<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
     xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
     xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
     xmlns:admin="http://webns.net/mvcb/"
     xmlns:rdf="http://www.w3.org/1999/02/22-rdf-syntax-ns#"
     xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
     xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/">
<channel>
<title>Digi Bangla &#45; : এগ্রিটেক</title>
<link>https://digibanglatech.news/rss/category/এগ্রিটেক</link>
<description>Digi Bangla &#45; : এগ্রিটেক</description>
<dc:language>en</dc:language>
<dc:rights>নিবন্ধন নং &#45; ২৩৩ &amp;lt;br /&amp;gt;প্রকাশক: সাইফুল ইসলাম সিদ্দিক &amp;lt;/br&amp;gt;  নির্বাহী সম্পাদক: এস এম ইমদাদুল হক &amp;lt;/br&amp;gt; সম্পাদকীয় কার্যালয়: সড়ক ২৯, বাড়ি ২/ই (গুলশান লেক প্যালেস), সি&#45;২, গুলশান&#45;১, ঢাকা&#45;১২১২, বাংলাদেশ।  &amp;lt;/br&amp;gt;ফোন: ০৯৬৩৯&#45;৩৩৩৫৫৫, ইমেইল: press@digibanglatech.news   &amp;lt;/br&amp;gt; © স্বত্ব ডিজিটাল বাংলা মিডিয়া লিমিটেড ২০১৯&#45;২০২৫</dc:rights>

<item>
<title>বাংলাদেশকে পটাশ সার দিতে আগ্রহী বেলারুশ</title>
<link>https://digibanglatech.news/175487</link>
<guid>https://digibanglatech.news/175487</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69f0bac26d8a7.jpg" length="224544" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 28 Apr 2026 19:19:11 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>কৃষি যান্ত্রিকীকরণের পাশাপাশি বিশ্বের অন্যতম পটাশ সার উৎপাদনকারী দেশ হিসেবে বাংলাদেশে  এই সার সরবরাহে আগ্রহী বেলারুশ।</p>
<p> ২৮ ফেব্রুয়ারি, মঙ্গলবার কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আমিন উর রশিদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এ আগ্রহের কথা জানান বেলারুশের রাষ্ট্রদূত মিখাইল কাসকো। সচিবালয়ে কৃষি মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ হয়।</p>
<p>এসময় কৃষিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান অর্থনীতির দেশ। দেশের কৃষি খাতে আধুনিক প্রযুক্তির সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। বাংলাদেশে সার, বীজসহ আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির চাহিদা রয়েছে। ডেইরি ও প্রাণিসম্পদ খাতে সরকার উৎপাদন বাড়াতে কাজ করছে।</p>
<p>জবাবে রাষ্ট্রদূত মিখাইল কাসকো বলেন, বেলারুশ কৃষি ও প্রাণিসম্পদ খাতে বিশেষ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন। বাংলাদেশ আগ্রহী হলে কৃষি যান্ত্রিকীকরণেও তার দেশ সহযোগিতা করতে আগ্রহী।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/এসএ/ইকে</strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>লাল শৈবালে নতুন সম্ভাবনা</title>
<link>https://digibanglatech.news/175366</link>
<guid>https://digibanglatech.news/175366</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69f0278b9cc4d.jpg" length="109111" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 28 Apr 2026 00:00:01 +0600</pubDate>
<dc:creator>ক্যাম্পাস করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>সমুদ্র উপকূলে অবহেলায় পড়ে থাকা প্রাকৃতিক সম্পদ লাল শৈবাল এখন নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলছে। দেশীয় সামুদ্রিক লাল শৈবাল ব্যবহার করে স্বল্পমূল্যে প্রসাধনী ও পুষ্টিকর খাদ্যপণ্য তৈরিতে প্রাথমিক সফলতা পেয়েছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) একদল গবেষক।</p>
<p>দীর্ঘ গবেষণার পর সামুদ্রিক লাল শৈবাল থেকে ফেস সিরাম, টুথপেস্ট, কুকিজ ও বিভিন্ন ধরনের পাই তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন তারা। উদ্ভাবিত এসব পণ্য বাজারে প্রচলিত কৃত্রিম পণ্যের সম্ভাবনাময় প্রাকৃতিক বিকল্প হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।</p>
<p>গবেষকরা জানান, বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে প্রচুর পরিমাণে Gracilaria প্রজাতির লাল শৈবাল পাওয়া যায়। গভীর সমুদ্রের এই উদ্ভিদে থাকা ‘ফাইকোএরিথ্রিন’ নামক রঞ্জকের কারণে এটি গাঢ় লাল বর্ণ ধারণ করে। এতে উচ্চমাত্রার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, প্রাকৃতিক পলিস্যাকারাইড, প্রোটিন, খাদ্যআঁশ ও প্রয়োজনীয় খনিজ উপাদান রয়েছে।</p>
<p>গবেষণা দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন বাকৃবির ফিশারিজ টেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. ফাতেমা হক শিখা। তার সঙ্গে একই বিভাগের স্নাতকোত্তর পর্যায়ের শিক্ষার্থীরাও কাজ করছেন।</p>
<p>ড. ফাতেমা হক শিখা জানান, সমুদ্রে সহজলভ্য এই শৈবালকে যদি মানুষের খাদ্য ও ত্বক পরিচর্যার কাজে লাগানো যায়, তাহলে একদিকে স্বাস্থ্যগত উপকার পাওয়া যাবে, অন্যদিকে দেশীয় সম্পদের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত হবে।</p>
<p>তার ভাষায়, শৈবাল থেকে প্রস্তুত ফেস সিরাম ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি, ব্রণ নিয়ন্ত্রণ এবং ক্ষত নিরাময়ে সহায়ক হতে পারে। একইভাবে শৈবাল নির্যাসভিত্তিক টুথপেস্ট দাঁতের ক্ষয়রোধ, মাড়ির সংক্রমণ প্রতিরোধ এবং মুখের সামগ্রিক স্বাস্থ্য উন্নত করতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।</p>
<p>শুধু প্রসাধনী নয়, খাদ্যপণ্য হিসেবেও শৈবালের ব্যবহার নিয়ে পরীক্ষা চালিয়েছেন গবেষকরা। তাদের তৈরি কুকিজ ও পাইয়ে রয়েছে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ প্রোটিন, খাদ্যআঁশ ও খনিজ উপাদান। এসব উপাদান হজমশক্তি উন্নত করতে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এবং হাড় ও দাঁতের স্বাস্থ্য রক্ষায় সহায়ক বলে জানিয়েছেন তারা।</p>
<p>গবেষণার অংশ হিসেবে শৈবাল নির্যাস সংগ্রহ ও প্রক্রিয়াজাতকরণে নির্দিষ্ট বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে। বিভিন্ন অনুপাতে ৫, ১০ ও ১৫ শতাংশ শৈবাল নির্যাস ব্যবহার করে পণ্যের গুণগত মান ও কার্যকারিতা প্রাথমিকভাবে মূল্যায়ন করা হয়েছে। ফলাফল আশাব্যঞ্জক হওয়ায় ভবিষ্যতে এসব পণ্য বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদনের সুযোগ তৈরি হতে পারে।</p>
<p>গবেষকরা আরও জানান, শৈবাল সহজলভ্য এবং দেশীয়ভাবে সংগ্রহ করা সম্ভব হওয়ায় উৎপাদন খরচ তুলনামূলকভাবে কম রাখা যাবে। ফলে সাধারণ ভোক্তার ক্রয়ক্ষমতার মধ্যেই এসব পণ্য বাজারজাত করা সম্ভব হবে। বাজারে প্রচলিত কসমেটিক ও স্বাস্থ্যপণ্যের তুলনায় এটি সাশ্রয়ী ও নিরাপদ বিকল্প হতে পারে।</p>
<p>বিশ্বব্যাপী শৈবালভিত্তিক পণ্যের বাজার দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে। খাদ্য, ওষুধ ও প্রসাধনী শিল্পে লাল শৈবাল ইতোমধ্যে গুরুত্বপূর্ণ কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এ প্রেক্ষাপটে দেশে শৈবালভিত্তিক উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে উপকূলীয় অঞ্চলে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা গড়ে ওঠা এবং বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের সম্ভাবনা তৈরি হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।</p>
<p>তবে গবেষকরা বলছেন, বাণিজ্যিক উৎপাদনে যেতে হলে গুণগত মান নিয়ন্ত্রণ, মানসম্মত প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং কার্যকর বাজারজাতকরণ নিশ্চিত করা জরুরি। এ ক্ষেত্রে সরকারি সহায়তা ও বিনিয়োগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তাদের আশা, সঠিক পরিকল্পনা ও পৃষ্ঠপোষকতা পেলে লাল শৈবাল ভবিষ্যতে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনার খাত হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে। </p>
<p>প্রসঙ্গত, লাল শৈবাল মূলত গভীর সমুদ্রের একটি উদ্ভিদ, যা ফাইকোএরিথ্রিন নামক রঞ্জকের কারণে গাঢ় লাল বর্ণ ধারণ করে। বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এই শৈবালকে খাদ্য, আধুনিক ওষুধ ও প্রসাধনী শিল্পে বাণিজ্যিকভাবে চাষ করা হচ্ছে।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/এডিএম/এমইউআইএম </strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>সুবিধাভোগীদের বিকাশে অর্থ সহায়তা দেবে এফএও</title>
<link>https://digibanglatech.news/175339</link>
<guid>https://digibanglatech.news/175339</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69ef9b1ca413b.jpg" length="101206" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 27 Apr 2026 19:22:12 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) এখন থেকে তাদের সুবিধাভোগীদের আর্থিক সহায়তা ও প্রণোদনা সরাসরি বিকাশের মাধ্যমে দেবে।</p>
<p>ফলে মাঠপর্যায়ে এফএওর আর্থিক ব্যবস্থাপনা যেমন আরও সহজ, স্বচ্ছ ও নিরাপদ হবে তেমনই সুবিধাভোগীরা তাদের বিকাশ অ্যাকাউন্টে তাৎক্ষণিকভাবে সহায়তা পাবেন, যা তারা জরুরিসহ দৈনন্দিন প্রয়োজনে কাজে লাগাতে পারবেন।</p>
<p>ঢাকায় এফএও বাংলাদেশ কান্ট্রি অফিসে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে সম্প্রতি দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এ সংক্রান্ত একটি চুক্তি সই হয় বলে ২৭ এপ্রিল, সোমবার জানানো হয়েছে। </p>
<p>সূত্রমতে, এফএওর কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ জিয়াকুন শি, ডেপুটি রিপ্রেজেন্টেটিভ দিয়া স্যানো, অ্যাসিস্ট্যান্ট রিপ্রেজেন্টেটিভ (অ্যাডমিনিস্ট্রেশন) একরামুল হক এবং বিকাশের চিফ কমার্শিয়াল অফিসার আলী আহম্মেদ, হেড অব বিজনেস (সেলস) মাশরুর চৌধুরী ও বিজনেস সেলস বিভাগের ভিপি (মাইক্রো ফাইন্যান্স পেমেন্ট) নোভেরা আয়েশা জামান চুক্তি সই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>এ চুক্তির আওতায় প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক, জেলে, খামারি ও দিনমজুরসহ যে কোনো জনগোষ্ঠীর কাছে শর্তহীন আর্থিক সহায়তা পৌঁছে দিতে বিকাশের ‘ডিসবার্সমেন্ট সল্যুশন’ ব্যবহার করবে এফএও। প্রাকৃতিক দুর্যোগ যে কোনো সময় ঘটতে পারে বিবেচনায় সাপ্তাহিক বা যে কোনো ছুটির দিনেও তাৎক্ষণিকভাবে বিকাশের এ সেবার মাধ্যমে অর্থ বিতরণ করতে সক্ষম হবে এফএও।</p>
<p>পাশাপাশি, এফএও ‘ক্যাশ-ফর-ওয়ার্ক (সিএফডাব্লিউ)’ বা ‘কাজের বিনিময়ে অর্থ’ কর্মসূচিতেও বিকাশের ‘ডিসবার্সমেন্ট সল্যুশন’ ব্যবহৃত হবে। এই কর্মসূচির আওতায় কৃষি, খাদ্যনিরাপত্তা ও প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনায় স্বল্পমেয়াদি কাজ করা প্রান্তিক ও ঝুঁকিতে থাকা মানুষেরা তাদের মজুরি সরাসরি নিজেদের বিকাশ অ্যাকাউন্টে পাবেন।</p>
<p>মজুরি বিতরণের এ প্রক্রিয়া সরাসরি ও সহজ হওয়ায় ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর সক্ষমতা বৃদ্ধি ও টেকসই জীবনমান উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে। এছাড়া এ কর্মসূচি পরিচালনাকারীরাও তাদের ভাতা বিকাশের মাধ্যমে নেওয়ার সুযোগ পাবেন।</p>
<p>দেশে ছড়িয়ে থাকা যে কোনো বিকাশ এজেন্ট পয়েন্ট অথবা এটিএম বুথ থেকে ক্যাশ আউট করে সহায়তার অর্থ তুলে নিতে পারবেন সুবিধাভোগীরা। এছাড়া ক্যাশ আউট না করেও তারা বিকাশের মাধ্যমেই বিভিন্ন ধরনের পেমেন্ট, গ্যাস-বিদ্যুৎ-পানির মতো ইউটিলিটি সেবার বিল পরিশোধ, টাকা পাঠানো, মোবাইল রিচার্জ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বা সরকারি সেবার ফি পরিশোধসহ বিভিন্ন ধরনের সেবা নিতে পারবেন ঘরে বসেই।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এমই/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>সংরক্ষিত ধানের ক্ষতি কমাতে স্মার্ট আল্ট্রাসনিক প্রযুক্তি উদ্ভাবন </title>
<link>https://digibanglatech.news/174505</link>
<guid>https://digibanglatech.news/174505</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69e4de626e0d4.jpg" length="71907" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 19 Apr 2026 15:54:46 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div>দেশে ফসল-পরবর্তী ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নে নতুন সম্ভাবনার কথা উঠে এসেছে এক সেমিনারে। “ফসল-পরবর্তী ব্যবস্থাপনা রূপান্তরের কৌশলগত পথরেখা: সংরক্ষিত ধানের ক্ষতি কমাতে বাজার-উপযোগী স্মার্ট আল্ট্রাসনিক সমাধান এবং এসডিজি ২ ও ১২ অর্জন” শীর্ষক এই সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয় রাজধানীর ফার্মগেটে অবস্থিত বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলে (বিএআরসি)।  ১৯ এপ্রিল,  রবিবার সেমিনারের আয়োজন করে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণা ও উদ্ভাবন কেন্দ্র (বাউ-রিক)।</div>
<div></div>
<div>অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ বলেন, কৃষিতে স্মার্ট প্রযুক্তির ব্যবহার সময়ের দাবি এবং ফসল-পরবর্তী ক্ষতি কমানো খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।</div>
<div></div>
<div>অতিথি হিসেবে কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. সালিম খান বলেন, ফসল-পরবর্তী ক্ষতি এখনো কৃষকদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। তবে আল্ট্রাসনিক প্রযুক্তির মতো উদ্ভাবন এ ক্ষতি কমাতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। আইসিটি বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. আনোয়ার উদ্দিন প্রযুক্তির বিস্তারে ডিজিটাল উদ্ভাবনের গুরুত্ব তুলে ধরেন।</div>
<div>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x_69e4de934fe3f.jpg" alt=""></p>
</div>
<div>বিশেষ অতিথি হিসেবে বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের ডিজিটাল বিশেষজ্ঞ ও টাস্ক টিম লিডার সুপার্না রায় মাঠপর্যায়ে সহজে গ্রহণযোগ্য, বাজার-উপযোগী প্রযুক্তি উদ্ভাবনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। </div>
<div></div>
<div>বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. মো. আব্দুস সালাম গবেষক, নীতিনির্ধারক এবং বেসরকারি খাতের মধ্যে সমন্বয় জোরদারের আহ্বান জানান। এসিআই মোটরস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সুব্রত রঞ্জন দাস প্রযুক্তিটির বাণিজ্যিকীকরণে সহযোগিতার আগ্রহ প্রকাশ করেন।</div>
<div></div>
<div>মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) কৃষি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের কৃষি শক্তি ও যন্ত্র বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল আউয়াল। তিনি জানান, স্মার্ট আল্ট্রাসনিক প্রযুক্তি রাসায়নিক ব্যবহার ছাড়াই সংরক্ষিত ধানকে পোকামাকড়ের আক্রমণ থেকে সুরক্ষা দিতে সক্ষম, যা একই সঙ্গে পরিবেশবান্ধব ও কার্যকর। </div>
<div></div>
<div>কর্মশালার শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন আইসিটি বিভাগের ইডিজিই প্রকল্পের কম্পোনেন্ট লিড ফারুক আহমেদ জুয়েল। সভাপতির বক্তব্যে বাউ-রিকের আরএলসি কমিটির চেয়ারম্যান ও সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. কে. এম. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, এ ধরনের উদ্ভাবন জাতীয় অগ্রাধিকার এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তিনি দ্রুত এ প্রযুক্তির বাস্তব প্রয়োগ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।</div>
<div></div>
<div><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/এবিএম/ইকে</strong></em></span></div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>জ্বালানি নিরাপত্তায় সৌরশক্তির মতো নবায়নযোগ্য শক্তিতে গুরুত্বারোপ</title>
<link>https://digibanglatech.news/174269</link>
<guid>https://digibanglatech.news/174269</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69e1ae687214e.jpg" length="126737" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 16 Apr 2026 21:50:02 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<article>
<p>বৈশ্বিক অস্থিরতায় বিদ্যমান জ্বালানী সংকট মোকাবেলায় বাংলাদেশের চলমান অগ্রাধিকার ভিত্তিক কার্যকর ব্যবস্থার পাশাপাশি সৌরশক্তির মতো বিকল্প জ্বালানি হিসেবে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে সোলার প্যানেল, ব্যাটারি, যন্ত্রাংশ আমদানি এবং এ খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করলেন বিশেষজ্ঞরা। </p>
<p>১৬ এপ্রিল, <span>বৃহস্পতিবার নগরীর একটি রেস্টোরেন্টে বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা আইএসডিই বাংলাদেশ, 'ক্লিন' এবং 'বিডব্লিউজিইডি' এর সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই আহ্বান জানানো হয়। </span></p>
<p><span> "পরিবেশ ও প্রতিবেশ ফোরাম-চট্টগ্রাম" এর আয়োজনে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন ক্যাব বিভাগীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক কাজী ইকবাল বাহার ছাবেরী। পরিবেশ ও প্রতিবেশ ফোরাম-চট্টগ্রামের সভাপতি ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব ফরেস্ট্রি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট সাইন্সের প্রফেসর ড. খালেদ মিসবাহুজ্জমানের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন ক্যাব কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট ও আইএসডিইর নির্বাহী পরিচালক এসএম নাজের হোসাইন, সিনিয়র সাংবাদিক এম নাসিরুল হক, ক্যাব চট্টগ্রাম মহানগরের যুগ্ম সম্পাদক মো. সেলিম জাহাঙ্গীর, সাংগঠনিক সম্পাদক জান্নাতুল ফেরদৌস, রাজনীতিবিদ মিটুল দাস গুপ্ত প্রমুখ।</span></p>
<div id="sp-component-area" class="span8">
<section id="sp-component-wrapper">
<div id="sp-component">
<article class="item-page post-14875 post hentry status-publish category-ফোকাস ">
<section class="entry-content">
<p>সংবাদ সম্মেলনে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইরান যুদ্ধকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক উত্তেজনা এবং হরমুজ প্রণালীর অনিশ্চয়তা বাংলাদেশের মতো আমদানিনির্ভর দেশের জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করেছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বিভিন্ন স্তরের পেশাজীবি ও বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে জ্বালানী সাশ্রয়ী নীতি ঘোষনা, সংকট মোকাবেলায় অগ্রাধিকার ভিত্তিক কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহন, এখনই একই সাথে জ্বালানী সংকটের সময় বিকল্প জ্বালানি হিসাবে নবায়নেোযাগ্য জ্বালানী বিশেষ করে সৌরশক্তি ওপর বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করে কৌশলগতভাবে দ্রুত বিনিয়োগ বাড়ানের দাবি জানানো হয়।</p>
<p>সংবাদ সম্মেলনে "পরিবেশ ও প্রতিবেশ ফোরাম-চট্টগ্রাম" এর সভাপতি ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব ফরেস্ট্রি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট সাইন্স এর প্রফেসর ডঃ খালেদ মিসবাহুজ্জমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন ক্যাব কেন্দ্রিয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট ও আইএসডিই এর নির্বাহী পরিচালক এস এম নাজের হোসাইন, পরিবেশ ও প্রতিবেশ ফোরাম-চট্টগ্রাম এর সদস্য ও চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি এম নাসিরুল হক, সদস্য ও ক্যাব চট্টগ্রাম মহানগরের যুগ্ন সম্পাদক মোঃ সেলিম জাহাঙ্গীর, সাংগঠনিক সম্পাদক জান্নাতুল ফেরদৌস, বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ মিটুল দাস গুপ্ত প্রমুখ।</p>
<p>সংবাদ সম্মেলনে উপস্থাপিত লিখিত বক্তব্যে আরো বলা হয়, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ওমান থেকে আমদানিকৃত জ্বালানির ওপর নির্ভরশীল বাংলাদেশ হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে গেলে সরাসরি সরবরাহ সংকটে পড়ে। ইতোমধ্যে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ, মূল্যস্ফীতি এবং আমদানি ব্যয়ের ওপর এর চাপ স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। ২০২৬ সালের শুরুতেই জ্বালানি আমদানি ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে চলতি হিসাবের ঘাটতি বাড়াচ্ছে, যা টাকার মান কমানো এবং মূল্যস্ফীতি বাড়ার ঝুঁকি তৈরি করছে।</p>
<p>বক্তব্যে আরও বলা হয়, দেশের জ্বালানি ব্যবস্থায় গত এক দশকে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। অভ্যন্তরীণ গ্যাস উৎপাদন কমে যাওয়ায় আমদানিকৃত এলএনজি, এলপিজি ও পেট্রোলিয়ামের ওপর নির্ভরতা বেড়েছে। বর্তমানে দেশের প্রায় ৮০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল, ৬৫ শতাংশ এলএনজি এবং অর্ধেকের বেশি এলপিজি হরমুজ প্রণালীর ওপর নির্ভরশীল। ফলে ওই অঞ্চলে যেকোনো উত্তেজনা সরাসরি জ্বালানি সরবরাহে প্রভাব ফেলে।</p>
<p>সংকটের তাৎক্ষণিক প্রভাবও তুলে ধরা হয়। গ্যাস সংকটে বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতার বড় অংশ অচল হয়ে পড়ছে, শিল্প উৎপাদন কমছে, পরিবহন খরচ বাড়ছে এবং কৃষিতে সেচব্যবস্থা বিঘ্নিত হচ্ছে। বিশেষ করে তৈরি পোশাক খাতে উৎপাদন প্রায় ৪০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যাওয়ার আশঙ্কার কথা উল্লেখ করা হয়। জ্বালানি সংকট দীর্ঘায়িত হলে তা সামগ্রিক অর্থনীতিতে বড় ধরনের ধাক্কা দেবে বলেও সতর্ক করা হয়।</p>
<p>লিখিত বক্তব্যে জ্বালানি আমদানির দীর্ঘমেয়াদি ঝুঁকিও তুলে ধরা হয়। বলা হয়, ২০১৮ সালে এলএনজি আমদানির ওপর নির্ভরতা বাড়ানোর পর থেকে বাংলাদেশ একটি ব্যয়বহুল জ্বালানি কাঠামোর মধ্যে আটকে গেছে। আন্তর্জাতিক বাজারে দামের অস্থিরতা দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইতোমধ্যে এলএনজি ও তেলের দাম কয়েকগুণ বেড়ে যাওয়ায় আমদানি ব্যয়ও দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে।</p>
<p>এই প্রেক্ষাপটে বিকল্প হিসেবে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ওপর জোর দেওয়া হয়। বিশেষজ্ঞরা বলেন, পাকিস্তানের সৌরবিদ্যুৎ বিপ্লব একটি কার্যকর উদাহরণ, যেখানে স্বল্প সময়ে ব্যাপক সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন করে আমদানি নির্ভরতা কমানো সম্ভব হয়েছে। বাংলাদেশেও প্রায় ৪ কোটির বেশি পরিবারের একটি বড় অংশ ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডের ওপর চাপ কমাতে পারে।</p>
<p>তাদের মতে, ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ থেকে কয়েক হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব, যা জ্বালানি আমদানি কমানোর পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সরকারি ভবন এবং কৃষিখাতে সৌরশক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে আরও বড় পরিবর্তন আনা সম্ভব।</p>
<p>সংবাদ সম্মেলনে ১৩ দফা সুপারিশ তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে রয়েছে জ্বালানি সংকট সমাধানে জাতীয় ঐকমত্য গড়ে তোলা, নবায়নযোগ্য জ্বালানির যন্ত্রপাতির আমদানিতে কর ও ভ্যাট প্রত্যাহার, সরকারী-বেসরকারী ভবনে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ কর্মসূচি বাস্তবায়ন, কৃষি কাজে সৌরচালিত সেচ পাম্প বৃদ্ধি, গণপরিবহনে বৈদ্যুতিক যান চালু এবং নবায়নযোগ্য খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর জন্য স্বল্প সুদে ঋনের হার বাড়ানো। এছাড়া জ্বালানি খাতে ভর্তুকি কাঠামো পুনর্বিন্যাস এবং দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধানে গুরুত্ব দেওয়ারও সুপারিশ করা হয়।</p>
<p>বক্তারা বলেন, বর্তমান সংকট শুধু ঝুঁকি নয়, এটি একটি সুযোগও। এখনই সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারলে বাংলাদেশ আমদানিনির্ভর জ্বালানি কাঠামো থেকে বেরিয়ে এসে টেকসই ও স্বনির্ভর জ্বালানি ব্যবস্থার দিকে এগোতে পারবে। অন্যথায় ভবিষ্যতে আরও বড় অর্থনৈতিক চাপের মুখে পড়তে হবে দেশকে।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এএলবি/এমইউআইএম</strong></span></em></p>
<div id="fb-root" class=" fb_reset">
<div>
<div></div>
</div>
</div>
</section>
</article>
</div>
</section>
</div>
<aside id="sp-right" class="span4">
<div class="module ">
<div class="mod-wrapper clearfix">
<div class="mod-content clearfix">
<div class="mod-inner clearfix">
<div class="article_anywhere"></div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</aside>
<p><span> </span> </p>
</article>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>সিমবায়োটিকসের বিনিয়োগ পেল আইফার্মার</title>
<link>https://digibanglatech.news/174169</link>
<guid>https://digibanglatech.news/174169</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69e088c0e458b.jpg" length="88086" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 15 Apr 2026 22:59:35 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div>
<div>
<div>
<div>
<p>বাংলাদেশের কৃষি-প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান আইফার্মারকে ১৫ লাখ মার্কিন ডলার বিনিয়োগ দিয়েছে ইমপ্যাক্ট ইনভেস্টিংয়ের বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্ম সিমবায়োটিকস। ১৫ এপ্রিল, বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানিয়েছে আইফার্মার।</p>
<p>কার্যকরী মূলধন বা ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল হিসেবে এ বিনিয়োগ দেশের কৃষি উপকরণ সরবরাহ ও উৎপাদিত পণ্যের বাজার সংযোগ উন্নয়নে অর্থায়ন করবে আইফার্মার। এই বিনিয়োগ বাংলাদেশের কৃষি সরবরাহ চেইনকে শক্তিশালী করতে এবং কৃষি ইনপুট ও বাজার সংযোগ ব্যবস্থার দক্ষতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এই অর্থায়নের মাধ্যমে আইফার্মার তাদের কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করবে, যা ক্ষুদ্র কৃষকদের জন্য উচ্চমানের কৃষি উপকরণ (যেমন—বীজ, সার ও কীটনাশক) সহজলভ্য করবে। একই সঙ্গে কৃষকদের উৎপাদিত পণ্য সরাসরি প্রাতিষ্ঠানিক ক্রেতা ও পাইকারি বাজারের সঙ্গে সংযুক্ত করার প্রক্রিয়াকে আরও গতিশীল করবে।</p>
<div id="ce48dca3-bfbb-4e81-b2e4-bf7e87cb8cd8">
<div>
<div>
<div>
<div>
<p>আইফার্মারের সহ-প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ফাহাদ ইফাজ বলেন, ‘সিমবায়োটিকসের সঙ্গে আমাদের এই অংশীদারত্ব বাংলাদেশের কৃষকদের সক্ষমতা ও সম্ভাবনার ওপর বৈশ্বিক আস্থার প্রতিফলন। এই ১৫ লাখ মার্কিন ডলারের মূলধন আমাদের খামার থেকে বাজারের দূরত্ব কমিয়ে আনতে সাহায্য করবে।’</p>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div>
<div>
<div data-lang="বিজ্ঞাপন">
<div>
<div id="mcanvas1x1-4e23d238-9b4d-4b21-bf14-df7ee46f05eb-0-0" data-google-query-id="CIuaobPl8ZMDFclGnQkd02seoQ">
<div id="google_ads_iframe_85406138/mCanvas_1x1_0__container__"></div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div id="4471e2e3-8630-42b0-9854-682335cfc702">
<div>
<div>
<div>
<div>
<p>আইফার্মার ২০১৯ সাল থেকে ক্ষুদ্র কৃষকদের জন্য ‘ওয়ান-স্টপ’ সমাধান প্রদান করে আসছে। কৃষকদের সার্বক্ষণিক কৃষিবিষয়ক নানা পরামর্শ প্রদান, জামানতবিহীন অর্থায়ন, মানসম্মত উপকরণ সরবরাহ করছে শুরু থেকেই। সেই সঙ্গে সরাসরি বাজার সংযোগ নিশ্চিত করার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি কৃষকদের আয় বৃদ্ধি ও সরবরাহ চেইনে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতেও কাজ করে যাচ্ছে। বর্তমানে দেশের ৪২টি জেলায় আইফার্মারের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটিতে নিবন্ধিত কৃষকসংখ্যা ৩ লাখ ছাড়িয়েছে।</p>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div id="edbe97f7-e2f5-4ee5-809d-a84e8972b299">
<div>
<div>
<div>
<div>
<p>সিমবায়োটিকস ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগের (এসএমই) অর্থায়নের জন্য নিবেদিত বিশ্বের অন্যতম প্রধান ইমপ্যাক্ট ইনভেস্টিং প্ল্যাটফর্ম। সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠানটি ২০০৫ সাল থেকে বিশ্বের ৯৯টি দেশের ৬৫৫টি প্রতিষ্ঠানে ৯,১০০টির বেশি বিনিয়োগ সম্পন্ন করেছে। যার মোট মূল্য ১১.৬ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/বিজ্ঞপ্তি/এমইউআইএম</strong></span></em></p>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div></div>
</div>
</div>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>কৃষিতে গুরুত্ব পাচ্ছে  জিআইএস ও রিমোট সেন্সিং প্রযুক্তি</title>
<link>https://digibanglatech.news/174194</link>
<guid>https://digibanglatech.news/174194</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69e0caff2a7c9.jpg" length="68631" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 15 Apr 2026 17:42:20 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>কৃষকদের ঝুঁকি কমাতে জলবায়ু-সহনশীল বিকল্প ফসল ব্যবস্থা গ্রহণের ওপর জোর দিয়ে একটি ওয়েবিনার আয়োজন করেছে সার্ক কৃষি কেন্দ্র। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল ২০২৬) অনুষ্ঠিত এই ওয়েবিনারে দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের দেড় শতাধিক বিশেষজ্ঞ ও অংশীজনেরা অংশ নেন।</p>
<p>ওয়েবিনারের শুরুতে সার্ক কৃষি কেন্দ্রের সিনিয়র প্রোগ্রাম স্পেশালিস্ট (ক্রপস) ড. সিকান্দার খান তানভীর স্বাগত বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, পরিবর্তিত জলবায়ু ও বাড়তি অনিশ্চয়তার প্রেক্ষাপটে কৃষকদের জীবিকা সুরক্ষায় অভিযোজনযোগ্য ও টেকসই ফসল ব্যবস্থার বিকল্প নেই।</p>
<p>মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সার্ক কৃষি কেন্দ্রের পরিচালক ড. মো. হারুনূর রশীদ এবং ভারতের আইসিএআর–আইআইএফএসআর-এর সিনিয়র বিজ্ঞানী (এগ্রোনমি) ড. মেরাজ আলম আনসারি।</p>
<p>ড. মোঃ হারুনূর রশীদ তাঁর বক্তব্যে ফসল ব্যবস্থার সঙ্গে মূল্য শৃঙ্খলের সংযোগ এবং খামার থেকে ভোক্তা পর্যন্ত বিপণন ব্যবস্থা শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, দৈনিক, মাসিক ও মৌসুমি আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থা কৃষকদের স্থানভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করতে পারে।</p>
<p>তিনি আরও জানান, জিআইএস ও রিমোট সেন্সিং প্রযুক্তি নির্ভুল কৃষিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে, যা তথ্যভিত্তিক পরিকল্পনা ও সম্পদের দক্ষ ব্যবহার নিশ্চিত করে। ড্রোন ও বিভিন্ন সেন্সর ব্যবহারের মাধ্যমে পানি ও সারের অপচয় কমানো সম্ভব বলেও তিনি উল্লেখ করেন।</p>
<p>পাশাপাশি আধুনিক কৃষিযান্ত্রিকীকরণ উৎপাদনশীলতা বাড়াতে এবং প্রাকৃতিক সম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনায় সহায়ক বলে তিনি মত দেন।</p>
<p>ড. মেরাজ আলম আনসারি কৃষকদের সামনে থাকা বহুমুখী ঝুঁকির চিত্র তুলে ধরেন। তিনি বলেন, খরা, অতিরিক্ত তাপ, অনিয়মিত বৃষ্টিপাত ও বন্যার মতো জলবায়ুগত ঝুঁকি ছাড়াও বাজারে মূল্য অস্থিরতা ও বাধ্যতামূলক কম দামে বিক্রির সমস্যা রয়েছে। এছাড়া খণ্ডিত জমি, স্বল্প যান্ত্রিকীকরণ, আর্থিক সীমাবদ্ধতা, পোকামাকড় ও রোগবালাই এবং পানি সংকট ও মাটির উর্বরতা হ্রাসও বড় চ্যালেঞ্জ।</p>
<p>ওয়েবিনারের শেষাংশে অংশগ্রহণকারীদের সঙ্গে প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। সমাপনী বক্তব্যে নেপালের সার্ক সচিবালয়ের পরিচালক (এআরডি ও এসডিএফ) তানভীর আহমেদ তরফদার আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।</p>
<p>তিনি বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর কৃষি খাতে অভিন্ন চ্যালেঞ্জ রয়েছে, তাই কার্যকর ও সম্প্রসারণযোগ্য সমাধান উদ্ভাবনে যৌথ উদ্যোগ প্রয়োজন। জ্ঞান বিনিময়, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং নীতিগত সমন্বয় জোরদারের আহ্বানও জানান তিনি।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/এবি/ইকে</strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>পরিবেশ ক্ষতিকারক ইউক্যালিপ্টাস গাছ কেটে ফেলতে হবে</title>
<link>https://digibanglatech.news/173909</link>
<guid>https://digibanglatech.news/173909</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69dd21b52837e.jpg" length="109178" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 13 Apr 2026 22:03:17 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেছেন, ইউক্যালিপ্টাস গাছ পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করছে। এই গাছ প্রচুর পানি শোষণ করে, ফলে পরিবেশ ও কৃষি উভয়ই ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই ইউক্যালিপ্টাস গাছ আর লাগানো যাবে না, বরং ফলদ, ঔষধি ও কাঠের গাছ লাগাতে হবে। তিনি ইউক্যালিপ্টাস গাছ কেটে ফেলার আহ্বান জানান।</p>
<p>১৩ এপ্রিল, সোমবার পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার মাড়েয়া বামনহাট ইউনিয়নের গেদিপাড়া এলাকায় ছেতনাই নদী খনন কাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী জানান, একসময় এই নদী স্থানীয় মানুষের চাষাবাদ ও জীবিকার অন্যতম উৎস ছিল। বর্তমানে এটি মরা খালে পরিণত হয়েছে।</p>
<p>তিনি বলেন, সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ২০ হাজার কিলোমিটার নদী, জলাশয় ও খাল খনন, পুনঃখনন এবং পুনরুদ্ধার করা হবে। এর মাধ্যমে পানি সংরক্ষণ করে বাংলাদেশকে আবারও সুজলা-সুফলা, শস্য-শ্যামলা দেশে পরিণত করা হবে।</p>
<p>প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশকে সবুজায়নের উদ্যোগ নিয়েছেন। তাঁর নেতৃত্বে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় ছাড়াও কৃষি, এলজিইডি ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে মহাপরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। এর আওতায় নিয়মিত নদী ও খাল পুনঃখনন করা হচ্ছে এবং ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের পরিকল্পনা রয়েছে। খালের পাশে মাছ চাষ ও হাঁস পালনের ব্যবস্থাও করা হবে।</p>
<p>তিনি জানান, ছেতনাই নদী খনন কাজে প্রায় এক হাজার শ্রমিক যুক্ত হবে, যা কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী খাল খননের কাজে ৬০ শতাংশ শ্রমিক, কৃষক ও শিক্ষার্থীকে সম্পৃক্ত করা হবে। এতে মানুষের অংশগ্রহণ যেমন বাড়বে, তেমনি কর্মসংস্থানও বৃদ্ধি পাবে।</p>
<p>অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রবিউল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল মান্নান, সাধারণ সম্পাদক আসাদুল্লাহ আসাদসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।<br><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/কেআইএস/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>কমল বীজ উৎপাদনে আশা জাগাচ্ছে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন</title>
<link>https://digibanglatech.news/173652</link>
<guid>https://digibanglatech.news/173652</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69da4fd220a56.jpg" length="131573" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 11 Apr 2026 17:56:23 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ব্রি ১০৮ এর নতুন ভ্যারাইটি কমল। এই বীজটি রোপন করলে প্রতি বিঘায় মেলে ৩০ মণ ধান। চারা রোপনের ১২০ দিনের মাথায় চারা থেকে ধানের ফলন মেলে। চাল হয় ছোট ও জিরা শালের মতো চিকন। এই ধানের বীজ উৎপাদনের মাধ্যমে কৃষকের কাছে স্বল্প মূল্যে পৌঁছে দেয়ার উদ্যোগ নিয়েছে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন। ইতিমধ্যে গাজীপুর ও নরসিংদী জেলায় এই বীজ উৎপাদনের পাইলট প্রকল্প হাতে নিয়েছে সংগঠনটি। </p>
<p>গাজীপুরের চুপাইর মৌজায় ৫ জানুয়ারি থেকে ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত সময়ে ৩০ বিঘা জমিতে ১০ জন কৃষক বাংলাদেশ ধান গবেষণা কেন্দ্রে উৎপাদিত ব্রি-১০৮ জাতের কমল প্রত্যয়িত বীজ বপন করে। এই বীজ চাষীদের নিয়ে মত বিনিময় করলো জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন। ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডঃ জুবাইদা রহমানের নির্দেশনায় ১১ এপ্রিল, শনিবার বিকেলে গাজীপুর কালীগঞ্জ উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের চুপারই এলাকার কৃষক আয়েত আলীর বাড়ি সংলগ্ন মাঠে চুক্তিবদ্ধ কৃষকদের সাথে কমল বীজ উৎপাদন ও সংরক্ষণের উপর এই মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।  </p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x_69da4fdc03b27.jpg" alt=""></p>
<p>জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের প্রোগ্রাম পরিচালক খন্দকার মাহফুজুল বাচ্চুর নেতৃত্বে কৃষকদের সঙ্গে উঠোন বৈঠকে বক্তব্য রাখেন জিয়াউর রহমান  ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক ফরহাদ হালিম ডোনার,  ফাউন্ডেশনের পরিচালক  খন্দকার  মাহবুব আলম। ইঞ্জিনিয়ার মাহবুব আলম, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রফেসর ড. আশরাফুল হক, কৃষিবিদ ড.মো. আকিকুল ইসলাম আকিক, মোহাম্মদ আলী,  ড. জাকির হোসেন, ডাক্তার শফিকুল আহাদ সর্দার স্বপন, ফাউন্ডেশন এর সদস্য ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক।</p>
<p>অপরদিকে কৃষক কামাল হোসেন শেখ ও ইব্রাহিম খান ধান রোপন ও উৎপাদন নিয়ে তাদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।  এর আগে চুক্তিবদ্ধ কৃষক ও জমির মালিকদের সাথে মাঠ পরিদর্শন করে সেখানে কৃষকদের সাথে কথা বলেন সংগঠনের কর্মকর্তারা। মাঠজুড়ে ধানের শীষের সমারোহে খুশী তারা। বীজ বপনের ৩১ দিনের মাথায় মিলছে চারা। সব মিলয়ে ধান পেতে সময় লাগে ১৫১ দিন। সেই হিসাবে আগামী ১২-১৫ দিনের মাথায় ধান কাটতে পারবে কৃষক কামাল হোসেনেরা।</p>
<p>জানাগেলো, অচিরেই ন্যায্যমূল্য স্বল্প সময়ে অধিক ফলদায়ী কমল প্রত্যয়িত বীজটি যেন ক্রয় করে জমিতে লাগাতে পারেন সেজন্য এই বীজ উৎপাদন কর্মসূচি হাতে নেয়ার কথা জানিয়েছেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তারা। তারা জানালেন, এবার দুইটি অঞ্চলে বীজ উৎপাদিত হলেও আগামীতে ধীরে ধীরে তা বাড়ানো হবে।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/এমএসআর/ইকে</strong></em></span></p>
<p></p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বাকৃবি সাংবাদিক সমিতির সভাপতি তানভীর, সম্পাদক ইসরাত</title>
<link>https://digibanglatech.news/173573</link>
<guid>https://digibanglatech.news/173573</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69d93eca9b880.jpg" length="86391" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 10 Apr 2026 21:18:14 +0600</pubDate>
<dc:creator>ক্যাম্পাস করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির (বাকৃবিসাস) নতুন কার্যনির্বাহী কমিটিতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন ঢাকা পোস্টের প্রতিনিধি মুসাদ্দিকুল ইসলাম তানভীর এবং সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক প্রথম আলোর প্রতিনিধি ইসরাত জাহান।</p>
<p>১০ এপ্রিল, শুক্রবার বিকালে বাকৃবি সাংবাদিক সমিতির কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত দায়িত্ব হস্তান্তর ও বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এই কমিটি ঘোষণা করা হয়।</p>
<p>ঘোষিত ১৫ সদস্যবিশিষ্ট এই কমিটিতে সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মো. আমান উল্লাহ (আমার দেশ) এবং যুগ্ম-সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন মো. লিখন ইসলাম (দৈনিক নয়া দিগন্ত)। সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন মো. রিয়াজ হোসাইন (দৈনিক আমাদের সময়)।</p>
<p>এ ছাড়া, কমিটির অন্যান্য সম্পাদকীয় পদে রয়েছেন, কোষাধ্যক্ষ সুমন গাজী (কালের কণ্ঠ), দপ্তর সম্পাদক সাঈদা জাহান খুকী (দৈনিক ইনকিলাব), প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক তাসনীম সিদ্দিকা (ক্যাম্পাস ২৪), তথ্য ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক মেহেরাজ হোসেন ইমন (দৈনিক বর্তমান বাংলা), ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিকবিষয়ক সম্পাদক মো. আবু হানিফ (সংবাদ পরিক্রমা)।</p>
<p>কমিটিতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন সাইয়্যেদা গালিব রুহী (ডেইলি দর্পণ), তাহমিনা সোনিয়া (অগ্রযাত্রা প্রতিদিন) ও সাকিব আল তানিউল করিম জীম (বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা)। এ ছাড়া, কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন শাহীন সরদার (দৈনিক যুগান্তর) ও আতিকুর রহমান (দৈনিক বাংলা)।</p>
<p>সাংবাদিক সমিতির বিদায়ী সভাপতি ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার মো. হাবিবুর রহমান রনি নবগঠিত কমিটির নাম গোষণা করেন। সহকারী নির্বাচন কমিশনার হিসেবে ছিলেন কৃষিবিদ ড. জহিরুল হক এবং শাহীদুজ্জামান সাগর।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/ডিপিও/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>শজনের নামে লাজনায় সয়লাব বাজার</title>
<link>https://digibanglatech.news/173349</link>
<guid>https://digibanglatech.news/173349</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69d70b6f8fbf0.jpg" length="116178" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 09 Apr 2026 00:01:47 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>আবহমান কাল থেকেই বসন্তের ঔষধি সবজি হিসেবে সমধিক পরিচিত শজনে। হাম-বসন্তের প্রতিষেধক হিসেবে এর জুড়ি নেই।</p>
<p>ফলে বাজার চাহিদা মেটাতে এরই মধ্যে উদ্ভাবিত হয়েছে শজনের হাইব্রিড সংস্করণ লাজনা। খোলা চোখে, দেখতে একই রকম হওয়ায় লাজনাকে অনেকেই শজনে ভেবে কিনছেন। তবে অনেকটা একরকম হলেও এদের গঠন, ফুল, ফলন, গাছের আকার ও চাষপদ্ধতিতে বেশ কিছু মৌলিক পার্থক্য রয়েছে। সরু আকারে শজনে বছরে একবার হলেও বামন আকারের লাজনা বারোমাসি ফলন হয়।</p>
<p>এ বিষয়ে উদ্ভিদবিদ ও গবেষক জিনিয়া নাসরিন বলেন, শজনেকে যেমন কোথাও শজিনা বা মরিঙ্গা নামে ডাকা হয়, তেমনি লাজনাকে অঞ্চলভেদে রাইখঞ্জন বা বহুপল্লভা বলেও চেনেন কেউ কেউ। তবে দেখতে প্রায় একই রকম হলেও এদের পার্থক্য আছে। </p>
<p>বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি) সূত্রে প্রকাশ, উভয় গাছের উচ্চতা ও গঠনগত দিক থেকে প্রথম পার্থক্যটি স্পষ্ট। দেশি শজনে গাছ সোজা ও লম্বা হয়, যা প্রায় ১০-১২ মিটার বা তারও বেশি উঁচু হতে পারে। এর ডালপালা ওপরের দিকে বিস্তৃত থাকে। অন্যদিকে লাজনা মূলত একটি ঝোপালো বা বামন প্রজাতির গাছ, যার উচ্চতা সাধারণত ৪-৬ মিটারের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। ফলে লাজনার রক্ষণাবেক্ষণ এবং ফল সংগ্রহ করা অনেক সহজ।এদের কাণ্ড ও ডালপালার বৈশিষ্ট্যও আলাদা। শজনের কাণ্ড শক্ত, বাকল বা ছাল কিছুটা মসৃণ ও পাতলা হয়। বয়সের সঙ্গে সঙ্গে এটি বেশ মজবুত কাষ্ঠলগাছে পরিণত হয়।</p>
<p>সূত্র বলছে, শজনের ডাল কেটে মাটিতে পুঁতে দিলেই নতুন গাছ জন্মে। লাজনার কাণ্ড কিছুটা নরম ও মোটা হয়। এটি খুব দ্রুত বাড়ে কিন্তু সাধারণত শজনের মতো অতটা শক্তপোক্ত হয় না। শজনের মতো লাজনাগাছও ডাল থেকে চারা করা যায়, তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে বীজ থেকে চাষ করা হয় লাজনা। ফুল ও ফলনের সময়েও এদের মধ্যে তফাৎ রয়েছে। শজনে মৌসুমি ফলনের গাছ। বছরে একবার, বসন্তের শেষ দিকে ফুল আসে এবং একবারই ফল বা ডাঁটা দেয়। ফুলের রং সাদাটে বা অফ হোয়াইট। গাছে ফুল আসার সময় সব পাতা ঝরে যায়, আর ফুল থেকে ফল হয়েও তা পাতাশূন্য গাছেই ঝুলতে থাকে। লাজনা অবশ্য বারোমাসি জাত হিসেবে পরিচিত। এটি বছরে কমপক্ষে দুইবার, ক্ষেত্রবিশেষে সারা বছর ফুল ও ফল দেয়। লাজনাগাছের ফুল আকারে ছোট, রং গাঢ় ঘিয়ে এবং ফুলের পাপড়িতে লাল রঙের দাগ দেখা যায়, যা শজনের ফুলে থাকে না। এ ছাড়া লাজনায় ফুল এলেও গাছের পাতা ঝরে না বললেই চলে, সারা বছরই পাতার দেখা মেলে।</p>
<p>কৃষিবিদরা জানান, লাজনা রোপণের মাত্র ৬-৮ মাসের মধ্যেই এতে ফলন আসতে শুরু করে, যেখানে শজনে গাছ রোপণের পর ফলন পেতে প্রায় ২ বছর সময় লাগে। ফলে বাজারে সয়লাব শজনের দেখা যাচ্ছে তার অধিকাংশই আসলে  লাজনা।</p>
<p>পরখ করলে বোঝা যায়, শজনের ডাঁটা কিছুটা চিকন, পাতলা এবং লম্বায় এক ফুটেরও বেশি হয়। এটি অনেক বেশি আঁশযুক্ত ও সুস্বাদু। ডাঁটা শুরু থেকে পোক্ত হওয়া পর্যন্ত একদম সবুজ সতেজ থাকে এবং সোজা গড়নের হয়।  বিপরীতে লাজনার ডাঁটা খাটো ও মাংসল হয়। অনেকের মতে, শজনের তুলনায় লাজনা কিছুটা কম সুস্বাদু, কখনো কখনো তেতো স্বাদ পাওয়া যায়। ডাঁটার রং কিছুটা ধূসর-সবুজ, তুলনামূলক মোটা আর হালকা বাঁকা গড়নের। ভেতরের অংশ নরম হলেও বাইরের চামড়া বেশ শক্ত।</p>
<p>তবে উভয় সবজিরই ঔষধি গুণ রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। বসন্তের বিভিন্ন রোগ থেকে মুক্ত রাখতে শজনে ও লাজনা উভয়ই কার্যকর।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/এসআই/এমইউআইএম</strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>হিলিতে ক্যাপসিকামের বাম্পার ফলন, বাজারদরে হতাশ চাষিরা</title>
<link>https://digibanglatech.news/173236</link>
<guid>https://digibanglatech.news/173236</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p&gt;দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলায় প্রথমবারের মতো বাণিজ্যিকভাবে বিদেশি সবজি ক্যাপসিকাম চাষ করে সফলতার মুখ দেখছেন স্থানীয় কৃষকরা। অনুকূল আবহাওয়া ও স্বল্প সময়ে অধিক ফলনের কারণে কৃষকদের মধ্যে এ উচ্চমূল্যের সবজি চাষে আগ্রহ বাড়লেও কাঙ্ক্ষিত বাজারদর না পাওয়ায় চাষিদের মধ্যে দেখা দিয়েছে হতাশা। বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী গাউসুল আজম পড়াশোনার পাশাপাশি নিজের জমিতে ক্যাপসিকাম চাষ শুরু&lt;span&gt; &lt;/span&gt;করেছেন। তিনি জানান, এবার ফলন বেশ আশাব্যঞ্জক হয়েছে। তবে বিপত্তি বেঁধেছে বাজারজাতকরণ নিয়ে।&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;গাউসুল  ]]></description>
<enclosure url="https://sarabangla.net/wp-content/uploads/2026/04/capsicam.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 08 Apr 2026 08:30:01 +0600</pubDate>
<dc:creator>সারাবাংলা করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>হিলিতে, ক্যাপসিকামের, বাম্পার, ফলন, বাজারদরে, হতাশ, চাষিরা</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://sarabangla.net/wp-content/uploads/2026/04/capsicam.jpg"></p>
<p>হিলি: দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলায় প্রথমবারের মতো বাণিজ্যিকভাবে বিদেশি সবজি ক্যাপসিকাম চাষ করে সফলতার মুখ দেখছেন স্থানীয় কৃষকরা। অনুকূল আবহাওয়া ও স্বল্প সময়ে অধিক ফলনের কারণে কৃষকদের মধ্যে এ উচ্চমূল্যের সবজি চাষে আগ্রহ বাড়লেও কাঙ্ক্ষিত বাজারদর না পাওয়ায় চাষিদের মধ্যে দেখা দিয়েছে হতাশা। বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী গাউসুল আজম পড়াশোনার পাশাপাশি নিজের জমিতে ক্যাপসিকাম চাষ শুরু […]</p>
<p>The post <a href="https://sarabangla.net/news/bangladesh/post-1145091/">হিলিতে ক্যাপসিকামের বাম্পার ফলন, বাজারদরে হতাশ চাষিরা</a> first appeared on <a href="https://sarabangla.net/">Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment</a>.</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>কৃষিপণ্যে উৎসে কর অব্যাহতি চায় বাপা</title>
<link>https://digibanglatech.news/173200</link>
<guid>https://digibanglatech.news/173200</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69d526bde0a2c.jpg" length="95956" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 07 Apr 2026 19:46:41 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>কৃষিপণ্য সরবরাহের বিপরীতে উৎসে কর কর্তন অব্যাহতির প্রস্তাব করেছে বাংলাদেশ এগ্রো-প্রসেসরস অ্যাসোসিয়েশন (বাপা)। এছাড়া ভ্যাটের হার ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে একক অংকে নামানো, ব্যবসায়ী পর্যায়ে ভ্যাটের হার ৭.৫ থেকে কমিয়ে ৩ শতাংশ করা, ৫০ শতাংশ বেশি অব্যাহতি পাওয়া উপকরণ দিয়ে তৈরি পণ্যের সরবরাহ পর্যায়ে ভ্যাট অব্যাহতি চেয়েছে সংগঠনটি।</p>
<p>এছাড়া মিনারেল ওয়াটার (তিন লিটার পর্যন্ত) থেকে সম্পূরক শুল্ক প্রত্যাহারের প্রস্তাব দিয়েছে বাপা। এ বিষয়ে সংগঠনটি জানায়, বড় শহরগুলোতে বিশুদ্ধ পানির নির্ভরযোগ্য উৎস মিনারেল ওয়াটার। মিনারেল ওয়াটার কোনো বিলাসী পণ্য নয়। এটা জরুরি পণ্য। এই পণ্যের ওপর সম্পূরক শুল্ক ধার্য করা কেবল অযৌক্তিক নয়, অন্যায়ও বটে।</p>
<p>সংগঠনটি বন্ডেড প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক নিরীক্ষা চলাকালীন প্রতিষ্ঠানের পণ্য আমদানি কার্যক্রম নির্বিঘ্নভাবে অব্যাহত রাখার লক্ষ্যে সাময়িক প্রাপ্যতা অনুমোদনের প্রস্তাব দিয়েছে। এছাড়া মাসভিত্তিক বন্ডেড প্রতিষ্ঠানের ইউপি অনুমোদন ও ভিন্ন ভিন্ন কমিশনারেটের আওতাধীন প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে অব্যাহতি বন্ড সুবিধা প্রদান করাত প্রস্তাব করা হয়।</p>
<p>এদিকে বাংলাদেশে অ্যাগ্রো কেমিক্যাল ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন স্থানীয়ভাবে বালাইনাশক উৎপাদন ও রপ্তানি করতে প্রয়োজনীয় ৩২টি কাঁচামালের ওপর শুল্ক সুবিধা প্রদানের প্রস্তাব করেছে। আর ফল আমদানিতে করহার কমানোর প্রস্তাব করে বাংলাদেশ ফ্রেশ ফ্রুট ইম্পোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন।</p>
<p>বাংলাদেশ ফার্টিলাইজার অ্যাসোসিয়েশন বিভিন্ন কাঁচামাল আমদানিতে করহার কমানোর প্রস্তাব করে। এছাড়াও কাস্টমস ট্যারিফের সাব হেডিং নোট-২ এর অধীন কৃষিকাজে ব্যবহৃত কীটনাশক পণ্যের আগাম কর অব্যহতি, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় ব্যবহৃত বালাইনাশকের ওপর শুল্ক ও কর হ্রাস, আমদানিমূল্য অনুযায়ী বালাইনাশক পণ্যের ট্যারিফমূল্য নির্ধারণ, বালাইনাশক ফরমুলেশনে ব্যবহৃত সহযোগী উপদানসমূহের সমুদয় কর অব্যহতি, জৈব বালাইনাশক, ফল উৎপাদনে ব্যবহৃত ফ্রুট ব্যাগ, স্টিকি ট্র্যাপ এবং ব্যক্তিগত সুরক্ষামূলক সরঞ্জামের ওপর আরোপিত শুল্ক অব্যাহতির প্রস্তাব করেছে বাংলাদেশ ক্রপ প্রোটেকশন অ্যাসোসিয়েশন।</p>
<p>৭ এপ্রিল, মঙ্গলবার  বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে এনবিআর ভবনে প্রাক-বাজেট আলোচনায় এসব প্রস্তাব তুলে ধরে সংগঠনটি। সভায় সভাপতিত্ব করেন এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান। এসব দাবি শুনে বাপার সমস্যাগুলো সমাধানে কাজ করার আশ্বাস দেন এনবিআর চেয়ারম্যান।</p>
<p>ব্যবসায়ীরা ভ্যাট রিফান্ড নিয়ে অভিযোগের পনিপ্রেক্ষিতে আবদুর রহমান খান বলেন, আপনাদের অনেক টাকা আটকে গেছে, ফেরত পান না, যে অভিযোগ করেছেন। আমরা এই জায়গাটাতে বড় একটা কাজ করছি। আপনারা যাতে করে অটোমেটিক্যালি ফেরত পান—আমাদের যেহেতু রিটার্নগুলোকে এখন অনলাইন করছি, আপনাদের রিফান্ড সিস্টেমও আমরা অনলাইন করছি। এখানে ভ্যাটের রিফান্ড কিন্তু অলরেডি পাওয়া শুরু হয়ে গেছে। অনলাইনে অটোমেটেড পদ্ধতিতে। ইনকাম ট্যাক্সেরটাও আমরা প্রায় কমপ্লিট, এটা যে কোনো সময় ট্রায়াল রান হচ্ছে। এগুলো যখন হয়ে যাবে তখন আমরা আপনাদের ফেরত দিয়ে দেবো, একদম আপনাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে চলে যাবে। মানে এটাকে ডিসিপ্লিন করার জন্য আসলে আমরা আপাতত কিছুদিন ধরে রিফান্ড দিচ্ছি না, বাট এটা আলটিমেটেডলি আপনারা পেয়ে যাবেন।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এমএআর/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ডিজেল সংকটে অচল কৃষিযন্ত্র: আইডি কার্ডেই কি মিলবে মুক্তি</title>
<link>https://digibanglatech.news/172893</link>
<guid>https://digibanglatech.news/172893</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69d20494b6a99.jpg" length="107308" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 05 Apr 2026 00:00:16 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span lang="BN-BD">আধুনিক কৃষিতে শ্রম লাঘব ও উৎপাদন বাড়াতে দেশে কম্বাইন্ড হার্ভেস্টরের জনপ্রিয়তা দ্রুত বাড়ছে</span>, <span lang="BN-BD">যার ব্যবহার বাড়াতে সরকার হাওরাঞ্চলে ৭০ শতাংশ এবং অন্যান্য এলাকায় ৫০ শতাংশ পর্যন্ত ভর্তুকি প্রদান করছে । বর্তমানে দেশের মোট আবাদ করা জমির ১৫ শতাংশ ধান এই ডিজেলচালিত হারভেস্টর দিয়ে কাটা হয়। অন্যদিকে</span>, <span lang="BN-BD">ধান ঝাড়াই করার থ্রেশার মেশিনগুলোও ডিজেলের ওপর নির্ভরশীল</span>। আর<span lang="BN-BD"> ধান কাটার ছোট যন্ত্র রিপার চলে পেট্রল দিয়ে। </span><o:p></o:p></p>
<p><span lang="BN-BD">ডিজেলের এই তীব্র সংকটের কারণে </span><span lang="BN">রাজশাহী</span>, <span lang="BN">চট্টগ্রাম</span>, <span lang="BN">সিলেট</span>, <span lang="BN">গাজীপুর</span>, <span lang="BN">বরগুনা</span>,  <span lang="BN-BD">গোপালগঞ্জ</span>, <span lang="BN-BD">কুষ্টিয়া</span>, <span lang="BN-BD">ফরিদপুর</span>, <span lang="BN">চট্টগ্রাম</span>, <span lang="BN">জামালপুর</span>, <span lang="BN">পটুয়াখালী</span>, <span lang="BN">লালমনিরহাট</span>, <span lang="BN">নীলফামারী</span><span lang="BN-BD"> ও মাদারীপুরের মতো জেলাগুলোতে সেচ কাজ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। অনেক এলাকায় কৃষকরা পাম্পে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থেকেও তেল পাচ্ছেন না</span>, <span lang="BN-BD">আবার কোথাও কোথাও খোলাবাজারে ১৩০ থেকে ১৫০ টাকা পর্যন্ত বাড়তি দামে ডিজেল কিনতে বাধ্য হচ্ছেন</span>, <span lang="BN-BD">যা সরাসরি উৎপাদন খরচ বাড়িয়ে দিচ্ছে।</span><o:p></o:p></p>
<p>ঝিনাইদহ জেলার <span lang="BN-BD">শৈলকূপা উপজেলার কচুয়া গ্রামের কৃষক সুশান্ত বিশ্বাস বলেন</span>, <span lang="BN-BD">পেঁয়াজ আবাদের পরে একই জমিতে আমরা পাট বপন করি। কিন্তু ডিজেল না পেলে পাট আবাদের জন্য জমি প্রস্তুত করা কঠিন হয়ে যাবে। এ ছাড়া যথাসময়ে পানি সেচ দিতে না পারলেও ধানের ফলন খারাপ হতে পারে।</span><o:p></o:p></p>
<p><span lang="BN-BD">ঝিনাইদহ ফুয়েল পাম্প মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম বলেন</span>, <span lang="BN-BD">ডিপো থেকে পাম্পগুলোতে চাহিদা মতো তেল দেওয়া হচ্ছে না। তারপরও এখন পর্যন্ত ডিজেলের সরবরাহ বেশ স্বাভাবিক আছে। কৃষকরা পাম্পে এলে ডিজেল পাচ্ছেন। আশা করছি</span>, <span lang="BN-BD">ডিজেলের সরবরাহে আগামী কয়েক সপ্তাহে তেমন কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না।</span><o:p></o:p></p>
<p><span lang="BN-BD">বরিশালের উজিরপুর উপজেলা</span>র কৃষক বদি মিয়া জানান, পাম্পের তেল না পাওয়ায় <span lang="BN-BD">সময়মতো পানি দিতে না পারায় ধানের চারা শুকিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।</span> তবে এই অবস্থার উত্তরণে ওই এলকার <span lang="BN-BD">উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কাপিল বিশ্বাস জানান</span>, “<span lang="BN-BD">কৃষকদের জন্য ডিজেল প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে প্রত্যয়নপত্রের ব্যবস্থা করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে সমন্বয় করে এই সনদ দেওয়া হচ্ছে</span>, <span lang="BN-BD">যাতে অবৈধ মজুদ রোধ করা যায়।”</span><o:p></o:p></p>
<p>এ বিষয়ে <span lang="BN-BD">সাকুরা পেট্রোল পাম্পের সরকারনিযুক্ত ট্যাগ অফিসার ও উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ বলেন</span>, “<span lang="BN-BD">পাম্পগুলো পর্যাপ্ত জ্বালানি পাচ্ছে না। তারপরও আমরা কঠোর নজরদারির মাধ্যমে সবার মধ্যে সমবণ্টনের চেষ্টা করছি।”</span><o:p></o:p></p>
<p>এদিকে <span lang="BN-BD">গোপালগঞ্জ শহরতলীর বেদগ্রাম এলাকার মিতা ফিলিং স্টেশনে গিয়ে দেখা গেছে</span>, <span lang="BN-BD">ড্রাম</span>, <span lang="BN-BD">বোতল আর বিভিন্ন পাত্র নিয়ে ডিজেল পাওয়ার অপেক্ষায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে রয়েছেন কৃষকরা। কখন প্রয়োজনীয় তেল পেয়ে সেচ দিয়ে ফসল রক্ষা করবেন সেই চিন্তাই যেন তাদের চোখে মুখে। কিন্তু দীর্ঘ সময় বসে থাকার পরও কেউ চাহিদা মত তেল না পেয়ে আর কাওকে ফিরতে হয়েছে খালি হাতে। </span><o:p></o:p></p>
<p>ঝালকাঠির <span lang="BN-BD">উপজেলার কৃষক জামাল উদ্দিন বলেন</span>, <span lang="BN-BD">পেট্রোলচালিত মেশিনের জন্য কাগজপত্র নিয়ে এসেও পাম্পে তেল পাচ্ছি না। এখন বোরো ক্ষেতে পানি দেওয়ার সময় কিন্তু তেলের অভাবে তা সম্ভব হচ্ছে না। আরেক কৃষক মহসিন আলী জানান</span>, <span lang="BN-BD">সকাল থেকে অপেক্ষা করে মাত্র ২০০ টাকার তেল পেয়েছেন</span>, <span lang="BN-BD">যা দিয়ে এক বিঘা জমিতেও সেচ দেওয়া সম্ভব নয়। প্রয়োজন অনুযায়ী ডিজেল ও পেট্রোল পাচ্ছেন না তারা। এতে ট্রাক্টর</span>, <span lang="BN-BD">সেচযন্ত্র পাওয়ার পাম্প</span>, <span lang="BN-BD">পাওয়ার টিলার</span>, <span lang="BN-BD">কীটনাশক দেওয়ার মেশিন</span>, <span lang="BN-BD">ধান কাটা ও মাড়াইয়ের যন্ত্র চালাতে পারছেন না কৃষকরা।</span><o:p></o:p></p>
<p><span lang="BN-BD">কৃষিযন্ত্র খাতের বিশেষজ্ঞরা এই সংকট মোকাবিলায় সমন্বিত এবং প্রযুক্তিভিত্তিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা চালুর প্রস্তাব দিয়েছেন। কৃষি যন্ত্রপাতি সরবরাহকারী কোম্পানিগুলোর কাছে যেহেতু সব যন্ত্রের মালিকদের তালিকা রয়েছে</span>, <span lang="BN-BD">তাই পরিচয়পত্র বা আইডিভিত্তিক তদারকির মাধ্যমে সরাসরি কৃষকদের হাতে তেল পৌঁছে দেওয়া সম্ভব</span> বলে মনে করেন তারা<span lang="BN-BD">।</span><o:p></o:p></p>
<p>সূত্রমতে,<span lang="BN-BD"> একটি কম্বাইন্ড হার্ভেস্টারের জন্য দৈনিক প্রায় ৬০ থেকে ৭০ লিটার ডিজেল প্রয়োজন হয়</span>, <span lang="BN-BD">যা সঠিক বরাদ্দের মাধ্যমে নিশ্চিত করলে কৃষিতে বড় ধরনের বিপর্যয় এড়ানো যাবে এবং জ্বালানি অবৈধ মজুতের সুযোগও থাকবে না। যদি দ্রুত এই সেচ ও ফসল কাটার মৌসুমে ডিজেলের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করা না যায়</span>, <span lang="BN-BD">তবে দেশের প্রধান ফসল বোরোর উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন বাধাগ্রস্ত হতে পারে</span>, <span lang="BN-BD">যা সামগ্রিক খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় ঝুঁকি হয়ে দাঁড়াবে।</span><o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal">প্রসঙ্গত, <span lang="BN-BD">বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে ইরান</span>, <span lang="BN-BD">যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান উত্তেজনার ফলে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় বাংলাদেশে জ্বালানি তেল সরবরাহে বড় ধরনের প্রভাব পড়েছে। দেশে ডিজেলের বার্ষিক চাহিদা প্রায় ৪৫ লাখ মেট্রিক টন হলেও বর্তমানে মজুতের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে মাত্র ১ লাখ ২২ হাজার ৬৬০ টনে। দৈনিক ১২ হাজার টন চাহিদার বিপরীতে বর্তমানে পাওয়া যাচ্ছে ১১ হাজার ৫০০ টন</span>, <span lang="BN-BD">যা সামগ্রিক সরবরাহ ব্যবস্থায় ঘাটতি তৈরি করছে। বিশেষ করে ডিসেম্বর থেকে মে মাস পর্যন্ত চলমান কৃষি সেচ মৌসুমে ডিজেলের গুরুত্ব অপরিসীম</span>, <span lang="BN-BD">কারণ এই সময়ে সব ধরনের কৃষিযন্ত্রে প্রতি মাসে গড় সম্ভাব্য চাহিদা থাকে প্রায় ২ লাখ ৯ হাজার টন। বৃষ্টিপাতের পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে এই ছয় মাস কৃষি খাতের জন্যই দৈনিক প্রায় ৭ হাজার টন ডিজেলের প্রয়োজন হয়।</span></p>
<p class="MsoNormal"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong><span lang="BN-BD">ডিবিটেক/এসএম/এমইউআইএম</span></strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>প্রকৃত মৎস্যজীবী ও সংগঠনই পাবে জলার ইজারা</title>
<link>https://digibanglatech.news/172866</link>
<guid>https://digibanglatech.news/172866</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69d1b90af2210.jpg" length="90731" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 04 Apr 2026 17:21:31 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>আগামীতে দেশের সরকারি জলমহাল ইজারায় ‘জাল যার, জলা তার’ নীতি অনুসরণ করে প্রকৃত জেলেদের স্বার্থ সংরক্ষণ করা হবে বলে জানিয়েছেন ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু। এই জন্য হালনাগাদ ডেটাবেজের ভিত্তিতেই প্রকৃত মৎস্যজীবী বা তাদের নিবন্ধিত সমবায় সমিতিই জলমহাল ইজারা পাওয়ার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবে।</p>
<p>৪ এপ্রিল, শনিবার সুনামগঞ্জ শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনে সরকারি জলমহাল আইন-২০২৬ এর খসড়া চুড়ান্তকরণ শীর্ষক কর্মশালায় এমনটাই জানিয়েছেন মন্ত্রী।</p>
<p> প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভুমিমন্ত্রী বলেন, ''জাল যার জলা তার' 'এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে আগামীতে দেশের প্রকৃত জেলেদের স্বার্থ মাথায় রেখে জলমহাল ইজারা দেওয়া হবে। প্রবাহমান নদী কখনো ইজারার আওতায় আসবেনা। মধ্যস্বত্বভোগী কেউ যেন রাজধানী বা দেশের বাইরে বসে প্রকৃত মৎসজীবিদের হক নষ্ট করতে না পারে সেজন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে সতর্ক থাকার নির্দেশনা দেন। </p>
<p>অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেন, এই আইনের আওতায় প্রকৃত মৎসজীবিদের অগ্রাধিকার নিশ্চিত করা এবং প্রকৃত উপকারীভোগীদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে তালিকা পুর্নবিবেচনা ও সর্বোপরি তারা যেন অধিকতর সুবিধা পায় তা নিশ্চিত করতে হবে। মাঠের প্রকৃত চিত্র যেন ইজারা প্রদানের ক্ষেত্রে উঠে আসে এবং প্রকৃত উপকারভোগীরা যাতে অন্তর্ভুক্ত থাকে সেজন্যে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের মতামতের ভিত্তিতে মন্ত্রণালয়ে সুপারিশ প্রেরণ করা হয় তা  নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশনা প্রদান করেন।</p>
<p>ভুমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এ এস এম সালেহ আহমেদের সভাপতিত্বে কর্মশালায় স্থানীয় সংসদ  সদস্যবৃন্দ, প্রশাসনের  ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বেসরকারি উন্নয়ন সংগঠন বেলা, টিআইবি প্রতিনিধি বক্তব্য দেন। এছাড়াও মৎসজীবি,এনজিও এবং মিডিয়া প্রতিনিধিরা  কর্মশালায় তাদের মতামত তুলে ধরেন।</p>
<p>পরে ভূমিমন্ত্রী মোঃ মিজানুর রহমান মিনু সার্কিট হাউজে বিএনপি এবং এর অংগ সংগঠনের নেতা-কর্মীদের সাথে মতবিনিময় করেন। এসময় স্থানীয় সংসদ সদস্য কলিমউদ্দিন আহমেদ ,কয়সর আহমেদ এবং কামরুজ্জামান কামরুল উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>বাংলাদেশে মৎস্য অধিদপ্তর এসসিএমএফপি প্রকল্পের আওতায় মৎস্যজীবীদের একটি সমন্বিত ডেটাবেজ ও নিবন্ধন ব্যবস্থা পরিচালনা করে। এর মাধ্যমে জেলেদের আইডি কার্ড, মৎস্য-নৌযান ও সরঞ্জামের তথ্য এবং চিংড়ি ই-ট্রেসেবিলিটি সংরক্ষণ করা হয়। এই ডেটাবেজ জেলেদের অভ্যন্তরীণ ই-সেবা প্রাপ্তি ও নিবন্ধন কার্যক্রম সহজ করতে ব্যবহৃত হয়।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এজেকে/এমইউআইএম</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>মেটাল মোটরস&#45;এর যান্ত্রিক কৃষি যান কেনার কিস্তি বিকাশে</title>
<link>https://digibanglatech.news/172858</link>
<guid>https://digibanglatech.news/172858</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69d16027ef814.jpg" length="103173" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 04 Apr 2026 15:02:24 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span lang="BN-BD"><span lang="EN-GB">বাড়ির পাশের বিকাশ এজেন্ট পয়েন্টেই দেয়া যাচ্ছে কৃষি যন্ত্রপাতি পরিবেশক ও প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান </span></span><span lang="EN-GB">মেটাল মোটরস থেকে কেনা মেকানাইজড কৃষি যানবাহনের কিস্তি। এটি</span><span lang="BN-BD"> সরাসরি মেটাল-এর অ্যাকাউন্টে ইলেকট্রনিক মানি (ই-মানি) হিসেবে জমা হচ্ছে। </span><span lang="EN-GB">এতে মাঠ পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট সবার অর্থ ব্যবস্থাপনার ঝুঁকি কমবে এবং লেনদেনের পুরো প্রক্রিয়াটি আরও সময় ও খরচ সাশ্রয়ী হবে বলে মনে করছেন খাত সংশ্লিষ্টরা। </span></p>
<p><span lang="EN-GB">৪ এপ্রিল, শনিবার বিকাশ জানিয়েছে, মাঠ পর্যায়ে বিক্রয়পণ্যের কিস্তি সংগ্রহের প্রক্রিয়াকে আরও সহজ ও নিরাপদ করতে সম্প্রতি বিকাশ ও মেটাল মোটরস লিমিটেড-এর মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।</span><span lang="EN-GB"> </span><span lang="BN-BD">মেটাল এর প্রধান কার্যালয়ে চুক্তি সাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানটির ম্যানেজিং ডিরেক্টর সাদিদ জামিল, ডিরেক্টর সারাহ জামিল ও সাদ জামিল, সিইও মো. মিজানুর রহমান এবং বিকাশ এর চিফ কমার্শিয়াল অফিসার আলী আহম্মেদ, হেড অফ বিজনেস সেলস মাশরুর চৌধুরী, বিজনেস সেলস বিভাগের জেনারেল ম্যানেজার মো. সোমেল রেজা খান সহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।<o:p></o:p></span></p>
<p><span lang="EN-GB"><o:p>কতৃপক্ষের দাবি. </o:p></span><span lang="BN-BD">বিকাশ-এর ‘ক্যাশ কালেকশন সল্যুশন’ ব্যবহার করে </span><span lang="EN-GB">টেলিকম, </span><span lang="BN-BD">সিমেন্ট</span><span lang="EN-GB">, </span><span lang="BN-BD">বেভারেজ</span><span lang="EN-GB">, </span><span lang="BN-BD">লাইফস্টাইল</span><span lang="EN-GB">, </span><span lang="BN-BD">খাদ্য</span><span lang="EN-GB">, </span><span lang="BN-BD">ওষুধ সহ বিভিন্ন খাতে দেশের শীর্ষ প্রতিষ্ঠানগুলো ইতোমধ্যেই তাদের মাঠ পর্যায়ের আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে আরও নিরবচ্ছিন্ন</span><span lang="EN-GB">, </span><span lang="BN-BD">স্বচ্ছ ও নিরাপদ করে তুলতে সক্ষম হয়েছে।</span></p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong><span lang="BN-BD">ডিবিটেক/এমএসআর/এমইউআইএম</span></strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>পহেলা বৈশাখে ৯ উপজেলায় চালু হচ্ছে কৃষক কার্ড; আবেদন অনলাইনে</title>
<link>https://digibanglatech.news/172284</link>
<guid>https://digibanglatech.news/172284</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69caddca1e753.jpg" length="75987" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 30 Mar 2026 13:32:22 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলা <span> ১৪৩৩ সনের প্রথম দিনে (১৪ এপ্রিল, ১ বৈশাখ)  পরীক্ষামূলকভাবে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি উদ্বোধনের পর  দেশের ৮ বিভাগের ৯টি উপজেলার ৯টি ব্লকে কৃষক কার্ড বিতরণ করা হবে।   এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষকরা বীজ, সার, সেচ, কৃষি ঋণ এবং খরিফ-১ ও খরিফ-২ মৌসুমে বিশেষ অনুদানসহ ১০টি সুবিধা পাবেন। ইউনিয়ন পর্যায়ে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের মাধ্যমে বা অনলাইনে আবেদন করা যাবে। এনআইডি (NID), পাসপোর্ট সাইজের ছবি, ফোন নম্বর, জমির প্রমাণপত্র, এবং ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর দিয়ে কার্ডের আবেদন করতে হবে। অনলাইনে আবেদনের জন্য সরকার <span jsuid="Tap2nc_2b" data-sfc-cp="" jsaction="mouseenter:&amp;Tap2nc_2b|WOQqYb;mouseleave:&amp;Tap2nc_2b|Tx5Rb;" jscontroller="KMhGd" data-sfc-root="c" data-sfc-cb="" data-complete="true"><a class="H23r4e" target="_blank" data-hveid="CAgQAg" href="https://training.mygov.bd/services/?id=BDGS-1533528311" ping="/url?sa=t&amp;source=web&amp;rct=j&amp;url=https://training.mygov.bd/services/?id%3DBDGS-1533528311&amp;ved=2ahUKEwj76ZKKu8iTAxV3V3ADHSiGGGwQy_kOegQICBAC&amp;opi=89978449" rel="noopener">মাইগভ (myGov)</a></span> বা নির্দিষ্ট পোর্টালের ব্যবস্থা রেখেছে</span></p>
<p>৩০ মার্চ, সোমবার সকালে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে ক্রীড়াকার্ড ও ভাতা প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে <span>‘কৃষক কার্ড’ উদ্বোধনের পরিকল্পনার কথা</span> জানান খোদ প্রধানমন্ত্রী। </p>
<p><span>তিনি </span>বলেন, আগামী ১৪ এপ্রিল থেকে শুরু হতে যাচ্ছে ‘ফার্মার্স কার্ড’ বা ‘কৃষক কার্ড’ প্রদান কর্মসূচি। এভাবেই দেশ এবং জনগণের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে সরকার ধারাবাহিকভাবে প্রতিটি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছে। সেই ধারাবাহিকতায় আজ থেকে শুরু হলো ‘ক্রীড়া কার্ড’।</p>
<div id="div-gpt-ad-1714298156309-0" class="text-center my-3"></div>
<p>প্রাক-পাইলট পর্যায়ে ধারাবাহিকভাবে সব শ্রেণির কৃষকের তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘এরপর দেশের ৮ বিভাগের ৯টি উপজেলার ৯টি ব্লকে কৃষক কার্ড বিতরণ করা হবে। নির্বাচিত উপজেলাগুলো হলো- টাঙ্গাইল সদর, বগুড়ার শিবগঞ্জ, পঞ্চগড় সদর, জামালপুরের ইসলামপুর, ঝিনাইদহের শৈলকুপা, পিরোজপুরের নেছারাবাদ, মৌলভীবাজারের জুড়ী, কুমিল্লা সদর ও কক্সবাজারের টেকনাফ।’</p>
<p>কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই) কর্মসূচিটি বাস্তবায়ন করবে। <span>চার বছরে ১ কোটি ৬৫ লাখ কার্ড বিতরণের পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। </span>এ কর্মসূচির আওতায় ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকেরা গড়ে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে ভর্তুকি বা কৃষি উপকরণ সহায়তা পাবেন। <span> </span>এ ছাড়া খরিফ-১ ও খরিফ-২ মৌসুমে নির্দিষ্ট শ্রেণির কৃষকদের জন্য সরকার নির্ধারিত হারে আর্থিক অনুদান প্রদান করবে।</p>
<p>সূত্রমতে, <span>কৃষি বিমা, আধুনিক কৃষি প্রশিক্ষণ এবং স্মার্ট কৃষি কার্ডের মাধ্যমে আবহাওয়া ও রোগবালাই সংক্রান্ত আগাম তথ্য পাওয়া যাবে।</span></p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এনআই/এমইউএম</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ডাটাবেজের আওতায় আসবে কৃষি উৎপাদন</title>
<link>https://digibanglatech.news/172064</link>
<guid>https://digibanglatech.news/172064</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69c8b71615e10.jpg" length="102496" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 29 Mar 2026 10:00:47 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>উৎপাদিত ফসলের অপচয় কমাতে কৃষি ডাটাবেজ তৈরির পরিকল্পনা হাতে নিচ্ছে সরকার। ২৮ মার্চ, শনিবার রাজধানীর খামারবাড়ির কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে সরকারের নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়নে কর্মপরিকল্পনা ও বাজেট প্রাক্কলনসংক্রান্ত এক সভায় সেই ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। </p>
<p>সভায় কৃষক কার্ড, খাল খনন, বৃক্ষরোপণ, কৃষি মন্ত্রণালয়ের ১৮০ দিনের কর্মসূচি বিষয়ে কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ ও অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা হয়।</p>
<p>প্রধান অতিথির বক্তব্যে কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, কৃষক কার্ড চালুর মাধ্যমে প্রকৃত কৃষককে চিহ্নিত করে সহায়তা দেবে সরকার। কৃষি ঋণ, সার, বীজ ও প্রযুক্তি সহায়তায় কৃষক কার্ড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।</p>
<p>তিনি আরও বলেন, কৃষক কার্ড কৃষিখাতে বৈপ্লবিক পরিবর্তনের সূচনা করবে। এ কার্ডের ব্যবহার করে কৃষক সরকারি বিভিন্ন কৃষি সহায়তা পাবেন। পাশাপাশি কৃষি উৎপাদনকেও একটি ডাটাবেজের আওতায় আসবে। ফলে ফসলের অপচয় কমবে।</p>
<p>কৃষি সচিব রফিকুল ই মোহামেদের সভাপতিত্বে সভায় কৃষি মন্ত্রণালয় ও আওতাধীন দপ্তর/সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>প্রসঙ্গত, কৃষক কার্ড বাস্তবায়নের প্রি-পাইলটিং কার্যক্রমের ডাটা সংগ্রহ ও ব্যাংক হিসাব খোলার কার্যক্রম ২৯ মার্চ পর্যন্ত চলবে। আগামী পহেলা বৈশাখে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এসএমও/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>কৃষি যান্ত্রিকীকরণে বাংলাদেশকে কারিগরি সহায়তায় আগ্রহী রাশিয়া</title>
<link>https://digibanglatech.news/171713</link>
<guid>https://digibanglatech.news/171713</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69c3f69a9023d.jpg" length="50192" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 25 Mar 2026 18:53:07 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>কৃষি যান্ত্রিকীকরণে বাংলাদেশকে কারিগরি সহায়তার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছে রাশিয়া। ২৫ মার্চ, বুধবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে কৃষি, খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে এই আগ্রহের কথা জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার গ্রিগোরিয়েভিচ খোজিন।</p>
<p>কৃষি মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত বৈঠকে কৃষি খাত, খাদ্য নিরাপত্তা এবং আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যসহ উভয় দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এ সময় কৃষি সচিব রফিকুল ই মোহামেদ, কৃষি মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং ঢাকাস্থ রাশিয়ান দূতাবাসের প্রথম সচিব আনাস্তাসিয়া নেমোভা উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>বৈঠকের শুরুতে কৃষিমন্ত্রী রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানান এবং রাষ্ট্রদূত মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য মন্ত্রীকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান।</p>
<p>মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেন, রাশিয়া বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত বন্ধু। প্রায় ৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে দেশের কৃষি ও প্রযুক্তিসহ নানা খাতে রাশিয়া সহযোগিতা করে আসছে। বাংলাদেশ নন-ইউরিয়া সার, বিশেষ করে এমওপি সারের একটি বড় অংশ রাশিয়া থেকে আমদানি করে। ভবিষ্যতেও এই সরবরাহ যাতে স্বাভাবিক থাকে, সে বিষয়ে মন্ত্রী রাষ্ট্রদূতের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।</p>
<p>পাশাপাশি বাংলাদেশ থেকে আলু, আম, শসা ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্যের আমদানি বাড়াতে রাশিয়ার প্রতি আহ্বান জানান মন্ত্রী।</p>
<p>রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার খোজিন বাংলাদেশের কৃষি খাতে রাশিয়ার সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আগ্রহ প্রকাশ করেন। তিনি জানান, বাংলাদেশ থেকে রাশিয়া নিয়মিতভাবে আলুসহ বিভিন্ন কৃষিপণ্য আমদানি করে থাকে। সার ও বীজ সরবরাহের পাশাপাশি কৃষি যান্ত্রিকীকরণেও তার দেশ কারিগরি সহায়তার বিষয়ে আগ্রহী। মন্ত্রী এ বিষয়ে রাশিয়ার সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এনএ/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>কৃষিই হবে অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি: কৃষি মন্ত্রী</title>
<link>https://digibanglatech.news/171592</link>
<guid>https://digibanglatech.news/171592</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69c25cd3d5b35.jpg" length="116804" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 24 Mar 2026 13:34:51 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>কৃষি, খাদ্য, মৎস ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, কৃষিই হবে অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি।  </p>
<p>২৪ মার্চ, মঙ্গলবার কৃষি মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে কৃষি ও খাদ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সাথে ঈদ পরবর্তি কর্মদিবসে শুভেচ্ছা বিনিময় উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই প্রত্যয় ব্যক্ত করেন মন্ত্রী।</p>
<p><br>অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এবং উপদেষ্টা, কৃষি মন্ত্রণালয় (মন্ত্রী পদমর্যাদা) নজরুল ইসলাম খান, কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব রফিকুল ই মোহামেদ ও খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ ফিরোজ সরকার।</p>
<p>কৃষি মন্ত্রী বলেন,  বিশ্বের যে কোন দেশের চেয়ে বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতি ও পরিবেশ কৃষির জন্য ভালো। বৈজ্ঞানিক উপায়ে চাষাবাদ করলে চাহিদার চেয়েও অধিক পরিমাণে খাদ্য উৎপাদন করা সম্ভব। </p>
<p>মন্ত্রী বলেন, দেশের অধিকাংশ মানুষ কৃষির উপর নির্ভরশীল। আমাদের গ্রামীণ অর্থনীতির মূল বুনিয়াদ কৃষি। সরকারের অগ্রাধিকার কর্মসুচির মাধ্যমে কৃষকের মাঝে কৃষক কার্ড বিতরণ করা হবে। ইতোমধ্যে দেশে খাল খনন কর্মসুচি চালু হয়েছে। কৃষিকে অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি করতে সরকার সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। কৃষি খাতকে ঢেলে সাজানো হচ্ছে। </p>
<p>মন্ত্রী কৃষি ও খাদ্য মন্ত্রণালয়, আওতাধীন দপ্তর সংস্থার সকল পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশ্যে বলেন, দেশের জনগণের সুষম খাদ্যের চাহিদা পূরণ ও আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর দেশ রেখে যাওয়ার জন্য আমরা দায়বদ্ধ।  সকলে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সততা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করলে আমরা একটি সুন্দর দেশ রেখে যেতে পারবো।</p>
<p>মন্ত্রী আরও বলেন, খাদ্য নিরাপত্তা আগামীর দিনে বড় চ্যালেঞ্জ হবে। কৃষি ও খাদ্য বিভাগের সকলকে আন্তরিকতার সাথে কাজ করে এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে। </p>
<p>অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এবং উপদেষ্টা, কৃষি মন্ত্রণালয় নজরুল ইসলাম খান বলেন, দেশের কৃষিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সকলকে দক্ষতার পাশাপাশি সততা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করতে হবে। সরকার দেশব্যাপী  বৃক্ষরোপণ করবে। বৃক্ষরোপণকে সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করে দেশকে সবুজায়ন করতে হবে। জলবায়ুর অভিঘাত মোকাবেলায় বৃক্ষরোপনের এ আন্দোলন সকলের মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/জেডএইচএস/এমইউএম</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>মেঘনায় বৈদ্যুতিক শকে মাছ শিকারের জাল জব্দ</title>
<link>https://digibanglatech.news/170858</link>
<guid>https://digibanglatech.news/170858</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69b79a549093b.jpg" length="76959" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 16 Mar 2026 09:51:35 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span>বৈদ্যুতিক তারযুক্ত বিশেষ ধরনের জাল ব্যবহার করে মেঘনা নদী ও এর শাখা নদীগুলোতে গোপনে ব্যবহৃত হচ্ছে বৈদ্যুতিক শক দিয়ে মাছ শিকারি জাল।  এতে মাছের পোনা, ডিম, এমনকি সাপ ও ব্যাঙসহ বিভিন্ন জলজ প্রাণী মারা যাচ্ছে। হুমকির মুখে পড়েছে নদীর স্বাভাবিক পরিবেশ। </span></p>
<p><span>এমন পরিস্থিতিতে হিজলার মৌলভীরহাট সংলগ্ন নদীতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১৫ মার্চ, রবিবার রাতে অভিযান চালানো হয়। এসময় </span>বৈদ্যুতিক শক দিয়ে মাছ ধরার সময় একটি ট্রলারসহ ইলেকট্রনিক ডিভাইস জব্দ করা হয়েছে। অভিযান পরিচালনা করেন বরিশালের হিজলা উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলম। তিনি জানান, অভিযান টের পেয়ে জড়িত জেলেরা পালিয়ে যায়। তবে ট্রলার থেকে জব্দ করা সরঞ্জামের আনুমানিক মূল্য প্রায় ৪০ হাজার টাকা।</p>
<p>তিনি আরও জানান, অভিযানে হিজলা নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির সাব-ইন্সপেক্টর মো. শাহজাদাসহ পুলিশ সদস্যরা অংশ নেন। অভিযুক্তদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং স্থানীয়দের সচেতন করতেও কাজ চলছে।</p>
<p>মোহাম্মদ আলম বলেন, বৈদ্যুতিক শক ব্যবহারে শুধু মাছ নয়, সাপ, ব্যাঙসহ অন্যান্য জলজ প্রাণীও মারা যায়। এমনকি কোনো মাছ বেঁচে গেলেও তার প্রজননক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়। এতে দীর্ঘমেয়াদে জীববৈচিত্র্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়।</p>
<p>উপজেলা মৎস্য অফিস সূত্রে প্রকাশ, মেঘনা নদী ইলিশের অভয়ারণ্য। পাশাপাশি নদীটির শাখা নদী ও খালগুলোতে প্রায় সব প্রজাতির মাছ পাওয়া যায়। ছোট মাছের মধ্যে বাঁশপাতারি, বৈরালি, বেলে, রিঠা ও গলদা চিংড়ি বেশি পাওয়া যায়।</p>
<p>আর বড় মাছের মধ্যে ইলিশ ছাড়াও ৫ থেকে ১০ কেজি ওজনের পাঙাশ, বাগাড়, বোয়াল ও ভেউস পাওয়া যায়। এই নদী ও শাখা নদীকে ঘিরে হাজারো জেলে দীর্ঘদিন ধরে জীবিকা নির্বাহ করছেন।</p>
<p>স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে,কম সময়ে বেশি মাছ ধরার আশায় একশ্রেণির অসাধু জেলে বৈদ্যুতিক তারযুক্ত বিশেষ ধরনের জাল ব্যবহার করে মেঘনা নদী ও এর শাখা নদীগুলোতে গোপনে বৈদ্যুতিক শক দিয়ে মাছ শিকারে মেতে উঠেছে। বৈদ্যুতিক শক দিয়ে তারা নির্বিচারে ছোট-বড় সব মাছ ধরছে। ফলে মাছের উৎপাদন কমে যাওয়ার পাশাপাশি জীববৈচিত্র্য মারাত্মক হুমকির মুখে পড়ছে। </p>
<p>সূত্রমতে, রিকশা বা ইজিবাইকে ব্যবহৃত ব্যাটারির সঙ্গে ইনভার্টার যুক্ত করে বিদ্যুৎ প্রবাহ তৈরি করা হয়। এরপর দুটি তারের একটি পানিতে ফেলে এবং অন্যটি জালের সঙ্গে যুক্ত করা হয়। এভাবে পানিতে বিদ্যুৎ ছড়িয়ে কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই আশপাশের মাছ ভেসে ওঠে, যা পরে জাল দিয়ে তুলে নেওয়া হয়।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/বিএনও/ইকে</strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ মওকুফে থাকছে ছয় শর্ত</title>
<link>https://digibanglatech.news/170875</link>
<guid>https://digibanglatech.news/170875</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69b7ac8f9bb1c.jpg" length="329504" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 16 Mar 2026 00:00:00 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>অনূর্ধ্ব ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণের সুদ ও আসল সরকার পরিশোধ করবে। তবে এই সুবিধা বাস্তবায়নে ছয়টি শর্ত নির্ধারণ করেছে সরকার। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল নেতৃত্বাধীন সরকার।</p>
<p>এ বিষয়ে গত ১২ মার্চ অর্থ মন্ত্রণালয়ের বাজেট অনুবিভাগ এবং ১৫ মার্চ আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ থেকে পৃথক সরকারি আদেশ জারি করা হয়েছে। আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের উপ-সচিব মো. মামুনুর রশিদ স্বাক্ষরিত ওই আদেশে বলা হয়েছে, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণের সুদ ও আসল পরিশোধের জন্য চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেট থেকে ১ হাজার ৫৬৭ কোটি ৯৬ লাখ ৩৩ হাজার ৪৮০ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।</p>
<p>সরকারি নির্দেশনায় বলা হয়েছে, এই সুবিধা কার্যকর করতে ব্যাংকগুলোকে কয়েকটি শর্ত মানতে হবে। প্রথমত, সুদ আরোপের পরবর্তী সময়ের যে অনারোপিত সুদ রয়েছে তা সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলো তাদের পরিচালনা পর্ষদের অনুমোদন সাপেক্ষে মওকুফ করবে। দ্বিতীয়ত, Suspense হিসাবে স্থানান্তরিত ১৩৭ কোটি ৫৮ লাখ ৩৯ হাজার ৮২৫ টাকা ৬৮ পয়সা ব্যাংকগুলো নিজ দায়িত্বে অবলোপন করে দায় নিষ্পত্তি হিসেবে গণ্য করবে এবং এ সংক্রান্ত কোনো মামলা থাকলে তা প্রত্যাহার করবে।</p>
<p>তৃতীয়ত, বাংলাদেশ ব্যাংক যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে এসব তথ্য পর্যায়ক্রমে নিরীক্ষা (অডিট) সম্পন্ন করবে এবং নিরীক্ষিত চূড়ান্ত হিসাব সরকারের কাছে পাঠাবে। সেই হিসাবের ভিত্তিতে সরকার সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোকে অর্থ পরিশোধ করবে। চতুর্থত, সরকারের পক্ষ থেকে দায় গ্রহণের সঙ্গে সঙ্গে কৃষকের বিরুদ্ধে থাকা সব মামলা ব্যাংকগুলোকে অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে এবং কৃষক যেন কোনো ধরনের হয়রানির শিকার না হন তা নিশ্চিত করতে হবে। এ বিষয়ে অগ্রগতি প্রতিবেদন প্রতি মাসে বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগকে জানাতে হবে।</p>
<p>পঞ্চমত, কোনো ব্যাংক প্রকৃত দায়ের চেয়ে বেশি অর্থ গ্রহণ করেছে বলে প্রমাণিত হলে সেই অতিরিক্ত অর্থ সুদসহ সরকারকে ফেরত দিতে হবে। আর ষষ্ঠত, বরাদ্দকৃত অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে সরকারি সব আর্থিক বিধি-বিধান ও নির্দেশনা কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে।</p>
<p>এদিকে কৃষকদের সেবাকে আরও সহজ ও কার্যকর করতে আগামী ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখ থেকে নতুন কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচি শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং প্রথম ধাপে প্রায় ২ কোটি ২০ লাখ কৃষকের হাতে এই কার্ড তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/এমএআর/ইকে</strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>পহেলা বৈশাখে কৃষি কার্ড উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী</title>
<link>https://digibanglatech.news/170748</link>
<guid>https://digibanglatech.news/170748</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69b64c2579c3c.jpg" length="369145" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 15 Mar 2026 11:31:46 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>আগামী ১৪ এপ্রিল, পহেলা বৈশাখে দেশব্যাপী ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এই  কার্ড চালু হলে কৃষকদের সার, বীজসহ অন্যান্য সরকারি প্রণোদনা ও সহায়তা প্রাপ্তি আরও সহজ ও স্বচ্ছ হবে বলে আশা করছে সরকার।</p>
<p> ১৫ মার্চ, রবিবার বেলা ১১টায় বাংলাদেশ সংসদ সচিবালয়ে ‘কৃষক কার্ড’ বিষয়ে অনুষ্ঠিত উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে কার্ড প্রদান উদ্বোধনের তারিখ গ্রহণের সিদ্ধান্তের সঙ্গে এই আশাবদ ব্যক্ত করা হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।</p>
<p>বৈঠক সূত্রে জানা যায়, আগামী পহেলা বৈশাখ বাঙালির প্রাণের উৎসবে প্রধানমন্ত্রী এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। এরপর পর্যায়ক্রমে সারাদেশের কৃষকদের হাতে এই কার্ড তুলে দেওয়া হবে।</p>
<p>সংসদ সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত গুরুত্বপূর্ণ এই বৈঠকে কৃষি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আমিন উর রশিদ এবং প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>এ ছাড়া বৈঠকে অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/এমএআর/ইকে</strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>কৃষি বাণিজ্য ও আগ্রোইকোলজি নিয়ে সার্ক কৃষি কেন্দ্রের দুই বই উন্মোচন</title>
<link>https://digibanglatech.news/170746</link>
<guid>https://digibanglatech.news/170746</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69b648f0aa10c.jpg" length="96417" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 15 Mar 2026 00:52:07 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>দক্ষিণ এশিয়ায় কৃষি বাণিজ্য, খাদ্য নিরাপত্তা মানদণ্ড এবং টেকসই কৃষি ব্যবস্থার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরে প্রকাশিত হলো  “দক্ষিণ এশিয়ায় সমন্বিত খাদ্য নিরাপত্তা মানদণ্ডের মাধ্যমে কৃষি বাণিজ্য জোরদার” এবং “দক্ষিণ এশিয়ায় কৃষি-খাদ্য ব্যবস্থার টেকসই রূপান্তরের জন্য আগ্রোইকোলজিক্যাল পদ্ধতির প্রসার”।  </p>
<p>বই দুটি সম্পাদনা করেছেন ড. হারুনূর রশীদ, ড. মো. ইউনুস আলী, ড. রাজা উল্লাহ খান, ড. মো. আবদুর রাজ্জাক, পলাশ চন্দ্র গোস্বামী এবং মো. আবুল বাশার। অনুষ্ঠানের শেষে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন সার্ক কৃষি কেন্দ্রের সিনিয়র প্রোগ্রাম স্পেশালিস্ট (ক্রপস) ড. সিকান্দার খান তানভীর এবং সিনিয়র প্রোগ্রাম স্পেশালিস্ট (ফিশারিজ) ড. শরীফুল ইসলাম। অনুষ্ঠানটিন সার্ক কৃষি কেন্দ্রের সিনিয়র টেকনিক্যাল অফিসার ডা. এএইচএম তাসলিমা আকতার।</p>
<p> ১৪ মার্চ, শনিবার সার্ক কৃষি কেন্দ্র অমর একুশে বইমেলা ২০২৬–এ  বইমেলা প্রাঙ্গণে কৃষি উন্নয়ন ও টেকসই খাদ্যব্যবস্থা বিষয়ক বই দুটির () আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বই দুটির মোড়ক উন্মোচন করেন সেন্টার অন ইন্টিগ্রেটেড রুরাল ডেভেলপমেন্ট ফর এশিয়া অ্যান্ড দ্য প্যাসিফিক (সিরড্যাপ)–এর মহাপরিচালক ড. পি. চন্দ্র শেখারা।</p>
<p>সার্ক কৃষি কেন্দ্রের পরিচালক ড. হারুনূর রশীদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের  স্বাগত বক্তব্য দেন সার্ক কৃষি কেন্দ্রের সিনিয়র প্রোগ্রাম স্পেশালিস্ট (লাইভস্টক) ড. মো. ইউনুস আলী। তিনি বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার কৃষিখাতে বিদ্যমান সাধারণ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আঞ্চলিক জ্ঞান বিনিময় ও যৌথ গবেষণা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গবেষক ও নীতিনির্ধারকদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা গড়ে উঠলে খাদ্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা শক্তিশালী হবে এবং টেকসই কৃষি উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।</p>
<p>প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. পি. চন্দ্র শেখারা বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে কৃষি বাণিজ্য সম্প্রসারণে সমন্বিত খাদ্য নিরাপত্তা মানদণ্ড অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। এ ক্ষেত্রে নীতিগত সমন্বয় এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বাড়ানো গেলে আঞ্চলিক খাদ্যবাজারে আস্থা বাড়বে এবং গ্রামীণ অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে।</p>
<p>সভাপতির বক্তব্যে ড. হারুনূর রশীদ বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন, ভূমির অবক্ষয় এবং বাজারের অনিশ্চয়তা দক্ষিণ এশিয়ার কৃষিকে নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আগ্রোইকোলজিক্যাল পদ্ধতি এবং গবেষণাভিত্তিক নীতিমালা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যা টেকসই ও সহনশীল কৃষি-খাদ্য ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সহায়তা করবে।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/এবি/এমইউএম</strong></em></span> </p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>সামুদ্রিক ও মিঠাপানি মাছ চাষে জলবায়ুর প্রভাব নিয়ে সার্ক কৃষি কেন্দ্রের ওয়েবিনার</title>
<link>https://digibanglatech.news/170342</link>
<guid>https://digibanglatech.news/170342</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69b13a83be2e2.jpg" length="72266" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 11 Mar 2026 00:00:00 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>দক্ষিণ এশিয়ায় জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সামুদ্রিক ও মিঠাপানি মাছ চাষে উদ্ভূত সমস্যাগুলো নিয়ে ১০ মার্চ, মঙ্গলবার  একটি আঞ্চলিক ওয়েবিনার করেছে সার্ক কৃষি কেন্দ্র।</p>
<p>ভার্চুয়াল এই সভায়  অংশগ্রহণকারী বিশেষজ্ঞরা জলবায়ুর প্রভাব, অভিযোজন কৌশল এবং টেকসই মাছ চাষ ব্যবস্থাপনার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।</p>
<p>ওয়েবিনারের মূল আলোচক ছিলেন ড. সেভ্যান্ডি জয়াকোডি, চেয়ার প্রফেসর, মাছচাষ ও মৎস্যবিজ্ঞান বিভাগ, ওয়ায়াম্বা বিশ্ববিদ্যালয়, শ্রীলঙ্কা এবং ড. বি কে দাস, পরিচালক, ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব এগ্রিকালচারাল রিসার্চ – সেন্ট্রাল ইনল্যান্ড ফিশারিজ রিসার্চ ইনস্টিটিউট (ভারতীয় কৃষি গবেষণা পরিষদ – কেন্দ্রীয় মিঠাপানি মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট), বারাকপুর, ভারত। </p>
<p>ড. দাস মিঠাপানি মাছ চাষ মাছ চাষে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, নদীর প্রবাহ ও বাসস্থানের পরিবর্তন এবং টেকসই ব্যবস্থাপনার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। ড. জয়াকোডি সামুদ্রিক ও উপকূলীয় মাছ চাষে তাপমাত্রা বৃদ্ধি, তীব্র আবহাওয়া ও ঝুঁকি নিয়ে আলোচনা করেন এবং গবেষণা ও আঞ্চলিক সহযোগিতার গুরুত্বের ওপর জোর দেওয়ার কথা বলেন।</p>
<p>সার্ক কৃষি কেন্দ্রের পরিচালক ড. মো. হারুনূর রশীদ উদ্বোধনী বক্তব্যে বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার মাছ চাষ এবং জলজ পরিবেশ ক্রমেই জলবায়ুর প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। উষ্ণতা বৃদ্ধি, বন্যা, খরা এবং জলমান পরিবর্তন মাছ উৎপাদন ও লাখ লাখ মানুষের জীবিকা বিপর্যস্ত করছে। তিনি আঞ্চলিক সহযোগিতা, জ্ঞান বিনিময় ও গবেষণার মাধ্যমে জলবায়ু-সহনশীল মাছ চাষ ব্যবস্থাপনার গুরুত্ব উল্লেখ করেন।</p>
<p>ওয়েবিনারের সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন করেন ড. মো. শরীফুল ইসলাম, সিনিয়র প্রোগ্রাম বিশেষজ্ঞ (মৎস্য), সার্ক কৃষি কেন্দ্র । তিনি দক্ষিণ এশিয়ার মাছ চাষের প্রধান চ্যালেঞ্জ যেমন লবণাক্ততার বৃদ্ধি, জলবায়ু পরিবর্তন এবং জলপ্রবাহের প্যাটার্ন পরিবর্তন তুলে ধরেন।</p>
<p>সমাপনী বক্তব্যে কাঠমান্ডুর সার্ক সচিবালয়ের পরিচালক (এআরডি অ্যান্ড এসডিএফ) তানভীর আহমেদ তরফদার আঞ্চলিক সহযোগিতার ওপর জোর দিয়ে বলেন, মাছ চাষ দক্ষিণ এশিয়ার খাদ্য নিরাপত্তা, পুষ্টি ও জীবিকার জন্য গুরুত্বপূর্ণ এবং সদস্য দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানো প্রয়োজন।</p>
<p>ওয়েবিনারের শেষাংশে অংশগ্রহণকারীরা অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি করে এবং জলবায়ুর প্রভাব মোকাবিলায় আঞ্চলিক সমন্বয় ও জলবায়ু-সহনশীল মাছ চাষ ব্যবস্থাপনার গুরুত্বের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এবি/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>খামারিদের একটি ডাটাবেজ তৈরিতে গুরুত্বারোপ প্রতিমন্ত্রীর</title>
<link>https://digibanglatech.news/170188</link>
<guid>https://digibanglatech.news/170188</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69af0fad9ecd6.jpg" length="98777" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 09 Mar 2026 20:25:59 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span>ঢাকার সাভারে বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটে (বিএলআরআই) </span>দুই ব্যাচে মহিষ পালনের ওপর প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা ১০০ জন খামারি ও উদ্যোক্তা। প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে বিএলআরআই উদ্ভাবিত আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, মহিষের খাদ্য ও পুষ্টি ব্যবস্থাপনা, রোগ নিয়ন্ত্রণ, উন্নত প্রজনন এবং খামারের বর্জ্য ব্যবস্থাপনাসহ বিভিন্ন বিষয়ে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। </p>
<p>৯ মার্চ, <span>সোমবার বিকেলে ‘বাণিজ্যিকভাবে মহিষ পালনে উদ্যোক্তা উদ্বুদ্ধকরণ’ শীর্ষক এই প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, </span>“প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত খামারিদের একটি ডাটাবেজ তৈরি করা হলে ভবিষ্যতে তাদের বিভিন্ন সরকারি সহায়তা দেওয়া সহজ হবে এবং খামারের পরিধি বাড়িয়ে তারা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারবেন”। </p>
<p>তিনি বলেন, “গবেষণা কার্যক্রম জোরদার করা এবং এ খাতে পর্যাপ্ত বাজেট নিশ্চিত করা প্রয়োজন, যাতে প্রাণিসম্পদ খাতের উৎপাদনশীলতা আরও বৃদ্ধি পায়”।</p>
<p>মন্ত্রী জানান, নির্বাচনি অঙ্গীকার অনুযায়ী দেশের প্রান্তিক খামারি ও উদ্যোক্তাদের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং প্রাণিসম্পদ খাতের সার্বিক উন্নয়নে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে।</p>
<p>খামারিদের সরকারি সহায়তার বিষয়ে তিনি আরও বলেন, “গরুর তুলনায় মহিষ দুধ উৎপাদনে অধিক সক্ষম হওয়ায় মহিষের সংখ্যা ও খামারি বাড়াতে হবে এবং এ বিষয়ে মানুষের আগ্রহ বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। কৃষি ও প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়ন এবং খামারিদের সহায়তা দিতে সরকার ইতোমধ্যে কৃষক ও খামারিদের মধ্যে ‘ফার্মার্স কার্ড’ বিতরণের কার্যক্রম শুরু করছে।</p>
<p>প্রতিমন্ত্রী বলেন, “সরকার নিরাপদ ও মানসম্মত প্রাণিখাদ্য উৎপাদন ও সরবরাহ নিশ্চিত করা, উপজেলা পর্যায়ে খামারিদের প্রশিক্ষণ, প্রয়োজনীয় ওষুধ ও মানসম্মত চিকিৎসা সেবা দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। পোলট্রি ও ডেইরি খাতের প্রবৃদ্ধি বাড়িয়ে প্রোটিনসমৃদ্ধ খাদ্য গ্রামাঞ্চলের মানুষের কাছে সহজলভ্য করা এবং এ খাতকে একটি শিল্পে পরিণত করাই সরকারের লক্ষ্য। নারী উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করা এবং ভ্যাকসিন কর্মসূচি জোরদারের মাধ্যমে প্রান্তিক খামারিদের সক্ষমতা বাড়াতে কাজ করছে সরকার”।</p>
<p>তিনি আরও বলেন “প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোতে দুধ উৎপাদনের একটি বড় উৎস মহিষ হলেও বাংলাদেশে এ খাতে এখনো পিছিয়ে আছে। তাই উন্নত জাতের মহিষ সংগ্রহ, বাছুর খামারিদের মধ্যে বিতরণ এবং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে মহিষ পালন সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে”।</p>
<div dir="auto">অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইন্সটিটিউটের মহাপরিচালক ড. শাকিলা ফারুক।</div>
<p><span>এর আগে প্রতিমন্ত্রী ইনস্টিটিউটের বিভিন্ন গবেষণা কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। এ সময় এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, “দেশে মহিষ পালন ও উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে দুধ ও মাংস উৎপাদনের নতুন সম্ভাবনা তৈরি করা সম্ভব। </span></p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/বিপিও/ইকে</strong></span></em></p>
<div></div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বেপজায় হাইড্রোপনিক্স টেন্ট উৎপাদনে ৩০.৫ মিলিয়ন ডলারের চুক্তি সই</title>
<link>https://digibanglatech.news/169292</link>
<guid>https://digibanglatech.news/169292</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69a5287fe8f1f.jpg" length="89215" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 02 Mar 2026 00:00:11 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-block-key="zmy2t">বাংলাদেশে উৎপাদিত হতে যাচ্ছে মাটিবিহীন চাষাবাদের জন্য বিশেষায়িত বহনযোগ্য কাঠামো গ্রিনহাউস হাইড্রোপনিক্স টেন্ট। এজন্য ৩০ দশমিক ৪৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করছে চীন (হংকং)-ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান গ্রিন পিউর হাউসওয়্যার (বিডি) কোম্পানি লিমিটেড। এই অর্থে গ্রিনহাউস হাইড্রোপনিক্স টেন্ট নির্মাণ ছাড়াও ইভিএ ক্যাবিনেট ম্যাট, কার্টন এবং পিই প্যাকেজিং ফিল্মও উৎপাদন করা হবে।</p>
<p data-block-key="zmy2t">এ লক্ষ্যেই বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষের (বেপজা) সঙ্গে একটি ভূমি ইজারা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে গ্রিন পিউর হাউসওয়্যার (বিডি)। বেপজার নির্বাহী চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মোহাম্মদ মোয়াজ্জেম হোসেনের উপস্থিতিতে ঢাকায় বেপজা কমপ্লেক্সে ১ মার্চ, রবিবার এই চুক্তিটি সম্পাদিত হয়েছে। </p>
<div class="text-lg lg:text-[19px] leading-[1.7] text-[#000000] mb-8 story-details">
<div class="block-full_richtext">
<p data-block-key="1h5ib">বেপজার পক্ষে নির্বাহী পরিচালক (বিনিয়োগ উন্নয়ন) মো. তানভীর হোসেন এবং গ্রিন পিউর হাউজওয়্যার (বিডি) কোম্পানি লিমিটেডের পক্ষে এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওয়াং শেনিউ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।</p>
<p data-block-key="5hv8m">এসময় প্রতিষ্ঠানটিকে স্বাগত জানিয়ে বেপজার নির্বাহী চেয়ারম্যান ব্যবসা পরিচালনার ক্ষেত্রে সব ধরনের সহায়তা এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ প্রদানে বেপজার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।</p>
<p data-block-key="aa03l">চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বেপজার সদস্য (প্রকৌশল) আবদুল্লাহ আল মামুন, সদস্য (অর্থ) আ ন ম ফয়জুল হক, নির্বাহী পরিচালক (জনসংযোগ) এ.এস.এম. আনোয়ার পারভেজসহ বেপজার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং প্রতিষ্ঠানটির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। </p>
<p data-block-key="aa03l">জানাগেছে, হাইড্রোপনিক্স টেন্ট একটি নন-ট্র্যাডিশনাল ও উচ্চমূল্য সংযোজনকারী রপ্তানি পণ্য, যা পণ্য বহুমুখীকরণ ও বিশেষায়িত বৈশ্বিক বাজারে প্রবেশে বেপজার কৌশলগত লক্ষ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। উৎপাদিত পণ্যগুলো যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ, যুক্তরাজ্য, কানাডা ও জাপানসহ বিভিন্ন দেশে রপ্তানি করা হবে। প্রতিষ্ঠানটিতে প্রায় তিন হাজার বাংলাদেশি নাগরিকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।</p>
<p data-block-key="aa03l"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/ডিএডি/ইকে </strong></span></em></p>
</div>
</div>
<p data-block-key="zmy2t"></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>কৃষি ঋণে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত সুদ মওকুফের প্রস্তাব অনুমোদন</title>
<link>https://digibanglatech.news/168890</link>
<guid>https://digibanglatech.news/168890</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_69a0199717f43.jpg" length="121355" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 26 Feb 2026 15:00:37 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত সুদসহ কৃষি ঋণ মওকুফের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে। নির্বাচনী ইশতেহার ২০২৬ অনুযায়ী কৃষি, মৎস্য খাতে এই ছাড় দিলো সরকার।</p>
<p>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে ২৫ ফেব্রুয়ারি, বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে মন্ত্রিসভা বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর আগেও বেগম খালেদা জিয়ার শাসনামলে ৫ টাকা পর্যন্ত সুদসহ কৃষি ঋণ মওকুফ করা হয়েছিল।</p>
<p>বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, সরকারি, বেসরকারি ও বিশেষায়িত ব্যাংকের মাধ্যমে কৃষকদের কাছে বিতরণ করা প্রায় ১,৫৫০ কোটি টাকার ঋণ এ মওকুফ কর্মসূচির আওতায় আসবে। এতে আনুমানিক ১২ লাখ কৃষক প্রত্যক্ষভাবে উপকৃত হবেন বলে আশা করা হচ্ছে।</p>
<p>সরকারের দাবি, এ সিদ্ধান্তের ফলে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকরা ঋণের দায় থেকে মুক্ত হয়ে উৎপাদনমুখী কর্মকাণ্ডে আরও মনোযোগ দিতে পারবেন। ঋণের কিস্তিতে যে অর্থ ব্যয় হতো, তা উন্নতমানের বীজ ও আধুনিক প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ করা সম্ভব হবে। পাশাপাশি কৃষকদের ক্রেডিট রেকর্ড উন্নত হবে, ফলে ভবিষ্যতে স্বল্পসুদে ব্যাংক ঋণ গ্রহণ সহজ হবে।</p>
<p>এছাড়া ঋণের বোঝা কমলে কৃষকরা পরবর্তী মৌসুমে নতুন উদ্যমে চাষাবাদ শুরু করতে পারবেন। এতে জাতীয় কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে এবং আমদানিনির্ভরতা কমবে বলে সরকার আশা করছে।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/এসএইচ/ইকে</strong></em></span></p>
<p></p>
<p></p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>কৃষকদের জীবনমান উন্নয়নে প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারে হবে কৃষি কার্ড</title>
<link>https://digibanglatech.news/168500</link>
<guid>https://digibanglatech.news/168500</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_699c11b5786fb.jpg" length="109500" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 23 Feb 2026 13:09:06 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>কৃষকদের জীবনমান উন্নয়নে এবং কৃষি প্রণোদনা বিতরণ প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ ও আধুনিক করার লক্ষ্যে প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে  কৃষি কার্ড চালুর করা হচ্ছে। এ নিয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলনকক্ষে বৈঠক করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।</p>
<p>প্রধান অতিথির সভাপতিত্বে  ২৩ ফেব্রুয়ারি,  সোমবার দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে  ‘কৃষক কার্ড’ চালু সংক্রান্ত সভায় দেশের প্রান্তিক কৃষকদের সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো এবং কৃষি প্রণোদনা বিতরণ প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ ও আধুনিক করার লক্ষ্যে এই কার্ড চালুর বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।</p>
<article>
<p>বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, প্রকৃত কৃষকদের শনাক্তকরণ এবং তাদের কাছে সরাসরি সরকারি সেবা পৌঁছে দেওয়ার ওপর জোর দেন প্রধানমন্ত্রী।</p>
</article>
<article>দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি কৃষি। তাই কৃষকদের জীবনমান উন্নয়নে প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমিয়ে কৃষকরা যাতে ন্যায্য পাওনা ও সরকারি ভর্তুকি সহজে পান, তা নিশ্চিত করতেই এই স্মার্ট কার্ড ব্যবস্থা চালু করা হচ্ছে।
<p>সভায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।</p>
</article>
<article>এ সময় তারা কৃষক কার্ডের কারিগরি দিক, বিতরণ পদ্ধতি এবং ডাটাবেজ তৈরির অগ্রগতি প্রধানমন্ত্রীর সামনে তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রী দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই কার্যক্রম মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় দিক-নির্দেশনা দেন।</article>
<article><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/আইএইচ/ইকে</strong></em></span></article>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>১ মার্চের মধ্যে উপজেলা নির্বাহীদের হালনাগাদ তথ্য দিতে হবে গুগল ফর্মে</title>
<link>https://digibanglatech.news/168466</link>
<guid>https://digibanglatech.news/168466</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_699bd6f3a4da5.jpg" length="120713" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 23 Feb 2026 01:26:46 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span> ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের প্রতিশ্রুতিঅনুযায়ী, আগামী ৫ বছরে দেশজুড়ে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে বিএনপি সরকার। এজন্য সরকার গঠনের পরেই সত্তরের দশকে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শুরু করা খাল কাটা কর্মসূচি আবার ফিরিয়ে আনতে এবার প্রযুক্তির ব্যবহার করা হচ্ছে। একক কোনো মন্ত্রণালয়ের ওপর দায়িত্ব না দিয়ে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়, কৃষি মন্ত্রণালয় এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় সমন্বিত ভাবে এই উদ্যোগ বাস্তাবায়ন শুরু করছে। </span></p>
<p><span>এদিকে অগ্রাধিকার ভিত্তিক এই</span> পরিকল্পনা বাস্তবায়নে২২ ফেব্রুয়ারি, রবিবার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে একটি জরুরি পরিপত্র জারি করা হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের ত্রাণ কর্মসূচি-২ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব শাহ মো. শামসুজ্জোহা স্বাক্ষরিত এই চিঠিতে প্রতিটি উপজেলা থেকে খননযোগ্য খালের হালনাগাদ তথ্য চাওয়া হয়েছে। চিঠিতে সারাদেশের প্রতিটি উপজেলা থেকে সর্বাধিক জনগুরুত্বপূর্ণ এবং আইনি জটিলতামুক্ত, নিষ্কণ্টক, অন্তত ২টি খালের তথ্য পাঠাতে বলা হয়েছে। এক্ষেত্রে তথ্যের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসনের হার্ডকপির পরিবর্তে সরাসরি গুগল ফর্মের মাধ্যমে তথ্য জমা দিতে বলা হয়েছে।</p>
<p>চলতি বছরের ১ মার্চের মধ্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের এই তথ্য পাঠানোর সময় সীমা বেধে দেয়া হয়েছে চিঠিতে। সেখানে শুধু খনন নয়, খালের দুই পাড়ে পরিকল্পিতভাবে বৃক্ষরোপণ করার পরিকল্পনাও উল্লেখ রয়েছে। </p>
<p>একইভাবে <span>কৃষি মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে দেওয়া নির্দেশনা অনুযায়ী ইতোমধ্যে খননযোগ্য খালের তালিকা তৈরি করে পাঠানো শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে। আর সরকারি বাজেটের টিআর, কাবিখা-কাবিটা এবং ইজিপিপি, ইজি পিপি, প্রকল্পের আওতায় এই খননকাজ পরিচালনা করার উদ্যোগ নিয়েছে  দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা অনুযায়ী, এই উদ্যোগের মাধ্যমে গ্রামীণ জনপদে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং স্থানীয় কৃষকরা সরাসরি উপকৃত হবেন।  </span></p>
<p><span>সূত্রমতে, খালখননের এসব কার্যক্রমে সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করবে সরকার। একইসঙ্গে খননকৃত খাল ও রোপিত গাছের সংখ্যা নিরুপণ ও দেখভালেও ব্যবহৃত হবে এআই প্রযুক্তি। আর পুরোকার্যক্রমই দৃশ্যমান করা হবে জিওলোকেশন ম্যাপিংয়ের মাধ্যমে। গুগল আর্থ থেকে নগারিকরা এই কার্যক্রম দেখতে পারবেন বলেও নির্বাচনী ইশতেহার নিয়ে দেয়া এক বক্তব্যে জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। </span></p>
<p><span>প্রসঙ্গত, </span><span> </span>গত ১৯ ফেব্রুয়ারি, বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে খাল কাটা কর্মসূচির বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠক শেষে পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি সাংবাদিকদের জানান, শহীদ জিয়ার সময় খাল কাটা কর্মসূচি একটি বিপ্লবে পরিণত হয়েছিল। দীর্ঘ সময় সংস্কার না হওয়ায় দেশের খালগুলো নাব্যতা হারিয়েছে, যার ফলে কৃষকরা সেচ সংকটে ভুগছেন এবং বর্ষায় জলাবদ্ধতা তৈরি হচ্ছে। তা দূর করতেই প্রণীত নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী খালকাটা কর্মসূচিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। <span>আগামী ১৮০ দিনের, অর্থাৎ ৬ মাসের মধ্যে খাল কাটার কার্যক্রম দৃশ্যমান করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। </span></p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/বিইউডিএম/এমইউএম</strong></span></em></p>
<div class="my-2.5 no-print"></div>
<p><span> </span></p>
<p><span></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>মাটির উর্বরতা হ্রাসে  বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণ করবে সরকার</title>
<link>https://digibanglatech.news/168196</link>
<guid>https://digibanglatech.news/168196</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_699867e190d07.jpg" length="95203" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 20 Feb 2026 16:56:11 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span>কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণ এবং কৃষকের ন্যায্যমূল্য প্রাপ্তি—এই তিনটি বিষয়কে সামনে রেখে কাজ শুরু করছে নতুন সরকার। এক্ষেত্রে </span>মাটির উর্বরতা হ্রাস সমস্যা মোকাবেলায় বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন কৃষি, খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন। </p>
<p>তিনি বলেছেন, <span>কৃষি জমিতে হেভি মেটালের মাত্রা বৃদ্ধির ফলে উর্বরতা হ্রাস পাচ্ছে, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। এ সমস্যা মোকাবিলায় বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে। </span></p>
<p>২০ ফেব্রুয়ারি, শুক্রবার কুমিল্লা সার্কিট হাউজে কুমিল্লা জেলা প্রশাসন আয়োজিত কৃষি, খাদ্য ও মৎস্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন মন্ত্রী। এসময় টেকসই কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে মাটি পরীক্ষা, পরিবেশবান্ধব চাষাবাদ এবং জৈব উৎপাদন বাড়ানোর ওপর জোর দেন হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন।</p>
<p>নিরাপদ খাদ্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, দেশের পুষ্টি চাহিদা পূরণ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। এ খাতের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, রোগ নিয়ন্ত্রণ, মানসম্মত খাদ্য উৎপাদন এবং রপ্তানি সম্ভাবনা বাড়াতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করতে হবে।</p>
<p>তিনি বলেন, দেশের প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ কৃষির সঙ্গে সম্পৃক্ত। এই বাস্তবতায় কৃষি খাতের টেকসই উন্নয়ন ছাড়া জাতীয় অর্থনীতির ভিত মজবুত করা সম্ভব নয়; কৃষি খাত শক্তিশালী হলেই মজবুত হবে জাতীয় অর্থনীতি।কৃষক ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কল্যাণ নিশ্চিত করাই সরকারের অগ্রাধিকার আর মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সক্রিয় সহযোগিতাই এ লক্ষ্য অর্জনের প্রধান শর্ত।</p>
<p>মন্ত্রী আরও বলেন, কৃষি সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোকে সমন্বিত কাঠামোর আওতায় এনে কাজ করার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। তিনি ব্যক্তিগতভাবে দীর্ঘ তিন দশক ধরে কৃষির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে বলেন, কৃষির সম্ভাবনা কাজে লাগাতে হলে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের দায়িত্বশীল ও আন্তরিক হতে হবে। তিনি বলেন, আপনারা দায়িত্ব যত গুরুত্ব দিয়ে পালন করবেন, দেশের উন্নয়ন তত দ্রুত এগিয়ে যাবে।</p>
<p>জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান এর সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আব্দুর রউফ, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. আবু সুফিয়ান, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক শামসুল আলম, চট্টগ্রাম আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রণ দপ্তরের পরিচালক এস এম কায়সার আলীসহ বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তারা।</p>
<p>মতবিনিময় সভায় বক্তারা কৃষি, খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের চলমান কার্যক্রম, সেবার মানোন্নয়ন এবং মাঠপর্যায়ের চ্যালেঞ্জ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। পাশাপাশি বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনার বিষয় তুলে ধরে তা সমাধানে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/ডিপিএএ/এমইউএম</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>রমজানে ১০ লাখ পরিবারকে সুলভ মূল্যে প্রোটিন খাদ্য দেবে সরকার</title>
<link>https://digibanglatech.news/168074</link>
<guid>https://digibanglatech.news/168074</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_6996f5e08d6aa.jpg" length="347945" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 19 Feb 2026 13:03:37 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ, কৃষি এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, “রমজান মাস উপলক্ষে নিম্নআয়ের মানুষের জন্য সুলভ মূল্যে প্রোটিনসমৃদ্ধ খাদ্য সরবরাহের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এই কর্মসূচির আওতায় সারাদেশে প্রায় ১০ লাখ পরিবারকে দুধ, ডিম, মাংস ও মাছ সরবরাহ করা হবে।” </p>
<p>ভবিষ্যতে এই কর্মসূচি আরো সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান তিনি।</p>
<p> ১৯ ফেব্রুয়ারি, বৃহস্পতিবার  রাজধানীর প্রাণিসম্পদ গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সম্মেলন কক্ষে রমজান মাসে সুলভ মূল্যে দুধ, ডিম ও মাংস বিক্রয় কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমনটাই জানান মন্ত্রী।</p>
<p>সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, “প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে জনগণের কল্যাণে কাজ করার যে অঙ্গীকার সরকার করেছে, তারই ধারাবাহিকতায় এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এ কর্মসূচির ফলে বাজারে মূল্য স্থিতিশীল রাখতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে এবং সাধারণ ভোক্তারাও উপকৃত হবেন।”</p>
<p>তিনি আরো বলেন, “রমজান মাসে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়িয়ে দেয়, যার ফলে নিম্নআয়ের মানুষের ভোগান্তি বাড়ে। সরকারের এ উদ্যোগ সেই কষ্ট লাঘবে সহায়ক হবে।”</p>
<p>সরকারের নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষি কার্ড ও হেলথ কার্ড চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সততা, নিষ্ঠা ও সমন্বিত টিমওয়ার্কের কোনো বিকল্প নেই। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান জনগণের কল্যাণে কাজ করে মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন। একইভাবে বেগম খালেদা জিয়া গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আপসহীন ভূমিকা রেখেছেন।”</p>
<p>অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. আবু সুফিয়ান। বিশেষ অতিথি ছিলেন- মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মুহাম্মদ জাবের, বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিলের সভাপতি মশিউর রহমান এবং বাংলাদেশ ক্যাটল অ্যান্ড ফ্যাটেনিং ফার্মার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন। এছাড়াও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/এসএইচ/ইকে</strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>কৃষির উন্নয়ন হলে অর্থনীতি হবে স্থিতিশীল: কৃষি মন্ত্রী</title>
<link>https://digibanglatech.news/168005</link>
<guid>https://digibanglatech.news/168005</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_69965dba75c3e.jpg" length="108853" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 18 Feb 2026 16:49:13 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span>কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এই তিনটি খাত দেশের অর্থনীতির মূলভিত্তি। সমন্বিত পরিকল্পনা ও কার্যকর বাস্তবায়নের মাধ্যমে এ খাতগুলোর উন্নয়নের মাধ্যমে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি আরও শক্তিশালী এবং টেকসই করতে চান কৃষি, খাদ্য এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। </span></p>
<p><span>১৯ ফেব্রুয়ারি, বুধবার </span>দুপুরে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এমন প্রত্যাশার কথা জানান তিনি। এ সময় প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকুও উপস্থিত ছিলেন। এসময় নতুনমন্ত্রীর সঙ্গে মন্ত্রণালয়, বিভিন্ন অধিদপ্তর ও দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পরিচয় করিয়ে দেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মুহাম্মদ জাবের। </p>
<p>উপস্থিত কর্মকর্তাদের উদ্দেশে সচিবালয়ে নিজের প্রথম কার্য দিবসে কৃষিমন্ত্রী আমিন উর রশিদ বলেন, ‘কৃষি উন্নয়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বিশ্বাস করেন, দেশে কৃষির উন্নয়ন হলে প্রধান অর্থনীতি স্থিতিশীল হবে। বিশ্বের অনেক দেশ বছরের ছয় থেকে আট মাস বরফে আচ্ছাদিত থাকে। তবু তারা উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। অথচ বাংলাদেশ এমন একটি দেশ, যেখানে ১২ মাস ফসল উৎপাদনের সুযোগ রয়েছে। অনুকূল আবহাওয়া ও উর্বর জমি আমাদের বড় সম্পদ। বাংলাদেশকে সেরা ও সুন্দর রাষ্ট্রে পরিণত করতে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।’</p>
<p>মন্ত্রী বলেন, ‘মাছ ও ভাত বাঙালির খাদ্যসংস্কৃতির সঙ্গে অবিচ্ছেদ্যভাবে জড়িত। পৃথিবীর যেখানেই বাঙালি যান না কেন, তিনি ভাত ও মাছের স্বাদ খোঁজেন। এটি আমাদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের অংশ। সংশ্লিষ্ট সব অভিজ্ঞ কর্মকর্তা ও বিশেষজ্ঞদের সমন্বিত প্রচেষ্টায় বাংলাদেশকে কৃষি উৎপাদনে বিশ্বে একটি মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানে পৌঁছে দিতে হবে। সরকার জনকল্যাণে আন্তরিক। জনগণের প্রত্যাশা পূরণে আমরা দায়িত্ব পালন করছি। দেশের আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক সম্পদকে কাজে লাগিয়ে কৃষিপণ্য রপ্তানির বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে।’</p>
<p>তিনি আরও বলেন, সরকার সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে প্রস্তুত। তবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আন্তরিক সহযোগিতা ছাড়া কাক্সিক্ষত সাফল্য অর্জন সম্ভব নয়। দুর্নীতিমুক্ত ও পেশাদারিত্বপূর্ণ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করে সম্মিলিতভাবে কাজ করলে ইতিহাস সৃষ্টি করা সম্ভব হবে।</p>
<div class="">
<p>কৃষি, খাদ্য এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। জনগণের প্রত্যাশা অনেক বেশি। অতীতে রাষ্ট্র পরিচালনায় যে সীমাবদ্ধতা ছিল, তা থেকে শিক্ষা নিয়ে বর্তমান সরকার সর্বোচ্চ সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।</p>
<div class="">
<div>
<p>তিনি আরও বলেন, দেশের খাল-বিল, নদী-নালা, জলাশয়গুলো মৎস্যসম্পদের মূল ভা-ার। কিন্তু বিভিন্ন কারণে অনেক জলাশয় ভরাট ও দখল হয়ে গেছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এসব জলাশয় চিহ্নিত করে পুনরুদ্ধার ও সংরক্ষণের উদ্যোগ নিতে হবে।</p>
<p>প্রতিমন্ত্রী বলেন, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করলে মন্ত্রণালয় থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা দেওয়া হবে। পারস্পরিক বোঝাপড়া ও সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই কাক্সিক্ষত উন্নয়ন সম্ভব। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে খাতভিত্তিক বৈঠকের মাধ্যমে বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হবে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীও কৃষি উন্নয়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেন এবং বিশ্বাস করেন যে কৃষির উন্নয়নই টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির প্রধান চালিকাশক্তি।</p>
</div>
</div>
</div>
<div class="social_share_holder">
<div class="social_shares roundicons do_not_print" data-show="copy,facebook,messenger,twitter,viber,whatsapp,linkedin,pinterest,print" data-hide=""><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/ডিআর/ইকে</strong></span></em></div>
</div>
<div class="google-auto-placed ap_container"></div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>দেশের শস্য ভাণ্ডারে যুক্ত হলো ছয়টি নতুন ধানের জাত</title>
<link>https://digibanglatech.news/166521</link>
<guid>https://digibanglatech.news/166521</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_69857b3278566.jpg" length="75711" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 06 Feb 2026 00:03:27 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>দেশের শস্য ভাণ্ডারে দুটি হাইব্রিডসহ আরও ছয়টি নতুন ধানের জাত যুক্ত হয়েছে। উদ্ভাবিত জাতগুলোর মধ্যে একটি ভিটামিন-ই সমৃদ্ধ, একটি লবণাক্ততা সহনশীল, একটি ব্লাস্ট রোগ প্রতিরোধী, একটি হাওরাঞ্চলের উপযোগী ও ঠান্ডা সহনশীল এবং দুটি লজিং টলারেন্ট বা ঢলে পড়া প্রতিরোধী হাইব্রিড জাত।</p>
<p>সর্বশেষে ৬টি নতুন জাতসহ ব্রি উদ্ভাবিত জাতের সংখ্যা দাঁড়ালো ১২৭টিতে।</p>
<p>নতুন অবমুক্ত হওয়া ব্রি ১১৫ একটি ভিটামিন-ই এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ জাত। এটি বাংলাদেশের প্রথম উচ্চ ফলনশীল কালো চালের ধান। গড় ফলন হেক্টর প্রতি ৭ দশমিক ৪ টন এবং জীবনকাল ১৩৭-১৪২ দিন। ধানের দানা কালো এবং গাছ লম্বা ও চিকন। ১০০০ ধানের ওজন প্রায় ১৭ দশমিক ৮ গ্রাম। ভিটামিন-ই এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যথাক্রমে ১৪ দশমিক ৯৮ মিলিগ্রাম/কেজি এবং ৫৩৬ দশমিক ৬১ ইউএম প্রতি ১০০ গ্রামে।</p>
<div>
<p>ব্রি ১১৬ বোরো মৌসুমের উচ্চ ফলনশীল নাবি জাত। গড় জীবনকাল ১৫৪ দিন। দশটি অঞ্চলে ব্রি ৯২-এর চেয়ে ১৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ বেশি ফলন দিয়েছে। হেক্টরে গড় ফলন ৮ দশমিক ৫৯ টন, উপযুক্ত পরিবেশে ১০ দশমিক ৩৬ টন পর্যন্ত ফলন সম্ভব।</p>
<p>ব্রি ১১৭ স্বল্প জীবনকালীন, লবণাক্ততা সহনশীল ও ব্লাস্ট রোগ প্রতিরোধী জাত। গড় ফলন হেক্টর প্রতি ৮ দশমিক ৬ টন, উপযুক্ত পরিচর্যায় ৯ দশমিক ৯০ টন। ধানের দানা সোনালী, জীবনকাল ১২৯-১৩৫ দিন। অ্যামাইলোজ ২৪ দশমিক ২ শতাংশ, প্রোটিন ৯ দশমিক ৩ শতাংশ।</p>
<p>ব্রি ১১৮ হাওরাঞ্চলের উপযোগী ঠান্ডা সহনশীল জাত। বপন অক্টোবরের শেষ সপ্তাহেও ধান চিটা হবে না। স্বাভাবিক সময়ে ৬ দশমিক ৯-৮ দশমিক ৫ টন ফলন সম্ভব। অ্যামাইলোজ ২৮ দশমিক ৩ শতাংশ, প্রোটিন ৯ দশমিক ১ শতাংশ। দশটি অঞ্চলে ব্রি ধান-২৮-এর চেয়ে ২২ দশমিক ৮৩ শতাংশ বেশি ফলন দিয়েছে।</p>
<p>ব্রি হাইব্রিড ধান ৯ ও ১০ লজিং টলারেন্ট। ঢলে পড়া প্রতিরোধী এবং মাঝারি মাত্রায় লবণাক্ততা সহনশীল। চারা থেকে পরিপক্ব অবধি ৪-৮ ডিএস লবণ সহ্য করতে পারে। কৃষকের মাঠে স্বাভাবিক অবস্থায় ৯ দশমিক ৫-১০ দশমিক ৫ এবং ৯ দশমিক ৭-১০ দশমিক ৭ টন পর্যন্ত ফলন দেয়।</p>
<p>কৃষি মন্ত্রণালয়ে ৫ ফেব্রুয়ারি, বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত জাতীয় বীজ বোর্ডের ১১৫তম সভায় বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) উদ্ভাবিত এই ছয়টি উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত সারাদেশে চাষাবাদের জন্য অবমুক্ত করা হয়।</p>
<p>সভায় কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোহাম্মদ এমদাদ উল্লাহ মিয়ান সভাপতিত্ব করেন। ব্রি মহাপরিচালক ড. মোহাম্মদ খালেকুজ্জামানসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>এসময় জানানো হয়, নতুন উদ্ভাবিত জাতগুলোসহ ব্রি’র ৩৯টি জাত বিভিন্ন বৈরী পরিবেশ সহনশীল। ব্রি উদ্ভাবিত জাত ও প্রযুক্তি মাঠ পর্যায়ে কৃষকের দোরগোড়ায় পৌঁছানোর ফলে বাংলাদেশ ধান উৎপাদনে বিশ্বের তৃতীয় স্থানে রয়েছে। স্বাধীনতার আগে ১৯৭১ সালে মাথাপিছু জমির পরিমাণ ২০ শতাংশ, এখন ১০ শতাংশে নেমে এসেছে। একই সময়ে জনসংখ্যা আড়াই গুণ বেড়েছে, কিন্তু খাদ্য উৎপাদন প্রায় ৪ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।</p>
</div>
<div><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/বিটিএন/এসএম</strong></span></em></div>
<div class="BT_inner_A1_C2 aligncenter w100p pt10 pb10">
<div class="300adWnC">
<div id="BT_inner_A1_C2" data-google-query-id="CIOkhoqNxJIDFRqgZgIdP8URfw"></div>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>যবিপ্রবিতে দুই দিনব্যাপী লাইফটেক&#45;২০২৬ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত</title>
<link>https://digibanglatech.news/164294</link>
<guid>https://digibanglatech.news/164294</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_696b7212ab485.jpg" length="120362" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 17 Jan 2026 15:27:49 +0600</pubDate>
<dc:creator>ক্যাম্পাস করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="MsoNormal"><span>মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আক্তার বলেছেন, বিশ্বব্যাপী খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিজ্ঞান, স্বাস্থ্য ও প্রযুক্তির সমন্বিত কাজ অপরিহার্য। টেকসই উন্নয়ন, খাদ্য নিরাপত্তা ও পুষ্টি নিশ্চিত করতে বিজ্ঞানভিত্তিক গবেষণার কোনো বিকল্প নেই। তিনি বলেন, আধুনিক প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনী গবেষণার মাধ্যমে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতকে আরও শক্তিশালী করতে হবে।</span></p>
<p class="MsoNormal"><span>১৭ জানুয়ারি, শনিবার সকালে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) জীববিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদের আয়োজনে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম একাডেমিক ভবনের অধ্যাপক মোহাম্মদ শরিফ হোসেন গ্যালারিতে “লাইফ সাইন্স, হেলথ অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি (লাইফটেক-২০২৬)” শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আক্তার এসব কথা বলেন। লাইফ সায়েন্স, হেলথ ও বায়োটেকনোলজি সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক গবেষণা ও উদ্ভাবনী ধারাগুলোকে একত্রিত করা ও বৈজ্ঞানিক জ্ঞানের উন্নয়ন সাধন এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনের উদ্দেশ্য। দুই দিনব্যাপী এ আন্তর্জাতিক কনফারেন্সে দেশ ও বিদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে। কনফারেন্সে জীববিজ্ঞান, স্বাস্থ্য ও বায়োটেকনোলজি বিষয়ক গবেষণাপত্র উপস্থাপন, পোস্টার প্রেজেন্টেশন এবং বৈজ্ঞানিক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।</span></p>
<p class="MsoNormal"><span>মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আক্তার প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গবেষণার মান উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক মানের করতে এধরনের কনফারেন্স ও সেমিনারের কোনো বিকল্প নেই। তিনি বলেন, বাংলাদেশ হলো মাছে ভাতে বাঙালির দেশ। এই দেশ মাছ উৎপাদন ও রপ্তানিতে অনেক এগিয়ে। মাছ শুধু প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবারই নয় মাছে রয়েছে ত্বকের জন্য বিশেষ উপাদান যা আমাদের ত্বককে ভালো রাখে। দক্ষিণাঞ্চলকে বলা হয় মাছের অভয়ারণ্য। বিভিন্ন প্রজাতির মাছ চাষে এই অঞ্চলের চাষিরা তাদের ধারাবাহিক সফলতা বজায় রেখে চলেছে। এই ধারাকে আরও বেগবান করতে ইতোমধ্যে অনেক কার্যকরী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। আশা করি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রিক গবেষণা এই ধারায় আরও নতুন মাত্রা যোগ করবে।</span></p>
<p class="MsoNormal"><span>কনফারেন্সের প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে যবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আব্দুল মজিদ জীববিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদের সফলতা তুলে ধরে বলেন, এই অনুষদ শুধু গবেষণায় এগিয়ে নয়, আধুনিক গবেষণাকে কাজে লাগিয়ে খুলনা অঞ্চলের মৎস্য চাষী থেকে শুরু করে ফুল চাষীদের জন্য নতুন মাত্রা যোগ করেছে। তিনি আরও বলেন, যবিপ্রবিতে এধরনের আন্তর্জাতিক সম্মেলন শিক্ষার্থী ও গবেষকদের জন্য জ্ঞান বিনিময়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্লাটফর্ম। এতে দেশি-বিদেশি গবেষকদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা প্রীতি বাড়বে।  </span></p>
<p class="MsoNormal"><span>কনফারেন্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন কনফারেন্সের সম্মানিত অতিথি ও এশিয়ান ফেডারেশন অব বায়োটেকনোলজির ভাইস প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ড. এম মোজাম্মেল হক। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ, খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নাজমুল আহসান, যবিপ্রবির কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. হোসেন আল মামুন, কনফারেন্সের আহবায়ক ও জীববিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. সিরাজুল ইসলাম, কনফারেন্সের অরগানাইজিং সেক্রেটারি অধ্যাপক. ড. মো. আমিনুর রহমান। এছাড়াও কনফারেন্সে দেশি-বিদেশি গবেষক ও আলোচকসহ যবিপ্রবির বিভিন্ন অনুষদের ডিনবৃন্দ, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন যবিপ্রবির জীববিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদের শিক্ষার্থী সাজ্জাদ হোসেন রুপম ও শান্তা সেন।</span></p>
<p class="MsoNormal"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এমএনএইচ/এএম</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>দেশের প্রথম অ্যাগ্রোইকোফিজিওলজি ল্যাবরেটরির উদ্বোধন</title>
<link>https://digibanglatech.news/163702</link>
<guid>https://digibanglatech.news/163702</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_6963e2434696e.jpg" length="64942" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 11 Jan 2026 18:52:57 +0600</pubDate>
<dc:creator>ক্যাম্পাস করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<article>
<p>জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় মাটির স্বাস্থ্য উন্নত করে টেকসই কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তোলার মাধ্যমে নিরাপদ ও পুষ্টিসম্মত খাদ্য উৎপাদনে দেশে প্রথম বারের মতো স্থাপিত হলো অ্যাগ্রোইকোফিজিওলজি ল্যাবরেটরি। পল্লী কর্মসহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ) আর্থিক সহায়তায় শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের এগ্রিকালচারাল বোটানি বিভাগে ল্যাবটি স্থাপন করেছে ওয়েভ ফাউন্ডেশন।</p>
<p>রাজধানীর আগারগাঁওয়ের শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) ডা. কাজী এম বদরুদুজ্জা রিসার্চ সেন্টারে ১১ জানুয়ারি (রবিবার) ল্যাবটির উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. আব্দুল লতিফ।</p>
<article>পিকেএসএফের রুরাল মাইক্রো-এন্টারপ্রাইজ ট্রান্সফরমেশন প্রজেক্টের আওতায় এটি বাস্তবায়ন করা হয়। ল্যাবটির সার্বিক তত্ত্বাবধানে রয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক প্রফেসর ড. মুহাম্মদ মাহবুব ইসলাম এবং প্রফেসর ড. এ কে এম রুহুল আমীন।
<p>প্রফেসর ড. মুহাম্মদ মাহবুব ইসলাম বলেন, ল্যাবটিতে মাইক্রোব্যালেন্স, প্ল্যান্ট অ্যান্ড সয়েল ডাইজেশন সিস্টেম, ফ্লেম ফটোমিটার, প্ল্যান্ট ওভেন এবং কন্ডাক্টিভিটি মিটার স্থাপন করা হয়েছে। এসব যন্ত্রপাতির মাধ্যমে মাটি ও উদ্ভিদের বিভিন্ন পুষ্টি ও ক্ষতিকর উপাদানের মাত্রা নির্ণয় করা সম্ভব হবে।</p>
</article>
<article>একই সঙ্গে প্রতিকূল পরিবেশে উদ্ভিদের সংবেদনশীলতা যাচাই, আধুনিক স্মার্ট কৃষি প্রযুক্তি প্রয়োগ— যেমন মাটিতে জৈব উপাদান সংযোজন এবং ন্যানো প্রযুক্তির ব্যবহার করে মাটির স্বাস্থ্য উন্নয়নের কাজ করা হবে। এর ফলে ফসলের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির পাশাপাশি নিরাপদ ও পুষ্টিমানসমৃদ্ধ খাদ্য নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
<p>তিনি আরও বলেন, এমএস ও পিএইচডি কোর্সের শিক্ষার্থীরা ইতোমধ্যে এই ল্যাব তাদের গবেষণাকাজে ব্যবহার করছেন। বাংলাদেশে এটিই প্রথম অ্যাগ্রোইকোফিজিওলজি ল্যাবরেটরি।</p>
<article>
<p>এমন একটি কার্যকর ল্যাব স্থাপনে সহায়তার জন্য পিকেএসএফ ও ওয়েভ ফাউন্ডেশনকে ধন্যবাদ জানান শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. আব্দুল লতিফ। তিনি বলেন, কৃষিখাতে ক্রমাগত পরিবর্তন হচ্ছে এবং সেই পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগোতে গবেষণার কোনো বিকল্প নেই। গবেষণার মাধ্যমেই কৃষিতে টেকসই উন্নয়ন সম্ভব। এই ল্যাব কৃষি সংশ্লিষ্ট গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।</p>
<p>বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পল্লী কর্মসহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ) ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর ড. আকন্দ মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, বিশ্বের অধিকাংশ দেশে গবেষণায় বড় পরিসরে বরাদ্দ থাকলেও আমাদের দেশে সেই চিত্র ভিন্ন।</p>
</article>
<article><span>তারপরও নানা সীমাবদ্ধতার মধ্যেও পিকেএসএফ চায় দেশের কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গবেষণা কার্যক্রম যেন অব্যাহত থাকে। সে লক্ষ্যেই সাধ্যের মধ্যে সব ধরনের সহযোগিতা করা হচ্ছে।</span>
<p>সভাপতির বক্তব্যে ওয়েভ ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক মহসীন আলী বলেন, অ্যাগ্রোইকোলজি বা পরিবেশসম্মত কৃষিকে প্রাধান্য দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছে ওয়েভ ফাউন্ডেশন। এরই অংশ হিসেবে গো-গ্রিন সেন্টার স্থাপন করা হয়েছে, যেখানে অ্যাগ্রোইকোলজি ও ট্যুরিজমকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।</p>
<p>উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. বেলাল হোসেন, ট্রেজারার প্রফেসর মো. আবুল বাশার, ডিন (পোস্টগ্র্যাজুয়েট) ড. সালাউদ্দিন মো. চৌধুরী, ওয়েভ ফাউন্ডেশনের সহকারী পরিচালক নির্মল দাস, পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) প্রফেসর ড. মো. সরওয়ার হোসেন, গবেষণা পরিচালক ড. এফ এম আমিনুর রহমানসহ অন্যান্যরা।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/পিকেও/এমইউএম</strong></span></em></p>
</article>
</article>
</article>
<div ad-position="desktop-details-section-5" class="ads mb-2 d-flex justify-content-center ad-728x90" ad-id="69">
<div class="desktop-ads">
<div>
<div id="gpt-ad-desktop-details-section-5-69-0" data-google-query-id="CO7M5fiEhJIDFbmQrAIdmmotKA"></div>
</div>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ডিসেম্বর নাগাদ চালু হবে শিবচরের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ইউনিট</title>
<link>https://digibanglatech.news/163578</link>
<guid>https://digibanglatech.news/163578</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_69628959860c4.jpg" length="145658" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 10 Jan 2026 18:17:30 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>আগামী ডিসেম্বর নাগদ মাদারীপুরে বর্জ্য প্রক্রিয়াজাতের মাধ্যমে তৈরি হবে জৈব সার। স্বল্প মূল্যে সেই সার ব্যবহার করে বাড়বে স্থানীয় উৎপাদন। </p>
<p>এ লক্ষ্যেই শিবচর পৌরসভার চরশাম্যাইল ও শ্যামাইল মৌজায় ২ দশমিক ৬৮ একর জমিতে স্থাপিত হয়েছে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ইউনিট। প্রায় ১২ কোটি টাকা ব্যয়ে ২০২৩ সালে এটি  নির্মাণ শুরু করে টার্ন নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x_6962894a8a213.jpg" alt=""></p>
<p>সূত্রমতে, নির্মাণ কাজ প্রায় শেষ হয়েছে। এখন শুধু উদ্বোধনের অপেক্ষা। আধুনিক শিবচর পৌরসভা গড়ার লক্ষ্যে ২০২৬ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে এটি পুরোপুরি চালুর কথা বলছে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতর।</p>
<p>জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতরের মাদারীপুরের শিবচরের প্রকৌশলী শামীমা নাসরিন বলেন, এটি চালুর মাধ্যমে শিবচর পৌরসভার চিত্র পাল্টে যাবে। সড়কে কোনো ময়লা থাকবে না। বাসাবাড়ির নোংরা ও আবর্জনা সংগ্রহ করে এই প্রকল্পে নিয়ে আসা হবে। পরে তৈরি হবে জৈব সার। এখান থেকে থেকে সাধারণ কৃষকরা কম খরচে সার কিনে জমিতে দিতে পারবেন। এছাড়া এটি চালু হলে বেকারদের কর্মসংস্থানেরও তৈরি হবে। সবকিছু মিলিয়ে এখানকার মানুষের জীবনযাত্রার মানের ব্যাপক পরিবর্তন আসবে।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x_6962895d47df5.jpg" alt=""></p>
<p>প্রকল্প সূত্রে প্রকাশ, শিবচর পৌরসভার বাসাবাড়ি থেকে প্রতিদিন ময়লা-আবর্জনা সংগ্রহ করে এই ইউনিটের মাধ্যমে প্রক্রিয়াজাত করে উৎপাদন হবে জৈব সার। যা স্বল্প দামে এখান থেকে কিনে জমিতে ব্যবহার করলে ফসল উৎপাদন বাড়ার আশা প্রান্তিক চাষিরা। এতে প্রতি বছর সাশ্রয় হবে কোটি কোটি টাকা। আর এটি চালু হলে তৈরি হবে কর্মসংস্থান, বলছেন স্থানীয়রা। এছাড়া সুপেয় পানি সরবরাহও করা হবে এই প্রকল্পের মাধ্যমে।।</p>
<p>জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতর সূত্র জানায়, বায়ু দূষণরোধ ও পরিবেশবান্ধব পৌর শহর গড়ে তুলতেই এই প্রকল্প ব্যাপক ভূমিকা রাখবে বলে জানান ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি ও কর্তৃপক্ষ। উপজেলার নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন ব্যবস্থা সম্প্রসারণ ও উন্নয়ন প্রকল্পটিতে নিজেদের অর্থায়নে দুই বছর জৈব সার উৎপাদন করবে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এরপর থেকে সরকারিভাবে তৈরি হবে জৈব সার। এটি জেলার প্রথম সমন্বিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ইউনিট। </p>
<p>এই ইউনটি আশা জাগিয়েছে কৃষক সোহবার মাতবরের। তিনি বলেন, আমাদের বাড়ির পাশে তৈরি হয়েছে জৈব ফ্যাক্টরি। এখান থেকে সার কিনে জমিতে দিতে পারব। বাজার থেকে আর বেশি দামে সার কিনতে হবে। এতে আমাদের ফসলও ভালো হবে।</p>
<p>স্থানীয় বাসিন্দা ওহিদুর রহমান বলেন, এই আধুনিক বর্জ্য নিষ্কাশন প্রকল্প চালু হলে আমাদের মতো বেকার যুবকেরা কাজ পাবে। এখান থেকে তৈরি জৈব সার ও সুপেয় পানির ব্যবস্থা চালু হলে এলাকার মানুষও উপকৃত হবেন।</p>
<p>ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান টার্ন এর প্রতিনিধি মিলন মিয়া বলেন, আমাদের প্রকল্পের কাজ প্রায় শেষ। এখন হস্তান্তর প্রক্রিয়া বাকি। এটিও শিগ্‌গিরই সম্পন্ন হবে। আগামী দুই বছর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নিজেরাই ময়লা-আবর্জনা সংগ্রহ করে জৈব সার তৈরি করবে। এরপর জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতর নিজেদের জনবল দিয়ে তৈরি করবে সার।<br><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/ডিএমও/ইকে</strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ফসলের সহনশীলতা বাড়াতে শৈবালভিত্তিক বায়োস্টিমুল্যান্ট নিয়ে গবেষণা</title>
<link>https://digibanglatech.news/163368</link>
<guid>https://digibanglatech.news/163368</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_695fa4259b9a3.jpg" length="135072" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 08 Jan 2026 16:34:54 +0600</pubDate>
<dc:creator>ক্যাম্পাস করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে দেশের কৃষিজমির লবণাক্ততা, খরা ও তাপমাত্রাজনিত চাপের কারণে ফসল উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। এমন পরিস্থতি খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় ধরনের হুমকি। ফলে পরিবেশবান্ধব ও টেকসই সমাধান খুঁজতে সামুদ্রিক শৈবালভিত্তিক বায়োস্টিমুল্যান্ট নিয়ে গবেষণা শুরু করেছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) একদল গবেষক।</p>
<p>৮ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অনুষদের সম্মেলন হলে ‘জলবায়ু পরিবর্তনজনিত অজৈব চাপ মোকাবিলায় ফসলের সহনশীলতা বৃদ্ধিতে সামুদ্রিক শৈবালভিত্তিক বায়োস্টিমুল্যান্ট ব্যবহারের পরিবেশবান্ধব কৌশল’ শীর্ষক এক উদ্ভাবনী কর্মশালায় তুলে ধরা হলো তাদের গবেষণার বিভিন্ন দিক। তারা  জানান, গত ৩৫ বছরে বাংলাদেশে লবণাক্ত জমির পরিমাণ প্রায় ২৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০১০ সালের হিসাবে দেশের প্রায় ১০ লাখ ৫৬ হাজার হেক্টর জমি লবণাক্ততায় আক্রান্ত, যা উপকূলীয় অঞ্চলের মোট আবাদি জমির প্রায় ৩০ শতাংশ। পাশাপাশি দেশের প্রায় ৪১ থেকে ৫০ শতাংশ এলাকা কোনো না কোনো সময় খরার কবলে পড়ে। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে এসব সংকট আরও তীব্র আকার ধারণ করছে।</p>
<p>কর্মশালার প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাকৃবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাতে কৃষি খাত আজ বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। এসব সংকট মোকাবিলায় টেকসই ও পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি উদ্ভাবনের কোনো বিকল্প নেই। তিনি আরও বলেন, সামুদ্রিক শৈবালভিত্তিক বায়োস্টিমুল্যান্ট ব্যবহার করে ফসলের সহনশীলতা বাড়ানোর এই গবেষণা কৃষির টেকসই ভবিষ্যৎ গঠনে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে। একই সঙ্গে তিনি গবেষণার ফলাফল মাঠপর্যায়ে প্রয়োগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।</p>
<p>কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করে বাকৃবির বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড মলিকুলার বায়োলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. তাহজিব-উল-আরিফ জানান, বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় বিপুল পরিমাণ সামুদ্রিক শৈবাল পাওয়া যায়, যা এখনো যথাযথভাবে ব্যবহার করা হয়নি। বর্তমানে দেশে ৪৭ প্রজাতির সবুজ, ৫৯ প্রজাতির বাদামী এবং ৯৪ প্রজাতির লাল শৈবাল শনাক্ত করা হয়েছে।</p>
<p>তিনি বলেন, এসব শৈবালে থাকা ফেনোলিক যৌগ, পলিস্যাকারাইড এবং বিভিন্ন খনিজ উপাদান উদ্ভিদের বৃদ্ধি ও প্রতিকূল পরিবেশে টিকে থাকার সক্ষমতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। গবেষণার অংশ হিসেবে হাইপনিয়া, গ্রাসিলারিয়া, সারগাসাম ও এন্টারোমর্ফা প্রজাতির শৈবাল থেকে কার্যকর নির্যাস তৈরি করে ধান ও গমের ফলন বৃদ্ধিতে এর কার্যকারিতা পরীক্ষা করা হচ্ছে। পাশাপাশি কম্পিউটেশনাল (ইন সিলিকো) পদ্ধতিতে শৈবালের জৈব সক্রিয় উপাদানগুলোর কর্মপদ্ধতিও বিশ্লেষণ করা হচ্ছে।</p>
<p>প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. শায়লা শারমিনের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন অধ্যাপক ড. মাসুম আহমাদ, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন শাখার পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোশাররফ উদ্দীন ভূঁঞা এবং বাকৃবি রিসার্চ সিস্টেমের (বাউরেস) পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. হাম্মাদুর রহমান। এ ছাড়া বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষার্থীরা কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন।</p>
<p>সেমিনারে গবেষণা দলের সদস্য অধ্যাপক ড. শায়লা শারমিন ও অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল হান্নান জানান, শৈবালের জৈব সক্রিয়তায় কম্পিউটেশনাল (ইন সিলিকো) প্রযুক্তির সফল প্রয়োগে ফসলের শরীরবৃত্তীয় ও আণবিক স্তরে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। বর্তমানে গমের জাত ‘বিডব্লিউএমআরআই গম-১’-এর ওপর গ্রাসিলারিয়া শৈবাল নির্যাসের কার্যকারিতা পরীক্ষা করা হচ্ছে। গবেষণা শেষে ২ থেকে ৩টি কার্যকর বায়োস্টিমুল্যান্ট বাজারে আনার পরিকল্পনা রয়েছে, যা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি-২, ১৩ ও ১৪) অর্জনে সহায়ক হবে।<br><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/ডিপিও/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>গভীর সমুদ্রে গবেষণায় প্রধান উপদেষ্টার গুরুত্বারোপ</title>
<link>https://digibanglatech.news/163126</link>
<guid>https://digibanglatech.news/163126</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_695ce7ba6aed6.jpg" length="88114" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 06 Jan 2026 15:44:17 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p></p>
<p>বঙ্গোপসাগরের তলদেশে প্লাস্টিকের অস্তিত্ব ও জেলিফিশের অস্বাভাবিক আধিক্য নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের স্থলভাগের সমপরিমাণ অঞ্চল জলভাগ হলেও এই বিপুল সম্পদ আমরা এখনো পুরোপুরি কাজে লাগাতে পারিনি। </p>
<p>৬ জানুয়ারি (মঙ্গলবার) সকালে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ ও ইকোসিস্টেম-সংক্রান্ত এক গবেষণা প্রতিবেদন জমা দেওয়ার সময় তিনি এসব কথা বলেন।</p>
<p>গবেষণা জাহাজ ‘আরভি ডক্টর ফ্রিডজফ ন্যানসেন’ কর্তৃক পরিচালিত এই জরিপ ও গবেষণা প্রতিবেদনটি প্রধান উপদেষ্টার কাছে হস্তান্তর করে এ সংক্রান্ত কমিটি।</p>
<p>গত বছরের ২১ আগস্ট থেকে ২১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আটটি দেশের ২৫ জন বিজ্ঞানীর সমন্বয়ে এই জরিপ চালানো হয়, যার মধ্যে ১৩ জন ছিলেন বাংলাদেশি। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব মেরিন সায়েন্সেস-এর অধ্যাপক সায়েদুর রহমান চৌধুরী বৈঠকে গবেষণা উপাত্ত তুলে ধরেন।</p>
<p> তিনি জানান, গবেষণায় ৬৫ প্রজাতির নতুন জলজ প্রাণীর অস্তিত্ব পাওয়া গেলেও পরিবেশগত ভারসাম্যহীনতার চিত্র ফুটে উঠেছে।</p>
<p>অধ্যাপক সায়েদুর বলেন, ‘বাংলাদেশে গভীর সমুদ্রে জেলিফিশের আধিক্য মাত্রাতিরিক্ত বেড়ে গেছে। এটা ইমব্যালেন্সের (ভারসাম্যহীনতা) লক্ষণ। ওভারফিশিংয়ের কারণে এটি হয়েছে।’ এছাড়া দুই হাজার মিটার গভীরতায়ও প্লাস্টিক পাওয়া গেছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয়। ২০১৮ সালের গবেষণার তুলনায় দেখা গেছে, গভীর সমুদ্রে বড় মাছের সংখ্যা কমে যাচ্ছে এবং স্বল্প গভীরতায়ও মাছের পরিমাণ আশঙ্কাজনকভাবে হ্রাস পেয়েছে।</p>
<p>বৈঠকে জানানো হয়, গভীর সমুদ্রে ২৭০ থেকে ২৮০টি বড় ট্রলার মাছ আহরণ করলেও এর মধ্যে ৭০টি ট্রলার ‘সোনার’ (Sonar) ব্যবহার করে ‘টার্গেটেড ফিশিং’ করছে। এটি অত্যন্ত আগ্রাসী পদ্ধতি হওয়ায় বড় মাছ ধরা পড়লেও ক্ষুদ্র জেলেরা ক্ষতির মুখে পড়ছেন। এ প্রসঙ্গে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেন, ‘এভাবে টার্গেটেড ফিশিং হলে বঙ্গোপসাগর মাছশূন্য হয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। ‘সোনার ফিশিং’ নিয়ে সরকার সিদ্ধান্ত নেবে।’</p>
<p>তবে গবেষণায় টুনা মাছের আধিক্য ও উজ্জ্বল সম্ভাবনার কথা জানানো হয়েছে। এছাড়া সুন্দরবনের নিচে একটি ‘ফিশিং নার্সারি’র সন্ধান পাওয়া গেছে, যা সংরক্ষণে সরকার নির্দেশ দিয়েছে।</p>
<p>প্রধান উপদেষ্টা তার বক্তব্যে বলেন, সামুদ্রিক সম্পদকে কাজে লাগাতে পর্যাপ্ত গবেষণা ও পলিসি সাপোর্ট প্রয়োজন। বৈঠকে জানানো হয়, যুক্তরাজ্যের রয়েল নেভির একটি বহুমুখী সার্ভে ভেসেল ‘এইচএমএস এন্টারপ্রাইজ’ বাংলাদেশ নৌবাহিনীর কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়ায় রয়েছে, যা সমুদ্র গবেষণায় সক্ষমতা বাড়াবে। প্রধান উপদেষ্টা জাপান, ইন্দোনেশিয়া ও মালদ্বীপের সাথে যৌথ গবেষণার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, বিশেষজ্ঞ জ্ঞানের সমন্বয়েই অর্থনীতির নতুন দিগন্ত উন্মোচন হবে।</p>
<p>প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক বিষয়ক বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী ও মৎস্য অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক ড. মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন বৈঠকে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন।<br><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এমআই/ইকে </strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্রলারে ব্যবহৃত সোনার ও শক প্রযুক্তি নিয়ে উপদেষ্টার উদ্বেগ</title>
<link>https://digibanglatech.news/161724</link>
<guid>https://digibanglatech.news/161724</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_694a99a951bd3.jpg" length="62604" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 23 Dec 2025 17:32:09 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span lang="BN-BD" style="font-family: 'Shonar Bangla',serif; mso-ascii-font-family: 'Times New Roman'; mso-hansi-font-family: 'Times New Roman';">মাছ শিকারে ব্যবহৃত বাণিজ্যিক ট্রলারে ব্যবহৃত সোনার ও শক প্রযুক্তি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন</span><span lang="BN-BD"> </span><span lang="BN-BD" style="font-family: 'Shonar Bangla',serif; mso-ascii-font-family: 'Times New Roman'; mso-hansi-font-family: 'Times New Roman';">মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার।</span><span lang="BN-BD"> </span><span lang="BN-BD" style="font-family: 'Shonar Bangla',serif; mso-ascii-font-family: 'Times New Roman'; mso-hansi-font-family: 'Times New Roman';">তিনি বিশেষভাবে ক্ষতিকর মাছ ধরার গিয়ার ব্যবহারের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন</span>, <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Shonar Bangla',serif; mso-ascii-font-family: 'Times New Roman'; mso-hansi-font-family: 'Times New Roman';">আগে ব্যবহৃত গিয়ারগুলোকেই পরিবর্তন করে এখন পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের জন্য ক্ষতিকর রূপ দেওয়া হচ্ছে</span>; <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Shonar Bangla',serif; mso-ascii-font-family: 'Times New Roman'; mso-hansi-font-family: 'Times New Roman';">এমনকি ইলেকট্রিক শক ব্যবহার করেও মাছ ধরা হচ্ছে যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।</span><o:p></o:p></p>
<p><span lang="BN-BD" style="font-family: 'Shonar Bangla',serif; mso-ascii-font-family: 'Times New Roman'; mso-hansi-font-family: 'Times New Roman';">২৩ ডিসেম্বর</span>, <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Shonar Bangla',serif; mso-ascii-font-family: 'Times New Roman'; mso-hansi-font-family: 'Times New Roman';">মঙ্গলবার বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) অডিটোরিয়ামে বাংলাদেশ ফিশারিজ রিসার্চ ফোরাম (বিএফআরএফ)-এর উদ্যোগে ১০ম দ্বিবার্ষিক মৎস্য সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই উদ্বেগের কথা প্রকাশ করেন তিনি</span><span lang="HI" style="font-family: 'Mangal',serif; mso-ascii-font-family: 'Times New Roman'; mso-hansi-font-family: 'Times New Roman'; mso-bidi-language: HI;">।</span><o:p></o:p></p>
<p>‘<span lang="BN-BD" style="font-family: 'Shonar Bangla',serif; mso-ascii-font-family: 'Times New Roman'; mso-hansi-font-family: 'Times New Roman';">আর্টিসনাল ট্রলার ও ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্রলার ভিন্ন ভিন্ন পথে মাছ ধরছে এবং ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্রলারে ব্যবহৃত কিছু প্রযুক্তি নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করছে’ উল্লেখ করে</span><span lang="BN-BD"> </span><span lang="BN-BD" style="font-family: 'Shonar Bangla',serif; mso-ascii-font-family: 'Times New Roman'; mso-hansi-font-family: 'Times New Roman';">ফরিদা আখতার</span> <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Shonar Bangla',serif; mso-ascii-font-family: 'Times New Roman'; mso-hansi-font-family: 'Times New Roman';">বলেন</span>, <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Shonar Bangla',serif; mso-ascii-font-family: 'Times New Roman'; mso-hansi-font-family: 'Times New Roman';">সাগরে সাতবার গিয়ে একবার মাছ পাওয়ার পদ্ধতি যেমন গ্রহণযোগ্য নয়</span>, <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Shonar Bangla',serif; mso-ascii-font-family: 'Times New Roman'; mso-hansi-font-family: 'Times New Roman';">তেমনি একবারে গিয়ে সব মাছ তুলে আনার জন্য সোনার (সাউন্ড নেভিগেশন অ্যান্ড রেঞ্জিং) প্রযুক্তির ব্যবহারও সঠিক হতে পারে না।</span> <o:p></o:p></p>
<p><span lang="BN-BD" style="font-family: 'Shonar Bangla',serif; mso-ascii-font-family: 'Times New Roman'; mso-hansi-font-family: 'Times New Roman';">মৎস্য উপদেষ্টা বলেন</span>, <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Shonar Bangla',serif; mso-ascii-font-family: 'Times New Roman'; mso-hansi-font-family: 'Times New Roman';">সম্প্রতি জানা গেছে ২২৩টি ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্রলারের মধ্যে প্রায় ৭০টিতে সোনার প্রযুক্তি ব্যবহৃত হচ্ছে</span>, <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Shonar Bangla',serif; mso-ascii-font-family: 'Times New Roman'; mso-hansi-font-family: 'Times New Roman';">যার ফলে সমুদ্রে ওভারফিশিংয়ের ঝুঁকি বেড়েছে। এসব সমস্যা মোকাবিলায় কার্যকর নীতিমালা প্রণয়ন জরুরি</span><span lang="HI" style="font-family: 'Mangal',serif; mso-ascii-font-family: 'Times New Roman'; mso-hansi-font-family: 'Times New Roman'; mso-bidi-language: HI;">।</span><o:p></o:p></p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x_694a99a86c076.jpg" alt=""></p>
<p><span lang="BN-BD" style="font-family: 'Shonar Bangla',serif; mso-ascii-font-family: 'Times New Roman'; mso-hansi-font-family: 'Times New Roman';">তিনি আরও বলেন</span>, <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Shonar Bangla',serif; mso-ascii-font-family: 'Times New Roman'; mso-hansi-font-family: 'Times New Roman';">মাছ শুধু পেট ভরানোর খাদ্য নয়</span>; <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Shonar Bangla',serif; mso-ascii-font-family: 'Times New Roman'; mso-hansi-font-family: 'Times New Roman';">এটি বিশেষ পুষ্টির একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস। মাছের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট</span>, <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Shonar Bangla',serif; mso-ascii-font-family: 'Times New Roman'; mso-hansi-font-family: 'Times New Roman';">ক্যালসিয়ামসহ এমন পুষ্টি উপাদান পাওয়া যায়</span>, <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Shonar Bangla',serif; mso-ascii-font-family: 'Times New Roman'; mso-hansi-font-family: 'Times New Roman';">যা চোখ</span>, <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Shonar Bangla',serif; mso-ascii-font-family: 'Times New Roman'; mso-hansi-font-family: 'Times New Roman';">হাড় ও মেধা বিকাশে সহায়ক। বাঙালির মেধা বিকাশের পেছনেও মাছভিত্তিক খাদ্যাভ্যাস একটি বড় ভূমিকা রেখেছে।</span> <o:p></o:p></p>
<p><span lang="BN-BD" style="font-family: 'Shonar Bangla',serif; mso-ascii-font-family: 'Times New Roman'; mso-hansi-font-family: 'Times New Roman';">সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদের প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন</span>, <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Shonar Bangla',serif; mso-ascii-font-family: 'Times New Roman'; mso-hansi-font-family: 'Times New Roman';">বাংলাদেশ এখনো এর পূর্ণ সম্ভাবনার সদ্‌ব্যবহার করতে পারেনি</span>; <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Shonar Bangla',serif; mso-ascii-font-family: 'Times New Roman'; mso-hansi-font-family: 'Times New Roman';">বর্তমানে মাত্র প্রায় ৩০ শতাংশ সম্পদ ব্যবহার হচ্ছে। বরং যেটুকু ব্যবহার হচ্ছে</span>, <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Shonar Bangla',serif; mso-ascii-font-family: 'Times New Roman'; mso-hansi-font-family: 'Times New Roman';">সেখানেও নানা সমস্যা রয়েছে।</span>  <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Shonar Bangla',serif; mso-ascii-font-family: 'Times New Roman'; mso-hansi-font-family: 'Times New Roman';">মৎস্যজীবীদের জন্য প্রণোদনার ক্ষেত্রেও বৈষম্য রয়েছে। কৃষি খাতে যে পরিমাণ সহায়তা দেওয়া হয় সেই তুলনায় মৎস্যজীবীরা যথাযথ প্রণোদনা পান না। নিষেধাজ্ঞা সময়ে তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী সহায়তা না পাওয়ার কারণেই অনেক সময় তারা অনিচ্ছাকৃতভাবে নিয়ম লঙ্ঘনে বাধ্য হন</span><span lang="HI" style="font-family: 'Mangal',serif; mso-ascii-font-family: 'Times New Roman'; mso-hansi-font-family: 'Times New Roman'; mso-bidi-language: HI;">।</span><o:p></o:p></p>
<p><span lang="BN-BD" style="font-family: 'Shonar Bangla',serif; mso-ascii-font-family: 'Times New Roman'; mso-hansi-font-family: 'Times New Roman';">উপদেষ্টা জানান</span>, <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Shonar Bangla',serif; mso-ascii-font-family: 'Times New Roman'; mso-hansi-font-family: 'Times New Roman';">ইলিশের মাইগ্রেশন রুটে প্রতিবন্ধকতা চিহ্নিত করে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় ড্রেজিং কার্যক্রমের জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে</span><span lang="HI" style="font-family: 'Mangal',serif; mso-ascii-font-family: 'Times New Roman'; mso-hansi-font-family: 'Times New Roman'; mso-bidi-language: HI;">।</span><o:p></o:p></p>
<p><span lang="BN-BD" style="font-family: 'Shonar Bangla',serif; mso-ascii-font-family: 'Times New Roman'; mso-hansi-font-family: 'Times New Roman';">সম্মেলনে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ওয়ার্ল্ডফিশ বাংলাদেশের কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ ড. ফারুক-উল ইসলাম। সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশে এফএও প্রতিনিধি (অ্যাড-ইন্টারিম) ড. দিয়া সানো। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবদুর রউফ</span>, <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Shonar Bangla',serif; mso-ascii-font-family: 'Times New Roman'; mso-hansi-font-family: 'Times New Roman';">বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক অনুরাধা ভাদ্রা এবং এসিআই পিএলসি-এর গ্রুপ অ্যাডভাইজার ড. এফ. এইচ. আনসারী।</span> <o:p></o:p></p>
<p><span lang="BN-BD" style="font-family: 'Shonar Bangla',serif; mso-ascii-font-family: 'Times New Roman'; mso-hansi-font-family: 'Times New Roman';">অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিএফআরএফ-এর সভাপতি ড. জোয়ার্দার ফরুক আহমেদ। স্বাগত বক্তব্য দেন মহাসচিব মনিরুল ইসলাম এবং ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন সহ-সভাপতি খালেদ কানক</span><span lang="HI" style="font-family: 'Mangal',serif; mso-ascii-font-family: 'Times New Roman'; mso-hansi-font-family: 'Times New Roman'; mso-bidi-language: HI;">।</span><o:p></o:p></p>
<p><strong><i><u><span lang="BN-BD" style="font-family: 'Shonar Bangla',serif; mso-ascii-font-family: 'Times New Roman'; mso-hansi-font-family: 'Times New Roman';">ডিবিটেক/জেএনও/এমইউএম</span></u></i></strong><o:p></o:p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>প্রাণিসম্পদে গ্রিনহাউস গ্যাস কমাতে সার্ক বিশেষজ্ঞদের আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ শুরু</title>
<link>https://digibanglatech.news/161597</link>
<guid>https://digibanglatech.news/161597</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_69494821c6bb3.jpg" length="119905" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 22 Dec 2025 17:30:58 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div class="flex flex-col text-sm pb-25">
<article class="text-token-text-primary w-full focus:outline-none [--shadow-height:45px] has-data-writing-block:pointer-events-none has-data-writing-block:-mt-(--shadow-height) has-data-writing-block:pt-(--shadow-height) [&amp;:has([data-writing-block])&gt;*]:pointer-events-auto [content-visibility:auto] supports-[content-visibility:auto]:[contain-intrinsic-size:auto_100lvh] scroll-mt-[calc(var(--header-height)+min(200px,max(70px,20svh)))]" dir="auto" data-turn-id="934c109d-fe92-4e8a-ae6a-bc229d9b2e4a" data-testid="conversation-turn-2" data-scroll-anchor="true" data-turn="assistant" tabindex="-1">
<div class="text-base my-auto mx-auto pb-10 [--thread-content-margin:--spacing(4)] @w-sm/main:[--thread-content-margin:--spacing(6)] @w-lg/main:[--thread-content-margin:--spacing(16)] px-(--thread-content-margin)">
<div class="[--thread-content-max-width:40rem] @w-lg/main:[--thread-content-max-width:48rem] mx-auto max-w-(--thread-content-max-width) flex-1 group/turn-messages focus-visible:outline-hidden relative flex w-full min-w-0 flex-col agent-turn" tabindex="-1">
<div class="flex max-w-full flex-col grow">
<div data-message-author-role="assistant" data-message-id="a4a92142-ab1b-4875-b90a-12910367d64e" dir="auto" class="min-h-8 text-message relative flex w-full flex-col items-end gap-2 text-start break-words whitespace-normal [.text-message+&amp;]:mt-1" data-message-model-slug="gpt-5-2">
<div class="flex w-full flex-col gap-1 empty:hidden first:pt-[1px]">
<div class="markdown prose dark:prose-invert w-full break-words light markdown-new-styling">
<p data-start="100" data-end="458">দক্ষিণ এশিয়ায় প্রাণিসম্পদ খাত থেকে নির্গত গ্রিনহাউস গ্যাস হ্রাস এবং জলবায়ু-বান্ধব উৎপাদন ব্যবস্থা জোরদারের লক্ষ্যে সার্কভুক্ত দেশগুলোর নীতিনির্ধারক, বিজ্ঞানী ও উন্নয়নকর্মীদের অংশগ্রহণে তিন দিনব্যাপী একটি আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। ২২ ডিসেম্বর, সোমবার ( ২০২৫) ভার্চুয়াল মাধ্যমে শুরু হওয়া এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করেছে সার্ক এগ্রিকালচার সেন্টার (এসএসি)।</p>
<p data-start="460" data-end="796">‘দক্ষিণ এশিয়ায় প্রাণিসম্পদ খাত থেকে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন নিরূপণের ইনভেন্টরি উন্নয়ন এবং উপযুক্ত খাদ্য কৌশলের মাধ্যমে তা প্রশমনের কৌশল’ শীর্ষক এ প্রশিক্ষণের মূল উদ্দেশ্য হলো- প্রাণিসম্পদ খাতের নির্গমন পরিমাপের সক্ষমতা বৃদ্ধি করা এবং বৈজ্ঞানিকভাবে কার্যকর খাদ্য ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বাস্তবসম্মত প্রশমন উদ্যোগ গ্রহণে দেশগুলোকে সহায়তা করা।</p>
<p data-start="798" data-end="1226">উদ্বোধনী ও স্বাগত বক্তব্যে সার্ক এগ্রিকালচার সেন্টারের পরিচালক ড. মো. হারুনুর রশীদ বলেন, দক্ষিণ এশিয়ায় খাদ্য নিরাপত্তা, পুষ্টি ও গ্রামীণ জীবিকায় প্রাণিসম্পদ খাতের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে একই সঙ্গে এই খাত মিথেন ও নাইট্রাস অক্সাইডসহ উল্লেখযোগ্য পরিমাণ গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনের উৎস। তিনি বলেন, “উৎপাদনশীলতা অক্ষুণ্ন রেখে পরিবেশগত প্রভাব কমাতে হলে নির্ভরযোগ্য নির্গমন ইনভেন্টরি ও বিজ্ঞানভিত্তিক খাদ্য হস্তক্ষেপ অপরিহার্য।”</p>
<p data-start="1228" data-end="1691">প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সার্ক ও বিমসটেক বিষয়ক মহাপরিচালক এস এম মাহবুবুল আলম বলেন, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক নীতিনির্ধারণে জলবায়ু-স্মার্ট প্রাণিসম্পদ চর্চার গুরুত্ব ক্রমেই বাড়ছে। তিনি উল্লেখ করেন, আন্তর্জাতিক জলবায়ু অঙ্গীকারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দক্ষিণ এশিয়ার প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন কৌশল সাজাতে হবে, একই সঙ্গে ক্ষুদ্র খামারিদের স্বার্থ সুরক্ষিত রাখতে হবে। এ ক্ষেত্রে আঞ্চলিক সহযোগিতা ও প্রমাণভিত্তিক নীতিনির্ধারণের ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।</p>
<p data-start="1693" data-end="2057">বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন নেপালে অবস্থিত সার্ক সচিবালয়ের কৃষি, গ্রামীণ উন্নয়ন ও সামাজিক উন্নয়ন তহবিল (এআরডি ও এসডিএফ) বিষয়ক পরিচালক তানভীর আহমদ তোরফদার। তিনি জলবায়ু সহনশীল কৃষি ও টেকসই প্রাণিসম্পদ উন্নয়নে সার্কের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, এ ধরনের সক্ষমতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ আঞ্চলিক জলবায়ু অভিযোজন ও প্রশমন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।</p>
<p data-start="2059" data-end="2363">অনুষ্ঠানে অতিথি অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভারতের ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব এগ্রিকালচারাল রিসার্চের (আইসিএআর) সহকারী মহাপরিচালক (অ্যানিম্যাল নিউট্রিশন অ্যান্ড ফিজিওলজি) ড. এ কে সামন্ত। তিনি প্রাণিসম্পদ পুষ্টি গবেষণাকে জাতীয় গ্রিনহাউস গ্যাস ইনভেন্টরি ও নীতিনির্ধারণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে সমন্বয়ের ওপর গুরুত্ব দেন।</p>
<p data-start="2365" data-end="2784">মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ভারতের আইসিএআর–ন্যাশনাল ডেইরি রিসার্চ ইনস্টিটিউট, কারনালের প্রধান বিজ্ঞানী ড. নিতিন ত্যাগী। তিনি দক্ষিণ এশিয়ায় প্রাণিসম্পদ খাত থেকে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাসের চ্যালেঞ্জ তুলে ধরে বলেন, ক্ষুদ্র খামার-নির্ভর উৎপাদন ব্যবস্থা, নিম্নমানের খাদ্য সম্পদ এবং পর্যাপ্ত তথ্যের অভাব বড় বাধা হিসেবে রয়ে গেছে। এসব সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে উঠতে সমন্বিত গবেষণা ও নীতিগত সহায়তার প্রয়োজনীয়তার কথা তিনি উল্লেখ করেন।</p>
<p data-start="2786" data-end="3107">প্রশিক্ষণের সার্বিক কাঠামো ও লক্ষ্য তুলে ধরেন এসএসি’র সিনিয়র প্রোগ্রাম স্পেশালিস্ট (লাইভস্টক) ড. মো. ইউনুস আলী। তিনি জানান, এ কর্মসূচির মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীদের গ্রিনহাউস গ্যাস ইনভেন্টরি তৈরির আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত পদ্ধতি, বিশেষ করে আন্তঃসরকারি জলবায়ু পরিবর্তন প্যানেল (আইপিসিসি) প্রস্তাবিত পদ্ধতির সঙ্গে পরিচিত করা হবে।</p>
<p data-start="3109" data-end="3264" data-is-last-node="" data-is-only-node="">আয়োজকদের মতে, এই আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোকে প্রাণিসম্পদ খাতে পরিবেশবান্ধব, জলবায়ু সহনশীল ও টেকসই উন্নয়ন পথরেখা প্রণয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।</p>
<p data-start="3109" data-end="3264" data-is-last-node="" data-is-only-node=""><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এমএবি/এইচআই</strong></span></em></p>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div class="z-0 flex min-h-[46px] justify-start"></div>
<div class="mt-3 w-full empty:hidden">
<div class="text-center"></div>
</div>
</div>
</div>
</article>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>‘আলু সরবরাহের চেইন শক্তিশালীকরণে প্রযুক্তি সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ’</title>
<link>https://digibanglatech.news/160678</link>
<guid>https://digibanglatech.news/160678</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_693d9a3996f82.jpg" length="93328" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 13 Dec 2025 21:24:40 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>দেশের আলু ব্যবসায় উৎপাদন থেকে বিপননের প্রতিটি ধাপকে আরও শক্তিশালী করে বৈশ্বিক বাজারে প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান নিশ্চিত করতে কৌশলগত অগ্রাধিকার, প্রযুক্তিগত সমাধান ও কার্যকর নীতিগত সহায়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বিশেষজ্ঞরা।</p>
<p>১৩ ডিসেম্বর, শনিবার ‘আলু উৎসব ২০২৫’-এ অনুষ্ঠিত একটি সেমিনারে এমন মতামত উঠে আসে। রাজধানীর আন্তর্জাতিক কনভেনশন সেন্টার (আইসিসিবি) বাংলাদেশ কোল্ড স্টোরেজ অ্যাসোসিয়েশনের (বিসিএসএ) প্রথম বারের মতো অনুষ্ঠিত হচ্ছে এই আলু উৎসব। </p>
<div class="storyCard eyOoS">
<div class="   
                  story-element">
<div class="story-element story-element-text">
<p>মেলায় আলু থেকে তৈরি বিভিন্ন ধরনের খাদ্যপণ্য প্রদর্শন করা হচ্ছিল বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বারি) স্টলে। সেখানে থাকা প্রতিষ্ঠানটির কন্দাল ফসল গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা এ টি এম তানজিমুল ইসলাম জানালেন, মূলত আটার পরিবর্তে আলুর ফ্লেক্স ব্যবহার করা হয়। ফলে আটা দিয়ে যেসব পণ্য তৈরি করা যায়, সেগুলো আলু দিয়েও বানানো যায়।</p>
<p>এছাড়াও বারির কন্দাল ফসল গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা এ টি এম তানজিমুল ইসলাম জানান, দেশে বর্তমানে সব মিলিয়ে প্রায় ২০০ প্রজাতির আলু রয়েছে। এর মধ্যে বারি উদ্ভাবিত জাত ১০৬টি। বাকিগুলো বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের উদ্ভাবিত।</p>
</div>
</div>
</div>
<div><span> বিকেলে আলু রপ্তানির সম্ভাবনা বিষয়ে মেলা প্রাঙ্গণে ‘বাংলাদেশের আলু ভ্যালু চেইন শক্তিশালীকরণ: বৈশ্বিক প্রতিযোগিতার জন্য কৌশলগত অগ্রাধিকার, প্রযুক্তিগত সমাধান ও নীতিগত পথনির্দেশনা’ বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। </span>সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. মো. মাহমুদুর রহমান। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ড. এম. মাসরুর রিয়াজ।</div>
<p>প্যানেল আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির কৃষি বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান ড. আব্দুর রহিম, কৃষি অর্থনীতিবিদ ও ইউনিভার্সিটি অব গ্লোবাল ভিলেজ (ইউজিভি)-এর সাবেক উপাচার্য ড. জাহাঙ্গীর আলম এবং গাজীপুর বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বারি) চিফ সায়েন্টিফিক অফিসার ড. খুরশীদ আলম।</p>
<p>আলোচনায় বক্তারা বলেন, উৎপাদন-পরবর্তী ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন, আধুনিক কোল্ড-চেইন অবকাঠামো গড়ে তোলা, আলু প্রক্রিয়াজাত শিল্পের সম্প্রসারণ, রফতানিযোগ্য মান নিশ্চিতকরণ এবং সমন্বিত নীতিগত সহায়তা জোরদার করা গেলে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক বাজারে আলুভিত্তিক পণ্যে শক্ত অবস্থান অর্জন করতে পারবে।</p>
<p>সেমিনারটি সঞ্চালনা করেন ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) সিনিয়র ভাইস-প্রেসিডেন্ট এবং বাংলাদেশ কোল্ড স্টোরেজ এসোসিয়েশনের পরিচালক রাজীব এইচ চৌধুরী।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/ডিএম/ইকে</strong></span></em></p>
<p>আলুর ভ্যালু চেইন হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে আলু চাষের শুরু থেকে বীজ উৎপাদন, ফসল ফলানো, সংগ্রহ, প্রক্রিয়াজাতকরণ (যেমন চিপস, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই তৈরি), সংরক্ষণ (কোল্ড স্টোরেজ), পরিবহন, বাজারজাতকরণ এবং অবশেষে ভোক্তার কাছে পৌঁছানো পর্যন্ত প্রতিটি ধাপের মাধ্যমে আলুর মূল্য বৃদ্ধি করা হয়।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>এগ্রো&#45;ইকোলজিক্যাল ফার্মিংয়ে বিশেষ গুরুত্বারোপ</title>
<link>https://digibanglatech.news/160434</link>
<guid>https://digibanglatech.news/160434</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_693a8054b0c19.jpg" length="114003" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 11 Dec 2025 09:28:22 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div class="html-div xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl">
<div dir="auto" class="html-div xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl">
<div data-ad-rendering-role="story_message" class="html-div xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl">
<div class="x1l90r2v x1iorvi4 x1g0dm76 xpdmqnj" data-ad-comet-preview="message" data-ad-preview="message" id="_r_693_">
<div class="x78zum5 xdt5ytf xz62fqu x16ldp7u">
<div class="xu06os2 x1ok221b">
<div class="html-div xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl">
<div class="xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs x126k92a">
<div dir="auto">নিরাপদ কৃষির প্রসারে কার্যক্রম বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে এগ্রো-ইকোলজিক্যাল ফার্মিংয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন পিকেএসএফ-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ ফজলুল কাদের।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto"> পিকেএসএফ ভবন-১-এ ৯ ডিসেম্বর, মঙ্গলবার ২০২৫-২৬ অর্থবছরে পিকেএসএফ-এর কৃষি ইউনিটভুক্ত কার্যক্রমের বাজেট অবহিতকরণ ও কার্যক্রম পর্যালোচনা বিষয়ক এক কর্মশালায় সভাপতির বক্তব্যে এমনটা জানান তিনি। </div>
<div dir="auto"> 
<div class="xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs x126k92a">
<div dir="auto">মোঃ ফজলুল কাদের বলেন, রাসায়নিক দ্রব্যের উপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা মাটির জীবনীশক্তিকে ক্রমাগত ক্ষয় করে চলেছে ফলে মাটির উৎপাদনশীলতা হ্রাস পাচ্ছে। এছাড়া, এর ক্ষতিকর প্রভাব পড়ছে মাটি, পানি, পরিবেশে এবং মানব স্বাস্থ্যর উপরও। এ অবস্থা থেকে উত্তরণের সবচেয়ে টেকসই ও কার্যকর পথ হলো এগ্রো-ইকোলজিক্যাল ফার্মিং। এ পদ্ধতির মাধ্যমে মাটির স্বাভাবিক উর্বরতা পুনরুদ্ধারের পাশাপাশি রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহারের খরচের চেয়ে কম খরচে উৎপাদন নিশ্চিত করে কৃষকরা অধিকতর লাভবান হচ্ছেন।</div>
</div>
</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">কর্মশালায় অন্যান্যের মধ্যে পিকেএসএফ-এর উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. আকন্দ মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম এবং পিকেএসএফ-এর সহযোগী সংস্থাসমূহের প্রধান নির্বাহীসহ পিকেএসএফ ও সহযোগী সংস্থাসমূহের বিশেষজ্ঞ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।</div>
<div dir="auto"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এফএস/ইকে</strong></span></em></div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div id="_r_694_" class="html-div xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl x1n2onr6">
<div class="html-div xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl x1n2onr6">
<div class="html-div xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl">
<div class="x1n2onr6">
<div class="x1n2onr6">
<div class="x6ikm8r x10wlt62 x10l6tqk"></div>
<div class="x6ikm8r x10wlt62 x10l6tqk"></div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div class="html-div xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl x6ikm8r x10wlt62"></div>
</div>
</div>
<div>
<div class="xabvvm4 xeyy32k x1ia1hqs x1a2w583 x6ikm8r x10wlt62" data-visualcompletion="ignore-dynamic">
<div>
<div>
<div>
<div class="x1n2onr6">
<div class="x6s0dn4 xi81zsa x78zum5 x6prxxf x13a6bvl xvq8zen xdj266r xat24cr x1c1uobl xyri2b x1diwwjn xbmvrgn x1yrsyyn x18d9i69">
<div class="x6s0dn4 x78zum5 x1iyjqo2 x6ikm8r x10wlt62"></div>
<div class="x1c4vz4f x2lah0s xci0xqf"></div>
<div class="x9f619 x1ja2u2z x78zum5 x2lah0s x1n2onr6 x1qughib x1qjc9v5 xozqiw3 x1q0g3np xyri2b x1c1uobl x1ws5yxj xw01apr x4cne27 xifccgj x123j3cw xs9asl8"></div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>আন্তঃসীমান্ত প্রাণী রোগ মোকাবেলায় সার্কের যৌথ উদ্যোগ</title>
<link>https://digibanglatech.news/160354</link>
<guid>https://digibanglatech.news/160354</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_69393e7555ecf.jpg" length="91132" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 10 Dec 2025 15:14:59 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><br>দক্ষিণ এশিয়ায় আন্তঃসীমান্ত প্রাণী রোগের প্রভাব মূল্যায়ন শীর্ষক দুই দিনব্যাপী আঞ্চলিক কর্মশালা এবং সার্ক প্রধান ভেটেরিনারি কর্মকর্তা ফোরামের সভা বসেছে শ্রীলঙ্কার কলম্বোতে। ঢাকার সার্ক কৃষি কেন্দ্র এবং  শ্রীলঙ্কার প্রাণি উৎপাদন ও স্বাস্থ্য বিভাগের যৌথ উদ্যোগে ১০ ডিসেম্বর, বুধবার শুরু হওয়া কর্মশালায় বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, মালদ্বীপ, নেপাল, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কাসহ বিশ্ব প্রাণী স্বাস্থ্য সংস্থা এশিয়া-প্যাসিফিক, খাদ্য ও কৃষি সংস্থা এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় আঞ্চলিক কার্যালয়, প্রাণি ও ফসল উৎপাদন ব্যবস্থা উদ্যোগ এবং অন্যান্য আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সংস্থার নীতি-নির্ধারক, বিজ্ঞানী ও ভেটেরিনারি বিশেষজ্ঞরা অংশ নিয়েছেন।</p>
<p>কর্মশালার উদ্বোধনীতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রযুক্তি, পরীক্ষাগার সক্ষমতা ও আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থায় বিনিয়োগ বাড়ানোর গুরুত্ব তুলে ধরেন শ্রীলঙ্কার কৃষি, প্রাণিসম্পদ, ভূমি ও সেচ মন্ত্রণালয়ের সচিব ডি.পি. উইক্রেমাসিংহে। তিনি বলেন, প্রাণী স্বাস্থ্যের সুরক্ষা নিশ্চিত করা খাদ্য নিরাপত্তা, গ্রামীণ অর্থনীতি এবং আঞ্চলিক বাণিজ্যের জন্য অপরিহার্য।</p>
<p>অনুষ্ঠানের সম্মানিত অতিথি একই মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. পালিকা ফার্নান্দো দেশটির ভেটেরিনারি সেবা ও রোগ নজরদারি ব্যবস্থার উন্নয়ন কার্যক্রম তুলে ধরেন। তিনি বলেন, আঞ্চলিক কর্মশালা একে অপরের অভিজ্ঞতা শেয়ার এবং কৌশল সমন্বয়ের সুযোগ তৈরি করে।</p>
<p>সার্ক সচিবালয়ের পক্ষে নেপালের (এআরডি এবং এসডিএফ) পরিচালক তানভীর আহমেদ তরফদার  জাতীয় রোগ নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি ও আঞ্চলিক কাঠামোর সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি জানান, সার্ক সচিবালয় সীমান্ত-পারের সহযোগিতা, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সমন্বিত রিপোর্টিং ব্যবস্থায় আরও জোর দেবে।</p>
<p>সার্ক কৃষি কেন্দ্রের পরিচালক ড. মো. হারুনূর রশীদ বলেন, “একটি দেশ একা আন্তঃসীমান্ত প্রাণী রোগ মোকাবেলা করতে পারবে না। যৌথ জ্ঞান, অভিজ্ঞতা ও সমন্বিত পদক্ষেপই দক্ষিণ এশিয়ার প্রাণিসম্পদ খাতকে টেকসইভাবে রক্ষা করতে পারে।”</p>
<p>সভাপতির সমাপনী বক্তব্যে টেকসই আঞ্চলিক প্রতিশ্রুতির গুরুত্ব তুলে ধরেন শ্রীলঙ্কার  প্রাণি উৎপাদন ও স্বাস্থ্য বিভাগের প্রধান ভেটেরিনারি কর্মকর্তা ও মহাপরিচালক ড. কে.কে. সরথ।</p>
<p>স্বাগত বক্তব্যে সার্ক কৃষি কেন্দ্রের সিনিয়র প্রোগ্রাম বিশেষজ্ঞ ড. মো. ইউনুস আলী বলেন, প্রাণি রোগ নজরদারি, যৌথ গবেষণা এবং দ্রুত প্রতিক্রিয়া ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রাণিসম্পদ নির্ভর গ্রামীণ জীবিকা রক্ষা সম্ভব।</p>
<p>প্রসঙ্গত, দুই দিনব্যাপী কর্মশালায় প্রযুক্তিগত সেশন, দেশভিত্তিক উপস্থাপনা এবং ফোকাসড গ্রুপ আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। মূল সুপারিশসমূহ সার্ক প্রধান ভেটেরিনারি কর্মকর্তা ফোরামে নীতি-পর্যায়ে প্রেরণ করা হবে। বৈঠকটি আন্তঃসীমান্ত প্রাণী রোগ মোকাবেলায় আঞ্চলিক সহযোগিতা শক্তিশালীকরণ এবং কোটি মানুষের জীবিকা রক্ষায় সার্কভুক্ত দেশগুলোর যৌথ অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এবি/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>কাপ্তাইয়ে বারি&#45;৪ জাতের লাউয়ে আশার আলো</title>
<link>https://digibanglatech.news/160308</link>
<guid>https://digibanglatech.news/160308</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_6937c6678b1b4.jpg" length="168663" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 09 Dec 2025 10:50:00 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>পাহাড়ে চাষ উপযোগী ফসলের জাত এবং অন্যান্য কৃষিপ্রযুক্তি উদ্ভাবন করার জন্য ১৯৭৬ সালে কর্ণফুলী নদীর মোহনায় রাইখালী ইউনিয়নে প্রায় ১০০ একর জমিতে গড়ে ওঠে রাইখালী পাহাড়ি কৃষি গবেষণা কেন্দ্র। বিভিন্ন ফসল নিয়ে গবেষণা করে থাকে কাপ্তাই উপজেলার  ‍কৃষি গবেষণা কেন্দ্রটি। দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর পাহাড়ে বারি-৪ লাউ চাষে সাফল্যের মুখ দেখলো। বহুদিন ধরে বারি-৪ জাতের লাউ চাষ করে এলেও এবারই প্রথম গবেষণা কেন্দ্রে ব্যাপক আকারে ফলন এসেছে।</p>
<p>সেখানে এখন মাঠের বিস্তীর্ণ এলাকার মাচাজুড়ে চাষ হচ্ছে বারি-৪ জাতের লাউ। ঝুলতে দেখা গেছে বিভিন্ন আকারের লাউ। দেখতে যেমন সুন্দর; তেমনই বেশ পরিপক্ব।</p>
<p>গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ড. মুহাম্মদ জিয়াউর রহমান জানান, এ জাতের লাউয়ের প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে তাপ সহনশীল এবং সারাবছর চাষ করা যায়। পার্বত্য অঞ্চলে চাষের জন্য উপযোগী একটি জাত। গাঢ় সবুজ রঙের ফলের গায়ে সাদাটে দাগ থাকে। প্রতিটি গাছে ১০-১২টি ফল পাওয়া যায়। যার গড় ওজন প্রায় আড়াই কেজি।</p>
<p>তিনি জানান, লাউগুলো লম্বায় ৪২-৪৫ সেন্টিমিটার এবং ব্যাস ১২-১৩ সেন্টিমিটার হয়ে থাকে। চারা রোপণের ৭০-৮০ দিনের মধ্যে ফল সংগ্রহ করা যায়। গাছের জীবনকাল ১৩০-১৫০ দিন হয়ে থাকে। প্রতি হেক্টরে ফলন হয় ৮০-৮৫ টন। জাতটি তাপসহিষ্ণু হওয়ায় বছরজুড়ে চাষ করে কৃষকেরা লাভবান হতে পারেন।</p>
<p>তিনি আরও জানান, বাংলাদেশের সব এলাকার পাশাপাশি পাহাড়ে জাতটি চাষ করার জন্য বেশ উপযোগী। গ্রীষ্মকালে চাষের জন্য ফাল্গুনের শেষে আগাম ফসল হিসেবে চাষ করা যায়। চৈত্র মাসেও বীজ বপন করে বৈশাখ মাসে চারা রোপণ করা সম্ভব হয়।</p>
<p>স্থানীয় কৃষকেরা মনে করছেন, নতুন জাতের লাউ চাষ করতে পারলে তারা বেশ লাভবান হতে পারবেন। বাজারে লাউয়ের চাহিদা সারাবছরই থাকে। তাই এই জাতের প্রতি কৃষকদের ব্যাপক আগ্রহ দেখা গেছে। </p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/একেজেএন/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>খাদ্যে ভেজালে ডিজিটাল মাধ্যমে অভিযোগ ও নিষ্পত্তির সুযোগ দাবি</title>
<link>https://digibanglatech.news/160196</link>
<guid>https://digibanglatech.news/160196</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_69344a85a4cac.jpg" length="84592" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 06 Dec 2025 19:24:16 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বাজারের ৭১ শতাংশ সবজিতে অতিরিক্ত কীটনাশক, তেলের নমুনায় বিপজ্জনক ট্রান্স–ফ্যাট এবং দুর্বল নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার কারণে জনস্বাস্থ্যের ওপর বড় ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। খাদ্যমান নিয়ে অনলাইন প্রতারণার অভিযোগ বাড়ছে। এমন পরিস্থিতিতে ডিজিটাল মাধ্যমে অভিযোগ জানানোর সুযোগ বৃদ্ধি ও প্রতিকার পাওয়া সহজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন খাত সংশ্লিষ্টরা।</p>
<p>৬ ডিসেম্বর, শনিবার দুপুরে রাজধানীর ফার্মগেটে তুলা উন্নয়ন ভবনে অনুষ্ঠিত নিরাপদ খাদ্যের নিশ্চয়তা ও ভোক্তা অধিকার প্রতিষ্ঠার পথরেখা ও করণীয় নিয়ে অনুষ্ঠিত জাতীয় সেমিনারে এই দাবি তোলা হয়। </p>
<p>কৃষিবিজ্ঞানী ড. মোহাম্মদ জয়নুল আবেদীন, সাবেক কৃষি সচিব আনোয়ার ফারুক, বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের অতিরিক্ত পরিচালক কাওছারুল ইসলাম সিকদার, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক ড. মোহাম্মদ এনায়েত-ই-রাব্বি, বিএসটিআই এর উপ-পরিচালক এনামুল হক, কৃষি অর্থনীতিবিদ ড. নজরুল ইসলাম, ক্যাবের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট হুমায়ূন কবীর ভূঁইয়া, ক্যাবের ঢাকা জেলা কমিটির সভাপতি বিগ্রেডিয়ার জেনারেল (অব:) সামস এ খান এবং ক্যাবের নির্বাহী কমিটির সদস্য শওকত আলী খান আলোচনায় অংশ নেন।</p>
<div>
<p>বক্তারা বলেন, আগামী জাতীয় নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক দলগুলোকে তাদের ইশতেহারে খাদ্য নিরাপত্তা ও ভোক্তা অধিকার নিশ্চিতের বিষয়ে সুস্পষ্ট অঙ্গীকার রাখতে হবে। নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর সমন্বয় জোরদার না হলে টেকসই পরিবর্তন সম্ভব নয়। পাশাপাশি শুধুমাত্র ঢাকা কেন্দ্রিক সেমিনার নয়, তৃণমূলে ভোক্তা সুরক্ষা পৌঁছে দিতে ক্যাবের উপজেলা পর্যায়ের কমিটিগুলোকে সক্রিয় করতে হবে।</p>
</div>
<p>সেমিনারে মূল প্রবন্ধে বাংলাদেশ সেফ এগ্রো ফুড ইফোর্টস (বিএসএএফই) এর লিংক পরিচালক মাহমুদ হাসান জানান, প্রতিবছর প্রায় ৩ কোটি মানুষ খাদ্যবাহিত রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে থাকে। বাজারে ভেজাল, বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপন, অনিরাপদ পণ্য এবং অনলাইন প্রতারণার অভিযোগ বাড়ছে। ডিএনসিআরপি'তে গত বছর জমা পড়া ৮০ হাজারের বেশি অভিযোগ থেকে জানা যায়, দেশে ভোক্তা অধিকার লঙ্ঘন মারাত্মকভাবে বাড়ছে।</p>
<p>কনজুমারস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) সভাপতি ও বাংলাদেশ সরকারের সচিব (পিএরএল) এএইচএম সফিকুজ্জামান সভাপতিত্ব করেন। তিনি বলেন, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতের লক্ষ্যে আপনাদের (বিএসএএফই) সাথে ক্যাব থাকবে। কারণ, ক্যাবের লক্ষ্য ভোক্তার জন্য নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা। ক্যাবের আন্দোলনের ফলেই জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর পেয়েছি। অথচ তারা (ভোক্তা অধিদপ্তরের প্রতিনিধি) আজকের এই আলোচনায় নেই, এটা দুঃখজনক। কিন্তু, ক্যাব চায় সবাইকে নিয়ে নাগরিকদের ভোক্তা অধিকার প্রতিষ্ঠা করা।</p>
<p>তিনি বলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে যারা সরকার গঠন করবে, তাদের উচিত নাগরিকদের জন্য সেফ ফুড (নিরাপদ খাদ্য) নিশ্চিতের অঙ্গিকার করা। কারণ, এটি এখন রাজনৈতিক দলগুলোর অন্যতম দায়িত্ব। অথচ, এ সকল বিষয়ে কোনো আলোচনা দেখা যাচ্ছে না।</p>
<p>নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নজরুল ইসলাম বলেন, দেশে দিন দিন জনসংখ্যা বাড়ছে, তাই খাদ্যের উৎপাদনও বাড়াতে হবে। কিন্তু এই উৎপাদন বাড়াতে গিয়ে আমরা রাসায়নিক সারের ওপর ঝুঁকে পড়ছি। কৃষকরা রাসায়নিক সারের ওপর এত বেশি নির্ভর হয়ে গেছে যে এখন আর কৃষিপণ্যের উৎপাদনই হচ্ছে না। অর্থাৎ মাটি তার উৎপাদন ক্ষমতাই হারিয়ে ফেলছে। উৎপাদন ক্ষমতা ঠিক রাখতে কৃষকদের রাসায়নিক সার বিমুখ করতে হবে এবং জৈব সার নির্ভর করতে হবে।</p>
<p>সভাপতির বক্তব্যে ক্যাবের সভাপতি এ. এইচ. এম. সফিকুজ্জামান বলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে যারা সরকার গঠন করবে, তাদের উচিত নাগরিকদের জন্য নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতের অঙ্গীকার করা। কারণ, এটি এখন রাজনৈতিক দলগুলোর অন্যতম দায়িত্ব। অথচ এসব বিষয়ে কোনো আলোচনা দেখা যাচ্ছে না। তাই নতুন সরকার বা বিরোধী দল যাতে নিরাপদ খাদ্য নিয়ে কাজ করে, সেই বিষয়ে আমাদের সোচ্চার হতে হবে এবং দ্রুত মাঠে নামতে হবে।</p>
<p>তিনি আরও বলেন, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতের লক্ষ্যে আপনাদের (বিএসএএফই) সঙ্গে ক্যাব থাকবে। কারণ, ক্যাবের লক্ষ্য ভোক্তার জন্য নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা। ক্যাবের আন্দোলনের ফলেই জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর পেয়েছি। অথচ তারা (ভোক্তা অধিদপ্তরের প্রতিনিধি) এই আলোচনায় নেই, এটি দুঃখজনক। কিন্তু ক্যাব চায় সবাইকে নিয়ে নাগরিকদের ভোক্তা অধিকার প্রতিষ্ঠা করা।</p>
<p>সেমিনারে মূল ধারণাপত্রে সকল অংশীজনদের মধ্যে শক্তিশালী অংশীদারিত্ব জোরদার করা, খাদ্য বাজারে জবাবদিহি বাড়ানো, ভোক্তা সচেতনতা বৃদ্ধি ও অংশগ্রহণের সুযোগ বৃদ্ধি করা, গবেষণা ও প্রমাণভিত্তিক নীতিমালা প্রণয়ন, ডিজিটাল মাধ্যমে অভিযোগ জানানো ও প্রতিকার পাবার সুযোগ বৃদ্ধি করা, নিরাপদ খাদ্য নীতিমালা প্রণয়ন করা, ভোক্তা সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য সহায়তা করা, টেকসই, পরিবেশবান্ধব ও জলবায়ূ-সংবেদনশীল নীতিমালা অনুশীলন করার উপর গুরুত্বারোপ করা হয়।<br><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/বিটিএন/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>১ জনের জন্য ৩ গাছ দরকার, ঢাকায় রয়েছে ২৮ জনে একটি </title>
<link>https://digibanglatech.news/159979</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159979</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_692c85117d605.jpg" length="80884" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 30 Nov 2025 21:28:44 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>রাজধানীতে একটি গাছ ভাগ হচ্ছে প্রায় ২৮ জন মানুষের মধ্যে৷ যা স্বাভাবিক পরিবেশগত ভারসাম্যের তুলনায় অনেক গুণ কম। দেশে আড়াই লাখ একর বন দখল হয়ে গেছে। ২০১৫ সালের তুলনায় বনায়ন কমেছে এক লাখ একর।</p>
<p>৩০ নভেম্বর, রবিবার রাজধানীর তুলা উন্নয়ন বোর্ডের মিলনায়তনে বাংলাদেশ কৃষি সাংবাদিক ফোরাম (বিএজেএফ) আয়োজিত ৪ দিনব্যাপি ‘কৃষি ও খাদ্যে রাজনৈতিক অঙ্গীকার’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলন ও কর্মশালার সমাপনী অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপকালে বন অধিদপ্তরের উপপ্রধান বন সংরক্ষক মো. জাহিদুল কবির এসব তথ্য জানিয়েছেন।</p>
<p>জাহিদুল কবির বলেন, প্রতিদিন একজন মানুষের কমপক্ষে ৫৫০ লিটার অক্সিজেন প্রয়োজন। আর এই অক্সিজেন সরবরাহ করতে কমপক্ষে তিনটি পূর্ণবয়স্ক গাছ লাগে। কিন্তু ঢাকায় বাস্তবতায় দেখা যাচ্ছে ২৮ জন মানুষের জন্য মাত্র একটি গাছ রয়েছে। আমরা ভয়াবহ সংকটের মধ্যে বসবাস করছি। আর মানবসৃষ্ট কর্মকাণ্ডে জীববৈচিত্র্য ও ইকোসিস্টেম মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।চোরা শিকার, বনভূমি দখল, আগুন, অবৈধভাবে নির্মাণ, ম্যানগ্রোভ বিনষ্টকরণ ও অনিয়ন্ত্রিত নৌযান চলাচলের কারণে বন ও বন্যপ্রাণী ক্রমাগত হুমকির মুখে। জলবায়ু পরিবর্তনের চাপও এসব বনকে নাজুক করে তুলছে।</p>
<p>উপপ্রধান বন সংরক্ষক আরও জানান, দেশের বনাঞ্চলে বর্তমানে প্রায় ৩৯৪ মিলিয়ন ঘনফুট কাঠসম্পদ আছে। আর দেশের মোট গাছের আচ্ছাদন অর্থাৎ বনভূমি ও বনভূমির বাইরে থাকা গাছ মিলিয়ে ৯৭৩ মিলিয়ন টন কার্বন ধারণ করছে। এর মধ্যে শুধু বনাঞ্চলেই রয়েছে ২৫১ মিলিয়ন টন কার্বন।</p>
<p>বন সম্প্রসারণ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ব্যক্তি পর্যায়ে চারা বিতরণ নিয়ে তিনি বলেন, আমরা এখন পর্যন্ত ৪ লাখ ১৯ হাজার চারা বিনামূল্যে বিতরণ করেছি। এই উদ্যোগ মানুষকে বৃক্ষরোপণে উৎসাহিত করবে এবং দীর্ঘমেয়াদে দেশের কার্বন ধারণ ক্ষমতা বাড়াবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি। </p>
<p>প্রধান অতিথির বক্তব্যে বন অধিদপ্তরের প্রধান বন সংরক্ষক মো. আমীর হোসাইন চৌধুরী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বনায়নই সবচেয়ে কার্যকর ও স্বল্পব্যয়ী প্রাকৃতিক সমাধান।মানুষের আরাম–আয়েশ যত বাড়ছে, ততই বাড়ছে জ্বালানি ব্যবহার ও কার্বন নিঃসরণ। উন্নত বিশ্বের মতো বাংলাদেশও ভবিষ্যতে শিল্পঘন দেশে পরিণত হলে কার্বন নিঃসরণ আরও বাড়বে। যদিও এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ দূষণকারী শীর্ষ দেশের তালিকায় নেই।</p>
<p>তিনি বলেন, পৃথিবীতে এমন অনেক দেশ রয়েছে যাদের বনায়ন ছাড়াও টিকে থাকা সম্ভব। কিন্তু বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম ঘনবসতিপূর্ণ দেশ—প্রতি বর্গকিলোমিটারে প্রায় ১২০০ মানুষ বাস করে। অন্যদিকে বিশ্বের মোট বনভূমির প্রায় ২০ শতাংশ রয়েছে রাশিয়ার মতো দেশে, যেখানে জনসংখ্যা ঘনত্ব মাত্র ৯ জন। ফলে বাংলাদেশে বনভূমির চাপ বেশি এবং বননির্ভরতা আরও বেশি।</p>
<p>বিশ্বের অর্ধেক বনভূমি মাত্র পাঁচটি দেশ রাশিয়া, কানাডা, ব্রাজিল, চীন ও যুক্তরাষ্ট্র—বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সেই তুলনায় বাংলাদেশের বন অবস্থান একেবারে তলানিতে। ঢাকা শহরে এক শহরের জন্য ন্যূনতম ২০ শতাংশ সবুজ এলাকার কথা বলা হলেও দুই সিটি করপোরেশন মিলিয়ে রয়েছে মাত্র ১০ শতাংশের একটু বেশি বলেও জানান তিনি। </p>
<p>বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্লান্টার স্কিল ডেভেলপমেন্টের প্রধান নির্বাহী ও গবেষক আবুল কালাম আজাদ বলেন, বাংলাদেশের উর্বর পরিবেশ ও কৃষিতে ব্যাপক সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও রাজনৈতিক অসহযোগিতা, মূল্যবোধের সংকট, বণ্টননীতির অভাব এবং সঠিক নেতৃত্বের ঘাটতির কারণে উন্নয়ন ব্যাহত হচ্ছে। মাঠপর্যায়ে সিন্ডিকেট, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, চাঁদাবাজি ও দুর্বল বাস্তবায়নব্যবস্থা কৃষি, বনায়ন ও পরিবেশ উন্নয়নে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে।  মূল্যবোধসম্পন্ন মানুষ তৈরি এবং সুশাসন নিশ্চিত হলে খাদ্যনিরাপত্তা ও পরিবেশ সুরক্ষায় কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আনা সম্ভব বলেও মন্তব্য করেন তিনি।</p>
<p>সম্মেলনে বাংলাদেশ কৃষি সাংবাদিক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক আবু খালিদের সঞ্চালনায় এবং সভাপতি সাহানোয়ার সাইদ শাহীন সভাপতিত্ব করেন।</p>
<p>প্রসঙ্গত, ৪ দিনব্যাপী এ সম্মেলনের কো-স্পন্সর আস্থা ফিড ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। সহযোগী স্পন্সর হিসেবে রয়েছে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ, লাল তীর সিডস লিমিটেড, ওয়ার্ল্ড পোল্ট্রি সায়েন্স অ্যাসোসিয়েশন–বাংলাদেশ ব্রাঞ্চ, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট, বন অধিদপ্তর, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, মৎস্য অধিদপ্তর এবং প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর।<br><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/পিআর/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>কম ব্যয়ে মাছের উৎপাদন ব্যয় বাড়াতে আইপিআরএস প্রযুক্তি উদ্ভাবন</title>
<link>https://digibanglatech.news/159941</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159941</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_692b3371431b8.jpg" length="117826" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 29 Nov 2025 20:29:00 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>মাছের উৎপাদন  ব্যয় কমাতে নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন করার কথা জানালেন প্রাণ আরএফএল চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) আহসান খান চৌধুরী। তিনি বলেন, আমরা মৌলভীবাজারে একটা ফার্ম নিয়েছি। এটা ১ হাজার ৮০০ বিঘার একটা ফার্ম হবে। আমরা এখানে কার্প মাছের চাষ করবো। আইপিআরএস প্রযুক্তিতে চাষ হবে। আমাদের বাংলাদেশে আইপিআরএস প্রযুক্তি বিগত দিনে ছিল না, চীনে ছিল। এই আইপিআরএস প্রযুক্তি মানে মাছ খাবে কম বাড়বে বেশি। এটা হলো আইপিআরএস প্রযুক্তি। এই প্রযুক্তিতে মাছকে ভালোভাবে এক্সারসাইজ করানো হবে। একটা টানেলের মধ্যদিয়ে, এতে মাছ খুব অল্প সময়ে বড় হবে। এই প্রযুক্তি আমরা আনতে যাচ্ছি। বাংলাদেশে বোধহয় এটা তৃতীয় ফার্ম হবে। গোদাগাড়ীতেও (রাজশাহী) আমাদের ফার্ম আছে। এই মাছের জন্য আমরা কাজ করবো।</p>
<p>বাংলাদেশ কৃষি সাংবাদিক ফোরামের (বিএজেএফ) আয়োজনে ২৯ নভেম্বর, শনিবার  রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ‘কৃষি ও খাদ্যে রাজনৈতিক অঙ্গীকার’ শীর্ষক চার দিনব্যাপী সম্মেলনের তৃতীয় দিনে ‘কৃষি ও গ্রামীণ অর্থনীতিতে রাজনৈতিক অঙ্গীকার’ শীর্ষক সভায় এমনটাই জানান তিনি। </p>
<p>বিএজেএফের সাধারণ সম্পাদক আবু খালিদের সঞ্চালনায় এতে সভাপতিত্ব করেন বিএজেএফ সভাপতি সাহানোয়ার সাইদ শাহীন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।</p>
<p>বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আহসান খান চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশের কৃষি ক্ষেত্রে এখনো অনেক বিপ্লব সাধন হয়নি। আমি মনে করি আমাদের অনেক দূর এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ আছে। আমরা আগাবো। কৃষির ক্ষেত্রে বলবো যে, আপনার রোলটা আপনি বোঝেন, আরও প্রগতিশীল কৃষির জন্ম দেন বাংলাদেশে। ভালো কৃষি বাংলাদেশের জন্য নিয়ে আসেন যেন বাংলাদেশের কৃষক আরও এগিয়ে যান। তাই একটু নতুন চিন্তাভাবনার দরকার। প্রতি কয়েক বছরে ইন্ডাস্ট্রি যদি ডিফল্টে গিয়ে কিছু রিসেট বাটনে টিপ না দেওয়া হয়, তাহলে বোধহয় ইন্ডাস্ট্রি প্রপারলি আগাতে পারবে না। আমি মনে করি কৃষিরও কিন্তু রিসেট বাটনের দরকার আছে।</p>
<p>তিনি আরও বলেন, আমাদের মাছে আগাতে হবে, আমাদের মুরগিতে আগাতে হবে, হর্টিকালচারে আগাতে হবে। আমরা আমাদের কথা যেটা বলবো সেটা হচ্ছে—আমারা যারা ব্যবসায়ী আছি, আমরা ব্যবসা করবো। আমরা এক জায়গা থেকে মাছ কিনবো, আরেক জায়গায় বিপণন করবো এবং কেনা-বেচার মধ্যে যেটা লাভ, আমরা পরিমিত লাভ করবো। আর যখন আমরা বেশি লাভ করি তখন সাংবাদিকরা আমাদের ধরিয়ে দেবেন যে আমাদের জন্য লাভ করাটা পরিমিত হচ্ছে না। তাহলে কিন্তু জবাবদিহিমূলক বাংলাদেশ আসবে, সুন্দর বাংলাদেশ আসবে এবং কৃষি মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে আসতে পারবে।</p>
<p>কালেক্টিভ ফার্মিংয়ের গুরুত্ব তুলে ধরে প্রাণ-আরএফএলের চেয়ারম্যান বলেন, আজ থেকে ৩০ বছর আগে থাইল্যান্ডের কৃষির অবস্থান বাংলাদেশের মতোই ছিল। বাট তাদের রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে তারা ব্যাপক পরিবর্তন করেছে এবং কৃষিতে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। আশা করি আপনাদের তত্ত্বাবধানে এবং আমাদের সবার সমষ্টিগত প্রয়াসে কৃষি আগামীদিনে আরও এগিয়ে যাবে।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এএইচ/ওআর</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>হাইড্রোপনিক্স ম্যাপিং  ও  জৈব সার প্রযুক্তিতে তাগিদ আমির খসরুর</title>
<link>https://digibanglatech.news/159916</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159916</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_692acc9fb640b.jpg" length="98068" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 29 Nov 2025 16:37:38 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>হাইড্রোপনিক্স ম্যাপিং করে পানির বিভিন্ন স্তরে উদ্ভাবনী চাষাবদে সরকারি বিনিয়োগ ও জৈব সার প্রযুক্তি বিকাশে তাগিদ দিয়েছেন বিএনপি'র স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। </p>
<p>একইসঙ্গে খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ এবং কোল্ড স্টোরেজ ব্যবস্থাপনায় এই খাতের ৪০ শতাংশ অপচয় রোধ করে মোট দেশজ উৎপাদনে নজর দিয়ে রফতানি বাজার বাড়াতে সরকারি-যৌথ অংশীদারিত্বে স্মার্ট কৃষিতে জোর দিয়েছেন তিনি।</p>
<p>তিনি বলেছেন, এ জন্য সরকারি নীতি সহযোগিতার পাশাপাশি কৃষি ও কৃষকদের প্রশিক্ষণের বিকল্প নেই। সব স্টেক হোল্ডারদের হলিস্টিক এ্যাপ্রোচে এজন্য একটি মোর্চা গঠন করতে হবে। পানিতে বিভন্ন স্তরে মাছের চাষ ও রকমারি জলজ চাষাবাদের সময় সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদনে আমরা গুরুত্ব দিতে পারি।</p>
<p>২৯ নভেম্বর, শনিবার, রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে কৃষি এবং খাদ্যে রাজনৈতিক অঙ্গীকার শীর্ষক ৪ দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সম্মেলনের তৃতীয় দিনে কৃষি ও গ্রামীণ অর্থনীতিতে রাজনৈতিক অঙ্গীকার বিষয়ক সেমনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন আমির খসরু।</p>
<p>তিনি বলেন, কৃষক বাঁচাতে বাজারে দাম বেঁধে দেয়ার দরকার নেই। কৃষকদের প্রযুক্তি ও ঋণ সহায়তা দিতে হবে। পণ্যের ভ্যালু অ্যাড শেখাতে হবে। </p>
<p>নিজেদের সরকারের সময়ে 'কৃষিতে ভালো করেছি তবে বিপ্লব হয়নি' মন্তব্য করে খসরু বলেন, খাদ্য আমদানি নির্ভরতা কমাতে না পারলে বৈশ্বিক রাজনীতির শিকার হতে হবে। কৃষকের দাম কমিয়ে দেয়া নির্বুদ্ধিতা। তাই দাম কমালে তা তিন মিনিট পরে আবার বাড়ে।</p>
<p>বাংলাদেশ কৃষি সাংবাদিক ফোরামের  (বিএজেএফ) আয়োজনে সংগঠনের সভাপতি সাহনোয়ার সাইদ শাহীনের সভাপতিত্বে সেমিনারে আরএফএল চেয়ারম্যান ও সিইও আহসাস খান চৌধুরী বক্তব্য রাখেন।</p>
<p>সেমিনার সঞ্চালনা করেন বিএজেএফ সাধারণ সম্পাদক আবু খালেদ।<br><strong>ডিবিটেক/আইএইচ/ওআর</strong></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>মাছ চাষে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ ও ভর্তুকির আহ্বান</title>
<link>https://digibanglatech.news/159908</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159908</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_692a63c47890f.jpg" length="134858" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 29 Nov 2025 00:07:53 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>মানুষের বেঁচে থাকার জন্য খাওয়া খাদ্য যেন রোগের উৎস না হয়, তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়ে মাছ চাষে অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার। একইসঙ্গে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাত সরকারি ভর্তুকি নিয়েও নিজের আক্ষেপের কথা তুলে ধরেছেন তিনি। তিনি বলেছেন, কৃষিতে আমরা প্রায়ই ভর্তুকির কথা শুনি, কিন্তু মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাত তা থেকে বঞ্চিত। এই খাতেও ভর্তুকি দেওয়া এখন সময়ের দাবি। এছাড়াও দেশের সামগ্রিক পুষ্টিচিত্র নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় ‘গড় হিসাবের’ ওপর নির্ভরতাকে একটি বিপজ্জনক প্রবণতা হিসেবে অভিহিত করেছেন সরকারের এই উপদেষ্টা। </p>
<p>রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে বাংলাদেশ কৃষি সাংবাদিক ফোরাম (বিএজেএফ) আয়োজিত চার দিনব্যাপী ‘কৃষি ও খাদ্যে রাজনৈতিক অঙ্গীকার’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলন ও কর্মশালার দ্বিতীয় দিন,২৮ নভেম্বর, শুক্রবার  প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমন মন্তব্য করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা।</p>
<p>অনুষ্ঠানে দেশ-বিদেশের বিশেষজ্ঞ, বিজ্ঞানী, অর্থনীতিবিদ ও কৃষি খাতের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>‘জাতীয় প্রাণী সম্পদ সপ্তাহ : পুষ্টি নিরাপত্তায় প্রাণি ও মৎস্য খাত’ বিষয়ক সেমিনারে  একুয়াকালচারে অনিয়ন্ত্রিত ফিড ও অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের কারণে ভবিষ্যতে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (এএমআর) মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে। জনস্বাস্থ্য রক্ষায় এসব বিষয়ে এখনই নিয়ন্ত্রণ জরুরি। </p>
<p>দেশের সামগ্রিক পুষ্টিচিত্র নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় গড় হিসাবের ওপর নির্ভরতা একটি ‘বিপজ্জনক প্রবণতা’। ধনী মানুষের আয় দিয়ে গরিব মানুষকে বিচার করবেন না। কৃষিতে আমরা ভর্তুকির কথা শুনি। কিন্তু প্রাণি ও মৎস্য সম্পদে আমরা ভর্তুকি পাই না। এ খাতেও ভর্তুকি দরকার।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x_692a642f12c43.jpg" alt=""></p>
<p>ভবিষ্যৎ স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে সতর্ক করে উপদেষ্টা বলেন, একুয়াকালচারে অনিয়ন্ত্রিত ফিড ও অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের কারণে ভবিষ্যতে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (এএমআর) মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে। জনস্বাস্থ্য রক্ষায় এসব বিষয়ে এখনই নিয়ন্ত্রণ জরুরি। তিনি আরও বলেন, পৃথিবীর অনেক দেশে যেসব প্রাণিসম্পদ বিলুপ্ত হয়ে গেছে, সেগুলোর অনেকগুলোই আমাদের দেশে টিকে আছে। দেশি জাতের মাছ, মাংস ও প্রাণিসম্পদ বাংলাদেশের অমূল্য সম্পদ, যেগুলো রক্ষা করা এখন সময়ের দাবি।</p>
<p>গ্রামীণ খাদ্যব্যবস্থার বৈচিত্র্য রক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে ফরিদা আখতার বলেন, উৎপাদনকারী জেলার মানুষও অনেক সময় নিজ এলাকার দেশীয় মাছ খেতে পারেন না। উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, সুনামগঞ্জে দেশীয় মাছের স্বাদ অত্যন্ত ভালো হলেও অনেক সুনামগঞ্জবাসী এখন একোয়াকালচারের পাঙ্গাশ খেতে বাধ্য হচ্ছেন। এসব বাস্তব তথ্য সাংবাদিকদের তুলে ধরার আহ্বান জানান তিনি।</p>
<p> বিএজেএফ’র সভাপতি সাহানোয়ার সাইদ শাহীনের সভাপতিত্বে সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. আবদুর রউফ, বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট এর সাবেক মহাপরিচালক ড. কাজী ইমদাদুল হক, এসিআই এগ্রিবিসনেসেস প্রেসিডেন্ট ও গ্রুপ উপদেষ্টা ড. ফা হ আনসারী, আস্থা ফিড ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড এর চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন চৌধুরী, বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোঃ সাজেদুল করিম সরকার। </p>
<p>বিএজেএফ সাধারণ সম্পাদক আবু খালিদের সঞ্চালনায় সম্মেলনে সামুদ্রিক মৎস্য ব্যবস্থাপনা ও সুনীল অর্থনীতি নিয়ে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন মৎস্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক ও সাসটেইনেবল কোস্টাল এন্ড মেরিন ফিশারিজ প্রকল্প পরিচালক মো. জিয়া হায়দার চৌধুরী।</p>
<p>বক্তব্যে বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. সাজেদুল করিম সরকার বলেন, পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএলআরআই) এখন পর্যন্ত ৯৭টি প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছে। দুধ, ডিম ও মাংস উৎপাদনে জেনেটিক উন্নয়ন, ফডার (ঘাস চাষ) প্রযুক্তি ও আধুনিক গবেষণার ফলে দেশের পুষ্টি চাহিদা পূরণের সক্ষমতা বহুগুণ বেড়েছে।</p>
<p>মাছের খাদ্য রপ্তানিতে নতুন সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করে আস্থা ফিড ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশের উৎপাদিত ফিশ ফিড এখন আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানি হচ্ছে, যা দেশের রপ্তানি খাতে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। তবে এ খাতকে টেকসই করতে ফিশ ফিডের জন্য বিশেষ রপ্তানি প্রণোদনা নীতির প্রয়োজন রয়েছে।</p>
<p>ভ্যালু চেইন শক্তিশালী করার আহ্বান জানিয়ে এসিআই এগ্রিবিজনেসের প্রেসিডেন্ট ও এসিআই লিমিটেডের গ্রুপ উপদেষ্টা ড. ফা হ আনসারী বলেন, কৃষি ভ্যালু চেইন শক্তিশালী হলে কৃষকের ওপর মধ্যস্বত্বভোগীদের চাপ কমবে এবং খাদ্যপণ্যের দামের অস্থিরতাও নিয়ন্ত্রণে আসবে। গবেষণা থেকে শুরু করে প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বাজারজাতকরণ পর্যন্ত সমন্বিত ব্যবস্থাপনার ওপর তিনি গুরুত্ব দেন।</p>
<p>দীর্ঘমেয়াদি গবেষণা নীতির তাগিদ দিয়ে বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের সাবেক মহাপরিচালক ড. কাজী ইমদাদুল হক বলেন, কৃষিকে টেকসই করতে উৎপাদনের পাশাপাশি ভ্যালু চেইন শক্তিশালী করা এবং গবেষণায় দীর্ঘমেয়াদি নীতির ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তন, কৃষিজমি হ্রাস ও মূল্যনীতির দুর্বলতা বড় চ্যালেঞ্জ বলেও তিনি উল্লেখ করেন।</p>
<p>বিএজেএফ'র চার দিনের এ সম্মেলনে কো-স্পন্সরশীপে রয়েছে আস্থা ফিড ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। এছাড়াও সহযোগীতায় রয়েছে এসিআই এগ্রিবিজনেসেস, প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ, লাল তীর সিডস লিমিটেড, ওয়ার্ল্ড পোল্ট্রি সায়েন্স এ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ ব্রাঞ্চ; বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট, বন অধিদপ্তর, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, মৎস্য অধিদপ্তর ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর।<br><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এফএস/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>কৃষির যান্ত্রিকীকরণে গত বছরে সরকারের সাশ্রয় চার হাজার কোটি টাকা</title>
<link>https://digibanglatech.news/159880</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159880</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_6928789975f63.jpg" length="90773" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 27 Nov 2025 18:13:35 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>কৃষির যান্ত্রিকীকরণ প্রকল্পের ৬শ কোটি টাকা সরকারকে ফেরত দিয়েছে মন্ত্রণালয়। মাত্র ২০ কোটি টাকা দিয়ে প্রকল্প সমাপ্ত ক করে প্রকল্পের দুর্নীতি কমাতে ২৫০০ কোটি টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে। এভাবে গত বছরে চার হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় হয়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষি সচিব ড. মোহাম্মদ এমদাদ উল্লাহ মিয়ান। </p>
<p>তিনি বলেছেন, দেশের কৃষি খাতে সামগ্রিক উন্নয়ন ও আধুনিকীকরণ নিশ্চিত করতে আগামী ২৫ বছরের জন্য দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হচ্ছে। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই এ পরিকল্পনার চূড়ান্ত খসড়া প্রস্তুত করা হবে। আমরা এমনভাবে পরিকল্পনা নিচ্ছি যাতে করে সারের খরচ বছরে দুই থেকে তিন হাজার কোটি টাকার সাশ্রয় হয়। ইতোমধ্যে সারে চলতি বছরেই ১ হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় করেছি। </p>
<p>২৭ নভেম্বর, বৃহস্পতিবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে বাংলাদেশ কৃষি সাংবাদিক ফোরাম (বিএজেএফ) আয়োজিত ৪ দিনব্যাপি ‘কৃষি ও খাদ্যে রাজনৈতিক অঙ্গীকার’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের উদ্ভোধনী 'কৃষির রূপান্তর: দেশীয় উপযোগী কৃষিযন্ত্র ও কৃষিপণ্য রপ্তানি চ্যালেঞ্জ' সেমিনারে এসব কথা বলেন কৃষি সচিব।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x_69287895ed22b.jpg" alt=""></p>
<p>বিএজেএফের সাধারণ সম্পাদক আবু খালিদের সঞ্চালনায় এতে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনটির সভাপতি সাহানোয়ার সাইদ শাহীন।</p>
<p>প্রধান অতিথির বক্তব্যে কৃষি সচিব বলেন, তিন বছর পর পেয়াজ ও আদা আমদানি করা হবে না। এক বছরে চার হাজার কোটি টাকার সাশ্রয় করা হয়েছে। এর মাধ্যমে প্রকল্প দুর্নীতি ও অপচয় কমানো হয়েছে। কৃষকের প্রয়োজনে বিভিন্ন খাতে ব্যয় করা হচ্ছে। কৃষকের দাম দেওয়া ছাড়া কৃষকবান্ধব কৃষি অর্থনীতি হবে না। দেশের কৃষককের স্বার্থ সুরক্ষায় সব ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হবে। </p>
<p>কৃষি সচিব আরও বলেন, সবজির দাম ১০০ টাকা হলে সেটি সবাই স্বাভাবিকভাবেই নেয়। কিন্তু পেঁয়াজের কেজি ১০০ টাকা হলেই সেটা নিয়ে বিভিন্ন আলোচনা-সমালোচনা তৈরি হয়। কৃষককে কি পেঁয়াজের দাম দিতে হবে না? আমরা চাই কৃষক যেন তার উৎপাদিত ফসলের নায্য মূল্য পান। এছাড়া আগামী তিন বছরের মধ্যে আদা ও পেঁয়াজ বাংলাদেশকে স্বয়ংসম্পূর্ণ করতে চাই। একই সাথে আলুর দাম না পেয়ে কৃষকের আত্মহত্যা করার ঘটনায়ও আক্ষেপ প্রকাশ করেন তিনি বলেন, আলুর দাম কমে গেছে, আমার খুব কষ্ট হয়। কৃষকদের সঠিক মূল্যায়নে সরকারকে আরো এগিয়ে আসতে হবে।</p>
<p>বিএজেএফ সভাপতি সাহানোয়ার সাইদ শাহীন বলেন, কৃষক ও কৃষির স্বার্থ সুরক্ষায় রাজনৈতিক অঙ্গীকার প্রয়োজন। প্রতিট রাজনৈতিক দলকে তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে এ বিষয়ে স্পষ্ট ও দীর্ঘমেয়াদী কৌশল থাকতে হবে। আমাদের লক্ষ্য হলো কৃষিকে টেকসই করতে রাজনীতির সঙ্গে যোগসূত্র স্থাপন করা। কৃষির রূপান্তর টেকসই করতে উন্নত প্রযুক্তি ও কৃষক বান্ধব নীতি প্রণয়ন করতে হবে।</p>
<p>অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (ব্রি) যান্ত্রিক পদ্ধতিতে ধান চাষাবাদ প্রকল্পের পরিচালক ড. কে এম সাইফুল ইসলাম। তিনি বলেন, কৃষি যান্ত্রিকীকরণের ধারায় ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ বাস্তবায়নে আমরা গুরুত্ব দিচ্ছি। শ্রীলঙ্কা ও জাপানসহ বিভিন্ন দেশের প্রযুক্তিগত সহযোগিতায় স্থানীয়ভাবে মানসম্পন্ন কৃষিযন্ত্র উৎপাদন এখন বাস্তবে রূপ নিচ্ছে, যা দেশের কৃষিতে সময় সাশ্রয়, ব্যয় হ্রাস ও নতুন শিল্প তৈরিতে বড় ভূমিকা রাখবে। দেশের কৃষিযন্ত্র বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়—এমন পরিস্থিতি পরিবর্তন করে স্থানীয়ভাবে মানসম্পন্ন কৃষিযন্ত্র তৈরির সক্ষমতা গড়ে তুলতেই ব্রি বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। আন্তর্জাতিকমান বজায় রেখে দেশের মাটিতে প্রযুক্তি বানানোর সক্ষমতা অর্জনই এখন মূল লক্ষ্য।</p>
<p>বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (ব্রি) প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা দুরুল হুদা বলেন, দেশে আধুনিক কৃষিযন্ত্র উৎপাদনের সবচেয়ে বড় বাধা লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং খাতের অদক্ষতা ও অবকাঠামোগত দূর্বলতা। কম্বাইন হারভেস্টার ও রাইস ট্রান্সপ্লান্টারের মতো অত্যাধুনিক কৃষিযন্ত্র ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ হিসেবে তৈরি হওয়ার পথে বড় বাধা তৈরি হচ্ছে। স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরও দেশে কোনো রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠেনি যেখানে ইঞ্জিন তৈরি হয়। অতীতে যেগুলো ছিল—মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি, ডিজেল প্ল্যান্ট বা চট্টগ্রাম স্টিল মিল—সেগুলো পরিচালনায় ব্যর্থ হওয়ায় শিল্পভিত্তি দুর্বল হয়ে পড়ে। বেসরকারি খাতেও সক্ষমতা বৃদ্ধি পায়নি। ফলে আধুনিক কৃষিযন্ত্র, বিশেষত কম্বাইন হারভেস্টার ও রাইস ট্রান্সপ্লান্টার উৎপাদনে দেশ পিছিয়ে আছে।</p>
<p>পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ) ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফজলুল কাদের বলেন, শুধু উৎপাদন নয়, কৃষিকে একটি লাভজনক, শিক্ষিত ও ডিগনিফাইড পেশা হিসেবে গড়ে তোলাই এখন প্রধান উদ্দেশ্য। পিকেএসএফ মূলত সহযোগী সংস্থার মাধ্যমে কাজ করছে। বর্তমান সময়ে এ সংস্থাগুলো বছরে প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার কোটি টাকা মাঠ পর্যায়ে বিতরণ করছে, যার প্রায় ৪০ শতাংশই কৃষিক্ষেত্রে ব্যবহার হয়। বাংলাদেশের মোট কৃষি অর্থায়নের প্রায় ৮৫ শতাংশ এমএফআই সেক্টর দিয়ে হচ্ছে, তাই এই ক্ষেত্রটি এখন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।<br>বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (ব্রি) মহাপরিচালক ড. মোহাম্মদ খালেকুজ্জামান বলেন, ব্রির মূল ম্যান্ডেট হচ্ছে ধানভিত্তিক সব ধরনের গবেষণা এগিয়ে নেওয়া। দেশের খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই গবেষণাকাজ কয়েক দশক ধরে অব্যাহত রয়েছে। স্বাধীনতার পর দেশের প্রধান চাহিদা ছিল খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করা। সে সময় প্রতি হেক্টরে দেড় থেকে দুই টন ধান উৎপাদন হতো, সেখানে এখন আধুনিক জাত ও প্রযুক্তির কারণে অনেক জায়গায় ৮ থেকে ১০ টন পর্যন্ত উৎপাদন হচ্ছে। হাইব্রিড ধানের জাত উদ্ভাবনে জোর দেওয়া হচ্ছে। ভবিষ্যতে ধানের গড় ফলন হেক্টরে ১০ টনের উপরে যাবে।</p>
<p>প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ–এর পরিচালক (বিপণন) কামরুজ্জামান কামাল বলেন, বিশ্ব এগ্রো প্রসেসিং বাজার ৪ ট্রিলিয়ন ডলারের হলেও বাংলাদেশের অংশ মাত্র ১ বিলিয়ন ডলার—এখানে বড় সম্ভাবনা রয়েছে। তবে খাতে ভ্যারাইটি ও মানের ঘাটতি আছে, ৪০০ প্রতিষ্ঠান থাকলেও সবাই উন্নত মানের পণ্য উৎপাদন করতে পারছে না।  কৃষিপণ্য রপ্তানিতে ১৮টি দপ্তরের অনুমতির জটিলতা সময় ও খরচ বাড়ায়, তাই ওয়ান স্টপ সার্ভিস ও কান্ট্রি ব্র্যান্ডিং জরুরি। কোয়ালিটি কন্ট্রোল ও আন্তর্জাতিক মানের ল্যাবের সংকট রয়েছে, অনেক পরীক্ষা বিদেশে করাতে হয় এবং বিএসটিআই–এর মান সব দেশে গ্রহণযোগ্য নয়। নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে গ্রাম পর্যায় থেকেই কাজ শুরু করার তাগিদ দেন তিনি।</p>
<p>প্রবন্ধ উপস্থাপন করে রফতানিযোগ্য আম উৎপাদন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ আরিফুর রহমান বলেন, গত ৫ বছরে আম রফতানি বেড়েছে ৩ গুণ। আর এই সময়ে আম আমদানি শুণ্যে নেমেছে। বর্তমানে ৩৮ টি দেশে আম রফতানি হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি আম রফতানি যুক্তরাজ্যে। আম রফতানিতে ইউরোপের বাজার দখলের সুযোগ রয়েছে। তবে পরিবহণ ও বিমান ভাড়ার কারণে সেভাবে আম রফতানি বাড়ানো যাচ্ছেনা। অনেক সময় বেশি ভাড়া দিলেও বিমানে জায়গা পাওয়া যায়না। কৃষিপণ্য রফতানিতে বিমানে নির্দিষ্ট যায়গা বরাদ্দ থাকা উচিত।</p>
<p>বিএজেএফ'র চার দিনের এ সম্মেলনে কো-স্পন্সরশীপে রয়েছে আস্থা ফিড ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। এছাড়াও সহযোগীতায় রয়েছে এসিআই এগ্রিবিজনেসেস, প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ, লাল তীর সিডস লিমিটেড, ওয়ার্ল্ড পোল্ট্রি সায়েন্স এ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ ব্রাঞ্চ; বাংলাদেশ ধান গবেষণা প্রতিষ্ঠান, বন অধিদপ্তর, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, মৎস্য অধিদপ্তর ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এএইচটি/এমইউএম/</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>হাইব্রিড সবজি বীজ উৎপাদনে আঞ্চলিক সহযোগিতা বাড়াতে সার্কের আহ্বান</title>
<link>https://digibanglatech.news/159760</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159760</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_692495fc468c6.jpg" length="137191" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 24 Nov 2025 20:30:06 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>দক্ষিণ এশিয়ার সবজি বীজ খাতে প্রযুক্তিগত অগ্রগতি ও আঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে সার্ক কৃষি কেন্দ্র (এসএসি) আয়োজিত তিন দিনব্যাপী ভার্চুয়াল প্রশিক্ষণ কর্মশালা “সার্ক সদস্য দেশসমূহে সবজি ফসলের হাইব্রিড বীজ উৎপাদনে সাম্প্রতিক অগ্রগতি” ২৪ নভেম্বর, সোমবার উদ্বোধন করা হয়। প্রশিক্ষণের মূল উদ্দেশ্য হলো সদস্য দেশগুলোর অংশগ্রহণকারীদের হাইব্রিড সবজি বীজ উৎপাদনে ব্যবহৃত সর্বশেষ কৌশল সম্পর্কে ধারণা প্রদান করা। সার্কের বিভিন্ন দেশ থেকে বিজ্ঞানী ও বিশেষজ্ঞরা এতে অংশ নিচ্ছেন।</p>
<p>উদ্বোধনী বক্তব্যে সার্ক কৃষি কেন্দ্রের পরিচালক ড. মো. হারুনূর রশীদ বলেন, দক্ষিণ এশিয়ায় খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হাইব্রিড বীজ প্রযুক্তি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আঞ্চলিক উৎপাদনশীলতা বাড়াতে গবেষণার সক্ষমতা বৃদ্ধি, মানসম্মত বীজ উৎপাদন এবং জলবায়ু-সহনশীল প্রযুক্তির ব্যবহারের ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন। তিনি আরও বলেন, সহযোগিতা বৃদ্ধি, জ্ঞান বিনিময় এবং সক্ষমতা উন্নয়নই উচ্চমানের, জলবায়ু-সহনশীল হাইব্রিড সবজি বীজ উৎপাদনকে আরও শক্তিশালী করবে।</p>
<p>প্রশিক্ষণের লক্ষ্য ও কারিগরি সেশনসমূহ উপস্থাপন করে সার্ক কৃষি কেন্দ্রের সিনিয়র কর্মসূচি বিশেষজ্ঞ (ফসল) ড. সিকান্দার খান তানভীর জানান, বিভিন্ন সবজি ফসলের হাইব্রিডায়ন পদ্ধতি, প্রক্রিয়াজাতকরণ কৌশল এবং বীজ বিপণনসহ গুরুত্বপূর্ণ কারিগরি বিষয়গুলো এ প্রশিক্ষণে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যা সদস্য দেশগুলোর বীজ উৎপাদন দক্ষতা বৃদ্ধি করবে।</p>
<p>মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ভারতের কৃষি গবেষণা পরিষদের (আইসিএআর) অতিরিক্ত মহাপরিচালক ড. সুধাকর পাণ্ডে। তিনি বলেন, হাইব্রিড বীজ উৎপাদনের সাম্প্রতিক অগ্রগতি ফলন বৃদ্ধি, গুণগত মান উন্নয়ন এবং রোগ–পোকার আক্রমণ ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখছে। দক্ষিণ এশিয়ায় সবজি উৎপাদন বৃদ্ধিতে আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারের ওপর তিনিও গুরুত্ব দেন।</p>
<p>বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সার্ক সচিবালয়ের পরিচালক (এআরডি ও এসডিএফ) তানভীর আহমেদ তরফদার বলেন, পুষ্টি নিরাপত্তা অর্জনে সদস্য দেশগুলো যখন সবজি উৎপাদন বৃদ্ধি করার জন্য গুরুত্ব দিচ্ছে, তখন এই প্রশিক্ষণ অত্যন্ত সময়োপযোগী। তিনি বলেন, অভিজ্ঞতা বিনিময়, দেশভিত্তিক উপস্থাপনা এবং আঞ্চলিক সহযোগিতা হাইব্রিড বীজ উন্নয়ন ও বাণিজ্যিকীকরণে আরও গতি আনবে।</p>
<p>প্রধান অতিথি কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (পিপিসি) ড. মো. মাহমুদুর রহমান বলেন, হাইব্রিড সবজি বীজ ফলন, গুণগত মান এবং কৃষকের আয় বৃদ্ধির অন্যতম কার্যকর মাধ্যম। তবে মানসম্মত বীজের সীমিত প্রাপ্যতা, জলবায়ুগত চাপ এবং প্রশিক্ষিত জনবলের ঘাটতি এখনও বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে।</p>
<p>সেশনে অংশগ্রহণকারীরা অঞ্চলের হাইব্রিড সবজি বীজে আমদানি-নির্ভরতা, গবেষণা–প্রসার (এক্সটেনশন) ব্যবস্থার দুর্বলতা এবং বীজ সার্টিফিকেশন ও কোয়ারেন্টাইন ব্যবস্থার ঘাটতি নিয়ে আলোচনা করেন। বিশেষজ্ঞরা যৌথ গবেষণা, জার্মপ্লাজম বিনিময়, সরকারি–বেসরকারি অংশীদারিত্ব এবং সমন্বিত বীজ মানদণ্ড প্রণয়নের ওপর জোর দেন, যাতে আঞ্চলিক বীজ নিরাপত্তা শক্তিশালী হয়।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>বিডিটেক/এবিএম/আইএইচ</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>প্রাণিসম্পদ সপ্তাহ শুরু ২৬ নভেম্বর, ৫ ক্যাটাগরিতে পদক পাবেন ১৫ জন</title>
<link>https://digibanglatech.news/159742</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159742</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_69242aafaeee5.jpg" length="123791" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 24 Nov 2025 15:02:04 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>প্রযুক্তির সম্প্রসারণের মাধ্যমে প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন ও নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়াতে ২৬ নভেম্বর, বুধবার থেকে শুরু হচ্ছে জাতীয় প্রাণিসম্পদ সপ্তাহ।  ‘দেশীয় জাত, আধুনিক প্রযুক্তি: প্রাণিসম্পদে হবে উন্নতি’ প্রতিপাদ্যে এবারের সপ্তাহে  মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে অবদানের জন্য প্রথমবারের মতো পাঁচ ক্যাটাগরিতে  ১৫ জনকে দেয়া হবে সম্মাননা। </p>
<p>গবাদিপশুর খামারি (গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া ও অন্যান্য); পোল্ট্রি খামার (হাঁস, মুরগি, কবুতর, টার্কি, কোয়েল ও অন্যান্য); প্রাণী ও প্রাণিজাত পণ্য উৎপাদন (মাংস, দুধ ও ডিম) প্রক্রিয়াজাতকরণ, বাজারজাতকরণ ও রপ্তানি; প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনায় ব্যক্তি/ প্রতিষ্ঠান/অ্যাসোসিয়েশন/ সমবায় সমিতি/গণমাধ্যম/এনজিও/প্রাণিসম্পদ সংক্রান্ত সমাজ ভিত্তিক সংগঠনের অবদান/সমগ্র কর্মজীবনের অবদান এবং প্রান্তিক চাষী/নারী ও অনগ্রসর খামারিদের প্রাণিসম্পদ উন্নয়নে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে দেয়া হবে এই সম্মাননা।</p>
<p>জাতীয় প্রাণিসম্পদ সপ্তাহের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রতিটি ক্যাটাগরিতে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অধিকারীকে যথাক্রমে স্বর্ণ, রৌপ্য এবং ব্রোঞ্জ পদকে ভূষিত করা হবে। </p>
<p>২৪ নভেম্বর, সোমবার সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য দিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার।  এসময় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. ইমাম উদ্দীন কবীর, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. আবু সুফিয়ান-সহ মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>তিনি জানান,  প্রথমবারের মতো ২৬ নভেম্বর থেকে ২ ডিসেম্বর জাতীয় প্রাণিসম্পদ সপ্তাহ একযোগে কেন্দ্রীয় পর্যায়ে ঢাকায় এবং জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে অর্থাৎ সমগ্র দেশব্যাপী উদযাপিত হতে যাচ্ছে। জাতীয় প্রাণিসম্পদ সপ্তাহ আয়োজনের মধ্যে রয়েছে প্রাণিসম্পদ পদক প্রদান, বিভিন্ন ধরনের সচেতনতামূলক কার্যক্রম, র‍্যালি, আলোচনা, সেমিনার, কর্মশালা, প্রদর্শনী ইত্যাদি।</p>
<p>তিনি বলেন, এই সপ্তাহ পালনের মূল উদ্দেশ্য প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন, প্রযুক্তির সম্প্রসারণ, নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন সম্পর্কে জনগণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি।</p>
<p>তিনি বলেন, “বাংলাদেশের সামগ্রিক আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে প্রাণিসম্পদ খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। জিডিপিতে এ খাতের অবদান ১ দশমিক ৮১ শতাংশ, জিডিপতে প্রবৃদ্ধির হার ৩ দশমিক ১৯ শতাংশ, কৃষিজ জিডিপিতে ১৬ দশমিক ৫৮ শতাংশ  এবং অর্থমূল্যে প্রাণিসম্পদ জিডিপির আকার দাঁড়িয়েছে ৯১ হাজার ৩৬ কোটি টাকা।”</p>
<p>উপদেষ্টা বলেন, “পোল্ট্রি শিল্প বর্তমানে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম কর্মসংস্থানের খাত—যেখানে প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকার বেশি বেসরকারি বিনিয়োগ রয়েছে। দেশে নিবন্ধিত ৮৫,২২৭টি বাণিজ্যিক এবং প্রায় ১,৯১,০০০টি প্রান্তিক পোল্ট্রি খামার রয়েছে। প্রতিদিন গড়ে ৬ কোটি ৬৮ লাখ ডিম উৎপাদিত হচ্ছে—যা নিঃসন্দেহে এক বড় সাফল্য।”</p>
<p>তিনি জানান, রোগ নিয়ন্ত্রণে সরকার উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ নিয়েছে। লাম্পি স্কিন ডিজিজ (এলএসডি) প্রতিরোধে ১৭ লক্ষ ডোজ টিকা, ক্ষুরা রোগ (এফএমডি) নির্মূলে নির্দিষ্ট অঞ্চলে জোনিং কার্যক্রম এবং ছাগলের পিপিআর রোগ নিয়ন্ত্রণে প্রায় ৬ কোটি ডোজ টিকা প্রয়োগ করা হয়েছে।</p>
<p>সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, সপ্তাহব্যাপী অনুষ্ঠানমালা এবং প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনীর কেন্দ্রীয় কর্মসূচি বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আগামী ২৬ নভেম্বর (বুধবার) সকাল ৯টায় উদ্বোধন করা হবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি থাকবেন পরিকল্পনা উপদেষ্ট ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ। প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস প্রাণিসম্পদ সপ্তাহের জন্যে ভিডিওতে শুভেচ্ছা বার্তা দেবেন। প্রধান অতিথি প্রাণিসম্পদ মেলাও উদ্বোধন করবেন। মেলা চলবে তিনদিন।</p>
<p>জাতীয় প্রাণিসম্পদ সপ্তাহ উপলক্ষে ২৭ ও ২৮ নভেম্বর দুই দিনব্যাপী সেমিনার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের পুরনো বাণিজ্য মেলার মাঠে প্রাণিসম্পদ মেলা প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হবে জানিয়ে তিনি বলেন, কেন্দ্রীয়ভাবে উদযাপিত প্রাণিসম্পদ সপ্তাহের প্রধান আকর্ষণ হচ্ছে তিন দিনব্যাপী প্রাণিসম্পদ ও সংশ্লিষ্ট উপাদান, যন্ত্রপাতি, খাদ্য প্রদর্শন। বিভিন্ন ক্যাটাগরির স্টল ও প্যাভিলিয়ন থাকবে, যেমন- সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, স্থানীয় জাতের প্রাণিসম্পদ, লাইভএনিম্যাল ফার্মস, লাইভ এনিম্যাল ও ফডার এন্টারপ্রাইজ, পেট ও বার্ডস কেয়ার শপস, লাইভস্টক ইকুইপমেন্টস ও জেনেটিক্স কোম্পানি, ফুড প্রসেসিং ও ভ্যালু অ্যাডেড কোম্পানি, অ্যানিম্যাল হেলথ কোম্পানি, লাইভস্টক ইন্ডাস্ট্রিজ কোম্পানি, অ্যাসোসিয়েশন ইনফো বুথ, ওয়াচ টাওয়ার, নামাজের স্থান, সেমিনার হল, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, নিরাপত্তা ও জরুরি সেবা বুথ ইত্যাদি।</p>
<p>প্রধান কর্মসূচি ও উল্লেখযোগ্য কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান, জাতীয় প্রাণিসম্পদ পদক প্রদান, প্রাণিসম্পদ প্রযুক্তি সম্প্রসারণ, নিরাপদ খাদ্য, পশুপালন, দুগ্ধ, মাংস ও ডিম উৎপাদন, রোগ প্রতিরোধ, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং আধুনিক প্রযুক্তি বিষয়ে সেমিনার ও আলোচনা, ফুড ফেস্টিভ্যাল ও প্রদর্শনী, পুরষ্কার বিতরণ ও কেন্দ্রীয় সমাপনী অনুষ্ঠান এবং সব বিভাগের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে র‍্যালি, আলোচনা সভা, প্রদর্শনী, গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগির জন্য ভ্যাকসিনেশন ক্যাম্প, বিনামূল্যে কৃমিনাশক বিতরণ, কৃত্রিম প্রজনন সেবা ও ভেটেরিনারি মেডিকেল ক্যাম্প, স্কুল ফিডিং কর্মসূচি, চিত্রাঙ্কণ ও কুইজ প্রতিযোগিতা, প্রাণিসম্পদ টেকসই উন্নয়নে তরুণ/নারী উদ্যোক্তা ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মতবিনিময় সভা, সাংস্কৃতিক ও সমাপনী অনুষ্ঠান উল্লেখযোগ্য।<br><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/আরবি/ইক</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>নতুন প্রযুক্তির চিংড়ি চাষে চাষীদের সহযোগিতা প্রত্যাশা</title>
<link>https://digibanglatech.news/159669</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159669</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_6921553d44667.jpg" length="76628" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 22 Nov 2025 09:17:53 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>সরকার ও উন্নয়ন সংস্থার সহযোগিতা বাড়লে দ্রুত নতুন প্রযুক্তি গ্রহণ করে দেশে নিবিড় পদ্ধতিতে চিংড়ি চাষের একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচিত করতে সক্ষম হবেন বলে মনে করেন সাতক্ষীরার চিংড়ি চাষীরা।  </p>
<p>জেলার ‘চিংড়ি চাষ প্রদর্শনী খামার ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র’ মিলনায়তনে ২১ নভেম্বর, শুক্রবার অনুষ্ঠিত নিবিড় পদ্ধতিতে চিংড়ি চাষের গবেষণা প্রকল্পের  ফল প্রদর্শনী এবং সমাপনী কর্মশালায় এই অভিব্যক্তি প্রকাশ করেছেন তারা। </p>
<p>কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন সাতক্ষীরা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা জি. এম. সেলিম। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য অধিদপ্তর খুলনা বিভাগের পরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলার সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম।</p>
<p>আলোচনাপর্বে অংশ নেন মৎস্য অধিদপ্তরের খুলনা বিভাগের উপ-পরিচালক বিপুল কুমার বসাক, সাসটেইনেবল কোস্টাল অ্যান্ড মেরিন ফিশারিজ প্রজেক্টের উপপ্রকল্প পরিচালক ড. মো. শরিফুল আজম, সহকারী প্রকল্প পরিচালক আ. ন. ম. মুশফিক সালেহীন, এবং সিনিয়র সহকারী পরিচালক ফারহানা তাছলিমা। বক্তারা বলেন, নিবিড় পদ্ধতির চিংড়ি চাষ উপকূলীয় অঞ্চলে উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি পরিবেশ-বান্ধব পদ্ধতিতে টেকসই মৎস্যচাষ নিশ্চিত করবে।</p>
<p>অনুষ্ঠানে প্রকল্পের ধারণাপত্র উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ও প্রকল্পের মূখ্য গবেষক ড. মো. হাসান ফারুক। তার সঙ্গে সহকারী মূখ্য গবেষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাবির অধ্যাপক ড. হাবিবুল্লাহ আল মামুন। তারা উপস্থাপনায় জানান, নিবিড় পদ্ধতিতে চিংড়ি চাষে পানির গুণগত মান, খাদ্য ব্যবস্থাপনা, রোগ প্রতিরোধ ও উৎপাদনশীলতা বিষয়ে নানা ইতিবাচক ফলাফল পাওয়া গেছে। মাঠপর্যায়ের পরীক্ষামূলক চাষে উৎপাদন পূর্বের তুলনায় উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে বলেও জানানো হয়।</p>
<p>কর্মশালার মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন বিভিন্ন উপজেলার চিংড়ি চাষিরা। তারা নিজেদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে নতুন প্রযুক্তি ও গবেষণার ফলাফল বাস্তবে প্রয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেন। বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, গবেষণা প্রকল্পের সুপারিশসমূহ বাস্তবায়িত হলে চিংড়ি উৎপাদনে সাতক্ষীরাকে আরও এগিয়ে নেওয়া যাবে।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/প্রবি/ইক</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>‘সয়াবিন আমদানির জন্য এক বিলিয়ন ডলারের চুক্তি&amp;apos;</title>
<link>https://digibanglatech.news/159637</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159637</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_691f57bace1c3.jpg" length="134892" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 20 Nov 2025 21:02:57 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ট্রেসি অ্যান জ্যাকবসন ২০ নভেম্বরম বৃহস্পতিবার নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে অবস্থিত মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ (এমজিআই)–এর অঙ্গপ্রতিষ্ঠান সোনারগাঁ সিডস ক্রাশিং মিলস লিমিটেড পরিদর্শন করেছেন।সেখানে মেঘনা গ্রুপের সোনারগাঁ সিডস ক্রাশিং মিলের জেটিতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানীকৃত সয়াবিন দানা লোড–আনলোড কার্যক্রম পরিদর্শন করেন তিনি। </p>
<p>এ সময় তাকে স্বাগত জানান এমজিআই-এর পরিচালক তানজিমা মোস্তফা ও ব্যারিস্টার তাসনিম মোস্তফা। এছাড়া এমজিআইয়ের শীর্ষ কর্মকর্তারা এবং যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের প্রতিনিধি দলও উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>পরিদর্শনকালে রাষ্ট্রদূত জ্যাকবসন সয়াবিন ক্রাশিং সুবিধা ঘুরে দেখেন এবং বাংলাদেশ–যুক্তরাষ্ট্র কৃষি বাণিজ্যের দ্রুত সম্প্রসারণের বিষয়টি তুলে ধরেন।</p>
<p>তিনি বলেন, “আমরা মেঘনা গ্রুপ, সিটি গ্রুপ এবং ডেল্টা অ্যাগ্রোর সঙ্গে এক বিলিয়ন ডলারের মার্কিন সয়াবিন আমদানির জন্য চুক্তি করেছি। দেড় বছর আগে যেখানে আমদানি ছিল ৩৫০ মিলিয়ন ডলার, সেখান থেকে এ বছর ৫০০ মিলিয়ন এবং এখন তা এক বিলিয়ন ডলারের পথে। এটি সত্যিকার অর্থে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি। এটি দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও মজবুত করছে।” তিনি আরও বলেন, “উচ্চমানের মার্কিন সয়াবিন আমেরিকান কৃষক এবং বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠান—বিশেষত মেঘনার মতো কোম্পানির জন্যই লাভজনক।”</p>
<p>তিনি আরও জানান, এই বর্ধিত বাণিজ্য দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারে এবং বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি তিনি মেঘনা গ্রুপকে তাদের আতিথেয়তার জন্য ধন্যবাদ জানান।</p>
<p>এমজিআই পরিচালক তানজিমা মোস্তফা বলেন, মেঘনা গ্রুপের চেয়ারম্যান সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র সফরে গিয়ে বিপুল পরিমাণ মার্কিন সয়াবিন আমদানির প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। সেই ধারাবাহিকতায় তারা ইতোমধ্যে ৭ লাখ মেট্রিক টনের বেশি সয়াবিন আমদানি করেছেন, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। তাদের লক্ষ্য এক মিলিয়ন টন আমদানি করা। এ বছর বাংলাদেশ যে পরিমাণ মার্কিন সয়াবিন আমদানি করেছে, তার অর্ধেকের বেশি আমদানি করেছে মেঘনা গ্রুপ।</p>
<p> তিনি জানান, বর্তমানে এমজিআইয়ের দুটি ক্রাশিং মিল যথাক্রমে মেঘনা সিডস ক্রাশিং মিলস ও সোনারগাঁও সিডস ক্রাশিং মিলস মোট দৈনিক ৭ হাজার ৫০০ টন সয়াবিন ক্রাশিং সক্ষমতা রয়েছে, যা দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ।</p>
<p>গত ৩১ জুলাই বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের ওপর পাল্টা শুল্ক ৩৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২০ শতাংশ আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসন। যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টা শুল্ক কমিয়ে আনতে অন্য পদক্ষেপের পাশাপাশি দেশটি থেকে আমদানি বাড়ানোর অঙ্গীকার করেছিলেন ব্যবসায়ীরা। গত মাস থেকে ব্যবসায়ীদের অঙ্গীকারের আমদানি পণ্য চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাতে শুরু করে।</p>
<p>ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, জুলাই মাসের শেষে যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রায় চার লাখ টন সয়াবিনবীজ আমদানির তাৎক্ষণিক সমঝোতা হয়। এমজিআই চেয়ারম্যান মোস্তফা কামাল ১৩ কোটি মার্কিন ডলারের তিন লাখ টন সয়াবিনবীজ আমদানির সমঝোতা করেন। যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফেরার পর আরও দুই লাখ টন সয়াবিনবীজ আমদানির ঋণপত্র খুলেছে এমজিআই। সব মিলিয়ে গ্রুপটি পাঁচ লাখ টন সয়াবিনবীজ আমদানি করছে যুক্তরাষ্ট্র থেকে। সয়াবিন তেল ও প্রাণিখাদ্য তৈরির কাঁচামাল হলো সয়াবিনবীজ।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এনডি/আইএইচ</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>রজত জয়ন্তীতে কৃষিতে ভেজাল ও নকলমুক্ত উপজেলা ঘোষণা করবে বিএজেএফ</title>
<link>https://digibanglatech.news/159472</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159472</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_6919e245d78c5.jpg" length="81563" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 16 Nov 2025 19:40:22 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>দেশের কৃষি অর্থনীতিকে রাজনৈতিক অঙ্গীকারের অধীনে আনার প্রত্যয় নিয়ে প্রতিষ্ঠার ২৫ বছর পূর্তিতে ২৫ দিনব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ কৃষি সাংবাদিক ফোরাম (বিএজেএফ)। এর মধ্যে তিনদিনব্যাপী আন্তর্জাতিক কৃষি ও খাদ্য সম্মেলন করবে সংগঠনটি। প্রযুক্তির এই সময়ে দেশের প্রথম কোনো একটি উপজেলাকে ভেজাল ও নকলমুক্ত কৃষি উপকরণ এলাকা ঘোষণা করার প্রক্রিয়া শুরু করবে বিআইজেএফ। এজন্য কারিগরি দক্ষতা ও টেকসই পদ্ধতি নিয়ে খাত সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে ইতিমধ্যেই কাজ শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিএজেএফ সভাপতি সাহানোয়ার সাইদ শাহীন। এছাড়াও ২৫ দিন ব্যাপী কর্মসূচিতে ভবিষ্যতমুখী কৃষি অর্থনীতির নানা বিষয়ে সেমিনার-সিম্পোজিয়াম থাকছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।   </p>
<p> ১৬ নভেম্বর, রবিবার রাজধানীর তুলা উন্নয়ন বোর্ডের কনফারেন্স রুমে এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সাহানোয়ার সাইদ শাহীন জানান, ২০০০ সালে প্রতিষ্ঠিত বিএজেএফ এখন পর্যন্ত কৃষি সাংবাদিকতা, কৃষকের অধিকার ও খাদ্যনীতি নিয়ে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। দেশের কোনো সাংবাদিক সংগঠনের এমন বৃহৎ কর্মসূচি আগে আয়োজন হয়নি। বিএজেএফ বাংলাদেশের একমাত্র সাংবাদিক সংগঠন, যারা ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অব অ্যাগ্রিকালচারাল জার্নালিস্টস (আইএফএএজে)-এর সদস্যভুক্ত। ২৫ দিনব্যাপী কর্মসূচির মূল আয়োজন হিসেবে তিন দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সম্মেলন ও প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজন করা হবে। ছয়টি সেশনে অনুষ্ঠিত এসব আয়োজনে মূল থিম নির্ধারণ করা হয়েছে ‘কৃষি ও খাদ্যে রাজনৈতিক অঙ্গীকার’। প্রধান তিনটি সেমিনারে থাকছে- পুষ্টি নিরাপত্তাও মৎস্য প্রাণীসম্পদ খাত, গ্রামীণ ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে ব্যাংকিং: কৃষি ও খাদ্য খাতে বিনিয়োগ, খাদ্য ও কৃষি ক্ষেত্রে বাণিজ্য ও কূটনীতি। </p>
<p>শাহীন বলেন, কৃষি ও খাদ্যে রাজনৈতিক অঙ্গীকারের ঘাটতি বহুদিনের। আমরা রাজনীতিবিদদের সংশোধন করতে পারব কি না জানি না, তবে কোথায় পরিবর্তন প্রয়োজন—তা স্পষ্টভাবে তুলে ধরব। তাছাড়া অনুষ্ঠানের প্রতিটি সেশনে সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, উপদেষ্টা, রাজনৈতিক দলগুলোর শীর্ষ নেতা এবং বিভিন্ন মহলের প্রতিনিধিরা যোগ দেওয়ার বিষয়ে সম্মতি জানিয়েছেন। পাশাপাশি ভেজাল ও নকল কৃষি উপকরণ থেকে কৃষক ক্ষতির শিকার হলেও কোনো জায়গা এখন পর্যন্ত নকলমুক্ত ঘোষিত হয়নি। আমরা সরকার ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয়ে এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন করতে চাই।</p>
<p>এ ছাড়া দেশের ছয়টি ভৌগোলিক অঞ্চলে সাংবাদিকরা সরাসরি কৃষকের ক্ষেত এ গিয়ে তাদের বক্তব্য শুনবেন—এ উদ্যোগকে ‘কৃষকের দুয়ারে সাংবাদিক’ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।</p>
<p>সংবাদ সম্মেলনে বিএজেএফের সাধারণ সম্পাদক আবু খালিদ বলেন, কোনো সম্মেলন সফল করতে হলে সংশ্লিষ্ট খাতের সব স্টেকহোল্ডারের উপস্থিতি নিশ্চিত করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সেই দর্শন থেকেই আমরা আমাদের আন্তর্জাতিক সম্মেলনের কাঠামো সাজিয়েছি। কৃষির তিনটি বড় খাত—ফসল, মৎস্য–প্রাণিসম্পদ এবং খাদ্য—এই তিনটি বিষয়কে কেন্দ্র করে আমরা তিন দিনের কর্মসূচি নির্ধারণ করেছি। প্রতিটি সেশনে এ সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোক্তা, খামারি, নীতিনির্ধারকসহ সব পক্ষ যেন এক মঞ্চে মতামত তুলে ধরতে পারেন সেটিই আমাদের মূল লক্ষ্য।</p>
<p>তিনি বলেন, কৃষিকে কেন্দ্র করে এমন বিস্তৃত অংশগ্রহণের আন্তর্জাতিক মানের আয়োজন এ দেশে এই প্রথম হতে যাচ্ছে। বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ হয়েও কৃষি ও কৃষককে এখনো অবহেলার অভিযোগ শোনা যায়। কৃষকের ন্যায্য দাম না পাওয়া, মূল্যচক্রের সমস্যা, উপকরণের সংকটসহ অনেক বিষয় এই সম্মেলনে গুরুত্বের সঙ্গে উপস্থাপন করা হবে।</p>
<p>সংবাদ সম্মেলনে সহসভাপতি ইয়াছির ওয়ারদাদ ও আ ন ম মহিবুব উজ জামান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এমদাদুল হক তুহিন, সহসাংগঠনিক সম্পাদক আলতাফ হোসেন ও আফসানা মিমি, অনুষ্ঠানবিষয়ক সম্পাদক সালেহ মোহাম্মদ রশিদ অলক, প্রকাশনা সম্পাদক আসাদুজ্জামান নূর প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/আরও/ইক</strong></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>টেকসই প্রবৃদ্ধির জন্য জাতীয় অ্যাকুয়াকালচার নীতি জরুরি</title>
<link>https://digibanglatech.news/159465</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159465</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_6919ad90e819c.jpg" length="119237" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 16 Nov 2025 15:54:38 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>দেশের দ্রুত বর্ধনশীল অ্যাকুয়াকালচার খাতের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে ১৬ নভেম্বর, রবিবার রাজধানীর শেরাটন ঢাকায় অনুষ্ঠিত হলো একটি জাতীয় কর্মশালা। অ্যাকুয়াকালচার নেটওয়ার্ক অফ বাংলাদেশ (এএনবি) আয়োজিত এই কর্মশালায় সহযোগিতা করেছে সি–ই–এফ–এ–এস, ইভলভড রিসার্চ কনসাল্টিং এবং ম্যাকঅ্যালিস্টার এলিয়ট অ্যান্ড পার্টনার্স (ইউকে)। অনুষ্ঠানে নীতিনির্ধারক, গবেষক, শিল্প উদ্যোক্তা, চাষি ও বিভিন্ন উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশনেন।</p>
<p>বাংলাদেশে অ্যাকুয়াকালচার খাত সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ব্যাপক বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে প্রবৃদ্ধির সঙ্গে পরিবেশগত ক্ষয়ক্ষতি, রোগব্যাধি, বায়োসিকিউরিটি চ্যালেঞ্জ এবং বিশেষ করে উপকূলীয় অঞ্চলে চিংড়ি, প্রন ও কাঁকড়ার চাষে ঝুঁকিও বেড়েছে। অংশগ্রহণকারীরা বলেন, ১৯৯৮ সালের জাতীয় মৎস্য নীতি সাধারণ নির্দেশনা প্রদান করলেও বর্তমান চাহিদা ও চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় এটি পর্যাপ্ত নয়।</p>
<p>কর্মশালার উদ্বোধনী বক্তব্য দেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের মৎস্য ও সামুদ্রিক সম্পদ প্রযুক্তি বিভাগের প্রফেসর ড. মো. লিফাত রাহি।</p>
<p>অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের অ্যাকুয়াকালচারের বর্তমান অবস্থা ও অগ্রগতি শীর্ষক শীর্ষক কী-নোট উপস্থাপন করেন তুলে ধরেন মৎস্য অধিদপ্তরের পরিচালক (ইনল্যান্ড) ড. মো. মোতালেব হোসেন। “অ্যাকুয়াকালচারের টেকসই বৃদ্ধিতে পদক্ষেপ: বাংলাদেশের জন্য জাতীয় নীতির প্রয়োজনীয়তা” শীর্ষক কী-নোট উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ড. মো. আবদুল ওহাব। </p>
<p>অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটির ভাইস ভাইস চ্যান্সেলররিয়ার অ্যাডমিরাল ড. খন্দকার আখতার হোসেন।</p>
<p>রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মৎস্য বিজ্ঞান অনুষদের ডীন প্রফেসর ড. মো. মোস্তাফিজুর রহমান মন্ডলের সঞ্চালনায় প্যানেল আলোচনায় অংশনেন সহযোগী অধ্যাপক ড. হেলেনা খাতুন, ওয়ার্ল্ডফিশ বাংলাদেশ কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ ড. ফারুকুল ইসলাম,মৎস্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো. জিয়া হায়দার চৌধুরী, ময়মনসিংহ মৎস্য ফার্ম  ও  হ্যাচারি মালিক সমিতির সভাপতি সাজ্জাদ হোসেন, ফিশটেক হ্যাচারি ব্যবস্থাপনা পরিচালক  মোহাম্মদ তারিক সরকার।  </p>
<p>সরকারি প্রতিনিধি, হ্যাচারি মালিক ও নারী নেত্রীসহ অন্যান্য স্টেকহোল্ডারগণ  জাতীয় নীতি প্রণয়নের ক্ষেত্রে জলবায়ু সহনশীলতা, জেন্ডার সমতা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন সমুদ্রিক স্থান পরিকল্পনাকে অগ্রাধিকার দিতে বলেন। <br>বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটির ড. মারিয়া জামান, অ্যাকুয়াকালচারে লিঙ্গ সমতা ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তি নীতি পর্যায়ে কীভাবে শক্তিশালী করা যায় সে সম্পর্কে আলোচনা করেন। <br>সমাপনী বক্তব্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মুহাম্মদ জাবের টেকসই অ্যাকুয়াকালচার নিশ্চিত করতে সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. আবদুর রউফ।</p>
<p>কর্মশালার সভাপতিত্ব করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও অ্যাকুয়াকালচার নেটওয়ার্ক অফ বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. মো. মনিরুল ইসলাম। তিনি বলেন, টেকসই অ্যাকুয়াকালচার নিশ্চিত করতে গবেষণা, শিল্প, সরকারি সংস্থা ও চাষিদের মধ্যে সমন্বিত উদ্যোগ অত্যন্ত জরুরি।</p>
<p><em><strong>ডিবিটেক/এসকে/ইক</strong></em></p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>প্রণোদনা পাবেন আলু চাষিরা: কৃষি উপদেষ্টা</title>
<link>https://digibanglatech.news/159379</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159379</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202504/image_870x580_67fe3269377c9.jpg" length="105963" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 13 Nov 2025 17:38:05 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>চলতি মৌসুমে আমনের বাম্পার ফলন হবে বলে আশা প্রকাশ করছেন কৃষি ও স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তিনি বলেছেন, এ মৌসুমে সবজির উৎপাদনও খুবই ভালো। বাজারে সবজির সরবরাহ ভালো, দামও সহনীয় পর্যায়ে আছে। এবার আলু চাষিরা বড় ধরনের লোকসানে আছেন, এবার তারা ভালো দাম পাননি। সে কারণে আলু চাষিদের প্রণোদনা দেওয়ার একটা ব্যবস্থা করা হবে।</p>
<p>১৩ নভেম্বর বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফকালে এসব কথা বলেন কৃষি উপদেষ্টা। </p>
<p>বাজারে আমনের চাষ ভালো হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, এবার আমনের চাষ ও ফলন ভালো হয়েছে। আমরা একটি দাম নির্ধারণ করে দিয়েছি। আমনের প্রতি কেজি চৌত্রিশ টাকা, আতপ চাল ঊনপঞ্চাশ টাকা ও সেদ্ধ চাল পঞ্চাশ টাকা কেজি।</p>
<p>তবে আশার কথা পেঁয়াজ আমদানি করতে হয়নি, আমদানি করতেও হবে না। গ্রীষ্মকালীন মুড়িকাটা পেঁয়াজও কিছু দিনের মধ্যে বাজারে চলে আসবে। বাজারে পেঁয়াজের কোনো ঘাটতিও হবে না। কিছু কিছু অসাধু গোষ্ঠী এই পণ্যটির দাম বাড়ানোর চেষ্টা করছেন। তারা সফল হবে না।</p>
<p>এর আগে রাজধানীর গাবতলীতে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) বিভিন্ন গবেষণা ও প্রক্রিয়াজাত কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে উপদেষ্টা বলেছিলেন, 'টিস্যু কালচার কেন্দ্রে আলু, আনারস, খেজুর ও বিভিন্ন ফুলের টিস্যু কালচার করা হচ্ছে। আমরা খেজুর রপ্তানি করে আনি। স্থানীয়ভাবে এ প্রযুক্তির মাধ্যমে উৎপাদিত চারা ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে দিলে আমদানি নির্ভরতা কমবে। নেদারল্যান্ডসহ বিভিন্ন দেশ থেকে চড়া দামে আলু বীজ আমদানি করতে হয়। কিন্তু দেশে উন্নত জাতের আলু বীজ উৎপাদন করা গেলে কৃষির জন্য তা অত্যন্ত উপকারী হবে।'</p>
<p><em><strong>ডিবিটেক/জেএন/ইক</strong></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>কৃষকে সেবার রুটসোর্স নিয়ে নাসা চ্যালেঞ্জে ডুয়েটের ব্লুডট</title>
<link>https://digibanglatech.news/159192</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159192</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_691030bbee34d.jpg" length="95865" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 09 Nov 2025 10:12:41 +0600</pubDate>
<dc:creator>ক্যাম্পাস করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div>
<div dir="auto">
<div dir="auto">কৃষকের জন্য মহাকাশ প্রযুক্তি নিয়ে এবার নাসা ইন্টারন্যাশনাল স্পেস অ্যাপস চ্যালেঞ্জ ২০২৫-এর গ্লোবাল নামিনেশন পেয়েছে ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুরের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের শিক্ষার্থীদের দল ‘ব্লুডট’ (BlueDot)। এই দলের সদস্যরা হলেন — রাফিউজ্জামান রাফি, এস. এম. মোহায়মেনুল ইসলাম, মোহতামিম হক, সিয়াম শেখ, নিশান দাস ও অভিজিৎ মণ্ডল। প্রকল্পের মেন্টর হিসেবে ছিলেন ইন্সপায়রিং বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা ইমরান ফাহাদ। তার অনুপ্রেরণায় রুটসোর্স (RootSource) নামে একটি অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করেছে তারা। </div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">
<div dir="auto">জাতীয় রাউন্ডে নাসার স্যাটেলাইট ডেটা ব্যবহার করে কৃষকদের জন্য একটি সহজবোধ্য ও কার্যকর সহায়ক প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে ডুয়েটের ব্লুডট। বিশ্বজুড়ে কৃষকরা অনিশ্চিত আবহাওয়া, ফসলহানি, ঋণ ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। অথচ নাসার স্যাটেলাইটগুলো ইতোমধ্যে মাটির আর্দ্রতা, বৃষ্টিপাত, উদ্ভিদের স্বাস্থ্য ও দুর্যোগ পরিস্থিতি রিয়েল-টাইমে ট্র্যাক করে। কিন্তু এই মূল্যবান তথ্য কৃষকের নাগালের বাইরে থাকায় তারা সময়মতো সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না। RootSource সেই জটিল বৈজ্ঞানিক তথ্যগুলোকে কৃষকের জন্য সহজ ও ব্যবহারযোগ্য ভাষায় উপস্থাপন করে।</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">প্রকল্পটি মূলত নাসার সহযোগিতায় তৈরি একটি কৃষি-ভিত্তিক গবেষণামূলক সিস্টেম, যেখানে নাসার SMAP, GPM, MODIS, LANDSAT, GRACE ও POWER সহ বিভিন্ন কৃষি ও আবহাওয়া স্যাটেলাইটের তথ্য একত্রে বিশ্লেষণ করে তৈরি করা হয়েছে একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) নির্ভর পরামর্শব্যবস্থা — যা কৃষকদেরকে বৈজ্ঞানিক ও তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করবে।</div>
</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">এই প্রকল্পটি দিয়ে বিশ্বের ১৬০টিরও বেশি দেশ ও অঞ্চল থেকে জমা পড়া ১১ হাজার ৫০০টিরও বেশি প্রকল্পের মধ্যে স্থান পেয়ে এই স্বীকৃতি অর্জন করেছে ডুয়েটের শিক্ষার্থীরা। এর আগে আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি–বাংলাদেশ (AIUB), বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) এবং বেসিস স্টুডেন্টস ফোরাম-এর সহযোগিতায় নাসা স্পেস অ্যাপস চ্যালেঞ্জের নয়টি আঞ্চলিক পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগীয় অঞ্চল থেকে গ্লোবাল রাউন্ডের জন্য নির্বাচিত সাতটি দলের একটি হলো ডুয়েটের টিম ব্লুডট।</div>
<div dir="auto">
<h1><a href="https://digibanglatech.news/158086" target="_blank" rel="noopener">নাসা স্পেস অ্যাপস চ্যালেঞ্জের বাংলাদেশ পর্বে বিজয়ী হলেন যারা</a></h1>
<div>
<div>প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালে ‘লুনার ভিআর প্রজেক্ট’ বেস্ট ইউজ অব ডাটা ক্যাটাগরিতে চাঁদে ভ্রমণের অভিজ্ঞতা দিবে এমন ভার্চুয়াল অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয় শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘টিম অলীক। ২০২১ সালে ‘বেস্ট মিশন কনসেপ্ট’ ক্যাটাগরিতে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয় খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) এবং বাংলাদেশ আর্মি ইউনিভার্সিটি অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি (বাউয়েট) সম্মিলিত দল ‘টিম মহাকাশ’ এবং ২০২২ সালে "টিম ডায়মন্ডস" - "সবচেয়ে অনুপ্রেরণামূলক" বিভাগে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়। এবং নাসা ইন্টারন্যাশনাল স্পেস অ্যাপস চ্যালেঞ্জ ২০২৩-এর বেস্ট স্টোরিটেলিং ক্যাটাগরিতে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশের টিম ভয়েজার্স।</div>
</div>
</div>
<div dir="auto">
<div>
<p><em><strong>ডিবিটেক/ডিএসএস/ইক/</strong></em></p>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div>
<div dir="auto"></div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>টেকসই কৃষি চর্চা নিয়ে ঢাকায় ‘অ্যাগ্রো&#45;ফাউন্ডার কানেক্ট’ অনুষ্ঠিত</title>
<link>https://digibanglatech.news/159194</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159194</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_69103cd7ecdf0.jpg" length="121829" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 09 Nov 2025 00:04:33 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে শতাধিক এগ্রিটেক উদ্যোক্তা, বিনিয়োগকারী ও উন্নয়ন অংশীদারদের নিয়ে রাজধাীর ইন্টারঅ্যাক্টিভ কেয়ারস স্কিল সেন্টারে অনুষ্ঠিত হলো অ্যাগ্রো-ফাউন্ডার কানেক্ট। অনুষ্ঠানে কৃষি খামার, এগ্রি-টেক স্টার্টআপ এবং রফতানিকারকরা তাদের অভিজ্ঞতা, কৌশল এবং সাফল্যের গল্প তুলে ধরেন। এছাড়াও প্রযুক্তি ও প্রকৌশল ব্যবহারের মাধ্যমে উৎপাদন বৃদ্ধি, টেকসই কৃষি চর্চা এবং নতুন বাজারে প্রবেশ নিয়ে আলোচনা হয়।<o:p></o:p></p>
<p>অনুষ্ঠানের বিভিন্ন সেশনে বিশেষজ্ঞরা কৃষি, এগ্রি-টেক স্টার্টআপ এবং পণ্য রফতানি সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো তুলে ধরেন। ইন্টারন্যাশনাল ফার্টিলাইজার ডেভেলপমেন্ট সেন্টারের (আইএফডিসি) কান্ট্রি ডিরেক্টর মুন্তাসির শাকিব খান আধুনিক কৃষি চর্চা ও ডিজিটাল টুলসের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা <o:p></o:p>করেন। ফ্রেশি ফার্মের জাহিদুল ইসলাম জাহিদ হাই-ভ্যালু কৃষি পণ্যের সম্ভাবনা ও গ্রামীণ উদ্যোক্তাদের জন্য সুযোগের দিকগুলো শেয়ার করেন। এক্সপোর্ট সেবা’র জাহিদ হোসেন উদ্যোক্তাদের আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশ এবং রফতানি সম্প্রসারণের কৌশল নিয়ে আলোচনায় অংশ নেন।<o:p></o:p></p>
<p>অংশগ্রহণকারীরা মূল্য সংযোজিত কৃষি, টেকসই চর্চা এবং রফতানির প্রস্তুতি নিয়ে নানা দিক নিয়ে আলোচনা করেন। অনুষ্ঠান শেষ হয় প্রশ্নোত্তর পর্বে, যেখানে উদ্যোক্তারা একে অপরের অভিজ্ঞতা ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে মতবিনিময় করেন।<o:p></o:p></p>
<p>বাংলাদেশে কৃষি খাতকে আরও শক্তিশালী ও আধুনিক করার উদ্দেশ্যে ৭ নভেম্বর শুক্রবার  এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিলো লাইট অব হোপ ভেঞ্চারস। অনুষ্ঠানে লাইট অব হোপ ভেঞ্চারসের প্রতিষ্ঠাতা ওয়ালিউল্লাহ ভূঁইয়া বলেন, “বাংলাদেশে আগামী প্রজন্মের প্রভাবশালী স্টার্টআপগুলো কৃষি খাত থেকেই আসবে। অ্যাগ্রো-ইনোভেশন শুধু প্রযুক্তি নয়, এটি জীবনযাত্রা উন্নয়ন, জলবায়ু সহনশীলতা এবং কোটি মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও গুরুত্বপূর্ণ।”</p>
<p>তিনি আরও বলেন, “আমাদের লক্ষ্য এমন একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা, যেখানে উদ্যোক্তারা আইডিয়া শেয়ার করতে, অংশীদারিত্ব গড়তে এবং একে অপরের কাছ থেকে শিখতে পারে। লাইট অব হোপ ভেঞ্চারস এই সংযোগগুলোকে বাস্তব ও দীর্ঘমেয়াদি প্রভাবের দিকে নিয়ে যেতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”<o:p></o:p></p>
<p>লাইট অব হোপ ভেঞ্চারস নিজেকে গড়ে তুলতে চায় বাংলাদেশের এসএমই খাতের জন্য ‘ওয়াই কমবিনেটর’ হিসেবে। এটি কৃষি, শিক্ষা, উৎপাদন, সেবা এবং উদীয়মান প্রযুক্তি খাতে উদ্যোক্তাদের মেন্টরশিপ, বিনিয়োগ সংযোগ এবং নতুন বাজারে প্রবেশের সুযোগ দেয়। এখন প্রায় ৮টি খাতে ১,০০০-এর বেশি স্টার্টআপ ও এসএমই উদ্যোক্তা এই ভেঞ্চারসের অংশ।<o:p></o:p></p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বিএডিসি ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি রানা, সম্পাদক জুয়েল</title>
<link>https://digibanglatech.news/159141</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159141</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_690cdc743d63a.jpg" length="63910" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 06 Nov 2025 19:55:58 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচনে সভাপতি মো. মাসউদুল করিম রানা, সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. সাজ্জাদ হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক মো. জুয়েল মিয়া নির্বাচিত হয়েছেন।</p>
<p>৬ নভেম্বর, বৃহস্পতিবার বিকালে রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউ সেচ ভবনের বিএডিসি অডিটোরিয়ামে অ্যাসোসিয়েশনের বার্ষিক সাধারণ সভা এবং ২০২৫-২০২৭ মেয়াদে কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।</p>
<p>কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাচিতরা অন্যান্যরা হলেন- সহসভাপতি (ঢাকা অঞ্চল) মর্তুজা সিদ্দিকী, সহসভাপতি (চট্টগ্রাম অঞ্চল) মো. বেলাল হোসেন, সহসভাপতি (রাজশাহী অঞ্চল) ইমরান সহসভাপতি ( সিলেট অঞ্চল) এস এম রাকিবুল ইসলাম, সহসভাপতি (খুলনা অঞ্চল) আসিফ মাহমুদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আসমাউল বিন হোসেন ও মো. মোস্তাফিজুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আরাফাত রহমানসহ  ২৩ সদস্য বিশিষ্টি কমিটি গঠন করা হয়েছে।</p>
<p>পরে  নির্বাচিত সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করানো হয়।</p>
<div>
<p>এর আগে ‘৪র্থ শিল্প বিপ্লবে স্মার্ট ইরিগেশন বাস্তবায়নে বিএডিসি’র ভূমিকা ও চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। বিএডিসি ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন সভাপতি মো. নজরুল ইসলাম খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন চেয়ারম্যান (গ্রেড-১) মো. রুহুল আমিন খান, বিশেষ অতিথি ছিলেন আইডিইবি অন্তর্বর্তীকালীন কেন্দ্রীয় কমিটি আহবায়ক ইঞ্জিনিয়ার মো. কবির হোসেন, বিএডিসির সদস্য পরিচালক (সেচ) ও যুগ্ম সচিব, মো. ইউসুফ আলী, বিএডিসি প্রধান প্রকৌশলী (সেচ) মুহাম্মদ বদিউল আলম সরকার ও অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (পশ্চিমাঞ্চল) ড. খান ফয়সল আহমেদ।</p>
</div>
<div>ডিবিটেক/বিটি/ইক</div>
<div class="BT_inner_A1_C2 aligncenter w100p pt10 pb10">
<div class="300adWnC">
<div id="BT_inner_A1_C2" data-google-query-id="CJLa57mF3pADFXwB6QUdxrcHSg"></div>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>মার্কিন তুলা রপ্তানিকারকদের কাছে প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তিগত সহায়তা চেয়েছে বাংলাদেশ</title>
<link>https://digibanglatech.news/159078</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159078</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_690a5558bf6de.jpg" length="97967" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 04 Nov 2025 20:59:32 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশের টেক্সটাইল ও পোশাক কারখানাগুলোর  দক্ষতা ও উৎপাদনশীলতা বাড়াতে মার্কিন তুলা রপ্তানিকারকদের কাছে প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তিগত সহায়তা চেয়েছে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)। অপরদিকে বাংলাদেশে তুলা রপ্তানির ক্ষেত্রে বাণিজ্যিক ডকুমেন্টেশন প্রস্তুতে বেশ কিছু প্রতিবন্ধকতা ও জটিলতা দেখা দেয়ায় বিজিএমইএ’র সহযোগিতা চেয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের তুলা রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান কটন ইউএসএ-এর উদ্যোগে মার্কিন তুলা রপ্তানিকারকদের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল। </p>
<p>রাজধানীর উত্তরার বিজিএমইএ কমপ্লেক্সে ৪ নভেম্বর, মঙ্গলবার রাজধানীর উত্তরার বিজিএমইএ কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এই অনুরোধ জানানো হয়।  একই সঙ্গে, বিজিএমইএ ইনোভেশন সেন্টারে মিলগুলোর উৎপাদন বৃদ্ধি ও অপচয় হ্রাসে গবেষণা পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় কারিগরি সহযোগিতা ও জ্ঞান প্রদানের আহ্বান জানানো হয়।</p>
<p>মার্কিন তুলা রপ্তানিকারকদের দাবির প্রেক্ষিতে বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান প্রতিনিধি দলকে লিখিত আকারে তাদের প্রস্তাবনা জানানোর আহ্বান জানান। একইসঙ্গে তিনি প্রতিনিধিদলকে আশ্বস্ত করেন যে, বিজিএমইএ বিষয়টি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে যথাযথভাবে উপস্থাপন করবে, যাতে দ্রুত এই জটিলতাগুলোর নিরসন করা যায়।</p>
<p>বৈঠকে মার্কিন প্রতিনিধিদলে ইকম-এর লি ইন, কারগিল-এর ক্রিস্টা রিকম্যান, এলডিসি-এর ডিয়েগো লোজাদা, ওলাম এগ্রি-এর ওয়েসলি রেন্টজ, ক্যারোলিনা কটন গ্রোয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন-এর ওয়েন বোসম্যান, স্ট্যাপলকটন কো-অপারেটিভ-এর ক্রিস জোন্স এবং কটন কাউন্সিল ইন্টারন্যাশনাল-এর উইল বেটেনডর্ফ ও আলী আরসালান উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খানের নেতৃত্বে বিজিএমইএর পক্ষ থেকে আলোচনায় অংশ নেন সিনিয়র সহ-সভাপতি ইনামুল হক খান ও পরিচালক নাফিস-উদ-দৌলা।</p>
<p>দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বৃদ্ধি, মার্কিন তুলার ব্যবহার সম্প্রসারণ এবং বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানিতে নবঘোষিত শুল্ক সুবিধা কাজে লাগাতে করণীয় নির্ধারণে বৈঠকে সম্প্রতি ঘোষিত মার্কিন নির্বাহী আদেশ, যেখানে পোশাক উৎপাদনে ন্যূনতম ২০% মার্কিন কাঁচামাল ব্যবহার করা হলে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানির ক্ষেত্রে নতুন আরোপিত অতিরিক্ত শুল্ক থেকে আনুপাতিক ছাড় পাওয়ার সুযোগ নিয়েও আলোচনা হয়। </p>
<p>বৈঠকে কটন কাউন্সিল ইন্টারন্যাশনালের প্রতিনিধিরা বলেন, বাংলাদেশের টেক্সটাইল ও পোশাক শিল্প বিশ্ববাজারে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে। অন্যদিকে, মার্কিন তুলা তার টেকসই গুণাবলী, নির্ভরযোগ্যতা এবং উচ্চমানের জন্য সুপরিচিত। আমরা বিশ্বাস করি, মার্কিন তুলা ব্যবহারের মাধ্যমে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানিকারকরা তাদের পণ্যের মান আরও উন্নত করতে পারবে এবং মার্কিন বাজারে শুল্ক সুবিধা কাজে লাগিয়ে নিজেদের ব্যবসা সম্প্রসারিত করতে পারবে। </p>
<p>বৈঠকে বাংলাদেশের বাজারে মার্কিন তুলা সরবরাহ আরও সহজ ও দ্রুত করতে লজিস্টিক ও অবকাঠামো উন্নয়নের উপায় নিয়েও আলোচনা হয়। বিশেষ করে, যুক্তরাষ্ট্র থেকে তুলা আমদানি ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে একটি ওয়্যারহাউজ স্থাপনের সম্ভাবনা নিয়েও মতবিনিময় করা হয়, যা বাস্তবায়িত হলে শিল্পের লিড টাইম কমবে।</p>
<p>উভয় পক্ষ নতুন শুল্কনীতি এবং মার্কিন কাঁচামাল ব্যবহারের পরিমাপ পদ্ধতি সম্পর্কে স্বচ্ছতা ও ট্রেসেবিলিটি নিশ্চিত করতে যৌথভাবে কাজ করতে সম্মত হয়।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>মাটি ও ফসলের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় জৈব সার ব্যবহারে ভর্তুকি ও প্রণোদনা দাবি</title>
<link>https://digibanglatech.news/158877</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158877</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_6902625fce7a4.jpg" length="102937" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 29 Oct 2025 21:54:20 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>মাটি ও ফসলের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় জৈব সার ব্যবহারে কৃষকদের জন্য ভর্তুকি ও প্রণোদনা দাবি করেছেন কৃষি বিশেষজ্ঞ ও নীতি-নির্ধারকেরা। এক্ষেত্রে সরকারের  দ্রুত সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ দেখতে চান তারা।</p>
<p>২৯ অক্টোবর, বুধবার  বিকেলে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে একশনএইড বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বারি) যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত ‘মাটি ও ফসলের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় জৈব সারে ভর্তুকি’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় বক্তারা এ দাবি জানান। অনুষ্ঠানটিতে সহ-আয়োজক হিসেবে ছিলো আরও ২৯টি প্রতিষ্ঠান।</p>
<p>এই দাবির পরিপ্রেক্ষিতে গোলটেবিল আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোহাম্মদ এমদাদ উল্লাহ মিয়ান বলেন, ‘আমরা জৈব সার নিয়ে নতুনভাবে ভাবছি এবং সমন্বিত পদ্ধতিতে কীভাবে বিনিয়োগ করা যায়, তার একটি রোডম্যাপ তৈরির কাজ চলছে।’</p>
<p>তবে খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বাস্তব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা সবার সম্মিলিত দায়িত্ব উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘২০৫০ সাল পর্যন্ত দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ চলছে, যেখানে মন্ত্রণালয়সহ সব অংশীজন বিভাগ ও জেলা পর্যায়ে সমন্বিতভাবে কাজ করার সুযোগ রয়েছে।’</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x_6902626079b63.jpg" alt=""></p>
<p>সচিব জানান, বর্তমানে মোট কৃষি বাজেটের ৭০ শতাংশ ভর্তুকি খাতে ব্যবহৃত হয়, যার প্রায় ৮০ শতাংশই রাসায়নিক সারের জন্য ব্যয় করা হয়। সরকার রাসায়নিক সারের ব্যবহার ৩২-৩৫ শতাংশ হ্রাস এবং জৈব সারের ব্যবহার বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে। তবে অপব্যবহার রোধ ও ভারসাম্য বজায় রাখতে নিবন্ধন ও পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা শক্তিশালী রাখা হবে।</p>
<p>বিশেষজ্ঞদের সুপারিশ ও চ্যালেঞ্জ আলোচনায় প্রতি টন জৈব সারের জন্য ৫ হাজার টাকা প্রণোদনা, বিনিয়োগ বা ভর্তুকি দেওয়ার সুপারিশ করেন বারির সিনিয়র সাইন্টিফিক অফিসার ড. নাজিম উদ্দিন। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে জৈব সারের চাহিদা ৬০-৬৫ লাখ টন। এই সার উৎপাদনের জন্য দেশে ৭৫ শতাংশের বেশি কাঁচামাল রয়েছে। প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হলে শতভাগ চাহিদা পূরণ করা সম্ভব।’</p>
<p>বাংলাদেশ মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট (এসআরডিআই)-এর মহাপরিচালক ড. সামিয়া সুলাতানা গুরুত্বারোপ করে বলেন, ‘মাটির স্বাস্থ্য সুরক্ষায় জৈব সারের কোনো বিকল্প নেই। মাটি ও কৃষিকে বাঁচাতে রাসায়নিক সারের পাশাপাশি জৈব সার উৎপাদন, বিপণন ও ব্যবহারে অধিক গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।’</p>
<p>বক্তারা কৃষিতে যুব ও নারীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে জৈব উপকরণভিত্তিক উদ্যোগগুলোকে উৎসাহিত করার আহ্বান জানান। পাশাপাশি তারা কৃষিবান্ধব পরিবেশ চর্চায় গবেষণা ও উদ্ভাবন জোরদার করা, সচেতনতা ও সম্প্রসারণ সেবা বাড়ানো এবং সরকারি, বেসরকারি ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দৃঢ় সমন্বয় তৈরির ওপর জোর দেন।</p>
<p>একশনএইড বাংলাদেশ-এর কান্ট্রি ডিরেক্টর ফারাহ কবিরের সঞ্চালনায় গোলটেবিল আয়োজনে আরও বক্তব্য দেন বারি’র সাকে মহাপরিচালক ড. শহিদুল ইসলাম, বি-সেইফ ফাউন্ডেশন এর সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম সিদ্দিক রানা, সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড রিসার্চ ইন সায়েন্সেস এর প্রধান বিজ্ঞানী ড. লতিফুল বারী প্রমুখ।</p>
<article class="my-5">
<p>আলোচনায় অন্যান্য বক্তারা বলেন, কৃষিতে যুব ও নারীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে জৈব উপকরণভিত্তিক উদ্যোগগুলোকে উৎসাহিত করতে হবে; কৃষিবান্ধব পরিবেশ চর্চায় গবেষণা ও উদ্ভাবন জোরদার করতে হবে; সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কার্যক্রম ও সম্প্রসারণ সেবা বাড়াতে হবে এবং সরকারি, বেসরকারি ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দৃঢ় সমন্বয় তৈরি করতে হবে।</p>
</article>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>কৃষকদের  কৃষকদের বিমা সুরক্ষা চুক্তিবদ্ধ গার্ডিয়ান  ও এগ্রিভেঞ্চারের</title>
<link>https://digibanglatech.news/158788</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158788</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_68ff8c090ed6c.jpg" length="86139" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 27 Oct 2025 17:10:12 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশের কৃষকদের আর্থিক নিরাপত্তা দেয়ার লক্ষ্যে অ্যাগ্রোফিনটেক স্টার্টআপ এগ্রিভেঞ্চার লিমিটেড চুক্তি করলো প্রযুক্তি বান্ধব বীমা কোম্পানি গার্ডিয়ান লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড। চুক্তির মাধ্যমে এই দুই প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে কৃষকদের জন্য ‘ক্রেডিট শিল্ড ইন্স্যুরেন্স’ সেবা চালু করেছে। এর ফলে, কোন অপ্রত্যাশিত বিপর্যয়ের সময়েও কৃষকদের অতিরিক্ত ঋণের ভার বহন করতে হবে না। পাশাপাশি, কৃষির সাথে আধুনিক প্রযুক্তি ও আর্থিক সুরক্ষার সমন্বয় ঘটিয়ে একটি শক্তিশালী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক কৃষিভিত্তিক ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনাও হাতে নেয়া হয়েছে। </p>
<p>নতুন এ চুক্তি সম্পর্কে এগ্রিভেঞ্চারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাবিব রিদওয়ান বলেন, “প্রযুক্তিই শক্তির মূল উৎস। ডিজিটাল উদ্ভাবন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থায়নের মাধ্যমে আমরা বাংলাদেশের কৃষিকে আরও উৎপাদনশীল এবং শক্তিশালী করে তুলতে পারি। কৃষকদের অন্যতম প্রধান সমস্যা হচ্ছে আর্থিক অনিশ্চয়তা, আর গার্ডিয়ানের সাথে আমাদের অংশীদারিত্ব এই অনিশ্চয়তা দূর করার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখবে।” </p>
<p>অন্যদিকে, গার্ডিয়ান লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ডিএমডি শেখ রকিবুল করিম বলেন, “আমরা বিশ্বাস করি, প্রকৃত উন্নয়ন তখনই সম্ভব যখন সবার জন্য সুরক্ষা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। কৃষকরা আমাদের অর্থনীতির মেরুদণ্ড স্বরূপ। অথচ তারাই সবচেয়ে বেশি আর্থিক ঝুঁকির মধ্যে থাকেন। তাই, এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে আমরা নিশ্চিত করতে চাই, তাদের পরিশ্রম যেন বৃথা না হয়, সেই সাথে ভবিষ্যৎও যেন নিরাপদ ও সুরক্ষিত থাকে।”     </p>
<p>সূত্রমতে, এই চুক্তি অনুষ্ঠানে এগ্রিভেঞ্চারের পক্ষ থেকে এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও এক্সিকিউটিভ চেয়ারম্যান আমিরুল মোস্তফা আরেফিন, পিপল গ্রোথ স্ট্রাটেজির ব্যবস্থাপক অভিজিৎ ঘোষ,  সিনিয়র ইনক্লুসিভ ফাইন্যান্স অ্যান্ড ক্যাপিটাল গ্রোথের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ নাফিজা কানিজ ইরিন উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>গার্ডিয়ান এর পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন ইভিপি ও হেড অব মাইক্রো, ডিজিটাল চ্যানেল এবং এডিসি আব্দুল হালিম, এসএভিপি আসিফ বিন মুজিব, ভিপি নওশাদুল করিম চৌধুরী, এভিপি তানিম বুলবুল এবং বিজনেস রিলেশনশিপ ম্যানেজার শারমিন আক্তার শাওন ও অন্তরা ভট্টাচার্য।</p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>উপকূলে রেইন ওয়াটার হার্ভেস্টিং প্রকল্পে সৌদি সহযোগিতা কামনা</title>
<link>https://digibanglatech.news/158508</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158508</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_68f5012782196.jpg" length="109639" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 19 Oct 2025 17:18:35 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>পরিবেশ উপদেষ্টা বাংলাদেশের জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি মোকাবিলা, দেশে সবুজায়ন, এবং উপকূলীয় লবণাক্ত অঞ্চলের স্থানীয় জনগণের জন্য রেইন ওয়াটার হার্ভেস্টিং-এর মাধ্যমে সুপেয় পানি সরবরাহ বিষয়ক উদ্যোগে সৌদি সরকারের সহযোগিতা কামনা করেছে অন্তর্বর্তী সরকার।</p>
<p>১৯ অক্টোবর, রবিবার বাংলাদেশে নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ড. আবদুল্লাহ জায়াফের এইচ. বিন আবিয়াহ সচিবালয়ে সৌজন্য সাক্ষাতে এলে এই সহযোগিতা চান পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।</p>
<p>সাক্ষাৎকালে তিনি বলেন, বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাতে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর একটি। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।</p>
<p>সৌদি রাষ্ট্রদূত ড. আবদুল্লাহ জায়াফের এইচ. বিন আবিয়াহ আসন্ন ইসলামিক কনফারেন্সের ৫ম সেশনে পরিবেশ উপদেষ্টার অংশগ্রহণের আহ্বান জানান এবং বাংলাদেশের পরিবেশ সংরক্ষণ ও জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধিতে সৌদি সরকারের সম্ভাব্য সহযোগিতা এবং পারস্পরিক সম্পর্ক আরও জোরদারের আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি দুই দেশের মধ্যে পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও পানি ব্যবস্থাপনা খাতে যৌথ উদ্যোগের সম্ভাবনা নিয়েও মতবিনিময় করেন।</p>
<p>পরে পরিবেশ ও পানি সম্পদ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ রাবার বোর্ডের উন্নয়ন ও সার্বিক কার্যক্রম পর্যালোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন। সভায় তিনি রাবার শিল্পের টেকসই উন্নয়নে পরিবেশবান্ধব পদ্ধতি অনুসরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং গবেষণা, রপ্তানি সুযোগ বৃদ্ধি ও নীতিগত সহায়তার বিষয়ে দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।</p>
<p>এসময় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ, অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) মো. খায়রুল হাসান, যুগ্মসচিব (আইন) শাহানারা ইয়াসমিন লিলিসহ মন্ত্রণালয় ও রাবার বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p><br><br></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>সার্ক কৃষি কেন্দ্রের প্রকল্পে ক্ষুদ্র কৃষকের জীবিকায় নতুন দিগন্ত</title>
<link>https://digibanglatech.news/158439</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158439</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_68f27b3feedce.jpg" length="129701" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 17 Oct 2025 15:22:22 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বগুড়ার পল্লীউন্নয়ন একাডেমি (আরডিএ)-তে শুক্রবার (১৭ অক্টোবর ২০২৫) দুই দিনব্যাপী এক কর্মশালার মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে সার্ক কৃষি কেন্দ্র (এসএসি) বাস্তবায়িত প্রকল্প “ক্ষুদ্র কৃষকদের জীবিকা উন্নয়ন: মূল্য শৃঙ্খল উন্নয়নের মাধ্যমে ক্ষুদ্র কৃষিভিত্তিক ব্যবসা সম্প্রসারণ”।</p>
<p> সার্ক ডেভেলপমেন্ট ফান্ড (এসডিএফ)-এর অর্থায়নে এই প্রকল্পটি বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, মালদ্বীপ ও শ্রীলঙ্কা এই পাঁচটি সদস্য দেশে বাস্তবায়িত হয়। এর মূল লক্ষ্য ছিল ক্ষুদ্র কৃষকদের আয় বৃদ্ধি, মূল্য সংযোজিত কৃষিপণ্য উন্নয়ন এবং টেকসই জীবিকা নিশ্চিত করা।</p>
<p>প্রকল্পের আওতায় কাঁঠাল ও ক্যাসাভা চিপস, গাজর ও মূলার আচার, আদা গুড়া, মোরিঙ্গা-ভিত্তিক পণ্য ও ভার্জিন নারকেল তেলের মতো বহু উদ্ভাবনী পণ্য তৈরি করা হয়, যা কৃষিপণ্যের অপচয় রোধ ও আয় বৃদ্ধিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে। প্রকল্পের বাস্তবায়ন সহযোগী ছিল বাংলাদেশে আরডিএ, ভুটানে কৃষি বিপণন ও সমবায় বিভাগ, ভারতে এম.এস. স্বামীনাথন রিসার্চ ফাউন্ডেশন, মালদ্বীপে কৃষি ও প্রাণী কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং শ্রীলঙ্কায় কৃষি বিভাগ।</p>
<p>উদ্বোধনী অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন সার্ক কৃষি কেন্দ্রের পরিচালক ড. হারুনূর রশিদ। তিনি তাঁর বক্তব্যে প্রকল্পের উদ্দেশ্য, ছয় বছরের অর্জন ও চ্যালেঞ্জ তুলে ধরে বলেন, “এই প্রকল্প ক্ষুদ্র কৃষকদের আয় ও উদ্যোক্তা সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।”</p>
<p>অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ড. এ. কে. এম. ওয়ালি উল্লাহ, মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব), আরডিএ, বলেন, “প্রকল্পটি জাতীয় নীতিমালা শক্তিশালীকরণ, নারী উদ্যোক্তা উন্নয়ন ও সার্ক দেশগুলোর কৃষিভিত্তিক মূল্য শৃঙ্খল উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছে।”</p>
<p>বিশেষ অতিথি তানভির আহমেদ তরফদার, পরিচালক (এআরডি ও এসডিএফ), সার্ক সচিবালয়, প্রকল্পের সাফল্যের প্রশংসা করে বলেন, “আঞ্চলিক প্রতিষ্ঠান ও জাতীয় সরকারের মধ্যে সমন্বয় জোরদার করা এখন সময়ের দাবি।”</p>
<p>সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সার্ক ডেভেলপমেন্ট ফান্ডের (এসডিএফ) অফিসার ইন চার্জ ওয়াসিম শাহজাদ। তিনি সার্ক কৃষি কেন্দ্র ও অংশীদারদের প্রশংসা করে বলেন, “এই প্রকল্পের সাফল্য দক্ষিণ এশিয়ার গ্রামীণ উন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদি পরিবর্তনের সূচনা করেছে।” এছাড়া শবনম শিবাকোটি, সদস্য, এসএসি গভর্নিং বোর্ড ও যুগ্মসচিব, নেপাল কৃষি ও প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রণালয়, টেকসই মূল্য সংযোজিত কৃষি ব্যবসার জন্য আঞ্চলিক সহযোগিতা ও নীতিগত সামঞ্জস্যের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।</p>
<p>প্রকল্পের সমন্বয়ক ড. মো. ইউনুস আলী উদ্বোধনী বক্তব্যে প্রকল্পের অর্জন ও চ্যালেঞ্জ তুলে ধরেন এবং আঞ্চলিক অংশীদারিত্ব জোরদারের আহ্বান জানান। ড. নওশের আলী সারদার, প্রকল্প সম্পন্ন প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন, যেখানে কৃষকের আয় বৃদ্ধি, ফসল পরবর্তী ব্যবস্থাপনা ও প্রযুক্তি গ্রহণে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির বিষয়গুলো উঠে আসে। <br><br></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>মৎস্য উৎপাদন ও রফতানি বাড়াতে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়&#45;বিএসএফএফ চুক্তি সই</title>
<link>https://digibanglatech.news/158323</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158323</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_68edfcf5acfe8.jpg" length="135181" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 14 Oct 2025 10:34:33 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>প্রযুক্তি প্রয়োগ করে বাংলাদেশেও উন্নতমানের মাছ উৎপাদন ও রফতানিতে একটি গবেষণা প্রকল্প হাতে নিয়েছে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়। এ লক্ষ্যে ১৩ অক্টোবর, সোমবার বাংলাদেশ শ্রিম্প অ্যান্ড ফিস ফাউন্ডেশন (বিএসএফএফ) একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে। গবেষণা থেকে বাজারজাত উদ্যোগের অংশ হিসেবে এই চুক্তিটি হয়েছে। </p>
<p>বাংলাদেশ সচিবালয়ের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সচিব মো: আনোয়ার হোসেনের উপস্থিতিতে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের পক্ষে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব বায়োটেকনোলজি (এনআইবি) এর মহাপরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ ছগীর আহমেদ এবং বাংলাদেশ শ্রিম্প অ্যান্ড ফিস ফাউন্ডেশনের পক্ষে সংস্থাটির চেয়ারম্যান সৈয়দ মাহমুদুল হক চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এসময় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিএসএফএফএর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। </p>
<p>১৪ অক্টোবর, মঙ্গলবার মন্ত্রণালয় সূত্রে প্রকাশ, এই সমঝোতা স্মারক বাস্তবায়নের মাধ্যমে এনআইবির বিদ্যমান সুযোগ-সুবিধা ও প্রযুক্তিগত সহায়তায় বাংলাদেশে শ্রিম্প অ্যাকুয়াকালচার, হাইব্রিড মাছসহ রপ্তানিমুখী বিভিন্ন প্রজাতির মাছ উৎপাদন এগিয়ে নেওয়ার জন্য কাজ করতে হবে। সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড ও মালয়েশিয়ার মতো দেশগুলোতে উন্নত প্রযুক্তিতে তেলাপিয়াসহ প্রোটিন ও পুষ্টি সম্পন্ন অন্যান্য মাছ চাষের মাধ্যমে কম দামে পুষ্টিসম্পন্ন ও আন্তর্জাতিক মানের মাছ উৎপাদন করা হয়। একই পদ্ধতি ও তাদের প্রযুক্তি প্রয়োগ করে বাংলাদেশেও উন্নতমানের মাছ উৎপাদন ও রপ্তানি করার পথ উন্মুক্ত হবে।</p>
<p>মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় ও যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে প্রযুক্তি ও অংশীদারিত্ব ও সম্পদের অংশীদারিত্ব ভাগাভাগির মাধ্যমে দেশকে উন্নয়নের পথে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যেই এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।</p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>আইএফএডি&#45; কে প্রযুক্তিগত সহায়তায় সামাজিক ব্যবসা তহবিল গঠনের আহ্বান</title>
<link>https://digibanglatech.news/158284</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158284</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_68ec94d2bdcff.jpg" length="110330" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 13 Oct 2025 08:56:56 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশের তরুণ কৃষি-উদ্যোক্তা, নারী, কৃষক এবং খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকারীদের সহায়তার লক্ষ্যে একটি ‘সামাজিক ব্যবসা তহবিল’ গঠনের জন্য আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিল গঠনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।</p>
<p>ফোরাম)-এর সাইডলাইনে আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিলের (আইএফএডি) প্রেসিডেন্ট আলভারো লারিওর সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি এই প্রস্তাব দেন।</p>
<p>অধ্যাপক ইউনূস বলেন, “এ ধরনের একটি তহবিল দরিদ্র জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবাসহ বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা সমাধানে ভূমিকা রাখবে এবং তরুণ, কৃষক, নারী ও মৎস্যখাতের সঙ্গে জড়িতদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে সহায়তা করবে।”</p>
<p>বৈঠকে দুই নেতা বাংলাদেশের গভীর সমুদ্র মৎস্য আহরণ শিল্প চালু করা, আম ও কাঁঠালের রপ্তানি বৃদ্ধি, জলবায়ু সহনশীল কৃষি উদ্যোক্তা তৈরি এবং মহিষের দুধ থেকে মোজারেলা চিজসহ দুগ্ধজাত পণ্য উৎপাদনে খামারিদের সহায়তা– এসব কৌশলগত বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।</p>
<p>প্রধান উপদেষ্টা আইএফএডি প্রেসিডেন্টকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান এবং কৃষি, সামাজিক ব্যবসা ও প্রযুক্তি খাতে সহযোগিতার সম্ভাবনা যাচাইয়ে একটি প্রতিনিধি দল পাঠানোর আহ্বান জানান।</p>
<p>আইএফএডি প্রেসিডেন্ট আলভারো লারিও বলেন, সংস্থাটি বাংলাদেশে সামাজিক ব্যবসা উদ্যোগে অংশীদার হতে এবং বেসরকারি খাতের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদারে আগ্রহী। তিনি জানান, বর্তমানে আইএফএডি অর্ধ ডজনেরও বেশি কৃষি প্রকল্পে অর্থায়ন করছে।</p>
<p>ড. ইউনূস ফল প্রক্রিয়াজাতকরণ, কোল্ড স্টোরেজ, গুদামজাতকরণ এবং আম-কাঁঠালের মতো গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ফলের রপ্তানি সম্প্রসারণে প্রযুক্তিগত সহায়তা ও বিনিয়োগের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।</p>
<p>তিনি বলেন, “আমরা ইতোমধ্যে আম রপ্তানি শুরু করেছি, তবে পরিমাণ এখনো সীমিত। চীন বাংলাদেশ থেকে বিপুল পরিমাণে আম ও কাঁঠাল আমদানিতে আগ্রহ দেখিয়েছে।”</p>
<p>বঙ্গোপসাগরের গভীর সমুদ্র মৎস্য আহরণের অনাবিষ্কৃত সম্ভাবনা উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “বিনিয়োগ ও প্রযুক্তিগত জ্ঞানের ঘাটতির কারণে বেশিরভাগ জেলে এখনো অগভীর পানিতে মাছ ধরেন। আমরা এখনো গভীর সমুদ্রে যেতে সাহস পাই না। আইএফএডি অর্থায়ন ও প্রযুক্তিগত সহায়তার মাধ্যমে এই খাতে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি সম্ভব।</p>
<p>প্রসঙ্গত, ১৯৭৮ সালে বাংলাদেশে কার্যক্রম শুরুর পর থেকে ইফাদ ৩৭টি প্রকল্পে অংশীদার হয়েছে, যার সম্মিলিত মূল্য ৪.২৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এর মধ্যে ১.১৩ বিলিয়ন ডলার সরাসরি আইএফএডি অর্থায়িত। বর্তমানে বাংলাদেশে ৪১২ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের ছয়টি প্রকল্প চলছে, আরও একটি প্রকল্প পাইপলাইনে রয়েছে।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ঠাকুরগাঁওয়ে সারের জন্য মানববন্ধন</title>
<link>https://digibanglatech.news/158282</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158282</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_68ec62bf3b6b8.jpg" length="132303" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 12 Oct 2025 19:24:17 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>২০২৩ সালে জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয় বিসিআইসি ডিলারদের বরাদ্দ করা সারের মধ্য ৬০ ভাগ খুচরা ব্যবসায়ীদের দিতে হবে। এটি বাস্তাবায়ন হলে সারের সংকট থাকবে না। কৃষকরা তাদের সুবিধামতো সার খুচরা বিক্রেতাদের কাছ থেকে কিনতে পারবে। </p>
<p>সেই প্রজ্ঞাপন বাস্তবায়নের দাবিতে ১২ অক্টোবর, রবিবার দুপুরে ঠাকুরগাঁও জেলার বালিয়াডাঙ্গীতে <span>খুচরা সার বিক্রেতা আইডি কার্ডধারীদের সার দেওয়ার দাবিতে </span>মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন স্থানীয় কৃষক ও খুচরা ব্যবসায়ীরা। </p>
<p>উপজেলা সার বিক্রেতা অ্যাসোসিয়েশনের ব্যানারে বালিয়াডাঙ্গী চৌরাস্তায় ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচি চলাকালে ডিলার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার সভাপতি সাবুল ইসলামসহ বক্তারা অভিযোগ করেন, চলতি মৌসুমে আলু, গম ভুট্টাসহ নানা রকম ফসল উৎপাদন করবে কৃষকরা। কৃষকের প্রয়োজন মতো খোলা বাজার থেকে সার ক্রয় করতো। কিন্তু বর্তমানে খোলা বাজারে তীব্র সার সংকটের কারণে এমন অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।  </p>
<p>এমন পরিস্থিতিতে প্রশাসনের সিদ্ধান্তে খুচরা ব্যবসায়ী পর্যায়ে পর্যাপ্ত সার বরাদ্দের দাবি পূরণ না হলে অবিলম্বে তা কার্যকর না হলে ইউএনও-কৃষি অফিস ঘেরাওয়ের ঘোষণা দেন বক্তারা।</p>
<p>বক্তারা বলেন, খুচরা সার বিক্রেতার মাধ্যমে সার প্রদান করলে প্রকৃত কৃষকদের কোন রকম হয়রানি হতে হবে না। অবিলম্বে সরকারের প্রতি খুচরা সার বিক্রেতা আইডি কার্ডধারীদের সার দেওয়ার দাবি জানান। </p>
<p>মানববন্ধনে অন্যান্যের মাঝে বক্তব্য রাখেন, খুচরা সার বিক্রেতা ইয়াকুব আলী, মিজানুর রহমান, মিস্টার, নাসিরুল, কৃষক সাদেকুল। মানববন্ধন কর্মসূচিতে সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন, সাংবাদিক হারুন অর রশিদ, সাংবাদিক হাসান আলী।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>দক্ষিণ কোরিয়ায় জলবায়ু&#45;সহনশীল কৃষি নিয়ে বক্তব্য রাখলেন বাকৃবি উপাচার্য</title>
<link>https://digibanglatech.news/157844</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157844</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202509/image_870x580_68d8924ae35e8.jpg" length="122168" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 28 Sep 2025 00:01:57 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>দক্ষিণ কোরিয়ায় গ্লোবাল হাই-টেক ক্লাইমেট-স্মার্ট এগ্রিকালচারাল ইউনিভার্সিটি নেটওয়ার্ক (জিএইচএএন) বিষয়ক আন্তর্জাতিক কর্মশালায় অংশগ্রহণ করছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া। </p>
<p>এছাড়াও বাকৃবির ফোকাল পয়েন্ট অধ্যাপক ড. মো. শামসুল আলম ভূঁইয়া এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মুজিবুর রহমানও এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করছেন।</p>
<p> বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ ও প্রকাশনা দফতরের এক প্রেস রিলিজে  বিষয়টি জানানো হয়। তিনদিনব্যাপী এই কর্মশালা শেষ হয় ২৭ সেপ্টেম্বর, শনিবার।</p>
<p>এতে বলা হয়, জিএইচএএন রাউন্ডটেবিল প্যানেল আলোচনা পর্বে অধ্যাপক ড. ভূঁইয়া দক্ষিণ এশিয়া আঞ্চলিক হাবের জন্য বাকৃবির প্রার্থী হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণায় উচ্চ-প্রযুক্তি ও টেকসই কৃষির প্রচার এবং জলবায়ু-সহনশীল কৃষি বিষয়ক বিষয়গুলোর উপর আলোকপাত করে বক্তব্য রাখেন।</p>
<p>প্রসঙ্গত, জিএইচএএন হলো কৃষিক্ষেত্রে উন্নত প্রযুক্তি ও জলবায়ু-বান্ধব পদ্ধতির একটি শিক্ষামূলক ও গবেষণামূলক প্ল্যাটফর্ম যা জলবায়ু-বান্ধব, টেকসই কৃষি উন্নয়নে সহায়ক ভূমিকা পালন করে আসছে।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>আইইবিতে রাইস ব্রাণ শিল্পের সম্ভাবনা ও কৌশল নিয়ে আলোচনা</title>
<link>https://digibanglatech.news/157831</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157831</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202509/image_870x580_68d803f8818c7.jpg" length="66855" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 27 Sep 2025 19:33:57 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>অভ্যন্তরীণ ও বৈশ্বিক বাজার চাহিদার নিরিখে বাংলাদেশে ধানের কুঁড়া থেকে উৎপাদিত ভোজ্য তেলের যোগান সহজলভ্য করার বিষয়ে সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন খাত সংশ্লিষ্টরা। ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি) এর কৃষিকৌশল বিভাগরে উদ্যোগে ২৭ সেপ্টম্বর, শনিবার বিকেলে রাজধানী রমনার আইইবি সদর দফতরের শহীদ প্রকৌশলী ভবনের কাউন্সিল অনুষ্ঠিত Rice Bran Oil- Potentiality in Bangladesh শীর্ষক সেমিনারে এই দাবি জানানো হয়।  </p>
<p>এই দাবি শুনে সেমিনারে প্রধান অতিথি কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের (ডিএই) মহাপরিচালক কৃষিবিদ মো. সাইফুল আলম বলেন, “ধান আমাদের প্রধান খাদ্যশস্য। এর ভুসি থেকে উৎপাদিত তেলের সম্ভাবনা কাজে লাগাতে পারলে কৃষি ও শিল্প দুই খাতই উপকৃত হবে। সরকার কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে, জরপব ইৎধহ ঙরষ উৎপাদনকে এগিয়ে নিতে নীতি সহায়তা অব্যাহত থাকবে। এছাড়া কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে কৃষি প্রকৌশলীদের জন্য একটি কৃষি প্রকৌশল উইং বাস্তবায়নের কাজ চলমান যা খাদ্য প্রক্রিয়াজাত ও যান্ত্রিকীকরণে সহায়তা বৃদ্ধি করবে।” আমরা কৃষিতে টেকসই উৎপাদন ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারলে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ কৃষিতে সয়ংসম্পূর্ণ হবে আশা করছি। </p>
<p>সেমিনারে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আইইবি‘র ভাইস-প্রেসিডেন্ট (এইচআরডি) প্রকৌশলী শেখ আল আমিন বলেন, ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি) প্রকৌশলীদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি জন্য কাজ করে থাকেন। রাচই ব্যান্ড তেল মানব দেহের জন্য ভালো হওয়ার পরও আমরা গ্রহণ না করে বিদেশে রপ্তানি করছি আর বিদেশ থেকে আমদানি করছি ক্ষতিকর তেলগুলো। রাচই ব্যান্ড তেলের উৎপাদন বৃদ্ধি ও সহজলভ্য করার জন্য আজকের সেমিনার থেকে প্রাপ্ত সুপারিশমালা স্ব স্ব সংস্থা, মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করা হবে। </p>
<p>অপর ‍বিশেষ অতিথি বাংলাদেশ ইডিবল ওয়েল লিমিটেডের মহাব্যবস্থাপক (কিউএ এন্ড ইএমএস) মো. ইমতিয়াজ মাসুদ বলেছেন, বর্তমানে উৎপাদনকৃত রাইচ ব্যান্ড তেলের ৯০ শতাংশ ভারতে রপ্তানি করা হচ্ছে। রাইচ ব্যান্ড তেলের চাহিদা বাংলাদেশের বাজারে কম থাকায় বাহিরে রপ্তানি করা হচ্ছে। অন্য তেলের তুলনায় রাইচ ব্যান্ড তেলের দামি কিছু বেশি হওয়ায় সকলেই গ্রহণ করতে সক্ষম হচ্ছেন না। রাচই ব্যান্ড তেল সহজলভ্য করতে হলে সরকারের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। রাইচ ব্যান্ড তেলের মিলগুলো অটোমেশন করা হলে উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি দামও কমে আসবে। রাইচ ব্যান্ড তেলের উৎপাদন বৃদ্ধি ও সহজলভ্য করার জন্য তিনি সরকারের সহযোগিতা কামনা করেন।</p>
<p>স্বাগত বক্তব্যে, খান, আইইবি সম্মানী সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী মো. সাব্বির মোস্তফা বলেন, বাংলাদেশ কৃষি প্রধান দেশ হওয়ায় কৃষিবিদদের ভূমিকা অপরিসীম। আজকের সেমিনারের বিষয়বস্তু বর্তমান সময়োপযোগী। আজকের সেমিনার হতে প্রাপ্ত সুপারিশমালা বাস্তবায়নের জন্য স্ব স্ব সংস্থা, মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। </p>
<p>সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন গাজীপুরের বিআরআরআই পরিচালক (এডমিন ও সিএস) (পিআরএল) ড. মো. আনোয়ারুল হক। তিনি বলেন, “ব্রি দীর্ঘদিন ধরে ধানের ভুসি নিয়ে গবেষণা করছে। সঠিক সময়ে ভুসি সংগ্রহ ও আধুনিক প্রক্রিয়াজাত প্রযুক্তি ব্যবহার করলে সর্বোচ্চ মানের তেল উৎপাদন সম্ভব। এজন্য সরকার, গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও বেসরকারি খাতকে যৌথভাবে কাজ করতে হবে।”</p>
<p>আইইবি কৃষিকৌশল বিভাগের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী গোলাম মাওলার  সভাপতিত্ব সেমিনারে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ভাইস-চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মোহাম্মদ সরোয়ার মাওলা। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন আইইবি কৃষিকৌশল বিভাগের সম্পাদক প্রকৌশলী মোঃ বেলাল সিদ্দিকী।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>আইএফপিআরআই ও সার্ক কৃষি কেন্দ্রের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর</title>
<link>https://digibanglatech.news/157766</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157766</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202509/image_870x580_68d524589d4f2.jpg" length="78116" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 25 Sep 2025 15:15:52 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে আন্তর্জাতিক খাদ্যনীতি গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইএফপিআরআই) এবং সার্ক কৃষি কেন্দ্র (এসএসি)-এর মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থার (সার্ক) মহাসচিব রাষ্ট্রদূত মো. গোলাম সারোয়ার প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এবং আইএফপিআরআই মহাপরিচালক ড. জোহান সুইনেন বিশেষ অতিথি হিসেবে যোগ দেন।</p>
<p>অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সার্ক কৃষি কেন্দ্রের পরিচালক ড. মো. হারুনূর রশিদ, আইএফপিআরআই দক্ষিণ এশিয়া অফিসের পরিচালক ড. শহীদুর রশিদ (নয়াদিল্লি), আইএফপিআরআই-এর সিনিয়র পরিচালক ড. পূর্ণিমা মেনন (ওয়াশিংটন) এবং আইএফপিআরআই-এর ব্যবসা উন্নয়ন ও বহিঃসম্পর্ক পরিচালক ড. টেউনিস ভ্যান রিনেন (ওয়াশিংটন)।</p>
<p>এই সহযোগিতা কৃষি গবেষণা, সম্প্রসারণ সেবা, পুষ্টি ও নীতিনির্ধারণসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে সমন্বয় জোরদার করার লক্ষ্যে গৃহীত হয়েছে। সার্ক মহাসচিব রাষ্ট্রদূত মো. গোলাম সারোয়ার বলেন, সার্ক কৃষি কেন্দ্র ও আইএফপিআরআই-এর এ সমঝোতা স্মারক আঞ্চলিক সহযোগিতা শক্তিশালী করতে বিশেষ ভূমিকা রাখবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, এ ধরনের অংশীদারিত্ব কৃষি ও সংশ্লিষ্ট খাতে প্রযুক্তি উন্নয়ন এবং কার্যকর সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।</p>
<p>আইএফপিআরআই মহাপরিচালক ড. সুইনেন বলেন, জ্ঞান আহরণ ও ব্যবস্থাপনা, কৃষি বাণিজ্য, নীতি উদ্ভাবন এবং সক্ষমতা উন্নয়নের ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও বৃদ্ধি পাবে।শেষে, খাদ্যনিরাপদ, সহনশীল ও সমৃদ্ধ দক্ষিণ এশিয়া গড়ে তোলার লক্ষ্যে যৌথ প্রতিশ্রুতির মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটির সমাপ্তি ঘটে।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বাংলাদেশে জলবায়ু&#45;সহনশীল কৃষিতে সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত অস্ট্রেলিয়ার</title>
<link>https://digibanglatech.news/157733</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157733</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202509/image_870x580_68d3fcf0325a4.jpg" length="108776" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 24 Sep 2025 16:14:53 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="alignfull">বাংলাদেশে কৃষি উৎপাদনশীলতা ও জলবায়ু সহনশীলতা বাড়াতে নিজেদের প্রতিশ্রুতির কথা পুনর্ব্যক্ত করেছে অস্ট্রেলিয়া। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ঝুঁকিপূর্ণ উপকূলীয় অঞ্চলে টেকসই কৃষি-খাদ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর জোর দিচ্ছে দেশটি।</p>
<p class="alignfull">বাংলাদেশে নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার ডেপুটি হাইকমিশনার ক্লিনটন পোবকে এ সপ্তাহে ঢাকায় অনুষ্ঠিত জলবায়ু-সহনশীল ও টেকসই কৃষি-খাদ্য ব্যবস্থার উন্নয়নের ওপর এক কর্মশালায় অংশ নিয়ে এই আশ্বাস দেন। ২৪ সেপ্টেম্বর, বুধবার ঢাকার অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।</p>
<div class="viewport jw_article_body">
<p class="alignfull">অনুষ্ঠানে পোবকে বলেন, পরিবেশের ক্ষয়ক্ষতি রোধ ও কৃষিতে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় বাংলাদেশের সঙ্গে ধারাবাহিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে অস্ট্রেলিয়া।</p>
<div class="BT_inner_A1_C2 aligncenter w100p pt10 pb10">
<div class="300adWnC">কর্মশালায় অস্ট্রেলিয়ান সেন্টার ফর ইন্টারন্যাশনাল এগ্রিকালচারাল রিসার্চের (এসিআইএআর) অর্থায়নে পরিচালিত বিভিন্ন প্রকল্পের অবদানের ওপর আলোকপাত করা হয়।</div>
</div>
<p class="alignfull">কমনওয়েলথ সায়েন্টিফিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিসার্চ অর্গানাইজেশনের (সিএসআইআরও) সহযোগিতায় এসব প্রকল্পের মাধ্যমে জলবায়ু সহনশীল শস্য উৎপাদন ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং বাংলাদেশের লবণাক্ত উপকূলীয় অঞ্চলে টেকসই কৃষি পদ্ধতি প্রসারে গবেষণা চালানো হচ্ছে।</p>
<div class="BT_inner_A1_C3 aligncenter w100p pt10 pb10">
<div class="300adWnC">এই প্রকল্পগুলো স্থানীয় কৃষকদের জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে কৃষি উৎপাদন বাড়াতে এবং দীর্ঘমেয়াদি খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে সহায়তার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে। এই উদ্যোগগুলো বাংলাদেশের কৃষি খাত শক্তিশালী করা এবং বৈশ্বিক জলবায়ু কর্মসূচিতে অবদান রাখতে অস্ট্রেলিয়ার বৃহত্তর প্রচেষ্টার অংশ।</div>
</div>
</div>
<div class="btGoogleNews"></div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>সার্ক কৃষি কেন্দ্রের আধুনিক ফসল প্রযুক্তি বিষয়ক আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ শুরু</title>
<link>https://digibanglatech.news/157659</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157659</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202509/image_870x580_68d13307291d6.jpg" length="115603" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 22 Sep 2025 17:29:52 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>সার্ক কৃষি কেন্দ্র আয়োজিত চার দিনব্যাপী আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি “ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার ও বীজের জেনেটিক বিশুদ্ধতা”  ২২ সেপ্টেম্বর, সোমবার ভার্চুয়ালি উদ্বোধন করা হয়েছে। এতে সার্কভুক্ত দেশগুলোর শীর্ষস্থানীয় কৃষি বিজ্ঞানী, বিশেষজ্ঞ ও নীতিনির্ধারকেরা অংশ নিচ্ছেন। তারা আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি এবং টেকসই খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কৌশল নিয়ে আলোচনা করবেন।</p>
<p>প্রশিক্ষণের লক্ষ্য হলো আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদার করা, জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময় করা এবং উদ্ভাবনী কৃষি প্রযুক্তি গ্রহণে উৎসাহিত করা, যাতে সার্কভুক্ত দেশগুলো খাদ্য নিরাপত্তা ও টেকসই কৃষি উন্নয়নে আরও এগিয়ে যেতে পারে।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202509/image_870x_68d1332040e72.jpg" alt=""></p>
<p>কর্মসূচির উদ্বোধনী বক্তব্যে সার্ক কৃষি কেন্দ্রের সিনিয়র প্রোগ্রাম স্পেশালিস্ট (ফসল) ড. সিকান্দার খান প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্য তুলে ধরেন। এ সময় “আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি: ধারণা, গুরুত্ব ও দক্ষিণ এশিয়ায় প্রাপ্যতা” শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন মেক্সিকোর আন্তর্জাতিক ভুট্টা ও গম উন্নয়ন কেন্দ্র (সিমিট)-এর প্রধান বিজ্ঞানী ড. ভেলু গোবিন্দন।</p>
<p>বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সার্ক সচিবালয়ের (নেপাল) পরিচালক (এআরডি অ্যান্ড এসডিএফ) তানভীর আহমেদ তরফদার। তিনি বলেন, বিশ্বের জনসংখ্যা দ্রুত বাড়ছে, ফলে আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহারের আর বিকল্প নেই। তিনি বীজের জেনেটিক বিশুদ্ধতা, পানির টেকসই ব্যবহার এবং আধুনিক প্রযুক্তি গ্রহণের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। </p>
<p>প্রধান অতিথি কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (পিপিসি) ড. মো. মাহমুদুর রহমান বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার কৃষি বর্তমানে মাটির অবক্ষয় ও জলবায়ুজনিত দুর্যোগের চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ আধুনিক ফসল উন্নয়ন প্রযুক্তি ও মানসম্মত বীজ ব্যবহারে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। এ ক্ষেত্রে ব্রি, বারি, বিনা এবং অন্যান্য কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের অবদান বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। তিনি আরও বলেন, কৃষিক্ষেত্রে অগ্রগতি অবশ্যই টেকসই হতে হবে এবং এজন্য নির্ভুল কৃষি (প্রিসিশন এগ্রিকালচার) ও আধুনিক গবেষণাকে গুরুত্ব দিতে হবে।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>আড়াই লাখ টাকার কৃষি ঋণে লাগবে না সিআইবি চার্জ</title>
<link>https://digibanglatech.news/157471</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157471</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202507/image_870x580_6889b1a58162c.jpg" length="79246" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 15 Sep 2025 18:38:35 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="alignfull">বাংলাদেশ ব্যাংক ঘোষণা করেছে, কৃষি ও পল্লিঋণের ক্ষেত্রে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণে কোনও ধরনের ক্রেডিট ইনফরমেশন ব্যুরো (সিআইবি) চার্জ আর নেওয়া হবে না। অর্থাৎ, ব্যাংক ও নেটওয়ার্কের নিজস্ব ব্যবস্থায় কৃষি ঋণ প্রদানের সময় গ্রাহককে সিআইবি রিপোর্টের ফি দিতে হবে না।</p>
<p class="alignfull">১৫ সেপ্টেম্বর, সোমবার কৃষিঋণ বিভাগের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংক এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, আগে ব্যাংকগুলোকে চার্জ মওকুফের সুযোগ দেওয়া হলেও কিছু প্রতিষ্ঠান তা ঠিকমতো অনুসরণ করেনি। পরে কৃষিঋণ ঘোষণার পর কিছু ব্যাংক চার্জ আদায়ের জন্য আবেদন করলেও, নতুন প্রজ্ঞাপনে আগের সিদ্ধান্তকে বহাল রেখে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, ২ লাখ ৫০ হাজার টাকার নিচে কৃষি ঋণে শুধু নির্ধারিত সুদ ছাড়া আর কোনও চার্জ, প্রসেসিং ফি বা মনিটরিং ফি নেওয়া যাবে না।</p>
<div class="viewport jw_article_body">
<p class="alignfull">বাংলাদেশ ব্যাংকের সিদ্ধান্তের মূল উদ্দেশ্য হলো কৃষকদের ঋণপ্রাপ্তি আরও সহজ ও সুবিধাজনক করা।</p>
<p class="alignfull">উল্লেখ্য, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক কৃষি ও পল্লি খাতে ৩৯ হাজার কোটি টাকা ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। এর মধ্যে নিজস্ব নেটওয়ার্কের মাধ্যমে বিতরণ করা যেকোনও ঋণের জন্য সিআইবি রিপোর্ট বাধ্যতামূলক হলেও, ২ লাখ ৫০ হাজার টাকার নিচে ঋণে চার্জ মওকুফ থাকবে।</p>
</div>
<div class="btGoogleNews"></div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>দেশজুড়ে কৃষিবিদ ঐক্য পরিষদের ‘এগ্রি ব্লকেড’</title>
<link>https://digibanglatech.news/157021</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157021</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202508/image_870x580_68b3b567dbcc0.jpg" length="81125" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 31 Aug 2025 08:38:00 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ডিপ্লোমাধারীদের ‘অযৌক্তিক’ দাবির বিরুদ্ধে এবং নিজেদের প্রস্তাবিত ৩ দফা দাবি বাস্তবায়নের লক্ষে ৩১ আগষ্ট, রবিবার দেশজুড়ে ‘এগ্রি ব্লকেড’ পালন করতে যাচ্ছে কৃষিবিদ ঐক্য পরিষদ। কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর পাশাপাশি প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও এই কর্মসূচি পালিত হবে বলে জানাগেছে। সংগঠনটির ফেসবুক গ্রুপে ঘোষিত ধর্মঘট অনুযায়ী বিকাল ৪ টায় আগারগাঁওয়ে ‘এগ্রি ব্লকেড’ কর্মসূচি পালন করবেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।</p>
<p>এছাড়াও দেশের দেশের বিভিন্ন স্থানে একেক সময়ে এই ব্লকেড কর্মসূচি পালিত হবে।</p>
<p>সবার আগে সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে ব্লকেড কর্মসূচি পালন করবে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা। ১১টা ৩০ মিনিটে ঢাকা-পটুয়াখালী মহাসড়কে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা,<span>বিকাল ৩টায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেইন গেট অর্থাৎ শহীদ মীর মুগ্ধ তোরণে, </span>জুলাই-৩৬ গেটের সামনে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এবং বিকাল ৪ টায় হাজি দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় গেটে হাবিপ্রবির শিক্ষার্থীরা এই কর্মসূচি পালন করবেন।</p>
<p>এছাড়াও গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় সহ দেশের সকল কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অনুষদের শিক্ষার্থীরা এই কর্মসূচি পালন করবেন বলে জানা গেছে। কর্মসূচি অনুযায়ী, <span>‘৩ দফা’ দাবী বাস্তবায়নে দুপুর ১টায় গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এর </span><span class="html-span xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl x1hl2dhg x16tdsg8 x1vvkbs"><a class="html-a xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl x1hl2dhg x16tdsg8 x1vvkbs" tabindex="-1"></a></span><span>বিক্ষোভ সমাবেশ করবে বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি বিভাগ।</span></p>
<p><span>এর আগে ৩০ আগস্ট রাতে কৃষিবিদদের ৩ দফা দাবি আদায়ে এবং ডিপ্লোমাধারীদের বোনদের প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করার প্রতিবাদে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে কৃষিবিদদের মশাল <span class="html-span xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl x1hl2dhg x16tdsg8 x1vvkbs"><a class="html-a xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl x1hl2dhg x16tdsg8 x1vvkbs" tabindex="-1"></a></span>মিছিল হয়েছে। </span></p>
<p>এ বিষয়ে কৃষিবিদ ঐক্য পরিষদের অন্যতম সংগঠক ও শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ইমরান হোসেন ইমন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে কৃষিবিদরা তাদের যৌক্তিক দাবিগুলো জানিয়ে আসছে। আমরা শান্তিপূর্ণভাবে সরকার ও যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে একটা নিরপেক্ষ সমাধান আশা করেছিলাম। কিন্ত আমাদের নীরবতা ও শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকে তারা দুর্বলতাভেবে ভুল করেছে। আগামীকাল দেশব্যাপী এগ্রি ব্লকেড কর্মসূচি আয়োজিত হবে। আমাদের দাবি দাওয়া মেনে নেওয়া না হলে সামনে আরও কঠোর কর্মসূচি আসবে।</p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>যবিপ্রবি’র রোগমুক্ত জারবেরা ফুলের অনুচারা  বিতরণ</title>
<link>https://digibanglatech.news/156858</link>
<guid>https://digibanglatech.news/156858</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202508/image_870x580_68adf11565e7d.jpg" length="96958" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 26 Aug 2025 20:38:38 +0600</pubDate>
<dc:creator>ক্যাম্পাস করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="MsoNormal"><span>আধুনিক ও উন্নতমানের-রোগমুক্ত জারবেরা ফুলের অনুচারা যশোরের গদখালির বাণিজ্যিক ফুল চাষীদের মাঝে বিতরণের উপলক্ষ্যে ২৬ আগস্ট মঙ্গলবার যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ল্যাবরেটরি অফ ফাংশনাল জিনোমিক্স অ্যান্ড প্রোটিওমিক্স, জিইবিটি বিভাগ। </span></p>
<p class="MsoNormal"><span>অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের উক্ত বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ যশোর জেলার ঝিকরগাছা উপজেলার ফুলের রাজ্য খ্যাত গদখালির পানিসারার মাঠ পর্যায়ে সরাসরি নিয়োজিত বাণিজ্যিক ফুলচাষীরা স্বতস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আব্দুল মজিদ।</span></p>
<p class="MsoNormal"><span> </span><span>প্রধান অতিথির বক্তব্যে যবিপ্রবি উপাচার্য বলেন, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ফুলের বাগান হলো গদখালী যা যশোর জেলার ঝিকরগাছা উপজেলায় অবস্থিত। এখানে প্রায় চার হাজার বিঘা জমিতে বিভিন্ন ধরনের ফুল চাষ করা হয়, যা দেশের ফুলের চাহিদার বৃহৎ অংশ পূরণ করে। বাংলাদেশের এই সম্ভাবনাময় অংশ নানা সমস্যা ও প্রতিবন্ধকতায় জর্জরিত। ফুলচাষীসহ আমাদের সকলকে এই প্রতিকূলতা কাটিয়ে উঠতে সচেষ্ট হতে হবে, তবেই আমরা দেশীয় ফুলের চারার চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক চাহিদার যোগান দিতে পারবো। আমাদের দেশে পর্যাপ্ত পরিমানের গবেষণা ল্যাব আছে। কিন্তু দক্ষ ও মানসম্মত গবেষকের অনেক অভাব। তাই শিক্ষার্থীদেরকে ভালো ও দক্ষ গবেষক হওয়া জন্য সর্বদা চেষ্টা করতে হবে। আমাদের দেশে অর্থনৈতিক প্রাচুর্যতা কম থাকায় ফুলচাষী ও এর সংশ্লিষ্ট সবাইকে একজোট হয়ে কাজ করার জন্য উদ্ভুদ্ধ করেন। তিনি বলেন- আমাদের সবাইকে মাটি ও মানুষের জন্য কাজ করতে হবে। এদেশের উন্নয়নে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। তিনি শুধু জারবেরাই নয় বরং অন্যান্য সকল ফুলের উৎপাদন ও গুণগতমান নিয়ে কাজ করার জন্য যবিপ্রবি গবেষকদের আহবান জানান এবং ফুল চাষীদের সর্বাত্নক সহযোগীতার জন্য গদখালীতে একটি ল্যাব স্থাপনের আগ্রহ প্রকাশ করেন।</span></p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202508/image_870x_68adf17aa2198.jpg" alt=""></p>
<p class="MsoNormal"><span> </span><span>অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে শুরুতে যবিপ্রবির ট্রেজারার অধ্যাপক ড. হোসেন আল মামুন জারবেরা ফুলের ইতিহাস তুলে ধরেন। তিনি বলেন- জারবেরা ফুল মূলত দক্ষিণ আফ্রিকার স্থানীয়, যেখানে এটিকে “ট্রান্সভাল ডেইজি” বা “আফ্রিকান ডেইজি” নামেও পরিচিত। জার্মান উদ্ভিদবিজ্ঞানী ট্রাগোট জরবারের নামে এই ফুলের নামকরণ করা হয়। জারবেরার প্রথম বৈজ্ঞানিক বর্ণনা তৈরি হয় ১৮৮৯ সালে, এবং এটি দ্রুত সারা বিশ্বে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে এর উজ্জ্বল রঙ ও বৈচিত্রের জন্য।</span></p>
<p class="MsoNormal"><span> </span><span>অনুষ্ঠানে যশোর ফুল উৎপাদক ও বিপণন সমবায় সমিতি লি. (জেএফএস) এর সভাপতি মোঃ আব্দুর রহিম তার বক্তব্যে বলেন- গদখালীকে “ফুলের রাজধানী” হিসাবেও অভিহিত করা হয়, কারণ এখানে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে ফুল চাষ করা হয় এবং এই অঞ্চলের ফুল সারাদেশে সরবরাহ করা হয়। ১৯৮২ সাল থেকে এখানে বাণিজ্যিক ফুল চাষ শুরু হয়েছে। ২০০৬ সাল থেকে আধুনিকভাবে এই জারবেরা ফুলের চাষ শুরু হয়। জারবেরার চারা পাশ্ববর্তী দেশ ভারত থেকে আমদানি করা হয়ে থাকে যা আমাদের জন্য অনেক ব্যয় বহুল ও সময় সাপেক্ষ। জেএফএস এর সাধারণ সম্পাদক মীর ফারুখ আহম্মদ বলেন- আমরা বেশ কয়েকবার বিশ্ববিদ্যালয়ের চারা সংগ্রহ করেছি এবং বাণিজ্যিকভাবে চাষও করেছি। অন্যান্য চারার তুলনায় যবিপ্রবি অনুচারার গুণগতমান অনেক ভালো। আমার যদি এই চারাগুলো স্বল্পমূল্যে এবং যথা সময়ে পাই তবে সেটি ফুল চাষে অনবদ্য ভূমিকা রাখবে এবং সেটি আমাদের ভোগান্তিও কম করবে।</span></p>
<p class="MsoNormal"><span>জারবেরা ফুলের গবেষণা প্রকল্পটির পরিচালক জিইবিটির সহযোগী অধ্যাপক ড. মোঃ আব্দুর রউফ সরকার তার বক্তব্যে বলেন- যবিপ্রবি উক্ত জারবেরা ফুলের গবেষণা ও ফুলচাষীদের চাহিদা মাফিক অনুচারা উৎপাদনের মাধ্যমে যশোরের গদখালীর ফুলচাষীদের বাণিজ্যিকভাবে ফুল চাষের ক্ষেত্রে সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দিতে চান এবং তিনি তার গবেষণার মাধ্যমে যশোর অঞ্চলের তথা দেশের কৃষির সামগ্রিক উন্নয়নে যবিপ্রবির ভূমিকা পালনের আশ্বাস দেন।</span></p>
<p class="MsoNormal"><span> </span><span>উক্ত অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন যবিপ্রবি জীববিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোঃ সিরাজুল ইসলাম, জিইবিটি বিভাগের অধ্যাপক ড. মোঃ নাজমুল হাসান, যশোর ফুল উৎপাদক ও বিপণন সমবায় সমিতি লি. (জেএফএস) এর অন্যান্য সদস্যবৃন্দ ও অন্যান্য বাণিজ্যিক ফুলচাষীরা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের জিইবিটি বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীবৃন্দ। অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করেন ল্যাবরেটরি অফ ফাংশনাল জিনোমিক্স অ্যান্ড প্রোটিওমিক্স প্রকল্পটির সহযোগী প্রকল্প পরিচালক ও ল্যাব হেড অধ্যাপক ড. শেখ মিজানুর রহমান এবং সম্পূর্ণ অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনায় ছিলেন জিইবিটি বিভাগের এম.ফিল শিক্ষার্থী নাসরিন আক্তার।</span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>নানা আয়োজনে যবিপ্রবিতে  জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উদযাপন</title>
<link>https://digibanglatech.news/156648</link>
<guid>https://digibanglatech.news/156648</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202508/image_870x580_68a514d8ddff5.jpg" length="157897" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 20 Aug 2025 00:19:46 +0600</pubDate>
<dc:creator>ক্যাম্পাস করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="MsoNormal"><span>যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) গবেষণা পুকুরে পোনা অবমুক্তকরণ, শোভাযাত্রা, সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভাসহ নানা আয়োজনে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ-২০২৫ উদযাপন করা হয়েছে। এ বছর জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উদযাপনের প্রতিপাদ্য হচ্ছে ‘অভয়াশ্রম গড়ে তুলি, দেশি মাছে দেশ ভরি।’</span></p>
<p class="MsoNormal"><span> ১৯ আগস্ট, মঙ্গলবার যবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আব্দুল মজিদ জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ-২০২৫ উপলক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারীজ অ্যান্ড মেরিন বায়োসায়েন্স (এফএমবি) বিভাগ আয়োজিত নানা কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।</span></p>
<p class="MsoNormal"><span>যবিপ্রবির জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষ্যে আয়োজিত কর্মসূচি শুরু হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম  একাডেমিক ভবনের সামনে থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মাধ্যমে। শোভাযাত্রাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান সড়ক হয়ে গবেষণা পুকুর সংলগ্ন রাস্তায় গিয়ে শেষ হয়। পরে গবেষণা পুকুরে বিভিন্ন জাতের পোনা অবমুক্ত করা হয়। শিক্ষার্থীরা রঙ-বেরঙের ব্যানার, ফেস্টুন ও প্ল্যাকার্ড নিয়ে শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করে।</span></p>
<p class="MsoNormal"><span>শোভাযাত্রা ও পোনা অবমুক্তকরণ কর্মসূচি শেষে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে যবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আব্দুল মজিদ শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আমাদের বলা হয় মাছে-ভাতে বাঙালি। এই স্লোগান যেন দীর্ঘজীবি হয় সেই প্রত্যাশা করি। এই প্রত্যাশা পূরণের দায়িত্ব তোমাদের। তোমাদের পরামর্শ ও দিক-নির্দেশনায় মাছ চাষীরা মাছের ফলন বৃদ্ধি করতে পারবে। দেশে বর্তমানে দেশি মাছের উৎপাদন কমতে শুরু করেছে। এই উৎপাদন কিভাবে বৃদ্ধি করা যায়, সেই বিষয়ে তোমরা বিভিন্ন পদক্ষেপ হাতে নিতে পারো। বিভিন্ন এলাকায় যেয়ে মৎস্য চাষীদের নিয়ে ক্যাম্পেইন করে তাদের সচেতনতা বৃদ্ধি করতে পারো। এতে করে দেশের আমিষ চাহিদা পূরণের পাশাপাশি বিদেশে আমরা বিভিন্ন প্রজাতির মাছ রফতানি করে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হতে পারি। আমরা ইতোমধ্যে সাতক্ষীরাতে কোস্টরাল অ্যান্ড ব্রাকেশওয়াটার সেন্টার খুলতে যাচ্ছি। যার লক্ষ্য সামুদ্রিক মাছ ও প্রাণিজ বিষয়ে গবেষণা করা। এই সেন্টার ব্যবহার করে আমাদের শিক্ষার্থীরা মৎস্য গবেষণায় আরও অবদান রাখবে বলে আমি মনে করি।</span></p>
<p class="MsoNormal"><span>ফিশারিজ অ্যান্ড মেরিন বায়োসায়েন্স বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. আমিনুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন জীববিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. সিরাজুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে যবিপ্রবির ফিশারীজ অ্যান্ড মেরিন বায়োসায়েন্স বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ড. মো. আনিছুর রহমান, অধ্যাপক ড. মঞ্জুরুল হক, অধ্যাপক ড. মীর মোশাররফ হোসেন, সহকারী অধ্যাপক অনুশ্রী বিশ্বাস, প্রভাষক শারমিন নাহারসহ বিভাগের বিভিন্ন বর্ষের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।</span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>উদ্ভিদের জৈবনিরাপত্তা শক্তিশালীকরণে সার্কের কর্মশালা</title>
<link>https://digibanglatech.news/156639</link>
<guid>https://digibanglatech.news/156639</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202508/image_870x580_68a481c3cd9ca.jpg" length="119694" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 19 Aug 2025 18:53:38 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>সার্ক কৃষি কেন্দ্রের উদ্যোগে ১৯ আগস্ট, মঙ্গলবার থেকে শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী আঞ্চলিক কর্মশালা ‘দক্ষিণ এশিয়ায় উদ্ভিদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় কৃষি জৈবনিরাপত্তা’। ভার্চুয়াল এই কর্মশালায় সার্কভূক্ত দেশসমূহের বিশেষজ্ঞ, নীতিনির্ধারক ও গবেষকেরা উদ্ভিদের স্বাস্থ্য ও সীমান্ত পেরিয়ে আসা জৈব হুমকি মোকাবিলার চ্যালেঞ্জ নিয়ে মতবিনিময় করছেন।</p>
<p>উদ্বোধনী অধিবেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত পররাষ্ট্র সচিব (সার্ক ও বিমসটেক) আবদুল মোতালেব সরকার। তিনি বলেন, খাদ্য নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক বাণিজ্য রক্ষায় দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোকে যৌথভাবে কাজ করতে হবে।</p>
<p>সার্ক কৃষি কেন্দ্রের পরিচালক ড. মো. হারুনূর রশীদ কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের স্বাগত জানান এবং কারিগরি অধিবেশনের সভাপতিত্ব করেন। তিনি বলেন, সীমান্ত পেরিয়ে আসা কীটপতঙ্গ ও রোগব্যাধি থেকে ফসল রক্ষায় জৈবনিরাপত্তা অত্যন্ত জরুরি। একটি সমন্বিত আঞ্চলিক কৌশলই কৃষিকে টেকসই ও নিরাপদ করতে পারে।</p>
<p>বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের নির্বাহী চেয়ারম্যান (রুটিন দায়িত্ব) ড. নাজমুন নাহার করিম। তিনি গবেষণা ও নীতিনির্ধারণের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। সম্মানিত অতিথি হিসেবে নেপালের সার্ক সচিবালয়ের পরিচালক (এআরডি ও এসডিএফ) তানভীর আহমেদ তরফদার নিরাপদ বাণিজ্যের জন্য অভিন্ন উদ্ভিদ কোয়ারেন্টাইন মানদণ্ডের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন।</p>
<p>ভারতের আইসিএআর-এনবিপিজিআরের উদ্ভিদ কোয়ারেন্টাইন বিভাগের প্রধান বিজ্ঞানী ড. ভি. সেলিয়া চাল্লাম মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। তিনি জলবায়ু পরিবর্তন ও উন্মুক্ত সীমান্তের কারণে গমের ব্লাস্ট, ফল আর্মিওয়ার্ম ও পঙ্গপালসহ নতুন নতুন রোগ-বালাইয়ের ঝুঁকি বাড়ছে বলে উল্লেখ করেন।</p>
<p>কর্মশালার উদ্দেশ্য ও কর্মসূচি তুলে ধরেন সার্ক কৃষি কেন্দ্রের সিনিয়র প্রোগ্রাম স্পেশালিস্ট (ফসল) ড. সিকান্দার খান তানভীর। তিনি জানান, এ কর্মশালা সার্কভুক্ত দেশগুলোর জন্য চ্যালেঞ্জ, সম্ভাবনা ও সম্মিলিত উদ্যোগ নির্ধারণে পরামর্শক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে। আলোচনায় বিশেষজ্ঞরা আঞ্চলিক নেটওয়ার্ক শক্তিশালী করা, প্রারম্ভিক সতর্কতা ও নজরদারি ব্যবস্থা গড়ে তোলা, কৃষকদের মধ্যে সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনা (আইপিএম) বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।</p>
<p>তিন দিনব্যাপী এ কর্মশালায় সার্ক উদ্ভিদ স্বাস্থ্য বায়োসিকিউরিটি নেটওয়ার্ক গঠন, তথ্য বিনিময়ের রিয়েল-টাইম ব্যবস্থা এবং গবেষণা ও উন্নয়ন সহযোগিতা বাড়াতে করণীয় বিষয়ে সুপারিশ প্রণয়ন করা হবে।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বিলুপ্তপ্রায় মাছকে ফিরিয়ে আনতে গবেষকদের প্রতি আহ্বান</title>
<link>https://digibanglatech.news/156574</link>
<guid>https://digibanglatech.news/156574</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202508/image_870x580_68a2e4a745ef3.jpg" length="62118" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 18 Aug 2025 13:24:23 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span>`অভয়াশ্রম গড়ে তুলি, দেশি মাছে দেশ ভরি' প্রতিপাদ্যে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে চলছে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ। চাষাবাদে আধুনিক প্রযুক্তি, মাছের রক্ষণাবেক্ষণ এবং বাজারজাতকরণ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে চলছে প্রদর্শনী, কর্মশালা ও আলোচনা সভা। </span></p>
<p><span>১৮ আগস্ট, সোমবার সকালে এই আয়োজনের উদ্বোধন করেন উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এসময় তিনি গবেষণার মাধ্যমে বিলুপ্তপ্রায় মাছকে ফিরিয়ে আনতে গবেষকদের প্রতি আহ্বান জানান।</span></p>
<p><span> ইউনূস মৎস্য খাতের অপার সম্ভাবনা বিশেষ করে গভীর সমুদ্রে মৎস্য আহরণের সুযোগকে কাজে লাগানোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে বলেন, অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণের পাশাপাশি মাছের রপ্তানি বৃদ্ধির জন্য বাজার সম্প্রসারণ, পণ্যে বহুমুখীকরণের জন্য গবেষণাসহ অন্যান্য কার্যক্রম চালিয়ে যেতে হবে। এসব কার্যক্রম বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সব সরকারি দপ্তর, বেসরকারি সংগঠন, রপ্তানি ও আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। </span></p>
<p><span>পরিবেশবান্ধব চাষাবাদের মধ্য দিয়ে মৎস্যখাতকে সমৃদ্ধ করতে মনোযোগী হতে বলে শান্তিতে নোবেলজয়ী এই অর্থনীতিবিদ বলেন, আমরা কেবল নদী শাসনের কথা বলি। নদী পালনের কথা বলি না। আমাদের সব বর্জ্য পানিতে ছেড়ে দিচ্ছি। কিন্তু এই বর্জ্য যে বিষ হয়ে আমাদের দিকে আসছে, সেটাও আমরা গ্রাহ্য করছি না। বর্জ্য ছাড়াও যত রকমের বিষ, শরীরের যত রকমের অনিষ্টকারী জিনিস আছে, সব পানির মধ্যে ঢালছি আমরা।</span></p>
<p>অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা বলেন, যথাযথ ব্যবস্থাপনার অভাবে শত শত প্রজাতির ঐতিহ্যবাহী দেশীয় মাছ ক্রমান্বয়ে হারিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটে লাইফ জিন ব্যাংক স্থাপন করা হয়েছে।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202508/image_870x_68a2e31dab60f.jpg" alt=""></p>
<p>তিনি বলেন, আমাদের দেশের জনগণের প্রাণিজ আমিষের চাহিদার অধিকাংশই মাছ থেকে পূরণ হয়। একই সঙ্গে ১২ লাখ নারীসহ কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর একটি বিরাট অংশ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে এ কাজের সঙ্গে জড়িত। এ খাতের ব্যাপক সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে আরও বিপুলসংখ্যক তরুণ সফল উদ্যোক্তা হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।</p>
<p>তিনি আরও বলেন, সমুদ্র আমাদের জন্য উপহার নিয়ে অপেক্ষা করছে। আমরা এখনো সেই উপহারটা তার কাছ থেকে আনতে যেতে পারিনি। আমাদের জানতে হবে কি কি ধরনের মৎস্য সম্পদ এ সমুদ্রের পানির তলায় আছে। আমাদের বুঝতে হবে কেন আমরা এটা পারছি না।</p>
<div class="adv-img text-center marginTopBottom20 hidden-print">
<p>অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টা পুরস্কার বিজয়ীদের হাতে জাতীয় মৎস্য পদক-২০২৫ তুলে দেন। </p>
<p><span>অনুষ্ঠানে উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, সরকারের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা, দেশব্যাপী মৎস্যচাষী, উদ্যোক্তা ও গবেষকগণ অংশ নেন।</span></p>
<div class="clearfix"></div>
<div class="my-2" id="related_more"></div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>পারিবারিক পশুপালনে নতুন কর্মপরিকল্পনা নিয়ে সার্কের আঞ্চলিক কর্মশালা</title>
<link>https://digibanglatech.news/156413</link>
<guid>https://digibanglatech.news/156413</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202508/image_870x580_689b331f9d66b.jpg" length="99844" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 12 Aug 2025 13:25:56 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>দক্ষিণ এশিয়ায় জাতিসংঘ ঘোষিত পরিবারভিত্তিক কৃষি দশক (ইউএনডিএফএফ) ও টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনের লক্ষ্যে “টেকসই পারিবারিক পশুপালন” নিয়ে তিন দিনব্যাপী সার্ক আঞ্চলিক কর্মশালা চলছে নেপালের কাঠমান্ডুতে। বাংলাদেশ, ভুটান, মালদ্বীপ, নেপাল, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কাসহ সার্কভুক্ত ছয়টি দেশের প্রতিনিধি কর্মশালায় অংশ নিচ্ছেন। এছাড়া মঙ্গোলিয়া, তাজিকিস্তান, কিরগিজস্তান ও ভারতের কৃষক সংগঠনের প্রতিনিধি, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বক্তা, প্রাণিসম্পদ বিজ্ঞানী, পেশাজীবী ও একাডেমিকরা উপস্থিত রয়েছেন।</p>
<p>ঢাকাস্থ সার্ক কৃষি কেন্দ্রের সিনিয়র প্রোগ্রাম স্পেশালিস্ট (লাইভস্টক) ড. মো. ইউনুস আলীর সমন্বয়ে ১১ আগস্ট শুরু হওয়া এ কর্মশালায় প্রায় ৬৫ জন প্রতিনিধি অংশ নিচ্ছেন। তিন দিনব্যাপী আলোচনার শেষে টেকসই পারিবারিক পশুপালন ত্বরান্বিত করতে নীতিগত সুপারিশ ও কর্মপরিকল্পনা প্রকাশ করা হবে। এতে পশু পালনে প্রযুক্তির ব্যবহার এবং প্রযুক্তি আঞ্চলিক প্রযুক্তি জ্ঞান ও অ্যাপ্লিকেশন বিনিময়ের বিষয়েও আলোচনা হবার কথা রয়েছে। </p>
<p>সার্ক কৃষি কেন্দ্র, নেপালের কৃষি ও পশুপালন উন্নয়ন মন্ত্রণালয়, ফিলিপাইনের এশিয়ান ফার্মার্স অ্যাসোসিয়েশন (এএএফএ) এবং হেইফার ইন্টারন্যাশনাল, নেপালের যৌথ আয়োজনে কর্মশালায় দক্ষিণ এশিয়ায় পারিবারিক পশুপালন ও চরাঞ্চলভিত্তিক পশুপালনকে শক্তিশালী করার জন্য কৌশল ও কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।</p>
<p>নেপালের কৃষি ও পশুপালন উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের সচিব (কৃষি উন্নয়ন) ড. গোবিন্দ প্রসাদ শর্মা প্রধান অতিথি হিসেবে কর্মশালার উদ্বোধন করেন। সার্ক সচিবালয়ের পরিচালক (এআরডি ও এসডিএফ) তানভীর আহমাদ তোরফদার এবং নেপালের প্রাণিসম্পদ বিভাগের মহাপরিচালক ড. রাম নন্দন তিওয়ারি বিশেষ অতিথি ছিলেন।</p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>পুনর্জীবনধর্মী কৃষি পদ্ধতিতে গুরুত্বারোপ</title>
<link>https://digibanglatech.news/156253</link>
<guid>https://digibanglatech.news/156253</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202508/image_870x580_68935fd64122f.jpg" length="115002" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 06 Aug 2025 18:00:11 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="MsoNormal" style="margin-bottom: 0in; line-height: normal; text-align: left;"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সার্ক</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">কৃষি</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">কেন্দ্র</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">আয়োজিত</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">তিন</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">দিনব্যাপী</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">একটি</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ভার্চুয়াল</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পরামর্শ সভায়</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">দক্ষিণ</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">এশিয়ার</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">কৃষি</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">খাতে</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পরিবেশবান্ধব</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">এবং</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">টেকসই</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পদ্ধতির</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">রূপান্তরে</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পুনর্জীবনধর্মী</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">কৃষি</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পদ্ধতি</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">প্রসারে</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">একযোগে</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">কাজ</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">করার</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ওপর</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">গুরুত্বারোপ</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">করা</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">হয়েছে।</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> “</span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সার্ক</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সদস্য</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">রাষ্ট্রসমূহে</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পুনর্জীবনধর্মী</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">কৃষির</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">প্রসার</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;">” </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">শীর্ষক</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">এই</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">অনলাইনভিত্তিক</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">আঞ্চলিক</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সভাটি</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">৪</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">থেকে</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">৬</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">আগস্ট</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পর্যন্ত</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">অনুষ্ঠিত</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">হয়।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" style="margin-bottom: 0in; line-height: normal; text-align: left;"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সভায়</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সার্কভুক্ত</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ছয়টি</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">দেশের</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সরকারি</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">কর্মকর্তা</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;">, </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">কৃষি</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">গবেষণা</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">প্রতিষ্ঠানের</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">বিজ্ঞানী</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;">, </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">কৃষি</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">বিশ্ববিদ্যালয়ের</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">শিক্ষক</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">এবং</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">আন্তর্জাতিক</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সংস্থার</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">প্রতিনিধি</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">অংশগ্রহণ</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">করেন।</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">এই</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পরামর্শসভায়</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">বক্তারা</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">দক্ষিণ</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">এশিয়ার</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">কৃষিতে</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ক্রমবর্ধমান</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">জলবায়ু</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পরিবর্তন</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;">, </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">মাটির</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">স্বাস্থ্য</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">অবনতি</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;">, </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পানি</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সংকট</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ও</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">রাসায়নিক</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">উপাদানের</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ওপর</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">নির্ভরশীলতা</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">কমিয়ে</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">টেকসই</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">কৃষি</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ব্যবস্থা</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">গড়ে</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">তোলার</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">প্রয়োজনীয়তার</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">কথা</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">বলেন।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" style="margin-bottom: 0in; line-height: normal; text-align: left;"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সভার</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">উদ্বোধনী</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">দিনে</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">প্রধান</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">অতিথি</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">হিসেবে</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">উপস্থিত</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ছিলেন</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পররাষ্ট্র</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">মন্ত্রণালয়ের</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">অতিরিক্ত</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পররাষ্ট্র</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সচিব</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> (</span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সার্ক</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ও</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">বিমসটেক</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;">) </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">আবদুল</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">মোতালেব</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সরকার।</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">তিনি</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">বলেন</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;">, </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">কৃষির</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পরিবেশগত</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">চ্যালেঞ্জ</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">মোকাবিলায়</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">দক্ষিণ</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">এশিয়ার</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">দেশগুলোকে</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">একসঙ্গে</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">কাজ</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">করতে</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">হবে।</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">তিনি</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পুনর্জীবনধর্মী</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">কৃষি</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পদ্ধতিকে</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">বাস্তবায়নের</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">মাধ্যমে</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">মাটির</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">স্বাস্থ্য</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ও</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">জীববৈচিত্র্য</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পুনরুদ্ধারের</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ওপর</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">জোর</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">দেন</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">এবং</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">এই</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">প্রক্রিয়ায়</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">নীতিনির্ধারক</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;">, </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">গবেষক</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ও</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">প্রযুক্তির</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">কার্যকর</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সংযুক্তির</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">আহ্বান</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">জানান।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" style="margin-bottom: 0in; line-height: normal; text-align: left;"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সার্ক</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">কৃষি</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">কেন্দ্রের</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পরিচালক</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ড</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;">. </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">মো</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;">. </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">হারুনূর</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">রশীদ</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সভার</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সভাপতিত্ব</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">করেন</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">এবং</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">উদ্বোধনী</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">বক্তব্য</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">প্রদান</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">করেন।</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">তিনি</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">বলেন</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;">, </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পুনর্জীবনধর্মী</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">কৃষি</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">কেবল</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">একটি</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পদ্ধতিগত</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">বিকল্প</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">নয়</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;">, </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">বরং</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">এটি</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">একটি</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">রূপান্তরমূলক</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ধারণা</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;">, </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">যা</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">মাটির</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">প্রাণশক্তি</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ফিরিয়ে</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">আনে</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">এবং</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">কৃষিকে</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">প্রকৃতির</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সঙ্গে</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পরিচালনার</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পথ</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">দেখায়।</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">তিনি</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">জানান</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;">, </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">এই</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পদ্ধতির</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">মাধ্যমে</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">কৃষি</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;">-</span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">খাদ্য</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ব্যবস্থা</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">আরও</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সহনশীল</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;">, </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পরিবেশবান্ধব</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">এবং</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">কৃষকবান্ধব</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">হয়ে</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">উঠতে</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পারে।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" style="margin-bottom: 0in; line-height: normal; text-align: left;"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">বিশেষ</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">অতিথির</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">বক্তব্যে</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">নেপালের</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সার্ক</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সচিবালয়ের</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পরিচালক</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> (</span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">এআরডি</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ও</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">এসডিএফ</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;">) </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">তানভীর</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">আহমেদ</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">তরফদার</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">বলেন</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;">, </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পুনর্জীবনধর্মী</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">কৃষি</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">অর্থনৈতিকভাবেও</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">লাভজনক।</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">এটি</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পরিবেশের</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">উন্নয়ন</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ঘটানোর</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পাশাপাশি</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">কৃষকের</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">আয়</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">বৃদ্ধিতেও</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সহায়ক।</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">তিনি</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">কৃষির</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">এই</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পদ্ধতিকে</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">প্রসারে</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সরকারি</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;">, </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">গবেষণা</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ও</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">বেসরকারি</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">খাতের</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">মধ্যে</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সমন্বিত</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">কাঠামো</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">তৈরির</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ওপর</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">গুরুত্বারোপ</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">করেন।</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"><o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" style="margin-bottom: 0in; line-height: normal; text-align: left;"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">তিন</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">দিনব্যাপী</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">এই</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সভায়</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ছয়টি</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">কারিগরি</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">অধিবেশনে</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">২০</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">জনের</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">বেশি</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">কৃষি</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ও</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পরিবেশ</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">বিশেষজ্ঞ</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">তাদের</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">গবেষণা</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;">, </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">প্রযুক্তি</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">উদ্ভাবন</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">এবং</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">দেশীয়</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">অভিজ্ঞতা</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">উপস্থাপন</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">করেন।</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সদস্য</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">দেশগুলোর</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পক্ষ</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">থেকে</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">উপস্থাপিত</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">প্রতিবেদনগুলোতে</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">মাটির</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ক্ষয়</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;">, </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সেচের</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পানির</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সংকট</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;">, </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">রাসায়নিক</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সারের</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ক্ষতিকর</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">প্রভাব</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">এবং</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">কৃষকের</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">আর্থিক</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">দুরবস্থার</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">কথা</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">তুলে</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ধরা</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">হয়।</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">আলোচনায়</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">অংশগ্রহণকারীরা</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">বলেন</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;">, </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">এই</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সংকট</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">মোকাবিলায়</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">প্রয়োজন</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">কৃষক</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পর্যায়ে</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">জ্ঞান</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ও</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">দক্ষতা</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">বৃদ্ধির</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">উদ্যোগ</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;">, </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">মাঠ</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পর্যায়ে</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">প্রশিক্ষণ</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সম্প্রসারণ</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">এবং</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">বড়</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পরিসরের</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সরকারি</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সহায়তা।<o:p></o:p></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>দক্ষিণ এশিয়ার কৃষি রূপান্তরে সার্কের ভার্চুয়াল আঞ্চলিক সভা শুরু</title>
<link>https://digibanglatech.news/156195</link>
<guid>https://digibanglatech.news/156195</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202508/image_870x580_6890ddf538a05.jpg" length="110422" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 04 Aug 2025 17:21:27 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>সার্ক কৃষি কেন্দ্র কর্তৃক আয়োজিত তিন দিনব্যাপী ভার্চুয়াল আঞ্চলিক পরামর্শ সভা “সার্ক সদস্য রাষ্ট্রসমূহে পুনরুজ্জীবিত কৃষি পদ্ধতির প্রসার” শীর্ষক অনুষ্ঠান ৪ আগস্ট, সোমবার শুরু হয়েছে। এটি আগামী ৬ আগস্ট, বুধবার শেষ হবে। </p>
<p>এতে সার্ক সদস্য দেশসমূহের প্রতিনিধিবৃন্দ, বিভিন্ন কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান, কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করছেন। এই আঞ্চলিক পরামর্শ সভার মূল লক্ষ্য হচ্ছে দক্ষিণ এশিয়ায় ক্ষয়িষ্ণু মাটির পুনরুদ্ধার, জীববৈচিত্র্য বৃদ্ধি এবং জলবায়ু সহনশীল কৃষি-খাদ্য ব্যবস্থা গড়ে তুলতে আঞ্চলিক সহযোগিতা, জ্ঞান বিনিময় এবং নীতিগত সমন্বয় জোরদার করা।</p>
<p>উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত পররাষ্ট্র সচিব (সার্ক ও বিমসটেক) আবদুল মোতালেব সরকার। তিনি বলেন, “দক্ষিণ এশিয়ায় পুনরুজ্জীবিত কৃষি পদ্ধতির প্রসার সময়ের দাবি। মাটির স্বাস্থ্যের পুনরুদ্ধার, ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার এবং বাস্তবভিত্তিক কৌশল গ্রহণের মাধ্যমে এই পরিবর্তন সম্ভব। এ ক্ষেত্রে সার্ক কৃষি কেন্দ্রকে নেতৃত্ব দিতে হবে, যা জীববৈচিত্র্য রক্ষায়ও সহায়ক হবে।”</p>
<p>অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব ও স্বাগত বক্তব্য দেন করেন সার্ক কৃষি কেন্দ্রের পরিচালক ড. মোঃ হারুনূর রশীদ। এসময় তিনি বলেন, “দক্ষিণ এশিয়ায় টেকসই ও উদ্ভাবনী কৃষি চর্চা প্রসারে সার্ক কৃষি কেন্দ্র নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। পুনরুজ্জীবিত কৃষি পদ্ধতি- পরিবেশগত সমস্যা মোকাবেলায় সহায়ক হওয়ার পাশাপাশি কৃষি ব্যবস্থার দীর্ঘমেয়াদি উৎপাদনশীলতা ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করে।”</p>
<p>অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন নেপালের সার্ক সচিবালয়ের পরিচালক (এআরডি ও এসডিএফ) তানভীর আহমেদ তরফদার। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, “পুনরুজ্জীবিত কৃষি শুধু পরিবেশ ও মাটির স্বাস্থ্য উন্নত করে না, এটি অর্থনৈতিকভাবে কৃষকদের জন্য লাভজনকও। এই পদ্ধতির বিস্তার ঘটাতে আঞ্চলিক সহযোগিতা ও অংশীদারিত্ব গুরুত্বপূর্ণ।”</p>
<p>অনুষ্ঠানে বিশেষজ্ঞ উপস্থাপনায় অংশ নেন ইন্টারন্যাশনাল মেইজ অ্যান্ড হুইট ইমপ্রুভমেন্ট সেন্টার, বাংলাদেশের সিনিয়র সায়েন্টিস্ট ও ক্রপিং সিস্টেম অ্যাগ্রোনমিস্ট ড. দেবাশীষ চক্রবর্তী এবং সার্ক কৃষি কেন্দ্রের সিনিয়র প্রোগ্রাম স্পেশালিস্ট (ফসল) ড. সিকান্দার খান তানভীর । তারা যথাক্রমে “রিজেনারেটিভ কৃষি: মাটি, বিজ্ঞান ও সংরক্ষণের মাধ্যমে পৃথিবীর ভারসাম্য ফিরিয়ে আনা”এবং পরামর্শ সভার উদ্দেশ্য ও কার্যক্রম সম্পর্কে উপস্থাপনা দেন।</p>
<p>সভার প্রথম দিনে সার্ক সদস্য রাষ্ট্রসমূহের মনোনীত বিজ্ঞানী ও ফোকাল পয়েন্ট প্রতিনিধিরা দেশভিত্তিক উপস্থাপনা প্রদান করেন। এতে দেশগুলোর রিজেনারেটিভ কৃষি সংক্রান্ত বর্তমান অবস্থা, চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>কাফকো&#45;কে দৈনিক ৫৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস দেবে কেজিডিসিএল</title>
<link>https://digibanglatech.news/156069</link>
<guid>https://digibanglatech.news/156069</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202507/image_870x580_688a0609b45ad.jpg" length="107745" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 30 Jul 2025 16:47:07 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>সার উৎপাদন প্রক্রিয়াকে চলমান রাখতে কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিমিটেডকে (কাফকো) দৈনিক গড়ে ৫৫ মিলিয়ন ঘনফুট (MMCFD) হারে প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহ করবে কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেড (কেজিডিসিএল)। এ লক্ষ্যে ৩০ জুলাই, বুধবার রাজধানীর কাওরানবাজারাস্থ পেট্রোবাংলা কার্যালয়ে উভয় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একটি গ্যাস বিক্রয় চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। </p>
<p>কেজিডিসিএল-এর পক্ষে কোম্পানির সচিব কবির উদ্দিন আহম্মদ এবং কাফকো'র পক্ষে সিসিও ও কোম্পানি সচিব খাজা সাইদুর রহমান নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।</p>
<p>জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সম্মানিত সচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ ওবায়দুর রহমান, কেজিডিসিএল-এর পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান এস এম মঈন উদ্দীন আহম্মেদ, পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান রেজানুর রহমান, বিসিআইসি চেয়ারম্যান মোঃ ফজলুর রহমান এবং কেজিডিসিএল-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ, কাফকো এবং পেট্রোবাংলার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>চুক্তি স্বাক্ষর শেষে কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফেকা)- এর পক্ষে শিল্প সচিব মোঃ ওবায়দুর রহমান কেজিডিসিএল-এর পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান এস এম মঈন উদ্দীন আহম্মেদ এর নিকট বকেয়া গ্যাস বিল বাবদ ৯২৩ কোটি ৮১ লক্ষ ১৮ হাজার ৬১৬ টাকা এবং ডিমান্ড চার্জ বাবদ ৩৪ কোটি ৩৭ লক্ষ ৩৫ হাজার ৮৪৮ টাকার দুটি চেক হস্থান্তর করন। এরপর কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (কেজিডিসিএল) এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌ. সালাহউদ্দিন পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান মোঃ রেজানুর রহমান এর নিকট বকেয়া বাবদ ৬৩৪ কোটি ১ লক্ষ ৭৭ হাজার ২৬৫ টাকার চেক হস্থান্তর করবেন।</p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>কৃষি&#45;কৃষি ক্যাডারদের ন্যায্য অধিকার ও সুযোগ নিশ্চিতের আহ্বান</title>
<link>https://digibanglatech.news/155931</link>
<guid>https://digibanglatech.news/155931</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202507/image_870x580_68836fbf7a55c.jpg" length="90615" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 25 Jul 2025 16:51:51 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে তরুণদের সম্পৃক্ততা ও চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের সম্ভাবনা নিয়ে রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হলো 'এগ্রি ফ্রন্টিয়ার্স ২০২৫: ভবিষ্যৎ কৃষির জন্য তারুণ্য ও প্রযুক্তির সক্ষমতা উন্নয়ন' বিষয়ক সেমিনার। ২৫ জুলাই, শুক্রবার ঢাকার তুলা উন্নয়নের বোর্ডের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সেমিনারে ৩৮ থেকে ৪৩ তম  ব্যাচের কৃষি ক্যডারের প্রায় ৩ শতাধিক কৃষি কর্মকর্তা সেমিনারে অংশ নেন।  </p>
<p>‘ইয়াং এগ্রিকালচার ক্যাডার অফিসার ফোরাম (ইয়াকফ) আয়োজিত সেমিনারের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কৃষিবিদ মো. সাইফুল আলম।</p>
<p>তিনি বলেন, 'চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে আমাদের কৃষিকে আরও উৎপাদনশীল, আধুনিক ও টেকসই করে গড়ে তুলতে হবে। বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে কৃষি খাতে প্রযুক্তির দক্ষ প্রয়োগই পারে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে।</p>
<p>তিনি আরও বলেন, কৃষি উৎপাদনের ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে দেশের প্রতিটি কোণে কৃষি কর্মকর্তারা রোদ, বৃষ্টি উপেক্ষা করে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। অথচ দুঃখজনকভাবে এই নিবেদিতপ্রাণ কর্মকর্তারা অন্যান্য অনেক ক্যাডারের তুলনায় কম সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছেন এবং নানা ক্ষেত্রে অবহেলার শিকার হচ্ছেন। কৃষি কর্মকর্তাদের ন্যায্য অধিকার ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।'</p>
<p>সেমিনারে অনান্যদের মধ্যে আরো বক্তব্য রাখেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) অবসরপ্রাপ্ত বিসিএস (কৃষি) অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব আহমেদ আলী চৌধুরী ইকবাল, উদ্ভিদ সংগনিরোধ উইং এর পরিচালক মো. আব্দুর রহিম, হর্টিকালচার উইং এর পরিচালক এস এম সোহরাব উদ্দিন, ক্রপস্ উইং এর পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ড. মোঃ হজরত আলী, ঢাকা অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক ড. মো. জাকির হোসেন, প্রশাসন ও অর্থ উইং এর অতিরিক্ত পরিচালক ড. মোহাম্মদ কাজী মজিবুর রহমান, উদ্ভিদ সংরক্ষণ উইং উপপরিচালক (বালাইনাশক প্রশাসন) মো. নূরে আলম সিদ্দিকী, প্রশাসন ও অর্থ উইং এর উপপরিচালক (প্রশাসন) মো. মুরাদুল হাসান, লিগ্যাল ও সাপোর্ট সার্ভিসেসের উপপরিচালক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, প্রোগ্রাম অন এগ্রিকালচারাল এন্ড রুরাল ট্রান্সফরমেশন ফর নিউট্রিশন ইন্টারপ্রেনিউরশীপ এন্ড রেজিলিয়েন্স ইন বাংলাদেশ (পার্টনার) প্রকল্পের প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর আবুল কালাম আজাদ, জগন্নাথপুর ও মোহনগঞ্জ উপজেলায় দুটি কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট স্থাপন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক কে এম বদরুল হক ও উদ্ভিদ সংগনিরোধ উইং এর অতিরিক্ত উপপরিচালক (আমদানি) বনি আমিন খান। </p>
<p>সেমিনারে ইয়াকফের সম্পাদক কৃষিবিদ মাইনুদ্দিন সাদ স্বাগত বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, বর্তমান সময়ে কৃষি শুধু মাঠে কাজ করার পেশা নয়, বরং গবেষণা, প্রযুক্তি ব্যবহার এবং আন্তর্জাতিক মানের চিন্তাশক্তির প্রয়োগের একটি বড় ক্ষেত্র। সেমিনারের মাধ্যমে তরুণ কৃষিবিদদের মধ্যে নেতৃত্ব, উদ্ভাবনী চিন্তা এবং আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের বিষয়ে সচেতনতা তৈরি করাই ছিল এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য।</p>
<p>স্বাগত বক্তব্যের পর প্রজন্মের সেতুবন্ধন, উদ্ভাবনের চালিকা শক্তি ও কৃষির রূপান্তরের উপর ৩ টি আলাদা আলাদা প্রবন্ধ উপস্থাপিত হয়। সেখানে কীভাবে উদ্ভাবনী প্রযুক্তি ব্যবহার করে কৃষি উৎপাদন বাড়ানো যায়, কীভাবে যুবসমাজকে কৃষি উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলা যায় এবং কীভাবে কৃষিকে বাণিজ্যিক সম্ভাবনার অন্যতম প্রধান খাত হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব বিষয়গুলো উঠে আসে। </p>
<p>এরপর ভবিষ্যৎ কৃষিতে তারুণ্য ও প্রযুক্তির সমন্বয়’ শীর্ষক উন্মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন বিভিন্ন ব্যাচের কৃষি ক্যাডার কর্মকর্তারা, যেখানে তারা বাস্তব অভিজ্ঞতা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে মতবিনিময় করেন। উন্মুক্ত আলোচনা পর্বে অংশগ্রহণকারীরা ভবিষ্যৎ কৃষি ব্যবস্থার চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা নিয়ে নিজেদের মতামত দেন।</p>
<p>সেমিনারের সমাপনী বক্তব্যে ইয়াকফের সভাপতি কৃষিবিদ মো. এমাজ উদ্দিন বলেন, 'এই আয়োজন কোনো একদিনের অনুষ্ঠান নয় বরং এটি একটি চলমান চিন্তাধারার অংশ। আমরা চাই তরুণ কৃষিবিদরা শুধু কর্মকর্তা হিসেবে নয়, চিন্তাশীল নেতা, গবেষক ও উদ্ভাবক হিসেবেও নিজেদের গড়ে তুলুক।'</p>
<p>প্রসঙ্গত, দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় কর্মরত ৪টি বিসিএস (৩৮, ৪০, ৪১, ৪৩ তম) এর ৮০০ শতাধিক কৃষি কর্মকর্তাবৃন্দের নিয়ে ইয়াং এগ্রিকালচার ক্যাডার অফিসার্স ফোরাম (ইয়াকফ) নামের সংগঠনটি কৃষির ভবিষ্যত গঠন ও কৃষি ক্যাডারদের নায্য দাবি-দাওয়া বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে সার্ক বুক কর্নার উদ্বোধন</title>
<link>https://digibanglatech.news/155841</link>
<guid>https://digibanglatech.news/155841</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202507/image_870x580_687f9493dd203.jpg" length="103704" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 22 Jul 2025 01:40:25 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>দক্ষিণ এশীয় কৃষি গবেষণার ওপর শিক্ষার্থী ও গবেষকদের সহজ প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করতে গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (গাকৃবি) গ্রন্থাগারে একটি সার্ক কৃষি কেন্দ্র বুক কর্নার উদ্বোধন করা হয়েছে।</p>
<p>২২ জুলাই, মঙ্গলবার, এ বুক কর্নারটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. জিকেএম. মোস্তাফিজুর রহমান এবং সার্ক কৃষি কেন্দ্রের পরিচালক ড. মো. হারুনূর রশিদ। </p>
<p>উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. ময়নুল হক এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. সফিউল ইসলাম আফ্রাদ।</p>
<p>অনুষ্ঠানটি সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয় গ্রন্থাগারের প্রধান অধ্যাপক ড. মো. ইউনুস মিয়া। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সার্ক কৃষি কেন্দ্রের সিনিয়র প্রোগ্রাম স্পেশালিস্ট (লাইভস্টক) ড. মো. ইউনুস আলী, (ক্রপস) ড. সিকান্দার খান তানভীর, এবং (ন্যাচারাল রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট) ড. রাজা উল্লাহ খান।</p>
<p>এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, শিক্ষার্থী ও সার্ক কৃষি কেন্দ্রের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন। প্রায় ২০০টি গবেষণামূলক বই নিয়ে গঠিত এই বুক কর্নারে কৃষি, উদ্যানতত্ত্ব, পশুপালন, হাঁস-মুরগি, মৎস্য, প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা, জলবায়ু-স্মার্ট কৃষি, খরা ও লবণাক্ততা-প্রবণ অঞ্চলের জন্য অভিযোজন কৌশলসহ নীতিগত বিভিন্ন বিষয়ের ওপর প্রকাশনা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।</p>
<p>উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. জিকেএম. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, “এই বইগুলোতে সমৃদ্ধ গবেষণা ও বিশ্লেষণ রয়েছে, যা আমাদের শিক্ষার্থী, গবেষক এবং শিক্ষকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ হিসেবে কাজ করবে।”</p>
<p>সার্ক কৃষি কেন্দ্রের পরিচালক ড. মো. হারুনূর রশিদ বলেন, “এই বইগুলো দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর কৃষি গবেষক ও একাডেমিয়ার মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতার প্রতিফলন। পোস্টগ্র্যাজুয়েট, পিএইচডি শিক্ষার্থী ও গবেষকদের জন্য এগুলো একান্ত প্রয়োজনীয় রেফারেন্স ম্যাটেরিয়াল।”</p>
<p>তিনি আরও জানান, সার্ক কৃষি কেন্দ্র দক্ষিণ এশিয়ায় কৃষি ব্যবস্থার টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে গবেষণা, নীতিনির্ধারণী সংলাপ ও দক্ষতা উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। প্রতিষ্ঠানটি নিয়মিতভাবে গবেষণা প্রকাশনা, কর্মশালা এবং সদস্য দেশগুলোর মধ্যে প্রযুক্তি বিনিময়ের মাধ্যমে জ্ঞান ছড়িয়ে দিচ্ছে।</p>
<p>প্রসঙ্গত, সার্ক কৃষি কেন্দ্র এখন পর্যন্ত ২৫০টিরও বেশি কৃষি-গবেষণাভিত্তিক বই প্রকাশ করেছে এবং তা নিয়মিতভাবে দক্ষিণ এশিয়ার কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানে বিতরণ করছে।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>কৃষি গুচ্ছের ৫ বিশ্ববিদ্যালয়ে শূন্য আসনের অপেক্ষমান থেকে মেধাতালিকা প্রকাশ</title>
<link>https://digibanglatech.news/155351</link>
<guid>https://digibanglatech.news/155351</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202507/image_870x580_686b814db0766.jpg" length="92073" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 07 Jul 2025 09:13:59 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span>২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের কৃষি গুচ্ছভুক্ত ৯ বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে পাঁচটিতে আসন শূন্য রয়েছে। এসব আসনে ভর্তির জন্য অপেক্ষমাণ ভর্তিচ্ছুদের মধ্য থেকে নতুন মেধাতালিকা প্রকাশ করা হয়েছে ৬ জুলাই (রবিবার)।  </span></p>
<p><span>আসন শূন্য থাকা পাঁচ বিশ্ববিদ্যালয় হলো, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ও কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়। </span></p>
<p>এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২০২৪-২০২৫ শিক্ষাবর্ষে ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান)/স্নাতক শ্রেণির কৃষি গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার ৭ম অটোমাইগ্রেশন শেষ করা হয়। এরপর শূন্য আসনের জন্য অপেক্ষমান তালিকায় স্থানপ্রাপ্ত প্রার্থীদের মেধাক্রম অনুযায়ী কাঙ্ক্ষিত বিশ্ববিদ্যালয় ও ডিগ্রি/বিষয় পছন্দক্রম অনুসারে ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। </p>
<p>প্রকাশিত ফল অনুযায়ী, <span>পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩১ জন, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে  ১৬ জন, খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের দুইটি বিভাগে মোট ৪৪ জন, হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই বিষয়ে মোট ৪২ জন  এবং কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই বিভাগে সর্বোচ্চ ৫৪ জন ভর্তির ডাক পেয়েছেন। </span></p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202507/image_870x_686b81b8e254c.jpg" alt=""></p>
<div class="post-text mt-4">
<div class="post-text mt-4">
<div class="post-text mt-4">
<div>
<div>
<div>
<div>
<p>০৭-জুলাই/ডিজিবিটেক/সিসি</p>
</div>
<div></div>
<p></p>
</div>
<div></div>
</div>
<div></div>
</div>
</div>
<div class="d-flex flex-row post-tags align-items-center mt-5"></div>
</div>
</div>
<div class="inside-ad-container no-print">
<div class="biggapon text-center -only" data-nosnippet="">
<div></div>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>হুমকিতে বিএডিসি সিপিআই সিস্টেম?</title>
<link>https://digibanglatech.news/155089</link>
<guid>https://digibanglatech.news/155089</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202506/image_870x580_685ff17337524.jpg" length="95906" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 28 Jun 2025 17:43:29 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলকে দ্রুত মরুকরণের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য বিএডিসি প্রথমবারের মতো দেশে সিপিআই সিস্টেম চালু করা উদ্যোগ নিয়েছে। পানির অপচয় রোধ করার জন্য ইউরোপের বিভিন্ন দেশে সেন্টার পিভট ইরিগেশন (সিপিআই) সিস্টেমে সেচ কাজ পরিচালনা করা হয়। সিপিআই সিস্টেমে স্প্রে আকারে বৃষ্টির মতো করে পানি ছিটিয়ে দেওয়া হয়। যার ফলে ফসলের পাতা ও মাটি সসুষমভাবে পানি পেয়ে থাকে। এই পদ্ধতিতে পানির ব্যবহার বা কর্মদক্ষতা প্রায় ৮৫ থেকে ৯৮ শতাংশ বৃদ্ধি পায়। তবে চট্টগ্রাম কাস্টমস-এর কর্মকর্তাদের স্বেচ্ছাচারিতা আর অসহযোগিতার কারণে সিপিআই প্রকল্পটি ভেস্তে যাওয়ার আশঙ্কা করছে আমদানিকারী প্রতিষ্ঠান শেরপা পাওয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড।</p>
<p>২৮ জুন (শনিবার) ঢাকা রিপোটার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) এক সংবাদ সম্মেলনে এই আশঙ্কা প্রকাশ করেন শেরপা পাওয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আবু তাহের। এ সময় সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন কোম্পানিটির ডেপুটি ব্যবস্থাপনা পরিচালক রুহুল আমিন ও প্রজেক্ট ইনচার্জ মাহবুবুর রহমান।</p>
<p><span>সংবাদ সম্মেলনে আবুতাহের বলেন, ‘ বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) আওতায় পাবনা, নাটোর ও সিরাজগঞ্জে ভূ-উপরিস্থ পানি কাজে লাগাতে যে সেচ উন্নয়ন প্রকল্প নেওয়া হয়েছে, তাতে সিপিআই যন্ত্র অপরিহার্য। অথচ এসব কৃষি যন্ত্রপাতি (প্রযুক্তি) সম্পর্কে ধারণা নেই, এমন লোক দায়িত্বে থাকায় কাস্টমসে হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। ফলে কাস্টমসের অসহযোগিতা চলতে থাকলে প্রকল্পটি ভেস্তে যেতে পারে। </span></p>
<p><span>তিনি কৃষি যন্ত্রপাতি আমদানির বিষয়টি সহজ করার দাবি জানান।</span></p>
<div class="dNewsDesc" id="contentDetails">
<p>তাহের বলেন, সিপিআই সিস্টেমটি একটি সম্পূর্ণ সিস্টেম যার একটি যন্ত্রাংশকে যদি সিস্টেম থেকে বিযুক্ত করা হয়, তাতে সম্পূর্ণ সিস্টেমটি অকার্যকর হয়ে যাবে। যে কারণে প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান এই যন্ত্রটিকে একক সিস্টেম হিসেবে রপ্তানি করে থাকে। বিএডিসির কার্যাদেশ এবং চট্টগ্রামের কাস্টমস হাউস কমিশনারের কাছে পাঠানো চিঠিতেও সিপিআই সিস্টেমকে একক সিস্টেম হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। কিন্তু চট্টগ্রাম কাস্টমস-এর কর্মকর্তা  এ এইচ এম মাহবুবুর রশিদ এবং মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম সিপিআই সিস্টেমকে একক সিস্টেম হিসেবে গ্রহণ করতে রাজি নন।</p>
<p>তিনি আরো বলেন, কৃষিযন্ত্র হিসেবে এর প্রকৃত ডিউটির হওয়ার কথা ছিল ১২ লাখ সাড়ে ৫ হাজার টাকা। কিন্তু চট্টগ্রাম কাস্টমস সিস্টেমটির বিভিন্ন যন্ত্রাংশকে আলাদা করে, বিশেষ করে সিস্টেমটির যন্ত্রাংশ ওয়াটার ডিস্ট্রিবিউশনও টাওয়াবে ব্যবহৃত ৫ টন পাইপকে আলাদা করে শুল্কায়ন করছে। এই পদ্ধতিতে শুল্কায়ন করা হলে শুল্ক ও জরিমানাসহ কমবেশি ৪২ লাখ টাকা দিতে হবে। এছাড়া খালাস না করতে পারায় প্রতিদিন আমাদের ১৫০–২০০ ডলার অতিরিক্ত বন্দর চার্জও গুনতে হচ্ছে। </p>
<p>‘এই সমস্যা নিরসনে বিএডিসি থেকে গত ২৫ জুন চট্টগ্রাম কাস্টমস কমিশনার বরাবর সিস্টেমটিকে একক কৃষি যন্ত্র হিসেবে উল্লেখ করে পত্র প্রদান করেছেন। এর আগে গত ২৪ জুন আমরা এ বিষয়ে অবহিত করিয়ে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস কমিশনারের কাছে একটি চিঠি জমা দিয়েছি। কিন্তু এখন পর্যন্ত তার দপ্তর থেকে আমরা ইতিবাচক কোনো সাড়া পাইনি’ -যোগ করেন শেরপা ইঞ্জিনিয়ারিং ব্যবস্থাপনা পরিচালক।</p>
<p>তিনি আরো বলেন, সিপিআই সিস্টেমটি বাংলাদেশে সর্বপ্রথম যন্ত্র হিসেবে স্থাপন করা হবে বিধায় প্রস্তুতকারী অস্টিয়ার প্রতিষ্ঠান থেকে দুইজন প্রতিনিধি বাংলাদেশে আসার কথা রয়েছে। কিন্তু আমাদের সিস্টেমটি কাস্টমস বিভাগে আটকে থাকায় তাদের আসার ব্যাপারে আমরা সম্মতি জানাতে পারছি না। এছাড়া কাস্টমস বিভাগের অসহযোগিতা অব্যাহত থাকলে পুরো প্রকল্পটি ভেস্তে যাবার আশঙ্কা রয়েছে। এতে আমাদের প্রতিষ্ঠান সীমাহীন আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হবে। একই সঙ্গে বাংলাদেশও কৃষির ক্ষেত্রে একটি আধুনিক ও উন্নত প্রযুক্তি থেকে বঞ্চিত হবে।</p>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ফিনটেক উইগ্রো নিয়ে পরস্পর বিরোধী তথ্য প্রকাশ</title>
<link>https://digibanglatech.news/155054</link>
<guid>https://digibanglatech.news/155054</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202506/image_870x580_685d711f5f8dd.jpg" length="85828" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 26 Jun 2025 21:10:48 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span>জয়পুরহাটে প্রায় এক হাজার ক্ষুদ্র কৃষককে কৃষি উপকরণ ও প্রশিক্ষণসহায়তা দিয়েছে কৃষিভিত্তিক ফিনটেক প্ল্যাটফর্ম <strong><a href="https://www.wegro.global/" target="_blank" rel="noopener">উইগ্রো</a></strong>। বিপরীতে অনুমতি ছাড়াই ওই অঞ্চলে ব্যবসায় পরিচালনা এবং জমির দলিল, স্বাক্ষর করা ফাঁকা স্ট্যাম্প ও ইন্স্যুরেন্সের নামে নেয়া টাকা ফেরত দিতে বাধ্য হওয়ারও খবর পাওয়া গেছে। </span><span></span></p>
<p>তবে সেখানে কৃষকদের মধ্যে অনেকেই ঋণসুবিধা নিয়ে সফলভাবে মৌসুমভিত্তিক চাষাবাদ সম্পন্ন করেছেন; বাকিরা এখনো এ প্রকল্পের অধীনে চাষাবাদ ও গবাদিপশু পালনের সঙ্গে যুক্ত বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে <span>উইগ্রো টেকনোলজি লিমিটেড। এতে বলা হয়েছে, জয়পুরহাটের আক্কেলপুরের প্রায় ১৩০ কৃষক উইগ্রোর সহায়তা লাভ করেছেন উইগ্রোর সহায়তা পাওয়া ৫০ জনের বেশি কৃষক ও তাদের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে গত সোমবার আয়োজিত অনুষ্ঠানে গত দুই বছরে প্রকল্পের অগ্রগতির বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। উইগ্রোর চিফ অপারেটিং অফিসার (সিওও) ফাইয়াজ সাফির, প্রতিষ্ঠানটির হেড অব বিজনেস ডেভেলপমেন্ট আরিফ রহমান ও  আক্কেলপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনজুরুল আলম ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বলে জানাগেছে।</span></p>
<p><span>অনুষ্ঠানে জানানো হয়, দেশের ৪০টির বেশি উপজেলায় প্রায় ১২ হাজার কৃষকের সঙ্গে কাজ করছে উইগ্রো প্ল্যাটফর্ম। এ পর্যন্ত কৃষকদের প্রায় ১ কোটি ২ লাখ মার্কিন ডলার ঋণ দিয়েছে উইগ্রো। এর মধ্যে সফল কার্যক্রমের ফলে কৃষকেরা ৭৮ লাখ ডলার পরিশোধ করে দিয়েছেন।</span></p>
<p><span> </span><span>সূত্রমতে, ওই অনুষ্ঠানের পরদিন বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জেলার আক্কেলপুর উপজেলা পরিষদ চত্বরে জয়পুরহাটের ১৫৪ কৃষকের জমির দলিল, স্বাক্ষর করা ফাঁকা স্ট্যাম্প ও ইন্স্যুরেন্সের নামে নেওয়া টাকা ফেরত দিতে বাধ্য হয়েছে উইগ্রো টেকনোলজি লিমিটেড। গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আক্কেলপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুনজুরুল আলম। ভুক্তভোগী দিলবর হোসেন, মুক্তার হোসেন প্রমুখ টাকা ফেরত পাওয়ার কথা নিশ্চিত করেছেন। </span></p>
<p>এ বিষয়ে উইগ্রোর চিফ অপারেটিং অফিসার ফাইয়াজ সাফির গণমাধ্যমেকে বলেছেন, ‘সোহেল রানা নামে এক কর্মকর্তার কারণে গ্রাহকদের ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে। এ কারণে আমরা দুঃখিত। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা ১৫৪ জনের টাকা, দলিলসহ যাবতীয় ডকুমেন্ট ফেরত দিয়েছি। ৩০ জুনের মধ্যে অন্য ভুক্তভোগীদের টাকা ফেরত দেওয়া হবে।’ </p>
<p>প্রতারণার প্রমাণ পাওয়ার পর সোহেল রানাকে ৭ দিনের কারাদণ্ড  এবং সেই সঙ্গে সংস্থাটির কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুনজুরুল আলম। তিনি জানান, ১৫৪ কৃষক দলিল, টাকা পেয়েছেন। অন্যদেরও ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন সংস্থার কর্তৃপক্ষ। নির্ধারিত সময় প্রতিশ্রুতি রক্ষা না করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।</p>
<p>জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অনুমতি না নিয়ে তিন বছর ধরে জেলা সদরের বারিধারা মহল্লায় উইগ্রো কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে প্রকাশ, ফিনটেক প্রতিষ্ঠানটি কৃষিঋণ দেওয়ার কথা বলে কৃষকদের কাছ থেকে ফাঁকা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর, ব্যাংক চেকের ফাঁকা পাতা, জামানত হিসেবে বাড়ি-জমির দলিল ও ইন্স্যুরেন্সের কথা বলে এক হাজারের বেশি কৃষকের কাছ থেকে সাড়ে তিন হাজার করে টাকা নেয়। পরে তাদের ঋণ দেওয়া হয়নি। আটকে রাখা হয়েছে স্বাক্ষরিত ফাঁকা স্ট্যাম্প, চেকের পাতা ও ইন্স্যুরেন্সের টাকা। আড়াই মাস তাদের পেছনে ঘুরে না পেয়ে বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা। </p>
<p>প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালে উইগ্রো ‘বাংলাদেশ ইনোভেশন অ্যাওয়ার্ডস’-এ বেষ্ট স্টার্টআপ ইনোভেশন ও কৃষি খাতে বেস্ট ইনোভেশন পুরস্কার লাভ করে এবং ২০২৪ সালে সিঙ্গাপুর ফিনটেক ফেস্টিভ্যালে উইনার হিসেবে পুরস্কার লাভ করে।</p>
<div class="print-none oHRqW"></div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>১৫টি প্রযুক্তি গ্রাম গড়ছে ব্রি</title>
<link>https://digibanglatech.news/154873</link>
<guid>https://digibanglatech.news/154873</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202506/image_870x580_685745a3bfbd1.jpg" length="407719" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 21 Jun 2025 21:43:19 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>স্থানভিত্তিক ধানের জাত ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং বিদ্যমান গবেষণাগার উন্নয়ন কার্যক্রম এগিয়ে নিতে ৬টি আঞ্চলিক কর্যালয়ের অধীনে ১৫টি প্রযুক্তি গ্রাম গড়ে তুলছে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি)। ইতিমধ্যে নতুন আঞ্চলিক কার্যালয়েও স্যাটেলাইট স্টেশন স্থাপন, গবেষণা ল্যাব উন্নয়ন, ব্রি উদ্ভাবিত প্রযুক্তিসমূহ দ্রুত কৃষক পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে কাজ শুরু হয়েছে। প্রযুক্তি গ্রাম গুলোতে স্থানীয়ভাবে জার্মপ্লাজম সংগ্রহ, ব্রি অবমুক্ত জাতের গড় ফলন বৃদ্ধির লক্ষ্যে কৃষক পর্যায়ে উন্নতমানের বীজ উৎপাদন, বীজ প্রক্রিয়াকরণ ও সংরক্ষণ, কার্যকরী গবেষণা ও প্রযুক্তি উদ্ভাবনের লক্ষ্যে ব্রি’র জনবলের উচ্চ শিক্ষা এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরও দক্ষতা উন্নয়নে কৃষি সম্প্রসারণ কর্মীসহ ব্রির জনবল এবং কৃষকের প্রশিক্ষণ চলমান রয়েছে।</p>
<p>২১ জুন, শনিবার গাজীপুরস্থ ব্রি সদর দপ্তরে ‘নতুন ৬টি আঞ্চলিক কার্যালয় স্থাপনের মাধ্যমে স্থানভিত্তিক ধানের জাত ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং বিদ্যমান গবেষণাগার উন্নয়ন (এলএসটিডি)’ শীর্ষক প্রকল্পের বাস্তবায়ন অগ্রগতি বিষয়ক কর্মশালায় এসব তথ্য জানানো হয়।</p>
<p>প্রকল্প বাস্তবায়নের মেয়াদ ২০২৩ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২৮ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত।</p>
<p>ব্রি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন ব্রির মহাপরিচালক ড. মোহাম্মদ খালেকুজ্জামান। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (পরিকল্পনা অনুবিভাগ) মো. মাহবুবুল হক পাটওয়ারী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্রির পরিচালক (গবেষণা) ড. মো. রফিকুল ইসলাম এবং পরিচালক (প্রশাসন ও সাধারণ পরিচর্যা) ড. মুন্নুজান খানম। মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রকল্প পরিচালক ড. মো. মোফাজ্জল হোসেন।</p>
<p>এতে মূল প্রবন্ধে বলা হয়, ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার খাদ্য ও পুষ্টির নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে পরিবর্তিত জলবায়ুর সাথে মিল রেখে স্থানভিত্তিক ধানের জাত ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও উন্নয়নসহ ব্রির মূল গবেষণা কার্যক্রমকে সহায়তা করাই এলএসটিডি প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য। আঞ্চলিক কার্যালয় এবং স্যাটেলাইট স্টেশন স্থাপন ছাড়াও এ প্রকল্পের উদ্দেশ্যের মধ্যে রয়েছে স্থানভিত্তিক ৬টি নতুন জাত এবং ২০টি প্রযুক্তি উদ্ভাবন।</p>
<p>স্থানভিত্তিক সমস্যা নিরুপণ (কৃষিতে অনগ্রসর দক্ষিণাঞ্চল ও পাহাড়ি এলাকাসহ) কার্যকরী সমাধানের উদ্যোগ গ্রহণ এবং প্রয়োগিক গবেষণা জোরদারকরণ। ব্রির বিদ্যমান ১১টি আঞ্চলিক কার্যালয়ের গবেষণা ল্যাব জোরদারকরণ এবং প্রস্তাবিত আঞ্চলিক কার্যালয়ে গবেষণা ল্যাব উন্নয়ন। সারাদেশে মোট ১৫টি ‘প্রযুক্তি গ্রাম’ সৃষ্টির মাধ্যমে ব্রি উদ্ভাবিত প্রযুক্তিসমূহ দ্রুত সময়ে কৃষক পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া।</p>
<p>মূল প্রবন্ধে প্রকল্পের অগ্রগতি তুলে ধরে জানানো হয়, ১টি জাতের উদ্ভাবন প্রক্রিয়াধীন এবং ৫টি প্রযুক্তি উদ্ভাবনের কাজ চলমান। এছাড়াও ব্রি আঞ্চলিক কার্যালয় এবং কৃষি সম্পসারণ অধিদপ্তরের সার্বিক সহযোগিতায় প্রাথমিকভাবে ১৫টি প্রযুক্তি গ্রাম নির্বাচন করা হয়েছে।</p>
<p>প্রযুক্তি গ্রামগুলোতে ‘‘সার্ভিস প্রোভাইডার’’ নির্বাচন করে ব্রি উদ্ভাবিত প্রযুক্তির প্রদর্শনী এবং কৃষকদের প্রযুক্তি বিষয়ক কলাকৌশলগত সেবা ও প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে। ব্রি উদ্ভাবিত উফশী আমন জাতের ধান চাষাবাদে উদ্বুদ্ধকরণে স্থানীয় কৃষকদের জন্য ১৬৫টি মাঠ দিবস ও ফসল কর্তন কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>আরো নতুন ৩টি ধান আনলো ব্রি</title>
<link>https://digibanglatech.news/154783</link>
<guid>https://digibanglatech.news/154783</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202506/image_870x580_68539f947ca20.jpg" length="126543" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 19 Jun 2025 01:26:57 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span>লবণাক্ততা সহনশীল, উচ্চ ফলনশীল এবং ব্লাস্ট রোগ প্রতিরোধী আরো তিনটি জাত উদ্ভাবন করেছে বাংলাদশে ধান গবষেণা ইনস্টিটিউট (ব্রি)। নতুন উদ্ভাবিত জাতগুলোর মধ্যে ব্রি ধান১১২ লবণাক্ততা সহনশীল ও মাঝারি জীবনকালীন রোপা আমনের জাত। উচ্চ ফলনশীল ব্রি ধান১১৩ জাতটি বোরো মওসুমের জনপ্রিয় জাত ২৯ এর বিকল্প হিসেবে হেক্টরে  ১০.১ টন পর্যন্ত ফলন দিতে সক্ষম। এছাড়াও ব্রি ধান১১৪ বোরো মওসুমের দীর্ঘ জীবনকালীন ব্লাস্ট রোগ প্রতিরোধী জাত। নতুন উদ্ভাবিত এই তিনটি জাতসহ এখন পর্যন্ত ব্রি সর্বমোট ১২১টি জাত উদ্ভাবন করেছে যার ৮টি হাইব্রিড। </span></p>
<p><span>জানাগেছে, কৃষি সচিব ড. মোহাম্মদ এমদাদ উল্লাহ মিয়ান এর সভাপতিত্বে জাতীয় বীজ বোর্ডের (এনএসবি) ১১৪তম সভায় এই তিনটি ধানের জাতকে অনুমোদন দেয়া হয়। এরপর ১৭ জুন কার্যপত্র প্রকশ করা হয়। সবশেষ ১৮ জুন বিষয়টি সোশ্যাল মিডিয়ায় পেজে শেয়ার করে ব্রি রাইস মিউজিয়াম। খোঁজ নিয়ে জানাগেছে নতুন বীজের অনুমোদন দেয়া এই </span><span>সভায় অন্যান্যের মধ্যে ব্রি’র মহাপরচিালক ড. মোহাম্মদ খালেকুজ্জামান ও বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সির মহাপরিচালক কৃষিবিদ মো: জয়নাল আবেদীন, ন্যাশনাল এগ্রিকালচারাল রিসার্চ সিস্টেম এর মহাপরিচালক <span data-huuid="16616103641126684665"> ড. </span><span data-huuid="16616103641126684672">মো. </span><span data-huuid="16616103641126684679">আব্দুল্লাহ ইউছুফ আখন্দ</span> সহ কৃষি মন্ত্রণালয়ের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা ও  প্রাইভেট সেক্টরের প্রতিনিধি, কৃষক প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। </span></p>
<p><span>ব্রি রাইস মিউজাম সূত্রে প্রকাশ, </span> চারা অবস্থায় ১২ ডিএস/মি. (৩ সপ্তাহ পর্যন্ত) লবণাক্ততা সহ্য করতে পারে ব্রি ধান১১২। উপরন্তু এ জাত অংগজ বৃদ্ধি থেকে প্রজনন পর্যায় পর্যন্ত লবণাক্ততা সংবেদনশীল সব ধাপে ৮ ডিএস/মি. মাত্রার লবণাক্ততা সহ্য করে ফলন দিতে সক্ষম। এ জাতটির দানা মাঝারি চিকন ও শীষ থেকে ধান সহজে ঝরে পড়ে না। জাতটির জীবনকাল তুলনামূলক কম হওয়ায় উপকূলীয় লবণাক্ত অঞ্চলে ফসল কর্তনের পর মধ্যম উঁচু থেকে উঁচু জমিতে সূর্যমুখী ও লবণ সহনশীল সরিষা আবাদের সুযোগ তৈরি হবে।</p>
<p>ব্রি ধান১১৩ জাতটি মাঝারি চিকন দানার উচ্চ ফলনশীল জাত। এ জাতের ডিগ পাতা খাড়া, প্রশস্ত ও লম্বা এবং ধান পাকলেও সবুজ থকে। পূর্ণ বয়স্ক গাছের গড় উচ্চতা ১০২ থেকে ১০৫ সেন্টিমিটার। এ জাতের গাছ শক্ত এবং মজবুত বিধায় সহজে হেলে পড়ে না। জাতটির গড় জীবনকাল ১৪৩ দিন। ১০০০টি পুষ্ট ধানের ওজন গড়ে ১৯ দশমিক ৪ গ্রাম। চালের আকার আকৃতি মাঝারি চিকন এবং রং সাদা, দেখতে অনেকটা নাইজারশাইলের মতো। এ ধানের চালে অ্যামাইলোজের পরিমাণ ২৮ শতাংশ এবং ভাত ঝরঝরে। এছাড়া প্রোটিনের পরিমাণ ৮ দশমিক ৪ শতাংশ। প্রস্তাবিত জাতের ফলন পরীক্ষায় এ জাতটি ব্রি ধান৮৮ এর চেয়ে ১১ দশমিক ৫ শতাংশ বেশি ফলন দিয়েছে। এ জাতের গড় ফলন হেক্টরে ৮ দশমিক ১৫ টন। উপযুক্ত পরিবেশে সঠিক ব্যবস্থাপনা করলে এ জাতটি হেক্টরে ১০ দশমিক ১ টন পর্যন্ত ফলন দিতে সক্ষম। ফলে বোরো মওসুমের জনপ্রিয় জাত ২৯ এর বিকল্প হিসেবে ভাবা হচ্ছে এই ধানটিকে।</p>
<p>ব্লাস্ট প্রতিরোধী বোরো মওসুমের দীর্ঘ মেয়াদি জাত ব্রি ধান১১৪। এ জাতের ডিগ পাতা খাড়া, প্রশস্ত ও লম্বা, গাছ মজবুত এবং হেলে পড়ে না। পাতার রং গাঢ় সবুজ। এর গড় ফলন হেক্টর প্রতি ৭ দশমিক ৭৬ টন। তবে উপযুক্ত পরিচর্যায় এর ফলন হেক্টরে ১০ দশমিক ২৩ টন পর্যন্ত পাওয়া যায়। এ জাতের দানা মাঝারি মোটা এবং সোনালি বর্ণের। এ জাতের গড় জীবনকাল ১৪৯ দিন, যা বোরো মওসুমের জনপ্রিয় জাত ব্রি ধান৮৯ এর সমান জীবনকাল। ১০০০টি পুষ্ট ধানের ওজন গড়ে ১৭ দশমিক ৪ গ্রাম। চালে অ্যামাইলোজের পরমিাণ ২৭ শতাংশ এবং প্রোটিনের পরমিাণ ৭ দশমিক ৭ শতাংশ। ভাত ঝরঝরে। জাতটির বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো ব্লাস্ট রোগ প্রতিরোধী। এ জাতটিতে ব্লাস্ট রোগ প্রতিরোধী প্রকট জিন পিআই৯ বিদ্যমান এবং আর্টিফিসিয়াল ইনোকুলেশনে উচ্চ মাত্রার রোগ প্রতিরোধী (স্কোর-০) ক্ষমতার বলে পরীক্ষামূলক চাষে প্রমাণ মিলেছে।</p>
<p><span>১৯৭০ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে উচ্চফলনশীল ধানের জাত এবং ধান উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য কাজ করছে ব্রি। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই নিয়মিত গবেষণার মাধ্যমে উচ্চ ফলনশীল আধুনিক ধানের নিত্য নতুন জাত উদ্ভাবন করছে। তাদের কালিজিরা এবং কাটারিভোগ ধানের বাংলাদেশের ভৌগলিক নির্দেশক পন্য হিসেবে নিবন্ধিত হয়েছে।​ গত ৫০ বছরে ধান উৎপাদন তিনগুণের বেশি বেড়েছে। </span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ঢাকায় রঙিন মুরগির জাত উন্নয়নে সেমিনার  অনুষ্ঠিত</title>
<link>https://digibanglatech.news/154707</link>
<guid>https://digibanglatech.news/154707</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202506/image_870x580_6851494648ae0.jpg" length="93888" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 17 Jun 2025 13:52:54 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>রঙিন মুরগীর (কালার বার্ড) জেনেটিক উন্নয়ন ও খামারিদের জন্য লাভজনক, টেকসই ও আধুনিক প্রজনন প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হলো ‘SASSO Breeding for Value’ শীর্ষক একটি আন্তর্জাতিক সেমিনার। রাজধানীর মগবাজারে হলিডে ইন ঢাকা সিটি সেন্টার হোটেলের ইলিশ কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত হয়।</p>
<p> প্রাণিজ প্রজনন প্রতিষ্ঠান হেন্ড্রিক জেনেটিকস (Hendrix Genetics)-এর আয়োজনে অনুষ্ঠিত সেমিনারে বাংলাদেশ ছাড়াও স্পেন, ফ্রান্স এবং কোরিয়ার প্রতিনিধিরা অংশ নেন। পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের খামার মালিক, হ্যাচারি উদ্যোক্তা, পোলট্রি ব্যবসায়ী, গবেষক, শিক্ষক, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা, সাংবাদিক এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীরা।</p>
<p>সেমিনারের সঞ্চালনা করেন Hendrix Genetics-এর কান্ট্রি ম্যানেজার (বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল ও শ্রীলঙ্কা) মো. মাহিউদ্দিন।</p>
<p>তিনি বলেন, “পোলট্রি শিল্প এখন শুধু খাদ্য নিরাপত্তার জন্য নয়, বরং অর্থনৈতিক উন্নয়ন, পুষ্টি নিশ্চিতকরণ ও কর্মসংস্থানের এক গুরুত্বপূর্ণ খাত হয়ে দাঁড়িয়েছে। দেশি স্বাদের মুরগির প্রতি মানুষের আগ্রহ থাকলেও খামারিরা উৎপাদনের দিক থেকে পিছিয়ে থাকেন। এ সমস্যা সমাধানে SASSO ব্রিড একটি আধুনিক ও পরীক্ষিত সমাধান।”</p>
<p>তিনি আরও বলেন, “SASSO ব্রিড দেশি স্বাদ বজায় রেখে ডিম ও মাংস উৎপাদনে সক্ষম। এটি সহজে পালনযোগ্য, রোগ প্রতিরোধে সক্ষম এবং খরচ সাশ্রয়ী। ইতোমধ্যে আফ্রিকা, লাতিন আমেরিকা ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় এই ব্রিড ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। বাংলাদেশেও এটি গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”</p>
<p>সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন ফ্রান্সভিত্তিক ব্রিড ব্র্যান্ড, SASSO এর এডুয়ার্ড প্যারোট (Edouard Perrout) আলবা মেসাস রোমারো (Alba Mesas Romero), ড. মিওং সিওব কিম (Dr. Myeong Seob Kim (Hipra), হেনড্রিক্স জেনেটিক্সের টেকনিক্যাল ম্যানেজার, ডা.আলী হায়দার ও টেকনিক্যাল সার্ভিস ম্যানেজার এশিয়া লেয়ার ডা. মেহেদী হাসান। উপস্থাপনায় তারা এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা নিয়ন্ত্রণ, হ্যাচারি ব্যবস্থাপনা, ফিড কোয়ালিটি, গরমের সময় পাখির যত্ন, ভ্যাকসিন প্রয়োগ কৌশল ও পানির মান সংক্রান্ত নানা বিষয় উঠে আসে।</p>
<p>সেমিনারের অংশগ্রহণকারীদের প্রযুক্তিগত জ্ঞান যেমন গভীরভাবে প্রকাশ পায়, তেমনি এই শিল্পে উন্নতির প্রতি তাদের আগ্রহ ও প্রতিশ্রুতিও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।</p>
<p>সেমিনারে অংশ নেওয়া একাধিক খামারি ও উদ্যোক্তা বলেন, দেশে এখনো গবেষণালব্ধ ও টেকসই প্রজনন প্রযুক্তির বিস্তার সীমিত। ফলে খামারিরা বহুক্ষেত্রে লোকসানে পড়েন কিংবা কাঙ্ক্ষিত উৎপাদন পান না। অথচ সাশ্রয়ী ও উৎপাদনক্ষম ব্রিড, যেমন SASSO, ব্যবহার করলে একই সঙ্গে দেশি মুরগির স্বাদ বজায় রাখা ও উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব।</p>
<p>আলোচনায় উঠে আসে, দেশি বা ট্র্যাডিশনাল মুরগির চাহিদা এখন শুধু বাংলাদেশে নয়, গোটা দক্ষিণ এশিয়াতেই বাড়ছে। স্থানীয় জাতগুলো স্বাদের কারণে জনপ্রিয় হলেও তাদের উৎপাদনক্ষমতা কম হওয়ায় বাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়ছে। এ প্রেক্ষাপটে উন্নত জেনেটিক ব্রিড, সঠিক ব্যবস্থাপনা ও সচেতনতা বৃদ্ধি জরুরি।</p>
<p>১৬ জুন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত বিভিন্ন সেসনের পাশাপাশি অংশগ্রহণকারীরা পারস্পরিক মতবিনিময়, অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেন।</p>
<p>সেমিনার শেষে আয়োজক প্রতিষ্ঠান হেনড্রিক্স জেনেটিক জানায়, দেশের পোলট্রি শিল্পে প্রযুক্তিনির্ভরতা বাড়াতে তারা নিয়মিতভাবে এ ধরনের সেমিনারের আয়োজন করতে চায়। দেশের বিভিন্ন স্থানে খামারিদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিতে তারা সর্বদা কাজ করছে।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>স্বল্প&#45;কার্বন চাল উৎপাদনে ১.৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে এডিবি</title>
<link>https://digibanglatech.news/154536</link>
<guid>https://digibanglatech.news/154536</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202506/image_870x580_6846e1bc6d792.jpg" length="121634" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 09 Jun 2025 15:29:50 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশ, কম্বোডিয়া, চিন, পাকিস্তান এবং ফিলিপাইনে স্বল্প-কার্বন নির্গমনভিত্তিক চালের উৎপাদন বাড়াতে বড় বিনিয়োগের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে এশিয়ান উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)।</p>
<p>৯ জুন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এডিবি জানায়, গেটস ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় এডিবি এবং সিজিআইএআর, আজ (সোমবার) একটি নতুন উদ্যোগ চালু করেছে। যা স্থায়ী এবং স্বল্প-কার্বন নির্গমনভিত্তিক চাল উৎপাদনে বিনিয়োগ বাড়াতে সহায়তা করবে। এশিয়া এবং প্যাসিফিকের লাখ লাখ দুর্বল ক্ষুদ্র কৃষক পরিবারের জীবন উন্নত করতেও এটি সহায়তা করবে।</p>
<p>ভাত এই অঞ্চলের জীবনরেখা উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এটি প্রতিদিন এই অঞ্চলের মোট জনসংখ্যার অর্ধেকের বেশি মানুষের খাবারের চাহিদা মেটায় এবং মিলিয়ন মিলিয়ন গ্রামীণ দরিদ্র মানুষের জীবিকার ভিত্তি। তবে ধান চাষ বাড়তি চাপের মুখোমুখি হচ্ছে। উৎপাদন কমে যাওয়া এবং জল সম্পদের সংস্থাপন থেকে শুরু করে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনে নানা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ছে। এই চ্যালেঞ্জগুলোর সমাধান করা না হলে, খাদ্য নিরাপত্তা এবং সবচেয়ে দরিদ্র এবং ঝুঁকিতে থাকা সম্প্রদায়গুলোর উন্নয়নকে বিপদে ফেলবে।</p>
<p>বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ধান এশিয়ায় খাদ্য নিরাপত্তার জন্য অপরিহার্য। এটি এই অঞ্চলের ক্যালরির এক চতুর্থাংশেরও বেশি এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় প্রয়োজনীয় ক্যালরির অর্ধেকের চাহিদা মেটায়। শত শত মিলিয়ন ছোট কৃষকের জন্য, ধান শুধুমাত্র খাদ্য নয়, এটি তাদের জীবিকা নির্বাহের উৎস।</p>
<p>এডিবির সহ সভাপতি ফাতিমা ইয়াসমিন বলেন, আজ সেই জীবিকা ক্রমবর্ধমানভাবে চরম আবহাওয়া এবং পরিবেশগত অবক্ষয়ের কারণে হুমকির মুখে। গেটস ফাউন্ডেশনের সঙ্গে সমন্বিতভাবে অর্থায়িত নবনির্মিত এডিবি–সিজিআইএআর ক্লিয়ারিং হাউজ ফ্যাসিলিটির মাধ্যমে এই উদ্যোগটি অঞ্চলের সবচেয়ে দরিদ্র জনগণের জন্য টেকসই পানি ব্যবহার, অন্তর্বর্তী মূল্য শৃঙ্খল এবং উন্নত পুষ্টির সঙ্গে স্থিতিস্থাপক, উচ্চ ফলনশীল এবং নিম্ন-নিষ্ক্রিয় কৃষি অনুশীলনকে উৎসাহিত করবে।</p>
<p>এডিবির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এডিবি ২০২৫-২০৩০ সালের মধ্যে এই প্রকল্পের মাধ্যমে ১ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি বিনিয়োগ করার পরিকল্পনা করছে যা টেকসই উপায়ে উৎপাদনশীলতার উন্নয়ন করতে, কঠোর জলবায়ু পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে এবং পানি ও কার্বনের পরিমাণ কমাতে সাহায্য করবে। এটি ২০৩০ সালের মধ্যে খাদ্যব্যবস্থা রূপান্তরের জন্য এডিবির ৪০ বিলিয়ন ডলারের বৃহত্তর প্রতিশ্রুতির একটি অংশ, যা মে মাসে ঘোষণা করা হয়েছিল।</p>
<p>আন্তর্জাতিক চাল গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইআরআরআই) এর ডিরেক্টর জেনারেল ইয়ভন পিন্টো বলেন, এই যৌথ উদ্যোগটি এডিবির সঙ্গে সিজিআইএআর এর কৌশলগত সহযোগিতাকে আরও জোরদার করবে।</p>
<p>তিনি বলেন, এডিবি এবং গেটস ফাউন্ডেশনসহ অংশীদারদের সঙ্গে আমরা এশিয়ার চাল খাতের টেকসই এবং স্থিতিস্থাপক রূপান্তর করতে পারি এবং বর্তমানে ও ভবিষ্যতে লাখ লাখ ক্ষুদ্র কৃষকের জীবনকে পরিবর্তন করতে পারি।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>স্মার্ট উদ্যোগে পৌনে ২ কোটি মানুষের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন</title>
<link>https://digibanglatech.news/153890</link>
<guid>https://digibanglatech.news/153890</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202505/image_870x580_682abcbda09a8.jpg" length="130986" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 18 May 2025 23:08:24 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>টেকসই উন্নয়নে দেশের কৃষিতে যান্ত্রিকীকরণ ও প্রযুক্তি ব্যবহারের সুযোগ করে দিয়ে গত পাঁচ বছরে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় নানা উদ্যোগের মাধ্যমে ১ কোটি ৮০ লক্ষাধিক মানুষের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন এনেছে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশ। রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে রাবিবার (১৮ মে) অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। </p>
<p>সংবাদ সম্মেলনে উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে নেয়া হাওর অঞ্চলে জলবায়ু-স্মার্ট কৃষি, মৌচাষে মূল্য সংযোজন, যশোরে কৃষকের আয় বৃদ্ধি, গাজীপুরে যুব প্রশিক্ষণ কর্মসূচি এবং দুর্যোগপ্রবণ চরাঞ্চলে বিকল্প জীবিকার সুযোগ সৃষ্টিতে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশ বিশেষ ভূমিকা রাখতে সক্ষম হয়েছে।</p>
<p>এসময় স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নাসের এজাজ বিজয় বলেন, আমাদের ভূমিকা শুধু ব্যাংকিংয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। ২০২৪ সালেই আমাদের কমিউনিটি প্রোগ্রামগুলো থেকে প্রায় ১০ লাখ মানুষ উপকৃত হয়েছে। ম্যানগ্রোভ রোপণ, কৃষি উদ্ভাবন, গ্রামীণ চক্ষু চিকিৎসা সেবা এবং দক্ষতা প্রশিক্ষণের মতো উদ্যোগগুলো ব্যাংকের দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক প্রভাব তৈরির লক্ষ্যেরই অংশ।</p>
<p>নাসের এজাজ বলেন, ‘একটি সীমিত শাখা-সম্পন্ন বিদেশি ব্যাংক হিসেবে আমাদের নির্ভরযোগ্য স্থানীয় অংশীদাররাই আমাদের প্রকৃত শক্তি। আমরা সংখ্যার চেয়ে মানুষের জীবনে বাস্তব পরিবর্তনে গুরুত্ব দিই।’</p>
<p><span lang="BN">স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশের কান্ট্রি হেড</span>, <span lang="BN">কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স ও ব্র্যান্ড ও মার্কেটিং</span>,<span lang="BN"> বিটপি দাস চৌধুরী জানিয়েছেন, </span>এসএএফ এর সহযোগিতায় ‘<span lang="BN">স্মার্ট কৃষি গ্রাম উদ্যোগ’ এর মাধ্যমে </span><span lang="BN">যান্ত্রিকীকরণ</span>, <span lang="BN">সমন্বিত পোকামাকড় ব্যবস্থাপনা</span>, <span lang="BN">ফসল পরবর্তী পরিচর্যা ও <span lang="BN">উপকরণ সরবরাহকারী ও পরামর্শদাতা নেটওয়ার্ক গড়ে তুলে <span lang="BN">১৪৫০ জন কৃষকের মধ্যে ৬০ </span>শতাংশের বেশি কৃষকে উৎপাদন বৃদ্ধি ও খরচ কমানো সম্ভব হয়েছে।  ইউসেপ বাংলাদেশ এর সহযোগিতায় </span></span><span lang="BN">গাজীপুরে যুব দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান প্রকল্পে স্থানীয় পর্যায়ে <span lang="BN">মোবাইল সার্ভিসিং মোবাইল সার্ভিসিং, মেশিন চালনার মতো প্রশিক্ষণ দিয়ে গ্র্যাজুয়েটদের গড় মাসিক আয় ১০,<span lang="BN">০০০ টাকার বেশি হয়েছে।</span></span></span></p>
<p><span lang="BN"><span lang="BN"><span lang="BN">এছাড়াও ব্র্যাক এর মাধ্যমে হাওর অঞ্চলের কৃষকদের খাদ্য নিরাপত্তায় বন্যা স্থানীয় বাজার চ্যানেল ও কৃষি উপকরণ সহায়তার মাধ্যমে সহনশীল ফসল পরিকল্পনা ও জলবায়ু-সহনশীল কৃষি কৌশল গ্রহণের সুফল হিসেবে ১৫০০ কৃষকের ৮০% জানিয়েছেন, তাদের খাদ্যের প্রাপ্যতা বেড়েছে এবং বছরের সব সময় আয় হচ্ছে। কেএমএসএস এর মাধ্যমে যশোরে সংগঠিত ফুলচাষ কেন্দ্রে বাজার ও পাইকারি ক্রেতাদের মধ্যে সরাসরি ব্যবসায়িক যোগাযোগের মাধ্যমে পণ্য সরবরাহের সুবিধা নিশ্চিত করে জারবেরা চাষ, পলিহাউস ব্যবস্থাপনা, ছাঁটাই পদ্ধতি ও পোকামাকড় নিয়ন্ত্রণ করা গেছে। এতে প্রতি ফুলচাষী কৃষকের গড় মাসিক আয় ২,০০০ থেকে ৫,০০০ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে।  উন্নয়ন সংস্থা বাসা এর মাধ্যমে </span></span></span><span lang="BN">নিরাপদভাবে মধু সংগ্রহ ও প্রক্রিয়াজাতকরণ</span>, <span lang="BN">আর্থিক পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে <span lang="BN">প্রতি মৌচাষির বার্ষিক আয় ২৫</span>,০০০ টাকার বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে।</span></p>
<p><span lang="BN">বিটপী বলেন</span>,  “<span lang="BN">আমাদের অংশীদার ও কমিউনিটিগুলো সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তনের চালক। এই যাত্রায় তাদের পাশে </span>থেকে কাজ করতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। <span lang="BN">এ বছরের প্রতিটি সাফল্য কেবল সংখ্যায় সীমাবদ্ধ নয় — প্রতিটি মাঠ</span>, <span lang="BN">ঘর</span>, <span lang="BN">পলিহাউস আর মৌচাকে গড়ে উঠেছে আশার গল্প</span>, <span lang="BN">আত্মমর্যাদা আর টিকে থাকার অনুপ্রেরণা।</span>“</p>
<div id="related_more">
<div>
<div>
<div>
<div id="flex-left-image">
<div>
<div>
<div>
<p>ঠেঙ্গামারা মহিলা সবুজ সংঘের (টিএমএসএস) প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক হুসনে আরা বেগম বলেন, ‘স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড শুধু একজন দাতা নয়, তারা প্রকৃতপক্ষে আমাদের উন্নয়ন সহযোগী। তারা কমিউনিটির প্রয়োজনকে সম্মান করে এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রভাবের দিকে নজর রাখে।’</p>
<p>তিনি আরও বলেন, এটা খুবই বিরল, যেখানে কোনো করপোরেট প্রতিষ্ঠান ক্ষুদ্র কৃষক বা দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে কেন্দ্র করে প্রকল্প বাস্তবায়ন করে, বিনিময়ে তা প্রচার বা স্বল্পমেয়াদি লাভ চায় না।</p>
<p>ইস্পাহানি ইসলামিয়া আই ইনস্টিটিউট অ্যান্ড হসপিটালের সিইও একেএম আখতারুজ্জামান জানান, তাদের সঙ্গে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ডের অংশীদারিত্ব শুরু হয় ভ্রাম্যমাণ চোখের হাসপাতাল থেকে, যা এখন স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রকল্পে সম্প্রসারিত হয়েছে।</p>
<p>ফ্রেন্ডশিপের নির্বাহী পরিচালক রুনা খান বলেন, আমরা মূলধারার বাইরের মানুষের সঙ্গে কাজ করি- যাদের একসাথে স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও জীবিকা প্রয়োজন। স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ডের সামগ্রিক দৃষ্টিভঙ্গিই এ কাজকে সম্ভব করে তুলেছে।</p>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<p></p>
<p><span lang="BN"><span lang="BN"></span></span><span lang="BN"><span lang="BN">  </span></span></p>
<p></p>
<p><span lang="BN"> </span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>অপুষ্টি মোকাবিলায় খাদ্য প্রকৌশলে মনযোগী হওয়ার আহ্বান</title>
<link>https://digibanglatech.news/153725</link>
<guid>https://digibanglatech.news/153725</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202505/image_870x580_6824067989150.jpg" length="99509" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 14 May 2025 00:01:03 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>মাইক্রো নিউট্রিয়েন্টস এর অভাবে দেশে প্রতিনিয়ত চিকিৎসা ব্যয় বাড়ছে। এক ধাচের খাবর খাওয়ার কারণে এই সমস্যাটা বাড়ে। এ জন্য জিএম খাদ্য ‍উৎপাদনে মনোযোগী হওয়া দরকার বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, সুস্থ দেহের অন্যতম হচ্ছে খাদ্য। খাদ্য প্রকৌশলে গুরুত্বারোপের মাধ্যমে চিকিৎসা ব্যয় যেমন কমানো সম্ভব তেমনি জাতীয় স্বাস্থ্যমানও উন্নত হবে। </p>
<p>মঙ্গলবার (১৩ মে) সন্ধ্যায় রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (আইইবি) সদর দফতরে কৃষিকৌশল বিভাগের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত  ‘খাদ্য সম্মৃদ্ধকরণ এবং অনুপুষ্টির অভাব জনিত অপুষ্টি মোকাবিলায় এর প্রয়োজনীয়তা’ শীর্ষক সেমিনারে এ বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।</p>
<p>সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজউক চেয়ারম্যান ও আইইবির প্রেসিডেন্ট প্রকৌশলী মোহাম্মদ রিয়াজুল ইসলাম (রিজু)। তিনি উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ‘আজকের সেমিনারের বিষয়বস্তু বর্তমান প্রেক্ষাপটে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। খাদ্য সম্মৃদ্ধকরণ এর মাধ্যমে খাদ্যের পুষ্ঠিগুণ ধরে রাখা যায়। আমাদের দেশে লবণ, চাল, তেলসহ বিভিন্ন খাদ্য পণ্যের খাদ্য সম্মৃদ্ধকরণ করা হয়।</p>
<p>বিশেষ অতিথি’র বক্তব্যে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের খাদ্য প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিভাগের অধ্যাপক (অব.) খ ড. প্রকৌশলী এম. বোরহান উদ্দিন বলেন, ‘সূর্যের আলোর মাধ্যমে ভিটামিন ডি তৈরি হয়। অন্যান্য ভিটামিন খাদ্যের মাধ্যমে তৈরি হয়। আমরা শরীরে খাদ্যের অভাব হলে ক্ষুধা লাগে কিন্তু ভিটামিন এর অভাব হলে আমরা বুঝতে পারি না। যার কারণে আমরা নানা রোগে আক্রান্ত হই। আমরা একই ধরনের খাদ্য বার বার গ্রহণ করি যার জন্য ভিটামিন এর অভাব পূরণ হয় না। তাই আমাদের খাবারের ভিন্নতা আনতে হবে। আমাদের দেশে লবণে আয়োডিন যুক্ত করার জন্য একটি সেল রয়েছে। কিন্তু চাল, তেলসহ অন্যান্য পণ্য তদারকি করার তেমন কোনো সেল নেই।’</p>
<p>বিশেষ অতিথি’র বক্তব্যে আইইবির ভাইস-প্রেসিডেন্ট প্রকৌশলী শেখ আল আমিন বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রাচীনতম এবং প্রকৌশলীদের একমাত্র জাতীয় পেশাজীবী প্রতিষ্ঠান আইইবি। আইইবি পরিচালিত হয় কেন্দ্র, উপকেন্দ্র, ডিভিশন, ওভারসীস চ্যাপ্টারের মাধ্যমে। ডিভিশনগুলো যে সকল সেমিনার, সিম্পোজিয়াম, গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করেন সেগুলো আইইবি এইচআরডি এর তত্ত্বাবধানে আয়োজিত হয়।’আইইবির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী মো. সাব্বির মোস্তফা খান বলেন, ‘বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ ভিটামিন ডি সহ বিভিন্ন ভিটামিনে অভাব রয়েছে।’</p>
<p>সভাপতিত্ব করেন আইইবির কৃষিকৌশল বিভাগের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী গোলাম মাওলা। সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য দেন আইইবি কৃষিকৌশল বিভাগের ভাইস-চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মোহাম্মদ সরোয়ার মাওলা। সেমিনার সঞ্চালনা করেন আইইবির কৃষিকৌশল বিভাগের সম্পাদক প্রকৌশলী মো. বেলাল সিদ্দিকী।</p>
<p>সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ফুড ফর্টিফিকেশনের কান্ট্রি প্রোগ্রাম ম্যানেজার ইঞ্জিনিয়ার মো. গুলজার আহম্মেদ। মূল প্রবন্ধে তিনি খাদ্য সমৃদ্ধকরণ এর ওপরে বিশদ আলোকপাত করেন। তিনি বিশ্বে ও বাংলাদেশে খাদ্য সমৃদ্ধকরণ এর বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরেন। সেমিনারে খাদ্য সম্মৃদ্ধকরণ এর বর্তমান অবস্থা, চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যৎ করণীয় বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উপস্থাপন করা হয়।</p>
<p>মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনের পরে উন্মুক্ত আলোচনায় বক্তারা বলেন, ‘বাংলাদেশে বহু মানুষ পর্যাপ্ত পরিমাণে খাবার গ্রহণ করলেও তারা প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও খনিজ উপাদানের ঘাটতিতে ভুগছেন, যা শিশুদের বৃদ্ধি, নারীদের মাতৃত্বকালীন স্বাস্থ্য এবং দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে বাধা সৃষ্টি করছে। এই অনুপুষ্টির ঘাটতি দূর করতে খাদ্য সম্মৃদ্ধকরন-ফুড ফর্টিফিকেশন একটি কার্যকর ও টেকসই সমাধান হতে পারে। খাদ্যের মাধ্যমে আয়োডিন, আয়রন, জিঙ্ক, ভিটামিন-এ, ফলিক এসিড, ভিটামিন বি ১, বি-৬, বি-১২ ইত্যাদি উপাদান যোগ করলে জনগণের অনুপুষ্টিগত ঘাটতি পূরণ করা সম্ভব।’</p>
<p>অংশগ্রহণকারীরা খাদ্য নিরাপত্তা এবং জনস্বাস্থ্য উন্নয়নে সম্মিলিতভাবে কাজ করার অঙ্গীকার করেন। সেমিনার শেষে একটি কার্যকর সুপারিশমালা প্রণয়ন করা হয়, যা ভবিষ্যতে নীতিনির্ধারকদের জন্য সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>আইসিসিবিতে মেডিটেক্স, হেলথ ট্যুরিজম, ফুড অ্যান্ড অ্যাগ্রো সম্মেলন শুরু</title>
<link>https://digibanglatech.news/153538</link>
<guid>https://digibanglatech.news/153538</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202505/image_870x580_681c9247c60df.jpg" length="112328" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 08 May 2025 16:15:45 +0600</pubDate>
<dc:creator>ক্যাম্পাস করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>রাজধানীর কুড়িলে অবস্থিত ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরা (আইসিসিবি) সম্মেলন কেন্দ্রে শুরু হয়েছে চিকিৎসা সরঞ্জাম, স্বাস্থ্য পর্যটন সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী। আগামী শনিবার রাত ৮টা পর্যন্ত সম্মেলন কেন্দ্রের চার নম্বর হলে মেডিটেক্স; তিন নম্বর হলে  হেলথ ট্যুরিজম এবং কৃষি ও খাদ্য যন্ত্রপাতি সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী অ্যাগ্রো অ্যান্ড ফুড মেলা বসেছে এক ও দুই নম্বর হলে।  প্রদর্শনীকালীন ‘কফি ফেস্টিভাল’ চলছে হল-১ এ। </p>
<p>দেশি-বিদেশি হাসপাতাল ও চিকিৎসকদের সহযোগিতা বিষয়ক এ প্রদর্শনীসমূহে বাংলাদেশ, ভারত, চীন, ও থাইল্যান্ডসহ ১৫টিরও অধিক দেশের ৫০০ টিরও অধিক বুথ নিয়ে প্রায় ৩০০টি কোম্পানি অংশগ্রহণ করেছে।  প্রদর্শনীতে থাকছে সংশ্লিষ্ট শিল্প সম্পর্কিত ৬টি আন্তর্জাতিক সেমিনার।  ফুড বাংলাদেশ ও অ্যাগ্রো বাংলাদেশ প্রদর্শনীতে খাদ্য, কৃষি ও প্লাস্টিক শিল্পের অত্যাধুনিক সরঞ্জাম, উন্নত প্রযুক্তি, পণ্য এবং পরিষেবা বিষয়ক এ প্রদর্শনীসমূহে বাংলাদেশ, ভারত, চীন, পাকিস্তান, মালয়েশিয়া, ইউক্রেন, মিশরসহ ১২টিরও অধিক দেশের ৪৮০ টিরও অধিক বুথ নিয়ে প্রায় ২৫০টি কোম্পানি অংশগ্রহণ করছে।  </p>
<p>কনফারেন্স অ্যান্ড এক্সিবিশন ম্যানেজমেন্ট সার্ভিসেস (সেমস-গ্লোবাল ইউএসএ) এর আয়োজনে বৃহস্পতিবার প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন নেদারল্যান্ডস দূতাবাসের ডেপুটি হেড অফ মিশন থিজ উডস্ট্রা। </p>
<p> বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন  বাংলাদেশ অ্যাগ্রো-প্রসেসরস এসোসিয়েশন (বাপা) সভাপতি, মোঃ আবুল হাশেম; ইউরোপিয় ইউনিয়ন চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশের, চেয়ারপারসন নুরিয়া লোপেজ; ইফাদ মাল্টি প্রোডাক্টস লিমিটেডের চিফ অপারেটিং অফিসার মাহবুব বাসেত ; সুইসকন্ট্যাক্ট এর ডেপুটি কান্ট্রি ডিরেক্টর ইশরাত ফাতেমা ।</p>
<p>স্বাগত বক্তব্য দেন, আয়োজক প্রতিষ্ঠান সেমস-গ্লোবাল ইউএসএ অ্যান্ড এশিয়া প্যাসিফিকের প্রেসিডেন্ট অ্যান্ড গ্রুপ ম্যানেজিং ডিরেক্টর মেহেরুন এন. ইসলাম। আরো বক্তব্য দেন সুইসকন্ট্যাক্ট টিম লিড (বিল্ডিং ইয়ুথ এমপ্লোয়েবিলিটি থ্রো স্কিলস- বি.ওয়াই.ই.টি.এস প্রকল্প) নাদিয়া আফরিন শামস ।</p>
<p>আয়োজক সূত্রে প্রকাশ, প্রদর্শনীতে থাকছে সংশ্লিষ্ট শিল্প সম্পর্কিত ৬টি আন্তর্জাতিক সেমিনার। সুইসকন্ট্যাক্ট এর সহযোগিতায় ০৮ মে, ‘স্ট্রেংথেনিং অ্যাগ্রো-প্রসেসিং এসএমইজ: ক্রিয়েটিং অ্যা বিজনেস-ফ্রেন্ডলি এনভায়রনমেন্ট ফর গ্রোথ অ্যান্ড এক্সপোর্ট’ শীর্ষক সেমিনার (বিকাল ৪:০০–৫:০০টা); সুইসকন্ট্যাক্ট এর সহযোগিতায় ‘এক্সপোর্ট অপরচুনিটিজ ইন আনকনভেনশনাল মার্কেট ফর বাংলাদেশি এসএমইজ’ (বিকাল ৪:০০টা–৫:০০টা); বিটিএল এর সহযোগিতায় ‘হোয়্যার ইনোভেশন মিটস বিউটি অ্যান্ড ওয়েলনেস’ (বিকাল ৫:৩০টা–৬:৩০টা); ১০ মে, কনপাস কর্পোরেশন এর সহযোগিতায় ‘অ্যাগ্রোইকোলজি: বিল্ডিং রেজিলিয়েন্স টু ক্লাইমেট চেঞ্জ’ (সকাল ১১:৩০টা–দুপুর ১২:৩০টা); সুইসকন্ট্যাক্ট এর সহযোগিতায় ‘আনলকিং বাংলাদেশের এক্সপোর্ট পোটেনশিয়াল ইন দ্য অ্যাগ্রো-প্রসেসিং সেক্টর’ (বিকেল ৪:০০টা–৫:০০টা); কিভা হান এর সহযোগিতায় ‘ক্যাফে কালচার ফেনোমেনা’ (বিকাল ৫:১৫টা–সন্ধ্যা ৭:০০টা) অনুষ্ঠিত হবে।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>খাদ্য নিরাপত্তা ও কৃষকের ন্যায্যতা নিশ্চিতে গবেষণা ও প্রযুক্তিতে গুরুত্বারোপ</title>
<link>https://digibanglatech.news/153428</link>
<guid>https://digibanglatech.news/153428</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202505/image_870x580_68187c26bc6e3.jpg" length="98355" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 05 May 2025 13:50:19 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>কৃষির আধুনিকায়নে গবেষণা ও প্রযুক্তির টেকসইয়ের ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন খাত সংশ্লিষ্টরা।  <span>সোমবার (৫ মে)  রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁয় হোটেলে কৃষি, খাদ্য নিরাপত্তা ও প্রাণ-প্রকৃতি সম্মেলনের বক্তারা এই আহ্বান জানান। </span></p>
<p><span>অনুষ্ঠানে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, অতিরিক্ত কীটনাশক ব্যবহারের কারণে মাছ ও ফসল দূষিত হচ্ছে। তাই কীটনাশক ব্যবহারে নীতি গ্রহণ করতে হবে। উৎপাদন বৃদ্ধি করতে গিয়ে আধুনিক কৃষির নামে মাটি ও পানির উর্বরতা ধ্বংস করা হচ্ছে।</span></p>
<p data-block-key="enfje">তিনি আরো বলেন, এক সময় কৃষির অধীনেই মৎস ও প্রাণী সম্পদ ছিল। এখন এগুলো আলাদা হয়েছে। পণ্য ভিত্তিক কৃষকও আলাদা হয়েছে। মৎসের ক্ষেত্রে আমরা যদি দেখি, উন্মুক্ত জলাশয় থেকে মাছ আরোহণে বাংলাদেশ ভারতের পরই ২য় স্থানে আছে। অথচ হাওর, নদী-নালা ধ্বংস করছি আমরা। জলাশয়গুলোকে রক্ষা করতে চাচ্ছি যখন তখন আবার দেখা যাচ্ছে কৃষিতে ব্যবহৃত কীটনাশকে মাছ মারা যাচ্ছে।</p>
<p><span>বক্তব্যে কৃষি সচিব ড. মোহাম্মদ এমদাদ উল্লাহ মিয়ন</span><span>বলেছেন,  কৃষি আধুনিকায়নে ২৫ বছর মেয়াদি পরিকল্পনা করতে যাচ্ছে সরকার। </span>আমাদের ডেল্টাপ্ল্যানে ছয়টি হটস্পট রয়েছে। সে অনুযায়ী কীভাবে এ সেক্টরকে ঢেলে সাজানো যায়, সে কাজ চলছে। এতে ৯টি থিমেটিক এলাকায় ভাগ করে নেওয়া হয়েছে। শিগগিরই এর অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত জানাতে পারবো।</p>
<p class="alignfull">মাটির ঊর্বরতা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে উল্লেখ করে কৃষি সচিব আরো বলেন, আমাদের কৃষি কমিশন না থাকা নিয়ে বিভিন্ন কথা হয়। এ সেক্টরে কোনও নতুনত্ব আসেনি বা দীর্ঘমেয়াদি কোনও পরিকল্পনা নেওয়া হয়নি। তবে আমরা সবকিছু যাচাই করে বাস্তব পদক্ষেপ নিতে চাই। কৃষির স্বাস্থ্যের কথা বললে মাটির ঊর্বরতার কথা বলতে হয়। আমরা সেটি নিয়ে কাজ করছি। কেননা,মাটির ঊর্বরতা অনুযায়ী কোন অঞ্চলে বা কোন মাটিতে কী ধরনের ফসল উৎপাদন ভালো হয়, তা যাচাই করে ফসল উৎপাদনের দিকে এগোতে হবে।</p>
<p class="alignfull"><span>বাংলাদেশ প্রাণী সম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের সাবেক মহাপ‌রিচালক ড. জাহাঙ্গীর আলম বলেছেন, স্বাধীনতার পর গত ৫৪ বছরে দেশের কৃ‌ষি খাতে সবচেয়ে বে‌শি দৃশ্যমান উন্নয়ন হয়েছে। স্বাধীনতার পর আমাদের খাদ্য শস্য উৎপাদন ছিল ১ কো‌টি টন, যা এখন ৫ কো‌টি টন ছা‌ড়িয়েছে। এ সময়ে ‌দেশের কৃ‌ষি‌ খাতের মোট উৎপাদন ৩ হারে বেড়েছে, যেখানে সারা বিশ্বে ২ দশ‌মিক ৪ শতাংশ হারে বেড়েছে। উৎপাদনের দিক থেকে আমরা যথেষ্ট এগিয়ে‌ছি। কিন্তু তারপরও আমাদের খাদ্য সংকট আছে, সমস্যা আছে। ‌প্রতি বছর আমাদের‌কে ১ কো‌টি টনের বে‌শি বি‌ভিন্ন ধরনের খাদ্যপণ্য আমদা‌নি করতে হয়। আমরা খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে গে‌ছি বলা হয়ে থাকে। এ‌টা কথার কথা, অনেকটা রাজ‌নৈ‌তিক—এর কোনো ভি‌ত্তি নেই।</span></p>
<p class="alignfull"><span>বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও কৃষকের আয় ন্যায্যতা নিশ্চিতে গবেষণায় ও প্রযুক্তিতে গুরুত্ব আরোপ করে এসিআই এগ্রিবিজনেসের প্রেসিডেন্ট ড. এফ এইচ আনসারী বলেন, ক্রমাগত ফার্ম লেবার কমছে। ১৯৬০ সালে ৬০ শতাংশ মানুষ কৃষি কাজে যুক্ত ছিল। তা অর্ধেক হ্রাস পেয়ে এখন নেমেছে ৩০ শতাংশে। ২০৩০ সাল নাগাদ সেটি ২৫ শতাংশে নামবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিদ্যমান এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য প্রয়োজন তরুণদের অন্তর্ভুক্ত করা। আর উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার করার ফলে কৃষি খাতে তরুণদের আগ্রহ বাড়বে। ধানকেন্দ্রিক গবেষণাকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেয়া হয়। এর পাশাপাশি গম-ভূট্টায় শক্তিশালী গবেষণা প্রয়োজন। কৃষি গবেষণায় উন্নত ল্যাবরেটরি, পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপের অংশীদারত্বকে উৎপাদন পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া ও উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার করার মাধ্যমে কৃষিতে ব্যাপক পরিবর্তন আনয়ন করতে হবে।</span></p>
<p class="alignfull">এছাড়াও <span>কৃষিখাতে ঋণ দেয়ার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা থাকলেও ব্যাংকগুলো তা যথাযথভাবে পালন করছে না বলে অভিযোগ করেছেন ইস্ট কোস্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান আজম জে চৌধুরী। তিনি বলেন, কৃষিখাতে আমাদের উৎপাদন বাড়াতে ব্যাংকের ঋণব্যবস্থাকে উন্নতি করতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংক প্রায় ৩৮ হাজার কোটি টাকা এ খাতে ঋণের জন্য নির্ধারণ করে রাখলেও অধিকাংশ বেসরকারি ব্যাংক তা মানছে না। ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে কিভাবে সাধারণ কৃষক আরো বেশি সুবিধা নিতে পারে, সে বিষয়ে ভূমিকা রাখা প্রয়োজন। এক্ষেত্রে বিশেষায়িত ও বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর জন্য বিশেষায়িত নিয়ম থাকতে হবে।</span></p>
<div class="mt-4">
<div class="max-w-none prose dark:prose-invert mb-3 break-words prose-xl prose-p:text-[18px] prose-p:leading-[30px] prose-p:font-medium text-[#101828] dark:text-bb-text-dark">
<p data-block-key="3eud"></p>
</div>
</div>
<div class="print:hidden flex justify-center items-center" id="article-bottom">
<div id="ats-insert_ads-44-wrapper" class="insert_ads insert_ads-16 unrendered"></div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>৮ মে ঢাকায় বসছে কৃষি&#45;স্বাস্থ্য&#45;পর্যটন প্রযুক্তির ত্রিমাত্রিক মেলা</title>
<link>https://digibanglatech.news/153361</link>
<guid>https://digibanglatech.news/153361</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202505/image_870x580_6815f75be97ac.jpg" length="113526" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 03 May 2025 11:59:25 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>আগামী ৮ মে রাজধানীর কুড়িলে ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) বসছে তিন দিনব্যপাী কৃষি-স্বাস্থ্য-পর্যটন প্রযুক্তির মেলা-মেডিটেক্স, হেলথ ট্যুরিজম এবং খাদ্য ও কৃষি যন্ত্রপাতি নিয়ে ত্রিমাত্রিক প্রদর্শনী। <o:p></o:p>প্রতিদিন সকাল সাড়ে ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত প্রদর্শনীতে থাকছে আধুনিক প্রযুক্তি চিকিৎসা সরঞ্জাম, স্বাস্থ্য ও পর্যটন সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী। <o:p> </o:p></p>
<p>প্রদর্শনীতে কৃষির নতুন প্রযুক্তি এবং রাসায়নিকমুক্ত খাবারের পাশাপাশি চিকিৎসায় ব্যবহৃত নতুন প্রযুক্তি নিয়ে মেলায় হাজির হবেন খাত সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী ও সেবাদাতারা।  </p>
<p>প্রদর্শনীর আয়োজন নিয়ে রাজধানীর গুলশান লিংকরোডের সেমস বাংলাদেশের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, আন্তর্জাতিক এ প্রদর্শনীতে বাংলাদেশ, ভারত, চীন, সংযুক্ত আরব আমিরাত, থাইল্যান্ড, দক্ষিণ কোরিয়া ও শ্রীলংকাসহ ১৫টিরও অধিক দেশের ৫০০ টিরও অধিক বুথ নিয়ে প্রায় ৩৫০টি কোম্পানি অংশগ্রহণ করবে। প্রদর্শনীটি সংশ্লিষ্ট শিল্পের ক্রেতা ও বিক্রেতাদের জন্য একটি ওয়ান স্টপ প্লাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে।</p>
<p>সংবাদ সম্মেলনে সেমস-গ্লোবাল ইউএসএ অ্যান্ড এশিয়া প্যাসিফিকের প্রেসিডেন্ট অ্যান্ড গ্রুপ ম্যানেজিং ডিরেক্টর মেহেরুন এন. ইসলাম, সেমস-গ্লোবালের নির্বাহী পরিচালক তানভীর কামরুল ইসলাম, সেমস-বাংলাদেশের হেড অব মার্কেটিং অ্যান্ড সেলস মাহমুদ রিয়াদ হাসান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।<o:p></o:p></p>
<p>আয়োজকরা জানান, আগামী ৮-১০ মে আইসিসিবিতে বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবা, চিকিৎসা সরঞ্জাম, অস্ত্রোপচার ও ডেন্টাল যন্ত্রপাতি, হাসপাতালের সরঞ্জাম ও সরবরাহ কেন্দ্রিক অন্যতম সুপ্রতিষ্ঠিত ও শীর্ষস্থানীয় আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী ‘১৬তম মেডিটেক্স বাংলাদেশ ২০২৫ ইন্টারন্যাশনাল এক্সপো’ ছাড়াও একইসঙ্গে ‘৯ম বাংলাদেশ ক্লিনিক্যাল ল্যাব এক্সপো ২০২৫’ এবং ‘১১তম ফার্মা বাংলাদেশ ২০২৫ ইন্টারন্যাশনাল এক্সপো’।</p>
<p>প্রদর্শনীতে স্বাস্থ্যসেবা, মেডিকেল ট্যুরিজম ও তৎসংশ্লিষ্ট সেবা সম্পর্কিত বাংলাদেশের একমাত্র ও বৃহত্তম প্রদর্শনী - ‘৮ম ইন্টারন্যাশনাল হেলথ ট্যুরিজম অ্যান্ড সার্ভিসেস এক্সপো বাংলাদেশ ২০২৫’ অনুষ্ঠিত হবে। পাশাপাশি চলবে স্বাস্থ্য পর্যটন এবং চিকিৎসা ক্ষেত্রে উন্নত প্রযুক্তি ও সেবা নিয়ে স্বাস্থ্য সমস্যার সমাধান, দেশি-বিদেশি হাসপাতাল ও চিকিৎসকদের সহযোগিতা বিষয়ক প্রদর্শনী।   </p>
<p>একই সময়ে থাকছে, খাদ্য ও কৃষিজ যন্ত্রপাতি, খাদ্য ও পানীয় পণ্য এবং প্যাকেজিং সামগ্রী সম্পর্কিত শীর্ষস্থানীয় আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী - ‘৮ম ফুড বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল এক্সপো ২০২৫’ এবং ‘৮ম অ্যাগ্রো বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল এক্সপো ২০২৫’, একইসাথে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ‘৮ম পোল্ট্রি অ্যান্ড লাইভস্টক বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল এক্সপো ২০২৫’ এবং ‘৫ম ফুড প্যাক এক্সপো ২০২৫’। এছাড়াও খাদ্য, কৃষি ও প্লাস্টিক শিল্পের অত্যাধুনিক সরঞ্জাম, উন্নত প্রযুক্তি, পণ্য এবং পরিষেবা বিষয়ক এ প্রদর্শনীসমূহে বাংলাদেশ, ভারত, জার্মানি, দক্ষিণ কোরিয়া, শ্রীলংকা ও চীনসহ ১২টিরও অধিক দেশের ৪৮০ টিরও অধিক বুথ নিয়ে প্রায় ২৫০টি কোম্পানি অংশগ্রহণ করবে। <o:p></o:p></p>
<p>নেদারল্যান্ডস দূতাবাসের অর্থায়নে সেমস গ্লোবাল ও বাইটস (বিওয়াইইটিএস.) প্রকল্পের আয়োজনে, সুইসকন্ট্যাক্ট এর বাস্তবায়নে এবারের ‘৮ম অ্যাগ্রো বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল এক্সপো ২০২৫’ প্রদর্শনীর অন্যতম আকর্ষণ হিসেবে অনুষ্ঠিত হবে প্রিমিয়ার কো-ইভেন্ট ‘অ্যাগ্রো বাংলাদেশ গ্লোবাল গেটওয়ে’। যা, বিশ্বব্যাপী কৃষি উদ্ভাবন, ব্যবসায়িক নেটওয়ার্কিং, বাংলাদেশের কৃষি খাতের টেকসই প্রবৃদ্ধির প্রবেশদ্বার এবং কৃষি খাতের অগ্রগতিতে কার্যকর ভূমিকা পালন করবে। পাশাপাশি, কৃষিজাত পণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণে সম্পৃক্ত ক্ষুদ্র ও মাঝারি প্রতিষ্ঠানসমূহকে আন্তর্জাতিক বাজারের সাথে যুক্ত করতে এই উদ্যোগটি বিশেষ ভূমিকা পালন করবে বলেও আয়োজকদের অভিমত। এছাড়া, ‘৮ম ফুড বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল এক্সপো ২০২৫’ প্রদর্শনীকালীন কফি ফেস্ট অনুষ্ঠিত হবে। যেখানে কফি বিন এবং কফি যন্ত্রপাতি প্রদর্শনসহ বারিস্তা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে।<o:p></o:p></p>
<p><o:p>প্রসঙ্গত </o:p>, আয়োজক প্রতিষ্ঠান সেমস-গ্লোবাল ইউএসএ, নিউইয়র্ক ভিত্তিক একটি পেশাদার বহুজাতিক প্রদর্শনী ও সম্মেলন আয়োজক সংস্থা। ১৯৯২ সালে প্রতিষ্ঠিত, সেমস-গ্লোবাল ৩২ বছরেরও বেশি সময় ধরে ৪টি মহাদেশে সফলতার সাথে ব্যবসায়িক পরিমণ্ডলে পেশাদার বি-টু-বি ট্রেড শো আয়োজন করে আসছে। ৪টি মহাদেশে বিশ্বের অত্যন্ত সম্ভাবনাময় এবং উন্নয়নশীল দেশে প্রতি বছর সংগঠনটি সফলভাবে ৪০টি ট্রেড শো আয়োজনের মাধ্যমে নির্মাতা ও সংশ্লিষ্ট শিল্প সেক্টরের অগ্রগতিতে ব্যাপক ভূমিকা পালন করেছে। <span style="font-size: 13.0pt; font-family: Kalpurush;"><o:p></o:p></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>পুষ্টির যোগান দেবে বি১০৭ ধান</title>
<link>https://digibanglatech.news/153067</link>
<guid>https://digibanglatech.news/153067</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202504/image_870x580_680a15cb93889.jpg" length="112308" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 24 Apr 2025 14:39:41 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ভাতে পুষ্টি বাড়াতে উদ্ভাবিত হয়েছে নতুন জাতের ধান ব্রি-১০৭। পুষ্টি সমৃদ্ধ প্রিমিয়াম কোয়ালিটির এই বালাম ধানের জাতটি উদ্ভাবন করেছে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি)।</p>
<p>এ ধান থেকে তৈরি চালের ভাত খেলেই মিলবে শরীরের প্রয়োজনীয় প্রোটিন। মাঠ পর্যায়ে সারাদেশে চাষাবাদের জন্য ২০২৪ সালে অবমুক্ত করা হয় উচ্চ প্রোটিন সমৃদ্ধ প্রিমিয়াম কোয়ালিটির ধান ব্রি-১০৭।</p>
<p>এ ধানের চালে অ্যামাইলোজের পরিমাণ শতকরা ২৯ দশমিক ৩ ও প্রোটিনের পরিমাণ ১০ দশমিক ২ ভাগ। এটি একটি উচ্চ ফলনশীল বোরো মৌসুমের জাত। এছাড়া জাতটিতে রোগ-বালাই ও পোকা-মাকড়ের আক্রমণ প্রচলিত যেকোনো জাতের চেয়ে অনেক কম।</p>
<p>গোপালগঞ্জ ব্রি, আঞ্চলিক কার্যালয়ের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. আমিনা খাতুন জানান, ধানটির জীবনকাল ১৪৮ দিন। হেক্টরে এ জাতের ধান ৮ দশমিক ১৯ থেকে ৯ দশমিক ৫৭ মেট্রিক টন ফলানো সম্ভব। গোপালগঞ্জের মাঠে ধান ব্রি-১০৭ জাত ৮ দশমিক ৭৫ মেট্রিক টন ফলন দিয়েছে।বিশাল জনগোষ্ঠীর পুষ্টিহীনতা দূর করতে এ ধান ব্যাপক ভূমিকা রাখবে।</p>
<p>স্থানীয় কৃষক জেভিয়ার হালদার বলেন, ‘আমি কোটালীপাড়া কৃষি অফিসের সহযোগিতা ও নির্দেশনায় ধান ব্রি-১০৭ বপন করি। এ ধান চাষাবাদ করে আমি অধিক ফলন পেয়ে লাভবান হয়েছি। আগামী বছর অনেক কৃষকই এ জাতের ধান লাগানোর পরিকল্পনা নিয়েছেন।’</p>
<p>কোটালীপাড়া উপজেলার উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মনোজ কুমার মৃধা বলেন, এ জাতের ধান আবাদ সম্প্রসারণে কাজ করবে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। এতে দেশ খাদ্যে আরও স্বয়ংসম্পূর্ণ হবে।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বাংলাদেশের মৎস্যখাতে প্রযুক্তি সহায়তায় আগ্রহী কোরিয়া</title>
<link>https://digibanglatech.news/153017</link>
<guid>https://digibanglatech.news/153017</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202504/image_870x580_6808d51945bc4.jpg" length="74844" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 23 Apr 2025 15:53:37 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span>বাংলাদেশের মৎস্যখাতে প্রযুক্তিগত গবেষণা সহযোগিতার ক্ষেত্রে একটি সমঝোতা স্মারক সইয়ের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন কোরিয়া প্রজাতন্ত্রের মৎস্যবিষয়ক ভাইস মিনিস্টার এবং জাতীয় মৎস্য বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের প্রেসিডেন্ট চোল ইয়ং সি। দেশটির বন্দরনগরী বুসানে বাংলাদেশের সফররত মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতারের সঙ্গে বৈঠকে এই আগ্রহ প্রকাশ করেন তিনি। </span></p>
<p><span>চোল ইয়ং সি বলেন, দক্ষিণ কোরিয়া সরকার মৎস্যখাতে বাংলাদেশের সাথে দ্বি-পাক্ষিক সহযোগিতা বৃদ্ধির উপায় খুঁজে বের করবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, আলোচনার ক্ষেত্রগুলোতে পারস্পরিক বোঝাপড়া এবং আরও সহযোগিতার বিকাশ উভয়পক্ষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।  </span></p>
<p><span>তিনি আরও বলেন, দক্ষিণ কোরিয়া ইতোমধ্যেই অবৈধ মাছ ধরার পাশাপাশি গভীর সমুদ্রে টুনা মাছ ধরার ট্র্যাকিংয়ের অত্যাধুনিক ব্যবস্থা উদ্ভাবন করেছে। নির্দিষ্ট প্রস্তাবের ভিত্তিতে এই ক্ষেত্রগুলোতে বাংলাদেশকে কোরিয়া সহযোগিতা করতে পারে। প্রযুক্তিগত গবেষণা সহযোগিতার ক্ষেত্রে আমাদের দুই দেশের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক সই করা যেতে পারে।  </span></p>
<p><span>কোরিয়া প্রজাতন্ত্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তৌফিক ইসলাম শাতিলের উপস্থিতিতে এই বৈঠকে উপদেষ্টা ছাড়াও বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলে উপস্থিত ছিলেন-  বিএফডিসির চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত সচিব) সুরাইয়া আখতার জাহান, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. আব্দুর রউফ এবং বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটর (বিএফআরআই)  মহাপরিচালক ড. অনুরাধা ভদ্র।</span></p>
<p><span>বৈঠকে ফরিদা আখতার বাংলাদেশের </span>সামুদ্রিক মৎস্য এবং এ সম্পর্কিত প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন, মেরিকালচার ও গভীর সমুদ্রে মাছ ধরার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অপার সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন। <span>মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত বৈঠকে </span>মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা গভীর সমুদ্রে অবৈধ মাছ ধরার বিরুদ্ধে নজরদারি জোরদার, গভীর সমুদ্রে টুনা মাছ ধরায় সক্ষমতা অর্জন, সামুদ্রিক সম্পদের মজুদ নির্ণয়ে সহায়তা, সামুদ্রিক মৎস্য গবেষণায় সক্ষমতা বৃদ্ধি, গবেষকদের জন্য দক্ষিণ কোরিয়ায় অধ্যয়নের সুযোগ প্রদান, মূল্য সংযোজন পণ্য উন্নয়ন এবং খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ প্ল্যান্ট উন্নয়নের মাধ্যমে মৎস্য পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে দক্ষিণ কোরিয়ার সহযোগিতা কামনা করেন।  </p>
<p>দ্বি-পাক্ষিক আলোচনায় উপদেষ্টা ফরিদা আখতার কোরিয়ান মন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, বাংলদেশ সরকার সাধারণ মানুষের আমিষ চাহিদা পূরণে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি জানতে পেরেছেন যে, কোরিয়ান সরকার তার জনগণকে ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে মাছের যোগান দেওয়ার জন্য নানা পদক্ষেপে নিয়েছে। উভয় দেশেরই কমন ও বৈশ্বিক অনেক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হচ্ছে। এর মধ্যে জলবায়ু পরিবর্তন, সমুদ্রে দূষণ, আইইউই ফিসিং, অধিক মৎস্য আহরণ, অবৈধ ফিসিং গিয়ার ব্যবহার বিশেষভাবে উল্লেখ্য।</p>
<p>উপদেষ্টা এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশ ও কোরিয়া প্রজাতন্ত্র একত্রে কাজ করতে পারে মর্মে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এজন্য উভয় দেশের সরকার ও প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে প্রয়োজনীয় সমঝোতা স্মারক সই করা যেতে পারে মর্মে উপদেষ্টা প্রস্তাব করেন।</p>
<p>কোরিয়ার ভাইস মিনিস্টার প্রস্তাবের সঙ্গে একমত পোষণ করে বলেন, মৎস্যখাতে বাংলাদেশের প্রচুর সম্ভাবনা রয়েছে। ভাইস মিনিস্টার আশ্বস্ত করেন, দক্ষিণ কোরিয়া সরকার মৎস্যখাতে বাংলাদেশের সাথে দ্বি-পাক্ষিক সহযোগিতা বৃদ্ধির উপায় খুঁজে বের করবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, আলোচনার ক্ষেত্রগুলোতে পারস্পরিক বোঝাপড়া এবং আরও সহযোগিতার বিকাশ উভয়পক্ষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।  </p>
<p>সফরকালে উপদেষ্টা এরই মধ্যে কোরিয়া মেরিটাইম ইনস্টিটিউটের (কেএমআই) সভাপতি, কোরিয়ান ফিশারিজ রিসোর্সেস এজেন্সির (এফআইআরএ) সভাপতি, পুকিয়ং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন, কোরিয়া ফিশারিজ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতিসহ অন্যান্যদের সাথেও দ্বি-পাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হয়েছেন। এছাড়াও বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল বুসান ফিস প্রসেসিং এবং এক্সপোর্ট সেন্টার গংসু ফিস ভিলেজ পরিদর্শন ও প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মকর্তাদের সঙ্গে অভিজ্ঞতা বিনিময় করেন।  </p>
<p><span> </span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>৮ দফা দাবিতে কৃষি প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের  ‘অ্যাগ্রি ব্লকেড’</title>
<link>https://digibanglatech.news/152927</link>
<guid>https://digibanglatech.news/152927</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202504/image_870x580_6805e20c329c6.jpg" length="101303" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 21 Apr 2025 11:13:18 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>উচ্চশিক্ষার সুযোগসহ আট দফা দাবিতে ঢাকার খামারবাড়িতে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সব গেট বন্ধ করে পূর্ব ঘোষিত ‘অ্যাগ্রি ব্লকেড’ কর্মসূচি পালন করছেন কৃষি প্রকৌশল তথা ডিপ্লোমা শিক্ষার্থীরা। বাইরে <span>রাস্তায় পুলিশ ও সেনা সদস্যদের সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। </span></p>
<p class="rtejustify">সোমবার সকাল থেকে খামারবাড়ি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সামনে কৃষি ডিপ্লোমা ছাত্র অধিকার আন্দোলনের ব্যানারে বিক্ষোভ করতে দেখা যায় শিক্ষার্থীদের। <span> ‘কৃষি ডিপ্লোমা ছাত্র অধিকার আন্দোলন’-এর ব্যানারে </span>কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থী আসাদুজ্জামান আবিদ বলেন, সকাল ৯টা থেকে তারা প্রায় ২ হাজার শিক্ষার্থী দাবি আদায়ের জন্য অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন।  <span>দেশে সরকারি ১৮টি কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট এবং ২৬০টি বেসরকারি কৃষি কলেজে চার বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা কোর্সে প্রায় ২৫ হাজার শিক্ষার্থী আছেন। এ শিক্ষার্থীরা কর্মক্ষেত্রে উচ্চশিক্ষা ও সুযোগ-সুবিধায় বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন ।</span></p>
<p>আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো হলো, ডিপ্লোমা কৃষিবিদদের পাবলিক কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের সুযোগ দিতে হবে। উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাকে দ্বিতীয় শ্রেণির কর্মচারী হিসেবে গেজেট করে প্রজ্ঞাপন জারি করতে হবে এবং প্রতিবছর নিয়োগের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হবে। কৃষি ডিপ্লোমা শিক্ষার মান উন্নয়নের জন্য শিক্ষকসংকট দূর করতে হবে। </p>
<div id="content-details">
<p>এছাড়া, কৃষি ডিপ্লোমা শিক্ষাকে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) অধীন থেকে বের করে সম্পূর্ণভাবে কৃষি মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠা, সব কৃষি গবেষণাপ্রতিষ্ঠানে সহকারী বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা পদটি শুধু ডিপ্লোমা কৃষিবিদদের জন্য সংরক্ষিত করা, ডিপ্লোমা কৃষিবিদদের বেসরকারি চাকরির ক্ষেত্রে ন্যূনতম দশম গ্রেডের পে-স্কেলে বেতন প্রদান, কৃষি ডিপ্লোমা শিক্ষার্থীদের মাঠ সংযুক্তি ভাতা প্রদান এবং উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের চাকরিতে প্রবেশের পর ছয় মাসের ফাউন্ডেশন ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করার দাবি জানান তারা।</p>
<p></p>
</div>
<div class="adv-img text-center d-print-none">
<div id="div-gpt-ad-2189815-8" class="text-center" data-google-query-id="CLKC8ei66IwDFQAagwMdS58BCQ"></div>
</div>
<p class="rtejustify"></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ফলের মাছি পোকা দমনে বাকৃবি গবেষকের নতুন প্রযুক্তি</title>
<link>https://digibanglatech.news/152912</link>
<guid>https://digibanglatech.news/152912</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202504/image_870x580_6804fd9c6d91e.jpg" length="113070" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 20 Apr 2025 17:58:30 +0600</pubDate>
<dc:creator>ক্যাম্পাস করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>মাছি একটি বিশেষ ধরনের পোকা, যা সারা বিশ্বের হর্টিকালচার ইন্ডাস্ট্রির বিকাশে অন্যতম প্রতিবন্ধকতা। মাছি পোকার সংক্রমণের কারণে বাংলাদেশের আমসহ বিভিন্ন ফল ইউরোপ ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানিতে সমস্যা হয়। কারণ অনেক দেশ এই পোকাকে ‘কোয়ারেন্টাইন পেস্ট’ হিসেবে বিবেচনা করে।</p>
<p>এ মাছি পোকা দমনের জন্য বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) কীটতত্ত্ববিদ ও গবেষক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবুল মঞ্জুর খান একটি নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছেন। নতুন এ প্রযুক্তির নাম দেওয়া হয়েছে ‘ফ্রুট ফ্লাই ট্র্যাপ’। </p>
<p>বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মাছি পোকা দমনে নানান পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। উদাহরণস্বরূপ- অস্ট্রেলিয়া এবং আমেরিকায় মাছি পোকা দমনের জন্য ‘মাসট্র্যাপিং পদ্ধতি’ ব্যবহৃত হয়, যেখানে বিশেষ ধরনের ট্র্যাপে পুরুষ পোকা আকৃষ্ট করে ধ্বংস করা হয়। ফলে স্ত্রী পোকাগুলো প্রজনন করতে পারে না এবং ধীরে ধীরে এদের সংখ্যা হ্রাস পায়। বাংলাদেশে প্রচলিত ট্র্যাপের মধ্যে সাধারণত লিউর এবং সাবান-পানি ব্যবহৃত হয়, যার কার্যকারিতা বজায় রাখতে নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202504/image_870x_6804fd9d2d289.jpg" alt="" width="1029" height="603"></p>
<p>ড. মঞ্জুর খান তার গবেষণায় দেখেছেন, প্রচলিত পদ্ধতির পরিবর্তে নতুন উদ্ভাবিত ট্র্যাপ ব্যবহার করা গেলে অধিক কার্যকর ফলাফল পাওয়া যাবে। তার উদ্ভাবিত ট্র্যাপের মূল বৈশিষ্ট্য হলো- এতে মাছি পোকা মারার জন্য কোনো রাসায়নিক উপাদান (কীটনাশক) বা পানি ব্যবহার করার প্রয়োজন হয় না। লিউর কর্তৃক আকৃষ্ট হয়ে বিভিন্ন প্রজাতির মাছি পোকা খুব সহজেই উদ্ভাবিত ট্র্যাপে প্রবেশ করতে পারে কিন্তু ট্র্যাপের বিশেষ গঠন শৈলীর কারণে পোকাগুলো একবার ট্র্যাপে প্রবেশ করলে আর বের হতে পারে না। ফলে পোকাগুলো ওই ট্র্যাপের ভেতরে আটকে পড়ে মারা যায়।</p>
<p>গবেষক ড. মঞ্জুর খান জানান, এই ট্র্যাপের বাণিজ্যিক উৎপাদনের মাধ্যমে কৃষকদের কাছে সহজলভ্য করা সম্ভব হবে। এতে করে তাদের কম কীটনাশক ব্যবহারে উৎপাদন ব্যয় কমবে এবং ফসলের গুণগত মান বজায় থাকার পাশাপাশি পরিবেশ রক্ষা পাবে। এটি প্রযুক্তি কুমড়া, লাউ, করলা, তরমুজ, বাঙ্গি, আম, পেয়ারা এবং ড্রাগন ফলসহ বিভিন্ন ফসলে সফলভাবে প্রয়োগ করা সম্ভব।</p>
<div id="content-details">
<p>তিনি আরো জানান, এই ট্র্যাপের উৎপাদন এবং কৃষকের নিকট পৌঁছে দিতে সর্বমোট ৫০ টাকার মতো ব্যয় হতে পারে, যা খুবই সাশ্রয়ী এবং কৃষকদের কাছে বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহারের সুযোগ তৈরি করবে। এই ট্র্যাপ এতটাই টেকসই যে, একবার কিনলে জমিতে কমপক্ষে ৫ বছর পর্যন্ত ব্যবহার করা যাবে। শুধু ট্র্যাপের ভেতরের লিউর পরিবর্তন করতে হবে।</p>
<p>গবেষকের দাবি, অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায় অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) একটি সম্মেলনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আগত বিশেষজ্ঞদের সামনে এই ট্র্যাপের কার্যকারিতা তুলে ধরা হয়। তারা এ উদ্ভাবনের প্রশংসা করেন। এই ট্র্যাপের বিশেষত্ব হলো এর ভেতরে থাকা লিউর দীর্ঘদিন ধরে কার্যকর থাকে এবং প্রচলিত পদ্ধতির তুলনায় বেশি সুবিধাজনক। তবে এর পেটেন্ট এবং প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি নিশ্চিত করা প্রয়োজন, যাতে এটি বৃহৎ পরিসরে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন করা যায়।</p>
<div class="adv-img text-center d-print-none">
<div id="div-gpt-ad-1629095765760-0" class="text-center" data-google-query-id="CNOPhOfh5owDFbiPrAIdHFwMCA">
<div id="google_ads_iframe_/401241791/Native-Type-ads_0__container__"></div>
</div>
</div>
<p>এ উদ্ভাবন বাংলাদেশের কৃষি ক্ষেত্রে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারে এবং মাছি পোকার কারণে আমসহ অন্যান্য ফল রপ্তানির প্রতিবন্ধকতা কমিয়ে আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে দাবি তারা।</p>
<p>অধ্যাপক ড. মঞ্জুর খান ২০১৭ সালে অস্ট্রেলিয়া থেকে ফিরে এ গবেষণা শুরু করেন এবং ২০২০ সালে এ প্রযুক্তি উদ্ভাবনে চূড়ান্ত সফলতা অর্জন করেন। উদ্ভাবিত ট্র্যাপ ব্যবহার করে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের অর্থায়নে নিরাপদ আম উৎপাদনে অধিকতর গবেষণা চলমান রয়েছে।</p>
<div class="adv-img text-center d-print-none"></div>
<p></p>
<p></p>
</div>
<div class="adv-img text-center d-print-none">
<div id="div-gpt-ad-2189815-8" class="text-center" data-google-query-id="CM6PhOfh5owDFbiPrAIdHFwMCA"></div>
</div>
<div class="adv-img text-center d-print-none">
<div id="div-gpt-ad-1684647258213-0" data-google-query-id="CM2PhOfh5owDFbiPrAIdHFwMCA"></div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>গুচ্ছের ওয়েবসাইটে কৃষিতে ভর্তির ফল প্রকাশ</title>
<link>https://digibanglatech.news/152762</link>
<guid>https://digibanglatech.news/152762</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202504/image_870x580_67fef482e9639.jpg" length="103929" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 16 Apr 2025 00:07:15 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ওয়েব সাইটে কৃষি গুচ্ছভুক্ত ৯টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। ফল জানতে কৃষি গুচ্ছের ভর্তিবিষয়ক <strong><a href="https://acas.edu.bd/">ওয়েবসাইটে</a></strong> গিয়ে সাইন ইন পৃষ্ঠায় নিজের পিন নম্বর ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করতে হবে। এরপর ড্যাশবোর্ডে ‘ফলাফল’ অপশনটি নির্বাচন করলেই ফলাফল দেখা যাবে। সেই সঙ্গে ফলাফলপত্রটিও ডাউনলোড বা প্রিন্ট করা যাবে।</p>
<p>প্রকাশিত ফল অনুযায়ী, মেধাতালিকায় উর্ত্তীণ হয়েছেন ৩ হাজার ৮৬৩ জন ভর্তিচ্ছু। মেধাতালিকার ফল কৃষি গুচ্ছভুক্ত ভর্তি পরীক্ষার ওয়েবসাইটে দেখা যাচ্ছে।</p>
<p>মঙ্গলবার (১৫ এপ্রিল) রাত ১০টার পর এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ তথ্য জানান বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া। এসময় তিনি বলেন, এবারের ভর্তি পরীক্ষায় সর্বোচ্চ নম্বর উঠেছে ৮৪ দশমিক ২৫। সর্বনিম্ন নম্বর উঠেছে ৪৪ দশমিক ৫। জিপিএর মার্কসসহ সর্বোচ্চ নম্বর উঠেছে ১২৯ দশমিক ৭৭। ১ হাজার টাকা জমাদানের মাধ্যমে ভর্তি পরীক্ষার ফল পুনঃনিরীক্ষণের জন্য আবেদন করা যাবে ১৬ এপ্রিল থেকে ১৭ এপ্রিল পর্যন্ত।</p>
<p>এবারের ভর্তি পরীক্ষায় সারা দেশে মোট ৩ হাজার ৮৬৩টি আসনের বিপরীতে আবেদন করেন ৯৪ হাজার ২০ জন শিক্ষার্থী। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়সহ ৯টি কেন্দ্র ও ১৩টি উপকেন্দ্রে একযোগে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।</p>
<p> প্রসঙ্গত, বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক আসনসংখ্যা হলোবাকৃবিতে ১১১৬, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪৩৫, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৭০৫। এছাড়া চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৭৫, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫৮০, খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৫০, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪২৩, হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৯৯ ও কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৮০টি আসন রয়েছে।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>পরিবেশবান্ধব বীজ প্রযুক্তি উন্নয়নে নেদারল্যান্ডের সঙ্গে চুক্তি সই</title>
<link>https://digibanglatech.news/152596</link>
<guid>https://digibanglatech.news/152596</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202504/image_870x580_67f87523f3047.jpg" length="104071" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 10 Apr 2025 22:25:00 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>পরিবেশবান্ধব বীজ প্রযুক্তি উন্নয়নে নেদারল্যান্ডের প্রতিষ্ঠান সিডএনএলের সঙ্গে চুক্তি সই বাংলাদেশ সিড অ্যাসোসিয়েশন। এছাড়াও নেদারল্যান্ডের গ্রিন হাউস ডেল্টা কোম্পানি ও বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠান এসিআই লিমিটেডের মধ্যে একটি এমওইউ স্বাক্ষরিত হয় গাজীপুরের মৌনায় ২০ হাজার বর্গফুটের একটি গ্রিনহাউস স্থাপনের জন্য।</p>
<p>বিনিয়োগ সম্মেলনের শেষ দিন বৃহস্পতিবার (১০ এপ্রিল) রাজধানীর অনুষ্ঠিত 'কৃষি ও কৃষি প্রক্রিয়াকরণ' সেমিনার শেষে এই চুক্তি দুটি সম্পাদিত হয়েছে। বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই সেমিনারে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশ (ইউরোচেম)-এর নুরিয়া লোপেজ বলেন, এ দেশের উর্বর মাটি, অনুকূল জলবায়ু ও শক্তিশালী গ্রামীণ ভিত্তি রয়েছে। যা কৃষিখাতে বিনিয়োগ ও ফসলের প্রক্রিয়াকরণের জন্য একটি সম্ভাবনাময় জায়গায় পরিণত করবে।</p>
<p>সেশনের মূল প্রবন্ধে চীন, আসিয়ান ও মধ্যপ্রাচ্যের মধ্যে থাকায় বাংলাদেশ থেকে ৩০০ কোটিরও বেশি ভোক্তার সাথে সরাসরি বাণিজ্য সম্ভব বলে মন্তব্য করেন বিডার আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ প্রমোশনের পরিচালক আরিফুল হক। তিনি জানান, বাংলাদেশের বন্দরগুলোর উন্নয়নে নানা প্রকল্প চলমান। এ কাজগুলো সম্পন্ন হলে রপ্তানির জন্য পরিবহনের সময় এক-তৃতীয়াংশ কমানো সম্ভব। বাংলাদেশে ইইউ ও চীনে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার রয়েছে। আগামী পাঁচ বছর ৭ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি ধরে রাখার সক্ষমতা আছে আমাদের। যে কারণে এ দেশ বিনিয়োগের জন্য ভালো।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>আরএএস প্রযুক্তিতে মাছ চাষ নিয়ে সভা করলো অগিলে রিসোর্সেস</title>
<link>https://digibanglatech.news/151810</link>
<guid>https://digibanglatech.news/151810</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202503/image_870x580_67cab04a17b14.jpg" length="70906" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 06 Mar 2025 23:37:40 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span>অ্যাকুয়া প্রযুক্তির রিসার্কুলেটিং অ্যাকোয়াকালচার সিস্টেমে (RAS) প্রচলিত খামারের তুলনায় মাত্র দুই শতাংশ জমিতে সম পরিমানের সুস্বাদু মাস উৎপাদনের  করা যায়। এই প্রযুক্তিতে নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে ভূগ্ভর্স্থ পানি ব্যবহার করে মাছ চাষের পাশাপাশি গ্রিনহাউস পদ্ধতিতে একইসঙ্গে শাক-সব্জিও চাষ করা যায়। এই চাষাবাদ পদ্ধতিতে প্রতিদিন যে পরিমাণ পানি ও কার্বনডাই অক্সাইড নির্গত হয় তা গ্রিন হাউসে সরবারহ করে পুরো প্রক্রিয়াটিকে শতভাগ দূষণমুক্ত রাখে। </span></p>
<p><span>বৃহস্পতিবার গুলশানের এল আর ভিলা কনকর্ড হাউসের অগিলে রিসোর্সেস (Agile Resources)  ইনকরপোরেশন কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় এমনটাই তুলে ধরেন বক্তারা। আরএএস প্রযুক্তিতে মাছ চাষের প্রকল্প বিষয়ে বাংলদেশে এই শিল্পের সম্ভাবনা ও সর্বশেষ অগ্রগতি নিয়ে অনুষ্ঠিত এই সভায় উপস্থিত ছিলেন নরওয়ের আরএএস প্রযুক্তি ও নলেজ শেয়ারিং প্রতিষ্ঠান নোরাস ওয়াটারটেক এএস (NORAS Watertech AS)।   </span></p>
<p><span>অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন নরওয়ের ডেপুটি হেড অব মিশন মারিয়ান রাবে নায়েভেলসরুড (Marianne Rabe Knaevelsrud)। তিনি বাংলাদেশে এই প্রযুক্তি সংশ্লেষে  ঢাকাস্থ নরওয়ের দূতাবাসের পক্ষ থেকে সব ধরণের সহযোগিতার আশ্বাস দেন৷ অন্যান্যের মধ্যে নরওয়েজিয়ান দূতাবাসের ইকোনমিক অ্যাফেয়ার্স ও ট্রেড অ্যাডভাইজর সাইয়েদ মুনতাসির বাইজিদ, অগিলে রিসোর্সেস ইন করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী প্রমুখ।  </span></p>
<p><span>আলোচনা সভার সঞ্চালক ও প্রধান অতিথি ছিলেন অগিলে রিসোর্সেস প্রতিষ্ঠাতা প্রধার্ন নির্বাহী কর্মকর্তা কামরুজ্জামান খান সোহেল (Quamruzzaman Khan Sohel)। সভায় আগ্রহী উদ্যোক্তাদের মধ্যে চট্টগ্রামের হোটেল আগ্রাবাদের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হাকিম আলী, শামসুজ্জামান খান, চেয়ারম্যান,  এ. কে. খান অ্যান্ড কোং লিমিটেডের চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান খান, বিচ হ্যচারী লিমিটেডের প্রতিনিধি প্রমুখ। </span></p>
<p><span></span></p>
<p><span>  </span></p>]]> </content:encoded>
</item>

</channel>
</rss>