স্বয়ংক্রিয় স্নায়ুরোগ&#039; (Autonomic Neuropathy)-কে পদত্যাগের প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;6,2,0&quot;&gt;সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a634d2227103.jpg" length="85508" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 24 Jul 2026 17:09:14 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, টেলিকম, রাষ্ট্রপতি, পদত্যাগ, সংবিধান, স্পিকার, সাহাবুদ্দিন, বঙ্গভবন</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="13">সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও ডিজিটাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া নানা গুঞ্জনের অবসান ঘটিয়ে অবশেষে বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেছেন। আজ শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৪ (২০২৬) বিকেল ৪টার দিকে সংবিধানের ৫০(৩) অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে লিখিত চিঠির মাধ্যমে তিনি এই পদত্যাগের ঘোষণা দেন।</p>
<p data-path-to-node="14">২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল পাঁচ বছরের মেয়াদে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন মো. সাহাবুদ্দিন। ২০২৮ সালের এপ্রিলে তাঁর মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও নির্ধারিত মেয়াদের প্রায় পৌনে দুই বছর আগেই তিনি দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ালেন। তাঁর রাজনৈতিক মেয়াদে ২০২৪ সালের আগস্টের গণঅভ্যুত্থান, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দায়িত্ব গ্রহণ এবং পরবর্তীতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতো একাধিক ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটে। তিনি বাংলাদেশের ইতিহাসে একমাত্র রাষ্ট্রপতি, যিনি এক মেয়াদে পৃথক সময়ে ৩ জন সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করিয়েছেন।</p>
<p data-path-to-node="15">বঙ্গভবনের অফিসিয়াল প্যাডে লেখা পদত্যাগপত্রে ৭৬ বছর বয়সী মো. সাহাবুদ্দিন উল্লেখ করেন যে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে তিনি সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের পরামর্শ নিয়েছিলেন। সেই অনুযায়ী অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন ও পরবর্তীতে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। তাঁর দৃঢ় ভূমিকার কারণেই দেশে কোনো সাংবিধানিক সংকট তৈরি হয়নি বলে তিনি দাবি করেন।</p>
<p data-path-to-node="16">পদত্যাগের মুখ্য কারণ হিসেবে তিনি নিজের গুরুতর শারীরিক অসুস্থতার কথা জানিয়েছেন। তিনি দীর্ঘ দিন ধরে হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, কিডনি জটিলতা এবং হৃদযন্ত্রে বাইপাস সার্জারির ধকল সামলাচ্ছিলেন। সম্প্রতি চিকিৎসায় তাঁর শরীরে 'স্বয়ংক্রিয় স্নায়ুরোগ' (Autonomic Neuropathy) শনাক্ত হয়, যার ফলে তিনি মাঝেমধ্যে ক্ষণিকের জন্য জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসার বাধ্যবাধকতা থাকায় রাষ্ট্রপতির মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করা সম্ভব হচ্ছে না বলে তিনি পদত্যাগপত্রে উল্লেখ করেন।</p>
<p data-path-to-node="17">সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন করবেন। এর আগে ২০০২ সালেও তৎকালীন স্পিকার ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার একইভাবে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেছিলেন। দেশের বিদ্যমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় সংসদ সদস্যদের ভোটে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রক্রিয়ার দিকে এখন পুরো দেশের নজর।</p>
<p data-path-to-node="18">/<strong>/ডিবিটেক/ ডিএমও/ইডিপি/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা: প্রযুক্তির রূপান্তর থেকে মানবিক সমৃদ্ধির পথে</title>
<link>https://digibanglatech.news/184831</link>
<guid>https://digibanglatech.news/184831</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;5,0,0&quot;&gt;কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) কেবল উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির প্রযুক্তি নয়; বরং শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও উদ্যোক্তা উন্নয়নে সামাজিক সমতা নিশ্চিতের অন্যতম ভিত্তি&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;5,1,0&quot;&gt;চাকরি হারানোর আশঙ্কার চেয়ে নতুন দক্ষতা অর্জন (Up-skilling), সৃজনশীলতা ও আজীবন শেখার মানসিকতা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;5,2,0&quot;&gt;শিক্ষা, গবেষণা, দায়িত্বশীল নীতি এবং পরীক্ষামূলক প্রকল্পের সমন্বয়ে বাংলাদেশের নিজস্ব AI-নির্ভর উন্নয়ন মডেল গড়ে তোলার তাগিদ&lt;/li&gt;
&lt;/ ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a63320479f5c.jpg" length="103218" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 24 Jul 2026 10:36:21 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সামাজিক রূপান্তর, স্বাস্থ্যসেবায় এআই, শিক্ষার আধুনিকায়ন, উদ্যোক্তা উন্নয়ন, জাতীয় এআই কৌশল, টেকসই কর্মসংস্থান</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="MsoNormal"><span lang="BN-BD" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: BN-BD;">বিশ্বজুড়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (</span>AI) <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: BN-BD;">নিয়ে আলোচনার কেন্দ্রে এখন কেবল নতুন প্রযুক্তি</span>, <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: BN-BD;">স্বয়ংক্রিয়তা কিংবা কর্মসংস্থানের ভবিষ্যৎ। কিন্তু একটি মৌলিক প্রশ্ন তোলা প্রয়োজন—</span>AI <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: BN-BD;">কি কেবল উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর একটি বাহন</span>, <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: BN-BD;">নাকি এটি শিক্ষা</span>, <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: BN-BD;">স্বাস্থ্যসেবা</span>, <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: BN-BD;">উদ্যোক্তা উন্নয়ন ও জনকল্যাণে এক নতুন সামাজিক চুক্তির ভিত্তি হতে পারে</span>?<o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal"><span lang="BN-BD" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: BN-BD;">এই প্রশ্নের উত্তর শুধু প্রযুক্তিবিদদের জন্য নয়</span>; <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: BN-BD;">নীতিনির্ধারক</span>, <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: BN-BD;">শিক্ষক</span>, <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: BN-BD;">চিকিৎসক</span>, <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: BN-BD;">উদ্যোক্তা থেকে শুরু করে সাধারণ নাগরিক—সবার জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ </span>AI <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: BN-BD;">আর ভবিষ্যতের কোনো কল্পনা নয়</span>; <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: BN-BD;">এটি এখন আমাদের নিত্যদিনের অংশ</span><span lang="HI" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: HI;">।</span><o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal" style="margin-bottom: 0in;"><span style="font-size: 12pt;"><b><span lang="BN-BD" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: BN-BD;">প্রযুক্তির দৌড় নয়</span>, </b></span><b><span lang="BN-BD" style="font-family: Vrinda, sans-serif; font-size: 12pt;">মানুষের উন্নয়ন</span><o:p></o:p></b></p>
<p class="MsoNormal" style="margin-bottom: 0in;"><span lang="BN-BD" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: BN-BD;">গত সাত দশকে </span>AI <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: BN-BD;">গবেষণাগারের চারদেয়াল পেরিয়ে স্মার্টফোন</span>, <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: BN-BD;">হাসপাতাল</span>, <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: BN-BD;">ব্যাংক</span>, <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: BN-BD;">কৃষি</span>, <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: BN-BD;">গণপরিবহন এবং শ্রেণিকক্ষ পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে। তবে এই প্রযুক্তিগত অগ্রগতির সার্থকতা কেবল নতুন সফটওয়্যার বা বৃহদাকার ভাষা মডেল (</span>LLM) <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: BN-BD;">তৈরিতে সীমাবদ্ধ নয়। এর প্রকৃত সাফল্য নির্ভর করবে—এই প্রযুক্তি মানুষের জীবনকে কতটা সহজ</span>, <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: BN-BD;">নিরাপদ এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক করতে পারছে তার ওপর</span><span lang="HI" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: HI;">।</span><o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal"><span lang="BN-BD" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: BN-BD;">বাংলাদেশের মতো বিকাশমান অর্থনীতির জন্য এই দৃষ্টিভঙ্গি আরও জরুরি। আমাদের সামনে দুটি প্রধান চ্যালেঞ্জ—উন্নত মানবসম্পদ গড়ে তোলা এবং সীমিত সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করা। </span>AI <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: BN-BD;">এই উভয়ক্ষেত্রেই সম্ভাবনার নতুন দুয়ার খুলে দিতে পারে</span><span lang="HI" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: HI;">।</span><o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal" style="margin-bottom: 0in;"><b><span lang="BN-BD" style="font-family: Vrinda, sans-serif; font-size: 12pt;">শিক্ষায় ব্যক্তিকেন্দ্রিক নতুন দিগন্ত</span><o:p></o:p></b></p>
<p class="MsoNormal" style="margin-bottom: 0in;"><span lang="BN-BD" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: BN-BD;">বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নের ক্ষেত্রে অন্যতম বড় বাধা হলো শিক্ষার মান ও তার সর্বজনীন প্রাসঙ্গিকতা। প্রথাগত একই পাঠ্যক্রম ও শিক্ষণপদ্ধতি সব শিক্ষার্থীর জন্য সমান কার্যকর হয় না</span><span lang="HI" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: HI;">।</span><o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal">AI <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: BN-BD;">এখানে ব্যক্তিকেন্দ্রিক শিক্ষার (</span>Personalized Learning) <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: BN-BD;">সুযোগ তৈরি করছে। একজন শিক্ষার্থী ঠিক কোন জায়গায় পিছিয়ে আছে</span>, <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: BN-BD;">কোথায় তার বাড়তি যত্ন প্রয়োজন কিংবা কোন কৌশলে সে দ্রুত শিখতে পারবে—তথ্য বিশ্লেষণ করে </span>AI <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: BN-BD;">তার সঠিক নির্দেশনা দিতে পারে</span><span lang="HI" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: HI;">।</span><o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal"><span lang="BN-BD" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: BN-BD;">তবে </span>AI <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: BN-BD;">শিক্ষককে প্রতিস্থাপন করবে—এমন ধারণা অলীক। বরং এটি শিক্ষককে মূল্যায়ন ও প্রশাসনিক কাজের পুনরাবৃত্তি থেকে মুক্ত করে শিক্ষার্থীর সৃজনশীলতা</span>, <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: BN-BD;">সমালোচনামূলক চিন্তা (</span>Critical Thinking) <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: BN-BD;">ও মানবিক বিকাশে মনোযোগ দেওয়ার সুযোগ করে দেবে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকেও এখন নতুন করে ভাবতে হবে। </span>AI <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: BN-BD;">কোনো বিচ্ছিন্ন বিষয় নয়</span>; <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: BN-BD;">এটি প্রকৌশল</span>, <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: BN-BD;">চিকিৎসা</span>, <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: BN-BD;">ব্যবসা</span>, <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: BN-BD;">আইন কিংবা কৃষি—সব খাতেই একটি অপরিহার্য সক্ষমতা</span><span lang="HI" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: HI;">।</span><o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal" style="margin-bottom: 0in;"><b><span lang="BN-BD" style="font-family: Vrinda, sans-serif; font-size: 12pt;">স্বাস্থ্যসেবায় সমতার সুযোগ</span><o:p></o:p></b></p>
<p class="MsoNormal" style="margin-bottom: 0in;"><span lang="BN-BD" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: BN-BD;">আমাদের স্বাস্থ্যব্যবস্থায় চিকিৎসক ও রোগীর অসম অনুপাত</span>, <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: BN-BD;">গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবার সীমাবদ্ধতা এবং দীর্ঘ অপেক্ষার মতো চ্যালেঞ্জ বিদ্যমান</span><span lang="HI" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: HI;">।</span><o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal">AI-<span lang="BN-BD" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: BN-BD;">ভিত্তিক সিদ্ধান্ত-সহায়ক ব্যবস্থা</span>, <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: BN-BD;">টেলিমেডিসিন</span>, <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: BN-BD;">রোগের প্রাথমিক ঝুঁকি বিশ্লেষণ এবং স্বাস্থ্যতথ্য ব্যবস্থাপনা এসব জায়গায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে পারে। এটি চিকিৎসকের বিকল্প নয়</span>; <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: BN-BD;">বরং চিকিৎসককে আরও নিখুঁত ও তথ্যসমৃদ্ধ সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করবে। তবে স্বাস্থ্যসেবায় </span>AI <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: BN-BD;">ব্যবহারে তথ্যের গোপনীয়তা</span>, <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: BN-BD;">নীতি-নৈতিকতা এবং মানবিক তদারকি নিশ্চিত করা বাধ্যতামূলক</span><span lang="HI" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: HI;">।</span><o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal" style="margin-bottom: 0in;"><b><span lang="BN-BD" style="font-family: Vrinda, sans-serif; font-size: 12pt;">উদ্যোক্তা উন্নয়নে নতুন গতি</span><o:p></o:p></b></p>
<p class="MsoNormal" style="margin-bottom: 0in;">AI <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: BN-BD;">উদ্ভাবনের প্রাথমিক ব্যয় অনেকটাই কমিয়ে দিয়েছে। আজ একজন তরুণ উদ্যোক্তা তুলনামূলক কম মূলধনেও বাজার বিশ্লেষণ</span>, <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: BN-BD;">ব্যবসায়িক পরিকল্পনা</span>, <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: BN-BD;">ডিজিটাল বিপণন কিংবা সফটওয়্যার প্রোটোটাইপিংয়ের মতো কাজগুলো সহজে করতে পারছেন</span><span lang="HI" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: HI;">।</span><o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal"><span lang="BN-BD" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: BN-BD;">ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের (</span>SME) <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: BN-BD;">জন্য এটি এক বিশাল সুযোগ। সঠিক প্রশিক্ষণ পেলে </span>AI <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: BN-BD;">ব্যবহার করে তারা উৎপাদনশীলতা ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার সক্ষমতা বহুগুণ বাড়াতে পারেন। এজন্য বিশ্ববিদ্যালয়</span>, <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: BN-BD;">শিল্পখাত ও সরকারের যৌথ উদ্যোগে গবেষণা</span>, <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: BN-BD;">উদ্ভাবন এবং উদ্যোক্তা উন্নয়নকে একই সুতোয় গাঁথতে হবে</span><span lang="HI" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: HI;">।</span><o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal" style="margin-bottom: 0in;"><span style="font-size: 12pt;"><b><span lang="BN-BD" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: BN-BD;">কর্মসংস্থান: ভয়ের নয়</span>, </b></span><b><span lang="BN-BD" style="font-family: Vrinda, sans-serif; font-size: 12pt;">প্রস্তুতির সময়</span><o:p></o:p></b></p>
<p class="MsoNormal" style="margin-bottom: 0in;">AI <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: BN-BD;">নিয়ে সবচেয়ে বড় উদ্বেগ হলো চাকরি হারানোর আশঙ্কা। কিন্তু ইতিহাস বলে</span>, <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: BN-BD;">নতুন প্রযুক্তি পুরনো কাজের ধরন বদলে দিলেও নতুন ধরনের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করে</span><span lang="HI" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: HI;">।</span><o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal"><span lang="BN-BD" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: BN-BD;">তাই আসল প্রশ্ন হওয়া উচিত—</span>AI <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: BN-BD;">চাকরি কেড়ে নেবে কি না তা নয়</span>; <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: BN-BD;">বরং আমরা নতুন দক্ষতা অর্জনে কতটা প্রস্তুত</span>? <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: BN-BD;">আগামী দিনের কর্মক্ষেত্রে প্রযুক্তিগত দক্ষতার পাশাপাশি সৃজনশীলতা</span>, <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: BN-BD;">জটিল সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা</span>, <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: BN-BD;">যোগাযোগ দক্ষতা এবং আজীবন শেখার মানসিকতাই নির্ধারণ করবে সাফল্যের পথ</span><span lang="HI" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: HI;">।</span><o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal" style="margin-bottom: 0in;"><b><span lang="BN-BD" style="font-family: Vrinda, sans-serif; font-size: 12pt;">বাংলাদেশের জন্য ভবিষ্যৎ রূপরেখা</span><o:p></o:p></b></p>
<p class="MsoNormal" style="margin-bottom: 0in;">AI-<span lang="BN-BD" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: BN-BD;">এর সর্বোচ্চ সুফল পেতে হলে বিচ্ছিন্ন প্রয়াস যথেষ্ট নয়</span>; <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: BN-BD;">প্রয়োজন একটি সমন্বিত ও সুদূরপ্রসারী জাতীয় কৌশল। এর প্রধান ধাপগুলো হতে পারে:</span><o:p></o:p></p>
<ul style="margin-top: 0in;" type="disc">
<li class="MsoNormal" style="mso-list: l0 level1 lfo1; tab-stops: list .5in;"><span lang="BN-BD" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: BN-BD;">প্রাথমিক ও উচ্চশিক্ষায় ধাপে ধাপে </span>AI <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: BN-BD;">শিক্ষা ও ধারণার অন্তর্ভুক্তি</span>;<o:p></o:p></li>
<li class="MsoNormal" style="mso-list: l0 level1 lfo1; tab-stops: list .5in;"><span lang="BN-BD" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: BN-BD;">শিক্ষক</span>, <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: BN-BD;">চিকিৎসক ও সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য নিয়মিত </span>AI-<span lang="BN-BD" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: BN-BD;">সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ</span>;<o:p></o:p></li>
<li class="MsoNormal" style="mso-list: l0 level1 lfo1; tab-stops: list .5in;"><span lang="BN-BD" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: BN-BD;">গবেষণা</span>, <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: BN-BD;">উন্নয়ন ও উদ্ভাবনে বাজেট বৃদ্ধি</span>;<o:p></o:p></li>
<li class="MsoNormal" style="mso-list: l0 level1 lfo1; tab-stops: list .5in;"><span lang="BN-BD" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: BN-BD;">দায়িত্বশীল ও নীতিসম্মত </span>AI <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: BN-BD;">ব্যবহারের নীতিমালা প্রণয়ন</span>;<o:p></o:p></li>
<li class="MsoNormal" style="mso-list: l0 level1 lfo1; tab-stops: list .5in;"><span lang="BN-BD" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: BN-BD;">স্বাস্থ্য</span>, <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: BN-BD;">কৃষি</span>, <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: BN-BD;">শিক্ষা ও নাগরিক সেবায় পরীক্ষামূলক (</span>Pilot) AI <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: BN-BD;">প্রকল্প চালু</span>;<o:p></o:p></li>
<li class="MsoNormal" style="mso-list: l0 level1 lfo1; tab-stops: list .5in;"><span lang="BN-BD" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: BN-BD;">ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্য </span>AI-<span lang="BN-BD" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: BN-BD;">ভিত্তিক বিশেষ সহায়তা কর্মসূচি</span><span lang="HI" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: HI;">।</span><o:p></o:p></li>
</ul>
<p class="MsoNormal"><span lang="BN-BD" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: BN-BD;">প্রযুক্তিগত সক্ষমতা অর্জনের পাশাপাশি নাগরিকের তথ্যের অধিকার</span>, <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: BN-BD;">নৈতিকতা ও স্বচ্ছতা রক্ষা করা সমানভাবে জরুরি</span><span lang="HI" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: HI;">।</span><o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal" style="margin-bottom: 0in;">আসলে AI <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: BN-BD;">নিজে কোনো চূড়ান্ত সমাধান নয়</span>; <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: BN-BD;">এটি একটি শক্তিশালী হাতিয়ার মাত্র। এর সুফল নির্ভর করবে আমরা একে কীভাবে ব্যবহার করছি তার ওপর</span><span lang="HI" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: HI;">।</span><o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal" style="margin-bottom: 0in;"><span lang="BN-BD" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: BN-BD;">যদি </span>AI <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: BN-BD;">শিক্ষাকে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক করে</span>, <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: BN-BD;">স্বাস্থ্যসেবাকে সর্বজনীন করে</span>, <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: BN-BD;">নতুন উদ্যোক্তা তৈরি করে এবং মানুষকে ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত করে—তবে তা কেবল প্রযুক্তিগত সাফল্য থাকবে না</span>; <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: BN-BD;">রূপ নেবে এক অভূতপূর্ব সামাজিক রূপান্তরে</span><span lang="HI" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: HI;">।</span><o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal" style="margin-bottom: 0in;"><span lang="BN-BD" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: BN-BD;">বাংলাদেশ আজ এক ঐতিহাসিক মোড়ে দাঁড়িয়ে। আমরা কি কেবল </span>AI-<span lang="BN-BD" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: BN-BD;">এর নিষ্ক্রিয় ভোক্তা হয়ে থাকব</span>, <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: BN-BD;">নাকি নীতি</span>, <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: BN-BD;">শিক্ষা</span>, <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: BN-BD;">গবেষণা ও বৈশ্বিক উদ্ভাবনের মেলবন্ধনে </span>AI-<span lang="BN-BD" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: BN-BD;">নির্ভর উন্নয়নের নিজস্ব একটি মডেল তৈরি করব—সেই সিদ্ধান্ত আমাদেরই নিতে হবে</span><span lang="HI" style="font-family: 'Vrinda',sans-serif; mso-ascii-font-family: Calibri; mso-ascii-theme-font: minor-latin; mso-hansi-font-family: Calibri; mso-hansi-theme-font: minor-latin; mso-bidi-theme-font: minor-bidi; mso-bidi-language: HI;">।</span><o:p></o:p></p>
<hr>
<p data-path-to-node="36"><b data-path-to-node="36" data-index-in-node="0">লেখক: </b><i data-path-to-node="37" data-index-in-node="0">ভাইস প্রেসিডেন্ট (এআই, ইনোভেশন অ্যান্ড এন্ট্রাপ্রেনিউরশিপ), ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি, যুক্তরাষ্ট্র; অধ্যাপক, সিএসই বিভাগ, ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ইউআইইউ); প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক, এইমস ল্যাব এবং আইরিক, ইউআইইউ; প্রতিষ্ঠাতা, সিমেড হেলথ লিমিটেড; প্রতিষ্ঠাতা, এআই ফোরাম বাংলাদেশ।</i></p>
<hr>
<p data-path-to-node="36"></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>জামায়াতের নামে সিজেপিকে সমর্থনের চিঠি ভুয়া</title>
<link>https://digibanglatech.news/184700</link>
<guid>https://digibanglatech.news/184700</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p&gt;ভারতে সিজেপি আন্দোলনে জামায়াতের সমর্থনের দাবিতে ভাইরাল হওয়া একটি চিঠির সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। পর্যবেক্ষণে এতে অফিসিয়াল বৈশিষ্ট্যের ঘাটতি এবং এআই-নির্ভর তৈরির সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছে।&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a6102fd7cafe.jpg" length="424132" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 22 Jul 2026 22:41:04 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>জামায়াত, সিজেপি, ভুয়া চিঠি, এআই, তথ্য যাচাই, ভারত, দিল্লি, জন্তর মন্তর, প্রশ্নফাঁস আন্দোলন</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div class="qMYqUG_convSearchResultHighlightRoot">
<div class="" data-turn-id-container="request-6a43f3f7-a9e4-83e8-8398-2d96dae0858e-25" data-is-intersecting="true">
<section class="text-token-text-primary w-full focus:outline-none has-data-writing-block:pointer-events-none [&amp;:has([data-writing-block])&gt;*]:pointer-events-auto R6Vx5W_threadScrollVars scroll-mb-[calc(var(--scroll-root-safe-area-inset-bottom,0px)+var(--thread-response-height))] scroll-mt-[calc(var(--header-height)+min(200px,max(70px,20svh)))]" dir="auto" data-turn-id="request-6a43f3f7-a9e4-83e8-8398-2d96dae0858e-25" data-turn-id-container="request-6a43f3f7-a9e4-83e8-8398-2d96dae0858e-25" data-testid="conversation-turn-56" data-turn="assistant">
<div class="text-base my-auto mx-auto pb-15 [--thread-content-margin:var(--thread-content-margin-xs,calc(var(--spacing)*4))] @w-sm/main:[--thread-content-margin:var(--thread-content-margin-sm,calc(var(--spacing)*6))] @w-lg/main:[--thread-content-margin:var(--thread-content-margin-lg,calc(var(--spacing)*16))] px-(--thread-content-margin)">
<div data-conversation-screenshot-content="" class="[--thread-content-max-width:40rem] @w-lg/main:[--thread-content-max-width:48rem] mx-auto max-w-(--thread-content-max-width) flex-1 group/turn-messages focus-visible:outline-hidden relative flex w-full min-w-0 flex-col agent-turn">
<div class="flex max-w-full flex-col gap-4 grow">
<div data-message-author-role="assistant" data-message-id="d8d7ac9d-9bb3-432c-9b94-baa9d83902a1" dir="auto" data-message-model-slug="gpt-5-5" class="min-h-8 text-message relative flex w-full flex-col items-end gap-2 text-start break-words whitespace-normal outline-none keyboard-focused:focus-ring [.text-message+&amp;]:mt-1" data-turn-start-message="true" tabindex="0">
<div class="flex w-full flex-col gap-1 empty:hidden">
<div class="markdown prose dark:prose-invert wrap-break-word w-full light markdown-new-styling">
<p data-start="315" data-end="573" class="PDq2pG_selectionAnchorContainer">ভারতের দিল্লির জন্তর মন্তরে আন্দোলনরত ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-কে জামায়াতে ইসলামি বাংলাদেশ সমর্থন জানিয়ে চিঠি দিয়েছে—এমন দাবি করে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ভারতের সংবাদমাধ্যম রিপাবলিক নিউজ ও নিউজ-১৮। সংবাদমাধ্যম দুটি এটিকে ‘ব্রেকিং নিউজ’ হিসেবেও প্রচার করেছে।<span aria-hidden="true" class="PDq2pG_selectionAnchor"></span></p>
<p data-start="575" data-end="756">প্রচারিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, বাংলাদেশের রাজনৈতিক দল জামায়াতে ইসলামি বাংলাদেশ প্রকাশ্যে সিজেপির প্রতি সমর্থন জানিয়েছে। একই সঙ্গে আন্দোলনকারীদের ‘দুষ্কৃতিকারী’ বলেও উল্লেখ করা হয়।</p>
<p data-start="758" data-end="1111">তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কথিত ওই চিঠির সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, চিঠিটিতে কোনো অফিসিয়াল রেজিস্টার্ড ঠিকানা, রেফারেন্স নম্বর কিংবা আনুষ্ঠানিক নথিতে ব্যবহৃত অন্যান্য বাধ্যতামূলক তথ্য নেই। এছাড়া জামায়াতে ইসলামি বাংলাদেশ সাধারণত যে অফিসিয়াল লেটারহেড ব্যবহার করে, তার সঙ্গে প্রচারিত চিঠির নকশা ও বিন্যাসেরও মিল পাওয়া যায়নি।</p>
<p data-start="1113" data-end="1404">একটি তথ্য-যাচাইকারী প্রতিষ্ঠান দাবি করেছে, বিভিন্ন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) শনাক্তকরণ প্ল্যাটফর্মে বিশ্লেষণের ভিত্তিতে চিঠিটি এআই ব্যবহার করে তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে শুধুমাত্র এআই শনাক্তকরণ টুলের ফলাফল কোনো নথিকে চূড়ান্তভাবে ভুয়া প্রমাণ করে না; এ বিষয়ে স্বাধীন ফরেনসিক যাচাই প্রয়োজন।</p>
<p data-start="1406" data-end="1634">এদিকে, ভারতে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন চলছে। আন্দোলনকারীরা পার্লামেন্ট অভিমুখে মিছিলের চেষ্টা করলে পুলিশ তাদের বাধা দেয় এবং বলপ্রয়োগের অভিযোগ ওঠে।</p>
<p data-start="1636" data-end="1844">এমন পরিস্থিতিতে আন্দোলনকে বিদেশি মদদপুষ্ট ও সরকারবিরোধী হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা চলছে বলে বিভিন্ন মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে এ ধরনের দাবির পক্ষে স্বাধীনভাবে যাচাইযোগ্য কোনো প্রমাণ এখন পর্যন্ত প্রকাশ্যে আসেনি।</p>
<p data-start="1592" data-end="1809" class="PDq2pG_selectionAnchorContainer">পর্যবেক্ষকদের মতে, আন্দোলনকে বিদেশি সমর্থনপুষ্ট বা সরকারবিরোধী হিসেবে উপস্থাপনের চেষ্টা নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্কও তৈরি হয়েছে। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর আনুষ্ঠানিক অবস্থান ও স্বাধীনভাবে যাচাইকৃত তথ্যের অপেক্ষা রয়েছে।</p>
<p data-start="1592" data-end="1809" class="PDq2pG_selectionAnchorContainer">/<strong>/ডিবিটেক/ডিপিও/এনএএম/</strong>/</p>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div class="mt-3 w-full empty:hidden">
<div class="text-center"></div>
</div>
</div>
<div data-conversation-screenshot-content="" class="[--thread-content-max-width:40rem] @w-lg/main:[--thread-content-max-width:48rem] mx-auto max-w-(--thread-content-max-width) flex-1">
<div></div>
</div>
</div>
</section>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>লক্ষ্য এবার ইন্দোনেশিয়া</title>
<link>https://digibanglatech.news/184688</link>
<guid>https://digibanglatech.news/184688</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p&gt;বাংলাদেশ গণিত ও বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড (BdMSO) ২০২৬-এর নিবন্ধন শুরু হয়েছে। এ প্রতিযোগিতার মাধ্যমেই আইএমএসও ২০২৬-এর জন্য বাংলাদেশ জাতীয় দল নির্বাচন করা হবে।&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a60e26d38472.jpg" length="121112" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 22 Jul 2026 18:32:49 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>BdMSO 2026, IMSO 2026, গণিত অলিম্পিয়াড, বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড, বিডিওএসএন, এসপিএসবি, STEM শিক্ষা, শিক্ষার্থী</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য দেশের অন্যতম বৃহৎ গণিত ও বিজ্ঞানভিত্তিক মেধা যাচাইয়ের আয়োজন ‘বাংলাদেশ গণিত ও বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড (BdMSO) ২০২৬’-এর নিবন্ধন কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। সোসাইটি ফর দ্য পপুলাইজেশন অব সায়েন্স, বাংলাদেশ (এসপিএসবি) এবং বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্ক (বিডিওএসএন) যৌথভাবে এ অলিম্পিয়াডের আয়োজন করছে।</p>
<p>এই অলিম্পিয়াডের মাধ্যমে আগামী ২ থেকে ৭ অক্টোবর ইন্দোনেশিয়ার পশ্চিম জাভায় অনুষ্ঠিতব্য ২৩তম আন্তর্জাতিক গণিত ও বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড (IMSO 2026)-এর জন্য বাংলাদেশ জাতীয় দল নির্বাচন করা হবে। আয়োজকদের মতে, প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের জন্য আইএমএসও বিশ্বব্যাপী অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ আন্তর্জাতিক অলিম্পিয়াড।</p>
<p>অলিম্পিয়াডে অংশ নিতে শিক্ষার্থীদের বয়স ১৩ বছরের নিচে হতে হবে এবং জন্ম তারিখ ১ অক্টোবর ২০১৩-এর পর হতে হবে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীকে সর্বোচ্চ ষষ্ঠ শ্রেণি বা তার নিচের শ্রেণিতে অধ্যয়নরত হতে হবে। আয়োজকরা জানিয়েছেন, ব্রিটিশ কারিকুলাম বা সমমানের ইংরেজি মাধ্যমের যেসব শিক্ষার্থী আগস্ট-এ সপ্তম শ্রেণিতে উন্নীত হবে, তারা এ প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারবে না।</p>
<p>এবারের আয়োজনে দুটি ক্যাটাগরি রাখা হয়েছে। ‘অলিম্পিয়াড’ ক্যাটাগরিতে ষষ্ঠ শ্রেণি বা তার নিচের শিক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারবে। অন্যদিকে তৃতীয় শ্রেণি বা তার নিচের শিক্ষার্থীদের জন্য থাকছে ‘কুইজ’ ক্যাটাগরি, যেখানে বিজ্ঞান ও গণিতভিত্তিক কৌতূহল-উদ্দীপক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। তবে কুইজ ক্যাটাগরির বিজয়ীরা জাতীয় আবাসিক ক্যাম্প বা আন্তর্জাতিক অলিম্পিয়াডে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবে না।</p>
<p>গত বছর মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিত ২২তম আইএমএসও-তে বাংলাদেশ জাতীয় দল শতভাগ সাফল্য অর্জন করে। দেশের হয়ে অংশ নেওয়া ১২ জন শিক্ষার্থীর সবাই পদক জয় করে, যার মধ্যে ছিল দুটি রৌপ্য ও ১০টি ব্রোঞ্জ পদক।</p>
<p>বিডিওএসএন ও এসপিএসবির সভাপতি মুনির হাসান বলেন, “আমাদের লক্ষ্য শুধু মুখস্থভিত্তিক শিক্ষা নয়; বরং শিশুদের মধ্যে গণিত ও বিজ্ঞানের প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি, অনুসন্ধিৎসু মন গড়ে তোলা এবং যৌক্তিক চিন্তাশক্তি বিকাশে সহায়তা করা।”</p>
<p>আগামী ৮ আগস্ট  ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট ও রংপুর—এই চারটি অঞ্চলে একযোগে জাতীয় পর্ব অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষার মাধ্যম হবে ইংরেজি এবং গণিত ও বিজ্ঞান—প্রতিটি বিষয়ের জন্য পরীক্ষার সময় থাকবে ৬০ মিনিট।</p>
<p>জাতীয় পর্বে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের নিয়ে আগস্ট মাসেই জাতীয় আবাসিক ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে হাতে-কলমে ল্যাব কার্যক্রম, সমস্যা সমাধান এবং বিশেষ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা থাকবে। পরে টিম সিলেকশন টেস্ট (টিএসটি)-এর মাধ্যমে গণিত ও বিজ্ঞান বিভাগে ছয়জন করে মোট ১২ সদস্যের বাংলাদেশ জাতীয় দল গঠন করা হবে, যারা আইএমএসও ২০২৬-এ দেশের প্রতিনিধিত্ব করবে।</p>
<p data-start="3041" data-end="3071" class="PDq2pG_selectionAnchorContainer">আগ্রহী শিক্ষার্থীরা অলিম্পিয়াডের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে নিবন্ধন করতে পারবে। নিবন্ধন কার্যক্রম চলবে ৩১ জুলাই পর্যন্ত।<br>/<strong>/ডিবিটেক/টিআরবি/এনএএম/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ফ্রিল্যান্সারদের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের বড় স্বস্তি</title>
<link>https://digibanglatech.news/184670</link>
<guid>https://digibanglatech.news/184670</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-start=&quot;2758&quot; data-end=&quot;2849&quot;&gt;বাংলাদেশ ব্যাংক ফ্রিল্যান্সারদের বৈদেশিক আয় গ্রহণে নতুন ও সহজতর নির্দেশনা জারি করেছে&lt;span aria-hidden=&quot;true&quot; class=&quot;PDq2pG_selectionAnchor&quot;&gt;&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;li data-start=&quot;2850&quot; data-end=&quot;2934&quot;&gt;২০ হাজার ডলার পর্যন্ত রেমিট্যান্স ঘোষণাপত্র ছাড়াই গ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়েছে&lt;/li&gt;
&lt;li data-start=&quot;2935&quot; data-end=&quot;3022&quot;&gt;ফ্রিল্যান্সাররা রপ্তানি আয়ের ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বৈদেশিক মুদ্রায় সংরক্ষণ করতে পারবেন&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a60c069d468b.jpg" length="50958" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 22 Jul 2026 17:07:10 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>বাংলাদেশ ব্যাংক, ফ্রিল্যান্সার, বৈদেশিক মুদ্রা, রেমিট্যান্স, সেবা রপ্তানি, ইআরকিউ, ওপিজিএসপি, ডিজিটাল পেমেন্ট, ফ্রিল্যান্সার কার্ড, বৈদেশিক আয়, বাংলাদেশ ব্যাংক, ফ্রিল্যান্সার, বৈদেশিক মুদ্রা, রেমিট্যান্স, সেবা রপ্তানি, ডিজিটাল অর্থনীতি, ইআরকিউ, ওপিজিএসপি, এমএফএসপি, পিএসপি</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="15">দেশের ফ্রিল্যান্সার ও ব্যক্তি পর্যায়ের সেবা রপ্তানিকারকদের বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেন কার্যক্রম আরও সহজ ও সুবিধাজনক করতে বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বুধবার (২২ জুলাই) জারি করা এক সার্কুলারে ডিজিটাল সেবা খাতের বর্তমান বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বৈদেশিক আয় গ্রহণ, সংরক্ষণ ও ব্যবহারের ক্ষেত্রে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নমনীয় নীতি ঘোষণা করা হয়।</p>
<p data-path-to-node="16"><b data-path-to-node="16" data-index-in-node="0">সহজ হচ্ছে বৈদেশিক আয় গ্রহণের প্রমাণ:</b> নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, ফ্রিল্যান্সারদের এখন আর গতানুগতিক বা প্রচলিত কাগজভিত্তিক রপ্তানি নথির ওপর নির্ভর করতে হবে না। তারা প্ল্যাটফর্ম স্টেটমেন্ট, ই-মেইল নোটিফিকেশন, ডিজিটাল ইনভয়েস এবং অন্যান্য অনলাইন যোগাযোগকেই বৈদেশিক আয় গ্রহণের বৈধ প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করতে পারবেন। এতে করে ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা দেশে আনার প্রক্রিয়া অনেকাংশে সহজ হবে।</p>
<p data-path-to-node="17"><b data-path-to-node="17" data-index-in-node="0">২০ হাজার ডলার পর্যন্ত রেমিট্যান্সে লাগবে না ঘোষণা:</b> ক্ষুদ্র অঙ্কের বৈদেশিক আয় গ্রহণে ফ্রিল্যান্সারদের বড় স্বস্তি দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এখন থেকে সর্বোচ্চ ২০ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত ইনওয়ার্ড রেমিট্যান্স গ্রহণের জন্য কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণাপত্র দাখিল করতে হবে না। একই সঙ্গে অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ে সার্ভিস প্রোভাইডারদের (OPGSP) মাধ্যমে প্রতি একক লেনদেনে সর্বোচ্চ ১০ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত আয় আনা যাবে। তবে নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে এসব অর্থ দেশে প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করার শর্ত বহাল রাখা হয়েছে।</p>
<p data-path-to-node="18"><b data-path-to-node="18" data-index-in-node="0">ফ্রিল্যান্সার কার্ড ও এমএফএস সুবিধা:</b> ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থা আরও সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়নে ডুয়াল-কারেন্সি ‘ফ্রিল্যান্সার কার্ড’ চালুর সুযোগ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস প্রোভাইডার (MFS) এবং পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডার (PSP)-এর মাধ্যমে লেনদেনের পরিধি বাড়ানো হয়েছে, যা প্রান্তিক পর্যায়ের ফ্রিল্যান্সারদের বৈদেশিক লেনদেনকে দ্রুত ও কার্যকর করবে।</p>
<p data-path-to-node="19"><b data-path-to-node="19" data-index-in-node="0">ইআরকিউ (ERQ) অ্যাকাউন্টে অর্থ সংরক্ষণ:</b> সার্কুলারে জানানো হয়েছে, তথ্যপ্রযুক্তি খাতের ফ্রিল্যান্সাররা তাদের আয় করা মোট রপ্তানি আয়ের সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ বৈদেশিক মুদ্রায় ‘এক্সপোর্টার্স রিটেনশন কোটা’ (ERQ) অ্যাকাউন্টে সংরক্ষণ করতে পারবেন। অন্যান্য সেবা রপ্তানিকারকদের ক্ষেত্রে এ সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ৩০ শতাংশ। এর ফলে আন্তর্জাতিক ক্লাউড সার্ভিস ফি, ডোমেইন-হোস্টিং কেনা ও সফটওয়্যার সাবস্ক্রিপশনের মতো বৈশ্বিক ব্যবসায়িক ব্যয় নির্বাহে তারা স্বাধীনভাবে নিজেদের অর্জিত অর্থ খরচ করতে পারবেন।</p>
<p data-path-to-node="20">শিল্প ও ব্যবসায়িক মহলের মতে, এই উদ্যোগ ডিজিটাল বাণিজ্য ও ফ্রিল্যান্সিং খাতের দীর্ঘদিনের চাহিদা পূরণ করেছে। প্রক্রিয়া জটিলতামুক্ত হওয়ার কারণে হুন্ডি বা অবৈধ চ্যানেলের বদলে ব্যাংকিং ও আনুষ্ঠানিক চ্যানেলে বৈদেশিক মুদ্রা আসার প্রবণতা বহুলাংশে বাড়বে। এটি সার্বিকভাবে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহকে আরও শক্তিশালী করবে এবং বাংলাদেশের সেবা রপ্তানিকে বৈশ্বিক ডিজিটাল অর্থনীতির সঙ্গে কার্যকরভাবে যুক্ত করবে।<br>/<strong>/ডিবিটেক/এফআই/এমএসআই/</strong>/</p>
<p data-path-to-node="20"></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>গুগলের ‘কানেক্ট লাইভ সিঙ্গাপুর ২০২৬’&#45;এ আমন্ত্রিত বাংলাদেশি দম্পতি পাভেল ও সুমাইয়া</title>
<link>https://digibanglatech.news/184605</link>
<guid>https://digibanglatech.news/184605</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a5fad7855f79.jpg" length="147547" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 21 Jul 2026 19:47:48 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>গুগল লোকাল গাইডস, গুগল ম্যাপস, কানেক্ট লাইভ সিঙ্গাপুর ২০২৬, পাভেল সারওয়ার, সুমাইয়া জাফরিন চৌধুরী, বাংলাদেশ</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-start="155" data-end="585">গুগল লোকাল গাইডসের উদ্যোগে আগামী ২৯ জুলাই থেকে ১ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে গুগল ম্যাপস কমিউনিটির অন্যতম বৃহৎ আন্তর্জাতিক আয়োজন ‘কানেক্ট লাইভ সিঙ্গাপুর ২০২৬’। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে নির্বাচিত ৬৫ জন অভিজ্ঞ গুগল ম্যাপস কন্ট্রিবিউটর ও গুগলার এই আয়োজনে অংশ নেবেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন মালয়েশিয়ায় বসবাসরত বাংলাদেশি দম্পতি পাভেল সারওয়ার ও সুমাইয়া জাফরিন চৌধুরী, যারা পৃথকভাবে আমন্ত্রণ পেয়েছেন।<span aria-hidden="true"></span></p>
<p data-start="587" data-end="703">এই আন্তর্জাতিক আয়োজনে অংশগ্রহণের জন্য তাদের যাতায়াত, আবাসন, খাবার, ভিসা প্রক্রিয়াসহ প্রয়োজনীয় সব ব্যয় বহন করছে গুগল।</p>
<p data-start="705" data-end="1015">‘কানেক্ট লাইভ’ গুগল ম্যাপস ও লোকাল গাইডস কমিউনিটির একটি মর্যাদাপূর্ণ আন্তর্জাতিক আয়োজন। এতে অংশগ্রহণকারীরা গুগল ম্যাপসের নতুন ফিচার, প্রযুক্তিগত হালনাগাদ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে জানার পাশাপাশি গুগল টিম এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অভিজ্ঞ কন্ট্রিবিউটরদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ পাবেন।</p>
<p data-start="1017" data-end="1252">গুগল লোকাল গাইডস হলো গুগল পরিচালিত একটি বৈশ্বিক স্বেচ্ছাসেবী কমিউনিটি, যেখানে সদস্যরা নতুন স্থান যুক্ত করা, বিদ্যমান তথ্য সংশোধন, রিভিউ লেখা এবং ছবি ও ভিডিও সংযোজনের মাধ্যমে গুগল ম্যাপসকে আরও তথ্যসমৃদ্ধ ও কার্যকর করে তুলতে অবদান রাখেন।</p>
<p data-start="1254" data-end="1370">দীর্ঘদিন ধরে এই কমিউনিটির সঙ্গে যুক্ত পাভেল সারওয়ার ও সুমাইয়া জাফরিন চৌধুরীর রয়েছে উল্লেখযোগ্য আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি।</p>
<p data-start="1372" data-end="1764">২০১৭ সালে পাভেল সারওয়ার গুগলের আমন্ত্রণে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার মাউন্টেন ভিউয়ে অনুষ্ঠিত লোকাল গাইডস সামিট ২০১৭-এ অংশ নেন। পরবর্তীতে গুগল লোকাল গাইডসের অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেলে তাকে নিয়ে একটি বিশেষ ভিডিও প্রকাশ করা হয়। ২০২১ সালে তিনি ‘গাইডিং স্টার অ্যাওয়ার্ড’-এর কমিউনিটি বিল্ডার ক্যাটাগরিতে সম্মাননা অর্জন করেন। এছাড়া ২০২৫ সালে তিনি ‘কানেক্ট লাইভ টোকিও’-তেও অংশগ্রহণ করেন।</p>
<p data-start="1766" data-end="2189">অন্যদিকে, সুমাইয়া জাফরিন চৌধুরী ২০২০ সালে ‘হেল্পফুল হিরো’ ক্যাটাগরিতে গাইডিং স্টার অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেন। তিনি গুগল লোকাল গাইডস কানেক্টের মডারেটর হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০১৬ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত লোকাল গাইডস সামিট ও কানেক্ট লাইভে বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে অংশ নেন। এছাড়া ২০২৩ সালে টোকিওতে অনুষ্ঠিত কানেক্ট মডারেটর কনভারসেশন এবং ২০২৫ সালের কানেক্ট লাইভ টোকিও-তেও অংশগ্রহণ করেন।</p>
<p data-start="2191" data-end="2591">গুগল লোকাল গাইডস বিভিন্ন সময়ে এই বাংলাদেশি দম্পতিকে নিয়ে একাধিক আন্তর্জাতিক ফিচার প্রকাশ করেছে। ২০১৭ সালে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে সুমাইয়াকে ‘ইনস্পায়ারিং উইমেন’ হিসেবে তুলে ধরা হয়। ২০১৮ সালের ভালোবাসা দিবসে ‘Meet the Couple That Guides Together’ শিরোনামে তাদের নিয়ে বিশেষ ফিচার প্রকাশ করা হয়। পরবর্তী সময়েও ভালোবাসা দিবস ও বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে তাদের কার্যক্রম বিভিন্নভাবে তুলে ধরা হয়েছে।</p>
<p data-start="2593" data-end="2855">বর্তমানে মালয়েশিয়ায় বসবাসরত পাভেল সারওয়ার একজন তথ্যপ্রযুক্তি ও ফিনটেক পেশাজীবী, গুগল সার্টিফায়েড এডুকেটর এবং প্রশিক্ষক। সুমাইয়া জাফরিন চৌধুরী একজন টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) বিষয়ক পেশাজীবী এবং বর্তমানে মালয়েশিয়ায় লার্নিং ডিজঅ্যাবিলিটি বিষয়ে গবেষণা করছেন।</p>
<p data-start="2857" data-end="3224">গুগল ম্যাপস কমিউনিটিতে অবদানের পাশাপাশি তারা মালয়েশিয়ায় গুগল এডুকেটর গ্রুপ সেরেম্বান-এর নেতৃত্ব দিচ্ছেন। প্রযুক্তি, শিক্ষা, তরুণদের ক্ষমতায়ন এবং সামাজিক উন্নয়নে কাজের লক্ষ্য নিয়ে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ায় বিভিন্ন উদ্যোগ পরিচালনা করছেন। তাদের প্রতিষ্ঠিত সংগঠনের মধ্যে রয়েছে মালয়েশিয়াভিত্তিক ইয়ুথ হাব ফাউন্ডেশন বারহাদ এবং বাংলাদেশভিত্তিক ইয়ুথ কানেক্ট ফাউন্ডেশন।</p>
<p data-start="3226" data-end="3441">বিশ্লেষকদের মতে, ‘কানেক্ট লাইভ সিঙ্গাপুর ২০২৬’-এ পাভেল সারওয়ার ও সুমাইয়া জাফরিন চৌধুরীর অংশগ্রহণ আন্তর্জাতিক গুগল ম্যাপস ও লোকাল গাইডস কমিউনিটিতে বাংলাদেশিদের ধারাবাহিক ও সক্রিয় অবদানের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি। <br>/<strong>/ডিবিটেক/পিএসপি/এসএমই/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>২২ জুলাই ফার্মগেটে বসছে দেশের সর্ববৃহৎ ইন্টার্ন জব ফেয়ার</title>
<link>https://digibanglatech.news/184584</link>
<guid>https://digibanglatech.news/184584</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p&gt;দেশের শীর্ষ চাকরির ওয়েবসাইট বিডিজবস ডট কম আগামী ২২ জুলাই, বুধবার ফার্মগেটের কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) মিলনায়তনে দেশের সর্ববৃহৎ ইন্টার্ন জব ফেয়ার আয়োজন করতে যাচ্ছে। দিনব্যাপী এই মেলায় ২৫ হাজারের বেশি গ্র্যাজুয়েট অংশ নেবেন এবং ১০০-র বেশি দেশি ও বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান ২ হাজার ৫০০ ইন্টার্ন নিয়োগের লক্ষ্যে অংশগ্রহণ করবে।&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a5f788eba454.jpg" length="88753" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 21 Jul 2026 15:49:11 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>বিডিজবস, ইন্টার্ন জব ফেয়ার, চাকরি মেলা, কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন, ফার্মগেট, ফাহিম মাশরুর, গ্র্যাজুয়েট ইন্টার্নশিপ, টেস্ট ইন্টারভিউ সেশন</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-pm-slice="0 0 []">গ্র্যাজুয়েশন শেষ করে বেশির ভাগ চাকরিপ্রার্থীর জন্য প্রথম চাকরি জোগাড় করা অনেক কষ্টসাধ্য। অধিকাংশ চাকরিতেই অভিজ্ঞতা চাওয়া হয়, পাশাপাশি অনেক প্রতিষ্ঠান বেতনসহ ইন্টার্নশিপও অফার করে থাকে। এই সুযোগকে চাকরিপ্রার্থীদের হাতের নাগালে এনে দিতে আগামী ২২ জুলাই, বুধবার রাজধানীর ফার্মগেটে অবস্থিত কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশের (কেআইবি) মিলনায়তনে দেশের সর্ববৃহৎ ‘ইন্টার্ন জব ফেয়ার’ আয়োজন করছে দেশের শীর্ষ চাকরির ওয়েবসাইট বিডিজবস ডট কম।</p>
<p>আজ মঙ্গলবার (২১ জুলাই) জানা গেছে, গত দুই বছর ধরে দেশের গ্র্যাজুয়েটদের জন্য এই ইন্টার্নশিপ জব ফেয়ার আয়োজন করে আসছে প্রতিষ্ঠানটি।</p>
<p>আয়োজকদের তথ্যমতে, ২৫ হাজারের বেশি গ্র্যাজুয়েট দিনব্যাপী এই মেলায় অংশগ্রহণ করবেন। শতাধিক দেশি ও বহুজাতিক নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠান ২ হাজার ৫০০ ইন্টার্ন নিয়োগের লক্ষ্যে এই মেলায় অংশগ্রহণ করছে।</p>
<p>মেলার বিশেষ আকর্ষণ থাকছে দিনব্যাপী টেস্ট ইন্টারভিউ সেশন। দেশের গ্র্যাজুয়েটদের সাক্ষাৎকার-ভীতি দূর করা এবং তাঁদের ক্যারিয়ারের যথাযথ দিকনির্দেশনা দেওয়ার জন্য বিভিন্ন করপোরেট প্রতিষ্ঠানের মানবসম্পদ বিভাগের সিনিয়র কর্মকর্তারা এই টেস্ট ইন্টারভিউ সেশন পরিচালনা করবেন।</p>
<p>সকাল ১০টায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন বিডিজবস ডট কমের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহিম মাশরুর।</p>
<p>আয়োজক প্রতিষ্ঠানের পরিচালক প্রকাশ রায় চৌধুরী আগ্রহী চাকরিপ্রার্থীদের মেলায় অংশগ্রহণের জন্য যথাসময়ে উপস্থিত হওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন।<br>/<strong>/ডিবিটেক//পিআরসি/এসএমই/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>গাজী নজরুলের ভাইরাল ভিডিও এআই নয়, সিসিটিভি ফুটেজে দ্বিতীয় স্ত্রী</title>
<link>https://digibanglatech.news/184560</link>
<guid>https://digibanglatech.news/184560</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p data-path-to-node=&quot;8&quot;&gt;সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের ভাইরাল ভিডিওটি এআই দিয়ে তৈরি নয় বলে নিশ্চিত করেছে দ্য ডিসেন্ট ও রিউমার স্ক্যানার। ভিডিওর তরুণী তার দ্বিতীয় স্ত্রী হলেও সিসিটিভি ফুটেজের টাইমস্ট্যাম্প নিয়ে দেখা দিয়েছে নতুন বিতর্ক।&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a5f42d8bc108.jpg" length="134232" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 21 Jul 2026 12:59:05 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>গাজী নজরুল ইসলাম ভাইরাল ভিডিও, ফ্যাক্টচেক রিউমর স্ক্যানার, দ্য ডিসেন্ট, সিসিটিভি ফুটেজ ব্ল্যাকমেইল, ওবায়দুল্লাহ ড্রাইভার</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="15">সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা গাজী নজরুল ইসলামকে ঘিরে ভাইরাল ভিডিওটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি বা সম্পাদিত নয় বলে নিশ্চিত করেছে ফ্যাক্টচেকিং প্ল্যাটফর্ম ‘দ্য ডিসেন্ট’ ও ‘রিউমার স্ক্যানার’।</p>
<p data-path-to-node="16">ফ্যাক্টচেকিং সংস্থা দ্য ডিসেন্ট জানায়, ভিডিওতে দৃশ্যমান তরুণীর নাম মরিয়ম খাতুন। গাজী নজরুল ইসলামও বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, ভিডিওতে থাকা তরুণী তার দ্বিতীয় স্ত্রী। তবে ওই ভিডিওটির স্ক্রিনশট ব্যবহার করে এআই-নির্মিত কিছু স্থিরচিত্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো হয়েছে। একইভাবে রিউমার স্ক্যানার জানাচ্ছে, ভাইরাল হওয়া দীর্ঘ ভিডিওটিতে বা এর অডিওতে কোনো ধরনের অসামঞ্জস্য পাওয়া যায়নি।</p>
<p data-path-to-node="17">গাজী নজরুলের কথার সত্যায়ন করে মেয়ের বাবা মাসুম বিল্লাহ জানান, ৩ লাখ টাকা দেনমোহরে গত ১৭ জুন তার মেয়ের সঙ্গে গাজী নজরুল ইসলামের বিয়ে হয়। ওই দিন তারা মগবাজারের অফিসে গিয়ে রেস্ট নিচ্ছিলেন, সেখান থেকেই ভিডিওটি ধারণ করা হয়। এর সঙ্গে তার শ্যালক ওবায়দুল্লাহ জড়িত।</p>
<p data-path-to-node="18">সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের মিডিয়া প্রধান মাওলানা আজিজুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, “এমপি সাহেব আমাদের জানিয়েছেন, ভিডিওতে যাকে দেখা যাচ্ছে তিনি উনার দ্বিতীয় স্ত্রী। প্রথম স্ত্রীর সম্মতিক্রমেই এই বিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে ভিডিওটি কীভাবে প্রকাশ পেল, সেটি আমরা খতিয়ে দেখছি।”</p>
<p data-path-to-node="19">এদিকে এক ফেসবুক পোস্টে গাজী নজরুল ইসলাম অভিযোগ করেন, তার গাড়িচালক ওবায়দুল্লাহ (যিনি মরিয়মের মামা) এই ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী। ওবায়দুল্লাহ সিসিটিভি ফুটেজ ব্যবহার করে তার কাছে ৫ লাখ এবং শ্বশুর মাসুম বিল্লাহর কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। টাকা না পেয়ে ভিডিওটি ছড়িয়ে দেওয়া হয়। এ ঘটনাকে নিজের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত চরিত্রহননের অপচেষ্টা দাবি করে জড়িতদের বিচার চান তিনি।</p>
<p data-path-to-node="20">তবে দ্য ডিসেন্ট জানিয়েছে, ভাইরাল সিসিটিভি ফুটেজে দৃশ্যমান টাইমস্ট্যাম্প অনুযায়ী ভিডিওটি ২০২৩ সালের ১ জুলাই ধারণ করা হয়েছে। অথচ গাজী নজরুল দাবি করেছেন ঘটনাটি ২০২৬ সালের ১৩ জুলাই ঘটেছে। এই সময়গত অসঙ্গতি নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে, যার কারণ সম্পর্কে ধারণা নেই বলে জানান গাজী নজরুল। বিশেষজ্ঞরা শোবার ঘরের সিসিটিভি ফুটেজ এভাবে প্রকাশ্যে আসাকে ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি হিসেবে দেখছেন।<br>/<strong>/ডিবিটেক/জেএনও/এনএএম/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>গ্রামীণফোন ও কর্পোরেট গভর্ন্যান্স: সংকট নিরসনে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও নেতৃত্বের প্রকৃত পরীক্ষা</title>
<link>https://digibanglatech.news/184484</link>
<guid>https://digibanglatech.news/184484</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a5deaa3b6648.jpg" length="154670" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 20 Jul 2026 00:00:00 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="12">কর্পোরেট ইতিহাসের অধিকাংশ বড় সংকট কোনো একক ভুল সিদ্ধান্তের ফল নয়। এগুলো সাধারণত দীর্ঘদিন ধরে গড়ে ওঠা প্রাতিষ্ঠানিক জড়তার বহিঃপ্রকাশ, যেখানে জবাবদিহিতা দুর্বল হয়ে পড়ে, ভিন্নমত সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া থেকে ক্রমশ হারিয়ে যায় এবং অমীমাংসিত বিরোধ প্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিক বাস্তবতায় পরিণত হয়। তখন কর্পোরেট গভর্ন্যান্স আর কার্যকর তদারকির ব্যবস্থা থাকে না; বরং তা কেবল আনুষ্ঠানিক কর্তৃত্বের একটি কাঠামো হয়ে দাঁড়ায়। আধুনিক কর্পোরেট গভর্ন্যান্সের মূল দর্শন এখানেই। একটি প্রতিষ্ঠানের সাফল্য কেবল আর্থিক ফলাফল, বাজার অংশীদারিত্ব বা প্রযুক্তিগত সক্ষমতার ওপর নির্ভর করে না। সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ হলো পরিচালনা পর্ষদের কার্যকর তদারকি, নেতৃত্বের জবাবদিহিতা, স্বচ্ছ সিদ্ধান্ত গ্রহণ, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, নৈতিক ব্যবসায়িক সংস্কৃতি এবং স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি আস্থাভিত্তিক সম্পর্ক গড়ে তোলার সক্ষমতা।</p>
<p data-path-to-node="13">এই কারণেই সাম্প্রতিক বছরগুলোতে কর্পোরেট গভর্ন্যান্সের ধারণা উল্লেখযোগ্যভাবে বিস্তৃত হয়েছে। আজ বিনিয়োগকারী, নিয়ন্ত্রক সংস্থা এবং আন্তর্জাতিক রেটিং এজেন্সিগুলো আর শুধু মুনাফার পরিমাণ দেখে কোনো প্রতিষ্ঠানের সাফল্য মূল্যায়ন করে না; বরং তারা মূল্যায়ন করে একটি প্রতিষ্ঠান কীভাবে তার কর্মী, গ্রাহক, শেয়ারহোল্ডার, ব্যবসায়িক অংশীদার এবং বৃহত্তর সমাজের সঙ্গে সম্পর্ক পরিচালনা করছে। দীর্ঘস্থায়ী স্টেকহোল্ডার বিরোধ এখন কেবল একটি আইনি বিষয় নয়; এটি ক্রমেই একটি গভর্ন্যান্স ঝুঁকি (Governance Risk) হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে গ্রামীণফোনকে ঘিরে বহু বছর ধরে চলমান কর্মী-সংক্রান্ত বিরোধ কর্পোরেট গভর্ন্যান্সের আলোকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সামনে নিয়ে আসে। দীর্ঘমেয়াদি আইনি বিরোধ, সাবেক কর্মীদের অসন্তোষ, বিপুল সংখ্যক মামলা এবং বিষয়টি নিয়ে ধারাবাহিক জনআলোচনা এমন একটি বাস্তবতা তৈরি করেছে, যা শুধু আইনি নয়, কর্পোরেট গভর্ন্যান্সের দৃষ্টিকোণ থেকেও মূল্যায়নের দাবি রাখে।</p>
<h3 data-path-to-node="14"><span style="font-size: 10pt;"><b data-path-to-node="14" data-index-in-node="0">বৈশ্বিক মানদণ্ড ও প্যারেন্ট কোম্পানির তদারকি</b></span></h3>
<p data-path-to-node="15">OECD Principles of Corporate Governance অনুযায়ী, পরিচালনা পর্ষদের দায়িত্ব কেবল আর্থিক ফলাফল নিশ্চিত করা নয়, বরং কার্যকর ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, ব্যবস্থাপনার ওপর স্বাধীন তদারকি, জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা এবং প্রতিষ্ঠানের দীর্ঘমেয়াদি স্থায়িত্ব রক্ষা করা। একইভাবে OECD Guidelines for Multinational Enterprises on Responsible Business Conduct বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রত্যাশা নির্ধারণ করেছে। সেখানে বলা হয়েছে, একটি Parent Company-এর দায়িত্ব কেবল নিজস্ব কার্যক্রমে সীমাবদ্ধ নয়। যেখানে তাদের মালিকানা, প্রভাব বা governance oversight রয়েছে, সেখানে সম্ভাব্য ঝুঁকি চিহ্নিত করা, যথাযথ due diligence পরিচালনা করা এবং তাদের প্রভাব (leverage) ব্যবহার করে সম্ভাব্য নেতিবাচক প্রভাব প্রতিরোধ, প্রশমন বা সমাধানে ভূমিকা রাখার প্রত্যাশা করা হয়। এটি কোনো স্বয়ংক্রিয় আইনি দায় নির্ধারণ করে না; বরং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত দায়িত্বশীল কর্পোরেট গভর্ন্যান্সের একটি মানদণ্ড।</p>
<p data-path-to-node="16">এই আলোচনায় টেলিনরের ভূমিকাও স্বাভাবিকভাবেই প্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠে। টেলিনর নরওয়ের একটি বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান এবং নরওয়ে OECD-এর সদস্যরাষ্ট্র। পাশাপাশি টেলিনর জাতিসংঘের UN Guiding Principles on Business and Human Rights-এর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ Responsible Business Conduct এবং Human Rights Due Diligence বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতির কথাও প্রকাশ্যে উল্লেখ করেছে। ফলে গ্রামীণফোনের মতো সহযোগী প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘস্থায়ী স্টেকহোল্ডার বিরোধ দেখা দিলে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক যে Parent Company হিসেবে বোর্ড পর্যায়ে বিষয়টি কীভাবে মূল্যায়ন করা হচ্ছে, governance oversight কীভাবে নিশ্চিত করা হচ্ছে এবং গঠনমূলক সমাধানের পরিবেশ তৈরিতে তাদের প্রভাব কতটা কার্যকরভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে। এটি আইনি দায় নির্ধারণের প্রশ্ন নয়; এটি আন্তর্জাতিক কর্পোরেট গভর্ন্যান্সের প্রত্যাশা এবং দায়িত্বশীল নেতৃত্বের প্রশ্ন।</p>
<h3 data-path-to-node="17"><span style="font-size: 10pt;"><b data-path-to-node="17" data-index-in-node="0">সাংগঠনিক সংস্কৃতি ও 'সাইকোলজিক্যাল সেফটি'</b></span></h3>
<p data-path-to-node="18">ISO 37000:2021 Governance of Organizations স্পষ্টভাবে উল্লেখ করে যে কার্যকর গভর্ন্যান্সের জন্য নৈতিক নেতৃত্ব, জবাবদিহিতা, মানবিক আচরণ এবং প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ সাংগঠনিক সংস্কৃতি অপরিহার্য। বোর্ডের অন্যতম দায়িত্ব হলো এমন একটি পরিবেশ নিশ্চিত করা, যেখানে সমস্যা গোপন না থেকে যথাসময়ে নেতৃত্বের নজরে আসে। এ প্রসঙ্গে হার্ভার্ড বিজনেস স্কুলের অধ্যাপক Amy Edmondson-এর Psychological Safety বিষয়ক গবেষণা বিশেষভাবে প্রাসঙ্গিক। তার গবেষণা দেখায়, কর্মীদের নীরবতা সবসময় সন্তুষ্টির প্রতীক নয়। অনেক সময় মানুষ কথা বলে না কারণ তারা মনে করে তাদের মতামত গুরুত্ব পাবে না, অথবা এর নেতিবাচক পরিণতি হতে পারে। আধুনিক গভর্ন্যান্স গবেষণায় কর্মীদের নীরবতাকেও একটি গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক সংকেত হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কারণ, যখন মানুষ সমস্যা বলতে ভয় পায়, তখন নেতৃত্ব ধীরে ধীরে প্রতিষ্ঠানের প্রকৃত বাস্তবতা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।</p>
<p data-path-to-node="19">Frederick Herzberg-এর Two-Factor Theory একই বাস্তবতার আরেকটি দিক তুলে ধরে। বেতন, বোনাস কিংবা আর্থিক সুবিধা কর্মীদের অসন্তোষ কমাতে পারে, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে আস্থা ও অঙ্গীকার গড়ে তুলতে যথেষ্ট নয়। ন্যায্যতা, স্বচ্ছ পদোন্নতি ব্যবস্থা, স্পষ্ট ক্যারিয়ার উন্নয়নের সুযোগ, দক্ষতার নিরপেক্ষ মূল্যায়ন এবং নেতৃত্বের প্রতি বিশ্বাসই একটি সুস্থ কর্মপরিবেশের ভিত্তি। এই কারণেই আধুনিক HR Governance এখন শুধু প্রশাসনিক কার্যক্রম নয়; এটি প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক গভর্ন্যান্স কাঠামোর অংশ। আন্তর্জাতিক HR পেশাজীবী প্রতিষ্ঠান CIPD ধারাবাহিকভাবে Employee Voice এবং Speak-Up Culture-এর গুরুত্ব তুলে ধরেছে। কার্যকর HR নেতৃত্বের দায়িত্ব কেবল মানবসম্পদ পরিচালনা নয়; বরং কর্মীদের উদ্বেগ বোর্ডের কাছে পৌঁছে দেওয়া, কার্যকর grievance mechanism নিশ্চিত করা এবং এমন একটি পরিবেশ তৈরি করা, যেখানে ভিন্নমতকে প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়।</p>
<h3 data-path-to-node="20"><span style="font-size: 10pt;"><b data-path-to-node="20" data-index-in-node="0">ঐতিহাসিক শিক্ষা ও গ্রামীণফোনের ভবিষ্যৎ গতিপথ</b></span></h3>
<p data-path-to-node="21">ইতিহাস দেখায়, প্রতিষ্ঠানের বিপর্যয়ের পেছনে অনেক সময় প্রযুক্তিগত দুর্বলতার চেয়ে সাংগঠনিক সংস্কৃতি ও গভর্ন্যান্স ব্যর্থতা বেশি দায়ী থাকে। Boeing-এর 737 MAX সংকট এবং Nokia-এর বাজার নেতৃত্ব হারানোর অভিজ্ঞতা দেখিয়েছে, যখন কার্যকর বোর্ড তদারকি, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, উন্মুক্ত মতবিনিময় এবং সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত গ্রহণে দুর্বলতা তৈরি হয়, তখন তার প্রভাব প্রতিষ্ঠানের সুনাম, প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা এবং স্টেকহোল্ডারদের аস্থার ওপর দীর্ঘমেয়াদে পড়তে পারে। অন্যদিকে, টাটা গ্রুপ দীর্ঘদিন ধরে নৈতিক নেতৃত্ব, শক্তিশালী পরিচালনা পর্ষদের তদারকি, মূল্যবোধভিত্তিক ব্যবসায়িক সংস্কৃতি এবং স্টেকহোল্ডারদের প্রতি দায়বদ্ধতার মাধ্যমে টেকসই কর্পোরেট গভর্ন্যান্সের একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হিসেবে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত।</p>
<p data-path-to-node="22">গ্রামীণফোনের বর্তমান প্রেক্ষাপটে মূল প্রশ্নটি তাই শুধু আইনি নয়। প্রশ্ন হলো, এই দীর্ঘস্থায়ী বিরোধ প্রতিষ্ঠানটির কৌশলগত সক্ষমতা, ব্যবস্থাপনার মনোযোগ এবং কর্পোরেট গভর্ন্যান্সের ওপর কী প্রভাব ফেলছে? যে সময় নতুন উদ্ভাবন, গ্রাহকসেবা, ডিজিটাল রূপান্তর, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা ভবিষ্যৎ ব্যবসায়িক কৌশল নির্ধারণে ব্যয় হওয়ার কথা, তার একটি অংশ কি দীর্ঘদিনের বিরোধ ব্যবস্থাপনায় ব্যয় হচ্ছে? প্রতিটি প্রতিষ্ঠানেরই এমন একটি সময় আসে, যখন সিদ্ধান্ত নিতে হয়—অতীতের অবস্থান রক্ষা করাই কি মূল লক্ষ্য হবে, নাকি আস্থা পুনর্গঠন, সংলাপ, আত্মসমালোচনা এবং দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক সম্পর্ক পুনর্নির্মাণের পথে এগোনো হবে। আধুনিক কর্পোরেট গভর্ন্যান্সের চূড়ান্ত পরীক্ষা আদালতের রায়ে সীমাবদ্ধ নয়। প্রকৃত পরীক্ষা হয় তখন, যখন একটি প্রতিষ্ঠান সিদ্ধান্ত নেয় যে আইনি অবস্থান রক্ষার পাশাপাশি নৈতিক নেতৃত্ব, কার্যকর বোর্ড তদারকি, স্বচ্ছতা, স্টেকহোল্ডারদের আস্থা এবং দায়িত্বশীল ব্যবসায়িক আচরণকেও সমান গুরুত্ব দেবে।</p>
<hr>
<p data-path-to-node="23,0,0"><b data-path-to-node="23,0,0" data-index-in-node="0">লেখক:</b> কমিউনিকেশন সেক্রেটারি, <i data-path-to-node="23,0,1" data-index-in-node="0">গ্রামীণফোন ইমপ্লয়িস ইউনিয়ন (জিপিইইউ)</i></p>
<hr><hr>
<p data-path-to-node="23,0,0"></p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>সিএসই কার্নিভালে বুয়েটের ‘সিলভার হকস’ ও শাবিপ্রবির ‘জিএনজি’ চ্যাম্পিয়ন</title>
<link>https://digibanglatech.news/184408</link>
<guid>https://digibanglatech.news/184408</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;5,0,0&quot;&gt;আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় প্রোগ্রামিংয়ে শীর্ষস্থান অর্জন করল বুয়েট।&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;5,1,0&quot;&gt;হ্যাকাথনে দেশীয় প্রযুক্তিভিত্তিক সমাধানে সেরা শাবিপ্রবি।&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;5,2,0&quot;&gt;দক্ষ মানবসম্পদ গড়তে বিকাশ ও শাবিপ্রবির যৌথ আয়োজন&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a5cb833bd5b6.jpg" length="121434" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 19 Jul 2026 00:36:16 +0600</pubDate>
<dc:creator>ক্যাম্পাস করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>সিএসই, কার্নিভাল, শাবিপ্রবি, প্রোগ্রামিং, হ্যাকাথন, বুয়েট, বিকাশ, চ্যাম্পিয়ন, প্রযুক্তি</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="9">সিএসই কার্নিভাল ২০২৬-এর আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ‘সিলভার হকস’ টিম চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে। একই প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান লাভ করেছে যথাক্রমে বুয়েটের ‘সুপারনোভা’ এবং রুয়েটের ‘জ্যোতি চাষী’ টিম। অন্যদিকে, বাস্তবসম্মত প্রযুক্তিভিত্তিক সমাধান উপস্থাপনের হ্যাকাথন প্রতিযোগিতায় সেরা হয়েছে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) টিম ‘জিএনজি’। এই হ্যাকাথনে দ্বিতীয় হয়েছে বুয়েটের ‘নেক্সাস’ এবং তৃতীয় স্থান অধিকার করেছে তিনটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে গঠিত ‘আরেকটা টিম’।</p>
<p data-path-to-node="10">দুই দিনব্যাপী এই আয়োজনের সমাপনী দিনে গত ১২ জুলাই, রবিবার বিজয়ী দলগুলোর হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। দেশের প্রযুক্তি খাতে আন্তর্জাতিক মানের দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার লক্ষ্যে শাবিপ্রবির কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের আয়োজনে এবং মোবাইল আর্থিক সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান বিকাশ-এর সহযোগিতায় এই কার্নিভাল অনুষ্ঠিত হয়।</p>
<p data-path-to-node="11">তরুণ প্রোগ্রামার, উদ্ভাবক ও প্রযুক্তিপ্রেমী শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বিকাশ, সমস্যা সমাধানের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তিনির্ভর উদ্ভাবনী সংস্কৃতি গড়ে তুলতে কার্নিভালের মূল আয়োজন সাজানো হয়। এবারের আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতায় দেশের ৮০টি সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১২০টি দল অংশ নেয়। পাশাপাশি, দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫০টি দল হ্যাকাথনে অংশ নিয়ে তাদের উদ্ভাবনী প্রযুক্তিভিত্তিক সমাধান উপস্থাপন করে।</p>
<p data-path-to-node="11">দুই দিনের এ আয়োজনে প্রতিযোগিতার পাশাপাশি ফিনটেক, উদ্ভাবন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ডিজিটাল ফাইন্যান্স এবং ভবিষ্যতের কর্মসংস্থান নিয়ে একাধিক বিশেষ সেশনের আয়োজন করা হয়। এসব সেশনে দেশের খ্যাতিমান শিক্ষাবিদ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ এবং বিকাশ এর প্রোডাক্ট অ্যান্ড টেকনোলজি বিভাগের প্রকৌশলীরা শিক্ষার্থীদের কর্মজীবনের নানা দিক তুলে ধরেন। প্রতিযোগিতায় সব মিলিয়ে সেরা ২০টি দলকে পুরস্কৃত করা হয়।</p>
<p data-path-to-node="12">সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য প্রফেসর ড. আবদুল্লাহ আল মামুন। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন শাবিপ্রবির ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. খায়রুল ইসলাম, বিকাশ এর চিফ প্রোডাক্ট অ্যান্ড টেকনোলজি অফিসার আজমল হুদা, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. মোহাম্মদ কায়কোবাদ এবং শাবিপ্রবি সিএসই বিভাগের প্রধান মো. ফরহাদ রাব্বী সহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।<br>/<strong>/ডিবিটেক/ এসএইচপি/এনএন/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>পাঁচ মাসে প্রযুক্তি খাত: অগ্রগতির আলো, সংস্কারের ছায়া</title>
<link>https://digibanglatech.news/184341</link>
<guid>https://digibanglatech.news/184341</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a5bc1ec74d96.jpg" length="124744" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 19 Jul 2026 00:13:34 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশের প্রযুক্তি খাতের ইতিহাসে কিছু সময় কেবল প্রশাসনিক পরিবর্তনের নয়, নীতিগত মোড় ঘোরানোরও সাক্ষী হয়ে থাকে। ২০২৬ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর গত পাঁচ মাসকে তেমন একটি সময় বলেই বিবেচনা করা যেতে পারে। এই সময়ের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক হলো—ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি—দুটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের নীতিগত কার্যক্রম একই নেতৃত্বের অধীনে এনে সমন্বিত সংস্কারের চেষ্টা।</p>
<p>মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনামের নেতৃত্ব এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদের নীতিগত সহায়তায় প্রযুক্তি, টেলিযোগাযোগ ও বিজ্ঞান খাতে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সময়ে কিছু মৌলিক সংস্কার এখনও অসম্পূর্ণ রয়ে গেছে। ফলে পাঁচ মাসের মূল্যায়নে যেমন সাফল্যের গল্প আছে, তেমনি রয়েছে কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নও।</p>
<p>প্রথমেই ইতিবাচক দিকগুলো দেখা যাক।</p>
<p>নতুন জাতীয় বাজেটে প্রযুক্তি ও বিজ্ঞান খাতকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। তরুণদের জন্য ৫০০ কোটি টাকার ফ্রিল্যান্সার তহবিল, গবেষণা অনুদান বৃদ্ধি, বিজ্ঞান গবেষণায় নতুন অর্থায়ন এবং প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোক্তা তৈরির উদ্যোগ—সবই দীর্ঘমেয়াদি মানবসম্পদ উন্নয়নের সঙ্গে সম্পর্কিত। কেবল অবকাঠামো নয়, মানবসম্পদে বিনিয়োগের এই প্রবণতা নীতিগতভাবে ইতিবাচক।</p>
<p>কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে (AI) ঘিরেও পরিবর্তনের ইঙ্গিত স্পষ্ট। দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশে এআই ব্যবহারের আলোচনা থাকলেও নীতিগত কাঠামোর অভাব ছিল। এখন মানবকেন্দ্রিক জাতীয় এআই নীতি প্রণয়নের উদ্যোগ, দায়িত্বশীল এআই ব্যবহারের নির্দেশিকা এবং সরকারি সেবায় এআই ব্যবহারের পরিকল্পনা প্রযুক্তি নীতিকে নতুন মাত্রা দিতে পারে।</p>
<p>ডিজিটাল রাষ্ট্রব্যবস্থার আরেকটি বড় পরিকল্পনা "ওয়ান সিটিজেন, ওয়ান আইডি"। নাগরিকের বিভিন্ন পরিচয়পত্র, সরকারি সেবা এবং ডিজিটাল ওয়ালেটকে একটি সমন্বিত পরিচয় কাঠামোর আওতায় আনার এই উদ্যোগ সফল হলে সরকারি সেবার গতি বাড়বে, জালিয়াতি কমবে এবং সেবার পুনরাবৃত্তি হ্রাস পাবে। তবে এর সফলতা সম্পূর্ণ নির্ভর করবে শক্তিশালী ডেটা গভর্ন্যান্স এবং নাগরিকের ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষার ওপর।</p>
<p>এখানেই এসে সামনে আসে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন—ডেটা সুরক্ষা আইন।</p>
<p>ডিজিটাল পরিচয়, স্বাস্থ্যকার্ড, রেশন কার্ড, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, ডিজিটাল ওয়ালেট—সবকিছু যদি একই ডেটা অবকাঠামোর সঙ্গে যুক্ত হয়, তাহলে ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা আর কেবল প্রযুক্তিগত বিষয় থাকে না; এটি নাগরিক অধিকার, রাষ্ট্রীয় আস্থা এবং অর্থনৈতিক নিরাপত্তার প্রশ্নে পরিণত হয়।</p>
<p>বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরেই একটি আধুনিক ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষা আইন নিয়ে আলোচনা চলছে। কিন্তু শক্তিশালী, আন্তর্জাতিক মানসম্মত এবং স্বাধীন তদারকি কাঠামো এখনো পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়নি। ডেটা সংগ্রহ যত দ্রুত বাড়ছে, আইনি সুরক্ষা সেই গতিতে এগোয়নি। ফলে নতুন বাংলাদেশের দ্বিতীয় প্রজন্মে প্রবেশ করতে হলে ডেটা সুরক্ষা আইন বাস্তবায়ন এখন আর বিলাসিতা নয়, অপরিহার্যতা।</p>
<p>একইভাবে সাইবার নিরাপত্তাও এখন জাতীয় নিরাপত্তার অংশ।</p>
<p>সরকারি ডেটাবেজ, হাসপাতাল, ব্যাংক, টেলিকম নেটওয়ার্ক, বিদ্যুৎ ব্যবস্থা, বিমানবন্দর, স্মার্ট সেবা—সবকিছুই ডিজিটাল অবকাঠামোর ওপর নির্ভরশীল। ফলে সাইবার আক্রমণ শুধু তথ্য চুরি নয়; এটি অর্থনীতি, রাষ্ট্রীয় সেবা এবং জননিরাপত্তার ঝুঁকিও তৈরি করতে পারে। জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা সক্ষমতা, সিকিউরিটি অপারেশন সেন্টার, দক্ষ জনবল এবং সমন্বিত প্রতিরক্ষা কাঠামো গড়ে তোলা তাই সমান গুরুত্বপূর্ণ।</p>
<p>টেলিযোগাযোগ খাতেও কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে।</p>
<p>দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল, উপকূল, চরাঞ্চল ও পার্বত্য এলাকায় স্যাটেলাইটভিত্তিক সংযোগ সম্প্রসারণ, বিমানবন্দর রেলস্টেশনে বিনামূল্যে ওয়াই-ফাই, ক্লাউড ডেটা সেন্টার সম্প্রসারণ এবং ভবিষ্যৎ ৫জি অবকাঠামোর প্রস্তুতি ইতিবাচক বার্তা দেয়।</p>
<p>কিন্তু প্রযুক্তির ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে যে বিষয়টি, সেটি হলো ৭০০ মেগাহার্টজ স্পেকট্রাম।</p>
<p>বিশ্বব্যাপী ৭০০ মেগাহার্টজ ব্যান্ডকে ৫জি এবং গ্রামীণ ব্রডব্যান্ড বিস্তারের সবচেয়ে কার্যকর ফ্রিকোয়েন্সি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কম সংখ্যক টাওয়ারে বেশি এলাকা কভার করার সক্ষমতার কারণে এটি বাংলাদেশের মতো ভৌগোলিক বাস্তবতায় বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। ফলে এই স্পেকট্রামের বণ্টন, মূল্য নির্ধারণ, ব্যবহার এবং প্রতিযোগিতামূলক নীতি আগামী দশকের ডিজিটাল অর্থনীতিকে প্রভাবিত করবে। </p>
<p>এই জায়গায় এসে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)-এর ভূমিকা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।</p>
<p>বিটিআরসি কেবল লাইসেন্স প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান নয়; এটি বাজার প্রতিযোগিতা, ভোক্তা অধিকার, স্পেকট্রাম ব্যবস্থাপনা এবং বিনিয়োগ পরিবেশের প্রধান নিয়ন্ত্রক। কিন্তু বহু বছর ধরেই কমিশনের স্বাধীনতা, নীতিগত ধারাবাহিকতা, লাইসেন্সিং প্রক্রিয়া এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।</p>
<p>নতুন সরকার বিটিআরসিকে আরও কার্যকর ও স্বাধীন করার অঙ্গীকার করেছে। তবে বাস্তব পরিবর্তন নির্ভর করবে কমিশনের প্রশাসনিক সক্ষমতা, প্রযুক্তিগত দক্ষতা এবং রাজনৈতিক হস্তক্ষেপমুক্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের ওপর।</p>
<p>একইভাবে জাতীয় টেলিকম নীতিও এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষার মুখে।</p>
<p>নতুন টেলিকম আইন কার্যকর হলেও সংশ্লিষ্ট গাইডলাইন, লাইসেন্সিং কাঠামো, স্পেকট্রাম নীতি, নেটওয়ার্ক শেয়ারিং, অবকাঠামো বিনিয়োগ এবং নতুন প্রযুক্তি বাস্তবায়নের নির্দেশিকা এখনও পুরোপুরি চূড়ান্ত হয়নি। বিনিয়োগকারীরা দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা করতে স্থিতিশীল নীতিগত পরিবেশ চান। নীতির অনিশ্চয়তা বিনিয়োগের গতি কমিয়ে দিতে পারে।</p>
<p>আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—অতীতের জবাবদিহিতা।</p>
<p>বিগত সময়ে টেলিকম ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতে অনিয়ম, লাইসেন্স বাণিজ্য, প্রকল্প ব্যয় এবং স্পেকট্রাম ব্যবস্থাপনা নিয়ে শ্বেতপত্র প্রকাশেই সীমাবদ্ধ রয়েছে। সংস্কার কেবল নতুন প্রকল্প গ্রহণে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না; অতীতের অনিয়মের স্বচ্ছ মূল্যায়ন এবং দায় নির্ধারণও সমান গুরুত্বপূর্ণ।</p>
<p>বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি খাতেও ইতিবাচক পরিবর্তনের ইঙ্গিত রয়েছে। গবেষণা অনুদান বৃদ্ধি, বিজ্ঞান সপ্তাহ আয়োজন, গবেষণা প্রতিষ্ঠানে অর্থায়ন এবং রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে জ্বালানি লোডিং সম্পন্ন হওয়া দেশের বৈজ্ঞানিক সক্ষমতার গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।</p>
<p>সব মিলিয়ে গত পাঁচ মাসে প্রযুক্তি খাতের যাত্রাপথে আশাবাদের যথেষ্ট কারণ রয়েছে। তবে এই অগ্রযাত্রার স্থায়িত্ব নির্ভর করবে চারটি বিষয়ের ওপর—প্রথমত, শক্তিশালী ডেটা সুরক্ষা আইন; দ্বিতীয়ত, সমন্বিত সাইবার নিরাপত্তা; তৃতীয়ত, দ্রুত ও স্বচ্ছ টেলিকম নীতিমালা বাস্তবায়ন; এবং চতুর্থত, বিটিআরসির প্রাতিষ্ঠানিক স্বাধীনতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা।</p>
<p>প্রযুক্তি খাতের ইতিহাস বলছে, বড় পরিবর্তন কেবল নতুন প্রকল্প দিয়ে আসে না; আসে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান, স্বচ্ছ নীতি এবং নাগরিকের আস্থার মাধ্যমে। গত পাঁচ মাসে সরকার সেই যাত্রার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছে। এখন প্রয়োজন সেই ভিত্তির ওপর একটি কার্যকর, নিরাপদ, প্রতিযোগিতামূলক এবং জবাবদিহিতামূলক ডিজিটাল রাষ্ট্র নির্মাণ।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>সরকারের আসন আছে, নাগরিক সমাজের চেয়ার কোথায়?</title>
<link>https://digibanglatech.news/184342</link>
<guid>https://digibanglatech.news/184342</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a5bc8379190f.jpg" length="112141" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 18 Jul 2026 23:39:03 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>চীনের উদ্যোগে গঠিত নতুন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সংস্থা সহযোগিতা, অন্তর্ভুক্তি ও বৈশ্বিক দক্ষিণের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। কিন্তু এর প্রতিষ্ঠা চুক্তিতে নাগরিক সমাজ, শ্রমজীবী মানুষ কিংবা এআইয়ের প্রভাবে সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীর জন্য কোনো প্রাতিষ্ঠানিক আসন রাখা হয়নি।</p>
<p>সাংহাইয়ের মঞ্চে ২৯টি দেশের প্রতিনিধিরা এমন একটি নতুন আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের জন্ম দিলেন, যার লক্ষ্য ভবিষ্যতের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা শাসনব্যবস্থায় প্রভাব বিস্তার করা। সরকারগুলোর আসন ছিল। কূটনীতিকদের স্বাক্ষর ছিল। জাতিসংঘ মহাসচিবও উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>কিন্তু একটি চেয়ার স্পষ্টতই অনুপস্থিত ছিল: নাগরিক সমাজের চেয়ার।</p>
<p>এই অনুপস্থিতি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা শুধু রাষ্ট্রের সঙ্গে রাষ্ট্রের সম্পর্কের বিষয় নয়। এআই এমন শ্রমিকের জীবনে প্রভাব ফেলছে, যাঁর কাজ স্বয়ংক্রিয় হয়ে যেতে পারে; এমন নারীর নিরাপত্তায় হুমকি তৈরি করছে, যিনি প্রযুক্তিনির্ভর সহিংসতার শিকার; এমন শিশুকে প্রভাবিত করছে, যে অস্বচ্ছ অ্যালগরিদমের মুখোমুখি; এমন সাংবাদিককে চ্যালেঞ্জের মধ্যে ফেলছে, যিনি কৃত্রিমভাবে তৈরি অপতথ্য শনাক্ত করছেন; এবং এমন জনগোষ্ঠীর ভাষা ও জ্ঞান ব্যবহার করছে, যাদের মতামত ছাড়াই বাণিজ্যিক মডেল প্রশিক্ষিত হচ্ছে।</p>
<p>এই মানুষগুলো যদি এআইয়ের নিয়ম তৈরির টেবিলে না থাকেন, তবে ‘মানবকেন্দ্রিক শাসন’ শেষ পর্যন্ত মানুষের নামে পরিচালিত হলেও মানুষের অংশগ্রহণহীন শাসনে পরিণত হতে পারে।</p>
<p>একটি নতুন প্রতিষ্ঠান, একটি নতুন বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা</p>
<p>বিশ্ব কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সহযোগিতা সংস্থা বা ওয়াইকো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয় ১৬ জুলাই সাংহাইয়ে। পরদিন শুরু হয় ২০২৬ সালের বিশ্ব কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্মেলন ও বৈশ্বিক এআই শাসনবিষয়ক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক। ২৯টি দেশ ওয়াইকোর প্রতিষ্ঠা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে। সংস্থাটির সদর দপ্তর হবে সাংহাইয়ে।</p>
<p>১৭ থেকে ২০ জুলাই অনুষ্ঠিত বিশ্ব কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্মেলনে শতাধিক দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থার সরকারি প্রতিনিধি, ব্যবসায়ী, গবেষক ও প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা অংশ নিয়েছেন। “উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য এআই অংশীদারত্ব” প্রতিপাদ্যটি আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, উন্মুক্ত উৎস প্রযুক্তি এবং বৈশ্বিক দক্ষিণের সক্ষমতা বৃদ্ধিকে সামনে এনেছে।</p>
<p>এগুলো জরুরি ও যৌক্তিক অগ্রাধিকার। উন্নত কম্পিউটিং সক্ষমতা, মানসম্মত ডেটা, দক্ষ গবেষক এবং শক্তিশালী এআই মডেল এখনো অল্প কয়েকটি দেশ ও প্রতিষ্ঠানের হাতে কেন্দ্রীভূত। এ বৈষম্য কমানো না গেলে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিদ্যমান অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক অসমতাকে আরও গভীর করতে পারে।</p>
<p>ওয়াইকোর প্রতিষ্ঠা চুক্তিতে এআই বিভাজন কমানো, প্রযুক্তিতে প্রবেশাধিকার বাড়ানো, সক্ষমতা উন্নয়ন, জাতীয় কৌশল সমন্বয়, কারিগরি মানদণ্ড, উন্মুক্ত উৎস ইকোসিস্টেম এবং জাতিসংঘের আওতাধীন প্রক্রিয়ার সঙ্গে সহযোগিতার কথা বলা হয়েছে।</p>
<p>উদ্দেশ্যগুলো প্রশংসনীয়। কিন্তু একটি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের বিশ্বাসযোগ্যতা শুধু তার ঘোষিত লক্ষ্য দিয়ে বিচার করা যায় না। দেখতে হয়, তার কাঠামোয় কারা সিদ্ধান্ত নিতে পারেন এবং কারা পারেন না।</p>
<p>ওয়াইকো দ্বিপক্ষীয় নয়, কিন্তু বহুপক্ষীয় অংশীজনভিত্তিকও নয়। </p>
<p>ওয়াইকোকে দ্বিপক্ষীয় নাকি বহুপক্ষীয় অংশীজনভিত্তিক প্রক্রিয়া বলা হবে, এই প্রশ্নে প্রথমেই একটি ধারণাগত পার্থক্য পরিষ্কার করা দরকার।</p>
<p>ওয়াইকো দ্বিপক্ষীয় নয়। দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা মূলত দুটি রাষ্ট্রের মধ্যে হয়ে থাকে। ওয়াইকো একাধিক সার্বভৌম রাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক চুক্তির মাধ্যমে গঠিত একটি বহুপাক্ষিক আন্তঃসরকারি সংস্থা।</p>
<p>কিন্তু বহুপাক্ষিকতা আর বহুপক্ষীয় অংশীজনভিত্তিক শাসন এক বিষয় নয়।</p>
<p>বহুপাক্ষিকতা সাধারণত রাষ্ট্রগুলোর পারস্পরিক সহযোগিতাকে বোঝায়। বহুপক্ষীয় অংশীজনভিত্তিক শাসনব্যবস্থায় রাষ্ট্রের পাশাপাশি নাগরিক সমাজ, বেসরকারি খাত, বিশ্ববিদ্যালয়, প্রযুক্তি সম্প্রদায়, শ্রমিক সংগঠন এবং ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিরাও একটি কাঠামোবদ্ধ ও ধারাবাহিক ভূমিকা রাখেন।</p>
<p>ওয়াইকোর প্রতিষ্ঠা চুক্তি অনুযায়ী এটি বর্তমানে প্রথম ধরনের প্রতিষ্ঠান।</p>
<p>চুক্তিতে দুটি প্রধান অঙ্গের কথা বলা হয়েছে: পরিষদ ও সচিবালয়। প্রতিটি সদস্যরাষ্ট্র পরিষদের সদস্য হবে এবং একটি করে ভোট পাবে। পরিষদই নীতিমালা, বাজেট, সদস্যপদ, নিয়োগ, কর্মপরিকল্পনা ও কার্যকরী দল গঠনের সিদ্ধান্ত নেবে।</p>
<p>অসদস্য রাষ্ট্র ও আন্তঃসরকারি আন্তর্জাতিক সংস্থাকে পর্যবেক্ষক করা যেতে পারে। কিন্তু নাগরিক সমাজ, বিশ্ববিদ্যালয়, স্বাধীন গবেষক, শ্রমিক সংগঠন, কমিউনিটি প্রতিনিধি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের জন্য সমতুল্য পর্যবেক্ষক মর্যাদা নিশ্চিত করা হয়নি।</p>
<p>চুক্তিতে সরকার, কোম্পানি, ব্যক্তি ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের অনুদান গ্রহণের সুযোগ রাখা হয়েছে। কিন্তু অর্থ দেওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও শাসনব্যবস্থায় অংশগ্রহণের অধিকার নিশ্চিত করা হয়নি।</p>
<p>অতএব, বর্তমান কাঠামোয় ওয়াইকো বহুপাক্ষিক হলেও অর্থবহভাবে বহুপক্ষীয় অংশীজনভিত্তিক নয়।</p>
<p>‘সবার জন্য’ এআই, কিন্তু সবাই কি টেবিলে আছে?</p>
<p>এই পার্থক্য কেবল পরিভাষার বিষয় নয়।</p>
<p>সাংহাই সম্মেলনের ঘোষণায় মানবকেন্দ্রিকতা, ন্যায়সংগততা, অন্তর্ভুক্তি, সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য, শ্রমিকের অধিকার, ডেটা নিরাপত্তা এবং সহযোগিতামূলক শাসনের কথা বলা হয়েছে। এআইকে মানবনিয়ন্ত্রণে রাখা এবং বৈশ্বিক দক্ষিণকে প্রযুক্তি উন্নয়ন ও নীতিনির্ধারণে সমান সুযোগ দেওয়ার কথাও উঠে এসেছে।</p>
<p>এসব প্রতিশ্রুতি গুরুত্বপূর্ণ। তবে একটি প্রতিষ্ঠানকে শুধু তার ভাষা দিয়ে নয়, কে তার এজেন্ডা নির্ধারণ করে, কে কাজ পর্যালোচনা করে এবং কে সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করতে পারে, তা দিয়েও বিচার করতে হয়।</p>
<p>শুধু সরকারকেন্দ্রিক কাঠামো কয়েকটি ঝুঁকি তৈরি করে।</p>
<p>প্রথমত, সরকারের কাছে সব ধরনের প্রয়োজনীয় জ্ঞান থাকে না। এআই ব্যবস্থার প্রযুক্তিগত মূল্যায়নের দক্ষতা গবেষক, প্রকৌশলী, কোম্পানি এবং স্বাধীন পরীক্ষাগারের কাছেও থাকে। সামাজিক ক্ষতির বাস্তব প্রমাণ অনেক সময় সাংবাদিক, মানবাধিকার সংগঠন, ট্রেড ইউনিয়ন, নারী সংগঠন এবং স্থানীয় কমিউনিটির হাতে থাকে।</p>
<p>দ্বিতীয়ত, সরকার এআইয়ের নিরপেক্ষ পর্যবেক্ষক নয়। সরকার নিজেই এআই ক্রয়, উন্নয়ন ও ব্যবহার করে। আইনশৃঙ্খলা, সামাজিক সুরক্ষা, অভিবাসন, শিক্ষা ও নজরদারিতে অ্যালগরিদম ব্যবহৃত হতে পারে। কেবল সরকার নিয়ে গঠিত একটি সংস্থা সদস্যরাষ্ট্রের নিজস্ব অপব্যবহার বা ব্যর্থতা নিয়ে কতটা স্বাধীনভাবে প্রশ্ন তুলবে, সেটি গুরুত্বপূর্ণ।</p>
<p>তৃতীয়ত, রাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্ব সব সময় মানুষের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করে না। একটি সরকার আন্তর্জাতিকভাবে একটি দেশের পক্ষে কথা বলতে পারে, কিন্তু দেশের ভেতরে গ্রামীণ জনগোষ্ঠী, সংখ্যালঘু ভাষাভাষী মানুষ, শ্রমিক, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি বা অ্যালগরিদমিক বৈষম্যের শিকার নাগরিকদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত নাও করতে পারে।</p>
<p>চতুর্থত, কোনো সম্মেলনে উপস্থিত থাকা আর প্রাতিষ্ঠানিক ক্ষমতা থাকা এক নয়। ব্যবসায়ী, গবেষক বা নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি বিশ্ব কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্মেলনে বক্তব্য দিতে পারেন। কিন্তু তাতে তাঁরা ওয়াইকোর এজেন্ডা প্রস্তাব, বাজেট পর্যালোচনা, মানদণ্ড যাচাই বা সিদ্ধান্ত গ্রহণে অংশ নিতে পারবেন, এমন নিশ্চয়তা তৈরি হয় না।</p>
<p>আমন্ত্রণনির্ভর অংশগ্রহণ নিরাপদ অংশগ্রহণ নয়। সমালোচনামূলক কণ্ঠকে বাদ দেওয়া কিংবা কেবল অনুগত সংগঠনকে আমন্ত্রণ জানানোর সুযোগ সেখানে থেকেই যায়।</p>
<p>আন্তঃসরকারি কাঠামো নিজেই সমস্যা নয়</p>
<p>এখানে একটি ভারসাম্য জরুরি। আন্তঃসরকারি প্রতিষ্ঠান মানেই অগণতান্ত্রিক বা অগ্রহণযোগ্য, এমন নয়।</p>
<p>চুক্তি করা, আর্থিক দায় গ্রহণ এবং জাতীয় স্বার্থ প্রতিনিধিত্ব করার আইনগত ক্ষমতা রাষ্ট্রের রয়েছে। বহু আন্তর্জাতিক সংস্থা রাষ্ট্রীয় নেতৃত্ব ছাড়া কার্যকর হতে পারে না। বৈশ্বিক দক্ষিণের দেশগুলোরও যৌক্তিক উদ্বেগ আছে, যাতে আন্তর্জাতিক এআই শাসনব্যবস্থা কেবল বড় প্রযুক্তি কোম্পানি কিংবা কয়েকটি ধনী দেশের নিয়ন্ত্রণে না যায়।</p>
<p>বহুপক্ষীয় অংশীজনভিত্তিক মডেলও সব সময় সমান বা ন্যায়সংগত হয় না। বড় কোম্পানিগুলো বৃহৎ প্রতিনিধিদল, অর্থ, প্রযুক্তিগত দক্ষতা ও সরাসরি যোগাযোগের সুবিধা নিয়ে হাজির হয়। অন্যদিকে, ছোট নাগরিক সংগঠন অনেক সময় কেবল প্রতীকী উপস্থিতিতে সীমাবদ্ধ থাকে।</p>
<p>তাই সমাধান সরকারকে সরিয়ে কোম্পানি বা এনজিওকে বসানো নয়। সমাধান হলো রাষ্ট্রের আইনগত কর্তৃত্ব বজায় রেখে নাগরিক সমাজ, বিজ্ঞানী, শ্রমিক ও ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণকে প্রাতিষ্ঠানিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া।</p>
<p>প্রশ্নটি সরকার নেতৃত্ব দেবে কি না, তা নয়। প্রশ্ন হলো সরকার একাই শাসন করবে কি না।</p>
<p>জাতিসংঘের প্রক্রিয়ার সঙ্গে পার্থক্য</p>
<p>ওয়াইকোর প্রতিষ্ঠা চুক্তিতে জাতিসংঘের আওতাধীন এআই শাসন প্রক্রিয়ার সঙ্গে সমন্বয়ের কথা বলা হয়েছে। কিন্তু ওয়াইকো জাতিসংঘের কোনো অঙ্গ নয়। জাতিসংঘ মহাসচিবের প্রতিষ্ঠা অনুষ্ঠানে উপস্থিতি সংস্থাটিকে জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠানেও পরিণত করে না।</p>
<p>জাতিসংঘের বৈশ্বিক এআই শাসন সংলাপে ১৯৩টি সদস্যরাষ্ট্রের পাশাপাশি নাগরিক সমাজ, বেসরকারি খাত, একাডেমিয়া ও প্রযুক্তি সম্প্রদায়ের অংশগ্রহণের ব্যবস্থা রয়েছে। এই অংশগ্রহণ নিখুঁত নয় এবং সবার সমান ভোটাধিকারও নেই। তবু সেখানে একটি নীতি স্বীকৃত হয়েছে: এআই শাসন শুধু সরকারি মন্ত্রণালয়ের জ্ঞান ও বৈধতার ওপর নির্ভর করতে পারে না।</p>
<p>ওয়াইকো যদি সত্যিই বৈশ্বিক সহযোগিতাকে শক্তিশালী করতে চায়, তবে তাকে জাতিসংঘের সর্বজনীন প্রক্রিয়ার পরিপূরক হতে হবে, প্রতিদ্বন্দ্বী বলয় তৈরির মাধ্যম নয়।</p>
<p>ভূরাজনৈতিক ঝুঁকি</p>
<p>ওয়াইকোর জন্ম এমন এক সময়, যখন চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে প্রযুক্তি, সরবরাহব্যবস্থা, চিপ, ক্লাউড অবকাঠামো ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ড নিয়ে প্রতিযোগিতা তীব্র হচ্ছে।</p>
<p>চীন নিজেকে উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য তুলনামূলকভাবে উন্মুক্ত অংশীদার হিসেবে তুলে ধরছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপও নিজেদের প্রযুক্তি অংশীদারত্ব ও নীতিগত কাঠামো বিস্তৃত করছে।</p>
<p>এই প্রতিযোগিতা বৈশ্বিক দক্ষিণের জন্য সুযোগ তৈরি করতে পারে। দেশগুলো প্রশিক্ষণ, বিনিয়োগ, কম্পিউটিং সুবিধা এবং দর-কষাকষির নতুন ক্ষেত্র পেতে পারে। একই সঙ্গে বিশ্ব প্রতিদ্বন্দ্বী প্রযুক্তি বলয়ে বিভক্ত হওয়ার ঝুঁকিও আছে।</p>
<p>এখানেই নাগরিক সমাজের অংশগ্রহণ জরুরি। সরকার হয়তো কোনো প্রযুক্তি অংশীদারত্বকে বিনিয়োগ, কূটনীতি বা জাতীয় নিরাপত্তার দৃষ্টিতে দেখবে। নাগরিক সমাজ ভিন্ন প্রশ্ন তুলতে পারে: এই প্রযুক্তি কি নজরদারি বাড়াবে? তথ্যের মালিক কে হবে? নাগরিক কি স্বয়ংক্রিয় সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রতিকার পাবেন? স্থানীয় গবেষকরা কি সক্ষমতা অর্জন করবেন, নাকি দেশটি বিদেশি সরবরাহকারীর ওপর আরও নির্ভরশীল হবে?</p>
<p>এসব প্রশ্ন বাদ পড়লে ওয়াইকো বৈশ্বিক সহযোগিতার বদলে ভূরাজনৈতিক অবস্থান গ্রহণের প্ল্যাটফর্মে পরিণত হতে পারে।</p>
<p>করণীয়: নাগরিক সমাজকে কাঠামোর ভেতরে আনতে হবে</p>
<p>ওয়াইকোর কার্যপ্রণালি স্থায়ীভাবে গড়ে ওঠার আগেই এই ঘাটতি পূরণের সুযোগ রয়েছে।</p>
<p>প্রথমত, পরিষদের অধীনে একটি স্থায়ী নাগরিক সমাজ ও জনস্বার্থ ফোরাম গঠন করতে হবে। এটি যেন সম্মেলনের পার্শ্ব-অনুষ্ঠান না হয়। ফোরামকে সুপারিশ জমা, এজেন্ডা প্রস্তাব, প্রকাশ্য নথি পর্যালোচনা এবং পরিষদের বৈঠকে বক্তব্য দেওয়ার অধিকার দিতে হবে।</p>
<p>দ্বিতীয়ত, অংশগ্রহণ শুধু বড় আন্তর্জাতিক এনজিওতে সীমাবদ্ধ রাখা যাবে না। স্থানীয় সংগঠন, কমিউনিটি মিডিয়া, ট্রেড ইউনিয়ন, নারী অধিকার সংগঠন, যুব নেটওয়ার্ক, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সংগঠন, ভোক্তা অধিকারকর্মী এবং ভাষাগত ও সাংস্কৃতিক জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিদের অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।</p>
<p>তৃতীয়ত, প্রতিনিধি নির্বাচনে স্বচ্ছতা, আঞ্চলিক ভারসাম্য, লিঙ্গসমতা এবং অংশীজন বৈচিত্র্য নিশ্চিত করতে হবে। শুধু সরকারপন্থী সংগঠন বেছে নেওয়ার সুযোগ থাকা উচিত নয়।</p>
<p>চতুর্থত, স্বাধীন বৈজ্ঞানিক, মানবাধিকার ও সামাজিক প্রভাববিষয়ক পরামর্শক ব্যবস্থা গঠন করতে হবে। সদস্যরাষ্ট্র বা প্রযুক্তি কোম্পানির সমালোচনা থাকলেও তাদের প্রতিবেদন প্রকাশ করতে হবে।</p>
<p>পঞ্চমত, খসড়া মানদণ্ড ও নীতিগত সুপারিশ গ্রহণের আগে জনপরামর্শ করতে হবে। বৈঠকের এজেন্ডা, বাজেট, বড় অনুদান, স্বার্থের সংঘাত এবং বাস্তবায়ন প্রতিবেদনও প্রকাশযোগ্য হতে হবে।</p>
<p>ষষ্ঠত, এআই ব্যবস্থার ক্ষতি, বৈষম্য বা অপব্যবহারের অভিযোগ জানানোর একটি আনুষ্ঠানিক ব্যবস্থা থাকতে হবে। জবাবদিহির পথ ছাড়া অংশগ্রহণ অর্থহীন।</p>
<p>বাংলাদেশেরও প্রশ্ন তোলা উচিত</p>
<p>বাংলাদেশের জন্য প্রশ্নটি শুধু ওয়াইকোতে যোগ দেওয়া হবে কি না, তা নয়। প্রশ্ন হলো, বাংলাদেশ কেমন একটি ওয়াইকো দেখতে চায় এবং সেখানে কী পরিবর্তনের পক্ষে অবস্থান নেবে।</p>
<p>সদস্যপদ বিবেচনার আগে সরকারকে জাতীয় পর্যায়ে বহুপক্ষীয় অংশীজন পরামর্শ আয়োজন করতে হবে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিশ্ববিদ্যালয়, প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান, নাগরিক সমাজ, কমিউনিটি মিডিয়া, শ্রমিক, নারী, তরুণ ও স্বাধীন গবেষকদের এতে যুক্ত করতে হবে।</p>
<p>চুক্তির আইনি বাধ্যবাধকতা, আর্থিক চাঁদা, ভোটব্যবস্থা, স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং জাতিসংঘের সঙ্গে সম্পর্ক পর্যালোচনা করা প্রয়োজন। পাশাপাশি বাংলাদেশকে নির্ধারণ করতে হবে, সদস্যপদের বিনিময়ে দেশ কী চাইবে: সাশ্রয়ী কম্পিউটিং সুবিধা, বাংলা ও আঞ্চলিক ভাষার এআই, গবেষণা সহযোগিতা, জনস্বার্থভিত্তিক অবকাঠামো, শক্তিশালী ডেটা সুরক্ষা এবং কৃষি, স্বাস্থ্য, জলবায়ু ও দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রযুক্তিগত সহায়তা।</p>
<p>বাংলাদেশ ওয়াইকোর ভেতরে বৈশ্বিক দক্ষিণের নাগরিক সমাজের জন্য আনুষ্ঠানিক অংশগ্রহণ কাঠামোর প্রস্তাবও দিতে পারে। এতে দেশটি শুধু সক্ষমতা সহায়তার সম্ভাব্য গ্রহীতা নয়, প্রতিষ্ঠানের নকশা গঠনের অংশীদার হিসেবেও আবির্ভূত হবে।</p>
<p>দ্রুত সদস্য হওয়া কূটনৈতিক দৃশ্যমানতা দিতে পারে। কিন্তু চিন্তাশীল শর্ত ও জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে যোগদান দীর্ঘমেয়াদি মূল্য সৃষ্টি করতে পারে।</p>
<p>‘সবার জন্য এআই’-এর প্রকৃত পরীক্ষা</p>
<p>ওয়াইকো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান হয়ে উঠতে পারে। উন্নয়ন, সক্ষমতা বৃদ্ধি ও প্রযুক্তিতে অসম প্রবেশাধিকারের প্রশ্নকে সামনে আনার মধ্যে এর বড় সম্ভাবনা রয়েছে। উন্নয়নশীল দেশগুলোর শুধু নৈতিক ঘোষণা নয়, কম্পিউটিং শক্তি, দক্ষ জনবল, গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে প্রভাব প্রয়োজন।</p>
<p>কিন্তু একটি প্রতিষ্ঠানের বৈধতা শুধু প্রতিষ্ঠা চুক্তির পেছনে কতটি দেশের পতাকা রয়েছে, তা দিয়ে নির্ধারিত হয় না।</p>
<p>কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মানুষকে শ্রেণিবিন্যাস করে, তাদের সম্পর্কে সিদ্ধান্তের সুপারিশ দেয়, আচরণ পূর্বানুমান করে এবং তথ্য ও সুযোগে প্রবেশাধিকার প্রভাবিত করে। তাই সেই মানুষদেরও এর শাসনে অংশ নিতে হবে।</p>
<p>নাগরিক সমাজের জন্য একটি চেয়ার কোনো অলংকার নয়। এটি প্রমাণ করবে, ‘সবার কল্যাণে এআই’ বলতে মানুষকে শুধু সুবিধাভোগী, ব্যবহারকারী কিংবা ডেটার উৎস হিসেবে দেখা হচ্ছে না; বরং সিদ্ধান্ত গ্রহণে অধিকারসম্পন্ন অংশীদার হিসেবেও স্বীকৃতি দেওয়া হচ্ছে।</p>
<p>ওয়াইকো রাষ্ট্রগুলোর জন্য টেবিল তৈরি করেছে। এখন তার সামনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন: সমাজের জন্য কি সেখানে জায়গা হবে?     </p>
<hr>
<p><strong>লেখকঃ </strong>ডিজিটাল গণতন্ত্র, তথ্যের অখণ্ডতা ও গণমাধ্যম উন্নয়ন নীতিবিষয়ক বিশেষজ্ঞ; দায়িত্বশীল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স বিষয়ক অ্যাম্বাসেডর।</p>
<hr><hr>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>সাইবার হামলায় আক্রান্ত চ্যানেল ওয়ানের ফেসবুক পেইজ</title>
<link>https://digibanglatech.news/184308</link>
<guid>https://digibanglatech.news/184308</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a5b76030d973.jpg" length="103217" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 18 Jul 2026 17:08:25 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="19">স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমকে নিয়ে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রচারের পরপরই বেসরকারি টেলিভিশন মাধ্যম চ্যানেল ওয়ানের অফিশিয়াল ফেসবুক পেইজে ভয়াবহ সাইবার হামলা চালানো হয়েছে। একই সাথে প্রতিষ্ঠানটির অফিশিয়াল ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টটিও (channelonenewsbd) হ্যাক করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে জানা গেছে। চ্যানেল ওয়ানের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হওয়ার পর থেকে এই আক্রমণ শুরু হয়।</p>
<p data-path-to-node="19">সূত্র বলছে, ‘আনন্দবার্তা’ এবং ‘আলি খান’ নামে দুটি পেজ থেকে ভুয়া কপিরাইট দাবি করে মূল প্রতিবেদনটি ফেসবুক থেকে ব্লক করে দেওয়া হয়েছে। চ্যানেল ওয়ান কর্তৃপক্ষ মনে করে, নিজস্ব প্রতিবেদনের ওপর অন্যের ভুয়া কপিরাইট দাবি ও কন্টেন্ট ব্লক করার এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার পেছনে একটি বড় ধরনের ষড়যন্ত্র কাজ করছে।</p>
<p data-path-to-node="20">১৮ জুলাই, শনিবার এই সাইবার হামলার বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছেন চ্যানেল ওয়ানের এডিটর ইন চিফ নাজমুল আশরাফ। এর আগে গত ১৭ জুলাই, শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টার ওয়ান বুলেটিমে ‘নীতি-নৈতিকতা ভেঙে সরকারের সাথে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রীর ব্যবসা; তিনটি মন্ত্রণালয়ে ঠিকাদারি’ শিরোনামে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রচারিত হয়েছিল।</p>
<p data-path-to-node="21">অনুসন্ধানী ওই প্রতিবেদনে সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে মীর শাহে আলমের ঠিকাদারি কাজ নিয়ে বিস্তারিত তথ্য-প্রমাণ তুলে ধরা হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, এসব ঠিকাদারির মধ্যে প্রতিমন্ত্রীর নিজের মন্ত্রণালয়ের কাজও রয়েছে। শুধু তাই নয়, প্রতিমন্ত্রী হওয়ার পরে সরকারের কাছ থেকে তিনি প্রায় ৪০ কোটি টাকার কাজ নিয়েছেন, যা সংবিধান ও নীতিবহির্ভূত বলে আইনবিদ ও সংশ্লিষ্টরা স্পষ্ট মত দিয়েছেন। অনুসন্ধানে দেখা যায়, সংঘবদ্ধ চক্রটি ভুয়া কপিরাইট দাবির পাশাপাশি সংবাদের ফটোকার্ডটিও সরিয়ে ফেলেছে। এরপর রাতভর বট অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে চ্যানেল ওয়ানের বিভিন্ন কনটেন্টে অনবরত রিপোর্ট করা হয়। বিশেষ করে মীর শাহে আলম সংক্রান্ত নতুন কোনো পোস্ট দিলেই ফেসবুকে গণরিপোর্ট করা হচ্ছে। ভুয়া কপিরাইটের অভিযোগে কয়েকটি খবর, কার্ড এমনকি ফেসবুক পেইজের প্রোফাইল ও কাভার ছবিতেও স্ট্রাইক দেওয়া হয়েছে, যার মূল উদ্দেশ্য চ্যানেল ওয়ানের ফেসবুক পেইজটি স্থায়ীভাবে বন্ধ করে দেওয়া। ১৮ জুলাই শনিবার বিকালে সাইবার হামলাসম্পর্কিত খবরটিও ফেসবুক পেজ থেকে সরিয়ে ফেলা হয়।</p>
<p data-path-to-node="22">চ্যানেল ওয়ান এডিটর ইন চিফ নাজমুল আশরাফ বলেন, "স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রীর ঠিকাদারি ব্যবসা নিয়ে করা প্রতিবেদনটি সাংবাদিকতার সকল নিয়ম ও নীতি-নৈতিকতা মেনে তৈরি করা হয়েছে। সুতরাং প্রতিবেদনটির বিষয়ে কারো কোনো বক্তব্য থাকলে নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে সেটির প্রতিবাদ করার সুযোগ রয়েছে। কিন্তু প্রচলিত পথে না গিয়ে সাইবার আক্রমণ চালিয়ে গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধ করার চেষ্টা করা হচ্ছে।"</p>
<p data-path-to-node="22">চ্যানেল ওয়ান কর্তৃপক্ষ এমন ‘কাপুরুষোচিত’ আচরণের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে এবং ফেসবুক পেজের ওপর পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার জন্য কারিগরি দল কাজ করে যাচ্ছে বলে নিশ্চিত করেছে।<br>/<strong>/ডিবিটেক/ এসআই/এসএমই/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ঝালকাঠির কাঁঠালিয়ায় মাধ্যমিক শিক্ষার্থীদের কম্পিউটার প্রশিক্ষণ শুরু</title>
<link>https://digibanglatech.news/184284</link>
<guid>https://digibanglatech.news/184284</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;5,0,0&quot;&gt;ঝালকাঠির কাঁঠালিয়ায় মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের তথ্যপ্রযুক্তিতে দক্ষ করতে তিন দিনব্যাপী কম্পিউটার প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;5,1,0&quot;&gt;বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের অধীনে দেশের ৫২০টি নির্বাচিত মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এই কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;5,2,0&quot;&gt;প্রশিক্ষণ শেষে প্রতিটি শিক্ষার্থীকে নগদ অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে আর্থিক ভাতা প্রদান করা হবে&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a5b457236617.jpg" length="69340" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 18 Jul 2026 13:21:31 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>কম্পিউটার, প্রশিক্ষণ, শিক্ষার্থী, তথ্যপ্রযুক্তি, কাঁঠালিয়া, বিসিসি, নগদ, স্কুল, ল্যাব</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="9">ঝালকাঠির কাঁঠালিয়ায় মাধ্যমিক শিক্ষার্থীদের তথ্যপ্রযুক্তিতে দক্ষ করে তুলতে তিন দিনব্যাপী কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি) বাস্তবায়িত 'তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশের নগর ও গ্রামের জীবনযাত্রার আধুনিকীকরণ' প্রকল্পের আওতায় এই কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে।</p>
<p data-path-to-node="10">১৮ জুলাই, শনিবার সকাল ৯টায় মরিচবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের কম্পিউটার ল্যাবে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মরিচবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক লিয়াকত আলী জমাদ্দার।</p>
<p data-path-to-node="12">বক্তারা বলেন, বর্তমান যুগ তথ্যপ্রযুক্তির যুগ। স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে আমাদের শিক্ষার্থীদের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি তথ্যপ্রযুক্তিতে দক্ষ হওয়া অপরিহার্য। এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা কম্পিউটারের মৌলিক বিষয়, ইন্টারনেট ব্যবহার এবং ডিজিটাল নিরাপত্তার বিষয়ে বাস্তবমুখী জ্ঞান অর্জন করতে পারবে, যা তাদের ভবিষ্যতে দক্ষ নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সাহায্য করবে। প্রশিক্ষণে প্রতিটি বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণীর মোট ৩০ জন শিক্ষার্থীকে ১৫ ঘণ্টা ব্যাপী প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে এবং প্রত্যেককে ৬৫০ টাকা হারে আর্থিক সেবা নগদের মাধ্যমে শিক্ষার্থীর প্রদত্ত হিসাব নম্বরে প্রদান করা হবে। পর্যায়ক্রমে উপজেলার কাঁঠালিয়া সরকারি পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়, চেঁচরীরমপুর বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, বলতলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কে বি কে মাধ্যমিক বিদ্যালয়সহ পাঁচটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৩০ জন করে মোট ১৫০ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে।</p>
<p data-path-to-node="12">এসময় শিক্ষার্থীদের এই সুযোগের সঠিক ব্যবহারের আহ্বান জানান প্রধানশিক্ষক লিয়াকত আলী জমাদ্দার।<br>/<strong>/ডিবিটেক/ টিএনও/এমএসআই/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>অনুদান যখন স্টার্টআপের: চাই নীতিগত স্পষ্টতা ও স্বচ্ছতা</title>
<link>https://digibanglatech.news/184276</link>
<guid>https://digibanglatech.news/184276</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;5,0,0&quot;&gt;প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন ও দ্রুত সম্প্রসারণযোগ্য &#039;স্টার্টআপ&#039; এবং প্রথাগত ফেসবুক পেজ-ভিত্তিক &#039;ক্ষুদ্র ব্যবসা (SME)&#039;-এর মধ্যকার প্রাতিষ্ঠানিক তফাত স্পষ্টিকরণ&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;5,1,0&quot;&gt;রাষ্ট্রীয় আইসিটি বাজেট বরাদ্দে নিরপেক্ষ জুরি বোর্ড, ওপেন-ডেটা পলিসি এবং ডেটা-চালিত মূল্যায়ন নিশ্চিতকরণের প্রস্তাব&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;5,2,0&quot;&gt;অ-প্রযুক্তিগত খাতে আইটি বাজেট ব্যবহারজনিত তরুণ উদ্যোক্তাদের হতাশা দূর করে বৈশ্বিক বিনিয়োগ আকর্ষণের পরিবেশ তৈরি &lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a5b2f2d1d1c4.jpg" length="80781" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 18 Jul 2026 10:46:27 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>স্টার্টআপ, ক্ষুদ্র ব্যবসা, আইসিটি অনুদান, প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন, স্মার্ট ইকোনমি, ইকোসিস্টেম, স্বচ্ছতা</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="8">সম্প্রতি দেশের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং ই-commerce ইকোসিস্টেমে সরকারি তহবিল বণ্টন নিয়ে বেশ জোরদার ও গঠনমূলক আলোচনা চলছে। আইসিটি বিভাগ ও স্টার্টআপ বাংলাদেশ-এর বিশেষায়িত তহবিল থেকে একটি প্রথাগত ফেসবুক পেজ-ভিত্তিক বুটিক উদ্যোগকে বড় অঙ্কের অনুদান দেওয়ার ঘটনাটি দেশের প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ও নীতিনির্ধারকদের মাঝে তীব্র কৌতুহলের জন্ম দিয়েছে। একজন সচেতন নাগরিক ও নীতি গবেষক হিসেবে এই আলোচনাকে কেবলই নেতিবাচক সমালোচনা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই; বরং একে আমাদের এন্ট্রাপ্রেনিউরশিপ ইকোসিস্টেমের দীর্ঘমেয়াদি নীতিগত সংস্কারের একটি অনন্য সুযোগ হিসেবে নেওয়া উচিত। এই ঘটনাটি মূলত একটি প্রকৃত প্রযুক্তিগত ও দ্রুত সম্প্রসারণযোগ্য (Scalable) "স্টার্টআপ" এবং একটি প্রশংসনীয় ও ঐতিহ্যবাহী "ক্ষুদ্র ব্যবসা (SME)"-এর মধ্যকার সংজ্ঞাগত তফাত নীতিনির্ধারণী স্তরে আরও স্পষ্ট করার তাগিদ দেয়।</p>
<h3 data-path-to-node="9">১. স্টার্টআপ বনাম সাধারণ ব্যবসা: মূল পার্থক্য যেখানে</h3>
<p data-path-to-node="10">দেশের ব্যবসা-বান্ধব পরিবেশ তৈরি করতে এবং তরুণদের উদ্ভাবনী চিন্তাকে বৈশ্বিক পর্যায়ে নিয়ে যেতে রাষ্ট্র বরাবরই আন্তরিক। তবে এই সদ্বিচ্ছাকে শতভাগ সফল করতে হলে ‘স্টার্টআপ’ এবং ‘ঐতিহ্যবাহী ক্ষুদ্র উদ্যোগ’-এর সীমারেখা স্পষ্ট হওয়া জরুরি।</p>
<p data-path-to-node="11">আমাদের ঐতিহ্যবাহী জামদানি বা হস্তশিল্পকে টিকিয়ে রাখার চেষ্টা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। কিন্তু এই উদ্যোগগুলো মূলত ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (SME), যেখানে প্রযুক্তির ব্যবহার সাধারণত ফেসবুক বা অন্যান্য সামাজিক মাধ্যমে ছবি পোস্ট, যোগাযোগ কিংবা অর্ডার নেওয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ।</p>
<p data-path-to-node="12">অন্যদিকে, একটি প্রকৃত স্টার্টআপের মূল চালিকাশক্তি হলো 'প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন' এবং জ্যামিতিক হারে ব্যবসা বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দেওয়ার ক্ষমতা (Scalability)। উদাহরণস্বরূপ, যদি কোনো উদ্যোক্তা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) চালিত এমন কোনো লজিস্টিকস প্ল্যাটফর্ম বা ফিনটেক সলিউশন তৈরি করেন, যা দেশের হাজার হাজার প্রান্তিক তাঁতিকে মধ্যস্বত্বভোগী ছাড়া সরাসরি বৈশ্বিক ক্রেতাদের সাথে যুক্ত করতে পারে, তবে সেটি একটি প্রকৃত স্টার্টআপ। প্রথমটির মূল আকর্ষণ পণ্যের নিজস্ব শৈলী, আর দ্বিতীয়টির প্রাণ হলো সম্পূর্ণ নতুন ও প্রযুক্তিগত সমাধান। প্রথাগত ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের প্রয়োজন সহজ শর্তে ঋণ ও বিপণন সহায়তা, যা বিসিক বা এসএমই ফাউন্ডেশন দিতে পারে। আইসিটি বিভাগের কারিগরি অনুদান তাদের মূল ব্যবসায়িক মডেলে কোনো কাঠামোগত পরিবর্তন আনে না। তাই এই দুই খাতের সরকারি সহায়তার উইন্ডো সম্পূর্ণ আলাদা হওয়া প্রয়োজন।</p>
<h3 data-path-to-node="13">২. মূল্যায়ন প্রক্রিয়া যেভাবে আরও নিখুঁত হতে পারত</h3>
<p data-path-to-node="14">জনগণের করের টাকায় গঠিত রাষ্ট্রীয় তহবিল বণ্টন প্রক্রিয়াটি সবার কাছে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও প্রশ্নাতীত হওয়া বাঞ্ছনীয়। যখন একটি প্রাথমিক পর্যায়ের ফেসবুক পেজ-ভিত্তিক বুটিক উদ্যোগ আইসিটি বিভাগের বিশেষায়িত তহবিল পায়, তখন মাঠপর্যায়ের কঠোর পরিশ্রমী আইটি উদ্যোক্তাদের মনে কিছু যৌক্তিক প্রশ্ন জাগে:</p>
<ul data-path-to-node="15">
<li>
<p data-path-to-node="15,0,0">ডেটা-ভিত্তিক মূল্যায়ন: অনুদান দেওয়ার আগে প্রতিষ্ঠানটির প্রকৃত ট্রাফিক, মাসিক ইউনিক ইউজার, কারিগরি সক্ষমতা এবং কর্মসংস্থানে তার দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব বৈজ্ঞানিক উপায়ে যাচাই করা হয়েছিল কি না?</p>
</li>
<li>
<p data-path-to-node="15,1,0">স্বার্থের সংঘাত ও স্বজনপ্রীতি এড়ানো: রাষ্ট্রীয় তহবিল বরাদ্দে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ ও স্বাধীন একটি জুরি বোর্ডের মূল্যায়ন নিশ্চিত করা গেলে তা দুর্নীতির বিরুদ্ধে ঘোষিত নীতিকেই সাধারণ মানুষের কাছে আরও উজ্জ্বল করে তোলে।</p>
</li>
<li>
<p data-path-to-node="15,2,0">বাজেটের সঠিক ব্যবহার: আইসিটি বিভাগের বিশেষায়িত বাজেট অ-প্রযুক্তিগত উদ্যোগে ব্যবহৃত হলে তা মূল আইটি সেক্টরের গবেষণা ও নতুন উদ্ভাবনের সুযোগকে সংকুচিত করে ফেলে। হস্তশিল্প বা ঐতিহ্যবাহী পণ্যের দেখভালের জন্য বিসিক (BSCIC) বা তাঁত বোর্ডই সবচেয়ে উপযুক্ত।</p>
</li>
</ul>
<h3 data-path-to-node="16">৩. তরুণ উদ্যোক্তা ও ইকোসিস্টেমে এর প্রভাব</h3>
<p data-path-to-node="17">আমাদের আইটি ইকোসিস্টেমের ভিত্তি গড়তে বিগত বছরগুলোতে দারুণ কিছু কাজ হয়েছে। তবে সামান্য তদারকিগত সমন্বয়হীনতার কারণে যেন এই অর্জন ম্লান না হয়, সে বিষয়ে সতর্ক হওয়া প্রয়োজন:</p>
<ul data-path-to-node="18">
<li>
<p data-path-to-node="18,0,0">তরুণদের আস্থা রক্ষা ও মেধাপাচার রোধ: মেধাবী তরুণরা যখন ল্যাবে দিনরাত এক করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ব্লকচেইন কিংবা লজিস্টিকস প্ল্যাটফর্ম বানায়, তারা দেশের ভবিষ্যতের সহযাত্রী হিসেবে কাজ করে। কোনো প্রযুক্তিগত ভিত্তি ছাড়াই লবিং বা প্রভাবের জোরে প্রথাগত উদ্যোগ আইসিটি খাতের বরাদ্দ পেয়ে গেলে তাদের মধ্যে তীব্র হতাশা তৈরি হয়, যা মেধাপাচার (Brain Drain) বাড়িয়ে দেয়।</p>
</li>
<li>
<p data-path-to-node="18,1,0">বৈশ্বিক বিনিয়োগকারীদের অনীহা: বিদেশি ভেঞ্চার ক্যাপিটাল কোম্পানিগুলো যখন দেখে একটি দেশের সরকারি অনুদান শতভাগ মেধা, স্বচ্ছতা ও ডেটা-ভিত্তিক উপায়ে পরিচালিত হচ্ছে, তখন তারা এই দেশের ইকোসিস্টেমের ওপর আস্থা পায়। অসঙ্গতিপূর্ণ বণ্টন প্রক্রিয়া দেখলে তারা বিনিয়োগ গুটিয়ে নিতে পারে।</p>
</li>
</ul>
<h3 data-path-to-node="19">৪. ভবিষ্যৎ পথনকশা: যেভাবে অনুদান প্রক্রিয়া আদর্শ করা যায়</h3>
<p data-path-to-node="20">স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও মেধাভিত্তিক সমাজ গঠনের লক্ষ্য অর্জনে অনুদান প্রক্রিয়াকে আরও বৈজ্ঞানিক ও নিরপেক্ষ করতে কয়েকটি বাস্তবমুখী পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে:</p>
<ul data-path-to-node="21">
<li>
<p data-path-to-node="21,0,0">উন্মুক্ত তথ্য নীতি (Open Data Policy): রাষ্ট্রীয় তহবিল থেকে অনুদানপ্রাপ্ত প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের আবেদনের যৌক্তিকতা, জুরি বোর্ডের মূল্যায়ন স্কোর এবং তাদের কাজের সামগ্রিক অগ্রগতি একটি নির্দিষ্ট অনলাইন ড্যাশবোর্ডের মাধ্যমে জনগণের সামনে উন্মুক্ত রাখা যেতে পারে।</p>
</li>
<li>
<p data-path-to-node="21,1,0">নিরপেক্ষ কারিগরি কমিটি গঠন: যেকোনো ধরনের ব্যক্তিগত বা প্রশাসনিক প্রভাবের ঊর্ধ্বে উঠে দেশের শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তিবিদ, সফল আইটি উদ্যোক্তা, শিক্ষাবিদ ও নিরপেক্ষ আইটি ফোরামের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে চূড়ান্ত জুরি বোর্ড গঠন করা প্রয়োজন।</p>
</li>
<li>
<p data-path-to-node="21,2,0">খাতভিত্তিক সুনির্দিষ্ট বাজেট সীমানা: আইসিটি বিভাগের বিশেষায়িত বাজেটকে কঠোরভাবে কেবল উচ্চ-প্রযুক্তি (Deep-Tech), সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট এবং মৌলিক প্রযুক্তিগত নতুন উদ্ভাবনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখা উচিত। অন্যদিকে, দেশীয় বুটিক বা তাঁত শিল্পের প্রসারে টেক্সটাইল বা বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বিশেষ উইন্ডোর মাধ্যমে সহায়তার ব্যবস্থা করা যেতে পারে।</p>
</li>
</ul>
<p data-path-to-node="22">সরকারি অনুদান বিতরণের এই প্রক্রিয়াটিকে আরও নিখুঁত, নিরপেক্ষ ও ডেটা-চালিত করার মাধ্যমেই আমরা একটি প্রকৃত মেধাভিত্তিক ‘স্মার্ট ইকোনমি’ গড়ে তুলতে সক্ষম হব।</p>
<hr>
<p data-path-to-node="22"><b data-path-to-node="22,0,0" data-index-in-node="0">লেখক:</b><span> </span><i data-path-to-node="22,0,1" data-index-in-node="0">ই-কমার্স বিশ্লেষক ও প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য, ই-ক্যাব </i></p>
<hr><hr>
<p data-path-to-node="22"></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ইউনেট আন্তর্জাতিক যুব আপস্কিল শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত</title>
<link>https://digibanglatech.news/184306</link>
<guid>https://digibanglatech.news/184306</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;8,0,0&quot;&gt;আন্তর্জাতিক যুব দক্ষতা দিবস উপলক্ষে ওয়াইইউনেট আপস্কিল সামিট সিজন ২ অনুষ্ঠিত&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;8,1,0&quot;&gt;১০টি দেশের ২৫ জন বিশিষ্ট বক্তা ও প্যানেলিস্ট এতে অংশ নেন&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;8,2,0&quot;&gt;কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও কর্মক্ষেত্রের ভবিষ্যৎসহ ৫টি গুরুত্বপূর্ণ সেশন পরিচালনা করা হয়&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a5b66cd460a1.jpg" length="120459" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 18 Jul 2026 09:43:49 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>ওয়াইইউনেট, যুব সামিট, আপস্কিল নেটওয়ার্ক, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, আলতামিস নাবিল, মাহির আশেদ, প্রযুক্তি, কর্মসংস্থান, বাংলাদেশ</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="19">বিশ্ব যুব দক্ষতা দিবস উদযাপনের অংশ হিসেবে অত্যন্ত সফলতার সাথে ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে সম্পন্ন হয়েছে "The YUNet International Youth Upskill Summit 2026, Season 2"। বাংলাদেশভিত্তিক আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম যুব আপস্কিল নেটওয়ার্ক (ইউনেট) আয়োজিত এই আন্তর্জাতিক শীর্ষ সম্মেলনে বিশ্বজুড়ে তরুণ সমাজ, শিল্পনেতা, শিক্ষাবিদ, উদ্যোক্তা, উন্নয়নকর্মী এবং পরিবর্তনের কারিগরদের মধ্যে মেলবন্ধন তৈরি হয়।</p>
<p data-path-to-node="19">দিনব্যাপী এই সম্মেলনে বর্তমান প্রজন্মের তরুণদের জন্য অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক পাঁচটি ভবিষ্যৎ-মুখী সেশন পরিচালিত হয়। সেশনগুলোর মধ্যে ছিল—এআই ও কর্মক্ষেত্রের ভবিষ্যৎ, উদ্যোক্তা ও ফ্রিল্যান্সিং: এআই অর্থনীতিতে ব্যবসা গঠন, উচ্চশিক্ষা ও ফিউচার-প্রুফ লার্নিং, সামাজিক প্রভাব: ডিজিটাল যুগে নেতৃত্বের পরিবর্তন এবং কর্পোরেট ক্যারিয়ার: এআই-চালিত কর্মক্ষেত্রে মানবীয় দক্ষতা।</p>
<p data-path-to-node="19">১৮ জুলাই এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ১৭ জুলাই, শুক্রবার ভার্চুয়াল মাধ্যমে এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয়। উদীয়মান বিশ্ব পরিমণ্ডলে ভবিষ্যৎ দক্ষতা, প্রযুক্তি, শিক্ষা, উদ্যোক্তা এবং যুব উন্নয়নের ক্ষেত্রে ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক আগ্রহের প্রতিফলন হিসেবে ১৫টিরও বেশি দেশের ১,০০০ এরও বেশি অংশগ্রহণকারী এই সম্মেলনে নিবন্ধন করেন।</p>
<p data-path-to-node="21">সম্মেলনের মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন ও ইন্টারেক্টিভ প্যানেল আলোচনায় বক্তারা কাজের পরিবর্তনশীল ধরন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা সৃষ্ট সুযোগ ও চ্যালেঞ্জ, উচ্চশিক্ষার ভবিষ্যৎ, ডিজিটাল অর্থনীতিতে উদ্যোক্তা উদ্যোগ, সামাজিক প্রভাব তৈরিতে প্রযুক্তির ভূমিকা এবং ক্রমবর্ধমান এআই-চালিত কর্মক্ষেত্রে অপরিহার্য মানবীয় দক্ষতা নিয়ে নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি ও অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন।</p>
<p data-path-to-node="21"> এই বর্ণাঢ্য সামিটটি ইভেন্ট ডিরেক্টর হিসেবে পরিচালনা করেন ইউনেট প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহ-প্রতিষ্ঠাতা মো. আলতামিস নাবিল এবং ইভেন্ট কনভেনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ওয়াইইউনেটের প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা ও সহ-প্রতিষ্ঠাতা মাহির আশেদ।</p>
<p data-path-to-node="21">আয়োজক দল, কান্ট্রি অ্যাম্বাসেডর, পার্টনার, স্পিকার ও স্বেচ্ছাসেবকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি বৈচিত্র্যময় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এক প্ল্যাটফর্মে যুক্ত করা সম্ভব হয়। বিভিন্ন দেশের যুবকদের মাঝে এই উদ্যোগের পরিধি বাড়াতে ইভেন্ট পার্টনার, আউটরিচ পার্টনার এবং আপস্কিলিং পার্টনারদের একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক এই সামিটে সহযোগিতা প্রদান করে।</p>
<p data-path-to-node="21">সিজন ২ এর সফল সমাপ্তি যুব সমাজকে লার্নিং, কোলাবরেশন এবং গ্লোবাল এক্সপোজারের মাধ্যমে ক্ষমতায়নের পথে ওয়াইইউনেটের যাত্রায় আরও একটি বড় মাইলফলক হিসেবে যুক্ত হলো।<br>/<strong>/ডিবিটেক/ এএনএল/এসএমই/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>আইএসপিদের নিরাপত্তা ও আমাদের সার্বভৌমত্ব: আশঙ্কার মেঘ এবং উত্তরণের পথ</title>
<link>https://digibanglatech.news/184118</link>
<guid>https://digibanglatech.news/184118</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a589923633b4.jpg" length="73126" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 16 Jul 2026 13:08:53 +0600</pubDate>
<dc:creator>সাইফুল ইসলাম সিদ্দিক</dc:creator>
<media:keywords>বাংলাদেশ, আইসিটি বিভাগ, রদবদল, ইন্টারনেট নিরাপত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, ডিজিটাল বাংলাদেশ, আইএসপি, ফাইবার অপটিক, স্মার্ট বাংলাদেশ, ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট, জুলাই বিপ্লব, সাংবাদিকতা, প্রতিবেদন, তথ্য প্রযুক্তি, বিটিআরসি, ডিজিটাল অর্থনীতি, অবকাঠামো নিরাপত্তা।</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>দুই বছর আগের সেই জুলাইয়ের উত্তাল দিনগুলোর কথা নিশ্চয়ই মনে আছে? ২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানের সময় যখন আকস্মিকভাবে ইন্টারনেট 'ব্ল্যাকআউট' বা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল, তখন যেন গোটা দেশের দম বন্ধ হয়ে এসেছিল। ক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতা কেবল রাজপথেই ফুঁসে ওঠেনি, ভার্চুয়াল জগতের সংযোগ বিচ্ছিন্নতা তাদের প্রতিবাদের আগুনকে আরও উসকে দিয়েছিল। ইন্টারনেট যে এখন আর কোনো বিলাসিতা নয়, বরং মৌলিক অধিকার ও বেঁচে থাকার অন্যতম উপাদান- সেই ঐতিহাসিক সত্যটি বাংলাদেশ সেদিন হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছিল।</p>
<p>সেই তিক্ত অভিজ্ঞতার পর- সরকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল ইন্টারনেট সেবায় যেকোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতাকে আইন করে নিষিদ্ধ করার। এর আগেই অবশ্য কোভিডকালীন সময়ে ইন্টারনেট বা ডিজিটাল সংযোগ যে যাপিত জীবনের লাইফলাইন তাও প্রতীয়মান হয়। ফলে ইন্টারনেটকে 'জরুরি সেবা' হিসেবে ঘোষণা করা হয় তখনই। পরবর্তীতে জুলাই বিপ্লবে ইন্টারনেট যেন কোনো পরিস্থিতিতেই বন্ধ রাখা না যায় সে জন্য এর নিরবচ্ছিন্নতা বজায় রাখার ওপর জোর দিয়ে নতুন টেলিকম নীতিমালায় আইনে পরিণত করা হয়। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, ইন্টারনেট বন্ধ করতে পারে বিষয়টি পলিসিতে থাকলেও তা বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় গাইডলাইনটি এখনও আলোর মুখ দেখেনি। কেননা, এই আইন পাশের পরেও ডেসকো, সিটি কর্পোরেশনের মতো  প্রতুষ্ঠান থেকেও তারের জঞ্জাল হিসেবে পরিচ্ছন্নতার কথা বলে ক্যাবল কেটে দেওয়া হয়। এতে গ্রাহক এবং ব্যবসায়ী উভয়েই ক্ষতিগ্রস্ত হন। এজন্য তারা কোনো ক্ষতিপূরণ পান না। ফলে আইন থাকলেও ডিজিটাল অবকাঠামো নিরাপত্তার সেই রক্ষাকবচ আজ মাঠপর্যায়ে বড় ধরনের হোঁচট খাচ্ছে। ডিজিটাল বাংলাদেশের স্নায়ুকেন্দ্রগুলো যেন ঢেকে গেছে অদৃশ্য ও দৃশ্যমান আতঙ্কের চাদরে।</p>
<p><strong>অন্ধকার গলির হুমকি: যখন ডিজিটাল সেবাদাতারা জিম্মি</strong><br>সাম্প্রতিক মাসগুলোর পরিসংখ্যান যেকোনো সচেতন নাগরিককে ভাবিয়ে তুলবে। গত কয়েক মাসে সারা দেশে অন্তত ১৫ থেকে ২০টি ইন্টারনেট সেবাদাতা (ISP) প্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাঙচুর ও চাঁদাবাজির ঘটনা ঘটেছে। বিশেষ করে জুন ও জুলাই মাসে এই প্রবণতা উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে।</p>
<p>এই তো গত ১৩ জুলাই চট্টগ্রামের আইএসপি 'ডিজিটাল ডট নেট'-এ চাঁদা না পেয়ে সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্য দিবালোকে হামলা চালিয়েছে। বিষয়টি টক অব দ্য কান্ট্রি হবার পর পুলিশি তৎপরতায়আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কিন্তু আতঙ্ক কাটেনি। কেননা, এক মাসেরও কম সময় পূর্বে গত ৯ জুন মাত্র এক রাতের ব্যবধানে রাজধানীর লালমাটিয়া, বাড্ডা এবং ঢাকার বাইরে চাঁদপুর, কুমিল্লা, গাজীপুর ও বগুড়ার বেশ কয়েকটি ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানে একযোগে হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয়। সেসব হামলার কোনো সুরহা না হলেও এতোবড় একটা দুর্ঘটনার শিকার হতে হলো ইন্টারনেট সেবাদাতাদের।</p>
<p>এভাবেই  পাড়ায় পাড়ায় কিংবা অভিজাত সোসাইটিগুলোতে ইন্টারনেট ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নিতে স্থানীয় প্রভাবশালী ও সন্ত্রাসীদের এই জবরদস্তিমূলক আচরণ পুরো খাতকে পঙ্গু করে দিচ্ছে। ফাইবার অপটিক্যাল ক্যাবল কেটে দেওয়া, পপ (POP) বা নক (NOC) সেন্টারে হামলা চালানো এখন নিত্যদিনের ঘটনা। আইসিটি ও টেলিকম মন্ত্রণালয় এটিকে জরুরি সেবা বললেও, স্থানীয় প্রশাসন বা মাঠপর্যায়ের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এর গুরুত্ব কতটা অনুধাবন করতে পেরেছে- তা নিয়ে বড় প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে তার জন্য বিচার চাইতে গিয়েও রাজপথে নামতে হচ্ছে ব্যবসায়ীদের। প্রশাসনিক ভাবেও প্রো-অ্যাক্টিভলি কোনো পদক্ষেপ নেয়ার নজির এখন পর্যন্ত চোখে পড়েনি। তাই এসব হামলা কমার বদলে যেমন বাড়ছে, তেমনি এই জরুরি সেবা ঘোষণাটাও হাস্যকর রূপ ধারণ করেছে। এতে বস্তুত হুমকীতে পড়েছে সরকারের ‘ডিজিটাল অর্থনীতি’ শক্তিশালী করণের প্রচেষ্টাও।</p>
<p><strong>কেন এটি কেবল 'ব্যবসায়িক ক্ষতি' নয়?</strong><br>আমরা যখন ফ্রিল্যান্সিং, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) কিংবা স্টার্ট-আপ নিয়ে বিশ্বমঞ্চে বুক ফুলিয়ে কথা বলি, তখন আমাদের মনে রাখা দরকার এই সবকিছুর ভিত্তি হলো ফাইবার অপটিক্যাল তার আর মাঠপর্যায়ের আইএসপিগুলোর নিরলস সেবা। তাই ডিজিটাল অবকাঠামোতে আঘাত আসার অর্থ হলো দেশের ই-কমার্স, টেলিমেডিসিন, এ্যডুটেক, সফটওয়্যার, হার্ডওয়্যার ইত্যাদি প্রতিটি ক্ষেত্রকেই দুর্বল করে ফেলা। এতে করে অচিরেই দেখা দেবে-</p>
<p><strong>বিনিয়োগে স্থবিরতা: </strong>অবকাঠামো অনিরাপদ হলে ডিজিটাল অর্থনীতিতে বিদেশি বা দেশি বিনিয়োগকারীরা টাকা ঢালতে ভয় পাবেন।<br><strong>ফ্রিল্যান্সারদের জীবিকা সংকট:</strong> কয়েক ঘণ্টার ইন্টারনেট বিভ্রাট একজন ফ্রিল্যান্সারের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার ধ্বংস করে দিতে পারে।<br><strong>বৈশ্বিক ভাব মর্যাদা ক্ষুণ্ন হওয়া</strong>: আন্তর্জাতিক মহলে বাংলাদেশ একটি 'অস্থিতিশীল কানেক্টিভিটি'র দেশ হিসেবে চিহ্নিত হতে পারে।</p>
<p><strong>দায় কার?</strong><br>বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ রেগুলেটরি কমিশনের (বিটিআরসি) লাইসেন্সি প্রতিষ্ঠান হিসেবে আইএসপিগুলো কিন্তু সরকারের সাথে রেভিনিউ শেয়ার করে, সামাজিক দায়বদ্ধতা তহবিল (SOF)-এ অর্থ দেয়। তাহলে তাদের রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার কেন থাকবে না?সঙ্গত কারণেই বিটিআরসি-কেই এক্ষেত্রে সবার আগে এগিয়ে আসতে হবে। এক্ষেত্রে নীতিমালা হালনাগাদ করণ এবং মাঠপর্যায়ে তদারকিকে সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দিতে হবে। সেজন্য আসুন এ ধরণের সঙ্কট মোকাবেলায় বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক অভিজ্ঞতার দিকে একটু নজর দেয়া যাক।</p>
<p><strong>আঞ্চলিক অভিজ্ঞতা: প্রতিবেশী দেশগুলোর সুরক্ষাকবচ ও নীতিমালা</strong><br>ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট এবং এর ভৌত অবকাঠামোকে (যেমন: NOC, POP, এবং ডেটা সেন্টার) শুধু ব্যবসা হিসেবে না দেখে সেগুলোকে 'গুরুত্বপূর্ণ তথ্য অবকাঠামো' (Critical Information Infrastructure - CII) বা 'কি পয়েন্ট ইনস্টলেশন' (KPI) ভুক্ত স্থাপনা হিসেবে সুরক্ষিত রাখার আন্তর্জাতিক প্র্যাকটিস রয়েছে। আমাদের পার্শ্ববর্তী ও আঞ্চলিক দেশগুলোর নীতিমালা থেকে আমরা অত্যন্ত কার্যকর কিছু দৃষ্টান্ত গ্রহণ করতে পারি:</p>
<p><strong>ভারতে রয়েছে বিশেষায়িত সাইবার এবং ফিজিক্যাল টাস্কফোর্স</strong><br>প্রতিবেশী দেশ ভারতে তথ্যপ্রযুক্তি আইন (IT Act, 2000) এর ধারা ৭০ অনুযায়ী গুরুত্বপূর্ণ টেলিকম ও ডেটা অবকাঠামোকে Protected System বা সুরক্ষিত ব্যবস্থা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এই অবকাঠামোগুলোতে যেকোনো অনন্যাসঙ্গিক প্রবেশ বা হামলা অ-জামিনযোগ্য ও গুরুতর অপরাধ। এছাড়া, ভারতীয় টেলিকম রেগুলেটরি অথরিটি (TRAI) এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে গঠিত সাইবার উইং স্থানীয় পুলিশের সাথে মিলে এই খাতের চাঁদাবাজি দমনে সরাসরি হস্তক্ষেপ করে।</p>
<p><strong>পাকিস্তানে রয়েছে PECA এবং বিশেষ সুরক্ষা প্রটোকল</strong><br>উপমহাদেশের আরেকটি দেশ পাকিস্তানে Prevention of Electronic Crimes Act (PECA) এবং বিশেষ টেলিকম নীতিমালার অধীনে টেলিকম ও ইন্টারনেট সেবাদাতাদের ব্যাকবোন অবকাঠামোকে জাতীয় নিরাপত্তার অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। বিশেষ করে কোনো নির্দিষ্ট এলাকায় ইন্টারনেট সেবায় নিয়মতান্ত্রিক বা অনৈতিক বাধা সৃষ্টি করাকে 'গুরুতর রাষ্ট্রীয় অর্থনৈতিক অপরাধ' হিসেবে বিচার করা হয়।</p>
<p><strong>নেপাল ও ভুটান: রেগুলেটরি ও লোকাল পলিসির সমন্বয়</strong><br>নেপাল টেলিকমিউনিকেশন অথরিটি (NTA) এবং ভুটানের (BICMA) লাইসেন্সিং গাইডলাইনে ইন্টারনেট সেবাদানকারীদের সুরক্ষায় স্থানীয় প্রশাসনের ভূমিকা স্পষ্ট করা হয়েছে। সেখানে স্থানীয় ক্যাবল কাটার ঘটনা বা ইন্টারনেট সরবরাহে বিঘ্ন ঘটানোকে সরাসরি জাতীয় সম্পদের ক্ষতি সাধনের সমতুল্য শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়।</p>
<p><strong>সিঙ্গাপুর: সাইবার সিকিউরিটি আইন ও কড়া সুরক্ষা ব্লক</strong><br>সিঙ্গাপুর এ বিষয়ে বিশ্বে রোল মডেল। তাদের Cybersecurity Act অনুযায়ী ১১টি গুরুত্বপূর্ণ খাতকে Critical Information Infrastructure (CII) হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যার অন্যতম হলো ইনফোকম বা আইসিটি সেক্টর। সিঙ্গাপুরে যেকোনো পপ (POP), নক (NOC) বা ইন্টারনেট এক্সচেঞ্জে হামলা বা সেবা ব্যাহত করার ন্যূনতম প্রচেষ্টাও কঠোর অর্থনৈতিক অপরাধ (Economic Crime) এবং দেশের সার্বভৌম নিরাপত্তার ওপর আঘাত হিসেবে বিচার করা হয়।</p>
<p><strong>সংকটের আশু সমাধান: তিনটি সাময়িক পদক্ষেপ</strong><br>পরিস্থিতির আরও অবনতি ঠেকাতে এবং ব্যবসায়ীদের মনে আস্থা ফিরিয়ে আনতে অবিলম্বে তিনটি পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি:</p>
<p>১. বিশেষ দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল: ডিজিটাল অবকাঠামো ও ইন্টারনেট সেবায় বাধা দেওয়াকে 'গুরুতর অর্থনৈতিক অপরাধ' (Serious Economic Offense) হিসেবে গণ্য করে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।<br>২. ট্র্যাকিং সিস্টেম সচল করা: যেসব দেশি বা বিদেশি নম্বর (যেমন হোয়াটসঅ্যাপ) থেকে আইপি ফোন বা অন্য মাধ্যমে চাঁদাবাজির হুমকি দেওয়া হচ্ছে, সেগুলোকে বিটিআরসির উন্নত প্রযুক্তির মাধ্যমে দ্রুত শনাক্ত করে অ্যাকশন নিতে হবে।<br>৩. যৌথ সমন্বিত সেল গঠন: ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবাদাতা ও অবকাঠামোর সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এখনই বিটিআরসি, স্থানীয় প্রশাসন, বিদ্যুৎ বিভাগ এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বয়ে একটি বিশেষ 'কুইক রেসপন্স সেল' গঠন করা প্রয়োজন।</p>
<p><strong>দীর্ঘমেয়াদী সুরক্ষাকবচ: টেকসই সমাধান</strong><br><em>সাময়িক মলম দিয়ে এই ক্ষত নিরাময় সম্ভব নয়। আমাদের প্রয়োজন কাঠামোগত পরিবর্তন:</em></p>
<p><strong>কেপিআই (KPI) ঘোষণা:</strong> ইন্টারনেট সেবা ব্যবসায়ের প্রধান লাইফলাইন—নক (NOC), পপ (POP) ও ডেটাসেন্টারগুলোকে অবিলম্বে 'কি পয়েন্ট ইনস্টলেশন' (KPI) বা রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা হিসেবে ঘোষণা করতে হবে।<br><strong>লাইফলাইন আইন সংশোধন:</strong> লাইসেন্স গাইডলাইনেই ইন্টারনেট ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্ট অবকাঠামোর সুরক্ষাকে জরুরি আইনের আওতাভুক্ত করতে হবে।<br><strong>সাইবার ইন্টেলিজেন্সের অন্তর্ভুক্তি: </strong>আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাইবার ক্রাইম বিভাগকে কেবল সোশাল মিডিয়া মনিটরিংয়ে ব্যস্ত না রেখে, ইন্টারনেট সেবাদাতাদের ওপর হুমকি ও চাঁদাবাজি ঠেকাতে বিশেষ সাইবার ইন্টেলিজেন্স ইউনিট হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।</p>
<p>বস্তুত কোভিড ও জুলাইয়ের সেই দিনগুলো আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে শিখিয়েছে, ইন্টারনেট ছাড়া আধুনিক নাগরিক জীবন অচল। আজ যদি মুষ্টিমেয় কিছু চাঁদাবাজ আর সন্ত্রাসীর কারণে সেই ইন্টারনেট সেবাদাতারা নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন, তবে তার মাশুল দিতে হবে পুরো রাষ্ট্রকে। আমরা যদি সত্যিই একটি জ্ঞানভিত্তিক, স্বনির্ভর ও বৈষম্যহীন স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে চাই, তবে ডিজিটাল মহাসড়কের পাহারাদারদের নিরাপত্তা আমাদের সবার আগে নিশ্চিত করতে হবে। কালবিলম্ব না করে এখনই অ্যাকশন নেওয়ার উপযুক্ত সময়।</p>
<hr>
<p><strong>লেখকঃ</strong> <span>প্রকাশক, ডিজিবাংলা, সম্পাদক, সারবাংলা, উদ্যোক্তা ও জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি, আইএসপিএবি</span></p>
<hr>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>অপতথ্য ও এডিট করা অডিওতে তোপের মুখে শিক্ষামন্ত্রী</title>
<link>https://digibanglatech.news/184004</link>
<guid>https://digibanglatech.news/184004</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;7,0,1,0,0&quot;&gt;আংশিক অডিও ও বিতর্কিত শব্দ ব্যবহারে তোপের মুখে শিক্ষামন্ত্রী দুঃখ প্রকাশ করেছেন&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;7,0,1,1,0&quot;&gt;এডিট করা অডিও ও ভুয়া ফটোকার্ড চিহ্নিত করে বিএনপির মিডিয়া সেলের সতর্কতা জারি&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;7,0,1,2,0&quot;&gt;পরীক্ষা স্থগিতের দাবিতে সামাজিক মাধ্যমে &#039;ব্রয়লার চিকেন পার্টি&#039; পেজ থেকে লংমার্চের ডাক&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a5715fddd63f.jpg" length="481589" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 15 Jul 2026 00:11:36 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>শিক্ষামন্ত্রী, আ ন ম এহছানুল হক মিলন, অপতথ্য, ভুয়া ফটোকার্ড, অডিও ফাঁস, ফার্মের মুরগি, এইচএসসি পরীক্ষা, সোশ্যাল মিডিয়া ট্রোল, লংমার্চ, বিএনপির মিডিয়া সেল</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="17">ডিজিটাল প্রযুক্তির অপব্যবহারের মাধ্যমে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শত শত ভুয়া ফটোকার্ড ও বিভ্রান্তিকর অপতথ্য ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। অতিবৃষ্টি ও আকস্মিক বন্যায় পরীক্ষার্থীদের কিছু দুর্ভোগের বাস্তব চিত্রকে অতিরঞ্জিত করে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি এবং তাকে নিয়ে ট্রোল করার ক্ষেত্রে চাতুরতা অবলম্বন করা হয়েছে, যা নানা প্রোপাগান্ডায় ব্যবহৃত হচ্ছে বলে দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে, একটি অসম্পূর্ণ অডিও রেকর্ড ফাঁসের পর তার অপব্যাখ্যায় তোপের মুখে পড়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।</p>
<p data-path-to-node="18">ফাঁস হওয়া অডিওটি গভীর প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এটি একটি চতুর এডিটিংয়ের ফসল। মন্ত্রী তার নিজের মেয়ের প্রসঙ্গে কথোপকথনের একপর্যায়ে প্রসঙ্গক্রমে উপমা টেনে ‘ফার্মের মুরগি’ শব্দটি ব্যবহার করেছিলেন। কিন্তু অডিওর আগের ও পরের অংশ কেটে ফেলে কেবল ওই অংশটুকু প্রকাশ করে পুরো ফোনালাপটিকে চরম বিতর্কিত রূপ দেওয়া হয়। অবশ্য একটু খেয়াল করলেই বোঝা যায় তিনি নিজের মেয়ের সঙ্গে তুলনা করে কথাটি বলেছেন। </p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x_6a5715fd449b9.jpg" alt=""></p>
<p data-path-to-node="18">এই খণ্ডিত অডিও ছড়িয়ে পড়ার পর মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) রাত থেকে ভার্চুয়াল দুনিয়ায় শিক্ষামন্ত্রীকে ‘মুরগী মিলন’ সম্বোধন করে ট্রোল করা হচ্ছে। যদিও মন্ত্রী মঙ্গলবারই জাতীয় সংসদে দাঁড়িয়ে আলাপটি ব্যক্তিগত উল্লেখ করে দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, "আমার ব্যক্তিগত মন্তব্য নিয়ে অনেকেই আপত্তি করেছেন। আমি কাউকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আঘাত করার জন্য কিছু বলি নাই। যদি কেউ আহত হয়ে থাকেন, সিম্প্লি আমি দুঃখ প্রকাশ করছি।" একই সঙ্গে তিনি জানান, স্থগিত হওয়া চট্টগ্রাম বোর্ডের পরীক্ষাগুলো অন্য সেটের নতুন প্রশ্নপত্রে পুনরায় নেওয়া হবে।</p>
<p data-path-to-node="19">এমন উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে বিএনপির মিডিয়া সেল ফেসবুকে সতর্কবার্তা দিয়ে জানিয়েছে, পতিত স্বৈরাচার আওয়ামী লীগ গুজব ছড়িয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টা হিসেবে এসব ভুয়া ফটোকার্ড ছড়াচ্ছে। নির্ভরযোগ্য সূত্র ছাড়া কোনো তথ্য শেয়ার না করার আহ্বান জানিয়েছে তারা।</p>
<p data-path-to-node="20">অন্যদিকে, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের উসকানিকে কেন্দ্র করে বুধবার (১৫ জুলাই) এইচএসসি পরীক্ষা শেষে শিক্ষা মন্ত্রণালয় অভিমুখে ‘লংমার্চ’ কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের একটি অংশ। ‘ব্রয়লার চিকেন পার্টি’ নামের একটি ফেসবুক পেজে প্রকাশিত পোস্টারের মাধ্যমে আজ বেলা ১টা ৩০ মিনিটে উত্তরার বিএনএস সেন্টার থেকে এই লংমার্চের ডাক দেওয়া হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের এসব উসকানিমূলক ক্যাম্পেইনের মুখেও সরকার ও শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, স্থগিত হওয়া চট্টগ্রাম বোর্ড ছাড়া দেশের অন্য সব বোর্ডের পরীক্ষা যথারীতি অনুষ্ঠিত হবে।</p>
<p data-path-to-node="20">/<strong>/ডিবিটেক/এসআই/এমআই/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ক্রিয়েটিভ ইকোনমি: বাংলাদেশের সফট পাওয়ার ও প্রবৃদ্ধির অব্যবহৃত অস্ত্র</title>
<link>https://digibanglatech.news/183988</link>
<guid>https://digibanglatech.news/183988</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p&gt;বিশ্ব অর্থনীতি এখন প্রাকৃতিক সম্পদ থেকে সৃজনশীলতা ও মেধাস্বত্বভিত্তিক কাঠামোর দিকে ঝুঁকছে। চলচ্চিত্র, গেমিং, ডিজাইন ও এআই সেবার মতো উচ্চমূল্য খাতের বিশাল সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশে এটি উপেক্ষিত। নিবন্ধটিতে আইনি সংস্কার, নীতিগত সমাধান এবং সঠিক প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর মাধ্যমে ক্রিয়েটিভ ইকোনমিকে জাতীয় প্রবৃদ্ধি ও সফট পাওয়ারের প্রধান হাতিয়ার করার আহ্বান জানানো হয়েছে।&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a56917686c2f.jpg" length="95568" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 15 Jul 2026 00:00:00 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>ক্রিয়েটিভ ইকোনমি, সফট পাওয়ার, মেধাস্বত্ব সুরক্ষা, ডিজিটাল পাইরেসি, সৃজনশীল শিল্প, CSER</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বিশ্ব অর্থনীতি আজ প্রাকৃতিক সম্পদ ও প্রথাগত শ্রমনির্ভর কাঠামো থেকে জ্ঞান, সৃজনশীলতা এবং মেধাস্বত্বভিত্তিক (IP-based) অর্থনীতির দিকে দ্রুত অগ্রসর হচ্ছে। ফলে চলচ্চিত্র, সংগীত, অ্যানিমেশন, গেমিং, ডিজাইন, সফটওয়্যার, ডিজিটাল কনটেন্ট, হস্তশিল্প এবং এআই-ভিত্তিক সৃজনশীল সেবার মতো খাতগুলো আজ কেবল সংস্কৃতির অনুষঙ্গ নয়, বরং উচ্চমূল্য সংযোজনকারী অন্যতম শক্তিশালী অর্থনৈতিক খাতে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক heritage, প্রযুক্তিতে দক্ষ বিশাল তরুণ জনগোষ্ঠী এবং বিকাশমান ডিজিটাল অর্থনীতির কারণে এই খাতে বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, এটি এখনও আমাদের জাতীয় উন্নয়ন পরিকল্পনা ও সামষ্টিক অর্থনৈতিক কৌশলে প্রয়োজনীয় গুরুত্ব পায়নি।</p>
<p>বর্তমানে কার্যকর কপিরাইট ও রয়্যালটি ব্যবস্থার তীব্র অভাব, সর্বগ্রাসী ডিজিটাল পাইরেসি, অর্থায়নের চরম সীমাবদ্ধতা, প্রাতিষ্ঠানিক ও দক্ষ মানবসম্পদের ঘাটতি, আন্তর্জাতিক বিপণনের দুর্বলতা এবং সুনির্দিষ্ট সমন্বিত নীতির অভাবে দেশের সৃজনশীল শিল্প তার পূর্ণ সম্ভাবনায় পৌঁছাতে পারছে না। সঠিক নীতি, আইনি সংস্কার এবং যুগোপযোগী প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা নিশ্চিত করা গেলে ক্রিয়েটিভ ইকোনমি নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি, রপ্তানি বহুমুখীকরণ এবং বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের অন্যতম মূল চালিকাশক্তিতে পরিণত হতে পারে। একই সাথে এটি বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের নিজস্ব ব্র্যান্ডিং ও 'সফট পাওয়ার' (Soft Power) শক্তিশালী করার সবচেয়ে মোক্ষম হাতিয়ার হতে পারে।</p>
<p><strong>কৌশলগত রোডম্যাপ ও নীতিগত সমাধান</strong><br>সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইকোনমিক রিসার্চ (CSER)-এর মতে, এই বিপুল সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে হলে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সুনির্দিষ্ট কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে:</p>
<p><strong>জাতীয় ক্রিয়েটিভ ইকোনমি পলিসি:</strong> প্রথমেই একটি যুগোপযোগী National Creative Economy Policy প্রণয়ন করে ক্রিয়েটিভ ইকোনমিকে একটি স্বতন্ত্র প্রাতিষ্ঠানিক অর্থনৈতিক খাত হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দিতে হবে।</p>
<p><strong>আর্থিক ও পরিকাঠামো তহবিল:</strong> খাতের প্রাথমিক মূলধন সংকট দূর করতে একটি Creative Economy Development Fund গঠন, সমন্বিত ডিজিটাল রয়্যালটি অবকাঠামো নির্মাণ, বিভাগীয় পর্যায়ে 'Creative Hub' এবং জেলা পর্যায়ে 'Creative Cluster' গড়ে তোলা জরুরি।</p>
<p><strong>মেধাস্বত্ব ও আন্তর্জাতিকায়ন:</strong> কঠোর আইনি প্রয়োগের মাধ্যমে মেধাস্বত্ব সুরক্ষা ও ডিজিটাল পাইরেসি প্রতিরোধ করতে হবে। সেই সাথে আন্তর্জাতিক বাজারে দেশীয় কনটেন্ট ছড়িয়ে দিতে Creative Export Promotion Programme এবং Creative Economy Satellite Account চালু করা প্রয়োজন।</p>
<p><strong>শিক্ষায় রূপান্তর:</strong> আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থায় প্রথাগত সিলেবাসের বাইরে Creative Entrepreneurship, Design Thinking, Digital Media এবং IP Management-এর মতো সমসাময়িক বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করতে হবে এবং ২০৩০ সালকে লক্ষ্য রেখে একটি দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় রোডম্যাপ প্রণয়ন করতে হবে।</p>
<p>আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, ভারত, জাপান এবং বিশেষ করে দক্ষিণ কোরিয়ার মতো দেশগুলো সুপরিকল্পিত রাষ্ট্রীয় নীতির মাধ্যমে তাদের culture ও সৃজনশীল শিল্পকে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক শক্তিতে রূপান্তর করেছে। বাংলাদেশও আজ একই পথে এগোতে পারে, যদি আমরা সৃজনশীল শিল্পকে কেবল সংস্কৃতির গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ না রেখে জাতীয় শিল্পনীতি, শিক্ষা, তথ্যপ্রযুক্তি, বাণিজ্য ও রপ্তানি কৌশলের মূলধারার সঙ্গে সমন্বিত করতে পারি। শিল্পী, লেখক, ডিজাইনার, সফটওয়্যার নির্মাতা, গেম ডেভেলপার ও ডিজিটাল কনটেন্ট নির্মাতাদের জন্য একটি টেকসই ও সুরক্ষিত পরিবেশ সৃষ্টি করা গেলে বাংলাদেশ শুধু "Made in Bangladesh" নয়, বরং "Created in Bangladesh" পরিচয়ে বৈশ্বিক পরিসরে এক শক্তিশালী ও মর্যাদাপূর্ণ অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হবে।</p>
<hr>
<p><strong>লেখক:</strong> চেয়ারম্যান, সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইকোনমিক রিসার্চ (CSER)</p>
<hr>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>জাপানে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক গণিত প্রতিযোগিতায় দুই ডায়মন্ড, দুই স্বর্ণসহ শতভাগ সাফল্য বাংলাদেশের</title>
<link>https://digibanglatech.news/183871</link>
<guid>https://digibanglatech.news/183871</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p&gt;জাপানের চিবা শহরে অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড ম্যাথেমেটিক্স ইনভাইটেশনাল (ডব্লিউএমআই) ২০২৬-এ অংশ নেওয়া বাংলাদেশের ২৭ সদস্যের দল আন্তর্জাতিক পুরস্কার অর্জন করেছে। দলটি দুইটি ডায়মন্ড, দুইটি স্বর্ণ, ছয়টি রৌপ্য, ১৪টি ব্রোঞ্জ এবং তিনটি মেরিট পুরস্কার লাভ করে।&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a5533dc79882.jpg" length="133889" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 13 Jul 2026 21:22:24 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>ওয়ার্ল্ড ম্যাথেমেটিক্স ইনভাইটেশনাল, ডব্লিউএমআই ২০২৬, বাংলাদেশ গণিত দল, জাপান, চিবা, আন্তর্জাতিক গণিত প্রতিযোগিতা, বাংলার ম্যাথ</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>জাপানের চিবা শহরে অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড ম্যাথেমেটিক্স ইনভাইটেশনাল (ডব্লিউএমআই) ২০২৬-এ বাংলাদেশের ২৭ সদস্যের জাতীয় দল আন্তর্জাতিক পুরস্কার অর্জন করেছে। প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া বাংলাদেশের প্রতিটি শিক্ষার্থী কোনো না কোনো বিভাগে পুরস্কার পেয়েছেন। </p>
<p>৩০টিরও বেশি দেশের প্রায় ২ হাজার ৩০০ প্রতিযোগীর অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এ আন্তর্জাতিক গণিত প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের দল দুইটি ডায়মন্ড, দুইটি স্বর্ণ, ছয়টি রৌপ্য, ১৪টি ব্রোঞ্জ এবং তিনটি মেরিট পুরস্কার অর্জন করে।</p>
<p>বিশেষ অর্জনের মধ্যে আহবাব জুলকিফল জাহিন ডায়মন্ড পুরস্কার লাভ করেন। জিৎ বালা ডায়মন্ড পুরস্কারের পাশাপাশি নিজ গ্রেডে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেন। সাজিদুল হক স্বর্ণপদকের পাশাপাশি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ স্কোরার হিসেবে স্টার অব দ্য ওয়ার্ল্ড সম্মাননা পান। রাহিদ আজাদ অহন স্বর্ণপদক অর্জন করেন।</p>
<p>বাংলাদেশ দলের প্রশিক্ষণ, প্রস্তুতি ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের সমন্বয় করে শিক্ষাবিষয়ক সংগঠন বাংলার ম্যাথ।</p>
<p>১৩ জুলাই, মঙ্গলবার সংগঠনটির সহ-প্রতিষ্ঠাতা আহমেদ শাহরিয়ার বলেন, তাদের লক্ষ্য শুধু পদক অর্জন নয়, যুক্তিনির্ভর চিন্তা, সৃজনশীলতা ও সমস্যা সমাধানে দক্ষ নতুন প্রজন্ম গড়ে তোলা।</p>
<p>বাংলাদেশ দলের কোচ ও সহ-প্রতিষ্ঠাতা মো. আশরাফুল আল শাকুর বলেন, শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের অনুশীলন, অভিভাবকদের সহযোগিতা এবং প্রশিক্ষকদের প্রচেষ্টার ফল হিসেবে এ অর্জন এসেছে।</p>
<p>আরেক সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও কোচ এস এম মাহতাব হোসাইন বলেন, দীর্ঘ ভ্রমণ ও ভিন্ন পরিবেশের মধ্যেও শিক্ষার্থীরা প্রতিযোগিতায় নিজেদের সক্ষমতার পরিচয় দিয়েছে।</p>
<p>বাংলাদেশ দল নির্বাচনের জন্য ২০২৬ সালে বাংলার ম্যাথ এক্সিলেন্স চ্যাম্পিয়নশিপ অনুষ্ঠিত হয়। বিভিন্ন ধাপ শেষে টিম সিলেকশন টেস্টের মাধ্যমে ২৭ সদস্যের জাতীয় দল নির্বাচন করা হয়। নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের সার্বিক দায়িত্ব পালন করে বাংলার ম্যাথ। প্রতিযোগিতার মিডিয়া পার্টনার ছিল দ্য ডেইলি ক্যাম্পাস এবং টিম সিলেকশন টেস্টের ভেন্যু পার্টনার ছিল এশিয়া প্যাসিফিক বিশ্ববিদ্যালয়।<br>/<strong>/ডিবিটেক/এফবিপি/এসআই/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বাংলাদেশের নাম ঘোষণা হলো, মঞ্চে উঠল না কেউ</title>
<link>https://digibanglatech.news/183632</link>
<guid>https://digibanglatech.news/183632</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p&gt;&lt;strong&gt; ‘হার পাওয়ার’ চ্যাম্পিয়ন, কিন্তু জেনেভায় খুঁজে পাওয়া গেল না বাংলাদেশকে! &lt;/strong&gt;&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a529e2d5f3e6.jpg" length="128818" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 11 Jul 2026 01:51:05 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>১৯৯৮ সাল থেকে বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি, আইসিটি, ডিজিটাল রূপান্তর এবং এখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে কোনো না কোনোভাবে কাজ করছি।</p>
<p>তাই আজকের লেখাটি অন্যকে প্রশ্ন করার আগে নিজের অজ্ঞতা স্বীকার করে শুরু করা ভালো।</p>
<p>আমি দুঃখিত।</p>
<p>আমি লজ্জিতও।</p>
<p>আমি ‘হার পাওয়ার’ প্রকল্প সম্পর্কে জানতাম না।</p>
<p>বাংলাদেশে নারীর প্রযুক্তিনির্ভর ক্ষমতায়ন নিয়ে এত বড় একটি সরকারি প্রকল্প হয়েছে, হাজার হাজার নারীকে প্রশিক্ষণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, প্রকল্পটি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির পর্যায়ে পৌঁছেছে, অথচ আমি এর বিস্তারিত জানতাম না।</p>
<p>এ অজ্ঞতা আমার।</p>
<p>কোনো অজুহাত দেব না।</p>
<p>কিন্তু জেনেভায় শুক্রবার সকালে যা ঘটল, তার পর আমার ব্যক্তিগত অজ্ঞতার চেয়ে বড় একটি প্রশ্ন সামনে এসে দাঁড়িয়েছে।</p>
<p>বাংলাদেশ কি নিজের সাফল্যের খবর নিজেই রাখে?</p>
<p>আমি তখন জেনেভার পালেক্সপোর রুম সি-তে বসে আছি।</p>
<p>ওয়ার্ল্ড সামিট অন দ্য ইনফরমেশন সোসাইটি বা ডব্লিউএসআইএস ফোরাম ২০২৬।</p>
<p>সামনে ডব্লিউএসআইএস প্রাইজেস চ্যাম্পিয়নস সেরিমনি।</p>
<p>সরকারি কর্মসূচি অনুযায়ী ১০ জুলাই সকাল ১১টা থেকে সাড়ে ১২টা পর্যন্ত রুম সি-তেই এই চ্যাম্পিয়নস সেরিমনি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল।</p>
<p>একটির পর একটি দেশের নাম ঘোষণা হচ্ছে।</p>
<p>প্রকল্পের নাম বলা হচ্ছে।</p>
<p>প্রতিনিধিরা উঠে যাচ্ছেন।</p>
<p>মঞ্চে দাঁড়াচ্ছেন।</p>
<p>স্বীকৃতি নিচ্ছেন।</p>
<p>ছবি তুলছেন।</p>
<p>হাততালি হচ্ছে।</p>
<p>হঠাৎ শুনলাম বাংলাদেশের নাম।</p>
<p>Her Power Project.</p>
<p>বাংলাদেশ।</p>
<p>ঘোষণা এলো, বাংলাদেশকে মঞ্চে এগিয়ে আসতে বলা হচ্ছে।</p>
<p>আমি একটু সোজা হয়ে বসলাম।</p>
<p>নিজের দেশের নাম বিদেশের কোনো আন্তর্জাতিক মঞ্চে উচ্চারিত হলে আমাদের শরীরের ভেতরে সম্ভবত একটি ছোট্ট জাতীয়তাবোধের সুইচ আছে।</p>
<p>সেটি নিজে থেকেই অন হয়ে যায়।</p>
<p>ভাবলাম, দেখি বাংলাদেশের কে উঠছেন।</p>
<p>কেউ উঠলেন না।</p>
<p>আমি আবার তাকালাম।</p>
<p>হয়তো পেছনের সারিতে আছেন।</p>
<p>হয়তো পাশের দরজা দিয়ে আসছেন।</p>
<p>হয়তো মোবাইল ফোনে ব্যস্ত ছিলেন।</p>
<p>হয়তো ঘোষণা শুনতে পাননি।</p>
<p>কয়েক সেকেন্ড গেল।</p>
<p>কেউ নেই।</p>
<p>বাংলাদেশের ‘হার পাওয়ার’ প্রকল্পকে ডব্লিউএসআইএস প্রাইজেস ২০২৬-এর চ্যাম্পিয়ন হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে তালিকাভুক্ত করেছে আইটিইউ। প্রকল্পটি ডব্লিউএসআইএস অ্যাকশন লাইন সি৭-এর ই-এমপ্লয়মেন্ট ক্যাটাগরির সঙ্গে যুক্ত।</p>
<p>অর্থাৎ এটি আমার কানে ভুল শোনা কোনো ঘোষণা ছিল না।</p>
<p>বাংলাদেশের একটি সরকারি প্রকল্প আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছে।</p>
<p>কিন্তু সেই স্বীকৃতির মুহূর্তে বাংলাদেশের পক্ষে মঞ্চে ওঠার মানুষটিকে আমি অন্তত দেখতে পেলাম না।</p>
<p>‘হোয়াট হ্যাপেন্ড টু বাংলাদেশ?’</p>
<p>আমার পাশে এবং আশপাশে বিভিন্ন দেশের সরকারি প্রতিনিধি বসে ছিলেন।</p>
<p>তাঁদের একজন আমার দিকে তাকিয়ে জানতে চাইলেন,</p>
<p>“What happened to Bangladesh?”</p>
<p>আমি কী উত্তর দেব?</p>
<p>বলব, আমি জানি না?</p>
<p>তারপর তিনি প্রায় স্বাভাবিকভাবেই বললেন,</p>
<p>“Why don't you go to the stage?”</p>
<p>এই প্রশ্নে আমি আরও বিব্রত হলাম।</p>
<p>আমার গলায় সম্মেলনের পরিচয়পত্র।</p>
<p>আমি বাংলাদেশ থেকে এসেছি।</p>
<p>ডব্লিউএসআইএস প্রক্রিয়ার সঙ্গে বহু বছর ধরে যুক্ত।</p>
<p>এর আগে ডব্লিউএসআইএস প্রাইজ ও একাধিক চ্যাম্পিয়ন স্বীকৃতির অভিজ্ঞতাও আছে।</p>
<p>কিন্তু আমি কে?</p>
<p>আমি কি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রতিনিধি?</p>
<p>না।</p>
<p>আমি কি হার পাওয়ার প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক?</p>
<p>না।</p>
<p>প্রকল্পটি কি আমাকে লিখিতভাবে কোনো দায়িত্ব দিয়েছে?</p>
<p>না।</p>
<p>তাহলে আমি কীভাবে মঞ্চে উঠব?</p>
<p>শুধু বাংলাদেশের পাসপোর্ট আছে বলে কি রাষ্ট্রের একটি প্রকল্পের স্বীকৃতি গ্রহণ করা যায়?</p>
<p>আমার মনে হলো, মঞ্চে উঠে যাওয়া হয়তো আবেগের দিক থেকে দেশপ্রেম হতো।</p>
<p>কিন্তু প্রাতিষ্ঠানিক দিক থেকে সেটি দায়িত্বহীনতা।</p>
<p>আমি উঠিনি।</p>
<p>সত্যি বলতে, তখন আমি চেয়ার থেকে একটু ছোট হয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিলাম।</p>
<p>সম্ভব হলে অদৃশ্য হয়ে যেতাম।</p>
<p>কারণ একজন বিদেশি প্রতিনিধি আমার কাছে জানতে চাইছেন, বাংলাদেশের কী হয়েছে।</p>
<p>আর আমার কাছে উত্তর নেই।</p>
<p>এ এক অদ্ভুত বিব্রতবোধ।</p>
<p>বাংলাদেশ ব্যর্থ হয়েছে বলে নয়।</p>
<p>বাংলাদেশ সফল হয়েছে বলেই।</p>
<p>আমাদের প্রকল্প স্বীকৃতি পেয়েছে।</p>
<p>আমাদের নাম ঘোষণা হয়েছে।</p>
<p>শুধু মঞ্চে আমাদের পাওয়া যাচ্ছে না।</p>
<p>তারপর আমি গুগল করলাম</p>
<p>আমার অজ্ঞতার চিকিৎসা করার জন্য যা করা দরকার, সঙ্গে সঙ্গে সেটিই করলাম।</p>
<p>হার পাওয়ার প্রকল্পের ওয়েবসাইট খুললাম।</p>
<p>প্রথমে দেখলাম স্লোগান:</p>
<p>‘প্রযুক্তির সহায়তায় নারীর ক্ষমতায়ন’।</p>
<p>তারপর উদ্দেশ্য পড়লাম।</p>
<p>তথ্যপ্রযুক্তির নিরাপদ ও সর্বোত্তম ব্যবহারের মাধ্যমে নারীর দক্ষতা বৃদ্ধি, আত্মকর্মসংস্থান এবং উদ্যোক্তা হিসেবে টেকসই ক্ষমতায়ন।</p>
<p>পড়তে পড়তে আমার নিজের ওপরই বিরক্তি হচ্ছিল।</p>
<p>এত বড় কাজ, আমি জানি না কেন?</p>
<p>প্রকল্পের নিজস্ব ওয়েবসাইট বলছে, ১৩০টি উপজেলায় চারটি ক্যাটাগরিতে মোট ২৫ হাজার ১২৫ নারীকে পাঁচ মাসব্যাপী প্রশিক্ষণ দেওয়ার লক্ষ্য ছিল। এর মধ্যে আইটি সার্ভিস প্রোভাইডার ও ওমেন ফ্রিল্যান্সার ক্যাটাগরিতে ১০ হাজার ৪০০ জন করে, ওমেন কল সেন্টার এজেন্ট হিসেবে ১ হাজার ৭৫ জন এবং ওমেন ই-কমার্স প্রফেশনাল হিসেবে ৩ হাজার ২৫০ জনকে অন্তর্ভুক্ত করার কথা। প্রশিক্ষণের পর এক মাসের মেন্টরশিপ, ৪৬টি সেমিনার, একটি একক নারী উদ্যোক্তা প্ল্যাটফর্ম এবং সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব ও চাকরি মেলার পরিকল্পনাও প্রকল্পের ঘোষিত লক্ষ্যের অংশ।</p>
<p>আইটিইউতে জমা দেওয়া প্রকল্পের তথ্যে ২৫ হাজার ১২৫ নারীকে প্রশিক্ষণের লক্ষ্য উল্লেখ করা হয়েছে। একই নথির ‘রেজাল্টস’ অংশে ১০ হাজার ৫০০ নারীকে গুরুত্বপূর্ণ ডিজিটাল দক্ষতায় প্রশিক্ষিত করার কথা এবং ‘ইমপ্যাক্ট’ অংশে প্রশিক্ষণ ও ইন্টার্নশিপের মাধ্যমে ৬ হাজার ৭২০ নারীকে আইসিটি ব্যবসায় উদ্যোক্তা হওয়ার পথে ক্ষমতায়িত করার কথা বলা হয়েছে।</p>
<p>এখানে সাংবাদিক হিসেবে একটি কথা পরিষ্কার করা জরুরি।</p>
<p>লক্ষ্যমাত্রা এবং অর্জন এক জিনিস নয়।</p>
<p>২৫ হাজার ১২৫ হলো ঘোষিত লক্ষ্য।</p>
<p>১০ হাজার ৫০০ এবং ৬ হাজার ৭২০ হলো আইটিইউতে উপস্থাপিত ফলাফল ও প্রভাবের সংখ্যা।</p>
<p>আমি বরং চাই, এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির পর প্রকল্পটি আরও বিস্তারিতভাবে তার ফলাফল প্রকাশ করুক।</p>
<p>কতজন প্রশিক্ষণ শেষ করেছেন?</p>
<p>কতজন আয় করছেন?</p>
<p>প্রশিক্ষণের ছয় মাস বা এক বছর পর কতজন পেশায় টিকে আছেন?</p>
<p>গড় আয় কত বেড়েছে?</p>
<p>গ্রামীণ নারী, প্রতিবন্ধী নারী এবং সবচেয়ে পিছিয়ে থাকা জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ কত?</p>
<p>একটি প্রকল্প আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেলে তাকে শুধু ফুল দিয়ে অভিনন্দন জানানো দায়িত্ব নয়।</p>
<p>তার দাবি ও ফলাফলকে আরও গুরুত্ব দিয়ে দেখা দায়িত্ব।</p>
<p>কারণ আন্তর্জাতিক পুরস্কার প্রশ্ন বন্ধ করে না।</p>
<p>বরং আরও ভালো প্রশ্ন করার সুযোগ তৈরি করে।</p>
<p>প্রথম প্রশ্ন: জেনেভায় কে আসার কথা ছিল?</p>
<p>এবার আমার কয়েকটি খুব সাধারণ প্রশ্ন।</p>
<p>হার পাওয়ার প্রকল্প কি ডব্লিউএসআইএস চ্যাম্পিয়নস সেরিমনির আনুষ্ঠানিক তথ্য পেয়েছিল?</p>
<p>পেয়ে থাকলে প্রকল্পের পক্ষ থেকে জেনেভায় কেউ আসার সিদ্ধান্ত হয়েছিল কি?</p>
<p>কোনো কর্মকর্তা মনোনীত হয়েছিলেন?</p>
<p>তাঁর ভ্রমণ অনুমোদন হয়েছিল?</p>
<p>ভিসা হয়েছিল?</p>
<p>টিকিট হয়েছিল?</p>
<p>শেষ মুহূর্তে কোনো সমস্যা হয়েছিল?</p>
<p>আমি উত্তর জানি না।</p>
<p>তাই অভিযোগ করছি না।</p>
<p>প্রশ্ন করছি।</p>
<p>কারণ কোনো প্রতিনিধি উপস্থিত না থাকার অনেক যৌক্তিক কারণ থাকতে পারে।</p>
<p>ভিসা সমস্যা হতে পারে।</p>
<p>ভ্রমণ অনুমোদন দেরি হতে পারে।</p>
<p>সিডিউল নিয়ে বিভ্রান্তি হতে পারে।</p>
<p>আইটিইউর সঙ্গে যোগাযোগে ভুল হতে পারে।</p>
<p>শেষ মুহূর্তে অসুস্থতা হতে পারে।</p>
<p>কিন্তু এর যেকোনো একটি ঘটে থাকলে আমরা কি বিকল্প ব্যবস্থা করেছিলাম?</p>
<p>এটাই মূল প্রশ্ন।</p>
<p>বাংলাদেশ মিশনকে কি জানানো হয়েছিল?</p>
<p>জেনেভায় বাংলাদেশের একটি স্থায়ী মিশন রয়েছে, যার আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব জাতিসংঘের জেনেভা কার্যালয় এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব ও যোগাযোগের সঙ্গে যুক্ত।</p>
<p>তাহলে হার পাওয়ার প্রকল্পের কেউ জেনেভায় আসতে না পারলে স্থায়ী মিশনকে কি জানানো হয়েছিল?</p>
<p>একজন কর্মকর্তা কি দশ মিনিটের জন্য রুম সি-তে যেতে পারতেন না?</p>
<p>আমি জানি না।</p>
<p>হয়তো মিশনকে জানানোই হয়নি।</p>
<p>হয়তো জানানো হয়েছিল, কিন্তু অন্য কোনো দায়িত্ব ছিল।</p>
<p>হয়তো আইটিইউর প্রটোকল অনুযায়ী অন্য কাউকে গ্রহণের অনুমতি ছিল না।</p>
<p>এসবই সম্ভব।</p>
<p>তাই আবার বলছি, আমি রায় দিচ্ছি না।</p>
<p>কিন্তু একটি সরকারি প্রকল্প যখন আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পায়, তখন প্রকল্প, মন্ত্রণালয়, অধিদপ্তর এবং সংশ্লিষ্ট স্থায়ী মিশনের মধ্যে একটি সহজ সমন্বয় পদ্ধতি থাকা কি খুব বেশি প্রত্যাশা?</p>
<p>ই-মেইল।</p>
<p>ফোন।</p>
<p>হোয়াটসঅ্যাপ।</p>
<p>একটি ছোট চিঠি।</p>
<p>‘আমাদের প্রতিনিধি যেতে পারছেন না। বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনের অমুক কর্মকর্তা আমাদের পক্ষে উপস্থিত থাকবেন।’</p>
<p>এতটুকু?</p>
<p>আমরা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে কথা বলছি।</p>
<p>ডিজিটাল রূপান্তর নিয়ে কথা বলছি।</p>
<p>স্মার্ট গভর্ন্যান্স নিয়ে কথা বলছি।</p>
<p>অথচ একটি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি গ্রহণের জন্য একজন মানুষকে একটি কক্ষে পৌঁছাতে পারছি না?</p>
<p>প্রশ্নটি একটু নিষ্ঠুর।</p>
<p>কিন্তু প্রশ্নটি করা দরকার।</p>
<p>হার পাওয়ার আমাকে বিব্রত করেনি</p>
<p>শিরোনাম দেখে হার পাওয়ার প্রকল্পের বন্ধুরা হয়তো আমার ওপর রাগ করতে পারেন।</p>
<p>তাঁদের বলি, আপনারা আমাকে বিব্রত করেননি।</p>
<p>আপনাদের প্রকল্পের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি বাংলাদেশের গর্ব।</p>
<p>আইটিইউর ২০২৬ সালের তালিকায় হার পাওয়ার প্রকল্পকে চ্যাম্পিয়ন হিসেবে দেখা যাচ্ছে। প্রকল্পটির সরকারি পরিচয়ও তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তরের সমাপ্ত প্রকল্পের তালিকায় স্পষ্ট।</p>
<p>আমাকে বিব্রত করেছে আমাদের সমন্বয়ের অদৃশ্য ফাঁক।</p>
<p>এটি বাংলাদেশের পুরোনো রোগ।</p>
<p>এক প্রতিষ্ঠান জানে না অন্য প্রতিষ্ঠান কী করছে।</p>
<p>একটি প্রকল্প আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পায়, কিন্তু দেশের সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিত্ব কাঠামো হয়তো জানে না।</p>
<p>কোনো কর্মকর্তা বিদেশে আসেন, দেশের অন্য অংশগ্রহণকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ নেই।</p>
<p>সুশীল সমাজ আলাদা।</p>
<p>সরকার আলাদা।</p>
<p>বেসরকারি খাত আলাদা।</p>
<p>আমরা সবাই বাংলাদেশের ডিজিটাল ভবিষ্যৎ নিয়ে একই আন্তর্জাতিক সম্মেলনে ঘুরছি।</p>
<p>কিন্তু একে অন্যকে অনেক সময় চিনিই না।</p>
<p>তারপর আমরা মঞ্চে বলি,</p>
<p>Whole-of-society approach.</p>
<p>Multistakeholder collaboration.</p>
<p>Breaking silos.</p>
<p>জেনেভার সভাকক্ষে শব্দগুলো খুব সুন্দর শোনায়।</p>
<p>বাংলাদেশের নাম ঘোষণা হওয়ার পর যখন কেউ উঠে দাঁড়ায় না, তখন শব্দগুলোর প্রকৃত পরীক্ষা হয়।</p>
<p>আমার শেষ প্রশ্নটি একটু ব্যক্তিগত</p>
<p>সকালে রুম সি-তে বসে আমি সত্যিই বিব্রত হয়েছিলাম।</p>
<p>একজন বিদেশি সরকারি প্রতিনিধি আমাকে জিজ্ঞেস করছেন,</p>
<p>‘বাংলাদেশের কী হয়েছে?’</p>
<p>আমাকে বলছেন,</p>
<p>‘আপনি যান না কেন?’</p>
<p>আমি যেতে পারছি না।</p>
<p>কারণ আমার কোনো ম্যান্ডেট নেই।</p>
<p>আমি বাংলাদেশের নাগরিক।</p>
<p>আমি বাংলাদেশকে ভালোবাসি।</p>
<p>আমি বাংলাদেশের সাফল্যে আনন্দিত।</p>
<p>কিন্তু রাষ্ট্রের হয়ে পুরস্কার গ্রহণের অধিকার আমার নেই।</p>
<p>তখন আমার মনে একটি খানিকটা রসিক, খানিকটা রাগের প্রশ্ন এসেছে।</p>
<p>হার পাওয়ার প্রকল্পকে কে ম্যান্ডেট দিয়েছিল, জেনেভার সকালে আমাকে এভাবে বিব্রত করে চেয়ারেই অদৃশ্য হওয়ার চেষ্টা করাতে?</p>
<p>অবশ্যই উত্তর হলো, কেউ দেয়নি।</p>
<p>সম্ভবত কেউ এমনটি চায়ওনি।</p>
<p>এটি কোনো ষড়যন্ত্র নয়।</p>
<p>সম্ভবত এটি শুধু সমন্বয়হীনতা।</p>
<p>কিন্তু প্রশাসনের একটি বড় সত্য হলো, সব বিব্রতকর ঘটনার পেছনে খারাপ উদ্দেশ্য থাকে না।</p>
<p>কখনো কখনো দায়িত্বটি কার, সেটি কেউ ঠিক করে না বলেই ঘটনা ঘটে।</p>
<p>হার পাওয়ারের নারীরা প্রযুক্তি শিখেছেন।</p>
<p>কাজ শিখেছেন।</p>
<p>উদ্যোক্তা হওয়ার চেষ্টা করেছেন।</p>
<p>তাঁদের কাজ আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশের নাম তুলেছে।</p>
<p>তাঁদের অভিনন্দন।</p>
<p>প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত কর্মকর্তা, প্রশিক্ষক, বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান এবং অংশগ্রহণকারী নারীদেরও অভিনন্দন।</p>
<p>কিন্তু সেই নারীদের অর্জনের নামে যখন জেনেভায় বাংলাদেশের নাম ঘোষণা করা হলো, তখন অন্তত একজন মানুষের উঠে দাঁড়ানো দরকার ছিল।</p>
<p>আমার জন্য নয়।</p>
<p>সরকারের জন্যও শুধু নয়।</p>
<p>ওই ২৫ হাজার ১২৫ নারীর স্বপ্নের জন্য।</p>
<p>বাংলাদেশের নাম ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক মঞ্চে নীরবতা খুব দীর্ঘ ছিল না।</p>
<p>হয়তো কয়েক সেকেন্ড।</p>
<p>তারপর অনুষ্ঠান সামনে এগিয়ে গেছে।</p>
<p>পরের দেশের নাম এসেছে।</p>
<p>পরের প্রতিনিধি মঞ্চে উঠেছেন।</p>
<p>পৃথিবী থেমে থাকেনি।</p>
<p>আন্তর্জাতিক সম্মেলনের একটি নিষ্ঠুর নিয়ম আছে।</p>
<p>আপনি উপস্থিত না থাকলে অনুষ্ঠান আপনার জন্য অপেক্ষা করে না।</p>
<p>বাংলাদেশেরও এটি মনে রাখা দরকার।</p>
<p>কারণ সাফল্য অর্জন করা গুরুত্বপূর্ণ।</p>
<p>সাফল্যের গল্প পৃথিবীকে জানানোও গুরুত্বপূর্ণ।</p>
<p>আর যখন পৃথিবী নিজেই আপনার নাম ঘোষণা করে মঞ্চে ডাকে, তখন অন্তত একজনকে উঠে দাঁড়াতে হয়।</p>
<p>হার পাওয়ার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।</p>
<p>এখন আমার প্রশ্ন খুব ছোট।</p>
<p>বাংলাদেশ, আপনি তখন কোথায় ছিলেন?</p>
<p>/<span style="text-decoration: underline;"><strong>/ডিবিটেক/বিআর/এমআই/</strong></span>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>‘জবাবদিহিতা, স্বচ্ছতা ও সততার ভিত্তিতেই আইসিটি ও টেলিকম খাতকে পুনর্গঠন করতে চাই’</title>
<link>https://digibanglatech.news/183546</link>
<guid>https://digibanglatech.news/183546</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a51b0f9f19a7.jpg" length="62746" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 11 Jul 2026 00:57:21 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>আইসিটি সংস্কার, টেলিটক আধুনিকায়ন, ভিওন বিনিয়োগ  ৪. নগদ ডিজিটাল জালিয়াতি, রূপপুর পারমাণবিক প্রকল্প, . টেলিকম অর্ডিন্যান্স, ওয়ান সিটিজেন ওয়ান পোর্টাল</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<hr>
<blockquote>
<p class="MsoNormal"><span lang="BN-BD" style="font-family: 'arial black', sans-serif;">২০২৬ সালের সাধারণ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-১ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য হিসেবে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম স্বপন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নতুন মন্ত্রিসভার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দুটি প্রযুক্তি ও যোগাযোগ খাতের নেতৃত্ব দিচ্ছেন তিনি। দায়িত্ব নেওয়ার এই সংক্ষিপ্ত সময়ের মধ্যেই তিনি দেশের প্রযুক্তি খাতের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করার পাশাপাশি কেউ যেন পিছিয়ে না পড়ে সে দিকটায় গুরুত্ব দিচ্ছেন। গত চার মাসে এই খাতের সমস্যাগুলো চিহ্নিতকরণ ও সামনের দিনের পরিকল্পনা বিষয়ে কথা বলেছেন <strong>ডিজিবাংলা</strong> <em>নির্বাহী সম্পাদক</em> <strong>এস এম ইমদাদুল হক</strong> এর সঙ্গে। আলাপকালে জানিয়েছেন-  </span></p>
<ul>
<li>২০২৬ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে চলমান প্রকল্পগুলোর ৭০-৮০% কাজ শেষ করার পাশাপাশি 'ওয়ান সিটিজেন ওয়ান পোর্টাল' তৈরির কাজ চলছে।</li>
<li>প্রস্তাবিত 'টেলিকম অর্ডিন্যান্স' ও স্থগিত টেলিকম পলিসি পর্যালোচনা এবং অলস পড়ে থাকা হাই-টেক পার্কগুলোকে কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। </li>
<li>২০২৮ সালে মূল ঋণ পরিশোধ শুরুর আগেই ২০২৬ সালের আগস্টের মধ্যে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ইউনিট চালুর ডেডলাইন নির্ধারণ করা হয়েছে।</li>
</ul>
<p class="MsoNormal"><span lang="BN-BD" style="font-family: 'arial black', sans-serif;">বিস্তারিত  প্রশ্নোত্তরে। </span></p>
</blockquote>
<hr>
<p><strong><span lang="BN-BD">ডিজিবাংলা: </span></strong><em><span lang="BN-BD">মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নেওয়ার পর আপনার প্রধান অগ্রাধিকার বা কাজের মূল ভিত্তি কী</span>? <span lang="BN-BD">চার মাস পার হওয়ার পর বর্তমান অবস্থাকে কীভাবে মূল্যায়ন করছেন</span>?</em><o:p></o:p></p>
<p><strong><span lang="BN-BD">ফকির মাহবুব আনাম:</span></strong><span lang="BN-BD"> দেখুন</span>, <span lang="BN-BD">আইসিটি সেক্টরটা অত্যন্ত টেকনিক্যাল একটা জায়গা</span>, <span lang="BN-BD">আই মিন ভেরি ভেরি টেকনিক্যাল। আমি এখানে প্রতিদিন শিখছি</span>, <span lang="BN-BD">আই অ্যাম লার্নিং এভরিডে। গত ১৭ বছরে আমরা ‘আইসিটি’ ‘আইসিটি’ শব্দটা অনেক শুনেছি</span>, <span lang="BN-BD">কিন্তু গভীরে কতটুকু কাজ হয়েছে সেটা দেখার বিষয়। আমার কাজের মূল ভিত্তি হলো তিনটি স্তম্ভ—</span> Accountability (<span lang="BN-BD">জবাবদিহিতা)</span>, Transparency (<span lang="BN-BD">স্বচ্ছতা)</span>, <span lang="BN-BD">এবং </span>Integrity (<span lang="BN-BD">সততা) । এই তিনটি মটোর ওপর ভিত্তি করেই আমি </span><span lang="BN">মন্ত্রণালয়</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN-BD">চালাতে চাই</span><span lang="HI">।</span><o:p></o:p></p>
<p><span lang="BN-BD">গত চার মাস আমি সবকিছু বোঝার চেষ্টা করেছি। অনেকে বলেন চার মাস অনেক সময়</span>, <span lang="BN-BD">কিন্তু এই বিশাল কর্মযজ্ঞ বুঝতে গেলে চার মাস আসলে কোনো সময় না। আমি সিস্টেমটাকে একটা সঠিক ফাউন্ডেশনের ওপর দাঁড় করাতে চাই। আমাদের এই ডেভেলপমেন্ট এজেন্ডাগুলো বর্তমান প্রশাসনের ৩১-পয়েন্ট মেনিফেস্টোর</span> <span lang="BN-BD">সাথে অ্যালাইন করে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। আমাদের ইমিডিয়েট প্রায়োরিটি হলো এই ডিসেম্বরের মধ্যে রানিং প্রজেক্টগুলোর ৭০ থেকে ৮০ পারসেন্ট কাজ কমপ্লিট করা। আই বিলিভ ইন ট্রান্সপারেন্সি। ফিউচার ইনভেস্টমেন্টগুলো শুধু প্র্যাক্টিক্যাল পাবলিক সার্ভিসের ওপর ফোকাস করবে</span>, <span lang="BN-BD">যেগুলোর ক্লিয়ার ইকোনমিক ভ্যালু আছে—কোনো ল্যাক অব ইকোনমিক ভ্যালুর প্রজেক্টে আমরা যাব না</span><span lang="HI">।</span><o:p></o:p></p>
<p><strong><span lang="BN-BD">ডিজিবাংলা:</span></strong><span lang="BN-BD"> <em>থাইল্যান্ডের এসকেপ (</em></span><em>ESCAP) <span lang="BN-BD">সম্মেলন এবং জর্জিয়ার পাবলিক সার্ভিস ফোরাম থেকে বাংলাদেশের জন্য কী অর্জন বা শিক্ষণীয় আছে</span>? ‘<span lang="BN-BD">ওয়ান সিটিজেন ওয়ান পোর্টাল’ নিয়ে আপনাদের পরিকল্পনা কী</span>?</em><o:p></o:p></p>
<p><span lang="BN-BD"><strong>ফকির মাহবুব আনাম</strong>:</span><span lang="BN-BD"> সম্প্রতি আমি থাইল্যান্ডে </span>ESCAP <span lang="BN-BD">সম্মেলনে গিয়েছিলাম</span>, <span lang="BN-BD">যেখানে ৫৩টি দেশ অংশগ্রহণ করেছে। সেখানে ৩২টি ভোটের মধ্যে ২৯টি ভোট পেয়ে আমরা ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছে। আমি নিজে একটি সেশন চেয়ার করেছি এবং আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল আমার পারফরম্যান্সে সন্তুষ্ট হয়ে একটি বিউটিফুল লেটার দিয়েছেন। সেখানকার মূল থিম ছিল</span> ‘No One Left Behind’ <span lang="HI">। </span><span lang="BN-BD">অর্থাৎ দুর্গম অঞ্চলের মানুষ বা গরিব মানুষ যেন প্রযুক্তির সেবা থেকে পিছিয়ে না থাকে। রিমোট এলাকায় ইন্টারনেট পৌঁছে দেওয়া আমাদের বড় লক্ষ্য</span><span lang="HI">।</span><o:p></o:p></p>
<p><span lang="BN-BD">এরপর জর্জিয়ার টিবলিসিতে পাবলিক সার্ভিস ফোরামে যোগ দিয়েছি। সেখানকার আলোচনা ছিল মানুষের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছানো নিয়ে। আমরা বর্তমানে</span> ‘One Citizen One Portal’ <span lang="BN-BD">নিয়ে কাজ করছি। এর মাধ্যমে একজন নাগরিকের জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন</span>, <span lang="BN-BD">শিক্ষা</span>, <span lang="BN-BD">বিয়ে</span>, <span lang="BN-BD">চাকরির রেকর্ড এবং এমনকি কোনো মামলা-মোকাদ্দমার হিস্ট্রি আছে কি না—সবকিছু এক জায়গায় পাওয়া যাবে। জর্জিয়াতে আমি আজারবাইজান ও কাজাখস্তানের মন্ত্রীদের সাথে বাইল্যাটারাল মিটিং করেছি। তারা পাবলিক সার্ভিসে অনেক এগিয়ে গেছে</span>, <span lang="BN-BD">আমাদেরও সেই স্ট্যান্ডার্ডে যেতে হবে</span><span lang="HI">।</span><o:p></o:p></p>
<p><strong><span lang="BN-BD">ডিজিবাংলা:</span></strong><span lang="BN-BD"> <em>আইসিটি ও টেলিকম খাতের প্রকিউরমেন্ট সিস্টেমে শুধুমাত্র ‘অভিজ্ঞতা’ (</em></span><em>Experience-based) <span lang="BN-BD">চাওয়ার কারণে নতুনরা বাধা পাচ্ছে। এমনকি টেন্ডারের শর্ত খামখেয়ালিভাবে পরিবর্তন করে নির্দিষ্ট অপারেটরকে সুবিধা দেওয়ার অভিযোগও আছে। একই সাথে কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হাই-টেক পার্কগুলো কেন খালি পড়ে আছে</span>?</em><o:p></o:p></p>
<p><span lang="BN-BD"><strong>ফকির মাহবুব আনাম:</strong> </span><span lang="BN-BD">যারা আজকে ১০-১৫ বছরের অভিজ্ঞ</span>, <span lang="BN-BD">তাদেরও তো একসময় শূন্য থেকে শুরু করতে হয়েছে। আমি আপনাদের পয়েন্টটা বুঝতে পারছি। নিয়মের বাইরে তো কিছু করতে পারব না</span>, <span lang="BN-BD">তবে যদি কোনো বাইন্ডিংস বা রেস্ট্রিক্টিভ রিকোয়ারমেন্টস থাকে যা নতুনদের জন্য বাধা</span>, <span lang="BN-BD">তবে সেটা আমরা রিফর্ম করব যাতে একটা কম্পিটিটিভ বিডিং এনভায়রনমেন্ট তৈরি হয়। রেলওয়ের জয়দেবপুর থেকে জামতলী পর্যন্ত ৬০ কিলোমিটার ফাইবার অপটিক বসানোর যে টেন্ডারটির কথা বললেন</span>, <span lang="BN-BD">যেখানে শর্ত ৫ বছর থেকে ৭ বছর করা হয়েছে—সেটি সরাসরি আমার মন্ত্রণালয়ের অধীনে নয়। তবে আইসিটি বা টেলিকমেও যদি এমন অভিজ্ঞতা বা শর্তের বেড়াজাল থাকে যা ব্যবসায়ী-বান্ধব নয়</span>, <span lang="BN-BD">তবে আমি সেটা পর্যালোচনা করব। আমরা অফিসারদের সাথে বসব যে নিয়মের মধ্যে থেকে কীভাবে এটাকে আরও স্বচ্ছ ও অংশগ্রহণমূলক করা যায়</span><span lang="HI">।</span><o:p></o:p></p>
<p><span lang="BN-BD">আর পার্কগুলোর কথা যদি বলি—উই হ্যাভ বিল্ট মেনি বিল্ডিংস... দোজ আর লাইং আইডল</span>, <span lang="BN-BD">উই আর নট গেটিং ইনভেস্টরস। আমাদের হাইটেক পার্ক এবং ইনোভেশন সেন্টারগুলোতে ইনভেস্টর ও দক্ষ লোকবলের চরম অভাব আছে</span>, <span lang="BN-BD">এগুলো বিগত বছরগুলোতে কোনো এমপ্লয়মেন্ট জেনারেট করতে পারেনি। আমরা এখন এই ফ্যাসিলিটিগুলোকে প্রোডাক্টিভ ইউজে নিয়ে আসার জন্য একটা প্র্যাক্টিক্যাল স্ট্র্যাটেজি ডেভেলপ করার কাজ করছি</span><span lang="HI">।</span><o:p></o:p></p>
<p><span lang="BN-BD"><strong>ডিজিবাংলা:</strong> </span><em><span lang="BN-BD">মোবাইল হ্যান্ডসেট নিবন্ধন বা </span>NEIR <span lang="BN-BD">এবং বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রস্তাবিত বিটিআরসি (</span>BTRC) <span lang="BN-BD">টেলিকম অর্ডিন্যান্স নিয়ে আপনাদের বর্তমান অবস্থান কী</span>? <span lang="BN-BD">স্থগিত টেলিকম পলিসি কোন পর্যায়ে রয়েছে?</span></em> <o:p></o:p></p>
<p><strong><span lang="BN-BD">ফকির মাহবুব আনাম:</span></strong><span lang="BN-BD"><strong> </strong>দেখুন</span>, <span lang="BN-BD">দ্য প্রস্তাবিত টেলিকম অর্ডিন্যান্স (</span>Telecom Ordinance) <span lang="BN-BD">যেটা প্রিভিয়াস ইন্টারিম অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ইন্ট্রোডিউস করেছিল</span>, <span lang="BN-BD">সেটা আমাদের কাছে এসেছে এবং আমরা তা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে রিভিউ করছি</span>, <span lang="BN-BD">যাতে এটি দেশের লং-টার্ম ইন্টারেস্ট সার্ভ করতে পারে। আর </span>NEIR <span lang="BN-BD">নিয়ে আমরা এখনো ডিটেইলড বসিনি। আমি জানি এটা নিয়ে একটা স্থবিরতা আছে। বিষয়টি আমাদের কাছে পাঠানো হয়েছে। আমি আইডেন্টিফাই করার চেষ্টা করছি কোথায় সমস্যা। নিয়মের মধ্যে থেকে জনসাধারণের ভোগান্তি কমিয়ে কীভাবে সিস্টেমটাকে একদম সিমপ্লিফাই (</span>Simplify) <span lang="BN-BD">বা সহজ করা যায়</span>, <span lang="BN-BD">আমরা সেই চেষ্টা করছি। একটু সময় দিন</span>, <span lang="BN-BD">আমরা সবকিছু স্ট্রেট আপ করার চেষ্টা করছি</span><span lang="HI">।</span><o:p></o:p></p>
<p><span lang="BN-BD">এছাড়া ইউনিয়ন পর্যায়ে ইন্টারনেট কানেক্টিভিটির জন্য আগের ‘টাইগার প্রজেক্ট’কে এখন ‘ডিজিটাল স্টার প্রজেক্ট’ (</span>Digital Star Project) <span lang="BN-BD">হিসেবে রি-লিস্ট করা হচ্ছে। আমাদের অফিশিয়ালরা এখন অ্যাসেস করছেন যে</span>, <span lang="BN-BD">আন্ডারগ্রাউন্ড নাকি ওভারহেড ফাইবার-অপটিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার কোনটা সবচেয়ে বেশি ইফিসিয়েন্ট সলিউশন হবে</span><span lang="HI">।</span> <o:p></o:p></p>
<p><span lang="BN">আর সবাইকে নিয়ে আমরা শিগগরিই পলিসি বিষয়ে মনোযোগী হব। একটু সময় দিন। আমি তো প্রতিদিন ১৪-১৮ ঘণ্টা কাজ করছি।</span><span lang="BN"> </span><o:p></o:p></p>
<p><strong><span lang="BN-BD">ডিজিবাংলা</span></strong><span lang="BN-BD"><strong>: </strong><em>বাজারে জোর গুঞ্জন আছে যে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন মোবাইল অপারেটর </em></span><em>'<span lang="BN-BD">টেলিটক</span>' <span lang="BN-BD">বিক্রি করে দেওয়া হচ্ছে এই বিষটিরর সত্যতা কতটুকু</span>?</em><o:p></o:p></p>
<p><span lang="BN-BD"><strong>ফকির মাহবুব আনাম:</strong> আমি একদম পরিষ্কার করে রিঅ্যাফার্ম করতে চাই—গভর্নমেন্টের এই স্টেট-ওনড মোবাইল অপারেটর টেলিটক বিক্রি বা প্রাইভেটাইজ করার কোনো ইনটেনশনই নেই। উই নিড টেলিটক ইন দ্য মার্কেট। আমরা যদি এই মার্কেট সম্পূর্ণ প্রাইভেট অপারেটরদের হাতে ছেড়ে দিই</span>, <span lang="BN-BD">তবে কম্পিটিশন এফেক্টেড হবে। আমাদের লক্ষ্য টেলিটককে বিক্রি করা নয়</span>, <span lang="BN-BD">বরং একে মডার্নাইজ এবং এর কম্পিটিটিভনেস বাড়ানো। হ্যাঁ</span>, <span lang="BN-BD">বেশ কিছু কোম্পানি আমাদের কাছে টেলিটক আউটরাইট অ্যাকুইজিশন (পুরোপুরি কেনা) বা স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপের প্রপোজাল নিয়ে এসেছিল। কিন্তু প্রশাসন হিসেবে আমরা ফার্মলি তা রুলড আউট করেছি</span><span lang="HI">।</span><o:p></o:p></p>
<p><span lang="BN-BD">বিনিয়োগের ব্যাপারে বলি</span>, <span lang="BN-BD">প্রাইভেট মোবাইল অপারেটর বাংলালিংকের প্যারেন্ট কোম্পানি </span>'<span lang="BN-BD">ভিওন</span>' (VEON) <span lang="BN-BD">রিসেন্টলি আমাদের টেলিটক এবং বিটিসিএল (</span>BTCL)-<span lang="BN-BD">এর সাথে কোলাবোরেশনের আগ্রহ দেখিয়েছে। ভিওন-এর চেয়ারম্যান অগি কে ফাবেলা (</span>Augie K. Fabela) <span lang="BN-BD">গত ২৯ জুন প্রধান উপদেষ্টা তারেক রহমানের সাথে দেখা করে বাংলাদেশের ডিজিটাল ইকোনমিতে </span>'<span lang="BN-BD">১ বিলিয়ন ইউএস ডলার</span>' (1 billion US dollars) <span lang="BN-BD">ইনভেস্টমেন্ট মোবিলাইজ করার প্লেজ নিয়েছেন। একর্ডিং টু দ্য প্রপোজাল—ভিওন নিজে লিড ইনভেস্টর হিসেবে </span>'<span lang="BN-BD">২৫০ মিলিয়ন ইউএস ডলার</span>' <span lang="BN-BD">ইনভেস্ট করবে এবং তাদের ইন্টারন্যাশনাল নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে বাকি ফান্ড নিয়ে আসবে। এই প্ল্যানড ইনভেস্টমেন্ট মূলত নেক্সট-জেনারেশন ডিজিটাল ইনফ্রাস্ট্রাকচার</span>, <span lang="BN-BD">ডিজিটাল ব্যাংকিং</span>, <span lang="BN-BD">মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস</span>, <span lang="BN-BD">আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এবং অ্যাডভান্সড কানেক্টিভিটি টেকনোলজিতে ব্যবহার করা হবে</span><span lang="HI">।</span><o:p></o:p></p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x_6a529321d2391.jpg" alt=""></p>
<p><strong><span lang="BN-BD">ডিজিবাংলা:</span></strong><em><span lang="BN-BD"><strong> </strong>‘নগদ’ নিয়ে আর্থিক অনিয়মের নানা তথ্য সামনে আসছে। তদন্তে ১৭১ কোটি থেকে ১৭০০ কোটি টাকার দায়ের কথা বলা হচ্ছে। এই অনিয়মগুলোর বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নিচ্ছেন এবং ‘নগদ’ নিয়ে আপনাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কী</span>?</em><o:p></o:p></p>
<p><strong><span lang="BN-BD">ফকির মাহবুব আনাম:</span></strong><span lang="BN-BD"> নগদের বিষয়টি বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন</span>, <span lang="BN-BD">তাই সরাসরি মন্তব্য করা কঠিন। এটার ফিউচার আমরা ডিসাইড করব অনলি আফটার অনগোয়িং লিগ্যাল প্রসিডিংস কনক্লুড। তবে এখানে কয়েকটা ফিগার আছে—১৭১ কোটি টাকার একটা তদন্ত রিপোর্ট আছে</span>, <span lang="BN-BD">আবার ৬০০ কোটি টাকার একটা দায়ের বিষয় আছে যা হয়তো হাতে ছিল। টোটাল লায়াবিলিটি ১৭০০ কোটি টাকা পর্যন্ত হতে পারে বলে শোনা যাচ্ছে। এখানে মূলত ‘</span>E-money creation’ <span lang="BN-BD">বা কৃত্রিম টাকা তৈরির মতো টেকনিক্যাল জালিয়াতি হয়েছে। বিগত ইন্টারিম অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের সময় থেকেই অ্যান্টি-করাপশন কমিশন (দুদক) এটা ইনভেস্টিগেট করছে। টাকা একবার মানুষের পকেটে চলে গেলে উদ্ধার করা কঠিন (</span>Once money leaves people's pockets, it is very difficult to recover), <span lang="BN-BD">তবুও আমরা চেষ্টা করছি</span><span lang="HI">।</span><o:p></o:p></p>
<p><span lang="BN-BD">তবে শুনুন</span>, <span lang="BN-BD">আমি কেন নগদ-কে রক্ষা করতে বা এটার কন্টিনিউড প্রেজেন্স ডিফেন্ড করতে চাই</span>? <span lang="BN-BD">কারণ নগদ না থাকলে বিকাশের মতো কোম্পানিগুলোর ‘</span>Monopoly’ <span lang="BN-BD">বা একচেটিয়া আধিপত্য তৈরি হবে। তখন তারা ইচ্ছেমতো চার্জ বা প্রাইস বাড়িয়ে দেবে এবং সাধারণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হবে। নগদ একটি পাবলিক সার্ভিস</span>, <span lang="BN-BD">মার্কেটে ডমিনেন্স প্রিভেন্ট করতে এবং কম্পিটিশন বজায় রাখতে এর রোল ক্রুসিয়াল। তাই আদালতের রায় না আসা পর্যন্ত আমরা কোনো ডিসিশন নিচ্ছি না</span><span lang="HI">।</span><o:p></o:p></p>
<p><strong><span lang="BN-BD">ডিজিবাংলা:</span></strong><span lang="BN-BD"><strong> </strong><em>বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অধীনে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র এখন দেশের সবচেয়ে বড় প্রকল্পগুলোর একটি। কিন্তু ১ লক্ষ ১৩ হাজার কোটি টাকার এই বিশাল ঋণের বোঝা এবং ২০২৮ সাল থেকে মূল টাকা পরিশোধের যে চাপ</em></span><em>, <span lang="BN-BD">তা সামাল দিতে আপনাদের বর্তমান প্রযুক্তিগত ও আর্থিক ডেডলাইন কী</span>?</em><o:p></o:p></p>
<p><span lang="BN-BD"><strong>ফকির মাহবুব আনাম</strong>:</span><span lang="BN-BD"> রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নিয়ে আমাদের বড় চ্যালেঞ্জ আছে। প্রকল্পের ঋণ প্রায় ১ লক্ষ বিষ্ময়কর—১ লক্ষ ১৩ হাজার কোটি টাকা। ২০২৮ সাল থেকে আমাদের ‘</span>Principal Amount’ <span lang="BN-BD">বা মূল টাকা পরিশোধ শুরু করতে হবে</span>, <span lang="BN-BD">এখন শুধু ইন্টারেস্ট (সুদ) দেওয়া হচ্ছে। ফলে এই প্রজেক্ট চালু করতে যত ডিলে হবে</span>, <span lang="BN-BD">দেশের ফিন্যান্সিয়াল বার্ডেন তত বাড়বে</span><span lang="HI">।</span><o:p></o:p></p>
<p><span lang="BN-BD">তাই এটাকে আমরা একটা ন্যাশনাল নেসেসিটি (</span>National necessity) <span lang="BN-BD">হিসেবে দেখছি। অলরেডি ফুয়েল লোডিং (</span>Fuel loading) <span lang="BN-BD">শুরু হয়ে গেছে। আমরা রাশিয়ান এক্সপার্টদের সাথে খুব ক্লোজলি কাজ করছি। যদি সবকিছু প্ল্যান অনুযায়ী চলে</span>, <span lang="BN-BD">তবে আমাদের টার্গেট হলো ২০২৬ সালের আগস্টের শেষের মধ্যেই প্রথম ইউনিটটিকে ন্যাশনাল গ্রিডে কানেক্ট করা এবং এর মাধ্যমে একটা বড় মাইলফলক অর্জন করা</span><span lang="HI">।</span></p>
<p><strong><span lang="BN-BD">ডিজিবাংলা:</span></strong><span lang="BN-BD"> <em>আপনার সাম্প্রতিক বিদেশ সফরগুলো নিয়ে গণমাধ্যমে নানা আলোচনা হয়েছে। বিশেষ করে আপনার সফরসঙ্গীদের নির্বাচন এবং তাদের পেছনে ব্যয়ের বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা উঠেছে। এ বিষয়ে আপনার ব্যাখ্যা কী</em></span><em>?</em><o:p></o:p></p>
<p><strong><span lang="BN-BD">ফকির মাহবুব আনাম:</span></strong><span lang="BN-BD"> আমার বিদেশ সফর নিয়ে অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন</span>, <span lang="BN-BD">বিশেষ করে সফরসঙ্গীদের নিয়ে যে খবরগুলো এসেছে—আমি পরিষ্কার করে বলতে চাই</span>, <span lang="BN-BD">সরকারি টাকা সাশ্রয় করার জন্য আমি অনেক ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত খরচে এই সফরগুলো করেছি। আমার ব্যক্তিগত ব্যাকগ্রাউন্ড শুনুন—আমি বিএনপি’র জন্ম লগ্ন থেকে সংশ্লিষ্ট একটি রাজনৈতিক পরিবার থেকে এসেছি। রাজনীতিতে আমি তৃতীয় প্রজন্ম। আবার ব্যবসায় বাণিহ্যে আমার একটি শক্ত অবস্থান রয়েছে।</span> <span lang="BN-BD">আমার জীবনে আমি ৫টি ওয়ার্ল্ড কাপ দেখেছি। আমার এখন পাওয়ার কিছু নেই। আমি কেবল দেশকে দেয়ার জন্য এখানে এসেছি। জনগণ আমাকে ভোট দিয়ে এমপি করেছে। আর প্রধানমন্ত্রী আমাকে তিনটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দিয়ে আমার ভোটারদের পুরস্কৃত করেছেন। তাই আমি শুধু সেবার জন্য</span>, <span lang="BN-BD">দেশের কল্যাণে কাজ করতে চেষ্টা করছি। যখন মেক্সিকো বা বড় বড় দেশে গেছি</span>, <span lang="BN-BD">প্রাউডলি বলেছি ‘আই অ্যাম ফ্রম বাংলাদেশ’। আমাদের এক্সপোজার দরকার। আজারবাইজান বা কাজাখস্তানে যখন যাই</span>, <span lang="BN-BD">তারা আমাদের পাবলিক সার্ভিসের প্রশংসা করে। আমি যখন এসকেপ-এ সেশন চেয়ার করি বা আইএইএ (</span>IAEA) <span lang="BN-BD">ডিরেক্টরের সাথে কথা বলি</span>, <span lang="BN-BD">তখন দেশের ইমেজ বাড়ে। আমরা যদি এই আন্তর্জাতিক ফোরামগুলোতে না যাই</span>, <span lang="BN-BD">তবে আমরা গ্লোবাল ম্যাপ থেকে মাইনাস হয়ে যাব। তাছাড়া বিদেশের যখন একাধিক বৈঠক করতে হয় তখন আমার সহকারী দরকার হয়। আর সফরে অনেক খরচ আমি নিজেই করি। দেশের নয়</span>; <span lang="BN-BD">দাতা সংস্থার টাকায় নিয়ম মেনেই সফর সূচি ও সঙ্গী নির্বাচন করা হয়। তারপরও আমি কথা দিচ্ছি</span>, <span lang="BN-BD">সরকারি টাকা অনর্থক এক টাকাও ব্যয় করব না</span>, <span lang="BN-BD">বরং বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের সম্মান বৃদ্ধির জন্য কাজ করে যাব</span><span lang="HI">।</span><o:p></o:p></p>
<p><span lang="BN-BD">আর তথ্যের অবাধ প্রবাহের ব্যাপারে বলি—আগে অনেক সময় সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার পর্যন্ত নিষিদ্ধ ছিল। আপনাদের অফিসগুলো থেকে অনেক সময় রেসপন্স পাওয়া যায় না। কিন্তু আমি সরাসরি কথা বলতে পছন্দ করি। আপনারা বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ করুন</span>, <span lang="BN-BD">প্রুফ নিয়ে আসুন। সত্য নিউজ দিলে আমরা নিজেদের সংশোধন করার সুযোগ পাই। কিন্তু দয়া করে কোনো অসত্য নিউজ বা গুজব ছড়াবেন না। এই যেমন কিছুদিন আগে ‘কালবেলা’ পত্রিকায় নিউজ হলো যে আমি নাকি ১৭০০ কোটি টাকায় ‘নগদ’ বিক্রি করে দিয়েছি! এটা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং ফলস নিউজ। এমন নিউজ করলে ড্যামেজ কন্ট্রোল করা কঠিন হয়ে পড়ে। পত্রিকার মালিক পরে দুঃখ প্রকাশ করেছেন</span>, <span lang="BN-BD">কিন্তু ‘</span>Rejoinder’ <span lang="BN-BD">তো কেউ পড়ে না</span>, <span lang="BN-BD">ড্যামেজ যা হওয়ার তা হয়েই যায়। আমি আপনাদের সাথে কোলাবরেশনে বিশ্বাস করি</span>, <span lang="BN-BD">আপনারা আমাকে টেক্সট করতে পারেন বা ফোন করতে পারেন</span><span lang="HI">।</span><o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal"> /<strong>/</strong><span lang="BN-BD"><strong>ডিবিটেক/আইএইচ/এমআই/</strong>/</span><o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal"><o:p> </o:p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>সিইও ফ্যাক্টরি লিডারশিপ সামিট অনুষ্ঠিত</title>
<link>https://digibanglatech.news/183664</link>
<guid>https://digibanglatech.news/183664</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;7,0,1,0,0&quot;&gt;শেকৃবিতে দিনব্যাপী লিডারশিপ সামিট&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;7,0,1,1,0&quot;&gt;শীর্ষ কর্মকর্তা, উদ্যোক্তা ও শিক্ষার্থীরা অংশ নেন&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;7,0,1,2,0&quot;&gt;প্রযুক্তি, নেতৃত্ব ও নৈতিক মূল্যবোধে জোর &lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a53246873b14.jpg" length="84887" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 11 Jul 2026 00:03:00 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>সিইও ফ্যাক্টরি, লিডারশিপ সামিট, করপোরেট নেতৃত্ব, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, প্রশিক্ষণ, ড. সুকোমল বড়ুয়া, সম্মাননা, ক্যারিয়ার</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="17">দেশের করপোরেট খাতে সময়ের চাহিদার সাথে সংগতিপূর্ণ, দক্ষ এবং নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন নেতৃত্ব গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ‘সিইও ফ্যাক্টরি লিডারশিপ সামিট–২০২৬’। ১০ জুলাই, শুক্রবার শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) এম. মাহবুব উজ্জামান একাডেমি ভবনের সেমিনার কক্ষে দিনব্যাপী এই জাঁকজমকপূর্ণ সামিট অনুষ্ঠিত হয়। দেশে প্রথমবারের মতো আয়োজিত এই প্ল্যাটফর্মে সমবেত হয়েছিলেন দেশের শীর্ষস্থানীয় করপোরেট কর্মকর্তা, নতুন উদ্যোক্তা, শিক্ষাবিদ, গণমাধ্যমকর্মী, গবেষক এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। সকাল ৯টা থেকে শুরু হয়ে রাত ৮টা পর্যন্ত চলা এই আয়োজনটি পরিণত হয়েছিল অভিজ্ঞ ও নবীনের এক ফলপ্রসূ মেলবন্ধনে।</p>
<p data-path-to-node="18">সিইও ফ্যাক্টরির উদ্যোগে আয়োজিত এই সামিটে সমসাময়িক করপোরেট বিশ্বের নানা চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। বিভিন্ন সেশনে নেতৃত্ব বিকাশ, কৌশলগত পরিকল্পনা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) প্রায়োগিক ব্যবহার, করপোরেট যোগাযোগ, ব্র্যান্ড উন্নয়ন, আধুনিক গণমাধ্যম ব্যবস্থাপনা, বিপণন কৌশল এবং সাংগঠনিক দক্ষতা বৃদ্ধির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো উঠে আসে। বিশেষ করে বর্তমানের দ্রুত পরিবর্তনশীল প্রযুক্তিগত পরিস্থিতির সাথে খাপ খাইয়ে নেওয়ার কৌশল নিয়ে বক্তারা আলোকপাত করেন।</p>
<p data-path-to-node="19">সামিটের অন্যতম আকর্ষণ ছিল ‘কৃষি-ব্যবসা, কৌশল, প্রতিবেদন ও জনকল্যাণ’ শীর্ষক বিশেষ একটি প্রশিক্ষণ অধিবেশন। সেশনটি পরিচালনা করেন বিশিষ্ট কৃষিবিদ মো. বশিরুল ইসলাম। তিনি টেকসই কৃষি উন্নয়নে কার্যকর নেতৃত্বের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, আধুনিক কৃষি-ব্যবস্থাপনা এবং তথ্যনির্ভর সিদ্ধান্ত গ্রহণ এখন সময়ের দাবি। একই সাথে জনকল্যাণমূলক যোগাযোগ ও মাঠপর্যায়ের সঠিক চিত্র তুলে ধরতে কৃষি প্রতিবেদনের ভূমিকার কথাও তিনি স্মরণ করিয়ে দেন।</p>
<p data-path-to-node="20">দিনব্যাপী এ আয়োজনে অন্যান্য সেশনগুলো পরিচালনা করেন ডি জেড এম মিজানুর রহমান, এস. এম. আকাশ, ড. ইসলাম শফিক, মো. কাজী মহিউদ্দিন, মুনাফ মুজিব চৌধুরী, ড. শরিফুল ইসলাম দুলু এবং আবির সাওকাত। বক্তারা ইতিবাচক কর্মসংস্কৃতি ও প্রাতিষ্ঠানিক উৎকর্ষ অর্জনে ডিজিটাল প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহারের ওপর জোর দেন।</p>
<p data-path-to-node="21">সামিটের সমাপনী অধিবেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সুপারনিউমারারি অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া। তিনি তরুণদের উদ্দেশ্যে বলেন, কেবল ব্যবসায়িক সাফল্যই নয়, বরং জ্ঞান, নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন নেতৃত্বই সমাজ ও দেশকে বদলে দিতে পারে। গেস্ট অভ অনার হিসেবে বক্তব্য রাখেন রয়্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন অধ্যাপক ড. দিপু সিদ্দিকী। তিনি বলেন, এই কর্মশালার মাধ্যমে তরুণ শিক্ষার্থীরা প্রতিষ্ঠিত কোম্পানিগুলোর সিইওদের সাথে সরাসরি যোগাযোগের একটি অনন্য সুযোগ পেয়েছে, যা অ্যাকাডেমিক শিক্ষার সাথে বাস্তব কর্মক্ষেত্রের দূরত্ব কমাবে।</p>
<p data-path-to-node="22">অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন সিইও ফ্যাক্টরির সভাপতি ডি জেড এম মিজানুর রহমান। সমাপনী বক্তব্যে তিনি বলেন, “দেশের করপোরেট খাতে দূরদর্শী ও জনকল্যাণমুখী নেতৃত্ব তৈরি করাই আমাদের মূল উদ্দেশ্য।”</p>
<p data-path-to-node="22">আলোচনা ও প্রশিক্ষণ পর্ব শেষে সিইও ফ্যাক্টরির প্রথম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য কেক কাটা হয়। এরপর দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ অধ্যাপক ডক্টর সুকোমল বড়ুয়া, এস. এম. আকাশ, ড. ইসলাম শফিক, অধ্যাপক ডক্টর দিপু সিদ্দিকী, জাহাঙ্গীর আলম, রফিকুল ইসলাম রলি, রাজু আহমেদ এবং তারেকুজ্জামান খাঁনকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। উৎসবমুখর পরিবেশে অংশগ্রহণকারীদের মাঝে সনদ বিতরণের মাধ্যমে সামিটের সমাপ্তি ঘটে।</p>
<p data-path-to-node="31">/<strong>/ডিবিটেক/ সিএন/ ইকে/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>আগাম ফল ছড়িয়ে প্রযুক্তিগত ত্রুটিতে বাড়ল বিভ্রান্তি</title>
<link>https://digibanglatech.news/183437</link>
<guid>https://digibanglatech.news/183437</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-section-id=&quot;ttat3m&quot; data-start=&quot;161&quot; data-end=&quot;186&quot;&gt;ফলের লিংক আগেই উন্মুক্ত&lt;span aria-hidden=&quot;true&quot; class=&quot;PDq2pG_selectionAnchor&quot;&gt;&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;li data-section-id=&quot;17y4ek&quot; data-start=&quot;187&quot; data-end=&quot;219&quot;&gt;প্রযুক্তিগত ত্রুটির তদন্ত শুরু&lt;/li&gt;
&lt;li data-section-id=&quot;1yvy88m&quot; data-start=&quot;220&quot; data-end=&quot;245&quot;&gt;আনুষ্ঠানিক ফলের অপেক্ষা&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a4fd4e0d975f.jpg" length="240471" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 09 Jul 2026 20:05:54 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>প্রাথমিক বৃত্তি, ফলাফল, ডিপিই, সাইবার নিরাপত্তা, লিংক ফাঁস, ওয়েব পোর্টাল, প্রযুক্তিগত ত্রুটি, শিক্ষা, বাংলাদেশ</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-start="504" data-end="856">প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৫-এর ফল প্রকাশের আগেই ফলাফলের একটি লিংক অনলাইনে উন্মুক্ত হয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় প্রযুক্তিগত নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। নির্ধারিত সময়ে ফল প্রকাশ সম্ভব না হলেও ফেসবুকসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে শিক্ষার্থীদের ফলাফলের অংশবিশেষ ছড়িয়ে পড়ে, যা অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করে।<span aria-hidden="true"></span></p>
<p data-start="858" data-end="1204">৯ জুলাই, বৃহস্পতিবার প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের (ডিপিই) এক সরকারি চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ফলাফল ওয়েব পোর্টালে আপলোডের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাকে ফল প্রকাশের আগে লিংক উন্মুক্ত না করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। তবে অসতর্কতাবশত ফলাফলের লিংক নির্ধারিত সময়ের আগেই সক্রিয় হয়ে যায়। এরপর ব্যবহারকারীরা সেই লিংক থেকে ফলাফল সংগ্রহ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেন।</p>
<p data-start="1206" data-end="1446">ডিপিইর আইসিটি শাখার প্রাথমিক তদন্তে বলা হয়েছে, ফলাফলের লিংক তৈরি ও আপলোডের সময় প্রচলিত নিরাপত্তা প্রটোকল যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়নি। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।</p>
<p data-start="1448" data-end="1829">এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেক শিক্ষক ও অভিভাবক শিক্ষার্থীদের বৃত্তি পাওয়ার দাবি করে শুভেচ্ছা জানালেও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশিত ফল নয়। একই সঙ্গে তারা এটিও নিশ্চিত করে বলতে পারেননি যে ছড়িয়ে পড়া তথ্য সম্পূর্ণ ভুল। ফলে সরকারিভাবে ফল প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত অনলাইনে প্রচারিত তালিকাকে চূড়ান্ত ফল হিসেবে বিবেচনা না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।</p>
<p data-start="1831" data-end="2151">সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, এমন ঘটনা সরকারি ডিজিটাল সেবায় অ্যাক্সেস কন্ট্রোল, প্রি-পাবলিকেশন সিকিউরিটি, ইউআরএল ম্যানেজমেন্ট এবং রিলিজ প্রটোকল আরও শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয়তাকে সামনে এনেছে। একই সঙ্গে সংবেদনশীল তথ্য প্রকাশের আগে মাল্টি-স্টেজ ভেরিফিকেশন ও অডিট ট্রেইল নিশ্চিত করার গুরুত্বও আবারও আলোচনায় এসেছে।</p>
<p data-start="1831" data-end="2151">এর আগে নিজাম উদ্দিন জুয়েল নামের এক সহকারী শিক্ষক তার কর্মরত বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ফলাফল ফেসবুকে প্রকাশ করেন। পোস্টের ক্যাপশনে তিনি লেখেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ। শিক্ষকতা পেশায় সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি! বড়কান্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে প্রথমবারের মতো পাঁচজন শিক্ষার্থী বৃত্তি পেয়েছে।’  </p>
<p>ফলাফলের একটি পৃষ্ঠা শেয়ার করে ফেসবুকে পোস্ট দেন অভিভাবক কামরুন নাহার কেয়া। তিনি লেখেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ। আমার ভাগনে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছে।’ তবে <span>অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসি সাক্ষরিত চিঠিতে ৯টি জেলার ফল ওয়েবে আপলোড করায় দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সহাকারি মেইনটেন্যান্স ইঞ্জিনিয়ার মোঃ মেহাতাব কায়েসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। </span></p>
<p data-start="2153" data-end="2185"><strong data-start="2153" data-end="2185">//ডিবিটেক/ সংবাদ/ সম্পাদনা//</strong></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>গবেষণাকে পেটেন্ট ও উদ্ভাবনে রূপান্তরের আহ্বান, ডিআইইউতে ৭০০ গবেষককে সম্মাননা</title>
<link>https://digibanglatech.news/183374</link>
<guid>https://digibanglatech.news/183374</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p&gt;ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ‘রিসার্চ অ্যাওয়ার্ড গিভিং সিরিমনি ২০২৬’-এ গবেষণাকে পেটেন্ট ও বাণিজ্যিক উদ্ভাবনে রূপান্তরের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে শিক্ষক, গবেষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও অ্যালামনাইসহ প্রায় ৭০০ জনকে সম্মাননা দেওয়া হয়।&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a4f4530bf3ef.jpg" length="123876" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 09 Jul 2026 09:42:55 +0600</pubDate>
<dc:creator>ক্যাম্পাস করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, গবেষণা, পেটেন্ট, উদ্ভাবন, গবেষণা সম্মাননা, ইউজিসি, ডিআইইউ, Research Award Giving Ceremony 2026</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-start="815" data-end="1166" class="PDq2pG_selectionAnchorContainer">গবেষণার ফল শুধু আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে তা পেটেন্ট, প্রযুক্তি, পণ্য ও সেবায় রূপান্তরের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতি এবং মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজে লাগানোর আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে গবেষণায় অবদান রাখা শিক্ষক, গবেষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও অ্যালামনাইদের সম্মাননা দিয়েছে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ডিআইইউ)।<span aria-hidden="true" class="PDq2pG_selectionAnchor"></span></p>
<p data-start="1168" data-end="1518">এ উপলক্ষে বুধবার (৮ জুলাই) ড্যাফোডিল স্মার্ট সিটির নলেজ টাওয়ারের আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ‘রিসার্চ অ্যাওয়ার্ড গিভিং সিরিমনি (আরএজিসি) ২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আইয়ুব ইসলাম। সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. এম. আর. কবির।</p>
<p data-start="1520" data-end="1829">অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মাসুম ইকবাল, রেজিস্ট্রার ড. মোহাম্মদ নাদির বিন আলী, ট্রেজারার ড. হামিদুল হক খান, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. মমিনুল হক মজুমদার, লাইব্রেরিয়ান ড. মো. মিলান খানসহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক, গবেষক, কর্মকর্তা, শিক্ষার্থী ও অ্যালামনাই।</p>
<p data-start="1831" data-end="2029">স্বাগত বক্তব্যে অধ্যাপক ড. এম. আর. কবির বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণাবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি, আন্তর্জাতিক মানের গবেষণা বৃদ্ধি এবং উদ্ভাবনভিত্তিক গবেষণা সংস্কৃতি শক্তিশালী করতে নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরেন।</p>
<p data-start="2031" data-end="2425">অনুষ্ঠানে প্রচারিত ভিডিও বার্তায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খান বলেন, গবেষণার প্রকৃত সাফল্য তখনই অর্জিত হবে, যখন তা পেটেন্ট, প্রযুক্তি, পণ্য ও সেবায় রূপ নিয়ে মানুষের জীবনমান উন্নয়ন এবং দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে বাস্তব অবদান রাখবে। তিনি গবেষণার ফল বাণিজ্যিকভাবে কাজে লাগানো এবং উদ্ভাবনভিত্তিক গবেষণাকে আরও এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।</p>
<p data-start="2427" data-end="2680">প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আইয়ুব ইসলাম শিল্প ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে সহযোগিতা আরও জোরদার করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, গবেষণাকে সমাজের বাস্তব চাহিদাভিত্তিক হতে হবে, যাতে তা দেশের উন্নয়ন এবং মানুষের কল্যাণে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।</p>
<p data-start="2682" data-end="3017">বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিভিশন অব রিসার্চের পরিচালক ড. মাহফুজা পারভীন জানান, ২০২৬ সালের মধ্যভাগ পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট গবেষণা প্রকাশনার সংখ্যা ৬৯৫-এ পৌঁছেছে। ২০২২ সালে ১,০১০টি গবেষণা প্রকাশনা থেকে ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পেয়ে ২০২৫ সালে তা ১,৪৮৭-এ উন্নীত হয়েছে। এর উল্লেখযোগ্য অংশ স্কোপাস-সূচিভুক্ত কিউ-১ ও কিউ-২ জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে।</p>
<p data-start="3019" data-end="3315">তিনি আরও জানান, বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৩৮টি বহিঃঅর্থায়িত গবেষণা প্রকল্প চলমান রয়েছে। গত এক বছরে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক উৎস থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা প্রায় ৫ কোটি টাকার গবেষণা অনুদান অর্জন করেছেন, যা বৈশ্বিক গবেষণা সহযোগিতা ও উদ্ভাবনী গবেষণাকে আরও শক্তিশালী করেছে।</p>
<p data-start="3317" data-end="3586">অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল গবেষণা সম্মাননা প্রদান। এ বছর শিক্ষক, গবেষক, প্রশাসনিক কর্মকর্তা, শিক্ষার্থী ও অ্যালামনাইসহ প্রায় ৭০০ জনকে গবেষণায় অবদানের জন্য সম্মানিত করা হয়। এছাড়া গবেষণায় বিশেষ অবদান এবং পোস্টার উপস্থাপনা প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদেরও পুরস্কৃত করা হয়।</p>
<p data-start="3588" data-end="3863">সমাপনী বক্তব্যে প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মাসুম ইকবাল বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা ও উদ্ভাবনের অগ্রযাত্রায় শিক্ষক, গবেষক, কর্মকর্তা, শিক্ষার্থী এবং অ্যালামনাইদের সম্মিলিত অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি অনুষ্ঠানের সফল আয়োজনে সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান।</p>
<p data-start="3865" data-end="3899"><strong data-start="3865" data-end="3899">//ডিবিটেক/বিএন/ইকে//</strong></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বিশ্বমঞ্চে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে বাংলাদেশিদের জয়জয়কার: ওয়ার্ল্ড সামিটে ৬০ আন্তর্জাতিক পুরস্কার জয়</title>
<link>https://digibanglatech.news/183325</link>
<guid>https://digibanglatech.news/183325</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p&gt;মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিত ইন্টারন্যাশনাল ওয়ার্ল্ড সামিট ২০২৬-এ ইংলিশ ওয়ার্ল্ড কাপ ও সায়েন্স অলিম্পিয়াডে অংশ নিয়ে ৬০টি আন্তর্জাতিক পুরস্কার জয় করেছে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা। ইন্টারন্যাশনাল অলিম্পিয়াডস বাংলাদেশের (আইওবি) নেতৃত্বে ১৮ সদস্যের এই দলে ১৭ জনই পুরস্কার অর্জনের গৌরব লাভ করেছেন, যার মধ্যে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি গবেষণায় এসেছে বিশেষ সাফল্য। সিলেটের মোহাম্মদ আরহাম জোহান একাই সর্বোচ্চ ১৩টি এবং অনিরুদ্ধ নিলাদ্রি বিশ্বাস ১১টি আন্তর্জাতিক পুরস্কার অর্জন করে দেশের নাম উজ্জ্বল করেছেন।&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a4e834f27700.jpg" length="126320" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 08 Jul 2026 18:05:42 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>ইন্টারন্যাশনাল অলিম্পিয়াডস বাংলাদেশ, সায়েন্স অলিম্পিয়াড ২০২৬, আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান পুরস্কার, আইওবি মালয়েশিয়া সামিট, মোহাম্মদ আরহাম জোহান, অনিরুদ্ধ নিলাদ্রি বিশ্বাস, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সাফল্য</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="7">আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও মেধার উজ্জ্বল স্বাক্ষর রাখল বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা। মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিত মর্যাদাপূর্ণ ‘ইন্টারন্যাশনাল ওয়ার্ল্ড সামিট ২০২৬’-এর আওতায় ইংলিশ ওয়ার্ল্ড কাপ ও সায়েন্স অলিম্পিয়াডে অংশ নিয়ে দেশের শিক্ষার্থীরা একাই ৬০টি আন্তর্জাতিক পুরস্কার অর্জন করেছে। ইন্টারন্যাশনাল অলিম্পিয়াডস বাংলাদেশের (আইওবি) নেতৃত্বে অংশ নেওয়া ১৮ জন খুদে বিজ্ঞানীর হাত ধরে এই ঐতিহাসিক সাফল্য এসেছে।</p>
<p data-path-to-node="8">এবারের আসরে বাংলাদেশের ঝুলিতে এসেছে ২৭টি গোল্ড মেডেল, ৪টি সিলভার মেডেল, ৩টি প্ল্যাটিনাম অ্যাওয়ার্ড, ২টি ডায়মন্ড অ্যাওয়ার্ড এবং ৯টি আন্তর্জাতিক র‍্যাংকিং। এছাড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে বিশেষ অবদানের জন্য ৪টি ডিন অ্যাওয়ার্ড, ৪টি কাজাখস্তান স্পেশাল অ্যাওয়ার্ড, ৪টি বেস্ট প্রেজেন্টেশন ও বেস্ট এক্সপেরিমেন্টাল সায়েন্টিস্ট অ্যাওয়ার্ড, ১টি জাজেস চয়েজ অ্যাওয়ার্ড, ১টি মালয়েশিয়া স্পেশাল অ্যাওয়ার্ড এবং ১টি মর্যাদাপূর্ণ ‘সায়েন্স প্রেসিডেন্ট অ্যাওয়ার্ড’ জয় করেছে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা। অংশগ্রহণকারী ১৮ জনের মধ্যে ১৭ জনই অন্তত একটি করে আন্তর্জাতিক পুরস্কার পেয়েছেন।</p>
<p data-path-to-node="9">বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি গবেষণায় এবারের আসরে সবচেয়ে বড় চমক দেখিয়েছে সিলেটের আনন্দনিকেতন স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ আরহাম জোহান। সে বিজ্ঞানে গোল্ড, প্ল্যাটিনাম, আন্তর্জাতিক র‍্যাংকিং-২, ডিন অ্যাওয়ার্ড, বেস্ট এক্সপেরিমেন্টাল সায়েন্টিস্ট এবং কাজাখস্তান স্পেশাল অ্যাওয়ার্ডসহ মোট ১৩টি পুরস্কার জিতে বাংলাদেশের সেরা পারফর্মারের স্বীকৃতি পেয়েছে। অন্যদিকে, এসএফএক্স গ্রিনহেরাল্ড ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের অনিরুদ্ধ নিলাদ্রি বিশ্বাস বিজ্ঞানে গোল্ড, প্ল্যাটিনাম, আন্তর্জাতিক র‍্যাংকিং-৩, ডিন অ্যাওয়ার্ড এবং অনন্য ‘সায়েন্স প্রেসিডেন্ট অ্যাওয়ার্ড’সহ ১১টি আন্তর্জাতিক পুরস্কার অর্জন করে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সাফল্য লাভ করে।</p>
<p data-path-to-node="10">বিজ্ঞানের অন্যান্য শাখায় আহনাফ তাজওয়ার, মায়মানাহ জান্নাত রহমান, মনজুর আরশ আহসান, মো. জাইম হাসান, জাহিন আবদুল্লাহ, জারির আয়ান আমিন, নাজিয়া জারিন, আরাফ রহমান, সারফরাজ মাহমুদ রুয়াইফী ও ফাইরুজ বিনতে জাকারিয়া গোল্ড মেডেল অর্জন করেছেন। এছাড়া বিজ্ঞান অন্বেষণে সিলভার মেডেল লাভ করেছেন মো. ওয়াকিফ উল্লাহ ইসমাম, মোস্ত. মিফতাহুল জান্নাত ও প্রান্তিক দেবশর্মা পিনাক।</p>
<p data-path-to-node="11">প্রতিযোগিতার পাশাপাশি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির আধুনিক রূপ প্রত্যক্ষ করতে বাংলাদেশ দলের সদস্যরা ইউনিভার্সিটি অব সাইবারজয়া, ইউনিভার্সিটি টেকনোলজি মালয়েশিয়া, মালয়েশিয়া ন্যাশনাল মিউজিয়াম ও পেট্রোনাস টুইন টাওয়ার পরিদর্শন করেন। এই শিক্ষাসফরের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা আন্তর্জাতিক শিক্ষা, আধুনিক গবেষণা ও প্রযুক্তি সম্পর্কে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পায়।</p>
<p data-path-to-node="12">শিক্ষার্থীদের এই যুগান্তকারী সাফল্য প্রসঙ্গে <span>আইওবির প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক কামরুদ্দীন নিশান</span> বলেন, “বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তাদের মেধা, সৃজনশীলতা ও বিজ্ঞানভিত্তিক গবেষণা দক্ষতার অনন্য স্বাক্ষর রেখেছে। এই সাফল্য তাদের আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বিশ্বমঞ্চে আরও এগিয়ে যেতে অনুপ্রাণিত করবে।”</p>
<p data-path-to-node="13">আইওবির প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক মো. হাবিবুল আলম শিমুল বলেন, “আন্তর্জাতিক অলিম্পিয়াডে বাংলাদেশের এই অর্জন আমাদের নতুন প্রজন্মের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ভাবনার এক অনন্য প্রতিফলন। আমরা চাই দেশের আরও শিক্ষার্থী এমন আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে বাংলাদেশের পতাকাকে বিশ্বের বুকে আরও উঁচুতে তুলে ধরুক।”</p>
<p data-path-to-node="13">/<span style="text-decoration: underline;"><strong>/ডিবিটেক/এমআই/ইকে/</strong></span>/</p>
<p data-path-to-node="13"></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ঢাকায় প্রথম মুডলমুট ১১ জুলাই</title>
<link>https://digibanglatech.news/183257</link>
<guid>https://digibanglatech.news/183257</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p class=&quot;font-claude-response-body break-words whitespace-normal&quot;&gt; নিবন্ধিত অংশগ্রহণকারীরা পাবেন ৫০ হাজার টাকা মূল্যের ই-লার্নিং সার্ভিস ক্রেডিট ভাউচার। সম্মেলনে গুরুত্ব পাবে জেনারেটিভ এআই, প্রেডিক্টিভ অ্যানালিটিকস ও প্রতিষ্ঠানভিত্তিক এলএমএস স্বয়ংক্রিয়করণ বিষয়ক আলোচনা।&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a4de78a6145e.jpg" length="73661" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 08 Jul 2026 00:00:46 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, মুডলমুট বাংলাদেশ, ব্রেইন স্টেশন ২৩, ডিজিটাল লার্নিং, ই-লার্নিং, ওপেন সোর্স শিক্ষা প্ল্যাটফর্ম, এআই শিক্ষা রূপান্তর</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>আগামী ১১ জুলাই ঢাকায় প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ওপেন সোর্স প্রযুক্তির শিক্ষা প্ল্যাটফর্ম মুডলের ব্যবহারকারী, উদ্যোক্তা, অংশীদার ও বিশেষজ্ঞদের নিয়ে গঠিত মুডল সম্প্রদায়ের সম্মেলন মুডলমুট। বার্সেলোনা, এডিনবরা, মেলবোর্ন কিংবা মেক্সিকো সিটির মতো শহরের পর এবার ঢাকাতে ওমুডলমুটের আয়োজন করেছে দেশে মুডলের সনদপ্রাপ্ত অংশীদার ব্রেইন স্টেশন ২৩। </p>
<p>সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হবে ঢাকার মহাখালীর অ্যাডভান্সড নূরানী টাওয়ারের ১২তম তলায় অবস্থিত ব্রেইন স্টেশন ২৩ প্রধান কার্যালয়ে ।১১ জুলাই, শনিবার সকাল ১০টা থেকে বেলা ৩টা ২০ মিনিট পর্যন্ত এই সম্মেলন চলবে। </p>
<p>অংশগ্রহণের সুযোগ থাকছে অনলাইনেও। আগ্রহীরা <a class="underline underline underline-offset-2 decoration-1 decoration-current/40 hover:decoration-current focus:decoration-current" href="https://moot.brainstation-23.com/register">https://moot.brainstation-23.com/register</a> ওয়েবসাইটে গিয়ে নিবন্ধন করতে পারবেন।</p>
<p> সম্মেলনে নিবন্ধিত অংশগ্রহণকারীরা ই-লার্নিং সেবায় ব্যবহারযোগ্য ৫০ হাজার টাকা মূল্যের একটি ব্রেইন স্টেশন ২৩-এর সার্ভিস ক্রেডিট ভাউচার পাবেন। </p>
<p>মুডল ইভেন্ট তালিকা অনুযায়ী, মুডলমুট বাংলাদেশ ২০২৬ শেখার নেতৃত্বদানকারী, প্রশিক্ষণ বিশেষজ্ঞ ও এন্টারপ্রাইজ দলগুলোকে একত্রিত করছে যাতে তারা দেখতে পারে কীভাবে মুডল বৃহৎ পরিসরে কর্মশক্তির উন্নয়নে রূপান্তর আনতে পারে। দুই দিনব্যাপী কি-নোট, কেস স্টাডি ও হাতে-কলমে কর্মশালার মধ্য দিয়ে অংশগ্রহণকারীরা প্রশিক্ষণ আধুনিকায়ন, কমপ্লায়েন্স স্বয়ংক্রিয়করণ, বিচ্ছিন্ন দলগুলোকে সহায়তা এবং তথ্যনির্ভর শিক্ষণ বাস্তুতন্ত্র গড়ে তোলার বাস্তবিক উপায় খুঁজে পাবেন। সম্মেলনের হ্যাশট্যাগ নির্ধারণ করা হয়েছে #MootBD26, এবং এটি ডেভেলপার, শিক্ষক ও মুডল প্রশাসকসহ সবার জন্য উন্মুক্ত। </p>
<p>আয়োজকদের তথ্যমতে, সম্মেলনে জেনারেটিভ এআই, প্রেডিক্টিভ অ্যানালিটিকস এবং এলএমএস বাস্তুতন্ত্রের ভেতরে স্বয়ংক্রিয় কনটেন্ট তৈরির বিষয়ে গভীর আলোচনা হবে, পাশাপাশি থাকবে এইচআরআইএস ইন্টিগ্রেশনসহ হাজারো কর্মীর জন্য মুডল স্কেল করার কৌশল।</p>
<p>প্রসঙ্গত, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ডিজিটাল লার্নিং ও অনলাইন শিক্ষা প্ল্যাটফর্ম এখন আর ভবিষ্যতের কোনো ধারণা নয়—এগুলো ইতিমধ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বিশ্ববিদ্যালয় ও করপোরেট প্রশিক্ষণের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে। ফলশ্রুতিতে বিভিন্ন দেশে প্রতিবছর মুডলমুট আয়োজিত হলেও বাংলাদেশ এবারই প্রথম এই বৈশ্বিক নেটওয়ার্কের অংশ হতে যাচ্ছে। এবারের সম্মেলনের মূল প্রতিপাদ্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে শিক্ষা ও কর্মক্ষেত্রের শিক্ষণব্যবস্থার বৃহৎ পরিসরের রূপান্তর, যেখানে আলোচনা হবে কীভাবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সহায়তায় শিক্ষা ও কর্মক্ষেত্রের শেখার অভিজ্ঞতাকে আরও কার্যকর, ব্যক্তিকেন্দ্রিক এবং টেকসই করা যায়। </p>
<p class="font-claude-response-body break-words whitespace-normal">/<span style="text-decoration: underline;"><strong>/ডিবিটেক/বিএসডব্লিউ/ইকে/</strong></span>/</p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>তরুণদের বিজ্ঞান ও উদ্ভাবনী কাজে মনোযোগী হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর</title>
<link>https://digibanglatech.news/183229</link>
<guid>https://digibanglatech.news/183229</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p&gt;যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় অনুষ্ঠিতব্য RoboSub 2026 আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে যাওয়া ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের শিক্ষার্থীদের প্রকল্পের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে তিনি তরুণদের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিভিত্তিক উদ্ভাবনী কাজে আরও মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান।&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a4d419920ff9.jpg" length="90396" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 07 Jul 2026 20:12:54 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>তারেক রহমান, রোবোসাব ২০২৬, প্রজেক্ট পোসাইডন’স কোড, ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ, পানির নিচের রোবোটিক্স</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="10">তরুণদের গবেষণা ও বিজ্ঞানভিত্তিক উদ্ভাবনী কাজে আরও মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবননির্ভর সৃজনশীল উদ্যোগকে এগিয়ে নিতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা ও সুযোগ-সুবিধা দিতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।</p>
<p data-path-to-node="11">গতকাল মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বিকালে জাতীয় সংসদ ভবনে প্রধানমন্ত্রীর দফতরে RoboSub 2026 (USA)-এ বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বকারী ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন। আগামী ১১ থেকে ১৬ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় এই আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। এতে বাংলাদেশের হয়ে অংশ নিচ্ছে ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের শিক্ষার্থীদের দল। বিদেশযাত্রার আগে তারা তাদের প্রকল্প সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করতে এবং তার দিকনির্দেশনা নিতে এই সাক্ষাৎ করেন। উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী নিজেও এ প্রতিষ্ঠানের একজন প্রাক্তন শিক্ষার্থী (অ্যালামনাই)।</p>
<p data-path-to-node="12">মতবিনিময়কালে শিক্ষার্থীরা জানান, তারা ‘প্রজেক্ট পোসাইডন’স কোড’-এর প্রতিনিধিদল। এটি বাংলাদেশের প্রথম পানির নিচের রোবোটিক্স (Underwater Robotics) উদ্যোগ। ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের উদ্যোগে শুরু হওয়া প্রকল্পটি বর্তমানে ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (ইউআইইউ) সেন্টার ফর আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড রোবোটিক্সের সহযোগিতায় পরিচালিত হচ্ছে।</p>
<p data-path-to-node="13">সাক্ষাৎকালে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবিত প্রকল্প প্রধানমন্ত্রীর সামনে উপস্থাপন করলে তিনি তাদের সঙ্গে আন্তরিকভাবে মতবিনিময় করেন এবং প্রকল্পের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে বিস্তারিত জানেন। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করায় শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনভিত্তিক উদ্যোগই ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের অগ্রযাত্রার অন্যতম চালিকাশক্তি।</p>
<p data-path-to-node="14">প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের এই প্রকল্পের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়ে নিষ্ঠা, অধ্যবসায় ও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে কাজ চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান। তিনি আশা প্রকাশ করেন, তাদের সাফল্য বিশ্বদরবারে বাংলাদেশের ভাবমূর্তিকে আরও উজ্জ্বল করবে। পরে প্রধানমন্ত্রী তাঁর লেখা ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ বইটি শিক্ষার্থীদের উপহার দেন।</p>
<p data-path-to-node="15">এ সময় গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন, স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত এবং ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের অধ্যক্ষ ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ জাবের হোসাইন উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p data-path-to-node="16">/<span style="text-decoration: underline;"><strong>/ডিবিটেক/বিটিও/ইকে/</strong></span>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>প্রতিকূলতায় ৭২% মানুষের আত্মবিশ্বাস কমে: মেটলাইফের গবেষণায় প্রযুক্তিবান্ধব নেটওয়ার্কের তাগিদ</title>
<link>https://digibanglatech.news/183201</link>
<guid>https://digibanglatech.news/183201</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p&gt;মেটলাইফের একটি আন্তর্জাতিক গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিকূল পরিস্থিতিতে ৭২ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের আত্মবিশ্বাস কমে যায়। এই সংকট কাটাতে শক্তিশালী সামাজিক সংযোগ, প্রযুক্তিবান্ধব নেটওয়ার্ক, শৈশব থেকে খেলাধুলা এবং মেন্টরশিপের ওপর জোর দিয়েছেন মেটলাইফ বাংলাদেশের সিইও আলা আহমদ।&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a4d05e0c9271.jpg" length="124409" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 07 Jul 2026 14:58:13 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>মেটলাইফ বাংলাদেশ, আলা আহমদ, আত্মবিশ্বাস ঘাটতি, দ্য কনফিডেন্ট পাথওয়েজ রিপোর্ট, প্রযুক্তিবান্ধব নেটওয়ার্ক, তরুণ প্রজন্ম</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>মেটলাইফের নতুন একটি বহুজাতিক গবেষণায় প্রাপ্তবয়স্কদের “আত্মবিশ্বাস ঘাটতির” এক চমকপ্রদ চিত্র উঠে এসেছে। গবেষণায় দেখা যায়, অধিকাংশ মানুষ নিজেদেরকে যেকোনো পরিস্থিতিতে মানিয়ে নেওয়ার মতো সহনশীল মনে করলেও বাস্তব জীবনে প্রতিকূলতার মুখোমুখি হলে তাদের আত্মবিশ্বাস ৭২ শতাংশ পর্যন্ত কমে যায়। এই আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে এবং ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সনাতন ব্যবস্থার পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তিবান্ধব সামাজিক নেটওয়ার্ক ও সুরক্ষামূলক কানেক্টিভিটি গড়ে তোলার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।</p>
<p data-path-to-node="11">যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জাপান এবং মেক্সিকোতে পরিচালিত “দ্য কনফিডেন্ট পাথওয়েজ রিপোর্ট”–এর লক্ষ্য ছিল মানুষের আত্মবিশ্বাস কীভাবে গড়ে ওঠে এবং জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে কীভাবে তা টিকে থাকে, তা বোঝা। গবেষণার ফলাফল দেখায় যে সুযোগ, প্রস্তুতি এবং একটি আধুনিক, প্রযুক্তিবান্ধব সহায়ক পরিবেশ আত্মবিশ্বাস গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।</p>
<p data-path-to-node="12">প্রতিবেদনটি সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে মেটলাইফ বাংলাদেশের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) আলা আহমদ বলেন, “চলমান ফুটবল বিশ্বকাপ উপলক্ষ্যে যখন বিশ্বের মানুষ একত্রিত হয়েছে, তখন এটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে তরুণদের সম্ভাবনা বিকাশে খেলাধুলার গুরুত্ব কতটা গভীর। দলগত কাজ, শৃঙ্খলা এবং দৃঢ়তা শেখায় খেলাধুলা, যা জীবনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আত্মবিশ্বাস গড়ে তোলার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”</p>
<p data-path-to-node="13">বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এই গবেষণার ফলাফল বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। এদেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ২৮ শতাংশ তরুণ এবং ১০ থেকে ২৪ বছর বয়সী প্রায় ৫ কোটি তরুণ-তরুণী দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে ভূমিকা রাখবে। আলা আহমদ আরও বলেন, “বাংলাদেশে তরুণদের সম্ভাবনাকে পূর্ণ বিকশিত করতে কম বয়স থেকেই খেলাধুলা, আধুনিক শিক্ষা এবং ডিজিটাল মেন্টরশিপের সঙ্গে পরিচয় নিশ্চিত করা জরুরি। মেটলাইফ বাংলাদেশে আমরা আরও ভালো আর্থিক প্রস্তুতি এবং সুরক্ষার ডিজিটাল সুবিধা প্রদানের মাধ্যমে ব্যক্তি ও পরিবারকে আরও আত্মবিশ্বাসী করে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”</p>
<p data-path-to-node="14"><b data-path-to-node="14" data-index-in-node="0">গবেষণার প্রধান ফলাফলসমূহ:</b></p>
<ul data-path-to-node="15">
<li>
<p data-path-to-node="15,0,0"><b data-path-to-node="15,0,0" data-index-in-node="0">প্রতিকূলতায় আত্মবিশ্বাস হ্রাস:</b> বাস্তব জীবনের আর্থিক, মানসিক বা ব্যক্তিগত বিপর্যয়ের মুখে ৭২ শতাংশ মানুষের আত্মবিশ্বাস কমে যায়। অনেকেই নিজেদের দৃঢ়চেতা মনে করলেও বিপর্যয় কাটিয়ে ওঠার সক্ষমতা সম্পর্কে তুলনামূলকভাবে কম মানুষ আত্মবিশ্বাসী বোধ করেন।</p>
</li>
<li>
<p data-path-to-node="15,1,0"><b data-path-to-node="15,1,0" data-index-in-node="0">সহায়ক সামাজিক ও প্রযুক্তিবান্ধব নেটওয়ার্কের সীমাবদ্ধতা:</b> অর্ধেকেরও কম মানুষ বন্ধুদের (৪১%) অথবা নিজেদের কমিউনিটির (৩১%) কাছ থেকে সমর্থন পান বলে মনে করেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সীমাবদ্ধতা দূর করতে রিয়েল-টাইম সাপোর্ট ও আধুনিক প্রযুক্তিবান্ধব সামাজিক নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা প্রয়োজন, যা দ্রুত সময়ে যেকোনো বিপর্যয় বা মানসিক সংকটে মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারে।</p>
</li>
<li>
<p data-path-to-node="15,2,0"><b data-path-to-node="15,2,0" data-index-in-node="0">শৈশবের অভিজ্ঞতা ও দীর্ঘস্থায়ী আত্মবিশ্বাস:</b> শৈশবে খেলাধুলায় অংশগ্রহণকারী অর্ধেকেরও বেশি প্রাপ্তবয়স্ক মনে করেন, এটি তাদের আত্মবিশ্বাস (৫৬%) এবং অধ্যবসায় (৫২%) বৃদ্ধি করেছে। একই সঙ্গে অভিভাবকেরাও খেলাধুলা ও মেন্টরশিপ কর্মসূচির প্রতি দৃঢ় সমর্থন জানিয়েছেন।</p>
</li>
<li>
<p data-path-to-node="15,3,0"><b data-path-to-node="15,3,0" data-index-in-node="0">আর্থিক প্রস্তুতি:</b> যেসব প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি সঞ্চয় বা জীবনবিমা গ্রহণের মতো সক্রিয় আর্থিক পদক্ষেপ নেন, তারা বিপর্যয় মোকাবিলায় অন্যদের তুলনায় ২০ গুণ বেশি আত্মবিশ্বাসী হওয়ার সম্ভাবনাসম্পন্ন।</p>
</li>
</ul>
<p data-path-to-node="16">যখন ফুটবল বিশ্বব্যাপী মানুষ ও সম্প্রদায়কে একত্রিত করছে, তখন এই গবেষণা আরও দেখায় যে কম বয়স থেকে খেলাধুলা ও শিক্ষা মানুষের দৃঢ়তা গড়ে তোলে। খেলাধুলায় অংশগ্রহণ তরুণদের মানসিক স্বাস্থ্য উন্নত করে এবং জীবনের প্রতি সন্তুষ্টি বাড়ায়, যা আরও আত্মবিশ্বাসী প্রজন্ম গঠনে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।</p>
<p data-path-to-node="17"><span style="text-decoration: underline;"><strong>//ডিবিটেক/আরআরএফ/এমআই/</strong></span>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ভুয়া এআই টুলের ছদ্মবেশে ম্যালওয়্যার ছড়াচ্ছে সাইবার অপরাধীরা: সতর্ক করল ক্যাসপারস্কি</title>
<link>https://digibanglatech.news/182976</link>
<guid>https://digibanglatech.news/182976</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p&gt;আন্তর্জাতিক ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ দিবস উপলক্ষ্যে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ২০২৬ সালের শুরু থেকে সাইবার অপরাধীরা চ্যাটজিপিটি, ক্লড ও ডিপসিক-এর মতো জনপ্রিয় এআই টুলের ভুয়া ছদ্মবেশে ম্যালওয়্যার ছড়ানোর ঘটনা প্রায় ৫ গুণ বাড়িয়েছে। এছাড়া জুম, হোয়াটসঅ্যাপ বা টিমসের ভুয়া সংস্করণ ব্যবহার করে চলতি বছরের প্রথম চার মাসেই প্রায় ৪ লাখ ১৫ হাজার হামলা প্রতিহত করেছে ক্যাসপারস্কি।&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a4a65644418d.jpg" length="31676" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 05 Jul 2026 17:08:53 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>kaspersky smb report 2026, fake ai tool malware, fake chatgpt claude deepseek, small business cyber attack, vasily kolesnikov kaspersky, cyber security solution smb</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="9">বর্তমান প্রযুক্তির যুগে ছোট ও মাঝারি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো (এসএমবি) আগের চেয়ে অনেক বেশি জটিল সাইবার ঝুঁকির মুখে পড়ছে। গ্লোবাল সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান ক্যাসপারস্কির এক সাম্প্রতিক গবেষণা প্রতিবেদনে এই উদ্বেগজনক তথ্য উঠে এসেছে। গত ২৭ জুন আন্তর্জাতিক ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ দিবস উপলক্ষ্যে প্রকাশিত এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের শুরু থেকে সাইবার অপরাধীরা দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে ওঠা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই (AI) টুলের ছদ্মবেশে ম্যালওয়্যার ছড়ানোর ঘটনা প্রায় পাঁচ গুণ (৫ গুণ) বাড়িয়েছে। একই সঙ্গে ভুয়া মেসেজিং ও ভিডিও কনফারেন্সিং অ্যাপ ব্যবহার করেও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে লক্ষ্য করে সুনির্দিষ্ট হামলা চালানো হচ্ছে।</p>
<p data-path-to-node="10">ক্যাসপারস্কির প্রতিবেদনে দেখা গেছে, সাইবার অপরাধীরা ট্রোজান ধরনের ক্ষতিকর ম্যালওয়্যার ছড়ানোর জন্য মূলত বিশ্বখ্যাত ও বহুল ব্যবহৃত এআই টুলগুলোর নাম ব্যবহার করছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি অপব্যবহার করা হয়েছে—</p>
<ul>
<li data-path-to-node="11,0,0"><b data-path-to-node="11,0,0" data-index-in-node="0">চ্যাটজিপিটি (৪২ শতাংশ)</b></li>
<li data-path-to-node="11,1,0"><b data-path-to-node="11,1,0" data-index-in-node="0">ক্লড (২৪ শতাংশ)</b></li>
<li data-path-to-node="11,2,0"><b data-path-to-node="11,2,0" data-index-in-node="0">ডিপসিক (২০ শতাংশ)</b></li>
</ul>
<p data-path-to-node="12">ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের কর্মীরা যাতে বিভ্রান্ত হয়ে এসব ভুয়া সফটওয়্যার ইনস্টল করেন, সেজন্যই এই ছদ্মবেশ ধারণ করা হচ্ছে। এই ট্রোজান ম্যালওয়্যারগুলো মূলত ব্যবহারকারীর সংবেদনশীল তথ্য চুরি করতে, ব্যাকগ্রাউন্ডে অতিরিক্ত ক্ষতিকর সফটওয়্যার ইনস্টল করতে বা আক্রান্ত কম্পিউটারের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিতে সক্ষম। এছাড়া শুধু এআই টুই নয়; টেলিগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ, জুম এবং মাইক্রোসফট টিমস-এর মতো প্রাত্যহিক যোগাযোগ মাধ্যমের ভুয়া সংস্করণ ব্যবহার করেও হামলার ঘটনা আশঙ্কাজনকহারে বেড়েছে। ক্যাসপারস্কি জানায়, ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত মাত্র চার মাসেই তারা প্রায় ৪ লাখ ১৫ হাজার এমন জটিল সাইবার হামলা সফলভাবে প্রতিহত করেছে, যা প্রমাণ করে যে ছোট ও মাঝারি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো এখনো সাইবার অপরাধীদের অন্যতম প্রধান সফট-টার্গেট।</p>
<p data-path-to-node="13">ক্যাসপারস্কির সিকিউরিটি বিশেষজ্ঞ ভাসিলি কোলেসনিকভ বলেন, “সাইবার অপরাধীরা প্রতিনিয়ত তাদের আক্রমণের নতুন নতুন কৌশল ও ফাঁদ তৈরি করছে। চলতি বছরের প্রথম চার মাসেই আমরা এমন শত শত হামলা শনাক্ত করেছি, যেখানে দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে ওঠা এআই টুল ‘ওপেনক্ল’-এর ভুয়া সংস্করণ ব্যবহার করে ম্যালওয়্যার ছড়ানো হয়েছে। বর্তমানে প্রায় সব প্রতিষ্ঠানের কর্মীরাই কাজের প্রয়োজনে কোনো না কোনো এআই টুল ব্যবহার করছেন। তাই ইন্টারনেট থেকে যেকোনো সফটওয়্যার ডাউনলোডের আগে ওয়েবসাইটের সঠিক ঠিকানা ও লিংক ভালোভাবে যাচাই করা এবং নির্ভরযোগ্য সাইবার নিরাপত্তা সমাধান ব্যবহার করা অত্যন্ত জরুরি।”</p>
<p data-path-to-node="14">ক্ষুদ্র প্রতিষ্ঠানের সীমাবদ্ধতার কথা উল্লেখ করে ক্যাসপারস্কি স্মল অফিস সিকিউরিটি প্রোডাক্ট ম্যানেজার রোডিয়ন পিয়ানভ বলেন, “সাইবার অপরাধীরা মূলত মানুষের অসচেতনতা ও ভুলকে কাজে লাগিয়ে প্রতারণার নতুন নতুন উপায় তৈরি করছে। তাই ছোট-বড় সব ধরনের প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের নিয়মিত সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ে বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ দেওয়া প্রয়োজন। তবে ছোট প্রতিষ্ঠানের সময় ও বাজেটের সীমাবদ্ধতার কথা বিবেচনায় রেখে সহজে ব্যবহারযোগ্য, লাইটওয়েট এবং কার্যকর নিরাপত্তা সমাধান বেছে নেওয়া উচিত।”</p>
<p data-path-to-node="15"><b data-path-to-node="15" data-index-in-node="0">নিরাপত্তা জোরদারে ক্যাসপারস্কির মূল পরামর্শসমূহ:</b></p>
<p data-path-to-node="16">১. প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজন ও আর্থিক সক্ষমতার সঙ্গে মিল রেখে সঠিক নিরাপত্তা সমাধান বা অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা।</p>
<p data-path-to-node="17">২. যেসব প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব আইটি নিরাপত্তা টিম বা এক্সপার্ট নেই, তারা সার্বক্ষণিক হুমকি পর্যবেক্ষণ ও দ্রুত প্রতিক্রিয়ার জন্য বিশ্বস্ত ‘ম্যানেজড ডিটেকশন অ্যান্ড রেসপন্স’ (MDR) সেবা গ্রহণ করতে পারে।</p>
<p data-path-to-node="18">৩. বাহ্যিক বা থার্ড-পার্টি অনলাইন সেবা ও এআই টুল ব্যবহারের ক্ষেত্রে করপোরেট গাইডলাইন বা স্পষ্ট নীতিমালা তৈরি করা।</p>
<p data-path-to-node="19">৪. করপোরেট অ্যাকাউন্টগুলোতে কড়াকড়ি প্রবেশাধিকার বা টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন (2FA) নিয়ন্ত্রণ চালু করা এবং গুরুত্বপূর্ণ প্রাতিষ্ঠানিক তথ্যের নিয়মিত ব্যাকআপ রাখা।</p>
<p data-path-to-node="19">/<span style="text-decoration: underline;"><strong>/ডিবিটেক/আরআই/ইকে/</strong></span>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>লোগো নিয়ে ব্যতিক্রমি ছবি তুলে পুরস্কৃত হলো চুয়েট শিক্ষার্থী</title>
<link>https://digibanglatech.news/182975</link>
<guid>https://digibanglatech.news/182975</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a4a6304f11de.jpg" length="131315" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 05 Jul 2026 13:58:51 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ভিন্নধর্মী ফটোগ্রাফির স্বীকৃতি পেলো চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)-এর মেকাট্রনিক্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের এক শিক্ষার্থী। স্বপ্ন'র লোগো নিয়ে ব্যতিক্রমী ফটোগ্রাফির স্বীকৃতি হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়টির দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী হাসিবুর রহমান তালহাকে ১০ হাজার টাকার গিফট প্রদান করেছে দেশের অন্যতম রিটেইল চেইন শপ স্বপ্ন। <br> <br>৫ জুলাই, রবিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ঢাকার ডেমরার বাসিন্দা তালহা সম্প্রতি স্বপ্ন লোগোকে কেন্দ্র করে একটি ব্যতিক্রমধর্মী ছবি তোলেন। তার এই ছবিতে অন্ধকার ও প্রতিকূলতাকে অতিক্রম করে চাঁদের দিকে এগিয়ে যাওয়ার স্বপ্নকে তুলে ধরা হয়েছে, যা স্বপ্ন ব্র্যান্ডের মূল দর্শন—স্বপ্ন দেখা, আশা, অগ্রযাত্রা ও সম্ভাবনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।</p>
<p>তার এই ব্যতিক্রমী সৃজনশীল উদ্যোগ এবং স্বপ্ন ব্র্যান্ডকে ইতিবাচকভাবে উপস্থাপনের স্বীকৃতি হিসেবে প্রতিষ্ঠানটি ১০ হাজার টাকা সমপরিমান গিফট দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।</p>
<p>এ বিষয়ে স্বপ্নের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, "যে কোনো ইতিবাচক ও সৃজনশীল উদ্যোগকে আমরা সবসময় উৎসাহিত করি। তালহার কাজটি শুধু একটি আলোকচিত্র নয়, এটি স্বপ্ন, আশা এবং প্রতিকূলতা জয় করার অনুপ্রেরণার প্রতীক। তরুণদের এমন সৃজনশীল চিন্তা ও উদ্ভাবনী উদ্যোগকে সম্মান জানাতে পেরে আমরা আনন্দিত।"</p>
<p>তরুণদের সৃজনশীলতা, উদ্ভাবনী চিন্তা এবং ইতিবাচক উদ্যোগকে উৎসাহিত করার মাধ্যমে সমাজে অনুপ্রেরণার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে স্বপ্ন ভবিষ্যতেও এ ধরনের উদ্যোগের পাশে থাকবে।</p>
<p>/<span style="text-decoration: underline;"><strong>/ডিবিটেক/এটি/ইকে/</strong></span>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বাজেট ২০২৬&#45;২৭: ডিজিটাল কমার্সে বড় প্রাপ্তি ও বাস্তবায়নের চ্যালেঞ্জ</title>
<link>https://digibanglatech.news/182941</link>
<guid>https://digibanglatech.news/182941</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p&gt;২০২৬-২৭ অর্থবছরের ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার পাস্ট বাজেটে তথ্যপ্রযুক্তি ও ডিজিটাল কমার্স খাতের জন্য ত্রৈমাসিক ভ্যাট রিটার্ন, উৎস কর প্রত্যাহার এবং ল্যাপটপ-কম্পিউটারে শুল্কমুক্ত আমদানির মতো যুগান্তকারী সংস্কার আনা হয়েছে। নিবন্ধটিতে এই প্রাপ্তিগুলোর চুলচেরা আইনি বিশ্লেষণ এবং মাঠপর্যায়ে তা শতভাগ বাস্তবায়নের চ্যালেঞ্জসমূহ তুলে ধরা হয়েছে।&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a4a333b68f32.jpg" length="160310" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 05 Jul 2026 09:34:58 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>বাজেট ২০২৬-২৭, ডিজিটাল কমার্স, ফাইন্যান্স অ্যাক্ট ২০২৬, স্টার্টআপ কর অব্যাহতি, লজিস্টিকস আধুনিকায়ন, ই-ক্যাব</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="4">গত ৩০ জুন, ২০২৬ তারিখে জাতীয় সংসদে চূড়ান্তভাবে পাস হওয়া ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার জাতীয় বাজেট আমাদের সামষ্টিক অর্থনীতির ইতিহাসে এক বিশাল মাইলফলক। একজন উদ্যোক্তা ও খাত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি হিসেবে আমার কাছে এই বাজেটের সবচেয়ে বড় গুরুত্বের জায়গাটি হলো দেশের আইটি, ডিজিটাল কমার্স এবং স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম। এই খাতের জন্য বাজেটে বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট কাঠামোগত ও নীতিগত সংস্কারের আইনি স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে, যা এই খাতের পুরো চেহারাটাই বদলে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। প্রকৃতপক্ষে, এই বাজেটে বাংলাদেশ সরকারের "সবার আগে বাংলাদেশ" নীতির এক সুদূরপ্রসারী প্রতিফলন দেখা গেছে। দেশীয় শিল্পকে সুরক্ষা দেওয়া, স্থানীয় উদ্যোক্তাদের অগ্রাধিকার দেওয়া এবং একটি স্বনির্ভর, অন্তর্ভুক্তিমূলক 'স্মার্ট ইকোনমি' বিনির্মাণ করাই যে বর্তমান সরকারের অর্থনৈতিক দর্শনের মূল ভিত্তি, তা স্পষ্ট।</p>
<p data-path-to-node="5">আজকের দিনে ই-ক্যাব (e-CAB)-এর ৩ হাজারেরও বেশি প্রাতিষ্ঠানিক সদস্য এবং দেশজুড়ে ছড়িয়ে থাকা প্রায় ৫ লাখের অধিক প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ অনলাইন উদ্যোক্তাদের জন্য এই বাজেটটি অত্যন্ত জীবনমুখী। গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর ডিজিটাল কমার্স Research অ্যান্ড অ্যাডভোকেসি ফোরাম (DCRAF) এবং খাতের অংশীজনদের পক্ষ থেকে আমরা দীর্ঘদিন ধরে নীতিনির্ধারণী মহলে যে ৩০ দফার একটি সুনির্দিষ্ট মাস্টার প্ল্যান ও সংস্কার দাবি তুলে ধরেছিলাম, এবারের বাজেটে তার প্রায় ৭০ শতাংশেরই সরাসরি প্রতিফলন ঘটেছে।</p>
<h3 data-path-to-node="6"><strong><span style="font-family: arial, helvetica, sans-serif; font-size: 10pt;">কর ও ভ্যাট নীতিমালায় কাঠামোগত স্বস্তি: ফাইন্যান্স অ্যাক্ট ২০২৬-এর বিশ্লেষণ</span></strong></h3>
<p data-path-to-node="7">এবারের বাজেটে ভ্যাট আইন ও আয়কর আইনের বেশ কিছু ধারা, উপধারা ও তফসিলে (Schedules) যুগান্তকারী সংশোধন এনে আইটি ও অনলাইন সেক্টরের দীর্ঘদিনের কিছু জটিলতা দূর করা হয়েছে:</p>
<ul data-path-to-node="8">
<li>
<p data-path-to-node="8,0,0">ত্রৈমাসিক ভ্যাট রিটার্ন সুবিধা: মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২-এর ধারা ৪৫(১) এবং বিধি ৪৭-এর বিশেষ সংশোধনীর (অর্থ আইন, ২০২৬ দ্বারা পরিমার্জিত) মাধ্যমে ক্ষুদ্র ও মাঝারি (SME) অনলাইন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রতি মাসে ভ্যাট রিটার্ন জমা দেওয়ার তীব্র ভোগান্তি থেকে রেহাই দেওয়া হয়েছে। এখন থেকে উদ্যোক্তারা প্রতি ৩ মাস পর পর, অর্থাৎ বছরে মাত্র ৪ বার ভ্যাট রিটার্ন দাখিল করতে পারবেন।</p>
</li>
<li>
<p data-path-to-node="8,1,0">স্টার্টআপ কর অব্যাহতি (Tax Holiday): আয়কর আইন, ২০২৩-এর ধারা ২২ এবং দ্বিতীয় তফসিলের আওতায় নতুন এবং উদ্ভাবনী প্রযুক্তিভিত্তিক স্টার্টআপগুলোর প্রারম্ভিক মূলধনের সংকট দূর করতে প্রথম ৫ বছরের জন্য করের হার শূন্য শতাংশ (<span data-math="0\%" data-index-in-node="216">$0\%$</span>) করা হয়েছে।</p>
</li>
<li>
<p data-path-to-node="8,2,0">উৎস কর প্রত্যাহার: আয়কর আইন, ২০২৩-এর ধারা ১২৪ ও ৫৩-এর বিশেষ সংশোধনী অনুসারে, আন্তর্জাতিক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম (যেমন- YouTube, Facebook) এবং গ্লোবাল ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস থেকে উপার্জিত বৈদেশিক রেমিট্যান্সের ওপর বিদ্যমান ৭.৫% উৎস কর সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করা হয়েছে।</p>
</li>
</ul>
<h3 data-path-to-node="9"><strong><span style="font-size: 10pt;">ই-কমার্সের স্থায়ী শিল্প ও অবকাঠামোগত শুল্ক হ্রাস</span></strong></h3>
<p data-path-to-node="10">এই বাজেটের অন্যতম ঐতিহাসিক দিক হলো, ই-commerce বা ডিজিটাল কমার্সকে জাতীয় শিল্প নীতিমালার অধীনে একটি স্বতন্ত্র 'সেবা শিল্প' (Service Industry) হিসেবে স্থায়ী প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। এর ফলে ওয়ান-স্টপ সার্ভিসের মাধ্যমে সরাসরি নির্দিষ্ট 'ডিজিটাল কমার্স ক্যাটাগরি'-তে ট্রেড লাইসেন্স ইস্যু ও নবায়ন করা হবে। শিল্প হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার কারণে ই-commerce লজিস্টিকস ও ওয়্যারহাউজগুলো এখন থেকে বাণিজ্যিক হারের পরিবর্তে সাশ্রয়ী শিল্প হারে বিদ্যুৎ ও ইউটিলিটি বিল পরিশোধের সুবিধা পাবে।</p>
<p data-path-to-node="11">পাশাপাশি ডিজিটাল কমার্স ও আইটি খাতের ব্যাকএন্ড অবকাঠামো শক্তিশালী করতে কাস্টমস ট্যারিফ এবং অগ্রিম করে ব্যাপক ছাড় দেওয়া হয়েছে:</p>
<table data-path-to-node="12" height="210" border="1" style="border-collapse: collapse; width: 100%; height: 194px; border-width: 1px; border-style: groove; margin-left: auto; margin-right: auto;">
<thead>
<tr style="height: 20px;">
<td style="width: 40.8567%; height: 20px; border-width: 1px;"><strong>খাত/পণ্য</strong></td>
<td style="width: 30.8896%; height: 20px; border-width: 1px;"><strong>পূর্ববর্তী শুল্ক/কর কাঠামো</strong></td>
<td style="width: 28.2537%; height: 20px; border-width: 1px;"><strong>বর্তমান বাজেট ২০২৬-২৭-এর হার</strong></td>
</tr>
</thead>
<tbody>
<tr style="height: 43.5px;">
<td style="width: 40.8567%; height: 43.5px; border-width: 1px;"><span data-path-to-node="12,1,0,0">ল্যাপটপ ও কম্পিউটার হার্ডওয়্যার (H.S. Code 84.71)</span></td>
<td style="width: 30.8896%; height: 43.5px; border-width: 1px;"><span data-path-to-node="12,1,1,0">উচ্চ শুল্ক ও ভ্যাট যুক্ত</span></td>
<td style="width: 28.2537%; height: 43.5px; border-width: 1px;"><span data-path-to-node="12,1,2,0">সম্পূর্ণ শুল্ক ও ভ্যাটমুক্ত (<span data-math="0\%" data-index-in-node="29">$0\%$</span>)</span></td>
</tr>
<tr style="height: 43.5px;">
<td style="width: 40.8567%; height: 43.5px; border-width: 1px;"><span data-path-to-node="12,2,0,0">পেরিফেরাল ডিভাইস (প্রিন্টার, ফ্ল্যাশ মেমোরি)</span></td>
<td style="width: 30.8896%; height: 43.5px; border-width: 1px;"><span data-path-to-node="12,2,1,0">৫% অগ্রিম আয়কর (AIT)</span></td>
<td style="width: 28.2537%; height: 43.5px; border-width: 1px;"><span data-path-to-node="12,2,2,0">কমিয়ে ২% নির্ধারণ</span></td>
</tr>
<tr style="height: 43.5px;">
<td style="width: 40.8567%; height: 43.5px; border-width: 1px;"><span data-path-to-node="12,3,0,0">পয়েন্ট অব সেলস (POS) মেশিন</span></td>
<td style="width: 30.8896%; height: 43.5px; border-width: 1px;"><span data-path-to-node="12,3,1,0">১০% আমদানি শুল্ক ও ৭.৫% অগ্রিম কর</span></td>
<td style="width: 28.2537%; height: 43.5px; border-width: 1px;"><span data-path-to-node="12,3,2,0">৫% আমদানি শুল্ক ও ০% অগ্রিম কর</span></td>
</tr>
<tr style="height: 43.5px;">
<td style="width: 40.8567%; height: 43.5px; border-width: 1px;"><span data-path-to-node="12,4,0,0">মোবাইল সিম কার্ড ট্যাক্স</span></td>
<td style="width: 30.8896%; height: 43.5px; border-width: 1px;"><span data-path-to-node="12,4,1,0">৩০০ টাকা স্থায়ী শুল্ক ও সম্পূরক কর</span></td>
<td style="width: 28.2537%; height: 43.5px; border-width: 1px;"><span data-path-to-node="12,4,2,0">সম্পূর্ণ প্রত্যাহার (<span data-math="0" data-index-in-node="21">$0$</span> টাকা)</span></td>
</tr>
</tbody>
</table>
<h3 data-path-to-node="13"><strong><span style="font-family: arial, helvetica, sans-serif; font-size: 10pt;">লজিস্টিকস আধুনিকায়ন ও মেগা প্রকল্প</span></strong></h3>
<p data-path-to-node="14">তরুণদের এআই-নির্ভর প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোক্তা তৈরিতে ক্রিয়েটিভ অর্থনীতি খাতে ৩০০ কোটি টাকার বিশেষ প্রাথমিক বরাদ্দের পাশাপাশি বাংলাদেশ ব্যাংকের সিএসআর (CSR) খাত থেকে আরও ৫০০ কোটি টাকার বিশেষ যৌথ-বিনিয়োগ তহবিল গঠন করা হবে। ই-কমার্স খাতের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ডেলিভারি নেটওয়ার্ক উন্নত করতে ডাক বিভাগের দেশব্যাপী বিস্তৃত অবকাঠামোকে ডিজিটাল লজিস্টিকস হাবে রূপান্তর করার জন্য একটি বিশেষ প্রকল্পের প্রস্তাব করা হয়েছে।</p>
<p data-path-to-node="15">পরিবেশবান্ধব 'গ্রিন লজিস্টিকস' ইকোসিস্টেমের অংশ হিসেবে কাস্টমস ট্যারিফ শিডিউল সংশোধন করে বৈদ্যুতিক যান (EV) আমদানির মোট করভার ৯৩% থেকে কমিয়ে ৬৪% করা হয়েছে। কমার্শিয়াল ইভি বাস ও চার্জিং স্টেশনের সব শুল্ক-কর মওকুফ করায় ই-কমার্স কোম্পানিগুলোর 'লাস্ট-মাইল' ডেলিভারি কস্ট অন্তত ১৫-২০% কমিয়ে আনবে। এই সংস্কারগুলোর ফলে আগামী ৩ বছরের মধ্যে দেশীয় ই-কমার্স বাজার বিলিয়ন ডলারের ল্যান্ডমার্কে পৌঁছাবে এবং ক্যাশলেস লেনদেন অন্তত ৩০% বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা যায়।</p>
<h3 data-path-to-node="16"><span style="font-size: 10pt;"><strong><span style="font-family: arial, helvetica, sans-serif;">দ্বিমুখী বাস্তবতা: শতভাগ বাস্তবায়ন বনাম আংশিক বাস্তবায়নের চ্যালেঞ্জ</span></strong></span></h3>
<p data-path-to-node="17">এই প্রস্তাবিত বাজেটের বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ার ওপর দেশের ৫ লাখ উদ্যোক্তার ভাগ্য নির্ভর করছে। সবগুলো প্রস্তাব যদি মাঠপর্যায়ে শতভাগ বাস্তবায়িত হয় এবং কাস্টমস ও ট্যাক্স পলিসি সঠিকভাবে কাজ করে, তবে এটি ই-কমার্সকে দেশের মূলধারার অর্থনীতির চালিকাশক্তি বানাবে।</p>
<p data-path-to-node="18">কিন্তু এর উল্টো পিঠও আছে। এই নীতিমালা যদি কেবল কাগজেই সীমাবদ্ধ থাকে, তবে তা এই খাতের জন্য মারাত্মক বিপর্যয় ডেকে আনবে। ৩ মাস পর পর ভ্যাট রিটার্নের সুবিধা দেওয়ার পর যদি এনবিআর (NBR)-এর মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা আইনের ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে ছোট উদ্যোক্তাদের নথিপত্র নিয়ে হয়রানি অব্যাহত রাখেন, তবে উদ্যোক্তারা আনুষ্ঠানিক অর্থনীতিতে আসার আগ্রহ হারিয়ে ফেলবেন। ল্যাপটপ বা পিওএস (POS) মেশিনের শুল্ক ছাড়ের সুবিধা যদি কাস্টমসের আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় আটকে থাকে, তবে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি হবে। আংশিক বাস্তবায়ন মূলত বড় প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবসায়ীদের সুবিধা দেবে, কিন্তু তৃণমূলের ক্ষুদ্র ও নারী উদ্যোক্তাদের চরম বৈষম্যের মুখে ঠেলে দেবে।</p>
<h3 data-path-to-node="19"><strong><span style="font-family: arial, helvetica, sans-serif; font-size: 10pt;">চূড়ান্ত মূল্যায়ন</span></strong></h3>
<p data-path-to-node="20">একজন ডিজিটাল কমার্স উদ্যোক্তা হিসেবে আমি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের এই বাজেটকে "স্মার্ট বাংলাদেশের অগ্রযাত্রায় একটি অত্যন্ত সুদূরপ্রসারী ও ব্যবসাবান্ধব রূপরেখা" হিসেবে স্বাগত জানাই। তবে মনে রাখতে হবে, "একটি চমৎকার नीतिও যদি মাঠপর্যায়ে ভুলভাবে বাস্তবায়িত হয়, তা কোনো নীতি না থাকার চেয়েও ক্ষতিকর।"</p>
<p data-path-to-node="21">ট্যাক্স ও ভ্যাট ছাড়ের এই চমৎকার ঘোষণার পাশাপাশি, নারী ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য সহজ শর্তে জামানতবিহীন 'স্মার্ট ফাইন্যান্সিং' বা ঋণের কোনো সুনির্দিষ্ট গাইডলাইন এই বাজেটে সরাসরি অনুপস্থিত, যা কিছুটা হতাশাজনক। ই-কমার্স এখন সেবা শিল্প হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ায় বাংলাদেশ ব্যাংকের বিআরপিডি (BRPD) সার্কুলারের মাধ্যমে অবিলম্বে কুটির ও ক্ষুদ্র (CMSME) খাতের ঋণের আওতা পুনর্নির্ধারণ করে অনলাইন ব্যবসায়ীদের জন্য একটি বিশেষ ক্রেডিট লাইন ঘোষণা করা উচিত। পরিশেষে, এই ঘোষিত প্রণোদনা, শুল্ক ছাড় ও আইনি সংস্কারের সঠিক ও স্বচ্ছ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, এনবিআর এবং ই-ক্যাবের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি "বাজেট বাস্তবায়ন ও মনিটরিং সেল" গঠন করা অত্যন্ত জরুরি।</p>
<ul data-path-to-node="22">
<li><hr>
<p data-path-to-node="22,0,0"><b data-path-to-node="22,0,0" data-index-in-node="0">লেখক:</b> সোহেল মৃধা, <i data-path-to-node="22,0,1" data-index-in-node="0">ই-কমার্স বিশ্লেষক ও প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য, ই-ক্যাব (e-CAB)</i></p>
<hr>
<p data-path-to-node="22,0,0"></p>
</li>
</ul>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ প্রত্যাহারের খবর ‘গুজব’</title>
<link>https://digibanglatech.news/182923</link>
<guid>https://digibanglatech.news/182923</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p&gt;&lt;span data-path-to-node=&quot;7,0&quot;&gt;বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির সময়ে প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ বা ভাড়া প্রত্যাহার করে নেওয়ার যে তথ্য সরকারি দল বিএনপির ফেসবুক পেজ থেকে প্রচার করা হয়েছিল, তা সম্পূর্ণ একটি ‘অপপ্রচার’&lt;/span&gt;&lt;span data-path-to-node=&quot;7,1&quot;&gt;&lt;span&gt;&lt;response-element class=&quot;&quot; ng-version=&quot;0.0.0-PLACEHOLDER&quot;&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!- ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a4a01322d8f3.jpg" length="87635" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 05 Jul 2026 02:01:00 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>প্রিপেইড মিটার ভাড়া, বিদ্যুৎ বিল ডিমান্ড চার্জ, বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ, বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান, বিএনপি ফেসবুক পেজ অপপ্রচার, ডিপিডিসি মিটার চার্জ, বিদ্যুৎ বিল বিভ্রান্তি, ঢাকার বাইরে প্রিপেইড মিটার ভোগান্তি</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="9" id="p-rc_45dfae567e7038b2-158"><span data-path-to-node="9,0"> বিদ্যুৎ বিলের সাথে প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ বা ভাড়া প্রত্যাহার করে নেওয়ার খবরটি একটি অপপ্রচার বলে জানা গেছে</span><span data-path-to-node="9,1"><span><response-element class="" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element><sup _ngcontent-ng-c3705940327="" class="superscript"><!----></sup><response-element class="" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><source-footnote _nghost-ng-c3705940327="" class="ng-star-inserted"></source-footnote><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element></span></span><span data-path-to-node="9,2">। গত ৩ জুন বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির সময় সরকারি দল বিএনপির ফেসবুক পেজ থেকে দাবি করা হয়েছিল যে সরকার প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ প্রত্যাহার করে নিচ্ছে</span><span data-path-to-node="9,3"><span><response-element class="" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element><sup _ngcontent-ng-c3705940327="" class="superscript"><!----></sup><response-element class="" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><source-footnote _nghost-ng-c3705940327="" class="ng-star-inserted"></source-footnote><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element></span></span><span data-path-to-node="9,4">। তবে বাস্তবে এ ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়নি এবং গ্রাহকদের কাছ থেকে নিয়মিতই ভাড়া কাটা হচ্ছে</span><span data-path-to-node="9,5"><span><response-element class="" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element><sup _ngcontent-ng-c3705940327="" class="superscript"><!----></sup><response-element class="" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><source-footnote _nghost-ng-c3705940327="" class="ng-star-inserted"></source-footnote><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element></span></span><span data-path-to-node="9,6">।</span><sources-carousel-inline ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER" _nghost-ng-c1156849253=""> <source-inline-chip _ngcontent-ng-c1156849253="" _nghost-ng-c1119523287="" class="ng-star-inserted"><!----><!----><!----><!----><!----></source-inline-chip><!----><!----><!----></sources-carousel-inline></p>
<p data-path-to-node="10" id="p-rc_45dfae567e7038b2-159"><span data-path-to-node="10,0">রাজধানীর প্রিপেইড মিটার ব্যবহারকারী গ্রাহকদের কাছ থেকে ৪ জুলাই বিকালেও মিটার রিচার্জের কাগজ যাচাই করে এই তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে</span><span data-path-to-node="10,1"><span><response-element class="" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element><sup _ngcontent-ng-c3705940327="" class="superscript"><!----></sup><response-element class="" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><source-footnote _nghost-ng-c3705940327="" class="ng-star-inserted"></source-footnote><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element></span></span><span data-path-to-node="10,2">। ডিপিডিসির গ্রাহক নাজিমুল ইসলাম এবং পশ্চিম ধানমন্ডির বাসিন্দা আমেনা মুক্তা জানান, বাস্তবে মিটার ভাড়া কাটা কোনোদিনই বন্ধ হয়নি</span><span data-path-to-node="10,3"><span><response-element class="" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element><sup _ngcontent-ng-c3705940327="" class="superscript"><!----></sup><response-element class="" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><source-footnote _nghost-ng-c3705940327="" class="ng-star-inserted"></source-footnote><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element></span></span><span data-path-to-node="10,4">। বর্তমানে সারাদেশে প্রায় ৫৫ লাখ গ্রাহকের ঘরে প্রিপেইড মিটার রয়েছে, যেখানে সিঙ্গেল ফেইজ মিটারের ভাড়া ৪০ টাকা এবং থ্রি ফেইজ মিটারের ভাড়া ৪২ টাকা</span><span data-path-to-node="10,5"><span><response-element class="" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element><sup _ngcontent-ng-c3705940327="" class="superscript"><!----></sup><response-element class="" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><source-footnote _nghost-ng-c3705940327="" class="ng-star-inserted"></source-footnote><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element></span></span><span data-path-to-node="10,6">। এর সাথে প্রতি কিলোওয়াটের জন্য আবাসিক গ্রাহকদের ৪২ টাকা করে ডিমান্ড চার্জও দিতে হয় (যেমন: ৫ কিলোওয়াটের লাইনের জন্য ২ ২০১০ টাকা)</span><span data-path-to-node="10,7"><span><response-element class="" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element><sup _ngcontent-ng-c3705940327="" class="superscript"><!----></sup><response-element class="" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><source-footnote _nghost-ng-c3705940327="" class="ng-star-inserted"></source-footnote><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element></span></span><span data-path-to-node="10,8">। এই ভাড়া ও ডিমান্ড চার্জ নিয়ে এমনিতেই গ্রাহকদের মধ্যে ক্ষোভ রয়েছে</span><span data-path-to-node="10,9"><span><response-element class="" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element><sup _ngcontent-ng-c3705940327="" class="superscript"><!----></sup><response-element class="" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><source-footnote _nghost-ng-c3705940327="" class="ng-star-inserted"></source-footnote><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element></span></span><span data-path-to-node="10,10">।</span><sources-carousel-inline ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER" _nghost-ng-c1156849253=""> <source-inline-chip _ngcontent-ng-c1156849253="" _nghost-ng-c1119523287="" class="ng-star-inserted"><!----><!----><!----><!----><!----></source-inline-chip><!----><!----><!----></sources-carousel-inline></p>
<p data-path-to-node="11"><b data-path-to-node="11" data-index-in-node="0">ঢাকার বাইরেও গ্রাহকদের ভোগান্তি ও ক্ষোভ:</b></p>
<p data-path-to-node="11">রাজধানীর পাশাপাশি ঢাকার বাইরে ও প্রত্যন্ত অঞ্চলের গ্রাহকদের কাছ থেকেও প্রিপেইড মিটার নিয়ে নানা অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। নেসকো, ওজোপাডিকো এবং আরইবি (পল্লী বিদ্যুৎ)-এর আওতাধীন গ্রাহকদের অভিযোগ, রিচার্জ করার পর মিটার ভাড়া ও ডিমান্ড চার্জ কাটার ফলে মূল ব্যালেন্স থেকে বড় একটি অংশ কেটে নেওয়া হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে সামান্য অবহেলায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া, কার্ড রিচার্জের ক্ষেত্রে সার্ভার জটিলতা এবং ইমার্জেন্সি ব্যালেন্স নেওয়ার পর দ্বিগুণ টাকা কাটার মতো বিষয়গুলো নিয়ে মফস্বল ও গ্রামীণ গ্রাহকদের ক্ষোভ চরমে পৌঁছেছে। সরকারি দলের এই প্রচারণার পর অনেকে ভেবেছিলেন এবার হয়তো স্বস্তি মিলবে, কিন্তু বাস্তবে আগের মতোই টাকা কাটতে থাকায় গ্রাহকদের বিভ্রান্তি ও অসন্তোষ আরও বেড়েছে।</p>
<p data-path-to-node="12" id="p-rc_45dfae567e7038b2-160"><span data-path-to-node="12,0">অনুসন্ধানে দেখা গেছে, গত ২৯ মার্চ বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকের পর মিটার ভাড়া প্রত্যাহারের কথা জানানো হয়েছিল এবং সেই প্রতিশ্রুতিকে ঘিরেই এই অপপ্রচারের সূত্র তৈরি হয়</span><span data-path-to-node="12,1"><span><response-element class="" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element><sup _ngcontent-ng-c3705940327="" class="superscript"><!----></sup><response-element class="" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><source-footnote _nghost-ng-c3705940327="" class="ng-star-inserted"></source-footnote><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element></span></span><span data-path-to-node="12,2">। তবে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন যে, মিটার ভাড়া তুলে দেওয়ার বিষয়ে কোনো বিতরণ প্রতিষ্ঠান তাদের কাছে আবেদন করেনি এবং তারা নিজেরাও এমন কোনো সিদ্ধান্ত নেননি</span><span data-path-to-node="12,3"><span><response-element class="" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element><sup _ngcontent-ng-c3705940327="" class="superscript"><!----></sup><response-element class="" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><source-footnote _nghost-ng-c3705940327="" class="ng-star-inserted"></source-footnote><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element></span></span><span data-path-to-node="12,4">। তিনি জানান, ২০১৭ সালের একটি সরকারি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই মিটার ভাড়া নেওয়া শুরু হয়, সরকার চাইলে প্রজ্ঞাপনটি বাদ দিয়ে এই ঋণের দায় নিজেরা নিয়ে ভাড়া কাটা বন্ধ করতে পারে</span><span data-path-to-node="12,5"><span><response-element class="" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element><sup _ngcontent-ng-c3705940327="" class="superscript"><!----></sup><response-element class="" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><source-footnote _nghost-ng-c3705940327="" class="ng-star-inserted"></source-footnote><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element></span></span><span data-path-to-node="12,6">।</span><sources-carousel-inline ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER" _nghost-ng-c1156849253=""> <source-inline-chip _ngcontent-ng-c1156849253="" _nghost-ng-c1119523287="" class="ng-star-inserted"><!----><!----><!----><!----><!----></source-inline-chip><!----><!----><!----></sources-carousel-inline></p>
<p data-path-to-node="13" id="p-rc_45dfae567e7038b2-161"><span data-path-to-node="13,0">বিতরণ কোম্পানির কর্মকর্তারা জানান, প্রিপেইড মিটারের প্রকল্পগুলো ঋণের অর্থে বাস্তবায়িত হয়েছে, যা এই মিটার ভাড়া থেকেই পরিশোধ করা হয়</span><span data-path-to-node="13,1"><span><response-element class="" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element><sup _ngcontent-ng-c3705940327="" class="superscript"><!----></sup><response-element class="" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><source-footnote _nghost-ng-c3705940327="" class="ng-star-inserted"></source-footnote><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element></span></span><span data-path-to-node="13,2">। দেশের ৫৫ লাখ গ্রাহকের কাছ থেকে সিঙ্গেল ফেইজ হিসাব করলেও মাসে ২২ কোটি টাকা এবং বছরে ২৬৪ কোটি টাকা মিটার ভাড়া বাবদ আদায় হয়</span><span data-path-to-node="13,3"><span><response-element class="" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element><sup _ngcontent-ng-c3705940327="" class="superscript"><!----></sup><response-element class="" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><source-footnote _nghost-ng-c3705940327="" class="ng-star-inserted"></source-footnote><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element></span></span><span data-path-to-node="13,4">। কোনো যাচাই-বাছাই ছাড়া এই ভাড়া প্রত্যাহারের political বক্তব্য সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছে</span><span data-path-to-node="13,5"><span><response-element class="" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element><sup _ngcontent-ng-c3705940327="" class="superscript"><!----></sup><response-element class="" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><source-footnote _nghost-ng-c3705940327="" class="ng-star-inserted"></source-footnote><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element></span></span><span data-path-to-node="13,6">। বিতরণ সূত্র বলছে, মিটার ভাড়া বা ডিমান্ড চার্জের কোনো একটি বাদ দিতে গেলে সেই অর্থ গ্রাহকের কাছ থেকে অন্য উপায়ে আদায় করা ছাড়া কোনো বিকল্প থাকবে না, অথবা সরকারকে এই ঋণের দায় নিতে হবে</span><span data-path-to-node="13,7"><span><response-element class="" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element><sup _ngcontent-ng-c3705940327="" class="superscript"><!----></sup><response-element class="" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><source-footnote _nghost-ng-c3705940327="" class="ng-star-inserted"></source-footnote><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element></span></span><span data-path-to-node="13,8">।</span></p>
<p data-path-to-node="13"><span data-path-to-node="13,8">/<span style="text-decoration: underline;"><strong>/ডিবিটেক/এসআই/এমআই/</strong></span>/</span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>এশিয়া&#45;প্যাসিফিক এআই অলিম্পিয়াডে ইতিহাস গড়া বাংলাদেশ দলকে সংবর্ধনা</title>
<link>https://digibanglatech.news/182983</link>
<guid>https://digibanglatech.news/182983</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a4a740e81ab3.jpg" length="89452" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 04 Jul 2026 21:10:41 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>এআই অলিম্পিয়াড, APOAI 2026, বাংলাদেশ, বিডিওএসএন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, স্বর্ণপদক</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-start="788" data-end="1131">প্রথমবারের মতো আয়োজিত এশিয়া-প্যাসিফিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা অলিম্পিয়াড (APOAI) ২০২৬-এ তিনটি স্বর্ণপদক জিতে ইতিহাস গড়া বাংলাদেশ দলকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। ৪ জুলাই, শনিবার রাজধানীর পান্থপথে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল একাডেমিতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্বর্ণজয়ী শিক্ষার্থী, দলের কোচ, মেন্টর এবং সম্মানজনক স্বীকৃতি পাওয়া প্রতিযোগীদের সম্মাননা জানানো হয়।</p>
<p data-start="1133" data-end="1353">সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্ক (বিডিওএসএন)। এতে সহযোগিতা করে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল একাডেমি এবং ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির কম্পিউটিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগ।</p>
<p data-start="1355" data-end="1616">চীন, রাশিয়া, সিঙ্গাপুর, জাপান ও ইরানের মতো প্রযুক্তিতে অগ্রসর দেশসহ ১৮টি দেশের ১২৯ জন প্রতিযোগীর মধ্যে বাংলাদেশের তিন শিক্ষার্থী স্বর্ণপদক অর্জন করেন। প্রতিযোগিতায় মোট ১০টি স্বর্ণপদকের মধ্যে তিনটিই বাংলাদেশের ঝুলিতে আসে, যা অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x_6a4a740fe5aed.jpg" alt=""></p>
<p data-start="1618" data-end="1954">বাংলাদেশের হয়ে স্বর্ণপদক অর্জন করেন হোমনা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী লাবিব শাহরিয়ার, মৌলভীবাজার সরকারি কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী মো. সাইদুজ্জামান আরাফ এবং নটর ডেম কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ত্রিদিব রায় আর্য। আন্তর্জাতিক র‌্যাংকিংয়ে তারা যথাক্রমে চতুর্থ, পঞ্চম ও নবম স্থান অর্জন করেন।</p>
<p data-start="1956" data-end="2387">অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাটাসফট সিস্টেমস-এর প্রেসিডেন্ট এম মনজুর মাহমুদ, মিলিয়ন এক্স বাংলাদেশ-এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য আনিস রহমান, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির কম্পিউটিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের চেয়ারম্যান মো. সারোয়ার হোসেন মোল্লা এবং বিজ্ঞান চিন্তা-র নির্বাহী সম্পাদক আবুল বাসার। এছাড়া ভিডিও বার্তায় শুভেচ্ছা জানান মাইক্রোসফট-এর এআই লিড সাদিদ হাসান এবং সৌদি আরবের এআই লিড ড. এহসানুল হক।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x_6a4a7463146f2.jpg" alt=""></p>
<p data-start="2389" data-end="2652">ডাটাসফট সিস্টেমসের প্রেসিডেন্ট এম মনজুর মাহমুদ বিজয়ীদের উদ্দেশে বলেন, “সব সময় বড় স্বপ্ন দেখবে। জীবন একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এডাপ্টিবিলিটি হচ্ছে সামনের দিনের গেম চেঞ্জার। যারা দ্রুত শিখতে পারে এবং সময়ের সঙ্গে নিজেদের মানিয়ে নিতে পারে, তারাই ভবিষ্যতের নেতৃত্ব দেবে।”</p>
<p data-start="2654" data-end="2855">মিলিয়ন এক্স বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য আনিস রহমান বলেন, “তোমরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। তোমাদের এই অসাধারণ পারফরম্যান্স সত্যিই অবিশ্বাস্য। এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারলে ভবিষ্যৎ তোমাদের মনে রাখবে।”</p>
<p data-start="2857" data-end="3127">বাংলাদেশ দলের কোচ এবং ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. আজম খান বলেন, “এই সাফল্যের পেছনে দেশে-বিদেশের অনেক মেন্টরের অবদান রয়েছে। তাদের নিষ্ঠা ও সহযোগিতার ফলেই বাংলাদেশ দল এমন ফলাফল অর্জন করতে পেরেছে। আমি সবার প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই।”</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x_6a4a74928847d.jpg" alt=""></p>
<p data-start="3129" data-end="3368">সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে নিজেদের অনুভূতি প্রকাশ করেন পদকজয়ীরাও। লাবিব শাহরিয়ার বলেন, “অলিম্পিয়াড চলাকালে ব্যক্তিগত জীবনে নানা সমস্যা ছিল। কিন্তু দেশের প্রতিনিধিত্ব করার ক্ষেত্রে আমি কোনো আপস করিনি। দেশের জন্য এই সাফল্য আনতে পেরে আমি গর্বিত।”</p>
<p data-start="3370" data-end="3529">মো. সাইদুজ্জামান আরাফ বলেন, “বাংলাদেশ পারে, বাংলাদেশ করেছে, বাংলাদেশ করবে। লেগে থাকলে কিছুই অসম্ভব নয়। এই সাফল্য ভবিষ্যতে আরও ভালো করার অনুপ্রেরণা জোগাবে।”</p>
<p data-start="3531" data-end="3709">ত্রিদিব রায় আর্যের মা বলেন, “আমাদের সোনার ছেলেরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রতিযোগীদের সঙ্গে লড়াই করে এই সাফল্য অর্জন করেছে। এটি শুধু আমাদের পরিবার নয়, পুরো দেশের জন্যই গর্বের।”</p>
<p data-start="3711" data-end="4097">আয়োজকরা জানান, গত এপ্রিল থেকে বাংলাদেশ এআই অলিম্পিয়াডের কার্যক্রম শুরু হয়। মে মাসে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও রংপুর বিভাগে আঞ্চলিক পর্ব এবং ১৬ মে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজি (বিইউবিটি)-তে জাতীয় পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। পরে ২০ থেকে ২৩ মে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ইনস্টিটিউট (আইআইটি)-এ অনুষ্ঠিত জাতীয় সিলেকশন ক্যাম্পের মাধ্যমে চূড়ান্ত দল নির্বাচন করা হয়।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x_6a4a74c0a119f.jpg" alt=""></p>
<p data-start="4099" data-end="4360">গত ১৩ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইআইটি থেকে অনলাইনে ভিডিও প্রক্টরিং ও স্ক্রিন রেকর্ডিংয়ের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশ নেন বাংলাদেশ দলের আট শিক্ষার্থী। ছয় ঘণ্টাব্যাপী প্রতিযোগিতায় তারা Bohrium প্ল্যাটফর্মে চারটি পৃথক মেশিন লার্নিং সমস্যা সমাধান করেন।</p>
<p data-start="4362" data-end="5064">প্রতিবছরের মতো এবারও বাংলাদেশ এআই অলিম্পিয়াডের আয়োজন করে বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্ক (বিডিওএসএন)। প্রতিযোগিতার প্লাটিনাম স্পন্সর ও জাতীয় পর্বের হোস্ট ছিল বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজি (বিইউবিটি) এবং রিভ চ্যাট ছিল পাওয়ার্ড বাই পার্টনার। ব্রেইন স্টেশন ২৩ গোল্ড স্পন্সর, মিলিয়ন এক্স বাংলাদেশ ও ক্রিয়েটিভ আইটি সিলভার স্পন্সর এবং বিটনা ব্রোঞ্জ স্পন্সর হিসেবে যুক্ত ছিল। নলেজ পার্টনার ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্যপ্রযুক্তি ইনস্টিটিউট (আইআইটি)। ম্যাগাজিন পার্টনার হিসেবে ছিল কিশোর আলো ও বিজ্ঞান চিন্তা, টিভি পার্টনার দীপ্ত টিভি এবং অন্যান্য পার্টনার হিসেবে ছিল বাংলাদেশ বিজ্ঞান জনপ্রিয়করণ সমিতি (এসপিএসবি), রকমারি ডটকম ও জাদু পিসি।</p>
<p data-start="5066" data-end="5096">/<span style="text-decoration: underline;"><strong>/ডিবিটেক/এমএম/আইএইচ/</strong></span>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ইউনেট স্পিকআপ বাংলাদেশ সিজন ২ চ্যাম্পিয়ন আদিবা সুলতানা আলিফা</title>
<link>https://digibanglatech.news/182900</link>
<guid>https://digibanglatech.news/182900</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p data-path-to-node=&quot;5&quot;&gt;বাংলাদেশের তরুণদের ইংরেজি ভাষায় যোগাযোগ দক্ষতা, নেতৃত্বগুণ ও আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধির লক্ষ্যে জাতীয় পাবলিক স্পিকিং প্রতিযোগিতা “ইউনেট স্পিকআপ বাংলাদেশ সিজন ২”-এর গ্র্যান্ড ফিনালে সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। ইয়ুথ আপস্কিল নেটওয়ার্ক (ইউনেট)-এর উদ্যোগে এবং সিইউবি ক্যারিয়ার অ্যান্ড এন্টারপ্রেনারশিপ ক্লাব-এর সহযোগিতায় আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় মোহাম্মদপুর প্রিপারেটরি স্কুলের আদিবা সুলতানা আলিফা চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছেন।&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a49edd58e2ab.jpg" length="121116" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 04 Jul 2026 11:39:02 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>ইউনেট স্পিকআপ বাংলাদেশ, আদিবা সুলতানা আলিফা, পাবলিক স্পিকিং প্রতিযোগিতা, ইয়ুথ আপস্কিল নেটওয়ার্ক, আলতামিশ নাবিল, কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ, ড. এইচ এম জহিরুল হক</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="7">দেশের তরুণদের ইংরেজি ভাষায় কার্যকর যোগাযোগ দক্ষতা, নেতৃত্বগুণ ও আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধির লক্ষ্যে আয়োজিত জাতীয় পাবলিক স্পিকিং প্রতিযোগিতা “ইউনেট স্পিকআপ বাংলাদেশ সিজন ২”-এর গ্র্যান্ড ফিনালে সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ৩০ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশে (সিইউবি) এই জমকালো চূড়ান্ত পর্বের আয়োজন করে বাংলাদেশভিত্তিক বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্ম ‘ইয়ুথ আপস্কিল নেটওয়ার্ক - ইউনেট’। এই আয়োজনের সার্বিক সহযোগিতায় ছিল সিইউবি ক্যারিয়ার অ্যান্ড এন্টারপ্রেনারশিপ ক্লাব।</p>
<p data-path-to-node="8">দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে আগত প্রতিযোগীদের অংশগ্রহণে এই প্রতিযোগিতাটি অনলাইন রেজিস্ট্রেশন, পাবলিক স্পিকিং বিষয়ক বিশেষ অনলাইন ওয়ার্কশপ, ভিডিওভিত্তিক প্রাথমিক রাউন্ড এবং সবশেষে ঢাকায় গ্র্যান্ড ফিনালের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্বে মোহাম্মদপুর প্রিপারেটরি স্কুলের আদিবা সুলতানা আলিফা চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেন। এছাড়া রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মালিহা আলম প্রথম রানার-আপ এবং বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস (বিইউপি)-এর টিএম ওয়ালিউল্লাহ তুর্য দ্বিতীয় রানার-আপ নির্বাচিত হন।</p>
<p data-path-to-node="9">অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এইচ এম জহিরুল হক। তিনি তরুণদের আত্মবিশ্বাসী ও দক্ষ নেতৃত্বে গড়ে তুলতে এমন আয়োজনের ভূয়সী প্রশংসা করেন। প্রতিযোগিতায় বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ইভেন্ট হোস্ট ও ট্রেইনার ইশা খান; সমাজকর্মী, লেখক ও গবেষক অদ্রিকা এশনা পুর্বাশা; সিইউবি-এর স্কুল অব বিজনেস-এর প্রভাষক ফারিহা বাসার এবং ওয়াই ওয়াই ভেঞ্চার-এর অ্যাসোসিয়েট ফাইরানা আফসানা।</p>
<p data-path-to-node="10">ইউনেট-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী এবং প্রতিযোগিতার ইভেন্ট অ্যাডভাইজার মুহাম্মাদ আলতামিশ নাবিল পাবলিক স্পিকিংকে বর্তমান বিশ্বের একটি অত্যাবশ্যকীয় সক্ষমতা হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, “স্পিকআপ বাংলাদেশ-এর মাধ্যমে আমরা এমন এক প্রজন্ম তৈরি করতে চাই, যারা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে নিজেদের ভাবনা তুলে ধরে বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করবে। ভবিষ্যতে আমরা এই প্ল্যাটফর্মকে বাংলাদেশের গণ্ডি পেরিয়ে দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে সম্প্রসারণ করতে চাই।”</p>
<p data-path-to-node="11">ইউনেট-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও সিওও এবং ইভেন্ট ডিরেক্টর মাহির আসেফ এবারের সিজনকে আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় আরও বেশি প্রতিযোগিতাপূর্ণ ও প্রভাবশালী বলে দাবি করেন। অনুষ্ঠানটির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ইউনেট-এর ক্রিয়েটিভ হেড এবং সিইউবি ক্যারিয়ার অ্যান্ড এন্টারপ্রেনারশিপ ক্লাব-এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মোঃ রবিউল ইসলাম। স্বেচ্ছাসেবক, আয়োজক ও পার্টনারদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আয়োজনটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়। উল্লেখ্য, ইউনেট তরুণদের দক্ষতা উন্নয়ন, নেতৃত্ব বিকাশ এবং আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্কিংয়ের মাধ্যমে কর্পোরেট, উদ্যোক্তা ও সামাজিক খাতে সফলভাবে এগিয়ে যেতে সহায়তা করে আসছে।</p>
<p data-path-to-node="13">/<span style="text-decoration: underline;"><strong>/ডিবিটেক/এএন/ ইকে/</strong></span>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>নাগরিক সেবায় নতুন দিগন্ত খুলছে ‘রংপুর ডায়েরি’</title>
<link>https://digibanglatech.news/182822</link>
<guid>https://digibanglatech.news/182822</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p&gt;রংপুরের নাগরিকদের জন্য সরকারি-বেসরকারি সেবার তথ্য, জরুরি সেবা এবং নাগরিক অভিযোগ ব্যবস্থাপনা এক প্ল্যাটফর্মে নিয়ে এসেছে ‘রংপুর ডায়েরি’। স্থানীয় উদ্যোক্তা এম এ রশিদের এই উদ্যোগ তথ্যপ্রাপ্তি সহজ করার পাশাপাশি সুশাসন ও নাগরিক অংশগ্রহণ বাড়াতে কাজ করছে।&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a48a5dd3a339.jpg" length="100102" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 03 Jul 2026 12:19:38 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>রংপুর ডায়েরি, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম, নাগরিক সেবা, এম এ রশিদ, ডিজিটাল বাংলাদেশ, ই-গভর্ন্যান্স, তথ্যসেবা</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>প্রযুক্তিনির্ভর জনসেবা নিশ্চিত করতে রংপুরে চালু হয়েছে তথ্যভিত্তিক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ‘রংপুর ডায়েরি’। স্থানীয় তরুণ উদ্যোক্তা এম এ রশিদের উদ্যোগে গড়ে ওঠা এই প্ল্যাটফর্মের লক্ষ্য হলো নাগরিকদের জন্য প্রয়োজনীয় সরকারি ও বেসরকারি তথ্য এক জায়গায় সহজলভ্য করা এবং জনভোগান্তি কমানো।</p>
<p>উদ্যোক্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, মৌলিক তথ্য পাওয়া প্রতিটি নাগরিকের অধিকার। সেই লক্ষ্য থেকেই ‘রংপুর ডায়েরি’ একটি সমন্বিত অনলাইন তথ্যভান্ডার হিসেবে কাজ করছে, যেখানে সরকারি ও বেসরকারি দপ্তর, আদালত, হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বাজার, দর্শনীয় স্থান, স্থানীয় গণমাধ্যম এবং অ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিসসহ জরুরি সেবার তথ্য সংরক্ষণ করা হয়েছে।</p>
<p>এতে সাধারণ মানুষ কোনো ধরনের হয়রানি বা মধ্যস্বত্বভোগীর শরণাপন্ন না হয়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করতে পারছেন। ফলে সময় ও অর্থ সাশ্রয়ের পাশাপাশি নাগরিক সেবাও আরও সহজ হচ্ছে।</p>
<p>প্ল্যাটফর্মটিতে নাগরিকরা কবিতা, গল্প ও অন্যান্য সাহিত্যকর্ম প্রকাশের পাশাপাশি নিজ এলাকার বিভিন্ন সমস্যা ও জনদুর্ভোগও তুলে ধরতে পারছেন। এসব অভিযোগ ও পরামর্শ ডিজিটাল মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তাদের কাছে পৌঁছে দিয়ে দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, যা তৃণমূল পর্যায়ে সুশাসন ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠায় সহায়ক ভূমিকা রাখছে।</p>
<p>উদ্যোক্তা এম এ রশিদ বলেন, “আমি চাই সাধারণ মানুষ যেন খুব সহজেই তাদের অধিকার সম্পর্কে বলতে পারেন এবং ঘরে বসেই প্রয়োজনীয় তথ্য ও সমস্যার সমাধান খুঁজে পান। ‘রংপুর ডায়েরি’ এমন একটি সেবামূলক প্ল্যাটফর্ম হবে, যেখানে প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষও নাগরিক সেবার পূর্ণ সুবিধা পাবেন।”</p>
<p>বর্তমানে প্ল্যাটফর্মটির ডেটাবেজ সমৃদ্ধ করার কাজ চলমান রয়েছে এবং নিয়মিত নতুন তথ্য সংযোজন করা হচ্ছে। উন্মুক্ত হওয়ার পর থেকেই ‘রংপুর ডায়েরি’ রংপুরের নাগরিকদের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।<br><span style="text-decoration: underline;"><strong>//ডিবিটেক/এপিএন/ইকে//</strong></span><br><br><br></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বন্যা ঝুঁকি পেরিয়ে ঘরে উঠল ব্রি ধান&#45;১০২</title>
<link>https://digibanglatech.news/182706</link>
<guid>https://digibanglatech.news/182706</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul data-start=&quot;377&quot; data-end=&quot;743&quot;&gt;
&lt;li data-start=&quot;377&quot; data-end=&quot;492&quot;&gt;সাভারের চরাঞ্চলে ১২টি প্রদর্শনী প্লটের মধ্যে ১০টিতে সফলভাবে ঘরে উঠেছে বন্যা-সহনশীল ও জিংকসমৃদ্ধ &lt;strong data-start=&quot;475&quot; data-end=&quot;491&quot;&gt;ব্রি ধান-১০২&lt;/strong&gt;।&lt;span aria-hidden=&quot;true&quot; class=&quot;PDq2pG_selectionAnchor&quot;&gt;&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;li data-start=&quot;493&quot; data-end=&quot;601&quot;&gt;১০টি জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ পরিবার গড়ে তুলেছে রাসায়নিকমুক্ত পুষ্টি বাগান; চাষ হচ্ছে প্রায় ১৫ ধরনের মৌসুমি সবজি।&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a46b5430e0bb.jpg" length="149972" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 02 Jul 2026 20:55:52 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>সাভার, ব্রি ধান-১০২, জলবায়ু-সহনশীল কৃষি, Climate Smart Agriculture, CALL Project, GAIN, অভিযাত্রিক ফাউন্ডেশন, পুষ্টি বাগান, বন্যা-সহনশীল ধান, টেকসই কৃষি, কৃষি প্রযুক্তি, Nutrition Garden, Climate Action, Switzerland Embassy, Bangladesh Agriculture</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-start="764" data-end="1068">প্রতিবছর বন্যার পানিতে সাভারের চরাঞ্চলের কৃষকদের মৌসুমজুড়ে করা পরিশ্রম ভেসে যায়। তবে এবার সেই চিত্র বদলাতে শুরু করেছে। ঝুঁকিপূর্ণ চরাঞ্চলের ১২টি প্রদর্শনী প্লটের মধ্যে ১০টিতে সফলভাবে ঘরে উঠেছে বন্যা-সহনশীল ও জিংকসমৃদ্ধ ব্রি ধান-১০২, যা স্থানীয় কৃষকদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে।<span aria-hidden="true"></span></p>
<p data-start="1070" data-end="1292">এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে তরুণ-নেতৃত্বাধীন অভিযাত্রিক ফাউন্ডেশন। সংস্থাটির Climate Action at Local Level (CALL) প্রকল্প পরিচালিত হচ্ছে GAIN-এর কারিগরি সহযোগিতা এবং বাংলাদেশে সুইজারল্যান্ড দূতাবাসের অর্থায়নে।</p>
<p data-start="1294" data-end="1633">ধানচাষের পাশাপাশি আশুলিয়ার নয়াপাড়া, সাধুপাড়া ও শেওলাটেকি গ্রামের ১০টি জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ পরিবার তাদের বসতবাড়ির অব্যবহৃত জমিতে গড়ে তুলেছে পুষ্টি বাগান। সেখানে রাসায়নিক কীটনাশক ছাড়াই পরিবেশবান্ধব ফেরোমন ফাঁদ ব্যবহার করে প্রায় ১৫ ধরনের মৌসুমি সবজি চাষ করা হচ্ছে। এসব বাগানের সফলতা স্থানীয় অন্য পরিবারগুলোকেও একই ধরনের উদ্যোগ নিতে উৎসাহিত করছে।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x_6a46b40a3b9b9.jpg" alt=""></p>
<p data-start="1635" data-end="1852">প্রকল্পের আওতায় ১৬০ জনের বেশি প্রশিক্ষিত তরুণ-তরুণী স্বেচ্ছাসেবক—যাদের অর্ধেকই নারী—সাভার ও গাজীপুর সদরে ১৬টি সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে জলবায়ু-সহনশীল কৃষি, পুষ্টি এবং নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনের বার্তা ছড়িয়ে দিয়েছেন।</p>
<p data-start="1854" data-end="2116">চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ৬০ জন যুব প্রতিনিধি প্রশিক্ষক প্রশিক্ষণ (ToT) কর্মশালায় অংশ নিয়ে নিজ নিজ এলাকার জন্য কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করেন। মার্চে কৃষিবিদ ড. মো. মনির উদ্দিনের নেতৃত্বে GAIN-এর কারিগরি দল মাঠপর্যায়ে কৃষকদের হাতে-কলমে পরামর্শ ও প্রযুক্তিগত সহায়তা দেয়।</p>
<p data-start="2118" data-end="2406">প্রকল্পের আরেকটি উল্লেখযোগ্য অর্জন হলো স্থানীয় সরকার পর্যায়ে জলবায়ু-সচেতন কৃষিকে নীতিগত স্বীকৃতি দেওয়া। সাভার, আশুলিয়া ও ইয়ারপুর ইউনিয়নে গঠিত মাল্টি-স্টেকহোল্ডার প্ল্যাটফর্মের সুপারিশের ভিত্তিতে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের ইউনিয়ন বাজেটে প্রথমবারের মতো পুষ্টি ও জলবায়ু-সহনশীল কৃষি অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।</p>
<p data-start="2408" data-end="2684">অভিযাত্রিক ফাউন্ডেশনের প্রেসিডেন্ট আহমেদ ইমতিয়াজ জামি বলেন, "তরুণদের শুধু সুবিধাভোগী নয়, নেতৃত্বের ভূমিকায় নিয়ে এলে বাস্তব পরিবর্তন সম্ভব। বন্যা থেকে ফসল রক্ষা কিংবা পরিবারের পুষ্টি নিশ্চিত করতে ঘরের পাশে সবজি উৎপাদনের মতো উদ্যোগগুলোই আমাদের মডেলের কার্যকারিতা প্রমাণ করছে।"</p>
<p data-start="2686" data-end="2900">সংশ্লিষ্টদের মতে, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় স্থানীয় পর্যায়ে প্রযুক্তিনির্ভর কৃষি, পুষ্টি নিরাপত্তা এবং তরুণদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা গেলে দেশের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে টেকসই কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব হবে।</p>
<p data-start="2686" data-end="2900">/<span style="text-decoration: underline;"><strong>/ডিবিটেক/আরএসইউ/এমইউআইএম/</strong></span>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>৭ম ব্যাচে ৬৪ জেলায় একযোগে ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ পচ্ছেন  ৪,৮০০ তরুণ&#45;তরুণী</title>
<link>https://digibanglatech.news/182545</link>
<guid>https://digibanglatech.news/182545</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-section-id=&quot;97d670&quot; data-start=&quot;4376&quot; data-end=&quot;4445&quot;&gt;প্রকল্পে ২০২৭ সালের মধ্যে ৩৬ হাজার যুবক-যুবতীকে প্রশিক্ষণের লক্ষ্য।&lt;span aria-hidden=&quot;true&quot; class=&quot;PDq2pG_selectionAnchor&quot;&gt;&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;li data-section-id=&quot;174s8rj&quot; data-start=&quot;4446&quot; data-end=&quot;4517&quot;&gt;আগের ছয় ব্যাচের ১১,৩৫৩ জন ইতোমধ্যে ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে আয় করছেন।&lt;/li&gt;
&lt;li data-section-id=&quot;1655b8h&quot; data-start=&quot;4518&quot; data-end=&quot;4610&quot;&gt;প্রশিক্ষণে ডিজিটাল মার্কেটিং, গ্রাফিক্স ডিজাইন, ভিডিও সম্পাদনাসহ আধুনিক দক্ষতা শেখানো হবে। ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a44e3f967cf8.jpg" length="90860" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 01 Jul 2026 14:55:24 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়, ডিজিটাল মার্কেটিং, গ্রাফিক্স ডিজাইন, কর্মসংস্থান, দক্ষতা উন্নয়ন, ফ্রিল্যান্সার, ডিজিটাল অর্থনীতি</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-start="403" data-end="741">দেশের শিক্ষিত কর্মপ্রত্যাশী তরুণ-তরুণীদের দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত করে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের বাস্তবায়নাধীন ‘দেশের ৬৪ জেলায় শিক্ষিত কর্মপ্রত্যাশী যুবদের ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি’ প্রকল্পের আওতায় তিন মাসব্যাপী ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের সপ্তম ব্যাচের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে।<span aria-hidden="true"></span></p>
<p data-start="743" data-end="916">১ জুলাই, বুধবার যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে দেশের ৬৪ জেলায় একযোগে এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক।</p>
<p data-start="918" data-end="1224">অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম। সঞ্চালনা করেন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. গাজী মো. সাইফুজ্জামান। এতে জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা, প্রশিক্ষণ পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লিমিটেডের প্রতিনিধিসহ অনলাইনে প্রায় পাঁচ হাজার প্রশিক্ষণার্থী অংশ নেন।</p>
<p data-start="1226" data-end="1570">প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক বলেন, ডিজিটাল অর্থনীতির ক্রমবর্ধমান চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। তিনি জানান, সপ্তম ব্যাচে ৪ হাজার ৮০০ তরুণ-তরুণী কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন, ডিজিটাল মার্কেটিং ও গ্রাফিক্স ডিজাইনের মতো উচ্চ চাহিদাসম্পন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণের সুযোগ পাচ্ছেন।</p>
<p data-start="1572" data-end="1774">তিনি বলেন, এই উদ্যোগ আত্মকর্মসংস্থানের পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের মাধ্যমে জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। একই সঙ্গে বেকারত্ব কমিয়ে পরিবারভিত্তিক অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা অর্জনেও সহায়ক হবে।</p>
<p data-start="1776" data-end="2066">সভাপতির বক্তব্যে সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম বলেন, শিক্ষিত বেকার যুবসমাজকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তরের মাধ্যমে টেকসই কর্মসংস্থান নিশ্চিত করাই এ প্রকল্পের মূল লক্ষ্য। প্রশিক্ষণার্থীরা আন্তরিকতার সঙ্গে প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করলে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক কর্মবাজারে নিজেদের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি করতে পারবেন।</p>
<p data-start="2068" data-end="2366">ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুদ আলম বলেন, বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সাররা আন্তর্জাতিক বাজারে কাজ করে প্রতিবছর উল্লেখযোগ্য বৈদেশিক মুদ্রা দেশে আনছেন। তিনি প্রশিক্ষণার্থীদের নিজেদের সাফল্যের গল্প অন্যদের সঙ্গে ভাগাভাগি করার আহ্বান জানান, যাতে আরও তরুণ-তরুণী এ পেশায় আগ্রহী হন।</p>
<p data-start="2368" data-end="2686">প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৭ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ৩৭৩ কোটি ৭৭ লাখ ২৩ হাজার টাকা ব্যয়ে মোট ৩৬ হাজার শিক্ষিত যুব-যুবীকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে এবং বর্তমানে দেশের আট বিভাগের ৬৪ জেলায় তা পরিচালিত হচ্ছে।</p>
<p data-start="2688" data-end="2993">সপ্তম ব্যাচে দেশের প্রতিটি জেলা থেকে ৭৫ জন করে মোট ৪ হাজার ৮০০ প্রশিক্ষণার্থী অংশ নিচ্ছেন। ১৮ থেকে ৩৫ বছর বয়সী এবং ন্যূনতম এইচএসসি পাস তরুণ-তরুণীরা এ সুযোগ পেয়েছেন। জেলা প্রশাসন, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর ও প্রশিক্ষণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত কমিটির মাধ্যমে তাদের নির্বাচন করা হয়েছে।</p>
<p data-start="2995" data-end="3195">প্রকল্পের আওতায় ইতোমধ্যে ছয়টি ব্যাচে ১৯ হাজার ২০০ জন প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেছেন। তাদের মধ্যে প্রায় ৬০ শতাংশ, অর্থাৎ ১১ হাজার ৩৫৩ জন দেশি-বিদেশি বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে কাজ করছেন।</p>
<p data-start="3197" data-end="3481">এ পর্যন্ত প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের মোট আয় ১৯ লাখ ৯৯ হাজার ৪৯০ মার্কিন ডলার এবং বাংলাদেশি মুদ্রায় ৯ কোটি ৯০ লাখ ৩৫ হাজার ৮৮৭ টাকা। সব মিলিয়ে তাদের মোট উপার্জনের পরিমাণ ৩৪ কোটি ৪৯ লাখ ৭৩ হাজার ২১৫ টাকা। আয় বৃদ্ধিতে সহায়তা করতে প্রতিটি জেলায় মেন্টরিং ক্লাসের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।</p>
<p data-start="3483" data-end="3687">এবারের ব্যাচে ভর্তির জন্য লক্ষাধিক আবেদন জমা পড়ে। সেখান থেকে প্রায় ৭০ হাজার আবেদনকারী লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পান। লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা শেষে চূড়ান্তভাবে ৪ হাজার ৮০০ জনকে নির্বাচিত করা হয়।</p>
<p data-start="3689" data-end="3972">প্রশিক্ষণার্থীরা প্রতিদিন আট ঘণ্টা করে তিন মাসে মোট ৬০০ ঘণ্টা প্রশিক্ষণ গ্রহণ করবেন। প্রশিক্ষণের বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে কম্পিউটার অফিস অ্যাপ্লিকেশন, ফ্রিল্যান্সিং, মৌলিক ইংরেজি, ডিজিটাল মার্কেটিং, সফট স্কিল, স্মার্টফোনের মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সিং, গ্রাফিক্স ডিজাইন এবং ভিডিও সম্পাদনা।</p>
<p data-start="3974" data-end="4243">অনুষ্ঠানে জানানো হয়, প্রশিক্ষণার্থীদের যাতায়াত ভাতা, খাবার ও প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ উপকরণ সরবরাহ করা হবে। প্রশিক্ষণ শেষে সনদপত্র প্রদান করা হবে। পাশাপাশি প্রশিক্ষণের মান নিশ্চিত করতে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো নিয়মিত তদারকি করবে।</p>
<p data-start="3974" data-end="4243">/<span style="text-decoration: underline;"><strong>/ডিবিটেক/এমএস/এআই/</strong></span>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ডিজিটাল বিভাজন থেকে এআই দারিদ্র্য: বাংলাদেশের পরবর্তী উন্নয়ন চ্যালেঞ্জ</title>
<link>https://digibanglatech.news/182522</link>
<guid>https://digibanglatech.news/182522</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a44adc471a86.jpg" length="120177" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 01 Jul 2026 03:55:00 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, এআই দারিদ্র্য, ডিজিটাল বিভাজন, বাংলাদেশ ২০২৬, ডেটা ন্যায্যতা, এআই গভর্ন্যান্স, এআই নীতিমালা</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<h3 data-path-to-node="5"><span style="font-family: 'arial black', sans-serif;"><strong><span style="font-size: 10pt;">এক নতুন বিভাজনের উদয়</span></strong></span></h3>
<p data-path-to-node="6">কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই (Artificial Intelligence) বাংলাদেশের জন্য এখন আর দূর ভবিষ্যতের কোনো তাত্ত্বিক বিষয় নয়। শ্রেণিকক্ষ, ব্যাংক, হাসপাতাল, গণমাধ্যম, কল সেন্টার, সরকারি দপ্তর থেকে শুরু করে কৃষিসেবা ও ক্ষুদ্র ব্যবসায় এটি ইতোমধ্যে জায়গা করে নিতে শুরু করেছে। কারও জন্য এটি দ্রুত সেবা, নতুন কর্মসংস্থান, বর্ধিত উৎপাদনশীলতা ও সৃজনশীলতার অপার দুয়ার খুলে দিচ্ছে; আবার অনেকের জন্যই এটি বঞ্চনার এক নতুন ও দুর্ভেদ্য প্রাচীর হয়ে দাঁড়ানোর ঝুঁকি তৈরি করছে। বিশেষ করে দরিদ্র জনগোষ্ঠী, গ্রামীণ মানুষ, নারী, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, ভাষাগত সংখ্যালঘু এবং অনানুষ্ঠানিক খাতের শ্রমজীবীরা এই প্রযুক্তির সুফল থেকে বঞ্চিত হতে পারেন।</p>
<p data-path-to-node="7">এই নতুন ও উদীয়মান ঝুঁকির নামই হলো <b data-path-to-node="7" data-index-in-node="34">‘এআই দারিদ্র্য’ (AI Poverty)</b>।</p>
<p data-path-to-node="8">এআই দারিদ্র্য বলতে কেবল চ্যাটজিপিটি বা কোনো আধুনিক এআই টুল ব্যবহার করতে না পারাকে বোঝায় না। এর গভীরতা আরও অনেক বেশি। এর অর্থ হলো—যেসকল ডেটা, দক্ষতা, ভাষা, অবকাঠামো এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার ওপর ভিত্তি করে এআই কাজ করে, তা থেকে একটি বিশাল জনগোষ্ঠীর বাদ পড়ে যাওয়া। এর ফলে মানুষ হয়তো প্রযুক্তির নেটওয়ার্কে যুক্ত থাকবে, কিন্তু তার কোনো নিজস্ব ক্ষমতা থাকবে না। তাকে ডেটার সংখ্যায় গণনা করা হবে, কিন্তু তার কণ্ঠস্বর থাকবে উপেক্ষিত। সে অ্যালগরিদমিক ব্যবস্থার অধীনস্থ হবে, কিন্তু সেই ব্যবস্থা কীভাবে কাজ করছে তা নিয়ে প্রশ্ন তোলার কোনো অধিকার তার থাকবে না।</p>
<p data-path-to-node="9">বাংলাদেশ অতীতে এই চ্যালেঞ্জেরই একটি প্রাথমিক রূপ দেখেছে, যা ‘ডিজিটাল বিভাজন’ (Digital Divide) নামে পরিচিত। বহু বছর ধরে আমাদের জাতীয় আলোচনার কেন্দ্রে ছিল মোবাইল সংযোগ, ইন্টারনেট ব্যবহার ও ডিজিটাল লেনদেন। এসব ক্ষেত্রে অর্জনও কম নয়। ২০২৬ সালের মার্চ মাসের হিসাব অনুযায়ী, বাংলাদেশে মোবাইল গ্রাহকের সংখ্যা ১৮ কোটি ৬০ লাখ ছাড়িয়েছে এবং ইন্টারনেট সংযোগের সংখ্যা প্রায় ১৩ কোটি। প্রায় সাড়ে ১৭ কোটি মানুষের দেশে এই পরিসংখ্যান নিঃসন্দেহে একটি বড় অগ্রগতি।</p>
<h3 data-path-to-node="10"><strong><span style="font-family: 'arial black', sans-serif; font-size: 10pt;">সংযোগ বনাম প্রকৃত অন্তর্ভুক্তি</span></strong></h3>
<p data-path-to-node="11">তবে কেবল সংখ্যার পরিমাপ দিয়ে প্রকৃত অন্তর্ভুক্তির চিত্র বোঝা যায় না। একটি মোবাইল সংযোগ বা ঘরে একটি স্মার্টফোন থাকার মানেই এই নয় যে, সেই পরিবারের নারী, শিশু, প্রবীণ বা কর্মজীবী মানুষটি নিরাপদ ও ফলপ্রসূভাবে ডিজিটাল সেবা ব্যবহার করতে পারছেন। সংযোগ হলো কেবল প্রবেশদ্বার। মূল প্রশ্নটি হলো—কারা সেই দুয়ার পেরিয়ে ভেতরে প্রবেশ করতে পারছে এবং ভেতরের জগতকে নিজের জীবনের মানোন্নয়নে কাজে লাগাতে পারছে?</p>
<p data-path-to-node="12">এই প্রশ্নটি এখন আরও বেশি প্রাসঙ্গিক ও জরুরি হয়ে উঠেছে। ২০২৬ সালের জুলাইয়ে জেনেভায় জাতিসংঘের ‘গ্লোবাল ডায়ালগ অন এআই গভর্ন্যান্স’ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। সরকার, বেসরকারি খাত, শিক্ষাবিদ, প্রযুক্তিবিদ ও নাগরিক সমাজকে এক মঞ্চে এনে এআইয়ের বৈশ্বিক শাসনব্যবস্থা ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা নিশ্চিত করাই এই সংলাপের লক্ষ্য। আলোচনার মূল এজেন্ডার মধ্যে রয়েছে এআই বিভাজন কমানো, নিরাপদ প্রযুক্তি, মানবাধিকার রক্ষা এবং স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা।</p>
<p data-path-to-node="13">বাংলাদেশের জন্য এটি কেবল কোনো দূরবর্তী কূটনৈতিক আলোচনা নয়, বরং এটি আমাদের অস্তিত্ব ও উন্নয়নের প্রশ্ন। এআই শাসনব্যবস্থা যদি কেবল শক্তিশালী অর্থনীতি ও বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর নিয়ন্ত্রণে গড়ে ওঠে, তবে বাংলাদেশের মতো দেশগুলো কেবলই অন্যের তৈরি ব্যবস্থার ভোক্তা হবে। আমাদের নির্ভর করতে হবে অন্যের ডেটায় প্রশিক্ষিত মডেলের ওপর, চলতে হবে অন্যের লেখা নিয়মে। একে ডিজিটাল রূপান্তর বলা চলে না; এটি মূলত <b data-path-to-node="13" data-index-in-node="398">‘ডিজিটাল নির্ভরতা’</b>।</p>
<h3 data-path-to-node="14"><strong><span style="font-family: 'arial black', sans-serif; font-size: 10pt;">ডেটা ও কাঠামোগত বাস্তবতার সংকট</span></strong></h3>
<p data-path-to-node="15">বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) ‘আইসিটি অ্যাক্সেস অ্যান্ড ইউজ সার্ভে ২০২৪-২৫’ আমাদের এক বাস্তব সতর্কবার্তা দেয়। দেশে ব্যক্তিপর্যায়ে ইন্টারনেট ব্যবহারের গড় হার ৫৩.৪ শতাংশ। তবে শহরে এই হার ৭৫.৭ শতাংশ হলেও গ্রামে মাত্র ৪৩.৬ শতাংশ—অর্থাৎ শহর ও গ্রামের ব্যবধান ৩১.১ শতাংশ পয়েন্টের। পাশাপাশি স্মার্টফোন মালিকানা ও ইন্টারনেট ব্যবহারে লিঙ্গভিত্তিক বৈষম্যও অত্যন্ত স্পষ্ট।</p>
<p data-path-to-node="16">এই পরিসংখ্যান মনে রাখা জরুরি, কারণ এআই কেবল ফাঁকা স্লোগানের ওপর ভর করে চলে না। এর ভিত্তি হলো ডেটা, ডিভাইস, ভাষা, দক্ষতা ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা।</p>
<p data-path-to-node="17">গ্রামীণ একজন শিক্ষার্থীর ইন্টারনেট সংযোগ থাকলেও যদি দক্ষ শিক্ষক, মানসম্মত ডিভাইস কিংবা স্থানীয় ভাষায় কনটেন্ট না থাকে, তবে এআই তার শিক্ষার কোনো গুণগত পরিবর্তন করতে পারবে না। একজন কৃষকের যদি ডিজিটাল ফসল উৎপাদন ও লেনদেনের সঠিক ইতিহাস বা ভূমি রেকর্ড না থাকে, তবে এআই-ভিত্তিক ঋণ মূল্যায়ন ব্যবস্থায় তিনি অদৃশ্যই থেকে যাবেন। একইভাবে, একজন নারী যদি অনলাইন হয়রানি বা ডিপফেক প্রযুক্তির অপব্যবহারের শিকার হন, তবে এআই তার উপকারের চেয়ে ক্ষতিই করবে বেশি।</p>
<p data-path-to-node="18">প্রযুক্তি নিয়ে সবচেয়ে বড় ভুল ধারণা হলো—টুলে প্রবেশাধিকার পাওয়া মানেই অন্তর্ভুক্তি। বাস্তবে তা নয়। বিদ্যালয়ে চ্যাটবট থাকলেই শিক্ষার সংস্কার হয় না, যদি না শিক্ষকেরা প্রশিক্ষিত হন। ব্যাংকে এআই ব্যবস্থা থাকলেই প্রান্তিক মানুষের আর্থিক অন্তর্ভুক্তি ঘটে না, যদি তাদের কোনো ডেটা হিস্ট্রি না থাকে। ত্রুটিপূর্ণ গ্রামীণ স্বাস্থ্য রেকর্ডের কারণে এআই স্বাস্থ্যসেবা টুল ব্যর্থ হতে বাধ্য। ঠিক তেমনি, স্বয়ংক্রিয় সরকারি সেবা নাগরিকবান্ধব হবে না, যদি মানুষ না জানে অ্যালগরিদম কীভাবে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে এবং সংক্ষুব্ধ হলে কোথায় আপিল করতে হবে।</p>
<p data-path-to-node="19">এআই ব্যবস্থা মূলত ডেটার ওপর নির্ভরশীল, আর ডেটা কখনোই পুরোপুরি নিরপেক্ষ নয়। যদি বাংলাদেশের এআই মডেলগুলো প্রধানত শহুরে, প্রাতিষ্ঠানিক, ইংরেজি বা এলিট শ্রেণির ডেটাসেটের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়, তবে তা দৃশ্যমান মানুষকে আরও দৃশ্যমান করবে, আর প্রান্তিক মানুষকে আরও অদৃশ্য করে তুলবে।</p>
<p data-path-to-node="20">এখানেই এআই দারিদ্র্যের চরিত্রটি ডিজিটাল বিভাজনের চেয়েও মারাত্মক। ডিজিটাল বিভাজন ছিল মূলত সুযোগের অভাব (যাদের ইন্টারনেট আছে বনাম যাদের নেই)। আর এআই বিভাজন হলো ক্ষমতার ভারসাম্যহীনতা—যারা ডেটা ও অ্যালগরিদম নিয়ন্ত্রণ করে বনাম যারা না বুঝেই সেই ব্যবস্থার শিকল পরে।</p>
<p data-path-to-node="21">বর্তমান অর্থনৈতিক মন্দা, উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয়ের চাপের কারণে নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ডিজিটাল ব্যয় নির্বাহ করা কঠিন হয়ে পড়েছে। একটি পরিবারে হয়তো সস্তা ফোন আছে, কিন্তু নিয়মিত ডেটা প্যাক কেনা, ডিভাইস মেরামত বা সাইবার নিরাপত্তার খরচ মেটানোর সামর্থ্য তাদের নেই। এর ফলে তৈরি হচ্ছে এক ধরণের 'আংশিক অন্তর্ভুক্তি'। মানুষ ডিজিটাল জগতে উপস্থিত থাকছে ঠিকই, কিন্তু এর কোনো সুফল পাচ্ছে না।</p>
<h3 data-path-to-node="22"><strong><span style="font-size: 10pt; font-family: 'arial black', sans-serif;">নীতি থেকে বাস্তবায়নের পথ</span></strong></h3>
<p data-path-to-node="23">বাংলাদেশের ‘খসড়া জাতীয় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নীতি ২০২৬-২০৩০’-এ ঝুঁকিভিত্তিক নিয়ন্ত্রণ, ডেটা গভর্ন্যান্স ও মানবিক তদারকির মতো বেশ কিছু ইতিবাচক বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এটি প্রশংসনীয় সূচনা হলেও আসল পরীক্ষা হবে এর মাঠপর্যায়ের বাস্তবায়নে।</p>
<p data-path-to-node="24">এআই শাসনব্যবস্থার এই আলোচনা যেন কেবল ঢাকাকেন্দ্রিক বিশেষজ্ঞ, মন্ত্রণালয় বা দাতা সংস্থাগুলোর সেমিনার কক্ষের ভেতরেই সীমাবদ্ধ না থাকে। এআইকে যদি সাধারণ মানুষের কল্যাণে লাগাতে হয়, তবে গ্রামীণ শিক্ষক, স্বাস্থ্যকর্মী, নারী সংগঠন, প্রতিবন্ধী অধিকারকর্মী, কৃষক ও তৃণমূলের নাগরিক সমাজকে এই নীতি নির্ধারণে অংশীদার করতে হবে। অন্যথায়, আমরা মানুষের জন্য ব্যবস্থা তৈরি করব, কিন্তু মানুষকে ছাড়াই—যা পুরোনো ভুলেরই পুনরাবৃত্তি।</p>
<h3 data-path-to-node="25"><strong><span style="font-family: 'arial black', sans-serif; font-size: 10pt;">আমাদের করণীয়: মানুষকেন্দ্রিক এআই এজেন্ডা</span></strong></h3>
<p data-path-to-node="26">এআই দারিদ্র্য স্থায়ী রূপ নেওয়ার আগেই আমাদের একটি সর্বজনীন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ‘মানুষকেন্দ্রিক এআই এজেন্ডা’ গড়ে তুলতে হবে। আমাদের প্রশ্ন করতে হবে: এআই চালুর ফলে কার ক্ষমতা বাড়ছে, আর কার কমছে? এই লক্ষ্য অর্জনে ৬টি সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি:</p>
<p data-path-to-node="27">১. <b data-path-to-node="27" data-index-in-node="3">ডেটা ন্যায্যতা (Data Justice):</b> ডেটাকে দৃশ্যমান অবকাঠামোর (সড়ক, বিদ্যুৎ) মতো একটি অপরিহার্য 'অদৃশ্য জন-অবকাঠামো' হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। স্বাস্থ্য, শিক্ষা, কৃষি ও সামাজিক সুরক্ষা খাতে উচ্চমানের ও সুরক্ষিত ডেটাসেট তৈরি করতে হবে, যেখানে নাগরিকের সম্মতি ও গোপনীয়তার অধিকার সুরক্ষিত থাকবে। ২. <b data-path-to-node="27" data-index-in-node="293">নাগরিক এআই সাক্ষরতা:</b> এআই সাক্ষরতা মানে কেবল কোডিং শেখা নয়। নাগরিকদের সাধারণ শিক্ষায় জানাতে হবে এআই কীভাবে কাজ করে, এর পক্ষপাত বা ডিপফেকের ঝুঁকি কোথায় এবং ভুল সিদ্ধান্তকে কীভাবে চ্যালেঞ্জ করা যায়। লক্ষ্য সবাইকে প্রোগ্রামার বানানো নয়, বরং নাগরিকদের ক্ষমতায়ন। ৩. <b data-path-to-node="27" data-index-in-node="554">আঞ্চলিক ও বাংলা ভাষার এআই:</b> আমাদের এমন এআই প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ করতে হবে যা স্থানীয় বাংলা ভাষার বৈচিত্র্য, উচ্চারণ ও আঞ্চলিক উপভাষা বুঝতে সক্ষম। স্থানীয় ভাষায় কৃষি, স্বাস্থ্য ও আইনি সেবার কনটেন্ট তৈরি না হলে প্রান্তিক মানুষ এই ব্যবস্থার বাইরেই থেকে যাবে। ৪. <b data-path-to-node="27" data-index-in-node="810">শ্রমিক স্বার্থ সুরক্ষা ও শ্রম প্রভাব মূল্যায়ন:</b> পোশাক খাত, অনানুষ্ঠানিক শ্রম ও সেবা খাতে এআইয়ের প্রভাব নিরূপণ করতে হবে। এআই যেন নীরবে শ্রমিক ছাঁটাইয়ের হাতিয়ার না হয়ে উৎপাদনশীলতা ও মজুরি বৃদ্ধির মাধ্যম হয়, তা নিশ্চিত করা দরকার। ৫. <b data-path-to-node="27" data-index-in-node="1040">অ্যালগরিদমিক জবাবদিহি:</b> সরকারি-বেসরকারি সেবায় এআই ব্যবহারের আগে তার স্বাধীন নিরীক্ষা (Audit) করতে হবে। কোনো সিদ্ধান্তের ফলে নাগরিক বৈষম্যের শিকার হলে দায় কার হবে, তা আইনি কাঠামোর আওতায় স্পষ্ট করতে হবে। ৬. <b data-path-to-node="27" data-index-in-node="1244">কমিউনিটি প্রতিষ্ঠানের সম্পৃক্ততা:</b> বাংলাদেশের অতীতের বড় বড় উন্নয়ন সাফল্য (যেমন—দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, নারী শিক্ষা বা টিকাদান কর্মসূচি) এসেছে তৃণমূলের সামাজিক শক্তি ও কমিউনিটি মবিলাইজেশনের মাধ্যমে। এআই অন্তর্ভুক্তির ক্ষেত্রেও কমিউনিটি রেডিও, স্থানীয় লাইব্রেরি ও যুব সংগঠনগুলোকে কাজে লাগাতে হবে।</p>
<p data-path-to-node="28">একই সাথে, আন্তর্জাতিক এআই গভর্ন্যান্সের মঞ্চে বাংলাদেশকে স্পষ্ট করে বলতে হবে যে, এআই বিভাজন দূর করার অর্থ কেবল গ্লোবাল নর্থের তৈরি অ্যাপস ব্যবহার করা নয়; বরং গ্লোবাল সাউথের নিজস্ব সক্ষমতা বৃদ্ধি, ওপেন সোর্স টুল ও সাশ্রয়ী অবকাঠামোর অধিকার নিশ্চিত করা।</p>
<h3 data-path-to-node="29"><strong><span style="font-family: 'arial black', sans-serif; font-size: 10pt;">উপসংহার</span></strong></h3>
<p data-path-to-node="30">যদি একটি এআই টুল গ্রামীণ একজন নারীকে তার নিজের ভাষায় স্বাস্থ্য ও আইনি পরামর্শ দেয়, তাকে সাইবার সহিংসতা থেকে সুরক্ষা দেয় এবং তার জীবিকার মান বাড়ায়—তবেই এআই সফল। আর এটি যদি কেবল সুবিধাবাদী শ্রেণির সুবিধাকে আরও বাড়ায় এবং বঞ্চনাকে স্বয়ংক্রিয় রূপ দেয়, তবে এই প্রযুক্তি ব্যর্থ।</p>
<p data-path-to-node="31">এআই দারিদ্র্য কোনো অনিবার্য নিয়তি নয়। কিন্তু আমাদের নীতি যদি কেবল টুল-কেন্দ্রিক ও শহরকেন্দ্রিক কর্পোরেট স্বার্থে বন্দি থাকে, তবে এই দারিদ্র্য ঠেকানো যাবে না। আমাদের সামনে এখন এক সীমিত সময়ের সুযোগ। উন্মুক্ত ডেটাকে জনস্বার্থ হিসেবে দেখা এবং এআই সাক্ষরতাকে নাগরিক অধিকার হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার মাধ্যমেই আমরা এই চ্যালেঞ্জ জয় করতে পারি। ডিজিটাল যুগ প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল 'কাউকে পেছনে ফেলে রাখা হবে না'; এআই যুগ মূলত সেই প্রতিশ্রুতিরই এক চূড়ান্ত অগ্নিপরীক্ষা।</p>
<ul data-path-to-node="33">
<li><hr>
<p data-path-to-node="33,0,0"><b data-path-to-node="33,0,0" data-index-in-node="0">এ. এইচ. এম. בזলুর রহমান:</b> ডিজিটাল গণতন্ত্র, তথ্যের অখণ্ডতা ও গণমাধ্যম উন্নয়ন নীতিবিষয়ক বিশেষজ্ঞ; দায়িত্বশীল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স বিষয়ক অ্যাম্বাসেডর।*</p>
<hr>
<p data-path-to-node="33,0,0"></p>
</li>
</ul>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ঢাবিতে আন্তবিশ্ববিদ্যালয় আইডিয়া প্রতিযোগিতার মহোৎসব শুরু</title>
<link>https://digibanglatech.news/182496</link>
<guid>https://digibanglatech.news/182496</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p&gt;ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইস সেন্টারের ‘ক্রিয়েটিভ বাংলাদেশ’ প্রকল্পের আওতায় সাতটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীদের জন্য ‘আন্তবিশ্ববিদ্যালয় আইডিয়া কম্পিটিশন’ শুরু হয়েছে। ওএসএল বিভাগের ১০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত ‘সেল সামিট’-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম এর উদ্বোধন করেন। ১ থেকে ১৪ জুলাই পর্যন্ত সচল থাকবে আবেদনের উইন্ডো। নির্বাচিত দলগুলো তাদের ব্যবসায়িক ধারণাকে টেকসই করতে ৩২০ ঘণ্টার বিশেষ উদ্যোক্তা শিক্ষা ও মেন্টরিং সুবিধা পাবে।&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a443f4bd2822.jpg" length="95857" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 30 Jun 2026 23:12:00 +0600</pubDate>
<dc:creator>ক্যাম্পাস করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>du ice center, creative bangladesh, inter university idea competition, osl department du, abm obaidul islam, koica bangladesh, startup funding dhaka university</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>তরুণ প্রজন্মকে চাকরিপ্রত্যাশীর বদলে কর্মসংস্থান সৃষ্টিকারী বা উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে এক বড় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনোভেশন, ক্রিয়েটিভিটি অ্যান্ড এন্টারপ্রেনিউরশিপ (আইস) সেন্টার কর্তৃক ‘ক্রিয়েটিভ বাংলাদেশ’ প্রকল্পের আওতায় দেশের শীর্ষ সাতটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে বর্ণাঢ্য ‘আন্তবিশ্ববিদ্যালয় আইডিয়া কম্পিটিশনের’ আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে।</p>
<p>৩০ জুন, মঙ্গলবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্যবাহী ছাত্র–শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) মিলনায়তনে অর্গানাইজেশন স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড লিডারশিপ (ওএসএল) বিভাগের ১০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত ‘স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড এন্টারপ্রেনিউরশিপ লিডারশিপ (সেল) সামিট’–এর সমাপনী অনুষ্ঠানে জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে এই প্রতিযোগিতার ঘোষণা দেওয়া হয়।</p>
<p>​ওএসএল বিভাগের চেয়ারম্যান সহযোগী অধ্যাপক মো. রাশেদুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ডিন অধ্যাপক মাহমুদ ওসমান ইমাম।</p>
<p>​বাংলাদেশ সরকার এবং কোরিয়া ইন্টারন্যাশনাল কো–অপারেশন এজেন্সির (কোইকা) ‘সরকার টু সরকার’ (জিটুজি) অর্থায়ন ও কৌশলগত সহযোগিতায় এই ‘ক্রিয়েটিভ বাংলাদেশ’ প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। এই মেগা প্রতিযোগিতার মূল লক্ষ্য হলো দেশের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে উদ্ভাবন, সৃজনশীলতা এবং যুব উদ্যোক্তা তৈরির একটি শক্তিশালী ও টেকসই ইকোসিস্টেম বা পরিবেশ গড়ে তোলা।</p>
<p><br>এই প্রতিযোগিতায় নির্দিষ্ট সাতটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান শিক্ষার্থী এবং সাবেক অ্যালামনাইরা অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হলো—ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট), বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এবং খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট)।</p>
<p><br>​১ জুলাই, বুধবার থেকে শুরু হয়ে আগামী ১৪ জুলাই পর্যন্ত অনলাইনের মাধ্যমে প্রতিযোগিতার আবেদন গ্রহণ করা হবে। পরবর্তীতে যাচাই-বাছাই শেষে আগামী ২২ ও ২৩ জুলাই প্রাথমিক নির্বাচিত দলগুলোর আইডিয়া উপস্থাপনা বা ‘পিচিং’ রাউন্ড অনুষ্ঠিত হবে। কৃষি, স্বাস্থ্যসেবা, তথ্যপ্রযুক্তি, শিক্ষা, জলবায়ু, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, ই-কমার্স এবং সৃজনশীল শিল্পসহ যেকোনো খাতের সময়োপযোগী ও টেকসই উদ্ভাবনী ধারণা নিয়ে বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীদের আবেদন করার জন্য আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে আহ্বান জানানো হয়েছে।<br>​<br>প্রতিযোগিতা থেকে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত দলগুলো আইস সেন্টারের তত্ত্বাবধানে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ৩২০ ঘণ্টার একটি দীর্ঘমেয়াদি বিশেষ ‘উদ্যোক্তা শিক্ষা কর্মসূচিতে’ অংশ নেওয়ার অনন্য সুযোগ পাবে। এই বিশেষ ক্যাম্পে বিশ্বমানের নিবিড় প্রশিক্ষণ, ওয়ান-টু-ওয়ান মেন্টরিং এবং প্রয়োজনীয় কারিগরি সহায়তার মাধ্যমে তরুণদের কাঁচা ব্যবসায়িক ধারণাকে (Business Idea) একটি পূর্ণাঙ্গ ও লাভজনক স্টার্টআপ বা টেকসই উদ্যোগে রূপ দিতে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে।</p>
<p>​অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, "ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে প্রথাগত ধারা থেকে বের করে একটি গবেষণাকেন্দ্রিক, উদ্ভাবননির্ভর এবং আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার লক্ষ্যে বর্তমান বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে।"</p>
<p>তিনি শিক্ষার্থীদের মধ্যে আধুনিক নেতৃত্ব, সৃজনশীলতা ও উদ্ভাবনী দক্ষতার ওপর জোর দিয়ে তাদের আগামী দিনের দক্ষ উদ্যোক্তা হওয়ার তাগিদ দেন। একই সাথে ওএসএল বিভাগের ১০ বছর পূর্তি উপলক্ষে বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে উপাচার্য বলেন, বিভাগটি দেশে কৌশলগত ব্যবস্থাপনা ও নেতৃত্ব বিকাশের ক্ষেত্রে ইতিমধ্যে একটি স্বতন্ত্র ও উজ্জ্বল অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে।</p>
<p>//<span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক টেক/পিএবি/ইকে</strong></span>//</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>৩ মাসের প্রশিক্ষণে ৩৪৪ জনের মধ্যে চাকরি পেয়েছেন ২৫৫ জন</title>
<link>https://digibanglatech.news/182391</link>
<guid>https://digibanglatech.news/182391</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p data-path-to-node=&quot;7&quot;&gt;বাংলাদেশ শিল্প কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (বিটাক) পরিচালিত কারিগরি প্রশিক্ষণ কার্যক্রমকে দেশের অন্যতম সফল সরকারি বিনিয়োগ বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। বিটাকের একটি প্রকল্পের ২০তম ব্যাচে সফলভাবে ৩ মাস মেয়াদি প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করা ৩৪৪ জনের মধ্যে ২৫৫ জন চাকরি পেয়েছেন, যার মধ্যে নারী প্রশিক্ষণার্থীদের শতভাগ কর্মসংস্থান নিশ্চিত হয়েছে।&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202606/image_870x580_6a4368064a7bc.jpg" length="103386" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 30 Jun 2026 11:54:26 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>বিটাক কারিগরি প্রশিক্ষণ, খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, নারীদের কর্মসংস্থান, শিল্প মন্ত্রণালয় বিটাক, রোবটিক্স ও এআই প্রশিক্ষণ, আব্দুন নাসের খান, দারিদ্র্য বিমোচন প্রকল্প</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="9">সরকারি বিনিয়োগের প্রকৃত সার্থকতা নির্ভর করে তার কার্যকর ফলাফলের ওপর। এ বিবেচনায় বাংলাদেশ শিল্প কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (বিটাক) পরিচালিত কারিগরি প্রশিক্ষণ কার্যক্রম দেশের অন্যতম সফল বিনিয়োগ বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।</p>
<p data-path-to-node="10">৩০ জুন, মঙ্গলবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে বিটাকের সম্মেলন কক্ষে এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ‘হাতে-কলমে কারিগরি প্রশিক্ষণে মহিলাদেরকে গুরুত্ব দিয়ে বিটাকের কার্যক্রম সম্প্রসারণপূর্বক কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দারিদ্র্য বিমোচন (ফেজ-২)’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় ২০তম ব্যাচের প্রশিক্ষণার্থীদের সনদপত্র ও নিয়োগপত্র প্রদান উপলক্ষে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।</p>
<p data-path-to-node="11">মন্ত্রী বলেন, অতীতে দেশে অনেক প্রকল্পে বিনিয়োগ হলেও কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যায়নি। তবে বিটাকের এ প্রকল্পে তুলনামূলক স্বল্প ব্যয়ে বিপুলসংখ্যক তরুণ-треুণীকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করা হচ্ছে। প্রায় ১২১-১২৩ কোটি টাকার এই প্রকল্পের মাধ্যমে প্রায় ১৬ হাজার প্রশিক্ষণার্থী দক্ষতা অর্জনের সুযোগ পাচ্ছেন। মাত্র তিন মাসের এই প্রশিক্ষণ কারিগরি দক্ষতার পাশাপাশি প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্যে শৃঙ্খলা, দায়িত্ববোধ ও পেশাগত মনোভাব গড়ে তুলছে।</p>
<p data-path-to-node="12">প্রকল্পটির মেয়াদ শেষে কার্যক্রম যেন থেমে না যায় সে বিষয়ে জোর দিয়ে মন্ত্রী বলেন, প্রয়োজন হলে নতুন প্রকল্প বা সম্প্রসারণের মাধ্যমে বিটাকের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করা হবে। তিনি আরও জানান, আগামী সপ্তাহে বিটাকের প্রশিক্ষকদের সঙ্গে রোবটিক্স, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবং আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর প্রশিক্ষণ বিষয়ে মতবিনিময় করবেন।</p>
<p data-path-to-node="13">নারীদের কর্মসংস্থানের বিষয়টি উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ২০তম ব্যাচে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ১৬৫ জন নারী প্রশিক্ষণার্থীর শতভাগ কর্মসংস্থান নিশ্চিত হয়েছে। অন্যদিকে, অনেক পুরুষ প্রশিক্ষণার্থী চাকরির পাশাপাশি বিদেশে কর্মসংস্থান কিংবা উদ্যোক্তা হওয়ার পরিকল্পনা করায় তাৎক্ষণিকভাবে নিয়োগ গ্রহণ করেননি। এটি শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে বিটাকের প্রশিক্ষণের উচ্চ গ্রহণযোগ্যতার প্রমাণ। প্রযুক্তির পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিটাকের কারিকুলাম নিয়মিত হালনাগাদ করা হবে।</p>
<p data-path-to-node="14">বিটাকের মহাপরিচালক মো. ফিরোজ উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুন নাসের খান। তিনি বলেন, বিটাকের এই কর্মসূচি দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির একটি কার্যকর মডেল হিসেবে নিজস্ব সক্ষমতার প্রমাণ দিয়েছে। প্রশিক্ষণার্থীরা কোর্স শেষ হওয়ার আগেই বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠান থেকে চাকরির প্রস্তাব পাচ্ছেন। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সরকারি দপ্তর, শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও বিটাকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p data-path-to-node="15">এর আগে মন্ত্রী বিভিন্ন শিল্প গ্রুপে নিয়োগপ্রাপ্ত প্রশিক্ষণার্থীদের নিয়োগপত্র গ্রহণ করেন এবং সেগুলো প্রশিক্ষণার্থীদের হাতে তুলে দেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে তিনি বিটাক প্রাঙ্গণে একটি গাছের চারা রোপণ করেন। উল্লেখ্য, এই প্রকল্পের ২০তম ব্যাচে মোট ৩৪৪ জন প্রশিক্ষণার্থী ৩ মাসব্যাপী কারিগরি প্রশিক্ষণ সফলভাবে সম্পন্ন করেছেন। এর মধ্যে ২৫৫ জন চাকরি পেয়েছেন, যার অধিকাংশই নারী। ফেজ-২ প্রকল্পে মোট ১৩,২১০ জন প্রশিক্ষণার্থীর মধ্যে এ পর্যন্ত ৮,৪৬৫ জন চাকরি পেয়েছেন, যা মোট প্রশিক্ষণার্থীর প্রায় ৬৪ শতাংশ।</p>
<p data-path-to-node="17">/<span style="text-decoration: underline;"><strong>/ডিবিটেক /ইএইচ/ ইকে/</strong></span>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>পাপেটম্যান থেকে ভিজ্যুয়াল স্টোরিটেলার</title>
<link>https://digibanglatech.news/182371</link>
<guid>https://digibanglatech.news/182371</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202606/image_870x580_6a432982ec2e4.jpg" length="82069" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 30 Jun 2026 00:00:00 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশের শিল্প-সংস্কৃতির ইতিহাসে এমন মানুষ খুব কমই আছেন, যাদের পরিচয় একটি শব্দে বেঁধে ফেলা যায় না। মুস্তাফা মনোয়ার ছিলেন তেমনই এক বহুমাত্রিক স্রষ্টা। তিনি ছিলেন চিত্রশিল্পী, টেলিভিশন নির্মাতা, শিক্ষক, পাপেট নির্মাতা, উপস্থাপক, শিশু-কিশোরদের সাংস্কৃতিক আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক এবং সর্বোপরি একজন অসাধারণ <strong>ভিজ্যুয়াল স্টোরিটেলার</strong>। ক্যানভাসের রঙতুলি থেকে শুরু করে টেলিভিশনের ক্যামেরা, স্টুডিওর আলো, কাঠের পুতুল, মঞ্চসজ্জা—সবকিছুকেই তিনি গল্প বলার ভাষায় রূপ দিয়েছিলেন।</p>
<p>সোমবার (২৯ জুন) সকালে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন এই শিল্পগুরু। দীর্ঘদিন ধরে নিউমোনিয়া, ফুসফুসের সংক্রমণ ও বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯০ বছর। মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার, বাংলাদেশ টেলিভিশন ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদে সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের পর বনানী কবরস্থানে চিরঘুমে শায়িত হবেন তিনি। কিন্তু শিল্প, প্রযুক্তি ও গণমাধ্যমকে একসূত্রে গাঁথার যে উত্তরাধিকার তিনি রেখে গেলেন, তা বহুদিন বাংলাদেশের সৃজনশীল জগতকে পথ দেখাবে।</p>
<h3>শিল্পী হয়ে ওঠার গল্প</h3>
<p>১৯৩৫ সালের ১লা সেপ্টেম্বর তৎকালীন অবিভক্ত বাংলার যশোর জেলার মাগুরা (বর্তমান জেলা) মহকুমার শ্রীপুর থানার অন্তর্গত নাকোল গ্রামে মাতুলালয়ে জন্মগ্রহণ করেন মুস্তাফা মনোয়ার। তার পৈত্রিক নিবাস ঝিনাইদহ জেলার শৈলকূপা থানার মনোহরপুর গ্রামে। বাংলা সাহিত্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কবি ও ইসলামী ভাবধারার সাহিত্যিক<span>।  তিনি ছিলেন একজন আলোকচিত্রী আর বইয়ের চিত্রকরও। মাতা জামিলা খাতুন ছিলেন একজন গৃহিণী। ছয় ভাই-বোনের মধ্যে মুস্তাফা মনোয়ার সবার ছোট। মেজ ভাই মুস্তাফা আজিজ আঁকতেন ছবি। ছয় ভাইবোনের মধ্যে সবচেয়ে ছোটজনের শিল্পে আকর্ষণ তৈরি হয় ঘরের ভেতর থেকেই।</span></p>
<p><span>  </span><span></span>নন্দিত কবি গোলাম মোস্তফার সাহিত্যিক উত্তরাধিকার বহন করলেও তিনি নিজের প্রকাশের ভাষা হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন দৃশ্যশিল্পকে। পরিবারে মন্টু নামে বিশেষ পরিচিত এই শিল্পীকে অনেকেই 'বাংলাদেশের পাপেটম্যান' বলে অভিহিত করতেন।</p>
<p>কেননা, শব্দের বদলে রেখা, রং, আলো ও চলমান ছবিতে তিনি মানুষের গল্প বলতে চেয়েছেন। এক অর্থে, বাবা যেমন কবিতায় মানুষের অনুভূতি এঁকেছেন, তেমনি ছেলে সেই অনুভূতিকেই ক্যানভাস, ক্যামেরা ও পাপেটের মাধ্যমে দৃশ্যমান করে তুলেছেন। শিল্পের প্রতি তার আগ্রহ খুব ছোটবেলা থেকেই। দেশভাগের পর পরিবার ঢাকায় চলে আসে। ঢাকা আর্ট ইনস্টিটিউটের (বর্তমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ) প্রথম দিকের শিক্ষার্থীদের একজন ছিলেন তিনি। পরে কলকাতা গভর্নমেন্ট কলেজ অব আর্ট অ্যান্ড ক্রাফট থেকে ১৯৫৯ সালে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অধিকার করে স্নাতক সম্পন্ন করেন।</p>
<p>দেশে ফিরে তিনি শুধু একজন চিত্রশিল্পী হিসেবেই নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখেননি। শিক্ষকতা করেছেন, বাংলাদেশ টেলিভিশনের অনুষ্ঠান নির্মাণে যুক্ত হয়েছেন, চারুকলা শিক্ষার প্রসারে কাজ করেছেন এবং শিশুদের সাংস্কৃতিক বিকাশে অসামান্য ভূমিকা রেখেছেন। শিল্পকলায় অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি একুশে পদক ও স্বাধীনতা পুরস্কারসহ দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননায় ভূষিত হন। </p>
<p>১৯৬৫ সালে তিনি চট্টলার মেয়ে মেরীর সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তাদের এক ছেলে এবং এক মেয়ে। ছেলে সাদাত মনোয়ার বাংলাদেশ বিমানের পাইলট, আর মেয়ে নন্দিনী মনোয়ার চাকুরীজীবী। অবশ্য <span>তার ভ্রাতুষ্পুত্র নাফিস বিন জাফর পরে অস্কারজয়ী অ্যানিমেটর হিসেবে পরিচিতি পান। এভাবেই কবিতা থেকে চিত্রকলা, চিত্রকলা থেকে পাপেট, পাপেট থেকে অ্যানিমেশন—একই পরিবারের ভেতর দিয়ে শিল্পের মাধ্যম বদলে গেছে প্রজন্মান্তরে, সুরটা থেকে গেছে অভিন্ন।</span></p>
<section data-mw-section-id="2" id="mwGQ" aria-labelledby="শিক্ষাজীবন"></section>
<h3>যে শিল্পী ক্যানভাস ছেড়ে ক্যামেরাকে বেছে নিয়েছিলেন</h3>
<p>মুস্তাফা মনোয়ার খুব দ্রুত বুঝেছিলেন, একটি ছবি হয়তো একটি গ্যালারিতে সীমাবদ্ধ থাকবে; কিন্তু টেলিভিশনের একটি ফ্রেম পৌঁছে যেতে পারে লাখো মানুষের ঘরে। সেই উপলব্ধিই তাকে নিয়ে যায় বাংলাদেশ টেলিভিশনের স্টুডিওতে।</p>
<p>বাংলাদেশ টেলিভিশনে তিনি শুধু অনুষ্ঠান পরিচালনা করেননি; ক্যামেরার ভাষাকেও শিল্পের ভাষায় রূপ দিয়েছিলেন। ফ্রেম কম্পোজিশন, আলো-ছায়ার ব্যবহার, সেট ডিজাইন, রঙের মনস্তত্ত্ব—সবকিছুতেই ছিল একজন চিত্রশিল্পীর সূক্ষ্ম দৃষ্টি। মুক্তিযুদ্ধের সময় দেশাত্মবোধক অনুষ্ঠান নির্মাণ থেকে শুরু করে স্বাধীনতার পর শিশু-কিশোরদের অনুষ্ঠান—সব ক্ষেত্রেই তিনি টেলিভিশনের ভিজ্যুয়াল ভাষাকে নতুন মাত্রা দিয়েছেন।</p>
<h3>লেদ মেশিনে জন্ম নিত পাপেটের মুখ</h3>
<p>মুস্তাফা মনোয়ারের সবচেয়ে অনন্য পরিচয় সম্ভবত এখানেই।</p>
<p>আজকের মতো থ্রিডি প্রিন্টার, সিএনসি কাটিং কিংবা ডিজিটাল মডেলিং তখন ছিল না। তিনি নিজেই কাঠ সংগ্রহ করতেন, লেদ মেশিনে দাঁড়িয়ে কাঠ ঘষে ঘষে তৈরি করতেন পাপেটের মাথা। তারপর হাতে আঁকতেন মুখ, বসাতেন চোখ, তৈরি করতেন হাত-পা, সুতো আর যান্ত্রিক সংযোগ।</p>
<p>প্রতিটি চরিত্রের মুখের অভিব্যক্তি, চোখের নড়াচড়া, ঠোঁটের খোলা-বন্ধ হওয়া কিংবা হাতের ভঙ্গি—সবকিছুর প্রকৌশলগত নকশাও তিনি নিজেই করতেন। শিল্প আর প্রকৌশল—এই দুই জগতকে তিনি এমনভাবে মিলিয়েছিলেন, যা সে সময়ের বাংলাদেশে ছিল একেবারেই নতুন।</p>
<h3>পাপেট ছিল অ্যানালগ যুগের অ্যানিমেশন</h3>
<p>আজকের শিশুরা কম্পিউটার অ্যানিমেশন, থ্রিডি গ্রাফিক্স কিংবা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক চরিত্র দেখে বড় হচ্ছে। কিন্তু ষাট ও সত্তরের দশকে সেই প্রযুক্তি ছাড়াই মুস্তাফা মনোয়ার কাঠ, সুতো, কাপড় আর আলো ব্যবহার করে তৈরি করেছিলেন এমন সব চরিত্র, যারা কথা বলত, হাসত, অভিনয় করত।</p>
<p>এক অর্থে তার পাপেটগুলো ছিল বাংলাদেশের অ্যানালগ যুগের অ্যানিমেশন প্রযুক্তির সূচনা।</p>
<h3>ক্যামেরার জন্য আঁকা ছবি</h3>
<p>চিত্রকলা আর টেলিভিশনের পার্থক্য তিনি গভীরভাবে বুঝতেন। ক্যানভাসে যে রঙ সুন্দর দেখায়, ক্যামেরায় তা একইভাবে ধরা পড়ে না। তাই স্টুডিও সেট, পোশাক, আলো, ব্যাকড্রপ—সবকিছু তিনি ক্যামেরার ভাষা মাথায় রেখেই পরিকল্পনা করতেন।</p>
<p>আজকের ভাষায় যাকে বলা হয় <strong>ভিজ্যুয়াল ডিজাইন</strong> বা <strong>প্রোডাকশন ডিজাইন</strong>, বাংলাদেশ টেলিভিশনে তার অন্যতম পথিকৃৎ ছিলেন মুস্তাফা মনোয়ার।</p>
<h3>'নতুন কুঁড়ি'—একটি প্রজন্ম তৈরির কারখানা</h3>
<p>বাংলাদেশের অসংখ্য শিল্পী, সংগীতশিল্পী, আবৃত্তিকার ও অভিনয়শিল্পীর প্রথম জাতীয় মঞ্চ ছিল 'নতুন কুঁড়ি'। এটি কেবল একটি টেলিভিশন অনুষ্ঠান ছিল না; এটি ছিল শিশুদের আত্মবিশ্বাস, সৃজনশীলতা ও সাংস্কৃতিক বিকাশের এক অনন্য বিদ্যালয়।</p>
<h3>প্রযুক্তিকে তিনি শিল্পের ভাষা বানিয়েছিলেন</h3>
<p>মুস্তাফা মনোয়ারের কাছে প্রযুক্তি কখনও যন্ত্র ছিল না; ছিল প্রকাশের মাধ্যম।</p>
<p>পাপেটের যান্ত্রিক কাঠামো, টেলিভিশনের মাল্টি-ক্যামেরা প্রযোজনা, স্টুডিও লাইটিং, সেট ডিজাইন, ভিজ্যুয়াল কম্পোজিশন—সব ক্ষেত্রেই তিনি এমন সময় কাজ করেছেন, যখন বাংলাদেশে এসব বিষয়ে প্রাতিষ্ঠানিক চর্চাই ছিল সীমিত।</p>
<p>আজকের অ্যানিমেটর, মোশন ডিজাইনার, ইউটিউব নির্মাতা কিংবা ডিজিটাল ভিজ্যুয়াল স্টোরিটেলারদের কাজে যে আন্তঃমাধ্যমিক (cross-media) চিন্তার প্রতিফলন দেখা যায়, তার বীজ মুস্তাফা মনোয়ারের কাজেও খুঁজে পাওয়া যায় সহজেই। তিনি যেন ডিজিটাল যুগের অনেক আগেই বুঝেছিলেন—মানুষ গল্প শুনতে যতটা ভালোবাসে, তার চেয়েও বেশি ভালোবাসে গল্প দেখতে। </p>
<h3>শেষ বিদায়ে ভালোবাসার ঢল</h3>
<p>তার মৃত্যুর সংবাদ ছড়িয়ে পড়তেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শিল্পী, লেখক, সাংবাদিক, শিক্ষক, সংস্কৃতিকর্মী ও সাবেক শিক্ষার্থীরা স্মৃতিচারণ করেন। অনেকেই তাকে "বাংলাদেশের পাপেটম্যান", "শিশুদের স্বপ্নকারিগর", "চারুকলার আলোকবর্তিকা" এবং "ভিজ্যুয়াল স্টোরিটেলার" হিসেবে স্মরণ করেন।</p>
<p>অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন শোকবার্তায় তার অসামান্য অবদানের কথা তুলে ধরে। মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের পর বাংলাদেশ টেলিভিশন ও চারুকলা অনুষদে তার কর্মজীবনের সহযাত্রীদের উপস্থিতিতে শেষ শ্রদ্ধা জানানো হয়। পরে বনানী কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।</p>
<h3>যে উত্তরাধিকার রয়ে যাবে</h3>
<p>বাংলাদেশে বহু গুণী চিত্রশিল্পী জন্মেছেন, বহু দক্ষ টেলিভিশন নির্মাতাও এসেছেন। কিন্তু খুব কম মানুষই আছেন, যিনি একই সঙ্গে ক্যানভাস, ক্যামেরা, কাঠ, যন্ত্র, টেলিভিশন, পাপেট এবং শিশুমনের কল্পনাকে এক সৃজনশীল ধারায় প্রবাহিত করতে পেরেছেন।</p>
<p>মুস্তাফা মনোয়ার শুধু ছবি আঁকেননি; ছবিকে চলতে শিখিয়েছেন। শুধু পুতুল বানাননি; কাঠের মুখে প্রাণ দিয়েছেন। শুধু অনুষ্ঠান নির্মাণ করেননি; বাংলাদেশের দৃশ্যভাষার ভিত্তি নির্মাণ করেছেন।</p>
<p>তাই তাকে কেবল একজন চিত্রশিল্পী হিসেবে মনে রাখলে তার প্রতি অবিচার হবে। বাংলাদেশের গণমাধ্যম, টেলিভিশন এবং ভিজ্যুয়াল সংস্কৃতির ইতিহাসে তিনি ছিলেন—এবং থাকবেন—একজন অগ্রদূত, যিনি রঙতুলির সীমা ছাড়িয়ে ক্যামেরার ফ্রেমে একটি জাতির কল্পনাশক্তিকে নতুন চোখে দেখতে শিখিয়েছিলেন। </p>
<hr>
<p><strong>লেখকঃ </strong>গণমাধ্যমকর্মী, নির্বাহী সম্পাদক, ডিজিবাংলা; সহ-সভাপতি, সাইবারক্রাইম অ্যাওরানেস ফাউন্ডেশন</p>
<hr>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>হার্ভার্ডের অনলাইন কোর্সে বিনা খরচে সনদের সুযোগ পাচ্ছেন ইউআইটিএস শিক্ষার্থীরা</title>
<link>https://digibanglatech.news/182253</link>
<guid>https://digibanglatech.news/182253</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p&gt;ইউনিভার্সিটি অব ইনফরমেশন টেকনোলজি অ্যান্ড সায়েন্সেস (UITS)-এর শিক্ষার্থীদের জন্য হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অনলাইন কোর্সে অংশ নেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। FutureNation ও edX-এর সহযোগিতায় যোগ্য শিক্ষার্থীরা নির্ধারিত শর্ত পূরণ করলে বিনা খরচে হার্ভার্ডের ভেরিফায়েড সনদ অর্জন করতে পারবেন।&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202606/image_870x580_6a4207e3bdb24.jpg" length="112220" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 28 Jun 2026 19:54:26 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>UITS, Harvard University, edX, FutureNation, Online Learning, Cyber Security, Data Science, Machine Learning, Digital Skills</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশ্বমানের অনলাইন কোর্সে অংশ নিয়ে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সনদ অর্জনের সুযোগ পাচ্ছেন ইউনিভার্সিটি অব ইনফরমেশন টেকনোলজি অ্যান্ড সায়েন্সেস (ইউআইটিএস)-এর শিক্ষার্থীরা।</p>
<p>২৮ জুন, রবিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।</p>
<p>বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাস্যুরেন্স সেল (IQAC) এর  উদ্যোগে এবং ফিউচারনেশন ও এডএক্সের সহযোগিতায় এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। এর আওতায় যোগ্য শিক্ষার্থীরা তথ্যনিরাপত্তা, উপাত্তবিজ্ঞান এবং যন্ত্রশিক্ষাসহ উচ্চ চাহিদাসম্পন্ন প্রযুক্তি বিষয়ে প্রশিক্ষণের সুযোগ পাবেন।</p>
<p>পাঠক্রম এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে, যাতে পূর্বে প্রোগ্রামিংয়ের অভিজ্ঞতা না থাকলেও শিক্ষার্থীরা সহজে অংশ নিতে পারেন। ধাপে ধাপে মৌলিক ধারণা থেকে ব্যবহারিক দক্ষতা অর্জনের সুযোগ থাকবে।</p>
<p>প্রতিটি কোর্সে থাকবে ধারাবাহিক পাঠ, আন্তঃক্রিয়াশীল অনুশীলন, ব্যবহারিক দায়িত্ব এবং মূল্যায়ন ব্যবস্থা। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বাস্তব সমস্যা সমাধান এবং প্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জন করতে পারবেন।</p>
<p>সাধারণভাবে এডএক্সে এসব কোর্সে বিনামূল্যে অংশ নেওয়া গেলেও হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বীকৃত সনদ পেতে প্রায় ৩০০ মার্কিন ডলার সমপরিমাণ যাচাইকরণ ফি দিতে হয়।</p>
<p>তবে ফিউচারনেশনের প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা এবং এডএক্সের সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তির ফলে ইউআইটিএসের যোগ্য শিক্ষার্থীরা কোর্সের সব শর্ত পূরণ করলে অতিরিক্ত কোনো অর্থ ছাড়াই হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বীকৃত সনদ অর্জনের সুযোগ পাবেন।</p>
<p>বিশ্ববিদ্যালয়ের মতে, এ উদ্যোগ আন্তর্জাতিক সনদ অর্জনের আর্থিক বাধা কমাবে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের একাডেমিক প্রোফাইল সমৃদ্ধ করবে, কর্মসংস্থানে প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বাড়াবে এবং দ্রুত বিকাশমান প্রযুক্তি খাতে ক্যারিয়ার গঠনে সহায়তা করবে।</p>
<p>এ উদ্যোগকে বৈশ্বিক মানের শিক্ষা নিশ্চিত করার ধারাবাহিক প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে উল্লেখ করেছে ইউআইটিএস। বিশ্ববিদ্যালয়টির আশা, এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা আন্তর্জাতিক মানের জ্ঞান, দক্ষতা ও স্বীকৃতি অর্জন করে ডিজিটাল অর্থনীতিতে সফলভাবে নিজেদের অবস্থান তৈরি করতে পারবেন।</p>
<p><strong>/<span style="text-decoration: underline;">/ডিবিটেক/এসএইচ /ইকে/</span>/</strong></p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>‘তুরাগ নদীতে সাত ছাত্রলীগ নেতাকর্মীর লাশ’ ভিত্তিহীন</title>
<link>https://digibanglatech.news/182094</link>
<guid>https://digibanglatech.news/182094</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202606/image_870x580_6a401106be068.jpg" length="106072" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 27 Jun 2026 19:06:22 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords>পুলিশ | গুজব | সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম | আইনশৃঙ্খলা | বাংলাদেশ</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘তুরাগ নদীতে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের সাত নেতা-কর্মীর লাশ ভাসছে’— এমন শিরোনামে প্রচারিত তথ্যকে ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর।</p>
<p>শনিবার (২৭ জুন) সন্ধ্যায় এক বিবৃতিতে পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া অ্যান্ড পিআর) এ এইচ এম শাহাদাত হোসাইন বলেন, এ ধরনের কোনো ঘটনার তথ্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে নেই এবং বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।</p>
<p>তিনি বলেন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এ ধরনের তথ্য প্রচার করে জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মনোবল ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে।</p>
<p>পুলিশের পক্ষ থেকে জনগণকে অনির্ভরযোগ্য বা যাচাইবিহীন তথ্য প্রচার ও শেয়ার না করার আহ্বান জানানো হয়েছে।</p>
<p>এএইচএম শাহাদাত হোসাইন আরও জানান, যারা এ ধরনের বিভ্রান্তিকর ও মিথ্যা তথ্য প্রচার করছে, তাদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নিতে পুলিশ কাজ করছে।</p>
<p>/<span style="text-decoration: underline;"><strong>/ডিবিটেক/এসএন/ইকে/</strong></span>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>এশিয়া&#45;প্যাসিফিক এআই অলিম্পিয়াডে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক সাফল্য, ৩ স্বর্ণপদক অর্জন</title>
<link>https://digibanglatech.news/182004</link>
<guid>https://digibanglatech.news/182004</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p&gt;প্রথমবারের মতো আয়োজিত এশিয়া-প্যাসিফিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা অলিম্পিয়াডে (এপিওএআই) অংশ নিয়ে বাংলাদেশ অসাধারণ সাফল্য অর্জন করেছে। মোট ১০টি স্বর্ণপদকের মধ্যে ৩টি জিতে অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ অবস্থান নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ।&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202606/image_870x580_6a3f7ea6d5859.jpg" length="99062" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 27 Jun 2026 12:42:00 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>এআই অলিম্পিয়াড, APOAI 2026, বাংলাদেশ, স্বর্ণপদক, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, মেশিন লার্নিং, বিডিওএসএন, আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা, বাংলাদেশ এআই</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>প্রথমবারের মতো আয়োজিত মর্যাদাপূর্ণ এশিয়া-প্যাসিফিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা অলিম্পিয়াড (এপিওএআই)-এ অংশ নিয়েই ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশ। চীন, রাশিয়া, সিঙ্গাপুর, জাপান ও ইরানের মতো প্রযুক্তিতে অগ্রসর দেশসহ মোট ১৮টি দেশের ১২৯ জন প্রতিযোগীর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা অর্জন করেছে ৩টি স্বর্ণপদক।</p>
<p>পুরো প্রতিযোগিতায় মোট ১০টি স্বর্ণপদকের মধ্যে বাংলাদেশের ঝুলিতে গেছে ৩টি—যা অংশগ্রহণকারী যেকোনো দেশের তুলনায় সর্বোচ্চ। এর মাধ্যমে এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিষয়ে বাংলাদেশের সক্ষমতা নতুনভাবে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছে।</p>
<p>বাংলাদেশের হয়ে স্বর্ণপদক অর্জন করেছেন কুমিল্লার হোমনা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী লাবিব শাহরিয়ার, মৌলভীবাজার সরকারি কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী মো. সাইদুজ্জামান আরাফ এবং নটর ডেম কলেজের শিক্ষার্থী ত্রিদিব রায় আর্য। আন্তর্জাতিক র‌্যাংকিংয়ে তারা যথাক্রমে ৪র্থ, ৫ম ও ৯ম স্থান অর্জন করেন।</p>
<p>এ ছাড়া বাংলাদেশের আরও চার শিক্ষার্থী সম্মানজনক স্বীকৃতি অর্জন করেছেন। তারা হলেন— নাওফিল রহমান, নাঈরা নাওয়ার আহমেদ, অনন্য যারিফ আকন্দ এবং মোবতাসিম চৌধুরী প্রিয়ম। দলের আরেক সদস্য মুর্তজা আব্দুল্লাহও প্রতিযোগিতায় প্রশংসনীয় পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন।</p>
<p>স্বর্ণজয়ী শিক্ষার্থীরা এই অর্জনকে ব্যক্তিগত সাফল্যের চেয়ে দেশের অর্জন হিসেবে দেখেছেন। তারা বলেছেন, আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করতে পারাটাই ছিল সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।</p>
<p>স্বর্ণজয়ের অনুভূতি জানাতে গিয়ে লাবিব শাহরিয়ার বলে, “যখন ফলাফলের তালিকায় নিজের নামের পাশে 'লাবিব শাহরিয়ার - গোল্ড মেডেল’ লেখা দেখলাম, এক মুহূর্তের জন্য মনে হলো যেন পৃথিবীর সবচেয়ে সুখী মানুষ আমি। প্রতিযোগিতায় আমার অবস্থান ভালো ছিল। তাই রৌপ্য বা স্বর্ণ - যেকোনো একটি পদক পাওয়ার আশায় ছিলাম। রৌপ্য পদক নিয়ে আমি প্রায় নিশ্চিতই ছিলাম, আর স্বর্ণের জন্য শুধু আশা করছিলাম। এখন সত্যিই স্বর্ণপদক জিততে পেরে অনুভূতিটা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। এশিয়ার সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) অলিম্পিয়াডের প্রথম আসরে বাংলাদেশের হয়ে স্বর্ণপদক জয় করা এবং দেশের জন্য এই গৌরব বয়ে আনতে পারা আমার জন্য অসীম আনন্দ ও গর্বের। এই অর্জন সম্ভব হয়েছে অনেক মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টায়। এই আয়োজনকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার জন্য আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ বিডিওএসএন, বাংলাদেশ এআই অলিম্পিয়াড কমিটি এবং এপিওএআই আয়োজক কমিটির প্রতি।” <br><!--[endif]--><o:p></o:p></p>
<p>স্বর্ণপদকজয়ী আরেক সদস্য মোঃ সাইদুজ্জামান আরাফ তার অনুভূতি ব্যক্ত করে বলে, “নিজের জন্য জেতা কখনোই বড় বিষয় ছিল না, কিন্তু দেশের হয়ে কম্পিটিশনে নামলে বিষয়টা একদম আলাদা হয়। আজ যখন রেজাল্টে নিজের নামের পাশে গোল্ড লেখা দেখলাম আর অফিসিয়াল টি-শার্টে বাংলাদেশের ম্যাপটা চোখে পড়ল, তখন সত্যিই ভালো লেগেছে। এই জয় শুধু আমার না, এটা বাংলাদেশের। আজ আমরা অর্জন করেছি, সামনে যারা আসবে তারাও করবে, আর শেষ পর্যন্ত পরিচয়টা একই থাকবে, বাংলাদেশি।”<o:p></o:p></p>
<p>আরেক স্বর্ণপদকজয়ী সদস্য ত্রিদিব রায় আর্য জানায়, “এপিওএআই-তে স্বর্ণপদক পাওয়ায় আমি সত্যিই খুব আনন্দিত। নিজ দেশ ও মাতৃভূমির মর্যাদা সমুন্নত রাখতে পারায় আমি অত্যন্ত গর্বিত। আগামীর পথচলায় সকলের দোয়া ও আশীর্বাদ প্রত্যাশী। ” <o:p></o:p></p>
<p>বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্ক-এর প্রেসিডেন্ট মুনির হাসান বলেন, "প্রথমবারের মতো আয়োজিত এশিয়া প্যাসিফিক এআই অলিম্পিয়াডে এই অবিস্মরণীয় সাফল্য বাংলাদেশের জন্য এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত! পুরো এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলে আর কোনো দেশ যেখানে দুটির বেশি গোল্ড মেডেল পায়নি, সেখানে আমাদের শিক্ষার্থীরা একাই ৩টি গোল্ড মেডেল অর্জন করেছে! এটি আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্বের এবং আনন্দের। বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা আর নানা প্রতিকূলতা থাকা সত্ত্বেও বিডিওএসএন টিম যেভাবে এই পুরো আয়োজনটিকে সফল করেছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। পুরো টিম এবং বিজয়ীদের আমার অন্তরের অন্তস্থল থেকে অভিনন্দন!"<o:p></o:p></p>
<p>বাংলাদেশ দলের এই অসাধারণ সাফল্য নিয়ে আনন্দ ও গর্ব প্রকাশ করেছেন দলের দলনেতা এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্যপ্রযুক্তি ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ড. বি এম মইনুল হোসেন। তিনি বলেন, “এই ফলাফল আমাদেরকে আশান্বিত করে তোলে। নানা ধরনের প্রতিবন্ধকতার মাঝেও আমরা যে কার্যক্রম চালিয়ে নিয়ে যাচ্ছি, সেটি অর্থবহ হয়ে উঠে আমাদের এই প্রতিযোগীদের ভালো ফলাফলের মাধ্যম। এটি শুধু আমাদের অর্জন নয়, এটি বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের বুদ্ধিবৃত্তিক উপস্থির দৃঢ় ঘোষণা।“ তিনি আরও বলেন -  “যেমন করেই হোক, আমরা আমাদের শিক্ষার্থীদের জন্য, আগামী প্রজন্মের জন্য, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রশিক্ষণ ও প্রতিযোগিতার আয়োজন অব্যাহত রাখবো।"</p>
<p><o:p></o:p>বাংলাদেশ দলের কোচ ও ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির এসোসিয়েট প্রফেসর ড. মো: আজম খান বলেন, “টিম বাংলাদেশের এই অসাধারণ সাফল্য আমাদের সবার জন্য গর্বের। আমাদের শিক্ষার্থীদের নিরলস পরিশ্রম, সাহস, অধ্যবসায় এবং দেশের জন্য সেরাটা দেওয়ার দৃঢ় প্রত্যয়ই এই ঐতিহাসিক অর্জনের মূল ভিত্তি। আঞ্চলিক ও জাতীয় বাছাইপর্ব, প্রশিক্ষণ ক্যাম্প এবং নিবিড় অনুশীলনের মাধ্যমে আমাদের আটজন মেধাবী শিক্ষার্থী নিজেদের অসাধারণ নিষ্ঠা ও সমস্যা সমাধানের দক্ষতার পরিচয় দিয়েছে। প্র্যাকটিস সেশনে তাদের শেখার আগ্রহ, কৌতূহল এবং দ্রুত উন্নতি আমাকে অত্যন্ত অনুপ্রাণিত করেছে। আমরা শুধু একটি প্রতিযোগিতায় অংশ নিইনি; আমরা বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের তরুণদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও মেশিন লার্নিং দক্ষতার প্রতিনিধিত্ব করেছি। আমি বিশ্বাস করি, এই অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতে আরও অনেক আন্তর্জাতিক সাফল্যের ভিত্তি তৈরি করবে।” <o:p></o:p></p>
<p>বাংলাদেশ দলের একাডেমিক কোঅর্ডিনেটর তাসনিম মাহফুজ নাফিস বলেন, “বাংলাদেশ দলের সবার পারফর্মেন্সে আমি ভীষণ আনন্দিত। এবারের এপিওএআই-তে ৪টি প্রবলেমের মধ্যে একটি ছিল এস্ট্রোনমি ডোমেইনের, একটি ছিল অডিও প্রসেসিং-এর, একটি ওয়াইল্ডলাইফ ইমেজ সংক্রান্ত, এবং বাকি প্রবলেমটি ছিল কেমিস্ট্রি ডোমেইনের। ফলে একজন হাই স্কুল বা কলেজের শিক্ষার্থী ভবিষ্যতে যে ডোমেইনেই কাজ করার স্বপ্ন দেখুক না কেন, এআই এবং মেশিন লার্নিং-এ দক্ষতা তাকে অনেকটা পথ এগিয়ে রাখবে। কারণ সব ডোমেইনেই নতুন জ্ঞান সৃষ্টি করতে হলে কাজ করতে হয় প্রচুর ডেটা নিয়ে। একজন হাই স্কুল শিক্ষার্থী অল্পবিস্তর পাইথন শিখে ক্যাগল প্ল্যাটফর্মে খুব সহজেই মেশিন লার্নিং হাতেকলমে শেখা শুরু করতে পারে।  মাত্র এক যুগ আগেও এই চমৎকার ব্যাপারটি সম্ভব ছিল না।” <o:p></o:p></p>
<p>গত ১৩ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্যপ্রযুক্তি ইনস্টিটিউট (আইআইটি) থেকে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করে অনলাইনে ভিডিও প্রক্টরিং ও স্ক্রিন রেকর্ডিংয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশের আট সদস্যের দল প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। ছয় ঘণ্টাব্যাপী প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীরা মেশিন লার্নিংভিত্তিক চারটি বাস্তবধর্মী সমস্যা সমাধান করেন।</p>
<p>তিন মাসব্যাপী জাতীয় নির্বাচন ও প্রশিক্ষণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা অলিম্পিয়াডের আয়োজক বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্ক (বিডিওএসএন) জাতীয় দল নির্বাচন করে।</p>
<p>/<span style="text-decoration: underline;"><strong>/ডিবিটেক/এমএম/ইকে/</strong></span>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বাংলাদেশে প্রকৃত ইন্টারনেট ব্যবহারকারী কত? ডেটার দাম কেন কমছে না?</title>
<link>https://digibanglatech.news/182019</link>
<guid>https://digibanglatech.news/182019</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202606/image_870x580_6a3f99c2074e5.jpg" length="113608" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 27 Jun 2026 12:39:11 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরেই ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা নিয়ে বড় বড় পরিসংখ্যান প্রকাশ করা হয়। কিন্তু একটি মৌলিক প্রশ্নের উত্তর এখনও স্পষ্ট নয়—এই সংখ্যাটি কি প্রকৃত ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর, নাকি শুধু নিবন্ধিত সংযোগের?</p>
<p>বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) তথ্য অনুযায়ী দেশে বর্তমানে মোট ইন্টারনেট সংযোগ প্রায় ১৩ কোটি। এর মধ্যে মোবাইল ইন্টারনেট সংযোগ প্রায় ১১.৬ কোটি এবং ব্রডব্যান্ড (আইএসপি) সংযোগ প্রায় ১.৫ কোটি। কিন্তু এই পরিসংখ্যান প্রকৃত ব্যবহারকারীর সংখ্যা নির্দেশ করে না। কারণ একজন ব্যক্তি একাধিক সিম ব্যবহার করতে পারেন, আবার একটি সিমে ৯০ দিনের মধ্যে একবার ডেটা ব্যবহার করলেও সেটি সক্রিয় ইন্টারনেট সংযোগ হিসেবে গণনা করা হয়। ফলে সংযোগের সংখ্যা আর প্রকৃত স্বতন্ত্র ব্যবহারকারীর সংখ্যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য থেকে যায়।</p>
<p>এ কারণেই বাংলাদেশের ডিজিটাল অগ্রগতির প্রকৃত চিত্র জানতে শুধু সংযোগের সংখ্যা নয়, স্বতন্ত্র ব্যবহারকারী, নিয়মিত ডেটা ব্যবহারকারী এবং মাথাপিছু ডেটা ব্যবহারের পরিসংখ্যান প্রকাশ করা জরুরি। সঠিক তথ্য ছাড়া সঠিক নীতিনির্ধারণ সম্ভব নয়।</p>
<p>আরও উদ্বেগের বিষয় হলো, সাম্প্রতিক সময়ে মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা কমেছে। মূল্যস্ফীতি, মানুষের ক্রয়ক্ষমতা হ্রাস, স্মার্টফোনের উচ্চ মূল্য, মোবাইল সেবায় করের চাপ এবং ডেটা প্যাকেজের মূল্যবৃদ্ধি—সব মিলিয়ে অনেক মানুষ নিয়মিত ইন্টারনেট ব্যবহার সীমিত করতে বাধ্য হচ্ছেন। ডিজিটাল বৈষম্যও নতুন করে দৃশ্যমান হচ্ছে।</p>
<p>অন্যদিকে প্রযুক্তিগত বাস্তবতা সম্পূর্ণ ভিন্ন চিত্র তুলে ধরে। গত কয়েক বছরে আন্তর্জাতিক ব্যান্ডউইথের পাইকারি মূল্য উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। বাংলাদেশে গুগল, মেটা, ইউটিউবসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক কনটেন্ট সরবরাহকারীর ক্যাশ সার্ভার স্থাপিত হয়েছে। ফলে অধিকাংশ জনপ্রিয় কনটেন্ট দেশের ভেতর থেকেই সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে। এতে আন্তর্জাতিক ব্যান্ডউইথের ব্যবহার কমে, অপারেটরদের খরচ হ্রাস পায় এবং নেটওয়ার্কের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।</p>
<p>তাহলে প্রশ্ন হলো—আন্তর্জাতিক ব্যয় কমলেও সাধারণ গ্রাহকের জন্য মোবাইল ডেটার দাম কেন কমছে না?</p>
<p>এর পেছনে একাধিক কারণ রয়েছে। মোবাইল অপারেটরদের স্পেকট্রাম লাইসেন্স, টাওয়ার নির্মাণ, বিদ্যুৎ, নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ ও রক্ষণাবেক্ষণে উল্লেখযোগ্য ব্যয় হয়। পাশাপাশি ভ্যাট, সম্পূরক শুল্ক, রাজস্ব ভাগাভাগি এবং বিভিন্ন নিয়ন্ত্রক ফি গ্রাহকের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ সৃষ্টি করে। তবে একই সঙ্গে এটাও সত্য যে আন্তর্জাতিক ব্যয় কমার সুফল কতটা গ্রাহকের কাছে পৌঁছেছে, সে বিষয়ে পর্যাপ্ত স্বচ্ছতা নেই।</p>
<p>এই বাস্তবতায় সরকার ও বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।</p>
<p>প্রথমত, ইন্টারনেট সেবার ওপর বিদ্যমান কর ও শুল্ক কাঠামো পুনর্বিবেচনা করা উচিত। ইন্টারনেটকে রাজস্ব আহরণের একটি মাধ্যম হিসেবে নয়, বরং জাতীয় উন্নয়নের মৌলিক অবকাঠামো হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।</p>
<p>দ্বিতীয়ত, বিটিআরসির উচিত মোবাইল ডেটার মূল্য নির্ধারণ প্রক্রিয়ায় অধিকতর স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা। আন্তর্জাতিক ব্যান্ডউইথ, দেশীয় ট্রান্সমিশন, ক্যাশ সার্ভারের সুবিধা এবং অপারেটরদের প্রকৃত ব্যয়ের বিশ্লেষণ জনসমক্ষে প্রকাশ করা হলে গ্রাহকদের আস্থা বাড়বে।</p>
<p>তৃতীয়ত, প্রকৃত স্বতন্ত্র ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা, গড় ডেটা ব্যবহার, সেবার মান এবং মূল্য কাঠামো সম্পর্কে নিয়মিত প্রতিবেদন প্রকাশ করা প্রয়োজন। তথ্যভিত্তিক নীতিনির্ধারণই ডিজিটাল খাতকে আরও কার্যকর করতে পারে।</p>
<p>চতুর্থত, বাজারে কার্যকর প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করা এবং গ্রাহকের স্বার্থ সংরক্ষণে নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে আরও সক্রিয় হতে হবে। একই সঙ্গে সেবার মান, ইন্টারনেটের গতি এবং গ্রাহক অভিযোগ নিষ্পত্তির বিষয়ে কঠোর নজরদারি চালাতে হবে।</p>
<p>ডিজিটাল বাংলাদেশ কিংবা স্মার্ট বাংলাদেশের স্বপ্ন কেবল ইন্টারনেট সংযোগের সংখ্যা বাড়িয়ে বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। প্রকৃত সাফল্য তখনই আসবে, যখন দেশের প্রতিটি মানুষ সাশ্রয়ী মূল্যে, মানসম্মত ও নির্ভরযোগ্য ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবেন। ইন্টারনেট আজ বিলাসিতা নয়; এটি শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান, ব্যবসা, উদ্ভাবন এবং নাগরিক অধিকারের অন্যতম ভিত্তি।</p>
<p>অতএব, এখন সময় এসেছে শুধু পরিসংখ্যানের সাফল্য নয়, বরং গ্রাহকের বাস্তব অভিজ্ঞতাকে গুরুত্ব দেওয়ার। সরকার, বিটিআরসি, মোবাইল অপারেটর, আইএসপি এবং ভোক্তা সংগঠন—সব পক্ষের সমন্বিত উদ্যোগেই একটি স্বচ্ছ, প্রতিযোগিতামূলক এবং গ্রাহকবান্ধব ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।</p>
<hr>
<p><strong>লেখকঃ</strong> সভাপতি, বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশন</p>
<hr>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>তিন পদে কর্মী খুঁজছে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ে</title>
<link>https://digibanglatech.news/182021</link>
<guid>https://digibanglatech.news/182021</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202606/image_870x580_6a3f9e9aa4c09.jpg" length="57927" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 27 Jun 2026 11:58:03 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ডিজিটাল পাওয়ার, পাবলিক অ্যাফেয়ার্স ও এন্টারপ্রাইজ বিজনেস বিভাগে অভিজ্ঞ পেশাদারদের জন্য তিনটি চাকরির সুযোগ দিচ্ছে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ে। আগ্রহী প্রার্থীরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্দিষ্ট পদগুলোর জন্য আবেদন করতে পারবেন। পদ তিনটি হলো—সিনিয়র ফটোভোলটাইক সল্যুশন ম্যানেজার (ডিজিটাল পাওয়ার), সিনিয়র পাবলিক অ্যাফেয়ার্স স্পেশালিস্ট এবং অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার (এন্টারপ্রাইজ)।</p>
<p>২৭ জুন, শনিবার হুয়াওয়ে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। </p>
<p>সিনিয়র ফটোভোলটাইক সল্যুশন ম্যানেজার (ডিজিটাল পাওয়ার) পদের মূল দায়িত্ব হবে—সৌরবিদ্যুৎ (সোলার), এনার্জি স্টোরেজ, ডেটা সেন্টার এনার্জি এবং স্মার্ট এনার্জি সল্যুশনসহ হুয়াওয়ের ডিজিটাল পাওয়ার ব্যবসার প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করা। এই পদে গ্রাহকদের সাথে সম্পর্ক উন্নয়ন, পণ্যের প্রচার, কারিগরি পরামর্শ প্রদান, বাজার কৌশল নির্ধারণ এবং একটি শক্তিশালী ইকোসিস্টেম গঠনের কাজ করতে হবে। আবেদনকারীদের ইঞ্জিনিয়ারিং-এ (বিশেষ করে ইইই, সিএসই, ইসিই বা ইটিই) স্নাতক ডিগ্রিসহ বিদ্যুৎ, জ্বালানি, আইসিটি অথবা এন্টারপ্রাইজ সল্যুশন খাতে কমপক্ষে আট বছরের প্রাসঙ্গিক অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। এর মধ্যে সল্যুশন বা প্রোডাক্ট ম্যানেজার হিসেবে কাজ করার অন্তত পাঁচ বছরের অভিজ্ঞতা থাকা আবশ্যক।</p>
<p>সিনিয়র পাবলিক অ্যাফেয়ার্স স্পেশালিস্ট পদের দায়িত্বের মধ্যে রয়েছে—সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও স্টেকহোল্ডারদের সাথে নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ বজায় রাখা, পাবলিক অ্যাফেয়ার্স-এর নানা উদ্যোগ পরিচালনা করা, শিল্প খাতের নীতিমালা পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ করা এবং কোম্পানির ব্যবসায়িক লক্ষ্য অর্জনে সহায়ক পাবলিক অ্যাফেয়ার্স প্রোগ্রাম বাস্তবায়ন করা। প্রার্থীদের যেকোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক বা তদূর্ধ্ব ডিগ্রি থাকতে হবে (কমিউনিকেশনস, পাবলিক রিলেশন্স, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বা বিজনেস-এ ডিগ্রি থাকলে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে)। পাশাপাশি টেলিকমিউনিকেশন বা আইসিটি খাতে কমপক্ষে ১০ বছরের কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।</p>
<p>অন্যদিকে, অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার (এন্টারপ্রাইজ) পদের মূল কাজের আওতায় রয়েছে—সরকারি খাতে ব্যবসায়িক উন্নয়ন কার্যক্রমে নেতৃত্ব দেওয়া, গ্রাহকদের সাথে যোগাযোগ তদারকি, মার্কেট অপারেশনস, সেলস প্রজেক্ট পরিচালনা এবং অংশীদারিত্ব (পার্টনারশিপ) উন্নয়ন। আবেদনকারীদের ইঞ্জিনিয়ারিং (বিশেষত ইইই, সিএসই, ইসিই, ইটিই) অথবা বিজনেস ম্যানেজমেন্টে স্নাতক ডিগ্রিসহ এন্টারপ্রাইজ মার্কেট, অ্যাকাউন্ট সেলস এবং সরকারি খাতের ব্যবসায় ন্যূনতম পাঁচ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।<br>/<span style="text-decoration: underline;"><strong>/ডিবিটেক/কেআই/এমআই/</strong></span>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>পাবনায় অফিস সহায়ক পদে নিয়োগ পেলেন ১৭ উচ্চশিক্ষিত তরুণ</title>
<link>https://digibanglatech.news/181979</link>
<guid>https://digibanglatech.news/181979</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p&gt;পাবনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের রাজস্ব শাখায় অফিস সহায়ক পদে নিয়োগ পাওয়া ১৮ জনের মধ্যে ১৭ জনই উচ্চশিক্ষিত। এসএসসি পাস শিক্ষাগত যোগ্যতার পদে প্রকৌশলী, এমবিএ ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারীদের নিয়োগ পাওয়া একদিকে স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়ার উদাহরণ হিসেবে প্রশংসা পাচ্ছে, অন্যদিকে কর্মসংস্থান পরিস্থিতি ও উচ্চশিক্ষার বাস্তব মূল্য নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে।&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202606/image_870x580_6a3f59e3b3715.jpg" length="109975" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 26 Jun 2026 11:05:18 +0600</pubDate>
<dc:creator>ক্যাম্পাস করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>পাবনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের রাজস্ব শাখায় অফিস সহায়ক পদে নিয়োগ পেয়েছেন ১৮ জন। তবে এই নিয়োগের বিশেষ দিক হলো— নির্বাচিতদের মধ্যে ১৭ জনই উচ্চশিক্ষিত এবং তাদের অনেকে প্রকৌশল, ব্যবসা শিক্ষা ও বিভিন্ন বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী।</p>
<p>জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, অফিস সহায়ক পদটির জন্য শিক্ষাগত যোগ্যতা ছিল এসএসসি বা সমমান। কিন্তু প্রতিযোগিতামূলক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় নির্বাচিতদের বড় অংশই উচ্চশিক্ষিত হওয়ায় বিষয়টি সামাজিক ও অর্থনৈতিক দুই দিক থেকেই আলোচনার জন্ম দিয়েছে।</p>
<p>নিয়োগপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি থেকে ট্রিপল-ই বিভাগে বিএসসি ডিগ্রিধারী ওয়ালিয়েল রাদ দিহান, পাবনা টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ থেকে স্নাতক সম্পন্ন করা সুজন মিয়া, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ সম্পন্ন করা উজ্জ্বল হোসেন এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ থেকে মাস্টার্স ও অনার্স ডিগ্রিধারী আরও অনেকে।</p>
<p>জানা গেছে, মোট ১৮ জনের মধ্যে একজন এইচএসসি পাস এবং বাকিদের বড় অংশ স্নাতক বা স্নাতকোত্তর পর্যায়ের শিক্ষার্থী বা ডিগ্রিধারী।</p>
<p>চাকরিতে যোগদান উপলক্ষে গত ২৫ জুন জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে নিয়োগপ্রাপ্তদের যোগদানপত্র গ্রহণ করা হয় এবং তাদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়।</p>
<p>জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলাম জানান, গত বছরের ২৫ অক্টোবর ১৮টি পদের জন্য নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। প্রায় ৮ হাজার আবেদন জমা পড়ে, যার মধ্যে প্রায় ৪ হাজার প্রার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন। লিখিত পরীক্ষায় ৪৪ জন উত্তীর্ণ হওয়ার পর মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে চূড়ান্তভাবে ১৮ জনকে নির্বাচিত করা হয়।</p>
<p>অনুষ্ঠানে স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, সাংবাদিক ও বিভিন্ন পর্যায়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>এই নিয়োগকে অনেকেই উন্মুক্ত প্রতিযোগিতার মাধ্যমে মেধাভিত্তিক নিয়োগের উদাহরণ হিসেবে দেখছেন। তবে একই সঙ্গে উচ্চশিক্ষিত তরুণদের নিম্নপদে চাকরির প্রতি আগ্রহ দেশের শ্রমবাজার, কর্মসংস্থান পরিস্থিতি এবং উচ্চশিক্ষার বাস্তব প্রয়োগ নিয়েও নতুন প্রশ্ন উঠছে।</p>
<p>/<span style="text-decoration: underline;"><strong>/ডিবিটেক/জেআর/এমআই/</strong></span>/</p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ওটিটির খেলা!</title>
<link>https://digibanglatech.news/181882</link>
<guid>https://digibanglatech.news/181882</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202606/image_870x580_6a3e508f6152d.jpg" length="117424" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 26 Jun 2026 00:12:46 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p dir="ltr"><span>আইটি, টেলিকম এবং মিডিয়া ইন্ড্রাস্ট্রি নিয়ে যারা কাজ করেন তাদের কাছে ওটিটি(OTT) একটি অতি পরিচিত শব্দ। এছাড়াও পত্র-পত্রিকায় ওটিটি শব্দটি আপনাদের অনেকের চোখে পড়ে থাকতে পারে। বর্তমানে আমরা দৈনন্দিন জীবনে কোন না কোন ধরনের ওটিটি প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে চলেছি। </span></p>
<p dir="ltr"><span>OTT  শব্দটির পূর্ণ অর্থ Over The Top। ২০০০ সালের শুরুর দিকে আমেরিকার টেলিকম খাতে ওটিটি শব্দটির প্রচলন শুরু হয়। প্রচলিত কেবল  টিভি, স্যাটেলাইট ডিস টিভি এবং টেলিকম নেটওয়ার্ককে বাইপাস করে ইন্টারনেটের মাধ্যমে প্রদত্ত ভয়েস, ভিডিওসহ অন্যান্য কন্টেন্ট সার্ভিসগুলোকে ওটিটি সেবা বলা হয়। </span></p>
<p dir="ltr"><span>মোবাইল, ফিক্সড টেলিকম, স‍্যাটেলাইট অপারেটর অথবা আইএসপি অপারেটররা যখন গ্রাহকদেরকে ইন্টারনেট সেবা দেয়। সেই ইন্টারনেটের উপর দিয়েই গ্রাহককে ওটিটি সার্ভিস প্রোভাইডাররা বিভিন্ন সার্ভিস দিয়ে থাকে। ইন্টারনেট এবং স্মার্ট ডিভাইস ব্যবহারকারীর সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে ওটিটি -র ব্যবহারও বাড়তে থাকে। </span></p>
<p dir="ltr"><span>টেলিকম অপারেটররা সর্বপ্রথম এই ধরনের সেবা প্রদানকারীদের ওটিটি নাম দেয়। আরও স্পস্ট করে বোঝার জন্য বলা যেতে পারে, টেলিকম অপারেটররা ওটিটিকে পরগাছার সাথে তুলনা করেছে। যাদের নিজস্ব কোন নেটওয়ার্ক নেই টেলিকম অপারেটরের নেটওয়ার্কের উপর নির্ভর করে সেবা দেয়। </span></p>
<p dir="ltr"><span>অল্প কিছুদিন আগে স্কাইপ বন্ধ হলেও, স্কাইপের মত ভয়েস কলিং এ‍্যাপ দিয়েই বহুল পরিচিত ওটিটির ব‍্যবহার শুরু হয়। তখন ইন্টারনেটের উপর দিয়ে পিসি-টু-পিসি, পিসি-টু-ফোন, এ‍্যাপ-টু-এ‍্যাপ, এ‍্যাপ-টু-ফোনসহ নানা উপায়ে কল করা শুরু হয়।প্রচলিত টেলিকম নেটওয়ার্ককে বাইপাস করে ইন্টারনেটের মাধ্যমে এই সেবা প্রদান করা শুরু হয়। পরবর্তীতে স্কাইপের মত শত শত ডেস্কটপ এবং স্মার্টফোন মোবাইল কলিং ও মেসেজিং এ‍্যাপ বাজারে আসে। </span></p>
<p dir="ltr"><span>বর্তমানে হোয়াটসএপ, ফেসটাইম, ভাইবার, মেসেঞ্জার, ইমো, বটিম, উইচ‍্যাট,সিগন্যাল, টেলিগ্রাম ইত্যাদি পরিচিত অনেক কলিং ও মেসেজিং এ‍্যাপ গ্লোবাল মার্কেটে বহুল ব্যবহৃত হয়ে থাকে। ব্রিলিয়ান্ট কানেক্ট, আলাপ, আম্বার আইটি, ডায়াল, অগ্নিটক ইত‍্যাদি বাংলাদেশের স্থানীয় কলিং ও মেসেজিং এ‍্যাপ বা ওটিটি যা দিয়ে এ‍্যাপ-টু-এ‍্যাপ ও এ‍্যাপ-টু-ফোন কল করা যায়। ওটিটির ব্যবহার বৃদ্ধির ফলে প্রচলিত নাম্বার টু নাম্বার ডায়াল কলিং ও এসএমএস আস্তে আস্তে কমে যাচ্ছে।</span></p>
<p dir="ltr"><span>ফেসবুক, টিকটক, ইন্সটাগ্রাম জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া ওটিটি প্লাটফর্ম। কনসোল গেমিং বাদ দিয়ে এ‍্যাপভিত্তিক ওটিটি গেমিং এখন বেশী জনপ্রিয়। ইউটিউব, নেটফ্লিক্স, এ‍্যাপল টিভি, হুলু, আমাজন প্রাইম ইত্যাদি গ্লোবাল ভিডিও ওটিটি প্ল্যাটফর্ম। অন‍্যান‍্য দেশের মত বাংলাদেশেও স্থানীয় ভিডিও স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম আছে, যেমন- হইচই, চরকি, বায়োস্কোপ, বঙ্গো, টফি, বিন্জ, র‍্যাবিটহোল ইত্যাদি। এইসব সেবাকে VOD বা ভিডিও অন ডিমান্ডও বলা হয়ে থাকে। তবে কোন কোন প্ল্যাটফর্ম লাইভ টিভি ব্রডকাস্ট করে থাকে। ভিডিও স্ট্রিমিং প্লাটফর্মগুলোর ক্ষেত্রে ওটিটি শব্দটি ব‍্যাপক অর্থে ব্যবহার করা হয়। </span></p>
<p dir="ltr"><span>শুরুর দিকে টেলিকম অপারেটররা ওটিটিকে তেমন কোন পাত্তাই  দিতো না। সেই কারনে ওটিটিদেরকে এক রকম তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করেই ওটিটি বা পরগাছা নাম দিয়েছিল। কিন্তু ওটিটিরা ক্রমেই প্রচলিত অপারেটরদের রাজস্বে বড় ধরনের ভাগ বসানো শুরু করে। তখন টেলিকম বা ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট প্রোভাইডারদের সাথে ওটিটিদের ঝগড়াঝাঁটি শুরু হয়। </span></p>
<p dir="ltr"><span>ব্রডব্যান্ড অপারেটররা ওটিটিদের রাজস্বে ভাগ বসাতে চায়। ওটিটিদের ফ্রি রাইড বন্ধ করতে চায়। তারা ওটিটিদের ব্লক করে, স্লো লেন ও ফাস্ট লেন সার্ভিস অফার দেয়া শুরু করে। অর্থাৎ যে ওটিটি ব্রডব্যান্ড সার্ভিস প্রোভাইডারের সাথে রাজস্ব শেয়ার করবে তার কন্টেন্ট গ্রাহক ভালো কোয়ালিটি দেখতে পারবে আর যে রাজস্ব শেয়ার করবে না তার কোয়ালিটি (থ্রটল) খারাপ হবে। </span></p>
<p dir="ltr"><span>সেই প্রেক্ষাপটে ২০০৩ সালে আমেরিকার কলাম্বিয়া ইউনিভার্সিটির আইনের প্রফেসর টিম উ (Tim Wu) “Network Neutrality” ধারণাটি প্রবর্তন করেন, যা পরবর্তীতে নেট নিউট্রালিটি বিতর্কের ভিত্তি হয়ে ওঠে। এই ডিবেট বা যুক্তিতর্কের মূল প্রতিপাদ্য বিষয় হলো ইন্টারনেটর সেবা দেয়ার ক্ষেত্রে কোন ওটিটি বা কন্টেন্ট প্রোভাইডারদের মধ্যে বৈষম্য সৃষ্টি করা যাবে না।আইনিভাবে অনুমোদিত সকল ওটিটিদেরকে  ব্রডব্যান্ড প্রোভাইডাররা সমানভাবে বিবেচনা করবে। </span></p>
<p dir="ltr"><span>আমেরিকা-ইউরোপসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ পুরোপুরি নেট নিউট্রালিটি নীতি গ্রহণ করেছে। তবে কিছু কিছু দেশ সম্পূর্ণ নেট নিউট্রালিটি না করে কিছু কিছু ব‍্যতিক্রম করেছে। আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতেও এমএনও ও ওটিটির মধ্যে নেট নিউট্রালিটি বিতর্ক হয়েছে যা নিয়ন্ত্রক সংস্থা মধ্যস্থতা করে নেট নিউট্রাল করে দিয়েছে। </span></p>
<p dir="ltr"><span>২০২৬ সালে বিশ্বকাপ ফুটবল খেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের দিন বাংলাদেশের বিভিন্ন ওটিটি প্লাটফর্মের পারফর্মেন্স নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক শোরগোল হলো। লাইভ খেলা দেখানো নিয়ে বাংলাদেশের আইএসপিরা আপস্ট্রীম ব‍্যান্ডউইথ নিয়ে প্রতিনিয়ত হিমশিম খাচ্ছে। বিশেষ করে আর্জেন্টিনা আর ব্রাজিলের খেলার দিনগুলোতে ব‍্যান্ডউইথ সমস্যা প্রকট।বর্তমানে টিভি মানেই এনরয়েড স্মার্ট টিভি এবং বাসাবাড়িতে স্মার্ট মোবাইলসহ স্মার্ট ডিভাইসের অভাব নাই। লাইভ খেলা, নিউজ, নাটক, সিনেমা দেখাসহ আরও অন্যান্য অনেক সেবা এখন গ্রাহকরা ইন্টারনেটের মাধ্যমে ওটিটি দিয়ে পেতে চায়।</span></p>
<p dir="ltr"><span>খুলনার একজন কেবল টিভি(ডিস) ব্যবসায়ী জানালো তার আড়াই হাজার ডিস সংযোগ কমে এখন মাত্র  দুইশত হয়েছে। কিন্তু কিছু দিন আগে শুরু করা তার আইএসপিতে এখন প্রায় দুই হাজার গ্রাহক।আমার ধারণা সারা বাংলাদেশের চিত্র একই রকম।</span></p>
<p dir="ltr"><span>বাংলাদেশের নীতি নির্ধারকরা নেট নিউট্রালিটি ডিবেট নিয়ে কি ভাবছেন তা কখনও জানার সুযোগ হয় নি। তবে ওটিটি রেগুলেশন নিয়ে মাঝে মাঝে তথ‍্য মন্ত্রণালয় ও বিটিআরসির মধ্যে যে টানাপোড়েন চলে তা শোনা যায়। কিছু কিছু  আইএসপি বিটিআরসি থেকে আইপিটিভির অনুমোদন নিয়ে লাইভ টিভি চ‍্যানেল দেখানো শুরু করেছিল, শুনলাম তথ‍্য মন্ত্রণালয়ের চাপে সেটাও বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। গায়ের জোরে কোন টেকনোলজিকে বন্ধ করে রাখা যায় না। </span></p>
<p dir="ltr"><span>কনভারজেন্স মেনে নিয়ে সবাই মিলে নীতিকাঠামো তৈরী করে যে কোন নতুন টেকনোলজিকে গ্রহন করাটা জরুরী।জনগণকে সেই টেকনোলজির সুবিধা দিয়ে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়াই সবার লক্ষ্য হওয়া উচিৎ।</span></p>
<hr>
<p dir="ltr"><span><strong>লেখকঃ</strong> সিইও, ইন্টারক্লাউড লিমিটেড</span></p>
<hr>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>এমআইএসটিতে প্রথমবার বসেছিলো অটোমোটিভ ইঞ্জিনিয়ারিং সামিট</title>
<link>https://digibanglatech.news/181897</link>
<guid>https://digibanglatech.news/181897</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p&gt;দেশে প্রথমবারের মতো আয়োজিত বাংলাদেশ ফর্মুলা স্টুডেন্ট অ্যান্ড অটোমোটিভ ইঞ্জিনিয়ারিং সামিট ২০২৬–এ শিক্ষার্থী, গবেষক, প্রকৌশলী ও শিল্পসংশ্লিষ্টদের অংশগ্রহণে অটোমোটিভ প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন নিয়ে আলোচনা, প্রতিযোগিতা ও প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়েছে।&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202606/image_870x580_6a3e6151e95fe.jpg" length="136797" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 25 Jun 2026 22:24:41 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>ফর্মুলা স্টুডেন্ট, অটোমোটিভ ইঞ্জিনিয়ারিং, এমআইএসটি, মোটর প্রযুক্তি, প্রকৌশল শিক্ষা, বাংলাদেশ</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>দেশের অটোমোটিভ প্রকৌশল ও শিক্ষার্থীভিত্তিক যানবাহন উদ্ভাবনকে নতুন পর্যায়ে নিতে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘বাংলাদেশ ফর্মুলা স্টুডেন্ট অ্যান্ড অটোমোটিভ ইঞ্জিনিয়ারিং সামিট ২০২৬’।</p>
<p>রাজধানীর মিরপুর সেনানিবাসে মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (এমআইএসটি) প্রাঙ্গণে ২৫ ‍জুন, বৃহস্পতিবার দিনব্যাপী এ কর্মসূচির আয়োজন করে এমআইএসটির শিক্ষার্থীভিত্তিক ফর্মুলা স্টুডেন্ট দল ‘এমআইএসটি ব্লিটজ’ এবং বাংলাদেশ ফর্মুলা স্টুডেন্ট কমিউনিটি।</p>
<p>আয়োজকদের তথ্যমতে, এটি ছিল দেশের প্রথম জাতীয় পর্যায়ের আয়োজন যেখানে শিক্ষার্থী, প্রকৌশলী, গবেষক, শিল্পসংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি ও নীতিনির্ধারকেরা একই প্ল্যাটফর্মে অংশ নেন। আয়োজনে প্রায় আড়াই হাজারের বেশি অংশগ্রহণকারী ও দর্শনার্থী উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>সামিটের মূল লক্ষ্য ছিল অটোমোটিভ ইঞ্জিনিয়ারিং খাতে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা, গবেষণা ও উদ্ভাবনকে উৎসাহ দেওয়া এবং একাডেমিয়া–শিল্প সহযোগিতার ভিত্তি শক্তিশালী করা।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202606/image_870x_6a3e614f97180.jpg" alt=""></p>
<p>অনুষ্ঠানে অটোমোটিভ প্রযুক্তি, ফর্মুলা স্টুডেন্ট প্রকৌশল এবং অরিজিনাল ইকুইপমেন্ট ম্যানুফ্যাকচারিং (ওইইএম) খাতের সম্ভাবনা নিয়ে বিশেষজ্ঞদের অংশগ্রহণে টেকনিক্যাল সেশন ও আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ভবিষ্যৎ যানবাহন উন্নয়ন, প্রকৌশল নকশা এবং শিল্পখাতের চাহিদাভিত্তিক দক্ষতা নিয়ে মতবিনিময় হয়।</p>
<p>শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আয়োজন করা হয় ফর্মুলা ফিউচার বিজনেস কেস প্রতিযোগিতা, আইসি ইঞ্জিন মাস্টারক্লাস ও কুইজ, কনসেপ্ট কার চ্যালেঞ্জ, কম্পিউটার–এইডেড ডিজাইন (ক্যাড) প্রতিযোগিতা এবং পোস্টার উপস্থাপনা।</p>
<p>দর্শনার্থীদের জন্য ছিল কার প্রদর্শনী, গো-কার্ট রেসিং ও সিমুলেটর রেসিং। কার প্রদর্শনীতে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের তৈরি ফর্মুলা স্টুডেন্ট রেসিং কারের পাশাপাশি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন বিভিন্ন গাড়ি প্রদর্শিত হয়।</p>
<p>মূল আয়োজনের আগে ‘ট্র্যাকটক ২০২৬’ শীর্ষক অনলাইন ওয়েবিনার অনুষ্ঠিত হয়। এতে দেশি–বিদেশি অটোমোবাইল শিল্প–বিশেষজ্ঞরা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ফর্মুলা স্টুডেন্ট, মোটরস্পোর্টস প্রকৌশল এবং উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন যান উন্নয়ন নিয়ে অভিজ্ঞতা ভাগ করেন।</p>
<p>আয়োজকদের মতে, এ ধরনের উদ্যোগ বাংলাদেশের অটোমোটিভ ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষা, শিক্ষার্থীভিত্তিক গবেষণা এবং ভবিষ্যৎ মোটর প্রযুক্তি ইকোসিস্টেম গঠনে নতুন গতি যোগ করতে পারে।</p>
<p>/<span style="text-decoration: underline;"><strong>/ডিবিটেক/আইএসপিআর/এমআই/</strong></span>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ফোর্বসের নিবন্ধে বাংলাদেশি প্রকৌশলী হাসিবুলের এআই স্টার্টআপ ‘সিডিএল’</title>
<link>https://digibanglatech.news/181623</link>
<guid>https://digibanglatech.news/181623</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p&gt;বিশ্ববিখ্যাত বিজনেস ম্যাগাজিন ফোর্বসের নিবন্ধে স্থান পেয়েছে বাংলাদেশি প্রকৌশলী হাসিবুল হকের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) বিষয়ক স্টার্টআপ ‘ক্যাজুয়াল ডায়নামিকস ল্যাব’ (সিডিএল)।&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202606/image_870x580_6a3bc3d335597.jpg" length="93336" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 24 Jun 2026 16:58:19 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>হাসিবুল হক সিডিএল, ফোর্বস এআই স্টার্টআপ, সিয়েলারা মেমোরি সিস্টেম, রিজোনারা কোডিং স্কোর, বুয়েট প্রকৌশলী এআই</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বিশ্ববিখ্যাত বিজনেস ম্যাগাজিন ফোর্বসের এক নিবন্ধে স্থান করে নিয়েছে বাংলাদেশি আইটি উদ্যোক্তা ও বুয়েট প্রকৌশলী হাসিবুল হকের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) বিষয়ক স্টার্টআপ ‘ক্যাজুয়াল ডায়নামিকস ল্যাব’ বা সিডিএল। সিলিকন ভ্যালির পাশাপাশি ঢাকাতেও এই প্রতিষ্ঠানের একটি বিশেষ প্রকৌশলী দল কাজ করছে।</p>
<p>প্রচলিত এআই মডেলগুলোর চ্যাট সেশনভিত্তিক সীমাবদ্ধতা ভেঙে সিডিএল তৈরি করেছে ‘সিয়েলারা’ (Cielara) নামক একটি ডিজিটাল ব্রেইন, যা পুরো কোম্পানির সিস্টেমকে নিজস্ব মেমোরিতে ধরে রাখতে পারে। যেখানে অন্যান্য বড় মডেলগুলো সর্বোচ্চ ১০ লাখ টোকেন প্রসেস করতে হিমশিম খায়, সেখানে সিডিএলের এই সিস্টেম ১২ কোটি ৫০ লাখ টোকেন নিয়ে নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করতে সক্ষম।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202606/image_870x_6a3bc3db44f58.jpg" alt=""></p>
<p>​প্রযুক্তি প্ল্যাটফর্ম হ্যাকারনুনের তথ্য অনুযায়ী, জটিল কোড জেনারেশনের পরীক্ষায় সিডিএলের নিজস্ব সিস্টেম ‘রিজোনারা’ (Reasonara) ৭৩ শতাংশ স্কোর করেছে, যেখানে গুগলের জেমিনাই স্কোর করেছে মাত্র ২৬ শতাংশ। যশোর জিলা স্কুল ও বুয়েটের সাবেক শিক্ষার্থী হাসিবুল হক ইতিপূর্বে মাইক্রোসফট এবং উবারে কাজ করেছেন।</p>
<p>বর্তমানে ঢাকার অফিসে ইঞ্জিনিয়ারিং প্রধান আজমত ইকবালসহ ২০ জনের একটি দক্ষ টিম নিয়ে কাজ করছেন তিনি। তাদের বৈশ্বিক গবেষণা দলে যুক্ত আছেন এনএসএফ পুরস্কারজয়ী ড. লিয়াং ঝাও এবং মাইক্রোসফট রিসার্চের ড. জুচাও ঝাং।</p>
<p>৮০ লাখ ডলার তহবিল সংগ্রহ করা এই স্টার্টআপটি এআই পরিচালনার খরচ প্রায় ৯৮ শতাংশ কমিয়ে এনেছে। বর্তমানে বিশ্বের শীর্ষ ৫০০টি কোম্পানির মধ্যে ৪০টিরও বেশি প্রতিষ্ঠান সিডিএলের সেবা ব্যবহার করছে।<br>​/<span style="text-decoration: underline;"><strong>/ডিবিটেক/ডিএম/আইএইচ/</strong></span>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ফেসবুকে বিক্রি হচ্ছে ভোটার তালিকা, ঝুঁকিতে কোটি নাগরিকের ব্যক্তিগত তথ্য</title>
<link>https://digibanglatech.news/181537</link>
<guid>https://digibanglatech.news/181537</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p&gt;ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে প্রকাশিত চূড়ান্ত ভোটার তালিকা সামাজিক মাধ্যমে বিক্রি হচ্ছে। ডিসমিসল্যাবের অনুসন্ধানে ফেসবুক ও টেলিগ্রামে ভোটারদের নাম, জন্মতারিখ, ঠিকানা ও ভোটার নম্বরসহ ব্যক্তিগত তথ্য ছড়িয়ে পড়ার প্রমাণ মিলেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব তথ্য আর্থিক জালিয়াতি ও সাইবার অপরাধের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202606/image_870x580_6a3ada1296987.jpg" length="123277" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 23 Jun 2026 23:26:00 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>Voter List Leak, Facebook, Telegram, Election Commission, Data Privacy, Cyber Security, Bangladesh, Dismislab</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="isSelectedEnd"><span>২৮ মে একাধিক ফেসবুক গ্রুপে ভোটার তালিকা বিক্রির পোস্ট ছড়িয়ে পড়ে। বিভিন্ন অ্যাকাউন্ট থেকে আসনভিত্তিক ও দেশব্যাপী ভোটার তালিকা ৩০ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রির বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>ডিসমিসল্যাবের অনুসন্ধানে ৫০০টির বেশি পোস্ট শনাক্ত করা হয়েছে। অন্তত ১৫টি ভিন্ন অ্যাকাউন্ট থেকে এসব পোস্ট করা হয়। একই ধরনের ক্যাপশন ব্যবহার করে বিভিন্ন গ্রুপে ভোটার তালিকা বিক্রির প্রস্তাব দেওয়া হয়।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>শুধু গ্রুপ পোস্ট নয়, ফেসবুক বিজ্ঞাপনের মাধ্যমেও তালিকা বিক্রির প্রচারণা চালানো হচ্ছে। ফেসবুক Ad Library-তে অন্তত পাঁচটি সক্রিয় বিজ্ঞাপন পাওয়া গেছে। সেখানে PDF আকারে Google Drive-এর মাধ্যমে ভোটার তালিকা সরবরাহের প্রস্তাব দেওয়া হয়।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>ডিসমিসল্যাব ২৫০ টাকা পরিশোধ করে একটি Google Drive লিংক সংগ্রহ করে। সেখানে আট বিভাগের নামে আলাদা ফোল্ডারে আসনভিত্তিক ভোটার তালিকা পাওয়া যায়। যাচাই করে দেখা যায়, তালিকায় থাকা তথ্য বাস্তব ভোটারদের তথ্যের সঙ্গে মিলে গেছে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>তালিকায় ভোটারের নাম, ভোটার নম্বর, জন্মতারিখ, পিতা-মাতার নাম, পেশা ও স্থায়ী ঠিকানাসহ বিভিন্ন ব্যক্তিগত তথ্য রয়েছে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>ফেসবুকের পাশাপাশি টেলিগ্রামেও ভোটার তালিকা ছড়িয়ে পড়ছে। একটি টেলিগ্রাম গ্রুপে বিনামূল্যে বিভিন্ন এলাকার ভোটার তালিকা শেয়ার করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে ছবিসহ তালিকা প্রকাশের ঘোষণাও দেওয়া হয়েছে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>নির্বাচন কমিশনের জনসংযোগ বিভাগের পরিচালক মো. রুহুল আমিন মল্লিক বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় প্রার্থীদের PDF আকারে ভোটার তালিকা দেওয়া হয়েছিল। তবে এগুলো বিক্রি বা বিতরণের কোনো অনুমতি নির্বাচন কমিশন দেয়নি।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>তিনি বলেন, প্রার্থীরা তালিকা প্রিন্ট করার সময় কম্পিউটার দোকান বা অন্য কোনো উৎস থেকে তথ্য ফাঁস হয়ে থাকতে পারে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>ডিসমিসল্যাবের সঙ্গে কথা বলা এক বিক্রেতা দাবি করেন, তিনিও সামাজিক মাধ্যম থেকেই তালিকাটি সংগ্রহ করেছিলেন।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্যপ্রযুক্তি ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ড. বি এম মইনুল হোসেন বলেন, ফাঁস হওয়া তথ্য ব্যবহার করে জাল পরিচয়পত্র তৈরি, ব্যাংক জালিয়াতি, অনলাইন অ্যাকাউন্ট দখল এবং ভুয়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্ট খুলে সাইবার অপরাধ করা সম্ভব।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>তিনি বলেন, সংবেদনশীল ব্যক্তিগত তথ্য সংরক্ষণে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ, নিয়মিত নিরাপত্তা অডিট এবং তথ্য ফাঁসকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>বিশেষজ্ঞদের মতে, নির্বাচন বা অন্য কোনো প্রয়োজনে ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবহারের ক্ষেত্রে 'Need-to-Know Principle' অনুসরণ করা উচিত। অর্থাৎ, যতটুকু তথ্য অপরিহার্য, শুধু ততটুকুই সরবরাহ করা উচিত।</span></p>
<p><strong><span>//ডিবিটেক/<a href="https://dismislab.com/others/voter-info-at-risk/" target="_blank" rel="noopener">ডিসিমিসল্যাব</a>/ডিএইচএম//</span></strong></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>অপতথ্য শনাক্তে নজরদারি ও ফ্যাক্টচেক জোরদার</title>
<link>https://digibanglatech.news/181392</link>
<guid>https://digibanglatech.news/181392</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p&gt;অপতথ্য ও বিভ্রান্তিকর তথ্য মোকাবিলায় ফ্যাক্টচেকিং কার্যক্রম, সাংবাদিক প্রশিক্ষণ এবং ডিজিটাল পর্যবেক্ষণ উদ্যোগের তথ্য তুলে ধরেছে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়। সংসদে জানানো হয়েছে, একাধিক ওয়েবসাইট ও সামাজিক মাধ্যম অ্যাকাউন্ট পর্যবেক্ষণ ও শনাক্ত করা হয়েছে।&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202606/image_870x580_6a39142303276.jpg" length="84332" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 22 Jun 2026 23:40:43 +0600</pubDate>
<dc:creator>Staff Correspondent</dc:creator>
<media:keywords>ফ্যাক্টচেক, বাংলাফ্যাক্ট, অপতথ্য, এআই সাংবাদিকতা, পিআইবি, ডিজিটাল মিডিয়া, তথ্য যাচাই</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="isSelectedEnd"><span>অপতথ্য ও বিভ্রান্তিকর তথ্য মোকাবিলায় তথ্য যাচাই, সাংবাদিক প্রশিক্ষণ এবং ডিজিটাল পর্যবেক্ষণ কার্যক্রম জোরদার করার তথ্য জানিয়েছে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়। সংসদে উপস্থাপিত তথ্যে বলা হয়েছে, সংবাদমাধ্যমের অনুকরণে পরিচালিত কিছু ওয়েবসাইট এবং সামাজিক মাধ্যমের একাধিক অ্যাকাউন্ট শনাক্ত করে পর্যবেক্ষণের আওতায় আনা হয়েছে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন জাতীয় সংসদে এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে জানান, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অধীন প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি)-এর ফ্যাক্টচেক ইউনিট ‘বাংলাফ্যাক্ট’ অপতথ্য শনাক্ত ও তথ্য যাচাই কার্যক্রম পরিচালনা করছে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>মন্ত্রীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত বাংলাফ্যাক্ট ৭৮৩টি ফ্যাক্টচেক, বিশ্লেষণধর্মী কনটেন্ট এবং অনুসন্ধানভিত্তিক প্রতিবেদন ও ভিডিও প্রকাশ করেছে। এর মধ্যে বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রকাশিত হয়েছে ২২৯টি কনটেন্ট।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>তিনি জানান, সংবাদপত্র ও টেলিভিশনের উপস্থাপনভঙ্গি অনুসরণ করে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করে—এমন ১৬টি ওয়েবসাইট শনাক্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে ৩০০টির বেশি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট এবং ১০০টি এক্স অ্যাকাউন্ট চিহ্নিত করা হয়েছে, যেগুলোতে মিথ্যা বা বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারের অভিযোগ রয়েছে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বাংলাফ্যাক্ট প্রতিদিন গড়ে তিন থেকে পাঁচটি দাবির সত্যতা যাচাই করে প্রতিবেদন, ভিডিও ও স্বল্পদৈর্ঘ্য কনটেন্ট প্রকাশ করছে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>সাংবাদিকদের সক্ষমতা উন্নয়ন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে পিআইবি দেশের বিভিন্ন জেলায় প্রশিক্ষণ ও কর্মশালা পরিচালনা করছে। এসব প্রশিক্ষণে গুজব মোকাবিলা, ফ্যাক্টচেকিং পদ্ধতি এবং সাংবাদিকতায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার নিয়ে সেশন অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>মন্ত্রী আরও জানান, গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য একটি ‘ফ্যাক্টচেক ম্যানুয়াল’ প্রকাশের প্রস্তুতি চলছে। পাশাপাশি গণমাধ্যমে তথ্যপ্রবাহ ও প্রভাব বিশ্লেষণ নিয়ে গবেষণামূলক প্রকাশনাও আনা হয়েছে।</span></p>
<p><span>/<span style="text-decoration: underline;"><strong>/ডিবিটেক/বিটি/ডিএইচই/</strong></span>/</span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>আইএমওতে বাংলাদেশের ছয় খুদে গণিতবিদ, বুধবার চীনের পথে</title>
<link>https://digibanglatech.news/181409</link>
<guid>https://digibanglatech.news/181409</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p data-start=&quot;3984&quot; data-end=&quot;4170&quot;&gt;৬৭তম আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াডে অংশ নিতে ছয় সদস্যের বাংলাদেশ দল ২৪ জুন চীনের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়ছে। এর আগে তারা বেইজিংয়ে আন্তর্জাতিক গণিত সামার ক্যাম্পে অংশ নেবে।&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202606/image_870x580_6a3a163663109.jpg" length="95384" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 22 Jun 2026 23:34:51 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াড, আইএমও ২০২৬, বাংলাদেশ দল, গণিত অলিম্পিয়াড, মোহাম্মদ কায়কোবাদ, মুনির হাসান, ডাচ্-বাংলা ব্যাংক, প্রথম আলো, সাংহাই, বেইজিং</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-start="270" data-end="596">চীনের সাংহাইয়ে অনুষ্ঠিতব্য ৬৭তম আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াডে (আইএমও) অংশ নিতে ছয় সদস্যের বাংলাদেশ দল আগামী বুধবার (২৪ জুন) ঢাকা ছাড়বে। ‘কোনো চাপ নয়, গণিত উপভোগ করাটাই আসল’—এই বার্তা নিয়ে বিশ্ব গণিতের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ আসরে অংশ নিচ্ছে দেশের খুদে গণিতবিদরা। এ নিয়ে ২২তম বারের মতো আইএমওতে অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশ।</p>
<p data-start="598" data-end="835">সোমবার রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াড কমিটির সভাপতি এবং ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের ডিস্টিংগুইশড অধ্যাপক মোহাম্মদ কায়কোবাদ দলের সদস্যদের আনুষ্ঠানিকভাবে পরিচয় করিয়ে দেন।</p>
<p data-start="837" data-end="1213">সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এবার বাংলাদেশ দল সরাসরি সাংহাইয়ে না গিয়ে প্রথমে বেইজিংয়ে যাবে। সেখানে তারা ‘চতুর্থ আন্তর্জাতিক গণিত সামার ক্যাম্প ২০২৬’-এ অংশ নেবে। সামার ক্যাম্প শেষে ১৩ জুলাই সাংহাইয়ে অনুষ্ঠিতব্য আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াডে যোগ দেবে দলটি। আগামী ২০ জুলাই প্রতিযোগিতার সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। এবারের আসরে বাংলাদেশসহ শতাধিক দেশের প্রায় ৬০০ প্রতিযোগী অংশ নিচ্ছে।</p>
<p data-start="1215" data-end="1494">লিখিত বক্তব্যে অধ্যাপক মোহাম্মদ কায়কোবাদ বলেন, ২০০৫ সাল থেকে আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াডে অংশ নিয়ে বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত ১টি স্বর্ণ, ৭টি রৌপ্য, ৪০টি ব্রোঞ্জ পদক এবং ৪৭টি সম্মানজনক স্বীকৃতি অর্জন করেছে। তিনি বলেন, এই অর্জন দেশের শিক্ষার্থীদের গণিতচর্চার সক্ষমতা ও আগ্রহের প্রতিফলন।</p>
<p data-start="1496" data-end="1666">তিনি আরও বলেন, প্রায় দুই দশক ধরে ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের পৃষ্ঠপোষকতা এবং প্রথম আলোর ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত গণিত উৎসব এখন দেশের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের অন্যতম বড় আয়োজন হয়ে উঠেছে।</p>
<p data-start="1668" data-end="1925">ডাচ্-বাংলা ব্যাংক পিএলসির উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, আন্তর্জাতিক মঞ্চে দেশের প্রতিনিধিত্ব করতে যাওয়া শিক্ষার্থীদের সাফল্যের দিকে তাকিয়ে থাকবে পুরো দেশ। ভবিষ্যতেও মেধাবী তরুণদের বিকাশে এ ধরনের উদ্যোগে সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।</p>
<p data-start="1927" data-end="2134">প্রথম আলোর ব্যবস্থাপনা সম্পাদক আনিসুল হক বলেন, তরুণদের সাফল্যের গল্প ছড়িয়ে দেওয়াই তাদের অন্যতম লক্ষ্য। তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াড থেকে বাংলাদেশের জন্য নতুন সাফল্য নিয়ে আসতে।</p>
<p data-start="2136" data-end="2391">বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াড কমিটির সাধারণ সম্পাদক মুনির হাসান বলেন, আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার আগে বিভিন্ন সামার ক্যাম্পে অংশগ্রহণ শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতি আরও শক্তিশালী করবে। একই সঙ্গে তিনি গণিত অলিম্পিয়াডে মেয়েদের অংশগ্রহণ কমে যাওয়ার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।</p>
<p data-start="2393" data-end="2640">বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াড কমিটির কোষাধ্যক্ষ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্যপ্রযুক্তি ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক বি এম মইনুল হোসেন বলেন, আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াডে অংশ নেওয়া বড় দায়িত্ব হলেও সেটিকে অতিরিক্ত চাপ হিসেবে না নিয়ে মনোযোগ ধরে রাখা জরুরি।</p>
<p data-start="2642" data-end="3100">এবারের বাংলাদেশ দলের সদস্যরা হলেন ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী মনামী জামান, ঢাকা ইমপিরিয়াল কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী জাওয়াদ হামীম চৌধুরী, রাজউক উত্তরা মডেল কলেজের এসএসসি পরীক্ষার্থী এম জামিউল হোসেন, চট্টগ্রাম কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী মো. রায়হান সিদ্দিকী, চট্টগ্রাম ক্যান্টনমেন্ট ইংলিশ স্কুল অ্যান্ড কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী মোহাম্মদ মারজুক রহমান এবং আনন্দ মোহন কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী তাহসিন খান।</p>
<p data-start="3102" data-end="3270">দলনেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন কোচ মাহবুবুল আলম মজুমদার। উপদলনেতা হিসেবে থাকবেন একাডেমিক সমন্বয়ক অপূর্ব কুমার এবং পর্যবেক্ষক হিসেবে থাকবেন সমন্বয়ক মো. বায়েজিদ ভূঁইয়া।</p>
<p data-start="3272" data-end="3554">সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এবারের আইএমওর জন্য দেশের ১৯ হাজারের বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ৫১ হাজার ৫৩২ শিক্ষার্থী অনলাইনে নিবন্ধন করে। অনলাইন বাছাই, ১২টি শহরে আঞ্চলিক গণিত উৎসব, জাতীয় গণিত উৎসব এবং জাতীয় গণিত ক্যাম্পের বিভিন্ন ধাপ পেরিয়ে চূড়ান্তভাবে ছয় সদস্যের দল নির্বাচন করা হয়েছে।</p>
<p data-start="3556" data-end="3982">সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের অধ্যাপক ও বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াড কমিটির সহসভাপতি আবদুল হাকিম খান, বুয়েটের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক রিজওয়ানা রিয়াজ, সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজের সাবেক শিক্ষক প্রশিক্ষক রাজিয়া বেগম, টালিখাতার প্রধান নির্বাহী শাহাদাত উল্লাহ খান এবং ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল বিভাগের অধ্যাপক হাসান উজ জামান।</p>
<p data-start="4426" data-end="4456">/<span style="text-decoration: underline;"><strong>/ডিবিটেক/পিএ/ডিএইচএম/</strong></span>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>সোশ্যাল মিডিয়া বিপ্লব: ব্যবহারকারীই নিয়ন্ত্রণ করবেন অ্যালগরিদম</title>
<link>https://digibanglatech.news/181193</link>
<guid>https://digibanglatech.news/181193</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202501/image_870x580_677b93c3e2b49.jpg" length="259321" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 22 Jun 2026 10:52:17 +0600</pubDate>
<dc:creator>আন্তর্জাতিক ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">এত দিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে ব্যবহারকারীরা কী দেখতে পাবেন, তা সম্পূর্ণ নির্ধারণ করত প্ল্যাটফর্মগুলোর নিজস্ব কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা অ্যালগরিদম। ব্যবহারকারীদের পছন্দ-অপছন্দ জানানোর সামান্য সুযোগ থাকলেও পর্দার আড়ালে নিয়ন্ত্রণ থাকত ফেসবুক, টিকটক বা ইনস্টাগ্রামের হাতেই। তবে এবার সেই ক্ষমতা সরাসরি ব্যবহারকারীদের হাতে ছেড়ে দিতে শুরু করেছে প্রযুক্তি জায়ান্টরা।</p>
<p style="text-align: justify;">কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তির সহায়তায় এখন ব্যবহারকারীরা নিজেরাই নিজেদের অ্যালগরিদমকে প্রশিক্ষণ দিতে পারছেন। এর ফলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের হোম পেজ বা ফিডগুলো এখন আর সবার জন্য একরকম থাকছে না, বরং এটি হয়ে উঠছে ওটিটি স্ট্রিমিং সার্ভিসের মতো—যেখানে প্রত্যেকে নিজের রুচি অনুযায়ী কনটেন্ট সাজিয়ে নিতে পারছেন।</p>
<p style="text-align: justify;">বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় তিনটি প্ল্যাটফর্ম যেভাবে ব্যবহারকারীদের এই নিয়ন্ত্রণ সুবিধা দিচ্ছে:</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>থ্রেডস</strong><br>মেটা-র মালিকানাধীন এই অ্যাপটি সম্প্রতি চালু করেছে ‘ইউর অ্যালগো’ নামক একটি গোপনীয় ফিচার। এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা সম্পূর্ণ ব্যক্তিগতভাবে অ্যাপটিকে জানিয়ে দিতে পারেন যে তারা কোন ধরনের পোস্ট বেশি দেখতে চান আর কোনটি কম। যেমন—কেউ চাইলে লিখে দিতে পারেন, ‘আমাকে আগামী তিন দিন ফুটবল নিয়ে বেশি পোস্ট দেখাও এবং রাজনৈতিক খবর কম দেখাও’। এই অনুরোধটি এক, তিন বা সাত দিনের জন্য কার্যকর রাখা যায়।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>ইনস্টাগ্রাম</strong><br>ইনস্টাগ্রাম তাদের অ্যাপের সেটিংসে ‘ইউর অ্যালগরিদম’ নামে একটি নতুন টুল যুক্ত করেছে। এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা দেখতে পাবেন যে ইনস্টাগ্রাম তাদের কোন কোন বিষয়ে আগ্রহী বলে ধরে নিয়েছে। সেখানে থাকা তালিকা থেকে ব্যবহারকারীরা যেকোনো বিষয় বাদ দিতে বা নতুন বিষয় যোগ করতে পারবেন। ইনস্টাগ্রামের প্রধান অ্যাডাম মোসেরি জানিয়েছেন, লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল বা উন্নত এআই ব্যবহারের ফলে এখন ব্যবহারকারীদের কাছে অ্যালগরিদমের কাজের প্রক্রিয়া স্পষ্ট করা এবং তাদের মতামত নেওয়া সহজ হয়েছে।</p>
<p style="text-align: justify;"><strong>টিকটক</strong><br>টিকটকে রয়েছে ‘ম্যানেজ টপিকস’ বা বিষয়বস্তু ব্যবস্থাপনার সুবিধা। এখানে খেলাধুলা, ভ্রমণ, রান্না বা বিনোদনের মতো বিভিন্ন বিষয়ের পাশে একটি স্লাইডার বা বোতাম থাকে। ব্যবহারকারী সেটি ডানে-বামে সরিয়ে নির্ধারণ করতে পারেন যে সেই বিষয়ের ভিডিও তিনি কতটা দেখতে চান। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ‘স্মার্ট কি-ওয়ার্ড ফিল্টার’। উদাহরণস্বরূপ, কেউ যদি ‘বাড়ি মেরামত’ সংক্রান্ত ভিডিও দেখতে না চান, তবে এআই স্বয়ংক্রিয়ভাবে ‘রেনোভেশন’ বা ‘পুনর্নির্মাণ’ সম্পর্কিত অন্য সব ভিডিওর প্রদর্শনও বন্ধ করে দেবে।</p>
<p style="text-align: justify;">প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের মতে, ব্যবহারকারীদের এই নিয়ন্ত্রণ দেওয়ার ফলে একদিকে যেমন গ্রাহকেরা তাঁদের পছন্দের কনটেন্ট দেখতে পাচ্ছেন, অন্যদিকে প্ল্যাটফর্মগুলোতে ব্যবহারকারীদের কাটানো সময় ও সক্রিয়তা অনেক বেড়ে যাচ্ছে, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কোম্পানিগুলোর ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধিতে বড় ভূমিকা রাখছে।</p>
<p style="text-align: justify;"><em><strong>ডিবিটেক/বিএমটি    ।   সূত্র: <a href="https://techcrunch.com/2026/06/17/social-medias-next-evolution-user-controlled-algorithms/" target="_blank" rel="noopener">টেকক্রাঞ্চ</a></strong></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>আরডিএতে ৫৭ পদে নিয়োগ, অনলাইনে আবেদন ২৫ জুন থেকে</title>
<link>https://digibanglatech.news/181279</link>
<guid>https://digibanglatech.news/181279</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p&gt;&lt;span&gt;রংপুর পল্লী উন্নয়ন একাডেমিতে ৫৭টি শূন্য পদে নিয়োগের জন্য অনলাইন আবেদন শুরু হবে ২৫ জুন। আবেদন চলবে ২৫ জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202606/image_870x580_6a38e5ce05b1d.jpg" length="88524" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 22 Jun 2026 09:36:55 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>আরডিএ নিয়োগ, পল্লী উন্নয়ন একাডেমি, সরকারি চাকরি, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, অনলাইন আবেদন, রংপুর, টেলিটক</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="isSelectedEnd"><span>রংপুরের পল্লী উন্নয়ন একাডেমিতে (আরডিএ) ৫৭টি শূন্য পদে নিয়োগের জন্য পুনঃনিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। আগ্রহী প্রার্থীরা আগামী ২৫ জুন ২০২৬ সকাল ১০টা থেকে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। আবেদন গ্রহণ চলবে ২৫ জুলাই ২০২৬ বিকেল ৫টা পর্যন্ত।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের আওতাধীন আরডিএ অস্থায়ী ভিত্তিতে এ জনবল নিয়োগ দেবে। আবেদনকারীদের টেলিটকের নির্ধারিত ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদনপত্র পূরণ ও জমা দিতে হবে। আবেদন সম্পন্ন হওয়ার পর টেলিটক প্রিপেইড মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে নির্ধারিত ফি পরিশোধ করতে হবে। অনলাইনের বাইরে কোনো আবেদন গ্রহণ করা হবে না।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী পরিচালক, যুগ্মপরিচালক, উপপরিচালক, সহকারী পরিচালক, কারিগরি এবং সহায়ক পর্যায়ের বিভিন্ন ক্যাটাগরির পদে নিয়োগ দেওয়া হবে। পদভেদে শিক্ষাগত যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা এবং বয়সসীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>নিয়োগসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য, পদের যোগ্যতা, আবেদন পদ্ধতি, পরীক্ষার শর্তাবলি ও অন্যান্য নির্দেশনা </span><a href="https://www.rdarangpur.gov.bd" target="_blank" rel="noopener"><span>পল্লী উন্নয়ন একাডেমি, রংপুরের ওয়েবসাইট</span></a><span>-এ পাওয়া যাবে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদনপত্র জমা এবং ফি পরিশোধ সম্পন্ন না হলে আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না।</span></p>
<p><span>/<span style="text-decoration: underline;"><strong>/ডিবিটেক/এসআই/ইকে/</strong></span>/</span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>স্টিমে অ্যানিমেটেড ওয়ালপেপারের আড়ালে ম্যালওয়্যার!</title>
<link>https://digibanglatech.news/181239</link>
<guid>https://digibanglatech.news/181239</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p&gt;স্টিম ও ওয়ালপেপার ইঞ্জিন ব্যবহার করে অ্যানিমেটেড ওয়ালপেপারের আড়ালে ম্যালওয়্যার ছড়ানোর নতুন কৌশল শনাক্ত করেছে ক্যাসপারস্কি। এতে অ্যাকাউন্ট তথ্য চুরি ও ব্যবহারকারীর সেশন নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202606/image_870x580_6a3836018a945.jpg" length="89256" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 21 Jun 2026 21:05:59 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>স্টিম, ম্যালওয়্যার, ক্যাসপারস্কি, ওয়ালপেপার ইঞ্জিন, সাইবার নিরাপত্তা, ডার্ককোমেট, লুমা, ভিদার, গেমিং, তথ্য চুরি</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-start="381" data-end="745">জনপ্রিয় গেমিং প্ল্যাটফর্ম <span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">Steam</span></span> ব্যবহারকারীদের লক্ষ্য করে নতুন একটি ম্যালওয়্যার প্রচারণা শনাক্ত করেছে ক্যাসপারস্কি। প্রতিষ্ঠানটির গবেষকদের মতে, সাইবার অপরাধীরা স্টিম ওয়ার্কশপ এবং <span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">ওয়ালপেপার ইঞ্জিন</span></span> ব্যবহার করে অ্যানিমেটেড ওয়ালপেপারের ছদ্মবেশে ক্ষতিকর সফটওয়্যার ছড়িয়ে দিচ্ছে।</p>
<p data-start="747" data-end="917">ক্যাসপারস্কির তথ্য অনুযায়ী, এই হামলার প্রধান লক্ষ্য ছিল চীন ও রাশিয়ার ব্যবহারকারীরা। তবে সিঙ্গাপুর, জার্মানি, ভিয়েতনাম, ভারত ও কানাডাতেও আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা শনাক্ত হয়েছে।</p>
<p data-start="919" data-end="1229">গবেষণায় দেখা গেছে, হামলাকারীরা ওয়ালপেপার ইঞ্জিনের এমন একটি সুবিধাকে কাজে লাগিয়েছে, যার মাধ্যমে উইন্ডোজভিত্তিক কম্পিউটারে বিভিন্ন প্রোগ্রাম চালানো সম্ভব। তারা ওয়ালপেপার ফাইলের ভেতরে অথবা পাসওয়ার্ড-সুরক্ষিত ফাইলের আড়ালে ম্যালওয়্যার লুকিয়ে রাখে। ব্যবহারকারী এসব ফাইল ইনস্টল করলেই ক্ষতিকর সফটওয়্যার সক্রিয় হয়ে যায়।</p>
<p data-start="1231" data-end="1509">গবেষকদের হাতে আসা একটি নমুনায় দেখা যায়, সফটওয়্যারটি দেখতে সাধারণ ডেস্কটপ গেমের মতো হলেও গোপনে ডার্ককোমেট নামের একটি ব্যাকডোর ইনস্টল করত। এর মাধ্যমে সাইবার অপরাধীরা স্টিম অ্যাকাউন্টের তথ্য চুরি এবং ব্যবহারকারীর সক্রিয় সেশন নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিতে পারত।</p>
<p data-start="1511" data-end="1754">এ ছাড়া লুমা, ভিদার এবং রেনইঞ্জিন-সহ একাধিক ম্যালওয়্যারের উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে। গবেষকদের ধারণা, একাধিক সাইবার অপরাধী গোষ্ঠী এই কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত।</p>
<p data-start="1756" data-end="2042">ক্যাসপারস্কির সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ ম্যাক্সিম স্টারোদুবভ বলেন, “বিশ্বস্ত প্ল্যাটফর্মগুলোও ম্যালওয়্যার ছড়ানোর কাজে ব্যবহার করা হতে পারে। হামলাকারীরা বৈধ ও পরিচিত প্ল্যাটফর্মের প্রতি ব্যবহারকারীদের আস্থা কাজে লাগিয়ে বিপুলসংখ্যক ব্যবহারকারীর কাছে পৌঁছাতে সক্ষম হচ্ছে।”</p>
<p data-start="2044" data-end="2324">ব্যবহারকারীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে ক্যাসপারস্কি বলেছে, পরিচিত উৎস থেকে হলেও কোনো অ্যাপ বা ব্যবহারকারী-তৈরি কনটেন্ট ডাউনলোডের আগে নির্মাতার পরিচয় যাচাই করা উচিত। পাশাপাশি সম্ভাব্য হুমকি শনাক্ত করতে নির্ভরযোগ্য সাইবার নিরাপত্তা সমাধান ব্যবহার করার পরামর্শ দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।</p>
<p data-start="2326" data-end="2532">বিশেষজ্ঞদের মতে, সন্দেহজনক ফাইল ডাউনলোড এড়িয়ে চলা, শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার, দ্বি-স্তরীয় শনাক্তকরণ ব্যবস্থা চালু রাখা এবং নিয়মিত নিরাপত্তা হালনাগাদ নিশ্চিত করলে এ ধরনের হামলার ঝুঁকি অনেকাংশে কমানো সম্ভব।</p>
<p data-start="2966" data-end="2996">/<span style="text-decoration: underline;"><strong>/ডিবিটেক/আরআই/ইকে/</strong></span>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>জুলাইয়ে জেনেভায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে বৈশ্বিক আলোচনা: বাংলাদেশের অংশগ্রহণ কেন জরুরি</title>
<link>https://digibanglatech.news/181115</link>
<guid>https://digibanglatech.news/181115</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202606/image_870x580_6a3774985956b.jpg" length="129919" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 21 Jun 2026 09:20:39 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>জুলাই মাসে জেনেভা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই শাসন নিয়ে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক আলোচনার কেন্দ্র হয়ে উঠতে যাচ্ছে। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ম্যান্ডেটপ্রাপ্ত প্রথম Global Dialogue on AI Governance, AI for Good Global Summit এবং WSIS Forum—এই তিনটি আয়োজন একই সময়ে জেনেভায় অনুষ্ঠিত হবে। এটি শুধু আরেকটি আন্তর্জাতিক সম্মেলন নয়; এটি এআই যুগে বৈশ্বিক ন্যায়বিচার, প্রযুক্তির ভবিষ্যৎ, মানবাধিকার, উন্নয়ন এবং ডিজিটাল সহযোগিতা নিয়ে নতুন করে ভাবার একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত। বাংলাদেশের জন্য এই আলোচনায় সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করা এখন আর কূটনৈতিক সৌজন্যের বিষয় নয়; এটি জাতীয় স্বার্থের প্রশ্ন।</p>
<p>কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা আজ শুধু প্রযুক্তি কোম্পানির গবেষণাগারে সীমাবদ্ধ নেই। এটি শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, আর্থিক সেবা, প্রশাসন, শ্রমবাজার, গণমাধ্যম, নির্বাচন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, সাইবার নিরাপত্তা এবং মানুষের দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে গেছে। বাংলাদেশের মতো দেশে, যেখানে তরুণ জনগোষ্ঠী বড়, ডিজিটাল সেবা দ্রুত বিস্তৃত হচ্ছে, মোবাইল ও ইন্টারনেট ব্যবহার বাড়ছে, আর অর্থনীতি রপ্তানি, প্রবাসী আয় ও সেবা খাতের ওপর নির্ভরশীল—সেখানে এআইকে উপেক্ষা করার সুযোগ নেই।</p>
<p>কিন্তু প্রশ্ন হলো, এআই কি বাংলাদেশের জন্য শুধু সুযোগ, নাকি নতুন ঝুঁকিও তৈরি করছে? উত্তর হলো—দুটিই। এআই কৃষককে আবহাওয়া ও বাজার তথ্য দিতে পারে, রোগ নির্ণয়ে সহায়তা করতে পারে, শিক্ষার্থীর জন্য ব্যক্তিগত শেখার সুযোগ তৈরি করতে পারে, প্রতিবন্ধী ব্যক্তির জন্য সহায়ক প্রযুক্তি দিতে পারে, সরকারি সেবা সহজ করতে পারে, বাংলা ভাষাভিত্তিক ডিজিটাল জ্ঞানভান্ডার তৈরি করতে পারে। একই সঙ্গে এআই কর্মসংস্থানে চাপ তৈরি করতে পারে, ভুল তথ্য ছড়াতে পারে, নজরদারি বাড়াতে পারে, ব্যক্তিগত তথ্যের অপব্যবহার ঘটাতে পারে, অ্যালগরিদমিক বৈষম্য তৈরি করতে পারে এবং বাংলা ভাষা ও স্থানীয় সংস্কৃতিকে বৈশ্বিক প্রযুক্তির বাজারে প্রান্তিক করে দিতে পারে।</p>
<p>এই বাস্তবতায় জেনেভার আলোচনায় বাংলাদেশের উপস্থিতি জরুরি, কারণ বৈশ্বিক এআই শাসনের নিয়ম এখন তৈরি হচ্ছে। যারা আলোচনার টেবিলে থাকবে, তারাই ভবিষ্যতের নীতির ভাষা, অগ্রাধিকার ও মানদণ্ড প্রভাবিত করতে পারবে। বাংলাদেশ যদি শুধু পরে তৈরি হওয়া নিয়ম মেনে চলার অবস্থানে থাকে, তবে তার জাতীয় বাস্তবতা, বাংলা ভাষা, স্থানীয় জ্ঞান, শ্রমবাজার, উন্নয়ন-চাহিদা ও মানবাধিকার উদ্বেগ বৈশ্বিক নীতিতে যথেষ্ট জায়গা নাও পেতে পারে।</p>
<p>বাংলাদেশের প্রথম দাবি হওয়া উচিত—এআই শাসন যেন কেবল উন্নত প্রযুক্তিসম্পন্ন দেশগুলোর এজেন্ডা না হয়। এআইয়ের সুবিধা যারা তৈরি করছে, তাদের মতো যারা এর প্রভাব ভোগ করবে, তাদেরও মতামত সমান গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশকে বলতে হবে, এআই বিভাজন যেন নতুন ডিজিটাল বৈষম্যে পরিণত না হয়। ইন্টারনেট সংযোগ, ডেটা অবকাঠামো, দক্ষতা, ভাষা, গবেষণা, কম্পিউটিং সক্ষমতা এবং নীতিগত প্রস্তুতির ক্ষেত্রে উন্নয়নশীল দেশগুলোর বাস্তবতা আলাদা। তাই বৈশ্বিক সহযোগিতা দরকার শুধু নীতিকথায় নয়, অর্থায়ন, প্রযুক্তি স্থানান্তর, প্রশিক্ষণ, গবেষণা সহযোগিতা এবং স্থানীয় সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে।</p>
<p>দ্বিতীয়ত, বাংলাদেশকে বাংলা ভাষা ও স্থানীয় জ্ঞানের প্রশ্ন তুলতে হবে। বিশ্বে এআই মডেলগুলোর বড় অংশ ইংরেজি ও কয়েকটি প্রভাবশালী ভাষাকেন্দ্রিক। বাংলা ভাষা বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ভাষা হলেও এআই উন্নয়নে এর মানসম্মত ডেটা, ভাষা-সম্পদ, করপাস, বক্তৃতা-ডেটা, আঞ্চলিক ভাষা, লোকজ জ্ঞান ও প্রাতিষ্ঠানিক জ্ঞান যথাযথভাবে সংগঠিত নয়। ফলে বাংলা ভাষাভাষী মানুষ এআই যুগে ব্যবহারকারী হিসেবে থাকবে, কিন্তু জ্ঞান-উৎপাদক হিসেবে পিছিয়ে যেতে পারে। বাংলাদেশের উচিত জেনেভায় বাংলা ভাষাভিত্তিক এআই, স্থানীয় ভাষা প্রযুক্তি, সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য এবং ভাষাগত ন্যায়বিচারকে বৈশ্বিক আলোচনায় তুলে ধরা।</p>
<p>তৃতীয়ত, মানবাধিকার ও মানব তদারকির প্রশ্ন বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এআই ব্যবহারের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি, গোপনীয়তা, ডেটা সুরক্ষা, বৈষম্য প্রতিরোধ এবং মানুষের শেষ সিদ্ধান্তের অধিকার নিশ্চিত করা জরুরি। শুধু প্রযুক্তিগত দক্ষতা থাকলেই এআই নিরাপদ হয় না; এর জন্য প্রয়োজন আইন, নীতি, স্বাধীন তদারকি, নাগরিক অংশগ্রহণ এবং প্রতিকারব্যবস্থা। বাংলাদেশ যদি সরকারি সেবা, আইনশৃঙ্খলা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য বা সামাজিক সুরক্ষায় এআই ব্যবহার করতে চায়, তবে “মানুষের ওপর প্রযুক্তি” নয়; “মানুষের জন্য প্রযুক্তি”—এই নীতিকে কেন্দ্রীয় করতে হবে।</p>
<p>চতুর্থত, এআই এবং কর্মসংস্থানের প্রশ্নে বাংলাদেশের বিশেষ অবস্থান আছে। তৈরি পোশাক, ব্যাংকিং, আউটসোর্সিং, গণমাধ্যম, শিক্ষা, কাস্টমার সার্ভিস, অনুবাদ, ডিজাইন, কনটেন্ট তৈরি ও প্রশাসনিক কাজের অনেক ক্ষেত্রে অটোমেশন প্রভাব ফেলতে পারে। একই সঙ্গে নতুন কাজও তৈরি হবে—ডেটা অ্যানোটেশন, এআই সিস্টেম ব্যবস্থাপনা, লোকাল কনটেন্ট উন্নয়ন, সাইবার নিরাপত্তা, এআই-সহায়ক গবেষণা, ডিজিটাল উদ্যোক্তা, শিক্ষা প্রযুক্তি ও স্বাস্থ্য প্রযুক্তি। তাই বাংলাদেশকে এআইকে কর্মসংস্থান ধ্বংসের আতঙ্ক হিসেবে নয়, দক্ষতা রূপান্তরের এজেন্ডা হিসেবে দেখতে হবে। জেনেভায় বাংলাদেশের অবস্থান হওয়া উচিত—Global South-এর তরুণদের জন্য এআই দক্ষতা, ন্যায্য ডিজিটাল শ্রমনীতি এবং ভবিষ্যৎ কাজের প্রস্তুতি আন্তর্জাতিক সহযোগিতার অংশ হতে হবে।</p>
<p>পঞ্চমত, এআই বাংলাদেশের জলবায়ু ঝুঁকি ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় বড় ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ নদীভাঙন, ঘূর্ণিঝড়, লবণাক্ততা, বন্যা, নগর জলাবদ্ধতা, তাপপ্রবাহ ও জলবায়ু অভিবাসনের ঝুঁকিতে আছে। এআই-ভিত্তিক পূর্বাভাস, স্যাটেলাইট ডেটা, ঝুঁকি মানচিত্র, কৃষি পরামর্শ, দুর্যোগ সতর্কতা এবং স্থানীয় ভাষায় সতর্কবার্তা জীবন বাঁচাতে পারে। কিন্তু এসব প্রযুক্তি যেন শুধু প্রকল্পে সীমাবদ্ধ না থাকে; কমিউনিটি পর্যায়ে ব্যবহারযোগ্য হতে হবে। এই অভিজ্ঞতা বাংলাদেশ বৈশ্বিক মঞ্চে তুলে ধরতে পারে।</p>
<p>ষষ্ঠত, তথ্য-অখণ্ডতা ও গণমাধ্যমের ভবিষ্যৎ এআই আলোচনার কেন্দ্র হওয়া দরকার। ডিপফেক, ভুয়া ছবি, এআই-নির্মিত অপপ্রচার, নির্বাচনী বিভ্রান্তি, নারীর বিরুদ্ধে ডিজিটাল সহিংসতা, ধর্মীয় বিদ্বেষ ও সামাজিক অস্থিরতা—এসব ঝুঁকি বাংলাদেশে বাস্তব। সাংবাদিকতা, ফ্যাক্ট-চেকিং, মিডিয়া লিটারেসি এবং প্ল্যাটফর্ম জবাবদিহিকে এআই শাসনের সঙ্গে যুক্ত না করলে গণতান্ত্রিক পরিসর দুর্বল হবে। বাংলাদেশের গণমাধ্যম, নাগরিক সমাজ ও প্রযুক্তি সম্প্রদায়ের অভিজ্ঞতা এখানে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে।</p>
<p>সপ্তমত, বাংলাদেশকে এআই শাসনে বহুপক্ষীয় পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে। সরকার একা এআই শাসন করতে পারবে না। এর সঙ্গে যুক্ত করতে হবে ICT Division, Ministry of Foreign Affairs, BTRC, বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, স্টার্টআপ, প্রযুক্তি কোম্পানি, গণমাধ্যম, নাগরিক সমাজ, নারী সংগঠন, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সংগঠন, যুবসমাজ, শিশু অধিকারকর্মী এবং প্রযুক্তি সম্প্রদায়কে। জেনেভায় বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলও হওয়া উচিত বহুপক্ষীয়—শুধু আমলাতান্ত্রিক নয়, জ্ঞানভিত্তিক ও অংশগ্রহণমূলক।</p>
<p>এই প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ একটি “Bangladesh Observatory on Digital Cooperation, Internet Governance and AI Governance” গঠনের উদ্যোগ বিবেচনা করতে পারে। এই অবজারভেটরি WSIS Action Lines, Internet Governance processes, Global Digital Compact, Pact for the Future এবং UN Global Dialogue on AI Governance-এর সঙ্গে বাংলাদেশের নীতিগত অগ্রগতি, অংশগ্রহণ, গবেষণা ও ফলোআপ পর্যবেক্ষণ করতে পারে। এতে বৈশ্বিক অঙ্গীকার ও দেশীয় বাস্তবায়নের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি হবে।</p>
<p>বাংলাদেশের আরও একটি জরুরি করণীয় হলো একটি সুস্পষ্ট জাতীয় এআই অবস্থানপত্র তৈরি করা। সেখানে থাকতে হবে—মানবাধিকারভিত্তিক এআই, বাংলা ভাষা ও স্থানীয় জ্ঞান, ডেটা সুরক্ষা, শিশু ও নারীর নিরাপত্তা, কর্মসংস্থান রূপান্তর, শিক্ষা ও দক্ষতা, কৃষি ও জলবায়ু, স্বাস্থ্য, স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম, সাইবার নিরাপত্তা, গবেষণা অর্থায়ন এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার অগ্রাধিকার। জেনেভার মতো বৈশ্বিক মঞ্চে বাংলাদেশ যদি প্রস্তুত অবস্থান নিয়ে যায়, তবে তার কণ্ঠ আরও কার্যকর হবে।</p>
<p>জুলাইয়ের জেনেভা তাই বাংলাদেশের জন্য একটি সুযোগ। এটি কেবল অংশগ্রহণের সুযোগ নয়; নেতৃত্বের সুযোগ। বাংলাদেশ বিশ্বকে বলতে পারে, এআইয়ের ভবিষ্যৎ শুধু শক্তিশালী প্রযুক্তি কোম্পানির হাতে ছেড়ে দেওয়া যাবে না। এটি মানুষের, ভাষার, সংস্কৃতির, উন্নয়নের, অধিকারের এবং ন্যায়বিচারের প্রশ্ন। বাংলাদেশ বলতে পারে, Global South শুধু এআই বাজার নয়; Global South-ও জ্ঞান উৎপাদন করে, অভিজ্ঞতা তৈরি করে, সমাধান দেয়।</p>
<p>শেষ পর্যন্ত প্রশ্নটি সহজ: এআই যুগে বাংলাদেশ কি শুধু প্রযুক্তির ভোক্তা থাকবে, নাকি ন্যায্য, মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক এআই শাসনের সক্রিয় নির্মাতা হবে? জেনেভার বৈশ্বিক আলোচনায় বাংলাদেশের অংশগ্রহণ এই উত্তর নির্ধারণের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।</p>
<p>বাংলাদেশের উচিত সেখানে যাওয়া—শুধু উপস্থিতি জানানোর জন্য নয়, নিজের অভিজ্ঞতা, দাবি, সম্ভাবনা ও ভবিষ্যৎ দর্শন স্পষ্টভাবে তুলে ধরার জন্য। কারণ এআইয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে যে আলোচনা আজ শুরু হচ্ছে, তা আগামী দিনের শিক্ষা, কাজ, অধিকার, উন্নয়ন ও গণতন্ত্রের কাঠামো নির্ধারণ করবে। সেই ভবিষ্যৎ নির্মাণে বাংলাদেশের কণ্ঠ অবশ্যই থাকতে হবে।     </p>
<hr>
<p><strong>লেখকঃ </strong><span>ডিজিটাল গণতন্ত্র, তথ্যের অখণ্ডতা ও গণমাধ্যম উন্নয়ন নীতিবিষয়ক বিশেষজ্ঞ এবং দায়িত্বশীল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স বিষয়ক অ্যাম্বাসেডর</span>    </p>
<hr>
<p>                                                                                                                                                                                                                                                                                 </p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বিশ্ববাজারের ‘মেড ইন বাংলাদেশ’: ক্রস&#45;বর্ডার ই&#45;কমার্স রফতানিতে বিপ্লব ও বাস্তবতা</title>
<link>https://digibanglatech.news/181114</link>
<guid>https://digibanglatech.news/181114</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202606/image_870x580_6a3773695fcc5.jpg" length="81108" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 21 Jun 2026 00:15:09 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশের রফতানি বাণিজ্য ও ডিজিটাল অর্থনীতির ইতিহাসে এক নতুন যুগের সূচনা হতে যাচ্ছে। দেশের ক্ষুদ্র, মাঝারি ও প্রান্তিক উদ্যোক্তাদের তৈরি পণ্য এখন কোনো মধ্যস্বত্বভোগী ছাড়াই সরাসরি পৌঁছে যাবে বিশ্বখ্যাত অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলোর কোটি কোটি আন্তর্জাতিক ক্রেতার দোরগোড়ায়। গত ১৫ জুন, ২০২৬ (সোমবার) বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা নীতি বিভাগ থেকে জারি করা এক যুগান্তকারী সার্কুলারের মাধ্যমে আন্তঃসীমান্ত বা ক্রস-বর্ডার ই-কমার্স নীতিমালায় বড় ধরনের শিথিলতা আনা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে এখন থেকে দেশীয় উদ্যোক্তারা আমাজন, ই-বে, আলিএক্সপ্রেস, টিমু কিংবা ফ্লিপকার্ট-এর মতো বৈশ্বিক প্ল্যাটর্মে সরাসরি পণ্য তালিকাভুক্ত করে ‘বিজনেস-টু-কনজ্যুমার’ (B2C) মডেলে খুচরা বিক্রি করতে পারবেন। এতদিন যা ছিল অত্যন্ত জটিল, ব্যয়বহুল এবং সাধারণ উদ্যোক্তাদের নাগালের বাইরে।</p>
<p><strong>গ্লোবাল মার্কেট সাইজ: বিশ্ববাজারের বিশাল সম্ভাবনা</strong><br>আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক সমীক্ষার তথ্য অনুযায়ী, ক্রস-বর্ডার ই-কমার্স বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল বাণিজ্য মাধ্যম। ২০২৬ সাল নাগাদ বৈশ্বিক ক্রস-বর্ডার ই-কমার্স বাজারের আকার প্রায় **৪ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার** স্পর্শ করার প্রক্ষেপণ করা হয়েছে, যার বার্ষিক বৃদ্ধির হার (CAGR) প্রায় ২৫.১%। বিশ্বব্যাপী মোট ই-কমার্স বাণিজ্যের প্রায় ২২% এখন আন্তঃসীমান্ত মডেলে সম্পন্ন হচ্ছে।</p>
<p>বর্তমানে এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের দেশগুলো এই বাজারের প্রধান চালিকাশক্তি। ভারতের ক্রস-বর্ডার ই-কমার্স রফতানি ২০২৬ সালের মধ্যে ৮ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে এবং তাদের মোট ই-কমার্স-এর প্রায় ৩৪% ক্রস-বর্ডার। অন্যদিকে, ভিয়েতনামের এসএমই খাতের প্রায় ৩২% উদ্যোক্তা সরাসরি আমাজনের মাধ্যমে রফতানি করে। সেখানে এই নতুন ফ্রেমওয়ার্কের সঠিক বাস্তবায়ন হলে আগামী ৩ বছরে বাংলাদেশের ডিজিটাল রফতানি আয় সহজেই ৫০০ মিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে।</p>
<p><strong>আইনি ভিত্তি: কোন সরকারি নীতিমালার অধীনে এই সিদ্ধান্ত?</strong><br>বাংলাদেশ ব্যাংকের এই ঐতিহাসিক সার্কুলারটি মূলত বাণিজ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রণীত ‘জাতীয় ডিজিটাল কমার্স নীতিমালা-২০১৮ (সংশোধিত ২০২০)’-এর ৪.৩ অনুচ্ছেদ এবং ‘ক্রস-বর্ডার ডিজিটাল বাণিজ্য নির্দেশিকা-২০২৪’-এর লক্ষ্য অর্জনে জারি করা হয়েছে। দেশের প্রচলিত ‘বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৪৭’-এর ধারা ২০ এবং ধারা ২৩-এর অধীনে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এই সার্কুলার জারি করা হয়েছে। একই সাথে এটি সরকারের ‘রফতানি নীতি ২০২১-২০২৪’-এর অধ্যায় ৪ (রফতানি উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ) এবং স্মার্ট ইকোনমি রোডম্যাপের সাথে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ।</p>
<p><strong>ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: এতদিন কেন হয়নি, এখন কেন সম্ভব হচ্ছে?</strong><br><em>এতদিন না পারার মূল বাধা: </em>অতীতে আমাদের পুরো রফতানি কাঠামো ছিল বড় কনটেইনার-ভিত্তিক বাণিজ্যের ওপর নির্ভরশীল。সামষ্টিক অর্থনীতির নীতিনির্ধাকরা ছোট খুচরা পার্সেল রফতানিকে মূল বাণিজ্যের অংশ মনে করতেন না। এর সাথে যুক্ত ছিল মুদ্রা পাচারের আতঙ্ক, যার কারণে অগ্রিম অর্থ ছাড়া পণ্য পাঠানো প্রায় অসম্ভব ছিল। কাস্টমসের সনাতন আমলাতান্ত্রিক জটিলতা, লজিস্টিকস খাতের উচ্চ ব্যয় এবং আন্তর্জাতিক পেমেন্ট গেটওয়ের অনুপস্থিতি আমাদের উদ্যোক্তাদের হাত-পা বেঁধে রেখেছিল।<br> <em>বর্তমান বাস্তবতায় নীতিনির্ধারকদের সদিচ্ছা: </em>২০২৬ সালের অর্থনৈতিক বাস্তবতায় দেশে ডলারের তারল্য সংকট এবং রিজার্ভের ওপর চাপ তৈরি হওয়াতে রফতানি খাতকে বহুমুখীকরণ করা এখন টিকে থাকার ‘সময়ের দাবি’। তবে শুধু সময়ের দাবিই নয়, নীতিনির্ধারক ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের শীর্ষ নেতৃত্বের আধুনিক ও ব্যবসাবান্ধব ‘সদিচ্ছা’ না থাকলে দীর্ঘদিনের এই আইনি ও মানসিক জড়তা ভাঙা সম্ভব হতো না। লাখো তরুণ এসএমই উদ্যোক্তার মেধাকে বিশ্ববাজারে উন্মুক্ত করতে না পারলে একটি দেশের ‘স্মার্ট ইকোনমি’ গড়ে উঠতে পারে না।<br><strong></strong></p>
<p><strong>প্রজ্ঞাপনের মূল ডেটা ও অর্থনৈতিক পরিসংখ্যান</strong><br>বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নির্দেশনায় আর্থিক লেনদেন ও কাস্টমস সংক্রান্ত প্রোটোকলে বড় ধরনের ছাড় দেওয়া হয়েছে:<br><em>লেনদেনের সর্বোচ্চ সীমা:</em> একজন উদ্যোক্তা প্রতি চালানে সর্বোচ্চ ৫,০০০ মার্কিন ডলার মূল্যমানের পণ্য সিএফআর (CFR) শর্তে সরাসরি রফতানি করতে পারবেন।<br><em>ইএক্সপি (EXP) ফরম শিথিলকরণ:</em> ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের আমলাতান্ত্রিক জটিলতা থেকে মুক্তি দিতে ১,০০০ মার্কিন ডলার পর্যন্ত মূল্যের ছোট রফতানি চালানের ক্ষেত্রে বাধ্যতামূলক ‘ইএক্সপি (EXP) ফরম’ দাখিলের দীর্ঘমেয়াদি বাধ্যবাধকতা সম্পূর্ণ তুলে নেওয়া হয়েছে।<br><em>অগ্রিম মূল্য পরিশোধের শর্ত: </em>১,০০০ ডলার পর্যন্ত ইএক্সপি-বিহীন চালানের ক্ষেত্রে নিরাপত্তার স্বার্থে পণ্যের শতভাগ মূল্য অনুমোদিত ব্যাংকিং চ্যানেল কিংবা বৈধ ডিজিটাল পেমেন্ট গেটওয়ের মাধ্যমে অগ্রিম গ্রহণ করতে হবে।<br><em>শিপিং ও রেমিট্যান্স সহজীকরণ: </em>শিপিং ডকুমেন্টগুলো সরাসরি বিদেশি খুচরা ক্রেতার নামে ইস্যু করা যাবে। বৈশ্বিক মার্কেটপ্লেসে টিকে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় বার্ষিক সাবস্ক্রিপশন বা মেম্বারশিপ ফি পরিশোধের জন্য বাণিজ্যিক ব্যাংকের অনুমোদিত ডিলার (AD) শাখাগুলোর মাধ্যমে বছরে ৫,০০০ মার্কিন ডলার পর্যন্ত বিদেশে পাঠানোর অনুমতি দেওয়া হয়েছে। পণ্যের মান নিয়ে ক্রেতার আপত্তি থাকলে রফতানিকারকদের বৈদেশিক মুদ্রা হিসাব (ERQ Account) থেকে অর্থ ফেরত দেওয়ার সহজ প্রোটোকল রাখা হয়েছে।</p>
<p><strong>পেমেন্ট রিসিভ মেকানিজম: টাকা আসার প্রকৃত পদ্ধতি</strong><br>আমাজন বা ই-বে থেকে অর্জিত অর্থ উদ্যোক্তারা ইন্টারন্যাশনাল  ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ড, ওটিসি (Over-the-Counter) পেমেন্ট গেটওয়ে বা অনুমোদিত অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ে সার্ভিস প্রোভাইডারদের (যেমন পেওনিয়ার, পিংপং বা ওয়াইজ) মাধ্যমে সরাসরি দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকের ডমেস্টিক অ্যাকাউন্টে নিয়ে আসতে পারবেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের গাইডলাইন অনুযায়ী, রফতানি আয়ের একটি সুনির্দিষ্ট অংশ (ক্ষেত্রবিশেষে ৬০% থেকে ৭০% পর্যন্ত) উদ্যোক্তারা তাদের ইআরকিউ (ERQ) অ্যাকাউন্টে সরাসরি বৈদেশিক মুদ্রায় (ডলার) রাখতে পারবেন, যা থেকে পরবর্তীতে বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্মের বিজ্ঞাপনী খরচ ও সাবস্ক্রিপশন ফি পরিশোধ করা যাবে।</p>
<p><strong>প্রথম ধাপে কোন পণ্যগুলো বেছে নেবেন উদ্যোক্তারা?</strong><br>১. হস্তশিল্প ও হোম ডেকর: বৈশ্বিক হস্তশিল্পের বাজার ২০২৬ সালে ৯০০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। বাংলাদেশের নকশিকাঁথা, মাটির জিনিসপত্র, বাঁশ ও বেতের পণ্যের বৈশ্বিক চাহিদা এবং লাভের সুযোগ সবচেয়ে বেশি (প্রায় ২০০% থেকে ৩০০%)।<br>২. পাটজাত ও পরিবেশবান্ধব পণ্য: আমাজন ও ইটসি (Etsy)-তে জুট শপিং ব্যাগ ও ম্যাটের বাজার প্রতি বছর ১৮.৫% হারে বাড়ছে। বৈশ্বিক ই-কমার্সে পরিবেশবান্ধব পণ্যের অনুসন্ধান গত দুই বছরে প্রায় ৪৫% বৃদ্ধি পেয়েছে।<br><em>৩. চামড়াজাত ও ফুটওয়্যার:</em> প্রিমিয়াম লেদার ওয়ালেট, বেল্ট ও জুতার বিশ্ববাজার প্রায় ৪৫০ বিলিয়ন ডলারের। বাংলাদেশের ক্ষুদ্র বুটিক হাউসগুলো সরাসরি B2C মডেলে এই বাজারে প্রবেশ করতে পারে, যেখানে গড় লাভের হার ১২০%-এর ওপরে।<br><em>৪. ডিজাইনার ও নিটওয়্যার পোশাক:</em> কাস্টমাইজড টি-শার্ট, ঐতিহ্যবাহী জামদানি মোটিফের স্কার্ফ বা এথনিক ফিউশন পোশাকের জন্য আন্তর্জাতিক রিটেইল ক্রেতারা চড়া মূল্য দিতে প্রস্তুত। আমাজন ফ্যাশনে এই বিক্রি প্রতি বছর প্রায় ২২% হারে বাড়ছে।</p>
<p><strong>লজিস্টিকস ডেলিভারি মডেল: পণ্য কীভাবে ক্রেতার কাছে যাবে?</strong><br><em>ডিরেক্ট বা ড্রপ-শিপিং মডেল (FBM)</em>: এই মডেলে পণ্য উদ্যোক্তার নিজের দেশে মজুদ থাকে। অর্ডার পাওয়ার পর উদ্যোক্তা বাংলাদেশ থেকে ডিএইচএল, ফেডেক্স বা ডাক বিভাগের মাধ্যমে সরাসরি ক্রেতার বিদেশি ঠিকানায় পার্সেল পাঠিয়ে দেন। এটি ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য সবচেয়ে সাশ্রয়ী, কারণ এতে বিদেশের গুদাম ভাড়া দিতে হয় না।<br><em>মার্কেটপ্লেস ওয়্যারহাউজ মডেল (FBA): </em>এই মডেলে উদ্যোক্তারা একসঙ্গে বড় লটে পণ্য আমাজন বা সংশ্লিষ্ট মার্কেটপ্লেসের বিদেশের সেন্ট্রাল ওয়্যারহাউজে আগে থেকেই পাঠিয়ে জমা রাখেন। বিশ্বব্যাংকের সমীক্ষা মতে, এই মডেল ব্যবহার করলে ডেলিভারির সময় প্রায় ৭০% কমে আসে, যা ক্রেতার সন্তুষ্টি এবং সেলার রেটিং ৪০%পর্যন্ত বাড়িয়ে দেয়।<br><em>লজিস্টিকস ইকোসিস্টেম ও ডাক বিভাগ</em>: ডাক বিভাগের ইএমএস (Express Mail Service) ব্যবস্থাকে কাস্টমসের এ্যাসাইকুডা ওয়ার্ল্ড (Asycuda World) সফটওয়্যারের সাথে সমন্বিত করা হচ্ছে, যাতে কুরিয়ার খরচ এক-তৃত্যাংশে নেমে আসে। বর্তমানে কুরিয়ার খরচ পণ্যের মূল্যের প্রায় ৪৫% থেকে ৫০% পর্যন্ত হয়ে যায়, যা ডাক বিভাগের আধুনিকায়নে ১৫% থেকে ২০%-এ নামিয়ে আনা সম্ভব।</p>
<p><strong>পলিসি অ্যাডভোকেসি: ডিসিআরএএফ (DCRAF)-এর পর্যবেক্ষণ ও ভূমিকা </strong><br>বাংলাদেশের ডিজিটাল কমার্স খাতের সামগ্রিক আইনি কাঠামো সংস্কার এবং ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের স্বার্থ রক্ষায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে গবেষণা প্রতিষ্ঠান  ডিজিটাল কমার্স রিসার্চ অ্যান্ড অ্যাডভোকেসি ফোরাম’ (ডিসিআরএএফ)। ডিসিআরএএফ-এর সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক গবেষণা ও নীতিগত পর্যালোচনায় দেখা গেছে যে, ক্রস-বর্ডার বাণিজ্যে প্রজ্ঞাপন জারি হওয়া বড় অর্জন হলেও বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কাজের সমন্বয়হীনতা মাঠপর্যায়ের উদ্যোক্তাদের বড় ক্ষতি করতে পারে। এই সমন্বয়হীনতা দূর করে ই-কমার্স রফতানির এই প্রক্রিয়াটিকে নির্বিঘ্ন করতে এই পলিসি পেপারের মাধ্যমে ডিসিআরএএফ সরকারের উচ্চপর্যায়ে সুনির্দিষ্ট কিছু পলিসি ফ্রেমওয়ার্ক এবং কাঠামোগত প্রস্তাবনা সফলভাবে উপস্থাপন করছে।</p>
<p><strong>পণ্যের মান নিয়ন্ত্রণ, জবাবদিহিতা ও একক আইডি প্রবর্তন</strong><br><em>নকল ও ভেজাল পণ্যে নিষেধাজ্ঞা:</em> নীতিমালায় স্পষ্ট বলা হয়েছে যে, কোনো নকল, ভেজাল বা অবাস্তব পণ্য কেনাবেচা করা যাবে না। ‘ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯’-এর ধারা ৪৫ ও ৫৩ এবং অনলাইন জুয়া প্রতিরোধে ‘পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২’ ও ‘সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩’-এর সংশ্লিষ্ট ধারা অনুযায়ী কড়া নজরদারি নিশ্চিত করতে হবে।<br><em>একক আইডি’র বিকল্প প্রস্তাব:</em> পূর্বে ডিজিটাল বিজনেস আইডেন্টিটি (DBID) বাধ্যতামূলক করার কথা বলা হলেও, বাস্তবে আরজেএসসি (RJSC) সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর সীমাবদ্ধতার কারণে DBID পাওয়া অত্যন্ত কষ্টসাধ্য ও জটিল। এর বিকল্প হিসেবে উদ্যোক্তার জাতীয় পরিচয়পত্র (NID), ট্রেড লাইসেন্স কিংবা টিআইএন (TIN)-এর যেকোনো একটিকে ‘একক আইডি’ হিসেবে বিবেচনা করে আন্তর্জাতিক বাজারে ব্যবসা শুরুর সহজ সুযোগ দেওয়া অত্যন্ত জরুরি।</p>
<p><strong>ঘোষণা বনাম বাস্তবতা: বিভিন্ন বিভাগের সমন্বয়হীনতা ও নীতিগত প্রতিবন্ধকতা</strong><br><em>বাংলাদেশ ব্যাংক বনাম কাস্টমস প্রোটোকল:</em> কেন্দ্রীয় ব্যাংক ১,০০০ ডলার পর্যন্ত চালানে EXP ফরম শিথিল করলেও, কাস্টমস কর্তৃপক্ষ বিমানবন্দরে বা বন্দরে প্রচলিত রফতানি ফাইলের জটিলতা দেখায়। কাস্টমসের সিস্টেমে (Asycuda World) ক্রস-বর্ডার ই-কমার্সের জন্য আলাদা ‘গ্রিন চ্যানেল’ এখনো পুরোপুরি কার্যকর হয়নি।<br><em>এনবিআর-এর ভ্যাট/ট্যাক্স জটিলতা:</em> ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা যখন ছোট পার্সেল বিদেশে পাঠাবেন, তখন ‘মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২’-এর রফতানি সংক্রান্ত ধারা ৩(শূন্য হারের ভ্যাট) এবং ভ্যাট রিফান্ড প্রক্রিয়াটি প্রান্তিক উদ্যোক্তাদের জন্য অত্যন্ত জটিল।<br><em>লজিস্টিকস খরচ: </em>বাংলাদেশ থেকে আন্তর্জাতিক কুরিয়ার চার্জ প্রতিবেশী দেশগুলোর তুলনায় অনেক বেশি ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের সুবিধার্থে বিমান ভাড়া এবং লজিস্টিকস চার্জ কমাতে বিশেষ সরকারি ভর্তুকি প্যাকেজ দিতে হবে।</p>
<p><strong>নতুন স্ট্র্যাটেজিক প্রস্তাবনা ও আইনি সাজেশন</strong><br><em>সেন্ট্রাল ই-কমার্স কনসোলিডেশন হাব</em>: ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিমানবন্দর সংলগ্ন বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বে (PPP) একটি হাব প্রতিষ্ঠা করা প্রয়োজন। এই হাবে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ক্ষুদ্র সিঙ্গেল পার্সেলগুলো একত্রিত করে বড় বাণিজ্যিক লটে কম খরচে আন্তর্জাতিক ফ্লাইটে কার্গো করা হবে। এতে শিপিং খরচ প্রায় ৪০% পর্যন্ত কমে আসবে।<br><em>‘রি-ইমপোর্টেশন’ বিধির সহজীকরণ:</em> আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুযায়ী বৈস্মিক ই-কমার্স-এ গড় রিটার্ন রেট বা পণ্য ফেরতের হার প্রায় ১৫% থেকে ২০%। কিন্তু বর্তমানে ‘কাস্টমস অ্যাক্ট, ২০২৩’-এর ধারা ৪৭ অনুযায়ী, পণ্য ফেরত আসলে সেটিকে নতুন ‘আমদানি’ হিসেবে গণ্য করে চড়া শুল্ক আরোপ করা হয়। ই-কমার্স রফতানিকে টেকসই করতে হলে বিশেষ এসআরও (SRO)-এর মাধ্যমে ই-কমার্স রিটার্ন পার্সেলকে শুল্কমুক্ত (Duty-Free Re-importation) সুবিধা দিতে হবে।<br><em>স্কিল ডেভেলপমেন্ট ও সরকারি ফান্ডিং:</em> সরকারি অর্থায়নে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য আমাজন/ই-বে লিস্টিং ও এসইও (SEO)-এর ওপর দেশব্যাপী ফ্রি প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা দরকার। প্রচলিত তৈরি পোশাক খাতের মতো এই ই-কমার্স রফতানির ক্ষেত্রেও banking চ্যানেলে রেমিট্যান্স আসার পর অতিরিক্ত ৪% থেকে ৫% বিশেষ ক্যাশ ইনসেনটিভ দেওয়া উচিত।</p>
<p><strong>ডিসিআরএএফ (DCRAF)-এর পক্ষ থেকে শেষ স্ট্র্যাটেজিক সাজেশন</strong><br><em>‘জাতীয় ক্রস-বর্ডার ই-কমার্স সেল’ গঠন</em>:বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাংলাদেশ ব্যাংক, এনবিআর, কাস্টমস, ডাক বিভাগ এবং বেসরকারি খাতের (ডিসিআরএএফ ও ই-ক্যাব) প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ‘ওয়ান-স্টপ টাস্কফোর্স’ বা বিশেষ সেল গঠন করা প্রয়োজন, যা সরাসরি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যেকোনো মাঠপর্যায়ের জটিলতা সমাধান করবে।<br><em>ক্ষুদ্র রফতানি ঋণ (Micro-Export Credit):</em> বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে একটি বিশেষ পুনঃঅর্থায়ন তহবিল গঠন করা যেতে পারে, যেখানে আপডেট করা ট্রেড লাইসেন্স বা টিআইএন (TIN)-এর বিপরীতে প্রথম চালানের পণ্য তৈরি ও শিপিং-এর জন্য জামানতবিহীন এবং সর্বোচ্চ **৪% থেকে ৫% সুদে** ৫ থেকে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ‘ক্ষুদ্র রফতানি ঋণ’ দেওয়া হবে।<br><em>ডিজিটাল এক্সপোর্ট ইনকিউবেশন সেন্টার:</em> প্রতিটি বিভাগীয় শহরে বিসিক (BSCIC) এবং ডিসিআরএএফ (DCRAF)-এর যৌথ কারিগরি সহায়তায় ইনকিউবেশন সেন্টার করা উচিত, যেখানে হাই-স্পিড ইন্টারনেট, আন্তর্জাতিক মানের ক্যাটালগিং ও প্রডাক্ট ফটোগ্রাফি স্টুডিওর সুবিধা ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা বিনামূল্যে ব্যবহার করতে পারবেন।</p>
<p><strong>আন্তর্জাতিক ই-কমার্সে নামার আগে উদ্যোক্তাদের জন্য গাইডলাইন</strong><br><em>আইনি প্রস্তুতি:</em> আপনার NID, আপডেট করা ট্রেড লাইসেন্স এবং TIN সার্টিফিকেট প্রস্তুত রাখুন।<br><em>মার্কেটপ্লেস অ্যাকাউন্ট:</em> আমাজন, ই-বে বা ইটসি-এর মতো প্ল্যাটর্মে স্টোর খোলার জন্য ব্যাংকের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক কার্ডের ইআরকিউ (ERQ) অ্যাকাউন্ট এবং সাবক্রিপশন ফির ব্যাকআপ নিশ্চিত করুন।<br> <em>কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স:</em> পণ্যের আন্তর্জাতিক স্ট্যান্ডার্ড, প্যাকেজিং এবং ছবি যেন শতভাগ আসল ও বিশ্বমানের হয় তা নিশ্চিত করুন; কারণ আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে নেতিবাচক রিভিউ আপনার স্টোরটি চিরতরে বন্ধ করে দিতে পারে।</p>
<p><strong>নীতিমাালার চেয়ে মাঠপর্যায়ের বাস্তবায়নই আসল সাহস</strong> <br>একজন সম্ভাবনাময় দেশীয় উদ্যোক্তা যেন শুধু আইনি জটিলতার ভয়ে বা অজানা আশঙ্কায় পিছিয়ে না পড়েন, বরং সাহস করে বিশ্ববাজারে বুক চিতিয়ে দাঁড়াতে পারেন—তার জন্য কেবল কাগজ-কলমে চমৎকার নীতিমালাই যথেষ্ট নয়। নীতিমাালার চেয়ে অনেক বেশি জরুরি হলো এর শতভাগ মাঠপর্যায়ের ও হয়রানিমুক্ত বাস্তবায়ন।</p>
<p>যে বাংলাদেশ একসময় শুধু শ্রমশক্তি রফতানি করত, সেই বাংলাদেশ এখন নিজের ব্র্যান্ড, নিজের পণ্য এবং নিজের উদ্যোক্তাদের মাধ্যমে বিশ্ববাজারে আরও শক্ত অবস্থান তৈরি করতে যাচ্ছে। সরকার এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই ব্যবসাবান্ধব নীতিগত রূপান্তর দেশের সামষ্টিক অর্থনীতিতে ডলার সংকট মোকাবিলা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সর্বোপরি গলোবাল মার্কেটে "Made in Bangladesh" ব্র্যান্ডকে এক নতুন উচ্চতায় প্রতিষ্ঠিত করবে। এখন প্রয়োজন সংশ্লিষ্ট সব সরকারি বিভাগের মধ্যে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ঝেড়ে ফেলে একটি সমন্বিত, মসৃণ, হয়রানিমুক্ত ও দ্রুত কার্যকরী লজিস্টিকস রোডম্যাপ মাঠপর্যায়ে ফুটিয়ে তোলা। তবেই কাগজের নীতিমালা উদ্যোক্তাদের জন্য বিশ্বজয়ের বাস্তব হাতিয়ার হয়ে উঠবে।</p>
<hr>
<p><strong>লেখকঃ<span> </span></strong><span>ই-কমার্স বিশ্লেষক ও ফাউন্ডিং মেম্বার, ই-ক্যাব </span></p>
<hr>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>এআই ও ফ্যাক্টচেকে রাজনৈতিক সাংবাদিকদের নতুন প্রস্তুতি</title>
<link>https://digibanglatech.news/181085</link>
<guid>https://digibanglatech.news/181085</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p&gt;রাজনৈতিক সাংবাদিকতায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার, তথ্য যাচাই এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা দক্ষতা বাড়াতে পলিটিক্যাল রিপোর্টার্স ফোরামের সদস্যদের জন্য দুই দিনব্যাপী বিশেষ প্রশিক্ষণ শুরু করেছে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি)।&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202606/image_870x580_6a36bbb7556b2.jpg" length="77434" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 20 Jun 2026 15:12:12 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>পিআইবি, পিআরএফ, এআই সাংবাদিকতা, ফ্যাক্টচেক, রাজনৈতিক সাংবাদিকতা, ডিজিটাল সাংবাদিকতা, ভুয়া তথ্য শনাক্তকরণ, মিডিয়া প্রশিক্ষণ</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-start="740" data-end="906">রাজনৈতিক সাংবাদিকতায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহার এবং ভুয়া তথ্য শনাক্তে দক্ষতা বাড়াতে দুই দিনব্যাপী বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। রাজধানীর প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি) কার্যালয়ের ক্লাসরুমে আয়োজিত এ প্রশিক্ষণে অংশ নিচ্ছেন পলিটিক্যাল রিপোর্টার্স ফোরাম (পিআরএফ)-এর ৪০ জন সদস্য।</p>
<p data-start="908" data-end="1189">২০ জুন, শনিবার শুরু হওয়া এই কর্মসূচির আয়োজন করেছে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অধীন প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি)। দ্রুত পরিবর্তনশীল ডিজিটাল সংবাদ পরিবেশে তথ্য যাচাই, প্রযুক্তি ব্যবহারের দক্ষতা এবং পেশাগত মান উন্নয়নের লক্ষ্যেই এ আয়োজন করা হয়েছে।</p>
<p data-start="1191" data-end="1528">প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে রিসোর্স পারসন হিসেবে সেশন পরিচালনা করছেন বিভিন্ন গণমাধ্যম ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অভিজ্ঞ প্রশিক্ষক ও বিশেষজ্ঞরা। তাদের মধ্যে রয়েছেন ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ড. জামিল খান, ঢাকা পোস্টের হেড অব নিউ মিডিয়া আরিফুল ইসলাম আরমান, সাকমিডের প্রোগ্রাম অফিসার আবু সুফিয়ান এবং পিআইবির প্রশিক্ষক জিলহাজ উদ্দিন নিপুন।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202606/image_870x_6a36bbb660b5b.jpg" alt=""></p>
<p data-start="1530" data-end="1718">দুই দিনের এ আয়োজনে অংশগ্রহণকারীদের ভুয়া ছবি ও ভিডিও শনাক্তকরণ, এআই-নির্ভর কনটেন্ট যাচাই, সাইবার নিরাপত্তা সচেতনতা এবং নির্ভুল সংবাদ তৈরির বিভিন্ন কৌশল নিয়ে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।</p>
<p data-start="1720" data-end="1918">পলিটিক্যাল রিপোর্টার্স ফোরামের সভাপতি খোন্দকার কাওছার হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে প্রযুক্তিনির্ভর সাংবাদিকতার নতুন চ্যালেঞ্জ এবং তথ্যের বিশ্বাসযোগ্যতা নিশ্চিত করার উপায় নিয়েও আলোচনা হয়।</p>
<p data-start="1920" data-end="2162">পিআইবি জানিয়েছে, এই প্রশিক্ষণের মূল লক্ষ্য হলো সাংবাদিকদের এআই-এর কার্যকর ব্যবহার, আধুনিক তথ্য যাচাই কৌশল এবং পেশাগত নৈতিকতা বিষয়ে আরও দক্ষ করে তোলা, যাতে তারা ডিজিটাল যুগের চাহিদা অনুযায়ী আরও মানসম্মত ও নির্ভরযোগ্য প্রতিবেদন তৈরি করতে পারেন।</p>
<p data-start="2164" data-end="2193">/<strong>/ডিবিটেক/কেএম/ইকে/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>রাশিয়ার ‘ইন্টারন্যাশনাল ফেস্টিভ্যাল অব ইয়ুথ’ এ অংশগ্রহণকারীরা যেভাবে পাবেন বিনামূল্যে ভিসা</title>
<link>https://digibanglatech.news/181001</link>
<guid>https://digibanglatech.news/181001</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p&gt;আগামী সেপ্টেম্বরে রাশিয়ায় অনুষ্ঠিতব্য ‘ইন্টারন্যাশনাল ফেস্টিভ্যাল অব ইয়ুথ-২০২৬’ এ আমন্ত্রিত ৫ হাজার আন্তর্জাতিক যুব প্রতিনিধি, সাংবাদিক ও ভ্লগারদের বিনামূল্যে ভিসা দেওয়ার আদেশ জারি করেছে দেশটির সরকার।&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202606/image_870x580_6a363f81b94a4.jpg" length="115058" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 20 Jun 2026 10:21:59 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>রাশিয়ার ফ্রি ভিসা, ইন্টারন্যাশনাল ফেস্টিভ্যাল অব ইয়ুথ ২০২৬, রোসমোলোডেজ, রাশিয়া যুব উৎসব, রাশিয়া ভিসা ফি মওকুফ</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="4">আগামী সেপ্টেম্বরে রাশিয়ায় অনুষ্ঠিতব্য ‘ইন্টারন্যাশনাল ফেস্টিভ্যাল অব ইয়ুথ-২০২৬’ এ অংশগ্রহণকারীদের জন্য ভিসা ফি মওকুফ করেছে দেশটির সরকার। রাশিয়ার প্রধানমন্ত্রী মিখাইল মিশুস্টিন সম্প্রতি এ সংক্রান্ত একটি আদেশে স্বাক্ষর করেছেন। এই নির্দেশনা অনুযায়ী, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে থাকা রুশ দূতাবাসগুলো থেকে উৎসবের আমন্ত্রিতদের সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ভিসা ইস্যু করা হবে।</p>
<p data-path-to-node="4">আগামী ১১-১৭ সেপ্টেম্বর রাশিয়ার ইয়েকাতেরিনবার্গে এই ফেস্টিভ্যালটি অনুষ্ঠিত হবে। মূল আয়োজনের পাশাপাশি আঞ্চলিক নানা আয়োজনে অংশ নেওয়ার সুবিধার্থে এই ফ্রি ভিসার মেয়াদ থাকবে আগামী ৪ সেপ্টেম্বর থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।</p>
<p data-path-to-node="5"><b data-path-to-node="5" data-index-in-node="0">যেভাবে পাওয়া যাবে এই ফ্রি ভিসা ও সুবিধা:</b> এই ফেস্টিভ্যালে অংশ নিতে আগ্রহী বিশ্বের ১৯১টি দেশের যুব প্রতিনিধিদের প্রথমে রাশিয়ার যুববিষয়ক কেন্দ্রীয় সংস্থা ‘রোসমোলোডেজ’-এর আওতাধীন ওয়ার্ল্ড ইয়ুথ ফেস্টিভ্যাল ডিরেক্টরেটের অফিসিয়াল প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আবেদন করে নির্বাচিত হতে হবে। ডিরেক্টরেট থেকে অফিসিয়াল আমন্ত্রণপত্র বা ইনভাইটেশন লেটার পাওয়ার পর অংশগ্রহণকারীরা নিজ নিজ দেশে অবস্থিত রুশ দূতাবাসে ভিসার জন্য আবেদন করবেন।</p>
<p data-path-to-node="5">আমন্ত্রিতদের তালিকা আগে থেকেই পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও দূতাবাসগুলোতে পাঠানো থাকবে, যার ভিত্তিতে কোনো ফি ছাড়াই ভিসা ইস্যু করা হবে। ৫ হাজার নির্বাচিত আন্তর্জাতিক যুব প্রতিনিধির পাশাপাশি শতাধিক অতিথি, বিদেশি সাংবাদিক, ব্লগার ও সোশ্যাল মিডিয়া কনটেন্ট ক্রিয়েটররাও এই প্রক্রিয়ায় বিনামূল্যে ভিসা পাবেন। এছাড়া, যুব প্রতিনিধিদের মাঝে যারা আয়োজকদের সম্পূর্ণ অর্থায়নে (Fully Funded) নির্বাচিত হবেন, তাদের উড়োজাহাজ টিকিট, অভ্যন্তরীণ ভ্রমণ, হোটেল আবাসন এবং খাওয়ার সমস্ত ব্যয়ভার বহন করবে ইয়ুথ ফেস্টিভ্যাল ডিরেক্টরেট।</p>
<p data-block-key="0vltj">এর আগে গত বছর অনুষ্ঠিত ‘ওয়ার্ল্ড ইয়ুথ ফেস্টিভ্যাল অ্যাসেম্বলি ২০২৫’ এর অংশগ্রহণকারীদেরকেও ফি দিয়ে রাশিয়ার ভিসা নিতে হয়েছিল। তাই এবারের আয়োজনের ভিসা ফি মওকুফের সিদ্ধান্ত অংশগ্রহণকারীদের আনন্দ আরও বাড়িয়ে দিলো।</p>
<p data-path-to-node="6">/<span style="text-decoration: underline;"><strong>/ডিবিটেক/এসএসএপি/ইকে/</strong></span>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বিশ্ববিদ্যালয়&#45;শিল্পখাত সংযোগে এপ্রেন্টিসশিপ ও ইন্টার্নশিপ বাড়াবে ইউজিসি</title>
<link>https://digibanglatech.news/180831</link>
<guid>https://digibanglatech.news/180831</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p&gt;উচ্চশিক্ষাকে আরও কর্মমুখী ও বাস্তবভিত্তিক করতে বিশ্ববিদ্যালয় ও শিল্পখাতের মধ্যে সহযোগিতা জোরদারের উদ্যোগ নিয়েছে ইউজিসি। বিভাগীয় শহরভিত্তিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে এপ্রেন্টিসশিপ, ইন্টার্নশিপ এবং শিল্প-একাডেমিয়া অংশীদারিত্ব বাড়ানোর পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ-আল-মামুন।&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202606/image_870x580_6a33fdd627d73.jpg" length="71071" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 18 Jun 2026 19:22:23 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>দেশের উচ্চশিক্ষাকে কর্মমুখী করতে বিশ্ববিদ্যালয়-শিল্পখাত সহযোগিতা, এপ্রেন্টিসশিপ ও ইন্টার্নশিপ বাড়ানোর উদ্যোগের কথা জানিয়েছে ইউজিসি। পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানান ইউজিসি সদস্য ড. আব্দুল্লাহ-আল-মামুন।</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>দেশের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও বাস্তবভিত্তিক ও কর্মমুখী করতে এপ্রেন্টিসশিপ, ইন্টার্নশিপ এবং শিল্প-একাডেমিয়া সহযোগিতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি)-এর সদস্য অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ-আল-মামুন।</p>
<p>তিনি বলেন, বিভাগীয় শহরগুলোতে অবস্থিত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে স্থানীয় শিল্প ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের কার্যকর সম্পর্ক গড়ে তোলার মাধ্যমে এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হবে। এর ফলে শিক্ষার্থীরা হাতে-কলমে শিক্ষা ও বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পাবে, যা তাদের কর্মজীবনে প্রবেশকে আরও সহজ করবে।</p>
<p>১৮ জুন, বৃহস্পতিবার পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়-এ আয়োজিত ‘শিক্ষা-শিল্পের ঐকতান, কর্মসংস্থানের সমাধান’ শীর্ষক মুক্ত আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।</p>
<p>বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত মোহা. শামীম-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ আলোচনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়-এর উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. এ কে এম মতিনুর রহমান।</p>
<p>ড. আব্দুল্লাহ-আল-মামুন বলেন, উদ্ভাবন, গবেষণা এবং দক্ষ মানবসম্পদ গঠনে সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। এ লক্ষ্য অর্জনে বিশ্ববিদ্যালয় ও শিল্পখাতের মধ্যে কার্যকর অংশীদারিত্ব গড়ে তোলা প্রয়োজন। তিনি শিক্ষার্থীদের দক্ষতা অর্জন, গবেষণামুখী চিন্তা এবং নতুন জ্ঞান অনুসন্ধানে আগ্রহী হওয়ার আহ্বান জানান।</p>
<p>শিক্ষাক্ষেত্রে সামাজিক ও ভৌগোলিক বৈষম্য দূর করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন ইউজিসির এ সদস্য। তিনি বলেন, শিক্ষা কোনো নির্দিষ্ট শ্রেণির একচেটিয়া অধিকার নয়। ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে সবার জন্য মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি অনগ্রসর অঞ্চলের মানুষের দোরগোড়ায় শিক্ষার সুযোগ পৌঁছে দেওয়া এবং সুপ্ত প্রতিভা বিকাশে সহায়ক পরিবেশ তৈরিতে ইউজিসি কাজ করবে।</p>
<p>সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত মোহা. শামীম বলেন, শিক্ষা ও শিল্পখাতের মধ্যকার বিদ্যমান ব্যবধান কমিয়ে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা সম্ভব। তিনি মনে করেন, বাস্তবমুখী শিক্ষা ব্যবস্থার বিকাশই বেকারত্ব সমস্যা মোকাবিলার অন্যতম কার্যকর উপায়।</p>
<p>অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। শিক্ষা ও শিল্পখাতের মধ্যে সেতুবন্ধন গড়ে তুলে কর্মসংস্থান বৃদ্ধির উপায় নিয়ে তারা মতবিনিময় করেন।</p>
<p>/<span style="text-decoration: underline;"><strong>/ডিবিটেক/এমজেডআর/ইকে/</strong></span>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ওয়েবিনার দিয়ে শুরু সিটিসি গ্র্যান্টস ২০২৬ আবেদন</title>
<link>https://digibanglatech.news/180714</link>
<guid>https://digibanglatech.news/180714</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p data-start=&quot;178&quot; data-end=&quot;431&quot;&gt;বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের শিল্পী, সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং সৃজনশীল পেশাজীবীদের যৌথ উদ্যোগে অনুদান দিতে ‘কানেকশনস থ্রু কালচার (সিটিসি) গ্র্যান্টস ২০২৬’-এর আবেদন আহ্বান করেছে ব্রিটিশ কাউন্সিল। আবেদন প্রক্রিয়া সহজ করতে চারটি তথ্যভিত্তিক ওয়েবিনারের আয়োজন করা হবে।&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202606/image_870x580_6a32fc07bdae5.jpg" length="63792" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 17 Jun 2026 20:57:12 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>ব্রিটিশ কাউন্সিলের কানেকশনস থ্রু কালচার (সিটিসি) গ্র্যান্টস ২০২৬-এর আবেদন শুরু। বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্যের যৌথ সৃজনশীল প্রকল্পের জন্য পাওয়া যাবে সর্বোচ্চ ২৪.৪৫ লাখ টাকা অনুদান। আবেদন শেষ ১৩ আগস্ট ২০২৬।</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-start="909" data-end="1279">আবেদনকারীদের প্রস্তুত করতে ধারাবাহিক চারটি তথ্যভিত্তিক ওয়েবিনারের আয়োজনের ঘোষণা দিয়ে ‘কানেকশনস থ্রু কালচার (সিটিসি) গ্র্যান্টস ২০২৬’-এর আবেদন গ্রহণ শুরু করেছে ব্রিটিশ কাউন্সিল। বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের শিল্পী, সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং সৃজনশীল পেশাজীবীদের মধ্যে যৌথ উদ্যোগ, আন্তসাংস্কৃতিক বিনিময় এবং দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্ব গড়ে তোলাই এ কর্মসূচির মূল লক্ষ্য।</p>
<p data-start="1281" data-end="1495">ব্রিটিশ কাউন্সিল জানিয়েছে, ২০২৬ সালের অনুদান কর্মসূচির শর্তাবলি, আবেদন প্রক্রিয়া এবং প্রতিযোগিতামূলক আবেদন তৈরির কৌশল তুলে ধরতে চারটি বিশেষ ওয়েবিনার অনুষ্ঠিত হবে। আগ্রহীদের <strong><a href="https://shorturl.at/TE7RK" target="_blank" rel="noopener">নিবন্ধনের </a></strong>মাধ্যমে এসব সেশনে অংশ নিতে হবে।</p>
<p data-start="1497" data-end="1948">এ বিষয়ে ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর স্টিফেন ফোর্বস বলেন, “আন্তসাংস্কৃতিক বিনিময়ের ফলে শক্তিশালী ইতিবাচক পরিবর্তনের প্রভাবের প্রতি গভীর বিশ্বাস থেকেই ব্রিটিশ কাউন্সিল তার কার্যক্রম পরিচালনা করে। ‘কানেকশনস থ্রু কালচার’ গ্র্যান্টস শিল্পী ও সৃজনশীল পেশাজীবীদের একসঙ্গে কাজ করার এবং নতুন কিছু তৈরি করার সুযোগ করে দেয়। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের শিল্প ও সংস্কৃতি খাতের মানুষের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি ও অর্থবহ সহযোগিতার সম্পর্ক গড়ে ওঠে।”</p>
<p data-start="1950" data-end="2190">ব্রিটিশ কাউন্সিলের ফ্ল্যাগশিপ উদ্যোগ ‘কানেকশনস থ্রু কালচার (সিটিসি) গ্র্যান্টস’ বিশ্বের ৩৫টি অংশগ্রহণকারী দেশের সৃজনশীল খাতের ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের মধ্যে যৌথ সৃজনশীল উদ্যোগ ও প্রাতিষ্ঠানিক অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে সিড ফান্ড অনুদান প্রদান করে।</p>
<p data-start="2192" data-end="2303">গত বছর এ কর্মসূচির আওতায় বিশ্বের ১৯টি দেশে ১২৭টি প্রকল্প অনুদান পেয়েছিল। এর মধ্যে বাংলাদেশের সাতটি প্রকল্প ছিল।</p>
<p data-start="2305" data-end="2598">২০২৬ সালের এ কর্মসূচিতে সৃজনশীল পেশাজীবী, শিল্পী, সাংস্কৃতিক কর্মী, ক্রিয়েটিভ হাব, বিভিন্ন উৎসব, বিয়েনাল এবং সাংস্কৃতিক সংগঠন আবেদন করতে পারবে। আবেদনকারী প্রকল্পে যুক্তরাজ্যভিত্তিক অন্তত একজন অংশীদার এবং বাংলাদেশসহ অংশগ্রহণকারী কোনো দেশে আইনগতভাবে প্রতিষ্ঠিত একটি অংশীদার প্রতিষ্ঠান থাকতে হবে।</p>
<p data-start="2600" data-end="2792">ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, জেনারেল ওয়েবিনার সেশন অনুষ্ঠিত হবে ৩০ জুন ২০২৬ বাংলাদেশ সময় দুপুর ১টা থেকে আড়াইটা এবং রাত ৮টা থেকে সাড়ে ৯টা পর্যন্ত। এসব অধিবেশনে ব্রিটিশ ইশারা ভাষার (বিএসএল) সুবিধা থাকবে।</p>
<p data-start="2794" data-end="3130">এ ছাড়া ১ জুলাই বিকেল ৩টা থেকে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত আয়োজিত বিশেষ সেশনে ভিজ্যুয়াল আর্টস, স্থাপত্য, ডিজাইন, ফ্যাশন, কারুশিল্পভিত্তিক উৎসব এবং বিয়েনাল নিয়ে আলোচনা হবে। একই দিন রাত ৮টা থেকে সাড়ে ৯টা পর্যন্ত আরেকটি সেশনে ডিজিটাল আর্টস, এক্সটেন্ডেড রিয়েলিটি (এক্সআর), ইমারসিভ এক্সপেরিয়েন্স, গেমিং এবং সৃজনশীল শিল্পখাতের নতুন সম্ভাবনা তুলে ধরা হবে।</p>
<p data-start="3132" data-end="3473">বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের যৌথ সৃজনশীল উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত আবেদনকারীরা এ কর্মসূচির আওতায় সর্বোচ্চ ২৪ লাখ ৪৫ হাজার টাকা পর্যন্ত অনুদানের জন্য আবেদন করতে পারবেন। যৌথভাবে বাস্তবায়িত প্রকল্প, রেসিডেন্সি, গবেষণা ও উন্নয়ন, প্রদর্শনী, পরিবেশনা, জনসম্পৃক্ত কর্মসূচি এবং আন্তর্জাতিক সাংস্কৃতিক বিনিময়ভিত্তিক উদ্যোগগুলো এ অনুদানের আওতায় অন্তর্ভুক্ত হবে।</p>
<p data-start="3475" data-end="3733">আবেদনকারীদের জন্য ২০২৬ সালের আবেদন টুলকিট, নমুনা আবেদনপত্র এবং বহুল জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলি (এফএকিউ) ব্রিটিশ কাউন্সিলের ওয়েবসাইটে উন্মুক্ত করা হয়েছে। সিটিসি গ্র্যান্টস ২০২৬-এর জন্য আবেদনের শেষ সময় আগামী ১৩ আগস্ট ২০২৬, বৃহস্পতিবার, বাংলাদেশ সময় ভোর ৪টা ৫৯ মিনিট। </p>
<p data-start="3475" data-end="3733">/<span style="text-decoration: underline;"><strong>/ডিবিটেক/এমআর/ইকে/</strong></span>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>আইইবি প্রতিযোগিতায় সেরা ব্র্যাকইউর ‘ডুবোমিনি’</title>
<link>https://digibanglatech.news/180716</link>
<guid>https://digibanglatech.news/180716</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p data-start=&quot;179&quot; data-end=&quot;462&quot;&gt;ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি) আয়োজিত প্রজেক্ট শোকেসিং কম্পিটিশন ২০২৬-এ সেরা প্রকল্পের পুরস্কার পেয়েছে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির রোবোটিকস দল ব্র্যাকইউ ডুবুরির স্বয়ংক্রিয় ডুবোযান ‘ডুবোমিনি’। পানির নিচে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করতে সক্ষম এই উদ্ভাবনী প্রযুক্তি বিচারকদের মুগ্ধ করেছে।&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202606/image_870x580_6a32fe597b25b.jpg" length="110636" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 17 Jun 2026 20:14:17 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>আইইবি প্রজেক্ট শোকেসিং কম্পিটিশন ২০২৬-এ সেরা প্রকল্পের পুরস্কার জিতেছে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির স্বয়ংক্রিয় ডুবোযান ‘ডুবোমিনি’। পানির নিচে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালিত এই রোবট গবেষণা ও উদ্ভাবনে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করছে।</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-start="915" data-end="1236">পানির নিচের অজানা জগত অন্বেষণে তৈরি এক ক্ষুদ্র রোবটচালিত ডুবোযান এনে দিল বড় স্বীকৃতি। ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের রোবোটিকস দল ‘ব্র্যাকইউ ডুবুরি’র উদ্ভাবিত স্বয়ংক্রিয় ডুবোযান <strong data-start="1097" data-end="1111">‘ডুবোমিনি’</strong> ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি) আয়োজিত<strong> </strong>প্রজেক্ট শোকেসিং কম্পিটিশন ২০২৬-এ সেরা প্রকল্পের পুরস্কার অর্জন করেছে।</p>
<p data-start="1238" data-end="1508">সম্প্রতি রাজধানীর রমনায় আইইবি সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত এ প্রতিযোগিতায় দেশের বিভিন্ন শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা নিজেদের উদ্ভাবনী প্রকল্প উপস্থাপন করেন। প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের গবেষণা, নকশা ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা তুলে ধরার লক্ষ্যে আয়োজন করা হয় এই প্রতিযোগিতার।</p>
<table border="1" style="border-collapse: collapse; width: 96.875%; height: 753px;"><colgroup><col style="width: 32.2496%;"><col style="width: 67.7243%;"></colgroup>
<tbody>
<tr style="height: 718px;">
<td style="height: 718px;">
<p data-start="1510" data-end="1808">প্রতিযোগিতায় ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির প্রতিনিধিত্ব করে ব্র্যাকইউ ডুবুরি দল। ২০১৭ সাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়টি শিক্ষার্থীদের উন্নত গবেষণা এবং বাস্তব জীবনে ব্যবহারযোগ্য ডুবো রোবট তৈরিতে সহায়তা করে আসছে। সেই ধারাবাহিকতায় তৈরি হয়েছে ‘ডুবোমিনি’, যা পানির নিচে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করতে সক্ষম একটি আধুনিক ডুবোযান।</p>
<p data-start="1810" data-end="2008">ছোট আকারের এই রোবটচালিত ডুবোযান একজন দক্ষ সাঁতারুর মতো পানির নিচে বিভিন্ন দিকে চলাচল করতে এবং ঘুরতে পারে। সংকীর্ণ স্থানেও সহজে চলাচলের সক্ষমতা থাকায় এটি নির্ভুলভাবে নানা ধরনের কাজ সম্পন্ন করতে পারে।</p>
<p data-start="2010" data-end="2265">ডুবোমিনি পরিচালিত হয় ব্যাটারিচালিত একটি স্মার্ট পাওয়ার সিস্টেমের মাধ্যমে। এতে মোটর ও অনবোর্ড কম্পিউটারের জন্য আলাদা বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা রয়েছে। ফলে কোনো একটি অংশে বিদ্যুৎ বিভ্রাট হলেও অন্য অংশের কার্যক্রম সচল থাকে, যা ডুবোযানটির নির্ভরযোগ্যতা বাড়িয়েছে।</p>
<p data-start="2267" data-end="2654">ক্যামেরা ও বিভিন্ন সেন্সরের সাহায্যে এটি পানির গভীরতা, চলার দিক এবং আশপাশের পরিবেশ সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করে। এর নিজস্ব সফটওয়্যার পরিবেশ বিশ্লেষণ করে বাধা ও নির্দিষ্ট বস্তু শনাক্ত করতে পারে। শুধু তা-ই নয়, সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপও নিজেই নির্ধারণ করতে পারে ডুবোমিনি। প্রযুক্তিবিদদের মতে, এর কার্যপ্রণালি অনেকটা স্বয়ংচালিত গাড়ির মতো, যা চারপাশের পরিস্থিতি বুঝে সিদ্ধান্ত নেয়।</p>
<p data-start="2656" data-end="2976">এই সক্ষমতার কারণে ডুবোমিনি পানির নিচে গেট অতিক্রম, প্রতিবন্ধকতা এড়িয়ে চলা এবং নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তু শনাক্ত করার মতো জটিল কাজ প্রায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পন্ন করতে পারে। ভবিষ্যতে গবেষণা, সামুদ্রিক পর্যবেক্ষণ, অবকাঠামো পরিদর্শন এবং উদ্ধার অভিযানের মতো ক্ষেত্রেও এ ধরনের প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়তে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।</p>
<p data-start="2978" data-end="3262"></p>
</td>
<td style="height: 718px;">
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202606/image_870x_6a32ff250dfbf.jpg" alt="" width="708" height="651"></p>
<p></p>
</td>
</tr>
</tbody>
</table>
<div class="qMYqUG_convSearchResultHighlightRoot">
<div class="" data-turn-id-container="request-6a313ac2-7f14-83e8-99a0-0a80b6bdbae9-4" data-is-intersecting="true">
<section class="text-token-text-primary w-full focus:outline-none has-data-writing-block:pointer-events-none [&amp;:has([data-writing-block])&gt;*]:pointer-events-auto R6Vx5W_threadScrollVars scroll-mb-[calc(var(--scroll-root-safe-area-inset-bottom,0px)+var(--thread-response-height))] scroll-mt-[calc(var(--header-height)+min(200px,max(70px,20svh)))]" dir="auto" data-turn-id="request-6a313ac2-7f14-83e8-99a0-0a80b6bdbae9-4" data-turn-id-container="request-6a313ac2-7f14-83e8-99a0-0a80b6bdbae9-4" data-testid="conversation-turn-6" data-turn="assistant">
<div class="text-base my-auto mx-auto pb-10 [--thread-content-margin:var(--thread-content-margin-xs,calc(var(--spacing)*4))] @w-sm/main:[--thread-content-margin:var(--thread-content-margin-sm,calc(var(--spacing)*6))] @w-lg/main:[--thread-content-margin:var(--thread-content-margin-lg,calc(var(--spacing)*16))] px-(--thread-content-margin)">
<div data-conversation-screenshot-content="" class="[--thread-content-max-width:40rem] @w-lg/main:[--thread-content-max-width:48rem] mx-auto max-w-(--thread-content-max-width) flex-1 group/turn-messages focus-visible:outline-hidden relative flex w-full min-w-0 flex-col agent-turn">
<div class="flex max-w-full flex-col gap-4 grow">
<div data-message-author-role="assistant" data-message-id="4e0ec1af-5f97-4d14-b390-ebaae5a4ab11" dir="auto" data-message-model-slug="gpt-5-5" class="min-h-8 text-message relative flex w-full flex-col items-end gap-2 text-start break-words whitespace-normal outline-none keyboard-focused:focus-ring [.text-message+&amp;]:mt-1" data-turn-start-message="true" tabindex="0">
<div class="flex w-full flex-col gap-1 empty:hidden">
<div class="markdown prose dark:prose-invert wrap-break-word w-full light markdown-new-styling">
<p data-start="2978" data-end="3262">ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি জানিয়েছে, এ অর্জন জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) বাস্তবায়নে তাদের অঙ্গীকারেরই প্রতিফলন। বিশেষ করে মানসম্মত শিক্ষা (এসডিজি-৪), শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো (এসডিজি-৯) এবং লক্ষ্য অর্জনে অংশীদারত্ব (এসডিজি-১৭) বাস্তবায়নের সঙ্গে এই উদ্যোগ সরাসরি সম্পর্কিত।</p>
<p data-start="3264" data-end="3442" data-is-last-node="" data-is-only-node="">ডুবোমিনির এই সাফল্য শুধু একটি প্রতিযোগিতায় পুরস্কার জয়ের ঘটনা নয়; বরং দেশের তরুণ প্রকৌশলীদের উদ্ভাবনী সক্ষমতা এবং গবেষণাভিত্তিক প্রযুক্তি উন্নয়নের সম্ভাবনারও একটি উজ্জ্বল উদাহরণ।</p>
<p data-start="3264" data-end="3442" data-is-last-node="" data-is-only-node="">/<span style="text-decoration: underline;"><strong>/ডিবিটেক/এফএসবি/এমআই/</strong></span>/</p>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</section>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>প্রযুক্তিগত নির্যাতনের শিকার অনেকেই সহায়তা চান না</title>
<link>https://digibanglatech.news/180655</link>
<guid>https://digibanglatech.news/180655</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p&gt;ক্যাসপারস্কির গবেষণায় দেখা গেছে, প্রযুক্তিনির্ভর হয়রানি ও নির্যাতনের শিকার ২২ শতাংশ ভুক্তভোগী কোনো সহায়তা চান না। গবেষণাটি ডিজিটাল নির্যাতনের দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেছে।&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202606/image_870x580_6a3297b07d4ae.jpg" length="43112" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 17 Jun 2026 15:49:14 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>ক্যাসপারস্কি, প্রযুক্তিগত নির্যাতন, সাইবার হয়রানি, ডিজিটাল নিরাপত্তা, অনলাইন নির্যাতন, স্টকারওয়্যার, সাইবার সুরক্ষা</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>প্রযুক্তির মাধ্যমে হয়রানি, নজরদারি বা নির্যাতনের শিকার হলেও অনেক ভুক্তভোগী কোনো ধরনের সহায়তা বা সমর্থন চান না বলে জানিয়েছে বৈশ্বিক সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান ক্যাসপারস্কি। প্রতিষ্ঠানটির এক গবেষণায় দেখা গেছে, প্রযুক্তিনির্ভর নির্যাতনের মানসিক ও সামাজিক প্রভাব সম্পর্কে মানুষের সচেতনতা থাকলেও এর দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক ও শারীরিক প্রভাব সম্পর্কে অনেকের ধারণা সীমিত।</p>
<p>১৯টি দেশের ৭ হাজার ৬০০ জনের ওপর পরিচালিত গবেষণায় দেখা যায়, অংশগ্রহণকারীদের ৭৯ শতাংশ প্রযুক্তিনির্ভর নির্যাতনের মানসিক প্রভাব এবং ৭৩ শতাংশ সামাজিক প্রভাব সম্পর্কে সচেতন। তবে মাত্র ৫৫ শতাংশ এর অর্থনৈতিক ক্ষতি এবং ৫১ শতাংশ শারীরিক নিরাপত্তার ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতনতা দেখিয়েছেন।</p>
<p>গবেষণায় ভুক্তভোগীদের অভিজ্ঞতা বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ৪২ শতাংশ ব্যক্তি এ ধরনের ঘটনার পর অনলাইনে আরও সতর্ক হয়ে যান। ১৭ শতাংশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা অন্যান্য অনলাইন কার্যক্রম কমিয়ে দেন। ১১ শতাংশ অন্যদের সঙ্গে যোগাযোগ সীমিত করেন এবং ১০ শতাংশ ব্যক্তিগত সম্পর্কের ইতি টানেন।</p>
<p>এছাড়া ৪ শতাংশ ভুক্তভোগী চাকরি হারানোর এবং ৩ শতাংশ পড়াশোনা বন্ধ করে দেওয়ার মতো পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছেন বলে গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে।</p>
<p>তবে সবচেয়ে উদ্বেগজনক তথ্য হলো, ২২ শতাংশ ভুক্তভোগী কোনো ধরনের পদক্ষেপই নেননি। বয়স্ক অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে এ হার প্রায় ৩৭ শতাংশ। একইভাবে অনেক প্রত্যক্ষদর্শীও সহায়তায় এগিয়ে আসেননি। ৩২ শতাংশ জানিয়েছেন, কীভাবে সাহায্য করতে হবে তা তারা জানতেন না এবং ২৩ শতাংশ নিশ্চিত ছিলেন না যে তাদের হস্তক্ষেপ করা উচিত কি না।</p>
<p>ক্যাসপারস্কির গ্লোবাল রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস টিমের (GReAT) লিড সিকিউরিটি রিসার্চার তাতিয়ানা শিশকোভা বলেন, মানুষ ডিজিটাল নির্যাতনের মানসিক ক্ষতির বিষয়টি বুঝতে পারলেও এর প্রভাব কর্মজীবন, শিক্ষা ও ব্যক্তিগত সম্পর্কেও পড়তে পারে—এ বিষয়টি অনেক সময় উপলব্ধি করা হয় না। তিনি বলেন, অনেক ভুক্তভোগী জানেন না কোথায় বা কীভাবে সহায়তা চাইতে হবে। তাই সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সহজলভ্য সহায়তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা জরুরি।</p>
<p>ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনের (ইউসিএল) কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর এবং জেন্ডার অ্যান্ড টেক রিসার্চ ল্যাবের প্রধান ড. লিওনি মারিয়া ট্যানজার বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর নির্যাতনের ক্ষেত্রে সমস্যাটি চিহ্নিত করা এবং কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার মধ্যে এখনো বড় ব্যবধান রয়েছে। অনেক সময় অনলাইন হয়রানিকে যথেষ্ট গুরুত্ব দেওয়া হয় না, যদিও এর প্রভাব বাস্তব জীবনে গভীর হতে পারে।</p>
<p>প্রযুক্তিনির্ভর নির্যাতন থেকে সুরক্ষার জন্য ব্যবহারকারীদের সতর্ক সংকেত দ্রুত শনাক্ত করার পরামর্শ দিয়েছে ক্যাসপারস্কি। পাশাপাশি ঘটনার প্রমাণ সংরক্ষণ, শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার, দ্বি-স্তরীয় নিরাপত্তা যাচাইকরণ (টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন বা 2FA) চালু রাখা এবং অপ্রয়োজনীয়ভাবে অন্যের সঙ্গে ডিভাইস বা অ্যাকাউন্টের প্রবেশাধিকার শেয়ার না করার সুপারিশ করেছে প্রতিষ্ঠানটি।</p>
<p>এছাড়া নির্ভরযোগ্য নিরাপত্তা সফটওয়্যার ব্যবহার, বিশ্বস্ত ব্যক্তি বা পেশাদার সহায়তা নেওয়া এবং ডিজিটাল ঝুঁকি সম্পর্কে নিয়মিত সচেতন থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ক্যাসপারস্কি সাইবার স্টকিং ও অনলাইন নির্যাতন মোকাবিলায় গঠিত আন্তর্জাতিক জোট ‘কোয়ালিশন অ্যাগেইনস্ট স্টকারওয়্যার’-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতাও।</p>
<p>ডিবিটেক/সিএস/ইকে//</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বাংলাদেশের আত্মবিশ্বাস ও রূপান্তরের নতুন দিগন্ত</title>
<link>https://digibanglatech.news/180576</link>
<guid>https://digibanglatech.news/180576</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p data-path-to-node=&quot;8&quot;&gt;BSIA সিলিকন রিভার ইউএসএ রোডশো ২০২৬-এর অভিজ্ঞতা থেকে সেমিকন্ডাক্টর ও প্রযুক্তি খাতে বাংলাদেশের সম্ভাবনা, তরুণদের করণীয় এবং একটি আত্মবিশ্বাসী জাতি গঠনের রূপরেখা নিয়ে ড. মুহাম্মদ মুস্তাফা হুসেইনের বিশেষ বিশ্লেষণ।&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202606/image_870x580_6a322542bc914.jpg" length="136116" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 17 Jun 2026 07:35:47 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>সিলিকন রিভার রোডশো ২০২৬, সেমিকন্ডাক্টর বাংলাদেশ, ড. মুহাম্মদ মুস্তাফা হুসেইন, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন, বাংলাদেশি তরুণদের দক্ষতা, BSIA রোডশো।</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="15">দুই সপ্তাহ আগে আমরা শুরু করেছিলাম BSIA Silicon River USA Roadshow 202<b data-path-to-node="15" data-index-in-node="34">6</b>। আজ যখন এই যাত্রার দিকে ফিরে তাকাই, তখন আমার কাছে সবচেয়ে বড় অর্জন কোনো একটি বৈঠক, কোনো একটি কোম্পানি, কোনো একটি ছবি বা কোনো একটি চুক্তি নয়। আলহামদুলিল্লাহ, সবচেয়ে বড় অর্জন হলো একটি গভীর উপলব্ধি: ইনশাআল্লাহ বাংলাদেশ পারবে, যদি বাংলাদেশ নিজেকে বিশ্বাস করতে শেখে।</p>
<p data-path-to-node="16">অস্টিন, ফিনিক্স, ফলসম, সিলিকন ভ্যালি এবং ওরেগনে আমরা বিশ্বের শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান, বিশ্ববিদ্যালয়, উদ্যোক্তা, বিনিয়োগকারী এবং শত শত প্রবাসী বাংলাদেশি পেশাজীবীর সঙ্গে কথা বলেছি। আমরা AMD, NXP, TEL, Purdue University, Arizona State University, Cactus Materials, GlobalFoundries, UC Berkeley, SanDisk, Synopsys, Credo, ARM, Intel, YES এবং আরও অনেক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনা করেছি। হাজার হাজার বছরের সম্মিলিত অভিজ্ঞতাসম্পন্ন মানুষদের মধ্যে আমি একটি বিষয় বারবার দেখেছি: পৃথিবী কারও জন্য অপেক্ষা করে না। যারা স্বপ্ন দেখে, পরিকল্পনা করে এবং কাজ করে—ইনশাআল্লাহ তারাই ইতিহাস লেখে।</p>
<p data-path-to-node="18"><b data-path-to-node="18" data-index-in-node="0">অনেকে প্রশ্ন করেন, “বাংলাদেশ ছোট। আমরা কীভাবে পারব?”</b> আমি বলি, তাইওয়ানের দিকে তাকান। একটি ছোট দ্বীপ, সীমিত প্রাকৃতিক সম্পদ এবং সীমিত জনসংখ্যা। কিন্তু একটি সাহসী ধারণা, একটি স্পষ্ট কৌশল এবং কয়েক দশকের ধারাবাহিকতা তাদেরকে বিশ্বের অন্যতম প্রধান প্রযুক্তি শক্তিতে পরিণত করেছে। ইতিহাসের সবচেয়ে বড় পরিবর্তনগুলো কখনো বড় ভূখণ্ড দিয়ে শুরু হয়নি; শুরু হয়েছে বড় চিন্তা দিয়ে।</p>
<p data-path-to-node="19"><b data-path-to-node="19" data-index-in-node="0">অনেকে বলেন, “বাংলাদেশ তো একটি ব্যর্থ রাষ্ট্র। কেন এখানে কেউ বিনিয়োগ করবে?”</b> আমি এটিকে উল্টোভাবে দেখি। যদি সবকিছুই নিখুঁত হতো, তাহলে রূপান্তরের মূল্য কোথায়? আমি বিশ্বাস করি, বাংলাদেশের সফল রূপান্তর শুধু বাংলাদেশের গল্প হয়ে থাকবে না। এটি হবে পৃথিবীর কোটি কোটি তরুণের জন্য অনুপ্রেরণার গল্প, যারা প্রমাণ খুঁজছে যে—প্রকৃত পরিবর্তন সম্ভব।</p>
<p data-path-to-node="20"><b data-path-to-node="20" data-index-in-node="0">অনেকে প্রশ্ন করেন, “কেন আপনি?”</b> আমার উত্তর খুবই সহজ। আমি কোনো অলৌকিক ক্ষমতার অধিকারী ব্যক্তি নই। তবে আমি বিশ্বাস করি তিনটি গুণের একসঙ্গে থাকা বিরল: সততা, সক্ষমতা এবং নিরলস পরিশ্রম। এই তিনটির সমন্বয়ই শেষ পর্যন্ত কাঙ্ক্ষিত ফলাফল তৈরি করে।</p>
<p data-path-to-node="21"><b data-path-to-node="21" data-index-in-node="0">অনেকে বলেন, “কেন এখন?”</b> আমার উত্তর, “এটি আরও আগে হওয়া উচিত ছিল।” কিন্তু ইতিহাসে অনেক মহান যাত্রা দেরিতে শুরু হয়েছে। দেরি হওয়া মানেই ব্যর্থতা নয়, বরং শুরু না করাই আসল ব্যর্থতা।</p>
<p data-path-to-node="22"><b data-path-to-node="22" data-index-in-node="0">অনেকে বলেন, “অন্যরা কোথায়?”</b> আমার উত্তর, “আমাদের দরজা সবার জন্য খোলা।” এই যাত্রা কোনো ব্যক্তি, কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠান বা কোনো গোষ্ঠীর একার নয়। যে আসতে চায়, তার জন্য জায়গা আছে। কিন্তু কাউকে জোর করে টেনে আনা যায় না, স্বপ্ন চাপিয়ে দেওয়া যায় না। অংশগ্রহণ স্বেচ্ছায় হলেই তা অর্থবহ হয়।</p>
<p data-path-to-node="23"><b data-path-to-node="23" data-index-in-node="0">অনেকে বলেন, “বিদেশি কোম্পানি বাংলাদেশে কেন আসবে?”</b> কারণ প্রতিটি কোম্পানির নিজস্ব কৌশল, নিজস্ব লক্ষ্য এবং নিজস্ব ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা থাকে। বাংলাদেশের কাজ হলো তাদের প্রয়োজন বুঝে এমন একটি 'ভ্যালু প্রপোজিশন' বা মূল্য সংযোজনের প্রস্তাব দেওয়া, যা তাদের প্রত্যাশাকেও ছাড়িয়ে যায়। প্রতিযোগিতা শুধু খরচে হয় না, প্রতিযোগিতা হয় দৃষ্টিভঙ্গিতে। শুধু টাকা ছড়ালেই বড় প্রতিষ্ঠান আসবে না; কারণ যে কেবল টাকার গন্ধে আসে সে দুর্বল এবং বাজারে তার কোম্পানির প্রভাব কমে গেছে। তেমন হলে তো সৌদি আরবেই পুরো সিলিকন ভ্যালি স্থানান্তরিত হয়ে যেত।</p>
<p data-path-to-node="24"><b data-path-to-node="24" data-index-in-node="0">অনেকে বলেন, “বাংলাদেশ কি বিনিয়োগবান্ধব?”</b> আমার উত্তর, আমরা সেটি হতে পারি এবং আমাদের হতেই হবে। এর জন্য নিরাপত্তা, দক্ষ মানবসম্পদ এবং সততা নিশ্চিত করতে হবে। একটি উদ্ভাবনী জাতি হতে চাইলে এই তিনটির কোনো বিকল্প নেই।</p>
<p data-path-to-node="25"><b data-path-to-node="25" data-index-in-node="0">এখানে সরকারের ভূমিকা কী?</b> সরকারের কাজ ব্যবসা চালানো নয়। সরকারের কাজ হলো নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, সততা প্রতিষ্ঠা করা এবং দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা। বাকিটা দেশের সৃজনশীল জনগোষ্ঠীই সম্পন্ন করবে। সরকার মানে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত দল ও ব্যক্তিবর্গ—অর্থাৎ সবাই। তাদেরকে দেশের উন্নয়নে পূর্ণ মনোযোগ দিতে হবে এবং অযোগ্য, চাটুকার ও দুর্নীতিবাজদের (phony crony) বাদ দিতে হবে।</p>
<p data-path-to-node="26"><b data-path-to-node="26" data-index-in-node="0">বাংলাদেশের তরুণদের জন্য আমার আহ্বান:</b> মৌলিক জ্ঞানকে শক্তিশালী করুন। নতুন দক্ষতা অর্জন করুন। “কেন” এবং “কেন নয়” প্রশ্ন করতে শিখুন। কল্পনার পরিধি বাড়ান। সমস্যার অংশ না হয়ে, সমাধানের অংশ হতে শিখুন—উদ্ভাবক হন। দায়িত্ব ও জবাবদিহিতা গ্রহণ করতে শিখুন। সততা বজায় রাখুন। আত্মবিশ্বাসী হন, তবে বিনয়ী থাকুন। ব্যক্তি বা দলের অন্ধ আনুগত্যের জন্য নয়, নীতির জন্য লড়ুন। কারণ শেষ পর্যন্ত আমরা সবাই একই নৌকার যাত্রী।</p>
<p data-path-to-node="27"><b data-path-to-node="27" data-index-in-node="0">আর সংশয়বাদীদের জন্য একটি ছোট কথা:</b> যদি কোনো উদ্যোগে আপনার সময়, শ্রম, অর্থ বা বিশ্বাসের বিনিয়োগ না থাকে, তবে সেটিকে ধ্বংস করার চেষ্টা না করে আপনার নিজের স্বপ্নের পেছনে সময় দিন। পৃথিবীতে আলো বাড়ানোর সবচেয়ে ভালো উপায় অন্যের প্রদীপ নিভিয়ে দেওয়া নয়, বরং নিজের প্রদীপটি জ্বালানো।</p>
<p data-path-to-node="28">এই রোডশো আমাকে আরেকটি বড় শিক্ষা দিয়েছে—সেতু নির্মাণ করা কঠিন, কিন্তু দেয়াল নির্মাণ করা সহজ। আমরা সেতু নির্মাণের কঠিন পথটিই বেছে নিয়েছি।</p>
<p data-path-to-node="29">সবার প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা, যারা এই যাত্রায় পাশে ছিলেন—বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, বিশ্ববিদ্যালয়, শিল্পখাত, প্রবাসী সম্প্রদায়, BSIA সদস্যবৃন্দ, BRAINGAIN নেটওয়ার্ক, বাংলাদেশ সরকারের প্রতিনিধিরা এবং অসংখ্য নীরব অবদানকারী। আপনাদের সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি ধারণা ধীরে ধীরে একটি আন্দোলনে রূপ নিচ্ছে।</p>
<p data-path-to-node="30"><i data-path-to-node="30" data-index-in-node="0">Silicon River কোনো গন্তব্য নয়—এটি একটি যাত্রা। এবং সেই যাত্রা এখনই শুরু হয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ এবং ইনশাআল্লাহ।</i></p>
<hr>
<p data-path-to-node="33" style="text-align: justify;"><b data-path-to-node="33" data-index-in-node="0">ড. মুহাম্মদ মুস্তাফা হুসেইন</b> একজন বিশ্বখ্যাত ইলেকট্রনিক্স বিজ্ঞানী এবং যুক্তরাষ্ট্রের পারডু ইউনিভার্সিটির (Purdue University) ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক। বুয়েট থেকে স্নাতক শেষ করে তিনি ইউনিভার্সিটি অফ সাউদার্ন ক্যালিফোর্নিয়া ও ইউনিভার্সিটি অফ টেক্সাস অ্যাট অস্টিন থেকে উচ্চতর ডিগ্রি ও পিএইচডি সম্পন্ন করেন। পেশাগত জীবনে তিনি টেক্সাস ইনস্ট্রুমেন্টস, সেমাটেক (SEMATECH) এবং কাউস্ট (KAUST)-এর মতো স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানে কাজ করেছেন। আধুনিক সেমিকন্ডাক্টর ও ফ্লেক্সিবল ইলেকট্রনিক্স প্রযুক্তিতে যুগান্তকারী অবদানের জন্য তিনি IEEE, APS ও IOP-এর ফেলো নির্বাচিত হন। তার উদ্ভাবন বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে "Scientific American Top 10 World Changing Ideas" এবং এডিসন গোল্ড অ্যাওয়ার্ডসহ অসংখ্য আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি লাভ করেছে।</p>
<hr>
<p data-path-to-node="33"></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের গণিত ও বিজ্ঞান অলিম্পিয়াডের নিবন্ধন শুরু</title>
<link>https://digibanglatech.news/180540</link>
<guid>https://digibanglatech.news/180540</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p&gt;শুরু হলো বাংলাদেশ গণিত ও বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড (BdMSO) ২০২৬-এর নিবন্ধন। এর মাধ্যমে ইন্দোনেশিয়ায় অনুষ্ঠেয় ২৩-তম আন্তর্জাতিক অলিম্পিয়াডের (IMSO) জন্য বাংলাদেশ জাতীয় দল নির্বাচন করা হবে।&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202606/image_870x580_6a3166a67ca50.jpg" length="131749" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 16 Jun 2026 20:07:33 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>#BdMSO2026 #IMSO2026 #MathAndScienceOlympia #PrimaryEducation #SPSB #BdOSN</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="2">প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য দেশের সবচেয়ে বড় মেধা যাচাইয়ের আসর 'বাংলাদেশ গণিত ও বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড (BdMSO) ২০২৬'-এর নিবন্ধন শুরু হয়েছে। সোসাইটি ফর দ্য পপুলাইজেশন অব সায়েন্স, বাংলাদেশ (এসপিএসবি) এবং বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্ক (বিডিওএসএন) যৌথভাবে এই অলিম্পিয়াডের আয়োজন করছে।</p>
<p data-path-to-node="2">এই প্রতিযোগিতার মাধ্যমেই আগামী ২ থেকে ৭ অক্টোবর ইন্দোনেশিয়ায় অনুষ্ঠিতব্য ২৩-তম আন্তর্জাতিক গণিত ও বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড (IMSO 2026)-এর জন্য ১২ সদস্যের বাংলাদেশ জাতীয় দল নির্বাচন করা হবে।</p>
<p data-path-to-node="3">অলিম্পিয়াডে অংশ নিতে শিক্ষার্থীদের বয়স অনূর্ধ্ব ১৩ বছর (জন্ম ১ অক্টোবর, ২০১৩-এর পর) এবং সর্বোচ্চ ষষ্ঠ শ্রেণী বা তার নিচে অধ্যয়নরত হতে হবে। তবে ইংরেজি মাধ্যমের যেসব শিক্ষার্থী জুলাই/আগস্ট ২০২৬-এ সপ্তম শ্রেণীতে উত্তীর্ণ হবে, তারা অংশ নিতে পারবে না। প্রতিযোগিতাটি দুটি ক্যাটাগরিতে হবে— অলিম্পিয়াড ক্যাটাগরি (সর্বোচ্চ ষষ্ঠ শ্রেণী) এবং ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের জন্য কুইজ ক্যাটাগরি (তৃতীয় শ্রেণী বা তার নিচে)।</p>
<p data-path-to-node="4">আগামী জুলাই মাসে ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট ও রংপুরে একযোগে জাতীয় পর্ব অনুষ্ঠিত হবে। ইংরেজি মাধ্যমে ১২০ মিনিটের এই পরীক্ষা শেষে বিজয়ীদের নিয়ে ৩ দিনের একটি জাতীয় আবাসিক ক্যাম্প করা হবে। এরপর চূড়ান্ত পরীক্ষার মাধ্যমে গণিত ও বিজ্ঞানের জন্য ৬ জন করে মোট ১২ জনের জাতীয় দল গঠন করা হবে। গত বছর মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিত ২২-তম আইএমএসও-তে বাংলাদেশের ১২ জন শিক্ষার্থীর সবাই পদক (২টি রৌপ্য ও ১০টি ব্রোঞ্জ) জিতে শতভাগ সফলতা অর্জন করেছিল।</p>
<p data-path-to-node="4">বিডিওএসএন এবং এসপিএসবির সভাপতি মুনির হাসান বলেন, "আমাদের লক্ষ্য কেবল মুখস্থ বিদ্যা নয়, বরং খুদে শিক্ষার্থীদের মাঝে গণিত ও বিজ্ঞানের আনন্দ ছড়িয়ে দেওয়া এবং যৌক্তিক চিন্তা করার সক্ষমতা বাড়ানো।" আগ্রহী শিক্ষার্থীরা জুন মাস জুড়ে<a href="https://digibanglatech.news/admin/bdmso.org" target="_blank" rel="noopener"> bdmso.org </a>ওয়েবসাইটে গিয়ে নিবন্ধন করতে পারবে।</p>
<p data-path-to-node="8">/<span style="text-decoration: underline;"><strong>/ডিবিটেক/টিআর/ইকে/</strong></span>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ডা. জাহেদ উর রহমানকে নিয়ে ভাইরাল উক্তি ও ছবি ভুয়া: ফ্যাক্টচেক</title>
<link>https://digibanglatech.news/180454</link>
<guid>https://digibanglatech.news/180454</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p&gt;সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমানকে নিয়ে একটি ফটোকার্ড ও ছবি ছড়িয়ে দাবি করা হচ্ছে যে, দিল্লি বিমানবন্দরে হয়রানির শিকার হওয়ার সময় ভারতীয় পুলিশ তাকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেছে। ফ্যাক্টচেক সংস্থা দ্য ডিসেন্টের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ভাইরাল হওয়া উক্তি ও ছবিটি সম্পূর্ণ ভুয়া এবং কৃত্রিমভাবে তৈরি।&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202606/image_870x580_6a30f710b6ba2.jpg" length="76299" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 16 Jun 2026 09:11:32 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>Fact Check Bangladesh, Zahed Ur Rahman, Delhi Airport Incident, Fake Quote, Fake Image, AI Generated Image, Social Media Rumor, The Descent, Misinformation, Digital Verification, দিল্লি বিমানবন্দরে হয়রানির ঘটনাকে কেন্দ্র করে ডা. জাহেদ উর রহমানের নামে ছড়ানো ভাইরাল উক্তি ও ছবির সত্যতা যাচাই করেছে দ্য ডিসেন্ট। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, উক্তি ও ছবিটি সম্পূর্ণ ভুয়া এবং বিভ্রান্তিকর</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্প্রতি একটি ফটোকার্ড ও ছবি ছড়িয়ে দাবি করা হয়েছে, ভারতের দিল্লি বিমানবন্দরে হয়রানির শিকার হওয়ার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেছেন, “বিমানবন্দরে যখন নিজের পরিচয় দিলাম তখন উলটো আমার সাথে খারাপ ব্যবহার শুরু করে। পিছন থেকে এক পুলিশ বলে উঠে ‘ইয়ে নশেইড়ি ক্যায়সে উপদেষ্টা বান গয়া’।”</p>
<p>এছাড়া একটি ছবিতে দাবি করা হয়, ভারতীয় ইমিগ্রেশন পুলিশ ডা. জাহেদ উর রহমানকে হাত ধরে নিয়ে যাচ্ছে। তবে তথ্য যাচাই করে দেখা গেছে, উক্তি ও ছবিটি দুটিই ভুয়া।</p>
<p>ফ্যাক্টচেক সংস্থা দ্য ডিসেন্ট জানিয়েছে, উক্ত ফটোকার্ড ও ছবিটি প্রথমে কয়েকটি রাজনৈতিক প্রচারধর্মী পেজে ছড়ানো হয় এবং পরে তা সাধারণ ব্যবহারকারীদের মাধ্যমে ব্যাপকভাবে প্রচারিত হয়।</p>
<p>যাচাইয়ে দেখা যায়, ডা. জাহেদ উর রহমানের নামে প্রচারিত মন্তব্যটির কোনো সত্যতা নেই। ভারতীয় পুলিশের কোনো সদস্য তার উদ্দেশে এমন মন্তব্য করেননি এবং ডা. জাহেদও এ ধরনের কোনো বক্তব্য দেননি।</p>
<p>বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চাইলে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, “এটি নিশ্চয়ই ভুয়া। হিন্দি ভাষা আমি জানিই না, বুঝিই না।”</p>
<p>ভাইরাল ছবিটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি কি না, তা যাচাই করতে এআই শনাক্তকারী টুল WasItAI এবং ZeroGPT ব্যবহার করা হয়। এসব টুলের বিশ্লেষণে ছবিটিকে ভুয়া বা কৃত্রিমভাবে তৈরি বলে শনাক্ত করা হয়েছে।</p>
<p>তবে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, দিল্লি বিমানবন্দরে ডা. জাহেদ উর রহমানকে কিছু সময়ের জন্য আটকে রাখা এবং অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ সত্য। জানা যায়, পরিচয় যাচাইয়ের পর বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ তাকে ভারতে প্রবেশের অনুমতি দেয় এবং ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করে। কিন্তু তিনি পরে ভারতে প্রবেশ না করে অন্য একটি ফ্লাইটে দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন।</p>
<p>ফলে দিল্লি বিমানবন্দরে হয়রানির ঘটনা বাস্তব হলেও, সেটিকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো কথিত উক্তি ও ছবিটি সম্পূর্ণ বানোয়াট এবং বিভ্রান্তিকর।</p>
<p>//<span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এসআই/ইকে</strong></span>//</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বিজ্ঞান হলো প্রশ্ন করার সাহস</title>
<link>https://digibanglatech.news/180333</link>
<guid>https://digibanglatech.news/180333</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li dir=&quot;ltr&quot;&gt;বিজ্ঞান মেলা বা অলিম্পিয়াড কেবল কোনো প্রতিযোগিতা নয়, এটি মূলত প্রশ্ন করার উৎসব। বড় হওয়ার সাথে সাথে আমাদের প্রশ্ন করার অভ্যাস হারিয়ে ফেলা উচিত নয়, কারণ প্রতিটি আবিষ্কারের সূচনা হয় একটি সাধারণ ‘কেন’ থেকে।&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202606/image_870x580_6a2fcfca89e53.jpg" length="131643" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 15 Jun 2026 00:03:07 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>বিজ্ঞানমনস্ক চিন্তা, মহাকর্ষের ধারণা, কৌতূহল, চিন্তার পদ্ধতি, ব্যর্থতা ও চেষ্টা, টেকসই সমাধান, ডিকার্বনাইজেশন, উদ্ভাবনী চিন্তা, গ্লোবাল চেঞ্জ অ্যাওয়ার্ড ২০২৫।</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>হতাশা আমাদের জীবনের সারথি। তোমরা যারা বিজ্ঞানী বা গবেষক হতে চাও, খালি হতাশা আর হতাশা। টাকা নেই, লোকজন দাম দিচ্ছে না, অনেক চেষ্টা করেও হচ্ছে না, উত্তর মিলছে না, সমাধান হচ্ছে না, ঘুম হচ্ছে না, ঘুম হলে সকাল বেলা উঠতে বিরক্তি লাগছে, সবার সাথে খারাপ ব্যবহার, তোমরা আমাকে বুঝো না। এইসবের নাম বিজ্ঞানী হওয়া। এইগুলা তোমাদের গলার মালা।<br>আজকের এই আয়োজন শুধু একটি বিজ্ঞান মেলা নয়, শুধু একটি অলিম্পিয়াড নয়, শুধু একটি কুইজ প্রতিযোগিতাও নয়। আজকের এই আয়োজন আসলে প্রশ্ন করার উৎসব।</p>
<p>আমরা ছোটবেলায় কত প্রশ্ন করতাম, মনে আছে? আকাশ নীল কেন? বৃষ্টি হয় কীভাবে? পাখি উড়ে কিন্তু মানুষ কেন উড়তে পারে না? গাছের পাতা সবুজ কেন?</p>
<p>দুঃখের বিষয় হলো, বড় হতে হতে আমরা অনেকেই প্রশ্ন করা বন্ধ করে দিই। অথচ বিজ্ঞান শুরুই হয় একটি প্রশ্ন থেকে।<br>আইজ্যাক নিউটন আপেল পড়তে দেখেছিলেন। আপেল তো সবাই দেখেছে। কিন্তু নিউটন প্রশ্ন করেছিলেন—আপেলটা নিচেই পড়ল কেন? ওপরে গেল না কেন?</p>
<p>এই প্রশ্ন থেকেই জন্ম নিয়েছিল মহাকর্ষের ধারণা।</p>
<p>তাই আমি আজ তোমাদের কাছে একটি অনুরোধ করব—প্রশ্ন করতে কখনো ভয় পেও না।</p>
<p><br>শুধু বইয়ের উত্তর মুখস্থ করার জন্য বিজ্ঞান শেখো না। বিজ্ঞান শেখো পৃথিবীকে বোঝার জন্য। কেন নদী দূষিত হয়, কীভাবে বিদ্যুৎ সাশ্রয় করা যায়, কীভাবে প্লাস্টিকের বিকল্প তৈরি করা যায়, কীভাবে কৃষকের জীবন সহজ করা যায়—এসব প্রশ্নের উত্তর খোঁজার মধ্যেই বিজ্ঞান।<br>অনেকেই মনে করে বিজ্ঞান মানে শুধু ডাক্তার বা ইঞ্জিনিয়ার হওয়া। আমি তা মনে করি না।</p>
<p>বিজ্ঞান আসলে একটি চিন্তার পদ্ধতি। বিজ্ঞান আমাদের শেখায়—<br>প্রমাণ ছাড়া কিছু বিশ্বাস না করতে,<br>ভুল হলে তা স্বীকার করতে,<br>নতুন তথ্য পেলে মত পরিবর্তন করতে,<br>এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, সমস্যার সমাধান খুঁজতে।</p>
<p>আজ যারা বিজ্ঞান মেলায় অংশ নিচ্ছো, মনে রেখো—তোমাদের প্রকল্প প্রথম না-ও হতে পারে। অলিম্পিয়াডে তোমরা হয়তো স্বর্ণপদক নাও পেতে পারো। কুইজে হয়তো সব প্রশ্নের উত্তর জানা নাও থাকতে পারে।<br>কিন্তু সেটি কখনো ব্যর্থতা নয়।</p>
<p>কারণ আজ তোমরা অংশগ্রহণের মাধ্যমে শিখছো— কীভাবে ভাবতে হয়, কীভাবে দলবদ্ধভাবে কাজ করতে হয়, কীভাবে উপস্থাপন করতে হয়, এবং কীভাবে বারবার চেষ্টা করতে হয়।</p>
<p>আমার নিজের জীবনেও এমন অনেক সময় এসেছে, যখন কোনো পরীক্ষা সফল হয়নি, কোনো গবেষণা প্রত্যাশামতো ফল দেয়নি। কিন্তু আমি দেখেছি, বিজ্ঞান আমাদের একটি জিনিস শেখায়—আবার চেষ্টা করতে। লেগে থাকার নামই বিজ্ঞান। ঘুম থেকে উঠতে শরীর টানে না, তারপরও উঠতে হয়, আবার লেগে থাকতে হয়, এর নামই বিজ্ঞান।</p>
<p><br>প্রিয় শিক্ষার্থীরা, তোমাদের মধ্যে হয়তো ভবিষ্যতের কোনো বিজ্ঞানী বসে আছে। হয়তো কেউ নতুন ওষুধ আবিষ্কার করবে। কেউ জলবায়ু পরিবর্তনের সমাধান খুঁজবে। কেউ এমন প্রযুক্তি তৈরি করবে যা মানুষের জীবনকে সহজ করবে।</p>
<p>আবার এটাও হতে পারে যে তোমাদের কেউ বিজ্ঞানী হবে না। কিন্তু তবুও এই বিজ্ঞান মেলা তোমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। কারণ তোমরা যাই হও না কেন—একজন শিক্ষক, উদ্যোক্তা, কৃষিবিদ, প্রশাসক বা শিল্পী—বিজ্ঞানমনস্ক চিন্তা তোমাদের আরও ভালো মানুষ এবং দায়িত্বশীল নাগরিক হতে সাহায্য করবে।</p>
<p>আজকের পৃথিবী দ্রুত বদলাচ্ছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, মহাকাশ প্রযুক্তি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, জিন প্রযুক্তি—সবকিছু আমাদের সামনে নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলে দিচ্ছে। আর সেই ভবিষ্যৎ গড়ে তুলবে তোমরাই।<br>তাই স্বপ্ন দেখো।<br>প্রশ্ন করো।<br>পরীক্ষা করো।<br>ভুল করো।<br>আবার শিখো।<br>আর কখনো কৌতূহল হারিয়ে ফেলো না।</p>
<p>আর আশে পাশের নিজস্ব প্রবলেম সলভ করো। কেনো মশা কমানো যাচ্ছে না। কেনো হামে বাচ্চা মারা যাচ্ছে, কোনো early indicator বের করা যায় কিনা, কেনো অটো রিকশাগুলো এতো অনিরাপদ, কিভাবে পোল্ট্রি ফিডকে নিরাপদ করা যায়, ময়লা আবর্জনাকে কীভাবে কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করা যায় mindset is important.</p>
<p>শেষে শুধু একটি কথাই বলতে চাই— "বিজ্ঞান শুধু উত্তর খোঁজার বিষয় নয়; বিজ্ঞান হলো প্রশ্ন করার সাহস। আর যে প্রশ্ন করতে শেখে, সে-ই একদিন পৃথিবীকে বদলে দিতে পারে।"</p>
<hr><hr>
<p>জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জাতীয় পর্যায়ের শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানীর সম্মাননা গ্রহণের পর উপস্থিত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে এই অভিভাষণ দেন ড. মোহাম্মদ আব্বাস উদ্দিন শায়ক বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় (বুটেক্স)-এর ডাইস অ্যান্ড কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক। তিনি যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব ম্যানচেস্টার থেকে কমনওয়েলথ স্কলারশিপের অধীনে টেক্সটাইল সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজিতে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। এছাড়াও তিনি অস্ট্রেলিয়ার কার্টিন ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি থেকে অস্ট্রেলিয়ান ডেভেলপমেন্ট স্কলারশিপের অধীনে মাস্টার্স ডিগ্রি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (আইবিএ) থেকে এমবিএ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে কলেজ অব টেক্সটাইল টেকনোলজি থেকে টেক্সটাইল টেকনোলজিতে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অধিকার করে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি যুক্তরাজ্যের দ্য টেক্সটাইল ইনস্টিটিউটের চার্টার্ড ফেলো (CText FTI)।</p>
<p>শিক্ষকতা, গবেষণা, শিল্প–পরামর্শ এবং উন্নয়ন সহযোগিতামূলক কর্মকাণ্ডে তার দুই দশকেরও বেশি অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি বস্ত্রশিল্পে টেকসই উৎপাদন ব্যবস্থা, রাসায়নিক ব্যবস্থাপনা, পরিবেশগত স্থায়িত্ব, সম্পদ দক্ষতা বৃদ্ধি, ডিকার্বনাইজেশন এবং শিল্প–গবেষণা সহযোগিতা বিষয়ে কাজ করে আসছেন। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থা, উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠান এবং শিল্পকারখানার সঙ্গে তিনি পরিবেশ ও টেকসই উন্নয়নভিত্তিক বিভিন্ন উদ্যোগে সম্পৃক্ত রয়েছেন।</p>
<p>বস্ত্র প্রক্রিয়াকরণে উদ্ভাবনী ও টেকসই সমাধান উন্নয়নের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি Global Change Award 2025-এ “Decarbonization Lab for Textile Process Innovation” উদ্যোগের জন্য নির্বাচিত হন। তিনি বিশ্বাস করেন, গবেষণার প্রকৃত সার্থকতা তখনই অর্জিত হয়, যখন তা বাস্তব সমস্যার সমাধানের মাধ্যমে শিল্প, সমাজ এবং মানুষের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সক্ষম হয়। তরুণ প্রজন্মের মধ্যে অনুসন্ধিৎসা, উদ্ভাবনী চিন্তা এবং বৈশ্বিক মানের গবেষণার প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি করাই তার কাজের অন্যতম প্রেরণা। </p>
<hr><hr>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>দক্ষ জনবল তৈরি ও শিল্পখাতের মেলবন্ধনে আইইবিতে দুই দিনব্যাপী ‘জব ফেয়ার ও প্রজেক্ট কম্পিটিশন’ শুরু</title>
<link>https://digibanglatech.news/180028</link>
<guid>https://digibanglatech.news/180028</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p&gt;দেশের তরুণ প্রকৌশলীদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও শিল্পখাতের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ জনবল তৈরির লক্ষ্যে রমনার আইইবি সদর দপ্তরে শুরু হয়েছে ‘আইইবি জব ফেয়ার ও প্রজেক্ট কম্পিটিশন-২০২৬’। শনিবার সকালে এর উদ্বোধন করেন আইইবি প্রেসিডেন্ট ও রাজউক চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মোহাম্মদ রিয়াজুল ইসলাম (রিজু)। তিনি জানান, শুধু ডিগ্রি দিয়ে চাকরি পাওয়া সম্ভব নয়, তাই কোম্পানিগুলোর চাহিদা অনুযায়ী দক্ষতা বাড়াতে আইইবি কাজ করছে। মেলায় তরুণদের চাকরির সুযোগের পাশাপাশি ডিজিটাল প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ভিত্তিক বিভিন্ন উদ্ভাবনী প্ ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202606/image_870x580_6a2d02d3d0729.jpg" length="110678" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 13 Jun 2026 12:13:33 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>প্রকৌশলীদের কর্মসংস্থান ও দক্ষতা উন্নয়নে রাজধানীতে শুরু হলো আইইবি জব ফেয়ার ও প্রজেক্ট কম্পিটিশন-২০২৬। মেলার উদ্বোধন করলেন রাজউক চেয়ারম্যান ও আইইবি প্রেসিডেন্ট প্রকৌশলী মোহাম্মদ রিয়াজুল ইসলাম।</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div _ngcontent-ng-c877151854="" inline-copy-host="" class="markdown markdown-main-panel stronger enable-updated-hr-color" id="model-response-message-contentr_4d357aa2f98696d2" aria-live="polite" aria-busy="false" dir="ltr">
<p data-path-to-node="1">দেশে উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রকৌশল বিদ্যায় স্নাতকদের সংখ্যা প্রতি বছর জ্যামিতিক হারে বাড়লেও কর্মবাজারে দক্ষতার মারাত্মক অমিল, দেশীয় ও আন্তর্জাতিক শিল্পখাতের সুনির্দিষ্ট চাহিদা এবং মানসম্মত চাকরির সীমিত সুযোগ নিয়ে তরুণদের মাঝে উদ্বেগ দীর্ঘদিনের। এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে তরুণ প্রকৌশলীদের জন্য সরাসরি চাকরির বিপুল সুযোগ সৃষ্টি, অ্যাকাডেমিয়া ও ইন্ডাস্ট্রির মধ্যকার দূরত্ব হ্রাস এবং শিল্পপ্রতিষ্ঠানের বাস্তব প্রয়োজন অনুযায়ী দক্ষ ও আন্তর্জাতিক মানের জনবল গড়ে তোলার মূল লক্ষ্য নিয়ে রাজধানীতে শুরু হয়েছে ‘ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি)’ আয়োজিত দুই দিনব্যাপী মেগা ‘জব ফেয়ার এবং প্রজেক্ট কম্পিটিশন-২০২৬’।</p>
<p data-path-to-node="2">১৩ জুন, শনিবার সকালে রাজধানীর রমনায় আইইবির কেন্দ্রীয় সদর দপ্তর প্রাঙ্গণে জমকালো এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই ক্যারিয়ার উৎসব ও উদ্ভাবনী প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন আইইবির প্রেসিডেন্ট এবং রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মোহাম্মদ রিয়াজুল ইসলাম (রিজু)। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, “এই বিশেষ জব ফেয়ারের লক্ষ্য কেবল কিছু চাকরিপ্রত্যাশীকে কর্মসংস্থান দেওয়া নয়; বরং তরুণ প্রকৌশলীদের বর্তমান কারিগরি দক্ষতা এবং আধুনিক শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর বাস্তব চাহিদার মধ্যে একটি দীর্ঘমেয়াদী ও কার্যকর সংযোগ তৈরি করা।”</p>
<p data-path-to-node="3">প্রকৌশলী মোহাম্মদ রিয়াজুল ইসলাম (রিজু) দেশের বর্তমান জব মার্কেটের তীব্র প্রতিযোগিতার চিত্র তুলে ধরে আরও বলেন, “দেশের বিভিন্ন খাতের স্বনামধন্য ও শীর্ষস্থানীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো এবারের জব ফেয়ারে সরাসরি অংশ নিয়েছে, যা আমাদের তরুণদের জন্য একটি বড় সুযোগ। তবে বর্তমান সময়ে শুধু একটি প্রাতিষ্ঠানিক ডিগ্রি বা সার্টিফিকেট থাকলেই চাকরি পাওয়া সহজ নয়। কোম্পানিগুলোর আধুনিক প্রযুক্তিগত চাহিদা অনুযায়ী নিজেকে দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে তৈরি করা এখন সবচেয়ে জরুরি। প্রকৌশলীরা যাতে আধুনিক শিল্প, অটোমেশন ও চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে নিজেদের প্রতিনিয়ত আপগ্রেড করতে পারেন, আইইবি সেদিকেই সবচেয়ে বেশি জোর দিচ্ছে।” আইইবির দূরদর্শী পরিকল্পনা অনুযায়ী, ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে দেশের প্রকৌশলীদের জন্য যুগোপযোগী প্রশিক্ষণ এবং বিস্তৃত আন্তর্জাতিক কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202606/image_870x_6a2d034eca966.jpg" alt=""></p>
<p data-path-to-node="4">অর্থনৈতিক ও শিক্ষা খাতের বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বাংলাদেশে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিপুলসংখ্যক প্রকৌশলী স্নাতক সম্পন্ন করে বের হচ্ছেন। তবে চাকরিদাতা ও করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলো প্রায়শই অভিযোগ করে আসছে যে, অনেক ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ও স্নাতকদের অর্জিত তাত্ত্বিক দক্ষতা শিল্পখাতের বাস্তব ও প্রায়োগিক প্রয়োজনের সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। বিশেষ করে বর্তমান সময়ে ডিজিটাল প্রযুক্তি, ইন্ডাস্ট্রিয়াল অটোমেশন, স্মার্ট অবকাঠামো নির্মাণ, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI)–সংশ্লিষ্ট হাই-টেক খাতে নতুন নতুন দক্ষতার চাহিদা দ্রুত বাড়ছে। এই জটিল প্রেক্ষাপটে আইইবির এই অনন্য আয়োজন একদিকে যেমন চাকরিপ্রত্যাশী তরুণ প্রকৌশলীদের সামনে দেশের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্পোরেট দরজা সরাসরি খুলে দিচ্ছে, অন্যদিকে প্রজেক্ট কম্পিটিশনের মাধ্যমে তাদের উদ্ভাবনী সক্ষমতা, কারিগরি সমাধান এবং গবেষণাভিত্তিক কাজগুলো সরাসরি বড় বড় শিল্পপতি ও বিনিয়োগকারীদের সামনে তুলে ধরার এক দারুণ প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছে।</p>
<p data-path-to-node="5">উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জব ফেয়ার ও প্রজেক্ট কম্পিটিশন ব্যবস্থাপনা উপ-কমিটির আহ্বায়ক এবং আইইবির ভাইস-প্রেসিডেন্ট (এস অ্যান্ড ডব্লিউ) প্রকৌশলী নিয়াজ উদ্দিন ভূঁইয়া ও উক্ত উপ-কমিটির সদস্যসচিব এবং আইইবি উইমেন ইঞ্জিনিয়ার্স চ্যাপ্টারের সম্পাদক প্রকৌশলী ইসরাত জাহান (জেসমীন)।</p>
<p data-path-to-node="6">এ ছাড়া অনুষ্ঠানে প্রকৌশল সমাজের শীর্ষ নেতাদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন আইইবির ভাইস-প্রেসিডেন্ট (একাডেমিক ও আন্তর্জাতিক) প্রকৌশলী খান মনজুর মোরসেদ, ভাইস-প্রেসিডেন্ট (এইচআরডি) প্রকৌশলী শেখ আল আমিন, ভাইস-প্রেসিডেন্ট (প্রশাসন ও অর্থ) প্রকৌশলী এ টি এম তানবীর-উল হাসান (তমাল), সম্মানী সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী সাব্বির মোস্তফা খান, আইইবি ঢাকা কেন্দ্রের ভাইস-চেয়ারম্যান (একাডেমিক অ্যান্ড এইচআরডি) প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল মামুন এবং সম্মানী সম্পাদক প্রকৌশলী কে এম আসাদুজ্জামানসহ আইইবির কেন্দ্রীয় ও আঞ্চলিক নির্বাহী কমিটির নেতৃবৃন্দ।</p>
<p data-path-to-node="7">শিক্ষা ও শিল্প খাত বিশেষজ্ঞদের মতে, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথাগত শিক্ষা সিলেবাস এবং আধুনিক শিল্পখাতের বাস্তব চাহিদার মধ্যে বিদ্যমান বিশাল ব্যবধান বা গ্যাপ কমানো এখন বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও প্রকৌশল খাতের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ। আইইবির এই সময়োপযোগী আয়োজন যদি তরুণদের বাস্তবমুখী দক্ষতা উন্নয়ন, শিল্পখাতের সরাসরি অংশগ্রহণ এবং প্রযুক্তিনির্ভর উদ্ভাবনকে একসঙ্গে একই সুতোয় গেঁথে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে, তবেই তা দেশের প্রকৌশলীদের টেকসই কর্মসংস্থান ও বেকারত্ব দূরীকরণে এক যুগান্তকারী ও বাস্তব প্রভাব ফেলতে সক্ষম হবে।</p>
<p data-path-to-node="7">/<span style="text-decoration: underline;"><strong>/ডিবিটেক/এসআই/এমাই/</strong></span>/</p>
<p data-path-to-node="11"></p>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বাজেট ২০২৬&#45;২৭: স্বাস্থ্য খাতে চ্যালেঞ্জিং প্রতিশ্রুতি, বাস্তবায়ন কঠীন</title>
<link>https://digibanglatech.news/180108</link>
<guid>https://digibanglatech.news/180108</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202606/image_870x580_6a2d7a98dbebd.jpg" length="103672" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 13 Jun 2026 09:43:35 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div><span>বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা দীর্ঘদিন ধরেই নানা সংকটে জর্জরিত। চিকিৎসা অবকাঠামো, জনবল সংকট, সেবার মান এবং ব্যবস্থাপনার দুর্বলতার কারণে প্রতিবছর বিপুল সংখ্যক মানুষ চিকিৎসার জন্য বিদেশমুখী হন। বিভিন্ন গবেষণা ও খাতসংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, বিদেশে চিকিৎসা গ্রহণে বাংলাদেশিদের বার্ষিক ব্যয় কয়েক বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। ফলে দেশের স্বাস্থ্য খাতকে শক্তিশালী করা এখন শুধু সামাজিক নয়, অর্থনৈতিক প্রয়োজনও।</span></div>
<div><span> </span></div>
<div><span>এই বাস্তবতায় ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে স্বাস্থ্য খাতকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বরাদ্দ বৃদ্ধি, চিকিৎসা ব্যয় কমানোর উদ্যোগ, জনবল নিয়োগ এবং সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবার পরিকল্পনা- সব মিলিয়ে বাজেটটি উচ্চাভিলাষী বলেই মনে হচ্ছে। তবে বাস্তব সাফল্য নির্ভর করবে এর কার্যকর বাস্তবায়নের ওপর।</span></div>
<div><span> </span></div>
<div><strong>১. স্বাস্থ্য খাতে রেকর্ড বরাদ্দ</strong></div>
<div><span>প্রস্তাবিত বাজেটে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের জন্য ৬৯ হাজার ৪০৯ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। এটি দেশের মোট জিডিপির প্রায় ১ শতাংশের সমপরিমাণ। গত অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ ছিল ৩৫ হাজার ৪৭৭ কোটি টাকা, যা ছিল জিডিপির প্রায় ০.৫৮ শতাংশ। </span><span></span><span>অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ প্রায় দ্বিগুণ করা হয়েছে, যা নিঃসন্দেহে ইতিবাচক। তবে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী স্বাস্থ্য খাতে সরকারি ব্যয় এখনও তুলনামূলকভাবে কম।</span></div>
<div><span> </span></div>
<div><strong>২. সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবার রূপরেখা</strong></div>
<div><span>বাজেট বক্তৃতায় দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে এবং শহরের প্রতিটি ওয়ার্ডে এক বা একাধিক আধুনিক প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ইউনিট স্থাপনের পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।</span></div>
<div><span> </span></div>
<div><span>পাশাপাশি সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রত্যেক নাগরিককে জাতীয় স্বাস্থ্য ব্যবস্থার আওতায় আধুনিক ‘ই-হেলথ কার্ড’ প্রদানের পরিকল্পনাও রয়েছে। সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হলে এটি রোগীর চিকিৎসা ইতিহাস সংরক্ষণ, সেবা গ্রহণ সহজীকরণ এবং স্বাস্থ্য তথ্য ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।</span></div>
<div><span> </span></div>
<div><strong>৩. দুরারোগ্য রোগীদের সহায়তা দ্বিগুণ</strong></div>
<div><span>সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় ক্যান্সার, কিডনি জটিলতা, লিভার সিরোসিস, স্ট্রোকজনিত প্যারালাইসিস, জন্মগত হৃদরোগ এবং থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত রোগীদের এককালীন আর্থিক সহায়তা ৫০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে।</span></div>
<div><span> </span></div>
<div><span>বর্তমান চিকিৎসা ব্যয়ের তুলনায় এই সহায়তা এখনও সীমিত হলেও দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের রোগীদের জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।</span></div>
<div><span> </span></div>
<div><strong>৪. হার্টের স্টেন্ট ও ডায়ালাইসিস খরচ কমানোর উদ্যোগ</strong></div>
<div><span>বাংলাদেশে হৃদরোগ ও কিডনি রোগের চিকিৎসা অত্যন্ত ব্যয়বহুল। এ কারণে বাজেটে হার্টের স্টেন্টের সরবরাহ পর্যায়ে আরোপিত ১০ শতাংশ ভ্যাট প্রত্যাহারের প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে রোগীদের চিকিৎসা ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমতে পারে।</span></div>
<div><span> </span></div>
<div><span>এছাড়া ডায়ালাইসিস ফিল্টার আমদানির ওপর ১৫ শতাংশ ভ্যাট এবং ৫ শতাংশ অগ্রিম কর প্রত্যাহারের প্রস্তাব করা হয়েছে। পাশাপাশি হেমোডায়ালাইসিসে ব্যবহৃত ব্লাড টিউবিং সেটের ওপর অগ্রিম করও প্রত্যাহার করা হয়েছে। এসব পদক্ষেপ বাস্তবায়িত হলে কিডনি রোগীদের নিয়মিত চিকিৎসা ব্যয় কিছুটা হলেও কমবে।</span></div>
<div><span> </span></div>
<div><strong>৫. ওষুধ শিল্পে নতুন প্রণোদনা</strong></div>
<div><span>দেশীয় ওষুধ শিল্পকে আরও প্রতিযোগিতামূলক করতে ক্যান্সার চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধ উৎপাদনের জন্য নতুন ৯টি কাঁচামাল আমদানিতে রেয়াতি সুবিধা দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।</span></div>
<div><span> </span></div>
<div><span>একই সঙ্গে অ্যাকটিভ ফার্মাসিউটিক্যাল ইনগ্রেডিয়েন্টস (এপিআই) উৎপাদনে ব্যবহৃত নতুন ৫১টি কাঁচামালের আমদানি শুল্ক সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া রপ্তানিমুখী ওষুধ শিল্পের সক্ষমতা বাড়াতে আরও ১৭টি মৌলিক কাঁচামালের আমদানি শুল্ক শূন্য শতাংশ করার প্রস্তাব রয়েছে।</span></div>
<div><span> </span></div>
<div><span>বাংলাদেশের ওষুধ শিল্প বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রপ্তানি করছে। এই সুবিধাগুলো উৎপাদন ব্যয় কমানোর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা ধরে রাখতে সহায়তা করতে পারে।</span></div>
<div><span> </span></div>
<div><strong>৬. পাঁচ হাজার চিকিৎসক ও এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ</strong></div>
<div><span>স্বাস্থ্যসেবার অন্যতম বড় সংকট জনবল ঘাটতি। এ সমস্যা মোকাবিলায় নতুন করে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের কার্যক্রম শুরু করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে, যার প্রায় ৮০ শতাংশ নারী হওয়ার কথা বলা হয়েছে।</span></div>
<div><span> </span></div>
<div><span>পাশাপাশি দ্রুত ৫ হাজার এমবিবিএস চিকিৎসক নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নার্সিং ও মিডওয়াইফারি শিক্ষার সম্প্রসারণ এবং চিকিৎসা শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা ঋণ চালুর ঘোষণাও বাজেটের ইতিবাচক দিক হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। এটা প্রস্তাবিত, কিন্তু ওভার নাইট কিছু হবে না আর এটা ৫ বছরে করবে বলেছে। রেভিনিউ আর্ন করা লাগবে তো। সেটা বলা সহজ, করা কঠিন। তবে ট্যাক্সের যে পরিকল্পনা নিয়েছে, সে জালে ফেলতে পারলে ২০৩০/২০৩১ এ সম্ভব হবে।</span></div>
<div><span> </span></div>
<div><strong>৭. স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দের পাশাপাশি প্রয়োজন সুশাসন</strong></div>
<div><span>বাজেটে ঘোষিত পদক্ষেপগুলো কাগজে-কলমে যথেষ্ট আশাব্যঞ্জক। কিন্তু বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতের মূল সমস্যা কেবল অর্থের অভাব নয়; ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা, জবাবদিহিতার সংকট এবং সেবার মান নিয়ন্ত্রণের ঘাটতিও সমানভাবে দায়ী।</span></div>
<div><span> </span></div>
<div><span>এখনও বহু সরকারি হাসপাতালে প্রয়োজনীয় ওষুধের সংকট দেখা যায়। অনেক স্থানে রোগ নির্ণয়ের যন্ত্রপাতি অকেজো অবস্থায় পড়ে থাকে। রোগীদের সাধারণ পরীক্ষা-নিরীক্ষাও বাইরে থেকে করাতে হয়। দালাল চক্র, জনবল সংকট, চিকিৎসকদের পদায়ন ও বদলি সংক্রান্ত জটিলতা এবং দুর্বল প্রশাসনিক নজরদারি স্বাস্থ্যসেবার মানকে ক্ষতিগ্রস্ত করে চলেছে।</span></div>
<div><span> </span></div>
<div><span>তাই স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ দ্বিগুণ হওয়া অবশ্যই ইতিবাচক সংবাদ। তবে জনগণ প্রকৃত সুফল পাবে তখনই, যখন বরাদ্দকৃত অর্থ সময়মতো ব্যয় হবে, প্রকল্পগুলো দক্ষতার সঙ্গে বাস্তবায়িত হবে এবং স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় সুশাসন নিশ্চিত করা যাবে।</span></div>
<div><span> </span></div>
<div><span>স্বাস্থ্যসেবা জনগণের মৌলিক অধিকার। বাজেট সেই অধিকার বাস্তবায়নের একটি রূপরেখা মাত্র; এর সফলতা নির্ভর করবে রাজনৈতিক সদিচ্ছা, প্রশাসনিক দক্ষতা এবং দীর্ঘমেয়াদি সংস্কারের ওপর। কেননা, স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ জিডিপির ১ শতাংশ হলেও, আন্তর্জাতিকভাবে স্বাস্থ্য ব্যয়ের ক্ষেত্রে অনেক বিশেষজ্ঞ কমপক্ষে ৩-৫ শতাংশ জিডিপি ব্যয়ের সুপারিশ করেন—এই তুলনামূলক তথ্য যোগ করলে কলামটি আরও শক্তিশালী হবে। তাই প্রস্তাবিত বাজেটে স্বাস্থ্য খাতে যা বলা হয়েছে সেটা আপাতত দৃষ্টিতে ভালো হলেও তা আন্তরিকতা, দক্ষতা ও স্বচ্ছতার উপর বাস্তবায়ন নির্ভর করছে। আর এক্ষেত্রে সময়মতো সিদ্ধান্ত ও অর্থ বরাদ্দ একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। যা বলা হয়েছে সেটা রাতারাতি বাস্তবায়ন সম্ভব না। </span></div>
<div><span></span></div>
<div><span>সাধারণ ভাবে বলা হয়, স্বাস্থ্যের স্বাস্থ্য ভালো না, এটা দিয়েই অনেক কিছু বোঝা যায়। আমাদের যেমন আমলাতান্ত্রিক জটিলতা রয়েছে, তেমনি মানসিকতাও উদার না। আর স্বাস্থ্যখাত একটি জটিল সমীকরণ দ্বারা সীমাবদ্ধ। যেখানে একজন ডাক্তারের বদলির আদেশ বাস্তবায়ন করা কঠিন (ডাক্তাররা বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের নামে বিভক্ত), যেখানে সরকারি হাসপাতাল গুলো দালাল চক্রের হাতে জিম্মি, যেখানে অধিকাংশ সরকারি হাসপাতালে প্যারাসিটামল ছাড়া ঔষধ পাওয়া যায় না, একটি সাধারণ টেস্টও বাইরে থেকে করাতে হয়, যেখানে পরীক্ষার যন্ত্রপাতি অকেজো করে রাখা হয়, সরকারি এম্বুলেন্স গুলা চলে না, সেখানে স্বাস্থ্যসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়ার আশ্বাস শুনতে ভালো, বাস্তবে কঠিন। জুলাই ২৪ পরবর্তী নির্বাচিত সরকারের এখন এই কঠিন কাজটি করার সময় এসেছে, কেননা জনগণ তার ন্যায্য অধিকার পেতে চায়।</span></div>
<div><span></span></div>
<div><span><span>আমি মনে করি সার্বিক ভাবে প্রস্তাবিত বাজেট ভালো হয়েছে। তবে অর্থ যোগান ও বাস্তবায়ন দুটোই কঠিন ও চ্যালেঞ্জিং। আর ধার করে ঘী তো আমরা অনেক দিন থেকেই খাচ্ছি। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি।</span></span><hr><span></span></div>
<div><span><span><strong>লেখকঃ </strong>বিশ্লেষক ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক, সিএসইআর</span></span><hr><span></span></div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বাংলাদেশের মন্ত্রী, উপদেষ্টা ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার অংশগ্রহণ কেন জরুরি?</title>
<link>https://digibanglatech.news/180009</link>
<guid>https://digibanglatech.news/180009</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202606/image_870x580_6a2cd9b0d504a.jpg" length="72096" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 13 Jun 2026 00:20:17 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ডিজিটাল রূপান্তর এখন আর শুধু প্রযুক্তি খাতের বিষয় নয়। এটি রাষ্ট্র পরিচালনা, অর্থনীতি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, নিরাপত্তা, উদ্ভাবন, কর্মসংস্থান এবং নাগরিক সেবার কেন্দ্রীয় প্রশ্ন হয়ে উঠেছে। যে রাষ্ট্র ডিজিটাল নীতি, প্রযুক্তির নৈতিক ব্যবহার, ডেটা সুরক্ষা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা ও ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি বিষয়ে আন্তর্জাতিক আলোচনায় সক্রিয় থাকে, সে রাষ্ট্র ভবিষ্যতের নীতি তৈরিতে প্রভাব রাখতে পারে। আর যে রাষ্ট্র অনুপস্থিত থাকে, তাকে অনেক সময় অন্যের তৈরি নীতি মেনে চলতে হয়।</p>
<p>বাংলাদেশ গত দুই দশকে ডিজিটাল সেবা, মোবাইল আর্থিক অন্তর্ভুক্তি, সংযোগ সম্প্রসারণ, তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোক্তা সৃষ্টি, ডিজিটাল জনসেবা এবং দুর্যোগকালীন যোগাযোগ ব্যবস্থায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। কিন্তু এখন বড় প্রশ্ন হলো, এই অগ্রগতি কীভাবে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক, নিরাপদ, আস্থাভিত্তিক, অধিকারসম্মত এবং মানুষকেন্দ্রিক হবে। এই প্রশ্নের উত্তর খোঁজার জন্যই ওয়ার্ল্ড সামিট অন দ্য ইনফরমেশন সোসাইটি বা ডব্লিউএসআইএস প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশের উচ্চপর্যায়ের অংশগ্রহণ জরুরি।</p>
<p>বাংলাদেশের সঙ্গে ডব্লিউএসআইএস প্রক্রিয়ার একটি ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে। ২০০৩ সালে জেনেভায় অনুষ্ঠিত ডব্লিউএসআইএসের প্রথম ধাপে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার উচ্চপর্যায়ের সম্পৃক্ততা এবং ২০০৫ সালে তিউনিসে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় ধাপে তৎকালীন বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানের অংশগ্রহণ বাংলাদেশের ডিজিটাল কূটনীতির ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। সেই সময় ডব্লিউএসআইএস ছিল তথ্যসমাজ গঠনের বৈশ্বিক অঙ্গীকার। আজ, দুই দশক পরে, সেই অঙ্গীকার আরও জটিল বাস্তবতার মুখোমুখি: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ডেটা অর্থনীতি, প্ল্যাটফর্ম ক্ষমতা, সাইবার ঝুঁকি, ভুয়া তথ্য, অনলাইন সহিংসতা এবং ডিজিটাল বৈষম্য।</p>
<p>এই প্রেক্ষাপটে ২০২৬ সালের ৬ থেকে ১০ জুলাই সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অনুষ্ঠেয় ডব্লিউএসআইএস ফোরাম ২০২৬ বাংলাদেশের জন্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। এটি শুধু আরেকটি আন্তর্জাতিক সম্মেলন নয়। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ডব্লিউএসআইএস প্লাস ২০ পর্যালোচনার পর এটি হবে প্রথম ডব্লিউএসআইএস ফোরাম, যেখানে ২০৩৫ সাল পর্যন্ত নবায়ন হওয়া বৈশ্বিক ম্যান্ডেট বাস্তবায়নের দিকনির্দেশনা নিয়ে আলোচনা হবে। অর্থাৎ, আগামী দশকের বৈশ্বিক ডিজিটাল সহযোগিতা কোন পথে যাবে, সে আলোচনা এখান থেকেই নতুন গতি পাবে।</p>
<p>বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী, উপদেষ্টা এবং জাতীয় নিয়ন্ত্রক সংস্থার উচ্চপর্যায়ের অংশগ্রহণ এখানে তিনটি কারণে অপরিহার্য।</p>
<p>প্রথমত, বাংলাদেশের নিজস্ব ডিজিটাল উন্নয়ন অগ্রাধিকার আন্তর্জাতিক নীতিমঞ্চে তুলে ধরা দরকার। দেশের ডিজিটাল জনসেবা, মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস, কমিউনিটি পর্যায়ের সংযোগ, দুর্যোগকালীন যোগাযোগ, তরুণ উদ্যোক্তা এবং স্থানীয় উদ্ভাবনের অভিজ্ঞতা বৈশ্বিক আলোচনায় মূল্যবান অবদান রাখতে পারে। একই সঙ্গে বাংলাদেশের সামনে বড় চ্যালেঞ্জও রয়েছে। গ্রাম-শহরের ডিজিটাল বৈষম্য, সাশ্রয়ী ইন্টারনেট, সাইবার নিরাপত্তা, ভুয়া তথ্য, অনলাইন সহিংসতা, শিশু ও নারীর ডিজিটাল নিরাপত্তা, ডেটা সুরক্ষা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নৈতিক ব্যবহার এবং সাধারণ মানুষের ডিজিটাল সাক্ষরতা এখন নীতিনির্ধারণের কেন্দ্রীয় বিষয়। এসব বিষয়ে বাংলাদেশকে কেবল শ্রোতা নয়, সক্রিয় বক্তা হতে হবে।</p>
<p>দ্বিতীয়ত, ডব্লিউএসআইএস ফোরাম একটি বহুপক্ষীয় জাতিসংঘ প্ল্যাটফর্ম। এখানে সরকার, নিয়ন্ত্রক সংস্থা, জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা, বেসরকারি খাত, নাগরিক সমাজ, প্রযুক্তি কমিউনিটি, একাডেমিয়া, যুবসমাজ ও উন্নয়ন অংশীদাররা একসঙ্গে কাজ করে। তাই বাংলাদেশের অংশগ্রহণ কেবল আনুষ্ঠানিক বা প্রতিনিধি পাঠানোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকা উচিত নয়; এটি হওয়া উচিত কৌশলগত। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী বা উপদেষ্টার নেতৃত্বে নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণ বাংলাদেশকে বৈশ্বিক ডিজিটাল সহযোগিতা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার, সাইবার নিরাপত্তা, ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি, স্থানীয় ভাষার কনটেন্ট এবং দায়িত্বশীল প্রযুক্তি বিষয়ে স্পষ্ট অবস্থান নিতে সহায়তা করবে।</p>
<p>তৃতীয়ত, জাতীয় নিয়ন্ত্রক সংস্থার উপস্থিতি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। আজকের ডিজিটাল শাসন শুধু স্পেকট্রাম বা টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থাপনার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে গ্রাহক অধিকার, প্ল্যাটফর্ম জবাবদিহি, ডেটা প্রবাহ, অনলাইন নিরাপত্তা, প্রতিযোগিতা, সাশ্রয়ী সংযোগ, বাজার কাঠামো এবং জনআস্থার প্রশ্ন। ফলে নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলো এখন ডিজিটাল অধিকার, ডিজিটাল বাজার এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা গঠনের অন্যতম প্রধান অভিনেতা। ডব্লিউএসআইএস ফোরামে অন্যান্য দেশের নিয়ন্ত্রকদের সঙ্গে অভিজ্ঞতা বিনিময় বাংলাদেশের নীতিগত প্রস্তুতি আরও শক্তিশালী করতে পারে।</p>
<p>সমস্যা হলো, যেসব দেশ এ ধরনের বৈশ্বিক ফোরামে সক্রিয় থাকে না, তারা অনেক সময় নীতি প্রণেতা নয়, নীতি গ্রহণকারী হয়ে পড়ে। ডিজিটাল অর্থনীতি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, তথ্যপ্রবাহ, অনলাইন নিরাপত্তা, প্রযুক্তির নৈতিকতা ও প্ল্যাটফর্ম জবাবদিহি নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যে আলোচনা চলছে, তা ভবিষ্যতে জাতীয় নীতি, বাজার, নাগরিক অধিকার ও উন্নয়ন সহযোগিতার ওপর প্রভাব ফেলবে। বাংলাদেশ যদি সেখানে উচ্চপর্যায়ে দৃশ্যমান না থাকে, তবে নীতিগত প্রভাব বিস্তার, অংশীদারত্ব, সক্ষমতা বৃদ্ধি, বিনিয়োগ, প্রযুক্তিগত সহযোগিতা ও জ্ঞানবিনিময়ের সুযোগ সীমিত হয়ে যেতে পারে।</p>
<p>তাই ডব্লিউএসআইএস ফোরাম ২০২৬ সামনে রেখে বাংলাদেশের একটি সুস্পষ্ট জাতীয় প্রস্তুতি প্রয়োজন। প্রথমত, বাংলাদেশ একটি সংক্ষিপ্ত জাতীয় অবস্থানপত্র প্রস্তুত করতে পারে, যেখানে দেশের অর্জন, সীমাবদ্ধতা এবং ভবিষ্যৎ অগ্রাধিকার তুলে ধরা হবে। এসব অগ্রাধিকারের মধ্যে থাকতে পারে সবার জন্য সাশ্রয়ী ইন্টারনেট, ডিজিটাল সাক্ষরতা, দায়িত্বশীল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, ডেটা সুরক্ষা, ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার, নারীর অনলাইন নিরাপত্তা, শিশু সুরক্ষা, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্তি, স্থানীয় ভাষার কনটেন্ট, যুব উদ্ভাবন এবং কমিউনিটি মিডিয়া।</p>
<p>দ্বিতীয়ত, বাংলাদেশ ফোরামে একটি জাতীয় সাইড ইভেন্ট বা নীতি সংলাপ আয়োজন করতে পারে। সেখানে বাংলাদেশের ডিজিটাল উন্নয়ন অভিজ্ঞতা তুলে ধরা, আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সহযোগিতা আহ্বান এবং ভবিষ্যৎ প্রকল্পের জন্য অংশীদারিত্ব গড়ে তোলা সম্ভব। প্রতিনিধিদলে নারী, যুব, বেসরকারি খাত, নাগরিক সমাজ, একাডেমিয়া, প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা ডব্লিউএসআইএসের বহুপক্ষীয় চেতনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে।</p>
<p>তৃতীয়ত, অংশগ্রহণ যেন জেনেভাতেই শেষ না হয়। দেশে ফিরে মন্ত্রণালয়, উপদেষ্টার দপ্তর, নিয়ন্ত্রক সংস্থা এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সমন্বয়ে একটি ফলোআপ ব্যবস্থা গঠন করা দরকার। ডব্লিউএসআইএস অ্যাকশন লাইনগুলো কীভাবে বাংলাদেশের জাতীয় ডিজিটাল নীতি, এসডিজি অগ্রাধিকার, উন্নয়ন পরিকল্পনা এবং স্থানীয় বাস্তবতার সঙ্গে যুক্ত করা যায়, সে বিষয়ে একটি বাস্তবায়ন নোট তৈরি করা যেতে পারে।</p>
<p>বাংলাদেশ ইতিমধ্যে দেখিয়েছে, সঠিক নীতি, প্রযুক্তি ও জনস্বার্থ একসঙ্গে কাজ করলে ডিজিটাল রূপান্তর মানুষের জীবনে বাস্তব পরিবর্তন আনতে পারে। এখন প্রয়োজন বৈশ্বিক ডিজিটাল সহযোগিতার পরবর্তী পর্যায়ে সক্রিয়, দৃশ্যমান ও কৌশলগত ভূমিকা নেওয়া। ডব্লিউএসআইএস ফোরাম ২০২৬ সেই সুযোগ এনে দিয়েছে।</p>
<p>বাংলাদেশের উচিত এই সুযোগকে গুরুত্বের সঙ্গে গ্রহণ করা। মন্ত্রী, উপদেষ্টা এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থার উচ্চপর্যায়ের অংশগ্রহণ শুধু কূটনৈতিক উপস্থিতি নয়; এটি বাংলাদেশের ডিজিটাল ভবিষ্যৎ রক্ষার, বৈশ্বিক নীতিনির্ধারণে অবদান রাখার এবং মানুষকেন্দ্রিক তথ্যসমাজ গঠনে নেতৃত্ব দেওয়ার একটি সময়োপযোগী পদক্ষেপ।                                                                                                                                                                    </p>
<hr>
<p><strong>লেখকঃ </strong>ডিজিটাল গণতন্ত্র, তথ্যের অখণ্ডতা ও গণমাধ্যম উন্নয়ন নীতিবিষয়ক বিশেষজ্ঞ এবং দায়িত্বশীল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স বিষয়ক অ্যাম্বাসেডর</p>
<hr>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ওয়াশিংটনে তরুণদের বৈশ্বিক মঞ্চে তিশা&#45;তৌফিকের এআইভিত্তিক উদ্ভাবন</title>
<link>https://digibanglatech.news/179950</link>
<guid>https://digibanglatech.news/179950</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p&gt;ওয়ার্ল্ড ব্যাংক ইয়ুথ সামিট ২০২৬–এ বাংলাদেশের দুই তরুণ প্রতিনিধি বৈশ্বিক কর্মসংস্থান ও উদ্ভাবন বিষয়ে এআইভিত্তিক সমাধান উপস্থাপন করে দেশের সম্ভাবনা তুলে ধরছেন।&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202606/image_870x580_6a2c013e3974c.jpg" length="74592" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 12 Jun 2026 15:53:39 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড ব্যাংক ইয়ুথ সামিট ২০২৬–এ বাংলাদেশের প্রতিনিধি তিশা খন্দকার ও তৌফিক এলাহী এআইভিত্তিক উদ্ভাবনী সমাধান উপস্থাপন করছেন।</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ওয়াশিংটন ডিসিতে অনুষ্ঠিত ১৩তম World Bank Group Youth Summit 2026–এ অংশ নিয়ে আন্তর্জাতিক পরিসরে বাংলাদেশের সম্ভাবনা তুলে ধরছেন দুই তরুণ প্রতিনিধি তিশা খন্দকার ও মো. তৌফিক এলাহী।</p>
<p>World Bank Group–এর সদর দপ্তরে আয়োজিত দুই দিনব্যাপী এ সম্মেলনে বিশ্বের নীতিনির্ধারক, বিনিয়োগকারী, উদ্ভাবক ও তরুণ নেতৃত্ব একত্র হয়েছেন ভবিষ্যতের কর্মসংস্থান ও ডিজিটাল অর্থনীতির রূপরেখা নিয়ে আলোচনা করতে।</p>
<p>সম্মেলনের উদ্বোধন করেন Ajay Banga। তিনি দারিদ্র্য হ্রাস ও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধির জন্য মানসম্মত কর্মসংস্থান সৃষ্টিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হিসেবে তুলে ধরেন। পরে International Finance Corporation–এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক Makhtar Diop উদীয়মান অর্থনীতিতে বেসরকারি বিনিয়োগের গুরুত্ব তুলে ধরেন।</p>
<p>প্রথম দিনের আলোচনার অন্যতম আকর্ষণ ছিল “Beyond the Pitch Deck: Both Sides of the Funding Table” শীর্ষক প্যানেল। সেখানে বাংলাদেশের উদ্যোক্তা সম্ভাবনা তুলে ধরেন Tiger New Energy–এর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী Nicole Mao। তিনি বলেন, প্রযুক্তি গ্রহণ ও স্কেলযোগ্য উদ্ভাবনের কারণে বাংলাদেশ এখন ইমপ্যাক্ট ইনভেস্টমেন্টের জন্য সম্ভাবনাময় বাজারে পরিণত হচ্ছে।</p>
<p>সামিটের দ্বিতীয় দিনে অনুষ্ঠিত ইনোভেশন ল্যাবে বাংলাদেশের দুই প্রতিনিধি নিজেদের এআইভিত্তিক সমাধান উপস্থাপন করবেন।</p>
<p>তিশা খন্দকার Youth Entrepreneurship ক্যাটাগরিতে “AgriCredit” নামে একটি এআইভিত্তিক সমাধান উপস্থাপন করবেন, যার লক্ষ্য উন্নয়নশীল দেশের তরুণ উদ্যোক্তাদের অর্থায়ন প্রাপ্তির বাধা কমানো।</p>
<p>অন্যদিকে মো. তৌফিক এলাহী Education and Skills ক্যাটাগরিতে “From Skills to Jobs: TVET Transitions” শীর্ষক একটি কৌশলগত রোডম্যাপ তুলে ধরবেন। এতে শিক্ষা ও দক্ষতার ব্যবধান কমিয়ে তরুণদের কর্মসংস্থানে যুক্ত করার পরিকল্পনা উপস্থাপন করা হবে।</p>
<p>বিশ্বব্যাপী আগামী এক দশকে উদীয়মান অর্থনীতিগুলোতে বিপুলসংখ্যক তরুণ শ্রমবাজারে প্রবেশ করবে—এমন বাস্তবতায় এই আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব নতুন প্রজন্মের উদ্ভাবন, দক্ষতা ও বৈশ্বিক অংশগ্রহণের সক্ষমতাকে আরও দৃশ্যমান করেছে।</p>
<p>প্রসঙ্গত , ২০১৩ সালে যাত্রা শুরু করা World Bank Group Youth Summit ১৮–৩৫ বছর বয়সী তরুণদের জন্য অন্যতম আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম। এবারের প্রতিপাদ্য “FutureWorks: Designing Jobs for the Digital Age”, যেখানে কর্মসংস্থান, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি ও সবুজ উদ্ভাবনকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।</p>
<p></p>
<p>/<strong>/ডিবিটেক/এইচএম/এমআই/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে যাচ্ছে এমআইএসটি মাভিরভ</title>
<link>https://digibanglatech.news/179689</link>
<guid>https://digibanglatech.news/179689</guid>
<description><![CDATA[ &lt;h3&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 10pt;&quot;&gt;কানাডার মাটিতে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবে আন্ডারওয়াটার রোবোটিক্স দল&lt;/span&gt;&lt;/h3&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202606/image_870x580_6a2a464fae749.jpg" length="144593" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 11 Jun 2026 00:30:08 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>সমুদ্র অর্থনীতি, ব্লু ইকোনমি এবং সামুদ্রিক প্রযুক্তি</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বিশ্বের মহাসাগরের ৯০ শতাংশেরও বেশি অঞ্চল এখনো মানুষের কাছে অজানা। সেই অজানা নীল জগতের রহস্য উন্মোচনের স্বপ্ন নিয়েই কয়েক বছর আগে যাত্রা শুরু করেছিল একদল তরুণ প্রকৌশল শিক্ষার্থী। আজ সেই উদ্যোগই পরিণত হয়েছে বাংলাদেশের অন্যতম প্রতিশ্রুতিশীল আন্ডারওয়াটার রোবোটিক্স দল ‘এমআইএসটি মাভিরভ’-এ (MIST MAVIROV)।</p>
<p>ঢাকার মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (এমআইএসটি )-এর শিক্ষার্থীদের গড়ে তোলা এই দলটি এবার যোগ্যতা অর্জন করেছে বিশ্বের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ আন্ডারওয়াটার রোবোটিক্স প্রতিযোগিতা ‘২০২৬ মেট রোভ ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপ’-এ অংশ নেওয়ার। আগামী ২৩ জুন কানাডার নিউফাউন্ডল্যান্ড অ্যান্ড ল্যাব্রাডরে অনুষ্ঠিত হবে এই প্রতিযোগিতা।</p>
<p>বাংলাদেশ থেকে অংশ নেওয়া ২৬ সদস্যের দলটি ১৮ জুন কানাডার উদ্দেশে রওনা হবে। ইতোমধ্যে দলের সব সদস্যের ভিসা ও বিমান টিকিট নিশ্চিত হয়েছে।</p>
<h3><span style="font-size: 10pt;">শিক্ষার্থীদের হাতে তৈরি অত্যাধুনিক রোবট</span></h3>
<p>এমআইএসটি মাভিরভের সবচেয়ে বড় শক্তি তাদের নিজস্বভাবে তৈরি রিমোটলি অপারেটেড ভেহিকল (ROV) ‘মাভিরিও’। সম্পূর্ণ শিক্ষার্থী-নির্ভর গবেষণা, নকশা, উন্নয়ন ও পরীক্ষার মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে এই আন্ডারওয়াটার রোবট।</p>
<p>মাভিরিওতে রয়েছে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ক্যামেরা, শক্তিশালী আলোকসজ্জা ব্যবস্থা, ২ ডিগ্রি অব ফ্রিডম (2-DOF) রোবোটিক ম্যানিপুলেটর আর্ম এবং মাল্টিপারপাস গ্রিপার। এসব প্রযুক্তি ব্যবহার করে সমুদ্রতলের নমুনা সংগ্রহ, পরিবেশগত পর্যবেক্ষণ, সাবসি অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ এবং জটিল প্রকৌশল কার্যক্রম পরিচালনা করা সম্ভব।</p>
<h3><span style="font-size: 10pt;">গবেষণা থেকে আন্তর্জাতিক মঞ্চে</span></h3>
<p>দলটির যাত্রা শুরু হয়েছিল সমুদ্র প্রযুক্তি ও সামুদ্রিক রোবোটিক্স নিয়ে আগ্রহী কিছু শিক্ষার্থীর উদ্যোগে। পরবর্তীতে ‘লেভিয়াথান ১.০’, ‘লেভিয়াথান ২.০’ এবং ‘ক্রিপার ১.০’-এর মতো প্রকল্পে কাজের মাধ্যমে তারা অভিজ্ঞতা অর্জন করে।</p>
<p>একই সঙ্গে বেয়ার সামিট, ডিডিআই এক্সপোসহ বিভিন্ন জাতীয় প্রযুক্তি প্রদর্শনী ও প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে নিজেদের দক্ষতা প্রমাণ করে। বর্তমানে দলে মেকানিক্যাল, ইলেকট্রিক্যাল, সফটওয়্যার, গবেষণা ও উন্নয়ন, ডিজাইন, গ্রাফিক্স, জনসংযোগ ও মার্কেটিংসহ বিভিন্ন শাখার শিক্ষার্থীরা কাজ করছেন।</p>
<p>দলের কারিগরি তত্ত্বাবধানে রয়েছেন মেন্টর মেজর মোহাম্মদ নাঈম উদ্দিন।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202606/image_870x_6a2a464b36774.jpg" alt=""></p>
<h3><span style="font-size: 10pt;">কী করতে হবে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে?</span></h3>
<p>মেট রোভ ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপে অংশগ্রহণকারী দলগুলোর মূল্যায়ন করা হয় তিনটি প্রধান সূচকে—মিশন পারফরম্যান্স, প্রকৌশল ও প্রযুক্তিগত উপস্থাপনা এবং নিরাপত্তা।</p>
<p>এমআইএসটি মাভিরভকে সমুদ্র গবেষণা, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং অফশোর জ্বালানি খাতের বাস্তব পরিস্থিতির অনুকরণে তৈরি একাধিক মিশন সম্পন্ন করতে হবে।</p>
<p>এর মধ্যে রয়েছে সমুদ্রতল থেকে জীববৈচিত্র্যের নমুনা সংগ্রহ, সাব-সি অবজারভেটরির সেন্সর পরিবর্তন, অফশোর উইন্ড-পাওয়ার অবকাঠামোতে সংযোগ স্থাপন এবং বরফাচ্ছন্ন পরিবেশে পরিচালনাগত সক্ষমতা প্রদর্শন।</p>
<h3><span style="font-size: 10pt;">‘রোবট দিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ডাইভিংয়ের বিকল্প তৈরি করতে চাই’</span></h3>
<p>দলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মাহিবুল হক বলেন, “আমরা কয়েকজন স্বপ্নবাজ প্রকৌশল শিক্ষার্থী হিসেবে যাত্রা শুরু করেছিলাম। সমুদ্রের বিশাল অংশ এখনো অনাবিষ্কৃত। সেই অজানা জগতকে জানার আগ্রহ থেকেই আমাদের পথচলা।”</p>
<p>তিনি বলেন, “মাভি শব্দটি সমুদ্রের নীল রঙকে প্রতিনিধিত্ব করে। আমরা এমন প্রযুক্তি তৈরি করতে চাই যা ভবিষ্যতে ঝুঁকিপূর্ণ আন্ডারওয়াটার ডাইভিংয়ের বিকল্প হিসেবে নিরাপদ ও কার্যকর রোবট ব্যবহারের সুযোগ তৈরি করবে।”</p>
<p>মাহিবুল আরও বলেন, “আমাদের লক্ষ্য শুধু রোবট তৈরি নয়; নতুন প্রজন্মকে সামুদ্রিক রোবোটিক্সে আগ্রহী করা এবং পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি উদ্ভাবনের মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা।”</p>
<h3><span style="font-size: 10pt;">বাংলাদেশের জন্য নতুন সম্ভাবনা</span></h3>
<p>বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শতাধিক বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে যাচ্ছে এমআইএসটি মাভিরভ। আন্তর্জাতিক এই মঞ্চে অংশগ্রহণ শুধু একটি প্রতিযোগিতা নয়; বরং বাংলাদেশের তরুণ প্রকৌশলীদের গবেষণা, উদ্ভাবন ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা তুলে ধরার বড় সুযোগ।</p>
<p>সমুদ্র অর্থনীতি, ব্লু ইকোনমি এবং সামুদ্রিক প্রযুক্তি উন্নয়নের যুগে মিস্ট মাভিরভের এই যাত্রা বাংলাদেশের প্রযুক্তিখাতে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।</p>
<p>/<span style="text-decoration: underline;"><strong>/ডিবিটেক/আইরিশ/এমইউআইএম/</strong></span>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>কে এই ড. মুশতাক ইবনে আয়ূব?</title>
<link>https://digibanglatech.news/179281</link>
<guid>https://digibanglatech.news/179281</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202606/image_870x580_6a26791cb76fc.jpg" length="70824" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 08 Jun 2026 12:10:39 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>শিক্ষক, গবেষক, বিজ্ঞানী, ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ, প্রযুক্তিবিদ, সংগঠক, লেখক ও টেলিভিশন উপস্থাপক—এক ব্যক্তির এতগুলো পরিচয় সচরাচর দেখা যায় না। সম্প্রতি টিভি উপস্থাপক দীপ্তি চৌধুরীর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার পর নতুন করে আলোচনায় এসেছেন ড. মুশতাক ইবনে আয়ূব। তবে তার পরিচয় কেবল একজন তারকা উপস্থাপকের জীবনসঙ্গী হিসেবে নয়; বরং শিক্ষা, গবেষণা, বিজ্ঞান ও সমাজসেবায় দীর্ঘদিনের অবদানের কারণে তিনি নিজেই একটি স্বতন্ত্র পরিচয়ের নাম।</p>
<p>ছাত্রজীবন থেকেই অসাধারণ মেধার স্বাক্ষর রেখে আসছেন ড. মুশতাক। অষ্টম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষায় মাদারীপুর জেলায় প্রথম স্থান অর্জনের মধ্য দিয়ে তার সাফল্যের যাত্রা শুরু। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সম্পন্ন করেন যথাক্রমে মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং নটরডেম কলেজ থেকে। উভয় পরীক্ষাতেই তার গড় নম্বর ছিল ৮১ শতাংশের বেশি।</p>
<p>উচ্চশিক্ষার জন্য তিনি ভর্তি হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। সেখানে অনার্স ও মাস্টার্স- উভয় পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অর্জন করেন। একাডেমিক উৎকর্ষতার স্বীকৃতি হিসেবে তিনি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দুটি স্বর্ণপদক লাভ করেন। এর মধ্যে একটি ছিল মাস্টার্সে সর্বোচ্চ নম্বর অর্জনের জন্য এবং অন্যটি শিশুদের থ্যালাসেমিয়া রোগ নিয়ে গবেষণার জন্য ‘ডিনস অ্যাওয়ার্ড’।</p>
<p>মাস্টার্স সম্পন্ন করার অল্প সময়ের মধ্যেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন তিনি। এরপর উচ্চতর গবেষণার জন্য যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পাড়ি জমান। মর্যাদাপূর্ণ কমনওয়েলথ স্কলারশিপ নিয়ে তিনি সেখানে পিএইচডি সম্পন্ন করেন। তার গবেষণার বিষয় ছিল কোলোরেক্টাল ক্যান্সার কোষের বৈচিত্র্য এবং CD24-এর এপিজেনেটিক নিয়ন্ত্রণ। গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন বিশ্বের খ্যাতিমান বিজ্ঞানী ও অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক স্যার ওয়াল্টার বডমার।</p>
<p>অক্সফোর্ডে অবস্থানকালে ড. মুশতাক বেশ কয়েকটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেন। তিনি অনলাইন ভোটে হার্টফোর্ড কলেজের গবেষকদের সভাপতি নির্বাচিত হওয়া প্রথম বাংলাদেশি। পরে একই কলেজে ডিনের সহকারী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া অক্সফোর্ডে প্রথমবারের মতো ‘বাংলাদেশ সোসাইটি’ প্রতিষ্ঠা করে প্রবাসী বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ও গবেষকদের জন্য একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলেন।</p>
<p>তার আন্তর্জাতিক অর্জনের তালিকাও দীর্ঘ। ইতালিতে ট্রান্সলেশনাল মেডিসিন বিষয়ে বিশেষ প্রশিক্ষণ গ্রহণের পাশাপাশি সিঙ্গাপুরের ন্যাশনাল ক্যান্সার সেন্টার থেকে ক্যান্সার জেনেটিক সার্ভিস বিষয়ে ফেলোশিপ সম্পন্ন করেন। কমনওয়েলথ স্কলারশিপ কমিশনের Alumni UK Awards-এর বৈশ্বিক ক্যাটাগরিতে দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গবেষক হিসেবে স্বীকৃতি পান। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের Howard Brain Sciences Foundation-এর নির্বাচিত ফেলো হিসেবেও সম্মানিত হন।</p>
<p>গবেষণা ও উদ্ভাবনের ক্ষেত্রেও রয়েছে তার গুরুত্বপূর্ণ অবদান। মৌলিক বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারের জন্য যুক্তরাষ্ট্র থেকে দুটি পেটেন্ট অর্জন করেছেন তিনি। ক্যান্সার গবেষণা, জেনেটিক্স এবং বায়োটেকনোলজি নিয়ে তার কাজ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রশংসিত হয়েছে।</p>
<p>দেশে তরুণ বিজ্ঞানীদের জন্য একটি শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম তৈরির লক্ষ্যে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন ‘ইয়াং বায়োটেকনোলজিস্টস অব বাংলাদেশ (YOUNG BB)’। বর্তমানে সংগঠনটির নির্বাহী পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া ক্যান্সার সচেতনতা বৃদ্ধি ও রোগীদের সহায়তায় প্রতিষ্ঠা করেন Cancer Care and Research Trust (CCRT), যা জনস্বাস্থ্য খাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে।</p>
<p>গণমাধ্যমেও সমানভাবে সক্রিয় ড. মুশতাক। ২০২১ সাল থেকে তিনি চ্যানেল ২৪-এর জনপ্রিয় স্বাস্থ্যবিষয়ক অনুষ্ঠান ‘সুরক্ষায় প্রতিদিন’-এর নিয়মিত উপস্থাপক। এ পর্যন্ত প্রায় ৬০০-এর বেশি পর্ব উপস্থাপনা করেছেন তিনি। ফলে স্বাস্থ্যবিষয়ক জনসচেতনতা তৈরিতেও তার উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে।</p>
<p>বিজ্ঞানচর্চার পাশাপাশি লেখালেখিতেও রয়েছে তার সমান দক্ষতা। জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং ও বায়োটেকনোলজি বিষয়ে তার একাধিক বই প্রকাশিত হয়েছে। উল্লেখযোগ্য বইগুলোর মধ্যে রয়েছে-‘জিন প্রকৌশল ও মানব ক্লোনিং’, ‘জিন প্রকৌশল ও জিএম শস্য’, ‘জিন মন ভালোবাসা’, ‘ক্লোনিং কেলেঙ্কারি ও আপনার কথা’ এবং ‘স্বপ্ন ও স্মৃতির অক্সফোর্ড’। এছাড়া তার একটি কাব্যগ্রন্থও প্রকাশিত হয়েছে।</p>
<p>সম্প্রতি দীপ্তি চৌধুরীর সঙ্গে তার বিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে আলোচনার আড়ালে যে মানুষটির দীর্ঘ গবেষণা, আন্তর্জাতিক অর্জন, শিক্ষা ও সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ড রয়েছে, সেই ড. মুশতাক ইবনে আয়ূব আজ বাংলাদেশের বিজ্ঞান ও জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠনের এক উজ্জ্বল প্রতিনিধি হিসেবেই বেশি পরিচিত।</p>
<p><strong>/</strong>/<span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক</strong>/ <strong>আইএইচ</strong>/ <strong>ইকে/</strong></span>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বিএনপি মিডিয়া সেলের নামে জেলায় জেলায় ভুয়া কমিটি</title>
<link>https://digibanglatech.news/179320</link>
<guid>https://digibanglatech.news/179320</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202606/image_870x580_6a26aa5456f1f.jpg" length="88603" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 08 Jun 2026 00:00:30 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বিএনপির কেন্দ্রীয় মিডিয়া সেলের নামে বিভিন্ন জেলায় ভুয়া কমিটি গঠন ও প্রচারের অভিযোগ উঠেছে। এ ধরনের কোনো কমিটি কেন্দ্রীয়ভাবে অনুমোদন করা হয়নি বলে জানিয়েছে দলটির মিডিয়া সেল।</p>
<p>বিএনপি মিডিয়া সেল ৭ জুন, রবিবার এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, সম্প্রতি কয়েকটি জেলায় ‘বিএনপি মিডিয়া সেল’ নামে কমিটি ঘোষণা ও প্রচারের তথ্য তাদের নজরে এসেছে। তবে কেন্দ্রীয় মিডিয়া সেল সারাদেশে জেলা বা মহানগর পর্যায়ে এ নামে কোনো কমিটি গঠন করেনি।  </p>
<p>বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, যেসব ব্যক্তি বা গোষ্ঠী নিজেদের বিএনপি মিডিয়া সেলের অনুমোদিত কমিটি হিসেবে দাবি করছে, তাদের সঙ্গে কেন্দ্রীয় মিডিয়া সেলের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। এসব দাবি সম্পূর্ণ অননুমোদিত ও বিভ্রান্তিকর।  </p>
<p>বিএনপি মিডিয়া সেল আরও জানায়, যারা অননুমোদিতভাবে এ ধরনের কমিটি প্রদান বা প্রচার করছে, তাদের বিরুদ্ধে দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগ আনা হবে। </p>
<p>এ অবস্থায় সাধারণ নেতাকর্মী, সমর্থক এবং সাংবাদিকদের ভুয়া কমিটি ও বিভ্রান্তিকর তথ্য থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে বিএনপি মিডিয়া সেল। </p>
<p>বিজ্ঞপ্তিতে দলটির পক্ষ থেকে বলা হয়, কেন্দ্রীয় মিডিয়া সেলের অনুমোদন ছাড়া কোনো কমিটি বা তালিকাকে বৈধ হিসেবে বিবেচনা না করার জন্য সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি অনুরোধ জানানো হচ্ছে।</p>
<p><strong>/</strong>/<strong>ডিবিকটেক</strong>/<strong>পিআর</strong>/<strong>ইকে/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বিশ্বমঞ্চে রোবোটিক্সে বাংলাদেশের ১৮টি গোল্ড মেডেল অর্জন</title>
<link>https://digibanglatech.news/179241</link>
<guid>https://digibanglatech.news/179241</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202606/image_870x580_6a25cff63b722.jpg" length="118321" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 07 Jun 2026 23:09:45 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>আইডব্লিউসি ২০২৬ বাংলাদেশ, ইন্দোনেশিয়া উদ্ভাবন প্রতিযোগিতা, রোবোটিক্সে স্বর্ণপদক জয়ী বাংলাদেশ, আইওয়াইএসএ স্পেশাল অ্যাওয়ার্ড, মাহাদির ইসলাম ড্রিমস অব বাংলাদেশ, এআই বেসড সার্ভেইল্যান্স সিস্টেম, বাংলাদেশে স্টেম ও রোবোটিক্স শিক্ষা</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div _ngcontent-ng-c1433319275="" class="container">
<div _ngcontent-ng-c1789272294="" inline-copy-host="" class="markdown markdown-main-panel enable-updated-hr-color" id="model-response-message-contentr_5483373238c027de" aria-live="polite" aria-busy="false" dir="ltr">
<p data-path-to-node="2">আন্তর্জাতিক রোবোটিক্স ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) গবেষণার আসরে বিশ্বের ১৬টি দেশের ৪৫৮টি দলের সঙ্গে লড়াই করে শতভাগ সাফল্যের এক ঐতিহাসিক রেকর্ড গড়েছে বাংলাদেশের তরুণ উদ্ভাবকেরা। ইন্দোনেশিয়ায় অনুষ্ঠিত মর্যাদাপূর্ণ উদ্ভাবন ও গবেষণা প্রতিযোগিতা ‘ইনোভেশন ওয়ার্ল্ড কাপ (IWC) ২০২৬’ এবং ‘ইন্টারন্যাশনাল ইনোভেশন অ্যান্ড ইনভেনশন কম্পিটিশন (I3C) ২০২৬’-এ অংশ নিয়ে বাংলাদেশি ৯টি দলই গোল্ড মেডেলসহ মোট ১৮টি আন্তর্জাতিক স্বর্ণপদক অর্জন করেছে। আজ সোমবার (৮ জুন) ঢাকায় প্রাপ্ত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তরুণ বিজ্ঞানীদের এই অভাবনীয় সাফল্যের তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।</p>
<p data-path-to-node="3">বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শীর্ষস্থানীয় শিক্ষার্থী, গবেষক ও উদ্ভাবকদের উদ্ভাবনী মেধার বিকাশ এবং বৈশ্বিক প্রযুক্তিগত সক্ষমতা যাচাইয়ের লক্ষ্যে এই আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। আন্তর্জাতিক এই বিশ্বমঞ্চে ‘ড্রিমস অব বাংলাদেশ’ (Dreams of Bangladesh)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও মেন্টরশিপের অধীনে বাংলাদেশ ডেলিগেশন অংশ নেয়। বাংলাদেশের প্রতিযোগীরা মূলত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, স্বাস্থ্যপ্রযুক্তি এবং অ্যাডভান্সড রোবোটিক্সের মতো জটিল ফ্রন্টিয়ার প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিশ্বমানের প্রজেক্ট প্রদর্শন করেন, যা আন্তর্জাতিক বিচারকদের উচ্চ প্রশংসা কুড়াতে সক্ষম হয়।</p>
<p data-path-to-node="4">১৮টি গোল্ড মেডেলের পাশাপাশি বাংলাদেশি দলগুলো ৩টি স্পেশাল প্ল্যাটিনাম অ্যাওয়ার্ড এবং ১টি অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ ‘আইওয়াইএসএ (IYSA) স্পেশাল অ্যাওয়ার্ড’ নিজেদের করে নিয়েছে। স্বর্ণপদক বিজয়ী বাংলাদেশি প্রজেক্টগুলোর মধ্যে রয়েছে—এআই বেসড সার্ভেইল্যান্স সিস্টেম, ফায়ার ফাইটিং অ্যান্ড রেসকিউ রোবট, ডেল্টা-এক্স রোবট, মাল্টি-মোডাল ডিপফেক সিস্টেম, রিভারিক্স, অ্যাভেঞ্জার এমকে-২, অটোমেটিক ফিশ ব্রিডিং মেশিন এবং স্মার্ট হুইলচেয়ার ফর প্যারালাইজড পিপল। এর মধ্যে ‘এআই বেসড সার্ভেইল্যান্স সিস্টেম’, ‘ডেল্টা-এক্স রোবট’ এবং ‘স্মার্ট হুইলচেয়ার’ প্রজেক্ট তিনটি আন্তর্জাতিক বিশেষ স্বীকৃতি হিসেবে ‘স্পেশাল প্ল্যাটিনাম অ্যাওয়ার্ড’ লাভ করে। এছাড়া পক্ষাঘাতগ্রস্ত মানুষের জন্য তৈরি বিশেষায়িত স্মার্ট হুইলচেয়ার প্রজেক্টটি আসরের অন্যতম শীর্ষ সম্মাননা ‘IYSA স্পেশাল অ্যাওয়ার্ড’ অর্জন করে।</p>
<p data-path-to-node="5">এই ঐতিহাসিক অর্জন সম্পর্কে বাংলাদেশ আইডব্লিউসি ডেলিগেশনের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর এবং ড্রিমস অব বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও মাহাদির ইসলাম বলেন, এই গৌরবময় সাফল্য প্রমাণ করে যে সঠিক দিকনির্দেশনা, সুযোগ ও মেন্টরশিপ পেলে বাংলাদেশের তরুণরা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও রোবোটিক্সের মতো বিশ্বসেরা প্রযুক্তিতে যেকোনো দেশের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে জয়ী হতে পারে। ড্রিমস অব বাংলাদেশের ইভেন্ট ইন-চার্জ মেহেদী হাসান সৌরভ তরুণদের এই সৃজনশীলতাকে দেশের জন্য বড় শক্তির উৎস হিসেবে অভিহিত করেন। দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের রোবোটিক্স, স্টেম (STEM) শিক্ষা ও এআই প্রযুক্তিতে বিশ্বমঞ্চের উপযোগী করে গড়ে তুলতে কাজ করা প্রতিষ্ঠানটি মনে করে, এই জয় বিশ্ববাসীর সামনে ডিজিটাল বাংলাদেশের মেধা ও সক্ষমতার এক শক্তিশালী বার্তা পৌঁছে দিল।</p>
<p data-path-to-node="8"> <strong>/</strong>/<strong>ডিবিটেক</strong>/<strong>এমআই</strong>/<strong>এমআইইউ/</strong>/</p>
</div>
<message-content _ngcontent-ng-c1433319275="" _nghost-ng-c1789272294="" id="message-content-id-r_5483373238c027de" class="ng-star-inserted"></message-content><!----></div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ঢাবি এমআইএস বিভাগ ও বিসিকের যৌথ উদ্যোগে উদ্যোক্তা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ শুরু</title>
<link>https://digibanglatech.news/179239</link>
<guid>https://digibanglatech.news/179239</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202606/image_870x580_6a25c4309604a.jpg" length="99005" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 07 Jun 2026 09:19:35 +0600</pubDate>
<dc:creator>ক্যাম্পাস করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>Dhaka University MIS, BSCIC Training Institute, Entrepreneurship Development Program, Startup Ecosystem Bangladesh, Youth Entrepreneurship, SME Development Bangladesh, Digital Entrepreneurship Training</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্যোক্তা মনোভাব গড়ে তোলা, উদ্ভাবনী ব্যবসায়িক চিন্তার বিকাশ এবং আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমস (এমআইএস) বিভাগ এবং বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশনের (বিসিক) প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান বিসিক ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের (বিটিআই) যৌথ উদ্যোগে পাঁচ দিনব্যাপী ‘উদ্যোক্তা উন্নয়ন’ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শুরু হয়েছে।</p>
<p>৭ জুন, রবিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ ফারুক মাল্টিপারপাস হলে আয়োজিত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।</p>
<p>এমআইএস বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মো. রকিবুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাহমুদ ওসমান ইমাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মো. শহিদুজ্জামান এবং ড. মো. ফরহাদ আহমেদ।</p>
<p>বক্তারা বলেন, চতুর্থ শিল্পবিপ্লব, ডিজিটাল অর্থনীতি এবং প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবসায়িক পরিবেশের এই সময়ে তরুণদের শুধু চাকরিনির্ভর মানসিকতায় সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না। বিশ্ববিদ্যালয় জীবন থেকেই তাদের উদ্ভাবনী চিন্তা, প্রযুক্তি ব্যবহারের দক্ষতা এবং উদ্যোক্তা সক্ষমতা অর্জনের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টিকারী হিসেবে গড়ে উঠতে হবে।</p>
<p>তারা বলেন, উদ্যোক্তাভিত্তিক মানবসম্পদ উন্নয়ন দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, শিল্পায়ন এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে দক্ষ ও প্রযুক্তিসচেতন উদ্যোক্তা তৈরির মাধ্যমে ক্ষুদ্র, মাঝারি ও উদ্ভাবনী উদ্যোগের বিস্তার ঘটানো সম্ভব, যা ভবিষ্যতের স্মার্ট অর্থনীতি গঠনে সহায়ক হবে।</p>
<p>বক্তারা আরও উল্লেখ করেন, নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টি, উদ্ভাবনভিত্তিক ব্যবসা সম্প্রসারণ এবং দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার মাধ্যমে জাতীয় অর্থনীতির ভিত্তি আরও শক্তিশালী করা যাবে। এ লক্ষ্যেই বিসিক শিক্ষার্থীদের বাস্তবমুখী উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণের আওতায় নিয়ে আসছে।</p>
<p>আগামী ১১ জুন পর্যন্ত চলমান এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা ব্যবসায় পরিকল্পনা প্রণয়ন, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ ব্যবস্থাপনা, ডিজিটাল মার্কেটিং ও বাজারজাতকরণ কৌশল, আর্থিক পরিকল্পনা, স্টার্টআপ ব্যবস্থাপনা এবং সফল উদ্যোক্তা হওয়ার বিভিন্ন ব্যবহারিক বিষয়ে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করবেন।</p>
<p>আয়োজকদের মতে, বিশ্ববিদ্যালয় ও শিল্প উন্নয়ন প্রতিষ্ঠানের এই যৌথ উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্যোক্তা সংস্কৃতি বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে প্রযুক্তিনির্ভর নতুন উদ্যোগ, স্টার্টআপ এবং আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নেও ইতিবাচক অবদান রাখবে। </p>
<p><strong>/</strong>/<strong>ডিবিকটেক</strong>/<strong>কেকা</strong>/<strong>এমআই/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ই&#45;কমার্স খাতের টেকসই প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যে ৩০ প্রস্তাবনা</title>
<link>https://digibanglatech.news/179098</link>
<guid>https://digibanglatech.news/179098</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202606/image_870x580_6a24ccda827f7.jpg" length="131856" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 07 Jun 2026 00:45:10 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div _ngcontent-ng-c1789272294="" inline-copy-host="" id="model-response-message-contentr_eb1cbf9df42edb42" aria-live="off" aria-busy="false" dir="ltr">
<p data-path-to-node="4">বাংলাদেশের ডিজিটাল অর্থনীতির অন্যতম মূল চালিকাশক্তি ই-কমার্স। বর্তমানে এই খাতের বাজারের আকার প্রায় ২২ হাজার কোটি টাকা, যা প্রত্যক্ষভাবে ৫ লক্ষাধিক ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা এবং ২০ লক্ষাধিক মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করেছে। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়, বিদ্যমান অর্থ আইন ও আয়কর আইনের কিছু জটিলতা এবং উচ্চ কর হারের কারণে আমাদের ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা, বিশেষত নারী উদ্যোক্তারা বর্তমানে অস্তিত্ব রক্ষার চরম সংকটে পড়েছেন। সঠিক নীতিসহায়তা ও কর কাঠামোর যৌক্তিকীকরণ নিশ্চিত করা গেলে, ২০৩০ সালের মধ্যে এই খাত দেশের জিডিপিতে ৫%-এর বেশি অবদান রাখতে সক্ষম হবে। </p>
<p data-path-to-node="4">অথচ বিদ্যমান অর্থ ও আয়কর আইনের কিছু জটিলতা এবং উচ্চ কর হারের কারণে এই খাতের উদ্যোক্তারা, বিশেষত নারী ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা তাদের ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হচ্ছেন। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জাতীয় স্বার্থে এবং একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই 'স্মার্ট ইকোনমি' বিনির্মাণের ৬ দফায় আমার ৩০টি প্রস্তাবনা বিবেচনায় নিতে পারেন সরকারের সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারণী মহল। </p>
<p data-path-to-node="5"><span style="font-size: 12pt;"><strong>কর ও আইনি কাঠামো সংস্কার</strong></span></p>
<ul data-path-to-node="7">
<li>
<p data-path-to-node="7,0,0">ITES অন্তর্ভুক্তিকরণ: অর্থ আইন ২০১৬ (৫৪-গ) সংশোধনপূর্বক ই-কমার্সকে পুনরায় 'তথ্যপ্রযুক্তি ভিত্তিক সেবা' (ITES) ভুক্ত করতে হবে এবং ২০৩১ সাল পর্যন্ত কর অব্যাহতি প্রদান করতে হবে। এটি প্রত্যক্ষ বৈদেশিক বিনিয়োগ (FDI) বৃদ্ধি করবে।</p>
</li>
<li>
<p data-path-to-node="7,1,0">ন্যূনতম কর যৌক্তিকীকরণ: স্টার্টআপদের টিকে থাকার হার বাড়াতে লোকসানি প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ন্যূনতম কর (আয়কর আইন ২০২৩, ধারা ১৬৩) ০.১%-এ সীমাবদ্ধ রাখা প্রয়োজন।</p>
</li>
<li>
<p data-path-to-node="7,2,0">প্রচারণামূলক ব্যয় সীমা বৃদ্ধি: ব্র্যান্ডিং ও বাজার সম্প্রসারণে বিজ্ঞাপনের ব্যয়সীমা টার্নওভারের ০.৫% থেকে বাড়িয়ে ৫% করার প্রস্তাব করছি।</p>
</li>
<li>
<p data-path-to-node="7,3,0">প্রশাসনিক হয়রানি হ্রাস: ভাড়ার বিপরীতে বাড়িওয়ালার রিটার্ন কপি জমার বাধ্যবাধকতা ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে শিথিল করতে হবে।</p>
</li>
<li>
<p data-path-to-node="7,4,0">সহজ রিটার্ন ও লাইসেন্সিং: এনবিআর-এর জন্য এক পাতার (Single Page) সহজ রিটার্ন ফর্ম এবং দেশব্যাপী সর্বোচ্চ ১,০০০ টাকা ফিতে অভিন্ন 'ই-কমার্স ট্রেড লাইসেন্স' চালু করতে হবে।</p>
</li>
</ul>
<h3 data-path-to-node="8"><strong><span style="font-size: 12pt;">ক্যাশলেস ইকোনমি ও ডিজিটাল ট্রানজেকশন</span></strong></h3>
<ul data-path-to-node="9">
<li>
<p data-path-to-node="9,0,0">ভ্যাট রেয়াত ও ক্যাশব্যাক: ক্যাশলেস লেনদেনকে উৎসাহিত করতে ডিজিটাল পেমেন্টে ৩%-৫% ভ্যাট রেয়াত বা ক্যাশব্যাক সুবিধা প্রদান করতে হবে।</p>
</li>
<li>
<p data-path-to-node="9,1,0">গেটওয়ে চার্জ সমন্বয়: পেমেন্ট গেটওয়ের উচ্চ চার্জ (১.৫%-৩%) কমাতে সরকার কর্তৃক ১.৫% ভর্তুকি প্রদানের মাধ্যমে অর্থনীতিকে ফরমাল চ্যানেলে আনতে হবে।</p>
</li>
<li>
<p data-path-to-node="9,2,0">অটোমেশন ও রিফান্ড: পেমেন্ট রিফান্ড প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ অটোমেটেড করা এবং রিফান্ড ব্যাংক চার্জ সম্পূর্ণ মওকুফ নিশ্চিত করতে হবে।</p>
</li>
</ul>
<h3 data-path-to-node="10"><strong><span style="font-size: 12pt;">নারী উদ্যোক্তা ও ক্ষুদ্র ব্যবসার সুরক্ষা</span></strong></h3>
<ul data-path-to-node="11">
<li>
<p data-path-to-node="11,0,0">নারী উদ্যোক্তাদের কর সুবিধা: বার্ষিক ৫০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত টার্নওভার থাকা নারী উদ্যোক্তাদের সম্পূর্ণ করমুক্ত রাখতে হবে।</p>
</li>
<li>
<p data-path-to-node="11,1,0">DBID-এর কার্যকারিতা: ডিজিটাল বিজনেস আইডেন্টিফিকেশন (DBID) থাকলেই ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের ব্যাংক লোনের সুযোগ ও আইনি স্বীকৃতি নিশ্চিত করতে হবে।</p>
</li>
<li>
<p data-path-to-node="11,2,0">জামানতবিহীন স্মার্ট লোন: ডিজিটাল ট্রানজেকশন রেকর্ডের ভিত্তিতে তরুণ ও নারী উদ্যোক্তাদের ৫-১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জামানতবিহীন ঋণ প্রদানের ব্যবস্থা করতে হবে।</p>
</li>
</ul>
<h3 data-path-to-node="12"><strong><span style="font-size: 12pt;">লজিস্টিকস ও অবকাঠামো উন্নয়ন</span></strong></h3>
<ul data-path-to-node="13">
<li>
<p data-path-to-node="13,0,0">শুল্কমুক্ত যন্ত্রপাতি: লজিস্টিকস সর্টিং ও অটোমেশন যন্ত্রাংশ আমদানিতে শুল্ক শূন্য করতে হবে।</p>
</li>
<li>
<p data-path-to-node="13,1,0">ভ্যাট প্রত্যাহার/হ্রাস: ডেলিভারি চার্জের ওপর বিদ্যমান ১৫% ভ্যাট প্রত্যাহার এবং ই-কমার্স হাবের ভাড়ার ওপর ভ্যাট মওকুফ করতে হবে।</p>
</li>
<li>
<p data-path-to-node="13,2,0">ই-কমার্স ভিলেজ: ঢাকার ওপর চাপ কমাতে অর্থনৈতিক অঞ্চলে 'ই-কমার্স ভিলেজ' গঠন করতে হবে।</p>
</li>
<li>
<p data-path-to-node="13,3,0">সাপ্লাই চেইনে স্বচ্ছতা: প্রজ্ঞাপন (SRO ২৪০-আইন/২০২১) অনুযায়ী অব্যাহতিপ্রাপ্ত পণ্যের ওপর জোগানদার হিসেবে উৎস কর কাটা বন্ধ করতে হবে।</p>
</li>
</ul>
<h3 data-path-to-node="14"><span style="font-size: 12pt;"><strong>আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও কৃষি পণ্য</strong></span></h3>
<ul data-path-to-node="15">
<li>
<p data-path-to-node="15,0,0">রপ্তানি প্রণোদনা: ই-কমার্স রপ্তানিতে ১০-১৫% নগদ প্রণোদনা ও সহজ শুল্কায়ন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।</p>
</li>
<li>
<p data-path-to-node="15,1,0">বন্ডেড ওয়্যারহাউস: রপ্তানিমুখী ই-কমার্স উদ্যোক্তাদের জন্য বন্ডেড ওয়্যারহাউস সুবিধা প্রদান করতে হবে।</p>
</li>
<li>
<p data-path-to-node="15,2,0">ডাক বিভাগে ভর্তুকি: আন্তর্জাতিক ডেলিভারির খরচ কমাতে ডাকযোগে পণ্য প্রেরণে ৫০% সরকারি ভর্তুকি প্রদান করতে হবে।</p>
</li>
<li>
<p data-path-to-node="15,3,0">পেমেন্ট শিথিলতা: ১,০০০ ডলার পর্যন্ত আন্তর্জাতিক লেনদেনে পাসপোর্ট কপির বাধ্যবাধকতা রহিত করতে হবে।</p>
</li>
<li>
<p data-path-to-node="15,4,0">এগ্রি-ই-কমার্স: কৃষিপণ্য উদ্যোক্তাদের জন্য সহজ শর্তে ঋণ ও কোল্ড চেইন সাবসিডি প্রদান করতে হবে।</p>
</li>
<li>
<p data-path-to-node="15,5,0">পরিবেশবান্ধব প্যাকেজিং: পাটজাত ও পরিবেশবান্ধব প্যাকেজিং ব্যবহারে বিশেষ ভ্যাট ছাড় দিতে হবে।</p>
</li>
</ul>
<h3 data-path-to-node="16"><span style="font-size: 12pt;"><strong>ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা ও সক্ষমতা বৃদ্ধি</strong></span></h3>
<ul data-path-to-node="17">
<li>
<p data-path-to-node="17,0,0">বিজ্ঞাপন ভ্যাট হ্রাস: দেশীয় প্ল্যাটফর্মে ডিজিটাল বিজ্ঞাপনের ভ্যাট ১৫% থেকে কমিয়ে ৫% করতে হবে, যা বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করবে।</p>
</li>
<li>
<p data-path-to-node="17,1,0">রিস্ক ফান্ড ও বিমা: সাইবার আক্রমণ ও ব্যবসায়িক বিপর্যয় মোকাবিলায় 'ডিজিটাল কমার্স রিস্ক ফান্ড' গঠন ও সাশ্রয়ী 'সাইবার ইনস্যুরেন্স' চালু করতে হবে।</p>
</li>
<li>
<p data-path-to-node="17,2,0">ইনোভেশন ও দক্ষতা: কারিকুলামে 'ডিজিটাল কমার্স ম্যানেজমেন্ট' অন্তর্ভুক্ত করতে হবে এবং ইনোভেশন ও গবেষণার জন্য বিশেষ বাজেট বরাদ্দ রাখতে হবে।</p>
</li>
</ul>
<p data-path-to-node="19">আমার বিশ্বাস, প্রস্তাবনাগুলো বাস্তবায়িত হলে তা কেবল ই-কমার্স খাতের টিকে থাকা নিশ্চিত করবে না, বরং একটি শক্তিশালী 'স্মার্ট বাংলাদেশ' বিনির্মাণে অনুঘটক হিসেবে কাজ করবে।</p>
<hr>
<p data-path-to-node="20"><strong>লেখকঃ </strong>ই-কমার্স বিশ্লেষক ও ফাউন্ডিং মেম্বার, ই-ক্যাব </p>
<hr>
<p data-path-to-node="22"></p>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>সংবর্ধিত হচ্ছে রোবটিক্সে বিশ্বসেরা ইউআইইউ মার্স রোভার টিম</title>
<link>https://digibanglatech.news/179100</link>
<guid>https://digibanglatech.news/179100</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202606/image_870x580_6a24de286c86b.jpg" length="131882" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 07 Jun 2026 00:00:00 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>University Rover Challenge 2026, UIU Mars Rover Team, Bangladesh URC 3rd place, Best Autonomous System, UIU CAIR, Space Robotics Bangladesh, ইউআরসি ২০২৬ বাংলাদেশ</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="1"><b data-path-to-node="1" data-index-in-node="0"></b> বিশ্বমঞ্চে লাল-সবুজের পতাকা উড়িয়ে এক অভূতপূর্ব ও ঐতিহাসিক রেকর্ড গড়ল বাংলাদেশের তরুণ প্রকৌশলীরা। যুক্তরাষ্ট্রের ইউটাহ রাজ্যে অনুষ্ঠিত বিশ্বের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ মহাকাশ রোবটিক্স প্রতিযোগিতা ‘ইউনিলভার্সিটি রোভার চ্যালেঞ্জ (ইউআরসি) ২০২৬’-এ বিশ্বমঞ্চে ৩য় স্থান (পডিয়াম ফিনিশ) অর্জন করেছে ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (ইউআইইউ) ‘ইউআইইউ মার্স রোভার টিম’ (UMRT)। ইউআরসি (URC) ২০২৬-তে এশিয়ান দলগুলোর মধ্যে সেরা স্থান দখল করেছে।</p>
<p data-path-to-node="1">৭ জুন, শনিবার বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বিশ্বজয়ী এই তরুণদের রাজকীয় অভ্যর্থনা জানাতে এবং এই ঐতিহাসিক অর্জনকে দেশবাসীর সামনে তুলে ধরতে খুব বিশেষ অফিসিয়াল হোমকামিং উদযাপনের আয়োজন করা হয়েছে। দেশের প্রযুক্তিগত ও প্রকৌশল খাতের এই ঐতিহাসিক মাইলফলককে ক্যামেরাবন্দী করতে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে দেশের গণমাধ্যম ও ক্যামেরা ক্রুদের।</p>
<p data-path-to-node="1">তবে তার আগেই এই ঐতিহাসিক গৌরবগাথা এবং তাদের রোভারের চমৎকার পারফরম্যান্সের এক ঝলক দেখে নেয়া যেতে পারে <a href="https://youtube.com/shorts/SqvV1cO4k8c?si=bCYm64h0SabhmpK4" target="_blank" rel="noopener"><strong>এখন থেকেই</strong></a>।  </p>
<p data-path-to-node="2">এর আগে গত ২৭ থেকে ৩০ মে যুক্তরাষ্ট্রের ইউটাহ-র ‘মার্স ডেজার্ট রিসার্চ স্টেশন’-এ চূড়ান্ত পর্বের এই অন-সাইট প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। দ্য মার্স সোসাইটি, ইউএসএ আয়োজিত এই প্রতিযোগিতার ২০ বছরের ইতিহাসে এই প্রথম এশিয়ার কোনো বিশ্ববিদ্যালয় বৈশ্বিক এই মঞ্চে সেরা তিনের মধ্যে জায়গা করে নিয়ে পডিয়ামে ওঠার গৌরব অর্জন করে।</p>
<h3 data-path-to-node="4">বিশ্বসেরাদের হারিয়ে টানা ৫ বছর এশিয়ায় শীর্ষস্থান</h3>
<p data-path-to-node="5">বিশ্বের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়সহ মোট ১১৬টি বিশ্ববিদ্যালয় প্রাথমিকভাবে এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। কড়া বাছাইপর্ব পেরিয়ে মূল প্রতিযোগিতায় লড়ার সুযোগ পায় ১৫টি দেশের মাত্র ৩৮টি দল। সেখানে বিশ্বখ্যাত সব প্রতিষ্ঠানকে পেছনে ফেলে ৪০০.৪৪ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানটি ছিনিয়ে নেয় বাংলাদেশের ইউআইইউ মার্স রোভার টিম। ৪৬৯.৫৭ পয়েন্ট নিয়ে প্রতিযোগিতায় প্রথম হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের মিসৌরি ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি এবং ৪১২.৪১ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে অস্ট্রেলিয়ার মোনাশ ইউনিভার্সিটি।</p>
<p data-path-to-node="6">এই গৌরবের মাধ্যমে ইউআইইউ মার্স রোভার টিম ২০২২ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত টানা পাঁচ বছর এশিয়া মহাদেশের এক নম্বর দল হিসেবে নিজেদের অবস্থান অক্ষুণ্ণ রাখল। উল্লেখ্য, এবারের আসরে বাংলাদেশের আরও কয়েকটি দল চমৎকার নৈপুণ্য দেখিয়েছে; যার মধ্যে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির ‘মঙ্গল-তরী’ সপ্তম এবং এমআইএসটির ‘মঙ্গল বারোতা’ ১১তম স্থান অর্জন করেছে।</p>
<h3 data-path-to-node="7">'বেস্ট অটোনোমাস সিস্টেম' স্বীকৃতি</h3>
<p data-path-to-node="8">প্রতিযোগিতায় সায়েন্স এক্সপ্লোরেশন, অটোনোমাস নেভিগেশন, এক্সট্রিম টেরেন ট্রাভার্সাল এবং ইকুইপমেন্ট সার্ভিসিং—এই ৪টি জটিল মিশনে রোভারের কার্যকারিতা ও পরিচালনা দক্ষতা যাচাই করা হয়। ইউআইইউর তৈরি এই রোভারটি তার চমৎকার পাথ প্ল্যানিং, কম্পিউটার ভিশন এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নিখুঁত ব্যবহারের জন্য প্রতিযোগিতার বিশেষ ‘বেস্ট অটোনোমাস সিস্টেম রিকগনিশন’ (Best Autonomous System Recognition) খেতাবে ভূষিত হয়েছে।</p>
<p data-path-to-node="9">ইউআইইউ-এর সেন্টার ফর আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড রোবটিক্স (CAIR)-এর অধীনে পরিচালিত এই দলটির প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ডিন অধ্যাপক ড. হাসান সারওয়ার, সিএসই বিভাগের প্রধান ড. সুমন আহম্মেদ এবং মেন্টর হিসেবে ছিলেন সিএসই বিভাগের প্রভাষক মো. আবিদ হোসেন।</p>
<p data-path-to-node="15"><strong>/</strong>/<strong>ডিবিটেক</strong>/<strong>আইএইচ</strong>/ <strong>এমইউএম/</strong>/</p>
<p data-path-to-node="17"></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বিশ্বব্যাংক যুব সম্মেলনে দুই বাংলাদেশি</title>
<link>https://digibanglatech.news/179009</link>
<guid>https://digibanglatech.news/179009</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202606/image_870x580_6a23b988dad51.jpg" length="97600" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 06 Jun 2026 09:03:33 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>বিশ্বব্যাংক, ইয়ুথ সামিট, তরুণ, কর্মসংস্থান, ডিজিটাল অর্থনীতি, নেতৃত্ব, দক্ষতা, উদ্ভাবন, বাংলাদেশ, ওয়াশিংটন ডিসি</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ডিজিটাল যুগের কর্মসংস্থান, দক্ষতা উন্নয়ন এবং তরুণ নেতৃত্বের বৈশ্বিক আলোচনায় বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করতে যাচ্ছেন দুই তরুণ। বিশ্বব্যাংক গ্রুপের অন্যতম বৃহৎ আন্তর্জাতিক যুব সম্মেলন ‘ওয়ার্ল্ড ব্যাংক গ্রুপ ইয়ুথ সামিট ২০২৬’-এ সরাসরি অংশগ্রহণের জন্য বাংলাদেশ থেকে নির্বাচিত হয়েছেন মোঃ তৌফিক এলাহী এবং তিশা খন্দকার। আগামী ১১ ও ১২ জুন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে বিশ্বব্যাংক গ্রুপের সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত হবে এই মর্যাদাপূর্ণ সম্মেলন।</p>
<p>বিশ্বের বিভিন্ন দেশের উদীয়মান তরুণ নেতা, উদ্ভাবক, গবেষক ও উদ্যোক্তাদের নিয়ে আয়োজিত এ সম্মেলনকে যুব উন্নয়ন ও বৈশ্বিক নীতিনির্ধারণী সংলাপের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এ বছরের প্রতিপাদ্য ‘ফিউচারওয়ার্কস: ডিজিটাল যুগের জন্য কর্মসংস্থান নকশা’, যেখানে প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনীতি, ভবিষ্যতের চাকরি, দক্ষতা উন্নয়ন এবং তরুণদের কর্মসংস্থানের নতুন সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হবে।</p>
<p>সরাসরি অংশগ্রহণের সুযোগ সীমিত হওয়ায় প্রতি বছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আসা হাজারো আবেদনকারীর মধ্য থেকে কঠোর ও প্রতিযোগিতামূলক মূল্যায়নের মাধ্যমে প্রতিনিধি নির্বাচন করা হয়। সেই বাছাই প্রক্রিয়ায় সফল হয়ে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বের সুযোগ পেয়েছেন মোঃ তৌফিক এলাহী এবং তিশা খন্দকার। তাদের এই অর্জন দেশের তরুণ প্রজন্মের বৈশ্বিক সক্ষমতা ও প্রতিযোগিতামূলক দক্ষতার স্বীকৃতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।</p>
<p>সম্মেলনে উন্নয়ন, শিক্ষা, কর্মসংস্থান, প্রযুক্তিগত দক্ষতা, উদ্ভাবন এবং উদ্যোক্তা উন্নয়ন বিষয়ে বিশ্বব্যাংক গ্রুপের নীতিনির্ধারক, আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ, উন্নয়ন সহযোগী এবং তরুণ প্রতিনিধিদের মধ্যে মতবিনিময় হবে। পাশাপাশি উন্নয়ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তরুণদের উদ্ভাবনী চিন্তা ও কার্যকর সমাধান তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হবে।</p>
<p>বিশ্বব্যাংক গ্রুপ ইয়ুথ সামিটের অন্যতম লক্ষ্য হলো তরুণদের এমন দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা প্রদান করা, যা তাদের নিজ নিজ দেশে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সহায়তা করবে। একই সঙ্গে বিশ্বব্যাংক গ্রুপ এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সরাসরি সংলাপের মাধ্যমে বৈশ্বিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে তরুণদের অংশগ্রহণ বাড়ানোও এ আয়োজনের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্দেশ্য।</p>
<p>প্রতিবছর বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজারো তরুণ এই সম্মেলনে অংশ নেন। সামিটের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে ১৭০টিরও বেশি দেশের ১০ হাজারের বেশি সদস্যের একটি শক্তিশালী অ্যালামনাই নেটওয়ার্ক, যা জ্ঞান বিনিময়, সহযোগিতা এবং আন্তর্জাতিক নেতৃত্ব বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।</p>
<p>বিশ্লেষকদের মতে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ডিজিটাল অর্থনীতি এবং প্রযুক্তিনির্ভর কর্মক্ষেত্রের দ্রুত পরিবর্তনের এই সময়ে আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে বাংলাদেশি তরুণদের উপস্থিতি দেশের মানবসম্পদ উন্নয়ন ও বৈশ্বিক সম্পৃক্ততার ইতিবাচক বার্তা বহন করে। মোঃ তৌফিক এলাহী এবং তিশা খন্দকারের এই অর্জন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের যুবসমাজের নেতৃত্ব, মেধা এবং সম্ভাবনার আরেকটি উজ্জ্বল উদাহরণ হয়ে থাকবে।</p>
<p><em><strong>/</strong><span style="text-decoration: underline;">/ <strong>ডিবিটেক/ইমাম হোসেন/এমইউআইএম /</strong>/</span></em></p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>জিন মন ভালোবাসায় স্ট্রেইট কাটের যুগলবন্দী</title>
<link>https://digibanglatech.news/178984</link>
<guid>https://digibanglatech.news/178984</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202606/image_870x580_6a231806af08a.jpg" length="102039" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 05 Jun 2026 20:41:21 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ভালোবাসার মতো বিষয়গুলোকে বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ (জীববিজ্ঞান ও জিনতত্ত্ব) থেকে বিশ্লেষণ করে লেখা জনপ্রিয় নন-ফিকশন গ্রন্থ- 'জিন মন ভালোবাসা' উপন্যাসের জনপ্রিয় লেখক, শিক্ষক ও বিজ্ঞান গবেষক মুশতাক ইবনে আয়ুবের সঙ্গে জীবনের নতুন ইনিংস শুরু করলেন চ্যানেল আইয়ের ‘টু দ্য পয়েন্ট’, ‘স্ট্রেইট কাট’সহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে জনপ্রিয়  উপস্থাপিকা দীপ্তি চৌধুরী।</p>
<p>৫ জুন, শুক্রবার, ঢাকার বাংলামোটরের একটি রেস্তোরাঁয় দুই পরিবারের সদস্য, আত্মীয়স্বজন ও ঘনিষ্ঠজনদের উপস্থিতিতে দীপ্তি ও মুশতাকের আক্‌দ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানটি ছিল একান্ত পারিবারিক আয়োজন।</p>
<p>বিকেলে সোশ্যাল হ্যান্ডেলে বিয়ের খবর প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দীপ্তি চৌধুরী ও মুশতাক ইবনে আইয়ুবকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছেন সহকর্মী, শুভাকাঙ্ক্ষী ও ভক্তরা।</p>
<p>বিয়ের বেশ কিছু ছবি পোস্ট করে দীপ্তি লিখেছেন, “যাকে না পাওয়া ছিল জীবনের একমাত্র আফসোস, তাকেই জীবনসঙ্গী হিসেবে পেয়েছি। মহান আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা। তিনি আমার দেখা সবচেয়ে নির্মল মানুষ। তার প্রতি ভালোবাসার সঙ্গে রয়েছে গভীর শ্রদ্ধা। চলো একসঙ্গে নতুন এই পথচলা শুরু করি।”</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202606/image_870x_6a231817047f0.jpg" alt=""></p>
<p>পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, চার ভাইয়ের মধ্যে কনিষ্ঠ মুস্তাক ইবনে আইয়ুব মুশতাক ইবনে আইয়ুব পেশায় একজন শিক্ষক ও গবেষক। উচ্চশিক্ষার জন্য তিনি যুক্তরাজ্যে পড়াশোনা করেছেন এবং অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন। বর্তমানে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগে অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর হিসেবে কর্মরত। শিক্ষা ও গবেষণার পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন একাডেমিক কার্যক্রমের পাশাপাশি চ্যানেল ২৪ এর সঙ্গেও যুক্ত রয়েছেন।</p>
<p>অপরদিকে ২০২৪ সালের জুলাইতে ছাত্র-জনতার আন্দোলন চলাকালীন চ্যানেল আইয়ে আয়োজিত ‘টু দ্য পয়েন্ট’ টকশো-তে উপস্থাপক দীপ্তি চৌধুরীকে ‘রাজাকারের বাচ্চা’ আখ্যা দিয়েছিলেন সাবেক বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক। এ ঘটনার ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়।</p>
<p>এমন আচরণের কারণে সেই সময়ে নিন্দিত হন সাবেক এই বিচারপতি। সেই একই ভিডিওটিতে দেখা যায়, দীপ্তি চৌধুরী নিজেকে ‘মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান’ উল্লেখ করে বিচারপতি মানিকের এ বক্তব্যের প্রতিবাদ করছিলেন। দীপ্তির এই দৃঢ়তা সেই সময়ে নন্দিত হয়। </p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>//ডিবিটেক/আইএইচ/এমইউএম//</strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>দেশের পরিবেশের নীরব ঘাতক ই&#45;বর্জ্য</title>
<link>https://digibanglatech.news/179006</link>
<guid>https://digibanglatech.news/179006</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202606/image_870x580_6a23b37f3426f.jpg" length="136809" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 05 Jun 2026 11:26:31 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>আজ ৫ জুন, বিশ্ব পরিবেশ দিবস। প্রতিবছরের মতো এবারও আমরা পরিবেশ রক্ষার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করছি। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে—আমাদের চারপাশে এক নতুন ধরনের বিপদ নীরবে বিস্তার লাভ করছে, যার নাম ই-বর্জ্য (Electronic Waste)। ডিজিটাল বাংলাদেশের অগ্রযাত্রার সাথে সাথে এই ই-বর্জ্য এখন একটি ক্রমবর্ধমান পরিবেশগত সংকটে পরিণত হয়েছে।</p>
<p>বাংলাদেশে মোবাইল ফোন, কম্পিউটার, টেলিভিশন, রাউটারসহ নানা ধরনের ইলেকট্রনিক পণ্যের ব্যবহার দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রযুক্তির এই বিস্তার নিঃসন্দেহে উন্নয়নের প্রতীক। তবে এর সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ব্যবহৃত ও অচল ইলেকট্রনিক পণ্যের পরিমাণ—যা যথাযথ ব্যবস্থাপনা না থাকায় পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।</p>
<p>ই-বর্জ্যের মধ্যে থাকা সীসা, পারদ, ক্যাডমিয়ামসহ নানা বিষাক্ত উপাদান মাটি, পানি ও বায়ুকে দূষিত করে। এসব উপাদান মানবদেহে প্রবেশ করলে ক্যান্সার, স্নায়বিক সমস্যা, শিশুদের মেধা বিকাশে বাধাসহ নানা জটিল রোগ সৃষ্টি করতে পারে। অথচ বাংলাদেশে এখনো ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য শক্তিশালী ও কার্যকর নীতিমালা এবং বাস্তবায়ন কাঠামো গড়ে ওঠেনি।</p>
<p>বর্তমানে দেশের অধিকাংশ ই-বর্জ্য অনানুষ্ঠানিক খাতে সংগ্রহ ও পুনঃপ্রক্রিয়াজাত করা হয়, যেখানে নিরাপত্তা মানদণ্ডের কোনো বালাই নেই। শিশু ও শ্রমিকরা ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে এসব বর্জ্য ভেঙে মূল্যবান অংশ সংগ্রহ করছে, যা একদিকে তাদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়াচ্ছে, অন্যদিকে পরিবেশকে করছে আরও বিপজ্জনক।</p>
<p>এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য এখনই কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। প্রথমত, সরকারকে একটি সমন্বিত ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নীতিমালা প্রণয়ন ও কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। দ্বিতীয়ত, উৎপাদক ও আমদানিকারকদের ‘Extended Producer Responsibility (EPR)’ নিশ্চিত করতে হবে, যাতে তারা পণ্যের জীবনচক্র শেষে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব গ্রহণ করে। তৃতীয়ত, আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর রিসাইক্লিং ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং এ খাতে বিনিয়োগ বাড়ানো প্রয়োজন।</p>
<p>পাশাপাশি সাধারণ জনগণের মধ্যেও সচেতনতা বৃদ্ধি অপরিহার্য। আমরা অনেকেই পুরনো মোবাইল বা ইলেকট্রনিক পণ্য যথেচ্ছভাবে ফেলে দিই, যা পরবর্তীতে পরিবেশ দূষণের কারণ হয়। তাই প্রত্যেক নাগরিককে দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে এবং নির্ধারিত সংগ্রহ ব্যবস্থার মাধ্যমে ই-বর্জ্য জমা দিতে হবে।</p>
<p>বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশন দীর্ঘদিন ধরে গ্রাহকের অধিকার রক্ষা ও ডিজিটাল সেবার সুশাসন নিশ্চিত করার পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ব্যবহারের পক্ষে কাজ করে যাচ্ছে। আমরা মনে করি, একটি টেকসই ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে হলে পরিবেশ সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে।</p>
<p>বিশ্ব পরিবেশ দিবসে আমাদের অঙ্গীকার হোক—প্রযুক্তির উন্নয়ন হবে, কিন্তু তা কখনোই পরিবেশের বিনিময়ে নয়। ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় এখনই কার্যকর উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে আমরা একটি বিষাক্ত পৃথিবী উপহার দেব। তাই আসুন, সবাই মিলে সচেতন হই, উদ্যোগী হই, এবং একটি নিরাপদ ও সবুজ বাংলাদেশ গড়ে তুলি।</p>
<hr>
<p>লেখকঃ <strong>সভাপতি</strong>, বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশন</p>
<hr>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>এফসিপিএস পার্ট&#45;১ পরীক্ষায় পাস ১৫.৯৮ শতাংশ চিকিৎসক</title>
<link>https://digibanglatech.news/178896</link>
<guid>https://digibanglatech.news/178896</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202606/image_870x580_6a225bb0d4155.jpg" length="130522" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 05 Jun 2026 01:17:09 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>এফসিপিএস পার্ট-১ জুলাই ২০২৬ পরীক্ষার ফল প্রকাশ, বিসিপিএসে পাস ১৫.৯৮ শতাংশ চিকিৎসক, বিসিপিএস পরীক্ষার ফলাফল অনলাইনে, বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ান্স অ্যান্ড সার্জন্স, মেডিকেল বিশেষজ্ঞ পরীক্ষার সর্বশেষ খবর</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক তৈরির শীর্ষ প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ান্স অ্যান্ড সার্জন্স (বিসিপিএস) পরিচালিত এফসিপিএস পার্ট-১ জুলাই-২০২৬ পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। এবার পরীক্ষায় পাস করেছেন ১৫ দশমিক ৯৮ শতাংশ চিকিৎসক।</p>
<p><strong><a href="https://bcps.edu.bd" target="_blank" rel="noopener">বিসিপিএসের ওয়েবসাইটে</a></strong> ৪ জুন, বৃহস্পতিবার প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, এফসিপিএস পার্ট-১ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন ১১ হাজার ৫৬৮ জন চিকিৎসক। এর মধ্যে পাস করেছেন ১ হাজার ৮৪৯ জন। বাকি চিকিৎসকরা অকৃতকার্য হয়েছেন।</p>
<p>বিসিপিএস জানিয়েছে, পরীক্ষার্থীরা ওয়েবসাইটে রোল নম্বর দিয়ে প্রবেশ করে নিজ নিজ ফলাফল দেখতে পারবেন।</p>
<p>গত ২ জুন মেডিসিন অ্যান্ড অ্যালাইড বিষয়ের মাধ্যমে এফসিপিএস পার্ট-১ পরীক্ষার সূচনা হয়। চার ঘণ্টাব্যাপী এ পরীক্ষা সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়।</p>
<p>পরদিন ৩ জুন অনুষ্ঠিত হয় অ্যানেস্থেসিওলজি, বায়োকেমিস্ট্রি, ডেন্টাল সার্জারি, ডার্মাটোলজি অ্যান্ড ভেনেরিওলজি, ফরেনসিক মেডিসিন, মাইক্রোবায়োলজি, অবস্টেট্রিক্স অ্যান্ড গাইনেকোলজি, সাইকিয়াট্রি এবং রেডিওলজি অ্যান্ড ইমেজিংসহ মোট ৯টি বিষয়ের পরীক্ষা।</p>
<p>শেষ দিন ৪ জুন অ্যানাটমি, কমিউনিটি মেডিসিন, ফ্যামিলি মেডিসিন, হেমাটোলজি, অফথ্যালমোলজি, পেডিয়াট্রিক্স, প্যাথোলজি, ফার্মাকোলজি, সার্জারি অ্যান্ড অ্যালাইডসহ মোট ১৫টি বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। বিসিপিএসের নিয়ম অনুসারে শেষ দিনের পরীক্ষার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ফলাফল প্রকাশ করা হয়।</p>
<p>বিসিপিএস সূত্রে প্রকাশ, গত ২৯ এপ্রিল দিবাগত রাতে পরীক্ষার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়। এতে মেডিসিন অ্যান্ড অ্যালাইডে ৪ হাজার ৩১২ জন, সার্জারি অ্যান্ড অ্যালাইডে ২ হাজার ৩৪২ জন এবং গাইনি অ্যান্ড অ্যালাইডে ২ হাজার ১৩৫ জনসহ মোট ১২ হাজার ৪৮০ জন চিকিৎসক তালিকাভুক্ত হন, যা বিসিপিএসের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।</p>
<p>এর আগে জানুয়ারি-২০২৬ সেশনের এফসিপিএস পার্ট-১ পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন ১০ হাজার ৮৫০ জন চিকিৎসক। সেবার পাস করেন ২ হাজার ৩০৮ জন এবং পাসের হার ছিল ২১ দশমিক ২৭ শতাংশ।</p>
<p>/<span style="text-decoration: underline;"><em><strong>/ডিবিটেক/ডিএমএল/এমইউএম//</strong></em></span> </p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>কৃষি অলিম্পিয়াডে চ্যাম্পিয়ন পবিপ্রবির রত্না রানি</title>
<link>https://digibanglatech.news/178811</link>
<guid>https://digibanglatech.news/178811</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202606/image_870x580_6a213314f138d.jpg" length="307949" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 04 Jun 2026 09:11:25 +0600</pubDate>
<dc:creator>ক্যাম্পাস করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div _ngcontent-ng-c3647159757="" inline-copy-host="" class="markdown markdown-main-panel enable-updated-hr-color" id="model-response-message-contentr_50d315becdc3f165" aria-live="polite" aria-busy="false" dir="ltr">
<p data-path-to-node="1">দেশের তরুণ প্রজন্মের মেধা ও উদ্ভাবনী শক্তিকে কাজে লাগিয়ে স্মার্ট কৃষির স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার পথে এক অনন্য সাফল্য পেলেন পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) শিক্ষার্থী রত্না রানি। বাংলাদেশ এগ্রিকালচারাল অলিম্পিয়াড সিজন-৪-এ ৬৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৫ হাজার ৩৫৭ জন প্রতিযোগীকে পেছনে ফেলে ‘ক্লাইমেট অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স’ ক্যাটাগরিতে প্রথম স্থান অধিকার করে নিয়েছেন তিনি।</p>
<p data-path-to-node="1">‘ইউথ ইন অ্যাকশন, স্মার্টার ফার্মিং ইন মোশন’ প্রতিপাদ্য নিয়ে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতার পথচলা শুরু হয়েছিল ৮ জানুয়ারি প্রাথমিক রাউন্ডের মধ্য দিয়ে। এরপর কেস সলভিং রাউন্ডের বৈতরণী পার হয়ে ১৫ মে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) অনুষ্ঠিত গ্র্যান্ড ফাইনালে নিজের শ্রেষ্ঠত্বের প্রমাণ দেন রত্না।</p>
<p data-path-to-node="2">এই গৌরবময় অর্জনের নেপথ্যে নিজের শিক্ষক ও বিভাগের ভূমিকার কথা কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করেন রত্না রানি। পরিবেশবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক পাপড়ি হাজরার সরাসরি তত্ত্বাবধান ও অনুপ্রেরণা তাকে এই প্রতিযোগিতায় জয়ী হতে দারুণভাবে সাহায্য করেছে বলে জানান এই কৃতী শিক্ষার্থী। রত্না মনে করেন, জাতীয় পর্যায়ের এসব প্ল্যাটফর্ম শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বিকাশের এক অসাধারণ ক্ষেত্র। প্রতিযোগিতায় অর্জিত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতাকে পুঁজি করে তিনি ভবিষ্যতে গ্রামীণ কৃষির পরিবেশগত সংকট সমাধানে সরাসরি অবদান রাখতে চান। উদ্ভাবনী প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার ও টেকসই কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে রত্নার এই সাফল্য কেবল পবিপ্রবির জন্যই নয়, বরং দেশের কৃষি খাতের ভবিষ্যতের জন্যও এক বড় অনুপ্রেরণা। আধুনিক ও নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন নিশ্চিত করতে তরুণদের এমন উদ্যোক্তাই এখন সময়ের দাবি।</p>
<p data-path-to-node="3"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>/ডিবিটেক/ সিএনএ/ ইকে/</strong></span></em></p>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>রোবোফেস্ট ২০২৬ বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের তরুণদের সাফল্য</title>
<link>https://digibanglatech.news/178673</link>
<guid>https://digibanglatech.news/178673</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202606/image_870x580_6a1ef8c295a4e.jpg" length="113715" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 02 Jun 2026 20:38:26 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>রোবোফেস্ট ২০২৬ বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের সাফল্য, বটলসুমো বিভাগে তৃতীয় স্থান অর্জন, যুক্তরাষ্ট্রে আন্তর্জাতিক রোবটিক্স প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ দলের গৌরব, STEM শিক্ষায় বাংলাদেশের অগ্রগতি, Robonauts Club ও International Hope School Bangladesh-এর শিক্ষার্থীদের অর্জন</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক রোবটিক্স প্রতিযোগিতা ‘রোবোফেস্ট ২০২৬’ বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে তৃতীয় স্থান অর্জন করেছে বাংলাদেশের একদল তরুণ শিক্ষার্থী। ‘বটলসুমো’ বিভাগে এই সাফল্যের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের STEM ও রোবটিক্স শিক্ষার সক্ষমতার নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে তারা।</p>
<p>যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের সাউথফিল্ডে অবস্থিত Lawrence Technological University ক্যাম্পাসে গত ১৪ থেকে ১৬ মে অনুষ্ঠিত হয় রোবোফেস্টের ২৭তম বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপ। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থীরা নিজেদের তৈরি ও প্রোগ্রাম করা স্বয়ংক্রিয় রোবট নিয়ে প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়।</p>
<p>প্রতিযোগিতার অন্যতম আকর্ষণীয় বিভাগ ‘বটলসুমো’-এর সিনিয়র ক্যাটাগরিতে অংশ নিয়ে বাংলাদেশ দল তৃতীয় স্থান অর্জন করে ট্রফি জিতে নেয়। এ বিভাগে স্বয়ংক্রিয় রোবটকে প্রতিপক্ষের রোবট বা একটি বোতলকে নির্ধারিত টেবিলের বাইরে ঠেলে দিতে হয়।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202606/image_870x_6a1ef8cfa4c92.jpg" alt=""></p>
<p>বাংলাদেশ দলের সাত সদস্যের মধ্যে ছয়জন ছিলেন International Hope School Bangladesh–এর শিক্ষার্থী এবং একজন ছিলেন সিলেটের একটি কলেজের শিক্ষার্থী। পুরো দলটি প্রশিক্ষণ ও তত্ত্বাবধান পেয়েছে Robonauts Club–এর কাছ থেকে।</p>
<p>দলের সদস্যরা হলেন— মো. মানসিব আহসান, শায়ান সাদিদ জামান, ট্যাং তিয়ানসিং, নাসিফ আশাব খান জামি, আবদুর রহমান লাহি, ফারহান মোস্তফা এবং আবরার হাসান। দলের কোচ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে যান মো. মুনজুর মোরশেদ।</p>
<p>বাংলাদেশ দলের কোচ ও Robonauts Ltd–এর প্রধান নির্বাহী পরিচালক মো. মুনজুর মোরশেদ বলেন, এই অর্জন শুধু ট্রফি জয়ের নয়; এটি শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস, সৃজনশীলতা, নেতৃত্ব ও সমস্যা সমাধানের দক্ষতার প্রতিফলন। তিনি বলেন, সঠিক প্রশিক্ষণ ও সুযোগ পেলে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরাও বৈশ্বিক STEM ও রোবটিক্স অঙ্গনে সফলভাবে প্রতিযোগিতা করতে পারে।</p>
<p>রোবোফেস্টের সহকারী পরিচালক Shannan Palonis বলেন, সিনিয়র বটলসুমো বিভাগে বাংলাদেশের এই সাফল্য আন্তর্জাতিক STEM প্ল্যাটফর্মে দেশটির শিক্ষার্থীদের সক্ষমতার প্রমাণ।</p>
<p>দলের সদস্য আবদুর রহমান লাহি বলেন, রোবোফেস্টে অংশগ্রহণ তাদের জন্য অবিস্মরণীয় অভিজ্ঞতা। রোবটিক্স শুধু রোবট তৈরির বিষয় নয়; এর সঙ্গে কৌশল, দলগত কাজ, ধৈর্য এবং চাপের মধ্যে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার দক্ষতাও জড়িত বলে মন্তব্য করেন তিনি।</p>
<p>বাংলাদেশভিত্তিক STEM ও রোবটিক্স শিক্ষা প্ল্যাটফর্ম Robonauts Club দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষার্থীদের হাতে-কলমে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিত শিক্ষার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার জন্য প্রস্তুত করতে কাজ করছে।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><strong>/ডিবিটেক/ আরএসইউ/ এমইউএম /</strong></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>জুয়া বন্ধের আড়ালে এক নিবর্তনমূলক আইনের খসড়া!</title>
<link>https://digibanglatech.news/178606</link>
<guid>https://digibanglatech.news/178606</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202606/image_870x580_6a1e99244e0d7.jpg" length="105087" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 02 Jun 2026 14:50:25 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p dir="ltr"><span>প্রস্তাবিত 'বেটিং ও জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬'-এর খসড়া উপরে-উপরে দেড়শ বছরের পুরোনো এক ঔপনিবেশিক আইনের আধুনিকায়ন। কিন্তু ধারা ধরে ধরে পড়লে বেরিয়ে আসে অন্য এক চিত্র—বাতিল হওয়া ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ভূত ফিরে এসেছে নতুন মোড়কে, আরও বিস্তৃত ক্ষমতা নিয়ে।</span></p>
<p dir="ltr"><span>অনলাইন জুয়া বন্ধ করতে চায় না, এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া কঠিন। বাজি আর জুয়ার অ্যাপ আজ তরুণদের সর্বনাশ করছে, পরিবার ভাঙছে, দেশের টাকা পাচার হয়ে যাচ্ছে সীমান্তের ওপারে। ১৮৬৭ সালের সেই Public Gambling Act দিয়ে এই ডিজিটাল যুগের অপরাধ সামলানো অসম্ভব—সে আইন বাতিল হওয়াই উচিত। তাই 'বেটিং ও জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬'-এর খসড়া দেখে প্রথমে স্বস্তিই লাগে। মনে হয়, রাষ্ট্র অবশেষে একটি জরুরি কাজে হাত দিয়েছে।</span></p>
<p dir="ltr"><span>কিন্তু খসড়াটি যদি প্রস্তাবনা থেকে শেষ ধারা পর্যন্ত মন দিয়ে পড়া হয়, স্বস্তির জায়গায় আসে উদ্বেগ। কারণ এটি আদতে যতটা না জুয়াবিরোধী আইন, তার চেয়ে অনেক বেশি একটি নজরদারি ও দমননির্ভর কাঠামো—আর জুয়া এখানে উপলক্ষমাত্র।</span></p>
<p dir="ltr"><span><strong>প্রথম প্রশ্নটিই এর আসল উদ্দেশ্য ফাঁস করে দেয়:</strong> অনলাইন জুয়া তো এ দেশে এখনই অপরাধ। এই অন্তর্বর্তী সরকারই গত বছর মে মাসে যে সংস্কারমূলক 'সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫' জারি করেছে (যা এ বছর সংসদে পাশ হয়ে সাইবার সুরক্ষা আইন, ২০২৬ এ পরিণত হয়েছে), তার ২০ ধারাতেই অনলাইন জুয়া তৈরি, পরিচালনা, অংশগ্রহণ ও প্রচার—সবই শাস্তিযোগ্য: সর্বোচ্চ দুই বছর কারাদণ্ড বা এক কোটি টাকা জরিমানা। আর গুরুত্বপূর্ণ কথা হলো, অপরাধটি জামিনযোগ্য—ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের তিক্ত অভিজ্ঞতার পর ইচ্ছাকৃতভাবেই শাস্তি কমিয়ে, জামিনের পথ খোলা রাখা হয়েছিল। তাহলে যে আচরণ ইতিমধ্যেই নিষিদ্ধ, তার জন্য আবার আস্ত একটি নতুন আইন কেন? উত্তরটা লুকিয়ে আছে নতুন আইন যা যা </span><span>যোগ</span><span> করছে তার মধ্যে—জুয়ার নিষেধাজ্ঞায় নয়, সরকারি বাহিনীর ক্ষমতায়।</span></p>
<p dir="ltr"><span>আমরা এ পথ আগেও দেখেছি। ২০১৮ সালের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন (ডিএসএ) কীভাবে সাংবাদিক, কার্টুনিস্ট, এমনকি সাধারণ নাগরিককে স্রেফ ফেসবুক পোস্টের জন্য জেলে পুরেছিল, তা ভুলে যাওয়ার মতো সময় এখনো হয়নি। ওই আইনের অজামিনযোগ্য ধারাগুলোই হয়ে উঠেছিল হয়রানির প্রধান হাতিয়ার। পরে একে রদ করে সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ করা হয়, যা ছিল নতুন বোতলে পুরোনো মদ। জুলাই অভ্যূত্থানের পত অন্তর্বর্তী সরকার তার উত্তরসূরি সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ বাতিল করে, বিতর্কিত নয়টি ধারা তুলে দেয়, বাকস্বাধীনতাসংক্রান্ত ‘অপরাধ’কে কেবল তখনই অপরাধ বলে গণ্য করে যখন তারা সহিংসতার উদ্রেগ করে নতুবা নয়, সর্বোচ্চ শাস্তি দুই বছরে নামিয়ে আনে এবং নানান আইনী সেফগার্ড স্থাপন করে। এ ছাড়াও আগের দুই আইনে করা মামলাগুলো বাতিল করে। গতিমুখটা ছিল স্পষ্ট: কম জবরদস্তি, বেশি সুরক্ষা। অথচ এই জুয়াবিরোধী খসড়া ছুটছে ঠিক উল্টো দিকে।</span></p>
<p dir="ltr"><span>উদ্বেগের কেন্দ্রে আছে খসড়ায় প্রস্তাবিত নজরদারি-অবকাঠামো। ৪৩ ধারায় গঠিত হচ্ছে এক 'জাতীয় ডিজিটাল ব্ল্যাকলিস্ট'—যেখানে সরকার ব্যক্তির নাম, এনআইডি, সিম, এমএফএস ও ব্যাংক হিসাব, ওয়ালেট, ডিভাইস, ডোমেইন ও আইপি ঠিকানা পর্যন্ত তালিকাভুক্ত করতে পারবে। কে তালিকায় উঠবে, কীভাবে নামবে, ভুল হলে প্রতিকার কী—কিছুই বলা নেই। নেই নোটিশ, নেই আপিল, নেই মেয়াদ, নেই স্বাধীন তদারকি। অর্থাৎ এক স্থায়ী কালো তালিকা, যার পরিণতিতে কেউ আর্থিক ও ডিজিটালভাবে কার্যত একঘরে হয়ে যেতে পারেন।</span></p>
<p dir="ltr"><span>৪৪ ধারা আরও এক ধাপ এগিয়ে এনআইডি-সিম-এমএফএস একসূত্রে গেঁথে ফেলার ব্যবস্থা করছে, আর সেই সঙ্গে অনুমোদন দিচ্ছে 'ফেসিয়াল রিকগনিশন' ও বায়োমেট্রিক যাচাইয়ের। অর্থাৎ নাগরিকের পরিচয়, ফোন ও টাকা—সব এক জায়গায় বেঁধে, নির্বাহী আদেশে মুখ-শনাক্তকরণ প্রযুক্তি চালু করা—জুয়ার অজুহাতে এক ব্যাপক পরিচয়-নজরদারি। আর ৪৭ ধারা সরকারকে দিচ্ছে 'ডিপ প্যাকেট ইনস্পেকশন' (ডিপিআই) ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-নির্ভর পর্যবেক্ষণের ক্ষমতা। ডিপিআই এমন প্রযুক্তি, যা ইন্টারনেট ট্রাফিকের </span><span>ভেতরের বিষয়বস্তু</span><span> পড়ে ফেলে—এ কার্যত গণ-আড়িপাতা। কোনো ওয়ারেন্ট নেই, কোনো তদারকি নেই, কেবল একটি প্রজ্ঞাপনেই তা চালু করা যাবে।</span></p>
<p dir="ltr"><span>আর এর কোনোটিতেই সংসদে পাশ হওয়া 'ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা আইন, ২০২৬'-এর নাম পর্যন্ত উচ্চারিত হয়নি। বরং খসড়ার ৩ ধারায় বলা হয়েছে, অন্য যেকোনো আইনে যা-ই থাকুক, এই আইনই প্রাধান্য পাবে। অর্থাৎ যে উপাত্ত-সুরক্ষা আইন এই নজরদারিকে লাগাম পরাতে পারত, এই খসড়া তাকেই ডিঙিয়ে যাবে। শিয়ালকে দিয়েই মুরগির খোঁয়াড়ের নিয়ম লেখানো।</span></p>
<p dir="ltr"><span>এই ক্ষমতা কারা প্রয়োগ করবেন, আর কীভাবে—সেটিই সবচেয়ে ভয়ের। ৩৯ ধারা ফৌজদারি কার্যবিধিকে পাশ কাটিয়ে 'যুক্তিসঙ্গত বিশ্বাসের' ভিত্তিতে বাড়ি, অফিস, সার্ভার—যেকোনো জায়গায় ওয়ারেন্ট ছাড়াই প্রবেশ, তল্লাশি, জব্দ ও গ্রেপ্তারের অনুমতি দিচ্ছে। আর যাদের এই ক্ষমতা দেওয়া হচ্ছে, সেই তালিকায় কেবল পুলিশ বা সিআইডি নয়—আছে এনএসআই, ডিজিএফআইয়ের মতো গোয়েন্দা সংস্থাও। একটি অস্পষ্ট, বিস্তৃত অপরাধের তালিকার ওপর গোয়েন্দা সংস্থাকে তল্লাশি ও তদন্তের ক্ষমতা দেওয়ার অর্থ কী, তা বোঝা কঠিন নয়। তার ওপর ৩৭ ধারা বলছে, এই আইনের </span><span>সব</span><span> অপরাধই আমলযোগ্য, অজামিনযোগ্য ও আপসঅযোগ্য—এমনকি যিনি নিছক টাকার বিনিময়ে তাস খেলছেন, তিনিও। আর ৩৬ ধারা এসব অপরাধের বিচার তুলে দিচ্ছে মোবাইল কোর্টের হাতে, যার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট-নির্ভর কাঠামোকে উচ্চ আদালত সংবিধানবিরোধী বলেছিল।</span></p>
<p dir="ltr"><span><strong>সব মিলিয়ে দাঁড়ায়:</strong> সন্দেহের বশে একজন গোয়েন্দা কর্মকর্তা আপনার বাড়িতে ঢুকে ফোন আর ব্যাংকের তথ্য জব্দ করতে পারবেন, আর আপনি জামিনও পাবেন না। জুয়া ঠেকানোর কথা বলা একটি আইনের জন্য এ এক অসাধারণ জবরদস্তির যন্ত্র—আর ইতিহাস বলছে, এমন যন্ত্র শেষমেশ কাদের বিরুদ্ধে ব্যবহৃত হয়: সমালোচক, সাংবাদিক, ভিন্নমতের মানুষ।</span></p>
<p dir="ltr"><span>শাস্তির মাত্রাও বেমানান। যে অনলাইন জুয়ার জন্য বিদ্যমান সাইবার আইনে শাস্তি দুই বছর, এই খসড়ায় তা সাত থেকে বারো বছর, জরিমানা দশ কোটি টাকা পর্যন্ত—একই অপরাধে পাঁচ-ছয় গুণ ভারী দণ্ড। অথচ সিঙ্গাপুর বা যুক্তরাজ্য জুয়াকে লাইসেন্স ও নিয়ন্ত্রণের আওতায় আনে, খেলোয়াড়কে জেলে পোরে না—সামান্য জরিমানা করে। ভারত নিষেধাজ্ঞার পথে গিয়ে এখন নিজেই সাংবিধানিক চ্যালেঞ্জের মুখে। তদুপরি খসড়াটি তৈরি হয়েছে যথেষ্ট অসতর্কভাবে। 'আর্থিক ঝুঁকিপূর্ণ খেলা'র সংজ্ঞা (২ ও ৬ ধারা) এত ব্যাপক যে তা শেয়ার বা ফরেক্স লেনদেন, ক্রিপ্টো বিনিয়োগ—ঝুঁকি আর অনিশ্চয়তা আছে এমন প্রায় যেকোনো বৈধ আর্থিক কর্মকাণ্ডকেই অপরাধ বানিয়ে ফেলতে পারে, কারণ নিয়ন্ত্রিত আর্থিক পণ্যের জন্য কোনো ছাড় রাখা হয়নি। ভেতরের ক্রস-রেফারেন্সগুলো ভুল ধারায় নির্দেশ করছে; 'সরকার'-এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে দুবার, দুরকমভাবে; যে আইন মানুষকে কারাগারে পাঠাবে, সেটি এত খাপছাড়া হওয়া অগ্রহণযোগ্য।</span></p>
<p dir="ltr"><span>ন্যায্যতার খাতিরে বলতেই হয়, খসড়ার কিছু অংশ ভালো ও মানবিক। জুয়ায় আসক্তদের জন্য কাউন্সেলিং ও পুনর্বাসনের কথা (৪৮ ধারা), ম্যাচ ও স্পট ফিক্সিংকে স্পষ্ট অপরাধ ঘোষণা (১৩ ও ২৫ ধারা)—যা আমাদের আইনে এতদিন ছিল না, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা (৪৯ ধারা), পরিসংখ্যান ও বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশের স্বচ্ছতা (৫০ ধারা) এবং নির্ভরযোগ্য ইংরেজি ভাষ্য (৫৩ ধারা)—সবই ইতিবাচক। এগুলো প্রমাণ করে, চাইলে এই খসড়া একটি সত্যিকারের আধুনিক, অধিকার-সচেতন জুয়াবিরোধী আইনই হতে পারত। দুর্ভাগ্য এই যে, এই ভালো দিকগুলো বসে আছে এমন এক কাঠামোর পাশে, যা তাদের গিলে ফেলে।</span></p>
<p dir="ltr"><span>অনলাইন জুয়া নিঃসন্দেহে একটি বাস্তব সমস্যা, এবং এর মোকাবিলা দরকার। কিন্তু সেই মোকাবিলা হওয়া উচিত সুরক্ষা-সংবলিত একটি নিয়ন্ত্রক কাঠামোর মাধ্যমে—গণ-নজরদারির ব্যবস্থা দিয়ে নয়। সরকারের উচিত হবে এই খসড়া এই অবস্থায় এগিয়ে না নেওয়া। বরং প্রয়োজন আইনজীবী, প্রযুক্তিবিদ, মানবাধিকারকর্মী, উপাত্ত-সুরক্ষা কর্তৃপক্ষ ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে খোলামেলা, একাধিক দফার আলোচনা; বিদ্যমান সাইবার আইনের সঙ্গে সংঘাত নিরসন; গণ-নজরদারির ধারাগুলো বাতিল করা অথবা সেগুলোকে পুরোপুরি উপাত্ত-সুরক্ষা আইন ও বিচারিক ওয়ারেন্টের অধীন করা; খেলোয়াড় নয়, অপরাধচক্রকে লক্ষ্য করে জামিনযোগ্য ও মাত্রাভেদে সাজানো শাস্তি; এবং জুয়াকে নিয়ন্ত্রণ করা হবে নাকি নিষিদ্ধ—সেই মৌলিক সিদ্ধান্ত পরিষ্কার করা।</span></p>
<p dir="ltr"><span>যে দেশ সবেমাত্র একটি দমনমূলক ডিজিটাল আইন ভেঙে ফেলতে গোটা একটি বছর খরচ করল, সে দেশ চুপিসারে আরেকটি দমনমূলক আইন গড়ে তোলার বিলাসিতা সইতে পারে না—এবার যার মুখোশ জুয়ার মতো এক নিরীহ-শোনানো অজুহাত। জুয়া রুখতে গিয়ে আমরা যেন গোটা জাতিকেই সন্দেহভাজনের কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে না ফেলি।</span></p>
<hr>
<p><strong>লেখকঃ </strong><span>গবেষক</span></p>
<hr>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ফ্রিল্যান্সারদের আয়ের ওপর সাড়ে সাত শতাংশ কর আরোপ হচ্ছে না</title>
<link>https://digibanglatech.news/178579</link>
<guid>https://digibanglatech.news/178579</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202606/image_870x580_6a1e6d9b944f0.jpg" length="81236" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 02 Jun 2026 07:44:21 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>ফ্রিল্যান্সারদের আয়ের ওপর সাড়ে সাত শতাংশ কর আরোপ হচ্ছে না। ১ জুন সচিবালয়ে চিত্ত মিডিয়ার জুয়েল রানাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন ফ্রিল্যান্সার ও কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের ওপর সাড়ে ৭% ভ্যাট আরোপ হবে না।</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div _ngcontent-ng-c474956371="" class="container">
<div _ngcontent-ng-c1661001707="" inline-copy-host="" class="markdown markdown-main-panel stronger enable-updated-hr-color" id="model-response-message-contentr_9f19a6829c9ec661" aria-live="polite" aria-busy="false" dir="ltr">
<p data-path-to-node="1">দেশের ফ্রিল্যান্সার ও কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের আয়ের ওপর প্রস্তাবিত সাড়ে ৭ শতাংশ ভ্যাট বা কর আরোপের গুঞ্জনকে সম্পূর্ণ নাকচ করে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দেশের ব্যতিক্রমী জনপ্রিয় ফেসবুক পেজ ‘চিত্ত মিডিয়া’র প্রতিষ্ঠাতা ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর জুয়েল রানাকে এ বিষয়ে আশ্বস্ত করেছেন।</p>
<p data-path-to-node="1">কৃষি ও প্রকৃতিকে উপজীব্য করে মানবিক ও সাহিত্যিক ঘরানার ভিডিও বানিয়ে মাত্র এক বছরে ৪৩ লাখের বেশি ফলোয়ার অর্জন করা জুয়েল রানাকে সোমবার, ১ জুন সচিবালয়ে ডেকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী এই সৌজন্য সাক্ষাত করেন। সাক্ষাতের পর দেশের অন্যতম শীর্ষ দৈনিক ‘যুগান্তর’-কে একটি এক্সক্লুসিভ ভিডিও সাক্ষাৎকার দেন জুয়েল রানা। সেখানেই তরুণদের ফ্রিল্যান্সিং আইসিটি ও ডিজিটাল মার্কেটিং খাতের এই বড় স্বস্তির খবরটি জনসমক্ষে উন্মোচিত হয়।</p>
<p data-path-to-node="2">সাক্ষাৎকারের শেষ দিকে জুয়েল রানা বলেন, তিনি ব্যক্তিগতভাবে প্রধানমন্ত্রীর কাছে জানতে চেয়েছিলেন যে ফ্রিল্যান্সার ও কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের ওপর সাড়ে ৭ শতাংশ ভ্যাট আরোপের যে গুঞ্জন চলছে, তা কতটা সত্য। বিষয়টি শোনামাত্রই প্রধানমন্ত্রী তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ডেকে এর খোঁজ নেওয়ার নির্দেশ দেন এবং এই ধরনের কোনো কর বা ভ্যাট আরোপ করা হবে না বলে জুয়েল রানাকে সম্পূর্ণ নিশ্চিন্ত থাকার পরামর্শ দেন। প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট ভাষায় জুয়েল রানাকে বলেন, “এরকম কিছু হইতে দেওয়া যাবে না; আমি চাই ইয়াংরা ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে যাক, তারা বৈদেশিক বিভিন্ন কাজে ইনভলভ থাকুক এবং বাইরের অর্থ দেশে নিয়ে আসুক, দ্যাটস এনাফ।” ফ্রিল্যান্সাররা দেশের অর্থনীতি সচল রাখতে যে বড় ভূমিকা পালন করছেন এবং সাধারণ তরুণরা কনটেন্ট ক্রিয়েশনের মাধ্যমে যেভাবে নিজেদের পরিবার চালাচ্ছেন, সেখানে কোনো ধরণের আর্থিক প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হবে না বলেও প্রধানমন্ত্রী অভয় দেন।</p>
<p data-path-to-node="3">সাক্ষাৎকারে জুয়েল রানা আরও উল্লেখ করেন, তিনি প্রধানমন্ত্রীকে মনে করিয়ে দিয়েছেন যে এই খাতের তরুণরা দেশ থেকে কোনো অর্থ বা সম্পত্তি পাচার করে না, বরং রাত জেগে হাড়ভাঙা খাটুনি খেটে বৈধ উপায়ে বৈদেশিক মুদ্রা দেশে নিয়ে আসে; তাই তাদের জন্য সরকারের নীতি আরও বেশি সফট হওয়া উচিত। প্রত্যুত্তরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, “অবশ্যই আপনাকে ধন্যবাদ যে আপনি আমাকে মনে করিয়ে দিলেন, এরকম কিছু হবে না নিশ্চিন্তে থাকুন; কন্টেন্ট ক্রিয়েশন যারা করছেন ও ফ্রিল্যান্সার যারা আছেন, তাদের জন্য এরকম কোনো ধরনের কোনো কিছু ঘটবে না ইনশাআল্লাহ।” ফ্রিল্যান্সিং খাতের এই কর মওকুফের বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে এখনও আনুষ্ঠানিক কোনো লিখিত প্রজ্ঞাপন বা বক্তব্য পাওয়া না গেলেও খোদ সরকার প্রধানের এমন আন্তরিক আশ্বাসে দেশের লাখ লাখ ফ্রিল্যান্সার, আইটি উদ্যোক্তা ও ক্রিয়েটরদের মাঝে চরম স্বস্তি ও নতুন উদ্দীপনা ফিরে এসেছে।</p>
<p data-path-to-node="4"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>/ডিবিটেক/ডিজেই/এমইউআইএম/</strong></span></em></p>
</div>
<message-content _ngcontent-ng-c474956371="" _nghost-ng-c1661001707="" id="message-content-id-r_9f19a6829c9ec661" class="ng-star-inserted"></message-content><!----></div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বাংলাদেশের এআই দলে বিশ্বমঞ্চে লড়বেন যারা</title>
<link>https://digibanglatech.news/178475</link>
<guid>https://digibanglatech.news/178475</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202606/image_870x580_6a1d20016436b.jpg" length="76342" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 01 Jun 2026 00:01:13 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>বিশ্বমঞ্চে এআই অলিম্পিয়াডে লড়বে বাংলাদেশ দল, কাজাখস্তানে অনুষ্ঠেয় ৩য় আন্তর্জাতিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা অলিম্পিয়াড (IOAI) ও এশিয়া-প্যাসিফিক আসরের জন্য চূড়ান্ত জাতীয় দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্ক</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div _ngcontent-ng-c3289743942="" inline-copy-host="" class="markdown markdown-main-panel stronger enable-updated-hr-color" id="model-response-message-contentr_bbf8ddebc6cfb1d1" aria-live="polite" aria-busy="false" dir="ltr">
<p data-path-to-node="1">আগামী আগস্টে কাজাখস্তানে অনুষ্ঠিতব্য ৩য় আন্তর্জাতিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা অলিম্পিয়াড এবং এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের শীর্ষ আসরে অংশ নিতে ১২ সদস্যের চূড়ান্ত জাতীয় দল প্রস্তুত করেছে বাংলাদেশ। চলতি মাসের ১৩ জুন ঢাকার নির্ধারিত ভেন্যু থেকে অনলাইনে যুক্ত হয়ে এশিয়া-প্যাসিফিক এআই অলিম্পিয়াডে লড়বে আট সদস্যের প্রথম দলটি।</p>
<p data-path-to-node="1">এই দলে দেশের নাম উজ্জ্বল করতে প্রস্তুত হোমনা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের লাবিব শাহরিয়ার, নটর ডেম কলেজের ত্রিদিব রায় আর্য ও মোবতাসিম চৌধুরী প্রিয়ম, মৌলভীবাজার সরকারি কলেজের সাইদুজ্জামান আরাফ, দারুস সালাম সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নওফেল রহমান, ন্যাশনাল আইডিয়াল স্কুলের মুর্তজা আব্দুল্লাহ, মুন্নু ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অনন্য জারিফ আকন্দ এবং রাজউক উত্তরা মডেল কলেজের মো. রিয়াসাত ইসলাম। অন্যদিকে আগস্টে কাজাখস্তানের মূল বিশ্বমঞ্চে সরাসরি দেশের লাল-সবুজ পতাকা তুলে ধরবে চার সদস্যের মূল দল। এই আন্তর্জাতিক দলে রয়েছেন লাবিব শাহরিয়ার, মোবতাসিম চৌধুরী প্রিয়ম, সাইদুজ্জামান আরাফ এবং অনন্য জারিফ আকন্দ। বিশ্বমানের এই লড়াইয়ে তরুণদের আইসিটি ও প্রকৌশলগত দিকনির্দেশনা দিতে দলনেতা হিসেবে সাথে থাকছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্যপ্রযুক্তি ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ড. বি এম মইনুল হোসেন।</p>
<p data-path-to-node="1">৩১ মে, রবিবার নতুন দল ঘোষণা করে বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্ক। তিন মাসব্যাপী দেশজুড়ে চলা তীব্র প্রতিযোগিতা এবং মে মাসের ২০ থেকে ২৩ তারিখ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত জাতীয় সিলেকশন ক্যাম্পের কঠিন মূল্যায়নের ভিত্তিতে এই তরুণ প্রযুক্তিবিদদের নির্বাচিত করা হয়েছে। বিগত বছরগুলোতে আন্তর্জাতিক রোবোটিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তি অলিম্পিয়াডে দেশের ক্ষুদে বিজ্ঞানীদের ধারাবাহিক সাফল্যের পর এবার এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বৈশ্বিক মঞ্চ জয়ের লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামছে এই উদীয়মান তারুণ্য।</p>
<p data-path-to-node="3">এই স্বপ্নের দল গঠনের যাত্রাটি ছিল বেশ রোমাঞ্চকর ও চ্যালেঞ্জিং। গত ২৫ মার্চ ৩য় বাংলাদেশ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা অলিম্পিয়াডের নিবন্ধন শুরু হওয়ার পর দেশজুড়ে শিক্ষার্থীরা ‘এআই কুইজ’ এবং ‘এআই চ্যালেঞ্জ’ ক্যাটাগরিতে নিজেদের মেধার প্রমাণ দেয়। এবারই প্রথমবারের মতো ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সৈয়দপুরে অফলাইন আঞ্চলিক পর্বের পাশাপাশি খুলনা ও রাজশাহীর মতো প্রত্যন্ত অঞ্চলের জন্য ছিল অনলাইন ই-অলিম্পিয়াড। এরপর ১৬ মে ঢাকায় অনুষ্ঠিত জাতীয় পর্বের শীর্ষ ৩০ জন দক্ষ প্রতিযোগীকে নিয়ে বসা হয় সিলেকশন ক্যাম্পে। সেখানে মেশিন লার্নিং কনটেস্ট, পাইথন নোটবুক মূল্যায়ন এবং সিলেকশন টেস্টের মতো উচ্চতর প্রোগ্রামিং ও প্রযুক্তিগত ধাপ পেরিয়ে তবেই মিলেছে এই চূড়ান্ত দলের টিকিট।</p>
<p data-path-to-node="4">তরুণ প্রজন্মকে ডেটা সায়েন্স ও মেশিন লার্নিং প্রযুক্তিতে বৈশ্বিক স্তরে দক্ষ করে গড়ে তোলার এই মহতী উদ্যোগে এবারও ঢাল হিসেবে দাঁড়িয়েছে দেশের শীর্ষস্থানীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও আইটি উদ্যোক্তারা। বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজি এবং রিভ চ্যাটের সার্বিক সহযোগিতার পাশাপাশি ব্রেইন স্টেশন ২৩, মিলিয়ন এক্স বাংলাদেশ, ক্রিয়েটিভ আইটি ও বিটনার মতো বড় বড় দেশীয় স্টার্টআপগুলো এই আয়োজনে যুক্ত ছিল। মেধা ও প্রযুক্তির এই মেলবন্ধন বিশ্বমঞ্চ থেকে বড় সাফল্য ছিনিয়ে এনে দেশের সামগ্রিক আইসিটি ও উদ্ভাবন খাতকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে, এটাই এখন পুরো বাংলাদেশের প্রত্যাশা।</p>
<p data-path-to-node="5"><strong>/ডিবিটেক/এমএম/এমইউআইএম/</strong></p>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>এআই এবং ‘স্মার্ট যুদ্ধের’ মায়াজাল</title>
<link>https://digibanglatech.news/178372</link>
<guid>https://digibanglatech.news/178372</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202606/image_870x580_6a216298712bf.jpg" length="126371" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 31 May 2026 00:13:04 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও আধুনিক যুদ্ধকৌশল, প্রজেক্ট মেভেন ও পেন্টাগন, যুদ্ধক্ষেত্রে এআই ব্যবহারের ঝুঁকি, আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও এআই, হিউম্যান ইন দ্য লুপ বিতর্ক, সামরিক প্রযুক্তির রূপান্তর ও জবাবদিহিতা</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>অস্ত্র উন্নয়নের দীর্ঘ ও চাকচিক্যহীন ইতিহাসে এমন একটি মুহূর্ত আসে, যখন কোনো প্রযুক্তি কেবল একটি হাতিয়ার হিসেবে সীমাবদ্ধ না থেকে সামরিক ডকট্রিন বা নীতিতে পরিণত হয়। মেশিনগান যখন প্রথম আবিষ্কৃত হয়েছিল, তখন সেটি ছিল মানুষের কৌতুহলের বস্তু। এরপর তা হয়ে উঠল যুদ্ধের কৌশলগত উপকরণ, যা পরবর্তীতে ইউরোপীয় সভ্যতার পুরো কাঠামোকেই বদলে দিয়েছিল এবং ফ্ল্যান্ডার্সের কাদামাটিতে সমাহিত করেছিল আস্ত একটি প্রজন্মকে। পারমাণবিক বোমার বিপণন করা হয়েছিল একটি চলমান যুদ্ধকে থামানোর উপায় হিসেবে; অথচ মাত্র এক দশকের মধ্যে এটি বিশ্ব রাজনীতিকে এমনভাবে পুনর্গঠিত করল, যার ফলে তৈরি হলো এক স্থায়ী পারস্পরিক ভীতির পরিবেশ—যা আজও আমাদের তাড়া করে বেড়ায়।</p>
<p>আমরা আজ আবারও ঠিক তেমনই একটি সন্ধিক্ষণে এসে দাঁড়িয়েছি। এবারের প্রযুক্তিটি হলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই (AI)। এটি ইতিমধ্যেই বাস্তব যুদ্ধক্ষেত্রে মোতায়েন করা হয়েছে, যা নিখুঁতভাবে লক্ষ্যবস্তু (টার্গেট) শনাক্ত করছে এবং কে বাঁচবে আর কে মরবে—সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রক্রিয়াকে অবিশ্বাস্য গতিতে ত্বরান্বিত করছে। তাই এআই যুদ্ধক্ষেত্রের রূপান্তর ঘটাবে কি না, সেই প্রশ্ন এখন অবান্তর; কারণ এটি ইতিমধ্যে তা ঘটিয়ে ফেলেছে। এখন আসল এবং অস্বস্তিকর প্রশ্নটি হলো—আমরা আসলে কোন ধরনের যুদ্ধকে বেছে নিচ্ছি, এবং আদৌ কি আমরা সচেতনভাবে এটি বেছে নিয়েছি?</p>
<p><strong>মোটরসাইকেল ট্র্যাকিং থেকে দিনে ৫ হাজার লক্ষ্যবস্তু</strong><br>পেন্টাগনের ফ্ল্যাগশিপ এআই টার্গেটিং প্রোগ্রাম ‘প্রজেক্ট মেভেন’ (Project Maven) কোনো মহৎ কৌশলগত দৃষ্টিভঙ্গি থেকে জন্ম নেয়নি। এটি তৈরি হয়েছিল একটি সুনির্দিষ্ট ব্যবহারিক হতাশা থেকে। মার্কিন সামরিক বাহিনী ড্রোন থেকে আসা এত বিপুল পরিমাণ ভিডিও ফুটেজের সাগরে ডুবছিল যে, মানুষের পক্ষে তা প্রসেস বা বিশ্লেষণ করা অসম্ভব হয়ে পড়েছিল। বিশ্লেষকরা ক্লান্ত ও অবসাদগ্রস্ত চোখে ঘণ্টার পর ঘণ্টা স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকতেন, যেখানে ভুলের সম্ভাবনা ছিল প্রবল। মেভেনের প্রাথমিক উদ্দেশ্য ছিল অত্যন্ত সাধারণ—কম্পিউটার ভিশন বা কৃত্রিম চোখ দিয়ে প্রাথমিক বাছাইয়ের কাজটি করা হোক, যেন মানুষের বিচারবুদ্ধি খাটানোর সুযোগ তৈরি হয়। যেমন—মোটরসাইকেলের গতিবিধি ট্র্যাক করা বা নির্দিষ্ট প্যাটার্ন চিহ্নিত করা।</p>
<p>যুক্তিটি বেশ যৌক্তিক শোনায়। ঐতিহাসিকভাবে প্রতিটি মারণাস্ত্রের বিপ্লব এভাবেই শুরু হয়—খুবই সীমিত এবং বাস্তবসম্মত একটি যৌক্তিকতা দিয়ে। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে এই সংখ্যাগুলো জ্যামিতিক হারে বাড়তে থাকে। যুক্তরাষ্ট্রের ‘ন্যাশনাল জিওস্প্যাশিয়াল-ইনটেলিজেন্স এজেন্সি’ গত বছর গর্ব করে জানিয়েছিল যে, এআই প্রযুক্তি ছাড়া যেখানে দিনে ১০০টি লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণ করা যেত, এআই-এর সহায়তায় তা এক লাফে ১ হাজারে উন্নীত হয়েছে। আর এর সাথে যদি লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল (LLM) যুক্ত করা যায়, তবে লক্ষ্যবস্তুর সংখ্যা দিনে ৫ হাজারে পৌঁছানো সম্ভব। ৫ হাজার! যে মানুষটি আগে মাত্র ৫০টি ছবি বিশ্লেষণ করতে হিমশিম খেত, সে এখন নামমাত্র এই বিশাল স্বয়ংক্রিয় প্রক্রিয়ার ‘লুপ’ বা চক্রের মধ্যে অবস্থান করছে। সামরিক কমান্ডাররা জনমনে স্বস্তি দিতে ‘হিউম্যান ইন দ্য লুপ’ (সিদ্ধান্ত প্রক্রিয়ায় মানুষের অন্তর্ভুক্তি) শব্দবন্ধটি যেভাবে জপের মতো আওড়ান, তা এখন সুরক্ষাকবচের চেয়ে জনসংযোগ কৌশলের মতোই বেশি মনে হয়।</p>
<p><br>সাবেক মার্কিন জেনারেল জিম ম্যাটিস একটি খাঁটি কথা বলেছিলেন—কেবল নিখুঁতভাবে লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণ করা কখনোই মূল যুদ্ধকৌশলের বিকল্প হতে পারে না। দিনে ৫ হাজার লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করার সক্ষমতা আপনাকে এটি বলে দেবে না যে, এই আঘাতগুলো আদৌ কোনো যৌক্তিক লক্ষ্য অর্জন করছে কি না। ইরাক এবং আফগানিস্তানে বছরের পর বছর রক্তাক্ত অভিজ্ঞতার পর যুক্তরাষ্ট্র এই শিক্ষাটি পেয়েছিল। কিন্তু এআই-এর মোহে মানুষ তা আবারও ভুলে যাওয়ার ঝুঁকিতে পড়েছে—যেখানে গতি ও স্কেলকে কার্যকারিতা এবং দক্ষতাকে প্রজ্ঞা বলে ভুল করা হচ্ছে।</p>
<p><strong>কৌশলের ব্যর্থতা ও মানবিক বিপর্যয়</strong><br>ইরানে চালানো সাম্প্রতিক অভিযানগুলোকে এআই-নিয়ন্ত্রিত যুদ্ধের একটি বাস্তব মহড়া হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড প্রকাশ্যে স্বীকার করেছে যে, আগে যে সিদ্ধান্ত নিতে কয়েক দিন সময় লাগত, এআই তা কয়েক সেকেন্ডে নামিয়ে এনেছে। প্রযুক্তিগতভাবে এটি চমৎকার। কিন্তু কৌশলগত অর্জন কী? সংশ্লিষ্ট দেশের শাসন ব্যবস্থার পতন ঘটেনি, কোনো গণঅভ্যুত্থানও হয়নি এবং মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত অবস্থানেরও কোনো দৃশ্যমান উন্নতি হয়নি। গতি এবং নিখুঁত নিশানা যে যুদ্ধ জয়ের মূল চাবিকাঠি—তার প্রমাণ মেলেনি। ইরানের ক্ষেত্রেও মার্কিন সামরিক অভিজ্ঞতার সেই চেনা রূপই দেখা গেছে—মেশিন বা প্রযুক্তি ঠিকঠাক কাজ করেছে, কিন্তু যুদ্ধকৌশল ব্যর্থ হয়েছে।</p>
<p>সবচেয়ে ভয়াবহ দিকটি হলো এর বেসামরিক বা মানবিক মূল্য। এআই-এর ভুলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হামলার মতো ঘটনা এবং বেসামরিক মানুষের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে। আগের যুগে এমন ঘটনা ঘটলে কংগ্রেসে শুনানি হতো, তদন্ত হতো এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হতো। কিন্তু এআই যুগে আলোচনার মোড় মুহূর্তেই ঘুরে যায় প্রযুক্তির দিকে। প্রশ্ন তোলা হয়—অ্যালগরিদম কি সঠিকভাবে কাজ করেছিল? ডাটা কি ঠিকঠাক লেবেল করা ছিল? অর্থাৎ, মানুষের মৃত্যুও এখন এক ধরনের কারিগরি বা 'ডিবাগিং' সমস্যায় পরিণত হয়েছে।</p>
<p>এটি কোনো কাল্পনিক আশঙ্কা নয়। আন্তর্জাতিক যুদ্ধ আইন তৈরি হয়েছিল কারণ লাগামহীন যুদ্ধ কখনো শেষ হয় না, বরং তা সংক্রমিত হয়। যুক্তরাষ্ট্র দশকের পর দশক ধরে যুদ্ধের ক্ষেত্রে আনুপাতিকতা, স্বাতন্ত্র্য এবং সতর্কতার মতো আইনি ও নৈতিক কাঠামো তৈরি করেছে। এটি কোনো দুর্বলতা নয়, বরং এই কাঠামোর কারণেই একটি দেশের যুদ্ধ রাজনৈতিকভাবে দীর্ঘস্থায়ী রূপ পায়। একে ক্ষুণ্ন করলে কৌশলগত মূল্য অনেক গুণ বেড়ে যায়।</p>
<p><strong>পাল্টা যুক্তি এবং বাস্তবতা</strong><br>এই বিতর্কের একটি জোরালো পাল্টা যুক্তিও রয়েছে, যা এড়িয়ে যাওয়া যায় না। যুদ্ধের ইতিহাসে 'ফ্রেন্ডলি ফায়ার' বা ভুলবশত নিজেদের সৈন্য কিংবা সাধারণ মানুষকে শত্রু ভেবে হত্যা করার মতো মর্মান্তিক ঘটনা সবসময়ই ছিল। এআই যদি মানুষের ক্লান্তি বা বিভ্রান্তিজনিত এই ভুলগুলো কমিয়ে আনতে পারে, তবে তা অবশ্যই ইতিবাচক। প্রজেক্ট মেভেনের উদ্যোক্তারা কোনো যুদ্ধবাজ ছিলেন না, বরং তাদের অনেকেই ছিলেন যুদ্ধক্ষেত্রে নিজেদের সহযোদ্ধাদের ভুলবশত মৃত্যু দেখা এক একজন ভেটেরান বা সাবেক সৈনিক।</p>
<p>আসল সমস্যাটি হলো এআই-এর মূল নকশা এবং এর বর্তমান ব্যবহারের মধ্যকার বিশাল ফারাক। মোটরসাইকেল ট্র্যাক করার মতো প্রাথমিক সতর্ক উদ্দেশ্য থেকে এটি ধাপে ধাপে এক বিশাল মারণযজ্ঞের রূপ নিচ্ছে। পেন্টাগনের একটি প্রোগ্রাম তো এআই দিয়ে বেসামরিক ক্ষয়ক্ষতির হিসাব করার প্রস্তাবই বাতিল করে দিয়েছিল, কারণ "কোনো কর্মকর্তা একজন এআই-এর দেওয়া সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে নিজের ক্যারিয়ার ঝুঁকিতে ফেলতে চাননি।" তাদের এই মানবিক তাড়না ঠিক ছিল, কিন্তু তীব্র প্রাতিষ্ঠানিক চাপের মুখে এই বোধ কতটুকু টিকে থাকবে, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে।</p>
<p>এ ক্ষেত্রে ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্বকে একটি ভিন্ন মডেল দেখিয়েছে। ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষেত্র সচেতনতা প্ল্যাটফর্ম ‘ডেল্টা’ (Delta) প্রমাণ করেছে যে, সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা পুরোপুরি মেশিনের হাতে ছেড়ে না দিয়েও যুদ্ধক্ষেত্রে শতভাগ নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা সম্ভব। ড্রোনের অপারেটররা পৃথিবীর যেকোনো প্রান্ত থেকে কাজ করতে পারছেন, প্রতিটি ইউনিট যুদ্ধের লাইভ পরিস্থিতি দেখতে পাচ্ছে। এখানে মানুষ কেবল মেশিনের ডেথ-লিস্টে সিল মারার জন্য বসে নেই, বরং বাস্তব তথ্যের ভিত্তিতে মূল সিদ্ধান্তটি মানুষই নিচ্ছে। এটি নিখুঁত কোনো ব্যবস্থা নয়, তবে এটি দেখায় যে যুদ্ধের কুয়াশা দূর করতে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা পুরোপুরি এআই-এর হাতে ছেড়ে দেওয়া বাধ্যতামূলক নয়।</p>
<p><strong>একটি অননুমোদিত যুদ্ধ ও রাজনৈতিক শূন্যতা</strong><br>সবচেয়ে বড় সংকটটি প্রযুক্তিগত নয়, বরং রাজনৈতিক। এআই-এর মাধ্যমে মার্কিন যুদ্ধরীতির এই রূপান্তরটি ঘটেছে সম্পূর্ণ গণতান্ত্রিক আলোচনার বাইরে। মার্কিন কংগ্রেস স্বয়ংক্রিয় অস্ত্রের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে কোনো আইন পাস করেনি। সাধারণ জনগণকে জিজ্ঞেস করা হয়নি যে তারা মেশিনের গতিতে যুদ্ধ করতে রাজি কি না। পেন্টাগন এখন ‘হিউম্যান ইন দ্য লুপ’ কথাটি বাদ দিয়ে ‘যৌক্তিক পর্যায়ের মানুষের বিচারবুদ্ধি’ (appropriate levels of human judgment) শব্দবন্ধটি ব্যবহার করছে, যা কোনো আইনসভা দ্বারা অনুমোদিত নয়।</p>
<p>ইতিহাস বলে, যুদ্ধক্ষেত্রের প্রযুক্তি সবসময়ই তাকে নিয়ন্ত্রণকারী রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানের চেয়ে দ্রুত গতিতে এগিয়ে যায়। ড্রোন প্রোগ্রামটি নিয়ে জনমনে বিতর্ক শুরু হওয়ার বহু বছর আগে থেকেই এটি নীরবে প্রসারিত হয়েছিল। পারমাণবিক বোমার ধ্বংসাত্মক রূপ নিয়ে যুদ্ধকৌশলবিদরা গভীরভাবে ভাবার আগেই ‘মিউচুয়াল অ্যাসিউরড ডেসট্রাকশন’ বা পারস্পরিক ধ্বংসের নীতি প্রতিষ্ঠিত হয়ে গিয়েছিল। প্রতিবারই প্রযুক্তি আগে ছুটেছে এবং গণতন্ত্র তার পিছু পিছু হেঁটেছে।</p>
<p>তবে এআই-এর গতি অন্য সব প্রযুক্তির চেয়ে অনেক বেশি দ্রুত। যুদ্ধক্ষেত্রে অ্যালগরিদম ব্যবহার করা হবে কি না—এখন আর সেই প্রশ্ন নেই। প্রশ্ন হলো, এই ধ্বংসযজ্ঞের শেষ সীমানা কোথায় এবং সেই সীমারেখাটি আসলে কে টানছে? এটি কোনো কারিগরি প্রশ্ন নয়, এটি একটি খাঁটি রাজনৈতিক প্রশ্ন। আর দুঃখজনকভাবে এর উত্তর হচ্ছে—কেউই নির্দিষ্ট করে এই সীমারেখা টানছে না। আমরা এক অজ্ঞাত গন্তব্যের দিকে অত্যন্ত দ্রুত গতিতে ছুটে চলছি, যা আমাদের গভীর চিন্তায় ফেলার জন্য যথেষ্ট।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ডিজিটাল হজ: মক্কা&#45;মদিনায় তথ্যপ্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও আস্থার নতুন পরীক্ষা</title>
<link>https://digibanglatech.news/177980</link>
<guid>https://digibanglatech.news/177980</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202605/image_870x580_6a1571cdc9768.jpg" length="122365" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 26 May 2026 00:00:57 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div><span>হজ মূলত বিশ্বাসের যাত্রা। যুগে যুগে মুসলমানরা মক্কা ও মদিনায় গেছেন ইমান, ধৈর্য, আত্মসমর্পণ ও আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের আকাঙ্ক্ষা নিয়ে। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এই পবিত্র যাত্রা একই সঙ্গে হয়ে উঠেছে বিশ্বের অন্যতম জটিল ডিজিটাল ব্যবস্থাপনা, জনসমাগম নিয়ন্ত্রণ, জনস্বাস্থ্য পরিকল্পনা, নিরাপত্তা সমন্বয় এবং প্রযুক্তিনির্ভর সেবা প্রদানের একটি বিরাট ক্ষেত্র।</span></div>
<div><span> </span></div>
<div><span>সৌদি আরব এখন হজ ব্যবস্থাপনায় তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করছে এমন এক মাত্রায়, যা বিশ্বের অল্প কিছু বড় আয়োজনের সঙ্গে তুলনীয়। ভিসা প্রক্রিয়া, ডিজিটাল পারমিট, প্যাকেজ নির্বাচন, আবাসন, পরিবহন, স্বাস্থ্যসেবা, নিরাপত্তা, ভিড় পর্যবেক্ষণ, পথনির্দেশনা, জরুরি সহায়তা এবং বাস্তব সময়ের তথ্যসেবা, সব ক্ষেত্রেই প্রযুক্তির উপস্থিতি ক্রমেই বাড়ছে।</span></div>
<div><span> </span></div>
<div><span>প্রশ্ন এখন আর প্রযুক্তি হজকে বদলাবে কি না, তা নয়। প্রযুক্তি ইতিমধ্যে হজকে বদলে দিচ্ছে। বড় প্রশ্ন হলো, এই পরিবর্তন কি হাজিদের নিরাপত্তা, মর্যাদা ও আধ্যাত্মিক অভিজ্ঞতাকে শক্তিশালী করবে, নাকি অতিরিক্ত নজরদারি, ডিজিটাল বৈষম্য ও প্রযুক্তিনির্ভর জটিলতার নতুন ঝুঁকি তৈরি করবে?</span></div>
<div><span> </span></div>
<div><span>হজের সময় বিশ্বের প্রায় সব প্রান্ত থেকে লাখ লাখ মানুষ অল্প সময়ের মধ্যে সীমিত ভৌগোলিক এলাকায় সমবেত হন। মক্কা, মিনা, আরাফাত, মুজদালিফা এবং জামারাত, প্রতিটি স্থানেই নির্দিষ্ট সময়ে বিপুল মানুষের চলাচল ঘটে। এর সঙ্গে যুক্ত থাকে প্রচণ্ড গরম, দীর্ঘ হাঁটা, ভাষাগত বৈচিত্র্য, বয়সজনিত দুর্বলতা, স্বাস্থ্যঝুঁকি, আবাসন ও পরিবহন চাপ। এমন একটি ব্যবস্থাপনা শুধু প্রচলিত প্রশাসনিক পদ্ধতিতে সামাল দেওয়া কঠিন। এখানেই তথ্যপ্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।</span></div>
<div><span> </span></div>
<div><span>ভিড় নিয়ন্ত্রণ হজ ব্যবস্থাপনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর একটি। পবিত্র কাবা শরিফের তাওয়াফ এলাকা, মসজিদুল হারাম, মিনা থেকে জামারাতের পথ, আরাফাতের ময়দান, এসব জায়গায় মানুষের চাপ সামান্য বেড়ে গেলেও ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-ভিত্তিক ক্যামেরা, সেন্সর, ডেটা বিশ্লেষণ, ড্রোন, তাপমাত্রা পর্যবেক্ষণ এবং অপারেশন সেন্টারের মাধ্যমে কোথায় ভিড় বাড়ছে, কোথায় পথ আটকে যাচ্ছে, কোথায় জরুরি হস্তক্ষেপ দরকার, তা দ্রুত শনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছে।</span></div>
<div><span> </span></div>
<div><span>এই প্রযুক্তির লক্ষ্য স্পষ্ট: দুর্ঘটনা ঘটার আগে ঝুঁকি বুঝে ব্যবস্থা নেওয়া। অতীতে হজে ভিড়ের চাপ, পদদলন এবং তাপজনিত মৃত্যুর মতো ঘটনা বিশ্বকে নাড়া দিয়েছে। বিশেষ করে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে তাপপ্রবাহ তীব্রতর হওয়ায় হজ ব্যবস্থাপনায় স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার প্রশ্ন আরও বড় হয়ে উঠেছে। এ অবস্থায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যদি ভিড়ের গতি বুঝতে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা শনাক্ত করতে এবং দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে, তবে তা নিঃসন্দেহে জননিরাপত্তার একটি বড় অগ্রগতি।</span></div>
<div><span> </span></div>
<div><span>ডিজিটাল হজের আরেকটি বড় দিক হলো হাজিদের ব্যক্তিগত সেবা। নুসুক অ্যাপ ও প্ল্যাটফর্ম এখন হজ ও ওমরাহ ব্যবস্থাপনার একটি গুরুত্বপূর্ণ ডিজিটাল প্রবেশদ্বার। এর মাধ্যমে অনেক হাজি নিবন্ধন, প্যাকেজ নির্বাচন, অনুমতি, নির্দেশনা, সময়সূচি এবং বিভিন্ন সেবা সম্পর্কে তথ্য পেতে পারেন। একজন হাজি যখন বাংলাদেশ, ইন্দোনেশিয়া, নাইজেরিয়া, তুরস্ক, ইউরোপ বা আমেরিকা থেকে সৌদি আরবে যান, তাঁর জন্য সঠিক তথ্য, পথনির্দেশনা, অফিসিয়াল আপডেট এবং অনুমোদিত সেবার সঙ্গে সংযোগ অত্যন্ত জরুরি।</span></div>
<div><span> </span></div>
<div><span>কিন্তু এখানেই একটি সতর্কতার প্রয়োজন। ডিজিটাল সুবিধা সবার জন্য সমানভাবে সহজ নয়। অনেক হাজি বয়স্ক, অনেকেই প্রথমবার বিদেশযাত্রী, অনেকের স্মার্টফোন ব্যবহারের অভ্যাস কম, অনেকে ইংরেজি বা আরবি ভাষায় দক্ষ নন। ডিজিটাল পেমেন্ট, অ্যাপ, লোকেশন, কিউআর কোড, অনলাইন পারমিট বা জরুরি নির্দেশনা তাঁদের কাছে জটিল মনে হতে পারে। তাই ডিজিটাল হজ যেন শুধু তরুণ, শহুরে ও প্রযুক্তি-সচেতন মানুষের জন্য সুবিধাজনক না হয়ে ওঠে, সেদিকে নজর দিতে হবে।</span></div>
<div><span> </span></div>
<div><span>বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বিষয়টি আরও গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশ থেকে প্রতিবছর বিপুলসংখ্যক মানুষ হজে যান, যাঁদের বড় অংশই বয়স্ক এবং ধর্মীয় আবেগে গভীরভাবে যুক্ত। তাঁদের অনেকেই প্রযুক্তিগত বিষয়ে ট্রাভেল এজেন্সি, মক্তব, গ্রুপ লিডার বা পরিবারের তরুণ সদস্যদের ওপর নির্ভর করেন। তাই হজ প্রস্তুতিতে এখন শুধু মানসিক, ধর্মীয় ও স্বাস্থ্যগত প্রশিক্ষণ নয়; ডিজিটাল প্রশিক্ষণও জরুরি। কীভাবে অ্যাপ ব্যবহার করতে হবে, জরুরি নম্বর কোথায় থাকবে, লোকেশন কীভাবে শেয়ার করতে হবে, মোবাইল হারালে কী করবেন, অনলাইন প্রতারণা থেকে কীভাবে বাঁচবেন, এসব বিষয় হজ প্রশিক্ষণের অংশ হওয়া উচিত।</span></div>
<div><span> </span></div>
<div><span>হজের ডিজিটাল অবকাঠামোও দ্রুত বিস্তৃত হচ্ছে। ফাইভজি ও ফোরজি সংযোগ, যোগাযোগ টাওয়ার, অপটিক্যাল ফাইবার, ওয়াই-ফাই, স্মার্ট মনিটরিং সিস্টেম, ডিজিটাল পারমিট এবং কেন্দ্রীয় অপারেশন রুম, সবকিছু মিলে হজ ব্যবস্থাপনাকে নতুন মাত্রা দিচ্ছে। হাজিরা পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে পারছেন, নির্দেশনা পাচ্ছেন, ছবি ও ভিডিও পাঠাচ্ছেন, রাস্তা চিনছেন, অনুবাদ ব্যবহার করছেন, জরুরি সহায়তা চাইছেন।</span></div>
<div><span> </span></div>
<div><span>তবে এই সংযোগের একটি দ্বৈত চরিত্র আছে। মোবাইল ফোন হাজির জন্য সহায়কও হতে পারে, আবার বিভ্রান্তির কারণও হতে পারে। প্রযুক্তি পবিত্র যাত্রাকে সহজ করে, কিন্তু কখনো কখনো আধ্যাত্মিক মনোযোগে ব্যাঘাতও ঘটায়। তাওয়াফ, সাফা-মারওয়া, আরাফাতের দোয়া, মদিনার জিয়ারত, এসব মুহূর্ত এখন অনেক সময় লাইভ ভিডিও, সেলফি ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিণত হয়। এতে পরিবারের সঙ্গে আবেগ ভাগ করা যায়, কিন্তু কখনো কখনো ইবাদতের গভীরতা প্রদর্শনমূলক আচরণের মধ্যে হারিয়ে যাওয়ার ঝুঁকিও থাকে।</span></div>
<div><span> </span></div>
<div><span>এটি শুধু সৌদি আরবের বিষয় নয়; এটি ডিজিটাল যুগের বাস্তবতা। আজ হজ শুধু মক্কা-মদিনায় ঘটছে না; ফেসবুক, ইউটিউব, টিকটক, হোয়াটসঅ্যাপ ও লাইভস্ট্রিমেও ঘটছে। পবিত্র অভিজ্ঞতা ডিজিটালভাবে ভাগ হচ্ছে। এটি একদিকে সংযোগ বাড়াচ্ছে, অন্যদিকে ধর্মীয় অনুভূতিকে কখনো বাজার, কনটেন্ট ও দৃশ্যমানতার প্রতিযোগিতায় টেনে নিচ্ছে। তাই ডিজিটাল হজের সঙ্গে ডিজিটাল সংযমের কথাও ভাবতে হবে।</span></div>
<div><span> </span></div>
<div><span>সৌদি আরব হজের শারীরিক পরিবেশেও প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। বিশেষ সড়ক প্রলেপ বা কুলিং রোড কোটিং, ছায়া ব্যবস্থা, পানি সরবরাহ, মিস্টিং ফ্যান, শীতলীকরণ ব্যবস্থা, স্বাস্থ্য সতর্কতা, সবকিছু এখন জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনার অংশ। প্রচণ্ড গরমে রাস্তার পৃষ্ঠের তাপ কমানো শুধু আরাম দেওয়ার বিষয় নয়; এটি জীবনরক্ষারও অংশ। প্রবীণ হাজি, অসুস্থ মানুষ, হৃদ্‌রোগী, ডায়াবেটিস রোগী বা দীর্ঘ হাঁটায় ক্লান্ত হাজিদের জন্য তাপ নিয়ন্ত্রণ এখন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।</span></div>
<div><span> </span></div>
<div><span>স্বাস্থ্যপ্রযুক্তির ভূমিকাও বাড়ছে। হজে জরুরি চিকিৎসা, অ্যাম্বুলেন্স, হাসপাতাল, অস্থায়ী ক্লিনিক, রোগ নজরদারি, টিকা, সংক্রমণ প্রতিরোধ, তাপঘাত মোকাবিলা, সবকিছু বিশাল ব্যবস্থাপনার অংশ। ডিজিটাল সিস্টেম দ্রুত রোগী শনাক্ত, অ্যাম্বুলেন্স সমন্বয় এবং জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি পর্যবেক্ষণে সহায়ক হতে পারে। তবে প্রযুক্তি এখানে মানবিক সেবার বিকল্প নয়। চিকিৎসক, নার্স, স্বেচ্ছাসেবক, নিরাপত্তাকর্মী ও গাইডদের মানবিক উপস্থিতি অপরিহার্য।</span></div>
<div><span> </span></div>
<div><span>আসলে আধুনিক হজের একটি বড় শিক্ষা হলো, প্রযুক্তি মানুষকে পুরোপুরি প্রতিস্থাপন করেনি। সৌদি কর্তৃপক্ষ বিপুলসংখ্যক নিরাপত্তাকর্মী, স্বাস্থ্যকর্মী, স্বেচ্ছাসেবক ও সেবাদানকারী নিয়োজিত করে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ঝুঁকি শনাক্ত করতে পারে, কিন্তু ক্লান্ত হাজিকে পানি দেওয়া, পথ হারানো বৃদ্ধকে ফিরিয়ে দেওয়া, আতঙ্কিত ভিড়কে শান্ত করা, অসুস্থ মানুষকে কাঁধে তুলে অ্যাম্বুলেন্সে নেওয়া, এসব কাজ এখনো মানুষেরই।</span></div>
<div><span> </span></div>
<div><span>এই ভারসাম্য জরুরি। হজ একটি গভীর মানবিক অভিজ্ঞতা। এতে ধৈর্য, সহমর্মিতা, সেবা, দয়া ও সংযম লাগে। প্রযুক্তি এই সেবাকে সহায়তা করতে পারে, কিন্তু সেবার মানবিক মুখ মুছে দিতে পারে না।</span></div>
<div><span> </span></div>
<div><span>তবে আরেকটি কঠিন প্রশ্ন এড়ানো যায় না: নজরদারি। এআই ক্যামেরা, ড্রোন, থার্মাল ইমেজিং, ডিজিটাল পারমিট, বায়োমেট্রিক তথ্য এবং ভিড় পর্যবেক্ষণ নিরাপত্তা বাড়াতে পারে। কিন্তু একই সঙ্গে এগুলো রাষ্ট্রের পর্যবেক্ষণ ক্ষমতাও বাড়ায়। হজের মতো বিপুল জনসমাগমে নিরাপত্তার জন্য এ ধরনের প্রযুক্তি অনেক ক্ষেত্রে যৌক্তিক হতে পারে। কিন্তু তবু ডেটা সুরক্ষা, স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং সীমারেখা থাকা জরুরি।</span></div>
<div><span> </span></div>
<div><span>হাজিদের জানা উচিত, তাঁদের কোন তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে, কেন করা হচ্ছে, কত দিন সংরক্ষণ করা হবে এবং কারা তা ব্যবহার করতে পারবে। ধর্মীয় কর্তব্য পালনের জন্য হাজিদের অপ্রয়োজনীয় ব্যক্তিগত তথ্যঝুঁকির মুখে পড়তে হওয়া উচিত নয়। ডিজিটাল হজ যত বাড়বে, আস্থা ও গোপনীয়তার প্রশ্ন ততই গুরুত্বপূর্ণ হবে।</span></div>
<div><span> </span></div>
<div><span>বাংলাদেশের জন্য এখানে কয়েকটি বাস্তব শিক্ষা আছে।</span></div>
<div><span> </span></div>
<div><span>প্রথমত, হজ প্রশিক্ষণে ডিজিটাল সাক্ষরতা যুক্ত করতে হবে। শুধু দোয়া, নিয়ম, স্বাস্থ্য ও ভ্রমণ নির্দেশনা নয়; অ্যাপ ব্যবহার, জরুরি যোগাযোগ, লোকেশন, অনলাইন প্রতারণা, মোবাইল ডেটা, সিম, চার্জিং, পাসওয়ার্ড, ডিজিটাল পেমেন্ট, এসবও শেখাতে হবে।</span></div>
<div><span> </span></div>
<div><span>দ্বিতীয়ত, বাংলা ভাষায় বাস্তব সময়ের নির্দেশনা ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে হবে। কোনো হাজি যদি মিনায় পথ হারান, আরাফাতে অসুস্থ হন, পরিবহনের সময়সূচি বুঝতে না পারেন বা অ্যাপ ব্যবহার করতে সমস্যায় পড়েন, তাহলে তাঁর প্রয়োজন হবে নিজের ভাষায় দ্রুত সহায়তা।</span></div>
<div><span> </span></div>
<div><span>তৃতীয়ত, হজ এজেন্সি ও গ্রুপ লিডারদের ডিজিটাল দায়িত্ববোধ বাড়াতে হবে। তাঁরা শুধু ভ্রমণ ব্যবস্থাপক নন; তাঁরা হাজিদের তথ্য-সহায়কও। ভুল তথ্য, বাড়তি টাকা, অনলাইন প্রতারণা, অনুমতিপত্রের জটিলতা, এসব বিষয়ে তাঁদের জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।</span></div>
<div><span> </span></div>
<div><span>চতুর্থত, হজের সময় বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষের একটি সমন্বিত ডিজিটাল সহায়তা কেন্দ্র থাকা দরকার, যেখানে হেল্পলাইন, হোয়াটসঅ্যাপ আপডেট, বাংলা নির্দেশনা, জরুরি লোকেশন সহায়তা এবং সৌদি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে দ্রুত সমন্বয় থাকবে।</span></div>
<div><span> </span></div>
<div><span>হজ সব সময়ই ছিল চলার মধ্য দিয়ে অর্থ খোঁজার যাত্রা। আগে এই যাত্রা গড়ে উঠত জাহাজ, কাফেলা, চিঠি, মৌখিক নির্দেশনা ও স্থানীয় মুয়াল্লিমদের মাধ্যমে। এখন এই যাত্রা গড়ে উঠছে অ্যাপ, ডেটা, এআই, ডিজিটাল পারমিট, ফাইবার নেটওয়ার্ক ও স্মার্ট অপারেশন সেন্টারের মাধ্যমে। যন্ত্র বদলেছে, উদ্দেশ্য বদলায়নি: মানুষ যেন নিরাপদে, সম্মানের সঙ্গে, মনোযোগ দিয়ে আল্লাহর ঘরে হজ পালন করতে পারে।</span></div>
<div><span> </span></div>
<div><span>ভবিষ্যতের হজ আরও ডিজিটাল হবে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা হয়তো ভিড়ের পূর্বাভাস আরও ভালো দিতে পারবে। অনুবাদ প্রযুক্তি ভাষা-সমস্যা কমাবে। পরিধানযোগ্য ডিভাইস স্বাস্থ্যঝুঁকি জানাবে। স্মার্ট পরিবহন যানজট কমাবে। ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম সেবা আরও স্বচ্ছ করতে পারে।</span></div>
<div><span> </span></div>
<div><span>কিন্তু প্রযুক্তির সাফল্য শুধু তার উন্নততায় মাপা যাবে না। মাপা যাবে, হাজিরা কি নিরাপদ? বয়স্করা কি সহায়তা পাচ্ছেন? দরিদ্র ও কম-প্রযুক্তিসম্পন্ন মানুষ কি বাদ পড়ে যাচ্ছেন না? তথ্য কি বিশ্বাসযোগ্য? গোপনীয়তা কি সুরক্ষিত? প্রযুক্তি কি ইবাদতের মনোযোগ বাড়াচ্ছে, নাকি তা থেকে দূরে সরাচ্ছে?</span></div>
<div><span> </span></div>
<div><span>হজ বিশ্বের সবচেয়ে বড় সম্মিলিত ইবাদতগুলোর একটি। একই সঙ্গে এটি বিশ্বের সবচেয়ে জটিল মানবসমাগম ব্যবস্থাপনাগুলোরও একটি। সৌদি আরবের ডিজিটাল রূপান্তর নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ ও উল্লেখযোগ্য। কিন্তু এর প্রকৃত পরীক্ষা খুব সরল: প্রযুক্তি কি বিশ্বাসের সেবা করছে, নাকি বিশ্বাসের ওপর আধিপত্য বিস্তার করছে?</span></div>
<div><span> </span></div>
<div><span>ডিজিটাল হজের ভবিষ্যৎ নির্ভর করবে এই প্রশ্নের জবাবের ওপর।  </span></div>
<div><hr><span></span></div>
<div><strong>লেখকঃ </strong><span>ডিজিটাল গণতন্ত্র, তথ্যের অখণ্ডতা ও গণমাধ্যম উন্নয়ন নীতিবিষয়ক বিশেষজ্ঞ এবং </span><span><span>দায়িত্বশীল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স বিষয়ক অ্যাম্বাসেডর</span></span><hr><span></span></div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>স্যাটেলাইটের ৫টা ট্রান্সপন্ডার ফাঁকা; ওটিটি&amp;apos;তেও স্কোপ ডিফাইন করা দরকার</title>
<link>https://digibanglatech.news/177981</link>
<guid>https://digibanglatech.news/177981</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202605/image_870x580_6a1550e55d495.jpg" length="129686" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 25 May 2026 13:51:25 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div class="post-content">
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">টিভি টিআরপির মেজারমেন্ট পদ্ধতির বিষয়ে শুনলে আপনারা অবাক হবেন। ৫০০ জায়গায় বসানো আছে। টিভি কোম্পানিগুলো ঐ লোকেশন গুলার তথ্য টাকা দিয়ে জেনে নিয়েছে। সেখানে গ্রাহকদের টাকা দিয়ে ঐ টিভি চ্যানেল সারাদিন চালু রাখে, যাতে তাদের টিআরপি বেশি দেখায়। মিডিয়া মালিকদের জালিয়াতির মাত্রা নেহায়তে কম নয়।</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">বিদেশে স্যাটেলাইট টিভি, ক্যাবল টিভি কিংবা আইপি টিভির ক্ষেত্রে সেট-টপ বক্স বাধ্যতামূলক। এতে পাইরেসি ও কপিরাইট আইন ভাঙার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া যায়। বাংলাদেশের ওটিটি, আইপিটিভি, ক্যাবল চ্যানেল এরা সবাই পাইরেসিতে লিপ্ত। ক্রিয়েটিভ হাউজ, কপিরাইট রিস্পেক্ট করে এমন প্রতিষ্ঠান, স্বত্ত্ব কেনা স্পোর্টস চ্যানেল গুলা ক্ষতিগ্রস্ত। ভারতীয় টিভি রয়ালিটি পায় কিংবা দেশের টিভিগুলা পায় না। পোর্টাল, ওটিটি ও আইপিটিভি দেশীয় মেধাস্বত্ত ভঙ্গ করে, পাইরেসি করে। ফলে শিল্প, সিনেমা, বিনোদন খাত গ্রো করছে না।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">এখানে গ্রে এরিয়া শুধু বাড়ছেই। বেতন-ভাতা ঠিকঠাক পায় না বলেন, আজকের ব্যাপকসংখ্যক সাংবাদিকের মূল কাজ চাঁদাবাজি, টেন্ডার নিয়ন্ত্রণ, তদবির, পিআর এর নামে দুর্নীতির অর্থে ভাগ বসানো, ইনাদের সাইড কাজ হয়ে গেছে সাংবাদিকতা। অনুসন্ধানী প্রতিবেদন করতে গিয়ে, বড়ো জালিয়াতির সন্ধান পেয়ে ব্যবসায়ীর সাথে আঁতাত করে গড়ে উঠছে নতুন নতুন মিডিয়া। এবং দিনশেষে হারিয়ে যাওয়া।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">পাশাপাশি,</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">তথ্য মন্ত্রণালয়ের অনেক কাজ বাকি। দেশের ওটিটি নীতিমালা, সম্প্রচার নীতিমালা নাই। এই দুটা নীতিমালা নিয়ে বিটিআরসি/পিটিয়ে এবং তথ্য মন্ত্রণালয়ের মধ্যে বৈরিতা চলছে। আমি দুই উপদেষ্টার কাছে ৫ বার গিয়েও এখান থেকে কাজ আদায় করতে পারিনি। একটি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী/উপদেষ্টা ও বিশেষভাবে সচিব না চাইলে, সচিব কাজ না আগালে এসব নিষ্পত্তি অসম্ভব। একদিকে মিডিয়ার নৈরাজ্য, অন্যদিকে দেশের রাজস্ব ক্ষতি। আফসোস।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">স্যাটেলাইটের ৫টা ট্রান্সপন্ডার ফাঁকা। বিটিভির ডিটিএইচ করার কাজ সচিবালয়ে আটকে আছে বছরের পর বছর। আইপি টিভির লাইসেন্স ১৫টা আছে, কিন্তু অবৈধ আছে কয়েক ডজন, তারাই ডোমিনেট করে।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">দেশে ট্রিপল প্লে, কোয়াড প্লে নাই। আমি বিটিসিএল এর ভয়েস (এমভিএনও সও)/ইন্টারনেট/কন্টেন্ট ট্রিপল-প্লে লাইভ পাইলট করে দিয়ে এসেছি। কোনো অজ্ঞাত কারণে আমি আসার পরে বন্ধ করে দিয়েছে। দরকার হচ্ছে, আইএসপি কোম্পানিগুলোকে ট্রিপল-প্লের লাইসেন্স দেয়া, ক্যাবল টিভিদের আইএসপি লাইসেন্স দেয়া। অথচ ক্যাবল টিভি, ডায়িং টেকনোলজি। দরকার সবাইকে আইএসপি এবং টিভির লাইসেন্স দিয়ে দেয়া, সেট-টপ বক্স বাধ্যতামূলক করে এন্টি-পাইরেসি মেকানিজম এনশিওর করা। ওটিটি গুলোকে রেগুলেশনে আনার কারিগরি প্রযুক্তি আনা।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">আমাদের মন্ত্রণালয় গুলো নতুন প্রযুক্তি, পুরানো প্রযুক্তির এন্ড অফ লাইফ সাইকেল, ডায়িং প্রযুক্তির ট্রানজিশন ও মাইগ্রেশন এগুলো কিছুই বুঝে না। ডজন বার বললেও এসব তাদের মাথার উপর দিয়ে যায়। বাংলাদেশের স্যাটেলাইট টিভির লাইসেন্স দেওয়া হচ্ছে, পুরানা ডিশ বা ক্যাবল টিভির অচল সম্প্রচার নীতি দিয়ে। পুরো টিভি ইন্ডাস্ট্রি আইপি-ফাই হয়ে গেছে, অথচ সম্প্রচার আইনে অনলাইনকে সম্প্রচার বলা যাবে না বলা আছে। এসব নীতি, পলিসি ও প্রযুক্তিগত বিষয়ে সাংবাদিকদের ট্রেনিং নাই বলে লিটারেসিও কম।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">টিআরপি মেজারমেন্ট ভুল। পত্রিকার সার্কুলেশন সংখ্যা ভুল। পোর্টাল, ওটিসি, আইপিটিভি রেগুলেশন নাই। পিটিয়ে, বিটিআরসি, বিটিভি, তথ্য মন্ত্রণালয় সবাই রেগুলেটর হতে চায়। হাসান মাহমুদ নিজে জোর করে প্রজ্ঞাপন করে, সম্প্রচারকে এককভাবে তথ্য মন্ত্রণালয়ে এনেছে। কিন্তু রেগুলেশন করার জন্য প্রযুক্তি আনেননি, পাইরেসি ধরার ও বন্ধের মেকানিজম আনেননি। আবার আনলে বিটিআরসি/পিটিডি ও তথ্য কীভাবে কাজ করবে, তার স্কোপ অফ ওয়ার্ক ডিফাইন করেননি।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">ওটিটি'তেও স্কোপ ডিফাইন করা দরকার। কাজ করছে না, কিন্তু মন্ত্রণালয় বাড়ছে। রাজস্ব ফাঁকি চলছে। পাইরেসি ও অরাজকতা চলছে। অথচ প্রযুক্তি কনভার্জেন্স এ যাচ্ছে। আমাদের প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাপনার জ্ঞানহীন বা স্বল্পজ্ঞানী কর্তদের কেউ জানে না কীভাবে উন্নত দেশে কিংবা পাশের দেশে এসব ব্যবস্থাপনা হয়, কারও একটা ডিপ স্ট্যাডি নেই।</div>
</div>
<hr>
<p><strong>লেখকঃ </strong>প্রযুক্তিবিদ ও লেখক এবং অন্তর্বতীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী</p>
<hr>
<p></p>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>এআই ট্রাফিক মামলার নামে প্রতারণা, ভুয়া এসএমএসে ব্যাংক তথ্য চুরি</title>
<link>https://digibanglatech.news/177930</link>
<guid>https://digibanglatech.news/177930</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202605/image_870x580_6a145033d3dfd.jpg" length="574204" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 25 May 2026 13:39:05 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>এআই ট্রাফিক প্রতারণা, ভুয়া মামলা এসএমএস, বিআরটিএ স্ক্যাম, ডিএমপি এআই ট্রাফিক, ফিশিং আক্রমণ বাংলাদেশ, সাইবার নিরাপত্তা সতর্কতা, অনলাইন ব্যাংক জালিয়াতি</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-start="71" data-end="343">রাজধানীতে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) এআইভিত্তিক স্বয়ংক্রিয় ট্রাফিক ব্যবস্থা চালুর সুযোগ নিয়ে সক্রিয় হয়েছে একটি প্রতারক চক্র। ট্রাফিক আইন ভঙ্গের ভুয়া এসএমএস পাঠিয়ে সাধারণ যানবাহন মালিকদের ব্যাংক ও ক্রেডিট কার্ডের গোপন তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।</p>
<p data-start="347" data-end="577">সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভিন্ন ট্রাফিক অ্যালার্ট গ্রুপ ও ব্যক্তিগত টাইমলাইনে ২৪ মে, রবিবার  অনেক ভুক্তভোগী এ ধরনের প্রতারণামূলক বার্তা পাওয়ার কথা জানান। নতুন প্রযুক্তি সম্পর্কে পর্যাপ্ত সরকারি প্রচারণা না থাকায় অনেকেই বিভ্রান্তিতে পড়ছেন।</p>
<p data-start="581" data-end="809">ভুক্তভোগীদের তথ্যমতে, প্রতারকরা বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) লোগো ব্যবহার করে ভুয়া মেসেজ পাঠাচ্ছে। সেখানে একটি ভুয়া মামলা নম্বর দিয়ে দাবি করা হচ্ছে, স্বয়ংক্রিয় ট্রাফিক ক্যামেরায় গাড়ির গতিসীমা লঙ্ঘনের তথ্য ধরা পড়েছে। </p>
<p data-start="813" data-end="1109">মেসেজে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জরিমানা না দিলে শাস্তির হুমকি দেওয়া হচ্ছে এবং তথ্য জাতীয় ডাটাবেজে যুক্ত করার কথাও বলা হচ্ছে। জরিমানা পরিশোধের জন্য সরকারি ওয়েবসাইটের আদলে তৈরি ভুয়া লিংক যুক্ত করা হচ্ছে, যেখানে ক্লিক করলেই ব্যবহারকারীর ব্যাংক তথ্য, ক্রেডিট কার্ড নম্বর বা ওটিপি চুরির ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।</p>
<p data-start="813" data-end="1109">এ নিয়ে প্রযুক্তিবিদ আব্দুর রহমান জানান, <span>বাইক না চালিয়েও তিনি এআই মামলা পেয়েছেন। এমনকি মামলার টাক পরিশোধে ৫০ শতাংশ ছাড় দিয়ে এসএমএসও পাঠানো হয় তাকে। পরে অনুসন্ধান করে এই প্রতারণা বিষয়ে নিশ্টিত হন তিনি। </span></p>
<p data-start="1113" data-end="1416">সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা জানান, ভুয়া মেসেজগুলো সাধারণত বিদেশি নম্বর থেকে পাঠানো হয়। অনেক ক্ষেত্রে ফিলিপাইনের কোড (+৬৩) ব্যবহার করা হচ্ছে। এছাড়া সরকারি ওয়েবসাইট সাধারণত ‘.gov.bd’ ডোমেইনে পরিচালিত হয়। ডোমেইনের মধ্যে govbd লেখা থাকলেও শেষে .online, .icu বা অন্য কোনো এক্সটেনশন থাকলে সেটি সরকারি সাইট নয়।</p>
<p data-start="1420" data-end="1519">বিশেষজ্ঞদের মতে, দ্রুত টাকা আদায়ের জন্য ২৪ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দেওয়া সাইবার প্রতারণার পরিচিত কৌশল। </p>
<p data-start="1523" data-end="1742">এ বিষয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এবং বিআরটিএ জানিয়েছে, বিআরটিএ থেকে এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে কোনো মামলা দেওয়া হয় না এবং এ ধরনের জরিমানাও সংস্থাটি গ্রহণ করে না। বিআরটিএর নাম ব্যবহার করে টাকা দাবি করা সম্পূর্ণ প্রতারণা।</p>
<p data-start="1746" data-end="2003">ঢাকা মহানগর পুলিশও জানিয়েছে, এআই ট্রাফিক মামলার বিষয়ে এখনো কোনো নাগরিকের মোবাইলে এসএমএস পাঠানো শুরু হয়নি। বর্তমানে ডিজিটাল মামলার নথি ডাকযোগে সরাসরি গাড়ির মালিকের ঠিকানায় পাঠানো হচ্ছে। জরিমানা পরিশোধ করতে হলে সংশ্লিষ্ট ট্রাফিক অফিসে সরাসরি যোগাযোগ করতে হবে।</p>
<p data-start="2007" data-end="2105">পুলিশ নাগরিকদের কোনো লিংকে প্রবেশ করে কার্ড বা ব্যাংক তথ্য দেওয়ার আগে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে।</p>
<div>খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এটি মূলত ব্যাংক কার্ডের তথ্য চুরির উদ্দেশ্যে তৈরি একটি ফিশিং চক্র। যানবাহনের মালিকদের মোবাইলে বিদেশি নম্বর থেকে পাঠানো হচ্ছে ট্রাফিক আইন ভঙ্গের ভুয়া এসএমএস। সেখানে জরিমানা পরিশোধের জন্য একটি লিংক যুক্ত করা হচ্ছে, যা ব্যবহারকারীকে নিয়ে যাচ্ছে বিআরটিএর আদলে তৈরি একটি ভুয়া ওয়েবসাইটে। কোনো ধরনের গাড়িই নেই, অথচ জরিমানা-মামলার মেসেজ পেয়েছেন— এমন ভুক্তভোগীর কথাও জানা গেছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের পোস্টে।</div>
<div></div>
<div>প্রতারণার পুরো প্রক্রিয়াটি শুরু হয় একটি এসএমএসের মাধ্যমে। মেসেজে প্রেরক হিসেবে কোনো সরকারি সংস্থা বা বিআরটিএর নাম নেই। বরং ব্যবহার করা হয়েছে +৬৩ কোডযুক্ত একটি আন্তর্জাতিক নম্বর—<span> </span><tcxspan tcxhref="+639483318282" title="Call  +63 948 331 8282, via 3CX">+63 948 331 8282,</tcxspan><span> </span>যা ফিলিপাইনের কান্ট্রি কোড।</div>
<div></div>
<div>এ বিষয়ে ডিএমপি জানায়, সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ অনুযায়ী কোনো যানবাহনের বিরুদ্ধে মামলা দেয়া হলে, সংশ্লিষ্ট বিভাগ বা ট্রাফিক টেকনিক্যাল ইউনিটের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার স্বাক্ষরযুক্ত একটি চিঠি চালক বা মালিকের নির্দিষ্ট ঠিকানায় পাঠানো হচ্ছে। এছাড়া, বিশেষ প্রয়োজনে ট্রাফিক বিভাগের পক্ষ থেকে শুধুমাত্র ০১৩২০-০৪২২০৭ এবং ০১৩২০-০৪২২২৭ নম্বর থেকে এসএমএস পাঠানো হতে পারে।
<div></div>
<div>বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ট্রাফিক বিভাগের জরিমানাকৃত যানবাহনের ক্ষেত্রে অনলাইন ব্যাংকিংয়ের (উপায় ও ইউসিবিএল) মাধ্যমে বৈধভাবে অর্থ পরিশোধের সুযোগ রয়েছে। ট্রাফিক বিভাগ কখনও কোনো ব্যক্তির কাছে ব্যাংক বা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের পিনকোড, পাসওয়ার্ড কিংবা ওটিপি (OTP) জানতে চায় না। তাই এই ধরনের প্রতারণা থেকে বাঁচতে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।</div>
<div></div>
<div>ট্রাফিক সংক্রান্ত যেকোনো সঠিক তথ্যের জন্য ডেল্টা-৩ অথবা ০১৩২০-০৪২২০৭, ০১৩২০-০৪২২২৭ এবং জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ যোগাযোগ করার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।</div>
</div>
<p data-start="2109" data-end="2220"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>/ডিবিটেক/এসআই/ইকে/</strong></span></em><br data-start="2234" data-end="2238"><br></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ডিজিটাল পশুর হাট ও আস্থার নতুন সমীকরণ</title>
<link>https://digibanglatech.news/177732</link>
<guid>https://digibanglatech.news/177732</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202605/image_870x580_6a12b1c1686c8.jpg" length="159664" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 24 May 2026 00:26:58 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p></p>
<table border="1" style="border-collapse: collapse; width: 99.9526%;"><colgroup><col style="width: 16.0158%;"><col style="width: 84.0503%;"></colgroup>
<tbody>
<tr>
<td><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202605/image_870x_6a12b5c30acc9.jpg" alt="" width="133" height="160"></td>
<td>
<p>ডিজিটাল বাংলাদেশের রূপান্তর পেরিয়ে ২০২৬ সালে এসে দেশের ই-কমার্স খাত শুধু একটি বিকল্প কেনাকাটার মাধ্যম নয়, বরং উৎসবকালীন অর্থনীতির অন্যতম মূল চালিকাশক্তিতে পরিণত হয়েছে। সদ্য সমাপ্ত পবিত্র ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার কেনাকাটায় শপিংমলের চিরচেনা ভিড় উপচে পড়েছে অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলোতে।</p>
<p>ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ই-ক্যাব), সেন্টার ফর ডিজিটাল কমার্স রিসার্চ অ্যান্ড অ্যাডভোকেসি (CDCRA) এবং খাত সংশ্লিষ্টদের দেওয়া প্রাথমিক তথ্যমতে, এবারের ঈদে ডিজিটাল কমার্স খাতে এক অভূতপূর্ব ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে। তবে এই বিশাল অর্ডারের মহাসড়কে যেমন ছিল ডেলিভারি ও লজিস্টিকস কোম্পানির অভাবনীয় সক্ষমতার পরীক্ষা, তেমনি ছিল রিটার্ন রেট, ফেইক অর্ডার এবং ‘ভুঁইফোড়’ বা ফেইক উদ্যোক্তাদের তৈরি করা কিছু নেতিবাচক চ্যালেঞ্জ।</p>
</td>
</tr>
</tbody>
</table>
<p>সামগ্রিকভাবে কেমন গেল এবারের ঈদের ই-কমার্স বাজার—তার একটি বস্তুনিষ্ঠ, পরিসংখ্যানগত ও নীতিনির্ধারণী বিশ্লেষণ নিচে তুলে করা হলো।</p>
<p><strong>বাজারের আকার ও অর্থনৈতিক পরিসংখ্যান</strong><br>চলতি ২০২৬ সালে বাংলাদেশের ই-কমার্স বাজারের আকার এবং বার্ষিক চক্রবৃদ্ধি প্রবৃদ্ধি হার (CAGR) বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, দেশীয় মার্কেট সাইজ বর্তমানে আনুমানিক ৫ থেকে 6 বিলিয়ন মার্কিন ডলারে (প্রায় ৬০,০০০ থেকে ৬৫,০০০ কোটি টাকা) উন্নীত হয়েছে। বিভিন্ন অর্থনৈতিক জার্নাল, গবেষণা সংস্থা ও CDCRA-এর তথ্য অনুযায়ী, দেশের সামগ্রিক খুচরা অর্থনীতির (Retail Economy) প্রায় ১২ থেকে ১৫ শতাংশ এখন ডিজিটাল কমার্সের নিয়ন্ত্রণে, যার সিংহভাগ লেনদেন হয় দুই ঈদ বা উৎসবকেন্দ্রিক বাজারে।</p>
<p><strong>মোট অর্ডারের পরিমাণ:</strong> রমজান ও দুই ঈদ মৌসুম মিলিয়ে দেশের মূলধারার ই-কমার্স সাইট এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমভিত্তিক এফ-কমার্স (F-Commerce) পেজগুলোতে মোট অর্ডারের সংখ্যা আনুমানিক ২ কোটি থেকে ২.৫ কোটি ছাড়িয়েছে।</p>
<p><strong>ক্রেতার সংখ্যা:</strong> আনুমানিক ১ কোটি ২০ লাখ থেকে ১ কোটি ৫০ লাখ একক ক্রেতা এবার অনলাইনে ন্যূনতম একটি হলেও পণ্য বা সেবা অর্ডার করেছেন।<br> <strong>দৈনিক ডেলিভারি:</strong> ঈদের আগের শেষ দুই সপ্তাহে দৈনিক ডেলিভারির সংখ্যা গড়ে ৩ লাখ ৫০ হাজার থেকে ৪ লাখ পিস ছাড়িয়ে যায়, যা সাধারণ সময়ের চেয়ে প্রায় তিন গুণ বেশি।</p>
<p><strong>অর্থনৈতিক লেনদেন:</strong> এবারের ঈদ বাজারে অনলাইন কেনাকাটার মাধ্যমে আনুমানিক ৮,০০০ থেকে ১০,০০০ কোটি টাকার* অর্থনৈতিক লেনদেন সম্পন্ন হয়েছে, যা জাতীয় অর্থনীতিতে তারল্য প্রবাহ বজায় রাখতে বড় ভূমিকা রেখেছে।</p>
<p><strong>চাহিদার শীর্ষে থাকা পণ্যসমূহ:</strong> ফ্যাশন থেকে স্মার্ট লাইভস্টক ও কুইক-কমার্স। </p>
<p>এবারের ঈদে ট্র্যাডিশনাল ফ্যাশনের পাশাপাশি লাইফস্টাইল, ইলেকট্রনিক্স এবং কোরবানির পশুর ডিজিটাল বাজার ই-কমার্সের পরিধিকে অনেক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।</p>
<p><strong>পোশাক ও ফ্যাশন সামগ্রী:</strong> মোট অর্ডারের প্রায় ৪৫-৫০% ছিল তৈরি পোশাক। এর মধ্যে পুরুষদের ক্যাজুয়াল শার্ট, প্রিমিয়াম পাঞ্জাবি এবং নারীদের সুতি ও লিনেন থ্রি-পিস, কটন শাড়ি এবং সেমি-ফর্মাল ড্রেসের চাহিদা ছিল তুঙ্গে। জুতো এবং কসমেটিকস সামগ্রীও এই তালিকায় অন্যতম প্রধান ছিল।<br><strong>গ্যাজেট ও ইলেকট্রনিক্স:</strong> স্মার্টফোন, ওয়্যারলেস ইয়ারবাডস, স্মার্ট ওয়াচ এবং ঈদের রান্নাবান্নার সুবিধার্থে ব্লেন্ডার, ওভেন বা ফুড প্রসেসরের মতো হোম অ্যাপ্লায়েন্সের বিক্রি গত বছরের তুলনায় প্রায় ২৫% বৃদ্ধি পেয়েছে।<br><strong>হোম ডেকর ও গ্রোসারি:</strong> ঈদের ঘর সাজানোর চাদর, পর্দা এবং ঈদের রান্নার জন্য প্রয়োজনীয় প্রিমিয়াম মসলা ও ঘি-এর মতো গ্রোসারি আইটেম প্রচুর অর্ডার হয়েছে।</p>
<p><br><strong>ডিজিটাল পশুর হাট ও কোল্ড-চেইন অবকাঠামো:</strong> এবারের ঈদুল আজহায় দেশের ই-কমার্স বাজারে সবচেয়ে বড় চমক ছিল 'স্মার্ট লাইভস্টক কমার্স' বা অনলাইন পশুর হাট। ঢাকার বাইরে প্রত্যন্ত অঞ্চলের খামারিদের সরাসরি ক্রেতাদের সাথে যুক্ত করার ফলে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমেছে। ওয়ান-স্টপ কোরবানি সার্ভিস—যেমন অনলাইনে পশু পছন্দ করা, পেমেন্ট করা এবং সম্পূর্ণ স্যানিটারি উপায়ে স্লটারিং (জবাই ও মাংস প্রক্রিয়াজাতকরণ) শেষে ঈদের দিন মাংস ঘরে পৌঁছে দেওয়ার লজিস্টিকস সক্ষমতা এবার দারুণভাবে প্রশংসিত হয়েছে। তথ্যমতে, এবার অনলাইনে পশু বিক্রির পরিমাণ গত বছরের তুলনায় প্রায় ১৮% বৃদ্ধি পেয়েছে।</p>
<p><strong>অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা:</strong> তবে পশুর হাটের এই বিশাল সাফল্যের পাশাপাশি একটি কাঠামোগত চ্যালেঞ্জও এবার দৃশ্যমান হয়েছে। ঈদের দিন প্রত্যন্ত অঞ্চলের খামার থেকে মাংস কাস্টমারের ডাইনিং টেবিল পর্যন্ত সম্পূর্ণ ফ্রেশ ও স্বাস্থ্যসম্মত অবস্থায় পৌঁছানোর জন্য আমাদের দেশে এখনো পর্যাপ্ত রেফ্রিজারেটেড বা ফ্রিজার ভ্যান (Cold Chain Logistics) নেই। লজিস্টিকস কোম্পানিগুলোর এই কোল্ড-চেইন অবকাঠামোতে বড় ধরনের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ এখন সময়ের দাবি।<br><br><strong>শেষ মুহূর্তের 'কুইক কমার্স' (Q-Commerce):</strong> ঈদের ঠিক ২-৩ দিন আগে যখন বড় বড় ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মগুলো নতুন অর্ডার নেওয়া বন্ধ করে দেয়, তখন দৃশ্যপটে আসে কুইক-কমার্স প্ল্যাটফর্মগুলো (যেমন: চালডাল, পান্ডামার্ট, বা বিভিন্ন ইনস্ট্যান্ট গ্রোসারি অ্যাপ)। ঈদের আগের রাতেও সেমাই, চিনি, কিশমিশ, প্যাকেটজাত মাংসের মসলা কিংবা মেকআপ ও কসমেটিকস সামগ্রী মাত্র ৩০ থেকে ৪৫ মিনিটে ঘরে পৌঁছে দেওয়ার লজিস্টিকস জাদু দেখিয়েছে এই খাত, যার ফলে শেষ মুহূর্তের কেনাকাটায় উৎসবের আমেজ কয়েক গুণ বেড়ে যায়।<br><strong>কাস্টমার ডেমোগ্রাফি:</strong> ঢাকা বনাম প্রান্তিক অঞ্চল। <br>এবারের ঈদের সবচেয়ে বড় ইতিবাচক পরিবর্তনটি এসেছে ভৌগোলিক সীমানা পেরিয়ে। অনলাইন কেনাকাটা এখন আর শুধু ঢাকা কিংবা চট্টগ্রামের মতো মেগাসিটির মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই।<br><strong>প্রান্তিক অঞ্চলের উত্থান:</strong> ই-কমার্স লজিস্টিকস ডেটা ও CDCRA-এর মাঠপর্যায়ের সমীক্ষা অনুযায়ী, এবারের মোট অর্ডারের প্রায় ৪০-৪৫% এসেছে জেলা, উপজেলা এবং ইউনিয়ন পর্যায়ের প্রান্তিক এলাকা থেকে। জেলা শহরগুলোতে কুরিয়ার সার্ভিসের হোম-ডেলিভারি নেটওয়ার্ক শক্তিশালী হওয়ায় প্রত্যন্ত অঞ্চলের ক্রেতারাও অনায়াসে কেনাকাটা করেছেন। বিশেষ করে উত্তরবঙ্গ, দক্ষিণবঙ্গ ও সিলেট অঞ্চলের প্রান্তিক কাস্টমারদের কেনাকাটার হার এবার বেশ ঊর্ধ্বমুখী ছিল।<br> <strong>মূল ক্রেতা কারা:</strong> এবারের বাজারের মূল চালিকাশক্তি ছিল মধ্যবিত্ত ও উচ্চ-মধ্যবিত্ত তরুণ প্রজন্ম (বয়স ১৮ থেকে ৩৫ বছর)। বিশেষ করে কর্মজীবী নারী এবং তরুণ ফ্রিল্যান্সার বা চাকুরিজীবীরা জ্যামের ভোগান্তি এড়াতে অনলাইনকে বেছে নিয়েছেন।<br> <strong>পেমেন্ট মেথড ও ক্যাশলেস ব্যুম:</strong> ক্যাশ অন ডেলিভারি (COD) এখনো জনপ্রিয়তার শীর্ষে থাকলেও, ঈদ বাজারে কাগজের নোটের মাধ্যমে জাল নোটের বিস্তার রোধে এবং নিরাপত্তার খাতিরে এবার ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যাপক বৃদ্ধি পেয়েছে। এবার মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (MFS) যেমন—বিকাশ, নগদ বা رকেটের মাধ্যমে কিংবা কিউআর (QR) কোড স্ক্যান করে অগ্রিম বা তাৎক্ষণিক পেমেন্ট করার হার *৬০%* ছাড়িয়েছে, যা সরকারের ক্যাশলেস সোসাইটি বিনির্মাণের উদ্যোগকে বহুদূর এগিয়ে দিয়েছে।</p>
<p><strong>কুরিয়ার ও লজিস্টিকস খাতের সক্ষমতা: কেমন ছিল ডেলিভারি?</strong><br>অর্ডারের বিপুল চাপ সামলাতে দেশের শীর্ষস্থানীয় লজিস্টিকস ও কুরিয়ার কোম্পানিগুলো (যেমন: স্টিডফাস্ট, রেডেক্স, পাঠাও কুরিয়ার, পেপারফ্লাই ইত্যাদি) এবার বেশ প্রযুক্তি-নির্ভর প্রস্তুতি নিয়েছিল।<br><strong>সক্ষমতার পরীক্ষা ও কাট-অফ ডেট চ্যালেঞ্জ:</strong> ঈদের ঠিক ৭ থেকে ১০ দিন আগে যখন অর্ডারের গ্রাফ খাড়া হয়ে ওপরের দিকে উঠছিল, তখন কুরিয়ার কোম্পানিগুলো অতিরিক্ত জনবল ও খণ্ডকালীন ‘ডেলিভারি রাইডার’ নিয়োগ করে পরিস্থিতি সামাল দিয়েছে। ঢাকার ভেতরে ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে এবং ঢাকার বাইরে ৩ থেকে ৫ দিনের মধ্যে ডেলিভারি নিশ্চিত করার হার ছিল প্রায় ৮৮-৯০%。কুরিয়ার কোম্পানিগুলো তাদের সোর্সিং হাব ও শর্টিং সেন্টারের ধারণক্ষমতা বৃদ্ধি করায় এবার ব্যাকলগ বা জটলা তুলনামূলক কম হয়েছে। তবে, ঈদের ঠিক ৫-৬ দিন আগে ঢাকার বাইরে পার্সেল পাঠানোর জন্য কোম্পানিগুলোর বেঁধে দেওয়া কঠোর 'কাট-অফ ডেট' (Cut-off Date) বা বুকিং বন্ধের ডেডলাইনের কারণে অনেক প্রান্তিক ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা শেষ মুহূর্তের অর্ডারগুলো শিপমেন্ট করতে সমস্যায় পড়েন, যা লজিস্টিকস চেইনের সাময়িক ধীরগতিকে নির্দেশ করে।<br><strong>প্রযুক্তির ব্যবহার:</strong> Artificial Intelligence বা AI-ভিত্তিক রাউটিং সফটওয়্যার ব্যবহারের ফলে কুরিয়ার কোম্পানিগুলো এবার কম সময়ে বেশি ডেলিভারি দিতে পেরেছে। তবে, ঈদের ঠিক ২-৩ দিন আগে লজিস্টিকস চেইনে কিছুটা ধীরগতি দেখা যায়, যার ফলে কিছু অর্ডার ঈদের পরে ডেলিভারি হয়েছে।</p>
<p><strong>অন্ধকার দিক: রিটার্ন রিফান্ড, ফেইক অর্ডার ও ভুঁইফোড় উদ্যোক্তা</strong><br>ঈদের বাজার যখন রমরমা, ঠিক তখনই কিছু চিরাচরিত সমস্যা এবং নতুন কিছু জালিয়াতির ঘটনা পুরো খাতের সুনামে কিছুটা দাগ ফেলেছে।<br><strong>উচ্চ রিটার্ন রেট (Return Rate):</strong> ক্যাশ অন ডেলিভারির সুযোগ নিয়ে অনেক ক্রেতা একই পণ্য ৩-৪টি পেজ থেকে অর্ডার করেন এবং যেটি আগে আসে সেটি রেখে বাকিগুলো রিজেক্ট করেন। এবারের ঈদে এফ-কমার্স ও সাধারণ ই-কমার্সে গড় রিটার্ন রেট ছিল *১৫% থেকে ১৮%*, যা ক্ষুদ্র নারী ও তরুণ উদ্যোক্তাদের বিশাল আর্থিক ক্ষতির মুখে ফেলেছে। এটি ই-কমার্স খাতের একটি নীরব ঘাতক হিসেবে রূপ নিয়েছে।<br><strong>ফেইক অর্ডার বা ফেক কাস্টমার:</strong> কিছু অসাধু চক্র উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ভুয়া নাম-ঠিকানা ব্যবহার করে শত শত ‘ফেইক অর্ডার’ প্লেস করেছে। পণ্যটি কুরিয়ারে যাওয়ার পর কাস্টমারকে না পাওয়ায় উদ্যোক্তাদের দ্বিমুখী কুরিয়ার চার্জ বহন করতে হয়েছে।<br><strong>ফেইক উদ্যোক্তা ও পেজ:</strong> প্রতি ঈদের মতো এবারও ফেসবুক ও টিকটকে একশ্রেণীর ‘ভুঁইফোড়’ বা ফেইক পেজের আবির্ভাব ঘটে। তারা আকর্ষণীয় অফার বা নামী ব্র্যান্ডের ছবি চুরি করে নকল বা অতি নিম্নমানের কাপড় সরবরাহ করেছে। অনেক ক্ষেত্রে অগ্রিম টাকা নিয়ে পেজ বন্ধ করে দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। এর ফলে মূলধারার সৎ ই-কমার্স ব্যবসায়ীরা বড় ধরনের ট্রাস্ট ক্রাইসিস বা আস্থা সংকটে পড়েছেন।</p>
<p><strong>সামষ্টিক অর্থনীতি ও পরিবেশগত প্রভাব (সবুজ অর্থনীতি বা Green Shopping) </strong><br>এবারের ঈদের বাজারে ই-কমার্সের অবদান কেবল কেনাবেচার অংকেই সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং দেশের সামষ্টিক বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও পরিবেশ খাতে এর একটি ইতিবাচক সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রভাব (Macroeconomic Impact) লক্ষ্য করা গেছে।<br><strong>জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়:</strong> দেশব্যাপী তীব্র লোডশেডিং এবং বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের এই সময়ে কোটি কোটি ক্রেতা সশরীরে শপিংমলে না গিয়ে ঘরে বসে অনলাইনে কেনাকাটা সম্পন্ন করেছেন। এর ফলে উৎসবের মরসুমে রাস্তাঘাটে ব্যক্তিগত গাড়ি ও গণপরিবহনের জ্বালানি (তেল ও গ্যাস) যেমন সাশ্রয় হয়েছে, তেমনি বড় বড় শপিংমলগুলোতে শত শত মেগাওয়াট অতিরিক্ত বিদ্যুৎ ও এসি (AC) ব্যবহারের জাতীয় চাপ উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে।<br> <strong>কার্বন ফুটপ্রিন্ট হ্রাস:</strong> লজিস্টিকস খাতের রুট অপ্টিমাইজেশনের মাধ্যমে এক একটি ডেলিভারি ভ্যান বা বাইক একসঙ্গে শত শত মানুষের পণ্য পৌঁছে দেওয়ায় শহরের সার্বিক কার্বন ফুটপ্রিন্ট কমেছে। ফলে এবারের উৎসবকেন্দ্রিক কেনাকাটা দেশের জন্য একটি টেকসই ও *‘গ্রিন ইকোনমি’ বা সবুজ অর্থনীতি*র নতুন মডেল হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।</p>
<p><strong>প্রাতিষ্ঠানিক অভিভাবকহীনতা: ই-ক্যাব (e-CAB)-এর স্থবিরতা বনাম ব্যক্তিগত উদ্যোগে ই-কমার্সের অগ্রগতি</strong> <br>এবারের ঈদের বাজারের সবচেয়ে বড় এবং রূঢ় বাস্তবতার দিকটি ছিল প্রাতিষ্ঠানিক স্তরে। দেশের ই-কমার্স খাতের মূল চালিকাশক্তি হওয়া সত্ত্বেও ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারা নীতিনির্ধারণী ক্ষেত্রে এক ধরণের চরম অভিভাবকহীনতা ও শূন্যতা অনুভব করেছেন।<br><strong>ই-ক্যাব (e-CAB)-এর নেতৃত্ব সংকট:</strong> দেশের ই-কমার্স খাতের একমাত্র ও প্রধান অ্যাসোসিয়েশন হওয়া সত্ত্বেও, *ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ই-ক্যাব)*-এর ভেতর যথাসময়ে সুনির্দিষ্ট প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার এবং সঠিক ও গণতান্ত্রিক নেতৃত্বের বিকাশ ঘটেনি। সঠিক ও কার্যকর দিকনির্দেশনা, সঠিক তৃপ্তির নেতৃত্ব না থাকা এবং সরকারের নীতিনির্ধারণী মহলে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক ব্যবসায়ীদের পক্ষে জোরালোভাবে কথা বলার মতো বলিষ্ঠ অভিভাবকত্বের অভাবে ই-ক্যাব বর্তমানে এক ধরণের স্থবিরতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ফলস্বরূপ, নানা মুখী পলিসিগত সংকটের মধ্যেও এবারের ঈদে সাধারণ উদ্যোক্তাদের ভাগ্যে কোনো প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা মেলেনি।<br><strong>একক উদ্যোক্তাদের লড়াই:</strong> ই-ক্যাব-এর এই বড় প্রাতিষ্ঠানিক সংকটের মধ্যেও এবারের ই-কমার্স বাজারের যে বিশাল প্রবৃদ্ধি, তা কোনো অ্যাসোসিয়েশনের কৃতিত্বে হয়নি; বরং এটি সম্পূর্ণভাবে সম্ভব হয়েছে মাঠপর্যায়ের তরুণ ও নারী উদ্যোক্তাদের ব্যক্তিগত মেধা, অক্লান্ত পরিশ্রম এবং একক সাহসিকতার জোরে। কোনো ধরনের ভর্তুকি বা প্রাতিষ্ঠানিক ছায়া ছাড়াই, এই উদ্যোক্তারা সম্পূর্ণ নিজস্ব ঝুঁকিতে মূলধন খাটিয়েছেন, পণ্য সোর্সিং করেছেন এবং লজিস্টিকস সংকট মোকাবেলা করে কাস্টমারের দোরগোড়ায় পণ্য পৌঁছে দিয়েছেন। এই ব্যক্তিগত খাতের অভাবনীয় সাফল্যই প্রমাণ করে, ই-ক্যাব-এ যদি একটি সঠিক ও দূরদর্শী প্রাতিষ্ঠানিক নেতৃত্ব থাকত, তবে এই ঈদ বাজারে প্রবৃদ্ধির হার আরও বহুগুণ বাড়ানো সম্ভব হতো।</p>
<p><strong>নীতিনির্ধারণী পলিসি ও টেকসই ভবিষ্যৎ ভাবনা: CDCRA ও বিশেষজ্ঞদের যৌথ সুপারিশসমূহ</strong><br>ডিজিটাল কমার্স খাতের এই বিশাল সম্ভাবনাকে দীর্ঘমেয়াদে টেকসই করতে এবং ঈদ উৎসবের বাজারে স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনতে হলে আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের কোনো বিকল্প নেই। এবারের ঈদের বাজারের অভিজ্ঞতা থেকে *সেন্টার ফর ডিজিটাল কমার্স রিসার্চ অ্যান্ড Advocacy (CDCRA)* এবং সংশ্লিষ্ট অর্থনীতিবিদেরা বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট ও বৈপ্লবিক পলিসিগত পরিবর্তনের তাগিদ দিচ্ছেন:<br><strong>ইউনিক আইডি (UBID/DBID) জট বনাম একক অনলাইন ট্রেড লাইসেন্স:</strong> বর্তমানে ই-কমার্স ব্যবসায়ীদের জন্য ডিবিআইডি বা ইউবিআইডি সংগ্রহের প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত জটিল, সময়সাপেক্ষ এবং নানা আমলাতান্ত্রিক প্রতিবন্ধকতায় পূর্ণ, যা তৃণমূলের উদ্যোক্তাদের নিরুৎসাহিত করছে। এর চেয়ে অনেক বেশি সহজ ও কার্যকর সমাধান হতে পারে—ট্রেড লাইসেন্সকেই একক ও সার্বজনীন ইউনিক বিজনেস আইডি (UBID) হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা। নতুন কোনো আইডি কার্ডের ঝামেলায় না গিয়ে ট্রেড লাইসেন্সকেই মূল ট্র্যাকিং নম্বর হিসেবে ব্যবহার করা যৌক্তিক। </p>
<p><strong>শতভাগ অনলাইন ও প্রান্তিক লাইসেন্সিং:</strong> সমস্ত ট্রেড লাইসেন্সিং প্রক্রিয়াকে ইউনিয়ন পর্যায় থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত শতভাগ অনলাইন, পেপারলেস ও ডিজিটাল করতে হবে। একজন প্রান্তিক নারী উদ্যোক্তা যেন কোনো দপ্তরে না গিয়ে ঘরে বসেই তার স্মার্টফোনের মাধ্যমে এই লাইসেন্স সম্পন্ন করতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে হবে।</p>
<p><strong>মেটা (Meta) ও বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্মের সাথে যৌথ পলিসি:</strong> যারা ফেসবুকে, ইনস্টাগ্রামে বা টিকটকে কমার্শিয়াল পেজ পরিচালনা করছেন বা বুস্টিং করছেন, তাদের জন্য এই অনলাইন ভেরিফাইড ট্রেড লাইসেন্স নম্বর প্রদর্শন বাধ্যতামূলক করতে হবে। মেটা কর্তৃপক্ষের সাথে সরকারের এমন একটি পলিসি বা এপিআই (API) ইন্টিগ্রেশন থাকা উচিত, যেখানে বৈধ অনলাইন ট্রেড লাইসেন্স ছাড়া কেউ কমার্শিয়াল পেজ বা অ্যাড অ্যাকাউন্ট পরিচালনা করতে পারবে না। এই একটি পদক্ষেপ এক রাতেই দেশের ৮০% ফেইক পেজের দৌরাত্ম্য বন্ধ করে দেবে।<br><strong>রিটার্ন পলিসি ও কুরিয়ার চার্জের যৌক্তিকীকরণ:</strong> ক্যাশ অন ডেলিভারির (COD) খামখেয়ালিপনা রুখতে কুরিয়ার পলিসিতে আমূল পরিবর্তন আনতে হবে। কোনো কাস্টমার যদি পণ্য অর্ডার করার পর কোনো যৌথিক কারণ (যেমন: ছেঁড়া বা ভুল পণ্য) ছাড়া শুধু পছন্দ হয়নি বলে রিটার্ন করতে চান, তবে তাকে অগ্রিম কুরিয়ার চার্জ (ডেলিভারি ফি) পেজকে বিকাশ বা নগদের মাধ্যমে পেমেন্ট করতে হবে। এটি নীতিগতভাবে বাস্তবায়ন করা হলে অহেতুক অর্ডারের হার ৭০% কমে আসবে এবং ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের কোটি কোটি টাকার ক্ষতি বাঁচানো সম্ভব হবে।<br><strong>তদারকিতে সিডিসিরি (CDCR) ও এসক্রো ব্যবস্থা:</strong> বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সেন্ট্রাল ডিজিটাল কমার্স সেলের অধীনে *সিডিসিআর (Central Digital Commerce Resolution)* বা কেন্দ্রীয় অভিযোগ নিষ্পত্তি ব্যবস্থাকে আরও বেশি গতিশীল ও জনবল সমৃদ্ধ করতে হবে। ভোক্তা অধিকার ও এসক্রো (Escrow) সিস্টেমের যথাযথ ডিজিটাল অডিট নিশ্চিত করতে পারলে ক্রেতারা যেমন অগ্রিম টাকা দিয়ে প্রতারিত হবেন না, তেমনি সৎ মার্চেন্টরাও সঠিক সময়ে এবং দ্রুততম সময়ে কাস্টমারের কাছ থেকে তাদের পেমেন্ট রিফান্ড বা মূল পেমেন্ট হাতে পাবেন।<br><strong>ক্রেতা-বিক্রেতার ডুয়াল রেটিং ডেটাবেজ: </strong>লজিস্টিকস ও কুরিয়ার কোম্পানিগুলোর সমন্বয়ে এবং CDCRA-এর নীতিগত নির্দেশনায় একটি কেন্দ্রীয় ও সচল ডেটাবেজ তৈরি করা প্রয়োজন। এর মাধ্যমে যেমন ক্ষতিকর 'ফেইক কাস্টমার' (যারা বারবার বিনা কারণে অর্ডার রিটার্ন করে ক্ষুদ্র মার্চেন্টদের ডেলিভারি খরচের লোকসানে ফেলে) তাদের চিহ্নিত করা যাবে, তেমনি 'প্রতারক মার্চেন্ট' উভয়কেই ব্ল্যাকলিস্ট করা সহজ হবে। কুরিয়ার কোম্পানিগুলোর অ্যাপে এই রেটিং বা ডেটাবেজ যুক্ত থাকলে ডেলিভারি দেওয়ার আগেই গ্রাহক বা মার্চেন্টের সততা যাচাই করা সম্ভব হবে।</p>
<p>সবকিছু মিলিয়ে ২০২৬ সালের ঈদের ই-কমার্স বাজারকে ‘রেকর্ড বিক্রি এবং আস্থার মিশ্র লড়াই’ হিসেবে অভিহিত করা যায়। ব্যবসার পরিধি, প্রযুক্তির আধুনিকায়ন ও গ্রামীণ অর্থনীতিতে এর গভীর প্রবেশ ছিল চমৎকার, যা দেশের সামষ্টিক খুচরা অর্থনীতিকে চাঙ্গা করেছে। তবে ফেইক পেজ এবং ফেইক অর্ডারের দুষ্টচক্র দমনে এখনো আরও কঠোর, আধুনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক নজরদারির প্রয়োজন। ডিজিটাল কমার্স খাতের এই বিপুল সম্ভাবনাকে ধরে রাখতে হলে ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয়ের দায়বদ্ধতা এবং লজিস্টিকস খাতের অবকাঠামোগত উন্নয়ন আরও ত্বরান্বিত করা সময়ের দাবি। দেশীয় উদ্যোক্তাদের সুরক্ষায় এখন প্রয়োজন কেবল সঠিক পলিসির দ্রুততম বাস্তবায়ন।</p>
<p><strong>তথ্যসূত্র</strong>:<br>​ডিজিটাল পেমেন্ট ও ক্যাশলেস ডাটা: <a href="https://www.bb.org.bd/en/index.php/financialactivity/paymntsysdata">https://www.bb.org.bd/en/index.php/financialactivity/paymntsysdata</a></p>
<p>​ই-কমার্স পলিসি ও বাজার বিবরণী: <a href="https://e-cab.net/publications">https://e-cab.net/publications</a></p>
<p>​ঈদ বাণিজ্য ও রিটার্ন রেট জরিপ: <a href="https://www.dcraf.org/publications">https://www.dcraf.org/publications</a></p>
<p>​মার্চেন্ট লজিস্টিকস ও কভারেজ: <a href="https://steadfast.com.bd/coverage">https://steadfast.com.bd/coverage</a></p>
<p>​সবুজ অর্থনীতি ও বিদ্যুৎ সাশ্রয় ডাটা: <a href="https://www.powercell.gov.bd/site/page/89bd60cb-9a84-48f8-b3d5-e24c6b5413f2">https://www.powercell.gov.bd/site/page/89bd60cb-9a84-48f8-b3d5-e24c6b5413f2</a></p>
<hr>
<p>লেখকঃ <span> </span><span>উদ্যোক্তা, সংগঠক ও কলাম লেখক</span></p>
<hr>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ধর্ষণকারীসহ দুজন নিহতের দাবিটি মিথ্যা, ভিডিওটি গতবছরের</title>
<link>https://digibanglatech.news/177708</link>
<guid>https://digibanglatech.news/177708</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202605/image_870x580_6a1294ae148b8.jpg" length="85648" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 24 May 2026 00:03:40 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>খুলনায় শিশু ধর্ষণকারীকে আদালতে নেওয়ার সময় পুলিশের গাড়ি থেকে নামিয়ে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে - এমন দাবি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে <a href="https://perma.cc/U756-2LCQ">একটি ভিডিও</a> ছড়িয়ে পড়েছে। এছাড়া <a href="https://archive.fo/Ysehw">বাহান্ন নিউজ</a>, <a href="https://web.archive.org/web/20260523045153/https://www.sobardeshbd.com/country/news/12261">সবার দেশ</a> এর মতো কিছু পোর্টালেও এই খবর প্রকাশিত হয়েছে। </p>
<p dir="ltr"><span>তবে খুলনায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে ধর্ষণকারীসহ দুজন নিহতের দাবিটি মিথ্যা। এই খবরের দলিল হিসেবে প্রচারিত ভিডিওটি ২০২৫ সালের ৩০ নভেম্বরের। সেদিন খুলনা মহানগর দায়রা জজ আদালতের প্রধান ফটকের বাইরে দুর্বৃত্তদের গুলিতে দুজন নিহত হয়। এটি সেই ঘটনার দৃশ্য। </span></p>
<p dir="ltr"><span>ভিডিওটির বিষয়ে পিআইবি’র ফ্যাক্টচক প্রতিষ্ঠান </span><span>বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে,</span><span> ২০২৫ সালের ৩০ নভেম্বর ‘Shihab Uddin’ নামে এক ফেসবুক পেজে </span><a href="https://www.facebook.com/reel/2111060843044195/?__cft__[0]=AZYaHIpCf1K5YeSQEdmiGimlXi8MHslv7hAyE8n1S-wapPfoBhr-0TlwE0ZSGbZ8QQmiyer5uMWFmyBj_Wod1U5rfg6L5aLPHAQ7uHQQgg-nPlLT3XNGPgzXJQv3Vy-TdlWW1gdXeOs0fA3B_w5JOjHIg_V5P7A9B1rhpqGNtJS2c-DxnjUOnGBLtMCrrLoS5SRnaMmkPyzkhVcifwOyg3T7&amp;__tn__=%2CO%2CP-R"><span>একই ভিডিও</span></a><span> খুঁজে পাওয়া যায়। ভিডিওটির ক্যাপশন থেকে জানা যায়, সেদিন খুলনায় আদালত চত্বরে প্রকাশ্য আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে গুলি করে দুজনকে হত্যা করা হয়। </span></p>
<p dir="ltr"><span>এসব তথ্য গুগলে সার্চ করলে দৈনিক প্রথম আলোয় ২০২৫ সালের ৩০ নভেম্বর প্রকাশিত </span><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/fa2hxwniql"><span>একটি প্রতিবেদন</span></a><span> পাওয়া যায়। তা থেকে জানা যায়, সেদিন খুলনা মহানগর দায়রা জজ আদালতের প্রধান ফটকের বাইরে দুর্বৃত্তদের গুলিতে দুজন নিহত হন। নিহত দুজনের নাম মো. ফজলে রাব্বি (রাজন) ও হাসিব হাওলাদার। পুলিশ জানায়, দুজনের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা আছে।</span></p>
<p dir="ltr"><span>সেদিন একই তথ্যে আরও কিছু গণমাধ্যমে (</span><a href="https://www.youtube.com/watch?v=lzy0TvU059o"><span>১</span></a><span>, </span><a href="https://www.youtube.com/watch?v=nr5n85-yVaE"><span>২</span></a><span>, </span><a href="https://www.youtube.com/watch?v=TjuzBVEJ9iE"><span>৩</span></a><span>) প্রতিবেদন পাওয়া গিয়েছে। তবে এসব প্রতিবেদনে ধর্ষণের বিষয়ে কোনো তথ্য উল্লেখ পাওয়া যায়নি।  </span></p>
<p dir="ltr"><span>তাছাড়া, খুলনায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে ধর্ষণকারীসহ দুজন নিহতের বিষয়ে খোঁজ চালালে, গণমাধ্যমে এমন তথ্য মেলেনি। </span></p>
<p dir="ltr"><span>অর্থাৎ, খুলনায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে ধর্ষণকারীসহ দুজন নিহতের দাবিটি মিথ্যা এবং একই দাবি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো ভিডিওটি গতবছরের। </span></p>
<p dir="ltr"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>/ডিবিটেক/এসআই/এমইউএম/</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>প্রযুক্তিনির্ভর হয়রানি গুরুত্ব পাচ্ছে না: ক্যাসপারস্কি</title>
<link>https://digibanglatech.news/177218</link>
<guid>https://digibanglatech.news/177218</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202605/image_870x580_6a0d912f649b3.jpg" length="45545" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 20 May 2026 14:48:06 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-start="60" data-end="271">প্রযুক্তির মাধ্যমে হয়রানি ও নজরদারির ঘটনা বাড়লেও অনেক মানুষ এখনো এটিকে নির্যাতন হিসেবে গুরুত্ব দিচ্ছেন না বলে জানিয়েছে <span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">ক্যাসপারস্কি</span></span>। প্রতিষ্ঠানটির এক গবেষণায় দেখা গেছে, প্রায় অর্ধেক প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি কোনো না কোনো ধরনের প্রযুক্তিনির্ভর নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। তবে এ বিষয়ে সচেতনতার বড় ঘাটতি রয়েছে।</p>
<p data-start="441" data-end="642">প্রযুক্তিনির্ভর হয়রানির মধ্যে রয়েছে অনলাইন হ্যারাসমেন্ট, গোপন নজরদারি, পরিচয় ভুয়া ব্যবহার, অনুসরণ এবং ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁসের ঘটনা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এসব আচরণ অনেক সময় স্বাভাবিক হিসেবে ধরে নেওয়া হয়।</p>
<p data-start="644" data-end="837"><span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডন</span></span>-এর গবেষক ড. লিওনি মারিয়া ট্যানজার বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর নির্যাতন এখনো ক্ষতিকর আচরণ হিসেবে যথাযথ স্বীকৃতি পায়নি। ফলে অনেক ভুক্তভোগী প্রয়োজনীয় সহায়তা পান না।</p>
<p data-start="839" data-end="1015">গবেষণায় দেখা গেছে, মাত্র ৩২ শতাংশ মানুষ ‘টেক-ফ্যাসিলিটেটেড অ্যাবিউজ’ সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা রাখেন। অথচ ৪৫ দশমিক ৭ শতাংশ উত্তরদাতা জানিয়েছেন, তারা এ ধরনের হয়রানির শিকার হয়েছেন।</p>
<p data-start="1017" data-end="1173">ক্যাসপারস্কি জানিয়েছে, স্টকারওয়্যার এখন বড় ঝুঁকি হয়ে উঠছে। এই সফটওয়্যার গোপনে স্মার্টফোনে ইনস্টল করে অবস্থান, কল, মেসেজসহ বিভিন্ন কার্যক্রম নজরদারি করা যায়।</p>
<p data-start="1175" data-end="1331">ক্যাসপারস্কির গবেষক তাতিয়ানা শিশকোভা বলেন, স্টকারওয়্যার সহজেই ইনস্টল করা যায় এবং এটি গোপনে কাজ করায় অনেক ভুক্তভোগী বুঝতেই পারেন না যে তারা নজরদারিতে রয়েছেন।</p>
<p data-start="1333" data-end="1582">প্রযুক্তিনির্ভর হয়রানি মোকাবিলায় ক্যাসপারস্কি বিভিন্ন সংস্থা নিয়ে গঠিত ‘কোয়ালিশন অ্যাগেইনস্ট স্টকারওয়্যার’-এর সঙ্গে কাজ করছে। পাশাপাশি ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তা সফটওয়্যার ব্যবহার ও সন্দেহজনক কার্যক্রম সম্পর্কে সচেতন থাকার পরামর্শ দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।</p>
<p data-start="1584" data-end="1600" data-is-last-node="" data-is-only-node=""><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/আরআই/এমইউএম</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>আইডেন্টিটি হামলায় ঝুঁকিতে ৭১ শতাংশ প্রতিষ্ঠান</title>
<link>https://digibanglatech.news/177040</link>
<guid>https://digibanglatech.news/177040</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202605/image_870x580_6a0c2b7f32a8d.jpg" length="60982" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 19 May 2026 09:21:35 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-start="51" data-end="319">সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান <span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">সফোস</span></span> ২০২৬ সালের ‘স্টেট অব আইডেন্টিটি সিকিউরিটি’ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এতে ১৭টি দেশের ৫ হাজার আইটি ও সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞের মতামত তুলে ধরা হয়েছে। ১৯ মে, মঙ্গলবার এই প্রতিবেদনের বরাতে জানা যায়, গত এক বছরে ৭১ শতাংশ প্রতিষ্ঠান অন্তত একবার আইডেন্টিটি-সংক্রান্ত সাইবার হামলার শিকার হয়েছে। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে গড়ে তিনটি হামলার ঘটনা ঘটেছে। প্রায় ৫ শতাংশ প্রতিষ্ঠান ছয় বা তার বেশি হামলার তথ্য দিয়েছে।</p>
<p data-start="541" data-end="743">জরিপে দেখা গেছে, ৪৩ শতাংশ হামলার পেছনে কর্মীদের ভুল দায়ী। এছাড়া ৪১ শতাংশ ঘটনায় দুর্বল নন-হিউম্যান আইডেন্টিটি ব্যবস্থাপনা বড় কারণ হিসেবে উঠে এসেছে। এআই এজেন্টের ব্যবহার বাড়ায় নিরাপত্তা ঝুঁকিও জটিল হচ্ছে।</p>
<p data-start="745" data-end="989">র‌্যানসমওয়্যার হামলার ৬৭ শতাংশ ঘটনায় আইডেন্টিটির তথ্য ব্যবহার করে হামলাকারীরা প্রবেশাধিকার পেয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর তথ্য পুনরুদ্ধারে গড়ে ১৬ লাখ ৪০ হাজার ডলার খরচ হয়েছে। ৭৩ শতাংশ প্রতিষ্ঠানকে ২ লাখ ৫০ হাজার ডলারের বেশি ব্যয় করতে হয়েছে।</p>
<p data-start="991" data-end="1170">প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, সরকারি খাত ও জটিল কাঠামোর প্রতিষ্ঠানগুলো সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে। কমপ্লায়েন্স বা নিরাপত্তা নীতিমালা বাস্তবায়নে দুর্বল প্রতিষ্ঠানগুলোও বেশি আক্রান্ত হচ্ছে।</p>
<p data-start="1172" data-end="1475">ঝুঁকি কমাতে সব অ্যাকাউন্টে মাল্টি-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন চালু, সীমিত প্রবেশাধিকার নীতি অনুসরণ এবং নিষ্ক্রিয় আইডেন্টিটি দ্রুত অপসারণের পরামর্শ দিয়েছে সফোস। পাশাপাশি নন-হিউম্যান আইডেন্টিটির আলাদা ব্যবস্থাপনা, স্বল্পমেয়াদি ক্রেডেনশিয়াল ব্যবহার এবং জিরো ট্রাস্ট নিরাপত্তা মডেল অনুসরণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।</p>
<p data-start="1477" data-end="1493" data-is-last-node="" data-is-only-node=""><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এসআই/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বট যখন জনতার ছদ্মবেশ নেয়</title>
<link>https://digibanglatech.news/176741</link>
<guid>https://digibanglatech.news/176741</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202605/image_870x580_6a090a2b7a317.jpg" length="141727" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 17 May 2026 12:22:24 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশ গত এক দশকের বেশি সময় ধরে ডিজিটাল রূপান্তরকে উন্নয়নের বড় অর্জন হিসেবে তুলে ধরেছে। সরকারি সেবা অনলাইনে এসেছে, ব্যবসা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমনির্ভর হয়েছে, গণমাধ্যম ডিজিটাল পাঠকের ওপর নির্ভর করছে, আর সাধারণ মানুষ রাজনীতি, শিক্ষা, ধর্ম, বিনোদন, বাজারদর, চাকরি ও সামাজিক অভিযোগ নিয়ে অনলাইনে কথা বলছে। কিন্তু এই ডিজিটাল জনপরিসর কতটা সত্যিকারের মানুষের কণ্ঠে গঠিত, আর কতটা স্বয়ংক্রিয় যন্ত্রনির্ভর, সে প্রশ্ন এখন নতুন করে সামনে এসেছে।</p>
<p>প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ বলেছেন, বাংলাদেশের অনলাইন সামাজিক ট্রাফিকের ৬০ থেকে ৭০ শতাংশই বট ট্রাফিক, প্রকৃত ব্যবহারকারীর কার্যক্রম নয়। একই সঙ্গে তিনি বলেছেন, সরকারি ও বেসরকারি ডেটা সুরক্ষায় বাংলাদেশের এখনো অনেক পথ যেতে হবে। বক্তব্যটি উদ্বেগজনক। তবে এটিকে ঠান্ডা মাথায় বিশ্লেষণ করা দরকার। একটি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি মন্তব্য গুরুতর সতর্কসংকেত হতে পারে, কিন্তু তা পূর্ণাঙ্গ জাতীয় নিরীক্ষার বিকল্প নয়। এখন প্রয়োজন স্বাধীন গবেষণা, প্ল্যাটফর্ম-ভিত্তিক তথ্যপ্রকাশ, সাইবার নিরাপত্তা মূল্যায়ন এবং জনস্বার্থে প্রমাণভিত্তিক আলোচনা।</p>
<p>বট ট্রাফিক বলতে ওয়েবসাইট, অ্যাপ বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মানুষের বদলে স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যার বা প্রোগ্রামের মাধ্যমে তৈরি হওয়া কার্যক্রমকে বোঝায়। সব বট খারাপ নয়। সার্চ ইঞ্জিনের ক্রলার যেমন ওয়েবসাইটের তথ্য সূচিবদ্ধ করে মানুষকে তথ্য খুঁজে পেতে সাহায্য করে। মনিটরিং বট ওয়েবসাইট চালু আছে কি না, তা পরীক্ষা করে। কিছু স্বয়ংক্রিয় টুল গবেষণা, সেবা ব্যবস্থাপনা বা তথ্য বিশ্লেষণে সহায়ক হতে পারে। কিন্তু ক্ষতিকর বট সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়। এগুলো ভুয়া অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে পারে, ভুয়া লাইক-শেয়ার-কমেন্ট বাড়াতে পারে, ডেটা স্ক্র্যাপ করতে পারে, পাসওয়ার্ড পরীক্ষা করে অ্যাকাউন্ট দখলের চেষ্টা করতে পারে, স্প্যাম ছড়াতে পারে, বিজ্ঞাপন জালিয়াতি করতে পারে এবং কখনো কখনো জনমতকে কৃত্রিমভাবে প্রভাবিত করতে পারে।</p>
<p>বাংলাদেশের জন্য বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এখানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম শুধু বিনোদনের জায়গা নয়। এটি রাজনৈতিক বিতর্কের ক্ষেত্র, ব্যবসার বাজার, সংবাদমাধ্যমের পাঠকসংগ্রহের মাধ্যম, নাগরিক অভিযোগের জায়গা এবং অনেকের জন্য সামাজিক পরিচয়ের অংশ। এই পরিসরে যদি বড় অংশের ট্রাফিক স্বয়ংক্রিয় হয়, তবে আমাদের অনলাইন বাস্তবতা সম্পর্কে ধারণা ভুল হতে পারে।</p>
<p>আজ লাইক, শেয়ার, ভিউ, কমেন্ট, ফলোয়ার সংখ্যা, এনগেজমেন্ট রেট—এসবকে প্রায়ই জনমতের সূচক হিসেবে ধরা হয়। রাজনৈতিক দল এগুলো দেখে নিজের জনপ্রিয়তা বিচার করে। গণমাধ্যম এগুলো দেখে খবরের অগ্রাধিকার নির্ধারণ করে। ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বিজ্ঞাপনে টাকা ঢালে। নাগরিক সংগঠন ডিজিটাল ক্যাম্পেইনের সাফল্য মাপে। সরকারি সংস্থা অনলাইন প্রতিক্রিয়া দেখে জনমত বোঝার চেষ্টা করে। কিন্তু এই সংখ্যার বড় অংশ যদি বট দ্বারা তৈরি হয়, তাহলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে দূষিত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে।</p>
<p>এটি গণতন্ত্রের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। একটি সমন্বিত বট নেটওয়ার্ক প্রান্তিক কোনো মতামতকে সংখ্যাগরিষ্ঠের মত বলে দেখাতে পারে। কোনো সাংবাদিককে আক্রমণ করতে পারে। কোনো নারী অধিকারকর্মীকে অনলাইনে হয়রানির মুখে ফেলতে পারে। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে গুজব ছড়াতে পারে। কোনো সরকারি সিদ্ধান্ত নিয়ে কৃত্রিম ক্ষোভ তৈরি করতে পারে। আবার কোনো প্রকৃত নাগরিক ক্ষোভকে ভুয়া বলে সন্দেহের মুখেও ফেলতে পারে। দুই দিকেই বিপদ আছে।</p>
<p>বটের সমস্যা শুধু ভুয়া জনপ্রিয়তা নয়, ভুয়া শত্রুতাও। একজন সাংবাদিক যদি কয়েক ঘণ্টার মধ্যে শত শত আক্রমণাত্মক মন্তব্য পান, তিনি ভাবতে পারেন জনমত তাঁর বিরুদ্ধে চলে গেছে। একজন নারী রাজনীতিক বা মানবাধিকারকর্মী সমন্বিত অনলাইন আক্রমণে চুপ হয়ে যেতে পারেন। একজন ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ভুয়া রিভিউর কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন। কোনো গণপ্রতিষ্ঠান বট-চালিত প্রতিক্রিয়াকে প্রকৃত নাগরিক মতামত ধরে ভুল সিদ্ধান্ত নিতে পারে। এইভাবে স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যার ক্ষমতার উপকরণ হয়ে ওঠে।</p>
<p>বাংলাদেশের গণমাধ্যমও এই ঝুঁকির বাইরে নয়। অনেক সংবাদমাধ্যম এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমনির্ভর পাঠকপ্রবাহ ও বিজ্ঞাপন আয়ের ওপর নির্ভরশীল। যদি বট ট্রাফিক এই ব্যবস্থায় বড় ভূমিকা নেয়, তাহলে সম্পাদকীয় সিদ্ধান্তও প্রভাবিত হতে পারে। সংবেদনশীল, উত্তেজনাপূর্ণ বা বিভাজনমূলক কনটেন্ট যদি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বেশি ছড়ানো হয়, তাহলে গুরুতর সাংবাদিকতা পিছিয়ে পড়বে। ভালো প্রতিবেদন কম দৃশ্যমান হবে, আর উত্তেজনানির্ভর বিষয় সামনে আসবে। এটি শুধু প্রযুক্তিগত সমস্যা নয়, জনস্বার্থ সাংবাদিকতার সংকট।</p>
<p>বিজ্ঞাপন বাজারও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। কোনো প্রতিষ্ঠান যদি ভিউ, ক্লিক বা এনগেজমেন্টের জন্য টাকা দেয়, অথচ তার বড় অংশ বট-সৃষ্ট, তবে অর্থ অপচয় হবে। ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে, কারণ তারা প্রায়ই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিজ্ঞাপনকে বিক্রির প্রধান মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করে। তারা হয়তো দেখছে বিজ্ঞাপনে প্রচুর ক্লিক হচ্ছে, কিন্তু প্রকৃত ক্রেতা আসছে না। একই সমস্যা নাগরিক সমাজের প্রচারাভিযানেও হতে পারে। অনলাইনে প্রচার সফল দেখালেও তা বাস্তবে মানুষের কাছে পৌঁছাচ্ছে না।</p>
<p>এর সঙ্গে আছে সাইবার নিরাপত্তার বড় প্রশ্ন। ক্ষতিকর বট অনেক সময় ক্রেডেনশিয়াল স্টাফিং করে, অর্থাৎ অন্য কোথাও ফাঁস হওয়া ব্যবহারকারীর নাম ও পাসওয়ার্ড বিভিন্ন সাইটে পরীক্ষা করে। তারা ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করতে পারে, ফর্মে ভুয়া তথ্য জমা দিতে পারে, সার্ভারকে অতিরিক্ত চাপ দিতে পারে, অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামিং ইন্টারফেস বা এপিআই আক্রমণ করতে পারে এবং আর্থিক প্রতারণায় সহায়তা করতে পারে। বাংলাদেশ যখন ডিজিটাল সরকারি সেবা, মোবাইল আর্থিক সেবা, ই-কমার্স, অনলাইন শিক্ষা ও স্বাস্থ্য তথ্যব্যবস্থার দিকে এগোচ্ছে, তখন বট ট্রাফিক কেবল বিরক্তিকর প্রযুক্তিগত সমস্যা নয়; এটি জাতীয় ডিজিটাল নিরাপত্তার প্রশ্ন।</p>
<p>উপদেষ্টার ডেটা সুরক্ষা সম্পর্কিত সতর্কতাও তাই গুরুত্বের সঙ্গে দেখা উচিত। নাগরিকদের পরিচয়, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, আর্থিক ও ব্যক্তিগত তথ্য ক্রমেই ডিজিটাল ব্যবস্থায় জমা হচ্ছে। মানুষকে বলা হচ্ছে ডিজিটাল সেবা ব্যবহার করতে, কিন্তু সেই সেবার ডেটা যদি নিরাপদ না থাকে, তবে ডিজিটাল রূপান্তর মানুষের ক্ষমতায়নের বদলে নতুন ঝুঁকি তৈরি করবে। ডিজিটাল আস্থা ভেঙে গেলে সেবা সম্প্রসারণও দুর্বল হবে।</p>
<p>বাংলাদেশের প্রথম কাজ হওয়া উচিত পরিষ্কার ধারণা তৈরি করা। ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ অনলাইন সামাজিক ট্রাফিক যদি বট হয়, তাহলে জানতে হবে কোন প্ল্যাটফর্মে, কোন ধরনের ট্রাফিকে, কোন পদ্ধতিতে এই হিসাব করা হয়েছে। ভালো বট, খারাপ বট, বাণিজ্যিক বট, রাজনৈতিক বট, বিদেশি উৎসের বট, এআই-চালিত স্ক্র্যাপার, স্প্যাম অ্যাকাউন্ট এবং প্রকৃত ব্যবহারকারীর স্বয়ংক্রিয় টুল—সব এক করে দেখলে বিভ্রান্তি বাড়বে। তাই স্বাধীন জাতীয় বট ট্রাফিক মূল্যায়ন জরুরি।</p>
<p>দ্বিতীয়ত, বৈশ্বিক প্রযুক্তি প্ল্যাটফর্মগুলোর কাছ থেকে স্বচ্ছতা দাবি করতে হবে। বাংলাদেশ শুধু তাদের সদিচ্ছার ওপর নির্ভর করতে পারে না। দেশে কার্যরত বড় প্ল্যাটফর্মগুলোকে সমন্বিত ভুয়া আচরণ, ফেক এনগেজমেন্ট, বিজ্ঞাপন জালিয়াতি, রাজনৈতিক প্রভাব অপারেশন, অনলাইন হয়রানি ও প্ল্যাটফর্ম নিরাপত্তা সম্পর্কে অর্থবহ তথ্য দিতে হবে। তবে এই প্রক্রিয়া হতে হবে অধিকারভিত্তিক। ভুয়া ট্রাফিকের নামে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সংকুচিত করা যাবে না।</p>
<p>তৃতীয়ত, সরকারকে সতর্ক থাকতে হবে যেন বট ট্রাফিকের যুক্তি অস্পষ্ট সেন্সরশিপের অস্ত্র না হয়। এটি বড় ঝুঁকি। যদি বলা হয় অনলাইনের বড় অংশ বট, তবে কোনো কোনো কর্তৃপক্ষ প্রকৃত নাগরিক সমালোচনাকেও ভুয়া বলে উড়িয়ে দিতে চাইতে পারে। এটা গণতান্ত্রিকভাবে বিপজ্জনক। বট আছে মানে নাগরিক ক্ষোভ নেই, তা নয়। বট আছে মানে সব সমালোচনা কৃত্রিম, তা-ও নয়। বরং দরকার প্রমাণ, স্বচ্ছতা ও স্বাধীন যাচাই।</p>
<p>চতুর্থত, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, গণমাধ্যম, এনজিও, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব সাইবার নিরাপত্তা সক্ষমতা বাড়াতে হবে। ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন ফায়ারওয়াল, বট ডিটেকশন, রেট লিমিটিং, শক্তিশালী লগইন ব্যবস্থা, নিরাপদ এপিআই, নিয়মিত নিরাপত্তা নিরীক্ষা এবং গোপনীয়তা-সুরক্ষিত ডেটা ব্যবস্থাপনা জরুরি। Cloudflare, AWS Web Application Firewall বা অনুরূপ টুল সহায়ক হতে পারে, কিন্তু প্রযুক্তি একা যথেষ্ট নয়। দক্ষ জনবল, নীতিমালা, জবাবদিহি ও প্রশিক্ষণ সমান গুরুত্বপূর্ণ।</p>
<p>পঞ্চমত, ডিজিটাল সাক্ষরতাকে নাগরিক শিক্ষার অংশ করতে হবে। সবাইকে বুঝতে হবে, ট্রেন্ডিং মানেই সত্য নয়, ভাইরাল মানেই জনমত নয়, আর প্রতিটি কমেন্টের পেছনে মানুষ আছে, এমনও নয়। স্কুল, বিশ্ববিদ্যালয়, কমিউনিটি মিডিয়া, নাগরিক সংগঠন ও গণমাধ্যম মানুষকে শেখাতে পারে কীভাবে ভুয়া এনগেজমেন্ট, ফিশিং, স্প্যাম, গুজব ও সমন্বিত অনলাইন আক্রমণ শনাক্ত করা যায়। ডিজিটাল সাক্ষরতা শুধু ইন্টারনেট ব্যবহার শেখা নয়; ইন্টারনেট কীভাবে মানুষকে প্রভাবিত বা ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে, সেটিও বোঝা।</p>
<p>ষষ্ঠত, নাগরিক সমাজ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীন পর্যবেক্ষণ সক্ষমতা গড়ে তুলতে হবে। বাংলাদেশে বট নেটওয়ার্ক, ভুয়া তথ্যপ্রবাহ, প্ল্যাটফর্ম জবাবদিহি, অনলাইন লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা, রাজনৈতিক ম্যানিপুলেশন ও ডেটা সংগ্রহ নিয়ে জনস্বার্থে গবেষণা দরকার। এই কাজ শুধু সরকার বা বিদেশি প্ল্যাটফর্মের হাতে ছেড়ে দেওয়া ঠিক হবে না। বিশ্ববিদ্যালয়, গণমাধ্যম, ডিজিটাল অধিকার সংগঠন ও প্রযুক্তিবিদদের যৌথভাবে কাজ করতে হবে।</p>
<p>বাংলাদেশের সামনে চ্যালেঞ্জটি সূক্ষ্ম। ডিজিটাল পরিসর নিরাপদ করতে হবে, কিন্তু নাগরিক পরিসর বন্ধ করা যাবে না। ম্যানিপুলেশন ঠেকাতে হবে, কিন্তু বৈধ মতপ্রকাশ অপরাধী করা যাবে না। ডেটা সুরক্ষা করতে হবে, কিন্তু নজরদারি রাষ্ট্র তৈরি করা যাবে না। প্ল্যাটফর্মকে জবাবদিহির মধ্যে আনতে হবে, কিন্তু রাষ্ট্রকে অনিয়ন্ত্রিত ক্ষমতা দেওয়া যাবে না।</p>
<p>মূল প্রশ্ন হলো, বাংলাদেশ কী ধরনের ডিজিটাল সমাজ গড়তে চায়। বট-ভরা ডিজিটাল জনপরিসর সত্যের চেয়ে শব্দকে, আলোচনার চেয়ে উত্তেজনাকে এবং বিশ্বাসের চেয়ে ম্যানিপুলেশনকে পুরস্কৃত করে। এতে নাগরিক জানতেই পারেন না, তিনি মানুষের সঙ্গে কথা বলছেন, না যন্ত্রের সঙ্গে। ব্যবসা নিজের তথ্য বিশ্বাস করতে পারে না। সরকার প্রকৃত জনমত বুঝতে পারে না। গণমাধ্যম তার পাঠক হারায় অ্যালগরিদমের ভিড়ে।</p>
<p>বাংলাদেশের ডিজিটাল রূপান্তর এখন শুধু সম্প্রসারণের নয়, সততা ও নিরাপত্তার পর্যায়ে প্রবেশ করতে হবে। বেশি ব্যবহারকারী, বেশি অ্যাপ, বেশি ডেটা এবং বেশি প্ল্যাটফর্ম হলেই শক্তিশালী ডিজিটাল সমাজ তৈরি হয় না। আস্থা, জবাবদিহি, নিরাপত্তা ও মানবিক অধিকার ছাড়া ডিজিটাল রূপান্তর ভঙ্গুর।</p>
<p>উপদেষ্টার বক্তব্য তাই এক দিনের সংবাদ হয়ে হারিয়ে যাওয়া উচিত নয়। যদি সত্যিই বাংলাদেশের অনলাইন সামাজিক ট্রাফিকের বড় অংশ বটনির্ভর হয়, তবে জাতীয়ভাবে উত্তর খোঁজা জরুরি। কে মাপছে? কী মাপছে? কোন প্ল্যাটফর্ম বেশি আক্রান্ত? রাজনৈতিক, বাণিজ্যিক, বিদেশি বা এআই-চালিত নেটওয়ার্কের ভূমিকা কী? নারী, সাংবাদিক, সংখ্যালঘু ও তরুণেরা কীভাবে আক্রান্ত হচ্ছে? ভুয়া এনগেজমেন্ট ও বিজ্ঞাপন জালিয়াতিতে কত অর্থ নষ্ট হচ্ছে?</p>
<p>বট সমস্যা শুধু যন্ত্রের সমস্যা নয়। এটি ক্ষমতা, মুনাফা, নিরাপত্তা ও আস্থার সমস্যা। বাংলাদেশ যদি এটিকে জনস্বার্থ ও গণতান্ত্রিক জবাবদিহির প্রশ্ন হিসেবে দেখে, তবে সমাধানের পথ তৈরি হবে। লক্ষ্য হওয়া উচিত এমন এক ডিজিটাল পরিসর, যেখানে নাগরিক কথা বলতে পারবেন, ব্যবসা সততার সঙ্গে কাজ করতে পারবে, সাংবাদিকতা তথ্যের ওপর দাঁড়াবে, প্রতিষ্ঠান জবাবদিহি করবে এবং মানুষের ডেটা সুরক্ষিত থাকবে।</p>
<p>কৃত্রিম ট্রাফিকের ওপর কোনো দেশের ডিজিটাল ভবিষ্যৎ দাঁড়াতে পারে না। বাংলাদেশের দরকার বাস্তব মানুষ, বাস্তব আস্থা এবং বাস্তব জবাবদিহি।                                                                                                                                                                                                                                                  <br><strong></strong></p>
<hr>
<p><strong>লেখকঃ</strong> ডিজিটাল গণতন্ত্র, তথ্যের অখণ্ডতা ও গণমাধ্যম উন্নয়ন নীতিবিষয়ক বিশেষজ্ঞ এবং দায়িত্বশীল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স বিষয়ক অ্যাম্বাসেডর</p>
<hr>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>খণ্ডিতভাবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য প্রচারে  বিভ্রান্তি</title>
<link>https://digibanglatech.news/176721</link>
<guid>https://digibanglatech.news/176721</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202605/image_870x580_6a08506f80e53.jpg" length="32878" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 16 May 2026 15:09:55 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বক্তব্য খণ্ডিতভাবে প্রচার করে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপচেষ্টা শনাক্ত করেছে ফ্যাক্টওয়াচ।</p>
<p>ফ্যাক্টওয়াচ জানায়, কর্ণফুলী টানেল সম্পর্কে নয়, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মূলত টানেলের ওপারে নির্মিত ‘খুব স্ট্যান্ডার্ড ও বেশ বিলাসবহুল’ অ্যাপার্টমেন্ট বা ভবন নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন।</p>
<p><br>ফ্যাক্টওয়াচের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, ‘টানেলের ওপারে খুব স্ট্যান্ডার্ড, বেশ লাক্সারিয়াস অ্যাপার্টমেন্ট বা ভবন নির্মাণ করা হয়েছে, যার কোনো প্রয়োজন ছিল না। সেখানে কয়েকশ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে।’</p>
<p>ফ্যাক্টওয়াচ অনুসন্ধান টিম জানায়, জাতীয় ও চট্টগ্রামের স্থানীয় কয়েকটি সংবাদমাধ্যমের ফটোকার্ডসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্টে বক্তব্যটি খণ্ডিতভাবে প্রচার করা হচ্ছে।</p>
<p>ফ্যাক্ট-চেকিং প্রতিষ্ঠানগুলো বলছে, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পর দেশ-বিদেশের বিভিন্ন গণমাধ্যম, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্ট এবং কিছু ফেসবুক পেজ থেকে বাংলাদেশকে ঘিরে ভুয়া তথ্য ছড়ানোর প্রবণতা বেড়েছে। বিশেষ করে সরকার গঠনের পর বিএনপিকে লক্ষ্য করে এসব অপতথ্য ছড়ানো হচ্ছে।</p>
<p>দেশে চলমান গুজব ও ভুয়া তথ্য প্রতিরোধে কাজ করছে ফ্যাক্টওয়াচ। প্রতিষ্ঠানটি ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ (ইউল্যাব) অনুমোদিত এবং সেন্টার ফর ক্রিটিক্যাল অ্যান্ড কোয়ালিটেটিভ স্টাডিজ (সিকিউএস) পরিচালিত একটি স্বাধীন ফ্যাক্ট-চেকিং সংস্থা।</p>
<p><span>সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া ভিডিও, বিভ্রান্তিকর তথ্য ও গুজব ছড়িয়ে পড়ার ঘটনা বেড়েছে। ফ্যাক্টওয়াচ নিয়মিত এসব তথ্য যাচাই করে সত্য তুলে ধরছে এবং গুজব প্রতিরোধে কাজ করছে।</span></p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/ডিএম/ইকে</strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ঢাকার শিশুরা গড়ে ৫ ঘণ্টা ডিজিটাল স্ক্রিন দেখে: আইসিডিডিআর,বি</title>
<link>https://digibanglatech.news/176613</link>
<guid>https://digibanglatech.news/176613</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202605/image_870x580_6a05a03be13c3.jpg" length="69904" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 14 May 2026 20:13:35 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ঢাকার শিশুরা প্রতিদিন প্রায় পাঁচ ঘণ্টা ডিজিটাল স্ক্রিন দেখে কাটায়, যা অপর্যাপ্ত ঘুম, স্থূলতা এবং মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যার কারণ বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র (আইসিডিডিআর,বি)।</p>
<p>সংস্থাটির গবেষণায় দেখা গেছে, ঢাকার অনেক শিশু মোবাইল, টিভি, ট্যাব বা কম্পিউটারে অতিরিক্ত সময় কাটাচ্ছে। এর ফলে তাদের ঘুম কমে যাচ্ছে, ওজন বাড়ছে, মাথাব্যথা ও চোখের সমস্যা হচ্ছে এবং মানসিক স্বাস্থ্যের ওপরও খারাপ প্রভাব পড়ছে।</p>
<p>২০২২ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে ঢাকার ছয়টি স্কুলের (তিনটি বাংলা মাধ্যম ও তিনটি ইংরেজি মাধ্যম) ছয় বছর থেকে ১৪ বছর বয়সী ৪২০ জন শিশুর ওপর এই গবেষণা করা হয়।</p>
<p>গবেষণার ফলাফল সম্প্রতি জার্নাল অফ মেডিকেল ইন্টারনেট রিসার্চ (জেএমআইআর) হিউম্যান ফ্যাক্টরস-এ প্রকাশিত হয়েছে।</p>
<p>গবেষকরা শিশুদের সঙ্গে কথা বলে, তাদের শারীরিক পরীক্ষা করে এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত কিছু সহজ প্রশ্নপত্র ব্যবহার করে দেখেছেন শিশুরা কত সময় স্ক্রিন ব্যবহার করে, তারা ঠিকমতো ঘুমায় কি না, তাদের ওজন স্বাভাবিক কি না এবং তাদের আচরণ বা মানসিক স্বাস্থ্যে কোনো সমস্যা আছে কি না।</p>
<p>এই প্রশ্নপত্রের মাধ্যমে শিশুদের ঘুম, আচরণ ও মানসিক অবস্থার বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। এই প্রশ্নপত্রের মধ্যে পিটসবার্গ স্লিপ কোয়ালিটি ইনডেক্স (পিএসকিউআই), স্ট্রেংদস অ্যান্ড ডিফিকাল্টিস কোয়েশ্চেনেয়ার (এসডিকিউ) এবং ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড ওয়েল-বিয়িং অ্যাসেসমেন্ট (ডিএডব্লিউবিএ) অন্তর্ভুক্ত ছিল।</p>
<p>গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতি পাঁচজন শিশুর মধ্যে চারজন শিশুই (৮৩%) প্রতিদিন দুই ঘণ্টার বেশি সময় স্ক্রিন ব্যবহার করে, যা শিশুদের বিনোদনমূলক স্ক্রিন ব্যবহারের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত প্রায় দুই ঘণ্টার সীমাকে ছাড়িয়ে গেছে। গড়ে শিশুরা স্মার্টফোন, টেলিভিশন, ট্যাবলেট, কম্পিউটার এবং গেমিং ডিভাইসে দিনে প্রায় ৪ দশমিক ৬ ঘণ্টা সময় কাটায়।</p>
<p>গবেষণায় আরও দেখা গেছে, এক-তৃতীয়ংশেরও বেশি শিশু চোখের সমস্যায় এবং ৮০ শতাংশ শিশু প্রায়ই মাথাব্যথায় ভুগছে। যারা দিনে দুই ঘণ্টার বেশি স্ক্রিন ব্যবহার করে, তারা গড়ে কেবল ৭ দশমিক ৩ ঘণ্টা ঘুমায়, যা এই বয়সের শিশুদের সুস্থ বিকাশের জন্য প্রয়োজনীয় ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা ঘুমের তুলনায় অনেক কম।</p>
<p>এ ছাড়া প্রায় ১৪ শতাংশ শিশু অতিরিক্ত ওজন বা স্থূলতার শিকার এবং যারা বেশি স্ক্রিন ব্যবহার করে তাদের মধ্যে এই হার বেশি। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে, শৈশবে দীর্ঘমেয়াদী ঘুমের অভাব স্মৃতিশক্তি, মনোযোগ, শেখার ক্ষমতা, আবেগ নিয়ন্ত্রণ, শারীরিক বৃদ্ধি এবং সামগ্রিক মানসিক সুস্থতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।</p>
<p>গবেষণায় আরও দেখা গেছে যে প্রতি পাঁচজন শিশুর মধ্যে প্রায় দুইজন শিশু দুশ্চিন্তা, অতি-চঞ্চলতা বা আচরণগত সমস্যার মতো এক বা একাধিক মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগছে।</p>
<p>গবেষকদের মতে, অতিরিক্ত স্ক্রিন ব্যবহার বিভিন্নভাবে শিশুদের ক্ষতি করতে পারে। রাতে স্ক্রিন ব্যবহার মস্তিষ্ককে উত্তেজিত করে ঘুমের স্বাভাবিক চক্রকে ব্যাহত করে। এ ছাড়া দীর্ঘক্ষণ বসে থাকায় শারীরিক পরিশ্রম ও খেলাধুলা কমে গিয়ে স্থূলতার ঝুঁকি বাড়ায়। অতিরিক্ত সময় স্ক্রিন ব্যবহার চোখের ওপর চাপ সৃষ্টি, মাথাব্যথা এবং মনোযোগ কমিয়ে দেওয়ার কারণ হতে পারে।</p>
<p>অতিরিক্ত স্ক্রিন ব্যবহারের কারণে শিশুদের অন্যদের সঙ্গে সরাসরি মেলামেশা কমে যায়, যা তাদের মন-মেজাজ, অনুভূতি এবং মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর খারাপ প্রভাব ফেলতে পারে।</p>
<p>বিশ্বজুড়ে আন্তর্জাতিক গবেষণাতেও শিশুদের অতিরিক্ত স্ক্রিন ব্যবহারের সঙ্গে অপর্যাপ্ত ঘুম, শারীরিক পরিশ্রম কমে যাওয়া, স্থূলতা, উদ্বেগ এবং পড়াশোনায় দুর্বল ফলাফলের যোগসূত্র পাওয়া গেছে।</p>
<p>এই গবেষণার প্রধান গবেষক ও আইসিডিডিআর,বি-র অ্যাসিস্ট্যান্ট সায়েন্টিস্ট ডা. শাহরিয়া হাফিজ কাকন বলেন, ‘বাবা-মায়ের উচিত শিশুদের দেরিতে ঘুমানো, বারবার মাথাব্যথা বা চোখের অস্বস্তি, অস্বাভাবিক খিটখিটে মেজাজ বা নিজেকে গুটিয়ে নেওয়া, বাইরের খেলাধুলার প্রতি অনীহা অথবা মনোযোগ কমে যাওয়ার মতো লক্ষণগুলোকে উপেক্ষা না করা, কারণ এগুলো অতিরিক্ত স্ক্রিন ব্যবহারের লক্ষণ হতে পারে যা তাদের সন্তানদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলতে শুরু করেছে।’</p>
<p>গবেষকরা শিশুদের চোখের যত্নে ‘২০-২০-২০’ নিয়ম মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছেন। অর্থাৎ প্রতি ২০ মিনিট স্ক্রিন ব্যবহারের পর ২০ ফুট দূরের কোনো কিছুর দিকে অন্তত ২০ সেকেন্ড তাকিয়ে থাকতে হবে।</p>
<p>আইসিডিডিআর,বি-র নির্বাহী পরিচালক তাহমিদ আহমেদ বলেন, ‘ডিজিটাল ডিভাইস এখন জীবনের অংশ হলেও শিশুদের সুস্থতার জন্য সীমা নির্ধারণ করা প্রয়োজন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শ অনুযায়ী স্কুলগামী শিশুদের বিনোদনমূলক স্ক্রিন টাইম দিনে দুই ঘণ্টার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা উচিত। বাবা-মায়েদের উচিত সন্তানদের শারীরিক ও মানসিকভাবে বেড়ে উঠতে সাহায্য করার জন্য তাদের বাইরের খেলাধুলা, শারীরিক পরিশ্রম, পর্যাপ্ত ঘুম এবং ডিজিটাল ডিভাইস-মুক্ত পারিবারিক সময় কাটাতে উৎসাহিত করা। শিশুদের বিতর্ক, দলবদ্ধভাবে পড়াশোনা, লাইব্রেরিতে যাওয়া এবং টবের গাছের যত্ন নেওয়ার মতো ভালো ও সৃজনশীল কাজে অংশ নিতে উৎসাহিত করা প্রয়োজন।’</p>
<p>গবেষকরা বলেছেন, প্রযুক্তি পুরোপুরি বন্ধ করা সমাধান নয় বরং শিশুদের বাড়িতে ও স্কুলে স্বাস্থ্যকর এবং ভারসাম্যপূর্ণ ডিজিটাল অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। এজন্য শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের জন্য সহজ নির্দেশিকা ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালু করা প্রয়োজন। বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে এই অদৃশ্য মহামারী নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপমূলক গবেষণা এবং জনস্বাস্থ্য কার্যক্রম শুরু করার এখনই উপযুক্ত সময়।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক / এসএ/ এমআই</strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>দেশের সৌরবিদ্যুৎ খাতের সম্ভাবনা ও ব্যবসায়িক কৌশল নিয়ে এনার্জিপ্যাকের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত</title>
<link>https://digibanglatech.news/176579</link>
<guid>https://digibanglatech.news/176579</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202605/image_870x580_6a0570cc04139.jpg" length="73360" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 14 May 2026 16:51:10 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>দেশের ক্রমবর্ধমান সৌরশক্তি খাতের সম্ভাবনা এবং ব্যবসায়িক কৌশল সম্পর্কে কর্মীদের দক্ষতা ও ধারণা বাড়াতে ‘সোলার বিজনেস স্ট্র্যাটেজিস ইন বাংলাদেশ মার্কেট’ শীর্ষক একটি প্রশিক্ষণ সেশনের আয়োজন করেছে এনার্জিপ্যাক ইনফ্রাস্ট্রাকচার অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট লিমিটেড।</p>
<p>দুই ঘণ্টাব্যাপী এই বিশেষ প্রশিক্ষণে প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন বিজনেস ইউনিটের কর্মকর্তারা অংশ নেন। কর্মশালায় মূলত বাংলাদেশে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের বাণিজ্যিক ও কারিগরি দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।</p>
<p>প্রশিক্ষণ সেশনে সৌরশক্তি খাতের সম্ভাবনা, সোলার সিস্টেমের কার্যপ্রণালী, ইপিসি প্রকল্পের টেকনিক্যাল ডিজাইন এবং সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য ‘সোলার অ্যাঙ্গেল অপটিমাইজেশন’ বিষয়ে আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি প্রকল্পের সঠিক মূল্য নির্ধারণ, ব্যয় কমানোর কৌশল, উন্নত সরঞ্জামের ব্যবহার এবং সৌর প্রযুক্তির সর্বশেষ উদ্ভাবন সম্পর্কেও অংশগ্রহণকারীদের ধারণা দেওয়া হয়।</p>
<p>কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীরা লংগি সোলার প্যানেলের বিভিন্ন ধরন এবং ‘ব্যাক কন্ট্যাক্ট টেকনোলজি’ সম্পর্কে জানার সুযোগ পান, যা সৌর প্যানেলের কার্যকারিতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।</p>
<p>প্রশিক্ষণটি পরিচালনা করেন লংগি গ্রিন এনার্জি টেকনোলজি–এর সিনিয়র ম্যানেজার আহসান। তিনি সৌরবিদ্যুৎ খাত নিয়ে নিজের বাস্তব অভিজ্ঞতা ও পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেন।</p>
<p>বাংলাদেশ বর্তমানে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে শক্তির উৎসে বৈচিত্র্য আনার উদ্যোগ নিয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের সম্প্রসারণে কারিগরি ও বাণিজ্যিক দক্ষতা বৃদ্ধিতে এ ধরনের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।</p>
<p>প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, কর্মীদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়ন এবং দেশে উদ্ভাবনী জ্বালানি সমাধান নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের সক্ষমতা উন্নয়নমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এমই/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>আইএসডিবি–বিআইএসইডব্লিউর ৭৩তম রাউন্ডের আবেদন ১৫ জুন পর্যন্ত</title>
<link>https://digibanglatech.news/176410</link>
<guid>https://digibanglatech.news/176410</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202605/image_870x580_6a03fe52de668.jpg" length="103308" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 13 May 2026 06:00:00 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-start="72" data-end="310">নন-আইটি বিষয়ে পড়াশোনা করা স্নাতক শিক্ষার্থীদের জন্য সম্পূর্ণ বিনা মূল্যে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণের সুযোগ দিচ্ছে <span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">আইএসডিবি–বিআইএসইডব্লিউ</span></span>। প্রতিষ্ঠানটির আইটি স্কলারশিপ প্রোগ্রামের রাউন্ড-৭৩ এ আবেদনের শেষ সময় আগামী ১৫ জুন।</p>
<p data-start="688" data-end="877">স্কলারশিপের আওতায় প্রত্যেক প্রশিক্ষণার্থী প্রায় দুই লাখ টাকা সমমূল্যের কোর্স সম্পূর্ণ বিনা খরচে করার সুযোগ পাবেন। সফলভাবে কোর্স শেষকারীদের জন্য রয়েছে প্লেসমেন্ট সেলের মাধ্যমে চাকরির সহায়তা।</p>
<p data-start="879" data-end="1151">স্নাতক বা ফাজিল পাস এবং মাস্টার্স বা কামিলে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা এই স্কলারশিপের জন্য আবেদন করতে পারবেন। এছাড়া চার বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের কম্পিউটার, টেলিযোগাযোগ, ইলেকট্রনিকস, সিভিল, আর্কিটেকচার, সার্ভে ও কনস্ট্রাকশন বিষয়ে পাস প্রার্থীরাও আবেদন করতে পারবেন।</p>
<p data-start="1153" data-end="1465">স্নাতকদের জন্য কোর্সগুলোর মধ্যে রয়েছে ওয়েব ও মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন উন্নয়ন, ডেটাবেজ অ্যাপ্লিকেশন উন্নয়ন, নেটওয়ার্ক ও সিস্টেম প্রশাসন, গ্রাফিকস, অ্যানিমেশন ও ভিডিও সম্পাদনা। অন্যদিকে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের জন্য রয়েছে আর্কিটেকচারাল ও সিভিল ক্যাড, ক্লাউড কম্পিউটিং, মোশন গ্রাফিকস, থ্রিডি ভিজ্যুয়ালাইজেশনসহ বিভিন্ন কোর্স।</p>
<p data-start="1467" data-end="1579" data-is-last-node="" data-is-only-node="">আগ্রহীরা <strong><span style="color: rgb(186, 55, 42);"><a href="https://digibanglatech.news/admin/apply.isdb–bisew.info" target="_blank" rel="noopener" style="color: rgb(186, 55, 42);">অনলাইনে আবেদন </a></span></strong>করতে পারবেন। আবেদন সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে আইএসডিবি–বিআইএসইডব্লিউর ওয়েবসাইটে।</p>
<p data-start="1467" data-end="1579" data-is-last-node="" data-is-only-node="">প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ সরকার ও ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত এই প্রতিষ্ঠানটি তথ্যপ্রযুক্তি ও কারিগরি শিক্ষা খাতে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে। চাকরির বাজারের চাহিদা অনুযায়ী বিভিন্ন কোর্স পরিচালনার মাধ্যমে এখন পর্যন্ত প্রায় ১৮ হাজার ৯৬৩ জন তথ্যপ্রযুক্তি পেশাজীবী তৈরি করেছে প্রতিষ্ঠানটি। তাদের মধ্যে ৯২ শতাংশ দেশ-বিদেশে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত রয়েছেন।</p>
<p data-start="1467" data-end="1579" data-is-last-node="" data-is-only-node=""><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/পিএও/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ডিএনএ হ্যাক ফর হেলথ চট্টগ্রামে চ্যাম্পিয়ন হেমো হ্যাকার্স</title>
<link>https://digibanglatech.news/176103</link>
<guid>https://digibanglatech.news/176103</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202605/image_870x580_6a0152bc1ad4b.jpg" length="122597" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 11 May 2026 00:00:00 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span>আঙুলের ভিডিও বিশ্লেষণ করে রক্তের হিমোগ্লোবিন মাত্রা নির্ণয়ে এআই</span><span>–</span><span>চালিত সমাধান উপস্থাপন করে ডিএনএ হ্যাক ফর হেলথে হ্যাকাথনে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের দল ‘হেমো হ্যাকার্স’। </span></p>
<p><span>প্রথম রানার</span><span>–</span><span>আপ হয়েছে চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল মেডিকেল কলেজের ‘রেটোরিক মাইন্ডস’</span><span>।  দলটি ইন্টারনেট সংযোগ ছাড়াই রোগীর জরুরি স্বাস্থ্যতথ্য সংরক্ষণ ও ব্যবহারের জন্য কিউআর–ভিত্তিক স্বাস্থ্য পরিচয় ব্যবস্থা তৈরি করেছে। </span></p>
<p><span>দ্বিতীয় রানার</span><span>–</span><span>আপ হয়েছে বিএআইইউএসটি</span><span>–</span><span>র ‘আরেকটা টিম’</span><span>। </span><span>স্ট্রোক ও পার্কিনসন রোগীদের হাঁটার ধরন পর্যবেক্ষণে এআই</span><span>–</span><span>চালিত পুনর্বাসন প্ল্যাটফর্ম নির্মাণ করেছে এই দলটি। </span></p>
<p><span>গত ৯ মে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে অনুষ্ঠিত হ্যাকাথনে বিজয়ী এই তিনটি দলই ঢাকায় অনুষ্ঠেয় ন্যাশনাল গ্র্যান্ড ফিনালেতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। তাদের সঙ্গে যুক্ত হবে সিলেট পর্বে অটিজম চিকিৎসায় এআই-ভিত্তিক সলিউশন দিয়ে চ্যাম্পিয়ন ‘নিউরোনার্চার’ (NeuroNurture)। প্রাথমিক পর্যায়ে রেডিওলজিস্টদের প্রশিক্ষণে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR) প্রযুক্তি ব্যবহার করা রানার-আপ ‘টিম স্টার’ (Team Star) এবং সেকেন্ড রানার-আপ ‘মেডিলিঙ্ক’ (MediLink), যারা জীবন রক্ষায় আইসিইউ বেড ও জরুরি ওষুধের সহজলভ্যতা নিশ্চিত করতে একটি লাইভ লজিস্টিক অ্যাপ তৈরি করেছে। </span></p>
<p><span>ডিএনএ হেলথ কমিউনিকেশনের প্রতিষ্ঠাতা এস এম ও নাওয়েদ বলেন</span><span>, </span><span>ডিএনএ হেলথ</span><span>–</span><span>এ আমাদের একটি লক্ষ্য হলো ক্লিনিক্যাল দক্ষতা এবং প্রযুক্তির মধ্যে একটি সেতুবন্ধন তৈরি করা। চট্টগ্রামের তরুণ উদ্ভাবকদের এই বিশ্বমানের এআই সমাধানগুলো প্রমাণ করে যে বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতের ভবিষ্যৎ অত্যন্ত উজ্জ্বল। আমরা কেবল একটি হ্যাকথন আয়োজন করছি না</span><span>, </span><span>বরং এমন একটি ইকোসিস্টেম তৈরি করছি যেখানে প্রযুক্তি ও মানবিকতার ছোঁয়ায় দেশের প্রতিটি প্রান্তে স্মার্ট এবং সাশ্রয়ী স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে। চিটাগাং মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা</span><span>. </span><span>মোহাম্মদ জশিম উদ্দিন বলেন</span><span>, </span><span>স্বাস্থ্যখাতে টেকসই পরিবর্তন আনতে হলে শিক্ষার্থীদের শুধু ক্লিনিশিয়ান নয়</span><span>, </span><span>প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনমনস্ক মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে হবে। অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের ভাইস প্রিন্সিপাল অধ্যাপক ডা</span><span>. </span><span>মো</span><span>. </span><span>আবদুর রব।</span></p>
<p><span>প্লেনারি সেশনে অংশ নেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড</span><span>. </span><span>সুমিত মজুমদার</span><span>, </span><span>চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের মেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড</span><span>. </span><span>তারেক শামস</span><span>, </span><span>মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান ড</span><span>. </span><span>মো</span><span>. </span><span>আবদুস সাত্তার</span><span>, </span><span>মেডিসিন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড</span><span>. </span><span>আবদুল্লাহ আবু সাঈদ</span><span>, </span><span>ক্যাজুয়ালটি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান ড</span><span>. </span><span>রিভু রাজ চক্রবর্তী এবং চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের অধ্যাপক ও প্রধান এবং চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্জারি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা</span><span>. </span><span>মোহাম্মদ মাসুদ করিম। </span></p>
<p><span>ডিএনএ হেলথ কমিউনিকেশন</span><span>–</span><span>এর প্রতিষ্ঠাতা এস এম ও নাওয়েদ বলেন</span><span>, </span><span>চট্টগ্রামের বিশেষজ্ঞদের নির্দেশনা ছিল স্পষ্ট</span><span>: </span><span>আমাদের চিকিৎসা পাঠ্যক্রমকে অবশ্যই ডেটা সায়েন্স অন্তর্ভুক্ত করার জন্য বিকশিত করতে হবে এবং স্বাস্থ্যসেবায় এআই</span><span>–</span><span>এর জন্য আমাদের জরুরিভাবে শক্তিশালী নিয়ন্ত্রক কাঠামো প্রয়োজন। ব্যাংকিং পার্টনার প্রাইম ব্যাংক এ আয়োজনে পুনরায় অংশীদার হওয়ার বিষয়ে জানায় যে তারা এই উদ্যোগের অংশ হতে পেরে গর্বিত এবং এই যাত্রায় সবসময় পাশে থাকবে। চট্টগ্রামের এই আসর প্রমাণ করে দিল</span><span>, </span><span>স্বাস্থ্যখাতের পরিবর্তন কেবল নীতিনির্ধারকের টেবিলে নয়</span><span>, </span><span>তরুণ উদ্ভাবকদের হাতেও সম্ভব। ডিএনএ হেলথ কমিউনিকেশন জানিয়েছে</span><span>, </span><span>এ বছর দেশের প্রতিটি বিভাগীয় মেডিকেল কলেজে এই হ্যাকাথন ছড়িয়ে পড়বে। </span></p>
<div class="td-a-rec td-a-rec-id-content_bottom  tdi_4 td_block_template_1">
<div class="td-all-devices"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এসএ/ইকে</strong></span></em></div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় শিক্ষা পরিকল্পনা জোরদার করছে বাংলাদেশ</title>
<link>https://digibanglatech.news/176061</link>
<guid>https://digibanglatech.news/176061</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202605/image_870x580_6a009a6cbd966.jpg" length="103351" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 10 May 2026 18:57:20 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>জলবায়ু পরিবর্তনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। বিশেষ করে স্কুল বন্ধ হয়ে যাওয়া, অবকাঠামোর ক্ষতি এবং শিক্ষার ধারাবাহিকতা ব্যাহত হওয়ায় শিক্ষা খাতে জলবায়ু-সহনশীল পরিকল্পনা জোরদার করছে সরকার।</p>
<p>এই প্রেক্ষাপটে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে, ইউনেসকো, ইউনেসকো, ইউনেসকো আইআইইপি, সেভ দ্য চিলড্রেন এবং গ্লোবাল পার্টনারশিপ ফর এডুকেশনের সহযোগিতায় ঢাকার হলিডে ইন ঢাকা সিটি সেন্টার-এ শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী জাতীয় কর্মশালা।</p>
<p>১০ মে, রবিবার থেকে ‘ক্লাইমেট স্মার্ট এডুকেশন সিস্টেমস ইনিশিয়েটিভ (CSESI)’ শীর্ষক এই কর্মশালা আগামী ১২ মে পর্যন্ত চলবে। এতে জাতীয় ও উপ-জাতীয় পর্যায়ের ৩০ জনের বেশি সরকারি কর্মকর্তা, কারিগরি বিশেষজ্ঞ ও শিক্ষা পরিকল্পনাবিদ অংশ নিচ্ছেন। লক্ষ্য হলো শিক্ষা খাতে বিদ্যমান সক্ষমতা মূল্যায়ন এবং জলবায়ু ঝুঁকি বিশ্লেষণের সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করা।</p>
<p>কর্মশালার উদ্বোধনে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব আব্দুল খালেক। তিনি বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থার সক্ষমতা মূল্যায়ন করে বাস্তব তথ্যভিত্তিক নীতি প্রণয়নের সুযোগ তৈরি করতেই এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।</p>
<p>বাংলাদেশে ইউনেসকোর প্রতিনিধি ও অফিস প্রধান ড. সুসান ভাইজ বলেন, শুধু ঝুঁকি চিহ্নিত করা নয়, বরং এসব ঝুঁকি মোকাবিলায় বিদ্যমান প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা কতটা কার্যকর—তা বিশ্লেষণ করাই এই কর্মশালার মূল উদ্দেশ্য।</p>
<p>বিশেষ অতিথি হিসেবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) বদরুন নাহার শিক্ষাখাতে জলবায়ু তথ্যব্যবস্থা ও জলবায়ু অর্থায়নের গুরুত্ব তুলে ধরেন। কর্মশালায় শিক্ষা প্রশাসন, পরিসংখ্যান ব্যুরো, আবহাওয়া অধিদপ্তর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি অংশ নিচ্ছেন।</p>
<p>বিশেষজ্ঞদের তথ্যমতে, বাংলাদেশ বিশ্বে অন্যতম জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর একটি। সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, এক বছরে প্রায় ১৬ হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জলবায়ুজনিত দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, তাপমাত্রা বৃদ্ধি ও লবণাক্ততার কারণে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ও শেখার ফলাফলও প্রভাবিত হচ্ছে।</p>
<p>‘ক্লাইমেট স্মার্ট এডুকেশন সিস্টেমস ইনিশিয়েটিভ’-এর আওতায় এই কর্মশালা একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়ার অংশ, যা ২০২৪ সাল থেকে শুরু হয়েছে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় পর্যায়ের শিক্ষা খাতের জলবায়ু ঝুঁকি বিশ্লেষণ তৈরি হচ্ছে, যা ভবিষ্যতে নীতি, অবকাঠামো ও জলবায়ু অর্থায়ন পরিকল্পনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/আরআরটি/এমইউএম</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>প্রযুক্তির যুগে নৈতিক শিক্ষা ছাড়া মেধার সঠিক ব্যবহার সম্ভব নয়: তথ্যমন্ত্রী</title>
<link>https://digibanglatech.news/176023</link>
<guid>https://digibanglatech.news/176023</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202605/image_870x580_6a005782e4242.jpg" length="127678" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 10 May 2026 15:02:37 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div class="" data-turn-id-container="request-69a71ba7-a36c-8321-bf42-ebc48c50f073-9" data-is-intersecting="true">
<div class="relative w-full overflow-visible">
<section class="text-token-text-primary w-full focus:outline-none [--shadow-height:45px] has-data-writing-block:pointer-events-none has-data-writing-block:-mt-(--shadow-height) has-data-writing-block:pt-(--shadow-height) [&amp;:has([data-writing-block])&gt;*]:pointer-events-auto R6Vx5W_threadScrollVars scroll-mb-[calc(var(--scroll-root-safe-area-inset-bottom,0px)+var(--thread-response-height))] scroll-mt-[calc(var(--header-height)+min(200px,max(70px,20svh)))]" dir="auto" data-turn-id="request-69a71ba7-a36c-8321-bf42-ebc48c50f073-9" data-turn-id-container="request-69a71ba7-a36c-8321-bf42-ebc48c50f073-9" data-testid="conversation-turn-158" data-scroll-anchor="false" data-turn="assistant">
<div class="text-base my-auto mx-auto pb-10 [--thread-content-margin:var(--thread-content-margin-xs,calc(var(--spacing)*4))] @w-sm/main:[--thread-content-margin:var(--thread-content-margin-sm,calc(var(--spacing)*6))] @w-lg/main:[--thread-content-margin:var(--thread-content-margin-lg,calc(var(--spacing)*16))] px-(--thread-content-margin)">
<div class="[--thread-content-max-width:40rem] @w-lg/main:[--thread-content-max-width:48rem] mx-auto max-w-(--thread-content-max-width) flex-1 group/turn-messages focus-visible:outline-hidden relative flex w-full min-w-0 flex-col agent-turn">
<div class="flex max-w-full flex-col gap-4 grow">
<div data-message-author-role="assistant" data-message-id="13689ea4-b7ff-40b5-b73f-16e4bddc8fd1" data-turn-start-message="true" dir="auto" data-message-model-slug="gpt-5-5" class="min-h-8 text-message relative flex w-full flex-col items-end gap-2 text-start break-words whitespace-normal outline-none keyboard-focused:focus-ring [.text-message+&amp;]:mt-1" tabindex="0">
<div class="flex w-full flex-col gap-1 empty:hidden">
<div class="markdown prose dark:prose-invert wrap-break-word w-full dark markdown-new-styling">
<p data-start="101" data-end="384">কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও দ্রুত পরিবর্তনশীল ডিজিটাল বাস্তবতায় শুধু প্রযুক্তিগত দক্ষতা নয়, ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে নৈতিক শিক্ষায়ও সমৃদ্ধ করে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন <span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">জহির উদ্দিন স্বপন</span></span>। তিনি বলেছেন, নৈতিক ভিত্তি দুর্বল হলে মেধা ও প্রযুক্তির অপব্যবহারের ঝুঁকি তৈরি হয়।</p>
<p data-start="386" data-end="612">রাজধানীর ড্যাফোডিল টাওয়ার মিলনায়তনে <span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">বাংলাদেশ ছাত্রকল্যাণ ট্রাস্ট</span></span> আয়োজিত ‘সবার আগে বাংলাদেশ দর্শন বাস্তবায়নে নৈতিক শিক্ষার ভূমিকা’ শীর্ষক জাতীয় সেমিনার ও শিক্ষাবৃত্তি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই সতর্ক বার্তা দিলেন মন্ত্রী।</p>
<p data-start="614" data-end="862">১০ মে, রবিবার অনুষ্ঠিত এই সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ছাত্রকল্যাণ ট্রাস্টের ভাইস চেয়ারম্যান <span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">ড. আব্দুল লতিফ মাসুম</span></span>। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন <span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">নুরুল হক</span></span>। </p>
<p data-start="2091" data-end="2321">এছাড়া বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ছাত্রকল্যাণ ট্রাস্টের চেয়ারম্যান ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা <span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">মো. মঈনউদ্দিন খান</span></span> এবং <span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি</span></span>-এর চেয়ারম্যান <span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">ড. মো. সবুর খান</span></span>। </p>
<p data-start="2091" data-end="2321">অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বর্তমান সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের যুগে তরুণদের সঠিক পথে পরিচালিত করতে নৈতিকতার বিকল্প নেই। ডিজিটাল মাধ্যমে গুজব ছড়ানো বা সাইবার বুলিং প্রতিরোধে নৈতিক শিক্ষা রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করে। আর পরমতসহিষ্ণুতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং অহিংস আচরণ চর্চার মাধ্যমে সমাজে শান্তি ও ভ্রাতৃত্ববোধ বজায় রাখতে নৈতিক শিক্ষা সহায়তা করে। একজন নৈতিকতাসম্পন্ন শিক্ষার্থী সর্বদা তার দায়িত্ব ও কর্তব্যের প্রতি সচেতন থাকে। এটি কেবল প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় নয়, বরং কর্মক্ষেত্রেও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে সাহায্য করে।  সমাজে সুশাসন ও স্বচ্ছতা আনতে নৈতিক শিক্ষার বিকল্প নেই। সততা ও ন্যায়ের চর্চা দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি এবং অন্যায়কে সমাজ থেকে নির্মূল করতে সাহায্য করে।</p>
<p data-start="2323" data-end="2399" data-is-last-node="" data-is-only-node="">সেমিনার শেষে কৃতি শিক্ষার্থীদের হাতে শিক্ষাবৃত্তির চেক তুলে দেন তথ্যমন্ত্রী। </p>
<p data-start="614" data-end="862">এর আগে উপস্থিত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্যমন্ত্রী <span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">জহির উদ্দিন স্বপন </span></span>বলেন, বর্তমান বিশ্ব দ্রুত ডিজিটালাইজড হয়ে উঠছে। ব্যক্তিগত যোগাযোগ, শিক্ষা, ব্যবসা-বাণিজ্য থেকে শুরু করে প্রায় সবকিছুই এখন প্রযুক্তিনির্ভর। কিন্তু সেই পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সমাজ ও রাষ্ট্রীয় কাঠামোকে আধুনিকায়ন করা এখনও বড় চ্যালেঞ্জ।</p>
<p data-start="864" data-end="1031">তিনি বলেন, “আমাদের রাষ্ট্রকে দ্রুত আধুনিক ডিজিটাল চরিত্রে রূপান্তর করতে হবে। একইসঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়ায় তরুণদের মূল্যবোধ তৈরিতে সহায়ক কনটেন্ট প্রচারের ওপর জোর দিতে হবে।”</p>
<p data-start="1033" data-end="1239">মন্ত্রী আরও বলেন, প্রযুক্তির অগ্রগতির এই সময়ে তরুণদের শুধু ডিজিটাল লিটারেসি শেখালেই হবে না, তাদের মনোজগতে নৈতিকতার বীজও রোপণ করতে হবে। কারণ নৈতিক শিক্ষা ছাড়া জ্ঞান ও প্রযুক্তির সঠিক প্রয়োগ নিশ্চিত করা কঠিন।</p>
<p data-start="1241" data-end="1508">৫ আগস্টের রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রসঙ্গ তুলে জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, দায়িত্বশীল ব্যক্তি বা রাষ্ট্রনায়কের নৈতিক অবস্থান দুর্বল হলে তার প্রভাব সমাজ ও রাষ্ট্রের ওপরও পড়ে। তাই শৈশব থেকেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে সুকুমার বৃত্তি, মানবিকতা ও নৈতিক মূল্যবোধ গড়ে তোলার প্রয়োজন রয়েছে।</p>
<p data-start="1510" data-end="1702">তিনি বলেন, “জন্মগতভাবে মানুষের মধ্যে কিছু পাশবিক প্রবৃত্তি থাকে। সেগুলো নিয়ন্ত্রণ করতে হলে ছোটবেলা থেকেই নৈতিক ও মানবিক শিক্ষার চর্চা জরুরি। শিক্ষাব্যবস্থা ও কারিকুলামে এর প্রতিফলন থাকতে হবে।”</p>
<p data-start="1704" data-end="1907">এসময় অতীতে দেশে মতপ্রকাশ ও গঠনমূলক আলোচনার পরিবেশ সীমিত ছিল বলেও মন্তব্য করেন তথ্যমন্ত্রী। ‘বর্তমানে মুক্ত আলোচনার সুযোগ তৈরি হয়েছে’ মন্তব্য কমে এই পরিবেশকে কাজে লাগিয়ে নৈতিক সমাজ গঠনে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।  </p>
<p data-start="1704" data-end="1907"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এমআই/ইকে</strong></span></em></p>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</section>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ফাঁস হওয়া অর্ধেকের বেশি পাসওয়ার্ডেই একই ভুল, সতর্ক করল ক্যাসপারস্কি</title>
<link>https://digibanglatech.news/176031</link>
<guid>https://digibanglatech.news/176031</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202605/image_870x580_6a00629380c2f.jpg" length="26689" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 10 May 2026 14:49:14 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>অনলাইনে দুর্বল ও অনুমানযোগ্য পাসওয়ার্ড ব্যবহারের প্রবণতা এখনো উদ্বেগজনক পর্যায়ে রয়েছে বলে জানিয়েছে সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান ক্যাস্পাস্কি । প্রতিষ্ঠানটির সাম্প্রতিক এক গবেষণা বলছে, ফাঁস হওয়া পাসওয়ার্ডের অর্ধেকের বেশি সংখ্যায় শেষ হয়েছে। এরফলে সাইবার অপরাধীদের জন্য অ্যাকাউন্ট হ্যাক করা সহজ করে তুলছে।</p>
<p>বিশ্ব পাসওয়ার্ড দিবস উপলক্ষে ২০২৩ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে ফাঁস হওয়া ২৩ কোটি ১০ লাখের বেশি ইউনিক পাসওয়ার্ড বিশ্লেষণ করে ১০ মে, রবিবার এ তথ্য প্রকাশ করেছে প্রতিষ্ঠানটি। গবেষণাটি প্রতিষ্ঠানটির ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট ইন্টেলিজেন্স সেবার তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি করা হয়েছে এই গবেষণা প্রতিবেদন। </p>
<p>গবেষণায় দেখা গেছে, অনেক ব্যবহারকারী এখনো পাসওয়ার্ডের শুরু বা শেষে সংখ্যা যোগ করার মতো সহজ ও অনুমানযোগ্য কৌশল ব্যবহার করছেন। এছাড়া জনপ্রিয় শব্দ, অনলাইন ট্রেন্ড ও ইতিবাচক আবেগঘন শব্দ ব্যবহারের প্রবণতাও বেড়েছে। বিশেষ করে “স্কিবিডি” শব্দটির ব্যবহার গত কয়েক বছরে ৩৬ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।</p>
<p>বিশ্লেষণে আরও উঠে এসেছে, যেসব পাসওয়ার্ডে একটি মাত্র বিশেষ চিহ্ন ছিল, সেখানে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়েছে ‘@’, এরপর ‘.’ ও ‘!’ চিহ্ন। অর্ধেকের বেশি পাসওয়ার্ড সংখ্যায় শেষ হয়েছে এবং ১৭ শতাংশ পাসওয়ার্ড সংখ্যায় শুরু হয়েছে। প্রায় ১২ শতাংশ পাসওয়ার্ডে জন্মতারিখ বা পরিচিত সংখ্যা ব্যবহার করা হয়েছে। এছাড়া ৩ শতাংশ পাসওয়ার্ডে ‘১২৩৪’-এর মতো সহজ কিবোর্ড প্যাটার্ন পাওয়া গেছে।</p>
<p>অ্যালেক্সা আন্তোনভ (Alexey Antonov) বলেন, “অনেক ব্যবহারকারী পরিচিত সংখ্যা, তারিখ বা সাধারণ চিহ্ন ব্যবহার করেন, বিশেষ করে পাসওয়ার্ডের শুরু বা শেষে। এতে ব্রুট-ফোর্স আক্রমণের মাধ্যমে পাসওয়ার্ড অনুমান করা অনেক সহজ হয়ে যায়।”</p>
<p>তিনি আরও বলেন, “শুধু একটি শব্দের সঙ্গে সংখ্যা বা বিশেষ চিহ্ন যোগ করলেই পাসওয়ার্ড নিরাপদ হয় না। এর বদলে কয়েকটি সম্পর্কহীন শব্দ একসঙ্গে ব্যবহার করে তার মধ্যে সংখ্যা ও বিশেষ চিহ্ন যোগ করা বেশি কার্যকর। ইচ্ছাকৃত বানান ভুলও নিরাপত্তা বাড়াতে সাহায্য করতে পারে।”</p>
<p>গবেষণায় দেখা গেছে, ব্যবহারকারীরা ‘লাভ’, ‘ম্যাজিক’, ‘অ্যাঞ্জেল’ ও ‘এডেন’-এর মতো ইতিবাচক শব্দ বেশি ব্যবহার করেন। যদিও ‘হেল’ ও ‘ডেভিল’-এর মতো নেতিবাচক শব্দও কিছু ক্ষেত্রে পাওয়া গেছে।</p>
<p>ক্যাসপারস্কি শক্তিশালী ও দীর্ঘ পাসওয়ার্ড ব্যবহারের পাশাপাশি টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন (টুএফএ) চালু রাখার পরামর্শ দিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির মতে, এলোমেলো অক্ষর, সংখ্যা ও বিশেষ চিহ্নের সমন্বয়ে তৈরি দীর্ঘ পাসওয়ার্ড ভাঙা তুলনামূলকভাবে অনেক কঠিন।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/আরসিপি/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>অনলাইনে ট্রাভেল এজেন্সির নিবন্ধন ও নবায়ন সম্পন্নের তাগিদ</title>
<link>https://digibanglatech.news/176019</link>
<guid>https://digibanglatech.news/176019</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202605/image_870x580_6a00516205fb7.jpg" length="60155" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 10 May 2026 13:36:53 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>মানবপাচার ও ভ্রমণসংক্রান্ত প্রতারণা রোধে নিবন্ধিত ও বৈধ ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে সেবা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়। একইসঙ্গে ট্রাভেল এজেন্সি ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের মাধ্যমে অনলাইনে নিবন্ধন ও নবায়ন কার্যক্রম সম্পন্ন করার তাগিদ দিয়েছে মন্ত্রণালয়।</p>
<p>১০ মে, রবিবার বাংলাদেশ সচিবালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।</p>
<p>বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ ট্রাভেল এজেন্সি নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১৩ অনুযায়ী ট্রাভেল এজেন্সির নিবন্ধন বাধ্যতামূলক। এ জন্য বাংলাদেশ ট্রাভেল এজেন্সির নিবন্ধন কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে ট্রাভেল এজেন্সি ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে অনলাইনে নিবন্ধন ও নবায়ন সংক্রান্ত সব কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হয়।</p>
<p>মন্ত্রণালয় জানায়, নিবন্ধন কিংবা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নবায়ন ছাড়া ট্রাভেল এজেন্সি ব্যবসা পরিচালনা করা বেআইনি। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে দেখা যাচ্ছে, অনেক প্রতিষ্ঠান নিবন্ধনের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও অথবা নিবন্ধন ছাড়াই ট্রাভেল এজেন্সি পরিচালনা করছে। এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে গ্রাহকদের সঙ্গে প্রতারণা ও হয়রানির অভিযোগও পাওয়া যাচ্ছে।</p>
<p>এ অবস্থায় অনিবন্ধিত ও মেয়াদোত্তীর্ণ ট্রাভেল এজেন্সির সঙ্গে আকাশপথে ভ্রমণ, টিকিট ক্রয় কিংবা ট্যুর প্যাকেজ সংক্রান্ত কোনো আর্থিক লেনদেন না করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।</p>
<p>বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, যেকোনো ট্রাভেল এজেন্সি নিবন্ধিত কি না বা তাদের লাইসেন্সের মেয়াদ বৈধ আছে কি না, তা টিকিট বা ট্যুর প্যাকেজ কেনার আগে ট্রাভেল এজেন্সি ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম থেকে যাচাই করে নেওয়া উচিত। এতে ভ্রমণকারীরা আর্থিক ক্ষতি ও প্রতারণার ঝুঁকি থেকে রক্ষা পাবেন।</p>
<p>মন্ত্রণালয় জানায়, সম্প্রতি মানবপাচারের সঙ্গে জড়িত একটি এজেন্সি নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। এজেন্সিটির নাম ‘ড্রিম হোম ট্রাভেলস’, যা ‘ড্রিম হোম ট্রাভেলস অ্যান্ড ট্যুরস লিমিটেড’ নয়। যাচাইয়ে দেখা গেছে, ‘ড্রিম হোম ট্রাভেলস’-এর ট্রাভেল এজেন্সি সনদের মেয়াদ ২০২১ সালের ৩ এপ্রিল শেষ হয়েছে।</p>
<p>সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, গত ২৮ জানুয়ারি দৈনিক কালের কণ্ঠে প্রকাশিত “রাশিয়ায় যুদ্ধে আট বাংলাদেশী” শীর্ষক সংবাদের পরিপ্রেক্ষিতে বিষয়টি মন্ত্রণালয়ের নজরে আসে। পরে সম্প্রতি “রাশিয়ায় মানব পাচার: বাংলাদেশের ট্রাভেল এজেন্সির ওপর যুক্তরাজ্যের নিষেধাজ্ঞা” শিরোনামে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন ঘিরেও এ বিষয়ে নতুন করে সতর্কবার্তা দেয় মন্ত্রণালয়।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এসএম/এমইউএম</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>চট্টগ্রামে বাংলাদেশ এআই অলিম্পিয়াডের আঞ্চলিক পর্ব অনুষ্ঠিত</title>
<link>https://digibanglatech.news/175992</link>
<guid>https://digibanglatech.news/175992</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202605/image_870x580_6a00205bb24e1.jpg" length="144020" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 09 May 2026 22:07:36 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div class="" data-turn-id-container="request-69a71ba7-a36c-8321-bf42-ebc48c50f073-2" data-is-intersecting="true">
<div class="relative w-full overflow-visible">
<section class="text-token-text-primary w-full focus:outline-none [--shadow-height:45px] has-data-writing-block:pointer-events-none has-data-writing-block:-mt-(--shadow-height) has-data-writing-block:pt-(--shadow-height) [&amp;:has([data-writing-block])&gt;*]:pointer-events-auto R6Vx5W_threadScrollVars scroll-mb-[calc(var(--scroll-root-safe-area-inset-bottom,0px)+var(--thread-response-height))] scroll-mt-[calc(var(--header-height)+min(200px,max(70px,20svh)))]" dir="auto" data-turn-id="request-69a71ba7-a36c-8321-bf42-ebc48c50f073-2" data-turn-id-container="request-69a71ba7-a36c-8321-bf42-ebc48c50f073-2" data-testid="conversation-turn-144" data-scroll-anchor="false" data-turn="assistant">
<div class="text-base my-auto mx-auto pb-10 [--thread-content-margin:var(--thread-content-margin-xs,calc(var(--spacing)*4))] @w-sm/main:[--thread-content-margin:var(--thread-content-margin-sm,calc(var(--spacing)*6))] @w-lg/main:[--thread-content-margin:var(--thread-content-margin-lg,calc(var(--spacing)*16))] px-(--thread-content-margin)">
<div class="[--thread-content-max-width:40rem] @w-lg/main:[--thread-content-max-width:48rem] mx-auto max-w-(--thread-content-max-width) flex-1 group/turn-messages focus-visible:outline-hidden relative flex w-full min-w-0 flex-col agent-turn">
<div class="flex max-w-full flex-col gap-4 grow">
<div data-message-author-role="assistant" data-message-id="cdc8e2a4-52eb-4313-8073-ea4c0c377a44" data-turn-start-message="true" dir="auto" data-message-model-slug="gpt-5-5" class="min-h-8 text-message relative flex w-full flex-col items-end gap-2 text-start break-words whitespace-normal outline-none keyboard-focused:focus-ring [.text-message+&amp;]:mt-1" tabindex="0">
<div class="flex w-full flex-col gap-1 empty:hidden">
<div class="markdown prose dark:prose-invert wrap-break-word w-full dark markdown-new-styling">
<p data-start="68" data-end="317">চট্টগ্রামে উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘৩য় বাংলাদেশ এআই অলিম্পিয়াড ২০২৬’-এর আঞ্চলিক পর্ব। ৯ মে, শুক্রবার <span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">চিটাগং ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি</span></span> ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত এ প্রতিযোগিতায় চট্টগ্রাম ও আশপাশের জেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়। দিনব্যাপী এ প্রতিযোগিতায় প্রোগ্রামিং, গাণিতিক যুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক বিভিন্ন চ্যালেঞ্জে অংশ নেন তারা। সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে এআই কুইজ বিভাগে ১০ জন এবং এআই কোডিং চ্যালেঞ্জ বিভাগে ৬ জন শিক্ষার্থীকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। </p>
<p data-start="1070" data-end="1344">কোডিং চ্যালেঞ্জ বিভাগে বিজয়ীরা হলেন— চট্টগ্রাম ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক কলেজের আকীদ ইকবাল হক, আরিয়ান আবরার চৌধুরী ও তনুশ্রী সাহা; বাংলাদেশ এলিমেন্টারি স্কুলের তাসদীদ আহমেদ চৌধুরী; প্রেসিডেন্সি ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের সায়ান আহমেদ খান এবং সরকারি হাজী আসমত কলেজের মো. ইমতিয়াজ হোসেন।</p>
<p data-start="1346" data-end="1670">এআই কুইজ বিভাগে বিজয়ী হয়েছেন ক্যান্টনমেন্ট ইংলিশ স্কুল অ্যান্ড কলেজের সুপ্রতীক নাথ, মোস্তানির চৌধুরী রাকিন, সাদ ইবনে হোসেন, ইব্রাহিম বিন হোসেন, সৈয়দ মোহাম্মদ রাফান ও আফনান এনাম আয়ান; সিএমপি স্কুল অ্যান্ড কলেজের জুহাইর ফেরদৌস হাসান; বাংলাদেশ এলিমেন্টারি স্কুলের তওয়াসিন মোস্তফা এবং চিটাগং গ্রামার স্কুলের তাইসির ইসলাম আদিয়ান।</p>
<p data-start="319" data-end="498"><span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্ক</span></span> (বিডিওএসএন) এর আয়োজনে সকাল ৮টায় নিবন্ধনের মাধ্যমে আয়োজন শুরু হয়। পরে শিক্ষার্থীরা ‘এআই কুইজ’ ও ‘এআই কোডিং চ্যালেঞ্জ’—এই দুই বিভাগে প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটে শুরু হওয়া কোডিং চ্যালেঞ্জ চলে দুপুর ১১টা পর্যন্ত।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202605/image_870x_6a0020671705d.jpg" alt=""></p>
<p data-start="701" data-end="941">প্রতিযোগিতার কার্যক্রম পরিদর্শন করেন সিআইইউ’র স্কুল অব সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ডিন অধ্যাপক ড. আসিফ ইকবাল। এ ছাড়া এআই ও মেশিন লার্নিং বিষয়ে বিশেষ ওয়ার্কশপ পরিচালনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবদুল্লাহ আল নাঈম ও সামাহ বিনত ফিরোজ।</p>
<p data-start="1672" data-end="1931">সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিআইইউ’র রেজিস্ট্রার আনজুমান বানু লিমা। বিশেষ অতিথি ছিলেন অধ্যাপক ড. আসিফ ইকবাল এবং ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধান ড. রুবেল সেন গুপ্ত। অতিথিরা বিজয়ীদের হাতে মেডেল ও সনদ তুলে দেন।</p>
<p data-start="1933" data-end="2043">বক্তারা বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর ভবিষ্যৎ গড়তে শিক্ষার্থীদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিষয়ে দক্ষতা বাড়ানোর বিকল্প নেই।</p>
<p data-start="2045" data-end="2304">আয়োজকরা জানান, একই দিনে রাজশাহী ও খুলনা অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের নিয়ে অনলাইনে ‘ই-অলিম্পিয়াড’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর ফলাফল শিগগিরই অলিম্পিয়াডের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে। আঞ্চলিক পর্বের বিজয়ীরা আগামী ১৬ মে ঢাকায় অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় এআই অলিম্পিয়াডে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবে।</p>
<p data-start="2306" data-end="2685" data-is-last-node="" data-is-only-node=""><span lang="BN" style="font-size: 11.0pt; font-family: Nikosh; mso-fareast-font-family: 'Google Sans'; color: #1f1f1f; mso-ansi-language: EN-US; mso-fareast-language: EN-US; mso-bidi-language: BN;">বাংলাদেশ বিজ্ঞান জনপ্রিয়করণ সমিতি (এসপিএসবি)</span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Nikosh; mso-fareast-font-family: 'Google Sans'; color: #1f1f1f; mso-ansi-language: EN-US; mso-fareast-language: EN-US; mso-bidi-language: AR-SA;">, </span><span lang="BN" style="font-size: 11.0pt; font-family: Nikosh; mso-fareast-font-family: 'Google Sans'; color: #1f1f1f; mso-ansi-language: EN-US; mso-fareast-language: EN-US; mso-bidi-language: BN;">রকমারি ডট কম ও জাদু পিসি’র মতো প্রতিষ্ঠান সহযোগী হিসেবে যুক্ত রয়েছে </span>এবারের আয়োজনে। এতে প্লাটিনাম স্পন্সর ও জাতীয় পর্বের হোস্ট হিসেবে রয়েছে <span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজি</span></span>। পাওয়ারড বাই পার্টনার হিসেবে যুক্ত রয়েছে <span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">রিভ চ্যাট</span></span>। এছাড়া গোল্ড স্পন্সর হিসেবে রয়েছে <span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">ব্রেইন স্টেশন ২৩</span></span>, সিলভার স্পন্সর হিসেবে মিলিয়ন এক্স বাংলাদেশ ও <span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">ক্রিয়েটিভ আইটি ইনস্টিটিউট</span></span> এবং ব্রোঞ্জ স্পন্সর হিসেবে রয়েছে বিটনা। </p>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div class="z-0 flex min-h-[46px] justify-start"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এসআইএম/এমইউআইএম</strong></span></em></div>
<div class="mt-3 w-full empty:hidden">
<div class="text-center"></div>
</div>
</div>
</div>
</section>
<div class="contents"></div>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>কলেজছাত্র ওয়াকিমুলের স্মার্টকারে চড়লেন প্রধানমন্ত্রী</title>
<link>https://digibanglatech.news/175864</link>
<guid>https://digibanglatech.news/175864</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202605/image_870x580_69fedcd22d34d.jpg" length="137713" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 09 May 2026 12:06:16 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span data-subtree="aimfl,mfl" data-processed="true" data-copy-service-computed-style="font-family: &quot;Google Sans&quot;, Arial, sans-serif; font-size: 16px; font-weight: 400; margin: 0px; text-decoration: none; border-bottom: 0px rgb(230, 232, 240);">যশোরের বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মেধাবী তরুণ ওয়াকিমুল ইসলাম রিফাত উদ্ভাবন করেছেন মস্তিষ্কের স্নায়ু দ্বারা নিয়ন্ত্রিত ব্যাটারিচালিত ‘এটুআই স্মার্ট কার’</span>। হাত-পা নাড়াতে অক্ষম এমন শারীরিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরাও শরীরের সাথে যুক্ত ডিভাইসের মাধ্যমে খুব সহজেই এই গাড়িটি চালাতে সক্ষম। কলেজছাত্র বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন তরুণের উদ্ভাবিত বিশেষ স্মার্টকারে চড়ে ঘুরে তাকে উৎসাহ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।</p>
<p>৯ মে, শনিবার সকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে <span> ২ ফুট ৮ ইঞ্চি উচ্চতার শারীরিক প্রতিবন্ধী </span>ওয়াকিমুল ইসলামের গাড়িটি পর্যবেক্ষণ করেন সরকারপ্রধান। এক পর্যায়ে তার স্মার্টকারে চড়ে বসেন প্রধানমন্ত্রী। তারেক রহমানকে নিয়ে গাড়ি চালিয়ে দেখান ওয়াকিমুল। নিজেই গাড়িটি চালিয়ে দেখালেন- হাত-পাবিহীন বা শরীরের অন্য কোনো অংশে মারাত্মক শারীরিক প্রতিবন্ধকতা থাকা মানুষও এই প্রযুক্তির সাহায্যে গাড়িটি কীভাবে চালাতে পারবে। </p>
<p>গাড়িটি পর্যবেক্ষণ করার সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, মেধাবী তরুণরাই হবে আগামী বাংলাদেশের স্মার্ট নাগরিক। শারীরিক সীমাবদ্ধতা যে সৃজনশীল কাজের পথে কোনো বাধা নয়, ওয়াকিমুল তা প্রমাণ করেছে। সরকার এমন উদ্ভাবনী প্রচেষ্টাকে এগিয়ে নিতে সব ধরনের সহায়তা প্রদান করবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।</p>
<p>এই বিশেষ স্মার্ট কারটি উদ্ভাবনের ফলে দেশের প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের মেধা ও উদ্ভাবনী ক্ষমতার প্রতি সবার দৃষ্টি আকর্ষণ হয়েছে। ওয়াকিমুল ইসলামের এই উদ্যোগকে দেশের তরুণ প্রজন্মের জন্য এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202605/image_870x_69fedcc66db8d.jpg" alt=""></p>
<p>ওয়াকিলের স্মার্ট কার পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এবং ডেপুটি প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি। এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন মোস্তফা জুলফিকার হাসান (হাসান শিপলু) ও শাহাদাৎ হোসেন স্বাধীনসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি এই পরিদর্শনের তথ্য নিশ্চিত করেছেন।</p>
<p>এর আগে, উদ্ভাবক ওয়াকিমুল নিজের জমানো মাত্র ৫,০০০ টাকা দিয়ে প্রজেক্টটি শুরু করেন। দীর্ঘ ২ থেকে ৩ বছর চেষ্টার পর তিনি এটি তৈরি করতে সক্ষম হন। গত ২৫ এপ্রিল তেজগাঁও কার্যালয় প্রাঙ্গণে কলেজ শিক্ষার্থী রিজয়ান রশীদের নির্মিত গো-কার্ট (রেসিং কার) পর্যবেক্ষণ করেন তারেক রহমান। পরে গাড়িটি চালিয়ে তাকে উৎসাহিত করেন।</p>
<p>এই উদ্ভাবন নিয়ে <span>রিফাত জানিয়েছেন, বছর সাতেক আগে নিজের শারীরিক প্রতিবন্ধকতার কারণে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যেতে অসুবিধা হলে নিজের মেধা শক্তি কাজে লাগিয়ে এমন একটি গাড়ি তৈরির পরিকল্পনা করেন, যে গাড়িটি মানুষের মস্তিষ্ক স্নায়ুতন্ত্র দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। ফলে শুধু রিফাত নিজেই নয়, রিফাতের মতো শারীরিক প্রতিবন্ধী যেকোনো মানুষ গাড়িটি চালাতে পারবে। গাড়ি তৈরির সিদ্ধান্ত নিয়ে পাঁচ বছর ধরে স্কুলের টিফিনের টাকা জমিয়ে মাত্র পাঁচ হাজার টাকা নিয়ে শুরু করে এটু আই স্মার্ট গাড়ির প্রজেক্ট। গাড়িটি তৈরি করতে সময় লাগে ২ থেকে ৩ বছর। টিফিনের টাকার পাশাপাশি ঈদের সেলামি এবং তার বাবাও রিফাতকে গাড়িটি তৈরি করতে আর্থিক সহযোগিতা করেছেন। রিফাতের বাবা আবু খায়েঁর শুধুমাত্র অর্থ দিয়ে সহযোগিতা করেননি। তিনি নিজের পেশাগত কাজের ফাঁকে ছেলে উদ্ভাবনে শ্রম দিয়েও সহযোগিতা করেছেন।</span> </p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এসএইচ/এমইউএম</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বিকল্প জ্বালানীর নতুন দিগন্তে রুফটপ সোলার ও সোলার কার্ড</title>
<link>https://digibanglatech.news/175885</link>
<guid>https://digibanglatech.news/175885</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202605/image_870x580_69ff0b9c35502.jpg" length="137180" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 09 May 2026 00:24:50 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span>বিশ্বব্যাপী চলছে গ্রিন ও ক্লিন এনার্জি আন্দোলন। জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে বেরিয়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ওপর জোর দিচ্ছে সব দেশ। এর অংশ হিসেবে সৌরবিদ্যুতে আগ্রহ বাড়ছে সচেতন নাগরিকদের। বাংলাদেশ এক্ষেত্রে বহু বছর পিছিয়ে ছিল। তবে ইরান যুদ্ধ ও বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে সরকার সম্প্রতি সৌরবিদ্যুতে জোর দেওয়া শুরু করেছে।</span></p>
<p><span>বর্তমান সরকার প্রাথমিকভাবে আগামী ৫ বছরে ১০ হাজার সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের ঘোষণা দেয়। তবে এটি বেশ বিলাসী পরিকল্পনা বলেই বিভিন্ন পক্ষ মন্তব্য করে। এতে সরকার পরিকল্পনায় কিছুটা সংশোধন করেছে। ১০ হাজারের পরিবর্তে পাঁচ বছরে ৫ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুতের কথা বলা হচ্ছে। তবে গ্রিড সোলার স্থাপনের মাধ্যমে ৫ হাজার মেগাওয়াটের লক্ষ্যপূরণ সম্ভব না বলেই মনে করা হচ্ছে।</span></p>
<p><span>বিদায়ী অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ব্যর্থতা এ ক্ষেত্রে বড় উদাহরণ। বিগত সরকার গ্রিড সোলার স্থাপনে বড় ধরনের দরপত্র আহ্বান করেও সাড়া পায়নি। গত বছর ৫ হাজার ২৩৮ মেগাওয়াটের ৫৫টি গ্রিড-সংযুক্ত সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের দরপত্র আহ্বান করা হলেও মাত্র ৯০০ মেগাওয়াটের প্রস্তাব জমা পড়ে। এমন পরিস্থিতিতে গত ২৭ এপ্রিল পুনরায় ৪৯৫ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন ১০টি গ্রিড-সংযুক্ত সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের জন্য আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করেছে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি)।</span></p>
<p><span>সাম্প্রতিক অভিজ্ঞতা বলছে, সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনে বড় সাফল্য পেয়েছে পাকিস্তান। দেশটি মাত্র চার বছরে ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন ২৫ শতাংশে নিয়ে গেছে। তবে এর প্রায় পুরোটাই হোম সোলার তথা রুফটপ সোলার। দেশটির এ সাফল্যের পেছনে মূলত দুটি কারণ কাজ করেছে। প্রথম কারণটি হলো, গ্রিড বিদ্যুতের বড় ধরনের ঘাটতি। পাকিস্তানের বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা বাংলাদেশের মতোই অপরিকল্পিতভাবে বাড়ানো হয়েছিল। তবে চাহিদামতো বিদ্যুৎ দিতে পারছিল না দেশটির সরকার।</span></p>
<p><span>দ্বিতীয় কারণটি হলো, সরকারের সরবরাহকৃত গ্রিড বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি। বাংলাদেশের মতোই পাকিস্তান সরকার এ খাতে প্রচুর ভর্তুকি দিত। তাই বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকি কমাতে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) শর্ত মানতে গিয়েছে বিদ্যুতের দাম বাড়াতে গেলে জনগণ তা ভালোভাবে নেয়নি। একদিকে বিদ্যুৎ সংকট অন্যদিকে দাম বৃদ্ধি পাকিস্তানে রুফটপ সোলার স্থাপনে বিল্পব এনে দেয়। সাধারণ জনগণ নিজ উদ্যোগে রুফটপ সোলার স্থাপন শুরু করে।</span></p>
<p><span>বাংলাদেশেও ‍রুফটপ সোলার ছড়িয়ে দিতে চাচ্ছে সরকার। রাজধানীতে বিদ্যুতের চাপ কমাতে আবাসিক ভবনগুলোকে ধাপে ধাপে সোলার পাওয়ারের আওতায় আনতে চাচ্ছে সরকার। এজন্য দ্রুত নীতিমালা প্রণয়ন ও বেসরকারি খাতকে সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে ৭ মে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।</span></p>
<p><span>এখন প্রশ্ন- ঢাকার ছাদে সোলার বসানো কতটা সহজ হবে? বা উদ্যোগটি আদৌ সফল হবে কিনা? বিষয়টি একদিক থেকে দেখলে খুবই সহজ, আবার ভিন্ন দিক থেকে মনে হতে পারে খুবই জটিল। জটিল হওয়ার কারণ ঢাকার বড় অংশের আবাসিক বাসভবন ছোট। তাই চাইলেই সহজে ছাদে সোলার প্যানেল বসানো সম্ভব না। আবার ঢাকার প্রায় ৮০ শতাংশ মানুষই ভাড়া বাসায় থাকে। তাই ভাড়া বাসায় সোলার প্যানেল বসাতে গেলে জমি তথা ভবন মালিকের ইচ্ছার বিষয় আছে।</span></p>
<p><span>যদিও এর বিকল্প কিছু সুযোগ সরকারের সামনে রয়েছে। প্রথমত, ঢাকার সব সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে (প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়) সৌরবিদ্যুতের আওতায় আনা। দ্বিতীয়ত, ঢাকার সব মসজিদগুলোর ছাদকে রুফটপ সোলারের জন্য ব্যবহার করা। তৃতীয়ত, সব সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালগুলোর ছাদে রুফটপ সোলার স্থাপন।</span></p>
<p><span>এর বাইরে ঢাকার বহুতল সব আবাসিক ও বাণিজ্যিক ভবনের ছাদ, শপিংমলগুলোর ছাদ, সরকারি সমস্ত ভবনের ছাদ রুফটপ সোলারের জন্য ব্যাপকভাবে ব্যবহারের পরিকল্পনা করতে পারে সরকার। এসব ভবনে প্রচুর বিদ্যুৎ ব্যবহার করা হয়। তাই রুফটপ সোলার ছড়িয়ে দিতে পারলে তা বিদ্যুৎ ব্যবহার সাশ্রয়ে অন্যতম মাধ্যম হয়ে উঠবে। ঢাকায় এ মডেল সফল হলে ধারাবাহিকভাবে অন্য শহর ও পৌর এলাকাতেও তা ছড়িয়ে দেওয়া যাবে।</span></p>
<p><span>প্রশ্ন উঠেছে. ঢাকাতেই কেন রুফটপ সোলারে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। উত্তর হলো, ঢাকায় বিদ্যুতের ব্যবহার সবচেয়ে বেশি। দেশে উৎপাদিত বিদ্যুতের প্রায় ৩০ শতাংশ শুধু ঢাকাতেই ব্যবহার হয়। তাই ঢাকায় সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন বাড়াতে পারলে চাহিদা নিয়ন্ত্রণ করে সে বিদ্যুৎ ঢাকার বাইরে বিশেষত গ্রামাঞ্চলে সরবরাহ বাড়ানো যাবে। তবে সৌরবিদ্যুতের ব্যাপক বিস্তারে জমি একটি বড় চ্যালেঞ্জ। ঢাকার মতো বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল শহরে এটি আরও বেশি চ্যালেঞ্জের বিষয়।</span></p>
<p><span>যদিও সরকার চাইলেই কিছু স্থাপনাকে এ কাজে ব্যবহার করতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে বড় তিনটি বাস টার্মিনাল (সায়েদাবাদ, মহাখালী ও গাবতলী)। এছাড়া রয়েছে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন। এসব টার্মিনাল ও স্টেশনের ছাদ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের কাজে ব্যবহার করা যেতে পারে। সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের (পিপিপি) ভিত্তিতে এসব স্থাপনার ছাদে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন করা হলে তা সরকারের আয়ের একটি উৎসও হতে পারে।</span></p>
<p><span>ব্যক্তি পর্যায়ে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনে শুধু নীতিমালা করলেই চলবে না। দরকার সরকারের নীতি সহায়তা তথা আর্থিক সহায়তা। এ জন্য সরকার চাইলে সোলার কার্ড প্রচলন করতে পারে। সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের পুরো খরচ একবারে ব্যক্তি খাতে বহন করতে হলে যে বিনিয়োগ দরকার তার পুরোটা অনেকের পক্ষে করা সম্ভব না। তাই এক্ষেত্রে অর্ধেক অর্থ সরকার দুই থেকে তিন বছরের জন্য ঋণ হিসেবে দিতে পারে সোলার কার্ডধারীদের।</span></p>
<p><span>সোলার কার্ড প্রচলনের জন্য সরকার একটি মডেল স্থাপন করতে পারে। মডেলটি হতে পারে, রুফটপ সোলার স্থাপনে মোট মূল্যের অর্ধেক গ্রাহক সরাসরি পরিশোধ করল। বাকি অর্ধেক সরকার ঋণ হিসেবে দেবে, যা গ্রাহক দুই থেকে তিন বছরে পরিশোধ করে দেবে। বিনা সুদে এ ঋণটা সরকার দিতে পারে, যা সোলার কার্ডধারীরা পাবেন। এসব সোলার কার্ড দেওয়ার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সোলার প্যানেল, ব্যাটারি ইত্যাদি জামানত হিসেবে বিবেচিত হবে। সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের ফলে গ্রাহকের যে বিদ্যুৎ সাশ্রয় হবে তা দিয়েই সে মাসিক কিস্তিতে সরকারের ঋণ পরিশোধ করে দেবে।</span></p>
<p><span>একইভাবে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল এবং আবাসিক ও বাণিজ্যিক ভবন মালিকদের ঋণ দিতে পারে সরকার সোলার কার্ডের আওতায়। এছাড়া মসজিদসহ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ছাদে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের ক্ষেত্রে সরকার কিছুটা ভর্তুকিও দিতে পারে। এভাবে উদ্যোগ নিলে আগামী পাঁচ বছরে ঢাকাসহ সারা দেশে ব্যক্তি পর্যায়ে সৌরবিদ্যুৎ ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে দেওয়া সম্ভব হবে।</span></p>
<hr>
<p><span><strong>লেখকঃ</strong> সম্পাদক, দৈনিক জাতীয় অর্থনীতি</span></p>
<hr>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>চ্যাটজিপিটি থেকে নোটবুকএলএম, হাতে&#45;কলমে এআই শিখলেন ৬০০ সাংবাদিক</title>
<link>https://digibanglatech.news/175830</link>
<guid>https://digibanglatech.news/175830</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p&gt;ডিআরইউ’র সাত দিনের কর্মশালায় গুরুত্ব পেল ফ্যাক্ট-চেকিং, ডিপফেইক শনাক্তকরণ ও এআই টুল ব্যবহারের প্রশিক্ষণ&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202605/image_870x580_69fe2889557ec.jpg" length="100326" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 08 May 2026 20:17:03 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>গুজব, অপতথ্য ও ডিপফেইকের এই সময়ে সাংবাদিকদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও ফ্যাক্ট-চেকিং বিষয়ে দক্ষ হওয়া অত্যন্ত জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন। তিনি বলেন, শুধু সংবাদ সংগ্রহ নয়, তথ্য যাচাইয়ের সক্ষমতাও এখন সাংবাদিকতার গুরুত্বপূর্ণ অংশ।</p>
<p>৮ মে, শুক্রবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি আয়োজিত সাত দিনব্যাপী “AI-Powered Journalism: Opportunities, Risks and Digital Security” শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।</p>
<p>রাজধানীর শফিকুল কবির মিলনায়তন-এ আয়োজিত এই কর্মশালায় বিভিন্ন ব্যাচে মোট ৬০০ সাংবাদিক অংশ নেন। আয়োজন করে ডিআরইউ, সহযোগিতায় ছিল <a href="https://xyzcloud.com.bd/" target="_blank" rel="noopener">XYZ Cloud Bangladesh</a> ও <a href="https://gamiphy.co/" target="_blank" rel="noopener">Gamiphy</a>।</p>
<p>সমাপনী দিনে অংশগ্রহণকারীদের মাঝে সনদ বিতরণ করেন শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিআরইউ সভাপতি আবু সালেহ আকন।</p>
<p>প্রধান অতিথির বক্তব্যে মিল্টন বলেন, “প্রযুক্তিনির্ভর এই সময়ে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার মাধ্যমেই সঠিক তথ্য মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব।” তিনি তথ্য বিকৃতি ও অপতথ্য প্রতিরোধে সাংবাদিকদের আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।</p>
<p>সভাপতির বক্তব্যে আবু সালেহ আকন বলেন, এআই ইতিবাচক ও নেতিবাচক—দুইভাবেই ব্যবহৃত হতে পারে। তাই সাংবাদিকদের দায়িত্ব হবে প্রযুক্তির সঠিক ও কল্যাণমূলক ব্যবহার নিশ্চিত করা।</p>
<p>ডিআরইউ সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল বলেন, “বর্তমান সাংবাদিকতায় এআই শুধু একটি প্রযুক্তি নয়, এটি কাজের গতি, নির্ভুলতা ও বিশ্লেষণক্ষমতা বাড়ানোর গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার।”</p>
<p>ডিআরইউ’র তথ্যপ্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাহমুদ সোহেল বলেন, সদস্যদের জন্য সময়োপযোগী ও আধুনিক প্রশিক্ষণের আয়োজন ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।</p>
<p>ভিডিও বার্তায় মশিউর রহমান বলেন, “ফেক নিউজ ও ভুয়া ভিডিওর এই সময়ে বিশ্বস্ত সাংবাদিকতার গুরুত্ব আরও বেড়েছে। তাই সাংবাদিকদের প্রযুক্তির সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে হবে।”</p>
<p>মাহফুজুর রহমান বলেন, এআই যুগে অপতথ্য ও ডিপফেইকের ঝুঁকি মোকাবিলায় সাংবাদিকদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জন অপরিহার্য।</p>
<p>অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ডিআরইউ’র সহ-সভাপতি মেহ্দী আজাদ মাসুম, অর্থ সম্পাদক নিয়াজ মাহমুদ সোহেল, সাংগঠনিক সম্পাদক এম এম জসিম, দপ্তর সম্পাদক রাশিম মোল্লা, নারী বিষয়ক সম্পাদক জান্নাতুল ফেরদৌস পান্না, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মিজান চৌধুরী, সাংস্কৃতিক সম্পাদক মনোয়ার হোসেন এবং কার্যনির্বাহী সদস্য আকতার হোসেন ও আল আমিন আজাদসহ অন্যান্য নেতারা।</p>
<p>সাত দিনের প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারীদের হাতে-কলমে শেখানো হয় ChatGPT, Gemini, Google AI Studio এবং NotebookLM-সহ বিভিন্ন আধুনিক এআই টুলের ব্যবহার।</p>
<p>প্রশিক্ষণে গুরুত্ব পায় কার্যকর প্রম্পটিং, ডেটা সাংবাদিকতা, তথ্য বিশ্লেষণ, অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় এআই-এর ব্যবহার, ডিজিটাল স্টোরিটেলিং, ফ্যাক্ট-চেকিং এবং ডিপফেইক শনাক্তকরণ। অংশগ্রহণকারীরা দীর্ঘ অডিও, ভিডিও ও পিডিএফ ফাইল থেকে দ্রুত তথ্য সংগ্রহ, গবেষণা, স্ক্রিপ্ট লেখা, অনুবাদ, শিরোনাম তৈরি ও তথ্য যাচাইয়ের বাস্তব অভিজ্ঞতাও অর্জন করেন।</p>
<p>সমাপনী অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ইমাম হাসান সোহেল।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এজেডআর/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>জলবায়ু ধর্মঘটে তরুণদের দাবি, নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে দ্রুত রোডম্যাপ ঘোষণা করতে হবে</title>
<link>https://digibanglatech.news/175832</link>
<guid>https://digibanglatech.news/175832</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202605/image_870x580_69fe33811e93f.jpg" length="130927" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 08 May 2026 20:03:56 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ঢাকায় অনুষ্ঠিত বৈশ্বিক জলবায়ু ধর্মঘটে অংশ নেওয়া তরুণ জলবায়ুকর্মীরা ২০৩০ সালের মধ্যে ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের সরকারি পরিকল্পনাকে স্বাগত জানিয়েছেন। তবে এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সুস্পষ্ট রোডম্যাপ ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। একই সঙ্গে খসড়া জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সেক্টর মহাপরিকল্পনায় (ইপিএসএমপি) নবায়নযোগ্য জ্বালানির অংশ বাড়ানো এবং ধাপে ধাপে জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমানোর আহ্বান জানিয়েছেন অংশগ্রহণকারীরা।</p>
<p>৮ মে, শুক্রবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাব-এর সামনে আয়োজিত কর্মসূচিতে এসব দাবি জানানো হয়। ইয়ুথনেট গ্লোবাল ও ইয়ুথ ফর এনডিসি-র উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে দুই শতাধিক তরুণ জলবায়ুকর্মী অংশ নেন।</p>
<p>ব্যানার, পোস্টার ও স্লোগানের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা তেল, গ্যাস ও কয়লা আমদানির আর্থিক চাপ এবং পরিবেশগত ক্ষতির বিষয়টি তুলে ধরেন। “ভুয়া সমাধান নয়, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নবায়নযোগ্য জ্বালানি চাই”—এমন স্লোগান দেন তাঁরা।</p>
<p>সমাবেশে ইয়ুথনেট গ্লোবালের নির্বাহী সমন্বয়কারী সোহানুর রহমান বলেন, “দ্রুত ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হবে। খসড়া ইপিএসএমপিতে নবায়নযোগ্য জ্বালানিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে।”</p>
<p>আমানউল্লাহ পরাগ বলেন, বৈশ্বিক অস্থিরতা ও ভূরাজনৈতিক সংকটের প্রভাব বাংলাদেশের অর্থনীতিতেও পড়ছে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানির ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার খরচও বাড়ছে। তিনি বলেন, “আমাদের আরও সাশ্রয়ী জ্বালানি দরকার, আর সে জন্য এখনই নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে দ্রুত অগ্রসর হতে হবে।”</p>
<p>বক্তারা বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক সংকট ও বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের অস্থিরতার কারণে বাংলাদেশকে উচ্চমূল্যে এলএনজি, তেল ও কয়লা আমদানি করতে হচ্ছে। এতে সরকারের ব্যয় বাড়ার পাশাপাশি অর্থনীতির ওপরও চাপ তৈরি হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে জ্বালানি ঘাটতির কারণে শিল্প উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন তাঁরা।</p>
<p>তরুণ জলবায়ুকর্মীরা স্মরণ করিয়ে দেন, সরকারি ভবনগুলোতে ডিসেম্বর ২০২৫ সালের মধ্যে ৩ হাজার ৩০০ মেগাওয়াট রুফটপ সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের পূর্বঘোষিত লক্ষ্য এখনো বাস্তবায়িত হয়নি।</p>
<p>তাঁরা আরও বলেন, সৌর সরঞ্জামের ওপর উচ্চ কর, বিনিয়োগে জটিলতা ও নীতিগত অনিশ্চয়তা নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই সৌর সরঞ্জামের ওপর কর কমানো, দ্রুত প্রকল্প অনুমোদন এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের দাবি জানান অংশগ্রহণকারীরা।</p>
<p>নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) সম্প্রসারণের সাম্প্রতিক সরকারি ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়ে তরুণেরা বলেন, শুধু নীতিগত ঘোষণা নয়, বাস্তবায়নেও কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন।</p>
<p>তরুণদের আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানিয়ে ইনস্টিটিউট ফর এনার্জি ইকোনমিকস অ্যান্ড ফাইন্যানসিয়াল অ্যানালাইসিস-এর লিড এনার্জি অ্যানালিস্ট শফিকুল আলম বলেন, “বাসযোগ্য পৃথিবী গড়তে নবায়নযোগ্য জ্বালানির বিকল্প নেই। সরকারের পরিকল্পনা ইতিবাচক হলেও তা বাস্তবায়নে সুস্পষ্ট কৌশল ও কার্যকর পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা থাকতে হবে।”</p>
<p>ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশ-এর সমন্বয়ক শরীফ জামিল বলেন, “বর্তমান বৈশ্বিক বাস্তবতায় নবায়নযোগ্য জ্বালানির উন্নয়ন এখন দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা ও স্বাধীনতার প্রশ্নে পরিণত হয়েছে।”</p>
<p>আয়োজকেরা জানান, একই সময়ে দেশের ৫০টি জেলায়ও অনুরূপ জলবায়ু ধর্মঘট কর্মসূচি পালিত হয়েছে, যেখানে স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/ওয়াইএনজি/এমইউআইএম</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>মা দিবসে টগুমগু অ্যাপে অফলাইনে দুই দিনের উৎসব</title>
<link>https://digibanglatech.news/175808</link>
<guid>https://digibanglatech.news/175808</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p&gt;&lt;span style=&quot;color: rgb(230, 126, 35);&quot;&gt;&lt;strong&gt;পাপেট শো, প্যারেন্টিং সেশন ও সাংস্কৃতিক আয়োজনে মুখর টগুমগু প্যারেন্টিং হাব&lt;/strong&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202605/image_870x580_69fdda4814d2f.jpg" length="112455" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 08 May 2026 15:43:09 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-start="168" data-end="414">মা দিবস উপলক্ষে রাজধানীতে শুরু হয়েছে দেশের প্রথম প্যারেন্টিং অ্যাপ <span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">টগুমগু</span></span>-এর দুই দিনব্যাপী বিশেষ আয়োজন। উত্তরার সেক্টর ১২-এর সোনারগাঁও জনপথ সড়কে অবস্থিত <span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">টগুমগু প্যারেন্টিং হাব</span></span>-এ অনুষ্ঠিত হচ্ছে এ উৎসব।</p>
<p data-start="416" data-end="657">পরিবারকেন্দ্রিক এ আয়োজনে শিশু ও অভিভাবকদের জন্য রাখা হয়েছে নানা ধরনের বিনোদন ও শিক্ষামূলক কার্যক্রম। দিনব্যাপী অনুষ্ঠানে রয়েছে পাপেট শো, ম্যাজিক পারফরম্যান্স, ইন্টারঅ্যাকটিভ স্টেজ গেম, ক্রাফটিং সেশন এবং শিশুদের অংশগ্রহণে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা।</p>
<p data-start="659" data-end="845">এ ছাড়া শিশুদের প্রাথমিক বিকাশ ও ইতিবাচক প্যারেন্টিং নিয়ে বিশেষজ্ঞদের অংশগ্রহণে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। এসব সেশনে অভিভাবকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর ও প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।</p>
<p data-start="847" data-end="974">আয়োজনে অংশ নেওয়া অভিভাবকেরা জানান, এ ধরনের উদ্যোগ শিশুদের আনন্দ দেওয়ার পাশাপাশি পরিবার নিয়ে একসঙ্গে সময় কাটানোর সুযোগ তৈরি করে।</p>
<p data-start="976" data-end="1173">টগুমগুর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা <span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">ড. নাজমুল আরেফিন</span></span> বলেন, “সন্তানদের লালন-পালনে মায়েদের অবদান অপরিসীম। তাঁদের ত্যাগ ও ভালোবাসাকে সম্মান জানাতেই মা দিবস উপলক্ষে আমাদের এই আয়োজন।”</p>
<p data-start="1175" data-end="1335">তিনি আরও বলেন, এ ধরনের আয়োজন শহুরে জীবনে ইতিবাচক প্যারেন্টিং চর্চা বাড়াতে সহায়তা করবে এবং পরিবারে পারস্পরিক সম্পর্ক ও কমিউনিটি এনগেজমেন্ট বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে।</p>
<p data-start="1337" data-end="1473">দুই দিনের এ উৎসব আগামীকালও চলবে। অনুষ্ঠানটি সবার জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছে এবং পরিবারসহ অংশগ্রহণের জন্য সবাইকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে আয়োজকরা।</p>
<p data-start="1337" data-end="1473"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এনএ/এমআই</strong></span></em></p>
<p data-start="1337" data-end="1473"></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>সীমান্তে জামায়াত&#45;বিজেপির একতরফা জয়ের ভাইরাল ম্যাপ বিভ্রান্তিকর: বাংলাফ্যাক্ট</title>
<link>https://digibanglatech.news/175797</link>
<guid>https://digibanglatech.news/175797</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202605/image_870x580_69fcd4bb21002.jpg" length="86761" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 07 May 2026 21:07:09 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<section class="text-token-text-primary w-full focus:outline-none [--shadow-height:45px] has-data-writing-block:pointer-events-none has-data-writing-block:-mt-(--shadow-height) has-data-writing-block:pt-(--shadow-height) [&amp;:has([data-writing-block])&gt;*]:pointer-events-auto [content-visibility:auto] supports-[content-visibility:auto]:[contain-intrinsic-size:auto_100lvh] R6Vx5W_threadScrollVars scroll-mb-[calc(var(--scroll-root-safe-area-inset-bottom,0px)+var(--thread-response-height))] scroll-mt-[calc(var(--header-height)+min(200px,max(70px,20svh)))]" dir="auto" data-turn-id="request-69a71ba7-a36c-8321-bf42-ebc48c50f073-4" data-testid="conversation-turn-132" data-scroll-anchor="false" data-turn="assistant">
<div class="text-base my-auto mx-auto pb-10 [--thread-content-margin:var(--thread-content-margin-xs,calc(var(--spacing)*4))] @w-sm/main:[--thread-content-margin:var(--thread-content-margin-sm,calc(var(--spacing)*6))] @w-lg/main:[--thread-content-margin:var(--thread-content-margin-lg,calc(var(--spacing)*16))] px-(--thread-content-margin)">
<div class="[--thread-content-max-width:40rem] @w-lg/main:[--thread-content-max-width:48rem] mx-auto max-w-(--thread-content-max-width) flex-1 group/turn-messages focus-visible:outline-hidden relative flex w-full min-w-0 flex-col agent-turn">
<div class="flex max-w-full flex-col gap-4 grow">
<div data-message-author-role="assistant" data-message-id="b7883d34-4d69-4436-982e-944e59112d5c" data-turn-start-message="true" dir="auto" data-message-model-slug="gpt-5-5" class="min-h-8 text-message relative flex w-full flex-col items-end gap-2 text-start break-words whitespace-normal outline-none keyboard-focused:focus-ring [.text-message+&amp;]:mt-1" tabindex="0">
<div class="flex w-full flex-col gap-1 empty:hidden">
<div class="markdown prose dark:prose-invert wrap-break-word w-full dark markdown-new-styling">
<p data-start="81" data-end="376">বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে জামায়াত ও বিজেপির একতরফা জয়ের দাবি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ম্যাপকে বিভ্রান্তিকর ও তথ্যবিকৃত বলে শনাক্ত করেছে <span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ</span></span>-এর ফ্যাক্টচেক ও মিডিয়া রিসার্চ টিম <span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">বাংলাফ্যাক্ট</span></span>।</p>
<p data-start="378" data-end="717">বাংলাফ্যাক্ট জানিয়েছে, গেরুয়া ও সবুজ রঙে তৈরি ভাইরাল ম্যাপটিতে কাল্পনিক সীমান্তচিত্র ও ভুল নির্বাচনী তথ্য ব্যবহার করা হয়েছে। এতে দাবি করা হয়, ২০২৬ সালের নির্বাচনে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে জামায়াত এবং পশ্চিমবঙ্গের সীমান্ত জেলাগুলোতে বিজেপি জয়লাভ করেছে। তবে অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ম্যাপটির তথ্য বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।</p>
<p data-start="719" data-end="1014">ফ্যাক্টচেক টিম জানায়, ম্যাপটিতে বাংলাদেশের ১৯টি জেলাকে সীমান্তবর্তী জেলা হিসেবে দেখিয়ে সব জেলায় জামায়াতের বিজয়ের দাবি করা হয়েছে। অথচ বাস্তবে পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর, লালমনিরহাট ও নাটোর জেলায় জামায়াত কোনো আসনেই জয় পায়নি। এছাড়া নওগাঁ, রাজশাহী ও সিরাজগঞ্জ জেলায় বিএনপি অধিকাংশ আসনে জয়ী হয়েছে।</p>
<p data-start="1016" data-end="1274">বাংলাফ্যাক্ট আরও উল্লেখ করে, উল্লিখিত ১৯ জেলার মধ্যে মাত্র চারটিতে জামায়াত সব আসনে জয়ী হয়েছে। পাশাপাশি ম্যাপটিতে সীমান্তবর্তী জেলাগুলোকে বিশেষভাবে চিহ্নিত করে রাজনৈতিকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল হিসেবে উপস্থাপনের চেষ্টা করা হয়েছে, যা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও আপত্তিকর।</p>
<p data-start="1276" data-end="1476">মানচিত্রগত দিক থেকেও ম্যাপটিকে ভুল বলে উল্লেখ করেছে প্রতিষ্ঠানটি। কারণ এতে গাইবান্ধা, নাটোর, পাবনা ও সিরাজগঞ্জকে সীমান্তবর্তী জেলা হিসেবে দেখানো হয়েছে, যদিও এসব জেলা দেশের অভ্যন্তরীণ অঞ্চলে অবস্থিত।</p>
<p data-start="1478" data-end="1748">পশ্চিমবঙ্গ সম্পর্কেও ম্যাপটিতে বিভ্রান্তিকর তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাফ্যাক্ট। সেখানে ১১টি জেলার কথা উল্লেখ করা হলেও কেবল দার্জিলিং ও জলপাইগুড়িতে বিজেপির পূর্ণ বিজয় দেখা যায়। অন্য জেলাগুলোতে তৃণমূল কংগ্রেসসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলও একাধিক আসনে জয় পেয়েছে।</p>
<p data-start="1750" data-end="2066">ফ্যাক্টচেকিং সংশ্লিষ্টদের মতে, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পর দেশ-বিদেশ থেকে পরিচালিত বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্ট ও কিছু ফেসবুক পেজ থেকে বাংলাদেশকে ঘিরে ভুয়া তথ্য ও বিভ্রান্তিকর প্রচারণা বেড়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে বিএনপি ও নবনির্বাচিত সরকারকে ঘিরেও নানা ধরনের গুজব ও অপতথ্য ছড়ানোর অপচেষ্টা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।</p>
<p data-start="2068" data-end="2298" data-is-last-node="" data-is-only-node=""><span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">বাংলাফ্যাক্ট</span></span> জানিয়েছে, তারা নিয়মিতভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভুল, বিভ্রান্তিকর ও মিথ্যা তথ্য যাচাই করে সঠিক তথ্য তুলে ধরছে। একই সঙ্গে গণমাধ্যম বিশ্লেষণ ও গবেষণার কাজও চালিয়ে যাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।</p>
<p data-start="2068" data-end="2298" data-is-last-node="" data-is-only-node=""><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/বিএফ/এমইউএম</strong></span></em></p>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div class="z-0 flex min-h-[46px] justify-start"></div>
<div class="mt-3 w-full empty:hidden">
<div class="text-center"></div>
</div>
</div>
</div>
</section>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটিতে দুই দিনব্যাপী জব ফেয়ার অনুষ্ঠিত</title>
<link>https://digibanglatech.news/175798</link>
<guid>https://digibanglatech.news/175798</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202605/image_870x580_69fcd81776dcd.jpg" length="95425" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 07 May 2026 19:21:53 +0600</pubDate>
<dc:creator>ক্যাম্পাস করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<section class="text-token-text-primary w-full focus:outline-none [--shadow-height:45px] has-data-writing-block:pointer-events-none has-data-writing-block:-mt-(--shadow-height) has-data-writing-block:pt-(--shadow-height) [&amp;:has([data-writing-block])&gt;*]:pointer-events-auto [content-visibility:auto] supports-[content-visibility:auto]:[contain-intrinsic-size:auto_100lvh] R6Vx5W_threadScrollVars scroll-mb-[calc(var(--scroll-root-safe-area-inset-bottom,0px)+var(--thread-response-height))] scroll-mt-[calc(var(--header-height)+min(200px,max(70px,20svh)))]" dir="auto" data-turn-id="request-69a71ba7-a36c-8321-bf42-ebc48c50f073-5" data-testid="conversation-turn-134" data-scroll-anchor="false" data-turn="assistant">
<div class="text-base my-auto mx-auto pb-10 [--thread-content-margin:var(--thread-content-margin-xs,calc(var(--spacing)*4))] @w-sm/main:[--thread-content-margin:var(--thread-content-margin-sm,calc(var(--spacing)*6))] @w-lg/main:[--thread-content-margin:var(--thread-content-margin-lg,calc(var(--spacing)*16))] px-(--thread-content-margin)">
<div class="[--thread-content-max-width:40rem] @w-lg/main:[--thread-content-max-width:48rem] mx-auto max-w-(--thread-content-max-width) flex-1 group/turn-messages focus-visible:outline-hidden relative flex w-full min-w-0 flex-col agent-turn">
<div class="flex max-w-full flex-col gap-4 grow">
<div data-message-author-role="assistant" data-message-id="56b66255-397b-40c5-b168-61dde2a5ddf8" data-turn-start-message="true" dir="auto" data-message-model-slug="gpt-5-5" class="min-h-8 text-message relative flex w-full flex-col items-end gap-2 text-start break-words whitespace-normal outline-none keyboard-focused:focus-ring [.text-message+&amp;]:mt-1" tabindex="0">
<div class="flex w-full flex-col gap-1 empty:hidden">
<div class="markdown prose dark:prose-invert wrap-break-word w-full dark markdown-new-styling">
<p data-start="61" data-end="361">দেশের তরুণদের কর্মসংস্থান ও কর্পোরেট সংযোগ জোরদারে <span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটিতে অনুষ্ঠিত হলো</span></span> দুই দিনব্যাপী ‘জব ফেয়ার ২০২৬’। এই মেলায় ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, টেলিকম, তথ্যপ্রযুক্তি, ওষুধ, অটোমোবাইল ও হাসপাতালসহ বিভিন্ন খাতের ৫৫টি দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়।</p>
<p data-start="363" data-end="672">সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে <span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি</span></span> বলেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় শুধু উচ্চশিক্ষার কেন্দ্র নয়, বরং জ্ঞান সঞ্চালনের মাধ্যমে সমাজে ঐক্য ও সচেতনতা গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও বড় ভূমিকা রাখে।</p>
<p data-start="674" data-end="953">তিনি আরও বলেন, দেশের উন্নয়ন কেবল সরকারের একার দায়িত্ব নয়; সমাজের সব প্রতিষ্ঠানকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। অতীত সরকারের সময়ের অনিয়ম ও অর্থ পাচারের প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি দাবি করেন, বিপুল অর্থ বিদেশে পাচার হওয়ায় দেশের বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।</p>
<p data-start="955" data-end="1114">অনুষ্ঠানে তিনি জুলাই আন্দোলনের অংশগ্রহণকারীদের স্মরণ করেন এবং বিশেষভাবে <span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটি</span></span>-এর চারজন জুলাই যোদ্ধার অবদানের কথা উল্লেখ করেন।</p>
<p data-start="1116" data-end="1569">সমাপনী অধিবেশন শুরু হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য <span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">ড. এম মোফাজ্জল হোসেন</span></span>-এর সূচনা বক্তব্যের মাধ্যমে। অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন <span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন</span></span>-এর সদস্য <span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">ড. আনোয়ার হোসেন</span></span>। বিশেষ অতিথি ছিলেন <span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">বিশ্বব্যাংক</span></span>-এর সিনিয়র এডুকেশন স্পেশালিস্ট <span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">টিএম আসাদুজ্জামান</span></span>। সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য <span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">ড. ইউসুফ মাহবুবুল ইসলাম</span></span>।</p>
<p data-start="1571" data-end="1730">এসময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার <span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">মেজর জেনারেল (অব.) আনোয়ারুল ইসলাম</span></span>, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক, অ্যালামনাই ও শিক্ষার্থীরা।</p>
<p data-start="1732" data-end="2104" data-is-last-node="" data-is-only-node="">দুই দিনব্যাপী এই জব ফেয়ারে অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো শিক্ষার্থীদের সিভি সংগ্রহ, প্রাথমিক সাক্ষাৎকার গ্রহণ এবং যোগ্য প্রার্থীদের নিয়োগের সুযোগ তৈরি করে। পাশাপাশি আয়োজনে দুটি সেমিনার ও বিশেষ সেশন অনুষ্ঠিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এ আয়োজন শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানের কার্যকর সংযোগ স্থাপন এবং ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের প্রস্তুতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।</p>
<p data-start="1732" data-end="2104" data-is-last-node="" data-is-only-node=""><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/এএস/ইকে</strong></em></span></p>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div class="z-0 flex min-h-[46px] justify-start"></div>
<div class="mt-3 w-full empty:hidden">
<div class="text-center"></div>
</div>
</div>
</div>
</section>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>সফটওয়্যার আর্কিটেকচার ল্যাব গবেষণার কেন্দ্র হবে: উপাচার্য</title>
<link>https://digibanglatech.news/175745</link>
<guid>https://digibanglatech.news/175745</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202605/image_870x580_69fb87360ac39.jpg" length="125371" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 06 May 2026 13:24:26 +0600</pubDate>
<dc:creator>ক্যাম্পাস করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<section class="text-token-text-primary w-full focus:outline-none [--shadow-height:45px] has-data-writing-block:pointer-events-none has-data-writing-block:-mt-(--shadow-height) has-data-writing-block:pt-(--shadow-height) [&amp;:has([data-writing-block])&gt;*]:pointer-events-auto [content-visibility:auto] supports-[content-visibility:auto]:[contain-intrinsic-size:auto_100lvh] R6Vx5W_threadScrollVars scroll-mb-[calc(var(--scroll-root-safe-area-inset-bottom,0px)+var(--thread-response-height))] scroll-mt-[calc(var(--header-height)+min(200px,max(70px,20svh)))]" dir="auto" data-turn-id="request-69a16fc7-5940-8323-b51a-46df5098d0de-11" data-testid="conversation-turn-12" data-scroll-anchor="false" data-turn="assistant">
<div class="text-base my-auto mx-auto pb-10 [--thread-content-margin:var(--thread-content-margin-xs,calc(var(--spacing)*4))] @w-sm/main:[--thread-content-margin:var(--thread-content-margin-sm,calc(var(--spacing)*6))] @w-lg/main:[--thread-content-margin:var(--thread-content-margin-lg,calc(var(--spacing)*16))] px-(--thread-content-margin)">
<div class="[--thread-content-max-width:40rem] @w-lg/main:[--thread-content-max-width:48rem] mx-auto max-w-(--thread-content-max-width) flex-1 group/turn-messages focus-visible:outline-hidden relative flex w-full min-w-0 flex-col agent-turn">
<div class="flex max-w-full flex-col gap-4 grow">
<div data-message-author-role="assistant" data-message-id="4e80ea7e-aea7-49ac-b13c-678dc5b19b14" dir="auto" data-message-model-slug="gpt-5-3" class="min-h-8 text-message relative flex w-full flex-col items-end gap-2 text-start break-words whitespace-normal outline-none keyboard-focused:focus-ring [.text-message+&amp;]:mt-1" data-turn-start-message="true" tabindex="0">
<div class="flex w-full flex-col gap-1 empty:hidden">
<div class="markdown prose dark:prose-invert w-full wrap-break-word light markdown-new-styling">
<p data-start="74" data-end="385">প্রযুক্তিনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে হাতে-কলমে শিক্ষা ও গবেষণামুখী কার্যক্রম জোরদারে <span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">ইউনিভার্সিটি অব ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজি, বাংলাদেশ</span></span>-এর সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে প্রতিষ্ঠিত “সফটওয়্যার আর্কিটেকচার অ্যান্ড সিস্টেম ডিজাইন ল্যাব” গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন উপাচার্য <span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">ড. মোহাম্মদ আবু ইউসুফ</span></span>।</p>
<p data-start="387" data-end="516">৬ মে, বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন-২-এ ফিতা কাটা ও ফলক উন্মোচনের মাধ্যমে অত্যাধুনিক এ ল্যাবটির উদ্বোধন করা হয়।</p>
<p data-start="518" data-end="765">প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য বলেন, আধুনিক সুযোগ-সুবিধা শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী কাজে উদ্বুদ্ধ করবে। উন্নত সফটওয়্যার ডিজাইন ও সিস্টেম আর্কিটেকচারের জটিল বিষয়গুলো এখন শিক্ষার্থীরা হাতে-কলমে শিখতে পারবে, যা বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে সহায়ক হবে।</p>
<p data-start="767" data-end="1066">অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ট্রেজারার <span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">ড. মো. আনোয়ার হোসেন</span></span>। সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) <span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">মো. মাহমুদুল হাসান</span></span>-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন <span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">মো. মশিউর রহমান</span></span>। সঞ্চালনা করেন <span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">মো. আহসান হাবীব</span></span>।</p>
<p data-start="1068" data-end="1187">বক্তারা ল্যাব প্রতিষ্ঠায় সংশ্লিষ্টদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, এর মাধ্যমে শিক্ষা ও গবেষণার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।</p>
<p data-start="1189" data-end="1386" data-is-last-node="" data-is-only-node="">অনুষ্ঠানের শুরুতে ধর্মগ্রন্থ পাঠ ও জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। আলোচনা শেষে দোয়া মাহফিল ও কেক কাটার মধ্য দিয়ে আয়োজনের সমাপ্তি ঘটে। এতে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p data-start="1189" data-end="1386" data-is-last-node="" data-is-only-node=""><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এসএইচআই/ইকে</strong></span></em></p>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div class="mt-3 w-full empty:hidden">
<div class="text-center"></div>
</div>
</div>
</div>
</section>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বুটেক্সে  প্রাইম  ব্যাংকের ‘এমপাওয়ারিং ইয়ুথ’  বিষয়ক  সেমিনার  অনুষ্ঠিত</title>
<link>https://digibanglatech.news/175684</link>
<guid>https://digibanglatech.news/175684</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202605/image_870x580_69fc40094eff9.jpg" length="126016" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 04 May 2026 12:26:23 +0600</pubDate>
<dc:creator>ক্যাম্পাস করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব টেক্সটাইলে (বুটেক্স) অনুষ্ঠিত হলো  “ফাইন্যান্সিয়াল ইনক্লুশন: এনগেজিং অ্যান্ড ইনস্পায়ারিং ইয়ুথ ইন ব্যাংকিং” শীর্ষক একটি সেমিনার। প্রাইম ব্যাংক পিএলসি’র ফ্ল্যাগশিপ উদ্যোগ প্রাইম একাডেমিয়ার আওতায় এবং ইউনিভার্সিটির ‘ক‍্যারিয়ার ক্লাব’-এর সহযোগিতায় বুটেক্স ক্যাম্পানে এই সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়।</p>
<p>অনুষ্ঠানে প্রাইম ব্যাংক পিএলসি’র ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও চিফ ইনফরমেশন অফিসার সৈয়দ সাজ্জাদ হায়দার চৌধুরী মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। তিনি তার বক্তব্যে তরুণদের ক্যারিয়ার গঠন, গুরুত্বপূর্ণ পরিস্থিতিতে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং ইন্ডাস্ট্রি-সংশ্লিষ্ট দক্ষতা অর্জনের গুরুত্ব তুলে ধরেন।</p>
<p>ব্যাংকের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও হেড অব লায়‍্যাবিলিটি অ্যান্ড উইমেন ব্যাংকিং শায়লা আবেদীন নৈতিক নেতৃত্ব, পরিস্থিতি বুঝে সচেতন সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং ভবিষ্যৎ কর্মক্ষেত্রে নারীর ক্রমবর্ধমান ভূমিকা নিয়ে আলোকপাত করেন। সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ও হেড অব ফাইন্যান্সিয়াল ইনক্লুশন অ্যান্ড স্কুল ব্যাংকিং এম এম মাহবুব হাসান তরুণদের জন্য আর্থিক সাক্ষরতা ও অর্থ ব্যবস্থাপনাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে উল্লেখ করেন। পাশাপাশি তিনি প্রাইম ব্যাংকের গত ৩১ বছরের পথচলায় অর্জিত সাফল্য ও উদ্ভাবনী উদ্যোগসমূহ উপস্থাপন করেন।</p>
<p>অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বুটেক্সের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. জুলহাস উদ্দিন, যিনি ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া সহযোগিতা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। উদ্বোধনী বক্তব্য প্রদান করেন বুটেক্সের ছাত্রকল্যাণ পরিচালক প্রফেসর ড. মো. মশিউর রহমান।</p>
<p>এই সেমিনারের মাধ্যমে প্রাইম ব্যাংক প্রাইমএকাডেমিয়ার মাধ্যমে তরুণদের আর্থিক ক্ষমতায়ন এবং আর্থিক অন্তর্ভুক্তি সম্প্রসারণে তার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে, যেখানে একাডেমিয়া ও বাস্তবমুখী ব্যাংকিং সেবার মধ্যে একটি কার্যকর সংযোগ স্থাপন করা হচ্ছে।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এসএনএইচ/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের কারণে লালন শাহ সেতু সেতু স্থানান্তরের খবর গুজব</title>
<link>https://digibanglatech.news/175663</link>
<guid>https://digibanglatech.news/175663</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news" length="4096" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 03 May 2026 23:46:27 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>‘রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের কারণে স্থানান্তর করা হচ্ছে লালন শাহ সেতু’। সোশ্যাল হ্যান্ডেলে ছড়িয়ে পড়া এই খবরটি সত্য নয় বলে নিশ্চিত করেছে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর (সওজ)।</p>
<p>খবরটি গুজব উল্লেখ করে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে,  লালন শাহ সেতু তো সরছেই না, বরং ওই এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে নতুন নতুন প্রকল্প হাতে নেওয়া হচ্ছে।</p>
<p>সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর জানায়, লালন শাহ সেতু যেখানে আছে সেখানেই থাকবে। সেতুটি সরানো হচ্ছে বলে যে কথা প্রচার হয়েছে তা গুজব, এমন কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়নি। তবে রূপপুরের পাশের সড়ক ছয় লেনে উন্নীত করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। ঝিনাইদহ থেকে রূপপুর-ঈশ্বরদী-নাটোর-বনপাড়া হয়ে সিরাজগঞ্জের হাটিকুমরুল পর্যন্ত দীর্ঘ ছয় লেনের সড়ক নির্মাণ করা হবে। </p>
<p>তবে এই সড়ক নির্মাণকাজ একেবারে প্রাথমিক ধাপে রয়েছে। সড়কের ব্যয় ও অর্থ সংস্থানের বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত হয়নি।</p>
<p>সওজ বলছে, লালন শাহ সেতুর দৈর্ঘ্য ১ দশমিক ৮ কিলোমিটার এবং প্রস্থ ১৮ দশমিক ১০ মিটার। চীনের প্রতিষ্ঠান মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং ব্যুরো সেতুটি নির্মাণ করে। এতে স্প্যান রয়েছে ১৭টি। ২০০৪ সালের ১৮ মে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া সেতুটি যান চলাচলের জন্য উদ্বোধন করেন। সেতুটি চার লেন বিশিষ্ট। এর পূর্বপাশে অবস্থিত (পাকশী, ঈশ্বরদী‌, পাবনা) এবং পশ্চিম পাশে ভেড়ামারা, কুষ্টিয়া। সেতুটি নির্মাণের ফলে কুষ্টিয়া, মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ জেলার বাসিন্দাদের যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হয়েছে। সেতুটি রেখেই ঝিনাইদহকে ঢাকার সঙ্গে ছয় লেনে যুক্ত করা হবে।<br><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/বিবিএস/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বিএসটিআই’র নতুন মহাপরিচালক কাজী ইমদাদুল হক</title>
<link>https://digibanglatech.news/175648</link>
<guid>https://digibanglatech.news/175648</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news" length="4096" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 03 May 2026 11:39:24 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="2">বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)-এর মহাপরিচালক হিসেবে যোগদান করেছেন সচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তা কাজী ইমদাদুল হক। চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেয়ে ৩ মে, রবিবার এ পদে যোগ দেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সদ্য অবসরপ্রাপ্ত এই কর কমিশনার। দেশের রাজস্ব প্রশাসন, গবেষণা ও সাহিত্য অঙ্গনে তিনি সুপরিচিত ব্যক্তিত্ব।</p>
<p data-path-to-node="3">বিসিএস (কর) ক্যাডারের ৭ম ব্যাচের জ্যেষ্ঠ এই কর্মকর্তা তাঁর তিন দশকের দীর্ঘ কর্মজীবনে ট্যাক্সেস আপিলেট ট্রাইব্যুনালের প্রেসিডেন্ট এবং এনবিআরের কর কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯৮৮ সালে সিভিল সার্ভিসে যোগদানের পর থেকে তিনি লার্জ ট্যাক্সপেয়ারস ইউনিট (LTU)-সহ প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে মেধার স্বাক্ষর রেখেছেন। এছাড়া আন্তর্জাতিক করনীতি এবং দ্বৈত কর পরিহার চুক্তি (DTAA) বিষয়ে বৈশ্বিক পরিসরে বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করেছেন তিনি। ২০০১ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত তিনি ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রীর একান্ত সচিব হিসেবেও সফলভাবে দায়িত্ব পালন করেন।</p>
<p data-path-to-node="4">শিক্ষাজীবনে কাজী ইমদাদুল হক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃত্তিকা, পানি ও পরিবেশ বিভাগ থেকে এম.এসসি-তে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অর্জন করেন। প্রশাসনিক দায়িত্বের পাশাপাশি তিনি একজন বিশিষ্ট গবেষক ও লেখক; বিশেষ করে তাঁর গবেষণাধর্মী গ্রন্থ ‘কালো টাকা’ (Black Money) ব্যাপক আলোচিত। কর সচেতনতা বৃদ্ধিতে টেলিভিশনে আয়কর বিষয়ক অনুষ্ঠান পরিচালনার পাশাপাশি নিয়মিত সাহিত্যচর্চার মাধ্যমে তিনি দেশের সিভিল সার্ভিস ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে অবদান রেখে চলেছেন।</p>
<p data-path-to-node="4"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/পিআর/এমইউএম</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ডিআরইউতে সাংবাদিকতায় ৭ দিনব্যাপী এআই প্রশিক্ষণ কর্মশালা উদ্বোধন করবেন তথ্যমন্ত্রী</title>
<link>https://digibanglatech.news/175622</link>
<guid>https://digibanglatech.news/175622</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202605/image_870x580_69f4c5fc4906b.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 01 May 2026 19:26:10 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>সাংবাদিকতায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)-এর ব্যবহার বাড়াতে প্রথমবারের মতো ৭ দিনব্যাপী একটি প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করেছে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ)।</p>
<p>এক্সওয়াইজেড ক্লাউড বাংলাদেশ ও গেমপ্লিফাই-এর সহযোগিতায় ডিআরইউর এর শফিকুল কবির মিলনায়তনে এ কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হবে।</p>
<p>২ মে, শনিবার দুপুর ২ টায় ‘AI-Powered Journalism: Opportunities, Risks and Digital Security’ শীর্ষক এই কর্মশালার উদ্বোধন করবেন বাংলাদেশ তথ্য মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। </p>
<p>১ মে, শুক্রবার এ তথ্য দিয়েছেন ডিআরইউ তথ্যপ্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাহমুদ সোহেল। তিনি জানান, আগামী ৮ মে পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৪টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত এ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হবে। প্রশিক্ষণে ৭ দিনে ৭টি ব্যাচ অংশ নেবে এবং প্রতি সদস্য শুধুমাত্র একদিন অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন। </p>
<p>জানাগেছে, দিনব্যাপী এই প্রশিক্ষণে সাংবাদিকতায় এআই-এর মৌলিক ধারণা থেকে শুরু করে এর বাস্তব প্রয়োগ শেখানো হবে। অংশগ্রহণকারীরা এআই টুল ব্যবহার করে দ্রুত ও নির্ভুলভাবে তথ্য সংগ্রহ, রিপোর্ট লেখা, সম্পাদনা ও আকর্ষণীয় শিরোনাম তৈরির কৌশল শিখবেন। পাশাপাশি ভুয়া তথ্য, অপতথ্য ও ডিপফেইক শনাক্ত করার পদ্ধতি, ছবি ও ভিডিও যাচাইয়ের কৌশল এবং ফ্যাক্ট-চেকিং টুল ব্যবহারের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। </p>
<p>এছাড়াও প্রশিক্ষণে এআই ব্যবহারের নৈতিকতা ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা বিষয়ে আলোচনা করা হবে এবং হাতে-কলমে প্র্যাকটিক্যাল সেশন ও লাইভ ডেমোর মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীদের বাস্তব দক্ষতা অর্জনে সহায়তা করা হবে।</p>
<p>সময়োপযোগী এই কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নিতে সদস্যদের আহ্বান জানিয়েছেন ডিআরইউ সভাপতি আবু সালেহ আকন ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল। এছাড়াও কর্মশালায় অংশগ্রহণের জন্য সদস্যদের ডে অফে সারা দিন অংশ নিতে ডিআরইউতে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/এসএ/ইকে</strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>পার্সোনাল ডেটা প্রটেকশন আইন: ঘরের শত্রু বিভীষণ</title>
<link>https://digibanglatech.news/176740</link>
<guid>https://digibanglatech.news/176740</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202508/image_870x580_68963a2344da1.jpg" length="129039" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 01 May 2026 12:10:38 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>সংশোধিত পার্সোনাল ডেটা প্রটেকশন আইন থেকে এমন ৫টা সুরক্ষা কৌশল তুলে দেয়া হয়েছে। এরগুলে হলো সিংক্রোনাইজ লোকাল ব্যাকআপ, ক্রিটিকাল ইনফরমেশন স্ট্র্যাকচার অ্যান্ড গভর্নেন্স রেস্টিক্টেড ডেটা, ডেটা ডিকশনারি, ব্রিচ হলে তা কত দিনের মধ্যে ফেরাতে হবে তার বিধান এবং সাইবার সিকিউরিটি প্রোটোকল। এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো বাদ দেয়ায় ভবিষ্যতে সরকার ও বিএনপিকে বিপদে ফেলবে। এসব বুঝে করা হয়েছে; নাকি না বুঝে, আল্লাহ্‌ই ভালো জানেন!  </p>
<p>রিফর্ম করতে হলে আপনাকে কোর পয়েন্টে এডামেন্ট থাকতে হবে এবং কোর পয়েন্ট জেনে সেখানে স্থির থাকতে হবে। দুনিয়া উল্টে গেলেও আপনাকে রিফর্মের কোর ইস্যুর পক্ষে অটল থাকতে হবে। আমরা শত আক্রমণ, অপপ্রচার, অপমান, অপদস্ত হয়েও কিছু কাজে ছাড় দেইনি। যা করার লক্ষ্য স্থির করেছি করে এসেছি। প্ল্যাটফর্ম গুলার সাথে কন্টিনিউয়াস ডিবেট করেছি। আমাদের চারটা আইন জাতীয় সংসদ গ্রহণ করেছে, সেটার জন্য ধন্যবাদ দিয়েছি সরকারসহ সবাইকে। তবে সরকারের একজন উপদেষ্টা পুর্বাপর আলোচনা, নেগোসিয়েশন, ডিবেটিং পয়েন্ট, কোন কোন পয়েন্টে সমঝতা হয়েছে - এগুলা না জেনে এবং দেশের ও দলের ভবিষ্যৎ না ভেবে আইনে এমন আপোষ করেছেন, যার দ্বারা তিনি বিএনপি এবং সরকারকে বিপদে ফেলার পথ তৈরি করেছেন। </p>
<p>ডাটা গভর্নেন্স (এনডিজি এক্ট) আর পার্সোনাল ডেটা প্রটেকশন আইন (পিডিপি এক্ট)'তে স্পষ্টভাবে যেকোনো জাতীয় পরিচয় পত্রের জালিয়াতির ঘটনাকে ক্রিমিনাল অফেন্স বিধান আর শাস্তির বিধান ছিলো। একটা প্ল্যাটফর্মের হাবিজাবি কথা শুনে সব জায়গা থেকে ক্রিমিনাল প্রভিশন তুলে দেওয়ায় এখন ফার্মার কার্ড ও  ফ্যামিলি কার্ড বিষয়ক জালিয়াতিকে সহজ করা হয়েছে। বিএনপি সরকার এটা নিয়ে ভবিষ্যতে সাফার করবে। কিন্তু সেভাবে আইনি সুরক্ষা পাবে না। বাংলাদেশের এনআইডি, জন্ম নিবন্ধন, ড্রাইভিং লাইসেন্স, পাসপোর্ট সহ সকল জালিয়াতির প্রেক্ষাপট থাকার স্বত্বেও উনার এই কাজ দেশের (এবং পার্টিরও) কী ক্ষতি করেছে ওটা নিজেও বোঝেন নাই সম্ভবত। </p>
<p>ব্যবসা সহজীকরণকে প্রমোট করতে শুধুমাত্র কোম্পানি কর্তৃক সংগঠিত অপরাধের বেলায় ক্রিমিনাল অফেন্স তুলে দিয়েছি। চাইল্ড ডেটা, সাইবার হ্যাকিং, ক্রিটিক্যাল ইনফ্রা হ্যাকিং ও ডেটা ব্রেচ, র‍্যানসম সংক্রান্ত অপরাধের ক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তিগত গোপিনীয় ও সংবেদনশীল ডেটার বেচা-বিক্রি, মিসইউজ, ব্ল্যাক্মেইলিং (ইন্ডিভিজুয়াল কিংবা বাল্ক) সহ সব কিছু থেকে ক্রিমিনাল ইন্টেনশন উঠিয়ে দিসে। অথচ প্রতিটি অপরাধ ক্রিমিনাল ইন্টেনশন থেকে হচ্ছে বাংলাদেশে। এখানে ডেটা ব্রেচ, প্রাইভেসি ব্রেচ, ফাইনান্সিয়াল স্ক্যামিং সহ সাইবার হামলা ও র‍্যান্সম এটাক জনিত পার্সোনাল ডেটা ব্রেচ, প্রাইভেসি ব্রেচ গুলার দেশীয় প্রেক্ষাপট বেমালুম বেআমল করা হয়েছে। অদ্ভুত।</p>
<p>আরেকটা উদাহরণ দেই, পার্সোনাল ডেটা প্রটেকশন আইনে (পিডিপি এক্ট)'র আরও কিছু গার্ড'রেল তুলে দিয়েছেন, না বুঝে। যেমন government restricted data, Critical Information Infastruture CII ডেটার ক্ষেত্রে সিনক্রোনাস লোকাল ব্যাকআপের বিষয় প্ল্যাটফর্মও মেনে নিসিলো। শুরুতে আমরা সব পার্সোনাল ডেটার সিঙ্ক্রোনাস লোকাল ব্যাকাপের কথা বলেছি। এটাকে ডি-ফ্যাক্টো লোকালাইজেশন বলে অপপ্রচার করা হয়েছে, অথচ পার্সোনাল ডেটার ফিল্ড গুলো মোট ডেটার ০,০০০০৫% বা তারও কম। যাইহোক, আমরা আইন সংশোধন করে বলেছি, government restricted data, Critical Information Infrastructure CII ডেটার ক্ষেত্রে সিনক্রোনাস লোকাল ব্যাপাক লাগবে, অন্যত্র লাগবে না।  </p>
<p>কারণ- কোনও কারণে ভেন্ডর স্যাংশনে পড়লে বা প্রাকৃতিক বা দৈব দুর্বিপাকে পড়ে ওই ডেটার রিমোট স্টোরেজে এক্সেস হারালে- এই ক্রিটিক্যাল সেক্টর গুলো প্যারালাইজ হবে। সেবা দেয়া বন্ধ হয়ে যাবে। কারণ- ফিনটেক, হেলথ টেক সহ বিভিন্ন ক্রিটিক্যাল সেক্টরের পার্সোনাল ডেটায় এক্সেস না পেলে আপনি সিটিজেন আইডেন্টিফাই করতে পারবেন না। দেশের বিশেষ কিছু খাত যেমন ফাইনান্স্যাল সেক্টরের আইডি ভেরিফিকেশন বা হেলথ সেক্টরের ভেরিফিকেশন ইত্যাদি বন্ধে পুরো সেক্টর নন ফাংশনাল হবে। সেবা বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এর সাথে প্ল্যাটফর্মের তেমন কোনো সম্পর্ক সেভাবে নাই। সম্পর্ক ভেন্ডোরের। সফটওয়ার ও হার্ডওয়ার ভেন্ডরের কথা মনে না রেখে, শুধু  সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের কথা শুনে সেটাও তুলে দেয়া হয়েছে। অথচ এটা প্ল্যাটফর্ম সরকারের রেস্ট্রিক্টেড ও সিআইআই ডেটার সিঙ্ক্রোনাস লোকাল ব্যাকআপ মেনে নিয়েছিলো আমাদের নেগসিয়েশনে।</p>
<p>অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট ছিল যে, আপনি পার্সনের সম্মতি এবং অথরিটির অবহিতকরণের পরে ডেটা বিদেশে নিতে পারবেন। কিন্তু আপনাকে ডেটা ডিকশিনারি জানাতে হবে। এটাও তুলে দেয়া হয়েছে। অথচ কয়েকদিন আগেই মধ্যপ্রাচ্যের ডেটা সেন্টারে হামলা হয়েছে। বাল্ক এমাউন্ট পার্সোনাল ডেটা স্টোরেজ ডেটা ডিকশনারি না জানলে, এসব ডেটা ভালনারেবল হলে তার টাইমলি রিকভারি সম্ভব না। এর বাইরে, প্রাকৃতিক দুর্যোগ আছে। বন্যা সুনামি, ভূমিকম্প, অগ্নিকান্ড ইত্যাদি তো আছেই। এটা কার স্বার্থে?</p>
<p>আরেকটা গার্ড রেল ছিল এরকম যে, লার্জ স্কেলের পার্সোনাল ডেটা দেশের বাইরে কোন কোম্পানি (ভেন্ডর বা সার্ভিস প্রভাইডার বা প্ল্যাটফর্ম) তার স্টোরেজের সিকিউরিটি স্টান্ডার্ড জানাতে হবে কর্তৃপক্ষকে। কারণ সব ভেন্ডরের সিকিউরিটি কমপ্লায়েন্স নাই। সবাই গুগল বা মেটা না। এখানে বিনিময়, পরিচয়, পাঠাও বা স্বপ্নের মতো কোম্পানি আছে যারা ডেটা  সিকিউরিটিতে বিনিয়োগ করে না। এটাও তুলে দেয়া হয়েছে! </p>
<p>অথচ বিষয়টি নিয়ে আইন যারা বানিয়েছে তাদেরকে জিজ্ঞেস করা যেত। আসলে নলেজ ড্রিভেন সোসাইটি আকাশ থেকে বাংলাদেশে পয়দা হবে না! সারা বিশ্বে বাল্ক ডেটা ব্রিচের ঘটনা ঘটলে, সাইবার হ্যাকিং এর পরে ডেটা গভর্নেন্স অথোরিটিকে বা সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগকে রিকভারি প্রসেস জানাতে হয়। আমরা এই বিধান রেখেছি, তাও তুলে দেয়া হয়েছে! আমরা ৯০ দিনের মধ্যে এসব হ্যাকিং এর ক্ষেত্রে পার্সোনাল ডেটা হস্তান্তর করার বিধান রেখেছি, সেটাও বাদ দেয়া হয়েছে। এসবের মানে কী? </p>
<p>কয়েকদিন আগে ইউরোপের একটা মোবাইল সার্ভিস প্রভাইডারের কয়েক মিলিয়ন কাস্টমারের পার্সোনাল ডেটা হ্যাক/লিক হয়ে গেছে। আদালতে মমলা হয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশ এসব ক্ষেত্রে সুরক্ষা চেয়ে প্রতিকার না পেলে আদালতে যেতে পারবে না, ভবিষ্যতে। কয়েকদিন আগেই স্বপ্নের ডেটা লিক হয়েছে। </p>
<p>আসলে সংশোধন করতে গিয়ে আইন প্রণয়নে যুক্ত স্টেকহোল্ডারদের কালেক্টিভ ইফোর্টকে শুধুমাত্র অসম্মান করাই হয়নি, বরং দেশের ক্ষতি ডেকে আনা হয়েছে। দেশের ডিজিটাল সভ্রেন্টিকে কম্প্রমাইজ করা হয়েছে। ডেটা গভর্নেন্স এর গুরুত্বপূর্ণ এলিমেন্ট সরিয়ে বিদেশীদের স্বার্থ এস্টাব্লিশ কার হয়েছে। এটা ছোটখাট কোনো ব্যাপার না কিন্তু!  </p>
<p>সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ণ ব্যাপার, এসব মৌলিক চেঞ্জ করা হয়েছে কোনো কন্সাল্টেশন ছাড়া। ফলে সংসদে আইন পাশ হলেও, এটা আদালতে চ্যালেঞ্জ জানানোর সূযোগ আছে। কেননা আইন পাশের আগের কন্সাল্টেশন প্রক্রিয়া মানা হয়নি। এসব নিয়ে ভবিষ্যতে ঝামেলা হবে। </p>
<p>স্টান্ডার্ড প্র্যাকটিস বলে ক্রিমিনাল অফেন্স তুলে দেয়া হয়েছে। অথচ স্ট্যান্ডার্ড প্র্যাকটিস হচ্ছে, আপনার দেশের টেলিকম ও আইসিটি আইনে ক্রমিনাল অফেন্স থাকলেই পরে আপনি ডেটা গভর্নেন্স এর অপরাধকে ক্রিমিনাল বাদ দিয়ে শুধুমাত্র সিভিল স্যুটে নিতে পারেন। এখন আপনার টেলিকম আইন, আইসিটি আইন, ডেটা প্রটেকশন আইনের কোথাও ক্রিমিনাল অফেন্স নাই।</p>
<p>দক্ষিণ করিয়ার পার্সোনাল ডেটা প্রটেকশন আইনে ক্রিমিনাল অফেন্সের বিধান আছে। ইইউ, চায়না, কিংবা অস্ট্রেলিয়া দেখেন। দিনকে দিন পার্সোনাল ডেটা নিয়ে টাফ আইন করছে। অস্ট্রেলিয়া ১৬ বছরের নিচে সব সোশ্যাল মিডিয়া একাউন্ড ডিলিট করতে বাধ্য করেছে। অথচ উল্টো এআই মডেলে, চাইল্ড পর্নে, র‍্যানসম অ্যাটাকে, বাল্ক ডেটার ভায়লেশনে ক্রমিনাল অফেন্স তুলে দেয়া হলো। বাদ দেয়া হলো ক্রিটিক্যাল ইনফ্রার 'সিঙ্ক্রোনাস লোকাল ব্যাকআপ', ডেটা ডিকশনারি জানানোর বিষয়, সাইবার ব্রিচে পার্সোনাল ডেটা  রিকভারির বিষয়। </p>
<p>কোনো কন্সাল্টেশন ছাড়া এগুলো কার স্বার্থে? </p>
<p>আজকে যদি ফ্যামিলি কার্ড এর ব্যক্তিগত উপাত্ত জালিয়াতি করে লুটপাট হয়, ফার্মার কার্ড জালিয়াতি করে লুটপাট হয়, নতুন করে এনআইডি, জন্ম নিবন্ধন সহ সরকারের হাতে থাকা ডেটা চুরি হয়, এর দায় কে নিবে? আমরা সবাই জানি, দেশের ১৪০টার মত সোশ্যাল সেফটি নেটের অধিকাংশই ভুল হাতে যায়। অথচ নতুন আইডি ম্যানেজমেন্টেও সম্ভাব্য  জালিয়াতির বিপরীতে সরকারের প্রটেকশন মেকানিজম তুলে দিলেন!</p>
<p>আইএমএফ বলতে চাচ্ছে, ফ্যামিলি কার্ড, ফার্মার কার্ড চালুর আগে ফিজিবিলিটি স্ট্যাডি হয়নি। এটা পাবলিক প্রকিউরমেন্টের শুরু ধাপ। ফিজিবিলিটি স্ট্যাডি, ডিপিপি, প্ল্যানিং কমিশন রিভিউ, প্রি একনেক, একনেক, টেন্ডারের স্পেসিফিকেশন, সেটা প্রিটেন্ডার করা, টেকনিক্যাল ইভ্যালুয়েশন, ফাইনান্সিয়াল ইভাল্যুয়েশন এসব স্টেজ ধারাবাহিক পার করে জাতীয় ক্রয় কমিটিতে উঠিয়ে সরকারি ক্রয় করতে হয়। লম্বা প্রক্রিয়া, যেখানে ফাইল উপরে উঠা ও নিচে নামানো মিলিয়ে ১৬ থেকে ১৮টা স্টেজ আছে। আইএমএফ এর আপত্তি ক্ল্যাসিক্যাল প্রসেস, যে সরকার পাবলিক প্রকিউরমেন্ট নীতি মানেনি।  </p>
<p>আমার আপত্তি আরও গোড়ায়, দলীয় ইশতেহারের ফাউন্ডেশনাল প্রজেক্টকে শুরুতেই কারিগরিভাবে ভালনারেবল করে আইনই চেঞ্জ করে দেয়া হয়েছে। দল ক্ষমতায় আসছে মাত্র ২ মাস। এভাবে অজ্ঞানতার অন্ধকার ছাড়ালে দলের সাফল্য কীভাবে আসবে? নাকি বুঝেই প্ল্যাটফর্মের সাথে নিজের ব্যক্তিগত সম্পর্ক ভালো রাখতে আতত করে ফেলেন, মনে করেছেন কেউ বুঝবে না। দেশের চেয়ে, দলের চেয়ে আপনার ব্যক্তিগত সম্পর্ক এবং স্বার্থ বড় হয়ে গেল!      </p>
<p>শুনছি, সরকার গুজব, মিসইনফো, ডিসইনফো সহ বিভিন্ন সাইবার অপরাধের ক্ষেত্রে আইনি সুরক্ষার পথ খুঁজছে। সরকারের পক্ষ থেকে আইনি সুরক্ষা খোঁজা সঠিক ও লেজিট পথ। কিন্তু সরকারে নিজের লোকই যেন তা খুঁজে খুঁজে সব আইনি সুরক্ষা তুলে দিচ্ছে! ঘরের শত্রু বিভীষণ!</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>শ্রমের বিবর্তিত চালচিত্র: বিশ্ব শ্রমিক দিবসে ডিজিটাল কর্মীরা</title>
<link>https://digibanglatech.news/175614</link>
<guid>https://digibanglatech.news/175614</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202605/image_870x580_69fec416424ea.jpg" length="131819" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 01 May 2026 00:03:38 +0600</pubDate>
<dc:creator>এস এম ইমদাদুল হক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>পয়লা মে, আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস। এই দিনে বিশ্বজুড়ে শিল্পভিত্তিক শ্রমিক শ্রেণীর সংগ্রাম ও অর্জনকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করা হয়। ন্যায্য মজুরি, যুক্তিসঙ্গত কাজের সময় এবং নিরাপদ কর্মপরিবেশের দাবিগুলো ঐতিহাসিকভাবে এই দিবসের মূল সুর। তবে একবিংশ শতাব্দীতে এসে 'শ্রম' শব্দটির সংজ্ঞা এক গভীর পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে গেছে, জন্ম দিয়েছে এক নতুন প্রজন্মের পেশাদারদের, যারা কাজ করেন মূলত ডিজিটাল জগতে। ফ্রিল্যান্সার, আইটি পেশাদার, সিটিও, সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার এবং ডিজিটাল মার্কেটারদের মতো এই ডিজিটাল কর্মীদের অনন্য বৈশিষ্ট্য, অভূতপূর্ব সুযোগ এবং জটিল চ্যালেঞ্জ রয়েছে। অজান্তেই যেন শ্রমিক ও কর্মীদের প্রযুক্তি একই সাথে তাদের মুক্তি দিচ্ছে এবং অদৃশ্য এক বাঁধনে বেঁধে ফেলছে। <span></span></p>
<p>ডিজিটাল বিপ্লব কাজের কাঠামোকে আমূল বদলে দিয়েছে, এটিকে চিরাচরিত ভৌগোলিক সীমাবদ্ধতা ও কঠোর সময়সূচী থেকে মুক্তি দিয়েছে। আধুনিক ডিজিটাল কর্মীদের কাছে, সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টার নির্দিষ্ট কাজের সময় বা একই অফিসে বসে কাজ করার ধারণা প্রায় অপ্রচলিত। ফ্রিল্যান্সাররা তাদের ব্যক্তিগত প্রতিশ্রুতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে নিজেদের প্রকল্পের কাজ সাজাতে পারেন, আইটি পেশাদাররা বিভিন্ন টাইম জোনে থাকা বিশ্বব্যাপী দলের সাথে সহযোগিতা করতে পারেন, এবং সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজাররা মহাদেশ ছাড়িয়ে বিস্তৃত প্রচারণার কৌশল তৈরি করেন। এই সহজাত নমনীয়তা, নিজের সুবিধা অনুযায়ী কাজের সময় নির্ধারণের ক্ষমতার সাথে যুক্ত হয়ে, অনেককে এমন এক স্বায়ত্তশাসন ও ক্ষমতায়ন দিয়েছে যা আগে কল্পনাতীত ছিল। উপরন্তু, অটোমেশন এবং বটের ব্যবহার পুনরাবৃত্তিমূলক কাজগুলোকে সহজ করে, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করে এবং এই পেশাদারদের কৌশলগত উদ্যোগ, উদ্ভাবন ও সৃজনশীল সমস্যা সমাধানে মনোনিবেশ করতে সাহায্য করে। এই পরিবর্তন শুধু বিশ্বব্যাপী বাজার ও বিভিন্ন সুযোগের পথ খুলে দেয় না, বরং এমন একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক কর্মপরিবেশ তৈরি করে যা ঐতিহ্যবাহী কর্মসংস্থান কাঠামোতে বাধাগ্রস্ত হতে পারতেন এমন ব্যক্তিবিশেষদেরও স্থান করে দেয়।</p>
<p>কিন্তু এই মুক্তি প্রায়শই এক অদৃশ্য বিনিময়ের সাথে আসে: ঐতিহ্যবাহী কর্ম-জীবনের সীমানার ক্ষয়। ডিজিটাল কর্মীরা, ইমেইল, হোয়াটসঅ্যাপ, স্ল্যাক এবং অন্যান্য কোলাবোরেশন প্ল্যাটফর্মের মতো নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ সরঞ্জামগুলির মাধ্যমে ক্ষমতাপ্রাপ্ত হয়েও, প্রায়শই নিজেদের পেশাগত বাধ্যবাধকতার সাথে চিরতরে বাঁধা দেখতে পান। ভৌগোলিক ও সময়গত সীমার অনুপস্থিতি মানে হল, কাজ জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ঢুকে পড়তে পারে, এবং প্রায়শই তা হয়েও থাকে। গভীর রাতে একটি জরুরি ইমেল, সপ্তাহান্তে ক্লায়েন্টের বার্তা, অথবা বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে থাকা সহকর্মীদের সুবিধার জন্য নির্ধারিত একটি মিটিং ব্যক্তিগত সময় এবং পেশাগত কর্তব্যের মধ্যেকার সীমারেখাকে দ্রুত ঝাপসা করে দেয়। তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ার সর্বব্যাপী প্রত্যাশা, যা ডিজিটাল সংযোগের ২৪/৭ প্রকৃতির দ্বারা ইন্ধন পায়, যোগাযোগের সুবিধাকে দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপ এবং অবসাদের সম্ভাব্য উৎসে রূপান্তরিত করে। অনেকের জন্য, বিশেষ করে যারা গিগ ইকোনমিতে ফ্রিল্যান্সিং করেন, পরবর্তী প্রকল্প সুরক্ষিত রাখতে বা ক্লায়েন্টের সন্তুষ্টি বজায় রাখতে সর্বদা 'অন' থাকার চাপ, যার ফলে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা, বিশ্রাম নেওয়া এবং সতেজ হওয়ার ক্ষমতা কমে আসে।</p>
<p>বিশ্ব শ্রমিক দিবস পালন করার সময়, এই বিষয়টি স্বীকার করা অত্যাবশ্যক যে শ্রম অধিকার এবং কর্মচারীদের সুস্থতার ঐতিহ্যবাহী কাঠামো ডিজিটাল কাজের বাস্তবতাকে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য বিকশিত হতে হবে। কেননা, <span>বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠন, হিউম্যান রাইটস সোসাইটি এবং রাজনৈতিক দল ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে ভার্চুয়াল আলোচনা সভা ও ওয়েবিনারের সাথ্যসে আজ শ্রমিক নেতাদের বক্তব্য ও মে দিবসের তাৎপর্য প্রচার করা হয় এই ডিজিটাল শ্রমিকদের কল্যাণেই।  </span>প্রযুক্তির দ্বারা প্রদত্ত দক্ষতা এবং নমনীয়তাকে উদযাপন করার পাশাপাশি, এর সাথে আসা চ্যালেঞ্জগুলিও আমাদের মোকাবেলা করতে হবে। এর জন্য একটি বহুমুখী পদ্ধতির প্রয়োজন: ব্যক্তিরা ডিজিটাল শৃঙ্খলা কাল্টিভেট করবে, স্পষ্ট ব্যক্তিগত সীমানা নির্ধারণ করবে। তাই সংস্থাগুলির দায়িত্ব হল এমন একটি সংস্কৃতি গড়ে তোলা যা এই সীমানাগুলিকে সম্মান করে, জরুরি না হলে কাজের সময় ছাড়া অন্য সময়ে যোগাযোগকে নিরুৎসাহিত করে; এবং নীতিনির্ধারকদের এই ক্রমবর্ধমান কর্মীবাহিনীর জন্য সামাজিক নিরাপত্তা, ন্যায্য ক্ষতিপূরণ এবং মানসিক স্বাস্থ্য সহায়তার জন্য নতুন প্রক্রিয়া অন্বেষণ করা উচিত। </p>
<p>কেননা, ডিজিটাল কর্মীর উত্থান শ্রম জগতে একটি বিশাল পরিবর্তন এনেছে। এটি অভূতপূর্ব নমনীয়তা, বৈশ্বিক সুযোগ এবং উন্নত দক্ষতা প্রদান করে, যা কাজ কীভাবে, কখন এবং কোথায় করা হয় তা মৌলিকভাবে পরিবর্তন করেছে। তবে, এটি কর্ম-জীবন সমন্বয়, মানসিক সুস্থতা এবং অবসরের সংজ্ঞার সাথে সম্পর্কিত গভীর চ্যালেঞ্জগুলিও নিয়ে আসে। এই আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবসে, আসুন আমরা শ্রমের এই নতুন দিগন্তগুলিকে স্বীকৃতি দিই এবং এমন একটি ডিজিটাল কর্মপরিবেশ তৈরির অঙ্গীকার করি যা কেবল উদ্ভাবন ও উৎপাদনশীলতায় সমৃদ্ধ হয় না, বরং এর অপরিহার্য কর্মীবাহিনীর সামগ্রিক সুস্বাস্থ্য ও টেকসই অস্তিত্বকেও সমর্থন করে।</p>
<p><span data-subtree="aimfl,mfl" data-processed="true">এদিকে বাংলাদেশে ২০২৬ সালের আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবসে (মে দিবস)</span><span> ডিজিটাল মাধ্যমগুলো শ্রমিকদের অধিকার সচেতনতা, ঐক্য এবং শ্রদ্ধাজ্ঞাপনের প্রধান হাতিয়ার হিসেবে কাজ করছে। ১লা মে এই দিবসটি বিশ্বব্যাপী শ্রমিকদের অবদান ও সংগ্রামের স্বীকৃতি হিসেবে পালিত হয়, যেখানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।  </span></p>
<p><span>দিবসটি সামনে রেখে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম (Facebook, Twitter, LinkedIn) ব্যবহার করে শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার, নিরাপদ কর্মপরিবেশ এবং শ্রম আইন সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা হয়। #WorkersDay, #MayDay হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে বিশ্বব্যাপী শ্রমিকদের দাবি সোচ্চার করা হয়। দিবসের ইতিহাস, শিকাগো শ্রমিক আন্দোলনের স্মৃতিকথা এবং শ্রমিকদের অধিকার বিষয়ক ডকুমেন্টারি ও ভিডিও ক্লিপ বিভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে শেয়ার করা হয়। তাই গ্রাফিক ডিজাইন, মোশন গ্রাফিক্স, এবং ভিডিও কন্টেন্টের মাধ্যমে অনলাইনে নিরলস পরিশ্রম করা ফ্রিল্যান্সার, ওয়েব ডেভেলপার, এবং ডিজিটাল মার্কেটারদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর নতুন চল শুরু হয়েছে এরই মধ্যে।   </span></p>
<hr>
<p><span><strong>লেখকঃ </strong>নির্বাহী সম্পাদক, ডিজিবাংলাটেক.নিউজ</span></p>
<hr>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>দেশের প্রথম অ্যাপভিত্তিক ডাটা বান্ডল ‘হোম কানেক্টিভিটি’ আনল বাংলালিংক</title>
<link>https://digibanglatech.news/175588</link>
<guid>https://digibanglatech.news/175588</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69f341df08d08.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 30 Apr 2026 11:50:43 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-start="77" data-end="478">বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের প্রভাব মোকাবিলায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সপ্তাহে তিন দিন অনলাইন ক্লাস চালু এবং পেশাজীবীদের মধ্যে ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’ প্রবণতা বাড়ার প্রেক্ষাপটে নির্ভরযোগ্য ইন্টারনেট সংযোগের চাহিদা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এই বাস্তবতায় দেশের শীর্ষ ডিজিটাল অপারেটর <span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">বাংলালিংক</span></span> চালু করেছে দেশের প্রথম অ্যাপভিত্তিক ডাটা বান্ডল ‘হোম কানেক্টিভিটি’ প্যাক।</p>
<p data-start="480" data-end="813">৩০ এপ্রিল অপারেটরটি জানিয়েছে, অনলাইন ক্লাস ও দূরবর্তী কর্মপরিবেশের চাহিদা মাথায় রেখে তৈরি এই প্যাকটি মূলত ভিডিও কনফারেন্সিং নির্ভর ব্যবহারকারীদের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। এতে নির্দিষ্ট কিছু অ্যাপের জন্য আলাদা ডাটা বরাদ্দের পাশাপাশি সাধারণ ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্যও ডাটা রাখা হয়েছে, ফলে একসঙ্গে মিটিং, ক্লাস এবং অন্যান্য অনলাইন কার্যক্রম নির্বিঘ্নে চালানো সম্ভব হবে।</p>
<p data-start="815" data-end="1353">৩০ দিন মেয়াদি এই প্যাকের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৪৮ টাকা, যেখানে মোট ৩৬ জিবি ডাটা পাওয়া যাবে। এর মধ্যে ৩০ জিবি ডাটা নির্দিষ্টভাবে বরাদ্দ থাকবে ইক্রোসফট টিমস, জুম, গুগল মিট এবং গুগল ক্লাসরুম-এর মতো প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের জন্য। ফলে অনলাইন ক্লাস বা গুরুত্বপূর্ণ মিটিংয়ের সময় ডাটা শেষ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি কমবে। এছাড়া অতিরিক্ত ৬ জিবি ডাটা ব্রাউজিং, ভিডিও দেখা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ অন্যান্য অনলাইন ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।</p>
<p data-start="1355" data-end="1655">প্যাকটি সম্পর্কে বাংলালিংকের চিফ মার্কেটিং অফিসার কাজী মাহবুব হাসান বলেন, গ্রাহকের পরিবর্তিত প্রয়োজনকে সামনে রেখে নতুন সেবা উদ্ভাবনে প্রতিষ্ঠানটি কাজ করছে। তার মতে, অনলাইন ক্লাস ও ঘরে বসে কাজ করার প্রবণতা অনেক পরিবারের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করেছে, আর এই ‘হোম কানেক্টিভিটি’ প্যাক সেই চাপ লাঘবে সহায়ক হবে।</p>
<p data-start="1657" data-end="1997">প্রিপেইড ও বিটুসি পোস্টপেইড—উভয় ধরনের গ্রাহকের জন্য উন্মুক্ত এই প্যাকটি রিটেইল আউটলেট ছাড়াও <span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">বিকাশ</span></span>, <span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">নগদ</span></span>, <span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">রকেট</span></span>, <span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">উপায়</span></span> এবং মাইবিএল অ্যাপের মাধ্যমে কেনা যাবে। পাশাপাশি *১২১৩৪৮# ডায়াল করেও প্যাকটি সক্রিয় করা সম্ভব।</p>
<p data-start="1657" data-end="1997"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এমআর/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>পদোন্নতি নিয়ে অন্য ব্যাংকে যেতে লাগবে ডিপ্লোমা ডিগ্রি</title>
<link>https://digibanglatech.news/175589</link>
<guid>https://digibanglatech.news/175589</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202503/image_870x580_67e56392637db.jpg" length="79383" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 29 Apr 2026 17:56:15 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="alignfull">ব্যাংকিং খাতে দক্ষ ও জ্ঞানভিত্তিক মানবসম্পদ গড়ে তুলতে নিয়োগ ও পদোন্নতির ক্ষেত্রে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ব্যাংকিং প্রফেশনাল এক্সাম (ব্যাংকিং ডিপ্লোমা) সংক্রান্ত আগের প্রজ্ঞাপন সংশোধন করে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।</p>
<p class="alignfull">নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, কোনও ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা অন্য ব্যাংকে উচ্চতর পদে যোগ দিতে চাইলে তাকে বাধ্যতামূলকভাবে ব্যাংকিং ডিপ্লোমা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। বিশেষ করে এক ব্যাংক থেকে অন্য ব্যাংকে গিয়ে পদোন্নতি বা উচ্চতর পদ লাভের ক্ষেত্রে এই শর্ত প্রযোজ্য হবে।</p>
<p class="alignfull">তবে দীর্ঘ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন কর্মকর্তাদের জন্য রাখা হয়েছে বিশেষ ছাড়। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যেসব কর্মকর্তা সিনিয়র অফিসার বা সমমানের পদে যোগদানের পর কিংবা পদোন্নতির মাধ্যমে ওই পদে থেকে সফলভাবে ১৫ বছর অতিক্রম করেছেন, তাদের ক্ষেত্রে ব্যাংকিং ডিপ্লোমা বাধ্যতামূলক হবে না।</p>
<p class="alignfull">কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্র জানিয়েছে, ব্যাংকিং খাত দিন দিন জটিল ও প্রযুক্তিনির্ভর হয়ে উঠছে। আধুনিক ব্যাংকিং ব্যবস্থার সঙ্গে কর্মকর্তাদের খাপ খাইয়ে নিতে প্রাতিষ্ঠানিক জ্ঞান অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। এ বাস্তবতায় দক্ষ ও যোগ্য মানবসম্পদ নিশ্চিত করতেই নিয়োগ ও পদোন্নতির ক্ষেত্রে এই শর্ত কঠোরভাবে আরোপ করা হয়েছে।</p>
<p class="alignfull">সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন এই নির্দেশনা ব্যাংকিং খাতে পেশাগত মানোন্নয়ন ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে, পাশাপাশি কর্মকর্তাদের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা গ্রহণে আগ্রহও বাড়াবে।</p>
<p class="alignfull"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/বিটি/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>এগ্রি&#45;ক্রাউডফান্ডিং: লাভের মোড়কে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার নতুন কৌশল?</title>
<link>https://digibanglatech.news/175564</link>
<guid>https://digibanglatech.news/175564</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202605/image_870x580_69fec66fe0efc.jpg" length="182820" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 29 Apr 2026 13:19:40 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশে কৃষি ব্যবসা যে একটি অত্যন্ত ঝুঁকির ক্ষেত্র, তার সঠিক এবং তিক্ত পাঠ পাওয়া গিয়েছিল ২০২০ সালেই। সেই সময় করোনা পরবর্তী পরিস্থিতিতে গ্রোসারি ই-কমার্সের একটি বড় জোয়ার আমরা লক্ষ্য করেছিলাম। ‘মার্কেট বাংলা’ এবং ‘গোরিলামুভ’-এর মতো বেশ কিছু সম্ভাবনাময় কোম্পানি অনেক বড় স্বপ্ন এবং বিনিয়োগ নিয়ে বাজারে এসেছিল। তাদের পাশাপাশি ‘সওদাগর’ বা ‘ডাইরেক্ট ফ্রেশ’-এর মতো প্রতিষ্ঠানগুলোও এগ্রি-সাপ্লাই চেইনের আধুনিকায়নে কাজ শুরু করেছিল। তারা প্রযুক্তি ব্যবহার করে সরাসরি কৃষকের পণ্য ভোক্তাদের কাছে পৌঁছানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনক হলেও সত্য যে, শেষ পর্যন্ত তারা এই কঠিন বাজারের মারপ্যাঁচে টিকে থাকতে পারেনি এবং বিশাল ক্ষতির সম্মুখীন হয়ে কার্যক্রম বন্ধ করতে বা সংকুচিত করতে বাধ্য হয়।</p>
<p>কৃষিপণ্যের বাজারের একটি মৌলিক সমস্যা হলো—এখানে পণ্যের মূল্যের ওপর উৎপাদনকারী বা খুচরা বিক্রেতার কোনো কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ নেই। বাজার মূলত একটি শক্তিশালী মধ্যস্বত্বভোগী শ্রেণী এবং আড়তদারদের সিন্ডিকেটের ওপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল। এমনকি বিশাল বিনিয়োগ থাকা সত্ত্বেও *শপআপ (মোকাম)’ বা ‘প্রিয়শপ’-এর মতো প্ল্যাটফর্মগুলো এই খাতের সিন্ডিকেট ভাঙতে হিমশিম খেয়েছে। এই অনিয়ন্ত্রিত এবং অনিশ্চিত বাজারে কাজ করার অর্থ হলো ১০০ বারের মাঝে ৭০ বারই লোকসান হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা। কৃষিপণ্যের পচনশীলতা এবং দ্রুত বাজার দর পরিবর্তনের এই রূঢ় বাস্তবতাকে সাধারণ মানুষের কাছে আড়াল করা হচ্ছে। বর্তমানে একদল সুযোগসন্ধানী প্রতিষ্ঠান 'এগ্রি-ক্রাউডফান্ডিং' বা কৃষিতে বিনিয়োগের নামে মানুষের ধর্মীয় এবং সরল অনুভূতিকে পুঁজি করে ভয়ংকর এক প্রতারণা শুরু করেছে।</p>
<p><strong>ক্রাউডফান্ডিং: স্ক্যামারদের নতুন স্বর্গরাজ্য ও ব্রিডিং স্পেস</strong><br>আগের ই-কমার্স স্ক্যামগুলোর তুলনায় এই কৃষিতে বিনিয়োগের প্রতারণা বা এগ্রো-স্ক্যাম অনেক বেশি বিপজ্জনক এবং ধূর্ত। ই-কমার্সে গ্রাহক পণ্য পেতে ১ সপ্তাহ বা ১ মাস দেরি হলেই সতর্ক হতো এবং হইচই শুরু করত। কিন্তু এগ্রি-ক্রাউডফান্ডিংয়ের ডিলগুলো সাধারণত ৬ মাস থেকে ১২ মাসের দীর্ঘ মেয়াদী হয়ে থাকে। একটি ফসল চাষ থেকে বাজারে যাওয়া পর্যন্ত সময়ের দোহাই দিয়ে এই দীর্ঘ সময়টুকুই প্রতারকদের জন্য এক বিশাল ‘ব্রিদিং স্পেস’ বা সময়ক্ষেপণের কৌশল হিসেবে কাজ করে। এই সময়ের মধ্যে তারা হাজার হাজার মানুষের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহের সুযোগ পায়।<br>প্রতারক প্রতিষ্ঠানগুলো বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়া পডকাস্ট এবং ডিজিটাল মিডিয়ার পিআর স্টান্ট ব্যবহার করে নিজেদের একটি আকাশচুম্বী ভাবমূর্তি তৈরি করে। তারা পডকাস্টে বড় বড় ইন্টারভিউ দিয়ে এবং আলিশান অফিসের জৌলুস দেখিয়ে মানুষের বিশ্বাস অর্জন করে। তারা নতুন নতুন বিনিয়োগকারী আকৃষ্ট করতে তথাকথিত সাকসেস স্টোরি ব্যবহার করে। মূলত নতুন বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে নেওয়া টাকা দিয়েই তারা পুরনোদের লভ্যাংশ বুঝিয়ে দেয়। অর্থনীতিতে এই চক্রটিই ‘পঞ্জি স্কিম’ হিসেবে পরিচিত। আমাদের দেশের মানুষের কৃষিপ্রীতি এবং ‘হালাল ফিন্যান্সিং’-এর আবেগকে ব্লেন্ড করে এই জঘন্য প্রতারণা চালানো হচ্ছে।<br>### বাস্তব ঘটনা ও প্রতারণার মেকানিজম (কেস স্টাডি)<br>সাম্প্রতিক বিভিন্ন প্রতিবেদন এবং *সেন্টার ফর ডিজিটাল কমার্স রিসার্চ অ্যান্ড অ্যাডভোকেসি (CDCRA)*-এর সংগৃহীত তথ্য ও দীর্ঘ গবেষণায় দেখা যায়, ‘এগ্রিভেঞ্চার’  নামক একটি তথাকথিত প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রায় ৭০ জন সাধারণ ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী নিঃস্ব হয়েছেন। প্রাথমিক তথ্য ও অভিযোগ বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, এই একটি প্রতিষ্ঠান থেকেই প্রায় ৫০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে।<br>*প্রতারণার কৌশল (মানি সার্কুলেশন):* প্রতারণার মেকানিজমটি অত্যন্ত সুপরিকল্পিত। ধরুন, একজন বিনিয়োগকারী পডকাস্টের বিজ্ঞাপন দেখে বিশ্বাস করে ৫ লাখ টাকা বিনিয়োগ করলেন। খামারে প্রকৃত কোনো লাভ না হলেও কোম্পানি নতুন অন্য ১০ জন বিনিয়োগকারীর আমানত থেকে ঐ ব্যক্তিকে লভ্যাংশসহ মুনাফা ফেরত দেয়। এই লভ্যাংশ পাওয়ার গল্প যখন পডকাস্ট বা সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে, তখন আরও কয়েকশো মানুষ লোভে পড়ে বা অন্ধ বিশ্বাস করে সেখানে বিনিয়োগ করে। এটিই হলো ‘মানি সার্কুলেশন’। যখনই বাজারে নতুন বিনিয়োগ আসা কমে যায় বা বিপুল সংখ্যক মানুষ একসাথে টাকা ফেরত চায়, তখনই এই প্রতিষ্ঠানগুলো দেউলিয়া ঘোষণা করে রাতারাতি উধাও হয়ে যায়।</p>
<p><strong>আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট: পার্শ্ববর্তী দেশগুলো কীভাবে এটি নিয়ন্ত্রণ করছে?</strong><br>বিশ্বের অনেক উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশে এগ্রি-ক্রাউডফান্ডিং সফলভাবে পরিচালিত হচ্ছে, কিন্তু তা অত্যন্ত কঠোর আইনি কাঠামোর মধ্যে। বাংলাদেশে এই ধরণের কোনো বাধ্যবাধকতা বা সুনির্দিষ্ট নীতিমালা না থাকায় স্ক্যামাররা অবাধে বিচরণ করছে।<br> <strong>ভারত:</strong> ভারতে 'SEBI' (সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ বোর্ড অফ ইন্ডিয়া) ক্রাউডফান্ডিং প্ল্যাটফর্মগুলোর জন্য কঠোর ক্যাপিটাল রিকোয়ারমেন্ট, নিয়মিত বাধ্যতামূলক অডিট এবং বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষা তহবিল গঠন নিশ্চিত করেছে।<br><strong>ইন্দোনেশিয়া:</strong> ইন্দোনেশিয়ার ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস অথরিটি (OJK) প্রতিটি এগ্রো-টেক স্টার্টআপকে বাধ্যতামূলক লাইসেন্সিংয়ের আওতায় এনেছে। সেখানে বিনিয়োগকারীদের মূলধন সুরক্ষার জন্য বিমা ব্যবস্থা  নিশ্চিত করা ছাড়া কেউ জনসাধারণের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করতে পারে না।<br> <strong>কেনিয়া:</strong> আফ্রিকার এই দেশটিতে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের সাথে এসক্রো সিস্টেম যুক্ত করা হয়েছে। এর ফলে কৃষকের হাতে টাকা পৌঁছানোর প্রতিটি ধাপ ডিজিটাল পদ্ধতিতে স্বচ্ছ থাকে এবং মধ্যস্বত্বভোগী বা প্রতিষ্ঠান টাকা আত্মসাৎ করতে পারে না।</p>
<p><strong>আধুনিক প্রযুক্তির ভূমিকা: এআই এবং ব্লকচেইন কি সমাধান?</strong><br>বর্তমানে অনেক কোম্পানি বিনিয়োগকারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এআই  এবং ব্লকচেইন ব্যবহারের গালভরা দাবি করে। কিন্তু এই প্রযুক্তিগুলোর অপব্যবহারও সম্ভব।<br> <strong>ব্লকচেইন ও স্বচ্ছতা:</strong> ব্লকচেইনের মাধ্যমে প্রতিটি লেনদেন ও প্রজেক্টের ডেটাকে এমনভাবে সংরক্ষণ করা সম্ভব যা কখনো পরিবর্তন বা মুছে ফেলা যায় না। এটি অস্তিত্বহীন সম্পদে বিনিয়োগ করার ঝুঁকি কমাতে পারে।<br> এআই  ভিত্তিক ক্রেডিট স্কোরিং:* কৃষকের অতীত রেকর্ড, খামারের সক্ষমতা এবং আবহাওয়াগত ঝুঁকি যাচাইয়ে এআই ব্যবহৃত হতে পারে। এর ফলে বিনিয়োগের ঝুঁকি কিছুটা কমে।<br>   তবে একটি বিষয় পরিষ্কার হওয়া জরুরি—প্রযুক্তি কেবল তখনই কাজ করবে যখন এর পেছনে স্বচ্ছ প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতা এবং মানবিক সততা থাকবে। প্রযুক্তি যদি কেবল মার্কেটিং বা মানুষকে বিভ্রান্ত করার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তবে তা সাধারণ মানুষের জন্য নতুন ধরণের ডিজিটাল ফাঁদ হয়ে দাঁড়াবে।</p>
<p><strong>বাজার পরিসংখ্যান ও আইনি নিয়ন্ত্রণহীনতা</strong><br>২০২৬ সালের সংগৃহীত তথ্য ও উপাত্ত অনুযায়ী, বাংলাদেশে এগ্রো-টেক খাতে অনিয়ন্ত্রিত চ্যানেলে বার্ষিক প্রায় *৫০ থেকে ৭০ কোটি টাকার* বেশি ক্রাউডফান্ডিং হচ্ছে। অথচ সরকারি ও বেসরকারি পরিসংখ্যান বলছে, সাপ্লাই চেইনের দুর্বলতা এবং সঠিক হিমাগারের অভাবে এখনো কৃষিপণ্যের *২৫-৩০% সিস্টেম লস বা অপচয়* হয়। এই বিপুল পরিমাণ পণ্য নষ্ট হওয়ার পর একজন বিনিয়োগকারীকে ২০% থেকে ৩৫% নিশ্চিত লভ্যাংশ দেওয়া গাণিতিকভাবে এবং ব্যবসায়িক দিক থেকে প্রায় অসম্ভব। এই মুনাফা মূলত পঞ্জি স্কিমের মাধ্যমেই সম্ভব। যেহেতু এই ক্রাউডফান্ডিং কোনো প্রথাগত ব্যাংকিং বা বিএসইসি চ্যানেলের অন্তর্ভুক্ত নয়, তাই সাধারণ মানুষের এই বিপুল অর্থ এখন চরম আইনি ঝুঁকির মুখে রয়েছে।</p>
<p><strong>সরকারি নীতিমালা ও প্রস্তাবিত রেগুলেশন (সেন্টার ফর ডিজিটাল কমার্স রিসার্চ অ্যান্ড অ্যাডভোকেসি এর প্রস্তাবনা)</strong></p>
<p>বর্তমান আইনি শূন্যতা দূর করতে এবং এই অনিয়ন্ত্রিত লেনদেনকে সরকারি নজরদারিতে আনতে *সেন্টার ফর ডিজিটাল কমার্স রিসার্চ অ্যান্ড অ্যাডভোকেসি * নিচের পদক্ষেপগুলো নেওয়ার জরুরি দাবি জানাচ্ছে:<br><strong>সক্রো সিস্টেম প্রবর্তন:</strong> ই-কমার্সের মতো এগ্রি-ফান্ডিংয়ের টাকাও সরাসরি কোম্পানির কাছে না গিয়ে ব্যাংকের এসক্রো অ্যাকাউন্টে থাকা উচিত। প্রজেক্টের বাস্তব অগ্রগতি এবং পণ্য বিক্রির প্রমাণ সাপেক্ষে প্রতিষ্ঠান নির্দিষ্ট ধাপে টাকা ব্যবহারের অনুমতি পাবে।<br> <strong>বাংলাদেশ ব্যাংকের ফিনটেক লাইসেন্স:</strong> যারা জনসাধারণের কাছ থেকে বিনিয়োগ বা আমানত গ্রহণ করবে, তাদের বাধ্যতামূলকভাবে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ফিনটেক বা বিশেষ আর্থিক সেবার লাইসেন্স নিতে হবে।<br> <strong>বিএসইসি এর নিয়ন্ত্রণ:</strong> ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষায় সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের নজরদারির আওতায় এদের কার্যক্রম পরিচালনা করা এবং বার্ষিক বাধ্যতামূলক পাবলিক অডিট নিশ্চিত করা।</p>
<p><strong>বিনিয়োগের আগে যা যাচাই করবেন</strong><br>আপনার কষ্টের উপার্জন বিনিয়োগ করার আগে নিচের প্রতিটি পয়েন্ট ‘চেকলিস্ট’ হিসেবে ব্যবহার করা উচিত:<br> অ<strong>ডিট ও ট্যাক্স ফাইল:</strong> বিগত ৩ বছরের রেজিস্টার্ড অডিট রিপোর্ট এবং কোম্পানির ট্যাক্স ফাইল আছে কি না যাচাই করুন। মনে রাখবেন, যথাযথ অডিট ছাড়া কোনো প্রতিষ্ঠানে টাকা দেওয়া নিরাপদ নয়।<br> <strong>অস্বাভাবিক মুনাফার হার:</strong> যদি কোনো প্রতিষ্ঠান ব্যাংক রেটের চেয়ে অস্বাভাবিক উচ্চ (২০% এর উপরে) ফিক্সড রিটার্ন বা নিশ্চিত লাভের প্রতিশ্রুতি দেয়, তবে সেটি একটি বড় ঝুঁকির সংকেত। প্রতিটি প্রজেক্টের বাস্তব ‘ব্রেক-ইভেন পয়েন্ট’ যাচাই করুন।<br> <strong>এক্সিট পলিসি বা টাকা ফেরতের উপায়:</strong> আপনার জরুরি প্রয়োজনে আসল টাকা ফেরত নেওয়ার স্বচ্ছ আইনি প্রক্রিয়া আছে কি না তা লিখিত চুক্তিতে দেখে নিন। স্ক্যামাররা সাধারণত টাকা ফেরতের পথ বন্ধ রাখে।<br> <strong>রেটিং এজেন্সি:</strong> শুধুমাত্র পডকাস্ট বা সোশ্যাল মিডিয়ার জনপ্রিয়তার ওপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত না নিয়ে একটি শক্তিশালী এবং নিরপেক্ষ ‘রেটিং এজেন্সি’র স্কোর যাচাই করা উচিত।</p>
<p><strong>সাবধানতাই হোক মূল শক্তি</strong><br>কৃষি আমাদের জাতীয় অর্থনীতির প্রাণ। আধুনিক প্রযুক্তি আমাদের কৃষিকে সমৃদ্ধ করতে পারে, কিন্তু তা যেন কোনোভাবেই অন্ধ বিশ্বাসের কারণ না হয়। প্রথাগত ব্যাংকিং চ্যানেলের বাইরে এই বিপুল লেনদেনের লাগাম টানতে সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোর এখনই কঠোর নীতিমালা প্রয়োজন। সময় থাকতে সাবধান না হলে এটি বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য পরবর্তী বড় বিপর্যয় হয়ে দাঁড়াবে। প্রলোভনের ফাঁদে না পড়ে যুক্তি, ডাটা এবং তথ্যের ভিত্তিতে বিনিয়োগ করাই হোক মূল লক্ষ্য। সাবধান হওয়াই একমাত্র পথ।</p>
<p><strong>পাঠকদের জন্য সচেতনতামূলক প্রশ্ন:</strong><br>আপনি কি কোনো এগ্রি-প্ল্যাটফর্মে বিনিয়োগের কথা ভাবছেন? টাকা দেওয়ার আগে তাদের অডিট রিপোর্ট এবং এসক্রো সুবিধা আছে কি না যাচাই করেছেন তো? আপনার সচেতনতাই আপনার কষ্টের উপার্জনকে রক্ষা করতে পারে।<br><strong>বিনিয়োগকারীদের জন্য বিশেষ পরামর্শ:</strong><br>১. শুধুমাত্র পডকাস্ট বা ইন্টারভিউ দেখে প্রলুব্ধ হবেন না। মনে রাখবেন, বিজ্ঞাপন আর বাস্তবতা এক নয়।<br>২. বিনিয়োগের আগে সরাসরি খামার বা প্রকল্পটি নিজের চোখে দেখে আসার চেষ্টা করুন এবং স্থানীয় কৃষকদের সাথে কথা বলে খামারের প্রকৃত অবস্থা যাচাই করুন।</p>
<hr>
<p><strong>লেখকঃ</strong><span> </span><span>উদ্যোক্তা, সংগঠক ও কলাম লেখক</span></p>
<hr>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষতা উন্নয়নে জোর, এনএসডিএ কার্যনির্বাহী কমিটির ১৫তম সভা অনুষ্ঠিত</title>
<link>https://digibanglatech.news/175337</link>
<guid>https://digibanglatech.news/175337</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69ef98c63d226.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 27 Apr 2026 18:11:37 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<section class="text-token-text-primary w-full focus:outline-none [--shadow-height:45px] has-data-writing-block:pointer-events-none has-data-writing-block:-mt-(--shadow-height) has-data-writing-block:pt-(--shadow-height) [&amp;:has([data-writing-block])&gt;*]:pointer-events-auto [content-visibility:auto] supports-[content-visibility:auto]:[contain-intrinsic-size:auto_100lvh] R6Vx5W_threadScrollVars scroll-mb-[calc(var(--scroll-root-safe-area-inset-bottom,0px)+var(--thread-response-height))] scroll-mt-[calc(var(--header-height)+min(200px,max(70px,20svh)))]" dir="auto" data-turn-id="request-69a71ba7-a36c-8321-bf42-ebc48c50f073-0" data-testid="conversation-turn-86" data-scroll-anchor="false" data-turn="assistant">
<div class="text-base my-auto mx-auto pb-10 [--thread-content-margin:var(--thread-content-margin-xs,calc(var(--spacing)*4))] @w-sm/main:[--thread-content-margin:var(--thread-content-margin-sm,calc(var(--spacing)*6))] @w-lg/main:[--thread-content-margin:var(--thread-content-margin-lg,calc(var(--spacing)*16))] px-(--thread-content-margin)">
<div class="[--thread-content-max-width:40rem] @w-lg/main:[--thread-content-max-width:48rem] mx-auto max-w-(--thread-content-max-width) flex-1 group/turn-messages focus-visible:outline-hidden relative flex w-full min-w-0 flex-col agent-turn">
<div class="flex max-w-full flex-col gap-4 grow">
<div data-message-author-role="assistant" data-message-id="d16dde12-3883-4a12-8ef6-451d50efe336" data-turn-start-message="true" dir="auto" data-message-model-slug="gpt-5-3" class="min-h-8 text-message relative flex w-full flex-col items-end gap-2 text-start break-words whitespace-normal outline-none keyboard-focused:focus-ring [.text-message+&amp;]:mt-1" tabindex="0">
<div class="flex w-full flex-col gap-1 empty:hidden">
<div class="markdown prose dark:prose-invert w-full wrap-break-word light markdown-new-styling">
<p data-start="88" data-end="374">প্রযুক্তিনির্ভর প্রশিক্ষণ, হাইব্রিড লার্নিং এবং আধুনিক অ্যাসেসমেন্ট পদ্ধতি চালুর মাধ্যমে দেশের দক্ষতা উন্নয়ন কার্যক্রমকে সময়োপযোগী করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যেই অনলাইন ও সশরীরে (হাইব্রিড) প্রশিক্ষণ সম্প্রসারণ এবং প্রযুক্তিনির্ভর মূল্যায়ন ব্যবস্থা চালুর নীতিগত সম্মতি দেওয়া হয়েছে।</p>
<p data-start="376" data-end="597">এ প্রেক্ষাপটে ২৭ এপ্রিল, সোমবারপ্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে <span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ</span></span> (এনএসডিএ)-এর কার্যনির্বাহী কমিটির ১৫তম সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার।</p>
<p data-start="599" data-end="839">সভায় সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টা (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা) ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন।</p>
<p data-start="841" data-end="1116">এনএসডিএ’র নির্বাহী চেয়ারম্যান (সচিব) ও কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য-সচিব ড. নাজনীন কাউসার চৌধুরী সংস্থাটির চলমান কার্যক্রম, বাস্তবায়ন অগ্রগতি এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা উপস্থাপন করেন। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, দপ্তর ও সংস্থার প্রধান এবং বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিরা সভায় অংশ নেন।</p>
<p data-start="1118" data-end="1410">সভায় দক্ষতা উন্নয়ন কার্যক্রমে জাতীয় পর্যায়ে সমন্বয় জোরদার, প্রশিক্ষণের মানোন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ দক্ষ জনশক্তি তৈরির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। দেশের দক্ষতা উন্নয়ন কার্যক্রমের এপেক্স বডি হিসেবে এনএসডিএ’র ভূমিকা আরও শক্তিশালী করার বিষয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়।</p>
<p data-start="1412" data-end="1704">আলোচনায় বাংলাদেশ ন্যাশনাল কোয়ালিফিকেশনস ফ্রেমওয়ার্ক (বিএনকিউএফ)-এর লেভেল ১ থেকে ৬ পর্যন্ত কারিকুলাম প্রণয়ন, প্রশিক্ষণ, মূল্যায়ন ও সনদায়ন কার্যক্রম এনএসডিএ আইন ও বিধিমালা অনুযায়ী পরিচালনার ওপর জোর দেওয়া হয়। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয় ও সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়।</p>
<p data-start="1706" data-end="2119">সভায় উল্লেখ করা হয়, দক্ষতা উন্নয়নের ক্ষেত্রে এনএসডিএ এবং কারিগরি শিক্ষার ক্ষেত্রে <span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড</span></span> (বিটিইবি) নিজ নিজ কর্তৃপক্ষ। এ কারণে দুটি আইনের মধ্যে বিদ্যমান দ্বৈততা ও অস্পষ্টতা দূর করতে বিটিইবি আইন সংশোধনের বিষয়ে পূর্ববর্তী নির্দেশনাগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের ওপর জোর দেওয়া হয়। একইসঙ্গে দায়িত্বের স্পষ্ট বিভাজনের মাধ্যমে দক্ষতা ও কারিগরি শিক্ষা কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করার আহ্বান জানানো হয়।</p>
<p data-start="2121" data-end="2431">আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে কর্মসংস্থান বাড়াতে দেশভিত্তিক চাহিদা অনুযায়ী প্রশিক্ষণ, পারস্পরিক স্বীকৃতি চুক্তি (এমআরএ) সম্পাদন এবং আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন সনদায়ন নিশ্চিত করার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়। প্রশিক্ষণ শেষে দ্রুত সনদ প্রদানের লক্ষ্যে কোর্স সমাপ্তির সঙ্গে সঙ্গে মূল্যায়ন সম্পন্ন করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়।</p>
<p data-start="2433" data-end="2630">এছাড়া বিদেশে কর্মসংস্থানের জন্য ভাষাগত ও আচরণগত প্রশিক্ষণ জোরদার, জেলা পর্যায়ে ভাষা প্রশিক্ষণ সম্প্রসারণ এবং বিদেশে বাংলাদেশ মিশনের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ ও মূল্যায়ন কার্যক্রম চালুর সম্ভাবনাও আলোচনা হয়।</p>
<p data-start="2632" data-end="2839">সভায় আরও বলা হয়, দেশের ক্রমবর্ধমান শ্রমশক্তিকে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তরের জন্য বৃহৎ পরিসরে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সম্প্রসারণ, শিল্পখাতের চাহিদাভিত্তিক প্রশিক্ষণ এবং ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া সংযোগ জোরদার করা জরুরি।</p>
<p data-start="2841" data-end="2990">একইসঙ্গে দক্ষতা উন্নয়ন কার্যক্রমে অর্থায়ন, প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান নির্বাচন এবং মান নিয়ন্ত্রণে এনএসডিএ’র ভূমিকা আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।</p>
<p data-start="2992" data-end="3302" data-is-last-node="" data-is-only-node="">সভায় সিদ্ধান্ত হয়, কার্যনির্বাহী কমিটি ও গভর্নিং বোর্ডের সভা নিয়মিত আয়োজনের মাধ্যমে নীতিগত সিদ্ধান্ত দ্রুত বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি দেশের বিপুল জনশক্তিকে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তর এবং টেকসই কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে এনএসডিএ’র নেতৃত্বে সব মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।</p>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div class="z-0 flex min-h-[46px] justify-start"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এএফএন/ইকে</strong></span></em></div>
<div class="mt-3 w-full empty:hidden">
<div class="text-center"></div>
</div>
</div>
</div>
</section>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>মেধাসম্পদ সুরক্ষায় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে কার্যকর উদ্যোগ নিতে শিক্ষামন্ত্রীর আহ্বান</title>
<link>https://digibanglatech.news/175273</link>
<guid>https://digibanglatech.news/175273</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69ee0ea55848e.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 26 Apr 2026 16:09:32 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>গবেষণা ও উদ্ভাবনে উৎকর্ষ অর্জন এবং মেধাসম্পদ সুরক্ষায় সমন্বিত উদ্যোগ নিতে পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের প্রতি আহবান জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন । </p>
<p>গবেষণার মাধ্যমে উদ্ভাবনী কর্মকাণ্ডকে উৎসাহিতকরণ এবং মেধাসম্পদ সুরক্ষার প্রয়োজনীয়তা বিষয়ে সচেতনতা তৈরিতে তিনি দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিযোগিতা আয়োজন করারও পরামর্শ দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী । </p>
<p>বিশ্ব মেধাস্বত্ব দিবস ২০২৬’ উদযাপন উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনে আয়োজিত এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। গবেষণা ও উদ্ভাবন কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করা এবং উদ্ভাবকদের স্বার্থ সুরক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ২৬ এপ্রিল, রবিবার ইউজিসি এ কর্মশালা আয়োজন করে। </p>
<p>এছাড়া, গবেষকদের মেধাস্বত্ব ও পেটেন্টের সংখ্যা বৃদ্ধিতে সব ধরণের সহযোগিতা দেওয়া হবে বলে শিক্ষামন্ত্রী জানান। মেধা পাচার দেশের গবেষণা ও উন্নয়নের অন্যতম অন্তবায় হিসেবে উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, মেধা পাচাররোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য এর পেছনের কারণগুলো খোঁজে বের করা প্রয়োজন। </p>
<p>ইউজিসির চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মামুন আহমেদ- এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কমিশনের সদস্য প্রফেসর ড. মাছুমা হাবিব। এছাড়া অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ইউজিসি সচিব ড. মো. ফখরুল ইসলাম।  </p>
<p>অনুষ্ঠানে বিশ্ব মেধাস্বত্ব দিবস উপলক্ষ্যে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রফেসর ড. মহিদুস সামাদ খান। এছাড়া প্রবন্ধের ওপর আলোচনা করেন ব্রাক বিশ্বিবিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. সৈয়দ ফারহাত আনোয়ার। </p>
<p>শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মেধাস্বত্ব সুরক্ষায় অত্যন্ত গুরত্ব দিয়েছেন। মেধাস্বত্ব তৈরি ও সুরক্ষায় আমাদের কাজ করতে হবে। সব বিশ্ববিদ্যালয়ে যেন মেধাসম্পদ নিয়ে আলোচনা হয়, মেধাস্বত্ব সুরক্ষা এবং পেটেন্টের সংখ্যা ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পায় সেক্ষেত্রে সরকার সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করবে। এছাড়া, বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ অর্জনকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদেরকে স্বীকৃতি দেওয়ার ব্যবস্থা গ্রহণে ইউজিসিকে আহ্বান জানান। </p>
<p>তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের জনসংখ্যার অনুপাতে বিশ্ব মেধাসম্পদে আমাদের অংশীদারিত্ব একবারেই নগণ্য।  গবেষণা ও উদ্ভাবনে কাজে যে পরিমান অগ্রগতি হওয়ার কথা সেটি প্রত্যাশিতভাবে হয়নি। মেধাস্বত্ব সুরক্ষা ও মেধাসম্পদ বাণিজ্যিকীকরণ করা গেলে বাংলাদেশে নতুন দিগন্তে প্রবেশ করবে। </p>
<p>ইউজিসি চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মামুন আহমেদ সভাপতির বক্তব্যে বলেন, দেশের বিশ্ববিদ্যায়গুলোতে গবেষণা উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করতে একটি ইনোভেশন ইকোসিস্টেম গড়ে তুলতে কাজ করছে ইউজিসি। এক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় কর্মপন্থা নির্ধারনে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পরামর্শ গ্রহণ করা হবে। </p>
<p>তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভাবিত প্রযুক্তির মেধাস্বত্ত্ব নিশ্চিত করতে প্রত্যেক বিশ্ববিদ্যালয়ে ইনটেলেকচুয়াল প্রোপার্টি সেল প্রতিষ্ঠার কাজ চলমান রয়েছে। এছাড়াও, উদ্ভাবিত প্রযুক্তি বাণিজ্যিকীকরণের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে টেকনোলজি ট্রান্সফার অফিস প্রতিষ্ঠা করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। উদ্ভাবনের সাথে সংশ্লিষ্ট উদ্ভাবক, বিশ্ববিদ্যালয় এবং শিল্প প্রতিষ্ঠান-সকল পক্ষই যেন উপকৃত হতে পারে সেজন্য প্রয়োজনীয় নীতিমালা প্রণয়নের উদ্যোগ নেয়া হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। </p>
<p>ইউজসি চেয়ারম্যান আরও বলেন, দেশের বিশ্ববিদ্যালগুলোতে অসংখ্য গবেষণা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এসব গবেষণার ফলাফল প্রকাশনার মাধ্যমে শেষ হয়েছে। খুব কম গবেষণাই উদ্ভাবনের মাধ্যমে প্রযুক্তির বাণিজ্যিকীকরণে ভূমিকা রেখেছে। ফলে ব্যক্তির প্রোফাইল ভারী হলেও, পদোন্নতিতে সহায়ক হলেও দেশের মানুষ কাঙ্ক্ষিত সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছে। </p>
<p>তিনি বলেন, দেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা বাড়লেও শিক্ষার কাঙ্ক্ষিত মান অর্জন এখনো সম্ভব হয়নি। শিক্ষার মানের দিক থেকে পিছিয়ে পড়া বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর দিকে বিশেষ নজর দেয়া প্রয়োজন বলে তিনি উল্লেখ করেন।</p>
<p>এইচএসসি পরীক্ষার সাথে সমন্বয় করে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়সমূহকে একাডেমিক ক্যালেন্ডার তৈরি এবং শিক্ষা কাযক্রম নির্ধারিত সময়ে শেষ করার আহ্বান জানান। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা বিষয়ে শিক্ষার্থীরা যেন সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা করতে পারে সেদিকে নজর দেওয়ার আহ্বান জানান। </p>
<p>অনুষ্ঠানে ইউজিসি সদস্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, প্রফেসর ড. মো. সাইদুর রহমান, ও প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আইয়ুব ইসলামসহ, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, আইকিউএসি সেলের পরিচালকবৃন্দ, শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>প্রফেসর ড. মাছুমা হাবিব বলেন, প্রতিবছর দেশে প্রায় ৫ হাজার গবেষণা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। প্রয়োজনীয় পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে এসব গবেষণার মধ্যে মাত্র ৩০টির জন্য পেটেন্ট আবেদন করা হচ্ছে। মেধাস্বত্ব বিষয়ে জনসচেতনতা তৈরিতে ইউজিসি বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে মেধাস্বত্ব বিষয়ে কর্মশালা আয়োজন, আইপি সেল ও টেকনোলজি ট্রান্সফার অফিস খোলা এবং আইপি পলিসি অন্যতম। </p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এমএজেআর/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ইন্টারনেট কি সত্যিই মৃত হয়ে যাচ্ছে? বাংলাদেশ কী করতে পারে</title>
<link>https://digibanglatech.news/175200</link>
<guid>https://digibanglatech.news/175200</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202605/image_870x580_69fec61fc2a23.jpg" length="150998" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 26 Apr 2026 11:43:57 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>একই ধরনের মিম, একই রকম মন্তব্য, অ্যালগরিদমে সাজানো অন্তহীন কনটেন্ট, আর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার তৈরি লেখা, ছবি ও ভিডিও। ইন্টারনেট কি ধীরে ধীরে তার মানবিক প্রাণশক্তি হারাচ্ছে? একসময় যে ডিজিটাল জগৎ ছিল মানুষের কৌতূহল, সৃজনশীলতা, মতবিনিময় ও স্বাধীন প্রকাশের জায়গা, তা কি এখন করপোরেশন, অ্যালগরিদম, বট ও এআই-নির্ভর কনটেন্টের এক বিশাল গোলকধাঁধায় পরিণত হয়েছে?</p>
<p>এই অস্বস্তিকর প্রশ্ন থেকেই জন্ম নিয়েছে বহুল আলোচিত একটি ধারণা, ডেড ইন্টারনেট থিওরি। নাম শুনলে মনে হতে পারে, ইন্টারনেট যেন আর জীবন্ত নেই। যেন সেখানে মানুষের উপস্থিতি কমে গেছে, আর জায়গা দখল করেছে স্বয়ংক্রিয় বট, নকল অ্যাকাউন্ট, অ্যালগরিদমিক প্রচারণা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার তৈরি কনটেন্ট।</p>
<p>তবে বিষয়টি এত সরল নয়। ডেড ইন্টারনেট থিওরি একদিকে ষড়যন্ত্রতত্ত্ব, অন্যদিকে আধুনিক ইন্টারনেটের কিছু বাস্তব সংকটের অতিরঞ্জিত ব্যাখ্যা। এই তত্ত্ব পুরোপুরি সত্য নয়, কিন্তু একে একেবারে উড়িয়ে দেওয়াও সহজ নয়। কারণ আমাদের দৈনন্দিন অনলাইন অভিজ্ঞতার অনেক কিছুই এখন সত্যিই অস্বাভাবিক, পুনরাবৃত্তিমূলক এবং যান্ত্রিক মনে হয়।</p>
<p><strong>এক প্রাণহীন শহরের উপমা</strong></p>
<p>কল্পনা করুন, আপনি একটি বিশাল, ব্যস্ত শহরে হাঁটছেন। চারদিকে উঁচু দালান, ঝলমলে আলো, দোকানপাট, ক্যাফে, বিজ্ঞাপন, রাস্তার ভিড়। প্রথম দেখায় শহরটি প্রাণবন্ত। কিন্তু একটু মনোযোগ দিয়ে তাকাতেই বুঝলেন, শহরের মানুষগুলো আসল নয়। পথচারী, দোকানের বিক্রেতা, ক্যাফেতে বসে থাকা মানুষ, সবাই যেন নিখুঁতভাবে তৈরি রোবট বা ম্যানিকুইন। তারা মানুষের মতো কথা বলছে, মানুষের মতো আচরণ করছে, কিন্তু তাদের মধ্যে কোনো সত্যিকারের অভিজ্ঞতা, আবেগ বা চিন্তা নেই।</p>
<p>ডেড ইন্টারনেট থিওরির দাবি অনেকটা এমনই। এই তত্ত্ব অনুযায়ী, আজকের ইন্টারনেট বাইরে থেকে জীবন্ত মনে হলেও এর বড় একটি অংশ আর মানুষের তৈরি নয়। সোশ্যাল মিডিয়ার পোস্ট, মন্তব্য, লাইক, শেয়ার, ভিউ, ভাইরাল ট্রেন্ড, এমনকি অনেক ওয়েবসাইটের লেখা ও সংবাদও ক্রমেই বট ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার তৈরি কনটেন্টে ভরে যাচ্ছে।</p>
<p>এই তত্ত্বের সমর্থকেরা বলেন, অনলাইন পরিবেশ অনেকাংশে সাজানো। এখানে জনমত তৈরি হয়, ট্রেন্ড তৈরি হয়, ক্ষোভ তৈরি হয়, জনপ্রিয়তা তৈরি হয়, আবার কখনো মানুষকে নির্দিষ্ট পণ্য, মতাদর্শ বা রাজনৈতিক অবস্থানের দিকে ঠেলে দেওয়া হয়। তাঁদের মতে, ইন্টারনেট আর মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত মিলনমেলা নয়; বরং অ্যালগরিদম ও অটোমেশনের নিয়ন্ত্রিত এক কৃত্রিম জনপরিসর।</p>
<p><strong>তত্ত্বটির জন্ম ও জনপ্রিয়তা</strong></p>
<p>ডেড ইন্টারনেট থিওরি মূলত ২০২১ সালের দিকে অনলাইন ফোরাম, বিশেষ করে 4chan, Reddit এবং কিছু বিকল্প ডিজিটাল কমিউনিটিতে আলোচনায় আসে। তবে এর চিন্তার বীজ আরও আগে থেকেই ছিল। অনেক ব্যবহারকারী ২০১৬-১৭ সালের পর থেকে ইন্টারনেটের চরিত্রে বড় পরিবর্তন লক্ষ্য করতে শুরু করেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, রাজনৈতিক প্রচারণা, বট-নেটওয়ার্ক, অ্যালগরিদমিক নিউজফিড এবং ডেটা-নির্ভর বিজ্ঞাপনের প্রভাব তখন দ্রুত বাড়তে থাকে।</p>
<p>এই তত্ত্বের সমর্থকেরা মনে করেন, ১৯৯০ বা ২০০০-এর দশকের শুরুতে ইন্টারনেট ছিল অনেক বেশি অগোছালো, ব্যক্তিগত ও মানবিক। ছোট ছোট ব্লগ, স্বাধীন ওয়েবসাইট, ফোরাম, ব্যক্তিগত ডায়েরি, অদ্ভুত কিন্তু সৃজনশীল পেজ, নানা ধরনের অনলাইন কমিউনিটি, সব মিলিয়ে ইন্টারনেট ছিল এক ধরনের মুক্ত অঞ্চল।</p>
<p>আজকের ইন্টারনেট তার থেকে ভিন্ন। এখন বড় প্ল্যাটফর্ম কয়েকটি কোম্পানির হাতে কেন্দ্রীভূত। আমরা কী দেখব, কী পড়ব, কার পোস্ট সামনে আসবে, কোন ভিডিও ভাইরাল হবে, তা অনেকাংশে ঠিক করে অ্যালগরিদম। মানুষের মনোযোগই এখানে পণ্য। যত বেশি সময় ব্যবহারকারী প্ল্যাটফর্মে থাকবে, তত বেশি বিজ্ঞাপন দেখানো যাবে, তত বেশি ডেটা সংগ্রহ করা যাবে, তত বেশি মুনাফা হবে।</p>
<p>এই বাস্তবতা থেকেই ডেড ইন্টারনেট থিওরি শক্তি পায়।</p>
<p><strong>কেন ইন্টারনেট মৃত মনে হয়</strong></p>
<p>এই তত্ত্ব জনপ্রিয় হওয়ার পেছনে মানুষের নিজের অভিজ্ঞতার বড় ভূমিকা আছে। অনেকেই আজকাল ইন্টারনেট ব্যবহার করতে গিয়ে একধরনের পুনরাবৃত্তি, ক্লান্তি ও কৃত্রিমতার অনুভূতি পান।</p>
<p>প্রথমত, কনটেন্টের পুনরাবৃত্তি এখন অত্যন্ত স্পষ্ট। একই ধরনের মিম, একই ধরনের ভিডিও, একই রকম শিরোনাম, একই ধরনের বিতর্ক, একই রকম উত্তেজনা বারবার চোখে পড়ে। একটি বিষয় জনপ্রিয় হলেই তার শত শত অনুকরণ তৈরি হয়। কোথাও সামান্য পরিবর্তন, কোথাও নতুন ক্যাপশন, কোথাও নতুন ছবি, কিন্তু মূল ভাব একই।</p>
<p>দ্বিতীয়ত, মন্তব্যের ভাষাও অনেক সময় যান্ত্রিক। জনপ্রিয় পোস্ট বা ভিডিওর নিচে “Nice post”, “Great video”, “So true”, “Amazing content” ধরনের অসংখ্য মন্তব্য দেখা যায়। সব মন্তব্য বটের নয়, কিন্তু এগুলোর অনেকই এত সাধারণ ও প্রাসঙ্গিকতাহীন যে ব্যবহারকারীর মনে সন্দেহ তৈরি হয়।</p>
<p>তৃতীয়ত, অ্যালগরিদম আমাদের পছন্দকে শুধু অনুসরণ করে না, অনেক সময় সেটিকে তৈরি করে। আপনি একটি ভিডিও দেখলেন, তারপর একই ধরনের আরও দশটি ভিডিও সামনে এল। আপনি কোনো একটি রাজনৈতিক মতামত পড়লেন, তারপর সেই মতের কাছাকাছি আরও কনটেন্ট আসতে শুরু করল। ধীরে ধীরে ব্যবহারকারী একটি ফিল্টার বাবলের মধ্যে আটকে যান। সেখানে ভিন্নমত কম, চমক কম, নতুন অভিজ্ঞতা কম।</p>
<p>চতুর্থত, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের একটি অদ্ভুত বৈপরীত্য আছে। সেখানে মানুষ আছে, কিন্তু সংযোগ কম। ভিড় আছে, কিন্তু গভীরতা কম। প্রতিক্রিয়া আছে, কিন্তু সংলাপ কম। লাইক আছে, কিন্তু আস্থা কম। এই শূন্যতা থেকেই অনেকে অনুভব করেন, ইন্টারনেট যেন আর আগের মতো মানবিক নেই।</p>
<p><strong>বাস্তবতা কতটা</strong></p>
<p>ডেড ইন্টারনেট থিওরির সব দাবি প্রমাণিত নয়। তবে এর পেছনের উদ্বেগগুলো বাস্তব।</p>
<p>ইন্টারনেটে বটের উপস্থিতি অস্বীকার করার সুযোগ নেই। সার্চ ইঞ্জিনের ক্রলার, ওয়েবসাইট মনিটরিং টুল, ডেটা সংগ্রহকারী সফটওয়্যারসহ অনেক ধরনের স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা প্রতিদিন ইন্টারনেটে কাজ করে। এগুলোর অনেকই ক্ষতিকর নয়। বরং ওয়েবসাইট খুঁজে পাওয়া, তথ্য সূচিবদ্ধ করা বা নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণের জন্য এগুলো প্রয়োজনীয়।</p>
<p>কিন্তু ক্ষতিকর বটও আছে। স্প্যাম ছড়ানো, ভুয়া লাইক ও ফলোয়ার তৈরি, বিভ্রান্তিমূলক প্রচারণা চালানো, সাইবার আক্রমণ, পণ্যের ভুয়া রিভিউ দেওয়া, রাজনৈতিক আলোচনায় কৃত্রিম জনমত তৈরি করা, এসব কাজেও বট ব্যবহৃত হয়। ফলে অনলাইন জনপ্রিয়তা সব সময় বাস্তব জনপ্রিয়তার প্রতিফলন নয়।</p>
<p>এআই-জেনারেটেড কনটেন্টের বিস্তারও দ্রুত বাড়ছে। এখন লেখা, ছবি, ভিডিও, কণ্ঠ, বিজ্ঞাপন, পণ্যের বিবরণ, এমনকি সংবাদধর্মী কনটেন্টও দ্রুত তৈরি করা যায়। এর ফলে সৃজনশীলতার সুযোগ যেমন বেড়েছে, তেমনি মানহীন ও পুনরাবৃত্তিমূলক কনটেন্টের ঝুঁকিও বেড়েছে।</p>
<p>ডেড ইন্টারনেট থিওরির সবচেয়ে বড় দুর্বলতা হলো, এটি বাস্তব সমস্যাকে অতিরঞ্জিত করে এক ধরনের সর্বব্যাপী ষড়যন্ত্রে পরিণত করে। বট আছে, কিন্তু তার মানে এই নয় যে ইন্টারনেটের বেশির ভাগ ব্যবহারকারী আর মানুষ নয়। এআই কনটেন্ট আছে, কিন্তু তার মানে এই নয় যে মানুষের সৃজনশীলতা শেষ হয়ে গেছে। অ্যালগরিদম শক্তিশালী, কিন্তু তার মানে এই নয় যে মানুষ সম্পূর্ণভাবে নিয়ন্ত্রিত পুতুলে পরিণত হয়েছে।</p>
<p>বাস্তবে প্রতিদিন কোটি কোটি মানুষ ইন্টারনেটে লিখছে, শিখছে, কথা বলছে, ছবি তুলছে, গান করছে, গবেষণা করছে, প্রতিবাদ করছে, সংগঠিত হচ্ছে এবং নিজেদের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিচ্ছে। সমস্যা হলো, এই মানবিক অংশটি অনেক সময় বড় প্ল্যাটফর্মের অ্যালগরিদমিক শব্দের ভেতর চাপা পড়ে যায়।</p>
<p><strong>বাংলাদেশের জন্য কেন বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ</strong></p>
<p>বাংলাদেশের জন্য ডেড ইন্টারনেট থিওরি শুধু একটি প্রযুক্তিবিষয়ক কৌতূহল নয়। এটি গণতান্ত্রিক আলাপ, সংবাদমাধ্যম, শিক্ষা, নির্বাচন, বাজার, সামাজিক সম্প্রীতি এবং নাগরিক আস্থার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।</p>
<p>বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহার দ্রুত বেড়েছে। ফেসবুক, ইউটিউব, টিকটক, মেসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম এখন মানুষের দৈনন্দিন জীবনের অংশ। মানুষ খবর পায়, মতামত গড়ে তোলে, ব্যবসা করে, শিক্ষা নেয়, বিনোদন পায়, সামাজিক সম্পর্ক বজায় রাখে, রাজনৈতিক বিতর্কে অংশ নেয়। কিন্তু এর সঙ্গে বেড়েছে ভুয়া খবর, গুজব, উদ্দেশ্যমূলক প্রচারণা, অনলাইন প্রতারণা, ঘৃণাত্মক বক্তব্য, সাইবার বুলিং এবং এআই-নির্মিত বিভ্রান্তিকর কনটেন্টের ঝুঁকি।</p>
<p>বাংলা ভাষায় এআই কনটেন্টের মানও একটি বড় প্রশ্ন। অনেক সময় অনুবাদনির্ভর, দুর্বল, একই ধরনের, প্রেক্ষিতহীন ও তথ্যগতভাবে ভুল বাংলা কনটেন্ট ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় বাস্তবতা, প্রান্তিক মানুষের অভিজ্ঞতা, আঞ্চলিক ভাষা, সংস্কৃতি ও সামাজিক প্রেক্ষাপট প্রায়ই হারিয়ে যায়। ফলে বাংলাদেশের ডিজিটাল জনপরিসর শুধু ইংরেজি বা বৈশ্বিক অ্যালগরিদমের ছাঁচে বন্দী হয়ে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হয়।</p>
<p>আরেকটি বড় ঝুঁকি হলো কৃত্রিম জনমত। কোনো ইস্যুতে হঠাৎ হাজার হাজার একই ধরনের মন্তব্য, একই ভাষার পোস্ট, একই ধরনের ভিডিও বা একই স্লোগান দেখা গেলে সাধারণ মানুষ বুঝতে পারে না এটি স্বতঃস্ফূর্ত জনমত, নাকি সংগঠিত ডিজিটাল প্রচারণা। এতে সমাজে বিভ্রান্তি বাড়ে এবং প্রকৃত জনমতের মূল্য কমে যায়।</p>
<p><strong>বাংলাদেশ কী করতে পারে</strong></p>
<p>প্রথমত, বাংলাদেশকে ডিজিটাল ও মিডিয়া সাক্ষরতাকে জাতীয় অগ্রাধিকার দিতে হবে। শুধু ইন্টারনেট ব্যবহার শেখানো যথেষ্ট নয়। মানুষকে শেখাতে হবে কীভাবে তথ্য যাচাই করতে হয়, কীভাবে ভুয়া ছবি ও ভিডিও চিনতে হয়, কীভাবে বটের আচরণ বোঝা যায়, কীভাবে অ্যালগরিদম আমাদের পছন্দকে প্রভাবিত করে। স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, বিশ্ববিদ্যালয়, কমিউনিটি সেন্টার এবং স্থানীয় গণমাধ্যমের মাধ্যমে এই শিক্ষা ছড়িয়ে দিতে হবে।</p>
<p>দ্বিতীয়ত, বাংলা ভাষার মানসম্মত ডিজিটাল কনটেন্ট বাড়াতে হবে। স্থানীয় ভাষা, স্থানীয় সমস্যা, স্থানীয় জ্ঞান এবং মানুষের বাস্তব অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে কনটেন্ট তৈরি করা জরুরি। শুধু ঢাকাকেন্দ্রিক নয়, জেলা, উপজেলা, চর, হাওর, পাহাড়, উপকূল ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কণ্ঠকেও ডিজিটাল পরিসরে দৃশ্যমান করতে হবে। ইন্টারনেটকে সত্যিকারের মানবিক রাখতে হলে মানুষের বাস্তব জীবন সেখানে জায়গা পেতে হবে।</p>
<p>তৃতীয়ত, স্বাধীন ও জনস্বার্থভিত্তিক সাংবাদিকতাকে শক্তিশালী করতে হবে। এআই-জেনারেটেড কনটেন্টের ভিড়ে যাচাইকৃত সংবাদ, অনুসন্ধানী প্রতিবেদন, স্থানীয় সাংবাদিকতা এবং জনস্বার্থের তথ্য আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। সংবাদমাধ্যমকে প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হবে, কিন্তু কনটেন্ট উৎপাদনের অন্ধ প্রতিযোগিতায় বিশ্বাসযোগ্যতা হারালে চলবে না।</p>
<p>চতুর্থত, প্ল্যাটফর্ম জবাবদিহি দরকার। বড় প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো বাংলাদেশে বিপুল ব্যবহারকারী থেকে মুনাফা করে, কিন্তু বাংলা কনটেন্ট মডারেশন, ভুয়া খবর শনাক্তকরণ, স্থানীয় ভাষা ও প্রেক্ষাপট বোঝা, গবেষকদের ডেটা অ্যাক্সেস দেওয়া এবং স্বচ্ছতা প্রতিবেদন প্রকাশের ক্ষেত্রে তাদের দায়বদ্ধতা সীমিত। সরকার, নাগরিক সমাজ, প্রযুক্তিবিদ, গণমাধ্যম ও একাডেমিয়ার যৌথ উদ্যোগে প্ল্যাটফর্মগুলোর সঙ্গে নিয়মিত নীতি-আলোচনা প্রয়োজন।</p>
<p>পঞ্চমত, এআই-জেনারেটেড কনটেন্ট চিহ্নিতকরণে নীতিমালা প্রয়োজন। কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও বা অডিও এআই দিয়ে তৈরি হলে তা স্বচ্ছভাবে জানানো উচিত, বিশেষ করে সংবাদ, রাজনৈতিক প্রচারণা, স্বাস্থ্য তথ্য, শিক্ষা, আর্থিক পরামর্শ এবং জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে। তবে নীতিমালা যেন মতপ্রকাশের স্বাধীনতা দমনের হাতিয়ার না হয়, সে বিষয়েও সতর্ক থাকতে হবে।</p>
<p>ষষ্ঠত, স্থানীয় কমিউনিটি-ভিত্তিক ডিজিটাল জনপরিসর তৈরি করতে হবে। বড় প্ল্যাটফর্মের ওপর পুরোপুরি নির্ভর করলে বাংলাদেশের জনআলোচনা অ্যালগরিদমের হাতে বন্দী থাকবে। স্থানীয় অনলাইন ফোরাম, কমিউনিটি মিডিয়া, কমিউনিটি রেডিওর ডিজিটাল রূপান্তর, নাগরিক তথ্যকেন্দ্র, শিক্ষামূলক প্ল্যাটফর্ম এবং স্থানীয় ভাষার ডিজিটাল আর্কাইভ গড়ে তোলা যেতে পারে।</p>
<p>সপ্তমত, গবেষণা দরকার। বাংলাদেশে কত বট অ্যাকাউন্ট সক্রিয়, কী ধরনের ভুয়া প্রচারণা চলে, বাংলা ভাষায় এআই কনটেন্টের প্রভাব কী, নির্বাচনী আলোচনায় অটোমেশন কতটা প্রভাব ফেলে, শিশু-কিশোরদের ওপর অ্যালগরিদমিক কনটেন্টের প্রভাব কী, এসব বিষয়ে স্বাধীন গবেষণা প্রয়োজন। অনুমান দিয়ে নীতি তৈরি করলে ঝুঁকি বাড়ে।</p>
<p><strong>ইন্টারনেট মৃত নয়, কিন্তু অসুস্থ</strong></p>
<p>ডেড ইন্টারনেট থিওরি আক্ষরিক অর্থে সত্য নয়। ইন্টারনেট মরে যায়নি। মানুষ এখনো সেখানে আছে। তারা কথা বলছে, প্রশ্ন করছে, শিখছে, ভালোবাসছে, রাগ করছে, প্রতিবাদ করছে, গান লিখছে, ছবি আঁকছে, ব্যবসা করছে, শিক্ষা নিচ্ছে, আন্দোলন গড়ছে।</p>
<p>কিন্তু এটাও সত্য, ইন্টারনেট আগের মতো নেই। এটি এখন অনেক বেশি বাণিজ্যিক, নজরদারিমূলক, অ্যালগরিদম-নির্ভর এবং কনটেন্ট-উৎপাদনমুখী। মানুষের সম্পর্ক, চিন্তা ও সৃজনশীলতাকে ক্রমেই মাপা হচ্ছে লাইক, শেয়ার, ভিউ, ক্লিক ও এনগেজমেন্ট দিয়ে। ফলে ইন্টারনেটের মানবিক চরিত্র অনেক ক্ষেত্রেই ক্ষয়প্রাপ্ত হচ্ছে।</p>
<p>বাংলাদেশের সামনে তাই দ্বৈত চ্যালেঞ্জ। একদিকে ডিজিটাল রূপান্তরের সুযোগ কাজে লাগাতে হবে, অন্যদিকে ডিজিটাল জনপরিসরকে বট, ভুয়া তথ্য, অ্যালগরিদমিক পক্ষপাত এবং মানহীন কনটেন্টের ভিড় থেকে রক্ষা করতে হবে।</p>
<p>প্রশ্ন তাই ইন্টারনেট সত্যিই মৃত কি না, তা নয়। আসল প্রশ্ন হলো, আমরা কি ইন্টারনেটকে মানুষের জায়গা হিসেবে ধরে রাখতে চাই? যদি চাই, তাহলে বাংলাদেশকে এখনই ভাবতে হবে, কীভাবে বাংলা ভাষা, স্থানীয় জ্ঞান, স্বাধীন সংবাদমাধ্যম, ডিজিটাল সাক্ষরতা, প্রযুক্তিগত জবাবদিহি এবং মানবিক সংলাপকে শক্তিশালী করা যায়।</p>
<p>কারণ ইন্টারনেটের প্রাণ প্রযুক্তি নয়। ইন্টারনেটের প্রাণ মানুষ। আর মানুষকে অদৃশ্য করে কোনো ডিজিটাল ভবিষ্যৎ টেকসই হতে পারে না।                     </p>
<hr>
<p><strong>লেখকঃ </strong>ডিজিটাল গভর্ন্যান্স, তথ্যের অখণ্ডতা ও ডিজিটাল গণতন্ত্রবিষয়ক নীতি-পরামর্শক, বাংলাদেশের জন্য দায়িত্বশীল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (AMR) বিষয়ক অ্যাম্বাসেডর</p>
<hr>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>সবুজ বিপ্লব: জ্বালানী সংকটের টেকসই সমাধান সহ লুকিয়ে আছে অপার সম্ভাবনা!</title>
<link>https://digibanglatech.news/175064</link>
<guid>https://digibanglatech.news/175064</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202605/image_870x580_69fec0e5a3938.jpg" length="117711" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 24 Apr 2026 23:36:37 +0600</pubDate>
<dc:creator>সাইফুল ইসলাম সিদ্দিক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span lang="BN-BD">এক সময়</span> রাজপথে<span lang="BN-BD"> </span>জ্বালানী তেলবাহী<span lang="BN-BD"> ট্যাঙ্কারের পেছনে লেখা </span>'<span lang="BN-BD">জন্ম থেকে জ্বলছি</span>’ <span lang="BN-BD">কথাটি দেখে আমরা হয়তো একটু হাসতাম। কিন্তু সময়ের পরিহাসে সেই কৌতুক আজ বিশ্ব অর্থনীতির এক জ্বলন্ত বাস্তব</span>তা<span lang="BN-BD">। ইরান</span>, <span lang="BN-BD">যুক্তরাষ্ট্র আর ইসরাইলের মধ্যপ্রাচ্যীয় উত্তাপ আজ শুধু মানচিত্রের রেখা নয়</span>, <span lang="BN-BD">বরং আমাদের রান্নাঘর আর কারখানার চাকা পর্যন্ত পৌঁছে গেছে। বাংলাদেশও এর বাইরে নয়। সতেরো বছর আগে বিদ্যুতের জন্য যে হাহাকার আমরা দেখেছিলাম</span>, <span lang="BN-BD">আধুনিক প্রযুক্তির যুগে এসেও সেই একই ছায়া আমাদের দরজায় কড়া নাড়ছে। </span><o:p></o:p></p>
<p><span lang="BN-BD">তবে এই জ্বালা থেকে মুক্তির পথ কোনো আমদানিকৃত তরল জ্বালানিতে নেই</span>; <span lang="BN-BD">এর সমাধান লুকিয়ে আছে আমাদের মাথার ওপরের অফুরন্ত সূর্যালোকে। সরকার যদি আগামী কয়েক বছরের মধ্যে টেকসই সুফল পেতে চায়</span>, তাহলে <span lang="BN-BD">সরকারকে প্রথমেই </span>‘<span lang="BN-BD">শুল্ক</span>যু<span lang="BN-BD">ক্ত আমদানি</span>’ <span lang="BN-BD">নীতি থেকে একধাপ এগিয়ে </span>‘<span lang="BN-BD">শুল্কমুক্ত উৎপাদন</span>’ <span lang="BN-BD">বা </span>‘<span lang="BN-BD">লোকাল অ্যাসেম্বলিং</span>’<span lang="BN-BD">-এ গুরুত্ব দিতে হবে</span><span lang="HI">।</span> সৌর বিদ্যুতের শক্তি সংরক্ষণে গড়ে তুলতে হবে ব্যাটারি হাব। পেট্রোলিয়াম জ্বালানীর খরচ কমাতে বাড়াতে বৈদ্যুতিক যান ও হোম অ্যাপলায়েন্সের ব্যবহার। এজন্য দরকার <span lang="BN-BD">নিজস্ব নবায়নযোগ্য জ্বালানি</span>, <span lang="BN-BD">স্থিতিশীলতা</span>, <span lang="BN-BD">কম খরচ</span>, <span lang="BN-BD">দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা</span>।<o:p></o:p></p>
<p>এক্ষেত্রে <span lang="BN-BD">শহরের প্রতিটি ছাদকে যদি বিদ্যুৎ কেন্দ্রে রূপান্তর করা যায়</span>, <span lang="BN-BD">তবে গ্রিডের ওপর চাপ কমে যাবে অর্ধেক</span><span lang="HI">।</span> সরকার চাইলেই উদ্যোক্তাদের মাধ্যমে সকরারি অফিসগুলোর ছাদকে সোলার হাব হিসেবে গড়ে তুলতে পারে। আমদানি নির্ভর জ্বালানী তেলের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে দেশে বিদ্যমান অফুরন্ত প্রাকৃতিক সূর্যালোকে জ্বলানী সঙ্কটের আঁধার দূর করতে পারে স্থায়ী ভাবে। এক্ষেত্রে সোলার প্যানেল আমদানি সহজীকরণ করার বিকল্প নেই। পাশাপাশি সূর্যের শক্তিকে সংরক্ষণে <span lang="BN-BD">লিথিয়াম-আয়ন বা আধুনিক সোডিয়াম-আয়ন ব্যাটারি</span> সহজপ্রাপ্য করতে <span lang="BN-BD">প্রয়োজনীয় কাঁচামাল আমদানিতে শুল্ক শূন্য করা এবং দেশে কারখানা স্থাপনে</span> অন্তত<span lang="BN-BD"> ১০ বছরের ট্যাক্স হলিডে দেওয়া</span> যেতে পারে<span lang="BN-BD">।</span> পাশাপাশি<span lang="BN-BD"> সোলার প্যানেল বসানোর জন্য দীর্ঘমেয়াদী এবং স্বল্প সুদের </span>‘<span lang="BN-BD">গ্রিন লোন</span>’ <span lang="BN-BD">নিশ্চিত ক</span>রতে হবে<span lang="HI">।</span><span lang="BN-BD"> এতে ব্যাটারির দাম কমলে সৌরবিদ্যুৎ শুধু দিনের আলোতে সীমাবদ্ধ থাকবে না</span><span lang="HI">। </span>সরকারের এই ছোট্ট নীতিগত সহায়তায় ধনী-গরিব নির্বিশেষে সবাই উপকৃত হবে। <o:p></o:p></p>
<p>একইভাবে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে জমিতে সেচের জন্য ব্যবহৃত স্যালো মেশিন, ধানকাটা, মাড়াইয়ে ব্যবহৃত হার্ভেস্ট মেশিন সহ মোটর চালিত সরঞ্জামের জন্য প্রয়োজনীয় তেল সংগ্রহকে জীবনের তেল ছুটে যাওয়ার মতো ত্রাহি অবস্থা থেকে নাগরিকদের মুক্তি দিতে হলে তাদের জন্য কৃষি-পরিবহন সব ক্ষেত্রেই ইভি সহজলভ্য করে দিতে হবে। কেননা, ইভি <span lang="BN-BD">শুধু </span>আজকের দিনে<span lang="BN-BD"> আস্ত </span>একটা<span lang="BN-BD"> গাড়ি নয় </span>এটি হয়ে উঠেছে প্রগতির গতি। তাই<span lang="BN-BD"> বৈদ্যুতিক যানের মোটর</span>, <span lang="BN-BD">কন্ট্রোলার এবং চার্জিং স্টেশনের যন্ত্রাংশ আমদানিতে বিশেষ ছাড় দিলে দেশে সাশ্রয়ী মূল্যের ই-বাইক বা থ্রি-হুইলার</span> যেমন<span lang="BN-BD"> তৈরি হবে</span>; তেমনি দেশের প্রয়োজনীয় কৃষি ও শিল্পকাজের জন্য ‍উদ্ভাবিত হবে নতুন নতুন যান<span lang="HI">। </span>ইভি আমদানিতে শুল্ক মুক্ত সুবিধা দিলে তেলের গাড়ির সংখ্যা কমার পাশাপাশি জ্বালানী তেল আমদানিতে বাড়তি ব্যয় ও এই খাতের ওপর চাপ কমবে। কমবে শব্দ দূষণ, বায়ু দূষণও। <o:p></o:p></p>
<p>হ্যা, <span lang="BN-BD">রাস্তায় বৈদ্যুতিক গাড়ি নামলেই হবে না</span>, <span lang="BN-BD">সেগুলোকে চার্জ করার সক্ষমতা থাকতে হবে </span>আমাদের<span lang="HI">।</span> এজন্য <span lang="BN-BD">দেশের প্রতিটি ফিলিং স্টেশনে বাধ্যতামূলকভাবে ডিসি ফাস্ট চার্জিং পয়েন্ট স্থাপনের নীতি গ্রহণ করতে হবে</span><span lang="HI">।</span> রাস্তার পাশে কিংবা গ্যারেজগুলোতে চার্জিং স্টেশন স্থাপন কিংবা উবারের মতো চার্জিং ইভি’র মতো ব্যবস্থা করা যেতে পারে।  একইসঙ্গে <span lang="BN-BD">স্মার্ট মিটারিংয়ের মাধ্যমে রাতের বেলায় (যখন বিদ্যুতের চাহিদা কম থাকে) ইভি চার্জ দিলে বিশেষ ছাড় দেওয়ার ব্যবস্থা ক</span>রতে হবে<span lang="BN-BD">। এতে গ্রিড ম্যানেজমেন্ট সহজ হবে</span><span lang="HI">।</span><o:p></o:p></p>
<p><span lang="BN-BD">বাংলাদেশের ডিজেল আমদানির একটা বড় অংশ ব্যয় হয় সেচ পাম্পে</span><span lang="HI">।</span> তাই <span lang="BN-BD">দেশের প্রতিটি ডিজেলচালিত সেচ পাম্পকে সোলার পাম্পে রূপান্তর করতে সরকারি ভর্তুকি বাড়ানো </span>আবশ্যক<span lang="BN-BD">। এটি একদিকে কৃষকের খরচ কমাবে</span>, <span lang="BN-BD">অন্যদিকে জ্বালানি তেলের ওপর চাপ কমাবে</span><span lang="HI">।</span><o:p></o:p></p>
<p>ইভি’র বৈদ্যুতিক চাহিদা মেটাতে <span lang="BN-BD">নেট মিটারিং সহজীকরণ</span> হতে পারে সহজ সমাধান। এক্ষেত্রে <span lang="BN-BD">সাধারণ মানুষ যখন দেখবে তার ছাদের সোলার প্যানেল থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ ব্যবহারের পর অতিরিক্ত অংশ সে সরকারের কাছে বিক্রি করতে পারছে এবং মাস শেষে বিদ্যুৎ বিল </span>'<span lang="BN-BD">শূন্য</span>' <span lang="BN-BD">বা </span>'<span lang="BN-BD">নেগেটিভ</span>' <span lang="BN-BD">আসছে</span>, <span lang="BN-BD">তখন এটি একটি সামাজিক আন্দোলনে পরিণত হবে</span><span lang="HI">।</span><o:p></o:p></p>
<p>আর <span lang="BN-BD">বিনিয়োগকারীরা তখনই আগ্রহী হবে যখন তারা দেখবে সরকারের নীতি দীর্ঘমেয়াদী</span><span lang="HI">।</span> তাই <span lang="BN-BD">নবায়নযোগ্য জ্বালানি নিয়ে কাজ করতে গিয়ে যেন উদ্যোক্তাদের ১০টি দপ্তরে ঘুরতে না হয়। স্রেডা (</span>SREDA)-<span lang="BN-BD">কে আরও শক্তিশালী করে সব অনুমোদন এক জায়গা থেকে দেওয়ার ব্যবস্থা করা</span> যেতে পারে<span lang="HI">।</span><o:p></o:p></p>
<p>এভাবেই ‘<span lang="BN-BD">সবুজ জ্বালানি</span>’ আন্দোলনের মাধ্যমে<span lang="HI"> </span><span lang="BN-BD">আমরা যদি আজ ব্যাটারি প্রযুক্তি আর সৌরশক্তির দুয়ার পুরোপুরি খুলে দিই</span>, <span lang="BN-BD">তবে আগামী কয়েক বছরে লোডশেডিংয়ের শব্দটা আমাদের অভিধান থেকে মুছে যাবে। বাংলাদেশ তখন আর জ্বালানি সংকটে জ্বলবে না</span>, <span lang="BN-BD">বরং সূর্যের আলোয় আলোকিত এক টেকসই ভবিষ্যতের পথে এগিয়ে যাবে</span><span lang="HI">। </span><o:p></o:p></p>
<p>লেখার শেষভাগে এসে মনে হলো- টেলিকম খাতের উদ্যোক্তা হিসেবে আমি জ্বালানী খাত নিয়ে এতো উদ্বিগ্ন কেন? সরকার কেনই বা আমার কথাকে আমলে নেবেন। সংশয় দূর করতে বলতে চাই- <span lang="BN-BD">বাংলাদেশের গ্রাম থেকে শহর</span>- <span lang="BN-BD">প্রতিটি কল</span>, <span lang="BN-BD">প্রতিটি ডেটা প্যাকেট ভেসে যায় হাজারো টেলিকম টাওয়ারের ভেতর দিয়ে। </span>আমরা যারা ব্রডব্যান্ড ক্যাবল টেনে নেটওয়ার্ক দেই তাদের সার্ভার জীবন্ত রাখতে লাগে বিদ্যুত। অর্থাৎ টেলিকম নেটওয়ার্কের<span lang="BN-BD"> এই অবকাঠামোর বড় একটি অংশ এখনো নির্ভরশীল ডিজেল জেনারেটর আর অস্থির গ্রিড বিদ্যুতের ওপর। জ্বালানি ব্যয় বাড়ছে</span>, <span lang="BN-BD">কার্বন নিঃসরণ বাড়ছে</span>, <span lang="BN-BD">আর সংকটের সময় নেটওয়ার্কও পড়ে যাচ্ছে ঝুঁকিতে। এই বাস্তবতায় “নিরবচ্ছিন্ন</span>, <span lang="BN-BD">পরিচ্ছন্ন শক্তি” আর বিলাসিতা নয়</span>- <span lang="BN-BD">এটি হয়ে উঠেছে টেলিকম খাতের টিকে থাকার পূর্বশর্ত</span>।<o:p></o:p></p>
<p>কল্পনা করুন, <span lang="BN-BD">দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের একটি টাওয়ার</span> কিংবা আইএসপিদের পপ <span lang="BN-BD">যেখানে গ্রিড বিদ্যুৎ আসে-যায়। আগে সেখানে দিনে কয়েক ঘণ্টা ডিজেল জেনারেটর চালিয়ে নেটওয়ার্ক সচল রাখা হতো। এখন সেই টাওয়ারের মাথায় বসেছে সোলার প্যানেল</span>, <span lang="BN-BD">পাশে লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি ব্যাংক।</span>  <span lang="BN-BD">দিনে সূর্যের আলো থেকে বিদ্যুৎ উৎপন্ন হচ্ছে</span>, <span lang="BN-BD">রাতে সেই শক্তি জমা থাকছে ব্যাটারিতে। জেনারেটর চালু হচ্ছে কেবল জরুরি প্রয়োজনে</span>। <span lang="BN-BD">এই “হাইব্রিড পাওয়ার সিস্টেম” শুধু খরচ কমাচ্ছে না</span>-<span lang="BN-BD">এটি কার্বন নিঃসরণও কমাচ্ছে ৪০-৬০% পর্যন্ত</span><span lang="HI">।</span><span lang="BN-BD"> টেলিকম খাতের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো “নিরবচ্ছিন্নতা”। এখানে এক সেকেন্ডের বিদ্যুৎ বিভ্রাট মানেই হাজারো কল ড্রপ</span>, <span lang="BN-BD">ডেটা লস।</span><o:p></o:p></p>
<p><span lang="BN-BD">এখানেই আসে ইনগ্রিড এনার্জি স্টোরেজ সিস্টেম (</span>ESS) তথা <span lang="BN-BD">বড় আকারের ব্যাটারি (লিথিয়াম-আয়ন</span>, LFP); <span lang="BN-BD">স্মার্ট এনার্জি ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার</span>; <span lang="BN-BD">গ্রিড</span>, <span lang="BN-BD">সোলার</span>, <span lang="BN-BD">জেনারেটর—সব উৎসের সমন্বয়</span>। <span lang="BN-BD">এই সিস্টেম টেলিকম টাওয়ারকে ছোট একটি “স্বয়ংসম্পূর্ণ বিদ্যুৎ কেন্দ্র”-এ পরিণত করতে পারে। বাংলাদেশে ঘূর্ণিঝড়</span>, <span lang="BN-BD">বন্যা</span>, <span lang="BN-BD">ঝড়—সবই নিয়মিত। এই সময়ে টেলিকমই হয়ে ওঠে জীবনরেখা। সৌরশক্তি + স্টোরেজ + স্মার্ট </span>UPS <span lang="BN-BD">মিলিয়ে তৈরি করা যায় “ডিজাস্টার-রেজিলিয়েন্ট নেটওয়ার্ক”</span>।<o:p></o:p></p>
<p><span lang="BN-BD">ভাবুন</span>তো, এই ইকো সিস্টেমে <span lang="BN-BD">একজন উদ্যোক্তা গ্রামে একটি “এনার্জি সার্ভিস কোম্পানি (</span>ESCO)” <span lang="BN-BD">তৈরি করলেন</span><span lang="HI">। </span><span lang="BN-BD">তিনি টেলিকম টাওয়ার</span>, <span lang="BN-BD">স্থানীয় ব্যবসা</span>, <span lang="BN-BD">এমনকি চার্জিং স্টেশন—সবকিছুতে সৌরবিদ্যুৎ সরবরাহ করছেন</span><span lang="HI">।</span><span lang="HI"> </span><span lang="BN-BD">তিনি বিদ্যুৎ বিক্রি করছেন “</span>Power-as-a-Service” <span lang="BN-BD">মডেলে</span><span lang="HI">। </span><span lang="BN-BD">অপারেটররা বিনিয়োগ না করে শুধু ব্যবহার করছে</span><span lang="HI">।</span>  <span lang="BN-BD">একসময় </span> যে <span lang="BN-BD">টেলিকম টাওয়ার ছিল শুধু যোগাযোগের প্রতীক</span>; এ<span lang="BN-BD">খন এটি হতে পারে শক্তির উৎস</span>, <span lang="BN-BD">স্থিতিশীলতার কেন্দ্র</span>, <span lang="BN-BD">এমনকি স্থানীয় অর্থনীতির চালিকাশক্তি</span><span lang="HI">।</span><o:p></o:p></p>
<p><span lang="BN-BD">বাংলাদেশের জ্বালানি খাত আজ এক অস্বস্তিকর বাস্তবতার মুখোমুখি। আমরা যে মডেলের ওপর দাঁড়িয়ে আছি</span>, <span lang="BN-BD">সেটি টেকসই নয়</span>; <span lang="BN-BD">এটা এখন আর তর্কের বিষয় নয়</span>, <span lang="BN-BD">বাস্তবতা। বিশ্ববাজারে তেলের দাম বাড়লে</span>, <span lang="BN-BD">মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা তৈরি হলে বা ডলারের ওপর চাপ বাড়লে তার সরাসরি প্রভাব পড়ে আমাদের ঘরে</span>, <span lang="BN-BD">শিল্পে</span>, <span lang="BN-BD">কৃষিতে।</span> অথচ <span lang="BN-BD">সূর্যের আলো তো প্রতিদিনই </span>মেলে। <span lang="BN-BD">প্রশ্ন হলো</span>, <span lang="BN-BD">আমরা সেটিকে কেবল আলো হিসেবে দেখবো</span>, <span lang="BN-BD">নাকি শক্তিতে রূপান্তর করে ভবিষ্যৎ গড়বো</span>? পরিসংখ্যান বলছে, <span lang="BN-BD">বাংলাদেশে গড়ে ৪ থেকে ৫ কিলোওয়াট আওয়ার প্রতি বর্গমিটার প্রতিদিন সৌর বিকিরণ রয়েছে</span>, <span lang="BN-BD">যা জার্মানির চেয়ে দ্বিগুণ। অথচ জার্মানি তার বিদ্যুতের ৬০ শতাংশেরও বেশি নবায়নযোগ্য উৎস থেকে পাচ্ছে। এই একটি তথ্যই বলে দেয়</span>, <span lang="BN-BD">সূর্যের আলো আমাদের সম্পদ হওয়ার কথা</span>, <span lang="BN-BD">কিন্তু সেটা হয়ে উঠছে না।</span> বিশেষজ্ঞদের মতে, <span lang="BN-BD">শিল্প</span>, <span lang="BN-BD">বাণিজ্যিক ভবন ও বাসাবাড়ির ছাদ ব্যবহার করে ৩ হাজার থেকে ৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব</span>। তাদের মতের সমান্তরালে আমার বিশ্বাস, <span lang="BN-BD">বাংলাদেশের টেলিকম খাত যদি এই রূপান্তরকে আলিঙ্গন করে</span>, <span lang="BN-BD">তাহলে “নেটওয়ার্ক কভারেজ” শুধু মানচিত্রে নয়—এটি ছড়িয়ে পড়বে টেকসই উন্নয়নের প্রতিটি স্তরে</span>। <o:p></o:p></p>
<p>কেননা, <span lang="BN-BD">প্রযুক্তি এখন সস্তা</span>, <span lang="BN-BD">বিনিয়োগকারীরা আগ্রহী</span>, <span lang="BN-BD">সম্ভাবনাও অফুরন্ত</span>; <span lang="BN-BD">তবু পরিবর্তন ধীর। কারণটা প্রযুক্তিগত নয়</span>, <span lang="BN-BD">নীতিগত। নবায়নযোগ্য প্রযুক্তিতে শুল্ক প্রত্যাহার</span>, <span lang="BN-BD">৫ শতাংশের নিচে সুদে দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়ন</span>, <span lang="BN-BD">দ্রুত অনুমোদনপ্রক্রিয়া (সর্বোচ্চ ৩০ দিন)</span>, <span lang="BN-BD">বাধ্যতামূলক ছাদভিত্তিক সৌর সংযোগ</span>, <span lang="BN-BD">গ্রিড আধুনিকীকরণ এবং কার্যকর নেট মিটারিং—এসব নীতি বাস্তবায়ন ছাড়া কোনো পরিবর্তনই টেকসই হবে না।</span></p>
<hr>
<p><span lang="BN-BD"><strong>লেখক:</strong><span> প্রকাশক, ডিজিবাংলা, সম্পাদক, সারবাংলা, উদ্যোক্তা ও জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি, আইএসপিএবি</span></span></p>
<hr>
<p><o:p> </o:p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>কেরানীগঞ্জে ডিজিটাল সাংবাদিকতা প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত</title>
<link>https://digibanglatech.news/175039</link>
<guid>https://digibanglatech.news/175039</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69eb9fc06d04b.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 24 Apr 2026 16:52:28 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>আধুনিক বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সাংবাদিকতার পরিবর্তিত ধারায় দক্ষতা বাড়াতে কেরানীগঞ্জে অনুষ্ঠিত হয়েছে দিনব্যাপী ‘ডিজিটাল সাংবাদিকতা বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কর্মশালা’। ৪ এপ্রিল, শুক্রবার কেরানীগঞ্জের লায়ন টাওয়ারে এই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।</p>
<p>কর্মশালায় প্রধান প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডিবিসি নিউজের সাবেক অনলাইন ইনচার্জ ও বর্তমান মাইটিভি অনলাইন ইনচার্জ মো. আতোয়ার হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক যুগান্তরের কেরানীগঞ্জ প্রতিনিধি ও কেরানীগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবু জাফর।</p>
<p>অনলাইন নিউজ পোর্টাল ‘ঢাকার কণ্ঠ’-এর আয়োজনে ২ অনুষ্ঠিত কর্মশালায় আরও উপস্থিত ছিলেন ডিবিসির সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার লিটন মাহমুদ, দৈনিক ভোরের পাতা ও ডেইলি পিপলস টাইমের অনলাইন ইনচার্জ আল-আমীন (পনির), এনটিভি নিউজের রিপোর্টার শেখ ফরিদ, নিউজ ২৪-এর ঢাকা দক্ষিণ প্রতিনিধি আল-আমিন, এডভোকেট আরিফুল ইসলাম, ভিওডি এর স্টাফ রিপোর্টার শেখ রাকিবুল ইসলাম, দৈনিক আগামির সময় এর দোহার-নবাবগঞ্জ প্রতিনিধি সাইফুল ইসলাম, ঢাকার কণ্ঠ-এর কেরানীগঞ্জ প্রতিনিধি শেখ ফরহাদ, ট্রেইনি রিপোর্টার রাবেয়া আক্তার বর্ষা, সানজিদা আক্তার সঞ্জু। এছাড়াও তবিবুর রহমান, আলী আক্কাস ও মো. আলমগীরসহ স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।</p>
<p>কর্মশালায় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে সংবাদ পরিবেশনার কৌশল, মোবাইল জার্নালিজম (MOJO), ভিডিও এডিটিংয়ের প্রাথমিক ধারণা, ফ্যাক্ট-চেকিং এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সঠিক ব্যবহার নিয়ে বিস্তারিত প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/ডিবিআর/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>শিক্ষক থেকে ডিজি ড. সোহেল মূলশক্তি প্রশাসনিক দক্ষতা</title>
<link>https://digibanglatech.news/174891</link>
<guid>https://digibanglatech.news/174891</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69e9d1d9196e6.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 10:51:47 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>শ্রেণিকক্ষ থেকে উঠে আসা শিক্ষাবিদ ও দক্ষ প্রশাসক অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দীন আল মাহমুদ সোহেল মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালকের (ডিজি) অতিরিক্ত দায়িত্ব পেয়েছেন।</p>
<p>বৃহস্পতিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে তাকে এই দায়িত্ব দেও দেওয়া হয়। শিক্ষা প্রশাসনের দীর্ঘদিনের স্থবিরতা ও শূন্যতা কাটিয়ে মাউশিতে গতিশীলতা ফেরাতে তার এই নিয়োগকে অত্যন্ত ইতিবাচক হিসেবে দেখা হচ্ছে।</p>
<p>সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মাউশির শীর্ষ এই পদে নিয়মিত কোনো মহাপরিচালক না থাকায় ছয় মাস ধরে যে নেতৃত্ব সংকট চলছিল, অধ্যাপক ড. সোহেলের দায়িত্ব প্রাপ্তির মাধ্যমে তার অবসান ঘটবে।</p>
<p>মাউশির ডিজির অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া সংক্রান্ত মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদকে ট্রেজারি ও সাবসিডিয়ারি আইনের ভলিউম-১, বিধি-৬৬ মোতাবেক মহাপরিচালকের অতিরিক্ত দায়িত্বসহ আর্থিক ক্ষমতা দেওয়া হলো।</p>
<p>বিসিএস ১৬তম ব্যাচের এই কর্মকর্তা বর্তমানে মাউশির মাধ্যমিক শাখার পরিচালকের দায়িত্ব পালন করছেন। এখন থেকে তিনি ডিজির নিয়মিত দায়িত্বের পাশাপাশি আর্থিক ক্ষমতাও প্রয়োগ করতে পারবেন।</p>
<p>বিগত ১৭ বছরে রাজনৈতিক কারণে তিনি চরম বৈষম্যের শিকার হয়েছেন। ২০০১-২০০৬ মেয়াদে তৎকালীন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) হিসেবে দায়িত্ব পালন করায় আওয়ামী লীগ সরকারের পুরো সময়জুড়ে তাকে গুরুত্বপূর্ণ পদায়ন ও</p>
<p>পদোন্নতি থেকে বঞ্চিত রাখা হয়।</p>
<p>২০০৯ সালে ক্ষমতা পরিবর্তনের প্রথম সপ্তাহেই তাকে ওএসডি করা হয়। পরবর্তী সময়ে ভোলা সরকারি কলেজ, জামালপুর মাদারগঞ্জ সরকারি কলেজ ও দিনাজপুর সরকারি কলেজের মতো দূরবর্তী জেলাগুলোর প্রতিষ্ঠানে বদলি করা হয়। দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময় তিনি ঢাকায় বদলির আবেদন পর্যন্ত করতে পারেননি। তিনি ২০১৩ সালে বিএনপি সমর্থিত প্যানেল থেকে মহাসচিব পদে বিসিএস জেনারেল এডুকেশন অ্যাসোসিয়েশন নির্বাচন করেন।</p>
<p>বিসিএস জেনারেল এডুকেশন অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য সচিব প্রফেসর ড. মো. মাসুদ রানা খান বলেন, বিগত হাসিনা সরকারের আমলে ভেঙে পড়া শিক্ষা প্রশাসনকে পুনর্গঠনে ড. সোহেল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। বর্তমান সরকারের শিক্ষা সংস্কারের লক্ষ্য বাস্তবায়নে তার প্রশাসনিক দক্ষতা ও দীর্ঘ অভিজ্ঞতা সহায়ক হবে।</p>
<p>মাউশির অর্থ ও ক্রয় উইংয়ের পরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ মনির হোসেন পাটওয়ারী বলেন, ড. সোহেল একজন ভিশনারি লিডার। তিনি যেহেতু সরাসরি শ্রেণিকক্ষ থেকে উঠে এসেছেন এবং শিক্ষা প্রশাসনের প্রতিটি স্তরে কাজ করেছেন, তাই তৃণমূলের সমস্যা ও সমাধানের পথ তার নখদর্পণে।</p>
<p>ড. সোহেল ১৯৮৪ সালে কুমিল্লা ক্যাডেট কলেজ থেকে এসএসসি এবং ১৯৮৬ সালে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ থেকে এইচএসসি সম্পন্ন করেন। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগ থেকে উচ্চশিক্ষা এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি ইউজিসি ফেলোশিপও লাভ করেছিলেন। ২০২৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর তিনি মাউশির মাধ্যমিক পরিচালক হিসেবে যোগ দেন। এরপর ২০২৫ সালে ১০ জানুয়ারি তিনি শিক্ষা ক্যাডার সমিতির সর্বসম্মত আহ্বায়ক মনোনীত হন।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এসআইআর/এমইউআইএম</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>সিডব্লিউএফের উদ্যোগে তরুণদের দক্ষতা উন্নয়নে ওয়ার্কশপ</title>
<link>https://digibanglatech.news/174673</link>
<guid>https://digibanglatech.news/174673</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69e70e37806c9.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 21 Apr 2026 00:00:34 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>তরুণদের নেতৃত্ব বিকাশ, দক্ষতা উন্নয়ন ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ‘ইয়ুথ লিডারশিপ ওয়ার্কশপ’-এর সার্টিফিকেট প্রদান ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানটির মূল আয়োজক ছিল চিল্ড্রেন ওয়াচ ফাউন্ডেশন (সিডব্লিউএফ) এবং সহযোগী আয়োজক হিসেবে ছিল গ্রীন ভয়েস ও বহ্নিশিখা।</p>
<p> ২০ এপ্রিল, সোমবার রাজধানীর ধানমন্ডির ওম্যান ভলিনটিয়ারি অ্যাসোসিয়েশনের কার্যালয়ে এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।</p>
<p>জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। পরে প্রেজেন্টেশন, অংশগ্রহণকারীদের অনুভূতি প্রকাশ, সম্মাননা ও সার্টিফিকেট দেওয়া হয় এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই আয়োজন সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়।</p>
<p>চিল্ড্রেন ওয়াচ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শাহ ইসমাত আজমেরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন গ্রীন ভয়েসের কো-ফাউন্ডার হুমায়ুন কবির সুমন।</p>
<p>অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে গাউস পিয়ারী বলেন, সবার আলাদা স্বপ্ন রয়েছে এবং সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে দক্ষতা অর্জন জরুরি। তিনি বলেন, এ ধরনের কর্মশালা শিক্ষার্থীদের নতুন কিছু শেখায় এবং পড়াশোনার পাশাপাশি নিজেদের প্রস্তুত করতে সহায়তা করে। আগামীতে আরও বেশি শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণের মাধ্যমে সুন্দর বাংলাদেশ বিনির্মাণে ভূমিকা রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।</p>
<p>বিশেষ অতিথির বক্তব্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের যুগ্ম সচিব মোজাম্মেল হক বলেন, সমাজ পরিবর্তনে তরুণদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষার্থীরাই আগামীর স্বপ্ন উল্লেখ করে তিনি পাবলিক স্পিকিং ও যোগাযোগ দক্ষতার গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, যোগাযোগ দক্ষতার অভাবে অনেকেই পিছিয়ে থাকে, আর এ ধরনের কর্মশালা সেই ঘাটতি পূরণে কার্যকর ভূমিকা রাখে। নতুন প্রজন্ম দেশকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।</p>
<p>প্রধান অতিথি মাদারীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য আনিসুর রহমান তালুকদার খোকন বলেন, জীবনে এগিয়ে যেতে ধৈর্য, আত্মবিশ্বাস ও অধ্যবসায় প্রয়োজন। তিনি শিক্ষার্থীদের নেতিবাচকতা উপেক্ষা করে নিজের লক্ষ্যে অটল থাকার আহ্বান জানান। তিনি আরও বলেন, জীবনে সব চাওয়া পূরণ না হলেও কর্মের ফল একসময় মানুষ পায়। এ ধরনের কর্মশালা আরও বড় পরিসরে আয়োজন করা উচিত বলেও মত দেন তিনি।</p>
<p>অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ইডেন মহিলা কলেজ এবং বদরুন্নেসা সরকারি কলেজসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। শেষে অংশগ্রহণকারীরা আয়োজকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে এ ধরনের কর্মশালা নিয়মিত আয়োজনের আহ্বান জানান।</p>
<p>এর আগে, চিল্ড্রেন ওয়াচ ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় তিন দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/এসএস/ইকে</strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>চুয়েটে স্থাপত্য বিভাগের প্রজেক্ট প্রদর্শনী</title>
<link>https://digibanglatech.news/174658</link>
<guid>https://digibanglatech.news/174658</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69e6c349d1a2a.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 20 Apr 2026 08:23:08 +0600</pubDate>
<dc:creator>ক্যাম্পাস করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>উৎসবমুখর পরিবেশে শেষ হয়েছে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)—এর স্থাপত্য বিভাগে উদ্যোগে আয়োজিত প্রজেক্ট প্রদর্শনী । প্রদর্শনীতে লেভেল—২ টার্ম—১ এর শিক্ষার্থীরা তাদের সেশনাল কোর্সের আওতায় সম্পন্ন করা বিভিন্ন সৃজনশীল প্রজেক্ট উপস্থাপন করেন।</p>
<p>১৯ এপ্রিল, রবিবার,  সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন—৫ এর টেরেস প্রাঙ্গণে আয়োজিত প্রদর্শনী উদ্বোধন করেন চুয়েটের স্থাপত্য ও পরিকল্পনা অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ রাশিদুল হাসান।</p>
<p>এতে স্থাপত্য বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. সজল চৌধুরীসহ বিভাগের অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p> শিক্ষার্থীদের নকশা, উপস্থাপনা ও ধারণার বৈচিত্র্যের প্রদর্শনীটি হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত ও আকর্ষণীয়। এই প্রদর্শনী শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা প্রকাশের একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করেছে এবং স্থাপত্য শিক্ষা ও চর্চাকে আরও সমৃদ্ধ করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করা যাচ্ছে।</p>
<p>উক্ত প্রদর্শনীর সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন স্থাপত্য বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জনাব সারা বিনতে হক এবং ২৩ ব্যাচের কোর্স কো—অর্ডিনেটর ও স্থাপত্য বিভাগের প্রভাষক সাদিয়া ইবনাত রাইছা।</p>
<p>প্রদর্শনীতে অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ রাশিদুল হাসান বলেন, এ ধরনের স্থাপত্য প্রদর্শনীর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের কাজকে বৃহত্তর দর্শকের সামনে তুলে ধরা সম্ভব হবে, যা তাদের সৃজনশীলতা, আত্মবিশ্বাস ও পেশাগত দক্ষতা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।</p>
<p>স্থাপত্য বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. সজল চৌধুরী বলেন, শিক্ষার্থীরা অত্যন্ত নিষ্ঠা, পরিশ্রম ও উদ্ভাবনী চিন্তার মাধ্যমে তাদের প্রজেক্ট সম্পন্ন করেছে, যা বিভাগের ক্রমাগত অগ্রগতির প্রতিফলন। তিনি ভবিষ্যতে আরও বৃহৎ পরিসরে এবং বহুমাত্রিক উপস্থাপনার মাধ্যমে এ ধরনের প্রদর্শনীর আয়োজন করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/এসএম/ইকে</strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>‘ভাইরাল ভিডিও’র হেনস্তার শিকার যুবক ছাত্রদলের আবিদ নয়’</title>
<link>https://digibanglatech.news/174465</link>
<guid>https://digibanglatech.news/174465</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69e4664e316f7.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 18 Apr 2026 13:22:15 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>সম্প্রতি রাজধানীর একটি মেট্রো স্টেশনে এক যুবককে হেনস্তার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।</p>
<p>ভাইরাল ওই ভিডিওতে হেনস্তার শিকার যুবক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবিদুল ইসলাম খান বলে দাবি করা হয়েছে। তবে ফ্যাক্ট চেকিং প্ল্যাটফর্ম রিউমর স্ক্যানার জানিয়েছে, ওই যুবক আবিদুল নন।</p>
<p>এদিকে, ভাইরাল ভিডিওর সঙ্গে যে কল রেকর্ডটি অনলাইনে ব্যাপকভাবে প্রচারিত হচ্ছে, সেটিও সাম্প্রতিক এই ঘটনার নয় বলে জানিয়েছে রিউমর স্ক্যানার।</p>
<p>ছাত্রদল সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আবিদুলকে হেয়-প্রতিপন্ন করার জন্য উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে একটি পক্ষ মিথ্যা ক্যাপশন দিয়ে এডিটেড ভিডিও প্রচার করছে। তবে, এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে আবিদুলের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/বিটি/ইকে</strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>&amp;apos;স্টুডেন্ট ভিসা&amp;apos; সহজ করতে যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূতকে অনুরোধ</title>
<link>https://digibanglatech.news/174506</link>
<guid>https://digibanglatech.news/174506</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69e4de7bb80ae.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 17 Apr 2026 22:05:42 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div>যুক্তরাষ্ট্রের "বেস্ট ফিউচার জেনারেশন্স" বিষয়ক বিশেষ দূত চার্লস জে. হার্ডারের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের  ক্ষেত্রে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের 'স্টুডেন্ট ভিসা' প্রদান প্রক্রিয়া আরো সহজতর করার অনুরোধ করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।</div>
<div></div>
<div>১৯ এপ্রিল, রবিবার, জাতীয় সংসদ ভবনের অফিস কক্ষে বিশেষ দূতের সাথে সৌজন্য সাক্ষাতে এ অনুরোধ করেন মন্ত্রী। বৈঠকে পারস্পরিক স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করা হয়। </div>
<div></div>
<div>এ সময় বিশেষ দূত বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মত বাংলাদেশেও বাল্যবিবাহ, শিশু নির্যাতন, পুষ্টিহীনতাসহ বিভিন্ন সমস্যা রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র সরকার এ সকল সমস্যা সমাধানে বাংলাদেশসহ সারাবিশ্বেই কাজ করে চলেছে। ভবিষ্যতেও তারা 'স্কুল মিল', শিশুদের স্বাস্থ্যসেবা সহ  অন্যান্য বিষয়ে আরো বিস্তৃতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। </div>
<div></div>
<div>শিক্ষার উন্নয়নে বর্তমান সরকার ব্যাপক পরিকল্পনা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ‌বিশেষ করে শিক্ষা ক্ষেত্রে প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি করা, সারাদেশে 'মিড ডে মিল' চালু করণ, প্রতিটি শিশুকে ইউনিফর্ম প্রদানসহ  খেলার মাঠের ব্যবস্থা করা। ‌বর্তমান সরকারের নীতি হচ্ছে, শিক্ষার আধুনিকায়ন, কারিগরি শিক্ষার উৎকর্ষ বৃদ্ধির পাশাপাশি শিক্ষাকে আনন্দময় করে তোলা। এজন্য বিদ্যালয়গুলোতে ক্রীড়া শিক্ষক কৃষি শিক্ষক নিয়োগের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। </div>
<div></div>
<div>এছাড়াও, তিনি এদেশের ইংরেজি শিক্ষার উন্নয়নে প্রশিক্ষণ সহযোগিতার ক্ষেত্র বিস্তৃত করারও আহ্বান জানান। মন্ত্রী বাংলাদেশের শিক্ষাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে  যুক্তরাষ্ট্রের অব্যাহত সহযোগিতার জন্য  আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। </div>
<div></div>
<div>বৈঠকে ভবিষ্যতে দুই দেশের সম্পর্ক ও সহযোগিতার ক্ষেত্র আরো বিস্তৃত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়। প্রতিনিধিদল সামাজিক খাত, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকারের গৃহীত পদক্ষেপের ভূয়সী প্রশংসা করেন।</div>
<div></div>
<div>বৈঠককালে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব আবু তাহের মো: মাসুদ রানা, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বিভাগের সচিব মো: দাউদ মিয়া, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোঃ শাহজাহান মিয়া, বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন উপস্থিত ছিলেন। </div>
<div><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/এসএইচ/ইকে</strong></em></span></div>
<div></div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>কৃষক কার্ড পেয়ে ভাইরাল হওয়া কবির হোসেন সত্যিই কৃষক</title>
<link>https://digibanglatech.news/174268</link>
<guid>https://digibanglatech.news/174268</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69e1a90fc1e8e.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 16 Apr 2026 20:31:20 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>টাঙ্গাইল জেলার শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে ১৪ এপ্রিল এক অনুষ্ঠানে সদর উপজেলার প্রান্তিক কৃষক কবির হোসেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছ থেকে ‘কৃষক কার্ড’ গ্রহণ করেন এবং এ উপলক্ষে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করেন। কিন্তু ‘কৃষক কার্ড’ গ্রহণের পর থেকেই তাকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার জন্ম দেয়। <span>কবির হোসেন প্রকৃতই ‘প্রান্তিক কৃষক’ কি না তা নিয়ে বিতর্ক দেখা দেয়। এরইমধ্যে এআই জেনারেটেড কিছু ছবিও সনাক্ত হয়েছে।</span><span></span></p>
<p>এসব ছবিতে দেখা যায়, কবির হোসেন প্রাইভেটকারের ওপর বসে আছেন, সাঁতার কাটছেন সুইমিং পুলে কিংবা দেশের বাইরে ঘোরাঘুরি করছেন। তবে এসব ছবি এআই দিয়ে তৈরি বলে ফ্যাক্টচেকে প্রমাণ মিলেছে। </p>
<p class="alignfull">অপরদিকে ভাইরাল <span>সেই কবির হোসেন প্রকৃতই ‘প্রান্তিক কৃষক’ বলে সিদ্ধান্ত দিয়েছে</span> <span>জেলা প্রশাসনের তদন্ত কমিটি। কৃষি মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়ে তদন্ত কমিটির তদন্ত প্রতিবেদনে জেলা প্রশাসক শরীফা হক জানিয়েছেন, “প্রাথমিকভাবে জেলা প্রশাসকের অধীনে করা তদন্ত কমিটি যাচাই করে জানতে পেরেছে, কবির হোসেন প্রকৃত অর্থেই কৃষক। বিষয়টি নিয়ে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরও তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি করেছে।”</span></p>
<p class="alignfull">কবির প্রকৃত কৃষক ‘না’ বলে অভিযোগ তোলা হলেও স্থানীয়রা বলছেন, নিজের জমি না থাকলেও অন্যের জমি বর্গা নিয়ে চাষ করেন কবির। তার সেচ পাম্পও রয়েছে। আর কৃষি বিভাগ বলছে, প্রকৃত কৃষকদের দেওয়া হয়েছে কার্ড। </p>
<p class="alignfull">স্থানীয় সাংবাদিকরা <span>আলোচিত কৃষক কবির হোসেন-কে নিজের সেচ পাম্প থেকে পানি দিয়ে বর্গা নেওয়া জমিতে পরম মমতায় কাজ করতেও দেখেছেন। । ১৬ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার সরেজমিনে কখনও হাতে কাঁচি নিয়ে নিড়াচ্ছেন ঘাস, কখনও বা মনের সুখে গান গেয়ে ফসলের মাঠ মাতিয়ে রাখতে দেখা গেছে।</span></p>
<div class="ittefaq_Inner_A1C1 aligncenter pt10 pb10 w100">
<div class="aw300">
<div id="Ittefaq_Inner_Article1_Content1" data-google-query-id="CMW4p9D185MDFTiROAgdn4swgw"></div>
</div>
</div>
<p><span>তথ্যানুসন্ধানে জানা গেলো, টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ঘারিন্দা ইউনিয়নের উত্তর তারুটিয়া গ্রামের বাসিন্দা কবির হোসেন। তিনি কৃষিকাজের পাশাপাশি কৃষকদের জীবন ও বিচিত্রা নিয়ে কন্টেন্ট তৈরি করে ফেসবুকে আপলোড করেন।</span><span></span></p>
<p><span>এদিকে </span>টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসকের পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, সদর উপজেলার উত্তর তারটিয়া গ্রামের কবির হোসেন প্রান্তিক কৃষক কি না তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সংশয় প্রকাশ করা হয়। এ অবস্থায় ‘প্রকৃত সত্য’ উদঘাটনে বুধবার পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়।</p>
<p>“তদন্ত কমিটি সরেজমিনে তদন্তপূর্বক তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে, উক্ত প্রতিবেদনে ‘কৃষক স্মার্ট কার্ড নীতিমালা ২০২৫’ অনুযায়ী তিনি ‘প্রান্তিক কৃষক’ হিসেবে কৃষক কার্ড পাওয়ার যোগ্য মর্মে উল্লেখ করা হয়েছে।”</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x_69e1a9f4525f2.jpg" alt=""></p>
<p>সূত্রমতে, মন্ত্রণালয়ের পরামর্শে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সরেজমিন উইংয়ের পরিচালক মো. ওবায়েদুর রহমান মন্ডলের নেতৃত্বে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ১৫ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। কমিটিকে বিষয়টি সরেজমিন তদন্ত করে এক কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়। একইসঙ্গে টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসকও এ বিষয়ে সরেজমিন তদন্তের জন্য পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট একটি পৃথক তদন্ত কমিটি গঠন করেন।</p>
<p>সরকারি নিয়ম অনুযায়ী তিন ধাপে যাচাই-বাছাই করে যথাযথভাবে কৃষক নির্ধারণ করা হয়েছে- উভয় কমিটির তদন্তে এ বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন দু’টিতে টাঙ্গাইল জেলার সদর উপজেলার ঘারিন্দা ইউনিয়নের সুরুজ কৃষি ব্লকের অন্তর্গত উত্তর তারূটিয়া গ্রামের বাসিন্দা কবির হোসেন (পিতাঃ মোঃ আবু সাইদ তালুকদার) একজন প্রান্তিক কৃষক ও বর্গাচাষী হিসেবে প্রমাণিত হয়। তার নিজস্ব জমির পরিমাণ ১৩ শতাংশ এবং চলতি বছর তিনি বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে ১৬০ শতক জমি বর্গা নিয়ে চাষাবাদ করেছেন।</p>
<p class="alignfull">আর স্থানীয় কৃষক হাকিম তালুকদার জানান, গ্রাম অঞ্চলের মধ্যে কবির হোসেনের পরিবার পুরাতন গেরস্ত। তার বাপ দাদার আমলে একসময় ভালো অবস্থান ছিল। এখন সেই সম্পত্তি ভাগ বাটোয়ারা হওয়ায় জমির পরিমাণ কমে গেছে।</p>
<p class="alignfull">স্থানীয়রা জানান, কবির হোসেনরা দুই ভাই ও দুই বোন। তাদের মধ্যে তিনিই সবার বড়। কবির হোসেনের বাবা কৃষকের কাজ করে ৪ জন সন্তানকে লালন পালন করেছেন। কৃষকের সন্তান কখনো কৃষক হবে না, এটা কীভাবে হয়। এছাড়া কবির হোসেনের তেমন পড়াশোনা নেই। তাহলে একজন অশিক্ষিত লোক যার কোন চাকরি করার ক্ষমতা নেই। সে কি করে সংসার চালাবে!</p>
<p class="alignfull">তারা আরও জানান, কবির হোসেনের সংসারে রয়েছে স্ত্রীসহ এক ছেলে এক মেয়ে। কৃষি কাজ করেই মেয়েটিকে বিয়ে দিয়েছে। ছেলেটিকে এসএসসি পাশ করিয়ে এক বছর যাবৎ দেশের বাহিরে পাঠিয়েছে।</p>
<p class="alignfull">আর আক্রান্ত <span>কৃষক কবির হোসেন জানান, ‘এক সময় তার বাপ-দাদার জমি জমা থাকলেও বর্তমানে তাদের খুব একটা জমি নেই। তবে নিজের জমি না থাকলেও অন্যের জমি বর্গা নিয়ে নিয়মিত চাষ করেন এবং একটি সেচ পাম্প রয়েছে তার। এছাড়া গরু-ছাগল, হাঁস-মুরগি লালন পালন করে পরিবার পরিজন নিয়ে নিজ বাড়িতে বসবাস করেন।’</span></p>
<p class="alignfull"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/ইএফবি/এমইউআইএম</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে নৈতিকতার ওপর গুরুত্বারোপ</title>
<link>https://digibanglatech.news/174052</link>
<guid>https://digibanglatech.news/174052</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69df4133474d1.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 15 Apr 2026 12:41:51 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div _ngcontent-ng-c4062174615="" inline-copy-host="" class="markdown markdown-main-panel stronger enable-updated-hr-color" id="model-response-message-contentr_bc6252f37da8932b" aria-live="polite" aria-busy="false" dir="ltr">
<p data-path-to-node="1">চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা ও দক্ষ জনশক্তি গড়ার লক্ষ্যে সাভারে যুব উন্নয়ন একাডেমিতে ‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ভিত্তিক প্রশিক্ষণ: যুব সমাজের উন্নয়ন’ শীর্ষক কর্মশালা-২০২৬ এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। ১৫ এপ্রিল, বুধবার যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মোঃ আমিনুল হক প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।</p>
<p data-path-to-node="2">উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান বিশ্বে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। শিক্ষা, কৃষি, স্বাস্থ্য ও শিল্পসহ প্রতিটি ক্ষেত্রে এআই নতুন দিগন্ত উন্মোচন করছে। বিশেষ করে এআই-ভিত্তিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে প্রতিটি শিক্ষার্থীর জন্য ব্যক্তিগতভাবে শেখার সুযোগ তৈরি করা এবং কর্মসংস্থানের সাথে দক্ষতার সরাসরি সংযোগ স্থাপন করা সম্ভব। বিশ্বের উন্নত দেশগুলোর আদলে বাংলাদেশকেও এই প্রযুক্তিনির্ভর ধারায় এগিয়ে নিতে সরকার কাজ করছে।</p>
<p data-path-to-node="3">প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে নৈতিকতার ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, এআই-এর মাধ্যমে অনেক সময় অনৈতিক কাজ সংগঠিত হওয়ার ঝুঁকি থাকে, তাই এর সঠিক ও গঠনমূলক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। তিনি প্রশিক্ষণার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান যেন তারা তৃণমূল পর্যায়ে এই অর্জিত জ্ঞান ছড়িয়ে দেন। একইসঙ্গে এআই প্রযুক্তি যেন অন্তর্ভুক্তিমূলক হয় এবং নারী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠী যেন এই সুবিধার বাইরে না থাকে, সে বিষয়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেন তিনি।</p>
<p data-path-to-node="4">অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া সচিব মোঃ মাহবুব-উল-আলম এবং যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. গাজী মোঃ সাইফুজ্জামান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন যুব উন্নয়ন একাডেমির অধ্যক্ষ সেলিম খান। বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দেশের যুবসমাজ বিশ্বমানের দক্ষতায় সমৃদ্ধ হবে, যা স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।</p>
<p data-path-to-node="4"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এমএনএ/ইকে</strong></span></em></p>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>নিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষামন্ত্রীর পাশে বসেই অব্যাহতির খবর পেলেন যবিপ্রবি ভিসি</title>
<link>https://digibanglatech.news/173973</link>
<guid>https://digibanglatech.news/173973</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69de321566c56.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 13 Apr 2026 21:25:43 +0600</pubDate>
<dc:creator>ক্যাম্পাস করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>নিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে একটি সেমিনারের উপস্থিত থাকাবস্থায় অব্যাহতি পত্র পেয়েছেন যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) ভাইস-চ্যান্সেলর (ভিসি) অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল মজিদ।</p>
<p> ১৩ এপ্রিল, সোমবার বিকেলে জারি হওয়া প্রজ্ঞাপনে এই অ্যাহতি দেয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাস্যুরেন্স সেলের (IQAC) আয়োজনে অধ্যাপক মোহাম্মদ শরীফ হোসেন গ্যালারিতে এই সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। সেমিনারটি সভাপতিত্ব করছিলেন সদ্য অব্যাহতিপ্রাপ্ত ভিসি অধ্যাপক ড. আব্দুল মজিদ।  </p>
<p>তাকে অব্যাহতি দেয়ার প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের ২০২৪ সালের ৯ সেপ্টেম্বর তারিখের ৩৭.০০.০০০০.০৭৬.১১.০০১.২১.১০২ নম্বর প্রজ্ঞাপনের (ঙ)নং শর্ত মোতাবেক অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল মজিদ, ফার্মাসিউটিক্যাল কেমিস্ট্রি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর পদ হতে অব্যাহতিপূর্বক মূলপদে যোগদানের অনুমতি প্রদান করা হলো।</p>
<p>এর আগে ২০২৪ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মাসিউটিক্যাল কেমিস্ট্রি বিভাগের অধ্যাপকের দায়িত্বপালনরত অবস্থায় যবিপ্রবি উপাচার্য হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন ড. মোঃ আব্দুল মজিদ।</p>
<p>প্রসঙ্গত, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসী বিভাগ থেকে ১৯৯৪ সালে স্নাতক, ১৯৯৫ সালে স্নাতকোত্তর ও ২০০৩ সালে এমফিল ডিগ্রি লাভ করেন। পরবর্তীতে তিনি জাপানের টোটরি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২০০৭ সালে পিএইচডি ডিগ্রি সম্পন্ন করেন। শিক্ষকতার কর্মজীবন শুরু হয় ২০০১ সালে এশিয়া প্যাসিফিক বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রভাষক হিসেবে যোগদানের মাধ্যমে। পরবর্তীতে তিনি ২০০৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসেবে প্রভাষক যোগ দেন। তিনি ২০০৭ সালে সহকারী অধ্যাপক, ২০১০ সালে সহযোগী অধ্যাপক এবং ২০১৩ সালে অধ্যাপক হিসেবে পদোন্নতি পান। তিনি ১৯৭৩ সালের ৬ এপ্রিল বাংলাদেশের ঝিনাইদহ জেলার হরিণাকুন্ডু উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের রিশখালী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/ডিএইচই/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী প্রকল্পে পুরস্কার ঘোষণা</title>
<link>https://digibanglatech.news/173735</link>
<guid>https://digibanglatech.news/173735</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69db6ef71d33d.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 12 Apr 2026 13:08:27 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div class="viewport jw_article_body">
<p>কার্যকর, বাস্তবমুখী ও প্রযুক্তিনির্ভর সফটওয়্যার তৈরি করতে পারলে শিক্ষার্থীদের পুরস্কৃত করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। তিনি বলেছেন, শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী চিন্তা ও দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে এমন প্রকল্প তৈরি করতে হবে, যা সরাসরি সমাজ ও রাষ্ট্রের বাস্তব সমস্যার সমাধানে ভূমিকা রাখতে সক্ষম।</p>
<p class="alignfull">১২ এপ্রিল, রবিবার ‘স্কিল ইজ দ্য ফিউচার: ইউথ এমপ্লয়েবিলিটি সামিটে’ এ ঘোষণা দেন তিনি। ধানমন্ডি ড্যাফোডিল প্লাজায় গ্লোবাল অন্ট্রোপ্রেনিউরশিপ নেটওয়ার্ক বাংলাদেশ এবং ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির যৌথ উদ্যোগে এই সামিট আয়োজন করা হয়।</p>
<p class="alignfull">শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী প্রকল্প বাজারজাত করার ক্ষেত্রেও সরকারিভাবে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে বলে আশ্বাস দেন প্রতিমন্ত্রী।</p>
<p class="alignfull">দক্ষতা অর্জনের গুরুত্ব তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত সরকার শুরু থেকেই প্রতিজ্ঞাবদ্ধ দক্ষতাভিত্তিক সংস্কৃতি ও সমাজ গঠন করার বিষয়ে। আমাদের শিক্ষা হবে ক্যারিয়ার ভিত্তিক। শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার জন্য দীর্ঘ কয়েক বছর সময় ও রিসোর্স ব্যয় করে। এই ব্যয়ের বিনিময়ে প্রাপ্তি থাকতে হবে, শিক্ষার্থীদের প্রাপ্তি হবে একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার। সুন্দর ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ারের জন্য সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন দক্ষতা।</p>
<p class="alignfull">তিনি বলেন, আমাদের দেশে দক্ষ মানবসম্পদের অভাব রয়েছে। এ জন্য বিদেশিরা আমাদের দেশে অনেক প্রতিষ্ঠানে চাকরি করে বেতন নিয়ে যাচ্ছে। প্রাইমারি স্কুল থেকেই আমরা শিক্ষার্থীদের মধ্যে দক্ষতার বিষয়ে মাইন্ড সেট তৈরি করতে চাই। আমাদের সরকার জবাবদিহির সরকার। নির্বাচনের সময় আমরা যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছি, সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষার জন্য আমরা দিন-রাত পরিশ্রম করে যাচ্ছি।</p>
<p class="alignfull">অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খান।</p>
<p class="alignfull"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এসএ/ইকে</strong></span></em></p>
</div>
<div class="btGoogleNews"></div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>অনশনরত শিক্ষার্থীদের নামে ছড়ানো ভুয়া ছবির সত্যতা উন্মোচন</title>
<link>https://digibanglatech.news/173686</link>
<guid>https://digibanglatech.news/173686</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69da8b7a18444.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 11 Apr 2026 20:58:04 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="2">ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে তিন দফা দাবিতে আমরণ অনশনে বসা শিক্ষার্থীদের নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। অনশনরত শিক্ষার্থীরা লুকিয়ে আপেল ও জুস খাচ্ছেন—এমন দাবিতে কিছু ছবি বিভিন্ন আইডি ও পেজ থেকে প্রচার করা হলেও অনুসন্ধানে দেখা গেছে ছবিগুলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দিয়ে তৈরি বা সম্পাদিত।</p>
<div class="block-full_richtext">
<p data-block-key="9t59s">এই দাবিতে পোস্ট আছে<span> </span><a href="https://www.facebook.com/share/p/14etPvhug5M/">এখানে<span> </span></a>,<span> </span><a href="https://www.facebook.com/share/p/1B4YuwDaq4/" target="_blank" rel="noopener">এখানে<span> </span></a>এবং<span> </span><a href="https://www.facebook.com/share/18LwSomGHZ/" target="_blank" rel="noopener">এখানে<span> </span></a>।</p>
</div>
<p>গত ৮ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া এই অনশনের প্রায় ৭০ ঘণ্টা পার হওয়ার পর থেকেই এই বিভ্রান্তিকর পোস্টগুলো ছড়াতে শুরু করে। তবে ভাইরাল হওয়া ছবিগুলো নিবিড়ভাবে বিশ্লেষণে একাধিক অসংগতি ধরা পড়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ দাবি করা ছবিতে দেখা যায়, সময়ের জায়গায় ‘৩০ মিনিট ১২৩৩০১ সেকেন্ড’ উল্লেখ করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ অবাস্তব। এছাড়া ছবিতে থাকা ব্যক্তির শারীরিক গঠন এবং হাতের আঙুলের অস্বাভাবিক বিকৃতি স্পষ্টভাবেই এটি এআই দিয়ে তৈরির প্রমাণ দেয়।</p>
<div _ngcontent-ng-c2203491952="" class="container">
<div _ngcontent-ng-c2439404967="" inline-copy-host="" class="markdown markdown-main-panel enable-updated-hr-color" id="model-response-message-contentr_2d96ed5128e732de" aria-live="polite" aria-busy="false" dir="ltr">
<p data-path-to-node="4">গুগলের এআই শনাক্তকারী টুল ‘সিন্থআইডি’ (SynthID) ব্যবহার করে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, এই ছবিগুলো গুগলের এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি বা সম্পাদন করা হয়েছে। এমনকি কিছু ছবির কোণায় জেমিনি এআই (Gemini AI)-এর লোগোও দৃশ্যমান, যা সাধারণত এআই দিয়ে ছবি তৈরি করলে জলছাপ হিসেবে থাকে। এছাড়াও এআই কনটেন্ট শনাক্তকারী টুল ‘হাইভ মডারেশন’-এ যাচাই করেও একই ফলাফল পাওয়া গেছে।</p>
<p data-path-to-node="5">অন্যদিকে, আপেল খাওয়ার দাবিতে ভাইরাল হওয়া ছবিটি মূলত সংবাদমাধ্যম ‘ঢাকা মেইল’-এর একটি প্রতিবেদন থেকে নেওয়া। মূল ছবিতে শিক্ষার্থীরা অনশনরত অবস্থায় থাকলেও এআই বা ডিজিটাল এডিটিংয়ের মাধ্যমে পরে সেখানে কৃত্রিমভাবে আপেল যুক্ত করা হয়েছে। ছবিতে আলো-ছায়ার অসামঞ্জস্যতা এবং পারিপার্শ্বিক অবস্থান বিশ্লেষণ করলে এটি সহজেই ধরা পড়ে।</p>
</div>
<message-content _ngcontent-ng-c2203491952="" _nghost-ng-c2439404967="" id="message-content-id-r_2d96ed5128e732de" class="ng-star-inserted"></message-content><!----></div>
<p data-block-key="ddh3c">দৃশ্যমান এসব অসঙ্গতির কারণে ছবিটি গুগলের এআই শনাক্তকারী টুল সিন্থআইডি দিয়ে যাচাই করে দেখা যায়, এটি গুগলের এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি বা সম্পাদিত। এ ছাড়াও, এআই কনটেন্ট শনাক্তকারী টুল হাইভ মডারেশনেও একই তথ্য পাওয়া যায়।</p>
<p data-block-key="4hahi">যাচাইয়ে একই ঘটনায় আপেল খাওয়ার দাবিতে ছড়িয়ে পড়া ছবির ডান কোণে গুগলের জেমিনি এআই (Gemini AI)-এর সাদা লোগো দেখা যায়। সাধারণত গুগলের এই এআই চ্যাটবট ব্যবহার করে ছবি তৈরি বা সম্পাদনা করা হলে এমন জলছাপ থাকে। এআই শনাক্তকারী টুল সিন্থআইডি দিয়ে যাচাই করে দেখা যায়, ছবিটি গুগলের এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি বা সম্পাদিত।</p>
<p data-block-key="ap8oe">এ ছাড়া রিভার্স ইমেজ সার্চ করে জাতীয় গণমাধ্যম<a href="https://dhakamail.com/politics/297384" target="_blank" rel="noopener"><span> </span>ঢাকা মেইলের</a><span> </span>একটি প্রতিবেদনে ব্যবহৃত ছবির সঙ্গে ভাইরাল ছবির মিল পাওয়া যায়। অর্থাৎ, ভাইরাল ছবিতে পরবর্তীতে কৃত্রিমভাবে আপেল যুক্ত করা হয়েছে। ছবিতে অন্য লোকজনের অবস্থান ও আলো-ছায়া বিশ্লেষণেও দেখা যায়, এটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা ডিজিটাল এডিটিংয়ের মাধ্যমে তৈরি করা।</p>
<p data-block-key="ap8oe"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবেটিক/একে/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>রাজশাহী থেকে ঢাকার টিকিট পেলো ৪ পলিটেকনিকের ৬ প্রকল্প</title>
<link>https://digibanglatech.news/173628</link>
<guid>https://digibanglatech.news/173628</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69da2f6fb3b27.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 11 Apr 2026 15:26:00 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="MsoNormal" align="center" style="text-align: left;"><span lang="EN-SG" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black; mso-themecolor: text1; mso-ansi-language: EN-SG;">রাজশাহী</span><span lang="EN-SG" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black; mso-themecolor: text1;"> </span><span lang="EN-IN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black; mso-themecolor: text1;">পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গণে ১১ এপ্রিল, শনিবার অনুষ্ঠিত হলো জাতীয়</span><span lang="EN-SG" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black; mso-themecolor: text1; mso-ansi-language: EN-SG;"> ‘স্কিলস এন্ড ইনোভেশন কম্পিটিশন’ এর আঞ্চলিক পর্ব। প্রতিযোগিতায় মোট </span><span lang="EN-SG" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black; mso-themecolor: text1; mso-ansi-language: EN-SG;">৮৪টি উদ্ভাবনী প্রকল্প উপস্থাপন করে রাজশাহী অঞ্চলের ২৮টি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। এর মধ্য থেকে নির্বাচিত সেরা ৬টি উদ্ভাবন আগামী ১৭ মে ঢাকায় অনুষ্ঠেয় জাতীয় পর্বের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য মনোনীত হয়েছে। এর মধ্যে রাজশাহী ও পাবনা পলিটেকনিকে থেকে দুইটি করে প্রকল্প নির্বাচিত হয়েছে জাতীয় পর্বের জন্য।</span></p>
<p class="MsoNormal" align="center" style="text-align: left;"><span lang="EN-SG" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black; mso-themecolor: text1; mso-ansi-language: EN-SG;"> জাতীয় পর্বের টিকিট পেয়েছে আইওটি ভিত্তিক রাজশাহী পলিটেকনিকের ইন্ডাস্ট্রি অটোমেশনের জন্য স্মার্ট বাজেট ফ্রেন্ডলি লজিক কন্ট্রোলার (পিএলসি) ও আইওটি নির্ভর হোম অটোমেশন প্রকল্প ;  চাপাইনবাবগঞ্জ পলিটেকরিকের শিক্ষার্থীদের স্মার্ট হিউম্যান হেলথ মনিটরিং সিস্টেম; পাবনা পলিটেকনিক ইনিস্টিটিউটের শিক্ষার্থীদের স্মার্ট রেলওয়ে প্রকল্প ও মাল্টি ফাংশনাল রোবটিক কার এবং বগুড়া পলিটেকনিকের অটোমেটিক ফিশ ব্রিডিং প্রকল্প। </span></p>
<p class="MsoNormal" align="center" style="text-align: left;"><span lang="EN-SG" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black; mso-themecolor: text1; mso-ansi-language: EN-SG;">তবে প্রতিযোগিতায় অল্প নম্বরের জন্য ছিটকে গেছে বগুড়া পলিটেকনিকের আইওটি ভিত্তিক স্কুল ব্যবাস্থাপনা সিস্টেম;</span><span lang="EN-SG" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black; mso-themecolor: text1; mso-ansi-language: EN-SG;"> চাপাইনবাবগঞ্জ পলিটেকরিকের শিক্ষার্থীদের হট অ্যান্ড কুল ওয়াটার ডিসপেন্সার প্রকল্প; সিরাজগঞ্জ পলিটেকেনিকের টিভেট রক্তসেবা ও ক্লিন এয়ার প্রকল্প। শেষ হাসি হাসতে পারেনি ইকো-ব্রিক, ভূমিকম্প সহনশীল ভবন ও হাইড্রোলিক ব্রিজের মতো ধারণাগুলো। </span></p>
<p class="MsoNormal" align="center" style="text-align: left;"><span lang="EN-SG" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black; mso-themecolor: text1; mso-ansi-language: EN-SG;"><span lang="EN-SG" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: Calibri; color: black; mso-themecolor: text1;">এদিকে প্রতিযোগিতা </span><span lang="EN-IN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: Calibri; color: black; mso-themecolor: text1;">উপলক্ষ্যে নগরিতে একটি একটি বর্ণাঢ্য রালি, কারিগরি শিক্ষার গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা বিষয়ক একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। </span></span><span lang="EN-SG" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black; mso-themecolor: text1; mso-ansi-language: EN-SG;">দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত প্রতিযোগিতায় প্রকল্প প্রদর্শনীতে <span lang="EN-IN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: Calibri; color: black; mso-themecolor: text1;">কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ, </span><span lang="EN-IN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: Nikosh; color: black; mso-themecolor: text1; mso-bidi-language: BN;">কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর এবং রাজশাহী বিভাগ ও জেলা প্রশাসনসহ বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। </span></span></p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x_69da2f71095ea.jpg" alt=""></p>
<p class="MsoNormal" align="center" style="text-align: left;"><span lang="EN-SG" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black; mso-themecolor: text1; mso-ansi-language: EN-SG;"><span lang="EN-IN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: Nikosh; color: black; mso-themecolor: text1; mso-bidi-language: BN;">পাশাপাশি এ অঞ্চলের কারিগরি, মাদ্রাসা ও সাধারণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থী, শিল্পকারখানা, সুশীল সমাজ ও গণমাধ্যমের প্রতিনিধি ও অভিভাবকরাও এতে যোগ দেন। </span></span></p>
<p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span lang="EN-SG" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black; mso-themecolor: text1; mso-ansi-language: EN-SG;">শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের অধীন কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের বাস্তবায়নাধীন Accelerating and Strengthening Skills for Economic Transformation (ASSET) প্রকল্পের আয়োজনে </span><span lang="EN-SG" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black; mso-themecolor: text1; mso-ansi-language: EN-SG;">দিনব্যাপী প্রতিযোগিতায় </span><span lang="EN-SG" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black; mso-ansi-language: EN-SG;">প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী </span><span lang="EN-IN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। বিশেষ অতিথি </span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">হিসেবে উপস্থিত ছিলেন </span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব<span lang="EN-IN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;"> </span><span lang="EN-IN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black; background: white;">মোঃ দাউদ মিয়া</span>। </span></p>
<p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনার <span lang="EN-IN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে </span>স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন </span><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: Calibri; color: black; mso-themecolor: text1;"><span style="mso-spacerun: yes;"><span lang="EN-IN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black; mso-themecolor: text1; mso-bidi-language: BN;">কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক </span></span></span><span lang="EN-IN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black; mso-themecolor: text1; mso-bidi-language: BN;">আবুল খায়ের মোঃ আক্কাস আলী। <o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span lang="EN-IN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black; mso-themecolor: text1; mso-bidi-language: BN;">অন্যান্যের মধ্যে আরো বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো: রুহুল আমিন, রাজশাহী <span lang="EN-IN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black; mso-themecolor: text1;">পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের </span>অধ্যক্ষ মো: আবু হানিফ</span><span lang="EN-IN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black; mso-themecolor: text1;">। এছাড়া প্রবন্ধ উপস্থাপন </span><span lang="EN-IN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black; mso-themecolor: text1; mso-bidi-language: BN;">করেন </span><span lang="EN-SG" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black; mso-themecolor: text1; mso-ansi-language: EN-SG;">ASSET প্রকল্পের উপ-প্রকল্প পরিচালক মো: মঞ্জুরুল ইসলাম এবং </span><span lang="EN-IN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black; mso-themecolor: text1; mso-bidi-language: BN;">রাজশাহী </span><span lang="EN-IN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black; mso-themecolor: text1;">পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ইন্সটাক্টর এস এম তাহমিদ সাদিক। </span><span lang="EN-IN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black; mso-themecolor: text1; mso-ansi-language: EN-SG;"><span style="mso-spacerun: yes;"> </span></span><span lang="EN-SG" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black; mso-themecolor: text1; mso-ansi-language: EN-SG;"><o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span lang="EN-IN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">অনুষ্ঠানের শুরুতেই উপস্থিত শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন এবং কারিগরি শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়ন ও সম্প্রসারণে করণীয় সম্পর্কে জানতে চান শিক্ষামন্ত্রী <span lang="EN-SG" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black; mso-ansi-language: EN-SG;"> </span>ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি সবার কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং লিখিতভাবে তাকে অবহিত করার জন্য আহ্বান জানান। </span><span lang="EN-SG" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black; mso-themecolor: text1; mso-ansi-language: EN-SG;"><o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span lang="EN-SG" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black; mso-ansi-language: EN-SG;">প্রধান অতিথির বক্তৃতায় </span><span lang="EN-IN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-bidi-language: BN;">শিক্ষামন্ত্রী বলেন, </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-ansi-language: EN-US; mso-bidi-language: BN;">“কারিগরি শিক্ষা আজ আর বিকল্প কোনো ধারা নয়, এটি এখন আমাদের জাতীয় উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি।” “দক্ষ জনশক্তি তৈরি ছাড়া টেকসই অর্থনৈতিক অগ্রগতি সম্ভব নয়” উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, “যেভাবে জাপান, জার্মানী প্রভৃতি দেশ উন্নতি করেছে, আমাদেরকেও সেভাবে এগিয়ে যেতে হবে। আমাদের লক্ষ্য শুধু সনদ প্রদান নয়, বরং এমন দক্ষতা তৈরি করা, যা সরাসরি কর্মসংস্থানের সাথে যুক্ত এবং বৈশ্বিক শ্রমবাজারে প্রতিযোগিতায় সক্ষম।” <o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-ansi-language: EN-US; mso-bidi-language: BN;">স্কিলস এন্ড ইনোভেশন কম্পিটিশনের সাফল্য কামনা করে তিনি বলেন, “যুবসমাজকে দক্ষ, উদ্ভাবনী ও প্রযুক্তিনির্ভর মানবসম্পদে রূপান্তর করাই আমাদের সরকারের অগ্রাধিকার এবং কারিগরি শিক্ষা সেই রূপান্তরের প্রধান মাধ্যম। এ ক্ষেত্রে “স্কিলস কম্পিটিশন শুধু একটি প্রতিযোগিতা নয়, বরং এটি আমাদের তরুণদের দক্ষতা, সৃজনশীলতা ও আত্মবিশ্বাস তুলে ধরার একটি জাতীয় প্ল্যাটফর্ম।” তিনি এ সময় নারী, প্রান্তিক জনগোষ্ঠী এবং বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষের জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক কারিগরি শিক্ষা ও সৃজনশীলতার বিকাশ নিশ্চিত করতে সরকারের প্রতিশ্রুতির কথা পুন:ব্যক্ত করেন। <o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span lang="EN-IN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: Calibri; color: black; mso-themecolor: text1;"><o:p> </o:p></span><span lang="EN-IN" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: Calibri; color: black; mso-themecolor: text1;">এর আগে </span><span lang="EN-SG" style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black; mso-themecolor: text1; mso-ansi-language: EN-SG;">স্কিলস এন্ড ইনোভেশন কম্পিটিশন-এর প্রাতিষ্ঠানিক পর্বটি  ২০২৫ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর দেশব্যাপী ২১১টি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একযোগে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রায় ১০ হাজার শিক্ষার্থী স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ৩ হাজার২০৯টি উদ্ভাবনী প্রকল্প উপস্থাপন করে। এভাবে প্রতিটি প্রতিষ্ঠান থেকে অংশ নেয়া প্রকল্পগুলোর মধ্য থেকে ৩টি করে প্রকল্প আঞ্চলিক পর্বের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য বাছাই করা হয়। আঞ্চলিক প্রতিযোগিতা শেষে স্কিলস এন্ড ইনোভেশন কম্পিটিশন-এর জাতীয় পর্বটি আগামী ২৭ ডিসেম্বর ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে। ৮টি অঞ্চলের আঞ্চলিক প্রতিযোগিতা থেকে নির্বাচিত মোট ৫০টি উদ্ভাবনী প্রকল্প এতে অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে। চূড়ান্ত বা জাতীয় পর্বে বিজয়ী তিনটি উদ্ভাবনী প্রকল্পের উদ্ভাবকদের পুরস্কৃত করা হবে। <o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong><span lang="EN-SG" style="font-family: 'Nirmala UI', sans-serif; color: black; text-decoration: underline;">ডিবিটেক/কেএস/এমইউআইএম</span></strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>সংসদের গ্যালারিতে শিক্ষার্থীদের জন্য ১৫০ আসন বরাদ্দ</title>
<link>https://digibanglatech.news/173533</link>
<guid>https://digibanglatech.news/173533</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69d8fb782a7d1.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 10 Apr 2026 15:31:07 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="alignfull">জাতীয় সংসদের গ্যালারিতে অনূর্ধ্ব ১২ বছরের শিক্ষার্থীদের জন্য ৫০টি আসন রয়েছে। শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন দর্শনার্থী গ্যালারিতে আরও ১০০ আসন শিক্ষার্থীদের বরাদ্দ দেওয়ার আবেদন জানিয়ে পত্র লেখেন স্পিকারের কাছে। স্পিকার ওই আবেদন মঞ্জুর করেন।</p>
<p class="alignfull">১০ এপ্রিল, শুক্রবার শিক্ষা মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে।</p>
<p class="alignfull">মন্ত্রণালয় জানায়, এখন থেকে আরও বেশি শিক্ষার্থী সংসদের কার্যক্রম সরাসরি দেখার সুযোগ পাবে; যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সংসদীয় ও গণতান্ত্রিক চর্চার রীতির সঙ্গে পরিচিত করাবে।</p>
<div class="BT_inner_A1_C2 aligncenter w100p pt10 pb10">
<div class="300adWnC">এ প্রসঙ্গে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান শিক্ষার্থীদের নিয়ে নৌবিহারে যেতেন; যাতে তারা রাষ্ট্রের সম্পদ ও সম্ভাবনা সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করতে পারে। শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে আমিও চাই জেন-জিরা রাষ্ট্র সম্পর্কে জানুক, রাজনীতি সচেতন হোক।</div>
</div>
<p class="alignfull">এ বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী জাতীয় সংসদের সচিব মো. গোলাম সারওয়ার ভূঁইয়ার সঙ্গে আলাপ করতে গেলে তিনি এ উদ্যোগকে স্বাগত জানান। সংসদ সচিব বলেন, শিক্ষার্থীরা সংসদে এলে অধিবেশন চালুর আগে সংসদ নিয়ে বিস্তারিত জানানো হবে। এতে তারা দেশের সংসদের স্থাপত্যশৈলী, ইতিহাস, ঐতিহ্য সম্পর্কে শিক্ষা লাভ করতে পারবে। </p>
<p class="alignfull"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/বিজ্ঞপ্তি/ইকে</strong></span></em></p>
<p class="alignfull"></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>উচ্চশিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নে সম্মত বাংলাদেশ&#45;মালয়েশিয়া</title>
<link>https://digibanglatech.news/173520</link>
<guid>https://digibanglatech.news/173520</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69d8ef96bc9af.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 10 Apr 2026 14:40:14 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div class="desktopDetailBody innerAdDiv">
<p>উচ্চশিক্ষা, বৃত্তি ও দক্ষতা উন্নয়নে সহযোগিতা জোরদার করতে সম্মত হয়েছে মালয়েশিয়া-বাংলাদেশ। এই সম্মতিতে বৃত্তির সুযোগ সম্প্রসারণ এবং মালয়েশিয় সমাজে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের একীভূতকরণ উন্নত করার উপর বিশেষ মনোযোগ দিয়ছে দুই দেশ।</p>
<p>১০ এপ্রিল, শুক্রবার পুত্রাজায়ায় মালয়েশিয়ার উচ্চশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে দেশটির উচ্চশিক্ষা মন্ত্রী জাম্ব্রি আবদুল কাদিরের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা, শ্রম ও কর্মসংস্থান বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন একটি দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন। বৈঠকে উচ্চশিক্ষা, গবেষণা সহযোগিতা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং কর্মশক্তির গতিশীলতার ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা করা হয়। </p>
<p>বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশের প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।</p>
<p>এর আগে ৯ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের কার্যালয়ে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন মন্ত্রী। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন এবং হাই কমিশনার। একইদিন মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ মন্ত্রী দাতো শ্রী রমনন রামকৃষ্ণনের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন মন্ত্রী ও উপদেষ্টা।</p>
<p>শুক্রবার মালয়শিয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, মালয়েশিয়ার উচ্চশিক্ষা মন্ত্রী  জাম্ব্রি আবদুল কাদিরের সঙ্গে বৈঠকের শুরুতেই উভয়পক্ষ শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে এগিয়ে নেওয়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে। মালয়েশিয়া বাংলাদেশের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নির্বাচিত সরকারের ম্যান্ডেটকে স্বীকৃতি দিয়েছে এবং নতুন নীতিমালার অধীনে প্রাতিষ্ঠানিক সম্পৃক্ততাকে আরও দৃঢ় করার অঙ্গীকার প্রকাশ করেছে।‌ </p>
<p>উপদেষ্টা মাহদী আমিন আন্তর্জাতিক শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণের কথা বলেন, যার মাধ্যমে বাংলাদেশের মানব সম্পদের বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধির অগ্রাধিকারের ওপর আলোকপাত করেন। তিনি বহুমুখী ক্ষেত্রে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার সুযোগ জোরদার করার পাশাপাশি বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য মালয়েশিয়া থেকে বৃত্তির সুযোগ বৃদ্ধির ওপর বিশেষ জোর দেন।</p>
<p>মাহদী আমিন এমন সুসংগঠিত বৃত্তি ব্যবস্থার গুরুত্বের ওপর জোর দেন, যা শুধু প্রাতিষ্ঠানিক উৎকর্ষকেই সমর্থন করে না, বরং মালয়েশিয়ায় বসবাসকারী বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের কল্যাণ, নিরাপত্তা এবং সামাজিক একীকরণও নিশ্চিত করে। তিনি শিক্ষার্থীদের অন্তর্ভুক্তি, সামাজিক সম্পৃক্ততা এবং সহায়তা পরিষেবা প্রাপ্তির সুযোগ নিশ্চিত করার জন্য আরও শক্তিশালী প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন, যাতে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা মালয়েশিয় সমাজে উন্নতি লাভ করতে পারে।</p>
<p>উপদেষ্টা মাহদি আমিন পুনরায় নির্বাচন প্রক্রিয়া এবং দীর্ঘমেয়াদী স্থায়িত্বের উপর গুরুত্ব দিয়ে দুই দেশের মধ্যে আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় অংশীদারিত্ব জোরদার করা, একাডেমিক বিনিময় কর্মসূচি সম্প্রসারণ করা এবং মালয়েশিয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সহায়তায় যৌথ শিক্ষা প্রকল্প গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেন।</p>
<p>মালয়েশিয়ার মন্ত্রী জাম্ব্রি আবদুল কাদির এই প্রস্তাবগুলোকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং বিদ্যমান ও ভবিষ্যৎ উচ্চশিক্ষা কর্মসূচির অধীনে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তি বরাদ্দ সম্প্রসারণের বিষয়টি বিবেচনা করার বিষয়ে মালয়েশিয়ার প্রস্তুতির কথা জানিয়েছেন।</p>
<p>বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, মালয়েশিয়ার পক্ষ তাদের বৈচিত্র্যময় উচ্চশিক্ষা পরিমণ্ডল সম্পর্কে ধারণা দিয়েছে, যার মধ্যে বিভিন্ন শাখায় বিশেষায়িত দক্ষতাসম্পন্ন সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর নেটওয়ার্কও অন্তর্ভুক্ত। উল্লেখ করা হয় যে, মালয়েশিয়ায় বর্তমানে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক—১১,০০০-এরও বেশি বাংলাদেশি শিক্ষার্থী রয়েছে, যাদের অনেকেই বেসরকারি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হয়েছে। উভয়পক্ষই একাডেমিক বিনিময় ও আর্থ-সামাজিক সংযোগে এই শিক্ষার্থীদের ইতিবাচক অবদান এবং বাংলাদেশে ফিরে গিয়ে তারা যে ভূমিকা রাখে করে, তা স্বীকার করেছে।</p>
<p>উভয়পক্ষ পারস্পরিকভাবে স্বীকৃত যোগ্যতা, যৌথ ডিগ্রি প্রোগ্রাম, দূরশিক্ষণ এবং সহজ শিক্ষা পদ্ধতির সম্প্রসারণ নিয়ে আলোচনা করেন। তারা উভয় দেশের শ্রম বাজারের চাহিদা এবং অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত খাতের সঙ্গে একাডেমিক প্রোগ্রামগুলোকে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার গুরুত্বের বিষয়ে একমত হন।</p>
<p>আলোচনায় স্নাতকদের গতিশীলতা এবং দক্ষতা উন্নয়নও অন্তর্ভুক্ত ছিল। উপদেষ্টা মাহদী আমিন মালয়েশিয়ায় অধ্যয়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ও স্নাতকদের জন্য পেশাগত অভিজ্ঞতা ও উন্নয়নের পর্যাপ্ত সুযোগ নিশ্চিত করার গুরুত্বের ওপর জোর দেন। মন্ত্রী জাম্ব্রি প্রস্তাবটি স্বীকার করেন এবং মালয়েশিয়ার আন্তর্জাতিক শিক্ষা নীতির সঙ্গে সঙ্গতি রেখে সহায়ক কাঠামো খুঁজে বের করার আগ্রহ প্রকাশ করেন।</p>
<p>কাঠামোগত বৃত্তি কাঠামোকে আরও শক্তিশালী করা, শিক্ষার্থী সহায়তা ব্যবস্থা উন্নত করা এবং বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে দীর্ঘমেয়াদী শিক্ষাগত, সামাজিক ও জনগণের মধ্যকার সম্পর্ক গভীর করার বিষয়ে পারস্পরিক বোঝাপড়ার মাধ্যমে বৈঠক শেষ হয়। যা একটি টেকসই অর্থনৈতিক ও জ্ঞানভিত্তিক অংশীদারিত্বে অবদান রাখবে। </p>
<p>গত ৮ এপ্রিল, বুধবার মালয়েশিয়ায় সফরে যান শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন। প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদার উপদেষ্টাদের মধ্যে মাহদী আমিন শিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে রয়েছে। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের মূখপাত্র তিনি। </p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/ডিজেবিটি/ইকে</strong></span></em></p>
<div></div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>অনলাইনে অদৃশ্য যুদ্ধ</title>
<link>https://digibanglatech.news/173519</link>
<guid>https://digibanglatech.news/173519</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69d8eccd65bf0.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 10 Apr 2026 00:00:44 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>যুদ্ধ মানেই চোখের সামনে ধ্বংসস্তূপ, ধোঁয়া, আগুন, শরণার্থী, লাশ, আর্তনাদ। আমরা যুদ্ধকে সাধারণত দেখি আকাশে ক্ষেপণাস্ত্রের রেখা, বিধ্বস্ত বাড়িঘর, হাসপাতালে আহত মানুষের ভিড়, কিংবা সীমান্তজুড়ে সামরিক উত্তেজনার ছবিতে। কিন্তু ২০২৬ সালের এই আঞ্চলিক সংকট আবারও মনে করিয়ে দিচ্ছে, আধুনিক যুদ্ধের আরেকটি ফ্রন্ট আছে, যা চোখে কম দেখা যায়, কিন্তু আঘাত হানে মানুষের জীবনযাত্রার গভীরে। সেটি হলো ডিজিটাল অঙ্গন।</p>
<p>মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের প্রথম সপ্তাহেই বোঝা গেছে, যুদ্ধ এখন শুধু মাটির ওপর নয়, ডেটার ভেতরও লড়া হচ্ছে। বোমা পড়ছে শহরে, কিন্তু কাঁপছে সার্ভারও। মানুষ ঘর হারাচ্ছে, একই সঙ্গে হারাচ্ছে যোগাযোগের পথ। শরণার্থী শিবিরে যেমন নিরাপত্তাহীনতা, তেমনি অনলাইনেও ঘুরে বেড়াচ্ছে প্রতারণা, ভুয়া জরিপ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি বিভ্রান্তিকর প্রচার। যুদ্ধক্ষেত্রের সীমানা তাই আর কেবল ভৌগোলিক নয়, ডিজিটালও।</p>
<p>ইসরায়েলের নির্বিচার বোমাবর্ষণে দক্ষিণ লেবানন, বৈরুত ও বেকা থেকে পাঁচ লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। একই সময়ে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সংশ্লিষ্ট সামরিক সংঘাতের অভিঘাত ছড়িয়ে পড়েছে উপসাগরীয় অঞ্চলজুড়ে। বিভিন্ন রাজধানীতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার খবর এসেছে। এই বৃহৎ সংঘাতের ভেতরেই নতুনভাবে সামনে এসেছে কিছু কঠিন প্রশ্ন। যুদ্ধের সময় কারা তথ্য নিয়ন্ত্রণ করবে? কোন অবকাঠামো বেসামরিক, আর কোনটি সামরিক? নাগরিকের যোগাযোগের অধিকার কোথায় দাঁড়াবে? আর প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো কি কেবল ব্যবসায়ী, নাকি যুদ্ধেরও নীরব অংশীদার?</p>
<p><strong>ডেটা সেন্টার আর নিরীহ নয়</strong></p>
<p>গত সপ্তাহে অ্যামাজন জানায়, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইনে তাদের তিনটি AWS ডেটা সেন্টার ইরানি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর ফলে ব্যাংকিং, ই-কমার্স, ভোক্তাসেবা থেকে শুরু করে নানা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিঘ্ন দেখা দেয়। সাধারণভাবে কোনো ডেটা সেন্টারে আঘাত মানে প্রযুক্তিগত সমস্যা মনে হতে পারে। কিন্তু বাস্তবে এটি অনেক গভীর সংকেত বহন করে।</p>
<p>আজকের বিশ্বে ডেটা সেন্টার শুধু অনলাইন সেবার পেছনের নীরব যন্ত্র নয়। এগুলো একেকটি কৌশলগত স্থাপনা। একটি দেশের আর্থিক লেনদেন, ই-গভর্ন্যান্স, ক্লাউড-ভিত্তিক ব্যবসা, গণমাধ্যম, যোগাযোগ, এমনকি জননিরাপত্তা সম্পর্কিত বহু সেবা এগুলোর ওপর নির্ভরশীল। ফলে যুদ্ধের সময়ে এগুলো আর “নিরপেক্ষ” অবকাঠামো থাকে না। যদি একই প্ল্যাটফর্ম বেসামরিক অর্থনীতি চালায়, আবার কোনোভাবে সামরিক সক্ষমতার সঙ্গেও যুক্ত থাকে, তাহলে সেটি হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হতে সময় লাগে না।</p>
<p>এই বাস্তবতা একটি অস্বস্তিকর সত্য সামনে আনে। আধুনিক ডিজিটাল অবকাঠামোকে আমরা যতই দৈনন্দিন জীবনের অংশ ভাবি না কেন, ভূরাজনীতির চোখে তা শক্তির অংশ। ব্যাংকিং অ্যাপ কাজ না করা, অনলাইন কেনাকাটা বন্ধ হওয়া বা ডিজিটাল সেবায় ব্যাঘাত কেবল প্রযুক্তিগত বিপর্যয় নয়, এটি একধরনের সামাজিক অস্থিতিশীলতা। শহর যখন বোমায় কাঁপে, তখন নাগরিকের ভরসার শেষ জায়গাগুলোর একটি হয়ে ওঠে ফোন, ইন্টারনেট, ডিজিটাল ব্যাংকিং, ম্যাপ, বার্তা আদান-প্রদান। সেই অবকাঠামো আঘাতপ্রাপ্ত হলে যুদ্ধের অভিঘাত বহুগুণ বেড়ে যায়।</p>
<p><strong>অনলাইনে অদৃশ্য যুদ্ধ</strong></p>
<p>লেবাননের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেশটির উচ্চপর্যায়ের রাজনৈতিক নেতাদের নাম ও চেহারা ব্যবহার করে এআই-নির্ভর স্পন্সরড বিজ্ঞাপন ছড়িয়ে পড়েছে। এসব বিজ্ঞাপনে নিরপেক্ষতা এবং ইসরায়েলের সঙ্গে শান্তির পক্ষে অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। বাইরে থেকে দেখলে এটি হয়তো রাজনৈতিক প্রচারণা বলে মনে হতে পারে। কিন্তু ডিজিটাল অধিকারের দৃষ্টিকোণ থেকে বিষয়টি অনেক বেশি বিপজ্জনক।</p>
<p>কারণ, এটি কেবল মতপ্রকাশ নয়, পরিচয় ভেজাল। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে তৈরি এসব প্রচার সাধারণ নাগরিককে বিভ্রান্ত করার পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় অবস্থান, রাজনৈতিক বৈধতা এবং জনমতের ভেতরে কৃত্রিম দ্বন্দ্ব তৈরি করতে পারে। যুদ্ধের সময় মানুষের মন এমনিতেই ভীত, অনিশ্চিত ও সংবেদনশীল থাকে। সেই মুহূর্তে ভুয়া অথচ বিশ্বাসযোগ্য দেখানো বার্তা দ্রুত কাজ করে। বিশেষত যদি তা আসে পরিচিত মুখ, ক্ষমতাবান ব্যক্তি বা সরকারি ভাষার অনুকরণে।</p>
<p>এখানে বড় বিপদটি শুধু বিভ্রান্তি নয়, আস্থার ক্ষয়। মানুষ যখন বুঝতে পারে না কোন বার্তা সত্য, কোনটি কৃত্রিম, কোনটি প্রচারণা, তখন তারা ধীরে ধীরে সব কিছুকেই সন্দেহ করতে শুরু করে। এই অবিশ্বাস গণতান্ত্রিক সমাজের ভিত্তি দুর্বল করে, যুদ্ধবিধ্বস্ত সমাজে তা আরও গভীর ক্ষত তৈরি করে।</p>
<p>এর সঙ্গে যোগ হয়েছে ভুয়া জরিপের বিস্তার। যুদ্ধ সম্পর্কে মানুষের মতামত জানতে চেয়ে কিছু জরিপ ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, যেগুলোর মধ্যে কিছু ছিল সন্দেহজনক। কোথাও সহায়তা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে, কোথাও তথ্য সংগ্রহের আড়ালে মানুষকে টার্গেট করার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। যুদ্ধ ও বিপর্যয়ের সময় এ ধরনের কৌশল নতুন নয়। ক্ষুধার্ত, বাস্তুচ্যুত, উদ্বিগ্ন মানুষ সহজেই এমন বার্তায় সাড়া দেয়, কারণ তাদের সামনে তথ্য যাচাইয়ের সুযোগ কম, প্রয়োজন বেশি।</p>
<p><strong>বাস্তুচ্যুত মানুষ, অনলাইনে নতুন শিকার</strong></p>
<p>যুদ্ধের সবচেয়ে দৃশ্যমান শিকার বাস্তুচ্যুত মানুষ। কিন্তু আজকের বাস্তুচ্যুতি শুধু ভৌগোলিক নয়, ডিজিটালও। যখন মানুষ তড়িঘড়ি করে ঘর ছেড়ে পালায়, তারা সঙ্গে নেয় কিছু কাপড়, নথি, ফোন, আর যোগাযোগের প্রয়োজন। এই ফোনই তখন আশ্রয়ের খবর দেয়, আত্মীয়ের অবস্থান জানায়, ব্যাংকে টাকা আছে কি না বলে, রুট ম্যাপ দেখায়, সন্তানের সঙ্গে যোগাযোগ করায়। ফলে ফোন হারানো, সিম অকার্যকর হওয়া, ইন্টারনেট না থাকা, কিংবা প্রতারণার ফাঁদে পড়া যুদ্ধের নতুন মাত্রা হয়ে উঠেছে।</p>
<p>লেবাননে অনেক বাসিন্দা হুমকিমূলক ফোনকল ও সরিয়ে নেওয়ার বার্তা পেয়েছেন। সংকটের সময়ে এমন বার্তা সত্যিও হতে পারে, আবার প্রতারণামূলকও হতে পারে। এই অনিশ্চয়তাই সবচেয়ে বিপজ্জনক। ধরুন, কেউ একটি বার্তা পেলেন যে নির্দিষ্ট এলাকায় দ্রুত চলে যেতে হবে, বা অনুদান পেতে একটি ফরম পূরণ করতে হবে, বা আশ্রয় পেতে লিংকে ক্লিক করতে হবে। যুদ্ধের মুহূর্তে তিনি সেটি যাচাই করবেন কীভাবে? মানুষের ভয়ের ওপর দাঁড়িয়ে অনলাইন প্রতারণা তখন আরও কার্যকর হয়ে ওঠে।</p>
<p>ডিজিটাল নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করা সংস্থাগুলো তাই সতর্ক করছে, সংকটের সময় যে কোনো অচেনা লিংক, ফরম, কল বা আর্থিক অনুরোধ সন্দেহের চোখে দেখতে হবে। কিন্তু এখানেও একটি বৈপরীত্য আছে। যাদের সবচেয়ে বেশি সুরক্ষা প্রয়োজন, তারাই সাধারণত সবচেয়ে কম ডিজিটাল নিরাপত্তা জ্ঞান নিয়ে এই অবস্থায় পড়েন। ফলে ডিজিটাল সাক্ষরতা এখন আর শুধু প্রযুক্তিগত দক্ষতা নয়, একে জীবনরক্ষাকারী দক্ষতা বললেও বাড়িয়ে বলা হয় না।</p>
<p><strong>ইন্টারনেট বন্ধ মানে শুধু নেট না থাকা নয়</strong></p>
<p>ইরানে প্রায় সম্পূর্ণ ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ার খবর এসেছে। মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলছে, সেখানে নাগরিকরা মূলত সরকার-অনুমোদিত সীমিত কিছু সেবাই ব্যবহার করতে পারছেন। এই ধরনের ইন্টারনেট বন্ধ অনেক রাষ্ট্র আগেও করেছে, কিন্তু যুদ্ধের সময় এর প্রভাব ভয়াবহতর।</p>
<p>কিছু সরকার যুক্তি দেয়, জাতীয় নিরাপত্তা, গুজব নিয়ন্ত্রণ বা শত্রুপক্ষের কার্যক্রম ঠেকাতেই ইন্টারনেট সীমিত করা হয়। কিন্তু বাস্তবতা হলো, ইন্টারনেট বন্ধ হলে প্রথম আঘাত পড়ে সাধারণ মানুষের ওপর। তারা পরিবার-স্বজনের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারে না, নিরাপদ আশ্রয়ের খবর পায় না, হাসপাতাল বা জরুরি সহায়তার তথ্য জানতে পারে না। অনেকে আর্থিক লেনদেন করতে পারে না, কেউ কাজ করতে পারে না, কেউ সন্তানের খোঁজও পায় না।</p>
<p>আরেকটি বড় ক্ষতি হয় তথ্যপ্রবাহে। যুদ্ধের সময় স্বাধীন সাংবাদিকতা এবং নাগরিক-সাক্ষ্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কে কোথায় হামলা চালাল, কোথায় বেসামরিক মানুষ আটকা পড়েছে, কোথায় মানবাধিকার লঙ্ঘন হচ্ছে, কোন হাসপাতাল ক্ষতিগ্রস্ত হলো, এসব তথ্য অনেক সময় প্রথম আসে মাঠের মানুষের মোবাইল ভিডিও, কল, লোকেশন ডেটা বা বার্তার মাধ্যমে। ইন্টারনেট বন্ধ করে দিলে শুধু নাগরিকই নীরব হয় না, যুদ্ধের দলিলও অন্ধকারে চলে যায়।</p>
<p>এই জায়গায় ডিজিটাল অধিকার সরাসরি মানবাধিকারের সঙ্গে মিশে যায়। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, তথ্যপ্রাপ্তির অধিকার, যোগাযোগের অধিকার, নিরাপত্তার অধিকার সব একসঙ্গে আঘাতপ্রাপ্ত হয়। যুদ্ধের সময় ইন্টারনেট বন্ধ তাই “প্রযুক্তিগত পদক্ষেপ” নয়, এটি রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত, যার মানবিক মূল্য অত্যন্ত বেশি।</p>
<p><strong>ভুল তথ্য দমন নাকি নিয়ন্ত্রণের নতুন অজুহাত</strong></p>
<p>উপসাগরীয় কয়েকটি দেশ যুদ্ধ ঘিরে গুজব ও ভুল তথ্যের বিস্তার ঠেকাতে আইনি পদক্ষেপ নিয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাত হামলার স্থানের ছবি বা ভিডিও ছড়ানো নিয়ে সতর্ক করেছে। এআই দিয়ে ভুয়া ছবি বা কনটেন্ট তৈরি করাকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ বলা হয়েছে। কাতার ভুল তথ্য ছড়ানোর অভিযোগে ৩১৩ জনকে আটক করেছে। বাহরাইন ও কুয়েতও অনুরূপ ব্যবস্থা নিয়েছে।</p>
<p>প্রথম দৃষ্টিতে এসব পদক্ষেপ যুক্তিসংগত মনে হতে পারে। যুদ্ধের সময় গুজব ভয় ছড়ায়, আতঙ্ক বাড়ায়, এমনকি নিরাপত্তা পরিস্থিতিও জটিল করে তুলতে পারে। কিন্তু এখানেই একটি সূক্ষ্ম প্রশ্ন আছে: ভুল তথ্য দমন আর মতপ্রকাশ নিয়ন্ত্রণের সীমারেখা কোথায়?</p>
<p>অনেক কর্তৃত্ববাদী রাষ্ট্রই অতীতে “জাতীয় স্বার্থ”, “সাইবার নিরাপত্তা” বা “ভুল তথ্য প্রতিরোধ” এর নামে সমালোচনাকারী নাগরিক, সাংবাদিক, মানবাধিকারকর্মী ও বিরোধী মতের মানুষকে দমন করেছে। ফলে যুদ্ধের সময় নেওয়া এই কঠোর আইনি পদক্ষেপ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হওয়া স্বাভাবিক। কারণ, বাস্তবে রাষ্ট্র কখনো সত্যিকারের বিভ্রান্তিকর তথ্যের বিরুদ্ধে যায়, আবার কখনো অস্বস্তিকর সত্যের বিরুদ্ধেও যায়।</p>
<p>যখন মানুষ হামলার ছবি পোস্ট করতে ভয় পায়, সাংবাদিক মাঠের তথ্য প্রকাশ করতে দ্বিধা করে, বা সাধারণ নাগরিক সমালোচনা জানাতে গিয়েও গ্রেপ্তারের আশঙ্কায় থাকে, তখন নিরাপত্তা আর স্বাধীনতার ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যায়। যুদ্ধকালীন পরিবেশে এই ভারসাম্য আরও সহজে ভেঙে পড়ে।</p>
<p><strong>প্রযুক্তির নৈতিকতা এখন আর তাত্ত্বিক প্রশ্ন নয়</strong></p>
<p>এই পুরো সংকট প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোকেও নতুন করে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। ক্লাউড অবকাঠামো, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, বিজ্ঞাপন ব্যবস্থা, ডেটা সেবা, এআই টুল, এসব কি কেবল নিরপেক্ষ প্রযুক্তি? নাকি এগুলো যুদ্ধে সক্রিয় ভূমিকা রাখে? যদি কোনো অবকাঠামো একদিকে লাখো মানুষের দৈনন্দিন জীবন চালায়, অন্যদিকে সামরিক ব্যবস্থারও সহায়ক হয়, তবে সেটি কি কেবল বেসরকারি সেবা হিসেবে দেখা যাবে?</p>
<p>প্রযুক্তির সামরিকীকরণ নিয়ে যে উদ্বেগ আগে নীতিগত আলোচনায় সীমাবদ্ধ ছিল, এখন তা বাস্তব ঝুঁকি হিসেবে হাজির। ডেটা সেন্টারে হামলা, এআই-নির্ভর বিভ্রান্তিকর প্রচার, নজরদারি, প্ল্যাটফর্মের পক্ষপাত, কনটেন্ট নামিয়ে না নেওয়া, আবার কোথাও অতিরিক্ত কনটেন্ট দমন, সব মিলিয়ে বোঝা যাচ্ছে, প্রযুক্তি আর নিরীহ পরিকাঠামো নয়। এটি ক্ষমতার অংশ, এবং সেই কারণেই জবাবদিহিরও অংশ।</p>
<p><strong>যুদ্ধের সময় ডিজিটাল অধিকার কেন বিলাসিতা নয়</strong></p>
<p>অনেক সময় মনে করা হয়, যুদ্ধের সময় প্রধান প্রশ্ন হলো জীবন বাঁচানো, খাবার, পানি, আশ্রয়, চিকিৎসা। ডিজিটাল অধিকার তখন নাকি গৌণ বিষয়। কিন্তু বর্তমান সংকট দেখাচ্ছে, এই ধারণা ভুল। কারণ যোগাযোগের অধিকার ছাড়া আশ্রয়ের তথ্য মেলে না। নির্ভরযোগ্য তথ্য ছাড়া নিরাপদ সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় না। গোপনীয়তা রক্ষা না হলে বাস্তুচ্যুত মানুষ আরও ঝুঁকিতে পড়ে। অনলাইন প্রতারণা ঠেকাতে না পারলে সংকট দ্বিগুণ হয়। আর স্বাধীন তথ্যপ্রবাহ না থাকলে যুদ্ধের নথি, দায়বদ্ধতা, সত্য সবকিছুই দুর্বল হয়ে পড়ে।</p>
<p>ডিজিটাল অধিকার তাই বিলাসিতা নয়, সংকটকালে এটি বেঁচে থাকার অবকাঠামোর অংশ। একবিংশ শতাব্দীর যুদ্ধক্ষেত্রে পানি, ওষুধ, আশ্রয়, বিদ্যুতের মতোই জরুরি হয়ে উঠেছে সংযোগ, তথ্য, ডেটা নিরাপত্তা ও অনলাইন বিশ্বাসযোগ্যতা।</p>
<p>মধ্যপ্রাচ্যের এই আঞ্চলিক সংঘাত সেই কথাটিই আবার স্পষ্ট করে দিল। যুদ্ধ এখন শুধু সীমান্তে হয় না, সার্ভার রুমেও হয়। শুধু বন্দুক দিয়ে নয়, অ্যালগরিদম দিয়েও হয়। শুধু মানুষকে তাড়িয়ে নয়, তাদের নীরব করেও হয়। আর তাই যুদ্ধের সময় ডিজিটাল অধিকার রক্ষার প্রশ্নটি মানবাধিকার, নিরাপত্তা ও ন্যায়ের প্রশ্ন থেকে আলাদা নয়, বরং তারই অংশ।                                                                                                                                </p>
<hr>
<p><strong>লেখকঃ</strong><span> বাংলাদেশের জন্য দায়িত্বশীল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (AMR) বিষয়ক অ্যাম্বাসেডর</span></p>
<hr>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>আইইবিতে প্রকৌশলীদের জন্য দুই দিনব্যাপী অটোক্যাড প্রশিক্ষণ শুরু</title>
<link>https://digibanglatech.news/173432</link>
<guid>https://digibanglatech.news/173432</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69d7ca0dd91cc.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 09 Apr 2026 20:47:44 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div _ngcontent-ng-c2907064303="" class="container">
<div _ngcontent-ng-c1336060259="" inline-copy-host="" class="markdown markdown-main-panel enable-updated-hr-color" id="model-response-message-contentr_e3e31709665e265e" aria-live="polite" aria-busy="false" dir="ltr">
<p data-path-to-node="2">প্রযুক্তিনির্ভর প্রকৌশল চর্চায় দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি) উইমেন ইঞ্জিনিয়ার্স চ্যাপ্টারের উদ্যোগে ‘AutoCAD: 2D Drafting and 3D Modeling’ শীর্ষক দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। ৯ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার রাজধানীর রমনায় আইইবি সদর দপ্তরের কাউন্সিল হলে এই প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করা হয়। ৯ ও ১১ এপ্রিল দুই ধাপে এই প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে।</p>
<p data-path-to-node="3">অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আইইবির প্রেসিডেন্ট ও রাজউক চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মোহাম্মদ রিয়াজুল ইসলাম (রিজু)। তিনি বলেন, বর্তমান সময়ে প্রকৌশল কাজে অটোক্যাডের ব্যবহার অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। আগে এই সফটওয়্যারটি সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও এখন সব শাখায় এর বিস্তার ঘটেছে। বিশেষ করে ত্রিমাত্রিক (3D) ডিজাইন ও ভিজ্যুয়ালাইজেশনের চাহিদা বাড়ায় প্রকৌশলীদের এই বিষয়ে পারদর্শী হওয়া জরুরি।</p>
<p data-path-to-node="3">তিনি বলেন, অতীতে প্রকৌশলগত কাজ সম্পাদনের জন্য লগ টেবিল ও পরে ক্যালকুলেটরের ওপর নির্ভর করতে হতো। প্রযুক্তির ধারাবাহিক উন্নয়নের ফলে অটোক্যাডের ব্যবহার শুরু হয় এবং বর্তমানে এটি প্রকৌশল কাজে অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। </p>
<p data-path-to-node="4">বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আইইবির সম্মানী সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী মো. সাব্বির মোস্তফা খান বলেন, বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বাজারে শুধু প্রাতিষ্ঠানিক ডিগ্রি যথেষ্ট নয়, বাস্তব দক্ষতা অর্জনই পেশাগত সাফল্যের চাবিকাঠি। আইইবির ভাইস-প্রেসিডেন্ট প্রকৌশলী এটিএম তানবীর-উল হাসান তমাল বলেন, অটোক্যাড ড্রইং প্রণয়ন ও সংশোধনের কাজকে সহজ, দ্রুত ও নির্ভুল করেছে।</p>
<p data-path-to-node="5">উইমেন ইঞ্জিনিয়ার্স চ্যাপ্টারের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী শাহানাজ শারমিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন চ্যাপ্টারের সম্পাদক প্রকৌশলী ইশরাত জাহান। বক্তারা জানান, গত বছরের একটি প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারীদের দাবির প্রেক্ষাপটে এই বিশেষ অটোক্যাড প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছে। ভবিষ্যতে বিভিন্ন ইঞ্জিনিয়ারিং ডিভিশনভিত্তিক আরও বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে প্রকৌশলীরা তাদের প্রকল্পের ধারণাকে আরও বাস্তবসম্মত ও কার্যকরভাবে উপস্থাপন করতে সক্ষম হবেন বলে আয়োজকেরা আশা প্রকাশ করেন।</p>
<p data-path-to-node="5"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এসআই/এমইউআইএম</strong></span></em></p>
</div>
<message-content _ngcontent-ng-c2907064303="" _nghost-ng-c1336060259="" id="message-content-id-r_e3e31709665e265e" class="ng-star-inserted"></message-content><!----></div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ক্যাম্পাস অ্যাম্বাসেডরে নর্দার্ন ইউনিভার্সিটির সাইফুল; শি স্কোয়াডে চ্যাম্পিয়ন ফারাহ সায়েদ আব্দুল বারী</title>
<link>https://digibanglatech.news/173447</link>
<guid>https://digibanglatech.news/173447</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69d7d05b1d647.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 09 Apr 2026 18:14:33 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div _ngcontent-ng-c1336060259="" inline-copy-host="" class="markdown markdown-main-panel enable-updated-hr-color" id="model-response-message-contentr_b570b3f78365b149" aria-live="polite" aria-busy="false" dir="ltr">
<p data-path-to-node="2">দেশের শীর্ষস্থানীয় মোবাইল অ্যাপ স্টোর ‘বিডিঅ্যাপস’ (bdapps)-এর আয়োজনে উদীয়মান অ্যাপ ডেভেলপার ও তরুণ উদ্ভাবকদের সম্মান জানাতে অনুষ্ঠিত হলো ‘বিডিঅ্যাপস অ্যাওয়ার্ড নাইট ২০২৫’। রাজধানীতে অনুষ্ঠিত এই পুরস্কার বিতরণীতে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়ার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ ডেভেলপারদের জন্য দুই মাসব্যাপী এক বিশেষ বুটক্যাম্পের উদ্বোধন করা হয়।</p>
<p data-path-to-node="2">৯ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার জানানো হয়, সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এই অ্যাওয়ার্ডে সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ ‘ক্যাম্পাস অ্যাম্বাসেডর চ্যাম্পিয়ন’ পুরস্কার জিতেছেন খুলনার নর্দার্ন ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজির শিক্ষার্থী মো. সাইফুল ইসলাম। সক্রিয় ক্যাম্পাস কমিউনিটি গড়ে তোলা এবং শিক্ষার্থীদের ডিজিটাল উদ্ভাবনে উৎসাহিত করার স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি এই সম্মাননা লাভ করেন।</p>
<p data-path-to-node="4">প্রযুক্তিতে নারীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধিতে কাজ করার জন্য ‘শি স্কোয়াড চ্যাম্পিয়ন’ হয়েছেন ফারাহ সায়েদ আব্দুল বারী। এছাড়া বরিশালের মুহাম্মদ তাওসিফ হোসেন ‘ইমার্জিং ইন্ডিভিজুয়াল ডেভেলপার ২০২৫’ এবং চট্টগ্রামের আবু বকর সিদ্দিকির তৈরি ‘বিয়ে বন্ধু’ অ্যাপটি ‘ইমার্জিং অ্যাপ অব ২০২৫’ হিসেবে পুরস্কৃত হয়েছে।</p>
<p data-path-to-node="5">অনুষ্ঠানে ভবিষ্যৎ মোবাইল অ্যাপ নির্মাতাদের কারিগরি ও ব্যবসায়িক দক্ষতা বৃদ্ধিতে ‘ন্যাশনাল অ্যান্ড্রয়েড ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প (এনএডিবি)’ উদ্বোধন করেন রবি আজিয়াটা পিএলসির হেড অব মার্কেটিং মোহাম্মদ শওকত কাদের চৌধুরী। দুই মাসব্যাপী এই প্রশিক্ষণের পর প্রতিযোগিতার মাধ্যমে বিচারকদের নম্বরের ভিত্তিতে চ্যাম্পিয়ন নির্বাচন করা হয়।</p>
<p data-path-to-node="6">জানাগেছে, পুরস্কার বিতরণী ছাড়াও অনুষ্ঠানে ‘ইউথ-লেড ইনোভেশন: ড্রাইভিং বাংলাদেশস ডিজিটাল ফিউচার’ শীর্ষক একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ওস্তাদ-এর সিওও সৌরভ বড়ুয়া, রবির পরিচালক মানিক লাল দাস, আইসিটি অলিম্পিয়াডের প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ শাহরিয়ার খান এবং মিয়াকির সিইও তানিম ইসলাম অংশ নেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মুহাম্মাদ আলতামিশ নাবিল। এ সময় রবি আজিয়াটা পিএলসির জেনারেল ম্যানেজার শফিক শামসুর রাজ্জাক, ম্যানেজার ফাতেমা নাশরাহ এবং সিনিয়র অ্যাসোসিয়েট খান মাহমুদা মালিহাসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p data-path-to-node="6"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/জেআইপি/এমইউআইএম</strong></span></em></p>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>টেক্সটাইল, প্লাস্টিক না ই&#45;ওয়েস্ট</title>
<link>https://digibanglatech.news/173429</link>
<guid>https://digibanglatech.news/173429</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x_69ce7670dd2b8.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 08 Apr 2026 20:57:15 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশের শিল্পখাত আজ এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে, যেখানে টেক্সটাইল, প্লাস্টিক এবং ই-ওয়েস্ট—এই তিনটি খাত ভবিষ্যৎ অর্থনীতির ভিন্ন ভিন্ন সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জকে সামনে নিয়ে আসছে। দীর্ঘদিন ধরে টেক্সটাইল খাত দেশের অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, যার পেছনে রয়েছে শক্তিশালী রপ্তানি বাজার, দক্ষ শ্রমশক্তি এবং উন্নত উৎপাদন কাঠামো। সাম্প্রতিক সময়ে পরিবেশবান্ধব উৎপাদন ও আন্তর্জাতিক মান অর্জনের মাধ্যমে এই খাত টেকসইতার দিকেও অগ্রসর হচ্ছে। তবে উচ্চমূল্য সংযোজন, ডিজাইন সক্ষমতা এবং গবেষণা-নির্ভর উদ্ভাবনের ঘাটতি ভবিষ্যতে এই খাতের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতাকে সীমিত করতে পারে।</p>
<p>অন্যদিকে, প্লাস্টিক শিল্প দ্রুত বিকাশমান একটি খাত, যা স্থানীয় চাহিদা পূরণের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারেও ধীরে ধীরে জায়গা করে নিচ্ছে। কিন্তু বিশ্বব্যাপী প্লাস্টিক দূষণ একটি বড় উদ্বেগ হিসেবে দেখা দেওয়ায়, এই খাতের টেকসই ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে কার্যকর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পরিবেশবান্ধব উৎপাদন অত্যন্ত জরুরি। বর্তমানে বাংলাদেশের রিসাইক্লিং ব্যবস্থা মূলত অনানুষ্ঠানিক খাতের উপর নির্ভরশীল, যা একটি সংগঠিত সার্কুলার ইকোনমি গড়ে তোলার ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করছে। একই সঙ্গে ই-ওয়েস্ট খাত এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে থাকলেও এর সম্ভাবনা অত্যন্ত বিস্তৃত। ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহারের বৃদ্ধি ইলেকট্রনিক বর্জ্যের পরিমাণ বাড়াচ্ছে, যা একদিকে পরিবেশগত ঝুঁকি তৈরি করছে, অন্যদিকে মূল্যবান সম্পদ পুনরুদ্ধারের সুযোগও সৃষ্টি করছে। তবে এই খাতে আনুষ্ঠানিক কাঠামো, নিরাপদ পুনর্ব্যবহার এবং আধুনিক প্রযুক্তির অভাব একটি বড় সীমাবদ্ধতা।</p>
<p>সামগ্রিক বিশ্লেষণে স্পষ্ট হয় যে, বর্তমান প্রস্তুতির দিক থেকে টেক্সটাইল খাত সবচেয়ে এগিয়ে থাকলেও ভবিষ্যতের সম্ভাবনার বিচারে ই-ওয়েস্ট খাত সবচেয়ে বেশি অগ্রসর হওয়ার সুযোগ রাখে, যদি সঠিক নীতি ও বিনিয়োগ নিশ্চিত করা যায়; আর প্লাস্টিক খাত এই দুইয়ের মাঝামাঝি অবস্থানে রয়েছে। বাংলাদেশের টেকসই শিল্পায়নের জন্য তাই প্রয়োজন একটি সমন্বিত ও দূরদর্শী নীতি—যেখানে টেক্সটাইল খাতে উদ্ভাবন ও উচ্চমূল্য সংযোজন, প্লাস্টিক খাতে সার্কুলার ইকোনমি এবং ই-ওয়েস্ট খাতে প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা হবে। সর্বোপরি, কেবল বর্তমান প্রস্তুতি নয়—বরং প্রযুক্তি, টেকসইতা ও উদ্ভাবনের সমন্বিত প্রয়াসই নির্ধারণ করবে বাংলাদেশের শিল্পখাতের ভবিষ্যৎ প্রতিযোগিতা ও সাফল্য।</p>
<hr>
<p><strong>লেখকঃ<span> </span></strong><span>অর্থনীতিবিদ; ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর, ল্যাবএইড গ্রুপ</span></p>
<hr>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ব্রিটিশ কাউন্সিলের ‘উইমেন ইন স্টেম’ বৃত্তির  আবেদন শুরু</title>
<link>https://digibanglatech.news/173288</link>
<guid>https://digibanglatech.news/173288</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69d64d7e282a6.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 08 Apr 2026 15:44:12 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="ds-markdown-paragraph"><span>বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিত (স্টেম) বিষয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণে আগ্রহী বাংলাদেশি নারী শিক্ষার্থীদের জন্য যুক্তরাজ্যে সম্পূর্ণ অর্থায়িত বৃত্তির সুযোগ দিচ্ছে ব্রিটিশ কাউন্সিল। টানা ষষ্ঠবারের মতো ‘উইমেন ইন স্টেম’ শীর্ষক এ বৃত্তি কর্মসূচি চালু করেছে সংস্থাটি। এ বছর বিশ্বব্যাপী মোট ৯০টি বৃত্তি দেওয়া হবে, যেখানে ৩০টি দেশের শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। দক্ষিণ এশিয়ার জন্য বরাদ্দ ২৫টি বৃত্তির আওতায় এ অঞ্চলের শিক্ষার্থীরা যুক্তরাজ্যের পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ পাবেন।</span></p>
<p class="ds-markdown-paragraph"><span>ব্রিটিশ কাউন্সিলের ‘গোয়িং গ্লোবাল পার্টনারশিপস’ উদ্যোগের অংশ এই কর্মসূচির আওতায় নারী শিক্ষার্থীরা যুক্তরাজ্যের শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানে স্টেম–সংশ্লিষ্ট বিষয়ে এক বছর মেয়াদি স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের সুযোগ পাবেন। আগ্রহী শিক্ষার্থীরা ব্রিটিশ কাউন্সিলের গ্লোবাল ও বাংলাদেশ ওয়েবসাইটে বিস্তারিত তথ্য জানতে পারবেন। </span></p>
<p class="ds-markdown-paragraph"><span>ইতিমধ্যে যুক্তরাজ্যের ৪৩টি শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয় এ কর্মসূচিতে যুক্ত হয়েছে এবং প্রায় ৫০০ জন এই সম্মানজনক বৃত্তি পেয়েছেন। এবার বৃত্তি পেতে ‘ব্রিটিশ কাউন্সিল স্কলারশিপ ফর উইমেন ইন স্টেম’-এর জন্য আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত আবেদন করা যাবে।</span></p>
<p class="ds-markdown-paragraph"><span>ব্রিটিশ কাউন্সিল ঢাকা সূত্রে প্রকাশ, ২০২৬–২৭ শিক্ষাবর্ষে প্রতিটি বৃত্তির ন্যূনতম আর্থিক মূল্য ৪০ হাজার পাউন্ড। সম্পূর্ণ অর্থায়নের আওতায় টিউশন ফি, থাকা-খাওয়ার ভাতা, ভ্রমণ ও ভিসা ব্যয়, স্বাস্থ্যসেবা ফি এবং ইংরেজি ভাষা সহায়তা অন্তর্ভুক্ত থাকবে। নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা যুক্তরাজ্যের বিশ্বমানের গবেষণা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার পাশাপাশি স্টেম খাতের বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে যোগাযোগ গড়ে তোলার এবং যুক্তরাজ্যের বৈশ্বিক অ্যালামনাই নেটওয়ার্কের অংশ হওয়ার সুযোগ পাবেন।</span></p>
<p class="ds-markdown-paragraph"><span>ব্রিটিশ কাউন্সিলের গ্লোবাল হেড অব এনাবলিং রিসার্চ অ্যান্ড সায়েন্স ড. জেন বার্ডসলি বলেন, “এই উদ্যোগ স্টেম খাতে নারীদের ক্যারিয়ার গড়ার পথে থাকা প্রতিবন্ধকতা দূর করতে সহায়তা করছে এবং বিজ্ঞানে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক ও বৈচিত্র্যময় কণ্ঠস্বর তৈরি করছে।”</span></p>
<p class="ds-markdown-paragraph"><span>ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশের হেড অব এডুকেশন তৌফিক হাসান বলেন, “যুক্তরাজ্যের বিশ্বমানের গবেষণা ও উদ্ভাবনী জগতের সাথে উদীয়মান নারী নেত্রীদের যুক্ত করার মাধ্যমে বাংলাদেশে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও ভবিষ্যৎ-উপযোগী স্টেম পরিবেশ গড়ে তুলতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”</span></p>
<p class="ds-markdown-paragraph"><span>বাংলাদেশের স্টেম স্কলার সাদিয়া জামান বলেন, “ব্রিটিশ কাউন্সিলের ‘উইমেন ইন স্টেম’ স্কলার হিসেবে আমার অভিজ্ঞতা জীবন বদলে দেওয়ার মতো। এতে আমার গবেষণার দক্ষতা ও নারীবাদী চর্চা আরও শক্তিশালী হয়েছে।”</span></p>
<p class="ds-markdown-paragraph"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এমআরআর/ইকে</strong></span></em></p>
<p class="ds-markdown-paragraph"></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ডেটা: সম্পদ, সম্পত্তি—নাকি ঝুঁকি?</title>
<link>https://digibanglatech.news/173087</link>
<guid>https://digibanglatech.news/173087</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x_691ac32708983.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 06 Apr 2026 12:23:35 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>তথ্যপ্রযুক্তি নিরাপত্তার ছাত্র হিসেবে আমরা দীর্ঘদিন ধরেই ডেটার আর্থিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক মূল্য নিয়ে আলোচনা করে আসছি। বর্তমানে ডেটা কেবল একটি প্রযুক্তিগত উপাদান নয়—এটি এখন অর্থনীতি, ক্ষমতা এবং প্রভাবের একটি কেন্দ্রবিন্দু। কোন তথ্য কার কাছে আছে, কীভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে—এসব প্রশ্ন আজ শুধু প্রযুক্তির মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; এগুলো সিদ্ধান্ত, নিয়ন্ত্রণ এবং প্রভাবের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।<o:p></o:p></p>
<p>কিন্তু এই চিত্রের আরেকটি দিক আছে, যা আমরা অনেক সময় উপেক্ষা করি। ডেটা শুধু সম্পদ নয়, এটি এক ধরনের সম্পত্তিও—যার সঙ্গে জড়িয়ে আছে মালিকানা, নিয়ন্ত্রণ এবং ব্যবহারের অধিকার। প্রশ্ন হলো—এই ডেটার প্রকৃত মালিক কে?<o:p></o:p></p>
<p>একজন ব্যবহারকারী হিসেবে আমরা প্রতিনিয়ত আমাদের তথ্য দিচ্ছি—নিবন্ধনের সময়, কেনাকাটার সময়, সেবা গ্রহণের সময়। কিন্তু সেই তথ্য কোথায় সংরক্ষিত হচ্ছে, কীভাবে ব্যবহার হচ্ছে, কার সঙ্গে ভাগ করা হচ্ছে—এসব বিষয়ে আমাদের জ্ঞান ও নিয়ন্ত্রণ—দুটোই সীমিত। ডেটা আমাদের, কিন্তু নিয়ন্ত্রণ আমাদের নয়।<o:p></o:p></p>
<p>এখানেই বিষয়টি আরও জটিল হয়ে ওঠে। ডেটার ক্ষেত্রে মালিকানা (ownership), নিয়ন্ত্রণ (control) এবং ব্যবহারের অধিকার (rights to use)—এই তিনটি স্তরেই আইনগত ও নৈতিক প্রশ্ন অনিবার্য হয়ে উঠেছে।<o:p></o:p></p>
<p>এই দ্বৈততার মধ্যেই লুকিয়ে আছে তৃতীয় একটি বাস্তবতা—ডেটা একটি ঝুঁকি। এবং এই ঝুঁকিটি কেবল তাত্ত্বিক নয়; এটি কাঠামোগত। একটি তথ্য যত মূল্যবান, ততই তা লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়। আবার সেই তথ্য যত বেশি সিস্টেমে ছড়িয়ে পড়ে, ঝুঁকিও তত বাড়ে।<o:p></o:p></p>
<p>ডেটা একবার সংগ্রহ করা হলে তা আর স্থির থাকে না—এটি স্থানান্তরিত হয়, কপি হয়, শেয়ার হয়। এক সার্ভার থেকে অন্য সার্ভারে, একটি এপিআই (API—ডেটা বিনিময়ের মাধ্যম) থেকে তৃতীয় পক্ষের সিস্টেমে, কখনো বা একটি সাধারণ এক্সেল ফাইল হয়ে ব্যক্তিগত ডিভাইসে পৌঁছে যায়। এই অনিয়ন্ত্রিত চলাচল ও প্রতিলিপিই ধীরে ধীরে ডেটাকে সম্পদ থেকে ঝুঁকিতে রূপান্তরিত করে।<o:p></o:p></p>
<p>বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এই বাস্তবতা আরও স্পষ্ট। জাতীয় পরিচয়পত্র (NID), জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন, কিংবা সাম্প্রতিক খুচরা বিপণি প্রতিষ্ঠান স্বপ্ন (Shwapno)–এর মতো ঘটনার দিকে তাকালেই দেখা যায়—নাম, মোবাইল নম্বর, জন্মতারিখ বা ক্রয়ের তথ্যের মতো উপাত্ত কত সহজে বিভিন্ন স্তরে ছড়িয়ে পড়ছে। অথচ এই তথ্যগুলোই ব্যবহার করে তৈরি করা সম্ভব প্রতারণার জাল—ভুয়া পরিচয়ে সিম তোলা, আর্থিক লেনদেনের চেষ্টা, এমনকি বিশ্বাসযোগ্যতার সুযোগ নিয়ে সামাজিক প্রভাব খাটানো। একজন ব্যক্তি যা ভাবছেন ব্যক্তিগত, সেটিই হয়ে উঠতে পারে অন্য কারও কাছে একটি কার্যকর হাতিয়ার।<o:p></o:p></p>
<p>অনেকে এখন ডেটা ফাঁসের পর নিজের তথ্য খুঁজে দেখতে চান—ডার্ক ওয়েবে, বিভিন্ন অনলাইন টুলে। কিন্তু এই অনুসন্ধান আসলে একটি বিলম্বিত প্রতিক্রিয়া। কারণ কোনো তথ্য যদি ইতোমধ্যে উন্মুক্ত নেটওয়ার্কে পৌঁছে যায়, তাহলে সেটি আর পুরোপুরি ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়। সেখানে গিয়ে ডেটা খোঁজা মানে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা নয়, বরং ক্ষতির পরিমাণ বোঝা। ডার্ক ওয়েব সতর্ক করে, কিন্তু রক্ষা করে না।<o:p></o:p></p>
<p>এখানেই ডেটা সুরক্ষার প্রশ্নটি নতুনভাবে ভাবতে হয়। নিরাপত্তা মানে কেবল বাইরের আক্রমণ ঠেকানো নয়—এটি ডেটার চলাচল বোঝা, নিয়ন্ত্রণ করা এবং সীমিত করার প্রক্রিয়া। কোন ডেটা কোথায় যাচ্ছে, কে সেটিতে প্রবেশাধিকার পাচ্ছে, কতবার সেটির কপি তৈরি হচ্ছে—এই প্রশ্নগুলোর উত্তর না থাকলে, কোনো প্রযুক্তিগত নিরাপত্তাই পূর্ণাঙ্গ নয়। ডেটা ফাঁস হয় না—ডেটা বেরিয়ে যায়। আর আমরা অনেক সময় বুঝতেই পারি না, কখন।<o:p></o:p></p>
<p>এই বাস্তবতায় একটি মৌলিক প্রশ্ন সামনে আসে—ঝুঁকিটি কার, আর নিরাপত্তার দায়িত্ব কার? নাগরিক কি নিজের তথ্যের জন্য দায়ী, নাকি যে প্রতিষ্ঠান সেই তথ্য সংগ্রহ করছে? নাকি এই দায় ভাগ হয়ে যায় একাধিক স্তরে—প্রযুক্তি, নীতি এবং ব্যবস্থাপনার মধ্যে? <o:p></o:p></p>
<p>ডেটা তাই একসাথে সম্পদ, সম্পত্তি এবং ঝুঁকি। আমরা তাকে সম্পদ হিসেবে ব্যবহার করি, প্রতিষ্ঠান তাকে সম্পত্তি হিসেবে নিয়ন্ত্রণ করে, কিন্তু বাস্তবে সে ক্রমশ ঝুঁকিতে পরিণত হয়। ডেটার মূল্য যত বাড়ে, তার ঝুঁকিও তত বাড়ে। আর সেই ঝুঁকি যদি অদৃশ্য থাকে, তাহলে তার প্রভাবই সবচেয়ে গভীর হয়।<o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal" style="text-align: justify;">প্রশ্ন তাই সরল হলেও জরুরি—আমরা কি ডেটাকে কেবল ব্যবহার করছি, নাকি সত্যিই তার দায় নিচ্ছি? কারণ ডেটা আপনার হতে পারে, কিন্তু তার পরিণতি—সবসময় আপনার নিয়ন্ত্রণে থাকে না।<o:p></o:p></p>
<hr>
<p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><strong>লেখক:</strong><span>  তথ্য-প্রযুক্তিবিদ এবং বাংলাদেশ সিস্টেম এডমিনিস্ট্রেটরস ফোরাম-এর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক</span></p>
<hr>
<p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>‘তাজু ভাই ২.০’ পেজ ফেরাতে ফেসবুককে খোলা চিঠি</title>
<link>https://digibanglatech.news/172991</link>
<guid>https://digibanglatech.news/172991</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69d2f69177510.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 06 Apr 2026 00:56:44 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীর ভাইরাল কনটেন্ট নির্মাতা তাইজুল ইসলাম তাজু–এর ফেসবুক পেজ ‘তাজু ভাই ২.০’ পুনরায় চালুর দাবিতে ফেসবুক কর্তৃপক্ষের কাছে খোলা চিঠি দিয়েছেন সচেতন নাগরিকরা। চিঠিতে পেজটি হঠাৎ অদৃশ্য হয়ে যাওয়ায় উদ্বেগ, ক্ষোভ ও মানবিক বিবেচনার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে।</p>
<p>চিঠিতে বলা হয়, ‘তাজু ভাই ২.০’ কেবল একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পেজ ছিল না; এটি প্রান্তিক মানুষের জীবন, স্থানীয় বাস্তবতা ও বাজারের অসঙ্গতি তুলে ধরার একটি গুরুত্বপূর্ণ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছিল। মূলধারার আলোচনায় জায়গা না পাওয়া সাধারণ মানুষের কণ্ঠস্বর তুলে ধরার একটি মাধ্যম হিসেবেও এটি পরিচিতি পায়।</p>
<p>লেখকরা উল্লেখ করেন, তাজু কোনো প্রতিষ্ঠিত সংবাদমাধ্যম বা প্রভাবশালী গোষ্ঠীর প্রতিনিধি নন; বরং প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে উঠে আসা একজন সংগ্রামী তরুণ, যিনি সাধারণ ভাষায় জনস্বার্থের নানা প্রশ্ন তুলে ধরেন। তার এই সরল উপস্থাপনাই মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে।</p>
<p>স্বাধীনতা দিবসে বাজারে জিলাপির দাম নিয়ে করা একটি ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর তাজুর জনপ্রিয়তা দ্রুত বাড়ে। ওই ভিডিওতে পণ্যের মূল্য নিয়ে প্রশ্ন তোলার বিষয়টি জনজীবনের বাস্তবতা ও নাগরিক জবাবদিহির প্রতিফলন হিসেবে দেখা হয়।</p>
<p>খোলা চিঠিতে আরও বলা হয়, পেজটি বন্ধ হয়ে যাওয়াকে শুধু প্রযুক্তিগত সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ কণ্ঠের অনুপস্থিতি, যা হয়তো প্রাতিষ্ঠানিক নয়, কিন্তু জনজীবনের বাস্তবতা তুলে ধরতে ভূমিকা রাখছিল।</p>
<p>ফেসবুকের কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ড ও কনটেন্ট নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজনীয়তা স্বীকার করেও চিঠিতে বলা হয়, এ ধরনের সিদ্ধান্ত আরও স্বচ্ছ ও সংবেদনশীল হওয়া উচিত—বিশেষ করে যখন তা জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট কনটেন্টের সঙ্গে জড়িত।</p>
<p>লেখকরা আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, কোনো ভুল বোঝাবুঝি, স্বয়ংক্রিয় শনাক্তকরণ বা মিথ্যা রিপোর্টের কারণে পেজটি সরিয়ে নেওয়া হয়ে থাকতে পারে। এ ক্ষেত্রে পুনর্মূল্যায়নের সুযোগ থাকা প্রয়োজন। কারণ এমন সিদ্ধান্ত একজন মানুষের ডিজিটাল উপস্থিতি, সম্ভাব্য আয় ও সামাজিক পরিচিতির ওপর প্রভাব ফেলে।</p>
<p>তাইজুল ইসলামের ব্যক্তিগত বাস্তবতাও চিঠিতে গুরুত্ব পায়। দরিদ্র পরিবারে বেড়ে ওঠা এই তরুণ নিয়মিত শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন এবং শ্রমজীবী কাজের পাশাপাশি ভিডিও তৈরি করতেন। তার অসুস্থ ও শ্রবণপ্রতিবন্ধী মা-বাবার কথাও উল্লেখ করে বলা হয়, এই পেজটি তার জন্য সামাজিক দৃশ্যমানতা ও আত্মপ্রকাশের একটি মাধ্যম ছিল।</p>
<p>খোলা চিঠিতে তিনটি নির্দিষ্ট দাবি জানানো হয়েছে—পেজটি দ্রুত পুনর্মূল্যায়ন, অপসারণের কারণের স্বচ্ছ ব্যাখ্যা এবং কার্যকর আপিল প্রক্রিয়া চালু করা।</p>
<p>শেষে বলা হয়, ফেসবুক এখন শুধু একটি প্রযুক্তি প্ল্যাটফর্ম নয়, বরং বহু মানুষের কণ্ঠস্বর ও অংশগ্রহণের ক্ষেত্র। তাই ‘তাজু ভাই ২.০’ পেজ পুনরায় চালুর মাধ্যমে একটি উদীয়মান গণমুখী কণ্ঠকে ফিরে পাওয়ার সুযোগ তৈরি করা উচিত।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এফবিপি/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বিসিটিআই’র ছয়টি স্বল্পমেয়াদী কোর্সের উদ্বোধন</title>
<link>https://digibanglatech.news/172929</link>
<guid>https://digibanglatech.news/172929</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69d24e93e1b14.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 05 Apr 2026 16:59:29 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন ইনস্টিটিউট (বিসিটিআই)-এর ছয়টি স্বল্পমেয়াদী কোর্সের উদ্বোধন করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। ৫ এপ্রিল, বুধবার উদ্বোধনী বক্তব্যে কোর্সে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি নৈতিক মানদণ্ড ও দায়িত্ববোধকে সমান গুরুত্ব দেয়ার উপদেশ দেন তিনি।</p>
<p>অনুষ্ঠানে জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটে মহাপরিচালক মুহম্মদ হিরুজ্জামান এনডিসি, বাংলাদেশ বেতারের মহাপরিচালক এ এস এম জাহীদ, বিসিটিআই এর নির্বাহী পরিচালক আবুল কালাম মোহাম্মদ শামসুদ্দিন, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ডের চেয়ারম্যান এস এম আব্দুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম মানুষের মনোজগৎ গঠনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বর্তমান বিশ্বে এই মাধ্যমগুলোর প্রভাব ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে, ফলে এগুলোর ওপর নৈতিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা এখন সময়ের অন্যতম বড়ো চ্যালেঞ্জ।</p>
<p>তথ্যমন্ত্রী বলেন, “মানুষ স্বভাবতই অন্যের কথা শুনতে, বুঝতে এবং বিশ্বাস করতে চায়। এই বিশ্বাসকে কেন্দ্র করে সমাজে প্রভাবশালী ব্যক্তিরা মানুষের চিন্তাকে প্রভাবিত করতে পারেন, যা একদিকে যেমন ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে, অন্যদিকে অপব্যবহারের ঝুঁকিও রয়েছে।”</p>
<p>তথ্যমন্ত্রী বলেন, গণমাধ্যম, চলচ্চিত্র ও সৃষ্টিশীল খাতে যারা কাজ করেন, তাদের ওপর বর্তমানে বড়ো দায়িত্ব রয়েছে। নৈতিকতা ও পেশাগত মানদণ্ড অনুসরণ না করলে এই শক্তিশালী মাধ্যম সমাজের জন্য ক্ষতিকর হয়ে উঠতে পারে। তিনি বলেন, সরকার ভবিষ্যতে সৃষ্টিশীল ও প্রশিক্ষণমূলক প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও আধুনিক, বিস্তৃত ও কার্যকর করার লক্ষ্যে কাজ করছে।</p>
<p>চলচ্চিত্রের প্রভাব সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, চলচ্চিত্র এমন একটি শক্তিশালী মাধ্যম যা মানুষকে হাসাতে, কাঁদাতে এবং গভীরভাবে প্রভাবিত করতে পারে। এই শক্তিকে মানবতা ও সভ্যতার কল্যাণে কাজে লাগানোর আহ্বান জানান তিনি।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/ইএইচএইচ/এমইউআইএম</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ফের ফ্রি পাইথন কোর্সে আবেদন শুরু</title>
<link>https://digibanglatech.news/172864</link>
<guid>https://digibanglatech.news/172864</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69d1aea2f2ca1.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 04 Apr 2026 23:17:11 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-start="47" data-end="373">আবারও বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে পাইথন শেখার সুযোগ দিচ্ছে বিশ্বখ্যাত <span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়</span></span>। ‘কোড ইন প্লেস’ নামে এই অনলাইন কোর্সে বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত থেকে অংশ নেওয়া যাবে। আগ্রহীরা শিক্ষার্থী হিসেবে অংশগ্রহণের পাশাপাশি দক্ষরা মেন্টর বা সেকশন লিডার হিসেবেও যুক্ত হতে পারবেন।</p>
<p data-start="375" data-end="679">স্ট্যানফোর্ডের কম্পিউটার বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক <span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">ক্রিস পিচ</span></span> ও <span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">মেহরান সাহামি</span></span>-এর উদ্যোগে কোর্সটি পরিচালিত হচ্ছে। ছয় সপ্তাহের এই কোর্সে সহজভাবে পাইথন শেখানো হয়। প্রতি সপ্তাহে ভিডিও ক্লাসের পাশাপাশি একজন মেন্টরের তত্ত্বাবধানে অনলাইন রিভিউ সেশনে অংশ নিতে হয়।</p>
<p data-start="681" data-end="902">নতুনদের জন্য উপযোগী এই কোর্সে কন্ট্রোল ফ্লো, কনসোল প্রোগ্রামিং, ভেরিয়েবল, গ্রাফিক্স, লিস্ট ও ডিকশনারি শেখানো হয়। কোর্স চলাকালে অনুশীলনের পাশাপাশি তিনটি অ্যাসাইনমেন্ট সম্পন্ন করতে হয় এবং শেষে একটি প্রজেক্ট করার সুযোগ থাকে।</p>
<p data-start="904" data-end="1093">২০২৪ ও ২০২৫ সালে সেকশন লিডার হিসেবে যুক্ত থাকা <span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">ইসরাফিল শাহীন অরণ্য</span></span> জানান, এই অভিজ্ঞতা তার মেন্টরিং দক্ষতা বাড়িয়েছে এবং শিক্ষার্থীদের সমস্যা সমাধানে গাইড করতে সহায়তা করেছে।</p>
<p data-start="1095" data-end="1376">এ বিষয়ে <span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্ক</span></span>-এর সভাপতি <span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">মুনির হাসান</span></span> বলেন, আগের ব্যাচগুলোতে বাংলাদেশের অনেক শিক্ষার্থী এই কোর্স থেকে উপকৃত হয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিজেদের দক্ষতা প্রমাণ করেছে। নির্দিষ্ট সময়সীমা ও মেন্টরশিপ থাকায় শেখার ধারাবাহিকতা বজায় থাকে।</p>
<p data-start="1378" data-end="1599">২০২০ সালে শুরু হওয়া এই উদ্যোগে এ পর্যন্ত ৬০ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছে এবং ৫,৫০০-এর বেশি সেকশন লিড তাদের মেন্টরিং করেছেন। প্রতি ১০ জন শিক্ষার্থীর জন্য একজন মেন্টর রাখার মাধ্যমে কার্যকর শেখার পরিবেশ নিশ্চিত করা হয়।</p>
<p data-start="1601" data-end="1802">শিক্ষার্থী ছাড়াও মেন্টর বা সেকশন লিডার হিসেবে যুক্ত হওয়ার সুযোগ রয়েছে। এজন্য পাইথনে লিস্ট ও ডিকশনারি পর্যন্ত দক্ষতা থাকতে হবে। নির্বাচিতদের ‘আর্ট অব কম্পিউটার সায়েন্স টিচিং’-এর ওপর প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।</p>
<p data-start="1804" data-end="1962" data-is-last-node="" data-is-only-node="">আগ্রহীরা <a href="https://codeinplace.stanford.edu" target="_blank" rel="noopener">নির্ধারিত ওয়েবসাইটে</a> গিয়ে আবেদন করতে পারবেন। সেকশন লিডার হিসেবে আবেদনের শেষ তারিখ ৭ এপ্রিল ২০২৬ এবং শিক্ষার্থী হিসেবে আবেদনের শেষ তারিখ ৮ এপ্রিল ২০২৬।</p>
<p data-start="1804" data-end="1962" data-is-last-node="" data-is-only-node=""><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এসএফবি/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>শক্ত কমপ্লায়েন্স, ওভারসি এবং এনফোর্সমেন্টের দিকে হাঁটুন</title>
<link>https://digibanglatech.news/172739</link>
<guid>https://digibanglatech.news/172739</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69cffe7d629c6.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 04 Apr 2026 00:00:00 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div class="xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs x126k92a">
<div dir="auto">স্বপ্ন সাইবার সুরক্ষায় বিনিয়োগ না করায় ৪০ লক্ষ মানুষের ডেটা আজ ডার্ক ওয়েভে বেচাবিক্রি হতে যাচ্ছে। এগুলা মানুষের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, ফোন নং, ঠিকানা, ই-মেইল ইত্যাদি গোপনীয় এবং সংবেদনশীল ব্যক্তিগত তথ্য। যা দিয়ে ব্যক্তির নামে সাইবার অপরাধ, ফাইনান্সিয়াল স্ক্যাম এবং এসেট ট্রান্সফারের মতো অপরাধ ঘটবে। ভূয়া আইডি কার্ড বানাবে। স্বপ্নের মতো কোম্পানিগুলো সাইবার অপারেশন সেন্টারে, হার্ডওয়ার ও সফটওয়ার সিকিউরিটি, ফায়ারওয়াল সহ বিভিন্ন সাইবার নিরাপত্তায় বিনিয়োগ করেনি। মানহীন সফটওয়ারে বাল্ক এমাউন্টে ব্যক্তিগত উপাত্ত সংগ্রহ, সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং বিপণন করেছে। অথচ উপাত্তদের পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণে তারা ব্যক্তি নাগরিকের সম্মতি নেয়নি। ডেটা সংরক্ষণের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা করেনি। এর আগে পাঠাও ডেটা বিক্রি করেছে।</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">আমাদের এনআইডি ডেটা, নিবন্ধন ডেটাও লিকের অকাট্য প্রমাণ দিয়েছিল আন্তর্জাতিক সংস্থা।</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">কথা ছিল বাল্ক পরিমাণে ব্যক্তিগত গোপনীয় এবং সংবেদনশীল ব্যক্তিগত উপাত্ত সংগ্রহ, সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং বিপণনকারী প্রতিষ্ঠান ক্রিটিক্যাল ইনফরমেশন ইনফাস্ট্রাকচার হবে (সিআইআই) এবং তাদেরকে সাইবার সুরক্ষা আইনে বর্ণিত সাইবার সক্ষমতা নিশ্চিত করতে হবে।</div>
<div dir="auto"></div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">এদিকে, শিশুদের ডেটা প্রোফাইলিং ব্যাবসা করে প্ল্যাটফর্মগুলো, বিশ্বের একাধিক দেশে তারা বেআইনি কাজ করে, অপরাধ করে, উচ্চ জরিমানা দিয়েছে এবং দিচ্ছে। ২০২২ সালে আয়ারল্যান্ড, এর পরে ফ্রান্সে, গত বছর অস্ট্রেলিয়ায়, কয়েকদিন আগে নিউ মেক্সিকোতে। ২২৫, ৩০০, ৩৭৫ মিলিয়ন ডলার এই স্কেলে জরিমানা দিচ্ছে। কিন্তু বাংলাদেশে তারা আইন কানুনের উর্ধ্বে। শীর্ষ মিডিয়া ও তথাকথিত সিভিল সোসাইটির একাংশ তাদের প্রটেক্টও করছে।</div>
<div dir="auto"></div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">আমরা যখন ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা আইন, জাতীয় উপাত্ত ব্যবস্থাপনা আইন করেছি, আমাদের বিরুদ্ধে দেশের বড়ো বড়ো ডেটা চোর গুলা উঠেপড়ে লেগেছে। শীর্ষ পত্রিকায় ডাহা মিথ্যা দিয়ে ভরা প্রোপাগান্ডা আর্টিকেল ও নিউজ করেছে। ইউএসবিবিসি নামে এক ভুঁইউফোড় দালাল সংগঠন এই দুর্বৃত্তচক্রকে ফান্ডিং করে, এনকারেজ করে, ওর্গাইনাইজ করে। এই চক্রে আছে সাংবাদিক, ব্যবসায়ী ও প্ল্যাটফর্‌ম। ডেটা চোর কোম্পানি গুলা বাল্কে ডেটা বিক্রি আড়াল করতে টাকা ঢালছে। অধিকাংশ মন্ত্রণালয়ে এদের সোর্স ও এজেন্ট আছে। কোম্পানি ও ব্যবসায়ীরা পার্সোনালি আইডেন্টিফায়েবল ইনফরমেশনের বাল্ক ডেটা ব্রেচ, ক্রিটিক্যাল সাইবার হ্যাকিং, র<span class="html-span xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl x1hl2dhg x16tdsg8 x1vvkbs x3nfvp2 x1j61x8r x1fcty0u xdj266r xat24cr xm2jcoa x1mpyi22 xxymvpz">‍</span>্যান্সম এটাক লুকাচ্ছে। প্ল্যাটফর্‌ম গুলা সরকারের রাজস্ব চুরি করতে, এড-সেন্স/বিজ্ঞাপন এবং এআই মডেল/ডিজিটাল পণ্য থেকে আয় করতে, চাইল্ড কন্টেন্ট, জুয়া বেটিং গেমিং সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে আইন অমান্যের অবাধ সূযোগে ইভেন্ট ফান্ডিং, ইন্টারনেট গভর্নেন্স ফান্ডিং, এআই ফান্ডিং ও রিসার্চের নামে টাকা ঢালছে। এ যেন এক অচ্ছেদ্য চক্র।</div>
<div dir="auto"></div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">অস্ট্রেলিয়া ১৬ বছরের নিচে সব অ্যাকাউন্ট বন্ধ করতে বলেছে। বাংলাদেশে ১৮ বছরের নিচে অ্যাকাউন্ট করা বেআইনি। দুর্বৃত্তগুলা আইন না মেনে টাকা ঢালছে। তাদের কেউ কিছু বলার নাই যেন! অস্ট্রেলিয়াতে চাইল্ড ডেটা এবিউজে (এআই মডেল ট্রেনিং এ) হিউমান রাইটস গ্রুপ সোচ্চার ছিল, বাংলাদেশে যেন কারও কোন মাথাব্যাথা নাই। এই সিভিল সোসাইটি কী আমরা চেয়েছিলাম যারা ব্যক্তিগত উপাত্তের মত কোর এন্ড ক্রিটিক্যাল ইস্যুতে চুপ থাকবে! রিসার্চ ফান্ডের নামে কিছু টাকা আর বড় প্ল্যাটফর্মের একটা ইভেন্ট ইনভাইটেশনের কাছে মাথা বিক্রির এক নিদারুণ প্রতিযোগিতায় নেমেছে তারা!</div>
<div dir="auto"></div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">নতুন সরকার ফ্যামিলি কার্ড, ফার্মার কার্ড, ফুয়েল কার্ড, হেলথ হার্ড সহ ওয়ান আইডি রোড ম্যাপ নিয়ে আন্তরিক। এটা সফল করতে সবার আগে দরকার ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫, ২০২৬ এর সংশোধন, জাতীয় উপাত্ত ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশ ২০২৫ কে সংসদে গ্রহণ করা। এবং বাস্তবায়নে অতিদ্রুত ন্যাশনাল ডেটা গভর্নেন্স অথরিটি প্রতিষ্ঠা করা। </div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">আপনাকে পার্সোনাল ডেটা এবং জেনারেল ডেটা- উভয়টায় গভর্নেন্স ও সাইবার সিকিউরিটি আনতে হবে। কীভাবে সম্মতির সাপেক্ষে, সার্ভিস নিড ও লাইফ সাইকেল বেজড ডেটা কালেক্ট হচ্ছে, স্টোর ও প্রসেসড হচ্ছে, ব্যাড-এক্টরের হাতে তা যাচ্ছে, ব্রেচ ও লিক হচ্ছে কিনা এসবকিছুর জন্য গভর্নেন্স অ্যান্ড এনফোর্সমেন্ট লাগবে, তাই ডেটা অথরিটি গুরুত্বপূর্ণ।</div>
<div dir="auto"></div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">ওভারসিং, কমপ্লায়েন্স এবং এনফোর্স্মেন্ট হলে চুরির সুযোগ কমে যাবে বিধায়, প্ল্যাটফর্ম কোম্পানি ব্যবসায়ী তিনপক্ষ মিলে ডেটা অথরিটির বিরোধীতায় নেমেছে।</div>
<div dir="auto"></div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">আজকে বাংলাদেশের শিশুর ডেটা দিয়ে পডোফাইল গ্রুপ, পর্নো, এআই মডেল ট্রেন হচ্ছে, অবৈধ আয় করছে। অন্যদিকে দেশীয় কোম্পানি আপনার ব্যাংক তথ্য থেকে শুরু করে সেন্সিটিভ ঔষধের তথ্য, ডিজিএবিলিটির তথ্য, এমনকি কোন ব্রান্ডের কন্ডম ব্যবহার করছে সব তথ্য প্ল্যাটফর্‌ম ও মার্কেটিং ব্যাড-এক্টরদেরকে বিক্রি করে দিচ্ছে। কত বড়ো দুঃসাহস যে, ব্রেচের তথ্যও ৭ মাস লুকিয়ে রেখেছে।</div>
<div dir="auto"></div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">সচেতন হোন, এরা ডিজিটাল ইকনোমির সব সম্ভাবনার গলা টিপে ধরে আছে। ডিজিটাল সভ্রেন্টি এদের কাছে জিম্মি। এরা সরকারকে জাতীয় উপাত্ত ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ তৈরিতে আগেও বাধা দিয়েছে, এখনও দিচ্ছে। এই মাফিয়া চক্র না থামাতে পারলে সরকার ভবিষ্যতে কোনও ডিজিটাল সেবা নিরাপদে দিতে পারবে না। এবং মানুষের ট্রাস্ট শতভাগ চলে যাবে। এমনিতেই ইওরেঞ্জ-ইভ্যালির মত আওয়ামী বাটপারদের ক্রমাগত জালিয়াতিতে ই-কমার্সের উপর আস্থা উঠে গিয়ে দেশের ডিজিটাল ইকনোমি, ফর্মাল ও গিগ কর্মসংস্থান হিমশিম খাচ্ছে।</div>
<div dir="auto"></div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">দুর্বৃত্ত, ব্যবসায়ী, ভিতর ও বাইরের ব্যাড-এক্টর এবং প্ল্যাটফর্মের ডিমান্ডে আইনে যৌক্তিক ধারা সরিয়ে ইতিহাসের কাঠগড়ায় দাঁড়াবেন না। বরং শক্ত কমপ্লায়েন্স, ওভারসি এবং এনফোর্সমেন্টের দিকে হাঁটুন। </div>
<div dir="auto"><hr><strong>লেখকঃ</strong><span> </span><span><span>প্রযুক্তিবিদ, সাবেক প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী</span></span><hr><span></span></div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>অনলাইন ক্লাস কি শেখার বৈচিত্র্য বাড়াবে, নাকি বৈষম্য?</title>
<link>https://digibanglatech.news/172711</link>
<guid>https://digibanglatech.news/172711</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69cfc3f284b61.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 03 Apr 2026 00:00:00 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশে অনলাইন ক্লাসকে অনেক সময় শিক্ষার আধুনিক সমাধান হিসেবে হাজির করা হয়। কিন্তু গ্রামীণ বাস্তবতা বলছে, এটি এখনো সবার জন্য সমান সুযোগের পথ নয়। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর ২০২৪-২৫ সালের জরিপ অনুযায়ী, গ্রামীণ পরিবারের মধ্যে ইন্টারনেট-অ্যাক্সেস আছে ৫৪ শতাংশের, স্মার্টফোন আছে ৭১.১ শতাংশের, আর কম্পিউটার আছে মাত্র ৩.৬ শতাংশ পরিবারের। শহরে যেখানে কম্পিউটার আছে ২১.৬ শতাংশ পরিবারে, সেখানে গ্রামে এই হার প্রায় অদৃশ্য। অর্থাৎ, অনলাইন ক্লাস চালু করলেই শিক্ষার “বৈচিত্র্য” বাড়বে, এই দাবি বাস্তবতার চেয়ে স্লোগান বেশি।</p>
<p>সমস্যা শুধু ডিভাইসের নয়, ব্যয়েরও। ২০২৫ সালে ব্রডব্যান্ডের ন্যূনতম মাসিক চার্জ ৫ এমবিপিএস সংযোগের জন্য ৪০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে; ১০ এমবিপিএসের জন্য ৭০০ টাকা। শহুরে মধ্যবিত্ত পরিবারের কাছে এটি সামান্য মনে হতে পারে, কিন্তু গ্রামীণ নিম্নআয়ের পরিবারের জন্য মাসে ৪০০-৭০০ টাকা, তার সঙ্গে স্মার্টফোন, বিদ্যুৎ, মেরামত ও নিয়মিত ডেটা-ব্যয় যোগ হলে অনলাইন ক্লাস বিলাসিতায় পরিণত হয়। ফলে “ডিজিটাল শিক্ষা” অনেক ক্ষেত্রেই হয়ে দাঁড়ায় “যার সামর্থ্য আছে, তার শিক্ষা”।</p>
<p>কোভিডকালের অভিজ্ঞতা এই সন্দেহকে আরও শক্ত করে। ইউনিসেফের জরিপে দেখা যায়, গ্রামীণ এলাকার মাত্র ১৫.৯ শতাংশ শিশু দূরশিক্ষায় অংশ নিতে পেরেছিল, যেখানে শহরে এই হার ছিল ২৮.৭ শতাংশ। অর্থাৎ, অনলাইন ক্লাস শেখার সুযোগ বাড়ানোর চেয়ে বিদ্যমান বৈষম্যকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়েছে। তাই গ্রামীণ বাংলাদেশে অনলাইন ক্লাসকে কার্যকর করতে হলে আগে সাশ্রয়ী ইন্টারনেট, ডিভাইস-সহায়তা, কম-ডেটা শিক্ষামাধ্যম এবং স্থানীয় শিক্ষা-সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। নইলে অনলাইন শিক্ষা শেখার বৈচিত্র্য নয়, শিক্ষা-বৈষম্যই বাড়াবে।</p>
<hr>
<p><strong>লেখকঃ</strong><span> বাংলাদেশের জন্য দায়িত্বশীল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (AMR) বিষয়ক অ্যাম্বাসেডর</span></p>
<hr>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বাংলা উইকিপিডিয়ার শীর্ষ পঠিতের তালিকায় খামেনি&#45;জেনারেশন এক্স</title>
<link>https://digibanglatech.news/172623</link>
<guid>https://digibanglatech.news/172623</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69ce9a985d7f2.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 02 Apr 2026 20:34:42 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>সদ্য গত <span>মাসে মার্চ বাংলা উইকিপিডিয়ায় সবচেয়ে বেশি পঠিত পাতার তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এতে শীর্ষে রয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনেয়ী। সেখানে ‘আলী খামেনেয়ী’ সম্পর্কিত পাতা পড়া হয়েছে ৪২ হাজার ২৭৭ বার।</span></p>
<p>তালিকাটি থেকে দেখা যায়, বাংলা পিডিয়ায় ইরান বিষয়ক বিষয়বস্তু পাঠে এগিয়ে পাঠক। পাশাপাশি আলোজিত জেনজি প্রজন্ম নিয়েও রয়েছে প্রবল আগ্রহ। সব মিলিয়ে আন্তর্জাতিক বিষয় ও সমসাময়িক আলোচিত ব্যক্তিদের প্রতি পাঠকদের আগ্রহ দেথা গেছে সবচেয়ে বেশি।</p>
<p>তালিকা অনুযায়ী ‘জেনারেশন এক্স’ বিষয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পাঠ হয়েছে জনপ্রিয় এই অনলাইন বাংলাকোষে। সেখানে মার্চে ‘জেনারেশন এক্স’ বিষয়ে পড়া হয়েছে ৩২ হাজার ১০৫ বার।</p>
<p>তবে তৃতীয় স্থানে আছেন ভারতীয় অভিনেতা রাহুল বন্দ্যোপাধ্যায়, যার পাতা পড়া হয়েছে ২৬ হাজার ৫২৮ বার। </p>
<p>চতুর্থ স্থানে রয়েছে ‘ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন’ (২৪ হাজার ৭৩০ বার) এবং পঞ্চম স্থানে ‘পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন, ২০২৬’ (২৩ হাজার ২৯২ বার)। ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে ‘ইরান’ (২২ হাজার ৭৪২ বার)।</p>
<p>এছাড়া সপ্তম স্থানে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ (২০ হাজার ২৭৭ বার), অষ্টম স্থানে আলোচিত পর্ন তারকা মিয়া খলিফা (১৯ হাজার ২৮০ বার) এবং নবম স্থানে ‘হরমুজ প্রণালি’ (১৮ হাজার ৬৭৭ বার) রয়েছে।</p>
<p>তালিকায় আরও রয়েছে ‘বাংলাদেশ’ (১৬ হাজার ৬৭৪), ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস’ (১৩ হাজার ৯৮৩), ‘জনি সিন্স’ (১২ হাজার ৭০১), ‘কায়সার কামাল’ (১২ হাজার ৬৫৭), ‘এক্স এক্স এক্স এক্স (অ্যালবাম)’ (১২ হাজার ০৯৬), ‘তারেক রহমান’ (১১ হাজার ৮৪৩), ‘ইসরায়েল’ (১১ হাজার ৫২৩), ‘শিয়া ইসলাম’ (১১ হাজার ৩৭৩), ‘সালাহউদ্দিন আহমেদ (রাজনীতিবিদ)’ (১০ হাজার ৮৩২), ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন, ২০২৬’ (১০ হাজার ৬৪৯) এবং ‘বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু’ (১০ হাজার ১৯৭)।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এনএ/ইকে</strong></span></em></p>
<div class="tdc_google_news text-center mt-4 p-3 border rounded"></div>
<div id="div-gpt-ad-1767257330649-0" data-google-query-id="CIW_8cnJz5MDFVitSwUdP_Ygqw"></div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>উচ্চশিক্ষার মান ও র‍্যাঙ্কিং উন্নয়নে সহযোগিতায় আগ্রহী ব্রিটিশ কাউন্সিল</title>
<link>https://digibanglatech.news/172587</link>
<guid>https://digibanglatech.news/172587</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69ce591258782.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 02 Apr 2026 11:37:00 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থার গুণগত মানোন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক র‍্যাঙ্কিং উন্নয়নে সহযোগিতা প্রদানের আগ্রহ প্রকাশ করেছে ব্রিটিশ কাউন্সিল। এই আগ্রহকে স্বাগত জানিয়ে শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থান উপযোগী করে গড়ে তুলতে সফট স্কিল উন্নয়নে গৃহীত বিভিন্ন কার্যকর উদ্যোগের কথা তুলে ধরলেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ। </p>
<p>২ এপ্রিল, ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর স্টিফেন ফোর্বসের-এর নেতৃত্বে চার সদস্যের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ-উত্তর বৈঠকে পরস্পর সৌহার্দ্যপূর্ণ এই অভিব্যক্তি প্রকাশ করেন। বৈঠকে ইউজিসি চেয়ারম্যান যুক্তরাজ্যের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে যৌথ গবেষণা, উদ্ভাবনী ধারণা বিনিময়, ভিজিটিং প্রফেসর নিয়োগ এবং একাডেমিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান জানান।</p>
<p>অপরদিকে স্টিফেন ফোর্বস বলেন, বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আন্তর্জাতিকীকরণ, শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি, একাডেমিক অংশীদারিত্ব সম্প্রসারণ এবং বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে কার্যকর সংযোগ স্থাপনে ব্রিটিশ কাউন্সিল সহযোগিতা করতে আগ্রহী। পাশাপাশি গবেষণা সহযোগিতা, ট্রান্সন্যাশনাল এডুকেশন নীতিমালা প্রণয়ন এবং ইংরেজি ভাষা শিক্ষার উন্নয়নেও সহায়তা দেওয়া হবে।</p>
<p>তিনি জানান, দেশের বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের পেশাগত উন্নয়নের জন্য প্রশিক্ষণ মডিউল তৈরিতে ব্রিটিশ কাউন্সিল ইতোমধ্যে কাজ করছে। এই মডিউলের আওতায় হায়ার এডুকেশন এক্সিলারেশন অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন (হিট) প্রকল্পের মাধ্যমে প্রায় পাঁচ হাজার শিক্ষককে প্রশিক্ষণ দেওয়ার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।</p>
<p>প্রতিনিধিদল আরও জানায়, এ প্রশিক্ষণ কার্যক্রমকে টেকসই করতে ‘মাস্টার ট্রেইনার’ তৈরি করার ক্ষেত্রেও তারা সহযোগিতা করতে আগ্রহী।</p>
<p>ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ এ সহযোগিতার আগ্রহকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, দেশের উচ্চশিক্ষাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে এবং গুণগত শিক্ষা নিশ্চিত করতে ইউজিসি কাজ করে যাচ্ছে। শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়ন, আন্তর্জাতিক মানের গ্রাজুয়েট তৈরি এবং শিক্ষার্থীদের কর্মদক্ষতা বৃদ্ধিতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।</p>
<p>তিনি বলেন, দেশে বর্তমানে পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় ৫০ লাখ শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। তাদের প্রত্যাশা পূরণ এবং উচ্চশিক্ষা খাতে সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নে ইউজিসি অগ্রাধিকার দিচ্ছে। হিট প্রকল্পের কার্যক্রমও এ লক্ষ্য অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।</p>
<p>অধ্যাপক মামুন আহমেদ আরও বলেন, উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের মধ্যে নৈতিকতা ও মূল্যবোধের অবক্ষয় একটি উদ্বেগজনক বিষয়। এ সমস্যা মোকাবিলায় পাঠ্যক্রমে সততা, নৈতিকতা, মানবতা ও দেশপ্রেমের বিষয় অন্তর্ভুক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। এ লক্ষ্যে কর্মশালা ও প্রশিক্ষণ আয়োজনেরও প্রয়োজন রয়েছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/ইএ/ইকে</strong></span></em></p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ফেসবুকে ছড়ালো ‘জাল’ হোম অফিসের পরিপত্র</title>
<link>https://digibanglatech.news/172617</link>
<guid>https://digibanglatech.news/172617</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69ce8b9c8230a.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 02 Apr 2026 11:30:49 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে দুই দিনের হোম অফিস সংক্রান্ত একটি পরিপত্র ভাইরাল হয়েছে। ভাইরাল এই পরিপত্রটি জাল।</p>
<p>কেননা ২ এপ্রিল, বৃহস্পতিবারমন্ত্রিসভার বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনার পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা। তবে তার আগের দিন ১ এপ্রিল, বুধবার  সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে হোম অফিস সংক্রান্ত পত্র জারি নিয়ে নেটিজেনদের মধ্যে আলোচনা হলেও এ নিয়ে সংশয় সৃষ্টি হয়।</p>
<p>পরে ২ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে পরিপত্রটি ভুয়া বলে নিশ্চিত করা হয়। মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়কল্পে সরকারি অফিসের সময়সূচি পরিবর্তন ও সপ্তাহে ৩ দিন অফিস পরিচালনা প্রসঙ্গে গত ১ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে ০৫.০০.০০০০.১১০.২২.০৪৫.২৬.১২০ নম্বর স্মারকে একটি স্মারকপত্র সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ ধরনের কোনো পত্র জারি করা হয়নি। এ বিষয়ে কাউকে বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ জানানো হয়।</p>
<p>ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে। তাই বাংলাদেশ সরকার জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে সাপ্তাহিক ছুটি বাড়ানো, কর্মকর্তাদের জন্য ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’ বা ঘরে বসে কাজ করার সুযোগ এবং অফিসের সময়সূচিতে পরিবর্তন আনার কথা ভাবছে। তবে এখন পর্যন্ত এ ব্যাপারে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।</p>
<p>তবে এর আগে ভাইরাল জাল পরিপত্রে<span> </span>বলা হয়, আগামী ৫ এপ্রিল থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও সংবিধিবদ্ধ সংস্থাগুলোর কর্মচারীরা সপ্তাহের দুদিন ওয়ার্ক ফর্ম হোম বা বাড়ি থেকে কাজ করবেন। ‌বাকি তিন দিন অফিস খোলা থাকবে। এই তিন দিন হলো রবি, সোম ও মঙ্গলবার।‌ বুধ ও বৃহস্পতিবার কর্মচারীরা কাজ করবেন বাড়ি থেকে। সাপ্তাহিক ছুটি শুক্র ও শনিবার।</p>
<p>তাতে আরও বলা হয়েছে, যে তিন দিন সরকারি দফতর খোলা থাকবে সেই দিনগুলোতে সকাল ৮টায় অফিস শুরু হয়ে চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। বাকি দুদিন দাফতরিক কাজ ডিজিটাল পদ্ধতিতে ঘরে বসে সম্পন্ন করতে হবে। </p>
<p>তবে জরুরি পরিষেবা দানকারী সংস্থাসমূহ (হাসপাতাল, ফায়ার সার্ভিস, বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানি সরবরাহ ইত্যাদি) এই নির্দেশনার আওতামুক্ত থাকবে এবং তাদের নিজস্ব বিধি মোতাবেক নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালনা করবে বলে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া পত্রে জানানো হয়।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এসআই/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ক্রস&#45;বর্ডার ই&#45;কমার্স: ক্ষুদ্র উদ্যোক্তার হাতেই বৈশ্বিক বাণিজ্যের চাবি</title>
<link>https://digibanglatech.news/172600</link>
<guid>https://digibanglatech.news/172600</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69ce7670ca021.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 02 Apr 2026 00:04:00 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-start="571" data-end="893">বর্তমান বিশ্বে বাণিজ্যের সংজ্ঞা দ্রুত বদলে যাচ্ছে। একসময় আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশ মানেই ছিল বড় পুঁজি, জটিল রপ্তানি কাঠামো এবং বিদেশি এজেন্টের ওপর নির্ভরতা। আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ছিল বড় কারখানা, বৃহৎ রপ্তানি এবং জটিল ব্যাংকিং প্রক্রিয়ার সমার্থক। কিন্তু ইন্টারনেট ও ডিজিটাল প্রযুক্তির অগ্রগতিতে সেই বাস্তবতা আমূল পাল্টে গেছে।</p>
<p data-start="895" data-end="1260">আজ একজন ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাও শপিফাই, এটসি, আমাজন কিংবা নিজস্ব ওয়েবসাইটের মাধ্যমে বিদেশে পণ্য বিক্রি করতে পারেন। ক্রস-বর্ডার ই-কমার্স। অর্থাৎ এক দেশ থেকে অন্য দেশের ক্রেতার কাছে অনলাইনে পণ্য বা সেবা বিক্রি—এখন বৈশ্বিক বাণিজ্যের অন্যতম চালিকাশক্তি। ফলে ব্যবসা আর ভৌগোলিক সীমারেখায় আটকে নেই; বরং ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাও এখন গ্লোবাল বাজারে নিজের জায়গা করে নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।</p>
<p data-start="1262" data-end="1614">বাংলাদেশের জন্য এই পরিবর্তন অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। দীর্ঘদিন ধরে আমাদের রপ্তানি কাঠামো তৈরি পোশাক খাতনির্ভর, যেখানে বড় আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড ও ক্রেতাদের ওপর নির্ভরশীলতা বেশি। এই কাঠামো মূলত বড় শিল্পের জন্য উপযোগী। ফলে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা, নারী উদ্যোক্তা, কারিগর এবং জেলা পর্যায়ের ব্যবসায়ীরা আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশ করতে গিয়ে নানা প্রতিবন্ধকতার মুখে পড়েন।</p>
<p data-start="1616" data-end="1939">কিন্তু ক্রস-বর্ডার ই-কমার্স সেই নির্ভরতার শৃঙ্খল ভেঙে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করছে। এখন একজন তরুণ উদ্যোক্তা, এমনকি একজন গৃহিণীও একটি অনলাইন প্ল্যাটফর্ম বা সামাজিক মাধ্যমের পেজ ব্যবহার করে নিজের ব্র্যান্ড তৈরি করে ইউরোপ, উত্তর আমেরিকা কিংবা মধ্যপ্রাচ্যের ক্রেতাদের কাছে পণ্য বিক্রি করতে পারেন—যা কয়েক বছর আগেও কল্পনার বাইরে ছিল।</p>
<p data-start="1941" data-end="2317">বিশ্ব বাণিজ্যের সাম্প্রতিক প্রবণতাও এই পরিবর্তনের পক্ষে। ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মভিত্তিক বাণিজ্য ও অনলাইন সেবার বিস্তারের ফলে বৈশ্বিক বাণিজ্যে নতুন মাত্রা যুক্ত হয়েছে। বিশেষ করে ডিজিটালি ডেলিভারেবল পণ্য ও সেবার চাহিদা দ্রুত বাড়ছে, যা উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য বড় সুযোগ তৈরি করেছে। সঠিক প্রস্তুতি থাকলে বাংলাদেশেও ক্রস-বর্ডার ই-কমার্স ভবিষ্যতে রপ্তানির একটি শক্তিশালী স্তম্ভ হতে পারে। </p>
<p data-start="2319" data-end="2753">বাংলাদেশের পণ্যের বৈচিত্র্য এই খাতে বড় শক্তি। তৈরি পোশাকের পাশাপাশি হস্তশিল্প, চামড়াজাত পণ্য, পাটভিত্তিক পরিবেশবান্ধব পণ্য, হোম ডেকর, দেশীয় ফ্যাশন ব্র্যান্ড এবং অর্গানিক খাদ্যপণ্যের আন্তর্জাতিক বাজারে যথেষ্ট চাহিদা রয়েছে। বিশেষ করে ‘সাসটেইনেবল’ ও ‘এথিক্যালি সোর্সড’ পণ্যের প্রতি বৈশ্বিক আগ্রহ বাড়ছে। বাংলাদেশের পাটজাত ও হস্তনির্মিত পণ্যে রয়েছে সেই গল্প, স্বকীয়তা এবং মূল্যবোধ- যা আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের কাছে আলাদা আকর্ষণ তৈরি করতে পারে।</p>
<p data-start="2755" data-end="2795">তবে সম্ভাবনার পাশাপাশি চ্যালেঞ্জও কম নয়।</p>
<p data-start="2797" data-end="3160">প্রক্রিয়ার জটিলতা এখনো বড় বাধা- ছোট শিপমেন্টের ক্ষেত্রেও অনেক সময় বড় রপ্তানির মতো জটিল ধাপ অনুসরণ করতে হয়। কাস্টমস, কুরিয়ার, ব্যাংক ও নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের ঘাটতির কারণে সময় ও খরচ বেড়ে যায়। ঢাকার বাইরে উদ্যোক্তাদের জন্য ‘এক্সপোর্ট রেডি’ হওয়ার কোনো সুসংগঠিত কাঠামো নেই। পাশাপাশি ডিজিটাল মনিটরিং দুর্বল হওয়ায় সামগ্রিক প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও গতিশীলতা কম।</p>
<p data-start="3162" data-end="3421"><span style="font-size: 12pt;"><strong>“ব্যবসা আর ভৌগোলিক সীমারেখায় আবদ্ধ নয়—ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাও এখন গ্লোবাল খেলোয়াড়।”</strong></span></p>
<p data-start="3162" data-end="3421">আন্তর্জাতিক মান নিশ্চিত করাও একটি বড় চ্যালেঞ্জ। পণ্যের গুণগত মান, প্যাকেজিং, ব্র্যান্ডিং এবং গ্রাহক অভিজ্ঞতা- সবক্ষেত্রেই বিশ্বমান বজায় রাখতে হবে। কারণ বৈশ্বিক বাজারে প্রতিযোগিতা শুধু দামের ওপর নির্ভর করে না; বিশ্বাসযোগ্যতা ও ব্র্যান্ড ইমেজও সমান গুরুত্বপূর্ণ।</p>
<p data-start="3423" data-end="3634">লজিস্টিকস ও ডেলিভারি ব্যবস্থা এখনো দুর্বল। আন্তর্জাতিক কুরিয়ার খরচ বেশি, ডেলিভারি সময় দীর্ঘ এবং ট্র্যাকিং ও রিটার্ন সুবিধা সীমিত। অথচ বৈশ্বিক ই-কমার্সে দ্রুত ডেলিভারি ও সহজ রিটার্ন গ্রাহক সন্তুষ্টির প্রধান শর্ত।</p>
<p data-start="3636" data-end="3924">আন্তর্জাতিক পেমেন্ট ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতাও উদ্যোক্তাদের জন্য বড় প্রতিবন্ধকতা। পেমেন্ট গেটওয়ে, কারেন্সি কনভার্সন ও বৈদেশিক লেনদেনের জটিলতা বিশেষ করে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের নিরুৎসাহিত করে। ফলে অনেকেই তৃতীয় পক্ষের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েন, যা লাভের মার্জিন কমায় এবং ব্র্যান্ড নিয়ন্ত্রণ সীমিত করে।</p>
<p data-start="3926" data-end="4173">ভারত ইতোমধ্যে ‘ই-কমার্স এক্সপোর্ট হাব’ চালুর মাধ্যমে এসব সমস্যা সমাধানে এগিয়েছে। তারা পোস্ট অফিস নেটওয়ার্ককে মাইক্রো-এক্সপোর্ট সাপোর্ট সিস্টেম হিসেবে ব্যবহার করছে এবং ক্ষুদ্র রপ্তানির জন্য সহজতর রেগুলেশন চালু করেছে—যেখানে এলসি ছাড়াই রপ্তানি সম্ভব।</p>
<p data-start="4175" data-end="4363">বাংলাদেশও শূন্য থেকে শুরু করছে না। ‘এসিকোডা ওয়ার্ল্ড’ এবং ‘বাংলাদেশ সিঙ্গল উইন্ডো’র মতো ডিজিটাল ভিত্তি ইতোমধ্যেই রয়েছে। এখন প্রয়োজন পেমেন্ট, লজিস্টিকস ও পোস্টাল সেবার সঙ্গে কার্যকর সমন্বয়।</p>
<p data-start="4365" data-end="4473">এই প্রেক্ষাপটে ‘ডিজিটাল ক্রস-বর্ডার ট্রেড ফ্যাসিলিটেশন ফ্রেমওয়ার্ক’ গড়ে তোলা জরুরি, যার মূল ভিত্তি হতে পারে—</p>
<ul data-start="4475" data-end="4708">
<li data-section-id="8082cg" data-start="4475" data-end="4529">ক্ষুদ্র রপ্তানির জন্য সহজ ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থা</li>
<li data-section-id="rk4cvx" data-start="4530" data-end="4573">সরলীকৃত কমপ্লায়েন্স ও রপ্তানি প্রক্রিয়া</li>
<li data-section-id="1pph4gl" data-start="4574" data-end="4613">বিভাগীয় শহরে ই-কমার্স এক্সপোর্ট হাব</li>
<li data-section-id="1ja5opj" data-start="4614" data-end="4647">ডাকঘরভিত্তিক এক্সপোর্ট গেটওয়ে</li>
<li data-section-id="1j7dnp2" data-start="4648" data-end="4708">নারী উদ্যোক্তাদের জন্য ট্রেনিং, সহজ ঋণ ও সাপোর্ট সিস্টেম</li>
</ul>
<p data-start="4710" data-end="4930">এই কাঠামো বাস্তবায়িত হলে হাজারো ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ফরমাল রপ্তানিতে যুক্ত হবেন, বৈদেশিক মুদ্রা আয় বাড়বে এবং জেলা অর্থনীতি শক্তিশালী হবে। এটি কেবল একটি ই-কমার্স উদ্যোগ নয়; বরং একটি ‘ন্যাশনাল এক্সপোর্ট ডেমোক্রাটাইজেশন মডেল’।</p>
<p data-start="4932" data-end="5249">একই সঙ্গে উদ্যোক্তাদের মানসিকতার পরিবর্তন জরুরি। শুধু পণ্য বিক্রি নয়, বরং একটি আন্তর্জাতিক মানের ব্র্যান্ড গড়ে তোলার দিকে নজর দিতে হবে। গ্রাহক সেবা, যোগাযোগ দক্ষতা, রিটার্ন পলিসি এবং পণ্যের গল্প—সবকিছুতেই পেশাদারিত্ব আনতে হবে। কারণ বৈশ্বিক বাজারে সফলতা নির্ভর করে পণ্যের গল্প, বিশ্বাসযোগ্যতা এবং গ্রাহক অভিজ্ঞতার ওপর।</p>
<p data-start="5251" data-end="5453">সবশেষে বলা যায়, ক্রস-বর্ডার ই-কমার্স বাংলাদেশের জন্য একটি সম্ভাব্য গেম-চেঞ্জার। এটি শুধু একটি বিক্রয় মাধ্যম নয়; বরং একটি নতুন অর্থনৈতিক বাস্তবতা—যেখানে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাও বৈশ্বিক খেলোয়াড় হয়ে উঠতে পারেন।</p>
<p data-start="5455" data-end="5659">এখন সময় ‘মেড ইন বাংলাদেশ’কে শুধু একটি লেবেল নয়, বরং একটি বৈশ্বিক আস্থার প্রতীকে রূপান্তর করার। আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত—একজন ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাও যেন গর্ব করে বলতে পারেন,<br data-start="5622" data-end="5625">“আমি ছোট, কিন্তু আমি গ্লোবাল।”</p>
<hr>
<p data-start="5455" data-end="5659"><strong>লেখকঃ </strong>অর্থনীতিবিদ; ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর, ল্যাবএইড গ্রুপ</p>
<hr>
<p data-start="5455" data-end="5659"></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ইউআইটিএস&#45;এ বিসিসি’র আন্তর্জাতিক আইটিইই প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন</title>
<link>https://digibanglatech.news/172479</link>
<guid>https://digibanglatech.news/172479</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69cd1f831195f.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 01 Apr 2026 14:20:47 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ইউনিভার্সিটি অব ইনফরমেশন টেকনোলজি অ্যান্ড সায়েন্সেস (ইউআইটিএস)-এ বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি)-এর তত্ত্বাবধানে আন্তর্জাতিক মানের ‘আইটিইই (ITEE) প্রশিক্ষণ’ কোর্সের উদ্বোধন করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের কনফারেন্স রুমে আইসিটি বিভাগের আওতাধীন বিসিসি’র উদ্যোগে এবং ইউআইটিএস-এর আইকিউএসি (IQAC) ও সিএসই বিভাগের যৌথ ব্যবস্থাপনায় সম্প্রতি এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।</p>
<p>১ এপ্রিল, বুধবার এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষথেকে জানানো হয়, জাপানের ‘ইনফরমেশন টেকনোলজি প্রমোশন এজেন্সি’ (IPA) পরিচালিত আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত আইটিইই লেভেল-২ (এফই) পরীক্ষার প্রস্তুতির লক্ষ্যে এই বিশেষায়িত কোর্সটি পরিচালিত হচ্ছে। এর মাধ্যমে ইউআইটিএস-এর নির্বাচিত ৪০ জন শিক্ষার্থী সম্পূর্ণ বিনামূল্যে বিশ্বমানের প্রশিক্ষণ গ্রহণের সুযোগ পাচ্ছেন, যা তাদের আন্তর্জাতিক কর্মসংস্থানে বিশেষ সুবিধা প্রদান করবে।</p>
<p>অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউআইটিএস-এর উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আবু হাসান ভূঁইয়া। বিশেষ অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন বিসিসি’র পরিচালক (বিডি-আইটিইসি) ইঞ্জিনিয়ার মো. গোলাম সারোয়ার। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সিরাজ উদ্দিন আহমেদ, বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. ইঞ্জিনিয়ার মো. রাশিদুল হাসান এবং রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ কামরুল হাসান।</p>
<p>বক্তারা আইসিটি খাতে পেশাগত মান বৃদ্ধিতে আন্তর্জাতিক সার্টিফিকেশনের গুরুত্বারোপ করেন এবং শিক্ষার্থীদের এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে নিজেদের বৈশ্বিক মানে উন্নীত করার আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে আইকিউএসি-এর পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার মো. সাফায়েত হোসেন, সিএসই বিভাগীয় প্রধান আল-ইমতিয়াজ এবং ট্রেইনার হিসেবে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক আন্নাজিয়াত আলিম রাসেলসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন। শিক্ষার্থীদের একাডেমিক শ্রেষ্ঠত্ব ও পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধিতে এই উদ্যোগটি বাংলাদেশের আইসিটি খাতের অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><strong><em>ডিবিটেক/এসআই/ইকে</em></strong></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>৬৪ জেলায় ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন</title>
<link>https://digibanglatech.news/172449</link>
<guid>https://digibanglatech.news/172449</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69cccf2a60735.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 01 Apr 2026 12:54:50 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>আনুষ্ঠানিকভাবে ‘দেশের ৬৪ জেলায় শিক্ষিত কর্মপ্রত্যাশী যুবদের ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি’ প্রকল্পের আওতায় ৩ মাস মেয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন করা হয়েছে।</p>
<p>১ এপ্রিল, বুধবার যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে দেশের ৬৪ জেলায় ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের কার্যক্রম শুরু করা হয়।</p>
<p>অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক ভার্চুয়াল মাধ্যমে যুক্ত হয়ে উদ্বোধন ঘোষণা করেন। সভাপতিত্ব করেন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. গাজী মো. সাইফুজ্জামান। এছাড়া উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা, ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লিমিটেডের প্রতিনিধি এবং অনলাইনে প্রায় পাঁচ হাজার প্রশিক্ষণার্থী উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>এ সময় প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক বলেন, সরকারের নির্বাচনী ইশতিহারে তরুণদের জন্য কর্মসংস্থানের নতুন ক্ষেত্র তৈরি করতে ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। এই উদ্যোগের ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে আজ দেশজুড়ে ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ কর্মসূচি উদ্বোধন করা হয়েছে।</p>
<p>যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম বলেন, কর্মসংস্থান বর্তমান সরকারের অগ্রাধিকারগুলোর মধ্যে শীর্ষে, যেখানে ফ্রিল্যান্সিংসহ আধুনিক দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে তরুণদের জন্য নতুন আয়ের সুযোগ সৃষ্টি করা হচ্ছে।</p>
<p>ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুদ আলম বলেন, ফ্রিল্যান্সারদের নিয়ে আমরা কেন্দ্রীয় ডাটাবেজ তৈরি করেছি। প্রশিক্ষণ শুরুতেই অংশগ্রহণকারীদের জন্য প্রোফাইল খোলা হয়, যেখানে তাদের আয় ও অগ্রগতির তথ্য সংরক্ষণ করা হয়। এ সময় তিনি নিজে ফ্রিল্যান্সার ও উদ্যোক্তা হওয়ার গল্প তুলে ধরেন। </p>
<p>প্রকল্পের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৭ সালের ডিসেম্বর মেয়াদে ৩৭৩ কোটি ৭৭ লক্ষ ২৩ হাজার টাকা ব্যয়ে ৩৬ হাজার জনকে প্রশিক্ষণ প্রদানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ১ জানুয়ারি ২০২৫ থেকে এই কার্যক্রম শুরু হয়। ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লিমিটেড দেশের ৮টি বিভাগের ৬৪টি জেলায় এই প্রশিক্ষণ পরিচালনা করছে।</p>
<p>১ এপ্রিল ২০২৬ থেকে ৩০ জুন ২০২৬ পর্যন্ত মেয়াদে ষষ্ঠ ব্যাচের প্রশিক্ষণে প্রতি জেলায় ৭৫ জন করে মোট ৪ হাজার ৮০০ জন অংশ নিচ্ছেন। ১৮ থেকে ৩৫ বছর বয়সী এবং ন্যূনতম এইচএসসি পাস যুবরা এই সুযোগ পেয়েছেন। জেলা প্রশাসকের প্রতিনিধি, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের কর্মকর্তা এবং প্রশিক্ষণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত কমিটি প্রশিক্ষণার্থী নির্বাচন করেছে।</p>
<p>এখন পর্যন্ত ৫টি পর্যায়ে মোট ১৪ হাজার ৪০০ জন প্রশিক্ষণ শেষ করেছেন। তাদের মধ্যে ৬০ শতাংশ বা ৮ হাজার ৬৪০ জন দেশি ও বিদেশি মার্কেটপ্লেসে কাজ করছেন। তাদের উপার্জিত অর্থের পরিমাণ ১৮ লাখ ৪৫ হাজার ৬৪৫ ডলার, যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ২২ কোটি ৭০ লাখ ১৪ হাজার ৪১৬ টাকা। উপার্জনে সহায়তা করতে প্রতিটি জেলায় মেন্টরিং ক্লাসের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।</p>
<p>এই ব্যাচে ভর্তির জন্য ৯৭ হাজার ২২৯ জন আবেদন করেছিলেন। সেখান থেকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য ৬১ হাজার ৫৮১ জনকে নির্বাচন করা হয়। লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে ৪ হাজার ৮০০ জনকে চূড়ান্ত করা হয়েছে। প্রশিক্ষণার্থীদের দৈনিক ৮ ঘণ্টা করে ৩ মাসে মোট ৬০০ ঘণ্টা প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।</p>
<p>প্রশিক্ষণের বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে কম্পিউটার অফিস অ্যাপ্লিকেশন, ফ্রিল্যান্সিং, বেসিক ইংলিশ, ডিজিটাল মার্কেটিং, সফট স্কিল, স্মার্টফোনের মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সিং, গ্রাফিক্স ডিজাইন ও ভিডিও এডিটিং। অনুষ্ঠানে জানানো হয়, প্রশিক্ষণার্থীদের জন্য যাতায়াত ভাতা, খাবার এবং প্রশিক্ষণ উপকরণ সরবরাহ করা হচ্ছে। প্রশিক্ষণ শেষে সনদপত্র প্রদান করা হবে। প্রশিক্ষণ কার্যক্রম তদারকিতে মন্ত্রণালয়, অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট সংস্থার প্রতিনিধিরা নিয়মিত পরিদর্শন করছেন।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/এমআর/এমইউএম </strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বিদ্যুৎ খাতের ডিজিটালাইজেশন: নিছক প্রযুক্তি নাকি কাঠামোগত স্বচ্ছতা?</title>
<link>https://digibanglatech.news/172541</link>
<guid>https://digibanglatech.news/172541</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69cdfa77522c0.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 01 Apr 2026 11:11:53 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বিদ্যুৎ একটি আধুনিক রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক ও সামাজিক অগ্রগতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি। গত এক দশকে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উৎপাদনে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। বর্তমানে দেশের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ২৫ হাজার মেগাওয়াটেরও বেশি। কিন্তু উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধির এই সাফল্যের মাঝেও একটি বাস্তবতা স্পষ্ট—সাধারণ গ্রাহকের বিদ্যুৎ সেবার অভিজ্ঞতা সব সময় সন্তোষজনক নয়।</p>
<p>রাষ্ট্র সংস্কার এবং সুশাসন নিয়ে চলমান আলোচনায় বিদ্যুৎ খাত একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকার হিসেবে উঠে এসেছে। এই প্রেক্ষাপটে ‘স্মার্ট গ্রিড’ এবং ‘স্মার্ট প্রিপেইড মিটার’কে বিদ্যুৎ খাতের আধুনিকায়নের বড় হাতিয়ার হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো—সিস্টেম প্রযুক্তিগতভাবে স্মার্ট হলেও এর ব্যবস্থাপনা কি সত্যিই গ্রাহকবান্ধব ও স্বচ্ছ হয়ে উঠেছে?</p>
<p><strong>স্মার্ট গ্রিড: প্রযুক্তির প্রতিশ্রুতি</strong></p>
<p>স্মার্ট গ্রিড হলো এমন একটি ডিজিটাল বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা কাঠামো যেখানে বিদ্যুৎ উৎপাদন, বিতরণ এবং ব্যবহার সম্পর্কিত তথ্য রিয়েল-টাইমে আদান-প্রদান করা হয়। এর মাধ্যমে বিদ্যুৎ অপচয় কমানো, গ্রাহকের ব্যবহার পর্যবেক্ষণ, এবং দ্রুত সমস্যার সমাধান সম্ভব হওয়ার কথা।</p>
<p>এই ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো স্মার্ট প্রিপেইড মিটার। তাত্ত্বিকভাবে এটি গ্রাহককে বিদ্যুৎ ব্যবহারের ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ দেয়। গ্রাহক আগাম টাকা দিয়ে বিদ্যুৎ ব্যবহার করেন এবং প্রতিটি ইউনিটের হিসাব স্বচ্ছভাবে দেখতে পারেন। কিন্তু বাস্তবে অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে, স্মার্ট মিটার চালু হওয়ার পরও গ্রাহকরা অস্বাভাবিক বা তথাকথিত ‘ভূতুড়ে বিল’-এর অভিযোগ করছেন।</p>
<p><strong>স্মার্ট মিটারেও কেন ‘ভূতুড়ে বিল’?</strong></p>
<p>স্মার্ট মিটার ব্যবস্থায় অস্বাভাবিক বিলের পেছনে কয়েকটি সম্ভাব্য কারণ রয়েছে।</p>
<p>প্রথমত, ডেটা সিনক্রোনাইজেশনের ত্রুটি। স্মার্ট মিটার থেকে কেন্দ্রীয় সার্ভারে তথ্য পাঠানোর সময় কারিগরি সমস্যার কারণে রিডিং সময়মতো আপডেট না হলে সফটওয়্যার অনেক সময় অনুমানভিত্তিক বিল তৈরি করে। এই অনুমানভিত্তিক হিসাব অনেক ক্ষেত্রে গ্রাহকের প্রকৃত ব্যবহারের চেয়ে বেশি হয়ে যায়।</p>
<p>দ্বিতীয়ত, বিলিং সফটওয়্যারের স্বচ্ছতার অভাব। বিদ্যুৎ বিলিংয়ের অ্যালগরিদম সাধারণত জনসমক্ষে উন্মুক্ত নয়। ফলে সফটওয়্যারে কোনো ত্রুটি বা অনৈতিক হস্তক্ষেপ থাকলে তা শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ে। এ কারণে বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানিগুলোর বিলিং সফটওয়্যার নিয়মিত স্বাধীন তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে কারিগরি নিরীক্ষা করা প্রয়োজন।</p>
<p>তৃতীয়ত, গ্রাহক পর্যায়ে তথ্যপ্রবাহের সীমাবদ্ধতা। যদি গ্রাহক প্রতিদিন বা প্রতি ঘণ্টায় তার বিদ্যুৎ ব্যবহারের তথ্য দেখতে না পারেন, তবে বিল নিয়ে সন্দেহ তৈরি হওয়াই স্বাভাবিক। একটি কার্যকর অ্যাপ বা অনলাইন ড্যাশবোর্ডের মাধ্যমে রিয়েল-টাইম ব্যবহারের তথ্য দেখার সুযোগ থাকলে এই সমস্যা অনেকাংশে কমে যেতে পারে।</p>
<p><strong>মিটার সংগ্রহে অনিয়ম ও প্রযুক্তিগত মানের প্রশ্ন</strong></p>
<p>স্মার্ট মিটার প্রকল্পগুলোর আরেকটি বড় সমস্যা হলো সরঞ্জাম সংগ্রহের স্বচ্ছতা। অনেক সময় অভিযোগ ওঠে যে প্রকল্পের আওতায় উচ্চমূল্যে নিম্নমানের মিটার কেনা হয়। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড যেমন IEC Standards অনুসরণ না করলে মিটারের কার্যকারিতা এবং স্থায়িত্ব উভয়ই প্রশ্নবিদ্ধ হয়।</p>
<p>নিম্নমানের মিটারের কারণে যে সমস্যাগুলো দেখা দেয় তা হল —</p>
<p>মিটার দ্রুত নষ্ট হয়ে যাওয়া</p>
<p>ভুল রিডিং দেখানো</p>
<p>সার্ভারের সাথে নিয়মিত সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকা</p>
<p>এই পরিস্থিতি এড়াতে উন্মুক্ত ও প্রতিযোগিতামূলক দরপত্র প্রক্রিয়া কঠোরভাবে অনুসরণ করা জরুরি। কোনো নির্দিষ্ট কোম্পানি বা দেশের ওপর নির্ভর না করে আন্তর্জাতিক মানসম্মত প্রযুক্তি নির্বাচন করতে হবে।</p>
<p><strong>সাইবার নিরাপত্তা: নতুন বাস্তবতা</strong></p>
<p>স্মার্ট গ্রিড পুরোপুরি ডিজিটাল ডেটার ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় সাইবার নিরাপত্তা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। যদি এই নেটওয়ার্কে নিরাপত্তা দুর্বলতা থাকে, তবে হ্যাকারদের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হওয়া বা গ্রাহকের ডেটা ফাঁস হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।</p>
<p>তাই স্মার্ট গ্রিড ব্যবস্থায় আন্তর্জাতিক মানের সাইবার নিরাপত্তা প্রোটোকল, নিয়মিত সিকিউরিটি অডিট এবং শক্তিশালী ডেটা সুরক্ষা নীতিমালা থাকা অত্যন্ত জরুরি।</p>
<p><strong>একটি বাস্তবধর্মী সংস্কার রোডম্যাপ</strong></p>
<p>বিদ্যুৎ খাতকে সত্যিকারের আধুনিক এবং জনবান্ধব করতে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।</p>
<p>প্রথমত, কারিগরি জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা। প্রতিটি স্মার্ট মিটার প্রকল্পের জন্য একটি ‘পোস্ট-ইমপ্লিমেন্টেশন অডিট’ বাধ্যতামূলক করা উচিত। এতে প্রকল্পের কার্যকারিতা এবং সম্ভাব্য ত্রুটিগুলো দ্রুত শনাক্ত করা সম্ভব হবে।</p>
<p>দ্বিতীয়ত, গ্রাহক অভিযোগ নিষ্পত্তি ব্যবস্থা শক্তিশালী করা। বর্তমানে অনেক গ্রাহক বিল সংক্রান্ত অভিযোগ নিয়ে বিভিন্ন অফিসে ঘুরতে বাধ্য হন। একটি কেন্দ্রীয় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে অভিযোগ নিষ্পত্তির ব্যবস্থা করা গেলে গ্রাহকের আস্থা বাড়বে।</p>
<p>তৃতীয়ত, পূর্ববর্তী প্রকল্পগুলোর স্বচ্ছ তদন্ত প্রয়োজন। বিদ্যুৎ খাতের বড় প্রকল্পগুলোর ব্যয় ও কার্যকারিতা নিয়ে একটি নিরপেক্ষ মূল্যায়ন হওয়া জরুরি, যাতে ভবিষ্যতের প্রকল্পগুলোতে একই ধরনের অনিয়ম পুনরাবৃত্তি না ঘটে।</p>
<p>চতুর্থত, দেশীয় প্রযুক্তিগত সক্ষমতা তৈরি করা। দীর্ঘমেয়াদে বিদেশি প্রযুক্তির ওপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল না থেকে দেশীয় প্রকৌশলী ও প্রযুক্তিবিদদের মাধ্যমে স্মার্ট গ্রিড ও মিটারের সফটওয়্যার-হার্ডওয়্যার উন্নয়ন সক্ষমতা বাড়ানো প্রয়োজন। এতে তথ্য নিরাপত্তা এবং ব্যয়—দুই ক্ষেত্রেই সুবিধা পাওয়া যাবে।</p>
<p><strong>ভবিষ্যতের সম্ভাবনা</strong></p>
<p>স্মার্ট গ্রিড প্রযুক্তি ভবিষ্যতে নবায়নযোগ্য জ্বালানির সাথে বিদ্যুৎ ব্যবস্থাকে আরও সমন্বিত করতে পারে। বিশেষ করে ছাদভিত্তিক সৌর বিদ্যুৎ এবং ব্যাটারি স্টোরেজ প্রযুক্তির সাথে স্মার্ট গ্রিড যুক্ত হলে গ্রাহক শুধু বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীই নন, বরং বিদ্যুৎ উৎপাদক হিসেবেও ভূমিকা রাখতে পারবেন।</p>
<p>এই রূপান্তর বিদ্যুৎ খাতকে আরও বিকেন্দ্রীভূত, টেকসই এবং পরিবেশবান্ধব করে তুলতে পারে।</p>
<p><strong>উপসংহার</strong></p>
<p>প্রযুক্তি কোনো জাদুর কাঠি নয় যা নিজে থেকেই সব সমস্যার সমাধান করে দেবে। প্রযুক্তি তখনই কার্যকর হয় যখন তার সাথে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং সুশাসনের সমন্বয় ঘটে।</p>
<p>বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতে ডিজিটাল প্রযুক্তির প্রকৃত সাফল্য নির্ভর করবে—গ্রাহকের আস্থা অর্জনের ওপর। স্মার্ট গ্রিডকে শুধু অবকাঠামোগত উন্নয়ন হিসেবে না দেখে এটিকে একটি জবাবদিহিমূলক নাগরিক সেবা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।</p>
<p>স্বচ্ছতা, প্রযুক্তি এবং নীতিগত সংস্কারের সমন্বয়েই সম্ভব একটি কার্যকর, টেকসই এবং দুর্নীতিমুক্ত বিদ্যুৎ খাত গড়ে তোলা।</p>
<hr>
<p><strong>লেখকঃ</strong> কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার, ফাউন্ডার, Vector Solutions</p>
<hr>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>৩য় বাংলাদেশ এআই অলিম্পিয়াডের নিবন্ধন শুরু</title>
<link>https://digibanglatech.news/172380</link>
<guid>https://digibanglatech.news/172380</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69cbf5b3a49c7.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 31 Mar 2026 22:29:01 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="MsoNormal" style="margin-bottom: 12.0pt; text-align: justify; line-height: 114%; text-autospace: ideograph-numeric ideograph-other; border: none; mso-padding-alt: 31.0pt 31.0pt 31.0pt 31.0pt; mso-border-shadow: yes;"><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Google Sans'; color: #1f1f1f;">বিশ্বজুড়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-এর জয়জয়কারের এই সময়ে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় দক্ষ করে তুলতে শুরু হয়েছে ‘৩য় বাংলাদেশ এআই অলিম্পিয়াড (BdAIO)’। বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্ক (বিডিওএসএন)-এর উদ্যোগে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতার সেরারা আগামী আগস্টে কাজাখস্তানে অনুষ্ঠেয় আন্তর্জাতিক এআই অলিম্পিয়াডে (IOAI) লাল-সবুজের পতাকা ওড়ানোর সুযোগ পাবে। এছাড়া চলতি বছরের জুন মাসে অনুষ্ঠেয় এশিয়া প্যাসিফিক এআই অলিম্পিয়াডে অংশগ্রহণেরও সুযোগ পাবে।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" style="margin-bottom: 12.0pt; text-align: justify; line-height: 114%; text-autospace: ideograph-numeric ideograph-other; border: none; mso-padding-alt: 31.0pt 31.0pt 31.0pt 31.0pt; mso-border-shadow: yes;"><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Google Sans'; color: #1f1f1f;">আয়োজকরা জানান, এবারের আসরটিতে শিক্ষার্থিরা অংশ নিতে পারবে দুইটি ক্যাটাগরির যেকোনো একটি ক্যাটাগরিতে। যারা কোডিং এ তেমন পারদর্শী না কিন্তু এআই নিয়ে বেশ আগ্রহ আছে তাদের জন্য ‘এআই কুইজ’। এই বিভাগে স্কুল পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা ফ্রিতে অংশ নিয়ে নিজেদের লজিক ও সাধারণ জ্ঞান যাচাই করতে পারবে। অন্যদিকে, ‘এআই চ্যালেঞ্জ’ বিভাগে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে শুরু করে উচ্চমাধ্যমিক ও পলিটেকনিকের (৪র্থ সেমিস্টার) শিক্ষার্থীরা পাইথন ও মেশিন লার্নিংয়ের মতো আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে বাস্তব সমস্যা সমাধানের লড়াইয়ে নামবে। এই চ্যালেঞ্জটি বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় ডেটা সায়েন্স প্ল্যাটফর্ম ‘Kaggle’-এ অনুষ্ঠিত হবে।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" style="margin-bottom: 12.0pt; text-align: justify; line-height: 114%; text-autospace: ideograph-numeric ideograph-other;"><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Google Sans'; color: #1f1f1f;">বিডিওএসএন আয়োজিত এই অলিম্পিয়াডের আঞ্চলিক পর্বগুলো ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী ও খুলনায় অনুষ্ঠিত হবে। এরপর আঞ্চলিক পর্বের বিজয়ীদের নিয়ে ঢাকায় জাতীয় পর্ব অনুষ্ঠিত হবে। সেখান থেকে ধাপে ধাপে বাছাই করা হবে বাংলাদেশ এআই দল।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" style="margin-bottom: 12.0pt; text-align: justify; line-height: 114%; text-autospace: ideograph-numeric ideograph-other; border: none; mso-padding-alt: 31.0pt 31.0pt 31.0pt 31.0pt; mso-border-shadow: yes;"><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Google Sans'; color: #1f1f1f;">ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য প্রযুক্তি ইনস্টিটিউটের (IIT) পরিচালক ড. বি এম মইনুল হোসেনের মতে, ভবিষ্যৎ পৃথিবীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এআই শিক্ষা এখন সময়ের দাবি। তিনি শিক্ষার্থীদের এই অলিম্পিয়াডে অংশ নিয়ে নিজেদের দক্ষতা প্রমাণের আহ্বান জানান। এছাড়া আন্তর্জাতিক মেডেলজয়ী আরেফিন আনোয়ারের মতে, এটি কেবল প্রতিযোগিতা নয়, বরং বিশ্বের সেরা মেধাবীদের সাথে পরিচিত হওয়ার এক মহামিলন।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" style="margin-bottom: 12.0pt; text-align: justify; line-height: 114%; text-autospace: ideograph-numeric ideograph-other; border: none; mso-padding-alt: 31.0pt 31.0pt 31.0pt 31.0pt; mso-border-shadow: yes;"><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Google Sans'; color: #1f1f1f;">এবারের আয়োজনে প্লাটিনাম স্পন্সর ও হোস্ট হিসেবে আছে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজিনেস অ্যান্ড টেকনলজি (BUBT)। পাওয়ার্ড বাই হিসেবে যুক্ত আছে রিভ চ্যাট (REVE Chat)। এছাড়া গোল্ড স্পন্সর হিসেবে রয়েছে ব্রেইন স্টেশন ২৩ এবং নলেজ পার্টনার হিসেবে সহযোগিতা করছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য প্রযুক্তি ইনস্টিটিউট (IIT)।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" style="margin-bottom: 12.0pt; text-align: justify; line-height: 114%; text-autospace: ideograph-numeric ideograph-other; border: none; mso-padding-alt: 31.0pt 31.0pt 31.0pt 31.0pt; mso-border-shadow: yes;"><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Google Sans'; color: #1f1f1f;">আগ্রহীরা <a href="https://festive.rocks/e/bdaio2026" target="_blank" rel="noopener">এই ঠিকানায়</a> নিবন্ধন করতে পারবে। প্রতিযোগিতার বিস্তারিত সিলেবাস পাওয়া যাবে </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;"><a href="http://bdaio.org/syllabus"><span style="mso-fareast-font-family: 'Google Sans'; color: #1155cc;">bdaio.org/syllabus</span></a></span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Google Sans'; color: #1f1f1f;"> ঠিকানায়।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" style="margin-bottom: 12.0pt; text-align: justify; line-height: 114%; text-autospace: ideograph-numeric ideograph-other; border: none; mso-padding-alt: 31.0pt 31.0pt 31.0pt 31.0pt; mso-border-shadow: yes;"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong><span style="font-family: 'Nirmala UI', sans-serif; color: rgb(31, 31, 31); text-decoration: underline;">ডিবিটেক/এমএম/ইকে</span></strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>স্কুল শিক্ষার্থীদের সুরক্ষায় দেশে এলো বৈশ্বিক ‘সেফগার্ডিং টুলকিট’ </title>
<link>https://digibanglatech.news/172297</link>
<guid>https://digibanglatech.news/172297</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69cb4a483df89.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 31 Mar 2026 09:15:21 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>স্কুলে শিক্ষার্থীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার বিষয়টি এখন অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া দ্রুত পরিবর্তনশীল এবং সহজে শনাক্ত করতে না পারার ঝুঁকির কারণে প্রভাবিত হচ্ছে, যার মধ্যে রয়েছে সহপাঠীদের মাধ্যমে হওয়া ক্ষতি, মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা এবং এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে হওয়া হয়রানি। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় ইউনিসেফের সহায়তায় ব্রিটিশ কাউন্সিল একটি নতুন বৈশ্বিক ‘<a href="https://internationalschools.britishcouncil.org/safeguarding-toolkit-for-schools" target="_blank" rel="noopener">সেফগার্ডিং টুলকিট</a>’ চালু করেছে। </p>
<p>স্কুলগুলোতে ঝুঁকি দ্রুত শনাক্ত করা, পরিস্থিতি অনুযায়ী উপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করা এবং প্রতিটি ক্ষেত্রে সুরক্ষার একটি অভিন্ন চর্চা গড়ে তুলতেই এই উদ্যোগ বলে জানিয়েছে ঢাকার ব্রিটিশ কাউন্সিল।</p>
<p>ইউনিসেফের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বজুড়ে ১৩ থেকে ১৫ বছর বয়সী প্রায় ১৫ কোটি শিক্ষার্থী স্কুল বা তার আশেপাশে সহপাঠীদের কাছে কোনো না কোনোভাবে সহিংসতার শিকার হওয়ার কথা জানিয়েছেন। </p>
<p>ইউনিসেফ ও আইটিইউ-এর তথ্যমতে, বিশ্বের প্রতি তিনজন ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর মধ্যে একজন শিশু। ফলে অনলাইনে শোষণ ও প্রতারণার ঝুঁকি আগের চেয়ে বেড়েছে। এ ছাড়া বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, প্রতি সাতজন কিশোর-কিশোরীর মধ্যে একজন মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগছে, যা প্রায়ই স্কুলের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার সঙ্গে আন্তঃসম্পর্কিত।</p>
<p>তবে মূল সমস্যাটি কেবল সচেতনতার নয়, বরং নীতিমালার সঠিক প্রয়োগের। অনেক স্কুলেই শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার জন্য লিখিত নীতিমালা থাকে, কিন্তু দৈনন্দিন সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে প্রায়ই ভিন্নতা দেখা যায়।<br>ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর স্টিফেন ফোর্বস বলেন, ‘সুরক্ষা কেবল কারও ব্যক্তিগত অনুমান বা বিশেষ অভিজ্ঞতার ওপর নির্ভর করতে পারে না। এটি মূলত প্রেক্ষাপট ও সংশ্লিষ্ট সম্প্রদায়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পরিচালিত হয়। এক্ষেত্রে নির্দিষ্ট ভূমিকা, তথ্যের সঠিক নথিবদ্ধকরণ এবং স্বচ্ছ ধাপগুলো বজায় রাখা জরুরি। এতে সমস্যাগুলো শুরুতেই ধরা পড়বে এবং সেই অনুযায়ী দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া যাবে। এই টুলকিটটি মূলত স্কুলের সুরক্ষা নীতিকে প্রতিদিনের অভ্যাসে রূপান্তর করতে সাহায্য করবে।’</p>
<p>ইউনিসেফ স্পেনের চাইল্ড প্রোটেকশন অফিসার আলমোদেনা ওলাগুইবেল বলেন, ‘সেফগার্ডিং টুলকিটটি ব্রিটিশ কাউন্সিল ও ইউনিসেফের এক অভিন্ন উপলব্ধিকে প্রতিফলিত করে—কার্যকর সুরক্ষা তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্তে নয়, বরং সুসংগঠিত ও শক্তিশালী ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল। বর্তমান সময়ে সুরক্ষা সংক্রান্ত ঝুঁকিগুলো যত জটিল এবং কম দৃশ্যমান হয়ে উঠছে, ততই প্রস্তুতি, স্পষ্টতা এবং স্কুল সংশ্লিষ্ট সবার মধ্যে সম্মিলিত দায়িত্ববোধ অত্যন্ত অপরিহার্য হয়ে উঠছে।’</p>
<p>স্কুলের প্রাত্যহিক ব্যবহারের জন্য তৈরি টুলকিটটি ব্যক্তিগত বিচার-বুদ্ধির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে একটি সামগ্রিক প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো তৈরি করবে। এটি সংশ্লিষ্টদের দায়িত্বগুলো আরও পরিষ্কার করবে, তথ্যের সঠিক সংরক্ষণ ব্যবস্থা জোরদার করবে এবং যৌথভাবে নির্ধারিত মানদণ্ড ও প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে পরবর্তী ধাপে যাওয়ার পথনির্দেশনা তুলে ধরবে। এ ছাড়া শিশুদের সুরক্ষা এবং প্রাপ্তবয়স্কদের আচরণের বিষয়গুলোকে এখানে আলাদাভাবে দেখার সুযোগ রাখা হয়েছে, যাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা যায়।</p>
<p>নিরাপত্তার ঝুঁকিগুলো যেহেতু এখন বাস্তব জগতের পাশাপাশি অনলাইন জগতেও দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে, এই টুলকিটটি স্কুলগুলোকে আরও নিয়মিতভাবে বিভিন্ন ঝুঁকি যেমন- অনলাইন গ্রুমিং, হয়রানি, জালিয়াতি এবং এআই-এর মাধ্যমে তৈরি করা আপত্তিকর ছবি ও ভিডিওর মতো বিষয়গুলো মোকাবিলায় সহায়তা করবে। কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা বড় আকার ধারণ করার আগেই দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষেত্রে এটি দিকনির্দেশনা দেবে।</p>
<p>বিশ্বজুড়ে ব্রিটিশ কাউন্সিলের সহযোগী ২ হাজার ৫০০টিরও বেশি স্কুলে এই টুলকিটটি চালু করা হবে। এর মাধ্যমে প্রায় ১৭ লাখ শিক্ষার্থী সরাসরি সুরক্ষার আওতায় আসবে। স্থানীয় আইন ও প্রেক্ষাপটের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এটি একটি বৈশ্বিক মানদণ্ড বজায় রাখতে স্কুলগুলোকে সহায়তা করবে। <br><br></p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/ইএইচএম/এমইউএম</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>সাফল্যের ইতিহাসে এক অনাকাঙ্ক্ষিত ক্ষত</title>
<link>https://digibanglatech.news/172271</link>
<guid>https://digibanglatech.news/172271</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69cabeafd0a61.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 30 Mar 2026 22:39:59 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="3">সম্প্রতি দেশে হাম রোগে আক্রান্ত হয়ে বেশ কিছু শিশুর মৃত্যু এবং এ সংক্রান্ত স্বাস্থ্যমন্ত্রীর একটি মন্তব্যকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা তৈরি হয়েছে। যা ঘটেছে তা কেবল অনাকাঙ্ক্ষিতই নয়, বরং অত্যন্ত মর্মান্তিক। দেশের সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি বা ইপিআই-এর আওতায় গত কয়েক দশকে প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত যে শক্তিশালী নেটওয়ার্ক গড়ে উঠেছে, সেখানে ২০২৬ সালে এসে টিকার অভাবে শিশুর মৃত্যু হওয়াটা জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের ভাবিয়ে তুলেছে। এই কর্মসূচি বিগত সকল সরকারের আমলেই নিরবচ্ছিন্নভাবে অব্যাহত ছিল এবং এর কার্যকারিতা নিয়ে কখনোই বড় ধরনের প্রশ্ন ওঠেনি। অথচ এখন কেন টিকার সংকট বা তদারকির অভাব দেখা দিল, তা নিয়ে জনমনে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে টিকাদান কর্মসূচিতে সরকারের বরাদ্দকৃত ফান্ডের সঠিক ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, কারণ অতীতের কোনো সরকারের সময় এমন বিপর্যয় দেখা যায়নি।</p>
<p data-path-to-node="4">বাংলাদেশের জনস্বাস্থ্য ইতিহাসে টিকাদান কর্মসূচির সফলতা ঈর্ষণীয়। এই কার্যক্রমের মাধ্যমেই দেশ থেকে গুটিবসন্ত নির্মূল করা সম্ভব হয়েছে, পোলিও নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে এবং যক্ষ্মা ও ধনুষ্টংকারের মতো ঘাতক ব্যাধি নিয়ন্ত্রণে অভাবনীয় সাফল্য এসেছে। এই সাফল্যের পেছনে বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পাশাপাশি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO), ইউনিসেফ (UNICEF), আইসিডিডিআরবি এবং গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিনস অ্যান্ড ইমিউনাইজেশন বা গ্যাভি (GAVI)-এর মতো আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সমন্বিত প্রচেষ্টা কাজ করেছে। ২০০০ সালে প্রতিষ্ঠিত এই বৈশ্বিক ভ্যাকসিন জোট উন্নয়নশীল দেশগুলোতে জীবন রক্ষাকারী টিকা সরবরাহ নিশ্চিত করতে কাজ করে। কোনো দেশের টিকা কেনার সামর্থ্য না থাকলেও এই জোটের মাধ্যমে বিনামূল্যে ভ্যাকসিন সরবরাহের সুযোগ রয়েছে। ফলে অর্থ সংকটের কারণে বাংলাদেশে টিকা আমদানি সম্ভব হয়নি—এমন যুক্তি বিশ্বাসযোগ্য নয়। বরং বিষয়টি যথাযথ গুরুত্বের সাথে দেখা হয়নি বলেই ধারণা করা হচ্ছে।</p>
<p data-path-to-node="5">বাংলাদেশের ইপিআই কার্যক্রমের যাত্রার দিকে তাকালে দেখা যায়, ১৯৭৯ সালের ৭ই এপ্রিল এটি স্বল্প পরিসরে শুরু হয়েছিল। ১৯৮৪ সাল পর্যন্ত যক্ষ্মা, পোলিও, ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি, ধনুষ্টংকার ও হাম—এই ছয়টি রোগ প্রতিরোধে এর কার্যক্রম ছিল মাত্র ২ শতাংশের নিচে। এরপর ১৯৯০ সালের মধ্যে এটি দেশব্যাপী সম্প্রসারিত হয় এবং ২০০৬ সালে বাংলাদেশ পোলিওমুক্ত রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি পায়। ক্রমান্বয়ে এই কর্মসূচিতে হেপাটাইটিস বি, পেন্টাভ্যালেন্ট, নিউমোকক্কাল এবং অতি সম্প্রতি এইচপিভি টিকার মতো আধুনিক সব ভ্যাকসিন যুক্ত হয়েছে। বাংলাদেশের এই অভাবনীয় অর্জনের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০০৯ ও ২০১২ সালে দেশ ‘গ্যাভি বেস্ট পারফরম্যান্স অ্যাওয়ার্ড’ লাভ করে এবং ২০১৯ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘ভ্যাকসিন হিরো’ হিসেবে সম্মানিত করা হয়। (তথ্য সূত্র : ইপিআই, ইউনিসেফ এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা)</p>
<p data-path-to-node="6">পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, আশির দশকের শুরুতে দেশে হামের টিকার কভারেজ ছিল মাত্র ১ শতাংশের মতো। নব্বইয়ের দশকে তা ৫০ শতাংশে উন্নীত হয় এবং ২০০০ সাল নাগাদ তা ৭০ থেকে ৭৪ শতাংশে পৌঁছায়। ২০১০ সালের দিকে এই হার ৯০ শতাংশের কাছাকাছি চলে আসে এবং ২০১৫ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত কভারেজ ৯৫ থেকে ৯৭ শতাংশে স্থিতিশীল ছিল। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী, ৯৫ শতাংশের বেশি কভারেজ থাকলে হামের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। বাংলাদেশ ধারাবাহিকভাবে সেই লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করে আসছিল। কিন্তু বর্তমান সময়ে এসে শিশুদের করুণ মৃত্যু এবং টিকার স্বল্পতার যে চিত্র ফুটে উঠেছে, তা গত কয়েক দশকের কষ্টার্জিত সাফল্যকে ম্লান করে দিচ্ছে। বিশেষ করে শহরাঞ্চল এবং দুর্গম প্রান্তিক এলাকায় ‘জিরো-ডোজ’ বা টিকা না পাওয়া শিশুদের সংখ্যা কমানোর যে চ্যালেঞ্জ ছিল, তা মোকাবিলায় বড় ধরনের গাফিলতি পরিলক্ষিত হচ্ছে। একটি শক্তিশালী জাতীয় ব্যবস্থার মধ্যে কেন এই ছন্দপতন ঘটল, তা খতিয়ে দেখে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা এখন সময়ের দাবি।</p>
<hr>
<p data-path-to-node="6"><strong>লেখকঃ </strong>জেষ্ঠ্য সাংবাদিক ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ</p>
<hr>
<p data-path-to-node="6"></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটে বাংলাদেশের জন্য ব্লকচেইন ও ডেটা&#45;প্রযুক্তি</title>
<link>https://digibanglatech.news/172113</link>
<guid>https://digibanglatech.news/172113</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69c91826631ee.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 29 Mar 2026 18:17:09 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div _ngcontent-ng-c1716333038="" inline-copy-host="" class="markdown markdown-main-panel enable-updated-hr-color" id="model-response-message-contentr_df5fe5083f3a315a" aria-live="polite" aria-busy="false" dir="ltr">
<p data-path-to-node="0"></p>
<p data-path-to-node="3">বর্তমান বিশ্ব এক অস্থির সন্ধিক্ষণে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের দীর্ঘসূত্রতা এবং মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক উত্তেজনা কেবল মানচিত্রই বদলাচ্ছে না, বরং 'জ্বালানি'কে একটি ভূ-রাজনৈতিক মরণাস্ত্রে পরিণত করেছে। ১ এপ্রিল থেকে রাশিয়ার জ্বালানি রপ্তানি নীতিতে কঠোর পরিবর্তন এবং লোহিত সাগর ও হরমুজ প্রণালীর সংকট বিশ্ব অর্থনীতিতে নতুন স্থবিরতার শঙ্কা জাগাচ্ছে। আমদানিনির্ভর বাংলাদেশের জন্য এই সংকট এখন আর তাত্ত্বিক আলোচনা নয়, বরং অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই।</p>
<h3 data-path-to-node="4">বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট: জ্বালানি যখন যুদ্ধের অস্ত্র</h3>
<p data-path-to-node="5">রাশিয়া বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম জ্বালানি রপ্তানিকারক। ১ এপ্রিল থেকে তাদের 'রুবল-বেসড' পেমেন্ট পলিসির কঠোর প্রয়োগে আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম প্রতি ব্যারেলে ১৫০ ডলার ছাড়ানোর ঝুঁকি রয়েছে। এছাড়া হরমুজ প্রণালী দিয়ে বিশ্বের ২০% জ্বালানি তেল ও এক-তৃতীয়াংশ এলএনজি প্রবাহিত হয়; এই পথ রুদ্ধ হওয়া মানে দৈনিক প্রায় ২ বিলিয়ন ডলারের সরাসরি ক্ষতি। এটি করোনা-পরবর্তী বিশ্ব অর্থনীতির জন্য হবে 'বিগেস্ট হিট'।</p>
<h3 data-path-to-node="6">বাংলাদেশের অর্থনীতিতে অভিঘাত: গাণিতিক বিশ্লেষণ</h3>
<p data-path-to-node="7">তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, এই সংকটে দেশের অর্থনীতির চারটি প্রধান স্তম্ভ সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে:</p>
<ul data-path-to-node="8">
<li>
<p data-path-to-node="8,0,0"><b data-path-to-node="8,0,0" data-index-in-node="0">রিজার্ভের ওপর চাপ:</b> তেলের দাম প্রতি ব্যারেলে ১০ ডলার বাড়লে বাংলাদেশের বার্ষিক আমদানি ব্যয় প্রায় ৬০-৭০ কোটি ডলার বেড়ে যায়। তেলের দাম ১৫০ ডলারে স্থিতু হলে মাসিক প্রায় ১ বিলিয়ন ডলারের অতিরিক্ত চাপ তৈরি হবে, যা 'ইম্পোর্টেড ইনফ্লেশন' বা আমদানিকৃত মুদ্রাস্ফীতিকে অনিয়ন্ত্রিত করে তুলতে পারে।</p>
</li>
<li>
<p data-path-to-node="8,1,0"><b data-path-to-node="8,1,0" data-index-in-node="0">রপ্তানি খাত (RMG):</b> তৈরি পোশাক খাতে উৎপাদন ব্যয় ২০-৩০% বাড়তে পারে। বৈশ্বিক মন্দার কারণে বছর শেষে রপ্তানি আদেশ ১৫-২০% হ্রাসের ঝুঁকি রয়েছে।</p>
</li>
<li>
<p data-path-to-node="8,2,0"><b data-path-to-node="8,2,0" data-index-in-node="0">কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা:</b> ডিজেলের দাম বাড়লে প্রান্তিক কৃষকের উৎপাদন খরচ একর প্রতি ১,৫০০-২,০০০ টাকা বেড়ে যায়। এটি কেবল পরিসংখ্যান নয়, বরং সাধারণ মানুষের খাবারের থালা থেকে এক গ্রাস কমে যাওয়ার সমান।</p>
</li>
<li>
<p data-path-to-node="8,3,0"><b data-path-to-node="8,3,0" data-index-in-node="0">ক্ষুদ্র ও ই-কমার্স উদ্যোক্তা (SME):</b> লজিস্টিকস খরচ বাড়লে ৫ লক্ষাধিক অনলাইন উদ্যোক্তার নিট মুনাফা ২৫-৩০% সংকুচিত হতে পারে।</p>
</li>
</ul>
<h3 data-path-to-node="9">প্রযুক্তিগত সমাধান: ব্লকচেইন ও ডেটাবেজ</h3>
<p data-path-to-node="10">এই মহাসংকট মোকাবিলায় প্রথাগত পদ্ধতির বাইরে এসে আধুনিক প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে:</p>
<ul start="1" data-path-to-node="11">
<li>
<p data-path-to-node="11,0,0"><b data-path-to-node="11,0,0" data-index-in-node="0">ব্লকচেইন ভিত্তিক সাপ্লাই চেইন:</b> জ্বালানি ও পণ্য পরিবহনে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমাতে ব্লকচেইন প্রযুক্তি অপরিহার্য। এটি সিস্টেম লস ও অপচয় শূন্যে নামিয়ে আনবে।</p>
</li>
<li>
<p data-path-to-node="11,1,0"><b data-path-to-node="11,1,0" data-index-in-node="0">ক্রাউডসোর্সড লজিস্টিকস:</b> ব্যক্তিগত যানবাহনের অপচয় রোধে রাইড শেয়ারিং ও পণ্য পরিবহনের সমন্বিত প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা সম্ভব। রিয়েল-টাইম ট্রাফিক ও ডিমান্ড অ্যানালাইসিস করে লজিস্টিকস খরচ কমানো যেতে পারে।</p>
</li>
<li>
<p data-path-to-node="11,2,0"><b data-path-to-node="11,2,0" data-index-in-node="0">সেন্ট্রালাইজড ডেটাবেজ:</b> কৃষক ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য একটি কেন্দ্রীয় ডেটাবেজ থাকলে সরাসরি প্রণোদনা পৌঁছানো সহজ হবে, যা সম্পদের সুষম বণ্টন নিশ্চিত করবে।</p>
</li>
</ul>
<h3 data-path-to-node="12">উত্তরণের রোডম্যাপ</h3>
<p data-path-to-node="13"><b data-path-to-node="13" data-index-in-node="0">সরকারের করণীয়:</b> দীর্ঘমেয়াদী 'জি-টু-জি' চুক্তির মাধ্যমে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য 'স্মার্ট সুরক্ষা প্যাকেজ' বা 'জ্বালানি ভর্তুকি কার্ড' প্রবর্তন করা।</p>
<p data-path-to-node="14"><b data-path-to-node="14" data-index-in-node="0">জনগণের ভূমিকা:</b> ব্যক্তিগত কৃচ্ছ্রসাধন, বিদ্যুৎ সাশ্রয় এবং ডিজিটাল কমার্সের ওপর নির্ভরতা বাড়ানো। একটি ডেলিভারি ভ্যান ৫০ জন মানুষের ব্যক্তিগত যাতায়াত সাশ্রয় করতে পারে—এই ছোট ছোট অভ্যাসই জাতীয় বিপর্যয় রুখতে বড় ভূমিকা রাখতে পারে।</p>
<p data-path-to-node="14"><b data-path-to-node="16" data-index-in-node="0">উপসংহার:</b> ১ এপ্রিলের পরবর্তী পৃথিবী আমাদের জন্য সহজ হবে না। এটি কেবল সরকারের একার লড়াই নয়, বরং রাষ্ট্র ও জনগণের সম্মিলিত প্রতিরোধের পরীক্ষা। সঠিক তথ্য-উপাত্ত এবং প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারলে এই বৈশ্বিক ঝড় মোকাবিলা করে বাংলাদেশ স্থিতিশীল থাকতে পারবে। সংকটই উদ্ভাবনের জন্ম দেয়—আর এই জ্বালানি সংকটই হতে পারে আমাদের লজিস্টিকস খাতকে 'স্মার্ট' ও 'সাশ্রয়ী' করার প্রধান সুযোগ।</p>
<hr data-path-to-node="15">
<p data-path-to-node="16"><strong>লেখকঃ</strong> <span>উদ্যোক্তা, সংগঠক ও কলাম লেখক</span></p>
<hr data-path-to-node="17">
<p data-path-to-node="18"></p>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>প্রযুক্তি মানুষের পাশে দাঁড়াল, নাকি মানুষের ওপর দাঁড়াল?</title>
<link>https://digibanglatech.news/172130</link>
<guid>https://digibanglatech.news/172130</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69c930ddd658f.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 29 Mar 2026 17:03:13 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশে ডিজিটাল অগ্রগতির গল্প অনেক শোনা যায়। কিন্তু প্রশ্ন হলো, এই অগ্রগতি কি নাগরিককে আরও স্বাধীন করেছে, নাকি আরও নির্ভরশীল? যোগাযোগ-অধিকারের দৃষ্টিতে বিচার করলে দেখা যাবে, ডিজিটাল ন্যায়বিচার মানে শুধু ইন্টারনেট সংযোগ নয়; এর অর্থ হলো প্রবেশযোগ্যতা, নেটওয়ার্ক ও প্ল্যাটফর্মের দায়িত্বশীল ব্যবহার, ব্যক্তিগত তথ্যের সুরক্ষা, এবং প্রযুক্তিগত সার্বভৌমত্ব। এই চারটি প্রশ্ন এড়িয়ে গিয়ে “ডিজিটাল রূপান্তর” বলা যায়, কিন্তু ন্যায্য বাংলাদেশ গড়া যায় না।</p>
<p><strong>সংযোগের সংখ্যা বাড়লেই ন্যায়বিচার হয় না</strong><br>বাংলাদেশে এখনো প্রায় অর্ধেক মানুষ সরাসরি ইন্টারনেট ব্যবহার করেন না। ২০২৫ সালের সরকারি তথ্য অনুযায়ী, পাঁচ বছর ও তদূর্ধ্ব জনগোষ্ঠীর মধ্যে সরাসরি ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর হার ৪৮.৯ শতাংশ; ৫৬.২ শতাংশ পরিবারে অন্তত একজন ইন্টারনেট ব্যবহারকারী আছেন; ৭২.৪ শতাংশ পরিবারের কাছে স্মার্টফোন আছে, কিন্তু কম্পিউটার আছে মাত্র ৯.১ শতাংশ পরিবারের। অর্থাৎ আমরা এমন এক ডিজিটাল কাঠামোর কথা বলছি, যা মূলত মোবাইলনির্ভর, সীমিত সক্ষমতাভিত্তিক, এবং বহু ক্ষেত্রে অসম প্রবেশাধিকারের ওপর দাঁড়িয়ে আছে। এই বাস্তবতায় শুধু “সংযোগ বেড়েছে” বলে আত্মতুষ্টি আসলে বিপজ্জনক। কারণ সংযোগ আর ক্ষমতায়ন এক জিনিস নয়।</p>
<p><strong>প্রবেশযোগ্যতা বাদ দিলে ডিজিটাল রাষ্ট্র আসলে অর্ধেক নাগরিকের রাষ্ট্র</strong><br>সরকারি মহলে প্রায়ই বলা হয়, দেশে এক হাজারের বেশি ই-সেবা চালু হয়েছে এবং প্রায় ৩৩ হাজার সরকারি ওয়েবসাইট সমন্বিত প্ল্যাটফর্মে আনা হয়েছে। কিন্তু একই সঙ্গে সরকারি ও উন্নয়ন অংশীদারদের আলোচনায় স্বীকার করা হয়েছে, বহু প্রতিবন্ধী ব্যক্তি এখনও এসব সেবা নিরাপদে ও স্বাধীনভাবে ব্যবহার করতে পারেন না। সহায়ক প্রযুক্তির অভাব, সাশ্রয়ী ইন্টারনেটের ঘাটতি, অ্যাপ ও ওয়েবসাইটে অ্যাক্সেসিবিলিটি ফিচারের অনুপস্থিতি, এমনকি অনলাইন সেবার শেষ ধাপে আবার কাগজে ফর্ম জমা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা দেখিয়ে দেয়, ডিজিটালাইজেশন হয়েছে ঠিকই, কিন্তু ন্যায্য ডিজিটালাইজেশন হয়নি। ডিজিটাল ন্যায়বিচার শুরু হয় এই স্বীকারোক্তি থেকে: যে সেবা সবার ব্যবহারের উপযোগী নয়, তা প্রকৃত অর্থে জনসেবা নয়।</p>
<p><strong>নেটওয়ার্ককে যদি সুইচের মতো বন্ধ করা যায়, তবে অধিকার কাগজেই থাকে</strong><br>বাংলাদেশ ২০২৪ সালের জুলাইয়ে দেখেছে, ইন্টারনেট কেবল প্রযুক্তি নয়, এটি নাগরিক জীবনের শ্বাসনালী। দেশজুড়ে ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউটের ফলে মানুষ পরস্পর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়েছে, ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির হয়েছে, তথ্যপ্রবাহ বন্ধ হয়েছে, এমনকি নিত্যপ্রয়োজনীয় ডিজিটাল সেবাও ভেঙে পড়েছে। এই অভিজ্ঞতা আমাদের শিখিয়েছে, নেটওয়ার্ক বন্ধ করা প্রশাসনিক কৌশল নয়, এটি নাগরিক অধিকার, অর্থনীতি, নিরাপত্তা এবং জনবিশ্বাসের ওপর সরাসরি আঘাত। কাজেই নেটওয়ার্কের দায়িত্বশীল ব্যবহার বলতে শুধু “নিয়ন্ত্রণ” বোঝালে চলবে না; বোঝাতে হবে স্বচ্ছতা, আইনসঙ্গততা, প্রয়োজনীয়তা এবং জবাবদিহি।</p>
<p><br><strong>ইন্টারনেটকে নাগরিক অধিকার বলা যথেষ্ট নয়, সেটি বাস্তবে সুরক্ষিতও হতে হবে</strong><br>সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ নিয়ে সরকারি ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, এতে প্রথমবারের মতো ইন্টারনেট অ্যাক্সেসকে নাগরিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। এটি নীতিগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। কিন্তু কঠিন প্রশ্ন হলো: যদি একই রাষ্ট্র বা প্রতিষ্ঠান প্রয়োজনে সহজেই নেটওয়ার্ক বন্ধ করতে পারে, তবে সেই অধিকার কতটা বাস্তব? অধিকার তখনই অর্থপূর্ণ, যখন তা প্রশাসনিক ইচ্ছার ওপরে আইনি সুরক্ষা পায়। নইলে “ইন্টারনেট অধিকার” বাক্যটি নীতিগত সৌন্দর্য হয়ে থাকে, কার্যকর নাগরিক গ্যারান্টি হয়ে ওঠে না।</p>
<p><strong>প্ল্যাটফর্মে নিরাপত্তা চাই, কিন্তু দমনমূলক নীরবতা নয়</strong><br>বাংলাদেশে অনলাইন প্রতারণা, ঘৃণা, যৌন হয়রানি, শিশু নির্যাতন, এবং প্রযুক্তিনির্ভর সহিংসতার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। কিন্তু নিরাপত্তার নামে যদি এমন কাঠামো তৈরি হয়, যেখানে কনটেন্ট সরানো, তদন্ত, নজরদারি বা শাস্তির প্রক্রিয়া অস্পষ্ট থাকে, তবে তা সহজেই স্বাধীন মতপ্রকাশের বিরুদ্ধে ব্যবহৃত হতে পারে। বাংলাদেশকে এখন এই সূক্ষ্ম কিন্তু জরুরি ভারসাম্য রক্ষা করতে হবে: প্ল্যাটফর্মকে নিরাপদ করতে হবে, কিন্তু সমাজকে নীরব করে নয়। দায়িত্বশীল প্ল্যাটফর্ম শাসন মানে কেবল কনটেন্ট সরানো নয়; এর মানে হলো স্বচ্ছ নিয়ম, বাংলা ভাষায় কার্যকর সুরক্ষা, আপিলের সুযোগ, এবং ব্যবহারকারীর মর্যাদা রক্ষা।</p>
<p><br><strong>ডাটা সুরক্ষা ছাড়া ডিজিটাল রাষ্ট্র খুব সহজেই নজরদারি রাষ্ট্রে পরিণত হতে পারে</strong><br>বাংলাদেশে ২০২৫ সালের ৬ নভেম্বর ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা অধ্যাদেশ গেজেট হয়েছে, এবং আইনের ভাষায় ব্যক্তিগত উপাত্তকে ব্যক্তির মালিকানাধীন বলে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। এটি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এখানেই প্রথমবার রাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে মেনে নিচ্ছে যে নাগরিকের তথ্য কেবল প্রশাসনিক সম্পদ নয়। কিন্তু এখানেই আত্মতুষ্টির জায়গা নেই। ডাটা সুরক্ষা আইন থাকলেই ডাটা ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয় না। যদি নাগরিকের সম্মতি প্রকৃত না হয়, যদি অতিরিক্ত তথ্য সংগ্রহ অব্যাহত থাকে, যদি ডাটা শেয়ারিংয়ের সীমা অস্পষ্ট থাকে, যদি স্বাধীন তদারকি না থাকে, তবে আইন কাগজে থাকবে, আর ক্ষমতা থাকবে প্রতিষ্ঠানগুলোর হাতে। ডিজিটাল ন্যায়বিচার বলে: নাগরিককে সেবা নিতে গিয়ে নিজের ব্যক্তিগত স্বাধীনতা বন্ধক রাখতে বাধ্য করা যাবে না।</p>
<p><br><strong>নারীর জন্য অনলাইন ভয়ের জায়গা হলে ডিজিটাল অগ্রগতি ভুয়া হয়ে যায়</strong><br>প্রযুক্তি ব্যবহারের সুযোগ আছে এমন নারীদের মধ্যে ২০২৪ সালের জরিপে দেখা গেছে, ৮ শতাংশের বেশি জীবদ্দশায় প্রযুক্তিনির্ভর লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতার শিকার হয়েছেন, আর গত এক বছরে এই হার ৫ শতাংশের বেশি। এই সংখ্যা কেবল পরিসংখ্যান নয়; এটি প্রমাণ করে যে অনলাইন পরিসর বহু নারীর জন্য সমান অংশগ্রহণের জায়গা নয়, বরং ঝুঁকি, লজ্জা, ভয় এবং ব্ল্যাকমেইলের ক্ষেত্র। যে ডিজিটাল স্পেস নারীর কণ্ঠকে টিকতে দেয় না, তাকে উন্নত বলা যায়, ন্যায্য বলা যায় না। যোগাযোগ-অধিকারের দৃষ্টিতে নারীর ডিজিটাল নিরাপত্তা কোনো আলাদা “নারী বিষয়ক” প্রশ্ন নয়; এটি মূলধারার নাগরিক অধিকারের প্রশ্ন।</p>
<p><br><strong>প্রযুক্তিগত সার্বভৌমত্ব মানে বিদেশবিরোধিতা নয়, জনস্বার্থে নিয়ন্ত্রণক্ষমতা</strong><br>বাংলাদেশের সামনে এখন আরেকটি বড় প্রশ্ন হলো প্রযুক্তিগত সার্বভৌমত্ব। এর অর্থ বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া নয়; বরং এমন সক্ষমতা গড়ে তোলা, যাতে গুরুত্বপূর্ণ ডাটা, সফটওয়্যার, এআই সিস্টেম এবং সরকারি ডিজিটাল অবকাঠামো জনস্বার্থভিত্তিক মানদণ্ডে পরিচালিত হয়। খসড়া জাতীয় এআই নীতি ২০২৬-২০৩০-এ ওপেন স্ট্যান্ডার্ড, interoperable APIs, National Source Code Repository, এবং vendor dependency কমানোর কথা বলা হয়েছে। এই দিকটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ যদি রাষ্ট্রের ডিজিটাল ব্যবস্থা এমন প্রযুক্তির ওপর দাঁড়ায়, যা নাগরিক অডিট করতে পারে না, স্থানীয়ভাবে বোঝা যায় না, এবং জনঅর্থে তৈরি হয়েও জননিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকে, তবে সেটি প্রযুক্তিগত উন্নয়ন হতে পারে, কিন্তু সার্বভৌম উন্নয়ন নয়।</p>
<p><br><strong>বাংলাদেশের এখন কী করা দরকার</strong><br>বাংলাদেশের ডিজিটাল ন্যায়বিচারের রূপরেখা জটিল নয়, কিন্তু রাজনৈতিকভাবে অস্বস্তিকর। প্রথমত, অ্যাক্সেসিবিলিটিকে সব সরকারি ডিজিটাল সেবায় বাধ্যতামূলক নকশাগত শর্ত করতে হবে। দ্বিতীয়ত, নেটওয়ার্ক বন্ধ বা সীমিত করার ক্ষমতার ওপর কঠোর আইনগত নিয়ন্ত্রণ, স্বচ্ছতা ও স্বাধীন পর্যালোচনা থাকতে হবে। তৃতীয়ত, প্ল্যাটফর্ম নিরাপত্তাকে নাগরিক স্বাধীনতার প্রতিদ্বন্দ্বী বানানো যাবে না। চতুর্থত, ডাটা সুরক্ষাকে প্রশাসনিক অনুশীলন নয়, নাগরিক অধিকার হিসেবে কার্যকর করতে হবে। পঞ্চমত, প্রযুক্তিগত সার্বভৌমত্বকে ওপেন স্ট্যান্ডার্ড, স্থানীয় ভাষা, জনঅর্থে তৈরি কোডের জবাবদিহি, এবং জনগণের অডিট-অধিকারের সঙ্গে যুক্ত করতে হবে। অন্যথায় “ডিজিটাল বাংলাদেশ” শুধু এক প্রযুক্তিগত স্লোগান হয়ে থাকবে।</p>
<p><strong>কেমন ডিজিটাল রাষ্ট্র চাই?</strong><br>বাংলাদেশের সামনে আসল সিদ্ধান্তটি প্রযুক্তিগত নয়, রাজনৈতিক ও নৈতিক। আমরা কি এমন ডিজিটাল রাষ্ট্র চাই, যেখানে নাগরিক সুবিধা পাবে কিন্তু স্বাধীনতা হারাবে? নাকি এমন বাংলাদেশ চাই, যেখানে প্রযুক্তি মানুষের কণ্ঠ, অধিকার, নিরাপত্তা ও মর্যাদাকে শক্তিশালী করবে? যোগাযোগ-অধিকারের দৃষ্টিতে উত্তর একটাই: ডিজিটাল ন্যায়বিচার ছাড়া ডিজিটাল অগ্রগতি টেকসই নয়। প্রযুক্তি তখনই উন্নয়ন আনে, যখন তা নাগরিককে সক্ষম করে; যখন তা শুধু রাষ্ট্রকে আরও দক্ষ নয়, আরও জবাবদিহিমূলকও করে।</p>
<p>বাংলাদেশের সামনে এখন আসল প্রশ্ন প্রযুক্তি ব্যবহারের নয়, ক্ষমতার ব্যবহারের। ডিজিটাল রাষ্ট্র কি নাগরিককে সক্ষম করবে, নাকি কেবল তাকে আরও নজরদারি, নির্ভরশীলতা এবং নিয়ন্ত্রণের মধ্যে ঠেলে দেবে? যদি ইন্টারনেট থাকে কিন্তু তা সবার জন্য ব্যবহারযোগ্য না হয়, যদি প্ল্যাটফর্ম থাকে কিন্তু মানুষ নিরাপদে কথা বলতে না পারে, যদি সেবা থাকে কিন্তু তার বিনিময়ে নাগরিককে নিজের ব্যক্তিগত তথ্যের নিয়ন্ত্রণ হারাতে হয়, তবে তাকে ডিজিটাল অগ্রগতি বলা যেতে পারে, ডিজিটাল ন্যায়বিচার নয়।</p>
<p>এখন সময় এসেছে স্লোগান থেকে সরে এসে জবাবদিহির রাজনীতিতে প্রবেশ করার। বাংলাদেশে ডিজিটাল ভবিষ্যৎ ন্যায্য হবে কি না, তা নির্ধারিত হবে এই প্রশ্নে: প্রযুক্তি কি মানুষের অধিকারকে শক্তিশালী করছে, নাকি কেবল শাসনক্ষমতাকে আরও কেন্দ্রীভূত করছে? রাষ্ট্র, বাজার এবং প্ল্যাটফর্ম যদি নাগরিকের কণ্ঠ, গোপনীয়তা, নিরাপত্তা ও মর্যাদাকে অগ্রাধিকার না দেয়, তবে “স্মার্ট” শব্দটি শুধু অলংকার হয়ে থাকবে।</p>
<p>বাংলাদেশের এখন দরকার এমন ডিজিটাল ব্যবস্থা, যা দ্রুত নয় শুধু, ন্যায্যও; আধুনিক নয় শুধু, মানবিকও; বিস্তৃত নয় শুধু, অন্তর্ভুক্তিমূলকও। কারণ ডিজিটাল ন্যায়বিচার ছাড়া ডিজিটাল রূপান্তর শেষ পর্যন্ত কেবল অসমতাকে প্রযুক্তির ভাষায় পুনর্লিখন করে।</p>
<p>বাংলাদেশে এখন প্রশ্ন প্রযুক্তি কতদূর এগোল তা নয়, বরং প্রযুক্তি মানুষের পাশে দাঁড়াল, নাকি মানুষের ওপর দাঁড়াল।</p>
<hr>
<p><strong>লেখকঃ</strong> বাংলাদেশের জন্য দায়িত্বশীল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (AMR) বিষয়ক অ্যাম্বাসেডর</p>
<hr>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>জনপ্রত্যাশা পুরণে ভূমির মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের  তাগিদ দিলেন মন্ত্রী</title>
<link>https://digibanglatech.news/172084</link>
<guid>https://digibanglatech.news/172084</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69c8d71eafaac.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 29 Mar 2026 12:47:45 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নিয়ে রাজধানীর ভূমি প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে শুরু হয়েছে উচ্চতর ভূমি ব্যবস্থাপনা কোর্স। পাঁচদিন ব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালায় অংশ নিচ্ছে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আগাত ৭৫ জনের মতো কর্মকর্তা। </p>
<p>২৯ মার্চ, রবিবার সকালে এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন ভূমি মন্ত্রী মোঃ মিজানুর রহমান মিনু।  এসময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জনগণের প্রত্যাশা পুরণে কর্মকর্তাদের কাজ করতে তাগিদ দেন  ভূমি মন্ত্রী।</p>
<p>প্রসঙ্গত, <span>ভূমি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট ও অ্যাপের মাধ্যমে</span><span> মোবাইল নম্বর ও এনআইডি দিয়ে ঘরে বসেই অনলাইনে নামজারি (e-Mutation), খতিয়ান/পর্চা উত্তোলন, ভূমি উন্নয়ন কর প্রদান এবং মৌজা ম্যাপ প্রাপ্তির সুযোগ রয়েছে। 'ভূমি সেবা' অ্যাপ ব্যবহার করে নাগরিকরা নামজারি আবেদন, ডিসিআর ফি পরিশোধ এবং খতিয়ান যাচাইসহ নানা সুবিধা পাচ্ছেন। এই ব্যবস্থায় হয়রানি কমে স্বচ্ছতা বাড়লেও অনেক নাগরিকই এই সুবিধার সাথে সংযুক্ত নন। </span></p>
<p><span>তাদেরকেও সমান ভাবে সেবার অধীনে আনতে কর্মকর্তাদের তৎপর হওয়ার তাগিদ দিয়ে প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধনীতে </span>মন্ত্রী মোঃ মিজানুর রহমান মিনু বলেন, অসংখ্য সমস্যা নিয়ে ভূমি অফিসে মানুষের যাতায়াত। সংশ্লিষ্ট কর্তাদেরকে মানুষের এ সমস্যাগুলোর আইনি সমাধানে দ্রুত এগিয়ে আসতে হবে। তিনি বলেন, ভূমির সমস্যা নিয়ে আমাদের অনেক আইনকানুন রয়েছে যেগুলো মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদেরকে রপ্ত করতে হবে। এ বিষয়ে প্রশিক্ষণের বিকল্প নেই।</p>
<p>প্রশিক্ষণ কোর্সে অংশগ্রহণকারী উপস্থিত সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, আমাদের প্রিয় বাংলাদেশকে আগামী দিনে আরো ভালোভাবে এগিয়ে নেওয়ার জন্য বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারের নির্দেশনা বাস্তবায়নে সবাইকে মনোযোগী হতে হবে।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x_69c8d71fd15a6.jpg" alt=""></p>
<p>তিনি বলেন, আমাদের সরকার বারবার বলে আসছে যে, স্বচ্ছতার সঙ্গে এবং অত্যন্ত সুন্দরভাবে যেন আমরা মানুষকে ভূমি সেবা দিতে পারি।</p>
<p>মিজানুর রহমান মিনু বলেন,  এমন কোন কর্মকাণ্ড যেন আমরা না করি যাতে একজন সহকর্মীর অন্যায় ও অপকর্মের কারণে সারা দেশের মাঠ পর্যায়ের অন্য কর্মকর্তাদের বদনাম হয়। এ ছাড়াও ইচ্ছাকৃত অনিচ্ছাকৃত কারণে হলেও মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের অপকর্মের দায় সম্পূর্ণ সরকারের উপরে আসে। কারণ তারা সরকারের অধীনেই কাজ করে। তাই এ বিষয়ে সকলকে সচেতন হতে হবে।</p>
<p>ভূমি মন্ত্রণালয় ভূমি প্রশাসন ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের পরিচালক আবুল খায়ের এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন, ভূমি সংস্কার বোর্ডের চেয়ারম্যান এজেএম সালাহউদ্দিন নাগরী, ভূমি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (আইন )আব্দুর রউফ এবং অতিরিক্ত সচিব নাসরিন জাহান।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এএসকে/এমইউএম</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ভুয়া ফটোকার্ড নিয়ে হানিফ সংকেতের উদ্বেগ</title>
<link>https://digibanglatech.news/171951</link>
<guid>https://digibanglatech.news/171951</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69c77789d321f.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 28 Mar 2026 00:00:32 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>‘ইত্যাদি’ খ্যাত টিভি উপস্থাপক ও নির্মাতা হানিফ সংকেতের  নাম ব্যবহার করে বেশকিছু ভুয়া ফটোকার্ড সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তিনি। এর মধ্যে শেখ হাসিনা ফ্যাসিস্ট নয়, শেখ হাসিনা হলো বাংলাদেশ গড়ার আর্টিস্ট শিরোনামের ফটোকার্ডটি যাচাই করে সেটি ভুয়া বলে প্রমাণ পেয়েছে রিউমর স্ক্যানার।</p>
<div class="news-paragraph">
<p>গত ২৫ মার্চ থেকে সামাজিক যোগাযোগ ছড়িয়ে পড়ে বেশ কয়েকটি ভুয়া ফটোকার্ড। ওইসব ফটোকার্ডে দেখা যাচ্ছে, হানিফ সংকেতের ছবি ব্যবহার করে বিভিন্ন বক্তব্য প্রচার করা হচ্ছে। এসব পোস্টের কিছুতে রাজনৈতিক মন্তব্যও জুড়ে দেয়া হয়েছে, যা দ্রুত ভাইরাল হয় সামাজিক মাধ্যমে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ফটোকার্ড বিষয়ে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে পোস্ট দিয়েছেন হানিফ সংকেত।</p>
</div>
<p>সেখানে তিনি লিখেছেন, সুহৃদ, আমি দীর্ঘদিন ধরেই আমার অনুষ্ঠানের মাধ্যমে একটি কথা বলে আসছি- সত্যতা যাচাই না করে সামাজিকমাধ্যমে কোনো কিছু পোস্ট বা শেয়ার করা শুধু অন্যায় নয়, অপরাধও। দুঃখজনক হলেও সত্য, সম্প্রতি আমার কিছু শুভাকাঙ্ক্ষী ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া বেশ কয়েকটি ফটোকার্ড পাঠিয়ে আমার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।</p>
<p>তিনি আরও বলেন, ওই ফটোকার্ডের কথাগুলো আমার উপস্থাপনাশৈলীর অনুকরণে ছন্দবদ্ধভাবে লেখা হলেও, সেগুলোর সঙ্গে আমার কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা নেই। অথচ অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, কোনো রকম সত্যতা যাচাই না করেই অনেকে এ ফটোকার্ডগুলো শেয়ার করছেন, কমেন্ট করছেন এবং লাইক দিচ্ছেন।</p>
<p>দীর্ঘ চার দশক ধরে আমি কোনো রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা ছাড়াই নিরপেক্ষতা ও স্বাতন্ত্র্য বজায় রেখে সুস্থ সংস্কৃতির বিকাশ ও সামাজিক দায়বদ্ধতা নিয়ে কাজ করছি উল্লেখ করে তিনি ওই পোস্টে লিখেছেন, আমার প্রকৃত বক্তব্য, উক্তি বা ফটোকার্ড শুধু আমার নিজস্ব ভেরিফায়েড প্ল্যাটফরম এবং স্বীকৃত গণমাধ্যমেই প্রকাশ করা হয়। প্রযুক্তির এই উৎকর্ষের সময়ে এর অপব্যবহার সম্পর্কে আমাদের সবারই আরও সচেতন হওয়া প্রয়োজন। অনুরোধ থাকবে, এ ধরনের কোনো অজানা, অচেনা বা অখ্যাত উৎস থেকে আসা তথ্যে বিভ্রান্ত হবেন না এবং তা প্রচার করে অন্যকেও বিভ্রান্ত করবেন না।</p>
<p>২৬ মার্চ বিকেলে এই পোস্ট দেয়ার পর ২৭ মার্চ ফটোকার্ডটি যাচাই করে ডিবাং করে রিউমার স্ক্যানার।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এসএমএস/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>সরকার কি জিডিপি ডেটাবেজ ঠিক করবে?</title>
<link>https://digibanglatech.news/171930</link>
<guid>https://digibanglatech.news/171930</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x_6926644404087.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 27 Mar 2026 23:03:28 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div class="xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs x126k92a">
<div dir="auto">অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর ভাইয়ের ইন্টারভিউ শুনলাম। সরকার ঈদের আগে ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে ব্যস্ত ছিল (৩৭ হাজার দেয়া হচ্ছে এই ফেইজে), কিছু ঈমাম ও মুয়াজ্জিনদের (ইউনিয়ন পর্যায়ে ১/২ জন করে) ভাতা দেয়া হয়েছে। সরকার এখন ফার্মার কার্ড নিয়ে ব্যস্ত আছে, যা ১লা বৈশাখে পাইলট ফেইজ হিসেবে উদ্বোধন করা হবে। সরকার বাজেট নিয়ে ব্যস্ত থাকছে।</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">সরকার সোশ্যাল সেইফটি বাড়াবে, এরপরে কর ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে মনোযোগ দিবেন। উপদেষ্টা বলেছেন, বাজেটে কর বাড়নো এবং বিনিয়োগ ফ্লোতে সরকার মনোযোগ দিবেন। ফ্যামিলি কার্ড ও ফার্মার কার্ডের টাকার যোগানে সরকার বিদ্যমান সেইফটি নেটের ডুপ্লিকেশন কমাবে। ডেটাবেজ ঠিক করায় জোর দিবে। খানা প্রতি পভার্টি ডেটাবেজ তৈরি করবেন, মিন পভার্টি টেস্ট (এমপিটি) সাপেক্ষে ডেটাবেজ হবে। এটা বুঝা গেল উপদেষ্টা মহোদয়ের ইন্টারভিউ থেকে।</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">ফেয়ার এনাফ।</div>
<div dir="auto"></div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">প্রশ্ন হচ্ছে, এতে সামষ্টিক অর্থনীতির রোগ সারাবে কিনা? মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখবে কিনা এবং বিনিয়োগ আদৌ বাড়াবে কিনা?</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">এসব প্রশ্নের উত্তর হ্যাঁ সূচক বলার সুযোগ নাই। কেননা, যে কোনো ম্যাসিভ স্কেলের অলস ভাতা মূল্যস্ফীতি তৈরি করে এবং রাজস্বের উপর চাপ তৈরি করে, যা আন-সাসটেইনেবল।</div>
<div dir="auto"></div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">দেশে রেমিট্যান্সের উপর ২,৫% প্রণোদনা আছে বহু বছর ধরে। এটা বন্ধ না করে আপনি মূল্যস্ফীতি ৬-৭ এর নিচে আনতে পারবেন না।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">আবার দেখুন, ঈদে গারমেন্টসকে আড়াই হাজার কোটি টাকা দেওয়া হল।</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">কেন?</div>
<div dir="auto"></div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">ক্যাপিটাল মেশিনারি (মূলধনী যন্ত্রপাতিতে) কেনায় নয়। জাস্ট রোজা ও ঈদের বেতন দেয়ায়। ৪০ বছরের পুরানো ইন্ডাস্ট্রি কর্মীদের বেতন দিতে পারে না, অর্থাৎ সরকার বেসরকারি কোম্পানির রপ্তানিমূখী শিল্পের ওপেক্সে ইনভেস্ট করছে। ভেরি আন-লাইকলি কেইস। মুক্তবাজার অর্থনীতিতে আমরা যদি দেখি প্রডাকশন আছে, ওর্ডার আছে, বিক্রি আছে কিন্তু ওপেক্স চালাতে পারে না, কর্মীর বেতন দিতে পারে না, এটা কোনো না কোনো লুকোচুরি বা জালিয়াতির ইঙ্গিত দেয়।</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">সুদের হার মাফ করতে গিয়ে সরকার মূল ঋণও মাফ করে দিয়েছে, সেখানে ১১৫০ কোটি টাকার বাড়তি চাপ এসেছে। আমরা জানি, এরা সবাই কৃষক নয়।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">ফলে ফ্যামিলি কার্ড, ফার্মার কার্ড, ভাতা, সুদ-আসল, মাফ, গারমেন্টসের প্রণোদনা এগুলির সামারি হচ্ছে- বিশাল রাজস্ব চাপ, অটেকসই, আন বিয়ারেবল। ফলে সরকারের ঋণ বাড়বে। (আবার রাজস্ব না বাড়লে, বাড়তি ঋণ নেয়া আত্মঘাতী)। রাজস্ব না বাড়লে যে সংখ্যায় দিচ্ছে ৩০ হাজার থেকে কয়েক লাখ, এতেই সীমাবদ্ধ থাকতে হবে, এতে ইনফ্ল্যাশন তেমন বাড়বে না।</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">আমার ধারণা, রাজস্ব বেশ না বাড়লে ফান্ড জোগান হবে না, তাই কোটি মানুষকে দেওয়া সম্ভব হবে না আদৌ। কারণ আপনি পেনশন, শিক্ষা উপবৃত্তি, বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা, বন্যা ঝড়ের দুর্যোগের ফান্ড, টিসিবি সব বন্ধ করতে পারবেন না। ডুপ্লিকেশন ও মিস অ্যালোকেশন থামানো যাবে যদি রাজনৈতিক চাপ, ঘুষ না থাকে, ডেটাবেজ নিয়ার-একুরেট, ইন্টার-মিনিস্ট্রিয়াল ইন্টার অপারেবল হয়। ব্যক্তি ও পরিবারের আয় বাড়া-কমা, দারিদ্র্য ও দুর্যোগ পরিস্থিতির সাথে ডায়নামিক হয়। নাইলে ভুল যায়গায় ভাতা ভোগীর সংখ্যা ও ভাতার পরিমাণ পাইল-আপ হবে, নাইলে হাতে প্লাস্টিক কার্ড থাকবে কিন্তু কার্ডে টাকা আসবে না।</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">এই অর্থবছরে এখনই রাজস্ব ঘাটতি ৫০ হাজার কোটির কাছাকাছি। উল্লেখ্য, এই বাজেট ইতিহাসে ১ম বারের মত তার আগের বছর থেকে কমেছে। আমরা দেখবো, হয় ধাই ধাই করে লোন বাড়ছে, অথবা বার্ষিক উন্নয়ন বাজেট বা এডিপি একেবারে ছোট হয়ে আসছে।</div>
<div dir="auto"></div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">তবে আমার মত হচ্ছে ইন্টার অপারেবিলিটি, ডায়নামিক পভার্টি ডেটা এবং ইউনিভার্সাল ডেটাবেজ ও ওয়ান-ইউনিক আইডির বিপরীতে ভাতা দেয়া। আলাদা আলাদা কার্ড না দেয়া। তার সাথে বয়স্ক শিক্ষা, পরিবেশ, শৃঙ্খলা ইত্যাদি বৈকালীন সান্ধ্যকালীন শিক্ষা এড করা যা গভর্নেন্সকে শক্তিশালী করে, নাগরিকের সচেতনতা বাড়ায় তা দরকার। ফ্যামিলি কার্ড বা ফারমার কার্ড বা অন্য কোনো ইন্সেন্টিভ দিতে আলাদা প্লাস্টিক কার্ড লাগে না, লাগে বেটার ডেটাবেজ যাতে ভাতা দারিদ্র্য দুর্যোগ এবং আয়হীনতা ও উৎপাদনের সাথে সংযুক্ত থাকে। ইনফ্যাক্ট কৃষককে ইন্সেন্টিভ দিতে ফার্মার কার্ড লাগে না, লাগে কম্প্রিহেন্সিভ ডেটাবেজ। লাগে সারের কীটনাশকের ন্যায্য মূল্য এবং ফলনের যৌক্তিক বাজার দাম যাতে তার 'কস্ট অফ প্রডাকশন' উঠে আসা। যেমন এখন গোলআলুর দাম।</div>
<div dir="auto"></div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">অর্থাৎ 'দেখতে বেনাভোলেন্ট' প্রোগ্রামে অর্থনীতির আসল ক্ষত সারাবে না।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto"><span style="font-size: 18pt;"><strong>দুই</strong></span></div>
<div dir="auto"></div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">সরকার বিনিয়োগ বাড়াবে, কীভাবে?</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">মিলিয়ন ডলার প্রশ্ন, সরকার কী ৫০% বা ৬০% বা তার বেশি খেলাপি ঋণ আছে এমন ব্যাংক মরতে দিবে? ১০টা আছে ৭০% এর উপরে খেলাপি।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">না দিলে বিনিয়োগ বাড়বে না। খেলাপি ঋণ বাড়বে। খারাপ ব্যাংক মার্জারে খেলাপি ঋণ বাড়ার গতি কিছু কমতে পারে মাত্র।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">রাজনৈতিকভাবে দুর্বৃত্তায়িত ঋণ দেওয়া ব্যাংক বন্ধ না হলে খেলাপি ঋণ যাবে না, পিরিয়ড।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">আপনি ক্যাপিটালিজমের সমস্যাকে ক্যাপিটালিজম দিয়েই সল্ভ করবেন।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">বড় প্রশ্ন,</div>
<div dir="auto">সরকার কি ব্যাংক গুলাতে রিস্ক ম্যানেজমেন্ট ঠিক করবে?</div>
<div dir="auto">দেশের ক্রেডিট রেটিং ব্যবস্থা ঠিক করবে? (ডিজিটালি স্বয়ংক্রিয়)</div>
<div dir="auto">এবং ইন্সুরেন্স ব্যবস্থা ঠিক করবে?</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">এগুলা বড় বড় পলিটিক্যাল ইকোনোমি সিদ্ধান্ত যা রাজনৈতিক সরকারকে নিতে হবে, এর সাথে বিদ্যমান কায়েমী স্বার্থবাদিতা আছে।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">এগুলা ঠিক না হলে বিনিয়োগ বাড়বে না। রাজনৈতিক সরকার আসলে আটো বিনিয়োগ বাড়বে, এটা ডিলিউশান। এন্টাই-ইনভেস্টমেন্টের স্ট্রাকচারাল সমস্যা সমাধান করতে হবে।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">ভূল যায়গায় কেনেসীয় অর্থনীতি টেনে আনার প্রবণতা দেখছি।</div>
<div dir="auto">১। ব্যাংক বন্ধের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত</div>
<div dir="auto">২। গার্মেন্টস প্রনোদনা</div>
<div dir="auto">৩। সুদের বাইরে মূল ঋণ ওয়েভ করে দেয়া</div>
<div dir="auto">৪। জ্বালানি অদক্ষ, উৎপাদনে অক্ষম সেকেলে প্রযুক্তির শিল্প-কারখানা খোলা। এগুলা ডেবট বার্ডেন বাড়াবে।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">অর্থাৎ দুর্বৃত্তায়ন ও অদক্ষতার বিপরীতে সোশ্যাল বেনিফিট। নট ফেয়ার।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto"><span style="font-size: 18pt;"><strong>তিন</strong></span></div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">সরকার কি জিডিপি ডেটাবেজ ঠিক করবে? অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এনপিএল ডেটাবেজ ঠিক করায় খেলাপি ঋণ ২ লাখ বেশি দেখাচ্ছে। (টকশো সন্ত্রাসীরা এটা নিয়ে প্রোপাগান্ডা করছে)। যদি না করে, তাইলে একদিকে নতুন বাজেট গলাভরা সংখ্যার হবে, অন্যদিকে বাস্তবায়ন আওয়ামীলীগের মতই এক চতুর্থাংশ কম হবে।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">ইন্টারঅপারেবিলিটি এবং ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার না হলে কর জাল বাড়বে না, সোর্স থেকে কর ও ভ্যাট উত্তোলন হবে না। দেশে কর জালের ডিজিটাল ইনফ্রা নাই, শুধু ডিজিটাল সাইলো আছে কিছু।</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">আন-নেসেসারি এসআরও আছে অনেক, মানি। শুধু এসআরও কমালে কর বাড়বে না। ভুল এসআরও বন্ধে শিল্পে বিনিয়োগ কমতে পারে। দেশ বিনিয়োগ বান্ধব না, ফলে ইন্সেন্টিভ না থাকলে শিল্প বিনিয়োগ কমতে পারে।</div>
<div dir="auto"></div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">অন্যদিকে, বিবিএস সহ যাবতীয় ম্যাক্রো ও মাইক্রো ডেটাবেজ ভালো না হলে, বেটার গভর্নেন্স অসম্ভব। জ্বালানি কত লাগবে, পণ্য উতপাদন ও আমদানি কত লাগবে, কাঁচামাল আমদানি কত (গ্রোথের বিপক্ষে) সব ব্যাহত হবে। আগেও ক্রমাগত হয়েছে।</div>
<div dir="auto"></div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">বিদ্যুৎ খাত, সিমেন্ট খাত এসব খাত আওয়ামী ভুয়া জিডিপি ডেটার প্রজেকশনে আজকে মাইনকা চিপায়। চিপায় দেশের অর্থনীতি। জিডিপি ডেটাবেজ ঠিক করে প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি জ্বালানি রোডম্যাপ নিয়ে বসতে হবে। তবেই মুক্তি।</div>
<div dir="auto"></div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">জিয়া ভাইয়ের লেখা পড়লাম, বলেছেন দেশ ব্যালান্স শিট রেসিশনে (রিচার্ড কো) পড়েছে। কিন্তু আমরা দেখছি ব্যালান্স-শিট রেসিশন মূলত এটা ব্যাংক গুলোতে, যারা পঞ্জি ঋণ দিয়েছে, রাজনৈতিক ক্ষমতার অপব্যবহার করে ঋণ নিয়ে মেরে দিয়েছে। হাউজহোল্ড বা রিয়েলএস্টেটে ব্যালান্স শিট ক্রাইসিস সেভাবে দেখছি না।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">Bangladesh’s private sector is not broadly deleveraging, rather, credit is misallocated (পঞ্ছি ঋণ, রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী লোকেরা নিয়েছে, মেরে দিয়েছে, পাচার করেছে)। The problem is not lack of demand for loans, but lack of trust, bad asse, Private sector overleverag কম, বাংলাদেশে রিয়েল এস্টেট এসেট ভ্যালু সেভাবে কমেনি, বিদ্যুৎ খাত এবং রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়িত খেলাপি ঋণ ছাড়া প্রকৃত ব্যবসায়ীরা অতিরিক্ত ঋণ নিয়ে মার্কেটে ইঞ্জেক্ট করেছে এরকম প্রমাণ কম। কোম্পানি গুলো আরও বেশি ঋণ করতে চায়, কিন্তু তাদের অভিযোগ সুদের হার বেশি। সুদের হার বাড়িয়ে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করা গেছে, খুব সাম্প্রতিক অভিজ্ঞতা, ফলে মুদ্রানীতি কাজ করছে না এটা বলা যাবে না।</div>
<div dir="auto"></div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">ফলে, আমাদের এখানে ট্রিপল ক্রাইসিস চলছে।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">ক। ব্যাংকিং সেক্টর ক্রাইসিস।</div>
<div dir="auto">খ। কর জিডিপি হার বিশ্বের সবচেয়ে কম বলে চলছে ফিস্ক্যাল ক্রাইসিস/রেভেনিউ ক্রাইসিস, ট্যাক্স নেট ক্রাইসিস, ট্যাক্স কালেকশন ইনফ্রা ক্রাইসিস।</div>
<div dir="auto">গ। আছে দুর্নীতি ও স্বল্প দক্ষতা জনিত গভর্নেন্স ক্রাইসিস।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">আমাদের পথ কণ্টকাকীর্ণ। এটা পাড়ি দিতে হবে।</div>
<div dir="auto"><hr><strong>লেখকঃ</strong><span> </span><span><span>প্রযুক্তিবিদ, সাবেক প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী</span></span><hr><span></span><span></span></div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>প্রযুক্তি ও সামাজিক ব্যবসায় বাংলাদেশ&#45;জাপান সমন্বিত উদ্যোগে নতুন সুযোগ</title>
<link>https://digibanglatech.news/171859</link>
<guid>https://digibanglatech.news/171859</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69c63f4299f11.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 27 Mar 2026 00:00:26 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div class="html-div xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl">
<div dir="auto" class="html-div xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl">
<div data-ad-rendering-role="story_message" class="html-div xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl">
<div class="x1l90r2v x1iorvi4 x1g0dm76 xpdmqnj" data-ad-comet-preview="message" data-ad-preview="message">
<div class="x78zum5 xdt5ytf xz62fqu x16ldp7u">
<div class="xu06os2 x1ok221b">
<div class="html-div xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl">
<div class="xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs x126k92a">
<div dir="auto">সৃজনশীলতা, প্রযুক্তি এবং সামাজিক ব্যবসার সমন্বয়ে একসাথে কাজ করবে বাংলাদেশ ও জাপান। বাংলাদেশের ইউনূস সেন্টারের সঙ্গে জাপানের অ্যানিমেশন,<span> গ্রাফিক উপন্যাস </span>মাঙ্গা, গেমিং ও ডিজিটাল শিক্ষা খাতে কাজ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে জাপানি ধাঁচের কমেডির মাধ্যমে মানুষের সুখ-সমৃদ্ধি প্রচারে নিয়োজিত প্রতিষ্ঠান ইয়োশিমোতো কোগিও হোল্ডিংস। </div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">নোবেলজয়ী প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে টোকিওর স্থানীয় সময় ২৬ মার্চ, বৃহস্পতিবার সকালে প্রাতঃরাশ বৈঠকে সৃজনশীলতা, প্রযুক্তি এবং সামাজিক ব্যবসার সমন্বয়ে কীভাবে তরুণদের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি করা যায় তা নিয়ে ফলপ্রসু আলোচনা করেছেন ইয়োশিমোতো কোগিও হোল্ডিংসের সাবেক চেয়ারম্যান হিরোশি ওসাকি। বৈঠকে জাপানের একটি উদ্ভাবনী অনলাইন হাই স্কুলের সেক্রেটারি জেনারেল নাওইয়া শিরাইশি; উইক-এর ইয়োশিয়াকি নাকামিচি; প্রখ্যাত গেম নির্মাতা ওজি হিরোই এবং দক্ষ অ্যানিমে চরিত্র ডিজাইনার মাসাহিরো নাকায়ামা উপস্থিত ছিলেন। 
<div dir="auto"></div>
</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">
<div dir="auto"> এ বিষয়ে উইনূস সেন্টার থেকে জানানো হয়, বৈঠকে অ্যানিমেশন এবং বৃহত্তর সৃজনশীল শিল্পে কীভাবে সামাজিক ব্যবসায়িক মডেল প্রয়োগ করা যেতে পারে সে বিষয়ে আলোচনা হয়। অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি ও উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করার জন্য প্রতিনিধিদলটি গ্রামীণ সোশ্যাল বিজনেসের সাথে সম্ভাব্য যৌথ উদ্যোগ নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ প্রকাশ করে। এর পাশাপাশি দক্ষতা উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ, ক্রিয়েটিভ প্রোডাকশন এবং ডিজিটাল শিক্ষা-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার সুযোগ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বৈঠকের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল বাংলাদেশে তরুণদের মধ্যে দক্ষতা বৃদ্ধি করা যা তাদেরকে বৈশ্বিক অ্যানিমেশন শিল্পে অংশগ্রহণের জন্য উপযোগী করে তুলবে।</div>
</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">প্রতিনিধিরা জানান, যথাযথ প্রশিক্ষণ ও সহায়তা পেলে বাংলাদেশের তরুণরা আন্তর্জাতিক সৃজনশীল বাজারে প্রতিযোগিতামূলক অবদান রাখতে পারবে। তারা বাংলাদেশের তরুণ-তরুণীদের জন্য অ্যানিমেশন ও ডিজিটাল কনটেন্ট সৃষ্টির ক্ষেত্রে বৈশ্বিক সুযোগ তৈরি করতে গভীর আগ্রহ জানান। এছাড়াও মাঠপর্যায়ের সুযোগ-সুবিধা মূল্যায়ন করতে এবং সৃজনশীল খাতে সামাজিক ব্যবসায়িক উদ্যোগ বাস্তবায়নের একটি রূপরেখা তৈরি করতে তারা শিগগিরই বাংলাদেশ সফর করবেন বলে আশা প্রকাশ করেন।</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div class="html-div xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl x1n2onr6">
<div class="html-div xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl x1n2onr6">
<div class="html-div xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl">
<div class="x1n2onr6">
<div class="x1n2onr6">
<div class="x6ikm8r x10wlt62 x10l6tqk"></div>
<div class="x6ikm8r x10wlt62 x10l6tqk">প্রসঙ্গত, ইউনূস-ইয়োশিমোতো সোশ্যাল অ্যাকশন গ্রুপের প্রতিনিধি পরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন হিরোশি ওসাকি।</div>
<div class="x6ikm8r x10wlt62 x10l6tqk"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এসএইচআই/এমইউএম</strong></span></em></div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div class="html-div xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl x6ikm8r x10wlt62"></div>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>কমছে ইকিউ; এআই&#45;কে ছুটি দিন</title>
<link>https://digibanglatech.news/171975</link>
<guid>https://digibanglatech.news/171975</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x_69b52662a8c2e.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 25 Mar 2026 16:05:15 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div class="xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs x126k92a">
<div dir="auto">
<div class="xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs x126k92a">
<div dir="auto">মানুষ উড়তে পারেনা। তাই তারা বানালো প্লেন। মানুষ বেশি ওজন তুলতে পারে না সেজন্য সে বানালো ক্রেন। কিন্তু মানুষের একটা ইগো আছে। সে ভাবে বুদ্ধিমানের জগতে অন্য কাউকে পার্টনার হিসেবে নেওয়া যাবে না। কিন্তু আমার যেহেতু বুদ্ধি কম, আমি প্রথম থেকেই ভেবে নিয়েছি মানুষের বুদ্ধিমান পার্টনার দরকার। মানুষ খেলবে অন্য লেভেলে।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">কারণটা সহজ। যে কাজগুলো করতে আগে বুদ্ধি লাগত - ডেটা অ্যানালাইসিস, হিসাব কষা, ডাটা প্রসেস করা - সেগুলো এখন মেশিন করছে। এআই করছে। আর মেশিন এই কাজগুলোতে মানুষের চেয়ে অনেক বেশি দ্রুত আর নির্ভুল। এই জিনিসটা আমি মেনে নিয়েছি অনেক আগেই। সে কারণেই এতগুলো বই লেখা। তাহলে মানুষের সুবিধা কোথায়?</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">উত্তরটা হলো ইকিউ - ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">ইকিউ মানে শুধু আবেগপ্রবণ হওয়া না। এটা চারটা জিনিসের সমন্বয়। প্রথমত, নিজের আবেগ বোঝা - আমি এখন কেন রাগছি, কেন ভয় পাচ্ছি। দ্বিতীয়ত, সেই আবেগকে কন্ট্রোল করা। তৃতীয়ত, অন্যের অনুভূতি বোঝার ক্ষমতা - যাকে বলে এমপ্যাথি। আর চতুর্থত, মানুষের সাথে ভালো সম্পর্ক রাখার দক্ষতা। আমার যেহেতু বুদ্ধি কম (মানে যন্ত্রকে আউটসোর্স করে দিয়েছি), সে কারণেই এই চারটা বিষয়ে রপ্ত করে নিয়েছি শুরুতেই।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">আরেকটা মজার বিষয় হলো টেকনোলজির প্যারাডক্স। আমরা এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি কানেক্টেড - ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, ইউটিউব, ইনস্টাগ্রাম। কিন্তু একাকীত্ব বাড়ছে। মানুষের সাথে ইমোশনাল কানেকশন কমছে। কারণ ইকিউ বাড়াতে হলে সামনাসামনি মানুষের সাথে সময় কাটাতে হয়, একসাথে কষ্ট পেতে হয় (মিলিটারি একাডেমিতে যখন আমাদেরকে একসাথে "ডলা" দেওয়া হয়েছে, সেটা আমরা এখনো চেরিশ করি), একসাথে হাসতে হয়। এটা মেশিন শেখাতে পারবে না।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">বর্তমান যুদ্ধ থেকে শুরু করে রাজনৈতিক মেরুকরণ - আজকের বড় বড় সমস্যাগুলো সমাধান করতে শুধু ডেটা দরকার না। দরকার এমপ্যাথি। দরকার ভিন্নমতের মানুষকে বোঝার ক্ষমতা। এটা ভয়ংকর ভাবে কমে আসছে ইদানিং।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">আমরা সারাজীবন আবেগকে দুর্বলতা মনে করেছি। ভেবেছি লজিক দিয়ে সব কিছু জেতা যাবে। কিন্তু এআই-এর যুগে সবচেয়ে বড় শক্তি হলো মানুষের আবেগ - কানেক্ট করার ক্ষমতা, অন্যকে অনুপ্রাণিত করার ক্ষমতা, মানে সম্পর্ক তৈরি করার ক্ষমতা।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">মেশিন এটা পারবে না। এটা শুধু মানুষই পারে।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">.......</div>
</div>
<div dir="auto">ঢাকার একটা স্টার্টআপ। ফাউন্ডার গর্বের সাথে বললেন - "আমাদের AI এজেন্ট চব্বিশ ঘণ্টা চলে। ঘুমের মধ্যেও কাজ করে।"</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">শুনতে দারুণ, ঠিক না?</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">কিন্তু বিল দেখলে সেটা আর দারুণ মনে হয় না।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">মাস শেষে OpenAI-এর ইনভয়েস আসলো। পঞ্চাশ হাজার টাকা। পরের মাসে আরো বেশি। তৃতীয় মাসে ফাউন্ডার হিসেব করতে বসলেন। এজেন্ট চব্বিশ ঘণ্টা কী করছে আসলে?</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">দেখা গেল - একই ডেটা বারবার চেক করছে। একই সিদ্ধান্ত বারবার নিচ্ছে। একই কনটেক্সট বারবার প্রসেস করছে।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">কাজ হচ্ছে না। টোকেন পুড়ছে।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">.........</div>
<div dir="auto">দুই ধরনের সিস্টেম।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">পৃথিবীতে দুই ধরনের মানুষ আছেন।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">এক দল AI দিয়ে সিস্টেম চালায়। অন্য দল AI দিয়ে সিস্টেম বানায়।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">প্রথম দল প্রতিদিন বিল দেয়। দ্বিতীয় দল একবার বানিয়ে রেখে দেয়।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">পার্থক্যটা বড়।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">অটোনোমাস সিস্টেম মানে AI সারাক্ষণ জেগে আছে। প্রতিটা সেকেন্ডে টোকেন খাচ্ছে। কিছু হোক বা না হোক।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">ডিটাচড সিস্টেম মানে AI একবার কাজ করেছে। সিস্টেম বানিয়ে দিয়েছে। এখন সিস্টেম নিজেই চলছে। AI শুধু ডাক পড়লে আসে।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">..........</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">বাংলাদেশের হিসাব।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">আমাদের দেশে ডলারের দাম বেশি।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">GPT-4 Turbo-তে প্রতি মিলিয়ন টোকেনে খরচ $30। বাংলাদেশি টাকায় প্রায় সাড়ে তিন হাজার টাকা।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">দিনে ৬ হাজার ট্রানজেকশন। প্রতিটায় গড়ে ৫০০ টোকেন। মাসে দাঁড়ায় ৯ কোটি টোকেন।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">হিসাব করুন নিজেই।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">এই বিলটা দিয়ে একজন ভালো ডেভেলপারের এক বছরের বেতন হয়ে যায়।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">..........</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">চব্বিশ ঘণ্টার রিসার্চ কথাটা ঠিক না।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">AI রিসার্চ কম্প্রেস করে।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">কয়েক দিনের কাজ কয়েক মিনিটে।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">তাহলে সারাদিন ধরে রিসার্চ চলছে মানে কী? মানে লুপ চলছে। একই তথ্য বারবার প্রসেস হচ্ছে। একই আউটপুট বারবার আসছে।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">এটা কাজ না। এটা খরচ।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">হাইকিং করতে গিয়ে বলছেন AI কাজ করছে। ফ্লাইটে বসে বলছেন AI কাজ করছে। ঘুমের মধ্যেও বলছেন AI কাজ করছে।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">আসলে কী হচ্ছে?</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">একই টাস্ক। ভিন্ন সাইকেল। একই আউটপুট। আর বাড়ছে টোকেন খরচ।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">চব্বিশ ঘণ্টা চলা মানে দক্ষ না। চব্বিশ ঘণ্টা চলা মানে প্রসেস লিক করছে।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">.......</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">আমার রাস্তা এই মুহূর্তে একটাই।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">আমি দ্বিতীয় দলে।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">সিস্টেম বানাতে AI লাগাই। সিস্টেম চালাতে না।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">n8n-এ একটা ওয়ার্কফ্লো বানিয়ে রাখি। ট্রিগার ছাড়া AI জাগে না। ট্রিগার এলে AI কাজ করে। কাজ শেষে ঘুমায়।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">ডিপ্লয়মেন্টের পরে টোকেন খরচ অনেক কমে এসেছে।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">মাসে $20-এর মধ্যে ৬ হাজার ট্রানজেকশন? সম্ভব। কিন্তু শুধু তখনই - যখন AI সিস্টেম চালাচ্ছে না, সিস্টেম বানিয়ে দিয়েছে।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">........</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">ROI-এর প্রশ্ন।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">এখনো বানাচ্ছেন? ROI ধীরে আসবে। স্বাভাবিক।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">সিস্টেম লাইভ কিন্তু এখনো টোকেন পুড়ছে চব্বিশ ঘণ্টা? এটা স্কেলিং না।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">এটা লিক।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">পাইপে ছিদ্র থাকলে পাম্প বড় করলে কাজ হয় না। আগে ছিদ্র বন্ধ করতে হয়।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">.........</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">চব্বিশ ঘণ্টা যন্ত্রের কামলা খাটা আমাকে ইমপ্রেস করে না।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">দক্ষতা করে।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">কম টোকেনে বেশি কাজ - এটাই আসল মুন্সিয়ানা। বাংলাদেশে বসে ডলারে বিল দিচ্ছেন। সেই বিলটা যত কম রাখা যায়, তত ভালো।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">AI দিয়ে সিস্টেম বানান।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">তারপর AI-কে ছুটি দিন।</div>
<div dir="auto"><hr><span><span><strong>লেখকঃ </strong>মেশিন লার্নিং ও টেলিকম বিশেষজ্ঞ ও লেখক </span></span><hr><span></span></div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>সীমাহীন ডাটা প্রবাহে ডিজিটাল সার্বভৌমত্ব</title>
<link>https://digibanglatech.news/171696</link>
<guid>https://digibanglatech.news/171696</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69c3ba512239f.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 23 Mar 2026 16:56:00 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ডিজিটাল যুগে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার নতুন মাপকাঠি হয়ে উঠেছে ডাটা। কে ডাটা নিয়ন্ত্রণ করছে, কোথায় তা সংরক্ষিত হচ্ছে, এবং কীভাবে তা ব্যবহৃত হচ্ছে— এই তিনটি প্রশ্ন এখন অর্থনীতি, নিরাপত্তা ও নীতিনির্ধারণের কেন্দ্রে অবস্থান করছে। এই প্রেক্ষাপটে “ডিজিটাল সার্বভৌমত্ব” ধারণাটি দ্রুত গুরুত্ব পাচ্ছে। বিশ্বজুড়ে অনেক দেশ তাদের নাগরিকদের তথ্যের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা এবং সাইবার নিরাপত্তা জোরদারের লক্ষ্যে ডাটা লোকালাইজেশন নীতি গ্রহণ করছে। তবে এই প্রবণতা এক মৌলিক দ্বন্দ্ব তৈরি করেছে—রাষ্ট্রভিত্তিক নিয়ন্ত্রণ বনাম গ্লোবাল ক্লাউডের সীমাহীন ডাটা প্রবাহ।</p>
<p>ডাটা লোকালাইজেশন এমন একটি নীতি, যেখানে কোনো দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত তথ্য সেই দেশের ভৌগোলিক সীমানার মধ্যেই সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাত করতে হয়। এই নীতির পক্ষে যুক্তি সুস্পষ্ট: স্থানীয়ভাবে ডাটা সংরক্ষিত থাকলে তা অধিক নিরাপদ থাকে, সরকারের নিয়ন্ত্রণ বাড়ে এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো দ্রুত তথ্য ব্যবহার করতে পারে। বিশেষ করে আর্থিক খাত, স্বাস্থ্যসেবা, টেলিকমিউনিকেশন এবং জাতীয় নিরাপত্তার মতো সংবেদনশীল ক্ষেত্রে এই যুক্তি অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক।</p>
<p>তবে এই নীতির অর্থনৈতিক মূল্যও কম নয়। স্থানীয় ডাটা অবকাঠামো গড়ে তুলতে বিপুল বিনিয়োগ প্রয়োজন, যা উন্নয়নশীল দেশের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। পাশাপাশি, এটি আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি কোম্পানির অংশগ্রহণ সীমিত করতে পারে এবং দেশীয় স্টার্টআপগুলোর খরচ বাড়িয়ে দেয়। ফলস্বরূপ, উদ্ভাবনের গতি মন্থর হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। ডিজিটাল অর্থনীতির মূল শক্তি যেখানে স্কেল ও কানেক্টিভিটি, সেখানে অতিরিক্ত সীমাবদ্ধতা প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে দিতে পারে।</p>
<p>একদিকে রাশিয়া ও চীনের মতো দেশগুলো ইতোমধ্যে কঠোর ডাটা লোকালাইজেশন নীতি অনুসরণ করছে। রাশিয়ার আইনে নাগরিকদের ব্যক্তিগত তথ্য স্থানীয় সার্ভারে সংরক্ষণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। অন্যদিকে, ভারত সংবেদনশীল তথ্যের ক্ষেত্রে আংশিক লোকালাইজেশন নীতি বিবেচনা করছে। এসব উদ্যোগের পেছনে একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ হলো বিদেশি আইনি কাঠামোর প্রভাব থেকে বেরিয়ে আসা। উদাহরণস্বরূপ, মার্কিন ‘ক্লাউড অ্যাক্ট’ এমন একটি বাস্তবতা তৈরি করেছে, যেখানে মার্কিন কোম্পানিগুলোকে বৈশ্বিকভাবে সংরক্ষিত ডাটা নির্দিষ্ট শর্তে শেয়ার করতে হতে পারে—যা অনেক দেশের সার্বভৌমত্বের জন্য উদ্বেগের কারণ।</p>
<p>বস্তুত, গ্লোবাল ক্লাউড মডেল আধুনিক ডিজিটাল অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছে। এটি প্রতিষ্ঠানগুলোকে কম খরচে উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের সুযোগ দেয় এবং ছোট উদ্যোক্তা থেকে শুরু করে ফ্রিল্যান্সারদেরও বৈশ্বিক বাজারে প্রবেশের পথ উন্মুক্ত করে। ক্লাউড অবকাঠামোর এই আন্তঃসংযুক্ত ব্যবস্থা উদ্ভাবন, দক্ষতা এবং স্কেল তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তবে এর সঙ্গে জড়িত রয়েছে কৌশলগত ঝুঁকি— ডাটার ওপর নিয়ন্ত্রণ হ্রাস, বিদেশি প্রযুক্তির ওপর নির্ভরতা এবং আইনি এখতিয়ারের জটিলতা।</p>
<p>সাম্প্রতিক বৈশ্বিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ডাটার পরিমাণ দ্রুত বাড়ছে এবং বিশ্ব এখন একটি ‘ডাটা-সেন্ট্রিক’ অর্থনীতিতে রূপান্তরিত হচ্ছে। এই বিপুল তথ্যপ্রবাহ যদি কঠোরভাবে ভৌগোলিক সীমানায় আবদ্ধ করা হয়, তবে ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের দক্ষতা ও ব্যয়-সাশ্রয়ী কাঠামো ব্যাহত হতে পারে। গবেষণা ইঙ্গিত দেয়, কঠোর লোকালাইজেশন নীতি কিছু দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধিকে নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করতে পারে, বিশেষ করে যেখানে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারা বৈশ্বিক ক্লাউড সেবার ওপর নির্ভরশীল।</p>
<p>এই নীতিগত দ্বন্দ্বটি মূলত তিনটি স্তরে প্রতিফলিত হয়— আইনি এখতিয়ার, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং নাগরিক গোপনীয়তা। গ্লোবাল ক্লাউড ব্যবস্থায় ডাটার অবস্থান অস্পষ্ট হওয়ায় বিচারিক প্রক্রিয়ায় জটিলতা তৈরি হয়। একই সঙ্গে, অবাধ ডাটা প্রবাহ বৈশ্বিক বাণিজ্যের জন্য অপরিহার্য হলেও ‘ডাটা কলোনিয়ালিজম’-এর আশঙ্কাও বাড়ছে, যেখানে উন্নয়নশীল দেশের ডাটা ব্যবহার করে বৈশ্বিক প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো মুনাফা অর্জন করে। অন্যদিকে, লোকালাইজেশন নীতি নিরাপত্তা নিশ্চিত করলেও তা রাষ্ট্রীয় নজরদারির ঝুঁকি বাড়াতে পারে, যা নাগরিক অধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে।</p>
<p>বাংলাদেশ এই বৈশ্বিক বাস্তবতার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ গড়ার লক্ষ্যে ক্লাউড কম্পিউটিং এবং ডাটা-চালিত উদ্ভাবন অপরিহার্য। একই সঙ্গে, সংবেদনশীল তথ্য— বিশেষ করে স্বাস্থ্য, আর্থিক ও সরকারি তথ্য দেশের বাইরে চলে যাওয়ার ঝুঁকিও উপেক্ষা করা যায় না। এই বাস্তবতায় বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে কার্যকর পথ হতে পারে একটি ‘হাইব্রিড ডাটা গভর্নেন্স মডেল’। এই মডেলে উচ্চ-সংবেদনশীল তথ্য স্থানীয়ভাবে সংরক্ষণ করা হবে, আর সাধারণ ও বাণিজ্যিক ডাটার ক্ষেত্রে গ্লোবাল ক্লাউড ব্যবহারের সুযোগ উন্মুক্ত রাখা হবে।</p>
<p>এর পাশাপাশি, একটি শক্তিশালী ডাটা সুরক্ষা আইন, আন্তর্জাতিক ডাটা শেয়ারিং চুক্তিতে অংশগ্রহণ এবং স্থানীয় ক্লাউড অবকাঠামোতে বিনিয়োগ— এই তিনটি পদক্ষেপ সমন্বিতভাবে গ্রহণ করা জরুরি। নীতিনির্ধারকদের জন্য চ্যালেঞ্জ হলো এমন একটি ভারসাম্য তৈরি করা, যা নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি উদ্ভাবন ও বিনিয়োগকে উৎসাহিত করে।</p>
<p>তাই আমি মনে করি, ডাটা লোকালাইজেশন বনাম গ্লোবাল ক্লাউডের বিতর্কটি কেবল প্রযুক্তিগত নয়; এটি অর্থনৈতিক কৌশল, ভূরাজনীতি এবং নীতিনির্ধারণের প্রশ্ন। কোনো দেশই সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে টেকসই ডিজিটাল অর্থনীতি গড়ে তুলতে পারবে না। তাই প্রয়োজন একটি ভারসাম্যপূর্ণ আন্তর্জাতিক কাঠামো, যা ডাটার অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করবে এবং একই সঙ্গে জাতীয় সার্বভৌমত্বকেও সম্মান জানাবে। ডিজিটাল যুগে প্রকৃত অগ্রগতি নির্ভর করবে ডাটার নিয়ন্ত্রণে নয়, বরং তার দায়িত্বশীল, নিরাপদ এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক ব্যবহারের ওপর।</p>
<hr>
<p><strong>লেখক:</strong> অর্থনীতিবিদ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, ল্যাবএইড ক্যানসার হাসপাতাল অ্যান্ড সুপার স্পেশালিটি সেন্টার</p>
<hr>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ডিজিটাল ঈদ: প্রযুক্তির ছোঁয়ায় বদলে যাওয়া উৎসবের রূপ</title>
<link>https://digibanglatech.news/171303</link>
<guid>https://digibanglatech.news/171303</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69bd741b8c7e7.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 20 Mar 2026 18:22:04 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span lang="BN">রফিক সাহেবের বয়স ৬০</span>, <span lang="BN">তার স্ত্রী জাহানারার ৫৫। একসময় ছেলে রাহাত আর মেয়ে রেহানাকে ঘিরে চারজনের ছোট</span>, <span lang="BN">সুখী সংসার। সময়ের নিয়মে দু’জনেই এখন বিবাহিত</span>, <span lang="BN">নিজেদের কর্মজীবন আর জীবিকার তাগিদে আলাদা শহরে বসবাস করেন। রফিক সাহেব-জাহানারা দম্পতি থাকেন গ্রামে</span>, <span lang="BN">আর তাদের সংসারের প্রাণ এখন ছড়িয়ে আছে ভৌগোলিক দূরত্বে।</span><o:p></o:p></p>
<p><span lang="BN">এই গল্পটি শুধু একটি পরিবারের নয়</span>; <span lang="BN">বরং বাংলাদেশের হাজারো পরিবারের প্রতিচ্ছবি। কেন বলছি রফিক সাহেবের পরিবারের কথা? আসুন এখন সেটাই বলি।   </span><o:p></o:p></p>
<p><span lang="BN">রমজান শেষ হতে চললো, সামনে ঈদ। ঈদ বাংলাদেশের মানুষের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসব। এই উৎসবের সাথে জড়িয়ে আছে নাড়ির টান</span>, <span lang="BN">পরিবারে ফেরা</span>, <span lang="BN">শৈশবের স্মৃতি আর সামাজিক বন্ধনের এক অনন্য প্রকাশ। বছরের সবচেয়ে বড় এই উৎসবকে ঘিরে মানুষের আবেগ</span>, <span lang="BN">প্রস্তুতি এবং পারস্পরিক সম্পর্কের প্রকাশ দীর্ঘদিন ধরেই একটি নির্দিষ্ট ছন্দে চলছিল। তবে গত এক দশকে প্রযুক্তির দ্রুত বিস্তারের ফলে সেই চিরচেনা ছন্দে এসেছে লক্ষণীয় পরিবর্তন। ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম এখন শুধু আমাদের জীবনযাত্রার অংশ নয়</span>, <span lang="BN">বরং ঈদের অভিজ্ঞতাকেও নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করছে। পাশাপাশি</span>,<span lang="BN"> ডিজিটাল সুবিধা যেমন স্বস্তি এনে দিয়েছে</span>, <span lang="BN">তেমনি তৈরি করেছে কিছু সূক্ষ্ম দূরত্বও। রফিক সাহেব এবং তার স্ত্রী জাহানারার একসময়ের এনালগ জীবনেও এখন এসেছে ডিজিটাল ঈদের ছোঁয়া।   </span><o:p></o:p></p>
<p><span lang="BN">ঈদের কেনাকাটার অভিজ্ঞতাই ধরা যাক। রফিক সাহেবের পরিবারে একসময় ঈদের কেনাকাটা মানেই ছিল নিউ মার্কেট</span>, <span lang="BN">গাউছিয়া বা এলাকার ব্যস্ত মার্কেটে ঘোরাঘুরি। ঈদ শপিং মানেই ছিল পরিবারের সবাইকে নিয়ে ভিড়ভাট্টার মধ্যে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটানো। সেই কোলাহল</span>, <span lang="BN">দরদাম আর একসাথে সময় কাটানোর মধ্যেই ছিল উৎসবের একটি বড় আনন্দ। এখন সেই চিত্র অনেকটাই পরিবর্তিত। রফিক সাহেব যদিও এখনো ঘুড়ে ঘুড়েই বাজার করতে পছন্দ করেন তবে তার ছেলে-মেয়েরা অনলাইন শপিং প্ল্যাটফর্ম</span>, <span lang="BN">এবং ই-কমার্স সাইটগুলো থেকে ঈদের বাজার করছে ঘরে বসেই</span><span lang="HI">। </span><span lang="BN">এর ফলে সময় ও শ্রম বাঁচছে</span>, <span lang="BN">বিশেষ করে কর্মজীবী মানুষের জন্য এটি একটি বড় সুবিধা। এটি নিঃসন্দেহে আধুনিক জীবনের জন্য আশীর্বাদ। একইসঙ্গে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্যও নতুন বাজার তৈরি হয়েছে। শপিং এখন আর পারিবারিক আড্ডার অংশ নয়</span>, <span lang="BN">বরং ব্যক্তিগত স্ক্রিনভিত্তিক একটি কাজ হয়ে উঠছে। তবে প্রশ্ন থেকে যায়, এই সহজতার মাধ্যমে কি আমাদের সম্মিলিত কেনাকাটার আনন্দ হারাচ্ছি না</span>, <span lang="BN">যা ঈদের প্রস্তুতির অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল</span>?<span lang="BN"> </span> <span lang="BN">  </span><o:p></o:p></p>
<p><span lang="BN">এখন আসা যাক ইদে বাড়ি ফেরার গল্প নিয়ে। ঈদে বাড়ি ফেরা বাংলাদেশের মানুষের এক গভীর আবেগের নাম। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বার্ষিক মানবস্রোত। প্রতিবছর লাখো মানুষ রাজধানী ছেড়ে গ্রামের বাড়ির উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন। অতীতে পরিবহন টিকিট সংগ্রহ ছিল ভোগান্তির অন্যতম প্রতীক যেখানে ঘন্টার পর ঘন্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও টিকিট না পাওয়ার হতাশা ছিল নিত্যদিনের ঘটনা। এখন মোবাইল অ্যাপ ও অনলাইন বুকিং সিস্টেম এই প্রক্রিয়াকে অনেক সহজ করেছে। ট্রেন</span>, <span lang="BN">বাস বা লঞ্চের টিকিট এখন কয়েক মিনিটেই সংগ্রহ করা সম্ভব। রেহানার পরিবার এবার অনলাইনেই টিকিট কেটে বাসে করে গ্রামে ফিরছে। তবে প্রযুক্তিনির্ভর এই ব্যবস্থায়ও চ্যালেঞ্জ রয়েছে যেমন সার্ভার জটিলতা</span>, <span lang="BN">টিকিট কালোবাজারি বা স্বল্প সময়ের মধ্যে টিকিট শেষ হয়ে যাওয়ার অভিযোগ এখনও পুরোপুরি দূর হয়নি। ফলে ডিজিটাল সমাধান যেমন নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে</span>, <span lang="BN">তেমনি নতুন ধরনের সমস্যারও উদ্ভব হয়েছে।   <o:p></o:p></span></p>
<p><span lang="BN">অন্যদিকে</span>, <span lang="BN">রফিক সাহেবের ব্যক্তিগত জীবনেও প্রযুক্তির প্রভাব স্পষ্ট। তিনি নিয়মিত ইবাদত করেন</span>, <span lang="BN">আর এখন মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে কোরআন তিলাওয়াত</span>, <span lang="BN">নামাজের সময়সূচি দেখা বা ওয়াজ শোনা তার জন্য সহজ হয়েছে। ধর্মীয় চর্চা আরও সহজলভ্য হয়েছে, এটি প্রযুক্তির একটি ইতিবাচক দিক।</span><o:p></o:p></p>
<p><span lang="BN">কিন্তু এখানে একটি সূক্ষ্ম প্রশ্নও আছে। ইবাদতের একাগ্রতা কি প্রযুক্তির বিভ্রান্তিতে বিঘ্নিত হচ্ছে</span>? <span lang="BN">একটি নোটিফিকেশন</span>, <span lang="BN">একটি কল, এই ছোট ছোট বিষয় কি আমাদের মনোযোগ ভেঙে দিচ্ছে</span>? <span lang="BN">প্রযুক্তি যেমন সুযোগ তৈরি করছে</span>, <span lang="BN">তেমনি মনোযোগের পরীক্ষাও নিচ্ছে। তবে বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের কাছে এই অ্যাপগুলো ধর্মীয় চর্চাকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে। </span><o:p></o:p></p>
<p>রেহানার এক ছেলে এবং এক মেয়ে। ঈদের সময় তাদের নানা-নানি, মামা-মামির থেকে সালামী চায়ই চায়। <span lang="BN">ঈদের আনন্দের একটি বড় অংশ ছিল সালামি ও বোনাসকে ঘিরে। ছোটদের জন্য সালামি মানেই ছিল বড়দের কাছ থেকে হাতে হাতে টাকা পাওয়া। যার সাথে জড়িয়ে থাকত স্নেহ ও সম্পর্কের উষ্ণতা। এখন মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে ডিজিটাল সালামি পাঠানোর প্রবণতা বাড়ছে। এছাড়া ডিজিটাল লেনদেন</span>, <span lang="BN">অনলাইন দান-সদকা এবং জাকাত প্রদানের ক্ষেত্রেও পরিবর্তন এসেছে। বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে এখন সহজেই দান করা যায়</span>, <span lang="BN">যা স্বচ্ছতা ও দ্রুততা বাড়িয়েছে। তবে এখানে বিশ্বাসযোগ্যতা ও সঠিক বণ্টনের প্রশ্নও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এটি একদিকে যেমন আর্থিক লেনদেনকে সহজ করেছে</span>, <span lang="BN">অন্যদিকে নগদ অর্থের সরাসরি আদান-প্রদানের যে আবেগ</span>, <span lang="BN">তা কিছুটা হলেও কমিয়ে দিয়েছে।  </span><o:p></o:p></p>
<p>রাহাত এর কথা নিশ্চয়ই আপনাদের মনে আছে, রফিক সাহেবের ছেলে। এবার ঈদে তার গ্রামে ফেরা হচ্ছে না। তার স্ত্রী <span lang="BN">অন্তঃসত্ত্বা</span><span lang="BN">, ফলে</span> ডাক্তার দীর্ঘ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন অনাগত সন্তানের ভালোর জন্য।<span lang="BN"> একসময় এটি মানে ছিল ঈদের আনন্দ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়া। কিন্তু এখন ভিডিও কল সেই দূরত্ব অনেকটাই কমিয়ে দিয়েছে। ঈদের সকালে স্মার্টফোনের স্ক্রিনে ভেসে ওঠে পরিবারের মুখ</span>, <span lang="BN">শোনা যায় কণ্ঠ। প্রযুক্তি এখানে আশীর্বাদ। </span><o:p></o:p></p>
<p><span lang="BN">একসময় ঈদে</span> সবাই একসাথে হতো। আ<span lang="BN">র </span>ঈদের <span lang="BN">দিন আত্মীয়-স্বজনের বাসায় গিয়ে দেখা করা ছিল সামাজিকতার মূল অংশ। বর্তমান সময়ে অভিবাসন ও বৈশ্বিক কর্মসংস্থান</span> এছাড়াও, আ<span lang="BN">র</span>ও অন্যান্য<span lang="BN"> কারণে অনেক পরিবার ভৌগোলিকভাবে বিচ্ছিন্ন। ঈদের দিনে সবার একত্রিত হওয়া সবসময় সম্ভব হয় না। এখন ভিডিও কল</span>, <span lang="BN">মেসেজিং অ্যাপ ও সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে সেই যোগাযোগ অনেক সহজ হয়েছে। এই বাস্তবতায় ভিডিও কল প্রবাসে থাকা বা দূরে থাকা প্রিয়জনদের জন্য এটি নিঃসন্দেহে একটি আশীর্বাদ। স্মার্টফোনের স্ক্রিনে দেখা যায় প্রিয়জনের মুখ</span>, <span lang="BN">শোনা যায় কণ্ঠ, যা দূরত্বকে অনেকটাই কমিয়ে দেয়। তবে এটিও সত্য</span>, <span lang="BN">ভার্চুয়াল উপস্থিতি কখনোই বাস্তব মিলনের বিকল্প হতে পারে না। প্রযুক্তি আমাদের কাছে এনেছে</span>, <span lang="BN">আবার এক ধরনের দূরত্বও তৈরি করেছে।</span>  <span lang="BN">কিন্তু একইসাথে বাস্তব উপস্থিতির জায়গাটি কি ভার্চুয়াল যোগাযোগ দখল করে নিচ্ছে</span>? <span lang="BN">আমরা কি ধীরে ধীরে “দেখা করা” থেকে “স্ক্রিনে দেখা”র দিকে সরে যাচ্ছি</span>?<span lang="BN"> </span>  <o:p></o:p></p>
<p>রফিক সাহেবের তুলনায় তার নাতি-নাতনিদের কাছে <span lang="BN">সোশ্যাল মিডিয়া ঈদের আনন্দকে আরও দৃশ্যমান করেছে। মানুষ ছবি</span>, <span lang="BN">ভিডিও</span>, <span lang="BN">স্মৃতি শেয়ার করছে যা একদিকে সামাজিক সংযোগকে প্রসারিত করছে</span>, <span lang="BN">অন্যদিকে একটি ‘প্রদর্শন সংস্কৃতি’ও তৈরি করছে। ঈদের আনন্দ কখনো কখনো হয়ে উঠছে তুলনার বিষয়—কে কোথায় গেল</span>, <span lang="BN">কী পরল</span>, <span lang="BN">কী খেল এই প্রতিযোগিতা অনেকে অনুভব করে। ফলে উৎসবের সরলতা কিছুটা হলেও জটিল হয়ে উঠছে। আবার ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়ের ক্ষেত্রেও এসেছে পরিবর্তন।</span> রফিক সাহেবের <span lang="BN">সময়ে হাতে লেখা কার্ড বা সরাসরি দেখা করে শুভেচ্ছা জানানো ছিল প্রচলিত</span><span lang="HI">। </span>কিন্তু <span lang="BN">এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট</span>, <span lang="BN">স্ট্যাটাস বা ছবি দিয়েই শত শত মানুষকে একসাথে শুভেচ্ছা জানানো যায়। এতে যোগাযোগের পরিধি বেড়েছে ঠিকই</span>, <span lang="BN">কিন্তু ব্যক্তিগত সম্পর্কের গভীরতা কি আগের মতো থাকছে</span>?<span lang="BN"> </span> <o:p></o:p></p>
<p><span lang="BN">ডিজিটাল ঈদের আরেকটি দিক হলো কনটেন্ট কালচার। ইউটিউব ভিডিও</span>, <span lang="BN">ঈদের বিশেষ নাটক</span>, <span lang="BN">ওয়েব সিরিজ</span>, <span lang="BN">শর্ট ভিডিও, সব মিলিয়ে বিনোদনের এক নতুন দুনিয়া তৈরি হয়েছে। ফলে ঈদের অবসর সময় এখন অনেকটাই স্ক্রিননির্ভর হয়ে উঠছে। পরিবারে বসে একসাথে টিভি দেখার সংস্কৃতির জায়গা দখল করছে ব্যক্তিগত ডিভাইস। রফিক সাহেব লক্ষ্য করেন</span>, <span lang="BN">নাতি-নাতনিরা গ্রামে এসেও তার সঙ্গে গল্প করার চেয়ে মোবাইলেই বেশি ব্যস্ত। </span>তাদের সাথে গল্প করাকে গৌণ মনে করে ওই মোবাইল বা ডিভাইসের মধ্যেই সারাক্ষণ বুধ হয়ে থাকছে।<o:p></o:p></p>
<p><span lang="BN">সব মিলিয়ে বলা যায়</span>, <span lang="BN">প্রযুক্তি আমাদের ঈদকে সহজ</span>, <span lang="BN">দ্রুত ও সংযুক্ত করেছে। কিন্তু একইসাথে এটি আমাদের সামাজিক আচরণ</span>, <span lang="BN">সম্পর্কের ধরন এবং উৎসবের অভিজ্ঞতাকে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করছে। প্রযুক্তি নিঃসন্দেহে আমাদের জীবনকে সহজ করেছে</span>, <span lang="BN">সময় বাঁচিয়েছে এবং নতুন সুযোগ তৈরি করেছে। তবে একইসঙ্গে এটি আমাদের সামাজিক ও পারিবারিক অভ্যাসেও পরিবর্তন এনেছে। তাই প্রয়োজন একটি সচেতন ভারসাম্য, যেখানে প্রযুক্তি থাকবে</span>, <span lang="BN">কিন্তু মানবিক সম্পর্কের জায়গা দখল করবে না। ডিজিটাল যুগে ঈদ নতুন রূপ পেয়েছে কিন্তু এর আত্মা এখনো মানুষের মধ্যেই বাস করে। সেই আত্মাকে বাঁচিয়ে রাখাই আমাদের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব।</span><o:p></o:p></p>
<hr>
<p class="MsoNormal" style="margin-bottom: 0in; text-align: justify;"><strong><span lang="BN">লেখক: </span></strong><span lang="BN">ডেপুটি ম্যানেজার (পাবলিক রিলেশনস)</span>, <o:p></o:p><span lang="BN">বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস)</span></p>
<hr>
<p class="MsoNormal" style="margin-bottom: 0in; text-align: justify;"></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>আইজিপি&amp;apos;র নামে ভুয়া ফটোকার্ড</title>
<link>https://digibanglatech.news/171237</link>
<guid>https://digibanglatech.news/171237</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69bca21d8b0e4.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 20 Mar 2026 01:26:11 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>‘ফ্যাসিস্ট কোনও পুলিশকেই দেশে থাকতে দেবো না’, আইজিপি আলী হোসেন ফকিরের নামে সম্প্রতি এমন একটি ফটোকার্ড ছড়িয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। এমনকি, বিভিন্ন গণমাধ্যমে এ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে।  </p>
<p>একইসঙ্গে "কনস্টেবল, এসআই, ওসি, এসপি, ডিআইজি, ফ্যাসিস্টের কোনো পুলিশকেই দেশে থাকতে দেব না। দেশকে নিরাপত্তা দিতে আমরাই যথেষ্ট" ফটোকার্ডও পুলিশের নজরে এসেছে।</p>
<p>তবে, আইজিপি এমন কোনও বক্তব্য দেননি বলে <span>বৃহস্পতিবার (২০ মার্চ) রা‌তে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় নিশ্চিত করছে পুলিশ সদর দফতর।</span></p>
<p><span>ওই বার্তায় বলা হয়, সম্প্রতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আইজিপি আলী হোসেন ফকিরকে উদ্ধৃত করে ‘কনস্টেবল, এসআই, ওসি, এসপি, ডিআইজি—ফ্যাসিস্টের কোনও পুলিশকেই দেশে থাকতে দেব না। দেশকে নিরাপত্তা দিতে আমরাই যথেষ্ট’—এ মর্মে একটি ভুয়া বক্তব্য সম্বলিত ফটোকার্ড কৃত্রিমভাবে তৈরি করে প্রচার করা হচ্ছে। আইজিপি কোথাও এ ধরনের কোনও বক্তব্য দেননি।</span></p>
<p><span>একইসঙ্গে ভুয়া ফটোকার্ড বা বিভ্রান্তিকর বক্তব্যে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য সকলের প্রতি অনুরোধ জানানো হয় ওই বার্তায়।</span></p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এসএম/এমইউএম </strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ঈদে আইফোন উপহার  পেল রাজশাহী ওয়ারিয়র্স ক্রিকেটার&#45;স্টাফরা</title>
<link>https://digibanglatech.news/171208</link>
<guid>https://digibanglatech.news/171208</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69bc011523381.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 19 Mar 2026 10:58:12 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>মাঠের লড়াই শেষ হয়েছে মাস দেড়েক আগে। প্রথমবার অংশ নিয়েই বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল)–এর শিরোপা জিতেছে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। সেই সাফল্যের আনন্দ ভাগ করে নিতে ঈদের আগে দলের ক্রিকেটার ও কোচিং স্টাফদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে সর্বাধুনিক iPhone 17 Pro Max।</p>
<p>দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ১৮ মার্চ, বৃধবার দলের ১৫ জন ক্রিকেটার ও ১০ জন কোচিং স্টাফ এই উপহার পেয়েছেন। এমন মূল্যবান উপহার পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন জিসান আলম, রিপন মণ্ডল ও ওয়াসি সিদ্দিকিদের মতো তরুণ ক্রিকেটাররা। টিম ম্যানেজমেন্ট জানিয়েছে, খেলোয়াড়দের দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা ঈদের আগে তাদের অনুপ্রেরণা আরও বাড়াবে।</p>
<p>আর্থিক দিক থেকেও এবারের আসর ছিল লাভজনক। চ্যাম্পিয়ন হিসেবে রাজশাহী পেয়েছে ২ কোটি ৭৫ লাখ টাকা, আর রানার্স-আপ চট্টগ্রাম রয়্যালস পেয়েছে ১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা।</p>
<p>মাঠের বাইরেও ইতিবাচক উদাহরণ স্থাপন করেছে রাজশাহী। আসর শেষ হওয়ার আগেই দলটি খেলোয়াড় ও স্টাফদের শতভাগ পারিশ্রমিক পরিশোধ করেছে, যা ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে।</p>
<p>তবে সব দলের চিত্র এক নয়। অন্যান্য দল পারিশ্রমিক পরিশোধ করলেও ঢাকা ক্যাপিটালস–এর অনেক ক্রিকেটার এখনো বকেয়া পাননি। কবে নাগাদ তারা পাওনা বুঝে পাবেন, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/ডিএইচই/এমইউএম </strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>মানবজ্ঞান, এআই এবং ভবিষ্যতের নিয়ন্ত্রণ কার হাতে?</title>
<link>https://digibanglatech.news/171069</link>
<guid>https://digibanglatech.news/171069</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p&gt;&lt;span style=&quot;color: rgb(22, 145, 121);&quot;&gt;&lt;strong&gt;বাংলাদেশ প্রেক্ষাপট&lt;/strong&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69ba3727b8f0d.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 18 Mar 2026 10:20:15 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>প্রশ্ন হলো, ভবিষ্যতে আমরা কি নিজের ভাষায়, নিজের বাস্তবতায়, নিজের সামাজিক বোধে চিন্তা করার অধিকার ধরে রাখতে পারব? বাংলাদেশের এখনই সিদ্ধান্ত নিতে হবে: আমরা কি বৈশ্বিক এআইয়ের কেবল বাজার হব, নাকি নিজেদের জ্ঞান-ভিত্তি, ভাষা ও জনস্বার্থ রক্ষা করে অংশীদার হব? সময় এখনও আছে। কিন্তু সময় খুব বেশি নেই।*</p>
<p>মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ, ক্ষেপণাস্ত্র, ভূরাজনীতি, জোটের হিসাব এবং জ্বালানি-রাজনীতি এখন বিশ্বআলোচনার কেন্দ্রে। কিন্তু এই উচ্চকণ্ঠ সময়ের আড়ালে আরেকটি নীরব সংঘাত দ্রুত ঘনীভূত হচ্ছে, যার প্রভাব বাংলাদেশের মতো দেশের জন্য আরও গভীর হতে পারে। সেটি হলো মানববুদ্ধিমত্তা, মানবজ্ঞান এবং মানব-এজেন্সির ভবিষ্যৎ নিয়ে লড়াই। সম্প্রতি ব্ল্যাকরকের ইউএস ইনফ্রাস্ট্রাকচার সামিটে ওপেনএআইয়ের প্রধান নির্বাহী স্যাম অল্টম্যান এআইকে এমন এক সেবায় রূপ নেওয়ার কথা বলেন, যা বিদ্যুৎ বা পানির মতো মিটার ধরে কেনা যাবে। এই বক্তব্য কেবল ব্যবসায়িক মডেলের ইঙ্গিত নয়; এটি এমন এক পৃথিবীর আভাস, যেখানে চিন্তার সক্ষমতাও ধীরে ধীরে করপোরেট অবকাঠামোয় আবদ্ধ হতে পারে। </p>
<p>প্রশ্ন হলো, বাংলাদেশ কি এই পরিবর্তনকে শুধু প্রযুক্তিগত অগ্রগতি হিসেবে দেখবে, নাকি এটিকে জ্ঞান, ভাষা, নীতি এবং সার্বভৌমত্বের প্রশ্ন হিসেবে নেবে? কারণ এআই যদি কেবল কয়েকটি বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্মের সেবা হয়ে ওঠে, তাহলে উন্নয়নশীল দেশগুলো খুব সহজেই ব্যবহারকারী থাকবে, কিন্তু নির্মাতা হবে না; গ্রাহক থাকবে, কিন্তু নিয়ন্ত্রক হবে না। তখন জ্ঞান আর কেবল মুক্ত মানবিক সম্পদ থাকবে না, বরং তা হবে ভাড়া নেওয়া সক্ষমতা। বাংলাদেশের জন্য এই আশঙ্কা বিমূর্ত নয়। দেশের নিজস্ব খসড়া National Artificial Intelligence Policy 2026-2030-এই “digital sovereignty” বা ডিজিটাল সার্বভৌমত্বকে একটি মূল নীতি হিসেবে ধরা হয়েছে, এবং সরকারি নথিতেই স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে বাংলাদেশকে তার গুরুত্বপূর্ণ ডেটা, ডিজিটাল অবকাঠামো এবং এআই সিস্টেমের ওপর কার্যকর নিয়ন্ত্রণ রাখতে হবে।<br> <br>এখানেই বিষয়টি গুরুতর। কারণ বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় নীতিনির্ধারকেরাও বুঝতে শুরু করেছেন যে এআই কেবল কোড, চ্যাটবট বা অটোমেশন নয়; এটি ক্ষমতার নতুন বিন্যাস। খসড়া নীতিতে ভাষাগত ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যকে দেশের ডিজিটাল ভবিষ্যতের কেন্দ্রীয় উপাদান হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। সেখানে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, এআই মডেল, ডেটাসেট ও ডিজিটাল সেবায় বাংলা এবং অন্যান্য জাতীয়ভাবে গুরুত্বপূর্ণ ভাষাকে যথাযথ গুরুত্ব দিতে হবে, যাতে প্রযুক্তি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও প্রাসঙ্গিক হয়। শুধু তা-ই নয়, নীতিপত্রে একটি রাষ্ট্র-নেতৃত্বাধীন জাতীয় বাংলা ভাষা মডেল উন্নয়নের কথাও বলা হয়েছে। অর্থাৎ বাংলাদেশ ইতোমধ্যে বুঝেছে, ভাষার প্রশ্ন এআই যুগে কেবল সংস্কৃতির প্রশ্ন নয়, ক্ষমতারও প্রশ্ন। </p>
<p>কিন্তু নীতি-স্বীকৃতি আর বাস্তব প্রস্তুতি এক বিষয় নয়। UNESCO-সমর্থিত বাংলাদেশের AI Readiness Assessment দেখাচ্ছে, দেশে মোবাইল বিস্তার অনেক হলেও জনসংখ্যার মাত্র ৪৪.৫ শতাংশ ইন্টারনেট ব্যবহার করে। শহরে ইন্টারনেট ব্যবহার প্রায় ৬৬.৮ শতাংশ, গ্রামে মাত্র ২৯.৭ শতাংশ। শহরাঞ্চলে পুরুষ ব্যবহারকারী ৭১.৩ শতাংশ, নারী ৬২.৪ শতাংশ; গ্রামে পুরুষ ৩৬.৬ শতাংশ, নারী মাত্র ২৩ শতাংশ। একই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গ্রামীণ এলাকায় অবকাঠামোগত দুর্বলতা ও ঘন ঘন বিদ্যুৎ-সমস্যা এখনও বড় বাধা। আবার কম্পিউটিং সক্ষমতার দিক থেকে বাংলাদেশ ৭৬ দেশের মধ্যে colocation data centre সক্ষমতায় ৭৩তম স্থানে। অর্থাৎ আমরা এমন এক সময়ে এআই নিয়ে কথা বলছি, যখন দেশের বড় অংশ এখনও মৌলিক ডিজিটাল সমতার বাইরে। </p>
<p>এই বাস্তবতায় সবচেয়ে বড় বিপদ হচ্ছে, বাংলাদেশ যেন “ডিজিটাল অংশগ্রহণ” আর “জ্ঞানগত স্বায়ত্তশাসন”কে এক জিনিস মনে না করে। হাতে স্মার্টফোন থাকা মানেই জ্ঞানের ওপর নিয়ন্ত্রণ থাকা নয়। ChatGPT, Gemini, Copilot বা ভবিষ্যতের অন্য কোনো শক্তিশালী এআই ব্যবহার করা মানেই এই নয় যে আমরা জ্ঞান-উৎপাদনের অংশীদার। বরং উল্টোটা ঘটতেও পারে: আমরা এমন সব মডেলের ভোক্তা হয়ে উঠতে পারি, যেগুলো আমাদের ভাষা, সমাজ, আইনি বাস্তবতা, স্থানীয় অর্থনীতি, আঞ্চলিক ইতিহাস, ধর্মীয় সংবেদনশীলতা বা গ্রামীণ অভিজ্ঞতা যথাযথভাবে বোঝেই না। তখন এআই আমাদের সহায়ক হবে না; আমাদের হয়ে ব্যাখ্যা করতে শুরু করবে। আর যে সমাজ নিজের বাস্তবতাকে নিজের ভাষায় ব্যাখ্যা করতে পারে না, সে সমাজ ধীরে ধীরে অন্যের অ্যালগরিদমিক দৃষ্টিভঙ্গির অধীন হয়ে পড়ে।</p>
<p>বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এই ঝুঁকি আরও স্পষ্ট, কারণ UNESCO-র মূল্যায়ন বলছে বাংলা ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষায় এআই উন্নয়নে আরও বড় মনোযোগ দরকার। একই প্রতিবেদনে উল্লেখ আছে, উন্মুক্ত ও বৈচিত্র্যময় ডেটাসেটের অভাবে বাংলায় এআইয়ের আউটপুট এখনও দুর্বল; ইংরেজি থেকে বাংলায় ডেটা বা কনটেন্ট রূপান্তরও প্রায়ই নিম্নমানের ফল দেয়। এর মানে খুব সরল: যদি আমাদের ভাষাগত অবকাঠামো দুর্বল থাকে, তাহলে ভবিষ্যতের জ্ঞান-অর্থনীতিতে বাংলা ভাষাভাষী জনগোষ্ঠী ব্যবহারকারী হিসেবে থাকবে, কিন্তু মানদণ্ড নির্ধারণকারী হিসেবে নয়। তখন ভুল অনুবাদ, সাংস্কৃতিক অসামঞ্জস্য, তথ্যবিকৃতি এবং নীতিগত ভুলব্যাখ্যা কেবল প্রযুক্তিগত সমস্যা থাকবে না, তা হয়ে উঠবে গণতান্ত্রিক ও সামাজিক সমস্যা। </p>
<p>শিক্ষা খাতও এই প্রশ্ন থেকে আলাদা নয়। UNESCO-র তথ্য অনুযায়ী, নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সামান্য বেশি অংশে কেবল শিক্ষামূলক কাজে ইন্টারনেট পৌঁছেছে। অর্থাৎ এআই-নির্ভর শিক্ষা বা জ্ঞান-অর্থনীতি নিয়ে বড় স্বপ্ন দেখার আগে আমাদের দেখতে হবে, স্কুলপর্যায়ে অবকাঠামোর বাস্তব ভিত্তি কতটা শক্ত। যদি প্রাথমিক শিক্ষার্থী, গ্রামীণ তরুণ, নারী, প্রান্তিক জনগোষ্ঠী এবং বাংলা-মাধ্যমের শিক্ষার্থী এআই সাক্ষরতার বাইরে থাকে, তাহলে এআই কেবল নতুন দক্ষতা দেবে না, নতুন বৈষম্যও তৈরি করবে। ভবিষ্যতের শ্রমবাজারে তখন যারা অ্যালগরিদম বুঝবে তারা এগোবে, আর যারা শুধু তার ফল ভোগ করবে তারা পিছিয়ে পড়বে। </p>
<p>তাই বাংলাদেশের সামনে প্রকৃত প্রশ্ন এআই গ্রহণ করা হবে কি হবে না, সেটি নয়। প্রকৃত প্রশ্ন হলো: কী ধরনের এআই, কার শাসনে, কার ভাষায়, কার জবাবদিহির মধ্যে। এখানে দুটি ভুল থেকে সমানভাবে দূরে থাকতে হবে। প্রথম ভুল হলো প্রযুক্তিকে অন্ধভাবে মুক্তির মন্ত্র হিসেবে দেখা। দ্বিতীয় ভুল হলো এআইকে ভয় পেয়ে সম্পূর্ণ প্রত্যাখ্যান করা। বাংলাদেশের প্রয়োজন তৃতীয় পথ: মানবকেন্দ্রিক, বাংলা-সমর্থিত, স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক এবং জনস্বার্থনির্ভর এআই গড়ে তোলা। UNESCO-র readiness assessment-ও এই দিকেই ইঙ্গিত করেছে। তারা বাংলাদেশের জন্য একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় এআই নীতি চূড়ান্ত করা, ডেটা সুরক্ষা ও সাইবার কাঠামো শক্তিশালী করা, বাংলা ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষায় ডেটাসেট গড়ে তোলা, জনসচেতনতা বাড়ানো, মেয়েদের ও নারীদের অন্তর্ভুক্ত করে দক্ষতা উন্নয়ন, এবং গবেষণা ও অবকাঠামোয় বিনিয়োগ বৃদ্ধির সুপারিশ করেছে। </p>
<p>এখানে রাষ্ট্রের কাজ শুধু আইন করা নয়। বিশ্ববিদ্যালয়কে গবেষণা করতে হবে। নাগরিকসমাজকে অ্যালগরিদমিক জবাবদিহি নিয়ে কথা বলতে হবে। বাংলা ভাষা প্রযুক্তিকে জাতীয় অগ্রাধিকার করতে হবে। সরকারি ক্রয়ে এআই ব্যবহারের নিয়ম স্বচ্ছ করতে হবে। আদালত, প্রশাসন, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, কৃষি পরামর্শ বা সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থায় এআই ব্যবহৃত হলে মানুষকে জানতে হবে কোন সিদ্ধান্ত মানুষ নিয়েছে, কোনটি মেশিনের সুপারিশ, আর আপিলের পথ কোথায়। নইলে “smart governance” খুব সহজেই “opaque governance”-এ পরিণত হবে। আর সেটিই হবে মানব-এজেন্সির ক্ষয়।</p>
<p>বাংলাদেশের জন্য এ লড়াই তাই মূলত তিনটি বিষয় নিয়ে: ভাষা, স্বাধীনতা এবং ন্যায্যতা। ভাষা, কারণ বাংলা ও স্থানীয় জ্ঞানকে বাদ দিয়ে কোনো এআই ভবিষ্যৎ ন্যায়সংগত হতে পারে না। স্বাধীনতা, কারণ চিন্তার ক্ষমতা যদি কেবল বাইরের প্ল্যাটফর্মের ওপর নির্ভরশীল হয়, তাহলে ডিজিটাল সার্বভৌমত্ব কাগজে থাকবে, বাস্তবে নয়। ন্যায্যতা, কারণ এআইয়ের সুফল যদি শহুরে, ইংরেজি-দক্ষ, প্রযুক্তি-সুবিধাভোগী শ্রেণির হাতে কেন্দ্রীভূত হয়, তাহলে এটি উন্নয়ন নয়, বৈষম্যের নতুন স্থাপত্য হবে।<br>মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ একদিন না একদিন কোনো রাজনৈতিক সমাপ্তির দিকে যাবে। কিন্তু মানবজ্ঞান, ভাষা ও বিচারক্ষমতার ওপর নিয়ন্ত্রণের এই লড়াই আরও দীর্ঘ, আরও সূক্ষ্ম, এবং বাংলাদেশের মতো দেশের জন্য আরও নির্ধারক। </p>
<p>কারণ এখানে প্রশ্ন শুধু কে প্রযুক্তি বানাবে, তা নয়; প্রশ্ন হলো, ভবিষ্যতে আমরা কি নিজের ভাষায়, নিজের বাস্তবতায়, নিজের সামাজিক বোধে চিন্তা করার অধিকার ধরে রাখতে পারব? বাংলাদেশের এখনই সিদ্ধান্ত নিতে হবে: আমরা কি বৈশ্বিক এআইয়ের কেবল বাজার হব, নাকি নিজেদের জ্ঞান-ভিত্তি, ভাষা ও জনস্বার্থ রক্ষা করে অংশীদার হব? সময় এখনও আছে। কিন্তু সময় খুব বেশি নেই।                                        </p>
<hr>
<p><strong>লেখকঃ</strong> ডিজিটাল গণতন্ত্র বিশেষজ্ঞ | প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা | বাংলাদেশ এনজিওস নেটওয়ার্ক ফর রেডিও অ্যান্ড কমিউনিকেশন (বিএনএনআরসি)| বাংলাদেশের জন্য দায়িত্বশীল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (AMR) বিষয়ক অ্যাম্বাসেডর</p>
<hr>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>৪ এপ্রিল ঢাকার  বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কমপ্লেক্সে  বসছে ৬ষ্ঠ ইয়াং সায়েন্টিস্ট কংগ্রেস</title>
<link>https://digibanglatech.news/170969</link>
<guid>https://digibanglatech.news/170969</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69b8e7cf5ae06.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 17 Mar 2026 09:31:23 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)–নির্ভর ভবিষ্যৎ নির্মাণে তরুণ বিজ্ঞানীদের সম্পৃক্ততা জোরদার করতে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে “৬ষ্ঠ ইয়াং সায়েন্টিস্ট কংগ্রেস ২০২৬”।  সম্মেলনের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে “কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জন্য তরুণ বিজ্ঞানী”। আগামী ৪ ও ৫ এপ্রিল রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ন্যাশনাল সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি কমপ্লেক্সে এই কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হবে।</p>
<p> বাংলাদেশ একাডেমি অব সায়েন্সেসের সভাপতি অধ্যাপক ড. জহুরুল করিমের আমন্ত্রণে আয়োজিত এই কংগ্রেসের আয়োজন কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন মেজর জেনারেল (অব.) অধ্যাপক ড. এএসএম মতিউর রহমান এবং অর্গানাইজিং সেক্রেটারি হিসেবে রয়েছেন অধ্যাপক ড. লিয়াকত আলী।</p>
<p>আয়োজক সূত্রে প্রকাশ, সম্মেলনে অংশগ্রহণের জন্য ২৫ মার্চ পর্যন্ত নিবন্ধন এবং ২৩ মার্চের মধ্যে গবেষণাপত্রের সারসংক্ষেপ জমা দেওয়া যাবে। অংশগ্রহণ ফি সাধারণদের জন্য ২০০০ টাকা এবং শিক্ষার্থীদের জন্য ১০০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। অংশগ্রহণকারীদের জন্য বৈজ্ঞানিক সেশন, প্রকাশনা, আপ্যায়নসহ বিভিন্ন সুবিধা রাখা হয়েছে।</p>
<p>বাংলাদেশ একাডেমি অব সায়েন্সেসের আয়োজনে অনুষ্ঠিতব্য এ সম্মেলনকে ঘিরে ইতোমধ্যে দেশি-বিদেশি গবেষক ও বিজ্ঞানীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত হচ্ছে।<br> <br>আয়োজকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিকাশ অভূতপূর্ব মাত্রায় পৌঁছেছে এবং এটি নিয়মভিত্তিক প্রযুক্তি থেকে জেনারেটিভ সক্ষমতায় উন্নীত হয়ে নতুন জ্ঞান ও কনটেন্ট তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, পুনরাবৃত্তিমূলক কাজের স্বয়ংক্রিয়তা এবং মানবিক ত্রুটি কমানোর মাধ্যমে এআই ইতোমধ্যে বিভিন্ন খাতে পরিবর্তন আনছে। তবে একই সঙ্গে অ্যালগরিদমিক পক্ষপাত, তথ্যের গোপনীয়তা, কর্মসংস্থানের ওপর প্রভাব এবং প্রযুক্তির অপব্যবহারের মতো চ্যালেঞ্জও সামনে এসেছে, সেসব বিষয়ে কংগ্রেসে আলোচনার মাধ্যমে করণীয় তুল ধরবেন বক্তারা।<br> <br>জানা গেছে, বাংলাদেশের বর্তমান জনমিতিক বাস্তবতায় তরুণ জনগোষ্ঠীকে উন্নয়নের চালিকাশক্তি হিসেবে বিবেচনা করে তাদের আধুনিক বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের সঙ্গে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যেই এই কংগ্রেস আয়োজন করা হচ্ছে। এতে দেশ-বিদেশের জ্যেষ্ঠ বিজ্ঞানী ও বিশেষজ্ঞরা অংশ নিয়ে তরুণ গবেষকদের সঙ্গে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময় করবেন। কংগ্রেসে আমন্ত্রিত বক্তৃতার পাশাপাশি গবেষকদের জন্য মৌখিক উপস্থাপনা ও পোস্টার প্রেজেন্টেশনের সুযোগ রাখা হয়েছে, যেখানে তারা তাদের মৌলিক গবেষণা তুলে ধরতে পারবেন।<br> <br>সম্মেলনের থিম লেকচার উপস্থাপন করবেন যুক্তরাষ্ট্রের রচেস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. এহসান হক। প্লেনারি সেশনে বক্তব্য দেবেন ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক হাসান সারওয়ার, অস্ট্রেলিয়ার চার্লস স্টার্ট ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলী মনি এবং বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. তানজিমা হাসেম। এছাড়া বিভিন্ন সেশনে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এম শামীম কায়সার, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো. রাকিব হাসানসহ দেশি-বিদেশি আরও বহু গবেষক অংশ নেবেন, যারা স্বাস্থ্যসেবা, কৃষি, পরিবেশ, ন্যানো-বায়োটেকনোলজি ও ভাষা প্রযুক্তিতে এআই–এর প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করবেন।<br> <br>কংগ্রেসে ভৌত, রাসায়নিক ও পরিবেশ বিজ্ঞান, কৃষি ও জীববিজ্ঞান, গণিত, প্রকৌশল ও কম্পিউটার বিজ্ঞান এবং স্বাস্থ্য ও ফার্মাসিউটিক্যাল বিজ্ঞানসহ বিভিন্ন গবেষণা ক্ষেত্র অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগ ও চ্যালেঞ্জকে গুরুত্ব দিয়ে বিশেষ সিম্পোজিয়ামের আয়োজনও রাখা হয়েছে, যেখানে শিল্পখাতে এআই–এর ব্যবহার এবং প্রকাশনা নৈতিকতা নিয়ে আলোচনা হবে।<br> <br>সার্বিকভাবে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মতো দ্রুত পরিবর্তনশীল প্রযুক্তির যুগে বাংলাদেশের তরুণ গবেষকদের দক্ষতা উন্নয়ন, উদ্ভাবনী চিন্তা বিকাশ এবং গবেষণাকে বাস্তব প্রয়োগের সঙ্গে যুক্ত করার ক্ষেত্রে এই কংগ্রেস একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/এনএ/ইকে</strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>পানি ব্যবস্থাপনার প্রকৌশলগত বিষয় ও ঢালের বৈজ্ঞানিক হিসাব ধরে হোক খাল খনন</title>
<link>https://digibanglatech.news/170919</link>
<guid>https://digibanglatech.news/170919</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_69266443e6605.jpg" length="97705" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 16 Mar 2026 18:26:24 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>সুসংরক্ষণ, ব্যবহার এবং সেই পানি ধীরে ধীরে ভূগর্ভে ফিল্টার হয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি করা- এই তিনটি লক্ষ্য একসাথে পূরণ করতে পারলে দেশের স্বাদু পানি ব্যবস্থাপনায় বড়ো পরিবর্তন আসবে। তাই খাল খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচি অবশ্যই প্রশংসনীয় উদ্যোগ। যেহেতু ভূমির উপরিভাগের স্বাদু পানির বেজলাইন পরিমাণ একেবারেই কমে গেছে, এবং খাল-নালার প্রাকৃতিক নেটওয়ার্ক পলিতে ভরাট ও দখল হয়ে গেছে, তাই পুরানা পদ্ধতিতে সাধারণভাবে শুধু খাল কাটলেই ভালো ফল আসবে না। দরকারি জায়গায় পানি ব্যবস্থাপনার প্রকৌশলগত বিষয়গুলোও সমান গুরুত্ব দিতে হবে। </p>
<p>বর্ষা ও বন্যা মৌসুমের পরে, বাংলাদেশে সাধারণত নভেম্বর–ডিসেম্বর–জানুয়ারিতে সেচের পানির প্রাকৃতিক পর্যাপ্ততা থাকে। কিন্তু ফেব্রুয়ারি, মার্চ ও এপ্রিলে যখন ইরি ও বোরো ফসলের জন্য পানির চাহিদা সবচেয়ে বেশি, তখনই বেশিরভাগ খাল শুকিয়ে যায়। ফলে খাল খননের পরিকল্পনায় শুষ্ক মৌসুমের এই তিন মাসে পানি ধরে রাখার ক্ষমতাকে বিশেষভাবে বিবেচনায় নিতে হবে।</p>
<p>প্রথমত, সমুদ্র সমতল থেকে উচ্চতা ও ঢালের বৈজ্ঞানিক হিসাব ধরে খাল খনন করলে তবেই প্রকৃত অর্থে পানি ধারণক্ষমতা বাড়বে, বিচ্ছিন্নভাবে খাল কাটলে সেই সুবিধা পাওয়া যাবে না। এটা আমাদের স্থানীয় সরকার ও আঞ্চলিক কৃষি অফিসের প্রকৌশলী ও অফিসাররা মিলে সহজেই বের করতে সক্ষম। পাউবো সহ সেনা ও নৌ বাহিনীর এক্সপার্ট রিসোর্সও থাকতে পারে এই ডোমেনে। ডিজাইন, ম্যাপিং ও প্ল্যানিং এ উনাদের কাজে লাগানো যেতে পারে। </p>
<p>দ্বিতীয়ত, শুকনো মৌসুমে পানি ধরে রাখতে খালের মুখে স্লুইস গেট বা রাবার ড্যামের মতো নিয়ন্ত্রণ কাঠামো দরকার। রাবার ড্যাম হলে বাতাস পাম্প করে শুকনো মৌসুমে পানির স্তর বাড়িয়ে পানি সংরক্ষণ করা যায়, আবার প্রয়োজন হলে বাতাস ছেড়ে দিয়ে পানি ছেড়ে দেওয়া যায়। বর্ষাকালে পুরোপুরি খুলে দিলে খালগুলো নৌ চলাচলের জন্যও ব্যবহারযোগ্য থাকে।</p>
<p>তৃতীয়ত, খালগুলোর মধ্যে আন্তঃসংযোগ এবং গভীরতার সমন্বয় জরুরি। একটি খালকে আলাদা করে না দেখে পুরো খাল নেটওয়ার্ক ও তার আশপাশের ফসলি জমিকে একটি 'ফ্লো জোন' হিসেবে পরিকল্পনা করতে হবে। যেখানে ফসলের মৌসুম অনুযায়ী মাসভিত্তিক পানি সংরক্ষণের লক্ষ্য থাকবে। </p>
<p>ক্যানেল নেটওয়ার্কে কোথাও গভীর, কোথাও অগভীর খাল থাকতে পারে। পানিপ্রবাহ বজায় রাখতে দরকারে পাম্প দিয়ে প্রবাহও নিয়ন্ত্রণ করা যাবে, রাবার ড্যাম বা আরও খরুচে স্লুইস গেইট দিয়ে রিজার্ভ বাড়ানো কমানো বা জলাবদ্ধতা নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। </p>
<p>যেহেতু মেশিনে খাল কাটা হচ্ছে না, তাই খেয়াল রাখতে হবে যাতে ধান কাটার সময়ের সাথে কর্মসূচির ডূপ্লিকেশন না হয়। আগে পরে করলে অলস শ্রমের ব্যবহার ভালো হবে। অন্যদিকে কর্মসূচির আগে-পরে ছদ্ম বেকারত্ব পরিমাপের একটা পরিকল্পনা রাখা যেতে পারে। ১৯৭১ সালের পরে যখন পাকিস্তানি ও বাংলাদেশি মালিক-ম্যানেজমেন্ট খেদিয়ে পাটকল গুলো বেহাল ও বেহাত হতে শুরু করে, এবং ১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষ- এ দুয়ের প্রেক্ষিতে ১৯৭৬-৭৭ এ কৃষিতে অলস শ্রমের সাংঘাতিক ঘনীভবন ছিল। ফলে সেসময় খাল কাটা, তৈরি পোশক শিল্পের সূচনা এবং বিদেশে শ্রম রপ্তানির- এই তিন মাহাযাত্রার নেতৃত্ব দিয়ে শ্রম বিপ্লবে চরম সফল হয়েছিলেন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান (বাংলাদেশ অর্থনীতির ৫০ বছর, প্রথম অধ্যায়)। বিভিন্ন পেশায় ছদ্ম বেকারত্ব নির্ণয় সহ শ্রম বিন্যাস ও বন্টনের বর্তমান পরিস্থিতির উপর নতুন একাডেমিক স্ট্যাডির দরকার আছে।   </p>
<p>১৯৭৭ এবং ২০২৬ এ নদী খাল নালার যে প্রাকৃতিক জালিকা বিন্যাস ছিল, তা একই রয়ে যায়নি। বিস্তর পরিবর্তন হয়ে গেছে মানুষের দখল ও ভরাটে, প্রাকৃতিক পলি পতনে এবং প্রবাহ কমে যাওয়ায়। তাই শহীদ জিয়ার 'খাল কাটা কর্মসূচির পুনরাবৃতির জন্য খাল কাটা' নয়, বরং শুকনো মৌসুমে কৃষির পানি রিজার্ভ তৈরি করার লক্ষ্য নিয়ে বৈজ্ঞানিকভাবে পরিকল্পনা করতে হবে। </p>
<p>সার্ফেস ওয়াটার সংরক্ষণ করে চাষযোগ্য জমির পরিমাণ বাড়ানোই ছিল শহীদ জিয়ার প্রধানতম উদ্দেশ্য। তবেই এই উদ্যোগ সত্যিকার অর্থে দেশের পানি নিরাপত্তা ও কৃষি উৎপাদনে বড়ো ভূমিকা রাখবে।</p>
<hr>
<p><strong>লেখকঃ</strong> <span>প্রযুক্তিবিদ, সাবেক প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী</span></p>
<hr>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>১০০০ সুবিধাবঞ্চিত শিশু বেছে নিল নিজ পছন্দের ঈদ জামা</title>
<link>https://digibanglatech.news/170907</link>
<guid>https://digibanglatech.news/170907</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69b7dc066559c.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 16 Mar 2026 10:31:57 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে দেশের ১৩টি জেলায় এক হাজারের বেশি সুবিধাবঞ্চিত ও প্রতিবন্ধী শিশুর জন্য আয়োজন করা হয়েছে বিশেষ ‘ঈদ মার্কেট’। এই উদ্যোগের মাধ্যমে শিশুরা নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী ঈদের পোশাক বেছে নেওয়ার সুযোগ পেয়েছে।</p>
<p>গার্ডিয়ান লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড–এর উদ্যোগে এবং বাংলাদেশ ইয়ুথ অর্গানাইজেশন (BYO) ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন–এর সহযোগিতায় আয়োজিত ‘গার্ডিয়ান ঈদ মার্কেট’-এ অংশ নেয় কুড়িগ্রাম, গাজীপুর, ময়মনসিংহ, ভোলা, বগুড়া, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, কুমিল্লা, ঢাকা, রংপুর, গাইবান্ধা, বরিশাল ও টাঙ্গাইল জেলার শিশুেরা।</p>
<p>উদ্যোগটির মাধ্যমে শিশুদের জন্য তৈরি করা হয় এক ভিন্নধর্মী অভিজ্ঞতা, যেখানে তারা বিভিন্ন পোশাক দেখে নিজেরাই পছন্দের রঙ ও ডিজাইন অনুযায়ী ঈদের জামা নির্বাচন করতে পারে। আয়োজকদের মতে, এই উদ্যোগ শিশুদের আনন্দের পাশাপাশি তাদের আত্মবিশ্বাসও বাড়াতে সহায়তা করে।</p>
<p>কুড়িগ্রাম বিশেষ বিদ্যালয়ের ১২ বছর বয়সী বাক ও শ্রবণপ্রতিবন্ধী ছাত্রী কেয়ার জন্যও এবারের ঈদ হয়ে উঠেছে বিশেষ। ভ্যানচালক বাবার সীমিত সামর্থ্যের কারণে পছন্দের পোশাক পাওয়া নিয়ে তার ছিল শঙ্কা। তবে এই উদ্যোগের মাধ্যমে সে নিজের পছন্দের পোশাক বেছে নিতে পেরে ভীষণ আনন্দিত বলে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকার মাধ্যমে সাইন ল্যাঙ্গুয়েজে জানায়।</p>
<p>গার্ডিয়ান লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের সিনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট দিতিপ্রিয়া রায় চৌধুরী বলেন, “যখন একটি শিশু নিজের পছন্দ অনুযায়ী কিছু বেছে নেওয়ার সুযোগ পায়, তখন তা শুধু আনন্দই দেয় না, তাদের আত্মবিশ্বাসও বাড়িয়ে তোলে। এমন মানবিক উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পেরে আমরা আনন্দিত।”</p>
<p>অন্যদিকে, জিহাদ আকন্দ, প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক, বাংলাদেশ ইয়ুথ অর্গানাইজেশন (BYO) ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন জানান, সংগঠনের উদ্যোগ ও গার্ডিয়ান লাইফের সহযোগিতায় দেশের বিভিন্ন জেলায় এক হাজার শিশু তাদের পছন্দমতো ঈদের পোশাক পেয়েছে এবং এই কার্যক্রম ধারাবাহিকভাবে পরিচালিত হচ্ছে। </p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/এমআর/এমইউএম</strong></em></span> </p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ই&#45;কমার্স খাতে কর্মসংস্থান ও অর্থনীতির নতুন সম্ভাবনা</title>
<link>https://digibanglatech.news/170732</link>
<guid>https://digibanglatech.news/170732</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_699e64080de76.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 15 Mar 2026 00:00:01 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশে গত এক দশকে ই-কমার্স খাত নীরবে কিন্তু দ্রুত গতিতে বিস্তার লাভ করেছে। একসময় এটি শুধু অনলাইনে পণ্য বিক্রির একটি নতুন মাধ্যম হিসেবে দেখা হতো। কিন্তু বাস্তবে আজ ই-কমার্স একটি পূর্ণাঙ্গ অর্থনৈতিক ইকোসিস্টেমে পরিণত হয়েছে। যার সঙ্গে জড়িত রয়েছে উৎপাদন, সরবরাহ ব্যবস্থা, ডিজিটাল মার্কেটিং, লজিস্টিকস, খুচরা বিক্রি এবং এমনকি রপ্তানিও।</p>
<p>বর্তমানে দেশে লক্ষাধিক তরুণ ও তরুণী ই-কমার্সের মাধ্যমে ব্যবসা বা কর্মসংস্থানের সঙ্গে যুক্ত। বিভিন্ন গবেষণা ও শিল্পখাতের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী বাংলাদেশে প্রায় ৪–৫ লাখ অনলাইন উদ্যোক্তা বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যম ও ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ব্যবসা পরিচালনা করছেন। এর সঙ্গে প্রায় ১০ থেকে ১৫ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান রয়েছে। এই খাতের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো নারীদের অংশগ্রহণ, যেখানে বহু নারী উদ্যোক্তা ঘরে বসেই ব্যবসা পরিচালনা করছেন।</p>
<p>তবে ই-কমার্স খাতকে শুধু উদ্যোক্তা তৈরির ক্ষেত্র হিসেবে দেখলে এর প্রকৃত সম্ভাবনাকে ছোট করে দেখা হবে। বাস্তবে এই খাত একটি বৃহৎ দক্ষতা-নির্ভর কর্মসংস্থানের ক্ষেত্র। একটি ই-কমার্স ব্যবসা পরিচালনার জন্য প্রয়োজন হয় ডিজিটাল মার্কেটিং, গ্রাফিক ডিজাইন, কন্টেন্ট তৈরি, ওয়েবসাইট ব্যবস্থাপনা, কাস্টমার সার্ভিস, লজিস্টিকস ম্যানেজমেন্ট, পেমেন্ট সিস্টেম এবং ডাটা বিশ্লেষণের মতো বিভিন্ন দক্ষতার।</p>
<p>যদি পরিকল্পিতভাবে দেশের অন্তত এক লাখ শিক্ষিত তরুণকে এই ধরনের দক্ষতায় প্রশিক্ষণ দেওয়া যায়, তাহলে তারা শুধু চাকরি পাবে না, বরং অনেকেই উদ্যোক্তা হিসেবেও প্রতিষ্ঠিত হতে পারবে। ধরা যাক, প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত একজন তরুণ মাসে গড়ে ৩০ হাজার টাকা আয় করতে পারে। সে ক্ষেত্রে এক লাখ দক্ষ কর্মীর মাধ্যমে বছরে প্রায় ৩৬ হাজার কোটি টাকার আয় অর্থনীতিতে যুক্ত হতে পারে। এই অর্থ সরাসরি বাজারে প্রবাহিত হয়ে ভোগ, বিনিয়োগ এবং উৎপাদন বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে।</p>
<p>ই-কমার্স খাতের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো এর forward এবং backward integration। অনেক উদ্যোক্তা প্রথমে অনলাইনে পণ্য বিক্রি শুরু করলেও পরে নিজেরাই পণ্য উৎপাদন শুরু করেন। এতে ছোট ছোট উৎপাদন ইউনিট বা কারখানা গড়ে ওঠে, স্থানীয় কারিগর ও গ্রামীণ নারীদের কর্মসংস্থান তৈরি হয় এবং দেশীয় শিল্পের বিকাশ ঘটে। এটিকে বলা যায় backward integration।</p>
<p>অন্যদিকে অনেক ই-কমার্স ব্যবসা ধীরে ধীরে খুচরা দোকান বা শোরুম খোলা, কিংবা আন্তর্জাতিক মার্কেটপ্লেসে পণ্য রপ্তানির দিকে এগিয়ে যায়। এটিই forward integration। ফলে একটি অনলাইন ব্যবসা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে উৎপাদন, খুচরা বিক্রি এবং রপ্তানি, এই তিনটি খাতেই অবদান রাখতে পারে।</p>
<p>যদি ধরা হয়, প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত এক লাখ তরুণের মধ্যে অন্তত ৩০ হাজার উদ্যোক্তা তৈরি হয় এবং তাদের প্রত্যেকের গড় বার্ষিক বিক্রি হয় প্রায় ১৫ লাখ টাকা, তাহলে এই উদ্যোক্তাদের মাধ্যমে বছরে প্রায় ৪৫ হাজার কোটি টাকার ব্যবসায়িক কার্যক্রম সৃষ্টি হতে পারে। এই ব্যবসার একটি অংশ আবার উৎপাদন ও খুচরা খাতে নতুন কর্মসংস্থান তৈরি করবে। ফলে সরাসরি ও পরোক্ষভাবে প্রায় দেড় থেকে দুই লাখ মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হওয়া অসম্ভব নয়।</p>
<p>এই বাস্তবতায় একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত প্রশ্ন সামনে আসে। এই খাতকে কীভাবে আরও দ্রুত বিকশিত করা যায়। অনেক দেশের অভিজ্ঞতা বলছে, নতুন ডিজিটাল উদ্যোক্তা তৈরির জন্য শুরুতে কর ও ভ্যাটের ক্ষেত্রে কিছুটা নীতিগত সহায়তা দিলে খাতটি দ্রুত বিস্তার লাভ করে। যদি ই-কমার্সের ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য প্রাথমিক পর্যায়ে পাঁচ বছরের জন্য কর ও ভ্যাটের কিছু সুবিধা দেওয়া যায়, তাহলে উদ্যোক্তারা সহজে ব্যবসা দাঁড় করাতে পারবে এবং বাজার তৈরি করতে পারবে।</p>
<p>ধরা যাক, ই-কমার্স উদ্যোক্তাদের মোট বার্ষিক ব্যবসা প্রায় ৪৫ হাজার কোটি টাকা। এর ওপর গড়ে ৫ শতাংশ ভ্যাট হিসাব করলে বছরে প্রায় ২,২৫০ কোটি টাকার সম্ভাব্য রাজস্ব দাঁড়ায়। কিন্তু বাস্তবে এই খাতের একটি বড় অংশ এখনো ইনফরমাল অর্থনীতির মধ্যে রয়েছে, ফলে এই রাজস্বের বড় অংশই সরকার পায় না। অন্যদিকে যদি উদ্যোক্তাদের ব্যবসা গড়ে ওঠার সুযোগ দেওয়া হয়, তাহলে কয়েক বছরের মধ্যেই তারা ফরমাল অর্থনীতির অংশ হয়ে কর ও ভ্যাট প্রদানের সক্ষমতা অর্জন করবে।</p>
<p>ভাবুন তো,  পাঁচ বছর পর এই উদ্যোক্তাদের একটি বড় অংশ স্থায়ী ব্যবসায় পরিণত হলো এবং তাদের সম্মিলিত ব্যবসা ৭৫ হাজার কোটি টাকায় পৌঁছালো। তখন কর ও ভ্যাট মিলিয়ে সরকার বছরে পাঁচ হাজার কোটির বেশি রাজস্ব পেতে পারে। অর্থাৎ স্বল্পমেয়াদে কিছু রাজস্ব ছাড় দিলেও দীর্ঘমেয়াদে একটি বড় করভিত্তি তৈরি হবে।</p>
<p>সবচেয়ে বড় বিষয় হলো এই খাতের মাধ্যমে দেশের বিপুল সংখ্যক শিক্ষিত তরুণ-তরুণীর কর্মসংস্থান তৈরি হবে। একই সঙ্গে গ্রামীণ উৎপাদন, নারী উদ্যোক্তা, ক্ষুদ্র শিল্প এবং ডিজিটাল অর্থনীতি নতুন গতি পাবে।</p>
<p>বাংলাদেশ এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক ট্রান্সফর্মেশনের পথে দাঁড়িয়ে আছে। এই সময়ে যদি ই-কমার্স খাতকে একটি কৌশলগত শিল্পখাত হিসেবে বিবেচনা করে দক্ষতা উন্নয়ন, উদ্যোক্তা তৈরি এবং প্রাথমিক নীতিগত সহায়তা দেওয়া যায়, তাহলে এটি আগামী দশকে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির অন্যতম চালিকাশক্তি হয়ে উঠতে পারে।  এই শক্তিকে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারলে লাখো মানুষের জীবন বদলে দিতে পারে।</p>
<hr>
<p>লেখকঃ <span>সাবেক সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত), ই-ক্যাব</span></p>
<hr>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>দ্রুত ডিজিটাল ব্যাংকিং চালু ও টেলিকম খাত সংস্কারের আহ্বান বাংলালিংক সিইওর</title>
<link>https://digibanglatech.news/170702</link>
<guid>https://digibanglatech.news/170702</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69b598c7e1565.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 14 Mar 2026 23:01:39 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>দেশে আর্থিক অন্তর্ভুক্তি ও ডিজিটাল সেবার প্রসার বাড়াতে দ্রুত ডিজিটাল ব্যাংকিং চালু এবং টেলিযোগাযোগ খাতে নীতিগত সংস্কারের তাগিদ অনুভব করছে  বাংলালিংক-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইওহান বুসে। </p>
<p>১৪ মার্চ, রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁওয়ের পদ্মা হলে টেলিকম খাতের সাংবাদিকদের জন্য আয়োজিত এক ইফতার অনুষ্ঠানের ফাঁকে আলাপনে এমন অভব্যক্তি প্রকাশ করেন তিনি। </p>
<p>প্রায় শতেক গণমাধ্যম কর্মীদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানে বাংলালিংক চিফ কর্পোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স অফিসার তাইমুর রহমান, বাংলালিংকের বর্তমান চিফ ফাইন্যান্সিয়াল অফিসার মো. আব্দুল কাদের জোয়াদ্দার, চিফ টেকনোলজি ও ইনফরমেশন অফিসার হুসেইন তুর্কার, চিফ মার্কেটিং অফিসার কাজী মাহবুব হাসান, চিফ ডিজিটাল অফিসার গোলাম কিবরিয়া, ভারপ্রাপ্ত প্রধান মানবসম্পদ কর্মকর্তা  রুহুল কাদের ও কর্পোরেট কমিনিউকেশন হেড গাজী তাওহিদ আহমেদসহ শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>ইফতার মাহফিলের অনানুষ্ঠানিক আলাপে সাম্প্রতিক বছরগুলোকে চ্যালেঞ্জিং সময় উল্লেখ করলেও বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন বাংলালিংক প্রধান ইওহান বুসে।</p>
<p>বিদেশি নির্বাহী হিসেবে বাংলাদেশে কাজ করলেও দেশের মানুষের উন্নয়নে অবদান রাখার আগ্রহ প্রকাশ করে তিনি বলেন, অবকাঠামো উন্নয়ন, ডিজিটাল সেবা সম্প্রসারণ এবং নীতিগত সংস্কারের মাধ্যমে দেশের সমৃদ্ধি ও জনকল্যাণ আরও জোরদার করা সম্ভব। এক্ষত্রে মনে হতে পারে, আমি হয়তো এই দেশের বাইরের একজন মানুষ, কিন্তু এখানে আসার মূল উদ্দেশ্য হলো মানুষের কল্যাণে কাজ করা।</p>
<p>প্রসঙ্গক্রমে তিনি জানান, বাংলালিংকের মূল প্রতিষ্ঠান ভিওন বাংলাদেশে একটি ডিজিটাল ব্যাংক প্রতিষ্ঠার জন্য লাইসেন্স পেতে আবেদন করেছে এবং এই খাতের ইকোসিস্টেমে যুক্ত হতে প্রতিষ্ঠানটি আগ্রহী।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x_69b598cdb0de2.jpg" alt=""></p>
<p>জোহান বুসে মনে করেন, ডিজিটাল ব্যাংকিং চালু হলে বাংলাদেশের আর্থিক সেবা খাতে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে। কারণ এসব সেবা প্রচলিত ব্যাংকিং ব্যবস্থার তুলনায় সহজ ও কম খরচে মানুষের কাছে পৌঁছানো সম্ভব।</p>
<p>তিনি বলেন, ডিজিটাল ব্যাংকগুলো প্রচলিত ব্যাংকের তুলনায় আলাদা, কারণ এতে ব্যয়বহুল শাখা বা জটিল কাগজপত্রের প্রয়োজন হয় না। ফলে সেবাগুলো আরও সাশ্রয়ী ও সহজলভ্য হয়। উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন, সিঙ্গাপুরে স্মার্টফোনের মাধ্যমে তিন মিনিটেরও কম সময়ে একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা সম্ভব।</p>
<p>টেলিযোগাযোগ খাতের চ্যালেঞ্জ প্রসঙ্গে বুসে বলেন, দেশে স্পেকট্রামের মূল্য অনেক বেশি, যা অপারেটরদের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করছে। তার মতে, বর্তমান বাজার কাঠামো প্রতিযোগিতা ও বেসরকারি অপারেটরদের দীর্ঘমেয়াদি টেকসই পরিচালনার ক্ষেত্রে প্রশ্ন তৈরি করছে।</p>
<p>তিনি আরও বলেন, টেলিযোগাযোগ খাতে সহযোগিতার সুযোগ বাড়ানো যেতে পারে, বিশেষ করে রাষ্ট্রায়ত্ত অপারেটর টেলিটক বাংলাদেশ-এর সঙ্গে। সরকারের অধীন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে অভিজ্ঞ বেসরকারি অপারেটরদের অংশীদারিত্ব উৎসাহিত করা হলে সেবার মান ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা আরও শক্তিশালী হতে পারে।</p>
<p>বাংলালিংক সিইও বলেন, এ ধরনের অংশীদারিত্বের মাধ্যমে সরকারি প্রতিষ্ঠানের বিস্তৃত নেটওয়ার্ক এবং বেসরকারি খাতের উদ্ভাবন, বিনিয়োগ ও পরিচালন দক্ষতা একত্রে কাজে লাগানো সম্ভব হবে। তিনি জানান, তে  অংশীদারিত্বের সুযোগ পেলে বাংলালিংক তা বিবেচনা করতে আগ্রহী।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/আইএইচ/এমইউএম </strong></em></span></p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>এআই কি জুনিয়র ডেভেলপারদের ভবিষ্যৎ নষ্ট করছে?</title>
<link>https://digibanglatech.news/170644</link>
<guid>https://digibanglatech.news/170644</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69b5266286ebf.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 13 Mar 2026 14:37:25 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>গত বছরের শেষের দিকে এক বন্ধু ফোন করেছিল। কম্পিউটার সায়েন্স শেষ করে একটা স্টার্টআপে জয়েন করেছে তার ছেলে। যেহেতু আমি সারাদিন নতুন প্রজন্মদের নিয়ে লিখি, তাই ধরে নিয়ে এলো আমার অফিসে। গলায় হতাশা। বলল, ভুল সময়ে প্রোগ্রামার হয়েছি মনে হয়। GitHub Copilot আর ChatGPT সব কোড লিখে দিচ্ছে। আমি শুধু কপি-পেস্ট করছি। সিনিয়াররা বলছে, আমরা জুনিয়ররা আর কোডিং শিখতে পারবো না, শুধু AI এর উপর নির্ভরশীল হয়ে যাব।</p>
<p>শান্ত করলাম তাকে। অনেক কিছু বললাম। কিন্তু প্রশ্নটা মাথায় ঘুরপাক খেতে লাগল। পুরো সফটওয়্যার ইন্ডাস্ট্রিতে এই নিয়ে বিতর্ক চলছে। Anthropic - যারা Claude AI বানিয়েছে - তারা এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে একটা রিসার্চ করেছে। সেই রিসার্চের গল্পটা বলছি।</p>
<p>AI coding assistants, মানে এআই হেল্পার কি জুনিয়র ডেভেলপারদের শেখার ক্ষমতা নষ্ট করছে, নাকি সাহায্য করছে? আমি অনেক কিছুই পড়ি, এটাও চোখে পড়ল। দেখলাম আমার মতো উত্তর খুঁজতে Anthropic একটা এক্সপেরিমেন্ট চালিয়েছে। পঞ্চাশ জন জুনিয়র ডেভেলপার। জুনিয়র মানে শূন্য থেকে দুই বছরের অভিজ্ঞতা। ইউনিভার্সিটি সবে শেষ, অথবা বুটক্যাম্প থেকে বের হওয়া। বিভিন্ন দেশ, বিভিন্ন ব্যাকগ্রাউন্ড। কেউ Python জানে, কেউ JavaScript, কেউ Java।</p>
<p>দুটো গ্রুপে ভাগ করা হলো তাদের। গ্রুপ A পাবে Claude AI। গ্রুপ B পাবে না - শুধু Google, Stack Overflow, ডকুমেন্টেশন। এরপর দুটো পর্বে কাজ করানো হলো।</p>
<p>প্রথম পর্ব ছিল ষাট মিনিটের কোডিং টাস্ক। রিয়েল লাইফ চ্যালেঞ্জ। একটা ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন বানাতে হবে, API তৈরি করতে হবে, ডেটা প্রসেস করতে হবে। যে ধরনের কাজ তাদের আসল চাকরিতেও করতে হয়।</p>
<p>দ্বিতীয় পর্বটা ছিল আসল জিনিস। কোডিং শেষ হওয়ার সাথে সাথে একটা কুইজ। ত্রিশ মিনিট। প্রশ্নগুলো সোজা - তুমি এইমাত্র যে কোড লিখলে, সেটা কীভাবে কাজ করে? কোন লাইনটা কী করছে? এই জিনিসটা বদলালে কী হবে? বুঝে লিখেছ, নাকি শুধু কপি করেছ? ব্যাপারটা এমন যে, আপনি একটা রেসিপি দেখে রান্না করলেন। রান্না শেষে কেউ জিজ্ঞেস করল - কেন আদা দিলেন? চিনি বাদ দিলে কী হতো? এই মশলাটার কাজ কী? উত্তর দিতে পারলে মানে রান্না শিখেছেন। না পারলে শুধু রেসিপি মেনেছেন।</p>
<p><strong>ফলাফল কি হতে পারে?</strong></p>
<p>কাজের দিক দিয়ে গ্রুপ A এগিয়ে থাকল। AI সহ ওই গ্রুপ দ্রুত কোড লিখল। কম বাগ ছিল। কোড দেখতে প্রফেশনাল। ষাট মিনিটে বেশি ফিচার বানাতে পারল। গ্রুপ B ধীরে কোড লিখল। বেশি বাগ। কিছু জিনিস অসম্পূর্ণ থেকে গেল।</p>
<p>এখানে মনে হতে পারে, AI ব্যবহার করাই ভালো। কিন্তু কুইজের ফলাফল উল্টো গল্প বলল।</p>
<p>নলেজ পরীক্ষায় গ্রুপ B এগিয়ে রইল। যারা ধীরে কোড লিখেছিল, বেশি স্ট্রাগল করেছিল, তারা কুইজে ভালো করল। কোড কীভাবে কাজ করে সেটা তারা বুঝল। নিজের ভুল ধরতে পারল। লজিক এক্সপ্লেইন করতে পারল। অল্টারনেটিভ সলিউশন চিন্তা করতে পারল।</p>
<p>গ্রুপ A দ্রুত কোড লিখলেও সব বুঝল না। কেন কাজ করছে সেটা বলতে পারল না। AI যা দিয়েছে সেটা ব্লাইন্ডলি ব্যবহার করেছে। ব্যাপারটা অনেকটাই ক্যালকুলেটরের মতো। ক্যালকুলেটর দিয়ে ম্যাথ করলে উত্তর দ্রুত পাবেন। সঠিক হবে। কিন্তু ম্যাথ শিখবেন না। নিজে হাতে করলে সময় লাগবে। ভুল হতে পারে। কিন্তু ম্যাথ শিখবেন।</p>
<p>রিসার্চাররা আরেকটা মজার জিনিস খেয়াল করলেন। AI ব্যবহারকারীদের মধ্যে তিন ধরনের মানুষ ছিল।</p>
<p>প্রথম ধরন - "কপি-পেস্ট মাস্টার"। এরা AI কে বলত, পুরো ফিচারটা লিখে দাও। AI যা দিত, কপি-পেস্ট। কাজ শেষ। কিন্তু পরে জিজ্ঞেস করলে, এই কোড কী করছে, বা কিভাবে কাজ করছে - বলতে পারত না।</p>
<p>দ্বিতীয় ধরন - "কনফিউজড এক্সপ্লোরার"। বুঝতে চেষ্টা করেছিল। AI কেও জিজ্ঞেস করত, Google ও করত। কিন্তু এত ইনফরমেশন আসত যে কনফিউজড হয়ে যেত। AI একরকম বলছে, Stack Overflow অন্যরকম বলছে। দ্বিধায় পড়ে যেত।</p>
<p>তৃতীয় ধরন - "স্ট্র্যাটেজিক লার্নার"। এরা জিতল। এরা AI কে আমার মতো মেন্টর বানাল, কোড-রাইটার না। প্রশ্ন করত - এই কনসেপ্টটা বুঝিয়ে দাও। আমার কোডে সমস্যা কী? আরো ভালো উপায় কী? তারপর নিজেরা কোড লিখত। AI শুধু গাইড করত।</p>
<p>ধরুন, একজন বলল, লগইন ফর্ম বানাতে চাই, কোন কনসেপ্ট লাগবে? AI বলল, authentication, hashing, sessions জানতে হবে। ডেভেলপার বলল, authentication বুঝিয়ে দাও। বুঝে নিজে কোড লিখল। তারপর বলল, আমার কোড চেক করো, ভুল কোথায়?</p>
<p>এই তৃতীয় ধরনের নতুন প্রজন্মের ছেলেরা ভালো কোড লিখল - AI এর সাহায্যে - এবং ভালো শিখলও। কুইজে ভালো স্কোর পেল।</p>
<p>তাহলে - প্রথম লেসন - AI খারাপ না। ব্যবহারের উপর নির্ভর করে। "কোড-লেখার মেশিন" হিসেবে ব্যবহার করলে শিখবেন না। "শিক্ষক/মেন্টর" হিসেবে ব্যবহার করলে শিখবেন।</p>
<p>দ্বিতীয় লেসন - স্ট্রাগল জরুরি। যে গ্রুপ AI ছাড়া কাজ করল, তারা বেশি স্ট্রাগল করেছে। সময় নিয়েছে। ভুল করেছে। কিন্তু বেশি শিখেছে। জিমে কেউ আপনার জন্য ওজন তুললে আপনার মাসল বাড়বে না। নিজে কষ্ট করলে বাড়ে। কোডিং এও একই। AI সব লিখে দিলে "মানসিক মাসল" বাড়বে না।</p>
<p>তৃতীয় লেসন - সময়ের ভারসাম্য। অল্প সময়ে AI দিয়ে দ্রুত কাজ হয়। ভালো কোড হয়। কম ভুল। কিন্তু দীর্ঘ মেয়াদে - ক্যারিয়ারে - বেশি নির্ভরশীল হলে কম শিখবেন। শিক্ষক হিসেবে ব্যবহার করলে বেশি শিখবেন।</p>
<p>সবচেয়ে বড় কথা - AI জুনিয়র ডেভেলপারদের ভবিষ্যৎ নষ্ট করবে না। যদি সঠিক উপায়ে ব্যবহার করা হয়।</p>
<p><strong>তাহলে করনীয় কী? </strong></p>
<p>প্রথম পরামর্শ - AI কে শিক্ষক বানান, স্লেভ না। "পুরো ফিচার লিখে দাও" না বলে বলুন, "কোন কনসেপ্ট লাগবে? আমার কোডে সমস্যা কী? আরো ভালো উপায় কী?"</p>
<p>দ্বিতীয় পরামর্শ - নিজে চেষ্টা করুন প্রথমে। AI এর কাছে যাওয়ার আগে পাঁচ-দশ মিনিট চেষ্টা করুন। এই স্ট্রাগলটাই শেখায়।</p>
<p>তৃতীয় পরামর্শ - AI যা দেয়, বুঝুন। প্রতিটা লাইন পড়ুন। কী করছে বুঝুন। নিজের ভাষায় এক্সপ্লেইন করার চেষ্টা করুন। না পারলে মানে শিখেননি।</p>
<p>চতুর্থ পরামর্শ - ভুল করুন, শিখুন। AI সব সময় পারফেক্ট কোড দেয়। কিন্তু ভুল কোড লিখে ডিবাগিং করে শেখাটা জরুরি। মাঝেমধ্যে AI ছাড়া কোড লিখুন।</p>
<p>পঞ্চম পরামর্শ - "কেন" জিজ্ঞেস করুন। AI যে কোড দিল, জিজ্ঞেস করুন - কেন এভাবে? অন্য উপায় কী? সুবিধা-অসুবিধা কী?</p>
<p>ফাইনাল কথায় আসি। AI coding assistants দারুণ টুল। জুনিয়র ডেভেলপারদের শত্রু না, বন্ধু। কিন্তু যেকোনো টুলের মতো, ব্যবহারের উপর নির্ভর করে। হাতুড়ি দিয়ে ঘর বানানো যায়, ভাঙাও যায়। AI দিয়ে শেখা যায় - সঠিক উপায়ে ব্যবহার করলে। আবার নির্ভরশীল হয়ে যাওয়া যায় - শুধু কপি-পেস্ট করলে।</p>
<p>আমার সেই বন্ধুর ছেলেকে এই রিসার্চের কথা বললাম। এখন সে AI কে সিনিয়র মেন্টর বানিয়েছে। আগের চেয়ে দ্রুত শিখছে। ভালো শিখছে।</p>
<p>পুনশ্চ: ISP অটোমেশনের বইয়ের দ্বিতীয় খন্ড - "এক মিলিয়ন গ্রাহকের ISP" - আসবে বইমেলার পরে। আমরা ১ মিলিয়ন গ্রাহককে সার্ভ করার জন্য তৈরি হচ্ছি। এই ইন্ডাস্ট্রিটা একটা স্কেলিং গেম। সে কারণেই দরকার প্রচুর অটোমেশন পাইপলাইন। নেটওয়ার্ক ডেভঅপস, সিআইসিডি পাইপলাইন নিয়ে যারা কাজ করতে পারেন তারা আমাকে ইনবক্স করতে পারেন। আমাদের একজন সফটওয়্যার আর্কিটেক্ট প্রয়োজন যিনি ক্লাউড ইনফ্রাস্ট্রাকচার এবং নেটওয়ার্ককে "ইনফ্রাস্ট্রাকচার অ্যাজ কোড" (IAS) হিসেবে দেখতে পারবেন। ডিটেইলস জানতে কমেন্টের বইটা দেখুন।</p>
<hr>
<p>লেখকঃ মেশিন লার্নিং ও টেলিকম বিশেষজ্ঞ ও লেখক </p>
<hr>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ছাদে&#45;চালে সৌর বিদ্যুৎ; নবায়নযোগ্য জ্বালানি হোক স্বনির্ভরতার হাতিয়ার</title>
<link>https://digibanglatech.news/170239</link>
<guid>https://digibanglatech.news/170239</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69afe3a1c3a16.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 11 Mar 2026 00:26:13 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশ বর্তমানে জ্বালানি নিরাপত্তার এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে। বিশ্বজুড়ে জীবাশ্ম জ্বালানির অস্থির বাজার আর আমদানিনির্ভরতা আমাদের অর্থনীতিতে যে চাপ তৈরি করছে, তা থেকে মুক্তির একমাত্র পথ হলো নিজস্ব উৎসের সঠিক ব্যবহার। জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলা এবং জ্বালানি স্বনির্ভরতা অর্জনে ‘ছাদ-সৌর’ (Rooftop Solar) হতে পারে আমাদের প্রধান হাতিয়ার। কিন্তু অফ-গ্রিড সৌরবিদ্যুতে (সোলার হোম সিস্টেম) বৈশ্বিক সাফল্য থাকলেও শহরের ছাদে এই প্রযুক্তির ব্যবহারে এখনো এক ধরনের স্থবিরতা কাজ করছে।</p>
<p>বাধা যেখানে: সাধারণের অনাগ্রহের নেপথ্যে</p>
<p>কেন মানুষ ছাদে সৌর প্যানেল বসাতে দ্বিধা করছে? এর পেছনে কয়েকটি যৌক্তিক কারণ রয়েছে:</p>
<p>১. উচ্চ প্রাথমিক বিনিয়োগ: একটি মানসম্মত ৫ কিলোওয়াট সিস্টেমের জন্য ৫ থেকে ৭ লক্ষ টাকার প্রাথমিক বিনিয়োগ প্রয়োজন, যা মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য একটি বড় আর্থিক বোঝা।<br>২. মানহীন যন্ত্রাংশ ও অতীত অভিজ্ঞতা: অতীতে কেবল বিদ্যুৎ সংযোগের শর্ত পূরণের জন্য নামমাত্র সৌর প্যানেল বসানো হয়েছিল। সঠিক তদারকি ও মানের অভাবে সেগুলো অকেজো হয়ে পড়ায় মানুষের মনে এই প্রযুক্তির কার্যকারিতা নিয়ে অনাস্থা তৈরি হয়েছে।<br>৩. রক্ষণাবেক্ষণ ও কারিগরি সহায়তা: সৌর প্যানেল নিয়মিত পরিষ্কার করা বা ত্রুটিপূর্ণ ইনভার্টার মেরামতের জন্য হাতের নাগালে দক্ষ কারিগর বা সাশ্রয়ী সার্ভিসিং সেন্টারের অভাব রয়েছে।</p>
<p>সরকারের নতুন উদ্যোগ: সহজ হবে পথ চলা</p>
<p>এই অচলায়তন ভাঙতে সরকার ‘নেট মিটারিং নির্দেশিকা ২০২৫’ সংশোধন করে বেশ কিছু যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছে:</p>
<p>সমন্বিত বিলিং ব্যবস্থা: এখন সাধারণ ‘সিঙ্গেল-ফেজ’ সংযোগ ব্যবহারকারী সাধারণ মানুষও গ্রিডে বিদ্যুৎ দিয়ে বিল সমন্বয় করতে পারবেন। অর্থাৎ, দিনের বেলা আপনার বাড়তি বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যোগ হবে এবং মাস শেষে আপনার বিদ্যুৎ বিল লক্ষণীয়ভাবে কমে আসবে।</p>
<p>সরাসরি আয়ের সুযোগ: আপনার উৎপাদিত বিদ্যুৎ ব্যবহারের চেয়ে বেশি হলে, বাড়তি অংশের দাম সরাসরি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের (বিকাশ/নগদ) মাধ্যমে সরকার আপনাকে পরিশোধ করবে।</p>
<p>লোড সক্ষমতার পূর্ণ ব্যবহার: আগে কেবল অনুমোদিত লোডের ৭০ শতাংশ সোলার বসানো যেত, এখন একজন গ্রাহক তার পূর্ণ সক্ষমতার (১০০%) প্যানেল বসাতে পারবেন।</p>
<p>সমন্বিত পরিকল্পনা: খাল খনন ও নীল-সবুজ বিপ্লব</p>
<p>সৌরবিদ্যুতের এই সম্ভাবনা কেবল ছাদেই সীমাবদ্ধ নয়। সরকার দেশব্যাপী যে খাল খনন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে, তার সাথে সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্পকে যুক্ত করে একটি বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনা সম্ভব।</p>
<p>খালের পানির ওপর ভাসমান সৌর প্যানেল (Floating Solar) বসিয়ে একদিকে যেমন বিপুল পরিমাণ বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যাবে, তেমনি প্যানেলের নিচের ছায়াযুক্ত শীতল পরিবেশে উন্নত মানের মাছ চাষ করা সম্ভব। এর ফলে একই জায়গা থেকে আমরা পাচ্ছি—<br>১. নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ।<br>২. বাষ্পীভবন রোধের মাধ্যমে পানি সংরক্ষণ।<br>৩. কৃষিকাজে পানির সহজলভ্যতা।<br>৪. মৎস্য সম্পদের বিশাল ভাণ্ডার।</p>
<p>সরকার খাল খনন কর্মসূচিতে এই বিদ্যুৎ প্লান্ট যোগ করার মাধ্যমে পানি নির্ভর কৃষি ও শক্তির উৎসের মধ্যে একটি অনন্য সমন্বয় ঘটাতে পারে।</p>
<p>আর্থিক লাভ: ব্যক্তি থেকে রাষ্ট্র</p>
<p>সৌরবিদ্যুতের প্রসার সরাসরি আমাদের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করবে:</p>
<p>ব্যক্তি পর্যায়ে: ৫-৬ বছরের মধ্যে সিস্টেমের খরচ উঠে আসার পর পরবর্তী ১৫-২০ বছর প্রায় বিনা মূল্যে বিদ্যুৎ সুবিধা পাওয়া যাবে। এটি বিদ্যুৎ বিলের ক্রমবর্ধমান মূল্য থেকে সাধারণ মানুষকে দীর্ঘমেয়াদী সুরক্ষা দেবে।</p>
<p>রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে: সরকার বিদ্যুৎ উৎপাদনে যে বিশাল ভর্তুকি দেয়, সোলার প্যানেলের প্রসার সেই চাপ কমাবে। এছাড়া কয়লা বা এলএনজি আমদানিতে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা (ডলার) ব্যয় করতে হয়, যা সৌরবিদ্যুতের মাধ্যমে সাশ্রয় করা সম্ভব।</p>
<p>উপসংহার</p>
<p>সৌরশক্তি আজ আর কোনো বিলাসিতা নয়, বরং এটি স্বনির্ভরতার একটি স্মার্ট সমাধান। সরকারি খাল খনন প্রকল্পে সোলার প্লান্টের সমন্বয় এবং ছাদে সৌর প্যানেল স্থাপনে সহজ শর্তে ঋণ ও মানসম্মত যন্ত্রাংশের নিশ্চয়তা দেওয়া গেলে বাংলাদেশ প্রকৃতপক্ষেই জ্বালানিতে স্বনির্ভর হবে। প্রতিটি ছাদ আর প্রতিটি জলাশয় যখন বিদ্যুৎ কেন্দ্রে পরিণত হবে, তখনই গড়ে উঠবে আমাদের স্বপ্নের সমৃদ্ধ ও সবুজ বাংলাদেশ।</p>
<hr>
<p><strong>লেখকঃ </strong>কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার এবং প্রতিষ্ঠাতা, ভেক্টর সলিউশনস (Vector Solutions)</p>
<hr>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>রবি ওয়াইফাই কিনে স্মার্ট টিভি ও শপিং ভাউচার জেতার সুযোগ</title>
<link>https://digibanglatech.news/170237</link>
<guid>https://digibanglatech.news/170237</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69afde0089a46.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 10 Mar 2026 14:02:21 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="2">গ্রাহকদের জন্য “রবি ওয়াইফাই কিনলেই ঈদ হবে হাইফাই” শীর্ষক একটি আকর্ষণীয় কর্মসূচি চালু করেছে রবি আজিয়াটা পিএলসি। গত ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ থেকে শুরু হওয়া এই কর্মসূচিটি আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত চলবে। এই কর্মসূচির আওতায় মোট ৬টি সাপ্তাহিক পর্বের অনলাইন কুইজে অংশ নিয়ে স্মার্ট টিভি ও শপিং ভাউচার জেতার সুযোগ পাবেন গ্রাহকরা।</p>
<p data-path-to-node="3">সঠিক উত্তরের সংখ্যা এবং উত্তর দেওয়ার সময়ের ওপর ভিত্তি করে প্রতি সপ্তাহে মোট ২৭ জন বিজয়ী নির্ধারণ করা হবে। বিজয়ীদের মধ্যে ৩ জন পাবেন ৪৩ ইঞ্চি স্মার্ট টিভি এবং অন্যরা পাবেন ১,০০০ থেকে ৫,০০০ টাকার শপিং ভাউচার। টাই হওয়ার ক্ষেত্রে দ্রুত উত্তরদাতাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।</p>
<p data-path-to-node="4">এই কর্মসূচি চলাকালে নতুন রবি ওয়াইফাই ডিভাইস কিনে সফলভাবে ইনস্টলেশন এবং প্রথম মাসের রিচার্জ সম্পন্ন করার পর গ্রাহকরা একটি এসএমএস লিংক পাবেন। সেই লিংকের মাধ্যমে রবি ওয়াইফাইয়ের ফিচার সম্পর্কিত ৩/৪টি বহুনির্বাচনী প্রশ্নের কুইজে অংশ নেওয়া যাবে। তবে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের সময় সংযোগটি অবশ্যই সক্রিয় থাকতে হবে।</p>
<p data-path-to-node="5">ইনস্টলেশন ও প্রথম রিচার্জ যে সপ্তাহে সম্পন্ন হবে, গ্রাহক সেই নির্দিষ্ট সপ্তাহের কুইজে অন্তর্ভুক্ত হবেন। কর্মসূচির সূচি অনুযায়ী ১৫-২১ ফেব্রুয়ারি প্রথম, ২২-২৮ ফেব্রুয়ারি দ্বিতীয়, ১-৭ মার্চ তৃতীয়, ৮-১৪ মার্চ চতুর্থ, ১৫-২৩ মার্চ পঞ্চম এবং ২৪-৩১ মার্চ ষষ্ঠ সপ্তাহ হিসেবে বিবেচিত হবে। প্রতি সপ্তাহের বিজয়ীদের নাম পরবর্তী সপ্তাহে ঘোষণা করা হবে।</p>
<p data-path-to-node="5"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এনএইচটি/এমইউএম</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>তথ্য ও প্রযুক্তি বিভাগে ৫ পদে চাকরির সুযোগ</title>
<link>https://digibanglatech.news/170216</link>
<guid>https://digibanglatech.news/170216</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69afb35346e92.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 10 Mar 2026 09:00:07 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div class="   
                  story-element">
<div class="story-element story-element-text">
<p>১৩ থেকে ২০ গ্রেডে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগ। ৫ ক্যাটাগরির পদে মোট ২৪ জনকে নিয়োগ দিতে ওয়েবে আবেদন গ্রহণ শুরু করেছে আইসিটি বিভাগ। আগামী ৩০ মার্চ পর্যান্ত <strong><a href="https://ictd.teletalk.com.bd/" target="_blank" rel="noopener">এই লিংকে গিয়ে </a></strong>আবেদন করতে পারবেন চাকরি প্রার্থরা।</p>
<p>১০ মার্চ, মঙ্গলবার থেকে শুরু হয়েছে <span>আবেদনপত্র পূরণ ও পরীক্ষার ফি জমাদানের কাজ। কম্পিউটার অপারেটর, ক্যাশিয়ার, ডেটা এন্ট্রি/ কন্ট্রোল অপারেটর ও </span><span>অফিস সহায়ক পদে প্রার্থীর বয়স </span><span>১ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে ১৮-৩২ বছর হতে হবে। আর সহকারি-কাম-কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক পদে  </span>বিভাগীয় প্রার্থীদের ক্ষেত্রে বয়সসীমা ৪০ পর্যন্ত শিথিলযোগ্য। </p>
<p>অফিস সহায়ক পদে <span>আবেদন ফি বাবদ ৫০ টাকা ও সার্ভিস চার্জ ৬ টাকাসহ ৫৬ টাকা হলেও বাকি পদগুলোর জন্য আবেদন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ১০০ টাকা ও সার্ভিস চার্জ ১২ টাকাসহ ১১২ টাকা।</span></p>
<p>বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ১৩তম গ্রেডে <span> ১১,০০০-২৬,৫৯০ টাকার স্কেলে</span> ২ কম্পিউটার অপারেটর নিয়োগ দিচ্ছে আইসিটি বিভাগ। এই পদের প্রার্থীকে কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে বিজ্ঞান বিভাগে স্নাতক (সম্মান) বা সমমানের ডিগ্রি; কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরে প্রতি মিনিটে বাংলায় ২৫ শব্দ এবং ইংরেজিতে ৩০ শব্দের গতিসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে Standard Aptitude Test এ উত্তীর্ণ হতে হবে।</p>
<p>ক্যাশিয়ার পদটি ১৪তম গ্রেডের। এখানে বেতন স্কেল ১০,২০০-২৪,৬৮০ টাকা। প্রার্থীকে কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে বাণিজ্য বিভাগে স্নাতক ডিগ্রি; কম্পিউটার চালনায় দক্ষতা থাকতে হবে; এবং কম্পিউটারে word processingসহ কম্পিউটার চালনায় দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। এই পদে একজনকে নিয়োগ দেয়া হবে।</p>
<p>১৬তম গ্রেডে ডাটা এন্ট্রি/কন্ট্রোল অপারেটর পদের প্রার্থীকে কোনো স্বীকৃত বোর্ড হতে উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ; কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরে প্রতি মিনিটে বাংলায় ২০ শব্দ এবং ইংরেজিতে ২০ শব্দের গতিসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে Standard Aptitude Test এ উত্তীর্ণ হতে হবে। এই পদের বেতন স্কেল ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা। নেয়া হবে দুই জন। </p>
<p>একই গ্রেডে এবার ৫ জন অফিস সহকারী-কাম-কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক নিয়োগ দিচ্ছে আইসিটি বিভাগ। এই পদের নিয়োগ পেতে প্রার্থীকে কোনো স্বীকৃত বোর্ড হতে উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট বা সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ; কম্পিউটার প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত; কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরে সর্বনিম্ন গতি প্রতি মিনিটে বাংলায় ২০ শব্দ ও ইংরেজিতে ২০ শব্দ; কম্পিউটারে word processingসহ ই-মেইল ও ফ্যাক্স পরিচালনার দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।</p>
<p>নিয়োগে ২০তম গ্রেডে সর্বোচ্চ ১৪ জন অফিস সহায়ক নিয়োগ দিতে যাচ্ছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ। এই পদে কোনো স্বীকৃত বোর্ড হতে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীর বেতন স্কেল ৮,২৫০-২০,০১০ টাকা।</p>
<div class="   
                  story-element">
<div class="story-element story-element-text story-element-text-also-read"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এনএ/ইকে</strong></span></em></div>
</div>
<p> </p>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>‘হাদির শুটার ফয়সালের সঙ্গে জুমার ছবি’ এইআই দিয়ে তৈরি</title>
<link>https://digibanglatech.news/170142</link>
<guid>https://digibanglatech.news/170142</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69aeaddcc7bfe.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 09 Mar 2026 14:24:32 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ও মূল শুটার ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে রাহুল ভারতে গ্রেফতার হয়েছেন। বাংলাদেশের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর বা আইএসপিআর রিউমার স্ক্যানারকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফয়সাল ও ইনকিলাব মঞ্চের নেত্রী ফাতিমা তাসনিম জুমার একসঙ্গে তোলা ছবি দাবিতে একটি ফটো প্রচার করা হচ্ছে।</p>
<div class="adDiv w320 hidden-print overflowHidden marginB30">
<div class="desktopDetailBody innerAdDiv">
<p>রিউমার স্ক্যানার টিমের অনুসন্ধানে জানা যায়, ফয়সালের সঙ্গে জুমার এ ছবিটি আসল নয়। প্রকৃতপক্ষে, এআইয়ের মাধ্যমে এ ছবি তৈরি করে প্রচার করা হচ্ছে।</p>
<p>এ বিষয়ে অনুসন্ধানে উক্ত দাবিতে প্রচারিত পোস্ট পর্যবেক্ষণ করে দাবির সপক্ষে কোনো তথ্যসূত্র পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে প্রাসঙ্গিক কি-ওয়ার্ড সার্চ করলেও আলোচিত দাবির সপক্ষে নির্ভরযোগ্য সূত্রে কোনো তথ্যপ্রমাণ পাওয়া যায়নি।</p>
<p>পরবর্তীতে ফটোকার্ডটির সূত্রপাতের বিষয়ে অনুসন্ধানে ‘GojobVision’ নামের একটি ফেসবুক পেজ থেকে গত রাতে আলোচিত ফটোকার্ডটি পোস্ট হতে দেখা যায়।</p>
<p>‘GojobVision’ পেজটি পর্যবেক্ষণ করলে এটি স্যাটায়ার বা প্যারোডিধর্মী পেজ হিসেবে উল্লেখ পাওয়া যায়।</p>
<p>এ থেকে নিশ্চিত হওয়া যায় যে আলোচিত পোস্টগুলো মূলত ব্যঙ্গাত্মক কনটেন্ট হিসেবেই তৈরি করা হয়েছে।</p>
<p>প্রচারিত ছবিটি গুগলের জেমিনির এআই জেনারেটেড কনটেন্ট শনাক্তকারী টুল সিন্থআইডির (SynthID) মাধ্যমে ছবিটি পরীক্ষা করে রিউমার স্ক্যানার। জেমিনি জানায়, ছবিটি গুগলের এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি বা সম্পাদিত।</p>
<p>গুগলের সিন্থআইডি (SynthID) প্রযুক্তি এআই দিয়ে তৈরি ছবি, ভিডিও, অডিও বা টেক্সটে অদৃশ্য ডিজিটাল ওয়াটারমার্ক যুক্ত করে, যা খালি চোখে দেখা না গেলেও বিশেষ প্রযুক্তির মাধ্যমে শনাক্ত করা যায়। গুগলের দাবি, কনটেন্ট তৈরি হওয়ার মুহূর্তেই এ ওয়াটারমার্ক যুক্ত হয় এবং ক্রপ করা, ফিল্টার প্রয়োগ বা ফ্রেম রেট পরিবর্তনের মতো সম্পাদনার পরও এটি টিকে থাকে। কোনো ছবি গুগল এআই দিয়ে তৈরি বা সম্পাদিত কি না জানতে চাইলে জেমিনিতে ছবিটি আপলোড করে জিজ্ঞেস করলেই সিন্থআইডি ওয়াটারমার্ক আছে কি না পরীক্ষা করে জানিয়ে দেয়।  </p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/আরএস/ইকে</strong></span></em></p>
</div>
<div class="desktopDetailTag hidden-print"></div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>সাইবার হামলার ৬৭ শতাংশই আইডেন্টিটি&#45;কেন্দ্রিক</title>
<link>https://digibanglatech.news/170110</link>
<guid>https://digibanglatech.news/170110</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69ae82fd3c210.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 09 Mar 2026 12:21:57 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="0">বিশ্বজুড়ে আইডেন্টিটি-কেন্দ্রিক সাইবার হামলার হার উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। গত বছরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মোট সাইবার হামলার ৬৭ শতাংশই ঘটেছে আইডেন্টিটি বা পরিচয়-সংক্রান্ত দুর্বলতাকে কাজে লাগিয়ে। আক্রমণকারীরা মূলত চুরি হওয়া ক্রেডেনশিয়াল, দুর্বল মাল্টিফ্যাক্টর অথেনটিকেশন (এমএফএ) এবং ঝুঁকিপূর্ণ আইডেন্টিটি সিস্টেম ব্যবহার করে প্রতিষ্ঠানের নেটওয়ার্কে অনধিকার প্রবেশ করছে। বিশেষ করে ৫৯ শতাংশ ক্ষেত্রে এমএফএ ব্যবহার না করার সুযোগ নিয়ে হ্যাকাররা সহজেই নেটওয়ার্কে ঢুকে পড়ছে।</p>
<p data-path-to-node="0">নিজেদের ২০২৬ সালের অ্যাক্টিভ অ্যাডভারসারি রিপোর্টে প্রকাশ করে ৯ মার্চ, সোমবার এ তথ্য জানিয়েছে সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান সফোস। </p>
<p data-path-to-node="0">প্রতিবেদনে দেখা গেছে, সাইবার আক্রমণ শনাক্তের সময় বা ডুয়াল টাইম তিন দিনে নেমে এলেও আক্রমণকারীরা এখন অত্যন্ত দ্রুত নেটওয়ার্কে ছড়িয়ে পড়ছে এবং কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই অ্যাক্টিভ ডিরেক্টরিতে পৌঁছে যাচ্ছে। র‍্যানসমওয়্যার ও তথ্য চুরির মতো অধিকাংশ হামলা অফিসের সময়ের বাইরে ঘটছে, যখন নিরাপত্তা নজরদারি তুলনামূলক কম থাকে। সফোসের অনুসন্ধানে ৫১টি র‍্যানসমওয়্যার গ্রুপ শনাক্ত হয়েছে, যার মধ্যে ২৪টিই নতুন। এর মধ্যে আকিরা ও কিলিন গ্রুপ সবচেয়ে বেশি সক্রিয়। তবে জেনারেটিভ এআই সরাসরি নতুন কোনো বড় ধরনের সাইবার কৌশল তৈরি করতে না পারলেও ফিশিং ও সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মান উন্নয়নে ব্যবহৃত হচ্ছে।</p>
<p data-path-to-node="2">এ ধরনের ক্রমবর্ধমান ঝুঁকি মোকাবিলায় সফোস বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির মতে, ফিশিং ঠেকাতে এমএফএ-এর সঠিক কনফিগারেশন নিশ্চিত করা, আইডেন্টিটি কাঠামো ও ইন্টারনেট-ভিত্তিক সার্ভিসগুলো সুরক্ষিত রাখা এবং এজ ডিভাইসের দুর্বলতা দ্রুত প্যাচ করা অপরিহার্য। এছাড়া ২৪ ঘণ্টা নেটওয়ার্ক পর্যবেক্ষণের জন্য ম্যানেজড ডিটেকশন অ্যান্ড রেসপন্স (এমডিআর) বা সমমানের পরিষেবা গ্রহণের ওপর তারা বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছে।</p>
<p data-path-to-node="2"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এনএইচটি/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>রিল বানিয়েই জেতা যাবে নতুন ভিভো স্মার্টফোন</title>
<link>https://digibanglatech.news/170111</link>
<guid>https://digibanglatech.news/170111</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69ae868fce8a8.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 09 Mar 2026 11:36:50 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="0" class="first-token"><span class="">আসন্ন ঈদুল ফিতরে তরুণ প্রজন্মের সৃজনশীলতাকে উৎসাহিত সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘ওয়াই সো কুল ঈদ এন্থেম ২০২৬- রিল চ্যালেঞ্জ’ শুরু করেছে গ্লোবাল স্মার্টফোন ব্র্যান্ড ভিভো। এই অনলাইন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীরা ভিভোর অফিসিয়াল ‘ওয়াই সো কুল ঈদ এন্থেম’ ট্র্যাকটি ব্যবহার করে নিজেদের ঈদ উদযাপন,</span><span class=""> নাচ বা সৃজনশীল মুহূর্তের শর্ট-ভিডিও বা রিলস তৈরি করে অংশ নিতে পারবেন।</span></p>
<p data-path-to-node="0" class="first-token"><span class="">নতুন ভিভো ওয়াই৩১ডি স্মার্টফোনটির জনপ্রিয়তা বাড়িয়ে তুলতে এই প্রতিযোগিতা বলে ৯ মার্চ, সোমবার এক বার্তায় জানিয়েছে ভিভো বাংলাদেশ।</span></p>
<p data-path-to-node="4"><span class="">এতে বলা হয় প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে আগ্রহীদের অফিসিয়াল মিউজিক ট্র্যাকটি (লিঙ্ক:</span><span class=""> </span><a _ngcontent-ng-c3865199764="" target="_blank" rel="noopener" externallink="" _nghost-ng-c3270298698="" jslog="197247;track:generic_click,impression,attention;BardVeMetadataKey:[[&quot;r_558d351b8ebb3e8a&quot;,&quot;c_cdeec0f5ae1fde74&quot;,null,&quot;&quot;,null,null,null,null,1,null,null,0,0]]" href="https://shorturl.at/DexDs" class="ng-star-inserted" data-hveid="0" decode-data-ved="1" data-ved="0CAAQ_4QMahcKEwjCqfmQqJKTAxUAAAAAHQAAAAAQcw">https://shorturl.at/DexDs</a><span class="">) ব্যবহার করে ভিডিও তৈরি করে ফেসবুক বা টিকটকে পাবলিকলি পোস্ট করতে হবে। পোস্টের সাথে ব্যবহার করতে হবে </span><span>#YSoCoolEidAnthem</span><span class=""> হ্যাশট্যাগ। একজন অংশগ্রহণকারী একাধিক ভিডিও জমা দেওয়ার সুযোগ পাবেন।</span></p>
<p data-path-to-node="1"><span class="">বিজয়ীদের নির্বাচন করা হবে সরাসরি দর্শকদের মতামতের ভিত্তিতে অর্থাৎ সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রাপ্ত সর্বোচ্চ লাইকের ওপর ভিত্তি করে। আকর্ষণীয় এই চ্যালেঞ্জের পুরস্কার হিসেবে বিজয়ীদের জন্য থাকছে ব্র্যান্ড-নিউ ভিভো ওয়াই৩১ডি স্মার্টফোন,</span><span class=""> রিরো প্যাডসহ ভিভোর পক্ষ থেকে আরও নানাবিধ উপহার।</span></p>
<p data-path-to-node="1"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong><span class="">ডিবিটেক/এমআই/ইকে</span></strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>পাম্পে তেলের খবর নিয়ে এলো ‘তেল কই’ অ্যাপ</title>
<link>https://digibanglatech.news/170093</link>
<guid>https://digibanglatech.news/170093</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69ae5db93f614.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 09 Mar 2026 06:44:45 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span>প্রজন্মকে নিয়ে প্রায়ই নানা সমালোচনা শোনা যায়। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, সুযোগ পেলে এই প্রজন্ম প্রযুক্তি ব্যবহার করে সমাজের বাস্তব সমস্যারও সমাধান খুঁজে বের করতে পারে। বাজারে তেল নিয়ে যখন তেলেসমাতি চলছি তখন দীর্ঘ লাইনে দাঁড়ানোর ভোগান্তি দূর করতে উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করলো জনৈক জেন-জি ডেটা এনালিস্টের তৈরি ‘তেল কই’ নামের একটি নাগরিক অ্যাপ।</span></p>
<p><span>তার তৈরি এই ওয়েবভিত্তিক অ্যাপ কম্পিউটার, ট্যাবলেট কিংবা স্মার্টফোন সব ডিভাইস থেকেই ব্যবহার করা যায়। অ্যাপটি ‘প্যানিক বায়িং’-এর কারণে পাম্পগুলোতে তৈরি হওয়া বিশৃঙ্খলা কমাতে কাজে লাগবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করছেন প্রযুক্তিবিদরা। অ্যাপটির কল্যানে এক পাম্প থেকে আরেক পাম্পে ঘুরেও প্রয়োজনীয় জ্বালানি না পেয়ে সংরক্ষিত তেল শেষ হওয়ার ঝামেলাও কমাবে বলে ধারণা তাদের। </span></p>
<p><span><strong><a href="https://telkoi.vercel.app/" target="_blank" rel="noopener">এই অ্যাপ</a></strong> ব্যবহার করে সহজেই জানা যাবে কোন পেট্রোল পাম্পে জ্বালানি পাওয়া যাচ্ছে এবং সেখানে কতটা ভিড় রয়েছে। অ্যাপটির মূল সুবিধা হলো রিয়েল টাইম তথ্য। গুগল ম্যাপসের মতো ওয়েব অ্যাপটিতে তেলের স্টেশনের লোকেশন ট্যাগ করে রিপোর্ট করতে পারেন ব্যবহারকারীরা। এই রিপোর্টের ভিত্তিতেই ম্যাপ থেকে জানা যায় কোন পাম্পে অকটেন, ডিজেল বা পেট্রল নিতে কেমন ভিড় তার চিত্র। তলে পাম্পের নাম উল্লেখ করে কী দামে বিক্রি হচ্ছে তাও জানা যাচ্ছে এই অ্যাপ থেকে। সড়ক বাতির মতো রং দেখে বোঝা যাচ্ছে তেলের পাম্পে লাইন নেই, অল্প লাইন, অনেক লাইন এবং তেল দিচ্ছে তার চিত্র।  </span></p>
<p><span>ক্রাউড রিপোর্টিং বেইসড এই অ্যাপে ব্যবহারকারীরা নিজেরাও তথ্য যুক্ত করতে পারেন। ফলে দ্রুত জানা যায় কোন পাম্পে তেল রয়েছে, কোথায় লাইন বেশি বা কোথাও জ্বালানি শেষ হয়ে গেছে কি না, দাম কত। এরই মধ্যে প্রায় দুই শতাধিক পেট্রোল স্টেশনের তথ্য এখানে যুক্ত হয়েছে। </span></p>
<p><span>অ্যাপটির কারিগর তরুণ প্রযুক্তিবিদ সজিব খান কম্পিউটার সায়েন্সে বিএসসি করেছেন পড়াশোনা করেছেন ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। বর্তমানে তিনি পাঠাও লিমিটেডে ডেটা অ্যানালাইটিকস ও এআই অটোমেশন প্রকৌশলী হিসেবে কাজ করছেন। </span></p>
<p>বিশ্বজুড়ে ইরান, ইসরায়েল এবং আমেরিকাকে ঘিরে তেল যুদ্ধ নিয়ে বাংলাদেশে তেলের সরবরাহ নিয়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ায় যাওয়া দেশের অনেক জায়গায়<span> যখন পেট্রোল</span><span> </span>পাম্পে দীর্ঘ লাইন, তর্ক-বিতর্ক এমনকি সহিংসতার ঘটনাও ঘটছে তখন তা প্রশমনে ডেটা অ্যানালিটিক্স ভিত্তিক এই অ্যাপ উপহার দিলো সজীব খান। তার মতো প্রযুক্তি এই তড়িৎ উদ্ভাবনী ব্যবহারে সাম্প্রতিক সময়ে তরুণ প্রজন্ম একের পর এক উদাহরণ সৃষ্টি করছে।</p>
<p>কিছুদিন আগেই কোথাও চাঁদাবাজির ঘটনা সম্পর্কে মানুষকে সতর্ক করতে তৈরি হয়েছে<span> </span><strong><a title="‘চান্দাওয়াচ’" href="https://digibanglatech.news/169072" target="_blank" rel="noopener">‘চান্দাওয়াচ’</a></strong><span> </span>অ্যাপ। আবার রমজান মাসে কোথায় কোন মসজিদে ইফতার বা বিরিয়ানি বিতরণ হবে সেটি জানাতেও এক তরুণ তৈরি করেছেন<span> </span><a title="‘বিরিয়ানি দিবে’" href="https://digibanglatech.news/168363" target="_blank" rel="noopener">‘<strong>বিরিয়ানি দিবে</strong>’</a> অ্যাপ। </p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এনএ/ইকে</strong></span></em></p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ডিনস অ্যাওয়ার্ড পেলেন যবিপ্রবির  ফলিত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদের ৬ শিক্ষার্থী</title>
<link>https://digibanglatech.news/170015</link>
<guid>https://digibanglatech.news/170015</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69ad616f7cc6f.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 08 Mar 2026 16:46:07 +0600</pubDate>
<dc:creator>ক্যাম্পাস করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) ফলিত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদের বিভিন্ন বিভাগের ছয়জন মেধাবী শিক্ষার্থীকে ‘ডিনস অ্যাওয়ার্ড’ দেওয়া হয়েছে। ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) পরীক্ষায় অসাধারণ ফলাফলের স্বীকৃতি হিসেবে এ পুরষ্কার দেওয়া হয়।</p>
<p>৮ মার্চ, রবিবার যবিপ্রবির জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম একাডেমিক ভবনের ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে বেলা ৩ টায় ডিনস অ্যাওয়ার্ড পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠান আয়োজন করে যবিপ্রবির ফলিত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদ। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আব্দুল মজিদ।</p>
<p>প্রধান অতিথি হিসেবে যবিপ্রবি উপাচার্য শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে অধ্যাপক ড. মোঃ আব্দুল মজিদ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক জীবনের যেকোনো পুরষ্কার একজন শিক্ষার্থীর জন্য গৌরব ও সম্মানের। এই সম্মান ও গৌরব ধরে রেখে আগামীতেও তোমরা সফলতার ধারা অব্যাহত রাখবে বলে আমি মনে করি। এই বিশ্বে জ্ঞান অর্জনের জন্য কোনো সীমানা নাই। তোমরা দেশের সীমানা পেরিয়ে জ্ঞান অর্জনের লক্ষ্যে পৃথিবীতেও ভ্রমণ করবে এই আশাবাদ ব্যাক্ত করছি।</p>
<p>ডিনস অ্যাওয়ার্ড পাওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে রয়েছে পরিবেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগের (ইএসটি) মো. ওয়াশিম খান, তাসমিত রাফা, পুষ্টি ও খাদ্য প্রযুক্তি বিভাগের (এনএফটি) নাইমুজ জাহাব, লিহা খানম, ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের (এফই) জি. এম. তাসনিমুল করিম ও মুনমুন নাহার।</p>
<p>অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন যবিপ্রবির কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. হোসেন আল মামুন। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন যবিপ্রবির ফলিত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন ও অনুষ্ঠানের আহবায়ক অধ্যাপক ড. শিরিন নিগার, ইএসটি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. গোপাল চন্দ্র ঘোষ, এফই বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মৃত্যুঞ্জয় বিশ্বাস, ক্লাইমেট অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. মাহফুজুর রহমানসহ প্রমুখ।</p>
<p>যবিপ্রবির বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীর উপস্থিতিতে অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন এনএফটি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ফাতেমা-তুজ-জোহরা।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এমএনএইচ/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>প্রযুক্তির সহায়তায় জেন্ডার&#45;ভিত্তিক সহিংসতা: এখনই প্রতিরোধ ও প্রশমনের সময়</title>
<link>https://digibanglatech.news/170109</link>
<guid>https://digibanglatech.news/170109</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p&gt;&lt;span style=&quot;text-decoration: underline;&quot;&gt;অধিকার, ন্যায় ও কর্মের সমন্বয়েই গড়ে উঠুক ডিজিটাল নিরাপদ বাংলাদেশ&lt;/span&gt;&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69ae7f202de6b.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 08 Mar 2026 14:05:04 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>প্রতি বছর ৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস আমাদের শুধু একটি দিন স্মরণ করিয়ে দেয় না, বরং নারী অধিকার, মর্যাদা, সমতা ও ন্যায়বিচারের দীর্ঘ সংগ্রামের ইতিহাসকে নতুন করে সামনে আনে। ১৯০৮ সালে নিউইয়র্কে নারী শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি, কম কর্মঘণ্টা ও ভোটাধিকারের দাবিতে আন্দোলন থেকে শুরু করে আজকের বৈশ্বিক নারী অধিকার আন্দোলন আমাদের শিখিয়েছে, কোনো অর্জনই সহজে আসে না। প্রতিটি অধিকার লড়াই করে আদায় করতে হয়, প্রতিটি অগ্রগতি টিকিয়ে রাখতে হয় সচেতনতা, সংগঠন ও নীতিগত প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে।</p>
<p>বাংলাদেশও এই পথচলার বাইরে নয়। স্বাধীনতার পর থেকেই এ দেশে আন্তর্জাতিক নারী দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়ে আসছে। সংবিধানে নারী-পুরুষের সমঅধিকার, সমমর্যাদা ও বৈষম্যহীনতার নীতি স্বীকৃত। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, স্থানীয় সরকার, পোশাকশিল্প, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা উন্নয়ন, প্রশাসন, তথ্যপ্রযুক্তি এবং রাজনৈতিক অংশগ্রহণে নারীর অগ্রগতি আজ দৃশ্যমান। বাংলাদেশের নারীরা কেবল পরিবারের ভরসা নন, তাঁরা অর্থনীতি, সমাজ ও রাষ্ট্র নির্মাণের অন্যতম চালিকাশক্তি।</p>
<p>কিন্তু এই অগ্রগতির পাশাপাশি আরেকটি বাস্তবতাও সামনে এসেছে। ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনের পথে প্রযুক্তির বিস্তার যেমন নতুন সুযোগ তৈরি করেছে, তেমনি নতুন ধরনের সহিংসতারও জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে প্রযুক্তির সহায়তায় সংঘটিত জেন্ডার-ভিত্তিক সহিংসতা বা টিএফজিবিভি আজ নারীর নিরাপত্তা, গোপনীয়তা, মানসিক সুস্থতা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং সামাজিক মর্যাদার ওপর গুরুতর হুমকি হয়ে উঠেছে।</p>
<p>এই সহিংসতা কেবল ফেসবুকে অপমানজনক মন্তব্য, ইনবক্সে হুমকি বা ভুয়া আইডি খুলে হয়রানির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এর মধ্যে রয়েছে অনুমতি ছাড়া ব্যক্তিগত ছবি বা ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়া, অনলাইন ব্ল্যাকমেইল, সাইবার স্টকিং, ডিজিটাল নজরদারি, গোপন রেকর্ডিং, জিপিএস ট্র্যাকিং, চরিত্রহনন, পরিচয় চুরি, এমনকি প্রযুক্তিনির্ভর যন্ত্র ব্যবহার করে নারীর ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ও স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ। অর্থাৎ এটি এমন এক সহিংসতার রূপ, যা অনলাইন ও অফলাইন, দুই জগতের মাঝখানে দাঁড়িয়ে নারীর জীবনকে আতঙ্ক, অপমান ও অনিশ্চয়তায় ঠেলে দেয়।</p>
<p>সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, এই সহিংসতাকে এখনও অনেকেই “অনলাইন ঝামেলা” বলে হালকাভাবে দেখেন। কিন্তু এর প্রভাব গভীর। একটি কিশোরী স্কুলে যেতে ভয় পেতে পারে, একজন ছাত্রী সামাজিক অপমানের চাপে ভেঙে পড়তে পারে, একজন কর্মজীবী নারী চাকরি হারানোর আশঙ্কায় নীরব থাকতে পারেন, একজন নারী সাংবাদিক বা অধিকারকর্মী মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সীমিত করতে বাধ্য হতে পারেন। প্রযুক্তির মাধ্যমে সংঘটিত সহিংসতা তাই কেবল ব্যক্তিগত ক্ষতি নয়, এটি নারীর নাগরিক অংশগ্রহণের ক্ষেত্রকে সংকুচিত করে, গণতান্ত্রিক পরিসরকে দুর্বল করে এবং সমাজে ভয় ও নীরবতার সংস্কৃতি তৈরি করে।<br>বাংলাদেশের বাস্তবতায় সমস্যাটি আরও জটিল। একদিকে ডিজিটাল ব্যবহারের বিস্তার দ্রুত বাড়ছে, অন্যদিকে ডিজিটাল নিরাপত্তা, গোপনীয়তা এবং অধিকার বিষয়ে সচেতনতা এখনো অসম। শহর ও গ্রামের মধ্যে প্রযুক্তি ব্যবহারের পার্থক্য যেমন আছে, তেমনি নারী ও পুরুষের মধ্যে ডিজিটাল সক্ষমতার বৈষম্যও রয়েছে। অনেক পরিবারেই মেয়েদের প্রযুক্তি ব্যবহার নিয়ে নিয়ন্ত্রণ বেশি, কিন্তু সুরক্ষা বিষয়ে শিক্ষা কম। ফলে মেয়েরা ঝুঁকিতে পড়ে, কিন্তু নিজেদের রক্ষা করার কৌশল জানে না।</p>
<p>এই বাস্তবতায় আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপন সপ্তাহ ২০২৬-এ প্রযুক্তির সহায়তায় জেন্ডার-ভিত্তিক সহিংসতা: এখনই প্রতিরোধ ও প্রশমনের সময় অধিকার, ন্যায় ও কর্মের সমন্বয়েই গড়ে উঠুক ডিজিটাল নিরাপদ বাংলাদেশ বিষয়টি সামনে আনা অত্যন্ত সময়োপযোগী। এটি কেবল একটি থিম নয়, বরং বর্তমান বাংলাদেশের একটি জরুরি সামাজিক ও নীতিগত প্রশ্ন। কারণ নিরাপদ ডিজিটাল পরিবেশ ছাড়া নারী ক্ষমতায়ন, টেকসই উন্নয়ন, সামাজিক ন্যায় বা গণতান্ত্রিক অংশগ্রহণের কথা পূর্ণভাবে বলা যায় না।</p>
<p>বাংলাদেশ এনজিওস নেটওয়ার্ক ফর রেডিও অ্যান্ড কমিউনিকেশন, সংক্ষেপে বিএনএনআরসি, দীর্ঘদিন ধরে নারীর তথ্যপ্রাপ্তি, মিডিয়া ও তথ্য সাক্ষরতা, ডিজিটাল নিরাপত্তা এবং প্রযুক্তিগত ক্ষমতায়নে কাজ করে আসছে। এই প্রচেষ্টা নারীর সুরক্ষা ও ক্ষমতায়নের পাশাপাশি এসডিজি-৫ এবং এসডিজি-১৬ অর্জনের পথও শক্তিশালী করছে। সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন জেলা, বিশেষ করে বরিশাল, পটুয়াখালী, পিরোজপুর, কুষ্টিয়া, সাতক্ষীরা ও ময়মনসিংহে মাঠপর্যায়ের কাজ ও সংলাপ থেকে যে অভিজ্ঞতা উঠে এসেছে, তা আমাদের সামনে একটি স্পষ্ট চিত্র হাজির করে। তৃণমূল পর্যায়ে সচেতনতার ঘাটতি, অভিযোগ করতে ভয়, বিচারপ্রক্রিয়ার জটিলতা, ডিজিটাল আলামত সংরক্ষণে দুর্বলতা এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব নারীদের নিরাপত্তাকে অনিশ্চিত করে তুলছে।</p>
<p>এই সংকট মোকাবিলায় তিনটি বিষয়কে একসঙ্গে দেখতে হবে: অধিকার, ন্যায় এবং কর্ম।</p>
<p>প্রথমত, অধিকার। নারীর ডিজিটাল অধিকারকে মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি ও চর্চা করতে হবে। একজন নারী অনলাইনে নিরাপদে কথা বলবেন, মতপ্রকাশ করবেন, যোগাযোগ করবেন, শিখবেন এবং কাজ করবেন, এটি কোনো দয়া নয়, তার অধিকার। ডিজিটাল স্পেসকে পুরুষ-প্রাধান্যশীল ভয়ভিত্তিক ক্ষেত্র হতে দেওয়া যাবে না। স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, বিশ্ববিদ্যালয় এবং কমিউনিটিভিত্তিক কর্মসূচিতে ডিজিটাল আচরণবিধি, গোপনীয়তা, সম্মতি, অনলাইন নিরাপত্তা এবং ডিজিটাল নাগরিকত্ব বিষয়ে শিক্ষা চালু করতে হবে। বিশেষ করে শিশু ও কিশোরীদের সুরক্ষায় পরিবার, শিক্ষক এবং স্থানীয় সমাজকে সম্পৃক্ত করা জরুরি।</p>
<p>দ্বিতীয়ত, ন্যায়। আইনি প্রতিকার ভুক্তভোগী-বান্ধব না হলে অধিকার কাগজেই থেকে যায়। অনেক নারী অভিযোগ করতে গিয়ে দ্বিতীয়বার হেনস্তার শিকার হন। কোথায় অভিযোগ করবেন, কীভাবে ডিজিটাল প্রমাণ সংরক্ষণ করবেন, কোন আইন প্রযোজ্য হবে, কতদিনে প্রতিকার পাবেন, এসব প্রশ্নের স্পষ্ট উত্তর না থাকলে ন্যায়বিচার দূরবর্তী হয়ে যায়। জেলা পর্যায়ে লিগ্যাল এইড ব্যবস্থায় টিএফজিবিভি-কে আনুষ্ঠানিকভাবে অন্তর্ভুক্ত করা, ভুক্তভোগীদের জন্য নিবেদিত সহায়তা ডেস্ক চালু করা, পুলিশ, আইনজীবী, প্রসিকিউটর ও তদন্ত কর্মকর্তাদের বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া, এবং কাউন্সেলিং ও মনোসামাজিক সহায়তা যুক্ত করা এখন জরুরি।</p>
<p>তৃতীয়ত, কর্ম। শুধু আলোচনা করে এই সমস্যার সমাধান হবে না। প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, বিচার বিভাগ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, গণমাধ্যম, প্রযুক্তি কোম্পানি, ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী, মোবাইল অপারেটর, ডিজিটাল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস এবং নাগরিক সমাজকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের গণশুনানিতে টিএফজিবিভি-কে অন্তর্ভুক্ত করা, দ্রুত প্রতিক্রিয়া ব্যবস্থা গড়ে তোলা, সম্পাদক ও মিডিয়া গেইটকিপারদের সংবেদনশীল করা, এবং নাগরিক সমাজ সংগঠনগুলোর নিয়মিত কর্মসূচিতে বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন। এ ছাড়া জেলা পর্যায়ে টিএফজিবিভি-র প্রবণতা, ঘটনা ও প্রতিকার নিয়ে বার্ষিক পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হলে নীতিনির্ধারণ আরও বাস্তবভিত্তিক হবে।</p>
<p>আন্তর্জাতিক নারী দিবস আমাদের বারবার মনে করিয়ে দেয়, নারীর অধিকার কোনো আলাদা খাতের বিষয় নয়; এটি সমাজের ন্যায়, রাষ্ট্রের মানবিকতা এবং উন্নয়নের মানদণ্ড। আজকের বাংলাদেশে নারীর অগ্রযাত্রা বাস্তব, কিন্তু তার নিরাপত্তাও হতে হবে বাস্তব। ডিজিটাল অগ্রগতি যদি নারীর জন্য ভয়, অপমান ও নীরবতার কারণ হয়ে দাঁড়ায়, তবে সেই অগ্রগতি অসম্পূর্ণ।</p>
<p>তাই এখনই সময় স্পষ্ট অবস্থান নেওয়ার। প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ুক, কিন্তু তার সঙ্গে বাড়ুক দায়বদ্ধতা। ডিজিটাল সংযোগ সম্প্রসারিত হোক, কিন্তু তার সঙ্গে শক্তিশালী হোক নিরাপত্তা, বিচার ও মর্যাদার সুরক্ষা। আন্তর্জাতিক নারী দিবস ২০২৬-এর অঙ্গীকার হোক এই: নারীর জন্য ডিজিটাল জগৎ হবে নিরাপদ, সম্মানজনক এবং সহিংসতামুক্ত।</p>
<p>সুরক্ষিত হোক ডিজিটাল মাধ্যম। জয় হোক নারীর সমঅধিকারের।</p>
<hr>
<p><strong>লেখকঃ</strong> <span> প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, বাংলাদেশ এনজিও নেটওয়ার্ক ফর রেডিও অ্যান্ড কমিউনিকেশন (বিএনএনআরসি) এবং বাংলাদেশের জন্য দায়িত্বশীল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিষয়ক অ্যাম্বাসাডর।</span></p>
<hr>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণে লক্ষাধিক আবেদন, শুক্রবার লিখিত পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে ৬০ হাজার</title>
<link>https://digibanglatech.news/169755</link>
<guid>https://digibanglatech.news/169755</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69a9e5d2c6f94.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 06 Mar 2026 00:00:02 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>দেশের ৬৪ জেলায় একযোগে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ কর্মসূচির ৬ষ্ঠ ব্যাচের লিখিত পরীক্ষা।  ৬ মার্চ, শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে শুরু হওয়া এ পরীক্ষায় অংশ নেবেন ৬০ হাজার পরীক্ষার্থী। ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ কর্মসূচির এ ব্যাচে মোট ৪ হাজার ৮০০টি আসনের বিপরীতে আবেদন করেছিলেন ১ লাখ ১০ হাজার ৭৪৩ জন। সেখান থেকে বাছাই করা আবেদনকারীদের নিয়ে এই লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। দেশের বিভিন্ন জেলা শহরে একযোগে অনুষ্ঠিত হওয়া এ পরীক্ষার মাধ্যমে যোগ্য প্রার্থীদের নির্বাচন করা হবে, যারা পরবর্তীতে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের অধীনে ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ গ্রহণের সুযোগ পাবেন।</p>
<p>যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উদ্যোগে পরিচালিত এই কর্মসূচি ধাপে ধাপে সম্প্রসারিত হয়ে এবার দেশের সব জেলায় পৌঁছেছে। এর আগে প্রকল্পটি প্রথমে ১৬ জেলায় এবং পরে ৪৮ জেলায় বাস্তবায়িত হয়। বর্তমানে ১৬ ও ৪৮ জেলা মিলিয়ে দেশের ৬৪ জেলায় একযোগে এ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে, যা এ উদ্যোগের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় আয়োজন। মাঠপর্যায়ে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লিমিটেড।</p>
<p>সংশ্লিষ্টরা জানান, এবার প্রায় ৬০ হাজার পরীক্ষার্থীর মধ্য থেকে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করা হবে ৪ হাজার ৮০০ জন প্রশিক্ষণার্থীকে। অর্থাৎ প্রতিটি আসনের বিপরীতে গড়ে ১২ থেকে ১৩ জন পরীক্ষার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। এই পরিসংখ্যান দেশের তরুণ সমাজের মধ্যে ডিজিটাল দক্ষতা অর্জন এবং ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে আত্মকর্মসংস্থানের প্রতি ক্রমবর্ধমান আগ্রহেরই প্রতিফলন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।</p>
<p>লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীরা আগামী ৭ মার্চ মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নেবে। এরপর চূড়ান্ত ফলাফলের ভিত্তিতে প্রতিটি জেলায় ৭৫ জন করে প্রশিক্ষণার্থী নিয়ে শুরু হবে ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের ৬ষ্ঠ ব্যাচ।</p>
<p>এদিকে রাজধানীর কল্যাণপুরে অবস্থিত ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লিমিটেডের প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত লিখিত পরীক্ষায় প্রায় চার হাজার পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করবে। একদিনে এত বিপুলসংখ্যক পরীক্ষার্থীর অংশগ্রহণ এ খাতে একটি বড় আয়োজন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।</p>
<p>যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের এই প্রকল্পের আওতায় এ পর্যন্ত মোট ১০ হাজার ৮০০ শিক্ষার্থী প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেছে। এর মধ্যে প্রায় ৬২ শতাংশ, অর্থাৎ ৬ হাজার ৭৩২ জন প্রশিক্ষণার্থী জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে কাজ করে আয় করতে সক্ষম হয়েছে। তাদের মোট আয় প্রায় ১৩ লাখ ৫৩ হাজার ৬৩৬ মার্কিন ডলার যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২২ কোটি ৭০ লাখ ১৪ হাজার ৪১৬ টাকার সমপরিমাণ।</p>
<p>এর আগে ১৬ জেলায় বাস্তবায়িত পর্যায়ে ৬ হাজার ৪০০ জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। এর মধ্যে ৪ হাজার ৫১৭ জন আয়মুখী কাজে যুক্ত হতে সক্ষম হয়, যা ছিল প্রায় ৭০ শতাংশের বেশি সাফল্য। ওই পর্যায়ে মোট আয় হয়েছিল প্রায় ১৫ লাখ ৮১ হাজার মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৯ কোটি ৭৬ লাখ টাকার সমমান।</p>
<p>খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ধারাবাহিক এই উদ্যোগ ও সাফল্যের মাধ্যমে দেশের তরুণ সমাজ আরও ব্যাপকভাবে বৈশ্বিক ফ্রিল্যান্সিং বাজারে যুক্ত হবে এবং ভবিষ্যতে এ খাতে আয় আরও বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/এসএইচ/ইকে</strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>জাতীয় তথ্য বাতায়নের সোর্সকোডের হ্যাশে পর্নসাইটের লিঙ্ক  ছিলো!</title>
<link>https://digibanglatech.news/169738</link>
<guid>https://digibanglatech.news/169738</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69a9c2b65b6b0.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 05 Mar 2026 18:44:45 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div class="xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs x126k92a">
<div dir="auto">বাংলাদেশ সরকারে কাছে সোর্সকোড রেপোজিটরির ধারণা, সুস্পষ্ট ম্যান্ডেট এবং কার্যপদ্ধতি কোনটাই ছিলো না। সোর্সকোড কী, কীভাবে সংরক্ষণ করা যায়, সোর্স কোডের বিষয়ে জাতীয় নীতিমালা কেমন হতে পারে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারে দায়িত্ব পাবার পরে এসব বিষয় সামনে আনি আমরা।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">সরকার নিযুক্ত পরামর্শকদের পরামর্শ দেওয়ার জন্য ও সর্বোপরি চলমান ভেন্ডর-লক এবং সোর্সকোড-লক অবস্থা থেকে পরিত্রাণের জন্য আমরা উদ্যোগ গ্রহণ করি। আমাদের টিমের তত্ত্বাবধানে সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরগুলো এসব সোর্সকোড বুঝে পাওয়া, টেস্টিং, মানোন্নয়ন ও ক্রিটিকাল সরকারি সার্ভিসকে ভেন্ডরের দখল থেকে বের করে এনে সরকারি বেশ কিছুটা সক্ষমতা বৃদ্ধি সম্ভব হয়।</div>
<div dir="auto"></div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">আইসিটির বাইরেও আমরা বাকি সকল মন্ত্রণালয়কে ও প্রধান সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে আহ্বান জানাই সোর্সকোড বুঝে নিতে, যা রাষ্ট্রীয় কৌশলগত নিরাপত্তার সাথে সরাসরি জড়িত। আমাদের প্রচেষ্টার ফলে আইসিটির পাশাপাশি বাংলাদেশ ব্যাংক, এনবিআর, ভূমি, বিআরটিএ সবাই সোর্সকোড বুঝে নিতে শুরু করে।</div>
<div dir="auto"></div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">এছাড়াও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে করা জাতীয় উপাত্ত ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশেও সকল সরকারি ডিজিটাল সার্ভিসের সকল ডেপ্লয়েড ভার্শনের সোর্সকোড সরকারকে বুঝে নেওয়ার ম্যান্ডেট সৃষ্টি করা হয়, এবং তত্ত্বাবধানকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলকে সুনির্দিষ্ট করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় আমরা জাতীয় সোর্সকোড নীতিমালা প্রকাশ করি এবং বাংলাদেশ কমপিউটার কাউন্সিলের অধীন “জাতীয় সোর্সকোড রেপোজিটরি” চালু করি, যা সরকারি গিট রেপোজিটরি; এবং এর মাধ্যমে সকল সফটওয়্যারের সোর্সকোড আগারগাওতে অবস্থিত জাতীয় ডেটা সেন্টারে সংরক্ষিত রয়েছে।</div>
<div dir="auto"></div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto"><strong>এই প্রচেষ্টার মধ্যে আমরা কিছু অদ্ভুত বাস্তবতা দেখি। রাষ্ট্রীয় সকল ডিজিটাল নথির সফটওয়্যার ডি-নথির ভেন্ডর কোম্পানি ট্যাপওয়্যার তার সোর্সকোড কুক্ষিগত করে রাখে, এবং সোর্সকোড দিতে অস্বীকৃতি জানায়। পরে সোর্সকোড উদ্ধার করে পর্যালোচনা করে দেখা যায় ডি-নথির যেই এডিটর, সেটি পুরোনো প্রযুক্তির এবং আপডেট বা কাস্টোমাইজ করা যায় না, এআই সার্ভিস অ্যাড করা যায় না ঠিকমতন। এছাড়াও লেটেন্সি নিয়েও বিশদ সমস্যা খুঁজে পাই। অন্যদিকে জিজ্ঞাসাবাদে বেরিয়ে আসে সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার অফিসের তিন মাসের সকল ডি-নথি ডেটা ডিলিট হয়ে যাওয়ার ঘটনা, যা এরা ধামাচাপা দিতে চেষ্টা করে। ডেটার ব্যাকআপ ছিলো না কোনও, সরকারি সাইডের পরামর্শকরা কখনও এত বছর ধরে চলে আসা সফটওয়্যারের সোর্সকোড দেখেনি, সিস্টেম আর্কিটেকচার সম্পর্কেও সম্যকভাবে অবগত না তখনও। সিনেসিসও শুরুতে সোর্সকোড না দিতে চাপাচাপি করেছে, পরে সব কোড দিয়েছে, আইসিটি ও এনবিআর এর।</strong></div>
<div dir="auto"></div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">এমনকি জাতীয় তথ্য বাতায়নের (মানে সরকারি ওয়েবসাইট) সোর্সকোডের মধ্যে হ্যাশে পর্নসাইটের লিঙ্ক পাওয়া যায়, এখানে ভেন্ডর ছিল সফটবিডি। সফটবিডি চালায় জাতীয় তথ্য বাতায়ন যা দেশের সর্ব নিকৃষ্ট সাইট বলা চলে। সফটবিডিকে তথ্য বাতায়ন আপডেট করতে বললে হুবহু ভারতের পরিবেশ মন্ত্রকের ওয়েবসাইট নকল করে এনেছে। সাইটের স্পেইস কাস্টমাইজ করা যেত না। এডিটর সেকেলে। একাধিক মন্ত্রণালয়ের সাইটে কয়েকদিন পরপর হাসিনা ও মুজিবের ছবি তুলে দিত, এজন্য একাধিকবার সচিব ও সিনিয়র সচিব আমাকে কল দিয়েছেন। এসব প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যে আমাদের কাজ করতে হয় শৃঙ্খলা ফিরাতে।</div>
<div dir="auto"></div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">আমরা এর পাশাপাশি বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের এরকম নানান সফটওয়্যার বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের অধীন টেস্টিং সেন্টার এসকিউটিসি এবং সার্ট এর মাধ্যমে পরীক্ষাও (ফাংশনাল টেস্ট, ভিএপিটি ইত্যাদি) করি এবং মানোন্নয়ন ত্বরান্বিত করি।</div>
<div dir="auto"></div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">চলমান কন্ট্রাক্ট, সার্ভিস ডিস্কন্টিনিউটি এবং ওপেন টেন্ডারের দীর্ঘ প্রসেসজনিত কারনে এদেরকে লাথি দিয়ে আইসিটি থেকে বের করতে পারিনি বলে ক্ষমা চাই। তবে এদের এক্সপোজ করার সময় এসেছে। কিছু দুর্বৃত্তের জন্য ইন্ডাস্ট্রির সবার ক্ষতি হবে ভেবে এসব লিখিনি এতদিন।</div>
<div dir="auto"></div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">সোর্সকোড না থাকলে CI/CD (কন্টিনিউয়াস ইন্টিগ্রেশন, কন্টিনিউয়াস ডেভেলপমেন্ট) তদারকি করা যায় না। সোর্সকোড না রাখলে ভেন্ডর যা ভূগোল বোঝায়, তাই একমাত্র সত্য হয়ে থাকে সরকারের কাছে। সে যদি সার্ভিস দেওয়া বন্ধ করে এমনকি চলেও যায়, বা সিস্টেম বন্ধ করে দেয়, তাহলে আপনার পক্ষে সিস্টেম রিস্টোর বা সার্ভিস কন্টিনিউ করা সম্ভব না।</div>
<div dir="auto"></div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">এরকম ঘটনা ঘটেছে রেলওয়েতে বা বিআরটিএ-তে। সিএনএস সিস্টেম বন্ধ করে দিয়ে চলে যায়, পরে ২২ দিন ট্রেনের টিকেটিং বন্ধ ছিলো। পরে সহজ আসে, এবং পুরো সিস্টেম সম্পূর্ণ নতুন করে অতিরিক্ত খরচ করে তৈরী করতে হয়। বিআরটিএ-তেও মাদ্রাজ আইটি নানান ম্যালপ্র্যাক্টিস করে ধরা পড়ায় চুক্তি শেষের আগেই তড়িঘড়ি করে পালিয়ে যায় সোর্সকোড না দিয়ে, পরে বিআরটিএ নিজস্ব ক্যাপাসিটিতে নতুন করে ইন্টার্নালি প্রিন্টিং মিডলওয়্যার তৈরী করে নিতে হয়।</div>
<div dir="auto"></div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">এই প্রক্রিয়ায় সজল আহমেদকে প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ হিসেবে অবৈতনিকভাবে আমার টেকনিকাল সাপোর্ট টিমে নিযুক্ত করা হয়। ইন্টারন্যাশনাল ইন্ডাস্ট্রিতে ও বিগ টেকে কাজ করা বেশকিছু এক্সপার্ট সরকারি সক্ষমতা বৃদ্ধি, ট্রেইনিং ও ইন্ডাস্ট্রি বেস্ট প্র্যাক্টিস অ্যাডপ্ট করতে অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন। সোর্স কোড রিপোজিটরি তৈরি, বিসিসিতে গিট রেপোজিটরি করার জন্য এরা ফ্রি ট্রেনিং দিয়েছে, স্পেক বানিয়েছে, ডেভেলপমেন্ট এর কাজ করে দিয়েছে। এসব উচ্চমার্গীয় কাজের গুরুত্ব এসব আইসিটিতে মুর্খ তথাকথিত সাংবাদিক বুঝে না। একজন লোক নিজের পয়সায় দেশে এসে গুগল/নেটফ্লিক্স/মাক্রো স্টান্ডার্ড এর ট্রেনিং দিয়েছে। নিরেট মুর্খ না হলে তাদের কাজকে আজকে সম্মান করা হত।</div>
<div dir="auto"></div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">এসব কাজে সংক্ষুব্ধ করে এসব ভেন্ডর কোম্পানি ও কিছু দুর্নীতিগ্রস্ত সাংবাদিক স্মিয়ার ক্যাম্পেইন চালাচ্ছে। কারণ সোর্সকোড সরকার বুঝে পাওয়ায় ওদের একই সফটওয়্যার কুমিরের বাচ্চার মতন কয়েকবার বিক্রির রাস্তা বন্ধ হয়ে গেছে। আবার ভুলভাল বুঝিয়ে ‘সার্ভার ডাউন’ ঘোল খাওয়ানোও কঠিন হয়ে পড়েছে, কারণ সরকার এখন বুঝতে পারছে সিস্টেমে আসলে কী কারণে কী সমস্যা। সোর্স কোড সরকারের হাতে না থাকায় ভেন্ডর লকড পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে। সফটওয়ার গুলোতে ফিচার এড করা যায় না, পুরানো এডিটর থাকায় অনেক ক্ষেত্রেই নতুন ফিচার ও এআই আনা যাচ্ছে না।</div>
<div dir="auto"></div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">আলহামদুলিল্লাহ্‌ কিছু সচেতনতা তৈরির ফলে বাংলাদেশ ব্যাংক, এনবিআর, ভূমি, প্ল্যানিং কমিশন, আইসিটিতে নিজস্ব গিট হাবে সোর্স কোড জমা রাখা শুরু হয়েছে। এখন বাংলাদেশ ব্যাংকের সিবিএস, আইবাস+, ই-রিটার্ন, ই-টিন, ডি-নথির সোর্স কোড সরকারের কাছে এসেছে। আমরা বাংলাদেশ রেলওয়েকেও সোর্স কোড সহজ থেকে নেয়ার জন্য পরামর্শ দিয়েছি, এতে সফটওয়ার খাতে সরকারের অর্থ সাশ্রয় হবে, CI-CD চলবে, প্রাইসে না মিল্লে সাপ্লায়ার চেঞ্জ হবে, নতুন ভেন্ডর পুরানা কোডে কাজ করে সার্ভিস কন্টিনিউটি রাখবে, খরচ ও বাঁচবে।</div>
<div dir="auto"></div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">লাইসেন্স, সফ্‌টওয়্যার ও ভেন্ডর ডিপেন্ডেন্সি সরানোর জন্য আমরা এসব বাস্তবতায়ই প্রস্তাব করি, সকল মন্ত্রণালয় ও তাদের সংযুক্ত দপ্তর ও অধীনস্থ দপ্তরসমূহের একটি গিট রেপোজিটরি খুলে সেখানে সোর্সকোড রাখতে হবে। এজন্য সকল মন্ত্রণালয়কে এক্টিভ হতে হবে।</div>
<div dir="auto"></div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto"><strong>আমি খুশি যে কিছু ভেন্ডর সাপোর্টিভ। ইন্ডাস্ট্রিতে অনেক ভালো প্লেয়ার আছে। আসলে আপনার কাস্টমারকে সোর্স কোড দেওয়া এই উত্তম চর্চাটা আমাদের সফটওয়ার ইন্ডাস্ট্রিকে আন্তর্জাতিক কমপ্লায়েন্স এনে দিতে সাহায্য করবে। বিসিসির গিট হাবে আইসিটির বেশকিছু সোর্সকোড এখন জমা আছে। সোর্সকোড কেউ নিয়ে যায়নি, সম্ভবও না। আর ওপেনসোর্সের যুগে পৃথিবীর বড় বড়ো সফটওয়ার কোম্পানি নিজেদের সোর্সকোড উন্মুক্ত করে রাখে। তদুপরি কিছুদিন পর পরই যে-কোনো সোর্সকোড আপডেট হয় সিকিউরিটি এবং অ্যাপ্লিকেশন প্যাচ সহ। দেশের সরকারি খাতে কাজ করা কিছু ধান্ধাবাজ সফটওয়ার ব্যবসায়ীর ধান্ধায় আমরা বাধ সেধিছি, এই যা!</strong></div>
<div dir="auto"></div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">বাংলাদেশের আইসিটি বিট করা মিডিয়া কর্মীদের উল্লেখযোগ্য অংশ সাংবাদিক নামের দুর্বৃত্ত, ভেন্ডরের টাকা খেয়ে এর-ওর বিরুদ্ধে প্রায়ই রিপোর্ট করে। এই খাতের ব্যবসায়ীদের কাছে চাঁদাবাজি ও টেন্ডারবাজির প্রমাণ আছে।</div>
<div dir="auto"></div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">তাই, বাংলাদেশের মিডিয়া যাতে কারিগরি বিষয়ে বিট করতে পাঠানোর আগে, তাদের সাংবাদিকদের ট্রেনিং দেয়, ট্রেনিং এন্ড ডেভেলপমেন্ট এ বিনিয়োগ করে। নাইলে একদল মুর্খ সাংবাদিক দিয়ে আইসিটি খাত ও সফটওয়ার ইন্ডাস্ট্রি আগাতে পারবে না। এরা সবাইকে ধরে ধরে নিচে নামাবে।</div>
<div dir="auto"></div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto"><span style="font-size: 14pt;">দুই</span></div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">যাই হোক, আমরা দেশি-প্রবাসী বিশেষজ্ঞদের তত্ত্বাবধানে জাতীয় সোর্স কোড, পলিসি প্রণয়ন করে গেছি। বিজ্ঞপ্তিও দেয়া হয়। আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয় সভায় প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিগণ এর ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। খসড়া প্রকাশ করে ওয়েবসাইটের মাধ্যমেও মতামত গ্রহণ করা হয়েছে। আশা করি, এর সার্বিক উন্নয়ন ও বাস্তবায়নে বর্তমান সরকার নিশ্চয়ই কাজ করবে।</div>
<div dir="auto"></div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">ঢাকা, ৩ ডিসেম্বর ২০২৫</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">সরকারি অর্থায়নে নির্মিত সফ্‌টওয়্যারকে “জাতীয় সম্পদ” হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান এবং জনগণের অর্থে নির্মিত সফটওয়্যারের উপর জনস্বার্থভিত্তিক মালিকানা, নিরাপত্তা, স্বচ্ছতা ও পুনঃব্যবহারযোগ্যতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে “জাতীয় সোর্স কোড নীতিমালা), ২০২৫” শীর্ষক নীতিমালা প্রকাশ করা হয়েছে, যার ট্যাগলাইন “পাবলিক মানি, পাবলিক কোড”।</div>
<div dir="auto"></div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">নীতিমালাটি সরকারিভাবে উন্নয়ন/অধিগৃহীত সফটওয়্যার সিস্টেম, অ্যাপ্লিকেশন, অ্যাপ, API ও ডিজিটাল সেবার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য যা জাতীয় বাজেট, বৈদেশিক ঋণ বা সরকারের অধীন বাস্তবায়িত উন্নয়ন সহযোগী অর্থায়নে পরিচালিত। এটি সকল মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর/সংবিধিবদ্ধ, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার জন্য বাধ্যতামূলক।</div>
<div dir="auto"></div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto"><strong>নীতিমালার প্রধান বিধানসমূহ-</strong></div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto"><em>১) কেন্দ্রীয় জাতীয় সোর্স কোড রিপোজিটরি (Central Repository) বাধ্যতামূলক</em></div>
<div dir="auto">সরকারি অর্থায়নে তৈরি সকল সফটওয়্যারের সোর্স কোড, ডকুমেন্টেড ও সংশ্লিষ্ট সফটওয়্যার উপাদান যথাযথ কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল দ্বারা পরিচালিত জাতীয় সোর্স কোড রিপোজিটরিতে সংরক্ষণ করতে হবে; এবং সংশ্লিষ্ট সোর্সকোড রিপোজিটরিতে সংরক্ষণ না হওয়া পর্যন্ত অনির্ভরযোগ্য কোনো সফটওয়্যার প্রোডাকশনে ডেপ্লয় করা যাবে না। রিপোজিটরিতে বিস্তারিত ট্রেসেবিলিটি ও নিরীক্ষাযোগ্যতা নিশ্চিত করার নির্দেশনা রয়েছে। প্রয়োজনে এসক্রো (Escrow) ব্যবস্থা স্থাপনের নির্দেশনা রয়েছে।</div>
<div dir="auto"></div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto"><em>২) “পুনঃব্যবহারে অগ্রাধিকার (Reuse First)” নীতি</em></div>
<div dir="auto">নতুন সফটওয়্যার উন্নয়ন শুরুর পূর্বে সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে “Reuse First” পদ্ধতি গ্রহণ করতে হবে; বাধ্যতামূলকভাবে বিদ্যমান কাছাকাছি সমাধান পুনঃব্যবহার এবং পুনঃব্যবহার না করলে তার যৌক্তিকতা লিখিতভাবে কর্তৃপক্ষকে অবহিত করার বিধান রাখা হয়েছে।</div>
<div dir="auto"></div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto"><em>৩) “Public Money, Public Code” বাধ্যতামূলক সোর্সকোড উন্মুক্তকরণ ও নির্দিষ্ট শর্তে অব্যাহতি</em></div>
<div dir="auto">নীতিমালার মূলনীতি হিসেবে “পাবলিক মানি, পাবলিক কোড”; অব্যাহতি না দেওয়া পর্যন্ত সরকারের মালিকানাধীন সোর্স কোড সাধারণভাবে উন্মুক্ত বলে গণ্য হবে। জাতীয় নিরাপত্তা/প্রতিরক্ষা, গোপনীয়তা বা বিশেষ ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষ উক্ত নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে উন্মুক্তকরণ থেকে অব্যাহতি দিতে পারে তবে রেপোজিটরির মাধ্যমে রক্ষণাবেক্ষণ থেকে অব্যাহতি থাকবে না; অব্যাহতিপ্রাপ্ত সিস্টেমের জন্য লিখিত যুক্তি, নিবন্ধন, পাবলিক কোড রেজিস্ট্রি, এবং পর্যায়ক্রমিক পর্যালোচনার বিধান রাখা হয়েছে। সোর্স কোড উন্মুক্ত করার ক্ষেত্রে অনুমোদিত লাইসেন্স ব্যবহারের নীতি নির্ধারণ করা হয়েছে।</div>
<div dir="auto"></div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto"><em>৪) নিরাপদ উন্নয়ন, CI/CD বাধ্যতামূলক এবং অ্যাক্সেস কন্ট্রোল</em></div>
<div dir="auto">নিরাপদ কোডিং নির্দেশিকা প্রণয়ন ও তদারকির জন্য “Standard Coding Guideline Committee” ভিত্তিক কাঠামো প্রস্তাব করা হয়েছে। সফটওয়্যার স্থাপনায় অনুমোদিত CI/CD পাইপলাইন অনুসরণ বাধ্যতামূলক- স্বয়ংক্রিয় পরীক্ষা, দুর্বলতা স্ক্যানিং, লাইসেন্স যাচাই এবং প্রোডাকশনে প্রকাশের আগে ম্যানুয়াল অনুমোদনসহ। রিপোজিটরি “রোল বেজড অ্যাক্সেস কন্ট্রোল (RBAC)” এর অধীনে পরিচালিত হবে এবং কন্ট্রিবিউটর/মেইনটেইনার/অনুমোদনকারী/নিরীক্ষকদের প্রবেশাধিকারের আগে সরকার অনুমোদিত NDA স্বাক্ষরের বিধান রয়েছে।</div>
<div dir="auto"></div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto"><em>৫) ডেটাসেট ব্যবস্থাপনা ও জাতীয় ডেটা ক্যাটালগে নিবন্ধন</em></div>
<div dir="auto">সরকারি সফটওয়্যারের সঙ্গে সম্পর্কিত ডেটাসেটকে উন্মুক্ত (Open), সীমাবদ্ধ (Restricted), নিয়ন্ত্রিত (Regulated) এই তিন শ্রেণিতে শ্রেণীবদ্ধ করে প্রয়োজনীয় মেটাডেটাসহ জাতীয় ডেটা ক্যাটালগে নিবন্ধনের নির্দেশনা রয়েছে। মেশিন লার্নিং/এপিআই ভিত্তিক সিস্টেমের ক্ষেত্রে ইনপুট-আউটপুট কাঠামো, ডেটাসেট উৎস ও ইউজ কেইস ডকুমেন্টেশন রিপোজিটরিতে সংরক্ষণ এবং সীমাবদ্ধ/নিয়ন্ত্রিত ডেটাসেট ব্যবহারে NDA বাধ্যতামূলক করার বিধান আছে।</div>
<div dir="auto"></div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto"><em>৬) বাস্তবায়ন, তদারকি ও সম্মতিসংক্রান্ত বিধান</em></div>
<div dir="auto">নীতিমালা প্রয়োগ, ব্যাখ্যা ও ছাড়পত্র প্রদানে কর্তৃপক্ষ দায়িত্বপ্রাপ্ত; এবং রিপোজিটরি ব্যবস্থাপনা, CI/CD অবকাঠামো ও নিরাপদ অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল পরিচালন সংস্থা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে। নীতিমালা যথাযথভাবে অনুসরণে ব্যর্থ হলে ব্যবস্থা গ্রহণের বিধান রাখা হয়েছে।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">নীতিমালাটি প্রতি তিন বছর অন্তর (বা প্রয়োজন অনুযায়ী তার পূর্বেই) পর্যালোচনা ও হালনাগাদের বিধান রয়েছে।</div>
<div dir="auto"><hr>লেখকঃ প্রযুক্তিবিদ, সাবেক প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী<hr></div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>তরুণ পেশাজীবীরাই দেশের ভবিষ্যৎ বিনির্মাণের প্রধান শক্তি</title>
<link>https://digibanglatech.news/169423</link>
<guid>https://digibanglatech.news/169423</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69a683f1edeea.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 03 Mar 2026 00:00:30 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div class="wrapper">
<div class="detail">
<div class="content">
<p class="alignfull">তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ও সংসদ সদস্য জহির উদ্দিন স্বপন দেশের ভবিষ্যৎ বিনির্মাণে তরুণ পেশাজীবীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। টেকসই জাতীয় উন্নয়নের জন্য নৈতিক নেতৃত্ব, উদ্ভাবন এবং সম্মিলিত দায়িত্ববোধ অপরিহার্য বলে তিনি উল্লেখ করেন। </p>
<p class="alignfull">২ মার্চ, সোমবার রাজধানীতে ফোরাম অব ইয়ং প্রফেশনালস আয়োজিত একটি নেতৃত্ব সংলাপ ও ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব বলেন।  অনুষ্ঠানে দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, পেশাজীবী সদস্যরা অংশ নেন।  </p>
<p class="alignfull">অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড চেয়ারম্যান, সৈয়দ আবু নাসের বখতিয়ার আহমেদ। তিনি তরুণদের মধ্যে আর্থিক সচেতনতা, উদ্যোক্তা মনোভাব ও পেশাগত সততার গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সামাজিক ক্ষমতায়নে সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।</p>
<p class="alignfull">অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ফোরাম অব ইয়ং প্রফেশনালস এর উপদেষ্টা রাশেদ উল হক সরকার। তিনি ফোরামের যাত্রা, অর্জন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেন এবং নেতৃত্ব বিকাশ, পেশাগত উৎকর্ষ সাধন ও সমাজে ইতিবাচক অবদান রাখার বিষয়ে অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। </p>
<p class="alignfull">সন্ধ্যার বিশেষ আকর্ষণ ছিল  ফোরাম অব ইয়ং প্রফেশনালস এর নিবেদিতপ্রাণ সদস্যদের সম্মাননা প্রদান। ফোরাম ও সমাজের প্রতি তাদের নিষ্ঠা, অসামান্য অবদান এবং প্রভাবশালী সেবার স্বীকৃতিস্বরূপ এই পুরস্কার দেওয়া হয়।</p>
<p class="alignfull"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এমএআর/ইকে</strong></span></em></p>
<p class="alignfull"></p>
</div>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ঘুড্ডি ট্রাভেল এইড বাংলাদেশের মিটআপ অনুষ্ঠিত</title>
<link>https://digibanglatech.news/169513</link>
<guid>https://digibanglatech.news/169513</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69a77284c1908.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 01 Mar 2026 05:49:49 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ভ্রমণপ্রেমীদের জনপ্রিয় অনলাইন কমিউনিটি ঘুড্ডি ট্রাভেল এইড বাংলাদেশের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হলো গ্র্যান্ড মিটআপ ও বিশেষ প্যানেল আলোচনা।  রাজধানীর একটি হোটেলে ২৮ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত এ মিটআপে উপস্থিত ছিলেন ভ্রমণপ্রেমী, উদ্যোক্তা এবং বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রসেসিং-সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।</p>
<p>আয়োজকদের ভাষ্য, ফেসবুকভিত্তিক ঘুড্ডি ট্রাভেল এইড বাংলাদেশ ভ্রমণপিপাসুদের একটি পরিবার। প্রতিদিন এখানে হাজারো সদস্য তাদের ভ্রমণ পরিকল্পনা, অভিজ্ঞতা ও প্রয়োজনীয় তথ্য ভাগাভাগি করেন। সেই অনলাইন সংযোগকে অফলাইনে আরও দৃঢ় করতে আয়োজন করা হয় এই মিটআপের।</p>
<p>বিশেষ এই আড্ডায় ‘বাংলাদেশিদের জন্য আন্তর্জাতিক ভিসা প্রসেসিং: বাস্তবতা, চ্যালেঞ্জ ও সঠিক গাইডলাইন’ শীর্ষক একটি প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনায় বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রসেসিংয়ে দীর্ঘদিন কাজ করা অভিজ্ঞ ব্যক্তিরা অংশ নেন এবং তাদের বাস্তব অভিজ্ঞতার আলোকে দিকনির্দেশনা দেন।</p>
<p><span>প্যানেলটি সঞ্চালনা করেন গ্রুপের অ্যাডমিন মাসুমুল হক। শুরুতেই তিনি বলেন, ‘আন্তর্জাতিক ভ্রমণের ক্ষেত্রে সঠিক তথ্য ও প্রস্তুতির অভাবেই অনেক আবেদনকারী জটিলতায় পড়েন। এ ধরনের আয়োজন সচেতনতা বাড়াতে সহায়ক হবে।’</span></p>
<p>প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন ফ্লাইংএইডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও প্রতিষ্ঠাতা আসফাকুর রহমান, যমুনা ব্যাংকের ফার্স্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট শামিম আহমেদ, এমএমএস গ্লোবাল সার্ভিসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহমুদ মুসা সাইদ, দ্য ট্রাভেল গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রুবেল আহমেদ সামির। ভ্রমণ অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন বাংলাদেশি পাসপোর্ট নিয়ে বিশ্বের ১৫৮ দেশ ভ্রমণ করা কাজী আসমা আজমেরী।</p>
<p>আলোচনায় অংশ নেওয়া অতিথিরা বলেন, ‘সঠিক তথ্য, স্বচ্ছ আর্থিক প্রোফাইল ও বাস্তবসম্মত ভ্রমণ পরিকল্পনাই সফল ভিসা আবেদনের মূল চাবিকাঠি। ভুল তথ্য বা অতিরঞ্জিত উপস্থাপন শেষ পর্যন্ত আবেদনকারীর ক্ষতির কারণ হতে পারে।’</p>
<p><span>অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ঢাকা পোস্টের হেড অব নিউ মিডিয়া ইনিশিয়েটিভ আরিফুল ইসলাম আরমান। সব শেষে অংশগ্রহণকারীরা এমন আয়োজন নিয়মিত করার আহ্বান জানান। আয়োজকেরাও ভবিষ্যতে ভ্রমণসংক্রান্ত সচেতনতা ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।।</span></p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/এমআর/ইকে</strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>এক ক্লিকেই এলাকা জুড়ে চাঁদাবাজদের বিস্তারিত!</title>
<link>https://digibanglatech.news/169072</link>
<guid>https://digibanglatech.news/169072</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_69a28895e4144.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 28 Feb 2026 00:18:15 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span>বাংলাদেশে চাঁদাবাজির ঘটনাগুলো স্বচ্ছভাবে নথিভুক্ত করতে এবং সমাজের সামনে তুলে ধরতে তৈরি হয়েছে একটি উন্মুক্ত নাগরিক তথ্যমঞ্চ। ডিজিটাল এই মঞ্চের নাম  ‘<a title="চান্দাওয়াচ" href="https://chandawatch.vercel.app/" target="_blank" rel="nofollow noopener">চান্দাওয়াচ</a>’।  কমিউনিটি-ভিত্তিক এই ভার্চুয়াল ওপেন রিপোর্টিং প্ল্যাটফর্মে যে কেউ তার এলাকার চাঁদাবাজির তথ্য এখানে যুক্ত করতে পারবেন। </span></p>
<p><span>স্মার্টফোন কিংবা পিসি’র মাধ্যমে এই মঞ্চ থেকে জানা যাবে দেশের কে কোথায় চাঁদাবাজি করছে। </span>ওয়েবঅ্যাপটিতে রয়েছে-লোকেশনভিত্তিক ম্যাপ সিস্টেম, চাঁদার পরিমাণ উল্লেখের অপশন, ‘সঠিক’ নাকি ‘ভুয়া’ যাচাই করার সুযোগ এবং চাঁদাবাজ বিষয়ে নতুন তথ্য যুক্ত করার সুবিধা। </p>
<div class="about-section">
<div class="about-body">
<p>এই প্ল্যাটফর্মটি কোনো সরকারি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সাথে যুক্ত নয়। এটি সম্পূর্ণ স্বাধীন একটি নাগরিক উদ্যোগ। <span>এই প্ল্যাটফর্মে দেশের বিভিন্ন স্থানে কোথায় কোথায় চাঁদা তোলা হচ্ছে, কত টাকা দাবি করা হচ্ছে, এবং সেটি বৈধ না অবৈধ এসব তথ্য তুলে ধরা হচ্ছে। </span></p>
</div>
</div>
<p><span>চাঁদাবাজির উপর নজরদারি চালাতেই এই ওয়েবসাইট তৈরি করেন রেহানুজ জামান নামের এক তরুণ সফটওয়্যার ডেভেলপার। ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক শেষ করে প্রযুক্তির মাধ্যমে আত্মহত্যারোধে ‘মাইন্ডি বাংলাদেশ’ নামের একটি উদ্যোগ গ্রহণ করে এই তরুণ। </span></p>
<div class="about-section">
<div class="about-body">
<p>তার তৈরি নতুন এই মঞ্চে যেকোনো ব্যক্তি মানচিত্রে পিন রেখে ঘটনার তারিখ, সময়, চাঁদার পরিমাণ ও বিবরণ দিয়ে বেনামে রিপোর্ট জমা দিতে পারেন। রিপোর্টটি প্রথমে<span> </span>পর্যালোচনাধীন অবস্থায় থাকে। অ্যাডমিন মডারেশনের পর এটি পাবলিক মানচিত্রে প্রকাশিত হয়।</p>
<p>প্রকাশিত রিপোর্টে অন্য ব্যবহারকারীরা<span> </span>নিশ্চিত অথবা<span> </span>বিতর্কিত ভোট দিতে পারেন। যথেষ্ট নিশ্চিতকরণ পেলে রিপোর্টটি<span> </span>যাচাইকৃত হিসেবে চিহ্নিত হয়।</p>
</div>
</div>
<p>বাংলাদেশে ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন এলাকায় চাঁদা আদায়ের অভিযোগ করে আসছেন। তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই প্রমাণ বা তথ্যের অভাবে বিষয়গুলো সামনে আসে না। ‘চান্দাওয়াচ’ সেই অন্ধকার জায়গাতেই আলো ফেলতে চায়। তরুণদের ভাষায়, ‘যেখানে ভয় আছে, সেখানে স্বচ্ছতা দরকার।’</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/ডিএইচই/আইএম</strong></span></em></p>
<p></p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বিনামূল্যে ৪৮ জেলায় ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ, প্রতিদিন ভাতা ২০০ টাকা</title>
<link>https://digibanglatech.news/168991</link>
<guid>https://digibanglatech.news/168991</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_69a174960002d.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 27 Feb 2026 16:04:05 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>দেশের শিক্ষিত কর্মপ্রত্যাশী ‘যুবদের ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি’ প্রকল্পের আওতায় পঞ্চম ব্যাচে ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ কোর্সে ভর্তির জন্য নির্ধারিত ৮টি বিভাগের ৪৮টি জেলার কর্মপ্রত্যাশী যুবক ও যুব নারীদের কাছ থেকে অনলাইনে আবেদনপ্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। প্রশিক্ষণটি ৩ মাস মেয়াদি ৬০০ ঘণ্টার হবে। প্রশিক্ষণটি পরিচালনা করছে ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লিমিটেড। </p>
<p>এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ  ১৮ থেকে ৩৫ বছর বয়সী যুব ও যুব নারী অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। আবেদনের লিংক <a href="https://e-laeltd.com/64-student-reg-jubo" target="_blank" rel="noopener">https://e-laeltd.com/64-student-reg-jubo। </a>আগামী ৩ মার্চ রাত ১১টা ৫৯ মিনিটের মধ্যে আবেদন করতে হবে। লিখিত পরীক্ষা হবে ৬ মার্চ। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মৌখিক পরীক্ষা হবে ৭ মার্চ এবং ৫. চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হবে ১০ মার্চ।</p>
<p>আবেদন করতে জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্মসনদ; সাম্প্রতিক তোলা পাসপোর্ট সাইজের ছবি এবং কমপক্ষে এইচএসসি বা সমমান পাসের সনদ দিতে হবে।  আবেদনকারীদের মধ্যে প্রতি ব্যাচে ন্যূনতম ৩০ শতাংশ নারী প্রশিক্ষণার্থী নেওয়া হবে। আর কম্পিউটারে জ্ঞানসম্পন্ন এবং যাদের নিজস্ব কম্পিউটার বা ল্যাপটপ থাকলে অগ্রাধিকার পাবেন। প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণের জন্য কোনো ধরনের ফি দিতে হবে না। তবে প্রতিদিন ২০০ টাকা হারে যাতায়াত ভাতা পাবেন এবং  সকালের নাশতা, দুপুরের খাবার ও বিকেলের নাশতা পাবেন।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><strong>৮ বিভাগের যে ৪৮ জেলা থেকে আবেদন করা যাবে সেগুলো হলো- </strong></span><br><strong>ঢাকা বিভাগ:</strong> নারায়ণগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, নরসিংদী, মুন্সিগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, টাঙ্গাইল, ফরিদপুর;</p>
<p><strong>ময়মনসিংহ বিভাগ:</strong> ময়মনসিংহ, জামালপুর, নেত্রকোনা;</p>
<p><strong>চট্টগ্রাম বিভাগ:</strong> চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি,নোয়াখালী, ফেনী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া;</p>
<p><strong>রাজশাহী বিভাগ:</strong> চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, নাটোর, বগুড়া, জয়পুরহাট, পাবনা, সিরাজগঞ্জ;</p>
<p><strong>খুলনা বিভাগ:</strong> খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, যশোর, ঝিনাইদহ, মাগুরা, চুয়াডাঙ্গা,মেহেরপুর, কুষ্টিয়া;</p>
<p><strong>রংপুর বিভাগ:</strong> রংপুর, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, গাইবান্ধা, নীলফামারী, দিনাজপুর, পঞ্চগড়;</p>
<p><strong>বরিশাল বিভাগ:</strong> বরিশাল, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, পটুয়াখালী, বরগুনা এবং</p>
<p><strong>সিলেট বিভাগ:</strong> হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এমআর/ইকে</strong></span></em></p>
<p></p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ভিন্ন ব্যক্তির ভিডিও ধর্মমন্ত্রীর নামে ছড়িয়ে বিভ্রান্তির অপচেষ্টা শনাক্ত: রিউমার স্ক্যানার</title>
<link>https://digibanglatech.news/168870</link>
<guid>https://digibanglatech.news/168870</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_699ffe553f3fc.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 26 Feb 2026 10:04:05 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span> </span>ভিন্ন ব্যক্তির একটি ভিডিও ধর্মমন্ত্রীর নামে ছড়িয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টা শনাক্ত করেছে বাংলাদেশে চলমান গুজব, ভুয়া খবর ও অপতথ্য প্রতিরোধ এবং জনগণের কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছে দিতে কাজ করা ফ্যাক্টচেক টিম ‘রিউমার স্ক্যানার’।</p>
<p>প্রতিষ্ঠানটির অনুসন্ধান টিম জানায়, ধর্মমন্ত্রীর নাচের ভিডিও-এমন দাবিতে ভাইরাল হওয়া কনটেন্টটি ভুয়া। ধর্মমন্ত্রীর নাচের দৃশ্য বলে যে ভিডিওটি ছড়ানো হচ্ছে, সেটি অন্য একজন ব্যক্তির।</p>
<p>ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া শত শত ভুল তথ্য ইতোমধ্যে শনাক্ত করেছে দেশের এই ফ্যাক্টচেকিং প্রতিষ্ঠান।</p>
<p>ফ্যাক্টচেকিং প্রতিষ্ঠানগুলোর পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পর ভারতীয় কিছু গণমাধ্যম, ভারত থেকে পরিচালিত বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্ট এবং দেশের কিছু ফেসবুক পেজ থেকে বাংলাদেশকে ঘিরে ভুয়া তথ্য ছড়ানোর প্রবণতা বেড়েছে। পাশাপাশি সাম্প্রতিক বিভিন্ন বিষয়েও গুজব ও মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে বিভ্রান্তি তৈরির অপচেষ্টা ধরা পড়ছে।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/এসএইচ/ইকে</strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ডিজিটাল ব্যবসা খাতে নতুন সরকারের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ ও করণীয়</title>
<link>https://digibanglatech.news/168719</link>
<guid>https://digibanglatech.news/168719</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_699e64080de76.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 25 Feb 2026 00:53:14 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশের অর্থনীতি বর্তমানে একটি গুরুত্বপূর্ণ রূপান্তরের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। গত এক দশকে দেশের ডিজিটাল অর্থনীতি দ্রুত সম্প্রসারিত হয়েছে। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (BTRC) তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে প্রায় ১৩ কোটির বেশি ইন্টারনেট ব্যবহারকারী রয়েছে, যা মোট জনসংখ্যার প্রায় ৭৫ শতাংশ। একই সঙ্গে Google, Temasek এবং Bain &amp; Company-এর বিভিন্ন গবেষণা অনুযায়ী, দক্ষিণ এশিয়ার ডিজিটাল অর্থনীতি আগামী পাঁচ বছরে উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে, এবং বাংলাদেশ এই প্রবৃদ্ধির অন্যতম প্রধান অংশীদার হতে পারে।</p>
<p>বাংলাদেশে ই-কমার্স খাত ইতোমধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক খাতে পরিণত হয়েছে। e-CAB এবং বিভিন্ন গবেষণা সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের ই-কমার্স বাজারের আকার প্রায় ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, এবং এই খাতে সরাসরি ও পরোক্ষভাবে প্রায় ১৫ লক্ষ মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। এই খাতটি এসএমই উন্নয়ন, নারী উদ্যোক্তা সৃষ্টি এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে জাতীয় অর্থনীতির সঙ্গে সংযুক্ত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। ২০২৯ সালের মধ্যে এই খাত ১২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে। এই সম্ভাবনাময় খাতটি এখনও বেশ কিছু মৌলিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি।</p>
<p>প্রথমত, একটি শক্তিশালী এবং একক নিয়ন্ত্রক সংস্থার অভাব একটি বড় সমস্যা। বর্তমানে ডিজিটাল কমার্স সম্পর্কিত বিষয়গুলো বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ ব্যাংক এবং আইসিটি বিভাগের মধ্যে বিভক্ত। এর ফলে নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ ধীর হয়ে যায় এবং উদ্যোক্তারা প্রায়ই অনিশ্চয়তার মধ্যে থাকেন। Singapore এবং Estonia-র মতো দেশগুলো একটি কেন্দ্রীয় ডিজিটাল নিয়ন্ত্রক সংস্থা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে তাদের ডিজিটাল অর্থনীতিকে দ্রুত সম্প্রসারণ করতে সক্ষম হয়েছে। বাংলাদেশেও একটি স্বাধীন Digital Commerce Authority প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গত কয়েক বছর ধরে আলোচনা পর্যায়ে থাকলেও এটি এখনও বাস্তবায়িত হয়নি। এই সংস্থাটি প্রতিষ্ঠা করা হলে নীতি সমন্বয়, গ্রাহক সুরক্ষা এবং বাজার  সম্প্রসারণ ও তদারকি কার্যকরভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।</p>
<p>দ্বিতীয়ত, গ্রাহক আস্থার সংকট এই খাতের জন্য একটি বড় বাধা। অতীতে কিছু প্রতিষ্ঠানের অনিয়মের কারণে হাজার হাজার গ্রাহক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, যার ফলে পুরো খাতের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা কমেছে। একটি বাধ্যতামূলক escrow payment system চালু করা হলে গ্রাহকের অর্থ একটি নিরাপদ মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠানের কাছে থাকবে এবং পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত হওয়ার পরেই বিক্রেতা অর্থ পাবে। বিশ্বব্যাপী Amazon, Alibaba এবং অন্যান্য বড় ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম এই পদ্ধতি ব্যবহার করে গ্রাহক সুরক্ষা নিশ্চিত করছে।</p>
<p>তৃতীয়ত, আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের ডিজিটাল উপস্থিতি এখনও সীমিত। বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, বৈশ্বিক ই-কমার্স বাজারের আকার বর্তমানে ২৬ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি, কিন্তু বাংলাদেশ এই বাজারের একটি খুবই ছোট অংশ দখল করতে পেরেছে। যদিও cross-border e-commerce policy প্রণয়নের কাজ অনেক দূর এগিয়েছে, তবে এটি দ্রুত অনুমোদন এবং বাস্তবায়ন করা জরুরি। এই নীতি বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের এসএমই উদ্যোক্তারা Amazon, Alibaba এবং অন্যান্য বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্মে সহজেই ব্যবসা পরিচালনা করতে পারবেন, যা দেশের রপ্তানি আয় বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।এটি কার্যকর হলে আগামী ৫ বছরে বর্তমান বাজার .৫ বিলিয়ন ডলার থেকে ৫ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হতে পারে।</p>
<p>চতুর্থত, আন্তর্জাতিক payment gateway-এর সীমাবদ্ধতা ব্যবসার সম্প্রসারণে একটি বড় বাধা। বর্তমানে বাংলাদেশের উদ্যোক্তারা PayPal-এর পূর্ণ সুবিধা ব্যবহার করতে পারেন না। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, দেশে ফ্রিল্যান্সিং থেকে বছরে প্রায় ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বৈদেশিক মুদ্রা আয় হয়। একটি পূর্ণাঙ্গ আন্তর্জাতিক payment infrastructure চালু করা হলে এই আয় আরও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেতে পারে এবং ডিজিটাল উদ্যোক্তাদের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে।</p>
<p>পঞ্চমত, logistics infrastructure এবং fulfillment network এখনও পর্যাপ্ত উন্নত নয়। একটি দক্ষ logistics ব্যবস্থা ছাড়া ই-কমার্স খাতের টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। Vietnam সরকার logistics infrastructure উন্নয়ন এবং policy support-এর মাধ্যমে মাত্র পাঁচ বছরে তাদের ই-কমার্স বাজারকে তিনগুণ বৃদ্ধি করতে সক্ষম হয়েছে। বাংলাদেশেও একটি national fulfillment network এবং logistics modernization program গ্রহণ করা প্রয়োজন।</p>
<p>এছাড়া skilled manpower এবং export-focused digital entrepreneur-এর অভাব একটি বড় সীমাবদ্ধতা। Digital business management, international trade এবং e-commerce export বিষয়ে দক্ষ জনশক্তি তৈরির জন্য জাতীয় পর্যায়ে প্রশিক্ষণ কর্মসূচি গ্রহণ করা জরুরি।</p>
<p>নতুন সরকারের জন্য এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হবে একটি সুস্পষ্ট Digital Commerce Reform Program ঘোষণা করা। ক্ষমতায় আসার প্রথম ১৮০ দিনের মধ্যে Digital Commerce Authority প্রতিষ্ঠা, escrow payment system বাধ্যতামূলক করা, cross-border e-commerce policy বাস্তবায়ন , স্কিল ট্রেনিং প্রোগ্রাম চালু করা এবং আন্তর্জাতিক payment integration নিশ্চিত করা প্রয়োজন।</p>
<p>বাংলাদেশের জন্য এটি একটি বড় সুযোগ। দেশের তরুণ জনসংখ্যা, দ্রুত সম্প্রসারিত ইন্টারনেট ব্যবহার এবং strong entrepreneur base এই খাতের উন্নয়নের জন্য একটি শক্তিশালী ভিত্তি তৈরি করেছে। সঠিক নীতি এবং সরকারি সহায়তার মাধ্যমে আগামী পাঁচ বছরে ডিজিটাল ব্যবসা খাত ১০ লক্ষের বেশি নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারে। প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত কর্মসংস্থান লক্ষ্যমাত্রার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ এই খাত থেকেই অর্জন করা সম্ভব।</p>
<p>বাংলাদেশ যদি এখন সঠিক নীতি এবং কার্যকর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারে, তাহলে দেশটি দক্ষিণ এশিয়ার একটি প্রধান ডিজিটাল কমার্স হাবে পরিণত হতে পারে।</p>
<hr>
<p><strong>লেখকঃ </strong>সাবেক সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত), ই-ক্যাব</p>
<hr>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>একযুগের অভিজ্ঞদের হেড অফিসে চাকরি দিচ্ছে ওয়ালটন</title>
<link>https://digibanglatech.news/168018</link>
<guid>https://digibanglatech.news/168018</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_699511e672997.jpg" length="90442" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 19 Feb 2026 08:09:29 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div id="root">
<div class="details-news-area">
<div class="container">
<div class="details-news-wrapper" id="313785" data-title="ওয়ালটনে চাকরির সুযোগ, প্রভিডেন্ট ফান্ডসহ রয়েছে একাধিক সুবিধা " aria-label="ওয়ালটনে-চাকরির-সুযোগ-প্রভিডেন্ট-ফান্ডসহ-রয়েছে-একাধিক-সুবিধা ">
<div class="row">
<div class="col-lg-9">
<div class="details-LeadNews">
<div class="details-content-wrap">
<div class="details-itemBox">
<div class="details-content-right">
<div id="contentDetails" class="ContentDetails313785">
<p class="details-content-items"><span>এসকেলেটর/এলিভেটর/লিফট খাতে </span>একযুগ <span>কাজের</span> অভিজ্ঞদের চাকরি দিতে আবেদন চেয়েছে দেশের শীর্ষস্থানীয় ইলেকট্রনিক্স ও প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি। </p>
<p class="details-content-items">প্রতিষ্ঠানটির বসুন্ধরা আবাসিকে অবস্থিত প্রধান কার্যালয়ে চিফ বিজনেস অফিসার (লিফট) পদে নিয়োগ দিতেই এই আবেদন গ্রহণ শুরু হয়েছে। আগ্রহী প্রার্থীরা আগামী ২০ মার্চ  পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। নির্বাচিত প্রার্থীরা মাসিক বেতন ছাড়াও প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পাবেন।</p>
<p class="details-content-items">অভিজ্ঞতার পাশাপাশি প্রার্থীকে স্নাতক বা স্নাতোকত্তর থাকতে হবে। ফুলটাইম এই চাকরির জন্য বয়সের কোনো সীমা নেই। </p>
<p class="details-content-items">বেতন আলোচনা সাপেক্ষে হলেও এর সঙ্গে লাভের অংশীদারিত্ব, প্রভিডেন্ট ফান্ড, দুপুরের খাবার সুবিধা, বছরে ইনক্রিমেন্ট, বছরে দুটি উৎসব বোনাস, গাড়ি সুবিধা এবং কর্মক্ষমতা-ভিত্তিক প্রণোদনা রয়েছে। </p>
<p class="details-content-items"><span>আগ্রহী প্রার্থীরা এখানে </span><a href="https://bdjobs.com/h/details/1461035?ln=1" target="_blank" rel="noopener"><span>ক্লিক </span></a><span>করে বিস্তারিত তথ্য দেখে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। </span></p>
<p class="details-content-items"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এসআই/ইকে</strong></span></em></p>
<div id="div-ub-channel24bd.tv_1707388280867">
<div id="unibots-video">
<div id="ubVideo" class="ub-loaded unsticky">
<div class="vjs-text-track-display" translate="yes" aria-live="off" aria-atomic="true"></div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<section>
<div class="container-fluid"></div>
</section>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বাংলাদেশে স্পাইওয়্যার ব্যবহারের নীতিগত পুনর্গঠন ও বাস্তবায়ন পরিকল্পনা </title>
<link>https://digibanglatech.news/167897</link>
<guid>https://digibanglatech.news/167897</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush; color: black; mso-style-textfill-fill-color: black; mso-style-textfill-fill-alpha: 89.804%;&quot;&gt;গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা | গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ &lt;/span&gt;&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_6996643e8c37c.jpg" length="112819" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 19 Feb 2026 06:06:31 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">বাংলাদেশের নজরদারি প্রযুক্তির ইতিহাসে ২০১৫ থেকে ২০২৫ সাল একটি অন্ধকার অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হবে। এই দশকে বাংলাদেশ সরকার প্রায় ১৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের নজরদারি ও স্পাইওয়্যার প্রযুক্তি আমদানি করেছে, যার মধ্যে ইসরায়েলি উৎসের প্রযুক্তিতে অন্তত ৪০ মিলিয়ন ডলার ব্যয় হয়েছে [১][২]। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, বাংলাদেশ ও ইসরায়েলের মধ্যে কোনো কূটনৈতিক সম্পর্ক না থাকা সত্ত্বেও এই লেনদেন সম্পন্ন হয়েছে—তৃতীয় দেশের মাধ্যমে জটিল ও অস্বচ্ছ পথ ব্যবহার করে [৩]।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">১.১.২ প্রধান স্পাইওয়্যার প্রকার<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">পেগাসাস (NSO গ্রুপ):</span></b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;"> শূন্য-ক্লিক আক্রমণ, এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশন বাইপাস ক্ষমতা সম্পন্ন [৪][৫]<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">গ্রাফাইট (প্যারাগন):</span></b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;"> এনক্রিপ্টেড মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম অনুপ্রবেশ ক্ষমতা, সিগন্যাল ও হোয়াটসঅ্যাপ হ্যাকিং [৬]<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">সেলেব্রাইট UFED:</span></b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;"> ডিভাইস ফরেনসিক ও ডেটা উদ্ধার, লক করা ফোন আনলক ও মুছে ফেলা ডেটা পুনরুদ্ধার ক্ষমতা [৭]<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">পি-৬ ইন্টারসেপ্ট:</span></b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;"> মোবাইল নেটওয়ার্ক অনুপ্রবেশ, আইএমএসআই ক্যাচিং ও কল ইন্টারসেপ্ট ক্ষমতা [১]<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">১.১.৩ আমদানি পরিসংখ্যান<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">মোট ব্যয়: ১৯০+ মিলিয়ন ডলার [১][২]<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">ইসরায়েলি স্পাইওয়্যারে ব্যয়: ৪০+ মিলিয়ন ডলার [১][৩]<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">আমদানিকৃত প্রযুক্তির সংখ্যা: ১৬০+ [১]<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">১.২ এনটিএমসি বিলোপ ও আইনি সংস্কারের সুযোগ<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর গঠিত অস্থায়ী সরকার জাতীয় টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার (এনটিএমসি) বিলোপের সিদ্ধান্ত নেয়—যা ছিল হাসিনা সরকারের গণনজরদারির প্রধান যন্ত্র [৮][৯]। টেলিকমিউনিকেশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ ২০২৫-এর মাধ্যমে বেশ কিছু ঐতিহাসিক সংস্কার আনা হয়েছে: ইন্টারনেট শাটডাউন স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ, ফোন ট্যাপিং শাস্তিযোগ্য অপরাধ, এবং বিটিআরসির স্বাধীনতা পুনর্বিন্যাস [১০][১২]।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">১.৩ স্বাধীন তদারকির মাধ্যমে ডিজিটাল গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সাথে কার্যকর সমন্বয় নিশ্চিত করতে হলে স্বাধীন তদারকি সংস্থা গঠন এবং প্রযুক্তি ব্যবহারে বাধ্যতামূলক রিপোর্টিং ও অডিট ব্যবস্থার বাস্তবায়ন করতে হবে। পাশাপাশি নীতিনির্ধারক, প্রযুক্তিবিদ ও নাগরিক সমাজের অংশগ্রহণে নিয়মিত মূল্যায়ন ও হালনাগাদ প্রক্রিয়া চালু করতে হবে। এখনই সময়—পরিকল্পিত পদক্ষেপ, প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার এবং প্রযুক্তিগত সক্ষমতা উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশে একটি গণতান্ত্রিক ও মানবাধিকার-কেন্দ্রিক ডিজিটাল ভবিষ্যৎ বাস্তবে রূপ দেওয়ার।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">২. ভূমিকা: ডিজিটাল পুলিশ রাষ্ট্রের উত্থান<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">২.১ বাংলাদেশের ডিজিটাল রূপান্তর ও নজরদারির সম্পর্ক<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">২.১.১ "ডিজিটাল বাংলাদেশ" উদ্যোগ<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">বাংলাদেশের "ডিজিটাল বাংলাদেশ" উদ্যোগ ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারে প্রথম প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয় এবং ২০০৯ সালে ক্ষমতায় আসার পর এর বাস্তবায়ন শুরু হয় [২১]। এই উদ্যোগের আওতায় দেশজুড়ে ইন্টারনেট সংযোগ ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায়, ই-গভর্নেন্স সেবা প্রবর্তন করা হয়, এবং তথ্য-প্রযুক্তি খাতের বিকাশের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">২.১.২ গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ বনাম জাতীয় নিরাপত্তার দ্বন্দ্ব<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">নজরদারি নিয়ে মৌলিক দ্বন্দ্বটি হলো গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও জাতীয় নিরাপত্তার মধ্যে ভারসাম্য। যখন নজরদারি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়, যখন এটি বিরোধী দলকে দমন, সাংবাদিকতাকে নিয়ন্ত্রণ, ও সুশীল সমাজকে ভয় দেখানোর হাতিয়ারে পরিণত হয়, তখন তা গণতন্ত্রের মৌলিক ভিতকে খোঁড়ে [১৫][২০]।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">২.২ গবেষণার উদ্দেশ্য ও পদ্ধতি<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">২.২.১ গবেষণার প্রাথমিক উদ্দেশ্য<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">এই গবেষণার প্রাথমিক উদ্দেশ্য হলো বাংলাদেশের নজরদারি ব্যবস্থার একটি সমগ্র চিত্র উপস্থাপন করা, যা ইসরায়েলি স্পাইওয়্যারের আমদানি থেকে শুরু করে এর অপব্যবহার, আইনি সংস্কার, এবং ভবিষ্যৎ নীতিগত পথ নির্ধারণ পর্যন্ত বিস্তৃত।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">২.২.২ প্রাথমিক উৎস<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">-টেক গ্লোবাল ইনস্টিটিউটের "দ্য ডিজিটাল পুলিশ স্টেট" প্রতিবেদন [১]<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">-দ্য ডেইলি স্টার ও দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেসের তদন্তধর্মী প্রতিবেদন [১৫][২৩]<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">-জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলের প্রতিবেদন [২০]<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">২.২.৩ গবেষণার সীমাবদ্ধতা<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">-নজরদারি কার্যক্রমের গোপনীয় প্রকৃতি<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">-সরকারি গোপনীয়তার আওতায় তথ্য<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">-সরাসরি প্রমাণের অভাব<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">-আইনি সংস্কারের চলমান প্রক্রিয়া<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">৩. ইসরায়েলি স্পাইওয়্যার: বাংলাদেশের গোপন অস্ত্রভাণ্ডার<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">৩.১ কূটনৈতিক সম্পর্কের অনুপস্থিতিতে প্রযুক্তি লেনদেন<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">৩.১.১ কূটনৈতিক অবস্থান ও ব্যবসায়িক সম্পর্কের দ্বন্দ্ব<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">বাংলাদেশ বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম মুসলিম দেশ হিসেবে ইসরায়েলকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয় না এবং দুই দেশের মধ্যে কোনো কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই [৩][৭]। বাংলাদেশি পাসপোর্টে এখনও লেখা থাকে "This Passport Is Valid For All Countries Of The World Except Israel"। এই কঠোর কূটনৈতিক অবস্থান সত্ত্বেও, দুই দেশের মধ্যে একটি অঘোষিত ব্যবসায়িক সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল নজরদারি প্রযুক্তির লেনদেনকে কেন্দ্র করে।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">৩.১.২ তৃতীয় দেশের মাধ্যমে লেনদেনের কৌশল<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">ইসরায়েলি স্পাইওয়্যার বাংলাদেশে পৌঁছানোর প্রধান পথ তিনটি: সাইপ্রাস, সিঙ্গাপুর, এবং হাঙ্গেরি [১][৩]। এই দেশগুলোকে বেছে নেওয়ার কারণ হলো তাদের আইনি কাঠামোর সুবিধা এবং ইসরায়েলের সাথে ব্যবসায়িক সম্পর্ক।<b><o:p></o:p></b></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">৩.২ প্রধান স্পাইওয়্যার প্রকার ও কার্যকারিতা<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">৩.২.১ পেগাসাস (NSO গ্রুপ)<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">ক্ষমতা: শূন্য-ক্লিক মোবাইল অনুপ্রবেশ<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">বিশেষত্ব: এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশন বাইপাস<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">লক্ষ্য: রাজনৈতিক বিরোধী, সাংবাদিক<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">মূল্য: অজানা (গোপন লেনদেন) [৪][৫]<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">৩.২.২ গ্রাফাইট (প্যারাগন)<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">ক্ষমতা: এনক্রিপ্টেড মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম অনুপ্রবেশ<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">বিশেষত্ব: সিগন্যাল, হোয়াটসঅ্যাপ হ্যাকিং<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">মধ্যস্থতাকারী: সিঙ্গাপুর<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">প্রস্তুতকারক: ইসরায়েলি সাবেক গোয়েন্দা প্রধান [৬]<o:p></o:p></span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;"><o:p> </o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">৩.২.৩ সেলেব্রাইট UFED<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">ক্ষমতা: ডিভাইস ফরেনসিক ও ডেটা উদ্ধার<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">বিশেষত্ব: লক করা ফোন আনলক, মুছে ফেলা ডেটা পুনরুদ্ধার<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">মূল্য: $৩৩০,০০০+<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">ব্যবহার: আইন প্রয়োগকারী সংস্থা [৭]<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">৩.২.৪ পি-৬ ইন্টারসেপ্ট<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;"><strong>ক্ষমতা: </strong>মোবাইল নেটওয়ার্ক অনুপ্রবেশ<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;"><strong>বিশেষত্ব:</strong> আইএমএসআই ক্যাচিং, কল ইন্টারসেপ্ট<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;"><strong>ক্রেতা:</strong> ডিজিএফআই<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;"><strong>মধ্যস্থতাকারী:</strong> জেমস মলোনি (ব্যাংকক) [১]<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">৩.৩ আর্থিক বিনিয়োগ ও ক্রয় পরিসংখ্যান<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">৩.৩.১ মোট বিনিয়োগ<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">টেক গ্লোবাল ইনস্টিটিউটের গবেষণা অনুযায়ী, ২০১৫ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশ সরকার প্রায় ১৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের নজরদারি ও স্পাইওয়্যার প্রযুক্তি আমদানি করেছে [১][২]। এই পরিমাণটি বাংলাদেশের বার্ষিক প্রতিরক্ষা বাজেটের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ এবং এটি দেশটির সামগ্রিক নজরদারি ক্ষমতার স্কেল নির্দেশ করে।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">৩.৩.২ বড় ব্যয়ের উদাহরণ<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">যুক্তরাষ্ট্রের ইয়ানা টেকনোলজিজ (আইএলআইএস): $৫১.৭ মিলিয়ন [১][২]<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">ফ্রান্সের ইন্টারসেক (নেটওয়ার্ক ইন্টেলিজেন্স): $১৬.৭ মিলিয়ন [১]<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">স্পিয়ারহেড ওয়াইফাই ইন্টারসেপশন ভ্যান: $৫.৭ মিলিয়ন [১]<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">৪. এনটিএমসি ও গণনজরদারির যন্ত্রপাতি<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">৪.১ ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের ভূমিকা<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">৪.১.১ এনটিএমসির কার্যক্রম<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">জাতীয় টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার (এনটিএমসি) ছিল বাংলাদেশের গণনজরদারির প্রধান কেন্দ্র। এটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত হতো এবং দেশের সমগ্র টেলিকমিউনিকেশন নেটওয়ার্কের উপর নজরদারি করার ক্ষমতা রাখতো [৮][৯]।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">৪.১.২ আইনি কাঠামোর অভাব ও নির্বাহী ক্ষমতার প্রসার<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">এনটিএমসির কার্যক্রমের একটি গুরুতর সমস্যা ছিল এর আইনি কাঠামোর অভাব। টেক গ্লোবাল ইনস্টিটিউটের গবেষণায় দেখা গেছে যে, বাংলাদেশে ২০টিরও বেশি আইন নজরদারিকে সরাসরি বা পরোক্ষভাবে অনুমোদন দেয়, কিন্তু কোনো specialized সংসদীয় কমিটি গোয়েন্দা কার্যক্রমের তদারকি করে না [১][২০]।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">৪.২ ইন্টিগ্রেটেড লফুল ইন্টারসেপশন সিস্টেম (আইএলআইএস)<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">৪.২.১ আইএলআইএস ক্রয় ও বাস্তবায়ন<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">যুক্তরাষ্ট্রের ইয়ানা টেকনোলজিজ বাংলাদেশকে প্রায় ৫১.৭ মিলিয়ন ডলারের ইন্টিগ্রেটেড লফুল ইন্টারসেপশন সিস্টেম (আইএলআইএস) বিক্রি করে [১][২]। এই সিস্টেম মোবাইল ও ডেটা নেটওয়ার্কে ব্যাপক ইন্টারসেপশন ক্ষমতা প্রদান করে। এনটিএমসি এই সিস্টেমের প্রধান ব্যবহারকারী ছিল।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">৪.২.২ মাস ডেটা অ্যাকুইজিশন সিস্টেম<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">-সমগ্র ইন্টারনেট ট্রাফিক আহরণ<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">-ডিপ প্যাকেট ইন্সপেকশন (DPI) প্রযুক্তি<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">-এনক্রিপ্টেড ট্রাফিক পরীক্ষা<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">-বিশাল পরিমাণ ডেটা সংরক্ষণ [১][২]<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">৪.২.৩ ইউনিফাইড টার্গেট প্রোফাইলিং<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">-ব্যক্তিগত প্রোফাইল নির্মাণ<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">-যোগাযোগের ইতিহাস বিশ্লেষণ<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">-লোকেশন ট্র্যাকিং<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">-সোশ্যাল মিডিয়া কার্যক্রম মনিটরিং [১][২]<o:p></o:p></span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;"></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">৪.৩ প্রযুক্তিগত ক্ষমতা ও অনুপ্রবেশ পদ্ধতি<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">৪.৩.১ নেটওয়ার্ক অনুপ্রবেশ পদ্ধতি<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">বাংলাদেশের নজরদারি ব্যবস্থা জিএসএম (মোবাইল) ও ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক উভয়েই অনুপ্রবেশের ক্ষমতা রাখে। আইএমএসআই ক্যাচার ও স্টিংরে ডিভাইস ব্যবহার করে মোবাইল নেটওয়ার্কে প্রবেশ করা যায়, যা ভুয়া সেল টাওয়ার হিসেবে কাজ করে নিকটবর্তী ফোনগুলোকে আকৃষ্ট করে [১][৭]।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">৪.৩.২ এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশন অকার্যকরকরণ<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো, এই প্রযুক্তিগুলো এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশনকে অকার্যকর করতে পারে। পেগাসাস, গ্রাফাইট ও অন্যান্য স্পাইওয়্যার ডিভাইসের ভেতরে কাজ করে, এনক্রিপশনের আগে বা পরে ডেটা পড়ে [৪][৫]। এর মানে হলো, সিগন্যাল বা হোয়াটসঅ্যাপের মতো "নিরাপদ" অ্যাপও নজরদারি থেকে নিরাপদ নয়।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">৫. নজরদারির অপব্যবহার: লক্ষ্যবস্তু ও হয়রানি<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">৫.১ রাজনৈতিক বিরোধীদের উপর নজরদারি<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">৫.১.১ প্রধান লক্ষ্যবস্তু<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">বাংলাদেশে স্পাইওয়্যারের প্রধান লক্ষ্যবস্তু ছিল রাজনৈতিক বিরোধীরা। টেক গ্লোবাল ইনস্টিটিউটের গবেষণায় দেখা যায়, "সাইবার নজরদারি ক্রমশ রাজনৈতিক বিরোধী, সাংবাদিক, কর্মী এবং সাধারণ নাগরিকদের লক্ষ্যবস্তু করেছে, বিশেষ করে নির্বাচনী চক্র ও গণপ্রতিবাদের সময়" [১][১৫]।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">৫.১.২ রাজনৈতিক বিরোধী<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">-বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের ফোন হ্যাকিং<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">-নির্বাচনী প্রচারণায় তথ্য ব্যবহার<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">-রাজনৈতিক কৌশল নির্ধারণে গোয়েন্দা তথ্যের প্রয়োগ<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">-ব্যক্তিগত তথ্যের ভিত্তিতে ব্ল্যাকমেইল [১৫]<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">৫.১.৩ সাংবাদিক<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">-তদন্তধর্মী সাংবাদিকতার উপর চাপ<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">-সূত্রের গোপনীয়তা ভঙ্গ<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">-আত্ম-সেন্সরশিপে বাধ্য করা<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">-ব্যক্তিগত জীবনের তথ্য দিয়ে হয়রানি [১৫][২৩]<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">৫.১.৪ মানবাধিকার কর্মী<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">-আন্তর্জাতিক অপরাধের তদন্তকারীদের লক্ষ্যবস্তু<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">-সাক্ষী ও ভুক্তভোগী সংরক্ষণের ঝুঁকি<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">-সুশীল সমাজের কার্যক্রমে বাধা<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">-আন্তর্জাতিক বিচার প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত [১৫][১৬]<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">৫.১.৫ ব্যবসায়ী<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">-অর্থনৈতিক প্রতিযোগিতায় অসুবিধা<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">-চাঁদাবাজি ও বাধ্যতামূলক সহযোগিতা<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">-বাণিজ্যিক তথ্য চুরি<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">-বিনিয়োগ পরিবেশের অবনতি [১]<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">৫.২ সাংবাদিকদের উপর নজরদারি ও আত্ম-সেন্সরশিপ<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">৫.২.১ সাংবাদিকদের উপর চাপ<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">সাংবাদিকরা নজরদারির অন্যতম প্রধান লক্ষ্যবস্তু ছিলেন। বিশেষ করে তদন্তধর্মী সাংবাদিকরা, যারা সরকারি দুর্নীতি, মানবাধিকার লঙ্ঘন ও অপরাধ তদন্ত করতেন, তাদের উপর তীব্র চাপ সৃষ্টি করা হয়েছিল [১৫][২৩]।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">৫.২.২ চিলিং এফেক্ট<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেসের বিশ্লেষণে উল্লেখ করা হয়েছে যে এই নজরদারির "চিলিং এফেক্ট" সাংবাদিকতা ও বিরোধী রাজনীতিতে আত্ম-সেন্সরশিপ তৈরি করেছে [১৫][২৩]।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">৬. তথ্য স্থানান্তর: প্রবেশাধিকারের ঝুঁকি<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">৬.১ সংগৃহীত ডেটার আন্তর্জাতিক প্রবাহ<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">৬.১.১ ক্লাউড সংরক্ষণের ঝুঁকি<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">এনটিএমসি ও অন্যান্য সংস্থার সংগৃহীত ডেটার কোথায় সংরক্ষিত হয় তা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন রয়েছে। টেক গ্লোবাল ইনস্টিটিউটের গবেষণায় দেখা যায়, বাংলাদেশের নজরদারি অবকাঠামোতে ক্লাউড-ভিত্তিক সংরক্ষণ ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে [১][২]। এই ক্লাউড সার্ভার বিদেশে অবস্থিত হতে পারে, যা ডেটার জাতীয় নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি করে।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">৬.১.২ ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থার সম্ভাব্য প্রবেশাধিকার<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">এনএসও গ্রুপ ও অন্যান্য ইসরায়েলি স্পাইওয়্যার কোম্পানি ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের কঠোর নিয়ন্ত্রণে থাকে [৩][৪]। প্রতিটি রপ্তানি অনুমোদনের প্রয়োজন, এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় কোম্পানিগুলোর কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করে। এই সংযোগ গোয়েন্দা তথ্য ভাগাভাগির সম্ভাবনা তৈরি করে।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">৬.১.৩ সফটওয়্যার আপডেটের মাধ্যমে ডেটা এক্সফিলট্রেশন<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">ইসরায়েলি স্পাইওয়্যার কোম্পানিগুলো নিয়মিত সফটওয়্যার আপডেট প্রদান করে [১][৩]। এই আপডেটের মাধ্যমে ডেটা এক্সফিলট্রেশনের সম্ভাবনা রয়েছে—অর্থাৎ সংগৃহীত ডেটা সরবরাহকারী কোম্পানির কাছে পাঠানো হতে পারে।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">৬.১.৪ তৃতীয় দেশের মাধ্যমে স্থানান্তর<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">সিঙ্গাপুর ও সাইপ্রাস শুধু প্রযুক্তি রপ্তানির মাধ্যমই নয়, সম্ভবত ডেটা স্থানান্তরের হাবও [১][৩]। এই দেশগুলোর আইনি কাঠামো ডেটা গোপনীয়তার জন্য অনুকূল, এবং তাদের উপর আন্তর্জাতিক চাপ কম।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">৬.২ আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ডেটা অস্ত্রীকরণ<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">বাংলাদেশের সংগৃহীত ডেটা আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে [১][৩]। ভারত ও পাকিস্তান—এই দুই দেশের সাথে বাংলাদেশের জটিল সম্পর্ক রয়েছে। যদি বাংলাদেশের ডেটা এই দেশগুলোর হাতে পড়ে, তাহলে জাতীয় নিরাপত্তার গুরুতর ঝুঁকি তৈরি হয়।<o:p></o:p></span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;"><o:p> </o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">৭. আইনি সংস্কার: এনটিএমসি বিলোপ ও নতুন কাঠামো<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">৭.১ এনটিএমসি বিলোপের প্রেক্ষাপট<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">৭.১.১ বিলোপের সিদ্ধান্ত<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর গঠিত অস্থায়ী সরকার এনটিএমসি বিলোপের সিদ্ধান্ত নেয় [৮][৯]। এই সিদ্ধান্ত জনগণের দীর্ঘদিনের দাবির প্রতি সাড়া, এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি একটি সংকেত। এনটিএমসি গণতন্ত্রবিরোধী কার্যক্রমের প্রতীকে পরিণত হয়েছিল।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">৭.১.২ আন্তর্জাতিক চাপ ও নীতিগত পুনর্মূল্যায়ন<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">আন্তর্জাতিক চাপও এনটিএমসি বিলোপে ভূমিকা রেখেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন বাংলাদেশের নজরদারি ব্যবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল [৮][১৭]। বিশ্বব্যাপী পেগাসাস কেলেঙ্কারির পর স্পাইওয়্যার নিয়ন্ত্রণের চাপ বৃদ্ধি পায় [৪][১৭]।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">৭.২ সেন্টার ফর ইনফরমেশন সাপোর্ট (সিআইএস) প্রতিষ্ঠা<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">৭.২.১ সিআইএসের প্রস্তাবিত কাঠামো<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">এনটিএমসির পরিবর্তে সেন্টার ফর ইনফরমেশন সাপোর্ট (সিআইএস) প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব করা হয়েছে [৮][৯]। সিআইএস কেবল বিচারিক অনুমোদনের ভিত্তিতে আইনসঙ্গত ইন্টারসেপশন কার্যক্রমে সহায়তা প্রদান করবে।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">৭.২.২ বিচারিক তদারকি<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">-প্রতিটি নজরদারি অনুরোধ বিচারকের অনুমোদন<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">-নিয়মিত পর্যালোচনা<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">-কোয়াজি-জুডিশিয়াল কাউন্সিল গঠন<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">-বিচারিক সদস্যদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত [৮][১০]<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">৭.২.৩ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">-বার্ষিক প্রতিবেদন সংসদে উপস্থাপন<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">-নাগরিকদের অভিযোগের ব্যবস্থা<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">-স্বাধীন গোপনীয়তা কমিশনের তদারকি<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">-প্রকাশ্য শুনানির ব্যবস্থা [৮][১০]<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">৭.২.৪ সীমিত ক্ষমতা<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">-কেবল আইনসঙ্গত ইন্টারসেপশন<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">-বিচারিক অনুমোদন বাধ্যতামূলক<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">-দায়িত্ব স্পষ্টভাবে সংজ্ঞায়িত<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">-নির্বাহী বিভাগের নিয়ন্ত্রণমুক্ত [৮][১০]<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">৭.৩ টেলিকমিউনিকেশন আইন ২০২৫ ও সংশোধনী<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">৭.৩.১ ইন্টারনেট শাটডাউন নিষিদ্ধকরণ<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">টেলিকমিউনিকেশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ ২০২৫-এর সবচেয়ে ঐতিহাসিক বিধান হলো যে কোনো পরিস্থিতিতেই ইন্টারনেট বা টেলিকমিউনিকেশন সেবা বন্ধ করার ক্ষমতা সরকারের থাকবে না [৮][১০]। এই বিধান দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলে একটি অনন্য পদক্ষেপ।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">৭.৩.২ মূল সংস্কারগুলো<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">ইন্টারনেট শাটডাউন নিষিদ্ধ: </span></b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">স্থায়ীভাবে কিল সুইচ বাতিল<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">ফোন ট্যাপিং শাস্তিযোগ্য: </span></b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">আদালতের অনুমতি ছাড়া শাস্তি<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">বিটিআরসি স্বাধীনতা: </span></b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">সরকারের নিয়ন্ত্রণ কমানো [৮][১০][১২]<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">৭.৩.৩ নতুন বিধান<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">কন্টেন্ট ইন্টারসেপশন লাইসেন্স: নির্দিষ্ট শর্তে অনুমোদন<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">ডেটা সুরক্ষা অধ্যাদেশ: </span></b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">ক্রস-বর্ডার ট্রান্সফার নিয়ন্ত্রণ<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">জাতীয় ডেটা গভর্নেন্স:</span></b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;"> তদারকি কাউন্সিল গঠন [১০][১১]<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">৭.৩.৪ সমালোচনা ও উদ্বেগ<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">তবে সমালোচকরা উল্লেখ করেছেন যে নভেম্বর ২০২৫-এর প্রাথমিক খসড়ার তুলনায় ডিসেম্বরের চূড়ান্ত সংস্কারে কিছু গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা ব্যবস্থা শিথিল করা হয়েছে—বিশেষ করে কোয়াজি-জুডিশিয়াল কাউন্সিলে বিচারিক সদস্যদের অনুপস্থিতি এবং মন্ত্রণালয়ের বিচক্ষণতাভিত্তিক ক্ষমতার প্রসার [১০][১৪]।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">৮. আন্তর্জাতিক সেরা অনুশীলন: তুলনামূলক বিশ্লেষণ<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">৮.১ ইউরোপীয় ইউনিয়ন: জিডিপিআর ও স্পাইওয়্যার নিয়ন্ত্রণ<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">৮.১.১ পেগাসাস কমিটি ও তদন্ত<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">ইউরোপীয় পার্লামেন্ট ২০২২ সালে পেগাসাস কমিটি গঠন করে স্পাইওয়্যার অপব্যবহার তদন্তের জন্য [১৭][১৮]। কমিটির ২০২৩ সালের প্রতিবেদনে কঠোর সুপারিশ করা হয়েছে:<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">স্পাইওয়্যার রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা:</span></b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;"> মানবাধিকার লঙ্ঘনকারী দেশে রপ্তানি নিষিদ্ধ (ইইউ রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধন) [১৭][১৮]<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">মানবাধিকার রেকর্ড পর্যালোচনা: </span></b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">গ্রাহক দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি মূল্যায়ন (পূর্বশর্ত হিসেবে যুক্ত) [১৭]<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতিকার: </span></b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসন (আদালতের মাধ্যমে প্রতিকার) [১৭]<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা: </span></b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">নজরদারি কার্যক্রমের পূর্ণ স্বচ্ছতা (বার্ষিক প্রতিবেদন ও তদারকি) [১৭][১৮]<o:p></o:p></span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;"><o:p> </o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">৮.২ যুক্তরাষ্ট্র: এক্সিকিউটিভ অর্ডার ও কংগ্রেসিয়াল তদন্ত<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">৮.২.১ এনএসও গ্রুপের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য বিভাগ ২০২১ সালে এনএসও গ্রুপ ও ক্যান্ডিরুকে তার "এন্টিটি লিস্ট"-এ যুক্ত করে [৪][১৯]। এই তালিকাভুক্তি মার্কিন কোম্পানিগুলোর সাথে তাদের ব্যবসা নিষিদ্ধ করে। ২০২৫ সালে ক্যালিফোর্নিয়ার একটি আদালত এনএসও গ্রুপকে মেটার কাছে ১৬৭ মিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ দিতে আদেশ দেয় [৪][৫]।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;"><o:p> </o:p></span><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">৮.২.২ যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ কাঠামো<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">ফরেন ইন্টেলিজেন্স সারভেইল্যান্স অ্যাক্ট (FISA): </span></b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">বিচারিক তদারকি বাধ্যতামূলক [১৯]<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">প্যাট্রিয়ট অ্যাক্টের সংশোধন: </span></b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">রাজ্য ও ফেডারেল আদালতের তদারকি [১৯]<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">এক্সিকিউটিভ অর্ডার ১৪০২৮: </span></b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">সরকারি নজরদারি সীমাবদ্ধতা [১৯]<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">৮.২.৩ ভারতের উদ্যোগ<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">সুপ্রিম কোর্টের পেগাসাস তদন্ত কমিটি:</span></b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;"> স্বাধীন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে [১৭]<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">"ডান টু প্রাইভেসি" মৌলিক অধিকার:</span></b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;"> সংবিধানিক স্বীকৃতি [১৭]<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">ডিজিটাল পার্সোনাল ডেটা প্রোটেকশন অ্যাক্ট ২০২৩: </span></b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">ডেটা সুরক্ষা কাঠামো [১৭]<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">৮.৩ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের প্রয়োগ<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">৮.৩.১ আইসিসিপিআরের অনুচ্ছেদ ১৭: গোপনীয়তার অধিকার<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">আন্তর্জাতিক নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার সনদের (আইসিসিপিআর) অনুচ্ছেদ ১৭ গোপনীয়তার অধিকার স্বীকার করে [১৭][২০]। এই অধিকার যেকোনো নজরদারির বৈধতা পরীক্ষার মৌলিক মানদণ্ড। বাংলাদেশ ২০০০ সালে আইসিসিপিআর অনুসমর্থন করে, কিন্তু বাস্তবায়নে ঘাটতি রয়েছে [২০]।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">৮.৩.২ মন্ট্রো ডকুমেন্ট: নিরাপত্তা কোম্পানির দায়বদ্ধতা<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">মন্ট্রো ডকুমেন্ট নিরাপত্তা কোম্পানিগুলোর মানবাধিকার দায়বদ্ধতা নির্দেশ করে [১৭][২০]। এই নির্দেশিকা রাষ্ট্র ও ব্যক্তিগত কোম্পানি উভয়ের জন্য প্রযোজ্য। মূল নীতিগুলো:<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">-মানবাধিকার সম্মত ব্যবসায়িক প্রথা<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">-ঝুঁকি মূল্যায়ন ও প্রতিকার<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">-স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">-ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতিকার [১৭][২০]<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">৯. নীতিগত সুপারিশ: নৈতিক নজরদারি কাঠামো গঠন<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">৯.১ সারাংশ<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">বাংলাদেশে স্পাইওয়্যারের অবাধ ব্যবহার গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করেছে। রাজনৈতিক বিরোধী, সাংবাদিক, মানবাধিকার কর্মী ও ব্যবসায়ীদের লক্ষ্যবস্তু করে এই প্রযুক্তি বিরোধী মত দমন, আত্ম-সেন্সরশিপ ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের পথ প্রশস্ত করেছে [১৫][১৬]।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">আন্তর্জাতিক সেরা অনুশীলন থেকে শিক্ষা নিয়ে—ইউরোপীয় ইউনিয়নের জিডিপিআর ও পেগাসাস কমিটির তদন্ত, যুক্তরাষ্ট্রের এক্সিকিউটিভ অর্ডার ১৪০২৮, এবং ভারতের সুপ্রিম কোর্টের পেগাসাস তদন্ত—বাংলাদেশকে একটি স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও নাগরিক অধিকার-কেন্দ্রিক নজরদারি কাঠামো গড়ে তুলতে হবে [১৭][১৯]।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">৯.২ মূল সুপারিশ<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">৯.২.১ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">-বার্ষিক সংসদীয় প্রতিবেদন<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">-স্বাধীন গোপনীয়তা কমিশন<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">-বিচারিক অনুমোদন বাধ্যতামূলক<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">-নাগরিকদের অভিযোগের ব্যবস্থা<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">-প্রকাশ্য শুনানির নিশ্চয়তা [৮][১০][১৭]<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;"><o:p> </o:p></span><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">৯.২.২ আন্তর্জাতিক মানদণ্ড<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">-আইসিসিপিআর অনুচ্ছেদ ১৭ অনুসরণ<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">-জিডিপিআর মানদণ্ড গ্রহণ<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">-মন্ট্রো ডকুমেন্ট প্রয়োগ<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">-আন্তর্জাতিক চুক্তি সম্পাদন<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">-দ্বিপাক্ষিক চাপ প্রয়োগ [১৭][২০]<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">৯.২.৩ লক্ষ্যবস্তু নিয়ন্ত্রণ<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">-রাজনৈতিক বিরোধীদের উপর নিষেধাজ্ঞা<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">-সাংবাদিকদের সুরক্ষা<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">-মানবাধিকার কর্মীদের অধিকার<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">-ব্যবসায়ীদের গোপনীয়তা<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">-সংবিধানিক সুরক্ষা নিশ্চিত [১৫][১৬][২০]<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">৯.৩ বাস্তবায়নের পদ্ধতি<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">৯.৩.১ অবিলম্বে পদক্ষেপ (০-৬ মাস)<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">আইনি সংস্কার:<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">-টেলিকমিউনিকেশন আইনের চূড়ান্ত অনুমোদন [১০]<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">-ডেটা সুরক্ষা অধ্যাদেশ বাস্তবায়ন [১১]<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">-বিচারিক তদারকির কাঠামো প্রতিষ্ঠা [৮]<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার:<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">-সিআইএস প্রতিষ্ঠা ও জনবল নিয়োগ [৮][৯]<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">-এনটিএমসির সম্পদ হস্তান্তর [৮]<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">-স্বাধীন গোপনীয়তা কমিশন গঠন [১০]<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">৯.৩.২ মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনা (৬-২৪ মাস)<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">আন্তর্জাতিক সহযোগিতা:<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">-আইসিসিপিআর সম্পূর্ণ বাস্তবায়ন [২০]<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">-প্রযুক্তি রপ্তানি নিয়ন্ত্রণে অংশগ্রহণ [১৭][১৮]<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">ক্ষতিপূরণ ও প্রতিকার:<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">-ভুক্তভোগীদের তালিকা তৈরি [১৫]<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">-ক্ষতিপূরণ তহবিল গঠন [১৭]<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">-পুনর্বাসন প্রোগ্রাম চালু [১৫]<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">৯.৩.৩ দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য (২+ বছর)<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">সংস্থাগত সংস্কার:<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">-সংবিধানিক সংশোধনী [২০]<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">-স্বচ্ছ নজরদারি কাঠামো প্রতিষ্ঠা [৮][১০]<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">-নাগরিক অধিকার-কেন্দ্রিক নীতি [১৫][২০]<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">প্রযুক্তিগত স্বাধীনতা:<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">-দেশীয় নিরাপত্তা প্রযুক্তি উন্নয়ন<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">-আন্তর্জাতিক নির্ভরশীলতা কমানো<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">-মুক্ত উৎস প্রযুক্তি গ্রহণ<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">১০. উপসংহার<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">বাংলাদেশ দাঁড়িয়ে আছে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান ডিজিটাল পুলিশ রাষ্ট্রের অবসানের সুযোগ এনে দিয়েছে। এখন দেশটির সামনে নৈতিক স্পাইওয়্যার ব্যবহারের নীতিগত পুনর্গঠনের পথ খোলা।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">এই নিবন্ধের বিশ্লেষণ দেখায় যে, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে সমন্বয় ছাড়া নৈতিক নজরদারি কাঠামো গড়ে ওঠা সম্ভব নয়। সময় এসেছে বাংলাদেশের জন্য—একটি গণতান্ত্রিক, মানবাধিকার-কেন্দ্রিক ডিজিটাল ভবিষ্যৎ গড়ার।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;"><o:p> </o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">তথ্যসূত্র (References)<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">[১] Tech Global Institute. (2024). The Digital Police State: Bangladesh's Spyware Procurement and Surveillance Architecture (2015-2025). London: Tech Global Institute.<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">[২] Privacy International. (2023). The Surveillance Industry in Bangladesh: Import Records and Financial Flows. London: Privacy International.<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">[৩] The Daily Star. (2024, March 15). "Israeli Spyware in Bangladesh: The Cyprus-Singapore Connection". The Daily Star.<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">[৪] Citizen Lab. (2022). The Pegasus Project: Bangladesh Targets. Toronto: University of Toronto.<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">[৫] Amnesty International. (2024). False Friends: How Bangladesh Deployed Pegasus Against Political Opponents. London: Amnesty International.<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">[৬] Haaretz. (2023, August 22). "Paragon's Graphite: The New Spyware Targeting Encrypted Apps". Haaretz.<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">[৭] Cellebrite. (2023). UFED Product Specifications and Government Clients. Petah Tikva: Cellebrite.<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">[৮] Ministry of Home Affairs, Bangladesh. (2024). Order on Abolition of NTMC and Establishment of CIS. Dhaka: Government of Bangladesh.<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">[৯] The Financial Express. (2024, December 10). "NTMC Abolished: What Comes Next for Bangladesh's Surveillance Regime". The Financial Express.<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">[১০] Bangladesh Telecommunication Regulatory Commission. (2025). Telecommunication (Amendment) Ordinance 2025. Dhaka: BTRC.<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">[১১] Ministry of Digital Security, Bangladesh. (2025). Data Protection Ordinance 2025: Draft for Public Consultation. Dhaka: Government of Bangladesh.<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">[১২] The Daily Star. (2025, January 5). "Internet Shutdowns Banned Permanently: Historic Telecom Reform". The Daily Star.<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">[১৪] Human Rights Watch. (2025, January). Bangladesh: Telecom Reforms Fall Short on Judicial Oversight. New York: HRW.<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">[১৫] The Financial Express. (2024, November 20). "Chilling Effect: How Spyware Surveillance Silenced Bangladesh's Media". The Financial Express.<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">[১৬] Odhikar. (2024). Enforced Disappearances and Digital Surveillance: The Connection. Dhaka: Odhikar.<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">[১৭] European Parliament. (2023). PEGA Committee Final Report: The Use of Pegasus and Equivalent Surveillance Spyware. Brussels: European Parliament.<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">[১৮] EU Reporter. (2023, June 15). "EU Parliament Calls for Spyware Export Ban to Human Rights Violators". EU Reporter.<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">[১৯] U.S. Department of Commerce. (2021). Entity List Addition: NSO Group and Candiru. Washington DC: Federal Register.<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">[২০] United Nations Human Rights Council. (2024). Report of the Special Rapporteur on the Right to Privacy in Bangladesh. Geneva: UNHRC.<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">[২১] Digital Bangladesh Task Force. (2009). Vision 2021: Digital Bangladesh. Dhaka: Prime Minister's Office.<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">[২৩] The Financial Express. (2024, October 12). "Self-Censorship in Bangladesh Media: The Unseen Cost of Surveillance". The Financial Express.<o:p></o:p></span></p>
<hr>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;">লেখকঃ</span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: Kalpurush;"> সিইও, সিবিচ৭৭ লিমিটেড</span></p>
<hr>
<p class="MsoNormal"></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>কম্পিউটারে মৌলিক জ্ঞানে চাকরি দিচ্ছে ব্র্যাক</title>
<link>https://digibanglatech.news/167895</link>
<guid>https://digibanglatech.news/167895</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_699511e672997.jpg" length="90442" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 18 Feb 2026 00:00:35 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>কক্সবাজারের উখিয়া অশ্রয়কেন্দ্রে কাজের জন্য <span>মৌলিক কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন, বিশেষ করে এমএস অফিস স্যুটে দক্ষ স্নাতকদের চাকরি দিচ্ছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা (এনজিও) ব্র্যাক। </span></p>
<p><span>আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সংস্থাটির এইচসিএমপি বিভাগের অধীনে ফিল্ড ফ্যাসিলিটেটর পদে অনলাইনেই আবেদন করতে পারবেন আগ্রহীরা। </span></p>
<p><span>সংস্থাটির <strong><a href="https://www.brac.net" target="_blank" rel="noopener">অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে</a></strong> গিয়ে আবেদন করা যাবে। ছেলে-মেয়ে উভয় লিঙ্গের প্রার্থীই আবেদন করতে পারবেন। </span></p>
<p><span>চুক্তিভিত্তিক এই নিয়োগে আবেদনকারীর সংশ্লিষ্ট কাজে এক বছর কাজের অভিজ্ঞতার পাশাপাশি বিশেষ করে জরুরী প্রেক্ষাপট সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে। </span></p>
<p>নির্বাচিত প্রার্থীরা মাসিক বেতন ছাড়াও প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী আরো বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পাবেন। বেতন আলোচনা সাপেক্ষে নির্ধারিত হবে। সুযোগ-সুবিধার মধ্যে <span>মোবাইল বিল, সাপ্তাহিক ২দিন ছুটি, বছরে ২টি উৎসব বোনাস, স্বাস্থ্য ও জীবন বিমা, স্বাস্থ্য ও সুস্থতা সুবিধা, পিতৃত্ব/মাতৃত্বকালীন ছুটি এবং সংস্থার নীতিমালা অনুসারে আরো অন্যান্য সুবিধা রয়েছে। </span></p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এনএ/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>সেমিকন্ডাক্টর খাতে ৩,৫০০ দক্ষ জনবল প্রশিক্ষণ উদ্যোগ</title>
<link>https://digibanglatech.news/167851</link>
<guid>https://digibanglatech.news/167851</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_69947e571401c.jpg" length="83499" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 17 Feb 2026 16:42:58 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-start="216" data-end="505">বাংলাদেশ সেমিকন্ডাক্টর ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন (BSIA) আজ ঢাকাস্থ SICIP কার্যালয়ে স্কিলস ফর ইন্ডাস্ট্রি কম্পেটিটিভনেস অ্যান্ড ইনোভেশন প্রোগ্রাম (SICIP)-এর সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এর মাধ্যমে বৃহৎ পরিসরে সেমিকন্ডাক্টর শিল্পভিত্তিক দক্ষ জনবল উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে।</p>
<p data-start="507" data-end="662">১৭ ফেব্রুয়ারি, মঙ্গলবার নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে SICIP-এর এক্সিকিউটিভ প্রজেক্ট ডিরেক্টর মোহাম্মদ ওয়ালিদ হোসেন এবং BSIA-এর সভাপতি এম এ জব্বার চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।</p>
<p data-start="664" data-end="840">চুক্তি অনুযায়ী EEE, ECE, CSE, অ্যাপ্লাইড ফিজিক্সসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন শাখা থেকে স্নাতক সম্পন্ন মোট ৩,৫০০ জনকে ছয়টি বিশেষায়িত কোর্সে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবেকোর্সগুলো হলো: IC Design &amp; Layout Engineering, Advanced Physical Design Program: RTL to GDSII, DFT and Verification Engineering Program for ASIC Designers, Applied Semiconductor Systems: Power Devices and Industrial Integration, Smart Systems Engineering: Embedded Design and Semiconductor Application Interfaces, এবং Packaging and Testing। </p>
<p data-start="1182" data-end="1349">প্রতিটি কোর্সের মেয়াদ হবে তিন মাস (২৪০ ঘণ্টা)। কর্মসূচিটির মোট ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৫.১৪ কোটি টাকা। বাস্তবায়নকাল ফেব্রুয়ারি ২০২৬ থেকে ডিসেম্বর ২০২৮ পর্যন্ত।</p>
<p data-start="1351" data-end="1883">অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে SICIP-এর এক্সিকিউটিভ প্রজেক্ট ডিরেক্টর জনাব মোহাম্মদ ওয়ালিদ হোসেন উচ্চমানের প্রশিক্ষণ নিশ্চিতকরণ, কার্যকর ও শক্তিশালী মনিটরিং ব্যবস্থা এবং কর্মসূচির লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের অন্তত ৬৫% কর্মসংস্থান নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, BSIA-এর সঙ্গে এ অংশীদারিত্ব যথাযথ তদারকি ও শিল্পখাতের কার্যকর সংযোগের মাধ্যমে দক্ষ জনবল তৈরি করবে, যারা বাংলাদেশের বিকাশমান সেমিকন্ডাক্টর ইকোসিস্টেমে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার পাশাপাশি বৈশ্বিক বাজারেও প্রতিযোগিতায় সক্ষম হবে।</p>
<p data-start="1885" data-end="2365">BSIA-এর সভাপতি জনাব এম এ জব্বার SICIP-কে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে উভয় প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট সকল কর্মকর্তার অবদান প্রশংসনীয়। তিনি উল্লেখ করেন, এই চুক্তি বাংলাদেশের সেমিকন্ডাক্টর খাতের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এটি উন্নত ইলেকট্রনিক্স ও সেমিকন্ডাক্টর সেবাখাতের প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে প্রয়োজনীয় দক্ষ মানবসম্পদ গঠনে সহায়তা করবে, শিল্প প্রস্তুতি জোরদার করবে এবং বৈশ্বিক সেমিকন্ডাক্টর ভ্যালু চেইনে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান আরও শক্তিশালী করবে।</p>
<p data-start="2367" data-end="2798">অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন  মাহফুজুল আলম খান, অতিরিক্ত সচিব ও ডিইপিডি (প্রোগ্রাম ম্যানেজমেন্ট);  মনজুর আলম প্রধান, যুগ্ম সচিব ও ডিইপিডি (প্রোগ্রাম ম্যানেজমেন্ট); আমিনা ফাহমিন, যুগ্ম সচিব ও ডিইপিডি (প্রোগ্রাম ম্যানেজমেন্ট); মঈনুল হাসান, ডিইপিডি (ফান্ড ম্যানেজমেন্ট); মোহাম্মদ আফজাল হোসেন, এইইপিডি (প্রোগ্রাম ম্যানেজমেন্ট), উপসচিব এবং BSIA-এর জন্য SICIP-এর ফোকাল পয়েন্টসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।</p>
<p data-start="2800" data-end="2928">BSIA-এর পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র সহ-সভাপতি এম ই চৌধুরী শামীম, পরিচালক মুনির আহমেদ এবং সচিব হাশিম আহম্মদ।</p>
<p data-start="2930" data-end="3115">উল্লেখ্য, SICIP কর্মসূচিটি অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের অধীনে বাস্তবায়িত হচ্ছে এবং বাংলাদেশ সরকার ও <span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক</span></span> (ADB)-এর আর্থিক সহায়তায় পরিচালিত হচ্ছে।</p>
<p data-start="2930" data-end="3115"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এইচএ/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>হাই&#45;ভ্যালু সলিউশন হাবে রূপান্তরই নতুন সরকারের মূল চ্যালেঞ্জ: তানভীর ইব্রাহীম</title>
<link>https://digibanglatech.news/167806</link>
<guid>https://digibanglatech.news/167806</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_6994140b84899.jpg" length="84322" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 17 Feb 2026 11:09:15 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>আজ ১৭ ফেব্রুয়ারি, মঙ্গলবার; বাংলাদেশের ইতিহাসে এক নতুন দিগন্তের সূচনা হতে যাচ্ছে। প্রচলিত রীতি ভেঙে বঙ্গভবনের বাইরে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য এবং নতুন মন্ত্রিসভার শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত হতে যাওয়া এই নতুন মন্ত্রিসভায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব কে পাচ্ছেন, তা নিয়ে জল্পনা থাকলেও দলীয় ইশতেহারে এই খাতটিকে দেওয়া হয়েছে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। এই প্রেক্ষাপটে নতুন সরকারের সামনে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও টেলিকম খাতের চ্যালেঞ্জ এবং আগামীর প্রত্যাশা নিয়ে ডিজিবাংলা-র সাথে কথা বলেছেন দেশের বিজনেস প্রসেস আউটসোর্সিং বা বিপিও খাতের অন্যতম উদ্যোক্তা ও বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অফ কন্ট্যাক্ট সেন্টার অ্যান্ড আউটসোর্সিং (বাক্কো-BACCO) সভাপতি <strong>তানভীর ইব্রাহীম</strong>। </p>
<p>আলাপকালে সরকারের সামনে ‘শুল্ক বাধা ও দক্ষ জনশক্তির সংকট’ বড় চ্যালেঞ্জ বলে উল্লেখ করেন তিনি। তানভীর ইব্রাহীম মনে করেন, নতুন সরকারের সামনে প্রধান অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে টেলিকম ও আইসিটি হার্ডওয়্যারের ওপর আরোপিত উচ্চ কর কাঠামো। তিনি বলেন, "টেলিকম সেবায় উচ্চ ভ্যাট-ট্যাক্স এবং হার্ডওয়্যার আমদানিতে উচ্চ শুল্ক ডিজিটাল অগ্রযাত্রাকে শ্লথ করে দিচ্ছে।" পাশাপাশি এআই (AI), সাইবার সিকিউরিটি এবং ডেটা সায়েন্সের মতো ফ্রন্টলাইনার প্রযুক্তিতে দক্ষ পেশাদারদের তীব্র সংকটকে তিনি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। তার মতে, যথাযথ ব্র্যান্ডিংয়ের অভাবে বাংলাদেশ আজও বিশ্ববাজারে "লো-কস্ট লেবার" হিসেবে পরিচিত, যার ফলে বড় গ্লোবাল প্রজেক্টগুলো ভারত বা ভিয়েতনামের কাছে চলে যাচ্ছে।</p>
<p>এক প্রশ্নের জবাবে দেশের শহর ও গ্রামের মধ্যে ইন্টারনেটের গতি ও মূল্যের বিশাল পার্থক্য বা ডিজিটাল ডিভাইড নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বাক্কো সভাপতি। তিনি জানান, ৫জি (5G) বিস্তারের ধীরগতি এবং বিনিয়োগ-বান্ধব স্থিতিশীল কর কাঠামোর অভাব উদ্যোক্তাদের আত্মবিশ্বাস কমিয়ে দিচ্ছে। সরকারি প্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রতা এবং নীতিমালার জটিলতা নিরসন করা না গেলে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা কঠিন হবে।</p>
<p>চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় <span>অটেমেশন সল্যুশনজ বাংলাদেশের (Automation Solutionz Bangladesh) কান্ট্রি ডিরেক্টর </span>তানভীর ইব্রাহীম সুনির্দিষ্ট কিছু প্রস্তাবনা তুলে ধরেছেন। তিনি বলেন, "আইটি খাতের ট্যাক্স এক্সেম্পসন বা কর অব্যাহতির মেয়াদ ২০৩১ সাল পর্যন্ত বৃদ্ধি করা এখন সময়ের দাবি।" এছাড়া আইটি খাতে গবেষণা ও উন্নয়নে (R&amp;D) ব্যয় করলে বিশেষ কর ছাড় (Tax Deduction) এবং এআই ভিত্তিক রপ্তানিতে অতিরিক্ত প্রণোদনা দেওয়ার সুপারিশ করেন তিনি। শিল্প ও একাডেমিয়ার মধ্যে সমন্বয় ঘটিয়ে পাঠ্যক্রমে ক্লাউড ও এআই প্রযুক্তি অন্তর্ভুক্ত করার ওপরও তিনি জোর দেন।</p>
<p>বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরাতে লভ্যাংশ প্রত্যাবাসন (Profit Repatriation) প্রক্রিয়াকে আমলাতান্ত্রিক জটিলতামুক্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন এই বিপিও নেতা। তিনি মনে করেন, আইটিইএস (ITES) খাতের প্রবৃদ্ধির জন্য একটি বিনিয়োগ বান্ধব ও স্থিতিশীল নীতিমালা প্রণয়ন করা অপরিহার্য, যা বিদেশি বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগে উৎসাহিত করবে।</p>
<p>ক্ষমতা গ্রহণের পরপরই নতুন সরকারের কাছে অগ্রাধিকার ভিত্তিক ৮টি প্রস্তাবনা দিয়েছেন তিনি। নতুন মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণের পর আইসিটি খাতের আমূল পরিবর্তনে জাতীয় আইসিটি রিফর্ম কমিশন গঠন করে শুরুতেই আইসিটি অ্যাসোসিয়েশনগুলোকে নিয়ে বিদ্যমান নীতিমালা ও লাইসেন্সিং প্রক্রিয়া দ্রুত সংস্কার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। এর পরেই ই-গভর্ন্যান্স ও ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার প্রকল্পগুলোতে স্থানীয় আইটি কোম্পানিগুলোকে অগ্রাধিকার (PPP মডেলে) দেওয়া, একটি নিরপেক্ষ ও আন্তর্জাতিক মানের 'ডেটা সুরক্ষা আইন' কার্যকর করা এবং হোলসেল ইন্টারনেটের দাম কমিয়ে দ্রুতগতির ব্রডব্যান্ড তৃণমূল পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। এছাড়াও তার দেয়া অগ্রাধিকার প্রস্তাবনায় পেপ্যাল (PayPal) বা সমমানের পেমেন্ট গেটওয়ে চালু করে ফ্রিল্যান্সার ও উদ্যোক্তাদের রেমিট্যান্স প্রবাহ নির্বিঘ্ন করা, একটি শক্তিশালী ও স্বাধীন সাইবার সুরক্ষা কাঠামো গঠন করা,  সকল ডিজিটাল নাগরিক সেবার জন্য কেন্দ্রীয়ভাবে এনআইডি যাচাইকরণ প্রক্রিয়া বাস্তবায়ন এবং আন্তর্জাতিক মিডিয়া ও টেক-ইভেন্টে বাংলাদেশকে একটি শক্তিশালী "টেক-হাব" হিসেবে তুলে ধরতে বিশেষ কান্ট্রি ব্র্যান্ডিং শুরু করার বিষয় উঠে এসেছে যথারীতি। </p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এসআর/এমইউএম</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>চ্যানেল থেকে কথোপকথনে &#45; বাংলাদেশ প্রেক্ষাপট</title>
<link>https://digibanglatech.news/167694</link>
<guid>https://digibanglatech.news/167694</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_6992e4ff2d358.jpg" length="159262" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 16 Feb 2026 14:33:21 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বিশ্বের অন্যতম দীর্ঘস্থায়ী ও জনপ্রিয় গণমাধ্যম রেডিওকে নতুনভাবে রূপ দিচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI)। পরিবর্তনটা শুধু “পর্দার আড়ালে” উৎপাদন-কৌশলে সীমাবদ্ধ নয়; শ্রোতারা কীভাবে শোনেন, কী চান, কীভাবে খুঁজে নেন, এমনকি কীভাবে প্রশ্ন করেন, সেই অভ্যাসেও বড় ধাক্কা লাগছে। আগে রেডিও ছিল মূলত “চ্যানেল-চালিত” মাধ্যম: স্টেশন ঠিক করে দিত কখন কোন অনুষ্ঠান, শ্রোতা শুনত। এখন ধীরে ধীরে সেটি “কথোপকথন-চালিত” অভিজ্ঞতায় রূপ নিচ্ছে: শ্রোতা প্রশ্ন করবে, অনুরোধ করবে, নিজের পছন্দমতো বিষয় টেনে আনবে, এবং তাৎক্ষণিকভাবে উত্তর বা কনটেন্ট পাবে।</p>
<p><strong>রেডিওর পর্দার আড়ালে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা:</strong> <em>উৎপাদন দ্রুত, খরচ কম, নতুন সম্ভাবনা</em><br>রেডিও শিল্পজুড়ে কনটেন্ট তৈরিতে AI-এর প্রভাব ইতোমধ্যেই স্পষ্ট। ধারণা থেকে উৎপাদন পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়া দ্রুত হচ্ছে। অনেক প্রতিষ্ঠান একাধিক ধাপে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করছে, যেমন:<br>•    আইডিয়া তৈরি ও স্ক্রিপ্টিং: বিষয় নির্বাচন, শিরোনাম, প্রশ্নমালা, স্টোরি কাঠামো সাজানো।<br>•    এডিটিং ও পোস্ট-প্রসেসিং: অডিও পরিষ্কার করা, নয়েজ কমানো, সেগমেন্ট কাটা, ইন্ট্রো/আউট্রো বানানো।<br>•    ট্রান্সক্রিপশন ও আর্কাইভিং: অনুষ্ঠানের কথাকে লেখায় রূপান্তর, পরে খুঁজে পাওয়ার জন্য সংরক্ষণ।<br>•    মেটাডাটা (তথ্য-ট্যাগ) তৈরি: অনুষ্ঠান কোন বিষয়, কোন এলাকা, কোন অতিথি, কোন সময়ের প্রসঙ্গ ইত্যাদি ট্যাগ করা।</p>
<p>বাংলাদেশে এই সুবিধার বাস্তব মূল্য খুব বেশি, কারণ অনেক স্টেশনেই জনবল সীমিত, প্রশিক্ষিত অডিও এডিটর কম, এবং সময়ের চাপ বেশি। AI এখানে সহায়ক “এনাবলার” হতে পারে, যদি মানব সম্পাদনা (human editorial control) বজায় থাকে।</p>
<p><strong>সামনে যে রূপান্তর:</strong> <em>সহায়কও, ব্যাঘাত-সৃষ্টিকারীও</em><br>কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা  একদিকে অসাধারণ সহায়ক। আবার এটিও স্বীকার করতে হবে, এটি ব্যাঘাত সৃষ্টিকারী শক্তি হতে পারে। কারণ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা  শুধু কাজ দ্রুত করছে না; এটি বদলে দিচ্ছে “সংযোগের ধরন”। প্রযোজক কীভাবে শ্রোতার সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করেন, এবং শ্রোতা কীভাবে কনটেন্টের সঙ্গে যুক্ত হন, সেই সম্পর্কটাই পুনর্গঠিত হচ্ছে।</p>
<p>এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভুল বোঝাবুঝি আছে: এই পরিবর্তনের মানে “লাইভ” বা “লিনিয়ার” (সময়-ধারাবাহিক) রেডিও শেষ হয়ে যাচ্ছে না। বাংলাদেশে লাইভ রেডিও এখনও শক্তিশালী, বিশেষত:</p>
<p>•    দুর্যোগ ও জরুরি তথ্য (ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, জলোচ্ছ্বাস, ভূমিধস, অগ্নিকাণ্ড)<br>•    বিদ্যুৎ বা মোবাইল নেটওয়ার্কে বিঘ্ন<br>•    স্থানীয় খবর ও কমিউনিটি-জীবন (গ্রাম/উপজেলা পর্যায়ের তথ্য, বাজারদর, স্বাস্থ্য-পরামর্শ)</p>
<p>সাম্প্রতিক বছরগুলোর দুর্যোগ অভিজ্ঞতা আমাদের বারবার দেখিয়েছে: মোবাইল নেটওয়ার্ক ভেঙে পড়লে বা ইন্টারনেট ধীর/অকার্যকর হলে সম্প্রচার রেডিও অনেক সময় শেষ ভরসা হয়ে দাঁড়ায়। সহজলভ্য, কম খরচে চলা, এবং মানুষের আস্থাভিত্তিক এই মাধ্যম আধুনিক জীবনেও নির্ভরযোগ্য সঙ্গী। তবে বদলাবে “শ্রোতার সাথে যোগাযোগের ভাষা ও কাঠামো”।</p>
<p><strong>শ্রোতারা এখন “অ্যাক্টিভ”:</strong><em> প্রশ্ন করবে, ঠিক করে নেবে, নিজের মতো শুনবে</em><br>ভয়েস-ভিত্তিক ডিজিটাল সহকারী এবং বড় ভাষা মডেল (LLM) এখন মানুষের স্বাভাবিক ভাষা বোঝে, প্রাসঙ্গিক উত্তর দেয়, এবং কথোপকথনের মতো প্রতিক্রিয়া দেখায়। আগের ভয়েস প্রযুক্তি ছিল কমান্ড-কেন্দ্রিক: “এইটা চালাও”, “ওটা থামাও”। এখন সেটি সংলাপ-কেন্দ্রিক:<br>•    “আজ আমার এলাকার বন্যা পরিস্থিতি কী?”<br>•    “গর্ভবতী মায়েদের জন্য কী সতর্কতা আছে?”<br>•    “স্থানীয় হাসপাতালে ডেঙ্গু টেস্ট কোথায় হচ্ছে?”<br>•    “আমার সন্তানের পরীক্ষার চাপ কমাতে কী করবো?”</p>
<p>বাংলাদেশে সংযুক্ত গাড়ির উদাহরণ পাশ্চাত্য দেশের মতো ব্যাপক না হলেও, স্মার্টফোন, ব্লুটুথ হেডসেট, স্মার্ট টিভি, এবং ক্রমশ স্মার্ট স্পিকার বা ইন-কার অডিও সিস্টেমের ব্যবহার বাড়ছে। এই বাস্তবতায় কথোপকথনমূলক ইন্টারফেস শ্রোতাকে “লিন ফরওয়ার্ড” করতে দেবে: তারা আর শুধু স্টেশন যা দিচ্ছে তা নিষ্ক্রিয়ভাবে নেবে না; বরং নিজের পরিস্থিতি, সময়, রুচি ও প্রয়োজন অনুযায়ী কনটেন্ট টেনে আনবে।</p>
<p><strong>চ্যানেল-কেন্দ্রিক থেকে কনটেন্ট-কেন্দ্রিক:</strong> <em>ব্র্যান্ডের নতুন যুদ্ধ</em><br>আগে “স্টেশন” ছিল মূল দরজা। এখন মানুষ অনেক সময় স্টেশনে ঢোকার আগেই নির্দিষ্ট কনটেন্ট খুঁজবে:<br>•    “এই সপ্তাহে কৃষকের জন্য কী পরামর্শ?”<br>•    “মাইগ্রেশন/প্রবাস জীবন নিয়ে কোন অনুষ্ঠান?”<br>•    “নারীর ডিজিটাল নিরাপত্তা নিয়ে কোন আলোচনা?”</p>
<p>এতে শ্রোতার জন্য সুবিধা বাড়ে: দ্রুত খুঁজে পাওয়া, নিজের মতো শোনা, নতুন বিষয় আবিষ্কার। কিন্তু স্টেশনগুলোর জন্য ঝুঁকি তৈরি হয়: ব্র্যান্ড-লয়্যালটি ও পরিচিতি ধরে রাখা কঠিন হবে, কারণ শ্রোতা কনটেন্ট কোথা থেকে পেল সেটাই ভুলে যেতে পারে। তাই “উৎস-স্বীকৃতি” (attribution) এখন কৌশলগত ইস্যু:</p>
<p>•    কনটেন্টের শুরু/শেষে পরিষ্কার স্টেশন পরিচয়<br>•    শিরোনাম, বর্ণনা, ট্যাগে স্টেশন নাম<br>•    যে প্ল্যাটফর্মেই কনটেন্ট শোনা হোক, সেখানে স্টেশনের পরিচয় দৃশ্যমান/শ্রব্যমান রাখা</p>
<p>আরেকটি বাস্তব সমস্যা হলো ডেটা ও সুপারিশ: প্ল্যাটফর্ম বা ডিভাইস নির্মাতা কনটেন্ট থেকে ডেটা পয়েন্ট বানাতে চাইবে, কিন্তু তাতে প্রযোজকের তাৎক্ষণিক লাভ সবসময় স্পষ্ট নয়। এখানে দরকষাকষি দরকার: কার ডেটা, কার নিয়ন্ত্রণ, কার লাভ।</p>
<p><strong>“এবার কেন ভিন্ন হতে পারে”:</strong> <em>পাঁচটি সমাপতিত কারণ</em><br>এবার রূপান্তর গভীর হতে পারে, কারণ কয়েকটি কারণ একসাথে মিলছে:<br>•    উন্নত কথোপকথন সক্ষমতা: LLM-ভিত্তিক সিস্টেম কাঠামোবদ্ধ কমান্ড নয়, বাস্তব সংলাপ বোঝে।<br>•    ভোগের অভ্যাস বদল: ছোট কনটেন্ট, ক্লিপ, হাইলাইট জনপ্রিয়; AI-চালিত আবিষ্কারের সঙ্গে মানানসই।<br>•    সমৃদ্ধ মেটাডাটা: ভালো ট্যাগিং থাকলে AI সুপারিশ আরও নির্ভুল হয়।<br>•    প্ল্যাটফর্মের ক্ষমতা বৃদ্ধি: ডিভাইস/অ্যাপ নির্মাতারা কনটেন্ট যাত্রায় আরও নিয়ন্ত্রণ চাইবে।<br>•    ব্যবহারকারীর প্রত্যাশা: মানুষ এখন নির্বিঘ্ন, বুদ্ধিদীপ্ত ইন্টারঅ্যাকশন চায়; “খুঁজে” নয়, “জিজ্ঞেস করে” পেতে চায়।</p>
<p><strong>বাংলাদেশের বিশেষ চ্যালেঞ্জ:</strong> <em>ভুল তথ্য, ভাষাগত বৈষম্য, গোপনীয়তা</em><br>বাংলাদেশে AI-র সুবিধার পাশাপাশি কিছু ঝুঁকি খুব বাস্তব:<br>•    ভুল তথ্য ও ডিপফেক: সংকটকালে গুজব দ্রুত ছড়ায়; AI তা আরও বিশ্বাসযোগ্য করে তুলতে পারে।<br>•    ভাষা ও উচ্চারণ বৈষম্য: বাংলা ভাষার আঞ্চলিক উচ্চারণ, উপভাষা, সংখ্যালঘু ভাষা ঠিকমতো না বুঝলে “কথোপকথন” একপাক্ষিক হয়ে যাবে।<br>•    গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা: শ্রোতার প্রশ্নে ব্যক্তিগত তথ্য থাকতে পারে (স্বাস্থ্য, পরিবার, সহিংসতা, আইনি সমস্যা)। ডেটা কোথায় যাচ্ছে, কে রাখছে, কতদিন রাখছে, স্পষ্ট না হলে আস্থা নষ্ট হবে।<br>•    সম্পাদকীয় দায়িত্ব: AI দ্রুত কনটেন্ট তৈরি করলেও সত্যতা, ন্যায্যতা, প্রেক্ষাপট, এবং ক্ষতির ঝুঁকি মূল্যায়নের দায় মানুষেরই।</p>
<p>এখানে একটি কড়া কথা বলা দরকার: “কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা  থাকলেই রেডিও আধুনিক” এমন ধারণা বিপজ্জনক। প্রযুক্তি যোগ করলেই মান বাড়ে না; বরং ভুলভাবে যোগ করলে আস্থা কমে, বিভ্রান্তি বাড়ে, এবং সংবাদ-নির্ভরতার ক্ষতি হয়।</p>
<p><strong>সম্প্রচারকদের করণীয়:</strong> <em>এখনই পাঁচটি প্রস্তুতি</em><br>সফল হতে হলে আগেভাগে সক্রিয় প্রস্তুতি দরকার। বাস্তবসম্মত কয়েকটি দিকনির্দেশনা:<br>•    মেটাডাটা সংস্কৃতি গড়ুন: প্রতিটি অনুষ্ঠানকে বিষয়, এলাকা, লক্ষ্য শ্রোতা, ভাষা/উপভাষা, সময়-প্রাসঙ্গিকতা দিয়ে ট্যাগ করুন।<br>•    উৎস-স্বীকৃতি নিশ্চিত করুন: কনটেন্ট যেখানে শোনা হবে, সেখানেই স্টেশনের পরিচয় দৃশ্যমান/শ্রব্যমান রাখুন।<br>•    হাইব্রিড বিতরণ কৌশল: FM/AM-এর সাথে অনলাইন ক্লিপ, পডকাস্ট, ইউটিউব/ফেসবুক অডিও, মেসেজিং-ভিত্তিক লিংক শেয়ারিং সমন্বিত করুন।<br>•    মানব-সম্পাদকীয় নিয়ন্ত্রণ: সংবাদ, স্বাস্থ্য, আইন, দুর্যোগ তথ্যের ক্ষেত্রে “human-in-the-loop” বাধ্যতামূলক রাখুন।<br>•    ডেটা ও নীতিমালা: শ্রোতার ডেটা, কনসেন্ট, সংরক্ষণকাল, এবং তৃতীয় পক্ষের অ্যাক্সেস নিয়ে স্পষ্ট নীতিমালা দিন।</p>
<p>এই দুই লক্ষ্য (মেটাডাটা + অ্যাট্রিবিউশন) প্রযুক্তি-প্রদানকারীদের সঙ্গে সহযোগিতার ওপর নির্ভরশীল। তবে সহযোগিতা মানে নির্ভরশীলতা নয়। দরকার “শর্তসাপেক্ষ অংশীদারত্ব”: স্বচ্ছতা, ডেটা সুরক্ষা, এবং সম্পাদকীয় স্বাধীনতা অক্ষুণ্ন রেখে।</p>
<p><strong>আন্তর্জাতিক দিকনির্দেশনা:</strong> <em>সম্প্রচারের ভবিষ্যৎ নিয়ে কাজ চলছে</em><br>আন্তর্জাতিক পরিসরে সম্প্রচারে AI ব্যবহারের সম্ভাবনা, গুণগত মান মূল্যায়ন, কনটেন্ট সমাবেশ, এবং ট্রান্সমিশন দক্ষতা উন্নত করার নানা উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা ও পর্যালোচনা চলছে। এসব আলোচনা থেকে তৈরি হওয়া ব্যবহারক্ষেত্র (use cases), প্রযুক্তিগত পরিপক্বতা মূল্যায়ন, এবং আন্তর্জাতিকভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ দিকনির্দেশনা সম্প্রচারকদেরকে আরও দায়িত্বশীলভাবে AI ব্যবহার করতে সহায়তা করতে পারে। বাংলাদেশে এর মানে হলো: “শুধু ট্রেন্ড ফলো” নয়, মান-নীতিভিত্তিক গ্রহণ।</p>
<p>কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা  রেডিওর বিস্তার, প্রবেশগম্যতা এবং প্রাসঙ্গিকতা বাড়ানোর অভূতপূর্ব সুযোগ তৈরি করে। তবে রেডিওকে শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে টিকিয়ে রেখেছে যে মৌলিক শক্তিগুলো, সেগুলো আজও সমান গুরুত্বপূর্ণ: তাৎক্ষণিকতা, অন্তরঙ্গতা, স্থানীয়তা, এবং আস্থা।</p>
<p>প্রশ্নটা এই নয় যে- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা  রেডিওকে বদলাবে কি না। প্রশ্নটা হলো: আমরা কি এই বদলকে আস্থা, জনস্বার্থ, সত্যতা ও অন্তর্ভুক্তির দিকে চালাতে পারবো, নাকি প্ল্যাটফর্ম-নিয়ন্ত্রিত, অস্বচ্ছ ও গুজব-ঝুঁকিপূর্ণ এক অভ্যাসে ঢুকে পড়বো? চিন্তাশীল ও কৌশলগতভাবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা   গ্রহণ করলে, সম্প্রচার রেডিও আগামী প্রজন্মের জন্যও মানুষকে জানাতে, বিনোদন দিতে এবং কমিউনিটিকে সংযুক্ত রাখতে পারবে।                                                     </p>
<hr>
<p><strong>লেখেকঃ</strong> বিশ্ব বেতার দিবস উদযাপন আন্তর্জাতিক কমিটির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য (২০১২ সাল থেকে),  প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, বাংলাদেশ এনজিও নেটওয়ার্ক ফর রেডিও অ্যান্ড কমিউনিকেশন (বিএনএনআরসি) এবং বাংলাদেশের জন্য দায়িত্বশীল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিষয়ক অ্যাম্বাসাডর।</p>
<hr>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রাইম ব্যাংকের “এমপাওয়ারিং ইয়ুথ” বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত</title>
<link>https://digibanglatech.news/167720</link>
<guid>https://digibanglatech.news/167720</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_6993106bf3d77.jpg" length="76816" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 16 Feb 2026 13:42:19 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (গাকৃবি) ও গাকৃবি ক্যারিয়ার ক্লাবের সহযোগিতায় “এমপাওয়ারিং ইয়ুথ” শীর্ষক একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রাইম ব্যাংক পিএলসি’র ফ্ল্যাগশিপ প্ল্যাটফর্ম ‘প্রাইমএকাডেমিয়া’-এর উদ্যোগে অনুষ্ঠিত সভায় মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রাইম ব্যাংকের এসইভিপি ও হেড অব লায়াবিলিটি শায়লা আবেদিন।</p>
<p>তিনি আর্থিক শৃঙ্খলা, ধারাবাহিক আত্মোন্নয়ন, নৈতিক নেতৃত্ব এবং নারীর ক্ষমতায়নের গুরুত্ব তুলে ধরেন। বিশেষ করে তরুণ-তরুণীদের উদ্দেশ্যে তিনি সচেতন আর্থিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং ডিজিটাল আর্থিক সেবার কার্যকর ব্যবহারের মাধ্যমে আর্থিক স্বনির্ভরতা অর্জনের আহ্বান জানান।</p>
<p>অনুষ্ঠানের অপর কীনোট স্পিকার প্রাইম ব্যাংকের এসভিপি ও হেড অব ফাইন্যান্সিয়াল ইনক্লুশন অ্যান্ড স্কুল ব্যাংকিং এম এম মাহবুব হাসান বলেন, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি শুধু ব্যাংক হিসাব খোলার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং এটি সুযোগের সম্প্রসারণ, বৈষম্য হ্রাস এবং টেকসই অর্থনৈতিক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার একটি সমন্বিত প্রক্রিয়া। তিনি ই-কেওয়াইসি (e KYC), ডিজিটাল অনবোর্ডিং এবং দ্রুত পরিবর্তনশীল আর্থিক ব্যবস্থায় তরুণদের নেতৃত্বের জন্য প্রস্তুত হওয়ার বিষয়ে বাস্তবভিত্তিক দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।</p>
<p>অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রকল্যাণ পরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ শরীফ রায়হান, পিএইচডি এবং অধ্যাপক ড. জীবন চন্দ্র দাস প্রমুখ। </p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এনএইচ/এসএস</strong></span></em></p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>নতুন সরকারের সামনে ডিজিটাল খাতের পাঁচ বড় চ্যালেঞ্জ</title>
<link>https://digibanglatech.news/167673</link>
<guid>https://digibanglatech.news/167673</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_6992c8367c468.jpg" length="72401" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 16 Feb 2026 12:33:26 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-start="81" data-end="547">১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে <span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">তারেক রহমান</span></span>-এর নেতৃত্বাধীন <span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল</span></span> (বিএনপি) ভূমিধস বিজয় অর্জনের পর আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি দেশে নতুন সরকারের শপথ গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে। আগের সরকারের ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ রূপকল্প ঘিরে নানা বিতর্ক, বাস্তবায়ন ঘাটতি ও ব্যয়–দক্ষতা নিয়ে প্রশ্নের প্রেক্ষাপটে বিজ্ঞান-প্রযুক্তি ও টেলিকম খাতে নতুন সরকারের সামনে বেশ কিছু মৌলিক চ্যালেঞ্জ ও করণীয় স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।</p>
<p data-start="549" data-end="753">এমন পরিস্থিতিতে নীতির ধারাবাহিকতা ও বাস্তবায়ন ঘাটতি, ডিজিটাল অবকাঠামোর মান ও ব্যয় এবং বিনিয়োগ ও উদ্ভাবন পরিবেশ—এসব বিষয়কে নতুন সরকারের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন জাতীয়তাবাদী আইসিটি ফোরামের সভাপতি <strong>রাফেল কবির</strong>।</p>
<p data-start="755" data-end="922">তার ভাষায়, বাংলাদেশে অনেক ভালো নীতি গ্রহণ করা হলেও বাস্তবায়ন দুর্বল থাকে। দ্রুত পরিবর্তনশীল প্রযুক্তি পরিবেশে নীতির স্থিতিশীলতা ও সময়োপযোগী হালনাগাদ একটি বড় চ্যালেঞ্জ।</p>
<p data-start="755" data-end="922">নতুন সরকার শপথ গ্রহণের আগে ১৬ ফেব্রুয়ারি, সোমবার ডিজিবাংলাটেক-এর এক প্রশ্নের জবাবে এমনটাই বলেন প্রযুক্তি বিশ্লেষক ও উদ্যোক্তা রাফেল কবির।</p>
<p data-start="924" data-end="1183">ডিজিটাল অবকাঠামোর মান উন্নয়ন ও ব্যয় কমানোর ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, দেশব্যাপী ব্রডব্যান্ডের মান, নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট এবং ডেটা ব্যয়ের যৌক্তিকতা এখনও চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে। ৫জি প্রস্তুতি, ফাইবার নেটওয়ার্ক বিস্তার এবং স্পেকট্রাম ব্যবস্থাপনা উন্নত করা জরুরি।</p>
<p data-start="1185" data-end="1362">একই সঙ্গে স্টার্টআপ ও ডিপ-টেক খাতে পর্যাপ্ত বিনিয়োগ, গবেষণা তহবিল এবং ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ইকোসিস্টেম এখনও সীমিত। বিশ্ববিদ্যালয়-শিল্প সহযোগিতা জোরদার করা প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।</p>
<p data-start="1364" data-end="1787">দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নের প্রসঙ্গে ইন্টারনেট ও স্যাটেলাইটভিত্তিক যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবসা খাতের প্রতিষ্ঠান <span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">DNS Group</span></span>-এর প্রতিষ্ঠাতা নির্বাহী রাফেল কবির বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), সাইবার নিরাপত্তা, সেমিকন্ডাক্টর ও ক্লাউড কম্পিউটিং খাতে দক্ষ জনশক্তির ঘাটতি রয়েছে। শিক্ষাক্রম আধুনিকীকরণ এবং শিল্প–সমন্বিত (ইন্ডাস্ট্রি-অ্যালাইনড) প্রশিক্ষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।</p>
<p data-start="1789" data-end="2019">পাশাপাশি সাইবার নিরাপত্তা ও ডেটা সুরক্ষায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার তাগিদ দিয়ে তিনি বলেন, ডিজিটাল অর্থনীতি সম্প্রসারণের সঙ্গে সঙ্গে সাইবার ঝুঁকিও বাড়ছে। শক্তিশালী ডেটা প্রোটেকশন কাঠামো ও কার্যকর সাইবার রেসপন্স সক্ষমতা গড়ে তুলতে হবে।</p>
<p data-start="2021" data-end="2282">নীতিগত সমন্বয় ও রেগুলেটরি সংস্কারের প্রসঙ্গে <span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অফ সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস</span></span> (বেসিস)-এর সহায়ক কমিটির চেয়ারম্যান রাফেল কবির বলেন, আইসিটি ও টেলিকম খাতে বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সমন্বয়ের ঘাটতি রয়েছে। একক ও সমন্বিত রেগুলেটরি ভিশন ছাড়া কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি সম্ভব নয়।</p>
<p data-start="2284" data-end="2520" data-is-last-node="" data-is-only-node="">নতনু সভাপতির সঙ্গে আলাপকালে স্পষ্ট হলো- নতুন সরকারের জন্য এখন মূল প্রশ্ন—নীতির ঘোষণা নয়, বাস্তবায়নের গতি ও জবাবদিহিতা কতটা নিশ্চিত করা যায়। প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনীতি গড়তে হলে অবকাঠামো, মানবসম্পদ, বিনিয়োগ ও সাইবার নিরাপত্তায় সমন্বিত কৌশল গ্রহণই হবে সময়ের দাবি।</p>
<p data-start="2284" data-end="2520" data-is-last-node="" data-is-only-node=""><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এমএসএইচ/এমইউএম</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>গণভোট নিয়ে তুষারের ভাইরাল পোস্টটি ‘অপতথ্য’ নির্ভর</title>
<link>https://digibanglatech.news/167487</link>
<guid>https://digibanglatech.news/167487</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_69907b2c073c2.jpg" length="82428" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 14 Feb 2026 15:40:27 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div class="html-div xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl">
<div dir="auto" class="html-div xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl">
<div data-ad-rendering-role="story_message" class="html-div xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl">
<div class="x1l90r2v x1iorvi4 x1g0dm76 xpdmqnj" data-ad-comet-preview="message" data-ad-preview="message">
<div class="x78zum5 xdt5ytf xz62fqu x16ldp7u">
<div class="xu06os2 x1ok221b">
<div class="html-div xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl">
<div class="xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs x126k92a">
<div dir="auto">
<div class="html-div xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl">
<div dir="auto" class="html-div xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl">
<div data-ad-rendering-role="story_message" class="html-div xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl">
<div class="x1l90r2v x1iorvi4 x1g0dm76 xpdmqnj" data-ad-comet-preview="message" data-ad-preview="message">
<div class="x78zum5 xdt5ytf xz62fqu x16ldp7u">
<div class="xu06os2 x1ok221b">
<div class="html-div xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl">
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত গণভোটে ৪ কোটি ৪১ লাখ ভোট কোথায় গেল বলে প্রশ্ন রেখেছেন বিতার্কিক থেকে উপস্থাপক ও টিভি টক শো’র আলোচক ডা. আব্দুন নূর তুষার। নিজের ফেবসবুক ভেরিফায়েড পেজে এই পোস্টটি করার পর সেটি আবার কোনো ব্যাখ্যা ছাড়াই ছড়িয়ে ফেলেছেন। কিন্তু তার আগেই পোস্টটি কপি করে তার নামে পুন:প্রকাশ করা হয়েছে শত শত ফেসবুক একাউন্ট থেকে।</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">ভাইরাল হওয়া ১৩ ফেব্রুয়ারি রাতে প্রকাশিত ওই পেস্টে আব্দুন নূর তুষার দাবি করেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ এবং ‘না’ মিলে মোট ৩ কোটি ২৫ লাখ ভোট পড়েছে। অন্যদিকে নির্বাচনে ভোট দিয়েছে ৭ কোটি ৬৬ লাখ মানুষ। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, বাকি ৪ কোটি ৪১ লাখ ভোট কোথায় গেল।</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div>
<div class="xabvvm4 xeyy32k x1ia1hqs x1a2w583 x6ikm8r x10wlt62" data-visualcompletion="ignore-dynamic">
<div class="x1n2onr6">
<div class="x6s0dn4 xi81zsa x78zum5 x6prxxf x13a6bvl xvq8zen xdj266r xat24cr x1c1uobl xyri2b x1diwwjn xbmvrgn x1yrsyyn x18d9i69">
<div class="x6s0dn4 x78zum5 x1iyjqo2 x6ikm8r x10wlt62">
<div class="x1i10hfl xjbqb8w x1ejq31n x18oe1m7 x1sy0etr xstzfhl x972fbf x10w94by x1qhh985 x14e42zd x9f619 x1ypdohk x3ct3a4 xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl x16tdsg8 x1hl2dhg xggy1nq x1fmog5m xu25z0z x140muxe xo1y3bh x1n2onr6 x87ps6o x1lku1pv x1a2a7pz x1heor9g xnl1qt8 x6ikm8r x10wlt62 x1vjfegm x1lliihq" role="button" tabindex="0">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">তবে ১৪ ফেব্রুয়ারি ভোররাতে নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত গেজেট অনুযায়ী, ‘হ্যাঁ’ এবং ‘না’ মিলে মোট ভোট কাস্ট হয়েছে ৭ কোটি ৭৬ লাখ ৯৫ হাজার ২৩টি। এর মধ্যে অসঠিক পদ্ধতিতে ভোট দেওয়ার কারণে বাতিল হয়েছে ৭৪ লাখ ২২ হাজার ৬৩৭টি। মোট কাস্ট হওয়া বৈধ ভোটের সংখ্যা ৭ কোটি ২ লাখ ৭২ হাজার ৩৮৬টি।</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">ফলে, আব্দুন নূর তুষারের ফেসবুক পোস্টটি তার মনগড়া এবং কাল্পনিক ‍উপাত্ত নির্ভর বলেই বিবেচিত হয়েছে। পরে তিনি সেটি সরিয়ে ফেললেও সেই মিথ্যা উপাত্ত নিয়ে সোশ্যাল হ্যান্ডেলে গসিপ থেমে নেই। </div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এসআই/এমআই</strong></span></em></div>
</div>
</div>
<div class="x9f619 x1ja2u2z x78zum5 x2lah0s x1n2onr6 x1qughib x1qjc9v5 xozqiw3 x1q0g3np xyri2b x1c1uobl x1ws5yxj xw01apr x4cne27 xifccgj x123j3cw xs9asl8"></div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div class="html-div xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl x1n2onr6">
<div class="html-div xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl x1n2onr6"></div>
<div class="html-div xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl x6ikm8r x10wlt62"></div>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ব্রিটিশ পার্লামেন্টে সম্মাননা পেলেন মোস্তাফা ইসলাম ডিউক</title>
<link>https://digibanglatech.news/167229</link>
<guid>https://digibanglatech.news/167229</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_698d6386cb88e.jpg" length="82123" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 12 Feb 2026 00:53:13 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>তথ্যপ্রযুক্তি খাতে দীর্ঘদিনের অবদান ও উদ্ভাবনী নেতৃত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে একাধিক মর্যাদাপূর্ণ সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ মোস্তাফা রফিকুল ইসলাম ডিউক। সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের ব্রিটিশ পার্লামেন্টের হাউস অব কমন্সে আয়োজিত এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানে তাকে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়।</p>
<p>অনুষ্ঠানে মোস্তাফা রফিকুল ইসলাম ডিউকের নেতৃত্বে তৈরি ‘ফ্লোরাব্যাংক কোর ব্যাংকিং সফটওয়্যার’ বিশ্বের অন্যতম সেরা কোর ব্যাংকিং সফটওয়্যার হিসেবে বিশেষ স্বীকৃতি লাভ করে।</p>
<p>ব্রিটিশ পার্লামেন্টের হাউস অব লর্ডস ব্যারোনেস মানজিলা উদ্দিন তার হাতে এই সম্মাননা স্মারক তুলে দেন। একই অনুষ্ঠানে বৈশ্বিক তথ্যপ্রযুক্তি সমাধানে নেতৃত্ব ও উদ্ভাবনী ভূমিকার স্বীকৃতি হিসেবে মোস্তাফা রফিকুল ইসলাম ডিউককে সম্মানসূচক ডক্টরেট (অনরারি পিএইচডি) ডিগ্রি প্রদান করে যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ড স্টেট ইউনিভার্সিটি।</p>
<p>এই অর্জনের অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে তিনি তার পরিবার, সহকর্মী, মেন্টর এবং বিশ্বজুড়ে থাকা শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, এই অর্জন আমাকে আগামীতে আরও দায়িত্ববোধ ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করার অনুপ্রেরণা যোগাবে। ভবিষ্যতেও নতুন লক্ষ্য নিয়ে বৈশ্বিক প্রযুক্তির উন্নয়নে অবদান রাখতে আমি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।</p>
<p>যুক্তরাজ্য সফরের অংশ হিসেবে তিনি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের থ্যাচার বিজনেস এডুকেশন সেন্টারে “দ্য ফিউচার অব ব্যাংকিং ইনোভেশন: ইন্টিগ্রেটিং এআই অ্যান্ড মেশিন লার্নিং” শীর্ষক বিষয়ে মূল প্রবন্ধ (কী-নোট) উপস্থাপন করেন। ব্যাংকিং খাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও মেশিন লার্নিংয়ের ভবিষ্যৎ প্রভাব ও সম্ভাবনা নিয়ে তার এই গবেষণালব্ধ বক্তব্য আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ মহলে ব্যাপক প্রশংসিত হয়। </p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/বিজ্ঞপ্তি/এমইউএম</strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ভোটকেন্দ্রের ভেতরে লাইভ সম্প্রচার করা যাবে না</title>
<link>https://digibanglatech.news/167134</link>
<guid>https://digibanglatech.news/167134</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_698c4b9a4635d.jpg" length="244571" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 11 Feb 2026 15:28:06 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p> ক্যামেরা ও মোবাইল ফোন নিয়ে কেন্দ্রের ভেতরে প্রবেশ করা গেলেও ভোটকেন্দ্রের ভেতরে লাইভ সম্প্রচার বা সাক্ষাৎকার নেওয়া যাবে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।</p>
<p> ১১ ফেব্রুয়ারি, বুধবার রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে দেশি-বিদেশি সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকদের জন্য আয়োজিত ব্রিফিংয়ে মোবাইল ফোন  ব্যবাহর নিয়ে স্পষ্ট করেন তিনি।</p>
<p> ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন ব্যবহার নিয়ে এক প্রশ্নে তিনি বলেন, ভোটাররা ভোট দেওয়ার সময় মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবেন না। ভোটকেন্দ্রের ভেতরে লাইভ সম্প্রচার বা সাক্ষাৎকার নেওয়া যাবে না, তবে ক্যামেরা ও মোবাইল ফোন নিয়ে কেন্দ্রের ভেতরে প্রবেশ করা যাবে।</p>
<p>তিনি জানান, দেশে প্রথমবারের মতো ব্যবহার করা হচ্ছে ইউএভি (ড্রোন), বডি ওর্ন ক্যামেরা এবং সিসিটিভি কভারেজ। যে কেউ বিঘ্ন ঘটানোর চেষ্টা করলে ধরা পড়বে, এমনকি নির্বাচনের পরেও।</p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ডিপফেক বনাম নির্বাচন: আস্থার সংকটে গণতন্ত্র</title>
<link>https://digibanglatech.news/166992</link>
<guid>https://digibanglatech.news/166992</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_698ac4079862e.jpg" length="95631" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 10 Feb 2026 11:38:55 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ডিপফেক এখন কেবল ভিজ্যুয়াল কারসাজি নয়; এটি একটি পূর্ণাঙ্গ জেনারেটিভ মিডিয়া ইকোসিস্টেম। আধুনিক ডিপফেক সিস্টেম ডিফিউশন মডেল, ট্রান্সফরমার-ভিত্তিক আর্কিটেকচার এবং উন্নত ভয়েস সিন্থেসিস ব্যবহার করে উচ্চমাত্রার রিয়ালিজম তৈরি করছে। কয়েক মিনিটের অডিও স্যাম্পল থেকেই নিউরাল ভয়েস ক্লোনিং সম্ভব; স্বল্পসংখ্যক (few-shot) পরিষ্কার ছবি ব্যবহার করেই এখন আইডেন্টিটি-ভিত্তিক মুখ-প্রতিস্থাপন বা ফেস রিএনাক্টমেন্ট ভিডিও তৈরি করা যায়। ওপেন-সোর্স টুল যেমন FaceSwap বা DeepFaceLab, এবং বাণিজ্যিক প্ল্যাটফর্মের উন্নত টেক্সট-টু-ভিডিও ও ভয়েস জেনারেশন সেবা—ডিপফেক উৎপাদনকে কার্যত গণতান্ত্রিক করেছে। প্রবেশ-বাধা কমেছে, স্কেল বেড়েছে।</p>
<p>নির্বাচনী প্রেক্ষাপটে ঝুঁকিটি কেবল ভুয়া কনটেন্ট তৈরি নয়; এটি একটি সংগঠিত তথ্যপ্রবাহ কৌশলের অংশ। পরিকল্পিত ডিপফেক অভিযান সাধারণত কয়েকটি ধাপে পরিচালিত হয়: (১) নির্দিষ্ট ভোটারগোষ্ঠীকে লক্ষ্য করে বিভ্রান্তিকর বার্তা তৈরি, (২) আবেগনির্ভর কনটেন্টকে দ্রুত ভাইরাল করা, এবং (৩) নির্বাচন প্রক্রিয়া ও প্রার্থীদের প্রতি আস্থা ক্ষয় করা। এখানে misinformation ও disinformation সমান্তরালভাবে কাজ করে। ভুলতথ্য অনেক সময় অনিচ্ছাকৃতভাবে ছড়িয়ে পড়ে এবং অরগানিক রিচ তৈরি করে; আর অপতথ্য হয় কৌশলগত—উদ্দেশ্যমূলকভাবে তৈরি ও সময়মতো প্রচারিত। ডিপফেক এই দুই প্রবাহকে একত্রিত করে নির্বাচন-সংক্রান্ত ন্যারেটিভকে প্রভাবিত করতে পারে, সরাসরি ফলাফল না বদলালেও সিদ্ধান্তগ্রহণের পরিবেশকে পরিবর্তন করতে সক্ষম।</p>
<p>বাংলাদেশের তথ্যপরিবেশে এই ঝুঁকি বিশেষভাবে প্রাসঙ্গিক। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম-নির্ভর জনমত, সীমিত ডিজিটাল সাক্ষরতা এবং দ্রুত শেয়ারিং সংস্কৃতি—এই তিনের সমন্বয়ে ডিপফেক একটি উচ্চ-প্রভাব “লো-কস্ট অ্যাটাক ভেক্টর” হয়ে উঠতে পারে। নির্বাচনের শেষ পর্যায়—বিশেষত ভোটের আগের ২৪–৪৮ ঘণ্টা—এক ধরনের “late-stage narrative injection window” তৈরি করে। এই সময়ে ইচ্ছাকৃতভাবে বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট ছড়ালে যাচাই, অপসারণ বা প্রাতিষ্ঠানিক ব্যাখ্যার জন্য কার্যত খুব কম সময় থাকে; ফলে প্রভাব তুলনামূলকভাবে বেশি হয়। প্রার্থীর নামে উসকানিমূলক বক্তব্য, নির্বাচন স্থগিতের ভুয়া ঘোষণা, বা প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের জাল ভিডিও—এসব কেবল বিভ্রান্তি নয়; এগুলো সামাজিক উত্তেজনা ও বাজার অস্থিরতা তৈরি করতে সক্ষম।</p>
<p>প্রযুক্তিগতভাবে শনাক্তকরণও চ্যালেঞ্জিং। এআই-ভিত্তিক ডিটেকশন মডেলগুলো ফ্রিকোয়েন্সি অ্যানালাইসিস, ফেসিয়াল ল্যান্ডমার্ক ইনকনসিস্টেন্সি, ব্লিঙ্ক প্যাটার্ন, ভয়েস স্পেকট্রাল অস্বাভাবিকতা ইত্যাদি শনাক্ত করতে পারে। Deepware Scanner বা Reality Defender-এর মতো সিস্টেম সম্ভাব্য এআই-জেনারেটেড কনটেন্ট ফ্ল্যাগ করতে পারে। InVID-এর মতো টুল ফ্রেম-বাই-ফ্রেম বিশ্লেষণে সহায়ক। তবে সমস্যা হলো—জেনারেশন প্রযুক্তি যেমন দ্রুত উন্নত হচ্ছে, শনাক্তকরণ প্রযুক্তিও তেমনি প্রতিনিয়ত চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ছে। এটি এক ধরনের “অস্ত্র প্রতিযোগিতা”।</p>
<p>এই প্রেক্ষাপটে ব্যবহারকারীর আচরণ একটি গুরুত্বপূর্ণ সাইবার ডিফেন্স লেয়ার। সন্দেহজনক ভিডিও বা অডিও যাচাই না করে শেয়ার না করা, উৎস ও টাইমস্ট্যাম্প পরীক্ষা করা, রিভার্স ইমেজ সার্চ ব্যবহার করা—এসবই প্রাথমিক প্রতিরক্ষা। কিন্তু এর পাশাপাশি প্রয়োজন প্রাতিষ্ঠানিক প্রস্তুতি: দ্রুত প্রতিক্রিয়া প্রোটোকল, অফিসিয়াল চ্যানেলে তাৎক্ষণিক ব্যাখ্যা, এবং নির্বাচনকেন্দ্রিক ইনফরমেশন ইন্টেগ্রিটি কৌশল।</p>
<p>ডিপফেকের যুগে নির্বাচন নিরাপত্তা আর শুধু সার্ভার, নেটওয়ার্ক বা ডেটাবেস সুরক্ষার বিষয় নয়; এটি তথ্যের ইন্টেগ্রিটি ও কন্সিস্টেন্সির রক্ষার লড়াই। ইনফ্রাকে ঠিক রেখে, সিস্টেমকে অপব্যবহার করে যদি জনমতকে ডিজিটালি বিকৃত করা যায়, তবে গণতন্ত্রের নতুন যুগের হুমকি। এখন প্রশ্ন কেবল প্রযুক্তিগত সক্ষমতার নয়; প্রশ্ন হলো—আমরা কি এই তথ্য-যুদ্ধকে বাস্তব হুমকি হিসেবে স্বীকার করছি, এবং সেই অনুযায়ী নীতি, প্রযুক্তি ও সচেতনতায় প্রস্তুত হচ্ছি?</p>
<p><br><strong></strong></p>
<hr>
<p><strong>লেখকঃ </strong>তথ্য-প্রযুক্তিবিদ; যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ সিস্টেম অ্যাডমিনিস্ট্রেটরস ফোরাম</p>
<hr>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>নাহিদের নামে তৈরি ডমিনিকান পাসপোর্ট ‘আসল নয়’: রিউমর স্ক্যানার</title>
<link>https://digibanglatech.news/166918</link>
<guid>https://digibanglatech.news/166918</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_6989c77357663.jpg" length="236159" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 09 Feb 2026 16:20:28 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগ এনে এনসিপি মনোনীত প্রার্থী নাহিদ ইসলামের প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে রিট করেছেন ঢাকা-১১ আসনের জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী শামীম আহমেদ।</p>
<p>আবেদনে বলা হয়েছে, নাহিদ ইসলাম ২০২৫ সালের ২০ এপ্রিল ক্যারিবিয়ান দ্বীপরাষ্ট্র ডমিনিকার নাগরিকত্ব নেন।</p>
<p><span>একাধিক সংবাদমাধ্যমে এ সংক্রান্ত খবর এসেছে। তবে বাংলাদেশের ফ্যাক্টচেকিং প্রতিষ্ঠান রিউমর স্ক্যানার গত ২০ জানুয়ারি এ সংক্রান্ত একটি ফ্যাক্টচেকে জানায়, নাহিদ ইসলাম ডমিনিকার নাগরিকত্ব নিয়েছেন দাবিতে প্রচারিত পাসপোর্টের ছবিটি আসল নয়।</span></p>
<p><span>প্রতিষ্ঠান বলছে, প্রকৃতপক্ষে, ইন্টারনেট থেকে ডমিনিকান পাসপোর্টের একটি নমুনা বা টেম্পলেট সংগ্রহ করে তাতে নাহিদ ইসলামের ছবি ও স্বাক্ষর ডিজিটাল প্রযুক্তির সহায়তায় যুক্ত করে এই ভুয়া পাসপোর্টটি তৈরি করা হয়েছে।</span></p>
<p><span>আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ওই নির্বাচনে জামায়াত ঐক্য জোটের প্রার্থী হিসেবে ঢাকা-১১ আসন থেকে ভোটে লড়ছেন এনসিপি নেতা নাহিদ ইসলাম।</span></p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/জেডএন/ একে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>আইসিটি ফেলোশিপ পেলেন নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ শিক্ষার্থী</title>
<link>https://digibanglatech.news/166742</link>
<guid>https://digibanglatech.news/166742</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_6987eab8df50a.jpg" length="123999" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 08 Feb 2026 00:04:56 +0600</pubDate>
<dc:creator>ক্যাম্পাস করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span>তথ্যপ্রযুক্তি খাতে মাস্টার্স, এমফিল, ডক্টরাল এবং পোস্ট ডক্টরাল পর্যায়ে গবেষণার জন্য  চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেশ ও বিদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট ৪৮ জন শিক্ষার্থী, গবেষককে মনোনয়ন দিয়েছে  তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ।  </span>বৃত্তি, ফেলোশিপ প্রদানের লক্ষ্যে গঠিত বাছাই কমিটির সুপারিশ এবং এওয়ার্ড কমিটির সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে এবারে ফেলোশিপ প্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থী।</p>
<p><span> দুজনেই কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের স্নাতকোত্তর ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। এরা হলেন ফজলে রাব্বি রিজন এবং শারমিন জাহান। </span></p>
<p><span>এদের মধ্যে মেশিন লার্নিং ব্যবহার করে ত্বকের ক্যান্সার সনাক্তকরণের একটি কার্যকর পদ্ধতি নিয়ে কাজ করবেন ফজলে রাব্বি। গবেষণায় ত্বকের ক্যান্সার বিশেষ করে মেলানোমা সময়মতো সনাক্ত করার জন্য মেশিন লার্নিং ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ভিত্তিক কম্পিউটার-সহায়ক ডায়াগনস্টিক পদ্ধতি প্রয়োগ করছেন এই গবেষক। এতে বিভিন্ন ধরনের ত্বকের ক্ষত সঠিকভাবে শ্রেণিবিন্যাসের জন্য (আইএসআইসি ২০১৯) ডেটাসেট ব্যবহার করে মডেল উন্নয়ন ও মূল্যায়ন করা হয়েছে। মডেলের নির্ভুলতা ও স্থায়িত্ব বাড়াতে ডেটা অগমেন্টেশন, ফিচার ইঞ্জিনিয়ারিং এবং এনসেম্বেল লার্নিং কৌশল গ্রহণ করা হয়েছে।</span></p>
<p><span>এখন নিজ বিভাগের শিক্ষক  ড. তুষার কান্তি সাহার তত্বাবধানে  ত্বকের ক্যান্সারের প্রাথমিক সনাক্তকরণ ও চিকিৎসায় চিকিৎসকদের জন্য একটি কার্যকর ও নির্ভরযোগ্য এআই-ভিত্তিক ডায়াগনস্টিক সহায়ক ব্যবস্থা তৈরি করতে গবেষণা করতে যাচ্ছেন এই গবেষক।</span></p>
<p><span> অপরদিকে মেশিন লার্নিং ব্যবহার করে নারী বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের হয়রানি শনাক্তকরণ বিষয়ে কাজ করবেন ফেলোশিপপ্রাপ্ত অপর শিক্ষার্থী শারমিন জাহান। গবেষণায় </span>তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে হয়রানির ধরন ও মাত্রা বিশ্লেষণ করে একটি কার্যকর শনাক্তকরণ ব্যবস্থা তৈরি করতে চান এই গবেষক। গবেষণার প্রথম ধাপে প্রশ্নমালার মাধ্যমে সংগৃহীত তথ্য ব্যবহার করে ডেটা প্রিপ্রসেসিং, ফিচার এক্সট্রাকশন এবং মেশিন লার্নিং মডেলের মাধ্যমে হয়রানি শনাক্ত করার একটি কাঠামো প্রস্তাব করা হয়েছে। এর মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে নারী শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ ও সহায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রযুক্তিনির্ভর সমাধানের সম্ভাবনা তুলে ধরা হয়েছে।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/সিটিএন/এমইএম</strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>দাঁড়িপাল্লাকে জেতানোর নির্দেশনা সংবলিত এনএসআই নথি ভুয়া: প্রেস উইং</title>
<link>https://digibanglatech.news/166630</link>
<guid>https://digibanglatech.news/166630</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_6986d57219039.jpg" length="73750" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 07 Feb 2026 00:02:39 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীককে বিজয়ী ঘোষণা এবং নির্বাচন পরবর্তী পরিস্থিতি দমনের পরিকল্পনা সংক্রান্ত জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা অধিদফতরের (এনএসআই) নামে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কথিত ‘অতি গোপনীয়’ নথিটি সম্পূর্ণ ভুয়া ও বানোয়াট। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের ফ্যাক্ট চেক বিভাগ এবং এনএসআই সূত্র এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। </p>
<p>সম্প্রতি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া ওই কথিত নথিতে দাবি করা হয়, পোস্টাল ব্যালটের ৭৫ শতাংশ জামায়াতের পক্ষে দেখানো এবং দলটিকে বিজয়ী করা একটি ‘অপরিবর্তনীয় প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত’। ফলাফল ঘোষণার পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টায় যেকোনও ভিন্নমত বা প্রতিবাদ দমনে ‘শূন্য-সহিষ্ণুতা’ নীতি গ্রহণের পরিকল্পনার কথাও সেখানে উল্লেখ করা হয়। </p>
<p>উল্লেখ্য, কথিত নথিটিতে আদর্শিক ও কৌশলগত ভিত্তি, ফলাফল ও তথ্য ব্যবস্থাপনা, নিরাপত্তা ও নিয়ন্ত্রণ, যোগাযোগ ও কোড ল্যাঙ্গুয়েজ, গোপনীয় বিতরণ তালিকা এবং বিশেষ সতর্কবার্তা এই ছয়টি শিরোনাম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। প্রতিটি শিরোনামের অধীনে নির্বাচন ফলাফল ঘোষণা ও নির্বাচন-পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন ধরনের দিকনির্দেশনার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। </p>
<div>
<p>প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানায়, এনএসআইর নামে ছড়ানো এই নথিতে একাধিক অসামঞ্জস্য ধরা পড়েছে। নথির শুরুতে স্মারক নম্বর ইংরেজিতে হলেও শেষে বাংলায় হাতে লেখা সংখ্যা ব্যবহার করা হয়েছে। তারিখের ফরম্যাটও সরকারি প্রচলিত নিয়মের সঙ্গে মেলে না। একইভাবে, অনুলিপি প্রেরণের ক্ষেত্রেও সরকারি নথির স্বাভাবিক ফরম্যাট অনুসরণ করা হয়নি। পাশাপাশি, পুরো লেখার ভাষা ও উপস্থাপনায় কৃত্রিমতার লক্ষণ দেখা যায়। বিশেষ করে ড্যাশ চিহ্নের (—) ব্যবহার, সংক্ষিপ্ত রূপ যেমন এনএসআই, ইসি ও সিইসি ইংরেজিতে লেখা এবং শব্দচয়নে অস্বাভাবিকতা লক্ষ করা যায়। </p>
<p>প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং ফ্যাক্টস জানিয়েছে, এনএসআইয়ের নামে ছড়ানো কথিত গোপন নথিটি আসল নয়। কোনও নির্ভরযোগ্য সূত্র ছাড়াই ডিজিটাল এডিটিংয়ের মাধ্যমে এনএসআইর নাম ব্যবহার করে এই ভুয়া নথিটি তৈরি করা হয়েছে। </p>
<p>এদিকে গোয়েন্দা সংস্থা এনএসআইর বরাতে গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, এমন কোনও পরিকল্পনার অস্তিত্ব নেই এবং প্রকাশিত বিষয়টি পুরোপুরি ভিত্তিহীন। নির্বাচনকে সামনে রেখে বিভ্রান্তি ছড়ানোর উদ্দেশ্যেই কোনও একটি চক্র পরিকল্পিতভাবে এই অপপ্রচার চালাচ্ছে। </p>
<p>এছাড়াও আলোচিত নথি নিয়ে দেশ রূপান্তর পত্রিকায় প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন পাওয়া যায়। প্রতিবেদনে এনএসআই সূত্র থেকে পাওয়া তথ্যের বরাতে জানানো হয়েছে, এমন কোনও পরিকল্পনার বিষয়টি পুরোপুরি অসত্য। </p>
<p>সুতরাং, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীককে বিজয়ী করতে এনএসআইয়ের নামে ছড়ানো কথিত গোপন নথিটি ভুয়া ও বানোয়াট। </p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/সিএসপি/ইকে</strong></span></em></p>
</div>
<div></div>
<div class="BT_inner_A1_C2 aligncenter w100p pt10 pb10">
<div class="300adWnC">
<div id="BT_inner_A1_C2" data-google-query-id="CIG-x_jZxpIDFTMkgwMdNbkPeg"></div>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>এআই নির্ভর ৮৬ হাজার অপতথ্য সনাক্ত করেছে নির্বাচন কমিশন</title>
<link>https://digibanglatech.news/166554</link>
<guid>https://digibanglatech.news/166554</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_6985d0a52ef6d.jpg" length="75535" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 06 Feb 2026 13:56:11 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এরইমধ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নির্ভর ৮৬ হাজার অপতথ্যের কনটেন্ট সনাক্ত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এই কনটেন্টগুলো মধ্যে ৩৬ হাজার ঘৃণাছড়ানোর মতো হিংসাত্মক।</p>
<p>জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি-ইউএনডিপির ই-মনিটর প্লাস প্লাটফর্মের সহায়তায় এসব এআই ভিত্তিক অপতথ্য চিহ্নিত করতে সক্ষম হয়েছে নির্বাচন কমিশন। ইউএনডিপি ই-মনিটর প্লাস প্লাটফর্ম তফসিল ঘোষণার পর থেকে গত ২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত যে তথ্য দিয়েছে, এতে ৮৬ হাজার কনটেন্টের অধিকাংশই তৈরি হয়েছে ঢাকা, সিলেট, ময়মনসিংহ, খুলনা, চট্টগ্রাম ও বরিশাল অঞ্চল থেকে। অপতথ্যের ৯০ শতাংশ ছড়ানো হয়েছে জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে। </p>
<p>পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, এআইভিত্তিক এসব অপতথ্য সবচেয়ে বেশি ছড়ানো হচ্ছে মেটা প্লাটফর্ম থেকে। মেটার ফেসবুক থেকে ৮৯ দশমিক ৮৮ শতাংশ অপতথ্য ছড়ানো হয়েছে। এ ছাড়া ১০ দশমিক ১২ শতাংশ কনটেন্ট ছড়ানো হয়েছে এক্স থেকে।</p>
<p>এই প্লাটফর্মগুলো থেকে ছড়ানো অপতথ্যের মধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন ও নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহকে নিয়েও ছড়ানো হয়েছে অপতথ্য। এ ছাড়া বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান, জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানসহ রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের নিয়ে ছড়ানো অপতথ্যের কনটেন্ট ছড়ানোরে বিষয় সনাক্ত করার কথা জানিয়েছেন ইসি কর্মকর্তারা। সেসব তথ্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলোকে সরবরাহ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র। </p>
<p>জানাগেছে, বাহিনীগুলো স্ব স্ব সেল থেকে এসব অপতথ্য মোকাবিলায় ব্যবস্থা নিচ্ছে। এ ছাড়া ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার (এনটিএমসি)ও ইসিকে এআইভিত্তিক অপতথ্য মোকাবিলায় সহায়তা দিচ্ছে। সেই সহায়তার ফলে এরইমধ্যে সিইসি ও নির্বাচন কমিশন আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহর নামে খোলা ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বন্ধ করতে সক্ষম হয়েছে ইসি। </p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/বিএনএন/ইকে</strong></span></em></p>
<div ad-position="desktop-details-section-5" class="ads mb-2 d-flex justify-content-center ad-728x90" ad-id="69">
<div class="desktop-ads">
<div>
<div id="gpt-ad-desktop-details-section-5-69-0" data-google-query-id="CIrw0ePdxJIDFYyhrAIdOIMbiA"></div>
</div>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>নির্বাচনে এআই&#45;এর অপব্যবহার </title>
<link>https://digibanglatech.news/166399</link>
<guid>https://digibanglatech.news/166399</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_69841c7916389.jpg" length="79078" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 05 Feb 2026 00:31:30 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যেমন আমাদের জীবনে অনেক সুবিধা এনে দিচ্ছে, তেমনি তৈরি করছে নতুন নতুন হুমকিও ।</p>
<p>নির্বাচন যেহেতু সন্নিকটে, তাই সম্প্রতি এর কিছু অপব্যবহার পরিলক্ষিত হচ্ছে। নির্বাচনের দিন যত ঘনিয়ে আসবে ততই এই মাত্রা বৃদ্ধি পাবে। বিগত দিনের নির্বাচনেও এআই এর অপব্যবহার হয়েছিল। কিন্তু সেটার ব্যবহার ছিল খুব কম। এখন যেহেতু মানুষের হাতে হাতে স্মার্টফোন এবং এআই ভিত্তিক চ্যাটবট যে কেউ ব্যবহার করতে পারে; তাই এর অপব্যবহার নিয়ে চিন্তা করার সময় এসেছে।</p>
<p>নির্বাচন আসলেই  তৈরি করা হয় নতুন নতুন গুজব। নতুন নতুন বট একাউন্টের আবির্ভাব হয়। ফলে ভুলতথ্য ও অপতথ্যের ছড়াছড়ি এখন সোশাল মিডিয়াগুলোতে।  এর সাথে যুক্ত হয়েছে এআই ভিত্তিক ডিফফেইক ভিডিও, অডিও ও ছবির ব্যবহার। </p>
<p>কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে মিথ্যাকে সত্য বানিয়ে দেয়া একটা প্রযুক্তির নাম হলো ডিফফেইক। এর কারসাজিতে হুবুহু অন্যের মুখাবয়ব ব্যবহার করে খুব বাস্তবসম্মত ভিডিও ও ছবি তৈরি করা সম্ভব- যা আসল মানুষের মতোই দেখায়। সাধারনত রাজনৈতিক, সামাজিক, বা ব্যক্তিগত কাজে এটি ব্যবহৃত হয়ে থাকে।</p>
<p>ডিফফেইকের বেশি ব্যবহার হয়ে থাকে পর্নোগ্রাফিতে, যা সেলিব্রেটিদেরকে টার্গেট করে করা হয়। নির্বাচনে প্রার্থীর মুখাবয়ব বা কণ্ঠ ব্যবহার করে ভুয়া বক্তব্য বানিয়ে ছড়িয়ে দেয়া, কোনো প্রার্থীর নামে সহিংসতা উসকে দেওয়ার ভিডিও তৈরি করে ছড়িয়ে দেয়ার শঙ্কা রয়েছে। এগুলো ভোটের আগে ছড়িয়ে দিলে এতে মানুষ বেশি বিভ্রান্ত হবে। ফলে নির্বাচনের আগের ২৪–৪৮ ঘণ্টা সবচেয়ে বিপজ্জনক।</p>
<p>এআই দিয়ে হাজার হাজার ভুয়া নিউজ, পোস্ট, ব্লগ বানানো যাচ্ছে সহজে ও দ্রততার সঙ্গে। নির্বাচনের পূর্বে ভোট বাতিল, নির্বাচন স্থগিত বা অমুক প্রার্থী নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছে এমন গুজব ছড়াতে এআই ব্যবহার করা হচ্ছে এবং হবে। ইতিমধ্যে সোশাল মিডিয়াগুলোতে বিভিন্ন বট একাউন্ট ও ভুয়া পেইজের ছড়াছড়ি দেখা যাচ্ছে। এইসব বট একাউন্ট দিয়ে প্রতিপক্ষকে খারাপ ভাবে উপস্থাপন, বক্তব্যকে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে। এক পক্ষকে ভালোভাবে উপস্থাপন ও অন্য পক্ষকে খারাপভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে।</p>
<p>নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসবে এর মাত্রাটা আরো বৃদ্ধি পাবে এছাড়া এআই দিয়ে হাজার হাজার ভুয়া রিভিউ বা কমেন্ট তৈরি করা হচ্ছে যা দিয়ে রাজনৈতিকভাবে সব জায়গায় জনমতকে প্রভাবিত করার প্রয়াস চালানো হচ্ছে। কে বেশি জনপ্রিয় এবং কোন দল কত ক্ষমতায় আসবে, কত পার্সেন্ট ভোট পাবে তা ভুয়া বট একাউন্ট দিয়ে তৈরি করে মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে। </p>
<p><strong>সরকার এবং নির্বাচন কমিশনের করণীয়ঃ </strong><br>এআই হতে পারে নির্বাচনের সহায়ক প্রযুক্তি। কিন্তু নিয়ন্ত্রণ না থাকলে এটি হয়ে উঠবে গণতন্ত্রের জন্য মারাত্মক হুমকি। এআই এর অপব্যবহার রোধে সরকার এবং নির্বাচন কমিশন উল্লেখিত পদক্ষেপ গুলো অনুসরণ করতে পারে। </p>
<p>নির্বাচনের সময় সন্দেহজনক,ভুয়া,ফেইক কনটেন্ট দ্রুত নামানোর জন্য সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম যেমন, ফেইসবুক, এক্স, ইনস্ট্রাগ্রাম  ও ইউটিউবের মতো প্লাটফর্মগুলোর সাথে একটি সমঝোতা চুক্তি করা আবশ্যক। </p>
<p>নির্বাচন কমিশনের অধীনে ডিপফেইক শনাক্ত করার টুল ও বিশেষজ্ঞ টিমের মাধ্যেমে একটা সেন্ট্রাল ইউনিট গঠন করা দরতার; যারা ২৪/৭ দেশের সাইবা আকাশ পর্যবেক্ষণ করবে। </p>
<p>ভুয়া এআই ভিত্তিক কনটেন্ট ছড়ালে কঠোর শাস্তির বিধান রেখে এআই ব্যবহার সংক্রান্ত স্পষ্ট আইন ও নীতিমালা তৈরি করতে হবে। </p>
<p>গুজব শনাক্ত করতে দ্রুত ফ্যাক্ট-চেকিং সিস্টেম থাকা এবং অনলাইন ভিত্তিক সচেতনতা তৈরি করতে হবে। </p>
<p>ভোটারদের সচেতনতা তৈরি করতে ডিপফেইক ভিডিও কিভাবে চিনবেন সেই বিষয়ক ক্যাম্পেইন তৈরি করা এবং বিভিন্ন টিভি চ্যানেলে প্রচার করা। </p>
<p>নির্বাচন কমিশনের সাথে রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য "কোড অব কন্ডাক্ট" থাকা এবং এআই অপব্যবহার না করার লিখিত অঙ্গীকার করা। </p>
<p>এআই এর অপব্যবহার রোধে দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে, নির্বাচনের আগে ও পরে যে কোন সময়ে যে কোনো ধরনের অনাকাংখিত পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। তাই, এআই এর সঠিক ব্যবহার জানুন, সচেতন থাকুন, নিরাপদ থাকুন।  </p>
<hr>
<p><strong>লেখকঃ </strong>সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ, সাইবার ক্যানিয়ন; "AI প্রযুক্তির হাতে খড়ি" বইয়ের লেখক। </p>
<hr>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>অনলাইন বুকশপে রাহিতুল ইসলামের নতুন বই ‘বাদলের কারাবাস’</title>
<link>https://digibanglatech.news/166364</link>
<guid>https://digibanglatech.news/166364</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_6983569e910d7.jpg" length="85606" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 04 Feb 2026 13:24:52 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>স্বপ্ন ছিল সম্রাট শাহজাহানের অমর সৃষ্টি তাজমহল দেখা। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে তাজমহলের বদলে কপালে জুটেছিল দিল্লির কুখ্যাত তিহার জেলের অন্ধকার প্রকোষ্ঠ। কেবল নামের আংশিক মিলের কারণে খুনের দায় ঘাড়ে নিয়ে জীবনের শ্রেষ্ঠ ১৮টি বছর হারাল বাদল ফরাজী। তার জীবনের অবিশ্বাস্য ও রোমহর্ষ সত্য কাহিনি এবার উঠে আসছে উপন্যাসের পাতায়। প্রথমা প্রকাশিত ‘বাদলের কারাবাস’ শিরোনামের বইটির প্রি-অর্ডার শুরু হয়েছে প্রথমাডটকমসহ দেশের শীর্ষস্থানীয় ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মগুলোতে।</p>
<p>বইটি সংগ্রহ করতে পাঠক এখনই প্রি-অর্ডার করতে পারেন প্রথমা ডটকম, রকমারিসহ অন্যান্য অনলাইন বুকশপে। প্রি-অর্ডারে পাঠকদের জন্য বিশেষ ছাড়ের ব্যবস্থাও রয়েছে। বইয়ের নাম বাদলের কারাবাস, লেখক রাহিতুল ইসলাম, প্রকাশক প্রথমা প্রকাশন, দাম ২৮০ টাকা।</p>
<p>উপন্যাসে বাংলাদেশি নাগরিক বাদল ফরাজী ২০০৮ সালে নিছক ভ্রমণের উদ্দেশে ভারত গিয়ে দিল্লি পুলিশের হাতে ধরা পড়েন। অথচ তিনি ছিলেন পুরোপুরি নিরপরাধ। ভুল বিচারের শিকার হয়ে ভারতের নিম্ন আদালতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পান বাদল। নানা ঘটনার ঘনঘটার পরে দীর্ঘ এক যুগের বেশি সময় সেখানকার জেলে কাটিয়ে ২০১৮ সালে বন্দি-বিনিময় চুক্তির আওতায় দেশে ফিরতে পারেন তিনি। তবু আজও পুরোপুরি মুক্তি মেলেনি তার। এখনো তিনি বাংলাদেশের জেলে জীবন কাটাচ্ছেন। এরই মধ্যে বাদলের ফেরার অপেক্ষায় দিন গুনে গুনে মারা গেছেন তাঁর বাবা।</p>
<p>এই করুণ পরিস্থিতিতেও জেলে বসে নিজের সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছেন বাদল। তাঁর সেই সংগ্রাম, অশ্রু আর আইনি লড়াইয়ের গল্প নিয়ে গড়ে উঠেছে ‘বাদলের কারাবাস’ উপন্যাসের কাহিনি।একজন সাধারণ যুবকের জীবন কীভাবে বিচারব্যবস্থার জটিলতায় পিষ্ট হতে পারে, তারই এক প্রামাণ্য দলিল এই উপন্যাস।</p>
<p>লেখক রাহিতুল ইসলাম বলেন, বাদল ফরাজীর জীবন কোনো সিনেমার গল্পের চেয়ে কম নয়। তাঁর গ্রেপ্তার, ভুল বিচার ও জেলখানায় অমানবিক নির্যাতনের বর্ণনা, জেলে থাকা অবস্থায় তাঁর অভাবনীয় শিক্ষা অর্জন ও লড়াই, ফরাসি তরুণী জুলি ও মানবাধিকার কর্মীদের নিঃস্বার্থ প্রচেষ্টা এবং দেশে ফেরার পরও বাদলের আইনি বেড়াজালের তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা লিখতে গিয়ে বারবার শিউরে উঠেছি। এটি কেবল একজন বাদলের গল্প নয়, বরং বিচারব্যবস্থার অসংগতির বিরুদ্ধে তার নীরব প্রতিবাদ।’<br><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/বিজ্ঞপ্তি/ইক</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ক্যারিয়ার গঠনে রোজটেক সল্যুশনসের সাথে ইউসিবিডির অংশীদারিত্ব</title>
<link>https://digibanglatech.news/166172</link>
<guid>https://digibanglatech.news/166172</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_6980eaea2df7e.jpg" length="89436" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 02 Feb 2026 14:20:45 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>শিল্পখাত নিয়ে শিক্ষার্থীদের সম্যক ধারণা ও অভিজ্ঞতা প্রদানের মাধ্যমে সম্ভাবনাময় ক্যারিয়ার গঠনের সুযোগ করে দিতে বৈশ্বিক এআই প্রযুক্তিগত সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান রোজটেক সল্যুশনস লিমিটেডের সাথে এক সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছে ইউনিভার্সাল কলেজ বাংলাদেশ (ইউসিবিডি)। এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের জন্য কাজের সুযোগ নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে নিজেদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করল ইউসিবিডি।  </p>
<p>রাজধানীর গুলশানে অবস্থিত ইউসিবিডি ক্যাম্পাসে সম্প্রতি এ চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এমওইউ -তে ইউসিবিডির পক্ষে প্রতিষ্ঠানটির চিফ অপারেটিং অফিসার কিংশুক গুপ্ত এবং রোজটেক সল্যুশনস লিমিটেডের পক্ষে এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ইমরান হোসেন স্বাক্ষর করেন। অনুষ্ঠানে রোজটেক সল্যুশনসের পরিচালক শরীফ হোসেন ও চেয়ারম্যান নাফিস মোস্তফাসহ প্রতিষ্ঠানটির অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। </p>
<p>এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে ইউসিবিডির শিক্ষার্থীরা ইন্টার্নশিপের সুযোগ, চাকরি প্রাপ্তিতে সহায়তা, পেশাগত প্রশিক্ষণ, শিল্পখাতভিত্তিক জ্ঞান বিনিময় সেশন এবং বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠানের চলমান এআই প্রকল্পে হাতে-কলমে কাজ করার সুযোগ পাবেন। অভিজ্ঞ পেশাজীবীদের সাথে কাজ করার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা তাদের ভবিষ্যৎ পেশাগত জীবনের বাস্তবতা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা লাভ করবেন এবং আইটি শিল্পখাতে নিজেদের প্রত্যাশিত অবস্থান তৈরির ক্ষেত্রে এক ধাপ এগিয়ে যাবেন।  </p>
<p>এ অংশীদারিত্ব নিয়ে কিংশুক গুপ্ত বলেন, “ইউসিবিডিতে আমাদের মূল লক্ষ্য হল অ্যাকাডেমিক শিক্ষাকে শিল্পখাতের প্রত্যাশার সঙ্গে সংযুক্ত করা। রোজটেক সল্যুশনস লিমিটেডের সাথে অংশীদারিত্ব শিক্ষার্থীদের বর্তমানের প্রতিযোগিতামূলক চাকরির বাজারে সফল হতে প্রয়োজনীয় দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা অর্জনে প্রস্তুত করার ক্ষেত্রে আমাদের অঙ্গীকারকে আরও জোরালো করেছে।”</p>
<p>এ বিষয়ে মো. ইমরান হোসেন বলেন, “ইউসিবিডির সাথে অংশীদারিত্ব করতে পেরে আমরা আনন্দিত। এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা এন্টারপ্রাইজ মানের এআই পণ্য নিয়ে হাতে-কলমে কাজ করার বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করবেন এবং তাদের পেশাগত উন্নয়নের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ব্যবহারিক দক্ষতায় নিজেদের দক্ষ করে গড়ে তুলতে পারবেন।”<br><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/বিজ্ঞপ্তি/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>পরমাণু শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যান হলেন ড. মঈনুল ইসলাম</title>
<link>https://digibanglatech.news/166061</link>
<guid>https://digibanglatech.news/166061</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_697f9a4d03646.jpg" length="38869" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 02 Feb 2026 00:00:28 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div class="html-div xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl">
<div dir="auto" class="html-div xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl">
<div data-ad-rendering-role="story_message" class="html-div xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl">
<div class="x1l90r2v x1iorvi4 x1g0dm76 xpdmqnj" data-ad-comet-preview="message" data-ad-preview="message">
<div class="x78zum5 xdt5ytf xz62fqu x16ldp7u">
<div class="xu06os2 x1ok221b">
<div class="html-div xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl">
<div class="xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs x126k92a"></div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যান (রুটিন দায়িত্ব) পদে নিয়োগ পেলেন বিশিষ্ট পরমাণু বিজ্ঞানী ড. এম মঈনুল ইসলাম। ১ ফেব্রুয়ারি, রবিবার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের এক অফিস আদেশে এই নিয়োগ দেয়া হয়। </div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">ড. এম মঈনুল ইসলাম-কে কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেয়া আগে পৃথক এক অফিস আদেশের মাধ্যমে তাকে কমিশনের সদস্য (ভৌত বিজ্ঞান) হিসেবে নিয়োগ প্রদান করা হয়। চেয়ারম্যান পদে নিযুক্ত হওয়ার পূর্বে তিনি কমিশনের প্রধান কার্যালয়ের পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগের পরিচালকের দায়িত্ব পালন করেন।</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">ড. এম মঈনুল ইসলাম চট্রগ্রাম জেলার দক্ষিণ হালিশহরে সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৬ এপ্রিল, ১৯৯৫ খ্রি. বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের সাভারস্থ পরমাণু শক্তি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের আইএনএসটি-এর স্বাস্থ্য পদার্থ বিজ্ঞান ও তেজস্ক্রিয় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগে বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা পদে যোগদান করেন। ড. মঈনুল চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পদার্থ বিজ্ঞানে প্রথম শ্রেণীতে যথাক্রমে বি এসসি (অনার্স) ও এম এসসি ডিগ্রী অর্জন করেন। পরবর্তীতে যুক্তরাজ্যের বার্মিংহাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফিজিক্স এন্ড টেকনোলজি অফ নিউক্লিয়ার রিঅ্যাকটর এবং যুক্তরাজ্যের ওয়ারউইক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পদার্থ বিজ্ঞান ও তেজস্ক্রিয় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ে গবেষণার জন্য পিএইচ ডি ডিগ্রী অর্জন করেন।</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">কর্মজীবনে তিনি বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের সাভারস্থ এইআরই, আইএনএসটির স্বাস্থ্য পদার্থ বিজ্ঞান ও তেজস্ক্রিয় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ এর প্রধান, পরিচালক আইএনএসটি, পরিচালক ভৌত বিজ্ঞান বিভাগ, বাপশক, ঢাকা ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের পরিচালক ও আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (IAEA)-এর National Liaison Officer (NLO) হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন কালে তিনি বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের কমিশনের উন্নয়নমূলক কার্যক্রম এর আওতায় ‘পরমাণু শক্তি কেন্দ্র স্থাপন প্রকল্প, চট্রগ্রাম’ এর প্রকল্প পরিচালকের দায়িত্ব পালন করেন।</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">এছাড়া, Forum for Nuclear Cooperation in Asia (FNCA) - এর আওতায় Radiation Safety and Radioactive Waste Management প্রকল্প এবং আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা বা IAEA’ এর কারিগরি সহযোগিতার আওতায় বিভিন্ন কারিগরি প্রকল্পের (TC, INT, RAS ইত্যাদির) Project Counterpart - এর দায়িত্ব পালন সহ IAEA’এর WASC (Waste Safety Standard Committee)‘র - সদস্য হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন। </div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">তেজস্ক্রিয় বিকিরণ নিরাপত্তা, পরিবেশগত তেজস্ক্রিয়তা পর্যবেক্ষণ ও তেজস্ক্রিয় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত গবেষণায় বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক জার্নালে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ প্রকাশনা রয়েছে।</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div class="html-div xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl x1n2onr6">
<div class="html-div xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl x1n2onr6"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/বিজ্ঞপ্তি/এমইউএম</strong></span></em></div>
<div class="html-div xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl x6ikm8r x10wlt62"></div>
</div>
</div>
<div>
<div class="xabvvm4 xeyy32k x1ia1hqs x1a2w583 x6ikm8r x10wlt62" data-visualcompletion="ignore-dynamic">
<div>
<div>
<div>
<div class="x1n2onr6">
<div class="x6s0dn4 xi81zsa x78zum5 x6prxxf x13a6bvl xvq8zen xdj266r xat24cr x1c1uobl xyri2b x1diwwjn xbmvrgn x1yrsyyn x18d9i69">
<div class="x6s0dn4 x78zum5 x1iyjqo2 x6ikm8r x10wlt62"></div>
<div class="x9f619 x1ja2u2z x78zum5 x2lah0s x1n2onr6 x1qughib x1qjc9v5 xozqiw3 x1q0g3np xyri2b x1c1uobl x1ws5yxj xw01apr x4cne27 xifccgj x123j3cw xs9asl8"></div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>থাইল্যান্ডে বাংলাদেশের ‘ওয়ার্ল্ড ইয়্যুথ স্টেম ইনভেনশন ইনোভেশন ২০২৬’  জয়</title>
<link>https://digibanglatech.news/166083</link>
<guid>https://digibanglatech.news/166083</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_69803a55a4eeb.jpg" length="102434" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 01 Feb 2026 23:46:39 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক উদ্ভাবনী প্রতিযোগিতা ‘ওয়ার্ল্ড ইয়্যুথ স্টেম ইনভেনশন ইনোভেশন ২০২৬’-এর আন্তর্জাতিক পর্বে স্বর্ণপদকসহ একাধিক পদক অর্জন করেছে বাংলাদেশ দল।</p>
<p>কম্পিউটিং, এআই অ্যান্ড ডিজিটাল ইনোভেশন ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশের টিম এংলো ভয়েস সেরা উদ্ভাবনী প্রকল্প হিসেবে স্বর্ণপদক ও বিশেষ সম্মাননা অর্জন করে। একই ক্যাটাগরিতে সেরা পাঁচে অবস্থান করে টিম আলো এবং ভিশন এইড স্বর্ণপদক লাভ করে।</p>
<p>রোবোটিক্স অ্যান্ড ড্রোন ক্যাটাগরিতে চুয়াডাঙ্গা সায়েন্স অ্যান্ড রোবোটিক্স ক্লাব স্বর্ণপদক অর্জন করে। এছাড়া লাহি রোবোটিক্স অ্যান্ড ইন্টেলিজেন্স ব্রোঞ্জ পদক এবং টিম নোভাট্রিক্স সিলভার পদক লাভ করে। ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি ক্যাটাগরিতে টিম ইয়াং স্পার্ক অব বাংলাদেশ সিলভার পদক অর্জন করে।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x_69803a56ad210.jpg" alt=""></p>
<p>১ ফেব্রুয়ারি, রবিবার অনুষ্ঠিত এ প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ ইয়াং সায়েন্টিস্ট অ্যান্ড ইনোভেটরস সোসাইটি (বাইসিস)-এর নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল ‘বেঙ্গল স্পার্ক ১.০’ অংশগ্রহণ করে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে প্রায় ১ হাজার প্রতিযোগীর অংশগ্রহণে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতাটি মালয়েশিয়া বুক অব রেকর্ডস কর্তৃক রেকর্ডসংখ্যক প্রতিযোগীর অংশগ্রহণের স্বীকৃতি পেয়েছে।</p>
<p>প্রতিযোগিতার আয়োজক মালয়েশিয়া ইয়াং সায়েন্টিস্ট অর্গানাইজেশন (মাইসো)-এর পক্ষ থেকে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের প্রধান ও বাইসিসের সভাপতি মোসাদ্দেক হোসেন-কে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন থাইল্যান্ডে নিযুক্ত মালয়েশিয়ার হাই কমিশনার দাতুক ওয়ান জাইদি ওয়ান আব্দুল্লাহ এবং মাইসোর সভাপতি ড. রাজমি বিন আব্দু রাজ্জাক।</p>
<p>বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও সমন্বয়ের দায়িত্বে ছিলেন বাইসিসের প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর সাদেকুল ইসলাম ও ওমর মারওয়ান।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/সিআই/ইকে</strong></span></em></p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ডিডিআই এক্সপো ২০২৬&#45;এ  ইউআইটিএস শিক্ষার্থীদের ৯ প্রকল্প প্রদর্শিত</title>
<link>https://digibanglatech.news/165960</link>
<guid>https://digibanglatech.news/165960</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_697ef1a77041c.jpg" length="109708" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 01 Feb 2026 00:04:55 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div>রাজধানীর বাংলাদেশ–চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে সদ্য শেষ হওয়া চার দিনব্যাপী ডিজিটাল ডিভাইস অ্যান্ড ইনোভেশন এক্সপো’র ষষ্ঠ আসরে প্রদর্শিত ৩৯ প্রকল্পের ৯টিই ছিলো ইউনিভার্সিটি অব ইনফরমেশন টেকনোলজি অ্যান্ড সায়েন্সেস (ইউআইটিএস) শিক্ষার্থীদের। </div>
<div>
<p>ইউআইটিএস-এর শিক্ষার্থীদের প্রকল্পগুলো ছিলো উন্নত কুলিং সল্যুশন ইউআইটিএস_পেলটিয়ার্স, স্মার্ট ফোকাস অ্যাসিস্ট্যান্ট ইউআইটিএস_মনোযোগ, উন্নত লেজার সিকিউরিটি সিস্টেম ইউআইটিএস_আর্টিফ্যাক্ট আর্মার, প্রাকৃতিক দুর্যোগে জরুরি সাড়া প্রদান ব্যবস্থার ইউআইটিএস_ক্লাউড ড্রোন, আজকের স্ক্র্যাপ, আগামীর টেকসই সমাধান ইউআইটিএস_স্ক্র্যাপ ভেঞ্চার, দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের জন্য স্মার্ট সহায়ক ডিভাইস ইউআইটিএস_সাউন্ড ভিশন, সৌরশক্তিনির্ভর হাইব্রিড রান্না ব্যবস্থা ইউআইটিএস_হেলিওস্টোভ, নজরদারির ইউআইটিএস_হকআই সার্ভেইল্যান্স, এবং দুর্ঘটনাগ্রস্ত গাড়ি শনাক্তকরণের ক্যামস্ক্যানারভিত্তিক সমাধান ইউআইটিএস_অটো ট্রেস এআই।</p>
<p>প্রকল্পগুলোর মধ্যে ইউআইটিএস_পেলটিয়ার্স দলে রয়েছেন আসিফ মাহমুদ, নুসরাত জাহান অ্যানি, কে এম জাকারিয়া, জিহাদুল জারিফ, প্রমী ক্লারা রোজারিও, ওমর ফারুক রাকিব ও মো. জাহিদুল ইসলাম। ইউআইটিএস_মনোযোগ টিমের সদস্যরা হলেন- ইয়াসমিন কবির কেয়া, ফাহিমা আবিদা চৌধুরী, অর্পা ভৌমিক ও সাওদা আক্তার। ইউআইটিএস_আর্টিফ্যাক্ট আর্মার সদস্যরা হলেন- আবদুল বাদশা, রুদ্র দাস, ইয়াসমিন আক্তার ও বুলবুল ভুঁইয়া।ইউআইটিএস_ক্লাউড ড্রোন বানিয়েছেন- মোতালেব হোসেন ইমন, শারমিন ইমা, মো. ইব্রাহিম ও ফারহানা তুষি। ইউআইটিএস_স্ক্র্যাপ ভেঞ্চার দলের সদস্যরা হলেন- মোতালেব হোসেন ইমন, ফারহান তুসি, মো. ইব্রাহিম ও সিফাত হোসেন। ইউআইটিএস_সাউন্ড ভিশন দলে রয়েছেন ইশরাক উদ্দিন চৌধুরী, ফাহিমা আবিদা চৌধুরী ও সুমাইয়া বিনতে ইসমাইল। ইউআইটিএস_হেলিওস্টোভ সদস্যরা হলেন- কাজী মো. আজহার উদ্দিন আবীর ও ইশরাক উদ্দিন চৌধুরী। ইউআইটিএস_হকআই সার্ভেইল্যান্স সদস্যরা হলেন- কায়েস মাহমুদ, মো. মিনহাজুর রহমান, মো. মুবিনুল ইসলাম ও রেদওয়ানুল ইসলাম রাফি।<br>ইউআইটিএস_অটো ট্রেস এআই সদস্যরা হলেন- ইউনুস, সায়েম বিন এইচ রহমান, শাহিদা আক্তার রিমু ও নূর আ জান্নাত রুবা।</p>
<p>ইউআইটিএস-এর ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাস্যুরেন্স সেল (আইকিউএসি) ইনোভেশন হাব সূত্রে প্রকাশ, এক্সপোতে ইউআইটিএস-এর শক্তিশালী অংশগ্রহণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্ভাবন, প্রয়োগমূলক গবেষণা এবং সামাজিকভাবে প্রভাববিস্তারকারী প্রযুক্তিনির্ভর সমাধান উন্নয়নে বিশ্ববিদ্যালয়টির অঙ্গীকারকে নতুন করে তুলে ধরেছে। প্রযুক্তিনির্ভর উদ্ভাবন, আধুনিক ডিজিটাল সমাধান ও ভবিষ্যতমুখী প্রযুক্তি প্রদর্শনের মাধ্যমে এক্সপোটি দেশের চলমান ডিজিটাল রূপান্তর ও প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়নের প্রতিফলন ঘটিয়েছে। </p>
</div>
<div>তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ, বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ (বিএইচটিপিএ) এবং বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি (বিসিএস) যৌথভাবে এই মেলা করেছে।  </div>
<div><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এসএইচ/ইকে</strong></span></em></div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপে সংকট সমাধানের আশা কারিগরি শিক্ষার্থীদের</title>
<link>https://digibanglatech.news/165890</link>
<guid>https://digibanglatech.news/165890</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_697e02e37979b.jpg" length="125937" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 31 Jan 2026 16:26:20 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>কারিগরি শিক্ষার্থীদের অধিকার রক্ষা, প্রকৌশল খাতে চলমান বৈষম্য নিরসন এবং জাতীয় স্বার্থে কারিগরি শিক্ষা ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার দাবিতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে কারিগরি ছাত্র আন্দোলন।</p>
<p>প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে ৩১ জানুয়ারি, শনিবারএ স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়।</p>
<p>কারিগরি ছাত্র আন্দোলন, বাংলাদেশের সভাপতি ও কার্যনির্বাহী সদস্য মো. মাসফিক ইসলামের সই করা ওই স্মারকলিপিতে বলা হয়, দেশের শিল্পায়ন ও প্রযুক্তিগত উন্নয়নে কারিগরি শিক্ষার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকলেও দীর্ঘদিন ধরে এই খাত অবহেলা, বৈষম্য ও পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে আসছে। ডিপ্লোমা প্রকৌশলী ও কারিগরি শিক্ষার্থীদের ন্যায্য অধিকার উপেক্ষা করে একটি স্বার্থান্বেষী মহল বিভাজন সৃষ্টির অপচেষ্টায় লিপ্ত। বেকারত্বকে পুঁজি করে ভ্রান্ত তথ্য প্রচার, আর্থিক লেনদেন এবং প্রভাব খাটিয়ে এক পক্ষের অধিকার হরণ করা হচ্ছে। এর ফলে প্রকৌশল খাতে অস্থিরতা তৈরি হচ্ছে এবং শিক্ষা ও প্রশাসনিক ব্যবস্থার ওপর সাধারণ মানুষের আস্থা ক্ষুণ্ন হচ্ছে।</p>
<p>স্মারকলিপিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ডিপ্লোমা ও বিএসসি প্রকৌশলীদের মধ্যকার বিদ্যমান পেশাগত সমস্যা নিরসনের লক্ষ্যে গঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটি নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করছে না। একপাক্ষিকভাবে গঠিত এই কমিটি সমস্যার সমাধানের পরিবর্তে সংকট আরও গভীর করছে বলে দাবি করা হয়। একইসঙ্গে বিএসসি ও ডিপ্লোমা প্রকৌশল শিক্ষায় অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড় করিয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ষড়যন্ত্রমূলক কর্মকাণ্ড বন্ধ এবং ওই কমিটি বাতিলের দাবি জানানো হয়।</p>
<p>কারিগরি ছাত্র আন্দোলনের নেতারা বলেন, কারিগরি শিক্ষাকে অবহেলা করে কোনো দেশ টেকসই উন্নয়ন অর্জন করতে পারে না। দ্রুত উন্নত বিশ্বের কাতারে পৌঁছাতে হলে কারিগরি শিক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। এ অবস্থায় তারা প্রধান উপদেষ্টার ন্যায়বিচার ও রাষ্ট্রনায়কোচিত হস্তক্ষেপ কামনা করেন।</p>
<p>স্মারকলিপিতে ১০ দফা দাবির কথা উল্লেখ করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে— ক্রেডিট ট্রান্সফারের মাধ্যমে দেশের সব প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের জন্য ন্যূনতম ৩৩ শতাংশ আসন নিশ্চিত করা, তিন বছর অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের নবম গ্রেডে আবেদনের সুযোগ পুনর্বহাল, বিভিন্ন সরকারি সংস্থার দশম গ্রেডের পদে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের আবেদনাধিকার নিশ্চিত করা এবং জেনারেল ক্যাডারে প্রকৌশলীদের প্রবেশে বিধিনিষেধ আরোপ।</p>
<p>এ ছাড়া পরিচয় ব্যবহারের ক্ষেত্রে ডিপ্লোমা ও ডিগ্রি প্রকৌশলীদের মধ্যে সমতা নিশ্চিত, ক্রেডিট আওয়ারের ভিত্তিতে উচ্চশিক্ষায় ভর্তির সুযোগ, আইইবি ও বিএইটিই-এর একচ্ছত্র কর্তৃত্ব বন্ধ, কারিকুলামের ন্যায্য সমতা নির্ধারণ এবং আইডিইবি ঘোষিত যৌক্তিক দাবি মেনে নেওয়ার আহ্বানও জানানো হয়।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/ডিপি/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>নেদারল্যান্ডসে প্রযুক্তি খাতে বছরে ৪০ হাজার কর্মীর চাহিদা, সম্ভাবনায় বাংলাদেশ</title>
<link>https://digibanglatech.news/165838</link>
<guid>https://digibanglatech.news/165838</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_697d84a18a86f.jpg" length="78174" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 30 Jan 2026 10:28:29 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div>নেদারল্যান্ডসে প্রতি বছর প্রায় ৪০ হাজার দক্ষ প্রযুক্তি পেশাজীবীর চাহিদা থাকায় বাংলাদেশের জন্য দক্ষ মানবসম্পদ ও প্রযুক্তি সেবা রফতানির বড় সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট খাতের বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বাংলাদেশের প্রযুক্তি শিল্প এই চাহিদা পূরণে আন্তর্জাতিক বাজারে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে। </div>
<div><span></span></div>
<div><span><span>রাজধানীর ভাটারার বসুন্ধরা আবাসিকে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট হলে ‘আন্তর্জাতিক সুযোগ উন্মোচন: বাংলাদেশ-ডাচ আইসিটি শিল্প সহযোগিতা’ শীর্ষক সেমিনারটি ২৯ জানুয়ারি, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত সেমিনারে এই আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়। </span></span>বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, স্টার্টআপ ও উদ্যোক্তাদের সঙ্গে নেদারল্যান্ডসের প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর সম্পর্ক জোরদার এবং দক্ষ কর্মীদের আন্তর্জাতিক কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি নিয়ে এই সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়।</div>
<div>
<p>সেমিনারে মূল বক্তব্যে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং ও আন্তর্জাতিক ব্যবসা বিভাগের প্রধান সহকারী অধ্যাপক ড. খন্দকার নাহিন মামুন বলেন, নেদারল্যান্ডসে বর্তমানে ৭৫ হাজারের বেশি আইটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যেখানে সাত লাখেরও বেশি দক্ষ কর্মী কাজ করছেন। প্রতিবছর সেখানে প্রায় ৪০ হাজার নতুন দক্ষ প্রযুক্তি পেশাজীবীর প্রয়োজন হয়। দেশটির প্রযুক্তি খাতে গবেষণায় বছরে ৮ থেকে ১০ বিলিয়ন ইউরো বিনিয়োগ করা হয়, যা তাদের মোট উৎপাদনের উল্লেখযোগ্য অংশ। এই বিশাল বাজার ও বিনিয়োগের সুযোগ কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ দক্ষ মানবসম্পদ ও প্রযুক্তি সেবা রপ্তানি করতে পারে।</p>
<div>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x_697d84a2b3bb0.jpg" alt=""></p>
<p>নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুল হান্নান চৌধুরী বলেন, দেশি ও বিদেশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয় করে চাহিদাভিত্তিক দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা হচ্ছে। নেদারল্যান্ডসের বাজারকে লক্ষ্য করে কোনো উদ্যোগ নেওয়া হলে এনএসইউ সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।  </p>
<p>সেমিনারের বিশেষ ডায়ালগ অধিবেশনে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ডিজিবক্সের প্রধান নির্বাহী রেজোয়ানুল হক জামি বলেন, তৈরি পোশাক খাতের সাফল্য যেভাবে আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত, প্রযুক্তি খাতের ক্ষেত্রে তা তেমনভাবে হয়নি। বাংলাদেশের প্রযুক্তি খাতে যে মেধা, দক্ষতা ও সম্ভাবনা রয়েছে, তা বিশ্ববাজারে যথাযথভাবে তুলে ধরার প্রয়োজন রয়েছে।</p>
<p>ডাচ বাংলা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি শাখাওয়াত হোসেন মামুনের সভাপতিত্বে সেমিনারে আরও বক্তব্য রাখেন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. রোকনুজ্জামান, নেক্সক্রাফট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মোহাম্মদ শাহরিয়ার খান, নেদারল্যান্ডসের প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান সিসকোর আইওটি সেলস চ্যানেল লিড মুরাদ মুহৌতি, মাইন্ডশেপারের প্রধান নির্বাহী শাহিনুর ইসলাম, আইসিটি অলিম্পিয়াড বাংলাদেশের ট্রাস্টি সদস্য নিউটন বি এ ওয়াহিদ, জাপানের মিয়াজাকি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আব্দুল মালেক, ডাটা সফটের প্রেসিডেন্ট মো. মঞ্জুর মাহমুদ, এবিএন এমরোর আইটি চ্যাপ্টার লিড ইমরান হাশিমসহ সংশ্লিষ্ট খাতের প্রতিনিধিরা।</p>
</div>
বক্তব্যে  বাংলাদেশ ও নেদারল্যান্ডসের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদার, আইটি খাতের উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ, বিনিয়োগ এবং ব্যবসায়িক সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বক্তারা দুই দেশের মধ্যে একটি শক্তিশালী ব্যবসায়িক নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেন আলোচকরা। পাশাপাশি বাংলাদেশের আইটি দক্ষ তরুণদের জন্য আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সম্মানজনক কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরিতে যৌথ উদ্যোগের ওপর জোর দেন তারা। <span>অংশগ্রহণকারীরা বাংলাদেশ ও নেদারল্যান্ডসের মধ্যে আইসিটি খাতের সমন্বিত সহযোগিতা এবং দক্ষ মানবসম্পদ রপ্তানি সম্প্রসারণে নতুন উদ্যোগ গ্রহণের গুরুত্বে একমত হন। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, সঠিক পরিকল্পনা ও আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশের আইসিটি খাতকে নেদারল্যান্ডসসহ ইউরোপের বাজারে স্থায়ীভাবে প্রতিষ্ঠিত করা সম্ভব।</span></div>
<div><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/ বিএনডিএম/এসএম</strong></span></em></div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>‌&amp;apos;আইসিসি টক&amp;apos; আইপিটিএসপি&amp;apos;র নেতৃত্বে  সোহেল সিকদার</title>
<link>https://digibanglatech.news/165733</link>
<guid>https://digibanglatech.news/165733</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_697c184093fb9.jpg" length="69455" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 30 Jan 2026 08:35:24 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বর্তমান বিশ্বে ভয়েস ও ডেটা যোগাযোগ ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন এনেছে আইপি-ভিত্তিক টেলিফোন প্রযুক্তি। ইন্টারনেট প্রোটোকলের মাধ্যমে ভয়েস ও ভিডিও কল পরিচালনার ফলে যোগাযোগ ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমছে। সেবার মান বাড়ছে। ফলে বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ খাতে ইন্টারনেটভিত্তিক টেলিফোন সেবায় আইপিটিএসপি (ইন্টারনেট প্রোটকল টেলিফোনি সার্ভিস প্রোভাইডার্স) দ্রুত বিস্তৃত হচ্ছে। </p>
<p>সেবার নিরাপত্তা, কল মনিটরিং এবং মান নিশ্চিত করে বাংলাদেশে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)-এর লাইসেন্সিং ও নিয়ন্ত্রক কাঠামোর আওতায় পরিচালিত হচ্ছে ‌'<strong>আইসিসি টক</strong>' টেলিসেবাটি। বিটিআরসি-এর নীতিমালা অনুযায়ী আইপিটিএসপি সেবা দেশের টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থাকে বৈধ ও কাঠামোবদ্ধভাবে ডিজিটাল রূপান্তরের সুযোগ দিচ্ছে।</p>
<p>এই কাঠামোর মধ্যে থেকে প্রথম ধাপেই ২০১০ সাল থেকে আইপি টেলিফোনি অবকাঠামো উন্নয়ন, এন্টারপ্রাইজ ভয়েস সল্যুশন, কর্পোরেট কলিং সিস্টেম এবং কল সেন্টার প্রযুক্তি বাস্তবায়নে নেতৃত্ব দিচ্ছে  আইসিসি কমিউনিকেশন লিমিটেড। সেবা দিতে ১৮টি কোম্পানি লাইসেন্স পেলেও শীর্ষ তিনেই জায়গা করে নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটির আইসসি টেলিসার্ভিস ইউনিট। সম্প্রতি  আইসিসি কমিউনিকেশন লিমিটেডের হেড অফ আইপিটিএসপি হিসেবে যোগ দিয়েছেন এই খাতে দীর্ঘ দিনের অভিজ্ঞ মোঃ সোহেল সিকদার। ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, কল সেন্টার, কর্পোরেট অফিস এবং বৃহৎ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের জন্য আইপি টেলিফোনি  সেবা চালু করার ক্ষেত্রে তার ভূমিকা উল্লেখযোগ্য। </p>
<p>তার তত্ত্বাবধানে প্রতিষ্ঠানটি এখন আধুনিক সফটসুইচ, এসআইপি-ভিত্তিক কলিং সিস্টেম এবং নির্ভরযোগ্য নেটওয়ার্ক অবকাঠামো ব্যবহার করে গ্রাহকবান্ধব আইিপিটিএসপি সেবা সম্প্রসারণে কাজ করছে। এর ফলে একদিকে যেমন প্রতিষ্ঠানের অপারেশনাল খরচ কমছে, অন্যদিকে কল ম্যানেজমেন্ট, রিপোর্টিং ও কাস্টমার সাপোর্ট ব্যবস্থায় নতুন দক্ষতা যুক্ত হচ্ছে।</p>
<p>সেবাকাঠামো পূণর্বিন্যাসে যুক্ত হওয়া আইসিসি কমিউনিকেশন লিমিটেডের হেড অফ আইপিটিএসপি মোঃ সোহেল সিকদার বলেন, “প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহারই পারে যোগাযোগকে সাশ্রয়ী, নির্ভরযোগ্য ও টেকসই করতে আইপিটিএসপি শুধু একটি টেলিফোন সেবা নয়, এটি ভবিষ্যৎ ডিজিটাল যোগাযোগ ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ইতিমধ্যে কম খরচে ও নির্ভরযোগ্য যোগাযোগ নিশ্চিত করতে এই প্রযুক্তিসেবা দিয়ে আইসিটি টেলসোর্ভিস ব্যবসা ও প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে টেলিসেবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে দেশীয় পর্যায়ে আন্তর্জাতিক মানের সেবা নিশ্চিত করা।”</p>
<p>“আইসিসি কমিউনিকেশন লিমিটেডের মতো প্রযুক্তিনির্ভর প্রতিষ্ঠানে দক্ষ নেতৃত্ব ও পরিকল্পিত উদ্যোগ থাকলে আগামী দিনে বাংলাদেশ আইপিটিএসপি ও আইপি-ভিত্তিক যোগাযোগ সেবায় আরও এগিয়ে যাবে এবং আঞ্চলিক টেলিযোগাযোগ বাজারেও শক্ত অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হবে”- যোগ করেন তিনি।</p>
<p>টেলিযোগাযোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, আইপিটিএসপি প্রযুক্তির বিস্তার বাংলাদেশের যোগাযোগ খাতকে আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করছে এবং ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে একটি কার্যকর সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করছে। বিশেষ করে ক্লাউড, ডেটা সেন্টার ও আইটি-ম্যানেজড সার্ভিসের সঙ্গে আইপিটিএসপি সমন্বয় ভবিষ্যতের স্মার্ট কমিউনিকেশন ব্যবস্থার ভিত্তি তৈরি করছে। এই খাতের বিকাশে সরকারি-বেসরকারি যৌথ অংশীদারিত্ব এবং ব্যবসায় বান্ধব নীতিমালা এখন সময়ের দাবি।<br><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এনডি/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>চুয়েটে “হ্যান্ডস অন ট্রেইনিং অন টিচিং—লার্নিং এন্ড এসেসমেন্ট—২” শীর্ষক ট্রেইনিং অনুষ্ঠিত</title>
<link>https://digibanglatech.news/165496</link>
<guid>https://digibanglatech.news/165496</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_6978ffcf656d3.jpg" length="96083" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 27 Jan 2026 17:14:49 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div>চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)—এর ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাস্যুরেন্স সেল (আইকিউএসি) এর উদ্যোগে “হ্যান্ডস অন ট্রেইনিং অন টিচিং—লার্নিং এন্ড এসেসমেন্ট—২” শীর্ষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।</div>
<div></div>
<div>২৭ জানুয়ারি (মঙ্গলবার) বিকাল ৪.০০ ঘটিকায় চুয়েটের একাডেমিক কাউন্সিল কক্ষে আয়োজিত উক্ত প্রশিক্ষণে প্রধান অতিথি ছিলেন চুয়েটের ভারপ্রাপ্ত ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. কাজী দেলোয়ার হোসেন। এতে কী—নোট স্পিকার ছিলেন অস্ট্রেলিয়ার আরএমআইটি  (RMIT) ইউনিভার্সিটির স্কুল অব ইঞ্জিনিয়ারিং এর ম্যানুফ্যাকচারিং অ্যান্ড মেকাট্রনিক্স ইজ্ঞিনিয়ারিং অনুষদের মেকানিক্যাল বিভাগের সিনিয়র লেকচারার ড. ইফতেখার খান। প্রশিক্ষণে সভাপতিত্ব করেন চুয়েট আইকিউএসি'র পরিচালক অধ্যাপক ড. মোঃ আব্দুর রহমান ভূঁইয়া।</div>
<div>এতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসিউরেন্স সেল (আইকিউএসি) এর অতিরিক্ত পরিচালক অধ্যাপক ড. মোঃ সানাউল রাব্বী। এতে সঞ্চালনা করেন আইকিউএসি এর সেকশন অফিসার জনাব মোঃ ইমরান হোসেন।</div>
<div><strong>ডিবিটেক/নিম/ইক</strong></div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীদের এনার্জিপ্যাক ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক পরিদর্শন</title>
<link>https://digibanglatech.news/165497</link>
<guid>https://digibanglatech.news/165497</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_697902a4785ae.jpg" length="124526" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 27 Jan 2026 14:23:55 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="MsoNormal" style="text-align: justify; line-height: normal;"><span lang="BN-BD">শিক্ষা পরিদর্শনে গাজীপুরে অবস্থিত এনার্জিপ্যাক পাওয়ার জেনারেশন পিএলসি’র শিল্প কারখানা পরিদর্শন করেছেন ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ইলেকট্রিক্যাল টেকনোলজি বিভাগের শিক্ষার্থীরা</span><span lang="HI">।</span><span lang="HI"> </span><span lang="BN">অ্যাক্সিলারেটিং অ্যান্ড স্ট্রেন্দেনিং স্কিলস ফর ইকোনমিক ট্রান্সফরমেশন </span>(এএসএসইটি) প্রকল্পের <span lang="BN-BD">আওতায় </span>তারা এ পরিদর্শনে অংশগ্রহণ করেন। <o:p></o:p></p>
<p><span lang="BN-BD">কারখানা পরিদর্শনে ইলেকট্রিক্যাল টেকনোলজি বিভাগের অষ্টম সেমিস্টারের মোট ১৩৯ জন শিক্ষার্থী অংশ নেন। গাজীপুরের জৈনাবাজারে অবস্থিত এনার্জিপ্যাক ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কে এই </span>পরিদর্শনে <span lang="BN-BD">শিক্ষার্থী</span>রা <span lang="BN-BD">দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন খাতে আধুনিক উৎপাদন প্রক্রিয়া ও শিল্প কার্যক্রম সম্পর্কে হাতে-কলমে ধারণা </span>পান। <o:p></o:p></p>
<p><span lang="BN-BD">সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এই পরিদর্শনে এনার্জিপ্যাক পাওয়ার জেনারেশন পিএলসি’র প্রকৌশলীরা শিক্ষার্থীদের উৎপাদনের বিভিন্ন ধাপ ঘুরে দেখান। এ সময় উন্নত উৎপাদন প্রযুক্তি</span>, <span lang="BN-BD">মান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন ও বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি সংযোজনে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরা হয়</span><span lang="HI">।</span><o:p></o:p></p>
<p><span lang="BN-BD">শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ ও ফলপ্রসূ শেখার পরিবেশ নিশ্চিত </span>করার লক্ষ্যে<span lang="BN-BD"> এনার্জিপ্যাকের হিউম্যান ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট বিভাগ</span>, <span lang="BN-BD">জেনারেল সার্ভিসেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (জিএসএ) এবং হেলথ</span>, <span lang="BN-BD">সেফটি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট (এইচএসই) টিম </span>এই <span lang="BN-BD">পরিদর্শনের আয়োজন </span>করে। <o:p></o:p></p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/বিজ্ঞপ্তি/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>মিনি স্যাটেলাইট তৈরির বাস্তব অভিজ্ঞতা পেলো শিক্ষার্থীরা</title>
<link>https://digibanglatech.news/165231</link>
<guid>https://digibanglatech.news/165231</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_6976127b4dc37.jpg" length="121840" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 25 Jan 2026 14:55:10 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>সফট ড্রিংকের ক্যানের সমান আকারের একটি ক্ষুদ্র কৃত্রিম উপগ্রহ বানানো শিখলো শিক্ষার্থীরা। ক্যানসেট ওয়ার্কশপ নামের এই কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয় ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে (ইউআইইউ)। </p>
<p>শিক্ষার্থীদের জন্য হাতে-কলমে স্পেস ইঞ্জিনিয়ারিং শেখার দিনব্যাপী এই ব্যতিক্রমী আয়োজনটি অনুষ্ঠিত হয় ২৪ জানুয়ারি, শনিবার। শিক্ষার্থীদের মহাকাশ প্রকৌশলের মৌলিক ধারণা বাস্তবভাবে বোঝানোর উদ্দেশ্যে তৈরি। এই ক্ষুদ্র উপগ্রহে সংযুক্ত সেন্সর ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার মাধ্যমে তাপমাত্রা, বায়ুচাপ, উচ্চতাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করা হয় এবং উৎক্ষেপণের সময় সেই তথ্য গ্রাউন্ড স্টেশনে পাঠানো হয়। ক্যানস্যাট শিক্ষার্থীদের উপগ্রহ নকশা, প্রোগ্রামিং এবং তথ্য বিশ্লেষণের বাস্তব অভিজ্ঞতা প্রদান করে।</p>
<p> এই কর্মশালাটি আয়োজন করে স্পেস ইনোভেশন ক্যাম্প এবং ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি এবং সহযোগিতায় ছিল ইউআইইউ মার্স রোভার টীম। কর্মশালায় অংশ নিয়ে স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে এবং একটি পূর্ণাঙ্গ ক্যানস্যাট—অর্থাৎ মিনি স্যাটেলাইট—ডিজাইন, নির্মাণ, প্রোগ্রামিং এবং লঞ্চ করার বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করে।</p>
<p>দিনব্যাপী এই হ্যান্ডস-অন ওয়ার্কশপে অংশগ্রহণকারীরা ক্যানস্যাটের স্ট্রাকচার ডিজাইন, সেন্সর ও ইলেকট্রনিক্স সংযোগ, মাইক্রোকন্ট্রোলার প্রোগ্রামিং, লাইভ টেলিমেট্রি ডাটা সংগ্রহ, সিস্টেম টেস্টিং ও ট্রাবলশুটিং সম্পর্কে শিখে। ওয়ার্কশপটির অন্যতম আকর্ষণ ছিল ড্রপটেস্ট এর মাধ্যমে ক্যানস্যাট লঞ্চ এবং সফল রিকভারি, যার পর শিক্ষার্থীরা নিজস্ব ক্যানস্যাট থেকে সংগৃহীত বাস্তব বায়ুমণ্ডলীয় ডাটা বিশ্লেষণ করার সুযোগ পায়।</p>
<p>ইউআইইউ মার্স রোভার টীম এর ডিরেক্টর এবং এসআইসি ক্যানসেট ক্রু এর মেন্টর মোঃ আবিদ হোসেন বলেন- “আজকের শিক্ষার্থীরা শুধু বইয়ের পাতায় সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না। ক্যানস্যাট ওয়ার্কশপের মাধ্যমে আমরা তাদের এমন একটি অভিজ্ঞতার ভেতর নিয়ে যেতে চেয়েছি, যেখানে তারা নিজের সিদ্ধান্ত নিজে নেবে, ভুল করবে, সেখান থেকে শিখবে এবং দলগতভাবে সমাধান বের করবে। এই ধরনের বাস্তবভিত্তিক শেখার অভিজ্ঞতাই আগামী দিনের উদ্ভাবক, গবেষক ও নতুন চিন্তাধারার পথপ্রদর্শক তৈরি করতে পারে। আমরা বিশ্বাস করি, এই কর্মশালায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের অনেকেই ভবিষ্যতে দেশের স্পেস, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিভিত্তিক উদ্যোগে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।”</p>
<p>আয়োজনটি সম্পর্কে স্পেস ইনোভেশন ক্যাম্প এর প্রেসিডেন্ট আরিফুল হাসান অপু বলেন- “এই ওয়ার্কশপ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য হলো মিনি স্যাটেলাইটের মাধ্যমে আমাদের পরবর্তী প্রজন্মকে মহাকাশ প্রযুক্তির প্রতি আগ্রহী করে তোলা। বড় ও জটিল স্যাটেলাইট নিয়ে কাজ করার আগে যে মৌলিক ধারণা ও দক্ষতা প্রয়োজন, তার শুরুটা হয় ছোট আকারের স্যাটেলাইট বা ক্যানস্যাটের মাধ্যমে। আমরা চাই শিক্ষার্থীরা যেন শুরু থেকেই এই ভিত্তিটা হাতে-কলমে শিখতে পারে। ক্যানস্যাটের মতো ক্ষুদ্র স্যাটেলাইটে কাজ করার অভিজ্ঞতাই ভবিষ্যতে বড় স্যাটেলাইট প্রকল্পে যুক্ত হওয়ার প্রস্তুতি তৈরি করে দেয়। সেই লক্ষ্য থেকেই আমরা এই ক্যানস্যাট ওয়ার্কশপ ও ক্যাম্প প্রোগ্রামটি আয়োজন করেছি।“</p>
<p>আয়োজক স্পেস ইনোভেশন ক্যাম্প জানিয়েছে, ভবিষ্যতেও সারা দেশ ব্যাপী বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ক্যান স্যাটেলাইট নিয়ে সেমিনার এবং ওয়ার্কশপ এর আয়োজন করার পরিকল্পনা রয়েছে।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এও/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ভারতের ৭৩ গণমাধ্যমের ১৪০টি প্রতিবেদনে অপতথ্যের প্রমাণ</title>
<link>https://digibanglatech.news/165186</link>
<guid>https://digibanglatech.news/165186</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_6975a0e0b4dd7.jpg" length="107896" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 25 Jan 2026 00:51:13 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশকে কেন্দ্র করে ভারতীয় উৎস থেকে ছড়ানো অপতথ্যের প্রবণতা উদ্বেগজনকহারে বাড়ছে। আগের বছরের তুলনায় এই হার প্রায় ৫ শতাংশ বেশি। ২০২৫ সালে ভারতের বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাংলাদেশকে নিয়ে অন্তত ১৫৫টি অপতথ্য ছড়ানোর প্রমাণ পেয়েছে <a href="https://rumorscanner.com/fact-file/indian-disinformation-about-bangladesh-2025/187597" target="_blank" rel="noopener">রিউমর স্ক্যানার। </a>এই পরিসংখ্যান শুধু অপতথ্যের বিস্তৃতি নয়, বরং এর ধারাবাহিক বৃদ্ধির প্রবণতাও তুলে ধরে। আরও উদ্বেগজনক হলো, এই অপতথ্য ছড়ানোর ক্ষেত্রে ভারতের মূলধারার গণমাধ্যমের সক্রিয় ভূমিকা। গত বছর ৭৩টি ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ৩৮টি ঘটনায় মোট ১৪০টি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে, যেখানে বাংলাদেশকে জড়িয়ে ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারের প্রমাণ মিলেছে।</p>
<h2><span style="font-size: 12pt;">বছরের শুরুতে বেশি অপতথ্য</span></h2>
<p>গেলো কয়েক বছর ধরেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভারতীয় বিভিন্ন অ্যাকাউন্ট, পেজসহ সে দেশের মূল ধারার গণমাধ্যমগুলো বাংলাদেশকে জড়িয়ে নিয়মিত অপতথ্য প্রচার করে আসছে। ২০২৫ সালে এসেও একই ধারাবাহিকতা লক্ষ্য করা গেছে। বছরের শুরুতে জানুয়ারি মাসেই ৩৪টি অপতথ্য ছড়িয়েছে ভারতীয়রা, যা গেলো বছরের একক মাস হিসেবে সর্বোচ্চ। পরের মাসগুলোতে এই সংখ্যা কিছুটা কমে এলেও থামেনি। মে মাসে সবচেয়ে কম (৪টি) অপতথ্য শনাক্ত হলেও গেলো বছর গড়ে মাসে অন্তত ১৩টি করে অপতথ্যের প্রচারে ভারতীয় অ্যাকাউন্ট ও গণমাধ্যমের যোগসাজশ দেখেছে রিউমর স্ক্যানার।</p>
<h2><span style="font-size: 12pt;">এক্সের ভয়াবহতা কমছে না</span></h2>
<p>বাংলাদেশকে নিয়ে ভারতীয়দের অপতথ্যের প্রচারে বরাবরই সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হওয়া প্ল্যাটফর্ম মাইক্রোব্লগিং সাইট এক্স (সাবেক টুইটার)। গেলো বছর ১৫৫টি অপতথ্যের মধ্যে ১২৬টিই এক্সের বিভিন্ন অ্যাকাউন্টে প্রচারের প্রমাণ পেয়েছে রিউমর স্ক্যানার। অর্থাৎ, প্রায় ৮১ শতাংশ অপতথ্যই ছড়িয়েছে এক্সে।</p>
<p>এক্স ছাড়াও বাংলাদেশকে নিয়ে গত বছর ফেসবুকে ভারতীয় বিভিন্ন অ্যাকাউন্ট ও পেজ থেকে ৫৪টি অপতথ্যের প্রচার করা হয়েছে। অপতথ্য প্রচারের তালিকায় আছে ইউটিউব, ইনস্টাগ্রাম, থ্রেডস ও টিকটকের নামও। এমনকি ভারতীয় গণমাধ্যমও অন্তত ৩৮টি ঘটনায় অপতথ্য প্রচার করেছে।</p>
<p>এই তথ্যগুলো থেকে স্পষ্ট বোঝা যায়, বাংলাদেশকে কেন্দ্র করে ভারতীয় উৎস থেকে ছড়ানো অপতথ্যের ক্ষেত্রে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলো এখন একটি প্রধান মাধ্যম হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে এক্স এখানে সবচেয়ে প্রভাবশালী ভূমিকা পালন করছে। মাত্র এক বছরে শনাক্ত হওয়া অপতথ্যের ৮০ শতাংশের বেশি যদি একটি প্ল্যাটফর্মেই ছড়ায়, তাহলে সেটি শুধু পরিসংখ্যান নয়, বরং একটি কাঠামোগত প্রবণতার ইঙ্গিত দেয় যেখানে সংগঠিতভাবে ন্যারেটিভ তৈরি ও বিস্তারের চেষ্টা চলছে।</p>
<p>সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো ভারতীয় গণমাধ্যমের অংশগ্রহণ। কারণ, গণমাধ্যম থেকে ছড়ানো ভুল তথ্য সাধারণ মানুষের কাছে অনেক বেশি বিশ্বাসযোগ্যতা পায় এবং তা জনমত গঠনে সরাসরি প্রভাব ফেলে।</p>
<h2><span style="font-size: 12pt;">লাগাম ছাড়া সাম্প্রদায়িক অপতথ্য</span></h2>
<p>২০২৫ সালে ভারতীয়দের ছড়ানো যে ১৫৫টি অপতথ্য শনাক্ত করেছে রিউমর স্ক্যানার, তার মধ্যে ৯১টিই সাম্প্রদায়িক অপতথ্য। অর্থাৎ, শনাক্ত হওয়া অপতথ্যগুলোর প্রায় ৫৮ শতাংশই সাম্প্রদায়িক ঘটনা সংক্রান্ত। ভারতীয়দের সাম্প্রদায়িক অপতথ্যের প্রচারের ক্ষেত্রে বড় এক মাধ্যম এক্স। গেলো বছর এক্সে ভারতীয়দের ছড়ানো সাম্প্রদায়িক অপতথ্যের সংখ্যা অন্তত ৮৫টি।</p>
<p>সাম্প্রদায়িক অপতথ্যের এই ক্যাম্পেইনে ভারতীয় গণমাধ্যমও রেখেছে ভূমিকা। অন্তত ১০টি ঘটনায় ভারতের গণমাধ্যমে বাংলাদেশকে জড়িয়ে সাম্প্রদায়িক অপতথ্য প্রচারের প্রমাণ পাওয়া গেছে। এসব ঘটনায় এনডিটিভি, দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, জি নিউজ, ওয়ার্ল্ড ইজ ওয়ান নিউজ, ইন্ডিয়া টুডে, হিন্দুস্তান টাইমস, নিউজ১৮, টিভি নাইন, এবিপি, মিরর নাউ এর মতো মূলধারার সংবাদমাধ্যমগুলোতে অপতথ্যের প্রচার করা হয়েছে।</p>
<p>এই পরিসংখ্যানগুলো আরও গভীর উদ্বেগের ইঙ্গিত দেয়। কারণ এখানে শুধু অপতথ্যের পরিমাণ নয়, বরং তার প্রকৃতি ও উদ্দেশ্যও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ১৫৫টি অপতথ্যের মধ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ এমন কনটেন্ট, যা সরাসরি ধর্মীয় বিভাজন উসকে দিতে সক্ষম। এটি ইঙ্গিত করে যে, বাংলাদেশকে ঘিরে ভারতীয় উৎস থেকে ছড়ানো অপতথ্যের একটি বড় অংশ পরিকল্পিতভাবে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা তৈরির লক্ষ্যে প্রচার ও প্রসার পাচ্ছে।</p>
<h2><span style="font-size: 12pt;">৭৩ ভারতীয় গণমাধ্যমে বাংলাদেশ নিয়ে অপতথ্য</span></h2>
<p>রিউমর স্ক্যানার ২০২৫ সালে ভারতীয় গণমাধ্যমে প্রচারিত ভুল তথ্য নিয়ে প্রকাশিত ফ্যাক্টচেকগুলো বিশ্লেষণ করে ৩৮টি ঘটনায় দেশটির ৭৩টি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বাংলাদেশকে জড়িয়ে ভুল তথ্য প্রচার হতে দেখেছে। এই সংবাদমাধ্যমগুলোতে সর্বোচ্চ ১০টি থেকে সর্বনিম্ন একটি ভুল তথ্য সম্বলিত প্রতিবেদন খুঁজে পাওয়া গেছে। ৭৩টি সংবাদমাধ্যমে থাকা ১৪০টি প্রতিবেদন যাচাই করে ভুল তথ্য প্রচারের প্রমাণ মিলেছে।</p>
<p>পরিসংখ্যানে সবচেয়ে বেশি ভুল তথ্য প্রচারের দরুন প্রথম স্থানে রয়েছে ভারতের স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল ‘আজতক বাংলা’। ৩২টি ঘটনার মধ্যে ১০টিতেই এই চ্যানেল ভুল তথ্য প্রচার করেছে। ২০২৪ সালে এই তালিকায় আজতকের অবস্থান ছিল চতুর্থ।</p>
<p>গত বছরের ৯ জুলাই ঢাকায় মিটফোর্ডে নির্মমভাবে হত্যার শিকার হন ভাঙারি ব্যবসায়ী লাল চাঁদ ওরফে সোহাগ। এরই প্রেক্ষিতে অন্তত ২৭টি ভারতীয় গণমাধ্যমে দাবি করা হয়, সোহাগ হিন্দু ধর্মাবলম্বী ছিলেন, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা। একক কোনো ঘটনায় গেল বছর এটিই ভারতীয় গণমাধ্যমের সর্বোচ্চ কাভারেজ সংখ্যা। এছাড়া ডিসেম্বরে ফরিদপুরে জেমসের কনসার্টকে কেন্দ্র করে ১৬টি, জুনে শেখ মুজিবসহ জাতীয় চার নেতার মুক্তিযোদ্ধা স্বীকৃতি বাতিল করে সহযোগী মুক্তিযোদ্ধা করা সংক্রান্ত দাবিতে ১২টি ভারতীয় গণমাধ্যমকে অপতথ্য প্রচার করতে দেখেছে রিউমর স্ক্যানার।</p>
<div class="adv-img text-center marginTopBottom20 hidden-print">
<div class="advertisement">
<div id="div-gpt-ad-1671883731084-0" data-google-query-id="CLD74rLwpZIDFUe9ZgIdA6gRCQ">
<div id="google_ads_iframe_/21655469720/JagoNews_Desktop_Details_News_Inner_E_0__container__"></div>
</div>
</div>
</div>
<p>ভারতীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত অপতথ্যের এই তালিকা অবশ্য দেশটির গণমাধ্যমের অপতথ্য প্রচারের সামগ্রিক চিত্র তুলে ধরে না। রিউমর স্ক্যানারের নজরে আসা গণমাধ্যমগুলোর যাচাইযোগ্য দাবিগুলোর ফ্যাক্টচেকের তথ্যই শুধু এই তালিকায় তুলে ধরা হয়েছে। অর্থাৎ, যেসব অপতথ্য ফ্যাক্টচেকের আওতার বাইরে থেকে গেছে, সেগুলো যুক্ত হলে প্রকৃত চিত্র আরও ভয়াবহ হতে পারে।</p>
<h2><span style="font-size: 12pt;">মুসলিমকে হিন্দু বানিয়ে অপপ্রচার বেশি</span></h2>
<p>গেল বছর বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ভুয়া খবর এবং সাম্প্রদায়িক প্রচারণার ধরণের মধ্যে সবচেয়ে সাধারণটি হলো, কোনো একজন মুসলিম ঘটনাক্রমে হামলা বা নিগ্রহের শিকার হলে সেই ব্যক্তিকে হিন্দু দাবি করে সাম্প্রদায়িক অপতথ্য হিসেবে প্রচার করা হয়েছে৷ ২০২৫ সালে এমন অন্তত ৩৩টি অপতথ্য শনাক্ত করেছে রিউমর স্ক্যানার। আরেকটি পরিচিত ধরণ হচ্ছে, পুরোনো কোনো ঘটনাকে বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক হামলার সাম্প্রতিক ঘটনা বলে চালিয়ে দেওয়া। এমন অন্তত ৮টি ঘটনা নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে রিউমর স্ক্যানার। এমনকি বিনোদনের উদ্দেশ্যে বানানো স্ক্রিপ্টেড কনটেন্টকেও সত্যি দাবি করে অপতথ্য প্রচারের অন্তত ৬টি ঘটনা শনাক্ত করেছে রিউমর স্ক্যানার। আবার ৫টি ঘটনায় দেখা গেছে, ঘটনাগুলো ভারতে ঘটেছে। অথচ দাবি করা হচ্ছে, বাংলাদেশের ঘটনা।</p>
<p>এছাড়া, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ নানান ইস্যুতে অপতথ্যের প্রচারে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর পাশাপাশি এ সময় সরব ছিল দেশটির মূল ধারার গণমাধ্যমগুলোও।</p>
<h2><span style="font-size: 12pt;">উপমহাদেশীয় সমস্যার গিনিপিগ বাংলাদেশও?</span></h2>
<p>ভারতীয় উৎস থেকে ধারাবাহিক এই অপপ্রচার দিনে দিনে বাড়ছে। বিষয়টি নিয়ে রিউমর স্ক্যানার আলাপ করেছে ভারতীয় সাংবাদিক অর্ক ভাদুড়ীর সঙ্গে। তিনি বলছিলেন, ভুল তথ্যের এই প্রভাবে ভারত এবং বাংলাদেশ- দুই দেশের জনগণের মধ্যেকার সম্পর্ক চূড়ান্ত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। একটি দেশ সম্পর্কে সম্পূর্ণ ভুল ধারণা গড়ে উঠছে আরেকটি দেশের জনমনে৷ তীব্র ঘৃণা, বিদ্বেষের জন্ম হচ্ছে৷ এই ঘৃণা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আছড়ে পড়ছে।</p>
<p>চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক রাজীব নন্দী মনে করেন, দায় আছে বাংলাদেশেরও। রিউমর স্ক্যানারের সঙ্গে আলাপকালে রাজীব বলেছেন, বাংলাদেশে মব ভায়োলেন্সের লাগামহীন বৃদ্ধি, ধারাবাহিক সাম্প্রদায়িক হামলা এবং এসব ঘটনার পর রাষ্ট্রীয় পর্যায় থেকে দৃঢ় ও বিশ্বাসযোগ্য প্রতিক্রিয়ার অভাব ভারতীয় মিডিয়ার এই অতিরঞ্জনের জন্য কার্যত বাস্তব কাঁচামাল সরবরাহ করছে। বাংলাদেশের শাসনব্যবস্থার দুর্বলতা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ব্যর্থতা, এবং সহিংসতার বিরুদ্ধে স্পষ্ট রাজনৈতিক অবস্থান না থাকা এই পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।</p>
<p>রাজীবের আশঙ্কা, বাংলাদেশের শাসনব্যবস্থা যদি সহিংসতার বিরুদ্ধে স্পষ্ট, দৃঢ় ও নৈতিক অবস্থান নিতে ব্যর্থ হয়, তবে প্রতিবেশী দেশের গণমাধ্যমে এই অতিরঞ্জিত ও বিকৃত বয়ান ভবিষ্যতেও পুনরুৎপাদিত হতে থাকবে।</p>
<p>এই মিডিয়া গবেষক বলছেন, এই অপতথ্যগুলো এখন আর কেবল সাংবাদিকতার ত্রুটি নয়; এটি প্রতিবেশী রাষ্ট্র সম্পর্কে জনমত নির্মাণ ও রাজনৈতিক বয়ান তৈরির কৌশলগত হাতিয়ার হয়ে উঠেছে।</p>
<p>অর্ক এই ইস্যুতে বরাবরই সরব। বাংলাদেশের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমসহ ভারতে নানা সময়ে তাকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করতে দেখা গেছে। কলকাতার এই সাংবাদিক মনে করেন, সাম্প্রদায়িক সমস্যার উপমহাদেশীয় কারণ প্রভাব ফেলছে এই দুই দেশেও। “বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক সহিংসতার প্রভাব অতি অবশ্যই আছে। আওয়ামী লীগের আমলেও তা ছিল৷ তখনও আমরা নাসিরনগর বা রামুর ঘটনা ঘটতে দেখেছি, রক্তাক্ত শারদ ২০২১ ঘটতে দেখেছি৷ এখনও সেই সমস্যা ভীষণ ভাবে আছে৷ ঠিক যেমন ভারতেও সংখ্যালঘুরা বিপন্ন৷ এটি কোনও বিশেষ দেশের নয়, গোটা উপমহাদেশের অভিশাপ৷ কিন্তু যখনই মেইনস্ট্রিম মিডিয়া মিথ্যা তথ্য প্রচার করে, অতিরঞ্জিত তথ্য প্রচার করে, তখন সমস্যাটি লঘু হয়ে যায়৷ এটি বিপজ্জনক।”</p>
<p>ইস্যু ছাড়াও নানান সময়েই ভারতীয় উৎস থেকে অপতথ্যের প্রবাহ দেখা যায়। এটি মোকাবিলায় দুই দেশের সরকার বা নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে কার্যকরী কোনো ব্যবস্থা না নেওয়াকে দায়ী করেন কিনা এমন প্রশ্নে দ্বিমত রয়েছে অর্কর। “আমার মনে হয় না সরকারের পক্ষে আদৌ কিছু করা সম্ভব। সেক্ষেত্রে আবার মিডিয়ার স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপের অভিযোগ উঠবে।” অর্ক মনে করেন, ফ্যাক্টচেকিংসহ দুদেশের জনতার মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ গড়ে তোলার মাধ্যমেই এই পরিস্থিতির কিছুটা নিরাময় সম্ভব।</p>
<p>ভারতীয় অভ্যন্তরীণ রাজনীতির প্রভাব বাংলাদেশবিরোধী বয়ানকে ত্বরান্বিত করছে কি না রাজীব নন্দীর কাছে এমন প্রশ্ন ছিল। তার মতে, ভারতীয় রাজনীতিতে সংখ্যালঘু অধিকার প্রশ্নে যে রাজনৈতিক অবস্থান তা একরৈখিকভাবে বাংলাদেশবিরোধী বলা যায় না। “এটি মূলত ভারতের ঘরোয়া ভোটব্যাংক রাজনীতি, পরিচয়-সংবেদনশীলতা ও কৌশলগত রাজনৈতিক বার্তার সমন্বয়।”</p>
<p>তবে রাজীব এটাও মনে করেন যে ভিজ্যুয়াল অতিরঞ্জন, নাটকীয় ভাষা ও যাচাইহীন তথ্য মিলিয়ে একটি আবেগনির্ভর ও সংঘাতমুখী আখ্যানের জায়গায় ভারতীয় গণমাধ্যম নৈতিক সীমা লঙ্ঘন করছে।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/রিউমার স্ক্যানার/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>৪২ শিক্ষার্থী সন্তানকে  শিক্ষাবৃত্তি ও শিক্ষা উপকরণ দিলো টিএমজিবি</title>
<link>https://digibanglatech.news/165187</link>
<guid>https://digibanglatech.news/165187</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_6975a43174c7c.jpg" length="146944" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 24 Jan 2026 23:04:09 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<article>
<p>এ বছর সদস্যদের ৪২ জন শিক্ষার্থী সন্তানদের মাঝে শিক্ষাবৃত্তি ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেলো প্রযুক্তি সাংবাদিকদের সংগঠন টেকনোলজি মিডিয়া গিল্ড বাংলাদেশ (টিএমজিবি)। বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা প্রাক-প্রাথমিক, প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থী।</p>
<p>রাজধানীর পান্থপথে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল একাডেমির বিজয় মিলনায়তনে ২৪ জানুয়ারি, শনিবার এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে টানা চতুর্থবারের মতো এই বৃত্তি দেওয়া হয়।</p>
<p>টিএমজিবি সভাপতি মোহাম্মদ কাওছার উদ্দীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউনিভার্সিটি অব ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজি বাংলাদেশের ভাইস-চ্যান্সেলর ড. মোহাম্মাদ আবু ইউসুফ, ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির প্রফেশনাল স্ট্যাডিজ বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ মাহদী উজ জামান, বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির (বিসিএস) সভাপতি ও স্মার্ট টেকনোলজিস (বিডি) লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম, বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্কের সাধারণ সম্পাদক মুনির হাসান, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব কনট্যাক্ট সেন্টার অ্যান্ড আউটসোর্সিং (বাক্কো) এর ফিন্যান্স সেক্রেটারি মোহাম্মাদ আমিনুল হক প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন টিএমজিবির সাধারণ সম্পাদক মুরসালিন হক জুনায়েদ।</p>
<p>অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন টিএমজিবি সহ-সভাপতি (আন্তর্জাতিক সম্পর্ক) মইদুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ মাহাদী হাসান শিমুল, সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম দাস্তগীর তৌহিদ, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক নাজনীন আক্তার লাকী, কার্যনির্বাহী সদস্য নাজমুল হোসেন প্রমুখ।</p>
<article>
<p>অনুষ্ঠানে ইউনিভার্সিটি অব ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজি বাংলাদেশের ভাইস-চ্যান্সেলর ড. মোহাম্মাদ আবু ইউসুফ বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর এই সময়ে আমাদেরকে সর্বাধুনিক প্রযুক্তিজ্ঞান নিয়ে মেধাকে কাজে লাগাতে হবে। শুধু রেডিমেড প্রযুক্তি ব্যবহার নয়, আমাদের প্রজন্মকে এই প্রযুক্তির পেছনের প্রযুক্তিও জানতে হবে। </p>
</article>
<article>
<p>ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির প্রফেশনাল স্ট্যাডিজ বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ মাহদী উজ জামান বলেন, নাসাসহ তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা সাম্প্রতিক সময়ে খুবই ভালো করছে। আগামীতেও এই ধরনের প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশকে তুলে ধরতে ও আগামী প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মেলাতে আমাদেরকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। </p>
<article>
<p>বিসিএস সভাপতি ও স্মার্ট টেকনোলজিসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম বলেন, আমাদেরকে দেশের সকল শিশুর জন্য সমান শিক্ষার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। তাদেরকে গরিব কিংবা প্রত্যন্ত অঞ্চলের মেধাবী এমন ভেদাভেদের মাধ্যমে আলাদা করা যাবে না। নতুন প্রজন্মকে আগামীর জন্য যুগোপযোগী শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ করতে টিএমজিবির এই ধারাবাহিক উদ্যোগ প্রশংসনীয়।</p>
</article>
<article>
<p>বিডিওএসএনের সাধারণ সম্পাদক মুনির হাসান বলেন, আমাদের নতুন প্রজন্ম পিছিয়ে নেই। তাদেরকে ঘরে ও স্কুলে বইয়ের মধ্যে বন্দি না রেখে বিভিন্ন প্রতিযোগিতা, পাঠ্যক্রমের বাইরের বিভিন্ন আয়োজনে অংশগ্রহণ করানো এবং পরিবার-আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে নিয়মিত সাক্ষাত করানো উচিত। এতে তাদের মেধার যথাযথ বিকাশ ঘটবে। তিনি আগামীতে ম্যাথ অলিম্পিয়াড, রোবট অলিম্পিয়াড, চিলড্রেন সায়েন্স কংগ্রেস, জুনিয়র সায়েন্স অলিম্পিয়াডসহ যেসব আধুনিক প্রযুক্তি ও বিজ্ঞানের প্রতিযোগিতা রয়েছে সেখানে টিএমজিবির সদস্যদের সন্তানদের অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/বিএমটি/ইকে</strong></span></em></p>
</article>
</article>
</article>
<div ad-position="desktop-details-section-5" class="ads mb-2 d-flex justify-content-center ad-728x90" ad-id="69">
<div class="desktop-ads">
<div>
<div id="gpt-ad-desktop-details-section-5-69-0" data-google-query-id="CMPn86bzpZIDFcOcbAkdGn4DpQ"></div>
</div>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ইন্টারন্যাশনাল হোপ স্কুলে শেষ হলো ৫ম আন্তঃস্কুল স্টেম ফেস্ট</title>
<link>https://digibanglatech.news/165138</link>
<guid>https://digibanglatech.news/165138</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_6974e4b10b1f1.jpg" length="120784" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 24 Jan 2026 17:27:02 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>রাজধানীর উত্তরায় অবস্থিত ইন্টারন্যাশনাল হোপ স্কুল বাংলাদেশ প্রাঙ্গণে দুই সহস্রাধিক শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হলো পঞ্চম আন্তঃস্কুল স্টেম ফেস্ট ২০২৬।  স্কুল পর্যায়ে বিজ্ঞান বিষয়ক এই প্রতিযোগিতায় বিজ্ঞান বিষয়ক ৫টি অলিম্পিয়াডে অংশ নিয়ে বিজয়ীদের ২০জন পাচ্ছে আমেরিকা ও লন্ডনভিত্তিক রোবোটিকস প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের সুযোগ।</p>
<p>দেশসেরা ইংরেজিমাধ্যম স্কুলগুলোর ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে এবারের ফেস্টে সায়েন্স এন্ড কম্পিউটিং, বায়োকেমেস্ট্রি, ম্যাথ, ফিজিক্স এবং প্রোগ্রামিং অলিম্পিয়াডের বাইরেও ছিল বিজ্ঞান বিষয়ক বিভিন্ন উদ্ভাবনী প্রজেক্ট প্রদর্শনী। ৬০০ শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে স্টেম ফেস্ট-এ ১৪২ টি বিজ্ঞান বিষয়ক প্রজেক্ট প্রদর্শিত হয়েছে। প্রতিযোগীদের মধ্য থেকে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় পুরস্কার অর্জন করেন বিভিন্ন স্কুলের ৪০ জন শিক্ষার্থী। এদিন ১ম পুরস্কার হিসেবে প্রত্যেকে পেয়েছেন ৫ হাজার, দ্বিতীয় পুরস্কার হিসেবে পেয়েছেন ৩ হাজার এবং তৃতীয় পুরস্কার হিসেবে পেয়েছেন ২ হাজার টাকা, ক্রেস্ট এবং সনদপত্র।</p>
<p><br>২৪ জানুয়ারি, শনিবার স্কুল মিলনায়তনে সমাপনী আয়োজনে ছিল মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। স্কুলের শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় ছিল দলীয় নৃত্য ও সংগীত। এছাড়াও ছিল<br>ওয়ারফেজ ব্যান্ডের মনোমুগ্ধকর পরিবেশনা। এর আগে সমানীতে জানানো হয়, ইন্টারন্যাশনাল হোপ স্কুল বাংলাদেশ- এর সাথে আমেরিকা, ইংল্যান্ড, জাপান এবং ইউরোপভিত্তিক বিভিন্ন স্বনামধন্য ও আন্তর্জাতিক অলিম্পিয়াড আয়োজকদের সাথে সংযুক্তি রয়েছে। এরই অংশ হিসেবে এবারের স্টেম ফেস্টের ২০ জন বিজয়ী আমেরিকা ও ইংল্যান্ডে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাচ্ছে। এই ২০ জনের মধ্যে ১০ জন থাকবে ইন্টারন্যাশনাল হোপ স্কুল বাংলাদেশ- এর শিক্ষার্থী, অন্যান্য স্কুলের বিজয়ীদের মধ্য থেকেও ১০ জন এই সুযোগ পাবে। </p>
<p>গত বছর স্টেম ফেস্টে বিজয়ী শিক্ষার্থীরা আমেরিকায় গিয়ে ‘নাসা রোভার চ্যালেঞ্জ’ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছে। গত ৪ বছর ধরে স্টেম ফেস্ট থেকে বিজয়ী শিক্ষার্থীরা আমেরিকার আলাবামায় অবস্থিত নাসা মার্শাল স্পেস ফ্লাইট সেন্টারে সারা বিশ্ব থেকে আগত শিক্ষার্থীদের সাথে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করছে। নাসার এই প্রতিযোগিতায় গত চার বছর ধরে বাংলাদেশ থেকে একমাত্র ইন্টারন্যাশনাল হোপ স্কুলই অংশগ্রহণ করছে। এই উৎসবে অংশগ্রহণ করে শিক্ষার্থীরা বিজ্ঞান বিষয়ে পৃথিবীর অগ্রসর দেশগুলোর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারছে। প্রথম স্টেম ফেস্টে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের একটি দল দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত ‘দুবাই গ্লোবাল চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে ‍দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে বিশ্বের বুকে বাংলাদেশের সুনাম বৃদ্ধি করেছে। তৃতীয় স্টেম ফেস্টে অংশগ্রহণকারীদের মধ্য থেকে ১০ জন আমেরিকায় নাসা রোভার চ্যালেঞ্জ’ প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছে।</p>
<p>২৩ জানুয়ারি ২০২৬ শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮ টায় স্কুল প্রাঙ্গণে এ অনুষ্ঠানের উদ্বোধন হয়। ছুটির দিনে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত এবং শনিবার সকাল সাড়ে ৮ টা থেকে রাত ৮ পর্যন্ত অলিম্পিয়াড, প্রদর্শনী এবং সাংস্কৃতিক পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।</p>
<p>অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্রাক বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টার জনাব ডেভিড ডোনাল্ড, ক্যামব্রিজ পরীক্ষা বোর্ডের বাংলাদেশ কান্ট্রি ডিরেক্টর জনাব শারওয়াত রেজা, পিয়ারসন পরীক্ষা বোর্ডের বাংলাদেশ কান্ট্রি ডিরেক্টর জনাব লিটন আব্দুল্লাহ, অক্সফোর্ড পরীক্ষা বোর্ডের বাংলাদেশ কান্ট্রি ডিরেক্টর মো. শাহিন রেজা, ইন্টারন্যাশনাল হোপ স্কুল বাংলাদেশ- এর প্রিন্সিপাল রোকসানা জারিন। ।</p>
<p><br>স্কুল মাঠের প্রতিটি স্টলে ছিল নানা উদ্ভাবনী প্রজেক্ট। শিক্ষার্থীরা দর্শনার্থীদের কাছে প্রজেক্টগুলোর ব্যবহার ও সম্ভাবনা সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরেছে। এবারের প্রজেক্ট প্রদর্শনীতে প্রাধান্য পেয়েছে রোবোটিক্স এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক নানা প্রজেক্ট। এছাড়াও ছিল পরিবেশ, নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার, ভূমিকম্প ইত্যাদি বিষয়ে নানা উদ্ভাবনী প্রদর্শনী।<br>স্বাগত বক্তব্যে ইন্টারন্যাশনাল হোপ স্কুল বাংলাদেশ-এর প্রিন্সিপাল রোকসানা জারিন বলেন, ‘‘স্টেম ফেস্টের এই বিরাট আয়োজন ও শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ এটাই প্রমাণ করে, আমাদের শিক্ষার্থীরা বিজ্ঞানের ব্যাপারে অত্যন্ত আগ্রহী, তাদের বিজ্ঞানচর্চা আমাদের দেশকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যাবে। এ ধরনের প্রতিযোগিতার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বিজ্ঞান এবং আধুনিক প্রযুক্তিতে তাদের দক্ষতা প্রমাণ করছে। গত কয়েক বছরে স্টেম ফেস্টে অংশগ্রহণকারীদের অনেকে আমেরিকায় নাসা রোভার চ্যালেঞ্জ নামক আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা,দুবাইয়ের একটি আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছে, এটি আমাদের অনেক বড় পাওয়া। এবারও এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অনেক সুনাম অর্জন করবে বলে আমরা আশাবাদী।’’</p>
<p>প্রসঙ্গত, রাজধানীর উত্তরায় ইন্টারন্যাশনাল হোপ স্কুল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৯৬ সালে। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে এই স্কুলটি পড়াশোনা, সাংস্কৃতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চার পাশাপাশি বিজ্ঞানচর্চায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/আরএস/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>খুবিতে এআই ব্যবহারে দক্ষতা প্রশিক্ষণ  কর্মশালা অনুষ্ঠিত</title>
<link>https://digibanglatech.news/165017</link>
<guid>https://digibanglatech.news/165017</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_697371fbeb21e.jpg" length="79284" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 23 Jan 2026 00:05:19 +0600</pubDate>
<dc:creator>ক্যাম্পাস করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কাজে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) টেকসই ব্যবহার নিয়ে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে (খুবি) অনুষ্ঠিত হলো ‘প্রাকটিক্যাল ইউজ অব আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইন ইউনিভার্সিটি অ্যাডমিনিস্ট্রেশন’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালা। বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেল (আইকিউএসি)-এর উদ্যোগে ২২ জানুয়ারি, বৃহস্পতিবার গণিত ডিসিপ্লিনের সিমুলেশন ল্যাবে অনুষ্ঠিত এ কর্মশালা উদ্বোধন করেন খুবি উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. হারুনর রশীদ খান।</p>
<p>উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর রিসোর্স পারসন হিসেবে এআই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রনিক্স এন্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং ডিসিপ্লিনের প্রফেসর ড. আব্দুল্লাহ-আল-নাহিদ।</p>
<p>দুই ব্যাচে অনুষ্ঠিত এ প্রশিক্ষণ কর্মশালায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।</p>
<p>উদ্বোধনীতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে খুবি উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. হারুনর রশীদ খান বলেন, প্রযুক্তিতে যে দেশ এগিয়ে, তারাই সামাজিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিকভাবে উন্নত। প্রযুক্তির এই উৎকর্ষতার যুগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যারা এআইতে দক্ষতা অর্জন করতে পারবে না, ভবিষ্যতে তাদের কর্মক্ষেত্রে ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। এজন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তাদের মধ্যে শেখার আগ্রহ থাকতে হবে এবং সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নিতে হবে। কেননা, প্রাত্যহিক জীবনেও এআইয়ের প্রভাব ক্রমেই বাড়ছে এবং প্রতিদিনই আমাদের নতুন কিছু শেখার সুযোগ তৈরি হচ্ছে।</p>
<p>এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তাদের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা আরও বাড়বে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।</p>
<p>আইকিউএসির অতিরিক্ত পরিচালক প্রফেসর ড. মো. সালাউদ্দীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত পরিচালক প্রফেসর ড. মো. ওয়াসিউল ইসলাম।</p>
<p>উপ-রেজিস্ট্রার মো. নূরুল ইসলাম সিদ্দিকীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ট্রেজারার প্রফেসর ড. মো. নূরুন্নবী।</p>
<div>
<p>তিনি বলেন, পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়াই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। নতুন নতুন দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে এআইকে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে হবে। এআই যেমন আমাদের জীবনকে সহজ করেছে, তেমনি এর কিছু ঝুঁকিপূর্ণ দিকও রয়েছে। সেসব বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে। এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তাদের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা আরও বাড়বে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/ডিএসবিএস/এমইউএম</strong></span></em></p>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>কার্নেগি মেলন রোবোটিকস প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালু করল আইএসডি</title>
<link>https://digibanglatech.news/164776</link>
<guid>https://digibanglatech.news/164776</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_6970c4294e862.jpg" length="77372" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 21 Jan 2026 14:14:45 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>চতুর্থ থেকে দ্বাদশ গ্রেডের শিক্ষার্থীদের জন্য টানা তৃতীয়বারের মতো আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে রোবোটিকস ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) বিষয়ক একটি বিশেষ শিক্ষা কার্যক্রম চালুর করতে যাচ্ছে ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ঢাকা (আইএসডি)।  কার্নেগি মেলন রোবোটিকস অ্যাকাডেমির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ এই শিক্ষণ কার্যক্রম । প্রতি শনিবার সকাল ৯টা থেকে ১০টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত ৯০ মিনিটের ক্লাসে তাত্ত্বিক জ্ঞানের পাশাপাশি ব্যবহারিক অভিজ্ঞতাও যুক্ত থাকবে।</p>
<p><br>কর্মসূচিটি সম্পর্কে আইএসডির পরিচালক স্টিভ কল্যান্ড-স্কোবল বলেন, “বিশ্ব অর্থনীতি দ্রুত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ডিজাইন থিংকিংয়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। রোবোটিকস ও এআই শেখার শুরুটা যদি ছোটবেলা থেকেই করা যায়, তাহলে শিক্ষার্থীরা প্রযুক্তিনির্ভর এই বিশ্বে সফল হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে পারবে।”</p>
<p>কার্নেগি মেলন রোবোটিকস ট্রেনিং প্রোগ্রাম, আইএসডির প্রশিক্ষক জর্জ ক্যারিংটন বলেন, “এই কর্মসূচির মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা শুধু রোবট তৈরি করাই শিখছে না, বরং তাদের মাঝে ক্রিটিক্যাল থিংকিং ও সমস্যা সমাধানের দক্ষতাও গড়ে উঠছে। বাস্তব জীবনের সঙ্গে রোবোটিকস ও এআই -এর সম্পর্ক বুঝতে এটি শিক্ষার্থীদের সহায়তা করবে। সেই সাথে ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনার জন্যও প্রস্তুত করে তুলবে।” </p>
<p>কর্মসূচির অভিজ্ঞতা তুলে ধরে আইএসডির দ্বাদশ গ্রেডের শিক্ষার্থী রানিয়া আহমেদ বলেন, “এই প্রশিক্ষণ আমাদের নতুন আঙ্গিকে চিন্তা করা শিখিয়েছে। আমরা রোবট কোডিং শিখেছি। তাছাড়া, সমস্যা সমাধান ও দলগতভাবে কাজ করার কৌশলও শিখেছি।”</p>
<p>জানাগেছ, চতুর্থ ও পঞ্চম গ্রেডের শিক্ষার্থীরা ১৫ হাজার টাকা ফি-তে বিগিনার লেভেলের লেগো রোবোটিকস প্রোগ্রামে অংশ নিতে পারবে। এই প্রোগ্রামে তাদের লেগো রোবট ডিজাইন ও কোডিং শেখানো হবে। ষষ্ঠ ও সপ্তম গ্রেডের শিক্ষার্থীদের জন্য ২০ হাজার টাকা ফিতে ইন্টারমিডিয়েট লেভেলের ভিইএক্স আইকিউ প্রোগ্রামে যুক্ত হতে পারবেন। এছাড়া, অষ্টম থেকে দশম গ্রেডের শিক্ষার্থীদের জন্য ২০ হাজার টাকা ফিতে অ্যাডভান্সড ইন্টারমিডিয়েট ভিইএক্স এক্সপি প্রোগ্রাম চালু থাকবে। এই প্রোগ্রামে তারা স্বয়ংক্রিয় রোবট তৈরি করবে এবং রিয়েল-টাইম ডেটা ও ফিডব্যাক সিস্টেম প্রয়োগ করবে। একাদশ ও দ্বাদশ গ্রেডের শিক্ষার্থীরা ২৫ হাজার টাকা ফিতে অ্যাডভান্সড লেভেলের ভিইএক্স ভি৫ ও আরইভি রোবোটিক্স প্রোগ্রামে অংশ নিতে পারবে। এখানে তারা পেশাদার মানের রোবোটিক্স ও ইলেকট্রনিক্সের পাশাপাশি অ্যাডাপটিভ কন্ট্রোল ও ডেটা-নির্ভর বিহেভিয়রের মতো এআই সম্পর্কে জানতে পারবে। </p>
<p>কর্মসূচি সফলভাবে সম্পন্ন করলে অংশগ্রহণকারী সকল শিক্ষার্থী কার্নেগি মেলন রোবোটিকস অ্যাকাডেমি (সিএমআরএ) থেকে সনদপত্র পাবে।<br><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/আরআর/ইএইচ</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ন্যাশনাল টেক অ্যাওয়ার্ড পেলেন মাইক্রোটিক সার্টিফাইড ট্রেইনার তিতাস</title>
<link>https://digibanglatech.news/164662</link>
<guid>https://digibanglatech.news/164662</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_696f7e8d3ccf1.jpg" length="107365" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 20 Jan 2026 11:11:42 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>তথ্যপ্রযুক্তি শিক্ষায় বিশেষ অবদান রাখার স্বীকৃতি হিসেবে মাইক্রোটিক সার্টিফাইড ট্রেইনার তিতাস সরকার সম্প্রতি ঢাকায় অনুষ্ঠিত ন্যাশনাল টেক অ্যাওয়ার্ড -এ সম্মানজনক পুরস্কার অর্জন করেছেন।</p>
<p>তিতাস সরকার জনপ্রিয় অনলাইন লার্নিং প্ল্যাটফর্ম BD E-Learning–এর প্রতিষ্ঠাতা। এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে তিনি দীর্ঘদিন ধরে নেটওয়ার্কিং, সাইবার সিকিউরিটি ও অন্যান্য আইটি স্কিল ডেভেলপমেন্ট বিষয়ক ভিডিও টিউটোরিয়াল তৈরি ও প্রকাশ করে আসছেন। তার তৈরি কনটেন্ট ইতোমধ্যে অসংখ্য শিক্ষার্থী ও আইটি পেশাজীবীর দক্ষতা উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। তার প্রতিষ্ঠিত BD E-Learning প্রকল্পটি নিয়েই তিনি এবছর ন্যাশনাল টেক অ্যাওয়ার্ডে আবেদন করেন।</p>
<p>তিতাস সরকারের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ভিডিও টিউটোরিয়ালের ধারাবাহিকতায় একজন প্রকাশকের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। পরবর্তীতে তিনি তার অভিজ্ঞতা ও কনটেন্ট আরও গুছিয়ে চারটি প্রযুক্তি বিষয়ক বই প্রকাশ করেন। এর মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য বইটি হলো “MikroTik Router and Security”।</p>
<p>বই প্রকাশের পর MikroTik–এর আয়োজিত ‘MikroTik User Meeting’ কনফারেন্সে তিনি বইটি মাইক্রোটিকের কর্মীদের উপহার দেন। সে সময় মাইক্রোটিকের এক কর্মী তাকে মাইক্রোটিক সার্টিফাইড ট্রেইনার হওয়ার পরামর্শ দেন এবং থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠিতব্য ‘Train the Trainer’ প্রোগ্রামে অংশগ্রহণের জন্য উৎসাহিত করেন।</p>
<p>পরবর্তীতে তিনি ওই প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন এবং সফলভাবে মাইক্রোটিক সার্টিফাইড ট্রেইনার হিসেবে স্বীকৃতি অর্জন করেন। এই অর্জনের ফলে তিনি আন্তর্জাতিকভাবে মাইক্রোটিক প্রশিক্ষণ প্রদান এবং ভেন্ডর সার্টিফিকেশন পরীক্ষা নেওয়ার সুযোগ পান।</p>
<p>এরপর তিনি তার সব কনটেন্ট ইংরেজি ভাষায় তৈরি করা শুরু করেন, যার ফলে দেশের বাইরেও তার পরিচিতি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। এরই ধারাবাহিকতায় তিনি সাম্প্রতিক সময়ে নেপাল, থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ায় মাইক্রোটিক বিষয়ক প্রশিক্ষণ ও টেকনিক্যাল সেশন পরিচালনা করেছেন।</p>
<p><span>ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে তিতাস সরকার জানান, তিনি আরও উন্নত ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরির পাশাপাশি সার্টিফাইড আইটি ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য দেশ ও দেশের বাইরে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করার লক্ষ্যে কাজ করতে চান।</span></p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/ বিজ্ঞপ্তি/ইকে</strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>চুয়েট উপাচার্যের সাথে নব&#45;গঠিত চুয়েট শিক্ষক সমিতির সাক্ষাৎ</title>
<link>https://digibanglatech.news/164471</link>
<guid>https://digibanglatech.news/164471</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_696db05bc7bc5.jpg" length="122708" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 19 Jan 2026 00:01:21 +0600</pubDate>
<dc:creator>ক্যাম্পাস করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div>চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)-এর উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহমুদ আব্দুল মতিন ভূইয়ার সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন নব-গঠিত চুয়েটের শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ।</div>
<div></div>
<div>১৮ জানুয়ারি (রবিবার) চুয়েটের সিন্ডিকেট কক্ষে শিক্ষক সমিতির নতুন কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্যরা উপাচার্যের অফিসে গেলে সেখানে সকলকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান চুয়েট  উপাচার্য। এসময় উপস্থিত ছিলেন রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. শেখ মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির, চুয়েট শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আহসান উল্লাহ এবং সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মোঃ আবুল হাছান, সহ-সভাপতি অধ্যাপক ড. সুমন দে, যুগ্ম-সম্পাদক জনাব মোঃ সামিউন বাসির, কোষাধ্যক্ষ ড. মোঃ আরিফ হোসেন, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক হৃদয় মাসুম মিরাজ ও নির্বাহী সদস্য ড. মোঃ শামসুল আরেফীন।</div>
<p>সাক্ষাৎকালে শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ শিক্ষকদের বিভিন্ন দাবি ও প্রস্তাব উপাচার্যের নিকট তুলে ধরেন। শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় রেখে গঠনমূলক ভূমিকা পালনের আশাবাদ ব্যক্ত করেন। অপরদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা, গবেষণা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে চুয়েট উপাচার্য শিক্ষক সমিতির ইতিবাচক ও দায়িত্বশীল ভূমিকার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন বলে জানিয়েছে উপাচার্যের অফিস। </p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এআইএম/ আইএমএম</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>গ্লোবাল স্কলার্স অলিম্পিয়াড এর গ্রান্ড ফিনালে অনুষ্ঠিত</title>
<link>https://digibanglatech.news/164385</link>
<guid>https://digibanglatech.news/164385</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_696ca425987df.jpg" length="84283" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 18 Jan 2026 10:15:32 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>শিশু-কিশোরদের মধ্যে বিজ্ঞানমনস্কতা, বিশ্লেষণী চিন্তা, যুক্তিবোধ এবং সৃজনশীলতা বিকাশে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হলো “গ্লোবাল স্কলার্স অলিম্পিয়াড (Global Scholars Olympiad)” । ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি- বাংলাদেশ (আইইউবি) ক্যাম্পাসে ১৭ জানুয়ারি, শনিবার অনুষ্ঠিত দিনব্যাপী এই অলিম্পিয়াডে অংশ নিয়েছে হাজারো শিক্ষার্থী।  </p>
<p><o:p></o:p>প্রতিযোগিদের মধ্যে পুরুস্কার প্রাপ্ত তালিকায় স্কুল গুলোর মধ্যে রয়েছে- লাইট হাউস ইন্টারন্যাশনাল স্কুল, ইউরোপিয়ান ইন্টারন্যাশনাল স্কুল, স্যার জন উইলসন স্কুল, গ্লেনরিচ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল, নেভি এ্যাঙ্করেজ স্কুল ও কলেজ, ঢাকা, স্কলাস্টিকা, ইংলিশ একাডেমি, মানারাত ইন্টারন্যাশনাল স্কুল, ইউনিভার্সেল টিঊটোরিয়াল, সেন্ট জোসেফ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল, বি এ এফ শাহীন ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল, উইজডম ইন্টারন্যাশনাল স্কুল, একাডেমিয়া, গ্রীন হিল ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজ, স্কুল অব দ্য নেশন, মাইলস্টোন স্কুল এন্ড কলেজ, বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ পাবলিক কলেজ, ব্রিটিশ স্ট্যান্ডার্ড স্কুল এবং লর্ডস - অ্যান ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল</p>
<p>স্পেস ইনোভেশন ক্যাম্প ও আইইউবি’র কম্পিউটার বিজ্ঞান অনুষদের যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত অলিম্পিয়াডে তিনটি বয়সভিত্তিক ক্যাটাগরিতে বিজ্ঞান, গণিত, প্রযুক্তি, পরিবেশ, সাধারণ জ্ঞান ও ব্রেইন গেম—এই ৬টি বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে। </p>
<p>অলিম্পিয়াডকে কেন্দ্র করে সারা বিশ্বে পরিচালিত হয় অনলাইন রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম, প্রস্তুতিমূলক অনলাইন কুইজ প্র্যাকটিস, আধুনিক মক টেস্ট সফটওয়্যার এবং একাধিক একাডেমিক গাইডলাইন সেশন। শিক্ষার্থীরা ঘরে বসেই নিজেদের প্রস্তুতি যাচাই ও উন্নতির সুযোগ পায়, যা এই অলিম্পিয়াডকে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক ও প্রযুক্তিনির্ভর করে তোলে।<o:p></o:p><o:p> </o:p></p>
<p>আয়োজক সূত্রে প্রকাশ, অনলাইন প্রিলিমিনারি ও সেকেন্ডারি পরীক্ষার মাধ্যমে সেরা শিক্ষার্থীদের বাছাই করে চূড়ান্ত পর্বে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়। নির্বাচিত ফাইনালিস্টদের নিয়ে অনুষ্ঠিত হয় গ্লোবাল স্কলার্স অলিম্পিয়াডের গ্র্যান্ড ফিনালে, যেখানে শিক্ষার্থীরা সরাসরি পরীক্ষার মাধ্যমে নিজেদের মেধার স্বাক্ষর রাখে।<br><!--[endif]--><o:p></o:p></p>
<p>চূড়ান্ত পর্ব শেষে প্রতিটি ক্যাটাগরিতে প্রতিটি বিষয়ের জন্য গোল্ড, সিলভার ও ব্রোঞ্জ মেডেল প্রদান করা হয়। এভাবে <o:p></o:p>৬টি বিষয় নিয়ে ৩টি করে মোট ৫৪টি মেডেল প্রদান করা হয়, যা এই অলিম্পিয়াডকে দেশের অন্যতম বৃহৎ একাডেমিক অলিম্পিয়াড আয়োজন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।<o:p></o:p></p>
<p><o:p> </o:p>গ্র্যান্ড ফিনালে ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ এর উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড্যানিয়েল ডব্লিউ লুন্ড, তিনি বলেন- “আজকের এই গ্লোবাল স্কলার্স অলিম্পিয়াড আমাদের শিশু-কিশোরদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষামূলক অভিজ্ঞতা। এখানে তারা শুধু প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছে না, বরং বিভিন্ন বিষয়ে নিজেদের জ্ঞান, যুক্তি ও চিন্তাশক্তি যাচাই করার সুযোগ পাচ্ছে। এ ধরনের উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস বাড়ায় এবং ভবিষ্যতে আরও ভালোভাবে শেখার প্রতি আগ্রহ তৈরি করে। শিক্ষার্থীদের এমন বহুবিষয়ভিত্তিক মেধা বিকাশে এই অলিম্পিয়াড ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আমি বিশ্বাস করি।” <o:p></o:p></p>
<p>আয়োজনটিতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সাইবেজ এর ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং গ্লোবাল স্কলার্স অলিম্পিয়াড যুক্তরাষ্ট্র কান্ট্রি ডিরেক্টর মোহাম্মাদ মাহদী উজ জামান, তিনি বলেন- “গ্লোবাল স্কলার্স অলিম্পিয়াড শিশু-কিশোরদের জন্য একটি সময়োপযোগী একাডেমিক উদ্যোগ। এখানে তারা বিভিন্ন বিষয়ের উপর নিজেদের জ্ঞান ও চিন্তাশক্তি যাচাই করার সুযোগ পাচ্ছে, যা তাদের ভবিষ্যতের পড়াশোনা ও ব্যক্তিগত উন্নয়নে সহায়ক হবে। আন্তর্জাতিক পরিসরে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের যুক্ত করার এই প্রচেষ্টা প্রশংসনীয়। আমি বিশ্বাস করি, এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত পরিসরে শিক্ষার্থীদের জন্য সুযোগ সৃষ্টি করবে।”<o:p></o:p></p>
<p>আয়োজনটি সম্পর্কে স্পেস ইনোভেশন ক্যাম্প এর প্রেসিডেন্ট আরিফুল হাসান অপু বলেন - “বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে শিক্ষার্থীরা এক মঞ্চে—বাংলাদেশে এসে—নিজেদের মেধা যাচাই করার সুযোগ পাবে। এখানে তারা শুধু সেরা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রতিযোগিতাই করবে না, বরং বৈচিত্র্যের উদযাপন, বাংলাদেশের আতিথেয়তার অভিজ্ঞতা এবং আজীবন মনে রাখার মতো বৈশ্বিক বন্ধুত্ব গড়ে তোলার সুযোগ পাবে। এটি শুধু একটি অলিম্পিয়াড নয়—এটি জ্ঞান, সংস্কৃতি ও অনুপ্রেরণার একটি বৈশ্বিক মিলনমেলা।”<o:p></o:p></p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এআইও/ইকে</strong></span></em> </p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বিএমইউতে থিসিস, গবেষণা লেখা বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত</title>
<link>https://digibanglatech.news/164309</link>
<guid>https://digibanglatech.news/164309</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_696b8fa5d8331.jpg" length="102569" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 17 Jan 2026 13:33:53 +0600</pubDate>
<dc:creator>ক্যাম্পাস করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>থিসিস, গবেষণাপত্র ও ম্যানুস্ক্রিপ্ট লেখা,  বায়োমেডিকেল এবং স্বাস্থ্য বিষয়ক ডিজিটাল সাহিত্য বা হিনারি ব্যবহার করে জার্নাল ও আর্টিক্যাল খুঁজে বের করা বিষয়ে ১৭ জানুয়ারি, শনিবার বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হলো ক্যারিয়ার বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা। বিশ্ববিদ্যালয়ের এ ব্লক অডিটোরিয়ামে ‘হ্যান্ডস অন ট্রেনিং অন ইউজিং হিনারি ফর জার্নাল, আর্টিক্যাল সার্চিং ফর প্রটোকল, থিসিস এন্ড ম্যানুস্ক্রিপ্ট রাইটিং শীর্ষক এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে বিএমইউ’র ৭০০ ফেইজ বি রেসিডেন্ট ছাত্র-ছাত্রী ও চিকিৎসকরা অংশগ্রহণ করেন।</p>
<p>প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. মুজিবুর রহমান হাওলাদারের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন গ্রন্থাগারিক ও এ্যানেসথেসিয়া বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মো. মোস্তফা কামাল। বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য রাখেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মো. আবুল কালাম আজাদ। </p>
<p>কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ডা. মো. শাহিনুল আলম বলেন, দেশের মানুষের জন্য প্রয়োজন এমন গবেষণা করুন। যাতে গবেষণা সমূহ রোগীদের কল্যাণে কাজে লাগে। গবেষণাসমূহ যাতে রোগ প্রতিরোধ ও নিরাময়ে অবদান রাখতে পারে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। </p>
<p>তিনি আরও বলেন, গবেষণার মাধ্যমে যাতে কোনো বিষয়ের প্রকৃত অবস্থা জানা যায়, কারণসমূহ খুঁজে বের করা যায় এবং প্রতিকারের উপায়সমূহ চিহ্নিত করা যায়, সে বিষয়েও গুরুত্ব দিতে হবে। </p>
<p>অধ্যাপক ডা. শাহিনুল আলম বলেন, গবেষণা হতে হবে আন্তর্জাতিক মানের এবং গবেষণাসমূহ আন্তর্জাতিক মানের জার্নালে প্রকাশ করার ওপর আরো জোর দিতে হবে। বিভিন্ন গবেষণাসমূহ অনুবাদ করে সেখান থেকে অর্জিত জ্ঞানকে কাজে লাগানোর জন্য রোগীদের কল্যাণে ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিসে প্রয়োগ করা যেতে পারে। </p>
<p>তিনি আরও বলেন, নিজেকে আন্তর্জাতিকমানের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, শিক্ষক ও গবেষক হিসেবে তৈরি করতে হবে এবং এক্ষেত্রে বিএমইউ’র প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরণের সহায়তা করার কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।</p>
<p>সভাপতির বক্তব্যে বিএমইউ’র প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর বলেন, ডিজিটালাইজেশনের যুগে এনালগ থাকার সুযোগ নাই। উন্নতমানের থিসিস, গবেষণাপত্র লেখার জন্য হাতে কলমে প্রশিক্ষণের বিকল্প নাই। সেই বিবেচনায় রেসিডেন্ট ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য আজকের এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচী। আজকের রেসিডেন্টরাই নিজেকে দক্ষ ও যোগ্য এবং বিশ্বমানের চিকিৎসক ও গবেষক হিসেবে তৈরির মাধ্যমে আগামী দিনে দেশের চিকিৎসা শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সেবায় সঠিক নেতৃত্ব দেবেন সেটাই প্রত্যাশিত।</p>
<p>অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বিএমইউ’র পরিচালক (হাসপাতাল) ব্রিগেডিয়ার ইরতেকা রহমান, অতিরিক্ত গ্রন্থাগারিক সুফিয়া বেগম, উপ-গ্রন্থাগারিক সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. নাহিদুজ্জামান সাজ্জাদ প্রমুখ কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/বিএমবিএস/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ন্যাশনাল এআই বিল্ড&#45;এ&#45;থনে বিজয়ী যারা</title>
<link>https://digibanglatech.news/164307</link>
<guid>https://digibanglatech.news/164307</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_696b7fc20f3c1.jpg" length="135299" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 17 Jan 2026 00:29:48 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span>য় কৃষি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, ই-কমার্স ও ফিনটেক এই ৫টি ক্যাটাগরিতে অনুষ্ঠিত হলো</span><span> </span><span>‘ন্যাশনাল এআই বিল্ড-এ-থন’।</span><span> প্রতিযোগিতায় অ্যাগ্রিটেক ক্যাটাগরিতে বিজয়ী হয়েছে দুইটি দল। এদের মধ্যে একটি গরুর খামারে বিভিন্ন ধরনের অটোমেশন সেবা দিয়ে বিজয়ী হয়েছে ‘গরু সেবা’ প্রকল্প। এই প্রকল্প দেখিয়ে প্রতিযোগিতায় সেরা হয়েছে </span><span>ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল একাডেমির কম্পিউটার বিজ্ঞান বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থীদের দল ‘এপিব্রিয়াম’। একই </span><span>ক্যাটাগরিতে আরেক বিজয়ী দলের নাম- ‘জিঞ্জার’। তাদের প্রকল্পের নাম হচ্ছে ‘অ্যাগ্রিসেন্স’। এই প্রযুক্তি সেবার মাধ্যমে এসএমএস ও ভয়েস কলের মাধ্যমে আবহাওয়া ও মাটির বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে তথ্য জানানো যায়।</span></p>
<p><span>এছাড়াও হেলথ টেক ক্যাটাগরিতে বিজয়ী হয়েছে নিঞ্জা এআই। এডটেক ক্যাটাগরিতে বিজয়ী হয়েছে ড্যাফোডিল ইন্টার ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ‘শিক্ষা এআই’ ও রাজশাহী ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী সাবিহা আকতারের ‘লার্নিফাই’। </span></p>
<p><span>রাজধানীর সোবহানবাগের ড্যাফোডিল প্লাজায় ১৬ জানুয়ারি, শুক্রবার অনুষ্ঠিত ন্যাশনাল এআই বিল্ড-এ-থনের আয়োজক মিলিয়নএক্স বাংলাদেশ। এ বিষয়ক </span>সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ন্যাশনাল এআই বিল্ড-এ-থন প্রতিযোগিতায় সারা দেশ থেকে ৩৮৪টি দল নিবন্ধন করলেও প্রাথমিক বাছাইয়ের পর ৬২টি দলের ১৭২ জন উদ্ভাবক চূড়ান্ত পর্বে অংশ নেন। চূড়ান্ত প্রতিযোগিতায় বিজয়ী প্রতিটি দলকে ল্যাপটপ ও ৫০ হাজার টাকা করে অর্থ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।</p>
<p>সমাপনী অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন ড্যাফোডিল গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. সবুর খান ও ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির চ্যান্সেলর ও চেয়ারম্যান আবুবকর হানিফ। উপস্থিত ছিলেন মিলিয়নএক্স বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য প্রযুক্তিবিদ জুনায়েদ কাজী, আনিস রহমান, মুনির হাসান, মোহাম্মদ মাহদী-উজ-জামান এবং আরিফুল হাসান ।</p>
<div id="fd039c9b-f765-4649-9de1-a31b5731e37f">
<div>
<div class="print-adslot adsBox n5kiG">
<div data-lang="বিজ্ঞাপন" class="dfp-ad-unit print-none ">
<div class="adunitContainer">
<div class=" adBox" id="mcanvas1x1-6f0dab78-45d6-4f5c-92bb-b972a5613425-0-0" data-google-query-id="CM7rztXFkpIDFWaQrAId_XU1JA">
<div id="google_ads_iframe_85406138/mCanvas_1x1_0__container__"></div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div id="6b8fe688-3d73-4f55-a734-2ef9d6e23912">
<div class="storyCard eyOoS">
<div class="   
                  story-element">
<div class="story-element story-element-text">
<div>
<p>সমাপনী অনুষ্ঠানে মো. সবুর খান বলেন, ‘আমাদের জীবনের সময় কিন্তু খুবই কম। সবাইকে এই সময়টুকুকে যথাযথভাবে কাজে লাগাতে হবে। জীবনে একটা লক্ষ নির্ধারণ করে এগিয়ে যেতে হবে। একটি জিনিসের প্রতি ফোকাস থাকতে হবে। অনেক কিছু একসঙ্গে করতে গেলে হবে না। জীবনের লক্ষ ও উদ্দেশ্য ঠিক থাকলে তা অর্জিত হবেই।’</p>
<p>আবুবকর হানিফ বলেন, আয়োজকেরা যে উদ্যোগ নিয়েছেন, তা খুবই সময়োপযোগী। আমি উদ্যোক্তাদের ধন্যবাদ জানাই। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি ইনকিউবেশন সেন্টার আছে। যারা আজ এখানে বিজয়ী হবে, তাদের আমরা বিনিয়োগকারী পেতে সেখান থেকে সহযোগিতা করব।</p>
<p>আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বিজয়ীদের এই প্রজেক্টগুলো নিয়ে ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে কাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের।অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) দল ‘NOOB101’ তাদের অনুভূতি ব্যক্ত করে জানায়, “ভার্সিটি জীবনের শেষ পর্যায়ে কোনো সুযোগ হাতছাড়া করতে চাইনি। লিংকড ইনে বিজ্ঞপ্তি দেখে বন্ধুদের নিয়ে চলে আসা। অফলাইনে আয়োজিত এই প্রোগ্রাম থেকে অনেক নতুন আইডিয়া ও মানুষের সাথে পরিচিত হওয়ার সুযোগ মিলেছে।”</p>
<p> চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) দল ‘CUET Mongolchari’ জানায়, বিশ্বজুড়ে এআই-এর যে বিপ্লব চলছে, তার সাথে বাংলাদেশকে যুক্ত করার এই উদ্যোগে শামিল হতে পেরে তারা আনন্দিত। এই আয়োজনে রাজশাহী ক্যান্টমেন্ট বোর্ড স্কুলের ৭ম শ্রেণির শিক্ষার্থী সাবিহা আকতার নিব তার নিজের তৈরি করা ‘AI Tutor’ প্রজেক্ট নিয়ে হাজির হয়। এই প্রজেক্টের সম্ভাব্য কার্যকারিতা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে সাবিহা জানান: “অনেক শিক্ষার্থীকেই কোচিং বা প্রাইভেটে পড়ার জন্য অনেকটা সময় ব্যয় করতে হয়। এছাড়া, একটা বিষয় বার বার বোঝার প্রয়োজন হলেও অনেক সময় সেটা সম্ভব হয় না। এই পরিস্থিতিতে এআই দারুণভাবে সাহায্য করতে পারে। সেই ধারণা থেকে এই প্রজেক্ট তৈরি করা”</p>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div class="print-none oHRqW"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এমইউএম/ইকে</strong></span></em></div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>নোবিপ্রবি সাংবাদিক সমিতির দায়িত্ব হস্তান্তর ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত</title>
<link>https://digibanglatech.news/163950</link>
<guid>https://digibanglatech.news/163950</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_696720401e86a.jpg" length="104884" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 14 Jan 2026 08:49:43 +0600</pubDate>
<dc:creator>ক্যাম্পাস করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (নোবিপ্রবি) সাংবাদিক সমিতির ৬ষ্ঠ কার্যনির্বাহী পরিষদের বিদায় ও ৭ম কার্যনির্বাহী পরিষদের দায়িত্ব গ্রহণ উপলক্ষে ‘গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী গণমাধ্যম: প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও দায়িত্ব হস্তান্তর কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছে।</p>
<p>বিশ্ববিদ্যালয়ের আইকিউএসি কক্ষে ১৩ জানুয়ারি (মঙ্গলবার) বিকেলে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন নোবিপ্রবির উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রেজওয়ানুল হক। তিনি বলেন, “সাংবাদিকতা একটি বড় ও দায়িত্বশীল জায়গা। সাংবাদিকদের ইতিবাচক ও গঠনমূলক সমালোচনার মাধ্যমে প্রশাসনের ভুল ধরিয়ে দেওয়ার আহ্বান করি।” একই সঙ্গে নোবিপ্রবির সমস্যা ও শিক্ষার্থীদের অভিযোগ বারবার তুলে ধরলে প্রশাসন উদ্যোগ নিতে পারবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।</p>
<div id="content-details">
<p>বিশেষ অতিথির বক্তব্যে নোবিপ্রবির কোষাধ্যক্ষ ড. মোহাম্মদ হানিফ (মুরাদ)—জুলাই আন্দোলনে বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিকদের ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ। তবে ফেক নিউজ ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও সমাজের জন্য হুমকি—এ কথা উল্লেখ করে তিনি সংবাদ প্রকাশে সত্যনিষ্ঠার ওপর জোর দেন।</p>
<div>
<div id="div-gpt-ad-1684647258213-0" data-google-query-id="COvw7J2cipIDFdCNrAIdPloatg">
<div id="google_ads_iframe_/401241791/details-inner-a_0__container__"></div>
</div>
</div>
<p>অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন নোবিপ্রবি রিজেন্ট বোর্ডের সদস্য ও শিক্ষা বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর সরকার, বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মহিনুজ্জামান, নোবিপ্রবি সাংবাদিক সমিতির উপদেষ্টা প্রক্টর এ এফ এম আরিফুর রহমান, ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা বিভাগের পরিচালক ড. মোহাম্মদ শিবলুর রহমান এবং আইকিউএসির সহকারী পরিচালক ও শিক্ষা প্রশাসন বিভাগের চেয়ারম্যান জিএম রাকিবুল ইসলাম।</p>
<p>প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সভাপতি মহিউদ্দিন মুজাহিদ মাহি এবং বিশেষ আলোচক হিসেবে নোবিপ্রবি সাংবাদিক সমিতির প্রতিষ্ঠাকালীন আহ্বায়ক মুহাম্মদ নুরুল করিম। আলোচনায় বক্তারা ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী গণমাধ্যমের ভূমিকা ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা করেন।</p>
<div>
<div id="div-gpt-ad-2189815-8" data-google-query-id="COzw7J2cipIDFdCNrAIdPloatg">
<div id="google_ads_iframe_/401241791/risingbd-details-inner-b_0__container__"></div>
</div>
</div>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/আরবি/ ইকে</strong></span></em></p>
<p></p>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>১০ লক্ষ  ‘এআই&#45;নেটিভ’  গড়ে তোলার লক্ষ্যে  ‘মিলিয়নএক্স বাংলাদেশ’ যাত্রা শুরু</title>
<link>https://digibanglatech.news/163920</link>
<guid>https://digibanglatech.news/163920</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_69667b4826190.jpg" length="85909" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 13 Jan 2026 20:06:07 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বিগত দুই দশকে উন্নয়নের মাপকাঠি ইন্টারনেট ও ডিভাইসের প্রাপ্যতা হলেও, আগামী দশকের সাফল্যের মূল চাবিকাঠি হবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) সঠিক ব্যবহার। এই প্রেক্ষাপটে দেশের ১০ লক্ষ নাগরিককে ‘এআই-নেটিভ’ হিসেবে গড়ে তোলার একটি দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ নিয়ে যাত্রা শুরু করছে অলাভজনক প্রতিষ্ঠান ‘মিলিয়নএক্স বাংলাদেশ’। প্রতিষ্ঠানটির লক্ষ্য বিশ্বজুড়ে শুরু হওয়া বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক অর্থনীতির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এবং বাংলাদেশের জনশক্তিকে ১০ গুণ অধিক দক্ষ করে তোলা। </p>
<p>সেই স্বপ্ন নিয়েই আগামী ১৭ জানুয়ারি ঢাকার ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিক-এ ‘জেনেসিস এআই কনফারেন্স’–এর মাধ্যমে শুরু হবে এই উদ্যোগের আনুষ্ঠানিক পথচলা। তবে এর আগের দিন ১৬ জানুয়ারি ঢাকার সোবহানবাগস্থ ড্যাফোডিল প্লাজাতে অনুষ্ঠিত হবে ‘ন্যাশনাল এআই বিল্ড-এ-থন’। নিবন্ধিত ৩৮৪টি দল থেকে নির্বাচিত ৬২টি দল ৫টি ক্যাটাগরিতে এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে।<o:p></o:p></p>
<p>উদ্যোগটির প্রধান উদ্যোক্তা প্রযুক্তিবিদ ড. জুনায়েদ কাজী জানান, "এআই একটি বিশাল ‘এনাবেলার’, যা যেকোনো উদ্যোগকে কয়েক গুণ বিকশিত করতে পারে। আমাদের লক্ষ্য হলো শিশু-কিশোর, শিক্ষক-শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে সরকারি নীতিনির্ধারক—সব স্তরে এআই-কে পৌঁছে দেওয়া, যাতে প্রত্যেকে তাদের কর্মদক্ষতা বহুগুণ বাড়াতে পারেন। প্রতিষ্ঠানটি শিক্ষা, উদ্ভাবন, নীতিনির্ধারণ, শিল্পখাত এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা—এই পাঁচটি ক্ষেত্রে সমন্বিতভাবে কাজ করবে।" ৭ জানুয়ারির ‘জেনেসিস এআই কনফারেন্স’ সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। রেজিস্ট্রেশন করতে হবে <strong><a href="https://millionxbangladesh.org/event/day2" target="_blank" rel="noopener">এই লিংক </a></strong>থেকে।<o:p></o:p></p>
<p>সূত্রমেত, উদ্বোধনী দিনে আয়োজিত ‘জেনেসিস এআই কনফারেন্স’–এর মাধ্যমে দেশীয় মেধা ও বৈশ্বিক অভিজ্ঞতার সমন্বয়ে একটি ‘জাতীয় এআই চার্টার’ প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে। দিনব্যাপী এই আয়োজনে থাকবে কী-নোট সেশন, প্যানেল আলোচনা এবং একাডেমিয়া ও ইন্ডাস্ট্রির যোগসূত্র স্থাপনের বিশেষ সেশন। এতে দেশি-বিদেশি প্রযুক্তিবিদ, নীতিনির্ধারক ও শিল্পনেতৃবৃন্দ উপস্থিত থাকবেন।<o:p></o:p></p>
<p>আয়োজকদের পক্ষ থেকে আনিস রহমান বলেন, "সারা বিশ্বে ছড়িয়ে থাকা বাংলাদেশি এআই বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে দেশের তরুণদের একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক এবং ‘টেন এক্স’ মনন তৈরি করাই আমাদের মূল উদ্দেশ্য।"<o:p></o:p></p>
<p>কনফারেন্সের আগের দিনের আয়োজন বিষয়ে প্রযুক্তিবিদ মোহাম্মদ মাহাদীউজ্জামান জানান, "তরুণদের এআই নিয়ে প্রবল আগ্রহকে উৎপাদনশীলতায় রূপান্তর করতেই এই আয়োজন। বিজয়ীদের আমরা পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় কারিগরি সহায়তা প্রদান করব।"<o:p></o:p></p>
<p>জানাগেছে, ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিক, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ডিপার্টমেন্ট অব ইনোভেশন অ্যান্ড এন্ট্রাপ্রেনিউরশিপ, বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্ক (বিডিওএসএন) ও বিলিয়ন্স ফর বাংলাদেশ। কারিগরি সহযোগিতায় রয়েছে আমাজন ওয়েব সার্ভিসেস (AWS), ক্যারিয়ার ক্যানভাস এবং ভার্সেল ভিজিরো।<o:p></o:p></p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/ এমএম/এমইউএম</strong></span></em></p>
<p class="MsoNormal" style="text-align: justify;">১</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ফ্রিল্যান্সার আইডি ম্যানেজমেন্ট সাইট আসছে: ফয়েজ আহমেদ তৈয়্যব</title>
<link>https://digibanglatech.news/163713</link>
<guid>https://digibanglatech.news/163713</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_6963e885cf56c.jpg" length="39909" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 11 Jan 2026 22:34:58 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<article>
<p>মুক্তপেশাজীবিরা যেন ঘরে বসে নিজে নিজেই জাতীয় ফ্রিল্যান্সার ডেটাবেজে নিজেদের নাম অন্তর্ভূক্ত করতে পারেন সে লক্ষ্যে চালু হচ্ছে ‘ফ্রিল্যান্সার আইডি ম্যানেজমেন্ট’ পোর্টাল। আগামী ১৪ জানুয়ারি ফ্রিল্যান্সার বাংলাদেশ নামের পোর্টালটি উদ্বোধন করা হবে। </p>
<p>দেশের ফ্রিল্যান্সারদের ১১ জানুয়ারি, রবিবার রাতে এই সুখবর দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমেদ তৈয়্যব। নিজের সোশ্যাল হ্যান্ডেলে তিনি লিখেন, দেশের প্রথম ফ্রিল্যান্সার আইডি ম্যানেজমেন্ট সাইটের ভিএপিটি সম্পন্ন হয়েছে, আজ রিপোর্ট হাতে পেয়েছি। আগামী মঙ্গলবার শুভ উদ্বোধন।</p>
<article>এর আগে টপ রেটেড ফ্রিল্যান্সার ও আপওয়ার্ক বাংলাদেশ গ্রুপের অ্যাডমিন কাজী মামুনসহ অনেক ফ্রিল্যান্সারই অভিযোগ করেছিলেন, ‘ভুঁইফোড়’ সংগঠন বাংলাদেশ ফ্রিল্যান্সার ডেভেলপমেন্ট সোসাইটির (বিএফডিএস) আইডি কার্ড না নেওয়ায় ব্যাংকিং সেবা গ্রহণে বিভিন্ন ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন ফ্রিল্যান্সাররা। তাদের অভিযোগ স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশ ব্যাংক এবং ব্র্যাক ব্যাংকসহ বিভিন্ন ব্যাংকিং তথ্য হালনাগাদ করতে গেলে তারা ফ্রিল্যান্সার আইডি কার্ড নামের একটি সনদ চায়। এই কার্ড ছাড়া ভেরিফিকেশন করার পন্থা জিজ্ঞেস করলে তারা জানায়, এই কার্ড থাকা বাধ্যতামূলক। পরবর্তী সময়ে এ সংক্রান্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা চাওয়া হলে তারা দেখাতে ব্যর্থ হয় এবং স্বীকার করে ফ্রিল্যান্সার আইডি কার্ড থাকা বাধ্যতামূলক নয়। ফ্রিল্যান্সার আইডি কার্ড মূলত পুরোটাই ব্যক্তিগত সার্থ সিদ্ধির জন্য একটি মহল চালু করেছিল। দেশে রেমিট্যান্স নিয়ে আসার প্রক্রিয়া সহজ না করে কঠিন করে তুলছে এই সব অহেতুক সনদ। ফ্রিল্যান্সারদের ব্যাংকিং খাত দুর্নীতিমুক্ত করা হোক এবং এ ধরনের ‘ভুঁইফোড়’ সংগঠনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানায় এক দল ফ্রিল্যান্সার। </article>
<article></article>
<article>ফ্রিল্যান্সারা পেমেন্ট গেটওয়ে আরও সহজ করতে আন্তর্জাতিক পেমেন্ট গেটওয়ে পেপালের দাবি জানানোর মধ্যে দেশে ফ্রিল্যান্সার আইডি ম্যানেজমেন্ট সাইটের ঘোষণা দিলেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষ সহকারী। তিনি জানিয়েছেন, ওয়েবসাইটে অন্তর্ভুক্তির জন্য কোনো চার্জ নেওয়া হবে না।
<article>
<article></article>
</article>
<article>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a"></div>
</article>
</article>
<article>অপরদিকে এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে সাধারণ ফ্রিল্যান্সাররা বলছেন, এ ওয়েবসাইট থেকে ফ্রিল্যান্সারদের সনাক্ত করা সহজ হবে। এতে কারও একক আধিপত্য থাকবে না। স্বচ্ছতা বাড়বে। এটার জন্য অপেক্ষায় আছে অনেক ব্যাংক। আইডি সংক্রান্ত জটিলতার কারণে ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট, ভিসা আবেদনসহ ঝামেলা পোহাতে হচ্ছে। এটি চালু হলে সেই সমস্যার সমাধান হবে। </article>
<article><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/আইএইচ/এমইউএম</strong></span></em></article>
<article>
<article><br> </article>
</article>
</article>
<div ad-position="desktop-details-section-5" class="ads mb-2 d-flex justify-content-center ad-728x90" ad-id="69">
<div class="desktop-ads">
<div>
<div id="gpt-ad-desktop-details-section-5-69-0" data-google-query-id="CJKKoYuIhJIDFYqNrAIdPc0y_g"></div>
</div>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ইউনেট ও ইয়ুথ হাব&#45;এর মধ্যে সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর</title>
<link>https://digibanglatech.news/163661</link>
<guid>https://digibanglatech.news/163661</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_69639eee67d99.jpg" length="90818" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 11 Jan 2026 15:59:55 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>যুবদের দক্ষতা উন্নয়ন ও টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে যৌথভাবে কাজ করার লক্ষ্যে ইয়ুথ আপস্কিল নেটওয়ার্ক – ইউনেট এবং ইয়ুথ হাব, মালয়েশিয়া-এর মধ্যে একটি সমঝোতা চুক্তি (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী, উভয় প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণ কর্মসূচি পরিচালনা করবে। বিশেষ করে সফট স্কিলস, স্টেম (STEAM) শিক্ষা ব্যবস্থা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার (IoT) এবং চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের দক্ষতা উন্নয়ন বিষয়ে যুবসমাজ ও উদ্যোক্তাদের মধ্যে সচেতনতা তৈরিতে উভয় পক্ষ একসঙ্গে কাজ করবে। কোডিং-এর মৌলিক বিষয়গুলো শেখানো, শিক্ষার্থীদের স্কুলজীবন থেকেই কম্পিউটার শিক্ষার প্রতি আগ্রহী করে তোলা এবং প্রোগ্রামিং দক্ষতা উন্নয়নে বিভিন্ন উদ্যোগ নেবে।</p>
<p>কুয়ালালুমপুরে অবস্থিত ইয়ুথ হাব-এর মালয়েশিয়া কার্যালয়ে শনিবার (১০ জানুয়ারি) আনুষ্ঠানিকভাবে এই চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়।চুক্তির আওতায় উভয় প্রতিষ্ঠান জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিভিন্ন কার্যক্রম যৌথভাবে বাস্তবায়ন করবে এবং নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের অভিজ্ঞতা ও সক্ষমতা কাজে লাগিয়ে যুব উন্নয়নে কাজ করবে।</p>
<p>সমঝোতা চুক্তিতে ইয়ুথ আপস্কিল নেটওয়ার্ক – ইউনেট-এর পক্ষে সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মাদ আলতামিশ নাবিল এবং ইয়ুথ হাব-এর পক্ষে সহ-প্রতিষ্ঠাতা পাভেল সারওয়ার স্বাক্ষর করেন।</p>
<p>এসময় জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সচেতনতামূলক কর্মসূচি, কর্মশালা, শিক্ষা ও সনদ প্রদান কার্যক্রম, এবং শিশু-কিশোরদের অংশগ্রহণে প্রযুক্তিভিত্তিক হ্যাকাথন আয়োজনের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।</p>
<p>প্রসঙ্গত, ইয়ুথ আপস্কিল নেটওয়ার্ক – ইউনেট একটি বাংলাদেশভিত্তিক বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্ম, যা লক্ষ্যভিত্তিক দক্ষতা উন্নয়ন, নেতৃত্ব বিকাশ এবং আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্কিংয়ের মাধ্যমে যুবদের ক্ষমতায়নে কাজ করে। অপরদিকে, ইয়ুথ হাব একটি বৈশ্বিক যুবনেতৃত্বাধীন সংগঠন, যা প্রযুক্তি শিক্ষা, ওয়েলনেস, জেন্ডার সমতা, সামাজিক উদ্ভাবন, উদ্যোক্তা উন্নয়ন ও কমিউনিটি ডেভেলপমেন্টে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এএন/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>নুরকে বহিষ্কারের বিজ্ঞপ্তি ভুয়া</title>
<link>https://digibanglatech.news/163471</link>
<guid>https://digibanglatech.news/163471</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_69612c40a1e3e.jpg" length="84374" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 09 Jan 2026 20:26:54 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div>
<p><span>আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আসন সমঝোতা ইস্যুতে চাপে পড়েছে গণঅধিকার পরিষদ। বিএনপির সঙ্গে একটি আসনে সমঝোতা হলেও তা মেনে নিতে পারছে না দলের বড় অংশই। এ সিদ্ধান্ত ঘিরে দলটির ভেতরে দেখা দিয়েছে তীব্র মতবিরোধ। পাল্টাপাল্টি বিবৃতি, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ এবং বহিষ্কারের ঘটনাও সামনে এসেছে। এ অবস্থায় দল থেকে সভাপতি নুরুল হক নুরকে কারণ দর্শানোর নোটিশ ও সাময়িক অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে বলে একটি প্রেসবিজ্ঞপ্তি নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। </span></p>
<p>তবেপ্রেস বিজ্ঞপ্তি ভুয়া বলে নিশ্চিত করেছেন এতে সই করা সাধারণ সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) হাসান আল মামুন। তিনি বলেন, এই ভুয়া বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সংগঠনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।</p>
<p>৯ জানুয়ারি, শুক্রবার সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক অডিও বার্তায় ওই প্রেসবিজ্ঞপ্তি বিষয়ে হাসান আল মামুন বলেন, “বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আমার স্বাক্ষরযুক্ত একটি প্রেস রিলিজ ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, যেখানে দাবি করা হয়েছে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরকে কারণ দর্শানোর নোটিশ ও সাময়িক অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। এ প্রেস রিলিজটি সম্পূর্ণ ভুয়া ও বানানো।”</p>
<div>
<p>তিনি আরও বলেন, “ওই বিজ্ঞপ্তিতে আমার স্বাক্ষর নকল করা হয়েছে। অন্য কোনো নথি থেকে কপি করে দলের প্যাডে বসানো হয়েছে। এটি আমাদের পক্ষ থেকে প্রকাশ করা হয়নি।”</p>
<p>ভুয়া বিজ্ঞপ্তি নিয়ে বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ জানিয়ে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক বলেন, “এটি একটি পরিকল্পিত চক্রের কাজ। যারা এটি করছে তারা গণঅধিকার পরিষদের কেউ নয়। তৃতীয় কোনো পক্ষ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এসব গুজব ছড়াচ্ছে।”</p>
<p>এদিকে, বিএনপির সঙ্গে আসন সমঝোতা ইস্যুকে কেন্দ্র করে গণঅধিকার পরিষদের ভেতরে সাম্প্রতিক সময়ে অসন্তোষ ও টানাপোড়েন প্রকাশ্যে এসেছে। দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে সভাপতির আসন সমঝোতার অভিযোগ, দপ্তর সম্পাদকের স্বাক্ষরে প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ এবং পরবর্তীতে তাকে সাময়িক অব্যাহতির ঘটনাকে ঘিরে বৃহস্পতিবার দিনভর নানা নাটকীয়তা দেখা যায়।</p>
<p>এ বিষয়ে গণঅধিকার পরিষদের উচ্চতর পরিষদ সদস্য ও গণমাধ্যম সমন্বয়ক আবু হানিফ বলেন, “পটুয়াখালী-৩ আসন (গলাচিপা-দশমিনা) থেকে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের ট্রাক প্রতীকের পক্ষে ব্যাপক জনসমর্থন তৈরি হওয়ায় একটি গোষ্ঠী ঈর্ষান্বিত হয়ে পরিকল্পিতভাবে গুজব ছড়াচ্ছে।” তিনি সকলকে কোনো ধরনের গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বান জানান।</p>
<p>দলীয় সূত্র জানায়, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে গণঅধিকার পরিষদকে ঘিরে সাম্প্রতিক এসব বিভ্রান্তিকর তথ্য রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে। তবে দলীয়ভাবে যাচাই ছাড়া কোনো তথ্য প্রচার না করার জন্য গণমাধ্যমকর্মী ও সাধারণ জনগণের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এফবিও/ইকে</strong></span></em></p>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>রামগঞ্জের ১১১ শিক্ষার্থীকে বৃত্তি দিল স্মার্ট টেকনোলজিস</title>
<link>https://digibanglatech.news/163187</link>
<guid>https://digibanglatech.news/163187</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_695dd9f7e6af4.jpg" length="140825" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 06 Jan 2026 19:59:41 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>লক্ষ্মীপুর জেলার রামগঞ্জ উপজেলার ১১১ জন মেধাবী শিক্ষার্থীকে বৃত্তি প্রদান করেছে দেশের শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান স্মার্ট টেকনোলজিস (বিডি) লিমিটেডের সহযোগী প্রতিষ্ঠান স্মার্ট একাডেমি ও স্মার্ট ফাউন্ডেশন। ৬ জানুয়ারি, মঙ্গলবার স্মার্ট একাডেমি প্রাঙ্গনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এ বৃত্তি প্রদান করা হয়।<o:p></o:p></p>
<p>অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্মার্ট টেকনোলজিস (বিডি) লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম। তিনি শিক্ষার্থীদের হাতে বৃত্তির চেক, সার্টিফিকেট ও উপহার সামগ্রী তুলে দেন।<o:p></o:p></p>
<p>বৃত্তিপ্রাপ্তদের মধ্যে পঞ্চম শ্রেণির ৭৮ জন ও অষ্টম শ্রেণির ৩৩ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। মোট ৫ লক্ষ টাকা নগদ বৃত্তির পাশাপাশি প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে একটি সার্টিফিকেট এবং প্রযুক্তি বিষয়ক একটি বই উপহার দেওয়া হয়। এছাড়া দুটি ক্যাটাগরিতে শীর্ষ তিনজন মেধাবী শিক্ষার্থীর মধ্যে বিশেষ পুরস্কার হিসেবে ২টি ল্যাপটপ, ২টি ট্যাবলেট পিসি ও শিক্ষা উপকরণের একটি বান্ডেল প্রদান করা হয়।<o:p></o:p></p>
<p>অনুষ্ঠানে মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম বলেন, “গত ১২ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে রামগঞ্জ উপজেলার ৯৫টি স্কুল থেকে প্রায় সাত শতাধিক শিক্ষার্থী আমাদের বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। কঠোর ও স্বচ্ছ মূল্যায়নের মাধ্যমে মেধার ভিত্তিতে ১১১ জন শিক্ষার্থীকে বৃত্তির জন্য নির্বাচন করা হয়েছে।”<o:p></o:p></p>
<p>স্মার্ট একাডেমির অধ্যক্ষ শেখ মাহবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রামগঞ্জ উপজেলা একাডেমিক এডভাইজার শরিফুল্লাহ আশ শামস, রামগঞ্জ উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার মো. সাইফুল ইসলাম এবং স্মার্ট ডিস্ট্রিবিউশনের চেয়ারম্যান খায়রুল বাশার সেলিম।<o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal" style="text-align: justify;">অনুষ্ঠানে বক্তারা শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় আরও মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান এবং শিক্ষার প্রসারে স্মার্টের এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।<span style="font-size: 12.0pt; line-height: 107%;"><o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এমআরএম/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>‘ফিউচারনেশন’ কর্মসূচিতে যুক্ত হলো ইউআইটিএস</title>
<link>https://digibanglatech.news/163186</link>
<guid>https://digibanglatech.news/163186</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_695dd84e07d88.jpg" length="109342" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 06 Jan 2026 17:52:26 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div jslog="20277; u014N:xr6bB; 1:WyIjdGhyZWFkLWY6MTg1MzU1MjEwNDE5Mzc3MTczNiJd; 4:WyIjbXNnLWY6MTg1MzU1MjEwNDE5Mzc3MTczNiIsbnVsbCxudWxsLG51bGwsMSwwLFsxLDAsMV0sMjc0LDIyMjQsbnVsbCxudWxsLG51bGwsbnVsbCxudWxsLDEsbnVsbCxudWxsLFswXSxudWxsLG51bGwsbnVsbCxudWxsLG51bGwsbnVsbCwwLDBd" id=":p0">
<div id=":oz">
<div id="avWBGd-23">
<div dir="ltr">
<div dir="ltr">ফিউচারনেশন হলো জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি), বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) এবং গ্রামীণফোনের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত ‘ফিউচারনেশন’ কর্মসূচিতে যুক্ত হয়েছে ইউনিভার্সিটি অব ইনফরমেশন টেকনোলজি অ্যান্ড সায়েন্সেস (ইউআইটিএস)।</div>
<div dir="ltr"></div>
<div dir="ltr">৬ জানুয়ারি মঙ্গলবার রাজধানীর বারিধারায় বিশ্ববিদ্যালয়টির সম্মেলন কক্ষে কর্মসূচির বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন ফিউচারনেশনের ট্রেনিং কো-অর্ডিনেশন অফিসার খন্দকার আবির হোসেন নূর এবং ভলেন্টিয়ার ম্যানেজমেন্ট অ্যাসোসিয়েট বিবেকানন্দ দাস।</div>
<div dir="ltr"> </div>
<div dir="ltr">ইউআইটিএস-এর ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসিউরেন্স সেল (আইকিউএসি)-এর উদ্যোগে ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আবু হাসান ভূঁইয়া, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সিরাজ উদ্দিন আহমেদ, রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ কামরুল হাসান, আইকিউএসি পরিচালক প্রকৌশলী মো. সাফায়েত হোসেন, ক্যারিয়ার কাউন্সেলিং অ্যান্ড প্লেসমেন্ট সেন্টারের পরিচালক ফারহানা রহমান সুমি, আইকিউএসি-এর অতিরিক্ত পরিচালক শামিমা আক্তার এবং ছাত্রকল্যাণ উপদেষ্টা শুভ দাসসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও শিক্ষকেরা।<br><br>অনুষ্ঠানে জানানো হয়,  শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে তরুণ গ্র্যাজুয়েটদের ভবিষ্যৎ কর্মসংস্থানের জন্য প্রস্তুতির মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করাই এই কর্মসূচির লক্ষ্য। ইতিমধ্যেই ্েই উদ্যোগের আওতায় সারা দেশের ৭৫টি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক হাজার ৫০০ জন শিক্ষার্থী ও শিক্ষক এক বছরের জন্য হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অনলাইন কোর্সে অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন। কোর্সগুলোতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), মেশিন লার্নিং, ডেটা সায়েন্স, সাইবার সিকিউরিটি ও অন্যান্য আধুনিক প্রযুক্তি বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।পাশাপাশি মানবসম্পদ উন্নয়ন, ব্রিটিশ কাউন্সিলের সহায়তায় বিজনেস ও সোশ্যাল ইংলিশ, ডিজিটাল স্কিল ডেভেলপমেন্ট, ফ্রিল্যান্সিং দক্ষতা উন্নয়ন, এমপ্লয়েবিলিটি মাস্টারক্লাস, ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজি লিডারশিপ, উদ্যোক্তা উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থান সহায়তামূলক কার্যক্রমও এতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।</div>
<div dir="ltr"><strong>ডিবিটেক/এসএইচ/ইকে</strong></div>
<div></div>
<div></div>
</div>
<div></div>
</div>
</div>
</div>
<div id=":pb"></div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>এনইআইআর ইস্যুতে মুখোমুখি বিটিআরসি’র কমিশনার ও মহাপরিচালক</title>
<link>https://digibanglatech.news/162967</link>
<guid>https://digibanglatech.news/162967</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_695b24810d256.jpg" length="86704" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 05 Jan 2026 06:23:13 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>মোবাইল হ্যান্ডসেটের অবৈধ আমদানি ও ব্যবহার, হ্যান্ডসেট চুরি ও অবৈধ হ্যান্ডসেটের মাধ্যমে সংগঠিত বিভিন্ন অপরাধ প্রতিরোধ এবং সরকারের রাজস্ব নিশ্চিতের লক্ষ্যে ১ জানুয়ারি থেকে চালু হয়েছে ন্যাশনাল ইক্যুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) সিস্টেম। নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি’র মাধ্যমে সিস্টেমটি চালু পরবর্তীতে মোবাইল হ্যান্ডসেটের রিটেইল ব্যবসায়ীদের মাঝে অসন্তোষ পরিলক্ষিত হচ্ছে। যদিও এ নিয়ে ইতোমধ্যে বেশ কয়েকবার মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি অফ বাংলাদেশ এর প্রতিনিধিদের সাথে বিটিআরসির কার্যালয়ে কয়েকদ দফা আলোচনা  হয়েছে। ওই আলোচনায়  ব্যবসায়িক কমিউনিটির পক্ষ থেকে কিছু দাবি উথাপিত হয় । সেসব দাবি কতটা আমালে নিয়েছে বিটিআরসি? এছাড়াও চালুর পর বিভিন্ন সমস্যার কথা জানিয়েছেন গ্রাহক। সেই সমস্যার সমাধান কতদূর? এমন নানা প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন  বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের স্পেকট্রাম বিভাগের কমিশনার<strong> মাহমুদ হোসেন</strong> এবং মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল <strong>মোঃ আমিনুল হক</strong>।  </p>
<p><strong>প্রশ্নঃ এনইআইআর চালুর পর অনেক গ্রাহকই একই এনআইডিতে অধিক সংখ্যক সচল সিম বা অনেকগুলো ফোন নিবন্ধন দেখতে পারছেন। অথচ তারা এতোগুলো ফোন ব্যবহারই করেননি। এটা কেন? </strong></p>
<p>উত্তরঃ এনইআইআর চালুর পর বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া এবং পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত নিম্নোলিখিত বেশ কয়েকটি বিষয় বিটিআরসির নজরে এসেছে। এর মধ্যে এই প্রশ্নটি আমরাও জেনেছি। আসলে এনইআইআর সিস্টেমে একজন গ্রাহকের এ যাবত কালের সকল Historic ডেটা সংরক্ষিত আছে, তাই এ ধরনের সংখ্যা পরিলক্ষিত হচ্ছে। বিটিআরসি এবং মোবাইল অপারেটররা যৌথভাবে এই নিয়ে কাজ করছে যেন একজন গ্রাহক শুধুমাত্র বর্তমানে সচল হ্যান্ডসেটের তথ্য দেখতে পারেন। আশা করা যাচ্ছে, ক্রমান্বয়ে এ ধরনের সমস্যা সমূহ কমে আসবে।  বস্তুত, এখন একজন গ্রাহক এনইআইআর-এ তাদের অনুকূলে অনেক অবৈধ/ Unstructured(অসংগঠিত) আইএমইআই (IMEI) নাম্বার দেখতে পাচ্ছেন। বিষয়টি ক্লোন/কপি/ব্যবহৃত (used)/রিফারবিসড মোবাইল হ্যান্ডসেট ব্যবহারের ফলে পরিলক্ষিত হচ্ছে। এই ধরনের আইএমইআই যেন ভবিষ্যতে নেটওয়ার্কে সংযুক্ত হতে না পারে তা এনইআইআর সিস্টেম চালুকরণের অন্যতম একটি উদ্দেশ্য।</p>
<p><strong>প্রশ্নঃ এনইআইআর চালুর পর সিটিজেন পোর্টালে রেজিস্ট্রেশনের সময় মোবাইল অপারেটর থেকে One Time Password (OTP) আসতে বিলম্ব হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এটা কেন হচ্ছে? </strong></p>
<p>উত্তরঃ স্বল্প সময়ে অনেক Registration Request আসার ফলে কিছু গ্রাহক এই বিলম্বের সম্মুখীন হচ্ছেন। এটা মোবাইল অপারেটরদের EIR ব্যবস্থাপনার অংশ। বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যে বিটিআরসি থেকে সংশ্লিষ্ট সকল মোবাইল অপারেটরকে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।</p>
<p><strong>প্রশ্নঃ অনেক গ্রাহক তাদের তথ্যের নিরাপত্তা অর্থাৎ তথ্য চুরির বিষয়ে আশংকা প্রকাশ করছেন। এটা কিভাবে দেখছেন?</strong></p>
<p>উত্তরঃ এক্ষেত্রে, বিটিআরসির পক্ষ থেকে সকলকে আশ্বস্ত করা হচ্ছে যে, সকল গ্রাহকের সকল তথ্য সিকিউরড তথা নিরাপদ রয়েছে। একজন গ্রাহক কেবল তার নিজস্ব তথ্য দেখতে পারবেন, অন্য কেউ দেখতে পারবেন না।সর্বোপরি, এনইআইআর চালুর পরবর্তী সময়ে অধিক গ্রাহকের জিজ্ঞাসা (Call/Query) একই সাথে আসার ফলে গ্রাহকগণ যে সকল বিষয়ে সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন তা অতি দ্রুতই সমাধান হবে বলে আশা করা যাচ্ছে। এছাড়া, গ্রাহকের যে কোন সমস্যা বা জিজ্ঞাসা সংশ্লিষ্ট মোবাইল অপারেটরের কাস্টমার কেয়ার অথবা বিটিআরসির হটলাইন নাম্বার “১০০” তে জানানোর অনুরোধ জানানো যাচ্ছে। দ্রুততম সময়ে সমস্যা সমাধান করা হবে।</p>
<p><strong>প্রশ্নঃ এনইআইআর চালুর বিপক্ষে যারা অবস্থান নিয়েছেন তাদের অন্যতম দাবি ছিলো- মোবাইল ফোন আমদানির প্রক্রিয়া সহজ করা ও আমদানি শুল্ক কমানো। তা কতটা আমলে নেয়া হয়েছে?</strong></p>
<p>জাবাবঃ এ বিষয়ে ইতোমধ্যে বিটিআরসি থেকে জানানো হয়েছে যে, মোবাইল ফোন আমদানির জন্য বর্তমানে যে প্রক্রিয়া রয়েছে এবং কাগজপত্র দাখিল করতে হয় তা শিথিল করা হবে। স্বল্প সময়ের মধ্যে ভেন্ডর এনলিষ্টমেন্ট সনদ প্রদান করা হবে। মোবাইল হ্যান্ডসেট আমদানির জন্য মোবাইল ফোনের অরিজিনাল উৎপাদনকারীর সার্টিফিকেটের বাধ্যবাধকতার পরিবর্তে যেকোনো অথরাইজড ডিলারের ডকুমেন্টস দাখিল সাপেক্ষে হ্যান্ডসেট আমদানি করা যাবে। গ্রাহক স্বার্থ রক্ষা অর্থাৎ হ্যান্ডসেটের বিক্রয় পরবর্তী সেবা প্রাপ্তির লক্ষ্যে ন্যূনতম এই সার্টিফিকেট দাখিল করা প্রয়োজন। </p>
<p>অপরদিকে বিগত ১ বছরের অধিক সময়ে বেশ কয়েকবার ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় এবং বিটিআরসির পক্ষ থেকে মোবাইল হ্যান্ডসেট আমদানি শুল্ক হ্রাসকরণের জন্য এনবিআরসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাসমূহকে জানানো হয়। যার পরিপ্রেক্ষিতে ইতোমধ্যে মোবাইল হ্যান্ডসেটের শুল্ক সরকার কর্তৃক উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমানো হয়েছে। পূর্বে আমদানির ক্ষেত্রে প্রায় ৬১% শুল্ক ছিল, বর্তমানে তা কমিয়ে প্রায় ৪৩% করা হয়েছে। </p>
<p><strong>প্রশ্নঃ বর্তমানে ব্যবসায়ীদের কাছে অবিক্রিত/স্থিত হ্যান্ডসেট রয়েছে সেগুলোর কি হবে?</strong></p>
<p>জবাবঃ এ বিষয়ে ব্যবসায়ীদের আগেই জানানো হয়েছে। অবিক্রিত/স্থিত হ্যান্ডসেট সমূহকে নেটওয়ার্কে আত্তীকরণ রাখতে  নামমাত্র শুল্ক প্রদান করে কোন কাগজ ব্যতিরেকে অবিক্রিত/স্থিত হ্যান্ডসেটের আইএমইআই নেটওয়ার্কে সংযুক্ত করা হচ্ছে। এমনকি যে সকল হ্যান্ডসেটের আমদানির কার্যক্রম চলমান রয়েছে সেগুলো নেটওয়ার্কে আত্তীকরণ করা হবে। আসলে সাতটি প্রতিষ্ঠান ইতিমধ্যে তাদের অবিক্রিত ফোনের আইএমইআই এর তালিকা প্রদান করেছে। কিছু প্রতিষ্ঠান দেয়নি তাদেরকে হয়তো ভুল বোঝানো হচ্ছে অথবা তাদের বাধা দেয়া হচ্ছে। </p>
<p><strong>প্রশ্নঃ ব্যবসায়ীরা চান, স্বল্পে মূল্যে গ্রাহকের কাছে হ্যান্ডসেট তুলে দিতে পুরনো মোবাইল হ্যান্ডসেট আমদানির করতে দিতে হবে...  </strong></p>
<p>জবাবঃ পুরনো হ্যান্ডসেট আমদানি অনুমোদনের বিষয়টি বিটিআরসির আওতাভুক্ত নয়। এক্ষেত্রে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমতির প্রয়োজন । বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পুরনো পণ্য আমদানির তালিকাতে মোবাইল হ্যান্ডসেটের নাম উল্লেখ নেই। মোবাইল হ্যান্ডসেটের মানের ওপর সেবার গুণগত মান নির্ভরশীল, তাই হ্যান্ডসেট ব্যবহারের মাধ্যমে কাঙ্খিতমানের সেবা প্রাপ্তির জন্য হ্যান্ডসেটের গুণাগুণ নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পুরনো হ্যান্ডসেটসমূহ কি পর্যায়ে রয়েছে বা কোন কোয়ালিটিতে আমদানি হচ্ছে তা যাচাই করা সম্ভব হয়না। তাই পুরনো যেকোনো হ্যান্ডসেট ক্রয়ে গ্রাহকের প্রতারিত হওয়ার আশংকা থাকে। </p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এমইউএম</strong></span></em></p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>এনইআইআর এর নামে ফিশিং সাইট!</title>
<link>https://digibanglatech.news/162921</link>
<guid>https://digibanglatech.news/162921</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_695a6ab5758e9.jpg" length="50789" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 04 Jan 2026 18:02:02 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেনটিটি রেজিস্ট্রার (এনইআইআর) এর নামে ফিশিং ওয়েবসাইট পেয়েছে বাংলাভিশন। এনইআইআর এর অফিসিয়াল <a href="https://digibanglatech.news/admin/neir.btrc.gov.bd" target="_blank" rel="noopener">ওয়েব ঠিকানা</a> জাল করে ডটকম ডোমেইনে তৈরি ওয়েবসাইটটির ইউআরএল হচ্ছে neribtrc.com।</p>
<p>৪ জানুয়ারি এই ফিশিং ওয়েব সাইটটির ভিজিটে দেখা যায়, সেখানে রেজিস্টার, লগইন এবং চেক স্ট্যাটাস নাউ অপশন রয়েছে। স্ট্যাটাস নাউ অপশনে র‌্যান্ডম ১৫ সংখ্যা বসিয়ে ক্লিক দিলে বিটিআরসির অফিসিয়াল পেইজে নিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু রেজিস্টার বা লগইন বাটনে ক্লিক দিলে জুয়ার বিভিন্ন সাইটে রি-ডাইরেক্ট করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। </p>
<p>এ ধরনের ফিশিং সাইট দ্রুতই বন্ধ করার কথা জানিয়েছেন <span>বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)’র চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অবঃ) এমদাদ উল বারী।</span></p>
<p><span> অপরদিকে এসব সাইটে লুকিয়ে থাকা ম্যালিশিয়াস লিঙ্কে ক্লিকের মাধ্যমে ব্যক্তিগত তথ্য বেহাত, সিস্টেম আক্রান্ত হওয়ার মতো ঘটনা ঘটতে পারে বলে সতর্ক করেছেেন সাইবার বিশেষজ্ঞরা।</span></p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এসইবিভি/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ফাতেমার সঙ্গে তারেক রহমানের ছবি এআই দিয়ে তৈরি</title>
<link>https://digibanglatech.news/162823</link>
<guid>https://digibanglatech.news/162823</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_69594b32688a8.jpg" length="99529" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 03 Jan 2026 20:11:08 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ডাইনিং টেবিলে বসে তারেক রহমানের পরিবারের সঙ্গে খাবার খাচ্ছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার দীর্ঘদিনের সঙ্গী গৃহকর্মী ফাতেমা বেগম। নেটদুনিয়ায় এমন একটি ছবিযুক্ত পোস্ট বেশ ভাইরাল হয়েছে। তবে অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে ছবিটি এআই দিয়ে তৈরি। </p>
<p>রিভার্স ইমেজ সার্চ করে দেখা গেছে,  ‘12মায়া বিনোদন’ নামের একটি ফেসবুক পেজ থেকে ২ জানুয়ারি দুপুরে প্রথম প্রকাশ করা হয়। মূল ছবিটির এক কোণে এআই দিয়ে তৈরি লেখা থাকলেও এই লেখা কেটে এমনকি লেখা থাকার পরও তা বাস্তব দাবিতেই প্রচার করছেন অনেকে। অনেকেই ছবিটি ফেসবুকে শেয়ার দিয়ে লিখছেন, তারেক রহমান কি মহান মানুষ দেখছেন। তিনি তাঁর পরিবারের সঙ্গে ফাতেমাকে নিয়ে খাবার খাচ্ছেন। বোনের স্বীকৃতি দিয়েছেন। ছবিতে এআই সংক্রান্ত তথ্যের অংশটি কেটে, এমনকি লেখা থাকার পরও তা বাস্তব দাবিতেই প্রচার করছেন অনেকে। দায়িত্বশীল অনেক ব্যক্তিকেও ছবিটি ফেসবুকে পোস্ট করতে দেখা গেছে।</p>
<p data-block-key="1dq7h">৩ জানুয়ারি, শনিবার সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত পোস্টটিতে প্রায় ৮৫ হাজার রিঅ্যাকশন  এবং ৯ হাজার ২০০-এর বেশি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে শেয়ার করতে দেখা গেছে। এরপর কয়েকটি ইউটিউব চ্যানেল (<a href="https://www.youtube.com/shorts/n2RW8akPm5Y" rel="nofollow noopener">১</a>,<a href="https://www.youtube.com/shorts/k2fef66WXL0" rel="nofollow noopener">২</a>) একই ধরনের দাবিতে ভিডিও বানিয়ে পোস্ট দেয়া হয়েছে।</p>
<p data-block-key="53o2k">পর্যবেক্ষণে ছবিটিতে কয়েকটি অসঙ্গতি স্পষ্ট। প্রথমত, ছবিতে দেখা যাচ্ছে খাবার পরিবেশন করা হয়েছে স্টিলের থালায় ‘ইন্ডিয়ান থালি/বোল’ স্টাইলে, যা সাধারণত ভারতীয় ডাইনিং সেটআপের সঙ্গে বেশি সামঞ্জস্যপূর্ণ।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x_69594b31512b3.jpg" alt=""></p>
<p data-block-key="1k7qo">দ্বিতীয়ত, উপস্থিত ব্যক্তিদের পোশাক একেকজনের একেক ধরনের উপলক্ষ বা সেটিংয়ের (অফিস আইডিসহ কোট, আনুষ্ঠানিক ওড়না, ফরমাল ব্লেজার)। বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের এক<a href="https://archive.ph/FqIWj" rel="nofollow noopener"><span> </span>প্রতিবেদনে</a><span> </span>তারেক রহমান, তাঁর স্ত্রী জুবাইদা রহমান ও মেয়ে জাইমা রহমানের ছবির পোশাকের সঙ্গে খাবার টেবিলের প্রচারিত ছবির মিল পাওয়া যায়।</p>
<p><span>ছবিটি ভাইরাল হওয়ার পর ‘12মায়া বিনোদন’ নামের পেজটি থেকে একইদিন তাদের একই পোশাকের আরো দুইটি এআই ছবি প্রকাশ করা হয়। এর একটি <a href="https://archive.ph/cg8mP" target="_blank" rel="noopener">এখানে </a>অপরটি দেখুন <strong><a href="https://archive.ph/1xNbx" target="_blank" rel="noopener">এখান </a></strong>থেকে।   </span></p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x_695949f9d8dc6.jpg" alt=""></p>
<p>কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সহায়তায় তৈরি কনটেন্ট শনাক্তকারী টুল ‘হাইভ মডারেশন’, ‘ডিপফেক-ও-মিটার’সহ একাধিক টুল ব্যবহার করে এটি এআই দিয়ে তৈরি বলে নিশ্টিত হওয়া গেছে।  হাইভ মডারেশনে দেখা যায়, ছবিটি এআই দিয়ে তৈরির সম্ভাবনা ৭২ দশমিক ২ শতাংশ।  ডিপফেক-ও-মিটার বলছে, কমপক্ষে ৮৪ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ ৯৮ শতাংশ পর্যন্ত এআই জেনারেটেড সম্ভাবনা আছে। </p>
<p>ভাইরাল হওয়া দ্বিতীয় ছবি যেখানে তারেক রহমান ফাতেমার মাথায় হাত রেখে দোআ করছে বলছে ওই ছবিটিও আসল নয়। ‘হাইভ মডারেশন’ এ দেখা গেছে, এটি ৯৭ দশমিক ২ শতাংশ ক্ষেত্রেই এআই দিয়ে তৈরি। একইসঙ্গে ওই ছবিটি ব্যবহার করে এ নিয়ে ইউটিউবে আপলোডকৃত ভিডিওটিও সত্য নয় বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। ওই <a href="https://www.youtube.com/shorts/Xhrps8vflts" target="_blank" rel="noopener">ভিডিওতে </a>বলা হয়েছে, কাজের মেয়ে ফাতেমাকে বোনের স্বীকৃতি দিয়েছেন তারেক রহমান। তবে এ নিয়ে মূলধারার গণমাধ্যমে কোনো সংবাদ এখন পর্যন্ত প্রকাশ পায়নি।  </p>
<p>এ থেকে স্পষ্ট, ছড়িয়ে পড়া ছবিটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি বা ম্যানিপুলেটেড হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। অর্থাৎ এআই দিয়ে তৈরি ছবিকে তারেক রহমানের পরিবারের সাথে এক টেবিলে ফাতেমার খাবার খাওয়ার বাস্তব ছবি দাবিতে প্রচার করা হচ্ছে; যা মিথ্যা। </p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/আইএইচ/ইকে</strong></span></em></p>
<div class="google-auto-placed ap_container"></div>
<p><span></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ফয়সালের ভিডিওবার্তা পরীক্ষা&#45;নিরীক্ষা চলছে: ডিএমপি কমিশনার</title>
<link>https://digibanglatech.news/162764</link>
<guid>https://digibanglatech.news/162764</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_6958de1d827c5.jpg" length="53668" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 03 Jan 2026 13:16:11 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার মূল আসামি ফয়সালের ভিডিওবার্তা পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী।</p>
<p>৩ জানুয়ারি, শনিবার দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) মিলনায়তনে এ-ফোর বসুন্ধরা পেপার ক্র‍্যাব বেস্ট রিপোর্টিং অ্যাওয়ার্ড-২০২৫ অনুষ্ঠানে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।</p>
<p>হাদি হত্যাকাণ্ডের মূল অসামি ফয়সালের ভিডিও বার্তার নিয়ে প্রশ্ন করা হলে ডিএমপি কমিশনার বলেন, হাদির বিষয়ে যে প্রশ্ন করা হয়েছে নো-কমেন্ট। ভিডিওটা আমরা পেয়েছি পরীক্ষা নিরীক্ষা করছি। পরীক্ষা নিরীক্ষা শেষে বক্তব্য দিব। </p>
<p>অনুষ্ঠানে প্রিন্ট ও অনলাইন ক্যাটাগরিতে দৈনিক প্রথম আলোর মাহমুদুল হাসান নয়নের সঙ্গে যৌথভাবে <span> ‘ক্র্যাব বেস্ট রিপোর্টিং অ্যাওয়ার্ড-২০২৪’ পেয়েছেন ঢাকা পোস্টের প্রধান প্রতিবেদক মো. আদনান রহমান। </span></p>
<p>সূত্রমতে, ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের মামলার মূল আসামি ফয়সালের দুইটি ভিডিও বার্তা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছে ডিএমপি। </p>
<p>এদিকে <span>হাদীর খুনী ফয়সাল একের পর এক ভিডিও আপলোড এবং ডিজিটাল ফরেনসিকের দৃষ্টিতে সরকারের করণীয় কী হওয়া উচিত বিষয়ে ডিজিটাল ফরেনেসিক বিশেষজ্ঞ তানভীর হাসান জোহা বলেছেন,  </span>ভিডিও “কোথা থেকে” এসেছে—এই প্রশ্নের উত্তর ভিডিওতে নয়, সার্ভারে। ফেসবুক, ইউটিউব বা টিকটকে আপলোড হওয়া ভিডিওর মূল উৎস আইপি, ডিভাইস আইডি, লগ ডাটা সাধারণ মানুষের হাতে থাকে না। এই তথ্য থাকে কেবল- সংশ্লিষ্ট সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের সার্ভারে এবং ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারের (ISP) কাছে। ফলে “এটা কে বানিয়েছে” বা “কার ফোন থেকে আপলোড” — এসব অনুমান নয়, আইনি অনুরোধ ছাড়া নির্ধারণ অসম্ভব।</p>
<p>এক্ষেত্রে <span>ভিডিও, অ্যাকাউন্ট, কমেন্ট, মেসেজের ডাটা সংরক্ষণ, ভিডিও সরাসরি আপলোড, না রি-আপলোড, দেশীয় নেটওয়ার্ক, না VPN / বিদেশি রুট, </span>একই ব্যক্তি, না একাধিক লোক ইত্যাদি তদন্তের তাগিদ দিয়েছেন তিনি। </p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/টিএইজে/ডিপিও/ইকে</strong></span></em></p>
<p> </p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>মাঠের মাইক নয়, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মেই নির্ধারিত হচ্ছে নেতৃত্ব</title>
<link>https://digibanglatech.news/162762</link>
<guid>https://digibanglatech.news/162762</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_6958cf718a11e.jpg" length="99083" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 03 Jan 2026 12:13:15 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 107%; font-family: SutonnyOMJ; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman';">বর্তমানে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী একজন প্রার্থী ভোটারপ্রতি সর্বোচ্চ ১০ টাকা পর্যন্ত ব্যয় করতে পারেন। এই সীমাবদ্ধতা খুব স্পষ্টভাবে ইঙ্গিত দেয়</span><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 107%; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman';">- </span><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 107%; font-family: SutonnyOMJ; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman';">রাজনীতিতে বিশাল বিশাল পোস্টার, লাগামহীন মাইকিং কিংবা ব্যয়বহুল শোভাযাত্রার যুগ ধীরে ধীরে শেষের পথে। বদলে যাচ্ছে প্রচারের ভাষা ও কৌশল। এই নতুন বাস্তবতা আমাদের শেখায়, রাজনীতিতে জয়ের চাবিকাঠি আর অর্থের জোরে নয়; বরং নির্ভুল পরিকল্পনা, বুদ্ধিদীপ্ত বার্তা আর সৃজনশীল যোগাযোগই এখন আসল শক্তি। <span style="mso-spacerun: yes;"> </span><o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 107%; font-family: SutonnyOMJ; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman';">ডিজিটাল প্রযুক্তি সেই শক্তিকেই সহজ করে দিয়েছে। অল্প খরচে, স্বল্প সময়ে এবং কোনো মধ্যস্থতা ছাড়াই একজন প্রার্থী এখন সহজেই সরাসরি পৌঁছে যেতে পারেন হাজারো ভোটারের কাছে তার হাতে থাকা মোবাইল ফোনে।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 107%; font-family: SutonnyOMJ; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman';">এসএমএসের মাধ্যমে পাঠানো বার্তা, ছোট ভিডিও ক্লিপ বা প্রার্থীর নিজের কণ্ঠে ভোট চাওয়ার অডিও বার্তা</span><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 107%; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman';">- </span><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 107%; font-family: SutonnyOMJ; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman';">এই ছোট ছোট উদ্যোগ যেমন একদিকে পরিবেশ নষ্ট না করে পোস্টারভরা দেয়ালের চেয়েও বেশি প্রভাব ফেলে। আবার অন্যদিকে এসব পদ্ধতি কম খরচে ভোটারকে অনেক বেশি আকৃষ্ট করতে পারে। অনেক সময় প্রার্থীর নিজস্ব কণ্ঠের বার্তাই ভোটারের মনে আলাদা প্রভাব ফেলে। কারণ এখানে শব্দ নয়, পৌঁছায় মানুষ; স্লোগান নয়, পৌঁছায় অনুভূতি। ডিজিটাল যোগাযোগ তাই আজ কেবল বিকল্প নয়, আধুনিক রাজনীতির সবচেয়ে কার্যকর ও বাস্তবসম্মত হাতিয়ার। <span style="mso-spacerun: yes;"> </span><o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" style="mso-margin-top-alt: auto; mso-margin-bottom-alt: auto; text-align: justify; line-height: normal;"><b><span style="font-size: 14.0pt; font-family: SutonnyOMJ; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman';">ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম:-</span><span style="font-size: 14.0pt; font-family: SutonnyOMJ; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman';"><span style="font-family: Times New Roman, serif;"> </span></span></b><b><span style="font-size: 14.0pt; font-family: SutonnyOMJ; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman';">শুধু প্রচারণার নয়, সংলাপেরও জায়গা<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal" style="mso-margin-top-alt: auto; mso-margin-bottom-alt: auto; text-align: justify; line-height: normal;"><span style="font-size: 14.0pt; font-family: SutonnyOMJ; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman';">আজকের দিনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম রাজনৈতিক যোগাযোগের বিলাসিতা নয়, বরং প্রয়োজন। ফেসবুক, এক্স (টুইটার), ইউটিউব বা টিকটক</span><span style="font-size: 14.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman';"> </span><span style="font-size: 14.0pt; font-family: SutonnyOMJ; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman';">সবকিছুই হতে পারে জনগণের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের সংযোগ সেতু।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" style="mso-margin-top-alt: auto; mso-margin-bottom-alt: auto; text-align: justify; line-height: normal;"><span style="font-size: 14.0pt; font-family: SutonnyOMJ; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman';">২০০৮ ও ২০১২ সালের মার্কিন নির্বাচনে বারাক ওবামার ডিজিটাল ভোটার ক্যাম্পেইনের কৌশল বাংলাদেশের নির্বাচনী পরিবেশেও প্রাসঙ্গিক। দেশে আজকের তরুণ ভোটাররা ফেসবুক, ইউটিউব, টিকটক বা ইনস্টাগ্রামের মাধ্যমে খবর এবং রাজনৈতিক তথ্য গ্রহণ করে। একজন প্রার্থী যদি এদের কাছে সরাসরি পৌঁছাতে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করেন</span><span style="font-size: 14.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman';">- </span><span style="font-size: 14.0pt; font-family: SutonnyOMJ; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman';">যেমন ফেসবুক লাইভ, ছোট ভিডিও বার্তা, বা এসএমএসের মাধ্যমে নির্বাচনী বার্তা তাহলে কম খরচে, সীমিত সময়ে বেশি ভোটারের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন সম্ভব। স্থানীয় ভোটারদের জন্য ছোট, এলাকার ভাষায় তৈরি ভিডিও বা অডিও বার্তা প্রেরণ করলে মানুষের সঙ্গে ব্যক্তিগত সংযোগ তৈরি হয়, যা প্রচারণার কার্যকারিতা অনেক বৃদ্ধি করে।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" style="mso-margin-top-alt: auto; mso-margin-bottom-alt: auto; text-align: justify; line-height: normal;"><span style="font-size: 14.0pt; font-family: SutonnyOMJ; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman';">প্রার্থীর নিজের কণ্ঠে বলা ছোট বার্তা</span><span style="font-size: 14.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman';">- </span><span style="font-size: 14.0pt; font-family: SutonnyOMJ; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman';">কেন তিনি দাঁড়িয়েছেন, কীভাবে তিনি এলাকার সমস্যাগুলো দেখছেন-</span><span style="font-size: 14.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman';"> </span><span style="font-size: 14.0pt; font-family: SutonnyOMJ; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman';">এটি এসএমএস বা মেসেজিং অ্যাপের মাধ্যমে পৌঁছে দেওয়া গেলে ভোটারের সঙ্গে এক ধরনের ব্যক্তিগত সম্পর্ক তৈরি হয়। অনেক সময় সেই কণ্ঠের আন্তরিকতাই সিদ্ধান্ত বদলে দিতে পারে।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" style="mso-margin-top-alt: auto; mso-margin-bottom-alt: auto; text-align: justify; line-height: normal;"><span style="font-size: 14.0pt; font-family: SutonnyOMJ; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman';">ডিজিটাল জরিপ ও অনলাইন ফর্ম ব্যবহার করে ভোটারদের মতামত নেওয়াও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বিশেষ গুরুত্ব রাখে। প্রার্থীরা ছোট প্রশ্নমালা, এসএমএস ভোট বা ফেসবুক পোলের মাধ্যমে জনগণের ভাবনা ও চাহিদা সংগ্রহ করতে পারেন। এতে ভোটাররা অনুভব করেন</span><span style="font-size: 14.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman';"> </span><span style="font-size: 14.0pt; font-family: SutonnyOMJ; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman';">প্রার্থী শুধু কথা বলছেন না, তারা তাদের কথাও শুনছেন। এই অংশগ্রহণমূলক প্রক্রিয়া ইশতেহার তৈরি বা রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে প্রতিফলন আনে। যে নেতা এই ডিজিটাল অংশগ্রহণকে কাজে লাগাতে পারেন, তার প্রতি মানুষের আস্থা ও সমর্থন অনেক বেশি বৃদ্ধি পায়।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" style="mso-margin-top-alt: auto; mso-margin-bottom-alt: auto; text-align: justify; line-height: normal;"><b><span style="font-size: 14.0pt; font-family: SutonnyOMJ; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman';">সহজ ভাষা, আন্তরিকতা ও </span></b><b><span style="font-size: 14.0pt; font-family: SutonnyOMJ; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman';">এটাই কার্যকর রাজনীতি<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal" style="mso-margin-top-alt: auto; mso-margin-bottom-alt: auto; text-align: justify; line-height: normal;"><span style="font-size: 14.0pt; font-family: SutonnyOMJ; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman';">রাজনৈতিক ভাষণ যত ভারী শব্দে বোঝাই হয়, মানুষের মন তত দ্রুত সরে যায়। সাধারণ মানুষ চায় নিজের জীবনের সঙ্গে মিল আছে</span><span style="font-size: 14.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman';"> </span><span style="font-size: 14.0pt; font-family: SutonnyOMJ; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman';">এমন কথা। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের মেয়র নির্বাচনে জোহরান মামদানি তার বক্তৃতায় রাজনীতির জটিল হিসাব না কষে তিনি গল্প বলেছেন। সেই গল্পে ছিল একজন শ্রমজীবী মানুষ, একজন শিক্ষার্থী, কিংবা একটি পরিবারের সংগ্রাম। ফলে ভোটাররা শুধু রাজনীতির কথা শোনেন নায়, তারা তাদের নিজেদের অবস্থানসমূহ অনুভব করতে পেরেছেন।<span style="mso-spacerun: yes;">  </span><o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" style="mso-margin-top-alt: auto; mso-margin-bottom-alt: auto; text-align: justify; line-height: normal;"><span style="font-size: 14.0pt; font-family: SutonnyOMJ; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman';">এই জায়গাটিতেই ডিজিটাল মাধ্যম রাজনীতিকে নতুন শক্তি দিতে পারে। ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে গল্প বলা সহজ, দ্রুত এবং প্রভাবশালী। একজন প্রার্থী চাইলে ফেসবুক বা ইউটিউবে দুই মিনিটের একটি ভিডিওতে একজন কৃষকের ক্ষতির গল্প তুলে ধরতে পারেন</span><span style="font-size: 14.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman';"> </span><span style="font-size: 14.0pt; font-family: SutonnyOMJ; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman';">কেন সেচের দাম বেড়েছে, কীভাবে বাজার ব্যবস্থার দুর্বলতায় তিনি ন্যায্য দাম পাচ্ছেন না। একইভাবে তরুণদের কর্মসংস্থানের প্রশ্নে লম্বা ভাষণের বদলে একটি ছোট ভিডিও বা রিলেই বলা যায়</span><span style="font-size: 14.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman';">- </span><span style="font-size: 14.0pt; font-family: SutonnyOMJ; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman';">একজন বেকার গ্র্যাজুয়েট কীভাবে ঘুরে দাঁড়াতে চাইছে, আর রাষ্ট্রীয় নীতিতে কোথায় সহায়তা দরকার।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" style="mso-margin-top-alt: auto; mso-margin-bottom-alt: auto; text-align: justify; line-height: normal;"><span style="font-size: 14.0pt; font-family: SutonnyOMJ; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman';">লাইভ ভিডিও বা স্টোরির মাধ্যমে সরাসরি কথা বলার সুযোগ ডিজিটাল মাধ্যমের বড় শক্তি। প্রার্থী যখন নিজের মোবাইল ফোনে ক্যামেরা চালু করে সাধারণ ভাষায় বলেন</span><span style="font-size: 14.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman';">- </span><span style="font-size: 14.0pt; font-family: SutonnyOMJ; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman';">“আপনাদের সমস্যাগুলো আমি শুনছি”</span><span style="font-size: 14.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman';">- </span><span style="font-size: 14.0pt; font-family: SutonnyOMJ; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman';">তখন সেটি পোস্টারের চেয়ে অনেক বেশি বিশ্বাসযোগ্য হয়। এখানে কোনো স্ক্রিপ্টেড বক্তব্য নয়, বরং স্বাভাবিক কথোপকথনই মানুষকে টানে।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" style="mso-margin-top-alt: auto; mso-margin-bottom-alt: auto; text-align: justify; line-height: normal;"><b style="mso-bidi-font-weight: normal;"><span style="font-size: 14.0pt; font-family: SutonnyOMJ; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman';">ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে প্রশ্ন-উত্তরই আধুনিক নেতৃত্বের পরিচয়<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal" style="mso-margin-top-alt: auto; mso-margin-bottom-alt: auto; text-align: justify; line-height: normal;"><span style="font-size: 14.0pt; font-family: SutonnyOMJ; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman';">কানাডার সাবেক প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর টাউন হল মিটিং শুধু একটি সভা নয়</span><span style="font-size: 14.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman';"> </span><span style="font-size: 14.0pt; font-family: SutonnyOMJ; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman';">এটি ছিল জনগণের সঙ্গে রাষ্ট্রের সরাসরি সংযোগের একটি কার্যকর মডেল। সেখানে নাগরিকরা নির্ভয়ে প্রশ্ন করতে পেরেছেন, আবার সরকারও দায়িত্বশীলভাবে জবাব দিয়েছে। এই পারস্পরিক সংলাপই সরকারের প্রতি মানুষের আস্থা দৃঢ় করেছিল।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" style="mso-margin-top-alt: auto; mso-margin-bottom-alt: auto; text-align: justify; line-height: normal;"><span style="font-size: 14.0pt; font-family: SutonnyOMJ; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman';">বাংলাদেশের বাস্তবতায় একই ধরণের “জনসংলাপ দিবস” চালু করা এখন আর কঠিন কিছু নয়। সময় ও ভৌগোলিক সীমাবদ্ধতার কারণে অনেকের পক্ষে সরাসরি উপস্থিত থাকা সম্ভব না হলেও, ডিজিটাল মাধ্যম সেই বাধা সহজেই ভেঙে দিতে পারে।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" style="mso-margin-top-alt: auto; mso-margin-bottom-alt: auto; text-align: justify; line-height: normal;"><span style="font-size: 14.0pt; font-family: SutonnyOMJ; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman';">ফেসবুক লাইভ হতে পারে ডিজিটাল জনসংলাপের সবচেয়ে সহজ ও কার্যকর প্ল্যাটফর্ম। নির্দিষ্ট দিনে ও সময়ে জনপ্রতিনিধি লাইভে এসে এলাকার সমস্যা, চলমান উন্নয়ন প্রকল্প বা নাগরিক সেবার অগ্রগতি নিয়ে কথা বলতে পারেন। একই সঙ্গে কমেন্ট বক্স থেকে প্রশ্ন নেওয়া বা আগে থেকে সংগ্রহ করা প্রশ্নের উত্তর দেওয়া যেতে পারে। এতে মানুষ সরাসরি যুক্ত থাকার সুযোগ পায়, আবার নেতার কাছ থেকেও তাৎক্ষণিক জবাব পায়। জনগণ তখন বুঝতে পারে</span><span style="font-size: 14.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman';"> </span><span style="font-size: 14.0pt; font-family: SutonnyOMJ; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman';">তাদের কথা গুরুত্ব পাচ্ছে। এই অংশগ্রহণমূলক পদ্ধতিই আধুনিক রাজনৈতিক যোগাযোগের ভিত্তি।<span style="mso-spacerun: yes;">  </span><span style="mso-spacerun: yes;"> </span><o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" style="mso-margin-top-alt: auto; mso-margin-bottom-alt: auto; text-align: justify; line-height: normal;"><b style="mso-bidi-font-weight: normal;"><span style="font-size: 14.0pt; font-family: SutonnyOMJ; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman';">মানবিক উপস্থিতি: ডিজিটাল মাধ্যমেও সহানুভূতির প্রকাশ সম্ভব<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal" style="mso-margin-top-alt: auto; mso-margin-bottom-alt: auto; text-align: justify; line-height: normal;"><span style="font-size: 14.0pt; font-family: SutonnyOMJ; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman';">কখনো কখনো একটি মানবিক আচরণ হাজার বক্তৃতার চেয়েও বেশি শক্তিশালী হয়ে ওঠে। নিউজিল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আরডার্ন ২০১৯ সালের ক্রাইস্টচার্চ মসজিদ হামলার পর যেভাবে মুসলিম সম্প্রদায়ের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন, তা শুধু মাঠের উপস্থিতিতেই সীমাবদ্ধ ছিল না</span><span style="font-size: 14.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman';"> </span><span style="font-size: 14.0pt; font-family: SutonnyOMJ; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman';">তার বক্তব্য, ছবি ও বার্তা ডিজিটাল মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে বিশ্বব্যাপী মানুষের হৃদয় ছুঁয়েছিল।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" style="mso-margin-top-alt: auto; mso-margin-bottom-alt: auto; text-align: justify; line-height: normal;"><span style="font-size: 14.0pt; font-family: SutonnyOMJ; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman';">বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বন্যা, অগ্নিকাণ্ড বা দুর্ঘটনার সময় নেতাদের তাৎক্ষণিক ডিজিটাল আপডেট</span><span style="font-size: 14.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman';"> </span><span style="font-size: 14.0pt; font-family: SutonnyOMJ; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman';">ফেসবুক লাইভ, সংক্ষিপ্ত ভিডিও বার্তা কিংবা নিজ কণ্ঠে দেওয়া অডিও বার্তা</span><span style="font-size: 14.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman';"> </span><span style="font-size: 14.0pt; font-family: SutonnyOMJ; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman';">মানুষকে আশ্বস্ত করতে পারে। তবে শর্ত একটাই: এই উপস্থিতি যেন ক্যামেরার জন্য না হয়, মানুষের জন্য হয়। ডিজিটাল মাধ্যম এখানে সহানুভূতির বাহক হতে পারে, প্রদর্শনের নয়।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" style="mso-margin-top-alt: auto; mso-margin-bottom-alt: auto; text-align: justify; line-height: normal;"><span style="font-size: 14.0pt; font-family: SutonnyOMJ; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman';">সহজ ভাষা আর আন্তরিক কথাকে মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে ডিজিটাল মাধ্যম সবচেয়ে কার্যকর মঞ্চ। যে নেতা এই শক্তিকে বুঝে ব্যবহার করতে পারবেন, তাঁর কথা কাগজে বা ডিজিটাল ডিভাইসে আটকে থাকবে না</span><span style="font-size: 14.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman';">, </span><span style="font-size: 14.0pt; font-family: SutonnyOMJ; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman';">মানুষের মনে জায়গা করে নেবে। <o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" style="margin-bottom: 0in; text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 107%; font-family: SutonnyOMJ;"><o:p> </o:p></span></p>
<hr>
<p class="MsoNormal" style="margin-bottom: 0in; text-align: justify;"><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 107%; font-family: SutonnyOMJ;"></span><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 107%; font-family: SutonnyOMJ;">লেখক: <b style="mso-bidi-font-weight: normal;">এইচ. এম. ইমাম হাসান; </b><o:p></o:p></span><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 107%; font-family: SutonnyOMJ;">ডেপুটি ম্যানেজার (পাবলিক রিলেশনস), <o:p></o:p></span><span style="font-size: 14.0pt; line-height: 107%; font-family: SutonnyOMJ;">বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস)</span></p>
<hr>
<p class="MsoNormal" style="margin-bottom: 0in; text-align: justify;"></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বেগম জিয়ার টেক&#45;বিপ্লব: সাবমেরিন ক্যাবল থেকে রাবার ড্যামের ইতিকথা</title>
<link>https://digibanglatech.news/162382</link>
<guid>https://digibanglatech.news/162382</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_6953962dc0599.jpg" length="120647" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 30 Dec 2025 14:00:18 +0600</pubDate>
<dc:creator>এস এম ইমদাদুল হক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশের উন্নয়ন ইতিহাসে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সংযোজন কোনো আকস্মিক ঘটনা নয়, বরং তা ছিল দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার ফসল। বেগম খালেদা জিয়ার প্রধানমন্ত্রিত্বের সময়কাল (১৯৯১-৯৬ এবং ২০০১-০৬) ছিল বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি ও বিজ্ঞানচর্চায় এক সন্ধিক্ষণ। তার শাসনামলেই কৃষিতে প্রকৌশল ও প্রযুক্তির ব্যবহার শুরু হয়। ১৯৯৫ সালে কক্সবাজার জেলার বাকখালি নদীর ওপর রাবার ড্যাম স্থাপন বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি বাঁক বদলের ঘটনা।</p>
<p>একইভাবে আইসিটিকে থ্রাস্ট সেক্টর হিসেবে ঘোষণা করা, সাবমেরিন ক্যাবল সিমিউই-৪ এ যুক্ত হওয়া, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন, রাষ্ট্রীয় মোবাইল কোম্পানি টেলিটক গঠন, দেশের প্রথম হাই-টেক পার্কের জন্য গাজীপুরের কালিয়াকৈরে জায়াগা দেয়ার কাজটিও তার শাসনামলেই হয়েছিলো। আজকের বঙ্গন্ধু নভোথিয়েটার ও বিজ্ঞান জাদুঘরও বেগম খালদা জিয়ার অবদান। এভাবেই  স্মৃতির জানালা খুললে নব্বইয়ের দশক আর দুই হাজার সালের শুরুর দিকটা চোখের সামনে ভেসে ওঠে। বেগম খালেদা জিয়ার শাসনামল ছিল মূলত বাংলাদেশের একটি 'ট্রানজিশন পিরিয়ড'—এনালগ থেকে ডিজিটালের পথে পা বাড়ানোর সময়। একজন সংবাদকর্মী হিসেবে আমি দেখেছি, কীভাবে প্রতিটি সেক্টরে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ছোঁয়া দিয়ে একটি আধুনিক রাষ্ট্রকাঠামো গড়ার চেষ্টা করা হয়েছে। আজ আমরা যে ‘ডিজিটাল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন’ দেখি, তার ভিত্তি ছিল ২০০২ সালের আইসিটি নীতিমালা। একইভাবে ভোটার তালিকা হালনাগাদ ও স্বচ্ছ ব্যালট বক্সের ব্যবহারের পাশাপাশি নির্বাচনী তথ্য ব্যবস্থাপনায় কম্পিউটারের ব্যবহার শুরু হয়। এভাবেই  বিশেষ করে নব্বইয়ের দশকের শুরুতে এবং একবিংশ শতাব্দীর প্রারম্ভে তাঁর নেওয়া কিছু সাহসী সিদ্ধান্ত স্বনির্ভর বাংলাদেশের শক্তিশালী ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিল।</p>
<p><br><strong>সাবমেরিন ক্যাবল ও ইন্টারনেটের মহাবিপ্লব</strong><br>আজ আমরা যে উচ্চগতির ইন্টারনেট ব্যবহার করছি, তার সূচনা হয়েছিল ২০০৬ সালের ২১ মে। বেগম জিয়ার নেতৃত্বাধীন সরকার অত্যন্ত দূরদর্শিতার সাথে বাংলাদেশকে প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক সাবমেরিন ক্যাবল কনসোর্টিয়ামে (SEA-ME-WE 4) যুক্ত করে। এর মাধ্যমেই বাংলাদেশ তথ্যপ্রযুক্তির বিশ্বমহাসড়কে প্রবেশ করে, যা ছিল জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি গড়ার সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ। মনে পড়ে- ২০০৬ সালের সেই দিনটির কথা, যখন কক্সবাজারে সাবমেরিন ক্যাবল ল্যান্ডিং স্টেশনের উদ্বোধন হলো। অনেক সমালোচক তখন বলেছিলেন এই বিশাল বিনিয়োগ অপচয়। কিন্তু আজ যখন দেখি ফ্রিল্যান্সিং করে আমাদের তরুণরা বিলিয়ন ডলার আয় করছে, তখন স্পষ্ট বোঝা যায় সেই সিদ্ধান্তটি কতটা সময়োপযোগী ছিল।  আমার মনে পড়ে ২০০৩ সালের একটি সংবাদ সম্মেলনের কথা। সেখানে বেগম জিয়া বলেছিলেন, ‘আমাদের তরুণদের হাত আজ মাটির লাঙল থেকে কম্পিউটারের কি-বোর্ডে চলে এসেছে, এটাই বড় সার্থকতা।’সেই সময়ে তাঁর সরকার সাবমেরিন ক্যাবলে যুক্ত হওয়ার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, তা ছিল মূলত একটি ‘ল্যান্ডলকড’ দেশকে বিশ্বের ডেটা হাইওয়ের সাথে জুড়ে দেওয়া।</p>
<p><br><strong>টেলিযোগাযোগ খাতের উদারীকরণ</strong><br>দেশের টেলিযোগাযোগ খাতে জনপরিসরে বেতার যোগাযোগ ছড়িয়ে দিতে মোবাইল ফোনের একচেটিয়া বাজার ভেঙে সাধারণ মানুষের হাতে ফোন পৌঁছে দেওয়ার প্রক্রিয়াটা শুরু হয়েছিলো নব্বইয়ের দশকে। বেগম খালেদা জিয়ার ২০০১-০৬ মেয়াদে তা পূর্ণতা পায়। ২০০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর বিটিটিবি বি-মোবাইল থেকে টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড গঠন করা হয়। এর পর থেকেই বেসরকারি অপারেটরদের প্রতিযোগিতামূলক বাজারে সুযোগ সৃষ্টি হয়। ফলে যোগাযোগ ব্যবস্থায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসে। তৎকালীন বিটিটিবি-কে (বর্তমানে বিটিসিএল) এনালগ এক্সচেঞ্জ থেকে ডিজিটাল এক্সচেঞ্জে রূপান্তর করা হয়। বেগম খালেদা জিয়ার শাসনামলে বিজ্ঞানের প্রতি এই বিশেষ গুরুত্ব প্রদান কেবল প্রযুক্তিগত উন্নয়ন নয়, বরং একটি পুরো প্রজন্মকে আধুনিক বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে চলার স্বপ্ন দেখিয়েছিল। ইতিহাসের পাতায় তাঁর এই উদ্যোগগুলো জ্ঞানভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ার মাইলফলক হিসেবেই গণ্য হবে।</p>
<p><strong>আইটি সেক্টরকে ‘থ্রাস্ট সেক্টর’ ঘোষণা : কলমের বদলে কম্পিউটার </strong><br>২০০১ পরবর্তী মেয়াদে আইটি সেক্টরকে 'থ্রাস্ট সেক্টর' হিসেবে ঘোষণা করা হয়। ওই সময়ে হার্ডওয়্যার সহজলভ্য করতে শুল্ক কাঠামো পুনর্গঠন করা হয়, যার ফলে মধ্যবিত্তের নাগালে আসে কম্পিউটার। এটি ছিল একটি প্রজন্মকে 'ডিজিটাল লিটারেট' করার প্রথম ধাপ। অপরদিকে একটি জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গড়ার লক্ষ্যে বিশেষায়িত শিক্ষার গুরুত্ব উপলব্ধি করেছিলেন বেগম খালেদা জিয়া। তাঁর শাসনামলে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের কাজ ত্বরান্বিত হয়। বিশেষ করে জেলা পর্যায়ে বিজ্ঞান শিক্ষা ছড়িয়ে দিতে তাঁর সরকার ব্যাপক ভূমিকা রাখে। নব্বইয়ের দশকের শুরুতে বেগম জিয়া প্রাথমিক শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করেন। কিন্তু তাঁর আসল দূরদর্শিতা ছিল প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষায়। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (S&amp;T Universities) উচ্চশিক্ষায় বিপ্লব ঘটাতে তিনি শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের কাজ ত্বরান্বিত করেন। মাধ্যমিক পর্যায়ে কম্পিউটার শিক্ষাকে পাঠ্যক্রমের অন্তর্ভুক্ত করার সাহসী পদক্ষেপ তাঁর আমলেই নেওয়া হয়। কম্পিউটার শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার পাশাপাশি ২০০১-০৬ মেয়াদে মেধাবী শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করতে বিশেষ বৃত্তি এবং মেধাবীদের জন্য ল্যাপটপ প্রদানের ধারা শুরু হয়। তার সময়ে দশম শ্রেণী পর্যন্ত মেয়েদের অবৈতনিক শিক্ষা এবং উপবৃত্তি চালু করা ছিল বিশ্বের কাছে একটি মডেল। এর ফলে শিক্ষিত নারীরা কর্মক্ষেত্রে প্রবেশের সুযোগ পান, যা পরোক্ষভাবে আইটি সেক্টরে নারী অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে।একইভাবে বিসিক (BSCIC) এর মাধ্যমে নারীদের বিজ্ঞান ও কারিগরি প্রশিক্ষণ দিয়ে ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো হয়।</p>
<p>এছাড়াও তরুণ প্রজন্মের মধ্যে বিজ্ঞানের প্রতি আগ্রহ তৈরি করতে ঢাকার বিজয় সরণিতে ২০০৪ সালের ২৫শে সেপ্টেম্বর স্থাপিত হয় অত্যাধুনিক ‘ভাসানী নভোথিয়েটার’ (যা পরবর্তীতে নাম পরিবর্তন হয়)। মহাকাশ বিজ্ঞান চর্চায় এটি ছিল তৎকালীন সময়ে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম আধুনিক স্থাপনা। এছাড়া জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরকে আধুনিকায়ন করার উদ্যোগ নেওয়া হয় তাঁর সময়েই। এর আগে ২০০২ সালে প্রথম বারের মতো একটি সমন্বিত ‘জাতীয় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি নীতিমালা’ প্রণয়ন করা হয়। এছাড়া গাজীপুরের কালিয়াকৈরে দেশের প্রথম হাই-টেক পার্কের প্রাথমিক পরিকল্পনা ও জমি বরাদ্দের কাজ তাঁর সরকারের আমলেই গতি পায়।</p>
<p><strong>শিল্প ও অর্থনীতি: রপ্তানিমুখী প্রযুক্তায়ন</strong><br>বাংলাদেশের প্রথম রপ্তানি খাত হিসেবে তৈরি পোশাক শিল্পের আধুনিকায়নে এই খাতে অত্যাধুনিক কম্পিউটারাইজড ডিজাইন ও প্রোডাকশন সিস্টেম আমদানিতে শুল্ক সুবিধা প্রদান করা হয়। ঢাকা ও চট্টগ্রামের বাইরে কুমিল্লা, ঈশ্বরদী ও উত্তরা ইপিজেড প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে প্রযুক্তিনির্ভর শিল্পায়নকে বিকেন্দ্রীকরণ করা হয়।</p>
<p><strong>সামরিক ও প্রতিরক্ষা: আধুনিক সমরশক্তির সূচনা</strong><br>দেশে চতুর্থ প্রজন্মের যুদ্ধবিমান মিগ ২৯ যুক্ত করে প্রতিরক্ষা খাতে প্রযুক্তিগত উৎকর্ষ সাধনে বেগম জিয়ার ভূমিকা ছিল অনন্য।বাংলাদেশ বিমান বাহিনীকে আধুনিক করতে ১৯৯৯-২০০০ পরবর্তী সময়ে তাঁর সরকার রাশিয়ান MiG-29 এবং আধুনিক রাডার সিস্টেম সংযোজন করে আকাশসীমা সুরক্ষায় যুগান্তকারী পরিবর্তন আনে। নৌবাহিনীতে মিসাইল ফ্রিগেট ও অত্যাধুনিক যুদ্ধজাহাজ সংযোজনের মাধ্যমে 'ব্লু ইকোনমি' ও সমুদ্রসীমা রক্ষার সক্ষমতা বাড়ানো হয়। জাতিসংঘ শান্তি রক্ষা মিশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ বাড়াতে সেনাবাহিনীর যোগাযোগ ও লজিস্টিক শাখায় বিশ্বমানের প্রযুক্তি যুক্ত করা হয়।</p>
<p><strong>কৃষি-প্রকৌশলে নীরব বিপ্লব</strong><br>বেগম খালেদা জিয়ার শাসনামলে কৃষিতে সবচেয়ে বড় প্রকৌশলগত চমক ছিল ‘রাবার ড্যাম’ (Rubber Dam) প্রযুক্তির সফল প্রবর্তন। এটি ছিল এমন এক পরিবেশবান্ধব উদ্ভাবন, যা শুষ্ক মৌসুমে খরস্রোতা নদীর পানিকে আটকে রেখে মরুপ্রায় জমিকে শস্য-শ্যামল করে তুলেছিল। বিশেষ করে কক্সবাজারের বাঁকখালী নদীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এই রাবার ড্যাম স্থাপনের মাধ্যমে হাজার হাজার হেক্টর জমিতে সেচ সুবিধা নিশ্চিত করা হয়, যা ছিল কৃষি প্রকৌশলবিদ্যার এক অনন্য মাইলফলক। তার শাসনামলে, ১৯৯৫ সালে প্রধান প্রকৌশলী কামরুল ইসলাম নদীর তলদেশে বায়ুভর্তি বিশাল রাবার টিউব ব্যবহার করে বর্ষার পানি ধরে রাখা এবং শুষ্ক মৌসুমে তা সেচের কাজে ব্যবহারের এই পদ্ধতি বাংলাদেশের কৃষিতে গেম-চেঞ্জার হিসেবে প্রমাণিত হয়।<br>ওইসময় তৎকালীন এলজিইডি ভবনে বসে গণমাধ্যমকর্মীদের প্রকৌশলী কামরুল ইসলাম সিদ্দিক একবার বলেছিলেন, ‘ম্যাডাম (বেগম জিয়া) আমাকে বলেছেন এমন কিছু করতে যা গ্রামের মানুষের পকেটে সরাসরি টাকা পৌঁছে দেবে।’ সেই প্রেরণা থেকেই তিনি রাবার ড্যাম আর গ্রামীণ অবকাঠামোর এই বিশাল কর্মযজ্ঞ হাতে নিয়েছিলেন। </p>
<p>এভাবেই নিরবে বেগম খালেদা জিয়ার সরকার কৃষিকে শিল্প হিসেবে গণ্য করে কৃষি যান্ত্রিকীকরণে বিপ্লব ঘটায়। পাওয়ার টিলার, সেচ পাম্প এবং আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি আমদানিতে শুল্কমুক্ত সুবিধা প্রদানের ফলে লাঙলের জায়গায় কম্পিউটারের মতো সূক্ষ্ম যন্ত্রপাতির ছোঁয়া লাগে। তাঁর সময়েই বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (BRRI)-কে আধুনিকায়ন করা হয় এবং বিজ্ঞানীদের অক্লান্ত পরিশ্রমে উচ্চফলনশীল ও প্রতিকূলতা সহিষ্ণু জাত উদ্ভাবনে রেকর্ড সাফল্য আসে। মূলত, কৃষি গবেষণায় বিশেষ বরাদ্দ এবং প্রযুক্তির সহজলভ্যতার মাধ্যমেই বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো খাদ্যে স্বনির্ভরতা অর্জনের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছিল। </p>
<p>বেগম খালেদা জিয়ার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ভাবনা কোনো নির্দিষ্ট প্রকল্প কেন্দ্রিক ছিল না, বরং তা ছিল একটি দীর্ঘমেয়াদী রূপকল্প। কৃষি- শিক্ষা থেকে শুরু করে প্রতিরক্ষা—প্রতিটি স্তরে প্রযুক্তির যে বীজ তিনি রোপণ করেছিলেন, আজকের উন্নয়নশীল বাংলাদেশ সেই মহীরুহেরই ফল। ইতিহাস তাঁকে একজন আপসহীন নেত্রী হিসেবেই কেবল মনে রাখবে না, সেই সাথে আধুনিক ও বিজ্ঞানমনস্ক বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা হিসেবেও তাঁর নাম অক্ষয় হয়ে থাকবে। </p>
<hr>
<p><strong>এস এম ইমদাদুল হকঃ</strong> নির্বাহী সম্পাদক, ডিজিবাংলাটেকডটনউজ</p>
<hr>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>হংকং জয় শেষে এবার ঢাকায় সংবর্ধিত বাংলাদেশের টেক&#45;বিজয়ীরা</title>
<link>https://digibanglatech.news/162280</link>
<guid>https://digibanglatech.news/162280</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_695273ebce60e.jpg" length="106269" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 29 Dec 2025 09:28:04 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>হংকংয়ের বিশ্বমঞ্চে লাল-সবুজের পতাকা উড়িয়ে দেশে ফেরার পর জমকালো আয়োজনে সংবর্ধিত হলো বাংলাদেশের তরুণ ব্লকচেইন ও এআই উদ্ভাবকরা। ২৮ ডিসেম্বর, রবিবার রাতে রাজধানীর বারিধারার 'দ্য অ্যাট্রিয়াম ব্যাঙ্কুয়েট হল'-এ ব্লকচেইন ও এআই অলিম্পিয়াড বাংলাদেশ (বিকলবিডি) ২০২৫-এর বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। গত ২৯ থেকে ৩১ অক্টোবর হংকংয়ে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক আসর থেকে গোল্ড ও সিলভার মেডেল জিতে আসা দলগুলোসহ জাতীয় পর্যায়ের সেরা দলগুলোকে নগদ অর্থ ও সম্মাননা দেওয়া হয় এই অনুষ্ঠানে।</p>
<p>বিসিওএলবিডি ২০২৫-এর জাতীয় আসরে ব্লকচেইন ক্যাটাগরিতে ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকার ‘প্রফেসর জামিলুর রেজা চৌধুরী চ্যাম্পিয়নশিপ অ্যাওয়ার্ড’ জয় করে বুয়েটের টিম গ্রে ডেভস। এই দলের সদস্যরা হলেন-ঘাগড়া সালেম দেবনাথ, মো. আবু রাসেল, মো. আবু সুফিয়ান এবং এ এইচ এম ফুয়াদ। একই ক্যাটাগরিতে ৯০ হাজার টাকার সিলভার অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে আইইউটির টিম স্যাড ম্যাঙ্গো এবং ৬০ হাজার টাকার ব্রোঞ্জ জিতেছে ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির সাগর কর্মকার (টিম সোলোফাইটার)। স্যাড ম্যানগো দলের সদস্যরা হলেন-মেহরীন খান মেধা, নাভেদ সালেহ নাফি, আবু দাউদ আবরার এবং সাদমান হাসান তালুকদার। </p>
<p>এদিকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ক্যাটাগরিতে ১ লক্ষ টাকার গোল্ড অ্যাওয়ার্ড জিতেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের টিম হ্যাশউইজার্ডস (মো. আকিল শাহরিয়ার আনান ও ওয়াসিমা ইবনাত)। ৬০ হাজার টাকার সিলভার অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে বিইউপির টিম বিজলেজার এআই (রায়ান বিন সারওয়ার, ইসমাইল হোসেন আরিয়ান, শেখ মোহাম্মাদ আল হাদি ইলফা, আহমেদ দিইয়্যান ও মোঃ আব্দুর রহমান ফাহিম)  এবং চুয়েটের টিম কুয়েট_R2S4 পেয়েছে ৪০ হাজার টাকার ব্রোঞ্জ অ্যাওয়ার্ড। এই দলের সদস্যরা হলেন- রণজিৎ ধর, মোঃ রাকিব হাসান, সজীব ভট্টাচার্য, সৌরভ নাথ, সাদমান সালেহ ও মোঃ সাগর চৌধুরী। </p>
<p>আন্তর্জাতিক মঞ্চে (IBCOL) 'সেফপাস' প্রজেক্টের জন্য ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে গোল্ড জেতা আইইউটির টিম পিচার্স এবং সিলভার জেতা সম্মিলিত দল টিম বিকচেইন-কেও অনুষ্ঠানে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়। এছাড়া আর্কিটেকচার বিভাগে সিলভার জেতা ঢাবি ও আইইউটির দল পাওয়ারপাফ গার্লস এবং আইডিএসওএল-এ ‘অ্যাওয়ার্ড অব ডিস্টিংশন’ জেতা টিম সেন্সকোর ও টিম হ্যাশউইজার্ডস-এর হাতেও পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। </p>
<p>বিজয়ীদের হাতে সম্মাননা তুলে দেন আইসিটি সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী। এসময় বিকলবিডি’র আহ্বায়ক ও ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিস্টিংগুইশড প্রফেসর ড. মো. কায়কোবাদ, এমআইটির অধ্যাপক অ্যালান এডেলম্যান, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক সৈয়দ ফারহাত আনোয়ার এবং ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের কমার্শিয়াল কাউন্সিলর পল ফ্রস্ট উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>অনুষ্ঠানে সূচনা বক্তব্যে বিকলবিডি’র আহ্বায়ক ও ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিস্টিংগুইশড প্রফেসর ড. মো. কায়কোবাদ বলেন, এই অলিম্পিয়াড শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী চিন্তা, গবেষণাভিত্তিক মানসিকতা ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে কাজ করার সুযোগ তৈরি করেছে।<br> <br>প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইসিটি বিভাগের সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী বলেন, বিকলবিডি ব্লকচেইন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ডিস্ট্রিবিউটেড সিস্টেমের মতো ভবিষ্যৎ প্রযুক্তিতে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এ উদ্যোগে আইসিটি বিভাগের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।</p>
<p>প্রসঙ্গত, ২০২০ সালে প্রয়াত অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরীর দিকনির্দেশনায় যাত্রা শুরু করা বিকলবিডি এখন বৈশ্বিক ব্লকচেইন ও এআই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জাতীয় প্ল্যাটফর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।  বিদায়ী বছরে ব্লকচেইন অ্যান্ড এআই অলিম্পিয়াড বাংলাদেশ (বিকলবিডি) ২০২৫–এর মাধ্যমে মনোনীত ২২টি দল হংকংয়ে অনুষ্ঠিত ইন্টারন্যাশনাল ব্লকচেইন অলিম্পিয়াড (ইবকল) ও ইন্টারন্যাশনাল ডাটা সাইন্স অলিম্পিয়াড (ইডসল) ২০২৫–এ অংশ নেয়। প্রতিযোগিতায় আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সাতটি বাংলাদেশি দল ৭১টি ফাইনালিস্ট দলের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে।  বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অংশগ্রহণকারীদের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে একাধিক আন্তর্জাতিক পুরস্কার অর্জন করে। এর মধ্যে  আন্তর্জাতিক ব্লকচেইন অলিম্পিয়াডে স্বর্ণ জিতেছে দ্য পিচার্স (আইইউটি), রৌপ্য পেয়েছে বিকচেইন (বুয়েট, কুয়েট ও চুয়েট) এবং পাওয়ারপাফ গার্লস (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও আইইউটি)। ইন্টারন্যাশনাল ডিস্ট্রিবিউটেড সল্যুশনস অলিম্পিয়াডে শ্রেষ্ঠত্ব পেয়েছে সেন্সকোর (ডিইইউ) ও হ্যাশউইজার্ডস (রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়), যোগ্যতা পুরস্কার পেয়েছে নিউরোচেইন (মাল্টি-ইউনিভার্সিটি) ও নিউরোফ্লাক্স (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও আর্মি ইনস্টিটিউট)।<br> <em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এএমএ/এমইউএম</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>নতুন সরকারের অগ্রাধিকার: ডিজিটাল উন্নয়নকে রাষ্ট্রীয় কৌশলের কেন্দ্রবিন্দুতে স্থাপন</title>
<link>https://digibanglatech.news/162116</link>
<guid>https://digibanglatech.news/162116</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_695014567f619.jpg" length="143326" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 27 Dec 2025 23:17:38 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশ এখন একটি নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ের দোরগোড়ায়। জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে সমগ্র দেশ রাজনীতি, নেতৃত্ব এবং ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা নিয়ে ব্যস্ত আলোচনায় নিমগ্ন। কিন্তু নির্বাচনোত্তর সময়ে, একটি নির্বাচিত সরকারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হবে — দেশের ডিজিটাল উন্নয়নকে অগ্রাধিকার হিসেবে গ্রহণ করা এবং তা বাস্তবায়নের জন্য একটি সুসংগঠিত জাতীয় রূপরেখা প্রণয়ন করা।</p>
<p><strong>ডিজিটাল উন্নয়ন: নাগরিক প্রত্যাশা ও রাষ্ট্রীয় দায়বদ্ধতা</strong><br>বাংলাদেশে ডিজিটাল রূপান্তর আর কেবল প্রযুক্তিগত অগ্রগতি নয়, এটি এখন সামাজিক পরিবর্তনের এক অবিচ্ছেদ্য অনুষঙ্গ। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, প্রশাসন, শিল্প, এমনকি গণতান্ত্রিক অংশগ্রহণের ক্ষেত্রেও তথ্যপ্রযুক্তি সাধারণ নাগরিকের জীবনধারায় গভীর প্রভাব ফেলেছে।</p>
<p>এ প্রেক্ষিতে, ডিজিটাল উন্নয়ন অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং মানবিক সক্ষমতা বৃদ্ধির অন্যতম চালিকা শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। তাই নাগরিকদের প্রত্যাশা হলো—নতুন সরকার ডিজিটাল উন্নয়নকে জাতীয় পরিকল্পনা, নীতি ও বাজেট কাঠামোর কেন্দ্রীয় অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচনা করবে।</p>
<p>ডিজিটাল উন্নয়নের চারটি প্রধান স্তম্ভ<br>ডিজিটাল উন্নয়ন একক কোনো প্রকল্প নয়; বরং এটি একটি সামগ্রিক প্রক্রিয়া, যা চারটি পারস্পরিক সম্পর্কযুক্ত স্তম্ভের উপর দাঁড়িয়ে:<br>•    ডিজিটাল রূপান্তর: অর্থনীতি, সমাজ ও সরকারি সেবায় তথ্যপ্রযুক্তি, ডেটা ও উদ্ভাবনের সংযোজনের মাধ্যমে দক্ষতা ও স্বচ্ছতা বৃদ্ধি।</p>
<p>•    ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি: নারী, যুব, প্রবীণ, প্রতিবন্ধী এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য সমান ডিজিটাল সুযোগ ও প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা।</p>
<p>•    ডিজিটাল দায়িত্বশীলতা: সাইবার নিরাপত্তা, তথ্যের গোপনীয়তা, অনলাইন নৈতিকতা ও মানবাধিকারের সুরক্ষা।</p>
<p>•    ডিজিটাল টেকসইতা: পরিবেশবান্ধব অবকাঠামো, দীর্ঘমেয়াদি নীতি এবং জলবায়ু-বান্ধব প্রযুক্তির ব্যবহার।</p>
<p><br>এই চারটি স্তম্ভ কেবল প্রযুক্তিগত নির্দেশনা নয়—এগুলো বাংলাদেশের সামাজিক চুক্তির নতুন রূপ, যেখানে রাষ্ট্র, বাজার ও নাগরিক সমাজ একসঙ্গে কাজ করবে “ ডিজিটাল জাতি”-এর পরবর্তী অধ্যায় নির্মাণে।</p>
<p><strong>নীতিগত প্রতিশ্রুতি ও কর্মপরিকল্পনা</strong><br>একটি নতুন সরকারের প্রথম দায়িত্ব হওয়া উচিত অগ্রাধিকার নির্ধারণের স্পষ্ট ঘোষণা দেওয়া। ক্ষমতা গ্রহণের সঙ্গে সঙ্গে সরকারকে ঘোষণা করতে হবে যে ডিজিটাল উন্নয়ন কেবল একটি খাত নয়, বরং এটি জাতীয় উন্নয়ন কৌশলের কেন্দ্রবিন্দু।</p>
<p>দ্বিতীয়ত, সরকারের প্রথম ছয় মাসের মধ্যেই একটি মধ্যমেয়াদি ডিজিটাল উন্নয়ন রোডম্যাপ (Medium-Term Digital Development Roadmap) প্রণয়ন করতে হবে, যা জাতীয় পরিকল্পনা প্রক্রিয়া—বিশেষত “Perspective Plan” ও “Five-Year Plan”-এর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ থাকবে।</p>
<p>এই রোডম্যাপের আওতায় ডিজিটাল অবকাঠামো উন্নয়ন, ডেটা গভর্নেন্স, সাইবার নীতি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) ব্যবহার এবং ডিজিটাল অর্থনীতির সম্প্রসারণের জন্য স্পষ্ট সূচক ও দায়িত্ব নির্ধারণ করতে হবে।</p>
<p><strong>বৈশ্বিক কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্য</strong><br>বাংলাদেশের ডিজিটাল উন্নয়ন পরিকল্পনাকে জাতিসংঘ ও বৈশ্বিক নীতিনির্ভর কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখা জরুরি। কারণ, আজকের ডিজিটাল রূপান্তর স্থানীয় নীতি দিয়ে নয়—বৈশ্বিক সমন্বয় ও প্রযুক্তিগত ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে পরিচালিত হয়।</p>
<p>১. The Pact for the Future (2024): ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য মানবকেন্দ্রিক প্রযুক্তি ও টেকসই উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি নিশ্চিত করে।<br>২. WSIS+20 Review (World Summit on the Information Society): তথ্যসমাজ গঠনে ২০ বছরের অর্জনের পরিপ্রেক্ষিতে নতুন দিগন্ত নির্ধারণ করে।<br>৩. UN Global Digital Compact (GDC): একটি উন্মুক্ত, নিরাপদ ও ন্যায্য ডিজিটাল ভবিষ্যতের জন্য বৈশ্বিক ঐকমত্য প্রতিষ্ঠা করে।<br>৪. Internet Governance Forum (IGF): বহুপক্ষীয় শাসনব্যবস্থার মাধ্যমে ইন্টারনেট নীতি, মানবাধিকার ও উন্নয়নকে সংযুক্ত করে।<br>৫. AI for Good Initiative: জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDGs) অর্জনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দায়িত্বশীল ও নৈতিক ব্যবহার নিশ্চিত করে।<br>এই কাঠামোগুলো বাংলাদেশের জন্য শুধু নির্দেশনাই নয়—এগুলো আমাদের ডিজিটাল ভবিষ্যৎ গঠনের আন্তর্জাতিক নীতিনির্ভর পরিমাপক।</p>
<p><strong>বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে কৌশলগত প্রয়োজন</strong><br>বাংলাদেশ ইতিমধ্যেই ডিজিটাল বাংলাদেশ কর্মসূচির মাধ্যমে একটি শক্তিশালী ভিত্তি স্থাপন করেছে। এখন সময় এসেছে ডিজিটাল ২.০ যুগে প্রবেশের, যেখানে রূপান্তর হবে “অ্যাক্সেস” থেকে “ক্ষমতায়ন”-এর দিকে।<br>•    স্থানীয় উদ্ভাবন ও যুব নেতৃত্ব: স্থানীয় পর্যায়ে উদ্ভাবন ও স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমকে জাতীয় পরিকল্পনায় সংযুক্ত করা।<br>•    ডিজিটাল শিক্ষা ও দক্ষতা: স্কুল-কলেজ পর্যায়ে কোডিং, রোবোটিকস, AI ও ডেটা লিটারেসি অন্তর্ভুক্ত করা।<br>•    ডিজিটাল সুরক্ষা ও ন্যায়বিচার: অনলাইন সহিংসতা, তথ্যবিকৃতি ও গোপনীয়তা লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে দৃঢ় আইনগত কাঠামো।<br>•    ডিজিটাল অর্থনীতি ও কর্মসংস্থান: ই-কমার্স, ফ্রিল্যান্সিং, ডিজিটাল ব্যাংকিং ও ব্লকচেইনভিত্তিক সেবা সম্প্রসারণের মাধ্যমে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি।<br><br>ডিজিটাল উন্নয়ন এখন বাংলাদেশের জাতীয় অগ্রগতির অনিবার্য অংশ। এটি কেবল প্রযুক্তি নয়—এটি রাষ্ট্রীয় আধুনিকায়নের প্রতীক, জনগণের অংশগ্রহণের প্ল্যাটফর্ম, এবং বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের মর্যাদা পুনর্নির্ধারণের হাতিয়ার।</p>
<p>একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, দায়িত্বশীল এবং টেকসই ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনের মধ্য দিয়েই নতুন সরকার জাতিসংঘ ঘোষিত “Leaving No One Behind” নীতির প্রকৃত প্রতিফলন ঘটাতে পারবে।</p>
<hr>
<p>এ এইচ এম. বজলুর রহমান: এমএসএস (সরকার ও রাজনীতি), এলএল.বি, ডিজিটাল গণতন্ত্র বিশেষজ্ঞ এবং বাংলাদেশের জন্য দায়িত্বশীল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা অ্যাম্বাসেডর | ceo@bnnrc.net |</p>
<hr>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ডিআরইউতে সাংবাদিকতায় এআই&#45;এর শক্তি নিয়ে দুই দিনের কর্মশালা শুরু</title>
<link>https://digibanglatech.news/161963</link>
<guid>https://digibanglatech.news/161963</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_694e13a27a409.jpg" length="95862" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 26 Dec 2025 10:46:48 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>সাংবাদিকতায় এআই ব্যবহারের সম্ভাবনা, ঝুঁকি ও ডিজিটাল সুরক্ষা নিয়ে রাজধানীর ডিআরইউ মিলনায়তনে শুরু হলো দুই দিনের কর্মশালা। তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান গেমপ্লিফাই-এর পৃষ্ঠপোষতকায় এআই পাওয়ার্ড জার্নালিজম বিষয়ক এই কর্মশালায় অংশ নিচ্ছেন ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির ৬০ জন সদস্য। ২৬ ডিসেম্বর, শুক্রবার সকালে শুরু হওয়া এই কর্মশালার উদ্বোধনীতে স্বাগত বক্তব্য দেন <strong><a href="https://www.gameplify.xyz/" target="_blank" rel="noopener">গেমপ্লিফাই এক্সওয়াইজেড</a></strong> ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহফুজুর রহমান।</p>
<p>তিনি বলেন, এখন ইনফরমেশনের যুগ পেরিয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে প্রবেশ করেছি। ধারণা করা হচ্ছে অচিরেই কৃত্রিমবুদ্ধিমত্তা মানুষের বুদ্ধিমত্তাকে ছাড়িয়ে যাবে। সেটা হবে সিঙ্গুলারিটি'র সময়। সেই এআই সাংবাদিকতার জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ ও ঝুঁকি নিয়ে এসেছে। সেই ঝুঁকি মোকাবেলাই গেমপ্লিফ্লাই ডিআরইউ এর পাশে থাকবে। সেই লক্ষ্যে আমরা নতুন ধারার সাংবাদিকতার সঙ্গে এই কর্মশালা করছি। আশাকরি এটি আপনাদের ক্যারিয়ারে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। </p>
<p>তিনি আরও বলেন, বিদেশী সামাজিক যোগাযোগমধ্যেমের নেতিবাচক প্রভাবমুক্ত করতে আমরা গ্যাম্বলিং, বেটিং ও জুয়ামুক্ত সোশ্যাল মিডিয়া করেছি। শুরুতেই ক্রিড়া ভিত্তিক সোশ্যাল মিডিয়া করেছি। আমরা অশ্লীলতা মুক্ত জ্ঞান ও সুস্থধারার প্রতিযোগিতা তৈরি করবে। এজন্য আমেরিকা প্রবাসী প্রযুক্তিবিদ মশিউর রহমান দূরদেশ থেকে কাজ করছেন। </p>
<p>সভাপতির বক্তব্যে ঢাকা রিপোর্টাস ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল বলেন, প্রযুক্তির উৎকর্ষতার সঙ্গে সাংবাদিকদের এগিয়ে রাখতে এবার আমরা ভিন্ন ধাচের বিষয়ে নতুন ধারায় প্রশিক্ষণ করছি। এতে করে তারা যেন কোনটি এআই, কোনটি নয় তা জানতে পারে। আমি যা ভাবছি তা যদি এআই বলে দিতে পারে তবে তার ব্যবহার আমাদের জানতে হবে। তাই আমাদের এআই যাচাই করতে জানতে হবে। ব্যতিক্রমী আয়োজনে এ বছর আমরা নতুন কিছু শিখবো। </p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x_694e1380d63ea.jpg" alt=""></p>
<p>তথ্যপ্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক মাহমুদ সোহেল বলেন, আমি বলেছি রিপোর্টারদের প্রচুর জানতে হবে তা না হলে জাতিকে জানানোর সুযোগ তৈরি হবে না। সাংবাদিকরা সবচেয়ে এগিয়ে থাকা দের একজন হতে হবে তাই এ আই  এ আই জানা প্রতিটি রিপোর্টারের জন্য অপরিহার্য। বছরজুড়ে ঢাকা রিপোর্ট অসিলিটির সদস্যদের জন্য এমন আয়োজন থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন ৭ ডিসেম্বর দায়িত্ব নেওয়া তথ্য প্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাহমুদ সোহেল।</p>
<p>প্রশিক্ষণ কর্মসূচি পরিচালনা করেন ডিআরইউ সদস্য মোহাম্মদ ইমাম হোসাইন সোহেল। প্রথম সেশনের প্রশিক্ষণ নেন ঢাকা পোস্টের হেড অব নিউ ইনিশিয়েটিভ আরিফুল ইসলাম আরমান। </p>
<p>অনুষ্ঠানে জানানো হয়, খেলাধূলা বিষয়ক সোশ্যাল মিডিয়া হিসেবে গেমপ্লিফ্লাই সোশ্যাল মিডিয়ায় বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করতে কাজ করছে।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/ইকে/আরও</strong></span></em></p>
<p> </p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>পৌনে দুই লাখ তরুণের কর্মসংস্থানে আরও ১৫ কোটি ডলার দেবে বিশ্বব্যাংক</title>
<link>https://digibanglatech.news/161851</link>
<guid>https://digibanglatech.news/161851</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_694c29a3b7af1.jpg" length="88715" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 24 Dec 2025 16:56:30 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>স্বল্প আয়ের তরুণ ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের কর্মসংস্থান ও আয় বাড়াতে বাংলাদেশকে আরও ১৫ কোটি ডলার ঋণ দেবে বিশ্বব্যাংক। বর্তমান বাজারদরে এর পরিমাণ এক হাজার ৮০০ কোটি টাকারও বেশি। এই অর্থে জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারী জনগোষ্ঠী এবং নারীদের বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।</p>
<p>২৪ ডিসেম্বর, বুধবার বিশ্বব্যাংকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।</p>
<p>বিশ্বব্যাংক জানিয়েছে, অতিরিক্ত এই অর্থায়ন দেওয়া হচ্ছে ‘রিকভারি অ্যান্ড অ্যাডভান্সমেন্ট অব ইনফরমাল সেক্টর এমপ্লয়মেন্ট (রেইজ)’ প্রকল্পের আওতায়। প্রকল্পটির মাধ্যমে সারা দেশে আরও প্রায় ১ লাখ ৭৬ হাজার তরুণের কর্মসংস্থান ও আয়ের সুযোগ সৃষ্টি হবে। এর আগে এই প্রকল্পের মাধ্যমে ২ লাখ ৩৩ হাজার মানুষ বিভিন্ন ধরনের সহায়তা পেয়েছে।</p>
<p>সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রকল্পের আওতায় অংশগ্রহণকারীরা দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ, শিক্ষানবিশ কর্মসূচি, উদ্যোক্তা উন্নয়ন, ক্ষুদ্রঋণসহ সমন্বিত সেবা পাবেন। এসব উদ্যোগ কর্মসংস্থান ও ব্যবসা সম্প্রসারণে বিদ্যমান বাধা দূর করতে সহায়তা করবে। নারীর ক্ষমতায়নে নতুন উদ্যোগ হিসেবে মানসম্মত শিশুযত্ন সেবার সুযোগও যুক্ত করা হচ্ছে। পাশাপাশি জলবায়ু সহনশীল জীবিকা গড়ে তোলার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে, যাতে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার জনগোষ্ঠী জলবায়ু অভিঘাত মোকাবিলায় সক্ষম হয়।</p>
<p>বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটানের ভারপ্রাপ্ত বিভাগীয় পরিচালক গেইল মার্টিন বলেন, ‘ভালো চাকরি একজন মানুষ, একটি পরিবার এবং একটি জনগোষ্ঠীর জীবন বদলে দিতে পারে। কিন্তু প্রতিবছর বিপুলসংখ্যক তরুণ শ্রমবাজারে প্রবেশ করলেও তারা কাজের সুযোগ পাচ্ছেন না। কর্মসংস্থানের মান, দক্ষতার ঘাটতি এবং দক্ষতার অসামঞ্জস্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।’</p>
<p>তিনি আরও বলেন, ‘এই অতিরিক্ত অর্থায়নের মাধ্যমে স্বল্প আয়ের পরিবারের আরও বেশি তরুণ— বিশেষ করে নারী ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর মানুষ বাজারের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষতা অর্জনের সুযোগ পাবেন।’</p>
<p>বিশ্বব্যাংক জানিয়েছে, প্রকল্পের কার্যক্রম শহরের পাশাপাশি গ্রামীণ এলাকাতেও সম্প্রসারিত করা হবে, যাতে প্রান্তিক তরুণ ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারাও সহায়তার আওতায় আসেন। প্রশিক্ষণ শেষ করা শিক্ষানবিশদের মধ্যে ৮০ শতাংশের বেশি তিন মাসের মধ্যেই কর্মসংস্থান পেয়েছেন। একইসঙ্গে তরুণ ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারাও আয় বৃদ্ধি ও ব্যবসা ব্যবস্থাপনায় উন্নতির কথা জানিয়েছেন।</p>
<p>এই অতিরিক্ত অর্থায়নের ফলে রেইজ প্রকল্পে বিশ্বব্যাংকের মোট সহায়তার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৫ কোটি ৭ লাখ ৫০ হাজার ডলারে।<br>ডিবিটেক/বিজ্ঞপ্তি/বিটিও</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ফেইক ফটো&#45;ভিডিও’র টার্গেটে শহীদ ওসমান হাদি</title>
<link>https://digibanglatech.news/161664</link>
<guid>https://digibanglatech.news/161664</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_694a39ec68fe1.jpg" length="112965" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 23 Dec 2025 09:43:23 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>আততায়ীর গুলিতে নিহত শহীদ শরিফ ওসমান হাদিকে নিয়ে সোশ্যাল হ্যান্ডেলে একের পর এক ফেইক ফটোকার্ড, এআই কারসাজির ছবি ও ভূল ভিডিও ছড়ানো হচ্ছে। এরইমধ্যে হাদির কবরের ওপর কুকুরের এডিটেড ছবি, জানাজার আসল ছবি বলে এআই নির্মিত ছবি প্রকাশ, সিনএনজি’তে হাদির শিশু বাচ্চার ছবি, তার বোন ও স্ত্রীর নামে ভিডিও ছড়ানো হয়েছে। প্রতিদিনই এ ধরনের অপতথ্য, কুতথ্য ভেসে বেড়াচ্ছে ভার্চুয়াল দুনিয়ায়।  </p>
<p><span>এর মধ্যে হাদি ইস্যুতে শেখ হাসিনার ক্ষমা চাওয়ার দাবিতে পুরোনো ভাষণের ভিডিও, হাদি হত্যা ইস্যুতে ডাকসু নেত্রী জুমার বক্তব্য দাবিতে কালের কণ্ঠের নামে সম্পাদিত ফটোকার্ড এবং খালেদা জিয়া ও ওসমান হাদি প্রসঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বক্তব্য দাবিতে এআই ভিডিও প্রচার হতে দেখা গেছে। </span></p>
<p><span>একইভাবে ‘</span>এই বয়সে এতিম হলেন শহীদ ওসমান হাদির ছেলে’<span>- মর্মে ওসমান হাদি ও তার শিশুপুত্রের দাবিতে একটি ছবি ভাইরাল হয়েছে। উভয় ছবিতেই শিশুটিকে ওসমান হাদির সন্তান দাবি করা হয়েছে। তবে ফ্যাক্টচেকের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, এই শিশুটি ওসমান হাদির নয়। শিশুটির ভিন্ন একটি পরিবার রয়েছে, এবং ওসমান হাদির নিজের শিশু সন্তানের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে খুঁজে পাওয়া যায়নি।</span></p>
<p><span>ছড়িয়ে পড়া কয়েকটি পোস্ট দেখতে পাবেন <a href="https://web.facebook.com/permalink.php?story_fbid=pfbid0ZYWTd5P9AcUmdpK1UP2uA7rr6qi5XD5FjtvTJbVkNiwMeuQ7BT3vuxYsbEVGTBpvl&amp;id=61550004260149" target="_blank" rel="noopener">এখানে</a>, <a href="https://web.facebook.com/groups/477747100652831/posts/1417395846687947/" target="_blank" rel="noopener">এখানে</a>, <a href="https://web.facebook.com/groups/863707050829666/posts/2194197364447288/" target="_blank" rel="noopener">এখানে</a>, <a href="https://web.facebook.com/groups/660509894596801/posts/1844777859503326/" target="_blank" rel="noopener">এখানে</a>, <a href="https://web.facebook.com/reel/1844206846300128" target="_blank" rel="noopener">এখানে</a>। একটি সিএনজিচালিত অটোরিক্সার ভেতরে একটি শিশুপুত্রকে নিয়ে ওসমান হাদি (বা তার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ অপর কোনো ব্যক্তিকে) বসে থাকতে দেখা যাচ্ছে। </span></p>
<p>রিভার্স ইমেজ সার্চের মাধ্যমে দেখা যাচ্ছে, গত ১৮ডিসেম্বর দুপুর ১টা ৩২ মিনিটে এই ছবিটা<span> </span><a href="https://web.facebook.com/ayhankingofthemoon?__cft__[0]=AZYh5Hda6FcROA7JetontN5lM6zR2-EaASfq0GgLPKApizafE8oagEm7BANa9aRl4HVHlrAXMYs1mY1wr1c5qR86KvzGsneKM1qkbpw_9ZkGIOLPOw2VTgcNmL8uqAY5oh0eBzXGZRdW5bfvc_Rd96qLXfISic9f9X7m5BGrwh-7RQ&amp;__tn__=-UC%2CP-R" target="_blank" rel="noopener">Ayhan – King Of The Moon</a><span> </span>নামক পেজ থেকে<span> </span><a href="https://web.facebook.com/ayhankingofthemoon/posts/pfbid0Vty7hGpb59bEZj7HcpNRt1cXXEpm2fjgZk71AjLCG7jLchssGoGSsDbXVdTKX38jl" target="_blank" rel="noopener">আপলোড</a><span> </span>করা হয়েছিল। ছবির ক্যাপশন ছিল- ‘মাশআল্লাহ্‌! এমন পুতুল একটা পেলে জীবনে আর কী চাই’।  পেজটির ‘এবাউট’ সেকশন থেকে জানা গেল, এই ছেলেশিশুটির নাম আয়হান,বাবার নাম অন্তর মাশউদ,মায়ের নাম সাদিয়া খান।</p>
<p>পরবর্তীতে অন্তর মাশউদ এর মূল ফেসবুক<span> </span><a href="https://web.facebook.com/antormashud" target="_blank" rel="noopener">একাউন্ট</a><span> </span>থেকেও দেখা যাচ্ছে, তিনি তার নিজের শিশুকে ওসমান হাদির শিশু হিসেবে ছড়িয়ে পড়া গুজবের ব্যাপারে সতর্ক করছেন। ১৯ ডিসেম্বর মধ্যরাতের পর তিই এই বিষয়ক একটি স্ট্যাটাস দিয়ে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।</p>
<p>গত জুন মাসে একটি সাক্ষাৎকারে ওসমান হাদি জানান, আল্লাহ আমাকে একটা সন্তান দিয়েছে। তিন মাস ওর বয়স। আমার বাচ্চাটারে তিন মাসে ত্রিশ মিনিটও আমি কোলে নিতে পারি নাই।  </p>
<p>সেই হিসাবে ডিসেম্বর মাসে এই শিশুটির বয়স হওয়া উচিত ৯ মাস। তবে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া আলোচ্য ছবিটতে শিশুটির বয়স ২ বছরের আশেপাশে বলে প্রতীয়মান হচ্ছে।এছাড়া ওসমান হাদির ফেসবুক প্রোফাইল ঘেঁটে তার পরিবার বা সন্তানের কোনো ছবি দেখা যায়নি। সার্বিক বিবেচনায় ফ্যাক্টওয়াচ এ সংক্রান্ত পোস্টগুলোকে ‘মিথ্যা’ সাব্যস্ত করছে।</p>
<p>একইভাবে <span>আততায়ীর গুলিতে নিহত ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদির কবরের ওপর কুকুর দেখা গেছে দাবিতে ফেসবুকে একটি ছবি প্রচার করা হচ্ছে। ফ্যাক্টওয়াচের অনুসন্ধানে দেখা যায়, ছবিটি এডিটেড। আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে  হাদির কবরের ওপর কুকুরের ছবিটি যুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। </span></p>
<p>ফেসবুকে এই দাবিতে প্রচারিত কিছু পোস্ট<span> </span><a href="https://perma.cc/2GA7-FMVD" target="_blank" rel="noopener">পোস্ট-১</a>,<span> </span><a href="https://www.facebook.com/story.php?story_fbid=858184187107430&amp;id=100087475701623&amp;rdid=hyPReY0xEGxYwSKT" target="_blank" rel="noopener">পোস্ট-২</a>,<span> </span><a href="https://www.facebook.com/permalink.php?story_fbid=pfbid0xydUvyygF6tkmfGfcYd4ikSj9nowEFykz5uv8bzCGSjX72d7U2BDLHJMfUUofU2rl&amp;id=100009825930863" target="_blank" rel="noopener">পোস্ট-৩</a>,<span> <a href="https://www.facebook.com/permalink.php?story_fbid=pfbid02GYtSeUvGicytCvb5Xt8tYNSG1wpbh4jHMSdL87TMj8Zv8i8CAazP4bTtK6Yh1i4wl&amp;id=61585323264819">পোস্ট-৪</a></span>ও<span> </span><a href="https://www.facebook.com/reda.ali.311493/posts/pfbid023gSFk1fbUCzVXpyXh1wy9k8aaBtU3w9SBqWd9eXttxrPMeNBeQv5kwPvTAzcsQQNl" target="_blank" rel="noopener">পোস্ট-৫</a> এ প্রচারিত ছবিটি নিয়ে অনুসন্ধানে রিভার্স ইমেজ সার্চে<span> </span><a href="https://perma.cc/EUG9-BQZU" target="_blank" rel="noopener">প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি স্টুডেন্ট অ্যালায়েন্স অব বাংলাদেশ</a><span> </span>(পুসাব) নামে খোলা একটি ফেসবুক পেজে মূল ছবিটি পাওয়া যায়। এটি গত শনিবার (২০ ডিসেম্বর) পেজটিতে পোস্ট করা হয়। এই ছবির সঙ্গে ওসমান হাদির কবরের ওপর কুকুর দেখা গেছে দাবিতে প্রচারিত ছবিটির বিভিন্ন উপাদানের হুবহু মিল পাওয়া যায়। যা থেকে অনুমান করা যায়, কুকুরযুক্ত ছবিটি এডিট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। </p>
<p>এই সম্ভাবনা থেকে ছবিটি গুগলের এআই জেনারেটেড কনটেন্ট শনাক্তকারী টুল সিন্থআইডি (<a href="https://deepmind.google/models/synthid/" target="_blank" rel="noopener">SynthID</a>) দিয়ে যাচাই করে দেখা হয়। এটি গুগলের এআই প্রযুক্তি দিয়ে তৈরি ছবি, ভিডিও, অডিও বা টেক্সটে অদৃশ্য ডিজিটাল ওয়াটারমার্ক যুক্ত করে, যা খালি চোখে দেখা না গেলেও বিশেষ প্রযুক্তির মাধ্যমে শনাক্ত করা যায়। কোনো ছবি গুগল এআই দিয়ে তৈরি বা সম্পাদিত কি না জানতে চাইলে জেমিনিতে ছবিটি আপলোড করে এআই জেনারেটেড কনটেন্ট শনাক্তকারী টুল সিন্থআইডিকে জিজ্ঞেস করলে (@<a href="https://deepmind.google/models/synthid/" target="_blank" rel="noopener">SynthID</a>) টুলটি ওয়াটারমার্ক আছে কি না পরীক্ষা করে জানিয়ে দেয়।</p>
<p>হাদির কবরের ওপর কুকুরযুক্ত ছবিটি এই সিন্থআইডি (<a href="https://deepmind.google/models/synthid/" target="_blank" rel="noopener">SynthID</a>) দিয়ে যাচাই করে দেখা হয়। সিন্থআইডি ছবিটি যাচাই করে জানায়, এটি গুগলের এআই টুলস ব্যবহার করে তৈরি বা এডিট করা। এতে ডিজিটাল ওয়াটারমার্ক রয়েছে। </p>
<p>এ ছাড়া ছবিটি ইমেজ ভেরিফিকেশন অ্যাসিস্ট্যান্ট নামে একটি টুলের সাহায্যেও যাচাই করে দেখা হয়। এই টুলটি TruFor নামে একটি অ্যালগরিদমের সাহায্যে ছবিটি বিশ্লেষণ করে। </p>
<p>এই অ্যালগরিদমটি এআই বেইসড ফিল্টারের সাহায্যে ছবি বিশ্লেষণ করে। এক্ষেত্রে ছবিতে কোনো বিকৃতি করা হলে সেই অংশটি লাল রং দিয়ে হাইলাইট করে দেওয়া হয়। বিপরীতে ছবির প্রকৃত উপাদানগুলো নীল রঙে হাইলাইট করা হয়। ওসমান হাদির কবরের ওপরের কুকুরের ছবিটিতেও এই ফলাফল দেখা যায়।  </p>
<p>অপরদিকে <span> </span>২১ ডিসেম্বর জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত ওসমান হাদির<span> </span><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/vc3920ia5t" target="_blank" rel="noopener">জানাজা</a>র দৃশ্য দাবিতে একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভ্রান্তি ছড়ানো হয়। ফেসবুকে <span>প্রচারিত পোস্ট দেখুন </span><a href="https://www.facebook.com/groups/4114628715442034/permalink/4193638727541032/?app=fbl" target="_blank" rel="noopener">এখানে</a><span> (</span><a href="https://archive.ph/SFpuQ" target="_blank" rel="noopener">আর্কাইভ</a><span>) এবং </span><a href="https://www.facebook.com/groups/657476509843504/permalink/1202422735348876/?rdid=4EJJOyyEWihttSQg&amp;share_url=https://www.facebook.com/share/p/1CxjCtPwrj/" target="_blank" rel="noopener">এখানে</a><span> (</span><a href="https://archive.ph/EN5ht" target="_blank" rel="noopener">আর্কাইভ</a><span>)। </span>একই দাবিতে ইনস্টাগ্রামে প্রচারিত পোস্ট দেখুন<span> </span><a href="https://www.instagram.com/p/DShh2g5jgne/?igsh=MWN1ODBlMmUwYnE2cA%3D%3D" target="_blank" rel="noopener">এখানে</a><span> </span>(<a href="https://archive.ph/VNowV" target="_blank" rel="noopener">আর্কাইভ</a>)।</p>
<p>রিউমর স্ক্যানার টিমের অনুসন্ধানে জানা যায়, প্রচারিত ছবিটি ওসমান হাদির জানাজার আসল ছবি নয় বরং, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির সাহায্যে তৈরি এই ছবিকে আসল দাবিতে প্রচার করা হয়েছে।</p>
<p>এ বিষয়ে অনুসন্ধানে আলোচিত দাবিতে প্রচারিত ছবিটি নিয়ে রিভার্স সার্চ করলে মূলধারার গণমাধ্যম বা নির্ভরযোগ্য সূত্রে আলোচিত ছবিটি আসল হওয়ার সপক্ষে কোনো তথ্যপ্রমাণ পাওয়া যায়নি। পাশাপাশি, ওসমান হাদির কোনো জানাজার ভিডিওতেও আলোচিত দৃশ্য পাওয়া যায়নি। প্রকৃতপক্ষে ওসমান হাদির জানাজার এরূপ কোনো ছবি ধারণ করা হলে তা মূলধারার গণমাধ্যম বা কোনো নির্ভরযোগ্য সূত্রে পাওয়া যেত।</p>
<p>পরবর্তী অনুসন্ধানে মূলধারার গণমাধ্যম এটিএন বাংলার ইউটিউব চ্যানেলে গত ২১ ডিসেম্বরে ওসমান হাদির জানাজার সরাসরি সম্প্রচারিত<span> </span><a href="https://www.youtube.com/live/hBXDzFypwhA?si=5Mr5P6wMJUVXBK6R" target="_blank" rel="noopener">ভিডিও</a><span> </span>পাওয়া যায়। ভিডিওতে প্রদর্শিত ওসমান হাদির জানাজার দৃশ্যের সাথে আলোচিত দাবিতে প্রচারিত দৃশ্যের বৈসাদৃশ্য পাওয়া যায়, যা নিশ্চিত করে প্রচারিত ছবি ওসমান হাদির জানাজার দৃশ্যের নয়। </p>
<p>তাছাড়া, প্রচারিত ভিডিওটি পর্যবেক্ষণে জানাজা, জানাজায় উপস্থিত মানুষের গঠন ও পারিপার্শ্বিক অবস্থাতেও অস্বাভাবিকতা পরিলক্ষিত হয়, যা সাধারণত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির সাহায্যে তৈরি কনটেন্টে দেখা যায়।</p>
<p>এ বিষয়ে অধিকতর নিশ্চিত হতে এআই ও ডিপফেক কনটেন্ট শনাক্তকারী প্ল্যাটফর্ম ‘<a href="https://zinc.cse.buffalo.edu/ubmdfl/deep-o-meter/home_login" target="_blank" rel="noopener">ডিপফেক ও মিটার</a>’ এ আলোচিত ভিডিওটি বিশ্লেষণ করলে এটি ভুয়া হওয়ার সম্ভাবনা বেশি দেখা যায়। প্ল্যাটফর্মটির ‘GLFF’ ডিটেক্টরের বিশ্লেষণমতে ভিডিওটি ভুয়া বা এআই তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা ৯৯.৫ শতাংশ। এছাড়াও, এআই কনটেন্ট শনাক্তকারী আরেক প্ল্যাটফর্ম ‘<a href="https://hivemoderation.com/ai-generated-content-detection" target="_blank" rel="noopener">হাইভ মডারেশন</a>’ এ আলোচিত ভিডিওটি বিশ্লেষণ করলে এটি এআই দিয়ে তৈরি কনটেন্ট হওয়ার সম্ভাবনা ৯৯.৭ শতাংশ বলে জানা যায়।</p>
<div class="google-auto-placed ap_container">একইভাবে <span><span> `আমার ওপর হামলার পরে আমার নামে টাকা তুলে হাদি খেয়েছে’ শীর্ষক মন্তব্যটি গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের দাবিতে বাংলাভিশনের ডিজাইন সম্বলিত ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া একটি ফটোকার্ড শনাক্ত করেছে রিউমার স্ক্যানার। </span></span>
<p>ফটোকার্ডটিতে বাংলাভিশনের লোগো রয়েছে এবং এটি প্রকাশের তারিখ ‘২০ ডিসেম্বর ২০২৫’ উল্লেখ করা হয়েছে। উক্ত তথ্যাবলীর সূত্র ধরে বাংলাভিশনের<span> </span><a href="https://www.facebook.com/share/1HRUpLxEmH/" target="_blank" rel="noopener">ফেসবুক পেজে</a><span> </span>প্রচারিত ফটোকার্ডগুলো পর্যবেক্ষণ করে উক্ত তারিখে আলোচিত শিরোনাম সম্বলিত কোনো ফটোকার্ড খুঁজে পাওয়া যায়নি। এছাড়া, বাংলাভিশনের<span> </span><a href="https://www.bvnews24.com/" target="_blank" rel="noopener">ওয়েবসাইট</a><span> </span>ও<span> </span><a href="https://youtube.com/@banglavisionnews?si=VJWhHK-ulVljTmr-" target="_blank" rel="noopener">ইউটিউব চ্যানেলেও</a><span> </span>উক্ত দাবির বিষয়ে কোনো সংবাদ খুঁজে পাওয়া যায়নি। এমনকি নুরুল হক নুরের<span> </span><a href="https://www.facebook.com/ducsuvpnur" target="_blank" rel="noopener">ফেসবুক পেজেও</a><span> </span>এ সংক্রান্ত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।</p>
<p><span>একইভাবে ওসমান হাদির জানাজায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, “বীর ওসমান হাদি, বিদায় দিতে আসিনি, তুমি <strong>সব জঙ্গি</strong> দের বুকের মধ্যে থাকবে” লেখা দৈনিক প্রথম আলোর লোগো সম্বলিত একটি<strong><a href="https://www.facebook.com/story.php?story_fbid=25925689370350740&amp;id=100000090945246&amp;rdid=02Oy6SPLbpnGBts3"> ফটোকার্ড </a></strong>প্রচারিত হয়। অনুসন্ধানের শুরুতে আলোচিত ফটোকার্ডটি পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায়, এতে মূলধারার গণমাধ্যম প্রথম আলোর লোগো এবং প্রকাশের তারিখ হিসেবে ২০ ডিসেম্বর, ২০২৫ উল্লেখ রয়েছে। এর সূত্র ধরে প্রথম আলোর ফেসবুক <a href="https://www.facebook.com/DailyProthomAlo" target="_blank" rel="noopener">পেজে</a> প্রচারিত ফটোকার্ডগুলো পর্যবেক্ষণ করে উক্ত শিরোনাম সম্বলিত কোনো ফটোকার্ড খুঁজে পাওয়া যায়নি। এছাড়া প্রথম আলোর <a href="https://share.google/fJm7JzNIPD9notC1E" target="_blank" rel="noopener">ওয়েবসাইট</a> বা অন্য কোনো গণমাধ্যমেও উক্ত দাবির বিষয়ে কোনো সংবাদ খুঁজে পাওয়া যায়নি।  </span></p>
<p>অর্থাৎ, প্রথম আলোর এই ফটোকার্ডটি সম্পাদনা করেই আলোচিত ফটোকার্ডটি তৈরি করা হয়েছে।</p>
<div class="google-auto-placed ap_container">হাদিকে নিয়ে পাঠকদের সহানুভূতিকে পুঁজি করে <span>দাবিতে  ‘হাদীর খুনির বিচারের দাবিতে ওসমান হাদীর বোনের ভুমিকম্পের মতো বক্তব্য শুনে কাপছে বিএনপি ও সরকার’ শিরোনামে একটি ভিডিও ফেসবুকে প্রচারিত হয়েছে। সেটি দেখতে পারেন </span><a href="https://www.facebook.com/reel/1631000234736088/?mibextid=rS40aB7S9Ucbxw6v" target="_blank" rel="noopener">এখানে</a><span> (</span><a href="https://perma.cc/34PM-PDAT" target="_blank" rel="noopener">আর্কাইভ</a><span><span>)। </span></span>
<p>রিউমর স্ক্যানার টিমের অনুসন্ধানে জানা যায়, প্রচারিত ভিডিওতে বক্তব্য প্রদানকারী নারী শরিফ ওসমান হাদির বোন নন। প্রকৃতপক্ষে, ওই নারী জুলাই যোদ্ধা জান্নাতুল নাঈম প্রমি। গত ১৯ ডিসেম্বর প্রেসক্লাবে সম্মিলিত নারী প্রয়াস নামে একটি সংগঠনের মানববন্ধনে হাদিকে নিয়ে তার বক্তব্য দেওয়ার ফুটেজের সাথে আলোচিত শিরোনাম জুড়ে দিয়ে প্রচার করা হয়েছে।</p>
<p>এ বিষয়ে অনুসন্ধানে Islamic Tv Dhaka নামক ফেসবুক পেজে গত ১৯ ডিসেম্বর প্রকাশিত একটি<span> </span><a href="https://perma.cc/GWR7-AWET" target="_blank" rel="noopener">লাইভ ভিডিও</a><span> </span>খুঁজে পাওয়া যায়। উক্ত ভিডিওটির একটি অংশের সাথে আলোচিত ভিডিও ফুটেজটির সাদৃশ্য রয়েছে। </p>
<p>ভিডিওটির ক্যাপশন থেকে জানা যায়, এটি সেদিন শরিফ ওসমান হাদিকে হত্যার প্রতিবাদে সম্মিলিত নারী প্রয়াস নামক একটি সংগঠনের আয়োজনে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধনের ভিডিও। ভিডিওতে উক্ত নারীর বক্তব্যের আগে তাকে পরিচয় দেওয়া হয়, জুলাই যোদ্ধা জান্নাতুল নাঈম প্রমি হিসেবে। পরবর্তীতে, Md টাউহিদ নামক ফেসবুক প্রোফাইলে প্রকাশিত উল্লিখিত মানববন্ধনের<span> </span><a href="https://www.facebook.com/share/v/1Fn37XiTyz/" target="_blank" rel="noopener">ভিডিও</a><span> </span>থেকেও একই তথ্য জানা যায়। </p>
<p><span>বাস্তব বিষয় হলো- </span>হাদির বড় বোনের নাম মাহবুবা বেগম, মেঝো বোন মারুফা ইসলাম ও ছোট বোন মাসুমা আক্তার। <span> জান্নাতুল নাঈম প্রমি নামে শরিফ ওসমান হাদির কোনো বোন নেই। </span>সুতরাং, ভিন্ন নারীর বক্তব্যের ভিডিওকে শরিফ ওসমান হাদির বোনের বক্তব্য দাবিতে প্রচার করা হয়েছে; যা মিথ্যা।</p>
<p>একইভাবে <span>ফেসবুকে একটি ভিডিও শেয়ার করে দাবি করা হচ্ছে, ওসমান হাদির স্ত্রী বক্তব্য দিচ্ছেন। ভিডিওটিতে দেখা যায়, হিজাব-নিকাব পরিহিত একজন নারী বক্তব্য দিচ্ছেন। ফ্যাক্টওয়াচের অনুসন্ধানে দেখা যায়, ভিডিওটিতে থাকা নারী ওসমান হাদির স্ত্রী নন। তিনি সম্মিলিত নারী প্রয়াস নামে একটি প্ল্যাটফর্মের কোষাধ্যক্ষ, তার নাম রাইহানা সুলতানা নাসিম। তিনি কেয়ারি লিমিটেড নামে একটি প্রতিষ্ঠানের ডিরেক্টর। এ ছাড়া তিনি যুদ্ধাপরাধের দায়ে দণ্ডিত মীর কাশেম আলীর ভাইয়ের মেয়ে।</span></p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/ফ্যাক্টওয়াচ/রিউমার স্ক্যানার/ইক</strong></span></em></p>
<div class="google-auto-placed ap_container"></div>
<div class="google-auto-placed ap_container"></div>
<figure class="wp-block-image size-large"><a href="https://cdn.rumorscanner.net/wp-content/uploads/2025/12/1-460.jpg" class="td-modal-image"></a></figure>
</div>
<div class="google-auto-placed ap_container"></div>
</div>
<figure class="wp-block-image size-large"><a href="https://cdn.rumorscanner.net/wp-content/uploads/2025/12/1-444.jpg" class="td-modal-image"></a></figure>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>গো উইথ আশরাফুল আলম পেলেন পরিবেশ উদ্ভাবনী পদক ২০২৫</title>
<link>https://digibanglatech.news/161613</link>
<guid>https://digibanglatech.news/161613</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_6949585f6763d.jpg" length="81252" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 22 Dec 2025 19:33:14 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="MsoNormal" style="margin-bottom: .0001pt; text-align: justify; line-height: normal;"><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পরিবেশ</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সচেতনতা</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ও</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">টেকসই</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">উন্নয়নে</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ডিজিটাল</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">কনটেন্টের</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">মাধ্যমে</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">গুরুত্বপূর্ণ</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ভূমিকা</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">রাখার</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">স্বীকৃতিস্বরূপ</span> ‘<span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">গো</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">উইথ</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">আশরাফুল</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">আলম’ এর</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">প্রতিষ্ঠাতা</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ও</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">কনটেন্ট</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ক্রিয়েটর</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">আশরাফুল</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">আলম</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পেয়েছেন</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">এনভায়রনমেন্ট ইনোভেশন এ্যাওয়ার্ড ২০২৫ (পরিবেশ উদ্ভাবনী পদক ২০২৫)। ২২ ডিসেম্বর, সেমবার</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">রাজধানীর</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">বাংলাদেশ</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">শিশু</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">একাডেমি</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">মিলনায়তনে</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">অনুষ্ঠিত</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">দিনব্যাপী এয়ভায়রমেন্ট ইনোভেশন সামিট ২০২৫ এর</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সমাপনী</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">অনুষ্ঠানে</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">তার</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">হাতে</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">এই</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সম্মাননা</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">তুলে</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">দেওয়া</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">হয়।</span><o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal" style="margin-bottom: .0001pt; text-align: justify; line-height: normal;"><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">মিশন গ্রিন বাংলাদেশ এর উদ্যোগে এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রিসার্চ সোসাইটি ও ওয়াটারকিপারস্‌ বাংলাদেশ</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">এর সহযোগিতায়</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">এই</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">অনুষ্ঠানে</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পরিবেশ</span>, <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">জলবায়ু</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পরিবর্তন</span>, <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সবুজ</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">উদ্ভাবন</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ও</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">যুব</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">নেতৃত্বে</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">অবদান</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">রাখা</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ব্যক্তিত্বদের</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সম্মান</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">জানানো</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শারমীন মুরশিদ, উপদেষ্টা, নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার।</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">নীতিনির্ধারক</span>, <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পরিবেশ</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">বিশেষজ্ঞ</span>, <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">উন্নয়নকর্মী</span>, <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">তরুণ</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">নেতৃত্ব</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ও</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">বিভিন্ন</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সংগঠনের</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">প্রতিনিধিদের</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">উপস্থিতিতে</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">আয়োজিত</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">এই</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সম্মাননা</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">অনুষ্ঠান</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পরিবেশবান্ধব</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">উদ্যোগকে</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">আরও</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">এগিয়ে</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">নেওয়ার</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">আহ্বান</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">জানায়।</span><o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal" style="margin-bottom: .0001pt; text-align: justify; line-height: normal;"><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">আশরাফুল</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">আলম</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">তার</span> ‘<span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">গো উইথ আশরাফুল আলম’</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">প্ল্যাটফর্মের</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">মাধ্যমে</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">দীর্ঘদিন</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ধরে</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ভ্রমণ</span>, <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">এভিয়েশন</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ও</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">প্রবাসী</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">জীবনের</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">গল্পের</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পাশাপাশি</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পরিবেশবান্ধব</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">জীবনধারা</span>, <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">টেকসই</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ভ্রমণ</span>, <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">প্রকৃতি</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সংরক্ষণ</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">এবং</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সচেতন</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">নাগরিক</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">হওয়ার</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">বার্তা</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">তুলে</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ধরছেন।</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সহজ</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ভাষা</span>, <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">বাস্তব</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">অভিজ্ঞতা</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ও</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ভিজ্যুয়াল</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">স্টোরিটেলিংয়ের</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">মাধ্যমে</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">তিনি</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">তরুণ</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">প্রজন্মকে</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পরিবেশ</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">নিয়ে</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ভাবতে</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">এবং</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">দায়িত্বশীল</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">আচরণে</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">উদ্বুদ্ধ</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">করে</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">চলেছেন।</span><o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal" style="margin-bottom: .0001pt; text-align: justify; line-height: normal;"><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সম্মাননা</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">গ্রহণকালে</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">আশরাফুল</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">আলম</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">বলেন</span>, <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পরিবেশ</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">রক্ষার</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">দায়িত্ব</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">শুধু</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">কোনো</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">একটি</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সংগঠন</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">বা</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ব্যক্তির</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">নয়</span>, <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">বরং</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সমাজের</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">প্রতিটি</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">মানুষের।</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">তিনি</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">আরও</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">বলেন</span>, <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">একজন</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">কনটেন্ট</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ক্রিয়েটর</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">হিসেবে</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">তার</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">লক্ষ্য</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">হচ্ছে</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">গল্পের</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">মাধ্যমে</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">মানুষকে</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সচেতন</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">করা</span>, <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">চিন্তা</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">করতে</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">শেখানো</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">এবং</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ভবিষ্যৎ</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">প্রজন্মের</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">জন্য</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">একটি</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">বাসযোগ্য</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পৃথিবী</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">গড়ে</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">তোলার</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">অনুপ্রেরণা</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">দেওয়া।</span><o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal" style="margin-bottom: .0001pt; text-align: justify; line-height: normal;"><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">মিশন গ্রিন বাংলাদেশ এর</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পক্ষ</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">থেকে</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">জানানো</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">হয়</span>, <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ডিজিটাল</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">মিডিয়া</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ও</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">কনটেন্ট</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ক্রিয়েশনের</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">মাধ্যমে</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পরিবেশ</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সচেতনতা</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">তৈরিতে</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">আশরাফুল</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">আলমের</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ভূমিকা</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">অনন্য।</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">তার</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">কাজ</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">প্রমাণ</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">করে</span>- <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সঠিক</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">বার্তা</span>, <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সৃজনশীল</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">উপস্থাপনা</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ও</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ধারাবাহিক</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">প্রচেষ্টার</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">মাধ্যমে</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পরিবেশ</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">আন্দোলনকে</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">গণমানুষের</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">কাছে</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পৌঁছে</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">দেওয়া</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সম্ভব।</span><o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal" style="margin-bottom: .0001pt; text-align: justify; line-height: normal;"><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">এই</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সম্মাননা</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">আশরাফুল</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">আলম</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ও</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">গো</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">উইথ</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">আশরাফুল</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">আলম</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">এর</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">জন্য</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">শুধু</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">একটি</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">স্বীকৃতি</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">নয়</span>, <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">বরং</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পরিবেশবান্ধব</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">কনটেন্ট</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">তৈরির</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পথে</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">আরও</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">দায়বদ্ধভাবে</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">কাজ</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">করার</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">অনুপ্রেরণা</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">হিসেবেই</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">বিবেচিত</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">হচ্ছে।</span><o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal" style="margin-bottom: .0001pt; text-align: justify; line-height: normal;"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ডিবিটেক/এই/ইক</span></strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ঢাবির অনুরোধে ভর্তি পরীক্ষা পেছালো এমআইএসটি</title>
<link>https://digibanglatech.news/161620</link>
<guid>https://digibanglatech.news/161620</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_69495e8542190.jpg" length="96635" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 22 Dec 2025 19:08:16 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বিজ্ঞান অনুষদের স্থগিত ভর্তি পরীক্ষা আগামী ২৭ ডিসেম্বর বিকেলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। একই দিন বিকেলে মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির (এমআইএসটি) ভর্তি পরীক্ষাও অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল।</p>
<p>তবে দুই বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করা ভর্তিচ্ছু অসংখ্য শিক্ষার্থীর কথা বিবেচনায় নিয়ে একদিন পিছিয়ে ২৮ ডিসেম্বর ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে এমআইএসটি। ফলে ঢাবির বিজ্ঞান অনুষদের পরীক্ষা ২৭ ডিসেম্বরেই অনুষ্ঠিত হবে।</p>
<p>২২ ডিসেম্বর, সোমবার বিকেলে এমআইএসটি কর্তৃপক্ষ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।</p>
<p>এতে বলা হয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান ইউনিটের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা গত ২০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। তবে বিশ্ববিদ্যালয়টির সাবেক শিক্ষার্থী শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুতে একদিনের রাষ্ট্রীয় শোক পালনের অংশ হিসেবে পরীক্ষাটি স্থগিত হয়ে যায়, যা আগামী ২৭ ডিসেম্বর বিকেল সাড়ে ৩টা থেকে ৫টা পর্যন্ত গ্রহণের ব্যাপারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।</p>
<p>বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানায়, এ অবস্থায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অনুরোধে এমআইএসটির শুধুমাত্র স্থাপত্য বিভাগের দ্বিতীয় পর্বের ২৭ ডিসেম্বর বিকেল ৩টা থেকে ৫টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিতব্য পরীক্ষা একদিন পিছিয়ে দিয়েছে। পরীক্ষাটি পরদিন ২৮ ডিসেম্বর বিকেল ৩টা থেকে ৫টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে।</p>
<p>‘তবে এমআইএসটির ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের ইঞ্জিনিয়ারিং ও স্থাপত্য বিভাগের ভর্তি পরীক্ষা ২৭ ডিসেম্বর সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত পূর্বনির্দেশনা অনুযায়ী যথাসময়ে অনুষ্ঠিত হবে’ বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।</p>
<p>ভর্তি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী- ২৭ ডিসেম্বর সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ইঞ্জিনিয়ারিং ও অ্যান্ড আর্কিটেকচারের ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে। একই দিন বিকেল ৩টা থেকে ৫টা পর্যন্ত আর্কিটেকচারের ব্যবহারিক পরীক্ষা নেওয়ার কথা ছিল। তবে ঢাবির অনুরোধে তা পিছিয়ে ২৮ ডিসেম্বর বিকেল ৩টা থেকে ৫টা পর্যন্ত গ্রহণ করা হবে।<br><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/বিজ্ঞপ্তি/এমইউএম</strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>যবিপ্রবিতে গবেষণা ও ক্যারিয়ার উন্নয়নে ফার্মাসিউটিক্যাল শিল্পের সম্ভবনা শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত</title>
<link>https://digibanglatech.news/161599</link>
<guid>https://digibanglatech.news/161599</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_69494ea199082.jpg" length="82349" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 22 Dec 2025 17:58:39 +0600</pubDate>
<dc:creator>ক্যাম্পাস করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ফার্মাসিউটিক্যাল শিল্পে গবেষণার সুযোগ ও ক্যারিয়ার উন্নয়ন বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) “রিসার্চ অপর্চুনিটিস অ্যান্ড ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট ইন ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিস” শীর্ষক একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। </p>
<p>২২ ডিসেম্বর, সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম একাডেমিক ভবনের অধ্যাপক মোহাম্মদ শরীফ হোসেন গ্যালারিতে বিকাল ৩ টায় রসায়ন বিভাগের আয়োজনে এই সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আব্দুল মজিদ।</p>
<p>প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে যবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আব্দুল মজিদ বলেন, এধরনের সেমিনার থেকে লদ্ধ জ্ঞান ফার্মা জগতে তোমাদের ভালো কিছু শিখাতে সাহায্য করবে। ফার্মাসিউটিক্যাল শিল্প একটি বড় সেক্টর তোমাদের ক্যারিয়ার গঠনের জন্য। ক্যারিয়ার উন্নত করার লক্ষ্যে একাধিক পরিকল্পনা থাকতে হবে তোমাদের। একাধিক পরিকল্পনা থাকলে একটি বিফলে গেলেও আরেকটি পথ তোমাদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x_69494ea255279.jpg" alt=""></p>
<p>সেমিনারে মূল বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ হেলথ কেয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের সহকারী ব্যবস্থাপক মো. আব্দুল আলিম। তিঁনি “রিসার্চ অপর্চুনিটিস অ্যান্ড ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট ইন ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিস” বিষয়ক বিস্তারিত তথ্য স্লাইড আকারে আলোকপাত করেন।</p>
<p>সেমিনারে বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ও রসায়ন বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মো. কোরবান আলীর সভাপতিত্বে সেমিনারে আরও বক্তব্য রাখেন যবিপ্রবির ফার্মেসি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আ ফ ম শহীদ-উদ-দৌলা, রসায়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. কে. এম. আনিস-উল-হক। </p>
<p>অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন রসায়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. সুমন চন্দ্র মোহন্ত, সহকারী অধ্যাপক ড. বাবলু হিরা মন্ডল, ড. মো. আজিজুর রহমান খান, ড. মো. শহিদুল ইসলামসহ বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীবৃন্দ। সেমিনার পরিচালনা করেন রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থী জোয়ার্দার জিম।<br><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এমএনএইচ/এমইউএম</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>অভিজ্ঞতাহীন গ্র্যাজ্যুয়েটদের নিয়ে ঢাকায় বসেছে চাকরি মেলা</title>
<link>https://digibanglatech.news/161543</link>
<guid>https://digibanglatech.news/161543</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_6948dd415088a.jpg" length="81781" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 22 Dec 2025 11:01:20 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>দেশের শীর্ষ চাকরির ওয়েবসাইট বিডিজবস ডটকম এর আয়োজনে রাজধানীর বসুন্ধরা আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে প্রথম বারের মতো নবীন চাকরি প্রার্থীদের নিয়ে বসেছে বিডিজবস ফ্রেসার্স চাকরি ও ক্যারিয়ার মেলা। দিনব্যাপী এই সম্মেলনে দেড় শতাধিক দেশী ও বহুজাতিক নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠান ৫ শতাধিক অনভিজ্ঞ কর্মী সংগ্রহ করবে বলে জানাগেছে। এজন্য তারা মেলা প্রাঙ্গনে স্টল দিয়ে চাকরি প্রার্থীদের সিভি সংগ্রহ করছেন। চাকরি প্রার্থীদের জানিয়ে দিচ্ছেন, কীভাবে চাকরি পাওয়াটা সহজ হবে।<o:p></o:p></p>
<p>২২ ডিসেম্বর, সোমবার, বিপুল তরুণ-তরুণীদের অংশগ্রহণে চলমান দেশের সবচেয়ে বড় এই চাকরি মেলার উদ্বোধন করেন জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান ডঃ নাজনীন কাউসার চৌধুরী। বিডিজবস সিইও ফাহিম মাসরুরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন <span lang="BN-BD">বিডি জবসের পরিচালক প্রকাশ রায় চৌধুরী</span>। সমাপনী বক্তব্য দেন <span lang="BN-BD">বিডিজবস ডটকম চেয়ারম্যান আহমেদ ইসলাম মুকসিত</span>। <span lang="BN-BD"> </span> <o:p></o:p></p>
<p>প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডঃ নাজনীন কাউসার চৌধুরী বলেছেন, সার্টিফিকেটই একমাত্র যোগ্যতা না। সার্টিফিকেট জ্ঞানের সাগরে সাঁতারকাটার একটা লাইসেন্স দেয় মাত্র। পিএইচডি বিশেষজ্ঞ বানায় না। এটা গবেষক হওয়ার যোগ্যতা দেয়। তাই পরিক্ষা দিয়ে চাকরি না পেয়ে হতাশ হওয়া যাবে না। ফোকাস করে দক্ষতা উন্নয়ন করে লেগে থাকুন। <o:p></o:p></p>
<p>ফ্রেশার চাকরি প্রার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, এখন অনেক অপশন থাকায় আমাদের সঠিক সিদ্ধন্ত নিতে বেগ পেতে হয়। তাই অধৈর্য না হয়ে নিজের দক্ষতা উন্নয়নে মনযোগী হবেন। নিজেকে পৃথিবীর সঙ্গে আপডেট করতে হবে। গত কয়েক বছরে আমরা রাত-দিন তোতা পাখির মতো মুখস্ত করি। এজন্য আমাদের দক্ষতা হয় না। খেলধূলা নেতৃত্বগুণ সৃষ্টি করে। তাই সাব স্কিলের পাশাপাশি টেকনিক্যাল ও ভোকেশনাল দক্ষতা থাকা দরকার। এজন্য আমরা দেশজুড়ে ১৫৬৮টি ট্রেনিং সেন্টার এবং তিন হাজার এসএসও পুল থেকে অনলাইন সার্টিফিকেশন চালু করেছি। দেশীয় চাকরির পাশাপাশি আমরা সম্প্রতি ওভারসিস এমপ্লয়মেন্ট প্লাটফর্ম করেছি। এলোমেলো কিছু না শিখে নিজে যেটা ভালো করবেন সেদিকে ফোকাস করুন। পরদর্শীতার ক্ষেত্র খুঁজে প্রশিক্ষণ নেন। দক্ষতা উন্নয় করলে চাকরি বা ব্যবসায় সব দিকেই সফলতা পাবেন।  </p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x_6948dd3f7f205.jpg" alt=""></p>
<p>এর আগে বক্তব্যে বিডিজবস সিইও ফাহিম মাশরুর বলেন, জুলাই অভ্যূত্থানের পেছনে সবচেয়ে বড় অগ্নুৎপাত ঘটায় একটি বিশেষ গ্রুপের বিপুল সংখ্যক বেকারত্ব। এই গ্রুপটাই হচ্ছে ফ্রেশার। বিবিএস এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশে বেকারত্বের মোট হার ৪ শতাংশ। তবে ইয়াংদের মধ্যে বেকারত্বের হার ১৭ শতাংশের মতো। প্রাইমারি পাশ শিক্ষার্থীদের মধ্যে বেকাত্বের হার ২ শতাংশ হলেও স্নাতক পাশ বেকারের হার ১৮-১৯ শতাংশের মতো। এখন পড়া-লেখা করে বেকারত্বের হার বেশি। গত এক যুগে বিদেশে শ্রম দিতে যাওয়া গ্রাজ্যুয়েট শ্রমিকের সংখ্যা সাড়ে তিন শতাংশ থেকে ১০ শতাংশে পৌঁছেছে। আমাদের গ্র্যাজুয়েট বেড়ে যাওয়ায় এই বেকারত্ব সৃষ্টি হচ্ছে। তাই এই ডিগ্রিধারীদের বাজর চাহিদা অনুযায়ী ব্যবহারিক শিক্ষা দিয়ে দক্ষ করে গড়ে তোলা দরকার। একইসঙ্গে স্থানীয় থেকে গ্র্যাজুয়েটদের আন্তর্জাতিক চাকরি বাজারের জন্য প্রস্তুত করতে হবে। <o:p></o:p></p>
<p>অনুষ্ঠানে জানানো হয়, জানুয়ারি -ডিসেম্বর মাসে সারা দেশের বিভিন্ন ক্যাম্পাস ও শহরের পাশাপাশি সেক্টর ভিত্তিক চাকরি ১৩টি মেলা করা করেছে বিডিজবস। <o:p></o:p></p>
<p>উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর বিদেশে চাকরি বাজার : সম্ভাবনা ও প্রস্তুতি নিয়ে একটি সেমিনার রয়েছে। <o:p></o:p></p>
<p>ডিবিটেক/বিডিজেও/ইক</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>যবিপ্রবি সাংবাদিক সমিতির নতুন সভাপতি রুহুল, সম্পাদক সাদী</title>
<link>https://digibanglatech.news/161493</link>
<guid>https://digibanglatech.news/161493</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_6947fb78cb4ce.jpg" length="90260" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 21 Dec 2025 18:22:35 +0600</pubDate>
<dc:creator>ক্যাম্পাস করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="MsoNormal"><span></span>যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি (যবিপ্রবিসাস) এর ৬ষ্ঠ কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচনে সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক আমার সংবাদের বিশ্ববিদ্যালয়প্রতিনিধি রুহুল আমিন এবং সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন দ্য এশিয়ান এজ এর বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি শেখ সাদী ভূঁইয়া।</p>
<p class="MsoNormal">নির্বাচনে সাতটি পদের বিপরীতে মোট চৌদ্দ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। </p>
<p>২১ ডিসেম্বর, রবিবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র পরামর্শ ও নির্দশনা দপ্তরের পরিচালকের কক্ষে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।</p>
<p>ভোট গণনা শেষে বিকাল সাড়ে তিনটায় ফলাফল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।</p>
<p>এ সময় নির্বাচন পর্যবেক্ষণে আসেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আব্দুল মজিদ এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. হোসেন আল মামুন। তারা প্রতিনিধি নির্বাচনের এ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া দেখে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে আগামীতেও এর ধারাবাহিকতা বজায় রাখার পরামর্শ প্রদান করেন।</p>
<p>এছাড়া সহ সভাপতি পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক নয়া দিগন্তের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি মোস্তফা গালিব, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে দৈনিক যুগান্তরের প্রতিনিধি তানভীর খন্দকার, কোষাধ্যক্ষ পদে দ্য ডেইলি সানশাইনের মোঃ রকিবুল  হাসান তারেক, প্রচার, প্রকাশনা ও দপ্তর সম্পাদক পদে দৈনিক জনকণ্ঠের মোঃ ইমরান হোসেন এবং কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন রিপোর্ট একাত্তরের রোকাইয়া।</p>
<p>এ নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক ড. মোঃ রাফিউল হাসান, নির্বাচন কমিশনার ও ভারপ্রাপ্ত প্রক্টরের প্রতিনিধি হিসেবে ড. মো. হামিদুর রহমান এবং নির্বাচন কমিশনার ও বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য কর্মকর্তা মোঃ নাজমুল হোসাইন।</p>
<p class="MsoNormal">প্রসঙ্গত,গত ১৪ ডিসেম্বর যবিপ্রবিসাস নির্বাচনের ভোটার তালিকা প্রকাশ, ১৫ ডিসেম্বর সকাল ১০টা থেকে ১৭ ডিসেম্বর ১২টা মনোনয়ন ফরম বিতরণ, ১৭ ডিসেম্বর দুপুর ২ টা থেকে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত মনোনয়ন ফরম জমা দেওয়া হয়।</p>
<p class="MsoNormal">এছাড়া ২০ ডিসেম্বর সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১ টা পর্যন্ত মনোনয়ন প্রত্যাহার ও বিকেল ৩ টায় প্রার্থীর চুড়ান্ত  তালিকা প্রকাশিত হয়।<span></span></p>
<p class="MsoNormal"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এমএইচ/ইক</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>২৭তম আন্তর্জাতিক রোবট অলিম্পিয়াডে  ১টি গোল্ডসহ ১১টি পদক জয় করল বাংলাদেশ</title>
<link>https://digibanglatech.news/161477</link>
<guid>https://digibanglatech.news/161477</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_6947e5d92b0aa.jpg" length="122774" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 21 Dec 2025 17:19:04 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>২৭তম আন্তর্জাতিক রোবট অলিম্পিয়াডে ১ টি গোল্ড, ৬টি ব্রোঞ্জ ও ৪টি টেকনিক্যাল পদক সহ মোট ১১টি পদক জয় করেছে বাংলাদেশ দল। বাংলাদেশ দলের পক্ষে ২৭তম আন্তর্জাতিক রোবট অলিম্পিয়াডে ক্রিয়েটিভ ক্যাটাগরির সিনিয়র গ্রুপে স্বর্ণপদক জয় করেছে আনন্দ মোহন কলেজের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল টিটু। </p>
<p>ব্রোঞ্জ পদক জয় করেছে ক্রিয়েটিভ মুভি ক্যাটাগরির সিনিয়র গ্রুপে ওয়াইডাব্লিউসিএ উচ্চ মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নুসাইবা তাজরিন তানিশা, ফিজিক্যাল কম্পিউটিং জুনিয়র লো গ্রুপে মোহাম্মদপুর প্রিপারেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী জুবাইদাহ জাফরিন, ফিজিক্যাল কম্পিউটিং জুনিয়র হাই গ্রুপে আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার্থী রিদোয়ান রাব্বানী, ফিজিক্যাল কম্পিউটিং সিনিয়র গ্রুপে ওয়াইডাব্লিউসিএ উচ্চ মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নুসাইবা তাজরিন তানিশা, ক্রিয়েটিভ ক্যাটাগরি সিনিয়র গ্রুপে ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের খোন্দকার মুশফিকুল ইসলাম ও স্কলাস্টিকা স্কুলের শিক্ষার্থী প্রিয়ন্তী দাস। </p>
<p>টেকনিক্যাল পদক অর্জন করেন ফিজিক্যাল কম্পিউটিং সিনিয়র গ্রুপে ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ জারিফ বিন সালেক ও মোহাম্মদপুর প্রিপারেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী নাফিয়া বাসার সুহানী, ক্রিয়েটিভ ক্যাটাগরি সিনিয়র গ্রুপে উইলিয়াম কেরি একাডেমির শিক্ষার্থী জাইমা যাহিন ওয়ারা এবং ক্রিয়েটিভ মুভি সিনিয়র গ্রুপে স্কলাস্টিকা স্কুলের শিক্ষার্থী প্রিয়ন্তী দাস। </p>
<p>গত ১৭ থেকে ২০ ডিসেম্বর অস্ট্রেলিয়ার গোল্ড কোস্ট শহরের মান্ত্রা সাউথপোর্ট শার্ক কনভেনশন সেন্টারে ২৭তম আন্তর্জাতিক রোবট অলিম্পিয়াড (আইআরও) অনুষ্ঠিত হয়। ২১ ডিসেম্বর, রবিবার এই অলিম্পিয়াডের সমাপনী অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের হাতে পদক তুলে দেয়া হয়। </p>
<p>প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত  বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব  শীষ হায়দার চৌধুরী, এনডিসি এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তরের মহাপরিচালক  মোঃ আবু সাঈদ (অতিরিক্ত সচিব) বাংলাদেশ দলের সাফল্যে অভিনন্দন জানিয়েছেন।</p>
<p>আন্তর্জাতিক এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য বাংলাদেশ দলের সার্বিক পৃষ্ঠপোষকতা করেছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তর। </p>
<p>প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্কের আয়োজনে এবছর ২৯-৩০ আগস্ট অনলাইন বাছাই পর্ব ও ১২-১৩ সেপ্টেম্বর আইআরও বাংলাদেশ ওপেন ২০২৫ প্রতিযোগিতার জাতীয় পর্ব অনুষ্ঠিত হয় ঢাকার ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকে। জাতীয় পর্বের  ক্রিয়েটিভ মুভি, ক্রিয়েটিভ ক্যাটাগরি ও ফিজিক্যাল কম্পিউটিং ক্যাটাগরির বিজয়ীদের নিয়ে আন্তর্জাতিক দল নির্বাচনী ক্যাম্প আয়োজনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের যোগ্যতা পারফরম্যান্সের বিভিন্ন মানদণ্ডে বিশ্লেষণ করে আন্তর্জাতিক রোবট অলিম্পিয়াডের জন্য বাংলাদেশ দল নির্বাচন করা হয়। </p>
<p>২০১৮ সাল থেকে বাংলাদেশ এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছে। বিগত ৮ বছরে বাংলাদেশ দল আন্তর্জাতিক রোবট অলিম্পিয়াডে ১৫টি গোল্ড মেডেলসহ মোট ৯৪টি পদক অর্জন করেছে। এবার রোবটিক্সের আন্তর্জাতিক এই উৎসবে বাংলাদেশের ১০ সদস্যের দল অংশ নেয়।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এমজেইউ/এমইউএম</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>শিক্ষানবীশ সনদ কার্যক্রম শুরু করেছে  বিওয়াইডি বাংলাদেশ</title>
<link>https://digibanglatech.news/161551</link>
<guid>https://digibanglatech.news/161551</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_6948e29b0ed29.jpg" length="122292" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 21 Dec 2025 12:18:23 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span>দেশের ৫টি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১০জন শিক্ষানবীশ কর্মী নিজেদের টিমে যুক্ত করেছিলো বিওয়াইডি বাংলাদেশ। </span><span>অটোমোটিভ খাতে ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব তৈরির ক্ষেত্রে প্রথম কাঠামোগত শিক্ষানবিশ প্রোগ্রামের অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠানটি তাদের </span><span>‘ইউথ অ্যাপ্রেন্টিসশিপ ২০২৫’-এর প্রথম ধাপে এই সংযুক্তি বলে জানা গেছে। </span></p>
<p><span>বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট), আহসানউল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (এইউএসটি), ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ (আইইউবি), মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (এমআইএসটি) ও ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ইউআইইউ) থেকে এই নতুন কর্মীদের নিয়োগ দেয়া হয়।</span></p>
<p><span>২১ ডিসেম্বর, রবিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এমনটা জানিয়েছে বিওয়াইডি বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ। এতে</span><span> প্রোগ্রামটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে নিউ এনার্জি ভেহিকল (এনইভি) আর্কিটেকচার ও বিওয়াইডির নিজস্ব উদ্ভাবনগুলোর সঙ্গে সরাসরি পরিচয় করিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে কর্পোরেট-চালিত শিক্ষার নতুন মানদণ্ড স্থাপন করেছে বলে দাবি করা হয়েছে।</span></p>
<p><span>বলা হয়েছে, আগামী প্রজন্মের বাংলাদেশি প্রকৌশলী ও সম্ভাবনাময়দের ক্ষমতায়িত করার লক্ষ্যে এই ইউথ অ্যাপ্রেন্টিসশিপ প্রোগ্রামটি অব্যাহত রাখবে। </span></p>
<p><span>বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, </span><span>‎অংশগ্রহণকারীরা কয়েকদিনের জন্য বিশ্বমানের অটোমোটিভের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ তাত্ত্বিক শিক্ষার পাশাপাশি, সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ও কৌশলগত শিল্পের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ পায়। </span><span>‎ইভি পাওয়ারট্রেন ও হাইব্রিড সিস্টেমসহ আধুনিক মোবিলিটির প্রতিটি বিষয় নিয়ে এই পাঠ্যক্রমের নেতৃত্ব দেন প্রতিষ্ঠানটির ইন-হাউস ট্রেইনার ও প্রোডাক্ট স্পেশালিস্ট মো. রেজওয়ান রহমান ও প্রোডাক্ট ডেভেলপমেন্ট এক্সিকিউটিভ নাকিবুল ইসলাম। এতে বিওয়াইডির সিগনেচার ‘ব্লেড ব্যাটারি’ প্রযুক্তির ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করার পাশাপাশি, সাপ্লাই চেইন অপারেশন, কানেক্টিভিটি ও সেফটি প্রোটোকলের ওপর প্রয়োজনীয় মডিউল রাখা হয়, যেন শিক্ষার্থীরা এই খাত সম্পর্কে সামগ্রিক ধারণা লাভ করে। এরপর শিক্ষানবীশ সনদ দেয়া হয় অংশগ্রহণকারীদের। </span><br><span>‎</span></p>
<p><span>শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতার স্বীকৃতি ও ক্যারিয়ার বিষয়ক দিকনির্দেশনার পাশাপাশি, সনদ প্রদান করেন চিফ মার্কেটিং অফিসার ইমতিয়াজ নওশের ও হেড অব সাপ্লাই চেইন হোসেন মোহাম্মদ ইমতিয়াজ।</span><br><span>‎</span><br><span>‎এ বিষয়ে বিওয়াইডি বাংলাদেশের চিফ মার্কেটিং অফিসার ইমতিয়াজ নওশের বলেন, প্রথম ধাপের এই সফল পরিসমাপ্তি আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্বের মুহূর্ত। কারণ, আমরা বাংলাদেশের সবুজ বিপ্লবে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য মেধাবীদের প্রয়োজনীয় দক্ষ করে গড়ে তুলছি। আমাদের বিশ্বমানের এনইভি দক্ষতার মাধ্যমে এই সম্ভাবনাময় তরুণদের ক্ষমতায়ন করার অর্থ কেবল প্রযুক্তি শেখানো নয়; বরং আমরা টেকসই ও ভবিষ্যৎমুখী মোবিলিটি ইকোসিস্টেমের অবকাঠামো তৈরি করছি।</span><br><span>‎<em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/আরএস/ইক</strong></span></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>&amp;apos;মাইন্ড রিডিং&amp;apos; প্রযুক্তি: বৈজ্ঞানিক বাস্তবতা, নৈতিক সংকট এবং নীতি&#45;নির্ধারণের চ্যালেঞ্জ   </title>
<link>https://digibanglatech.news/161437</link>
<guid>https://digibanglatech.news/161437</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_69478e025e463.jpg" length="93778" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 21 Dec 2025 09:10:14 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="MsoNormal"><b>মনের গোপনীয়তা ভঙ্গের ভবিষ্যৎ<o:p></o:p></b></p>
<p class="MsoNormal">মানব মস্তিষ্ক—প্রায় ৮৬ বিলিয়ন নিউরনের জটিল নেটওয়ার্ক যে প্রতি সেকেন্ডে বিলিয়ন বিলিয়ন তথ্য প্রক্রিয়া করে—অবশেষে তার গোপনীয়তার প্রাচীর ভেঙে ফেলার মুখোমুখি দাঁড়িয়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ন্যানোপ্রযুক্তি এবং আধুনিক নিউরোইমেজিং-এর সমন্বয়ে 'মাইন্ড রিডিং' প্রযুক্তি আর বিজ্ঞান কল্পকাহিনী নয়; এটি একটি বৈজ্ঞানিক বাস্তবতা যা ২০২৫ সালে মানব সভ্যতার জন্য গুরুতর নৈতিক, আইনি এবং নিরাপত্তা-নীতিগত প্রশ্ন উত্থাপন করছে।<o:p></o:p><o:p> </o:p></p>
<p class="MsoNormal">এই নিবন্ধটি মন পড়ার প্রযুক্তির ঐতিহাসিক বিকাশ, বৈজ্ঞানিক ভিত্তি, চিপ-ভিত্তিক ব্রেইন-কম্পিউটার ইন্টারফেস (BCI), ভাইরাল ভেক্টরের প্রয়োগ, সামরিক গবেষণা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সংযোগ এবং নীতি-নির্ধারণের প্রয়োজনীয়তা গভীরভাবে বিশ্লেষণ করবে। আমরা শুধুমাত্র বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত তথ্য উপস্থাপন করব এবং স্পেকুলেটিভ ধারণা থেকে স্পষ্টভাবে পার্থক্য করব।<o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal"><b>ঐতিহাসিক বিবর্তন: ১২০ বছরের পথচলা<o:p></o:p></b></p>
<p class="MsoNormal">মন পড়ার প্রযুক্তির ইতিহাস ১৮৯৫ সালে জুলিয়াস এমনারের আবিষ্কারে শুরু হয়, যিনি দাবি করেছিলেন যে তার মেশিন চিন্তাকে "মানসিক ফোটোগ্রাফ" হিসেবে রেকর্ড করতে পারে। এমনার ফোনঅটোগ্রাফ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে বিশ্বাস করতেন যে শব্দের তরঙ্গের মতো চিন্তাও রেকর্ড করা সম্ভব। যদিও তার আবিষ্কার বৈজ্ঞানিকভাবে<span style="mso-spacerun: yes;">  </span>ব্যর্থ হয়, এটি মানসিক প্রক্রিয়াকে পরিমাপের চেষ্টার প্রাথমিক দিক নির্দেশনা দেয়।<o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal">আধুনিক যুগের সত্যিকারের ব্রেইন-রিডিং প্রযুক্তি শুরু হয় ২০০৬ সালে হেইনস এবং রিস-এর গবেষণার মাধ্যমে, যেখানে তারা মানব মস্তিষ্কের ক্রিয়াকলাপ থেকে মানসিক অবস্থা ডিকোড করতে সক্ষম হন। ২০১১ সালে নিশিমোটো এবং সহকর্মীরা প্রাকৃতিক চলচ্ছবি থেকে উদ্দীপিত মস্তিষ্ক ক্রিয়াকলাপ থেকে দৃশ্য অভিজ্ঞতা পুনর্নির্মাণে বিষ্ময়কর সাফল্য অর্জন করেন। এই গবেষণায় দেখানো হয় যে fMRI ডেটা ব্যবহার করে জেনারেটিভ মডেল দিয়ে মানুষ দেখছে এমন দৃশ্যের অনুমানযোগ্য পুনর্নির্মাণ সম্ভব।<o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal"><b>বৈজ্ঞানিক ভিত্তি: মস্তিষ্ক থেকে সিগ্নাল ডিকোডিং<o:p></o:p></b></p>
<p class="MsoNormal">মন পড়ার প্রযুক্তির মূল নীতি হলো নিউরাল সিগ্নালের পরিমাপ এবং ডিকোডিং। মানব মস্তিষ্ক প্রতিটি চিন্তা, ইচ্ছা এবং সচেতন অভিজ্ঞতার জন্য বৈদ্যুতিক এবং রাসায়নিক সংকেত উৎপন্ন করে। এই সিগ্নালগুলো ধরতে বিভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়:<o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal">১. ইলেকট্রোএনসেফালোগ্রাফি (EEG): মাথার তালুতে ইলেকট্রোড স্থাপন করে ব্রেইনওভের তরঙ্গ রেকর্ড করা হয়। EEG-র সময় রেজোলিউশন উচ্চ হলেও স্থানিক রেজোলিউশন নিম্ন হয় কারণ খুলি সিগ্নালকে দুর্বল করে দেয়। ২০২৪ সালে Li এবং সহকর্মীরা গাইডেড ডিফিউশন মডেল ব্যবহার করে EEG এম্বেডিং থেকে দৃশ্য ডিকোডিং-এ গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখিয়েছেন।<o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal">২. কার্যকরী চৌম্বকীয় অনুরণন ইমেজিং (fMRI): মস্তিষ্কের রক্ত প্রবাহের পরিবর্তন মাপে যা সক্রিয় নিউরনের কার্যকলাপ নির্দেশ করে। Gallant ল্যাবের গবেষণা দেখায় যে fMRI থেকে প্রাকৃতিক চিত্র সনাক্ত করা সম্ভব।<o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal">৩. ইলেকট্রোকর্টিকোগ্রাফি (ECoG): মস্তিষ্কের পৃষ্ঠায় সরাসরি ইলেকট্রোড স্থাপন করে উচ্চ রেজোলিউশন সিগ্নাল পাওয়া যায়। এটি আক্রমণাত্মক পদ্ধতি হলেও BCI-তে সবচেয়ে কার্যকর।<o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal">৪. Near-Infrared Spectroscopy (NIRS): Kernel-এর Flow সিস্টেমে ব্যবহৃত হয়, যা অধিকতর সুবিধাজনক কিন্তু কম রেজোলিউশন প্রদান করে।<o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal"></p>
<p class="MsoNormal"><b>চিপ-ভিত্তিক ব্রেইন-কম্পিউটার ইন্টারফেস: নিউরাল সুত্র এবং N1 চিপ<o:p></o:p></b><o:p> </o:p></p>
<p class="MsoNormal">আধুনিক মাইন্ড রিডিং প্রযুক্তির সবচেয়ে উন্নত রূপ হলো ইমপ্লান্টেবল চিপ-ভিত্তিক BCI। Neuralink-এর N1 চিপ ১,০০০+ অত্যন্ত সূক্ষ্ম থ্রেডে ৩,০০০+ ইলেকট্রোড বহন করে যা সরাসরি মস্তিষ্কের টিস্যুতে স্থাপন করা হয়। <o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal">Neuralink চিপ সিগ্নাল বেতার প্রযুক্তিতে বাইরের প্রসেসরে পাঠায়, যেখানে AI ডিকোডিং করে। ২০২৪ সালে প্রথম মানব প্রতিস্থাপনের পর, ২০২৫ সালে তিনজন ব্যবহারকারী দৈনিক ভিডিও গেইম এবং ব্রাউজিং করছেন।<o:p></o:p><o:p> </o:p></p>
<p class="MsoNormal"><b>কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং জেনারেটিভ মডেল: নিউরাল ডিকোডিংয়ের বিপ্লব<o:p></o:p></b></p>
<p class="MsoNormal"><o:p> </o:p>AI ছাড়া আধুনিক মাইন্ড রিডিং অকল্পনীয়। ২০২২ সালে নিশিমোটো এবং তার দল মানব মস্তিষ্ক ক্রিয়া থেকে উচ্চ-রেজোলিউশন চিত্র পুনর্নির্মাণে লেটেন্ট ডিফিউশন মডেল ব্যবহার করেন, যা Stable Diffusion-এর মতো টেক্সট-টু-ইমেজ সিস্টেমের অনুরূপ। এই পদ্ধতিতে:<o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal"><o:p> </o:p>- fMRI স্ক্যান থেকে ব্রেইনের ভোক্সেল-ওয়াইজ রেসপন্স নেওয়া হয়<o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal">- ডিপ নিউরাল নেটওয়ার্ক এনকোডার ব্যবহার করে সিগ্নালকে লেটেন্ট স্পেসে ম্যাপ করা হয়<o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal">- ডিফিউশন মডেল চিত্র জেনারেট করে যা ব্রেইন অ্যাক্টিভিটি প্রতিফলিত করে<o:p></o:p><o:p> </o:p></p>
<p class="MsoNormal">২০২৪ সালে Koide-Majima এবং সহকর্মীরা মানসিক চিত্র পুনর্নির্মাণে ডিপ নিউরাল নেটওয়ার্ক-ভিত্তিক বায়েসিয়ান এস্টিমেশন ব্যবহার করেন, যা ৮৫%+ নির্ভুলতা অর্জন করে। Gilbert এবং Russo (২০২৪) সতর্ক করে বলেছেন যে AI-নিউরোটেক সমন্বয়ে "হাইপ এবং নৈতিক প্রভাব" মানব অধিকারের জন্য চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করছে।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x_69478f1b7dad0.jpg" alt=""></p>
<p class="MsoNormal"><b>বহুশাস্ত্রীয় প্রকৃতি: নিউরোসায়েন্স থেকে নীতি-নির্ধারণ<o:p></o:p></b></p>
<p class="MsoNormal">মাইন্ড রিডিং প্রযুক্তি নিঃসন্দেহে বহুশাস্ত্রীয়:<o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal">- নিউরোবায়োলজি: নিউরনের ক্রিয়া বোঝা<o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal">- পদার্থবিজ্ঞান: ইলেকট্রোম্যাগনেটিক সিগ্নাল প্রসেসিং<o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal">- কম্পিউটার সায়েন্স: ML/DL অ্যালগরিদম<o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal">- জৈবপ্রযুক্তি: ইমপ্লান্টেবল ডিভাইস<o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal">- নৈতিকতা: নিউরোরাইটস এবং গোপনীয়তা<o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal">- আইন: বুদ্ধিমত্তার অধিকার রক্ষা<o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal">এই সমন্বয়ে স্পষ্ট নিয়ন্ত্রণ প্রয়োজন, যা একক শাস্ত্র দিয়ে সম্ভব নয়।<o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal"><o:p> </o:p></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="text-decoration: underline;">কোম্পানি এবং বাণিজ্যিক বিকাশ: নির্ভরযোগ্য প্লেয়ার</span><o:p></o:p></b></p>
<p class="MsoNormal"><strong>২০২৫ সালে BCI বাজারে প্রধান কোম্পানিগুলো হলো:</strong><o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal">১. Neuralink (মূলধন $১ বিলিয়ন+): N1 চিপ, থ্রেড-ভিত্তিক ইমপ্লান্ট, মানব পরীক্ষা ২০২৪ থেকে।<o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal">২. Synchron (মূলধন $১৪৫ মিলিয়ন): Stentrode™ এন্ডোভাসকুলার BCI, রক্তনালীর মাধ্যমে ইমপ্লান্ট, FDA প্রাথমিক অনুমোদন।<o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal">৩. Blackrock Neurotech (মূলধন $২০০ মিলিয়ন+): ৩০+ মানব ইমপ্লান্ট, Utah Array, ৯০ অক্ষর/মিনিট টাইপিং গতি।<o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal">৪. Paradromics (মূলধন $১০৫ মিলিয়ন): Connexus®, ১,৬০০ চ্যানেল, প্রথম মানব রেকর্ডিং ২০২৫।<o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal">৫. Precision Neuroscience (মূলধন $১০২ মিলিয়ন): Layer 7 Cortical Interface, ৪,০৯৬ ইলেকট্রোড।<o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal">৬. Kernel (মূলধন $১০০ মিলিয়ন+): ফাংশনাল নিয়ার-ইনফ্রারেড স্পেকট্রোস্কপি, নন-ইনভেসিভ।<o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal">৭. Neurable: EEG-ভিত্তিক কনজিউমার ডিভাইস, MW75 Neuro হেডফোন।<o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal">৮. Beijing Xinzhida: চীনের নেতৃস্থানীয় BCI কোম্পানি, জাতীয় প্রকল্পে অংশ।<o:p></o:p><b><o:p> </o:p></b></p>
<p class="MsoNormal"><b>সামরিক প্রযুক্তি: DARPA-এর সিনথেটিক টেলিপ্যাথি<o:p></o:p></b></p>
<p class="MsoNormal">সামরিক অ্যাপ্লিকেশন সবচেয়ে উদ্বেগজনক। DARPA-এর Silent Talk প্রকল্প (২০০০-এর দশকের শুরু) সাবভোকাল স্পিচ ডিটেকশনের মাধ্যমে চিন্তা প্রেরণের চেষ্টা করে EEG-তে মুখ না খুলে কথা ভাবলে যে সিগ্নাল তৈরি হয়, তা মেশিন লার্নিং দিয়ে ডিকোড করার পরিকল্পনা ছিল। শুরুর দিকে ৬০-৭০% নির্ভুলতা পাওয়া গেলেও খুলির হস্তক্ষেপে সিগ্নাল দুর্বল হয়ে পড়ত।<o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal">N3 (Next-Generation Nonsurgical Neurotechnology) প্রোগ্রাম বর্তমানে নন-ইনভেসিভ BCI-তে $১০৪ মিলিয়ন বিনিয়োগ করেছে, যা দূর থেকে মস্তিষ্ক পড়তে পারে এমন প্রযুক্তি গবেষণা করে। এটি সিনথেটিক টেলিপ্যাথি কথাটিকে<span style="mso-spacerun: yes;">  </span>বাস্তব করে তুলছে—সরাসরি মস্তিষ্ক থেকে<span style="mso-spacerun: yes;">  </span>মস্তিষ্কে<span style="mso-spacerun: yes;">  </span>বা ডিভাইসে চিন্তা প্রেরণ।<o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal"><o:p> </o:p></p>
<p class="MsoNormal"><b>নৈতিক সংকট এবং মানব সভ্য: ৫টি প্রধান ঝুঁকি<o:p></o:p></b></p>
<p class="MsoNormal">১. মানসিক গোপনীয়তা ভঙ্গ: Wolpe, Foster এবং Langleben (২০০৫) সতর্ক করেছেন যে নিউরোটেকনোলজি "মন পড়ার মেশিন" তৈরি করতে পারে, যা স্ব-অপরাধ প্রমাণের জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে। ব্রেইন ডেটা হ্যাক করা গেলে চিন্তা, স্মৃতি, ইচ্ছা চুরি যেতে পারে।<o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal">২. নিউরোডিসক্রিমিনেশন: নিয়োগ, বীমা বা আদালতে BCI ডেটা ব্যবহার করে বৈষম্য হতে পারে। Gilbert এবং Russo (২০২৪) বলেছেন এটি "নিউরোরাইটস" এর অধীনে পড়ে।<o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal">৩. এজেন্সি এবং স্বাধীনতা হারানো: যদি বাহ্যিক সত্তা মস্তিষ্ককে নিয়ন্ত্রণ বা প্রভাবিত করতে পারে, তবে মানুষের স্বাধীন ইচ্ছা হুমকির মুখে পড়বে।<o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal">৪. সামরিক অপব্যবহার: DARPA প্রকল্পগুলো যদি অস্ত্রে রূপান্তরিত হয়, তবে দূরবর্তী মানসিক যুদ্ধ শুরু হতে পারে।<o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal">৫. জাতীয় নিরাপত্তা ঝুঁকি: বিদেশ থেকে মস্তিষ্ক হ্যাকিং হলে গুপ্তচরবৃত্তি এবং প্রভাব বিস্তার নতুন মাত্রা পাবে। তবে প্রযুক্তিগতভাবে এটি এখনও অসম্ভব কারণ প্রয়োজনীয় ইমপ্লান্ট ছাড়া দূরবর্তী হাই-রেজোলিউশন সিগ্নাল পাওয়া যায় না।<o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal"><o:p> </o:p></p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x_69478f1ccdddc.jpg" alt=""></p>
<p class="MsoNormal"><b>নীতিমালা এবং প্রতিরোধ ব্যবস্থা: ৮টি প্রস্তাব<o:p></o:p></b></p>
<p class="MsoNormal">১. আন্তর্জাতিক নিউরোটেকনোলজি ট্রিটি: জৈব অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ চুক্তির আদর্শে মস্তিষ্ক-হ্যাকিং অস্ত্র নিষিদ্ধ করা।<o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal">২. নিউরোরাইটস আইন: চিলি এবং স্পেনের মতো দেশ যেমন 'মানসিক গোপনীয়তা অধিকার' আইন করেছে, তেমনি জাতীয় আইন করা যেখানে ব্রেইন ডেটা সংগ্রহ, স্টোরেজ এবং ব্যবহারে স্পষ্ট সম্মতি প্রয়োজন।<o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal">৩. FDA এবং EMA গাইডলাইন: ইমপ্লান্টেবল BCI-র জন্য কঠোর নিরাপত্তা ও নৈতিক পর্যালোচনা বাধ্যতামূলক করা। Paradromics-এর মতো কোম্পানিকে প্রথম-in-human ট্রায়ালে নিরাপত্তা প্রমাণ করতে হয়েছে।<o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal">৪. টেলিকম নিয়ন্ত্রণ: রিমোট EEG মনিটরিং-এর জন্য এনক্রিপশন এবং ডেটা সার্বভৌমত্ব নিশ্চিত করা। IntraNerve-এর মতো কোম্পানিকে HIPAA-সম্মত হতে হয়।<o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal">৫. সামরিক গবেষণা স্বচ্ছতা: DARPA প্রকল্পগুলোর নাগরিক নিরীক্ষণ বাড়ানো এবং অস্ত্রায়ণ রোধ করা।<o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal">৬. পাবলিক এডুকেশন: সাধারণ মানুষকে BCI-র সুফল ও ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতন করা। <o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal">৭. আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা: ভূ-উপগ্রহ বা দূরবর্তী যন্ত্র ব্যবহার করে মস্তিষ্ক নজরদারি নিষিদ্ধ করা, যদিও এটি বৈজ্ঞানিকভাবে সম্ভব - বিষয়টি গবেষনাপত্রে প্রকাশিত হয়নি। <o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal">৮. অ্যাক্সেস ইকুইটি: BCI-র চিকিৎসা সুবিধা সবার জন্য সুলভ করা, যাতে প্রযুক্তিগত বৈষম্য না বাড়ে।<o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal"><b></b></p>
<p class="MsoNormal"><b>উপসংহার: বিজ্ঞানের দায়িত্ববোধ এবং মানবতার ভবিষ্যৎ<o:p></o:p></b></p>
<p class="MsoNormal">মাইন্ড রিডিং প্রযুক্তি ১২০ বছর পরে অবশেষে বৈজ্ঞানিক বাস্তবতায় পরিণত হয়েছে। Neuralink, Synchron এবং অন্যান্য কোম্পানি পক্ষাঘাতগ্রস্ত রোগীদের জীবন বদলে দিচ্ছে। কিন্তু DARPA-এর সামরিক গবেষণা এবং AI-নিউরোটেক সমন্বয়ে উদ্বেগজনক নৈতিক সংকট তৈরি হয়েছে।<o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal">চিলির ২০২১-এর সংবিধান সংশোধন যেমন "মানসিক অখণ্ডতা অধিকার" যুক্ত করেছে, তেমনি বিশ্বব্যাপী সমন্বিত প্রয়াস প্রয়োজন। আমরা দাঁড়িয়ে আছি মুক্তির এবং ডাইস্টোপিয়ার সন্ধিক্ষণে। নীতি-নির্ধারকদের সিদ্ধান্ত নির্ধারণ করবে এই প্রযুক্তি মানবতার "সবচেয়ে বড় মুক্তি" নাকি "সবচেয়ে খারাপ দুঃস্বপ্ন" হবে।<o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal">বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সুপারিশ: দেশে BCI গবেষণা শুরুর আগে নিউরোরাইটস আইন প্রণয়ন, চিকিৎসা প্রয়োগের জন্য FDA-সমমান নিয়ন্ত্রণ, এবং সামরিক ব্যবহার নিষিদ্ধকরণ জরুরি। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মানসিক গোপনীয়তা যুক্ত করা প্রয়োজন।<o:p></o:p></p>
<hr>
<p class="MsoNormal"><o:p> </o:p><b>লেখক: চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার, সীবিচ৭৭ লিমিটেড</b></p>
<hr>
<p class="MsoNormal"><b>তথ্যসূত্র:<o:p></o:p></b></p>
<p class="MsoNormal">Haynes, J.-D., &amp; Rees, G. (2006). Decoding mental states from brain activity in humans. Nature Reviews Neuroscience, 7(7), 523–534. https://doi.org/10.1038/nrn1931<o:p></o:p><o:p> </o:p></p>
<p class="MsoNormal">Nishimoto, S., Vu, A. T., Naselaris, T., Benjamini, Y., Yu, B., &amp; Gallant, J. L. (2011). Reconstructing visual experiences from brain activity evoked by natural movies. Current Biology, 21(19), 1641–1646. https://doi.org/10.1016/j.cub.2011.08.031<o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal">Koide-Majima, N., Nishimoto, S., &amp; Majima, K. (2024). Mental image reconstruction from human brain activity: Neural decoding of mental imagery via deep neural network-based Bayesian estimation. Neural Networks, 170, 349–363. https://doi.org/10.1016/j.neunet.2023.11.024<o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal">Gilbert, F., &amp; Russo, I. (2024). Mind-reading in AI and neurotechnology: Evaluating claims, hype, and ethical implications for neurorights. AI and Ethics, 4(3), 855–872. https://doi.org/10.1007/s43681-024-00514-6<o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal">Wolpe, P. R., Foster, K. R., &amp; Langleben, D. D. (2005). Emerging neurotechnologies for lie-detection: promises and perils. The American Journal of Bioethics, 5(2), 39–49. https://doi.org/10.1080/15265160590923367<o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal">The Gaijin Wolfenstein. (2025). Synthetic telepathy: From military dreams to cyberpunk reality. Medium. https://medium.com/@thegaijin.wolfenstein/synthetic-telepathy-from-military-dreams-to-cyberpunk-reality-b851821775b2<o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal">Dana Foundation. (2024). fMRI: Still not a mind reader. https://dana.org/article/fmri-still-not-a-mind-reader/<o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal">Matsushima, S. K., et al. (2025). Adeno-associated virus expressing a blood-brain barrier. Journal of Clinical Investigation, 135(12), e180724. https://doi.org/10.1172/JCI180724<o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal">Naselaris, T., Prenger, R. J., Kay, K. N., Oliver, M., &amp; Gallant, J. L. (2009). Bayesian reconstruction of natural images from human brain activity. Neuron, 63(6), 902–915. https://doi.org/10.1016/j.neuron.2009.09.006<o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal">Ross Dawson. (2025). 9 leading brain-computer interface companies and their current and prospective products. https://rossdawson.com/futurist/companies-creating-future/leading-brain-computer-interface-companies-bci/<o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal">Spherical Insights. (2025). Top 10 companies leading the brain-computer interface market in 2025. https://www.sphericalinsights.com/blogs/top-10-companies-leading-the-brain-computer-interface-market-in-2025-key-players-statistics-future-trends-2024-2035<o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal">SpecialtyCare. (2025). EEG scan technology: Advanced brain imaging for assessment. https://specialtycareus.com/eeg-scan-technology-brain-imaging-assessment/<o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal">IntraNerve Neuroscience. (2025). Remote EEG monitoring &amp; cEEG monitoring services. https://www.intranerve.com/services/neurotelemetry-ceeg/</p>
<hr>
<p class="MsoNormal"></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>আইসিপিসি এশিয়া ঢাকা রিজিওনাল কনটেস্ট ২০২৫ চ্যাম্পিয়ন বুয়েটের সিলভার হক</title>
<link>https://digibanglatech.news/161425</link>
<guid>https://digibanglatech.news/161425</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_6946f0a8cffa0.jpg" length="107224" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 20 Dec 2025 22:53:50 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজির (বিইউবিটি) স্থায়ী ক্যাম্পাসে উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হলো কম্পিউটার প্রোগ্রামিংয়ের বিশ্বমঞ্চে ‘প্রোগ্রামিংয়ের অলিম্পিক’ খ্যাত ‘আইসিপিসি এশিয়া ঢাকা রিজিওনাল কনটেস্ট ২০২৫’-এর চূড়ান্ত পর্ব। </p>
<p>২০ ডিসেম্বর, শনিবার টানটান উত্তেজনা আর মেধার লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে এ মর্যাদাপূর্ণ আয়োজনে সারা দেশ থেকে আসা ৩১৩টি টিমের ৯৩৯ প্রোগ্রামার টানা ৫ ঘণ্টা ধরে জটিল সব অ্যালগরিদমিক সমস্যার সমাধানে লিপ্ত ছিলেন। বিইউবিটি ক্যাম্পাসের ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স হল এবং নির্ধারিত ল্যাবগুলোতে চলে এই শ্বাসরুদ্ধকর প্রতিযোগিতা।</p>
<p>প্রতিযোগিতায় আইওআই এর বাইরে চ্যাম্পিয়ন বুয়েটের সিলভার হক; প্রথম রানার্স রানার্সআপ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যাক্সসাঙ্ককস্টফ্লো এবং দ্বিতীয় রান্সাআপ শাবিপ্রবি’র গডফাদার ইনক। </p>
<p>এছাড়াও চট্টগ্রামের ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটির ডিইউডব্লিউপি মেয়েদের বিভাগে চ্যাম্পিয়ন এবং বিইউবিটি কার্লি ব্রেস রানার্সআপ হয়েছে। </p>
<p>বিভাগীয় পর্যায়ে ঢাকায় বুয়েট সিলভার হকস, রংপুরের হাজি দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের দল, রাজশাহীতে রুয়েটের থ্রিব্ল নো ব্রাউন; সিলেটে শাবিপ্রবি’র গডফাদার ইনক, ময়মনসিংহে নেত্রকোনা ইউনিভার্সিটির রিবুটার্স এনইইউ, খুলানায় কুয়েট পটল, চট্টগ্রামে কুমিল্লা ইউনিভার্সিটির রিইগনাইট এবং বরিশালেল বিইউ টেরিহার্ডস চ্যম্পিয়ন হয়েছে। </p>
<p>সবার প্রথমে সমস্যার সমাধান করে দুইটি পুরস্কার জিতেছে আইইউটি’র কামিকাজে দল। বুয়েট সিলভার হক লাভ করে তিনটি পুরস্কার। এছাড়াও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইগনাইট, শাবিপ্রবি’র গডফাদার ইনক, গ্রিন ইউনিভার্সিটির গ্রিন ফোর্সেস প্রবলেম সেট ভিত্তিক পুরস্কার পেয়েছে।</p>
<p>দলীয় নাম করণে মুন্সিয়ানা দেখানোয় শিক্ষার্থীদের ভোটের মাধ্যমে ফেনী ইউনিভার্সিটির ইক্যুলিব্রাম দল চ্যাম্পিয়ন এবং চট্টগ্রামের প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির দল বিইউসি মিনহাজ স্যার রিমেম্বারর্ড প্রথম রানার্স আপ ও দ্বিতীয় রানার্সআপ ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির ‘পারি না কিছু’। </p>
<div>
<p>প্রতিযোগিতা শেষে অনুষ্ঠিত হয় আড়ম্বরপূর্ণ পুরস্কার বিতরণী ও সমাপনী অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি এবং বিশেষ অতিথিরা বিজয়ীদের হাতে চ্যাম্পিয়ন ট্রফি ও পুরস্কার তুলে দেন।</p>
<p>পুরস্কার বিতরণীতে উপস্থিত ছিলেন আইসিটি বিভাগের সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী, ব্রাক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কায়কোবাদ, আইসিপিসি ঢাকা অঞ্চলের অ্যাসোসিয়েট ডিরেক্টর আব্দুল্লাহ এল হক, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের পরিচালক জাফরুল আলম খান আইসিপিসি’র সাবেরক বিচারক, শাহরিয়ার মাঞ্জুর, বিউবিটি ট্রাস্ট ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবু সালেহ এবং বিইউবিটি’র সিএসই বিভাগের চেয়ারম্যান মোঃ সাইফুর রহমান। <o:p></o:p></p>
<p><o:p> </o:p>অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিইউবিটি উপচার্য প্রফেসর ড. এ বি এম শওকত আলি। পৃষ্ঠপোষকদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন <o:p></o:p><o:p></o:p>ডায়নামিক সলিউশন ইনেভটরস লিমিটেডে সিনিয়র সিস্টেম অ্যানালিস্ট নাফিউর করিম <o:p></o:p></p>
<p>এ সময় বিইউবিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. এবিএম শওকত আলী বলেন, একটি সফল ও আন্তর্জাতিক মানের প্রতিযোগিতা সম্পন্ন করতে পেরে বিইউবিটি গর্বিত। বিজয়ীরা বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের পতাকাকে আরও উঁচুতে তুলে ধরবে বলে আমি বিশ্বাস করি।</p>
<div>
<div>অনুষ্ঠানে বক্তারা দেশের প্রযুক্তি খাতের উন্নয়নে তরুণ প্রজন্মের এই অদম্য স্পৃহার ভূয়সী প্রশংসা করেন। এবারের আয়োজনে গোল্ড স্পন্সর হিসেবে ছিল থেরাপ (বিডি) লিমিটেড। এ ছাড়াও বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি) এবং আইসিটি ডিভিশন বাংলাদেশের সার্বিক সহযোগিতায় আয়োজনটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়।</div>
</div>
<p>উল্লেখ্য, এবারের আসরে রেকর্ড সংখ্যক প্রতিযোগীর অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো। চূড়ান্ত ফলাফলের ভিত্তিতে শীর্ষ স্থান অধিকারী দলগুলো আগামীতে আইসিপিসি ওয়ার্ল্ড ফাইনালে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পাবে।</p>
<p>অনুষ্ঠানে গুগল আয়রল্যান্ডের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার রায়হাত জামানা নিলয় প্রবলেম সেট নিয়ে আলোচনা করেন। </p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এসআর/এমইউএম</strong></span></em></p>
</div>
<div></div>
<div class="BT_inner_A1_C2 aligncenter w100p pt10 pb10">
<div class="300adWnC">
<div id="BT_inner_A1_C2" data-google-query-id="CPvgwbvfzJEDFdqZ2AUdgvE0YA"></div>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত</title>
<link>https://digibanglatech.news/161278</link>
<guid>https://digibanglatech.news/161278</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_6945254542d07.jpg" length="48358" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 19 Dec 2025 13:51:37 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<header>
<section id="myHeader2" class="sticky2">
<div class="DHeaderMenu MobileMenuShow">
<div class="container TopMenu">
<div class="row">
<div class="col-sm-12">
<div class="DLogoMobile display-flex">
<div class="mr-auto LogoDate"><a href="https://www.bvnews24.com/"></a></div>
<div class="ml-auto menu-left"><span class="fa fa-bars show">২০ ডিসেম্বর, শনিবার অনুষ্ঠেয় ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের নিয়োগ পরীক্ষা অনিবার্য কারণে স্থগিত করা হয়েছে।</span></div>
<div class="ml-auto menu-left"><i class="fa fa-bars show"></i></div>
<div class="menu-right">
<div class="theme-switch-wrapper">
<div class="slider round">ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ১৯ ডিসেম্বর, শুক্রবার এ কথা জানানো হয়।</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</section>
</header><main>
<div class="container">
<section>
<div class="row">
<div class="col-lg-9 col-sm-12 rowresize atPrint100">
<div id="newsSection">
<article class="DDetailsContent newsDetail" id="192724" data-title="ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত">
<div id="contentDetails" class="DetailsText">
<p>এতে আরও জানানো হয়, পরীক্ষার নতুন তারিখ শিগগিরই বিভাগের ওয়েবসাইটে ও প্রার্থীদের ফোনে এসএমএস-এর মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে।</p>
<p>এর আগে সাহসী জুলাই যোদ্ধা ওসমান হাদি এবং ২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী সকল জুলাই যোদ্ধা ও শহীদের প্রতি শ্রদ্ধার নিদর্শন হিসেবে শনিবার অনুষ্ঠেয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের বিজ্ঞান ইউনিটের প্রথম বর্ষ আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামের ভর্তি পরীক্ষাও স্থগিত করা হয়েছে। এসব পরীক্ষার সময়সূচি শিগগিরই ঘোষণা করা হবে।</p>
<p>ডিবিটেক/ইক</p>
<div class="google-auto-placed pedestal_container">
<div id="aswift_9_host"><iframe width="392" height="0" id="aswift_9" name="aswift_9" sandbox="allow-forms allow-popups allow-popups-to-escape-sandbox allow-same-origin allow-scripts allow-top-navigation-by-user-activation" frameborder="0" marginwidth="0" marginheight="0" vspace="0" hspace="0" allowtransparency="true" scrolling="no" allow="attribution-reporting; run-ad-auction" src="https://googleads.g.doubleclick.net/pagead/ads?client=ca-pub-2955358375522119&amp;output=html&amp;h=858&amp;adk=4169043556&amp;adf=2090076264&amp;pi=t.aa~a.3294169669~rp.1&amp;w=392&amp;lmt=1766138929&amp;ecr=1&amp;rafmt=9&amp;to=qs&amp;pwprc=5857881690&amp;format=392x858&amp;url=https%3A%2F%2Fwww.bvnews24.com%2Fjobs%2Fnews%2F192724&amp;crui=pedestal&amp;fwr=1&amp;fwrattr=1&amp;pra=3&amp;rw=372&amp;wgl=1&amp;aieuf=1&amp;aicrs=1&amp;fa=30&amp;uach=WyJBbmRyb2lkIiwiMTQuMC4wIiwiIiwiMjIxMDEzMTdDIiwiMTQzLjAuNzQ5OS4xMDkiLG51bGwsMSxudWxsLCIiLFtbIkdvb2dsZSBDaHJvbWUiLCIxNDMuMC43NDk5LjEwOSJdLFsiQ2hyb21pdW0iLCIxNDMuMC43NDk5LjEwOSJdLFsiTm90IEEoQnJhbmQiLCIyNC4wLjAuMCJdXSwwXQ..&amp;abgtt=6&amp;dt=1766138929878&amp;bpp=4&amp;bdt=6628&amp;idt=5&amp;shv=r20251211&amp;mjsv=m202512100101&amp;ptt=9&amp;saldr=aa&amp;abxe=1&amp;cookie=ID%3D698ee32c13ee2406%3AT%3D1766138924%3ART%3D1766138924%3AS%3DALNI_MYag2lrjiP16e38PmtWxSpJ_hfymA&amp;gpic=UID%3D000011ceaa062a15%3AT%3D1766138924%3ART%3D1766138924%3AS%3DALNI_MYqWmXwH54m_QuBUvyYtYYbPbAiZw&amp;eo_id_str=ID%3D227c2121507c93bd%3AT%3D1766138924%3ART%3D1766138924%3AS%3DAA-AfjbaHqIQHEeBl0XG_WvtBykw&amp;prev_fmts=0x0%2C392x392%2C392x392%2C392x392%2C392x392%2C392x392%2C392x392%2C393x280%2C392x766&amp;nras=4&amp;correlator=6511531116295&amp;frm=20&amp;pv=1&amp;u_tz=360&amp;u_his=8&amp;u_h=873&amp;u_w=393&amp;u_ah=873&amp;u_aw=393&amp;u_cd=24&amp;u_sd=2.75&amp;dmc=8&amp;adx=0&amp;ady=1092&amp;biw=392&amp;bih=766&amp;scr_x=0&amp;scr_y=306&amp;eid=31095903%2C31096041%2C95376242%2C95378599%2C95378750%2C42533294&amp;oid=2&amp;pvsid=3507305810318378&amp;tmod=1634534995&amp;uas=3&amp;nvt=1&amp;ref=https%3A%2F%2Fwww.google.com%2F&amp;fc=1920&amp;brdim=0%2C0%2C0%2C0%2C393%2C0%2C393%2C767%2C392%2C766&amp;vis=1&amp;rsz=%7C%7Cs%7C&amp;abl=NS&amp;fu=1152&amp;bc=31&amp;bz=1&amp;bisch=0&amp;blev=0.58&amp;ifi=10&amp;uci=a!a&amp;btvi=4&amp;fsb=1&amp;dtd=20" data-google-container-id="a!a" tabindex="0" title="Advertisement" aria-label="Advertisement" data-load-complete="true" data-google-query-id="CP7cnpy0yZEDFR61SwUd4fEC8Q"></iframe></div>
<ins data-ad-format="auto" class="adsbygoogle adsbygoogle-noablate" data-ad-client="ca-pub-2955358375522119" data-adsbygoogle-status="done" data-ad-status="unfilled">
<div id="aswift_9_host"></div>
</ins></div>
</div>
</article>
</div>
</div>
</div>
</section>
</div>
</main>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>আন্তর্জাতিক গণিত প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের ৩ সোনা জয়</title>
<link>https://digibanglatech.news/161147</link>
<guid>https://digibanglatech.news/161147</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_6943617e5c57c.jpg" length="87541" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 17 Dec 2025 22:07:48 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>আন্তর্জাতিক গণিত প্রতিযোগিতায় তিনটি সোনার পদক জিতেছেন বাংলাদেশের তিন শিক্ষার্থী। ক্যাম্বোডিয়ায় অনুষ্ঠিত ‘অ্যাংকর ম্যাথেমেটিক্স কম্পিটিশন ২০২৫’-এ সোনার পদক পাওয়া শিক্ষার্থীরা হলেন কিঞ্জল নাগ দিব্য, আজফার আমিন ইলহাম ও সত্ত্বিক শেখর মণ্ডল। কিঞ্জল ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়েন, আর আজফার ও সত্ত্বিক সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী।</p>
<p>দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যতম বড় মঞ্চে হওয়া এই আসরে অংশ নিয়ে তারা শীর্ষস্থান অর্জন করেছেন। বিজয়ী তিনজনই ঢাকার সেন্ট যোসেফ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের শিক্ষার্থী। এবারের প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ থেকে এই তিনজনই অংশ নেওয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন। বিশ্বের ২৫টি দেশের বিভিন্ন গ্রেডের শিক্ষার্থীরা এবারের আসরে অংশ নেন।</p>
<p>তিন ধাপে অনুষ্ঠিত এই আন্তর্জাতিক গণিত প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্ব আয়োজন করা হয় ক্যাম্বোডিয়ার রাজধানী নম পেন-এ অবস্থিত ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি অফ ক্যাম্বোডিয়ায়।</p>
<p>প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের বিষয়টির সমন্বয় করেছে প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষামূলক প্ল্যাটফর্ম ইন্টারন্যাশনাল অলিম্পিয়াড বাংলাদেশ। প্ল্যাটফর্মটি অনলাইন নিবন্ধন, বাছাই পরীক্ষা, প্রশিক্ষণ ও আন্তর্জাতিক আয়োজকদের সঙ্গে যোগাযোগের কাজ করে থাকে।</p>
<p>সমন্বয়ক প্ল্যাটফর্মটি বলছে, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতি ও নির্বাচন প্রক্রিয়া পরিচালনা করায় আন্তর্জাতিক মানের প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া সহজ হচ্ছে।সঠিক দিকনির্দেশনা পেলে দেশের শিক্ষার্থীরা যে বিশ্বমঞ্চে প্রতিযোগিতা করতে পারে, এই ফলাফল তার প্রমাণ।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/জেএনও/এমইউএম</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ভারতের ট্রলারডুবি নিয়ে নৌবাহিনীকে জড়িয়ে ভিত্তিহীন সংবাদ প্রচার: আইএসপিআর</title>
<link>https://digibanglatech.news/161019</link>
<guid>https://digibanglatech.news/161019</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_6941838b97ed0.jpg" length="99417" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 16 Dec 2025 20:07:04 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="alignfull">সম্প্রতি কিছু কিছু সংবাদ মাধ্যমে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাংলাদেশ নৌবাহিনীকে জড়িয়ে ভিত্তিহীন, বিভ্রান্তিকর এবং ভুল তথ্য প্রচার করছে বলে জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর (আইএসপিআর)।</p>
<p class="alignfull">মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) আইএসপিআরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ভারতের জলসীমায় অনুপ্রবেশ করে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরার সময় পারমিতা-১০ নামক একটি ভারতীয় মাছ ধরার ট্রলারকে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর জাহাজ ডুবিয়ে দেয় বলে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।</p>
<p class="alignfull">প্রকৃতপক্ষে, ভারতীয় মাছ ধরার ট্রলারটি দুর্ঘটনায় পতিত হওয়ার সময় বাংলাদেশ নৌবাহিনীর টহলরত জাহাজ দুর্ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ১২ মাইলের বেশি দূরত্বে বাংলাদেশের জলসীমায় টহল কার্যক্রম পরিচালনা করছিল বলে জানিয়েছে আইএসপিআর।</p>
<div class="viewport jw_article_body">
<p class="alignfull">বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ সময় বিকাল ৩টা ১৫ মিনিটে ভারতীয় কোস্ট গার্ডের মেরিটাইম রেসকিউ কো-অর্ডিনেশন সেন্টার (এমআরসিসি) থেকে মেরিটাইম রেসকিউ কো-অর্ডিনেশন সেন্টার, ঢাকাকে ই-মেইল এর মাধ্যমে জানানো হয় যে, ভারতের মাছ ধরা নৌকা পারমিতা-১০ নামক একটি মাছ ধরার ট্রলার বঙ্গোপসাগরের ভারতীয় জলসীমায় ১৬ জন জেলেসহ ডুবে যায়। ভারতীয় অপর একটি মাছধরার ট্রলার রঘুপতি এ পর্যন্ত পারমিতা-১০-এর ১১ জন জেলেকে উদ্ধার করা হয়েছে এবং বাকি ৫ জন জেলে নিখোঁজ রয়েছে। এছাড়াও নিখোঁজ জেলেদের উদ্ধারে ইন্ডিয়ান কোস্ট গার্ড পার্শ্ববর্তী সব জাহাজ এবং মাছ ধরা ট্রলারকে সহায়তা করার আহ্বান জানায়।</p>
<p class="alignfull">আইএসপিআর আরও জানায়, এ পরিপ্রেক্ষিতে ভারতীয় এমআরসিসি থেকে ই-মেইল পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বাংলাদেশ নৌবাহিনীর টহলরত জাহাজকে দ্রুততার সঙ্গে বাংলাদেশের জলসীমায় অনুসন্ধান কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়। বাংলাদেশ ও ভারতের যথাযথ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে নৌবাহিনীর টহলরত জাহাজ ভারতীয় কোস্টগার্ড ও বাংলাদেশের স্থানীয় জেলেদের সঙ্গে সমন্বয় করে বাংলাদেশের জলসীমায় অনুসন্ধান কার্যক্রম পরিচালনা করে। এই ধরনের উদ্যোগ কেবল মানবিক দায়িত্ব পূরণই করে না, বরং প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে সমঝোতা ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করে।</p>
<p class="alignfull">বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, “ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কিছু কিছু সংবাদ মাধ্যমে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করা হয় যে, বাংলাদেশ নৌবাহিনী জাহাজ ভারতীয় জলসীমায় প্রবেশ করে মাছ ধরার ট্রলার পারমিতা-১০-কে ডুবিয়ে দেয়, যা ভিত্তিহীন। এ ধরনের ভুল তথ্য গণমাধ্যমে প্রচার অত্যন্ত দুঃখজনক এবং অনাকাঙ্ক্ষিত। এমতাবস্থায় বাংলাদেশ নৌবাহিনী তথা বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার এবং বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ হতে বিরত থাকার জন্য সব সংবাদমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানানো যাচ্ছে।</p>
</div>
<div class="btGoogleNews"></div>
<div class="BT_inner_A1_C2 aligncenter w100p pt10 pb10">
<div class="300adWnC">
<div id="BT_inner_A1_C2" data-google-query-id="CMK0iYq-wpEDFZuJrAIdfwAgew"></div>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>কোডে লেখা একাত্তরঃ গেইমে মুক্তিযুদ্ধ ও বিজয়</title>
<link>https://digibanglatech.news/160948</link>
<guid>https://digibanglatech.news/160948</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_6940fd922c10b.jpg" length="126526" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 16 Dec 2025 00:34:26 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>একাত্তরের মহান মুক্তি যুদ্ধ ছিল অস্ত্রের। কিন্তু তার চেয়েও বড় ছিল চেতনার। আজ সেই চেতনার নতুন যুদ্ধক্ষেত্র ডিজিটাল বিশ্ব। ১৯৭১ তাই হাজারো মানুষের ছোট ছোট গল্পের জটিল মোজাইক। আজ সেই গল্পগুলো কেমন করে গেমে বদলে যাচ্ছে? পর্দার অন্দরেই কি আমরা ইতিহাসকে কেবল পপকর্ন-স্তরে ভোগ করছি, নাকি সত্যিকারভাবে তার গূঢ়তা ধারণ করাতে পারছি? এই লেখায় সেই তথ্য, সরকারি খরচ, কিছু আলোচিত গেইমের নাম ও নির্মাণ কাহিনি ও বিতর্ক-সব একসঙ্গে সেলাই করে বলার চেষ্টা করছি। </p>
<p>১৯৭১। বুটের আওয়াজ, রাইফেলের গর্জন, ভাঙা ট্রান্সমিটারের ভেতর দিয়ে ভেসে আসা স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের কণ্ঠ—এসব আজ ইতিহাসের পাতায় বন্দী। কিন্তু বিশ্ব যখন ইতিহাসকে নতুন করে বাঁচিয়ে রাখছে কম্পিউটার ও মোবাইল গেইমের মাধ্যমে, তখন প্রশ্ন জাগে—বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ কি সেই ডিজিটাল যুদ্ধক্ষেত্রে নিজের জায়গা করে নিতে পেরেছে?</p>
<p>এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গেলে আমাদের ফিরতে হয় কয়েক দশক পেছনে, যখন দেশের গেইম ডেভেলপমেন্ট বলতে ছিল বিচ্ছিন্ন কিছু উদ্যোগ, সীমিত প্রযুক্তি আর সীমাবদ্ধ বাজার। সেই বাজারের দিকে তাকিয়ে নয়; শুরুটা হয়েছিলো হৃদয়ের গহীন থেকে। শুরুটা ‘অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী’ থেকে। </p>
<p>বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গেইমের ইতিহাস ঘাঁটলে প্রথমেই উঠে আসে ফার্স পার্সন শ্যুটার গেইম ‘অরুণোদয়ের অগ্নিশিখা’। এটি কোনো বড় বাণিজ্যিক সাফল্য ছিল না, কিন্তু ঐতিহাসিক গুরুত্ব ছিল অপরিসীম। দেশীয় প্রতিষ্ঠান সোম কম্পিউটারস লিমিটেড নিজস্ব থ্রিডি ইঞ্জিন ব্যবহার করে এই গেইমটি তৈরি করে।তিনটি ধাপে সাজানো এই গেইমে মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন প্রেক্ষাপট তুলে ধরা হয়। প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতা, পাইরেসি আর বাজারের অনীহার কারণে এটি থেমে গেলেও একটি বার্তা রেখে যায়- মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে গেইম বানানো অসম্ভব নয়।</p>
<p>এরপর রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় ‘লিবারেশন ৭১’, ‘হিরোস অব ৭১’, ‘ব্যাটল অব ৭১’ এবং ‘ম্যাসিভ ওয়ার ৭১’ এর মতো গেইমে একেকটি প্ল্যাটফর্মে মুক্তিযুদ্ধকে অনুকরণ করার চেষ্টা করেছে দেশি ডেভেলপাররা। কেউ সফলতা পেয়েছে, কেউ কোণঠাসা থেকে গেছে। এই পর্যায়ের তথ্য ও ইতিহাস-ভিত্তিক গেইমগুলোর অর্জন-বর্জন-অসফলতা, সবই প্রথমবারের মতো তরুণ প্রজন্মকে একাডেমিক পাঠের বাইরে ‘অভিজ্ঞতা’ দিতে চেয়েছে। </p>
<p><strong>শুরু: আবেগ, স্বাধীনতা আর পিক্সেল</strong><br>দেশীয় প্রথম মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক গেইমের মধ্যে ‘অরুণোদয়ের অগ্নিশিখা’ ছিল এক আবেগের প্রয়াস। ছোট বাজেটে নির্মিত এই গেইমটি পাইরেসি ও বাজার সংকটের ভেতর হারিয়ে গেলেও সেটি প্রথম বার অসংখ্য ডেভেলপারকে অনুপ্রাণিত করেছিল। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়-ছাত্রদের স্বেচ্ছাশ্রমে গড়ে ওঠা টিম- ৭১ এর ‘লিবারেশন ৭১’- যা কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মিশন নিয়ে ডেমো প্রকাশ করে গেইমিং এরিনায় নজর কাড়ে। এই গেইমে ১৯৭১ সালের বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনার ওপর ভিত্তি করে মিশন তৈরি করা হয়। পরবর্তীতে তারা বীরশ্রেষ্ঠ আবদুর রউফ, বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান–এর মতো শহীদদের নিয়ে আলাদা এপিসোড তৈরির পরিকল্পনা নেয়। আনরিয়েল ইঞ্জিন ব্যবহার করে গ্রাফিক্স উন্নত করার চেষ্টা করা হয়।</p>
<p>‘হিরোস অব ৭১’ ছিল দেশের প্রথম আলোচিত মোবাইল শুটার, যেখানে খেলোয়াড় মধুমতীর শহুরে গ্রামের এক অপারেশনে অংশ নেয়- এই গেইম মুক্তিযুদ্ধকে সরাসরি অ্যান্ড্রয়েড প্ল্যাটফর্মে এনেছে এবং কিছু কিশোর-তরুণকে ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটের সঙ্গে যুক্ত করেছে। তবে গ্রাফিক্স, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ও গেইমপ্লে নিয়ে সমালোচনাও হয়।</p>
<p>সেই একই সময়ে ‘ব্যাটল অব ৭১’ গেইমে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান–এর থ্রিডি চরিত্রসহ রাজারবাগ, সিলেট চা-বাগানসহ বিভিন্ন ঐতিহাসিক যুদ্ধের দৃশ্য অন্তর্ভুক্ত করা হয়। স্ট্যান্ডঅ্যালোন লেভেল, তুলনামূলক ভালো ভিজ্যুয়াল এবং ঐতিহাসিক রেফারেন্স—সব মিলিয়ে এটি মুক্তিযুদ্ধের গেইম তালিকায় আলাদা গুরুত্ব পায়। জাতীয় নেতাদের থ্রিডি অবয়ব ব্যবহার করে বৃহৎ পটভূমি ও লেভেল যুক্ত করে আন্তর্জাতিক স্তরে প্রতিযোগী মানের ভিজ্যুয়াল উপস্থাপনার চেষ্টা করে। </p>
<p>‘যুদ্ধ ৭১: প্রথম প্রতিরোধ’ ছিলো প্রযুক্তির দিক থেকে সবচেয়ে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ। এই গেইমে ২৫ মার্চের কালরাতের প্রথম প্রতিরোধকে তুলে ধরা হয় এবং এটি ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR) সমর্থিত। ইউনিটি ইঞ্জিনে তৈরি এই গেইমটি দেখায়- বাংলাদেশে শুধু সাধারণ মোবাইল গেইম নয়, উন্নত প্রযুক্তিনির্ভর গেইম তৈরির চেষ্টাও হচ্ছে। </p>
<p>প্রাপ্ত তথ্য বলছে, মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে ৫০টির বেশি গেইম ও অ্যাপ তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে- মুক্তিযুদ্ধ, যুদ্ধ ৭১, বাংলাদেশ লিবারেশন ওয়ার কুইজ গেইম, মুক্তিযুদ্ধ রানার, ডকু-গেইমধর্মী অ্যাপ জেনোসাইড ১৯৭১, স্বাধীনতা ৭১, <span>ওরা ১১ জন, অদম্য ৭১, গেরিলা ৭১, গেরিলা ব্রাদার্স</span> ইত্যাদি। অনেকগুলোই শিক্ষামূলক, কিছু গেইমপ্লেভিত্তিক, কিছু আবার কুইজ বা ইন্টারঅ্যাকটিভ ইতিহাস। কিন্তু গেইম ও অ্যাপ্লিকেশনগুলোতে নামের মতো কন্টেন্টে বৈচিত্রহীনভাবে পৃষ্ঠপোষকতা করে আইসিটি বিভাগ। আবার সেই পৃষ্ঠকতার ধারবাহিকতায় যেমন ঘাটতি ছিলো, তেমনি এগুলো গ্রহণেও সাধারণ গেইমারদের মধ্যে ছিলো অনাগ্রহ। সব মিলিয়ে একাত্তরের রণাঙ্গনের কাদা, ধুলো আর বারুদের গন্ধ মনিটরের পর্দা, মোবাইল স্ক্রিন আর ভার্চুয়াল রিয়েলিটির ভেতর দিয়ে নতুন প্রজন্মকে ছুঁতে পারেনি।</p>
<p>ফলে বিশ্বজুড়ে যখন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ, ভিয়েতনাম কিংবা আধুনিক মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ নিয়ে শত শত গেইম তৈরি হচ্ছে, তখন প্রশ্নটা আরও তীক্ষ্ণ- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ কি ডিজিটাল গেইমে তার ন্যায্য জায়গা পেয়েছে? এক্ষেত্রে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা কি যথেষ্ঠ ছিলো? </p>
<p><strong>অনুদান, প্রকল্প এবং বড় আকারের ব্যয়</strong><br>ডিজিটাল মাধ্যমকে ব্যবহার করে ইতিহাস সংরক্ষণের নৈতিকতা ও প্রয়োজনে আইসিটি বিভাগের নেতৃত্ব প্রশংসনীয় মনে হলেও বাস্তব চিত্র আলাদা। ‘মোবাইল গেইম ও অ্যাপস ডেভেলপমেন্ট’ প্রকল্পের আওতায় এবং বিভিন্ন অনুদান, প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে কোটি কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে—কিন্তু ওই ব্যয়ের তুলনায় বাস্তবে কার্যকর ও জনপ্রিয় গেইমের সংখ্যা প্রায় নিষ্প্রভ। </p>
<p>প্রাপ্ত তথ্য বলছে, সরকারের উদ্যোগে বিভিন্ন গেইম, অ্যাপ, অ্যানিমেশন ও ভিআর প্রজেক্টে লক্ষাধিক কোটি টাকা বরাদ্দ ও খরচ হয়েছে; তবে অনেক ক্ষেত্রে ঠিকাদারি প্যাটার্নে কাজ হবার কারণে প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন ও ফলপ্রসূতা হয়েছে প্রশ্নবিদ্ধ। সরকারি অর্থ কি সঠিকভাবে ইতিহাসের গভীরতা তুলে ধরার জন্য ব্যবহার হয়েছে, নাকি প্যাকেজিং-ফর্ম্যাটে ব্যয় হয়ে গেছে- এই প্রশ্ন এখন জনপ্রশ্নে দাঁড়িয়েছে। </p>
<p><strong>ব্যয়ের অসমতাঃ মুজিব-কনটেন্ট বনাম মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গেইম</strong><br>অনুদানে কিংবা প্রণোদনায় ডজনের মতো মুক্তিযুদ্ধ গেইম প্রকাশের কথা শোনার সঙ্গে প্রকাশিত কয়েটি আলোচনায় এলেও সেগুলো জায়গা করে নিতে পারেনি গেইম বাজারে। এক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈষম্য চোখে পড়ে- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে তৈরি ডিজিটাল কনটেন্ট; যেমন ‘মুজিব ভাই’ অ্যানিমেটেড চলচ্চিত্র বা ‘মুজিব ১০০’ অ্যাপের ক্ষেত্রে বড় পর্যায়ে বরাদ্দ এবং ভিজ্যুয়াল-প্রোডাকশনে টাকা খরচ হয়েছে; কিন্তু নির্মোহ ইতিহাসভিত্তিক মুক্তিযুদ্ধের বাস্তব ও কঠোর দিকগুলোতে সেই বরাদ্দের ছিটেফোঁটা দেখা যায়নি। ফলে যে খাতে গল্প কাটাছেঁড় করা সম্ভব—শরণার্থী, নারীর দুর্দশা, রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব—সেসব বিষয় গেইমে জায়গা পায়নি। এই বাজেটের অসম বণ্টন অনেক ডেভেলপারকে সীমাবদ্ধ করেছে। আদতে সৃজনশীলতা হারিয়েছে। </p>
<p><strong>সৃজনশীলতার ঘাটতিঃ ‘নিরাপদ’ ইতিহাস ও কনটেন্ট-ক্যাপিং</strong><br>গবেষণা বলছে, ঠিকাদার ব্যবস্থাপনা আর রাজনৈতিক-সাংস্কৃতিক সেনসিটিভিটি অনেক সময় নির্মাতাকে “নিরাপদ” গল্প বলাতেই বাধ্য করেছে। অর্থাৎ কঠোর বাস্তবতা বাদ রেখে প্যাটরিয়োটিক, সহজবোধ্য প্লট রাখাই সুবিধাজনক হয়ে ওঠে। ফলে গেইমগুলো ইতিহাসের বহুস্তরীয়তা, নৈতিক দ্বন্দ্ব কিংবা মানুষের ব্যক্তিগত কাহিনি তুলে ধরার সাহস করেনি। এখানে প্রশ্ন ওঠে—ইতিহাস-নির্ভুলতা এবং বিনোদনের প্রয়োজনকে কি সামঞ্জস্য করা সম্ভব নয়? বাস্তবে তা সম্ভব, কিন্তু দরকার স্বচ্ছ দিকনির্দেশনা এবং অনুদানের শর্তে স্বাধীনতা রাখা। </p>
<p><strong>বিতর্কিত অনুদানঃ ক্ষমতা, যোগাযোগ ও নৈতিক প্রশ্ন</strong><br>অনুসন্ধানে আরও আলোচিত একটি অংশ- বিতর্কিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সাথে সরকারি অর্থের সম্পর্ক। সংবাদে উঠে এসেছে, এমন কিছু ক্ষেত্রে অনুদান বা আর্থিক সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে; এমনকি কিছু সন্দেহভাজন ব্যক্তির রাজনৈতিক যোগসূত্রও নদীর মত ঢেউ তুলেছে। সবশেষ ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদিকে হত্যাচেষ্টার সন্দেহভাজন ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে দাউদ খানের নাম মুক্তিযুদ্ধের গেইম তৈরির অনুদান প্রাপ্তদের তালিকায় আসায় সরকারি প্রকল্প-ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতার গুরুতর অভাব নির্দেশ করে এবং ইতিহাস-ভিত্তিক বিষয় পরিচালনায় নৈতিক জবাবদিহির কষ্টি পাথরে আটকে গেছে। </p>
<p><strong>তারপরও আছে আলো</strong><br>সব অভিযোগ আর সীমাবদ্ধতার মাঝেই একটি ইতিবাচক দিক আছে: গেইমগুলো তরুণদের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি করেছে। স্বাধীন উদ্যোগে তৈরি ছোট-বড় প্রকল্প। স্থানীয় কিশোর নির্মাতা রূপকথা’র ২০১৯ সালে প্রকাশিত ‘দ্য ভিক্টরি’ আশা জাগায়- কম বাজেটেও ইতিহাসকে ডিজিটালভাবে তুলে ধরবার চেষ্টা হচ্ছে। এই উদ্যোগগুলো যদি সঠিক প্রশিক্ষণ, গবেষণা এবং অর্থায়ন পায়, তাহলে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গেইম শিক্ষামূলকভাবে শক্ত হতে পারে। </p>
<p><strong>তাহলে করণীয় কি? </strong><br>একাত্তরের যুদ্ধ ছিল প্রশ্ন করার যুদ্ধ। কিন্তু আজ সেই যুদ্ধকে গেইমে রূপ দিতে গিয়ে প্রশ্ন করাই যেন নিষিদ্ধ। যদি রাষ্ট্র সত্যিই চায় মুক্তিযুদ্ধ ডিজিটাল প্রজন্মের কাছে জীবন্ত হোক, তবে গেইমকে শুধু অনুদান-নির্ভর প্রকল্প নয়—সত্য বলার মাধ্যম হিসেবে দেখতে হবে। নইলে কোটি টাকা ব্যয় করেও গেইমগুলো থেকে যাবে- ডাউনলোড লিস্টে, ইতিহাস থেকে অনেক দূরে। সেই দূরত্ব ঘুচতে চাই- শুটিংয়ের বাইরে গিয়ে স্টোরি-ড্রিভেন, আরপিজি, স্ট্র্যাটেজি গেইম বানাতে হবে। গল্প নির্মাণ করতে হবে গবেষণা ও প্রামাণ্যসূত্র যুক্ত করে। রাষ্ট্র যদি চায় মুক্তিযুদ্ধ সত্যিকারের ভাবে গেইমে বেঁচে উঠুক তাহলে শুধু একজন মুক্তিযোদ্ধা নয়- একজন মা, শরণার্থী, সাংবাদিকের চোখ দিয়ে যুদ্ধ দেখাতে হবে। ইতিহাসবিদ ও গবেষকদের যুক্ত করতে হবে। সরকারি সহায়তাকে দীর্ঘমেয়াদি করতে হবে। কয়েক বছর ধরে গবেষণা, প্রোটোটাইপ, টেস্টিং ও ম্যাচ-ফাইনিং করার জন্য অর্থায়ন এবং বহুভাষিক ও বহুমাধ্যম রিলিজ করতে হবে। আর অবশ্যই ইতিহাস ও মানুষের যন্ত্রণা নিয়ে গেইম করলে মানবিক কনসেন্ট, পরিবার-বহির্ভূত ও সামাজিক প্রভাব বিবেচ্য হবে; এজন্য একটি স্বাধীন পর্যালোচনা বোর্ড দরকার। </p>
<p><strong>স্বাধীনতা ফিরুক বিজয়ে; সত্যি বেঁচে থাকুক গেইমেও </strong><br>একটি দেশে যখন স্বাধীনতার গল্পটিকে একটি বিনোদনের ফর্মে তুলে ধরা হয়, তখন তার দায়িত্ব দ্বিগুণ হয়—সত্য বলার উদারতা রাখতে হবে, আর একই সঙ্গে নতুন প্রজন্মকে আকৃষ্টও করতে হবে। কেননা, মুজিব-কনটেন্টে যে মেলামেশা হয়েছে, গ্র্যান্ড প্রোডাকশনে যে বিশাল খরচ হয়েছে—এগুলো যদি মুক্তিযুদ্ধের নির্মোহ বাস্তবতাকে তুলে ধরার কাজে লাগানো যেত, তাহলে গেইমগুলো আজ অনেক বেশি শক্তিশালী হতো। অর্থাৎ স্বচ্ছতা আনলেই, ইতিহাসবিদ ও গেইমিং পেশাজীবীর সংমিশ্রণে, আমাদের গল্পগুলো পিক্সেলেও প্রাণ পাবে। আর তখনই সত্যিই বলা যাবে—মুক্তিযুদ্ধ কেবল বইয়ে নয়, গেইমে, মানুষের হৃদয়ে ও ডিজিটাল স্মৃতিতে জীবিত।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বিজয়ের দিনের প্রশ্ন: নাগরিকের ডেটা কার নিয়ন্ত্রণে?</title>
<link>https://digibanglatech.news/160881</link>
<guid>https://digibanglatech.news/160881</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_6940093e73fb3.jpg" length="89055" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 16 Dec 2025 00:00:01 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>১৬ ডিসেম্বর, রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্ব আর বিজয়ের দিন। ভূখণ্ড, আর  আত্মনিয়ন্ত্রণের পতাকা উড়ানোর দিন। কিন্তু রাষ্ট্র যখন ক্রমে ডিজিটাল রূপ নেয়, তখন সার্বভৌমত্বের ধারণাও বদলে যায়। আজ আর প্রশ্ন কেবল মানচিত্র বা পতাকা ঘিরে নয়—প্রশ্ন উঠছে নাগরিকের ডিজিটাল পরিচয়, ব্যক্তিগত উপাত্ত ও তথ্যপ্রবাহের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে। স্বাধীনতার অর্ধশতকেরও বেশি বছর পরে এসে, আজ এই বিজয়ের দিনে একটি নতুন প্রশ্ন সামনে আসে: নাগরিকের ডেটা কার নিয়ন্ত্রণে?</p>
<p>ডিজিটাল রাষ্ট্রে নাগরিকের অস্তিত্ব ক্রমেই ডেটায় রূপান্তরিত হচ্ছে। জন্মনিবন্ধন থেকে শুরু করে জাতীয় পরিচয়পত্র, মোবাইল সংযোগ, ব্যাংক হিসাব, সামাজিক যোগাযোগ—সবকিছুই উপাত্ত হিসেবে সংরক্ষিত, বিশ্লেষিত ও বিনিময়যোগ্য। এই বাস্তবতায় ডেটা আর নিছক প্রশাসনিক সম্পদ নয়; এটি নাগরিকের অধিকার, স্বাধীনতা ও নিরাপত্তার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। যে রাষ্ট্র নাগরিকের ডেটা নিয়ন্ত্রণ করে, সে রাষ্ট্র কার্যত নাগরিকের জীবনপ্রবাহের একটি বড় অংশ নিয়ন্ত্রণের সক্ষমতা অর্জন করে। এখানেই <strong>‘ডেটা সার্বভৌমত্ব’</strong> ধারণাটি রাজনৈতিক ও দার্শনিক গুরুত্ব পায়।</p>
<p>ডেটা সার্বভৌমত্ব বলতে সাধারণভাবে বোঝানো হয়—কার আইন, কার নীতি ও কার নিয়ন্ত্রণে নাগরিকের ডেটা থাকবে। এটি শুধু ডেটা কোথায় সংরক্ষিত হচ্ছে সেই প্রশ্ন নয়; বরং কে সিদ্ধান্ত নেবে ডেটা কীভাবে সংগ্রহ হবে, কতদিন থাকবে, কার সঙ্গে শেয়ার হবে এবং প্রয়োজনে কে তা মুছে ফেলতে পারবে—এই সব প্রশ্নের সমষ্টি। আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে ডেটা সার্বভৌমত্বের কেন্দ্রে থাকার কথা নাগরিকের সম্মতি ও অধিকার। কিন্তু বাস্তবে অনেক ক্ষেত্রেই রাষ্ট্র নিজেকে ডেটার প্রাথমিক মালিক হিসেবে দেখতে শুরু করে।</p>
<p>বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এই প্রশ্নটি আরও সংবেদনশীল। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য ফাঁস, বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে নাগরিকের ব্যক্তিগত তথ্য বিক্রির অভিযোগ, এমনকি কল রেকর্ড ও যোগাযোগ-সংক্রান্ত তথ্য অনিরাপদ থাকার ঘটনাও আলোচনায় এসেছে। এসব ঘটনা আলাদা আলাদা মনে হলেও একটি গভীর সমস্যার দিকে ইঙ্গিত করে—রাষ্ট্রীয় ও বেসরকারি উভয় স্তরেই ডেটা ব্যবস্থাপনার জবাবদিহির ঘাটতি। সমস্যা শুধু ফাঁসের নয়; সমস্যা হলো নাগরিক জানেন না তার ডেটা কোথায় যাচ্ছে, কে ব্যবহার করছে এবং ভুল ব্যবহারের প্রতিকার কোথায়।</p>
<p>এই প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশে সম্প্রতি প্রণীত দুটি গুরুত্বপূর্ণ আইন সামনে আসে—ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা অধ্যাদেশ এবং জাতীয় উপাত্ত ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশ। কাগজে-কলমে এই আইনগুলো ডেটা সুরক্ষা, নিরাপত্তা ও সমন্বয়ের কথা বলে। ব্যক্তিগত উপাত্তের সম্মতিভিত্তিক সংগ্রহ, নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে ব্যবহার, নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ—এসব নীতিগতভাবে ইতিবাচক। কিন্তু আইনের ভাষা ও কাঠামো বিশ্লেষণ করলে কিছু মৌলিক প্রশ্ন থেকেই যায়।</p>
<p>প্রথমত, এই আইনগুলোতে রাষ্ট্রীয় স্বার্থের ব্যাখ্যা অত্যন্ত বিস্তৃত ও অস্পষ্ট। ‘জাতীয় নিরাপত্তা’, ‘জনস্বার্থ’ বা ‘রাষ্ট্রীয় প্রয়োজনে’—এই ধরনের শব্দবন্ধ প্রয়োজনে যেকোনো নাগরিক সুরক্ষাকে অকার্যকর করে দিতে পারে। দ্বিতীয়ত, ডেটা তদারকির জন্য যে কর্তৃপক্ষ গঠনের কথা বলা হয়েছে, তার স্বাধীনতা ও জবাবদিহি নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। কার্যকর ডেটা সুরক্ষার জন্য যে স্বাধীন নিয়ন্ত্রক সংস্থা প্রয়োজন—যারা রাষ্ট্র ও নাগরিক উভয়ের ওপর সমানভাবে নজরদারি করবে—সেই ভারসাম্য এখানে স্পষ্ট নয়।</p>
<p>আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা দেখায়, ইউরোপীয় ইউনিয়নের জিডিপিআর বা অন্যান্য ডেটা সুরক্ষা কাঠামোতে নাগরিকের অধিকারকে কেন্দ্রীয় জায়গায় রাখা হয়েছে। সেখানে রাষ্ট্রকেও নাগরিকের ডেটা ব্যবহারে সীমাবদ্ধতার মধ্যে থাকতে হয় এবং স্বাধীন আদালত ও নিয়ন্ত্রক সংস্থা সক্রিয় ভূমিকা পালন করে। বাংলাদেশের আইনি কাঠামো সেই মানদণ্ডে কতটা সঙ্গতিপূর্ণ—সে প্রশ্ন এখনো উন্মুক্ত। বিশেষ করে ডেটা সংগ্রহ ও ব্যবহারের ক্ষেত্রে ‘ন্যূনতমতা’ এবং ‘উদ্দেশ্য সীমাবদ্ধতা’ বাস্তবে কতটা মানা হবে, তা আইন নয়, প্রয়োগই ঠিক করবে।</p>
<p>সম্ভাব্য অপপ্রয়োগের ঝুঁকিটিই এখানে সবচেয়ে বড়। শক্তিশালী ডেটা অবকাঠামো যেমন সেবার মান বাড়াতে পারে, তেমনি তা নজরদারি, প্রোফাইলিং ও ভিন্নমত দমনের হাতিয়ারও হতে পারে। কল রেকর্ড, লোকেশন ডেটা বা পরিচয়সংক্রান্ত তথ্য যদি দুর্বল আইনি সুরক্ষার মধ্যে থাকে, তবে নাগরিকের ব্যক্তিগত পরিসর ধীরে ধীরে সংকুচিত হয়। ইতিহাস বলছে, যে ক্ষমতার অপব্যবহার সম্ভব, তা একসময় না একসময় ঘটেই।</p>
<p><strong>রাষ্ট্র বনাম নাগরিক: ডেটা সার্বভৌমত্বের দার্শনিক দ্বন্দ্ব</strong><br>রাষ্ট্রের দৃষ্টিতে ডেটা শাসনক্ষমতার একটি নতুন হাতিয়ার। পরিকল্পনা, সেবা ও নিরাপত্তার যুক্তিতে রাষ্ট্র আরও বেশি ডেটা চাইবে—এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু নাগরিকের দৃষ্টিতে একই ডেটা হয়ে উঠতে পারে ঝুঁকির উৎস। এই দ্বন্দ্বটি মূলত ক্ষমতার। রাষ্ট্র যদি নাগরিকের ডেটার মালিক হয়ে ওঠে, তবে নাগরিক রূপ নেয় পর্যবেক্ষণযোগ্য সত্তায়। আর নাগরিক যদি নিজ ডেটার উপর নিয়ন্ত্রণ হারায়, তবে তার স্বাধীনতা থাকে কাগজে, বাস্তবে নয়।</p>
<p>ডেটা সার্বভৌমত্ব তাই রাষ্ট্রের শক্তি বাড়ানোর প্রশ্ন নয়; এটি রাষ্ট্র ও নাগরিকের মধ্যকার আস্থার প্রশ্ন। ১৬ ডিসেম্বর আমাদের মনে করিয়ে দেয়—সার্বভৌমত্ব কেবল রাষ্ট্রের জন্য নয়, মানুষের জন্য। ডিজিটাল বাংলাদেশে সেই সার্বভৌমত্বের নতুন রূপ হলো নাগরিকের ডেটার উপর নাগরিকের অধিকার। প্রশ্নটি তাই অনিবার্য: আমরা কি এমন একটি রাষ্ট্র গড়ছি, যেখানে নাগরিক ডিজিটালভাবেও সুরক্ষিত—না কি এমন এক ব্যবস্থায় প্রবেশ করছি, যেখানে স্বাধীনতা ধীরে ধীরে একটি লগফাইলে পরিণত হচ্ছে?</p>
<hr>
<p><strong>লেখকঃ</strong> আশফাক সফল, আইটি প্রফেশনাল; যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ সিস্টেম অ্যাডমিনিস্ট্রেটরস ফোরাম (বিডিসাফ)।</p>
<hr>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>চুয়েটে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে সেমিনার ও শিক্ষণ&#45;প্রশিক্ষণ মূল্যায়ন কর্মশালা অনুষ্ঠিত</title>
<link>https://digibanglatech.news/160930</link>
<guid>https://digibanglatech.news/160930</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_6940c69826484.jpg" length="85969" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 15 Dec 2025 23:40:53 +0600</pubDate>
<dc:creator>ক্যাম্পাস করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>‘রেডিওঅ্যাকটিভ ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট, এনভায়রনমেন্টাল রেমিডিয়েশন, রিসোর্স রিকোভারি এবং সার্কুলার-ইকোনমি প্র্যাকটিসেস’ নিয়ে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) অনুষ্ঠিত হলো বৈজ্ঞানিক সেমিনার।  সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জাপানের ফুকুশিমা ইউনিভার্সিটির ইনস্টিটিউট অব এনভায়রনমেন্টাল রেডিওঅ্যাকটিভিটি (আইইআর) এর অধ্যাপক ড. ঈসমাইল রহমান ও জাপানের কানাজাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পোস্ট-ডক্টোরাল রিসার্চার ড. শফিকুর রহমান। </p>
<p>বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের উদ্যোগে ১৫ ডিসেম্বর, সোমবার প্রি-ইঞ্জিনিয়ারিং ভবনের ভিডিও কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন চুয়েট ভিসি অধ্যাপক ড. মাহমুদ আব্দুল মতিন ভূইয়া।</p>
<p>বক্তব্যে তিনি বলেছেন, আজকের বিশ্ব বাস্তবতায় বর্জ্যকে আর শুধু অপদ্রব্য হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। বর্জ্য এখন একটি সম্ভাবনাময় সম্পদ। যথাযথ প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে বর্জ্যকে রূপান্তর করা যায় সম্পদে, শক্তিতে এবং টেকসই উন্নয়নের হাতিয়ারে। এ ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি আরও বলেন, চুয়েটের মতো প্রযুক্তি-ভিত্তিক বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্ব হলো জ্ঞান সৃষ্টি করা, গবেষণাকে বাস্তব সমস্যার সমাধানের সঙ্গে যুক্ত করা এবং নীতিনির্ধারণে প্রমাণভিত্তিক দিকনির্দেশনা প্রদান করা। আমি বিশ্বাস করি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাগুলো শুধু গবেষণাপত্রেই সীমাবদ্ধ থাকবে না বরং তা জাতীয় নীতি, শিল্পখাতের বাস্তব প্রয়োগ এবং ভবিষ্যৎ গবেষণার দিকনির্দেশনায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।</p>
<p>অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. এ.এইচ. রাশেদুল হোসেন। </p>
<p>রসায়ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. মোসাঃ রোকসানা খাতুনের সভাপতিত্বে সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য রাখেন রসায়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. শাশ্বত রবি। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন রসায়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. রাতুল কুমার শীল।  </p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x_6940c6978d5d6.jpg" alt=""></p>
<p>এদিকে বিকেলে একাডেমিক কাউন্সিল কক্ষে ‘টিচিং-লার্নিং এন্ড এসেসমেন্ট’ নিয়ে একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন  ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির প্রো-ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. আরশাদ মাহমুদ চৌধুরী। প্রশিক্ষণে সভাপতিত্ব করেন চুয়েট আইকিউএসি'র পরিচালক অধ্যাপক ড. মোঃ আব্দুর রহমান ভূঁইয়া। এতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসিউরেন্স সেল (আইকিউএসি) এর অতিরিক্ত পরিচালক অধ্যাপক ড. মোঃ সানাউল রাব্বী। এতে সঞ্চালনা করেন আইকিউএসি এর সেকশন অফিসার মোঃ ইমরান হোসেন।<br><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/আইইএম/এমইউএম</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>মহাকাশ বিজয়ের স্বপ্নে শিশুদের স্পেস রোবোটিক্স এস্ট্রনট ক্যাম্প অনুষ্ঠিত</title>
<link>https://digibanglatech.news/160927</link>
<guid>https://digibanglatech.news/160927</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_6940b9edb1af4.jpg" length="140832" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 15 Dec 2025 20:34:13 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="MsoNormal"><span style="font-family: Nirmala UI, sans-serif;">মহান বিজয় দিবসের মাহেন্দ্র ক্ষণে রাজধানীর কুড়িল বিশ্বরোড সংলগ্ন আগা খান একাডেমি ঢাকায় <span style="font-family: Nirmala UI, sans-serif;">খুদে-তরুণ</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">শিক্ষার্থীদের নিয়ে </span>বসেছিলো</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">মহাকাশ জয় স্বপ্নের হাতে খড়ি। ১৫ ডিসেম্বর, সোমবার বসুন্ধরা আবাসিকের প্রবেশমুখে অবস্থিত বিদ্যালয়টির ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হলো দিনব্যাপী এস্ট্রনট ক্যাম্প। </span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">স্পেস ইনোভেশন ক্যাম্পের উদ্যোগে এই ক্যাম্পে  মহাকাশ বিজ্ঞান বিষয়ে কৌতুহলী হয়ে ওঠে আগত শিক্ষার্থীরা। সেখানে হাতে-কলমে মহাকাশের খুঁটিনাটি বিষয়ে </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">গবেষণা</span>, <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">স্যাটেলাইট</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">প্রযুক্তি</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ও</span> <span style="mso-spacerun: yes;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">স্পেস</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">রোবোটিক্স</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সম্পর্কে</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">বাস্তব</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">অভিজ্ঞতা</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">অর্জনের</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সুযোগ</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পায় তারা।<br style="mso-special-character: line-break;"></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;"></span>ক্যাম্পে <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">শিক্ষার্থীদের</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">জন্য ছিলো</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">এপোলো</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">মুন</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">মিশন</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">নিয়ে</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">একটি</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ইন্টারঅ্যাকটিভ</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সেশন</span>, <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">যেখানে</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">চাঁদে</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">মানুষের</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">প্রথম</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">অভিযানের</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ইতিহাস</span>, <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">উদ্দেশ্য</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ও</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">বৈজ্ঞানিক</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">গুরুত্ব</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">তুলে</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ধরা</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">হয়।</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পাশাপাশি</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ক্যানস্যাট</span> (CanSat) <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">বিষয়ক</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">একটি</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সেশন</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পরিচালিত</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">হয়</span>, <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">যেখানে</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ক্ষুদ্র</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">স্যাটেলাইটের</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">গঠন</span>, <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">কাজের</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">প্রক্রিয়া</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">এবং</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">বাস্তব</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">প্রয়োগ</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সম্পর্কে</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">জানতে</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পারে শিক্ষার্থীরা। <!-- [if !supportLineBreakNewLine]--><!--[endif]--></span><o:p></o:p><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">এছাড়াও</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">আয়োজনে</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ছিল</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">একটি স্পেস</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">রোবোটিক্স</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ওয়ার্কশপ। </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">কর্মশালায়</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">শিক্ষার্থীরা খেলতে খেলতে</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">রোবটের</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">মৌলিক</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ধারণা</span>, <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সেন্সর</span>, <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">কন্ট্রোল</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ও</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">বাস্তব</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ব্যবহার</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সম্পর্কে</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">শেখার</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সুযোগ</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পায়।</span></p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x_6940b9ed07de5.jpg" alt=""></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ক</span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">র্মসূচির</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">শেষ</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পর্বে</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">অনুষ্ঠিত</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">হয়</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">শিক্ষার্থীদের</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">জন্য</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">আকর্ষণীয়</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">একটি</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">মডেল</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ওয়াটার</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">রকেট</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">লঞ্চ। রকেট উৎক্ষেপনের এই ডেমো আয়োজন </span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">শিক্ষার্থীদের</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">মধ্যে</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ব্যাপক</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">উৎসাহ</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ও</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">কৌতূহল</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সৃষ্টি</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">করে।<br style="mso-special-character: line-break;"><!-- [if !supportLineBreakNewLine]--><!--[endif]--></span><o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-family: Nirmala UI, sans-serif;">এভাবেই </span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">কর্মসূচির</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">মাধ্যমে</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">শিক্ষার্থীরা</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">মহাকাশ</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">বিজ্ঞান</span>, <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">প্রকৌশল</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">এবং</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">প্রযুক্তির</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">বিভিন্ন</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">দিক</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">নিয়ে দিনব্যাপী</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">বাস্তব</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">অভিজ্ঞতা</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">লাভ</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">করে।</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">বিশেষ</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">করে</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">এপোলো</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">মিশনের</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">মাধ্যমে</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">মানব</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">মহাকাশ</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">অভিযানের</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ইতিহাস</span>, <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ক্যানস্যাটের</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">মাধ্যমে</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">স্যাটেলাইট</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">প্রযুক্তির</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">মৌলিক</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ধারণা</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">এবং স্পেস</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">রোবোটিক্স</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ও</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">রকেট</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">লঞ্চের</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">মাধ্যমে</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">বিজ্ঞান</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ও</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">প্রকৌশলের</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">বাস্তব</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">প্রয়োগ</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সম্পর্কে</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">তারা</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">স্পষ্ট</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ধারণা</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">অর্জন</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">করতে</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সক্ষম</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">হয়।<br style="mso-special-character: line-break;"><!-- [if !supportLineBreakNewLine]--><!--[endif]--></span><o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">স্পেস</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ইনোভেশন</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ক্যাম্পের</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">আয়োজকরা</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">মনে</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">করেন</span>, <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">এ</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ধরনের</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">কর্মসূচি</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">শিক্ষার্থীদের</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">মধ্যে</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">বিজ্ঞানমনস্কতা</span>, <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">কৌতূহল</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ও</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">উদ্ভাবনী</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">চিন্তাধারা</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">গড়ে</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">তুলতে</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">গুরুত্বপূর্ণ</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ভূমিকা</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">রাখবে।</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ভবিষ্যতে</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">আরও</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">এ</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ধরনের</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">হাতে</span>-<span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">কলমে</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">বিজ্ঞানভিত্তিক</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">আয়োজন</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সম্প্রসারণ</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">করার</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পরিকল্পনার</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">কথাও</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">জানান</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">তারা। </span><o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ডিবিটেক/এসএইচ/এমইউএম</span></strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>হাদি গুলিবিদ্ধের ঘটনায় গুজবে সয়লাব ফেসবুক : ফ্যাক্টওয়াচ</title>
<link>https://digibanglatech.news/160852</link>
<guid>https://digibanglatech.news/160852</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_69400074a2137.jpg" length="67317" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 15 Dec 2025 12:34:31 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ভুয়া ফটোকার্ড, ভুয়া মন্তব্য, এআই জেনারেটেড ছবি এবং ভিডিওতে সয়লাব সোশ্যাল হ্যান্ডেল। এসব ভুয়া তথ্য ছড়ানো হচ্ছে পরিচিত কিছু দেশি-বিদেশি সংবাদ মাধ্যমের নামে। ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদির গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে এমন বেশ কিছু  গুজব ও ভুয়া কন্টেন্ট  শনাক্ত করেছে ফ্যাক্টওয়াচ।</p>
<p>ফ্যাক্টওয়াচ জানায়, গত শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) রাজধানীর বিজয়নগরে শরিফ ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর ফেসবুকে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের ভুয়া ফটোকার্ড, এআই জেনারেটেড ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। ফ্যাক্টওয়াচের মনিটরিংয়ে এমন একাধিক বিভ্রান্তিকর দাবি নজরে এসেছে।</p>
<p>ফ্যাক্টওয়াচের অনুসন্ধানে দেখা যায়, সম্প্রচার মাধ্যম আরটিভির নাম ও লোগো ব্যবহার করে একটি ভুয়া ফটোকার্ড ফেসবুকে ছড়ানো হয়। এতে ডিএমপি কমিশনার সূত্রে দাবি করা হয়, ওসমান হাদির ওপর হামলাকারীরা জামায়াত-শিবিরের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। </p>
<p>তবে যাচাইয়ে দেখা যায়, আরটিভি এমন কোনো ফটোকার্ড প্রকাশ করেনি। তাদের ভেরিফায়েড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা ওয়েবসাইটেও এ ধরনের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। বরং একই ছবি ব্যবহার করে গত ১৩ ডিসেম্বর আরটিভির ফেসবুক পেজ থেকে ভিন্ন একটি ফটোকার্ড প্রকাশ করা হয়, যার শিরোনাম ছিল— ‘হাদিকে গুলি করা ব্যক্তিদের শনাক্ত করেছে পুলিশ: ডিএমপি কমিশনার।’</p>
<p>ফ্যাক্টওয়াচ জানায়, একই দিন ডিএমপির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজেও ওই ভুয়া ফটোকার্ডটিকে ভুয়া হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।</p>
<p>ভুয়া ফটোকার্ডটি উদ্ধৃত করে রাজধানীর নয়াপল্টনে এক বক্তব্যে মন্তব্য করেছিলেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। পরে তিনি বিষয়টিকে ‘অনিচ্ছাকৃত ভুল’ বলে দুঃখ প্রকাশ করেন।</p>
<p>প্রায় একই দাবিতে দৈনিক কালবেলার নাম ও লোগো ব্যবহার করেও একটি ভুয়া ফটোকার্ড ছড়ানো হয়। এতে লেখা ছিল— ‘ওসমান হাদির ওপর হামলায় জামায়াত-শিবির জড়িত।’ </p>
<p>ফ্যাক্টওয়াচ জানায়, কালবেলার ফেসবুক পেজ ও ওয়েবসাইটে এমন কোনো ফটোকার্ড বা প্রতিবেদন পাওয়া যায়নি।</p>
<p>তবে ১২ ডিসেম্বর কালবেলার ফেসবুক পেইজে প্রচারিত একটি আসল ফটোকার্ড পাওয়া গেছে, যার শিরোনাম ছিল— ‘ওসমান হাদির সর্বশেষ অবস্থা জানালেন চিকিৎসক।’ ওই ফটোকার্ডের শিরোনাম পরিবর্তন করে মিথ্যা দাবি প্রচার করা হচ্ছে।</p>
<p>এ ছাড়া বিবিসি বাংলার নাম ও লোগো ব্যবহার করে একাধিক ভুয়া ফটোকার্ড ছড়ানো হয়েছে। এসব ফটোকার্ডে লেখা ছিল— ‘সাদিক কায়েমকে প্রার্থী করার জন্য হাদিকে সরিয়ে দিতে শিবিরের হামলা’ এবং ‘হাদির ওপর হামলাকারীকে আগেও দুইবার জামিন করিয়েছেন শিশির মনির।’</p>
<p>ফ্যাক্টওয়াচের যাচাইয়ে দেখা যায়, বিবিসি বাংলার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজ, তাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া বা ওয়েবসাইটে এমন কোনো প্রতিবেদন নেই। পাশাপাশি এসব ফটোকার্ডে ব্যবহৃত ফন্টও বিবিসি বাংলার প্রকৃত ফটোকার্ডের সঙ্গে মিলছে না। ফলে বিবিসি বাংলার নামে ছড়ানো এসব ফটোকার্ড ভুয়া প্রমাণিত হয়েছে।</p>
<p>অন্যদিকে, ‘আমার দেশ’ পত্রিকার নাম ও লোগো ব্যবহার করে একটি ফটোকার্ডে দাবি করা হয়, ‘ওসমান হাদিকে গুলি করা ঘাতকের কল লিস্টে সাদিক কায়েমের নম্বর।’ তবে গত ১৩ ডিসেম্বর আমার দেশ পত্রিকা তাদের ফেসবুক পেইজে জানায়, এই ফটোকার্ডটি ভুয়া এবং তাদের নামে ফেইক কার্ড তৈরি করে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে।</p>
<p>ফ্যাক্টওয়াচ আরও জানায়, ‘রুখে দাঁড়াও বিডি’ নামের একটি ওয়েবসাইট থেকেও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। ওয়েবসাইটটির ডোমেইন গত ৩ নভেম্বর নিবন্ধন করা হয়। সেখানে খুব কম কনটেন্ট রয়েছে এবং সেগুলো বিশ্লেষণে এটি একটি প্রোপাগান্ডামূলক সাইট বলে মনে হয়েছে।</p>
<p>শরিফ ওসমান হাদির ওপর হামলার দিন সন্দেহভাজন ঘাতকের মুখের মাস্ক পরা ছবি বিশ্লেষণ করে একটি পোস্ট দেয় ডিজিটাল ইনভেস্টিগেটিভ মিডিয়া ‘দ্য ডিসেন্ট’। এর পর ফেসবুকে মাস্কহীন এক ব্যক্তির ছবি ছড়িয়ে দাবি করা হয়, তিনি হাদির বন্ধুর ছোট ভাই এবং ছবিটি সিসিটিভি ফুটেজ থেকে নেওয়া।</p>
<p>ফ্যাক্টওয়াচ জানায়, যাচাইয়ে দেখা গেছে ছবিটি এআই জেনারেটেড। একাধিক এআই ইমেজ শনাক্তকারী টুল ছবিটিকে কৃত্রিমভাবে তৈরি বলে নিশ্চিত করেছে।</p>
<p>এ ছাড়া ‘হাদির ওপর হামলাকারী গ্রেফতার’ দাবি করে ফেসবুকে একটি ভিডিও ছড়ানো হয়। সেখানে ক্যাপশনে বলা হয়, হামলাকারী পাহাড়িয়া এক্সপ্রেস ট্রেনে করে ঢাকা থেকে সিলেট পালানোর সময় ধরা পড়ে। </p>
<p>ফ্যাক্টওয়াচের অনুসন্ধানে ভিডিওটিও এআই জেনারেটেড বলে প্রমাণিত হয়েছে। ৬ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে অস্বাভাবিক একটি হাত দেখা যায়, যা দিয়ে ওই সন্দেহভাজন হামলাকারীকে ধরে রাখা হয়েছে। কিন্তু হাতটির বিপরীতে কোনো মানুষের উপস্থিতি নেই। এই ধরনের অস্বাভাবিকতা এআই জেনারেটেড কনটেন্টে দেখা যায়।</p>
<p>ফেসবুকে আরও একটি গুজবে ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েমের সঙ্গে সন্দেহভাজন ফয়সাল করিম মাসুদের ছবি শেয়ার করে দাবি করা হয়, তারা একসঙ্গে চা পান করছিলেন।</p>
<p>ফ্যাক্টওয়াচ জানায়, ছবিটিও সম্পূর্ণ এআই জেনারেটেড, বাস্তব কোনো ছবি নয়।</p>
<p>ফ্যাক্টওয়াচ জানায়, দেশে চলমান গুজব, ভুয়া তথ্য ও বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট প্রতিরোধে তারা কাজ করছে। প্রতিষ্ঠানটি লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদিত এবং সেন্টার ফর ক্রিটিক্যাল অ্যান্ড কোয়ালিটেটিভ স্টাডিজ (সিকিউএস) পরিচালিত একটি স্বাধীন ফ্যাক্ট-চেকিং সংস্থা।</p>
<p>সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া ভিডিও, অপতথ্য ও গুজব ছড়ানোর প্রবণতা বেড়েছে। এসব তথ্য যাচাই করে সত্য তুলে ধরার পাশাপাশি গুজব প্রতিরোধে নিয়মিত কাজ করছে ফ্যাক্টওয়াচ।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/ফ্যাক্টওয়াচ/এমইউএম</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>পাসওয়ার্ড লিক ঠেকাতে পাসকি প্রযুক্তির দিকে ঝুঁকছে ক্যাসপারস্কি</title>
<link>https://digibanglatech.news/160738</link>
<guid>https://digibanglatech.news/160738</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_693e9cea9221c.jpg" length="24079" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 14 Dec 2025 16:18:52 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span lang="RU">২০২৫ সালে যেসব পাসওয়ার্ড হ্যাক বা ফাঁস হয়েছে, তার প্রায় অর্ধেকই আগেও কোনো না কোনো ডাটা লিকে প্রকাশ পেয়েছিল বলে জানিয়েছে গ্লোবাল সাইবার সিকিউরিরটি প্রতিষ্ঠান ক্যাসপারস্কি। তাদের সর্বশেষ গবেষণায় দেখা গেছে, বেশিরভাগ ব্যবহারকারী নিরাপদ পাসওয়ার্ড ব্যবহারের নিয়ম মানেন না এবং দীর্ঘ সময় ধরে একই পাসওয়ার্ড অপরিবর্তিত রেখে দেন, ফলে সেগুলো সহজেই সাইবার অপরাধীদের টার্গেটে পরিণত হয়।</span></p>
<p><span lang="RU">ক্যাসপারস্কির বিশ্লেষণে দেখা যায়, পাসওয়ার্ড এখনো সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত লগইন পদ্ধতি হলেও মানুষের পূর্বানুমেয় আচরণের কারণে এটি ক্রমেই অনিরাপদ হয়ে উঠছে। ২০২৩ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত বড় বড় পাসওয়ার্ড লিক বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, অনেকেই পাসওয়ার্ডে তারিখ, সংখ্যা, নাম বা “১২৩৪৫”, “love”–এর মতো সাধারণ শব্দ ব্যবহার করেন, যা নিরাপত্তা অনেক কমিয়ে দেয়। প্রায় ১০ শতাংশ পাসওয়ার্ডে তারিখের মতো সংখ্যা ছিল এবং ২০২৫ সালে ফাঁস হওয়া পাসওয়ার্ডের ৫৪ শতাংশ আগের লিকেও পাওয়া গিয়েছিল, যা দীর্ঘদিন একই পাসওয়ার্ড ব্যবহারের প্রবণতাকেই তুলে ধরে। গড় হিসাবে, একটি ফাঁস হওয়া পাসওয়ার্ড ৩.৫ থেকে ৪ বছর পর্যন্ত অপরিবর্তিত থাকে, ফলে ব্রুট-ফোর্স ও ক্রেডেনশিয়াল স্টাফিং আক্রমণের ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায়।</span></p>
<p><span lang="RU">এই দুর্বলতাগুলো দূর করতে ক্যাসপারস্কি আরও শক্তিশালী অথেন্টিকেশন ব্যবস্থার ওপর জোর দিয়েছে। এ ক্ষেত্রে পাসকি (Passkey) প্রযুক্তিকে নিরাপদ বিকল্প হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে, যেখানে ক্রিপ্টোগ্রাফিক কী ও বায়োমেট্রিক যাচাই ব্যবহার করা হয়। এতে ফিশিং বা ডাটা লিকের ঝুঁকি অনেক কমে যায়। এই প্রযুক্তির অংশ হিসেবে ক্যাসপারস্কি পাসওয়ার্ড ম্যানেজার–এ নতুন পাসকি ফিচার যুক্ত করা হয়েছে, যার মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা সহজে পাসকি তৈরি, সংরক্ষণ এবং বিভিন্ন ডিভাইসে সিঙ্ক করতে পারবেন। ফলে এক ট্যাপেই নিরাপদ লগইন সম্ভব হবে, পাসওয়ার্ডের ওপর নির্ভর না করেই।</span></p>
<p><span lang="RU">ক্যাসপারস্কির কনজ্যুমার বিজনেস বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট মারিনা টিটোভা</span><b><span lang="RU"> </span></b><span lang="RU">বলেন, “কাজ, পড়াশোনা কিংবা বিনোদন সবকিছুর জন্য আলাদা আলাদা লগইন ও পাসওয়ার্ড সামলাতে গিয়ে ব্যবহারকারীরা সময় ও নিরাপত্তা—দুটোই হারান। ক্যাসপারস্কি পাসওয়ার্ড ম্যানেজার অনেকদিন ধরেই নিরাপদ পাসওয়ার্ড জেনারেটর ও অটোফিলের মাধ্যমে এই সমস্যা সহজ করেছে। এবার নতুন পাসকি ফিচারের মাধ্যমে আমরা অ্যাকাউন্ট সুরক্ষাকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়েছি, যা ব্যবহার করা যেমন সহজ, তেমনি আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি নিরাপদ।”</span></p>
<p><span lang="RU">পাসকি ব্যবহার করতে হলে ব্যবহারকারীদের ক্যাসপারস্কি পাসওয়ার্ড ম্যানেজার আপডেট করে প্রয়োজনীয় অনুমতি দিতে হবে এবং যেসব ওয়েবসাইটে পাসকি সমর্থিত, সেখানে অ্যাপের নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে। আপডেটেড ক্যাসপারস্কি পাসওয়ার্ড ম্যানেজার ইনস্টল করার জন্য ক্যাসপারস্কির </span><span lang="RU"><a><span>ওয়েবসাইট</span></a></span><span lang="RU"> ভিজিট করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।</span></p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>দুপুরের পর অনলাইনেই জানা যাবে মেডিকেল ভর্তির ফল</title>
<link>https://digibanglatech.news/160708</link>
<guid>https://digibanglatech.news/160708</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_693e586289029.jpg" length="87539" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 14 Dec 2025 10:25:56 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>১৪ ডিসেম্বর দুপুরের দিকে প্রকাশ করা হতে পারে সরকারি-বেসরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজের ভর্তি পরীক্ষার ফল। ফল প্রকাশের পর অনলাইনে ফলাফল জানা যাবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (চিকিৎসা শিক্ষা) অধ্যাপক ডা. রুবীনা ইয়াসমীন। </p>
<p>তিনি জানান, ভর্তিচ্ছু পরীক্ষার্থীরা <strong><a href="https://www.dgme.gov.bd" target="_blank" rel="noopener">স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট</a></strong> এবং <strong><a href="https://www.dghs.gov.bd" target="_blank" rel="noopener">স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট</a></strong><span> </span>হতে পরীক্ষার ফল জানতে পারবেন শিক্ষার্থীরা।</p>
<p>এছাড়া স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে ভিজিট করে ‘MBBS Result 2025-2026’ লিংকে ক্লিক করে ভর্তি পরীক্ষার রোল নম্বর দিতে হবে। এরপর ‘Result’ বাটনে ক্লিক করলেই ফলাফল দেখা যাবে। ভর্তিচ্ছুরা এটি ডাউনলোড বা স্ক্রিনশট নিতে পারবেন। মেধাতালিকা ওয়েবসাইটে পিডিএফ আকারেও প্রকাশ করা হবে।</p>
<p>স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্র জানায়, উত্তরপত্র মূল্যায়ন, ফলাফল চূড়ান্তকরণ এবং পুনর্নিরীক্ষণ ডিজিটাল প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন করা হবে। উত্তরপত্র ‘ওএমআর বা আইসিআর’ মেশিনে পরীক্ষা করা হচ্ছে। ভর্তির জন্য সাধারণ আসন ও সংরক্ষিত আসনসমূহে প্রার্থীর জাতীয় মেধা ও পছন্দক্রম অনুসারে আসন বণ্টন করা হবে।</p>
<p>সংরক্ষিত আসনসমূহে ও নিজ নিজ শ্রেণির দাবিদারদের মধ্য হতে মেধার ভিত্তিতে প্রার্থী নির্বাচন করা হবে। নির্বাচিত প্রার্থীর অর্জিত মেধাক্রম এবং কলেজ পছন্দের ভিত্তিতে প্রার্থী কোনো কলেজে ভর্তি হবেন তা স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে নির্ধারণ করা হবে।</p>
<p>এর আগে ১২ ডিসেম্বর, শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে বেলা ১১টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত দেশের ১৭টি কেন্দ্র এবং ৪৯টি ভেন্যুতে একযোগে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের সরকারি ও বেসরকারি মেডিকেল কলেজে এমবিবিএস ও বিডিএস ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এ পরীক্ষায় ৯৮ শতাংশের বেশি শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে সরকারি মেডিকেল কলেজগুলোতে মোট আসন সংখ্যা ৫ হাজার ৬৪৫টি। এর মধ্যে এমবিবিএস ৫ হাজার ১০০ এবং বিডিএস ৫৪৫টি।</p>
<p>বেসরকারি মেডিকেল কলেজগুলোতে আসন সংখ্যা ৭ হাজার ৪০৬টি। এর মধ্যে এমবিবিএস ৬ হাজার ১টি এবং বিডিএস এক হাজার ৪০৫টি। অর্থাৎ, সরকারি ও বেসরকারি মেডিকেল কলেজ মিলিয়ে মোট আসন ১৩ হাজার ৫১টি, যার মধ্যে এমবিবিএস কোর্সে ১১ হাজার ১০১ এবং বিডিএস কোর্স এক হাজার ৯৫০টি আসন।</p>
<p>এদিকে, এমবিবিএস ও বিডিএস কোর্সে মোট ১৩ হাজার ৫১টি শূন্য আসনের বিপরীতে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে আবেদন করেছেন এক লাখ ২২ হাজার ৬৩২ জন। সে হিসাবে এবার আসনপ্রতি লড়বেন ৯ জন ভর্তিচ্ছু (৯ দশমিক ৪০ জন)। এবার আবেদনকারীদের মধ্যে ছাত্র ৪৯ হাজার ২৮ জন এবং ছাত্রী ৭৩ হাজার ৬০৪ জন।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/জেএনও/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>অ্যাসেট উদ্ভাবনী প্রতিযোগিতায় চট্টগ্রামের চ্যাম্পিয়ন চট্টগ্রাম পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট</title>
<link>https://digibanglatech.news/160680</link>
<guid>https://digibanglatech.news/160680</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_693da03773cc2.jpg" length="169719" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 13 Dec 2025 21:20:07 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span>চট্টগ্রাম পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের মাঠে এই অঞ্চলের ৩৮টি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৩৪২ জন নির্বাচিত শিক্ষার্থী ১১৪টি উদ্ভাবনী প্রকল্প নিয়ে অনুষ্ঠিত হলো অ্যাসেট স্কিল কম্পিটিশন ২০২৫।  "অ্যাকসেলারেটিং অ্যান্ড স্ট্রেনদেনিং স্কিলস ফর ইকনমিক ট্রান্সফরমেশন (ASSET)" প্রকল্পের আওতায় অনুষ্ঠিত আঞ্চলিক এই প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন ও প্রথম রানার্সআপ হয়েছে চট্টগ্রাম পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের দুইটি দল।</span></p>
<p><span>আইওটি মনিটরিং সিস্টেমের মাধ্যমে অগ্নি নির্বাপক রোবট প্রকল্পের জন্য চ্যাম্পিয়ন এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা পদ্ধতিতে স্মার্ট সিটি ধারণা দিয়ে প্রথম রানার্সআপ হয়েছে এই পলিটেকনিকের শিক্ষার্থীরা। </span></p>
<p><span>প্রতিযোগিতায় ১১৪টি উদ্ভাবনী প্রকল্প নিয়ে জড়ো হয়েছিলেন ৩৮টি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীরা। শিক্ষার্থীদের তৈরি করা অন্যান্য প্রকল্পের মধ্যে ছিল- ভূমিকম্প সহনীয় ভবন, কৃষি রোবট, জিওপলিমার সাসটেইনেবল কংক্রিট, কার্বন পিউরিফিকেশন ফ্যাক্টরি, গ্লোভস কমিউনিকেশন সিস্টেম (কথা বলায় বাধাগ্রস্ত ব্যক্তিদের জন্য), আধুনিক খামার, ম্যাজিক বার্নার, প্রাকৃতিক উপায়ে শীতলীকরণ, স্মার্ট সেচ, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ, পরিবেশ বান্ধব ভবন, গ্রিন বিল্ডিং ভবন, ক্যান্টিলিভার বিম ব্যবহার করে পার্বত্য অঞ্চলের রাস্তা, পরিবেশবান্ধব ও টেকসই সেচ, লেজার বিম এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম, হিউম্যান ফলোয়িং রোবট, মাউন্টেন রোড কার্ভে স্মার্ট ওয়ার্নিং সিস্টেম, ফ্লোটিং হাউস, গ্যাস লিকেজ ডিটেক্টর, হাইড্রো ডায়নামিক সিস্টেম ও রোবটিক এআই অ্যাসিস্ট্যান্ট। </span></p>
<div class="details-brief dNewsDesc print-section" id="contentDetails">
<p>এরমধ্যে থেকে ৯টি প্রকল্প আগামী ২৭ ডিসেম্বর ঢাকায় অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় পর্বের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য মনোনীত হয়।</p>
<p>শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রসা শিক্ষা বিভাগের অধীন কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ‘এক্সিলারেটিং অ্যান্ড স্ট্রেংথেনিং স্কিলস ফর ইকোনিমক ট্রান্সফরমেশন’ (এএসএসইটি) প্রকল্পের অধীনে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।</p>
<p>অনুষ্ঠানে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব শোয়াইব আহমাদ খান, কারিগরী শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) মো. জয়নাল আবেদীন ও কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচালক (উপ-সচিব) কাজী ফারুক আহমদ উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক রেজওয়ানুল হক।</p>
<p>এর আগে ২৭ সেপ্টেম্বর দেশের ২১১টি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একযোগে এ প্রতিযোগিতার প্রাতিষ্ঠানিক পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে প্রায় ১০ হাজার শিক্ষার্থী তাদের ৩ হাজার ২০৯টি উদ্ভাবনী প্রকল্প নিয়ে হাজির হন। </p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/বিএনও/ইকে</strong></span></em></p>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>এআই&#45;ফেক ফটোকার্ডের শিকার সাদিক; প্রতিবাদ</title>
<link>https://digibanglatech.news/160665</link>
<guid>https://digibanglatech.news/160665</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_693d7d31d044d.jpg" length="124266" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 13 Dec 2025 18:50:49 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span>ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদির ওপর হামলার ঘটনায় ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েমের নাম জড়িয়ে ‘ভুয়া ফটোকার্ড’ ছড়ানো হচ্ছে সোশ্যাল হ্যান্ডেলে। তার ওপর একজন গুলি বর্ষণকারীর সঙ্গে এআই দিয়ে ছবি বানিয়ে সেই ছবিও ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে অনলাইনে। </span></p>
<p><span>এই ঘটনায় সোশ্যাল হ্যান্ডেলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের ভিপি সাদিক কায়েম।  তাকে নিয়ে বিভিন্ন মাধ্যমে প্রোপাগান্ডা চালানোয় এবং সম্প্রতি এক বক্তব্যে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ওই ছবির সঙ্গে সাদিক কায়েমের সম্পৃক্ততা নিয়ে অভিযোগ তোলায় বিএনপি এবং রিজভীকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। </span></p>
<p><span>১৩ ডিসেম্বর শনিবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে বিএনপি ও দলটির সিনিয়র নেতা রুহুল কবির রিজভীর প্রতি এ আহ্বান জানান সাদিক। </span></p>
<p>পোস্টে সাদিক কায়েম লেখেন, আওয়ামী প্রোপাগান্ডা সেল কর্তৃক প্রচারিত এআই জেনারেটেড ছবিকে সত্য ধরে নিয়ে বিএনপির সিনিয়র নেতা রুহুল কবির রিজভী শরিফ ওসমান হাদির হত্যাচেষ্টাকারীর সঙ্গে আমাকে জড়িয়ে যে অপতথ্য ছড়িয়েছেন, তা বিএনপির মতো সংগঠনের সিনিয়র নেতার কাছ থেকে কোনোভাবে প্রত্যাশিত দায়িত্বশীল আচরণ নয়।</p>
<p>তিনি আরও লেখেন, যারা আগামীর বাংলাদেশ গড়ার আশ্বাস নিয়ে জনতার কাছে যাচ্ছেন, তারা যখন যে কোনো সংকটে সত্য জানার চেষ্টা না করে আওয়ামীনির্ভর অপতথ্যকে ফ্যাক্ট হিসেবে গ্রহণ করেন, তখন আগামীর দেশ বিনির্মাণে তাদের সক্ষমতা নিয়ে জনমনে সংশয় তৈরি হয়।</p>
<p>শেষে সাদিক কায়েম লেখেন, ‘আমাকে নিয়ে আজ (শনিবার) বিএনপির সমাবেশে জনাব রুহুল কবির রিজভী প্রদত্ত বক্তব্যে ভুয়া ছবিনির্ভর যে মিথ্যা অভিযোগ (আমার সাথে শুটার একই টেবিলে চা খাচ্ছেন দাবিতে) তুলেছেন, তা নিয়ে প্রকাশ্যে ক্ষমা চেয়ে দল হিসেবে বিএনপি এবং ব্যক্তি রিজভী নিজেকে অপতথ্য ছড়ানোর অপরাধ থেকে দায়মুক্ত করার আহ্বান জানাচ্ছি।’</p>
<p>এদিকে দৈনিক আমার দেশ এর নামে একটি ফটো কার্ড বানিয়ে কেপিসি পেপার কাপ এর উদ্যোক্তা সাজেদুর রহমান। এই ফেক ফটোকার্ডের বিষয়ে এরই মধ্যে দৈনিক আমার দেশ এর পক্ষ থেকে প্রতিবাদও জানানো হয়েছে। একইভাবে<span> প্রবাসী সাংবাদিক ইলিয়াস হোসেনকে উদ্ধৃত করে “যাদের ঘিলু আছে তারা বুঝবে কেন সাদিক কায়েমের সবচেয়ে বড় প্রতিদ্বন্দী ওসমান হাদী। আমি আর বেশি কিছু বলতে চাই না। এটুকুই বলবো একজনকে ফাঁসাতে গিয়ে তুমি নিজেই ফেঁসে গেলে ভাইয়া।” দাবিতে কালের কণ্ঠের ডিজাইন সম্বলিত একটি ফটোকার্ড সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করা হচ্ছে।   ফেসবুকে ‘<a href="https://archive.ph/Q37ku" target="_blank" rel="noopener">দশেরলাঠি – Dosherlathi</a>’ নামের একটি পেজ থেকে চারটি ভিন্ন গণমাধ্যমের আদলে তৈরি আলাদা ফটোকার্ডের মাধ্যমে প্রচার করা হচ্ছে যে, হাদির ওপর হামলার ঘটনায় শিবির জড়িত। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে ‘সাদিক কায়েমকে প্রার্থী করার জন্য হাদিকে সরিয়ে দিতে হাদির উপরে শিবিরের হামলা’ শীর্ষক শিরোনামে বিবিসি বাংলার ডিজাইন সংবলিত একটি ফটোকার্ড সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করা হয়েছে।</span></p>
<p>অপরদিকে ওসমান হাদিকে গুলির ঘটনায় নাম আসার পর ফয়সাল করিমের সঙ্গে আওয়ামী লীগ আমলে বাংলাদেশের দুইবারের রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের কিছু নেতার ছবি ফেসবুকে প্রকাশিত হয়েছে। এ ছাড়া সাম্প্রতিক সময়ে হাদির সঙ্গে ঢাকা–৮ আসনে গণসংযোগ এবং বাংলামোটরে হাদির প্রতিষ্ঠিত ইনকিলাব কালচারাল সেন্টারের আড্ডায় ফয়সালের অংশ নেওয়ার ছবিও ভাইরাল হয়েছে। অনেকে ধারণা করছেন, ফয়সাল করিম ওসমান হাদিকে বেশ কিছুদিন ধরে অনুসরণ করছিলেন।</p>
<p>২০১৬ সালে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেসের (বেসিস) সহযোগিতা ও সরকারের তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগের পৃষ্ঠপোষকতায় বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে ‘ব্যাটল অব ৭১’ নামে একটি কম্পিউটার গেম তৈরি করেছিল ফয়সাল করিমের মালিকানাধীন ওয়াইসিইউ টেকনোলজি লিমিটেড। সে বছরের নভেম্বরে ওই গেমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বেসিসের তৎকালীন সভাপতি এবং পরে ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বারও উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>২০১৮ সালে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ‘আসনভিত্তিক নির্বাচন পরিচালনা ও সমন্বয়ক কমিটি’ করেছিল কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। ঢাকা–১২ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ছিলেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান। এই আসনের সমন্বয়ক কমিটির সদস্য ছিলেন ফয়সাল করিম।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/ডিপিও/ইকে </strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>দেশের প্রথম ‘সার্টিফাইড ব্রডকাস্ট টেকনোলজিস্ট’ সালাউদ্দিন সেলিম</title>
<link>https://digibanglatech.news/160628</link>
<guid>https://digibanglatech.news/160628</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_693d2f482707c.jpg" length="92079" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 13 Dec 2025 15:24:47 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="MsoNormal">দেশের গন্ডি পেরিয়ে ব্রডকাস্ট টেকলোজিতে আন্তর্জাতিকভাবে মাইলফলক অর্জন করলেন প্রযুক্তিবিদ সালাউদ্দিন সেলিম ( মো. সালাউদ্দিন মিয়া)। তিনি যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান সোসাইটি অব ব্রডকাস্ট ইঞ্জিনিয়ার্স (এসবিই) থেকে সার্টিফাইড ব্রডকাস্ট টেকনোলজিস্ট (সিবিটি) সার্টিফিকেশন অর্জন করে বাংলাদেশের প্রথম প্রার্থী হিসেবে এই মর্যাদা লাভ করেছেন।<o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal">সালাউদ্দিন সেলিম ২০২৫ সালের ১৪ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে পরীক্ষায় সিবিটি অংশ নেন, এবং ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে এর ফলাফল ও সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়। বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত এই সার্টিফিকেট অর্জনের জন্য SBE কর্তৃক আয়োজিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হয়। এটি ব্রডকাস্ট টেকনোলজিতে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে একজন পেশাদারের দক্ষতা যাচাইয়ের প্রতীক।<o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal"><strong>বিশ্বমানের পেশাদার সার্টিফিকেশন</strong><br>সিবিটিহলো যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক পেশাদার সংগঠন সোসাইটি অব ব্রডকাস্ট ইঞ্জিনিয়ার্স (এসবিই)-এর একটি মর্যাদাপূর্ণ টেকনিক্যাল সার্টিফিকেশন, যা বিশ্বজুড়ে ব্রডকাস্ট, মিডিয়া, আইপি-বেজড প্রোডাকশন, ট্রান্সমিশন ও ডিজিটাল মিডিয়া ইন্ডাস্ট্রিতে অত্যন্ত মূল্যায়িত। এই সার্টিফিকেশন অর্জন দেখায় যে একজন পেশাজীবী আন্তর্জাতিক মান অনুসারে তার জ্ঞান, দক্ষতা ও সক্ষমতা প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছেন।<o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal">এসবিই -এর বিশ্বব্যাপী সহযোগী সংস্থা রয়েছে, যেমন জর্জিয়ার ইনকর্পোরেশন অফ ইস্টার্ন ইউরোপিয়ান ব্রডকাস্ট ইঞ্জিনিয়ার্স (IEEBE), যা সার্টিফিকেশন প্রক্রিয়ায় আন্তর্জাতিক অ্যাক্সেসে সহায়তা করে এবং সিবিটি সার্টিফিকেশন একটি বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত মান কারণ এটি সম্প্রচার প্রযুক্তি দক্ষতার একটি ব্যাপক এবং কঠোর মূল্যায়নের উপর ভিত্তি করে এবং একটি সুপরিচিত পেশাদার সংস্থা দ্বারা পরিচালিত হয় । <o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal">১৯৬৪ সালে প্রতিষ্ঠিত এসবিই ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে আন্তর্জাতিকভাবে সার্টিফিকেট প্রদান কার্যক্রমের ৫০ বছর পূর্তি উদযাপন করছে। এই সময়ে বিশ্বের হাজারো পেশাজীবী এই সার্টিফিকেশনের মাধ্যমে তাদের ক্যারিয়ারকে আন্তর্জাতিক মানে প্রতিষ্ঠা করেছেন।<o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal">সালাউদ্দিন সেলিম বলেন- <span style="font-family: Kalpurush;">‘এসবিই </span>এর সিবিটিবেশ জটিল একটি পরীক্ষা যেখানে একজন পরীক্ষার্থীকে একাধারে ব্রডকাস্ট টেকনোলজি, নেটওয়ার্কিং, ইলেকট্রনিক্স, ইলেকট্রিকাল, ব্রডকাষ্ট পলিসি ও ফেডারেল কমিউনিকেশন কমিশন এর নীতিমালাসহ নানা বিষয়ে জ্ঞান রাখতে হয়। এই সার্টিফিকেশন পাওয়ার ফলে ব্রডাকাস্ট সেক্টরে আন্তর্জাতিকভাবে কাজের সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং আমার পরিচয়ের বিভিন্ন মাধ্যম যেমন ভিজিটিং কার্ড, অনলাইন মাধ্যম, ইমেইল ইত্যাদিতে SBE এর লোগোসহ Certified Broadcast Technologist (CBT) উপাধি ব্যবহার করতে পারবো<span style="font-family: Kalpurush;">’</span>।  </p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x_693d2f4960c31.jpg" alt=""></p>
<p class="MsoNormal"><b><span>দীর্ঘ সময়ের ব্রডকাস্ট ক্যারিয়ার</span></b><b><span><br></span></b><span>সালাউদ্দিন সেলিম গত দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশের ব্রডকাস্ট ও মাল্টিমিডিয়া প্রযুক্তি উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছেন। তিনি বর্তমানে সময় টেলিভিশনে </span><span><span style="font-family: Kalpurush;">‘</span></span><span>সম্প্রচার ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রধানের দায়িত্বে আছেন। </span><span><o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span>এ ছাড়াও অতীতে </span><span>STV US, CSB News, Desh TV, Channel 24 </span><span>কাজ করেছেন এবং </span><span>Ekushey TV, Asian TV, Nagorik TV, Eattor TV </span><span>সহ  বেশ কয়েকটি টিভি চ্যানেলে পরামর্শক হিসেবে কাজ করেছেন ।</span><span><o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span>তিনি একাধিক টিভি চ্যানেলের ব্রডকাস্ট সিস্টেম ডিজাইন</span><span>, </span><span>ওয়ার্কফ্লো তৈরি ও ইনস্টলেশনের কাজ করেছেন যেটা তার দক্ষতা হিসেবে দেশে একটি উদাহরণ তৈরি হয়েছে। </span><span><o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span>এ ছাড়াও তিনি বেশ কয়েকটি ডিজিটাল মিডিয়া প্রোজেক্ট</span><span>, </span><span>একাধিক আইপিটিভ</span><span>, </span><span>এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশনে ব্রডাকাস্ট টেকনোলজি পরামর্শক হিসেবে কাজ করেছেন।  </span><span><o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span>তিনি </span>২০০৭ সালে বাংলাদেশের প্রথম আইপি টিভি এবং আইপি-ভিত্তিক লাইভ ব্রডকাস্ট প্রযুক্তি <span>ডেভেলপ করেছিলেন যেটা ঐ সময়ের বিভিন্ন জাতীয় গণমাধ্যমগুলো তার কৃতিত্ব প্রকাশ করেছিল। </span><span><o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span>জনশক্তি সৃষ্টির নীরব কারিগর</span></b><b><span><br></span></b><span>ডিজিটাল মিডিয়া</span><span>, </span><span>ব্রডকাস্ট এবং মাল্টিমিডিয়া সেক্টরে </span>দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে তিনি নীরব যোদ্ধা হিসেবে কাজ করে চলেছেন। ২০০৫ সালে টিভি মিডিয়ায় ক্যারিয়ার শুরু করার পর তিনি লক্ষ্য করেন<span style="font-family: Kalpurush;">—</span>দেশের কোর ব্রডকাস্ট টেকনোলজি সেক্টরে বিশেষজ্ঞের ঘাটতি এবং বিদেশি পেশাদারের ওপর নির্ভরতা। তখন থেকেই তিনি ব্যক্তিগত উদ্যোগে নতুন জনশক্তি তৈরি করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ শুরু করেন। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে তিনি সদ্য পাশ করা শিক্ষার্থীদের নিয়োগ দিয়ে হাতে কলমে শিক্ষা দিয়ে তাদের ক্যারিয়ার গঠনে সযোগিতা করেছেন। <o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal">এ ছাড়া মিডিয়ার বাইরেও তিনি বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের মিডিয়া ও জার্নালিজম ডিপার্টমেন্টে শিক্ষার্থীদের বাস্তবমূখী শিক্ষা গ্রহণের জন্য একাধিক ব্রডকাস্টিং ল্যাব তৈরিতে সহযোগিতা করেছেন। পাশাপাশি সালাউদ্দিন সেলিম বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, মিডিয়া প্রতিষ্ঠান, জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউট সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ব্রডকাস্ট, মাল্টিমিডিয়া ও ডিজিটাল মিডিয়ার উপর প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকেন। <o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal">সালাউদ্দিন সেলিম বলেন- <span style="font-family: Kalpurush;">“</span>তিনি এ পর্যন্ত হাজারেরও বেশি তরুণ-তরুণীকে প্রশিক্ষণ ও বাস্তব অভিজ্ঞতার মাধ্যমে পেশাদার ক্যারিয়ার গড়তে সহায়তা করেছেন<span style="font-family: Kalpurush;">”</span> ।<o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal">ডিজিটাল মিডিয়া সেক্টরে নীরব বিপ্লব<br>সালাউদ্দিন সেলিম বাংলাদেশের ডিজিটাল মিডিয়া রূপান্তরে পথিকৃত হিসেবে বিবেচিত। তিনি প্রথমদিকে একটি টিভি চ্যানেল ও একটি প্রিন্ট মিডিয়ার ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশনের পাইলট প্রোজেক্ট শুরু করেন। দ্রুত সাফল্যের পর আরও অনেক মিডিয়া প্রতিষ্ঠান তাকে কনসালট্যান্ট হিসেবে নিয়োগ করে এবং ধারাবাহিকভাবে সফলতা অর্জন করে। বর্তমানে ডিজিটাল মিডিয়ায় যে বিপুল কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে<span style="font-family: Kalpurush;">—</span>তার একটি বড় অংশেই তার তত্ত্বাবধানে প্রশিক্ষিত জনশক্তির অবদান রয়েছে।<o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal"><strong>অর্জনের অনুভূতি</strong><br>তার দীর্ঘ ২০ বছরের ব্রডকাস্টিং ক্যারিয়ারের এটি প্রথম আন্তর্জাতিক আনুষ্ঠানিক সার্টিফিকেশন। সালাউদ্দিন সেলিম বলেন<span style="font-family: Kalpurush;">—</span> <span style="font-family: Kalpurush;">“</span>এই সার্টিফিকেট শুধু ব্যক্তিগত অর্জন নয়, বরং বাংলাদেশের ব্রডকাস্ট পেশাজীবীদের জন্য নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে। বিশ্বমানের এই স্বীকৃতি দেশের ব্রডকাস্ট প্রযুক্তিকে আরও শক্ত অবস্থানে নিয়ে যেতে সহায়তা করবে।<span style="font-family: Kalpurush;">”</span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>২৭তম আন্তর্জাতিক রোবট অলিম্পিয়াডে ১৪ ডিসেম্বর অস্ট্রেলিয়ায় যাচ্ছে বাংলাদেশ দল </title>
<link>https://digibanglatech.news/160627</link>
<guid>https://digibanglatech.news/160627</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_693d2ad9ba9bb.jpg" length="164296" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 13 Dec 2025 13:59:16 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>                                     <br>আগামী ১৭ থেকে ২১ ডিসেম্বর অস্ট্রেলিয়ার গোল্ড কোস্টে অনুষ্ঠেয় ২৭তম আন্তর্জাতিক রোবট অলিম্পিয়াড (আইআরও) এ বাংলাদেশ দল অংশ নিতে যাচ্ছে। প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে ১৪ ডিসেম্বর রওনা দিচ্ছে ১০ সদস্যের বাংলাদেশ দল। </p>
<p>২৭তম আন্তর্জাতিক রোবট অলিম্পিয়াডের বাংলাদেশ দলের সদস্যরা হল - মোহাম্মদপুর প্রিপারেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী জুবাইদাহ জাফরিন ও নাফিয়া বাসার সুহানী, ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ জারিফ বিন সালেক, খোন্দকার মুশফিকুল ইসলাম ও মোহাম্মদ মাশরুর আরেফিন ভূঞাঁ, ওয়াইডাব্লিউসিএ উচ্চ মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নুসাইবা তাজরিন তানিশা, উইলিয়াম কেরি একাডেমির শিক্ষার্থী জাইমা যাহিন ওয়ারা, স্কলাস্টিকা স্কুলের শিক্ষার্থী প্রিয়ন্তী দাস, আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার্থী রিদোয়ান রাব্বানী এবং আনন্দ মোহন কলেজের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল টিটু। বাংলাদেশ রোবট অলিম্পিয়াড দলের সঙ্গে কোচ হিসেবে থাকবেন মিশাল ইসলাম ও সহকারী কোচ হিসেবে থাকবেন এম তানজিম আল ইসলাম দিবস। দলনেতা হিসেবে থাকবেন বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্কের সভাপতি এ এ মুনির হাসান। এছাড়া আন্তর্জাতিক রোবট অলিম্পিয়াডের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রোবটিক্স এন্ড মেকাট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. লাফিফা জামাল আন্তর্জাতিক রোবট অলিম্পিয়াডে অংশগ্রহণ করবেন।  </p>
<p>বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্কের আয়োজনে এবছর ২৯-৩০ আগস্ট অনলাইন বাছাই পর্ব ও ১২-১৩ সেপ্টেম্বর আইআরও বাংলাদেশ ওপেন ২০২৫ প্রতিযোগিতার জাতীয় পর্ব অনুষ্ঠিত হয় ঢাকার ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকে। জাতীয় পর্বের ক্রিয়েটিভ মুভি, ক্রিয়েটিভ ক্যাটাগরি ও ফিজিক্যাল কম্পিউটিং ক্যাটাগরির বিজয়ীদের নিয়ে আন্তর্জাতিক দল নির্বাচনী ক্যাম্প আয়োজনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের যোগ্যতা পারফরম্যান্সের বিভিন্ন মানদণ্ডে বিশ্লেষণ করে আন্তর্জাতিক রোবট অলিম্পিয়াডের জন্য বাংলাদেশ দল নির্বাচন করা হয়।</p>
<p>বাংলাদেশ দলের পৃষ্ঠপোষকতায় থাকছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তর। </p>
<p>প্রসঙ্গত, ২০১৮ সাল থেকে বাংলাদেশে এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছে। বিগত ৭ বছরে বাংলাদেশ দল আন্তর্জাতিক রোবট অলিম্পিয়াডে ১৪টি গোল্ড মেডেলসহ ৮৩টি পদক অর্জন করেছে।  </p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/বিডিওএসএন/এমইউএম</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>জেন্ডার সংবেদনশীল কন্টেন্ট অ্যাওয়ার্ড&#45;২০২৫ পেলেন চারজন কন্টেন্ট ক্রিয়েটর ও ইনফ্লুয়েন্সার</title>
<link>https://digibanglatech.news/160428</link>
<guid>https://digibanglatech.news/160428</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_693a79f99a496.jpg" length="92803" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 11 Dec 2025 09:56:26 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ঢাকাস্থ নেদারল্যান্ডস দূতাবাসের সহযোগিতায় জাগো ফাউন্ডেশন ট্রাস্ট ও প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের যৌথ পরিচালনায় ‘সমতায় তারুণ্য: ইয়ুথ ফর ইকুয়ালিটি’ প্রকল্পের উদ্যোগে তিনজন কন্টেন্ট ক্রিয়েটর ও একজন ইনফ্লুয়েন্সরকে সম্মাননা দেয়া হয়েছে। ‘ইমার্জিং ভয়েস অন সোশ্যাল মিডিয়া ইন জেন্ডার অ্যাডভোকেসি’ ক্যাটাগরিতে পুরস্কৃত হয়েছেন মো. নূর এ আলম এবং এরিন আক্তার। একই বিভাগে সৃজনশীলতার জন্য বিশেষ স্বীকৃতি পান মুরশিদুল আলম ভূঁইয়া। ‘জেন্ডার সেনসেটিভ ইনফ্লুয়েন্সার অব দ্য ইয়ার’ ক্যাটাগরিতে পুরস্কার পেয়েছেন কারিনা কায়সার।</p>
<p>পুরস্কৃতরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে নিয়মিতভাবে ইতিবাচক জেন্ডার ন্যারেটিভ প্রচার, প্রচলিত স্টেরিওটাইপ নিয়ে আলোচনা, নারীর নিরাপত্তা, অধিকার ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে বিভিন্ন কন্টেন্ট নির্মান করেন।</p>
<p>ঢাকার আলোকি কনভেনশন সেন্টারে জাগো ফাউন্ডেশন ট্রাস্টের আয়োজনে ১০ ডিসেম্বর, বুধবার রাতে ‘জেন্ডার সেনসিটিভ কনটেন্ট অ্যাওয়ার্ড ২০২৫’ অনুষ্ঠানে এই সম্মাননা দেয়া হয়। </p>
<p>জাগো ফাউন্ডেশন ট্রাস্ট- এর প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক করভি রাখসান্দের সভাপতিত্বে সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) এম এ আখের। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নেদারল্যান্ডস দূতাবাসের ফাইন্যান্সিয়াল এডভাইজার বার্ট এসিং, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম–সচিব কাজী মোখলেছুর রহমান, এবং প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের ডিরেক্টর (প্রোগ্রাম) মাহিন চৌধুরী।</p>
<p>প্রধান অতিথি জনাব এম এ আখের তরুণদের ডিজিটাল দায়িত্বশীলতার গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, “তরুণরাই আজকের ডিজিটাল নেতৃত্ব। তারা যদি সম্মান, সমতা ও নৈতিকতার বার্তা ছড়িয়ে দেয়, তাহলে অনলাইন পরিসর বদলে যেতে বাধ্য। যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর সবসময় এমন উদ্যোগকে সমর্থন করে যা তরুণদের সৃজনশীলতা ও নৈতিক মূল্যবোধকে শক্তিশালী করে।”</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x_693a79f755a6c.jpg" alt=""></p>
<p>নেদারল্যান্ডস দূতাবাসের ফাইন্যান্সিয়াল এডভাইজার বার্ট এসিং বলেন, “মিডিয়া সমাজকে গড়ে বা ভেঙে দিতে পারে। বাংলাদেশে জেন্ডার সমতা ও মানবাধিকারের পথে তরুণদের অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই সম্মাননা সেই তরুণদের জন্য, যারা ইতিবাচক কণ্ঠস্বর দিয়ে ডিজিটাল ক্ষেত্রকে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক করে তুলছে।”</p>
<p>প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের ডিরেক্টর (প্রোগ্রাম) মাহিন চৌধুরী বলেন, “এই পুরস্কার শুধু প্রতিভার স্বীকৃতি নয়—এটি স্টেরিওটাইপ ভাঙার আন্দোলন। আমরা চাই বাংলাদেশে প্রতিটি তরুণী এমন একটি অনলাইন পরিবেশে বেড়ে উঠুক, যা নিরাপদ, সম্মানজনক এবং বৈষম্যহীন।”</p>
<p>নিরাপদ ডিজিটাল সমাজ গঠনে যুবদের সৃজনশীল ভূমিকা তুলে ধরে জাগো ফাউন্ডেশন ট্রাস্ট- এর প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক করভি রাখসান্দ বলেন, “একজন তরুণের হাতে থাকা একটি স্মার্টফোন সমাজে কতটা পরিবর্তন আনতে পারে, আমরা তা প্রতিনিয়ত দেখছি। যারা সাহস করে বৈষম্যের বিরুদ্ধে কথা বলে এবং সমতা ও সম্মানের গল্প বলে—তারাই সত্যিকার অর্থে পরিবর্তন আনছে। আজকের এই সম্মাননা তাদের জন্য, যারা লাইক, শেয়ার ও ফলোয়ার অপেক্ষা নৈতিকতা বেছে নিয়েছে।”</p>
<p>অনুষ্ঠানে বক্তারা সমাজে জেন্ডার সমতা প্রতিষ্ঠায় ডিজিটাল কনটেন্টের গুরুত্ব এবং এ ক্ষেত্রে যুব সমাজের অগ্রণী ভূমিকার কথা তুলে ধরেন। তাঁরা বলেন, তরুণ–তরুণীদের সৃজনশীল কণ্ঠস্বর অনলাইন পরিসরে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার অন্যতম শক্তি।</p>
<p>পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সরকারি–বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা কনটেন্ট নির্মাতাদের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন। আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ ২০২৫ উপলক্ষ্যে ভৈরবী সাংস্কৃতিক সংগঠনের সদস্যরা একটি নাটিকা পরিবেশন করে এবং সংগীত শিল্পী সভ্যতা সংগীত পরিবেশন করেন। </p>
<p>চার বছর মেয়াদী ‘সমতায় তারুণ্য: ইউথ ফর ইক্যুয়ালিটি’ প্রকল্পের আওতায় বাংলাদেশের আটটি বিভাগে ১৫৬ জন উদীয়মান ডিজিটাল কন্টেন্ট নির্মাতাকে জেন্ডার–সংবেদনশীলতা, নেতৃত্ব, নৈতিক গল্প–বলা এবং দায়িত্বশীল ডিজিটাল আচরণ বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিয়েছে। প্রকল্পটি বাংলাদেশের যুবদের সামাজিক পরিবর্তনের চালিকাশক্তি হিসেবে বিকশিত করতে এবং একটি ন্যায়সংগত ও নিরাপদ ডিজিটাল ইকোসিস্টেম গড়ে তুলতে কাজ করছে।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এমএসআর/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>১১ ডিসেম্বর জিইউবি ক্যাম্পাসে সপ্তম আই&#45;ইইই এসসিআই আন্তর্জাতিক সম্মেলন</title>
<link>https://digibanglatech.news/160386</link>
<guid>https://digibanglatech.news/160386</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_6939a7ed1ed22.jpg" length="129028" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 10 Dec 2025 21:02:47 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>আন্তর্জাতিক পেশাগত সংগঠন আই-ইইই কম্পিউটার সোসাইটি বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের আয়োজনে আগামী ১১-১২ ডিসেম্বর পূর্বাচল আমেরিকান সিটিতে অবস্থিত  গ্রিন ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের (জিইউবি) স্থায়ী ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে সপ্তম আই-ইইই এসসিআই আন্তর্জাতিক সম্মেলন। সম্মেলন উদ্বোধন করবেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী।</p>
<p>এই আয়োজনে টেকসই প্রযুক্তি, কম্পিউটার বিজ্ঞান, ইলেকট্রনিক্স, টেক্সটাইল, রোবোটিক্স এবং সাইবার-ফিজিক্যাল সিস্টেমস সংশ্লিষ্ট অত্যাধুনিক গবেষণালব্ধ জ্ঞানকে সরাসরি দেশের শিল্প খাতে প্রয়োগের উপযোগিতার ওপর বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে আসা বিজ্ঞানীরা তাদের অভিজ্ঞতা বিনিময় করবেন। </p>
<p>আয়োজন নিয়ে জিইউবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শরীফ উদ্দিন জানান, গবেষণানির্ভর সমাধান এবং শিল্পপ্রযুক্তির মাধ্যমে মানবিক উদ্ভাবন এবং অংশীজনদের সমন্বিত সহযোগিতায় টেকসই উন্নয়নে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা ও প্রতিশ্রুতি রয়েছে। এবারের সম্মেলনের প্রতিপাদ্য হলো ‘এআই যুগে প্রযুক্তিগত বিপ্লব এবং কর্মহীনতার আশঙ্কা’।  </p>
<p>তিনি বলেন, লাগসই শিল্পপ্রযুক্তির মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে শিক্ষাবিদ, গবেষক, শিল্পখাত ও নীতিনির্ধারকদের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধির কোনো বিকল্প নেই।</p>
<p>অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শরীফ উদ্দিন আরও বলেন, এই সম্মেলন কেবল প্রযুক্তিগত অগ্রগতির ওপর আলোকপাত করবে না, বরং নিশ্চিত করবে যেন সেই অগ্রগতি মানবিক উদ্ভাবন দ্বারা পরিচালিত হয়। আমরা বিশ্বাস করি, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন এবং ইন্ডস্ট্রি ৫.০-এর সফল বাস্তবায়নের জন্য গবেষণানির্ভর সমাধান একান্তই। অপরিহার্য। আর গ্রিন ইউনিভার্সিটি এই দায়িত্ব পালনে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।</p>
<p>সম্মেলনের পাবলিকেশন চেয়ার ও সিএসই বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আহসান হাবীব জানান, গ্রিন ইউনিভার্সিটি এবার আন্তর্জাতিক এসটিআই ২০২৫ কনফারেন্স আয়োজন করছে। যা টেকসই শিল্পপ্রযুক্তির ওপর আলোকপাত করে। এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে আমরা কম্পিউটার বিজ্ঞান, ইলেকট্রনিক্স, টেক্সটাইল, রোবোটিক্স এবং সাইবার-ফিজিক্যাল সিস্টেমস সংশ্লিষ্ট অত্যাধুনিক গবেষণালব্ধ জ্ঞানকে সরাসরি দেশের শিল্প খাতে প্রয়োগের উপযোগী করে তুলতে চাই।</p>
<p>২০১৯ সালে ঢাকায় গ্রিন ইউনিভার্সিটির উদ্যোগে অনুষ্ঠিত প্রথম এসটিআই সম্মেলনে ২০টিরও বেশি দেশের গবেষক, অ্যাকাডেমিশিয়ান ও শিল্প-বিশেষজ্ঞ অংশগ্রহণ করেন। এরপর ধারাবাহিকভাবে প্রতিবছর অনুষ্ঠিত এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনে ২০২৪ সাল নাগাদ এর অংশ্রগ্রহণকারী দেশের সংখ্যা ৪০টিতে উন্নীত হয়। <br><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/বিএন/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>১৫ হাজার ফেসবুক পেজ থেকে জাইমার ভুয়া ভিডিও! বিএনপি মহাসচিবকে নিয়ে দিনে ৪টি গুজব!</title>
<link>https://digibanglatech.news/160384</link>
<guid>https://digibanglatech.news/160384</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_693995ec2fffc.jpg" length="76132" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 10 Dec 2025 19:46:42 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>“হ্যাং করে তারেক রহমানের কন্যা জাইমা রহমান লাইভে”-এমন ক্যাপশনে একটি ভিডিও প্রায় ১৫ হাজার ফেসবুক পেজ থেকে শেয়ার হয়েছে। সেখানে জাইমা রহমানকে বলতে শোনা যায়, “তারেক রহমান অতি দ্রুত দেশে আসবেন”। </p>
<p>১০ ডিসেম্বর, বুধবার কয়েক ঘন্টার মধ্যে ২০ লক্ষের বেশী বার দেখা হয় ভিডিওটি। পরে ফ্যাক্টচেক করে জানা যায়, ভিডিওটি আসল নয়, কৃত্রিম বৃদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি। এর কিছুক্ষণ পর বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে নিয়ে  ছড়িয়েছে দুটি গুজব। </p>
<p>একটিতে দাবি করা হয়, আওয়ামী লীগ নির্বাচনে অংশ না নিলে বিএনপিও নেবে না। ভুয়া ওই পোস্ট আবার শেয়ার হয়েছে অর্ধ হাজারের বেশি। দিনের শেষ ভাগে গুজব ছড়ায়- বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজামান দুর্দ নাকি নিজ দল বিএনপি নিয়েই ক্ষোভ জানিয়েছেন। </p>
<p>“<a href="https://www.facebook.com/master.abdur.roshid/videos/%E0%A6%B9%E0%A6%A0%E0%A6%BE%E0%A7%8E-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%AE%E0%A6%BE-%E0%A6%B0%E0%A6%B9%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%AD%E0%A7%87-%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%95-%E0%A6%B0%E0%A6%B9%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE-bnp-reels/1211331864244934https://www.facebook.com/master.abdur.roshid/videos/%E0%A6%B9%E0%A6%A0%E0%A6%BE%E0%A7%8E-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%AE%E0%A6%BE-%E0%A6%B0%E0%A6%B9%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%AD%E0%A7%87-%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%95-%E0%A6%B0%E0%A6%B9%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE-bnp-reels/1211331864244934" target="_blank" rel="noopener">হ্যাং করে তারেক রহমানের কন্যা জাইমা রহমান লাইভ</a>”  ভিডিওতে জাইমা রহমানকে বলতে শোনা যায়, “প্রিয় দেশবাসী, তারেক রহমান অতি তাড়াতড়ি দেশে আসবেন।আপনারা কেউ দ্রুশিন্তা করবেন না। তারেক রহমানকে নিয়ে অনেকেই ষড়শন্তে লিপ্ত আছেন। তবে এই ভিডিওটি ভালো করে বিশ্লেষণ করে দেখা গেল, তারেক রহমানের কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের ‘বাবার দেশে ফেরা’ সংক্রান্ত লাইভ ভিডিও আসল নয়। </p>
<p>ফ্যাক্টচেক করে দেখা গেছে এটি এআই প্রযুক্তি ব্যবহারে তৈরি ভিডিও। </p>
<p>এদিকে টিকটকে দৈনিক ‘সমকাল’-এর একটি ফটোকার্ড প্রায় ৬৫ হাজার বার দেখেছেন অনেকে। সেখানে দাবী করা হয়েছে, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নাকি বলেছেন ‘ইতিহাস হয়ে থাকবে শেখ হাসিনার ভয়ে রাজনীতিবিদরা এক্য হারিয়ে ফেলেছেন।’ </p>
<p>পোস্টে আরও উল্লেখ ছিল যে রাজনীতি থেকে বিদায় নেওয়ার পছে নেতারা তবে নাচাই দেখা গেল, এমন শিরোনামে সমকাল কোনো ফটোকার্ড বা সংবাদ প্রকাশ করেনি।</p>
<p>ডিজিটাল প্রযুক্তির সহায়তায় গণমধ্যমটির ফটোকার্ড নকল করে এটা ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x_69399e4d1a6f0.jpg" alt=""></p>
<p>এর কিছুক্ষন আগে দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিনের ডিজাইন সংবলিত ফটোকার্ড ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে দাবী করা হয় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন ‘আওয়ামী লীগ নির্বাচনে অংশ না নিলে বিএনপিও নির্বাচনে অংশ নিবে না’। </p>
<p>পরে অনুসন্ধান করে দেখা যায়, দাবীটি মিখ্যা। এমন মন্তব্য করেননি বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং বাংলাদেশ প্রতিদিনও এমন কোনো ফটোকার্ড বা সংবাদ প্রকাশ করেনি। ডিজিটাল প্রযুক্তির সহায়তায় বাংলাদেশ প্রতিদিনের ফটোকার্ডের ডিজাইন নকল করে এই গুজব ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে।</p>
<p>অপতথ্য আরো আছে। ফেসবুকে একটি ফটোকার্ড পোস্ট করে দাবী করা হয়, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজামান দুদু বলেছেন-‘আমাকে ব্যবহারে পর টিসুর মতো ছুড়ে ফেলে দিল বিএনপি’। পোস্টে শামসুজামান দুদুর ছাবিও যুক্ত করা হয়েছে। তবে ফ্যাক্টেক করে জানা গেল, শামসুজামান দুর্দ নিজ দল বিএনপিকে নিয়ে এমন কোনো মন্তব্য করেননি। কোনো তথ্য প্রমাণ ছাড়াই আলেচিত দাবিটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করা হয়েছে।</p>
<p>এছাড়াও অনলাইন ভিত্তিক গণমাধ্যম রাইজিং বিডিতে আলোচিত ছবি যুক্ত করে  সম্প্রতি, ডাকসু ভবনের প্রবেশদ্বারের মেঝেতে পাচঁ দেশ অর্থাৎ, পাকিস্তান, ইংল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল এবং ভারতের পতাকা লাগানোর হয়েছে দাবিতে একটি ছবি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়েছে।  রিউমর স্ক্যানার টিমের অনুসন্ধানে জানা যায়, ডাকসুর প্রবেশদ্বারের মেঝেতে পাঁচ দেশের পতাকা লাগানো হয়নি। প্রকৃতপক্ষে, সেখানে শুধু পাকিস্তানের পতাকা লাগানো হয়েছিল। পাঁচ দেশের পতাকাসহ ভাইরাল ছবিটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে সম্পাদিত। শুরুতে প্রচারিত ছবিটি পর্যবেক্ষণ করে রিউমর স্ক্যানার টিম। দেখা যায়, আলোচিত ছবিটিতে গুগলের এআই ‘Gemini’ এর লোগো রয়েছে। </p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x_69399e4bdc78d.jpg" alt=""></p>
<p>এদিকে কুমিল্লা নিউজের ফেসবুক পেজে গত ৫ ডিসেম্বর ‘খালেদা জিয়া তারেক রহমানের ছবি ভা’ঙ’চুর করল ছাত্রদল’ শীর্ষক তথ্য সংবলিত একটি ফটোকার্ড খুঁজে পাওয়া যায়। ফটোকার্ডটি পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায়, আলোচিত ফটোকার্ডের সাথে উক্ত ফটোকার্ডের শিরোনাম ব্যতীত বাকি সকল উপাদানের মিল রয়েছে। কুমিল্লা নিউজের মূল ফটোকার্ডটিতে ‘খালেদা জিয়া তারেক রহমানের ছবি ভাঙচুর করল ছাত্রদল’ শীর্ষক বাক্য থাকলেও প্রচারিত ফটোকার্ডটিতে এর পরিবর্তে ‘খালেদা জিয়া তারেক রহমানের ছবি ভাঙচুর করল শিবির’ শীর্ষক বাক্য লেখা হয়েছে।   কুমিল্লা নিউজের এই ফটোকার্ডটি সম্পাদনা করেই বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির তারেক রহমান ও খালেদা জিয়ার ছবি ভাঙচুর করেছে দাবিতে প্রচারিত ফটোকার্ডটি তৈরি করা হয়েছে।</p>
<p>ফেইক একাউন্ট থেকে আপত্তিকর, সংবেদনশীল ও উষ্কানীমূলক মন্তব্যজুড়ে দিয়ে তৈরি হচ্ছে নকল ফটোকার্ড, ছড়িয়ে দেয়া হচ্ছে সংঘবদ্ধভাবে। বিএনপি ও জামায়াত-শিবিরকে নিয়েই অপতথ্য বেশি ছড়াচ্ছে। এর বাইরে ব্যক্তিগত অক্রমন করেও ছড়ানো হচ্ছে অপতথ্য। এই কঠিন বাস্তবতায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নয় বরং গণমাধ্যমের খবরগুলোতেই আস্থা রাখার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।<br><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/আরএইচ/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>যবিপ্রবিতে “জিনোম সিকোয়েন্স” বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত</title>
<link>https://digibanglatech.news/160333</link>
<guid>https://digibanglatech.news/160333</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_69385c8da1f2e.jpg" length="96472" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 09 Dec 2025 18:10:20 +0600</pubDate>
<dc:creator>ক্যাম্পাস করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>স্যাঙ্গার পদ্ধতি ব্যবহার করে নমুনা প্রস্তুত, ডিএনএ সিকোয়েন্স নির্ণয়, চেইন টার্মিনেশন প্রযুক্তি, ক্লিনিক্যাল ডায়াগনস্টিক, মিইটেশন চেক, ক্রোমাটোগ্রাম রিডিং প্রক্রিয়াসহ নানা বিষয়ে হাতে কলমে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।</p>
<p>৯ ডিসেম্বর, মঙ্গলবার যবিপ্রবির জিনোম সেন্টারের উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম একাডেমিক ভবনের ৯ম তলায় চার দিনব্যাপী “পার্শিয়াল জিনোম সিকোয়েন্সিং ইউজিং দ্যা স্যাঙ্গার মেথড” প্রশিক্ষণ কর্মশালা শেষে সনদপত্র প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আব্দুল মজিদ।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x_69385c8e5ca4d.jpg" alt=""></p>
<p>অনুষ্ঠানে যবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আব্দুল মজিদ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা সক্ষমতা বাড়াতে এমন প্রশিক্ষণ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। গবেষণা সক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং উদ্ভাবনী কর্মকান্ড ও আধুনিক ল্যাব সুবিধা কাজে লাগিয়ে আমরা মলিকুলার গবেষণায় আরও অবদান রাখতে চাই। এজন্য শিক্ষার্থীদের গবেষণামূখী হতে হবে। এছাড়াও এধরণের প্রশিক্ষণ কর্মশালা থেকে তোমাদের জ্ঞানকে সমৃদ্ধ করে উচ্চশিক্ষায় কাজে লাগাতে পারবে বলে আমি  আশা করি।</p>
<p>যবিপ্রবির জিনোম সেন্টারে গত  ০৬-০৯ ডিসেম্বর, চার দিনব্যাপী “পার্শিয়াল জিনোম সিকোয়েন্সিং ইউজিং দ্যা স্যাঙ্গার মেথড” এর উপর হাতে কলমে প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজন করা হয়। কর্মশালায় যবিপ্রবিসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬২জন প্রশিক্ষনার্থী অংশগ্রহণ করেন এবং তাদেরকে প্রশিক্ষণ দেন জিনোম সেন্টারের উপ-পরিচালক, ড. মোঃ আলাউদ্দীন. অণুজীব বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক, ড. মোঃ অভিনু কিবরিয়া ইসলাম এবং জিনোম সেন্টারের সহকারী টেকনিক্যাল অফিসার, মোঃ আলী আহসান সেতু। অনুষ্ঠান শেষে যবিপ্রবি উপাচার্য শিক্ষার্থীদের মধ্যে সনদপত্র দেয়া হয়।<br><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/নাহো/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>মেডিকেল&#45;ডেন্টালে ভর্তিচ্ছুদের প্রবেশপত্র ডাউনলোড শুরু</title>
<link>https://digibanglatech.news/160224</link>
<guid>https://digibanglatech.news/160224</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_69352dec5d15f.jpg" length="71120" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 07 Dec 2025 11:34:18 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>সরকারি ও বেসরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের এমবিবিএস ভর্তি-ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র ডাউনলোড শুরু হয়েছে। ৭ ডিসেম্বর রবিবার থেকে ভর্তি-ইচ্ছুক শিক্ষার্থীরা প্রবেশপত্র ডাউনলোড করতে পারছেন। প্রবেশপত্র ডাউনলোডের শেষ তারিখ ৯ ডিসেম্বর। ভর্তি-ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের ভর্তি সংক্রান্ত<span> </span><span style="font-size: 14pt;"><strong><span style="color: rgb(22, 145, 121);"><a target="_blank" href="http://dgme.teletalk.com.bd/mbbs" style="color: rgb(22, 145, 121);" rel="noopener">ওয়েবসাইটে </a></span></strong></span>গিয়ে ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে প্রবেশপত্র ডাউনলোড করতে হবে। একইভাবে <span>স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের </span><a target="_blank" href="https://www.dgme.gov.bd/" rel="nofollow noopener">ওয়েবসাইটে</a><span> এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের </span><a target="_blank" href="https://dghs.gov.bd/" rel="nofollow noopener">ওয়েবসাইটে</a><span> হতে পরীক্ষার ফলাফল জানা যাবে।</span></p>
<p>৯ থেকে ১০ ডিসেম্বর (মঙ্গলবার-বুধবার) আবেদনকারী শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় অংশ নেয়ার হাজিরা সিট ডাউনলোড করতে পারবেন। ভর্তি পরীক্ষা আগামী ১২ ডিসেম্বর (শুক্রবার) সকাল ১০টা থেকে বেলা ১১টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত চলবে।</p>
<p>পরিক্ষার্থীদের জন্য দেয়া নির্দেশনায় বলা হয়েছে-  পরীক্ষার হলে সেলফোন, কোনো ধরনের ডিজিটাল ডিভাইস, ক্যালকুলেটর, হাতঘড়ি বা পকেট ঘড়ি নিয়ে প্রবেশ করা যাবে না। শুধুমাত্র বল পয়েন্ট কলম ও রঙিন প্রবেশপত্র এবং এইচএসসি/সমমান পরীক্ষার রেজিস্ট্রেশন কার্ড নিয়ে পরীক্ষার হলে প্রবেশ করতে পারবেন পরীক্ষার্থীরা।</p>
<p>সরকারি মেডিকেল কলেজ/ডেন্টাল কলেজ/ইউনিটগুলোতে ভর্তির জন্য সাধারণ আসন এবং সংরক্ষিত আসনগুলোতে প্রার্থীর জাতীয় মেধা ও পছন্দক্রম অনুসারে আসন বণ্টন করা হবে। সংরক্ষিত আসনগুলো ও নিজ নিজ শ্রেণির দাবিদারদের মধ্য হতে মেধার ভিত্তিতে প্রার্থী নির্বাচন করা হবে। নির্বাচিত প্রার্থীর অর্জিত মেধাক্রম এবং কলেজ পছন্দের ভিত্তিতে প্রার্থী কোনো কলেজে ভর্তি হবেন, তা স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে নির্ধারণ করা হবে।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/ডিজিএমই/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বরিশাল পলিটেকনিকে স্কিলস অ্যান্ড ইনোভেশন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত</title>
<link>https://digibanglatech.news/160253</link>
<guid>https://digibanglatech.news/160253</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_6935a7ecb9c27.jpg" length="99628" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 07 Dec 2025 11:15:05 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>কারিগরি শিক্ষার্থীদের মেধা, দক্ষতা ও উদ্ভাবনী শক্তি বিকাশের লক্ষ্য নিয়ে আগামী ২৭ ডিসেম্বর ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে ‘স্কিলস অ্যান্ড ইনোভেশন কম্পিটিশন ২০২৫’ প্রতিযোগিতার জাতীয় পর্ব। যেখানে ৮টি অঞ্চলের আঞ্চলিক প্রতিযোগিতা থেকে নির্বাচিত মোট ৫০টি উদ্ভাবনী প্রকল্প অংশ নেবে। জাতীয় পর্যায়ে সেরা তিনটি উদ্ভাবনী প্রকল্পের উদ্ভাবকরা আকর্ষণীয় পুরস্কার পাওয়ার সুযোগ পাবেন।</p>
<p>এর অংশ হিসেবে ৬ ডিসেম্বর, শনিবার বরিশাল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে অনুষ্ঠিত হয়েছে  বরিশাল অঞ্চলের আঞ্চলিক প্রতিযোগিতা।</p>
<p>বরিশাল অঞ্চলের মোট ১৫টি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে বাছাইকৃত ১৩২ জন শিক্ষার্থী প্রতিযোগিতায় অংশ নেয় এবং ৪৪টি উদ্ভাবনী প্রকল্প উপস্থাপন করে। এর মধ্য থেকে সেরা ৪টি উদ্ভাবন আগামী ২৭ ডিসেম্বর ঢাকায় অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় পর্বে অংশগ্রহণের জন্য মনোনীত হয়েছে।</p>
<p>প্রতিযোগিতাটি আয়োজন করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের অধীন কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর বাস্তবায়নাধীন ASSET (Accelerating and Strengthening Skills for Economic Transformation) প্রকল্প।</p>
<p>অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন ASSET প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক অতিরিক্ত সচিব প্রকৌশলী মীর জাহিদ হাসান, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (ভোকেশনাল) প্রকৌশলী মোঃ রেজাউল হক, এবং বরিশাল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ প্রকৌশলী মোঃ রকিব উল্লাহ। অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করেন বরিশাল জেলা প্রশাসক মোঃ খায়রুল আলম সুমন।</p>
<p>দিনব্যাপী আয়োজনে ছিল বর্ণাঢ্য র‍্যালি, কারিগরি শিক্ষার গুরুত্ব নিয়ে সেমিনার এবং পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। প্রতিযোগিতাটি দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত ছিল এবং এতে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, শিল্পপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, সুশীল সমাজের সদস্য, গণমাধ্যম কর্মী ও অভিভাবকসহ বহু মানুষ অংশ নেন।</p>
<p>এর আগে ২৭ সেপ্টেম্বর দেশব্যাপী ২১১টি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অনুষ্ঠিত হয় স্কিলস অ্যান্ড ইনোভেশন কম্পিটিশনের প্রাতিষ্ঠানিক পর্ব। এতে প্রায় ১০,০০০ শিক্ষার্থী ৩,২০৯টি উদ্ভাবনী প্রকল্প উপস্থাপন করে। প্রতিটি প্রতিষ্ঠান থেকে ৩টি করে প্রকল্প আঞ্চলিক পর্বে উত্তীর্ণ হয়।<br><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/বিকম/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ডিজিটাল সার্বভৌমত্বের নতুন দরজা খুলে দিচ্ছে বাংলাদেশ</title>
<link>https://digibanglatech.news/160170</link>
<guid>https://digibanglatech.news/160170</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202502/image_870x_67a31f73475e5.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 05 Dec 2025 20:18:44 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="MsoNormal" style="mso-margin-top-alt: auto; mso-margin-bottom-alt: auto; text-align: justify; line-height: normal;"><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">বাংলাদেশ</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">প্রথমবারের</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">মতো</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">সরকারি</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">অর্থে</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">নির্মিত</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">সফটওয়্যারকে</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> <b>“</b></span><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">জাতীয়</span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">সম্পদ</span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">”</span></b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">হিসেবে</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">ঘোষণা</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">করার</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">পথে</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">বড়</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">এক</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">পদক্ষেপ</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">নিয়েছে।</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">সম্প্রতি</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">প্রকাশিত</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">জাতীয়</span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">সোর্স</span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">কোড</span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">নীতিমালা</span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">২০২৫</span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> (</span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">খসড়া</span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">)</span></b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">—</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">কেবল</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">প্রযুক্তিগত</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">নির্দেশনা</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">নয়</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">, </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">বরং</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">বাংলাদেশের</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">ডিজিটাল</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">শাসনপদ্ধতির</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">এক</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">নতুন</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">যুগের</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">ঘোষণা।</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">নীতির</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">মূলমন্ত্র</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> <b>“</b></span><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">জনগণের</span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">অর্থ</span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">, </span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">জনসাধারণের</span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">কোড</span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> (Public Money, Public Code)”</span></b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">—</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">ইউরোপীয়</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">ইউনিয়ন</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">, </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">এস্তোনিয়া</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">, </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">ভারত</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">এবং</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">যুক্তরাষ্ট্রের</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">মতো</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">উন্নত</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">দেশগুলোর</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">ওপেন</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">সোর্স</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">নীতিকে</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">অনুসরণ</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">করে।</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">এতে</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">স্পষ্ট</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">—</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">বাংলাদেশ</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">বিশ্বমানের</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">ডিজিটাল</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">গভর্নেন্স</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">কাঠামোয়</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">নিজের</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">অবস্থান</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">দৃঢ়</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">করতে</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">প্রস্তুত।</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"><o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" style="mso-margin-top-alt: auto; mso-margin-bottom-alt: auto; line-height: normal; mso-outline-level: 3;"><b><span style="font-size: 12.0pt; mso-bidi-font-size: 13.5pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">জাতীয়</span></b><b><span style="font-size: 12.0pt; mso-bidi-font-size: 13.5pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span></b><b><span style="font-size: 12.0pt; mso-bidi-font-size: 13.5pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">সম্পদের</span></b><b><span style="font-size: 12.0pt; mso-bidi-font-size: 13.5pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span></b><b><span style="font-size: 12.0pt; mso-bidi-font-size: 13.5pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">সংজ্ঞা</span></b><b><span style="font-size: 12.0pt; mso-bidi-font-size: 13.5pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span></b><b><span style="font-size: 12.0pt; mso-bidi-font-size: 13.5pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">নতুন</span></b><b><span style="font-size: 12.0pt; mso-bidi-font-size: 13.5pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span></b><b><span style="font-size: 12.0pt; mso-bidi-font-size: 13.5pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">করে</span></b><b><span style="font-size: 12.0pt; mso-bidi-font-size: 13.5pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span></b><b><span style="font-size: 12.0pt; mso-bidi-font-size: 13.5pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">লিখছে</span></b><b><span style="font-size: 12.0pt; mso-bidi-font-size: 13.5pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span></b><b><span style="font-size: 12.0pt; mso-bidi-font-size: 13.5pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">নীতি</span></b><b><span style="font-size: 12.0pt; mso-bidi-font-size: 13.5pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"><o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal" style="mso-margin-top-alt: auto; mso-margin-bottom-alt: auto; text-align: justify; line-height: normal;"><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">খসড়ায়</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">বলা</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">হয়েছে</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">—</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">সরকারি</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">অর্থে</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">তৈরি</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">বা</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">সরকার</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">–</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">নিয়ন্ত্রিত</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">সব</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">সফটওয়্যারই</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">জাতীয়</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">সম্পদ।</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">এগুলো</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">সংরক্ষিত</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">থাকবে</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">কেন্দ্রীয়</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">রিপোজিটরিতে</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">; </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">তালিকাভুক্ত</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">না</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">হলে</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">কোনো</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">সফটওয়্যার</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">প্রোডাকশনে</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">চালু</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">করা</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">যাবে</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">না।</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">বাংলাদেশে</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">বহু</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">বছরের</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">পুরোনো</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">সমস্যা</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">— <b>“</b></span><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">প্রকল্প</span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">শেষ</span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">, </span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">প্রতিষ্ঠান</span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">চলে</span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">গেছে</span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">, </span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">সোর্স</span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">কোড</span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">নেই</span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">”</span></b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">— </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">এ</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">নীতি</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">কার্যকর</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">হলে</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">আর</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">বৈধ</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">থাকবে</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">না।</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"><o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" style="mso-margin-top-alt: auto; mso-margin-bottom-alt: auto; text-align: justify; line-height: normal;"><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">এর</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">ফলে</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">সরকারি</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">সফটওয়্যার</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">আর</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">কেবল</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">একটি</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">ফাইল</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">নয়</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">—</span><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">জাতীয়</span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">অবকাঠামোর</span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">অপরিহার্য</span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">অংশ</span></b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">হয়ে</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">উঠবে।</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"><o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" style="mso-margin-top-alt: auto; mso-margin-bottom-alt: auto; line-height: normal; mso-outline-level: 3;"><b><span style="font-size: 12.0pt; mso-bidi-font-size: 13.5pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">পুনর্ব্যবহার</span></b><b><span style="font-size: 12.0pt; mso-bidi-font-size: 13.5pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span></b><b><span style="font-size: 12.0pt; mso-bidi-font-size: 13.5pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">বাধ্যতামূলক</span></b><b><span style="font-size: 12.0pt; mso-bidi-font-size: 13.5pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">: </span></b><b><span style="font-size: 12.0pt; mso-bidi-font-size: 13.5pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">অপচয়</span></b><b><span style="font-size: 12.0pt; mso-bidi-font-size: 13.5pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span></b><b><span style="font-size: 12.0pt; mso-bidi-font-size: 13.5pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">রোধ</span></b><b><span style="font-size: 12.0pt; mso-bidi-font-size: 13.5pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span></b><b><span style="font-size: 12.0pt; mso-bidi-font-size: 13.5pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">ও</span></b><b><span style="font-size: 12.0pt; mso-bidi-font-size: 13.5pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span></b><b><span style="font-size: 12.0pt; mso-bidi-font-size: 13.5pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">দক্ষতার</span></b><b><span style="font-size: 12.0pt; mso-bidi-font-size: 13.5pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span></b><b><span style="font-size: 12.0pt; mso-bidi-font-size: 13.5pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">নিশ্চিতকরণ</span></b><b><span style="font-size: 12.0pt; mso-bidi-font-size: 13.5pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"><o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal" style="mso-margin-top-alt: auto; mso-margin-bottom-alt: auto; line-height: normal;"><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">“<b>Reuse First</b>” </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">নীতি</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">সরকারি</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">আইসিটি</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">প্রকল্পে</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">নতুন</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">সংস্কৃতি</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">তৈরি</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">করবে</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">—</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">নতুন</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">কোড</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">লেখার</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">আগে</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">খুঁজতে</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">হবে</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">আগে</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">তৈরি</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">কোনো</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">সমাধান</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">আছে</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">কি</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">না।</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"><br></span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">এর</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">সুফল</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">—<o:p></o:p></span></p>
<ul type="disc">
<li class="MsoNormal" style="mso-margin-top-alt: auto; mso-margin-bottom-alt: auto; line-height: normal; mso-list: l0 level1 lfo1; tab-stops: list .5in;"><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">বারবার</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">একই</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">প্রকল্প</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">বানানোর</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">প্রবণতা</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">কমবে</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">,<o:p></o:p></span></li>
<li class="MsoNormal" style="mso-margin-top-alt: auto; mso-margin-bottom-alt: auto; line-height: normal; mso-list: l0 level1 lfo1; tab-stops: list .5in;"><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">উন্নয়নের</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">গতি</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">বাড়বে</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">,<o:p></o:p></span></li>
<li class="MsoNormal" style="mso-margin-top-alt: auto; mso-margin-bottom-alt: auto; line-height: normal; mso-list: l0 level1 lfo1; tab-stops: list .5in;"><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">জনগণের</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">অর্থ</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">সাশ্রয়</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">হবে।</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"><o:p></o:p></span></li>
</ul>
<p class="MsoNormal" style="mso-margin-top-alt: auto; mso-margin-bottom-alt: auto; line-height: normal;"><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">উন্নত</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">দেশগুলো</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">বহু</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">বছর</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">ধরে</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">পুনর্ব্যবহারকে</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">বাধ্যতামূলক</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">করেছে</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">; </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">বাংলাদেশও</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">সেই</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">ধারায়</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">পা</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">রাখছে</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">—</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">এটি</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">নিঃসন্দেহে</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">সময়োপযোগী</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">সিদ্ধান্ত।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" style="mso-margin-top-alt: auto; mso-margin-bottom-alt: auto; line-height: normal; mso-outline-level: 3;"><b><span style="font-size: 12.0pt; mso-bidi-font-size: 13.5pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">প্রযুক্তি</span></b><b><span style="font-size: 12.0pt; mso-bidi-font-size: 13.5pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">-</span></b><b><span style="font-size: 12.0pt; mso-bidi-font-size: 13.5pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">সেবা</span></b><b><span style="font-size: 12.0pt; mso-bidi-font-size: 13.5pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span></b><b><span style="font-size: 12.0pt; mso-bidi-font-size: 13.5pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">নির্ভরতা</span></b><b><span style="font-size: 12.0pt; mso-bidi-font-size: 13.5pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span></b><b><span style="font-size: 12.0pt; mso-bidi-font-size: 13.5pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">কমানো</span></b><b><span style="font-size: 12.0pt; mso-bidi-font-size: 13.5pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">: </span></b><b><span style="font-size: 12.0pt; mso-bidi-font-size: 13.5pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">রাষ্ট্র</span></b><b><span style="font-size: 12.0pt; mso-bidi-font-size: 13.5pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span></b><b><span style="font-size: 12.0pt; mso-bidi-font-size: 13.5pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">আর</span></b><b><span style="font-size: 12.0pt; mso-bidi-font-size: 13.5pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span></b><b><span style="font-size: 12.0pt; mso-bidi-font-size: 13.5pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">জিম্মি</span></b><b><span style="font-size: 12.0pt; mso-bidi-font-size: 13.5pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span></b><b><span style="font-size: 12.0pt; mso-bidi-font-size: 13.5pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">নয়</span></b><b><span style="font-size: 12.0pt; mso-bidi-font-size: 13.5pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"><o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal" style="mso-margin-top-alt: auto; mso-margin-bottom-alt: auto; line-height: normal;"><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">নীতিমালায়</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">আরেকটি</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">গুরুত্বপূর্ণ</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">পদক্ষেপ</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">হলো</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">প্রতিষ্ঠান</span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">-</span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">নির্ভরতা</span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> (vendor lock-in)</span></b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">ভাঙা।</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">ভবিষ্যতে</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">—<o:p></o:p></span></p>
<ul type="disc">
<li class="MsoNormal" style="mso-margin-top-alt: auto; mso-margin-bottom-alt: auto; line-height: normal; mso-list: l2 level1 lfo2; tab-stops: list .5in;"><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">সম্পূর্ণ</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">সোর্স</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">কোড</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">,<o:p></o:p></span></li>
<li class="MsoNormal" style="mso-margin-top-alt: auto; mso-margin-bottom-alt: auto; line-height: normal; mso-list: l2 level1 lfo2; tab-stops: list .5in;"><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">ডকুমেন্টেশন</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">,<o:p></o:p></span></li>
<li class="MsoNormal" style="mso-margin-top-alt: auto; mso-margin-bottom-alt: auto; line-height: normal; mso-list: l2 level1 lfo2; tab-stops: list .5in;"><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">আর্টিফ্যাক্ট</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"><o:p></o:p></span></li>
</ul>
<p class="MsoNormal" style="mso-margin-top-alt: auto; mso-margin-bottom-alt: auto; line-height: normal;"><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">সবই</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">জমা</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">দিতে</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">হবে</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">কেন্দ্রীয়</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">রিপোজিটরিতে।</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">সফটওয়্যারের</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">আইপি</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">বা</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">স্থায়ী</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">ব্যবহারের</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">অধিকার</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">থাকবে</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">সরকারের</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">হাতে</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">, </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">কোনো</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">প্রতিষ্ঠান</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">এককভাবে</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">নিয়ন্ত্রণ</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">করতে</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">পারবে</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">না।</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"><o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" style="mso-margin-top-alt: auto; mso-margin-bottom-alt: auto; text-align: justify; line-height: normal;"><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">সবচেয়ে</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">বড়</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">নিরাপত্তা</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">হলো</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">এসক্রো</span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> (Escrow)</span></b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">ব্যবস্থা</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">—</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">যেখানে</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">কোড</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">একটি</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">নিরপেক্ষ</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">তৃতীয়</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">পক্ষের</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">কাছে</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">সংরক্ষিত</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">থাকে।</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">প্রতিষ্ঠান</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">বন্ধ</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">হয়ে</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">গেলেও</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">বা</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">সেবা</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">দিতে</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">ব্যর্থ</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">হলেও</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">রাষ্ট্র</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">কোড</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">হারাবে</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">না।</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"><br></span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">বাংলাদেশের</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">বাস্তবতায়</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">, </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">যেখানে</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">বহু</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">গুরুত্বপূর্ণ</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">সিস্টেম</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">নির্দিষ্ট</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">প্রতিষ্ঠানভিত্তিক</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">হয়ে</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">পড়েছে</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">, </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">এটি</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">নিঃসন্দেহে</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">ডিজিটাল</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">স্বাধীনতার</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">জন্য</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">শক্ত</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">ভিত্তি হয়ে উঠবে।</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"><o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" style="mso-margin-top-alt: auto; mso-margin-bottom-alt: auto; line-height: normal; mso-outline-level: 3;"><b><span style="font-size: 12.0pt; mso-bidi-font-size: 13.5pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">ওপেন</span></b><b><span style="font-size: 12.0pt; mso-bidi-font-size: 13.5pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span></b><b><span style="font-size: 12.0pt; mso-bidi-font-size: 13.5pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">কোড</span></b><b><span style="font-size: 12.0pt; mso-bidi-font-size: 13.5pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">: </span></b><b><span style="font-size: 12.0pt; mso-bidi-font-size: 13.5pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">স্বচ্ছতা</span></b><b><span style="font-size: 12.0pt; mso-bidi-font-size: 13.5pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">, </span></b><b><span style="font-size: 12.0pt; mso-bidi-font-size: 13.5pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">তবে</span></b><b><span style="font-size: 12.0pt; mso-bidi-font-size: 13.5pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span></b><b><span style="font-size: 12.0pt; mso-bidi-font-size: 13.5pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">যুক্তিযুক্ত</span></b><b><span style="font-size: 12.0pt; mso-bidi-font-size: 13.5pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span></b><b><span style="font-size: 12.0pt; mso-bidi-font-size: 13.5pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">অব্যাহতি</span></b><b><span style="font-size: 12.0pt; mso-bidi-font-size: 13.5pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"><o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal" style="mso-margin-top-alt: auto; mso-margin-bottom-alt: auto; line-height: normal;"><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">নীতির</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">মূল</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">দর্শন</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">হলো</span>—<span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সরকারি</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">কোড</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ডিফল্টভাবে</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">উন্মুক্ত</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">থাকবে</span>, <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">তবে</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">জাতীয়</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">নিরাপত্তা</span>, <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">গোপনীয়তা</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ও</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">তৃতীয়</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পক্ষের</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">মেধাস্বত্বের</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ক্ষেত্রে</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সীমিত</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">অব্যাহতি</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">দেওয়া</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">যেতে</span> <span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পারে।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" style="mso-margin-top-alt: auto; mso-margin-bottom-alt: auto; line-height: normal;"><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">অব্যাহতি</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">পেলেও</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">কোড</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">রিপোজিটরিতে</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">থাকবে</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">—“</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">গোপন</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">” </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">মানে</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">আর</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> “</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">অদৃশ্য</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">” </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">নয়।</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">তবে</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">জাতীয়</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">নিরাপত্তা</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">বা</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">গোপনীয়তার</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">সুনির্দিষ্ট</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">সংজ্ঞা</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">আরও</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">স্পষ্ট</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">হওয়া</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">জরুরি</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">—</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">অন্যথায়</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">স্বচ্ছতার</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">বদলে</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">ব্যাখ্যার</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">ওপর</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">নির্ভরশীলতা</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">বাড়তে</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">পারে।</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"><o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" style="margin-bottom: 0in; line-height: normal;"><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"><o:p> </o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" style="mso-margin-top-alt: auto; mso-margin-bottom-alt: auto; line-height: normal; mso-outline-level: 3;"><b><span style="font-size: 12.0pt; mso-bidi-font-size: 13.5pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">আধুনিক</span></b><b><span style="font-size: 12.0pt; mso-bidi-font-size: 13.5pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span></b><b><span style="font-size: 12.0pt; mso-bidi-font-size: 13.5pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">সফটওয়্যার</span></b><b><span style="font-size: 12.0pt; mso-bidi-font-size: 13.5pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span></b><b><span style="font-size: 12.0pt; mso-bidi-font-size: 13.5pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">ইঞ্জিনিয়ারিং</span></b><b><span style="font-size: 12.0pt; mso-bidi-font-size: 13.5pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">: </span></b><b><span style="font-size: 12.0pt; mso-bidi-font-size: 13.5pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">নীতিমালার</span></b><b><span style="font-size: 12.0pt; mso-bidi-font-size: 13.5pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span></b><b><span style="font-size: 12.0pt; mso-bidi-font-size: 13.5pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">শক্ততম</span></b><b><span style="font-size: 12.0pt; mso-bidi-font-size: 13.5pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span></b><b><span style="font-size: 12.0pt; mso-bidi-font-size: 13.5pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">অংশ</span></b><b><span style="font-size: 12.0pt; mso-bidi-font-size: 13.5pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"><o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal" style="mso-margin-top-alt: auto; mso-margin-bottom-alt: auto; line-height: normal;"><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">এই</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">অংশটি</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">প্রমাণ</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">করে</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">—</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">খসড়াটি</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">কেবল</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">ওপেন</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">সোর্স</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">নয়</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">, </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">সফটওয়্যার</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">আন্তর্জাতিক</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">মান</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">অনুসরণ</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">করছে।</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">এতে</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">রয়েছে</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">—<o:p></o:p></span></p>
<ul type="disc">
<li class="MsoNormal" style="mso-margin-top-alt: auto; mso-margin-bottom-alt: auto; line-height: normal; mso-list: l3 level1 lfo3; tab-stops: list .5in;"><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">নিরাপদ</span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">কোডিং</span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">গাইডলাইন</span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">কমিটি</span></b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"><o:p></o:p></span></li>
<li class="MsoNormal" style="mso-margin-top-alt: auto; mso-margin-bottom-alt: auto; line-height: normal; mso-list: l3 level1 lfo3; tab-stops: list .5in;"><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">বাধ্যতামূলক</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> <b>CI/CD </b></span><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">পাইপলাইন</span></b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">: </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">স্বয়ংক্রিয়</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">টেস্ট</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">, </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">নিরাপত্তা</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">স্ক্যান</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">, </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">লাইসেন্স</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">যাচাই</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"><o:p></o:p></span></li>
<li class="MsoNormal" style="mso-margin-top-alt: auto; mso-margin-bottom-alt: auto; line-height: normal; mso-list: l3 level1 lfo3; tab-stops: list .5in;"><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">SBOM</span></b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">: </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">সফটওয়্যার</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">উপাদানের</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">স্বচ্ছ</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">তালিকা</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"><o:p></o:p></span></li>
<li class="MsoNormal" style="mso-margin-top-alt: auto; mso-margin-bottom-alt: auto; line-height: normal; mso-list: l3 level1 lfo3; tab-stops: list .5in;"><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">Role-Based Access Control</span></b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"><o:p></o:p></span></li>
<li class="MsoNormal" style="mso-margin-top-alt: auto; mso-margin-bottom-alt: auto; line-height: normal; mso-list: l3 level1 lfo3; tab-stops: list .5in;"><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">মেশিন</span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">লার্নিং</span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">ডেটাসেটের</span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">নৈতিক</span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">ও</span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">কারিগরি</span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">নির্দেশনা</span></b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"><o:p></o:p></span></li>
</ul>
<p class="MsoNormal" style="mso-margin-top-alt: auto; mso-margin-bottom-alt: auto; line-height: normal;"><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">সংক্ষেপে</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">— <b>CI/CD </b></span><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">সফটওয়্যার</span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">তৈরির</span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">পথকে</span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">নিরাপদ</span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">করে</span></b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">, </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">আর</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> <b>SBOM </b></span><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">সফটওয়্যারকে</span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">করে</span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">স্বচ্ছ</span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">ও</span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">জবাবদিহিমূলক</span></b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">।</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">এটি</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">যুক্তরাষ্ট্রের</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> CISA, </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">ইউরোপের</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> NIS-2 Directive </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">এবং</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">ভারতের</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> Digital Public Goods </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">নীতির</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">সঙ্গে</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">সম্পূর্ণ</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">সামঞ্জস্যপূর্ণ</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">—</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">যা</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">দেখায়</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">বাংলাদেশ</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">বিশ্বমান</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">ধরে</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">এগোচ্ছে।</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"><o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" style="mso-margin-top-alt: auto; mso-margin-bottom-alt: auto; line-height: normal; mso-outline-level: 3;"><b><span style="font-size: 12.0pt; mso-bidi-font-size: 13.5pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">আইনি</span></b><b><span style="font-size: 12.0pt; mso-bidi-font-size: 13.5pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span></b><b><span style="font-size: 12.0pt; mso-bidi-font-size: 13.5pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">সমন্বয়</span></b><b><span style="font-size: 12.0pt; mso-bidi-font-size: 13.5pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">: </span></b><b><span style="font-size: 12.0pt; mso-bidi-font-size: 13.5pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">সফলতার</span></b><b><span style="font-size: 12.0pt; mso-bidi-font-size: 13.5pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span></b><b><span style="font-size: 12.0pt; mso-bidi-font-size: 13.5pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">মূল</span></b><b><span style="font-size: 12.0pt; mso-bidi-font-size: 13.5pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span></b><b><span style="font-size: 12.0pt; mso-bidi-font-size: 13.5pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">শর্ত</span></b><b><span style="font-size: 12.0pt; mso-bidi-font-size: 13.5pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"><o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal" style="mso-margin-top-alt: auto; mso-margin-bottom-alt: auto; line-height: normal;"><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">নীতিটি</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">জাতীয়</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">উপাত্ত</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">ব্যবস্থাপনা</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">ও</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">আন্তঃপরিচালন</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">অধ্যাদেশের</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">অধীনে</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">জারি</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">হবে।</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">তবে</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">এর</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">সঙ্গে</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"><span style="mso-spacerun: yes;"> </span>ব্যক্তিগত তথ্য </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"><span style="mso-spacerun: yes;"> </span></span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">সুরক্ষা অধ্যাদেশ, </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"><span style="mso-spacerun: yes;"> </span></span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">পাবলিক</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">প্রকিউরমেন্টসহ ও প্রচলিত</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">আইনের</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">সমন্বয়</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">নিশ্চিত</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">করতে</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">হবে।</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">এই</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">সমন্বয়</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">ব্যর্থ</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">হলে</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">স্বচ্ছতা</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">, </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">গোপনীয়তা</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">ও</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">নিরাপত্তার</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">ভারসাম্য</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">নষ্ট</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">হতে</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">পারে</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">—</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">যা</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">নীতির</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">মূল</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">উদ্দেশ্যকে</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">বাধাগ্রস্ত</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">করবে।</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"><o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" style="mso-margin-top-alt: auto; mso-margin-bottom-alt: auto; line-height: normal; mso-outline-level: 3;"><b><span style="font-size: 12.0pt; mso-bidi-font-size: 13.5pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">কারা</span></b><b><span style="font-size: 12.0pt; mso-bidi-font-size: 13.5pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span></b><b><span style="font-size: 12.0pt; mso-bidi-font-size: 13.5pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">লাভবান</span></b><b><span style="font-size: 12.0pt; mso-bidi-font-size: 13.5pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">, </span></b><b><span style="font-size: 12.0pt; mso-bidi-font-size: 13.5pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">কারা</span></b><b><span style="font-size: 12.0pt; mso-bidi-font-size: 13.5pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span></b><b><span style="font-size: 12.0pt; mso-bidi-font-size: 13.5pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">অস্বস্তিতে</span></b><b><span style="font-size: 12.0pt; mso-bidi-font-size: 13.5pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">?<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal" style="mso-margin-top-alt: auto; mso-margin-bottom-alt: auto; line-height: normal;"><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">লাভবান</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">—</span><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">রাষ্ট্র</span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">ও</span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">নাগরিক</span></b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">।</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"><br></span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">অস্বস্তিতে</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">—</span><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">যেসব</span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">প্রতিষ্ঠান</span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">সরকারি</span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">কোডকে</span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">ব্যক্তিগত</span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">সম্পদ</span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">ভেবে</span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">এসেছে</span></b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">।</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"><br></span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">সরকারের</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">ভেতরেও</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">নতুন</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">সংস্কৃতি</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">গড়তে</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">হবে</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">—“</span><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">নতুন</span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">বানানোর</span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">আগে</span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">পুরোনো</span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">কী</span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">আছে</span></b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">” </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">তা</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">খুঁজে</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">দেখার</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">অভ্যাস।</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">এটি</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">ডিজিটাল</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">শৃঙ্খলা</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">ও</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">জবাবদিহির</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">নতুন</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">মানদণ্ড</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">তৈরি</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">করবে।</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"><o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" style="mso-margin-top-alt: auto; mso-margin-bottom-alt: auto; line-height: normal; mso-outline-level: 3;"><b><span style="font-size: 12.0pt; mso-bidi-font-size: 13.5pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">শেষ</span></b><b><span style="font-size: 12.0pt; mso-bidi-font-size: 13.5pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span></b><b><span style="font-size: 12.0pt; mso-bidi-font-size: 13.5pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">কথা</span></b><b><span style="font-size: 12.0pt; mso-bidi-font-size: 13.5pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">: </span></b><b><span style="font-size: 12.0pt; mso-bidi-font-size: 13.5pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">এখন</span></b><b><span style="font-size: 12.0pt; mso-bidi-font-size: 13.5pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span></b><b><span style="font-size: 12.0pt; mso-bidi-font-size: 13.5pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">বাস্তবায়নের</span></b><b><span style="font-size: 12.0pt; mso-bidi-font-size: 13.5pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span></b><b><span style="font-size: 12.0pt; mso-bidi-font-size: 13.5pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">সময়</span></b><b><span style="font-size: 12.0pt; mso-bidi-font-size: 13.5pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"><o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal" style="mso-margin-top-alt: auto; mso-margin-bottom-alt: auto; line-height: normal;"><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">খসড়াটি</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">আধুনিক</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">, </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">সাহসী</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">ও</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">আন্তর্জাতিক</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">মানসম্মত।</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">কিন্তু</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">মূল</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">প্রশ্ন</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">—</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">এটি</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">কি</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">কাগজে</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">সীমাবদ্ধ</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">থাকবে</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">, </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">নাকি</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">বাস্তবে</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">কার্যকর</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">হবে</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">? </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">বাংলাদেশ</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">কি</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">সত্যিই</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> <b>“</b></span><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">জনগণের</span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">অর্থ</span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">, </span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">জনগণের</span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">কোড</span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">”</span></b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">বাস্তবায়নের</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">পথে</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">এগোবে</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">, </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">নাকি</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">কিছু</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">কোড</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">থেকে</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">যাবে</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">অদৃশ্য</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">কয়েকটি</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">হাতের</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">দখলে</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">?<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" style="mso-margin-top-alt: auto; mso-margin-bottom-alt: auto; line-height: normal;"><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">যদি</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">এ</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">নীতি</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">বাস্তবায়িত</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">হয়</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">—</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">বাংলাদেশ</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">কেবল</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">সফটওয়্যার</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">ব্যবস্থাপনায়</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">নয়</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">, </span><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">ডিজিটাল</span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">সার্বভৌমত্বের</span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">নতুন</span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span></b><b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">যুগে</span></b><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">প্রবেশ</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"> </span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;">করবে।</span><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Times New Roman',serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"><o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" style="mso-margin-top-alt: auto; mso-margin-bottom-alt: auto; line-height: normal;"><span style="mso-bidi-font-size: 12.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: 'Times New Roman'; mso-font-kerning: 0pt; mso-ligatures: none;"></span></p>
<hr>
<p class="MsoNormal"><o:p>লেখকঃ </o:p><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">মোহিব্বুল মোক্তাদীর তানিম-</span><span style="font-size: 11.0pt; line-height: 107%; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: Calibri; mso-fareast-theme-font: minor-latin; mso-ansi-language: EN-US; mso-fareast-language: EN-US; mso-bidi-language: AR-SA;"><span style="mso-spacerun: yes;"> </span>তথ্যপ্রযুক্তিবিদ, সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ সিস্টেম এডমিনিস্ট্রেটরস ফোরাম ( বিডিসাফ )</span></p>
<hr>
<p class="MsoNormal"><span style="font-size: 11.0pt; line-height: 107%; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; mso-fareast-font-family: Calibri; mso-fareast-theme-font: minor-latin; mso-ansi-language: EN-US; mso-fareast-language: EN-US; mso-bidi-language: AR-SA;"> </span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>আইজেএসও&#45;২০২৫ঃ বাংলাদেশের পক্ষে ছক্কা হাঁকালো যারা</title>
<link>https://digibanglatech.news/160157</link>
<guid>https://digibanglatech.news/160157</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_6932bd3a7be07.jpg" length="111068" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 05 Dec 2025 00:09:34 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span style="color: rgb(0, 0, 0);"><span lang="EN">ছোটদের বিজ্ঞান বিষয়ক বিশ্ব আসরে (আইজেএসও-</span><span lang="BN-BD">২০২৫</span><span lang="EN">) ছক্কা হাঁকিয়েছে বাংলাদেশ দল। রাশিয়ার<span lang="BN-BD"> </span>পর্যটন শহর সোচিতে ২৫টি দেশের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত ২২তম আন্তর্জাতিক জুনিয়র সায়েন্স অলিম্পিয়াডে ৬টি ব্রোঞ্জপদক অর্জন করেছে। </span><span lang="EN">কৃষ্ণ সাগর তীরবর্তি এক কনভেনশন হলে জমকালো অনুষ্ঠানে বিজয়ীদেরকে পদক তুলে দেয়া হয়।<o:p></o:p></span></span></p>
<p><span lang="EN" style="color: rgb(0, 0, 0);">বিজয়ী ব্রোঞ্জ বিজয়ীরা হলেন <span lang="EN">সেন্ট যোসেফ হায়ার সেকেন্ডারি স্কুলের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী আবরার জাহিন পাঠান, আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী বিহান পাল, চট্টগ্রাম ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক কলেজের আহনাফ আহমেদ সিনান, গলগথা ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী এইচ এম আজিজুর রহমান আলিফ, ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী নাশওয়ান হক মাহির এবং যশোর পুলিশ লাইন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী রুফ্ফা নূর জারিয়াহ।</span> </span></p>
<p><span style="color: rgb(0, 0, 0);"><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x_6932bd3be3d13.jpg" alt=""></span></p>
<p><span style="color: rgb(0, 0, 0);"><span lang="EN"><span lang="AR-SA">২৩ নভেম্বর</span>-১ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত</span><span lang="EN"> এবারও আইজেএসও-তে বাংলাদেশের হয়ে প্রথম বারের মতোই অংশ নিয়ে এই গৌরব অর্জন করে তারা। </span></span></p>
<p><span style="color: rgb(0, 0, 0);"><span lang="EN">রাশিয়া থেকে বাংলাদেশ দলের দলনেতা ও বাংলাদেশ বিজ্ঞান জনপ্রিয়করণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. ফারসীম মান্নান মোহাম্মদী জানান, </span><span lang="EN">“ </span><span lang="EN">অত্যান্ত কঠোর সাধনের পর</span><span lang="EN"> </span><span lang="EN">আমাদের এই অসাধারণ সাফল্য অর্জিত হল। আমরা খুবই আনন্দিত ও গর্ববোধ করছি। একটা সুন্দর পৃথিবীর জন্য আমরা এই অলিম্পিয়াডগুলো করছি।</span><span lang="EN">”</span><span lang="EN">।  রাশিয়ায় বাংলাদেশ দলের সঙ্গে </span><span lang="EN">সহকারী দলনেতা হিসেবে আছেন </span><span lang="EN">বাংলাদেশ জুনিয়র সায়েন্স অলিম্পিয়াডের কো-অর্ডিনেটর মো. রেজাউল ইসলাম  ও  একাডেমিক কো-অর্ডিনেটর মোর্শেদা আক্তার মীম। পর্যবেক্ষক হিসেবে আছেন মুহাম্মাদ জাকারিয়া পাঠান।</span><span lang="EN"><o:p></o:p></span></span></p>
<p><span lang="EN" style="color: rgb(0, 0, 0);">মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য আয়োজিত এই আন্তর্জাতিক অলিম্পিয়াডে বাংলাদেশ দল ১০ম বারের মত অংশ নিয়েছে। বিশ্বেরে বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন,  জীববিজ্ঞানের লিখিত পরীক্ষা ও সবগুলো বিষয়ের  ব্যবহারিক পরীক্ষার উপর প্রতিযোগিতা করে এই গৌরব অর্জন করেছে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা। গত ২৩ নভেম্বর শুরু হওয়া এই অলিম্পিয়াডে শিক্ষার্থীরা এমসিকিউ, থিওরি ও ব্যবহারিক অংশের পরীক্ষা দেয়। এর আগে গত ১০ বছরে বাংলাদেশ দল আইজেএসও থেকে ১৫ টি রৌপ্য ও ২৪ টি ব্রোঞ্জ পদক অর্জন করেছিলো।<o:p></o:p></span></p>
<p><span style="color: rgb(0, 0, 0);"><span lang="BN-BD">এর আগে বিভিন্ন ধাপে</span><span lang="BN-BD"> </span><span lang="EN">বাছাই</span><span lang="EN"> </span><span lang="BN-BD">করে এই ছয় শিক্ষার্থী </span><span lang="EN">নির্বাচন</span><span lang="EN"> </span><span lang="BN-BD">করা হয়েছে। চলতি বছর জুলাই মাস থেকে শুরু হয় বাংলাদেশ জুনিয়র সায়েন্স অলিম্পিয়াডের ১১তম আসর। আগস্ট ও সেপ্টেম্বরে প্রায় ১৭ হাজার শিক্ষার্থী নিয়ে শুরু হয় অনলাইন বাছাই পর্ব। ৬টি আঞ্চলিক পর্ব</span><span lang="EN">, </span><span lang="BN-BD">একটি ই-অলিম্পিয়াড</span><span lang="EN">, </span><span lang="BN-BD">১০টি উপজেলা পর্যায়ে স্কুল অলিম্পিয়াড শেষে ঢাকায় আয়োজিত হয় জাতীয় পর্ব ও ক্যাম্প। সেখান থেকে এই ছয় সদস্যের দল </span><span lang="EN">নির্বাচন</span><span lang="EN"> </span><span lang="BN-BD">করা হয়েছিল।</span><span lang="EN"><o:p></o:p></span></span></p>
<p><span style="color: rgb(0, 0, 0);"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong><span lang="BN-BD">ডিবিটেক/মিম/ইকে</span></strong></span></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বাংলাদেশ স্কোয়াডে সেরা লেজি গো ও  ফিউশনবোটিক্স</title>
<link>https://digibanglatech.news/159953</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159953</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_692be9fd8cb15.jpg" length="104792" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 30 Nov 2025 09:53:58 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত ২২তম ওয়াল্ড রোবট অলিম্পিয়াড (WRO) ফাইনালে বাংলাদেশ থেকে অংশ নিয়েছে ৯টি দলের ২৩ জন প্রতিনিধি।  বিজ্ঞান-প্রযুক্তির এই বিশ্বমঞ্চে বিশ্বের প্রায় ৯৫টি দেশের ৫৯৫টি দলের সঙ্গে মোট চারটি ক্যাটাগরিতে ফিউচার ইঞ্জিনিয়ার্স (Future Engineers), ফিউচার ইনোভেটরস (Future Innovators), রোবোস্পোর্টস (RoboSports) এবং রোবোমিশন (RoboMission) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছে তারা।  <o:p></o:p></p>
<p>ফলাফলে দেখা যায়, ওয়ার্ল্ড র‍্যাংকিংয়ে ফিউচার ইঞ্জিনিয়ার্স ক্যাটাগরিতে বিশ্বের ৬৫টি দলের মধ্যে ৬ষ্ঠ স্থান অর্জন করেছে বাংলাদেশের টিম লেজি গো ও ২৯তম স্থান অর্জন করেছে ইকো ড্রিফট । ফিউচার ইনোভেটরস ক্যাটাগরির সিনিয়র গ্রুপে বিশ্বের ৭৩টি দলের মধ্যে ৯ম স্থান অর্জন করেছে সোরাল্যাবস ও ১৩ তম স্থান অর্জন করেছে টিম ইনক্রেভো। ফিউচার ইনোভেটরস ক্যাটাগরির জুনিয়র গ্রুপে ৬০টি দলের মধ্যে ৯ম স্থান অর্জন করেছে সাইবার স্কোয়াড। রোবোস্পোর্টস ক্যাটাগরিতে ৫৬টি দলের মধ্যে বাংলাদেশের দল ফিউশনবোটিক্স গ্রুপ পর্বে ৪র্থ স্থান অর্জন করে। রোবোমিশন ক্যাটাগরির সিনিয়র গ্রুপের ৯৮টি দলের মধ্যে টিম এক্স-ফ্যানাটিক ৭৭ তম, জুনিয়র গ্রুপের ১১৩টি দলের মধ্যে নেক্সোরা ৯৯তম ও এলিমেন্টারি গ্রুপের ৯৮টি দলের মধ্যে ডমিনাস ৯৪তম স্থান অর্জন করেছে।<o:p></o:p></p>
<p>এবারে বাংলাদেশের হয়ে অংশ নেয়া সদস্যরা হলো, ফিউচার ইঞ্জিনিয়ার্স ক্যাটাগরির টিম লেইজিগো (Team LazyGo) এর দলনেতা আবু নাফিস মোহাম্মদ নূর রোহান (ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়), সদস্য রাকিবুল ইসলাম রাকিব (ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ) ও ইকবাল সামিন পৃথুল (বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অফ প্রফেশনালস)। একই ক্যাটাগরির আরেক দল ইকো ড্রিফট (Echo Drift) এর দলনেতা নুরুল ইসলাম (ইউনিভার্সিটি অফ স্কলার্স), সদস্য মোঃ সালেহ সাদিক তানিম (রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়) ও মাজেদুল ইসলাম নাইম (লিডিং ইউনিভার্সিটি)।<o:p></o:p></p>
<p><br>ফিউচার ইনোভেটরস ক্যাটাগরির জুনিয়র গ্রুপে ছিল (সাইবার স্কোয়াড - Cyber Squad) এর কোচ তায়েফ মাহমুদ উদয় (ইউনিভার্সিটি অফ স্কলার্স), দলনেতা আফিয়া হুমায়রা (বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ পাবলিক কলেজ) ও সদস্য হুমায়রা আফিয়া (ব্রিটিশ স্ট্যান্ডার্ড স্কুল)। সিনিয়র গ্রুপে (টিম ইনক্রেভো - Team Increvo) এর দলনেতা নাফিস ইশতিয়াক তৌফিক অন্তু, সদস্য মোঃ আব্দুল্লাহ আল মিজান ও মোঃ সাজ্জাদ আল ফুয়াদ (এরা সকলেই ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ, সৈয়দপুরের শিক্ষার্থী)। একই ক্যাটাগরির সিনিয়র গ্রুপের আরেক দল (সোরাল্যাবস - SORALABS) এর কোচ সুদীপ্ত মন্ডল (রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় - রুয়েট), দলনেতা ফাতিন আল হাবিব নাফিস (মাস্টারমাইন্ড ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল) ও সদস্য ফাতেমা হারুন (হলি ক্রস কলেজ)।<o:p></o:p><o:p> </o:p></p>
<p>রোবোস্পোর্টস ক্যাটাগরি ছিল ফিউশনবোটিক্স (FusionBotics)। এর দলনেতা ছিল মেহতাজ উদ্দিন আহমেদ (বিএএফ শাহীন ইংলিশ মিডিয়াম কলেজ) ও সদস্য মুয়াজ ইবনে বাশার (ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ)।<o:p></o:p></p>
<p>রোবোমিশন ক্যাটাগরির সিনিয়র গ্রুপে (টিম এক্স-ফ্যানাটিক - Team X-Fanatic) এর দলনেতা মাহির তাজওয়ার চৌধুরী (মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজ), সদস্য আমিন আনোয়ার আইমান (ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ) ও মুয়াম্মার দাইয়ান অরিত্র (রাজউকউত্তরা মডেল কলেজ)। জুনিয়র গ্রুপে (নেক্সোরা - Nexora): দলনেতা আফিফা জাফরীন, সদস্য ইশরাত জাহান মীম ও মরিয়ম হোসেন ন্যান্সি (সকলেই রামু ক্যান্টনমেন্ট ইংলিশ স্কুল অ্যান্ড কলেজ এর শিক্ষার্থী)। এলিমেন্টারি গ্রুপে (ডমিনাস - Dominus): দলনেতা রুওয়াইজা আমিরা সুলতান (প্লেপেন) ও ইউসুফ আব্দুল্লাহ বিন আলম (লাইটহাউস ইন্টারন্যাশনাল স্কুল)।<o:p></o:p></p>
<p>গত ২৬ নভেম্বর থেকে ২৮ নভেম্বর সিঙ্গাপুরের মেরিনা বের স্যান্ড এক্সপো-তে রোবটিক্স ও প্রযুক্তির এই বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। </p>
<p class="paragraph" style="margin: 0in; margin-bottom: .0001pt; text-align: justify; vertical-align: baseline;"><span lang="EN">এর আগে গত আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসে বাংলাদেশ দল গঠনের জন্য এই অলিম্পিয়াডের আঞ্চলিক ও জাতীয় পর্ব অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সেখান থেকে নির্বাচিত নয়টি দলের ২৩ জন তরুণ সদস্যকে আন্তর্জাতিক ফাইনালের জন্য প্রায় এক মাস প্রস্তুতি ক্যাম্প করানো হয়। বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্ক (BDOSN) কর্তৃক আয়োজিত ওয়ার্ল্ড রোবট অলিম্পিয়াড-বাংলাদেশ (WROBd) থেকে নির্বাচিত দল ২০২০ সাল থেকে WRO ফাইনালে অংশগ্রহণ করে আসছে। এবছরের পুরো আয়োজনের সহযোগী হিসেবে ছিল ক্রিয়েটিভ আইটি এবং ব্রেইন স্টেশন ২৩।</span></p>
<p class="paragraph" style="margin: 0in; margin-bottom: .0001pt; text-align: justify; vertical-align: baseline;"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong><span lang="EN" style="font-family: Kalpurush; color: black; text-decoration: underline;">ডিবিটেক/এমএম/ইকে</span></strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ইটাব নতুন সভাপতি ইমরানুল, সাধারণ সম্পাদক রাজ</title>
<link>https://digibanglatech.news/159897</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159897</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_6929849f1830b.jpg" length="141795" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 28 Nov 2025 00:18:16 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বিকাশমান অনলাইন পর্যটন শিল্পখাতের সংগঠন ই-ট্যুরিজম অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইটাব)-এর নতুন কার্যনির্বাহী কমিটিতে  মো. ইমরানুল আলম সভাপতি এবং দিন ইসলাম রাজ সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।</p>
<p> এ কমিটি আগামী দুই বছর- ২৫ নভেম্বর ২০২৫ থেকে ২৪ নভেম্বর ২০২৭, সংগঠনের নীতি ও উন্নয়নমুখী কার্যক্রম পরিচালনা করবে।</p>
<p>কমিটির অন্যান্য পদে সহ-সভাপতি বাতেন ও জালাল উদ্দীন আহমেদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাব্বির আনসারী এবং সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন কামরুল হাসান ইমন নির্বাচিত হয়েছেন।</p>
<p>এছাড়া অর্থ সম্পাদক পদে তারেক আজিজ, সহ অর্থ সম্পাদক পদে ইউসুফ রানা, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক পদে মোহাম্মদ রাশিব আহমেদ, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মাহবুব আলম পাপন, সহ প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে নুরুন নাহার মৌ বিজয়ী হয়েছেন। </p>
<p> একইভাবে অফিস সম্পাদক পদে মুশফিকুর রহমান রুম্মান, সহ অফিস সম্পাদক পদে সাব্বির খান, আইন সম্পাদক পদে শফি মুহাম্মদ, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে আরিফুর রহমান রিমন, তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক পদে জিন্নাহ মোহাম্মদ ইশতিয়াক পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক পদে জুবায়ের হাসান,, নারী বিষয়ক সম্পাদক পদে মাহবুবা মঞ্জুর, কার্যনির্বাহী সদস্য পদে মনজুরুল ইসলাম, মাইনুল ইসলাম রাজু, সোয়েব সুমন বিজয়ী হয়েছেন।</p>
<p>রাজধানীর আগারগাঁওয়ের পর্যটন করপোরেশন ভবনে ২৫ নভেম্বর,  মঙ্গলবার উৎসবমুখর পরিবেশে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। বিরতিহীন ভোটগ্রহণে মোট ১১৪ জন ভোটার ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। </p>
<p><strong>ডিবিটেক/ডিএম/ইএইচ</strong></p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>প্রশিক্ষণার্থীদের সংবর্ধনা দিল এটোভা টেকনোলজি</title>
<link>https://digibanglatech.news/159882</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159882</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_69287dfceb4b5.jpg" length="91949" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 27 Nov 2025 16:36:19 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p> ‘ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্রেনিং, ফেয়ারওয়েল অ্যান্ড অ্যাপ্রিসিয়েশন সেরিমনি’-তে শিল্পভিত্তিক প্রশিক্ষণ গ্রহণকারীদের হাতে  সনদপত্র ও সম্মাননা স্মারক তুলে দিয়েছে এটোভা টেকনোলজি। রাজধানীর একটি অভিজাত রেস্টুরেন্টে ২৬ নভেম্বর, বুধবার রাতে সনদ হস্তান্তর করেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি খন্দকার মাহবুব উদ্দিন খোকন। </p>
<p>প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন,“বাস্তবমুখী প্রশিক্ষণ তরুণদের কর্মক্ষমতা ও আত্মবিশ্বাস বাড়ায়। মানবসম্পদ উন্নয়নে এ ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়।”</p>
<p>বিশেষ অতিথি বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেসের (বেসিস) প্রশাসক হাফিজুল্লাহ খান লিটন বলেন,“স্থানীয় সরকার ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার জন্য বাস্তবভিত্তিক প্রশিক্ষণ অত্যাবশ্যক।”</p>
<p>বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ডিইআইইডি প্রকল্পের পরিচালক মনজুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার বলেন,“ ডিইআইইডি প্রকল্পের মূল লক্ষ্য তরুণদের শিল্প–প্রস্তুত দক্ষতা বাড়ানো। এটোভার উদ্যোগ সেই লক্ষ্যকে আরও এগিয়ে নেবে।” </p>
<p><br>অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের সদস্যসচিব রবিউল ইসলাম নয়ন, ফ্লোরা টেলিকমের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোস্তফা কামাল ডিউক, বেসিস সহযোগী কমিটির সদস্য রওশন কামাল জেমসসহ এটোভার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, প্রশিক্ষক ও প্রশিক্ষণার্থীরা।</p>
<p>রবিউল ইসলাম নয়ন বলেন, “শিল্পভিত্তিক প্রশিক্ষণ তরুণদের বাস্তব কর্মপরিবেশে কাজের প্রস্তুতি আরও শক্তিশালী করে।”</p>
<p><br>রওশন কামাল জেমস বলেন, “দক্ষ আইটি জনশক্তি তৈরির প্রতিটি উদ্যোগকে বেসিস স্বাগত জানায়। এটোভার কার্যক্রম প্রশংসনীয়।”<br>অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষণার্থীরা তাদের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন এবং ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার–দিকনির্দেশনা গ্রহণ করেন।</p>
<p><br>এটোভা টেকনোলজির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফেরদৌস আলম সভাপতির বক্তব্যে বলেন, “আমাদের লক্ষ্য শুধু প্রশিক্ষণ নয়, তরুণদের শিল্পখাতের বাস্তব কাজে সম্পূর্ণ প্রস্তুত করে তোলা। সামনে আরও বিস্তৃত আকারে প্রশিক্ষণ ও ক্যারিয়ার সাপোর্ট কার্যক্রম চালানো হবে।”</p>
<p>এটোভা টেকনোলজি জানায়, ভবিষ্যতে শিল্পভিত্তিক প্রশিক্ষণ, পরামর্শদান ও কর্মজীবন সহায়তা আরও সম্প্রসারিত করা হবে।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এসআই/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>কড়াইল বস্তির আগুন নিভলেও ‘হাইটেক পার্ক’ ইস্যুতে জ্বলছে সোশ্যাল মিডিয়া</title>
<link>https://digibanglatech.news/159818</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159818</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_6926d9b56e363.jpg" length="88730" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 26 Nov 2025 15:45:08 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>গুলশান ও বনানীর মাঝামাঝি ৯০ একর জমি নিয়ে গড়ে ওঠে ঢাকার সবচেয়ে বড় বস্তি- কড়াইল বস্তি। ২৫ নভেম্বর, মঙ্গলবার রাতে আগুনে পুড়েছে এই বস্তির দেড় হাজারের মতো ঘর-বাড়ি। সন্ধ্যা থেকে শুরু হয়ে রাত ১০টা ৩৫ মিনিটে ১৯টি ইউনিটের প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার ঘোষণা দেয় দমকল বাহিনী। </p>
<p>রাতে আগুন নিভলেও এই ঘটনায় ‘আগুন’ লাগে সোশ্যাল হ্যান্ডেলে। সেই আগুন ছড়িয়ে দুপুর নাগাদ ‘ভাইরাল’ হয়। অনুসন্ধানে দেখা যায় ফেসবুক’র অ্যালগরিদমে এই আগুনে ‘ঘি’ ঢালেন ব্যবহারকারীরা। মূলতঃ ২০২৪ সালের ৯ নভেম্বর রাজধানীর মতিঝিলে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজে আইসিটি খাতের সংস্কার নিয়ে আয়োজিত এক সেমিনারে অনুষ্ঠিত বৈঠকের একটি বক্তব্য থেকে। </p>
<p>ঠিক এক বছর আগের এই মাসেই গুলশান সোসাইটির ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেসের (বেসিস) সাবেক সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবীরের বক্তব্যকে ঘিরে। গত বছরেরর ৯ নভেম্বরের বক্তব্যকে চলতি বছরের ২৫ নভেম্বর রাত ৯টা ১৪ মিনিটে প্রথম এই বিস্ফোরক হিসেবে উপস্থাপন করেন জুলাই অভ্যূত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধে সংশ্লিষ্টতার দায়ে বিচারচলাকালীন কার্যক্রম নিষিদ্ধ বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রব্বানী। ‘হাইটেক পার্ক নির্মাণের জন্য হাজারো মানুষের জীবন-জীবিকা, বেঁচে থাকার অবলম্বন নিঃশেষ করে দিতে হবে?’ - প্রশ্ন রেখে সোশ্যাল হ্যান্ডেলে ছড়িয়ে দেন বিষবাষ্প। সেই বাষ্পে বুঁদ হয়ে রাত ১০টা ৩১ মিনিটে একে একে দুই মেলাতে গিয়ে কড়াইল বস্তির আগুন নিয়ে ‘কবি নবারুন ভট্টাচার্যের  কবিতা-ইতরের দেশ’ এর মত মনে হচ্ছে- স্ট্যাটাস দেন ডিজিটাল ক্রিয়েটর আরিফুজ্জামান তুহিন।রাত ১১টা ৫১ মিনিটে একটি অনলাইন পোর্টালের শিরোনাম হাইলেট করে ‘কড়াইল বস্তিতে আগু ন লাগার আসল কারণ’ শিরোনামের পোস্ট করে নতুন করে এই স্ফূলিঙ্গ উস্কে দেয়া হয় আল আমিন রহমান নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে।  </p>
<p>সেই আগুন নেভাতে ২৬ নভেম্বর, বুধবার বেলা আড়াইটার দিকে একটি পোস্ট করেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। পোস্টে তিনি সাফ জানিয়ে দেন ‘বর্তমানে কড়াইল বস্তির জায়গায় যে-কোনো ধরনের স্থাপনা নির্মাণের কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই।’</p>
<p>এ নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া প্রোপাগাণ্ডার শিকার সৈয়দ আলমাস কবির বলেছেন, ‘কড়াইলে গতকালের বিভীষিকাময় অগ্নিকাণ্ডের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক বছর পূর্বের আমার একটি বক্তব্যকে প্রসঙ্গের বাইরে নিয়ে ভুলভাবে উপস্থাপন করে বিভ্রান্তি তৈরির প্রচেষ্টা করা হয়েছে। আমি স্পষ্টভাবে জানাতে চাই, কড়াইলের প্রায় ৮০ হাজার বাসিন্দার জীবনমান উন্নয়ন, নিরাপত্তা ও মানবিক সুরক্ষা নিশ্চিত করাই আমার বক্তব্যের মূল লক্ষ্য ছিল। আমার অবস্থান কখনোই এলাকাবাসীর উচ্ছেদ বা স্থানচ্যুতির পক্ষে ছিল না।<br>কড়াইলে একটি হাই-টেক পার্কের সরকারী পূর্বপরিকল্পনা নিয়ে আমি কথা বলেছিলাম, তবে আমি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছিলাম যে, এধরণের যেকোনো পদক্ষেপ নেওয়ার আগে অবশ্যই সেখানে বসবাসকারী সবাইকে আগে পুনর্বাসন করতে হবে। এতে তাদের জন্য স্বাস্থ্যসম্মত জীবনযাপনের পরিবেশও নিশ্চিত হবে।’</p>
<p>তার এই বক্তব্যের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমেদ তৈয়্যবের বক্তব্যও একই। তিনি বলেছেন, ‘গত বছরের শেষের দিকে এই বিশাল প্লটের বনানী কর্নারের যে অংশে কোনো স্লাম নাই, তার ছোট অংশে একটি সফ্‌টওয়্যার পার্ক ভবন নির্মাণের একটি কথা উঠেছিল। এর প্রেক্ষিতে আমরা কয়েকজন মানবাধিকার কর্মীর সাথে আলাপ করি। ওনাদের পরামর্শ মতে কড়াইল বস্তিতে যে-কোনো ধরনের অবকাঠামো নির্মাণের পরিকল্পনা থেকে আইসিটি বিভাগ বিরত থাকে।  </p>
<p>আমরা সুস্পষ্টভাবে জানাতে চাই, বর্তমানে কড়াইল বস্তিতে যে-কোনো ধরনের স্থাপনা নির্মাণের কোনো পরিকল্পনা আমাদের নেই।  বরং আমরা গণপূর্ত এবং রাজউককে আলাদা আলাদা ভাবে চিঠি পাঠিয়েছি যাতে সফ্‌টওয়্যার পার্ক নির্মাণের জন্য ঢাকার আগারগাঁও, পূর্বাচল কিংবা অন্যান্য এলাকায় জমি প্রদান করা হয়। এ জন্য সবুজ পাতা একটি প্রকল্প উঠানো হচ্ছে। গণপূর্ত তাতে সায় দিয়েছে। অর্থাৎ কড়াইল বস্তিতে অবকাঠামো তৈরির কোন পরিকল্পনা আমাদের নেই, চলমান কোন প্রকল্পও নাই, এমনকি সবুজ পাতায়ও কোন প্রস্তাবনা নাই।’ </p>
<p>প্রসঙ্গত, ১৯৯৯ সালে ৯০ একর জমির মধ্যে ৪৭ একর বরাদ্দ করা হয় মিনিস্ট্রি অব সায়েন্স অ্যান্ড ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজির নামে। পরবর্তী সময়ে সেখানে আইটি ভিলেজ স্থাপনের পরিকল্পনা নেয় তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার। সেই পরিকল্পনার অংশ অনুযায়ী ২০১২ সালে সেখানে জরিপও চালানো হয়। তবে সে পরিকল্পনায় বস্তি উচ্ছেদ নয়; ‘কড়াইলের মানুষের স্বপ্ন, নিরাপত্তা, মর্যাদা ও ভবিষ্যৎ অন্য সবার মতোই গুরুত্বপূর্ণ’ বিবেচনায় নিয়েই সেখানে প্রযুক্তির ব্যবহার ও নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে তাগিদ দিয়েছেন গুলশান সোসাইটির ভাইস প্রেসিডেন্ট সৈয়দ আলমাস কবির। <br><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/মুইম/ওআর</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ছোটদের বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশ</title>
<link>https://digibanglatech.news/159799</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159799</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_6925e37061df2.jpg" length="121572" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 25 Nov 2025 13:12:29 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-family: SolaimanLipi; mso-bidi-font-family: SolaimanLipi;">রাশিয়ার সমুদ্রতীরবর্তী শহর সোচিতে অবস্থান করছে দশ সদস্যের বাংলাদেশ দল। কৃষ্ণ সাগরের তীরে অবস্থিত এ শহরে তারা অংশ নিয়েছে ২২তম আন্তর্জাতিক জুনিয়র সায়েন্স অলিম্পিয়াড (IJSO 2025)-এর জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে। বাংলাদেশ ছাড়াও এবারের আয়োজনে বিশ্বের ২৪টি দেশ অংশগ্রহণ করছে। বিশ্বব্যপী অনুর্ধ ১৬ বছর বয়সীদের জন্য বিজ্ঞানের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ন এই প্রতিযোগিতায় ৬ জন শিক্ষার্থী, ৩ জন দলনেতা এবং ১ জন অবজার্ভার দেশের প্রতিনিধিত্ব করছে।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-family: SolaimanLipi; mso-bidi-font-family: SolaimanLipi;">রাশিয়ার রাশিয়ান ফেডারেশনের শিক্ষা মন্ত্রী সের্গেই ক্রাভতসোভ এবং আন্তর্জাতিক জুনিয়র সায়েন্স অলিম্পিয়াডের<span style="mso-spacerun: yes;">  </span>সভাপতি ড. এমিয়েল ডি ক্লাইন এর শুভেচ্ছা বক্তব্য দিয়ে কিশোরদের এই প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করা হয়। এ আয়োজনে আরো উপস্থিত ছিলেন Sirius Federal Territory-এর কাউন্সিল চেয়ারম্যান এবং Talent and Success Educational Foundation-এর প্রধান এলেনা স্মেলেভা।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-family: SolaimanLipi; mso-bidi-font-family: SolaimanLipi;">দীর্ঘ ছয়মাসের প্রস্তুতি ও বাছাই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশের এই দল নির্বাচন করা হয়। দেশের শিক্ষার্থীরা বাংলাদেশ জুনিয়র সায়েন্স অলিম্পিয়াড (BdJSO)-এর স্কুল, আঞ্চলিক এবং জাতীয় স্তরের প্রতিযোগিতা শেষে একাধিক রেসিডেনশিয়াল প্রশিক্ষণ ক্যাম্প ও পরীক্ষার মাধ্যমে দেশের সেরা ৬ জন শিক্ষার্থীর একজন হবার সুযোগ পায়। এই পুরো কর্মযজ্ঞ বাংলাদেশ বিজ্ঞান জনপ্রিয়করণ সমিতি গত এক যুগ ধরে সাফল্যের সাথে পালন করে চলেছে।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-family: SolaimanLipi; mso-bidi-font-family: SolaimanLipi;">উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে দলনেতারা জানিয়েছেন, আমাদের শিক্ষার্থীরা আত্মবিশ্বাসী এবং দেশের লাল-সবুজ পতাকা আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে মর্যাদার সাথে তুলে ধরার জন্য তারা প্রস্তুত। আগামীকাল ব্যাবহারিক (Practical) পরীক্ষার মাধ্যমে শুরু হবে এবারের পরীক্ষামূলক পর্ব, একদিন বিরতি দিয়ে হবে পদার্থ, রসায়ন ও জীববিজ্ঞান তাত্ত্বিক পরীক্ষা। সবশেষে প্রতিযোগিতার শেষ দিনে ঘোষণা করা হবে এবারের ফলাফল।</span></p>
<p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong><span style="font-family: SolaimanLipi; mso-bidi-font-family: SolaimanLipi;">ডিবিআই/আরআই/আরএ/</span></strong></span></em><span style="font-family: SolaimanLipi; mso-bidi-font-family: SolaimanLipi;"></span></p>
<p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>সিআইডির নামে ভুয়া নোটিশ প্রচার, জনগণকে সতর্ক থাকার অনুরোধ</title>
<link>https://digibanglatech.news/159746</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159746</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_69244bdc4590c.jpg" length="85575" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 24 Nov 2025 17:03:57 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবারও শুরু হয়েছে ভুয়া নোটিশের জাল বিস্তার। পুলিশের বিশেষ ইউনিট অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) নামে একটি ভুয়া নোটিশ ছড়িয়ে প্রতারণার চেষ্টা করছে একটি চক্র। চক্রটি সাইবার অপরাধ, পর্নোগ্রাফি, বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনসহ বিভিন্ন অভিযোগ দেখিয়ে সাধারণ মানুষকে ভয় দেখানো ও প্রতারণার ফাঁদে ফেলার চেষ্টা করা হচ্ছে।</p>
<p>২৪ নভেম্বর, সোমবার বিকেলে সংস্থাটির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান এ তথ্য জানিয়েছেন।</p>
<p>তিনি বলেন, সম্প্রতি অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলোতে প্রচারিত এসব নোটিশ সম্পূর্ণ ভুয়া, মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর। এসব নোটিশের মাধ্যমে অপরাধীরা মানুষকে প্রতারিত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। সিআইডির পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, এ ধরনের নোটিশের সঙ্গে সিআইডির কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।</p>
<p>সংস্থাটি জানিয়েছে, ভুয়া নোটিশের উৎস শনাক্তে তদন্ত চলছে। যারা এসব নোটিশ তৈরি ও প্রচারে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে খুব দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।সিআইডি কর্তৃপক্ষ জনগণকে সতর্ক করে বলেছে, কারও পাঠানো সন্দেহজনক নোটিশ, সার্টিফিকেট বা বার্তায় বিভ্রান্ত হবেন না। প্রয়োজন হলে সরাসরি সিআইডির অফিসিয়াল সোর্সে যোগাযোগ করুন।”</p>
<p>জসীম উদ্দিন আরও জানান, এ ধরনের ভুয়া নোটিশ শুধু প্রতারণারই অংশ নয়, ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নেওয়ারও চেষ্টা হতে পারে। তাই অচেনা লিঙ্ক, বার্তা ও অস্বাভাবিক নোটিশ দেখে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।</p>
<p>সাইবার প্রতারণা প্রতিরোধে সচেতনতা বাড়ানো এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিগত উদ্যোগ বাড়ানোর আহ্বানও এসেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/সিআইডি/ইক</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>নানা চক্রে  টেকনোলজিই বাতিলের পর্যায়ে চলে যায়</title>
<link>https://digibanglatech.news/159727</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159727</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_6923d975cb8e6.jpg" length="71366" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 24 Nov 2025 10:05:29 +0600</pubDate>
<dc:creator>মোঃ হাসিবুর রশিদ</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশে সরকারী মালিকানাধীন ব‍্যবসা প্রতিষ্ঠান প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে পারছে না। বিশেষ করে যে সব খাত বেসরকারীকরণ করা হয়েছে সেইসব খাতের সরকারী প্রতিষ্ঠান বেশী ভোগান্তিতে রয়েছে। স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরেও সরকারী মালিকানাধীন অনেক প্রতিষ্ঠান দশকের পর দশক লোকসান করছে। দক্ষতা বৃদ্ধির জন‍্য অনেক প্রতিষ্ঠানকে কোম্পানি আইনের আওতায়‍্য শতভাগ সরকারী মালিকানাধীন কোম্পানিতে রূপান্তর করা হয়েছে। কিন্তু কোম্পানি করার মাধ্যমেও তেমন সুফল পাওয়া যাচ্ছে না। শুধুমাত্র কিছু সরকারী মালিকানাধীন একক সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান লাভজনকভাবে পরিচালিত হচ্ছে। প্রতিযোগিতা না থাকায় সেই সব খাতে বাজারে দক্ষতার অভাব রয়েছে।</p>
<p>কেন সরকারী মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানিগুলো ধারাবাহিকভাবে লোকসান করছে? সরকারী প্রতিষ্ঠানকে কেন লাভজনক করা যাচ্ছে না? সবকিছুর মূলে সরকারের মানসিকতা ও দুর্নীতি বড় সমস‍্যা। এ ছাড়াও অনেক ধরনের পরিচালনা সংক্রান্ত চ‍্যালেঞ্জ রয়েছে। </p>
<p>বড় বড় অবকাঠামো প্রকল্প সরকার পরিচালনা করে এবং বেশ কয়েকটি পণ্য বা সেবায় সরকার ভর্তুকি দিয়ে জনগনের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে ফলে সেইসব প্রতিষ্ঠান কখনোই লাভের মুখ দেখবে না। সেইসব প্রতিষ্ঠান যে পরিমান ভর্তুকি দেয় তা শুধু হিসাবে রাখা হয়। ভর্তুকির কারণে সেইসব প্রতিষ্ঠানের সঠিক পারফরমেন্সও বোঝা যায় না। </p>
<p>কয়েকটি খাতে দেশী বিদেশী বেসরকারী প্রতিষ্ঠান যে পরিমান বিনিয়োগ করেছে সেই তুলনায় সরকারী প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগ খুবই অপ্রতুল। আবার সরকারী প্রতিষ্ঠান নানামুখী আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় প্রকল্প গ্রহন করেও সময়মত বিনিয়োগ করতে পারে না। প্রকল্পে বিনিয়োগ পেলেও তা সরকারের পিপিআর অনুসরন করে ক্রয় প্রক্রিয়ায় যেয়ে এক জটিল দীর্ঘসূত্রিতায় পরে যায়<span style="font-size: 12pt;"><span style="font-size: 10pt;">।</span> <span style="font-size: 14pt;">বিভিন্ন টেন্ডার কমিটি, কেবিনেট পারচেজ কমিটি, টেন্ডার , রি-টেন্ডারের চক্রে পরে সেই টেকনোলজিই বাতিলের পর্যায়ে চলে যায়। আবার ক্রয়ের ক্ষেত্রে পিপিআর ঠিকমত অনুসরন না করলে অডিট আপত্তি বা দুদকের চক্করে পরে যেতে পারে। </span></span></p>
<p>অন‍্যদিকে বেসরকারি খাত খুব দক্ষতার সাথে স্বল্প সময়ে আধুনিক টেকনোলজিতে বিনিয়োগ করে নতুন নতুন পণ‍্য বা সেবা বাজারে নিয়ে এসে দ্রুতই বাজার দখল করে ফেলে। </p>
<p>বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই সরকারী কোম্পানিগুলোর চেয়ারম্যান হয় পদাধিকার বলে সেই মন্ত্রণালয়র সচিব। কিছু কিছু কোম্পানির বোর্ড অব ডিরেক্টরস এ থাকে অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের আমলা, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, সামরিক সংস্থার কর্মকর্তা এবং ব‍্যবসায়িক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। ব‍্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) নিয়োগ দেয়া হয় সেই প্রতিষ্ঠান থেকেই জৈস্ঠতার ভিত্তিতে অথবা মন্ত্রনালয় থেকে যুগ্ম বা অতিরিক্ত সচিব পদমর্যাদার কোন কর্মকর্তাকে। অনেক সময় দেখা যায়, খাত সংশ্লিষ্ট দীর্ঘ ব‍্যবসা পরিচালনার অভিজ্ঞতা সম্পন্ন কেউই সরকারি প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানির উচ্চপদে দায়িত্ব পালন করে না। <span style="font-size: 14pt;">কর্মকর্তা বা কর্মচারীরা সরকারী চাকুরির সুযোগ সুবিধা পায়, মাস শেষে বেতন পায়। এইসব প্রতিষ্ঠানে যোগ‍্যতা বা পারফরম্যান্স ভিত্তিক নিয়োগ, প্রোমোশন বা ছাঁটাইয়ের ব্যবস্থা নাই ।</span></p>
<p>সচিবালয় তথা মন্ত্রী বা সচিবদের নানাবিধ হস্তক্ষেপের কারণে এইসব প্রতিষ্ঠান দক্ষভাবে চালাতে চাইলেও অনেক সময় সংস্থা প্রধানের পক্ষে তা সম্ভব হয় না। সংস্থা প্রধান প্রতিষ্ঠানকে লাভজনক করার চেয়ে উর্ধ্বতনদের ফুট ফরমায়েশ খাটতেই বেশী ব‍্যস্ত। অনেক সময় সরকার এমন সব প্রকল্প গ্রহনের প্রস্তাব করে যা কখনই কোম্পানির জন‍্য লাভজনক হয় না বরং সেইসব প্রকল্প থেকে তৃতীয় পক্ষের লাভ হয়। </p>
<p>পৃথিবীর অনেক দেশেই এক সময় বেশীরভাগ প্রতিষ্ঠানই সরকারী মালিকানাধীন ছিল। আশির দশক বা তারও আগে উন্নত দেশগুলো বেশীরভাগ খাতই বেসরকারীকরণ করে ফেলেছে।  উন্নয়নশীল দেশগুলোও বিশ্বব্যাংকের প্রেসক্রিপশনে কিছু কিছু খাতে  সরকারী সংস্থাগুলোকে প্রথমে সরকারী মালিকানাধীন কোম্পানিতে রূপান্তরিত করেছে। তারপর কিছু শেয়ার ছেড়ে দেশী-বিদেশী প্রাইভেট বিনিয়োগ নিয়েছে বা ম্যানেজমেন্ট পার্টনার নিয়েছে। কোন কোন ক্ষেত্রে দেশের শেয়ার মার্কেটে শেয়ার ছেড়ে পুঁজি সংগ্রহ করেছে। পরবর্তীতে অনেক ক্ষেত্রে বিদেশী কোম্পানি শেয়ার অফলোড করে চলে গেছে। সেই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশেও শতভাগ মালিকানায় অনেক সরকারী কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল কিন্তু অন‍্যান‍্য উন্নয়নশীল দেশের মডেলে তার পরবর্তী কোন ধাপ অনুসরন করা হয়নি। </p>
<p><strong>উদাহরণস্বরূপ বলা যেতে পারে, শ্রীলংকান এয়ার ১৯৯৮ সালে এমিরেটস এয়ারলাইন্সের কাছে আংশিক শেয়ার দিয়ে ম‍্যানেজমেন্ট পার্টনার করেছিল,  কিন্ত ২০০৮ সালে শ্রীলংকা সরকার আবার পুরো শেয়ার কিনে নেয়।  ১৯৯৭ সালে শ্রীলংকা টেলিকমকে সরকার বেসরকারীখাতে ছেড়ে দেয়। তখন সরকার ৪৯.৫% শেয়ার রেখে বাকীটা জাপানের এনটিটি, শেয়ার বাজার এবং কর্মীদের মাঝে ছেড়ে দেয। জাপানের এনটিটি প্রায় ৩৫% শেয়ার কিনে নেয় এবং ব‍্যবস্থাপনায় যুক্ত হয়। ২০০৮ সালে এনটিটি সেই শেয়ার ১০মিলিয়ন ডলার ক‍্যাপিটাল গেইন নিয়ে  মালয়েশিয়ার ম‍্যাক্সিস টেলিকম গ্রুপের কাছে বিক্রি করে দেয়। </strong></p>
<p>সোনারগাঁ প‍্যানপ‍্যাসিফিক হোটেল এবং ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলের অবকাঠামোর মালিকানা বাংলাদেশ সরকারের। বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন হোটেলস ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড এবং বাংলাদেশ সার্ভিসেস লিমিটেড নামের দুটি সরকারি কোম্পানি যথাক্রমে সোনারগাঁ প‍্যানপ‍্যাসিফিক এবং ইন্টারকন্টিনেন্টালের হোটেলের অবকাঠামোর মালিকানায় রয়েছে। রাজস্ব ভাগাভাগির শর্তে হোটেল ম‍্যানেজমেন্ট চুক্তির মাধ‍্যমে প‍্যানপ‍্যাসিফিক গ্রুপ এবং ইন্টারন্যাশনাল হোটেলস গ্রুপ (ইন্টারকন্টিনেনটাল) হোটেল দুটি পরিচালনা করছে। সুতরাং বাংলাদেশেও সরকার ইতোমধ্যেই এ ধরনের ম‍্যানেজমেন্ট চুক্তির মাধ‍্যমে স্থাপনা পরিচালনার উদাহরণ রয়েছে। </p>
<p>সরকারী পাট ও বস্ত্র কলগুলো বছরের পর বছর লোকসান করতো। বার বার হাজার হাজার কোটি টাকা বিএমআরই প্রজেক্ট করেও কোন সুফল আসেনি। অবশেষে অতি সম্প্রতি এইসব কল কারখানা বেসরকারী খাতে লিজ দেয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সরকারী কাগজ উৎপাদন কারখানারও একই অবস্থা।</p>
<p>সরকার যেখানে রাজস্ব আদায় করে সরকারী ব্যয় মেটাতে হিমশিম খাচ্ছে সেখানে জনগণের ট্যাক্সের টাকায় ভর্তুকি দিয়ে বছরের পর বছর ব্যবসা সম্প্রসারণের চেস্টা করা বা ব‍্যবসাতে না থাকাই ভালো।গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো খাত বাদ দিয়ে বাজারে দক্ষতা আনতে হলে অন‍্যান‍্য খাতগুলো বিভিন্ন ফরমেটে (বিনিয়োগ বা ব‍্যবস্থাপনা) বেসরকারিকরন করতে হবে। </p>
<p>তবে পুরোপুরি বেসরকারিকরণের পূর্ব শর্ত হলো সরকারকে  খাত সংশ্লিষ্ট দক্ষ, শক্তিশালী ও স্বাধীন নিয়ন্ত্রক সংস্থা গড়ে তুলতে হবে। এ ছাড়াও সরকারের জাতীয় ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তর ও বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনকে আরও শক্তিশালী করে দেশব্যাপী ছড়িয়ে দিয়ে ব‍্যাপকভাবে কাজে লাগাতে হবে। </p>
<hr>
<p><strong>লেখকঃ</strong> সিইও, ইন্টারক্লাউড লিমিটেড</p>
<hr>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব ছড়িয়ে অপপ্রচার : ফরিদপুর জেলা পুলিশ</title>
<link>https://digibanglatech.news/159732</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159732</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_6923edd59f8a8.jpg" length="67338" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 24 Nov 2025 00:32:30 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><br>প্রকৃত তথ্যকে আড়াল করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব ছড়িয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে শনাক্ত করেছে ফরিদপুর জেলা পুলিশ। ফরিদপুর জেলা পুলিশের বরাত দিয়ে ২৪ নভেম্বর সোমবার এ তথ্য জানিয়েছে পুলিশ সদরদপ্তর।</p>
<p>বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি একটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও ফেসবুক পেজে ‘ফরিদপুরের সদরপুরে মন্দিরের জমি নিয়ে সংঘর্ষ : পালিয়ে যাচ্ছে হিন্দু পরিবার, টহলে পুলিশ’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়। সেখানে দাবি করা হয় রাধা গোবিন্দ মন্দিরের জমি নিয়ে বিরোধের জেরে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে এবং অন্তত পাঁচ শতাধিক হিন্দু পরিবার গ্রাম ছেড়ে যাচ্ছে। জেলা পুলিশের তদন্তে এসব দাবি ভিত্তিহীন, অতিরঞ্জিত এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের অপতৎপরতা হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে।</p>
<p>এতে আরও বলা হয়, হরিনা মৌজার ৫৮৪ নং খতিয়ানভুক্ত ৪১২/৪১৩ দাগে ৪৬ শতাংশ জমির মালিক ছিলেন মহাদেব ঘোষ। প্রায় ৬-৭ মাস আগে তিনি জমিটি স্থানীয় বাবুল বেপারী ও সনাতন ধর্মাবলম্বী সুশান্ত মালোর কাছে দলিলের মাধ্যমে বিক্রি করেন।</p>
<p>জমি বিক্রির বিষয়টি জানার পর মহাদেব ঘোষের প্রতিপক্ষ মানিক ঘোষ দাবি করেন জমিটি সার্বজনীন মন্দিরের সম্পত্তি। এ নিয়ে বিক্রেতা-ক্রেতা ও প্রতিপক্ষ দাবিদারদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। গত ১৬ নভেম্বর ভোরে জমি দখলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও মারামারির ঘটনা ঘটে, যাতে কয়েকজন আহত হন। খবর পেয়ে সদরপুর থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনায় সুশান্ত মালোকে আটক এবং পরে বাবুল বেপারীকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। বর্তমানে এলাকায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।</p>
<p>জেলা পুলিশ জানিয়েছে, ‘হামলার ভয়ে পাঁচ শতাধিক হিন্দু পরিবার গ্রাম ছাড়ছে’ বা ‘এলাকায় চরম নিরাপত্তাহীনতা’ ধরনের প্রচারণা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও গুজব। সরেজমিনে তদন্তে কোনো পরিবার এলাকা ত্যাগ করেছে এমন তথ্য পাওয়া যায়নি। পুরো এলাকা পুলিশের সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রয়েছে।</p>
<p>জেলা পুলিশ আরও জানিয়েছে, এ বিরোধ সম্পূর্ণই জমির মালিকানা নিয়ে, এটি কোনো সাম্প্রদায়িক সংঘাত নয়। উভয় পক্ষেই সনাতন ধর্মাবলম্বী ও মুসলিম সম্প্রদায়ের লোকজন জড়িত আছেন। একটি স্বার্থান্বেষী মহল সাধারণ জমি বিরোধকে ‘সাম্প্রদায়িক হামলা’ হিসেবে প্রচার করে সামাজিক অস্থিরতা সৃষ্টি করতে চাইছে। উসকানিমূলক ও বিভ্রান্তিকর পোস্ট থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়ে জেলা পুলিশ জানিয়েছে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্টে যেকোনো অপতৎপরতার বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।</p>
<p>এ ঘটনায় আতঙ্কিত না হয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশকে সহযোগিতা করার জন্য এলাকাবাসীর প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/পিএইচ/ইক</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ভূমিকম্প! মাটি থমকে নেই, আমাদের প্রস্তুতিই প্রশ্নবিদ্ধ</title>
<link>https://digibanglatech.news/159721</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159721</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_69239b3c367f0.jpg" length="106930" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 23 Nov 2025 05:08:38 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশে সাম্প্রতিক দিনগুলোতে একের পর এক ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে—মাত্র তিন দিনের ব্যবধানে অন্তত পাঁচটি কম্পন। ক্ষয়ক্ষতি বড় না হলেও এই ঘনঘন কম্পন স্বস্তির নয়; বরং আমাদের সামনে এক গভীর বাস্তবতা স্পষ্ট করে দিয়েছে—বাংলাদেশ বড় ধরনের ভূমিকম্পের ঝুঁকির মুখে দাঁড়িয়ে আছে, এবং এই ঝুঁকির বিপরীতে আমাদের প্রস্তুতি মোটেও আশাব্যঞ্জক নয়।</p>
<p>ভারতীয়, ইউরেশীয় ও বার্মা টেকটনিক প্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থানকারী বাংলাদেশ ভূমিকম্পপ্রবণ দেশ। ১৮৯৭ সালের বিধ্বংসী আসাম ভূমিকম্প এবং ১৯৫০ সালের তিব্বত-আসাম ভূকম্পন এই অঞ্চলের ইতিহাসে গুরুতর স্মৃতি হয়ে আছে। তবুও বারবার সতর্কতা সত্ত্বেও আমাদের নগরায়ণ ও অবকাঠামো উন্নয়ন নিরাপত্তার ন্যূনতম মানগুলোকেও ছাড়িয়ে গেছে। বিশেষ করে ঢাকা—বিশ্বের অন্যতম ঘনবসতিপূর্ণ মহানগর—একটি বড় ভূমিকম্পের জন্য বিপজ্জনকভাবে অপ্রস্তুত।</p>
<p>সাম্প্রতিক কম্পনগুলো দেখিয়ে দিয়েছে আমরা কতটা ভঙ্গুর। ভূমিকম্প-সহনশীল নয় এমন ভবন, নজরদারিহীন নির্মাণ, সংকীর্ণ সিঁড়ি, জটলা-ভরা গলি, দুর্বল অবকাঠামো—সব মিলিয়ে লাখো মানুষের জীবন ঝুঁকির মধ্যে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ঢাকার কাছে বা ঢাকার ভেতরে কোনও বড় ভূমিকম্প হলে হাইতির ২০১০ সালের বিপর্যয়ের তুলনায়ও বড় মানবিক ট্র্যাজেডি ঘটতে পারে।</p>
<p>আমি সাংবাদিকতা ও জনসংযোগ—উভয় ক্ষেত্রেই কাজ করতে গিয়ে দেখেছি, ভূমিকম্পের পর অনেক সময় ক্ষয়ক্ষতির চেয়ে বড় সমস্যা তৈরি করে ভুল তথ্য, আতঙ্ক এবং যোগাযোগের ব্যর্থতা। কম্পন হঠাৎ আসে—এটাই তার স্বভাব। কিন্তু বিশৃঙ্খলা তৈরি হয় তথ্য বিভ্রাটের কারণে।</p>
<p>আজ যখন দেশের মানুষ খবরের জন্য টেলিভিশন বা রেডিওর আগে সামাজিক মাধ্যমে ছুটে যায়, তখন ডিজিটাল স্পেসটি আমাদের দুর্বলতার পাশাপাশি বড় সম্ভাবনাও তৈরি করে। সাম্প্রতিক কম্পনগুলোর পর ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপে ছড়িয়ে পড়া গুজব, বিদেশি ভিডিওর পুনঃপ্রচার, এবং ভয় সৃষ্টিকারী ভবিষ্যদ্বাণী পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে।</p>
<p>এই কারণেই জরুরি সময়ে সঠিক বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলোকে পেশাদারভাবে ব্যবহার করা অত্যন্ত জরুরি। সরকারি সংস্থা, বৈজ্ঞানিক প্রতিষ্ঠান এবং গণমাধ্যমকে সমন্বিতভাবে দ্রুত, স্পষ্ট ও নির্ভরযোগ্য বার্তা প্রচার করতে হবে। এসএমএস অ্যালার্ট থেকে শুরু করে লাইভ আপডেট—সবই প্রাতিষ্ঠানিকভাবে প্রস্তুত থাকতে হবে। জাপান, তুরকি ও ইন্দোনেশিয়ার উদাহরণ দেখায় সঠিক সময়ে সঠিক তথ্য অসংখ্য প্রাণ বাঁচায়।</p>
<p>শুধু তথ্য নয়, অবকাঠামোও এখন বড় প্রশ্ন। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, ঢাকার বেশিরভাগ ভবনই ভূমিকম্প-সহনশীল নয়। অনেক ভবন নির্মিত হয়েছে পর্যাপ্ত প্রকৌশল তত্ত্বাবধান ছাড়াই, আবার অনেকগুলো বছর গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে আরও দুর্বল হয়ে পড়েছে। এখনই রেট্রোফিটিং (ভবন শক্তিশালীকরণ) শুরু না করলে বড় বিপর্যয় ঠেকানো সম্ভব হবে না। বিশেষত স্কুল, হাসপাতাল, কারখানা—যেখানে অনেক মানুষ একসঙ্গে থাকে—এসব স্থাপনায় অগ্রাধিকারমূলক ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।</p>
<p>মানুষের আচরণগত প্রস্তুতিও অতি দুর্বল। সাম্প্রতিক কম্পনের সময় অনেকেই দৌড়ে সিঁড়ি বেয়ে নেমেছেন, কেউ লিফট ব্যবহার করেছেন, কেউ আবার ভবনের সামনে বৈদ্যুতিক তারের নিচে দাঁড়িয়েছেন—যে ভুলগুলো একটি ছোট কম্পনকেও প্রাণঘাতী করতে পারে। তাই ভূমিকম্প সচেতনতা শুধু সেমিনার বা বার্ষিক দিবস নয়—এটি হওয়া উচিত নিয়মিত নাগরিক অভ্যাস। অফিস, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, অ্যাপার্টমেন্ট কমপ্লেক্স—সব জায়গায় মহড়া চালু করতে হবে।</p>
<p>বৈজ্ঞানিক সক্ষমতাও বৃদ্ধি করা জরুরি। ভূতত্ত্ব জরিপ অধিদপ্তর, আবহাওয়া অধিদপ্তর, এবং বিশ্ববিদ্যালয়-ভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোকে আধুনিক যন্ত্র, উন্নত ভূকম্পন মানচিত্র এবং ডেটা বিশ্লেষণ সুবিধা দিতে হবে। ভারত-মিয়ানমারের সঙ্গে সার্বক্ষণিক তথ্য বিনিময় ভূমিকম্প পূর্বাভাস ও ঝুঁকি বিশ্লেষণে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে।</p>
<p>ডিজিটাল সচেতনতাকে বিশেষভাবে অগ্রাধিকার দিতে হবে। ১৩ কোটির বেশি ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর দেশে অনলাইন সম্প্রদায় সত্য ও গুজব উভয়ই দ্রুত ছড়িয়ে দিতে পারে। তাই ছোট ভিডিও, ইনফোগ্রাফিক, লাইভ সেশন, আর কমিউনিটি-লেবেলড কনটেন্টের মাধ্যমে স্পষ্ট ও নির্ভুল নির্দেশনা প্রচার করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ—যেমন: “ড্রপ, কভার, হোল্ড”, কম্পন থামার পর কীভাবে ভবন পরীক্ষা করতে হবে, কোথায় নিরাপদ সমাবেশস্থল ইত্যাদি।</p>
<p>ভূমিকম্প অপ্রত্যাশিত, কিন্তু প্রস্তুতি কখনোই অপ্রত্যাশিত হওয়া উচিত নয়। বাংলাদেশ সাইক্লোন প্রস্তুতিতে যেভাবে বৈপ্লবিক উন্নতি করেছে—এবার একই উদ্যমে আমাদের ভূমিকম্প প্রস্তুতিকেও নতুন উচ্চতায় পৌঁছাতে হবে।</p>
<p>সাম্প্রতিক কম্পনগুলো প্রকৃতির সতর্কবার্তা—রোষ নয়। এগুলো আমাদের সুযোগ দিচ্ছে সামনে কীভাবে হাঁটব তা ঠিক করে নেওয়ার। ভূমিকম্প যে কোনো সময় আসতে পারে—কিন্তু আমরা প্রস্তুত কি না, সেটিই আসল প্রশ্ন।</p>
<p>প্রস্তুতি শুধু সরকার, বিজ্ঞানী বা প্রকৌশলীর দায়িত্ব নয়। এটি প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্ব। প্রতিটি অ্যাপার্টমেন্টের পরিবার, প্রতিটি শ্রেণিকক্ষের শিক্ষার্থী, প্রতিটি কারখানার শ্রমিক এবং প্রতিটি হাসপাতালে থাকা রোগীর নিরাপত্তার সঙ্গে জড়িত আমাদের সঠিক সিদ্ধান্ত।</p>
<p>মাটি আবার কাঁপবে—এটাই বাস্তবতা। কিন্তু আমাদের প্রস্তুতি থেমে থাকা চলবে না।</p>
<hr>
<p>লেখক: ডেপুটি ম্যানেজার (পাবলিক রিলেশনস), বেসিস এবং সাবেক স্টাফ রিপোর্টার, দ্য ডেইলি অবজারভার</p>
<hr>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ইনোভেট এক্স হ্যাকাথন ২০২৫ চ্যাম্পিয়ন ডিইউ প্রমিথিউস</title>
<link>https://digibanglatech.news/159687</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159687</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_692230a2b2705.jpg" length="81914" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 22 Nov 2025 23:43:04 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>দেশজুড়ে প্রযুক্তি-বিষয়ক চর্চা ও উদ্ভাবনকে আরও গতিশীল করার উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজিতে (বিইউবিটি) সফলভাবে অনুষ্ঠিত হলো জাতীয় পর্যায়ের উদ্ভাবনী প্রযুক্তি প্রতিযোগিতা ‘ইনোভেট এক্স হ্যাকাথন ২০২৫’। এতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দল ডিইউ প্রমিথিউস। প্রথম রানার্সআপ ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ইউআইইউ অরবিট এবং দ্বিতীয় রানার্সআপ ইনডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটির দল গিটগাড।</p>
<p>প্রোগ্রামিং হিরোর সহযোগিতায় এবং বিইউবিটি আইটি ক্লাব আয়োজিত প্রতিযোগিতাটি অনুষ্ঠিত হয় ২১ নভেম্বর শুক্রবার। এতে  দেশের তরুণ প্রযুক্তিপ্রেমী, উদ্ভাবক এবং ভবিষ্যৎ সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারদের এক বৃহৎ মঞ্চে একত্রিত করেছে।এবারের হ্যাকাথনে দেশের ৬৪টিরও বেশি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৭৩টি দল অংশগ্রহণ করে, যা সাম্প্রতিক সময়ে কোনও একক হ্যাকাথনে অংশগ্রহণকারী দলের মধ্যে অন্যতম বৃহত্তম সংখ্যা। অংশগ্রহণকারীরা টানা ১২ ঘণ্টার অন-সাইট কোডিং চ্যালেঞ্জে বিভিন্ন বাস্তব সমস্যার প্রযুক্তিনির্ভর সমাধান তৈরিতে প্রতিযোগিতা করেন। পুরো ইভেন্টটি ছিল অত্যন্ত প্রতিযোগিতামূলক, যেখানে উদ্ভাবনী চিন্তাভাবনা, সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট দক্ষতা, সমস্যা বিশ্লেষণ ক্ষমতা এবং দলগত সমন্বয় ছিল প্রধান মূল্যায়ন মানদণ্ড।প্রতিযোগিতায় উপস্থাপিত সকল প্রজেক্টই টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজিএস) ভিত্তিক হওয়ায় শিক্ষার্থীরা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে প্রযুক্তির মাধ্যমে কার্যকর সমাধান উপস্থাপনের সুযোগ পেয়েছেন। জলবায়ু পরিবর্তন, স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার উন্নয়ন, শিক্ষায় প্রযুক্তির ব্যবহার, নারীর ক্ষমতায়ন, সাইবার নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন বিষয়ে তরুণরা চমৎকার উদ্ভাবন উপস্থাপন করেন।</p>
<p>কঠোর মূল্যায়ন প্রক্রিয়া শেষে তিনটি শ্রেষ্ঠ দলকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয় এবং মোট ৫০ হাজার টাকা পুরস্কার দেওয়া হয়। চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ ছাড়াও প্রতিযোগিতায় শীর্ষ ১০ এর অপর প্রাগ্রামিং হিরোরা হলেন- নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের দল ডেভলুপ; আহসান উল্লাহ ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি'র দল টেস্ট কেইস টাইটান; বিইউবিটি'র ইসমার্ট বাংলাদেশ, ঢাবি'র ডিইউ ক্যেফেইন; উত্তার বিশ্ববিদ্যালয়ের নাইট আউলস, গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের দল নিউরো ব্লিটজ এবং বুয়টের দল বিবলা টেক্স।    </p>
<p> বিচাররা জানান, অংশগ্রহণকারী দলগুলোর প্রস্তাবিত সমাধানগুলো প্রযুক্তিগতভাবে দক্ষ, বাস্তবসম্মত এবং সৃজনশীলতার চমৎকার উদাহরণ ছিল।</p>
<p>অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিএসই বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিইউবিটি রিসার্চ স্কুলের ডিন ড. মুহাম্মদ আমিনুর রহমান। তারা তাদের বক্তব্যে তরুণ শিক্ষার্থীদের জন্য জাতীয় পর্যায়ে এ ধরনের সুযোগ সৃষ্টির গুরুত্ব তুলে ধরেন।</p>
<p>অতিথিরা বলেন, বাংলাদেশের প্রযুক্তি খাত এগিয়ে নিতে এমন উদ্ভাবনী প্রতিযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। পাশাপাশি তারা শিক্ষার্থীদের গবেষণায় উৎসাহিত করা, নতুন দক্ষতা অর্জন এবং প্রাসঙ্গিক আন্তর্জাতিক মান অর্জনের পরামর্শ প্রদান করেন।</p>
<p>ইভেন্টটিতে বিইউবিটির বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন এবং অংশগ্রহণকারী দলগুলোর পাশে থেকে পরামর্শ প্রদান ও উৎসাহব্যঞ্জক ভূমিকা পালন করেন। আয়োজক কমিটির সদস্যরা জানান, এ ধরনের প্রতিযোগিতা শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করে, প্রযুক্তির বাস্তব প্রয়োগ সম্পর্কে ধারণা দেয় এবং তাদের পেশাগত জীবনের জন্য প্রস্তুত করে।</p>
<p>দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত অংশগ্রহণকারীরা জানান, ‘ইনোভেটএক্স হ্যাকাথন ২০২৫’ ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ অভিজ্ঞতা, যা তাদের নতুন কিছু শেখার, দক্ষতা প্রদর্শনের ও নিজের সক্ষমতা যাচাইয়ের সুযোগ দিয়েছে। তাদের মতে, এ ধরনের প্রতিযোগিতা দেশে প্রযুক্তিনির্ভর উদ্ভাবন চর্চাকে আরও গতিশীল করবে।</p>
<p>ইনোভেটএক্স হ্যাকাথন ২০২৫ প্রমাণ করেছে যে প্রযুক্তি এবং উদ্ভাবনের মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মই বাংলাদেশকে একটি স্মার্ট, কারিগরি-সমৃদ্ধ ও উন্নত ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে নেবে।<br><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এফবি/ইক</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ডিজিটাল প্রমাণ নিজের অস্তিত্ব প্রমাণ করে; এদের বিকৃতি করা যায় নাঃ জোহা</title>
<link>https://digibanglatech.news/159663</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159663</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_6920bb06a05c5.jpg" length="38241" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 22 Nov 2025 01:20:05 +0600</pubDate>
<dc:creator>এস এম ইমদাদুল হক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span style="font-size: 12pt;">জুলাই অভ্যুত্থান সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের প্রথম রায়ে পলাতক ও ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী ও আওমীলীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা ও তার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান কামালের ফাঁসির রায়ে গুরুত্বপূর্ণ আলামত হিসেবে বিবেচিত হয়েছে ডিজিটাল প্রমাণ। ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার করে আন্দোলনকারীদের দমনে প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহারের নির্দেশনা দেয়া, সাভার এবং যাত্রাবাড়ীর হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দণ্ডিতদের সংশ্লিষ্টতা; বিশেষ করে সাভারে যে ছয়টা লাশ পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে, সেই ভিডিও আলামত আদালতে শাস্তি ঘোষণায় প্রামাণ্য দলিল হিসেবে উপস্থাপিত হয়েছে। ভুক্তভোগীরা শেখ হাসিনাকে সরাসরি গুলি করতে না দেখলেও তার নির্দেশনাতেই যে তাদের উপর গুলি করা হয়েছে; সেসব ডিজিটাল নথি আলামত আদালতের সামনে প্রমাণ করেছেন মামলার তদন্ত কর্তৃপক্ষ। শেখ হাসিনার নির্দেশের প্রমাণ হিসাবে সাবেক মন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, সাবেক মেয়র ফজলে নূর তাপস ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তখনকার উপাচার্য অধ্যাপক মাকসুদ কামালের সঙ্গে কথোপকথনের অডিও রেকর্ড আদালতে আলামত হিসেবে জমা দেয়া হয়। এছাড়াও প্রাণঘাতী অস্ত্র থেকে গুলি করার হিসাব ও এর ফলে হতাহত সম্পর্কে একজন সাবেক সেনা কর্মকর্তা তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীকে এসএমএস করে জানিয়েছেন। সেই আলামতও আদালতে দেওয়া হয়েছে। আর সেইসব আলামতের মধ্যে ফোনালাপ, ছবি ও ভিডিও ফুটেজের মতো ডিজিটাল ডেটা বা ফুটপ্রিন্ট সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর ও বিশেষ অনুসন্ধান কর্মকর্তা তানভীর হাসান জোহা। কিন্তু অপরাধীরা পালানোর আগেই সব আলামত ধ্বংস বা মুছে ফেলেছিলেন। তাহলে কিভাবে সেসব আলামত উদ্ধার করলেন? দোষ প্রামাণে সক্ষম হলেন? এমন নানা প্রশ্নের ডিজিবাংলাটেক ডট নিউজ নির্বাহী সম্পাদকের মুখোমুখি হন তানভীর হাসান জোহা। বিস্তারিত পড়ুন সাক্ষাৎকারে। </span></p>
<p><br><strong>প্রশ্নঃ </strong><em>আপনি যেহেতু ব্যস্ত। তাই কোনো ভূমিকা ছাড়াই জানতে চাই- জুলাই অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের কী কী এবং কী পরিমাণ ডিজিটাল আলামত জব্দ করেছেন?</em><br><strong>জোহাঃ</strong> মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আমরা মূলত কয়েকটি ক্যাটাগরিতে ডিজিটাল আলামত জব্দ করতে পেরেছি, যেমনঃ- মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ, হার্ডডিস্ক, পেনড্রাইভ, মেমোরি কার্ড; সিসিটিভি ও ডিভিআর ফুটেজ, আইপি ক্যামেরার রেকর্ড; কল ডাটা রেকর্ড (CDR), এসএমএস/লোকেশন ডাম্প, বিটিএস/টাওয়ার ডাটা;     ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, টেলিগ্রাম, ইমেইল ইত্যাদির চ্যাট ও মিডিয়া কনটেন্ট;  নিউজ পোর্টাল, ইউটিউব, লাইভস্ট্রিমের ভিডিও আর্কাইভ এবং জিপিএস লগ, ড্রোন ফুটেজ থাকলে সেগুলো। </p>
<p>পরিমাণের দিক থেকে বললে, সুনির্দিষ্ট সংখ্যা বলা কঠিন, তবে মোট ডেটার ভলিউম একাধিক টেরাবাইট, আর রেকর্ডের সংখ্যা দশ হাজরের বেশি ইন্ডিভিজুয়াল আইটেম (কল, মেসেজ, ছবি, ভিডিও ইত্যাদি)– এমন স্কেলে কাজ করতে হয়েছে। সেফটি ও কোর্টের সীমাবদ্ধতার কারণে এখানে আমি কেবল আনুমানিক স্কেল উল্লেখ করছি, নির্দিষ্ট সংখ্যা না।</p>
<p><strong>প্রশ্নঃ </strong> <em>ফরেনসিক কিভাবে ও কোথায় করেছেন? </em><br><strong>জোহাঃ</strong> ডিজিটাল ফরেনসিক আমরা কয়েকটা স্তরে করেছি। এর মধ্যে রয়েছে- ইমিডিয়েট সিজার ও ইমেজিং, ন্যাশনাল ফরেনসিক ল্যাবে অ্যানালাইসিস এবং OSINT ও ডাটা-কোরিলেশন।  ইমিডিয়েট সিজার ও ইমেজিং এর ক্ষেত্রে ডিভাইস জব্দের সময় ফরেনসিক রাইট-ব্লকার ব্যবহার করে বিট-টু-বিট ইমেজ নেওয়া এবং প্রতিটি ডিভাইস ও ডাম্পের জন্য ইউনিক হ্যাশ (MD5/SHA-256) জেনারেট করে রেকর্ড রাখা হয়েছে। ন্যাশনাল ফরেনসিক ল্যাবে অ্যানালাইসিস এর ক্ষেত্রে সরকার অনুমোদিত ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাবগুলোতে (CID Bd Police) এবং মোবাইল ফরেনসিক টুল (যেমন UFED টাইপ), ডিস্ক ফরেনসিক টুলস, লগ অ্যানালাইসিস, নেটওয়ার্ক ফরেনসিক ইত্যাদি ব্যবহার করা হয়েছ। সর্বোপরি OSINT ও ডাটা-কোরিলেশন করতে ওপেন সোর্স সোশ্যাল মিডিয়া, নিউজ আর্টিকেল, ভিডিও আর্কাইভ সংগ্রহ করে CDR, লোকেশন ও সাক্ষ্যপ্রমাণের সাথে ক্রস-ম্যাচ করা হয়েছে। </p>
<p><strong>প্রশ্নঃ</strong> <em>প্রশ্ন উঠতে পারে এসব আলামত পরে তৈরি করা নয় তো? </em><br><strong>জোহাঃ</strong> ডিজিটাল তথ্য-উপাত্ত যেকোনো দেশে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার হয়। এই মামলায় যেসব আলামত জমা দেওয়া হয়েছে, সেসব সাক্ষীদের মাধ্যমে অকাট্য হিসাবে প্রমাণ করা যায়। হ্যা, ঠিকই বলেছেন- প্রশ্ন উঠতে পারে এসব আলামত পরে তৈরি করা নয় তো? তবে  তদন্ত কর্তৃপক্ষ সেই প্রশ্ন তোলার সুযোগ রাখেনি। সকল তথ্যউপাত্ত আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বজায় রেখে উন্নত মানের সফটওয়্যার দিয়ে পরীক্ষা করা হয়েছে। ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা সেটা বিশ্লেষণ করে মতামত দিয়েছেন। এছাড়া রাজসাক্ষীও বেশিরভাগ তথ্যউপাত্তকে সঠিক বলে সাক্ষ্য দিয়েছেন। তাই তদন্ত কর্মকর্তা হিসাবে এসব আলামত অপরাধ প্রমাণের জন্য যথেষ্ট ছিলো।</p>
<p><strong>প্রশ্নঃ</strong> <em>এই কাজে কতজন মিলে করেছেন? </em><br>জোহাঃ জনবল এর প্রকৃত সংখ্যা না বলে গঠনটা বলছি। এই কাজে ডিজিটাল ফরেনসিক এক্সপার্ট, সাইবার তদন্তকারী (ইনভেস্টিগেশন অফিসার), ডাটা অ্যানালিস্ট / টাইমলাইন অ্যানালিস্ট, OSINT রিসার্চার এবং    লিগ্যাল টিম (প্রসিকিউটর ও রিসার্চার)। এই টিম মিলেই কাজ করেছে। বড় মামলায় টিম সাইজ সাধারণত ডজনের কোটায় চলে যায়, সরাসরি ও ইনডাইরেক্ট সাপোর্ট মিলিয়ে।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x_6920bb04d444d.jpg" alt=""></p>
<p><strong>প্রশ্নঃ</strong> <em>ফরেনসিক কি এখনও চলমান?</em><br>জোহাঃ হ্যাঁ, এ ধরনের মামলায় চার্জ সাবমিট করার পরও নতুন তথ্য, ডিভাইস বা ক্লাউড ডাটা পাওয়া গেলে ফরেনসিক এনালাইসিস চলমান থাকে। কোর্টের অনুমতি ও আইনি কাঠামোর ভেতরে থেকেই পরবর্তী ধাপে সাপ্লিমেন্টারি রিপোর্ট দেওয়া হয়।</p>
<p><strong>প্রশ্নঃ </strong><em>আগে থেকে ধ্বংস/পুড়িয়ে ফেলা বস্তু থেকে আলামত সংগ্রহে কী ধরনের চ্যালেঞ্জ এসেছে?</em><br>জোহাঃ এখানেই সবচেয়ে বড় বাস্তব চ্যালেঞ্জগুলো আসে। অনেক ডকুমেন্ট, ডিভাইস, সিসিটিভি/ডিভিআর ইচ্ছাকৃতভাবে পুড়িয়ে বা ভেঙে ফেলা হয়েছে। স্টোরেজ মিডিয়ার চিপ গলে গেছে, কনেক্টর নষ্ট, বোর্ড পুড়ে গেছে – সরাসরি রিড করা যায় না। সিসিটিভি ও নেটওয়ার্ক ডিভাইসে ওভাররাইট হয়ে গেছে পুরনো ফুটেজ। <br>এই অবস্থায় আমরা চিপ-অফ / JTAG / অ্যাডভান্সড রিকভারি টেকনিক ব্যবহার করে আংশিক ডাটা রিকভারি চেষ্টা করি। লোকেশনভিত্তিক টাওয়ার ডাম্প ও CDR থেকে ইভেন্ট টাইমলাইন রিকনস্ট্রাক্ট করি। এছাড়াওধ্বংস হওয়া ডকুমেন্টের ক্ষেত্রে ছাই, আংশিক কাগজ, ছবি বা ভিডিও থেকে ইন্ডিকেশন নিয়ে রিকনস্ট্রাকশন করেছি। পাশাপাশি মানুষের সাক্ষ্য, ভিডিও, অডিও, ছবি আর CDR– সব একসাথে মিলিয়ে কনসিসটেন্ট ন্যারেটিভ তৈরি করেছি। <br>এক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিলো- প্রমাণ আংশিক বা ভাঙা অবস্থায় থেকেও কোর্টে গ্রহণযোগ্য স্ট্যান্ডার্ড বজায় রাখা। অনেক সময় আমাদের স্পষ্টভাবে বলতে হয়েছে: “এই অংশটা হারিয়ে গেছে, কিন্তু বাকিদের কনসিসটেন্সি থেকে এই ইনফারেন্স দাঁড়াচ্ছে।”</p>
<p><strong>প্রশ্নঃ </strong><em>কিন্তু সাবেক সরকারের অনেক নেতারা এসবকে তো এআই দিয়ে তৈরি বলে দাবি করেছে? </em><br><strong>উত্তরঃ</strong> এগুলো জেনুইন। আর কেউ প্রমাণ করতে চাইলে সহজেই করতে পারবে। সেটার জন্য ডিজিটাল ব্যবস্থা রয়েছে। বিবিসি ও আল জাজিরার বিখ্যাত আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম প্রতিবেদন করার সময় এসব তথ্যউপাত্ত পরীক্ষার জন্য ইয়ার শটস এবং টেক গ্লোবালের সহায়তা নিয়েছে। তারা নিশ্চিত করেছে কল রেকর্ডগুলো আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স দিয়ে তৈরি না। সাবেক প্রধানমন্ত্রীর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে দাবি করেছেন, প্রধানমন্ত্রীর কণ্ঠস্বরটি ২০১৬ সালে হলি আর্টিজান জঙ্গি মামলার সময়ের নির্দেশ। কিন্তু তিনি ফেসবুক থেকে কথাটা ডিলিট করে দেন। এতেও বোঝা যায়, সজীব ওয়াজেদ জয় শেষ পর্যন্ত এই কণ্ঠস্বর জুলাই-আগস্টের আন্দোলন চলাকালীন বলে মেনে নিয়েছেন। আমি মনে করি, বিশ্বের যেকোনো আদালতে যদি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জমা দেওয়া আলামতগুলো ক্রসচেক করা হয়, আমি নিশ্চিত ফলাফল একই রকম হবে।</p>
<p><strong>প্রশ্নঃ</strong><em> আদালতে পেশ করা চার্জে দাখিলকৃত অভিযোগের প্রমাণ বা যৌক্তিকতা কীভাবে বিশ্লেষণ করেছেন?</em><br><strong>জোহাঃ</strong>  এখানে আমাদের কাজ ছিল মূলত টাইমলাইন বিল্ড করা, রোল এবং কমান্ড রেসপনসিবিলিটি বোঝা এবং কনসিসটেন্সি টেস্ট করা। <br>টাইমলাইন বিল্ড করতে গিয়ে কোন তারিখে, কোন এলাকায়, কোন টাওয়ারে, কার কোন নম্বর ছিল;  সেই সময়ের ছবি/ভিডিও/লাইভস্ট্রিম/সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টের সঙ্গে ম্যাচ করা এবং সাক্ষীর বয়ান, মেডিক্যাল/পোস্টমর্টেম রিপোর্ট, ম্যাজিস্ট্রেট কনফেশন – সব একসাথে রেখে ক্রোনোলজি তৈরি করেছি। এরপরের ধাপে রোল এবং কমান্ড রেসপনসিবিলিটি মিলিয়েছি। এক্ষেত্রে কে সরাসরি অংশ নিয়েছে, কে সংগঠক, কে নির্দেশদাতা – এগুলো কল প্যাটার্ন, মিটিং রেকর্ড, চ্যাট-লগ থেকে বের করা হয়েছে। একই নাম, নম্বর, লোকেশন বারবার একই ধরনের ঘটনার সঙ্গে লিঙ্ক হচ্ছে কিনা দেখা হয়েছে। কনসিসটেন্সি টেস্ট করতে একজন সাক্ষী যা বলছেন, সেটা CDR/লোকেশন/ফুটেজের সাথে মিলে কিনা;  ভিকটিম, প্রত্যক্ষদর্শী, মিডিয়া রিপোর্ট আর ডিজিটাল ডাটা – এই চারটি সোর্সের অন্তত তিনটাতে মিল আছে কিনা তা যাচাই করা হয়েছে।  এই বিশ্লেষণের ভিত্তিতে অভিযোগগুলোকে “beyond reasonable doubt” স্ট্যান্ডার্ডে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। </p>
<p><strong>প্রশ্নঃ </strong><em>এআই/ডিজিটাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ঝুঁকি থাকলেও কীভাবে ডিজিটাল তথ্যকে দোষ প্রমাণে যথেষ্ট হিসেবে দেখিয়েছেন?</em><br><strong>জোহাঃ</strong>  এটা এখনকার যুগের সবচেয়ে কমন প্রশ্ন, আর ঠিক এই জায়গাটাই আমরা কোর্টে ব্যাখ্যা করেছি। সেখানে আমরা অথেনটিসিটি ভেরিফিকেশন, ফাইলের হ্যাশ, মেটাডেটা, ক্রিয়েশন/মডিফিকেশন টাইম, ডিভাইস আইডি যাচাই প্রতিবেদন, যে সোর্স থেকে ফাইল এসেছে (ফেসবুক/ইমেইল/ডিভাইস), সেটার অফিসিয়াল লগ মিলিয়ে দেখানো; ম্যানিপুলেশন চেক; ইমেজ/ভিডিওতে এডিটিং ট্রেস, ইনকনসিসটেন্ট শ্যাডো, পিক্সেল লেভেল আর্টিফ্যাক্ট, অডিও স্পেকট্রাল অ্যানালাইসিস উপস্থাপন করেছি।  প্রয়োজনে বিশেষায়িত ল্যাব বা থার্ড-পার্টি এক্সপার্ট অপিনিয়ন; ডিপফেক/এআই কনটেন্টের রিস্ক ম্যানেজমেন্ট তুলে ধরেছি। শুধুমাত্র একটা ক্লিপ বা একটা ছবি দিয়ে কাউকে দোষী বানানো হয়নি। কই ঘটনা প্রমাণে CDR, লোকেশন, প্রত্যক্ষদর্শী, অন্য ভিডিও, অডিও, ফিজিক্যাল এভিডেন্স – সব একসাথে রাখা হয়েছে। কোর্টকে স্পষ্টভাবে বলেছি- “ডিজিটাল প্রমাণ একা নয়, বরং অন্য স্বাধীন প্রমাণের সঙ্গে মিলেই ওজন তৈরি করছে।” মানে, আমরা ডিজিটাল প্রমাণকে “অলৌকিক কিছু” বানাইনি; বরং সাপোর্টিং এবং কখনও কখনও কোর প্রমাণ হিসেবে, কড়া যাচাইয়ের পর ব্যবহার করেছি।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x_6920bbb22c09e.jpg" alt=""></p>
<p><strong>প্রশ্নঃ </strong> <em>ড্রোন থেকে কোনও মারণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে কিনা? </em><br><strong>জোহাঃ </strong>এখানে আমি কেস-স্পেসিফিক দাবি করতে পারি না, কারণ এগুলো সংবেদনশীল এবং কোর্ট-সাবজুডিস। নীতিগতভাবে যা বলা যায়:- ড্রোন ফুটেজ বা ড্রোন থেকে অস্ত্র ব্যবহার হয়েছে কিনা দেখতে হলে আমাদের প্রয়োজন ছিলো ড্রোন রিকভারি বা কন্ট্রোল লগ, ভিডিও/টেলিমেট্রি ডাটা, প্রত্যক্ষদর্শী ও ফিজিক্যাল ড্যামেজের ফরেনসিক মিল। কেননা শুধু সোশ্যাল মিডিয়ার গুজব বা এডিটেড ভিডিও দিয়ে কোর্টে “ড্রোন অস্ত্র” প্রতিষ্ঠা করা যায় না।</p>
<p><strong>প্রশ্নঃ </strong><em>অভিযোগ আছে, এনটিএমসি আড়ি পেতে দমন করেছে। তার কোনও প্রমাণ মিলেছে কি?</em><br><strong>জোহাঃ</strong> এনটিএমসি বা অন্য কোনো সংস্থা “আড়ি পেয়ে দমন করেছে” – এই জাতীয় অভিযোগ প্রমাণ করতে গেলে আইনগত অনুমোদিত ইন্টারসেপশন লগ, অর্ডার কপি, সিস্টেম লেভেল লগ, আর কনসিসটেন্ট প্যাটার্ন দরকার। সাধারণ নীতিগত পজিশন হচ্ছে- আমরা কেবলমাত্র ডকুমেন্টেড, ভেরিফায়েবল প্রমাণের ভিত্তিতেই কিছু বলি; অনুমান বা রাজনৈতিক বক্তব্যের জায়গায় যাই না।</p>
<p><strong>প্রশ্নঃ</strong> <em>প্রথম রায়ে ডিজিটাল প্রমাণ বিচার কাজকে কতটা সহযোগিতা করেছে?</em><br>জোহাঃ ডিজিটাল প্রমাণ আসলে কোর্টকে তিনভাবে হেল্প করেছে। ক.  টাইমলাইন পরিষ্কার করেছে – কে কোথায় ছিল, কোন সময় ফোনে, কখন কথা হয়েছে, কখন ভিডিও বানানো হয়েছে – এগুলো কোর্টকে একটা ক্লিয়ার ন্যারেটিভ দিয়েছে। খ.    মিথ্যা অ্যালিবি ভেঙেছে – কেউ যদি দাবি করে “আমি তো ঘটনাস্থলে ছিলাম না”, CDR/লোকেশন/ভিডিও অনেক ক্ষেত্রে উল্টাটা দেখিয়েছে। গ.    কমান্ড চেইন বোঝা গেছে – শুধু মাঠের লোক না, কার নির্দেশে, কোন গ্রুপের প্ল্যানিংয়ে কাজ হয়েছে, সে ট্রেস ডিজিটাল ট্রেইল থেকে পাওয়া গেছে। এ কারণে কোর্ট ডিজিটাল প্রমাণকে গুরুত্ব দিয়েছে, তবে সবসময় অন্যান্য সাক্ষ্যপ্রমাণের সাথে মিলিয়ে।</p>
<p><strong>প্রশ্নঃ</strong> <em>আন্তর্জাতিক মানের জন্য কী কী উদ্যোগ নিয়েছেন?</em><br><strong>জোহাঃ</strong> আন্তর্জাতিক স্ট্যান্ডার্ডের সঙ্গে মিল রেখে কয়েকটা জিনিসকে গুরুত্ব দিয়েছি। Chain of Custody ডকুমেন্টেশন;  কে কখন কোন ডিভাইস জব্দ করেছে, কোথায় রেখেছে, কখন ল্যাবে গেছে, কবে রিপোর্ট বেরিয়েছে – সব লিখিতভাবে, সাইনসহ রেকর্ড; ISO/IEC 27037, 27041 টাইপ গাইডলাইন অনুসরণ;  ল্যাব ও টিমের ক্যাপাসিটি বিল্ডিং;  প্রশিক্ষণ, ওয়ার্কশপ, আন্তর্জাতিক এক্সপার্টদের সাথে জ্ঞান-বিনিময়;  টুলের লাইসেন্সড ব্যবহার এবং ওপেন সোর্স ও কমার্শিয়াল টুল দুটোই ব্যালেন্স করে ব্যবহার;  ডকুমেন্টেশন ও রিপোর্টিং স্টাইল; ফরেনসিক রিপোর্ট এমনভাবে করা, যাতে বিদেশি কোর্ট বা ট্রাইব্যুনালের এক্সপার্টও পড়লে বোঝে কী টেকনিক ব্যবহার হয়েছে। উপরন্তু এনেক্সার, লগ, স্ক্রিনশট, হ্যাশ ভ্যালু – সবকিছু পরিপাটি করে যুক্ত করা;  ট্রান্সপারেন্সি ও এক্সপার্ট ক্রস-এক্সামিনেশনের জন্য প্রস্তুতি;  কোর্টে দাঁড়িয়ে কোন টুল কেন ব্যবহার করেছি, তার লিমিটেশন কী, সেইগুলোও স্বীকার করার মানসিকতা রাখা এবং যাতে ডিজিটাল প্রমাণ শুধু “ব্ল্যাক বক্স” না থাকে, বরং কোর্টের কাছে টেকনিক্যালি এক্সপ্লেইনড থাকে তার পুরো বন্দবোস্ত নিয়েই হাজির হয়েছিলাম। </p>
<p><strong>প্রশ্নঃ</strong> <em>নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে জুলাই অভ্যুত্থান সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িতদের ডিজিটাল আলামত হাজির করেছেন। এই আলামত রায়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। এরমাধ্যমে দেশের আইনি পেশার ইতিহাসের অংশও হয়েছেন। কীভাবে সম্ভব হলো?</em></p>
<p><strong>জোহাঃ </strong>যে কাজটা হয়েছে, সেটা একদিনে হয়নি। জুলাই অভ্যুত্থানের পরপরই একটা জিনিস পরিষ্কার ছিল ডিজিটাল আলামত ছাড়া সত্যকে আদালতের সামনে দাঁড় করানো সম্ভব না। আর এই ধরনের তদন্তে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে সময়, সত্যতা যাচাই এবং চেইন অব কাস্টডি। আমি প্রথম দিন থেকেই দুটো জিনিস ধরে রেখেছি:  প্রথমতঃ তথ্যকে তথ্য হিসেবেই দেখা। কে বলল, কোথায় বলল, সামাজিক চাপ কিছুই বিবেচনায় নেই। একটা ভিডিও, একটা অডিও, একটা লোকেশন লোগ সবকিছুর উৎস, মেটাডাটা, টাইমস্ট্যাম্প, ট্রান্সমিশন পাথ সব যাচাই করেছি ফরেনসিক স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী।</p>
<p>দ্বিতীয়তঃ প্রক্রিয়াকে বিজ্ঞানের উপর দাঁড় করানো।  NTMC, টেলিকম অপারেটর, বিভিন্ন সংস্থার সিস্টেম লগ, CDR/IPDR, স্যাটেলাইট ভিজ্যুয়াল, ডিভাইস-লেভেল ট্রেস সবকিছু একটা সুসংগঠিত চেইনে নিয়ে এসেছি। যেটা নাই সেটা বানাইনি, যেটা পাইনি সেটা রায়ে চাপিয়ে দিতে চাইনি। আদালতকে এমন প্রমাণই দিয়েছি যেটা বৈজ্ঞানিকভাবে পুনরাবৃত্তিযোগ্য।  এটা সম্ভব হয়েছে কারণ আমি পুরো প্রক্রিয়াটাকে “কাজের চাপ” হিসেবে না দেখে জাতীয় দায়িত্ব হিসেবে নিয়েছি। রাতে তদন্ত, সকালে আদালত, আর মাঝখানে সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয়—এই তিনটা ট্র্যাক একসাথে চালিয়েছি। দলও ছিল, কিন্তু নেতৃত্ব দিতে হয়েছে সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দিয়ে।</p>
<p>সবশেষে, একটা কথা পরিষ্কার—ডিজিটাল প্রমাণ নিজের অস্তিত্ব প্রমাণ করে। এদের বিকৃতি করা যায় না, ভয় দেখিয়ে দমন করা যায় না। এগুলোই শেষে আদালতে সত্যের পাশে দাঁড়ায়। আমি শুধু সেই সেতুটা তৈরি করেছি—ঘটনার বাস্তবতা আর আদালতের চোখের সামনে থাকা আলামতের মধ্যে। যদি রায়ে এগুলোর অবদান গুরুত্বপূর্ণ হয়ে থাকে, তাহলে সেটা বিজ্ঞানের প্রতি আস্থা, প্রক্রিয়ার প্রতি সততা এবং দেশকে সত্যটা দেখানোর দায়িত্ববোধ থেকেই এসেছে।</p>
<p><strong>প্রশ্নঃ</strong> <em>কাজের ব্যস্ততার ফাঁকে সময় দেয়ার জন্য আপনার প্রতি কৃতজ্ঞতা- </em><br><strong>জোহাঃ</strong> আপনাকেও অশেষ ধন্যবাদ। অনেক খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে আপনি যে প্রশ্ন করেছেন, আশা করি তার সব ঠিক ঠাক জবাব আপনি পেয়েছেন। </p>
<hr>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>২১ নভেম্বর রাশিয়ায় যাচ্ছে আইজেএসও ২০২৫ এর বাংলাদেশ দল</title>
<link>https://digibanglatech.news/159648</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159648</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_69206ecca1dd6.jpg" length="95677" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 21 Nov 2025 00:53:42 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>আগামী ২৩ নভেম্বর থেকে ২ ডিসেম্বর রাশিয়ার সোচিতে অনুষ্ঠিত হবে ২২তম আন্তর্জাতিক জুনিয়র সায়েন্স অলিম্পিয়াড (আইজেএসও ২০২৫)। অনূর্ধ্ব–১৬ বছর বয়সীদের মেধার এ লড়াইয়ে বিশ্বের  ৩০টি দেশের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করবে।  বিজ্ঞান-মেধার এ বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করতে আগামী ২১ নভেম্বর রাশিয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেবে বাংলাদেশ দল। </p>
<p>একাদশ বাংলাদেশ জুনিয়র সায়েন্স অলিম্পিয়াডের মাধ্যমে সারাদেশ থেকে বাছাইকৃত সেরা ছয়জন শিক্ষার্থী নিয়ে গঠিত বাংলাদেশ দলের সদস্যরা হলেন- সেন্ট যোসেফ হায়ার সেকেন্ডারি স্কুলের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী আবরার জাহিন পাঠান, আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী বিহান পাল, চট্টগ্রাম ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক কলেজের আহনাফ আহমেদ সিনান, গলগথা ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী এইচ এম আজিজুর রহমান আলিফ, ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী নাশওয়ান হক মাহির এবং যশোর পুলিশ লাইন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী রুফ্ফা নূর জারিয়াহ।</p>
<p>এই বাংলাদেশ দলের প্রধান দলপতি হিসেবে আছেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. ফারসীম মান্নান মোহাম্মদী। সহকারী দলনেতা হিসেবে আছেন বাংলাদেশ জুনিয়র সায়েন্স অলিম্পিয়াডের কো-অর্ডিনেটর মো. রেজাউল ইসলাম  ও  একাডেমিক কো-অর্ডিনেটর মোর্শেদা আক্তার মীম। পর্যবেক্ষক হিসেবে যাচ্ছেন মুহাম্মাদ জাকারিয়া পাঠান।</p>
<p>প্রসঙ্গত, ২৩ নভেম্বর উদ্বোধনী পর্বের মাধ্যমে শুরু হবে ২২তম আন্তর্জাতিক জুনিয়র সায়েন্স অলিম্পিয়াড ২০২৫।</p>
<p>বাংলাদেশ দলের সদস্যদের সবার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতে রাজধানীর সোনারগাঁও প্যান প্যাসিফিক হোটেলে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়  ২০ নভেম্বর বৃহস্পতিবার। এতে উপস্থিত ছিলেন আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট জালাল আহমেদ, বাংলাদেশ ফ্রিডম ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক সাজ্জাদুর রহমান চৌধুরী ও বাংলাদেশ বিজ্ঞান জনপ্রিয়করণ সমিতির সভাপতি মুনির হাসান ও সাধারন সম্পাদক অধ্যাপক ড. ফারসীম মান্নান মোহাম্মদী। সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ দলের সদস্যদেরকে সবার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন বাংলাদেশ বিজ্ঞান জনপ্রিয়করণ সমিতির সভাপতি মুনির হাসান। তিনি বলেন, বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা এবার বেশ ভালো প্রস্তুতি নিয়েছে। নিজেদের উদ্ভাবনী ভাবনা ও সমস্যা সমাধানের দক্ষতাকে তারা আরও শক্তিশালী করবে এমন আন্তর্জাতিক আয়োজনে অংশ নিয়ে। বিডিজেএসও এর আরেক আয়োজক বাংলাদেশ ফ্রিডম ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক সাজ্জাদুর রহমান চৌধুরী বাংলাদেশ দলের জন্য শুভ কামনা জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশ দল বিশ্বের অন্য সব দেশের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে লড়বে। বাংলাদেশ দল বুদ্ধির লড়াইতে অবতীর্ণ হতে যাচ্ছে। আমাদের আশা তারা এবারও ভাল ফলাফল নিয়ে আসবে।</p>
<p>আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট জালাল আহমেদ বলেন, বাংলাদেশ এই পর্যন্ত আইজেএসও তে অনেকগুলো পদক অর্জন করেছে। এই পদকগুলোর সাথে পৃষ্ঠপোষক হিসেবে আমরা থাকতে পেরে আমরা গর্বিত। এবছরও শিক্ষার্থীরা কয়েকমাস ধরে পরিশ্রম করছে। এরা আমাদের ১৮ কোটি মানুষের প্রতিনিধি। আশা করি, এবারও আমরা গর্বিত হবার সুযোগ পাবো। বাংলাদেশ আইজেএসও দলের দলপতি অধ্যাপক ড. ফারসীম মান্নান মোহাম্মদী অভিভাবকদের সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা জানান। আইজেএসও বাংলাদেশ দলের সদস্য রুফ্ফা নূর জারিয়াহ বলে, “প্রতিটি চেষ্টা সুন্দর ফল আনে এবং নতুন কিছু শেখায়—এই বিশ্বাস থেকে আমরা মন দিয়ে ক্যাম্পের এক্সপেরিমেন্ট ও থিওরি ক্লাস করেছি এবং শেখার চেষ্টা করেছি। এখন সেই শেখা বিশ্বমঞ্চে কাজে লাগানোর চেষ্টা করবো।”</p>
<p>প্রসঙ্গত, প্রতি বছরের মত এবারও আল আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের পৃষ্ঠপোষকতায় বাংলাদেশ দল নির্বাচন করে যৌথভাবে বাংলাদেশ বিজ্ঞান জনপ্রিয়করণ সমিতি এবং বাংলাদেশ ফ্রিডম ফাউন্ডেশন। প্লাটিনাম স্পন্সর হিসেবে ছিল আইইউবিএটি। সহযোগী হিসেবে রয়েছে ম্যাসল্যাব ও রকমারি।<br><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/মিম/ইক</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষ কর্মশক্তি তৈরিতে ১১৭৫ প্রশিক্ষণার্থীকে সনদ প্রদান</title>
<link>https://digibanglatech.news/159633</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159633</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_691f474c19a83.jpg" length="98735" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 20 Nov 2025 20:52:49 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>পোশাক শিল্পের প্রযুক্তিগত পরিবর্তন ও শিল্পের চাহিদা অনুযায়ী বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে স্নাতক সম্পন্ন ১১৭৫ জন প্রশিক্ষণার্থীকে দেয়া হলো প্রযুক্তিনির্ভর উচ্চতর প্রশিক্ষণ। বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) এবং সরকারের স্কিলস ফর ইন্ডাস্ট্রি কমপিটিটিভনেস অ্যান্ড ইনোভেশন প্রোগ্রামের (এসআইসিআইপি) যৌথ উদ্যোগ এই প্রশিক্ষণ দেয়া হয়।  </p>
<p>বিশেষায়িত দক্ষতার প্রশিক্ষণ শেষে ২০ নভেম্বর, বৃহস্পতিবার রাজধানীর বিজিএমইএ কমপ্লেক্সের নুরুল কাদের অডিটরিয়ামে প্রশিক্ষণ সম্পন্নকারীদের হাতে দুইটি শেসনে সার্টিফিকেট তুলে দেন বিজিএমইএ সভাপতি এবং এসআইসিআইপি–বিজিএমইএ প্রকল্পের চেয়ারপারসন মাহমুদ হাসান খান এবং বিজিএমইএ সিনিয়র সহসভাপতি ইনামুল হক খান। </p>
<p>অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিজিএমইএ সহ সভাপতি মো. শিহাব উদ্দোজা চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিচালক রুমানা রশীদ। কি-নোট উপস্থাপন করেন পরিচালক মজুমদার আরিফুর রহমান।</p>
<p>এ ছাড়া অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন বিজিএমইএ পরিচালক নাফিস-উদ-দৌলা, পরিচালক কাজী মিজানুর রহমান এবং বিভিন্ন স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যানরা। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন এসআইসি আইপি বিজিএমইএ প্রকল্পের চিফ কো-অর্ডিনেটর মুনীর চৌধুরী।</p>
<p>অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রকল্পের সফল নেতৃত্বের স্বীকৃতি হিসেবে বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খানকে সম্মাননা দিয়েছেন প্রকল্প কমিটির তিন সদস্য- সহ-সভাপতি মো. শিহাব উদ্দোজা চৌধুরী, পরিচালক মজুমদার আরিফুর রহমান এবং পরিচালক রুমানা রশীদ।</p>
<p>প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় নানা কারণে উৎপাদন ব্যয় বাড়লেও পণ্যের মূল্য স্থিতিশীল থাকায় বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে দক্ষতা উন্নয়ন অত্যন্ত জরুরি হয়ে উঠেছে। </p>
<p>তিনি বলেন, পোশাকশিল্প এখন মৌলিক উৎপাদন থেকে সরে এসে ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইঞ্জিনিয়ারিং, পোশাক ডিজাইন সফটওয়্যার, থ্রিডি ডিজাইন, কম্পিউটার এডেড ম্যানুফ্যাকচারিং এবং ডিজিটাল প্রিন্টিংসহ উন্নত প্রযুক্তিনির্ভর টুল ব্যবহারে গুরুত্ব দিচ্ছে। এসব ক্ষেত্রে যুক্ত হয়ে শিল্পের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।</p>
<p>তিনি আরও বলেন, ‘প্রশিক্ষণ সম্পন্নকারীরা শিল্পের ভবিষ্যৎ কারিগর; তারা স্মার্ট বাংলাদেশ ২০৪১ নির্মাণে ডিজিটাল রূপান্তরের চেঞ্জমেকার হিসেবে ভূমিকা রাখবে।’</p>
<p>মুল প্রবন্ধ উপস্থাপনায় পরিচালক মজুমদার আরিফুর রহমান জানান, এসআইসিআইপি, অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ ও বিজিএমইএ মিলে ২০২৪ সাল থেকে ১০ হাজার জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার লক্ষ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে। বর্তমানে ২০টি ট্রেনিং সেন্টারে ১২টি কোর্স পরিচালিত হচ্ছে।</p>
<p>প্রসঙ্গত, এসআইসিআইপি হলো সরকারের একটি অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত কর্মসূচি, যা এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) আর্থিক ও প্রযুক্তিগত সহায়তায় শিল্পখাতের দক্ষতা, প্রতিযোগিতা সক্ষমতা ও উদ্ভাবন বৃদ্ধিতে কাজ করছে। তৈরি পোশাক খাতের ক্ষেত্রে প্রকল্পটির মূল বাস্তবায়ন অংশীদার হচ্ছে বিজিএমইএ।<br><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিজিবাংলাটেক/ডিপি/ইক</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বিটিআরসি&#45;তে আগুন নয়; ফায়ার ড্রিল</title>
<link>https://digibanglatech.news/159614</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159614</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_691ecb7b21a68.jpg" length="103588" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 20 Nov 2025 14:01:22 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা- ‌'বিটিআরসি তে আগুন' বলে সোশ্যাল হ্যান্ডেলে যে ফটোকার্ড ছড়িয়েছে সেটি আসলে ফায়ার ড্রিলের চিত্র। মোহাম্মদপুর দমকল বাহিনীর একটি ইউনিট বিটিআরসি'র কর্মকর্তা কর্মচারীদের এই প্রশিক্ষণটি দিয়েছে।  </p>
<p>দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শেষ দিন ২০ নভেম্বর দুপুরে হাতেকলমে আগুন লাগলে করণীয় বিষয়ে প্রশিক্ষণের অংশ হিসেবে কৃত্রিম আগুন ও ধোঁয়া সৃষ্টি করে এই ড্রিল পরিচালনা করা হয়। </p>
<p>ফলে বিষয়টি নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই বলে নিশ্চিত করেছেন বিটিআরসি'র গণমাধ্যম মুখপাত্র মোঃ জাকির হোসাইন। তিনি জানান, প্রাক্টিক্যাল ক্লাসের অংশ হিসেবে ১টার দিকে ২০ মিনিট ধরে এই প্রশিক্ষণ চলে।  <br>ডিবিটেক/ইক  </p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বুয়েটের ৭ বিভাগে শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ</title>
<link>https://digibanglatech.news/159579</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159579</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_691dcb8020167.jpg" length="101985" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 19 Nov 2025 10:50:39 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) সাতটি বিভাগে শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। এসব বিভাগের অধ্যাপক, সহযোগী ও সহকারী অধ্যাপক এবং লেকচারার নিয়োগ দেওয়া হবে। এসব পদে আবেদনপত্র জমাদানের শেষ তারিখ আগামী ১০ ডিসেম্বর।</p>
<p>আবেদন সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য ওয়েবসাইট এবং রেজিস্ট্রার অফিসের সংশ্লিষ্ট শাখা থেকে জেনে নিতে বলা হয়েছে। নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের নিম্নবর্ণিত শূন্য পদসমূহ পূরণের নিমিত্তে যোগ্যতাসম্পন্ন বাংলাদেশি নাগরিকদের নিকট হতে বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত ফরমে আবেদনপত্র আহবান করা যাচ্ছে: সব পদের বিস্তারিত তথ্যের জন্য বুয়েট <strong><a href="https://digibanglatech.news/admin/regoffice.buet.ac.bd" target="_blank" rel="noopener">ওয়েবসাইট</a></strong>- Vacancy-এর Job circular page-এ Search করতে হবে। রেজিস্ট্রার অফিসের সংশ্লিষ্ট শাখায়ও সরাসরি যোগাযোগ করা যেতে পারে।</p>
<p><strong>১. স্থাপত্য বিভাগ</strong><br>অধ্যাপক-এর ১টি স্থায়ী পদ। বেতন স্কেল ৮: ৫৬৫০০-৭৪৪০০ টাকা। </p>
<div class="text-center inarticle_ad" id="div-gpt-ad-1701837251378-0" data-google-query-id="CKLptYqs_pADFdOoZgIdiOUdeA">
<div id="google_ads_iframe_/21854276714/DAIT_0__container__"></div>
</div>
<p><strong>২. পানি সম্পদ কৌশল বিভাগ</strong><br>(ক) অধ্যাপক-এর ১টি স্থায়ী পদ। বেতন স্কেল: ৫৬৫০০-৭৪৪০০ টাকা। <br>(খ) সহকারী অধ্যাপক-এর ২টি স্থায়ী পদ। বেতন স্কেল ৮ : ৩৫৫০০-৬৭০১০ টাকা। </p>
<p><strong>৩. পুরকৌশল বিভাগ</strong><br>(ক) সহযোগী অধ্যাপক-এর ১টি স্থায়ী পদ। বেতন স্কেল: ৫০০০০-৭১২০০ টাকা। <br>(খ) সহকারী অধ্যাপক-এর ১টি স্থায়ী পদ। বেতন স্কেল: ৩৫৫০০-৬৭০১০ টাকা। </p>
<p><strong>৪. রসায়ন বিভাগ</strong><br>(ক) সহযোগী অধ্যাপক-এর ১টি স্থায়ী পদ। বেতন স্কেল: ৫০০০০-৭১২০০ টাকা।<br>(খ) সহকারী অধ্যাপক-এর ১টি স্থায়ী পদ। বেতন স্কেল: ৩৫৫০০-৬৭,০১০ টাকা।<br>(গ) লেকচারার-এর ১টি অস্থায়ী পদ। বেতন স্কেল: ২২০০০-৫৩০৬০ টাকা।</p>
<p><strong>৫. গণিত বিভাগ</strong><br>(ক) সহকারী অধ্যাপক-এর ২টি পদ। ১টি স্থায়ী এবং সহযোগী অধ্যাপক পদের বিপরীতে ১টি অস্থায়ী পদ। বেতন স্কেল: ৩৫৫০০-৬৭০১০ টাকা। (খ) লেকচারার-এর ২টি অস্থায়ী পদ। বেতন স্কেল: ২২০০০-৫৩০৬০ টাকা।</p>
<p><strong>৬. আই.আই.সি.টি</strong><br>লেকচারার-এর ১টি অস্থায়ী পদ। বেতন স্কেল: ২২০০০-৫৩০৬০ টাকা।</p>
<p><strong>৭. মানবিক বিভাগ</strong><br>লেকচারার (ইংরেজি)-এর ১টি অস্থায়ী পদ। বেতন স্কেল: ২২০০০-৫৩০৬০ টাকা।</p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>কী সংস্কার হলো, কী সংস্কার বাকি</title>
<link>https://digibanglatech.news/159542</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159542</guid>
<description><![CDATA[ &lt;h2 class=&quot;DShoulder&quot;&gt;&lt;span style=&quot;color: rgb(22, 145, 121); font-size: 12pt;&quot;&gt;তথ্যপ্রযুক্তি খাতের সংস্কারনামা&lt;/span&gt;&lt;/h2&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_691c56ded6932.jpg" length="74778" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 18 Nov 2025 17:22:45 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>আগস্ট ২০২৪-পরবর্তী সময়ে সবচেয়ে বেশি যে শব্দটি ব্যবহার হয়েছে সেটি হচ্ছে ‘সংস্কার’। এই সরকারের ঘোষিত তিনটি মূল লক্ষ্যের (বিচার, সংস্কার ও নির্বাচন) একটি হচ্ছে সংস্কার। এই সংস্কার শুধু কি সংবিধানের মতো সিরিয়াস বিষয়ের সংস্কার? না; নাগরিক সেবা, আইন ব্যবস্থা, পুলিশ, ব্যবসা-বাণিজ্যসহ সব বিষয়েই প্রয়োজনীয় ও জরুরি সংস্কার আনতে অন্তর্বর্তী সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই ব্যাপারে নাগরিকদের প্রত্যাশাও অনেক বেশি। কেননা, গত ১৫ বছর জবাবদিহির অভাবে অনেক প্রতিষ্ঠান এমন পর্যায়ে ধ্বংস হয়ে গেছে যে সংস্কার না করলে বর্তমান বা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আমরা কার্যকর রাষ্ট্র, সমাজ বা অর্থনীতি কোনোটাই নিশ্চিত করতে পারব না। <br>তথ্যপ্রযুক্তি খাত শুধু এখন একটি ব্যবসায়িক খাত হিসেবেই সীমাবদ্ধ না। এটি এখন সব কিছুতেই জড়িয়ে আছে। নানা ধরনের নাগরিক সেবা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, ব্যবসা পরিচালনা, কর ব্যবস্থা, ব্যাংকিং সেবা–এমন কোনো ক্ষেত্র নেই যেখানে তথ্যপ্রযুক্তি এখন ব্যবহার হচ্ছে না। </p>
<p><br>আমরা যারা এই খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট তারা গত বেশ কিছু বছর ধরে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় বাধা হিসেবে চিহ্নিত করে এসেছি ডিজিটাল ডিভাইডকে। শহরের উচ্চবিত্ত ও মধ্যবিত্তরা যেভাবে তথ্যপ্রযুক্তি সেবা ব্যবহার করে উপকার পাচ্ছে, গ্রামের সাধারণ মানুষ সেটি পাচ্ছে না। কারণ, কানেকটিভিটির অভাব। সারাদেশে ব্রডব্যান্ড পৌঁছানো যায়নি হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করা হলেও। মোবাইল ডেটার খরচ একদিকে যেমন অনেক বেশি, অন্যদিকে অনেক জায়গায় স্পিড পাওয়া যায় না। এই সমস্যার সবচেয়ে বড় কারণ সবার জানা। বিগত সরকার তাদের ঘনিষ্ঠ লোকজনকে সহজে টাকা বানানোর সুযোগ করে দেওয়ার জন্য বিটিআরসির মাধ্যমে বিভিন্ন স্তরের লাইসেন্স দিয়েছে; যার কোনো প্রয়োজন ছিল না। দুটো বড় কোম্পানিকে সারাদেশে ফাইবার অপটিক নেটওয়ার্ক করার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। সবাইকে বাধ্য করা হয়েছিল তাদের সার্ভিস নেওয়ার জন্য। এতে প্রতিযোগিতা নষ্ট হয়েছে, আর অতিরিক্ত খরচের বোঝা পড়েছে সাধারণ গ্রাহকের ওপর। এই লাইসেন্স ব্যবস্থার সংস্কার একটি বড় দাবি ছিল আমাদের। একটু সময় লাগলেও এই বছরের সেপ্টেম্বর মাসে সরকার নতুন ‘টেলিকমিউনিকেশন নেওয়ার্কিং ও লাইসেন্সিং পলিসি ২০২৫’ প্রণয়ন করে। এটির ফলে বেশ কিছু কৃত্রিম লেয়ার আগামীতে বিলুপ্ত হবে বা কমে যাবে। প্রতিযোগিতা বাড়বে; যার উপকার পাবে সাধারণ গ্রাহক। ইন্টারনেটের দামও কমে আসার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে এই নতুন লাইসেন্সিং পলিসির জন্য। এই পলিসি ছাড়াও বেশ কিছু সংস্কার উদ্যোগ বিটিআরসি ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় নিয়েছে; যার প্রভাব পড়তে শুরু করেছে ইন্টারনেটের দামে। তবে ব্রডব্যান্ডের দাম কিছু কমলেও মোবাইল ডেটার দাম এখনও তেমন কমে নাই। মোবাইল ডেটার দাম না কমলে প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষের কাছে প্রযুক্তিভিত্তিক শিক্ষা, কৃষি বা স্বাস্থ্যসেবা নেওয়া যাবে না, বিশেষ করে এআই এসব ক্ষেত্রে যে নতুন সুযোগ তৈরি করছে সেগুলো থেকে আমাদের জনগণের বড় একটা অংশ বঞ্চিত থাকবে। স্টারলিংক বাংলাদেশে কাজ শুরু করা অন্তর্বর্তী সরকারের একটি বড় কৃতিত্ব। যদিও এর খরচ এখনও সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে। তবে আশা করা যায়, অনেক গ্রামে-গঞ্জে (যেখানে এখনও ব্রডব্যান্ড পৌঁছায় নাই) ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা (যেমন কেবল টিভির উদ্যোক্তা) স্টারলিংক ব্যবহার করে কম খরচে বাড়িতে বাড়িতে ব্রডব্যান্ড সার্ভিস দেওয়া শুরু করবে আগামী দিনগুলোতে।</p>
<p>এতো গেলো কানেকটিভিটি নিয়ে সংস্কারের কথা। ব্যাপক মানুষের মধ্যে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার বাড়ানোর আরও একটি বড় অন্তরায় আমাদের দেশের ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার (ডিপিআই)-এর অভাব। আমাদের পার্শবর্তী দেশ ভারত ও পাকিস্তান এই ব্যাপারে অনেক এগিয়ে গেছে। ডিপিআইর সবচেয়ে বড় ভিত্তি হচ্ছে ডিজিটাল জাতীয় আই-ডি (এনআইডি)। ভারতে আধার কার্ড জেনোন ডিজিটাল সার্ভিস নেওয়ার (অনলাইন ভেরিফিকেশন) জন্য ব্যবহার হয়। মজার ব্যাপার হচ্ছে, আমাদের দেশে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) চালু হয়েছিল ভারতেরও আগে ২০০৭ সালে। নাগরিক সেবার জন্য এর কিছু ব্যবহার সীমিত পর্যায়ে হচ্ছে। সিম, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বা এমএফএস অ্যাকাউন্ট করতে অনলাইন এনআইডি ভেরিফিকেশন সার্ভিস ব্যবহার হচ্ছে। এর ব্যাপক ব্যবহার এখনও হচ্ছে না। এর একটা বড় কারণ বিগত সরকারের সময় একটি প্রাইভেট কোম্পানি দ্বারা পরিচালিত ‘পরিচয়’ নামের একটি প্রজেক্ট দিয়ে এই এনআইডি ভেরিফিকেশন সার্ভিস কুক্ষিগত করে রাখার প্রচেষ্টা নেওয়া হয়েছিল। বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পরে ‘পরিচয়’ প্রজেক্ট বন্ধ করে দেওয়া হয় দুর্নীতি ও ডেটা পাচারের অভিযোগে। এর বিকল্প হিসেবে কোনো সার্ভিস তৈরির কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। এ ব্যাপারে একটি বড় সমস্যা হচ্ছে, এনআইডি ডেটাবেজ এখনও ম্যানেজ করে নির্বাচন কমিশন। </p>
<p>নির্বাচন কমিশনের কোনো কারিগরি ও কৌশলগত ভিশন নেই এনআইডিকে কীভাবে অন্য দেশের মতো নাগরিক সেবার কেন্দ্রবিন্দু করা যায়। এ ছাড়াও ১৮ বছরের নিচের নাগরিকদের কোনো তথ্য বর্তমান এনআইডি ডেটাবেসে নেই–এ কারণে অনেক ক্ষেত্রেই বিভিন্ন নাগরিক সেবার জন্য এখনও জন্মসনদ বা অন্যান্য ডকুমেন্ট চাওয়া হয়। যতদিন পর্যন্ত আমরা এনআইডির ব্যবহার সর্বোত্তম করতে পারব না, ততদিন নাগরিক সেবাকে সহজ করা সম্ভব হবে না। এর জন্য প্রয়োজন ছিল একটি ‘জাতীয় এনআইডি অথরিটি’ স্থাপন করা। এটি একটি বড় সংস্কারের দাবি ছিল সরকারের কাছে; যার কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয় নাই। </p>
<p><br>তবে আইসিটি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে কয়েকটি ভালো আইনগত সংস্কার করে হয়েছে গত ৬ মাসে। একটি হচ্ছে ‘সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫’। অতীতের বিতর্কিত ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট বাতিল করে এটি প্রণয়ন করা হয়েছে। এক্ষেত্রে নাগরিকদের মৌলিক অধিকার সুরক্ষার বেশ কিছু ভালো পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এছাড়াও ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে নতুন যে অপরাধগুলো বেড়ে যাচ্ছে (অনলাইন জুয়া, সাইবার বুলিং, হ্যাকিং ইত্যাদি) সেই অপরাধগুলোকে ভালোভাবে সংজ্ঞায়িত করে কঠোর শাস্তি ও জরিমানার ব্যবস্থা করে হয়েছে। তবে কোনোভাবেই অভিযুক্তরা যাতে হয়রানির শিকার না হয় (যাতে জামিন পেতে পারে) সেই সুরক্ষাও রাখা হয়েছে। </p>
<p>আরও একটি যুগান্তরকারী আইনের খসড়া অক্টোবর মাসে অনুমোদন হয়েছে। এটি হচ্ছে ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা অধ্যাদেশ-২০২৫ (পিডিপিও)। এই আইনটি পাস হলে নাগরিকের ব্যক্তিগত ডেটার (আইডেনটিটি, ট্রান্সেকশন ইত্যাদি) মালিকানা নাগরিক নিজে পাবে। এর মাধ্যমে সে ডেটার বাণিজ্যিক ব্যবহার ও শেয়ার করার পথ উন্মুক্ত হবে। এই আইন পাস হলে বিভিন্ন ধরনের নতুন সেবা আমাদের আইটি কোম্পানিগুলো (ফিনটেক, ডিজিটাল ল্যান্ডিং, ডিজিটাল ইন্স্যুরেন্স, ই-হেলথ, ই-লার্নিং ইত্যাদি) গ্রাহকদের জন্য তৈরি করে ব্যবসা করতে পারবে। </p>
<p>নাগরিকদের মধ্যে তথ্যপ্রযুক্তি সেবা ও তার ব্যবহার বাড়ানোর জন্য ওপরে উল্লিখিত সংস্কারগুলো করলেই যে সব পাল্টে যাবে, তা না। সবচেয়ে বড় প্রয়োজন সরকারি পর্যায়ে নীতিনির্ধারকদের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন। গত ১০-১৫ বছর আমরা দেখেছি ডিজিটাইজেশনের নাম শত শত কোটি টাকা খরচ হয়েছে। এর বেশির ভাগ টাকা অপচয় হয়েছে দামি কম্পিউটার, ল্যাব ও সার্ভার কেনার জন্য। বড় সংস্কার দরকার ডিজিটাইজেশন এবং সরকারি ব্যয় ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে। বর্তমানে সারা বিশ্বে ক্লাউডভিত্তিক স্যাস (সফটওয়্যার অ্যাজ আ সার্ভিস) মডেল জনপ্রিয় হচ্ছে। এক্ষেত্রে ক্রেতা প্রতিষ্ঠানের অনেক টাকা ব্যয় করে সার্ভার, কম্পিউটার বা সফটওয়্যার কেনার দরকার নেই। ইউজার সংখ্যা ও ব্যবহারভিত্তিক সার্ভিস ফি এটির ব্যবসায়িক মডেল। এতে অপচয় বন্ধ হয়, এককালীন খরচ কমে আসে এবং স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত হয়। পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপের এই মডেল দিয়ে আগামীতে সরকারি পর্যায়ে নাগরিক সেবার ডিজিটাইজেশন উদ্যোগ নেওয়া একটি বড় প্রয়োজনীয় সংস্কার উদ্যোগ হবে আগামীতে নির্বাচিত নতুন সরকারের জন্য। </p>
<hr>
<p><strong>লেখকঃ</strong> প্রযুক্তিবিদ ও প্রাবন্ধিক</p>
<hr>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে দেয়া ১০০১ শিক্ষকের বিবৃতি নিয়ে অনেক শিক্ষকেরই বিস্ময় প্রকাশ</title>
<link>https://digibanglatech.news/159527</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159527</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_691be56dacad5.jpg" length="68475" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 18 Nov 2025 00:18:45 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p dir="ltr"><span>জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংগঠিত মানবতাবিরোধী অপরাধ নির্দেশদাতার ভূমিকার জন্য ১৭ নভেম্বর বিকালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক জনরোষে পদচ্যুত ও পলাতক বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ড রায়  ঘোষণার কিছুক্ষণ পর এর কিছুক্ষণ পর <a rel="noopener noreferrer nofollow" class="tiptap-link" href="https://archive.ph/7HVEe">কয়েকটি </a><a rel="noopener noreferrer nofollow" class="tiptap-link" href="https://archive.ph/9IEl2">ওয়েবাসইটে </a></span><span> </span><span>খবর প্রকাশিত হয়, “শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে রায়ের প্রতিবাদ জানিয়েছেন ১০০১ জন শিক্ষক"। ‘বাংলাদেশ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রগতিশীল শিক্ষকবৃন্দ’ নাম ব্যবহার করে বিবৃতিটি মিডিয়ায় পাঠানো হয়।</span></p>
<p dir="ltr"><span>রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মাহবুব আলম প্ৰদীপ স্বাক্ষরিত এই বিবৃতিতে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০০১ জন স্বাক্ষর করেছেন বলে উল্লেখ করা হলেও মোট ৬৫৯ জন শিক্ষকের নাম যুক্ত করা হয়েছে। তবে তালিকায় নিজেদের নাম দেখে অনেকই বিস্ময় প্রকাশ করেছে। </span></p>
<p dir="ltr"><span>রাতেই ফেসবুকে নিজেদের প্রোফাইলে পোস্ট করে এই বিবৃতির সাথে তাদের সম্পর্ক নেই বলেও জানিয়েছেন বেশ কয়েকজন শিক্ষক। </span></p>
<p dir="ltr"><span>এদেরমধ্যে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষক ফজলুল হালিম তার ফেসবুক আইডিতে লিখেছেন, ''জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় আমার কর্মস্থল। আমি আমার কর্মস্থলে কোন প্রকার শিক্ষক রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত নই। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশিত বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকদের একটি বিবৃতি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। যেখানে আমার নাম ব্যবহার করা হয়েছে। তবে আমি স্পষ্টভাবে জানাচ্ছি যে আমার কোনো অনুমতি বা সম্মতি ছাড়াই এই বিবৃতিতে আমার নাম ব্যবহার করা হয়েছে। বিবৃতিটির বিষয়ে আমাকে অবহিতও করা হয়নি। কাজেই উক্ত বিবৃতিতে আমার নাম অন্তর্ভুক্তকরণ সম্পূর্ণ অননুমোদিত। এ বিষয়ে আমার শুভাকাঙ্ক্ষী ও শুভানুধ্যায়ীদের বিভ্রান্ত না হতে অনুরোধ জানাচ্ছি।''</span></p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x_691be56f8aadb.jpg" alt=""></p>
<p dir="ltr"><span>চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক আনোয়ার সাইদ লিখেছেন, ''কয়েকটি অনলাইন পত্রিকা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শিক্ষকদের নামের তালিকা সম্বলিত একটি বিবৃতি ভাইরাল হয়েছে। এই বিবৃতিতে আমার কোন সম্পৃক্ততা নেই। ষড়যন্ত্রমূলকভাবে এই তালিকায় আমার নাম সংযুক্ত করায় প্রতিবাদ জানাচ্ছি।''</span></p>
<p dir="ltr"><span>ইতহাস বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ারুল ইসলাম তার ফেসবুক আইডিতে লিখেন, ''অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি যে আজকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালের রায় সংক্রান্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের নাম সংবলিত বিবৃতিতে ষড়যন্ত্র মূলক ভাবে আমাদের নাম ব্যবহার করা হয়েছে। আমাদের জানামতে আমরা এই ধরনের কোন বিবৃতিতে স্বাক্ষর বা কারো সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনা করিনি। বিষয়টি আমাদেরকে হতাশ করেছে। উল্লেখ্য যে সকল ধরনের অতীতের নোংরা ও কলুষিত রাজনীতির সঙ্গে আমাদের কোন সম্পৃক্ততা নাই।''</span></p>
<p dir="ltr"><span>এদিকে তালিকায় নাম থাকা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের নঈম উদ্দিন হাসান আওরঙ্গজেব, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক বশির আহমেদ, সমাজতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক এসএম মনিরুল হাসান, ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের সাবেক ডিন অধ্যাপক হেলাল উদ্দিন নিজামী, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির বর্তমান সভাপতি অধ্যাপক হাবিবুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. ওমর ফারুক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক সায়েদুর রহমান, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক আব্দুল্লাহ কাফি প্রমুখও ফ্যাক্টচেকার দি ডিসেন্ট-কে বিবৃতিতে স্বাক্ষর না করার কথা </span></p>
<p dir="ltr"><span>নিশ্চিত করেছেন। তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও সাবেক প্রো-ভিসি অধ্যাপক ড. সীতেশ চন্দ্র বাছার অবশ্য স্বীকার করেছেন যে, তিনি এই বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেছেন।</span></p>
<p dir="ltr"><span>ওদিকে সংবাদটি সর্বপ্রথম প্রকাশ করা অনলাইন পোর্টাল বাহান্ননিউজ সম্পাদক ও প্রকাশক বিভাষ বাড়ৈ সংবাদের উৎস 'একটি শিক্ষক সংগঠন' এর নাম উল্লেখ না করলেও পরে সংবাদটি সরিয়ে ফেলেছেন। </span></p>
<p dir="ltr"><em><strong>ডিবিটেক/ডিএস/মুইম</strong></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>চতুর্থ শিল্পবিপ্লবে চারদৃষ্টিকোণে সাইবার হুমকির উত্থান </title>
<link>https://digibanglatech.news/159497</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159497</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_691ac326e55cd.jpg" length="122447" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 17 Nov 2025 11:39:43 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>চতুর্থ শিল্প বিপ্লব বা 4IR-এর অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি হচ্ছে তথ্য-প্রযুক্তি। আর 4IR একদিকে যেমন তথ্য-প্রযুক্তিকে ব্যবহার করে সুসংগঠিত হচ্ছে; তেমনই তথ্য-প্রযুক্তির সামগ্রিক পরিসর তথা সাইবার স্পেসকে বাড়িয়েছে বহুগুণে। এই মিথস্ক্রিয়ায় চতুর্থ শিল্প বিপ্লব আর তথ্য-প্রযুক্তি হয়েছে একে অন্যের পরিপূরক। </p>
<p>চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের অন্যতম প্রধান প্রযুক্তির মধ্যে আছে উচ্চ গতির ইন্টারনেট সংযোগ, ক্লাউড প্রযুক্তি, ডেটা সায়েন্স, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI), রোবোটিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং, ইন্টারনেট অফ থিংস (IoT), এবং ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইন্টারনেট অব থিংস (IIoT) ইত্যাদি। এই প্রযুক্তিগুলোর অনেক কিছুই হবে ক্লাউড নির্ভর। সঙ্গত কারণেই তথ্য-প্রযুক্তির উন্নয়ন ও ব্যবহারের সাথে সাথে বাড়ছে সাইবার থ্রেট। প্রযুক্তি যত উন্নত হচ্ছে, ততই বাড়ছে সাইবার হুমকির ধরন। এই যেমন- এন্টি-ভাইরাস সফটওয়্যারগুলো প্রতিদিন কাজ করেছে নতুন নতুন ভাইরাস আর ম্যালওয়ার (ক্ষতিকারক সফটওয়্যার) এর বিরুদ্ধে। </p>
<p>চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের বিকাশের সাথে সাথে মূলত চারটি দৃষ্টিকোণ থেকে সাইবার হুমকির উত্থান দেখা যায়। প্রথমত, দিনের পর দিন বাড়ছে সাইবার হুমকির পরিসর। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের হাতিয়ার হিসাবে যেই প্রযুক্তিগুলো ব্যবহার হচ্ছে, সেগুলোর কারণে পূর্বের তুলনায় এখন অনেক বেশি সংখ্যক ডিভাইস ও অবকাঠামো সাইবার স্পেসের সাথে যুক্ত হচ্ছে। বিশেষ করে ট্র্যাডিশনাল IoT ডিভাইস ছাড়াও একের পর এক যুক্ত হচ্ছে ইন্ডাস্ট্রিয়াল IoT এবং সাইবার ফিজিক্যাল সিস্টেমস।</p>
<p>দ্বিতীয়ত, প্রযুক্তির পরিবর্তনের সাথে সাথে সাইবার অপরাধীরা  ক্রমশ আরো বেশি দক্ষতা অর্জন করছে। চতুর্থ শিল্প বিপ্লব প্রযুক্তিগুলোর দুর্বলতা খুঁজে বের করতে এবং সেটা কাজে লাগিয়ে আক্রমণ করার জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা আর ক্লাউডের ব্যবহার দেখা যাচ্ছে বহুলাংশে।  </p>
<p>তৃতীয়ত, সাইবার অপরাধীদের মোটিভ এবং সংযুক্ত আক্রমণের দক্ষতা এখন আগের থেকে অনেকে বেশি। অপরাধীরা এখন বিশেষ ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে লক্ষ্য করে সুসংগঠিত ভাবে আক্রমণ করছে, এমনকি আক্রমণের পূর্বে প্রস্তুতিকালে সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং সহ নানাবিধ কৌশল প্রয়োগ করছেন তারা।</p>
<p>চতুর্থত, ইদানীং ডেটা ও ইনফরমেশনের উপর আগ্রহ বাড়ছে সাইবার অপরাধীদের।</p>
<p>র‍্যানসমওয়ার সহ বিভিন্ন ক্ষতিকর অনাকাঙ্ক্ষিত সফটওয়্যার বা ম্যালওয়ার ব্যবহার করে ডাটা আটকে রেখে মুক্তিপণ আদায় বা ডাটা চুরি করার হার বেড়েছে অনেক। নিরাপত্তা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ক্যাস্পারিস্কির তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালে সাড়ে তিন লক্ষের বেশি ইন্টারনেট ব্যবহারকারি র‍্যানসমওয়ার আক্রমণের শিকার হয়েছেন।</p>
<p>এছাড়া ২০২২ সালে আগের বছরের তুলনায় নিদেনপক্ষে ২০ শতাংশ বেড়েছে সাইবার আক্রমণ।</p>
<p>চতুর্থ শিল্প বিপ্লবে (4IR) সাইবার নিরাপত্তা নিয়ে বিভিন্ন দেশ বিভিন্ন পদক্ষপ গ্রহণ করছে। কিছু দেশ, যেমন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং চীন, সাইবার নিরাপত্তা গবেষণা এবং উন্নয়নে ব্যাপকভাবে বিনিয়োগ করছে। এছাড়া সিঙ্গাপুর, ইসরায়েল সহ বিভিন্ন দেশ সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ক দক্ষ জনবল তৈরিতে মনোনিবেশ করছে। আবার অন্য কিছু দেশ, যেমন এস্তোনিয়া এবং ডেনমার্ক, জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা কৌশল বিকাশে মনোনিবেশ করছে। </p>
<p>এক্ষেত্রে পিছিয়ে নেই বাংলাদেশও। সরকার সাইবার নিরাপত্তাকে দেশের জন্য অর্থনৈতিক ও জাতীয় নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় প্রণীত হয়েছে “বাংলাদেশ সাইবার সিকিউরিটি স্ট্র্যাটেজি ২০২১-২০২৫” এবং প্রণীত হয়েছে ডিজিটাল সিকিউরিটি এজেন্সি। স্ট্র্যাটেজিতে উদীয়মান প্রযুক্তি যেমন বিগ ডাটা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, IoT, ব্লক চেইন ইত্যাদির জন্য ভিন্ন নীতিমালা ও আইনের প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করা হয়। এছাড়া সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞে জনবল বৃদ্ধির স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের  জন্য আলাদা আলাদা লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। যদিও কৌশলপত্রে মোটাদাগে উদীয়মান প্রযুক্তি ও জনবল তৈরির কথা বলা হয়েছে, কিন্তু চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের উপর আলোকপাতের অভাব সমন্বয়হীনতার লক্ষণ মাত্র।</p>
<p>অন্যদিকে এখন পর্যন্ত সরকার চতুর্থ শিল্প বিপ্লব এবং তার নিরাপত্তা নীতিমালা সংক্রান্ত কোনও কৌশলপত্র তৈরি করেনি। একইসাথে স্মার্ট বাংলাদেশের ব্যানারে যেসব উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে; তার প্রায় সবগুলোই চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সাথে সংযুক্ত এবং ডিজিটাল পরিসেবা ও অর্থনীতি নির্ভর। স্মার্ট বাংলাদেশের অন্যতম স্তম্ভ হিসাবে স্মার্ট ইকোনমির কথা বলা হচ্ছে। স্মার্ট ইকোনমি যদি নির্মাণ করতে হয়ে তাহলে অবশ্যই চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের পর্যাপ্ত বিকাশ প্রয়োজন। স্মার্ট ইকোনমির ভিত্তি হবে স্মার্ট সাপ্লাই এবং প্রোডাকশন চেইন ম্যানেজমেন্ট, ব্লকচেইন এবং আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI) ইত্যাদি।</p>
<p>প্রথাগত দিকে থেকে বাংলাদেশের সাইবার সিকিউরিটি অনুশীলন খুব উন্নত মানের না হলেও মোটা দাগে সন্তোষজনক। আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ই-গভরনেন্স একাডেমি এক জরিপে জানায় জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা সূচকে বাংলাদেশের প্রাপ্ত নম্বর ৬৭.৫৩ এবং আন্তর্জাতিক রাঙ্কিং এ ৩৫তম অবস্থানে আছে বাংলাদেশ।</p>
<p>নির্দ্বিধায় এগুলো আশাব্যাঞ্জক। এই অর্জনের পেছনে বিভিন্ন পলিসি পেপার প্রণয়ন ও একাধিক সংস্থা স্থাপন যেমন ডিজিটাল সিকিউরিটি এজেন্সি, ন্যাশনাল CIRT, ইত্যাদির ভূমিকা প্রধান। কিন্তু IoT বা ইন্ডাস্ট্রিয়াল IoT এর নীতিমালায় সাইবার সিকিউরিটি সংক্রান্ত আলোচনার অভাব দেখা যায়। </p>
<p>এক পাক্ষিকভাবে সাইবার সিকিউরিটির সব দায়িত্ব সরকার বা নীতিনির্ধারকদের ওপর বর্তালেও চলবে না। সরকার যে নীতিমালা বা আইন তৈরি করবে সেটা অনেকক্ষেত্রে হতে পারে আরোপিত। এই ভাবনা থেকে উদ্যোক্তা ও প্রযুক্তিবিদদের স্বপ্রণোদিত হয়ে এগিয়ে আসতে হবে। </p>
<p>সাইবার সিকিউরিটি এখন শুধুমাত্র প্রযুক্তিবিদদের বা ব্যবহারকারিদের বিষয় নয়।</p>
<p>চতুর্থ শিল্প বিপ্লব, স্মার্ট বাংলাদেশসহ সব কিছুই এখন ডিজিটাল প্রযুক্তি নির্ভর। এই অবস্থায় সাইবার সিকিউরিটি নিয়ে সমন্বিত পরিকল্পনা একান্ত প্রয়োজন, অন্যথায় ব্যাপক পরিসরে বাড়বে অর্থনৈতিক এবং সামাজিক ঝুঁকি। মনে রাখতে হবে একটি শিল্প বিপ্লবের ফলে অর্থনৈতিক কাঠামোর পাশাপাশি পরিবর্তিত হয় সমাজ কাঠামো এবং মননশীলতা। </p>
<hr>
<p><strong>লেখক:</strong>  তথ্য-প্রযুক্তিবিদ এবং বাংলাদেশ সিস্টেম এডমিনিস্ট্রেটরস ফোরাম-এর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক</p>
<hr>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতা দূর করবে লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল ‌‌&amp;apos;চাল‌‌ক&amp;apos; এপিএম টার্মিনালস</title>
<link>https://digibanglatech.news/159493</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159493</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_691aab0f4650c.jpg" length="55612" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 17 Nov 2025 00:06:20 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>চট্টগ্রাম বন্দরকে আধুনিকায়ন, দুর্নীতি প্রতিরোধ এবং বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় এগিয়ে নিতে লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল পরিচালনায় ডেনমার্কভিত্তিক এপিএম টার্মিনালসকে বেছে নিয়েছে সরকার। বন্দরের নিত্যদিনের দীর্ঘ ওয়েটিং টাইম, স্বচ্ছতার অভাব ও প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতা দূর করে বিশ্বমানের অপারেশন নিশ্চিত করতেই এমন সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী।</p>
<p>তিনি বলেছেন, ‘বিশ্বব্যাংকের সাম্প্রতিক কনটেইনার পোর্ট পারফর্মেন্স ইনডেক্স অনুযায়ী ৪০৫টি বন্দরের মধ্যে চট্টগ্রাম বন্দর রয়েছে ৩৩৪তম অবস্থানে, যেখানে ভিয়েতনামের কাই মেপ বন্দর উঠে এসেছে সপ্তম স্থানে— গ্লোবাল অপারেটর ব্যবস্থাপনার কারণে। বাংলাদেশও একই মডেল গ্রহণ করে বন্দর ব্যবস্থাপনায় বড় পরিবর্তনের পথে হাঁটছে।’</p>
<p>তিনি জানান, পোর্টের মালিকানা বিদেশি প্রতিষ্ঠানের হাতে যাচ্ছে— এ ধরনের আশঙ্কার কোনও সুযোগ নেই। সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে লালদিয়া চরে এপিএম টার্মিনালস বিশ্বমানের একটি কনটেইনার টার্মিনাল নির্মাণ করবে। নির্মাণ শেষে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য কেবল পরিচালনার দায়িত্ব থাকবে তাদের হাতে। চুক্তির মেয়াদ শেষে পুরো অবকাঠামো সরকারের অধীনেই ফিরে আসবে।</p>
<p>তিনি উল্লেখ করেন, ‘গাড়ি আমাদের, তারা শুধু চালক। চালক কখনও গাড়ির মালিক হয় না।’</p>
<p><strong>প্রশ্ন: চট্টগ্রাম বন্দরে একটি গ্লোবাল অপারেটর কেন জরুরি হলো?</strong></p>
<p>বাংলাদেশের বন্দরে মূল চ্যালেঞ্জ হলো দুর্নীতি এবং দীর্ঘ ওয়েটিং টাইম। আমাদের প্রতিযোগী দেশগুলো, যেমন ভিয়েতনাম, বৈশ্বিক অপারেটর দ্বারা প্রযুক্তিনির্ভর বন্দর ব্যবস্থাপনা চালু করে তাদের কাই মেপ বন্দরকে বিশ্ব র‍্যাঙ্কিংয়ে সপ্তম অবস্থানে নিয়ে গেছে। আমাদের চট্টগ্রাম বন্দরের অবস্থান ৪০৫টি বন্দরের মধ্যে ৩৩৪তম স্থানে। আমাদের এমন অপারেটর প্রয়োজন, যারা নতুন প্রযুক্তি ও দক্ষ প্রক্রিয়া ব্যবহার করে আমাদের হয়ে সর্বোচ্চ ফলাফল অর্জন করতে পারবে। আমাদের তরুণ জনশক্তি তাদের কাছ থেকে বন্দর পরিচালনা শিখে একদিন নিজেরাই দেশে-বিদেশে পোর্টে নেতৃত্ব দেবে। সবচেয়ে বড় ব্যাপার, একটি দুর্নীতিমুক্ত বন্দর পাবার আশা করতে পারি আমরা।</p>
<p><strong>প্রশ্ন: পোর্টের মালিকানা কি বিদেশিদের হাতে চলে যাচ্ছে?</strong></p>
<p>প্রশ্নই আসে না! বন্দরের মালিকানা বাংলাদেশের কাছেই থাকছে। লালদিয়া চরে সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে ডেনমার্কের এপিএম টার্মিনালস একটি নতুন টার্মিনাল নকশা ও নির্মাণ করবে। যেই বিশ্বমানের টার্মিনাল লালদিয়ায় তৈরি হবে, সেটার মালিক হবে বাংলাদেশ। নির্মাণকাল তিন বছর। তারপর এপিএম একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে থাকবে। সময় শেষ হয়ে গেলে তারা সব আমাদের বুঝিয়ে দিয়ে চলে যাবে। মনে করুন, গাড়িটা আমাদের। তারা ড্রাইভার। তাহলে কি গাড়িটা তার হয়ে গেলো?</p>
<p><strong>প্রশ্ন: এপিএম টার্মিনালস কারা? এদেরকে কেন দায়িত্ব দেওয়া হলো?</strong></p>
<p>এপিএম টার্মিনালস বিশ্বখ্যাত এপি মোলার-মেয়ার্স্ক গ্রুপের সম্পূর্ণ মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান। বিশ্বের শীর্ষ ২০টি বন্দরের ১০টি অপারেট করে তারা। ৩৩টি দেশে সর্বমোট ৬০টির বেশি টার্মিনাল পরিচালনা করছেন এই মুহূর্তে। ইউরোপের বিভিন্ন দেশসহ ভিয়েতনাম, সিঙ্গাপুর, ও চীনে অপারেট করছেন তারা।</p>
<p><strong>প্রশ্ন: চুক্তির মূল শর্তগুলো কি কি?</strong></p>
<p>লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল একটি পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ প্রকল্প। এর মূল বৈশিষ্ট্যগুলো হচ্ছে-</p>
<p>- প্রাইভেট পার্টনারের সম্পূর্ণ বিনিয়োগ। সাইনিং মানি হিসাবে ২৫০ কোটি টাকা এবং নির্মাণকালে সব মিলিয়ে প্রায় ৬ হাজার ৭০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে এপিএম। সরকার থেকে কোনও অর্থায়ন বা গ্যারান্টি দেওয়া হচ্ছে না। </p>
<p>- নির্মাণের পর ৩০ বছর মেয়াদী চুক্তি। চুক্তির মেয়াদকালে আমাদের সকল বাণিজ্যিক, সামাজিক ও পরিবেশগত শর্ত মেনে চললে মেয়াদ বৃদ্ধি করা যাবে।</p>
<p>- যতগুলো কনটেইনার তারা হ্যান্ডেল করবে, প্রত্যেকটার জন্য আমাদের একটি নির্দিষ্ট ফি দিবে। যত বেশি ভলিউম করবে আমাদের আয় তত বেশি হবে। এর পাশাপাশি দেশের স্বার্থ রক্ষার্থে অনেক ধরনের শর্ত আছে এই চুক্তিতে। যেমন, কোনও কনটেইনার হ্যান্ডেল করতে না পারলেও আমাদের মিনিমাম একটা ভলিউম ধরে তারা পেমেন্ট করবেন।</p>
<p>- রেগুলেটর হিসেবে থাকছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ।</p>
<p><strong>প্রশ্ন: ৩০ বছরের চুক্তি কি অনেক বেশি দিনের হয়ে গেলো না?</strong></p>
<p>৩০ বছর মেয়াদী চুক্তি পিপিপি কাঠামোর ক্ষেত্রে একটা মাঝামাঝি (মিড-রেঞ্জ) মেয়াদকাল। অন্যান্য দেশে একই ধাঁচের চুক্তির মেয়াদকাল: ভারত (২০১৮) মুম্বাই পোর্ট ৬০ বছর, চীন (২০০৩) সাংহাই পোর্ট ৫০ বছর, ভিয়েতনাম (২০১০) কাই মেপ পোর্ট ৫০ বছর।</p>
<p><strong>প্রশ্ন: চুক্তির পূর্নাঙ্গ দলিল কেন প্রকাশ করা হচ্ছে না?</strong></p>
<p>শুধু বাংলাদেশ না, কোনও দেশের সরকারই পিপিপি চুক্তির মূল দলিল জনসম্মুখে প্রকাশ করবে না আইনগত সীমাবদ্ধতার কারণে। সরকারি ক্রয়নীতি ও পিপিপি গাইডলাইন অনুযায়ী পূর্ণ প্রকাশ নিরাপদ নয় কারণ এটি ভবিষ্যৎ দরপত্র প্রক্রিয়ায় প্রভাব ফেলতে পারে। আমরা সব প্রকাশ করে ফেললে আগামী সব চুক্তির দর কষাকষিতে আমরা ব্যাকফুটে চলে যাবো। এছাড়াও চুক্তির দলিলে ব্যবসায়িক তথ্য ও অপারেশনাল কৌশল থাকে যা গোপনীয়তার শর্ত দ্বারা সুরক্ষিত থাকে। বিশ্ব ব্যাংক, এডিবির মতো সংস্থাগুলোও সম্পূর্ণ চুক্তি প্রকাশ না করে বরং সারাংশ প্রকাশ করার পরামর্শ দেয়। এতে স্বচ্ছতা বজায় থাকে, আবার বেসরকারি অংশীদারের গোপনীয়তা রক্ষাও হয়। লালদিয়ার ক্ষেত্রেও এই সকল বিষয় প্রযোজ্য। জনগণের অবহতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য (যেমন: মালিকানা, আয় কাঠামো) আমরা এর মধ্যে প্রেস ব্রিফিং করে প্রকাশ করেছি এবং সাংবাদিকদেরও লিখিত জানিয়েছি।</p>
<p><strong>প্রশ্ন: অপারেটর বাছাইয়ের প্রক্রিয়া কি স্বচ্ছ/আইনানুগ ছিল?</strong></p>
<p>পিপিপি নীতিমালার জি টু জি পদ্ধতির আলোকে টেন্ডার আহ্বান, প্রাক-যোগ্যতা (পিকিউ) যাচাই, টেকনিক্যাল ও ফিনান্সিয়াল মূল্যায়ন এবং ডিউ ডিলিজেন্সের মাধ্যমে অপারেটর চূড়ান্ত করা হয়েছে। পুরো প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে নিযুক্ত করা হয়েছে নিরপেক্ষ টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজর, আইনজীবী, কনসালট্যান্ট। গঠন করা হয়েছে আন্ত মন্ত্রণালয় টেন্ডার কমিটি। প্রতিটি ধাপের অডিটযোগ্য রেকর্ড সংরক্ষণ করা হয়েছে।</p>
<p><strong>প্রশ্ন: আমরা কি শ্রীলঙ্কার পথে হাঁটছি?</strong></p>
<p>শ্রীলঙ্কার হাম্বানটোটা গভীর সমুদ্র বন্দর চীনা ঋণে নির্মিত। ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হওয়ায় ২০১৭ সালে শ্রীলঙ্কান সরকার ৯৯ বছরের জন্য চীনা কোম্পানির কাছে কন্ট্রোলিং ইকুইটি স্টেক দিয়ে দিতে বাধ্য হয়। হাম্বানটোটা থেকে আমাদের শিক্ষা হল যে অতিরিক্ত ঋণনির্ভর কাঠামো ও দুর্বল রিস্ক শেয়ারিং মডেল দীর্ঘমেয়াদে দেশের জন্য ক্ষতিকর। আমরা ওই পথে হাঁটিনি। লালদিয়া টার্মিনালের মালিক রাষ্ট্র এবং আগেই বলেছি এটির জন্য আমরা কোন ঋণ নেইনি—এটি সম্পূর্ণরূপে এপিএম এর বিনিয়োগ। চুক্তিতে ট্রাফিক স্টাডি, রিস্ক শেয়ারিং, কারেন্সি ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা এবং স্টেপ-ইন রাইটের মতো বিষয়গুলো স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে, যাতে অর্থনৈতিক কাঠামো টেকসই ও স্বচ্ছ থাকে। </p>
<p><strong>প্রশ্ন: অপারেটর ব্যর্থ হলে বা চুক্তি ভঙ্গ করলে কি করবে সরকার?</strong></p>
<p>চুক্তিতে পারফরম্যান্স-ভিত্তিক কেপিআই, রেমেডি ও পেনাল্টির ধারা, স্টেপ-ইন রাইট, টার্মিনেশন এবং হ্যান্ড-ব্যাকের মতো প্রভিশন অন্তর্ভুক্ত থাকে, যা জনস্বার্থ সুরক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অপারেটর চুক্তি ভঙ্গ করলে বা প্রত্যাশিত পারফরম্যান্স দিতে ব্যর্থ হলে এসব ধারা অনুযায়ী সরকার বা বন্দর কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় সময়ে পরিচালনায় হস্তক্ষেপ করতে পারে এবং বিকল্প ব্যবস্থাপনার উদ্যোগ নিতে পারে।</p>
<p><strong>প্রশ্ন: বিদ্যমান টার্মিনালগুলো সমস্যা না মিটিয়ে নতুন টার্মিনাল কেন?</strong></p>
<p>বর্তমান টার্মিনালগুলোতে ডিজিটাইজেশন, ইয়ার্ড রিডিজাইন, গেট অপ্টিমাইজেশন, কনটেইনার ব্যবস্থাপনার সংস্কার চলছে। অন্যদিকে লালদিয়ায় বিশ্বমানের কনটেইনার টার্মিনাল যোগ হলে অপারেশনাল প্রতিযোগিতা বাড়বে। বন্দর অবকাঠামোর ধারণক্ষমতা বৃদ্ধি ও দক্ষতা উন্নয়নের বিকল্প নেই। তাই এক প্রকল্পটি একই সাথে বটলনেক রিমুভাল ও নতুন সক্ষমতা বৃদ্ধির কাজ করবে।</p>
<p><strong>প্রশ্ন: সবকিছু এত তাড়াতাড়ি হচ্ছে কেন?</strong></p>
<p>আশ্চর্য! সারাজীবন শুনলাম সরকারি অফিস ঢিলা। ডেভলপমেন্ট প্রজেক্ট সময়মতো করতে পারলে আমাদের দেশ নাকি কোথায় চলে যেতো! এখন যখন সরকারের কিছু অন্তপ্রাণ অফিসার লেজার ফোকাস নিয়ে দিনরাত খেটে একটা বড় কাজ এগিয়ে নিয়ে গেলো, তখনতো সবার বলা উচিত, "দে মেড আস ফ্লাই!!" কারো সাথে মিল খুঁজবেন না। ঐটা কাকতাল।</p>
<p><strong>প্রশ্ন: আমাদের জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষেত্রে কোন ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে কি?</strong></p>
<p>নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড, ইমিগ্রেশন, কাস্টমসসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার নিরাপত্তা প্রটোকল যথারীতি বলবৎ থাকবে। লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল এই নেটওয়ার্কের মধ্যেই অপারেট করবে। এছাড়া, টার্মিনালে ব্যবহৃত সব ধরনের প্রযুক্তি ও অপারেশনাল প্রক্রিয়ায় সরকার অনুমোদিত স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী ডেটা লোকালাইজেশন, সাইবার সিকিউরিটি ব্যবস্থা, ব্যাকগ্রাউন্ড স্ক্রিনিং এবং অ্যাক্সেস কন্ট্রোল মেকানিজম নিশ্চিত করা হবে। এই পুরো ব্যবস্থাপনাই সরকারের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধান ও চূড়ান্ত নিয়ন্ত্রণাধীন থাকবে, ফলে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের কোনো সুযোগ নেই।</p>
<p><strong>প্রশ্ন: সব মিলিয়ে দেশের কী লাভ হবে?</strong></p>
<p>- প্রতি বছর অতিরিক্ত ৮ লাখ টিইইউ ধারণক্ষমতা যুক্ত হবে, যা বর্তমান সক্ষমতার তুলনায় প্রায় ৪৪% বেশি।</p>
<p>- প্রতি ইউনিটে পণ্য পরিবহনের খরচ কমবে।</p>
<p>- আমদানি-রফতানি দ্রুততর হবে।</p>
<p>- এখনকার তুলনায় দ্বিগুণ বড় কনটেইনার জাহাজ বন্দরে ভিড়তে পারবে।</p>
<p>- বিশ্বের দূরবর্তী দেশগুলোর সঙ্গে সরাসরি জাহাজ সংযোগের সুযোগ উন্মুক্ত হবে।</p>
<p>- ৫০০-৭০০ সরাসরি স্থানীয় কর্মসংস্থান তৈরি হবে নির্মাণ ও পরিচালনা পর্যায়ে। হাজারেরও বেশী পরোক্ষ স্থানীয় কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে পরিবহন, লজিস্টিকস ও বৃহত্তর সাপ্লাই চেইনে।</p>
<p>- এপিএম টার্মিনালসের নিজস্ব ট্রেনিং প্রোগ্রামের মাধ্যমে স্থানীয় প্রকৌশলী ও ব্যবস্থাপকরা বিশ্বমানের প্রশিক্ষণ পাবেন।</p>
<p>- ডিজিটাল টার্মিনাল অপারেশন সিস্টেম, লিন পদ্ধতি ও ফ্লো ফ্রেমওয়ার্কের মাধ্যমে প্রযুক্তি ও দক্ষতা স্থানান্তর হবে।</p>
<p>- আমাদের প্রথম পরিবেশবান্ধব গ্রীন পোর্ট হবে এটি।</p>
<p><strong>প্রশ্ন: তাহলে কিছু মানুষ এত হাউ মাউ কাউ করছে কেন?</strong></p>
<p>একদল আছেন, তারা পরিচয় দেন ‘বিশেষজ্ঞ’ বলে কিন্তু আসলে তারা ‘বিশেষ অজ্ঞ’। পড়ালেখা করেন না। জীবনে পিপিপি প্রজেক্ট করেন নাই। এ বিষয়ে কোনও অভিজ্ঞতা নাই। ফটোকার্ড দেখে কমেন্ট করেন। পত্রিকায় ভুলভাল লেখেন। ‘দেশ ধ্বংস’, ‘দেশ বিক্রি হয়ে যাচ্ছে’ ইত্যাদি বলে নিজেদের ভিউ ব্যবসা বাড়ান।</p>
<p>আরেকদল বন্দর থেকে চাঁদা তুলতেন। দুর্নীতি করতেন। তাদের মন খারাপ। এখন বিভিন্ন অজুহাতে তারা তাদের স্বার্থ রক্ষায় নেমেছেন।</p>
<p>আরেকদলের কথা আপনারা সবাই জানেন। ‘আমার যখন বয়স হবে, লাঠিতে ভর করে লালদিয়াতে হাঁটতে হাঁটতে আমি আমার নাতনিকে গর্ব করে দেখাতে পারবো যে চট্টগ্রামের- দেশের এই অবকাঠামোগত উন্নয়ন আমাদের সকলের চেষ্টায় সম্ভব হয়েছিল।’</p>
<p>বিডা চেয়ারম্যান আশিকুর রহমান চৌধুরী ১৬ নভেম্বর, রবিবার রাতে এভাবেই প্রশ্ন-উত্তর আকারে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুকে উদ্ভূত পরিস্থিতে জনজিজ্ঞাসার জবাব বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন। সেখানে সহকর্মীদের ধন্যবাদ দিয়ে লিখেছেন, ‘আমার যখন বয়স হবে, লাঠিতে ভর করে লালদিয়াতে হাঁটতে হাঁটতে আমি আমার নাতনিকে গর্ব করে দেখাতে পারবো যে চট্টগ্রামের- দেশের এই অবকাঠামোগত উন্নয়ন আমাদের সকলের চেষ্টায় সম্ভব হয়েছিল।’<br><em><strong>ডিবিটেক/বিটি/ইক</strong></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>সংবেদনশীল ক্যাপশনে ৭ ভাইরাল গুজব</title>
<link>https://digibanglatech.news/159467</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159467</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_6919bc4e03ba5.jpg" length="155480" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 16 Nov 2025 16:00:25 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>‘ব্যারিস্টার ফুয়াদের আপত্তিকর ছবি ফাঁস’ শিরোনামের একটি ফটোকার্ড প্রথমে ‘দৈনিক আজকের কণ্ঠ’ পত্রিকার ফেসবুক পেইজে পোস্ট করা হয়। এরপর এটি ‘কাঠেরকেল্লা’ সহ বেশ কিছু পেইজে পুন:পোস্ট করা হয়। এ হাত, সে হাত হয়ে রীতিমত ভাইরাল।  প্রকৃতপক্ষে, এটি ভারতীয় একটি পর্ন ওয়েবসাইট (ভিডিও থেকে)  থেকে নেয়া একজন ভারতীয় ব্যক্তির ছবি। একইভাবে ‘জাতীয় নাগরিক পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আগুন দিয়েছে বিক্ষুব্ধ জনতা-হামলা হয়েছে নাসিরুদ্দিন পাটওয়ারির উপর’; ‘১৩ নভেম্বর আ. লীগের কোনো কার্যক্রম হতে দেয়া হবে না” কিংবা “ভ'য়ংক'র অবস্থা! ১৩ তারিখে ঢাকা লকডাউন করতে ট্রাকবোঝাই দেশীয় অস্ত্র আনছিল আওয়ামী লীগ! সেনাবাহিনীর অভিযানে জব্দ!”- এমন সহিংস শিরোনামে ফেসবুকে ছড়িয়ে দেয়া হলো গুজব। আর মুর্হূতেই সেই গুজব হলো ভাইরাল। শুধু তাই না, প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনাতে ককটেল বিস্ফোরণ হয়েছে দাবি করে ছড়িয়ে দেয়া হলো ভিন্ন ঘটনার পুরোনো ভিডিও। এই তিনটি ভাইরাল ঘটনার আসল বিষয়টি দেখা যাক ফ্যাক্ট চেকে।</p>
<p>‘জাতীয় নাগরিক পার্টি- NCP’র কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আগুন দিয়েছে বিক্ষুব্ধ জনতা’ এমন দাবিতে একটি পোস্ট  প্রায় সব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার হচ্ছে। পোস্টটি ভাইরাল না হলেও ছড়াচ্ছিল আতঙ্ক। এরপর ফ্যাক্টচেক করে দেখা গেল, জাতীয় নাগরিক পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের আগুন দেওয়ার দাবিটি সঠিক নয়। কোনো তথ্যপ্রমাণ ছাড়াই ভুয়া এই দাবিটি প্রচার করা হয়েছে। তাপসি তাবাস্সুম উর্মি নামের একটি ফেসবুক পেজ থেকে এই মিথ্যা পোস্ট করা হয়। এরপর শেযার হতে থাকে। গেল কয়েকমাস ধরেই এই ফেসবুক পেজ থেকে অন্তত ৬০টির মতন অপতথ্য ছড়ানো হয়েছে। </p>
<p>এদিকে ‘বিএনপিকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের কারণে এনসিপি নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর উপর যুবদল নেতা নয়নের নেতৃত্বে হামলা হয়েছে’। এমন একটি ভিডিও ফেসবুকে শেয়ার করা হচ্ছে। তবে ফ্যাক্টওয়াচের অনুসন্ধানে জানা গেল দাবিটি মিথ্যা। ভিডিওটি ভিন্ন ঘটনার। চলতি বছরের অক্টোবর মাসে ৪৩তম বিসিএস নন-ক্যাডার চাকরিপ্রত্যাশীদের সড়ক অবরোধের ভিডিও এটি। সেটাকেই এই মিথ্যা দাবিতে ছড়ানো হয়েছে। </p>
<p>ওদিকে, “ড.ইউনুস গৃহবন্দি” এমন শিরোনামে দৈনিক কালের কণ্ঠ পত্রিকার ফটোকার্ডের ডিজাইন সংবলিত একটি ফটোকার্ড ফেসবুকে প্রচার হচ্ছে। তবে রিউমর স্ক্যানার টিমের অনুসন্ধানে দেখা গেল, দাবিটি মিথ্যা। কালের কণ্ঠ এমন কোনো প্রতিবেদন বা ফটোকার্ড প্রকাশ করেনি। কালের কণ্ঠের ফটোকার্ডের প্রচলিত ডিজাইন নকল করে ভুয়া ফটোকার্ডটি তৈরি করা হয়েছে। </p>
<p>অপতথ্য আরো আছে। একটি নাশকতার ভিডিও ফেসবুকে পোস্ট করে দাবি করা হলো, “ড.ইউনূসের বাসভবন যমুনায় ককটেল হামলা।” তবে নিখুঁতভাবে ভিডিওটি বিশ্লেষণ করে জানা গেল, এই দাবিটিও সঠিক নয়। ভিডিওটি গত ১১ নভেম্বর রাজধানীর ধানমন্ডির ১১-এ সড়কে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনার। এটাকেই মিথ্যা দাবিতে প্রচার করা হয়েছে।  একইভাবে প্রধান উপদেষ্টার অসুস্থতা নিয়ে জনকণ্ঠের নামে ছড়ানো ফটোকার্ডটি ভুয়া বলে গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানটি বাংলাফ্যাক্টকে নিশ্চিত করেছে।</p>
<p>এছাড়াও ‘১৩ নভেম্বর আ. লীগের কোনো কার্যক্রম হতে দেয়া হবে না’ শিরোনামে পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া) এইচ এম শাহাদাত হোসাইনের বক্তব্যের ভিডিওটিগুলো অনলাইনে বেশ ছড়িয়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই- এর সাহায্যে বিকৃত করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়ানো হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের (পিআইবি) বাংলাফ্যাক্ট টিম। তিনটি ডিপফেইক ভিডিও সনাক্ত করে বাংলাফ্যাক্ট জানিয়েছে, সহিংস কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি, আওয়ামী লীগের প্রোপাগান্ডা পেজগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কথিত ‘লকডাউন’ কর্মসূচির সাফল্য ও জনসম্পৃক্ততা প্রমাণে সক্রিয়। তারা উসকানি দেওয়ার পাশাপাশি পুরোনো ভিডিও এবং এআই প্রযুক্তির সাহায্যে বিকৃত করে তৈরি করা ভুয়া কনটেন্ট ব্যাপকভাবে প্রচার করছে। এসব প্রোপাগান্ডায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের ডিপফেইক ভিডিও তৈরি করেও প্রচার করা হয়েছে। </p>
<p>একই দিনকে কেন্দ্র করে নেটদুনিয়ায় ছড়ায়- “ভ'য়ংক'র অবস্থা! ১৩ তারিখে ঢাকা লকডাউন করতে ট্রাকবোঝাই দেশীয় অস্ত্র আনছিল আওয়ামী লীগ! সেনাবাহিনীর অভিযানে জব্দ!” -লেখা একটি ভিডিও সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। তবে ডিসমিসল্যাবের ফ্যাক্টচেকে দেখা গেছে, মূল ঘটনা বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে অসন্তোষ কেন্দ্র করে নাশকতার আশঙ্কায় সেনাবাহিনীর অভিযানের। গত ৬ নভেম্বর সাতক্ষীরা-৩ (কালীগঞ্জ-আশাশুনি) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী কাজী আলাউদ্দীন ও মনোনয়নবঞ্চিত প্রার্থী শহিদুল আলমের সমর্থকদের মধ্যে উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।  গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সেদিন বিকালে কালিগঞ্জ উপজেলার ফুলতলা এলাকায় অভিযান চালায় কালিগঞ্জ সেনা ক্যাম্পের বিশেষ টহল দল। অভিযানে সেনাসদস্যরা চারজনকে আটক করে ঘটনাস্থল থেকে লাঠি, ইট, পাটকেল, গুলতি, লোহার পাইপ ও ধারালো লোহার টুকরা উদ্ধার করেন। </p>
<p>আওয়ামীলীগের ডাকা ‘ঢাকা লকডাউন’ কর্মসূচির প্রস্তুতি দাবিতে উক্ত পোস্টগুলোতে মোট পাঁচটি ভিডিও পাওয়া যায়। ভিডিওগুলো সম্পর্কে জানার জন্য এগুলো নিয়ে রিভার্স ইমেজ সার্চ এবং কি-ওয়ার্ড সার্চ করা হয়। এর ফলে বাংলাদেশের মূলধারার কিছু সংবাদমাধ্যম থেকে প্রাপ্ত রিপোর্টের তথ্য অনুযায়ী ভিডিওগুলো সাম্প্রতিক সময়ের নয়। <span> </span>গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনের বিরুদ্ধে গণহত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায়ের তারিখ আগামী ১৩ নভেম্বর<span> </span><a href="https://samakal.com/bangladesh/article/324529/%E0%A7%A7%E0%A7%A9-%E0%A6%A8%E0%A6%AD%E0%A7%87%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%B0-%E0%A6%98%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A6%A4%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%95-%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%B6-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A0%E0%A7%87-%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%80" target="_blank" rel="noopener">আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল</a><span> </span>থেকে ঘোষণা করা হবে। এই দিন ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে অনেক আওয়ামী লীগ নেতা ‘ঢাকা লকডাউন’ কর্মসূচি ঘোষণা দেয়। সজীব ওয়াজেদ জয়ের ফেসবুক পেজ থেকেও<span> </span><a href="https://www.facebook.com/reel/1165460182222523" target="_blank" rel="noopener">ঘোষণা</a><span> </span>দেওয়া হয়। কিন্তু ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওগুলো এই ঘটনার অনেক আগের। </p>
<p>তাই সবকিছু বিবেচনা করে ফ্যাক্টওয়াচ ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ছবিগুলোর উপর ভিত্তি করে করা দাবিগুলোকে মিথ্যা হিসেবে চিহ্নিত করেছে।</p>
<p>এদিকে ফ্যাক্টওয়াচের অনুসন্ধানে ব্যারিস্টার ফুয়াদের দাবিতে প্রচারিত আপত্তিকর ছবিটি নিয়ে প্রতিবেদন আকারে একটি পোস্ট পাওয়া যায় আজকের কণ্ঠ নামের একটি ফেসবুক পেজে। গত ১৪ নভেম্বর দিবাগত রাত পৌনে একটার দিকে পোস্টটি করা হয়। এতে দাবি করা হয়, ‘গত সপ্তাহে ব্যারিস্টার ফুয়াদ ব্যক্তিগত কাজে কক্সবাজার এসে শহরের কলাতলী এলাকার একটি স্বনামধন্য হোটেলে ওঠেন। অভিযোগ উঠেছে, হোটেলের রুম সার্ভিস বয় হিসেবে কর্মরত হামজা বাথরুমের ভেন্টিলেটরে পাশে সিসি ক্যামেরা লাগিয়ে রেখে ব্যারিস্টার ফুয়াদের ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও ধারণ করে।’</p>
<p>কিন্তু ফ্যাক্টওয়াচের পাওয়া ভিডিওগুলো বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ভিডিওটিতে একটি তারিখ উল্লেখ রয়েছে। এই তারিখ অনুযায়ী, ভিডিওটি ধারণের সময় ১৩ আগস্ট ২০২৫। অর্থাৎ ফেসবুক পোস্টগুলোতে ব্যারিস্টার ফুয়াদের কথিত ছবিটি গত সপ্তাহের অর্থাৎ চলতি নভেম্বরের মাসের দাবি করা হলেও ভিডিওটিতে পাওয়া তথ্যানুযায়ী, এটি আগস্ট মাসে ধারণ করা।</p>
<p>এই পর্যায়ে ভিডিওগুলো থেকে ব্যারিস্টার ফুয়াদ দাবিতে প্রচারিত ব্যক্তিটির মুখাবয়বের একাধিক স্ক্রিনশট নেওয়া হয়। পরে বিশ্লেষণের জন্য এসব স্ক্রিনশটের সঙ্গে ব্যারিস্টার ফুয়াদের মুখাবয়ব মিলিয়ে দেখা হয়। এতে দেখা যায়, ব্যারিস্টার ফুয়াদের কপালে একটি কালো দাগ রয়েছে। যেটি  ব্যারিস্টার ফুয়াদ দাবিতে প্রচারিত ব্যক্তিটির কপালে দেখা যায়নি। বিশ্লেষণে তাদের চেহারাতেও অমিল দেখা যায়। বিশেষ করে দুজনের নাকের গঠনে ভিন্নতা রয়েছে। ভিডিওটিতে থাকা ব্যক্তিটির নাক ব্যারিস্টার ফুয়াদের তুলনায় কিছুটা চ্যাপ্টা। এসব অসঙ্গতির কারণে<span> </span><a href="https://facecomparison.toolpie.com/" target="_blank" rel="noopener">ফেস কম্পারিজন ডট টুল পাই</a><span> </span>নামের একটি টুলের সাহায্যে ব্যারিস্টার ফুয়াদ দাবিতে প্রচারিত ব্যক্তির ছবিটি ও ব্যারিস্টার ফুয়াদের প্রকৃত ছবি বিশ্লেষণ করা হয়। ফেস কম্পারিজন ডট টুল পাই নামের টুলটি বেলিংক্যাট দ্বারা স্বীকৃত।<span> </span><a href="https://www.bellingcat.com/about/who-we-are/" target="_blank" rel="noopener">এটি</a><span> </span>গবেষক, অনুসন্ধানী ও নাগরিক সাংবাদিকদের নিয়ে গঠিত একটি স্বাধীন প্রতিষ্ঠান, যারা প্রায় এক যুগ ধরে বিভিন্ন ওপেন সোর্স টুল ও এই সংক্রান্ত গবেষণা নিয়ে কাজ করে থাকেন। এই টুলে ব্যারিস্টার ফুয়াদ দাবিতে প্রচারিত ব্যক্তির ছবিটি (ভিডিও থেকে নেওয়া স্ক্রিনশট) ও বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম থেকে ব্যারিস্টার ফুয়াদের অন্তত তিনটি ছবি সংগ্রহের পর বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ছবিগুলোর মুখাবয়বের মিল রয়েছে ৪০ শতাংশের কম এবং তারা ভিন্ন ভিন্ন ব্যক্তি। ফেস কম্পারিজন ডট টুল পাই নামের টুলটি আর্টিফিশিয়াল ইন্টালিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে ছবির তুলনামূলক বিশ্লেষণ শেষে ফলাফল জানায় যে, দুই ছবির ব্যক্তি একই কিনা। যদি দুটি ছবির বিশ্লেষণে ৮০ শতাংশের ওপরে মিল পাওয়া যায়, সেক্ষেত্রে ছবি দুটি একই ব্যক্তির হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ৮০ শতাংশের কম হলে ছবি দুটি ভিন্ন ভিন্ন ব্যক্তির হবে।  এসব বিশ্লেষণের ভিত্তিতে এটি নিশ্চিত হওয়া যায়, এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদের আপত্তিকর ছবি দাবিতে প্রচারিত ছবিটি ভিন্ন ব্যক্তির। তাই ফ্যাক্টওয়াচ  ব্যারিস্টার ফুয়াদ দাবিতে প্রচারিত এই ছবিযুক্ত পোস্টগুলোকে মিথ্যা হিসেবে চিহ্নিত করছে। </p>
<p>অপতথ্যগুলোর ধরন বিশ্লেষণ করে দেখা যাচ্ছে, সংবেদনশীল ক্যাপশনের উপর ভর করেই গুজবগুলো ছড়িয়ে যাচ্ছে ফেসবুক ফিডে। মিথ্যা তথ্যগুলো বিশ্বাসযোগ্য করতে নকল করা হচ্ছে জনপ্রিয়  গণমাধ্যমগুলোর ফটোকার্ড।সংঘবদ্ধভাবে ছড়ানোর ফলে, ভাইরাল হচ্ছে। এই বাস্তবতায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নয় বরং গণমাধ্যমের খবরগুলোতেই আস্থা রাখার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের। </p>
<p><em><strong>ডিবিটেক/এফএফ/আইএইচ</strong></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বুয়েটের ৬ শিক্ষার্থীকে স্যাটেলাইট প্রযুক্তি বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিলো বিএসসিএল</title>
<link>https://digibanglatech.news/159456</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159456</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_6919903cd299e.jpg" length="80417" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 16 Nov 2025 00:52:06 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><br class="html-br"><br class="html-br"><span>ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যাটাচমেন্টের অংশ হিসেবে  বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)-এর ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং (EEE) বিভাগের ছয়জন শিক্ষার্থীকে স্যাটেলাইট প্রযুক্তি বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিচ্ছে বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেডে (বিএসসিএল)। বিএসসিএলের ‘কারিগরি, গবেষণা ও পরিকল্পনা’ এবং ‘অপারেশন’ উইং-এ আগামী </span><span>১৭ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে সাত দিনব্যাপী এই শিক্ষানবিশ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি। এই সময়ে তারা বিএসসিএলের স্যাটেলাইট অপারেশন, নেটওয়ার্ক কন্ট্রোলিং এবং সিস্টেম মনিটরিং কার্যক্রম সম্পর্কে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পাবেন।</span><br class="html-br"><br class="html-br"><span>প্রশিক্ষণের প্রথম তিন দিন শিক্ষার্থীরা বিএসসিএলের প্রধান কার্যালয়ে এবং পরবর্তী দুই দিন প্রাথমিক গ্রাউন্ড স্টেশন, গাজীপুরে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করবেন। বিএসসিএলের প্রধান কার্যালয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করেন সহকারী মহাব্যবস্থাপক এস. এম. আনোয়ারুল আজিজ ও ব্যবস্থাপক তৌহিদুল ইসলাম।</span><br class="html-br"><br class="html-br"><span>গ্রাউন্ড স্টেশনে প্রশিক্ষণ প্রদান করবেন উপ মহাব্যবস্থাপক (অপারেশন) বখতিয়ার আহমেদ, ঊর্ধ্বতন ব্যবস্থাপক মোঃ সাইখ সালমান ও ব্যবস্থাপক মোঃ সামাউন সোবহান।</span><br class="html-br"><br class="html-br"><span>অ্যাটাচমেন্ট চলাকালীন তারা বিএসসিএলের Satellite Operating and Controlling Center (SOCC)-এ সরাসরি পর্যবেক্ষণ ও হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ নেবেন। এর মাধ্যমে তারা দেশের স্যাটেলাইট যোগাযোগ অবকাঠামো, ট্রান্সপন্ডার ব্যবস্থাপনা ও নেটওয়ার্ক অপারেশন সিস্টেম সম্পর্কে ব্যবহারিক জ্ঞান অর্জন করবেন।</span><br class="html-br"><br class="html-br"><span>প্রধান কার্যালয়ে প্রশিক্ষণ শেষে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন বিএসসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. ইমাদুর রহমান। তিনি শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তি বিষয়ে গভীর জ্ঞান অর্জনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং ভবিষ্যৎ পেশাগত জীবনে এ অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর আহ্বান জানান।</span><br class="html-br"><br class="html-br"><span>তিনি আরও বলেন, “সরকারি কোম্পানি হিসেবে আমরা যেভাবে ব্যবসার কথা সবার আগে প্রাধান্য দেই, সেভাবেই স্যাটেলাইট ইন্ডাস্ট্রিতে তরুণদের সুযোগ দিয়ে এ খাতে ধীরে ধীরে স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে চাই।”</span><br class="html-br"><br class="html-br"><span>উল্লেখ্য, দেশের ভবিষ্যৎ প্রকৌশলীদের হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ ও বাস্তব অভিজ্ঞতা প্রদানের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠানটি নিয়মিতভাবে এ ধরনের ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যাটাচমেন্ট আয়োজন করে আসছে।</span></p>
<p><em><strong>ডিবিটেক/আরএন/ইক</strong></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>‘কাইজেন’ শিখলেন দেশের ৩০ জন কর্পোরেট পেশাজীবী</title>
<link>https://digibanglatech.news/159407</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159407</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_691823af8bc0d.jpg" length="102908" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 15 Nov 2025 10:10:42 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>প্রযুক্তির দেশ জাপানের ছোট ছোট ও ক্রমাগত উন্নতির মাধ্যমে বড় ফলাফল অর্জনের বিশেষ ব্যবসায়িক দর্শন ‘কাইজেন’ বিষয়ে হাতে কলমে শিখলেন বাংলাদেশের ৩০ জন কর্পোরেট পেশাজীবী। ‘কাইজেন’ বিষয়ে প্রশিক্ষণ সেশনটি পরিচালনা করেন মি. মাসুদুর রাহমান। ‘৫এস’ বিষয়ে সেশন নেন মি. ওকাবায়াশি কুনিয়াকি। আর দিনশেষে ‘ইসসো ইচিমোকু’ যার অর্থ ‘ওয়ান স্টেপ, ওয়ান লুক’ এই বিষয়ে প্রশিক্ষণ সেশন পরিচালনা করেন মিসেস তোমোকো ইয়াসুদা, মিস সায়াকা ওজাওয়া এবং মিস নিশিমুরা নানাকো।</p>
<p>১৫ নভেম্বর, শনিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ঢাকার টঙ্গীতে অবস্থিত জেটিআই কারখানায় সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হয়  ‘প্রোডাকটিভিটি অ্যান্ড কোয়ালিটি এনহান্সমেন্ট: এমফ্যাসিস অন ওয়ার্ল্ড কোয়ালিটি উইক’ শীর্ষক এই  কর্মশালাটি। </p>
<p>কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীরা কাইজেন ও ৫এস নীতিগুলো প্রতিদিনের কর্মকান্ডে কিভাবে কার্যকরভাবে প্রয়োগ করা হয় সে বিষয়ে বাস্তব ধারনা নেন। কারখানার বিভিন্ন বিভাগ পরিদর্শন করে তারা বুঝতে পারেন কিভাবে সুশৃঙ্খল প্রক্রিয়া, মানসম্মত অভ্যাস এবং ধারাবাহিক উন্নয়নের সংস্কৃতি একটি প্রতিষ্ঠানের উৎপাদনশীলতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি করে।</p>
<p>কিউএ হারবার লিমিটেড এবং কাজুকো ভূঁইয়া ট্রাস্ট যৌথভাবে এ কর্মশালার আয়োজন করে। সহযোগী আয়োজক হিসেবে ছিল সাবস্ক্রিপশনপ্রো, কর্নকিউ, এক্সওআর গীক এবং নিম্ফ সলিউশন্স।</p>
<p>কর্মশালায় অংশ নিয়ে আর অ্যান্ড জি কনসালটিং এর সিইও, বেপজা’র সাবেক নির্বাহী চেয়ারম্যান, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়’ এর সাবেক লেকচারার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এম. মফিজুর রহমান (অব.) বলেন, “কাইজেন, ৫এস এবং ইসসো ইচিমোকু, এই তিনটি দর্শনের সাথে পুনরায় পরিচিত হওয়া ছিল অসাধারণ অভিজ্ঞতা। ধারাবাহিক উন্নয়ন করতে চায় এমন সব প্রতিষ্ঠানের জন্য এগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জেটিআই কারখানায় এগুলোর বাস্তব প্রয়োগ প্রত্যক্ষ করে বাংলাদেশে বিশ্বমানের ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম গ্রহণের সক্ষমতার ওপর বিশ্বাস আরও দৃঢ় হয়েছে।”</p>
<p>শামস ইঞ্জিনিয়ারিং-এর ডিরেক্টর সামিমা বিনতে শামস কর্মশালার অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে বলেন, “কাইজেন ও ৫এস দৈনন্দিন কার্যক্রমে প্রয়োগ করতে পারলে একটি প্রতিষ্ঠান আরও সুশৃঙ্খল ও টেকসই হয়ে উঠবে। এই কর্মশালা, বিশেষ করে কারখানা পরিদর্শন, আমাদের এমন মানসিকতা তৈরি করেছে যা ভবিষ্যতে প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে বাস্তব পরিবর্তন আনতে সাহায্য করবে বলে আমি মনে করি।”</p>
<p><em><strong>ডিবিটেক/এমসি/ইক</strong></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>‘ইন্টারন্যাশনাল ডিপ্লোমা অ্যান্ড সার্টিফিকেশন প্রোগ্রাম ইন বিজনেস অ্যানালাইসিস’ এর পরিচিতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত </title>
<link>https://digibanglatech.news/159466</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159466</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_6919b2fca2a31.jpg" length="95171" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 14 Nov 2025 17:18:36 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ক্যারিয়ার প্রো বিডির উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হলো  ‘ইন্টারন্যাশনাল ডিপ্লোমা অ্যান্ড সার্টিফিকেশন প্রোগ্রাম ইন বিজনেস অ্যানালাইসিস (অ্যাক্রেডিটেড বাই বিসিএস ইউকে)’ এর পরিচিতিমূলক সভা। অস্ট্রেলিয়ার ক্লোভার আইটি সার্ভিসেস পিটি লিমিটেড এবং ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির এমবিএ প্রোগ্রামের সহযোগিতায় ১৪ নভেম্বর, শুক্রবার রাজধানীর ধানমণ্ডির ড্যাফোডিল ক্যাম্পাসে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।</p>
<p>ক্যারিয়ার প্রো বিডির উপদেষ্টা লায়লা নাজনীনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির এমবিএ প্রোগ্রামের পরিচালক ও ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশিক্ষিত একাডেমিক ড. শিবলী শাহরিয়ার, ট্রেইনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট ও ড্যাফোডিল গ্রুপের নির্বাহী পরিচালক (দক্ষতা) ড. কে এম হাসান, ডাবর বাংলাদেশের প্রধান মানবসম্পদ কর্মকর্তা রাশেদ মোশারফ সহ অন্যান্যরা। </p>
<p>ইভেন্টে অংশগ্রহণকারীরা আন্তর্জাতিক সার্টিফিকেশনের গুরুত্ব, গ্লোবাল মার্কেটে বিজনেস অ্যানালাইসিস স্কিলের ক্রমবর্ধমান চাহিদা এবং ক্যারিয়ার গ্রোথে বিজনেস অ্যানালিস্টদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা সম্পর্কে গভীর ধারণা লাভ করেন। বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং বাস্তবমুখী দিকনির্দেশনায় পুরো সেশনটি হয়ে ওঠে অত্যন্ত তথ্যবহুল ও অনুপ্রেরণাদায়ক।</p>
<p>সম্প্রতি ক্যারিয়ার প্রো বিডি তার ৭ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করেছে, এবং দেশের প্রফেশনাল স্কিল ডেভেলপমেন্ট সেক্টরে দীর্ঘ সাত বছরের অভিজ্ঞতা ও সাফল্যের ধারাবাহিকতায় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সম্প্রসারণের অংশ হিসেবেই আয়োজন করা হয় এই বিশেষ সেশনটি। প্রতিষ্ঠানটির গ্লোবাল ভিশন ও আন্তর্জাতিক মানের সার্টিফিকেশন প্রচারের লক্ষ্যে এটি ছিল আরেকটি মাইলফলক উদ্যোগ।</p>
<p>অনুষ্ঠানে ক্যারিয়ার প্রো বিডি’র অ্যাডভাইজর লায়লা নাজনীন বলেন, “আজকের আয়োজনটি অংশগ্রহণকারীদের আন্তর্জাতিক মানের দক্ষতা অর্জন ও ক্যারিয়ার পরিকল্পনায় এক অনন্য সুযোগ তৈরি করেছে। আমরা বিশ্বাস করি, এই আয়োজন তাদের পেশাগত জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে।”</p>
<p><em><strong>ডিবিটেক/এসএস/ইক</strong></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>চাকরির প্রস্তুতি ও দক্ষতা উন্নয়নে ক্যারিয়ার মিটআপ অনুষ্ঠিত</title>
<link>https://digibanglatech.news/159396</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159396</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_69172e6d049e9.jpg" length="345291" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 14 Nov 2025 16:30:35 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>তরুণদের দক্ষতা উন্নয়ন ও পেশাগত দিকনির্দেশনা দেওয়ার জন্য উত্তরা ইউনিভার্সিটিতে অনুষ্ঠিত হলো ‘ক্যারিয়ার মিটআপ ঢাকা ২০২৫’। ১৪ নভেম্বর, শুক্রবার তৌহিদ অ্যাসোসিয়েটসের আয়োজনে তৃতীয়বারের মতো অনুষ্ঠিত আয়োজনে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।</p>
<p>অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন উত্তরা ইউনিভার্সিটির স্কুল অব সিভিল, এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. সুলতানুল ইসলাম। স্বাগত বক্তব্য রাখেন তৌহিদ অ্যাসোসিয়েটসের প্রতিষ্ঠাতা ও টিভিইটি কনসালট্যান্ট মো. তৌহিদুজ্জামান।</p>
<p><span>বিশেষ অতিথি ছিলেন উত্তরা ইউনিভার্সিটির সহযোগী অধ্যাপক ও ভর্তি বিষয়ক পরিচালক কাজী তারেক উল্লাহ, দেশ পলিটেকনিকের পরিচালক মো. রবিউল হাসান, ন্যাশনাল টিউবস লিমিটেডের প্রকৌশলী আমিনুর রহমান রাসেল, অল সেবা লিমিটেডের সিইও ইঞ্জিনিয়ার জিলানী খন্দকার এবং ইয়ুথ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড স্কিল ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউটের ম্যানেজার মো. জাকির হোসেন।</span></p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x_69172e7cf3949.jpg" alt=""></p>
<p><span>মূল সেশন পরিচালনা করেন বিডিজবসের এজিএম (প্রোগ্রামস অ্যান্ড অ্যাক্টিভেশনস) মোহাম্মদ আলী ফিরোজ। তিনি বর্তমান চাকরির বাজার, কার্যকর সিভি তৈরি, লিংকডইন প্রোফাইল উন্নয়ন ও নিয়োগদাতার প্রত্যাশা সম্পর্কে আলোচনা করেন। প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের ডেপুটি ম্যানেজার (এইচআরএম) জুবায়ের হোসেন রিয়েল ভাইভার প্রস্তুতি নিয়ে বক্তব্য দেন। বক্তারা দক্ষতা উন্নয়ন, টেকনিক্যাল ট্রেনিং ও ইন্ডাস্ট্রি–অ্যাকাডেমিয়া সংযোগ জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।</span></p>
<p><span>আয়োজনে পলিটেকনিক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আড়াই শতাধিক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। শিক্ষার্থীদের মাঝে সামেশন পাবলিকেশন ও ই-বই বিতানের সৌজন্যে বই উপহার দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন দিশা জাহান। সভাপতির সমাপনী বক্তব্যের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।</span></p>
<p><strong>ডিবিটেক/জেএন/মুইম</strong></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>জেড. এইচ. সিকদার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ইংলিশ ফিয়েস্তা’ অনুষ্ঠিত</title>
<link>https://digibanglatech.news/159360</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159360</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_6915a3d898d84.jpg" length="84808" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 13 Nov 2025 10:21:18 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p></p>
<p>শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ থানায় অবস্থিত জেড. এইচ. সিকদার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হলো ‘ইংলিশ ফিয়েস্তা ২০২৫’। বিশ্ববিদ্যালয়ের সেমিনার রুমে ১২ নভেম্বর, বুধবার অনুষ্ঠিত হয় ফিয়েস্তার সার্টিফিকেট ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান।</p>
<p>অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. জসিম উদ্দিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন সহযোগী অধ্যাপক শাহিদুর রহমান খান, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ইমামুনুর রহমান, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. মশহুদ উজ-জামান, ডেপুটি রেজিস্ট্রার খন্দকার তাহমিনা নিষাদ এলিন, উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক সহযোগী অধ্যাপক মো. মাহাফুজুর রহমান, ছাত্রকল্যাণ উপদেষ্টা সহকারী অধ্যাপক সনেট কুমার সাহা এবং ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের সভাপতি সহকারী অধ্যাপক মো. মতিয়ার রহমান।</p>
<p>এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের শিক্ষক আমিমুল এহসান, এনামুল কবির, মো. মহিউদ্দিন, সাজিদ হাসান রুকু, মনিরুল ইসলাম, তানভীর আহমেদ ও আব্দুর রহিম ও ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক ইসরাত জাহান। </p>
<p>অনুষ্ঠানে প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. জসিম উদ্দিন বলেন, ‘ভাষা শিক্ষার লক্ষ্য শুধু যোগাযোগ নয়, বরং এটি ব্যক্তিত্ব ও নেতৃত্ব বিকাশের একটি হাতিয়ার। শিক্ষার্থীরা যদি ইংরেজি ভাষায় আত্মবিশ্বাসী হয়, তবে তারা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণ করতে পারবে।’</p>
<p>ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন সহযোগী অধ্যাপক শাহিদুর রহমান খান বলেন, ইংলিশ ফিয়েস্তা শিক্ষার্থীদের ভাষা চর্চাকে আনন্দময় করে তুলেছে। এটি শুধু একটি প্রতিযোগিতা নয়, বরং শিক্ষার্থীদের আত্মপ্রকাশ ও দলগত কাজের অনুশীলনের সুযোগ’</p>
<p>পুরস্কার বিতরণীতে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিভাগের চেয়ারম্যান সহকারী অধ্যাপক মো. মতিয়ার রহমান, ছাত্রকল্যাণ উপদেষ্টা সহকারী অধ্যাপক সনেট কুমার সাহা, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. মশহুদ উজ-জামান এবং ল্যাঙ্গুয়েজ উইং - এর উপদেষ্টা তানভীর আহমেদ। বক্তারা সম্মিলিতভাবে বলেন, এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের যোগাযোগ দক্ষতা, উপস্থাপন ক্ষমতা ও ভাষাগত আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এবং তাদের ভবিষ্যৎ পেশাগত জীবনের প্রস্তুতিতে সহায়ক হয়।</p>
<p>অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা তাদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে জানান, ইংলিশ ফিয়েস্তা ২০২৫ তাদের ইংরেজি ভাষায় কথা বলার দক্ষতা ও আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধিতে নতুন অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে।</p>
<p><strong><em>ডিবিটেক/এসআর/ইক</em></strong></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>সিলেটে বিডিনগ কর্মশালায় প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন ৯০ প্রকৌশলী</title>
<link>https://digibanglatech.news/159345</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159345</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_6914d707edb74.jpg" length="119775" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 12 Nov 2025 23:52:55 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশ নেটওয়ার্ক অপারেটরস গ্রুপের (বিডিনগ) আয়োজনে সিলেটের গ্র্যান্ড সিলেট হোটেল ও রিসোর্টে চলেছে চার দিনব্যপী ‘বিডিনগ-২০ সম্মেলন ও কর্মশালা’। মূলভ্যেনুর তিনটি ক্লাসে ৩০ জন করে মোট ৯০ জন প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন এই কর্মশালায়। </p>
<p>অংশগ্রহণকারীরা হাতে-কলমে শিখছেন নেটওয়ার্ক অ্যান্ড ডিএনএস সিকিউরিটি, ভার্চুয়ালাইজেশন উইথ প্রক্সমক্স এবং অ্যাডভান্স রাউটিং উইথ মাইক্রোটিক বিষয়ে। কর্মশালা শেষে ১৪ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে মূল সম্মেলন। ওইদিন বিডিনগের সভাপতি রাশেদ আমিন বিদ্যুতের সভাপতিত্বে এবারের ফেলো হিসেবে গবেষণা পত্র উপস্থাপন করবেন বিটিসিএল এর মিথি আক্তার, ফাইবার অ্যাট হোমের তাসনুফা জেরিন মৌ,সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাহাদী হাসান টুটুল, বাংলট্র্যাক কমিউনিকেশন এর সৈয়্যদ আব্দুর রহিম, আম্বার আইটি’র নূর ই আলম শেহাব, আইএফআইসি ব্যাংকের মেহেদী আল আমিন, ব্র্যাক ব্যাংক এর সাইফুল হাসান শান্ত ও সোল-বিডি’র সাদ আহনাফ।  </p>
<p>সম্মেলনে বক্তব্য রাখবেন আইএসপিএবি সভাপতি আমিনুল হাকিম, মহাসচিব নাজমুল করিম ভূঁঞাসহ নেতৃস্থানীয়রা। </p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x_6914d7075d7b8.jpg" alt=""></p>
<p>সূত্রমতে, ১১ নভেম্বর থেকে শুরু হওয়া কর্মশালায়  প্রকৃত উৎস হিসেবে Ansible এবং PHPIPAM ব্যবহার করে ISP নেটওয়ার্কগুলিকে স্বয়ংক্রিয় করণের কৌশল বিষয়ে আলোকপাত করেন এডিএনটেলিকম এর আবু সুফিয়ান। ডটবিডি এসএলডি-তে ডিএনএসসেক প্রতিষ্ঠার কৌশল তুলে ধরেন অ্যাপনিক প্রশিক্ষক মোঃ আব্দুল আওয়াল। আইপিভি৬ স্ক্যানিং নিয়ে কারিগরি সেশন নেন আইআইজে এর ড. ইউশিনোবু মাতসুযাকি। </p>
<p>তিন দিনের এই কর্মশালায় ইউনিভার্সেল অ্যাক্সেপেটেন্স এর কারিগরি চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা করছেন বিটিসিএল এর জয়িতা সেন রিম্পি এবং সাশ্রয়ী ও ভারসাম্য লোড ব্যবস্থাপনার কৌশল শেখাচ্ছেন বিডিরেন প্রশিক্ষক জামিলুর রহমান।</p>
<p>কর্মশালায় ফায়ারওয়াল, ডিএনএস এবং নেটওয়ার্ক সুরক্ষার আদ্যোপান্ত তুলে ধরছেন বিটলস সাইবার সিকিউরিটির শাহী মির্জা। এছাড়াও মেটা হেড লিমিটেডের মোঃ আরিফ হোসেন কুবারনেটসের ডিএনএস পারফরমেন্স অপ্টিমাইজেশন ও চেক পয়েন্ট সফটওয়্যার টেকনোলজিস এর ফরিদুল আলম হাইব্রিড মেশ ফায়ারওয়াল বিষয়ে দীক্ষা দিচ্ছেন।  </p>
<p>মাইক্রেটিক এর ওপর হাতে কলমে প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন আম্বার আইটি’র লিড ট্রেইনার মোঃ মাহবুব হাসান পাভেল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ইমাম হাসান রেজা এবং ওয়ান স্কাই কমিউনিকেশনস এর একেএম জাহাঙ্গীর।</p>
<p>প্রসঙ্গত, এই আয়োজনের সহ-আয়োজক ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (আইএসপিএবি)। পৃষ্ঠপোষকতা করছে অ্যাপনিক ও টিম সিমরু। ফেলোশিপ স্পন্সর করেছে ফ্লেক্সঅপটিক্স। গ্লোড স্পন্সর বিডিআইএক্স, বাহন ও বিডিরেন। আর সিলভার স্পন্সর আইকান ও এসটিটি। </p>
<p><em><strong>ডিবিটেক/এসএস/আইএইচ</strong></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ইনোভেশন ওয়ার্ল্ড কাপে স্বর্ণ পদক পেল ইউইআইটিএস</title>
<link>https://digibanglatech.news/159333</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159333</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_691478b091df1.jpg" length="141835" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 12 Nov 2025 14:09:58 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ইনোভেশন ওয়ার্ল্ড কাপ বাংলাদেশ ২০২৫ প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে ইউনিভার্সিটি অব ইনফরমেশন টেকনোলজি অ্যান্ড সায়েন্সেস (ইউইআইটিএস) এর চারটি দলের মধ্যে দুটি দল দেশের শীর্ষস্থানীয় উদ্ভাবকদের মধ্যে স্বর্ণপদক ও সম্মানজনক পুরস্কার অর্জন করেছে। </p>
<p>স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত দল থ্রি জিরো সদস্যরা হলেন- মো. ইব্রাহিম, শারমিন ইমা, ফারহানা মেহজবিন তুষ্টি ও আসিফ মুনতাসির সিফাত।  অনারেবল মেনশন প্রাপ্ত দলীয় সদস্যরা হলেন- ইশরাক উদ্দিন চৌধুরী, কাজী মো. আজহার উদ্দিন আবীর, ফাহিমা আবিদা চৌধুরী, সুমাইয়া বিনতে ইসমাইল ও আব্দুল মোমেন সাফিন। ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাস্যুরেন্স সেল (IQAC) ও কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (CSE) বিভাগে তত্ত্বাবধানে এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেয় ইউআইটিএস শিক্ষার্থীরা। </p>
<p>প্রতিযোগিতাটি অনুষ্ঠিত হয় গত ৭ নভেম্বর । সারা দেশের ৪০৬টি দল ও প্রায় ১,৫০০ উদ্ভাবকের মধ্যে থেকে ইউআইটেএস-এর দলগুলো নিজেদের মেধা, উদ্ভাবনী শক্তি ও পরিশ্রমের মাধ্যমে শীর্ষ ৮৫ ফাইনালিস্টের তালিকায় জায়গা করে নেয়। এই অসাধারণ অর্জনের মাধ্যমে বিজয়ী দল দুটি আনুষ্ঠানিকভাবে ইন্টারন্যাশনাল ইনভেনশন, ইনোভেশন অ্যান্ড ক্রিয়েটিভিটি কমপিটিশন (I³C) ও ইনোভেশন ওয়ার্ল্ড কাপ ২০২৬–এর আন্তর্জাতিক পর্বে অংশগ্রহণের যোগ্যতা অর্জন করেছে, যা আগামী ২৮–৩১ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে বানডুং, ইন্দোনেশিয়া-তে অনুষ্ঠিত হবে।</p>
<p>এছাড়া ইউআইটএস শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছে অংশগ্রহণকারী অন্য দুটি দলের কঠোর পরিশ্রম ও সৃজনশীল প্রয়াস। যাদের প্রকল্প বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী চিন্তা ও গবেষণার সক্ষমতার প্রমাণ দিয়েছে— তাদের দল টিম ‘প্লেইনার্স সদস্য আসিফ মাহমুদ, কে এম জাকারিয়া, প্রমি ক্লারা রোজারিও ও ওমর ফারুক রাকিব। এছাড়াও টিম স্পিডসাইন দলের সদস্যরা হলেন -রেয়াজুল ইসলাম, সাদিয়া জান্নাত, ইসরাত জাহান ও মো. রায়ান।</p>
<p>ইনোভেশন ওয়ার্ল্ড কাপ ২০২৬ হলো এমন একটি আন্তর্জাতিক মঞ্চ, যেখানে সৃজনশীল ধারণা ও প্রযুক্তিনির্ভর উদ্ভাবন প্রতিযোগিতা করে, আন্তঃসাংস্কৃতিক সহযোগিতার সুযোগ তৈরি হয় এবং ভবিষ্যতের উন্নত বিশ্বের জন্য নতুন সমাধান উপস্থাপিত হয়। একইসঙ্গে, ইন্টারন্যাশনাল ইনভেনশন, ইনোভেশন অ্যান্ড ক্রিয়েটিভিটি কমপিটিশন (I³C) ২০২৬ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা, সমস্যা সমাধান দক্ষতা ও গবেষণামুখী চিন্তাধারাকে তুলে ধরে।</p>
<p>UITS-এর “Three Zero” ও “SOUND VISION” দলের এই সাফল্য শুধু বিশ্ববিদ্যালয়ের নয়, বরং বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের উদ্ভাবনী সম্ভাবনার উজ্জ্বল প্রতিফলন। তারা আসন্ন আন্তর্জাতিক পর্বে বাংলাদেশের পতাকা উঁচু করে ধরবে বানডুং, ইন্দোনেশিয়া-তে, আগামী ২৮ থেকে ৩১ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে।</p>
<p>ড্রিমস অব বাংলাদেশ (DOB) জাতীয় পর্বের আয়োজক হিসেবে কাজ করেছে, যার এক্সক্লুসিভ সহযোগী প্রতিষ্ঠান ছিল MIICA Malaysia। UITS বিজয়ী দলগুলোকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়ে বলেছে—এই সাফল্য তাদের কঠোর পরিশ্রম, মেধা ও উদ্ভাবনী মানসিকতার ফল, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেই অঙ্গীকারকে প্রতিফলিত করে—“জ্ঞান, গবেষণা ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে একটি আলোকিত ভবিষ্যৎ নির্মাণ।”</p>
<p><em><strong>ডিবিটেক/এসএইচ/ইক</strong></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ডিটারজেন্ট দূষণ কমাবে আবীর&#45;সায়েমের উদ্ভাবন</title>
<link>https://digibanglatech.news/159317</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159317</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_69141eb8c9fe8.jpg" length="104234" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 12 Nov 2025 10:46:23 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>কাপড় ধোয়ার জন্য প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ পানি ডিটারজেন্ট দিয়ে দূষিত হচ্ছে। এই পানি সরাসরি নদী, খাল ও বিলকে দূষিত করছে। এ সমস্যা সামনে রেখে আমরা সল্টিং আউট নামে একটি প্রোটিন পৃথক্‌করণ প্রক্রিয়া ও বালি ব্যবহার করে ডিটারজেন্ট পানিকে পুনর্ব্যবহারযোগ্য করার একটি পরিকল্পনা এঁটেছে  দুই ক্ষুদে বিজ্ঞানী। ওরা দুজনেই ঢাকা বিএএফ শাহীন কলেজের দশম শ্রেণির ছাত্র। এদের একজন আরীব বিন ফারুক। অন্যজন সায়েম ইবনে সারোয়ার। </p>
<p>রাজধানী ঢাকার সেন্ট জোসেফ উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত বিজ্ঞান উৎসবে নিজেদের এই বৈজ্ঞানিক পরিকল্পনা ‘দ্য সল্টিং আউট সিস্টেম ২.০’ তুলে ধরে সেরাদের সেরা হয়েছে সায়েম-আরীব। </p>
<p>সেখানে তারা দেখিয়েছে, কিভাবে  বিশেষ ধরনের লবণ পানিতে দ্রবীভূত করে দূষণকারী উপাদান, যেমন তেল ও ডিটারজেন্টকে কার্যকরভাবে পৃথক করা হয়। এই কৌশলটি কাজে লাগিয়েই উচ্চমাত্রায় আয়নিত লবণ পানিতে নিষ্ক্রিয় গ্যাসের মতো কাজ করে ডিটারজেন্ট, তেল ও প্রোটিনের মতো পদার্থকে অদ্রবণীয় করে তোলে। এর ফলে পানি অধঃক্ষিপ্ত হতে বাধ্য হয়। এই প্রক্রিয়া ব্যবহার করে দূষিত পানি থেকে ৯৯ শতাংশ পর্যন্ত ডিটারজেন্ট পরিষ্কার করতে সক্ষম হয়েছে আরীব ও সায়েম। ফলে তাদের এই উদ্ভাবনের মাধ্যমে তারা দেখিয়েছেন, ডিটারজেন্ট ও তেলের কারণে দূষিত পানিকে লবণাক্ত হলেও পরিষ্কার পানিতে পরিণত করা যায়। একইসঙ্গে এই পানি পরে শিল্প ও কৃষি খাতে ব্যবহার করা সম্ভব।</p>
<p>এখন এই ‘সল্টিং আউট সিস্টেম ২.০’ কৌশল ব্যবহার করে দেশে পানির পুনর্ব্যবহারের ক্ষেত্রে বিপ্লব আনতে চায় তারা। টেক্সটাইল, ডাইং এবং অন্য শিল্পগুলোতে যেখানে প্রচুর পরিমাণে ডিটারজেন্ট ও রাসায়নিক মিশ্রিত পানি ব্যবহার করা হয়, সেখানে এই সিস্টেমটি বসানো যেতে পারে। পরিশোধিত লবণাক্ত পানিকে সহজেই আবার ঠান্ডা করার প্রক্রিয়া, বয়লারে ব্যবহার অথবা অন্যান্য শিল্পকারখানায় কাজে লাগানো সম্ভব। </p>
<p>আর যেহেতু এই পদ্ধতিতে পানি থেকে ডিটারজেন্ট এবং ক্ষতিকর তেল প্রায় ৯৯ শতাংশ পর্যন্ত অপসারিত হয়, তাই পরিশোধিত লবণাক্ত পানিকে লবণ-সহনশীল ফসল বা নির্দিষ্ট সেচব্যবস্থায় ব্যবহার করা যেতে পারে, যা স্বাদু পানির ওপর চাপ কমাবে বলে আশাবাদী এই খুদে বিজ্ঞানীরা। </p>
<p><em><strong>ডিবিটেক/জেএইচএ/মুইম</strong></em></p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ফিক্সড ওয়্যারলেস অ্যাক্সেসের তুলনায় ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের সুবিধা</title>
<link>https://digibanglatech.news/159310</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159310</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_6913e1b72e591.jpg" length="95627" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 12 Nov 2025 08:10:49 +0600</pubDate>
<dc:creator>সাইফুল ইসলাম সিদ্দিক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>প্রযুক্তির বিকাশের সাথে সাথে ইন্টারনেট সংযোগের ধরনও হয়েছে বহুমাত্রিক। পারিবারিক ও ব্যবসায়িক ইন্টারনেট সংযোগের জন্য বর্তমানে দুটি সাধারণ বিকল্প হলো ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট (সাধারণত ক্যাবল, ফাইবার বা DSL এর মাধ্যমে সরবরাহকৃত) এবং ফিক্সড ওয়্যারলেস অ্যাক্সেস (FWA) ইন্টারনেট। ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের রয়েছে নানা সুবিধা যা ব্যবহারকারীদের সংযোগের প্রয়োজন অনুযায়ী সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করে।<br>বাংলাদেশে ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো (ISP) ইতিমধ্যে ফাইবার অপটিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে ১০০ এমবিপিএস থেকে ১ গিগাবিট পর্যন্ত উচ্চগতির ব্রডব্যান্ড সেবা সফলভাবে  গ্রামীণ এলাকাতেও অত্যন্ত সাশ্রয়ী মূল্যে ছড়িয়ে দিয়েছে।</p>
<p><strong>১. অধিক নির্ভরযোগ্যতা ও স্থিতিশীলতা</strong><br>ফাইবার অপটিক বা ক্যাবল ভিত্তিক ব্রডব্যান্ড সংযোগ সাধারণত ফিক্সড ওয়্যারলেস অ্যাক্সেসের তুলনায় অনেক বেশি নির্ভরযোগ্য ও স্থিতিশীল। তারযুক্ত সংযোগ আবহাওয়া, শারীরিক প্রতিবন্ধকতা বা ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক প্রতিঘাতের মতো পরিবেশগত প্রভাব থেকে অনেকাংশে মুক্ত থাকে। ফলে সংযোগের গুণগতমান ও ধারাবাহিকতা বজায় থাকে।</p>
<p><strong>২. উচ্চ গতি ও ব্যান্ডউইথ</strong><br>ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সাধারণত ফিক্সড ওয়্যারলেস অ্যাক্সেসের তুলনায় উচ্চতর গতি ও ব্যান্ডউইথ সরবরাহ করে। বিশেষ করে ফাইবার-অপটিক ব্রডব্যান্ড গিগাবিট গতির সেবা দিতে পারে, যা উচ্চ-রেজ্যুলেশনের ভিডিও স্ট্রিমিং, অনলাইন গেমিং এবং বড় আকারের ডেটা স্থানান্তরের মতো কাজের জন্য উপযোগী। অপরদিকে, ফিক্সড ওয়্যারলেস অ্যাক্সেস স্পেকট্রামের সীমাবদ্ধতা ও সিগন্যাল শক্তির উপর নির্ভরশীল হওয়ায় এর সর্বোচ্চ গতি তুলনামূলকভাবে কম থাকে।</p>
<p><strong>৩. কম ল্যাটেন্সি</strong><br>ল্যাটেন্সি অর্থাৎ ডেটা ব্যবহারকারী ও ইন্টারনেটের মধ্যে যাতায়াতের সময় সাধারণত ব্রডব্যান্ড সংযোগে কম হয়। এটি ভিডিও কনফারেন্সিং, অনলাইন গেমিং ও ভয়েস ওভার আইপি (VoIP) কলের মতো রিয়েল-টাইম অ্যাপ্লিকেশনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফিক্সড ওয়্যারলেস সংযোগে সিগন্যাল ট্রান্সমিশন ও সম্ভাব্য বাধার কারণে ল্যাটেন্সি বেশি হতে পারে।</p>
<p><strong>৪. পরিবেশগত প্রভাবের কম সংবেদনশীলতা</strong><br>তারযুক্ত অবকাঠামোর মাধ্যমে সরবরাহকৃত ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট বৃষ্টি, তুষারপাত, গাছপালা বা ভবনের মতো অবকাঠামো কেন্দ্রিক প্রতিবন্ধকতার প্রভাবে খুব একটা ক্ষতিগ্রস্ত হয় না। ফলে বছরজুড়ে সংযোগ স্থিতিশীল ও নির্ভরযোগ্য থাকে।</p>
<p><strong>৫. স্কেলেবল ও হালনাগাদকরণে সুবিধা</strong><br>বিশেষত ফাইবার নেটওয়ার্কগুলো অত্যন্ত স্কেলেবল এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ভবিষ্যতে সহজে আপগ্রেড করা যায়। চাহিদা বৃদ্ধির সাথে সাথে নতুন প্রযুক্তি সংযোজনও তুলনামূলক সহজ। বিপরীতে, ফিক্সড ওয়্যারলেস অ্যাক্সেস স্পেকট্রাম ও যন্ত্রপাতির সীমাবদ্ধতার কারণে আপগ্রেড প্রক্রিয়া কঠিন এবং প্রায়ই নতুন হার্ডওয়্যারে বড় বিনিয়োগের প্রয়োজন হয়।</p>
<p><strong>৬. উচ্চ ডেটা ক্যাপ বা আনলিমিটেড সুবিধা</strong><br>ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট প্যাকেজগুলো সাধারণত উচ্চ ডেটা ক্যাপ বা আনলিমিটেড ডেটা সুবিধা প্রদান করে, যা ভারী ইন্টারনেট ব্যবহারকারী বা একাধিক সংযুক্ত ডিভাইসসহ পরিবারের জন্য উপযোগী। অপরদিকে, ফিক্সড ওয়্যারলেস অ্যাক্সেস প্রদানকারীরা ব্যান্ডউইথ সীমাবদ্ধতার কারণে প্রায়শই কঠোর ডেটা সীমা নির্ধারণ করে। ফিক্সড ওয়্যারলেস ইন্টারনেট গ্রামীণ বা দুর্গম এলাকায় একটি কার্যকর সমাধান হতে পারে, তবে তারযুক্ত অবকাঠামোভিত্তিক ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট গতি, নির্ভরযোগ্যতা, ল্যাটেন্সি, প্রসারমাণতা ও সামগ্রিক পারফরম্যান্সের দিক থেকে উল্লেখযোগ্যভাবে শ্রেষ্ঠ। যেখানে উভয় বিকল্পই বিদ্যমান, সেখানে টেকসই ও ভবিষ্যতমুখী সংযোগের জন্য ব্রডব্যান্ডই পছন্দের শীর্ষে থাকে।</p>
<p>বাংলাদেশে ফিক্সড ওয়্যারলেস অ্যাক্সেস (FWA) অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল পূর্ববর্তী সরকারের সময়ে, তৎকালীন প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের নেতৃত্বে। কিন্তু এই সিদ্ধান্তে জনমত গ্রহণ বা সংশ্লিষ্ট বাণিজ্যিক সংগঠনগুলোর অংশগ্রহণ ছিল না। ওই সময়ে BASIS, ISPAB, BACCO এবং e-Cab-এই চারটি গুরুত্বপূর্ণ সংগঠন কোনো পরামর্শ প্রক্রিয়াতেই অন্তর্ভুক্ত ছিল না। বিগত সরকারের সময় বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (BTRC)-এর নেতৃত্বে একাধিক পরিবর্তন হয়েছে। রাজনৈতিকভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত কয়েকজন চেয়ারম্যানের কারণে কমিশনের স্বাধীনতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। অনেক স্টেকহোল্ডার মনে করেন, এ সময়ে কমিশন সাধারণ টেলিকম অপারেটরদের স্বার্থ রক্ষায় কম সক্রিয় ছিল। একাধিক ক্ষেত্রে মনোপলি, ডুয়োপলি এমনকি সিন্ডিকেট গঠনের ঘটনা ঘটে, যেখানে কিছু প্রভাবশালী ব্যবসায়ী রাজনৈতিক সম্পর্ক ব্যবহার করে বাজার দখলের চেষ্টা করেছেন। এতে সাধারণ অপারেটরদের জন্য সুষ্ঠু প্রতিযোগিতার ক্ষেত্র বিনষ্ট হয়েছে। </p>
<p>আশা করা যায়, নতুন টেলিকম অধ্যাদেশ অনুযায়ী এফটিএসপি (Fixed Telecommunication Service Providers) অপারেটরদের জন্য সুফল বয়ে আনতে পারে। তবে তা তখনই সম্ভব হবে; যদি না এটি যথাযথ ব্যবস্থাপনায় থাকে এবং অপ্রয়োজনীয় হস্তক্ষেপ থেকে মুক্ত থাকে। ব্যবহারিক চাহিদা অনুযায়ী, ফিক্সড ওয়্যারলেস ইন্টারনেট সেবা শুধুমাত্র এফটিএসপি অপারেটরদের জন্য সংরক্ষিত থাকা উচিত। একইভাবে মোবাইল ওয়্যারলেস ইন্টারনেট থাকা উচিত সিএমএসপি (Cellular Mobile Service Providers)-এর আওতায়। এই বিভাজনটি শুধু জনস্বার্থের জন্য নয়, বরং দেশের ২,২০০টি স্থানীয় এফটিএসপি অপারেটরের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহকারী প্রায় ১০ লক্ষ পরিবারের টিকে থাকার জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।</p>
<hr>
<p><strong>লেখক:</strong> সাইফুল ইসলাম সিদ্দিক, জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি, আইএসপিএবি</p>
<hr>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ঢাবি শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান প্রস্তুতিতে একযোগে কাজ করবে এটুআই ও আইসিটি বিভাগ</title>
<link>https://digibanglatech.news/159297</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159297</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_69136abc0a762.jpg" length="137465" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 11 Nov 2025 20:56:48 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের প্রস্তুতি জোরদার করতে এসপায়ার টু ইনোভেট (এটুআই) কর্মসূচি এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগ যৌথভাবে কাজ করবে। এ লক্ষ্যে ১১ নভেম্বর, মঙ্গলবার, রাজধানীর তেজগাঁয়ের আইসিটি টাওয়ারে “বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি” শীর্ষক একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। এতে আইসিটি বিভাগ, এর বিভিন্ন প্রকল্প, এটুআই এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)-এর জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিরা অংশ নেন। বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের দক্ষতা ও কর্মসংস্থানযোগ্যতা বাড়াতে কীভাবে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া যায়, তা নিয়ে আলোচনা করেন বক্তারা।<o:p></o:p></p>
<p>স্বাগত বক্তব্যে এটুআই-এর যুগ্ম প্রকল্প পরিচালক (যুগ্ম সচিব) মো. রশিদুল মান্নাফ কবীর বলেন, “আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে চাই, যাতে প্রযুক্তি, উদ্ভাবন ও জনসেবার সুযোগ সরাসরি শিক্ষার্থীদের কাছে পৌঁছে যায়। যেন তারা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বেরিয়ে এমন দক্ষতা নিয়ে যেতে পারে, যা বাস্তব কর্মবাজারের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।”<o:p></o:p></p>
<p>প্রধান অতিথির বক্তব্যে ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খান দ্রুত পরিবর্তনশীল কর্মবাজারের সঙ্গে উচ্চশিক্ষার সামঞ্জস্য রক্ষার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। তিনি বলেন, “আমাদের শিক্ষার্থীদের এমন এক বাস্তবতায় প্রস্তুত থাকতে হবে, যেখানে প্রযুক্তি, তথ্য ও উদ্ভাবন প্রায় সব পেশারই কেন্দ্রবিন্দুতে অবস্থান করছে।”<o:p></o:p></p>
<p>তিনি উল্লেখ করেন, এটুআই ও আইসিটি বিভাগের যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে পাঠদানের পদ্ধতি আধুনিকায়ন, হালনাগাদ পাঠক্রম প্রণয়ন এবং এমন সব কর্মসূচি তৈরি করা সম্ভব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা, সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা, যোগাযোগ দক্ষতা ও প্রযুক্তির নৈতিক ব্যবহারে সক্ষম করে তুলবে।<o:p></o:p></p>
<p>সমাপনী বক্তব্যে সভার সভাপতি হিসেবে আইসিটি বিভাগের সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী তরুণদের উন্নয়নে সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, “বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে আমরা আজ আমাদের তরুণ প্রজন্মকে কতটা সঠিকভাবে প্রস্তুত করতে পারছি তার ওপর। আইসিটি বিভাগ এমন উদ্যোগগুলোকে সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে, যা সরকার, বিশ্ববিদ্যালয় ও শিল্পখাতকে আরও ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত করে।” তিনি জানান, ইতিমধ্যেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এই সহযোগিতাকে আরও অগ্রসর করার জন্য কাজ করা হবে।  <o:p></o:p></p>
<p>আইসিটি বিভাগের চলমান প্রকল্প ও উদ্যোগের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কীভাবে কাজ করা যায়, সে বিষয়ে সম্ভাব্য সহযোগিতার ক্ষেত্র চিহ্নিত করতে আলোচনা পর্বটি সঞ্চালনা করেন এটুআই-এর প্রোগ্রাম ম্যানেজমেন্ট লিড আব্দুল্লাহ আল ফাহিম। তিনি বলেন, “ইতোমধ্যেই অনেক কর্মসূচি চালু রয়েছে যার মাধ্যমে আমরা ঢাবির সাথে যুক্ত হতে পারি।“</p>
<p>তিনি এটুআই-এর ‘ইয়াং প্রফেশনালস কর্মসূচি’র উদাহরণ তুলে ধরে বলেন, এখানে নতুন স্নাতকেরা জাতীয় গুরুত্বসম্পন্ন প্রকল্পে কাজ করার মাধ্যমে নিজেরাও পেশাগত দক্ষতা অর্জনের সুযোগ পান। তিনি প্রস্তাব করেন, ইন্টার্নশিপ, প্রশিক্ষণ ও সক্ষমতা উন্নয়নমূলক কর্মসূচির মাধ্যমে এটুআই এর উদ্যোগগুলোকে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের জন্য আরও বেশি উন্মুক্ত করা উচিত, যাতে তারা বাস্তব দক্ষতা ও কাজের অভিজ্ঞতা নিয়ে আত্মবিশ্বাস গড়ে তুলতে পারে।<o:p></o:p></p>
<p>আলোচনায় ডাকসু’র সহ-সভাপতি (ভিপি) মোঃ আবু সাদিক কায়েম তুলে ধরেন, কীভাবে এটুআই আইসিটি বিভাগের বিভিন্ন উদ্যোগ বিশ্ববিদ্যালয়ের সক্ষমতা বৃদ্ধি কার্যক্রমে সহায়ক হতে পারে। তিনি তথ্যপ্রযুক্তি-নির্ভর দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ, উদ্ভাবনকেন্দ্রিক পাঠক্রম, ইন্টার্নশিপের সুসংগঠিত পথ তৈরি, কর্মসংস্থান মেলা, উদীয়মান প্রযুক্তি নিয়ে যৌথ গবেষণা এবং ‘নাগরিক সেবা বাংলাদেশ’–এর আদলে বিশ্ববিদ্যালয় ও সরকারি বিভিন্ন সেবা এক জায়গা থেকে দেওয়ার জন্য ওয়ান স্টোপ সেবা কেন্দ্র স্থাপনের সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করেন।<o:p></o:p></p>
<p>কায়েম বলেন,“আমাদের শিক্ষার্থীরা মেধাবী ও উদ্যমী। এটুআই ও আইসিটি বিভাগের অংশীদারিত্ব থাকলে আমরা একাডেমিক পাঠদানকে বাস্তবধর্মী ও ভবিষ্যৎ কর্মসংস্থানের সঙ্গে আরও সরাসরি যুক্ত করতে পারবো।”<o:p></o:p></p>
<p>তিনি আরও বলেন, ডিজিটাল রূপান্তর–সংক্রান্ত এসব উদ্যোগ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ও একাডেমিক কার্যক্রমকে দ্রুততর করতে পারে, শিক্ষার্থীদের সেবার মান উন্নত করতে পারে এবং সামগ্রিকভাবে দেশের অগ্রগতিতেও অবদান রাখতে পারে। দ্রুত অগ্রসর হওয়ার লক্ষ্যে তিনি আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের প্রস্তাব করেন।<o:p></o:p></p>
<p>ডাকসুর নির্বাহী সদস্য রায়হান উদ্দিন “কর্মসংস্থানের পথ সৃষ্টিতে ডিজিটাল রূপান্তর” শীর্ষক একটি ধারণাপত্র সম্ভাব্য সহযোগিতার ক্ষেত্র হিসেবে উপস্থাপন করেন। তিনি জানান, বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় ৪০ হাজার শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত। প্রযুক্তি দ্রুত এগিয়ে চললেও আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের জরুরি অবকাঠামো ও সম্পদ সবসময় সেই গতির সঙ্গে তাল মেলাতে পারে না। এ প্রেক্ষাপটে ডাকসুর পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আবাসিক হলগুলোতে ২০টি কম্পিউটার ল্যাব স্থাপন, দক্ষতা উন্নয়নমূলক কর্মসূচি চালু, ইন্টার্নশিপের সুযোগ বাড়ানো এবং দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতার মাধ্যমে অবকাঠামো, প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থানের মধ্যে সুসংহত সংযোগ গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে তিনি শিক্ষার্থীদের জন্য তথ্য ও গবেষণা উপকরণ সহজলভ্য করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট হালনাগাদ এবং বিভিন্ন সেবা ধাপে ধাপে ডিজিটাল পদ্ধতিতে রূপান্তরের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।<o:p></o:p></p>
<p>ডাকসুর সহকারী সাধারণ সম্পাদক মুহা. মহিউদ্দিন খান, ক্যারিয়ার উন্নয়ন সম্পাদক মোঃ মাজহারুল ইসলাম এবং মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন সম্পাদক ফাতেমা তাসনীম জুমাসহ অন্যান্য প্রতিনিধিরাও আলোচনায় অংশ নেন। তাঁরা শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়ন, ক্যারিয়ার গঠন ও বর্তমান কর্মবাজারের সঙ্গে দৃঢ় সংযোগ তৈরিতে কাঠামোবদ্ধ সহায়তার প্রয়োজনীয়তার কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।<o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal" style="text-align: justify;">সেমিনারে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের বিভিন্ন শাখা ও উদ্যোগের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। তারা হ্যাকাথন, মেন্টরশিপ, উদ্ভাবনী উদ্যোগের জন্য অনুদান, তথ্যপ্রযুক্তি–সংক্রান্ত প্রশিক্ষণসহ সম্ভাব্য সহযোগিতার নানা প্রস্তাব উপস্থাপন করেন। অনুষ্ঠানের শেষাংশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, আইসিটি ও এটুআই-এর মধ্যে যৌথ অংশীদারিত্বের একটি রূপরেখা প্রণয়নের বিষয়ে নীতিগতভাবে সম্মতি গৃহীত হয়<em><strong>।</strong></em></p>
<p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><em><strong>ডিবিটেক/আরআই/আইএইচ</strong></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>যবিপ্রবি’র এআইএস বিভাগের নবীন বরণ ও বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত</title>
<link>https://digibanglatech.news/159259</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159259</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p&gt;&lt;b&gt;&lt;span&gt;আন্তর্জাতিক হিসাববিজ্ঞান দিবস-২০২৫&lt;/span&gt;&lt;/b&gt;&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_69122756044fc.jpg" length="123144" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 10 Nov 2025 19:57:42 +0600</pubDate>
<dc:creator>ক্যাম্পাস করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="MsoNormal"><span> আনন্দ শোভাযাত্রা, কেক কাটা, আলোচনা অনুষ্ঠান, নবীন শিক্ষার্থীদের ফুলেল শুভেচ্ছা, বিদায়ী শিক্ষার্থীদের সম্মাননা স্মারক ও সংবর্ধনা প্রদান, অন্ত:বিভাগ ক্রীড়া প্রতিযোগীতার পুরস্কার বিতরণী এবং মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) ইন্টারন্যাশনাল অ্যাকাউন্টিং ডে-২০২৫ ও অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস্ (এআইএস) বিভাগের নবীন বরণ ও বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।</span></p>
<p class="MsoNormal"><span>১০ নভেম্বর, সোমবার সকালে মিনিটে এআইএস বিভাগের সকলকে নিয়ে আনন্দ শোভাযাত্রার মাধ্যমে ইন্টারন্যাশনাল অ্যাকাউন্টিং ডে-২০২৫ ও অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস্ (এআইএস) বিভাগের নবীন বরণ ও বিদায় সংবর্ধনার দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের শুভসূচনা করেন ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ডিন ও এআইএস বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ কামাল হোসেন, এসিসিএ। শোভাযাত্রাটি স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু একাডেমিক ভবনের সামনে থেকে শুরু হয়ে সমগ্র ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে জাতীয় কবি কাজী নজরুল একাডেমিক ভবনের সামনে এসে শেষ হয়। এরপর জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম একাডেমিক ভবনের অধ্যাপক মোহাম্মদ শরীফ হোসেন গ্যালারীতে শুরু হয় আলোচনা অনুষ্ঠান। আলোচনা অনুষ্ঠান শেষে এআইএস পরিবার কেক কেটে দিবসটি উদ্যাপন করে। সারাদিন চলমান এই অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে বিকাল ৩টায় এআইএস বিভাগের উদ্যোগে উক্ত বিভাগের নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ ও বিদায়ী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।</span></p>
<p class="MsoNormal"><span>অনুষ্ঠানের প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হাওলাদার ইউনুস এন্ড কোং এর পরিচালক, চার্টার অ্যাকাউন্টটেন্ট ও মেঘনা ব্যাংক পিএলসি এর স্বাধীন পরিচালক মোঃ আলী আক্তার রিজভী, এফসিএ। তিনি নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে এই দিনটি তাৎপর্য ও বিশ্বজুড়ে হিসাবরক্ষক, নিরীক্ষক এবং আর্থিক পেশাদারদের অর্থনীতি ও সমাজে তাঁদের গুরুত্বপূর্ণ অবদানকে স্বীকৃতি সম্পর্কে আলোকপাত করেন। তিনি সকল স্তরে একাউন্টিং এর গুরুত্ব তুলে ধরে তার সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি, আর্থিক স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং নৈতিক আর্থিক অনুশীলনের গুরুত্ব সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সচেতনতামূলক তথ্যবহুল জ্ঞান বিনিময় করেন এবং ক্যারিয়ার হিসেবে তরুণদের হিসাববিজ্ঞানকে একটি মূল্যবান এবং স্থিতিশীল পেশা হিসেবে বেছে নিতে উৎসাহিত করেন।</span></p>
<p class="MsoNormal"><span>ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ডিন ও এআইএস বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ কামাল হোসেন, এসিসিএ এর সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য প্রদান করেন মেঘনা ব্যাংক, পিএলসি যশোর শাখার ব্যবস্থাপক দেবাশীষ পাল,  ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক ড. মোঃ রাফিউল হাসান, এআইএস বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মাদ জাহাঙ্গীর আলম ও প্রভাষক তরুণ সেন। আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানে বিভাগটির অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ ও বিভিন্ন বর্ষের শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সন্ধ্যায় এআইএস বিভাগের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে শুরু হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনায় ছিলেন এআইএস বিভাগের শিক্ষার্থী তৌফিক ইকবাল ও ফয়সাল ইকবাল।</span></p>
<p class="MsoNormal"><em><strong>ডিবিটেক/এমএইচ/ইক</strong></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>তরুণ প্রকৌশলীদের  দক্ষতা উন্নয়নে আইইবি&#45;তে কর্মশালা অনুষ্ঠিত</title>
<link>https://digibanglatech.news/159254</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159254</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_6911e9381d174.jpg" length="84373" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 10 Nov 2025 17:31:59 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>তরুণ প্রকৌশলীদের পেশাগত দক্ষতা ও ব্যক্তিত্ব বিকাশে সহায়তা করতে “Empowering Young Engineers: Soft Skills and Career Development” শীর্ষক একটি ট্রেনিং-ভিত্তিক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। রাজধানীর রমনাস্থ ইন্সটিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইইবি) সদর দপ্তরে ৮ নভেম্বর, শুক্রবার এ আয়োজন করে উইমেন ইঞ্জিনিয়ার্স চ্যাপ্টার, আইইবি।</p>
<p>সেমিনারে নবীন প্রকৌশলীদের কর্মক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সফট স্কিলস— যেমন কার্যকর যোগাযোগ, নেতৃত্বগুণ, আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি, পেশাগত আচরণ ও ক্যারিয়ার পরিকল্পনা— বিষয়ে বাস্তব জ্ঞান ও অনুপ্রেরণা দেয়া হয।</p>
<p>প্রশিক্ষণ সেশনটি পরিচালনা করেন উইমেন ইঞ্জিনিয়ার্স চ্যাপ্টারের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী শাহনাজ শারমিন এবং সেক্রেটারি প্রকৌশলী ইসরাত জাহান। তারা ইন্টার‌্যাকটিভ সেশন ও বাস্তব উদাহরণের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীদের আত্মবিশ্বাস ও পেশাগত প্রস্তুতি বৃদ্ধির দিকনির্দেশনা দেন।</p>
<p>সেমিনারের প্রধান অতিথি ছিলেন প্রকৌশলী মোহাম্মদ রিয়াজুল ইসলাম (রিজু), প্রেসিডেন্ট, আইইবি ও চেয়ারম্যান, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)। তিনি বলেন, “ইঞ্জিনিয়ারদের ক্ষেত্রে ‘নন-টেকনিক্যাল’ বলে কোনো শব্দ নেই। যে কাজেই তাকে দাও, সে কাজেই সে দক্ষ ও সফল হতে হবে। নেতৃত্ব দিতে হলে যোগাযোগে পারদর্শী, দায়িত্বশীল এবং সময় ব্যবস্থাপনায় দক্ষ হওয়া জরুরি।”</p>
<p>বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী মো. সাব্বির মোস্তফা খান, সম্মানী সাধারণ সম্পাদক, আইইবি। তিনি বলেন, “আইইবি সাধারণত টেকনিক্যাল সেমিনার আয়োজন করে। তবে সফট স্কিল ও ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট নিয়ে এই ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ তরুণ প্রকৌশলীদের কর্মজীবনে মানবিক ও পেশাগত দক্ষতা অর্জনে অনুপ্রেরণা জোগাবে।”</p>
<p>অন্য বিশেষ অতিথি প্রকৌশলী এ. টি. এম. তানবীর উল হাসান তমাল, ভাইস প্রেসিডেন্ট, আইইবি বলেন, “চাকরিক্ষেত্রে আন্তরিকতা ও নিষ্ঠা থাকলে লক্ষ্য অর্জন সহজ হয়। এই ধরনের সেমিনার তরুণ প্রকৌশলীদের সঠিক দিকনির্দেশনা দেয়।”</p>
<p>গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মিসেস মুসলিমা খন্দকার। তিনি বলেন, “গ্লোবাল ইঞ্জিনিয়ারিং অঙ্গনে সফল হতে হলে প্রেজেন্টেশন, নেতৃত্ব, পেশাগত আচরণ ও সময় ব্যবস্থাপনায় দক্ষতা অপরিহার্য। তরুণ প্রকৌশলীদের এখন থেকেই এসব দক্ষতা অর্জন শুরু করা উচিত।”</p>
<p>সেমিনারের কিনোট স্পিকার ছিলেন প্রকৌশলী ফজিলাতুন্নেছা, চীফ ইঞ্জিনিয়ার, ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি (ডিপিডিসি)। তিনি সফট স্কিলসের প্রয়োজনীয়তা ও প্রয়োগ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন এবং বাস্তবমুখী পরামর্শ দেন।</p>
<p>অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রকৌশলী শামীম আরা বেগম, প্রকৌশলী নিয়াজ উদ্দিন ভূঁইয়া, প্রকৌশলী শেখ আল আমিন, প্রকৌশলী খান মঞ্জুর মোরশেদ, প্রকৌশলী দিলরুবা ফারজানা, প্রকৌশলী রাবেয়া বেগমসহ আইইবির বিভিন্ন বিভাগের প্রকৌশলীবৃন্দ।</p>
<p>আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, এই কর্মশালার মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা নিজেদের ব্যক্তিত্ব উন্নয়ন, আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি এবং পেশাগত জীবনে সফলতার জন্য বাস্তব দিকনির্দেশনা পেয়েছেন।</p>
<p>সেমিনারটি সভাপতিত্ব করেন উইমেন ইঞ্জিনিয়ার্স চ্যাপ্টারের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী শাহনাজ শারমিন এবং সঞ্চালনায় ছিলেন প্রকৌশলী ইসরাত জাহান।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ঢাবিতে অনুষ্ঠিত হলো প্রথম বাংলাদেশ সায়েন্স এক্সপোজিয়াম</title>
<link>https://digibanglatech.news/159184</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159184</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_690f668455efb.jpg" length="120488" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 08 Nov 2025 20:50:26 +0600</pubDate>
<dc:creator>ক্যাম্পাস করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিজ্ঞানমনস্কতা সৃষ্টি ও তাদেরকে উদ্ভাবনী চিন্তায় অনুপ্রাণিত করার লক্ষ্যে দেশে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হলো “বাংলাদেশ সায়েন্স এক্সপোজিয়াম ২০২৫”। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউনিভার্সিটি ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রাঙ্গণে ৭ ও ৮ নভেম্বর; দু’দিন ধরে চলে বিজ্ঞান ভিত্তিক সমস্যা সমাধানের ধারণা ও উদ্ভাবনার প্রদর্শনী আর প্রতিযোগিতার এই আসর। </p>
<p>বয়স ভিত্তিক এক্সপ্লোরার (৬ষ্ঠ–৮ম শ্রেণি); ইনোভেটরস (৯ম–১০ম শ্রেণি); পাইওনিয়ার্স (একাদশ–দ্বাদশ শ্রেণি) এবং স্কলার্স (স্নাতক ও স্নাতকোত্তর)- এই চার ক্যাটাগরিতে অনুষ্ঠিত হয় এই এক্সপোজিয়াম।  প্রতিটি ক্যাটাগরির অংশগ্রহণকারীদের জন্য ছিল উপযোগী প্রতিযোগিতা ও প্রদর্শনী, যেখানে তারা নিজেদের জ্ঞান, দক্ষতা ও সৃজনশীলতা প্রকাশের সুযোগ পেয়েছেন।</p>
<p>আয়োজনে মোট দশটি প্রতিযোগিতামূলক সেগমেন্ট অনুষ্ঠিত হয়। সেগমেন্টগুলো হলো বাংলাদেশ সায়েন্স অলিম্পিয়াড — পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, জীববিজ্ঞান, গণিত, জ্যোতির্বিজ্ঞান, আইসিটি ও সাধারণ জ্ঞান বিষয়ে ১০০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা; দলভিত্তিক লিখিত ও বাজার রাউন্ডের কুইজ প্রতিযোগিতা- ব্রেইন স্পার্ক; “বিজ্ঞান কীভাবে বাংলাদেশকে টেকসই উন্নয়নে সহায়তা করতে পারে” তা নিয়ে বিজ্ঞান বক্তৃতা প্রতিযোগিতা- ‘ভয়েস অব সায়েন্স’।</p>
<p>এছাড়াও অনুষ্ঠিত হয়েছে- দেয়ালিকা প্রতিযোগিতা- ওয়াল অব সায়েন্স; বিজ্ঞান প্রকল্প প্রদর্শনী; পাওয়ারপয়েন্ট প্রেজেন্টেশন প্রতিযোগিতা; রুবিক’স কিউব প্রতিযোগিতা; বৈজ্ঞানিক পোস্টার প্রদর্শনী; ট্রেজার হান্ট প্রতিযোগিতা এবং ভবিষ্যৎ বিজ্ঞানীদের জন্য ব্যবহারিক কর্মশালা।</p>
<p>প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়া প্রত্যেক অংশগ্রহণকারীকে দেয়া হয়েছে একটি করে সার্টিফিকেট, কলম এবং রিফ্রেশমেন্ট স্ন্যাকস। ইভেন্টটির পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান শীঘ্রই অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে প্রতিটি সেগমেন্ট ও ক্যাটাগরিতে শ্রেষ্ঠ তিনজন বা দলকে সম্মাননা ও বিশেষ স্মারক প্রদান করা হবে। </p>
<p>বিজ্ঞান উৎসবের সমাপনীতে সুপ্রিম কোর্ট অব বাংলাদেশ ও ওয়াদুদ ময়মুন্নেসা ফাউন্ডেশনের কোষাধ্যক্ষ অ্যাডভোকেট এ. কে. এম. বদরুদ্দোজা  এবং ঢাকা ইউনিভার্সিটি সায়েন্স সোসাইটি  মডারেটর ও ঢাবি’র  জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মুশতাক ইবনে আয়ুব বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। </p>
<p>এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মাইলস্টোন কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ জিয়াউল আলম সহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকবৃন্দ।</p>
<p>এক্সপোজিয়ামের উদ্দেশ্য প্রসঙ্গে ঢাকা ইউনিভার্সিটি সায়েন্স সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক রাগিব মুত্তাকী বলেন, “বাংলাদেশ সায়েন্স এক্সপোজিয়াম ২০২৫ শুধু একটি প্রতিযোগিতা নয়; এটি বিজ্ঞানমনস্ক শিক্ষার্থীদের জন্য বিজ্ঞানচিন্তা ও উদ্ভাবনের এক মুক্ত মঞ্চ। আমাদের লক্ষ্য ভবিষ্যৎ গবেষক ও উদ্ভাবকদের জন্য একটি টেকসই প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা।”</p>
<p>আয়োজকদের মতে, দেশের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে বিজ্ঞানচর্চা, গবেষণা ও উদ্ভাবনী মনোভাবের বিকাশ এবং বাস্তবমুখী দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তোলাই এই এক্সপোজিয়ামের মূল লক্ষ্য। এসব কার্যক্রম তরুণদের যুক্তিবোধ, দলগত কাজ, সৃজনশীলতা ও বিজ্ঞানমনস্ক চিন্তাভাবনার বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।</p>
<p>ইভেন্টে বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানমনস্ক শিক্ষার্থীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে আয়োজনটিকে বৈচিত্র্যময় করে তোলে। তাদের উদ্ভাবনের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল ভূমিকম্প-প্রতিরোধী ভবন, কৃষিক্ষেত্রে বন্যার পানি ব্যবহারের অভিনব কৌশল, আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর ও এআই-চালিত স্যাটেলাইট কৃষি ব্যবস্থাপনা, রোবোটিক্স, দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের জন্য সেন্সর, ভূমিকম্প-পরবর্তী মানবহীন রেসকিউ যান, আধুনিক সফটওয়্যার সিস্টেমসহ আরও বহু উদ্ভাবন। এছাড়া বিজ্ঞান বক্তৃতার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা টেকসই উন্নয়নে বিজ্ঞানের ভূমিকা নিয়ে মতামত তুলে ধরে; কুইজ প্রতিযোগিতায় তাদের বৈজ্ঞানিক জ্ঞান প্রদর্শন করে; এবং প্রেজেন্টেশনে প্রতিযোগিতায় ছিল বিজ্ঞান কীভাবে জলবায়ু পরিবর্তনকে রিভার্স করতে পারে, যা তাদের সায়েন্স কমিউনিকেশন দক্ষতা তুলে ধরে।<br>উল্লেখযোগ্যভাবে, এ আয়োজনে নিরলসভাবে কাজ করেছেন ঢাকা ইউনিভার্সিটি সায়েন্স সোসাইটি ও বেস্টক্যাড কর্প-এর সদস্যবৃন্দসহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের স্বেচ্ছাসেবকরা, যাদের নিবেদিত অংশগ্রহণেই এই সফল আয়োজন সম্ভব হয়েছে।</p>
<p>যৌথভাবে এ আয়োজনের উদ্যোগ নেয় ঢাকা ইউনিভার্সিটি সায়েন্স সোসাইটি (ডিইউএসএস), ওয়াদুদ ময়মুন্নেসা ফাউন্ডেশন এবং বেস্টক্যাড কর্প। আয়োজনে পৃষ্ঠপোষকতা করে ট্র্যান্সকম গ্রুপ।</p>
<p><em><strong>ডিবিটেক/আরএম/ইক</strong></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ইন্দোনেশিয়া ইনোভেশন ওয়ার্ল্ড কাপে বাংলাদেশ পর্বে স্বর্ণপদক পেলো ১৫ দল</title>
<link>https://digibanglatech.news/159187</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159187</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_690f7b2e427dd.jpg" length="154452" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 08 Nov 2025 13:19:06 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>মালোশিয়া জয়ের পর এবার ইন্দোনেশিয়ার ‘ইনোভেশন ওয়ার্ল্ড কাপ ২০২৬’-প্রতিযোগিতায়  যাচ্ছে বাংলাদেশের কিশোর-দামাল উদ্ভাবকেরা। এই আয়োজনে অংশ নিতে এরই মধ্যে বাংলাদেশ দল বাছাই পর্ব শেষ করেছে ড্রিমস অব বাংলাদেশ (ডিওবি)। বাছাই পর্বে ১৫টি দল স্বর্ণ, ২২টি দল রোপ্য, ২৮টি দল তাম্র এবং ২০টি দল বিশেষ সম্মাননা পেয়েছে। </p>
<p>রাজধানীর খিলগাঁও গভঃ কলোনি স্কুল অ্যান্ড কলেজে ৭ নভেম্বর, শুক্রবার বিকেলে অনুষ্ঠিত পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সম্মাননা প্রাপ্তদের হাতে ক্রেস্ট ও সনদ তুলে দেন স্পেস ইনোভেশন ক্যাম্প প্রেসিডেন্ট এবং নাসা স্পেস অ্যাপস চ্যালেঞ্জ বাংলাদেশের উপদেষ্টা আরিফুল হাসান অপু। </p>
<p>এসময় তার সঙ্গে ছিলেন খিলগাঁও গভঃ কলোনি স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ জহিরুল ইসলাম, জীববিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক নাসরিন জাহান, রেডিওগিয়ার বিডির প্রধান মৃদুল হাসান প্রমুখ। </p>
<p>এর আগে আন্তর্জাতিক আসরে অংশ নিতে  ৪০৫টি প্রকল্প জমা দিয়েছিলো দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান,পলিটেকনিক ও প্রযুক্তি শিক্ষার্থীরা। সেগুলো দুই ধাপের কঠোর মূল্যায়নের মাধ্যমে গত ৩০ অক্টোবর অনলাইন প্রতিযোগিতায় ৮৫টি টিম আন্তর্জাতিক রাউন্ডের জন্য নির্বাচিত হয়। </p>
<p>আগামী ২৮ জানুয়ারি থেকে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত ইন্দোনেশিয়ার বান্দুং শহরে অনুষ্ঠিতব্য বৈশ্বিক আসরে যোগ দেবে নির্বাচিত ৩০টি দলের শতাধিক কিশোর-তরুণ উদ্ভাবক।</p>
<p>ডিবিটেক/এমএস/ইক</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>একদিনে দুই সম্মননা পেলো ‘টিম বিইউবিটি’</title>
<link>https://digibanglatech.news/159157</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159157</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_690ebceed8818.jpg" length="133602" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 07 Nov 2025 22:52:04 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>কিউ-এস এশিয়া ইউনিভার্সিটি র‍্যাঙ্কিংস-২০২৬ এ স্থান করে নিয়েছে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজি (বিইউবিটি)। এশিয়ার শীর্ষ ১৪০১-১৫০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় বিইউবিটির অবস্থান নিশ্চিত হয়েছে এবং দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে ৪৫৪তম স্থান অর্জন করেছে। </p>
<p>এই অর্জনকে ধারণ করে আন্তর্জাতিক ও দেশ; উভয় ক্ষেত্রেই একই দিনে দুইটি সম্মাননা লাভ করেছে বিশ্ববিদ্যালয়টির তরুণ উদ্ভাবকদের দল টিম বিইউবিটি। ইন্দোনেশিয়ার বালিতে অনুষ্ঠিত ৭ম আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান ও উদ্ভাবন মেলার (আইএসআইএফ) অনলাইন ফলাফল ঘোষণার সঙ্গে ৭ নভেম্বর, শুক্রবার, একই দিনে ইনোভেশন ওয়ার্ল্ড কাপ ২০২৬ এর বাংলাদেশ রাউন্ডে ডিওবি (ড্রিমস অব বাংলাদেশ) স্পেশাল অ্যাওয়ার্ড লাভ করে এই দলের সদস্যরা। ভিসা না হওয়ায় ইন্দোনিশান ইয়ং সায়েন্টিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের (আইওয়াইএসএ) আয়োজনে অনুষ্ঠিত ৭ম আইএসআইএফ-এ অনলাইনে অংশ নিয়েও নিজেদের উদ্ভাবিত মোবইল অ্যাপ ভিত্তিক সল্যুশন ‘অ্যাগ্রো ডক্টর’ প্রদর্শন করে  দেশের পক্ষে ব্রোঞ্জ পদক জিতে নেয় তারা। </p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x_690ec8a111ba5.jpg" alt=""></p>
<p>বিইউবিটি’র কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী কামরুল ইসলাম তুহিনের নেতৃত্বে তরুণ উদ্ভাবক দলের অপর সদস্যরা হলেন- এআই টিম লিড শওকত হোসাইন, সফটওয়্যার লিড সাব্বির হোসাইন, গ্রাফিক্স ডিজাইনার মোঃ শাকিল, ওয়েব ডেভেলপার আল আমিন সানি এবং অপারেশন লিড আসিফ আল আমিন। আর একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক শেষ করে কানাডায় স্নাতকত্তর করতে যাওয়া এআই গবেষক মোঃ শাকিল হোসেন এই দলটির মেন্টর হিসেবে রয়েছেন।  </p>
<p>অপরদিকে গত ১৩ অক্টোবর অনুষ্ঠিত ড্রিমস অব বাংলাদেশের উদ্ভাবনী প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে শুক্রবার সন্ধ্যায় পুরস্কৃত হয় টিম বিইউবিটি। জলে-স্থলে সমান ভাবে উদ্ধার কাজ করতে সক্ষম এই উভচর রোবট- ‘রোব তরী’ বানিয়ে এবারের ডিওবি স্পেশাল এওয়ার্ড পেয়েছে তারা। রাজধানীর খিলগাঁও গভঃ কলোনি স্কুল অ্যান্ড কলেজে অনুষ্ঠিত পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে টিম বিইউবিটি সদস্যদের হাতে সম্মাননা তুলে দেন স্পেশ ইনোভেশন ক্যাম্প প্রেসিডেন্ট আরিফুল হাসান অপু। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন খিলগাঁও গভঃ কলোনি স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ  জহিরুল ইসলাম এবং রেডিওগিয়ার বিডির প্রধান মৃদুল হাসান। </p>
<p><em><strong>ডিবিটেক/আইএইচ</strong></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ট্রেন্ডের বাইরে টিকে থাকা: স্থাপত্যে স্লেটের দর্শন</title>
<link>https://digibanglatech.news/159138</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159138</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_690cccdb00382.jpg" length="118013" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 06 Nov 2025 18:31:22 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span lang="BN">একটি নতুন বাংলাদেশি স্থাপত্য শিল্প স্টুডিও</span>, <span lang="BN">যারা মানুষের প্রয়োজন আর উদ্দেশ্যকে প্রাধান্য দিচ্ছে</span>, <span lang="BN">প্রতিনিয়ত। </span><o:p></o:p><span lang="BN">ঢাকা শহর প্রতিদিনই বদলে যাচ্ছে</span>, <span lang="BN">চারিদিকে নতুন নতুন ভবন</span>, <span lang="BN">নতুন নকশা। কিন্তু এই ব্যস্ততার মাঝেও </span>Slate (<span lang="BN">স্লেট) কাজ করছে তাদের নিজস্বতায়। তারা বিশ্বাস করে</span>, <span lang="BN">স্থাপত্য শুধু দৃষ্টিনন্দন কিছু নয়</span>; <span lang="BN">এর আসল উদ্দেশ্য হলো মানুষের জীবনকে সহজ</span>, <span lang="BN">সুন্দর ও অর্থবহ করা।</span><o:p></o:p></p>
<p><span lang="BN">স্লেটের জন্য আর্কিটেকচার মানে শুধুমাত্র প্রদর্শন নয়</span>, <span lang="BN">বরং জীবনের এক অংশ হওয়া। তাদের মূল বিশ্বাস প্রতিটি নকশার পেছনে একটি কারণ থাকা প্রয়োজন যা তাদের শিল্পকে মানুষের কাছে পৌঁছাতে সাহায্য করবে। তাদের ট্যাগলাইন "</span>Design with Purpose” <span lang="BN">কোনো বিজ্ঞাপনী লাইন নয়</span>, <span lang="BN">বরং তাদের কাজের মূলনীতি। প্রতিটি প্রকল্প শুরুর আগে তারা নিজেদের প্রশ্ন করে এই জায়গাটা কেন থাকা দরকার</span>?"<o:p></o:p></p>
<p><span lang="BN">এই প্রশ্নের উত্তরই গড়ে দেয় তাদের প্রতিটি কাজের দিকনির্দেশনা। হোক সেটা একটি বাড়ি বা অফিস। প্রতিটি জায়গা তারা এমনভাবে তৈরি করে যেন সেখানে মানুষ যেনো তার স্বাভাবিক ছন্দ অনুভব করতে পারে। তারা চিন্তা করে</span>, <span lang="BN">একটি বাড়ি এমন একটি পরিবেশ যেখানে পরিবারের সদস্যরা বসবাস করে</span>, <span lang="BN">বেড়ে ওঠে</span>, <span lang="BN">একসাথে সময় কাটায়। অফিস প্রজেক্টগুলোর ক্ষেত্রেও একই কথা। এটি শুধু কাজের জায়গা নয়</span>, <span lang="BN">বরং এমনভাবে ডিজাইন করা যাতে মানুষ তার নিজস্ব সৃজনশীলতার সাথে যুক্ত থাকতে পারে।</span><o:p></o:p></p>
<p><span lang="BN">স্লেটের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো তারা সবসময় মানুষের অনুভূতিকে প্রাধান্য দেয়। তারা প্রায়ই বলে</span>, “<span lang="BN">একটি বিল্ডিং তখনই সফল</span>, <span lang="BN">যখন ভিতরে থাকা মানুষেরা ভালো বোধ করে</span>, <span lang="BN">নিজেদের কানেক্ট করতে পারে।”</span><o:p></o:p></p>
<p><span lang="BN">যখন অনেকে করতালির বা সাধুবাদের জন্য বিল্ডিং বানায়</span>, <span lang="BN">স্লেট সেখানে তার প্রতিটি নকশা করে সময়ের পরীক্ষায় টিকে থাকার জন্য। ফলাফল হিসেবে তৈরি হয় এমন সব স্থাপত্য যা নিঃশব্দে মানুষের জীবনকে উন্নত করে। স্থাপত্যগুলো দেখিয়ে দেয়</span>, <span lang="BN">নিঃশ্বব্দে নিজস্বতা বজায় রাখা সম্ভব।</span><o:p></o:p></p>
<p><span lang="BN">বাংলাদেশের অন্যতম চিন্তাশীল ডিজাইন স্টুডিও হিসেবে স্লেট প্রমাণ করেছে ভালো ডিজাইন মানে দামি বা জটিল কিছু নয় বরং সৎ ও অর্থবহ কিছু। তাদের প্রতিটি প্রজেক্ট শুধু বিল্ডিং হয়ে দাঁড়িয়ে থাকার জন্য নয় বরং মানুষের জীবনের অংশ হয়ে ওঠার জন্য।</span></p>
<p><o:p></o:p><strong><span lang="BN">স্থাপত্যের মানবিক ভাষা: সৈয়দ মোহাম্মদ ইমরান ও স্লেটের গল্প</span></strong><o:p></o:p></p>
<p><o:p> </o:p>“<span lang="BN">স্থাপত্য শুধু আজকে মুগ্ধ করবে না</span>, <span lang="BN">আগামীকেও করবে অনুপ্রাণিত।”</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">কথাটি বলেন স্লেট (</span>Slate) <span lang="BN">এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা সৈয়দ মোহাম্মদ ইমরান</span>, <span lang="BN">যিনি স্থাপত্যের ভাষাকে পড়েন নিজের দর্শনের ভাষায়।</span><o:p></o:p></p>
<p><o:p> </o:p><span lang="BN">সৈয়দ মোহাম্মদ ইমরান</span>, <span lang="BN">প্রথম পরিচিতি পান এডিসন রিয়েল এস্টেট-এ কাজের মাধ্যমে</span>, <span lang="BN">যেখানে তিনি বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রশংসিত কিছু প্রকল্পের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তিনি বুঝতে পারেন</span>, <span lang="BN">তাঁর দৃষ্টি প্রচলিত রিয়েল এস্টেটের সীমার বাইরে। তিনি এমন একটি জায়গা তৈরি করতে চেয়েছিলেন যেখানে ডিজাইন শুধুমাত্র বিক্রির হিসাবে নয়</span>, <span lang="BN">বরং উদ্দেশ্যের দ্বারা পরিচালিত হবে।</span><o:p></o:p></p>
<p><o:p> </o:p><span lang="BN">সেই চিন্তা থেকেই জন্ম নেয় স্লেট</span>, <span lang="BN">যেখানে প্রতিটি নকশা শুরু হয় মানুষের কথা ভেবে।</span><o:p></o:p></p>
<p><o:p> </o:p><span lang="BN">শুরুর পর থেকেই স্লেট বাংলাদেশের আধুনিক স্থাপত্যকে এক নতুন রূপ দিয়ে চলছে। চকচকে ভবন আর ধার করা নকশায় যেখানে শহরটা ভরে আছে</span>, <span lang="BN">সেখানে সেই একই শহরের বুকে স্লেটের কাজ আলাদা জায়গা করে নিয়েছে। তাদের স্থাপত্য বিদেশি স্টাইলের নকল নয়</span>, <span lang="BN">বরং এমন নকশা তৈরি করা যা আমাদের আবহাওয়া</span>, <span lang="BN">সংস্কৃতি ও জীবনের সঙ্গে মানিয়ে যায়।</span><o:p></o:p></p>
<p><o:p> </o:p><span lang="BN">ইমরানের নেতৃত্বে</span>, <span lang="BN">স্লেট প্রতিটি প্রকল্পকে এক একটি গল্প হিসেবে দেখে। তাদের প্রথম প্রশ্ন থাকে</span>, “<span lang="BN">এই জায়গাটা যুগের পর যুগ ধরে কিভাবে বেঁচে থাকবে।</span>?” <span lang="BN">ছোট্ট একটি বাড়ি হোক বা বড় কোনো উন্নয়ন প্রকল্প</span>, <span lang="BN">প্রতিটিতেই তারা খুঁজে নেয় বিষয়</span>, <span lang="BN">অনুভূতি ও টেকসইতা।</span><o:p></o:p></p>
<p><span lang="BN">ইমরানের কাছে ডিজাইন মানে প্রতিযোগিতা নয়</span>, <span lang="BN">বরং মানুষের অনুভূতি বুঝতে পারা। তাঁর নেতৃত্বে স্লেটের দল নির্ভুলতা ও সংবেদনশীলতাকে একত্র করে এমন স্থাপনা গড়ে তুলছে</span>, <span lang="BN">যা দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়ে থাকছে।</span><o:p></o:p></p>
<p><o:p> </o:p><span lang="BN">বাংলাদেশের স্থাপত্য যখন দ্রুত বদলাচ্ছে</span>, <span lang="BN">স্লেট সেখানে এক নীরব বিপ্লব। তারা মনে করিয়ে দেয়</span>, <span lang="BN">অগ্রগতি শুধু কাঁচ আর ইস্পাতে হয় না</span>, <span lang="BN">হয় চিন্তা</span>, <span lang="BN">সংযম এবং মানবিকতার মধ্য দিয়ে। </span><o:p></o:p><span lang="BN">স্লেটের মাধ্যমে সৈয়দ মোহাম্মদ ইমরান শুধু ভবন নির্মাণ করছেন না</span>, <span lang="BN">তৈরি করছেন একটি চিন্তার শিল্প। তাঁর বিশ্বাস</span>, <span lang="BN">একটি ভালো স্থাপত্য মানে মানুষের হৃদয়কে ছুঁতে পারা</span>, <span lang="BN">শুধু আকাশকে নয়।</span></p>
<hr>
<p>লেখকঃ সিনিয়র মিডিয়া অ্যাডভাইজার, টপ অব মাইন্ড</p>
<hr>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>“তরুণরাই সমাজ পরিবর্তনের হাতিয়ার”</title>
<link>https://digibanglatech.news/159108</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159108</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_690b6b05ae59c.jpg" length="118465" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 05 Nov 2025 18:19:50 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 12.0pt; line-height: 107%; font-family: Kalpurush;">“<span lang="AR-SA">এটা সত্য যে শিক্ষা আমাদের জীবনে সুযোগের দরজা খুলে দেয়। কিন্তু সমাজে আসল পরিবর্তন আনেন তরুণরা। তাদের দৃঢ় সংকল্প</span>, <span lang="AR-SA">কল্পনাশক্তি আর নেতৃত্বের মাধ্যমে।” ৪ নভেম্বর, মঙ্গলবার  ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির মেরুল বাড্ডা ক্যাম্পাসে দেওয়া এক বক্তব্যে শিক্ষার্থীদের এভাবেই অনুপ্রাণিত করেন মাস্টারকার্ড ফাউন্ডেশনের প্রেসিডেন্ট ও সিইও রিতা রায়।</span></span><span style="font-size: 12.0pt; line-height: 107%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;"><o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 12.0pt; line-height: 107%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;"><o:p> এদিন</o:p></span><span lang="AR-SA" style="font-size: 12.0pt; line-height: 107%; font-family: Kalpurush;"> রিতা রায়ের নেতৃত্বে মাস্টারকার্ড ফাউন্ডেশনের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি সফরে এসেছিলেন। এই সফরে তিনি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। তরুণ নেতৃত্ব</span><span style="font-size: 12.0pt; line-height: 107%; font-family: Kalpurush;">, <span lang="AR-SA">উদ্ভাবন এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন বিষয়ে তিনি কথা বলেন। কীভাবে তরুণরা তাদের জীবনকে আরো ভালোভাবে গড়তে পারে সেই বিষয়ে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন রিতা।</span></span></p>
<p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span lang="AR-SA" style="font-size: 12.0pt; line-height: 107%; font-family: Kalpurush;">তিনি সবাইকে প্রচলিত চিন্তার বাইরে গিয়ে নতুন পথ খোঁজার পরামর্শ দেন। শিক্ষার্থীদের নিজেদের স্বপ্নকে নিজের মতো করে গড়ে তোলার অনুপ্রেরণা দেন তিনি। শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন</span><span style="font-size: 12.0pt; line-height: 107%; font-family: Kalpurush;">, “<span lang="AR-SA">তোমরা কি নিজেদের কমফোর্ট জোন থেকে বের হয়ে নতুন পথে যাওয়ার মতো সাহসী পদক্ষেপ নিতে</span></span><span style="font-size: 12.0pt; line-height: 107%; font-family: 'Cambria',serif; mso-bidi-font-family: Cambria;"> </span><span lang="AR-SA" style="font-size: 12.0pt; line-height: 107%; font-family: Kalpurush;">প্রস্তুত?<span style="mso-spacerun: yes;">  </span></span><span style="font-size: 12.0pt; line-height: 107%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;"><o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span lang="AR-SA" style="font-size: 12.0pt; line-height: 107%; font-family: Kalpurush;">রিতা রায় তার বক্তব্যে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির প্রশংসা করেন। তিনি বলেন</span><span style="font-size: 12.0pt; line-height: 107%; font-family: Kalpurush;">, <span lang="AR-SA">ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি বৈশ্বিক নাগরিকত্ব</span>, <span lang="AR-SA">সামাজিক উন্নয়ন এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তিনি বলেন, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি ও<span style="mso-spacerun: yes;">  </span>মাস্টারকার্ড ফাউন্ডেশনের লক্ষ্য ও ভাবনার মধ্যে মিল রয়েছে। আমরা চাই তরুণদের ক্ষমতায়ন। </span></span><span style="font-size: 12.0pt; line-height: 107%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;"><o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span lang="AR-SA" style="font-size: 12.0pt; line-height: 107%; font-family: Kalpurush;">মাস্টারকার্ড ফাউন্ডেশন একটি আন্তর্জাতিক বেসরকারি সংস্থা। প্রতিষ্ঠানটি তরুণদের উন্নয়নে কাজ করে থাকে। </span><span style="font-size: 12.0pt; line-height: 107%; font-family: Kalpurush;"><span lang="AR-SA">বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি আফ্রিকা এবং কানাডার আদিবাসী যুবকদের উন্নয়নে সহায়তা করছে। মাস্টারকার্ড ফাউন্ডেশনের উদ্দেশ্য হলো তরুণদের জন্য অর্থবহ</span>, <span lang="AR-SA">মর্যাদাপূর্ণ এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা- যোগ করেন তিনি। </span></span></p>
<p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span lang="AR-SA" style="font-size: 12.0pt; line-height: 107%; font-family: Kalpurush;">ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে মাস্টারকার্ডের প্রতিনিধি দলটিকে স্বাগত জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারপারসন তামারা হাসান আবেদ। তিনি বলেন</span><span style="font-size: 12.0pt; line-height: 107%; font-family: Kalpurush;">, <span lang="AR-SA">এই সফরটি দুটি প্রতিষ্ঠানের যৌথ লক্ষ্য ও সহযোগিতার প্রতীক। তিনি আরও বলেন</span>, “<span lang="AR-SA">মাস্টারকার্ড ফাউন্ডেশন এবং ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির লক্ষ্য এক। আমরা শিক্ষা</span>, <span lang="AR-SA">উদ্ভাবন এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের মাধ্যমে তরুণদের শক্তিশালী করতে কাজ করছি। আমরা এমন নেতৃত্ব গড়ে তুলতে চাই</span>, <span lang="AR-SA">যারা সমাজে এবং বিশ্বে নতুন সম্ভাবনার পথ দেখাবে।” এ সময় উপস্থিত ছিলেন ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর আরশাদ মাহমুদ চৌধুরী</span>,<span lang="AR-SA"> ট্রেজারার আরিফুল ইসলাম এবং ব্র্যাক ইন্টারন্যাশনালের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর শামেরান আবেদ।</span></span><span style="font-size: 12.0pt; line-height: 107%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;"><o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span lang="AR-SA" style="font-size: 12.0pt; line-height: 107%; font-family: Kalpurush;">মাস্টারকার্ডের এই প্রতিনিধি দলে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির চিফ ফাইন্যান্সিয়াল অফিসার ডগ কাসামবালা</span><span style="font-size: 12.0pt; line-height: 107%; font-family: Kalpurush;">, <span lang="AR-SA">এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ও গ্লোবাল কন্ট্রোলার লিটসা পপোভিচ</span>, <span lang="AR-SA">চিফ প্রোগ্রাম অফিসার পিটার মাতেরু এবং পিএএনএ প্রোগ্রামের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ড. সেগেনেট কেলেমু। </span></span><span style="font-size: 12.0pt; line-height: 107%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;"><o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span lang="AR-SA" style="font-size: 12.0pt; line-height: 107%; font-family: Kalpurush;">ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির পক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক কার্যক্রম তুলে ধরেন সেন্টার ফর পিস অ্যান্ড জাস্টিসের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর মনজুর হাসান ওবিই</span><span style="font-size: 12.0pt; line-height: 107%; font-family: Kalpurush;">, <span lang="AR-SA">ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব গভর্ন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ইমরান মতিন</span>, <span lang="AR-SA">ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব এডুকেশনাল ডেভেলপমেন্টের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ড. ইরাম মরিয়াম</span>, <span lang="AR-SA">ব্র্যাক জেমস পি গ্রান্ট স্কুল অব পাবলিক হেলথের ডিন ড. লরা রাইখেনবাখ এবং অফিস অব </span></span><span lang="BN-BD" style="font-size: 12.0pt; line-height: 107%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;">কমিউনিকেশন্সের</span><span lang="AR-SA" style="font-size: 12.0pt; line-height: 107%; font-family: Kalpurush;"> ডিরেক্টর খায়রুল বাশার।</span><span style="font-size: 12.0pt; line-height: 107%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;"><o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span lang="AR-SA" style="font-size: 12.0pt; line-height: 107%; font-family: Kalpurush;">প্রতিনিধি দলটি ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির নতুন</span><span style="font-size: 12.0pt; line-height: 107%; font-family: Kalpurush;">, <span lang="AR-SA">পরিবেশবান্ধব ইনার সিটি ক্যাম্পাস ঘুরে দেখেন। ক্যাম্পাসটিতে টেকসই ও জ্বালানি সাশ্রয়ী অবকাঠামো ব্যবহৃত হয়েছে। ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির এই ক্যাম্পাস পরিবেশ সংরক্ষণে ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য একটি পয়েন্ট অফ রেফারেন্স।</span></span><span style="font-size: 12.0pt; line-height: 107%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;"><o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span lang="AR-SA" style="font-size: 12.0pt; line-height: 107%; font-family: Kalpurush;">ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং মানসম্মত শিক্ষার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক কোলাবোরেশনের বিষয়েও অত্যন্ত যত্নশীল। ব্র্যাক ইউনির্ভাসিটি শিক্ষার্থীদের এমন জ্ঞান</span><span style="font-size: 12.0pt; line-height: 107%; font-family: Kalpurush;">, <span lang="AR-SA">দক্ষতা এবং নেতৃত্বের গুণসম্পন্ন করে গড়ে তুলছে যাতে তারা উদ্ভাবন এবং টেকসই উন্নয়নকে এগিয়ে নিতে পারে। </span></span><span style="font-size: 12.0pt; line-height: 107%; font-family: Kalpurush; mso-bidi-language: BN-BD;"><o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span lang="AR-SA" style="font-size: 12.0pt; line-height: 107%; font-family: Kalpurush;">মাস্টারকার্ড ফাউন্ডেশনের সঙ্গে এই সহযোগিতা ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যের প্রতি অঙ্গীকারকে আরও শক্তিশালী করেছে। বিশেষ করে এসডিজি-৪ (মানসম্মত শিক্ষা)</span><span style="font-size: 12.0pt; line-height: 107%; font-family: Kalpurush;">, <span lang="AR-SA">এসডিজি-৮ (সম্মানজনক কাজ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি)</span>, <span lang="AR-SA">এসডিজি-১০ (বৈষম্য হ্রাস) এবং এসডিজি-১৭ (লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে অংশীদারিত্ব) অর্জনের ক্ষেত্রে এই উদ্যোগ ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির অগ্রযাত্রাকে আরও এগিয়ে নেবে।</span><o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span style="font-size: 12.0pt; line-height: 107%; font-family: Kalpurush;"><span lang="AR-SA">ডিবিটেক/এফএফ/মুইম</span></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>টেক স্টার্টআপদের মধ্যে বিনামূল্যে ৩৩টি ডেস্ক বরাদ্দ, খালি ১৮টি</title>
<link>https://digibanglatech.news/159097</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159097</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_690b47102f446.jpg" length="108950" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 05 Nov 2025 15:46:20 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div class="xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs x126k92a">
<div dir="auto">বাংলাদেশে উদ্ভাবনী উদ্যোগ ও তরুণ উদ্যোক্তাদের বিকাশ ত্বরান্বিত করতে কো-ওয়ার্কিং স্পেস ব্যবস্থাপনায় নতুন উদ্যোগ নিয়েছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের আওতাধীন বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি) পরিচালিত ‘উদ্ভাবন ও উদ্যোক্তা উন্নয়ন একাডেমি প্রতিষ্ঠাকরণ (আইডিয়া) প্রকল্প।  এই উদ্যোগের মাধ্যমে এরই মেধ্য মধ্য ঢাকার আগারগাঁওয়ের আইসিটি টাওয়ারে থাকা মোট ৫১টির মধ্যে ৩৩টি ডেস্ক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বাকি ১৮টি ডেস্কের জন্য আবেদন প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে বিসিসি। </div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">সূত্রমতে, নতুন ও সম্ভাবনাময় স্টার্ট-আপদের আবেদন যাচাই-বাছাই শেষে দ্রুত সময়ের মধ্যেই অব্যবহৃত ডেস্কগুলোকে বরাদ্দ দেওয়া হবে। </div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">জানাগেছে, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব অনিয়মিত স্টার্ট-আপদের বরাদ্দ বাতিলের পাশাপাশি নতুন ও যোগ্য <span class="html-span xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl x1hl2dhg x16tdsg8 x1vvkbs"><a class="html-a xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl x1hl2dhg x16tdsg8 x1vvkbs" tabindex="-1"></a></span>স্টার্ট-আপদের আইডিয়া প্রকল্পের আধুনিক কো-ওয়ার্কিং স্পেস ব্যবহারের সুযোগ দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন। সেই নির্দেশনা অনুযায়ী, নতুন কো-ওয়ার্কিং স্পেস নীতিমালা বাস্তবায়নের পর আইডিয়া প্রকল্পের কার্যক্রম আরও গতিশীল হয়েছে। এ পর্যন্ত বিশেষ কমিটির ছয়টি সভায় নতুন স্টার্ট-আপদের বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। আবেদন ও বরাদ্দ প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হয়েছে সম্পূর্ণ অনলাইনে।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto"></div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">আইডিয়া প্রকল্পের এই কো-ওয়ার্কিং স্পেসে উদ্যোক্তারা পাচ্ছেন ৬ মাস মেয়াদি বিনামূল্যে অফিস স্পেস, উচ্চগতির ইন্টারনেট, মিটিং ও কনফারেন্স রুম, মনিটরিং ও কর্পোরেট নেটওয়ার্কিং সুবিধা এবং আইডিয়া ল্যাব ব্যবহারের বিশেষ সুযোগ। </div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">এই সুযোগ পেতে আইডিয়া প্রকল্পের অফিসিয়াল <strong><a href="https://idea.gov.bd/register" target="_blank" rel="noopener">ওয়েবসাইটে </a></strong>গিয়ে আবেদন করতে হবে উদ্যোক্তাদের। শুধু তথ্যপ্রযুক্তি ভিত্তিক উদ্ভাবনী স্টার্ট-আপরাই এই কো-ওয়ার্কিং স্পেসের জন্য আবেদন করতে পারবেন। আবেদনকারীদের ট্রেড লাইসেন্স অথবা বিআইএন কপি, টিআইএন সার্টিফিকেট, প্রতিষ্ঠাতার এনআইডি অথবা পাসপোর্টের কপি এবং অনুদানপ্রাপ্ত হলে সংশ্লিষ্ট চুক্তিপত্রের কপি জমা দিতে হবে।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto"></div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>সামরিক&#45;বেসরকারি যৌথ উদ্যোগে বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা শিল্পের নীতি&#45;গবেষণা ও প্রস্তাবনা</title>
<link>https://digibanglatech.news/159045</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159045</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_690975de88ed1.jpg" length="96935" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 04 Nov 2025 00:40:50 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="MsoNormal"><span style="font-family: Kalpurush;">মিসাইলের মতো দূরনিয়ন্ত্রিত ক্ষেপনাস্ত্রের সঙ্গে এখন আধুনিক প্রযুক্তির ক্ষুদ্র ড্রোন সামরিক সক্ষমতায় যুক্ত করেছে নতুন মাত্রা। প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাপনায় তাই কৌশলের সঙ্গে প্রকৌশল জড়িয়ে পড়েছে অঙ্গাঅঙ্গি ভাবে। এক্ষেত্রে আমদানি নির্ভর যুদ্ধ সরঞ্জামের পাশাপাশি প্রযুক্তি বিনিময় ও দেশীয় প্রযুক্তি উদ্ভাবনের মাধ্যমে সামরিক সক্ষমতা অর্জন গুরুত্ববহ হয়ে উঠেছে। কিন্তু</span><span style="font-family: Kalpurush;"> স্বাধীনতার পাঁচ দশকেরও বেশি সময় পরেও দেশের প্রতিরক্ষা খাত মূলত আমদানিনির্ভর। এটি জাতীয় নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি এবং অর্থনৈতিকভাবে চাপও বটে। এমন ঐতিহাসিক মোড়ে দাঁড়িয়ে, জাতীয় নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যে একটি আত্মনির্ভরশীল ও রপ্তানিমুখী প্রতিরক্ষা শিল্প গড়ে তোলার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে বাংলাদেশের জন্য। এরইমধ্যে সরকারের পক্ষ থেকে একটি বিশেষায়িত 'প্রতিরক্ষা অর্থনৈতিক অঞ্চল' (Defence Economic Zone - DEZ) স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে, যা এই খাতে একটি নতুন গতি সঞ্চারের ইঙ্গিত দেয়। এর মাধ্যমে<span> প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম আমদানি-নির্ভরতা কমিয়ে ড্রোন, সাইবার প্রযুক্তি ও অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম দেশেই উৎপাদন করে দেশের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি রপ্তানির সুযোগও তৈরি করবে। এর জন্য দীর্ঘমেয়াদী নীতি, সরকারি সমর্থন এবং বেসরকারি ও বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করা প্রয়োজন। </span>এই প্রেক্ষাপটে, একটি সুসংগঠিত ও দীর্ঘমেয়াদি প্রতিরক্ষা শিল্প নীতি প্রণয়ন অত্যন্ত জরুরি, যা বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় বেসরকারি খাত ও অভিজ্ঞ সামরিক বাহিনীর সমন্বয়ে একটি শক্তিশালী জাতীয় ক্ষমতা গড়ে তুলবে। <o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-family: Kalpurush;">১. সারসংক্ষেপ ও প্রস্তাবিত নীতির মূল কথা<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-family: Kalpurush;">১. ১. প্রস্তাবিত মডেল: প্ল্যাটফর্ম ও অস্ত্র উৎপাদনে বেসরকারি খাত ও সামরিক বাহিনীর ভূমিকা<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-family: Kalpurush;">বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষাপট ও আন্তর্জাতিক প্রতিরক্ষা শিল্পনীতির প্রেক্ষাপটে প্রস্তাবিত মডেল অনুযায়ী:<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-family: Kalpurush;">বেসরকারি খাতের নেতৃত্ব:</span></b><span style="font-family: Kalpurush;"> দেশের সম্ভাবনাময় বেসরকারি শিল্পগোষ্ঠী যুদ্ধবিমান, ড্রোন, ট্যাংক, যুদ্ধজাহাজ ও সাবমেরিনের মতো প্রধান প্ল্যাটফর্ম ডিজাইন ও উৎপাদনে নেতৃত্ব দেবে। এই খাতের ব্যবসায়িক দক্ষতা, উদ্ভাবনী শক্তি এবং প্রতিযোগিতামূলক চেতনা এই জটিল প্রকল্পগুলোর সফল বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-family: Kalpurush;">সামরিক বাহিনীর দায়িত্ব:</span></b><span style="font-family: Kalpurush;"> অন্যদিকে, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর অধীনে থাকা প্রতিষ্ঠানগুলো (যেমন বাংলাদেশ অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরি - BOF, বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি - BMTF) এই প্ল্যাটফর্মগুলোর জন্য প্রয়োজনীয় অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ, ও ক্ষেপণাস্ত্র ডিজাইন ও উৎপাদনের দায়িত্ব পালন করবে। সামরিক বাহিনীর কৌশলগত জ্ঞান, নিরাপত্তা প্রয়োজন এবং অপারেশনাল অভিজ্ঞতা এই স্পেশালাইজড ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ হিসেবে কাজ করবে।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-family: Kalpurush;">এই মডেলটি দক্ষিণ কোরিয়া ও তুরস্কের সাফল্যের মডেলের অনুরূপ, যেখানে বেসরকারি খাতের নেতৃত্বে প্ল্যাটফর্ম উৎপাদন এবং সরকারি সমন্বয়ে সাব-সিস্টেম উন্নয়ন একটি কার্যকর সমন্বয় তৈরি করেছে।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-family: Kalpurush;">১.২. নীতি কাঠামোর মূল লক্ষ্য: আত্মনির্ভরশীলতা, রপ্তানি ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-family: Kalpurush;">প্রস্তাবিত প্রতিরক্ষা শিল্প নীতির মূল লক্ষ্য তিনটি:<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-family: Kalpurush;">কৌশলগত আত্মনির্ভরশীলতা:</span></b><span style="font-family: Kalpurush;"> বিদেশি প্রযুক্তি ও আমদানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-family: Kalpurush;">রপ্তানি-উন্নত খাত গড়ে তোলা: </span></b><span style="font-family: Kalpurush;">আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতামূলক মূল্যে মানসম্মত প্রতিরক্ষা সামগ্রী রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-family: Kalpurush;">অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান:</span></b><span style="font-family: Kalpurush;"> প্রতিরক্ষা শিল্পকে একটি হাই-টেক শিল্প হিসেবে গড়ে তুলে দক্ষ কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা এবং জাতীয় অর্থনীতিতে একটি নতুন প্রবৃদ্ধির খাত যোগ করা।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-family: Kalpurush;">এই লক্ষ্যগুলো অর্জনের জন্য একটি ব্যাপক নীতি কাঠামোর প্রয়োজন, যা সংগঠনগত কাঠামো, অর্থায়ন কৌশল, গবেষণা ও উন্নয়ন, রপ্তানি কৌশল এবং নিয়ন্ত্রক কাঠামোর সমন্বয়ে গঠিত।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-family: Kalpurush;"><o:p> </o:p></span><b><span style="font-family: Kalpurush;">২. বাংলাদেশের বর্তমান প্রতিরক্ষা শিল্প: একটি SWOT বিশ্লেষণ<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-family: Kalpurush;">বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা শিল্পের ভবিষ্যৎ রূপরেখা নির্ধারণের পূর্বে বর্তমান অবস্থার একটি বাস্তবভিত্তিক ও গভীর বিশ্লেষণ অপরিহার্য। একটি SWOT (Strengths, Weaknesses, Opportunities, Threats) বিশ্লেষণের মাধ্যমে আমরা দেশের এই গুরুত্বপূর্ণ খাতের অভ্যন্তরীণ সক্ষমতা এবং বাইরের পরিবেশের চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনাগুলো চিহ্নিত করতে পারি। জাতীয় প্রতিরক্ষা কলেজ (NDC) কর্তৃক পরিচালিত এক গবেষণা এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্যের ভিত্তিতে এই বিশ্লেষণটি উপস্থাপন করা হলো, যা একটি কার্যকর ও বাস্তবসম্মত প্রতিরক্ষা শিল্প নীতি প্রণয়নের ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে ।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-family: Kalpurush;">২.১. শক্তি (Strengths)<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-family: Kalpurush;">২.১.১. অভিযোজিত জনশক্তি ও কৌশলগত অবস্থান<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-family: Kalpurush;">বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা শিল্পের অন্যতম প্রধান শক্তি হলো এর অভিযোজিত ও সম্পদশালী জনশক্তি। দেশটি শ্রম খাতে বিশ্বের অন্যতম সস্তা উৎস হওয়ায়, শিল্প উৎপাদনে শ্রম ব্যয় কম রাখা সম্ভব, যা প্রতিযোগিতামূলক মূল্য নির্ধারণে সহায়ক ভূমিকা রাখে । এছাড়া, হালকা প্রকৌশল শিল্প (Light Engineering Sector) সহ বেসরকারি খাতে দক্ষ কারিগরি জনবল রয়েছে, যারা প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদনে অবদান রাখার সম্ভাবনা রাখে। এই জনশক্তি দ্রুত নতুন প্রযুক্তি শিখে নিতে সক্ষম এবং চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় উদ্ভাবনী ক্ষমতা দেখিয়ে থাকে। এই অভিযোজনযোগ্যতা একটি উদীয়মান প্রতিরক্ষা শিল্পের জন্য অত্যন্ত মূল্যবান, কারণ এটি উৎপাদন প্রক্রিয়ায় দক্ষতা নিশ্চিত করে। দেশের কৌশলগত ভৌগোলিক অবস্থানও একটি সম্ভাবনাময় শক্তি হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে, যা ভবিষ্যতে আঞ্চলিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা ও রপ্তানি বাজারে প্রবেশের ক্ষেত্রে সুবিধা প্রদান করতে পারে।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-family: Kalpurush;">২.১.২. হালকা অস্ত্র ও গোলাবারুদ উৎপাদনে অভিজ্ঞতা<o:p></o:p></span></b><b><span style="font-family: Kalpurush;"><o:p> </o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-family: Kalpurush;">বাংলাদেশ ইতোমধ্যেই হালকা অস্ত্র ও গোলাবারুদ উৎপাদনে কিছু পরিমাণ অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে, যা প্রতিরক্ষা শিল্পের ভিত্তি গড়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। বাংলাদেশ অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরি (BOF) এবং বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি (BMTF) এর মতো প্রতিষ্ঠানগুলো এই খাতে কাজ করে আসছে । এই অভিজ্ঞতা শুধু উৎপাদন প্রক্রিয়ার সাথে পরিচিত হওয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; এটি গুণগত মান নিয়ন্ত্রণ, সরবরাহ ব্যবস্থাপনা এবং সামরিক বাহিনীর নির্দিষ্ট প্রয়োজন অনুযায়ী পণ্য তৈরির ক্ষেত্রে একটি বাস্তব জ্ঞানের ভিত্তি তৈরি করেছে। এই অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতে আরও উন্নত ও জটিল সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদনের পথে একটি সূচনা বিন্দু হিসেবে কাজ করতে পারে। <o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-family: Kalpurush;">২.১.৩ বিদ্যমান অবকাঠামো: বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি (BMTF) ও অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরি (BOF)<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-family: Kalpurush;">বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা শিল্পের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হলো বিদ্যমান অবকাঠামো, বিশেষ করে বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি (BMTF) এবং বাংলাদেশ অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরি (BOF)। BMTF-এর একটি বিস্তৃত অবকাঠামো রয়েছে, যা বিভিন্ন ধরনের পণ্য উৎপাদনে ব্যবহার করা যেতে পারে । এই প্রতিষ্ঠানটির শ্রমিকদের মেশিনিং, ওয়েল্ডিং এবং ইলেকট্রনিক্সে মৌলিক দক্ষতা রয়েছে, যা নতুন উৎপাদন লাইনে দ্রুত অভিযোজনের সহায়ক। অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরি (BOF) এর মতো প্রতিষ্ঠানগুলোর অভিজ্ঞতা এবং সামরিক বাহিনীর সাথে সরাসরি সম্পর্ক এই শক্তিকে আরও বেশি কার্যকর সহায়ক হিসাবে বিবেচনা করা যেতে পারে। এই অবকাঠামোকে আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণের মাধ্যমে বাংলাদেশ একটি শক্তিশালী প্রতিরক্ষা শিল্প গড়ে তুলতে পারে।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-family: Kalpurush;">২.২ দুর্বলতা (Weaknesses)<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-family: Kalpurush;">২.২.১ উন্নত প্রযুক্তি ও গবেষণা-উন্নয়নে ঘাটতি<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-family: Kalpurush;">বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা শিল্পের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা হলো উন্নত প্রযুক্তি ও গবেষণা-উন্নয়ন (R&amp;D) খাতে সুস্পষ্ট ঘাটতি। প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি বিশ্বব্যাপী একটি অত্যন্ত একচেটিয়া ও নিয়ন্ত্রিত, যেখানে নতুন প্রযুক্তি অর্জন করা কঠিন এবং ব্যয়বহুল। বাংলাদেশের বর্তমান প্রতিষ্ঠানগুলোর অধিকাংশই উৎপাদন-কেন্দ্রিক, যেখানে নতুন ডিজাইন ও উদ্ভাবনের জন্য প্রয়োজনীয় গবেষণা কাঠামো ও বিনিয়োগের অভাব রয়েছে। এই প্রযুক্তিগত ব্যবধানের ফলে দেশটি স্টেট-অফ-দ্য-আর্ট প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদনে পিছিয়ে পড়েছে এবং বিদেশি প্রযুক্তির ওপর অত্যধিক নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। এই নির্ভরতা শুধু আর্থিকভাবে চাপ সৃষ্টি করেনি, জাতীয় নিরাপত্তার জন্যও একটি ঝুঁকি তৈরি করেছে, বিশেষ করে যখন প্রযুক্তি সরবরাহকারী দেশগুলোর সাথে রাজনৈতিক বা অর্থনৈতিক সম্পর্কের অবনতি ঘটে।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-family: Kalpurush;">২.২.২. সামরিক বাহিনীর ম্যানুফ্যাকচারিং সক্ষমতার সীমাবদ্ধতা<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-family: Kalpurush;">বর্তমানে বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা শিল্পের মূল ভার সামরিক বাহিনীর নিয়ন্ত্রণাধীন প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর ন্যস্ত। যদিও এই প্রতিষ্ঠানগুলো নির্দিষ্ট কিছু পণ্য উৎপাদনে সক্ষম, তাদের উৎপাদন ক্ষমতা, প্রযুক্তিগত জটিলতা এবং বাজার-ভিত্তিক ব্যবস্থাপনার অভাব রয়েছে। এই প্রতিষ্ঠানগুলো প্রধানত সামরিক বাহিনীর অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটানোর জন্য কাজ করে, যার ফলে বাণিজ্যিক উৎপাদন ও রপ্তানির ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়ে। তাছাড়া, একটি সম্পূর্ণরূপে সামরিক নিয়ন্ত্রিত ব্যবস্থা উদ্ভাবনী চিন্তাভাবনা ও দক্ষতার বিকাশে বাধা সৃষ্টি করতে পারে, যা একটি গতিশীল প্রতিরক্ষা শিল্পের জন্য অপরিহার্য।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-family: Kalpurush;">২.২.৩. বেসরকারি খাতের সীমিত অংশগ্রহণ ও নীতিগত অস্পষ্টতা<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-family: Kalpurush;">বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় বেসরকারি খাত, বিশেষ করে হালকা প্রকৌশল, জাহাজ নির্মাণ, সামরিক যান উৎপাদন প্রতিরক্ষা শিল্পে তাদের অংশগ্রহণ সীমিত করেছে । এই সীমাবদ্ধতার পেছনে অন্যতম প্রধান কারণ হলো একটি সুস্পষ্ট ও অনুকূল নীতিগত কাঠামোর অভাব। বেসরকারি কোম্পানিগুলোর জন্য প্রতিরক্ষা খাতে বিনিয়োগের পথ স্পষ্ট নয়, লাইসেন্সিং প্রক্রিয়া জটিল, এবং প্রযুক্তি হস্তান্তর ও বিদেশি অংশীদারিত্বের নীতিমালা অস্পষ্ট। ফলে, এই খাতের বিশাল সম্ভাবনা কাজে লাগানো সম্ভব হচ্ছে না। একটি সমন্বিত ও উদার নীতি গ্রহণের মাধ্যমে বেসরকারি খাতকে এই শিল্পে সম্পৃক্ত করা গেলে, দেশের প্রতিরক্ষা উৎপাদনে বৈচিত্র্য, উদ্ভাবন ও দক্ষতা বৃদ্ধি পেতে পারে।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-family: Kalpurush;">২.৩. সুযোগ (Opportunities)<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-family: Kalpurush;">২.৩.১. বিদেশি বিনিয়োগ ও প্রযুক্তি হস্তান্তর<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-family: Kalpurush;">বিশ্বব্যাপী প্রতিরক্ষা শিল্পে অফসেট (Offset) নীতির একটি বৃদ্ধি পাওয়া যাচ্ছে, যেখানে অস্ত্র ক্রয়ের শর্ত হিসেবে বিক্রেতা দেশ ক্রেতা দেশে কিছু পরিমাণ প্রযুক্তি হস্তান্তর, যৌথ উৎপাদন বা বিনিয়োগের অঙ্গীকার করে । বাংলাদেশ তার বর্ধমান প্রতিরক্ষা ক্রয় বাজেটের সুযোগ নিয়ে এই ধরনের চুক্তি আদায় করতে পারে। এতে করে দেশে উন্নত প্রযুক্তি প্রবেশের পথ সুগম হবে এবং স্থানীয় শিল্পের দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে। এছাড়া, বিদেশি সরাসরি বিনিয়োগ (FDI) আকর্ষণের জন্য একটি অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করলে, আন্তর্জাতিক প্রতিরক্ষা কোম্পানিগুলো বাংলাদেশে তাদের উৎপাদন কেন্দ্র স্থাপনে আগ্রহী হতে পারে, যা কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও প্রযুক্তি স্থানান্তরের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হবে।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-family: Kalpurush;">২.৩.২. আঞ্চলিক বাজারে রপ্তানির সম্ভাবনা<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-family: Kalpurush;">এশিয়া ও আফ্রিকার দেশগুলোর মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা ও অস্ত্র রপ্তানির একটি বর্ধমান বাজার তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশ যদি নির্দিষ্ট কিছু পণ্যে (যেমন: হালকা অস্ত্র, গোলাবারুদ, সামরিক যান, ড্রোন, যুদ্ধজাহাজ) প্রতিযোগিতামূলক মূল্য ও গুণগত মান নিশ্চিত করতে পারে, তাহলে এই বাজারে প্রবেশের একটি ভালো সুযোগ রয়েছে। এতে করে প্রতিরক্ষা শিল্পটি শুধু সামরিক বাহিনীর চাহিদা মেটানোর মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে, একটি রপ্তানি-উন্নত খাতে রূপান্তরিত হতে পারে। এই রপ্তানি আয় দেশের অর্থনীতিতে একটি নতুন প্রবাহ যোগ করবে এবং প্রতিরক্ষা শিল্পের টেকসইতা নিশ্চিত করবে।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-family: Kalpurush;">২.৪. হুমকি (Threats)<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-family: Kalpurush;">২.৪.১. প্রযুক্তিগত নির্ভরতা ও আমদানি ঝুঁকি<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-family: Kalpurush;">বর্তমানে বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা খাত বিদেশি প্রযুক্তি ও উপকরণের ওপর অত্যধিক নির্ভরশীল। এই নির্ভরতা একটি বড় ঝুঁকি, কারণ আন্তর্জাতিক রাজনীতি, নিষেধাজ্ঞা বা সরবরাহকারী দেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যার কারণে যেকোনো সময় এই প্রযুক্তি বা উপকরণের সরবরাহ বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এতে করে দেশের প্রতিরক্ষা প্রস্তুতি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তাই, এই প্রযুক্তিগত নির্ভরতা কমিয়ে আনা এবং স্থানীয়ভাবে প্রযুক্তি উন্নয়নে বিনিয়োগ বাড়ানো অত্যন্ত জরুরি।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-family: Kalpurush;">২.৪.২. আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-family: Kalpurush;">বিশ্ব প্রতিরক্ষা বাজারে ইতোমধ্যেই অনেক প্রতিষ্ঠিত খেলোয়াড় রয়েছে, যারা উন্নত প্রযুক্তি, বিশাল উৎপাদন ক্ষমতা এবং বিস্তৃত বিপণন নেটওয়ার্কের মালিক। বাংলাদেশের মতো একটি নতুন খেলোয়াড়ের পক্ষে এই প্রতিযোগিতামূলক বাজারে টিকে থাকা এবং নিজের অবস্থান তৈরি করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ হবে। সফল হতে হলে, বাংলাদেশকে অবশ্যই নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞতা অর্জন করতে হবে এবং প্রতিযোগিতামূলক মূল্য ও গুণগত মান নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায়, বিদেশি বাজারে প্রবেশের চেষ্টা ব্যর্থ হতে পারে।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-family: Kalpurush;">২.৪.৩. দুর্নীতি ও স্বচ্ছতার অভাব<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-family: Kalpurush;">প্রতিরক্ষা খাতটি স্বাভাবিকভাবেই একটি গোপনীয় ও নিয়ন্ত্রিত খাত, যেখানে স্বচ্ছতার অভাব দুর্নীতির ঝুঁকি বাড়িয়ে তোলে। ক্রয় প্রক্রিয়া, ঠিকাদারি ব্যবস্থা এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা না থাকলে, দুর্নীতি ও অর্থের অপব্যবহারের সম্ভাবনা থাকে। এই ধরনের অনিয়ম শুধু অর্থনৈতিক ক্ষতি করে না, বরং প্রতিরক্ষা শিল্পের উন্নয়নে বাধা সৃষ্টি করে এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারদের আস্থা হ্রাস করে। তাই, একটি দুর্নীতিমুক্ত ও স্বচ্ছ ব্যবস্থাপনা কাঠামো গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-family: Kalpurush;">৩. আন্তর্জাতিক তুলনামূলক বিশ্লেষণ: সফল প্রতিরক্ষা শিল্পের মডেল<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-family: Kalpurush;">বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা শিল্প নীতি প্রণয়নে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিভিন্ন দেশ বিভিন্ন কৌশল গ্রহণ করে তাদের প্রতিরক্ষা শিল্প গড়ে তুলেছে। এই অধ্যায়ে আমরা দক্ষিণ কোরিয়া, তুরস্ক, ভারত, পাকিস্তান, ফিলিপাইন ও যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা শিল্পের মডেল বিস্তারিতভাবে তুলে ধরব।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-family: Kalpurush;">৩.১ দক্ষিণ কোরিয়া: বেসরকারি খাত-নেতৃত্বাধীন সাফল্যের গল্প<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-family: Kalpurush;">দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষা শিল্পের উত্থান একটি উল্লেখযোগ্য সাফল্যের গল্প, যেখানে সরকারি নীতি, বেসরকারি খাতের উদ্যোগ এবং একটি রপ্তানি-কেন্দ্রিক কৌশল একসাথে কাজ করেছে। ১৯৭০-এর দশকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সহায়তা হ্রাসের পর কোরিয়া নিজস্ব প্রতিরক্ষা সক্ষমতা গড়ে তোলার ওপর জোর দেয় । এই লক্ষ্যে ২০০৬ সালে প্রতিরক্ষা অর্জন কর্মসূচি প্রশাসন (Defense Acquisition Program Administration - DAPA) প্রতিষ্ঠা করা হয়, যা প্রতিরক্ষা শিল্পের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক হিসেবে কাজ করে ।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-family: Kalpurush;">৩.১.১.সরকারি নীতি ও DAPA-র ভূমিকা<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-family: Kalpurush;">দক্ষিণ কোরিয়ার সরকার প্রতিরক্ষা শিল্পকে একটি জাতীয় কৌশলগত খাত হিসেবে গণ্য করে এবং এটি উন্নয়নে সক্রিয়ভাবে সমর্থন দিয়ে আসছে। DAPA-র প্রতিষ্ঠা ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ, যা প্রতিরক্ষা সংগ্রহ প্রক্রিয়াকে কেন্দ্রীভূত করে এবং শিল্পের বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়াতে কাজ করে । সরকারি নীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো "Defense Innovation 4.0" উদ্যোগ, যার মাধ্যমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), কোয়ান্টাম প্রযুক্তি এবং অন্যান্য উদীয়মান প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ বাড়ানো হয়েছে । এছাড়া, সরকার স্থানীয় পর্যায়েও প্রতিরক্ষা শিল্পের বিকাশে উদ্যোগ নিয়েছে। <o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-family: Kalpurush;">উদাহরণস্বরূপ, সাউথ কিয়ংসাং প্রদেশে "Defense Industrial Development Plan" নামে ২০২৩-২০২৭ সালের জন্য ১.৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের একটি প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছে । এই উদ্যোগগুলো প্রতিরক্ষা শিল্পের জন্য একটি শক্তিশালী ইকোসিস্টেম গড়ে তুলতে সহায়ক হয়েছে।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-family: Kalpurush;">৩.১.২. বৃহৎ শিল্পগোষ্ঠী ও স্টার্ট-আপের অংশগ্রহণ<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-family: Kalpurush;">দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষা শিল্পে বৃহৎ শিল্পগোষ্ঠীগুলো এবং স্টার্ট-আপগুলো উভয়েরই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। Hanwha, Hyundai Rotem, LIG Nex1, এবং Korea Aerospace Industries (KAI) এর মতো বৃহৎ শিল্পগোষ্ঠী প্রতিরক্ষা খাতে নেতৃত্ব দিচ্ছে । এই কোম্পানিগুলোর বিক্রয় ২০২৪ সালে ৪৩.১ ট্রিলিয়ন ওয়ান (প্রায় ৩০.৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার) ছাড়িয়ে গেছে, যা ২০২৩ সালের তুলনায় ১৬% বেশি । একইসাথে, সরকার উচ্চ প্রযুক্তির স্টার্ট-আপগুলোকে উৎসাহিত করছে। EYL এবং Boss Semiconductor এর মতো স্টার্ট-আপগুলোকে জাতীয় কৌশলগত প্রযুক্তি হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে, যা তাদের সরকারি প্রকল্পে অংশগ্রহণে সুবিধা দেয় এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও বিনিয়োগ আকর্ষণে সহায়ক হয় । এই সমন্বিত পদ্ধতি প্রতিরক্ষা শিল্পে উদ্ভাবন ও প্রযুক্তিগত উন্নতিকে ত্বরান্বিত করেছে।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-family: Kalpurush;">৩.১.৩. রপ্তানি-কেন্দ্রিক কৌশল: পরিসংখ্যান ও সাফল্য<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-family: Kalpurush;">দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষা শিল্পের সাফল্যের মূলে রয়েছে এর রপ্তানি-কেন্দ্রিক কৌশল। ২০২০-২০২৪ সময়কালে দক্ষিণ কোরিয়া বিশ্বের দশম বৃহত্তম অস্ত্র রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে, যা বিশ্ব বাজারের ২.২% দখল করে । ২০২২ সালে দেশটির অস্ত্র রপ্তানি রেকর্ড ১৭.৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছে যায় । K2 Black Panther ট্যাংক, K9 Thunder হাউইটজার, এবং FA-50 যুদ্ধবিমানের মতো পণ্যগুলো আন্তর্জাতিক বাজারে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। পোল্যান্ডের সাথে ২০২২ সালে ৩.৩৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের একটি চুক্তি ছিল দেশটির সবচেয়ে বড় প্রতিরক্ষা রপ্তানি চুক্তি । দক্ষিণ কোরিয়ার সাফল্যের পেছনে কার্যকর কৌশলগুলোর মধ্যে রয়েছে প্রযুক্তি হস্তান্তর, স্থানীয় উৎপাদনের সুযোগ, এবং ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী পণ্য কাস্টমাইজেশন ।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-family: Kalpurush;">সাল<span style="mso-tab-count: 2;">          </span>রপ্তানি পরিমাণ (মার্কিন ডলারে)<span style="mso-tab-count: 1;">  </span><span style="mso-tab-count: 1;">       </span>মন্তব্য<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-family: Kalpurush;">২০২১<span style="mso-tab-count: 2;">           </span>৭.৩ বিলিয়ন<span style="mso-tab-count: 4;">                             </span>২০২০ সালের তুলনায় ১৫০% বৃদ্ধি <o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-family: Kalpurush;">২০২২<span style="mso-tab-count: 2;">           </span>১৭.৩ বিলিয়ন<span style="mso-tab-count: 4;">                            </span>রেকর্ড রপ্তানি, পোল্যান্ডের সাথে বড় চুক্তির কারণে <o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-family: Kalpurush;">২০২৩<span style="mso-tab-count: 2;">          </span>১৩.৫ বিলিয়ন<span style="mso-tab-count: 4;">                            </span>২০২২ সালের তুলনায় কিছুটা হ্রাস <o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-family: Kalpurush;"><o:p> </o:p></span></p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x_69097721e94a8.jpg" alt=""></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-family: Kalpurush;">৩.২. তুরস্ক: কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন ও রপ্তানি<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-family: Kalpurush;">তুরস্ক তার প্রতিরক্ষা শিল্পে কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন অর্জনের লক্ষ্যে কাজ করছে এবং একইসাথে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। ন্যাটো সদস্য হিসেবে তুরস্ক উন্নত প্রতিরক্ষা প্রযুক্তিতে অ্যাক্সেস পায়, তবে যুক্তরাষ্ট্র বা ইউরোপীয় রপ্তানিকারকদের মতো কঠোর শর্ত আরোপ করে না, যা এটিকে অনেক ক্রেতার কাছে আকর্ষণীয় করে তোলে ।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-family: Kalpurush;">৩.২.১. SSB-এর মাধ্যমে সরকারি সমন্বয়<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-family: Kalpurush;">তুরস্কের প্রতিরক্ষা শিল্পের সমন্বয় সাধন করে প্রেসিডেন্সিয়াল ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রি (Presidency of Defense Industry - SSB)। এই সংস্থা প্রতিরক্ষা প্রকল্পগুলোর পরিকল্পনা, ব্যবস্থাপনা এবং বাস্তবায়নে দায়িত্বপ্রাপ্ত। SSB-এর কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ তুরস্কের প্রতিরক্ষা শিল্পের একটি সমন্বিত ও কার্যকর কাঠামো গড়ে তুলতে সহায়তা করে।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-family: Kalpurush;">৩.২.২. বেসরকারি কোম্পানির উত্থান: Baykar-এর উদাহরণ<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-family: Kalpurush;">তুরস্কের প্রতিরক্ষা শিল্পে বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। Baykar Teknoloji-এর মতো কোম্পানি বিশ্ববাজারে সাড়া ফেলেছে। Baykar-এর Bayraktar TB2 ড্রোন ইউক্রেন যুদ্ধে ব্যবহারের পর বিশ্বজুড়ে খ্যাতি পায় এবং অনেক দেশ এই ড্রোন কিনতে আগ্রহী হয় । সংযুক্ত আরব আমিরাত ২০২৩ সালে ১২০টি Bayraktar TB2 ড্রোনের জন্য প্রায় ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের একটি চুক্তি করে । এই সাফল্য তুরস্কের বেসরকারি খাতের উদ্ভাবনী ক্ষমতা ও প্রযুক্তিগত দক্ষতাকে তুলে ধরে।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-family: Kalpurush;">৩.২.৩. সামরিক বাহিনীর প্রয়োজনে সাশ্রয়ী ও কার্যকর সমাধান<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-family: Kalpurush;">তুরস্ক তার প্রতিরক্ষা পণ্যগুলোকে সাশ্রয়ী মূল্যে এবং উচ্চ মানসম্পন্ন হিসেবে উপস্থাপন করে। Altay মেইন ব্যাটল ট্যাংক, KAAN ফিফথ-জেনারেশন যুদ্ধবিমান, এবং Anadolu L400 লাইট এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ার-এর মতো প্রকল্পগুলো দেশটির উচ্চাভিলাষী প্রযুক্তিগত লক্ষ্য প্রদর্শন করে । তুরস্ক ক্রেতাদের অস্ত্র উন্নয়নে অংশীদারিত্বের সুযোগ দেয়, যা অনেক দেশের জন্য আকর্ষণীয় । এই কৌশল তুরস্ককে দক্ষিণ কোরিয়ার মতো দেশগুলোর সাথে প্রতিযোগিতায় সহায়তা করছে।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-family: Kalpurush;">৩.৩. ভারত: 'আত্মনির্ভর ভারত' নীতির অধীনে রূপান্তর<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-family: Kalpurush;">ভারত তার "আত্মনির্ভর ভারত" (Atmanirbhar Bharat) নীতির অংশ হিসেবে প্রতিরক্ষা শিল্পে ব্যাপক রূপান্তর ঘটাচ্ছে। এই নীতির লক্ষ্য হলো প্রতিরক্ষা আমদানি কমিয়ে এবং দেশীয় উৎপাদন বাড়িয়ে একটি শক্তিশালী প্রতিরক্ষা শিল্প গড়ে তোলা।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-family: Kalpurush;">৩.৩.১. রাষ্ট্রায়ত্ত ও বেসরকারি খাতের সমন্বয়<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-family: Kalpurush;">ভারতের প্রতিরক্ষা শিল্পে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলো (যেমন Hindustan Aeronautics Ltd. - HAL, Bharat Electronics Ltd. - BEL) দীর্ঘদিন ধরে প্রধান ভূমিকা পালন করে আসছে। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ বাড়াতে বিভিন্ন নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। Visual Capitalist-এর ২০২৫ সালের তথ্য অনুযায়ী, Hindustan Aeronautics এবং Bharat Electronics বিশ্বের শীর্ষ ২৫ প্রতিরক্ষা কোম্পানির তালিকায় রয়েছে, যাদের বাজার মূলধন যথাক্রমে ৩৭.৯ বিলিয়ন এবং ৩১.১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-family: Kalpurush;">৩.৩.২. প্রতিরক্ষা উৎপাদনে বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ: পরিসংখ্যান<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-family: Kalpurush;">ভারত সরকার বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ বাড়াতে প্রতিরক্ষা উৎপাদনে ৭৪% বিদেশি সরাসরি বিনিয়োগ (FDI) অনুমোদন করেছে। এছাড়া, "Make in India" উদ্যোগের অধীনে প্রতিরক্ষা ক্রয় প্রক্রিয়ায় স্থানীয় উৎস থেকে ক্রয়ের অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। এই নীতিগুলো বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ বাড়াতে সহায়ক হচ্ছে।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-family: Kalpurush;">৩.৩.৩. প্রযুক্তি হস্তান্তর ও বিদেশি বিনিয়োগ নীতি<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-family: Kalpurush;">ভারত বিদেশি প্রতিরক্ষা কোম্পানিগুলোর সাথে যৌথ উদ্যোগ এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরকে উৎসাহিত করছে। এই কৌশলের মাধ্যমে ভারত উন্নত প্রযুক্তি অর্জন এবং দেশীয় দক্ষতা বিকাশের চেষ্টা করছে। তবে, প্রযুক্তি হস্তান্তরে কিছু চ্যালেঞ্জ থাকায় এই প্রক্রিয়াটি ধীরগতিতে এগোচ্ছে।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-family: Kalpurush;">৩.৪. পাকিস্তান: রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান-নিয়ন্ত্রিত মডেল<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-family: Kalpurush;">পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা শিল্প মূলত রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলো দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। এই মডেলে সরকারি নিয়ন্ত্রণ বেশি এবং বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ সীমিত।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-family: Kalpurush;">৩.৪.১. MoDP-এর অধীনে সমন্বিত কাঠামো<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-family: Kalpurush;">পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা উৎপাদন মন্ত্রণালয় (Ministry of Defence Production - MoDP) প্রতিরক্ষা শিল্পের সমন্বয় সাধন করে। এই মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিভিন্ন রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান কাজ করে, যারা প্রধানত দেশীয় প্রয়োজনে অস্ত্র তৈরি করে।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-family: Kalpurush;">৩.৪.২. পাকিস্তান অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরি (POF) ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা<o:p></o:p></span></b><b><span style="font-family: Kalpurush;"><o:p> </o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-family: Kalpurush;">পাকিস্তান অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরি (POF) হলো দেশটির প্রধান প্রতিরক্ষা উৎপাদনকারী সংস্থা। এছাড়া, Heavy Industries Taxila (HIT) এবং Karachi Shipyard and Engineering Works (KSEW) এর মতো অন্যান্য রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানও রয়েছে। এই প্রতিষ্ঠানগুলো মূলত সামরিক বাহিনীর চাহিদা মেটাতে কাজ করে।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-family: Kalpurush;">৩.৪.৩. বেসরকারি খাতের সীমিত অংশগ্রহণ<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-family: Kalpurush;">পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা শিল্পে বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ সীমিত। তবে সাম্প্রতিক সময়ে কিছু বেসরকারি কোম্পানি প্রতিরক্ষা খাতে প্রবেশ করেছে, বিশেষ করে ড্রোন ও ইলেকট্রনিক্সের মতো ক্ষেত্রে।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-family: Kalpurush;">৩.৫ অন্যান্য মডেল: ফিলিপাইন ও যুক্তরাজ্য<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-family: Kalpurush;">৩.৫.১ ফিলিপাইন: RA 12024-এর মাধ্যমে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব<o:p></o:p></span></b><b><span style="font-family: Kalpurush;"><o:p> </o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-family: Kalpurush;">ফিলিপাইন ২০২৪ সালে<span style="mso-spacerun: yes;">  </span>Republic Act No. 12024 পাস করে, যার উদ্দেশ্য হলো দেশের প্রতিরক্ষা শিল্পকে পুনরুজ্জীবিত করা এবং জাতীয় প্রতিরক্ষা শিল্প গড়ে তোলা । এই আইনটি সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বকে উৎসাহিত করে এবং প্রতিরক্ষা উৎপাদনে স্থানীয় কোম্পানিগুলোকে বিভিন্ন প্রণোদনা দেয় । এই আইনের মাধ্যমে ফিলিপাইন একটি সুসংগঠিত প্রতিরক্ষা শিল্প গড়ে তোলার পথে এগোচ্ছে।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-family: Kalpurush;">৩.৫.২. যুক্তরাজ্য: প্রতিরক্ষা শিল্প কৌশল ২০২৫ ও SME-দের অন্তর্ভুক্তিকরণ<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-family: Kalpurush;">যুক্তরাজ্য তার Defence Industrial Strategy 2025-এর মাধ্যমে প্রতিরক্ষা শিল্পকে একটি প্রবৃদ্ধির ইঞ্জিন হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা করেছে। এই কৌশলের মূল লক্ষ্য হলো ছোট ও মাঝারি উদ্যোগ (SME) গুলোকে প্রতিরক্ষা সরবরাহ শৃঙ্খলায় অন্তর্ভুক্ত করা এবং উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করা। এই পদ্ধতি প্রতিরক্ষা শিল্পের টেকসইতা এবং প্রযুক্তিগত উন্নতি নিশ্চিত করে।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-family: Kalpurush;">৪. নীতি বিকল্প ও বিশ্লেষণ<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-family: Kalpurush;">৪.১. বিকল্প ১: ব্যক্তিখাত-প্ল্যাটফর্ম ও সামরিকবাহিনী-অস্ত্র মডেল (প্রস্তাবিত)<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-family: Kalpurush;">৪.১.১. প্ল্যাটফর্ম উৎপাদনে বেসরকারি খাতের নেতৃত্ব<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-family: Kalpurush;">এই মডেলে, বেসরকারি খাতকে যুদ্ধবিমান, ড্রোন, ট্যাংক, জাহাজ ও সাবমেরিনের মতো প্রধান প্ল্যাটফর্ম ডিজাইন ও উৎপাদনে নেতৃত্ব দিতে হবে। এই খাতের ব্যবসায়িক দক্ষতা, উদ্ভাবনী শক্তি এবং প্রতিযোগিতামূলক চেতনা এই জটিল প্রকল্পগুলোর সফল বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। সরকারি নীতি এই খাতের জন্য একটি অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করবে, যার মধ্যে রয়েছে সহজ লাইসেন্সিং, কর ছাড়, এবং বিদেশি বিনিয়োগ ও প্রযুক্তি হস্তান্তরে সুবিধা।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-family: Kalpurush;">৪.১.২. অস্ত্র উৎপাদনে সামরিক বাহিনীর দায়িত্ব<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-family: Kalpurush;">এই মডেলে, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর অধীনে থাকা প্রতিষ্ঠানগুলো এই প্ল্যাটফর্মগুলোর জন্য প্রয়োজনীয় অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ ও ক্ষেপণাস্ত্র সিস্টেম ডিজাইন ও উৎপাদনের দায়িত্ব পালন করবে। সামরিক বাহিনীর কৌশলগত জ্ঞান, নিরাপত্তা প্রয়োজন এবং অপারেশনাল অভিজ্ঞতা এই স্পেশালাইজড ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ হিসেবে কাজ করবে।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-family: Kalpurush;">৪.১.৩. এই মডেলের বাস্তবতা ও চ্যালেঞ্জ<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-family: Kalpurush;">ব্যক্তিখাত-প্ল্যাটফর্ম ও সামরিকবাহিনী-অস্ত্র মডেলটি একটি আকর্ষণীয় ধারণা হলেও এর বাস্তবায়নে বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে। প্রথমত, আধুনিক প্রতিরক্ষা প্ল্যাটফর্ম (যেমন যুদ্ধবিমান, ট্যাংক, যুদ্ধজাহাজ) এবং সেগুলোতে ব্যবহৃত অস্ত্রশস্ত্র ও সেন্সর সিস্টেমগুলো একে অপরের সাথে গভীরভাবে Integrated। এই Integration প্রক্রিয়া অত্যন্ত জটিল এবং এটি সাধারণত সিস্টেম ইন্টিগ্রেটরের দায়িত্বে থাকে । প্ল্যাটফর্ম ও অস্ত্রশস্ত্রের উৎপাদনে পৃথক দুটি সত্তার দায়িত্ব দিলে, এই Integration সুনিশ্চিত করতে হবে। <o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-family: Kalpurush;">৪.২. বিকল্প ২: সমন্বিত পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (PPP) মডেল<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-family: Kalpurush;">৪.২.১. যৌথ উদ্যোগে প্ল্যাটফর্ম ও অস্ত্র উৎপাদন<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-family: Kalpurush;">এই বিকল্প মডেলে, সরকারি ও বেসরকারি খাত যৌথভাবে প্ল্যাটফর্ম ও অস্ত্র উৎপাদনে অংশ নেবে। এই মডেলে, একটি বিশেষায়িত যৌথ উদ্যোগ কোম্পানি গঠন করা হবে, যেখানে সরকারি ও বেসরকারি অংশীদাররা অংশীদারিত্বে থাকবে। এই কোম্পানি পূর্ণাঙ্গ প্রতিরক্ষা সিস্টেম উৎপাদনের দায়িত্ব পালন করবে।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-family: Kalpurush;">৪.২.২. প্রযুক্তি হস্তান্তর ও সক্ষমতা বৃদ্ধি<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-family: Kalpurush;">PPP মডেলের মূল লক্ষ্য হবে প্রযুক্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে স্থানীয় দক্ষতা বৃদ্ধি করা। বিদেশি অংশীদারদের সাথে যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে, বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠানগুলো উন্নত প্রযুক্তি শিখে নিতে পারবে এবং ধীরে ধীরে নিজস্ব উৎপাদন সক্ষমতা গড়ে তুলতে পারবে।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-family: Kalpurush;">৪.২.৩. ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন কৌশল<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-family: Kalpurush;">এই মডেলটি ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা যেতে পারে। প্রাথমিকভাবে, কম জটিল সিস্টেমগুলোতে যৌথ উদ্যোগ শুরু করা হবে এবং পরবর্তীতে, অভিজ্ঞতা অর্জনের পর, আরও জটিল প্রকল্পে অগ্রসর হওয়া যাবে। এই পদ্ধতি ঝুঁকি কমিয়ে এবং সফলতার সম্ভাবনা বাড়িয়ে তুলবে।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-family: Kalpurush;">৫. প্রতিরক্ষা শিল্প নীতির জন্য একটি ব্যাপক কাঠামো</span></b></p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x_69097711376a8.jpg" alt=""></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-family: Kalpurush;">৫.১. সংগঠনগত কাঠামো ও শাসন<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-family: Kalpurush;">৫.১.১. একটি জাতীয় প্রতিরক্ষা শিল্প কর্তৃপক্ষ (NDIA) প্রতিষ্ঠা<o:p></o:p></span></b><span style="font-family: Kalpurush;"><o:p> </o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-family: Kalpurush;">বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা শিল্পের সুসংগঠিত বিকাশের জন্য একটি স্বতন্ত্র ও শক্তিশালী জাতীয় প্রতিরক্ষা শিল্প কর্তৃপক্ষ (National Defence Industry Authority - NDIA) প্রতিষ্ঠা করা অপরিহার্য। এই কর্তৃপক্ষটি প্রতিরক্ষা শিল্পের সামগ্রিক নীতি প্রণয়ন, সমন্বয়, তদারকি এবং বাস্তবায়নের দায়িত্ব পালন করবে। এটি একটি বেসামরিক সংস্থা হবে, যা সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনে কাজ করবে, যাতে রাজনৈতিক নেতৃত্বের সরাসরি নির্দেশনা ও সমর্থন নিশ্চিত করা যায়।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-family: Kalpurush;">৫.১.২. সামরিক বাহিনী, বেসরকারি খাত ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-family: Kalpurush;">NDIA-র অধীনে একটি জাতীয় প্রতিরক্ষা শিল্প সমন্বয় কমিটি গঠন করা প্রয়োজন, যার সদস্য হবেন সামরিক বাহিনীর প্রতিনিধি, বেসরকারি খাতের নেতৃবৃন্দ, গবেষণা প্রতিষ্ঠানের বিশেষজ্ঞ এবং সরকারি কর্মকর্তারা। এই কমিটি নিয়মিত বৈঠক করে প্রতিরক্ষা শিল্পের চাহিদা, সম্ভাবনা এবং চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা করবে এবং NDIA-কে পরামর্শ প্রদান করবে।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-family: Kalpurush;">৫.১.৩. স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-family: Kalpurush;">প্রতিরক্ষা শিল্পের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার জন্য একটি অনলাইন পোর্টাল চালু করা প্রয়োজন, যেখানে নীতিমালা, লাইসেন্সিং প্রক্রিয়া, টেন্ডার বিজ্ঞপ্তি এবং প্রকল্পের অগ্রগতি সম্পর্কিত তথ্য প্রকাশ করা হবে। এছাড়া, একটি স্বতন্ত্র অডিট ও ওভারসাইট কমিটি গঠন করা হবে, যা প্রতিরক্ষা শিল্পের আর্থিক ব্যবস্থাপনা ও প্রকল্প বাস্তবায়নের ওপর নজর রাখবে।<o:p></o:p></span><span style="font-family: Kalpurush;"><o:p> </o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-family: Kalpurush;">৫.২. অর্থায়ন ও বিনিয়োগ কৌশল<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-family: Kalpurush;">৫.২.১. প্রতিরক্ষা বাজেটে গবেষণা-উন্নয়নের জন্য বরাদ্দ<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-family: Kalpurush;">প্রতিরক্ষা শিল্পের টেকসই বিকাশের জন্য গবেষণা ও উন্নয়নে (R&amp;D) পর্যাপ্ত বিনিয়োগ অপরিহার্য। সরকার প্রতি বছর প্রতিরক্ষা বাজেটের একটি নির্দিষ্ট শতাংশ (যেমন ৫%) R&amp;D-এর জন্য বরাদ্দ রাখবে। এই অর্থ NDIA-র মাধ্যমে বিভিন্ন গবেষণা প্রকল্পে বিতরণ করা হবে।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-family: Kalpurush;">৫.২.২. বিদেশি সরাসরি বিনিয়োগ (FDI) আকর্ষণের নীতি<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-family: Kalpurush;">বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা শিল্পের দ্রুত বিকাশের জন্য বিদেশি সরাসরি বিনিয়োগ (FDI) একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস হতে পারে। FDI শুধুমাত্র মূলধনের প্রবাহই নয়, বরং এর সাথে আধুনিক প্রযুক্তি, ব্যবস্থাপনা দক্ষতা এবং বৈশ্বিক বাজারে প্রবেশাধিকারও আসে। ভারতের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে, বাংলাদেশের FDI নীতি সুস্পষ্ট, স্থিতিশীল এবং বিনিয়োগকারী-বান্ধব হওয়া উচিত। ভারত ২০২০ সালে তাদের প্রতিরক্ষা খাতে FDI সীমা স্বয়ংক্রিয় পথে ৪৯% থেকে বাড়িয়ে ৭৪% এবং সরকারি পথে ১০০% পর্যন্ত বাড়িয়েছে । তবে, এই উদারীকরণ সত্ত্বেও ভারতে প্রত্যাশিত মাত্রায় FDI আসেনি, কারণ নীতিগত দ্বিধা, জটিল নিরাপত্তা ছাড়পত্র প্রক্রিয়া এবং IPR সুরক্ষা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে । বাংলাদেশের উচিত এই সমস্যাগুলো এড়িয়ে চলা। একটি সুপারিশ হতে পারে, পণ্যের সংবেদনশীলতার ভিত্তিতে বিভিন্ন স্তরের FDI সীমা নির্ধারণ করা। উদাহরণস্বরূপ, কম প্রযুক্তিগত উপাদান এর জন্য ১০০% FDI অনুমোদন করা যেতে পারে, যেখানে উচ্চ-প্রযুক্তিগত কৌশলগত সিস্টেম (Missiles, Electronic Warfare Systems) এর জন্য কম সীমা রাখা যেতে পারে । এছাড়াও, একটি<span style="mso-spacerun: yes;">  </span>Single-Window ছাড়পত্র ব্যবস্থা চালু করা এবং IPR আইনের কঠোর প্রয়োগ নিশ্চিত করা অপরিহার্য।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-family: Kalpurush;">৫.২.৩. বেসরকারি খাতের জন্য আর্থিক প্রণোদনা ও ঋণ সুবিধা<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-family: Kalpurush;">বেসরকারি খাতকে প্রতিরক্ষা শিল্পে বিনিয়োগে উদ্বুদ্ধ করার জন্য বিভিন্ন আর্থিক প্রণোদনা দেওয়া প্রয়োজন। এর মধ্যে রয়েছে কর ছাড়, শুল্ক ছাড়, এবং সহজ শর্তে ঋণ সুবিধা। বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে একটি বিশেষ প্রতিরক্ষা শিল্প উন্নয়ন তহবিল গঠন করা সম্ভব, যা বেসরকারি কোম্পানিগুলোকে R&amp;D এবং উৎপাদন সুবিধা স্থাপনে সহায়তা করবে।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-family: Kalpurush;">৫.৩. গবেষণা ও উন্নয়ন (R&amp;D)<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-family: Kalpurush;">৫.৩.১. একটি জাতীয় প্রতিরক্ষা গবেষণা সংস্থা (NDRO) গঠন<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-family: Kalpurush;">উন্নত প্রযুক্তি উন্নয়নের জন্য একটি জাতীয় প্রতিরক্ষা গবেষণা সংস্থা (National Defence Research Organisation - NDRO) গঠন করা প্রয়োজন। এই সংস্থাটি মূলত গবেষণা ও উন্নয়নে নেতৃত্ব দেবে এবং বেসরকারি খাতের জন্য একটি প্রযুক্তি সহায়তা কেন্দ্র হিসেবে কাজ করবে।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-family: Kalpurush;">৫.৩.২. বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সাথে অংশীদারিত্ব<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-family: Kalpurush;">NDRO বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট, এবং অন্যান্য গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সাথে অংশীদারিত্ব গড়ে তুলবে। এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে, একাডেমিক গবেষণা ও প্রতিরক্ষা শিল্পের প্রয়োজনের মধ্যে একটি সেতুবন্ধন তৈরি হবে। গবেষণা প্রকল্পের জন্য যৌথ অর্থায়ন এবং ছাত্রদের জন্য ইন্টার্নশিপের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-family: Kalpurush;">৫.৩.৩. ইনোভেশন ও স্টার্ট-আপ ইকোসিস্টেম গড়ে তোলা<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-family: Kalpurush;">উদ্ভাবনী শক্তিকে উৎসাহিত করার জন্য একটি প্রতিরক্ষা ইনোভেশন ফান্ড গঠন করা হবে। এই ফান্ড স্টার্ট-আপ, MSME এবং একক উদ্ভাবকদের প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি উন্নয়নে অর্থায়ন করবে। এছাড়া, নিয়মিত প্রতিরক্ষা হ্যাকাথন ও চ্যালেঞ্জ আয়োজন করা হবে, যাতে নতুন ধারণা ও সমাধান বেরিয়ে আসে।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-family: Kalpurush;">৫.৪. রপ্তানি কৌশল<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-family: Kalpurush;">৫.৪.১. লক্ষ্যযুক্ত বাজার চিহ্নিতকরণ ও বিপণন<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-family: Kalpurush;">রপ্তানির জন্য প্রথমে এশিয়া ও আফ্রিকার সুনির্দিষ্ট কয়েকটি দেশকে লক্ষ্যযুক্ত বাজার হিসেবে চিহ্নিত করা প্রয়োজন। একটি কার্যকর বিপণন কৌশল গ্রহণ করা সম্ভব, যার মধ্যে রয়েছে আন্তর্জাতি প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ, কূটনৈতিক সহযোগিতা এবং অনলাইন বিপণন।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-family: Kalpurush;">৫.৪.২. প্রযুক্তি হস্তান্তর ও যৌথ উৎপাদন চুক্তি<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-family: Kalpurush;">রপ্তানি চুক্তির অংশ হিসেবে প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং ক্রেতা দেশে যৌথ উৎপাদনের প্রস্তাব দেয়া প্রয়োজন। এই কৌশলটি দক্ষিণ কোরিয়ার সাফল্যের মূল কারণ, যা ক্রেতা দেশগুলোর নিজস্ব প্রতিরক্ষা শিল্প গড়ে তোলার আগ্রহকে পূরণ করে ।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-family: Kalpurush;">৫.৪.৩. একটি প্রতিরক্ষা রপ্তানি প্রচার কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-family: Kalpurush;">রপ্তানি বাড়াতে একটি প্রতিরক্ষা রপ্তানি প্রচার কেন্দ্র (Defence Export Promotion Centre) প্রতিষ্ঠা করা প্রয়োজন। এই কেন্দ্রটি বিদেশি ক্রেতাদের সাথে যোগাযোগ স্থাপন, চুক্তি চূড়ান্তকরণ এবং রপ্তানি-পরবর্তী সেবা প্রদানে সহায়তা করবে।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-family: Kalpurush;">৫.৫. নিয়ন্ত্রক কাঠামো<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-family: Kalpurush;">৫.৫.১. প্রতিরক্ষা শিল্প আইন প্রণয়ন<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-family: Kalpurush;">বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা শিল্পের সুশৃঙ্খল বিকাশের জন্য একটি সুস্পষ্ট ও সর্বাঙ্গীন প্রতিরক্ষা শিল্প আইন প্রণয়ন অত্যন্ত জরুরি। এই আইনটি শিল্পের বিভিন্ন দিক, যেমন লাইসেন্সিং, মান নিয়ন্ত্রণ, রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ, এবং IPR সুরক্ষার বিধান নির্ধারণ করবে।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-family: Kalpurush;">৫.৫.২. লাইসেন্সিং, মান নিয়ন্ত্রণ ও রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-family: Kalpurush;">NDIA-র অধীনে একটি লাইসেন্সিং ও মান নিয়ন্ত্রণ বোর্ড গঠন করা প্রয়োজন। এই বোর্ড প্রতিরক্ষা উৎপাদনের জন্য লাইসেন্স ইস্যু করবে এবং পণ্যের গুণগত মান নিশ্চিত করবে। রপ্তানি নিয়ন্ত্রণের জন্য একটি স্বতন্ত্র সেল থাকবে, যা আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা ও নীতিমালা মেনে চলবে।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-family: Kalpurush;">৫.৫.৩. IPR সুরক্ষা<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-family: Kalpurush;">বেসরকারি খাত ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আকর্ষণ করার জন্য IPR সুরক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিরক্ষা শিল্প আইনে IPR সুরক্ষার বিধান স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকবে এবং এর কঠোর প্রয়োগ নিশ্চিত করা হবে। এটি উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করবে এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারদের আস্থা বাড়াবে।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-family: Kalpurush;">৬. সুপারিশ ও বাস্তবায়ন পরিকল্পনা<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-family: Kalpurush;">৬.১. আইনি ও নিয়ন্ত্রক পরিবর্তন<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-family: Kalpurush;">৬.১.১. প্রতিরক্ষা শিল্প উন্নয়ন ও সমর্থন আইন (DIDSA) প্রণয়ন<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-family: Kalpurush;">প্রস্তাবিত নীতি বাস্তবায়নের প্রথম ধাপ হবে একটি সর্বাঙ্গীন প্রতিরক্ষা শিল্প উন্নয়ন ও সমর্থন আইন (Defence Industry Development and Support Act - DIDSA) প্রণয়ন করা। এই আইনে প্রতিরক্ষা শিল্পের সংগঠনগত কাঠামো, অর্থায়ন কৌশল, R&amp;D, রপ্তানি এবং নিয়ন্ত্রক কাঠামোর বিস্তারিত বিধান থাকবে।<o:p></o:p></span><span style="font-family: Kalpurush;"><o:p> </o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-family: Kalpurush;">৬.১.২. বিদেশি বিনিয়োগ নীতিতে সংশোধন<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-family: Kalpurush;">বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের জন্য বিদ্যমান বিদেশি বিনিয়োগ নীতিতে সংশোধন প্রয়োজন। প্রতিরক্ষা খাতে FDI-র সীমা শিথিল করতে হবে এবং একটি সুস্পষ্ট ও বিনিয়োগকারী-বান্ধব নীতিমালা প্রণয়ন করতে হবে। "এক জানালা" ছাড়পত্র ব্যবস্থা চালু করতে হবে।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-family: Kalpurush;">৬.১.৩. রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ আইন (ECA) প্রণয়ন<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-family: Kalpurush;">প্রতিরক্ষা সামগ্রী রপ্তানির জন্য একটি রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ আইন (Export Control Act - ECA) প্রণয়ন করা প্রয়োজন। এই আইনটি আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা, দ্বৈত ব্যবহার প্রযুক্তি এবং জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়গুলো বিবেচনায় রেখে রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ করবে।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-family: Kalpurush;">৬.২. স্বল্প, মধ্যম ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-family: Kalpurush;">৬.২.১. স্বল্পমেয়াদি (১-৩ বছর): নীতি কাঠামো ও প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-family: Kalpurush;">প্রথম বছর:</span></b><span style="font-family: Kalpurush;"> DIDSA, ECA এবং FDI নীতির খসড়া তৈরি ও পার্লামেন্টে পাস করানো। NDIA ও NDRO-র আইনগত কাঠামো প্রতিষ্ঠা করা।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-family: Kalpurush;">দ্বিতীয় বছর: </span></b><span style="font-family: Kalpurush;">NDIA ও NDRO-র কার্যক্রম শুরু করা। প্রতিরক্ষা অর্থনৈতিক অঞ্চল (DEZ)-এর অবকাঠামো উন্নয়ন শুরু করা।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-family: Kalpurush;">তৃতীয় বছর:</span></b><span style="font-family: Kalpurush;"> DEZ-এর প্রথম পর্যায়ের উদ্বোধন। বেসরকারি খাতের জন্য লাইসেন্সিং প্রক্রিয়া সহজ করা এবং প্রথম যৌথ উদ্যোগ চুক্তি স্বাক্ষর।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-family: Kalpurush;">৬.২.২. মধ্যমেয়াদি (৩-৭ বছর): সক্ষমতা বৃদ্ধি ও অভ্যন্তরীণ উৎপাদন <o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-family: Kalpurush;">চতুর্থ থেকে<span style="mso-spacerun: yes;">  </span>পঞ্চম বছর:</span></b><span style="font-family: Kalpurush;"> BOF, BMTF এবং অন্যান্য সামরিক প্রতিষ্ঠানের আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণ। বেসরকারি খাতের সাথে প্রযুক্তি হস্তান্তর চুক্তি বাস্তবায়ন।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-family: Kalpurush;">ষষ্ঠ থেকে সপ্তম বছর:</span></b><span style="font-family: Kalpurush;"> হালকা অস্ত্র, গোলাবারুদ এবং সহায়ক সরঞ্জামে পূর্ণ দেশীয় উৎপাদন শুরু। যুদ্ধজাহাজ উৎপাদন শুরু।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-family: Kalpurush;">৬.২.৩. দীর্ঘমেয়াদি (৭-১০ বছর): রপ্তানি বাজারে প্রবেশ ও আত্মনির্ভরশীলতা<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-family: Kalpurush;">অষ্টম থেকে নবম বছর:</span></b><span style="font-family: Kalpurush;"> যুদ্ধবিমান, ট্যাংক মতো প্রধান প্ল্যাটফর্মের দেশীয় উৎপাদন শুরু। যুদ্ধজাহাজ রপ্তানি চুক্তি স্বাক্ষর।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-family: Kalpurush;">দশম বছর:</span></b><span style="font-family: Kalpurush;"> প্রতিরক্ষা খাতে উল্লেখযোগ্য আত্মনির্ভরশীলতা অর্জন এবং রপ্তানি আয়ে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখা।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-family: Kalpurush;">৭. উপসংহার<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-family: Kalpurush;">৭.১ বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা শিল্পের সম্ভাবনা<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-family: Kalpurush;">বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা শিল্পের সম্ভাবনা অপার। দেশের অভিযোজিত জনশক্তি, কৌশলগত অবস্থান এবং বিদ্যমান অবকাঠামো একটি শক্তিশালী প্রতিরক্ষা শিল্প গড়ে তোলার ভিত্তি গড়ে তুলেছে। তুরস্ক ও দক্ষিণ কোরিয়ার মতো দেশগুলোর অভিজ্ঞতা দেখায় যে, সঠিক নীতি ও সমন্বয়ের মাধ্যমে একটি আত্মনির্ভরশীল ও রপ্তানিমুখী প্রতিরক্ষা খাত গড়ে তোলা সম্ভব।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-family: Kalpurush;">৭.২. একটি সুসংহত ও কার্যকর নীতির গুরুত্ব<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-family: Kalpurush;">তবে, এই সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে হলে একটি সুসংহত, দীর্ঘমেয়াদি এবং কার্যকর নীতি কাঠামো অপরিহার্য। এই নীতি কেবল সামরিক বাহিনীর চাহিদা পূরণের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং জাতীয় অর্থনীতি ও নিরাপত্তার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে কাজ করবে।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span style="font-family: Kalpurush;">৭.৩. জাতীয় নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে চলা<o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-family: Kalpurush;">প্রস্তাবিত নীতি বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশ শুধুমাত্র একটি আত্মনির্ভরশীল প্রতিরক্ষা বাহিনী গড়ে তুলবে না, বরং একটি নতুন অর্থনৈতিক খাত সৃষ্টি করবে, যা কর্মসংস্থান সৃষ্টি, প্রযুক্তিগত উন্নয়ন এবং বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এই পথে এগিয়ে যাওয়ার জন্য সরকার, সামরিক বাহিনী, বেসরকারি খাত এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত প্রচেষ্টা অপরিহার্য।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span style="font-family: Kalpurush;"><b> </b></span></p>
<hr>
<p class="MsoNormal"><span style="font-family: Kalpurush;"><b>লেখক: চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার, সীবিচ৭৭ লিমিটেড</b></span></p>
<hr>
<p class="MsoNormal"></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগের ভিডিওটি ‘নাটকের শুটিং দৃশ্য’</title>
<link>https://digibanglatech.news/158998</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158998</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_69075810bb093.jpg" length="113838" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 02 Nov 2025 13:06:15 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্প্রতি একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, একজন ব্যক্তি এক আহত মানুষকে জঙ্গলের ভেতর টেনে নিয়ে যাচ্ছেন, পাশে দাঁড়িয়ে থাকা কয়েকজন পুলিশ সদস্য তা দেখছেন, ভিডিও করছেন। ভিডিওটির সঙ্গে দাবি করা হচ্ছে, ‘এটা কোনো নাটক নয়, বর্তমান বাংলাদেশের নয়া বন্দোবস্ত। খুনিরা খুন করে লাশ জঙ্গলে টেনে নিয়ে যায়, পুলিশ দাঁড়িয়ে দেখে আর ভিডিও করে!’</p>
<div>
<div>
<div data-lang="বিজ্ঞাপন">
<div>
<div id="News_InArticle_300x250-d96fb90a-1ef1-4981-8aaf-fbab92379b13-0-0" data-google-query-id="CNbN2qGL05ADFeGbrAIdtAokrA"></div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<p>ভিডিওটির ইমেজের রিভার্স সার্চ করে দেখা গেছে ‘পুলিশের প্রশ্রয়ে লাশ সরানো হচ্ছে’ দাবি করে সোশ্যাল হ্যান্ডেলে ছড়ানো ভিডিওটি বাস্তব নয়। এটি ‘ক্রাইম প্যাট্রোল বিডি’ নামে একটি সিরিজের শুটিংয়ের দৃশ্য। একই ভিডিও ‘<a href="https://digibanglatech.news/admin/facebook.com/reel/1870259577178322/?rdid=rdxqBNput94b2BoQ&amp;share_url=https%3A%2F%2Fwww.facebook.com%2Fshare%2Fr%2F1BEUs8ywXc%2F" target="_blank" rel="noopener">Arman Raj’</a> নামে একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে ৩১ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে প্রকাশিত হয়েছিল। </p>
<p>ভিডিওটি পরে ৩১ অক্টোবর বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, মোহিত পাভেল, মোঃ আরিফ হোসেনসহ বেশ কিছু অ্যাকাউন্ট থেকে ফেসবুক ও অন্যান্য প্ল্যাটফর্মে ব্যাপকভাবে ছড়িয়েছে। বিষয়টি অনুসন্ধান না করেই <a href="https://www.facebook.com/reel/1209562537681434" target="_blank" rel="noopener">আরিফ সরকার</a>, <a href="https://www.facebook.com/reel/1099944718653612" target="_blank" rel="noopener">এম এ কাশেম চৌধুরী</a>, ইসমাইল হোসেন টিটু, <a href="https://www.facebook.com/reel/1372551077996843" target="_blank" rel="noopener">মহসিন মজুমদার</a>, ইসমাইল হোসেন টিপুর মতো অনেকে এটিকে বাস্তব ঘটনা বলেই মনে করছেন।</p>
<p>যদিও ‘<a href="https://www.facebook.com/arman.raj.919657/posts/pfbid0AgtXJ3UGt5wadv2qiV5bh86VWqyLVwkkhX7mCe21h1q6CinA2zEjANTK6dKVrKoZl?rdid=abz2nQVpExUZOdqF" target="_blank" rel="noopener">Arman Raj</a>’-এর প্রোফাইলে দেখা যায়, তিনি পুলিশের পোশাকে একই চরিত্রে একাধিক ছবি ও ভিডিও পোস্ট করেছেন। অন্য একটি পোস্টের ক্যাপশনে লেখা ছিল, ‘আসামী ধরতে যাচ্ছি। ATN Bangla নিয়মিত ধারাবাহিক “ক্রাইম পেট্রল”-এর শুটিং স্পট থেকে।’ এ ছাড়া তার প্রোফাইলে পুলিশের পোশাকে নিজের সেলফি ভিডিওতেও তিনি উল্লেখ করেছেন, এটি ‘<a href="https://www.facebook.com/arman.raj.919657/posts/pfbid035giUF7LmLqL3ad1KyFxMskNddHdrfXCHuR3rk8ysQG1QPBA6i52g24gQFaGctgyLl?rdid=lQqGtMZydAg3x0ox" target="_blank" rel="noopener">ক্রাইম প্যাট্রোল বিডি</a>’-এর শুটিং স্পট।</p>
<div class="   
                  story-element">
<div class="story-element story-element-text">
<p>‘ক্রাইম প্যাট্রোল বিডি’-এর অফিশিয়াল <a href="https://www.youtube.com/@CrimePatrolBDWatch" target="_blank" rel="noopener">ইউটিউব চ্যানেল</a> ও <a href="https://www.facebook.com/crimepatrolbangladesh" target="_blank" rel="noopener">ফেসবুক পেজে</a> একই অভিনেতাকে বিভিন্ন পর্বে দেখা গেছে। পেজটির বায়োতে বলা হয়, ‘“ক্রাইম প্যাট্রোল বিডি” হলো “ক্রাইম প্যাট্রোল” সিরিজের একটি অফিশিয়াল পেজ, যা বাংলাদেশে ঘটে যাওয়া বাস্তব অপরাধমূলক ঘটনাগুলোর ওপর ভিত্তি করে তৈরি। আমাদের লক্ষ্য হলো গ্রামীণ জনগণের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করা এবং তাদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত রাখা।’</p>
</div>
</div>
<div class="storyCard eyOoS">
<div class="   
                  story-element">
<div class="story-element story-element-text">
<div>
<p>এ তথ্যগুলো থেকেই পরিষ্কার যে ভাইরাল ভিডিওটি কোনো বাস্তব অপরাধের দৃশ্য নয়; বরং নাটকের শুটিংয়ের ভিডিও, যা কেউ সেট থেকে ধারণ করে বিভ্রান্তিকর দাবি দিয়ে ছড়িয়ে দিয়েছে।</p>
</div>
</div>
</div>
</div>
<p> </p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>অনলাইনে ‘স্টাডি অ্যাব্রোড ফেয়ার’ শেষ হচ্ছে আজ</title>
<link>https://digibanglatech.news/158978</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158978</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_69070c6f07c24.jpg" length="116222" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 02 Nov 2025 09:47:23 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span>‘উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন দেখো, বিশ্বজুড়ে...’ স্লোগানে অনলাইনে শুরু হওয়া ১০ দিনব্যাপী অনলাইন ‘স্টাডি অ্যাব্রোড ফেয়ার ২০২৫’ শেষ হচ্ছে ২ নভেম্বর, রবিবার।  <a target="_blank" href="https://www.studyabroadfair.pro/" rel="noopener">এই ওয়েবসাইটে</a> ঢুঁ মারলেই পেয়ে যাবেন অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর ডিজিটাল স্টল, যেখানে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষা পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের ডিজিটাল বুথে প্রবেশ করে তথ্য ও অফার গ্রহণের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারছেন। </span></p>
<p><span>এ ছাড়া অনলাইন কুইজ প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে আকর্ষণীয় পুরস্কার জেতার সুযোগও রয়েছে। শিক্ষার্থীদের বিদেশে পড়াশোনার সুযোগ, বৃত্তি, ভর্তিপ্রক্রিয়া, ভিসা, আবাসন ও ক্যারিয়ার পরিকল্পনা বিষয়ে সরাসরি পরামর্শ দেয়া হচ্ছে এই ডিজিটাল স্টল থেকে। ইউসিএসআই ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের পৃষ্ঠপোষকতায় অনলাইন ফেয়ারের টাইটেল স্পন্সর বৃটিশ কাউন্সিল। ব্যাংক পার্টনার প্রাইম ব্যাংক। আর স্ট্রাটেজি পার্টনার ফরেন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অ্যান্ড ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট কনসালট্যান্টস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ।  </span></p>
<p><span>এক্সিবিটর্স হিসেবে রয়েছে ইউনিভার্সেল কলেজ বাংলাদেশ, এনএইচপি এড্যুকেশন কনসালটেন্ট, স্যানজেন, বিডিএক্সপার্ট, সিএইচএস এড্যুকেশন, ম্যাকইস, ম্যাক্সিমাস, এড্যুকেশন৥, ১০ মিনিট স্কুল ইংলিশ সেন্টারসহ ২০টি প্রতিষ্ঠান।  </span></p>
<p><span>এর আগে গত ২৪ ও ২৫ অক্টোবর ঢাকার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয় দুই দিনব্যাপী একই মেলা।</span></p>
<p><span>ডিজিবিটেক/প্রআ/ইক</span></p>
<p><span></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>সঞ্চয়পত্র জালিয়াতি: ‘ট্রাস্ট&#45;ব্লাইন্ড’ ব্যবস্থার সতর্কবার্তা</title>
<link>https://digibanglatech.news/158942</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158942</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202502/image_870x580_67a31f733e269.jpg" length="113294" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 01 Nov 2025 11:34:40 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>সাম্প্রতিক সঞ্চয়পত্র জালিয়াতির ঘটনাটি বাংলাদেশের আর্থিক খাতের জন্য এক জোরালো সতর্কসংকেত। এটি কেবল একটি সাইবার অপরাধ নয়—বরং পুরো ব্যবস্থার ভিতরে থাকা কাঠামোগত দুর্বলতার বাস্তবিক প্রতিফলন। জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের এনএসসি (ন্যাশনাল সেভিংস সার্টিফিকেট) সিস্টেম ব্যবহার করে এক চক্র প্রায় ২৫ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছে এবং আরও প্রায় ৫০ লাখ টাকা তোলার চেষ্টা করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের হস্তক্ষেপে তা রোধ করা সম্ভব হয়েছে।</p>
<p>তদন্তে বেরিয়ে এসেছে, উদ্বেগজনক তথ্য—প্রতারকরা গ্রাহকের অজান্তে নিবন্ধিত মোবাইল নম্বর পরিবর্তন করেছে, লেনদেনের সীমা ২ লাখ থেকে ১০ লাখ টাকায় বাড়িয়েছে, এমনকি মেয়াদপূর্তির আগেই সঞ্চয়পত্র ভেঙে অর্থ স্থানান্তর করেছে। এর পুরো প্রক্রিয়াতেই গ্রাহকের কাছে কোনো ওটিপি (One-Time Password) যায়নি। অর্থাৎ সিস্টেমের ভেতরে প্রবেশাধিকার থাকা কেউ সরাসরি বা পরোক্ষভাবে সহায়তা করেছে—এটি এক আদর্শ ইনসাইডার ফ্রড।</p>
<p><br>৩পি ব্যর্থতা: People, Process, Platform</p>
<p>এই জালিয়াতি মূলত ‘৩পি’—People, Process ও Platform—নিরাপত্তা মডেলের একত্রিত ব্যর্থতা।</p>
<p>প্রথমত, কর্মকর্তাদের পাসওয়ার্ড ব্যবস্থাপনা দুর্বল ছিল। শক্তিশালী পাসওয়ার্ড নীতি ও মাল্টি-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন (MFA) বাধ্যতামূলক না থাকলে এমন অনুপ্রবেশ রোধ করা অসম্ভব।</p>
<p>দ্বিতীয়ত, ওটিপি যাচাই ছাড়াই লেনদেন সম্পন্ন হওয়া কোনো সাধারণ ত্রুটি নয়। এটি প্রক্রিয়াগত ব্যর্থতা, যা অভ্যন্তরীণ অনুমোদন ছাড়া সম্ভব নয়।</p>
<p>তৃতীয়ত, মনিটরিং ও অডিটিং ব্যবস্থা দুর্বল। হঠাৎ নম্বর পরিবর্তন, সীমা বৃদ্ধি, বা বড় অঙ্কের স্থানান্তর—এসবই স্বয়ংক্রিয় সতর্কবার্তা (Anomaly Alert) জারি করার মতো ঘটনা। অথচ সিস্টেম কোনো অ্যালার্ম দেয়নি। এটি প্রমাণ করে, মনিটরিং ব্যবস্থা কাগজে আছে, বাস্তবে নয়।</p>
<p>‘Trust-Based’ নয়, এখন চাই ‘Zero Trust’</p>
<p>বাংলাদেশের আর্থিক খাত এখনো ‘trust-based’ নয়, বরং ‘trust-blind’ মডেলে পরিচালিত—যেখানে প্রযুক্তি আছে, কিন্তু দায়বদ্ধতা নেই। নিরাপত্তা কেবল সফটওয়্যার নির্ভর নয়; এটি নীতিমালা, প্রশিক্ষণ, এবং জবাবদিহিতার সমন্বয় প্রক্রিয়া।</p>
<p>এই বাস্তবতায় এখন প্রয়োজন Zero Trust Architecture—যেখানে কোনো ব্যবহারকারী বা ডিভাইস আগাম বিশ্বাসযোগ্য নয়, প্রতিটি অ্যাক্সেস বারবার যাচাই করা হয়।</p>
<p><br><strong>করণীয়: প্রযুক্তি ও নীতির সমন্বয়</strong></p>
<p>ক. জিরো ট্রাস্ট বাস্তবায়ন: সরকারি ও বেসরকারি আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ‘Zero Trust’ মডেল বাধ্যতামূলক করা দরকার।</p>
<p>খ. নিয়মিত সাইবার অডিট: বছরে অন্তত দুইবার স্বাধীন সাইবার অডিট ও পেনিট্রেশন টেস্টিং চালু করা উচিত।</p>
<p>গ. আইটি গভর্ন্যান্স ও মানবসম্পদ তদারকি: প্রশাসনিক অ্যাক্সেসধারীদের ক্ষেত্রে ‘four-eye principle’—দুই কর্মকর্তার অনুমোদন—বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন।</p>
<p>ঘ. গ্রাহক সচেতনতা: গ্রাহককে জানতে হবে, ওটিপি বা ব্যক্তিগত তথ্য কারও সঙ্গে শেয়ার করা বিপজ্জনক। সন্দেহজনক লেনদেন দেখলে তাৎক্ষণিকভাবে রিপোর্ট করা জরুরি।</p>
<p><br><strong>আইন ও বাস্তবায়ন</strong></p>
<p>অক্টোবরে অনুমোদিত ‘ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫’ দ্রুত বাস্তবায়ন অত্যন্ত জরুরি। এই আইন কার্যকর হলে তথ্য সুরক্ষা ও সাইবার জবাবদিহিতা বাধ্যতামূলক হবে।</p>
<p>একই সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংক, জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তর ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের মধ্যে একটি ইন্টিগ্রেটেড আইটি গভর্ন্যান্স ফ্রেমওয়ার্ক গঠন জরুরি, যাতে ফরেনসিক অডিট ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা দ্রুত নেওয়া যায়।</p>
<p><strong>শেষকথা</strong></p>
<p>এই ঘটনাকে কেবল সাইবার হামলা হিসেবে দেখা ভুল হবে। এটি সামগ্রিকভাবে একটি পরিকল্পিত আর্থিক অপরাধ, যা প্রযুক্তি ও প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতার সুযোগ নিয়েছে।</p>
<p>জনগণের অর্থই রাষ্ট্রের আস্থা; তাই ভবিষ্যতের জন্য প্রয়োজন প্রযুক্তি, প্রক্রিয়া ও মানুষ—এই তিন স্তরের সমন্বিত সুরক্ষা।</p>
<p>বাংলাদেশ এখন সাইবার নিরাপত্তার এক সংবেদনশীল মোড়ে দাঁড়িয়ে। যদি এখনই আমরা “Never Trust, Always Verify” নীতিতে না যাই, তাহলে আগামী দিনে এমন জালিয়াতি আরও বাড়বে—কমবে না।</p>
<hr>
<p><strong>লেখক:</strong> তথ্যপ্রযুক্তিবিদ, সাধারণ সম্পাদক,  বাংলাদেশ সিস্টেম এডমিনিস্ট্রেটরস ফোরাম (বিডিসাফ) </p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>মেট্রোরেল নিয়ে গুজব শনাক্ত ফ্যাক্টওয়াচের</title>
<link>https://digibanglatech.news/158941</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158941</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_6905963c7a073.jpg" length="97932" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 01 Nov 2025 10:17:22 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div class="description col-lg-8 offset-lg-2 col-12 py-3 id-890337">
<p>মেট্রোরেলে আগুন লেগেছে! মেট্রোরেল ভেঙে পড়ে পথচারির মৃত্যু! এমন দাবিতে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচারিত দুইটি ভিডিওই এআই জেনারেটেড (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দ্বারা তৈরি) বলে শনাক্ত করেছে ফ্যাক্টওয়াচ।</p>
<div class="verdict-card">
<p>ফার্মগেইটের দুর্ঘটনার পর মেট্রোরেলের বিয়ারিং প্যাড পড়ে পথচারীর মৃত্যু নিয়ে ১২ সেকেন্ডের ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে, মেট্রোরেলের চলাচলের রাস্তার নিচ দিয়ে বিভিন্ন যানবাহন চলাচল করছে। পরক্ষণেই এর ওপর দিয়ে একটি ট্রেন যাওয়ার সময় রাস্তা ভেঙে নিচে পড়ে যাচ্ছে। কোথাও দাবি করা হয়েছে, এটি রাজধানীর ফার্মগেটের ঘটনা। </p>
<p>ঢাকায় চলাচলরত মেট্রোরেলে আগুন লেগেছে দাবিতে ফেসবুকে ছড়ানো আরেকটি ভিডিতে দেখা যায়, মেট্রোরেলের একটি ট্রেন লাইনের ওপর কাত হয়ে পড়ে আছে এবং একটি অংশে আগুন জ্বলছে। মেট্রোরেলের লাইনের নিচে পথচারীরা ওই দৃশ্যের ভিডিও ধারণ করছেন।</p>
</div>
<p>ফ্যাক্টওয়াচ শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) জানায়, উভয় ভিডিওই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি। এআই জেনারেটেড </p>
<p>ফ্যাক্টওয়াচের অনুসন্ধানে দেখা যায়, ঢাকায় মেট্রোরেলে সম্প্রতি এমন কোনো আগুনের ঘটনা ঘটেনি। ট্রেনটি যেভাবে কাত হয়ে ঝুলছে তা দৃশ্যত স্বাভাবিক নয়। দেশীয় সংবাদমাধ্যমেও ঢাকায় মেট্রোরেলে আগুন লাগার কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।</p>
<p>ডিপফেক শনাক্তের টুল ‘হাইভ মডারেশন’ ভিডিওটিকে বিশ্লেষণ করে জানায়, এটি এআই জেনারেটেড কনটেন্ট হওয়ার সম্ভাবনা ৮৬ শতাংশ। </p>
<p>এ ছাড়া ডিপফেক শনাক্তের আরেক টুল ‘ডিপফেক-ও-মিটার’ ভিডিওটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি বলে নিশ্চিত করেছে। ফলে ফ্যাক্টওয়াচ মেট্রোরেলে আগুন লেগেছে দাবিতে প্রচারিত ভিডিওগুলোকে মিথ্যা হিসেবে চিহ্নিত করেছে।</p>
<p>ফ্যাক্টওয়াচ জানায়, গত বছর থেকে ভারতীয় বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ দেশের কিছু ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে অন্তর্বর্তী সরকার এবং ২০২৪ সালের আন্দোলনে অংশ নেওয়া দল ও সংগঠনগুলোর বিরুদ্ধে গুজব ও ভুয়া তথ্য প্রচারের হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।</p>
<p><span>ওয়েবসাইট ডিপ ফেইক-ও-মিটারের সাহায্যে অপর ভিডিও যাচাই করে দেখা গেছে, গত ২৬ অক্টোবর রাজধানীর ফার্মগেট এলাকায় মেট্রোরেলের পিলারের বিয়ারিং প্যাড খুলে পড়ে যায়। এতে এক পথচারীর মৃত্যু হয়। <a href="https://www.youtube.com/watch?v=TNh3w6KR07k" target="_blank" rel="noopener">এই ঘটনার</a> সঙ্গে আলোচিত ভিডিওটির কোনো মিল পাওয়া যায়নি। প্রচারিত ভিডিওতে মেট্রোরেলের চলাচলের রাস্তার পাশে রেলিং রয়েছে। ঢাকায় নির্মিত মেট্রোরেলের চলাচলের পথে এই ধরনের রেলিং দেখা যায় না। রেলিং ভেঙে পড়ার দৃশ্যটিও অস্বাভাবিক। প্রচারিত ভিডিওটি শতভাগ এআই দিয়ে তৈরি। </span></p>
</div>
<div class="tags col-lg-8 offset-lg-2 col-12 py-3 border-top"></div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>যোগ্য পদে যুক্ত হতে পারেন না ৪৫ শতাংশ বায়োটেক গ্র্যাজুয়েট</title>
<link>https://digibanglatech.news/158934</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158934</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_69055cc5e6e4c.jpg" length="109150" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 01 Nov 2025 01:07:34 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বিশ্বজুড়ে চাকরি, গবেষণা ও উদ্ভাবনের ক্ষেত্র হিসেবে সম্ভাবনাময় গণ্য হলেও বাংলাদেশে বায়োটেকনোলজির চাকরিক্ষেত্র সেভাবে সৃষ্টি হচ্ছে না। এমনকি যোগ্যাতা থাকার পরও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ও ক্ষেত্রে বিষয়ভিত্তিক জ্ঞানলব্ধ এই বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থীদে চাকরিতে আবেদন পর্যন্ত করতে দেওয়া হচ্ছে না।  ফলশ্রুতিতে দেশে প্রতিবছর যে ১৭০০ বায়োটেকনোলজি গ্র্যাজুয়েট স্নাতক পাশ করেন, তাদের ৪৫ ভাগই বিষয় সংশ্লিষ্ট কোনো চাকরিতে যুক্ত হতে পারছেন না। একইভাবে বাংলাদেশে কৃষি গবেষণা সংশ্লিষ্ট কোনো প্রতিষ্ঠানেই জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং ও বায়োটেকনোলজি বিষয়ের স্নাতকদের আবেদন করতেই দেওয়া হয় না। অন্যদিকে দেশের ৫০ ভাগ ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি বায়োটেকনোলজির সিলেবাস ও পঠনপদ্ধতি সম্পর্কে না জানায় যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও বিশেষায়িত এই শিক্ষার্থীদের অনেক ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানিতেই আবেদন করতে দেয়া হয় না। </p>
<p>ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চতর বিজ্ঞান গবেষণা কেন্দ্র মিলনায়তনে ৩১ অক্টোবর, শুক্রবার বিকালে অনুষ্ঠিত চাকরিক্ষেত্রে বায়োটেকনোলজির চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা নিয়ে গোলটেবিল বৈঠকে এমনটা তুলে ধরলো নেটওয়ার্ক অব ইয়ং বায়োটেকনোলজিস্টস অব বাংলাদেশ (এনওয়াইবিবি)। সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করে এমন ‘বিষম-চিত্র’ তুলে ধরেন এই সমস্যা দূরীকরণে কী করা যায় সেই প্রশ্নই বিশেষজ্ঞ প্যানেলের সামনে ছুঁড়ে দিলেন মূল প্রবন্ধ উপস্থাপক এনওয়াইবিবি- এর পরিচালক এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং ও বায়োটেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. আদনান মান্নান।</p>
<p>জবাবে ওয়ান স্টপ সলুশান হিসেবে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বায়োটেকনোলজিকে কার্যকর ভূমিকা পালন করার উপর গুরুত্ব আরোপ করেন সভার অতিথি বক্তা এবং পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এস এম আব্দুল-আওয়াল। বিভিন্ন ইন্ডাস্ট্রিয়াল গবেষণা প্রতিষ্ঠান, কারখানা ও উদ্যোক্তাদের ক্ষেত্রে বায়োটেকনোলজির অবস্থান তুলে ধরে ফার্মা ইন্ডাস্ট্রিতে বায়োটেকনোলজি কে পরিচিত করাতে ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়ার মধ্যে সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস ব্যবস্থাপক মো. মনিরুল ইসলাম।</p>
<p>মূলপ্রবন্ধে উঠে আসা তথ্য-উপাত্ত উদ্বেগের  এবং এই অবস্থার উত্তরণে সবাইকে একসঙ্গে নিয়ে বাধাগুলো দূর করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন গোলটেবিল বৈঠকের প্রধান বক্তা ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব বায়োটেকনোলজির মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. মোঃ ছগীর আহমেদ। </p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x_69055cc3e2057.jpg" alt=""></p>
<p>মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. মোঃ ছগীর আহমেদ বলেন, দেশে বায়োটেকনোলজি শিক্ষা, সিলেবাস ও কর্মপন্থা নির্ধারনে একটি নিয়ন্ত্রক সংস্থা থাকা প্রয়োজন। চাকুরীক্ষেত্রে এনআইবি জীবপ্রযুক্তিবিদদের প্রাধান্য দিবে। সংশ্লিষ্ট সরকারী প্রতিষ্ঠানে উপদেষ্টা কিংবা পরবর্তিতে মন্ত্রী ও সচিবদের সাথে সাক্ষাৎ ও অবহিতকরন সভার আয়োজন করা প্রয়োজন।</p>
<p>ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং ও বায়োটেকনোলজি বিভাগের শিক্ষক ড. মুশতাক ইবনে আয়ুবের সঞ্চালনায় গোলটেবিল বৈঠকে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আনোয়ারুল আজীম আখন্দ এবং গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাজমুল আহসান। </p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x_69055cc4ed343.jpg" alt=""></p>
<p>আলোচনায় বায়োটেকনোলজির গ্র্যাজুয়েটদের বিভিন্ন চাকরিক্ষেত্রের সম্ভাবনা এবং বর্তমানে নানা সীমাবদ্ধতা তুলে ধরেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং ও বায়োটেকনোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. সুমাইয়া ফারাহ খান, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং ও বায়োটেকনোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. রেজাউল করিম এবং যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং ও বায়োটেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. নাজমুল হাসান।</p>
<p>এছাড়াও আলোচনায় অংশ নেন বায়োটেক কোম্পানির সিইও এম এ ওয়াদুদ, আইইডিসিআর এর বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা আরিফ খান, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষিকা মাহমুদা কবির, গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক আব্দুল্লাহ আল জোবায়ের, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী তৌহিদুল ইসলাম সিজান এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সরূপ হাসান।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x_69055cc2dfb38.jpg" alt=""></p>
<p>অতিথিরা এসব সংকট নিরসনে  বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন ও শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের সমন্বিত উদ্যোগের কথা বলেন এবং একই সাথে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে বায়োটেকনোলজির পাঠ্যক্রম এবং ব্যবহারিক দক্ষতা সম্পর্কে অবহিত করার প্রয়োজনীয় দিক তুলে ধরেন। এসময় সমস্যার সমাধানে পিএসসি থেকে উদ্যোগের জন্য সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানের সাথে যোগাযোগের কথা বলা হয়। এছাড়াও কৃষিবিদদের সাথে একটি সভা আয়োজনের কথা বলা হয়। ফার্মাসিউটিকাল প্রতিষ্ঠানগুলোকে অবহিতকরনের জন্য কোন সিম্পোজিয়াম বা অনুষ্ঠান পরিকল্পনার কথা বলা হয়।</p>
<p>গোলটেবিল আলোচানায় সহযোগী ছিলো বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব বায়োটেকনোলজি গ্রাজুয়েটস (BABG) ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি ক্লাব এবং পৃষ্ঠপোষকতায় ছিল বায়োটেক কনসার্ন।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বিজ্ঞান উৎসবে জাতীয় পর্বে পুরস্কৃত হলেন যারা</title>
<link>https://digibanglatech.news/158935</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158935</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_6905678b26058.jpg" length="141084" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 01 Nov 2025 00:51:39 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>দেশে প্রতিটি বিভাগ এবং বিভিন্ন জেলা থেকে উত্তীর্ণ হয়ে ৩১ অক্টোবর ঢাকার সেন্ট যোসেফ হায়ার সেকেন্ডারি স্কুল মিলনায়তনে <span>৭০টির বেশি স্কুলের আঞ্চলিক পর্বের বিজয়ীর দেখালো তাদের উদ্ভাবিত প্রকল্প। প্রদর্শনীর পাশাপাশি উপস্থিতিদের অনেকেই অংশ নিয়েছেন বিজ্ঞান কুইজ, রুবিকস কিউব ও সুডোকু প্রতিযোগিতায়। সাইমুম মৌসুমী বৃষ্টির সঞ্চালনায় উপভোগ করেছেন রোবট শো। </span></p>
<p><span>দিনব্যাপী উৎসবে দ্য রকস্টার শুভ এবং গায়ক জাহিদ অন্তুর সুরে ভেসে, রাজীব বসাকের জাদু আর রূালী তারকা সাফা কবিরের সঙ্গে দুর্দান্ত সময় কাটায় খুদে বিজ্ঞানীরা। বিকেলে পুরস্কার ল্যাপটপ, ট্যাব, বিজ্ঞান বাক্স বগলদাবা করে বাড়ি ফেরেন বিজয়ীরা। </span></p>
<p><strong>প্রকল্প প্রদর্শনীতে পুরস্কৃত হলেন যারা</strong></p>
<p>বিজ্ঞান উৎসবের জাতীয় পর্বে প্রজেক্টে সেরাদের সেরা হয়েছে বিএএফ শাহীন কলেজের দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থী আরীব বিন ফারুক ও সাইম ইবনে সারওয়ার; দ্বিতীয় হয়েছে বরিশালের ব্রজমোহন স্কুলের এস এম সাইফান শাফি এবং তৃতীয় হয়েছে সেন্ট যোসেফ হায়ার সেকেন্ডারি স্কুলের দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থী রায়িন আর রাদ। <span>পুরস্কৃতদের মধ্যে এআই চ্যাটবট বানিয়ে তাক লাগিয়েছেন বরিশালের ব্রজমোহন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এস এম সাইফান শাফি। একইভাবে খুলনার নেভি অ্যাঙ্কোরেজ স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে তিন শিক্ষার্থীর এআইভিত্তিক ট্রাফিক সিস্টেম দেখিয়েছে নতুন দিনের সমাধান। </span></p>
<p><span>উৎসবে প্রকল্প প্রদর্শনীতে মোট ১৫টি প্রজেক্টে ৩১ জনকে পুরস্কৃত করা হয়েছে। এদের মধ্যে আরো বিজয়ীরা হলেন- নাটোর সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী সিদ্ধার্থ প্রামাণিক, সামিত ওয়াশি ও নাবিল হাসান। যশোর শিক্ষাবোর্ড গভ. মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থী এস এম আলিউল হোসাইন ইশান ও তাহমিদ হাসান। ঢাকার আদমজী ক্যান্টনমেন্ট  পাবলিক স্কুলের নবম শ্রেণীর শিক্ষার্থী মো. আবরার জাওয়াদ আদিল ও রনক আনজুম সাজিদ। চট্টগ্রামের অংকুর সোসাইটি গার্লস হাই স্কুলের নবম শ্রেণীর শিক্ষার্থী নুসরাত জাহান, জুবায়রা জেবিন এবং লাবিবা লামিশা। চট্টগ্রাম ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুলের ষষ্ঠ শ্রেণীর শিক্ষার্থী সিন্দীদ হোসেন চৌধুরী, ঢাকা ইঞ্জিনিয়ারিং ইউনিভার্সিটি স্কুল অ্যান্ড কলেজের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী হাসিফ আলম, মো. মাহিন শাহরিয়ার ও সিফাত উল্লাহ। রংপুরের পুলিশ লাইন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী তাসনিয়া তাহরিন, সুবাইতা আহমেদ ও রাফিউজ্জামান রুহান। ঢাকার মতিঝিল সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী শাহারিন রাইহান ও মারজুক রশিদ। ঢাকার বজলুল হক খান স্কুল অ্যান্ড কলেজের দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থী ওয়াসফিয়া আলিশা। চট্টগ্রামের নেভি অ্যাঙ্কোরেজ স্কুল অ্যান্ড কলেজের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী আরাফাত বিন আজম। ঢাকার গবর্নমেন্ট সায়েন্স হাই স্কুলের দ্বীপ বিশ্বাস, রায়ান আহমেদ নিবির ও রাহাত ইসলাম এবং শেরে-ই-বাংলা নগর সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী মো. নিরব হোসেন, তানজীম তালুকদার ও মো. সৌরব হোসেন। </span><span></span></p>
<p><span>এছাড়াও কুইজের নিম্ন মাধ্যমিকে ১৫ জন ও মাধ্যমিক ক্যাটাগরিতে ১৫ জনসহ মোট ৩০ জনকে বিজয়ী হিসেবে ঘোষণা করা হয়। পাশাপাশি বিশেষ কুইজে ১৪ জন, সুডোকুতে ৩ জন এবং রুবিকস কিউবে ৩ জনকে বিজয়ী করা হয়। </span>কুইজ প্রতিযোগিতায় মাধ্যমিক ক্যাটাগরিতে প্রথম হয়েছে রংপুর জিলা স্কুলের মো. ফাহিম  ফয়সাল; দ্বিতীয় চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুলের রাজর্ষি দাশ গুপ্ত এবং তৃতীয় হয়েছে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড সরকারি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের মো. রিফাত সময়। নিম্নমাধ্যমিক ক্যাটাগরিতে প্রথম হয়েছে সাভারের পারমাণবিক শক্তি গবেষণা প্রতিষ্ঠান স্কুল অ্যান্ড কলেজের ইরাম মাহমুদ রুহান; দ্বিতীয় হয়েছে নাচোল উপজেলা স্কুলের তাহমিদ উল ইসলাম এবং তৃতীয় হয়েছে বরিশাল জিলা স্কুলের দিলশান হোসেন। কুইজে প্রতি বিভাগে ১৫ জনকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।</p>
<div class="storyCard eyOoS">
<div class="   
                  story-element">
<div class="story-element story-element-text">
<p>এ ছাড়া বিশেষ কুইজে প্রথম হয়েছে চ্যাম্পিয়ন একাডেমির তানভির হোসেন; দ্বিতীয় সিভিল এভিয়েশন স্কুল অ্যান্ড কলেজের আহমেদ মুস্তাকিম খান এবং তৃতীয় হয়েছে বরিশাল সরকারি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের মৌনি জামান রুকান। এ বিভাগে ১৪ জনকে পুরস্কার দেওয়া হয়। এ ছাড়া রুবিকস কিউবে তিনজন এবং সুডোকুতে তিনজনকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।</p>
<p>বিজ্ঞান প্রজেক্টে প্রথম তিনটি গ্রুপকে বিকাশের সৌজন্যে ল্যাপটপ এবং কুইজের দুই বিভাগের সেরাদের সেরাকে বিকাশের সৌজন্যে বিশেষ পুরস্কার এবং বিজ্ঞানচিন্তার সৌজন্যে ট্যাব পুরস্কার দেওয়া হয়। এ ছাড়া বই, বিজ্ঞানবাক্স, সার্টিফিকেট, মেডেল, ট্রফিসহ ছিল অনেক পুরস্কার।</p>
<p>পুরস্কার বিতরণীতে উপস্থিত ছিলেন আহ্‌ছানউল্লা ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির উপাচার্য অধ্যাপক মো. আশরাফুল হক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সুগত আহমেদ এবং চিকিৎসক ও লেখক তানজিনা হোসেন। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বায়োলজির অলিম্পিয়াড দলের কোচ সৌমিত্র চক্রবর্তী ও গীতিকার কবির বকুল।</p>
</div>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>গবেষণা ও টেকসই শহর উন্নয়নে ব্র্যাক&#45;এসিইউ অঙ্গীকার</title>
<link>https://digibanglatech.news/158902</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158902</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_69038045d6446.jpg" length="80219" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 30 Oct 2025 17:12:14 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p align="justify">ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির একটি প্রতিনিধি দল অ্যাসোসিয়েশন অব কমনওয়েলথ ইউনিভার্সিটিজ (এসিইউ) এর নেতৃবৃন্দের সাথে বৈঠক করেছে। যুক্তরাজ্যের লন্ডনে এসিইউ এর সদর দফতরে সম্প্রতি এই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি বৈশ্বিক সম্পৃক্ততা ও অ্যাকাডেমিক কোলাবোরেশন আরো এগিয়ে নিতে করতে কাজ করছে। লন্ডনে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে সেই প্রচেষ্টারই একটি অংশ।  <o:p></o:p></p>
<p align="justify">আলোচনায় ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির পক্ষ থেকে অংশ নেন ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর সৈয়দ ফারহাত আনোয়ার এবং রেজিস্ট্রার ড. ডেভিড ডাউল্যান্ড। বৈঠকে এসিইউ এর পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন সংস্থার সেক্রেটারি জেনারেল প্রফেসর কলিন রিওরডান এবং কমিউনিকেশনস ও পাবলিক অ্যাফেয়ার্সের হেড ড. লরা প্রিচ।<o:p></o:p></p>
<p align="justify">বৈঠকে কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে কীভাবে সমাজ উন্নয়ন, টেকসই অগ্রগতি এবং প্রয়োগভিত্তিক গবেষণা অংশীদারিত্ব আরও জোরদার করা সে বিষয় নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। সেই সাথে, উচ্চশিক্ষাকে ব্যবহার করে একটি সহিষ্ণু ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। আলোচনার গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর মধ্যে ছিল- সহনশীল নাগরিক সমাজ গড়ে তোলা, টেকসই শহর উন্নয়ন এবং বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় গবেষণা বিনিময় উদ্যোগকে এগিয়ে নেওয়া। <o:p></o:p></p>
<p align="justify">এই আলোচনাকে স্বাগত জানান এসিইউ-এর সেক্রেটারি জেনারেল প্রফেসর কলিন রিওরডান। তিনি ২০২৬ সালে বাংলাদেশ সফরের বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন এবং আশা প্রকাশ করেন যে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি ও অন্যান্য এসিইউ সদস্য প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে এই আলোচনা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।<o:p></o:p></p>
<p align="justify">ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি ২০২১ সালে এসিইউ এর সদস্যপদ অর্জন করে। এর মাধ্যমে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি কমনওয়েলথভুক্ত পাঁচশটিরও বেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বয়ে গঠিত মর্যাদাপূর্ণ এই বৈশ্বিক নেটওয়ার্কে যুক্ত হয়। এর ফলে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি জ্ঞান বিনিময়, সক্ষমতা উন্নয়ন এবং শিক্ষা ও গবেষণার মাধ্যমে জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনে অবদান রাখছে।<o:p></o:p></p>
<p align="justify">বর্তমানে বাংলাদেশে এসিইউ এর ১৬টি সদস্য বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। যা সংস্থাটির এই অঞ্চলে দীর্ঘদিনের অ্যাকাডেমিক সহযোগিতা ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতির প্রমাণ।<o:p></o:p></p>
<p align="justify">১৯১৩ সালে এসিইউ প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি বিশ্বের প্রথম ও প্রাচীনতম আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয় নেটওয়ার্ক। বিশ্বব্যাপী উচ্চশিক্ষায় উৎকর্ষ ও বিশ্ববিদ্যালগুলোর মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানোর কাজ করছে এই প্রতিষ্ঠানটি। <o:p></o:p></p>
<p align="justify">এই বৈঠকটি ছিল ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি প্রতিনিধি দলের যুক্তরাজ্য সফরের অংশ। বৈঠকটি দেশটির স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি করেছে। এর মাধ্যমে গ্লোবাল সাউথ থেকে উদ্ভাবন, অন্তর্ভুক্তি ও আন্তর্জাতিক সম্পৃক্ততা আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। <o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal" align="justify">এই সফর বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের প্রচেষ্টাকে আরও এগিয়ে নিচ্ছে। বিশেষ করে মানসম্মত শিক্ষা, টেকসই শহর ও সম্প্রদায় উন্নয়ন, জলবায়ু কার্যক্রম এবং অংশীদারিত্বের মাধ্যমে লক্ষ্য বাস্তবায়নে এই সফর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।<span><o:p></o:p></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>চাকরি নিয়ে আইআইইউটিতে হুয়াওয়ে</title>
<link>https://digibanglatech.news/158860</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158860</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_6901e6f07e0bc.jpg" length="101771" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 29 Oct 2025 15:06:11 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ঢাকার গাজীপুরে ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি (আইইউটি)-তে একটি ক্যাম্পাস রিক্রুটমেন্ট কর্মসূচি আয়োজন করেছে হুয়াওয়ে। বিশ্ববিদ্যালয়টির কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) এবং ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগ থেকে ১০০ জনেরও বেশি শিক্ষার্থী লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে। নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা হুয়াওয়েতে সিস্টেম ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে পূর্ণকালীন চাকরির সুযোগ পাবে।</p>
<p>হুয়াওয়ে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ২৯ অক্টোবর, বুধবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।</p>
<p>হুয়াওয়ে সাউথ এশিয়ার সিনিয়র এইচআর স্পেশালিস্ট ফারা নেওয়াজের বক্তব্যের মাধ্যমে কর্মসূচিটি শুরু হয়। এরপর বক্তব্য রাখেন আইইউটি-এর সিএসই বিভাগের অধ্যাপক হাসান মাহমুদ এবং হুয়াওয়ে সাউথ এশিয়ার হিউম্যান রিসোর্স ডিপার্টমেন্টের ডিরেক্টর লিন শিয়াও।<br>অনুষ্ঠানে আইইউটি-এর সিএসই বিভাগের অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান ড. মো. হাসানুল কবির, সিএসই বিভাগের জুনিয়র লেকচারার মো. তানভীর হোসেন সৈকত এবং ইইই বিভাগের জুনিয়র লেকচারার লিমান শামস উপস্থিত ছিলেন। লিখিত পরীক্ষাটি হুয়াওয়ের মানব সম্পদ বিভাগের তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠিত হয়।</p>
<p><br>লিন শিয়াও বলেন, “আমাদের আন্তর্জাতিক মানের কর্মপরিবেশ ও অভিজ্ঞতা তরুণদের আইসিটি পেশাজীবী হিসেবে সাফল্য অর্জনে সাহায্য করবে। আমরা বিশ্বাস করি, বাছাইকৃত প্রার্থীরা তাদের দক্ষতা, উদ্ভাবন ও উদ্যমের মাধ্যমে হুয়াওয়ে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।”</p>
<p>ড. মো. হাসানুল কবির বলেন, “আইইউটি-তে ধারাবাহিকভাবে ক্যাম্পাস রিক্রুটমেন্ট কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার জন্য আমরা হুয়াওয়েকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। বিগত বছরগুলোতে আমাদের শিক্ষার্থী দেশে ও বিদেশে হুয়াওয়েতে যোগদান করেছে। তাদের নেতৃত্ব আমাদেরকে গর্বিত করে। আইসিটি খাতে নতুন গ্রাজুয়েটদের সম্ভাবনাময় ক্যারিয়ার শুরুর জন্য হুয়াওয়ে একটি দারুণ সুযোগ দিচ্ছে।”</p>
<p>অধ্যাপক হাসান মাহমুদ বলেন, “আইইউটি গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে হুয়াওয়ের সঙ্গে কাজ করছে। এই দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্বের অংশ হিসেবে হুয়াওয়ের বিভিন্ন প্রতিভা বিকাশমূলক উদ্যোগ আমাদের শিক্ষার্থীদের দক্ষতা অর্জনে ভূমিকা রেখেছে। আমাদের গ্রাজুয়েটদেরকে হুয়াওয়ে বাংলাদেশে যোগদান করতে দেখে আমরা আনন্দিত। এটি শুধু একটি চাকরি পাওয়ার বিষয় নয়, বরং দেশের আইসিটির উন্নয়নে অংশীদার হওয়ার একটি সুযোগ।”</p>
<p>হুয়াওয়েতে নিয়োগ প্রক্রিয়ার প্রথম ধাপ ছিল লিখিত পরীক্ষা। এরপর সাক্ষাৎকার এবং পরবর্তী মূল্যায়ন করা হবে। প্রতি বছর হুয়াওয়ে বাংলাদেশের বিভিন্ন স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে এই  ক্যাম্পাস রিক্রুটমেন্ট কার্যক্রম পরিচালনা করে এবং নতুন গ্র্যাজুয়েটদের নিয়োগ দিয়ে থাকে।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ডিজিটাল মিডিয়া এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড ২০২৫ পেয়েছেন যারা</title>
<link>https://digibanglatech.news/158857</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158857</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_6901cc036e64c.jpg" length="109146" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 29 Oct 2025 09:10:55 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ডিজিটাল মিডিয়া ফোরাম (DMF) দ্বিতীয়বারের মতো আয়োজন করেছে “ডিজিটাল মিডিয়া এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড ২০২৫”, যা বাংলাদেশের অনুপ্রেরণাদায়ক সাংবাদিক, মিডিয়াকর্মী ও উদ্ভাবকদের স্বীকৃতি জানাতে একটি মহোৎসব। এই মর্যাদাপূর্ণ আয়োজনে সাংবাদিকতা, উদ্ভাবন ও মিডিয়ার সৃজনশীলতায় অসামান্য অবদান রাখা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে সম্মান জানানো হয়, যাদের কাজ সমাজে স্থায়ী ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।<br><br><strong>পুরস্কারপ্রাপ্তরা (প্রফেশনাল বিভাগসমূহ)</strong><br>    • মোঃ তন্ময় উদ্দৌলাহ, মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার, বৈশাখী টিভি – মাল্টিমিডিয়া ফিচার নিউজ<br>    • বিনয় দত্ত, হেড অব রিসার্চ ও এডিটোরিয়াল, ঢাকা পোস্ট – ফিচার / অনলাইন মিডিয়া<br>    • সফিকুল ইসলাম তুষার, মাল্টিমিডিয়া ইনচার্জ, জাগোনিউজ২৪ – মাল্টিমিডিয়া ফিচারস ও ভিউজ<br>    • ফারুক হোসেন মজুমদার, মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার, ৭১ টিভি – সংবাদ কাভারেজের সামাজিক প্রভাব<br>    • আবু রায়হান ইফাত, স্পোর্টস রিপোর্টার, চ্যানেল আই – ক্রীড়া<br>    • কুদরাত উল্লাহ, সাব এডিটর, দৈনিক আমাদের সময় – বিনোদন<br>    • মোঃ জাহিদুল ইসলাম, সিনিয়র সাব এডিটর (কালচার ও এন্টারটেইনমেন্ট ইনচার্জ), দ্য ডেইলি সান – বিনোদন<br>    • ইমরান হক, হেড অব ডিজিটাল, গ্লোবাল টিভি – আলোচিত সংবাদ (মাল্টিমিডিয়া কনটেন্ট)<br>    • খান শান্ত, স্টাফ রিপোর্টার (অপরাধ), দৈনিক নতুন সংবাদ – আলোচিত সংবাদ (পরিবহন খাত)<br>    • মোঃ আতিক হাসান শুভ, স্টাফ রিপোর্টার, বাংলা ট্রিবিউন – আলোচিত সংবাদ (প্রিন্ট ও অনলাইন)<br>    • মোঃ সিফাত রানা, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি, বার্তা২৪.কম – আলোচিত সংবাদ (অনলাইন মিডিয়া)<br>    • আসিফ ইকবাল, রিপোর্টার, এখন টিভি – আলোচিত সংবাদ (টিভি ও অনলাইন)<br>    • মোস্তফা ইমরুল কায়েস, সিনিয়র রিপোর্টার, ঢাকা মেইল – অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা (অনলাইন)<br>    • জাফর ইকবাল, স্টাফ রিপোর্টার, দৈনিক কালবেলা – অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা (প্রিন্ট / অনলাইন)<br>    • মোঃ পলাশ হোসেন, পাবনা জেলা সংবাদদাতা, এনটিভি অনলাইন – মফস্বল সাংবাদিকতা (মাল্টিমিডিয়া)<br>    • খান মাহমুদ আল রাফি, মেহেরপুর জেলা সংবাদদাতা, দৈনিক কালবেলা – মফস্বল সাংবাদিকতা (প্রিন্ট / অনলাইন)<br>    • এস. কে. সাগর, স্টাফ রিপোর্টার, দৈনিক চট্টগ্রাম প্রতিদিন – পরিবেশ বিপর্যয় ও জলবায়ু পরিবর্তন<br>    • আরিফুল ইসলাম আরমান, হেড অব নিউ মিডিয়া ইনিশিয়েটিভস, ঢাকা পোস্ট – প্রযুক্তি (অনলাইন মিডিয়া)<br>    • সোলায়মান হোসেন শাওন, সিনিয়র রিপোর্টার, দৈনিক রূপালী বাংলাদেশ – প্রযুক্তি (প্রিন্ট / অনলাইন)<br>    • শারমিন পারভিন (লিয়ানা), মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার, নিউজ২৪ – অসাধারণ সোশ্যাল মিডিয়া ভিজিবিলিটি<br>    • মোঃ ওয়ালিউল হাসানাত, নিউজরুম এডিটর ও মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার, দৈনিক যুগান্তর – অসাধারণ সোশ্যাল মিডিয়া ভিজিবিলিটি (প্রিন্ট ও মাল্টিমিডিয়া)<br>    • সাইফুল ইসলাম, হেড অব মাল্টিমিডিয়া, ঢাকা পোস্ট – অসাধারণ মৌলিক সৃষ্টিকর্ম (অনলাইন মিডিয়া)<br>    • সামেউল আলিম, মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার, দৈনিক করতোয়া – অসাধারণ মৌলিক সৃষ্টিকর্ম (প্রিন্ট মিডিয়া)<br>    • আরিফুল ইসলাম, রিয়াদ প্রতিনিধি, সৌদি আরব – প্রবাস সাংবাদিকতা (টিভি ও মাল্টিমিডিয়া)<br>    • মাহির দিয়ান মাহদি, মাল্টিমিডিয়া চায়না করেসপন্ডেন্ট, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড – প্রবাস সাংবাদিকতা (প্রিন্ট মিডিয়া)<br>    • মোহাম্মদ আব্দুল মজিদ সুজন, টরন্টো প্রতিনিধি, কানাডা – প্রবাস সাংবাদিকতা (অনলাইন মিডিয়া)<br>    • মোঃ আব্দুল খালেক, স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, গ্লোবাল টেলিভিশন – জুরি স্বীকৃত বিশেষ বিভাগ<br><strong>জুরি স্পেশাল অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্তরা</strong><br>    • ইউনিভার্সাল অ্যামিটি ফাউন্ডেশন – মানবিক উদ্যোগ<br>    • আদনান হোসেন, প্রতিষ্ঠাতা, ইটস হিউম্যানিটি ফাউন্ডেশন – মানবিক উদ্যোগ<br>    • কিরন – কর্পোরেট স্কিল ডেভেলপমেন্ট<br>    • পাঠাও অ্যাপ – এক্সিলেন্স ইন ডিজিটাল ইনোভেশন (লোকাল)<br>    • ফখরুদ্দিন জুয়েল, এনটিভি ডিজিটাল – ডিজিটাল মিডিয়া আইকন<br>    • মোঃ আবু নাসিম, দীপ্তপ্লে – ডিজিটাল মিডিয়া আইকন<br>    • এনইউএসডিএফ (রিয়াজ হোসেন) – স্কিল ডেভেলপমেন্ট প্ল্যাটফর্ম ফর ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি স্টুডেন্ট<br>    • স্টার ফেয়ার (চট্টগ্রাম) – আলমগীর হোসেন আলো – এক্সিলেন্স ইন ইউথ এনগেজমেন্ট<br>    • মুহাম্মদ আমিনুর রহমান, ফাউন্ডার, চেকমেট ইভেন্টস – এক্সিলেন্স ইন ইউথ এনগেজমেন্ট<br>    • গাজী পাম্পস অ্যান্ড মোটরস – পাইওনিয়ার ওয়াটার পাম্প ইন বাংলাদেশ<br>    • প্রিমিয়াম হোমস লিমিটেড – প্রমিসিং রিয়েল স্টেট এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড<br>    • যমুনা এসি – দ্যা গুডনেস অফ পিউরিফাইড এয়ার এক্সিলেন্স ইন এয়ার কন্ডিশনার ইনোভেশন<br>    • এনপলি – পাইওনিয়ার ইন পাইপ সেটিংস ম্যানুফ্যাকচারিং ইন বাংলাদেশ<br>    • পামপে – এক্সিলেন্স ইন ডিজিটাল ক্রেডিট এনাবেলমেন্ট স্মার্টফোন সেগমেন্ট<br>    • ওয়ালটন ফ্রিজ – পাইওনিয়ার রেফ্রিজারেটর ম্যানুফ্যাকচারিং ইন বাংলাদেশ<br>    • জহিরুল ইসলাম, ইগনাইট ইয়ুথ ফাউন্ডেশন – পাথওয়ে টু লার্নিং ইনিশিয়েটিভ<br>    • উইগ্রো – রুরাল ইমপ্যাক্ট অ্যাওয়ার্ড<br>    • আইওজেএইচ (IOJH) – ইন্টারন্যাশনাল অনলাইন জার্নাল হাব<br>    • ফাস্ট ইভার আরজেএসসি রেজিস্টার্ড রিসার্চ এন্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন ইন বাংলাদেশ<br>    • স্যাট একাডেমি – ইমারজিং লিডার ইন এডুটেক<br>    • নুসরাত শামস মানিয়া – আউটস্ট্যান্ডিং কনট্রিবিউশন টু এনিমেল কেয়ার<br>    • মোঃ গিয়াস উদ্দিন ইমন, জিএম ও হেড অব মার্কেটিং, দৈনিক রূপালী বাংলাদেশ – এক্সিলেন্স ইন পোয়েট্রি<br>    • আব্দুর রউফ – ভিশনারি এআই আর্টিস্ট অ্যাওয়ার্ড<br>    • সৈয়দ আবিদ হোসেন সামি – জুরি স্পেশাল স্পোর্টস কনটেন্ট ক্রিয়েটর<br>    • ইমরুল কাওসার ইমন – জুরি স্পেশাল মাল্টিমিডিয়া কনটেন্ট ক্রিয়েটর<br>    • শিব্বির মাহমুদ, চেয়ারম্যান, দিগন্ত মিডিয়া গ্রুপ – মিডিয়া আইকন<br>    • দৈনিক কালবেলা – ফাস্টেস্ট রাইসিং মাল্টিমিডিয়া ইনোভেশন এন্ড ইমপ্যাক্ট অ্যাওয়ার্ড<br>    • দৈনিক যুগান্তর – মোস্ট ইনফ্লুয়েন্সিয়াল ডিজিটাল নিউজ কন্টেন্ট পাবলিশার<br>    • শামসুদ্দিন হায়দার ডালিম, হেড অফ কর্পোরেট কমিউনিকেশন ও পিয়ার, বিকাশ লিমিটেড – লাইফটাইম এক্সিলেন্স ইন নিউজ প্রেজেন্টেশন<br>    • শহীদুল আলম, ফাউন্ডার, পাঠশালা সাউথ এশিয়ান মিডিয়া ইনস্টিটিউট – গ্লোবাল ইমপ্যাক্ট ও হিউম্যানিটারিয়ান এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড</p>
<p>সম্মাননা নিয়ে দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড-এর ডিজিটাল মার্কেটিং বিভাগের ম্যানেজার ও ডিএমএফ এর সাধারণ সম্পাদক রায়হান রবিন বলেছেন, ডিএমএফ-এর এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য ডিজিটাল সাংবাদিকতার নতুন প্রজন্মকে উৎসাহিত করা এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পেশাদারিত্ব ও উদ্ভাবনের মান উন্নয়ন করা।<br>ডিএমএফ সভাপতি ও দ্য বাংলাদেশ টাইমস-এর ম্যানেজার মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, “নতুন প্রজন্মকে ডিজিটাল সাংবাদিকতা ও উদ্ভাবনে উৎসাহিত করা, যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে গণমাধ্যমকে আরও এগিয়ে নেওয়া এবং সমাজে ইতিবাচক অবদান রাখা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে স্বীকৃতি দেওয়াই এই আয়োজনের লক্ষ্য। সাংবাদিকতা পেশাকে আরও শক্তিশালী করা এবং বাংলাদেশের ডিজিটাল মিডিয়ার সম্ভাবনাকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তুলে ধরাই ডিএমএফ-এর মূল উদ্দেশ্য।”<br><br>২০২৩ সালে প্রতিষ্ঠিত ডিএমএফ ইতোমধ্যেই বাংলাদেশের ডিজিটাল মিডিয়া পেশাজীবীদের অন্যতম শীর্ষ প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে, যেখানে টেলিভিশন, প্রিন্ট ও অনলাইন সাংবাদিকদের একত্র করে প্রশিক্ষণ, উদ্ভাবন এবং সহযোগিতার মাধ্যমে দেশের ডিজিটাল মিডিয়া ইকোসিস্টেমকে শক্তিশালী করার কাজ করছে।  এবারের  “ডিজিটাল মিডিয়া এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড ২০২৫”-এর জুরি বোর্ডের সদস্যরা হলেন- <br>    • কামরুল ইসলাম – ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক, ঢাকা পোস্ট<br>    • উদয় হাকিম – সম্পাদক, ঢাকা বিজনেস<br>    • বদরুল আলম নাবিল – সম্পাদক, অনলাইন ও প্রোগ্রাম, মাইটিভি<br>    • কাজী আওলাদ হোসেন – সম্পাদক ও প্রকাশক, বাংলা ৫২ নিউজ ডটকম<br>    • রুহুল আমিন রনি – সহকারী মহাব্যবস্থাপক ও লিড (হেড), ডিজিটাল বিজনেস ডেভেলপমেন্ট, প্রথম আলো<br>    • মিজানুর রহমান সোহেল – হেড অব অনলাইন, ভোরের কাগজ<br>    • মইন বকুল – হেড অব অনলাইন, আমাদের সময়<br>    • সরাফাত হোসেন – হেড অব ডিজিটাল, দৈনিক ইত্তেফাক<br>    • রাজীব খান – হেড অব ডিজিটাল মিডিয়া, চ্যানেল ২৪<br>    • আজাদ বেগ – ডিজিটাল গ্রোথ এডিটর, দ্য ডেইলি স্টার<br>    • এম এ এইচ এম কবির আহম্মেদ – হেড অব ডিজিটাল অ্যান্ড সোশ্যাল মিডিয়া, আরটিভি<br>    • সিরাজুল ইসলাম সুমন – হেড অব ডিজিটাল সেলস, আজকের পত্রিকা<br>    • গৌতম মণ্ডল – ইনচার্জ অব অনলাইন, সমকাল<br>    • মাসউদ বিন আব্দুর রাজ্জাক - অনলাইন ইনচার্জ, দীপ্ত নিউজ (দীপ্ত টিভি)<br>    • লুৎফী চৌধুরী – কো-ফাউন্ডার ও সিইও, অ্যাডফিনিক্স<br>    • ডা. তৃণা ইসলাম – হেড অব অপারেশনস, দ্য বিজনেস ডেইলি</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>শেখ হাসিনার মৃত্যুর খবর গুজব</title>
<link>https://digibanglatech.news/158844</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158844</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_690110728e1a4.jpg" length="88098" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 28 Oct 2025 22:51:46 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>সোশ্যাল হ্যান্ডেলে ভাইরাল হওয়া আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার মৃত্যুর ফটোকার্ড, ভেরিফায়েড দলীয় ফেসবুক পেজে শেয়ার করা ছবি, দলের পক্ষ থেকে দেয়া শোক বার্তা- সবই গুজব। রিউমার স্ক্যানার এবং ফ্যাক্ট ওয়াচ উভয় ফ্যাক্টচেক প্রতিষ্ঠানই এই খবরের কোনো ভিত্তি নেই বলে প্রমাণ দিয়েছে। </p>
<div>
<p>রিউমার স্ক্যানারের ফ্যাক্টচেকে দেখা গেছে, ছবিটির উৎস সম্পূর্ণ ভিন্ন। প্রযুক্তির অপব্যবহার ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সম্পাদনার মাধ্যমে ছবিটি শেখ হাসিনার নামে প্রচার করা হয়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষও নিশ্চিত করেছে, এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর। <span>অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ভাইরাল হওয়া ছবিটি শেখ হাসিনার নয়, বরং ভিন্ন এক নারীর ছবি এডিট করে বানানো হয়েছে। ছবিটির উৎস সম্পূর্ণ ভিন্ন। প্রযুক্তির অপব্যবহার ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সম্পাদনার মাধ্যমে ছবিটি শেখ হাসিনার নামে প্রচার করা হয়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষও নিশ্চিত করেছে, এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর। </span></p>
<p>রিভার্স ইমেজ সার্চ ও ছবির মেটাডানা অনুয়ায়ী, দিল্লি বিমানবন্দরে হেঁটে যেতে বাধ্য করার পর হাসপাতালে মৃত্যু বরণ করা ৮২ বছর বয়সী এক নারীর ছবিকে বিকৃত করে শেখ হাসিনার মৃত্যুর গুজব ছড়ানো হয়েছে। ২০২৫ সালের ১২ মে আওয়ামী লীগের যাবতীয় কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে প্রজ্ঞাপন জারি হওয়ার আগে ঘটে এই ঘটনাটি। তাই ফ্যাক্টওয়াচের বিবেচনায় ভাইরাল ফটোকার্ডটি বিকৃত।</p>
<p>ফ্যাক্টওয়াচ তাদের প্রতিবেদনে উল্লেখ করে, যমুনা টিভির আদলে ছড়িয়ে পড়া ফটোকার্ডটি প্রকাশের তারিখ হিসেবে ১৩ মে ২০২৫ উল্লেখ করা হয়। কিন্তু এই তারিখে যমুনা টিভির অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ থেকে প্রকাশিত এমন কোনো ফটোকার্ড খুঁজে পাওয়া যায়নি। এছাড়াও <span>ফটোকার্ডে শেখ হাসিনার হাসপাতালের বেডে শুয়ে থাকার ছবি দাবিতে যেই ছবিটি ব্যবহার করা হয়েছে তার উৎস খোঁজার জন্য রিভার্স ইমেজ সার্চ করা হয়। এর ফলে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ফার্স্টপোস্ট এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে ২০২৫ সালের ৮ মার্চ প্রকাশিত একটি রিপোর্টে ভাইরাল ছবির মতো। সেখানে শেখ হাসিনা নয় বরং, ভিন্ন এক নারীকে দেখতে পাওয়া যায়। এই নারীর মুখের শেখ হাসিনার ছবি যুক্ত করে বিকৃত করা হয়েছে। </span><span>ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ফার্স্টপোস্ট থেকে নেয়া হয়েছে ছবিটি। </span></p>
<p><span>এদিকে হিন্দুস্তান টাইমসের প্রকাশিত আরেকটি রিপোর্ট থেকে জানা যায়, আলোচিত এই নারীর নাম রাজ পাসরিচা, যিনি ভারতীয় এক সেনা কর্মকর্তার বিধবা স্ত্রী। ৪ মার্চ এয়ার ইন্ডিয়ার একটি ফ্লাইটে বেঙ্গালুরু যাচ্ছিলেন রাজ পাসরিচা। তিনি একটি হুইলচেয়ার আগে থেকে বুক করেছিলেন, যা এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে। কিন্তু পরিবার বিমানবন্দরে পৌঁছালে, এয়ার ইন্ডিয়া অনুরোধকৃত হুইলচেয়ারটি সরবরাহ করেনি। এই তথ্যের সোর্স হিসেবে তার নাতনি পারুল কানওয়ারের এক্স-এ করা একটি পোস্টকে ব্যবহার করা হয়।</span></p>
<p>রাজ পাসরিচার হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার অনেক পরে আওয়ামী লীগের যাবতীয় কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়। পাশাপাশি ভিন্ন এক নারীর স্থানে শেখ হাসিনার ছবি ব্যবহার করে বিকৃত করা হয়েছে। অন্যদিকে, মূলধারার কোনো সংবাদমাধ্যমেও শেখ হাসিনার মৃত্যু সম্পর্কিত নির্ভরযোগ্য কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।</p>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>২৭তম আন্তর্জাতিক রোবট অলিম্পিয়াডে অংশ নিতে অস্ট্রেলিয়া যাচ্ছে বাংলাদেশ দল</title>
<link>https://digibanglatech.news/158829</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158829</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_6900e5ab30fab.jpg" length="93654" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 28 Oct 2025 12:48:48 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>আগামী ১৭ থেকে ২১ ডিসেম্বর অস্ট্রেলিয়ার গোল্ড কোস্টে অনুষ্ঠেয় ২৭তম আন্তর্জাতিক রোবট অলিম্পিয়াড (আইআরও) এ বাংলাদেশ দল অংশ নিতে যাচ্ছে।  </p>
<p><o:p></o:p>বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্কের আয়োজনে এ বছর ২৯-৩০ আগস্ট অনলাইন বাছাই পর্ব ও ১২-১৩ সেপ্টেম্বর আইআরও বাংলাদেশ ওপেন ২০২৫ প্রতিযোগিতার জাতীয় পর্ব অনুষ্ঠিত হয় ঢাকার ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকে। জাতীয় পর্বের  ক্রিয়েটিভ মুভি, ক্রিয়েটিভ ক্যাটাগরি ও ফিজিক্যাল কম্পিউটিং ক্যাটাগরির বিজয়ীদের নিয়ে আন্তর্জাতিক দল নির্বাচনী ক্যাম্প আয়োজনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের যোগ্যতা পারফরম্যান্সের বিভিন্ন মানদণ্ডে বিশ্লেষণ করে আন্তর্জাতিক রোবট অলিম্পিয়াডের জন্য বাংলাদেশ দল নির্বাচন করা হয়।<o:p></o:p></p>
<p>২৭তম আন্তর্জাতিক রোবট অলিম্পিয়াডের বাংলাদেশ দলের সদস্যরা হল - মোহাম্মদপুর প্রিপারেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী জুবাইদাহ জাফরিন ও নাফিয়া বাসার সুহানী, ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ জারিফ বিন সালেক, খোন্দকার মুশফিকুল ইসলাম ও মোহাম্মদ মাশরুর আরেফিন ভূঞাঁ, ওয়াইডাব্লিউসিএ উচ্চ মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নুসাইবা তাজরিন তানিশা, উইলিয়াম কেরি একাডেমির শিক্ষার্থী জাইমা যাহিন ওয়ারা, স্কলাস্টিকা স্কুলের শিক্ষার্থী প্রিয়ন্তী দাস, আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার্থী রিদোয়ান রাব্বানী এবং আনন্দ মোহন কলেজের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল টিটু। এ দলের সঙ্গে কোচ হিসেবে থাকবেন বাংলাদেশ রোবট অলিম্পিয়াডের কোচ মিশাল ইসলাম ও সহকারী কোচ হিসেবে থাকবেন এম তানজিম আল ইসলাম দিবস। দলনেতা হিসেবে থাকবেন বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্কের সভাপতি এ এ মুনির হাসান। এছাড়া আন্তর্জাতিক রোবট অলিম্পিয়াডের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রোবটিক্স এন্ড মেকাট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. লাফিফা জামাল আন্তর্জাতিক রোবট অলিম্পিয়াডে অংশগ্রহণ করবেন।  <o:p></o:p></p>
<p><o:p> </o:p>২০১৮ সাল থেকে বাংলাদেশে এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছে। বিগত ৭ বছরে বাংলাদেশ দল আন্তর্জাতিক রোবট অলিম্পিয়াডে ১৪টি গোল্ড মেডেলসহ ৭৩টি পদক অর্জন করেছে। <o:p></o:p>আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য বাংলাদেশ দলের পৃষ্ঠপোষকতায়  থাকছেন বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তর।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>আইওটি&#45;তে বদলে যাবে বাংলাদেশ!</title>
<link>https://digibanglatech.news/158804</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158804</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_69007303397ee.jpg" length="79850" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 28 Oct 2025 07:35:26 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বিশ্বজুড়ে ইন্টারনেটের বিস্তারের সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয়েছে নতুন এক বিপ্লব- ইন্টারনেট অব থিংস (আইওটি)। এই বিপ্লবে এরই মধ্যে অংশ নিয়েছে বাংলাদেশও। আজকের দিনে যে কোনো সচেতন শিল্প মালিক বুঝে গেছেন—শুধু সফটওয়্যার নয়, বরং আইওটি ইন্টিগ্রেশন-ই হচ্ছে ভবিষ্যতের উৎপানশীলতার মডেল। তাই তারা ধীরে ধীরে তাদের ফ্যাক্টরি ও প্রডাকশন সিস্টেমে আইওটি ডিভাইস সংযুক্ত করছেন।</p>
<p>এতে করে <br>ক. কমেছে খরচ<br>খ. বাঁচছে সময়,<br>গ. বহুগুণে বাড়ছে—কাজের দক্ষতা</p>
<p>এখনকার দিনে বিদেশি বায়াররাও (Buyers) আইওটি-ভিত্তিক প্রডাকশন সিস্টেমকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন, কারণ তারা চান একদম পারফেক্ট ও কনসিস্টেন্ট কোয়ালিটির প্রডাক্ট। ফলে, যেসব প্রতিষ্ঠান নিজেদের প্রডাকশনে আইওটি, এআই ও অটোমেশন টেকনোলজি ব্যবহার করছে, তারা বাজারে বাড়তি সুবিধা পাচ্ছে এবং বিদেশি অর্ডারও বেশি পাচ্ছে।</p>
<p>আমি সম্প্রতি কিছু আইওটি ভিত্তিক কোম্পানি ও বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলে বুঝেছি, আগামী কয়েক বছরের মধ্যেই বাংলাদেশের প্রায় সব তৈরি পোশাক শিল্প (Ready Made Garments) এবং ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পিানি আইওটি ভিত্তিতে সিস্টেমে রূপান্তরিত হবে।</p>
<p>এর অন্যতম কারণ হচ্ছে—<br>এখন দেশের অনেক কোম্পানি দ্বিতীয় প্রজন্মের উদ্যোক্তারা (Second Generation Entrepreneurs) পরিচালনা করছেন। এদের বড় একটি অংশ বিদেশে AI, IOT, Big Data, Machine Learning বিষয়ে পড়াশোনা করে এসে বাবার কোম্পানির দায়িত্ব নিয়েছেন। ফলে তারা নতুন চিন্তাধারার মাধ্যমে কোম্পানিগুলোকে অটোমেশনের পথে নিয়ে যাচ্ছেন।</p>
<p>এর ফলাফল দুই দিকেই ইতিবাচক—<br>একদিকে বাংলাদেশের ইন্ডাস্ট্রি আরও স্মার্ট ও প্রতিযোগিতামূলক হচ্ছে। অন্যদিকে দেশের আইটি সেক্টরও দ্রুত ডিজিটালাইজড হয়ে উঠছে।</p>
<p>এই যেমন- <br>আইওটি শেখার মাধ্যমে তরুণরা প্রযুক্তি, প্রোগ্রামিং, সেন্সর ডিজাইন, ও ডেটা অ্যানালাইসিসে দক্ষ হয়। এর মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তি তৈরি হয়।</p>
<p>আইওটি ব্যবহারে নতুন স্টার্টআপ, সার্ভিস, ও ইনোভেশন তৈরির সুযোগ তৈরি হয়। এতে বেকারত্ব কমবে। </p>
<p>কৃষি, স্বাস্থ্য, শিল্প, শিক্ষা  পরিবহনসহ নানা ক্ষেত্রে আইওটি ভিত্তিক নতুন কাজের সুযোগ তৈরি হয়।</p>
<p>আইওটি প্রযুক্তি ব্যবহারে উৎপাদন খরচ কমে ও সময় বাঁচে, ফলে শিল্পের কার্যক্ষমতা বাড়ে।</p>
<p>গার্মেন্টস, পরিবহন, এবং শক্তি খাতে আইওটি ব্যবহারে দেশের জিডিপি ও রপ্তানি আয় বৃদ্ধি করে। </p>
<ul>
<li> আইওটি দক্ষ তরুণ তৈরি করে → কর্মসংস্থান বাড়ায় → উৎপাদনশীলতা উন্নত করে → অর্থনীতি শক্তিশালী করে।</li>
</ul>
<p>এভাবেই আইওটির ব্যবহারে দ্বিতীয় প্রজন্মের তরুণ উদ্যোক্তাদের হাত ধরেই বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। বস্তুত  ‘স্মার্ট বাংলাদেশ” গড়ে তুলতে হলে IOT, AI, Big Data, Machine  learning,  Automation—এর মাধ্যমে বাংলাদেশের শিল্প ও অর্থনীতি কে এগিয়ে নিতে হবে। তবেই আমাদের আইটি সেক্টর তথা বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে। </p>
<hr>
<p><strong>লেখক:</strong> ফাউন্ডার প্রেসিডেন্ট, বাংলাদেশ আইটি প্রফেশনাল ফ্রেন্ডস ক্লাব।</p>
<hr>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>আলোচনায় বিএসসি&#45;ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের দ্বন্দ্বের সমাধান : জনপ্রশাসন সচিব</title>
<link>https://digibanglatech.news/158712</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158712</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_68fce57ea7b26.jpg" length="138646" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 25 Oct 2025 20:19:19 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রিধারী ও ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের মধ্যে চলমান পেশাগত দ্বন্দ্ব যৌক্তিক আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা হবে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব মো. এহছানুল হক।</p>
<p>২৫ অক্টোবর, শনিবার রাজধানীর কাকরাইলে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশের (আইডিইবি) ৪৪তম জাতীয় কাউন্সিলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেছেন, বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষার্থীদের জন্য ১০ম গ্রেডভুক্ত উপ-সহকারী প্রকৌশলীর পদ উন্মুক্তের দাবি মেধার প্রতি অবিচার, যা আমাকে ব্যথিত করেছে। ডিগ্রি ও ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের মধ্যে পেশাগত চলমান দ্বন্দ্ব যৌক্তিক আলোচনার মাধ্যমে সমাধান হবে।</p>
<p>ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষাব্যবস্থায় উত্থাপিত সমস্যা সম্পর্কে বলতে গিয়ে জনপ্রশাসন সচিব জানান, এ ব্যাপারে জাতীয় বেতন কমিশন কাজ করছে। বিষয়গুলো জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের পক্ষে বেতন কমিশনকে জানানো হবে।</p>
<p>জ্যেষ্ঠ সচিব এহছানুল হক বলেন, সামনে জাতীয় নির্বাচন; আপনারা অনেকেই মাঠ পর্যায়ে নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করবেন। সুযোগ ও উপযুক্ত পরিবেশ পেলে আমরা সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে পারি। আমি বিশ্বাস করি দেশকে একটি সুন্দর নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দিবো এবং এই কর্মযজ্ঞে আপনারা আমার সাথে থাকবেন।</p>
<p>পেশাগত সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির পাশাপাশি জাতীয় স্বার্থকেও প্রাধান্য দিতে হবে জানিয়ে এহছানুল হক বলেন, প্রকৌশল কর্মক্ষেত্রে নিম্নমানের কর্মযজ্ঞের যে বদনাম রয়েছে, সেটি দূর করতে মাঠপর্যায়ের প্রকৌশলী হিসেবে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে। আপনারা ৮ লাখ সদস্য ভালো কাজ করেন তাহলে এই দেশটি উন্নত হবে।</p>
<p>তিনি আরও বলেন, একটি সমৃদ্ধ ও বৈষম্যহীন দেশ গড়ার জাতীয় অঙ্গীকার পূরণে গবেষণা ও উদ্ভাবনের কোন বিকল্প নেই। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রতিভাবান ব্যক্তিদের গবেষণায় আসতে হবে। প্রতিভাবান ব্যক্তিরা তাদের পেশা পরিবর্তন করে অন্য পেশায় যোগদান করেন অথবা নিম্ন পদ দাবি করেন— এটি জাতির জন্য দুর্ভাগ্যজনক। এটি জাতীয় প্রতিভার অপচয়। সরকার জাতীয় পর্যায়ে এই প্রতিভাবান ব্যক্তিদের জন্য একটি গবেষণা ক্ষেত্র তৈরি করার জন্য কাজ করছে।</p>
<p>আইডিইবি অন্তর্বর্তী কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক প্রকৌশলী মো. কবির হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সংগঠনের সদস্য সচিব কাজী সাখাওয়াত হোসেন, সদস্য প্রকৌশলী গোলাম কিবরিয়া রুবেল, শাহবুদ্দিন সাবু, মনিরুজ্জামান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। দিনব্যাপী কাউন্সিলের একাধিক অধিবেশনে জাতীয় প্রেক্ষাপটে প্রাতিষ্ঠানিক ও সাংগঠনিক বিষয়ে আলোচনা এবং সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এতে ৭২টি সাংগঠনিক জেলা শাখার নেতারা অংশ নেন।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>যমুনা রেলসেতুর পিলারে ‘হেয়ারক্র্যাক’</title>
<link>https://digibanglatech.news/158680</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158680</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_68fafbd9d70d3.jpg" length="91759" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 24 Oct 2025 07:09:28 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া যমুনা রেলসেতুর পিলারের নিচে দেখা দেওয়া ‘ফাটল’ ভিডিওটি বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছে যমুনা রেলসেতুর প্রকল্প কর্তৃপক্ষ। যমুনা রেলসেতুর পিলারের নিচে দেখা দেওয়া ‘চির’ ধরা বা ‘ক্ষুদ্র ফাঁকা স্থানগুলোর’ দৃশ্যটি ফাটল নয়; ‘হেয়ারক্র্যাক’। সূক্ষ্ম বা চুলাকৃতি ফাঁকা জায়গাগুলি শনাক্ত করে সেখানে এরই মধ্যে আঠার প্রলেপ দিয়ে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন যমুনা রেলসেতুর প্রকল্প ব্যবস্থাপক মার্ক হ্যাবি। </p>
<p>তিনি বলেছেন রেলসেতুর পশ্চিম প্রান্তের আট থেকে দশটি পিলারের নিচে হেয়ারক্র্যাক শনাক্ত হয়েছে। এগুলো আসল ফাটল নয় বরং প্রচণ্ড গরমের কারণে সৃষ্ট। ইতোমধ্যে এসব জায়গায় রেজিন বা বিশেষ আঠার প্রলেপ দিয়ে মেরামতের কাজ শুরু হয়েছে।</p>
<p>তিনি আরও বলেন, এটি কোনো ধরনের নির্মাণ ত্রুটি নয়, এমনকি ‘হানিকম্ব’ সমস্যাও নয়। প্রচণ্ড গরম ও প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে কংক্রিটের নিচে শূন্য দশমিক এক থেকে তিন মিলিমিটার পর্যন্ত সূক্ষ্ম ফাঁকা তৈরি হয়েছে, যা সেতুর গঠন বা স্থায়িত্বে কোনো প্রভাব ফেলবে না।</p>
<p>প্রকল্প ব্যবস্থাপক আরও জানান, এসব হেয়ারক্র্যাক ধীরে ধীরে ঘষে মেরামত করা হচ্ছে। সেতুর কাঠামো বা ট্রেন চলাচলে কোনো ঝুঁকি নেই। তিনি অভিযোগ করেন, কেউ কেউ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ছবি বড় করে তুলে সামাজিক মাধ্যমে প্রচার করেছে, যা বিভ্রান্তিকর।</p>
<p>প্রসঙ্গত, যমুনা সেতুর প্রায় ৩০০ মিটার উজানে ১৬ হাজার ৭৮১ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয়েছে দেশের দীর্ঘতম যমুনা রেলসেতু। ৪ দশমিক ৮ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সেতুতে রয়েছে ৫০টি পিলার ও ৪৯টি স্প্যান। এটি ২০২৫ সালের ১৮ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়। এই রেলসেতুতে আসা-যাওয়ার দুটি লাইন (ডুয়েল গেজ ডাবল ট্র্যাক) রয়েছে। গত ১২ ফেব্রুয়ারি থেকেই নতুন সেতুর একটি লাইন দিয়ে ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছিল। </p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>এআই যুগে যেভাবে কাজের সংজ্ঞা বদলে দিচ্ছে স্ল্যাক</title>
<link>https://digibanglatech.news/158635</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158635</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_68f9afc63a33a.jpg" length="87138" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 23 Oct 2025 00:31:57 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="MsoNormal"><span style="text-decoration: underline;"><strong>ইমরান হোসেন</strong></span></p>
<p class="MsoNormal"><span lang="AR-SA">সম্প্রতি সান ফ্রান্সিসকোতে অনুষ্ঠিত<span> </span></span><span>টেক সম্মেলন<span lang="AR-SA"> ড্রিমফো</span>র্সে <span lang="AR-SA">সেলসফোর্সের প্রোডাক্টিভিটি ও কোলাবোরেশন প্ল্যাটফর্ম স্ল্যাক তাদের </span>কাঠামোতে<span lang="AR-SA"> বড় পরিবর্তনের ঘোষণা দিয়েছে। তারা স্ল্যাককে একটি ‘এজেন্টিক অপারেটিং সিস্টেম’ হিসেবে উপস্থাপন করেছে</span>, <span lang="AR-SA">যেখানে মানুষ</span>, ডেটা, <span lang="AR-SA">এজেন্ট</span>, <span lang="AR-SA">এআই একত্রিত হয়ে একটি কথোপকথনভিত্তিক ওয়ার্কস্পেসে </span>কাজের প্রতিটি ধাপ বা ওয়ার্কফ্লো সম্পন্ন করবে</span><span lang="HI">।<span> </span></span><span lang="AR-SA">কোম্পানিটি জানিয়েছে</span><span>, <span lang="AR-SA">এই পদক্ষেপ কা</span>জে<span lang="AR-SA">র মৌলিক </span>ধারণা বদলে দিচ্ছে, <span lang="AR-SA">যেখানে মানুষ ও এআই এজেন্ট</span>রা নির্বিঘ্নে<span lang="AR-SA"> তথ্য ও কথোপকথনের </span>ভিত্তিতে<span lang="AR-SA"> এক</span>ত্রে<span lang="AR-SA"> কাজ করবে</span>, যা বাড়াবে<span lang="AR-SA"> উৎপাদনশীলতা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের গতি।</span><u></u><u></u></span></p>
<p class="MsoNormal"><span lang="AR-SA">এই আপডেটে সেলসফোর্সের<span> </span></span><span>এজেন্টফোর্স সেলস, আইটি ও এইচআর সার্ভিস <span lang="AR-SA">এবং </span>ট্যাবলোকে<span lang="AR-SA"> স্ল্যাকে সংযুক্ত করা হয়েছে। এতে টিমগুলো আলাদা কোনো অ্যাপ বা ড্যাশবোর্ডে</span>র সাহায্য ছাড়াই<span lang="AR-SA"> গ্রাহক</span>দে<span lang="AR-SA">র তথ্য </span>সংরক্ষণ, <span lang="AR-SA">বিশ্লেষণ ও এআই টুল</span>সমূহ<span lang="AR-SA"> ব্যবহার করতে পারবে। </span>সম্প্রতি বিশ্বখ্যাত রিসার্চ ফার্ম </span><a href="https://media-publications.bcg.com/BCG-Wheres-the-Value-in-AI.pdf" target="_blank" data-saferedirecturl="https://www.google.com/url?q=https://media-publications.bcg.com/BCG-Wheres-the-Value-in-AI.pdf&amp;source=gmail&amp;ust=1761279357597000&amp;usg=AOvVaw3Em7rdOzGxxZdNwWvtTm4M" rel="noopener"><span>বোস্টন কনসাল্টিং গ্রুপের <span lang="AR-SA">এক গবেষণা</span>য়</span></a><span> দেখা গেছে, <span lang="AR-SA">কর্মী</span>দের প্রোডাক্টিভিটি<span lang="AR-SA"> ৩০ </span>শতাংশ বৃদ্ধি পেলে প্রতিষ্ঠানের লাভ<span lang="AR-SA"> ৫০ </span>শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে<span lang="AR-SA"> পারে। আবার গ্লোবাল মার্কেট-ইন্টেলিজেন্স এবং </span>এ<span lang="AR-SA">ডভাইসরি সার্ভিসেস ফার্ম </span></span><a href="https://my.idc.com/getdoc.jsp?containerId=prUS53290725" target="_blank" data-saferedirecturl="https://www.google.com/url?q=https://my.idc.com/getdoc.jsp?containerId%3DprUS53290725&amp;source=gmail&amp;ust=1761279357597000&amp;usg=AOvVaw0YG6DVmBJ5mjiOp6r0iSRh" rel="noopener"><span>আইডিসির <span lang="AR-SA">পূর্বাভাস</span></span></a><span> মতে, <span lang="AR-SA">২০৩০ সাল </span>নাগাদ<span lang="AR-SA"> বৈশ্বিক অর্থনীতিতে </span>এআইয়ের<span lang="AR-SA"> প্রভাব ২২ ট্রিলিয়ন ডলার </span>ছাড়াবে</span><span lang="HI">।</span><span lang="HI"></span><span><u></u><u></u></span></p>
<p class="MsoNormal"><span lang="AR-SA">প্ল্যাটফর্মে<span> </span></span><span>যুক্ত করা হয়েছে এজেন্টফোর্স চ্যানেল এক্সপার্ট, <span lang="AR-SA">যা ইন-চ্যানেল এআই এজেন্ট হিসেবে </span>কাজ করবে। গ্রাহকদের থেকে প্রায়ই আসা<span lang="AR-SA"> প্রশ্ন</span>সমূহ ছাড়াও এটি বিভিন্ন <span lang="AR-SA">প্রক্রিয়া ও </span>নিয়ম-কানুন সংক্রান্ত প্রশ্নের<span lang="AR-SA"> তাৎক্ষণিক উত্তর </span>দিতে সক্ষম। এতে এসকল কাজে <span lang="AR-SA">কর্মীদের </span>সময় দিতে হবে না যার ফলে<span lang="AR-SA"> কৌশলগত কাজে </span>আরও<span lang="AR-SA"> মনোযোগী হতে </span>পারবে তারা</span><span lang="HI">।</span><span lang="HI"><span> </span></span><span>অন্য ফিচারসমূহের মধ্যে এজেন্টফোর্স সেলস <span lang="AR-SA">পাইপলাইন ব্যবস্থাপনার রিয়েল-টাইম ইনসাইট</span>স<span lang="AR-SA"> ও রেকর্ড আপডেট </span>করে থাকে। অন্যদিকে এজেন্টফোর্স আইটি ও এইচআর সার্ভিসগুলো <span lang="AR-SA">মানবসম্পদ </span>বিষয়ক<span lang="AR-SA"> সমাধান </span>দেয় ও এজেন্টফোর্স ট্যাবলো <span lang="AR-SA">কথোপকথ</span>নের মাঝে<span lang="AR-SA"> লাইভ ড্যাশবোর্ড ও বিশ্লেষণ যুক্ত করে দ্রুত সিদ্ধান্ত </span>নিতে সাহায্য করে থাকে</span><span lang="HI">।</span><span><u></u><u></u></span></p>
<p class="MsoNormal"><span>এছাড়াও <span lang="AR-SA">স্ল্যাক তাদের </span>স্ল্যাকবট<span lang="AR-SA">কে পুনর্নির্মাণ করেছে</span>, <span lang="AR-SA">যা এখন ব্যক্তিগত এআই সহকারী হিসেবে কাজ করে </span>থাকে। <span lang="AR-SA">প্রজেক্ট প্ল্যান তৈরি</span>, <span lang="AR-SA">রিপোর্ট বিশ্লেষণ</span>, <span lang="AR-SA">করণীয় নির্ধারণ এবং </span>গুগল ড্রাইভ, সেলসফোর্স, ওয়ান ড্রাইভে <span lang="AR-SA">ইত্যাদিতে </span>প্ল্যাটফর্মে<span lang="AR-SA"> স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করতে সক্ষম </span>এটি</span><span lang="HI">।<span> </span></span><span lang="AR-SA">সেলসফোর্স টেকনোলজির সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট অ্যান্ডি হোয়াইট বলেন</span><span>, ‘স্ল্যাকবট <span lang="AR-SA">আমাদের দেখাচ্ছে উৎপাদনশীলতার আগামী যুগ কেমন হবে: এআই প্রত্যেক কর্মীর </span>সঙ্গে<span lang="AR-SA"> ব্যক্তিগত সহচর হিসেবে কাজ করবে। এতে আমাদের </span>সেলসফোর্সের<span lang="AR-SA"> টিম</span>সমূহের অগোছালো<span lang="AR-SA"> কাজ </span>গোছাতে<span lang="AR-SA"> কম সময় লাগ</span>ছে ফলে<span lang="AR-SA"> গ্রাহকদের উপকারে আসে এমন অর্থবহ কাজে </span>অধিক<span lang="AR-SA"> সময় </span>দিতে সক্ষম হচ্ছেন তারা</span><span lang="HI">।’</span><span><u></u><u></u></span></p>
<p class="MsoNormal"><span lang="AR-SA">নতুন আপডেটে ডেভেলপার ও এন্টারপ্রাইজ</span><span>সমূহের<span lang="AR-SA"> জন্য </span>রিয়েল টাইম সার্চ (আরটিএস) এপিআই, মডেল কনটেক্সট প্রোটোকল (এমসিপি) <span lang="AR-SA">সার্ভার এবং </span>এআই ডেভেলপার টুলকিটের<span lang="AR-SA"> মতো টুল</span>স<span lang="AR-SA"> যুক্ত </span>করা<span lang="AR-SA"> হয়েছে</span>, <span lang="AR-SA">যার ফলে </span>ওপেন এআই, এনথ্রোপিক, গুগল, পারপ্লেক্সিটি, ড্রপবক্স <span lang="AR-SA">ও </span>নোশনের<span lang="AR-SA"> মতো </span>পার্টনার প্রতিষ্ঠানসমূহ<span lang="AR-SA"> স্ল্যাক </span>ব্যবহার করে<span lang="AR-SA"> কনটেক্সট-</span>এ<span lang="AR-SA">ওয়্যার এআই এজেন্ট তৈরি করতে </span>সক্ষম হ<span lang="AR-SA">বে।</span></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বাংলাদেশের প্রথম কার্বন&#45;নিউট্রাল শিশু রুহাব</title>
<link>https://digibanglatech.news/158660</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158660</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_68fa206fe81d1.jpg" length="73845" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 23 Oct 2025 00:28:16 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-added-after="true"><span>শিশুর জন্ম থেকে শুরু হওয়া সবুজ অঙ্গীকারের বদৌলতে </span>বাংলাদেশের প্রথম কার্বন-নিউট্রাল শিশু হিসেবে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছে সাতক্ষীরার শিশু আয়ান খান রুহাব। মাত্র আট মাস বয়সী এই শিশু <span>জীবনভর যে পরিমাণ কার্বন ডাই অক্সাইড ত্যাগ করবে, তা গ্রহণ করে নেওয়ার মতো গাছ লাগিয়েছেন তার মা-বাবা। </span></p>
<p data-added-after="true"><span>রুহাবের জন্মস্থানে সাতক্ষীরায়  তালা উপজেলার শিবপুর গ্রামে আম, জাম, কাঁঠাল, আমড়া, সুপারি ও নিমসহ </span><span>বিভিন্ন ধরনের ৫৮০টি গাছ লাগিয়ে কার্বন নিঃসরণ শূন্যের ব্যবস্থা করেছেন তারা। এভাবেই সন্তানকে কার্বন নিউট্রাল শিশু করেছেন ইমরান-আয়েশা দম্পতি।  </span>আর তাদের এই উদ্যোগের স্বীকৃতি দিয়েছে ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ক্লাইমেট চেঞ্জ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট। সংস্থার গ্রান্টজয়ী প্রকল্প ঢাকা প্লান্টারস আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে আট মাস বয়সী রুহাবকে বাংলাদেশের প্রথম কার্বন-নিউট্রাল শিশু হিসেবে সার্টিফিকেট দেওয়া হয়।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x_68fa21c7cf2ab.jpg" alt=""></p>
<p data-added-after="true"><span>সংস্থাটির পক্ষ থেকে আয়ান খান রুহাব-কে দেয়া সনদ ও ছবি দিয়ে একটি ফটোকার্ড প্রকাশ করেছে সংস্থাটি।  </span></p>
<p data-added-after="true"><span>রুহাবের বাবা ইমরান রাব্বি, পরিবেশবাদী সংগঠন গ্রীনম্যানের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং মা আয়শা আক্তার কিরণের সমন্বয়ক হিসেবে কাজ করছেন। তাদের এই উদ্যোগের মাধ্যমে শিশুর জীবনের শুরু থেকেই প্রকৃতির প্রতি দায়িত্ববোধের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তারা।</span></p>
<p>সূত্রমতে, চলতি বছরের ১০ ফেব্রুয়ারি রুহাবের জন্ম। তার ভবিষ্যৎ জীবনকে কার্বন-নিউট্রাল করতে ইমরান ও আয়েশা সাতক্ষীরায় ৫৮০টি গাছ রোপণ করেছেন, যা রুহাবের জীবনব্যাপী কার্বন নিঃসরণ অফসেট করবে। এই উদ্যোগটি ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ক্লাইমেট চেঞ্জ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (ICCCAD)-এর গ্রান্টজয়ী উদ্যোগ হিসেবে টেকসই উন্নয়নে অবদানের জন্য ঢাকা প্ল্যান্টারস থেকে স্বীকৃতি পেয়েছে।</p>
<p>স্বীকৃতি পেয়ে ইমরান রাব্বি বলেন, ‘আমরা রুহাবের জন্য গাছ লাগিয়েছি, যেন সে বিশুদ্ধ বাতাস ও সবুজ পরিবেশে বড় হতে পারে। এটা তার ভবিষ্যৎ ও পৃথিবীর জন্য আমাদের ছোট্ট একটি উদ্যোগ মাত্র । সবাই রুহাবের জন্য দোয়া করবেন, যেন সে সুন্দর মনের মানুষ হয় এবং প্রকৃতির সাথে বেড়ে ওঠে।'</p>
<div class="zpjCs">
<div class="CF8xM">
<div class="story-element story-element-text">
<div>
<p>রুহাবের মা আয়শা আক্তার কিরণের বয়ানে, “আমাদের ছেলের জন্য গাছ লাগিয়েছি, কিন্তু তা সব শিশুদেরই উপকারে আসবে। প্রত্যেক পরিবার চাইলে নতুন সদস্য এলে কিছু গাছ লাগিয়ে ভবিষ্যতের জন্য অবদান রাখতে পারে।”</p>
</div>
</div>
</div>
</div>
<p>পরিবেশ সচেতনতার এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ স্থানীয়ভাবে প্রশংসিত হওয়া ছাড়াও বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়ন ও জলবায়ু অভিযোজন প্রচেষ্টায় এক নতুন দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।</p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>দেশে এআই সৃষ্ট অপতথ্যের  ৮৬ শতাংশ ছড়ায় ফেসবুকে : বাংলাফ্যাক্ট</title>
<link>https://digibanglatech.news/158604</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158604</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_68f884adac469.jpg" length="59575" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 22 Oct 2025 12:17:50 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>সোশ্যাল মিডিয়াগুলোতে এখন পাল্লা দিয়ে বাড়ছে এআই কন্টেন্ট। এর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে অপতথ্য। এক্ষেত্রে এগিয়ে রয়েছে ভিডিও কন্টেন্ট। গতি তিন মাসে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়ানো এআই দিয়ে তৈরি ৭১টি ছবি ও ভিডিও বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, এর মধ্যে<span> ৫৭টি ভিডিও-কেন্দ্রিক এবং ১৪টি  ছবি নির্ভর। আর মাধ্যম হিসেবে এআই দিয়ে বানানো অপতথ্য ছড়ানোর শীর্ষে রয়েছে ফেসবুক। </span></p>
<p>এআই দিয়ে তৈরি বাংলাদেশ কেন্দ্রিক অপতথ্যের ৮৬ শতাংশ ছড়িয়েছে এই প্লাটফর্মটিতে। এর পরের অবস্থানে রয়েছে টিকটক। এই মাধ্যমের ৪০টি এআই দিয়ে তৈরি অপতথ্য (প্রায় ৫৬%) সনাক্ত করেছে  প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের (পিআইবি) ফ্যাক্ট-চেক ও মিডিয়া রিসার্চ টিম বাংলাফ্যাক্ট। এই ফ্যাক্টচেক দলের পর্যবেক্ষণ বলছে, গত তিন মাসে সনাক্ত করা এআই জেনারেটেড ৭১টি অপতথ্যের মধ্যে  ৩২টি ছিলো ইউটিউবে, ইনস্টাগ্রামে ২৮টি, এক্স-এ ১২টি এবং থ্রেডস-এ মিলেছে ১টি। আর ভাইরাল হওয়া কেন্টেন্টের শীর্ষে রয়েছে বিভিন্ন চটকদার ও রাজনৈতিকভাবে উত্তপ্ত বিষয়ক কন্টেন্ট। হয়রানি ও মানহানির জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে এআই প্রযুক্তি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লৈঙ্গিক অসংবেদনশীল কন্টেন্টও ছড়ানো হচ্ছে এআই প্রযুক্তি দিয়ে।  </p>
<p><span>পরিসংখ্যানগত পর্যালোচনায় বাংলাফ্যাক্ট দেখিয়েছে, বাংলাদেশের বিভিন্ন ইস্যুতে ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া ৩৫টি কন্টেন্ট ছিল রাজনৈতিক দল নিয়ে। অর্থাৎ, প্রায় ৪৯ শতাংশ ভিডিওতে রাজনৈতিক দল বিষয়ক কন্টেন্ট। রাজনৈতিক দলের মধ্যে ৬৮ শতাংশ ছিল আওয়ামীলীগকে কেন্দ্র করে, ১৭ শতাংশ বিএনপি, ৯ শতাংশ জামায়াত এবং ৬ শতাংশ এনসিপিকে নিয়ে, যদিও এই কন্টেন্টসমূহের মধ্যে আওয়ামী লীগকে নিয়ে যা প্রচারিত হয়েছে, তার প্রায় সবগুলোই আওয়ামীলীগের পক্ষের। অর্থাৎ, আওয়ামী লীগ সম্পর্কিত কন্টেন্টগুলো দিয়ে দলটির ভূমিকা ও ভাবমূর্তিকে ইতিবাচক করে দেখানোর প্রবণতা ছিল। </span><span></span></p>
<p><span>দেশে এআইসৃষ্ট অপতথ্যের দ্বিতীয় নিশানায় দেখা গেছে সেনাবাহিনী ও পুলিশকে। প্রায় ৩১ শতাংশ কন্টেন্ট ছিল এই দুই বাহিনীকে নিয়ে। ১৭ শতাংশ কন্টেন্টে অন্তবর্তীকালীন সরকারের প্রসঙ্গে ছিল। জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ও অভ্যুত্থানের নেতাদের সম্পর্কিত বিষয় পাওয়া যায় প্রায় ১১ শতাংশ ভিডিওতে। বিভিন্ন দুর্ঘটনার সময় এআই সৃষ্ট কন্টেন্টের ছড়িয়ে পড়ার হার বৃদ্ধি পায়। গবেষণার জন্য নির্ধারিত তিন মাসের মধ্যে উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের বিমান দুর্ঘটনা ছিল অন্যতম। প্রায় ১০ শতাংশ এআই সৃষ্ট কন্টেন্টে সাম্প্রতিক দুর্ঘটনার বিষয় লক্ষ্য করা যায়। </span></p>
<p><span>বাংলাফ্যাক্ট দলের প্রাপ্ত নমূনাসমূহের মধ্যে লৈঙ্গিক অসংবেদনশীল বিষয় পাওয়া যায় প্রায় ১০ শতাংশ কন্টেন্টে। এক্ষেত্রে রাজনৈতিক নেতা বা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কোনো উপদেষ্টাকে জড়িয়ে এআই-সৃষ্ট অপতথ্য ছড়ানোর প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়। নারী রাজনীতিবিদদের বিশেষভাবে এর লক্ষ্যবস্তু হতে দেখা যায়। </span></p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>‘প্রাইম একাডেমিয়া’ যুক্ত হলো গ্রিন  ইউনিভার্সিটি</title>
<link>https://digibanglatech.news/158617</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158617</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_68f8d74aa04d2.jpg" length="78824" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 22 Oct 2025 10:08:33 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="MsoNormal" align="center" style="text-align: left;"><span>পারস্পরিক সহযোগিতা এবং শিক্ষার্থী-কেন্দ্রিক কর্মসূচি বাস্তবায়নে প্রাইম ব্যাংকের ‘প্রাইম একাডেমিয়া’ তে যুক্ত হয়েছে গ্রিন ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ। এই প্লাটফর্ম থেকে বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষার্থীরা  ডিজিটাল ফি, পেরোল সেবা, স্কুল ব্যাংকিং এবং স্টুডেন্ট একাউন্ট সুবিধা পাওয়ার পাশাপাশি যৌথ উদ্যোগ আর্থিক অন্তর্ভূক্তি ও একীভূত আর্থিক সমাধান নিয়ে কাজ করবে। </span></p>
<p class="MsoNormal"><span> প্রাইম একাডেমিয়া’ প্ল্যাটফর্মের আওতায় সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়টির ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত “ফাইন্যান্সিয়াল ইনক্লুশন: এঙ্গেজিং অ্যান্ড ইনস্পায়ারিং ইয়ুথ ইন ব্যাংকিং</span>”<span> শীর্ষক সেমিনার শেষে উভয় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এ বিষয়ে একটি সমঝোতা চুক্তি সই হয়েছে। </span></p>
<p class="MsoNormal"><span>প্রাইম ব্যাংকের পক্ষ থেকে উপস্থিত সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও হেড অব লায়াবিলিটি শায়লা আবেদিন অনুষ্ঠানে তরুণদের জন্য ব্যাংকের বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরেন। এছাড়া ব্যাংকটির সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ও হেড অব ফাইন্যান্সিয়াল ইনক্লুশন ও স্কুল ব্যাংকিং এম এম মাহবুব হাসা ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব গঠনে আর্থিক সচেতনতার ভূমিকা নিয়ে বক্তব্য রাখেন।</span></p>
<p class="MsoNormal"><span>চুক্তি সই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত গ্রিন ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ শরীফ উদ্দিন বলেছেন, “টেকসই উন্নয়ন ও যুবশক্তির ক্ষমতায়নে আর্থিক অন্তর্ভুক্তি অপরিহার্য।</span>”<span> </span></p>
<p class="MsoNormal"><span>বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. খাজা ইফতেখার উদ্দিন আহমেদ, ট্রেজারার প্রফেসর ড. মো. ফাইজুর রহমান, ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ তারেক আজিজ, এবং রেজিস্ট্রার ক্যাপ্টেন (নৌ.) এস. এম. সালাউদ্দিন প্রমুখ এসময় উপস্থিত ছিলেন।</span></p>
<p class="MsoNormal"></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>“বাংলাদেশি কর্মীদের ভিসা দিচ্ছে না কাতার” প্রচারণাটি গুজব</title>
<link>https://digibanglatech.news/158587</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158587</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_68f7afbfaa87a.jpg" length="114558" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 21 Oct 2025 18:07:43 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span> ‘‘বাংলাদেশি কর্মীদের ভিসা দিচ্ছে না কাতার”। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া এই খবরটি ‘গুজব’ বলে জানিয়েছেন </span><span></span><span> প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়। ২১ অক্টোবর, মঙ্গলবার, মন্ত্রণালয় থেকে দেয়া সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। </span></p>
<p><span>মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা ম. শেফায়েত হোসেন জানান, </span><span> সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ কতিপয় সংবাদ মাধ্যমে প্রচারিত “বাংলাদেশি কর্মীদের ভিসা দিচ্ছে না কাতার” শীর্ষক প্রচারণাটি একেবারেই গুজব। বিষয়টি প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দৃষ্টি আকৃষ্ট হয়েছে। মন্ত্রণালয় মনে করে এ ধরণের মিথ্য তথ্য পরিবেশন জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করার জন্য মহল বিশেষ উদ্দেশ্য প্রনোদিত অপপ্রয়াস ।</span></p>
<p><span>প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এ ধরণের গুজব এড়িয়ে চলার জন্য দেশবাসির প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। </span></p>
<p><span>গুজবের বিপরীতে প্রকৃত তথ্য তুলে ধরে মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে. কাতারের শ্রমবাজার যথারীতি চালু রয়েছে। বাংলাদেশ থেকে কাতারে সেপ্টেম্বর ২০২৪ থেকে সেপ্টেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত এক লাখ ১১ হাজার ৬ শত ৬২ জন কর্মী প্রেরণ করা হয় এবং বর্তমানেও কর্মী প্রেরণ অব্যাহত রয়েছে। বর্তমানে কাতারে ৪ লাখ ২৫ হাজার ৬শত ৮১ জন কর্মী কর্মরত রয়েছে। এছাড়া, কাতারে ‘ফ্রি ভিসা’তে কর্মী প্রেরণের বিষয়ে মহলবিশেষের বিভ্রান্তিকর ও ভূয়া প্রচারণার বিষয়টিও মন্ত্রণালয়ের নজরে এসেছে। প্রকৃতপক্ষে কাতারে ‘ফ্রি ভিসা’ নামে কোনো ভিসা ব্যবস্থা নেই। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সকলকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো যাচ্ছে। </span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ডিজিটাল সাংবাদিকতায় ডিআরইউ সদস্যদের প্রশিক্ষণ দিলো পিআইবি</title>
<link>https://digibanglatech.news/158573</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158573</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_68f77e62f2e40.jpg" length="113539" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 21 Oct 2025 17:38:47 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span lang="BN">ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) ৩৫ জন সদস্যকে দুই দিন ধরে ডিজিটাল মিডিয়া বিষয়ক প্রশিক্ষণ দিলো প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি)। ২১ অক্টোবর, মঙ্গলবার সমাপনীতে প্রশিক্ষণ নেয়া সাংবাদিকদের হাতে সনদ তুলে দেন বিএফইউজে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ওবায়দুর রহমান শাহীন। পিআইবি মহাপরিচালক ফারুক ওয়াসিফের সভাপতিত্বে এসময় ডিআরইউ সাধারণ সম্পাদক  মাইনুল হাসান সোহেল ও সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি বোর্ড সদস্য শাহীন হাসনাত ছাড়াও পিআইবি প্রশিক্ষক জিলহাজ উদ্দিন নিপুন ও বাংলাফ্যাক্ট চেক দলের প্রধান ও প্রশিক্ষক সুমাইয়া আখতারসহ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন। </span></p>
<p><span lang="BN">এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি’র নারী বিষয়ক সম্পাদক রোজিনা রোজী, তথ্য প্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণ সম্পাদক বোরহান উদ্দিন, কার্য নির্বাহী সদস্য আমিনুল হক ভুইয়া, পিআইবি’র প্রতিবেদক ও প্রশিক্ষণ সমন্বয়ক <span>সিফাত তাসনিম</span> প্রমুখ।</span></p>
<p><span lang="BN">বিকালে পিআইবি সেমিনার কক্ষে প্রশিক্ষণের সমাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে</span><span lang="BN"> </span><span lang="BN">পিআইবি পরিচালনা বোর্ডের সদস্য ও বিএফইউজে</span>'<span lang="BN">র ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ওবায়দুর রহমান শাহীন পিআইবি’র গবেষণা ও ফ্যাক্টচেকিং কার্যক্রমে অংশগ্রহণে ডিআরিইউ সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি বলেন, পিআইবি সাংবাদিকদের মানোন্নয়নের লক্ষ্যে সর্বদা কাজ করে এসেছে, এখন কাজের পরিধি আরও বিস্তার লাভ করেছে। সামনে আরও বিষয়ভিত্তিক প্রশিক্ষণ সাংবাদিকদের প্রয়োজন মোতাবেক পিআইবি সরবরাহ করবে বলে আশা ব্যক্ত করেন তিনি।</span><o:p></o:p></p>
<p><span lang="BN">সভাপতির বক্তব্যে সাংবাদিকদের দেশপ্রেমে উজ্জীবিত হয়ে প্রচলিত বয়ান বা ন্যারেটিভ বিষয়ে সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিয়ে পিআইবির মহাপরিচালক ফারুক ওয়াসিফ </span><span lang="BN">বলেন, গুজব ও অপতথ্যের বিরুদ্ধে কলমের শক্তি ব্যবহার করতে হবে।</span><span lang="BN"> জুলাই আন্দোলনে ঘটনাপ্রবাহের তুলনায় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলোর ভূমিকা ছিল অনেক বড়। সে অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে সাংবাদিকদের উচিত ডিজিটাল সাংবাদিকতায় আরও দক্ষতা অর্জন করা। এই দুইদিন ব্যাপী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সাংবাদিকরা ডিজিটাল সাংবাদিকতার বিভিন্ন দিক সম্পর্কে ব্যবহারিক জ্ঞান অর্জন করেছেন</span>, <span lang="BN">যা ভবিষ্যতে যেকোনো প্রতিকূল পরিস্থিতি আরও দক্ষতার সঙ্গে মোকাবেলা করতে সহায়ক হবে।</span><o:p></o:p></p>
<p><span lang="BN">দুই দিনের প্রশিক্ষণে ডিজিটাল সাংবাদিকতায় প্রধানতম যান্ত্রিক অনুষঙ্গ মোবাইল এর বিভিন্ন সেটিংস</span>, <span lang="BN">মোবাইল শুটিং</span>, ভিডিও এডিটিং এবং <span lang="BN">ডিজিটাল সাংবাদিকতা ও ফ্যাক্ট চেকিং সহ বিভিন্ন নৈতিকতা বিষয়ে আলোকপাত করেন। প্রথম ও দ্বিতীয় দিনের প্রথমার্ধে ক্লাস নেন ইউল্যাব অ্যাডজাঙ্কট ফ্যাকাল্টি নাজিয়া আফরিন মানামী। মোবাইল ভিডিও ফ্রেমিং ও এডিটিং নিয়ে আলোচনা করেন ব্র্যাক এর কমিউনিকেশন স্পেশালিস্ট শাফাত রহমান।  </span></p>
<p><span lang="BN">প্রশিক্ষকেরা, ডিজিটাল সাংবাদিকতার মাধ্যমে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল ট্রেন্ড, অপতথ্য, অনৈতিকতা, অজ্ঞতা, অ্যাক্টিভিজমকে পাশ কাটিয়ে কীভাবে সংবাদকে নেটিজেনদের ‘হুক’ করা যায় ভুল, মিথ্যা এবং অপ তথ্য থেকে ইন্টারনেট দুনিয়ায় সাংবাদিকরা নিজ মেধায় কীভাবে আরো বিকশিত হতে পারেন সে বিষয়ে উঠে আসে প্রশিক্ষণের আলোচনায়। ফরম্যাট অনুযায়ী ট্রেন্ড এবং কন্টেন্ট নির্মাণে কোন কোন বিষয়ে আগে থেকেই নিজেকে প্রস্তুত রাখা দরকার সে বিষয়েও নির্দেশনা দিয়েছেন।   </span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>হাইড্রোজেন প্রযুক্তিতে সাবেক ডুয়েট শিক্ষার্থীর বিষ্ময়কর আবিষ্কার: এইচআরএল ফর্মুলা</title>
<link>https://digibanglatech.news/158564</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158564</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_68f73c007f76d.jpg" length="60077" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 21 Oct 2025 12:54:16 +0600</pubDate>
<dc:creator>ক্যাম্পাস করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ডুয়েটের সাবেক শিক্ষার্থী ড. শাহাবুদ্দিন বর্তমানে মালয়েশিয়ার বিখ্যাত ইউনিভার্সিটি অফ মালায়াতে সিনিয়র লেকচারার এবং বাংলাদেশের আইইউবিএটি বিশ্ববিদ্যালয়ে এডজাংকট সহযোগী অধ্যাপক হিসাবে কাজ করছেন। </p>
<p>ডুয়েটের সাবেক এই শিক্ষার্থী হাইড্রোজেন প্রযুক্তির রেডিনেস লেভেল নির্ণয়ের একটি নতুন গাণিতিক সূত্র উদ্ভাবন করেছেন। সূত্রটির নাম এইচআরএল ইনডেক্স।</p>
<p>ড. শাহাবুদ্দিন এর আগে ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অফ সিঙ্গাপুর, সুইনবার্ন ইউনিভার্সিটি অফ টেকনোলজি অস্ট্রেলিয়া,‌ ফেডারেশন ইউনিভার্সিটি অফ অস্ট্রেলিয়া, ইউএনএস ডব্লিউ, এবং ইউটিএস'র মত স্বনামধন্য ইউনিভার্সিটিতে রিসার্চ সাইন্টিস্ট হিসাবে কাজ করেছেন। </p>
<p>তিনি অস্ট্রেলিয়ার মোনাস ইউনিভার্সিটি থেকে পাবলিকেশন অ্যাওয়ার্ড সহ কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এ পিএইচডি, অস্ট্রেলিয়ার ইউনিভার্সিট অফ অ্যাডিলেড থেকে এমফিল এবং ডুয়েটের মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। </p>
<p>দুই বছরের গবেষণার পর তিনি এইচআরএল সূচকটি আবিষ্কার করেন, যা দিয়ে প্রথমবারের মতো কোনো দেশের হাইড্রোজেন প্রযুক্তির প্রস্তুতির মাত্রা সুনির্দিষ্টভাবে পরিমাপ করা সম্ভব হবে।</p>
<p>১৯৭০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা প্রযুক্তির প্রস্তুতি স্তর বা টিআরএল নামের একটি তাত্ত্বিক কাঠামো তৈরি করেছিল। তবে সেটির মাধ্যমে কোনো দেশের নির্দিষ্ট প্রযুক্তির বাস্তব প্রস্তুতি বা পরিমাণগত মান নির্ধারণ করা যায় না।</p>
<p>নতুন এই এইচআরএল সূচকটি সম্পূর্ণ গাণিতিক কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে তৈরি। এর মাধ্যমে একটি দেশের কোন নির্দিষ্ট টেকনোলজির প্রযুক্তিগত ঘাটতি, বিনিয়োগের প্রয়োজন, সরবরাহ ব্যবস্থার দুর্বলতা, নীতিনির্ধারণ, গবেষণা ও উন্নয়ন এবং সামাজিক গ্রহণযোগ্যতার মতো বিষয়গুলো পরিমাপযোগ্যভাবে বিশ্লেষণ করা যাবে।</p>
<p>গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে হাইড্রোজেন এনার্জির স্বনামধন্য জার্নাল ‘ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অব হাইড্রোজেন এনার্জি’ তে।</p>
<p>ড.শাহাবুদ্দিন আহমেদ আশা করছেন তাঁর উদ্ভাবিত এইচআরএল সূচক বিশ্বব্যাপী টেকসই জ্বালানি গবেষণা ও হাইড্রোজেন অর্থনীতিতে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>নিরাপদ সড়কের প্রযুক্তি ভিত্তিক উদ্যোগের সঙ্গে পরিচিত হলো শিক্ষার্থীরা</title>
<link>https://digibanglatech.news/158552</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158552</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_68f66cfc56f1e.jpg" length="82847" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 20 Oct 2025 20:10:50 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ঢাকা পরিবহণ সমন্বয় কর্তৃপক্ষ (ডিটিসিএ)'র উদ্যোগে নেয়া নিরাপদ সড়কের বিভিন্ন কার্যক্রমের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেয়া হলো দেশের প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের। ২০ অক্টোবর, রবিবার ডিটিসিএ কার্যালয়ের সভাকক্ষে মোট ১০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫০ জন শিক্ষার্থী ও ডিটিসিএ এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের অধীনস্থ সংস্থা/দপ্তরের প্রতিনিধিসহ মোট ৮০ জনকে নিয়ে অনুষ্ঠিত হয় এই লার্নিং সেশনটি। </p>
<p>২২  অক্টোবর “জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস-২০২৫” উদযাপন উপলক্ষ্যে ঢাকার তেজগাঁওস্থ ডিটিসিএ’র কার্যালয়ের সভাকক্ষে “A Comprehensive Approach for Road Safety” শীর্ষক এ কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে শুভ উদ্বোধন করেন ডিটিসিএ নির্বাহী পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) নীলিমা আখতার। সেশনে  “ডিটিসিএ গৃহীত পরিবহন অবঠাকামো নির্মাণ পরিকল্পনা, চলমান উন্নয়ন প্রকল্প ও ভবিষয়্য উন্নয়ন প্রকল্প পরিকল্পনা”র সচিত্র উপস্থাপনা তুলে ধরেন তিনি।</p>
<p>ডিটিসিএ'র কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ২০ বছর মেয়াদী কৌশলগত পরিবহন পরিকল্পনা (এসটিপি), নগর পরিবহন কৌশল, ডিটিসিএ প্রদত্ত ট্রাফিক সার্কুলেশন সার্টিফিকেট, সমন্বিত পরিবহন টিকেটিং ব্যবস্থা, ক্লিয়ারিং হাউজ, র‍্যাপিড পাস, পরিবহন চাহিদা ও  ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা এবং পরিবহন সেক্টরের সকল অবকাঠামো উন্নয়ন, পরিকল্পনা ও সমন্বয় কার্যক্রম বিষয়ে বাস্তব ধারণা প্রদানের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সাথে মতবিনিময় সংক্রান্ত সচিত্র প্রতিবেদনের মাধ্যমে তথ্য চিত্র ও ভিডিওসহ বিস্তারিত উপস্থাপনা প্রদান করেন নীলিমা আখতার। উপস্থাপনায় তিনি দেখান, মহাসড়কে অযান্ত্রিক ও ধীরগতির যান চলাচলের কারণে দূর পাল্লার নিরবচ্ছিন্ন যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে ও দুর্ঘটনার প্রবণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। জাতীয় মহাসড়ক ও মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে অপরিকল্পিত হাট বাজার এবং অবৈধ বাণিজ্যিক স্থাপনার কারণে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। ফলে মূল্যবান জ্বালানি অপচয়, যাত্রীদের গন্তব্য পৌঁছতে অহেতুক বিলম্ব, জরুরি পণ্য সরবরাহে বিঘ্ন সৃষ্টিসহ জরুরি স্বাস্থ্য সেবাও ব্যাহত হচ্ছে।</p>
<p>এই বিষয়টি ছাড়াও ডিটিসিএ'র  ট্রেনিং অ্যাডভাইজার (উপসচিব) শাহেদ পারভেজের সঞ্চালনায় বিশেষ লার্নিং সেশনে আরও ৪টি বিষয়ে উপস্থাপনা দেন খাত সংশ্লিষ্টরা। এর মধ্যে “সড়ক নিরাপত্তা ও প্রাসঙ্গিক আইন/নীতিমালা” বিষয়ে  সিনিয়র রোড সেফটি স্পেশালিস্ট (চ: দা:) মো: মামুনুর রহমান; “ডিটিসিএ আইন, ২০১২, মেট্র্রোরেল আইন, ২০১৫, বিআরটি আইন, ২০১৬, র‍্যাপিড পাস বিধিমালা (প্রস্তাবিত)” বিষয়ে ম্যাস ট্রানজিট ইঞ্জিনিয়ার (চলতি দায়িত্ব) মো: তুষার; “ঢাকা মেট্রোপলিট্রন অঞ্চলের জন্য কৌশলগত পরিবহন পরিকল্পনা” বিষেয়ে অতিরিক্ত নির্বাহী পরিচালক (টিএমপিটিআই)  মোহাম্মদ রবিউল আলম এবং “সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮” বিষয়ে  ট্রাফিক এনফোর্সমেন্ট অফিসার (অতিরিক্ত ডিআইজি, ডিএমপি)মো: সেলিম খান; </p>
<p>আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলীর প্রতিনিধি, বিআরটিএ চেয়ারম্যানের প্রতিনিধি, বিআরটিসি চেয়ারম্যানের প্রতিনিধি, ডিএমটিসিএল প্রতিনিধিসহ ডিটিসিএ’র অতিরিক্ত নির্বাহী পরিচালক (পিএন্ডপি) মো: মাহবুবুর রহমান (যুগ্মসচিব), অতিরিক্ত নির্বাহী পরিচালক (এমটি) মো: আবদুল লতিফ খান (যুগ্মসচিব), পরিচালক (প্রশাসন) (উপসচিব) মো: মোস্তাফিজুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। </p>
<p>শিক্ষার্থীদের সড়ক নিরাপত্তা ও ট্রাফিক আইন সম্পকে জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের লক্ষ্যে ডিটিসিএ’র ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ডিটিসিএ'র প্রশিক্ষণ ক্যালেন্ডারের আলোকে ও ২২ অক্টোবর ২০২৫ জাতীয় সড়ক নিরাপদ দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত বিশেষ লার্নিং সেশনের কোর্স পরিচালক শাহেদ পারভেজ (উপসচিব), ট্রেনিং এ্যাডভাইজার, ডিটিসিএ, সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও সমন্বয়কারী হিসেবে যথাক্রমে মোহাম্মদ সেকান্দর হায়াত বাহাদুর, হিসাব ও অর্থ কর্মকর্তা, ডিটিসিএ এবং কারার শোয়েব, সরকারী পরিচালক (প্রশিক্ষণ) (চ:দা:) দায়িত্ব পালন করেন।</p>
<p>অনুষ্ঠানে বক্তারা জানান, ২২ অক্টোবর জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষ্যে এই বিশেষ লার্নিং সেশনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের “সড়ক নিরাপত্তা ও ট্রাফিক আইন সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির” পাশাপাশি দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠার বার্তা দেয়া হয়। সড়ক-মহাসড়ক নিরাপদ, যানজটমুক্ত ও গতিশীল যান চলাচল নিশ্চিতে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়। শিক্ষার্থীদের মধ্যে ট্রাফিক আইন সম্পর্কে ধারণা ও সঠিকভাবে মেনে চলার লক্ষ্যে ডিটিসিএ এধরণের কর্মসূচি পালন করে আসছে। ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের সুনাগরিক সৃষ্টিতে এই ধরণের কার্যক্রমসমূহ মাইলফলক হবে।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ইউএফটিবি&#45;তে গবেষণা বিষয়ক সেমিনার শুরু</title>
<link>https://digibanglatech.news/158537</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158537</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_68f6206c3c309.jpg" length="110988" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 20 Oct 2025 11:44:05 +0600</pubDate>
<dc:creator>ক্যাম্পাস করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div id=":o5" class="ii gt" jslog="20277; u014N:xr6bB; 1:WyIjdGhyZWFkLWY6MTg0NjQ5NTU0OTU2MzUzNzE4OXxtc2ctZjoxODQ2NDk1NTQ5NTYzNTM3MTg5Il0.; 4:WyIjbXNnLWY6MTg0NjQ5NTU0OTU2MzUzNzE4OSIsbnVsbCxudWxsLG51bGwsMSwwLFsxNDAsMCwwXSwxNzcsMTI5NixudWxsLG51bGwsbnVsbCxudWxsLG51bGwsMSxudWxsLG51bGwsWzBdLG51bGwsbnVsbCxudWxsLG51bGwsbnVsbCxudWxsLDAsMF0.">
<div id=":o4" class="a3s aiL ">
<div dir="ltr">
<p class="MsoNormal"><span>কীভাবে গবেষণা করা হয় এবং গবেষণার মাধ্যমে ক্যারিয়ার গড়ে তোলা যায় তা নিয়ে দুইদিনের সেমিনার করছে </span><span>ইউনিভার্সিটি অব ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজি, বাংলাদেশ (ইউএফটিবি)। রাজধানীর পাশেই  গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈরে অবস্থিত বিশ্ববিদ্যলয়ের প্রশাসনিক ভবনের ১২০২ নং কক্ষে ২০ অক্টোবর সোমবার সেমিনারের উদ্বোধনীতে “How to do Research and Build Research Careers” নিয়ে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের </span><span>উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবু ইউসুফ।</span></p>
<p class="MsoNormal"><span>সেমিনারে ইউএফটিবি-এর এডুকেশনাল টেকনোলজি অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ এবং ইন্টারনেট অব থিংস্ অ্যান্ড রোবোটিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করছেন। সেমিনারে গবেষণার গুরুত্ব তুলে ধরে উপাচার্য বলেন, তরুণ শিক্ষার্থীরাই আগামীর উদ্ভাবক এবং পরিবর্তনকারী। এই সেমিনারের মাধ্যমে আমরা চাই শিক্ষার্থীরা গবেষণার মৌলিক কৌশলগুলো আত্মস্থ করবে এবং গবেষণাকে তাদের ভবিষ্যৎ পেশা হিসেবে গ্রহণ করতে আগ্রহী হবে। তিনি শিক্ষার্থীদেরকে শুধু ডিগ্রির জন্য পড়ালেখা না করে নতুন জ্ঞান সৃষ্টি ও সমস্যা সমাধানে মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান। </span></p>
<p class="MsoNormal"><span>গবেষণা বিষয়ক দক্ষতা বৃদ্ধি এবং শিক্ষার্থীদের গবেষণায় উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা ও সম্প্রসারণ অফিসের সহযোগিতায় এ সেমিনারটি আয়োজন করা হয়েছে।</span></p>
<p class="MsoNormal"><span> </span></p>
</div>
<div class="yj6qo"></div>
<div class="adL"></div>
</div>
</div>
<div id=":oj" class="hq gt"></div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ওয়েবে ৪৯তম বিশেষ বিসিএসের ফল প্রকাশ, উত্তীর্ণ ১২১৯ জন</title>
<link>https://digibanglatech.news/158527</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158527</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_68f51d2d145af.jpg" length="75266" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 19 Oct 2025 22:37:49 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>শিক্ষা ক্যাডার নিয়োগে ৪৯তম বিশেষ বিসিএসের ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে উত্তীর্ণ হয়েছেন এক হাজার ২১৯ জন প্রার্থী। <span>সাময়িকভাবে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের ফলাফল সরকারি কর্ম কমিশনের ওয়েবসাইটে (</span><strong><a title="www.bpsc.gov.bd" href="https://bpsc.gov.bd/" rel="follow">www.bpsc.gov.bd</a></strong><span>) অথবা টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের ওয়েবসাইটে (</span><strong><a title="http://bpsc.teletalk.com.bd" href="http://bpsc.teletalk.com.bd/" rel="follow">http://bpsc.teletalk.com.bd</a></strong><span>) প্রকাশ করা হয়েছে।</span></p>
<div class="news-content">
<div>বাংলাদেশের সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কমিশনের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ফল প্রকাশের এক সপ্তাহের বিরতির পর ২৬ অক্টোবর থেকে শুরু হবে মৌখিক পরীক্ষা।</div>
</div>
<p><span>এর আগে ১৯ অক্টোবর, </span>রবিবার রাত ১০টা ১০ মিনিটে এ ফল প্রকাশ করে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। এতে সই করেছেন পিএসসির পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ক্যাডার শাখা) মাসুমা আফরীন।</p>
<div class="adv-img text-center marginTopBottom20 hidden-print">
<p>পিএসসির জনসংযোগ কর্মকর্তা এস এম মতিউর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করে জানিয়েছেন ৪৯তম বিশেষ বিসিএসের এমসিকিউ লিখিত পরীক্ষা গত ১০ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হয়। এ পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে সাময়িকভাবে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের ফলাফল কমিশনের ওয়েবসাইটে অথবা টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।</p>
<p><span>প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ২১ জুলাই বিজ্ঞপ্তি দিয়ে </span>৪৯তম বিশেষ বিসিএসটি সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের আবেদন আহ্বান করা হয়। এরপর এমসিকিউ টাইপ লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় ১০ অক্টোবর, যা ঢাকাসহ বিভিন্ন বিভাগীয় শহরের একাধিক কেন্দ্রের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়।<span> </span><span>পরীক্ষায় মোট উপস্থিত ছিলেন ১ লাখ ৭৬ হাজার ৬৭০ জন প্রার্থী। উপস্থিতির হার ৫৬ দশমিক ৪৯ শতাংশ।</span></p>
<div class="adv-img text-center marginTopBottom20 hidden-print"></div>
</div>
<p></p>
<p><span></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>চুয়েটে দুইদিনব্যাপী প্রতিযোগিতামূলক উৎসব &amp;apos;&amp;apos;এনভিশন ২.০&amp;apos;&amp;apos; অনুষ্ঠিত</title>
<link>https://digibanglatech.news/158525</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158525</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_68f519caac083.jpg" length="138372" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 19 Oct 2025 18:43:33 +0600</pubDate>
<dc:creator>ক্যাম্পাস করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span>চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট)-এর  গবেষণা ও উদ্ভাবনভিত্তিক সংগঠন “আমেরিকান সোসাইটি অব সিভিল ইঞ্জিনিয়ার্সের (এএসসিই)” চুয়েট শাখার উদ্যোগে দুইদিনব্যাপী প্রতিযোগিতামূলক উৎসব “এনভিশন ২.০” অনুষ্ঠিত হয়েছে। </span></p>
<p><span>চুয়েটের কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে ১৮ অক্টোবর শনিবার অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতামূলক এই উৎসবে ছিলো বিভিন্ন প্রতিযোগিতা যেমন অটোক্যাড প্রতিযোগিতা (ক্যাডজিলা), কেইসকুয়েস্ট, রিসার্চ পেপার কম্পিটিশন, জি কোস্টার কম্পিটিশন, মেকানিক্স অলিম্পিয়াড, টেকসই সমস্যা সমাধান ও প্রেজেন্টেশন। </span></p>
<p><span>অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চুয়েটের ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মাহমুদ আব্দুল মতিন ভূইয়া মহোদয়। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন পুরকৌশল বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মো: রিয়াজ আকতার মল্লিক ও এএসসিই স্টুডেন্ট চ্যাপ্টার চুয়েট এর ফ্যাকাল্টি এডভাইজর ও পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. আয়শা আখতার। </span></p>
<p><span>এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন এসিআই এর ফ্যাকাল্টি এডভাইজর অধ্যাপক ড. জি.এম. সাদিকুল ইসলাম, এসএমই এর মডারেটর মো: আমিনুল ইসলাম, এলজিইডি এর নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ সফিকুল ইসলাম (খোকা) এবং ইকুইটি এর প্রকৌশলী ও প্রতিনিধিবৃন্দ। </span></p>
<p><span>অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক মো: শাফকাতুল ইসলাম ও সমাপনী বক্তব্য রাখেন এএসসিই স্টুডেন্ট চ্যাপ্টার চুয়েট এর সভাপতি আব্দুল ওয়াদুদ শিমুল। সভাপতির বক্তব্যে তিনি জানান, </span></p>
<p><span>চুয়েটের এএসসিই প্রতিবছরই শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়নে ওডিসি, এনভিশনসহ নানা প্রতিযোগিতার আয়োজন করে থাকে। এ সমস্ত প্রতিযোগিতা তাদের দক্ষতা ও গবেষণার আগ্রহ বৃদ্ধি সহ অভিজ্ঞতা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।</span></p>
<p><span>অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন পুরকৌশল বিভাগের ২য় বর্ষের শিক্ষার্থী ফাহিম নুজহাত জাহিন ও মুহাতাসিম ফুয়াদ হৃদয়। </span><br><br></p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ডিজিটাল ফরেনসিকের নৈতিক কৌশল</title>
<link>https://digibanglatech.news/158459</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158459</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_68f6d64993aab.jpg" length="97707" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 19 Oct 2025 14:11:22 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div class="html-div xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl">
<div dir="auto" class="html-div xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl">
<div data-ad-rendering-role="story_message" class="html-div xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl">
<div class="x1l90r2v x1iorvi4 x1g0dm76 xpdmqnj" data-ad-comet-preview="message" data-ad-preview="message" id="_r_2ug_">
<div class="x78zum5 xdt5ytf xz62fqu x16ldp7u">
<div class="xu06os2 x1ok221b">
<div class="html-div xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl">
<div class="xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs x126k92a">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">চলচ্চিত্রের গল্প-স্টাইল নয়—এটা বাস্তব জীবনের ঘটনা। পরীক্ষার দিনে কোনো ছাত্রী বাসা থেকে অচেনা আইডি/চ্যাটে প্রলুব্ধ হয়ে পালিয়ে গেলে তদন্ত কীভাবে করবেন, কোন ওপেন-সোর্স <span class="html-span xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl x1hl2dhg x16tdsg8 x1vvkbs"><a class="html-a xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl x1hl2dhg x16tdsg8 x1vvkbs" tabindex="-1"></a></span>টুলস কাজে লাগবে এবং কোথায় আইনগত সীমা আছে তা প্রাঞ্জল, বাস্তব ও ব্যবহারযোগ্য ভাষায় উল্লেখ করছি। এখানে যা বলা হবে, তা কেবল আইনগত, ফরেনসিক এবং নৈতিক কৌশল — কোনো ভাবে হ্যাকিং, অবৈধ ডেটা চুরির নির্দেশ নয়।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto"><span style="font-size: 14pt;"><strong>কীভাবে ভাববেন? </strong></span></div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">ঘটনার টাইমলাইন রিকনস্ট্রাকট করা, সন্দেহভাজন আইডি-গুলো শনাক্ত করা এবং যেখানে প্রয়োজন আইনি রুটে মোবাইল/প্ল্যাটফর্ম/টেলিকম ডেটা আনতে কর্তৃপক্ষকে সহযোগিতা করা। এখানে দ্রুত কাজ এবং প্রসিডিউরাল রিগর অর্থাৎ যে প্রক্রিয়ায় কাজ করা হয়, সেটার প্রতিটি ধাপ যেন সঠিক নিয়মে, প্রমাণ রেখে, ভুল ছাড়া সম্পন্ন হয় — সেটাই গুরুত্বপূর্ণ। এ ক্ষেত্রে চেইন অব কাস্টডি হিসেবে <span>অবশ্যই প্রমাণের একটি অংশের শারীরিক</span> নথিভুক্ত করা এবং যখন প্রয়োজন তখন আদালত/সাইবার ক্রাইম ব্রাঞ্চ/প্রকৃত কর্তৃপক্ষকে <span>হস্তান্তর করতে হবে</span>।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto"> </div>
<div dir="auto"><span style="font-size: 14pt;"><strong>প্রথম ২৪ ঘণ্টায় করণীয়</strong></span></div>
<div dir="auto">
<ul data-start="813" data-end="1892">
<li data-start="813" data-end="1054">
<p data-start="816" data-end="858"><strong data-start="816" data-end="856">পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ ও তথ্য সংগ্রহ</strong></p>
<ul data-start="862" data-end="1054">
<li data-start="862" data-end="896">
<p data-start="864" data-end="896">শেষ দেখা সময় ও স্থান লিখে নিন।</p>
</li>
<li data-start="900" data-end="989">
<p data-start="902" data-end="989">সম্ভাব্য চ্যাট-স্ক্রিনশট, আইডি, ফোন নম্বর, পোস্ট/স্টোরি বা প্রোফাইল লিংক সংগ্রহ করুন।</p>
</li>
<li data-start="993" data-end="1054">
<p data-start="995" data-end="1054">পোশাক, সাথে থাকা ব্যাগ/চাবি ইত্যাদি সংক্ষিপ্ত বর্ণনা নিন।</p>
</li>
</ul>
</li>
<li data-start="1056" data-end="1353">
<p data-start="1059" data-end="1079"><strong data-start="1059" data-end="1077">ডিভাইস সংরক্ষণ</strong></p>
<ul data-start="1083" data-end="1353">
<li data-start="1083" data-end="1271">
<p data-start="1085" data-end="1271">যেই ডিভাইস হাতে আছে (মোবাইল/ল্যাপটপ), সেটি ব্যবহার বন্ধ করে দিন—অপারেট অবস্থায় রাখতে বলা হয় যাতে কোনো ডেটা পরিবর্তন না হয়; তবে যদি আপনি ফরেনসিক দলের নির্দেশ না পান নিজে ফাইল মুছবেন না।</p>
</li>
<li data-start="1275" data-end="1353">
<p data-start="1277" data-end="1353">ডিভাইসটি প্লাগ থেকে নেবেন না; পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করবেন না; রিসেট করবেন না।</p>
</li>
</ul>
</li>
<li data-start="1355" data-end="1530">
<p data-start="1358" data-end="1383"><strong data-start="1358" data-end="1381">স্ক্রিনশট ও ব্যাকআপ</strong></p>
<ul data-start="1387" data-end="1530">
<li data-start="1387" data-end="1530">
<p data-start="1389" data-end="1530">যতটুকু পাবলিকলি দেখা যায় (চ্যাট, প্রোফাইল, পোস্ট, কললিস্ট, স্টোরি) সেটা স্ক্রিনশট নিন। স্ক্রিনশটের পাশে লিখে রাখুন — কখন, কোথায়, কে দেখেছে।</p>
</li>
</ul>
</li>
<li data-start="1532" data-end="1689">
<p data-start="1535" data-end="1554"><strong data-start="1535" data-end="1552">লোকেশন রেকর্ড</strong></p>
<ul data-start="1558" data-end="1689">
<li data-start="1558" data-end="1689">
<p data-start="1560" data-end="1689">মোবাইলের শেষ দেখা (last seen), লোকেশন শেয়ার ছিল কি—এসব নোট করুন। কাছাকাছি কেউ CCTV/কেইশার্য্য থাকলে তাদের ডিটেইল নিলে ভালো হবে।</p>
</li>
</ul>
</li>
<li data-start="1691" data-end="1892">
<p data-start="1694" data-end="1719"><strong data-start="1694" data-end="1717">আইনি নোটিশ প্রস্তুত</strong></p>
<ul data-start="1723" data-end="1892">
<li data-start="1723" data-end="1892">
<p data-start="1725" data-end="1892">দ্রুত FIR বা সাধারণ ডায়েরি (GD) করুন; একই সঙ্গে সাইবার ক্রাইম ব্রাঞ্চ/পুলিশে কভার লেটার দিন — এতে ডিভাইস সিকিউরেশন, টেলিকম/প্ল্যাটফর্ম রেকর্ড দরকার এমন উল্লেখ থাকবে।</p>
</li>
</ul>
</li>
</ul>
</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto"><span style="font-size: 14pt;"><strong>প্রমাণ সংরক্ষণ ও চেইন অব কস্টডি</strong></span></div>
<div dir="auto">
<ul data-start="1949" data-end="2382">
<li data-start="1949" data-end="2084">
<p data-start="1951" data-end="2084"><strong data-start="1951" data-end="1973">ডিভাইস হ্যান্ডলিং:</strong> ডিভাইস আর ব্যবহার করা যাবে না—যারা ডিভাইসটি গ্রহণ করবেন তাদের নাম, সময় ও অবস্থান লিখে নিন (লিখিত রেজিস্টার)।</p>
</li>
<li data-start="2085" data-end="2176">
<p data-start="2087" data-end="2176"><strong data-start="2087" data-end="2110">হ্যান্ডওভার রেকর্ড:</strong> প্রতিটি হস্তান্তর লিখিতভাবে রেজিস্টার করুন—কে নিয়েছে, কখন, কেন।</p>
</li>
<li data-start="2177" data-end="2258">
<p data-start="2179" data-end="2258"><strong data-start="2179" data-end="2200">মেটাডেটা সংরক্ষণ:</strong> স্ক্রিনশটগুলো কখন ও কোন ডিভাইসে তোলা হয়েছে তা নোট করুন।</p>
</li>
<li data-start="2259" data-end="2382">
<p data-start="2261" data-end="2382"><strong data-start="2261" data-end="2276">ক্লাউড চেক:</strong> Google Drive, iCloud ইত্যাদি ক্লাউড ব্যাকআপ আছে কি না দ্রুত দেখুন — ক্লাউড ডেটা পেতে কোর্ট অর্ডার লাগে।</p>
</li>
</ul>
</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto"><span style="font-size: 14pt;"><strong>ওপেন-সোর্স টুলস — নাম, কাজে লাগার ধরণ ও সীমাবদ্ধতা</strong></span></div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto">
<blockquote data-start="2446" data-end="2587">
<p data-start="2448" data-end="2587">নিচের টুলগুলো <em data-start="2462" data-end="2483">আইনি ও পাবলিক সোর্স</em> অনুসন্ধানের জন্য—কোনো প্ল্যাটফর্মের প্রাইভেট কন্টেন্ট বা ব্যক্তিগত চ্যাট পাওয়ার জন্য আইনি অর্ডার লাগবে। এখানে টুললাইন, কাজের ধরণ, সীমাবদ্ধতা উল্লেখ করা হলো। </p>
</blockquote>
</div>
<div dir="auto">
<article class="text-token-text-primary w-full focus:outline-none [--shadow-height:45px] has-data-writing-block:pointer-events-none has-data-writing-block:-mt-(--shadow-height) has-data-writing-block:pt-(--shadow-height) [&amp;:has([data-writing-block])&gt;*]:pointer-events-auto scroll-mt-[calc(var(--header-height)+min(200px,max(70px,20svh)))]" dir="auto" data-turn-id="49b8b903-8444-4b52-a8c0-8c413d6a5ed1" data-testid="conversation-turn-2" data-scroll-anchor="true" data-turn="assistant" tabindex="-1">
<div class="text-base my-auto mx-auto pb-10 [--thread-content-margin:--spacing(4)] thread-sm:[--thread-content-margin:--spacing(6)] thread-lg:[--thread-content-margin:--spacing(16)] px-(--thread-content-margin)">
<div class="[--thread-content-max-width:40rem] thread-lg:[--thread-content-max-width:48rem] mx-auto max-w-(--thread-content-max-width) flex-1 group/turn-messages focus-visible:outline-hidden relative flex w-full min-w-0 flex-col agent-turn" tabindex="-1">
<div class="flex max-w-full flex-col grow">
<div data-message-author-role="assistant" data-message-id="a3f8de61-0cb3-48b2-ab6b-4af5bf5bc8f8" dir="auto" class="min-h-8 text-message relative flex w-full flex-col items-end gap-2 text-start break-words whitespace-normal [.text-message+&amp;]:mt-1" data-message-model-slug="gpt-5-t-mini">
<div class="flex w-full flex-col gap-1 empty:hidden first:pt-[1px]">
<div class="markdown prose dark:prose-invert w-full break-words light markdown-new-styling">
<ul data-start="2589" data-end="4286">
<li data-start="2589" data-end="2742">
<p data-start="2591" data-end="2633"><strong data-start="2591" data-end="2631">OSINT Framework (<a href="https://digibanglatech.news/admin/edit-post/osintframework.com" target="_blank" rel="noopener">osintframework.com</a>)</strong></p>
<ul data-start="2636" data-end="2742">
<li data-start="2636" data-end="2697">
<p data-start="2638" data-end="2697"><strong>কাজ:</strong> কোন সোর্সে কী পরীক্ষা করা যায়—রিসোর্স-লিংকের তালিকা।</p>
</li>
<li data-start="2700" data-end="2742">
<p data-start="2702" data-end="2742"><strong>সীমা: </strong>নিজে ডাটা দেয় না, কেবল পথ দেখায়।</p>
</li>
</ul>
</li>
<li data-start="2744" data-end="2908">
<p data-start="2746" data-end="2779"><strong data-start="2746" data-end="2777">Maltego (Community Edition)</strong></p>
<ul data-start="2782" data-end="2908">
<li data-start="2782" data-end="2856">
<p data-start="2784" data-end="2856"><strong>কাজ</strong>: প্রোফাইল/আইডি/ফোন/ডোমেইনের সম্পর্ক ভিজ্যুয়ালাইজ করতে সাহায্য করে।</p>
</li>
<li data-start="2859" data-end="2908">
<p data-start="2861" data-end="2908"><strong>সীমা:</strong> প্রিমিয়াম প্লাগইন ছাড়া গভীর ডেটা সীমিত।</p>
</li>
</ul>
</li>
<li data-start="2910" data-end="3072">
<p data-start="2912" data-end="2942"><strong data-start="2912" data-end="2940">SpiderFoot (open source)</strong></p>
<ul data-start="2945" data-end="3072">
<li data-start="2945" data-end="3018">
<p data-start="2947" data-end="3018"><strong>কাজ:</strong> স্বয়ংক্রিয়ভাবে ইমেল, ফোন, আইপি, ডোমেইন ইত্যাদি footprinting করে।</p>
</li>
<li data-start="3021" data-end="3072">
<p data-start="3023" data-end="3072"><strong>সীমা:</strong> সার্ভার/ব্যাকএন্ড ডেটা না থাকলে ফল সীমিত।</p>
</li>
</ul>
</li>
<li data-start="3074" data-end="3236">
<p data-start="3076" data-end="3115"><strong data-start="3076" data-end="3113">theHarvester / FOCA / recon-tools</strong></p>
<ul data-start="3118" data-end="3236">
<li data-start="3118" data-end="3186">
<p data-start="3120" data-end="3186"><strong>কাজ:</strong> পাবলিক ইমেইল, সাবডোমেইন, সার্ভার-ইনফো সংগ্রহে ব্যবহারযোগ্য।</p>
</li>
<li data-start="3189" data-end="3236">
<p data-start="3191" data-end="3236"><strong>সীমা</strong>: ওয়েবে যা আছে সেটা তবুওই পাওয়া যাবে।</p>
</li>
</ul>
</li>
<li data-start="3238" data-end="3409">
<p data-start="3240" data-end="3301"><strong data-start="3240" data-end="3299">Whois, Reverse-DNS, GeoIP (ARIN, RIPEstat, DomainTools)</strong></p>
<ul data-start="3304" data-end="3409">
<li data-start="3304" data-end="3343">
<p data-start="3306" data-end="3343"><strong>কাজ:</strong> ডোমেইন/আইপি-র সূত্র পেতে সহায়।</p>
</li>
<li data-start="3346" data-end="3409">
<p data-start="3348" data-end="3409"><strong>সীমা:</strong> NAT/VPN/প্রাইভেট হোস্টিং হলে লোকেশন অস্পষ্ট হতে পারে।</p>
</li>
</ul>
</li>
<li data-start="3411" data-end="3570">
<p data-start="3413" data-end="3427"><strong data-start="3413" data-end="3425">ExifTool</strong></p>
<ul data-start="3430" data-end="3570">
<li data-start="3430" data-end="3494">
<p data-start="3432" data-end="3494"><strong>কাজ:</strong> ছবি/ভিডিওর মেটাডেটা (timestamp, ক্যামেরা, GPS) পড়তে হয়।</p>
</li>
<li data-start="3497" data-end="3570">
<p data-start="3499" data-end="3570"><strong>সীমা:</strong> সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে আপলোড করলে মেটাডাটা সাধারণত সরিয়ে দেয়া হয়।</p>
</li>
</ul>
</li>
<li data-start="3572" data-end="3737">
<p data-start="3574" data-end="3618"><strong data-start="3574" data-end="3616">Google Dorking &amp; Social Media Searches</strong></p>
<ul data-start="3621" data-end="3737">
<li data-start="3621" data-end="3689">
<p data-start="3623" data-end="3689"><strong>কাজ:</strong> ইউজারনেম/ইমেইল/নাম দিয়ে পাবলিক পোস্ট, স্টোরি, কমেন্ট খোঁজা।</p>
</li>
<li data-start="3692" data-end="3737">
<p data-start="3694" data-end="3737"><strong>সীমা:</strong> প্রাইভেসি সেটিংস থাকলে দেখা যায় না।</p>
</li>
</ul>
</li>
<li data-start="3739" data-end="3902">
<p data-start="3741" data-end="3778"><strong data-start="3741" data-end="3776">Wayback Machine / archive.today</strong></p>
<ul data-start="3781" data-end="3902">
<li data-start="3781" data-end="3852">
<p data-start="3783" data-end="3852"><strong>কাজ:</strong> মুছে ফেলা পাবলিক পোস্ট বা প্রোফাইলের পুরনো কপি ধরে রাখতে পারে।</p>
</li>
<li data-start="3855" data-end="3902">
<p data-start="3857" data-end="3902"><strong>সীমা:</strong> সবকিছু ক্যাপচার হয় না; রিয়েল-টাইম নয়।</p>
</li>
</ul>
</li>
<li data-start="3904" data-end="4106">
<p data-start="3906" data-end="3970"><strong data-start="3906" data-end="3968">Telegram/WhatsApp/Signal public-channel scraping (সাবধানে)</strong></p>
<ul data-start="3973" data-end="4106">
<li data-start="3973" data-end="4030">
<p data-start="3975" data-end="4030"><strong>কাজ:</strong> জনতা-চ্যানেলে কিছু পাওয়া গেলে তা সংগ্রহ করা যায়।</p>
</li>
<li data-start="4033" data-end="4106">
<p data-start="4035" data-end="4106"><strong>সীমা:</strong> ব্যক্তিগত চ্যাট প্ল্যাটফর্ম ছাড়া অ্যাক্সেস করা বেআইনি ও অনৈতিক।</p>
</li>
</ul>
</li>
<li data-start="4108" data-end="4286">
<p data-start="4110" data-end="4161"><strong data-start="4110" data-end="4159">Timeline/Metadata tools (Plaso, log2timeline)</strong></p>
<ul data-start="4164" data-end="4286">
<li data-start="4164" data-end="4226">
<p data-start="4166" data-end="4226"><strong>কাজ:</strong> বিভিন্ন উৎস থেকে টাইমস্ট্যাম্প নিয়ে ঘটনা-রেখা বানায়।</p>
</li>
<li data-start="4229" data-end="4286">
<p data-start="4231" data-end="4286"><strong>সীমা:</strong> সঠিক ইন্টারপ্রেটেশনের জন্য ফরেনসিক দক্ষতা লাগে।</p>
</li>
</ul>
</li>
</ul>
<h2 data-start="4293" data-end="4350"><span style="font-size: 14pt;">সাধারণ তদন্ত ওয়ার্কফ্লো — ধাপে ধাপে (আইনি ও নিরাপদ)</span></h2>
<ul data-start="4351" data-end="5152">
<li data-start="4351" data-end="4441">
<p data-start="4354" data-end="4441"><strong data-start="4354" data-end="4379">প্রশ্ন নির্ধারণ করুন:</strong> শেষ seen কখন? শেষ যোগাযোগকারী কে? কোনো লোকেশন শেয়ার ছিল কি?</p>
</li>
<li data-start="4442" data-end="4568">
<p data-start="4445" data-end="4568"><strong data-start="4445" data-end="4473">পাবলিক প্রোফাইল স্ক্যান:</strong> সন্দেহভাজন ইউজারনেম দিয়ে পাবলিক পোস্ট, ফলোয়ার, ফরওয়ার্ডেড মেসেজ খুঁজুন—সবকিছু স্ক্রিনশট নিন।</p>
</li>
<li data-start="4569" data-end="4680">
<p data-start="4572" data-end="4680"><strong data-start="4572" data-end="4591">টাইমলাইন বানান:</strong> কল-লিস্ট, SMS, WhatsApp last seen, Telegram user ID — এগুলো মিলিয়ে টাইমলাইন তৈরি করুন।</p>
</li>
<li data-start="4681" data-end="4802">
<p data-start="4684" data-end="4802"><strong data-start="4684" data-end="4702">ডেটা ক্রস-চেক:</strong> প্রোফাইল ছবির ট্যimestamp, পোস্ট-লোকেশন, ইউজারনেম পরিবর্তন ইত্যাদি মিলিয়ে দেখুন কতোটা consistent।</p>
</li>
<li data-start="4803" data-end="4952">
<p data-start="4806" data-end="4952"><strong data-start="4806" data-end="4839">টেলিকম/প্ল্যাটফর্ম রিকোয়েস্ট:</strong> পাবলিক নয় এমন হলে আইনি নোটিস/সাবপোনা/পুলিশ-রেজুলেশন দিয়ে CDR, tower dump, IP logs, login timestamps চাইতে হবে।</p>
</li>
<li data-start="4953" data-end="5063">
<p data-start="4956" data-end="5063"><strong data-start="4956" data-end="4975">ফরেনসিক ইমেজিং:</strong> ডিভাইস মেলে গেলে পেশাদার ফরেনসিক টিম দিয়ে ইমেজ তৈরি করুন (write-blocker ব্যবহার করে)।</p>
</li>
<li data-start="5064" data-end="5152">
<p data-start="5067" data-end="5152"><strong data-start="5067" data-end="5092">অ্যাট্রিবিউশন-সাবধান:</strong> অনলাইনে মিল পাওয়া মানেই ঐ ব্যক্তি নয়—অতিরিক্ত প্রমাণ চাই।</p>
</li>
</ul>
<h2 data-start="5159" data-end="5205"><span style="font-size: 14pt;">কোথায় সীমা আছে — বাস্তবিক সীমাবদ্ধতাগুলি</span></h2>
<ul data-start="5206" data-end="5532">
<li data-start="5206" data-end="5283">
<p data-start="5208" data-end="5283">ইন-অ্যাপ end-to-end এনক্রিপটেড মেসেজ প্ল্যাটফর্ম ছাড়া বাইপাস করা যায় না।</p>
</li>
<li data-start="5284" data-end="5403">
<p data-start="5286" data-end="5403">কোনো অ্যাকাউন্টের প্রাইভেট চ্যাট প্ল্যাটফর্ম ছাড়া দেখলে <em data-start="5343" data-end="5355">আইনি অপরাধ</em> হতে পারে—কোর্টি অর্ডার ছাড়া চেষ্টা করবেন না।</p>
</li>
<li data-start="5404" data-end="5465">
<p data-start="5406" data-end="5465">VPN/প্রক্সি/IP-মাস্কিং থাকলে IP-অ্যাট্রিবিউশন অস্পষ্ট হয়।</p>
</li>
<li data-start="5466" data-end="5532">
<p data-start="5468" data-end="5532">সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যাকএন্ড-লগস পাবলিক নয়—আইনি রুট ছাড়া মেলে না।</p>
</li>
</ul>
<h2 data-start="5539" data-end="5587"><span style="font-size: 14pt;">বাস্তবসম্মত ফলাফল — কি পর্যন্ত আশা করা যায়</span></h2>
<ul data-start="5588" data-end="6070">
<li data-start="5588" data-end="5666">
<p data-start="5590" data-end="5666">পাবলিক প্রোফাইল থেকে দ্রুত পরিচিতি, অপারেটিং সময় ও টাইমলাইন তৈরি করা যাবে।</p>
</li>
<li data-start="5667" data-end="5763">
<p data-start="5669" data-end="5763">টেলিকম CDR/Tower-dump পেলে ফোন লোকেশন ও কল প্যাটার্ন থেকে সম্ভাব্য অবস্থান নির্ধারণ করা যায়।</p>
</li>
<li data-start="5764" data-end="5903">
<p data-start="5766" data-end="5903">ফরেনসিক ইমেজিং করলে ডিলিটেড মিডিয়া/সোশ্যাল অ্যাক্টিভিটির ট্রেস পাওয়া যেতে পারে — কিন্তু এটি ডিভাইসের স্টেট ও এনক্রিপশনের ওপর নির্ভরশীল।</p>
</li>
<li data-start="5904" data-end="6070">
<p data-start="5906" data-end="6070">ব্যক্তিগত এনক্রিপটেড মেসেজ বা ক্লাউড-অ্যাকাউন্ট লগিন-হিস্ট্রি পেতে হলে কোর্ট অর্ডার প্রয়োজন—ফল প্ল্যাটফর্মের কপিরোলার নীতির ওপর নির্ভরশীল এবং ১০০% গ্যারান্টি নেই।</p>
</li>
</ul>
<h2 data-start="6077" data-end="6127"><span style="font-size: 14pt;">আইনগত ও নৈতিক নির্দেশাবলী (অবশ্যই পালনযোগ্য)</span></h2>
<ul data-start="6128" data-end="6477">
<li data-start="6128" data-end="6210">
<p data-start="6130" data-end="6210">কাউকে <em data-start="6136" data-end="6154">ট্র্যাক বা হ্যাক</em> করার কোনো টিউটোরিয়াল বা নির্দেশ এখানে নেই—এটা বেআইনি।</p>
</li>
<li data-start="6211" data-end="6287">
<p data-start="6213" data-end="6287">সব ঘটনা রিপোর্ট করুন; কোর্ট/সাইবার ব্রাঞ্চ/পুলিশের মাধ্যমে সঠিক রুট নিন।</p>
</li>
<li data-start="6288" data-end="6378">
<p data-start="6290" data-end="6378">শিশু/নাবালকের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সতর্কতা—প্রয়োজনে আদালত বা শিশুকর্তৃপক্ষের নির্দেশ নিন।</p>
</li>
<li data-start="6379" data-end="6477">
<p data-start="6381" data-end="6477">প্রমাণ সংগ্রহে সততা ও proportionality বজায় রাখুন—অপ্রয়োজনীয়ভাবে ব্যক্তিগত ডেটা শেয়ার করবেন না।</p>
</li>
</ul>
<h2 data-start="6484" data-end="6539"><span style="font-size: 14pt;">পরিবার, স্কুল ও কলেজের জন্য প্রভূত প্রিভেনশন টিপস</span></h2>
<ul data-start="6540" data-end="6848">
<li data-start="6540" data-end="6612">
<p data-start="6542" data-end="6612">পরীক্ষার সময় <strong data-start="6555" data-end="6580">নির্দিষ্ট চেক-ইন টাইম</strong> বা সেফ-কনট্যাক্ট নম্বর রাখুন।</p>
</li>
<li data-start="6613" data-end="6689">
<p data-start="6615" data-end="6689">ছাত্রীদের বলুন: অনলাইনে কেউ পরিচয় ও ছবি চাইলে আগে অভিভাবক/স্কুলকে জানান।</p>
</li>
<li data-start="6690" data-end="6748">
<p data-start="6692" data-end="6748">অচেনা লিংক/রিকোয়েস্ট পেলেই ব্লক করুন এবং রিপোর্ট করুন।</p>
</li>
<li data-start="6749" data-end="6848">
<p data-start="6751" data-end="6848">স্কুল/কলেজে ২৪/৭ মনিটর করা একটি সেফ-কনট্যাক্ট নম্বর রাখুন যেখানে ছাত্রীরা কল করে সাহায্য পাবেন।</p>
</li>
</ul>
<h2 data-start="6855" data-end="6912"><span style="font-size: 14pt;">তদন্তকারীর জন্য </span><span style="font-size: 14pt;">দ্রুত চেকলিস্ট —  (এক পাতার সারাংশ)</span></h2>
<ul class="contains-task-list" data-start="6913" data-end="7347">
<li class="task-list-item" data-start="6913" data-end="6955">
<p data-start="6919" data-end="6955"><input disabled="disabled" type="checkbox"> শেষ দেখা সময় ও লোকেশন নোট করা আছে?</p>
</li>
<li class="task-list-item" data-start="6956" data-end="7009">
<p data-start="6962" data-end="7009"><input disabled="disabled" type="checkbox"> ডিভাইস সিকিউর করা হয়েছে এবং ব্যবহার বন্ধ আছে?</p>
</li>
<li class="task-list-item" data-start="7010" data-end="7081">
<p data-start="7016" data-end="7081"><input disabled="disabled" type="checkbox"> সব পাবলিক চ্যাট/প্রোফাইল স্ক্রিনশট নেওয়া হয়েছে (timestamps সহ)?</p>
</li>
<li class="task-list-item" data-start="7082" data-end="7129">
<p data-start="7088" data-end="7129"><input disabled="disabled" type="checkbox"> ক্লাউড ব্যাকআপ আছে কি তা চেক করা হয়েছে?</p>
</li>
<li class="task-list-item" data-start="7130" data-end="7179">
<p data-start="7136" data-end="7179"><input disabled="disabled" type="checkbox"> FIR/GD করা হয়েছে বা পুলিশকে জানানো হয়েছে?</p>
</li>
<li class="task-list-item" data-start="7180" data-end="7236">
<p data-start="7186" data-end="7236"><input disabled="disabled" type="checkbox"> টেলিকম CDR/Tower-dump আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে?</p>
</li>
<li class="task-list-item" data-start="7237" data-end="7293">
<p data-start="7243" data-end="7293"><input disabled="disabled" type="checkbox"> ফরেনসিক ইমেজিংয়ের জন্য টিম/ল্যাব কন্টাক্ট রয়েছে?</p>
</li>
<li data-start="7294" data-end="7347" class="task-list-item">
<p data-start="7300" data-end="7347"><input disabled="disabled" type="checkbox"> স্ক্রিনশট/ফাইলের মেটাডেটা নথিভুক্ত করা হয়েছে?</p>
</li>
</ul>
<h2 data-start="7354" data-end="7413"><span style="font-size: 14pt;"> মিডিয়া বা পরিবারের কাছে কী বলবেন </span></h2>
<p data-start="7414" data-end="7615">“আমরা প্রক্রিয়া অনুসরণ করছি—প্রমাণ সংরক্ষণ করা হচ্ছে, এবং আইনগত পথে তদন্ত হবে। অনাকাঙ্ক্ষিত অভিযোগ বা বিচার কাজের আগে কোনো ব্যক্তিকে দোষারোপ করবেন না; তদন্ত শেষ হলে বৈধ তথ্য অনুযায়ী সবাইকে জানানো হবে।”</p>
<h3 data-start="7622" data-end="7633">শেষ কথা</h3>
<p data-start="7634" data-end="7869" data-is-last-node="" data-is-only-node=""><span data-huuid="4255289789951859100"><span>ডিজিটাল ফরেনসিকের নৈতিক কৌশলগুলির মধ্যে রয়েছে প্রমাণের অখণ্ডতা রক্ষা, গোপনীয়তাকে সম্মান করা, অনুমোদন ছাড়া ডেটা অ্যাক্সেস না করা, এবং পক্ষপাতহীন বিশ্লেষণ ও রিপোর্ট করা।</span><span> </span></span><span data-huuid="4255289789951858093"><span>এর মধ্যে আরও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, ডিজিটাল পক্ষপাত এড়াতে স্বচ্ছতা বজায় রাখা, এবং সঠিক পদ্ধতি অনুসরণ করে প্রমাণ সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করা, যা আদালতের গ্রহণযোগ্যতা নিশ্চিত করে। </span></span>তাই বাস্তব-জীবনের নিরাপদ, আইনি ও প্র্যাকটিক্যাল রোডম্যাপ করুন—প্রয়োজনে স্থানীয় পুলিশিং বা সাইবার ক্রাইম ব্রাঞ্চের সাহায্য নিন।  </p>
<hr>
<p data-start="7634" data-end="7869" data-is-last-node="" data-is-only-node=""><span><strong>লেখক ¤ </strong>আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর। তিনি আইন, প্রযুক্তি ও ডিজিটাল নিরাপত্তা বিষয়ে লেখালেখি করেন।</span></p>
<hr>
<p data-start="7634" data-end="7869" data-is-last-node="" data-is-only-node=""></p>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</article>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>প্রথম ‘বাংলাদেশ আইসিটি অ্যান্ড ইনোভেশন’ সম্মাননা জিতলেন যারা</title>
<link>https://digibanglatech.news/158475</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158475</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_68f3b05c3fc18.jpg" length="113245" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 18 Oct 2025 19:20:41 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>“উদ্ভাবনকে স্বীকৃতি, রূপান্তরকে অনুপ্রেরণা” প্রতিপাদ্যে ১৮ অক্টোবর, শনিবার ঢাকার বসুন্ধরা আবাসিকে অবস্থিত ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ (আইইউবি) ক্যাম্পাসে প্রথম ‘বাংলাদেশ আইসিটি অ্যান্ড ইনোভেশন অ্যাওয়ার্ডস ২০২৫’ বিজয়ীদের হাতে তুলে দেয়া হলো সম্মাননা ক্রেস্ট, সার্টিফিকেট ও প্রাইজ টোকেন। সন্ধ্যায় চ্যাম্পিয়নদের হাতে ক্রেস্ট তুলে দেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ড. আনিসুজ্জামান চৌধুরী। </p>
<p>প্রথম আসরে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ৯টি উদ্যোগ। এরমধ্যে শিক্ষার্থী ক্যাটাগরিতে মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (মিস্ট) দলের উদ্ভাবন র‍্যাডসেফ; রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) উদ্ভাবন বৃত্ত ডট এক্সওয়াইজেড; আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজের কেয়ার হুইলচেয়ার এবং রাজউক উত্তরা মডেল কলেজের শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবন সেফ স্টেপ-কে চ্যাম্পিয়ন সম্মানা দেয়া হয়।<o:p></o:p></p>
<p>আর ব্যক্তিগত উদ্যোগ হিসেবে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে <span>সেবার জানালা</span><span><span style="font-family: Kalpurush;">– </span></span><span>ইমপ্যাক্টফিউজ কোয়ালিশন</span><span>। </span><span><o:p></o:p></span></p>
<p>এছাড়াও প্রতিষ্ঠান শ্রেণীতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে টানেলার্স এর জন্য ফাস্ট অ্যান্ডভান্সড অব বাংলাদেশ (এমটিবিএম) বোর্ড; ই-রিটার্ন সিস্টেম এর জন্য সিনেসিস আইটি পিএলসি’; কমপ্লিফাই এর জন্য রাইজআপ ল্যাবসএবং রোবোলাইফ বায়োনিক আর্ম প্রতিষ্ঠাতা রোবোলাইফ টেকনোলজিস।</p>
<p>আয়োজকরা জানান, <span>সারাদেশ থেকে</span><span> </span><span>২৫৫টি আইডিয়া</span><span> </span><span>প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। এর মধ্য থেকে</span><span> </span><span>৯০টি আইডিয়া</span><span> </span><span>প্রাথমিকভাবে বাছাই করা হয়। পরবর্তীতে</span><span> </span><span>৯ অক্টোবর আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি</span><span><span style="font-family: Kalpurush;">–</span></span><span>বাংলাদেশ (এআইইউবি)</span><span> </span><span>ও</span><span> </span><span>১১ অক্টোবর ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ (ইউল্যাব)</span><span>-</span><span>এ অনুষ্ঠিত চূড়ান্ত মূল্যায়ন পর্ব শেষে</span><span> </span><span>৩২টি আইডিয়াকে পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়। চ্যাম্পিয়ন ছাড়া বাকিদের উইনার ও মেরিট ক্যাটাগরিতে পুরস্কৃত করা হয়। </span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span>উইনার </span></b><b><span><o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><b><span>শিক্ষার্থী শ্রেণি</span></b><b><span> :</span></b><span> </span><span>ব্র্যাকইউ মঙ্গলতরী</span><span><span style="font-family: Kalpurush;">– </span></span><span>ব্র্যাক </span><span>ইউনিভার্সিটি; </span><span>ড্রেইনসেন্স</span><span><span style="font-family: Kalpurush;">– </span></span><span>ঢাকা গভর্নমেন্ট পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট</span><span>; </span><span>হাইব্রিড ফ্রড শিল্ড</span><span><span style="font-family: Kalpurush;">– </span></span><span>আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি</span><span><span style="font-family: Kalpurush;">–</span></span><span>বাংলাদেশ (এআইইউবি)</span><span>; অ</span><span>জগর</span><span><span style="font-family: Kalpurush;">– </span></span><span>ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি</span><span> (ডিআইইউ); সহপাঠী এআই- </span><span>জিএনআরএফ ইউনিভার্সিটি অ</span><span>ব</span><span> ম্যানেজমেন্ট সায়েন্সেস</span><span>। </span><span><o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span>প্রতিষ্ঠান শ্রেণি</span></b><b><span> :</span></b><span> </span><span>ডিএলআরএমএস সফটওয়্যার</span><span><span style="font-family: Kalpurush;">– </span></span><span>সফটবিডি লিমিটেড</span><span>; </span><span>মোবিম্যানেজার</span><span><span style="font-family: Kalpurush;">– </span></span><span>ইনোভেক্স আইডিয়া সলিউশন লিমিটেড</span><span>; </span><span>ন্যায্যমূল্য</span><span> (ফেয়ার প্রাইজ)– </span><span>আইএক্সোরা সলিউশন লিমিটেড</span><span>।</span><span><o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span>ব্যক্তি/দল শ্রেণি</span></b><b><span> :</span></b><span> </span><span>প্রজেক্ট পানি</span><span> </span><span>ও ‍কিউআরএআরজি আই </span><span>মোশন ট্র্যাকার</span><span>।</span><span><o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span>মেরিট </span></b><b><span><o:p></o:p></span></b></p>
<p class="MsoNormal"><b><span>শিক্ষার্থী শ্রেণি</span></b><b><span> :</span></b><span> </span><span>দোকান</span><span><span style="font-family: Kalpurush;">– </span></span><span>ইউনিভার্সিটি অব ইনফরমেশন টেকনোলজি অ্যান্ড সায়েন্স</span><span>; </span><span>সোলারশিল্ড</span><span> <span style="font-family: Kalpurush;">– </span></span><span>জেডএনআরএফ ইউনিভার্সিটি অব ম্যানেজমেন্ট সায়েন্স</span><span>স; </span><span>গ্লুসনিক</span><span><span style="font-family: Kalpurush;">–</span></span><span>ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়</span><span>; </span><span>ব্লিংকটক</span><span><span style="font-family: Kalpurush;">–</span></span><span>জেডএনআরএফ ইউনিভার্সিটি অব ম্যানেজমেন্ট সায়েন্স</span><span>স; </span><span>বার্তাপ্রহরী</span><span><span style="font-family: Kalpurush;">– </span></span><span>এআইইউবি</span><span>; </span><span>স্টাইলঅন</span><span><span style="font-family: Kalpurush;">–</span></span><span>ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি</span><span>।</span><span><o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span>প্রতিষ্ঠান শ্রেণি</span></b><b><span> :</span></b><span> </span><span>জেনওএস অটোমোটিভ অপারেটিং সিস্টেম</span><span><span style="font-family: Kalpurush;">–</span></span><span>জা</span><span>দু</span><span>পিসি</span><span>; </span><span>ন্যাশনাল জব পোর্টাল</span><span><span style="font-family: Kalpurush;">– </span></span><span>সিনেসিস আইটি পিএলসি</span><span>; </span><span>পেপ্রোটেক্ট</span><span><span style="font-family: Kalpurush;">–</span></span><span>ইনোভেক্স আইডিয়া সলিউশন লিমিটেড</span><span>।</span><span><o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><b><span>ব্যক্তি/দল শ্রেণি</span></b><b><span> :</span></b><span> </span><span>অ্যাম্মাউ</span><span>, অ্যাঙ্ক</span><span>র</span><span> আই</span><span> </span><span>ও </span><span>ই-ভো</span><span>।</span><span><o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal"><span>বাংলাদেশ আইসিটি অ্যান্ড ইনোভেশন নেটওয়ার্ক (</span><span>বিন) এর </span><span>আয়োজনে সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানের</span><span> </span><span>টাইটেল স্পনসর</span><span> </span><span>ছিল</span><span> </span><span>এনসিসি ব্যাংক পিএলসি</span><span>; </span><span>গোল্ড স্পনসর</span><span><span style="font-family: Kalpurush;">– </span></span><span>মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি ও আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি</span><span><span style="font-family: Kalpurush;">–</span></span><span>বাংলাদেশ (এআইইউবি)</span><span>; সিলভার স্পন্সর- সিটি ব্যাংক </span><span>পিএলসি</span><span>; </span><span>নলেজ পার্টনার</span><span><span style="font-family: Kalpurush;">– </span></span><span>আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি</span><span><span style="font-family: Kalpurush;">–</span></span><span>বাংলাদেশ (এআইইউবি)</span><span>, </span><span>ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি</span><span>, </span><span>বাংলাদেশ (আইইউবি) এবং ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ (ইউল্যাব)।</span><span> </span><span>প্রযুক্তিগত সহায়তা দিয়েছে</span><span> </span><span>রেড ডেটা (প্রা.) লি.</span><span>; </span><span>গিফট স্পনসর</span><span><span style="font-family: Kalpurush;">– </span></span><span>সুপার স্টার গ্রুপ</span><span>, </span><span>শেয়ারট্রিপ ও দারাজ</span><span>; </span><span>ডিজিটাল ক্যাম্পেইন পার্টনার</span><span> ছিলো </span><span>স্মার্ট ট্রেন্ড ডিজিটাল</span><span> এবং </span><span>স্ট্র্যাটেজিক</span><span> পার্টনার</span><span>- </span><span>জেসিআই বাংলাদেশ</span><span>।</span><span> </span></p>
<p><span> </span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>যে পথে ডিজিটাল অর্থনীতির জন্য প্রস্তুত হচ্ছে দেশের আইসিটি খাত</title>
<link>https://digibanglatech.news/158453</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158453</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202508/image_870x580_68963a2344da1.jpg" length="129039" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 18 Oct 2025 10:27:15 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>জুলাই অভ্যুত্থানের পর শুরু হয়েছে দেশ পূণর্গঠনের কাজ। কেননা, বিগত ১৫ বছরে হ্যামিলিয়নের বাঁশিওয়ালার মতো দেশের ‘তথ্যপ্রযুক্তি খাত’-কে বিপজ্জনক অবস্থায় নিয়ে গেছে জনরোষে পদচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকার। সেই সময়ের বিনিয়োগগুলো ছিল সংযোগের দিক থেকে বিচ্ছিন্ন, নিরাপত্তায় ঝুঁকিপূর্ণ আর খরচে লুটপাট ও দুর্নীতিপ্রবণ। একইভাবে নিপীড়নমূলক একটি  সাইবার নিরাপত্তা আইন দিয়ে পুরো টেলিযোগাযোগ এবং আইসিটি খাতকে করা হয় বিপথগামী।  ঝুঁকিপূর্ণ পরামর্শক এবং অযোগ্য ভেন্ডার নিয়োগ করে ব্যাপক অর্থ খরচ করে মন্ত্রণালয় দপ্তর সংস্থা বিভাগভিত্তিক কিছু ডিজিটাল আইল্যান্ড তৈরি করা হয়েছে ঠিকই তবে সেখানে ইন্টারঅপারাবিলিটি কিংবা আন্তঃসংযোগ গুরুত্ব পায়নি। ন্যাশনাল কানেক্টিভিটি বাস (বিএনডিএ) কিংবা ন্যাশনাল সার্ভিস বাসের (এনইএ) মতো কনসেপ্টগুলো ছিলো কাগজ নির্ভর। এমন বাস্তবতায় কীভাবে সেই ঝুঁকিপূর্ণ খাদের কিনারা থেকে টেনে তোলা হচ্ছে সেই কথাই সবিস্তারে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়) ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। দেশের টেলিকম ও তথ্য প্রযুক্তি খাতের নতুন বন্দোবস্তের সেই বয়ানই তুলে ধরা হলো নিচে।   </p>
<p><strong>৩ জায়গাতেই ক্যাপাসিটি ঝুঁকিপূর্ণ</strong></p>
<p>অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দায়িত্বে এসে আমরা দেখতে পেয়েছি ন্যাশনাল ডেটা সেন্টারে সক্ষমতা একেবারেই সীমিত, সিকিউরিটি মেজার অপ্রতুল এবং এনলাইটিকস অনুপস্থিত। ডেটাসেন্টারের ন্যাটিভ ফ্যাসিলিটিগুলোর মেমোরি,  প্রসেসিং পাওয়ার, স্টোরেজ তিনটি জায়গাতেই ক্যাপাসিটি ঝুঁকিপূর্ণ পর্যায়ে চলে গেছে। উপরন্তু ডিজাস্টার রিকভারি সেন্টারের সক্ষমতা মূল সক্ষমতার মাত্র ১২-১৫ শতাংশ। ডাটা সেন্টার এবং ক্লাউড ফেসিলিটির এনভায়রনমেন্টাল ড্যাশবোর্ড, পেলোড ডিস্ট্রিবিউশন, ইন্টারনেট থ্রুপুট এলোকেশন, এন্টি ডিডস মেজার ইত্যাদি মৌলিক বিষয়াদি অনুপস্থিত ছিল। নেটিভ ক্লাউডের সার্ভারগুলোর ভার্চুয়াল মেশিন গুলোর পার্ফর্মেন্স মনিটরিং ছিল না। </p>
<p><strong>লুটপাটের ডেটা সেন্টার</strong></p>
<p>বাংলাদেশ ডাটা সেন্টার কোম্পানিতে দুটি দুর্নীতি লুটতরাজ বান্ধব চুক্তি করা হয়েছে। প্রায় ৭ মিলিয়ন ডলারে চীনা প্রতিষ্ঠানের সাথে একটা চুক্তি করা হয়েছে যার সার্ভারগুলো কখনোই ব্যবহৃত হয়নি এবং প্রকল্প হস্তান্তরের আগেই হার্ডওয়্যার মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে গিয়েছিল। একটি মার্কিন প্রতিষ্ঠানের সাথে অন্য চুক্তিতে ক্লাউড ক্রেডিট কেনার নাম করে বিদ্যুৎ খাতের ক্যাপাসিটি চার্জের আদলে এমন অন্যায় চুক্তি করা হয়েছে যেখানে সরকারকে ৩ বছরে  ২৩,৯ মিলিয়ন ডলার পরিশোধ করতে হবে, অথচ সেই ক্লাউড ফেসিলিটি তিন বছরে সর্বমোট ৬ মিলিয়ন ডলারের বেশি আয় করার কোন সম্ভাবনা নেই। <em>যেখানে ক্লাউড হচ্ছে ‘পে অ্যাজ ইউ গো’, অর্থাৎ যতটুকু ব্যবহার ততটুকু উপর বিল পরিশোধ, সেখানে সাবেক সরকার এমন চুক্তি করেছে যার মাধ্যমে ক্লাউড ব্যবহার হোক বা না হোক সেখানে ১৮ মিলিয়ন ডলার পেমেন্ট করতেই হবে, কোন ক্রেডিট ফরোয়ার্ডিং হবে না এবং হার্ডওয়ারের মালিকানা না থেকেও বাংলাদেশ সরকারকে ডিউটি পেমেন্ট করতে হয়েছে। </em><strong>   </strong> </p>
<p>এছাড়াও গার্টনার র‍্যাংকিংয়ে শীর্ষে থাকা মানসম্পন্ন কোনো সিকিউরিটি সফটওয়্যার পাওয়া যায়নি বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের বিডিজি-ই-গভ সার্টে। জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা  কাউন্সিল এর জনবল, কম্পিউটার ল্যাব এবং টুলগুলো অত্যন্ত সাধারণ মানের ছিল।</p>
<p><strong>পৈত্রিক কাজে এটুআই </strong></p>
<p>এটুআইয়ে ইনোভেশনের নামে  নামে বৈধ এবং অবৈধভাবে বেশ কিছু প্রকৃত ইনোভেশন নয় এমন প্রকল্প নিয়েছে, মার্কেটপ্লেসভিত্তিক প্রকল্প নিয়েছে। গেমিং প্রকল্প করে দেশের গেমিং ইন্ডাস্ট্রি ডেভলপমেন্ট সফটওয়্যার, ট্রেনিং ফেসিলিটি, ভৌত অবকাঠাম ইত্যাদি সরবরাহ না করে শেখ মুজিবুর রহমান, শেখ হাসিনা এবং শেখ রাসেলের নামে সিনেমা বানানো হয়েছিল।</p>
<p><strong>বাংলাদেশ হাইটেক পার্কের স্বজনপ্রীতি</strong></p>
<p>বাংলাদেশ হাইটেক পার্কের অধীনে স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে জমি নির্বাচন করে ২০টির বেশি সফটওয়্যার ইনকিউবেশন সেন্টার স্থাপনের জন্য একাধিক প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পগুলোর ভূমি নির্বাচন এতটাই দুর্নীতি হয়েছে যে, লোকালয় কিংবা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে দূরবর্তী স্থানে অবস্থিত এসব সফটওয়্যার সেন্টারে বিনিয়োগকারী, শিক্ষার্থী কিংবা আইটি কোম্পানি কাউকে আকৃষ্ট করানো যাচ্ছে না। সিলেটের হাইটেক পার্ক নগর থেকে প্রায় ৪৫ কিলোমিটার দূরে। গাজীপুরের কালিয়াকৈর হাইটেক পার্ক ব্যাপক পরিমাণ জমি শুধুমাত্র দুটি কোম্পানিকে বরাদ্দ দিয়ে রাখা।</p>
<p>ডিপার্টমেন্ট অফ আইসিটি এমন প্রকল্প করেছে তার ইনপুট ২০১৬/১৭ সালে দেওয়া, ফলে দীর্ঘ সময় পেরিয়ে প্রকল্পটির উপযোগিতা অবশিষ্ট নেই।</p>
<p><em>বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল ইনফো সরকার নামে ইউনিয়ন ও উপজেলা পর্যায়ে ফাইবার সংযোগের জন্য অপটিক্যাল ফাইবার সংগ্রহের জন্য বড় প্রকল্প করেছে, কিন্তু সেটিও পাঁচ বছর সময়ক্ষেপণ করে মাত্র ১০% রিভিউ শেয়ারিং এ দুটি কোম্পানিতে ভাগাভাগি করে দেওয়া হয়েছে।</em></p>
<p><strong>অকার্যকর সিসিএ</strong></p>
<p>ডিজিটাল স্বাক্ষরের জন্য সিসিএ নামক প্রতিষ্ঠানটিকে পুরোপুরি অকার্যকর রেখে দেওয়া হয়েছে, যার কোনো সিকিউর ওয়েব ট্রাস্ট সার্টিফিকেট নেই, ডিএনএস কিংবা এসএসএল সিকিউরিটি নেই, নেই আন্তর্জাতিক পিকেআই ফোরামের  স্বীকৃতি।</p>
<p>অর্থাৎ, একদিকে ইন্টার অপারাবিলিটি নেই, অন্যদিকে নেই ডাটা সেন্টার ও ক্লাউড ক্যাপাসিটি, নেই সক্ষম সাইবার নিরাপত্তা টুলস, নেই কার্যকর সাইবার অপারেশন সেন্টার। এর মধ্যেই শুরু হয়েছে কোটি কোটি নাগরিকের তথ্য ডার্ক ওয়েবে বেচাকেনার মহামারি, নাম সর্বস্ব নির্মাতা প্রতিষ্ঠান যাদের ন্যূনতম ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষা কিংবা সাইবার সুরক্ষা নেই কিংবা এপিআই সুরক্ষা ইত্যাদির ব্যাপারে ন্যূনতম জ্ঞান নেই, দক্ষ কর্মী নেই, আন্তর্জাতিক সার্টিফিকেট নেই, তাদেরকে গুরুত্বপূর্ণ কাজ দেওয়া হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে সোর্স কোডগুলো অপরিপক্ক। যে কোম্পানির বিরুদ্ধে আদালতে নাগরিকের তথ্য বিক্রির অভিযোগ তাকেই বিসিসি এজ প্রজেক্টের কম্পোনেন্ট হিসেবে কৌশলগত ইন্টার অপারেবিলিটির কাজ দেওয়ার ফন্দি হয়েছে বিগত সরকারের আমলে।</p>
<p><strong>ট্রেনিং না দিয়েই টাকা লোপাট</strong></p>
<p>বিভিন্ন পর্যায়ে আইসিটি ট্রেনিং দেওয়া হচ্ছিল ঠিকই। তবে ট্রেনিং কারা দেয়, কিভাবে দেয়, আদৌ দিচ্ছে কিনা, লার্নিং ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার না করে ভুল প্রক্রিয়ায় টেনিং আয়োজন চলছিল। দেখা গেছে ট্রেনিং না দিয়ে টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে, একই এনআইডির বিপরীতে একাধিকবার ট্রেনিং সংক্রান্ত টাকা উত্তোলনের ঘটনা ঘটেছে। </p>
<p>ফ্রিল্যান্সার তৈরির জন্য যেসব কম্পিউটার দেওয়া হয়েছিল সেগুলো এতই নিম্নমানের যে, যে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই কাজ করা যায় না, ওপেন করা যায় না কম্পিউটার।</p>
<p><strong>শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব সাপোর্ট প্রকল্পে দেশেব্যাপী নয় হাজার স্কুলের যেসব ল্যাপটপ দেওয়া হয়েছে তার প্রায় ৫০-৬০ শতাংশ আজ অকেজো। </strong></p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x_68f33518bd844.jpg" alt=""></p>
<p>একেবারে লেজগোবরে এবং ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় দায়িত্ব নিয়ে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি মৌলিক পরিবর্তন আনার।</p>
<p><span style="font-size: 18pt; color: rgb(10, 137, 17);"><strong>ঘুড়ে দাঁড়ানোর পালা</strong></span></p>
<p><span style="font-size: 12pt;">ঘুড়ে দাঁড়াতে প্রথমেই </span>নাগরিক সেবার জন্য যৌক্তিক কোনো ভ্যালু তৈরি করে না এ ধরনের সব প্রকল্প বন্ধ করা। এর মাধ্যমে প্রায় আড়াই হাজার কোটি টাকার প্রকল্প আমরা বন্ধ করেছি। এটুআই এবং গেমিং প্রকল্প যে ভ্যানডর নির্ভর, অযৌক্তিক যেসব অ্যাপগুলো তৈরি করতো সেসব বন্ধ করা হয়েছে। </p>
<p>ক। আইসিটির চলমান ২০টি প্রকল্পের প্রতিটির সাব কম্পনেন্ট এবং কম্পনেন্টগুলোকে ক্রিটিক্যাল রিভিউ করা হয়েছে। </p>
<p>খ। প্রতিটাতে একসেপ্টস ক্রাইটেরিয়াগুলো নতুনভাবে ডিফাইন করা হয়েছে।</p>
<p>গ। প্রতিটা প্রকল্পের এক্সিট প্ল্যান তৈরি করা হয়েছে।</p>
<p>ঘ। যেসব প্রকল্পের ভৌত অবকাঠাম হিসেবে হার্ড ফ্যাসিলিটি আছে, কিন্তু সেখানে সফট স্কিল ডেভেলপমেন্ট ফেসিলিটি নাই, সেজন্য নতুন করে স্কিল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।</p>
<p><strong>এভাবে একদিকে রাষ্ট্রের কষ্টার্জিত অর্থের সাশ্রয়, অন্যদিকে ব্যয়িত অর্থের বিপরীতে ”ভ্যালু অফ মানি” এন্ড ”ভ্যাল্যু অফ সার্ভিস” তৈরির পথ খোঁজা হয়েছে।</strong></p>
<p>দ্বিতীয় পদক্ষেপ হিসেবে জরুরীভিত্তিতে ন্যাশনাল ডাটা সেন্টারের এক্সপানশন কর্মকাণ্ড চলছে, ডিজাস্টার রিকভারি এক্সপনশনের কার্যক্রম শুরু করেছি আমরা আইসিটি থেকে ।</p>
<p>পাশাপাশি কালিয়াকৈর হাইটেক পার্কের ডেটা সেন্টারে ক্লাউড ফ্যাসিলিটি নির্মাণে দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠানের সাথে আলোচনার উদ্যোগ নিয়েছি। দেশে যাতে পূর্ণমাত্রায় সিডিএন ক্যাশ, এজ রাউটার, হাইপার স্কেলার ফ্যাসিলিটি আনা যায়।</p>
<p>তৃতীয় ধাপে প্রতিটি অসম চুক্তি সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইনফো সরকার-৩, ডাটা সেন্টার, ক্লাউড, হাইটেক পার্কের জমি বরাদ্দ ইত্যাদি চুক্তি পূনর্বিবেচনার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ভেন্ডরের সাথে স্পেসিফিকেশন রিভিউয়ের মত কাজ আমরা হাতে নিয়েছি। সফটওয়্যার স্পেসিফিকেশন থেকে শুরু করে ডেটা সেন্টার স্পেসিফিকেশন ডকুমেন্ট রিভিউ করে সেগুলো সংশোধন করে আপডেট করেছি।  </p>
<p><strong>ভেন্ডর লক পরিস্থিতি থেকে বেরুতে সোর্স কোড সংগ্রহ এবং গিট হাব প্রতিষ্ঠা</strong></p>
<p>এটুআই ও বিসিসির ভেন্ডরগুলো থেকে সোর্সকোড টেক ওভার করা, যাতে সরকার সফটওয়্যার লক এবং ভেন্ডর লকড না হয়ে যায়। এজন্য এটুআই ও বিসিসির যৌথ উদ্যোগে ‘গিট হাব’ তৈরি করা হয়েছে। </p>
<p>আইসিটি থেকে আমরা দেশের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও প্রতিষ্ঠানের সফটওয়্যার সিস্টেমের উন্নয়নে সাপোর্ট দেয়া শুরু করেছি। বিআরটিএ, বাংলাদেশ রেলওয়ে, ভূমি মন্ত্রণালয়, বিটিসিএল, চট্রগ্রাম পোর্ট অথোরিটির সফটওয়্যার সমূহের সোর্স কোড পুনরুদ্ধার, সফটওয়্যার সিস্টেম সহজীকরণ এবং নিরাপত্তা সংযোজন নিয়ে কাজ করছি। এছাড়া বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়, ঢাকা রোড ট্রান্সপোর্ট অথোরিটি, ঢাকা উত্তর সিটিসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সাথে যুক্ত হচ্ছি। </p>
<p>ইতোমধ্যেই আইসিটির ডিজাইনে একটি পুলিশ কমিউনিকেশন অ্যাপ তৈরি করা হয়েছে যা ওল্ড স্কুল ওয়াকিটকিকে রিপ্লেইস করবে, বাংলাদেশ পুলিশকে অ্যাপভিত্তিক ‘পুশ টু টক’ সেবা দেবে। ঢাকা সিটির জন্য একটা রিক্সা রেজিস্ট্রেশন অ্যাপ তৈরি করা হয়েছে, যা কিউআর কোডভিত্তিক নাম্বার প্লেট জেনারেট করবে।  বর্তমানে ইউনিফায়েড টিকেটিংয়ের কাজ হাতে নিয়েছি, আমরা যাতে বিমান, রেল, বাস, ট্রাক, লঞ্চ, টোলসহ সব ধরনের সরকারি ট্রান্সপোর্টেশনের একটা মার্কেট প্লেস তৈরি হয়। এর পাশাপাশি বেসরকারি বাসের টিকেটিং সিস্টেমের জন্য কিউআর কোডভিত্তিক পস-টার্মিনাল এবং বাস-ভেলিডেটর সেট মিলিয়ে এপভিত্তিক টিকেটিং এর কাজ শুরু হয়েছে।     </p>
<p><span style="color: rgb(0, 0, 0);"><strong>এক ঠিকানায় সব নাগরিক সেবা আনার স্বপ্নযাত্রা</strong></span></p>
<p>আমরা চেষ্টা করেছি সব মন্ত্রণালয়ের সবগুলো সেবার ফ্রন্ট ডেস্ক সার্ভিস নাগরিক সেবা প্ল্যাটফর্মে এনে প্রাথমিক পর্যায়ের আবেদন নবায়ন ইত্যাদি গ্রহণ করা। ইন্টারঅপারাবিলিটির মাধ্যমে একটি ন্যাশনাল কানেক্টিভিটি হাব বা ন্যাশনাল এপিআই হাব বা ন্যাশনাল সার্ভিস হাব তৈরি করে নাগরিক সেবা প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসা। যাতে করে মানুষ অফিসে না গিয়ে শুধুমাত্র একটি সার্ভিস সেন্টারে গিয়ে বিভিন্ন সেবার আবেদন এবং নবায়ন করতে পারেন. এটিকে আমরা নাম দিয়েছি নাগরিক সেবা বাংলাদেশ, এক ঠিকানায় সব সেবা। </p>
<p>অর্থাৎ প্রতিটি সরকারি অফিসের সেবাকে এক জায়গায় এনে নাগরিকদেরকে হয়রানি মুক্ত সেবা দানের লক্ষ্যে নাগরিক সেবার মাধ্যমে ন্যাশনাল এপিআই কানেক্টিভিটি হাব তৈরি করা হচ্ছে। এর ফলে ভিন্ন ভিন্ন অফিসের শত শত ওয়েবসাইটে গিয়ে আলাদাভাবে সেবার আবেদন করার প্রয়োজন পড়বে না, বরং এক জায়গায় সব সেবা পাওয়ার জন্য একটা ন্যাশনাল কানেক্টিভিটি হাব দাঁড়িয়ে যাচ্ছে। অতীতে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের অনলাইন সেবা, ডিজিটাল সেন্টারসহ যেসব ডিজিটাল আইল্যান্ড করা হয়েছে নাগরিক সেবা সেগুলোকেও ইন্টারকানেক্ট ও ইন্টারঅপারেবল করবে। নাগরিকদেরকে প্রয়োজনীয় সব সেবা এক জায়গায় দিতে এটি বাংলাদেশের প্রথম সিটিজেন সার্ভিস কানেক্টিভিটি হাব।</p>
<p>বিচ্ছিন্নভাবে সব মন্ত্রণালয়ের সব ওয়েবসাইটে আলাদা আলাদা ভাবে না গিয়ে একটি ন্যাশনাল এপিআই হবে সবাইকে সংযোগ করা গেলে, একটি জাতীয় সার্ভিস প্লাটফর্ম তৈরি হবে, প্লাটফর্মে বসে সব মন্ত্রণালয়ের সব সেবার এক্সেস পাওয়া যাবে, ইতোমধ্যে আমরা ছয়টা মন্ত্রণালয়কে এই কমন প্লাটফর্মে যুক্ত করতে পেরেছি, চেষ্টাটা অব্যাহত থাকবে।</p>
<p>আমরা স্বপ্ন দেখি একদিন জন্ম-মৃত্যু-নিবন্ধন কিংবা এত সংক্রান্ত তথ্য সংশোধন, জাতীয় পরিচয় পত্র বা এনআইডি সংক্রান্ত যেকোনো ধরনের সেবা,  পাসপোর্ট এর আবেদন নবায়ন, ড্রাইভিং লাইসেন্স,  ট্রেড লাইসেন্স, ট্রেডমার্ক,  বিভিন্ন কোম্পানির পরিবেশগত ছাড়পত্র, বিদ্যুৎ পানি গ্যাস ইত্যাদির ইউনিটি সংক্রান্ত আবেদন নবায়ন পরিবর্তন, সার্টিফিকেট সহ বিভিন্ন ধরনের এটেস্টেশন, কিংবা পুলিশের মামলা জিডি ইত্যাদি সবকিছু একটা মাত্র সেবা কেন্দ্রে গিয়েই সম্ভব হবে, এই স্বপ্ন যাত্রাটা নাগরিক সেবার মাধ্যমে শুরু হয়েছে</p>
<p><span style="font-size: 18pt; color: rgb(186, 55, 42);"><strong>আইসিটি মাস্টারপ্ল্যান</strong></span></p>
<p>আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পরে আইসিটি মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন করেছি। দুটি স্টেজে এটা করা হয়েছে। প্রথমে জাইকা সীমিত পরিসরে কান্ট্রি স্ট্যাডি করে একটা প্ল্যান দিয়েছে। সেখানে পূর্ণ ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন মাস্টার প্ল্যান এবং আইসিটির রিফর্ম রোডম্যাপের অনেক এলিমেন্ট অনুপস্থিত বলে আমরা নিজেরা আরেকটি আইসিটি মাস্টার প্ল্যান করেছি। এর খসড়া ইতিমধ্যেই প্রকাশিত হয়েছে। এই মাস্টারপ্ল্যানে ২০২৭ এবং ২০৩০ এ আইসিটি খাতে দক্ষ জনবল, সফটওয়্যার পার্ক তৈরি, আইসিটি রপ্তানি বৃদ্ধিসহ ভিশনারি টার্গেট সেট করা হয়েছে।</p>
<p>আমরা চাই আগামী পাঁচ বছরে আইসিটি খাতে অন্তত ছয় মিলিয়ন দক্ষ জনশক্তি তৈরি করতে এবং একই সাথে আয় ৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যেতে। সেজন্য ঢাকায় একাধিক সফটওয়্যার পার্ট নির্মাণের জন্য গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, রাজউক এবং সিটি কর্পোরেশনকে জমির চাহিদা পত্র দেওয়া হয়েছে, পাশাপাশি বিটিসিএল ও ডাক বিভাগসহ সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের জমিতে সফটওয়্যার পার্ক নির্মাণ করে সেখানে বেসরকারি কোম্পানিগুলোর জন্য মেট্রোপলিটন সেন্ট্রিকওয়ার্ক স্পেইস তৈরির (অফিস ভাড়া) উদ্যোগ নিচ্ছি। এর সাথে আমরা সেমাইকন্ডাক্টর খাতকে একটি বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে সেজন্য কিছু ল্যাব তৈরি করা, মেকারস স্পেস তৈরি করাকে গুরুত্ব দিচ্ছি।</p>
<p><strong>ইন্ডাস্ট্রি সার্টিফায়েড প্রশিক্ষণ শুরু</strong> </p>
<p>নতুন ধরার ট্রেনিং প্রকল্প শুরু করেছি। বর্তমানে আমরা সবগুলো ট্রেনিং ডিপিপির কাজ করছি, এখানে আমরা আন্তর্জাতিক মানের ফ্রিল্যান্সার, মাই এসকিউএল, পাইথন প্রোগ্রাম, ক্লাউড ভিত্তিক ডিজিটাল কনটেন্ট ক্রিয়েটিং, সাইবার সিকিউরিটি, কনটেন্ট বেজড মোজো জার্নালিজম, ডিজিটাল ভেরিফিকেশন ইত্যাদির উপরে এমন ট্রেনিং কারিকুলাম সাজাচ্ছি যাতে দুটি সার্টিফিকেশন নিশ্চিত থাকবে। </p>
<p>ক. হয় ট্রেনিংগুলো ন্যাশনাল স্কিল ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (ন্যাশনাল স্কিল ডেভেলপমেন্ট অথোরিটি) এনএসডিএ কর্তৃক স্বীকৃত হবে। </p>
<p>খ. অথবা ট্রেনিং গুলোর কোনো আন্তর্জাতিক সার্টিফিকেশন থাকবে। </p>
<p>এর উদ্দেশ্য ইন্ডাস্ট্রির জন্য দরকারি তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক এলিমেন্টারি স্কিল গ্যাপ পূরণ করা। পাশাপাশি আমাদের শিক্ষার্থীরা এই ট্রেনিং করে পরে যাতে এই সার্টিফিকেট কর্মজীবনে কাজে লাগাতে পারেন।</p>
<p>আমরা নিয়ম করেছি. এখন থেকে আইসিটি ডিভিশন থেকে জাতীয় কিংবা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে স্বীকৃত সার্টিফিকেটবিহীন কোনো ট্রেনিং দেয়া হবে না। ডিপিপি সংশোধন শেষ করে আমরা অচিরেই হার পাওয়ার, লার্নিং এন্ড আর্নিং, এডভান্স ফ্রিল্যান্সার ট্রেনিং, এডভান্স প্রোগ্রামিং ট্রেনিং, মোবাইল আইসিটি ট্রেনিংসহ ইত্যাদি ট্রেনিং কার্যক্রম শুরু করব। ট্রেনিংগুলো শেষ করে পরীক্ষা হবে, পরীক্ষায় যারা একটা মানসম্পন্ন স্কোর করবে তাদেরকে কিছু সম্মানী দেওয়া হবে এবং প্রয়োজনে ল্যাপটপ দেওয়া হবে যার মালিকানা আইসিটির থাকবে তবে শর্ত এমন হবে যে,  সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের সাথে মেইনটেনেন্স চুক্তি থাকবে তাতে ল্যাপটপগুলো সচল থাকে এবং দরকারে সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ল্যাপটপ প্রতিস্থাপন করতে পারে।</p>
<p><span style="color: rgb(35, 111, 161); font-size: 18pt;"><strong>ডেটা গভর্নেন্স ও ইন্টার অপারেবিলিটির মহাযাত্রা</strong></span></p>
<p>বাংলাদেশের ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন কিছু ডিজিটাল আইল্যান্ড এ ফ্রাগমেন্টেড হয়েছে। এতে ইন্টারকানেক্টিভিটি এবং ইন্টারঅপারাবিলিটি পর্যাপ্তভাবে তৈরি হয়নি। প্রতিষ্ঠানগুলো বিচ্ছিন্নভাবে নিজেদের মতো করে এপিআই সংযোগের মতো একটা অনিরাপদ যাত্রায় নিয়োজিত ছিল। আমাদের মনে হয়েছে, এর পরিবর্তে বাংলাদেশে একটি সত্যিকারের ডাটা গভর্নেন্স এবং ইন্টার অপারেবল ব্যবস্থা দরকার।</p>
<p>সেজন্য ডেটা গভর্নেন্সের ন্যাশনাল রিকোয়ারমেন্ট গুলোকে আমরা তিন স্তরে সাজিয়েছি। </p>
<p><strong>ক. ডিপিআই সংশ্লিষ্ট আইনি কাঠামোগুলো ঠিক করা</strong></p>
<p>– সাইবার নিরাপত্তা আইন যা আমরা ইতিমধ্যেই পাস করেছি। </p>
<p>– ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষা আইন যা আমরা সব ধরনের কনসালটেশন শেষ করে ক্যাবিনেটে পাস করেছি।</p>
<p>– ন্যাশনাল ডেটা গভর্নেন্স এবং ইন্টারঅপারেবিলিটি অথরিটি আইন, এটি নিয়ে আমরা এখন কাজ করছি। </p>
<p>– হাইটেক পার্ক আইন, এটিকে আমরা আপডেট করছি। </p>
<p>– পোস্টাল এন্ড ই কমার্স আইন, এটিকে আমরা ওপরাপর সব আইনের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে নতুন করে সংশোধন করছি। </p>
<p>– টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্ক এবং লাইসেন্সিং পলিসি ইতোমধ্যেই আমরা পাস করেছি। </p>
<p>ডিজিটাল ইকোনমির ভিত্তি রচনার জন্য মানসম্পন্ন ইন্টারনেট অবকাঠামো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, সেজন্য আমরা সার্ভিস বেস্ট একটা ডিজিটাল ইকোনমির সূত্রপাত করার জন্য, হয়রার্কিকেল এবং কমপ্লেক্স টেলিযোগাযোগ লাইসেন্স ইন স্ট্রাকচার কে সহজ করেছি।</p>
<p>এখানে দেশের ফাইবার কানেক্টিভিটিকে সহজ করার জন্য ন্যাশনাল ফাইবার ব্যাংক নিয়ে কাজ করছি, এখানে প্রত্যেকটা সরকারি এবং বেসরকারি কোম্পানির অপটিক্যাল ফাইবার নেটওয়ার্ক একটা কেন্দ্রীয় ডিজিটাল ম্যাপিং সফটওয়্যার থাকবে, যার মাধ্যমে ফাইবার কোম্পানিগুলো একে অপরের সাথে ফাইবার শেয়ারিং ফাইবার ইন্টার কানেক্টিভিটি নিশ্চিত করে দেশের ব্যক্তি প্রতিষ্ঠান এবং সরকার সরকারি অফিসগুলোকে সহজেই ফাইবার সংযোগের আওতায় নিয়ে আসতে পারে। </p>
<p>পাশাপাশি দেশের মাত্র বিশ শতাংশ টেলিকম টাওয়ার ফাইবারের আওতায় বলে, নতুন পলিসিতে আগামী তিন বছরের মধ্যে ৮০ শতাংশ মোবাইল টাওয়ার ফাইবারাইজেশনের টার্গেট দেয়া হয়েছে।  বাংলাদেশের ডিজিটাল সার্ভিসের ক্রমবিকাশ এবং ডিজিটাল ইকোনোমির ভিত্তি প্রস্তুত করার জন্য সস্তায় ইন্টারনেট নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য ন্যাশনাল ফাইবার ব্যাংক একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ হয়ে উঠতে পারে। এক্সেস টু ফাইবার ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার সম্প্রসারণের পথ প্রশস্ত হবে।    </p>
<p><strong>খ. ডিজিটাল ইনফ্রাস্ট্রাকচারে ইন্টার-অপারেবিলিটি</strong></p>
<p>এই স্তরের দেশের সব মন্ত্রণালয়ের, সব তথ্য সংস্থা কিংবা বিভাগের, স্বায়ত্তশাসিত সংস্থাসহ সব সরকারি এবং বেসরকারি গুরুত্বপূর্ণ সেবা দাতা প্রতিষ্ঠানের সার্ভারগুলোকে আন্তঃসংযুক্ত করে, একটি জাতীয় কানেক্টিভিটি এক্সচেঞ্জ তৈরি করা হবে। এটা একটা ন্যাশনাল কানেক্টিভিটি বাস হয়ে উঠবে যা সেবার জন্য নতুন পুরনো সরকারি ও বেসরকারি সেবাসমূহের জন্য একটি সার্ভিস বাসের সূচনা করবে। বাংলাদেশের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের ডেটাবেজ এবং সফটওয়্যার গুলোকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়- একটা হরাইজন্টাল আরেকটা ভার্টিকাল। </p>
<p>হরাইজন্টাল লেয়ারে এমন কিছু ডেটাবেজ আছে যা সব নাগরিকের তথ্য সংগ্রহ সংরক্ষণ প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং শেয়ার  বিনিময় বিতরণ করে,  এখানে আছে জাতীয় পরিচয়পত্র বা এনআইডি সিস্টেম ও ডেটাবেজ, নাগরিকের জন্ম এবং মৃত্যু নিবন্ধন ডেটাবেজ, পাসপোর্ট ডাটাবেজ,  শিক্ষা ডেটাবেজ, স্বাস্থ্য ডেটাবেজ, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর ডাটাবেজ  ইত্যাদি।। বৈশিষ্ট্যের দিক থেকে এই ডাটাবেজগুলো প্রায় সব নাগরিকের কিছু না কিছু তথ্য ধারণ করে।  </p>
<p>বিপরীতে ভার্টিক্যাল লেয়ারের ডেটাবেজগুলো শুধুমাত্র আংশিক নাগরিকের তথ্য সংগ্রহ সংরক্ষণ বিনিময় কিংবা বিক্রয় করে।  এই প্রতিষ্ঠানগুলো তিন ধরনের- </p>
<p>– বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের ডেটাবেজ</p>
<p>– বিভিন্ন সরকারি সেবা ডাটাবেজ</p>
<p>– বিভিন্ন বেসরকারি সেবা ডাটাবেজ</p>
<p>ন্যাশনাল ইন্টারকানেক্টিভিটি এক্সচেঞ্জ এই সবগুলো ডেটাবেজকে কানেক্টিভিটির মধ্যে নিয়ে আসবে। ডিজিটাল সার্টিফাইড পিকেআই ভেরিফিকেশন সিস্টেমের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে ইন্টারনেটের মাধ্যমে সকল ভার্টিক্যাল এবং হরাইজেন্টাল ডেটাবেজ পরস্পর আন্তঃসংযুক্ত হবে। এতে করে একটা ন্যাশনাল এপিআই কানেক্টিভিটি হাব তৈরি হবে। এটা দেশের প্রথম ইন্টারপারেবিলিটি এক্সচেঞ্জ, যার উপর ভিত্তি করে একটি ডিজিটাল সার্ভিস বাস তৈরি করা সম্ভব হবে।</p>
<p>অর্থাৎ ন্যাশনাল কানেক্টিভিটি বাস এবং ন্যাশনাল কানেক্টেভিটি এক্সচেঞ্জ তৈরি হলে তার উপরে ডিজিটাল সেবা যেমন ফিনটেক, এডটেক বা এডুকেশন টেকনোলজি,  হেলথ টেক, এগ্রিকালচার টেক, গভ-টেক সহ যাবতীয় ডিজিটাল সেবা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা পরিচালিত সেবাসমূহ, এআই পরিচালিত দুর্নীতি দমন,  এআই পরিচালিত পাবলিক প্রকমেন্ট, এআইভিত্তিক ট্যাক্স নেট  ও ভ্যাট নেট ডিসকভারি, এআইভিত্তিক হেলথ-টেক ডিসকভারি সব বিভিন্ন মন্ত্রণলায়ের সেবার এআইভিত্তিক রুপান্তরের পথ সুগম হবে।</p>
<p>বর্তমানে বাংলাদেশের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো যে ডেটার উপরে কাজ করে অধিকাংশ ক্ষেত্রে এই ডাটাগুলোর সোর্স বা উচ্চ থেকে সংগ্রহকৃত প্রাইমারি ডেটা নয়। আমাদের ডাটা মানের কোয়ালিটি প্রশ্ন যুক্ত থাকায় ডেটাবেজড ডিসিশন অনেক সময় ভুল হয়। এক্ষেত্রে ন্যাশনাল কানেক্টিভিটি হাব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে যা উৎস থেকে এটা সংগ্রহ করে দিবে। উচ্চ থেকে সংগ্রহীত প্রাইমারি ডেটা উত্তেজক করনের মাধ্যমে ডেটার ডিফেন্ড ডিসিশনের একটা পথ উন্মুক্ত হবে।</p>
<p>এর বাইরে ডেটা গভর্নেন্স এর জন্য আমাদের একটি কেন্দ্রীয় রেগুলেশন দরকার তা নির্ধারণ করা হবে। </p>
<p>– কোন প্রতিষ্ঠান কোন সেবার বিপরীতে বা নিড বেজড ডেটা সংগ্রহ করবে</p>
<p>– কাকে কখন কিভাবে ডেটা দিবে, কিভাবে ডেটা সংগ্রহ সংরক্ষণ, ডেটা প্রক্রিয়াজাতকরণ, স্টোরেজ, বিনিময় এবং বিক্রয় করবে</p>
<p>– কোন প্রতিষ্ঠান কাকে কিভাবে ডেটা শেয়ার করবে</p>
<p>– ডেটার টিয়ার নির্ধারণ করবে, কোন মন্ত্রণালয় কিভাবে অন্য মন্ত্রণালয়কে বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে, সরকারের প্রতিষ্ঠান কিভাবে অন্য বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে এবং দেশের অভ্যন্তরস্থ কোম্পানি কিভাবে বিদেশের কোম্পানি কার কাছে ডেটা সংগ্রহ হস্তান্তর এবং প্রক্রিয়াজাতকরণের বিষয়াদি শেয়ার করবে। এবং</p>
<p>– প্রতিষ্ঠান কিভাবে ব্যক্তির যেটার উপরে হস্তক্ষেপ করতে পারবে</p>
<p>– তাদের সুবিশাল রেগুলেটরের নিয়ন্ত্রণের জন্য চাই একটি ডেটা গভর্নেন্স অথরিটি (এখানে থাকে ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষা উইং,  ডেটা ব্রোকার)। </p>
<p>ডেটা গভর্নেন্স অথরিটিতে থাকবে ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষা উইং, ডেটা ব্রোকার উইং (ডেটা গভর্নেন্স বিষয়ে প্রশিক্ষিত আইনজীবী ও ডেটা সায়েন্টিস্ট), কমপ্লায়েন্স ও এনফোর্স্মেন্ট টিম। </p>
<p>সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে এই পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল রুপান্তরটি সম্ভব বলে আমরা মনে করি।  </p>
<p><strong>গ. তিনস্তর বিশিষ্ট ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার</strong></p>
<p>এই লেয়ারের মাধ্যমে ব্যক্তির এনআইডিসহ বিভিন্ন ধরনের আইডির তথ্যগুলো ভেরিফাই করা সম্ভব হবে। তবে ইলেকট্রনিক আইডি অথেন্টিকেশনের একটা মূলনীতি হচ্ছে, এটা শুধুমাত্র হরাইজন্টাল কিংবা ভার্টিক্যাল স্তরের একটিমাত্র ডেটাবেজ থেকে ডাটা নিয়ে সেটা অথেন্টিকেট করে দেয় না। বরং সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে ব্যক্তির একই ডেটার ভিন্ন ভিন্ন ভার্সন থাকলে সেই ডেটাগুলোর মধ্যে ক্রস ডোমেইন ভেরিফাই করে, সবচেয়ে একুরেট তথ্যটি যাচাই-বাছাই সাপেক্ষে পরবর্তীতে সেটা ব্লকচেইন বা সমজাতীয় প্রযুক্তির মাধ্যমে সব জায়গায় সঞ্চালন করা হবে। যাতে করে ব্যক্তির ঠিকানাসহ তথ্য ফিল্ডগুলোর মধ্যে ভিন্নতা না থাকে।</p>
<p>এটি ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচারের গুরুত্বপূর্ণ স্তর । তবে বাংলাদেশে ন্যাশনাল ইন্টারকানেক্টিভিটি লেয়ার এবং ডিজিটাল গভর্নেন্স না থাকায়, অতীতে বিভিন্ন বিচ্ছিন্নভাবে পরিচয় যাচাইয়ের উদ্যোগ ব্যাহত হয়েছিল।  পাশাপাশি অনিয়ন্ত্রিত, অযোগ্য কনসালট্যান্টের মাধ্যমে নাগরিক তথ্য ও সংরক্ষণ প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং বিনিময় একটা নৈরাজ্য সৃষ্টি হয়েছে।</p>
<p>এই সমস্যাগুলোর সমাধান করে আশা করি আমাদের তিনস্তর বিশিষ্ট ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার বাংলাদেশের ডিজিটাল সিস্টেমকে ভবিষ্যৎ মুখী করে তুলবে। এক্ষেত্রে ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচারের একটা মধ্যবর্তী স্তরে মন্ত্রনালয়গুলো নিজে ডেটা স্টোর তৈরি না করে বরং ন্যাশনাল ডেটা সেন্টারকে ব্যবহার করবে। ন্যাশনাল ডেটা সেন্টার সাইবার অপারেশন সেন্টার, সাইবার সেন্সর, সাইবার টুলসহ বিভিন্ন ঝুঁকি মোকাবেলা করে মন্ত্রণালয়গুলোকে নিরাপদ ডেটা স্টোরেজ সার্ভিস প্রদান করবে। এর মাধ্যমে আলাদা আলাদা ভাবে ডেটাস্টোরেজ করতে সরকারের মোট খরচ কমে আসবে। এই উদ্যোগগুলো প্যারালালে চলতে পারলে, আমরা মনে করি বাংলাদেশের আইসিটির ভবিষ্যৎ ডিজিটাল ইকোনমির জন্য প্রস্তুত হবে।</p>
<hr>
<div class="news_row">
<div class="post_details">
<p><strong>লেখক : প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা), ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়</strong></p>
<hr>
<p></p>
<div></div>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>স্কুল শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ‘নিরাপদ ইন্টারনেটের গল্প’ &#45;</title>
<link>https://digibanglatech.news/158444</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158444</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_68f27fc2cf32e.jpg" length="84776" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 17 Oct 2025 00:41:46 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ইন্টারনেটের ব্যবহার যেভাবে নানা প্রয়োজনীয় কাজে বেড়ে চলছে, তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে এর অপব্যবহারও। ইন্টারনেট ব্যবহারের উপকারী ও ক্ষতিকারক দিকগুলো নিয়ে রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো ‘নিরাপদ ইন্টারনেটের গল্প’ অনুষ্ঠান। </p>
<p>১৬ অক্টোবর,  বৃহস্পতিবার, রাজধানীর মিরপুরে পশ্চিম শেওড়াপারায় ইব্রাহিমপুর সালাহউদ্দিন শিক্ষালয়ে সাইবার ক্রাইম অ্যাওয়ারনেস ফাউন্ডেশন সিসিএএফ) এই আয়োজন করে। প্রতিষ্ঠানটির শতাধিক শিক্ষার্থী অনুষ্ঠানে অংশ নেয়। সাইবার নিরাপত্তা সচেতনতা মাস অক্টোবর ২০২৫ উপলক্ষে এ কর্মসূচি চলছে। </p>
<p>মোবাইল ফোন অপারেটর রবি আজিয়াটা পিএলসি, প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠান পালো আল্টো নেটওয়ার্ক, স্মার্ট ডেটা টেকনোলজিস ও ফাইবার এট হোমের পৃষ্ঠপোষকতায় এবং সাইবার সাপোর্ট ফর উইমেন অ্যান্ড চিলড্রেনের (সিএসডব্লিউসি) সহযোগিতায় দেশজুড়ে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন হচ্ছে।   </p>
<p>অনুষ্ঠান শেষে তিন শিক্ষার্থীকে পুরস্কৃত করা হয়। তারা হলো— নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী সাকিবা রহমান, দশম শ্রেণির সিফাতুল ইসলাম হাসিফ ও নবম শ্রেণির নুসরাত জাহান হাফসা। </p>
<p>নিরাপদ ইন্টারনেটের গল্পে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আড্ডা জমিয়ে তোলেন সিসিএএফ উপদেষ্টা ডিজিটাল ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ মেহেদী হাসান। আলোচনায় অংশ নেন সিসিএএফের সভাপতি কাজী মুস্তাফিজ ও অ্যাকশন টিম সদস্য মো. ইব্রাহিম খলীল।  এছাড়া ছিলেন প্রতিষ্ঠানের সহকারী প্রধান শিক্ষক নারগিস সুলতানা, জোবেদা আক্তার, মাহফুজা আক্তার লিমা ও নজরুল ইসলাম। <br><br><br></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>এআই ইনোভেশন নিয়ে প্রশিক্ষণ কর্মশালা </title>
<link>https://digibanglatech.news/158362</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158362</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_68eea25e45143.jpg" length="129298" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 14 Oct 2025 23:50:12 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div class="OutlineElement Ltr SCXW110217586 BCX0">
<p class="Paragraph SCXW110217586 BCX0" paraid="351198458" paraeid="{848709b9-287b-4722-8ba1-61d5710df111}{3}"><span data-contrast="auto" xml:lang="AR-SA" lang="AR-SA" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SpellingErrorV2Themed SCXW110217586 BCX0">তথ্যপ্রযুক্তি</span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="AR-SA" lang="AR-SA" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SpellingErrorV2Themed SCXW110217586 BCX0">পেশাজীবী</span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="AR-SA" lang="AR-SA" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0">ও</span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="AR-SA" lang="AR-SA" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SpellingErrorV2Themed SCXW110217586 BCX0">বিভিন্ন</span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="AR-SA" lang="AR-SA" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SpellingErrorV2Themed SCXW110217586 BCX0">প্রতিষ্ঠানিক</span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="AR-SA" lang="AR-SA" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SpellingErrorV2Themed SCXW110217586 BCX0">অংশীদারদের অংশগ্রহণে বনানীর<span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span>ইউনিক<span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span>রিজেন্সি<span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span>হোটেলে অনুষ্ঠিত হলো <span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0">"</span></span>উদ্ভাবনী<span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span>প্রযুক্তি<span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span>এবং<span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span>ডিজিটাল<span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span>প্রবৃদ্ধি<span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0">" </span></span>শিরোনামে<span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span>একটি<span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span>বিশেষ<span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span>প্রশিক্ষণ<span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span>কর্মশালা। কর্মশালায়<span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span>মাইক্রোসফট<span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span>প্রোডাক্টিভিটি<span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span>সলিউশন<span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span>ব্যবস্থাপনা<span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span>এবং<span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span>নতুন<span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span>প্রজন্মের<span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span>কৃত্রিম<span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span>বুদ্ধিমত্তা<span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> (AI) </span></span>প্রযুক্তির<span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span>প্রয়োগ<span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span>নিয়ে<span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span>বিস্তারিত<span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span>আলোচনা<span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span>হয়<span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0">।</span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span>এর<span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span>মাধ্যমে<span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span>কর্মদক্ষতা<span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span>বৃদ্ধি<span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0">ও</span><span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span>ডিজিটাল<span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span>নিরাপত্তা<span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span>আরও<span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span>শক্তিশালী<span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span>করার<span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span>উপায়<span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span>তুলে<span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span>ধরা<span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span>হয়<span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0">।</span></span><span class="EOP SCXW110217586 BCX0" data-ccp-props="{&quot;201341983&quot;:0,&quot;335559740&quot;:240}"> </span>  </span></span></p>
<p class="Paragraph SCXW110217586 BCX0" paraid="351198458" paraeid="{848709b9-287b-4722-8ba1-61d5710df111}{3}"><span data-contrast="auto" xml:lang="AR-SA" lang="AR-SA" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SpellingErrorV2Themed SCXW110217586 BCX0">কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীরা<span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span>হাতে<span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0">-</span></span>কলমে<span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span>প্রশিক্ষণ<span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0">ও</span><span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span>বাস্তব<span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span>উদাহরণের<span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span>মাধ্যমে<span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span>এআই<span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0">ও</span><span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span>প্রোডাক্টিভিটি<span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span>প্ল্যাটফর্মের<span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span>কার্যকর<span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span>ব্যবহার<span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span>সম্পর্কে<span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span>ধারণা<span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span>লাভ<span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span>করেন<span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0">।</span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span>কর্মশালার<span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span>শেষে<span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span>প্রশ্নোত্তর<span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span>পর্বে<span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span>সবাই<span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span>অভিজ্ঞতা<span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0">ও</span><span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span>মতামত<span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span>বিনিময়<span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span>করেন<span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0">।</span></span><span class="EOP SCXW110217586 BCX0" data-ccp-props="{&quot;201341983&quot;:0,&quot;335559740&quot;:240}"> </span></span></span></p>
</div>
<div class="OutlineElement Ltr SCXW110217586 BCX0">
<p class="Paragraph SCXW110217586 BCX0" paraid="1522192595" paraeid="{848709b9-287b-4722-8ba1-61d5710df111}{49}"><span data-contrast="auto" xml:lang="AR-SA" lang="AR-SA" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SpellingErrorV2Themed SCXW110217586 BCX0">ধ্রুব</span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="AR-SA" lang="AR-SA" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SpellingErrorV2Themed SCXW110217586 BCX0">নেটওয়ার্কস</span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="AR-SA" lang="AR-SA" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SpellingErrorV2Themed SCXW110217586 BCX0">লিমিটেড</span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> আয়োজনে </span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="AR-SA" lang="AR-SA" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SpellingErrorV2Themed SCXW110217586 BCX0">প্রশিক্ষণ</span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="AR-SA" lang="AR-SA" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SpellingErrorV2Themed SCXW110217586 BCX0">সেশনটি</span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="AR-SA" lang="AR-SA" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SpellingErrorV2Themed SCXW110217586 BCX0">পরিচালনা</span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="AR-SA" lang="AR-SA" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SpellingErrorV2Themed SCXW110217586 BCX0">করেন</span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="AR-SA" lang="AR-SA" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SpellingErrorV2Themed SCXW110217586 BCX0">ধ্রুব</span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="AR-SA" lang="AR-SA" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SpellingErrorV2Themed SCXW110217586 BCX0">নেটওয়ার্কস</span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="AR-SA" lang="AR-SA" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SpellingErrorV2Themed SCXW110217586 BCX0">লিমিটেডের</span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="AR-SA" lang="AR-SA" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SpellingErrorV2Themed SCXW110217586 BCX0">ব্যবস্থাপনা</span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="AR-SA" lang="AR-SA" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SpellingErrorV2Themed SCXW110217586 BCX0">পরিচালক</span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="AR-SA" lang="AR-SA" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SpellingErrorV2Themed SCXW110217586 BCX0">জাহরুল</span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="AR-SA" lang="AR-SA" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SpellingErrorV2Themed SCXW110217586 BCX0">সৈয়দ</span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="AR-SA" lang="AR-SA" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SpellingErrorV2Themed SCXW110217586 BCX0">বখত</span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0">।</span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="AR-SA" lang="AR-SA" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SpellingErrorV2Themed SCXW110217586 BCX0">তার</span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="AR-SA" lang="AR-SA" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SpellingErrorV2Themed SCXW110217586 BCX0">সঙ্গে</span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="AR-SA" lang="AR-SA" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SpellingErrorV2Themed SCXW110217586 BCX0">উপস্থিত</span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="AR-SA" lang="AR-SA" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SpellingErrorV2Themed SCXW110217586 BCX0">ছিলেন</span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="AR-SA" lang="AR-SA" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SpellingErrorV2Themed SCXW110217586 BCX0">উপ</span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0">-</span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="AR-SA" lang="AR-SA" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SpellingErrorV2Themed SCXW110217586 BCX0">মহাব্যবস্থাপক</span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="AR-SA" lang="AR-SA" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SpellingErrorV2Themed SCXW110217586 BCX0">মো</span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0">. </span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="AR-SA" lang="AR-SA" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SpellingErrorV2Themed SCXW110217586 BCX0">আশিফ</span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="AR-SA" lang="AR-SA" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SpellingErrorV2Themed SCXW110217586 BCX0">ইমরান</span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="AR-SA" lang="AR-SA" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SpellingErrorV2Themed SCXW110217586 BCX0">রানা</span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0">, </span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="AR-SA" lang="AR-SA" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SpellingErrorV2Themed SCXW110217586 BCX0">সহকারী</span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="AR-SA" lang="AR-SA" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SpellingErrorV2Themed SCXW110217586 BCX0">মহাব্যবস্থাপক</span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="AR-SA" lang="AR-SA" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SpellingErrorV2Themed SCXW110217586 BCX0">সায়মা</span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="AR-SA" lang="AR-SA" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SpellingErrorV2Themed SCXW110217586 BCX0">রশিদ</span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="AR-SA" lang="AR-SA" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SpellingErrorV2Themed SCXW110217586 BCX0">প্রিমা</span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0">, </span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="AR-SA" lang="AR-SA" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SpellingErrorV2Themed SCXW110217586 BCX0">ম্যানেজার</span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="AR-SA" lang="AR-SA" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SpellingErrorV2Themed SCXW110217586 BCX0">মেহেদী</span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="AR-SA" lang="AR-SA" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SpellingErrorV2Themed SCXW110217586 BCX0">শাহরিয়ার</span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="AR-SA" lang="AR-SA" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SpellingErrorV2Themed SCXW110217586 BCX0">এবং</span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="AR-SA" lang="AR-SA" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SpellingErrorV2Themed SCXW110217586 BCX0">ধ্রুব</span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="AR-SA" lang="AR-SA" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SpellingErrorV2Themed SCXW110217586 BCX0">নেটওয়ার্কসের</span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="AR-SA" lang="AR-SA" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SpellingErrorV2Themed SCXW110217586 BCX0">অন্যান্য</span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="AR-SA" lang="AR-SA" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SpellingErrorV2Themed SCXW110217586 BCX0">কর্মকর্তারা</span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0">।</span></span><span class="EOP SCXW110217586 BCX0" data-ccp-props="{&quot;201341983&quot;:0,&quot;335559740&quot;:240}"> </span></p>
<p class="Paragraph SCXW110217586 BCX0" paraid="1522192595" paraeid="{848709b9-287b-4722-8ba1-61d5710df111}{49}"><span class="EOP SCXW110217586 BCX0" data-ccp-props="{&quot;201341983&quot;:0,&quot;335559740&quot;:240}">১৪ অক্টোবর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এই কর্মাশালা অনুষ্ঠানের তথ্য দিয়ে </span><span data-contrast="auto" xml:lang="AR-SA" lang="AR-SA" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SpellingErrorV2Themed SCXW110217586 BCX0">অনুষ্ঠান</span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="AR-SA" lang="AR-SA" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SpellingErrorV2Themed SCXW110217586 BCX0">সম্পর্কে</span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> <span data-contrast="auto" xml:lang="AR-SA" lang="AR-SA" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SpellingErrorV2Themed SCXW110217586 BCX0">জাহরুল</span></span> <span data-contrast="auto" xml:lang="AR-SA" lang="AR-SA" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SpellingErrorV2Themed SCXW110217586 BCX0">সৈয়দ</span></span> <span data-contrast="auto" xml:lang="AR-SA" lang="AR-SA" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SpellingErrorV2Themed SCXW110217586 BCX0">বখত </span></span></span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="AR-SA" lang="AR-SA" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SpellingErrorV2Themed SCXW110217586 BCX0">বলেন</span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0">, “</span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="AR-SA" lang="AR-SA" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SpellingErrorV2Themed SCXW110217586 BCX0">সঠিক</span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="AR-SA" lang="AR-SA" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SpellingErrorV2Themed SCXW110217586 BCX0">জ্ঞান</span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="AR-SA" lang="AR-SA" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0">ও</span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="AR-SA" lang="AR-SA" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SpellingErrorV2Themed SCXW110217586 BCX0">উপযুক্ত</span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="AR-SA" lang="AR-SA" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SpellingErrorV2Themed SCXW110217586 BCX0">প্রযুক্তি</span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="AR-SA" lang="AR-SA" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SpellingErrorV2Themed SCXW110217586 BCX0">ব্যবহারের</span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="AR-SA" lang="AR-SA" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SpellingErrorV2Themed SCXW110217586 BCX0">মাধ্যমে</span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="AR-SA" lang="AR-SA" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SpellingErrorV2Themed SCXW110217586 BCX0">পেশাজীবীদের</span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="AR-SA" lang="AR-SA" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SpellingErrorV2Themed SCXW110217586 BCX0">ক্ষমতায়নই</span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="AR-SA" lang="AR-SA" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SpellingErrorV2Themed SCXW110217586 BCX0">টেকসই</span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="AR-SA" lang="AR-SA" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SpellingErrorV2Themed SCXW110217586 BCX0">ডিজিটাল</span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="AR-SA" lang="AR-SA" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SpellingErrorV2Themed SCXW110217586 BCX0">প্রবৃদ্ধির</span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="AR-SA" lang="AR-SA" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SpellingErrorV2Themed SCXW110217586 BCX0">মূল</span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0"> </span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="AR-SA" lang="AR-SA" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SpellingErrorV2Themed SCXW110217586 BCX0">চাবিকাঠি</span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0">। সেই লক্ষ্যেই <span data-contrast="auto" xml:lang="AR-SA" lang="AR-SA" class="TextRun SCXW217778238 BCX0"><span class="NormalTextRun SpellingErrorV2Themed SCXW217778238 BCX0">অংশগ্রহণকারীদের</span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW217778238 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW217778238 BCX0"> </span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="AR-SA" lang="AR-SA" class="TextRun SCXW217778238 BCX0"><span class="NormalTextRun SpellingErrorV2Themed SCXW217778238 BCX0">ইতিবাচক</span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW217778238 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW217778238 BCX0"> </span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="AR-SA" lang="AR-SA" class="TextRun SCXW217778238 BCX0"><span class="NormalTextRun SpellingErrorV2Themed SCXW217778238 BCX0">প্রতিক্রিয়ায়</span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW217778238 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW217778238 BCX0"> আয়োজিত কর্মশালাটি</span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW217778238 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW217778238 BCX0"> </span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="AR-SA" lang="AR-SA" class="TextRun SCXW217778238 BCX0"><span class="NormalTextRun SpellingErrorV2Themed SCXW217778238 BCX0">সফলভাবে</span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW217778238 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW217778238 BCX0"> </span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="AR-SA" lang="AR-SA" class="TextRun SCXW217778238 BCX0"><span class="NormalTextRun SpellingErrorV2Themed SCXW217778238 BCX0">সম্পন্ন</span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW217778238 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW217778238 BCX0"> </span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="AR-SA" lang="AR-SA" class="TextRun SCXW217778238 BCX0"><span class="NormalTextRun SpellingErrorV2Themed SCXW217778238 BCX0">হয়</span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW217778238 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW217778238 BCX0"> </span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="AR-SA" lang="AR-SA" class="TextRun SCXW217778238 BCX0"><span class="NormalTextRun SpellingErrorV2Themed SCXW217778238 BCX0">এবং</span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW217778238 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW217778238 BCX0"> </span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="AR-SA" lang="AR-SA" class="TextRun SCXW217778238 BCX0"><span class="NormalTextRun SpellingErrorV2Themed SCXW217778238 BCX0">এটি</span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW217778238 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW217778238 BCX0"> </span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="AR-SA" lang="AR-SA" class="TextRun SCXW217778238 BCX0"><span class="NormalTextRun SpellingErrorV2Themed SCXW217778238 BCX0">বাংলাদেশের</span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW217778238 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW217778238 BCX0"> </span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="AR-SA" lang="AR-SA" class="TextRun SCXW217778238 BCX0"><span class="NormalTextRun SpellingErrorV2Themed SCXW217778238 BCX0">তথ্যপ্রযুক্তি</span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW217778238 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW217778238 BCX0"> </span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="AR-SA" lang="AR-SA" class="TextRun SCXW217778238 BCX0"><span class="NormalTextRun SpellingErrorV2Themed SCXW217778238 BCX0">খাতে</span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW217778238 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW217778238 BCX0"> </span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="AR-SA" lang="AR-SA" class="TextRun SCXW217778238 BCX0"><span class="NormalTextRun SpellingErrorV2Themed SCXW217778238 BCX0">দক্ষতা</span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW217778238 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW217778238 BCX0"> </span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="AR-SA" lang="AR-SA" class="TextRun SCXW217778238 BCX0"><span class="NormalTextRun SpellingErrorV2Themed SCXW217778238 BCX0">উন্নয়ন</span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW217778238 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW217778238 BCX0"> </span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="AR-SA" lang="AR-SA" class="TextRun SCXW217778238 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW217778238 BCX0">ও</span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW217778238 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW217778238 BCX0"> </span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="AR-SA" lang="AR-SA" class="TextRun SCXW217778238 BCX0"><span class="NormalTextRun SpellingErrorV2Themed SCXW217778238 BCX0">উদ্ভাবনে</span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW217778238 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW217778238 BCX0"> </span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="AR-SA" lang="AR-SA" class="TextRun SCXW217778238 BCX0"><span class="NormalTextRun SpellingErrorV2Themed SCXW217778238 BCX0">ধ্রুব</span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW217778238 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW217778238 BCX0"> </span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="AR-SA" lang="AR-SA" class="TextRun SCXW217778238 BCX0"><span class="NormalTextRun SpellingErrorV2Themed SCXW217778238 BCX0">নেটওয়ার্কসের</span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW217778238 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW217778238 BCX0"> </span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="AR-SA" lang="AR-SA" class="TextRun SCXW217778238 BCX0"><span class="NormalTextRun SpellingErrorV2Themed SCXW217778238 BCX0">অঙ্গীকারকে</span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW217778238 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW217778238 BCX0"> </span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="AR-SA" lang="AR-SA" class="TextRun SCXW217778238 BCX0"><span class="NormalTextRun SpellingErrorV2Themed SCXW217778238 BCX0">আরও</span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW217778238 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW217778238 BCX0"> </span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="AR-SA" lang="AR-SA" class="TextRun SCXW217778238 BCX0"><span class="NormalTextRun SpellingErrorV2Themed SCXW217778238 BCX0">দৃঢ়ভাবে</span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW217778238 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW217778238 BCX0"> </span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="AR-SA" lang="AR-SA" class="TextRun SCXW217778238 BCX0"><span class="NormalTextRun SpellingErrorV2Themed SCXW217778238 BCX0">তুলে</span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW217778238 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW217778238 BCX0"> </span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="AR-SA" lang="AR-SA" class="TextRun SCXW217778238 BCX0"><span class="NormalTextRun SpellingErrorV2Themed SCXW217778238 BCX0">ধরে</span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW217778238 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW217778238 BCX0">।</span></span></span></span><span data-contrast="auto" xml:lang="EN-US" lang="EN-US" class="TextRun SCXW110217586 BCX0"><span class="NormalTextRun SCXW110217586 BCX0">”</span></span><span class="EOP SCXW110217586 BCX0" data-ccp-props="{&quot;201341983&quot;:0,&quot;335559740&quot;:240}"> </span></p>
</div>
<div class="OutlineElement Ltr SCXW110217586 BCX0">
<p class="Paragraph SCXW110217586 BCX0" paraid="681430666" paraeid="{28d6fc94-1241-46fe-97c0-de3cf8c99af4}{145}"></p>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>নিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে সংবর্ধিত বিশ্বজয়ী টিম এসরো</title>
<link>https://digibanglatech.news/158353</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158353</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_68ee9678e673d.jpg" length="113132" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 14 Oct 2025 21:29:38 +0600</pubDate>
<dc:creator>ক্যাম্পাস করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span>বিশ্বজয় করে নিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিরে সংবর্ধিত হলো </span><span>‘টিম অ্যান্ড্রোমেডা স্পেস অ্যান্ড রোবোটিকস রিসার্চ অর্গানাইজেশন (ASRRO)’। "গ্লোবাল স্পেস চ্যালেঞ্জ ২০২৫"-এ বিজয়ী হওয়ায় ১৪ অক্টোবর, মঙ্গলবার দুপুরে চুয়েট উপাচার্য কার্যালয়ে তাদের সংবর্ধনা দেয় চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) কর্তৃপক্ষ। </span></p>
<p><span>বিজয়ী দল টিম এসরো'র সদস্যরা হলেন- চুয়েটের যন্ত্রকৌশল বিভাগের ৪র্থ বর্ষের শিক্ষার্থী সজীব কুমার কর ও শুভ আহমেদ, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের ৩য় বর্ষের শিক্ষার্থী আদিল মুবাশশার এবং ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের ১ম বর্ষের শিক্ষার্থী সুদীপ্ত বণিক। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন তড়িৎ ও কম্পিউটার প্রকৌশল অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. কাজী দেলোয়ার হোসেন, পুর ও পরিবেশ কৌশল অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. আসিফুল হক, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. এ.এইচ. রাশেদুল হোসেন, মেকানিক্যাল অ্যান্ড ম্যানুফ্যাকচারিং অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. কাজী আফজালুর রহমান, স্থাপত্য ও পরিকল্পনা অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ রাশিদুল হাসান, রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. শেখ মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির, "টিম এসরো" এর চীফ মডারেটর ও বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গবেষণা পরীক্ষাগার (ইউসিআরএল) এর পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আহসান উল্লাহ এবং "টিম এসরো" এর মডারেটর ও ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ এর অধ্যাপক ড. মেহেদী হাসান চৌধুরী।</span></p>
<p>অনুষ্ঠানে <span>চুয়েটে ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মাহমুদ আব্দুল মতিন ভূইয়া বিজয়ীদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, "টিম এসরো’র এই সাফল্য চুয়েটের ইতিহাসে একটি মাইলফলক। এই অর্জন প্রমাণ করে আমাদের শিক্ষার্থীরা শুধু দেশেই নয়, আন্তর্জাতিক পর্যায়েও নিজেদের মেধা ও প্রযুক্তিগত দক্ষতায় এগিয়ে যাচ্ছে। আমাদের সকলের সহযোগিতায় চুয়েটকে বিশ্বমানের শিক্ষা-গবেষণামূলক প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়তে নানা প্রচেষ্টা চালাচ্ছি। আর এ ধরনের সাফল্য আমাদের প্রয়াসকে আরও বেগবান করবে বলে আমি মনে করি।"</span></p>
<p><span>প্রসঙ্গত, স্পেস টিমস অ্যাকাডেমি কর্তৃক আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় ১৫টির বেশি দেশের ৪০টির অধিক দলের অংশগ্রহণ ছিল। প্রতিযোগিতাটি এলিমেন্টারি, মিডল স্কুল এবং সিনিয়র/হাই স্কুল এই তিন ক্যাটাগরিতে অনুষ্ঠিত হয়। এতে চুয়েটের টিম এসরো সিনিয়র (হাই স্কুল ও উচ্চতর) ক্যাটাগরিতে ৫০০-এর মধ্যে ৪৯৯.৮ স্কোর অর্জন করে বিজয়ী হয়। টানা সাতদিন ধরে চলমান এই প্রতিযোগিতায় চুয়েটের প্রতিযোগীরা প্ল্যানেটারি সায়েন্স, স্পেসক্রাফট ডিজাইন, অরবিটাল মেকানিক্স, রিমোট সেন্সিং, এন্ট্রি-ডিসেন্ট-ল্যান্ডিং, এক্সট্রাটেরেস্ট্রিয়াল হ্যাবিট্যাটস, হিউম্যান অ্যান্ড রোবোটিক এক্সপ্লোরেশনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে নিজেদের দক্ষতা প্রদর্শন করে। বিজয়ী হওয়ার পাশাপাশি ‘বেস্ট টিম ভিডিও’ ক্যাটাগরিতেও বিজয়ী হয়।</span></p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>অনলাইনে ৪ জন পেলেন গণমাধ্যম পুরস্কার </title>
<link>https://digibanglatech.news/158316</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158316</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_68ed49033d9a6.jpg" length="65654" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 13 Oct 2025 21:46:49 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>পাঁচটি ক্যাটাগরিতে ১৫ জনের মধ্যে ৪ জন অনলাইনে; টিভিতে ২ জন এবং ৫জন জাতীয় দৈনিক এবং বাকি ৪জনকে স্থায়ী ক্যাটাগরিতে গণমাধ্যম পুরস্কার দিয়েছে প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল।</p>
<p>অনলাইন নিউজ পোর্টাল ক্যাটাগরিতে পুরস্কার পেয়েছেন দৈনিক কালেরকণ্ঠের জুবায়ের আহমেদ, জাগো নিউজের আল-আমিন হাসান আদিব, ঢাকা পোস্টের আরাফত জোবায়ের এবং জাগো নিউজের ইয়াসির আরাফাত রিপন।</p>
<p>এদের মধ্যে আল-আমিন হাসান আদিব রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে স্নাতক-স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন। ক্যাম্পাস জীবনের শুরুতেই সাংবাদিকতায় হাতেখড়ি তার। তিনি যুগান্তর পত্রিকার রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি হিসেবে সাংবাদিকতা শুরু করেন। এরপর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সভাপতি হিসেবে নেতৃত্ব দিয়েছেন।পড়াশোনা শেষে বার্তা২৪.কমের ‘স্টাফ করেসপন্ডেন্ট’ হিসেবে কাজ শুরু করেন। এরপর ২০২০ সালে জাগোনিউজ২৪.কম-এ যোগ দেন।</p>
<p><span>ইয়াসির আরাফাত রিপন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন। পেশাগত জীবনে তিনি দেশের বিভিন্ন শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যমে কাজ করেছেন। তিনি দৈনিক সংবাদ, একুশে টেলিভিশন (ইটিভি) এবং অনলাইন নিউজ পোর্টাল বাংলানিউজ২৪.কম-এ কাজ করার পর ২০২০ সালের নভেম্বরে জাগোনিউজ২৪.কম-এ যোগ দেন।</span></p>
<p><span>মতিঝিল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক, ঢাকা সিটি কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিকের পর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন আরাফাত জোবায়ের। এক যুগেরও বেশি সময় ধরে তিনি ক্রীড়া সাংবাদিকতা করছেন। দেশের অন্যতম প্রাচীন পত্রিকা দৈনিক সংবাদে আট বছর ক্রীড়া প্রতিবেদক হিসেবে কাজ করার পর ২০২০ সালের ১ ডিসেম্বর থেকে ঢাকা পোস্টে সিনিয়র স্পোর্টস রিপোর্টার হিসেবে কাজ করছেন তিনি। তিনি বাংলাদেশ স্পোর্টস জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। </span></p>
<p>টেলিভিশন ক্যাটাগরিতে এখন টিভির মেহেরিন এ্যানি ও চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের জিনিয়া কবীর সূচনা পুরস্কার পেয়েছেন।</p>
<p>অরা জাতীয় সংবাদপত্র ক্যাটাগরিতে পুরস্কার পেয়েছেন দৈনিক সমকালের মো. শাহেরীন আরাফাত, ডেইলি সানের রফিকুল ইসলাম, কালবেলার জাফর ইকবাল, প্রথম আলোর নাজনীন আখতার ও মানসুরা হোসাইন।</p>
<p>এছাড়া স্থানীয় সংবাদপত্র ক্যাটাগরিতে খুলনা থেকে প্রকাশিত দৈনিক জন্মভূমির আওয়াল শেখ ও চট্টগ্রামের একুশে পত্রিকার  শরীফুল রুকন। এছাড়া বিজ্ঞাপন ক্যাটাগরিতে ট্রিম পিকচারের শাহেদ শাহরুখ এবং যন্ত্রাক্ষী ফিল্মসের হাসান রেজাউল পুরস্কার অর্জন করেন।</p>
<p>১৩ অক্টোবর, সোমবার রাজধানীর বাংলামোটরে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের সম্মেলন কক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন আমন্ত্রিত অতিথিরা।</p>
<p>পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি ছিলেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধুরী, গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের প্রধান কামাল আহমেদ, নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশনের সদস্য হালিদা হানুম আখতার, প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর কবিতা বোস, জাগো ফাউন্ডেশন ট্রাস্টের জ্যেষ্ঠ প্রোগ্রাম ম্যানেজার ইফতেখার-উল-করিম, প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের অধ্যয়ন বিভাগের প্রধান মনিরা শরমিন ও জুরি বোর্ডের সদস্যরা।</p>
<p>ঢাকাস্থ নেদারল্যান্ডস দূতাবাসের সহযোগিতায় প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ ও জাগো ফাউন্ডেশন ট্রাস্টের যৌথ পরিচালনায় ‘সমতায় তারুণ্য: ইয়ুথ ফর ইকুয়ালিটি’ প্রকল্পের উদ্যোগে এ পুরস্কার দেওয়া হয়।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>এপিএসসি আঞ্চলিক কমিটির সদস্য হলেন ফ্রিল্যান্সার স্নিগ্ধ</title>
<link>https://digibanglatech.news/158301</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158301</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_68ed05877c89d.jpg" length="102081" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 13 Oct 2025 20:04:53 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বিশ্ব স্কাউট সংস্থা,র (WOSM) আঞ্চলিক শাখা এশিয়া-প্যাসিফিক স্কাউট (এপিএসসি) এর ২০২৫–২০৩১ মেয়াদের জন্য রিজিওনাল স্কাউট কমিটির সদস্য হয়েছেন আইটি ফ্রিল্যান্সার স্কাউট মির মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধ। <span>বাংলাদেশ স্কাউটসের  অন্তর্বর্তীকালীন জাতীয় নিবার্হী কমিটির উপ-প্রধান জাতীয় কমিশনার হিসেব দায়িত্ব পালন করছিলেন। স্কাউটে আঞ্চলিক নেতা নির্বাচিত হওয়ার পর</span> তরুণদের কণ্ঠস্বরকে প্রতিনিধিত্ব করতে এবং এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের স্কাউট আন্দোলনকে শক্তিশালী করতে এক সঙ্গে কাজ করবেন বলে জানিয়েছেন তিনি। </p>
<p>এপিএসসি সদস্য নির্বাচিত হয়ে স্নিগ্ধ বলেছেন, এশিয়া প্রশান্ত অঞ্চলে আমরা স্রেফ একজন স্কাউট নই। আমরা একটি পরিবার। আমরা প্রজন্ম ও জাতির মধ্যে সেতুবন্ধক। আমার বিশ্বাস, তরুণরাই হবে আগামীর শক্তি। তবে এজন্য অভিজ্ঞ নেতৃত্ব দরকার। আমাদের সেই অভিজ্ঞ নেতা রয়েছেন। আমাদের লক্ষ্য স্পষ্ট, আমরা একসঙ্গে বড় হবো। একসঙ্গে শক্তিমত্তার অধিকারী হবো। </p>
<p>তাইওয়ানের কাওশিউংয়ে এক্সিবিশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত ২৮তম এপিএসি’র পরবর্তী কার্য নির্বার্হী কমিটির সদস্য নির্বাচনে ১২ অক্টোবর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ৫ সদস্যের এই কমিটিতে নির্বাচিত হওয়ায় অনলাইনে অভিনন্দনে ভাসছেন জুলাই শহীদ মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধ’র জমজ ভাই। ১৩ অক্টোবর নতুন সদস্যদের নাম ঘোষণা করে স্কাউটিং ইন এশিয়া প্যাসিফিক রিজিওন। </p>
<p>অনুষ্ঠানে নতুন করে ৫টি আঞ্চলিক স্কাউট কমিটি ঘোষণা করা হয়। ঘোষণা অনুযায়ী, বাংলাদেশের মীর মাহবুবুর রহমানের পাশাপাশি অস্ট্রেলিয়ার নিকেতাহ জায়েদে কুনিও নেপালের দেব রাজ ঘিমিরে, হংকং এর  ডাঃ উইলসন ওয়াই-সাং লাই এবং ফিলিপাইনের আত্তি সেড্রিক গায়োনা ট্রেন আঞ্চলিক কমিটির সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। ওয়ার্ল্ড স্কাউট কমিটির চেয়ার ড্যানিয়েল করসেন এবং সেক্রেটারি জেনারেল ডেভিড বার্গ নতুন সদস্যদের নাম ঘোষণা করেন। </p>
<p>এশিয়া-প্যাসিফিক আঞ্চলিক স্কাউট কমিটিতে নিজ নিজ অঞ্চলের জাতীয় স্কাউট সংস্থা থেকে নির্বাচিত দশজন সদস্য থাকে। যাদের প্রত্যেকেই নির্দিষ্ট ছয় বছরের মেয়াদে আঞ্চলিক যুব প্রতিনিধিদের সভাপতিত্ব করেন। প্রতিটি আঞ্চলিক স্কাউট সম্মেলনে আবার পাঁচজন বিদায়ী কমিটির সদস্যের স্থলাভিষিক্ত হন পাঁচজন নবনির্বাচিত সদস্য।</p>
<p>সেই হিসাবে বর্তমান সদস্যদের মেয়াদ শেষে নতুন করে এই পাঁচজন যুক্ত হবেন।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বনানী ক্লাবে আইটি পেশাজীবিদের মিলনমেলা</title>
<link>https://digibanglatech.news/158283</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158283</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_68ec917409719.jpg" length="104875" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 13 Oct 2025 00:04:02 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>দেশের শীর্ষ আইটি পেশাজীবী, উদ্যোক্তা ও একাডেমিশিয়ানদের মিলনমেলা হয়ে উঠেছিল “বাংলাদেশ আইটি লিডার্স কানেক্ট ২০২৫”। তথ্যপ্রযুক্তি খাতে নেতৃত্ব, উদ্ভাবন ও সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচনের প্রত্যয়ে ১১ অক্টোবর, রবিবার ঢাকার বনানী ক্লাবে এই সমাবেশের আয়োজন করে বাংলাদেশ আইটি প্রফেশনালস নেটওয়ার্ক (বিআইপিটিএন)। বিআইপিটিএন কর্তৃপক্ষ জানান, “বাংলাদেশ আইটি লিডার্স কানেক্ট” প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে তারা ভবিষ্যতে দেশের প্রযুক্তি নেতৃত্বের জন্য আরও কার্যকর নেটওয়ার্কিং, জ্ঞান বিনিময় ও সহযোগিতার সুযোগ তৈরি করতে চান। </p>
<p>অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন বিআইপিটিএন-এর প্রেসিডেন্ট ও ভাইস প্রেসিডেন্ট। তারা তাদের বক্তব্যে বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের সম্ভাবনা, চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা তুলে ধরেন।</p>
<p>দিনব্যাপী আয়োজনে তিনটি প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন দেশের শীর্ষ আইটি বিশেষজ্ঞ, উদ্যোক্তা ও শিক্ষাবিদরা। আলোচনায় উঠে আসে দেশের ডিজিটাল রূপান্তরের ধারা, সাইবার নিরাপত্তা জোরদার করার প্রয়োজনীয়তা, দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন, গবেষণা ও উদ্ভাবনের সুযোগ, এবং প্রযুক্তিনির্ভর ভবিষ্যৎ অর্থনীতির সম্ভাবনা।</p>
<p>বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতকে আরও শক্তিশালী করতে হলে একাডেমিয়া, শিল্প ও সরকারের মধ্যে নিবিড় সহযোগিতা গড়ে তুলতে হবে। তবেই স্থানীয় উদ্ভাবনকে বৈশ্বিক পর্যায়ে প্রতিযোগিতামূলক করে তোলা সম্ভব হবে। তাঁদের মতে, এমন নেতৃত্ব সম্মেলন তরুণ প্রজন্মের আইটি পেশাজীবীদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হিসেবে কাজ করবে।</p>
<p>অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ও আইটি সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। দিনশেষে অংশগ্রহণকারীদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন আয়োজকরা।</p>
<p></p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>অনুষ্ঠিত হলো আন্তর্জাতিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা অলিম্পিয়াডের বাংলাদেশ বাছাই পর্ব</title>
<link>https://digibanglatech.news/158268</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158268</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_68ebb567097b4.jpg" length="121164" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 12 Oct 2025 12:05:08 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="MsoNormal" style="text-align: justify; margin: 12.0pt 0in 12.0pt 0in;"><b style="mso-bidi-font-weight: normal;"><span style="font-size: 12.0pt; line-height: 115%; font-family: 'Tiro Bangla'; mso-fareast-font-family: 'Tiro Bangla'; mso-bidi-font-family: 'Tiro Bangla';"></span></b><span lang="BN">আন্তর্জাতিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা অলিম্পিয়াড (</span>IAIO) <span lang="BN">২০২৬-এর বাংলাদেশ বাছাই পর্ব ১১ অক্টোবর, শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন টেকনোলজিতে (</span>IIT) <span lang="BN">অনুষ্ঠিত হয়েছে</span><span lang="HI">। </span><span lang="BN">বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্ক (</span>BdOSN) <span lang="BN">আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় সারা দেশের মেধাবী শিক্ষার্থীরা অংশ নেয় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা</span>, <span lang="BN">মেশিন লার্নিং</span>, <span lang="BN">ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং (</span>NLP) <span lang="BN">ও কম্পিউটার ভিশনভিত্তিক ৫ ঘণ্টাব্যাপী কাগল চ্যালেঞ্জে। ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে এইচএসসি ২০২৫ এবং পলিটেকনিকের ৪র্থ সেমিস্টার পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের জন্য উন্মুক্ত এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীরা বাস্তব জীবনের সমস্যা সমাধানের মাধ্যমে তাদের সৃজনশীলতা ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা প্রদর্শনের সুযোগ পেয়েছে। </span></p>
<p class="MsoNormal" style="text-align: justify; margin: 12.0pt 0in 12.0pt 0in;"><span lang="BN">এই প্রতিযোগিতা থেকে বাছাই করা প্রতিযোগীরা আগামী </span>IAIO Grooming Camp-<span lang="BN">এ অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন</span>, <span lang="BN">যেখানে তারা আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ ও মেন্টরশিপ গ্রহণ করবেন। পরবর্তীতে বাংলাদেশ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা অলিম্পিয়াড (</span>BdAIO)-<span lang="BN">এর সরাসরি নির্বাচিতদের সঙ্গে তারা মিলে স্লোভেনিয়ায় অনুষ্ঠিতব্য আন্তর্জাতিক </span>IAIO <span lang="BN">২০২৬-এ বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন</span><span lang="HI">। </span><span lang="BN">প্রতিযোগিতার দিন সকাল ৮টা থেকে রিপোর্টিং শুরু হয়ে বেলা ৯টায় মূল প্রতিযোগিতা শুরু হয় এবং দুপুর ২টায় শেষ হয়।</span><o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal" style="text-align: justify; margin: 12.0pt 0in 12.0pt 0in;"><span lang="BN">গত বছর সৌদি আরবের রিয়াদে বাংলাদেশের দল প্রথমবারের মতো বিশ্ব মঞ্চে অংশ নিয়ে দুটি রৌপ্য (</span>Silver) <span lang="BN">ও দুটি ব্রোঞ্জ (</span>Bronze) <span lang="BN">পদক অর্জন করে</span>, <span lang="BN">যা দেশের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও প্রযুক্তি শিক্ষার অগ্রযাত্রায় এক অনন্য মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। সেই সাফল্যের ধারাবাহিকতায় এবারও বাংলাদেশ দল নিজেদের আরও উঁচুতে তুলে ধরার প্রত্যয় নিয়ে প্রস্তুতি নিচ্ছে।</span><span style="font-size: 12.0pt; line-height: 115%; font-family: 'Tiro Bangla'; mso-fareast-font-family: 'Tiro Bangla'; mso-bidi-font-family: Vrinda; mso-bidi-language: BN;"><o:p></o:p></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>গ্লোবাল স্পেস চ্যালেঞ্জ ২০২৫&#45;এ বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন চুয়েটের ‘টিম এসরো’</title>
<link>https://digibanglatech.news/158230</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158230</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_68ea37abcef2d.jpg" length="162884" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 11 Oct 2025 11:56:12 +0600</pubDate>
<dc:creator>ক্যাম্পাস করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span>চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)-এর "টিম অ্যান্ড্রোমেডা স্পেস অ্যান্ড রোবোটিকস রিসার্চ অর্গানাইজেশন (এসরো)" যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা (NASA)-এর পৃষ্ঠপোষকতায় আয়োজিত "গ্লোবাল স্পেস চ্যালেঞ্জ ২০২৫"-এ বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।</span></p>
<p><span>স্পেস টিমস অ্যাকাডেমি কর্তৃক আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় ১৫টির বেশি দেশের ৪০টির অধিক দলের অংশগ্রহণ ছিল। প্রতিযোগিতাটি এলিমেন্টারি, মিডল স্কুল এবং সিনিয়র/হাই স্কুল এই তিন ক্যাটাগরিতে অনুষ্ঠিত হয়। এতে চুয়েটের টিম এসরো সিনিয়র (হাই স্কুল ও উচ্চতর) ক্যাটাগরিতে ৫০০-এর মধ্যে ৪৯৯.৮ স্কোর অর্জন করে বিজয়ী হয়। টানা সাতদিন ধরে চলমান এই প্রতিযোগিতায় চুয়েটের প্রতিযোগীরা প্ল্যানেটারি সায়েন্স, স্পেসক্রাফট ডিজাইন, অরবিটাল মেকানিক্স, রিমোট সেন্সিং, এন্ট্রি-ডিসেন্ট-ল্যান্ডিং, এক্সট্রাটেরেস্ট্রিয়াল হ্যাবিট্যাটস, হিউম্যান অ্যান্ড রোবোটিক এক্সপ্লোরেশনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে নিজেদের দক্ষতা প্রদর্শন করে। </span></p>
<p><span>বিশ্ব চ্যাম্পিয়নের খেতাব অর্জনের পাশাপাশি ‘বেস্ট টিম ভিডিও’ ক্যাটাগরিতেও বিজয়ী হয়। বিজয়ী দল টিম এসরো'র সদস্যরা হলেন- চুয়েটের যন্ত্রকৌশল বিভাগের ৪র্থ বর্ষের শিক্ষার্থী সজীব কুমার কর ও শুভ আহমেদ, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের ৩য় বর্ষের শিক্ষার্থী আদিল মুবাশশার এবং ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের ১ম বর্ষের শিক্ষার্থী সুদীপ্ত বণিক।</span></p>
<p><span>‘টিম এসরো’ এর ফ্যাকাল্টি এডভাইজর ছিলেন চুয়েটের গবেষণা ও সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এর পরিচালক যন্ত্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. সজল চন্দ্র বনিক এবং এর পৃষ্ঠপোষকতায় ছিলেন চুয়েটের সাবেক ভাইস-চ্যান্সেলর ও পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মোঃ জাহাঙ্গীর আলম ও এমআইটি-এর বিজ্ঞানী মিজানুল হক চৌধুরী এবং তার সংগঠন স্টেমএক্স ৩৬৫।</span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বিনা মূল্যে জেমিনি প্রো ব্যবহারের সুযোগ পাচ্ছে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা</title>
<link>https://digibanglatech.news/158220</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158220</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_68e922a9cca4a.jpg" length="68635" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 10 Oct 2025 11:14:06 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div class="storyCard eyOoS">
<div class="   
                  story-element">
<div class="story-element story-element-text">
<p>বিনা মূল্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) মডেল ‘জেমিনি প্রো’ ব্যবহারের সুযোগ পেতে যাচ্ছেন বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয় ও উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। জেমিনি ফর এডুকেশন এর আওতায় বাংলাদেশসহ কয়েকটি দেশের বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের এই সুযোগ দিচ্ছে গুগল। নতুন এ সুবিধা চালুর ফলে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা জেমিনি প্রো কাজে লাগিয়ে গবেষণা, কোডিং, সৃজনশীল কাজ দ্রুত করার পাশাপাশি জটিল সমস্যা সমাধানের মাধ্যমে নিজেদের শিক্ষাজীবন আরও গতিশীল করতে পারবেন।</p>
<p>গুগলের তথ্যমতে,  বিনা মূল্যে জেমিনি প্রো ব্যবহারের সুযোগ পাবেন। বিনা মূল্যে জেমিনি প্রো ব্যবহারের জন্য শিক্ষার্থীদের অবশ্যই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অফিশিয়াল ই–মেইল ঠিকানা ব্যবহার করে জিমেইল অ্যাকাউন্টে সাইন ইন করতে হবে। এরপরে জেমিনির অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে জেমিনি প্রো চালু করতে হবে। শিক্ষার্থীরা প্রাথমিকভাবে এক বছরের জন্য জেমিনি ২.৫ প্রো মডেল, ডিপ রিসার্চ, অডিও ওভারভিউসহ বিভিন্ন টুলসের পাশাপাশি অনলাইনে বিনা মূল্যে ২ টেরাবাইট ধারণক্ষমতা পাবেন। এ ছাড়া ভিও ৩ মডেল ব্যবহার করে যেকোনো ছবিকে ভিডিওতে পরিণত করতে পারবেন। এ সুযোগ পেতে হলে শিক্ষার্থীদের অবশ্যই আগামী ৯ ডিসেম্বরের মধ্যে নিবন্ধন করতে হবে।</p>
<div id="7359d2c4-77d8-4f58-a9b1-17ba777f8562">
<div class="storyCard eyOoS">
<div class="   
                  story-element">
<div class="story-element story-element-text">
<p>গুগল জানিয়েছে, সম্প্রতি চালু করা জেমিনি ফর এডুকেশন মূলত শিক্ষামূলক চাহিদার ওপর ভিত্তি করে তৈরি জেমিনি অ্যাপের নতুন সংস্করণ। শিক্ষার্থীদের জেমিনি এআই থেকে সর্বাধিক সুবিধা পাওয়ার সুযোগ করে দিতে গুগলের শিক্ষা প্ল্যাটফর্মের আওতায় সংস্করণটি চালু করা হয়েছে। এআই যেকোনো ব্যক্তিকে সহজে সবচেয়ে ভালোভাবে যেকোনো বিষয়ে শিখতে সাহায্য করে। জেমিনির নতুন সংস্করণটি শুধু উত্তর দেওয়ার পরিবর্তে শিক্ষার্থীদের শেখার সঙ্গী হিসেবে কাজ করবে।</p>
<p>এই সুযোগকে বাংলাদেশের জন্য আশীর্বাদ উল্লেখ করে ইউনিভার্সিটি অব ইনফরমেশন টেকনোলজি অ্যান্ড সায়েন্সের (ইউআইটিএস) সহযোগী অধ্যাপক ও আইকিউএসসি ডিরেক্টর সাফায়েত হোসাইন বলেছেন,<span> পশ্চিমা দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় অর্থের বিনিময়ে ব্যবহার উপযোগী এআই টুলগুলো শিক্ষার্থীদের বিনা মূল্যে বা কম মূল্যে ব্যবহারের সুযোগ করে দেয়। ফলে তারা সহজেই এআই প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে শিক্ষামূলক বিভিন্ন কাজ করতে পারেন। গুগল জেমিনি প্রো বিনা মূল্যে ব্যবহারের সুযোগ বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের এআইনির্ভর দক্ষতা বাড়াতে ভূমিকা রাখবে। গবেষণায় আগ্রহী শিক্ষার্থীরাও এতে উপকৃত হবেন।</span></p>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div>
<div class="print-adslot adsBox _4Pk8L _0Zwdj">
<div data-lang="বিজ্ঞাপন" class="dfp-ad-unit print-none Tlph-">
<div class="adunitContainer">
<div class=" adBox" id="News_InArticle_300x250-8eb2055b-ca9a-495c-bf8b-c3dc0c443944-0-0" data-google-query-id="CPPf4ejymZADFael2AUdm0wbBQ"></div>
</div>
</div>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের ২ রৌপ্যসহ ১ ডজন পদক জয়</title>
<link>https://digibanglatech.news/158184</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158184</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_68e7a32913dd9.jpg" length="130730" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 09 Oct 2025 14:57:53 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span lang="BN">প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের জন্য আয়োজিত আন্তর্জাতিক গণিত ও বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড (</span>International Mathematics and Science Olympiad for Primary Students (IMSO))-<span lang="BN">এ বাংলাদেশ দলের শিক্ষার্থীরা দুইটি রূপার পদক ও ১০টি ব্রোঞ্জ পদক পেয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় সকাল ৭টায় মালয়েশিয়ার কেদাহ প্রদেশের রাজধানী আলোর সেতারে আইএমএসও-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে এই ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। ৫ অক্টোবর থেকে ৯ অক্টোবর পর্যন্ত আলবুখারি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে এই অলিম্পিয়াড অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৩টি দেশের প্রায় চার শতাধিক প্রাথমিক শিক্ষার্থী এই অলিম্পিয়াডে অংশ নিয়েছে। </span><o:p></o:p></p>
<p><span lang="BN">বাংলাদেশের পক্ষে সেন্ট যোসেফ উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী অরিজিৎ সাহা গণিতে এবং  মানারাত ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী তাহমিদ হাসান বিজ্ঞানে রৌপ্য পদক অর্জন করেছে</span>। <o:p></o:p></p>
<p><span lang="BN">এছাড়া</span>, <span lang="BN">সেন্ট যোসেফ উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী মো: নাবি হোসেন ও ইহান আবরাদ রহমান</span>, <span lang="BN">এসএফএক্স গ্রিনহেরাল্ড ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের শিক্ষার্থী ওয়াফিয়া হাসান অথই</span>, <span lang="BN">মাস্টার মাইন্ড ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের শিক্ষার্থী লাবিবা বিনতে ফজলে রাব্বি এবং  সিরাজগঞ্জের বনোয়ারি লাল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী রাফসান শফিক তালুকদার গণিতে এবং লাইটহাউজ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী সৈয়দ আয়ান ঈসা</span>, <span lang="BN">এসএফএক্স গ্রিনহেরাল্ড ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী অভিজ্ঞান রায় গল্প</span>, <span lang="BN">সেন্ট জোসেফ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী আকিব ফাত্তাহ মুস্তফী</span>, <span lang="BN">সেন্ট যোসেফ হায়ার সেকেন্ডারি স্কুলের ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থী সাহাবী ইবনে কাব্য ও ময়মনসিংহ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী মোঃ মিফতাহুল ইসলাম ব্রোঞ্জ পদক পেয়েছে। </span><o:p></o:p></p>
<p><span lang="BN">গণিতে রৌপ্য জয়ী অরিজিৎ সাহা জানায় তার গণিতের যাত্রা শুরু হয়েছিল গণিত উৎসবের আঞ্চলিক পর্বে বিজয়ী হয়ে। এরপর থেকে গণিত বিষয়ে যেকোন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে। আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় রৌপ্য অর্জন জীবনের সেরা অর্জন বলে অভিব্যক্তি ব্যক্ত করেন।</span><o:p></o:p></p>
<p><span lang="BN">বিজ্ঞান রৌপ্য পদক জয়ে উচ্ছসিত তাহমিদ হাসান জানায়</span>, "<span lang="BN">আমি কোন পদক পাবো সেটি ঘুণাক্ষরেও ভাবিনি। বিভিন্ন দেশের প্রতিযোগিদের  সাথে কথা বলতে </span>পে<span lang="BN">রে বেশ ভালো লেগেছে। </span>এটা<span lang="BN"> আমার জীবনের সেরা অভিজ্ঞতা </span>হয়ে থাকবে।<span lang="BN">"</span><o:p></o:p></p>
<p><span lang="BN">শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে বাংলাদেশ দলের দলনেতা বাংলাদেশে আয়োজক বিজ্ঞান জনপ্রিয়করণ সমিতির সহসভাপতি জাহিদুল আমিন বলেন - প্রথম বারের মতো অংশ নিয়ে বাংলাদেশ দলের সকল সদস্যের পদক পাওয়া একটি অনন্য অর্জন। এজন্য তিনি শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি দলের মেন্টরদেরও অভিনন্দন জানান।  </span><o:p></o:p></p>
<p><span lang="BN">নিজের চারজন শিক্ষার্থীর পদক পাওয়ায় আনন্দিত সেন্ট যোসেফ হায়ার সেকেন্ডারি স্কুলের অধ্যক্ষ ব্রাদার লিও পেরেইরা শিক্ষার্থীদের এই অর্জনে তাদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন - আমাদের শিক্ষার্থীদের মেধা বিশ্বমানের তাই অর্জনে তিনি খুশি হয়েছেন বটে তবে অবাক হননি। তিনি মনে করেন আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক পর্যায় থেকে বিজ্ঞান ও গণিতে দক্ষ করে তোলার জন্য এরকম উদ্যোগ আরো বাড়ানো দরকার।</span><o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><span lang="BN">২২তম আসর হলেও বাংলাদেশ এই প্রথম এই আয়োজনে অংশ নিয়েছে। বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্ক ও বাংলাদেশ বিজ্ঞান জনপ্রিয়করণ সমিতির যৌথ উদ্যোগে গত ২২ আগস্ট দেশে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ গণিত ও বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড (</span>BdMSO) <span lang="BN">অনু</span>ষ্ঠি<span lang="BN">ত হয়। তারপর ধাপে ধাপে ১২ জনি শিক্ষার্থীকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ের জন্য নির্বাচিত করা হয়। মালয়েশিয়াতে বাংলাদেশ দ</span>ল<span lang="BN"> "বেস্ট কোঅপারেটিভ দল" হিসেবেও স্বীকৃতি </span>অর্জন করেছে<span lang="BN">। এছাড়া বাংলাদেশ দল স্টেম এক্সপ্লোরেশন প্রতিযোগতায় প্রথম রানার আপ হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে।</span><span style="font-family: Kalpurush;"><o:p></o:p></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বিশ্ব ডাক দিবসঃ গ্রাহক প্রত্যাশা ও আমাদের বাস্তবতা   </title>
<link>https://digibanglatech.news/158171</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158171</guid>
<description><![CDATA[ &lt;hr&gt;
&lt;p&gt;&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_68e7560739161.jpg" length="125404" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 09 Oct 2025 11:48:32 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<hr>
<p>আজ ৯ অক্টোবর। বিশ্ব ডাক দিবস। Local Service, Global Reach  বাংলায় স্থানীয় পরিষেবা: বৈশ্বিক পরিসর প্রতিপাদ্যে সারাবিশ্বে আজ দিবসটি পালিত হচ্ছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ডাকব্যবস্থাকে একত্রিত করে আন্তর্জাতিক যোগাযোগ সহজ করে তোলার উদ্দেশ্যে ১৮৭৪ সালের ৯ অক্টোবর সুইজারল্যান্ডের বার্ন শহরে “ইউনিভার্সাল পোস্টাল ইউনিয়ন (UPU)” প্রতিষ্ঠিত হবার পর প্রায় শত বছর পর  ১৯৬৯ সালে জাপানের টোকিওতে অনুষ্ঠিত UPU সম্মেলনে ৯ অক্টোবরকে “বিশ্ব ডাক দিবস” হিসেবে ঘোষণা করা হয় এবং তখন থেকেই দিনটিকে বিশ্ব ডাক দিবস হিসেবে উদযাপন করা হচ্ছে।  বিশ্ব ডাক দিবস পালনের মূল উদ্দেশ্য হলো ডাকসেবার গুরুত্ব সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করা, ডাক বিভাগের কর্মীদের অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়া এবং আধুনিক ডাক ও কুরিয়ার সেবার উন্নয়নকে উৎসাহিত করা। বিশ্বের মানুষের মধ্যে যোগাযোগের প্রাচীনতম ও নির্ভরযোগ্য মাধ্যম হলো ডাকব্যবস্থা। চিঠির মাধ্যমে ভালোবাসা, খবর ও সংস্কৃতির আদান প্রদান যুগ যুগ ধরে মানুষের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। ফলে ডাকের এই অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৭৩ সালের ৭ ফেব্রুয়ারী “ইউনিভার্সাল পোস্টাল ইউনিয়ন (UPU)” এর ১৪৭ তম সদস্যপদ  পাওয়া বাংলাদেশও আজ যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি পালন করছে।  <o:p></o:p></p>
<p>প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়ন ও আধুনিক প্রযুক্তি অভিযোজনের মাধ্যমে সাশ্রয়ী, মানসম্পন্ন ও আন্তর্জাতিক মানের ডাকসেবা নিশ্চিতের অঙ্গীকার নিয়ে চলা বাংলাদেশের ডাকব্যবস্থা একটি ঐতিহ্যবাহী ও জনবান্ধব সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠান। স্বাধীনতার পর থেকেই “বাংলাদেশ ডাক বিভাগ” দেশের প্রতিটি অঞ্চলে যোগাযোগ ও সেবার বন্ধন গড়ে তুলেছে। বর্তমানে ডাক বিভাগ শুধু চিঠি পরিবহনে সীমাবদ্ধ নয়। তথ্যপ্রযুক্তির যুগেও ডাক বিভাগের গুরুত্ব কমে যায়নি, বরং নতুন আঙ্গিকে বেড়েছে। এখন “নাগরিক সেবা ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়া” লক্ষ্য নিয়ে বাংলাদেশ ডাক বিভাগ কাজ করছে। ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোর পণ্য পরিবহনে ডাক বিভাগের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গ্রামীণ জনগণের কাছে সহজে আর্থিক ও সরকারি সেবা পৌঁছে দিতে ডাক বিভাগ বাংলাদেশ সরকারের নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করছে। কিন্তু ডিজিটাল যুগে গ্রাহকের প্রত্যাশা বেড়েছে। দ্রুত ট্র্যাকিং, অনলাইন বুকিং, নিরাপদ আর্থিক লেনদেন, এবং নির্ভরযোগ্য লাস্ট-মাইল ডেলিভারি এখন গ্রাহকের মৌলিক চাওয়া। ইউপিইউ’র ২০২২ সালের “পোস্টাল জার্নি টুওয়ার্ডস এ সাসটেইনেবল ফিউচার” শীর্ষক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে  বর্তমান তথ্য প্রযুক্তির যুগে ডোমেস্টিক পার্সেল ভলিউম দ্রুত  বাড়ছে ফলে আইসিটিবেজড লজিস্টিকস ও সার্ভিস ডেলিভারি সিস্টেম  ছাড়া সেবা প্রদান ধরে রাখতে সমস্যা হবে। এশিয়ার বহু রাষ্ট্র যেমন ভারত, মালয়েশিয়া, শ্রীলঙ্কার IT 2.0 / APT 2.0, ক্লাউড মাইগ্রেশন ও অ্যাপভিত্তিক ডিজিটাল ট্রান্সফর্মেশন, COD, OTP ভিত্তিক ডেলিভারি, রিয়েল-টাইম ট্র্যাকিং, ডিজিটাল পেমেন্ট ইন্টিগ্রেশন-এর মতো উদ্যোগসমূহ গ্রাহকের আস্থা বাড়াচ্ছে এবং প্রাইভেট কুরিয়ারদের সঙ্গে প্রতিযোগিতা সহজ করছে।  <o:p></o:p></p>
<p>বাংলাদেশ ডাক বিভাগ একসময় মানুষের ভালোবাসা, খবর, ও যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম ছিল। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে প্রাইভেট কুরিয়ার ও ডিজিটাল যোগাযোগ ব্যবস্থা জনপ্রিয় হওয়ায় ডাক বিভাগের প্রতি জনগণের আস্থা কিছুটা কমে গেছে। তাই এখন প্রয়োজন সেবার মান, গতি, ও নির্ভরযোগ্যতা ফিরিয়ে এনে সেই আস্থা পুনর্গঠন করা। “ইউনিভার্সাল পোস্টাল ইউনিয়ন “স্টেট অব দ্য পোস্টাল সেক্টর-২০২৩” প্রতিবেদনে বলেছে, এশিয়া ও বিশ্বজুড়ে পোস্টাল অপারেটরগুলো (দেশ) যদি আইসিটির ব্যবহার না করে তাহলে তাদের জন্য প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়বে। আইসিটি ব্যবহারের এই ধারা ও ভবিষ্যৎ প্রবণতা নিয়ে রিপোর্ট বিশ্লেষণ করে তারা বলেছে যে ,দুনিয়ার পোস্টাল সেক্টরে ডিজিটাল রূপান্তরই এখন টিকে থাকার মূল কৌশল।  ঠিক এই জায়গাতেই প্রযুক্তিগত রিফর্মেশন ও রিসোর্সের অভাবের কারণে বাংলাদেশ ডাক বিভাগ রীতিমতো লড়াই করছে। মানুষ আসলে আমাদের কাছে কি চায়? কম খরচে সেবা চায় নাকি নায্য খরচে নির্ভরযোগ্য সেবা চায়? সেটা একটা বড় প্রশ্ন। মানুষ আমাদের কাছে আশা করে দ্রুত ও সময়নিষ্ঠ সেবা: মানুষ চায় তার চিঠি, পার্সেল, অর্থ বা ডকুমেন্ট নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে গন্তব্যে পৌঁছাক। দেরি বা হারিয়ে যাওয়া তাদের আস্থা নষ্ট করে। নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য ব্যবস্থা: গ্রাহক আশা করে তাদের গুরুত্বপূর্ণ নথি ও মূল্যবান পণ্য নিরাপদে পৌঁছাবে, কোন ক্ষতি বা গোপন তথ্য ফাঁস হবে না। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা: চিঠি বা পার্সেল হারিয়ে গেলে বা ক্ষতিগ্রস্ত হলে সহজে অভিযোগ ও ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা যেন থাকে মানুষ সেটা আশা করে।সাশ্রয়ী খরচে সেবা: সব শ্রেণি পেশার মানুষ যেন সহজে ডাকসেবা গ্রহণ করতে পারে এটিই নাগরিক প্রত্যাশা করে।  বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ ও গ্রাহকসেবা: গ্রাহক আশা করে ডাক বিভাগের কর্মীরা যেন আইসিটিতে দক্ষ, দায়িত্বশীল, সাহায্যপ্রবণ ও সেবামুখী হন। গ্রাহকসেবা বিষয়ে প্রশিক্ষণ, আইসিটি দক্ষতা, এবং দায়িত্ববোধ ও সততা এগুলো মানুষের স্বাভাবিক প্রত্যাশা। <o:p></o:p><o:p> </o:p></p>
<p>আস্থাশীল ডাক বিভাগ গঠনে আইসিটির ভূমিকা অনস্বীকার্য। সাশ্রয়ী সেবা নিশ্চিত করতে আইসিটির ভূমিকাকে অগ্রাধিকার  বিবেচনা করে ডিজিটাল অটোমেশনের মাধ্যমে পত্র, পার্সেল ও আর্থিক লেনদেনের প্রক্রিয়া কম্পিউটারভিত্তিক করলে সময় ও জনবল খরচ কমে, ফলে সেবা আরও সাশ্রয়ী হয়। ইলেকট্রনিক পেমেন্ট সিস্টেমের মাধ্যমে মোবাইল ব্যাংকিং, পোস্টাল ক্যাশ কার্ড, ও অনলাইন বিল পেমেন্ট চালু থাকলে গ্রাহককে আর অফিসে যেতে হয় না ফলে সময় ও যাতায়াত ব্যয় দুই-ই সাশ্রয় হয়। ডিজিটাল রুট পরিকল্পনায় (Route Optimization) আইসিটি ব্যবহার করে ডাকপিয়নের পথ নির্ধারণ করা গেলে জ্বালানি ও সময় বাঁচে খরচও কমে। সেবা প্রদানের ধীরগতি ও পুরোনো অবকাঠামো হতে বের হয়ে আইসিটি ব্যবহারে সীমাবদ্ধতা ঘুচিয়ে ডাক বিভাগকে এখন আইসিটিতে শক্তিশালী হতে হবে। গ্রামীণ এলাকাগুলোতে ইন্টারনেট ও প্রযুক্তিগত অবকাঠামো দুর্বলতার উত্তরণ ঘটাতে হবে।  আইসিটিকে উপেক্ষার মনোভাবের উন্নয়ন ঘটিয়ে কর্মীদের আইসিটি দক্ষতা বাড়িয়ে ও নতুন প্রযুক্তি  ব্যবহার অভ্যস্ততা তৈরি করে গ্রাহকসেবার  মনোভাব বাড়াতে হবে যেন গ্রাহকের আস্থার সংকট তৈরি না হয়। প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে বেসরকারি কুরিয়ার প্রতিষ্ঠানগুলো যেমন দ্রুত, ট্র্যাকযোগ্য ও ঘরে পৌঁছে দেওয়ার সেবা দিচ্ছে তেমন আইসিটিবেজড সেবা দিতে হবে। আইসিটি ব্যবহারের মাধ্যমে প্রতিটি পার্সেল বা চিঠি রিয়েল-টাইমে ট্র্যাক করার ব্যবস্থা গ্রাহকের মনে নিরাপত্তা ও আস্থা তৈরি করে। এগুলো সব কিছু অর্জনের জন্য বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে আইসিটিবেজড ডাক বিভাগ এখন সময়ের দাবী। </p>
<p><o:p></o:p>বাংলাদেশ ডাক বিভাগ ইতোমধ্যে ইলেকট্রনিক মানি ট্রান্সফার সার্ভিস (EMTS), অনলাইন ট্র্যাকিং চালু করেছে। তবে সেবার গতিশীলতা, কর্মীদের প্রশিক্ষণ ও আইটি অবকাঠামো আরও শক্তিশালী করতে হবে যাতে পুরো দেশব্যাপী এই সুবিধা পৌঁছে যায়। সাশ্রয় ও আস্থা এই দুইয়ের মিলন ঘটাতে আইসিটির বিকল্প নাই। শক্তিশালী আইসিটি সক্ষমতা ডাক বিভাগকে শুধু আধুনিকই করবেনা, এটি “কম খরচে বেশি সেবা” দেওয়ার পথও খুলে দিবে। যখন সেবা দ্রুত ও স্বচ্ছ হবে, মানুষ তখন আবার ডাক বিভাগের ওপর ভরসা করবে। সুতরাং বলা যায়, প্রযুক্তি-নির্ভর ডাক ব্যবস্থা মানেই সাশ্রয়ী, আধুনিক ও আস্থাশীল সেবা। এর সাথে সাথে ডাক বিভাগের প্রচার ও ইতিবাচক ব্র্যান্ডিং দরকার। ডাক বিভাগের অনেক সাফল্য মানুষ জানে না। নতুন সেবা, ডিজিটাল উদ্যোগ, ই-কমার্স পার্টনারশিপ ইত্যাদি মিডিয়া ও সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে প্রচার করলে ডাক বিভাগের প্রতি জনগণের আগ্রহ বাড়বে।   <o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal" style="text-align: justify;">ডাক বিভাগ দেশের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও যোগাযোগের জীবন্ত প্রতীক। তবে জনগণের আস্থা ফিরে পেতে এখন প্রয়োজন দ্রুত সেবা, ডিজিটাল রূপান্তর ও ডিজিটাল ব্যবস্থাপনা, কর্মদক্ষতা ও জবাবদিহিতা। যদি এই পদক্ষেপগুলো বাস্তবায়ন করা হয়, তবে ডাক বিভাগ আবারও হয়ে উঠবে জনগণের নির্ভরযোগ্য, আধুনিক ও গর্বের প্রতিষ্ঠান। একবিংশ শতাব্দীতে ডাক বিভাগকে টিকিয়ে রাখতে ও জনগণের আস্থা ফেরাতে প্রযুক্তি ব্যবহারের বিকল্প নেই। আইসিটি নির্ভর ডিজিটাল ডাক বিভাগ গড়ে উঠলে তা হবে জনগণের কাছে নির্ভরযোগ্য, স্বচ্ছ, সাশ্রয়ী ও গর্বের একটি জাতীয় প্রতিষ্ঠান। বিশ্ব ডাক দিবস আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় ডাক বিভাগ শুধু যোগাযোগের মাধ্যম নয়, এটি মানুষের আবেগের অংশ। প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক যুগে ডাক বিভাগ যদি তথ্যপ্রযুক্তি, দক্ষতা ও সেবার মান একত্রে উন্নত করে,তবে সেটি আবারও হতে পারে জনগণের সবচেয়ে সাশ্রয়ী, নির্ভরযোগ্য ও প্রিয় যোগাযোগ ব্যবস্থা। ডাক কেবল চিঠি পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যমই নয় এটি মানুষে মানুষে সম্পর্কের সেতুবন্ধন। প্রযুক্তির এই যুগেও ডাক বিভাগের মানবিক সেবা আমাদের জাতীয় ঐতিহ্যের অংশ হয়ে আছে। তাই বিশ্ব ডাক দিবসে আমাদের অঙ্গীকার হোক ডাক বিভাগকে আরও প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক, কার্যকর ও জনগণের আস্থার প্রতীক হিসেবে গড়ে তোলা।  </p>
<hr>
<p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><strong>লেখকঃ-</strong> মোঃ মনিরুজ্জামান; <em>প্রোগ্রামার, ডাক অধিদপ্তর, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ</em></p>
<hr>
<p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>গ্রেফতারের ছবি এআই; সচল ফেসবুক পেজ; ভিডিও বার্তা প্রি&#45;রেকর্ডেড</title>
<link>https://digibanglatech.news/158165</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158165</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_68e72e0bcf9f0.jpg" length="79361" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 08 Oct 2025 21:43:19 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>খ্যাতিমান বাংলাদেশি আলোকচিত্রী ও অধিকারকর্মী ড. শহিদুল আলম গাজামুখী নৌবহরে যোগ দিয়ে জানিয়েছিলেন,  এই যাত্রায় প্রধান উদ্দেশ্য মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়া নয়;  বরং অবরোধ ভাঙা। তবে ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই সফরে ৮ আগস্ট বন্দি হয়েছেন তিনি। ভূমধ্যসাগরে গাজা উপকূলীয় রেড জোনে কনশানস নৌযান থেকে সকল সহযাত্রীসহ ইসরায়েলি বাহিনীর হাতে আটক হওয়ার আগ পর্যন্ত তিনি ফেসবুকে নানা পোস্ট দিচ্ছিলেন। আটকের পর তার প্রশাসকদের মধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে পেজটি। এই পেজেই এ ধরনের অপরহরণকে আরেকটি যুদ্ধাপরাধ হিসেবে মন্তব্য করেছে <span>গাজায় ইসলায়েলি অবরোধ ভাঙার উদ্দেশ্যে ফ্লোটিলা যাত্রা করা ৫০০ জন অধিকারকর্মীর নৌবহর ‘</span>গ্লোবাল সুমুদ <span>ফ্লোটিলা’। </span></p>
<p>এদিকে শহিদুল আলমের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে অপহরণের খবরের সঙ্গে কোনো ছবি প্রকাশ না করা হলেও নেটদুনিয়ায় তাকে গ্রেফতারের একটি ছবি ছড়িয়ে পড়েছে।  তবে ফ্যাক্টচেক বলছে, ঘটনা সত্য হলেও ছবিটি কিত্রিম। চারজন জায়নিস্ট সেনার হাতে আটক শহীদুল আলমের ছড়িয়ে পড়া ছবিটি বিশ্লেষণ করে ডিজিটাল ফরেনসিক বিশেজ্ঞ তানভীর হাসান জোহা জানিয়েছেন, প্রথমে ছবিটা দেখে অনেকের মতো আমিও ভেবেছিলাম এটা হয়তো আসল। কারণ এখনকার জেনারেটিভ এআই প্রযুক্তি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, একক ছবি দেখে বাস্তব আর কৃত্রিম আলাদা করা কঠিন। তবে পরে একই ব্যাকগ্রাউন্ডে তৈরি একাধিক সংস্করণ দেখা যায়—যেখানে সৈনিকদের অবস্থান, আলো, ছায়া, এমনকি পেছনের সমুদ্র পর্যন্ত হুবহু একই, শুধু সামনের ব্যক্তির মুখ ও পোশাক পরিবর্তন করা। এই মিল থেকেই স্পষ্ট হয় ছবিগুলো আসলে ম্যানিপুলেট করা হয়েছে। তাই আগের মন্তব্য ছিল সীমিত তথ্যের ভিত্তিতে, আর এখনকার বিশ্লেষণ হলো পূর্ণ প্রমাণসহ—ছবিটি বাস্তব নয়, এটি একটি বিভ্রান্তিকর ভিজ্যুয়াল।</p>
<p>অপরদিকে গাজাগামী নৌবহর থেকে আটক শহিদুল আলমের ভিডিও বার্তাটি প্রি-রেকর্ডেড, মোটেও সাজানো নয় বলে জানিয়েছে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের (পিআইবি) ফ্যাক্ট চেক ও মিডিয়া রিসার্চ টিম বাংলাফ্যাক্ট। তবে তার আগেই ভিডিওটি ঘিরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হচ্ছে। শেখ হাসিনার সাবেক উপ-প্রেস সচিব মো. আশরাফুল আলম খোকন ভিডিওটির একটি স্ক্রিনশট শেয়ার করে ব্যঙ্গ করে প্রশ্ন তোলেন, আটক করা হলে শহিদুল আলম কীভাবে ভিডিও রেকর্ড করে পোস্ট দিলেন? একই ধরনের মন্তব্য আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ একাধিক ফেসবুক পেজ থেকেও ছড়ানো হচ্ছে।</p>
<p>বাংলাফ্যাক্ট অনুসন্ধান টিম জানায়, কনশানস জাহাজের যাত্রীরা যে ইসরাইলি বাহিনীর হাতে আটক হয়েছেন, তা আলজাজিরা, অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস, বিবিসি ও টাইমস অব ইসরাইল-এর প্রতিবেদনে নিশ্চিত করা হয়েছে। গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা ও ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ উভয়পক্ষ থেকেই এই আটকের তথ্য প্রকাশ করা হয়।</p>
<p>আলোচিত ভিডিওতে শহিদুল আলমকে বলতে শোনা যায়, “যদি আপনারা এই ভিডিওটি দেখে থাকেন...”। স্পষ্টত এটি আগে থেকে রেকর্ডিং করা ভিডিও। ফ্লোটিলায় অংশ নেওয়া যাত্রীরা এমন ভিডিও আগে থেকেই প্রস্তুত রাখেন, যাতে আটক হওয়ার পর সেগুলো প্রকাশ করা যায়। চলতি বছরের জুনে Freedom Flotilla Coalition–Gi ‘Madleen’ জাহাজে অংশ নেওয়া কর্মীরা আটক হওয়ার পর তাদের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট থেকেও অনুরূপ প্রি-রেকর্ডেড ভিডিও বার্তা প্রকাশ হয়েছিল।</p>
<p>বাংলাফ্যাক্ট জানায়, আলোচিত ভিডিওটি পোস্ট করার প্রায় দুই ঘণ্টা পূর্বে শহীদুল আলম Israelis approaching conscience লিখে ১মিনিট ১৫ সেকেন্ডের আরেকটি ভিডিও পোস্ট করেছিলেন। ইসরাইলি বাহিনী যে তাদের দিকে এগিয়ে আসছিল, এই ব্যাপারে তারা নিশ্চিত ছিলেন। শহিদুল আলমের ফেসবুক পেজে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানানো হয়েছে, তিনি মুক্ত না হওয়া পর্যন্ত তার ফেসবুক পেজটি Bangladesh Stands With Palestine এবং Free Shahidul অ্যাক্টিভিস্টরা পরিচালনা করবেন।</p>
<p>আওয়ামী লীগ সরকারের নিপীড়ন ও দমননীতির বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে সোচ্চার থাকায় শহিদুল আলমকে ঘিরে পরিকল্পিতভাবে অপতথ্য ও বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে বলে শনাক্ত করেছে বাংলাফ্যাক্ট।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>সুবিপ্রবি থেকে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য</title>
<link>https://digibanglatech.news/158062</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158062</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_68e33db4c4639.jpg" length="81840" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 06 Oct 2025 00:06:00 +0600</pubDate>
<dc:creator>ক্যাম্পাস করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি)-এর খণ্ডকালীন সদস্য মনোনীত হয়েছেন সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো.নিজাম উদ্দিন। ইউজিসির সচিব ড. মো. ফখরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক পত্রের মাধ্যমে উপাচার্যকে বিষয়টি অবহিত করেন।</p>
<p>খণ্ডকালীন সদস্য মনোনীত করায় ইউজিসি কর্তৃপক্ষকে হাওড় অঞ্চলের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ খ্যাত সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা ও আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো.নিজাম উদ্দিন।</p>
<p>তিনি বলেছেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের খণ্ডকালীন সদস্য মনোনীত হওয়া এই অর্জন শুধু আমার একার নয় ,এই অর্জন সুবিপ্রবি পরিবারের সাথে সংশ্লিষ্ট সকল শিক্ষক,শিক্ষার্থী,কর্মকর্তা, কর্মচারীর অর্জন বলেই আমি মনে করি। তিনি আরো বলেন, আমি আমার দীর্ঘদিনের অর্জিত জ্ঞান, অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা দিয়ে নিষ্ঠার সাথে এ দায়িত্ব পালন করার চেষ্টা করবো।</p>
<p>তিনি মনে করেন তার এই সম্মানজনক পদায়ন বাংলাদেশের সকল পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় গুলোর শিক্ষার মানোন্নয়ন এ এবং আন্তর্জাতিক এক্রিডেশন পেতে বিমক এর মাধ্যমে জোরালো ভুমিকা রাখার ব্যাপারে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।</p>
<p>বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন আদেশ, ১৯৭৩ (President’s Order No.10 Of 1973) এর (৪) (১) ( ডি) ও (৪) (৫ ) ধারার বিধান অনুসারে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন কর্তৃপক্ষের গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ৫ অক্টোবর থেকে পরবর্তী দুই বছরের জন্য ড. মো.নিজাম উদ্দিনকে এই মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।</p>
<p>একই পত্রে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নিজাম উদ্দিনকে অভিনন্দন জ্ঞাপন করে ইউজিসি পরিচালনায় মূল্যবান পরামর্শ ও সক্রিয় সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন কর্তৃপক্ষ।</p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>গুগল নিউজ ও ইউটিউব  ইনকিউবেশন প্রকল্পে যুক্ত হচ্ছে ড্যাফোডিল</title>
<link>https://digibanglatech.news/158030</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158030</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_68e1cd2348a9b.jpg" length="131371" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 05 Oct 2025 00:43:18 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>প্রাতিষ্ঠানিক অংশীদারিত্ব তৈরির উদ্দেশ্যে সার্চ ইঞ্জিন গুগল এবং ভিডিও প্লাটফর্ম ইউটিউবের দুইটি প্রকল্পে যুক্ত হচ্ছে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির জার্নালিজম, মিডিয়া এবং কমিউনিকেশন বিভাগ। সিঙ্গাপুরে অবস্থিত গুগল এশিয়া প্যাসিফিকের সদর দপ্তরে এ নিয়ে ২ অক্টোবর, বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত পৃথক দুটি বৈঠক শেষে এমনটাই জানিয়েছে বৈঠকে অংশ নেয়া প্রতিনিধি দলটি। </p>
<p>সূত্রমতে, প্রথম বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয় গুগল নিউজ ইনিশিয়েটিভ টিমের সঙ্গে। ওই বৈঠক গুগল নিউজ পার্টনারশিপ প্রকল্পের প্রতিনিধি আদিল ফারহানের সঙ্গে এ বিষয়ে আলাপ সেরেছেন ড্যাফোডিলের জার্নালিজম, মিডিয়া এবং কমিউনিকেশন (জেএমসি) বিভাগের প্রধান ড. আফতাব হোসেন ও সহযোগী  অধ্যাপক ড. আব্দুল কাবিল খান। <span>দুই পক্ষের এই আলোচনায় গুগল নিউজের পার্টনারশিপ প্রকল্পের সঙ্গে সেমিনার, ইন্টার্নশিপ এবং মাস্টারক্লাস আয়োজনের সম্ভাব্য সহযোগিতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। </span>এরপর জেএমসি প্রতিনিধিদল ইউটিউবের সঙ্গে আরেকটি বৈঠকে মিলিত হয়। এই বৈঠকে গুগল এশিয়ার প্যাসিফিক হেডকোয়ার্টার এর ইউটিউব স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপের প্রতিনিধি আবু সালেহ উপস্থিত ছিলেন। উভয় পক্ষ তরুণ কনটেন্ট নির্মাতাদের জন্য ইনকিউবেশন প্রকল্প, কমিউনিটি গাইডলাইনস, এবং ডিজিটাল সুরক্ষার রিসোর্সগুলোকে মাঠ পর্যায়ে পৌঁছে দিতে একটি যৌথ সহযোগিতামূলক উদ্যোগে কাজ করার বিষয়ে ঐকমত্য পোষণ করেন।</p>
<p><span>এ প্রসঙ্গে জেএমসি বিভাগের প্রধান ড. আফতাব হোসেন  বলেন, ”গণমাধ্যম ও প্রযুক্তির এই সন্ধিক্ষণে, গুগল নিউজ ইনিশিয়েটিভের সঙ্গে আমাদের সহযোগিতা শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে। আমাদের কোর্স কারিকুলামে এআই টুলের একীকরণ এটাই প্রমাণ করে যে, আমরা আমাদের শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত করতে বদ্ধপরিকর।”</span></p>
<p>গুগলের সঙ্গে অংশীদারিত্ব নিয়ে আদিল ফারহান বলেন, বাংলাদেশের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগের সঙ্গে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে কাজ করার এই ধরনের সহযোগিতা আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আধুনিক সাংবাদিকতায় তথ্য যাচাই ও এআই টুলস এর মতো বিষয়গুলোতে সচেতনতা বাড়ানোয় ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির জেএমসি-এর সঙ্গে গুগলের যৌথ উদ্যোগ একটি ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আমরা আশা করছি।  </p>
<p><span>জেএমসি প্রতিনিধিদল জানিয়েছে, তাদের বিভাগ ইতোমধ্যে পাঠ্যসূচিতে গুগল-এর সুনির্দিষ্ট এআই টুলস এবং ডিজিটাল সাংবাদিকতা সংশ্লিষ্ট গুগলের নানান রিসোর্স যুক্ত করেছে, যাতে শিক্ষার্থীরা দ্রুত পরিবর্তনশীল গণমাধ্যমের জন্য আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারের নিশ্চিত করতে পারে। </span></p>
<p>প্রসঙ্গত, গুগলের উদ্যোগে এবং প্রথম আলোর ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশে শুরু হওয়া ‘ইনফরমেশন ক্রেডিবিলিটি অ্যান্ড এআই লিটারেসি ট্রেনিং’ কার্যক্রমে স্ট্র্যাটেজিক পার্টনার হিসেবে রয়েছে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>কমনওয়েলথ ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ডসে প্রাধান্য ডিজিটাল মাধ্যম</title>
<link>https://digibanglatech.news/158013</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158013</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_68e1150d64508.jpg" length="97138" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 04 Oct 2025 11:37:44 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>এশিয়া ও অন্যান্য অঞ্চলের তরুণ সাংবাদিক ও যোগাযোগকর্মীদের জন্য বিশেষ সুযোগ নিয়ে এসেছে ২০২৬ সালের কমনওয়েলথ ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড। এ বছর প্রথমবারের মতো চালু হচ্ছে ‘প্যাটসি রবার্টসন অ্যাওয়ার্ড ফর আউটস্ট্যান্ডিং কমিউনিকেশন স্কিলস ইন অ্যাডভান্সিং কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড পিস’ ক্যাটেগরি। এই ক্যাটাগরিতে পুরস্কার প্রাপ্তদের ক্ষেত্রে প্রাধান্য পাচ্ছে ডিজিটাল দক্ষতা ও মাধ্যম। কেননা, বিশেষ পুরস্কারটি দেওয়া হবে সেই সব তরুণ সাংবাদিক, লেখক, সম্প্রচারক ও যোগাযোগকর্মীদের, যারা সাহস, সৃজনশীলতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে মিডিয়া স্বাধীনতা, অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ ও গণতন্ত্রকে এগিয়ে নিচ্ছেন।<o:p></o:p></p>
<p>সম্পাদক, রিপোর্টার ও ফটোসাংবাদিকদের পাশাপাশি নতুন যুক্ত ক্যাটেগরিতে আবেদন করতে পারবেন ওয়েবকাস্টার, সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাক্টিভিস্ট, ভাষ্যকার, সম্প্রচারক, ব্লগার, পডকাস্টার ও স্ট্রিমাররা। পুরস্কার হিসেবে থাকছে এক হাজার পাউন্ড নগদ অর্থ, একটি সনদ ও একটি ট্রফি।<o:p></o:p></p>
<p>কমনওয়েলথ ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ডের সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী আবেদনকারীদের অবশ্যই কমনওয়েলথভুক্ত দেশের নাগরিক হতে হবে ও আগামী ৩১ ডিসেম্বর তারিখে বয়স ১৫ থেকে ২৯ বছরের মধ্যে হতে হবে। অন্তত ১২ মাস পেশাদার বা স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে উন্নয়নমূলক কাজে যুক্ত থাকতে হবে এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (এসডিজি) যেকোনো একটি বাস্তবায়নে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখতে হবে। <o:p></o:p></p>
<p>প্যাটসি রবার্টসন পুরস্কারের জন্য যোগ্য হতে হলে আবেদনকারীকে জমা দিতে হবে তাদের কাজের নমুনা, পেশাগত রেফারেন্স এবং কীভাবে তাদের কাজ টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা-১৬ (শান্তি, ন্যায়বিচার ও দৃঢ় প্রতিষ্ঠান) অগ্রসর করছে তার প্রমাণ।<o:p></o:p></p>
<p>আবেদনের শেষ তারিখ ১৭ অক্টোবর ২০২৫। অনলাইনে <a href="https://commonwealth-youthexcellence.awardsplatform.com/">এই ঠিকানায়</a> গিয়ে আবেদন করা যাবে পুরস্কারের জন্য।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ঢাকায় দ্বিতীয় এআই এজেন্ট বুটক্যাম্প ২০২৫ অনুষ্ঠিত</title>
<link>https://digibanglatech.news/157990</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157990</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_68dfca5cab7d2.jpg" length="149710" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 03 Oct 2025 11:09:06 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>সিএক্সও গ্লোবাল অ্যালায়েন্স এবং ওপেন সোর্স বাংলাদেশ অ্যালায়েন্সের যৌথ উদ্যোগে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হলো “২য় এআই এজেন্ট বুটক্যাম্প ২০২৫ – ফ্রম ভিশন টু এক্সিকিউশন”। বুটক্যাম্পে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মোট ৭৬ জননির্বাহী, ম্যানেজার ও ডেভেলপার অংশ নেন। তাদেররকে দিক নির্দেশনা দেনে ১৫ জন মেন্টর। </p>
<p>রাজধানীর কাওরান বাজারস্থ অস্টেলাসিয়া ট্রেড হাবে সকাল সাড়ে ৮টা থেকে শুরু হয়ে বুটক্যাম্প চলে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত। এতে লিড ইনস্ট্রাক্টর হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিসেসের সল্যুশন আর্কিটেকচার এবং স্টার্টআপস লিডার মোহাম্মদ মাহদী-উজ জামান। </p>
<p>এই বুটক্যাম্পে একক এজেন্ট থেকে বহুমুখী এজেন্ট সিস্টেমে রূপান্তরের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। আয়োজকরা জানান, আগে যেসব প্রকল্প সম্পন্ন করতে দুই সপ্তাহ সময় লাগত, এখন তা মাত্র একদিনেই শেষ করা সম্ভব, খরচও কমেছে প্রায় একশ গুণ। কর্মশালায় মাল্টি-এজেন্ট ওয়ার্কফ্লো, ডেটা অপস, এআই অপস এবং ফিনটেক, টেলিকম, হেলথকেয়ার ও এফএমসিজি খাতের বাস্তব কেস স্টাডি উপস্থাপন করা হয়।</p>
<p>অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সিএক্সও গ্লোবাল অ্যালায়েন্সের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি মোহাম্মদ ফারুক আহমেদ। তিনি বলেন, “বাংলাদেশ এখন এআই-ফার্স্ট কৌশল গ্রহণে প্রস্তুত। শিল্প খাতে মাল্টি-এজেন্ট সিস্টেমের প্রসার ঘটিয়ে দেশের রূপান্তর সম্ভব হবে।”</p>
<p>অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সনদ বিতরণের মধ্য দিয়ে শেষ হয় এই বুটক্যাম্প। আগামী বছরে আবার বসবে এই বুটক্যাম্প। </p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>১৪ স্বর্ণপদকসহ ১৭ সম্মাননা জয়ীরা সংবর্ধিত</title>
<link>https://digibanglatech.news/157974</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157974</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_68de8330c16f4.jpg" length="155429" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 02 Oct 2025 18:47:05 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>দল বেঁধে গিয়ে যেন ব্যাগ ভরে সম্মাননা নিয়ে এলো বাংলাদেশের তরুণ ও কিশোর উদ্ভাকেরা। ওয়ার্ল্ড ইনোভেশন কম্পিটিশন অ্যান্ড এক্সিবিশনের (ডব্লিউআইসিই) সপ্তম আসরে ১৪টি স্বর্ণ ও ৩টি রৌপ্য মিলিয়ে এই সম্মাননা নিয়ে ঘরে ফিরেছে ১৭ দলের ৫০ জন প্রতিযোগী।  ড্রিমস অব বাংলাদেশের হয়ে এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে নতুন ইতিহাস গড়লো আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্ম। দেশে ফিরে ১ অক্টোবর আকিজ হাউজে সংবর্ধিত হয় তারা। </p>
<p>তরুণ উদ্ভাবক, সমস্যা সমাধানকারী এবং গবেষকদের উদ্ভাবন বিশ্ব মঞ্চে তুলে ধরতে ২১ থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরের কোটা ডামনসারায় অবস্থিত সেগি ইউনিভার্সিটিতে বসেছিলো ওয়ার্ল্ড ডব্লিউআইসিই ২০২৫ প্রতিযোগিতাটি। সেখানে ২৭টিরও বেশি দেশের তরুণ উদ্ভাবকদের সঙ্গে  ১৭ দলে নিজেদের প্রকল্প উপস্থাপন করে প্রতিযোগিতা করে বিরল গৌরব অর্জন করলো বাংলাদেশ। ইন্দোনেশিয়ান ইয়ং সায়েন্টিস্ট অ্যাসোসিয়েশন (IYSA) এবং সেগি ইউনিভার্সিটির যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত এই আন্তর্জাতিক উদ্ভাবন প্রতিযোগিতা ও প্রদর্শনীতে দল বেধে অংশ নেয় বাংলাদেশের তরুণ উদ্ভাবকেরা। দেড় হাজারের মতো প্রতিযোগী বিভিন্ন প্রকল্প নিয়ে অংশ নেয় এই আসরে। </p>
<p>সেখানে কৃষি খাতে উদ্ভাবনী এবং প্রযুক্তিনির্ভর সমাধান নিয়ে স্বর্ণপদক জয় করে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অফ বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজির (বিইউবিটি) সিএসই শিক্ষার্থী কামরুল ইসলাম ও ফজলে রাব্বির অ্যাগ্রো ডক্টর প্রকল্প। আইটি অ্যান্ড রোবটিকস ক্যাটাগরিতে ও বিশ্ববিদ্যালয় গ্রেডে এই সম্মাননা পায় বিইউবিটি’র প্রকল্পটি। একই গ্রেডে হেলমেট এমকিউ৩ প্রকল্প নিয়ে সোনা জিতেছে মুশফিকুর রহমান নাফিস ও আবু রায়হানের যৌথ প্রকল্প হেলমেট এমকিউ৩। তাদেরর দলের নাম ডেল্টাভল্ট। </p>
<p>একইভাবে প্রতিযোগিতায় কলেজ ক্যাটাগরিতে ঢাকার বাইরে থেকে অংশ নেয়া চুয়াডাঙ্গা সায়েন্স অ্যান্ড রোবটিকস ক্লাবের তোহা ও তার সহযাত্রী জাহিদ হাসান জিহাদ এবং তাদের দল ‘হেক্সাগার্ড রোভার’ প্রকল্প নিয়ে রোবোটিক্স-ক্যাটাগরিতে স্বর্ণপদক জয় করেন। তাদের উদ্ভাবিত প্রকল্পটি একটি উদ্ভাবনী রোবোটিক সিস্টেম, যা দুর্যোগকালীন উদ্ধারকাজ, নজরদারি এবং দুর্গম এলাকায় নিরাপত্তা কার্যক্রমে সহায়ক হতে পারে।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x_68de83301f7bc.jpg" alt=""></p>
<p>এছাড়াও স্কুল গ্রেডে ‘পথচারি ১.০’ প্রকল্প নিয়ে স্বর্ণজয়ী রেসকিউ রোভার দলের সদস্যরা হলেন- আদিয়াত ইয়ামিন রায়ান ও তাহমিদ বিন আলম।  একইসঙ্গে স্মার্ট মেডিকেল অ্যাসিস্টেন্ট বট নিয়ে সোনা জয় করেছেন থ্রেটবট দলের দিব্যজ্যোতি সাহা ও সাফওয়ান সাঈদ আহমেদ। ইকো পালস প্রকল্প নিয়ে ইয়ং স্পার্কস অব বাংলাদেশ দলের স্বর্ণজয়ীরা হলেন- আহনাফ বিন আশরাফ নাবিল, আয়ান ইসলাম আরিয়ান ও লাবিব ইসলাম। আরো স্বর্ণজয় করেছেন ইকো ফিউশন প্রকল্পের উদ্ভাবক- আহনাফ আবেদিন, সামনুন সিয়াম, ইফরাজ মাহমুদ ও প্রাঞ্চয় তরফদার। টিম ফিউশন ফোর্সের স্বর্ণজয়ীরা হলেন- জারিফ বিন সালেক, সস্মিত বণিক ও মাশরুর আরেফিন ভূইয়া।</p>
<p>অপরদিকে এলিমেন্টারি গ্রেডের হলো এআই প্রকল্প নিয়ে ফাইয়াজ বিন ইকবাল একই সম্মাননা পেয়েছেন। পৃথিবীর বাইরে মানবাতার পরবর্তী বসত প্রকল্প নিয়ে জয়ী তারার বারী দলের সদস্যরা হলেন- কায়সান আরিজ যায়ান, রহমতুল্লাহ খান আইমান,  ও মুনতাসির রহমান। </p>
<p>স্কুল গ্রেডে স্বর্ণজয়ী অ্যাকুয়া বট টিমের সদস্যরা হলেন- আহনাফ সাফোয়ান ইসলাম, আয়ান রহমান ও আনিসা বেগম। টিম রিভার গার্ড দলের স্বর্ণজয়ী সদস্যরা হলেন- অরণ্য আবির খান প্রাপ্য, তৌসিফ আহনাফ ও আবরার সাদিক রাহা। ফ্লাডহক প্রকল্প নিয়ে বিজয়ী প্যান্থম ফোর্জ দলের সদস্যরা হলেন-সাফওয়ান আনোয়ার, সাফায়াত হোসেন রোহান, মেহেদী হাসান রবিন, আব্দুর রহমান সাদেক আকন্দ, মায়শা রহমান, নিয়াজ মোর্শেদ সায়েম, যুবরাজ সিকদার, নাঈদ হোসাইন ও ফয়জুল্লাহ মুনিম।</p>
<p>কলেজ ক্যাটাগরিতে ইনোভেশন সোশ্যাল সায়েন্স ক্যাটাগরিতে স্বর্ণজয়ী টেক অটোক্র্যাটস দলে রয়েছেন হাসিন ইসরাক চৌধুরি তহা, তানভীর রহমান সাদ ও ইশতিয়াক আহমেদ ইয়ামিন। আকাশ পাঠাবো দলের স্বর্ণজয়ীরা হলেন- শাফি বিন সুলতান, সাবিক বিন সুলতান ও সাফওয়ান সাদাদ।      </p>
<p>অন্যদিকে বাংলাদেশ থেকে রোপ্যজয়ী তিনটি দলের মধ্যে রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাটাগরির মুশফিকুর রহামান নাফিসের নেতৃত্বাধীন ডেল্টভল্ট, কলেজ ক্যাটাগরিতে তাসাহুদ বিন ওয়াহিদের নেতৃত্বাধীন দল অঙ্গনা ও স্কুল গ্রেডে জারিফ বিন সালেকের নেতৃত্বাধীন ফিউশন ফোর্স দল। </p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>অনলাইনে জনমত নিচ্ছে জাতীয় বেতন কমিশন</title>
<link>https://digibanglatech.news/157948</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157948</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_68dd2a297f638.jpg" length="88659" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 01 Oct 2025 13:19:01 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div class="storyCard eyOoS">
<div class="   
                  story-element">
<div class="story-element story-element-text">
<p>সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন–ভাতা কত হওয়া উচিত, সেই বিষয়ে অনলাইন জরিপ করছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীন জাতীয় পে কমিশন। জরিপে সাধারণ নাগরিক, সরকারি চাকরিজীবী, সরকারি প্রতিষ্ঠান, অ্যাসোসিয়েশন ও সমিতি—এই চার শ্রেণির ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান জরিপে অংশ নিতে পারবে। এই<span> </span><strong><a target="_blank" href="http://paycommission2025.gov.bd/" rel="noopener">ওয়েবসাইটে</a></strong><span> </span>গিয়ে জরিপে অংশ নিতে হবে।</p>
<p>১ অক্টোবর, বুধবার থেকে শুরু হয়ে এই জাতীয় বেতন স্কেলবিষয়ক অনলাইন জরিপ চলবে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত। পে কমিশনের ওয়েবসাইটে গিয়ে যে কোনো নাগরিক তার ক্যাটাগরি অনুযায়ী সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক ও অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান, সরকারি স্বায়ত্তশাসিত বিশ্ববিদ্যালয় এবং রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প প্রতিষ্ঠানসমূহের কর্মকর্তা-কর্মচারী বেতন; বাড়িভাড়া, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ভাতা বাড়ানো উচিত কি না, তা বলতে পারবেন।</p>
<div id="2a9d5334-00a2-40c6-a8c7-2230092bc078">
<div class="storyCard eyOoS">
<div class="   
                  story-element">
<div class="story-element story-element-text">
<p>জাতীয় বেতন স্কেলবিষয়ক অনলাইন জরিপে সাধারণ নাগরিকদের জন্য মোট ৩৫ প্রশ্ন করা হয়েছে। যেমন সরকারি চাকরিজীবীর ছয় সদস্যের একটি পরিবারের জন্য সর্বনিম্ন মূল বেতন কত হওয়া উচিত, তা জানতে চাওয়া হয়েছে। এ ছাড়া মূল্যস্ফীতির সঙ্গে বেতন–ভাতা কীভাবে সমন্বয় করা হবে, সেই বিষয়েও প্রশ্ন আছে। এ ছাড়া শিক্ষা ভাতা, চিকিৎসা ভাতা বৃদ্ধি নিয়েও জানতে চাওয়া হয়।</p>
<p>সরকারি চাকরিজীবীরা এখন যে বাড়িভাড়া পান, তা পর্যাপ্ত কি না, তাতে মত দিতে পারবেন সাধারণ নাগরিকেরা।</p>
<p>এ ছাড়া বেতন কম হওয়ার কারণে সরকারি চাকরিজীবীরা দুর্নীতিগ্রস্ত হন কি না, সেই বিষয়েও প্রশ্ন আছে। এ ছাড়া অবসর গ্রহণের পর সরকারি চাকরিজীবীরা যে সুবিধা পান, তা পর্যাপ্ত কি না এবং সুবিধা বৃদ্ধি নিয়ে মতামত দিতে পারবেন।</p>
</div>
</div>
</div>
<div>
<div class="print-adslot adsBox n5kiG">
<div data-lang="বিজ্ঞাপন" class="dfp-ad-unit print-none ">
<div class="adunitContainer">
<div class=" adBox" id="mcanvas1x1-0f87da2b-fdf3-4f73-b3ff-060c4a9fce4e-0-0" data-google-query-id="COPJm6iGg5ADFZhGnQkdgssmIg">
<div id="google_ads_iframe_85406138/mCanvas_1x1_0__container__"></div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div id="c2e36678-65e2-4625-8c64-986b2025b048">
<div class="storyCard eyOoS">
<div class="   
                  story-element">
<div class="story-element story-element-text">
<div>
<p>মতামতের লিংকে প্রশ্নমালার শুরুতেই এ জরিপ করার উদ্দেশ্যে সম্পর্কে বলা হয়েছে, জাতীয় বেতন কমিশন, ২০২৫–এর অন্যতম উদ্দেশ্য হলো সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক ও অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান, সরকারি স্বায়ত্তশাসিত বিশ্ববিদ্যালয় এবং রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ব্যাপকভিত্তিক ও টেকসই বেতন কাঠামো প্রণয়ন করা। যা দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, মূল্যস্ফীতি ও উন্নয়ন কৌশলের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে। কমিশনের সুপারিশ প্রণয়নে সর্বস্তরের মতামত গ্রহণের লক্ষ্যে এই জরিপের প্রশ্নমালা প্রণয়ন করা হয়েছে।</p>
<p>বেতন কমিশন মনে করে, জরিপে প্রাপ্ত সুচিন্তিত মতামতের ভিত্তিতে বেতন কমিশন একটি ন্যায়সংগত ও কার্যকরী বেতন কাঠামোর সুপারিশ প্রণয়ন করতে সক্ষম হবে।</p>
<p>প্রসঙ্গত, গত ২৭ জুলাই সাবেক অর্থসচিব জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বে ২৩ সদস্যবিশিষ্ট জাতীয় বেতন কমিশন, ২০২৫ গঠন করে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার।</p>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div class="print-none oHRqW"></div>
</div>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ফেসবুকের অ্যাড থেকে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ, বিনিয়োগ প্রতারণার ফাঁদ</title>
<link>https://digibanglatech.news/157940</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157940</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_68dcf7190af9c.jpg" length="87848" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 01 Oct 2025 10:40:55 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ফেসবুক বা ইনস্টাগ্রামে ঝকঝকে বিজ্ঞাপন, সেখানে অল্প সময়ে শেয়ারবাজারে বড় মুনাফার প্রতিশ্রুতি। বিজ্ঞাপন থেকে নিয়ে যাওয়া হয় হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে, সেখানে সাজানো প্রশংসা আর তথাকথিত বিশেষজ্ঞের পরামর্শ। এরপর ভুয়া ওয়েবসাইট বা অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপে নিবন্ধন করিয়ে শেষ ধাপে বিকাশ বা নগদে টাকা পাঠাতে বলা হয়। এভাবেই গড়ে উঠেছে এক বহু-প্ল্যাটফর্ম প্রতারণার জাল।</p>
<p><span>অনলাইন ভেরিফিকেশন ও মিডিয়া গবেষণা প্লাটফর্ম </span>ডিসমিসল্যাবের এক মাসের অনুসন্ধানে এই স্কিমের বিস্তার স্পষ্ট হয়েছে। শুধু সেপ্টেম্বর মাসেই পাওয়া গেছে অন্তত ১৫টি ফেসবুক পেজ থেকে চালানো শতশত বিজ্ঞাপন, যেগুলোর লক্ষ্য ছিল নতুন নতুন হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে মানুষ টেনে নেওয়া। এমন অন্তত ২০টি গ্রুপ শনাক্ত হয়েছে যেখানে সদস্য সংখ্যা সব মিলিয়ে ৩ হাজারের বেশি। গ্রুপগুলো চালানো হচ্ছে দুটি বৈধ ব্রোকারেজ হাউজের নামে: সিটি ব্রোকারেজ লিমিটেড (সিবিএল) এবং ব্র্যাক ইপিএল সিকিউরিটিজ।</p>
<p><strong><a href="https://dismislab.com/research/stock-market-investment-fraud/?fbclid=IwY2xjawNIp2BleHRuA2FlbQIxMABicmlkETFUR1ViV0trZkhDbWxTalFXAR6egIhaKAkgxJsmPaY4IEKx-f7MmtM2zqu2Dlon6sihmPsaVWqXVCXq2SzKuw_aem_1c4vZvQu0Q_kVVJFzsAMPg" target="_blank" rel="noopener">ডিসমিসল্যাবের </a></strong>গবেষকেরা গ্রাহক সেজে একাধিক গ্রুপে যোগ দিয়ে গোটা প্রক্রিয়া অনুসরণ করেছেন। সিবিএল গ্রুপে বিনিয়োগকারীদের পাঠানো হয় একটি ভুয়া অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপে, আর ব্র্যাক গ্রুপে নিয়ে যাওয়া হয় একটি ভুয়া ওয়েবসাইটে। তারপর ব্যাংক এবং বিকাশ ও নগদের মতো মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সেবার মাধ্যমে ব্যক্তিগত একাউন্টে সরাসরি টাকা লেনদেন করা হয়। এই পদ্ধতিকে ব্যবহার করে প্রতারকেরা বৈধ ব্রোকারেজ অ্যাকাউন্ট এড়িয়ে সরাসরি নিজেদের পকেটে টাকা তুলছে।</p>
<p>বিজ্ঞাপনে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারেরর প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুস ও ঢাকায় বিশ্বব্যাংকের সাবেক মুখ্য অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেনের মতো বিভিন্ন বিখ্যাত ব্যক্তির ছবি ও পরিচয় ব্যবহার হচ্ছে।  </p>
<p>ব্রোকারেজ প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা ডিসমিসল্যাবকে জানিয়েছেন, তারা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ও পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ, সিআইডিকে লিখিতভাবে এই প্রতারণা সম্পর্কে জানিয়েছেন। বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন থেকে এক দফায় সাবধানও করা হয়েছে। কিন্তু এ প্রতিবেদন লেখার সময় পর্যন্ত বেশিরভাগ হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ সক্রিয় ছিল এবং ফেসবুকে প্রতিদিন নতুন নতুন বিজ্ঞাপনও চলছিল। </p>
<p>এর আগে ভারতেও একই ধরণের প্রতারণা দেখা গেছে যেখানে সামাজিক মাধ্যম-মেসেজিং প্লাটফর্ম-ভুয়া ওয়েবসাইট ব্যবহার করে শেয়ারবাজারে উচ্চ মুনাফার লোভ দেখিয়ে সাধারণ গ্রাহকদের লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে। </p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>অ্যাস্ট্রোনমি অলিম্পিয়াডে স্বর্ণসহ ৫ পদক অর্জন বাংলাদেশের</title>
<link>https://digibanglatech.news/157933</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157933</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202509/image_870x580_68dc1a61f3b5f.jpg" length="88348" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 30 Sep 2025 18:59:18 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p></p>
<p>২০১৮ সালে শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিত ২৩তম আন্তর্জাতিক অ্যাস্ট্রোনমি অলিম্পিয়াডে ব্রোঞ্জ এবং গেলো বছর রাশিয়ায় অনুষ্ঠিত তৃতীয় ওপেন ওয়ার্ল্ড অ্যাস্ট্রোনমি অলিম্পিয়াড-২০২৪ এ রৌপ্য জিতেছিলো বাংলাদেশ।  আর বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত ২৮তম আন্তর্জাতিক অ্যাস্ট্রোনমি অলিম্পিয়াড-২০২৪ এও ব্রোঞ্জ পদক জিতেছিলো। এর আগে ২০১০ এবং ২০১৪ সালে আন্তর্জাতিক অলিম্পিয়াড অন অ্যাস্ট্রোনমি এবং অ্যাস্ট্রোফিজিক্স এ সম্মাননা পদক পেয়েছিল বাংলাদেশ। তবে এবার রাশিয়ার সোচিতে ‘ওপেন ওয়ার্ল্ড অ্যাস্ট্রোনমি অলিম্পিয়াড’ আসরে স্বর্ণপদকসহ একাধিক পদক জিতেছে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা।  </p>
<p>এর মধ্যে <span>যশোর পুলিশ লাইন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের <span data-huuid="6724628005586112354">মো. </span><span data-huuid="6724628005586111513">মখদুম আমিন ফাহিম জিতেছেন স্বর্ণ পদক। </span></span>অনুভূতি প্রকাশ করে এই শিক্ষার্থী বলেছে, ‘এমন কিছু যেটা কখনো কেউ অর্জন করতে পারেনি। দেশের জন্য সেটা বয়ে নিয়ে আসা সত্যিই অসাধারণ অনুভূতির।’ এই অর্জনের কৃতিত্ব ফাহিম নিজের বিদ্যালয়, পরিবার এবং বাংলাদেশ অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনকে দিয়েছে।</p>
<p>প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে নতুনদের উদ্বুদ্ধ করে মখদুম আমিন ফাহিম বলে, অ্যাস্ট্রোনমিতে ভালো করতে গেলে পদার্থবিজ্ঞান ও গণিতে ভালো জ্ঞান থাকা বাধ্যতামূলক। থাকতে হবে লেগে থাকার মানসিকতা।</p>
<p>ঢাকার হিড ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের এ লেভেল শিক্ষার্থী সপ্তর্ষি রহমান ও আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী মো. রাদিত রাইয়ান জিতেছে রৌপ্য পদক। ব্রোঞ্জ পদক পেয়েছে রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুলের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী মো. জুবায়ের হোসেন জিসানের হাতে। এ ছাড়া খুলনার সাউথ হেরাল্ড ইংলিশ স্কুলের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী সায়ন্তন রায় পেয়েছে সম্মানসূচক স্বীকৃতি। </p>
<p>এদের মধ্যে সংবাদ সম্মেলনে নিজের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছে ব্রোঞ্জ পদকজয়ী রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুলের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী মো. জুবায়ের হোসেন জিসান এবং সম্মানসূচক স্বীকৃতি পাওয়া খুলনার সাউথ হেরাল্ড ইংলিশ স্কুলের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী সায়ন্তন রায়।</p>
<p>সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান মশহুরুল আমিন, কান্ট্রি কো অর্ডিনেটর রবিন ফকির এবং ‘শো অ্যান্ড টেল’র প্রধান নির্বাহী শাহপার আলম প্রমুখ।</p>
<p>৩০ সেপ্টেম্বর, মঙ্গলবার রাজধানীর বিশ্বসাহিত্যকেন্দ্রের মিলনায়তনে বাংলাদেশ অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে এক সংবাদ সম্মেলনে হাজির করা হয় এই স্বর্ণজয়ীদের। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হলো, রাশিয়ার সোচি শহরে চতুর্থ ওপেন ওয়াল্ড অ্যাস্ট্রোনমি অলিম্পিয়াডে সশরীর ও অনলাইন মিলিয়ে ২০টি দেশের ৯০ জন প্রতিযোগীর অংশগ্রহণ করেছিল এই অলিম্পিয়াডের চতুর্থ আসর।</p>
<div id="03a2aedc-9304-45d2-bfe2-f1eff9419f8b">
<div class="storyCard eyOoS">
<div class="   
                  story-element">
<div class="story-element story-element-text">
<div>
<p>বাংলাদেশ অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান মশহুরুল আমিন বলেন, এবারের প্রতিযোগিতায় শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ করানোটা কঠিন ছিল। তবে শিক্ষার্থীদের সাফল্যে তাঁরা নতুন করে কাজের উদ্যম খুঁজে পেয়েছেন। </p>
<p>মশহুরুল আমিন আরও বলেন, ‘১৮ জনকে স্বর্ণপদক দেওয়া হয়। এর মধ্যে আমাদের একজন শিক্ষার্থী এই অর্জনে নিজের নাম লিখিয়েছেন। এ ছাড়া ছয়জনের দলে পাঁচজনই পদক জিতেছেন। এটা অনেক বড় অর্জন। তবে এটাই আমাদের শেষ নয়। আমরা চাই, যাঁরা পদক জয় করেছেন, তাঁরা যেন ভবিষ্যতে অ্যাস্ট্রোনমি নিয়ে উচ্চতর পড়াশোনা করে দেশের কল্যাণে অবদান রাখেন। মৌলিক গবেষণায় যদি প্রতিযোগীরা কাজ করতে আগ্রহ দেখায়, আমরা তাঁদের পাশে থাকব।’</p>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<p>আয়োজক হিসেবে ছিল রাশিয়ার শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং সিরিয়াস এডুকেশন সেন্টার। ২০তম বাংলাদেশ অ্যাস্ট্রোনমি অলিম্পিয়াডে বিজয়ীদের নিয়ে বাংলাদেশ দল গঠন করা হয়।</p>
<p>এই দলটি চতুর্থ ওপেন ওয়াল্ড অ্যাস্ট্রোনমি অলিম্পিয়াড এ বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে। ‘ওপেন ওয়ার্ল্ড অ্যাস্ট্রোনমি অলিম্পিয়াড’র এবারের আসরে স্বর্ণপদকসহ একাধিক পদক জিতেছে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা। ছয় প্রতিযোগীর মধ্যে পাঁচ প্রতিযোগী বিভিন্ন পদকে ভূষিত হয়েছে। তারা হচ্ছে, বাংলাদেশ দলের হয়ে যশোরের পুলিশ লাইন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থী মো. মখদুম আমিন ফাহিম স্বর্ণপদক অর্জন করেছে।</p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>প্রযুক্তি পেশাদারদের জন্য নতুন ভিসা চালু করলো চীন</title>
<link>https://digibanglatech.news/157904</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157904</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202509/image_870x580_68daab18a7069.jpg" length="57559" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 29 Sep 2025 20:52:33 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>যুক্তরাষ্ট্রের 'এইচ-১বি' ভিসার আবেদনে ১ লাখ ডলার ফি আরোপের মধ্যে আতঙ্ক ও বিভ্রান্তির মধ্যে তরুণ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি পেশাদারদের আকৃষ্ট করতে নতুন ক্যাটাগরির ভিসা ঘোষণা করেছে চীন। ইতোমধ্যে সাধারণ ভিসা বিভাগগুলোতে নতুন এই 'কে ভিসা' যোগ করা হয়েছে।</p>
<p>সংবাদ সংস্থা সিনহুয়া'র প্রতিবেদন অনুসারে, নতুন নিয়মটি আগামী ১ অক্টোবর থেকেই কার্যকর হবে। এর লক্ষ্য বিশ্বজুড়ে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল এবং গণিতে দক্ষ তরুণ পেশাদারদের আকর্ষণ করা। গালফ নিউজের প্রতিবেদন অনুসারে, চীনের ১২টি সাধারণ ভিসা ক্যাতাগরির তুলনায় 'কে ভিসা' বেশ কিছু সুবিধা প্রদান করে।</p>
<p>তবে কে ভিসার সামনে নানা প্রশ্নও আছে। চীনা সরকারের নির্দেশনায় অস্পষ্টভাবে বলা হয়েছে বয়স, শিক্ষাগত যোগ্যতা ও কাজের অভিজ্ঞতার প্রয়োজনীয়তার কথা। আর্থিক সুবিধা, স্থায়ী আবাসনের সুযোগ বা পারিবারিক স্পনসরশিপ নিয়েও কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি।</p>
<p><span>যুক্তরাষ্ট্রের আইওয়াভিত্তিক অভিবাসন আইনজীবী ম্যাট মাউনটেল-মেডিসি বলেন, প্রতীকী দিক থেকে বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। যুক্তরাষ্ট্র বাধা তৈরি করছে, আর চীন সেই বাধা কমাচ্ছে।</span></p>
<p>তবে কে ভিসার সামনে নানা প্রশ্নও আছে। চীনা সরকারের নির্দেশনায় অস্পষ্টভাবে বলা হয়েছে বয়স, শিক্ষাগত যোগ্যতা ও কাজের অভিজ্ঞতার প্রয়োজনীয়তার কথা। আর্থিক সুবিধা, স্থায়ী আবাসনের সুযোগ বা পারিবারিক স্পনসরশিপ নিয়েও কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি। যুক্তরাষ্ট্রের মতো চীন বিদেশিদের নাগরিকত্ব দেয় না, কেবল বিরল ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম ঘটে। ভাষাগত বাধাও একটি বড় সমস্যা, কারণ বেশিরভাগ চীনা প্রযুক্তি কোম্পানি ‘মান্দারিন’ ভাষায় পরিচালিত হয়।</p>
<p>বিশেষজ্ঞদের মতে, কে ভিসার প্রধান সুবিধা হলো- এতে কোনো স্পনসরিং নিয়োগকর্তার প্রয়োজন নেই। অথচ এইচ-১বি ভিসায় কেবল ৮৫ হাজার স্লট বরাদ্দ থাকে ও তা লটারির মাধ্যমে দেওয়া হয়। আবার নতুন ১ লাখ ডলারের ফি অনেক আবেদনকারীকে নিরুৎসাহিত করবে।</p>
<p>চীনের মেধা নিয়োগ নীতি ঐতিহ্যগতভাবে বিদেশে থাকা চীন-জন্ম বিজ্ঞানী ও প্রবাসী চীনা নাগরিকদের ঘিরেই থেকেছে। তাদের জন্য বাড়ি কেনার ভর্তুকি ও ৫০ লাখ ইউয়ান (৭ লাখ ২ হাজার ডলার) পর্যন্ত বোনাসের মতো সুবিধা দেওয়া হয়েছে। এতে যুক্তরাষ্ট্রে থাকা অনেক চীনা এসটিইএম পেশাজীবী দেশে ফিরে আসছেন, বিশেষ করে ওয়াশিংটনের বাড়তি নজরদারির কারণে।</p>
<p>তবে ভারতীয় প্রযুক্তি প্রতিভা টানার প্রচেষ্টা এখনও তুলনামূলকভাবে সীমিত। সিচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের দাস বলেন, চীন-জন্ম মেধাবীদের ফেরাতে যতটা শক্তিশালী উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, ভারতীয়দের জন্য ততটা নয়।</p>
<p>সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক একটি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানে চাকরি পাওয়া চীনা এসটিএম কর্মী বলেন, চীন অভিবাসনের ওপর ভর করে না। স্থানীয় প্রতিভা টানতে বহু উপায় আছে। তাই কে ভিসার কার্যকারিতা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে।</p>
<p><span>প্রসঙ্গত, চীনে দক্ষ স্থানীয় প্রকৌশলীর অভাব নেই। তবু বিদেশি বিনিয়োগ ও মেধাবীদের জন্য দেশকে আরও উন্মুক্ত হিসেবে উপস্থাপন করতে এই কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কবাণিজ্য নীতির কারণে অর্থনৈতিক দিগন্ত ম্লান হয়ে ওঠায় চীন সম্প্রতি একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে, যেমন- বিনিয়োগের জন্য আরও খাত খুলে দেওয়া, ইউরোপের বেশিরভাগ দেশ, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিকদের জন্য ভিসা ছাড় দেওয়াসহ নানা উদ্যোগ তার মধ্যে রয়েছে।</span><br><br></p>
<p><span></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>টাঙ্গাইলে ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত</title>
<link>https://digibanglatech.news/157809</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157809</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202509/image_870x580_68d7c1e677e4c.jpg" length="92042" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 27 Sep 2025 00:52:37 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মাধ্যমে বাস্তবায়নাধীন সারা দেশের ন্যায় টাঙ্গাইলেও ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের চতুর্থ ব্যাচের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলার সরকারি কুমুদিনী কলেজে <span>২৬ সেপ্টেম্বর, </span>শুক্রবার অনুষ্ঠিত এই পরীক্ষায় ৭৩৫ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেন। </p>
<p>পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ কমিটির সভাপতি ও জেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ফাতেমা বেগম, সহ-সভাপতি ও জেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক রথীন্দ্র নাথ চক্রবর্তী এবং ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লিমিটেডের জেলা কো-অর্ডিনেটর মো. জুয়েল রানা পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। </p>
<p>এছাড়া ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লিমিটেড জেলা শাখার সহকারী কো-অর্ডিনেটর তৌহিদুর রহমান, প্রশিক্ষক সঙ্গীতা সরকার, ট্রেইনার (ডিজিটাল মার্কেটিং) অমিত মন্ডল, ট্রেইনার (ওয়েব ডেভেলপমেন্ট ও গ্রাফিক্স ডিজাইন) মাহবুবুর রহমানসহ প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা ভর্তি পরীক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করেন।</p>
<p>আইটি প্রতিষ্ঠান ‘ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লিমিটেড’-এর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত এই পরীক্ষা বিষয়ে জেলা কো-অর্ডিনেটর মো. জুয়েল রানা জানান, টাঙ্গাইলসহ দেশের মোট ৪৮টি জেলায় একযোগে এ ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। টাঙ্গাইলে শান্তিপূর্ণ ও সুন্দরভাবে পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। আগামী শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর লিখিত পরীক্ষা ও চূড়ান্ত ফলাফল এসএমএসের মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে।</p>
<p>প্রসঙ্গত , যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের বাস্তবায়নে “দেশের ৪৮ জেলায় শিক্ষিত কর্মপ্রত্যাশী যুবকদের ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি” শীর্ষক প্রকল্পের অধীনে এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এর লক্ষ্য হলো ফ্রিল্যান্সিং দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে আত্মকর্মসংস্থান বৃদ্ধি, বেকারত্ব দূরীকরণ এবং উদ্যোক্তা সৃষ্টি।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>এডিটেড ফটোকার্ডে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টা শনাক্ত</title>
<link>https://digibanglatech.news/157797</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157797</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202509/image_870x580_68d6815b3fb84.jpg" length="42616" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 26 Sep 2025 11:05:15 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>এডিটেড ফটোকার্ডে জামায়াতে ইসলামীর নাম ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টা শনাক্ত করেছে বাংলাদেশে চলমান গুজব ও ভুয়া খবর, অপতথ্য প্রতিরোধ এবং জনগণের কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছে দেওয়ায় দায়িত্বে নিয়োজিত লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদিত এবং সেন্টার ফর ক্রিটিকাল অ্যান্ড কোয়ালিটিভেটিভ স্টাডিজ (সিকিউএস) দ্বারা পরিচালিত উদ্যোগ ফ্যাক্টওয়াচ।</p>
<p>অপরদিকে <span>আওয়ামী শাসনামলে ২০২১ সালে প্রতিমা ভাঙচুরের পুরোনো ছবি সাম্প্রতিক সময়ের বলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপচেষ্টা শনাক্ত করেছে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি) এর ফ্যাক্ট চেক ও মিডিয়া রিসার্চ টিম বাংলাফ্যাক্ট।</span></p>
<p>ফ্যাক্টওয়াচ জানায়, সারাদেশে প্রায় ৩শ’ পূজা মন্ডপে জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে প্রতিমা তৈরি করা হবে-এমন বার্তাযুক্ত একটি ফটোকার্ড সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। দৈনিক ‘আজকের পত্রিকা’-এর একটি ফটোকার্ড এই খবরে ব্যবহৃত হতে দেখা যাচ্ছে। ফ্যাক্টওয়াচের অনুসন্ধানে দেখা যায়, এটি একটি এডিট করা ফটোকার্ড। আজকের পত্রিকার ফেসবুক পেইজ বা ওয়েবসাইটে এমন কোন সংবাদ প্রকাশিত হয়নি।</p>
<p>আর বাংলাফ্যাক্ট জানায়, প্রতিমা ভাঙচুরের এই ছবিগুলো সাম্প্রতিক নয়, পুরোনো। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কয়েকটি ছবি ব্যবহার করে দাবি করা হচ্ছে, জয়পুরহাটে প্রতিমা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।</p>
<p>বাংলাফ্যাক্টের যাচাইয়ে দেখা গেছে, আলোচিত তিনটি ছবি সাম্প্রতিক নয়; অন্তত ২০২১ সাল থেকেই এগুলো ইন্টারনেটে রয়েছে। এর মধ্যে দুটো ছবি ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে জয়পুরহাটের শুকতাহার এলাকায় প্রতিমা ভাঙচুরের ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। রিভার্স ইমেজ সার্চের মাধ্যমে জানা যায় যে, জাতীয় দৈনিকের প্রতিবেদনে পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের বরাতে উল্লেখ করা হয়, ২০২১ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে জয়পুরহাট সদর উপজেলার শুকতাহার মধ্যপাড়া ও পূর্বপাড়া সার্বজনীন দুর্গা মন্দিরে কয়েকটি প্রতিমা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় একজনকে আটক করেছিল পুলিশ।</p>
<p>বাংলাফ্যাক্ট জানায়, সাম্প্রতিক সময়ে জয়পুরহাটে এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি বলে নিশ্চিত করেছেন জয়পুরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তামবিরুল ইসলাম। তিনি বাংলাফ্যাক্টকে জানান, শুকতাহার এলাকায় প্রতিমা ভাঙচুরের কোনো নতুন ঘটনা ঘটেনি।</p>
<p>এছাড়াও দৈনিক পত্রিকার জয়পুরহাট জেলা প্রতিনিধিরা বাংলাফ্যাক্টকে বলেন, ‘ওই এলাকায় এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।’</p>
<p>আলোচিত দাবিটি মিথ্যা এবং প্রচারিত ছবিগুলো পুরোনো বলে শনাক্ত করেছে বাংলাফ্যাক্ট।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ডব্লিওআরওবিডি ২০২৫ জাতীয় পর্বে স্বর্ণজয়ী ইনক্রেভো, সাইবার স্কোয়াড ও টিম লেজি গো</title>
<link>https://digibanglatech.news/157780</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157780</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202509/image_870x580_68d5707adcb9d.jpg" length="143854" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 25 Sep 2025 21:44:18 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ওয়ার্ল্ড রোবট অলিম্পিয়াড বাংলাদেশ (ডব্লিওআরওবিডি) ২০২৫-এর জাতীয় পর্বে ফিউচার ইনোভেটরস সিনিয়র ক্যাটাগরিতে স্বর্ণপদক পেয়েছে ৩ সদস্যবিশিষ্ট টিম ইনক্রেভো, ফিউচার ইনোভেটরস জুনিয়র ক্যাটাগরিতে স্বর্ণপদক অর্জন করেছে ২ সদস্যবিশিষ্ট টিম সাইবার স্কোয়াড এবং ফিউচার ইঞ্জিনিয়ার্স ক্যাটাগরিতে স্বর্ণপদক পেয়েছে ৩ সদস্যবিশিষ্ট টিম লেজি গো। এছাড়াও প্রতি ক্যাটাগরিতেই সিলভারপদক ও ব্রোঞ্জপদক সহ মোট ১৪ টি দলকে পদক দেয়া হয় এবং ৫ টি দলকে সম্মানজনক স্বীকৃতি দেয়া হয়। </p>
<p>এদের মধ্যে টিম লেজি গো সদস্যরা হলেন ইকবাল সামিন প্রিথুল, আবু নাফিস মোহাম্মদ নুর রোহান ও রাকিবুল ইসলাম রাকিব। </p>
<p>বড়দের গ্রুপে স্বর্ণজয়ী রংপুর থেকে আসা দল ইনক্রেভো দল দেখিয়েছে এআই ও এনএলপি ব্যবহার করে কীভাবে একটি স্মার্ট মুদি দোকানের মডেল। এই মডেল তৈরির কারিগরেরা হলেন- আব্দুল্লাহ আল মিজান, সাজ্জাদ আল ফুয়াদ ও নাফিস ইস্তাই তাওফিক অন্তু। </p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202509/image_870x_68d57123c998b.jpg" alt=""></p>
<p>আর শিশু পরিচর্যার মডেল দিয়ে ছোটদের দলে স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত টিম সাইবার স্কোয়াড দলের সদস্যরা হলেন আফিয়া হুমাইরা ও হুমাইরা আফিয়া। আফিয়া হুমাইরা বলেন, “ এই স্বর্ণপদক আমাদের জন্য অত্যন্ত অনুপ্রেরণার। আমরা রোবোটিক্সে আরও চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করতে চাই এবং দেশের হয়ে আন্তর্জাতিক মঞ্চে সাফল্য অর্জন করতে চাই।”<o:p></o:p></p>
<p>২৫ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার রাজধানীর  ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি প্রাঙ্গণে দিনব্যাপী প্রতিযোগিতা শেষে সন্ধ্যায় বিজয়ীদের হাতে সম্মাননা তুলে দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবুল কাশেম মিয়া। </p>
<p>বর্নাঢ্য এই আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবুল কাশেম মিয়া। তিনি এই আয়োজনের প্রতি সাধুবাদ জানিয়ে বলেন, “এই আয়োজন দেশের তরুণ প্রতিভাদের রোবোটিক্স এবং প্রযুক্তিতে উৎসাহিত করবে, এবং তাদের সৃজনশীলতা ও উদ্ভাবনী দক্ষতা বিকাশে সহায়ক হবে। আমি আশা করি এই ধরনের প্রতিযোগিতা আরও বেশি শিক্ষার্থীকে অংশগ্রহণে উৎসাহিত করবে। এছাড়া, এটি দেশের প্রযুক্তি খাতের ভবিষ্যত গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”<o:p></o:p></p>
<p>এসময় তিনি ইউআইইউ আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড রোবটিক্স সেন্টারকে শিগগিরই পূর্ণাঙ্গ বিভাগে রূপান্তরিত করা হবে বলেও জানান।</p>
<p>এছাড়াও আরো উপস্থিত ছিলেন এসওএসই অনুষদের ডিন ও কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. হাসান সারওয়ার, আইআরআইআইসি এর পরিচালক খন্দকার আব্দুল্লাহ আল মামুন, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির ডিপার্টমেন্ট অব কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) এর অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর ড. মোহাম্মদ খলিলুর রহমান, দ্য বিজনেজ স্ট্যান্ডার্ড-এর ব্যবস্থাপনা সম্পাদক খালেদ মাসুদ, ব্রেইন স্টেশন ২৩- এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাইসুল কবির, ক্রিয়েটিভ আইটির সভাপতি মনির হোসেন ও সিওও জিয়াউদ্দিন মাহমুদ এবং বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্ক এর সভাপতি মুনির হাসান।<o:p></o:p></p>
<article class="text-token-text-primary w-full focus:outline-none scroll-mt-[calc(var(--header-height)+min(200px,max(70px,20svh)))]" dir="auto" data-turn-id="request-WEB:1ba0b373-2b29-4017-8eb3-0dc152b473a4-6" data-testid="conversation-turn-14" data-scroll-anchor="true" data-turn="assistant" tabindex="-1">
<div class="text-base my-auto mx-auto pb-10 [--thread-content-margin:--spacing(4)] thread-sm:[--thread-content-margin:--spacing(6)] thread-lg:[--thread-content-margin:--spacing(16)] px-(--thread-content-margin)">
<div class="[--thread-content-max-width:40rem] thread-lg:[--thread-content-max-width:48rem] mx-auto max-w-(--thread-content-max-width) flex-1 group/turn-messages focus-visible:outline-hidden relative flex w-full min-w-0 flex-col agent-turn" tabindex="-1">
<div class="flex max-w-full flex-col grow">
<div data-message-author-role="assistant" data-message-id="abff0f5a-57ed-4e76-b697-a3ee5f237f58" dir="auto" class="min-h-8 text-message relative flex w-full flex-col items-end gap-2 text-start break-words whitespace-normal [.text-message+&amp;]:mt-5" data-message-model-slug="gpt-5">
<div class="flex w-full flex-col gap-1 empty:hidden first:pt-[3px]">
<div class="markdown prose dark:prose-invert w-full break-words light markdown-new-styling">
<p data-start="0" data-end="296">ওয়ার্ল্ড রোবট অলিম্পিয়াড বাংলাদেশের সভাপতি মুনীর হাসান তার বক্তব্য শুরু করেন সকল অংশগ্রহণকারী, তাদের অভিভাবক, বিচারক এবং স্বেচ্ছাসেবকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের মাধ্যমে। তিনি এ আয়োজন সফলভাবে সম্পন্ন করার জন্য ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিকেও (UIU) আন্তরিক সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ জানান।</p>
<p data-start="298" data-end="586">তিনি ঘোষণা করেন, আগামী এক বছরের মধ্যে সারা বাংলাদেশে ১০টি উন্নত রোবটিক্স সেন্টার স্থাপন করা হবে, যাতে তরুণ শিক্ষার্থীদের জন্য সুযোগ আরও সম্প্রসারিত হয়। ভবিষ্যৎ ভিশন তুলে ধরে তিনি আশা প্রকাশ করেন যে আগামী জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপে সারা দেশ থেকে ১০০টি দল অংশ নেবে, যেখানে এ বছর ছিল ৭০টি দল। এছাড়া, ইভেন্ট সফল করতে স্বেচ্ছাসেবী সহায়তার জন্য তিনি ইউআইইউ মার্স রোভার টিম এবং ইউআইইউ রোবটিক্সকে ধন্যবাদ জানান।</p>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div class="z-0 flex min-h-[46px] justify-start">কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (CSE) অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. হাসান সরোয়ার তরুণ অংশগ্রহণকারীদের জ্ঞান ও উপস্থাপনা দক্ষতায় বিস্ময় প্রকাশ করেন। তিনি তাদেরকে মেন্টরশিপ ও দিকনির্দেশনা পাওয়ার জন্য ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে (UIU) আসার আমন্ত্রণ জানান। তিনি এমন একটি অসাধারণ অনুষ্ঠান আয়োজন করার জন্য মুনীর হাসানকেও ধন্যবাদ জানান। শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি অব্যাহতভাবে শেখা ও নিজেকে উন্নত করার আহ্বান জানান এবং ভবিষ্যতের সাফল্যের জন্য মজবুত ভিত্তি গড়তে পদার্থবিজ্ঞান ও গণিতের উপর গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।</div>
<div class="mt-3 w-full empty:hidden">
<div class="text-center">
<article class="text-token-text-primary w-full focus:outline-none scroll-mt-[calc(var(--header-height)+min(200px,max(70px,20svh)))]" dir="auto" data-turn-id="request-WEB:1ba0b373-2b29-4017-8eb3-0dc152b473a4-7" data-testid="conversation-turn-16" data-scroll-anchor="true" data-turn="assistant" tabindex="-1">
<div class="text-base my-auto mx-auto pb-10 [--thread-content-margin:--spacing(4)] thread-sm:[--thread-content-margin:--spacing(6)] thread-lg:[--thread-content-margin:--spacing(16)] px-(--thread-content-margin)">
<div class="[--thread-content-max-width:40rem] thread-lg:[--thread-content-max-width:48rem] mx-auto max-w-(--thread-content-max-width) flex-1 group/turn-messages focus-visible:outline-hidden relative flex w-full min-w-0 flex-col agent-turn" tabindex="-1">
<div class="z-0 flex min-h-[46px] justify-start">
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202509/image_870x_68d5727f117c8.jpg" alt=""></p>
</div>
</div>
</div>
</article>
</div>
</div>
</div>
</div>
</article>
<p>এর আগে ওয়ার্ল্ড রোবট অলিম্পিয়াড বাংলাদেশ (ডব্লিওআরওবিডি) শিক্ষার্থীদের রোবটিক্স অলিম্পিয়াড বিষয়ে উৎসাহিত করতে জুনমাসের বিভিন্ন সময়ে ১৪টি এক্টিভেশন প্রোগ্রাম আয়োজন করে। দেশের ৫টি জেলায় বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে এই ওয়ার্কশপগুলো করা হয় যেখানে প্রায় ২ হাজার শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছিল। ২০২০ সাল থেকে বাংলাদেশ নিয়মিতভাবে এই অলিম্পিয়াডে অংশগ্রহণ করছে এবং প্রতিবছরই অর্জন করে চলেছে একের পর এক সাফল্য। এছাড়াও দেশের আটটি বিভাগে শিক্ষার্থীদের রোবোটিকস ও এই অলিম্পিয়াড সম্পর্কে অবহিত করা এবং অংশগ্রহণে উৎসাহিত করার জন্য বিভিন্ন অ্যাক্টিভেশন কর্মশালা আয়োজন করা হয়েছে।<o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal" style="text-align: justify;">ওয়ার্ল্ড রোবট অলিম্পিয়াড বাংলাদেশ (ডব্লিউআরওবিডি) ও বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্ক (বিডিওএসএন) যৌথভাবে এই অলিম্পিয়াড আয়োজন করে। জাতীয় আয়োজনের হোস্ট হিসেবে ছিল ঢাকার ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি। পুরো আয়োজনের সহযোগী হিসেবে ছিল ক্রিয়েটিভ আইটি এবং ব্রেইন স্টেশন ২৩।</p>
<p class="MsoNormal" style="text-align: justify;">আগামী নভেম্বর মাসে সিংগাপুরে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ওয়ার্ল্ড রোবট অলিম্পিয়াড (ডব্লিউআরও) ২০২৫, যেখানে অংশ নেবে বাংলাদেশ জাতীয় দল।</p>
<p class="MsoNormal" style="text-align: justify;"><strong>ডিবিটেক</strong>/ মো: তামিম/ইহক</p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>যবিপ্রবির শিক্ষার্থীর আন্তর্জাতিক স্বর্ণপদক অর্জন</title>
<link>https://digibanglatech.news/157764</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157764</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202509/image_870x580_68d50f5c4204c.jpg" length="94924" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 25 Sep 2025 10:46:11 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড ইনোভেশন কম্পিটিশন অ্যান্ড এক্সিবিশন (ডব্লিউ-আই-সি-ই) ২০২৫ এ স্বর্ণপদক অর্জন করেছেন যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষবর্ষের শিক্ষার্থী মো. তোহা বিন আছাদ।</p>
<p><span>মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে প্রতিযোগিতা শেষে ২৪ সেপ্টেম্বর, বুধবার </span>তার হাতে এ পদক তুলে দেওয়া হয়।</p>
<p>চলতি বছরের ২১ সেপ্টেম্বর থেকে ২৪ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত এ আসরে বিশ্বের ২৫টিরও বেশি দেশ থেকে দেড় হাজারের মতো প্রতিযোগী বিভিন্ন প্রকল্প নিয়ে অংশ নেয়। সেখানে তোহা ও তার সহযাত্রী জাহিদ হাসান জিহাদ এবং তাদের দল ‘হেক্সাগার্ড রোভার’ প্রকল্প নিয়ে অংশ নেন এবং আই-টি অ্যান্ড রোবোটিক্স-ক্যাটাগরিতে স্বর্ণপদক জয় করেন। </p>
<p>তাদের উদ্ভাবিত প্রকল্পটি একটি উদ্ভাবনী রোবোটিক সিস্টেম, যা দুর্যোগকালীন উদ্ধারকাজ, নজরদারি এবং দুর্গম এলাকায় নিরাপত্তা কার্যক্রমে সহায়ক হতে পারে। </p>
<div id="content-details">
<p>স্বর্ণপদক জয়ের অনুভূতি জানাতে গিয়ে দ্বীপ বলেন, “স্বর্ণপদক অর্জনের সেই মুহূর্ত ভাষায় প্রকাশ করা সত্যিই কঠিন। বাংলাদেশের পতাকা হাতে দাঁড়িয়ে যখন ঘোষণা করা হলো আমরা স্বর্ণপদক পেয়েছি, তখন মনে হয়েছিল—এটাই জীবনের অন্যতম গর্বের অর্জন। আমার পরিবার আনন্দে আপ্লুত হয়ে গিয়েছিল।”</p>
<p>তিনি বলেন, “আমার শিক্ষকরাও গভীর গর্ব অনুভব করেছেন এবং বলেছেন, এ অর্জন যবিপ্রবির জন্যও একটি সাফল্য। এটি শুধু একটি পদক নয় বরং বাংলাদেশের তরুণদের মেধা ও উদ্ভাবনী শক্তিকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। আমি বিশ্বাস করি, এই সাফল্য আগামীতে দেশের আরো তরুণকে অনুপ্রাণিত করবে।”</p>
<p></p>
<div class="adv-img text-center d-print-none"></div>
<p></p>
<p></p>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ইন্টারনেট বন্ধ নিয়ে ইনু’র সঙ্গে যে কথা হয় হাসিনার</title>
<link>https://digibanglatech.news/157754</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157754</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202509/image_870x580_68d42aeec2f85.jpg" length="77675" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 24 Sep 2025 22:33:05 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span>জুলাই আন্দোলনে মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় অভিযুক্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি </span><span> হাসানুল হক ইনুর দুটি ফোনালাপ তুলে ধরা হলো আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ। আদালতে </span>৫৩তম সাক্ষী বিশেষ প্রসিকিউটর তানভীর জোহার সাক্ষ্য উপস্থাপনের পর জমা দেয়া অডিও দুটি বাজিয়ে শোনানো হয়েছে। ফোনকলগুলো ডিজিটাল ফরেনসিক শেষে যাচাই করে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সাক্ষী। সেখানে দুটি ফোনকলই ইনু হাসিনাকে করেন। </p>
<p><strong>১ম ফোনালাপ</strong> </p>
<p><strong>হাসানুল হক ইনুঃ</strong> হালো জি জি স্লামালাইকুম ।<br><strong>শেখ হাসিনাঃ</strong> হ্যাঁ ওয়ালাইকুমস্লাম কী হইছে?<br>হাসানুল হক ইনুঃ ইনু বলছিলাম...না একটা কথা... আমি মনে করি যে আপনার পদক্ষেপটা সঠিকই হয়েছে, এখন পর্যন্ত যা রিপোর্ট<br>বাংলাদেশে পাচ্ছি আরকি। খালি ঢাকাতে আপনার রামপুরার দিকে এবং ....<br>শেখ হাসিনাঃ না রামপুরা ক্লিয়ার, শনির আখড়ায় একটু ঝামেলা এখন আছে... <br>হাসানুল হক ইনুঃ শনির আখড়ায় কিছু মোল্লারাই ....<br>শেখ হাসিনাঃ হ্যাঁ জানি, না, খালি মোল্লা না ওইখানে অনেক মাদ্রাসা।<br>হাসানুল হক ইনুঃ মাদ্রাসা আছে ওই....<br>শেখ হাসিনাঃ ....ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে...মাইকিং করতে হচ্ছে আরকি... নারায়ণগঞ্জে ঢুকতে দিচ্ছে না আর্মিকে আমরা... নামাচ্ছি।<br>হাসানুল হক ইনুঃ ও আচ্ছা.....<br>শেখ হাসিনাঃ না আমি বলছি ক্যাজুয়াল্টির দরকার নাই, ওরা ব্যারিকেড দিয়ে আছে তো, ঠিকাছে, আকাশ থেকে নামবে, তখন দুইপাশ দিয়ে ধরবে... মেসেজটা দিয়ে দিতে পারেন যে... সেনা পাঠানো হচ্ছে... আর হেলিকপ্টার দিয়ে সোজা বোম্বিং করা হবে...র‍্যাব এর হেলিকপ্টার<br>দিয়ে ওপর দিয়ে মারবে।<br>হাসানুল হক ইনুঃ আচ্ছা ওপর দিয়ে সাউন্ড বোম যাবে আরকি, ঠিকাছে... আমি একটা পয়েন্ট আপনাকে একটু নজরে আনার জন্য রিকোয়েস্ট করতেছি যে, কারফিউ ধরেন দুই-পাঁচদিন যা চল্লো চল্লো, কিন্তু কারফিউয়ের পরে যাতে আর মিছিল না নামতে পারে সেই জন্য একটা হোমওয়ার্ক করতে, করা দরকার যেরকম আমি উত্তরা, বাড্ডা, গুলশান, যাত্রাবাড়ীতে যারা মিছিল লিড করছে সেইগুলা চিহ্নিত .... ছাত্রদল, বিএনপির ছেলেমেয়ে ছেলেরা, শিবিরের ... মানে ধরেন রিজভীকে অ্যারেস্ট করা বা রুহুলকে অ্যারেস্ট করা ইম্পর্টেন্ট না, ইম্পর্টেন্ট হচ্ছে ওইখানে গ্রাউন্ডে যে মিছিলটা লিড করেছে, আমি কুষ্টিয়া জেলাতে এসপি সেইভাবে অলরেডি তালিকা করে ফেলছে। ওখানে কোনো সংঘর্ষ হয়নি, একটা ছররা গুলিতে খালি একজনের পায়ে লাগছে, উনি ম্যানেজ করছে। ম্যানেজ করছে। উনি অলরেডি কম্পিউটারে ছবি দেখে দেখে ছেলেগুলার তালিকা করতেছে। তা আমি বললাম যে ছেলেগুলাকে আজকে রাতের ভেতরে পিকআপ করে নাও ।  <br>শেখ হাসিনাঃ হ্যাঁ শিওর।<br>হাসানুল হক ইনুঃ যাতে মিছিলটা লিড না করতে পারে। তা আমি ঢাকা শহরের জন্য বলছি যে আপনার গোয়েন্দারা নিশ্চয়ই তালিকা করতে পারবে যে উত্তরায় কারা।<br>শেখ হাসিনাঃ ...খালি গোয়েন্দারটা না, লোকাল লিডারদেরও করা উচিত।<br>হাসানুল হক ইনুঃ লোকাল লিডার ওইখানে এমপি খসরু আছে এবং হাসান হাবিব আছে, আমার কালকের যে রিপোর্ট হাসান হাবিব... ও রাগ করে খসরুর ওপরে ছেড়ে দিছে যে এমপি সাহেব মোকাবিলা করুক<br>শেখ হাসিনাঃ খসরু তো পারবে না, খসরু ভো লোকাল না, হাসান তো লোকাল, ওদেরতো লোকজন আছে।<br>হাসানুল হক ইনুঃ লোকাল না তো হ্যাঁ রাইট, হাসান হাবিব নামেনি, আর এইখানে ওয়াকিলও সামলাইতে পারেনি, ও দুই লাইনে পা দিয়ে চলে। তো আমার কথা হচ্ছে যে একটু লোকাল লিডারদের সাহায্যে তালিকাটা করে নিয়ে আজকের রাতের ভেতরে সব কাস্টডিতে নিতে পারেন তাহলে কোন জায়গায় আর মোহাম্মদপুরে একটা পাঁয়তারা ছিল কালকে আপনি রাত ১২টায় যেয়ে খুব ভালো করছেন। আজকে কিন্তু গণভবন ঘেরাও করতো কিন্তু। মোহাম্মদপুরে ওইখান থেকে রেডি হচ্ছিল কালকে, মানে এইটা, সুতরাং...<br>শেখ হাসিনাঃ হ্যাঁ এইটা কয়েকদিন ধরে করতেছে।<br>হাসানুল হক ইনুঃ ডিসিশনটা খুবই কারেক্ট হইছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।<br>শেখ হাসিনাঃ থ্যাংকউ, থ্যাংকউ.... হলো রণক্ষেত্রের সাথী।<br>হাসানুল হক ইনুঃ রণক্ষেত্রের সাথী। তা আপনি একটু দয়া করে...এই পিকআপটা করতে বলেন...<br>শেখ হাসিনাঃ না এইটা বলা আছে, বলতেছি, বলতেছি।"</p>
<p>হাসানুল হক ইনুঃ ওইটা একটু হোমওয়ার্ক করতে বলেন, করে অ্যারেস্ট করে ফেলতে বলেন আজকে। মানে সবই অ্যারেস্ট করে ফেললে আর মিছিল করার লোক থাকবে না।<br>শেখ হাসিনাঃ লিসেন, দাঁড়ান, দাঁড়ান। অ্যারেস্ট করে....<br>হাসানুল হক ইনুঃ আরেকটা রিকোয়েস্ট আমার যে ইন্টারনেট আমার মনে হয় চালু করতে পারেন, এটা আমাদেরই কাজে লাগবে।<br>শেখ হাসিনাঃ ভাই কি যে চালু করবো সবতো পোড়াই দিছে। ডাটা সেন্টারও পোড়ায় দিছেই পোড়ায় দিছে, এখন ওই নতুন তারতুর কিনে জোড়া লাগাতে হবে।<br>হাসানুল হক ইনুঃ ...আমি যে কথাটা বলার চেষ্টা...আমি একাত্তরে রাত আটটার সময় যাবো একা কথা বলবো। আমি বলবো যে সরকারের সাথে কোটা আন্দোলনকারীর কোনো বিরোধ নাই। সরকারের সাথে বিরোধ হচ্ছে নাশকতাকারী বিএনপি, জামায়াতের।<br>শেখ হাসিনাঃ না ওইটা তো বলা হয়েছে। ওইটা আমি নিজেও বলছি...<br>হাসানুল হক ইনুঃ ... এই জিনিসটা প্রোপাগান্ডায় আনতে হবে যদি ইন্টারনেট থাকে, গণমাধ্যম দিয়ে আমরা পুরা নিউজে ফ্লাড করে দিলাম.... <br>শেখ হাসিনাঃ ইন্টারনেট পাবো কোথায়? ইন্টারনেট পোড়ায় দিছে। জীবনে...আমি তো আর আনবো না, যদি অন্য সরকার আসে তাহলে আনবে... আমি দিছি ইন্টারনেট, ওরা পোড়াইতে থাকুক, ওইটা চলতে হবে.....<br>হাসানুল হক ইনুঃ অন্য সরকার, বাংলাদেশে ইনশাআল্লাহ অন্য সরকার আসবে না।<br>শেখ হাসিনাঃ আসুক, না আমি আর পারবো না.. যাচ্ছি এখন<br>হাসানুল হক ইনুঃ না না...যাওয়া দরকার নাই<br>শেখ হাসিনাঃ জামায়াত শায়েস্তা করে থুয়ে যেতে হবে<br>হাসানুল হক ইনুঃ ....<br>শেখ হাসিনাঃ ...আপনার যেখানে যেখানে লোক আছে তালিকাগুলি আপনারা করান, আমরাও করাচ্ছি।<br>হাসানুল হক ইনুঃ ...আপনি এই... জামায়াত-শিবিরের মেরুদণ্ডটা আবার ভেঙে দেন ঢাকা শহরে।<br>শেখ হাসিনাঃ একেবারে...<br>হাসানুল হক ইনুঃ... এক্সপোজ হইছে আরকি, একটু দেখেন, আর আমি বাদবাকি আমাকে যেটা বলবেন আমি ইনশাআল্লাহ করবো, কোনো অসুবিধা নাই ।<br>শেখ হাসিনাঃ না ওই তালিকাগুলি একটু করায় ফালান...এই ছুতায় যা পারেন, শিবির যে কয়টা আছে, যা আছে সব বের করেন ... <br>হাসানুল হক ইনুঃ বুচ্ছি আমি বুচ্ছি। জি স্লামুয়ালাইকুম<br>শেখ হাসিনাঃ ঠিকাছে আচ্ছা।<br>হাসানুল হক ইনুঃ জি স্লামুয়ালাইকুম<br>শেখ হাসিনাঃ থ্যাংকউ, থাংক ইউ...</p>
<p><strong>২য় ফোনালাপ</strong></p>
<p>শেখ হাসিনাঃ হ্যালো?<br>হাসানুল হক ইনুঃ হ্যালো জি স্লামালাইকুম। আমি ইনু বলছিলাম। হ্যালো...<br>শেখ হাসিনাঃ হ্যাঁ বলেন।<br>হাসানুল হক ইনুঃ জি, না আমি একটু পরিস্থিতি অনুযায়ী একটু উদ্বেগের ভেতরে ছিলাম। তো আমি মনে করি যে সিদ্ধান্তটা খুব সঠিক হয়েছে আরকি। তো আমি যেটা বলতে চাচ্ছিলাম যে কারফিউটা একটু কঠোর কারফিউ আরকি ভাবে, তো সারা ঢাকা শহরে যদি মাইক নামায়ে দিতো প্রশাসন থেকে কারফিউ কি করা উচিত না... তাহলে একটু সুবিধা হতো মনে হয়।</p>
<p>শেখ হাসিনাঃ আমি হোম মিনিস্টারকে বলছি এখনি, সব জায়গায় মাইকিং করার জন্য..চারজন আহত...জেলায় জেলায় ডিসি অফিস... <br>হাসানুল হক ইনুঃ হ্যাঁ ওইগুলা সব পেয়েছি আমি, ডিসি অফিস, এসপি অফিস, আওয়ামীলীগের বাড়ি, আওয়ামীলীগ অফিস, এইগুলার প্রত্যেকের লিস্ট আমি পেয়েছি.....<br>শেখ হাসিনাঃ আমি এখন ঢাকায় আসবো।<br>হাসানুল হক ইনুঃ আচ্ছা তো এখন আমার কথা হচ্ছে যে কারফিউটা মানে এমন হবে যে ঘর থেকে বের হলেই অ্যারেস্ট করবে, গুলি হবে না, সেটা আপনার আমার ভেতরে, গুলি নাই কিন্তু সেনাবাহিনীর ভাবটা এমন হবে, কঠোর মানে কঠোর একেবারে। তো সেইজন্য... </p>
<p>শেখ হাসিনাঃ আজকে আমি, সত্যি কথা বলতে কি, বলি আপনাকে। আমি... কমিটি আছে তো...মিটিং করছিলাম, করার আগেই আমি দিছি... তিন বাহিনীর প্রধানের সাথে বসছিলাম....<br>হাসানুল হক ইনুঃ এটা দেখছি<br>শেখ হাসিনাঃ বললাম যে একটু সিচুয়েশনটা একটু ভালো হচ্ছে। তাহলে আস্তে আস্তে আর্মি, যেসব জেলা শান্ত আছে, ওইখান থেকে উঠায় ফেলো আর এইখানে আস্তে আস্তে গ্র্যাজুয়ালি তুলে ফেলো। এই ডিসিশনটা দিয়ে দিছি৷<br>হাসানুল হক ইনুঃ আচ্ছা।<br>শেখ হাসিনাঃ মানুষ একটু ইয়ে থাকুক। ওমা, ওইখানে বসা অবস্থায় শুনলাম যে, শুরু হয়ে গেছে।<br>হাসানুল হক ইনুঃ ওতো টার্গেটেড। উপজেলা লেভেলেরও ইউএনও অফিস ভাঙচুর করছে...<br>শেখ হাসিনাঃ .... পরিনাম শুনলাম তখন আমি বললাম যে ঠিকাছে....তোমরা বলো কী করবা...কারফিউটা আগায় দিচ্ছে আর কি পয়েন্টগুলি যেগুলি ওদের কতগুলি জায়গা ওরা সিলেক্ট করছে যেখানে হামলা করবে...ভার প্রটেকশন দেবে আর... র‍্যাব, পুলিশ টহল দেবে আর সেনাবাহিনীর অবশিষ্টর মধ্যে...যেখানে যেখানে প্রয়োজন হয় তোমরা টহল দেবো। যেটা বলছো ওইটা ঠিক.... ওই প্রেসারটা থাকতে হবে।  </p>
<p>হাসানুল হক ইনুঃ প্রেসারটা থাকতে হবে, মানে প্রেসারটা থাকতে হবে, আরেকটা হচ্ছে যেটা কালকে আলাপ করছিলাম যে আপনার পার্টি নেটওয়ার্কে আমাদের পার্টি নেটওয়ার্কে ... রেডি করা যে কারফিউ উঠে গেলে এক লাখ লোক ঢাকা দখল করবো আমরা। বসবো।  </p>
<p>শেখ হাসিনাঃ ... ওরা জেলায় আসবে, আমাদেরও জেলা থেকে লোক আসতে চাচ্ছে... বলছি ঠিকাছে আসেন।  <br>হাসানুল হক ইনুঃ হ্যাঁ এটা আনা দরকার আমি মনে করি, এটা কারেক্ট<br>শেখ হাসিনাঃ না আসুক...<br>হাসানুল হক ইনুঃ আমি কালকে বলছিলাম মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যে শহীদ মিনার, শাহবাগ চত্বর, বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশে, প্রেসক্লাবের সামনে, পল্টনে ...<br>শেখ হাসিনাঃ ... আমাদের নিয়ে নিতে হবে<br>হাসানুল হক ইনুঃ এটা আমরা নেবো, আমরা বসবো এইখানে এবং কারফিউ যেদিন রিলাক্স হবে সেদিনই মিছিলের নগরী হয়ে যাবে একেবারে। এবং কিছুই না, শান্তি চাই, শাস্তি চাই, ছাত্ররা বাড়ি যাও, ফেরত যাও, ফেরত যাও, সন্ত্রাস দমন করো...<br>শেখ হাসিনাঃ আচ্ছা আমি এটা কলে দিতে বলছি। যে তোমরা ছাত্ররা সব ঘরে ফেরো। গার্ডিয়েনদের বলছি এইখানে কিন্তু জঙ্গি হামলা হইছে।</p>
<p>হাসানুল হক ইনুঃ হ্যাঁ রাইট রাইট।<br>শেখ হাসিনাঃ না এইটা আমাকে ... বেশ কিছু আন্তর্জাতিক ইয়ে পাইছি। তারা এইটাকে জঙ্গি হামলা হিসেবে কনসিডার মানে বলতেছে।  </p>
<p>হাসানুল হক ইনুঃ হ্যাঁ, জঙ্গি হামলাই হইছে...এই কার্ডটা খেলবো আমরা এখন।</p>
<p>শেখ হাসিনাঃ না কার্ড খেলা না, এটা আমি আগে করি নাই কিন্তু আমাকে আন্তর্জাতিক সংস্থা থেকে আমাকে মেসেজটা দিছে যে এটা জঙ্গি হামলা...<br>হাসানুল হক ইনুঃ জঙ্গি সন্ত্রাসের মোকাবিলা করছে এখন সরকার ।<br>শেখ হাসিনাঃ ...তারা আমাকে এইটাই বলছে যে এইটা জঙ্গি হামলা... দিয়ে দেবো পেপারে ।<br>হাসানুল হক ইনুঃ আচ্ছা এইটা একটা ব্যাপার, আরেকটা হচ্ছে যে, দুইটা ভাগ, একটা হচ্ছে ছাত্রদের কোটা আন্দোলনকারী, একটা হচ্ছে উৎখাতকারী, উৎখাতকারীরা জঙ্গি সন্ত্রাসী হামলায় চলে গিয়েছে। কোটা সংস্কারকারীর ব্যাপারে আপনার আমার সরকারের যা যা আছি সমবেদনা আছে। উৎখাতকারীকে আমি রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করবো, কোনো ছাত্র যদি উৎখাতকারীর সঙ্গে জড়িত হয়, সেই দায়িত্ব আমি নেবো না।<br>শেখ হাসিনাঃ ...এটা আপনারা বলেন, এটা আপনারা বলেন না কেনো?<br>হাসানুল হক ইনুঃ আমি তো বলবো...<br>শেখ হাসিনাঃ আরে আমি তো ক্র, আপনারা বললে তখন মনে করবে যে অন্যান্য এঙ্গেল থেকে বলা হইছে।<br>হাসানুল হক ইনুঃ আমি ভো অবশ্যই বলবো.....<br>শেখ হাসিনাঃ বাকি দেখতেছিনা, কমিউনিস্ট পার্টি তারা এখন শেষ হয়ে গেছে...<br>হাসানুল হক ইনুঃ তো দেখি আমি ওদের সাথে কথা বলার চেষ্টা করি সেলিম সবার সঙ্গে।<br>শেখ হাসিনাঃ ...কি জানি উনার নাম? সাইফুল হক নাকি?<br>হাসানুল হক ইনুঃ সাইফুল সাইফুল। জোনায়েদ সাকি। জোনায়েদ সাকি, সাইফুল হক। আচ্ছা আমি জোনায়েদ সাকি, সাইফুল হকের সাথে একটু লিয়াজোঁ করি।<br>শেখ হাসিনাঃ তোমরা কোথায় নিচ্ছো দেশটাকে? ওদের মধ্যে যে সমর্থন দিচ্ছো তা এখন দেখো পুরা জঙ্গি হামলা হচ্ছে।  <br>হাসানুল হক ইনুঃ আরেকটা পয়েন্ট কি খেয়াল করছেন আপনি যে আনু মুহাম্মদেররা সরি শিক্ষকরা যারা সমর্থন দিছে তারা একটা অন্তর্বর্তী সরকারের রূপরেখা ... করার চেষ্টা করছে যেখানে বলতে চাচ্ছে যে অন্তর্বর্তী সরকার শিক্ষার্থীদের নিয়ে হেন-তেন নিয়ে হবে, ছায়া সরকার করবে এবং সংবিধান বাতিল করার জন্য একটা সংবিধান সভা করতে হবে। মানে সংবিধানই বাতিল করে দেবে...হ্যাঁ সংবিধান বাতিল চায়। আমি....ভাইকে একটু আগে বলছি যে মাইনুল ভাই এটা খুবই অ্যালার্মিং কথা, যেখানে বঙ্গবন্ধুর মূর্তি আর ম্যুরাল ভেঙে ফেলতেছে তার মানে আমার পয়েন্টটা নিতে হবে যে এদের এট্যাকটা হচ্ছে রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে। মুক্তিযুদ্ধের বেসিক অর্জনের উপরে। সুতরাং তারা তো বালি সরকার বদল চাচ্ছে না, মানে কোটা আন্দোলন করে কোটা চায়নি তারা সরকার উৎখাত করতে চাইছে। আর এক দফা আন্দোলনের মানে তারা হচ্ছে সরকারের মানে রাষ্ট্রের বেসিক সংবিধান উড়ায় দিচ্ছে চাচ্ছে তারা। তারমানে এই জায়গায় পলিটিক্সটা এট্যাক করতে হবে আমাকে, দাঁড় করাইতে হবে এখন।<br>শেখ হাসিনাঃ ওই যে সেভেনটি ফাইভের পর করছিল..... <br>হাসানুল হক ইনুঃ এক্সাক্টলি, তো এখন আপনি কি অ্যাডজাস্ট করবেন এইটা ছোটোখাটো পাঁচ-দশ মিনিটের...আরও দুই-একদিন পরে?</p>
<p>শেখ হাসিনাঃ আজকের দিনটা যাক দেখি ।<br>হাসানুল হক ইনুঃ আজকের দিনটা যাক, আমি প্ল্যানগুলা সাজাই আপনাকে আমি আমার বিবেচনা যেগুলা আছে দিবোনি আপনাকে। আর আমি বলি যে কারফিউটা বডি ল্যাংগুয়েজে অনেক কঠোর হবে যে ঘর থেকে বের হলেই অ্যারেস্ট গুলি না মানে অ্যারেস্ট করে ভেসে আসবে মানে টেলিভিশনে যে শান্তিনিকেতন থেকে ৩০জন অ্যারেস্ট হইছে, জেলে পাঠানো হইছে, কিন্তু জেলে পাঠাবো না, থানায় রাখবো, ১০ ঘণ্টা পরে ছেড়ে দেবেন আরকি। বুঝলেন না?<br>শেখ হাসিনাঃ বেশ, আচ্ছা।<br>হাসানুল হক ইনুঃ গরিব মানুষই তো। কিন্তু প্রোপাগান্ডা হবে ঘর থেকে বেরোলেই, মানে গুলি হবে, গুলি শব্দ বলবো না, আইনানুগ ব্যবস্থা নেবে কঠোর। কেউ ঘরের বাইরে বেরোবে না। মানে রিল্যাক্স কারফিউ না আরকি। আপনার অফিসের মানে বাসার চারপাশে একটু মানে এই মানিক মিয়া অ্যাভিনিউর এখান থেকে প্রোটেকশন বাড়ান.....<br>শেখ হাসিনাঃ ...<br>হাসানুল হক ইনুঃ না ওইটা না, ওরা যে ঢাকা চলো বলছে, গণভবন আক্রমণ করবে এইগুলা বলছে...<br>শেখ হাসিনাঃ গণভবন, বঙ্গভবন সব আক্রমণ করবে....</p>
<p>হাসানুল হক ইনুঃ তা ঠিক আছে, আল্লাহ ভরসা। আমি, আমার কথা হচ্ছে যে আমাদের পরে যে জনতার ঢাকা এইটা প্রমাণ করার জন্যে হোমওয়ার্কটাই আজকের ২৪ ঘণ্টায় করে ফেলতে হবে। এভরি ওয়ার্ডে থেকে দুই হাজার লোক রেডি করতে হবে। এভরি ওয়ার্ডের কাউন্সিলর দুই হাজার রেডি করতে হবে এবং জেলাগুলোতেও আমি আমার যত নেটওয়ার্ক আছে আমি বলছি কারফিউ উঠবে, সাথে সাথে মিছিল বের হবে কুষ্টিয়া শহরে তিন হাজার লোকের পাঁচ হাজার লোকের, রংপুর শহরে, ময়মনসিংহ শহরে, মানে শাস্তি চাই, সংঘাত চাই না, শান্তি চাই, শান্তি চাই, ছাত্ররা ঘরে ফেরত যাও। এই মিলি দখল করে নিতে হবে।</p>
<p>শেখ হাসিনাঃ ঠিকাছে, আপনারা আগে বলেন যে ছাত্ররা পরে যাও।<br>হাসানুল হক ইনুঃ আমিও বলতেছি, আমি অবশ্যই বলবে। কিন্তু আপনার পার্টিটাকে একটু চাঙা করেন।<br>শেখ হাসিনাঃ আমি ক্রনে দিয়ে দিছে দেখেন এখন চলে আসছে।<br>হাসানুল হক ইনুঃ আচ্ছা ঠিকাছে ওকে। ঠিকাছে।<br>শেখ হাসিনাঃ ঠিকাছে। আচ্ছা।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>২৫ সেপ্টেম্বর ইউআইইউ&#45;তে বসছে ওয়ার্ল্ড রোবট অলিম্পিয়াড বাংলাদেশ</title>
<link>https://digibanglatech.news/157725</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157725</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202509/image_870x580_68d3f40e55fbb.jpg" length="105254" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 24 Sep 2025 13:35:57 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p style="margin: 0in; margin-bottom: .0001pt; text-align: justify;"><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">পর্দা</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">উঠছে</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">ওয়ার্ল্ড</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">রোবট</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">অলিম্পিয়াড</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">বাংলাদেশ</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">২০২৫</span><span style="color: black;">-</span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">এর</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">জাতীয়</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">পর্বের।</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">আগামী</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">২৫</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">সেপ্টেম্বর</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">ঢাকার</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">ইউনাইটেড</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">ইন্টারন্যাশনাল</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">ইউনিভার্সিটিতে</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">অনুষ্ঠিত</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">হতে</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">যাওয়া</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">এ</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">আয়োজনে</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">তিনটি</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">আঞ্চলিক</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">পর্বের</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">মাধ্যমে</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">বাছাই</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">করা</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">প্রায়</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">২০০</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">শিক্ষার্থী</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">অংশ</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">নেবে।</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">জাতীয়</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">পর্বে</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">উত্তীর্ণ</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">শিক্ষার্থীরা</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">এই</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">বছর</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">নভেম্বরে</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">সিঙ্গাপুরে</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">অনুষ্ঠিত</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">হতে</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">যাওয়া</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">ওয়ার্ল্ড</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">রোবট</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">অলিম্পিয়াডের</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">আন্তর্জাতিক</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">আসরে</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">দেশের</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">প্রতিনিধিত্ব</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">করবে।</span><o:p></o:p></p>
<p style="margin: 0in; margin-bottom: .0001pt; text-align: justify;"><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">এবারই</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">প্রথমবারের</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">মতো</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">প্রতিযোগিতাটি</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">আঞ্চলিক</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">পর্যায়ে</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">আয়োজন</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">করা</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">হয়েছে</span><span style="color: black;">, </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">যার</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">ফলে</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">দেশের</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">বিভিন্ন</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">শহরের</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">শিক্ষার্থীরা</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">নিজ</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">নিজ</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">অঞ্চলে</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">অংশগ্রহণের</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">সুযোগ</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">পেয়েছে</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">এবং</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">সেখান</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">থেকে</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">জাতীয়</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">পর্বের</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">জন্য</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">নির্বাচিত</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">হয়েছে।</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">আঞ্চলিক</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">প্রতিযোগিতা</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">অনুষ্ঠিত</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">হয়েছে</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">দেশের</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">এই</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">তিনটি</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">শহরে</span><span style="color: black;">,- </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">চট্টগ্রাম</span><span style="color: black;">, </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">ঢাকা</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">ও</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">রংপুর</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">।</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">আঞ্চলিক</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">পর্বে</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">বাছাইকৃত</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">৭০</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">টি</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">দল</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">জাতীয়</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">পর্বে</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">অংশগ্রহণ</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">করতে</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">আসছে।</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">তরুণ</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">প্রতিযোগীরা</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">রোবোটিকসের</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">নানান</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">চ্যালেঞ্জে</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">নিজেদের</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">সৃজনশীলতা</span><span style="color: black;">, </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">দক্ষতা</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">ও</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">উদ্ভাবনী</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">ধারণা</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">তুলে</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">ধরবে</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">জাতীয়</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">মঞ্চে।</span><o:p></o:p></p>
<p style="margin: 0in; margin-bottom: .0001pt; text-align: justify;"><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;"></span></p>
<p style="margin: 0in; margin-bottom: .0001pt; text-align: justify;"><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">এবারের</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">ওয়ার্ল্ড</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">রোবট</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">অলিম্পিয়াড</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">বাংলাদেশ</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">২০২৫</span><span style="color: black;">-</span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">এ</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">শিক্ষার্থীরা</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">বিভিন্ন</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">ক্যাটাগরিতে</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">প্রতিদ্বন্দ্বিতা</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">করবে।</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">এর</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">মধ্যে</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">রয়েছে</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">ফিউচার</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">ইনোভেটর্স</span><span style="color: black;">, </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">ফিউচার</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">ইঞ্জিনিয়ার্স</span><span style="color: black;">, </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">রোবোমিশন</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">এবং</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">রোবোস্পোর্টস</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">ক্যাটাগরি।</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">প্রতিযোগিতাগুলো</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">বয়সভিত্তিক</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">তিনটি</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">বিভাগে</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">অনুষ্ঠিত</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">হবে</span><span style="color: black;">: </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">ইলিমেন্টারি</span><span style="color: black;"> (</span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">৮</span><span style="color: black;">–</span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">১২</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">বছর</span><span style="color: black;">), </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">জুনিয়র</span><span style="color: black;"> (</span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">১১</span><span style="color: black;">–</span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">১৫</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">বছর</span><span style="color: black;">) </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">এবং</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">সিনিয়র</span><span style="color: black;"> (</span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">১৪</span><span style="color: black;">–</span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">১৯</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">বছর</span><span style="color: black;">)</span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">।</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">জাতীয়</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">পর্বে</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">অংশগ্রহণের</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">সংখ্যা</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">অনুযায়ী</span><span style="color: black;">, </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">ফিউচার</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">ইঞ্জিনিয়ার্স</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">ক্যাটাগরিতে</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">৪২টি</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">দল</span><span style="color: black;">, </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">ফিউচার</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">ইনোভেটর্স</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">ক্যাটাগরিতে</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">১৬টি</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">দল</span><span style="color: black;">, </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">রোবোমিশন</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">ক্যাটাগরিতে</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">২০টি</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">দল</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">এবং</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">রোবোস্পোর্টস</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">ক্যাটাগরিতে</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">২টি</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">দল</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">অংশ</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">নেবে।</span><o:p></o:p></p>
<p style="margin: 0in; margin-bottom: .0001pt; text-align: justify;"><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;"></span></p>
<p style="margin: 0in; margin-bottom: .0001pt; text-align: justify;"><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">জাতীয়</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">পর্বের</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">আয়োজন</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">শুরু</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">হবে</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">সকাল</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">আটটায়।</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">নিবন্ধনের</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">মাধ্যমে</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">শিক্ষার্থীরা</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">শুরু</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">করবে</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">তাদের</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">প্রতিযোগিতা।</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">দিনব্যাপী</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">এই</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">প্রতিযোগিতায়</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">ধাপে</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">ধাপে</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">চলতে</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">থাকবে</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">বিচার</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">কাজ।</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">বিকেলে</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">চারটায়</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">শুরু</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">হবে</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">আনুষ্ঠানিক</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">পুরস্কার</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">বিতরনী।</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">এই</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">আসরে</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">প্রধান</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">অতিথি</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">হিসেবে</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">থাকবেন</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">বিশ্ববিদ্যালয়ের</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">উপাচার্য</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">অধ্যাপক</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">ড</span><span style="color: black;">. </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">আবুল</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">কাশেম</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">মিয়া।</span><span style="color: black;"> </span><o:p></o:p></p>
<p style="margin: 0in; margin-bottom: .0001pt; text-align: justify;"><span style="color: black;"></span></p>
<p style="margin: 0in; margin-bottom: .0001pt; text-align: justify;"><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">এর</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">আগে</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">ওয়ার্ল্ড</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">রোবট</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">অলিম্পিয়াড</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">বাংলাদেশ</span><span style="color: black;"> (</span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">ডব্লিওআরওবিডি</span><span style="color: black;">) </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">শিক্ষার্থীদের</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">রোবটিক্স</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">অলিম্পিয়াড</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">বিষয়ে</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">উৎসাহিত</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">করতে</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">জুনমাসের</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">বিভিন্ন</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">সময়ে</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">১৪টি</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">এক্টিভেশন</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">প্রোগ্রাম</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">আয়োজন</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">করে।</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">দেশের</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">৫টি</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">জেলায়</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">বিভিন্ন</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">সরকারি</span><span style="color: black;">-</span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">বেসরকারি</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">বিশ্ববিদ্যালয়ে</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">এই</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">ওয়ার্কশপগুলো</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">করা</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">হয়</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">যেখানে</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">প্রায়</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">২</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">হাজার</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">শিক্ষার্থী</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">অংশগ্রহণ</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">করেছিল।</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">২০২০</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">সাল</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">থেকে</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">বাংলাদেশ</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">নিয়মিতভাবে</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">এই</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">অলিম্পিয়াডে</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">অংশগ্রহণ</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">করছে</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">এবং</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">প্রতিবছরই</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">অর্জন</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">করে</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">চলেছে</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">একের</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">পর</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">এক</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">সাফল্য।</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">এছাড়াও</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">দেশের</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">আটটি</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">বিভাগে</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">শিক্ষার্থীদের</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">রোবোটিকস</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">ও</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">এই</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">অলিম্পিয়াড</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">সম্পর্কে</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">অবহিত</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">করা</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">এবং</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">অংশগ্রহণে</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">উৎসাহিত</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">করার</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">জন্য</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">বিভিন্ন</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">অ্যাক্টিভেশন</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">কর্মশালা</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">আয়োজন</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">করা</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">হয়েছে।</span><span style="color: black;"> </span><o:p></o:p></p>
<p style="margin: 0in; margin-bottom: .0001pt; text-align: justify;"><span style="color: black;"></span></p>
<p style="margin: 0in; margin-bottom: .0001pt; text-align: justify;"><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">ওয়ার্ল্ড</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">রোবট</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">অলিম্পিয়াড</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">বাংলাদেশ</span><span style="color: black;"> (</span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">ডব্লিউআরওবিডি</span><span style="color: black;">) </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">ও</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">বাংলাদেশ</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">ওপেন</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">সোর্স</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">নেটওয়ার্ক</span><span style="color: black;"> (</span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">বিডিওএসএন</span><span style="color: black;">) </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">যৌথভাবে</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">এই</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">অলিম্পিয়াড</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">আয়োজন</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">করে।</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">আগামী</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">নভেম্বর</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">মাসে</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">সিংগাপুরে</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">অনুষ্ঠিত</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">হতে</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">যাচ্ছে</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">ওয়ার্ল্ড</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">রোবট</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">অলিম্পিয়াড</span><span style="color: black;"> (</span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">ডব্লিউআরও</span><span style="color: black;">) </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">২০২৫</span><span style="color: black;">, </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">যেখানে</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">অংশ</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">নেবে</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">বাংলাদেশ</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">জাতীয়</span><span style="color: black;"> </span><span style="font-family: 'Nirmala UI',sans-serif; color: black;">দল।</span><span style="color: black;"> </span><o:p></o:p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বিশ্বজয়ের স্বপ্ন নিয়ে মালয়েশিয়ায় যাচ্ছে ইউএফটিবি&amp;apos;র ‘অটেপাইলট’</title>
<link>https://digibanglatech.news/157705</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157705</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202509/image_870x580_68d28e378361a.jpg" length="85067" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 23 Sep 2025 14:11:34 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span>প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন এবং উৎকর্ষতা বৃদ্ধি করে মানবতার কল্যাণে কাজ করে যাওয়া বিশ্বব্যাপী বৃস্তৃত পেশাদার সংগঠন ইনস্টিটিউট অফ ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ার্স (আইইইই) আয়োজিত</span> IEEE আঞ্চলিক ১০ (IEEE Region 10) ইনোভেশন চ্যালেঞ্জ ২০২৫-এর ফাইনাল রাউন্ড অনুষ্ঠিত হবে মালয়েশিয়ার সাবাহ ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে। আগামী ২৭-২৮ অক্টোবর অনুষ্ঠিতব্য এই আসরে অংশগ্রহণ করতে মালয়েশিয়ায় যাচ্ছে ইউনিভার্সিটি অফ ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজি, বাংলাদেশ (ইউএফটিবি)-এর শিক্ষার্থীদের নিয়ে গঠিত টিম  ‘অটেপাইলট (AutoPilot)’।</p>
<p>এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ এই প্রযুক্তি প্রতিযোগিতার এ বছরের মূল থিম ছিল "AI for Social Impact", অর্থাৎ সমাজের কল্যাণে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উদ্ভাবনী ব্যবহার। এই থিমের ওপর ভিত্তি করে ইউনিভার্সিটি অফ ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজি, বাংলাদেশ এর টিম ‘অটোপাইলট’ এর প্রকল্প 'স্মার্ট ট্রাফিক এআই (SmartTrafficAI)' উপস্থাপন করে, যা একটি আধুনিক এআই-চালিত স্মার্ট ট্রাফিক সিগনাল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম। এই সিস্টেমে স্বল্প ব্যয়ের ক্যামেরা ব্যবহার করে যানবাহন শনাক্ত করা হয় এবং ডিপ রিইনফোর্সমেন্ট লার্নিং প্রযুক্তির মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ট্রাফিক সিগনাল নিয়ন্ত্রণ করা হয়।</p>
<p>ফাইনাল রাউন্ডে পৌঁছানোর জন্য টিম ‘অটেপাইলট’ দুটি কঠিন ধাপ অতিক্রম করেছে। প্রথমে তারা জাতীয় পর্যায়ের বাংলাদেশ সেকশন রাউন্ডে নির্বাচিত হয়। এরপর ভার্চুয়াল এশিয়া-প্যাসিফিক রাউন্ডে পোস্টার, ভিডিও ডকুমেন্টেশন এবং লাইভ উপস্থাপনার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বিচারকদের সামনে তাদের প্রকল্প তুলে ধরে। এই রাউন্ডে তারা সেরা ১০ দলের মধ্যে স্থান করে নিয়ে বাংলাদেশকে ফাইনাল রাউন্ডে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ অর্জন করে।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202509/image_870x_68d28e3882265.jpg" alt=""></p>
<p>টিমের সদস্যরা হলেন মোঃ তাসলিম আরিফ এবং আবু সালেহ মুহাম্মদ মুসা, যারা ইউএফটিবি-এর ইন্টারনেট অফ থিংস অ্যান্ড রোবোটিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী। এই প্রকল্পে তাদের একাডেমিক অ্যাডভাইজার হিসেবে আছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রভাষক ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোঃ মশিউর রহমান।<br>দলটির সদস্যরা মনে করেন, তাদের এই প্রযুক্তি বাস্তবায়ন করা গেলে ঢাকার মতো যানজটপূর্ণ শহরে ট্রাফিক জ্যাম কমানো, জ্বালানি সাশ্রয় করা, সময়ের অপচয় রোধ করা এবং পরিবেশ দূষণ উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করা সম্ভব হবে।</p>
<p>ইউএফটিবি-এর শিক্ষার্থীদের এমন সাফল্যে তাদের অভিনন্দন ও শুভকামনা জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবু ইউসুফ এবং ইন্টারনেট অফ থিংস ও রোবোটিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যান সুমন সাহা।</p>
<p>বৈশ্বিক মঞ্চে দলটির সাফল্য কামনা করে উপাচার্য বলেন,"ইউনিভার্সিটি অফ ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজি,বাংলাদেশ এর শিক্ষার্থীরা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবে,যা অত্যন্ত আনন্দের বিষয়। তাদের এই অর্জন প্রমাণ করে যে ইউএফটিবি-এর শিক্ষার্থীরা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মেধা ও সৃজনশীলতা দিয়ে বাংলাদেশকে গর্বের সঙ্গে তুলে ধরতে সক্ষম।"</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ইউএফটিবি&#45;তে সাইবার নিরাপত্তা কর্মশালা অনুষ্ঠিত</title>
<link>https://digibanglatech.news/157694</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157694</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202509/image_870x580_68d21333e0f44.jpg" length="91664" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 22 Sep 2025 23:26:31 +0600</pubDate>
<dc:creator>ক্যাম্পাস করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div>বি-টপ সিএস প্রোগ্রামের অংশ হিসেবেগাজীপুরে অবস্থিত ইউনিভার্সিটি অফ ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজি, বাংলাদেশ (ইউএফটিবি) ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হলো দুই দিনব্যাপী "হাউ টু মেক টপ ম্যানেজমেন্ট অ্যাওয়ার অফ সাইবার সিকিউরিটি (টিএমএ)" শীর্ষক সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে ২১-২২ সেপ্টেম্বর, রবি ও সোমবার প্রতিদিন ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত কর্মশালায় দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা অংশ নেন। </div>
<div></div>
<div>তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগ, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি), জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা) এবং বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস-এর যৌথ সহযোগিতায় কর্মশালাটি বাস্তবায়ন করে ইউএফটিবি’র সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ।</div>
<div></div>
<div>কর্মশালার সমাপনী অধিবেশনে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবু ইউসুফ, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন, জাইকা'র প্রকল্প সমন্বয়ক (প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর) কাটসুকি নাহো এবং ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (ডুয়েট) কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ওবায়দুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।</div>
<div></div>
<div>প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবু ইউসুফ বলেন, এই কর্মশালার প্রধান উদ্দেশ্য ছিল শীর্ষ ব্যবস্থাপকদের কাছে সাইবার ঝুঁকির গুরুত্ব তুলে ধরা এবং তা মোকাবিলায় কার্যকর কৌশল সম্পর্কে অবহিত করা। তিনি এই প্রশিক্ষণ কর্মশালা থেকে অর্জিত জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ে আরও সচেতন হওয়ার জন্য প্রশিক্ষণার্থীদের অনুরোধ জানান।</div>
<div></div>
<div>কর্মশালার সমাপনী অধিবেশনে বক্তারা বলেন যে, এই ধরনের প্রশিক্ষণ দেশের সাইবার নিরাপত্তা সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। অংশগ্রহণকারীরা কর্মশালায় অর্জিত জ্ঞান তাদের নিজ নিজ কর্মক্ষেত্রে প্রয়োগ করার ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।<span style="color: #888888;"><br></span></div>
<div></div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>অ্যাস্ট্রোনমি অলিম্পিয়াডে অংশ নিতে রাশিয়ায় বাংলাদেশ দল</title>
<link>https://digibanglatech.news/157666</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157666</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202509/image_870x580_68d14780d8367.jpg" length="114591" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 22 Sep 2025 15:57:13 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>রাশিয়ার সোচি শহরে শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা চতুর্থ ওপেন ওয়ার্ল্ড অ্যাস্ট্রোনমি অলিম্পিয়াড। এ আসরে অংশ নিতে বর্তমানে সোচিতে অবস্থান করছে সাত সদস্যের বাংলাদেশ দল।</p>
<p>প্রতিযোগিতাটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে সোচির সিরিয়াস অলিম্পিক টাউন-এ, অনুষ্ঠানটি চলবে ২০ থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রতিভাবান শিক্ষার্থীরা এ আয়োজনে অংশ নিচ্ছেন জ্যোতির্বিজ্ঞান বিষয়ে নিজেদের জ্ঞান, দক্ষতা ও গবেষণার সক্ষমতা তুলে ধরতে।</p>
<p>বাংলাদেশ অ্যাস্ট্রো-অলিম্পিয়াড জাতীয় কমিটির নির্বাচিত এবারের দলে রয়েছেন ছয়জন শিক্ষার্থী ও একজন দলনেতা। দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মেধাবী শিক্ষার্থীরা নির্বাচিত হয়ে প্রতিনিধিত্ব করছেন বাংলাদেশকে।</p>
<p>দলের সদস্যরা হলেন ঢাকার ‘হিড ইন্টারন্যাশনাল স্কুল’-এর এ লেভেল শিক্ষার্থী সপ্তর্ষী রহমান, আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজের দ্বাদশ শ্রেণীর শিক্ষার্থী এমডি রদিত রাইয়ান, আইডিয়াল কলেজের দ্বাদশ শ্রেণীর শিক্ষার্থী শোহিনী শম্ভার কংকা, খুলনার পুলিশ লাইন মাধ্যমিক স্কুলের দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থী মো. মোখদুম আমিন ফাহিম, রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুলের অষ্টম শ্রেণীর শিক্ষার্থী মো. জুবায়ের হোসেন জিসান এবং ‘সাউথ হেরাল্ড ইংলিশ স্কুল অ্যান্ড কলেজ’-এর ও লেভেল শিক্ষার্থী সায়ন্তন রায়।</p>
<p>দলটির নেতৃত্ব দিচ্ছেন বাংলাদেশ অ্যাস্ট্রো-অলিম্পিয়াড জাতীয় কমিটির চেয়ারম্যান মশহুরুল আমিন।</p>
<p>শুক্রবার ঢাকা থেকে রাশিয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে বর্তমানে সোচিতে প্রতিযোগিতার প্রস্তুতিতে রয়েছে বাংলাদেশ দলটি। প্রতিযোগিতায় শিক্ষার্থীরা তাত্ত্বিক পরীক্ষা, ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান ও পর্যবেক্ষণমূলক জ্যোতির্বিজ্ঞান বিষয়ক বিভিন্ন রাউন্ডে অংশ নেবেন।</p>
<div class="details-brief dNewsDesc print-section" id="contentDetails">
<p>কেবল প্রতিযোগিতাই নয়, এ আয়োজন তরুণ শিক্ষার্থীদের জন্য আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সংস্কৃতি, অভিজ্ঞতা ও বৈজ্ঞানিক ভাবনার আদান-প্রদানের এক অনন্য সুযোগ তৈরি করে দেয়।</p>
<p>ধারণা করা হচ্ছে, বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করা এসব শিক্ষার্থী দেশের জন্য গৌরবের পাশাপাশি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মধ্যে জ্যোতির্বিজ্ঞান বিষয়ে আগ্রহ সৃষ্টিতেও ভূমিকা রাখবেন।</p>
</div>
<div class="DContentAdd3 ignore-print">
<div class="sq-add d-flex justify-content-center">
<div id="div-gpt-ad-9827360-3" data-google-query-id="CM_Aro-x7I8DFQaf2AUdxGIm_A"></div>
</div>
</div>
<div class="DContentAdd2 ignore-print m-3">
<div class="sq-add d-flex justify-content-center">
<div id="div-gpt-ad-9827360-2" data-google-query-id="CM7Aro-x7I8DFQaf2AUdxGIm_A"></div>
</div>
</div>
<div class="DContentAdd ignore-print">
<div class="sq-add d-flex justify-content-center">
<div id="div-gpt-ad-9827360-1" data-google-query-id="CM3Aro-x7I8DFQaf2AUdxGIm_A"></div>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>আঞ্চলিক ওপেন চ্যাম্পিয়নশিপে তিনটি পুরস্কার পেল বাংলাদেশ দল</title>
<link>https://digibanglatech.news/157642</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157642</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p&gt;&lt;span&gt;ওয়ার্ল্ড রোবট অলিম্পিয়াড (ডব্লিউআরও) এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় ওপেন চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা গর্বিত সাফল্য অর্জন করেছে। ফিউচার ইঞ্জিনিয়ার্স ক্যাটাগরিতে তারা দ্বিতীয় স্থান অধিকার করার পাশাপাশি পেয়েছে আরও দুটি বিশেষ সম্মাননা পুরস্কার। এবারের প্রতিযোগিতায় ২৫টি দেশের ১৬০টি দল অংশ নেয়। &lt;/span&gt;&lt;span&gt;ফিউচার ইঞ্জিনিয়ার্স সিনিয়র বিভাগে আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজের আনাস বিন আজিম এবং রাজউক উত্তরা মডেল কলেজের সৈয়দ মো. মহিউদ্দিন সামি-এর দল টিম প্লেডিট্রন দ্বিতীয় স্থান অর্জন। ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202509/image_870x580_68d09f9822bf5.jpg" length="72100" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 21 Sep 2025 23:03:19 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded></content:encoded>
</item>

<item>
<title>আমিরাতের ভিসা নিষেধাজ্ঞার খবর ভুয়া: প্রেস উইং</title>
<link>https://digibanglatech.news/157615</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157615</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202509/image_870x580_68cf8af8ab290.jpg" length="78452" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 21 Sep 2025 00:19:23 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="alignfull">সংযুক্ত আরব আমিরাত বাংলাদেশের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে বলে বাংলাদেশের বেশ কয়েকটি সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করা হয়েছে। তবে এই খবরটিকে ভুয়া বা মিথ্যা বলছে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং।</p>
<p class="alignfull">প্রেস উইং ফ্যাক্টস ২০ সেপ্টেম্বর, শনিবার দিবাগত রাতে এক ফেসবুক পোস্টে এ তথ্য জানিয়েছে। </p>
<p class="alignfull">ফেসবুক পোস্টে বলা হয়, বিভিন্ন প্রতিবেদনে গত ১৭ সেপ্টেম্বর একটি বেসরকারি ভিসা প্রক্রিয়াকরণ ওয়েবসাইট ‘ইউএইভিসা অনলাইন’-এ প্রকাশিত একটি নিবন্ধের উদ্ধৃতি দেওয়া হয়েছে। যেখানে দাবি করা হয়েছে, অভিবাসন সংক্রান্ত একটি সার্কুলারে বাংলাদেশসহ এশিয়া ও আফ্রিকার নয়টি দেশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। তবে এই দাবিটি মিথ্যা।</p>
<div class="viewport jw_article_body">
<p class="alignfull">প্রেস উইং বলছে, ‘সংযুক্ত আরব আমিরাতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক আহমেদ স্পষ্ট করে বলেছেন, আমিরাত কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে এ ধরনের কোনও বিজ্ঞপ্তি পাওয়া যায়নি।’</p>
<p class="alignfull">তারেক আহমেদ বলেছেন, পোস্টটি ভিসা সেন্টারের নিজেদের একটি বিদ্বেষপূর্ণ অপচেষ্টা হতে পারে। </p>
<p class="alignfull">তারেক আহমেদ জানান, ২০ ও ২১ সেপ্টেম্বর সংযুক্ত আরব আমিরাতে সরকারি ছুটির দিন। তাই দূতাবাস ২২ সেপ্টেম্বর আমিরাত সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করবে এবং অফিসিয়াল চ্যানেলের মাধ্যমে এ বিষয়ে আরও নিশ্চিত হবে। </p>
<p class="alignfull">প্রেস উইং জানিয়েছে, বাংলাদেশের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞার দাবিটি একটি বেসরকারি ভিসা ওয়েবসাইট থেকে উদ্ভূত। এ বিষয়ে যাচাই-বাছাই ছাড়াই প্রতিবেদন প্রকাশ করায় বিভ্রান্তি দেখা দিয়েছে। </p>
</div>
<div class="btGoogleNews"></div>
<div class="BT_inner_A1_C2 aligncenter w100p pt10 pb10">
<div class="300adWnC">
<div id="BT_inner_A1_C2" data-google-query-id="CJu2x8GJ6Y8DFbUtgwMdWu0bYQ"></div>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>রোব্লক্স: বিনোদনের মোড়কে শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্য সংকট</title>
<link>https://digibanglatech.news/157589</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157589</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202509/image_870x580_68ce3daaf26e1.jpg" length="99520" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 20 Sep 2025 11:38:46 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ডিজিটাল যুগের এই সময়ে শিশুদের অবসর কাটানোর প্রধান মাধ্যম হয়ে উঠেছে অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্ম। এর মধ্যে রোব্লক্স (ROBLOX) বিশ্বজুড়ে লাখো শিশু-কিশোরের কাছে এক অনন্য আকর্ষণ। প্রথম দেখায় এটি নিছক একটি নিরীহ খেলার জায়গা মনে হলেও এর অন্তরালে লুকিয়ে আছে এক ভয়ংকর বাস্তবতা—একজন অভিভাবক ও সচেতন নাগরিক হিসেবে যা আমাদের গভীরভাবে ভাবিয়ে তোলে।</p>
<p>আজ শহুরে প্রেক্ষাপটে প্রায় প্রতিটি স্কুলগামী শিশুর মধ্যেই রোব্লক্সের প্রতি নিয়ন্ত্রণহীন আকর্ষণ ও আসক্তির ঝুঁকি স্পষ্ট। পাবজি কিংবা ফ্রি ফায়ারের মতোই কি রোব্লক্সও শিশুদের মানসিক সুস্থতার নীরব ঘাতক হয়ে উঠছে?</p>
<p><span style="color: rgb(186, 55, 42);"><strong>খেলার মাঠ, নাকি আসক্তির ফাঁদ</strong></span></p>
<p>রোব্লক্স কোনো একক গেম নয়, বরং এটি একটি বিশাল ভার্চুয়াল জগৎ যেখানে খেলোয়াড়রা নিজেদের গেম তৈরি করতে পারে এবং অন্যদের তৈরি গেম খেলতে পারে। এই ‘ইউজার-জেনারেটেড কন্টেন্ট’ মডেলটিই এর সবচেয়ে বড় ঝুঁকি। কন্টেন্টের ওপর কোনো পূর্ণাঙ্গ নিয়ন্ত্রণ না থাকায় হঠাৎ করেই শিশুদের সামনে আসতে পারে সহিংসতা, হ্যারাসমেন্ট বা প্রাপ্তবয়স্কদের অনুপযুক্ত বিষয়বস্তু।</p>
<p>আরও বিপজ্জনক হলো এর পুরস্কার বা ভার্চুয়াল মুদ্রা রোবাক্স (Robux) অর্জনের প্রতিযোগিতা, যা শিশুদের মনে নিরন্তর খেলার তাগিদ সৃষ্টি করে। গবেষণায় দেখা গেছে, অনেক শিশু দিনে আট-দশ ঘণ্টা পর্যন্ত রোব্লক্সে ডুবে থাকে। এর ফলে পড়াশোনা, ঘুম, পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে বাস্তবিক সম্পর্ক—সবকিছুই ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বাড়ে মানসিক অস্থিরতা, খিটখিটে স্বভাব, এমনকি হতাশা। বাংলাদেশের শিশুদের মধ্যেও এখন একই প্রবণতা দ্রুত বাড়ছে।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202509/image_870x_68ce3ed9c3a47.jpg" alt=""></p>
<p><strong><span style="color: rgb(186, 55, 42);">বিশ্বের অভিজ্ঞতা: সতর্কতার ঘণ্টা</span> </strong></p>
<p>রোব্লক্সের ঝুঁকি শুধু আমাদের দেশেই নয়, আন্তর্জাতিক পর্যায়েও আলোচিত। তুরস্ক, ওমান, কুয়েত ও কাতারের মতো দেশগুলো শিশুদের নিরাপত্তা ও কন্টেন্ট নিয়ন্ত্রণের ঘাটতির কারণে ইতোমধ্যে রোব্লক্স নিষিদ্ধ বা সীমিত করেছে। চীন চালু করেছে বিশেষ সেন্সরযুক্ত সংস্করণ লুওবুলেসি (Luobulesi), যেখানে কঠোর নিয়ন্ত্রণে শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা হয়। এসব উদাহরণ স্পষ্ট করে দেয়—রোব্লক্সকে শুধুমাত্র বিনোদন হিসেবে দেখলে হবে না, এটি সমাজ ও সংস্কৃতির জন্য সম্ভাব্য হুমকি।</p>
<p><strong><span style="color: rgb(186, 55, 42);">বাংলাদেশের করণীয় </span></strong></p>
<p>বাংলাদেশেও রোব্লক্সের প্রভাব আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। অভিভাবক হিসেবে শুধু মোবাইল তুলে দেওয়া নয়, শিশু কী খেলছে তা জানার দায়িত্বও আমাদের। নির্দিষ্ট স্ক্রিন টাইম, বিকল্প বিনোদন যেমন খেলাধুলা, বই বা সৃজনশীল কার্যক্রম—এসবকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।</p>
<p>অন্যদিকে সরকারের উচিত অবিলম্বে এই প্ল্যাটফর্মের ওপর কঠোর নজরদারি চালানো। পাবজি ও ফ্রি ফায়ারের মতো গেমের ক্ষেত্রে যেভাবে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল, রোব্লক্সের ক্ষেত্রেও সমান গুরুত্ব দেওয়া জরুরি। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মানসিক সুস্থতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের নৈতিক দায়িত্ব।</p>
<p>আমাদের শিশুদের রক্ষা করতে হলে আলোচনার গণ্ডি ছাড়িয়ে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। ভার্চুয়াল আসক্তির অন্ধকার নয়, তারা যেন বাস্তব জগতের আলোয় বড় হয়ে উঠতে পারে—প্রতিটি অভিভাবক ও সচেতন নাগরিকের এটিই এখন প্রধান প্রত্যাশা।</p>
<hr>
<p><span>লেখকঃ তথ্যপ্রযুক্তিবিদ,সাধারণ সম্পাদক বাংলাদেশ সিস্টেম এডমিনিস্ট্রেটর ফোরাম (বিডিসাফ)</span></p>
<hr>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

</channel>
</rss>