<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
     xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
     xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
     xmlns:admin="http://webns.net/mvcb/"
     xmlns:rdf="http://www.w3.org/1999/02/22-rdf-syntax-ns#"
     xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
     xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/">
<channel>
<title>Digi Bangla &#45; : এগ্রিটেক</title>
<link>https://digibanglatech.news/rss/category/এগ্রিটেক</link>
<description>Digi Bangla &#45; : এগ্রিটেক</description>
<dc:language>en</dc:language>
<dc:rights>নিবন্ধন নং &#45; ২৩৩ &amp;lt;br /&amp;gt;প্রকাশক: সাইফুল ইসলাম সিদ্দিক &amp;lt;/br&amp;gt;  নির্বাহী সম্পাদক: এস এম ইমদাদুল হক &amp;lt;/br&amp;gt; সম্পাদকীয় কার্যালয়: সড়ক ২৯, বাড়ি ২/ই (গুলশান লেক প্যালেস), সি&#45;২, গুলশান&#45;১, ঢাকা&#45;১২১২, বাংলাদেশ।  &amp;lt;/br&amp;gt;ফোন: ০৯৬৩৯&#45;৩৩৩৫৫৫, ইমেইল: press@digibanglatech.news   &amp;lt;/br&amp;gt; © স্বত্ব ডিজিটাল বাংলা মিডিয়া লিমিটেড ২০১৯&#45;২০২৬</dc:rights>

<item>
<title>বাউরেসের নতুন পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. আবুল হাশেম</title>
<link>https://digibanglatech.news/190841</link>
<guid>https://digibanglatech.news/190841</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;3,0,0&quot;&gt;বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় রিসার্চ সিস্টেমের (বাউরেস) নতুন পরিচালক হিসেবে এনিমেল সায়েন্স বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আবুল হাশেম মনোনীত&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;3,1,0&quot;&gt;পূর্ববর্তী পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. সামছুল আলম ভূঁঞার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তাকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;3,2,0&quot;&gt;আগামী দুই বছরের জন্য দায়িত্ব পাওয়া ড. হাশেম বাংলাদেশ এনিম্যাল হাজবেন্ড্রি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি পদেও রয়েছেন&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6ab4f2859aff3.jpg" length="57159" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 24 Sep 2026 14:11:28 +0600</pubDate>
<dc:creator>ক্যাম্পাস করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>বাউরেস, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ড. মো. আবুল হাশেম, ড. মো. সামছুল আলম ভূঁঞা, ময়মনসিংহ</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="6">বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় রিসার্চ সিস্টেমের (বাউরেস) নতুন পরিচালক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের এনিমেল সায়েন্স বিভাগের জ্যেষ্ঠ অধ্যাপক ড. মো. আবুল হাশেম। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ ড. মো. হেলাল উদ্দীন স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশের মাধ্যমে এই তথ্য জানানো হয়।</p>
<p data-path-to-node="7">আদেশ সূত্রে জানা যায়, এনিমেল ব্রিডিং অ্যান্ড জেনেটিক্স বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. সামছুল আলম ভূঁঞাকে বাউরেসের পরিচালকের পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। তার নিজ আবেদনের ভিত্তিতে ২৪ সেপ্টেম্বর পূর্বাহ্ন থেকেই এই অব্যাহতি কার্যকর করা হয় এবং একই সাথে অধ্যাপক ড. মো. আবুল হাশেমকে পরবর্তী দুই বছরের জন্য নতুন পরিচালকের দায়িত্বে অধিষ্ঠিত করা হয়েছে। দায়িত্ব পালনকালে তিনি নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারিত ভাতা প্রাপ্য হবেন।</p>
<p data-path-to-node="8">নবাগত পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. আবুল হাশেম বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও গবেষণামূলক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি বর্তমানে বাংলাদেশ এনিম্যাল হাজবেন্ড্রি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।</p>
<p data-path-to-node="9">প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা, গবেষণা প্রকল্প সমন্বয়, অর্থায়ন ও সার্বিক ব্যবস্থাপনায় 'বাউরেস' প্রধান নিয়ন্ত্রক ভূমিকা পালন করে থাকে। </p>
<p data-path-to-node="9" style="text-align: center;">//<strong><span style="color: rgb(52, 73, 94);">ডিবিটেক</span>/আরাফাত হোসাইন/<span style="color: rgb(52, 73, 94);">এসএমই</span>/<span style="color: rgb(52, 73, 94);">এমআইএসটি</span>/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>জলবায়ু বদলে বদলাতে পারে খাদ্যাভ্যাস</title>
<link>https://digibanglatech.news/190470</link>
<guid>https://digibanglatech.news/190470</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li&gt;&lt;span&gt;জলবায়ু চাপ কৃষি উৎপাদন ও খাদ্যপ্রাপ্যতায় প্রভাব ফেলতে পারে&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;li&gt;&lt;span&gt;খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তনে অপুষ্টি ও অতিপুষ্টির ঝুঁকি তৈরি হতে পারে&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;li&gt;&lt;span&gt;বাংলাদেশে প্রথমবার জলবায়ু-পুষ্টি-হৃদ্‌স্বাস্থ্য সম্পর্কের মানচিত্র তৈরি&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6ab01f1e9d4b3.jpg" length="120039" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 20 Sep 2026 18:00:28 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>জলবায়ু পরিবর্তন, খাদ্যাভ্যাস, পুষ্টি, হৃদ্‌রোগ, ডায়াবেটিস, কৃষি, খাদ্যনিরাপত্তা, সিমিট, বৈজ্ঞানিক গবেষণা</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="isSelectedEnd"><span>জলবায়ু পরিবর্তনের চাপে কৃষি উৎপাদন ও খাদ্যপ্রাপ্যতায় পরিবর্তন এলে পরিবারের খাদ্যাভ্যাসেও প্রভাব পড়তে পারে। আর সেই পরিবর্তনের সঙ্গে অপুষ্টি, অতিপুষ্টি, ডায়াবেটিস ও হৃদ্‌রোগের মতো বিপাকীয় ও হৃদ্‌সংক্রান্ত রোগের ঝুঁকির সম্পর্ক থাকতে পারে বলে জানিয়েছেন গবেষকেরা।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, রোববার ঢাকায় আয়োজিত এক কর্মশালায় জলবায়ু পরিবর্তন, কৃষি, পারিবারিক খাদ্য নির্বাচন, পুষ্টি এবং বিপাকীয় ও হৃদ্‌সংক্রান্ত রোগের মধ্যকার সম্ভাব্য সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা হয়। আন্তর্জাতিক ভুট্টা ও গম উন্নয়ন কেন্দ্র (সিমিট) কর্মশালাটির আয়োজন করে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>কর্মশালায় বিভিন্ন খাতের জ্ঞানকে একত্র করে একটি বিষয়ের সঙ্গে অন্য বিষয়ের সম্ভাব্য সম্পর্ক চিহ্নিত করার পদ্ধতি ‘ফাজি কগনিটিভ ম্যাপিং’ ব্যবহার করা হয়। আয়োজকদের ভাষ্য, বাংলাদেশে জলবায়ু, পুষ্টি ও বিপাকীয়-হৃদ্‌স্বাস্থ্যের পারস্পরিক সংযোগ বিশ্লেষণে এই পদ্ধতির এটিই প্রথম প্রয়োগ।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>‘বাংলাদেশে পুষ্টি ও বিপাকীয়-হৃদ্‌সংক্রান্ত রোগে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব: নীতিগত পদক্ষেপে গতি আনা’ প্রকল্পের অংশ হিসেবে কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়। ওয়েলকাম ট্রাস্টের জলবায়ু প্রভাব পুরস্কারের অর্থায়নে পরিচালিত প্রকল্পটির মেয়াদ ২০২৬ সালের মার্চ থেকে ২০২৯ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>আন্তর্জাতিক ভুট্টা ও গম উন্নয়ন কেন্দ্রের গ্রহণ, সম্প্রসারণ ও উদ্ভাবন ব্যবস্থা বিষয়ক বিজ্ঞানী ড. শ্রীজিত অরবিন্দাক্ষণ কর্মশালায় ফাজি কগনিটিভ ম্যাপিং পদ্ধতিটি উপস্থাপন করেন। প্রকল্পের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্র্যাক জেমস পি গ্র্যান্ট স্কুল অব পাবলিক হেলথের অধ্যাপক মালয় কান্তি মৃধা এবং যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ক্যারোলাইনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. কায়লা কনরস।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>অংশগ্রহণকারীরা আলোচনা করেন, জলবায়ুজনিত কারণে কৃষি উৎপাদনে ক্ষতি হলে খাদ্যের প্রাপ্যতা ও পরিবারের খাদ্যাভ্যাস কীভাবে বদলাতে পারে। মাছনির্ভর খাদ্যাভ্যাস, নিরাপদ পানীয় জল এবং খাদ্য ও পানীয় নির্বাচনের ওপর সম্ভাব্য প্রভাব নিয়েও আলোচনা হয়।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. সোহেল রেজা চৌধুরী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে পারিবারিক পুষ্টিতে যে প্রভাব পড়বে, তা একেক পরিবারের ক্ষেত্রে একেক রকম হতে পারে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>অধ্যাপক মৃধা জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে একই সঙ্গে অপুষ্টি ও অতিপুষ্টি—দুই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>মৎস্য অধিদপ্তরের ড. সুবর্ণা ফেরদৌস বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে মাছের বৈচিত্র্য ও মাছ চাষ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এতে প্রোটিনের গুরুত্বপূর্ণ উৎস হিসেবে মাছের প্রাপ্যতা কমে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>কর্মশালায় পরিবারের জন্য ঠান্ডা পানীয় জলের সুযোগ বাড়ানো, কৃষি ও বনজ উদ্ভিদের সমন্বিত চাষ এবং পুষ্টি শিক্ষা জোরদারের মতো অভিযোজনমূলক পদক্ষেপ নিয়েও আলোচনা হয়।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>গবেষকেরা জানান, কর্মশালায় তৈরি মানচিত্র সম্ভাব্য প্রভাবের পথ ও ভবিষ্যৎ গবেষণার অগ্রাধিকার নির্ধারণে ব্যবহার করা হবে। তবে এসব মানচিত্র অংশগ্রহণকারীদের মূল্যায়ন তুলে ধরে; এগুলো কোনো কারণ-ফল সম্পর্ক প্রমাণ করে না এবং ভবিষ্যতে রোগের হার কত হবে, তার পূর্বাভাসও দেয় না।</span></p>
<p>প্রকল্পটির যৌথ নেতৃত্বে রয়েছেন নর্থ ক্যারোলাইনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক লিন্ডসে স্মিথ টেইলি এবং অধ্যাপক মৃধা। বাস্তবায়নকারী অংশীদারদের মধ্যে রয়েছে আন্তর্জাতিক ভুট্টা ও গম উন্নয়ন কেন্দ্র এবং ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশ।<br>/<strong>/ডিবিটেক/ এবিএম/বিপিও/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বাকৃবিতে মাৎস্যবিজ্ঞানে চারজন পেলেন ডিনস মেরিট অ্যাওয়ার্ড</title>
<link>https://digibanglatech.news/189950</link>
<guid>https://digibanglatech.news/189950</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6aa975f756acf.jpg" length="464099" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 15 Sep 2026 18:46:02 +0600</pubDate>
<dc:creator>ক্যাম্পাস করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, বাকৃবি, মাৎস্যবিজ্ঞান, ডিনস মেরিট অ্যাওয়ার্ড, ইন্টার্নশিপ, মৎস্য খাত, শিক্ষার্থী, রফিকুল ইসলাম সরদার, কৃষি শিক্ষা</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="isSelectedEnd"><span>মৎস্যবিজ্ঞান ও ব্যবহারিক দক্ষতায় শিক্ষার্থীদের অগ্রগতির স্বীকৃতি হিসেবে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের চার মেধাবী শিক্ষার্থীকে ‘ডিনস মেরিট অ্যাওয়ার্ড-২০২৬’ দেওয়া হয়েছে। একই অনুষ্ঠানে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের ১০৮ শিক্ষার্থীকে ইন্টার্নশিপের সনদ দেওয়া হয়।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>১৫ সেপ্টেম্বর, মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ নজরুল ইসলাম সম্মেলনকক্ষে মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের আয়োজনে এসব কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার। বিশেষ অতিথি ছিলেন ডিন কাউন্সিলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. বাহানুর রহমান, মৎস্য অধিদপ্তরের ময়মনসিংহ বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক নৃপেন্দ্র নাথ বিশ্বাস, বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক (গবেষণা ও পরিকল্পনা) ড. মো. আমিরুল ইসলাম এবং ওয়ার্ল্ডফিশ বাংলাদেশের কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ ড. ফারুক-উল-ইসলাম।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আলী রেজা ফারুকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন নাফিস তাসনিম বিনতি ও সালমান শাহরিয়ার অর্ণব। স্বাগত বক্তব্য দেন ইন্টার্নশিপ ম্যানেজমেন্ট সেলের (আইএমসি) সমন্বয়ক অধ্যাপক ড. জোয়ার্দার ফারুক আহমেদ।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>অনুষ্ঠানে সম্পন্ন হওয়া ইন্টার্নশিপ কার্যক্রমের ওপর উপস্থাপনা করেন ফিশারিজ ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. আল ইমরান। পরে ইন্টার্নশিপ সম্পন্নকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে সনদ এবং মেধাবী শিক্ষার্থীদের মধ্যে ডিনস মেরিট অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয়। এ সময় দুজন শিক্ষার্থী তাঁদের ইন্টার্নশিপের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।</span></p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x_6aa975f881e71.jpg" alt=""></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার ইন্টার্নশিপ সম্পন্নকারী শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, দুই বছর আগে মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের ডিন হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তাঁর উদ্যোগে অনুষদে ইন্টার্নশিপ কার্যক্রম চালু করা হয়।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>তিনি বলেন, মানুষের পুষ্টির চাহিদা পূরণে আগামী দিনে মৎস্য খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এ জন্য বাকৃবির মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের পাঠ্যক্রম আরও আধুনিক করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>শিক্ষার্থীরা মেধা, দক্ষতা, সততা ও পরিশ্রমের মাধ্যমে দেশ-বিদেশে সুনামের সঙ্গে কাজ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল করবেন বলেও আশা প্রকাশ করেন উপাচার্য।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মো. আলী রেজা ফারুক অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবাইকে ধন্যবাদ জানান। পরে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।</span></p>
<p>অনুষ্ঠানে মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের শিক্ষক, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের শিক্ষক-কর্মকর্তা, মৎস্য অধিদপ্তর ও বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন বেসরকারি হ্যাচারি ও ফিশ ফিড মিলের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।<br>/<strong>/ডিবিটেক/এএইচবিওইউ/এসএমই/এমআইএস/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ইনোভেশন ফেয়ারে চ্যাম্পিয়ন গাকৃবি</title>
<link>https://digibanglatech.news/189949</link>
<guid>https://digibanglatech.news/189949</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li&gt;&lt;span&gt;বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাটাগরিতে চ্যাম্পিয়ন গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;li&gt;&lt;span&gt;৯৭ জাত ও ২০ প্রযুক্তি থেকে ১২টি প্রদর্শন&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;li&gt;&lt;span&gt;কৃষি ও খাদ্যনিরাপত্তায় উদ্ভাবনের সম্ভাবনা তুলে ধরা&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6aa96cfc41941.jpg" length="101530" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 15 Sep 2026 00:00:46 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, গাকৃবি, বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার, কৃষিপ্রযুক্তি, কৃষি উদ্ভাবন, খাদ্যনিরাপত্তা, গবেষণা, জিকেএম মোস্তাফিজুর রহমান, ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="isSelectedEnd"><span>উদ্ভাবন ও সৃজনশীলতায় সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার-২০২৬-এর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাটাগরিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (গাকৃবি)। কৃষি, গবেষণা ও খাদ্যনিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট ১২টি উদ্ভাবন প্রদর্শনের মাধ্যমে মেলায় এ স্বীকৃতি অর্জন করে বিশ্ববিদ্যালয়টি।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় জানিয়েছে, টাইমস হায়ার এডুকেশন (টিএইচই), কোয়াককোয়ারেলি সাইমন্ডস (কিউএস) এবং ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র‍্যাঙ্কিংস ফর ইনোভেশন (উরি)-এর বিভিন্ন আন্তর্জাতিক র‌্যাঙ্কিংয়ে জাতীয় ও বৈশ্বিক পর্যায়ে অবস্থান নিশ্চিত করার পর বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ারের এ স্বীকৃতি বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভাবনী কার্যক্রমের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন। </span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>বিশ্ববিদ্যালয়ের দাবি, এসব উদ্ভাবনের বৈজ্ঞানিক গুরুত্ব, বাস্তব প্রয়োগযোগ্যতা, সৃজনশীলতা ও বাণিজ্যিক সম্ভাবনা দর্শনার্থী, শিল্প উদ্যোক্তা এবং সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভাবনের তুলনামূলক মূল্যায়নে বাকৃবির প্রযুক্তিগুলোকে সম্ভাবনাময় ও জনকল্যাণমুখী হিসেবে বিবেচনা করা হয়।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>১৪ সেপ্টেম্বর, সোমবার সন্ধ্যায় মেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাটাগরিতে গাকৃবিকে চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করা হয়। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. জিকেএম মোস্তাফিজুর রহমানের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য উদ্ভাবকরাও উপস্থিত ছিলেন।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>রাষ্ট্রীয় এ স্বীকৃতিতে সন্তোষ প্রকাশ করে উপাচার্য প্রফেসর ড. জিকেএম মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, এ অর্জন বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভাবক, শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং গবেষণাগার ও মাঠপর্যায়ের কর্মীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও নিরলস পরিশ্রমের ফল।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>তিনি আশা প্রকাশ করেন, গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভাবন বাংলাদেশের কৃষিখাতের আধুনিকায়ন, উন্নয়ন ও টেকসই অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে এসব উদ্ভাবন দেশের খাদ্য ও কৃষি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও কার্যকর অবদান রাখবে বলে তিনি প্রত্যাশা করেন।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>উপাচার্য আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান উদ্ভাবন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষিত ‘সমৃদ্ধ বাংলাদেশ’ গড়ার লক্ষ্যেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>প্রসঙ্গত, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে প্রথমবারের মতো আয়োজিত বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার-২০২৬ গত ১২ থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর ঢাকার নভোথিয়েটারে অনুষ্ঠিত হয়। ‘Innovate to Market’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত মেলায় দেশের সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তাদের উদ্ভাবন ও প্রযুক্তি প্রদর্শন করে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd">মেলায় বিশ্ববিদ্যালয়গুলো প্রায় এক হাজারের বেশি উদ্ভাবনী প্রযুক্তি প্রদর্শন করে। গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় তাদের উদ্ভাবিত ৯৭টি জাত ও ২০টির বেশি প্রযুক্তির মধ্য থেকে নির্বাচিত ১২টি জাত ও প্রযুক্তি প্রদর্শন করে।<br>/<strong>/ডিবিটেক/এনএপি/এসএমই/এমআইএস/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>সার কার্যক্রম তদারকিতে চালু কন্ট্রোল রুম</title>
<link>https://digibanglatech.news/189655</link>
<guid>https://digibanglatech.news/189655</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;2,0,0&quot;&gt;ফোন, ই-মেইল ও হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে সারের অভিযোগ গ্রহণ ও তাৎক্ষণিক নিষ্পত্তি&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;2,1,0&quot;&gt;কৃত্রিম সংকট ও কালোবাজারি প্রতিরোধে ২৭টি বিশেষ মনিটরিং দল গঠন&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;2,2,0&quot;&gt;দুই শিফটে পরিচালিত কক্ষে তথ্য বিশ্লেষণ করে তৈরি হবে প্রতিবেদন&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6aa636ab2d004.jpg" length="97965" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 13 Sep 2026 01:38:45 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>সার ব্যবস্থাপনা কন্ট্রোল রুম, কৃষি মন্ত্রণালয়, সার সরবরাহ ব্যবস্থা, ডিজিটাল মনিটরিং, সার বিতরণ প্রযুক্তি, সরবরাহ শৃঙ্খল ব্যবস্থাপনা, কৃষি প্রযুক্তি, ডাটাবেজ ট্র্যাকিং, সার ডিলার মনিটরিং</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="5">সারের টেকসই সরবরাহ শৃঙ্খল নিশ্চিত করা, কৃত্রিম সংকট নিরসন ও ডিজিটাল মনিটরিং ব্যবস্থার মাধ্যমে মাঠপর্যায়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিতে ‘সার ব্যবস্থাপনা কন্ট্রোল রুম’ চালু করেছে কৃষি মন্ত্রণালয়।</p>
<p data-path-to-node="6">১২ সেপ্টেম্বর, শনিবার এ তথ্য জানা যায়। কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন-১ শাখার উপসচিব মো. মাকছুদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ কন্ট্রোল রুম চালুর নির্দেশ দেওয়া হয়। মাঠপর্যায়ে সার নিয়ে কোনো ধরনের সমস্যা বা অনিয়মের ঘটনা ঘটলে তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা নিতে যোগাযোগের জন্য ০৫০৩৫১ ফোন নম্বর প্রকাশ করা হয়েছে।</p>
<p data-path-to-node="7">উদ্যোগের অংশ হিসেবে টেলিফোন, মোবাইল, ই-মেইল ও হোয়াটসঅ্যাপের মতো ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে পাওয়া সারসংক্রান্ত তথ্য ও অভিযোগ যথাযথভাবে গ্রহণ, ডাটাবেজে নথিভুক্ত এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শিফট পরিবর্তনের সময় দায়িত্ব যথাযথভাবে হস্তান্তর নিশ্চিত করার কথাও বলা হয়েছে। এ ছাড়া পত্রিকা, টেলিভিশন, অনলাইন সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত সারসংক্রান্ত খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে নেটওয়ার্কিং ও দ্রুত তথ্য যাচাই করা হবে।</p>
<p data-path-to-node="8">অফিস আদেশ অনুযায়ী, পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত কৃষি মন্ত্রণালয়ের ৫২৮ নম্বর কক্ষে কন্ট্রোল রুমের কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এ কার্যক্রম নির্বিঘ্ন করতে মোট ২৭টি মনিটরিং দল গঠন করা হয়েছে, যেখানে প্রতিটি দলে একজন কর্মকর্তা, একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও একজন অফিস সহায়ক দায়িত্ব পালন করছেন। কন্ট্রোল রুমের কার্যক্রম ১১ সেপ্টেম্বর থেকে ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দুই শিফটে পরিচালিত হচ্ছে; প্রথম শিফট সকাল ৮টা থেকে বেলা ৩টা এবং দ্বিতীয় শিফট বেলা ৩টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত সক্রিয় থাকবে। সার্বিক তদারকির দায়িত্বে রয়েছেন অতিরিক্ত সচিব (সার ব্যবস্থাপনা ও উপকরণ)।</p>
<p data-path-to-node="9">কন্ট্রোল রুমের প্রধান কারিগরি দায়িত্বের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকে সার সরবরাহ, মজুদ, পরিবহন ও বিতরণসংক্রান্ত তথ্য ও উপাত্ত নিয়মিত সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করা। কোথাও সার পরিবহণে বিঘ্ন, কৃত্রিম সংকট, অবৈধ মজুদ, কালোবাজারি বা অতিরিক্ত দামে সার বিক্রির তথ্য মিললে তাৎক্ষণিকভাবে তা কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হবে। কোনো জেলা বা উপজেলায় ঘাটতির আশঙ্কা দেখা দিলে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তা শনাক্ত করে লজিস্টিক সুপারিশ পাঠাবে কন্ট্রোল রুম। পাশাপাশি মাঠপর্যায়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগের মাধ্যমে সর্বশেষ পরিস্থিতি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।</p>
<p data-path-to-node="10">কৃষক, ডিলার ও পরিবহনকারীদের অভিযোগ নিষ্পত্তির পাশাপাশি জরুরি পরিস্থিতিতে জেলা প্রশাসন, কৃষি দফতর ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয় করা হবে। প্রতিদিনের পরিস্থিতি, সংগৃহীত তথ্য ও গৃহীত পদক্ষেপ রেজিস্টারে সংরক্ষণ করে দৈনিক ও সাপ্তাহিক বিশ্লেষণধর্মী প্রতিবেদন উপস্থাপন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সার সরবরাহে বিঘ্ন, পরিবহন সমস্যা, গুদামজাতকরণ জটিলতা কিংবা ডিলার পর্যায়ের অনিয়ম ঠেকাতে ডিজিটাল মাধ্যমে নজরদারি অব্যাহত থাকবে।<br>/<strong>/ডিবিটেক/এপিএন/এসএমই/এমআইএসটি/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>প্রযুক্তিনির্ভর কৃষিতে ৩ হাজার কোটি</title>
<link>https://digibanglatech.news/189599</link>
<guid>https://digibanglatech.news/189599</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul data-spread=&quot;false&quot;&gt;
&lt;li&gt;&lt;span&gt;কৃষি প্রযুক্তিতে ৩ হাজার কোটি টাকার স্কিম&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;li&gt;&lt;span&gt;কৃষিযন্ত্র ও কোল্ড-চেইনে অর্থায়ন&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;li&gt;&lt;span&gt;উৎপাদন থেকে রপ্তানি পর্যন্ত অর্থায়ন&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6aa55a62f2197.jpg" length="105729" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 12 Sep 2026 12:58:20 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>কৃষি প্রযুক্তি, বাংলাদেশ ব্যাংক, ব্র্যাক ব্যাংক, পুনঃঅর্থায়ন স্কিম, ডিজিটাল কৃষি, কৃষিযন্ত্র, কোল্ড-চেইন, কৃষি সরবরাহব্যবস্থা, কৃষি অর্থায়ন</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="isSelectedEnd"><span>উত্তরাঞ্চলের কৃষি খাতে প্রযুক্তিনির্ভর উৎপাদন ও সরবরাহব্যবস্থা শক্তিশালী করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের ৩ হাজার কোটি টাকার রিভলভিং পুনঃঅর্থায়ন স্কিমে অংশ নিয়েছে ব্র্যাক ব্যাংক। এ উদ্যোগে কৃষিযন্ত্র, আধুনিক সংরক্ষণ, কোল্ড-চেইন, কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ ও পরিবহন অবকাঠামোসহ উৎপাদন থেকে রপ্তানি পর্যন্ত পুরো কৃষি সরবরাহব্যবস্থায় অর্থায়নের সুযোগ তৈরি হবে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>১২ সেপ্টেম্বর, শনিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে ব্র্যাক ব্যাংক। এর আগে বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে এ-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>স্কিমটির আওতায় রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের জেলাগুলোতে কৃষি উৎপাদন বাড়ানো, কৃষিপণ্যের সরবরাহব্যবস্থা আধুনিক করা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং আয়বর্ধক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণে অর্থায়ন করা হবে। কৃষকরা এ স্কিমের আওতায় সর্বোচ্চ ৭ শতাংশ সুদে অর্থায়ন নিতে পারবেন।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>প্রযুক্তিনির্ভর কৃষি অবকাঠামো গড়ে তুলতে স্কিমটিতে উৎপাদন থেকে ভোক্তার হাতে পণ্য পৌঁছানো পর্যন্ত চারটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায় নির্ধারণ করা হয়েছে। এগুলো হলো—উৎপাদন ও সংরক্ষণ; পরিবহন, বিপণন ও অবকাঠামো নির্মাণ; কৃষিভিত্তিক পণ্য উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং রপ্তানি।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>অর্থায়নের আওতায় শস্য উৎপাদন, মৎস্য, প্রাণিসম্পদ, কৃষি যন্ত্রপাতি, কোল্ড-চেইন সুবিধা, গুদামজাতকরণ, খাদ্য ও দুগ্ধ প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং বীজ উৎপাদনসহ বিভিন্ন কৃষিভিত্তিক খাত সুবিধা পাবে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>বিশেষ করে কৃষি যন্ত্রপাতি, কোল্ড-চেইন ও আধুনিক গুদামজাতকরণে অর্থায়ন বাড়লে কৃষিপণ্যের সংরক্ষণ ও পরিবহন সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি উৎপাদন-পরবর্তী অপচয় কমানোর সুযোগ তৈরি হবে। একই সঙ্গে কৃষিভিত্তিক প্রক্রিয়াজাতকরণ ও রপ্তানিতে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর সম্ভাবনাও তৈরি হবে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি গভর্নর ড. মো. কবির আহমেদ, নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এবং টেকসই অর্থায়ন বিভাগের পরিচালক চৌধুরী লিয়াকত আলী।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>ব্র্যাক ব্যাংকের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন এসএমই বিজনেস সাপোর্টের প্রধান কাজী দিলরুবা আক্তার এবং এমএফআই ও এগ্রিকালচার ফাইন্যান্সের সিনিয়র রিলেশনশিপ ম্যানেজার লিটন কুমার বিশ্বাস।</span></p>
<p>প্রযুক্তি ও অবকাঠামোভিত্তিক এ অর্থায়নের মাধ্যমে রাজশাহী ও রংপুর অঞ্চলের কৃষক, কৃষিভিত্তিক উদ্যোক্তা এবং সংশ্লিষ্ট ব্যবসাগুলোকে উৎপাদন, সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বাজারজাতকরণে আরও সক্ষম করে তোলার লক্ষ্য রয়েছে। এতে উত্তরাঞ্চলের কৃষিকে কেন্দ্র করে প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আরও গতিশীল হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।<br>/<strong>/ডিবিটেক/বিপিআর/এফওইবি/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ইনোভেশন ফেয়ারে বাকৃবির ৩৬টি কৃষিপ্রযুক্তি উদ্ভাবন</title>
<link>https://digibanglatech.news/189502</link>
<guid>https://digibanglatech.news/189502</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul style=&quot;list-style-type: square;&quot;&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;6,0,0&quot;&gt;বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ১২ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়া তিন দিনব্যাপী ‘বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার-২০২৬’-এ বাকৃবির ৩৬টি উদ্ভাবনী প্রকল্প প্রদর্শিত হবে।&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;6,1,0&quot;&gt;‘ইনোভেট টু মার্কেট’ প্রতিপাদ্যে এ মেলায় কৃষি, মৎস্য, প্রাণীসম্পদ ও বায়োটেকনোলজি খাতের প্রোটোটাইপ ও বৈজ্ঞানিক পোস্টার তিনটি স্টলে উপস্থাপন করা হবে&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;6,2,0&quot;&gt;বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণার প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনকে বাণিজ্ ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6aa42fb3c185b.jpg" length="520623" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 11 Sep 2026 14:44:09 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, কৃষিপ্রযুক্তি উদ্ভাবন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়, ইনোভেট টু মার্কেট, বাউরেস, রফিকুল ইসলাম সরদার, সামছুল আলম ভুঞাঁ, এগ্রিটেক প্রোটোটাইপ</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="13"><b data-path-to-node="13" data-index-in-node="0">ময়মনসিংহ:</b> বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত জাতীয় পর্যায়ের প্রযুক্তি সম্মেলন ‘বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার-২০২৬’-এ অংশ নিয়ে নিজেদের উদ্ভাবিত ৩৬টি কৃষি ও বায়োটেকনোলজিক্যাল গবেষণা প্রকল্প উপস্থাপন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি)। গবেষণাগারের আধুনিক কৃষি ও জৈবপ্রকৌশল উদ্ভাবনগুলো সরাসরি মাঠপর্যায় এবং বাণিজ্যিক শিল্পখাতে সম্প্রসারণের লক্ষ্য নিয়ে এ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ শুক্রবার সকালে আয়োজিত এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে ইনোভেশন ফেয়ার কমিটির পক্ষ থেকে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়।</p>
<p data-path-to-node="14">সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ শনিবার থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সোমবার পর্যন্ত রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নভোথিয়েটার প্রাঙ্গণে এই মেলা অনুষ্ঠিত হবে। ‘ইনোভেট টু মার্কেট’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আয়োজিত এই জাতীয় প্রদর্শনীর মূল উদ্দেশ্য হলো দেশের বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, শিল্পউদ্যোক্তা এবং প্রযুক্তি বিনিয়োগকারীদের একটি সমন্বিত ইকোসিস্টেমে নিয়ে আসা। এর মাধ্যমে গবেষণালব্ধ কারিগরি উদ্ভাবনগুলোর সরাসরি বাণিজ্যিকীকরণ ও বাজারজাতকরণের সংযোগ স্থাপন করা সম্ভব হবে, যা দেশের তরুণদের মেধাভিত্তিক নলেজ ইকোনমিতে রূপান্তরে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।</p>
<p data-path-to-node="15">মেলায় বাকৃবির অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে তিনটি ডেডিকেটেড স্টল বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এসব স্টলে উন্নত কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াকরণ, প্রাণীস্বাস্থ্য ও জেনেটিক উৎপাদন, টেকসই মৎস্যসম্পদ ব্যবস্থাপনা এবং স্বয়ংক্রিয় কৃষিপ্রকৌশল সম্পর্কিত উদ্ভাবনগুলোর বৈজ্ঞানিক পোস্টার, কার্যক্ষম প্রোটোটাইপ ও প্রযুক্তিগত ভিডিও ডক্যুমেন্টেশন প্রদর্শন করা হবে। ১২ সেপ্টেম্বর শনিবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। উদ্বোধনী পর্বে বাকৃবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার উপস্থিত থাকবেন।</p>
<p data-path-to-node="16">বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভাবন প্রদর্শন ও গবেষক-শিক্ষার্থীদের কার্যকর সম্পৃক্ততা পরিচালনায় সাত সদস্যের একটি তদারকি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বাকৃবি রিসার্চ সিস্টেমের (বাউরেস) পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. সামছুল আলম ভুঞাঁ এবং সদস্য সচিব হিসেবে রয়েছেন এনিমেল সায়েন্স বিভাগের অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. আহসান কবীর।</p>
<p data-path-to-node="17">সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. জি এম মুজিবর রহমান বলেন, মেলায় উপস্থাপিত উদ্ভাবনী প্রযুক্তিগুলো কৃষক ও এগ্রিটেক উদ্যোক্তা পর্যায়ে দ্রুত বাণিজ্যিকীকরণের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। শিক্ষার্থীরা এই আয়োজনের মাধ্যমে প্রযুক্তিভিত্তিক ধারণাকে কীভাবে বাস্তব শিল্প অর্থনীতিতে প্রয়োগ করতে হয়, সে বিষয়ে বাস্তবমুখী শিক্ষা পাবে।</p>
<p data-path-to-node="18">সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি সেলের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. রোস্তম আলী, হাওর ও চর উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. শাহজাহান, সেচ ও পানি ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. আদহাম, ফিশারিজ টেকনোলজির অধ্যাপক ড. মো. শাহেদ রেজা, উদ্ভিদ রোগতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শাহজাহান মঞ্জিল, কৌলিতত্ত্ব ও উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগের অধ্যাপক ড. এ বি এম আরিফ হাসান খান, মাইক্রোবায়োলজি ও হাইজিন বিভাগের অধ্যাপক ড. মারজিয়া রহমান এবং মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক ড. এম আরিফুল ইসলাম।</p>
<p data-path-to-node="20">মেলায় দেশের ৭৩টি সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়াও শীর্ষস্থানীয় বাণিজ্যিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং বড় করপোরেট শিল্পগ্রুপগুলো অংশ নিচ্ছে। তিন দিনব্যাপী এ প্রযুক্তি আসরে উদ্ভাবনী প্রদর্শনীর সমান্তরালে ৬টি প্লেনারি সেশন, ৬টি প্যারালাল টেকনিক্যাল সেশন এবং ৫টি গোলটেবিল বৈঠকসহ মোট ১৭টি বিশেষ সংলাপ পরিচালিত হবে।<br>/<strong>/ডিবিটেক/ ডিপিওএন/এসএমই/এমআইএসটি/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>কৃষিপ্রযুক্তি ও খাদ্য নিরাপত্তায় ঐক্যবদ্ধ উত্তরার কৃষিবিদরা</title>
<link>https://digibanglatech.news/189496</link>
<guid>https://digibanglatech.news/189496</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;6,0,0&quot;&gt;দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত ও আধুনিক টেকসই কৃষিপ্রযুক্তি সম্প্রসারণে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন উত্তরায় বসবাসরত তিন শতাধিক কৃষিবিদ&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;6,1,0&quot;&gt;উত্তরা কৃষিবিদ অ্যাসোসিয়েশনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত মিলনমেলায় কৃষিবিজ্ঞানী, নীতিনির্ধারক ও কৃষি অর্থনীতিবিদদের মাঝে সম্মাননা ও ফুলেল শুভেচ্ছা বিনিময় হয়&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;6,2,0&quot;&gt;জলবায়ু সহনশীল জাত উদ্ভাবন, যান্ত্রিক সেচ প্রকৌশল ও বীজ প্রযুক্তির মানোন্নয়নের মাধ্যমে দ ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6aa41fad02cc6.jpg" length="117980" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 11 Sep 2026 12:37:04 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>কৃষিপ্রযুক্তি, খাদ্য নিরাপত্তা, উত্তরা কৃষিবিদ অ্যাসোসিয়েশন, মো. মাসুম, আবুল হোসেন, মোহাম্মদ আব্দুল বাকী, হাসান জাফরি তুহিন, কামরুজ্জামান কায়সার, ব্রি</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="13"><b data-path-to-node="13" data-index-in-node="0">ঢাকা:</b> আধুনিক কৃষিপ্রযুক্তি ও ফলনশীল জৈবপ্রকৌশল প্রয়োগের মাধ্যমে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সমন্বিতভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন রাজধানীর উত্তরায় বসবাসরত কৃষিবিদ ও গবেষকরা। ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ শুক্রবার সকালে রাজধানীর উত্তরা ৩ নম্বর সেক্টরের একটি রেস্তোরাঁয় উত্তরা কৃষিবিদ অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে আয়োজিত ‘সুপ্রভাত ও নাস্তার মিলনমেলা’ অনুষ্ঠানে এ প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়। সকাল ৮টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত এই প্রযুক্তি ও নেটওয়ার্কিং সমাবেশে প্রায় তিন শতাধিক কৃষিবিজ্ঞানী ও পেশাজীবী অংশ নেন।</p>
<p data-path-to-node="14">উত্তরা কৃষিবিদ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও সুপ্রিম সিড-এর স্বত্বাধিকারী কৃষিবিদ মো. মাসুমের সভাপতিত্বে এবং সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক অতিরিক্ত সচিব কৃষিবিদ আবুল হোসেনের সঞ্চালনায় এই মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত বিশিষ্ট কৃষিবিজ্ঞানী ও বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (ব্রি) সাবেক মহাপরিচালক মোহাম্মদ আব্দুল বাকী, বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিএমডিএ) চেয়ারম্যান সচিব পদমর্যাদার হাসান জাফরি তুহিন এবং এগ্রিকালচারিস্টস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এ্যাব)-এর সভাপতি ও মাইক্রো ফাইবার গ্রুপের ফাইন্যান্স ডিরেক্টর কামরুজ্জামান কায়সারকে বিশেষ সম্মাননা ও ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।</p>
<p data-path-to-node="15">সমাবেশে উপস্থিত কৃষিবিজ্ঞানী ও নীতিনির্ধারকরা টেকসই খাদ্য উৎপাদনের আধুনিক মেকানিক্যাল ও বায়োটেকনোলজিক্যাল চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা করেন। বক্তারা উল্লেখ করেন, ভূগর্ভস্থ পানির অপচয় কমিয়ে স্মার্ট সেচ প্রযুক্তির বিস্তার, জলবায়ু সহনশীল উচ্চফলনশীল ধানের জাত এবং উন্নত মানের জেনেটিক্যালি পিউর বীজের সরবরাহ নিশ্চিত করা বর্তমান কৃষির প্রধান অগ্রাধিকার। এসব কারিগরি উদ্ভাবন মাঠপর্যায়ে ছড়িয়ে দিয়ে খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি ও খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনে সব পেশাদার কৃষিবিদদের একযোগে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x_6aa41fafd9cb9.jpg" alt=""></p>
<p data-path-to-node="16">অনুষ্ঠানে অন্যান্য বিশেষজ্ঞ ও সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সালেহ মোহাম্মদ রশীদ অলক, নূসরাত জাহান জ্যোতি, সোহেলা আক্তার, আইভী, আনিস, মনিরা, এস এ এম সানোয়ার হোসেন, মো. তমজিদুজ্জামান, মো. হুমায়ুন কবীর মুকুল, মো. খাইরুল বাশার, রেজা নুর মোহাম্মাদ, সাইমুম রহমান, মাহমুদুল হাসান, আব্দুল আউয়াল, মো. গিয়াসউদ্দিন পাটোয়ারী, শফিউদ্দিন ব্যাপারী, মো. ইকবাল হোসেন, শফিকুজ্জোহা লুই, আঞ্জুমান আরা আখতার, খালেকুজ্জামান, মো. আবু বকর সিদ্দিক সরকার, জসিম উদ্দীন চৌধুরী, খায়রুল আলম বিল্লাহ, আব্দুল মতিন, মো. শহিদুল ইসলাম, খোরশেদ আলম ভুইয়্যা, তাহিদা আক্তার সেলিনা, গোলাম জিলানী, পার্থ সারথি বিশ্বাস, মির্জা নাজমুল হুদা, মো. সিরাজুল ইসলাম, নবী খান খোকন, মো. শাহজাহান কবির, মো. মোজাফফর হোসেন, অলি উল্যাহ, ফজলুল হক, সরোয়ার জাহান খান, মাইনুল হক, আমজাদ হোসেন পলাশ, মিজানুর রহমান, মো. সাইদুর রহমান, মো. সাহেদুর রহমান সায়েম, মো. ইউসুফ ভূইয়া, মো. আব্দুল করিম মিয়া, মো. আমানতুল্লাহ, মো. রাকিব হাসান শাওন, মোহাম্মাদ এখলাছুর রহমান, রিপন কুমার রায়, রত্না রানী মজুমদার, মাজহারুল ইসলাম সবুজ, আহমেদ আলী চৌধুরী ইকবাল, ফেরদৌসী ইসলাম আইভী, ফারজানা নাসরিন খান এ্যানি, এ এফ এম হাবিবুর রহমান, কৃষ্ণ পদ হালদার, স্বপন কুমার রায়, অধ্যাপক এম আফজাল হোসেন, মো. সিরাজুল ইসলাম, অধ্যাপক মো. আবুল হোসেন মোল্লা, মো. নুরুল কাশেম, অধ্যাপক মো. মিজানুর রহমান, মো. শামছুল আলম, ললিতা রানী বর্মন, নাসিমা আক্তার, মাহবুব উল ইসলাম, আব্দুল মালেক, ফারুক আহম্মেদ, খন্দকার ফরিদ উদ্দিন, মো. আজিজুল হক, মো. রিয়াজ উদ্দিন, ফেরদৌসী আক্তার জেসমিন, মজিবর রহমান, মো. সুলতান আহম্মেদ, মো. নুরুজ্জামান সরকার, আব্দুল মান্নান, এস এম রফিকুজ্জামান, ওমর ফারুক জনি, মো. শাহজাহান আলম, মানিক চন্দ্র কর্মকার, উর্মিলা কর্মকার, আলী আকবর, কে এম ফিরোজ আহমেদ, মো. খতিব মঞ্জুরুল ইসলাম, মো. ওমর ফারুক পাটোয়ারী, মো. আব্দুর রাজ্জাক আকন্দ, জাকিউল হক, নিলুফার ইসলাম, মো. মনিরুল ইসলাম, মো. কামরুল হাসান খান, শাহাদাৎ হোসেন, মো. আলিমুজ্জামান, শামসুল কবির জুয়েল, আব্দুল মতিন, মো. আহসানুল হক চৌধুরী, তাহমিদ হোসেন আনসারী, মো. নাজমুল ইসলাম, ওয়াহিদা পারভিন, শারমিন আক্তার চৌধুরী, মো. জাকারিয়া ইবনে বাকী, মো. আসিফ দাদ খান বিজু, হাবিবুর রহমান, আবু রায়হান মো. তারিক, আফসানা আলী তমা, সেতু মিত্র, তাহনিয়া আফরোজ, নুসরাত কবির। </p>
<p data-path-to-node="16">আরও উপস্থিত ছিলেন এ কে এম আতাউর রহমান, দিল আফরোজ খানম, মো. জাহাঙ্গীর আলম, মো. গোলাম ওয়াহেদ সরকার, মো. আখতার হোসেন, মো. মাসুদুল হাসান, সামিরা ইসলাম রেসমি, মো. ওয়াহিদুল হাসান হারুন, মো. তৌহিদুল ইসলাম, মারুফা সুলতানা মনা, হামিদুর রহমান, মো. দেলোয়ার হোসেন, আবু শিহাব বিন সিদ্দিক, জান্নাতুল ইয়াসমিন জ্যোতি, আরিফ আব্দুল্লাহ রাসেল, মো. আশরাফ আলী, মো. ফাহিদ শামস, মো. আব্দুস সামাদ মন্ডল, মো. আবদুল মান্নান, মো. আব্দুল হান্নান, মো. জহিরুল ইসলাম, মো. হারুন অর রশিদ, মো. লুতফর রহমান, মো. নুরুল আলম, সুবোধ চন্দ্র ঢালি, অধ্যাপক মো. মোতাহার হোসেন, মো. আবু আব্দুল্লাহ, মো. নুরুজ্জামান, মো. আখতারুজ্জামান, ডা. মো. সালেউদ্দিন খান, মো. আলাউদ্দিন, মো. মাইদুর রহমান বকুল, মো. ওবায়দুল ইসলাম, প্রিন্সিপাল আবদুল মালেক চৌধুরী, মো. জামিল উর রহমান, মো. নাসির উদ্দীন, এ বি এম শামসুল কিবরিয়া, মো. খায়রুল আলম ভুইয়া, এ এফ এম হাবিবুর রহমান, জিন্নাত আরা বেগম লিপি, শাম্মী আক্তার, রাকিব হাসান, মো. আব্দুল বাকী, মো. আকরাম হোসেন চৌধুরী, ফাতেমা শাহনাজ, লাবিবা চৌধুরী, মো. কামরুল হাসান, মো. আবেদ আলী, মো. আব্দুল আহাদ, মো. আবির হোসেন, মো. জহিরুল ইসলাম, মো. আলী আহম্মেদ, মো. সাইদুর রহমান, মো. মাহবুব শাহিন, অধ্যাপক মো. আমজাদ, মো. জিয়াউর রিহমান, এম এন মোল্লা, মো. হাফিজ উদ্দিন, মো. আব্দুস ছাত্তার, সৈয়দ আবু সিয়াম জুলকারনাইন, মো. আব্দুল লতিফ, মো. আমজাদ হোসেন, কেশব লাল দাস, মো. শহিদুল হক, মো. হেলাল, গুরুপদ কর্মকর, শাহরিয়ার সুমন, এম এ বারি, মো. সালাউদ্দিন চৌধুরী, কামরুন নাহার, মাহরুস ইসলাম ইনান, মো. নূর-ই-আলম সিদ্দিকী,</p>
<p data-path-to-node="16">এছাড়াও অনুষ্ঠানে ছিলেন সাব্বির হাসান, আবদুল মালেক, মো. হামিদুর রহমান, আবদুর রাজ্জাক, আতিকউল্লাহ, রবিউল হক ফিটু, মো. শাহিন আনোয়ার, মোহাম্মদ আয়ুব, মো. গোলাম আজম টুলু, মো. নাজিরুল ইসলাম, মো. নাজিম উদ্দিন, মো. তারিকুল ইসলাম, মো. নূর আলম সিদ্দিকী, সুকেশ বৈদ্য, মো. জাহিদুল আলম, মো. এমদাদুল হক, অধ্যাপক জাকির হোসেন, মো. মনজুরুল করিম বাবুল, মো. রফিকুল ইসলাম, নির্মল চন্দ্র সাহা, আনন্দ রাহা, রাশিদ মৃধা, মোজাম্মেল হোসেন, মাহবুব শাহিন, ফিরোজ আসাদুল হক, মাসুদা খানম, সুবোধ চন্দ্র শাহা, মো. গিয়াস উদ্দিন, কার্তিক চন্দ্র চক্রবর্তী, মো. ইরফান খান, এ এস এম শফিউল আলম, অধ্যাপক মো. রুহুল আমিন, মো. রফিকুল ইসলাম, মো. জালাল উদ্দিন, এস এম জুবায়ের আল আরমান, গোলাম মোর্শেদ, এ কে এম শহিদুল ইসলাম, মো. গোলাম রসুল, জিপি দাস, জাহিদুল ইসলাম, হাসান জাফির তুহিন, সাবিহা পারভিন, মো. আতাউর রহমান, ডা. তপনেশ্বর রয়, রেজাউল, মো. এনামুল হক, মো. সফিকুর রহমান, মো. সাজেদুর রহমান, সাজ্জাদ মাহমুদ, আমানুল্লাহ আমান, জসিম উদ্দিন, মো. মোজাফফর রহমান, রাফিকা সুলতানা, এ কে এম সিদ্দিকুল ইসলাম, মো. শরিফ, এস এম আবু সায়েম, মো. মনির হোসেন, মো. আজিম উদ্দিন, কাজী নুর-ই আলম জুয়েল ও মো. মাহফুজ আলম।</p>
<p data-path-to-node="17">/<strong>/ডিবিটেক/ করেসপন্ডেন্ড/ এসএমআরএ/এমআইএস/এসএমই/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>সার ব্যবস্থাপনায় ডিজিটাল ম্যাপিং&#45;ট্র্যাকিংয়ের প্রস্তাব</title>
<link>https://digibanglatech.news/189346</link>
<guid>https://digibanglatech.news/189346</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li&gt;সার ব্যবস্থাপনায় ডিজিটাল সমাধান চান সংসদ সদস্যরা&lt;/li&gt;
&lt;li&gt;ডিজিটাল চাহিদা ম্যাপ, মজুদ ড্যাশবোর্ড ও পরিবহন ট্র্যাকিংয়ের প্রস্তাব&lt;/li&gt;
&lt;li&gt;সরকার বলছে, চাহিদার তুলনায় ১৫ দশমিক ৮৪ লাখ টন সার বেশি আছে&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6aa1fa77d6c3b.jpg" length="137287" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 10 Sep 2026 00:32:12 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>সার ব্যবস্থাপনা, ডিজিটাল ফার্টিলাইজার ডিমান্ড ম্যাপ, কৃষক কার্ড, ডিজিটাল ট্র্যাকিং, রিয়েল-টাইম মনিটরিং, সার মজুদ, সার বিতরণ, কৃষি প্রযুক্তি, জাতীয় সংসদ</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>দেশে পর্যাপ্ত সার মজুদ থাকার দাবি থাকলেও কৃষকের হাতে সময়মতো সার পৌঁছানো নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে জাতীয় সংসদে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় ইউনিয়নভিত্তিক ‘ডিজিটাল ফার্টিলাইজার ডিমান্ড ম্যাপ’, জেলা-উপজেলা-ইউনিয়ন পর্যায়ে মজুদের তথ্যসমৃদ্ধ মোবাইল অ্যাপ ও ড্যাশবোর্ড, কৃষকের ডিজিটাল কার্ড, সার পরিবহনে ডিজিটাল ট্র্যাকিং এবং রিয়েল-টাইম ডিজিটাল মনিটরিং চালুর প্রস্তাব দিয়েছেন বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যরা।</p>
<p>৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বুধবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে সার ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনায় এসব প্রস্তাব আসে। আলোচনায় বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যরা সার মজুদের পাশাপাশি ব্যবস্থাপনা, বিতরণ, ডিলার সিন্ডিকেট, কালোবাজারি ও নজরদারি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। অন্যদিকে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দেশে চাহিদার তুলনায় পর্যাপ্ত সার রয়েছে এবং নতুন ডিলার নিয়োগ, জেলা পর্যায়ে মনিটরিং ও অতিরিক্ত মজুদের মাধ্যমে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।</p>
<p>কুড়িগ্রাম থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মাহবুবুল আলম সালেহী বলেন, ২০২৬ সালের সরকারি তথ্য অনুযায়ী দেশে পর্যাপ্ত সার মজুদ থাকলেও তিনি উলিপুরে কৃষকদের কাছ থেকে সার না পাওয়ার অভিযোগ শুনেছেন। নাগেশ্বরীতে কৃষকেরা একটি গুদাম লুট করেছেন এবং রৌমারীতে অসন্তোষ হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। পুঠিয়ায় এক কৃষক বলেছেন, ‘হয় আমাকে সার দাও, না হলে বিষ দাও।’ লালমনিরহাট, সাতক্ষীরা ও সিরাজগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকায়ও অসন্তোষ রয়েছে বলে জানান তিনি।</p>
<p>সালেহী প্রশ্ন তুলে বলেন, ‘সার যদি মজুদ থাকে, তাহলে কৃষকদের এই হাহাকার কেন? এখানে কি কোনও ফেইলর আছে? হ্যাঁ, অবশ্যই ফেইলর আছে। অবশ্যই এই ফেইলরটা হলো সরকারের।’</p>
<p>তার মতে, সার ব্যবস্থাপনা, পরিকল্পনা, বাস্তবায়ন, সরবরাহ এবং কালোবাজারি বন্ধে সরকারের ব্যর্থতা রয়েছে। ডিলার সিন্ডিকেট ভেঙে কৃষকের কাছে সময়মতো সার পৌঁছানোও নিশ্চিত করা যায়নি বলে মন্তব্য করেন তিনি।</p>
<p>তিনি বলেন, কোনও কৃষককে ১০ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে সার দেওয়ার কথা বলে ৩০ থেকে ৪০ দিন পর দেওয়া হলে উৎপাদন ব্যাহত হবে। আবার কৃষককে ৩০০, ৪০০ বা ৫০০ টাকা বেশি দিয়ে সার কিনতে হলে উৎপাদন ব্যয় ও মূল্যস্ফীতি—দুটোই বাড়বে।</p>
<p>রাজশাহীর উদাহরণ দিয়ে সালেহী বলেন, সেপ্টেম্বরে সেখানে টিএসপি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ১ হাজার ৪৫ টন। অথচ সেখানে প্রায় চার লাখ কৃষক এবং প্রায় ১৪ হাজার হেক্টর পুকুর ও মাছ চাষের এলাকা রয়েছে। কৃষির প্রকৃত চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে ইউনিয়নভিত্তিক সার চাহিদা নির্ধারণের দাবি জানান তিনি।</p>
<p>সার সংকট মোকাবিলায় ইউনিয়নভিত্তিক ‘ডিজিটাল ফার্টিলাইজার ডিমান্ড ম্যাপ’ চালুর প্রস্তাব দেন সালেহী। তার প্রস্তাব অনুযায়ী, এই ব্যবস্থায় এলাকাভিত্তিক কৃষি ও ফসলের প্রকৃত চাহিদা অনুযায়ী সারের প্রয়োজন নির্ধারণ করা যাবে। পাশাপাশি জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে সারের মজুদের তথ্য দেখানোর জন্য মোবাইল অ্যাপ ও ড্যাশবোর্ড, কৃষকের ডিজিটাল কার্ড এবং সার পরিবহনে ডিজিটাল ট্র্যাকিং চালুর কথা বলেন তিনি।</p>
<p>তিনি বলেন, দেশের সাতটি সার কারখানার পাঁচ-ছয়টি গ্যাস সংকটে বন্ধ থাকায় উৎপাদন সক্ষমতার তুলনায় উৎপাদন অনেক কম হচ্ছে। আমদানিনির্ভরতা কমাতে বন্ধ কারখানাগুলো আধুনিকায়ন, আমদানির উৎস বহুমুখীকরণ এবং রাশিয়া, চীন ও মিসরসহ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির প্রস্তাব দেন তিনি।</p>
<p>বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন বলেন, ‘আমাদের সার সংকট মূলত মজুদের সমস্যা না, ব্যবস্থাপনার সমস্যা, দুর্নীতির সমস্যা, হরিলুটের অপচেষ্টার সমস্যা। সরকার সার বিতরণ ব্যবস্থাপনায় চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছে।’</p>
<p>তার অভিযোগ, সার কারখানাগুলো বন্ধ রেখে বেশি দামে জনগণের টাকায় সার কেনা হচ্ছে। সরকার মজুদ থাকার কথা বললেও সেই সার কৃষকের হাতে পৌঁছাচ্ছে না। সার সংকটকে একটি কায়েমি স্বার্থবাদী মহল লুটপাটের সুযোগ হিসেবে নিচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।</p>
<p>নতুন ডিলার নিয়োগের ক্ষেত্রেও লাখ লাখ টাকা লেনদেন হলে ভবিষ্যতে কৃষক সার না পেলে এর দায় সরকারকেই নিতে হবে বলে মন্তব্য করেন নাজিবুর রহমান। মিয়ানমারে সার পাচারের অভিযোগ তুলে এ বিষয়ে সরকারকে সংসদ ও জনগণকে জানাতেও বলেন তিনি।</p>
<p>১৯৯৫ সালের সার সংকটের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, ওই বছরের ১৫ মার্চ চাঁপাইনবাবগঞ্জের কানসাটে সারের দাবিতে আন্দোলনরত কৃষকদের ওপর গুলি চালিয়ে ১৮ জনকে হত্যা করা হয়েছিল। এটিকে দেশের ইতিহাসের একটি বেদনাদায়ক অধ্যায় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।</p>
<p>সার সংকট মোকাবিলায় রিয়েল-টাইম ডিজিটাল মনিটরিং, কেন্দ্রীয় গুদাম থেকে জেলা পর্যায় পর্যন্ত ডিজিটাল ট্র্যাকিং, বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন ও বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের তথ্য সমন্বয় এবং অঞ্চল ও ফসলভিত্তিক চাহিদা অনুযায়ী বরাদ্দের প্রস্তাব দেন নাজিবুর রহমান।</p>
<p>তিনি বলেন, ‘কৃষককে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড় করিয়ে রেখে এই সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। সার নেই—এই অজুহাতে কৃষককে ৫০০-৮০০ টাকা বেশি দিয়ে কালোবাজার থেকে সার কিনতে বাধ্য করা কোনো সমাধান নয়।’</p>
<p>পটুয়াখালী-২ আসনের সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, দেশে সার নেই—এটি মূল বিতর্ক নয়। মূল প্রশ্ন হলো, সার থাকার পরও এর সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা ও বিতরণ হচ্ছে কি না।</p>
<p>স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রীর দেওয়া পরিসংখ্যান নিয়ে তিনি বলেন, ‘প্রতিমন্ত্রী আমাদেরকে সারে দিয়েছেন, সুবিধা হতো উনার কাছে যদি একটা ক্যালকুলেটর থাকতো, তাহলে সঠিক পরিসংখ্যানটা আমাদের সামনে তুলে ধরতে পারতেন।’</p>
<p>তিনি বলেন, ‘উইদাউট প্রপার ম্যানেজমেন্ট দেয়ার ইজ নাথিং’—সঠিক ব্যবস্থাপনা না থাকলে মজুদ থাকলেও তা কার্যকর হয় না।<br>মাসুদ বলেন, জয়পুরহাটে ন্যায্যমূল্যের চেয়ে বস্তাপ্রতি ৩০০-৪০০ টাকা বেশি নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। কোথাও এই অতিরিক্ত দাম ৫০০ থেকে ৮০০ টাকা পর্যন্ত পৌঁছেছে। তার এলাকায় ডিলার নিয়োগে ১০-১২ লাখ টাকা নেওয়ার চেষ্টা চলছে বলেও অভিযোগ শোনা যাচ্ছে।</p>
<p>‘শস্যের মধ্যে ভূত রেখে আপনি কি সার সংকটের সমাধান করবেন?’—কুড়িগ্রামে গুদাম ভেঙে কৃষকদের সার নিয়ে যাওয়ার ঘটনা তুলে ধরে তিনি বলেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলে কৃষকদের গুদাম ভাঙার প্রয়োজন হতো না। সীমান্ত এলাকায় সার পাচারের অভিযোগ তুলে দেশীয় উৎপাদন বাড়ানো, আমদানিনির্ভরতা কমানো এবং ডিলার পর্যায়ে কঠোর নজরদারির দাবি জানান তিনি।</p>
<p>জবাবে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, আগের সরকারের সময়ে নিয়োগ পাওয়া অনেক সার ডিলার এখনও দায়িত্বে রয়েছেন। অনেকে পলাতক থাকায় প্রায় ৩ হাজার ৭৫৯টি ডিলার পয়েন্ট শূন্য রয়েছে।</p>
<p>তিনি বলেন, নতুন ডিলার নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে। প্রতিটি ইউনিয়নে একজন করে নতুন ডিলার নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে এবং আবেদন করার শেষ সময় আগামীকাল। এতে প্রায় ৪ হাজার ৯১৮ জন নতুন ডিলার নিয়োগ পাবেন। নতুন ডিলাররা সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নে আরও দুজন করে খুচরা বিক্রেতা নিয়োগ করতে পারবেন।</p>
<p>প্রতিমন্ত্রী বলেন, পুরোনো ডিলারদের একটি অংশ কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে সরকারকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে। ২৯ আগস্ট থেকে বিভিন্ন সময়ে সংঘটিত ঘটনায় ২০৪টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা এবং প্রায় ৩৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।</p>
<p>বাংলাদেশে সার তুলনামূলক সস্তা হওয়ায় ভারত ও মিয়ানমারে পাচারের প্রবণতা রয়েছে বলেও জানান তিনি। এ ধরনের ঘটনায় দুটি মামলা হয়েছে এবং তিনজনকে গ্রেফতার করে সার জব্দ করা হয়েছে।</p>
<p>কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী ও রৌমারীর ঘটনা প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিবেদনে কৃষকদের উসকানি দেওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। কোথাও সড়ক অবরোধ ও আগুন দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। পরে অন্য ডিলারের কাছ থেকে অতিরিক্ত সার এনে কৃষকদের মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে।<br>সংসদ সদস্যদের সার বিতরণ কমিটির উপদেষ্টা করার প্রস্তাবের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সার বিতরণের দায়িত্ব সংসদ সদস্যরা—আমার মনে হয় নিতে চান না। আমরা, ট্রেজারি বেঞ্চের যারা আছি, আমরা কেউই সার বিতরণের দায়িত্ব নিতে চাই না। ডিলাররা করবে।’</p>
<p>তিনি বলেন, কৃষকেরা আগাম সার কিনছেন—এটিও প্রমাণ করে যে সার পাওয়া যাচ্ছে। প্রতিটি জেলায় কৃষি বিভাগ ও সরকার অতিরিক্ত সার মজুদের ব্যবস্থা করেছে।</p>
<p>শিল্প প্রতিমন্ত্রী শরিফুল আলম বলেন, শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন সার উৎপাদন ও আমদানি করে। উৎপাদিত ও আমদানি করা সার কারখানা ও বাফার গুদামে মজুদ রাখা হয় এবং কৃষি মন্ত্রণালয়ের চাহিদা অনুযায়ী ডিলার পর্যায়ে সরবরাহ করা হয়।</p>
<p>তিনি জানান, চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে দেশে ইউরিয়া সার উৎপাদন হয়েছে ২ লাখ ৮৭ হাজার ৯৯ মেট্রিক টন। আমদানি করা হয়েছে ১ লাখ ১৭ হাজার ৮৯৯ মেট্রিক টন। বিতরণ করা হয়েছে ৫ লাখ ৩০ হাজার ৯২৫ মেট্রিক টন। বর্তমানে প্রায় ৪ লাখ ৪ হাজার ৯০০ মেট্রিক টন সার মজুদ রয়েছে বলেও জানান তিনি।</p>
<p>বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের নিয়ন্ত্রণাধীন সাতটি সার কারখানার মধ্যে পাঁচটি ইউরিয়া, একটি টিএসপি ও একটি ডিএপি কারখানা রয়েছে। ঘোড়াশাল-পলাশ ফার্টিলাইজার ও সিলেটের শাহজালাল ফার্টিলাইজার উৎপাদনে রয়েছে। চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিমিটেড গ্যাস সরবরাহ পাওয়ার পর স্টার্টআপ প্রক্রিয়ায় রয়েছে বলেও জানান শিল্প প্রতিমন্ত্রী।</p>
<p>আলোচনায় অংশ নিয়ে সংসদ সদস্য সুলতান সালাউদ্দিন টুকু নতুন সার ডিলার নিয়োগ নিয়ে আগাম দুর্নীতির অভিযোগের সমালোচনা করেন।</p>
<p>তিনি বলেন, ‘আপনার আবেদনের তারিখই শেষ হয় নাই। আবেদন হোক। দুর্নীতি কোথায় পান? আবেদন জমা দেন, কে পেল, না পেল, তারপরে বলেন।’</p>
<p>টুকু বলেন, ৬৪টি জেলায় ৬৪টি মনিটরিং সেল করা হয়েছে। দুইজন যুগ্ম সচিব ও দুইজন উপসচিবের তত্ত্বাবধানে এসব সেলের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। কোথাও অভিযোগ পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। অনিয়মের অভিযোগে কয়েকজন ডিলারের ডিলারশিপ বাতিল করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।</p>
<p>সারের চাহিদা ও সরবরাহের হিসাব তুলে ধরে টুকু বলেন, ‘আমাদের চাহিদা ৩৫ দশমিক ৮৭ লাখ মেট্রিক টন। আমাদের যোগান আছে ৫১ দশমিক ৭১ লাখ মেট্রিক টন। আর এই ক্ষেত্রে আমাদের সারপ্লাস থাকবে ১৫ দশমিক ৮৪ লাখ মেট্রিক টন।’</p>
<p>কৃষক কার্ডের পক্ষে যুক্তি দিয়ে তিনি বলেন, এর মাধ্যমে কৃষককে সম্মানিত করার পাশাপাশি জমির পরিমাণ অনুযায়ী সারের প্রয়োজন নির্ধারণ করা সম্ভব হবে। এতে সারের অপচয়ও কমবে এবং ব্যবস্থাপনা সহজ হবে।</p>
<p>নতুন ডিলার নিয়োগ প্রসঙ্গে টুকু বলেন, ‘প্রায় ৮ হাজার ডিলার নিয়োগ হবে। এরাও আবার দুইজন করে ডিলার নিয়োগ দিতে পারবে। তাহলে ১৬ হাজার ডিলার নিয়োগ হবে। এর আগেও যারা বিদ্যমান আছে, প্রায় ৩১ হাজারের উপরে।’</p>
<p>সার নিয়ে সমালোচনার ক্ষেত্রে সংসদ সদস্যদের আরও সতর্ক হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এই পবিত্র সংসদে সঠিক তথ্য, বাস্তবভিত্তিক কথা বললে সবাই উপকৃত হবে, দেশবাসী উপকৃত হবে।’</p>
<p>তিনি আরও বলেন, ‘সাবোটাজ না করে জনগণের পক্ষে কীভাবে কাজ করা যায়, সেই অনুযায়ী চলেন। জনগণই এর জবাব দিবে, ইনশাল্লাহ।’</p>
<p>সার ব্যবস্থাপনা নিয়ে সংসদে হওয়া আলোচনায় তাই মজুদের পরিমাণের পাশাপাশি তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর বিতরণ ব্যবস্থা, চাহিদার ডিজিটাল পূর্বাভাস, মজুদের স্বচ্ছ তথ্য, পরিবহনের গতিপথ পর্যবেক্ষণ এবং কৃষকের জমিভিত্তিক সারের প্রয়োজন নির্ধারণের বিষয়গুলো গুরুত্ব পেয়েছে। বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যদের প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে সরবরাহ ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বাড়ানোর পাশাপাশি কৃষকের কাছে সময়মতো সার পৌঁছানো সহজ হতে পারে—এটাই আলোচনার অন্যতম প্রযুক্তিনির্ভর দিক।<br><strong>//ডিবিটেক/ এসএইচএ/ এনএপি/এমআইএস/এফওইটি//</strong></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বাকৃবির নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. রফিকুল ইসলাম সরদার</title>
<link>https://digibanglatech.news/189167</link>
<guid>https://digibanglatech.news/189167</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;3,0,0&quot;&gt;বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য পদে ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;3,1,0&quot;&gt;রাষ্ট্রপতি ও আচার্যের অনুমোদনে চার বছরের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ প্রদান&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;3,2,0&quot;&gt;প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ক্যাম্পাসে সার্বক্ষণিক অবস্থানের আইনি শর্তারোপ&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6a9ff82873c22.jpg" length="125518" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 08 Sep 2026 10:57:50 +0600</pubDate>
<dc:creator>ক্যাম্পাস করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>বাকৃবি, উপাচার্য, ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় মৎস্য পদক ২০২৬, ময়মনসিংহ</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="6">বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ বায়োলজি অ্যান্ড জেনেটিক্স বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার। মঙ্গলবার (০৮ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি রাষ্ট্রীয় প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।</p>
<p data-path-to-node="7">প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্যের অনুমোদনক্রমে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাদেশ, ১৯৬১-এর ১১(১) ধারা অনুযায়ী অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদারকে উপাচার্য পদে নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে। তিনি যোগদানের তারিখ থেকে পরবর্তী চার বছর অথবা অবসর গ্রহণের পূর্বপর্যন্ত—যেটি আগে ঘটে—এ পদে দায়িত্ব পালন করবেন।</p>
<p data-path-to-node="8">নিয়োগের শর্তমতে, তিনি বর্তমান পদের সমপরিমাণ বেতন-ভাতা ও অন্যান্য বিধিসম্মত সুযোগ-সুবিধা পাবেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে তাঁকে সার্বক্ষণিকভাবে ক্যাম্পাসেই অবস্থান করতে হবে।</p>
<p data-path-to-node="9">দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষাদান ও গবেষণায় যুক্ত থাকা অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার সম্প্রতি মৎস্যসম্পদ গবেষণা ও বিজ্ঞানে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ‘জাতীয় মৎস্য পদক ২০২৬ (স্বর্ণপদক)’ লাভ করেন। ইতিপূর্বে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টাসহ একাধিক গুরুগম্ভীর প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করেছেন।<br>/<strong>/ডিবিটেক/ এএইচবি/ এসএমই/এমআইএসটি /</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>সার বিতরণে খুচরা বিক্রেতা প্রথা পুনর্বহাল: আইডি কার্ড বাধ্যতামূলক</title>
<link>https://digibanglatech.news/189004</link>
<guid>https://digibanglatech.news/189004</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;5,0,0&quot;&gt;সমন্বিত নীতিমালা-২০২৬’ কার্যকরের মাধ্যমে সার বিতরণে খুচরা বিক্রেতাদের আইডি কার্ড বাধ্যতামূলক।&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;5,1,0&quot;&gt;জেলা ও উপজেলা মনিটরিং কমিটির অধীনে প্রতি দুই বছর পর আইডি নবায়নের নিয়ম।&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;5,2,0&quot;&gt;নতুন নীতিমালায় ডিজিটাল ডাটাবেজ, ১ হাজার টাকা ফি ও গুদামের শর্ত আরোপ।&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6a9e1b02d0329.jpg" length="89928" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 07 Sep 2026 00:00:00 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল, অনলাইন, আইডি কার্ড, কৃষি মন্ত্রণালয়, সার বিতরণ, ডিলার, কৃষিনীতি</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="9">দেশের কৃষি খাতের সার বিতরণ ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা আনতে বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে কৃষি মন্ত্রণালয়। সম্প্রতি প্রণীত ও তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হওয়া ‘সার ডিলার নিয়োগ ও সার বিতরণ সংক্রান্ত সমন্বিত নীতিমালা-২০২৬’-এর মাধ্যমে আবার ফিরিয়ে আনা হয়েছে খুচরা বিক্রেতা বা সাব-ডিলার প্রথা, যেখানে খুচরা বিক্রেতাদের জন্য সরকারি প্রাতিষ্ঠানিক ‘আইডি কার্ড’ নেওয়া সম্পূর্ণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।</p>
<p data-path-to-node="10">পূর্বে ২০২৩ সালের ১৩ নভেম্বর প্রণীত নীতিমালায় সাব-ডিলার ব্যবস্থা বাতিল করে কেবল ডিলারের মাধ্যমে সার বিক্রয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে গত ৯ আগস্ট নীতিমালাটি সংশোধন করা হলেও চূড়ান্ত সংস্কার এনে গত ২৭ আগস্ট নতুন নীতিমালা প্রকাশ করে সরকার। কৃষি মন্ত্রণালয়ের কৃষি অর্থনীতিবিদ (সার ব্যবস্থাপনা ও মনিটরিং) শাহনাজ আক্তার জানান, নতুন নীতিমালা কার্যকর হওয়ার সাথে সাথে আগের সব নীতিমালা বাতিল হয়ে গেছে।</p>
<p data-path-to-node="11">নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, প্রতিটি ডিলারের অধিক্ষেত্রে তিনটি খুচরা বিক্রয়কেন্দ্র থাকবে, যার মধ্যে দুটি পরিচালনা করবেন জেলা বা উপজেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটি থেকে অনুমোদিত ও প্রাতিষ্ঠানিক আইডি কার্ডপ্রাপ্ত খুচরা বিক্রেতারা। আইডি কার্ড পেতে আবেদনকারীকে স্থানীয় স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে এবং জাতীয় পরিচয়পত্র ও নাগরিকত্ব সনদের সঙ্গে অফেরতযোগ্য ১ হাজার টাকার পোস্টাল অর্ডার বা পে-অর্ডার জমা দিয়ে আবেদন করতে হবে। প্রতিটি আইডি কার্ডের মেয়াদ হবে দুই বছর, যা নির্দিষ্ট ফি দিয়ে নবায়ন করতে হবে।</p>
<p data-path-to-node="12">আইডিধারী বিক্রেতাদের সারের জন্য ন্যূনতম ৫ মেট্রিক টন ধারণক্ষমতাসম্পন্ন নিজস্ব বা ভাড়াকৃত গুদাম থাকতে হবে। তবে খাবারের দোকান, গোখাদ্য বা বীজ গুদামে সার সংরক্ষণ করা যাবে না। একই পরিবারের একাধিক ব্যক্তি ডিলার বা আইডিধারী খুচরা বিক্রেতা হতে পারবেন না। মনিটরিং কমিটির স্বচ্ছ মূল্যায়নে যেকোনো অনিয়মের ইতিহাস থাকলে আইডি কার্ড দেওয়া হবে না।</p>
<p data-path-to-node="12">কৃষি মন্ত্রণালয় মনে করে, প্রযুক্তিভিত্তিক আইডি কার্ড ও অনলাইন ডাটাবেজ কাঠামোর ফলে সার কালোবাজারি রোধ হবে এবং ডিলার ও খুচরা বিক্রেতাদের জবাবদিহিতা বৃদ্ধি পাবে।<br>/<strong>/ডিবিটেক/ডিপিও/এসএমই/এমআইএস/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>আইওটিতে পেঁয়াজ সংরক্ষণে ক্ষতি কমবে ১৬ শতাংশ!</title>
<link>https://digibanglatech.news/188865</link>
<guid>https://digibanglatech.news/188865</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li&gt;&lt;span&gt;বাকৃবির আইওটি প্রযুক্তিতে সংরক্ষণ ক্ষতি ১৫–১৬ শতাংশে নামার সম্ভাবনা&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;li&gt;&lt;span&gt;সেন্সরে তাপমাত্রা-আর্দ্রতা মেপে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিয়ন্ত্রিত হবে বাতাস&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;li&gt;&lt;span&gt;মাঠপর্যায়ে পাইলট প্রয়োগের লক্ষ্য আগামী এক–দুই বছরে&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6a9c223965ffc.jpg" length="494386" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 05 Sep 2026 20:08:42 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>পেঁয়াজ সংরক্ষণ, আইওটি, কৃষি প্রযুক্তি, বাকৃবি, স্মার্ট কৃষি, সেন্সর প্রযুক্তি, কৃষি গবেষণা, খাদ্য সংরক্ষণ, আমদানি নির্ভরতা</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="isSelectedEnd"><span>পেঁয়াজ সংরক্ষণে পচন, ওজন হ্রাস, অঙ্কুরোদগম ও গুণগত মানের অবনতি কমাতে ইন্টারনেট অব থিংস (আইওটি) ও সেন্সরনির্ভর আধুনিক সংরক্ষণব্যবস্থা তৈরি করছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) গবেষকরা। পরীক্ষামূলক পর্যায়ে পাওয়া ফলাফলে দেখা গেছে, প্রচলিত সংরক্ষণব্যবস্থায় যেখানে পেঁয়াজের ক্ষতি প্রায় ৩০–৩২ শতাংশ হতে পারে, সেখানে নতুন প্রযুক্তিতে তা প্রায় ১৫–১৬ শতাংশে নামিয়ে আনার সম্ভাবনা রয়েছে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>তুলনামূলক কম খরচে এমন একটি স্মার্ট সংরক্ষণব্যবস্থা তৈরির লক্ষ্য নিয়ে গবেষণাটি পরিচালিত হচ্ছে, যেখানে সংরক্ষণকক্ষের তাপমাত্রা ও আপেক্ষিক আর্দ্রতা সেন্সরের মাধ্যমে নিয়মিত পরিমাপ করা হবে। পরিবেশে প্রয়োজনের তুলনায় পরিবর্তন দেখা দিলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। এর মাধ্যমে পেঁয়াজ দীর্ঘসময় সংরক্ষণের উপযোগী পরিবেশ বজায় রাখার চেষ্টা করছেন গবেষকরা।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>গবেষণাটির নেতৃত্বে রয়েছেন বাকৃবির আইসিটি সেলের পরিচালক এবং কৃষি শক্তি ও যন্ত্র বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. রোস্তম আলী। গবেষক দলে রয়েছেন সহকারী গবেষক ও স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থী নাফিস সাদিক সায়েম এবং স্নাতক শিক্ষার্থী রাহাত মিয়া। বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) অর্থায়নে ২০২৫ সালের মার্চে শুরু হওয়া গবেষণাটি বর্তমানে পরীক্ষামূলক ও তথ্য বিশ্লেষণ পর্যায়ে রয়েছে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>উদ্ভাবনটির বিষয়ে ডিজিবাংলাটেক ডটনিউজের প্রশ্নের জবাবে অধ্যাপক ড. মো. রোস্তম আলী জানান, তুলনামূলক কম খরচে এমন একটি আধুনিক সংরক্ষণব্যবস্থা তৈরিই গবেষণার মূল লক্ষ্য, যেখানে পেঁয়াজ সংরক্ষণের পরিবেশ নিয়মিত পর্যবেক্ষণ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। দীর্ঘসময় পেঁয়াজের মান ধরে রাখতে তাপমাত্রা ও আপেক্ষিক আর্দ্রতা গুরুত্বপূর্ণ। তাই এসব পরিবেশগত পরিবর্তন দ্রুত শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার মাধ্যমে পচন, ওজন হ্রাসসহ অন্যান্য সংরক্ষণকালীন ক্ষতি কমানোর লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>গবেষকের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, সংরক্ষণব্যবস্থার ভেতরে সেন্সর স্থাপন করে তাপমাত্রা ও আর্দ্রতার তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। সংরক্ষিত পেঁয়াজের চারপাশের পরিবেশে প্রয়োজনের তুলনায় পরিবর্তন শনাক্ত হলে বাতাস চলাচলের ব্যবস্থাও নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। প্রযুক্তিটির নকশায় এয়ারফ্লো বা বাতাস চলাচল ব্যবস্থাপনাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজন অনুযায়ী ফ্যান চালু বা বন্ধ করার স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>অর্থাৎ, প্রচলিত পদ্ধতিতে নির্দিষ্ট সময় পরপর সংরক্ষণকক্ষ পরীক্ষা করার পরিবর্তে প্রস্তাবিত ব্যবস্থায় সেন্সর থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরিবেশ পর্যবেক্ষণ এবং প্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রণ একসঙ্গে করা সম্ভব হবে। গবেষকদের লক্ষ্য হলো, পেঁয়াজের জন্য উপযোগী তাপমাত্রা ও আর্দ্রতা বজায় রেখে অতিরিক্ত আর্দ্রতা, পচন ও ওজন কমার মতো সমস্যা নিয়ন্ত্রণ করা।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>গবেষণায় শুধু পেঁয়াজ কতদিন ভালো থাকছে তা নয়, সংরক্ষণকালীন ওজন হ্রাস, পচনের হার এবং গুণগত মানের পরিবর্তনও পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। বিভিন্ন সংরক্ষণ পরিস্থিতিতে পাওয়া তথ্য সংগ্রহ, বিশ্লেষণ ও তুলনার মাধ্যমে প্রযুক্তিটির কার্যকারিতা যাচাই করা হচ্ছে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>গবেষকদের মতে, এখন পর্যন্ত পাওয়া পরীক্ষামূলক ফলাফল আশাব্যঞ্জক। প্রচলিত সংরক্ষণব্যবস্থায় ৩০–৩২ শতাংশ পর্যন্ত ক্ষতির তুলনায় আইওটি ও সেন্সরভিত্তিক ব্যবস্থায় ক্ষতি প্রায় ১৫–১৬ শতাংশে নামিয়ে আনার সম্ভাবনা দেখা গেছে। তবে গবেষকরা এটিকে চূড়ান্ত ফল হিসেবে দেখছেন না; বৃহত্তর পরিসরে পরীক্ষা ও তথ্য বিশ্লেষণের পর প্রযুক্তিটির কার্যকারিতা আরও নিশ্চিত করা হবে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ২৫ এপ্রিল ২০২৬-এর তথ্য অনুযায়ী, দেশে বছরে প্রায় ৪২ দশমিক ৬৪ লাখ টন পেঁয়াজ উৎপাদন হয়। বার্ষিক চাহিদা প্রায় ৩৫ থেকে ৩৬ লাখ টন। এরপরও ২০২৫–২৬ অর্থবছরে প্রায় ৮৬ হাজার টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>অধ্যাপক ড. রোস্তম আলীর মতে, উৎপাদন চাহিদার চেয়ে বেশি হলেও সংরক্ষণ ও সরবরাহব্যবস্থার সীমাবদ্ধতার কারণে বছরের বিভিন্ন সময়ে বাজারে ঘাটতি তৈরি হয়। সংরক্ষণ সুবিধার অভাবে কৃষককে অনেক সময় ফসল তোলার পরপরই পেঁয়াজ বিক্রি করতে হয়। ফলে মৌসুমে বাজারে সরবরাহ বেড়ে গেলে কম দামে বিক্রি করার ঝুঁকি তৈরি হয়।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>উন্নত সংরক্ষণব্যবস্থা চালু করা গেলে কৃষক কিছুদিন পেঁয়াজ ধরে রেখে বাজার পরিস্থিতি অনুযায়ী বিক্রির সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন বলে মনে করেন তিনি। এতে বছরজুড়ে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার পাশাপাশি কৃষকের আর্থিক ক্ষতিও কমানো সম্ভব হতে পারে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>গবেষকের ভাষায়, এই প্রযুক্তির লক্ষ্য পেঁয়াজের ফলন বাড়ানো নয়; বরং উৎপাদনের পরবর্তী পর্যায়ে অপচয় কমিয়ে কৃষকের আর্থিক সুবিধা নিশ্চিত করা। একই সঙ্গে সংরক্ষণকালীন ক্ষতি কমানো গেলে বাজারে দেশীয় পেঁয়াজের সরবরাহ আরও স্থিতিশীল রাখা সম্ভব হতে পারে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>গবেষণাটি এখনো চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছায়নি। পরীক্ষামূলক ফলাফল বিশ্লেষণের পাশাপাশি প্রযুক্তিটির কার্যকারিতা আরও উন্নত করার কাজ চলছে। পরবর্তী ধাপে বৃহত্তর পরিসরে বাস্তব সংরক্ষণ পরিবেশে এর কার্যকারিতা যাচাই করা হবে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>ফলাফল সন্তোষজনক হলে কৃষক ও বাণিজ্যিক সংরক্ষণকেন্দ্রে পাইলট পর্যায়ে প্রযুক্তিটির প্রয়োগ শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। অধ্যাপক ড. রোস্তম আলীর মতে, প্রয়োজনীয় অর্থায়ন, আধুনিক সেন্সর, তথ্য পর্যবেক্ষণব্যবস্থা এবং কারিগরি সহায়তা পাওয়া গেলে আগামী এক থেকে দুই বছরের মধ্যে মাঠপর্যায়ে ব্যবহারের উপযোগী একটি পাইলট মডেল তৈরি করা সম্ভব।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও শিল্প উদ্যোক্তাদের সহযোগিতা পাওয়া গেলে সফল মডেলটি পরবর্তী সময়ে বাণিজ্যিকভাবে সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি হবে বলেও জানান তিনি।</span></p>
<p>গবেষকদের প্রত্যাশা, বৃহত্তর পরিসরের পরীক্ষায় প্রযুক্তিটির কার্যকারিতা নিশ্চিত হলে তুলনামূলক কম খরচে কার্যকর স্মার্ট পেঁয়াজ সংরক্ষণব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব হবে। এতে সংরক্ষণকালীন ক্ষতি কমার পাশাপাশি কৃষক উপযুক্ত সময়ে পেঁয়াজ বিক্রি করার সুযোগ পাবেন। দীর্ঘমেয়াদে দেশীয় পেঁয়াজের সরবরাহ স্থিতিশীল রাখা এবং আমদানিনির্ভরতা কমাতেও এই কৃষিপ্রযুক্তি ভূমিকা রাখতে পারে।<br>/<strong>/ডিবিটেক/ডিআরএসি/এসএমই/এমআইএস/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>খুকৃবিতে উদ্ভাবন ও কৃষিপ্রযুক্তি উদ্যোক্তা কর্মশালা</title>
<link>https://digibanglatech.news/188845</link>
<guid>https://digibanglatech.news/188845</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;6,1,0&quot;&gt;প্রচলিত শিক্ষার বাইরে মাঠপর্যায়ের প্রযুক্তিগত সমস্যা চিহ্নিতকরণ ও বাণিজ্যিক মডেল তৈরির বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন এগ্রিটেক বিশেষজ্ঞ ও আলোচকরা&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;6,2,0&quot;&gt;আশি জনের বেশি শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে কর্মশালাটিতে প্রাথমিক ধারণাকে আধুনিক টেকসই উদ্যোগে রূপান্তরের কৌশলগত প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6a9bfc8121b81.jpg" length="98417" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 04 Sep 2026 21:27:40 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, কৃষিপ্রযুক্তি, আইডিয়া টু ইমপ্যাক্ট, বাংলাদেশ এগ্রিকালচার অলিম্পিয়াড, স্টার্টআপ, সজল আহমেদ, আতিকুর রহমান, রাকিব হাসান মুবিন, আরমান হাবিব</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="13">আধুনিক কৃষিপ্রকৌশল ও প্রযুক্তিভিত্তিক উদ্ভাবনী চিন্তার মাধ্যমে তরুণদের মাঝে টেকসই উদ্যোক্তা সংস্কৃতি বিকাশের লক্ষ্যে খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (খুকৃবি) ‘আইডিয়া টু ইমপ্যাক্ট’ শীর্ষক বিশেষ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৪ সেপ্টেম্বর শুক্রবার সকাল সাড়ে আটটা থেকে দুপুর সাড়ে বারোটা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এই ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ অধিবেশন পরিচালিত হয়।</p>
<p data-path-to-node="14">বাংলাদেশ এগ্রিকালচার অলিম্পিয়াড, ক্যাম্পাস কানেক্টেড এবং দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মশালায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের আশি জনের বেশি শিক্ষার্থী অংশ নেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব ও সঞ্চালনা করেন সাউথ এশিয়ান এনভায়রনমেন্টাল অ্যান্ড ইকোলজিক্যাল কাউন্সিল (SAEEC) ও ক্যাম্পাস কানেক্টেডের আহ্বায়ক মো. সজল আহমেদ।</p>
<p data-path-to-node="15">কর্মশালায় বিশেষজ্ঞ আলোচক ছিলেন বাংলাদেশ এগ্রিকালচারাল অলিম্পিয়াডের প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক এবং ইউনিভার্সিটি ইনোভেশন হাব প্রোগ্রামের মেন্টর মোহাম্মদ আতিকুর রহমান, এনিমেলিয়ার সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও সিএমও রাকিব হাসান মুবিন এবং মিটব্রোসের সহ-প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ আরমান হাবিব। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসের জেলা প্রতিনিধি মহরম হাসান মাহিমসহ সংশ্লিষ্ট সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।</p>
<p data-path-to-node="16">আলোচনায় মোহাম্মদ আতিকুর রহমান বলেন, কৃষি ও বায়োটেক শিক্ষার্থীদের কেবল তাত্ত্বিক শিক্ষার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না; মেকানিক্যাল ও জৈবপ্রযুক্তিগত ধারণাকে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধানে প্রয়োগ করতে হবে। একটি প্রযুক্তিগত ধারণা তখনই সফল হয়, যখন তা প্রান্তিক মানুষের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনে। তিনি আধুনিক এগ্রি-ইনোভেশনের মাধ্যমে তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার মানসিকতা গড়ে তোলার তাগিদ দেন।</p>
<p data-path-to-node="17">রাকিব হাসান মুবিন উল্লেখ করেন, বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তি ও স্টার্টআপের যুগে বড় মূলধনের চেয়ে মাঠপর্যায়ের প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জ চিহ্নিত করার সক্ষমতা বেশি জরুরি। বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাগার ও মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়েই প্রাথমিক ধারণাকে বৃহৎ ভেঞ্চারে রূপ দেওয়া সম্ভব। মোহাম্মদ আরমান হাবিব বলেন, ভোক্তা ও কৃষকের বাস্তব চাহিদা প্রযুক্তিগত কাঠামোর মাধ্যমে মেটাতে পারলেই একটি উদ্যোগ সফল হয়। সঠিক পণ্য উন্নয়ন ও ডেটাভিত্তিক পরিকল্পনার মাধ্যমে ধারণাকে স্কেলে রূপান্তরের পরামর্শ দেন তিনি।</p>
<p data-path-to-node="19">মো. সজল আহমেদ বলেন, আন্তর্জাতিক প্রযুক্তির অগ্রগতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষার্থীদের মাঝে ইনকিউবেশন ও ইনোভেশন চর্চা বাড়ানো আবশ্যক। কর্মশালায় প্রাথমিক ধারণার নকশা প্রণয়ন, কারিগরি প্রোটোটাইপিং ও বাণিজ্যিক উদ্যোগ চালুর ধাপে ধাপে দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়। উদ্যোক্তা সংস্কৃতি অব্যাহত রাখতে ভবিষ্যতে এ ধরনের প্রযুক্তি ও উদ্যোগমুখী কর্মশালা অব্যাহত থাকবে বলে জানান আয়োজকরা।<br>/<strong>/ডিবিটেক/আরএইচএম/এমআইএস/এসএমই/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>একই জমিতে ফসল ও সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রস্তাব</title>
<link>https://digibanglatech.news/188712</link>
<guid>https://digibanglatech.news/188712</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li&gt;&lt;span&gt;কৃষিবিদ্যুৎ একই জমিতে ফসল ও সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের সুযোগ&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;li&gt;&lt;span&gt;বরেন্দ্র অঞ্চলে পাইলট প্রকল্প গ্রহণের সুপারিশ&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;li&gt;&lt;span&gt;পানি, সেচ ব্যয় ও জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ের সম্ভাবনা&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6a998ff4eb98c.jpg" length="80784" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 03 Sep 2026 20:19:38 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>কৃষিবিদ্যুৎ, এগ্রিভোল্টিক্স, সৌরবিদ্যুৎ, জ্বালানি নিরাপত্তা, খাদ্য নিরাপত্তা, পানি নিরাপত্তা, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, কৃষি প্রকৌশল, বিএমডিএ</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="isSelectedEnd"><span>একই জমিতে কৃষি উৎপাদনের পাশাপাশি সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের মাধ্যমে খাদ্য ও জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার নতুন সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে ‘এগ্রিভোল্টিক্স’ বা কৃষিবিদ্যুৎ। বাংলাদেশের জন্য তুলনামূলক নতুন এই প্রযুক্তি এখনো সাধারণ মানুষ ও কৃষকের কাছে খুব বেশি পরিচিত না হলেও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এর সফল প্রয়োগ রয়েছে। বিশেষ করে চীনে বড় পরিসরে কৃষিবিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>৩ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশের (আইইবি) কৃষিকৌশল বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত </span><strong><span>‘খাদ্য, জ্বালানি ও পানির নিরাপত্তায় টেকসই সমাধানে কৃষিবিদ্যুতের ভূমিকা’</span></strong><span> শীর্ষক সেমিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>কৃষি কৌশল বিভাগের সম্পাদক প্রকৌশলী মোঃ বেলাল সিদ্দিকীর সঞ্চালনায় সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন বিভাগের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী গোলাম মাওলা। বিভাগের ভাইস চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মোহাম্মদ গোলাম মাওলা স্বাগত বক্তব্য দেন।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন সাবেক সংসদ সদস্য ও অ্যাসোসিয়েশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশের আহ্বায়ক প্রকৌশলী শাহরিন ইসলাম তুহিন।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিএমডিএ) চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের সভাপতি প্রকৌশলী হাসান জাফির তুহিন, আইইবির ভাইস প্রেসিডেন্ট (একাডেমিক ও আন্তর্জাতিক) প্রকৌশলী খান মনজুর মোরশেদ, অ্যাসোসিয়েশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশের (এ্যাব) সদস্য-সচিব প্রকৌশলী শোয়েব বাশরি হাবলু এবং এগ্রিকালচারিস্টস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (এ্যাব) সদস্য-সচিব ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের যুগ্ম সচিব প্রকৌশলী শাহাদাত হোসেন বিপ্লব।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, ডেভিসের জৈব ও কৃষি প্রকৌশল বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক প্রকৌশলী মো. শামীম আহমেদ, পিএইচডি।</span></p>
<h3><span style="font-size: 10pt;">একই জমিতে কৃষি ও বিদ্যুৎ</span></h3>
<p class="isSelectedEnd"><span>সেমিনারে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে কৃষিবিদ্যুৎ একটি নতুন ও সম্ভাবনাময় প্রযুক্তি। একই জমিতে ফসল উৎপাদনের পাশাপাশি সৌর প্যানেল স্থাপনের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা গেলে জমির বহুমুখী ব্যবহার নিশ্চিত করা সম্ভব।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>এ ধরনের ব্যবস্থায় কৃষি উৎপাদন অব্যাহত রাখার পাশাপাশি সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের সুযোগ তৈরি হবে। একই সঙ্গে সেচে বিদ্যুৎ খরচ, পানির ব্যবহার এবং কৃষকের উৎপাদন ব্যয় কমানোর সম্ভাবনাও রয়েছে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কৃষিবিদ্যুতের সফল প্রয়োগ হয়েছে। চীনে বড় পরিসরে এ ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের পাশাপাশি কৃষি জমির ব্যবহার অব্যাহত রাখা হচ্ছে।</span></p>
<h3><span style="font-size: 10pt;">বরেন্দ্রে পাইলট প্রকল্পের প্রস্তাব</span></h3>
<p class="isSelectedEnd"><span>বাংলাদেশে প্রাথমিকভাবে বিএমডিএর সেচ প্রকল্পসহ সংশ্লিষ্ট কৃষি ও জ্বালানি প্রতিষ্ঠানের আওতাধীন এলাকায় কৃষিবিদ্যুতের পাইলট প্রকল্প নেওয়ার সুপারিশ করেন বক্তারা।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>তাদের মতে, পাইলট প্রকল্পের মাধ্যমে একই জমিতে ফসল উৎপাদন ও সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের পাশাপাশি সেচ ব্যয়, পানির ব্যবহার এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত সুফল যাচাই করা যাবে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>এ ধরনের প্রকল্প সফল হলে কৃষক, উদ্যোক্তা ও বেসরকারি খাত কৃষিবিদ্যুৎ প্রযুক্তি গ্রহণে আরও উৎসাহিত হবে। পরে ধাপে ধাপে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এ প্রযুক্তি সম্প্রসারণ করা সম্ভব হবে বলে মনে করেন বক্তারা।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের মতো ঘনবসতিপূর্ণ দেশে কৃষিজমি সংরক্ষণের পাশাপাশি নবায়নযোগ্য জ্বালানির উৎপাদন বাড়ানো একটি বড় চ্যালেঞ্জ। কৃষিবিদ্যুৎ সেই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় একই জমির বহুমুখী ব্যবহারের সুযোগ তৈরি করতে পারে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>তাদের মতে, খাদ্য উৎপাদনের জমি নষ্ট না করে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের সুযোগ তৈরি হলে একই সঙ্গে খাদ্য ও জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করা সম্ভব।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>পানি ব্যবহারের দক্ষতা বাড়ানো এবং সেচ ব্যয় কমানোর সম্ভাবনাও এ প্রযুক্তির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হিসেবে সেমিনারে উঠে আসে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, বর্তমান সরকার দ্রুত কার্যকর ও বাস্তবমুখী পদক্ষেপের মাধ্যমে দেশের জ্বালানি সংকট মোকাবিলা এবং জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সক্ষম হবে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>একই সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার আওতায় নবায়নযোগ্য ও বিকল্প জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন তারা।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>বক্তারা বলেন, সেমিনারে উপস্থাপিত মূল প্রবন্ধে বাংলাদেশের বর্তমান বাস্তবতায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় তুলে ধরা হয়েছে। তাই বিষয়টি শুধু আলোচনা বা গবেষণার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে প্রবন্ধকারের প্রস্তাবিত প্রযুক্তি ও ধারণা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে দ্রুত পাইলট প্রকল্প গ্রহণ করা প্রয়োজন।</span></p>
<p>তাদের মতে, পাইলট প্রকল্পের বাস্তব ফলাফল মূল্যায়নের মাধ্যমে কৃষিবিদ্যুতের অর্থনৈতিক, কৃষি ও পরিবেশগত সম্ভাবনা নিরূপণ করে জাতীয় পর্যায়ে সম্প্রসারণের পথ তৈরি করা যেতে পারে।<br>/<strong>/ডিবিটেক/এসআইআইবি/এসএমই/এমআইএস/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>জলবায়ু মোকাবিলায় প্রযুক্তি ছাড়াও মেধা প্রয়োগের আহ্বান</title>
<link>https://digibanglatech.news/188477</link>
<guid>https://digibanglatech.news/188477</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;4,0,0&quot;&gt;প্রচলিত প্রযুক্তি ও গতানুগতিক জ্ঞানের বাইরে গিয়ে প্রকৃত মেধা ও প্রজ্ঞার প্রয়োগ বাড়ানোর তাগিদ&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;4,1,0&quot;&gt;চট্টগ্রামসহ ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলে জলাবদ্ধতা, পাহাড় নিধন, বন্যা ও জলবায়ু সংকটের বহুমাত্রিক প্রভাব পর্যালোচনা&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;4,2,0&quot;&gt;সিক্ত বাংলাদেশ, ব্র্যাক সি৩ইআর ও আইএসডিই আয়োজিত আড্ডায় অংশ নিল যুব সংগঠনসমূহ&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202609/image_870x580_6a96bf26ddc17.jpg" length="87128" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 31 Aug 2026 23:27:00 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>জলবায়ু পরিবর্তন, ক্যাব, এস এম নাজের হোসাইন, ডিকার্বনাইজেশন, ব্র্যাক সি৩ইআর, আইএসডিই বাংলাদেশ, যুব উদ্ভাবন, পরিবেশ সংকট, চট্টগ্রাম জলাবদ্ধতা</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="7">বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের মারাত্মক ঝুঁকি ও বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় প্রচলিত প্রযুক্তি ও গতানুগতিক জ্ঞাননির্ভর পদ্ধতির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে প্রকৃত মেধা, প্রজ্ঞা ও পরিবর্তনের জন্য কাজ করা তরুণদের বেশি গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন কনজ্যুমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম নাজের হোসাইন। ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ মঙ্গলবার সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।</p>
<p data-path-to-node="8">এর আগে সোমবার (৩১ আগস্ট) চট্টগ্রামের চান্দগাঁওয়ে আইএসডিই বাংলাদেশ মিলনায়তনে গ্রাসরুটস নেটওয়ার্ক ফর ডিকার্বনাইজেশনের উদ্যোগে আয়োজিত এক বিশেষ জলবায়ু আড্ডায় তিনি এ আহ্বান জানান। পরিবেশবাদী সংগঠন ‘সিক্ত বাংলাদেশ’ আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সহযোগিতা করে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর ক্লাইমেট চেঞ্জ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল রিসার্চ (সি৩ইআর) এবং আইএসডিই বাংলাদেশ।</p>
<p data-path-to-node="9">এস এম নাজের হোসাইন বলেন, "জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ভূপৃষ্ঠের তাপমাত্রা দ্রুত বাড়ছে এবং পৃথিবী ক্রমাগত বসবাসের অনুপযোগী হয়ে উঠছে, যার তীব্র মূল্য দিতে হচ্ছে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোকে। জলবায়ু মোকাবিলায় সরকারের উদ্যোগ দৃশ্যমান হলেও তা এখনো পুরোনো জ্ঞান ও প্রযুক্তিনির্ভর। প্রকৃত মেধাবী গবেষক ও মাঠপর্যায়ের কর্মীদের সম্পৃক্ত না করে সুযোগসন্ধানীদের হাতে সুবিধা চলে যাওয়ায় বৈশ্বিক অগ্রগতির সঙ্গে তাল মেলানো কঠিন হচ্ছে। তাই জলবায়ু নীতিমালায় উদ্ভাবনী মেধা ও প্রজ্ঞার সমন্বয় ঘটাতে হবে।"</p>
<p data-path-to-node="10">অনুষ্ঠানে আইএসডিই বাংলাদেশের সহযোগী প্রশাসনিক কর্মকর্তা আবদুল মান্নান জিহাদের সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য দেন ক্যাব চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সেলিম জাহাঙ্গীর।</p>
<p data-path-to-node="11">আলোচনায় অংশ নেয় ইয়ুথ ভয়েস ফর চেঞ্জ, ইয়ুথ ইনোভেশন ফর অ্যাকশন এবং উষার আলো ইয়ুথ অ্যাসোসিয়েশন। উন্মুক্ত পর্বে চট্টগ্রামের তীব্র জলাবদ্ধতা, আকস্মিক বন্যা, নির্বিচারে পাহাড় নিধন, উপকূলীয় অঞ্চলের ঝুঁকি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট বাল্যবিয়ে ও সামাজিক সংকটের চিত্র তুলে ধরা হয়। বক্তারা পরিবেশ সুরক্ষা ও জলবায়ু অভিযোজনে তরুণদের উদ্ভাবনী উদ্যোগকে তৃণমূল পর্যায়ে ছড়িয়ে দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।</p>
<p data-path-to-node="12">/<strong>/ডিবিটেক/ সিএলএন/এসএমই/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>২০২৭ সালের কৃষি প্রযুক্তি ও রূপান্তরে সার্কের সমন্বয় সভা</title>
<link>https://digibanglatech.news/188171</link>
<guid>https://digibanglatech.news/188171</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;4,0,0&quot;&gt;২০২৭ সালের যৌথ কৌশল ও কৃষি প্রযুক্তি বিনিময় নির্ধারণে অংশীদারদের সাথে সমন্বয় সভা&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;4,1,0&quot;&gt;দক্ষিণ এশিয়ার খাদ্যব্যবস্থায় উদ্ভাবন, টেকসই কৃষিবাস্তুশাস্ত্র ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা জোরদারের তাগিদ&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;4,2,0&quot;&gt;জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সরকারি-বেসরকারি শীর্ষ উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণ&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202608/image_870x580_6a92ae4f921c1.jpg" length="125310" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 29 Aug 2026 14:03:14 +0600</pubDate>
<dc:creator>Staff Correspondent</dc:creator>
<media:keywords>সার্ক কৃষি কেন্দ্র, কৃষি প্রযুক্তি, এগ্রিটেক উদ্ভাবন, জলবায়ু সহনশীলতা, খাদ্য নিরাপত্তা, কৃষিবাস্তুশাস্ত্র, প্রযুক্তি বিনিময়, সমন্বয় সভা, দক্ষিণ এশিয়া কৃষি</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="7">দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে খাদ্যব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং ২০২৭ সালের সম্ভাব্য যৌথ প্রযুক্তিগত কর্মসূচি ও সহযোগিতার ক্ষেত্র চিহ্নিত করতে সমন্বয় সভা করেছে সার্ক কৃষি কেন্দ্র (এসএসি)। ২৯ আগস্ট, শনিবার ঢাকায় সার্ক কৃষি কেন্দ্রের কার্যালয়ে ‘২০২৭ সালের কর্মসূচি নিয়ে অংশীদার প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সমন্বয় সভা’ শীর্ষক এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।</p>
<p data-path-to-node="8">সভায় সভাপতিত্ব করেন সার্ক কৃষি কেন্দ্রের পরিচালক ড. মো. হারুনূর রশীদ। তিনি বলেন, "দক্ষিণ এশিয়ার কৃষি ও খাদ্যব্যবস্থার ক্রমবর্ধমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকারি, বেসরকারি ও উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সমন্বিত প্রযুক্তিগত সহযোগিতা আরও জোরদার করা প্রয়োজন। জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়, আধুনিক কৃষিপ্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের প্রসার এবং যৌথ কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমেই কৃষক ও গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর টেকসই রূপান্তর নিশ্চিত করা সম্ভব।"</p>
<p data-path-to-node="9">বৈঠকে টেকসই কৃষি, কৃষিবাস্তুশাস্ত্রভিত্তিক (এগ্রোইকোলজিক্যাল) পদ্ধতি, আধুনিক খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা, জলবায়ু সহনশীল প্রযুক্তি, প্রাণিসম্পদ ও মৎস্যসম্পদের ডিজিটাল মনিটরিং, সাপ্লাই চেইন বা মূল্যশৃঙ্খল আধুনিকায়ন এবং কারিগরি জ্ঞান বিনিময় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।</p>
<p data-path-to-node="11">সভায় গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ইমপ্রুভড নিউট্রিশন (গেইন), হেইফার ইন্টারন্যাশনাল, হারভেস্টপ্লাস, সাসটেইনেবল অ্যাগ্রিকালচার ফাউন্ডেশন, এসিআই, স্পেকট্রা হেক্সা ফিডস লিমিটেড, ওয়েভ ফাউন্ডেশন, গ্রাম উন্নয়ন কর্ম (গাক), টিএমএসএস, ক্লাইমেট অ্যাকশন নেটওয়ার্ক সাউথ এশিয়া, ফিশটেক হ্যাচারি, রুট এগ্রোভেট, সুশীলন, আরএসবি প্রপার্টিজ, শিশুক, ওয়েলথাঙ্গারহিলফে ও নিরিবিলি গ্রুপসহ বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান এবং ঊর্ধ্বতন প্রযুক্তি ও উন্নয়ন প্রতিনিধিরা উপস্থিত থেকে ২০২৭ সালের কর্মপরিকল্পনায় সক্রিয়ভাবে অংশ নেন।<br>/<strong>/ডিবিটেক/এবিএম/এসএমই/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>দেশি মাছ সংরক্ষণ ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারে যবিপ্রবি উপাচার্যের আহ্বান</title>
<link>https://digibanglatech.news/187854</link>
<guid>https://digibanglatech.news/187854</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;4,0,0&quot;&gt;যবিপ্রবিতে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও গবেষণা পুকুরে পোনা অবমুক্তকরণের মাধ্যমে মৎস্য পক্ষ পালিত।&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;4,1,0&quot;&gt;আমিষের চাহিদা পূরণ ও রপ্তানি বাড়াতে মাছের অভয়াশ্রম এবং আধুনিক জৈবপ্রযুক্তির তাগিদ।&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;4,2,0&quot;&gt;দেশীয় প্রজাতির মাছের নিরাপদ প্রজনন ও টেকসই মৎস্য চাষের আধুনিকায়নে জোর।&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202608/image_870x580_6a8daf77cad99.jpg" length="171838" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 25 Aug 2026 16:06:54 +0600</pubDate>
<dc:creator>ক্যাম্পাস করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>যবিপ্রবি, জাতীয় মৎস্য পক্ষ, ফিশারিজ বায়োসায়েন্স, মৎস্য প্রযুক্তি, জলজ জীবপ্রকৌশল, মাছের পোনা অবমুক্তকরণ, নিরাপদ মাছ উৎপাদন, অভয়াশ্রম ব্যবস্থাপনা, টেকসই মৎস্যচাষ</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>দেশীয় মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি, অভয়াশ্রম তৈরি এবং মৎস্য উৎপাদনে উন্নত প্রযুক্তি ও বায়োসায়েন্স ব্যবহারের তাগিদ দিয়ে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) 'জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬' উদযাপিত হয়েছে। ২৫ আগস্ট, মঙ্গলবার “রুপালি মৎস্যে স্বনির্ভর দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ অ্যান্ড মেরিন বায়োসায়েন্স (এফএমবি) বিভাগের উদ্যোগে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।</p>
<p><br>কর্মসূচির শুরুতে বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম অ্যাকাডেমিক ভবনের সামনে থেকে এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে গবেষণা পুকুর সংলগ্ন এলাকায় শেষ হয়। এরপর উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবীর এবং উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা পুকুরে বিভিন্ন উন্নত জাতের মাছের পোনা অবমুক্ত করেন।</p>
<p>পোনা অবমুক্তকরণ শেষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে যবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবীর শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, "দেশে বর্তমানে দেশীয় মাছের উৎপাদন কমতে শুরু করেছে। আধুনিক মৎস্যবিজ্ঞান ও প্রজনন প্রযুক্তির মাধ্যমে এই উৎপাদন কীভাবে বৃদ্ধি করা যায়, তরুণ গবেষকদের সে পদক্ষেপ নিতে হবে। প্রযুক্তিভিত্তিক অভয়াশ্রম ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার পাশাপাশি প্রান্তিক চাষিদের সচেতন করতে হবে। নিরাপদ উৎপাদন বৃদ্ধি ও ইলিশসহ দেশি প্রজাতি সংরক্ষণে আধুনিক প্রযুক্তি প্রয়োগ করতে পারলে আমিষের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি মাছ রপ্তানি করে দেশ অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ হবে।"</p>
<p>বিশেষ অতিথির বক্তব্যে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান বলেন, "মাছে-ভাতে বাঙালির ঐতিহ্য ধরে রাখতে এবং পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিতে মৎস্য খাতের আধুনিকায়ন ও টেকসই বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির বিকাশ জরুরি।"</p>
<p>সভাপতির বক্তব্যে এফএমবি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. আমিনুর রহমান আধুনিক মৎস্য সম্পদ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে পুষ্টিসমৃদ্ধ ও আত্মনির্ভরশীল বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।</p>
<p>অনুষ্ঠানে এফএমবি বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ড. মো. আনিছুর রহমান, অধ্যাপক ড. মো. সিরাজুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. সুব্রত মন্ডল, অধ্যাপক ড. মঞ্জুরুল হক, অধ্যাপক ড. মীর মোশাররফ হোসেন সহ বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।<br>/<strong>/ডিবিটেক/এনএইচপি/এসএমই/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>খরা মোকাবিলায় প্রযুক্তি হস্তান্তর ও পানি বণ্টনের আহ্বান</title>
<link>https://digibanglatech.news/187834</link>
<guid>https://digibanglatech.news/187834</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;4,0,0&quot;&gt;খরা ও ভূমি অবক্ষয় রোধে আঞ্চলিক সহযোগিতা, অববাহিকাভিত্তিক পানি বণ্টন ও প্রযুক্তি হস্তান্তরের তাগিদ&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;4,1,0&quot;&gt;বামিস (BAMIS) ডেটা সিস্টেম এবং লবণাক্ততা-খরা সহনশীল শস্য জাত সম্প্রসারণের প্রস্তাব&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;4,2,0&quot;&gt;২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন, উপকূলীয় ম্যানগ্রোভ সম্প্রসারণ ও ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202608/image_870x580_6a8d78cea54b1.jpg" length="74065" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 25 Aug 2026 14:14:10 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>খরা সহনশীলতা, প্রযুক্তি হস্তান্তর, পানি বণ্টন, বামিস সিস্টেম, কপ১৭ সম্মেলন, ভূমি অবক্ষয়, ভূগর্ভস্থ পানি, কৃষি প্রযুক্তি, ন্যাশনাল গ্রিন মিশন</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>খরা ও ভূমি অবক্ষয় মোকাবিলায় কার্যকর আঞ্চলিক সহযোগিতা, ন্যায্য পানি বণ্টন এবং উন্নত কৃষি ও আবহাওয়া প্রযুক্তি হস্তান্তরের আহ্বান জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু। ২৫ আগস্ট, মঙ্গলবার মঙ্গোলিয়ার উলানবাটরে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের মরুকরণ প্রতিরোধ কনভেনশন (UNCCD)-এর ১৭তম কনফারেন্স অব দ্য পার্টিজ (COP17)-এর 'অ্যাক্সিলারেটিং ড্রট রেজিলিয়েন্স' শীর্ষক মন্ত্রী পর্যায়ের সংলাপে তিনি এ কথা বলেন।</p>
<p>মন্ত্রী জানান, বাংলাদেশে খরা ও ভূমি অবক্ষয় গভীরভাবে পরস্পর সম্পর্কিত। দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের প্রায় ৫.৪৬ মিলিয়ন হেক্টর জমি খরাপ্রবণ। সেখানে ১৬ হাজার গভীর নলকূপের মাধ্যমে অতিরিক্ত ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলনের ফলে পানির স্তর দ্রুত নিচে নেমে যাওয়ায় নতুন সেচ কার্যক্রম সীমিত করা হয়েছে। এ সংকট নিরসনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ডেটানির্ভর 'বাংলাদেশ অ্যাগ্রো-মেটিওরোলজিক্যাল ইনফরমেশন সিস্টেমস' (BAMIS)-এর মাধ্যমে খরার সূচক পর্যবেক্ষণ করে কৃষকদের এসএমএস, ভয়েস কল ও মোবাইল অ্যাপে ফসলভিত্তিক পূর্বাভাস ও পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।</p>
<p>তিনি আরও জানান, জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনার (NAP) আওতায় ২০৫০ সাল পর্যন্ত খরা মোকাবিলার প্রযুক্তিগত অগ্রাধিকার নির্ধারণ করা হয়েছে। শুষ্ক মৌসুমে গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনা অববাহিকায় টেকসই পানি প্রবাহ ও বণ্টন নিশ্চিত করা ভূমি অবক্ষয় রোধের মূল উপায়। পাশাপাশি 'ন্যাশনাল গ্রিন মিশন'-এর অধীনে ২৫ কোটি গাছের চারা রোপণ, উপকূলীয় ম্যানগ্রোভ বন সম্প্রসারণ এবং ভূগর্ভস্থ পানির ওপর চাপ কমাতে আগামী পাঁচ বছরে প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার খাল, নদী ও জলাশয় খনন এবং পুনঃখনন করা হচ্ছে।</p>
<p>প্রস্তাবিত 'ইন্টারন্যাশনাল ড্রট রেজিলিয়েন্স অবজারভেটরি' চালুর উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বাংলাদেশের বামিস ডেটাবেজকে এই বৈশ্বিক ব্যবস্থার সঙ্গে সংযুক্ত করার প্রস্তাব দেন মন্ত্রী। একই সঙ্গে খরা ও লবণাক্ততা সহনশীল আধুনিক ফসলের জাত উদ্ভাবনে প্রকৌশল ও প্রযুক্তি হস্তান্তর জোরদারের আহ্বান জানান তিনি।</p>
<p>সংলাপে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদলের প্রধান, মন্ত্রী এবং এফএও, এসকাপ, আইওএম, ইউনিসেফ, ইউএনডিআরআর, ইউএনডিপি, ইফাদ, এআইআইবি ও আফ্রিকান ইউনিয়নের শীর্ষ পর্যবেক্ষক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।<br>/<strong>/ডিবিটেক/ টিএইচপি/ এমআইএস/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>কৃষিপ্রযুক্তিতে নারীদের বাজার সংযোগে সার্ক কর্মশালা</title>
<link>https://digibanglatech.news/187729</link>
<guid>https://digibanglatech.news/187729</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;4,0,0&quot;&gt;কৃষি-প্রাণিসম্পদে নারীদের আধুনিক প্রযুক্তি, উদ্ভাবন ও ডিজিটাল মূল্যশৃঙ্খলে যুক্ত করার উদ্যোগ&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;4,1,0&quot;&gt;কলম্বোয় পাঁচ দেশের বিশেষজ্ঞদের অংশগ্রহণে তিন দিনব্যাপী সার্ক আঞ্চলিক কর্মশালা শুরু&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;4,2,0&quot;&gt;অর্থায়ন ও বাজারসংযোগ ঘাটতি নিরসনে সমন্বিত আঞ্চলিক কারিগরি নীতিকাঠামো ও কৌশল প্রণয়ন&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202608/image_870x580_6a8c1e16f041f.jpg" length="164202" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 24 Aug 2026 11:34:18 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>কৃষিপ্রযুক্তি, প্রাণিসম্পদ প্রকৌশল, বাজার সংযোগ, নারী উদ্যোক্তা, সার্ক কর্মশালা, জলবায়ু সহনশীল কৃষি, মূল্যশৃঙ্খল, পুষ্টি প্রযুক্তি, টেকসই জীবিকা</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="7">দক্ষিণ এশিয়ায় নারীদের কৃষি ও প্রাণিসম্পদভিত্তিক উদ্যোগকে টেকসই প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবসায় রূপান্তর এবং ডিজিটাল ও সংগঠিত বাজারের সঙ্গে কার্যকর সংযোগ তৈরির লক্ষ্যে সার্কের তিন দিনব্যাপী আঞ্চলিক কর্মশালা শুরু হয়েছে। ২৪ আগস্ট,সোমবার শ্রীলঙ্কার রাজধানী কলম্বোয় শুরু হওয়া এ সম্মেলন চলবে ২৬ আগস্ট পর্যন্ত।</p>
<p data-path-to-node="8">'দক্ষিণ এশিয়ায় কৃষি ও প্রাণিসম্পদভিত্তিক উদ্যোক্তা উন্নয়ন ও বাজারসংযোগের মাধ্যমে নারীর ক্ষমতায়ন' শীর্ষক এই কর্মশালা যৌথভাবে আয়োজন করছে সার্ক কৃষি কেন্দ্র, শ্রীলঙ্কার প্রাণিসম্পদ উৎপাদন ও স্বাস্থ্য দফতর, বাংলাদেশের উন্নত পুষ্টির জন্য বৈশ্বিক জোট এবং বাংলাদেশের টেকসই কৃষি ফাউন্ডেশন। এতে বাংলাদেশ, ভুটান, মালদ্বীপ, নেপাল ও শ্রীলঙ্কার নীতিনির্ধারক, সরকারি কর্মকর্তা, প্রকৌশল ও কারিগরি বিশেষজ্ঞ এবং আন্তর্জাতিক কৃষি ও জীববিজ্ঞান কেন্দ্র, দক্ষিণ এশিয়া জলবায়ু কর্ম নেটওয়ার্ক, ভেল্টহাঙ্গারহিলফে, স্বেচ্ছাসেবা বিদেশ, ওয়েভ ফাউন্ডেশন এবং হেইফার ইন্টারন্যাশনালের প্রতিনিধিসহ প্রায় ৪৫ জন বিশেষজ্ঞ অংশ নিচ্ছেন। এর মাধ্যমে নারীনেতৃত্বাধীন উদ্যোগে প্রযুক্তি প্রয়োগ, সফল উদ্ভাবনী মডেল ও নীতিমালা বিনিময়ের আঞ্চলিক প্ল্যাটফর্ম তৈরি হয়েছে।</p>
<p data-path-to-node="9">উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন শ্রীলঙ্কার কৃষি, প্রাণিসম্পদ, ভূমি ও সেচ মন্ত্রণালয়ের সচিব ডি. পি. বিক্রমাসিংহে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. এস. পিয়াসিরি এবং স্বাগত বক্তব্য দেন প্রাণিসম্পদ উৎপাদন ও স্বাস্থ্য দফতরের মহাপরিচালক ড. বি. এস. এস. পেরেরা।</p>
<p data-path-to-node="10">কর্মশালার লক্ষ্য ও প্রত্যাশিত ফলাফল তুলে ধরেন সার্ক কৃষি কেন্দ্রের জ্যেষ্ঠ কর্মসূচি বিশেষজ্ঞ (প্রাণিসম্পদ) ড. মো. ইউনুস আলী। দক্ষিণ এশিয়ায় টেকসই কৃষি ও প্রাণিসম্পদ উদ্যোক্তা উন্নয়ন এবং বাজারসংযোগ বিষয়ে মূল প্রযুক্তিভিত্তিক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রাণিসম্পদ উৎপাদন ও স্বাস্থ্য দফতরের মানবসম্পদ উন্নয়ন বিভাগের পরিচালক ড. জি. সি. এস. কুরুগালা।</p>
<p data-path-to-node="11">উদ্বোধনী অধিবেশনে আরও বক্তব্য দেন টেকসই কৃষি ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ফারহাদ জামিল, উন্নত পুষ্টির জন্য বৈশ্বিক জোটের কর্মসূচি প্রধান ড. আশেক মাহফুজ এবং সার্ক সচিবালয়ের পরিচালক শাহিয়া আলী মানিক। এছাড়া সার্ক সচিবালয়ের পরিচালক (কৃষি ও গ্রামীণ উন্নয়ন এবং দক্ষিণ এশীয় উন্নয়ন তহবিল) তানভীর আহমদ তোরফদার ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠানে যুক্ত হয়ে মতামত প্রকাশ করেন।</p>
<p data-path-to-node="13">বিশেষজ্ঞরা উল্লেখ করেন, দক্ষিণ এশিয়ার কৃষি ও প্রাণিসম্পদ খাতে নারীরা চালিকাশক্তি হলেও অর্থায়ন, আধুনিক প্রকৌশল প্রযুক্তি, প্রযুক্তিগত দক্ষতা এবং বাজার কাঠামোর অভাবে তারা পিছিয়ে পড়ছেন। কর্মশালায় নারীকে কেবল উৎপাদক নয়, বরং প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোক্তা, দক্ষ মূল্যশৃঙ্খলের অংশীদার ও আর্থিক সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী হিসেবে প্রতিষ্ঠার তাগিদ দেওয়া হয়। তিন দিনের এই আয়োজনে জলবায়ু সহনশীল উৎপাদন প্রযুক্তি, নিরাপদ খাদ্য প্রকৌশল ও কার্যকর আঞ্চলিক নীতিকাঠামোর সুপারিশ প্রণয়ন করা হবে।<br>/<strong>/ডিবিটেক/এবি এমপি/ এসএমই/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণে যবিপ্রবি ও উলসী সৃজনী সংঘের যৌথ উদ্যোগ</title>
<link>https://digibanglatech.news/187715</link>
<guid>https://digibanglatech.news/187715</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;6,0,0&quot;&gt;মুক্ত জলাশয়ের মৎস্য সম্পদ রক্ষায় দ্বিপাক্ষিক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;6,1,0&quot;&gt;ফিশারিজ ও মেরিন বায়োসায়েন্স বিভাগ যৌথ গবেষণায় কাজ করবে&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202608/image_870x580_6a8c0d20ad788.jpg" length="91485" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 24 Aug 2026 00:01:05 +0600</pubDate>
<dc:creator>Campus Correspondent</dc:creator>
<media:keywords>মৎস্য, জীববৈচিত্র্য, অভয়াশ্রম, গবেষণা, চুক্তি, প্রযুক্তি, পরিবেশ, যবিপ্রবি, জলজ</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="11">মুক্ত জলাশয়ের মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ, মৎস্য অভয়াশ্রম ব্যবস্থাপনা এবং জলজ জীববৈচিত্র্য রক্ষায় যৌথভাবে কাজ করার লক্ষ্যে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (যবিপ্রবি) এবং বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘উলসী সৃজনী সংঘ (ইউএসএস)’-এর মধ্যে এক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। ২৩ আগস্ট ২০২৬, রবিবার যবিপ্রবির প্রশাসনিক ভবনের সম্মেলন কক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এই দ্বিপাক্ষিক চুক্তিটি সম্পাদিত হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।</p>
<p data-path-to-node="12">চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে যবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ইয়ারুল কবীর এবং উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান উপস্থিত ছিলেন। সমঝোতা স্মারকে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে স্বাক্ষর করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. ফারুক হাসান এবং উলসী সৃজনী সংঘের পক্ষে স্বাক্ষর করেন সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক খন্দকার আজিজুল হক মনি।</p>
<p data-path-to-node="13">এই সমঝোতা স্মারকের অধীনে যবিপ্রবির ফিশারিজ অ্যান্ড মেরিন বায়োসায়েন্স বিভাগ এবং উলসী সৃজনী সংঘ যৌথ গবেষণা, আধুনিক প্রযুক্তিভিত্তিক মাঠ পর্যায়ের কার্যক্রম এবং অভয়াশ্রম ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে দেশীয় মৎস্য সম্পদের উন্নয়ন ও জলজ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে একসঙ্গে কাজ করবে।</p>
<p data-path-to-node="14">অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন যবিপ্রবি ফিশারিজ অ্যান্ড মেরিন বায়োসায়েন্স বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. আমিনুর রহমান, অধ্যাপক মোঃ সিরাজুল ইসলাম এবং উলসী সৃজনী সংঘের প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর নাজনীন সুলতানা জেনি।</p>
<p data-path-to-node="16">উভয় প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এই উদ্যোগ বাংলাদেশের উন্মুক্ত জলাশয়ের মৎস্য সম্পদ রক্ষায় এবং টেকসই পরিবেশ উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে ২৩ আগস্ট ২০২৬, রবিবার সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।<br>//<strong>ডিবিটেক/এমএমএইচ/এমআইএস</strong>//</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>যবিপ্রবিতে ভেটেরিনারি অনুষদের ইন্টার্নশিপ উদ্বোধন</title>
<link>https://digibanglatech.news/187316</link>
<guid>https://digibanglatech.news/187316</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;7,0,0&quot; id=&quot;p-rc_6b0c48ac6dfa7d2f-263&quot;&gt;&lt;span data-path-to-node=&quot;7,0,0,0&quot;&gt;“অ্যাকাডেমিক জ্ঞান এবং পেশাদার অনুশীলনের মধ্যে সমন্বয়” প্রতিপাদ্যে যবিপ্রবি ভেটেরিনারি অনুষদের ৭ম ব্যাচের ইন্টার্নশিপ উদ্বোধন&lt;/span&gt;&lt;span data-path-to-node=&quot;7,0,0,1&quot;&gt;&lt;span&gt;&lt;response-element class=&quot;no-md&quot; ng-version=&quot;0.0.0-PLACEHOLDER&quot;&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;!----&gt;&lt;! ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202608/image_870x580_6a85bf7c8a09d.jpg" length="128275" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 19 Aug 2026 17:37:08 +0600</pubDate>
<dc:creator>ক্যাম্পাস করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>যবিপ্রবি, ঝিনাইদহ ক্যাম্পাস, ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রাম, ড. ইয়ারুল কবীর, ভেটেরিনারি মেডিসিন, একাডেমিক জ্ঞান, প্রফেশনাল প্র্যাকটিস, বৃক্ষরোপণ, ৭ম ব্যাচ</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="15" id="p-rc_6b0c48ac6dfa7d2f-266"><span data-path-to-node="15,0">“অ্যাকাডেমিক জ্ঞান এবং পেশাদার অনুশীলনের মধ্যে সমন্বয়” (Bridging Academic Knowledge with Professional Practice) প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) ঝিনাইদহ ক্যাম্পাসে অবস্থিত ভেটেরিনারি মেডিসিন অনুষদের ২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষের (৭ম ব্যাচ) শিক্ষার্থীদের “ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রাম-২০২৬”-এর জমকালো উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে</span><span data-path-to-node="15,1"><span><response-element class="no-md" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element><sup _ngcontent-ng-c1500922118="" class="superscript"><!----></sup><response-element class="no-md" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><source-footnote _nghost-ng-c1500922118="" class="ng-star-inserted"></source-footnote><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element></span></span><span data-path-to-node="15,2">।</span><sources-carousel-inline ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER" _nghost-ng-c3991888348=""> <source-inline-chip _ngcontent-ng-c3991888348="" _nghost-ng-c4275886824="" class="ng-star-inserted"><!----><!----><!----><!----><!----></source-inline-chip><!----><!----><!----></sources-carousel-inline></p>
<p data-path-to-node="16" id="p-rc_6b0c48ac6dfa7d2f-267"><span data-path-to-node="16,0">১৯ আগস্ট বুধবার যবিপ্রবি ভেটেরিনারি মেডিসিন অনুষদের নিজস্ব অডিটোরিয়ামে এই আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়</span><span data-path-to-node="16,1"><span><response-element class="no-md" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element><sup _ngcontent-ng-c1500922118="" class="superscript"><!----></sup><response-element class="no-md" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><source-footnote _nghost-ng-c1500922118="" class="ng-star-inserted"></source-footnote><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element></span></span><span data-path-to-node="16,2">। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রামের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন যবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবীর</span><span data-path-to-node="16,3"><span><response-element class="no-md" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element><sup _ngcontent-ng-c1500922118="" class="superscript"><!----></sup><response-element class="no-md" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><source-footnote _nghost-ng-c1500922118="" class="ng-star-inserted"></source-footnote><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element></span></span><span data-path-to-node="16,4">। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের পূর্বে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ফারুক হাসানকে সাথে নিয়ে ঝিনাইদহ ক্যাম্পাসে দুইটি বৃক্ষ রোপণ করেন উপাচার্য</span><span data-path-to-node="16,5"><span><response-element class="no-md" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element><sup _ngcontent-ng-c1500922118="" class="superscript"><!----></sup><response-element class="no-md" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><source-footnote _nghost-ng-c1500922118="" class="ng-star-inserted"></source-footnote><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element></span></span><span data-path-to-node="16,6">।</span><sources-carousel-inline ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER" _nghost-ng-c3991888348=""> <source-inline-chip _ngcontent-ng-c3991888348="" _nghost-ng-c4275886824="" class="ng-star-inserted"><!----><!----><!----><!----><!----></source-inline-chip><!----><!----><!----></sources-carousel-inline></p>
<p data-path-to-node="18" id="p-rc_6b0c48ac6dfa7d2f-268"><span data-path-to-node="18,0">প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবীর কঠোর পরিশ্রমের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, "পরিশ্রমের কোনো বিকল্প নেই</span><span data-path-to-node="18,1"><span><response-element class="no-md" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element><sup _ngcontent-ng-c1500922118="" class="superscript"><!----></sup><response-element class="no-md" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><source-footnote _nghost-ng-c1500922118="" class="ng-star-inserted"></source-footnote><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element></span></span><span data-path-to-node="18,2">। পরিশ্রমের মাধ্যমে আরও ভালো জ্ঞান অর্জন করে শিক্ষাটাকে পরিপূর্ণ করতে হবে</span><span data-path-to-node="18,3"><span><response-element class="no-md" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element><sup _ngcontent-ng-c1500922118="" class="superscript"><!----></sup><response-element class="no-md" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><source-footnote _nghost-ng-c1500922118="" class="ng-star-inserted"></source-footnote><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element></span></span><span data-path-to-node="18,4">। আমাদের দেশে সুযোগ কম, তাই এই ইন্টার্নশিপের সুযোগকে বৃথা যেতে দেওয়া যাবে না</span><span data-path-to-node="18,5"><span><response-element class="no-md" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element><sup _ngcontent-ng-c1500922118="" class="superscript"><!----></sup><response-element class="no-md" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><source-footnote _nghost-ng-c1500922118="" class="ng-star-inserted"></source-footnote><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element></span></span><span data-path-to-node="18,6">।" শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, "তোমরা যেখানেই যাবে এই বিশ্ববিদ্যালয়কে ধারণ করবে</span><span data-path-to-node="18,7"><span><response-element class="no-md" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element><sup _ngcontent-ng-c1500922118="" class="superscript"><!----></sup><response-element class="no-md" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><source-footnote _nghost-ng-c1500922118="" class="ng-star-inserted"></source-footnote><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element></span></span><span data-path-to-node="18,8">। বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মান ও অর্জন তোমাদের কাজের ওপর নির্ভর করছে</span><span data-path-to-node="18,9"><span><response-element class="no-md" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element><sup _ngcontent-ng-c1500922118="" class="superscript"><!----></sup><response-element class="no-md" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><source-footnote _nghost-ng-c1500922118="" class="ng-star-inserted"></source-footnote><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element></span></span><span data-path-to-node="18,10">।"</span><sources-carousel-inline ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER" _nghost-ng-c3991888348=""> <source-inline-chip _ngcontent-ng-c3991888348="" _nghost-ng-c4275886824="" class="ng-star-inserted"><!----><!----><!----><!----><!----></source-inline-chip><!----><!----><!----></sources-carousel-inline></p>
<p data-path-to-node="19" id="p-rc_6b0c48ac6dfa7d2f-269"><span data-path-to-node="19,0">অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ফারুক হাসান</span><span data-path-to-node="19,1"><span><response-element class="no-md" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element><sup _ngcontent-ng-c1500922118="" class="superscript"><!----></sup><response-element class="no-md" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><source-footnote _nghost-ng-c1500922118="" class="ng-star-inserted"></source-footnote><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element></span></span><span data-path-to-node="19,2">। বক্তারা অর্জিত তাত্ত্বিক জ্ঞানকে মাঠপর্যায়ে ও ল্যাবরেটরিতে সঠিকভাবে প্রয়োগ করার আহ্বান জানান</span><span data-path-to-node="19,3"><span><response-element class="no-md" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element><sup _ngcontent-ng-c1500922118="" class="superscript"><!----></sup><response-element class="no-md" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><source-footnote _nghost-ng-c1500922118="" class="ng-star-inserted"></source-footnote><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element></span></span><span data-path-to-node="19,4">। ভেটেরিনারি মেডিসিন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. জিয়াউল আমিনের সভাপতিত্বে সমাপনী বক্তব্যে ইন্টার্ন শিক্ষার্থীদের সার্বিক সাফল্য কামনা করা হয়</span><span data-path-to-node="19,5"><span><response-element class="no-md" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element><sup _ngcontent-ng-c1500922118="" class="superscript"><!----></sup><response-element class="no-md" ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER"><source-footnote _nghost-ng-c1500922118="" class="ng-star-inserted"></source-footnote><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----><!----></response-element></span></span><span data-path-to-node="19,6">।</span><sources-carousel-inline ng-version="0.0.0-PLACEHOLDER" _nghost-ng-c3991888348=""> <source-inline-chip _ngcontent-ng-c3991888348="" _nghost-ng-c4275886824="" class="ng-star-inserted"><!----><!----><!----><!----><!----></source-inline-chip><!----><!----><!----></sources-carousel-inline></p>
<p data-path-to-node="22">এছাড়া অনুষদের শিক্ষক ডা. মোঃ আব্দুল জলিল, ডা. মো. শরিফুজ্জামান এবং শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে এ কে এম মোকতadiru ও তাসনিয়া সরোয়ার বক্তব্য প্রদান করেন। মেডিসিন, সার্জারি অ্যান্ড থেরিওজেনোলোজি বিভাগের শিক্ষক ডা. মো. আব্দুস সামাদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অনুষদের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।<br>/<strong>/ডিবিটেক/আরএসএস/এমআইএস/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>প্রযুক্তিনির্ভর কৃষির চালিকাশক্তি হবে তরুণরা</title>
<link>https://digibanglatech.news/186999</link>
<guid>https://digibanglatech.news/186999</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p&gt;তরুণদের প্রযুক্তি দক্ষতা, কৃষিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, শিল্প-একাডেমিয়া সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202608/image_870x580_6a81034116e69.jpg" length="111141" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 15 Aug 2026 17:25:56 +0600</pubDate>
<dc:creator>ক্যাম্পাস করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>প্রযুক্তিনির্ভর কৃষি, তরুণ প্রজন্ম, কৃষি প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রোবটিকস, ড্রোন, কৃষি গবেষণা, ইউজিসি, খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>প্রযুক্তিনির্ভর কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে তরুণ প্রজন্ম, বিশেষ করে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আধুনিক প্রযুক্তিতে দক্ষ করে তোলার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য অধ্যাপক ড. আবদুল্লাহ-আল-মামুন।</p>
<p>তিনি বলেন, কৃষি বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান ও অগ্রাধিকার খাত। উৎপাদনশীলতা বাড়াতে প্রচলিত কৃষি পদ্ধতির পাশাপাশি গবেষণা, উদ্ভাবন ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে। এই পরিবর্তনের প্রধান চালিকাশক্তি হতে পারে তরুণ প্রজন্ম।</p>
<p>শনিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষে খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ এবং শিল্প-একাডেমিয়া পারস্পরিক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।</p>
<p>অধ্যাপক মামুন বলেন, কৃষি ও প্রাণিসম্পদ খাতের উৎপাদন বাড়াতে আধুনিকায়নের বিকল্প নেই। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রোবটিকস, ড্রোন ও রিমোট সেন্সিংয়ের মতো প্রযুক্তি ইতোমধ্যে কৃষির সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে। এসব প্রযুক্তির কার্যকর প্রয়োগের জন্য কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার্থীদের সময়োপযোগী দক্ষতা অর্জনের সুযোগ তৈরিতে সরকার কাজ করছে।</p>
<p>তিনি বলেন, কৃষিকে শুধু প্রচলিত পদ্ধতিতে দেখলে চলবে না। এগ্রো-টেকনোলজির মাধ্যমে কৃষির পুরো ব্যবস্থাকে নতুনভাবে সাজাতে হবে। গবেষণা ও উদ্ভাবনের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে অভ্যস্ত করে তুলতে হবে। এ ক্ষেত্রে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।</p>
<p>তরুণদের কৃষির সঙ্গে নতুনভাবে যুক্ত করা গেলে কৃষিতে নতুন বিপ্লব সম্ভব বলেও মন্তব্য করেন ইউজিসির এই সদস্য। তাঁর মতে, পাঠ্যক্রম, গবেষণা ও প্রশিক্ষণে প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষতার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। একই সঙ্গে শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতা বাড়িয়ে শিক্ষার্থীদের বাস্তব কর্মক্ষেত্রের চাহিদার সঙ্গে পরিচিত করতে হবে।</p>
<p>কৃষিভিত্তিক পণ্য রপ্তানির মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের বড় সম্ভাবনা রয়েছে উল্লেখ করে অধ্যাপক মামুন বলেন, সম্ভাবনার তুলনায় এ খাতের প্রবৃদ্ধি এখনো আশানুরূপ নয়। প্রযুক্তির ব্যবহার, গবেষণা ও উদ্ভাবন বাড়ানো গেলে উৎপাদনশীলতার পাশাপাশি কৃষিপণ্যের রপ্তানিও বাড়ানো সম্ভব।</p>
<p>তরুণ উদ্যোক্তা ও উদ্ভাবকদের উৎসাহিত করতে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, স্টার্টআপ খাতে ৫০০ কোটি টাকা এবং সৃজনশীল খাতে ৮০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রয়েছে। এসব অর্থায়নের একটি অংশ কৃষিভিত্তিক প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনী উদ্যোগে কাজে লাগানো গেলে তরুণদের কৃষিতে সম্পৃক্ত করার পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হতে পারে।<br>অনুষ্ঠানে খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আসাদুজ্জামান সরকারের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মো. রেজাউল করিম, খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মাসুদ এবং খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. শামীম আহমেদ কামাল।</p>
<p>অনুষ্ঠানে খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে এসিআই মোটরস, আমান ফিড, বায়ার ক্রপ সায়েন্স ও লাল তীরসহ পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। এর মাধ্যমে শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতা বৃদ্ধি, কৃষি গবেষণা ও প্রযুক্তির প্রয়োগ এবং দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নে যৌথভাবে কাজ করার সুযোগ তৈরি হবে।</p>
<p>প্রযুক্তির দ্রুত বিকাশের সঙ্গে কৃষি শিক্ষাকে যুক্ত করার এই উদ্যোগকে কৃষির উৎপাদনশীলতা, গবেষণা, উদ্ভাবন এবং দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত করার সুযোগ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।</p>
<p>//<strong>ডিবিটেক/ এসআইএ/ এমএসআই</strong>//</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>তাপে জমিতেই ‘সিদ্ধ’ আলু</title>
<link>https://digibanglatech.news/186925</link>
<guid>https://digibanglatech.news/186925</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li&gt;&lt;span&gt;দক্ষিণ কোরিয়ায় রেকর্ড তাপে জমিতেই আলু পচছে&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;li&gt;&lt;span&gt;দাবদাহে বাঁধাকপি, আপেল ও পিচফলও ক্ষতিগ্রস্ত&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;li&gt;&lt;span&gt;এশিয়াজুড়ে বাড়ছে চরম তাপপ্রবাহের জলবায়ু ঝুঁকি&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202608/image_870x580_6a7f3d2e3bcaf.jpg" length="123398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 14 Aug 2026 12:07:42 +0600</pubDate>
<dc:creator>গ্লোবাল টেক</dc:creator>
<media:keywords>দক্ষিণ কোরিয়া, দাবদাহ, কৃষি, আলু, জলবায়ু পরিবর্তন, চরম তাপপ্রবাহ, খাদ্যনিরাপত্তা, কৃষিক্ষতি, এশিয়ার জলবায়ু</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="isSelectedEnd"><span>দক্ষিণ কোরিয়ায় কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা নজিরবিহীন দাবদাহে সর্বোচ্চ তাপমাত্রার নতুন রেকর্ড হয়েছে। ভয়াবহ এই গরমে দেশটির কৃষি খাতে বড় ধরনের ক্ষতি হচ্ছে। এমনকি মাঠ থেকে তোলার আগেই মাটির নিচে আলু পচে ও নরম হয়ে অনেকটা সেদ্ধ আলুর মতো হয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি বাঁধাকপি, আপেল ও পিচফলও অতিরিক্ত তাপে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বিপাকে পড়েছেন কৃষকেরা।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পার্বত্য প্রদেশ গ্যাংওনের কৃষকেরা স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, এক সপ্তাহ আগেও স্বাভাবিক দেখানো আলুর খেত এখন তুলতে গিয়ে দেখা যাচ্ছে অনেক জমির ফসল নষ্ট হয়ে গেছে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>উত্তর কোরিয়ার সীমান্তবর্তী ইয়াংগু কাউন্টির হেয়ান এলাকার আলুচাষি লি সাং-হিয়ক স্থানীয় সম্প্রচারমাধ্যম এসবিএসকে বলেন, ৪০ বছর ধরে কৃষিকাজ করলেও এমন পরিস্থিতি তিনি আগে কখনো দেখেননি। তার ভাষায়, ‘এটা শুধু একটি-দুটি জমির ঘটনা নয়। বিষয়টি কীভাবে ভাষায় প্রকাশ করব, সেটাই বুঝতে পারছি না। আমি ভীষণ কষ্ট পেয়েছি।’</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>শুধু আলু নয়, তীব্র গরমে গ্যাংওনের কয়েক হাজার পিয়ং জমিতে চাষ করা বাঁধাকপিও নষ্ট হয়েছে। বাজারে ভালো দাম পাওয়ার আশায় কৃষকেরা ফসল তুলতে দেরি করেছিলেন। এর মধ্যেই প্রচণ্ড গরমে জমিতেই পুড়ে ও পচে যায় বাঁধাকপি। এতে কৃষকদের কয়েক কোটি কোরীয় ওনের সমপরিমাণ ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>দাবদাহে বিভিন্ন ধরনের ফলও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অতিরিক্ত সূর্যের তাপে আপেলের খোসায় ‘সানবার্ন’ দেখা দিয়েছে। সরাসরি রোদে থাকা অংশ পুড়ে বিবর্ণ হয়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে অতিরিক্ত গরমে পিচফল ফেটে যাচ্ছে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>আপেলচাষি চন জং-থে বলেন, সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে চুসক উৎসবের সময় সংগ্রহের উপযোগী হওয়ার কথা যেসব আপেলের, সেগুলোর স্বাভাবিক বৃদ্ধি থেমে গেছে। শুধু সূর্যের দিকে থাকা অংশ লাল হচ্ছে। দাবদাহ অব্যাহত থাকলে সেই অংশও বিবর্ণ হয়ে যেতে পারে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>পিচচাষি পার্ক ওয়ান-সন বলেন, দিনের বেলা বাইরে কাজ না করার সরকারি পরামর্শ থাকলেও ফসল পচে যাওয়ায় তাঁদের মাঠে যেতে হচ্ছে। তাঁর ভাষায়, পিচগুলো পচে যাচ্ছে, তাই বসে থাকার সুযোগ নেই।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>দাবদাহের প্রভাব পড়েছে মানুষের ওপরও। দেশটির রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত অন্তত ৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে ৯ লাখের বেশি গবাদিপশু এবং খামারে পালন করা প্রায় ১৪ লাখ মাছ মারা গেছে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>গত ২ আগস্ট দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় ইয়াংসান শহরে তাপমাত্রা ৪২ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছায়। ১৯০৪ সালে আধুনিক পদ্ধতিতে তাপমাত্রা রেকর্ড শুরু হওয়ার পর এটিই দক্ষিণ কোরিয়ার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>তীব্র গরমে কৃষকেরাও শারীরিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছেন। একই সঙ্গে ফসল নষ্ট হওয়ার আশঙ্কায় দিনের সবচেয়ে গরম সময়ে ঘরে থাকার সরকারি পরামর্শ মানাও তাঁদের জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে।</span></p>
<h3><span>‘এ ধরনের আবহাওয়া নতুন স্বাভাবিক হয়ে উঠছে’</span></h3>
<p class="isSelectedEnd"><span>দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ং মন্ত্রিসভার সদস্যদের বলেছেন, দেশের মানুষ এর আগে এমন আবহাওয়ার মুখোমুখি হয়নি। তিনি জাতীয় সংকট মোকাবিলা ব্যবস্থায় বড় ধরনের সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>প্রেসিডেন্টের মতে, এ ধরনের চরম আবহাওয়া ধীরে ধীরে নতুন স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে পরিণত হচ্ছে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>এখন পর্যন্ত সরকারি ক্ষয়ক্ষতির হিসাব মূলত মানুষের মৃত্যু ও গবাদিপশুর ক্ষয়ক্ষতিকে কেন্দ্র করে। কৃষিতে মোট ক্ষতির পরিমাণ এখনো নিরূপণ করা হয়নি।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>কৃষকদের আশঙ্কা, ব্যাপক ফসলহানির কারণে এমনিতেই চড়া থাকা খাদ্যপণ্যের দাম আরও বাড়তে পারে। বিশেষ করে দক্ষিণ কোরিয়ার গুরুত্বপূর্ণ শরৎকালীন উৎসব চুসকের আগে খাদ্যের দাম বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।</span></p>
<h3><span>তাপে ঝুঁকিতে আলু</span></h3>
<p class="isSelectedEnd"><span>গবেষকেরা আগেই আলুকে তীব্র গরমের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ ফসল হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। ২০২৪ সালে </span><em><span>Potato Research</span></em><span> সাময়িকীতে প্রকাশিত এক গবেষণায় বলা হয়, ভবিষ্যতের জলবায়ু পরিস্থিতিতে দক্ষিণ কোরিয়ার গ্রীষ্মকালীন আলু চাষে তাপসহনশীল জাতের প্রয়োজন হতে পারে। বসন্তকালীন আলু তুলনামূলক আগে রোপণ করলেও কিছুটা সুফল পাওয়া যেতে পারে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>দক্ষিণ কোরিয়ার পরিস্থিতি এশিয়াজুড়ে বাড়তে থাকা চরম তাপপ্রবাহেরও একটি উদাহরণ। জাপানের কয়েকটি এলাকায় তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার বেশি উঠেছে। হংকংয়ে তাপমাত্রা ৩৬ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছেছে, যা সেখানে রেকর্ড সংরক্ষণ শুরুর পর সর্বোচ্চ। চীনের শিনচিয়াংয়ের একটি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণকেন্দ্রে জুলাইয়ে ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রাও রেকর্ড করা হয়েছে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার ‘এশিয়ার জলবায়ুর অবস্থা’ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ৩৫ বছরে এশিয়ায় তাপমাত্রা বৃদ্ধির হার তার আগের তিন দশকের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>ফলে দক্ষিণ কোরিয়ার জমির নিচে আলু ‘সিদ্ধ’ হয়ে যাওয়ার ঘটনা শুধু একটি দেশের কৃষি বিপর্যয় নয়; এশিয়ায় দ্রুত তীব্রতর হয়ে ওঠা জলবায়ু ঝুঁকিরও একটি বড় সতর্কসংকেত।</span></p>
<p><span>/<strong>/ডিবিটেক/<a href="https://www.independent.co.uk/asia/east-asia/south-korea-heatwave-potato-crop-b3032252.html" target="_blank" rel="noopener">দ্য ইনডিপেন্ডেন্ট</a>/এমআইএস//</strong></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>সার্ক ল্যাবরেটরি ডিরেক্টরস ফোরামের সভা</title>
<link>https://digibanglatech.news/185564</link>
<guid>https://digibanglatech.news/185564</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;2,0,0&quot;&gt;শ্রীলঙ্কার ক্যান্ডিতে সার্ক ল্যাবরেটরি ডিরেক্টরস ফোরাম (এসএলডিএফ)-এর ষষ্ঠ সভা অনুষ্ঠিত&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;2,1,0&quot;&gt;পশুরোগ নির্ণয় সক্ষমতা বৃদ্ধি, মানদণ্ডের সামঞ্জস্যতা ও যৌথ প্রযুক্তিগত গবেষণায় জোর&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;2,2,0&quot;&gt;দক্ষিণ এশিয়ায় খাদ্যনিরাপত্তা ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় আঞ্চলিক ল্যাবরেটরি নেটওয়ার্ক গঠনের সিদ্ধান্ত&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a6caa14baf80.jpg" length="89328" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 31 Jul 2026 14:22:34 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>সার্ক, ল্যাবরেটরি ডিরেক্টরস ফোরাম, পশুরোগ, শ্রীলঙ্কা, ক্যান্ডি, ভেটেরিনারি, জনস্বাস্থ্য, খাদ্যনিরাপত্তা, আঞ্চলিক সহযোগিতা</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে পশুরোগ নজরদারি, রোগ নির্ণয় সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আধুনিক ভেটেরিনারি ল্যাবরেটরি ব্যবস্থার সুসংহত উন্নয়নে কৌশলগত ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা জোরদারের লক্ষ্যে শ্রীলঙ্কার ক্যান্ডিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘সার্ক ল্যাবরেটরি ডিরেক্টরস ফোরাম’ (SLDF)-এর ষষ্ঠ সাধারণ সভা। আজ শুক্রবার সার্ক সচিবালয় এবং শ্রীলঙ্কার প্রাণিসম্পদ উৎপাদন ও স্বাস্থ্য বিভাগের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ সভায় সার্কভুক্ত দেশগুলোর ভেটেরিনারি ল্যাবরেটরির পরিচালক, শীর্ষ বিশেষজ্ঞ ও কারিগরি কর্মকর্তারা অংশ নেন।</p>
<p>উল্লেখ্য, ফোরামের সর্বশেষ ও পঞ্চম সভাটি ২০১৮ সালে থাইল্যান্ডের ব্যাংককে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। দীর্ঘ বিরতির পর অনুষ্ঠিত এই ষষ্ঠ আসরে উদীয়মান ও সীমান্ত অতিক্রমকারী পশুরোগ মোকাবিলায় আধুনিক প্রযুক্তির প্রয়োগ এবং জৈবনিরাপত্তা জোরদারের বিষয়গুলো বিশেষ প্রাধান্য পায়।</p>
<p><strong>টেকসই প্রাণিসম্পদ ও সীমান্ত অতিক্রমকারী রোগ প্রতিরোধ</strong><br>উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শ্রীলঙ্কার প্রাণিসম্পদ উৎপাদন ও স্বাস্থ্য বিভাগের মহাপরিচালক ড. বি.এস.এস. পেরেরা স্বাগত বক্তব্যে বলেন, "জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা, খাদ্যনিরাপত্তা ও প্রাণিসম্পদ খাতের টেকসই রূপান্তরে উচ্চপ্রযুক্তিসম্পন্ন ভেটেরিনারি ল্যাবরেটরি ব্যবস্থা অপরিহার্য।" তিনি দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর যৌথ গবেষণার ওপর বিশেষ জোর দেন।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x_6a6caa12ba6fe.jpg" alt=""></p>
<p>সার্ক কৃষি কেন্দ্রের (SAC) সিনিয়র প্রোগ্রাম স্পেশালিস্ট (লাইভস্টক) ড. মো. ইউনূস আলী রোগ নির্ণয়ের আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ, উন্নত গুণগত মান নিশ্চিতকরণ এবং আধুনিক প্রযুক্তিতে দক্ষ জনবল তৈরির প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। সার্ক সচিবালয়ের পরিচালক তানভীর আহমেদ তরফদার বলেন, অভিন্ন প্রাণিসম্পদ সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রযুক্তিনির্ভর ল্যাবরেটরি নেটওয়ার্কিং ও ডেটা শেয়ারিং সময়োপযোগী পদক্ষেপ।</p>
<p>ফোরামের চেয়ারম্যান এবং নেপালের প্রতিনিধি ড. বরুণ শর্মার উদ্বোধনী ঘোষণার মাধ্যমে সভার মূল কাজ শুরু হয়। সভায় জাতীয় ল্যাবরেটরিগুলোর মধ্যে রোগ নির্ণয় সক্ষমতা বৃদ্ধি, জৈবঝুঁকি ব্যবস্থাপনা (Biorisk Management) এবং প্রযুক্তিগত দক্ষতা উন্নয়নে যৌথ উদ্যোগ গ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়।</p>
<p>দিনব্যাপী এ সভায় পূর্ববর্তী সুপারিশসমূহের বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনার পাশাপাশি আঞ্চলিক কারিগরি উপদেষ্টা গ্রুপের (ল্যাব-ট্যাগ) খসড়া কার্যপরিধি এবং সদস্য দেশগুলোর ল্যাবরেটরি সক্ষমতা বিষয়ে দেশভিত্তিক আধুনিক উপস্থাপনা প্রদর্শিত হয়। খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) এবং বিশ্ব প্রাণিস্বাস্থ্য সংস্থা (WOAH)-এর সাথে কৌশলগত অংশীদারত্ব বৃদ্ধি এবং একটি নতুন ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের মাধ্যমে সম্মেলনটি সমাপ্ত হয়।<br>/<strong>/ডিবিটেক/ এবিএম/ এসএমই/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>মিনি কোল্ড স্টোরেজে মুগ্ধ ইউএসডিএ</title>
<link>https://digibanglatech.news/185292</link>
<guid>https://digibanglatech.news/185292</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-section-id=&quot;16y1mll&quot; data-start=&quot;115&quot; data-end=&quot;181&quot;&gt;সাভারে কৃষকের মিনি কোল্ড স্টোরেজ পরিদর্শন ইউএসডিএ প্রতিনিধিদলের&lt;span aria-hidden=&quot;true&quot; class=&quot;PDq2pG_selectionAnchor&quot;&gt;&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;li data-section-id=&quot;1aqa04t&quot; data-start=&quot;182&quot; data-end=&quot;236&quot;&gt;কৃষিপণ্য অপচয় কমাতে প্রযুক্তির কার্যকারিতার প্রশংসা&lt;/li&gt;
&lt;li data-section-id=&quot;1fvf0ny&quot; data-start=&quot;237&quot; data-end=&quot;300&quot;&gt;বাংলাদেশে সংরক্ষণ প্রযুক্তিতে সহযোগিতার আগ্রহ যুক্তরাষ্ট্রের&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a68d09e29dfb.jpg" length="487711" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 28 Jul 2026 20:34:31 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>ইউএসডিএ, মিনি কোল্ড স্টোরেজ, কৃষি প্রযুক্তি, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, সাভার, খাদ্য সংরক্ষণ, কৃষিপণ্য, জলবায়ু ট্রাস্ট ফান্ড, এগ্রি-টেক</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>কৃষিপণ্যের অপচয় কমাতে প্রযুক্তিনির্ভর সংরক্ষণ ব্যবস্থার কার্যকারিতা দেখতে ঢাকার অদূরে সাভারে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের একটি ফারমার্স মিনি কোল্ড স্টোরেজ পরিদর্শন করেছে যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) একটি প্রতিনিধিদল। আধুনিক সংরক্ষণ প্রযুক্তি দেখে সন্তোষ প্রকাশের পাশাপাশি এ খাতে বাংলাদেশের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার আগ্রহও জানিয়েছে তারা।</p>
<p>২৮ জুলাই, মঙ্গলবার পরিদর্শন শেষে প্রতিনিধিদল জানায়, কৃষক পর্যায়ে স্বল্প পরিসরের আধুনিক কোল্ড স্টোরেজ কৃষিপণ্যের অপচয় কমানোর পাশাপাশি বাজার ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।</p>
<p>প্রতিনিধিদলে ছিলেন ইউএসডিএর দক্ষিণ এশিয়ার অ্যানিম্যাল অ্যান্ড প্ল্যান্ট হেলথ ইনস্পেকশন সার্ভিসেসের পরিচালক ড. ক্যাথরিন ফিডলার, ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের এগ্রিকালচারাল অ্যাটাশে এরিন কোভার্ট এবং ইউএসডিএর এগ্রিকালচারাল স্পেশালিস্ট মো. তানভির আহমেদ।</p>
<p>প্রকল্পসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা প্রতিনিধিদলকে জানান, মিনি কোল্ড স্টোরেজে সংরক্ষিত অধিকাংশ ফল ও সবজি এক সপ্তাহ থেকে এক মাস পর্যন্ত সতেজ রাখা সম্ভব। সংরক্ষণের পরও পণ্যের রং, গুণগত মান ও সতেজতা প্রায় অপরিবর্তিত থাকায় প্রতিনিধিরা প্রযুক্তিটির কার্যকারিতা নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন।</p>
<p>প্রকল্প পরিচালক তালহা জুবাইর মাশরুর বলেন, দেশে প্রতি বছর উৎপাদিত বিপুল পরিমাণ ফল ও সবজি দ্রুত নষ্ট হয়ে যাওয়ায় কৃষক আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েন। মিনি কোল্ড স্টোরেজ প্রযুক্তি সেই অপচয় কমিয়ে কৃষকদের সুবিধাজনক সময়ে পণ্য বাজারজাত করার সুযোগ তৈরি করছে, ফলে তারা ন্যায্য মূল্য পাওয়ার সম্ভাবনাও বাড়ছে।</p>
<p>তিনি আরও জানান, প্রতিনিধিদলকে সংরক্ষণ প্রযুক্তি, তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এবং কৃষকের চাহিদাভিত্তিক পরিচালনা পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত অবহিত করা হয়েছে। এ ধরনের প্রযুক্তির সম্প্রসারণে ইউএসডিএ প্রতিনিধিরা আগ্রহ প্রকাশ করেছেন এবং ভবিষ্যতে এ বিষয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করার আগ্রহের কথাও জানিয়েছেন।</p>
<p>বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ডের অর্থায়নে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে। প্রকল্পের আওতায় ইতোমধ্যে দেশের বিভিন্ন জেলায় ১৪৭টি মিনি কোল্ড স্টোরেজ নির্মাণ করা হয়েছে, যা কৃষিপণ্য সংরক্ষণে প্রযুক্তিনির্ভর অবকাঠামো গড়ে তোলার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।<br>/<strong>/ডিবিটেক/ জেএনও/ এসএমই/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>লাম্পি স্কিন ডিজিজ নিয়ন্ত্রণে কান্ডিতে সার্কের আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ</title>
<link>https://digibanglatech.news/185254</link>
<guid>https://digibanglatech.news/185254</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;8,0,0&quot;&gt;শ্রীলঙ্কার কান্ডিতে শুরু ৩ দিনব্যাপী সার্ক আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ &lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;8,1,0&quot;&gt;বাংলাদেশসহ সার্কভুক্ত ৫টি দেশের প্রাণিসম্পদ বিশেষজ্ঞদের অংশগ্রহণ&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;8,2,0&quot;&gt;এলএসডি প্রতিরোধে টিকা, নজরদারি ও আঞ্চলিক সহযোগিতার ওপর জোর&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a68842fe5a26.jpg" length="102035" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 28 Jul 2026 15:28:38 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>লাম্পি স্কিন ডিজিজ, সার্ক কৃষি কেন্দ্র, কান্ডি শ্রীলঙ্কা, প্রাণিসম্পদ খাত, এলএসডি নিয়ন্ত্রণ, আঞ্চলিক সহযোগিতা, ভেটেরিনারি সেবা, ড. মো. হারুনূর রশীদ, দক্ষিণ এশিয়া</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>দক্ষিণ এশিয়ায় লাম্পি স্কিন ডিজিজ (এলএসডি) প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে আঞ্চলিক সক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্যে শ্রীলঙ্কার কান্ডিতে ২৮ জুলাই, মঙ্গলবার শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী সার্ক আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি। “দক্ষিণ এশিয়ায় এলএসডি নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা” শীর্ষক এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করেছে ঢাকাস্থ সার্ক কৃষি কেন্দ্র, শ্রীলঙ্কার কৃষি ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশের গ্রাম উন্নয়ন কর্ম। এতে বাংলাদেশ, ভুটান, নেপাল, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার প্রাণিসম্পদ ও ভেটেরিনারি খাতের বিশেষজ্ঞরা অংশ নিয়েছেন।</p>
<p>উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন শ্রীলঙ্কার প্রাণিসম্পদ উৎপাদন ও স্বাস্থ্য বিভাগের মহাপরিচালক এবং সার্ক প্রধান ভেটেরিনারি কর্মকর্তাদের ফোরামের চেয়ারম্যান ড. বি.এস.এস. পেরেরা। তিনি সীমান্ত অতিক্রমকারী প্রাণিরোগ মোকাবিলায় আঞ্চলিক সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরেন।</p>
<p>সার্ক কৃষি কেন্দ্রের সিনিয়র প্রোগ্রাম স্পেশালিস্ট (লাইভস্টক) ড. মো. ইউনূস আলী প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করে দক্ষিণ এশিয়ায় রোগ নজরদারি জোরদার, দ্রুত শনাক্তকরণ এবং সমন্বিত প্রতিক্রিয়া ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।</p>
<p>মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন শ্রীলঙ্কার ভেটেরিনারি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের ভাইরোলজিস্ট ড. এস. পুভানেন্দ্রন। তিনি বলেন, মশা, মাছি ও টিকের মতো রক্তচোষা পোকামাকড়ের মাধ্যমে এলএসডি প্রধানত ছড়িয়ে পড়ে। আক্রান্ত প্রাণীর ত্বকের ক্ষত ও শুকনো খোসায় ভাইরাস দীর্ঘদিন জীবিত থাকতে পারে। উষ্ণ ও আর্দ্র আবহাওয়া, প্রাণী স্থানান্তর এবং দুর্বল বাহক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাও রোগ বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।</p>
<p>বিশেষ অতিথির বক্তব্যে গ্রাম উন্নয়ন কর্মের পরিচালক মো. মোখলেছুর রহমান কৃষকদের সচেতনতা বৃদ্ধি এবং কৃষক, প্রাণিচিকিৎসক ও উন্নয়ন সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের আহ্বান জানান।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x_6a688430c9a64.jpg" alt=""></p>
<p>সার্ক কৃষি কেন্দ্রের পরিচালক ড. মো. হারুনূর রশীদ বলেন, এলএসডি মোকাবিলায় সমন্বিত আঞ্চলিক উদ্যোগ অপরিহার্য। এ জন্য তথ্য বিনিময়, কারিগরি সহযোগিতা এবং সক্ষমতা উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।</p>
<p>শ্রীলঙ্কার কৃষি বিভাগের মহাপরিচালক ও সার্ক কৃষি কেন্দ্রের গভর্নিং বোর্ড সদস্য ড. ডব্লিউ.এ.আর.টি. উইক্রমারাচ্চি প্রাণিসম্পদ খাতে এলএসডির অর্থনৈতিক ক্ষতি কমাতে গবেষণা, নজরদারি ব্যবস্থা এবং নীতিগত সহায়তা একীভূত করার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন।</p>
<p>সার্ক সচিবালয়ের পরিচালক (এআরডি ও এসডিএফ) তানভীর আহমেদ তরফদার বলেন, এলএসডি দক্ষিণ এশিয়ার প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন ও গ্রামীণ জীবিকার জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। তিনি রোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে সদস্য দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতা, জ্ঞান বিনিময় এবং যৌথ উদ্যোগ অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।</p>
<p>অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্রীলঙ্কার পেরাদেনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন ড. এ. কালুপাহানা এবং বিশেষ সম্মানিত অতিথি ছিলেন শ্রীলঙ্কার কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. এস. পিয়াসিরি। তাঁরা গবেষণাভিত্তিক কৌশল, কার্যকর টিকাদান কর্মসূচি এবং শক্তিশালী ভেটেরিনারি সেবা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।<br>/<strong>/ডিবিটেক/ এবিএম/এমএএন/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>এগ্রো&#45;টেকে বাড়বে কর্মসংস্থান: ইউজিসি</title>
<link>https://digibanglatech.news/185168</link>
<guid>https://digibanglatech.news/185168</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li&gt;&lt;span&gt;এগ্রো-টেক শিল্পে নতুন কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;li&gt;&lt;span&gt;কৃষি গবেষণা ও উদ্যোক্তা উন্নয়নে জোর&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;li&gt;&lt;span&gt;কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে খাস জমিকে অগ্রাধিকার&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a67725f0ddc4.jpg" length="118784" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 27 Jul 2026 19:59:31 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>এগ্রো-টেক, কৃষিপ্রযুক্তি, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন, ইউজিসি, কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, কৃষি গবেষণা, খাদ্যনিরাপত্তা, কৃষি উদ্যোক্তা, কৃষি পর্যটন</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>কৃষিপ্রযুক্তিভিত্তিক (এগ্রো-টেক) শিল্পের সম্প্রসারণ ঘটাতে পারলে দেশে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ-আল-মামুন।</p>
<p>তিনি বলেন, কৃষি গবেষণা, প্রযুক্তিনির্ভর উদ্ভাবন এবং কৃষিভিত্তিক উদ্যোক্তা তৈরির মাধ্যমে কুড়িগ্রামের মতো কৃষিসমৃদ্ধ জেলার আর্থসামাজিক উন্নয়নে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হতে পারে।</p>
<p>২৭ জুলাই, সোমবার কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ‘খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে কৃষির ভূমিকা’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।</p>
<p><strong>কৃষিতে প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনে জোর</strong><br>অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ-আল-মামুন বলেন, কৃষি ও কৃষিপ্রযুক্তি খাতে সরকারের বিনিয়োগের সুফল শিক্ষার্থী, গবেষক এবং তরুণ উদ্যোক্তাদের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। কৃষিভিত্তিক শিল্পের পাশাপাশি কৃষি পর্যটনের সম্ভাবনাও কাজে লাগিয়ে স্থানীয় অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করা সম্ভব।</p>
<p>তার মতে, গবেষণাগার থেকে উদ্ভাবনকে মাঠপর্যায়ে পৌঁছে দিয়ে কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, মূল্য সংযোজন এবং প্রযুক্তিনির্ভর কৃষি উদ্যোগ সম্প্রসারণের মাধ্যমে টেকসই কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা সম্ভব।</p>
<p><strong>স্থায়ী ক্যাম্পাসে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার আহ্বান</strong><br>পরে কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাসের জন্য ভূমি নির্বাচন বিষয়ে স্থানীয় অংশীজনদের সঙ্গে আয়োজিত সমন্বয় সভায় ইউজিসি সদস্য বলেন, জমি নির্বাচনের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা এবং কৃষিজমি সংরক্ষণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।</p>
<p>তিনি বলেন, তিন ফসলি ও এক ফসলি কৃষিজমি অধিগ্রহণ না করে খাস জমিকে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত। একই সঙ্গে সহজ যোগাযোগব্যবস্থা নিশ্চিত করা এবং জমি অধিগ্রহণকে কেন্দ্র করে কৃত্রিম মূল্যবৃদ্ধি রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ারও আহ্বান জানান।</p>
<p><strong>সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্ব</strong><br>ড. আব্দুল্লাহ-আল-মামুন বলেন, রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত মতপার্থক্যের ঊর্ধ্বে উঠে জেলার সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।</p>
<p>তিনি জানান, চলতি বছরের মধ্যেই কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাসের জন্য উপযুক্ত জমি চূড়ান্ত করার লক্ষ্যে ইউজিসি কাজ করছে।</p>
<p>সমন্বয় সভার আগে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্ভাব্য স্থায়ী ক্যাম্পাসের স্থানগুলো পরিদর্শন করেন। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী হলে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেন এবং স্থানীয় উচ্চশিক্ষা-সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।</p>
<p>জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম, জেলা পুলিশ সুপার এবং স্থানীয় সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।<br>/<strong>/ডিবিটেক/ আইএইচইউ/ এমএসআই</strong>//</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বাকৃবিতে হাঁসের প্লেগ টিকায় নতুন অগ্রগতি</title>
<link>https://digibanglatech.news/185137</link>
<guid>https://digibanglatech.news/185137</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li&gt;&lt;span&gt;স্থানীয় ভাইরাস দিয়ে স্বল্পমূল্যের টিকা উদ্ভাবন&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;li&gt;&lt;span&gt;ডিএনএ ও ওরাল ভ্যাকসিনে মিলেছে আশাব্যঞ্জক ফল&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;li&gt;&lt;span&gt;এক থেকে দেড় বছরের মধ্যে খামারিদের কাছে পৌঁছানোর আশা&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a6732e3ea3ef.jpg" length="95993" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 27 Jul 2026 15:29:41 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, বাকৃবি, হাঁসের প্লেগ, হাঁসের প্লেগ টিকা, ডিএনএ ভ্যাকসিন, ওরাল ভ্যাকসিন, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, এলডিডিপি, প্রাণিসম্পদ গবেষণা</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="isSelectedEnd"><span>স্থানীয় হাঁসের প্লেগ ভাইরাস ব্যবহার করে স্বল্পমূল্যের ও কার্যকর হাঁসের প্লেগ টিকা উদ্ভাবনে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতির কথা জানিয়েছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) গবেষকরা। গবেষণায় ডিএনএ ও ওরাল ভ্যাকসিনে আশাব্যঞ্জক ফল মিলেছে এবং বর্তমানে টিকাটি মাঠপর্যায়ের পরীক্ষার অপেক্ষায় রয়েছে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইক্রোবায়োলজি গ্যালারিতে প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্পের (এলডিডিপি) অর্থায়নে ২৭ জুলাই, সোমবার গবেষণা প্রকল্পের সমাপনী কর্মশালায় এ তথ্য জানানো হয়।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা কমিটির (সিএএসআর) সমন্বয়ক অধ্যাপক ড. মো. সামছুল আলম। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় রিসার্চ সিস্টেমের (বাউরেস) পরিচালক অধ্যাপক ড. এম. হাম্মাদুর রহমান, ময়মনসিংহ বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ দপ্তরের পরিচালক ড. শামসাদ জাহান শিরাজী এবং এলডিডিপির চিফ টেকনিক্যাল কোঅর্ডিনেটর ড. মো. জাহাঙ্গীর হোসেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রকল্পের প্রধান গবেষক, বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য ও ভেটেরিনারি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. বাহানুর রহমান। স্বাগত বক্তব্য দেন মাইক্রোবায়োলজি ও হাইজিন বিভাগের অধ্যাপক এবং প্রকল্পের সহ-গবেষক ড. মোহাম্মদ ফেরদৌসুর রহমান খান।</span></p>
<h3><span style="font-size: 10pt;">৯০ শতাংশের বেশি সুরক্ষার আশাবাদ</span></h3>
<p class="isSelectedEnd"><span>গবেষণা প্রকল্পের প্রধান গবেষক অধ্যাপক ড. মো. বাহানুর রহমান বলেন, হাঁসের প্লেগ একটি অত্যন্ত প্রাণঘাতী ভাইরাসজনিত রোগ, যেখানে মৃত্যুহার ৪০ থেকে ১০০ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে। প্রাথমিকভাবে অ্যাটেন্যুয়েটেড ভ্যাকসিন তৈরির লক্ষ্য নিয়ে গবেষণা শুরু হলেও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের (ডিএলএস) অনুরোধে ইনঅ্যাক্টিভেটেড ও ডিএনএ ভ্যাকসিন নিয়েও গবেষণা করা হয়।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>তিনি জানান, ইনঅ্যাক্টিভেটেড ভ্যাকসিনে প্রত্যাশিত ফল না মিললেও ডিএনএ ও ওরাল ভ্যাকসিনে ইতিবাচক ফল পাওয়া গেছে। বর্তমানে টিকাটি মাঠপর্যায়ে পরীক্ষার অপেক্ষায় রয়েছে। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা ও অনুমোদন শেষে এটি খামারিদের হাতে পৌঁছাতে আরও এক থেকে দেড় বছর সময় লাগতে পারে।</span></p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x_6a6732e30e217.jpg" alt=""></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>অধ্যাপক বাহানুর রহমান আশা প্রকাশ করেন, নতুন এই টিকা ৯০ শতাংশের বেশি সুরক্ষা দিতে সক্ষম হবে এবং প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মাধ্যমে দেশের খামারিদের কাছে পৌঁছে হাঁস পালন শিল্পের উৎপাদনশীলতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।</span></p>
<h3><span style="font-size: 10pt;">প্রতিরোধে টিকাই সবচেয়ে কার্যকর</span></h3>
<p class="isSelectedEnd"><span>প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মো. সামছুল আলম বলেন, ভাইরাসজনিত হাঁসের প্লেগে আক্রান্ত পাখিকে চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ করা অত্যন্ত কঠিন। তাই রোগ প্রতিরোধে টিকাই সবচেয়ে কার্যকর উপায়।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>তিনি বলেন, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অণুজীববিজ্ঞান ও স্বাস্থ্যবিধি বিভাগের ভ্যাকসিন গবেষণার দীর্ঘ ঐতিহ্য রয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় স্থানীয় হাঁসের প্লেগ ভাইরাস ব্যবহার করে স্বল্পমূল্যের টিকা উদ্ভাবনের এই গবেষণা দেশের প্রাণিসম্পদ খাতের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে ভাইরাসের পরিবর্তনশীল বৈশিষ্ট্য বিবেচনায় নিয়ে টিকার কার্যকারিতা আরও উন্নত করার সুযোগ রয়েছে।</span></p>
<h3><span style="font-size: 10pt;">খামারিদের ব্যয় কমানোর সম্ভাবনা</span></h3>
<p><span>গবেষকদের মতে, দেশীয় ভাইরাস ব্যবহার করে স্বল্পমূল্যে কার্যকর টিকা উৎপাদন সম্ভব হলে আমদানিনির্ভরতা কমবে, খামারিদের উৎপাদন ব্যয় হ্রাস পাবে এবং হাঁসের প্লেগজনিত আর্থিক ক্ষতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব হবে। একই সঙ্গে দেশের হাঁস পালন শিল্পে টেকসই উৎপাদন ও খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও এ উদ্ভাবন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।<br>/<strong>/ডিবিটেক/ আরাফাত হোসেন/ এসএমই/</strong>/</span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>কৃষিকে প্রযুক্তিনির্ভর করতে শেকৃবি শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান</title>
<link>https://digibanglatech.news/185092</link>
<guid>https://digibanglatech.news/185092</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li&gt;শেকৃবির নবীন বরণ অনুষ্ঠানে কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ&lt;/li&gt;
&lt;li&gt;আধুনিক প্রযুক্তি কৃষকের দৌড়গোড়ায় পৌঁছে দিয়ে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির আহ্বান&lt;/li&gt;
&lt;li&gt;শুধু সরকারি চাকরি নয়, অ্যাগ্রো বিজনেস ও উদ্যোক্তা হওয়ার পরামর্শ&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a665957886c6.jpg" length="112846" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 26 Jul 2026 17:02:03 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>শেকৃবি, কৃষি প্রযুক্তি, উদ্ভাবন, কৃষি গবেষণা, খাদ্য নিরাপত্তা, উদ্যোক্তা, অ্যাগ্রো বিজনেস, কর্মসংস্থান, শিক্ষা, প্রযুক্তি, শেকৃবি ওরিয়েন্টেশন</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="8">কৃষিকে আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও উৎপাদনশীল খাতে রূপান্তর করতে এবং নতুন উদ্ভাবিত প্রযুক্তি সরাসরি মাঠপর্যায়ের কৃষকের কাছে পৌঁছে দেয়ার তাগিদ দেওয়া হয়েছে। দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়ানো এবং শিক্ষার্থীদের গবেষণালব্ধ প্রযুক্তি সম্প্রসারণে কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে।</p>
<p data-path-to-node="9">রবিবার, ২৬ জুলাই রাজধানীর শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শেকৃবি) নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব কথা বলা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী বলেন, "কৃষিতে পড়াশোনা করলেই সবাইকে শুধু সরকারি চাকরিতে যেতে হবে—এমন নয়। দেশের কৃষি খাতে অপার সম্ভাবনা কাজে লাগিয়ে নতুন প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনী ভাবনার মাধ্যমে তরুণরা উদ্যোক্তা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করলে কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি জাতীয় অর্থনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা সম্ভব।"</p>
<p data-path-to-node="10">শিক্ষিত তরুণদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ডিগ্রি অর্জনের পাশাপাশি দক্ষতা, সৃজনশীলতা ও প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোগ নিয়ে এগিয়ে আসার ওপর তিনি জোর দেন।</p>
<p data-path-to-node="11">অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা ড. মাহ্দী আমিন বলেন, "বাংলাদেশের কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও কৃষি গবেষণায় শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে নবীন শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যতে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।"</p>
<p data-path-to-node="13">শেকৃবির উপাচার্য ড. মোঃ আব্দুল লতিফের সভাপতিত্বে আয়োজিত উক্ত অনুষ্ঠানে মাদারীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য আনিছুর রহমান, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য সানজিদা ইসলাম তুলিসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।<br>/<strong>/ডিবিটেক/ আরএম/এনআইডি/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>পঞ্চগড়ে এগ্রিটেক ও সৌরবিদ্যুতে মালয়েশিয়ার বিনিয়োগ আগ্রহ</title>
<link>https://digibanglatech.news/184977</link>
<guid>https://digibanglatech.news/184977</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-section-id=&quot;3dkkap&quot; data-start=&quot;224&quot; data-end=&quot;270&quot;&gt;এগ্রিটেক, আইটি ও সৌরবিদ্যুতে বিনিয়োগে আগ্রহ&lt;span aria-hidden=&quot;true&quot; class=&quot;PDq2pG_selectionAnchor&quot;&gt;&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;li data-section-id=&quot;jmgira&quot; data-start=&quot;271&quot; data-end=&quot;319&quot;&gt;অর্থনৈতিক অঞ্চল ও সম্ভাব্য শিল্পভূমি পরিদর্শন&lt;/li&gt;
&lt;li data-section-id=&quot;1meqftj&quot; data-start=&quot;320&quot; data-end=&quot;380&quot;&gt;কর্মসংস্থান ও সবুজ শিল্পায়নের সম্ভাবনা দেখছে প্রতিষ্ঠানটি&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a64f3651b5cd.jpg" length="430827" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 25 Jul 2026 21:33:52 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>পঞ্চগড়, এমডিটি ইনোভেশনস, মালয়েশিয়া, এগ্রিটেক, তথ্যপ্রযুক্তি, সৌরবিদ্যুৎ, অর্থনৈতিক অঞ্চল, গ্রিন এনার্জি, বিদেশি বিনিয়োগ</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-start="663" data-end="1002">কৃষিভিত্তিক তথ্যপ্রযুক্তি (এগ্রিটেক), সৌরবিদ্যুৎ এবং গ্রিন এনার্জিনির্ভর শিল্পে বিনিয়োগের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখতে পঞ্চগড় সফর করেছে মালয়েশিয়ার প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এমডিটি ইনোভেশনস। প্রতিষ্ঠানটি জেলার দেবীগঞ্জ অর্থনৈতিক অঞ্চলসহ সম্ভাব্য শিল্পায়নযোগ্য বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করে স্থানীয় অবকাঠামো, ভূমি ও মানবসম্পদ সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করেছে।<span aria-hidden="true"></span></p>
<p data-start="1004" data-end="1225">শুক্রবার ও শনিবার চার সদস্যের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন এমডিটি ইনোভেশনসের চিফ অপারেটিং অফিসার সিম হোন ওয়াই। পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ও পঞ্চগড়-২ আসনের সংসদ সদস্য ফরহাদ হোসেন আজাদের আমন্ত্রণে তারা বাংলাদেশ সফরে আসেন।</p>
<p data-start="1227" data-end="1502">প্রতিনিধি দল দেবীগঞ্জ অর্থনৈতিক অঞ্চল, সম্ভাব্য খাসজমি এবং নদীসংলগ্ন বিস্তীর্ণ পতিত জমি পরিদর্শন করে। এ সময় স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা ম্যাপের মাধ্যমে শিল্প স্থাপনের উপযোগী জমি, যোগাযোগ ব্যবস্থা, জমির পরিমাণ এবং স্থানীয় দক্ষ মানবসম্পদের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য উপস্থাপন করেন।</p>
<p data-start="1504" data-end="1742">শনিবার দুপুরে পঞ্চগড় সার্কিট হাউস মিলনায়তনে জেলা চেম্বার অব কমার্স, ব্যবসায়ী প্রতিনিধি, আমদানিকারক ও গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে জেলা প্রশাসক শুকরিয়া পারভীনসহ জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p data-start="1744" data-end="2022">মতবিনিময় সভায় সিম হোন ওয়াই বলেন, বাংলাদেশে এটি তার প্রথম সফর। তিনি বলেন, পঞ্চগড়ের বিস্তীর্ণ সমতল ভূমি, যোগাযোগ সুবিধা এবং শিল্পায়নের সম্ভাবনা তাদের আকৃষ্ট করেছে। প্রতিষ্ঠানটি কৃষিভিত্তিক তথ্যপ্রযুক্তি, আইটি শিল্প এবং সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পে বিনিয়োগের সম্ভাবনা মূল্যায়ন করছে।</p>
<p data-start="2024" data-end="2396">তিনি বলেন, বর্তমানে যেকোনো উন্নয়ন পরিকল্পনায় গ্রিন এনার্জি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তাই শিল্পায়নের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। ঢাকার তুলনায় যানজটমুক্ত পরিবেশ এবং শিল্প স্থাপনের উপযোগী অবকাঠামোও ইতিবাচক দিক হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি। তাঁর বিশ্বাস, এসব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে স্থানীয় জনগণের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।</p>
<p data-start="2398" data-end="2746">পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, দেবীগঞ্জ অর্থনৈতিক অঞ্চল চালু এবং অঞ্চলভিত্তিক উন্নয়নের মাধ্যমে শিল্পায়ন সম্প্রসারণে সরকার কাজ করছে। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর ইতোমধ্যে এলাকা পরিদর্শন করেছেন। পাশাপাশি দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সম্ভাব্য শিল্পাঞ্চল পরিদর্শনে উৎসাহিত করা হচ্ছে।</p>
<p data-start="2748" data-end="2931">তিনি আরও বলেন, সরকার কৃষিভিত্তিক শিল্পায়নকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। বিদেশি বিনিয়োগ বাস্তবায়িত হলে পঞ্চগড়ে ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং উত্তরাঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়নে নতুন গতি আসবে।</p>
<p data-start="2933" data-end="2965">/<strong>/ডিবিটেক/ ইটিএন/ এসএমই/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>গবাদিপশুর ব্রুসেলোসিসে প্রতি বছর কোটি টাকার ক্ষতি</title>
<link>https://digibanglatech.news/184859</link>
<guid>https://digibanglatech.news/184859</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;6,0,0&quot;&gt;বাকৃবি গবেষকদের গবেষণায় দেখা গেছে ব্রুসেলোসিসে আক্রান্ত গাভী দৈনিক ১.০১ লিটার পর্যন্ত কম দুধ দেয়&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;6,1,0&quot;&gt;অলক্ষ্যে থাকা সুপ্ত সংক্রমণের কারণেও বড় ডেইরি খামারগুলোতে বছরে গড়ে প্রায় ২ কোটি ৪১ লাখ টাকার ক্ষতি হয়&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;6,2,0&quot;&gt;পরিকল্পিত গণটিকাদানের মাধ্যমে প্রতি ১ টাকা বিনিয়োগে ৮ টাকা ১৪ পয়সা পর্যন্ত ক্ষতি এড়ানো সম্ভব&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a6370feb4f3a.jpg" length="76530" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 24 Jul 2026 15:17:57 +0600</pubDate>
<dc:creator>ক্যাম্পাস করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, টেলিকম, ব্রুসেলোসিস, বাকৃবি, গবাদিপশু, গবেষণা, অ্যানিমেল_ডিজিজ, ডেইরি</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="9">বাংলাদেশে গবাদিপশুর ব্রুসেলোসিস রোগ শুধু দুগ্ধ খামারের অর্থনীতিতেই বড় আঘাত হানছে না, বরং খামারিদের অজান্তেই কোটি কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতি করছে। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) একদল গবেষকের দীর্ঘ দুই বছরের গবেষণায় উঠে এসেছে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য। গবেষণায় দেখা গেছে, সক্রিয় ব্রুসেলোসিসে আক্রান্ত একটি গাভী সুস্থ গাভীর তুলনায় দৈনিক গড়ে ১.০১ লিটার এবং কোনও বাহ্যিক লক্ষণ ছাড়াই সুপ্ত বা লুকিয়ে থাকা রোগে আক্রান্ত গাভী দৈনিক গড়ে ০.৫৩ লিটার কম দুধ দেয়। এর ফলে দেশের বড় ডেইরি খামারগুলোতে বছরে গড়ে প্রায় ২ কোটি ৪১ লাখ টাকা পর্যন্ত ক্ষতি হচ্ছে। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক গবেষণা সাময়িকী ‘অ্যানিমেল ডিজিজ’-এ প্রকাশিত এ গবেষণায় দেখা যায়, গাভী বাচ্চা প্রসবের পর ফুল না পড়া বা ‘রিটেইন্ড প্লাসেন্টা’ ব্রুসেলোসিসের সবচেয়ে বড় ঝুঁকিপূর্ণ কারণ।</p>
<p data-path-to-node="10">গবেষণার বিস্তারিত তথ্য জানান প্রধান গবেষক বাকৃবির মেডিসিন বিভাগের ল্যাবরেটরি অব এপিডেমিওলজি অ্যান্ড প্রিভেন্টিভ মেডিসিনের অধ্যাপক ড. এ কে এম আনিসুর রহমান।</p>
<p data-path-to-node="11">অধ্যাপক ড. এ কে এম আনিসুর রহমানের নেতৃত্বে পরিচালিত এই গবেষণায় আরও ছিলেন—একই বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. সিদ্দিকুর রহমান, অধ্যাপক ড. এম আরিফুল ইসলাম এবং প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের কর্মকর্তা ও পিএইচডি শিক্ষার্থী মো. শফিউল আলম। গবেষক দলের অন্য সদস্যরা হলেন নাজমুল ইসলাম, বিশ্ব জ্যোতি অধিকারী, শান্তা ইসলাম, আর এস মাহমুদ ও মুহাম্মদ আকতারুজ্জামান। এ ছাড়া রোগ শনাক্তের আধুনিক গাণিতিক পদ্ধতি নিয়ে এই দলের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করেছেন গ্রিসের থেসালি বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই বিশেষজ্ঞ লেফটেরিস मेलेটিস ও পলিক্রোনিস কস্তুলাস। সরকারের লাইভস্টক অ্যান্ড ডেইরি ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্টের (এলডিডিপি) অর্থায়নে এবং প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় এ গবেষণা সম্পন্ন হয়।</p>
<p data-path-to-node="12">২০২৩ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশের প্রধান দুধ উৎপাদনকারী অঞ্চলের ১৭টি বড় বাণিজ্যিক ডেইরি খামার থেকে মোট ২,৬৯৬টি দুগ্ধবতী গাভীর তথ্য ও দুধের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। বায়েসিয়ান মিক্সড-ইফেক্টস মাল্টিনোমিয়াল রিগ্রেশন পদ্ধতি ব্যবহার করে গাভীগুলোকে সুস্থ, সুপ্ত এবং সক্রিয়—এই তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়। ড. আনিস বলেন, "সুপ্ত অবস্থায় থাকলে বাইরে থেকে বোঝা না গেলেও দুধ উৎপাদন কমে যায়। আবার সক্রিয় রোগে গর্ভপাত ও প্রজনন ব্যর্থতা দেখা দেয়।" তিনি আরও সতর্ক করেন, কাঁচা দুধ পানের মাধ্যমে মানুষও এই বিপজ্জনক জুনোটিক রোগে আক্রান্ত হতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে, পরিকল্পিত গণটিকাদানে প্রতি ১ টাকা বিনিয়োগে ৮ টাকা ১৪ পয়সা পর্যন্ত ক্ষতি এড়ানো সম্ভব। উল্লেখ্য, ইতোপূর্বে বিএএস-ইউএসডিএ-র অর্থায়নে অধ্যাপক ড. মো. আরিফুল ইসলামের নেতৃত্বে গবাদিপশুর এই রোগের স্বল্পমূল্যের টিকা উদ্ভাবন করা হয়েছে।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x_6a637100cdc3e.jpg" alt=""></p>
<p _ngcontent-ng-c2395755648="" class="query-text-line ng-star-inserted">প্রসঙ্গত, ইতোপূর্বে বিএএস-ইউএসডিএ-র অর্থায়নে অধ্যাপক ড. মো. আরিফুল ইসলামের নেতৃত্বে গবাদিপশুর এই রোগের স্বল্পমূল্যের টিকা উদ্ভাবন করা হয়েছে। <span>একই বিভাগের অধ্যাপক ড. মোছা. মিনারা খাতুন, গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের পোল্ট্রি বিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক মো. জামিনুর রহমান, বাকৃবির স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থী মো. রাইসুল ইসলাম, স্নাতকের শিক্ষার্থী অর্ণব সাহা এবং নাহিদুজ্জামান এই গবেষণায় অংশ নিয়েছিলেন। </span></p>
<p _ngcontent-ng-c2395755648="" class="query-text-line ng-star-inserted">ব্রুসেলোসিস এর ভ্যাকসিন তৈরির উদ্দেশ্য জানতে চাইলে তথখন অধ্যাপক ড. মো. আরিফুল হক জানিয়েছিলেন, ওয়ার্ল্ড অর্গানাইজেশন ফর অ্যানিমেল হেলথের (ডব্লিউওএএইচ) নির্দেশনা অনুযায়ী ব্রুসেলোসিসে আক্রান্ত প্রাণীকে হত্যা করে তাকে পুঁতে ফেলতে হবে অথবা ইনসিনারেশন (পুড়িয়ে ফেলা) করে ফেলতে হবে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এই নির্দেশনা মানা হলেও বাংলাদেশে তা মানা খুবই কষ্টসাধ্য হয়ে যায়। কেননা অন্যান্য দেশে ক্ষতিপূরণ দেয়া হলেও বাংলাদেশে এর ব্যবস্থা থাকলেও প্রয়োগ বললেই চলে। বিদেশি অনেক ভ্যাকসিন থাকতেও এ ভ্যাকসিন টি তৈরির উদ্দেশ্য হলো প্রতিটি অণুজীবের ক্ষেত্রে ভৌগোলিক অবস্থান বিবেচনায় অনেক পার্থক্য দেখা যায়, এর উপর ভিত্তি করে ভ্যাকসিনের কার্যক্ষমতা। তাই বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে স্থানীয় জীবাণু নিয়ে গবেষণা করে ভ্যাকসিন টি তৈরি করা হয়েছে। অর্থাৎ কমমূল্যে খামারিদের ভ্যাকসিন (টিকা) সরবরাহ ও জনস্বাস্থ্যের কথা বিবেচনা করেই আমাদের এ ভ্যাকসিনের উদ্ভাবন।<br>/<strong>/ডিবিটেক/ বিটিও/ইডিপি/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>অতিরিক্ত কীটনাশক ব্যবহারে উদ্বেগ, বালাইনাশক খাত সংস্কারে ১৯ সদস্যের বিশেষজ্ঞ কমিটি</title>
<link>https://digibanglatech.news/184726</link>
<guid>https://digibanglatech.news/184726</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul data-start=&quot;1872&quot; data-end=&quot;2029&quot;&gt;
&lt;li data-start=&quot;1872&quot; data-end=&quot;1927&quot;&gt;বালাইনাশক খাত সংস্কারে ১৯ সদস্যের বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন&lt;span aria-hidden=&quot;true&quot; class=&quot;PDq2pG_selectionAnchor&quot;&gt;&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;li data-start=&quot;1928&quot; data-end=&quot;1973&quot;&gt;তিন মাসে নতুন নীতিমালার সুপারিশ দেবে কমিট&lt;/li&gt;
&lt;li data-start=&quot;1974&quot; data-end=&quot;2029&quot;&gt;নিরাপদ খাদ্য, জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ সুরক্ষায় গুরুত্ব&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a61b3b3b66c4.jpg" length="87549" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 23 Jul 2026 10:58:46 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>বালাইনাশক, কৃষি মন্ত্রণালয়, নিরাপদ খাদ্য, টেকসই কৃষি, পলিসি গাইডলাইন, জনস্বাস্থ্য, পরিবেশ</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>গবেষণা বলছে,  আলু, বেগুন এবং বোরো ধানের জন্য এই দুটি বিভাগে সবচেয়ে বেশি কীটনাশক ও বালাইনাশক ব্যবহৃত হয়। উত্তরবঙ্গের শুষ্ক বরেন্দ্র অঞ্চলে (Varendra region) জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে পোকার আক্রমণ বাড়ায় কৃষকরা অনুমোদিত মাত্রার চেয়ে ৮ থেকে ১০ গুণ বেশি বিষ স্প্রে করছেন।<br>একইভাবে  নরসিংদী, সাভার, টাঙ্গাইল এবং শেরপুর-ময়মনসিংহ অঞ্চলে নিবিড় সবজি চাষের কারণে মারাত্মক মাত্রায় কীটনাশক ব্যবহার করা হচ্ছে। বিশেষ করে ফুলকপি, বাঁধাকপি এবং বেগুন চাষে এক মৌসুমে ১৭ থেকে ১৫০ বার পর্যন্ত কীটনাশক ছিটানো হচ্ছে এবং ফসল তোলার ঠিক আগ মুহূর্তের নিয়ম (Pre-Harvest Interval - PHI) মানা হচ্ছে না।</p>
<p> তবে উপকূলীয় লবণাক্ত অঞ্চলে টমেটো এবং তরমুজ চাষে সাম্প্রতিক সময়ে রাসায়নিকের ব্যবহার অনেক বেড়েছে। তবে আশার কথা হলো, সাতক্ষীরা ও যশোর অঞ্চলে আন্তর্জাতিক অর্থায়নে জৈব-কীটনাশক (Biopesticides) ও ফেরোমন ট্রাপের (Pest Traps) ব্যবহার কিছুটা বাড়ছে।ভ</p>
<p>কিন্তু চট্টগ্রাম ଓ সিলেট বিভাগ: এই দুই বিভাগের চা-বাগান এবং শীতকালীন সবজি চাষে কীটনাশক ব্যবহারের প্রবণতা বেশি। পাশাপাশি পার্বত্য ও হাওর অঞ্চলের স্থানীয় আদিবাসী ও পরিবেশবাদী সংগঠনগুলো জানিয়েছে, অতিরিক্ত কীটনাশক ব্যবহারের ফলে পাহাড়ি বুনো সবজি এবং হাওরের দেশীয় মাছ ও ওষুধি গাছ বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে।</p>
<p>এমন বাস্তবতায় বাংলাদেশে কৃষি খাতে কীটনাশক ব্যবহারের ক্ষেত্রে সাম্প্রতিক সময়ে (২০২৪–২০২৬) এক আশঙ্কাজনক চিত্র সামনে এসেছে, যেখানে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে গত ৫ বছরে কীটনাশকের ব্যবহার প্রায় ৮১.৫% বৃদ্ধি পেয়েছে। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) এবং বাংলাদেশ কৃষি তথ্য সার্ভিস (AIS) এর সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশে বছরে ৩৯,০০০ থেকে ৪৫,০০০ মেট্রিক টনের বেশি রাসায়নিক কীটনাশক ব্যবহৃত হচ্ছে।</p>
<p>টেকসই কৃষি উন্নয়ন, নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন এবং মাটি, পানি, পরিবেশ, জীববৈচিত্র্য ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় দেশের বালাইনাশক খাতকে আধুনিক ও যুগোপযোগী করতে ১৯ সদস্যের একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করেছে কৃষি মন্ত্রণালয়। আগামী তিন মাসের মধ্যে বিদ্যমান আইন, বিধিমালা ও সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম পর্যালোচনা করে নতুন নীতিমালা (পলিসি গাইডলাইন) প্রণয়নের সুপারিশ দেবে কমিটি।</p>
<p>কমিটির কার্যপরিধির মধ্যে রয়েছে বিদ্যমান বালাইনাশক আইন ও বিধিমালা পর্যালোচনা, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে নীতিমালা প্রণয়ন, বালাইনাশক ব্যবস্থাপনায় বিদ্যমান সমস্যা চিহ্নিত করা এবং প্রয়োজনীয় সংস্কার ও সুপারিশ প্রণয়ন।</p>
<p>কৃষি মন্ত্রণালয়ের উপকরণ-২ শাখা থেকে মঙ্গলবার (২১ জুলাই) জারি করা এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়েছে।</p>
<p>উপসচিব মোহাম্মদ সুহেল মাহমুদ স্বাক্ষরিত আদেশে বলা হয়, বালাইনাশকের আমদানি, উৎপাদন, ব্যবহার ও গুণগতমান নিশ্চিত করার পাশাপাশি নিবন্ধন, লাইসেন্সিং ব্যবস্থা, প্রশাসনিক কাঠামো, গবেষণাগারের কার্যক্রম এবং মনিটরিং ব্যবস্থা পর্যালোচনা করে খাতটিকে সময়োপযোগী ও কার্যকর করার লক্ষ্যেই এই কমিটি গঠন করা হয়েছে।</p>
<p>কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং সদস্য-সচিব হিসেবে থাকবেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক।</p>
<p>এ ছাড়া কৃষি, স্বাস্থ্য, পরিবেশ, বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান, বিশ্ববিদ্যালয় এবং চিকিৎসা ও পরিবেশবিষয়ক বিশেষজ্ঞসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিদের কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।</p>
<p>প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অভিজ্ঞ বিশেষজ্ঞদের কো-অপ্ট করার ক্ষমতাও থাকবে কমিটির।</p>
<p>কৃষি মন্ত্রণালয়ের আশা, কমিটির সুপারিশ বাস্তবায়নের মাধ্যমে বালাইনাশকের নিরাপদ ও পরিমিত ব্যবহার নিশ্চিত হবে। একই সঙ্গে জনস্বাস্থ্য, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সুরক্ষার পাশাপাশি নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন ব্যবস্থাও আরও শক্তিশালী হবে।<br>/<strong>/ডিবিটেক/বিডিএন/এসএমই/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>দক্ষিণ এশিয়ায় নিরাপদ খাদ্য ও বাণিজ্য বৃদ্ধিতে শক্তিশালী সার্ক সহযোগিতার আহ্বান</title>
<link>https://digibanglatech.news/184580</link>
<guid>https://digibanglatech.news/184580</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p data-path-to-node=&quot;8&quot;&gt;সার্ক কৃষি কেন্দ্রের আয়োজনে ‘দক্ষিণ এশিয়ায় নিরাপদ খাদ্যশস্য উৎপাদন ও মূল্য শৃঙ্খল’ শীর্ষক ৩ দিনব্যাপী ভার্চুয়াল কর্মশালা শুরু হয়েছে। অনুষ্ঠানে আঞ্চলিক খাদ্য নিরাপত্তা, জলবায়ু-সহনশীল কৃষি ও বাণিজ্য সম্প্রসারণে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর যৌথ প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a5f63c692cd8.jpg" length="112391" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 21 Jul 2026 15:02:01 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>সার্ক কৃষি কেন্দ্র, নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন, দক্ষিণ এশিয়া কৃষি, ড. মো. হারুনূর রশীদ, সার্ক আঞ্চলিক বাণিজ্য, খাদ্য নিরাপত্তা</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="15">দক্ষিণ এশিয়ায় নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন নিশ্চিত করা, কৃষিপণ্যের মূল্য শৃঙ্খল উন্নয়ন এবং আঞ্চলিক বাণিজ্য সম্প্রসারণে আরও শক্তিশালী সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছে সার্কভুক্ত দেশগুলো। সার্ক কৃষি কেন্দ্র আয়োজিত তিন দিনব্যাপী ভার্চুয়াল কর্মশালা “দক্ষিণ এশিয়ায় নিরাপদ খাদ্যশস্য উৎপাদন ও মূল্য শৃঙ্খল”-এর উদ্বোধনী অধিবেশনে এই আহ্বান জানানো হয়।</p>
<p data-path-to-node="16">২১ জুলাই, মঙ্গলবার শুরু হওয়া এই কর্মশালায় সার্ক অঞ্চলের নীতিনির্ধারক, খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রতিনিধি, গবেষক এবং কৃষি বিশেষজ্ঞরা অংশগ্রহণ করেন।</p>
<p data-path-to-node="17">অনুষ্ঠানের উদ্বোধনকালে সার্ক কৃষি কেন্দ্রের পরিচালক ড. মো. হারুনূর রশীদ জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং আঞ্চলিক বাণিজ্যের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে খাদ্য নিরাপত্তার ক্রমবর্ধমান গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, অভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং সহনশীল কৃষি-খাদ্য ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে আরও ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা প্রয়োজন। একই সঙ্গে তিনি দক্ষিণ এশিয়ায় নিরাপদ খাদ্যশস্য উৎপাদন এবং মূল্য শৃঙ্খল শক্তিশালীকরণে সার্ক এগ্রিকালচার সেন্টারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।</p>
<p data-path-to-node="18">সার্ক কৃষি কেন্দ্রের সিনিয়র প্রোগ্রাম স্পেশালিস্ট (শস্য) ড. সিকান্দার খান তানভীর কর্মশালার মূল উদ্দেশ্য তুলে ধরে দক্ষিণ এশিয়াজুড়ে খাদ্য নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা উন্নয়নে সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।</p>
<p data-path-to-node="19">আঞ্চলিক পরিস্থিতি উপস্থাপনকালে নেপালের খাদ্য প্রযুক্তি ও গুণগত নিয়ন্ত্রণ বিভাগের সিনিয়র ফুড রিসার্চ অফিসার মোহন কৃষ্ণ মহারজন খাদ্য নিরাপত্তার ক্ষেত্রে দুর্বল নিয়ন্ত্রক প্রয়োগ, সীমিত পরীক্ষাগার সক্ষমতা এবং দুর্বল ট্রেসেবিলিটিকে দক্ষিণ এশিয়ার প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে চিহ্নিত করেন। তিনি খাদ্য নিরাপত্তা মানের সমন্বয়, 'সাফটা' (SAFTA)-এর কার্যকর বাস্তবায়ন, আধুনিক কাস্টমস ব্যবস্থা এবং খাদ্য নিরাপত্তা সনদপত্রের পারস্পরিক স্বীকৃতির ওপর তাগিদ দেন।</p>
<p data-path-to-node="20">বিশেষ অতিথি হিসেবে সার্ক সচিবালয়ের পরিচালক (এআরডি ও এসডিএফ) তানভীর আহমেদ তরফদার সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক অংশীদারিত্ব এবং জ্ঞান বিনিময়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। তিনি ব্যবহারিক সহযোগিতা, প্রযুক্তি বিনিময় এবং উত্তম চর্চা গ্রহণের মাধ্যমে আঞ্চলিক কৃষি মূল্য শৃঙ্খল শক্তিশালী করার আহ্বান জানান।</p>
<p data-path-to-node="21">প্রধান অতিথির বক্তব্যে শ্রীলঙ্কার কৃষি বিভাগের মহাপরিচালক ড. ডব্লিউ.এ.আর.টি. উইক্রমারাচ্চি বলেন, "খামার থেকে ভোক্তার টেবিল পর্যন্ত খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা, ভোক্তার আস্থা বৃদ্ধি এবং আঞ্চলিক কৃষি বাণিজ্য সম্প্রসারণের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।" তিনি বিজ্ঞানভিত্তিক মানদণ্ড গ্রহণ, টেকসই কৃষি চর্চার প্রসার এবং আঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধির পরামর্শ দেন।</p>
<p data-path-to-node="21">প্রসঙ্গত, এই আন্তর্জাতিক কর্মশালাটি আগামী ২৩ জুলাই পর্যন্ত চলবে। এতে খামার পর্যায়ের মানদণ্ড বাস্তবায়ন, জলবায়ু-সহনশীল ফসল উৎপাদন, গুণগত মান নিয়ন্ত্রণ, জৈব কৃষি, কীটনাশকের অবশিষ্টাংশ ব্যবস্থাপনা, ফসল সংগ্রহোত্তর খাদ্য নিরাপত্তা এবং সার্ক সদস্য রাষ্ট্রগুলোর খাদ্য নিরাপত্তা নীতি ও বিধিমালা সংস্কার বিষয়ে একাধিক কারিগরি অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে।<br>/<strong>/ডিবিটেক/এমএবি/এনএএম/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বিএসটিআইয়ের নির্দেশে বাজার থেকে প্রত্যাহার হচ্ছে ৮ পণ্য</title>
<link>https://digibanglatech.news/184509</link>
<guid>https://digibanglatech.news/184509</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p data-start=&quot;2493&quot; data-end=&quot;2686&quot;&gt;মান পরীক্ষায় ব্যর্থ হওয়ায় চার প্রতিষ্ঠানের আটটি পণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছে বিএসটিআই। অতিরিক্ত প্রিজারভেটিভ, ক্ষতিকর অনুজীব ও মানদণ্ডে ব্যত্যয়ের অভিযোগে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a5e12e54b7c6.jpg" length="92170" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 20 Jul 2026 17:46:30 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>বিএসটিআই, পণ্য প্রত্যাহার, মান পরীক্ষা, ফ্রেশ গার্ডেন, কাজী ফুড, বেলিসিমো, অলিভ বাংলাদেশ, লাবণ্য, ডেকো ফুডস, ভোক্তা সুরক্ষা, বিডিএস</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস (বিডিএস) অনুযায়ী নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় চারটি প্রতিষ্ঠানের আটটি ভ্যারিয়েন্টের পণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)। অতিরিক্ত প্রিজারভেটিভ, মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর অনুজীবের উপস্থিতি এবং নির্ধারিত মানের ব্যত্যয় ধরা পড়ায় এসব পণ্যের উৎপাদন, বিক্রয় ও বিতরণ বন্ধ রাখতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।</p>
<p>২০ জুলাই, সোমবার বিএসটিআইর সম্পাদক মঈনুদ্দীন মিয়া এ তথ্য জানান।</p>
<p>বিএসটিআই জানায়, ফ্রেশ গার্ডেন এগ্রো রিসোর্সেস-এর আমের আচার (ব্যাচ নং: FGMP200G0426)-এ নির্ধারিত মাত্রার চেয়ে বেশি প্রিজারভেটিভ পাওয়া গেছে।</p>
<p>কাজী ফুড ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড-এর বেলিসিমো ব্র্যান্ডের Rotondo Hazelnut Coated Chocolate আইসক্রিম (ব্যাচ নং: 26050101A)-এ বাংলাদেশ মানের তুলনায় অতিরিক্ত টোটাল মিল্ক সলিড নন-ফ্যাট পাওয়া যায়।</p>
<p>অলিভ বাংলাদেশ লিমিটেড-এর লাবণ্য ব্র্যান্ডের মিল্ক স্কিন লোশন (ব্যাচ নং: 2961104A), অ্যালোভেরা স্কিন লোশন (ব্যাচ নং: 2961204A), অলিভ ও লাবণ্য ব্র্যান্ডের ফেসওয়াশ মোরিঙ্গা+মাচা (ব্যাচ নং: 2951404A), ফোমিং মিল্ক ও তুলসী (ব্যাচ নং: 2951204A) এবং লাবণ্য ব্র্যান্ডের অ্যালোভেরা শ্যাম্পু (ব্যাচ নং: 2921304A)-এ মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর অনুজীবের উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে।</p>
<p>এছাড়া ডেকো ফুডস লিমিটেড-এর ডেকো ফ্রুট ফান্ডা ব্র্যান্ডের ম্যাংগো ও অরেঞ্জ ভ্যারিয়েন্টের সফট ড্রিংক পাউডার (ব্যাচ নং: 133)-এ বাংলাদেশ মান অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ভিটামিন ‘সি’ এর মাত্রা পাওয়া যায়নি।</p>
<p>বিএসটিআই জানিয়েছে, পরীক্ষায় অকৃতকার্য পণ্যগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রত্যাখ্যানপত্র দেওয়া হয়েছে। পণ্যের লাইসেন্স নবায়ন বা পুনরায় অনুমোদন না হওয়া পর্যন্ত এসব পণ্যের উৎপাদন, বাজারজাত, বিক্রয় ও বিতরণ থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।</p>
<p>জনস্বার্থ ও ভোক্তা সুরক্ষার স্বার্থে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে দেশের সব পরিবেশক, ডিলার ও খুচরা বাজার থেকে অবিলম্বে এসব পণ্য প্রত্যাহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্দেশনা বাস্তবায়ন নিবিড়ভাবে তদারকি করবে বিএসটিআই। নির্দেশ অমান্য করলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।</p>
<p>বিএসটিআইর মহাপরিচালক (সচিব) কাজী ইমদাদুল হক বলেন, মানসম্মত পণ্য নিশ্চিত করা ভোক্তার অধিকার এবং তা নিশ্চিত করতে বিএসটিআই প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি পণ্য কেনার আগে বিএসটিআইর মানচিহ্ন, লাইসেন্স নম্বর, উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ যাচাই করার পাশাপাশি কোনো অনিয়ম বা ভেজাল সংক্রান্ত অভিযোগ দ্রুত বিএসটিআইকে জানানোর আহ্বান জানান।<br>/<strong>/ডিবিটেক/এমএম/এমএসআই/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের বিকল্প বীজতলা ও টিকা</title>
<link>https://digibanglatech.news/184200</link>
<guid>https://digibanglatech.news/184200</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;5,0,0&quot;&gt;বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত চট্টগ্রামের পাঁচ জেলার কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে ধানবীজ ও চারা বিতরণ করা হবে&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;5,1,0&quot;&gt;খুরা রোগ প্রতিরোধে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে সব গবাদিপশুকে টিকার আওতায় আনা হচ্ছে&lt;/li&gt;
&lt;li data-path-to-node=&quot;5,2,0&quot;&gt;কৃষকদের সুবিধার্থে ফসল সংরক্ষণের জন্য সারাদেশে দুই হাজার মিনি কোল্ড স্টোরেজ স্থাপন করা হবে&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a59f33a32cff.jpg" length="125752" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 17 Jul 2026 15:12:29 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>কৃষি, মৎস্য, বন্যা, চারা, টিকা, গবাদিপশু, কোল্ডস্টোরেজ, চট্টগ্রাম, পুনর্বাসন</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত চট্টগ্রামের পাঁচ জেলার কৃষকদের ধান বীজ ও চারা দেওয়া হবে এবং ১৫ দিনের মধ্যে শতভাগ গবাদি পশুকে টিকা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। মন্ত্রী চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজলার দোহাজারীতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক, মৎস্যচাষী ও খামারীদের মাঝে ধান বীজ ও উপকরণ বিতরণ এবং গবাদি পশুকে টিকা প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।</p>
<p>১৭ জুলাই, শুক্রবার এই কার্যক্রমের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আব্দুর রহিম, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক ডা. মো. বয়জার রহমান, চট্টগ্রাম বিভাগীয় মৎস্য অধিদপ্তরের পরিচালক মো. আনোয়ার হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ।</p>
<p>মন্ত্রী বলেন, “চলমান বন্যায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আমন ধানের বীজতলা। পরিস্থিতি মোকাবিলায় ইউনিয়ন ও ব্লক পর্যায়ের কর্মকর্তাদের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তথ্য সংগ্রহ করে বীজের ব্যবস্থা করা হয়েছে। যাদের জমি এখনও পানির নিচে রয়েছে, তাদের জন্য বিকল্প বীজতলা তৈরি করা হয়েছে। বন্যার পর সবচেয়ে বড় ঝুঁকি খুরা রোগ, তাই আজ থেকেই ব্যাপক টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে।”</p>
<p>পাশাপাশি গোখাদ্যের সংকট মোকাবিলায় প্রথম ধাপে ৩৫ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে এবং মৎস্যচাষীদের পুনর্বাসনে মাঠ পর্যায়ে ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ নির্ধারণে জরিপ চলছে। কৃষক যাতে উৎপাদিত পণ্য সংরক্ষণ করতে পারেন, সে জন্য সারা দেশে পর্যায়ক্রমে প্রায় দুই হাজার মিনি কোল্ড স্টোরেজ স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান।<br>/<strong>/ডিবিটেক/ জেডএইচএস/এসএমই/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>জলবায়ু&#45;সহনশীল কৃষিতে আঞ্চলিক সহযোগিতার ওপর জোর</title>
<link>https://digibanglatech.news/183955</link>
<guid>https://digibanglatech.news/183955</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p&gt;দক্ষিণ এশিয়ায় জলবায়ু-সহনশীল কৃষি ও খাদ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে কৃষি-প্রতিবেশগত চর্চার সম্প্রসারণ বিষয়ে তিন দিনব্যাপী আঞ্চলিক পরামর্শ সভা শুরু করেছে সার্ক কৃষি কেন্দ্র। সভায় নীতিনির্ধারক, গবেষক ও কৃষি বিশেষজ্ঞরা টেকসই কৃষি, খাদ্য নিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা এবং আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a56655e13f86.jpg" length="112391" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 14 Jul 2026 16:36:04 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>সার্ক কৃষি কেন্দ্র, জলবায়ু-সহনশীল কৃষি, কৃষি-প্রতিবেশগত চর্চা, খাদ্য নিরাপত্তা, দক্ষিণ এশিয়া, টেকসই কৃষি, জলবায়ু পরিবর্তন</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>দক্ষিণ এশিয়ায় জলবায়ু-সহনশীল কৃষি ও টেকসই খাদ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে কৃষি-প্রতিবেশগত চর্চার সম্প্রসারণে আঞ্চলিক সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন নীতিনির্ধারক, গবেষক ও কৃষি বিশেষজ্ঞরা। এ লক্ষ্যে সার্ক কৃষি কেন্দ্র তিন দিনব্যাপী আঞ্চলিক পরামর্শ সভার আয়োজন করেছে।</p>
<p>১৪ জুলাই, মঙ্গলবার, ‘দক্ষিণ এশিয়ায় জলবায়ু-সহনশীল কৃষি ও খাদ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে কৃষি-প্রতিবেশগত চর্চার সম্প্রসারণ’ শীর্ষক এ সভায় দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের নীতিনির্ধারক, উন্নয়নকর্মী, গবেষক এবং কৃষি বিশেষজ্ঞরা অংশ নেন। তারা কৃষি-প্রতিবেশগত পদ্ধতির মাধ্যমে খাদ্যব্যবস্থার রূপান্তরে বিদ্যমান সুযোগ, চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যৎ করণীয় নিয়ে মতবিনিময় করেন।</p>
<p>উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সার্ক কৃষি কেন্দ্রের পরিচালক ড. মো. হারুনূর রশীদ বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন, ভূমির অবক্ষয় এবং জীববৈচিত্র্যের ক্ষয়ের প্রেক্ষাপটে জলবায়ু-সহনশীল কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তোলা এখন সময়ের দাবি। তিনি বলেন, কৃষি-প্রতিবেশগত চর্চা কৃষি উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ এবং কৃষির সহনশীলতা বৃদ্ধির একটি টেকসই পথ।</p>
<p>সভার সমন্বয়কারী এবং সার্ক কৃষি কেন্দ্রের সিনিয়র প্রোগ্রাম স্পেশালিস্ট (প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা) ড. রাজা উল্লাহ খান সভার উদ্দেশ্য ও কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরে বলেন, কৃষি-প্রতিবেশগত চর্চার সম্প্রসারণ টেকসই খাদ্য উৎপাদন, পরিবেশ সংরক্ষণ, জীবিকার উন্নয়ন এবং আঞ্চলিক জ্ঞান বিনিময় জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।</p>
<p>মূল প্রবন্ধে ওয়েল্টহাঙ্গারহিলফে ভারতের কৃষি-প্রতিবেশগত পদ্ধতি ও খাদ্যব্যবস্থা বিষয়ক প্রধান বিশেষজ্ঞ অংশুমান দাস বলেন, কৃষি-প্রতিবেশগত পদ্ধতি কেবল কিছু কৃষি প্রযুক্তির সমন্বয় নয়; এটি এমন একটি সমন্বিত দৃষ্টিভঙ্গি, যা জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ করে, বাহ্যিক উপকরণের ওপর নির্ভরতা কমায় এবং জলবায়ুজনিত অভিঘাত মোকাবিলায় সক্ষম খাদ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে সহায়তা করে।</p>
<p>বিশেষ অতিথি হিসেবে সার্ক সচিবালয়ের পরিচালক তানভীর আহমদ তরফদার আঞ্চলিক সহযোগিতা, নীতিগত সহায়তা এবং প্রাতিষ্ঠানিক অংশীদারিত্ব জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, খাদ্য নিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন এবং প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনার মতো অভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সার্কভুক্ত দেশগুলোর সমন্বিত উদ্যোগ অপরিহার্য।</p>
<p>প্রধান অতিথি নেপালের কৃষি ও প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব এবং সার্ক কৃষি কেন্দ্রের গভর্নিং বডির চেয়ারপারসন সাবনাম শিবাকোটি জাতীয় কৃষিনীতি ও উন্নয়ন কর্মসূচিতে কৃষি-প্রতিবেশগত পদ্ধতির অন্তর্ভুক্তির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি জলবায়ু-সহনশীল কৃষি ব্যবস্থা, দীর্ঘমেয়াদি খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে উদ্ভাবন, কৃষককেন্দ্রিক উদ্যোগ এবং আঞ্চলিক জ্ঞান বিনিময় বাড়ানোর আহ্বান জানান।</p>
<p>সভায় অংশগ্রহণকারী বিশেষজ্ঞরা দক্ষিণ এশিয়ায় টেকসই কৃষি, জলবায়ু সহনশীলতা এবং খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সমন্বিত আঞ্চলিক উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।<br>/<strong>/ডিবিটেক/এবিএম/ইডি/</strong>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>গবেষণা ও একাডেমিক অংশীদারিত্বে বাকৃবি&#45;কোরিয়ার নতুন উদ্যোগ</title>
<link>https://digibanglatech.news/183695</link>
<guid>https://digibanglatech.news/183695</guid>
<description><![CDATA[ &lt;ul&gt;
&lt;li data-section-id=&quot;apfyac&quot; data-start=&quot;110&quot; data-end=&quot;146&quot;&gt;কোরিয়ার প্রতিনিধিদলের বাকৃবি সফর&lt;span aria-hidden=&quot;true&quot; class=&quot;PDq2pG_selectionAnchor&quot;&gt;&lt;/span&gt;&lt;/li&gt;
&lt;li data-section-id=&quot;1ufpaqm&quot; data-start=&quot;147&quot; data-end=&quot;180&quot;&gt;যৌথ গবেষণা ও একাডেমিক সহযোগিতা&lt;/li&gt;
&lt;li data-section-id=&quot;ta38pg&quot; data-start=&quot;181&quot; data-end=&quot;226&quot;&gt;আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব সম্প্রসারণে আলোচনা&lt;/li&gt;
&lt;/ul&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a534bcceb2e3.jpg" length="101257" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 12 Jul 2026 13:33:04 +0600</pubDate>
<dc:creator>ক্যাম্পাস করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>গবেষণা সহযোগিতা, আন্তর্জাতিক একাডেমিক সহযোগিতা, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ইয়ুংনাম বিশ্ববিদ্যালয়, যৌথ গবেষণা, শিক্ষক বিনিময়, শিক্ষার্থী বিনিময়, উচ্চশিক্ষা, সেমাউল স্টাডিজ</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-start="612" data-end="892">আন্তর্জাতিক গবেষণা, জ্ঞান বিনিময় এবং উচ্চশিক্ষায় বৈশ্বিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) সফর করেছে দক্ষিণ কোরিয়ার ইয়ুংনাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পার্ক চুং হি স্কুল অব পলিসি অ্যান্ড সেমাউলের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল।<span aria-hidden="true"></span></p>
<p data-start="894" data-end="1028">১২ জুলাই, রবিবার বাকৃবির কৃষি সম্প্রসারণ শিক্ষা বিভাগে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভার আয়োজন করেন বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আসাদুজ্জামান সরকার।</p>
<p data-start="1030" data-end="1264">প্রতিনিধিদলে ছিলেন পার্ক চুং হি স্কুল অব পলিসি অ্যান্ড সেমাউলের ডিন এবং আন্তর্জাতিক উন্নয়ন ও সেমাউল স্টাডিজের অধ্যাপক ড. জিয়ং জু লি, ভাইস ডিন ও স্পেশাল ফিজিক্যাল এডুকেশনের অধ্যাপক ড. সিওক মিন ইউন এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থাপক জুং চুন লি।</p>
<p data-start="1266" data-end="1554">সভায় প্রতিনিধিদল বাকৃবির শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় করে। এ সময় দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে যৌথ গবেষণা, একাডেমিক সহযোগিতা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী বিনিময় কর্মসূচি, গবেষণা সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক শিক্ষা নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।</p>
<p data-start="1556" data-end="1875">পরে প্রতিনিধিদল বাকৃবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভুঁইয়ার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে। সাক্ষাতে উপাচার্য গবেষণা, উদ্ভাবন এবং আন্তর্জাতিক একাডেমিক সহযোগিতা আরও জোরদারের আগ্রহ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, বৈশ্বিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে অংশীদারিত্ব কৃষি শিক্ষা, গবেষণা এবং মানবসম্পদ উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।</p>
<p data-start="1877" data-end="2245">সংশ্লিষ্টরা জানান, এ সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ও ইয়ুংনাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি গবেষণা ও শিক্ষা-ভিত্তিক অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার ভিত্তি আরও শক্তিশালী হয়েছে। ভবিষ্যতে যৌথ গবেষণা প্রকল্প, একাডেমিক প্রকাশনা, দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি এবং আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী বিনিময় কার্যক্রম চালুর ক্ষেত্রেও এ আলোচনা ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।</p>
<p data-start="2247" data-end="2446">উচ্চশিক্ষায় আন্তর্জাতিকীকরণ, গবেষণার মানোন্নয়ন এবং বৈশ্বিক জ্ঞান আদান-প্রদানের অংশ হিসেবে এ ধরনের সহযোগিতা বাংলাদেশের কৃষি শিক্ষা ও গবেষণাকে আরও প্রতিযোগিতামূলক করে তুলবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।</p>
<p data-start="2448" data-end="2480"><strong data-start="2448" data-end="2480">//ডিবিটেক/ এআর/এসএ//</strong></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>২ কোটি ৭৫ লাখ কৃষককে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে আনছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী</title>
<link>https://digibanglatech.news/183380</link>
<guid>https://digibanglatech.news/183380</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p data-start=&quot;333&quot; data-end=&quot;625&quot; class=&quot;PDq2pG_selectionAnchorContainer&quot;&gt;প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, দেশের কৃষিকে প্রযুক্তিনির্ভর, লাভজনক ও টেকসই খাতে রূপান্তরের লক্ষ্যে প্রায় ২ কোটি ৭৫ লাখ কৃষককে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে আনা হচ্ছে। এআই, আইওটি, ড্রোন, জিপিএস, স্যাটেলাইট তথ্য ও স্মার্ট কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার সম্প্রসারণে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে সরকার।&lt;span aria-hidden=&quot;true&quot; class=&quot;PDq2pG_selectionAnchor&quot;&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a4f555167421.jpg" length="419361" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 08 Jul 2026 20:01:38 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>ডিজিটাল কৃষি, কৃষক ডাটাবেজ, স্মার্ট কৃষি, এআই, আইওটি, ড্রোন, প্রিসিশন অ্যাগ্রিকালচার, খামারি অ্যাপ, কৃষি প্রযুক্তি, প্রধানমন্ত্রী</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-start="940" data-end="1287" class="PDq2pG_selectionAnchorContainer">দেশের কৃষিকে প্রযুক্তিনির্ভর, লাভজনক ও টেকসই খাতে রূপান্তরের লক্ষ্যে প্রায় ২ কোটি ৭৫ লাখ কৃষককে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের আওতায় আনার কর্মসূচি গ্রহণ করেছে সরকার। একই সঙ্গে গবেষণা, আধুনিক প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ইন্টারনেট অব থিংস (আইওটি), ড্রোন, রিমোট সেন্সিং এবং কৃষি যান্ত্রিকীকরণের ব্যবহার সম্প্রসারণে একাধিক উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।<span aria-hidden="true" class="PDq2pG_selectionAnchor"></span></p>
<p data-start="1289" data-end="1476">৮ জুলাই, বুধবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের ২১তম দিনের প্রশ্নোত্তর পর্বে কিশোরগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবুল কালামের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব তথ্য জানান।</p>
<p data-start="1478" data-end="1724">প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার কৃষিকে সনাতনী ও শ্রমনির্ভর ব্যবস্থা থেকে বের করে গবেষণা, উদ্ভাবন, আধুনিক প্রযুক্তি ও যান্ত্রিকীকরণের মাধ্যমে প্রযুক্তিনির্ভর, প্রতিযোগিতামূলক এবং টেকসই খাতে রূপান্তরের লক্ষ্যে বাস্তবধর্মী কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।</p>
<p data-start="1726" data-end="1969">তিনি জানান, কৃষি ব্যবস্থাপনায় ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে কৃষক নিবন্ধন, জাতীয় কৃষক ডাটাবেজ, ডিজিটাল কৃষিসেবা, মোবাইলভিত্তিক আবহাওয়ার পূর্বাভাস, বাজারদর, কৃষি পরামর্শ, ই-এক্সটেনশন সেবা এবং অনলাইন কৃষি প্ল্যাটফর্ম চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।</p>
<p data-start="1971" data-end="2175">প্রধানমন্ত্রী বলেন, কৃষকদের জন্য কৃষক কার্ড বিতরণ কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। এর মাধ্যমে সরকারি সেবা সরাসরি কৃষকের কাছে পৌঁছে দেওয়া এবং সারাদেশের প্রায় ২ কোটি ৭৫ লাখ কৃষককে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের আওতায় আনা হবে।</p>
<p data-start="2177" data-end="2484">তিনি আরও বলেন, উৎপাদন ব্যয় কমানো, শ্রম সংকট মোকাবিলা এবং কৃষিকে আরও লাভজনক করতে কৃষি যান্ত্রিকীকরণ কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে রিমোট সেন্সিং, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ইন্টারনেট অব থিংস (আইওটি), ড্রোন, জিপিএস, স্যাটেলাইট তথ্য এবং বিগ ডাটাভিত্তিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।</p>
<p data-start="2486" data-end="2675">এসব প্রযুক্তির মাধ্যমে ফসলের স্বাস্থ্য ও বৃদ্ধি পর্যবেক্ষণ, রোগবালাই দ্রুত শনাক্তকরণ, সুনির্দিষ্ট সার ও সেচ ব্যবস্থাপনা এবং উৎপাদন পরিকল্পনা আরও বিজ্ঞানভিত্তিক ও কার্যকর হবে বলে জানান তিনি।</p>
<p data-start="2677" data-end="2934">প্রধানমন্ত্রী বলেন, তথ্যনির্ভর প্রিসিশন অ্যাগ্রিকালচার চালুর মাধ্যমে উৎপাদন ব্যয় কমিয়ে কৃষকের আয় বাড়ানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি নিরাপদ, সুষম ও পুষ্টিকর খাদ্য উৎপাদন নিশ্চিত করতে কৃষি খাতকে নতুনভাবে বিন্যাস ও আধুনিকায়নের উদ্যোগও বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।</p>
<p data-start="2936" data-end="3130">তিনি জানান, কৃষকদের জন্য ইতোমধ্যে ‘খামারি অ্যাপ’ চালু করা হয়েছে। এই অ্যাপের মাধ্যমে কোন এলাকায় কোন ফসল চাষ উপযোগী, প্রয়োজনীয় সারের পরিমাণ, আবহাওয়ার পূর্বাভাসসহ বিভিন্ন কৃষি পরামর্শ পাওয়া যাচ্ছে।</p>
<p data-start="3132" data-end="3391">প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, রাসায়নিক সারের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে জৈব সার, বায়োফার্টিলাইজার এবং পরিবেশবান্ধব কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো হচ্ছে। একই সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় কৃষিকে জলবায়ু-স্মার্ট ও অভিযোজনক্ষম খাতে রূপান্তরের কার্যক্রমও চলমান রয়েছে।</p>
<p data-start="3393" data-end="3588">তিনি আশা প্রকাশ করেন, এসব উদ্যোগ বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের কৃষি আরও উৎপাদনশীল, প্রযুক্তিনির্ভর, লাভজনক ও টেকসই হয়ে উঠবে এবং জাতীয় অর্থনীতি ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।</p>
<p data-start="3590" data-end="3624"><strong data-start="3590" data-end="3624">//ডিবিটেক/এসএ/এমআই//</strong></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>দেশি জাতের গবাদিপশুর উন্নয়ন ও খামার ব্যবস্থাপনায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে</title>
<link>https://digibanglatech.news/183234</link>
<guid>https://digibanglatech.news/183234</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size: 10pt;&quot;&gt;দেশি জাতের গবাদিপশুর উন্নয়ন এবং খামারের ব্যবস্থাপনা আরও শক্তিশালী করতে সরকার কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। সাভারে অবস্থিত কেন্দ্রীয় গো প্রজনন ও দুগ্ধ খামার পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা বলেন।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a4d53646d73a.jpg" length="115792" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 07 Jul 2026 19:30:50 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, কেন্দ্রীয় গো প্রজনন ও দুগ্ধ খামার, সাভার, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, গবাদিপশু জাত উন্নয়ন</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="10">দেশি জাতের গবাদিপশুর উন্নয়ন এবং খামারের ব্যবস্থাপনা আরও শক্তিশালী করতে সরকার কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। ৭ জুলাই, মঙ্গলবার সাভারে অবস্থিত কেন্দ্রীয় গো প্রজনন ও দুগ্ধ খামার পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।</p>
<p data-path-to-node="11">পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী খামারের বাছুর (ক্যাফ) সেকশন, ডেইরি ফার্ম, পাবনা ক্যাটল ইউনিট, মীরকাদিম ইউনিট, হলস্টেইন-ফ্রিজিয়ান ইউনিট, কৃত্রিম প্রজনন (এআই) ল্যাবরেটরি, ব্রিডিং বুল ইউনিট এবং শতভাগ আমেরিকান ফ্রিজিয়ান বুল ঘুরে দেখেন। এ সময় তিনি দেশি জাতের গবাদিপশুর উন্নয়ন, পশুখাদ্য উৎপাদন, খামার ব্যবস্থাপনা এবং সার্বিক অবকাঠামোগত কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।</p>
<p data-path-to-node="12">প্রতিমন্ত্রী বলেন, "কেন্দ্রীয় গো প্রজনন ও দুগ্ধ খামারে উৎপাদিত নিজস্ব ঘাসই এখানকার গবাদিপশুর খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে, যা একটি ইতিবাচক অগ্রগতি। উন্নত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে খামারের উৎপাদনশীলতা ও কার্যকারিতা আরও বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে, যাতে প্রত্যাশিত ফলাফল অর্জন করা যায়।"</p>
<p data-path-to-node="13">মাঠ পর্যায়ের তদারকির ওপর জোর দিয়ে তিনি আরও বলেন, "কাগজ-কলমের তথ্যের সঙ্গে বাস্তব চিত্র সবসময় পুরোপুরি প্রতিফলিত হয় না। তাই মাঠ পর্যায়ে সরেজমিন পরিদর্শনের মাধ্যমে প্রকৃত অবস্থা সম্পর্কে সঠিক ধারণা পাওয়া যায়। এতে বিদ্যমান সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সেগুলোর কার্যকর সমাধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা সম্ভব হয়।"</p>
<p data-path-to-node="14">খামারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, "অতীতে কী হয়েছে, সেটি নিয়ে আমরা পড়ে থাকতে চাই না। আমাদের মূল লক্ষ্য টেকসই উন্নয়ন। সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে মাঠ পর্যায়ে নিয়মিত পরিদর্শনের মাধ্যমে বাস্তবতার নিরিখে প্রয়োজনীয় ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।"</p>
<p data-path-to-node="15">পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খান, কেন্দ্রীয় গো প্রজনন ও দুগ্ধ খামারের পরিচালক মো. শহিদুল ইসলাম এবং খামারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।</p>
<p data-path-to-node="16">/<span style="text-decoration: underline;"><strong>/ডিবিটেক/ডিএমআই /ইকে/</strong></span>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>গাবতলীর ভিএইচটি সেন্টারে চালু হচ্ছে কোয়ারেন্টাইন অফিস</title>
<link>https://digibanglatech.news/183104</link>
<guid>https://digibanglatech.news/183104</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p class=&quot;isSelectedEnd&quot;&gt;&lt;span&gt;কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ জানিয়েছেন, রাজধানীর গাবতলীর ভ্যাপার হিট ট্রিটমেন্ট (ভিএইচটি) সেন্টারে আগামীকাল থেকে কোয়ারেন্টাইন অফিস চালু হবে। এর ফলে একই স্থানে কৃষিপণ্যের শোধন, প্যাকিং ও কোয়ারেন্টাইন সম্পন্ন করে সরাসরি রপ্তানি করা যাবে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a4bb532ac6db.jpg" length="96298" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 06 Jul 2026 18:01:52 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>ভিএইচটি সেন্টার, কৃষিপণ্য রপ্তানি, কোয়ারেন্টাইন, গাবতলী, কৃষিমন্ত্রী, আম রপ্তানি, বিএডিসি</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="isSelectedEnd"><span>কৃষিপণ্য রপ্তানির প্রক্রিয়া সহজ করতে রাজধানীর গাবতলীর ভ্যাপার হিট ট্রিটমেন্ট (ভিএইচটি) সেন্টারে আগামীকাল থেকে কোয়ারেন্টাইন অফিস চালু হচ্ছে। এর মাধ্যমে একই স্থানে কৃষিপণ্যের শোধন, প্যাকিং ও কোয়ারেন্টাইন সম্পন্ন করে সরাসরি বিমানবন্দরে পাঠানো যাবে বলে জানিয়েছেন কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।</span></p>
<p class="isSelectedEnd">৬ জুলাই, সোমবার<span> রাজধানীর গাবতলীতে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন স্থাপিত ভিএইচটি সেন্টারের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>মন্ত্রী বলেন, কৃষিপণ্য রপ্তানিতে ওয়ান-স্টপ সেবা চালু করা হচ্ছে। আগামীকাল থেকে ভিএইচটি সেন্টারে কৃষিপণ্য আনা, ধোয়া, প্যাকিং এবং কোয়ারেন্টাইন সম্পন্ন করে সরাসরি রপ্তানির জন্য পাঠানো যাবে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>তিনি জানান, রপ্তানিকৃত ফল বিমানবন্দরে সংরক্ষণের জন্য শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত স্বল্পমেয়াদি সংরক্ষণাগার স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এতে আমসহ দ্রুত নষ্ট হওয়া কৃষিপণ্যের গুণগত মান সংরক্ষণ করা সহজ হবে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>কৃষিমন্ত্রী বলেন, চীন ইতোমধ্যে বাংলাদেশের কাঁঠাল আমদানিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে এবং পরীক্ষামূলকভাবে কিছু কাঁঠাল আমদানি করেছে। এছাড়া জাপান, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশ বাংলাদেশ থেকে আম আমদানিতে আগ্রহ দেখিয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশের জন্য বিশ্বমানের প্যাকিং ও কোয়ারেন্টাইন ব্যবস্থা নিশ্চিত করা জরুরি।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>তিনি জানান, দেশে বর্তমানে বছরে প্রায় ২৬ লাখ টন আম উৎপাদিত হলেও অভ্যন্তরীণ বাজারে চাহিদার সীমাবদ্ধতায় অনেক কৃষক ন্যায্যমূল্য পান না। তাই কৃষিপণ্য রপ্তানি বাড়ানোর ওপর সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে।</span></p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x_6a4bb53194703.jpg" alt=""></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>রপ্তানি ব্যয় কমানোর বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ বিমানের সঙ্গে ইতোমধ্যে আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি অন্যান্য আন্তর্জাতিক উড়োজাহাজ সংস্থার সঙ্গে কার্গো সুবিধা সম্প্রসারণ এবং আগাম কার্গো স্থান সংরক্ষণের বিষয়েও আলোচনা করা হবে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>তিনি আরও বলেন, শুধু আম নয়, লিচু, কাঁঠাল, বরই, টমেটো, পেঁপে ও মিষ্টি আলুসহ বিভিন্ন কৃষিপণ্যও ভিএইচটি সেন্টারের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে রপ্তানি করা সম্ভব হবে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>কৃষিপণ্য সংরক্ষণের জন্য সারা দেশে কয়েক হাজার ক্ষুদ্র শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত সংরক্ষণাগার স্থাপনের পরিকল্পনার কথাও জানান মন্ত্রী। তাঁর মতে, এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে কৃষকের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি সারা বছর স্থিতিশীল দামে কৃষিপণ্য সরবরাহ করা সম্ভব হবে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>রপ্তানিকারকদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে আস্থা অর্জনের জন্য বিদেশি ক্রেতাদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি শতভাগ বাস্তবায়ন করতে হবে। একই সঙ্গে সরকার কৃষিপণ্য রপ্তানিতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>তিনি গণমাধ্যমকে কৃষিপণ্য রপ্তানির সম্ভাবনা তুলে ধরে ইতিবাচক প্রচারের মাধ্যমে কৃষকদের উৎসাহিত করার আহ্বান জানান।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কৃষি সচিব ড. রফিকুল ই মোহামেদ।</span></p>
<p><span>/<span style="text-decoration: underline;"><strong>/ডিবিটেক/এমজেএইচ/ইকে/</strong></span>/</span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনায় মালেতে দুই দিনব্যাপী সার্ক আঞ্চলিক বৈঠক</title>
<link>https://digibanglatech.news/182681</link>
<guid>https://digibanglatech.news/182681</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a4672d24bc46.jpg" length="106429" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 02 Jul 2026 15:17:41 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>সার্ক আঞ্চলিক বৈঠক, সামুদ্রিক মৎস্য ব্যবস্থাপনা, মালে মৎস্য সম্মেলন, সার্ক এগ্রিকালচার সেন্টার, সুশীলন, ড. মো. আব্দুল ওহাব, মোহাম্মদ মুথথালিব, মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="7"><b data-path-to-node="7" data-index-in-node="0"></b> দক্ষিণ এশিয়ার বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পাখনাযুক্ত (মেরিন ফিন ফিশ) মাছের টেকসই ব্যবস্থাপনা এবং এই খাতে আঞ্চলিক সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে মালদ্বীপের রাজধানী মালেতে আয়োজিত দুই দিনব্যাপী সার্ক আঞ্চলিক পরামর্শ সভা ২ জুলাই, বৃহস্পতিবার শেষ হয়েছে। ১ জুলাই, বুধবার শুরু হওয়া এই সভায় সার্কভুক্ত দেশগুলোর নীতিনির্ধারক, জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা, গবেষক এবং উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। সভাটি যৌথভাবে আয়োজন করেছে সার্ক এগ্রিকালচার সেন্টার, মালদ্বীপের মৎস্য, কৃষি ও মহাসাগরীয় সম্পদ মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলভিত্তিক উন্নয়ন সংস্থা ‘সুশীলন’।</p>
<p data-path-to-node="8">উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মালদ্বীপের মৎস্য, কৃষি ও মহাসাগরীয় সম্পদ মন্ত্রণালয়ের স্টেট মিনিস্টার মোহাম্মদ মুথথালিব। তিনি খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় মৎস্য খাতের ওপর গুরুত্বারোপ করে টেকসই সম্পদ ব্যবস্থাপনা ও আঞ্চলিক সহযোগিতার আহ্বান জানান।</p>
<p data-path-to-node="9">অনুষ্ঠানে ‘দক্ষিণ এশিয়ায় সামুদ্রিক পাখনাযুক্ত মাছ: বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিস্থিতি ও সহযোগিতার সম্ভাবনা’ শীর্ষক মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন মৎস্যবিজ্ঞানী ও বাংলাদেশ মেরিটাইম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল ওহাব। তিনি অতিরিক্ত আহরণ, অবৈধ ও অনিয়ন্ত্রিত মৎস্য আহরণ, জলবায়ু পরিবর্তন এবং সামুদ্রিক আবাসস্থলের অবক্ষয়কে দক্ষিণ এশিয়ার মৎস্যসম্পদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করে সমন্বিত আঞ্চলিক উদ্যোগের তাগিদ দেন।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x_6a4672d09ba27.jpg" alt=""></p>
<p data-path-to-node="10">নেপালে অবস্থিত সার্ক সচিবালয়ের পরিচালক (এআরডি ও এসডিএফ) তানভীর আহমেদ তরফদার যৌথ গবেষণা, সামুদ্রিক খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ ও মূল্য সংযোজন এবং মৎস্য খাতে নারীদের অংশগ্রহণ বাড়াতে সার্ক দেশগুলোর সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর জোর দেন। সার্ক এগ্রিকালচার সেন্টারের পরিচালক ড. মোঃ হারুনূর রশীদ তাঁর উদ্বোধনী বক্তব্যে বলেন, বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক মাছের টেকসই ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে সার্ক কৃষি কেন্দ্রের অধীনে একটি বিশেষায়িত সামুদ্রিক ব্যবস্থাপনা প্লাটফর্ম গঠন করা এখন সময়ের দাবি।</p>
<p data-path-to-node="11">‘সুশীলন’-এর প্রধান নির্বাহী মোস্তফা নুরুজ্জামান বলেন, সামুদ্রিক মাছ দক্ষিণ এশিয়ার খাদ্য নিরাপত্তা, উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর জীবিকা এবং আঞ্চলিক অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে, তাই এ সম্পদের সংরক্ষণ ও টেকসই ব্যবহারে সমন্বিত উদ্যোগ অপরিহার্য। সভার সমন্বয়কারী এবং ঢাকায় অবস্থিত সার্ক এগ্রিকালচার সেন্টারের সিনিয়র প্রোগ্রাম স্পেশালিস্ট (মৎস্য) ড. মো. শরীফুল ইসলাম জানান, সার্ক সদস্যরাষ্ট্রগুলোর মধ্যে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়, নীতিনির্ধারণী সংলাপ এবং যৌথ গবেষণা ও উন্নয়নের অগ্রাধিকার ক্ষেত্র চিহ্নিত করার মাধ্যমে আঞ্চলিক সহযোগিতা আরও জোরদার করাই এই পরামর্শ সভার মূল লক্ষ্য।</p>
<p data-path-to-node="13">/<span style="text-decoration: underline;"><strong>/ডিবিটেক/এবিএম/ ইকে/</strong></span>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বাকৃবিতে ১৫ বছরের গবেষণায় নতুন ‘রঙিন মুরগি’র জাত উদ্ভাবন</title>
<link>https://digibanglatech.news/182490</link>
<guid>https://digibanglatech.news/182490</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p data-path-to-node=&quot;5&quot;&gt;বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) পোলট্রি বিজ্ঞান বিভাগের গবেষকরা দীর্ঘ ১৫ বছরের গবেষণায় সফলভাবে ‘রঙিন মুরগি’ নামের একটি নতুন মাংস উৎপাদনকারী মুরগির জাত উদ্ভাবন করেছেন। প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্প (এলডিডিপি)-এর অর্থায়নে উদ্ভাবিত এই জাতটির মাংস সম্পূর্ণ অ্যান্টিবায়োটিকমুক্ত এবং এটি খামারিদের অধিক মুনাফা নিশ্চিত করবে।&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x580_6a442e4c908d3.jpg" length="99769" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 01 Jul 2026 00:00:00 +0600</pubDate>
<dc:creator>ক্যাম্পাস করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, রঙিন মুরগি উদ্ভাবন, বজলুর রহমান মোল্যা, এলডিডিপি প্রকল্প, অ্যান্টিবায়োটিকমুক্ত মুরগি, ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া, পোলট্রি বিজ্ঞান গবেষণা</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="7">বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) পোলট্রি বিজ্ঞান বিভাগের গবেষকরা দীর্ঘ ১৫ বছরের নিরলস গবেষণায় সফলভাবে একটি নতুন রঙিন মাংস উৎপাদনকারী মুরগির জাত উদ্ভাবন করেছেন। উজ্জ্বল রঙের পালক ও অনন্য বৈশিষ্ট্যের কারণে এই নতুন জাতের নামকরণ করা হয়েছে ‘রঙিন মুরগি’।</p>
<p data-path-to-node="8">গত ৩০ জুন, মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের পোলট্রি বিজ্ঞান বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. মো: শওকত আলীর সভাপতিত্বে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই গবেষণার চূড়ান্ত ফলাফল তুলে ধরা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. ফজলুল হক ভূঁইয়া।</p>
<p data-path-to-node="9">এই নতুন জাত উন্নয়নে মূল নেতৃত্ব দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের পোলট্রি বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. বজলুর রহমান মোল্যা। তিনি জানান, প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্প (এলডিডিপি) এর অর্থায়নে এবং ভোক্তার চাহিদা ও খামারিদের অর্থনৈতিক লাভের কথা মাথায় রেখে দীর্ঘ প্রায় দেড় দশক ধরে বিভিন্ন প্যারেন্ট লাইন সংরক্ষণ, নির্বাচন ও সংকরায়ণের মাধ্যমে এই নতুন লাইন উন্নয়ন করা হয়েছে।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202607/image_870x_6a442e4da7f8f.jpg" alt=""></p>
<p data-path-to-node="10">গবেষণায় ‘সেক্স-লিংক হোয়াইট লাইন’কে সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে এবং বর্তমানে এর সমজাতীয়তা বা হোমোজাইগোসিটি ৮৯ থেকে ৯৩.১১ শতাংশে উন্নীত হয়েছে, যা একটি স্থায়ী জাত হিসেবে বাণিজ্যিক উৎপাদনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়া মুরগির পালকের রঙ নির্ধারণকারী এসওএক্স-১০ (SOX-10) জিনের ডিলিশন শনাক্তে একটি সহজ পিসিআর পদ্ধতি উদ্ভাবন করা হয়েছে, যা ভবিষ্যৎ প্রজনন কর্মসূচিতে বড় ভূমিকা রাখবে।</p>
<p data-path-to-node="11">অধ্যাপক ড. মো. বজলুর রহমান মোল্যা আরও জানান, জাতটির কিছু প্যারেন্ট লাইন ৬২ সপ্তাহে প্রায় ২০৫টি পর্যন্ত ডিম উৎপাদনে সক্ষম। প্রচলিত সোনালি মুরগির একদিন বয়সী বাচ্চার ওজন যেখানে সাধারণত ২৬ থেকে ২৮ গ্রাম হয়, সেখানে এই নতুন জাতের বাচ্চার ওজন পাওয়া গেছে প্রায় ৩৮ গ্রাম। একদিন বয়সী বাচ্চার ওজনে প্রতি এক গ্রাম বৃদ্ধির ইতিবাচক প্রভাব বাজারজাতকরণের সময় প্রায় ৫০ গ্রাম অতিরিক্ত চূড়ান্ত ওজনে প্রতিফলিত হয়, যা খামারিদের বাড়া মুনাফা নিশ্চিত করবে। ঢাকার একটি উন্নত গবেষণাগারে এই মুরগির মাংস পরীক্ষা করে কোনো অ্যান্টিবায়োটিকের অবশিষ্টাংশ পাওয়া যায়নি। উন্নত স্বাদ, পুষ্টিগুণ ও শতভাগ নিরাপদ মাংসের নিশ্চয়তা দিয়ে এটিকে বাজারে একটি স্বতন্ত্র ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠা করাই মূল লক্ষ্য।</p>
<p data-path-to-node="12">এই গবেষণা প্রকল্পের অন্যতম অনন্য বৈশিষ্ট্য ছিল প্রথাগত প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের সীমাবদ্ধতা দূর করে সরাসরি গ্রামে গিয়ে ১৫ থেকে ২৫ জনের ক্লাস্টারভিত্তিক নারী খামারিদের হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ প্রদান। মাঠপর্যায়ের ফলাফলে দেখা গেছে, কারিগরি সহায়তা ও সঠিক সময়ে টিকা দেওয়ায় খামারে মুরগির বৃদ্ধি বেড়েছে এবং মৃত্যুহার হ্রাস পেয়েছে। বাজারে ভালো চাহিদা থাকায় খামারিরা প্রতি কেজি ৭০০ টাকা পর্যন্ত উচ্চ মূল্যে এই মুরগি বিক্রি করে লাভবান হচ্ছেন।</p>
<p data-path-to-node="13">বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. ফজলুল হক ভূঁইয়া প্রযুক্তিটি খামারিদের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার ওপর জোর দেন। একই সাথে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিসম্পদ অনুষদের বন্ধ থাকা বিক্রয় কেন্দ্রটি দ্রুত চালুর নির্দেশ দিয়ে বলেন, ভবিষ্যতে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব গবেষণায় উৎপাদিত দুগ্ধ, মাংস ও পোলট্রিজাত সব পণ্য সরাসরি এই বিক্রয় কেন্দ্রের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে সুলভ মূল্যে পৌঁছে দেওয়া হবে। অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত শিক্ষক, গবেষক ও উদ্যোক্তাদের মাঝে নতুন উদ্ভাবিত এই মুরগির মাংস দিয়ে প্রস্তুত খাবার পরিবেশন করা হয়।</p>
<p data-path-to-node="15">//<strong>ডিবিটেক</strong>/ <strong>এএইচ/ আইএইচ</strong>//</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>১ জুলাই থেকে গবাদিপশুর সরকারি কৃত্রিম প্রজনন সেবা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ!</title>
<link>https://digibanglatech.news/182397</link>
<guid>https://digibanglatech.news/182397</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p data-path-to-node=&quot;8&quot;&gt;নিয়োগ ও সুনির্দিষ্ট মজুরি নির্ধারণের দাবিতে আগামীকাল বুধবার (১ জুলাই) থেকে সারাদেশে গবাদিপশুর জাত উন্নয়নসংক্রান্ত সরকারি কৃত্রিম প্রজনন সেবা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধের ঘোষণা দিয়েছেন এআই টেকনিশিয়ানরা (এআইটি)। মঙ্গলবার (৩০ জুন) জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ‘বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ এআই টেকনিশিয়ান কল্যাণ সমিতি’ এই চূড়ান্ত আন্দোলনের ডাক দেয়।&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202606/image_870x580_6a43768485fc7.jpg" length="105064" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 30 Jun 2026 12:54:57 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>AI Technician Strike, Livestock Bangladesh, Artificial Insemination Strike</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="11">নিয়োগ ও নিয়মিত বেতনের দাবিতে আগামীকাল বুধবার (১ জুলাই) থেকে সারাদেশে গবাদিপশুর জাত উন্নয়নসংক্রান্ত সরকারি কৃত্রিম প্রজনন সেবা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছেন এআই টেকনিশিয়ানরা (এআইটি)।</p>
<p data-path-to-node="12">৩০ জুন, মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টায় জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ এআই টেকনিশিয়ান কল্যাণ সমিতি’র ব্যানারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই ঘোষণা দেওয়া হয়।</p>
<p data-path-to-node="13">সংবাদ সম্মেলনে সমিতির কেন্দ্রীয় সভাপতি মো. আজাদ হোসেন বলেন, "সারাদেশে ইউনিয়ন পর্যায়ে গবাদিপশুর জাত উন্নয়নসংক্রান্ত সরকারি খাতে কৃত্রিম প্রজনন সেবায় কর্মরত ৫ হাজার ২৭২ জনের আউটসোর্সিংয়ে নিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়ে অতীতের আন্দোলন থামিয়ে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু প্রতিশ্রুত বিষয়টি আইনি জটিলতায় আটকে গেছে। ফলে চূড়ান্ত আন্দোলন কর্মসূচি হিসেবে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতিতে যাওয়া ব্যতীত ভিন্ন কোনো পথ আমাদের সামনে খোলা নেই। যেকোনো উপায়ে বা পদ্ধতিতে আমাদের একটি মজুরি নির্ধারণ এবং তার বাস্তবায়ন দৃশ্যমান না হওয়া পর্যন্ত আমরা সরকারি কাজে ফিরে আসব না।"</p>
<p data-path-to-node="14">সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, "আমাদের আউটসোর্সিং, রাজস্ব হোক অথবা দৈনিক ভিত্তিতে নিয়োগ চাই। আমরা মূলত আমাদের শ্রমের ন্যায্য মজুরি চাই। মজুরি দিলে আমরা দ্রুত কাজে ফিরে যাব।"</p>
<p data-path-to-node="15">নেতৃবৃন্দ দেশের দুগ্ধ ও মাংস উৎপাদনে তাদের অবদানের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, আজ একটি গাভী ২০ থেকে ৩০ লিটার পর্যন্ত দুধ দিচ্ছে এবং দেশ মাংসে স্বয়ংসম্পূর্ণ। এর সিংহভাগ কৃতিত্বের দাবিদার এআই টেকনিশিয়ানরা, যারা ইউনিয়ন পর্যায়ে বছরের পর বছর বিনা বেতনে এই সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। দীর্ঘ আন্দোলনের মুখে ২০১৬ সালে ৫০০ টাকা এবং ২০১৯ সালে ২০০০ টাকা ভাতা দেওয়া হলেও, ২০২৪ সালের জুনে ৯ মাসের বকেয়া রেখে তাও পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ৩ থেকে ৩০ বছর ধরে বিনা বেতনে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর তথা দেশের সেবা করে আজ এই টেকনিশিয়ানদের জীবন-জীবিকা বিপন্ন।</p>
<p data-path-to-node="16">সমিতির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব সংবাদ সম্মেলনে স্পষ্ট জানান, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত ১ জুলাই থেকে এই সেবা সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে।</p>
<p data-path-to-node="17">সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ এআই টেকনিশিয়ান কল্যাণ সমিতির কার্যকরী সভাপতি মো. মাসুদ করিম, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল কাইয়ুমসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।</p>
<p data-path-to-node="17">/<span style="text-decoration: underline;"><strong>/ডিবিটেক/ডিএমআই/ডিএইচই/</strong></span>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>টিএইচই সাসটেইনেবিলিটি ইমপ্যাক্ট র‌্যাঙ্কিংয়ে দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে শীর্ষে গাকৃবি</title>
<link>https://digibanglatech.news/181671</link>
<guid>https://digibanglatech.news/181671</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p&gt;টাইমস হায়ার এডুকেশন (টিএইচই) প্রকাশিত সাসটেইনেবিলিটি ইমপ্যাক্ট র‌্যাঙ্কিং ২০২৬-এ দেশের সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করেছে গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (গাকৃবি)।&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202606/image_870x580_6a3bf68268281.jpg" length="146906" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 24 Jun 2026 21:23:21 +0600</pubDate>
<dc:creator>ক্যাম্পাস করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় র‌্যাঙ্কিং, টিএইচই ইমপ্যাক্ট র‌্যাঙ্কিং ২০২৬, গাকৃবি এসডিজি স্কোর, উরি র‌্যাঙ্কিং ২০২৬, মোস্তাফিজুর রহমান গাকৃবি</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><br>টাইমস হায়ার এডুকেশন (টিএইচই) প্রকাশিত সাসটেইনেবিলিটি ইমপ্যাক্ট র‌্যাঙ্কিং ২০২৬-এ দেশের সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করেছে গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (গাকৃবি)। একই সঙ্গে বৈশ্বিক পর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয়টির অবস্থান ৪০১-৬০০তম।</p>
<p>২৪ জুন, বুধবার) প্রকাশিত এই র‌্যাঙ্কিংয়ে বিশ্বের ১১৬টি দেশ ও অঞ্চলের ১ হাজার ৬৪৬টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে বাংলাদেশের ৯টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থান পেয়েছে। জাতিসংঘ ঘোষিত ১৭টি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি)-র ভিত্তিতে প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায়, গাকৃবি এসডিজি-১ (দারিদ্র্যমুক্তি) সূচকে ৭৪.৮ স্কোর নিয়ে বিশ্বের ৮২তম এবং এসডিজি-২ (ক্ষুধামুক্তি) সূচকে ৭৮.৩ স্কোর পেয়ে বৈশ্বিকভাবে ৬৬তম স্থান অর্জন করেছে। এছাড়া এসডিজি-৪ (মানসম্মত শিক্ষা) সূচকে বিশ্ববিদ্যালয়টির অবস্থান ১০১-২০০তম গ্রুপে।</p>
<p>গত বছর এই তালিকায় গাকৃবি-র অবস্থান ছিল ৮০১-১০০০তম।<br>​বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সূচকে উল্লেখযোগ্য সাফল্য দেখিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।</p>
<p>বাংলাদেশের একমাত্র সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে ‘ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র‌্যাঙ্কিংস ফর ইনোভেশন (উরি) ২০২৬’-এর ফিন্যান্সিয়াল ইমপ্যাক্ট ড্রাইভেন ট্রান্সফার টেকনোলজি ক্যাটাগরিতে বিশ্বের সেরা ১০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ২৩তম স্থান অর্জন করেছে গাকৃবি।</p>
<p>পাশাপাশি কিউএস ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি সাসটেইনেবিলিটি র‌্যাঙ্কিংস ২০২৬-এ দেশের কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে প্রথম স্থান লাভ করেছে প্রতিষ্ঠানটি।</p>
<p>গাকৃবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. জিকেএম মোস্তাফিজুর রহমান এই অর্জনকে শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষার্থীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার স্বীকৃতি উল্লেখ করে বলেন, এই সাফল্য বৈশ্বিক টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে তাঁদের দায়িত্ব ও প্রতিশ্রুতি আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।<br>​/<span style="text-decoration: underline;">/ডিবিটেক/ডিএম/ইকে/</span>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>কৃষকদের আধুনিক প্রযুক্তিতে আদা&#45;পেঁয়াজ চাষের প্রশিক্ষণ দিল শেকৃবি</title>
<link>https://digibanglatech.news/181230</link>
<guid>https://digibanglatech.news/181230</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p&gt;শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে কেরানীগঞ্জে প্রান্তিক কৃষকদের জন্য বস্তায় আদা চাষ প্রযুক্তি ও আধুনিক পেঁয়াজ উৎপাদন বিষয়ে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আয় বৃদ্ধি ও টেকসই কৃষি উন্নয়ন ছিল কর্মসূচির মূল লক্ষ্য।&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202606/image_870x580_6a382a42c21ba.jpg" length="83520" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 21 Jun 2026 19:15:41 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, কৃষি প্রযুক্তি, বস্তায় আদা চাষ, পেঁয়াজ উৎপাদন, প্রান্তিক কৃষক, কৃষি প্রশিক্ষণ, ড. মো. বেলাল হোসেন, কৃষি সম্প্রসারণ</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="isSelectedEnd"><span>প্রান্তিক কৃষকদের আয় বৃদ্ধি ও আর্থিক স্বচ্ছলতা নিশ্চিত করতে আধুনিক কৃষি প্রযুক্তিভিত্তিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আয়োজন করেছে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (শেকৃবি)। ২১ জুন, রবিববার ঢাকার কেরানীগঞ্জ কৃষি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ‘বস্তায় আদা চাষ প্রযুক্তি এবং পেঁয়াজ উৎপাদনের মাধ্যমে প্রান্তিক কৃষকদের আর্থিক স্বচ্ছলতা আনয়ন’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>শেকৃবির বহিরাঙ্গন কার্যক্রম বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত এ প্রশিক্ষণে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. বেলাল হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেরানীগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মহুয়া শারমিন মুনমুন।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>প্রশিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (শস্য) মো. শরীফুল ইসলাম এবং বি-স্ট্রং প্রকল্পের মনিটরিং অফিসার ও অতিরিক্ত পরিচালক (প্রেষণে) মো. নাসির উদ্দিন।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শেকৃবির বহিরাঙ্গন কার্যক্রম বিভাগের পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জামশেদ আলম। তিনি বলেন, কৃষকদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তিনির্ভর কৃষি সম্প্রসারণের মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে এ ধরনের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মো. বেলাল হোসেন বলেন, সীমিত জমিতে আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহার করে বস্তায় আদা চাষ এবং উন্নত পদ্ধতিতে পেঁয়াজ উৎপাদন প্রান্তিক কৃষকদের জন্য লাভজনক ও টেকসই উদ্যোগ হতে পারে। এ ধরনের প্রযুক্তি উৎপাদন ব্যয় কমানোর পাশাপাশি কৃষকের আয় বৃদ্ধি এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী কৃষকদের বস্তায় আদা চাষের ব্যবহারিক কৌশল, পেঁয়াজ উৎপাদনের আধুনিক ব্যবস্থাপনা, কৃষি প্রযুক্তির প্রয়োগ এবং উৎপাদিত পণ্য বাজারজাতকরণ বিষয়ে বিস্তারিত ধারণা দেওয়া হয়।</span></p>
<p><span>আয়োজকরা জানান, কৃষি উৎপাদন ব্যবস্থায় প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি এবং কৃষকদের দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে টেকসই কৃষি উন্নয়ন নিশ্চিত করাই এ ধরনের কর্মসূচির মূল লক্ষ্য।</span></p>
<p data-start="5106" data-end="5144">/<span style="text-decoration: underline;"><strong>/ডিবিটেক/জেএন/এসআই/</strong></span>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ড্রোন নজরদারিতে বন সুরক্ষার ডিজিটাল অভিযান</title>
<link>https://digibanglatech.news/180881</link>
<guid>https://digibanglatech.news/180881</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p&gt;দেশের বন ও বনভূমি সংরক্ষণে ড্রোন প্রযুক্তি, স্মার্ট প্যাট্রোলিং এবং ডিজিটাল পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা ব্যবহারের কথা জানিয়েছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে অগ্রাধিকারভিত্তিক বনভূমির জরিপ, সীমানা নির্ধারণ এবং রেকর্ড হালনাগাদ কার্যক্রমও চলমান রয়েছে।&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202606/image_870x580_6a344f6e4c406.jpg" length="75625" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 18 Jun 2026 17:05:39 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>বন সংরক্ষণ, ড্রোন প্রযুক্তি, স্মার্ট প্যাট্রোলিং, সাইবার ট্র্যাকার, পরিবেশ মন্ত্রণালয়, সুন্দরবন, ডিজিটাল নজরদারি</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>দেশের বন ও বনভূমি সংরক্ষণে প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি ও ব্যবস্থাপনা জোরদার করছে সরকার। বনাঞ্চলে পর্যবেক্ষণ, টহল এবং বন-সংক্রান্ত অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ড্রোন ও স্মার্ট প্যাট্রোলিং প্রযুক্তি ব্যবহারের তথ্য জানিয়েছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়।</p>
<p>১৯ জুন, বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে নরসিংদী-১ আসনের সংসদ সদস্য খায়রুল কবির খোকনের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু জানান, বর্তমানে দেশে প্রায় ২৩ লাখ হেক্টর বনভূমি রয়েছে, যা বাংলাদেশের মোট ভৌগোলিক আয়তনের ১৫ দশমিক ৫৮ শতাংশ।</p>
<p>মন্ত্রী বলেন, বন সংরক্ষণ কার্যক্রমে মাঠপর্যায়ের টহল জোরদারের পাশাপাশি সুন্দরবনসহ বিভিন্ন সংরক্ষিত এলাকায় সাইবার ট্র্যাকার প্রযুক্তিভিত্তিক স্মার্ট প্যাট্রোলিং চালু করা হয়েছে। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে বনাঞ্চলের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ, তথ্য সংগ্রহ এবং দ্রুত প্রতিক্রিয়ার সক্ষমতা বাড়ানো হচ্ছে।</p>
<p>তিনি জানান, বন ও বনভূমির রক্ষণাবেক্ষণ এবং নজরদারিতে ড্রোন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। বিশেষ করে দুর্গম অঞ্চল পর্যবেক্ষণ, অবৈধ দখল শনাক্তকরণ এবং বনসম্পদ ব্যবস্থাপনায় এই প্রযুক্তি সহায়ক হিসেবে কাজ করছে।</p>
<p>স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ বাড়াতে সহ-ব্যবস্থাপনা ও অংশীদারিত্বভিত্তিক বন ব্যবস্থাপনা মডেলও বাস্তবায়ন করা হচ্ছে বলে জানান মন্ত্রী। তার ভাষ্য অনুযায়ী, স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে বন সংরক্ষণের দীর্ঘমেয়াদি সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।</p>
<p>এ ছাড়া বন ও বৃক্ষ সংরক্ষণ আইন, ২০২৬–এর ৬(৪) ধারা অনুযায়ী অগ্রাধিকারভিত্তিক বনভূমির জরিপ, সীমানা নির্ধারণ এবং রেকর্ড হালনাগাদের কাজ ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।</p>
<p>/<span style="text-decoration: underline;"><strong>/ডিবিটেক/এসএন/আইএইচ/</strong></span>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>মাছ চাষে অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহার জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ: টুকু</title>
<link>https://digibanglatech.news/180718</link>
<guid>https://digibanglatech.news/180718</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p&gt;মাছ চাষে অনিয়ন্ত্রিত ও অযৌক্তিকভাবে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের প্রবণতা জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি করছে বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। তিনি মাছের রোগ প্রতিরোধে ভ্যাকসিন উদ্ভাবনকে সময়োপযোগী উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202606/image_870x580_6a3304c637296.jpg" length="154775" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 17 Jun 2026 20:34:39 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>মাছ চাষে অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহার জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য হুমকি বলে সতর্ক করেছেন প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। মিঠাপানির মাছের মড়ক প্রতিরোধে ভ্যাকসিন উদ্ভাবন প্রকল্পের উদ্বোধনী কর্মশালায় তিনি এ মন্তব্য করেন।</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="isSelectedEnd"><span>মাছ চাষে অযৌক্তিক ও অনিয়ন্ত্রিতভাবে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের প্রবণতা বাড়ছে, যা জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>১৭ জুন, বুধবার মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের অডিটোরিয়ামে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএফআরআই) ‘মিঠাপানির মাছের মড়ক প্রতিরোধে ভ্যাকসিন উদ্ভাবন’ প্রকল্পের উদ্বোধনী কর্মশালায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের মানুষের দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে থাকা মিঠাপানির মাছকে রোগমুক্ত ও টেকসইভাবে সংরক্ষণের লক্ষ্যে ভ্যাকসিন উদ্ভাবনের উদ্যোগ অত্যন্ত সময়োপযোগী।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, গবাদিপশুর জন্য ব্যবহৃত কিছু অ্যান্টিবায়োটিকও মাছের খামারে প্রয়োগ করা হচ্ছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এ বিষয়ে মৎস্য অধিদপ্তরকে কঠোর নজরদারি ও কার্যকর নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, রাষ্ট্রের প্রতিটি দায়িত্বশীল ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের উচিত সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করা। জনগণের করের অর্থে রাষ্ট্র পরিচালিত হয়, তাই জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকেই সবাইকে কাজ করতে হবে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. অনুরাধা ভদ্রের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>এ ছাড়া আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. খালেদ কনক এবং প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খান।</span></p>
<p><span>কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ড. মো. সিরাজুম মনির। এতে মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, বিএফআরআইর বিজ্ঞানী, গবেষক, মৎস্য বিশেষজ্ঞ এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা অংশ নেন।</span></p>
<p><span>/<span style="text-decoration: underline;"><strong>/ডিবিটেক/জেএনও/ইকে/</strong></span>/</span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>পাবনায় টেকসই কৃষি উন্নয়ন প্রশিক্ষণ শুরু</title>
<link>https://digibanglatech.news/180522</link>
<guid>https://digibanglatech.news/180522</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p&gt;বগুড়া কৃষি অঞ্চলের টেকসই কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় পাবনায় তিন দিনব্যাপী কৃষক-কৃষাণী প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। প্রশিক্ষণে নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন, সুষম সার ব্যবহার ও টেকসই কৃষি ব্যবস্থাপনা বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202606/image_870x580_6a31552e5df7d.jpg" length="86384" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 16 Jun 2026 17:00:24 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>টেকসই কৃষি, পাবনা, কৃষি প্রশিক্ষণ, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, নিরাপদ খাদ্য, কৃষক প্রশিক্ষণ, বগুড়া কৃষি অঞ্চল</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বগুড়া কৃষি অঞ্চলের টেকসই কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় পাবনায় তিন দিনব্যাপী কৃষক-কৃষাণী প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। মঙ্গলবার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পাবনা উপপরিচালকের কার্যালয়ের খামারবাড়িস্থ প্রশিক্ষণ হলে এ কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়।</p>
<p>অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের বগুড়া অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ মো. আব্দুল ওয়াদুদ।</p>
<p>প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, টেকসই কৃষি উন্নয়ন এমন একটি পদ্ধতি, যা বর্তমানের খাদ্য চাহিদা পূরণের পাশাপাশি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে। মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি, পানির সুষ্ঠু ব্যবহার এবং ক্ষতিকারক রাসায়নিকের পরিবর্তে জৈব সার ও পরিবেশবান্ধব বালাইনাশক ব্যবহারের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য কৃষি সম্পদ সংরক্ষণ করা সম্ভব।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202606/image_870x_6a31552d6b4e0.jpg" alt=""></p>
<p>তিনি বলেন, ফসল উৎপাদনে অপরিকল্পিতভাবে রাসায়নিক সার, বীজ, পানি ও বালাইনাশক ব্যবহারের ফলে উৎপাদন ব্যয় বাড়ে এবং খাদ্যের নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়ে। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা, দীর্ঘমেয়াদি রোগ প্রতিরোধ এবং দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন নিশ্চিত করা জরুরি।</p>
<p>মো. আব্দুল ওয়াদুদ বীজের শ্রেণিবিন্যাস, উন্নত বীজের বৈশিষ্ট্য, বীজ সংরক্ষণ, সেচ ব্যবস্থাপনা, বালাইনাশকের পরিমিত ব্যবহার এবং সুষম সার প্রয়োগ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তিনি প্রশিক্ষণ থেকে অর্জিত জ্ঞান মাঠপর্যায়ে কাজে লাগিয়ে দেশের কৃষি উন্নয়নে ভূমিকা রাখার জন্য অংশগ্রহণকারীদের আহ্বান জানান।</p>
<p>অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, পাবনার উপপরিচালক কৃষিবিদ মো. জাহাঙ্গীর আলম প্রামানিক। অতিরিক্ত উপপরিচালক (শস্য) কৃষিবিদ মো. রাফিউল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. সাইফুল ইসলাম এবং অতিরিক্ত উপপরিচালক (উদ্যান) কৃষিবিদ মো. নুরে আলম।</p>
<p>তিন দিনব্যাপী এই প্রশিক্ষণে পাবনা জেলার বিভিন্ন উপজেলার কৃষক ও কৃষাণীরা অংশগ্রহণ করছেন।</p>
<p>/<span style="text-decoration: underline;"><strong>/ডিবিটেক/এআইএস/ইকে/</strong></span>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বাকৃবিতে ১৭৭ ভেটেরিনারি শিক্ষার্থীর মাঝে সার্জিক্যাল কিট বক্স বিতরণ</title>
<link>https://digibanglatech.news/180397</link>
<guid>https://digibanglatech.news/180397</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p&gt;বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি অনুষদের ১৭৭ শিক্ষার্থীর মাঝে সার্জিক্যাল কিট বক্স বিতরণ করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে দক্ষ ভেটেরিনারি চিকিৎসক তৈরিতে ব্যবহারিক প্রশিক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202606/image_870x580_6a301eddc15a1.jpg" length="139711" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 15 Jun 2026 19:49:16 +0600</pubDate>
<dc:creator>ক্যাম্পাস করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>BAU, Bangladesh Agricultural University, Veterinary Faculty, Surgical Kit Box, Veterinary Students, Veterinary Education, Animal Health, Mymensingh, Higher Education Bangladesh</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) ভেটেরিনারি অনুষদের ১৭৭ জন শিক্ষার্থীর মাঝে সার্জিক্যাল কিট বক্স বিতরণ করা হয়েছে।</p>
<p>১৫ জুন, সোমবার বিকেল সাড়ে ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ নজরুল ইসলাম সম্মেলন কক্ষে এ উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে সার্জারি ও অবস্টেট্রিক্স বিভাগ।</p>
<p>সার্জারি ও অবস্টেট্রিক্স বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. জি এম মুজিবুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন ভেটেরিনারি অনুষদের ডিন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক ড. মো. বাহানুর রহমান।</p>
<p>এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল আলিম, ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা ড. মো. শহিদুল হক, বিভাগীয় শিক্ষকবৃন্দ এবং ভেটেরিনারি অনুষদের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. জি এম মুজিবুর রহমান বলেন, ভেটেরিনারি শিক্ষা একটি বিশেষায়িত মেডিকেল পেশা, যা দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। প্রাণী চিকিৎসা একটি চ্যালেঞ্জিং ক্ষেত্র উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ ক্ষেত্রে সফল হতে সার্জারি ও মেডিসিনে দক্ষতা অর্জনের বিকল্প নেই। তিনি শিক্ষার্থীদের ইন্টার্নশিপের মাধ্যমে অর্জিত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে দক্ষ ভেটেরিনারি চিকিৎসক হিসেবে গড়ে ওঠার আহ্বান জানান।</p>
<p>বিশেষ অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মো. বাহানুর রহমান বলেন, কিট বক্স ও সার্জিক্যাল যন্ত্রপাতি সংগ্রহে রাখাই যথেষ্ট নয়, বাস্তব চিকিৎসা কার্যক্রমে এর যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। তিনি শিক্ষার্থীদের হাসপাতাল ও ক্লিনিকের বিভিন্ন কেসে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে দক্ষ সার্জন হিসেবে নিজেদের গড়ে তোলার আহ্বান জানান।</p>
<p>তিনি বলেন, একজন ভেটেরিনারি গ্র্যাজুয়েটকে ২২টি বিভাগের কোর্স সম্পন্ন করতে হয়, যা তাকে বহুমাত্রিক ও চ্যালেঞ্জিং কর্মক্ষেত্রে কাজের উপযোগী করে তোলে। সিমাগো র‍্যাংকিংয়ে বাকৃবির ভেটেরিনারি অনুষদ বাংলাদেশের মধ্যে প্রথম এবং এশিয়ায় ৯২তম স্থান অর্জন করেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।</p>
<p>সভাপতির সমাপনী বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল আলম বলেন, শিক্ষার্থীদের জন্য সরবরাহ করা জিএস প্যাক ও কিট বক্সের যন্ত্রপাতির মান আগের তুলনায় উন্নত করা হয়েছে এবং নতুন কিছু যন্ত্র সংযোজন করা হয়েছে, যা অধিকাংশ সার্জিক্যাল কার্যক্রম পরিচালনায় সহায়ক হবে।</p>
<p>তিনি জানান, ১৯৮৪ সালে ৪৫০ টাকা দিয়ে শুরু হওয়া কিট বক্সের বাজেট বর্তমানে ৫ হাজার ৫০০ টাকায় উন্নীত হলেও বর্তমান চাহিদার তুলনায় তা এখনও অপ্রতুল। ভবিষ্যৎ শিক্ষার্থীদের স্বার্থে এ খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধির জন্য তিনি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান।</p>
<p>//<span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এএইচ/ইকে</strong></span>//</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>জলবায়ু মোকাবিলায় বাকৃবিতে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ</title>
<link>https://digibanglatech.news/180156</link>
<guid>https://digibanglatech.news/180156</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202606/image_870x580_6a2e4f0c2aad8.jpg" length="101896" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 14 Jun 2026 10:11:14 +0600</pubDate>
<dc:creator>ক্যাম্পাস করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং সরকারের জাতীয় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিকে এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।</p>
<p>১৪ জুন, রবিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অর্থনীতি ও গ্রামীণ সমাজবিজ্ঞান অনুষদীয় ছাত্র সমিতির উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।</p>
<p>কর্মসূচির প্রথম পর্বে সকাল ৮টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিভিন্ন ফলজ ও বনজ গাছের চারা বিতরণ করা হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের পরিবেশ সংরক্ষণ ও বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব সম্পর্কে উদ্বুদ্ধ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. শহীদুল হক, ভেটেরিনারি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. বাহানুর রহমান এবং প্রক্টর মো. আব্দুল আলীম।</p>
<p>পরে সকাল ১১টায় কৃষি অর্থনীতি ও গ্রামীণ সমাজবিজ্ঞান অনুষদ প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাকৃবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া।</p>
<p>তিনি বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে ব্যাপক বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় শিক্ষার্থীসহ সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে সম্পৃক্ত হতে হবে।</p>
<p>অনুষ্ঠানে কৃষি অর্থনীতি ও গ্রামীণ সমাজবিজ্ঞান অনুষদের শিক্ষক ও ছাত্র সমিতির কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. ওয়াকিলুর রহমান বলেন, সরকারের আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি গাছ রোপণের পরিকল্পনাকে সামনে রেখে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে পরিবেশ সংরক্ষণ ও বৃক্ষরোপণের বার্তা নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিলে তা সামাজিক আন্দোলনে রূপ নিতে পারে। এ ধরনের উদ্যোগ জাতীয় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির লক্ষ্য অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।</p>
<p>তিনি আরও বলেন, বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে চারা বিতরণের পাশাপাশি অনুষদ প্রাঙ্গণেও বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।</p>
<p>কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন ফলজ, বনজ ও শোভাবর্ধনকারী ৮০টি গাছ রোপণ করা হয়। এর মধ্যে ছিল কাঠাল, আম, লেবুসহ অলকনন্দা, সাদা জবা, নীলকণ্ঠী, মুসান্ডা, স্থলপদ্ম এবং হাইব্রিড লাল রঙ্গন প্রজাতির চারা।</p>
<p>অনুষদীয় ছাত্র সমিতির সহ-সভাপতি বলেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সবুজ, নিরাপদ ও বাসযোগ্য পরিবেশ গড়ে তুলতে নিয়মিত এ ধরনের কর্মসূচি আয়োজন করা হবে। বৃক্ষ জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব কমানো, খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই বৃক্ষরোপণ আন্দোলনকে আরও বেগবান করতে সমাজের সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণ প্রয়োজন।</p>
<p>/<span style="text-decoration: underline;"><strong>/ডিবিটেক/এএইচ/এসআই/</strong></span>/</p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>গ্রামীণ মায়েদের অতিরিক্ত কাজের চাপ শিশু পুষ্টিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে: গবেষণা</title>
<link>https://digibanglatech.news/179949</link>
<guid>https://digibanglatech.news/179949</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p&gt;নতুন এক গবেষণায় দেখা গেছে, গ্রামীণ বাংলাদেশের মায়েদের অতিরিক্ত গৃহস্থালি ও কৃষিশ্রম শিশুদের পুষ্টিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। মায়ের যত্ন থাকলেও দীর্ঘ কর্মঘণ্টা সেই ইতিবাচক প্রভাব কমিয়ে দিচ্ছে। গবেষকেরা শিশু পরিচর্যা সহায়তা ও নারীর শ্রম কমানোর ওপর জোর দিয়েছেন।&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202606/image_870x580_6a2bffe79dbfb.jpg" length="103173" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 12 Jun 2026 16:47:50 +0600</pubDate>
<dc:creator>ক্যাম্পাস করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায় দেখা গেছে, গ্রামীণ মায়েদের অতিরিক্ত গৃহস্থালি ও কৃষিশ্রম শিশুদের পুষ্টিগত উন্নয়নে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। শিশু পরিচর্যা সহায়তা বাড়ানোর সুপারিশ গবেষকদের।</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>গ্রামীণ বাংলাদেশের মায়েদের অতিরিক্ত গৃহস্থালি ও শ্রমঘন কাজের চাপ শিশুদের পুষ্টি নিশ্চিতকরণে বড় বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে বলে নতুন এক গবেষণায় উঠে এসেছে। গবেষণায় দেখা গেছে, মায়েরা শিশুদের পর্যাপ্ত যত্ন নিলেও গৃহস্থালি কাজ, কৃষিকাজ ও অন্যান্য অবৈতনিক শ্রমে দীর্ঘ সময় ব্যয় করলে সেই যত্নের ইতিবাচক প্রভাব উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়। ফলে শিশুদের পুষ্টিগত উন্নয়ন প্রত্যাশিত মাত্রায় পৌঁছায় না।</p>
<p>আন্তর্জাতিক গবেষণা সাময়িকী <em>Women’s Studies International Forum (WSIF)</em>-এ প্রকাশিত গবেষণাটি পরিচালনা করেছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অর্থনীতি ও গ্রামীণ সমাজবিজ্ঞান অনুষদের অধ্যাপক ড. মাহবুব হোসেন। গবেষণায় গ্রামীণ বাংলাদেশের শিশুদের পুষ্টিগত অবস্থার ওপর মায়েদের সময় ব্যবস্থাপনা, শিশুযত্ন এবং কর্মচাপের প্রভাব বিশ্লেষণ করা হয়েছে।</p>
<p>গবেষণার তথ্যসূত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে আন্তর্জাতিক খাদ্যনীতি গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইএফপিআরআই) পরিচালিত বাংলাদেশ সমন্বিত পরিবার জরিপ (বিআইএইচএস)। দেশজুড়ে ৬ হাজার ৫০০ গ্রামীণ পরিবারের তথ্য বিশ্লেষণ করে ১ হাজার ৪৪৭ শিশুর পুষ্টিগত অবস্থা মূল্যায়ন করা হয়। শিশুদের পুষ্টির মান নির্ধারণে বয়সভিত্তিক উচ্চতা ও ওজনের সূচক ব্যবহার করা হয়েছে।</p>
<p>গবেষণাটির লক্ষ্য ছিল মায়ের যত্ন ও কর্মঘণ্টার পারস্পরিক সম্পর্ক শিশুদের পুষ্টিতে কী ধরনের প্রভাব ফেলে তা নির্ণয় করা। গবেষকদের মতে, শিশু পুষ্টি নিয়ে পূর্ববর্তী অধিকাংশ গবেষণায় আয়, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও সামাজিক অবস্থান গুরুত্ব পেলেও মায়েদের সময় ব্যবস্থাপনা ও শ্রমচাপ তুলনামূলকভাবে কম আলোচিত হয়েছে।</p>
<p>গবেষণার ফলাফলে দেখা যায়, মাতৃস্নেহ, পরিচর্যা ও নিয়মিত যত্ন শিশুদের পুষ্টি উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তবে মায়েরা যখন গৃহস্থালি কাজ, কৃষিকাজ বা অন্যান্য শ্রমঘন কর্মকাণ্ডে অতিরিক্ত সময় ব্যয় করেন, তখন সেই যত্নের কার্যকারিতা কমে যায়। বিশেষ করে অবৈতনিক গৃহস্থালি শ্রমের চাপ বাড়লে শিশুর পুষ্টিতে যত্নের ইতিবাচক প্রভাব প্রায় বিলীন হয়ে যেতে পারে।</p>
<p>গবেষণায় আরও বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষিভিত্তিক কার্যক্রমে নারীদের অংশগ্রহণ বেড়েছে। কিন্তু একইসঙ্গে শিশু পরিচর্যা সহায়তা ব্যবস্থা, দিবাযত্ন কেন্দ্র বা পারিবারিক সহায়তা কাঠামো সমানভাবে সম্প্রসারিত হয়নি। ফলে অনেক মা একই সঙ্গে উৎপাদনমুখী কাজ ও শিশুর যত্নের দ্বৈত চাপ বহন করছেন।</p>
<p>সমস্যা সমাধানে সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করে অধ্যাপক ড. মাহবুব হোসেন বলেন, শুধু পুষ্টি কর্মসূচি বা সচেতনতা বৃদ্ধি যথেষ্ট নয়। মায়েদের অতিরিক্ত কাজের চাপ কমানো, গ্রামীণ এলাকায় শিশু পরিচর্যা সহায়তা সম্প্রসারণ, পরিবারভিত্তিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং নারীদের শ্রমের ভার কমাতে কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন।</p>
<p>তিনি আরও বলেন, গ্রামীণ মায়েদের সময় সাশ্রয়ে প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি, জ্বালানি ও নিরাপদ পানির সহজলভ্যতা নিশ্চিত করা এবং প্রাতিষ্ঠানিক শিশু যত্ন কেন্দ্র গড়ে তোলাকে এখন নীতিনির্ধারণের অগ্রাধিকার দিতে হবে। অন্যথায় শিশু পুষ্টি উন্নয়নে গৃহীত উদ্যোগগুলোর প্রত্যাশিত ফল পাওয়া কঠিন হবে।</p>
<p>/<span style="text-decoration: underline;"><strong>/ডিবিটেক/আরাফাত হোসাইন/এমআই/</strong></span>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>১০০ উপজেলায় ৪২.৫ লাখ কৃষক পাবেন ‘কৃষক কার্ড’</title>
<link>https://digibanglatech.news/179731</link>
<guid>https://digibanglatech.news/179731</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p&gt;২০২৬-২৭ অর্থবছরের ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার নতুন জাতীয় বাজেটে ১০০টি উপজেলার ৪২.৫ লাখ কৃষকের জন্য &#039;কৃষক কার্ড&#039; কর্মসূচি সম্প্রসারণের ঘোষণা দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। স্পিকার ড. হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিতিতে পেশ করা এই বাজেটে এ খাতে ১ হাজার ৬২ কোটি ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, যার মাধ্যমে ভূমিহীন ও প্রান্তিক কৃষকেরা বছরে ২,৫০০ টাকা নগদ সহায়তা পাবেন। এছাড়া বাজেটের ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকার ঘাটতি পূরণে অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক উৎস থেকে  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202606/image_870x580_6a2a832073518.jpg" length="82749" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 11 Jun 2026 13:44:06 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>১০০ উপজেলায় ৪২.৫ লাখ কৃষকের জন্য &#039;কৃষক কার্ড&#039; সম্প্রসারণের ঘোষণা। ১ হাজার ৬২ কোটি টাকা বরাদ্দের মাধ্যমে প্রান্তিক কৃষকেরা পাবেন বছরে ২, ৫০০ টাকা নগদ সহায়তা। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর বাজেট ঘোষণা।</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>দেশের কৃষি খাতে বৈপ্লবিক রূপান্তর এবং প্রান্তিক ও ভূমিহীন কৃষকদের সামাজিক সুরক্ষা বলয় জোরদার করার লক্ষ্য নিয়ে নতুন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচি ব্যাপক আকারে সম্প্রসারণের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।</p>
<p>এই বিশেষ সামাজিক কর্মসূচির আওতায় দেশের ১০০টি উপজেলায় মোট ৪২ লাখ ৫০ হাজার (৪২.৫ লাখ) কৃষককে ‘কৃষক কার্ড’ প্রদান করা হবে এবং এই কল্যাণমুখী খাতের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে ১ হাজার ৬২ কোটি ৫০ লাখ টাকা মেগা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। </p>
<p>১১ জুন, বৃহস্পতিবার  বিকেলে জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে আয়োজিত অধিবেশনে দেশের ইতিহাসে বৃহত্তম ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার এই প্রস্তাবিত নতুন জাতীয় বাজেট পেশ করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বাজেট পেশের ঐতিহাসিক এই মুহূর্তে সংসদ অধিবেশনে স্বশরীরে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।</p>
<p>বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অঙ্গীকার অনুযায়ী কৃষকদের জাতীয় সমৃদ্ধির মূল চালিকাশক্তিতে পরিণত করার লক্ষ্যেই এই যুগান্তকারী কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।</p>
<p>চলতি বছরের প্রথম বৈশাখে (১৪ এপ্রিল) দেশে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হওয়া এই ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচি পর্যায়ক্রমে দেশের প্রতিটি অঞ্চলের সকল প্রকৃত কৃষকের মধ্যে সম্প্রসারণ করার একটি দীর্ঘমেয়াদী মহাপরিকল্পনা সরকারের রয়েছে। অর্থমন্ত্রী আরও স্পষ্ট করেন যে, এই বিশেষ কার্ডের মাধ্যমে দেশের সবচেয়ে অবহেলিত ভূমিহীন ও প্রান্তিক কৃষকেরা বছরে একবার সরাসরি ২,৫০০ টাকা করে নগদ আর্থিক সহায়তা (Cash Assistance) পাবেন, যা তাঁদের কৃষি উৎপাদন ও জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে সরাসরি ভূমিকা রাখবে।</p>
<p>ঘোষিত এই বাজেটে সামগ্রিক ব্যয়ের আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা, যার বিপরীতে সরকারের মোট রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। ফলে স্বাভাবিকভাবেই নতুন অর্থবছরে মোট আয় ও ব্যয়ের মধ্যে বিশাল ব্যবধান বা বাজেট ঘাটতি দাঁড়াচ্ছে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা। বাজেটের এই বিশাল ঘাটতি সফলভাবে পূরণ করতে সরকার অভ্যন্তরীণ ব্যাংকিং ও অ-ব্যাংকিং খাত এবং বৈদেশিক— উভয় উৎস থেকেই সুষম অর্থ সংগ্রহের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।</p>
<p>পরিকল্পনা অনুযায়ী, বিভিন্ন বৈদেশিক ঋণ ও আন্তর্জাতিক অনুদান থেকে ১ লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা এবং দেশের অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন উৎস থেকে ১ লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহ করে এই ঘাটতি সমন্বয় করা হবে।</p>
<p>/<span style="text-decoration: underline;"><strong>/ডিবিটেক/এসআই/এমআই/</strong></span>/</p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>দুগ্ধ শিল্পে গবেষণা ও প্রযুক্তি উন্নয়নে যৌথ উদ্যোগ</title>
<link>https://digibanglatech.news/179663</link>
<guid>https://digibanglatech.news/179663</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p&gt;&lt;span&gt;বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইআইএফএস এবং প্রাণ ডেইরি লিমিটেডের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয়েছে। এর মাধ্যমে দুগ্ধ শিল্পের উন্নয়ন, যৌথ গবেষণা, প্রযুক্তি হস্তান্তর, প্রশিক্ষণ এবং খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা জোরদারে একসঙ্গে কাজ করবে দুই প্রতিষ্ঠান।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202606/image_870x580_6a29caf5b8ac4.jpg" length="110121" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 10 Jun 2026 21:37:35 +0600</pubDate>
<dc:creator>ক্যাম্পাস করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইআইএফএস ও প্রাণ ডেইরি লিমিটেডের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয়েছে। দুগ্ধ শিল্পের উন্নয়ন, গবেষণা, প্রযুক্তি হস্তান্তর ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যৌথভাবে কাজ করবে দুই প্রতিষ্ঠান।</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="isSelectedEnd"><span>দেশের দুগ্ধ শিল্পের উন্নয়ন, গবেষণা সম্প্রসারণ এবং খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) ইন্টারডিসিপ্লিনারি ইনস্টিটিউট ফর ফুড সিকিউরিটি (আইআইএফএস) এবং প্রাণ গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান প্রাণ ডেইরি লিমিটেডের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>১০ জুন, বুধবার বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইআইএফএস মিটিং রুমে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. জি. এম. মুজিবুর রহমান।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>আইআইএফএস-এর পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. মাহাবুব আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডিন কাউন্সিলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. রুহুল আমীন এবং প্রাণ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইলিয়াস মৃধা। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, গবেষক এবং প্রাণ ডেইরি ও প্রাণ গ্রুপের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>অনুষ্ঠানের শুরুতে আইআইএফএস-এর পক্ষ থেকে অতিথিদের স্বাগত জানিয়ে দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত এ সহযোগিতা বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানানো হয়।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রাণ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইলিয়াস মৃধা বলেন, দেশের দুগ্ধ শিল্পকে আরও শক্তিশালী ও স্বয়ংসম্পূর্ণ করতে প্রাণ ডেইরি দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে। তিনি বলেন, “আমাদের লক্ষ্য শুধু প্রাণের ব্যবসায়িক উন্নয়ন নয়, বরং নতুন উদ্যোক্তা তৈরি এবং দেশের দুগ্ধ খাতকে আরও সমৃদ্ধ করা। বাকৃবির শিক্ষার্থীরাই বর্তমানে দেশের বিভিন্ন দুগ্ধ খামার ও প্রাণিসম্পদ খাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। এই সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে আমরা গবেষণা ও উদ্ভাবনের নতুন ক্ষেত্র তৈরি করতে চাই।”</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. জি. এম. মুজিবুর রহমান বলেন, খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একাডেমিয়া এবং শিল্পখাতের মধ্যে কার্যকর সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি আশা প্রকাশ করেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা ও জ্ঞানভিত্তিক সক্ষমতার সঙ্গে প্রাণ ডেইরির মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতার সমন্বয়ে দেশের দুগ্ধ শিল্পে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>তিনি আরও বলেন, এই অংশীদারিত্ব দুগ্ধ খাতের আধুনিকায়ন, উৎপাদন বৃদ্ধি, পণ্যের গুণগত মান উন্নয়ন, খামারিদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং ক্রমবর্ধমান পুষ্টি চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।</span></p>
<p class="isSelectedEnd"><span>সমঝোতা স্মারকের আওতায় উভয় প্রতিষ্ঠান যৌথ গবেষণা, প্রযুক্তি হস্তান্তর, প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা এবং দেশের দুগ্ধ শিল্পের টেকসই উন্নয়নে একসঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে।</span></p>
<p><span>/<span style="text-decoration: underline;"><strong>/ডিবিটেক/এএইচবাও/এমআই/</strong></span>/</span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>দেশের গবাদিপশু ও পোষা প্রাণী থেকে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি নেই</title>
<link>https://digibanglatech.news/179414</link>
<guid>https://digibanglatech.news/179414</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202606/image_870x580_6a279f2b45319.jpg" length="77513" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 09 Jun 2026 00:06:05 +0600</pubDate>
<dc:creator>ক্যাম্পাস করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>BAU Covid Animal Research, SARS-CoV-2 Livestock Bangladesh, German Journal of Microbiology, Dr Md Sahiduzzaman, Animal to Human Covid Transmission, Bangladesh Tech News 2026</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="1">দেশের জনস্বাস্থ্য ও পশুপালনের ক্ষেত্রে এক বড় স্বস্তির খবর নিয়ে এসেছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) একদল গবেষক। কোভিড-১৯ আক্রান্ত মানুষের সংস্পর্শে থাকা দেশের গবাদিপশু এবং পোষা কুকুর-বিড়ালের শরীরে প্রাণঘাতী সার্স-কোভ-২ (কোভিড-১৯) ভাইরাসের কোনো উপস্থিতি পাওয়া যায়নি। ফলে বাংলাদেশের গবাদিপশুপাখি থেকে মানুষের মধ্যে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি নেই বললেই চলে বলে নিশ্চিত করেছেন গবেষকেরা। আন্তর্জাতিক গবেষণা সাময়িকী ‘জার্মান জার্নাল অফ মাইক্রোবায়োলজি’-তে সম্প্রতি এই গবেষণা প্রতিবেদনটি একটি স্বল্প-প্রবন্ধ হিসেবে প্রকাশিত হয়েছে।</p>
<p data-path-to-node="2">মহামারির শুরুতে ভাইরাসের উৎস নিয়ে বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা এবং বাংলাদেশের ঘনবসতিপূর্ণ পরিবেশে প্রাণীর সঙ্গে মানুষের ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ২০২১ সালে এই অনুসন্ধান শুরু হয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর (ব্যানবেইস) অর্থায়নে এই গুরুত্বপূর্ণ গবেষণাটি সম্পন্ন হয়েছে। গবেষণার নেতৃত্বে ছিলেন বাকৃবির প্যারাসাইটোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. সহিদুজ্জামান। গবেষক দলে আরও ছিলেন প্যাথলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. রোখসানা পারভিন এবং মাইক্রোবায়োলজি ও হাইজিন বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মাহবুবুল প্রতিক সিদ্দিক।</p>
<p data-path-to-node="4">স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী করোনা আক্রান্ত পরিবারগুলো চিহ্নিত করে দেশের আটটি জেলা—ময়মনসিংহ, ঢাকা, রংপুর, সিরাজগঞ্জ, গাইবান্ধা, বগুড়া, কিশোরগঞ্জ এবং রাজশাহী থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়। গবেষকদলটি মাঠপর্যায়ের মোট ১,০২৮টি প্রাণীর রক্ত, মল ও নসিকার সোয়াব পরীক্ষা করেন। এর মধ্যে ছিল ৫৫২টি গরু, ১৩৫টি ভেড়া, ১১২টি ছাগল, ১১৮টি বিড়াল এবং ১১১টি কুকুর। সংগৃহীত নমুনার মধ্যে ৪৬৫টি মলের নমুনা, ৩৬৩টি নাকের সোয়াব এবং ২০০টি রক্তের সিরাম ল্যাবরেটরিতে আরটি-কিউপিসিআর (RT-qPCR) এবং অ্যান্টিবডি টেস্ট—উভয় পদ্ধতিতে নিখুঁতভাবে বিশ্লেষণ করা হয়।</p>
<p data-path-to-node="5">পরীক্ষাগারে আরটি-কিউপিসিআর পরীক্ষার জন্য চীনের 'সানশিওর বায়োটেক'-এর কিট ব্যবহার করে ভাইরাসের ওআরএফ১এবি (ORF1ab) এবং এন জিন শনাক্তের চেষ্টা করা হয়। পাশাপাশি রক্তের সিরামে অ্যান্টিবডির উপস্থিতি যাচাইয়ের জন্য দক্ষিণ কোরিয়ার 'সুজেনটেক'-এর এসজিটিআই-ফ্লেক্স আইজিএম/আইজিজি কিট ব্যবহার করা হয়। অত্যন্ত স্বস্তির বিষয় হলো, সবকটি পরীক্ষার ফলাফলই শতভাগ নেগেটিভ আসে এবং কোনো প্রাণীর শরীরেই ভাইরাসের অস্তিত্ব মেলেনি।</p>
<p data-path-to-node="6">এই গবেষণার ফলাফল বাংলাদেশের পশুপালন খাত ও মহামারি প্রস্তুতির ক্ষেত্রে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ইতিবাচক দিকনির্দেশনা প্রদান করে। তবে গবেষকরা সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, ভাইরাসের চরিত্র পরিবর্তনশীল হওয়ায় ভবিষ্যতে পরিস্থিতি ভিন্ন হতে পারে। তাই ভাইরাসের রূপান্তর বা নতুন কোনো স্ট্রেইনের ঝুঁকি এড়াতে পশুপাখির ওপর নিয়মিত নজরদারি ও গবেষণার ধারাবাহিকতা বজায় রাখা প্রয়োজন। একই সাথে, কোভিড আক্রান্ত পরিবারের সদস্যদের পোষা বা গৃহপালিত প্রাণীর সংস্পর্শে আসার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যবিধি ও নিরাপত্তা বজায় রাখার ওপরও গবেষকদলটি গুরুত্বারোপ করেছেন।</p>
<p data-path-to-node="10"><strong>/</strong><span style="text-decoration: underline;">/ডিবিটেক/<strong>আরাফাত হোসাইন</strong>/ এমইউআইএম/</span>/</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>নিরাপদ পোলট্রি উৎপাদনের কৌশল নিয়ে সার্ক কৃষি কেন্দ্রের ওয়েবিনার</title>
<link>https://digibanglatech.news/179312</link>
<guid>https://digibanglatech.news/179312</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p&gt;নিরাপদ ও টেকসই পোলট্রি উৎপাদনে ‘ওয়ান হেলথ’ পদ্ধতির গুরুত্ব তুলে ধরে আন্তর্জাতিক ওয়েবিনার আয়োজন করেছে সার্ক কৃষি কেন্দ্র। এতে অংশ নেন দক্ষিণ এশিয়ার গবেষক, নীতিনির্ধারক ও বিশেষজ্ঞরা।&lt;/p&gt; ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202606/image_870x580_6a26a7752a451.jpg" length="85411" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 08 Jun 2026 13:29:04 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>দক্ষিণ এশিয়ায় নিরাপদ, টেকসই ও সহনশীল পোলট্রি উৎপাদন নিশ্চিত করতে ‘ওয়ান হেলথ’ পদ্ধতির গুরুত্ব তুলে ধরে একটি আন্তর্জাতিক ওয়েবিনার আয়োজন করেছে সার্কের আঞ্চলিক সংস্থা সার্ক কৃষি কেন্দ্র। ৮ জুন, সোমবার অনুষ্ঠিত ‘ওয়ান হেলথ পদ্ধতির আলোকে নিরাপদ পোলট্রি উৎপাদন’ শীর্ষক এই ওয়েবিনারে সার্ক অঞ্চলের গবেষক, নীতিনির্ধারক, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, বেসরকারি খাতের প্রতিনিধি ও পেশাজীবীরা অংশগ্রহণ করেন।</p>
<p>ওয়েবিনারের উদ্বোধনী বক্তব্যে সার্ক কৃষি কেন্দ্রের পরিচালক ড. মো. হারুনূর রশীদ বলেন, নিরাপদ পোলট্রি উৎপাদন কেবল খাদ্য নিরাপত্তার বিষয় নয়, এটি জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষার সঙ্গেও সরাসরি সম্পর্কিত। তিনি বলেন, মানুষ, প্রাণী ও পরিবেশের স্বাস্থ্যকে সমন্বিতভাবে বিবেচনা করার মাধ্যমে ‘ওয়ান হেলথ’ পদ্ধতি বর্তমান ও ভবিষ্যতের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কার্যকর ভূমিকা রাখতে সক্ষম।</p>
<p>মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ভারতের কৃষি গবেষণা পরিষদের (আইসিএআর) পোলট্রি গবেষণা অধিদপ্তরের পোলট্রি নিউট্রিশন বিভাগের প্রধান ড. শ্যাম সুন্দর পাল। তিনি উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, রোগের ঝুঁকি কমানো এবং নিরাপদ পোলট্রি খাত গড়ে তুলতে উন্নত জৈবনিরাপত্তা ব্যবস্থা, সুষম পুষ্টি ও দায়িত্বশীল খামার ব্যবস্থাপনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।</p>
<p>সিঙ্গাপুর ফুড এজেন্সির ন্যাশনাল সেন্টার ফর ফুড সায়েন্সের সিনিয়র সায়েন্টিস্ট মিস জিয়াউ ই তান পোলট্রি খাতে খাদ্য নিরাপত্তা ও রোগ প্রতিরোধে সমন্বিত উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তার ওপর আলোকপাত করেন। তিনি বলেন, খাদ্যশৃঙ্খলের প্রতিটি ধাপে ঝুঁকি কমাতে প্রাণিসম্পদ বিশেষজ্ঞ, জনস্বাস্থ্যবিদ, গবেষক ও খামারিদের মধ্যে সহযোগিতা আরও জোরদার করতে হবে।</p>
<p>ওয়েবিনারটি সঞ্চালনা করেন সার্ক কৃষি কেন্দ্রের সিনিয়র প্রোগ্রাম স্পেশালিস্ট (লাইভস্টক) ড. মো. ইউনুস আলী। অনুষ্ঠানে সার্ক সদস্য রাষ্ট্রসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অংশগ্রহণকারীরা যুক্ত হন। আয়োজকদের মতে, এই ব্যাপক অংশগ্রহণ নিরাপদ ও টেকসই পোলট্রি উৎপাদন বিষয়ে আঞ্চলিক আগ্রহ, জ্ঞান বিনিময় এবং সহযোগিতার গুরুত্বকে আরও স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছে।</p>
<p>বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, জলবায়ু পরিবর্তন, প্রাণীজ রোগের বিস্তার এবং খাদ্য নিরাপত্তার ক্রমবর্ধমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ‘ওয়ান হেলথ’ ভিত্তিক সমন্বিত উদ্যোগ দক্ষিণ এশিয়ার পোলট্রি খাতকে আরও নিরাপদ, উৎপাদনশীল ও টেকসই করে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।</p>
<p>//ডিবিটেক</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>সিমাগো র‍্যাঙ্কিংয়ে ভেটেরিনারি সায়েন্সে দেশের সেরা বাকৃবি, এশিয়ায় ৯২তম</title>
<link>https://digibanglatech.news/179256</link>
<guid>https://digibanglatech.news/179256</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202606/image_870x580_6a263f1e8cb0b.jpg" length="128320" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 08 Jun 2026 00:00:10 +0600</pubDate>
<dc:creator>ক্যাম্পাস করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>বাংলাদেশের ভেটেরিনারি সায়েন্স র‍্যাঙ্কিং</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ময়মনসিংহ: সিমাগো ইনস্টিটিউশনস র‍্যাঙ্কিংস-২০২৬-এ ভেটেরিনারি সায়েন্স ক্যাটাগরিতে দেশের শীর্ষস্থান অর্জন করেছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়। একই সঙ্গে এশিয়ার ২৫১টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়টির অবস্থান ৯২তম এবং বৈশ্বিক র‍্যাঙ্কিংয়ে অবস্থান ৪৩২তম।</p>
<p>বাকৃবির ভেটেরিনারি অনুষদের ডিন কনফারেন্স হলে ৭ জুন, রবিবার দুপুরে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. বাহানুর রহমান এ তথ্য জানান।</p>
<p>তিনি বলেন, স্পেনভিত্তিক সিমাগো র‍্যাঙ্কিং শিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান, দেশ এবং গবেষণা প্রবন্ধের ভিত্তিতে তালিকা প্রকাশ করে। এ বছর বিশ্বের ১০ হাজার ৮২৭টি প্রতিষ্ঠান তালিকাভুক্ত হয়েছে, যার মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে ৫ হাজার ৪৯১টি। ভেটেরিনারি সায়েন্স ক্যাটাগরির ১,৩০৬টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ৯৭৮টি তালিকাভুক্ত হয়েছে এবং বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে বাকৃবি প্রথম অবস্থানে রয়েছে।</p>
<p><strong>বাংলাদেশের ভেটেরিনারি সায়েন্স র‍্যাঙ্কিং (সিমাগো ২০২৬)</strong></p>
<table height="152" style="width: 38.524%;">
<thead>
<tr>
<th style="width: 11.7379%;">অবস্থান</th>
<th style="width: 69.5888%;">প্রতিষ্ঠান</th>
<th style="width: 18.6548%;">বিশ্ব অবস্থান</th>
</tr>
</thead>
<tbody>
<tr>
<td style="width: 11.7379%;">১ম</td>
<td style="width: 69.5888%;">বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি)</td>
<td style="width: 18.6548%;">৪৩২</td>
</tr>
<tr>
<td style="width: 11.7379%;">২য়</td>
<td style="width: 69.5888%;">সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়</td>
<td style="width: 18.6548%;">৫৯৩</td>
</tr>
<tr>
<td style="width: 11.7379%;">৩য়</td>
<td style="width: 69.5888%;">হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়</td>
<td style="width: 18.6548%;">১১০৪</td>
</tr>
<tr>
<td style="width: 11.7379%;">৪র্থ</td>
<td style="width: 69.5888%;">গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়</td>
<td style="width: 18.6548%;">১১৬২</td>
</tr>
<tr>
<td style="width: 11.7379%;">৫ম</td>
<td style="width: 69.5888%;">শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়</td>
<td style="width: 18.6548%;">১২৮৫</td>
</tr>
</tbody>
</table>
<p>সংবাদ সম্মেলনে ভেটেরিনারি অনুষদের সাবেক ডিন অধ্যাপক ড. মো. মকবুল হোসেনসহ বিভিন্ন বিভাগের প্রধান এবং ভেটেরিনারি টিচিং হসপিটালের পরিচালক উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>অধ্যাপক ড. বাহানুর রহমান বলেন, শিক্ষক, গবেষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফলেই এ সাফল্য এসেছে। আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা ও গবেষণার মাধ্যমে এ ধারা ধরে রাখতে অনুষদের সব বিভাগের শিক্ষকদের নিয়ে ১৫ সদস্যের একটি র‍্যাঙ্কিং সেল গঠন করা হয়েছে।</p>
<p>মাইক্রোবায়োলজি অ্যান্ড হাইজিন বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. কে এইচ এম নাজমুল হুসাইন নাজির বলেন, ভেটেরিনারি সায়েন্স ক্যাটাগরিতে গবেষণা, প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও সামাজিক প্রভাব—এই তিনটি বিষয় বিবেচনায় নেওয়া হয় এবং কেবল স্কোপাস ইনডেক্সভুক্ত জার্নালে প্রকাশিত গবেষণা প্রবন্ধ মূল্যায়নে অন্তর্ভুক্ত হয়।</p>
<p>তিনি আরও বলেন, গবেষণা প্রকাশনার ব্যয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম বড় সীমাবদ্ধতা। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় রিসার্চ সিস্টেম থেকে কিছু অর্থায়ন থাকলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। সরকারি বরাদ্দ বাড়ানো গেলে স্নাতক পর্যায় থেকেই শিক্ষার্থীদের গবেষণায় সক্রিয়ভাবে যুক্ত করা সম্ভব হবে এবং আন্তর্জাতিক অবস্থান আরও উন্নত করা যাবে।</p>
<p><strong>/</strong>/<span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক</strong>/<strong>এসএইচবি</strong>/</span><strong><span style="text-decoration: underline;">এমইউএম</span>/</strong>/ </p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>কৃষি প্রযুক্তিতে বিনিয়োগের সঙ্গে সরকারি ক্রয়কেন্দ্র বাড়ানোর তাগিদ</title>
<link>https://digibanglatech.news/179028</link>
<guid>https://digibanglatech.news/179028</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202606/image_870x580_6a23e05c491b9.jpg" length="68896" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 06 Jun 2026 12:55:09 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলা, বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং প্রযুক্তিনির্ভর কৃষি খাত গড়ে তোলার লক্ষ্যে ‘সংকট মুহূর্তের বাজেট ২০২৬-২৭’ শীর্ষক এক গোলটেবিল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রাজধানীর সিরডাপ আন্তর্জাতিক কনফারেন্স সেন্টারের এ টি এম শামসুল হক অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তারা বলেন, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং বিনিয়োগ স্থবিরতার প্রেক্ষাপটে বাজেটকে প্রযুক্তিবান্ধব, সংস্কারমুখী ও উৎপাদনমুখী হতে হবে। কর প্রশাসনের ডিজিটাল রূপান্তর, কৃষি ও শিল্পে প্রযুক্তি ব্যবহারের সম্প্রসারণ, আর্থিক খাতে সুশাসন এবং দীর্ঘমেয়াদি নীতিগত স্থিতিশীলতার ওপর জোর দেন তারা।</p>
<p>তাদের মতে, প্রযুক্তি, কৃষি, শিল্প ও বিনিয়োগ খাতের সমন্বিত উন্নয়নই বাংলাদেশকে টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিতে পারে।</p>
<p>অনলাইন প্ল্যাটফর্ম চারচা ডটকম এর আয়োজনে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তীতুমীর। বিশেষ অতিথি ছিলেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি। গোলটেবিল আলোচনায় অংশ নেন পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান এম মাশরুর রিয়াজ, এপেক্স ফুটওয়্যারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাসিম মঞ্জুর, গবেষক ও অধিকারকর্মী মাহা মির্জা, সাবেক অর্থসচিব মুসলিম চৌধুরী, বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম, আইসিএমএবি সভাপতি কাউসার আলম এবং নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব বিজনেস অ্যান্ড ইকোনমিকসের ডিন ড. একেএম ওয়ারেসুল করিম। সঞ্চালনা করেন চরচা সম্পাদক সোহরাব হাসান।</p>
<p>আলোচনায় রাশেদ আল মাহমুদ তীতুমীর বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে উন্নীত করার লক্ষ্য নিয়ে সরকার নতুন অর্থনৈতিক মডেলে কাজ করছে। তিনি বলেন, প্রবৃদ্ধির সুফল সমাজের সব স্তরে পৌঁছে দিতে হবে এবং বিনিয়োগ বৃদ্ধির জন্য আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কমিয়ে ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।</p>
<p>তিনি জানান, বন্ধ হয়ে যাওয়া শিল্পপ্রতিষ্ঠান পুনরুজ্জীবনে প্রায় ৬০ হাজার কোটি টাকার পুনর্গঠন প্যাকেজ নিয়ে কাজ করছে সরকার। পাশাপাশি কৃষি খাতের আধুনিকায়ন, পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে ব্যয়ের কার্যকারিতা বৃদ্ধি এবং তৃণমূল পর্যায়ে সেবা সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।</p>
<p>প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনীতি ও শিল্পায়নের প্রসঙ্গ তুলে এপেক্স ফুটওয়্যারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাসিম মঞ্জুর বলেন, বিনিয়োগ আকর্ষণে করপোরেট কর ২৭ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২০ শতাংশে নামিয়ে আনা প্রয়োজন। তিনি কর প্রশাসনে ডিজিটাল এবং ঝুঁকিভিত্তিক নিরীক্ষা ব্যবস্থা চালুর দাবি জানান।</p>
<p>নাসিম মঞ্জুর বলেন, নীতিগত অনিশ্চয়তা ও প্রশাসনিক জটিলতা বিনিয়োগের বড় বাধা। তিনি বিমানবন্দরের গুদাম ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন এবং স্বাস্থ্য খাতে বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধির ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।</p>
<p>গবেষক ও অধিকারকর্মী মাহা মির্জা কৃষি খাতে বাজেট বরাদ্দ বর্তমান ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১০ শতাংশ করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর কৃষি ব্যবস্থা ছাড়া খাদ্য নিরাপত্তা ও কৃষকের আয় বৃদ্ধি সম্ভব নয়।</p>
<p>তিনি কৃষকের দোরগোড়ায় ক্রপ ড্রায়ার, কম্বাইন হারভেস্টার এবং আধুনিক কৃষিযন্ত্র পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি কৃষিপণ্যের সংরক্ষণে কোল্ড স্টোরেজ, প্রিজারভেশন সেন্টার এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে সরকারি ক্রয়কেন্দ্র বাড়ানোর দাবি জানান।</p>
<p>মাহা মির্জা বলেন, কৃষি যান্ত্রিকীকরণ ও প্রণোদনার সুবিধা প্রকৃত কৃষকের কাছে পৌঁছানো নিশ্চিত করতে হবে। গ্রামীণ অর্থনীতিতে প্রযুক্তিনির্ভর বিনিয়োগ বাড়ানো গেলে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং শহরমুখী অভিবাসন কমবে।</p>
<p><strong>/</strong>/<strong>ডিবিটেক/পিজেইউ/ইকে/</strong>/ </p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>শিল্পবর্জ্যে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ক্ষতিপূরণ নিশ্চিতে আদালতে যেতেও প্রস্তুত পরিবেশমন্ত্রী</title>
<link>https://digibanglatech.news/178451</link>
<guid>https://digibanglatech.news/178451</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202605/image_870x580_6a1c7707733a7.jpg" length="609328" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 31 May 2026 22:59:57 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>কুমিল্লা ইপিজেডের শিল্পবর্জ্যে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ঘোষণা, পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টুর বিজয়পুর মতবিনিময় সভা, গুংইঙ্গাজুরি খালের পরিবেশ দূষণ ও পরিবেশমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি, কুমিল্লায় ইপিজেড বর্জ্যের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপের প্রস্তুতি</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>কুমিল্লা রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলের (ইপিজেড) শিল্পবর্জ্যে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত স্থানীয় কৃষকদের ন্যায্য ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, ভুক্তভোগী কৃষকদের ক্ষতিপূরণ দিতেই হবে এবং এই অধিকার আদায়ে প্রয়োজনে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিয়ে আদালতে লড়তেও তিনি প্রস্তুত। </p>
<p>৩১ মে, রবিবার বিকেলে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার বিজয়পুর মহিলা কলেজ মাঠে আয়োজিত এক বিশেষ মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই কঠোর অবস্থানের কথা জানান।</p>
<p>ইপিজেডের ক্ষতিকর বর্জ্যের কারণে স্থানীয় কৃষি ও জীববৈচিত্র্যের যে অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে, তা নিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে এই সভার আয়োজন করা হয়। মতবিনিময় সভায় মন্ত্রী উল্লেখ করেন, দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য শিল্পায়নের প্রয়োজনীয়তা যেমন রয়েছে, ঠিক তেমনি পরিবেশ সংরক্ষণ ও নাগরিকদের জন্য একটি সুস্থ, বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। একটিকে বাদ দিয়ে অন্যটি চলতে পারে না।</p>
<p>এলাকার পরিবেশগত বিপর্যয় স্বচক্ষে দেখার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে মন্ত্রী জানান, স্থানীয় গুংইঙ্গাজুরি খালের পানির বর্তমান বিষাক্ত অবস্থা দেখে তিনি অত্যন্ত মর্মাহত হয়েছেন। পরিবেশের এমন চরম বিপর্যয় কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। উদ্ভূত সংকট দ্রুত সমাধানে চলতি সপ্তাহের মধ্যেই তিনি নিজে ইপিজেড কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক বৈঠকে বসবেন বলে আশ্বস্ত করেন।</p>
<p>অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী।</p>
<p>এছাড়া মতবিনিময় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির সভাপতি উদবাতুল বারী আবু, জেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি আমিরুজ্জামান ভূঁইয়া, কৃষকদলের সভাপতি মোস্তফা জামান, সদর দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সভাপতি আক্তার হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক ফারুক চৌধুরীসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ এবং বর্জ্যের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত শত শত কৃষক পরিবারের সদস্যরা।<br><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>/ডিবিটেক/এমআই/ইকে/</strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>কোরবানির পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষায় বাকৃবির বিশেষ ভেটেরিনারি টিম</title>
<link>https://digibanglatech.news/178046</link>
<guid>https://digibanglatech.news/178046</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202605/image_870x580_6a15dc1595c73.jpg" length="138556" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 26 May 2026 14:45:21 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, কোরবানির পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা, ভেটেরিনারি মেডিক্যাল টিম, পশু চিকিৎসা সেবা, ঈদুল আজহা ২০২৬, গরুর হাট স্বাস্থ্য পরীক্ষা, বাকৃবি ভেটেরিনারি হাসপাতাল, নিরাপদ কোরবানির পশু</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div class="qMYqUG_convSearchResultHighlightRoot">
<div class="" data-turn-id-container="request-6a127209-8d30-8322-be80-5af510f7f9fa-3" data-is-intersecting="true">
<section class="text-token-text-primary w-full focus:outline-none has-data-writing-block:pointer-events-none [&amp;:has([data-writing-block])&gt;*]:pointer-events-auto R6Vx5W_threadScrollVars scroll-mb-[calc(var(--scroll-root-safe-area-inset-bottom,0px)+var(--thread-response-height))] scroll-mt-[calc(var(--header-height)+min(200px,max(70px,20svh)))]" dir="auto" data-turn-id="request-6a127209-8d30-8322-be80-5af510f7f9fa-3" data-turn-id-container="request-6a127209-8d30-8322-be80-5af510f7f9fa-3" data-testid="conversation-turn-22" data-scroll-anchor="false" data-turn="assistant">
<div class="text-base my-auto mx-auto pb-10 [--thread-content-margin:var(--thread-content-margin-xs,calc(var(--spacing)*4))] @w-sm/main:[--thread-content-margin:var(--thread-content-margin-sm,calc(var(--spacing)*6))] @w-lg/main:[--thread-content-margin:var(--thread-content-margin-lg,calc(var(--spacing)*16))] px-(--thread-content-margin)">
<div class="[--thread-content-max-width:40rem] @w-lg/main:[--thread-content-max-width:48rem] mx-auto max-w-(--thread-content-max-width) flex-1 group/turn-messages focus-visible:outline-hidden relative flex w-full min-w-0 flex-col agent-turn">
<div class="flex max-w-full flex-col gap-4 grow">
<div data-message-author-role="assistant" data-message-id="72fc2c01-0723-41d3-8bbd-4ed50544a0d4" dir="auto" data-message-model-slug="gpt-5-5" class="min-h-8 text-message relative flex w-full flex-col items-end gap-2 text-start break-words whitespace-normal outline-none keyboard-focused:focus-ring [.text-message+&amp;]:mt-1" data-turn-start-message="true" tabindex="0">
<div class="flex w-full flex-col gap-1 empty:hidden">
<div class="markdown prose dark:prose-invert wrap-break-word w-full light markdown-new-styling">
<p data-start="66" data-end="260">পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে কোরবানির পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা, নিরাপদ পশু নির্বাচন এবং জরুরি চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে বিশেষ ভেটেরিনারি মেডিক্যাল টিম গঠন করেছে <span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়</span></span>।</p>
<p data-start="262" data-end="531">২৬ মে, মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি টিচিং হাসপাতালের উদ্যোগে এ কার্যক্রম শুরু হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্র্যাজুয়েট ট্রেনিং ইনস্টিটিউট মাঠে স্থাপিত অস্থায়ী কোরবানির পশুর হাটে বিশেষ মেডিক্যাল বুথ চালু করা হয়েছে। আগামী ২৭ মে ও ঈদের দিন সকাল পর্যন্ত এই সেবা চালু থাকবে।</p>
<p data-start="533" data-end="856">বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি টিচিং হাসপাতালের পরিচালক <span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">ড. মো. মাহমুদুল আলম</span></span>–এর তত্ত্বাবধানে এবং ভেটেরিনারি অনুষদের ডিন <span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">ড. মো. বাহানুর রহমান</span></span>–এর অনুমতিক্রমে আট সদস্যের বিশেষজ্ঞ টিম এ কার্যক্রম পরিচালনা করছে। উদ্যোগ বাস্তবায়নে সহযোগিতা করছে স্থানীয় সংগঠন <span class="hover:entity-accent entity-underline inline cursor-pointer align-baseline"><span class="whitespace-normal">পূর্বাশা ক্লাব</span></span>।</p>
<p data-start="858" data-end="1094">মেডিক্যাল টিম সূত্রে জানা গেছে, বুথ থেকে দেশি গরুর জাত শনাক্তকরণ, সাধারণ স্বাস্থ্য পরীক্ষা, জ্বর বা সংক্রামক রোগের লক্ষণ শনাক্ত এবং শরীরে আঘাত বা ক্ষত থাকলে তাৎক্ষণিক ড্রেসিং করা হচ্ছে। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পরামর্শও দেওয়া হচ্ছে।</p>
<p data-start="1096" data-end="1236">গুরুতর বা জরুরি পরিস্থিতিতে উন্নত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে বিশেষজ্ঞ পশু চিকিৎসকেরা সার্বক্ষণিক প্রস্তুত রয়েছেন বলেও জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।</p>
<p data-start="1238" data-end="1395">অধ্যাপক ড. মাহমুদুল আলম বলেন, কোরবানির পশুর সুস্থতা নিশ্চিত করা এবং মানুষ যেন নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত পশু নির্বাচন করতে পারেন, সেটিই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।</p>
<p data-start="1397" data-end="1586">তিনি আরও বলেন, সচেতনতা তৈরির পাশাপাশি সরাসরি স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে। যেকোনো জরুরি প্রয়োজনে খামারি ও সাধারণ মানুষ দ্রুত চিকিৎসাসেবা পান, সে বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।</p>
<p data-start="1588" data-end="1825">বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে চালু হওয়া এ উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন স্থানীয় খামারি ও ক্রেতারা। তাদের মতে, অনেক সময় পশুর প্রকৃত স্বাস্থ্যগত অবস্থা নিয়ে সন্দেহ থাকে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মাধ্যমে পরীক্ষা করাতে পারায় এখন তারা অনেকটাই নিশ্চিন্ত।</p>
<p data-start="1827" data-end="1929">এক খামারি বলেন, অনেকেই পশুর রোগ সম্পর্কে বুঝতে পারেন না। এখানে সহজেই পরামর্শ ও চিকিৎসা পাওয়া যাচ্ছে।</p>
<p data-start="1931" data-end="2077">আরেক ক্রেতা জানান, কোরবানির আগে পশু সুস্থ কি না তা নিয়ে দুশ্চিন্তা থাকে। মেডিক্যাল বুথ থাকায় এখন পশু পরীক্ষা করিয়ে নিশ্চিন্তে বাড়ি নেওয়া যাচ্ছে।</p>
<p data-start="2079" data-end="2101"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>/ডিবিটেক/ এআর/ ইকে/</strong></span></em></p>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div class="mt-3 w-full empty:hidden">
<div class="text-center"></div>
</div>
</div>
</div>
</section>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>যশোরে টেকসই কৃষি সম্প্রসারণ প্রকল্পের মূল্যায়ন কর্মশালা অনুষ্ঠিত</title>
<link>https://digibanglatech.news/177833</link>
<guid>https://digibanglatech.news/177833</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202605/image_870x580_6a1334c6c3459.jpg" length="106587" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 24 May 2026 11:27:08 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>টেকসই কৃষি সম্প্রসারণ প্রকল্প, যশোর কৃষি কর্মশালা, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্র, কৃষি উন্নয়ন বাংলাদেশ, কৃষক সহায়তা প্রকল্প, আঞ্চলিক কৃষি পরিকল্পনা, যশোর কৃষি সংবাদ</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>টেকসই কৃষি সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় অঞ্চল পর্যায়ের বার্ষিক মূল্যায়ন ও পরিকল্পনা কর্মশালা ২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে যশোরে। কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, স্থানীয় চাহিদাভিত্তিক পরিকল্পনা এবং কৃষকবান্ধব উদ্যোগ নিয়ে কর্মশালায় আলোচনা করা হয়।</p>
<p>যশোর অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালকের কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে ২৪ মে, রবিবার এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।</p>
<p>কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন আলমগীর বিশ্বাস। তিনি বলেন, কৃষির ধারাবাহিক অগ্রগতির পেছনে শুধু প্রকল্প বা কৃষি বিভাগের অবদান নয়, কৃষকদের পরিশ্রম, ধৈর্য ও ত্যাগও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।</p>
<p>তিনি আরও বলেন, স্থানীয় কৃষি প্রকল্পগুলো কৃষকদের সঙ্গে কৃষি বিভাগের কার্যকর সংযোগ তৈরি করছে। ফলে আঞ্চলিক প্রকল্পগুলো কৃষি উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।</p>
<p>কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন নূরে আলম সিদ্দিকী। তিনি বলেন, আঞ্চলিক প্রকল্পগুলো স্থানীয় কৃষকদের চাহিদা অনুযায়ী পরিকল্পনা করা সম্ভব হয়। এজন্য এসব প্রকল্পের সফলতাও বেশি।</p>
<p>প্রকল্প পরিচালক রবিউল ইসলাম মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। তিনি প্রকল্পের কার্যক্রমের পাশাপাশি সফল কৃষকদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।</p>
<p>তিনি জানান, প্রকল্পের আওতায় প্রতিটি উপজেলায় কৃষিপণ্য উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্র স্থাপন করা হবে। সেখানে কৃষকেরা উৎপাদিত পণ্য ধোয়া, পরিষ্কার ও বাছাইয়ের কাজ করতে পারবেন। পাশাপাশি কৃষকদের জরুরি বৈঠকের ব্যবস্থাও থাকবে।</p>
<p>কর্মশালায় স্বাগত বক্তব্য দেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, যশোরের উপপরিচালক মো. মোশাররফ হোসেন।</p>
<p>এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন মো. হাসান ওয়ারিসুল কবীর, আকতার জাহান কাকন এবং সৈয়দ মো. মিজানুর রহমান।</p>
<p>কর্মশালায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, কৃষক-কৃষাণী এবং গণমাধ্যমকর্মীরা অংশ নেন।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong> /ডিবিটেক/ সিসিই/ইকে/</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ডুয়েট উপাচার্যের সঙ্গে এনপিসিবিএল প্রতিনিধিদলের মতবিনিময়</title>
<link>https://digibanglatech.news/177562</link>
<guid>https://digibanglatech.news/177562</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202605/image_870x580_6a112a0347913.jpg" length="380685" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 22 May 2026 20:18:42 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-start="64" data-end="290">ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইকবালের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেছে নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড (এনপিসিবিএল)-এর একটি প্রতিনিধিদল।</p>
<p data-start="64" data-end="290">২২ মে, শুক্রবার ডুয়েটে অনুষ্ঠিত এ সাক্ষাতে প্রতিনিধিদল নবনিযুক্ত উপাচার্যকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানায়।</p>
<p data-start="390" data-end="628">মতবিনিময় সভায় দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা, পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি এবং টেকসই উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইকবাল বলেন, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।</p>
<p data-start="632" data-end="822">তিনি বলেন, ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা, বৈশ্বিক উষ্ণায়ন এবং প্রাকৃতিক সম্পদের সীমাবদ্ধতার প্রেক্ষাপটে বিজ্ঞান, প্রকৌশল ও প্রযুক্তিনির্ভর পরিবেশবান্ধব জ্বালানি ব্যবস্থার বিকাশ এখন সময়ের দাবি।</p>
<p data-start="826" data-end="1118">উপাচার্য আরও বলেন, উন্নত দেশগুলোর সহযোগিতা ও দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি করে এ খাতে বাংলাদেশকে আরও এগিয়ে নিতে হবে। ডুয়েটের দক্ষ গ্র্যাজুয়েটরা ইতোমধ্যে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও যোগাযোগসহ বিভিন্ন খাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রেও অনেক গ্র্যাজুয়েট কর্মরত আছেন বলে জানান তিনি।</p>
<p data-start="1122" data-end="1308">তিনি আরও বলেন, দেশের অন্যতম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে ডুয়েট ভবিষ্যতেও জাতীয় উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং এনপিসিবিএলের সঙ্গে যৌথ সহযোগিতা সম্প্রসারণের সুযোগ রয়েছে।</p>
<p data-start="1312" data-end="1561">সভায় ডুয়েটের মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মমতাজ বেগম, আইকিউএসি পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. ওবায়দুর রহমানসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p data-start="1565" data-end="1856">এনপিসিবিএল প্রতিনিধিদলে ছিলেন কোম্পানি সচিব এস. আব্দুর রশিদ এফসিএস, ব্যবস্থাপক মো. ওয়াজিহুর রহমান ও মো. আব্দুস সোবহান, সিনিয়র সহকারী ব্যবস্থাপক মো. সোহেল রানা, ডেপুটি চিফ সুপারিনটেনডেন্ট এস.এম. মাহমুদ আরাফাত এবং হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট সুপারিনটেনডেন্ট মো. গোলাম শাহীনুর ইসলামসহ অন্যরা।</p>
<p data-start="1860" data-end="2051">প্রসঙ্ড়গত, এনপিসিবিএল বাংলাদেশ সরকারের মালিকানাধীন একটি প্রতিষ্ঠান, যা রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ ভবিষ্যতের পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ, পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব পালন করে।</p>
<p data-start="2055" data-end="2190" data-is-last-node="" data-is-only-node=""><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>/ডিবিটেক/এডি/এমইউএম</strong></span></em><br><br></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>‘বিডি ফার্মমেট&#45;এআই’ অ্যাপ  তৈরি করলেন বাকৃবির গবেষকেরা</title>
<link>https://digibanglatech.news/177518</link>
<guid>https://digibanglatech.news/177518</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202605/image_870x580_6a105d9b1d072.jpg" length="126243" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 22 May 2026 00:44:17 +0600</pubDate>
<dc:creator>ক্যাম্পাস করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>কৃষকদের সেচ, সার প্রয়োগ, বালাইনাশক ব্যবহার ও পোকামাকড় দমনসহ কৃষিকাজের নানা সমস্যা সমাধানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক কৃষি অ্যাপ তৈরি করেছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) একদল গবেষক। ‘বিডি ফার্মমেট-এআই’ নামে এই অ্যাপটি কৃষকদের জন্য সমন্বিত ডিজিটাল সেবা প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে।</p>
<p>বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের ‘কম্পিউটার ও সফটওয়্যার প্রকৌশল উচ্চশিক্ষা উন্নয়ন প্রকল্প’-এর আওতায় দুই বছর মেয়াদি এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গবেষকেরা জানান, প্রকল্পের আওতায় পূর্ণাঙ্গ অ্যান্ড্রয়েড ও ওয়েবভিত্তিক এআই প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা হবে।</p>
<p>গবেষকদের মতে, বর্তমানে কৃষি খাতে এমন কোনো সমন্বিত প্ল্যাটফর্ম নেই, যেখানে কৃষক, ব্যবসায়ী, সেবাদাতা ও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো একসঙ্গে যুক্ত থাকতে পারবেন। ফলে কৃষকেরা সময়মতো প্রয়োজনীয় তথ্য ও সেবা পান না।</p>
<p>প্রকল্পের প্রধান গবেষক বাকৃবির কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ম্যাথমেটিক্স বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. রাকিব হাসান বলেন, একটি সমন্বিত প্ল্যাটফর্ম তৈরির মাধ্যমে কৃষকের কাছে সহজে সব তথ্য ও সেবা পৌঁছে দেওয়াই তাদের লক্ষ্য। এতে ফার্ম ব্যবস্থাপনা, বাজার পরিস্থিতি, আবহাওয়া, রোগবালাই ও বালাইনাশক সম্পর্কিত তথ্য পাওয়া যাবে।</p>
<p>তিনি বলেন, কৃষকরা অনেক সময় ভালো ফলন পেলেও সঠিক বাজারসংযোগের অভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। পাশাপাশি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সীমিত জনবল সব কৃষকের কাছে পৌঁছাতে পারে না। এই প্ল্যাটফর্ম কৃষকদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ তৈরি করবে এবং কৃষিখাতের তথ্য ঘাটতি কমাবে।</p>
<p>অ্যাপটির ‘প্যাডি ক্যালেন্ডার’ ফিচার কৃষকদের সময়ভিত্তিক করণীয় সম্পর্কে স্বয়ংক্রিয় সতর্কবার্তা দেবে। কখন সেচ, সার প্রয়োগ বা ফসল কাটতে হবে, এমনকি আবহাওয়ার পরিবর্তনের তথ্যও জানাবে এআই সিস্টেম। এছাড়া ‘ফটো ডাক্তার’ ফিচারে আক্রান্ত ফসলের ছবি আপলোড করলে রোগ শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় ওষুধ ও ডোজ সম্পর্কে পরামর্শ দেবে।</p>
<p>প্রকল্পের সহযোগী গবেষক হিসেবে রয়েছেন সহযোগী অধ্যাপক ড. মেছবাহ উদ্দিন, কৃষি শক্তি ও যন্ত্র বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. রোস্তম আলী এবং দক্ষিণ কোরিয়ার সিউল ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ড. হাক জিন কিম।</p>
<p>রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট গ্রান্টের অর্থায়নে পরিচালিত এ প্রকল্পের কার্যক্রম চলতি বছরের ২০ জানুয়ারি শুরু হয়েছে। এটি ২০২৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে।</p>
<p>সম্প্রতি প্রকল্পের আওতায় ধানচাষিদের নিয়ে উদ্বোধনী কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন বাকৃবির উপাচার্য (দায়িত্বপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. জি এম মুজিবর রহমান, কৃষি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল মজিদ, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ম্যাথমেটিক্স বিভাগের প্রধান মো. সাইদ ইফতেখার ইউসুফসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও ময়মনসিংহ অঞ্চলের ধানচাষিরা।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>৥ ডিবিটেক/এডি/এমইউআইএম</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>জলবায়ু স্থিতিশীলতায় প্রকৃতি&#45;ভিত্তিক প্রযুক্তির ওপর জোর</title>
<link>https://digibanglatech.news/177078</link>
<guid>https://digibanglatech.news/177078</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202605/image_870x580_6a0c68091c4cc.jpg" length="58278" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 19 May 2026 16:39:49 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় প্রকৃতি-ভিত্তিক প্রযুক্তি ও টেকসই সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন দক্ষিণ এশিয়ার বিশেষজ্ঞরা। তারা বলেছেন, পরিবেশগত ঝুঁকি কমাতে এবং খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর প্রকৃতি-ভিত্তিক সমাধান এখন অপরিহার্য।</p>
<p>১৯ মে, মঙ্গলবার সার্ক কৃষি কেন্দ্র আয়োজিত আঞ্চলিক ওয়েবিনারে এমন অভিমত জানান সার্কভুক্ত দেশের গবেষক, শিক্ষাবিদ, নীতিনির্ধারক, বিশেষজ্ঞ ও শিক্ষার্থীরা। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন ড. রাজা উল্লাহ খান।</p>
<p>উদ্বোধনী বক্তব্যে ড. মো. হারুনূর রশীদ বলেন, টেকসই প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনায় আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদার করা জরুরি। তিনি বলেন, প্রকৃতি-ভিত্তিক সমাধান জলবায়ু স্থিতিশীলতা বৃদ্ধি, খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।</p>
<p>ওয়েবিনারে এশিয়ান ডিজাস্টার প্রিপেয়ারনেস সেন্টার-এর প্রোগ্রাম ম্যানেজার ড. রিশিরাজ দত্ত প্রকৃতি-ভিত্তিক সমাধানকে জাতীয় উন্নয়ন কৌশলে অন্তর্ভুক্ত করার ওপর গুরুত্ব দেন। তিনি বলেন, এসব পদ্ধতি দুর্যোগের ঝুঁকি কমানোর পাশাপাশি পরিবেশগত ও সামাজিক সুবিধা তৈরি করতে পারে।</p>
<p>তিনি এশিয়ার বিভিন্ন সফল উদাহরণ তুলে ধরে কার্যকর বাস্তবায়নের জন্য শক্তিশালী নীতিগত সহায়তা ও জনগণের সম্পৃক্ততার আহ্বান জানান। ড. রিশিরাজ দত্ত বলেন, “প্রকৃতি-ভিত্তিক সমাধান এখন আর বিকল্প নয়। দক্ষিণ এশিয়ায় জলবায়ু স্থিতিশীলতা ও জীবিকা সুরক্ষায় এটি অপরিহার্য।”</p>
<p>আরেকটি উপস্থাপনায় আইআরআইডিআর-এর টেকনিক্যাল ডিরেক্টর এবং গ্লোবাল ওয়েটল্যান্ড টেক অ্যাসোসিয়েশন-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট ড. ফাবিও মাসি বর্জ্য পানি পরিশোধন ও পুনর্ব্যবহারে কম খরচের প্রযুক্তিনির্ভর পদ্ধতি তুলে ধরেন। তিনি বৃত্তাকার অর্থনীতি, চিকিৎসা জলাভূমি প্রযুক্তি এবং পানি পুনর্ব্যবহারের মাধ্যমে জলবায়ু-স্থিতিশীল সম্প্রদায় গড়ে তোলার বিষয় ব্যাখ্যা করেন।</p>
<p>ওয়েবিনারের শেষ পর্যায়ে অংশগ্রহণকারীরা কৃষি ও পরিবেশ ব্যবস্থাপনায় প্রকৃতি-ভিত্তিক সমাধানের বাস্তব প্রয়োগ নিয়ে মতবিনিময় করেন।</p>
<p>সমাপনী বক্তব্যে তানভীর আহমেদ তরফদার সার্ক কৃষি কেন্দ্রের উদ্যোগের প্রশংসা করেন। তিনি টেকসই ও জলবায়ু-স্থিতিশীল উন্নয়নে আঞ্চলিক সহযোগিতা আরও জোরদারের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।<br><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এবি/এমইউএম</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>কৃষি সেচ শতভাগ সোলারের আওতায় আনা হচ্ছে: কৃষিমন্ত্রী</title>
<link>https://digibanglatech.news/176784</link>
<guid>https://digibanglatech.news/176784</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202605/image_870x580_6a09b546c3c3d.jpg" length="80793" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 17 May 2026 22:32:26 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-path-to-node="4">দেশের কৃষি সেচ ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণভাবে সৌরবিদ্যুৎ বা সোলারের আওতায় আনার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। চলতি বছর থেকেই এর বাস্তবায়ন শুরু হবে বলে জানিয়েছেন কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।</p>
<p data-path-to-node="5">১৭ মে, রবিবার রাজধানীর খামারবাড়িস্থ বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) মিলনায়তনে আন্তর্জাতিক কৃষি গবেষণা পরামর্শক কমিটির ১০ম সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানান।</p>
<p data-path-to-node="7">সবার জন্য নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার ওপর সর্বোচ্চ জোর দিয়ে কৃষিমন্ত্রী বলেন, "খাদ্য উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাতকরণসহ প্রতিটি পর্যায়ে আমাদের কড়া নজর রাখতে হবে। খাদ্যের মধ্যে কোনোভাবেই যেন হেভি মেটাল বা ভারী ধাতু প্রবেশ না করে, তা নিশ্চিত করা আমাদের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।"</p>
<p data-path-to-node="9">বাংলাদেশের মাটি ও আবহাওয়াকে কৃষির জন্য অত্যন্ত অনুকূল উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ বিশ্বের খাদ্য উৎপাদনের একটি অন্যতম 'হাব' বা কেন্দ্র হতে পারে। তিনি যোগ করেন, "আমাদের কৃষিকে রপ্তানিমুখী করার বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে। যতক্ষণ না কৃষি একটি প্রধান রপ্তানি পণ্য হিসেবে দাঁড়াচ্ছে, ততক্ষণ দেশের অর্থনীতি পুরোপুরি স্থির বা শক্তিশালী হবে না।"</p>
<p data-path-to-node="12">জমিতে রাসায়নিক সারের ব্যবহার কমানোর জন্য গবেষকদের বিশদভাবে কাজ করার আহ্বান জানান মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। তিনি সতর্ক করে বলেন, সারের অতিব্যবহার পরিবেশ, জমি এবং মানবস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। তাই এই ক্ষতিকর প্রবণতা থেকে আমাদের দ্রুত বের হয়ে আসতে হবে।</p>
<p data-path-to-node="13">বিএআরসির নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং সিজিআইএআর পরামর্শক কমিটির চেয়ারপারসন ড. আবদুছ ছালামের সভাপতিত্বে এ সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সচিব ড. রফিকুল ই মোহামেদ। এছাড়া বিভিন্ন অংশীজন ও সহযোগী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা সভায় অংশ নেন।</p>
<p data-path-to-node="13"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/আরই/এমআই</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ধানের দেশে ভুট্টার হাসি</title>
<link>https://digibanglatech.news/176682</link>
<guid>https://digibanglatech.news/176682</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202605/image_870x580_6a0678be2b1a8.jpg" length="752947" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 15 May 2026 06:03:27 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>গবেষণা ও কৃষি প্রযুক্তির কল্যাণে ধানের লোকসান ভুলে ভুট্টার সোনালি হাসিতে সচ্ছলতার স্বপ্ন দেখছেন কুড়িগ্রামের কৃষকরা। জেলার রৌমারীর যে জমিতে একসময় ফসল ফলিয়ে কৃষকের মুখে হাসি ফুটত না, আজ সেই জমিই হয়ে উঠেছে স্থানীয় গ্রামীণ অর্থনীতির আশার আলো। উপজেলার বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে এখন কেবল সোনালি দানার হাইব্রিড ভুট্টার সমারোহ। ধানের তুলনায় কম ঝুঁকি এবং অধিক লাভের কারণে এই অঞ্চলের কৃষকদের কাছে এখন ধান চাষের প্রধান বিকল্প হয়ে উঠছে বিএডিসি হাইব্রিড-৩ (বি-৩৩৫৫) জাতের ভুট্টা।</p>
<p>সরেজমিনে রৌমারীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, ভোরের সূর্য ওঠার সঙ্গে সঙ্গেই কৃষকরা ব্যস্ত হয়ে পড়ছেন ভুট্টা ক্ষেতের পরিচর্যায়। কয়েক বছর আগেও যারা ধানের ফলন বিপর্যয় ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে দিশেহারা ছিলেন, আজ তারা হাইব্রিড ভুট্টার ফলনে নতুন জীবনের স্বপ্ন দেখছেন। বৃহস্পতিবার উপজেলার দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়নের বালুরগ্রাম এলাকায় বিএডিসির উদ্যোগে আয়োজিত এক ‘ক্রপ কাটিং ও মাঠ দিবস’ অনুষ্ঠানে এই সাফল্যের চিত্র ফুটে ওঠে।</p>
<p>অনুষ্ঠানে বালুরগ্রাম এলাকার কৃষক আব্দুল মতিন জানান, মাত্র এক বিঘা জমিতে ছয় প্যাকেট বীজ চাষ করে তিনি অভাবনীয়ভাবে ৮৫ মণ ভুট্টা পেয়েছেন। বর্তমানে বাজারে প্রতি মণ ভুট্টা ১১৫০ থেকে ১২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তার মতে, এই জাতের ভুট্টার দানা যেমন পুষ্ট, তেমনি ঝড়-বৃষ্টিতেও গাছ হেলে পড়ে না। আরেক কৃষক শাহিন আলমও একই জমিতে প্রায় ৯০ মণের মতো ফলন পেয়ে অত্যন্ত খুশি। স্থানীয় কৃষকদের মতে, কম সময়ে বেশি ফলন এবং ভালো বাজারমূল্য থাকায় দিন দিন ভুট্টার আবাদি জমির পরিমাণ বাড়ছে।</p>
<p>১৪ মে, বৃহস্পতিবার মাঠ দিবসে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএডিসির প্রকল্প পরিচালক হুমায়ুন কবীর বলেন, বিএডিসি হাইব্রিড-৩ জাতের এই ভুট্টা প্রতিকূল আবহাওয়াতেও টিকে থাকতে সক্ষম এবং রোগ প্রতিরোধী। এটি চাষ করে কৃষকরা একদিকে যেমন বেশি ফলন পাচ্ছেন, অন্যদিকে আর্থিকভাবেও লাভবান হচ্ছেন। উচ্চ ফলনশীল এই বীজ দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও কৃষকের আয় বৃদ্ধিতে বড় ভূমিকা রাখছে।</p>
<p>জামালপুর বিএডিসির উপপরিচালক প্রিয়তোষ রায়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. উজ্জ্বল কুমার নাথ, রৌমারী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহবুবুল আলম বসুনিয়াসহ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা। কৃষি বিশেষজ্ঞদের মতে, চরাঞ্চল ও বেলে-দোআঁশ মাটিতে ধানের চেয়ে ভুট্টা চাষ অনেক বেশি সাশ্রয়ী। সেচ ও সারের খরচ কম হওয়ায় এবং বাজারদর স্থিতিশীল থাকায় রৌমারী ও রাজীবপুর এলাকার কৃষকদের কাছে ভুট্টা এখন এক নিরাপদ ও সচ্ছল আগামীর প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/এএস/এমআই</strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>কৃষিখাতে সম্পদের অপচয় রোধে সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রীর</title>
<link>https://digibanglatech.news/176665</link>
<guid>https://digibanglatech.news/176665</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202605/image_870x580_6a05f624e9773.jpg" length="102989" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 15 May 2026 00:20:34 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>কৃষিখাতের সম্পদের অপচয় রোধ এবং আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।</p>
<p>১৪ মে, বৃহস্পতিবার রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি) সেমিনার হলে আয়োজিত “Agricultural Mechanization &amp; Irrigation in Bangladesh: Opportunities &amp; Constraints” শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান। কৃষি প্রকৌশল বিভাগ, ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি) এ সেমিনারের আয়োজন করে।</p>
<p>প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের অর্থনীতি, খাদ্য নিরাপত্তা এবং গ্রামীণ জীবনমান উন্নয়নে কৃষির অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কৃষিখাতের বিদ্যমান সমস্যা ও সম্ভাবনাগুলো সঠিকভাবে চিহ্নিত করে পরিকল্পিতভাবে এগোতে হবে। তিনি পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের বিভিন্ন কার্যক্রমের কথা তুলে ধরে বলেন, গ্রামীণ অর্থনীতি শক্তিশালী করা এবং কৃষিভিত্তিক কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে এ বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।</p>
<p>তিনি কৃষিখাতে পৃথক কৃষি প্রকৌশল অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন। মীর শাহে আলম বলেন, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও স্থানীয় সরকার খাতে পৃথক প্রকৌশল অধিদপ্তর সফলভাবে কাজ করছে। একইভাবে কৃষিখাতেও বিশেষায়িত কৃষি প্রকৌশল অধিদপ্তর গঠন করা হলে কৃষি অবকাঠামো উন্নয়ন, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং মাঠপর্যায়ের সেবার মান আরও বাড়বে।</p>
<p>সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সচিব ড. রফিকুল ই মোহামেদ, আইইবি’র সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. ইঞ্জি. মো. সাব্বির মোস্তফা খান, ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার শাহরিন ইসলাম তুহিন, আইইবি’র ভাইস প্রেসিডেন্ট খান মঞ্জুর মোর্শেদ এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কৃষিবিদ মো. আব্দুর রহিম।</p>
<p>অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. ইঞ্জি. মোহাম্মদ আশিক-ই-রব্বানী।</p>
<p>আইইবি’র কৃষি প্রকৌশল বিভাগের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী গোলাম মাওলার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে শিক্ষক, গবেষক ও নীতিনির্ধারকরা অংশ নেন। বক্তারা বলেন, কৃষির আধুনিকায়ন, টেকসই পানি ব্যবস্থাপনা এবং প্রযুক্তিনির্ভর উৎপাদন ব্যবস্থার প্রসারে সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি।</p>
<p>সেমিনারে উত্থাপিত সুপারিশ বাস্তবায়িত হলে দেশের কৃষিখাত আরও আধুনিক, দক্ষ ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন হয়ে উঠবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/এআইএফ/ইকে</strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ফের চালু ডিএপি সার কারখানা</title>
<link>https://digibanglatech.news/175969</link>
<guid>https://digibanglatech.news/175969</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202605/image_870x580_69ff7ddf669a0.jpg" length="135181" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 09 May 2026 20:33:29 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>অ্যামোনিয়া সংকট কাটিয়ে ফের উৎপাদনে ফিরেছে ডিএপি ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল)। </p>
<p>কর্ণফুলি ফার্টিলাইজার কোম্পানি (কাফকো)চালুর এক দিন পর ৯ মে, শনিবার বিকালে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত কারখানাটিতে পুনরায় উৎপাদন শুরু হয়। এর ফলে দেশে সার উৎপাদন ও সরবরাহ পরিস্থিতিতে স্বস্তি ফিরবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।</p>
<p>এ নিয়ে ডিএপিএফসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ মঈনুল হক জানান, গত ২ মে কাফকোতে উৎপাদন শুরু হওয়ার পর ডিএপিএফসিএলে অ্যামোনিয়া সরবরাহ স্বাভাবিক হয়। এরপর কয়েকদিন ধরে প্রয়োজনীয় অ্যামোনিয়া মজুত ও কারিগরি প্রস্তুতি সম্পন্ন করে শনিবার থেকে পুনরায় উৎপাদন কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।</p>
<p>তিনি বলেন, কারখানাটি সচল থাকলে বর্তমানে প্রতিদিন ৬০০ থেকে ৭০০ টন ইউরিয়া উৎপাদন সম্ভব হবে।</p>
<p>এর আগে অ্যামোনিয়ার সংকট দেখা দেওয়ায় গত ১৮ এপ্রিল ডিএপিএফসিএলের উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়।</p>
<p>শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি) নিয়ন্ত্রিত ডিএপিএফসিএল ২০০৬ সালে নির্মাণকাজ শেষ করে বাণিজ্যিকভাবে ডিএপি সার উৎপাদন শুরু করে।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/এমআই/ইকে</strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>আকস্মিক বন্যা থেকে রক্ষায়  আশা জাগাচ্ছে বোরো ধান</title>
<link>https://digibanglatech.news/175703</link>
<guid>https://digibanglatech.news/175703</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news" length="4096" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 05 May 2026 00:00:00 +0600</pubDate>
<dc:creator>ক্যাম্পাস করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>হাওরাঞ্চলে আকস্মিক বন্যার ঝুঁকি কমাতে স্বল্পমেয়াদি বোরোধান চাষে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) গবেষকরা। ৩৬ বছরের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, হাওরে আগাম বন্যার সবচেয়ে বেশি প্রকোপ মে মাসে প্রায় ৫০ শতাংশ, আর এপ্রিলের শেষার্ধে প্রায় ৪২ শতাংশ। এর তুলনায় মার্চের শেষভাগ ও এপ্রিলের প্রথমার্ধে ঝুঁকি তুলনামূলক কম। এই পরিস্থিতিতে এপ্রিলের মাঝামাঝির আগেই ধান কেটে ফেলতে পারলে বড় ধরনের ক্ষতি এড়ানো সম্ভব বলে জানিয়েছেন গবেষকরা।</p>
<p>হাওরাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বোরোধান চাষের সুবিধা নিয়ে ৪ মে, সোমবার <span> বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফসল উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের সম্মেলনকক্ষে </span>অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এমনটাই জানিয়েছেন গবেষণা দলের প্রধান ও ফসল উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. হাবিবুর রহমান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সহযোগী গবেষক অধ্যাপক ড. ইসরাত জাহান শেলীসহ সংশ্লিষ্ট স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থীরা।</p>
<p>গবেষকদের তথ্য অনুযায়ী, দেশে মোট ধান উৎপাদনের প্রায় ৬০ শতাংশ আসে বোরো মৌসুম থেকে। এর মধ্যে আবার মোট বোরো উৎপাদনের প্রায় ১৮ শতাংশ আসে হাওরাঞ্চল থেকে। তবে প্রায় প্রতি বছরই আগাম বন্যায় ১০ থেকে ১০০ শতাংশ পর্যন্ত ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়। যেহেতু হাওরের প্রধান ফসল বোরো ধান, তাই বন্যার আগেই ফসল কেটে ফেলাই সবচেয়ে কার্যকর সমাধান বলে মনে করছেন গবেষকরা।</p>
<p>তাদের মতে, দীর্ঘমেয়াদি জাতের পরিবর্তে স্বল্পমেয়াদি ধান চাষ করলে ১৫ থেকে ২০ দিন আগে ফসল পরিপক্ক হয়, ফলে বন্যার আগেই ধান কাটা সম্ভব হয়।</p>
<p>অধ্যাপক ড. মো. হাবিবুর রহমান প্রামানিক বলেন, ‘হাওর অঞ্চলে নিরাপদ বোরোধান উৎপাদনে স্বল্পমেয়াদি ধান জাতের জনপ্রিয়করণ’ প্রকল্পটি ২০২০ সাল থেকে পরিচালিত হচ্ছে। তিনি জানান, সাধারণত ডিসেম্বরের শেষ বা জানুয়ারির শুরুতে বোরো ধান রোপণ করা হয়, কিন্তু প্রচলিত জাত এপ্রিলের শেষ বা মে মাসে পাকে, যখন বন্যার ঝুঁকি সর্বোচ্চ থাকে। ফলে অনেক সময় কৃষকেরা ফসল ঘরে তুলতে পারেন না।</p>
<p>তিনি আরও বলেন, বৈশাখ–জ্যৈষ্ঠে আগাম বন্যা শুরু হওয়ার আগেই যদি ধান কাটা যায়, তাহলে বড় ধরনের ক্ষতি এড়ানো সম্ভব। এজন্য স্বল্পমেয়াদি জাত চাষে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে, যা প্রচলিত জাতের তুলনায় ১৫–২০ দিন আগে পাকে।</p>
<p>তিনি জানান, বহুল ব্যবহৃত ব্রি ধান ৯২-এর জীবনকাল ১৬০ দিন এবং এটি সাধারণত ডিসেম্বরের শেষে রোপণ করা হয়। তবে এর ফলে এপ্রিলের শেষ বা মে মাসে পাকা সময়ে বন্যার ঝুঁকি তৈরি হয়। অন্যদিকে ব্রি ধান ৮৮, ১০১, ১১৩, ১০৫ এবং ২৫-এর মতো স্বল্পমেয়াদি জাত একই সময়ে রোপণ করেও আগেই সংগ্রহ করা যায়।</p>
<p>এসব স্বল্পমেয়াদি জাতের জীবনকাল প্রায় ১৪৫ দিন, ফলে এপ্রিলের প্রথমার্ধেই ফসল কাটা সম্ভব হয় বলে জানান তিনি।</p>
<p>গবেষণার সাফল্যের উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন, ব্রি ধান ৮৮ জাত ২৬ ডিসেম্বর রোপণ করে ৮ এপ্রিল কাটা হয়েছে, যা বন্যার ক্ষতি থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত ছিল। একইভাবে সুনামগঞ্জ ও অষ্টগ্রামে নির্ধারিত সময়ের আগেই ফসল কেটে কৃষকেরা উপকৃত হয়েছেন। আইটনা এলাকায় ব্রি ধান ১১৩ জানুয়ারির ১০ তারিখে রোপণ করে ১৭ এপ্রিল কাটা সম্ভব হয়েছে, যেখানে দীর্ঘমেয়াদি ব্রি ধান ৯২ তখনো কাটার উপযোগী হয়নি।</p>
<p>হাওরে বোরো চাষে ঝুঁকির দিকগুলো তুলে ধরে তিনি বলেন, তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির নিচে নামলে বা ৩৫ ডিগ্রির বেশি হলে ধান চিটা হয়ে যেতে পারে। এছাড়া শিলাবৃষ্টি ও অতিবৃষ্টিও ফসলের ক্ষতি করে। তাই এমন সময় রোপণ করা জরুরি যাতে এসব ঝুঁকি এড়ানো যায়, এবং এর জন্য ১০ জানুয়ারির মধ্যে চারা রোপণের পরামর্শ দেন তিনি।</p>
<p>তবে স্বল্পমেয়াদি ধানের একটি সীমাবদ্ধতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এতে উৎপাদন এক থেকে দেড় টন কম হয়, যার কারণে কৃষকদের আগ্রহ কম থাকে। কিন্তু দীর্ঘমেয়াদি জাত বন্যায় পড়লে পুরো ফসলই নষ্ট হয়ে যেতে পারে—এটি কৃষকেরা অনেক সময় বিবেচনায় নেন না।</p>
<p>তিনি আরও বলেন, এসব প্রযুক্তি ও জাত বিস্তারে সরকারি উদ্যোগ নেওয়া জরুরি, কারণ ঝুঁকি কমিয়ে ঘরে ফসল তোলা কৃষকের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/জিমি/এমইউআইএম</strong></span></em></p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>লবণাক্ততায় টিকে থাকতে ব্রি’র ২টি নতুন ধান উদ্ভাবন</title>
<link>https://digibanglatech.news/175664</link>
<guid>https://digibanglatech.news/175664</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news" length="4096" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 04 May 2026 00:00:12 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-start="232" data-end="538">বাংলাদেশের উপকূলীয় লবণাক্ত অঞ্চলে ধান উৎপাদন দীর্ঘদিন ধরেই একটি বড় চ্যালেঞ্জ। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে মাটির লবণাক্ততা বাড়ায় কৃষকেরা প্রায়ই উৎপাদনহ্রাসের মুখে পড়ছেন। এ প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) লবণাক্ততা সহনশীল উচ্চফলনশীল ধান জাত উদ্ভাবনে আধুনিক ও সমন্বিত ব্রিডিং কৌশল প্রয়োগ করছে।</p>
<p data-start="540" data-end="854">ব্রি’র এই cutting-edge salinity tolerant rice breeding কর্মসূচিতে প্রি-ব্রিডিং স্ট্র্যাটেজি এবং এলিট প্যারেন্টাল পুলের সমন্বয় করা হয়েছে। পাশাপাশি SNP-ভিত্তিক জিনোমিক তথ্য, কৃত্রিমভাবে লবণাক্ততা স্ক্রিনিং, এবং মাঠ ও নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে বহুমাত্রিক ব্রিডিং ট্রায়াল পরিচালনার মাধ্যমে সম্ভাবনাময় লাইন নির্বাচন করা হচ্ছে।</p>
<p data-start="856" data-end="1156">শুধু সহনশীলতা নয়, চালের গুণগত মানকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এ জন্য apparent amylose content, gel consistency এবং gelatinization temperature-এর মতো physicochemical বৈশিষ্ট্যের তথ্য বিশ্লেষণ করে এমন লাইন নির্বাচন করা হচ্ছে, যা প্রতিকূল পরিবেশে টিকে থাকার পাশাপাশি উৎপাদন ও মান—দুই ক্ষেত্রেই উৎকৃষ্ট।</p>
<p data-start="1158" data-end="1444">চলমান বোরো মৌসুমে এ কর্মসূচির আওতায় প্রায় ১,০০০টি উন্নত ব্রিডিং জেনোটাইপ মূল্যায়ন করা হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে ৬৫০টি OYT (Observational Yield Trial), ১৯৬টি PYT (Preliminary Yield Trial), ১১৮টি AYT (Advanced Yield Trial), ৩৬টি MLT (Multi-location Trial) এবং ৪১টি RYT (Regional Yield Trial)।</p>
<p data-start="1446" data-end="1802">এই গবেষণা কার্যক্রম ইতোমধ্যে উল্লেখযোগ্য সাফল্য দেখিয়েছে। সম্প্রতি লবণাক্ততা সহনশীল রোপা আমন মৌসুমের জন্য ‘ব্রি ধান১১২’ এবং বোরো মৌসুমের জন্য ‘ব্রি ধান১১৭’ উদ্ভাবন করা হয়েছে। এসব জাত শুধু লবণাক্ত পরিবেশেই নয়, অলবণাক্ত অনুকূল পরিবেশেও ভালো ফলন দিতে সক্ষম। বিশেষভাবে ‘ব্রি ধান১১৭’ জাতটি ব্লাস্ট রোগ প্রতিরোধেও সক্ষম, যা কৃষকদের জন্য অতিরিক্ত সুবিধা এনে দেবে।</p>
<p data-start="1804" data-end="2011">এছাড়া, রোপা আমন মৌসুমের জন্য সম্ভাবনাময় নতুন জাত হিসেবে ‘ব্রি ধান১১৯’ প্রস্তাবনার পর্যায়ে রয়েছে। একইসঙ্গে চলতি বোরো মৌসুমে আরও দুটি সম্ভাবনাময় লাইনের প্রস্তাবিত ভ্যারাইটি ট্রায়াল (PVT) কার্যক্রম চলমান রয়েছে।</p>
<p data-start="2013" data-end="2247">ব্রি’র গবেষকরা মনে করছেন, এসব আধুনিক ব্রিডিং কৌশল ও নতুন জাত উদ্ভাবনের মাধ্যমে উপকূলীয় কৃষি আরও টেকসই, সহনশীল ও উৎপাদনশীল হয়ে উঠবে। ফলে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি লবণাক্ত অঞ্চলের কৃষকদের জীবিকায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>১ বছরের মধ্যে গভীর ও অগভীর নলকূপে সৌরচালিত ব্যবস্থা বাস্তবায়ন</title>
<link>https://digibanglatech.news/175854</link>
<guid>https://digibanglatech.news/175854</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202605/image_870x580_69fed135cb369.jpg" length="99506" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 02 May 2026 18:16:38 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>দেশের শতভাগ সেচ পাম্পকে সৌরশক্তির আওতায় আনার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। গভীর ও অগভীর—সব ধরনের নলকূপে সোলারচালিত ব্যবস্থা চালুর জন্য প্রকল্প বাস্তবায়ন করার পরিকল্পনার কথা তুলে ধরলেন কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। </p>
<p>২ মে, শনিবার কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ বিতর্ক পরিষদ আয়োজিত নবম আন্তঃবিভাগ বিতর্ক প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্ব ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।</p>
<p>মন্ত্রী বলেন, সরকার আগামী এক বছরের মধ্যে দেশের সব সেচ পাম্প সোলারের আওতায় আনার চেষ্টা করবে। তাঁর ভাষায়, “সেচ পাম্প সোলারে চললে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয় হবে। এতে দেশের অর্থনীতি আরও গতিশীল হবে।”</p>
<p>তিনি আরও বলেন, দেশের অর্থনীতি মূলত কৃষিনির্ভর। নির্বাচনী অঙ্গীকারের অংশ হিসেবে সরকার ইতোমধ্যে কৃষক কার্ড চালু করেছে। এর মাধ্যমে কৃষিকে একটি সমন্বিত ডাটাবেজের আওতায় আনা হবে।</p>
<p>মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেন, কৃষক কার্ডের লক্ষ্য হলো চাহিদা অনুযায়ী ফসল উৎপাদন ও কৃষকের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা। অনলাইনভিত্তিক তথ্য ব্যবস্থার মাধ্যমে কৃষক জানতে পারবেন কোন জমিতে কী পরিমাণ ফসল চাষ করা প্রয়োজন। এতে অতিরিক্ত উৎপাদন কমবে এবং বাজারে ফসলের দামের ভারসাম্য বজায় থাকবে।</p>
<p>তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, সহশিক্ষা কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের বাস্তবমুখী করে তোলে এবং গণতন্ত্র চর্চায় যুক্তির বিকল্প নেই। একটি যুক্তিনির্ভর সমাজ গঠনে শিক্ষার্থীদের সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।</p>
<p>অনুষ্ঠান শেষে বিতর্ক প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে ট্রফি তুলে দেন মন্ত্রী।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এসআই/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>৩ মে থেকে হাওর অঞ্চলের ধান&#45;চাল সংগ্রহ শুরু করবে সরকার</title>
<link>https://digibanglatech.news/175629</link>
<guid>https://digibanglatech.news/175629</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202605/image_870x580_69f4d2a66cd78.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 01 May 2026 18:22:40 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-block-key="539m5">সিদ্ধ ও আতপ চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা এখনও নির্ধারিত হয়নি। কৃষকদের কাছ থেকে সরাসরি অ্যাপের মাধ্যমে ধান সংগ্রহ করা হবে এবং নির্বাচিত কৃষকদের অনলাইনে নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে। পাশাপাশি মিলারদের কাছ থেকে চুক্তির মাধ্যমে চাল সংগ্রহ করা হবে। কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে প্রতি কেজি ধানের মূল্য ৩৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সংগ্রহ কার্যক্রম আগামী ৩০ মে থেকে শুরু হয়ে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত চলবে।</p>
<p data-block-key="539m5">পূর্বের এমন সিদ্ধান্তের পরআকস্মিক জলোচ্ছ্বাসে ক্ষতিগ্রস্ত হাওর অঞ্চলের ৬টি জেলা, নেত্রকোণা, কিশোরগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, সিলেট, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জের কৃষকদের বোরো ধান ও চাল সংরক্ষণ এবং বিক্রয়ে সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সরকার। এ লক্ষ্যে ধান-চাল সংগ্রহের পূর্বনির্ধারিত তারিখ ১৫ মে এগিয়ে এনে আগামী ৩ মে থেকে হাওর অঞ্চলের কৃষকদের নিকট হতে সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু করা হবে।</p>
<p>১ মে, শুক্রবারখাদ্য মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ বিভাগ থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।</p>
<p>বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দেশের অন্যান্য জেলার কৃষকদের নিকট থেকে পূর্বনির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী ৩ মে ২০২৬ থেকে ধান এবং ১৫ মে ২০২৬ থেকে চাল সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হবে। আসন্ন বোরো মৌসুমে অভ্যন্তরীণ বাজার থেকে মোট ১৮ লাখ মেট্রিক টন ধান ও চাল কিনবে সরকার। </p>
<p>এর মধ্যে ৫ লাখ মেট্রিক টন ধান, ১২ লাখ মেট্রিক টন সিদ্ধ চাল এবং ১ লাখ মেট্রিক টন আতপ চাল কেনা হবে। প্রতি কেজি ধান ৩৬ টাকা, সিদ্ধ চাল ৪৯ টাকা এবং প্রতি কেজি আতপ চালের সংগ্রহ মূল্য ৪৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ধান-চালের পাশাপাশি ৩৬ টাকা দরে ৫০ হাজার মেট্রিক টন গমও কেনা হবে। এই সংগ্রহ অভিযান ৩১ আগস্ট পর্যন্ত চলবে।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এনএইচটি/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ডিজিটাল ইনক্লুশনে মানতা সম্প্রদায়ের উন্নয়নে বরিশালে নতুন উদ্যোগ ‘মানতা কানেক্ট’</title>
<link>https://digibanglatech.news/175602</link>
<guid>https://digibanglatech.news/175602</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69f37b1f40202.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 29 Apr 2026 21:56:57 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div class="ii gt" jslog="20277; u014N:xr6bB; 1:WyIjdGhyZWFkLWY6MTg2MzgxMDU2OTg3NzgzNjYzNSJd; 4:WyIjbXNnLWY6MTg2MzgxMDU2OTg3NzgzNjYzNSIsbnVsbCxudWxsLG51bGwsMSwwLFswLDAsMV0sNTMzLDM4NTUsbnVsbCxudWxsLG51bGwsbnVsbCxudWxsLDEsbnVsbCxudWxsLFswXSxudWxsLG51bGwsbnVsbCxudWxsLG51bGwsbnVsbCwwLDBd" id=":q7">
<div class="a3s aiL " id=":q6">
<div id="avWBGd-22">
<div dir="ltr">বরিশালের প্রান্তিক মানতা মৎস্যজীবী সম্প্রদায়ের মানুষকে ডিজিটাল আর্থিক সেবা, শিক্ষা ও জনস্বাস্থ্যসেবার আওতায় আনতে নতুন একটি প্রকল্প শুরু হয়েছে। ‘মানতা কানেক্ট’ নামের এই  উদ্যোগের মাধ্যমে জলেভাসা মানতা সম্প্রদায়ের জন্য ডিজিটাল আর্থিক অন্তর্ভুক্তি, শিক্ষা সহায়তা এবং সহজলভ্য কমিউনিটি স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। </div>
<div dir="ltr"></div>
<div dir="ltr">দি এশিয়া ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে যুব নেতৃত্বের সংগঠন ইয়ুথনেট গ্লোবাল। সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে থাকা মানতা সম্প্রদায়ের মানুষের ব্যাংকিং সেবা, স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষায় প্রবেশাধিকার সীমিত। নতুন এ প্রকল্পের মাধ্যমে তাঁদের আর্থিক অন্তর্ভুক্তি, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং মৌলিক সেবার সঙ্গে সংযুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।<br><br>ইয়ুথনেট গ্লোবালের নির্বাহী সমন্বয়কারী সোহানুর রহমানের সভাপতিত্বে ‘মানতা কানেক্ট’ নামে এ উদ্যোগের উদ্বোধনী সভা হয় মঙ্গলবার। নগরের একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন। তিনি বলেন, “উন্নয়ন তখনই অর্থবহ হয়, যখন সমাজের পিছিয়ে থাকা মানুষও তার সুফল পায়। কাউকে পেছনে ফেলে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। বৈষম্যহীন সমাজ গঠনে প্রত্যেক মানুষের অবদান দরকার। মানতা সম্প্রদায়ের জন্য এ উদ্যোগ প্রশংসনীয়। তাদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়াতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।”<br><br>তিনি আরও বলেন, “স্থানীয় সরকার, প্রশাসন ও সামাজিক সংগঠন একসঙ্গে কাজ করলে মানতা সম্প্রদায়ের মানুষের জীবনমান পরিবর্তন সম্ভব।”<br><br>মানতা বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের উপকূলীয় নদীগুলোতে নৌকায় বসবাসকারী একটি ভাসমান যাযাবর জেলে সম্প্রদায়। নদীভাঙনে নিঃস্ব হয়ে তারা প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে নদীতে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করে। তাদের অনেকেরই নেই স্থায়ী ঠিকানা, জমি বা আইনি পরিচয়। চরম দারিদ্র্য, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার অভাবের মধ্যে তারা নদীর বুকে সংগ্রামী জীবনযাপন করেন।<br><br>বাংলাদেশের বরিশাল বিভাগের মানতা জেলে সম্প্রদায় দেশের অন্যতম প্রান্তিক জনগোষ্ঠী। ভাসমান জীবনযাপনের কারণে তারা স্থায়ী শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও আর্থিক ব্যবস্থার বাইরে থেকে যাচ্ছে। অনেকের জন্মনিবন্ধন নেই, অনেক শিশু বিদ্যালয়ে ভর্তি হতে পারে না, জরুরি চিকিৎসাসেবা পেতে বিলম্ব হয়। অধিকাংশ পরিবারই আনুষ্ঠানিক ব্যাংকিং বা সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থার আওতার বাইরে। ভূমিহীনতা, নীতিগত স্বীকৃতির অভাব এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব এই সংকটকে আরও তীব্র করছে।<br>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x_69f37b1981924.jpg" alt=""></p>
<br><br>দি এশিয়া ফাউন্ডেশনের ইমপ্যাক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন ফান্ডের অর্থায়নে ইয়ুথনেট গ্লোবাল, জাগো ফাউন্ডেশন ট্রাস্ট ও ডকটাইম যৌথভাবে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে। আয়োজকেরা জানান, এ কর্মশালার মাধ্যমে সরকারি-বেসরকারি অংশীজন ও সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় ও যৌথ অঙ্গীকার গড়ে তোলা হবে, যা প্রকল্প বাস্তবায়নের ভিত্তি তৈরি করবে।<br><br>অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সিভিল সার্জন ডাঃ এস.এম. মনজুর-এ-এলাহী, বরিশাল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা: ফরিদা সুলতানা, মৎস্য অধিদপ্তরের সিনিয়র সহকারী পরিচালক মোঃ আনিসুজ্জামান, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো: শাহাবুদ্দিন সরদার, সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপপরিচালক এ.কে.এম আখতারুজ্জামান তালুকদার, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো: মোস্তফা কামাল এবং দি এশিয়া ফাউন্ডেশনের সিনিয়র প্রজেক্ট ম্যানেজার এ এম সাজ্জাদ খান।<br><br>স্বাগত বক্তব্য দেন ইয়ুথনেট গ্লোবালের সাধারণ সম্পাদক আরিফুর রহমান (শুভ) ও মানতা উন্নয়ন কমিটির সভাপতি জসিম সর্দার।<br><br>এ ছাড়া ‘মানতা জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন: জীবিকা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, জলবায়ু চ্যালেঞ্জ ও সমাধান’ শীর্ষক প্যানেল আলোচনায় বক্তব্য দেন সমাজসেবা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সাজ্জাদ পারভেজ, টুঙ্গিবাড়িয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নাদিরা জাহান, চরবাড়িয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহ আলম, মানতা নারী নেত্রী রাবেয়া বেগম প্রমুখ।<br>আলোচনায় বক্তারা বলেন, মানতা সম্প্রদায়ের শিশুদের শিক্ষায় যুক্ত করা, নারীদের আয়বর্ধক কাজে সম্পৃক্ত করা এবং স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য করতে সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি। সরকারি সহায়তার পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতাও বাড়াতে হবে।<br><br>সোহানুর রহমান বলেন, মানতা সম্প্রদায়ের মানুষের জন্য ডিজিটাল সেবা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসুবিধা পৌঁছে দিতে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। তাঁদের সক্ষমতা বাড়াতে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ও সচেতনতামূলক কার্যক্রমও থাকবে।<br><br>আয়োজকেরা জানান, প্রকল্পের মাধ্যমে ধাপে ধাপে মানতা সম্প্রদায়ের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও টেকসই সামাজিক অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হবে।</div>
<div class="yj6qo"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/ওয়াইএন/ইকে</strong></span></em></div>
<div class="adL"></div>
</div>
</div>
</div>
<div class="hq gt " id=":qj"></div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বাংলাদেশকে পটাশ সার দিতে আগ্রহী বেলারুশ</title>
<link>https://digibanglatech.news/175487</link>
<guid>https://digibanglatech.news/175487</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69f0bac26d8a7.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 28 Apr 2026 19:19:11 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>কৃষি যান্ত্রিকীকরণের পাশাপাশি বিশ্বের অন্যতম পটাশ সার উৎপাদনকারী দেশ হিসেবে বাংলাদেশে  এই সার সরবরাহে আগ্রহী বেলারুশ।</p>
<p> ২৮ ফেব্রুয়ারি, মঙ্গলবার কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আমিন উর রশিদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এ আগ্রহের কথা জানান বেলারুশের রাষ্ট্রদূত মিখাইল কাসকো। সচিবালয়ে কৃষি মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ হয়।</p>
<p>এসময় কৃষিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান অর্থনীতির দেশ। দেশের কৃষি খাতে আধুনিক প্রযুক্তির সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। বাংলাদেশে সার, বীজসহ আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির চাহিদা রয়েছে। ডেইরি ও প্রাণিসম্পদ খাতে সরকার উৎপাদন বাড়াতে কাজ করছে।</p>
<p>জবাবে রাষ্ট্রদূত মিখাইল কাসকো বলেন, বেলারুশ কৃষি ও প্রাণিসম্পদ খাতে বিশেষ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন। বাংলাদেশ আগ্রহী হলে কৃষি যান্ত্রিকীকরণেও তার দেশ সহযোগিতা করতে আগ্রহী।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/এসএ/ইকে</strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>লাল শৈবালে নতুন সম্ভাবনা</title>
<link>https://digibanglatech.news/175366</link>
<guid>https://digibanglatech.news/175366</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69f0278b9cc4d.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 28 Apr 2026 00:00:01 +0600</pubDate>
<dc:creator>ক্যাম্পাস করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>সমুদ্র উপকূলে অবহেলায় পড়ে থাকা প্রাকৃতিক সম্পদ লাল শৈবাল এখন নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলছে। দেশীয় সামুদ্রিক লাল শৈবাল ব্যবহার করে স্বল্পমূল্যে প্রসাধনী ও পুষ্টিকর খাদ্যপণ্য তৈরিতে প্রাথমিক সফলতা পেয়েছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) একদল গবেষক।</p>
<p>দীর্ঘ গবেষণার পর সামুদ্রিক লাল শৈবাল থেকে ফেস সিরাম, টুথপেস্ট, কুকিজ ও বিভিন্ন ধরনের পাই তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন তারা। উদ্ভাবিত এসব পণ্য বাজারে প্রচলিত কৃত্রিম পণ্যের সম্ভাবনাময় প্রাকৃতিক বিকল্প হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।</p>
<p>গবেষকরা জানান, বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে প্রচুর পরিমাণে Gracilaria প্রজাতির লাল শৈবাল পাওয়া যায়। গভীর সমুদ্রের এই উদ্ভিদে থাকা ‘ফাইকোএরিথ্রিন’ নামক রঞ্জকের কারণে এটি গাঢ় লাল বর্ণ ধারণ করে। এতে উচ্চমাত্রার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, প্রাকৃতিক পলিস্যাকারাইড, প্রোটিন, খাদ্যআঁশ ও প্রয়োজনীয় খনিজ উপাদান রয়েছে।</p>
<p>গবেষণা দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন বাকৃবির ফিশারিজ টেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. ফাতেমা হক শিখা। তার সঙ্গে একই বিভাগের স্নাতকোত্তর পর্যায়ের শিক্ষার্থীরাও কাজ করছেন।</p>
<p>ড. ফাতেমা হক শিখা জানান, সমুদ্রে সহজলভ্য এই শৈবালকে যদি মানুষের খাদ্য ও ত্বক পরিচর্যার কাজে লাগানো যায়, তাহলে একদিকে স্বাস্থ্যগত উপকার পাওয়া যাবে, অন্যদিকে দেশীয় সম্পদের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত হবে।</p>
<p>তার ভাষায়, শৈবাল থেকে প্রস্তুত ফেস সিরাম ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি, ব্রণ নিয়ন্ত্রণ এবং ক্ষত নিরাময়ে সহায়ক হতে পারে। একইভাবে শৈবাল নির্যাসভিত্তিক টুথপেস্ট দাঁতের ক্ষয়রোধ, মাড়ির সংক্রমণ প্রতিরোধ এবং মুখের সামগ্রিক স্বাস্থ্য উন্নত করতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।</p>
<p>শুধু প্রসাধনী নয়, খাদ্যপণ্য হিসেবেও শৈবালের ব্যবহার নিয়ে পরীক্ষা চালিয়েছেন গবেষকরা। তাদের তৈরি কুকিজ ও পাইয়ে রয়েছে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ প্রোটিন, খাদ্যআঁশ ও খনিজ উপাদান। এসব উপাদান হজমশক্তি উন্নত করতে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এবং হাড় ও দাঁতের স্বাস্থ্য রক্ষায় সহায়ক বলে জানিয়েছেন তারা।</p>
<p>গবেষণার অংশ হিসেবে শৈবাল নির্যাস সংগ্রহ ও প্রক্রিয়াজাতকরণে নির্দিষ্ট বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে। বিভিন্ন অনুপাতে ৫, ১০ ও ১৫ শতাংশ শৈবাল নির্যাস ব্যবহার করে পণ্যের গুণগত মান ও কার্যকারিতা প্রাথমিকভাবে মূল্যায়ন করা হয়েছে। ফলাফল আশাব্যঞ্জক হওয়ায় ভবিষ্যতে এসব পণ্য বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদনের সুযোগ তৈরি হতে পারে।</p>
<p>গবেষকরা আরও জানান, শৈবাল সহজলভ্য এবং দেশীয়ভাবে সংগ্রহ করা সম্ভব হওয়ায় উৎপাদন খরচ তুলনামূলকভাবে কম রাখা যাবে। ফলে সাধারণ ভোক্তার ক্রয়ক্ষমতার মধ্যেই এসব পণ্য বাজারজাত করা সম্ভব হবে। বাজারে প্রচলিত কসমেটিক ও স্বাস্থ্যপণ্যের তুলনায় এটি সাশ্রয়ী ও নিরাপদ বিকল্প হতে পারে।</p>
<p>বিশ্বব্যাপী শৈবালভিত্তিক পণ্যের বাজার দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে। খাদ্য, ওষুধ ও প্রসাধনী শিল্পে লাল শৈবাল ইতোমধ্যে গুরুত্বপূর্ণ কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এ প্রেক্ষাপটে দেশে শৈবালভিত্তিক উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে উপকূলীয় অঞ্চলে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা গড়ে ওঠা এবং বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের সম্ভাবনা তৈরি হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।</p>
<p>তবে গবেষকরা বলছেন, বাণিজ্যিক উৎপাদনে যেতে হলে গুণগত মান নিয়ন্ত্রণ, মানসম্মত প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং কার্যকর বাজারজাতকরণ নিশ্চিত করা জরুরি। এ ক্ষেত্রে সরকারি সহায়তা ও বিনিয়োগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তাদের আশা, সঠিক পরিকল্পনা ও পৃষ্ঠপোষকতা পেলে লাল শৈবাল ভবিষ্যতে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনার খাত হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে। </p>
<p>প্রসঙ্গত, লাল শৈবাল মূলত গভীর সমুদ্রের একটি উদ্ভিদ, যা ফাইকোএরিথ্রিন নামক রঞ্জকের কারণে গাঢ় লাল বর্ণ ধারণ করে। বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এই শৈবালকে খাদ্য, আধুনিক ওষুধ ও প্রসাধনী শিল্পে বাণিজ্যিকভাবে চাষ করা হচ্ছে।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/এডিএম/এমইউআইএম </strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>সুবিধাভোগীদের বিকাশে অর্থ সহায়তা দেবে এফএও</title>
<link>https://digibanglatech.news/175339</link>
<guid>https://digibanglatech.news/175339</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69ef9b1ca413b.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 27 Apr 2026 19:22:12 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) এখন থেকে তাদের সুবিধাভোগীদের আর্থিক সহায়তা ও প্রণোদনা সরাসরি বিকাশের মাধ্যমে দেবে।</p>
<p>ফলে মাঠপর্যায়ে এফএওর আর্থিক ব্যবস্থাপনা যেমন আরও সহজ, স্বচ্ছ ও নিরাপদ হবে তেমনই সুবিধাভোগীরা তাদের বিকাশ অ্যাকাউন্টে তাৎক্ষণিকভাবে সহায়তা পাবেন, যা তারা জরুরিসহ দৈনন্দিন প্রয়োজনে কাজে লাগাতে পারবেন।</p>
<p>ঢাকায় এফএও বাংলাদেশ কান্ট্রি অফিসে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে সম্প্রতি দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এ সংক্রান্ত একটি চুক্তি সই হয় বলে ২৭ এপ্রিল, সোমবার জানানো হয়েছে। </p>
<p>সূত্রমতে, এফএওর কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ জিয়াকুন শি, ডেপুটি রিপ্রেজেন্টেটিভ দিয়া স্যানো, অ্যাসিস্ট্যান্ট রিপ্রেজেন্টেটিভ (অ্যাডমিনিস্ট্রেশন) একরামুল হক এবং বিকাশের চিফ কমার্শিয়াল অফিসার আলী আহম্মেদ, হেড অব বিজনেস (সেলস) মাশরুর চৌধুরী ও বিজনেস সেলস বিভাগের ভিপি (মাইক্রো ফাইন্যান্স পেমেন্ট) নোভেরা আয়েশা জামান চুক্তি সই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>এ চুক্তির আওতায় প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক, জেলে, খামারি ও দিনমজুরসহ যে কোনো জনগোষ্ঠীর কাছে শর্তহীন আর্থিক সহায়তা পৌঁছে দিতে বিকাশের ‘ডিসবার্সমেন্ট সল্যুশন’ ব্যবহার করবে এফএও। প্রাকৃতিক দুর্যোগ যে কোনো সময় ঘটতে পারে বিবেচনায় সাপ্তাহিক বা যে কোনো ছুটির দিনেও তাৎক্ষণিকভাবে বিকাশের এ সেবার মাধ্যমে অর্থ বিতরণ করতে সক্ষম হবে এফএও।</p>
<p>পাশাপাশি, এফএও ‘ক্যাশ-ফর-ওয়ার্ক (সিএফডাব্লিউ)’ বা ‘কাজের বিনিময়ে অর্থ’ কর্মসূচিতেও বিকাশের ‘ডিসবার্সমেন্ট সল্যুশন’ ব্যবহৃত হবে। এই কর্মসূচির আওতায় কৃষি, খাদ্যনিরাপত্তা ও প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনায় স্বল্পমেয়াদি কাজ করা প্রান্তিক ও ঝুঁকিতে থাকা মানুষেরা তাদের মজুরি সরাসরি নিজেদের বিকাশ অ্যাকাউন্টে পাবেন।</p>
<p>মজুরি বিতরণের এ প্রক্রিয়া সরাসরি ও সহজ হওয়ায় ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর সক্ষমতা বৃদ্ধি ও টেকসই জীবনমান উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে। এছাড়া এ কর্মসূচি পরিচালনাকারীরাও তাদের ভাতা বিকাশের মাধ্যমে নেওয়ার সুযোগ পাবেন।</p>
<p>দেশে ছড়িয়ে থাকা যে কোনো বিকাশ এজেন্ট পয়েন্ট অথবা এটিএম বুথ থেকে ক্যাশ আউট করে সহায়তার অর্থ তুলে নিতে পারবেন সুবিধাভোগীরা। এছাড়া ক্যাশ আউট না করেও তারা বিকাশের মাধ্যমেই বিভিন্ন ধরনের পেমেন্ট, গ্যাস-বিদ্যুৎ-পানির মতো ইউটিলিটি সেবার বিল পরিশোধ, টাকা পাঠানো, মোবাইল রিচার্জ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বা সরকারি সেবার ফি পরিশোধসহ বিভিন্ন ধরনের সেবা নিতে পারবেন ঘরে বসেই।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এমই/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>সংরক্ষিত ধানের ক্ষতি কমাতে স্মার্ট আল্ট্রাসনিক প্রযুক্তি উদ্ভাবন </title>
<link>https://digibanglatech.news/174505</link>
<guid>https://digibanglatech.news/174505</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69e4de626e0d4.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 19 Apr 2026 15:54:46 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div>দেশে ফসল-পরবর্তী ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নে নতুন সম্ভাবনার কথা উঠে এসেছে এক সেমিনারে। “ফসল-পরবর্তী ব্যবস্থাপনা রূপান্তরের কৌশলগত পথরেখা: সংরক্ষিত ধানের ক্ষতি কমাতে বাজার-উপযোগী স্মার্ট আল্ট্রাসনিক সমাধান এবং এসডিজি ২ ও ১২ অর্জন” শীর্ষক এই সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয় রাজধানীর ফার্মগেটে অবস্থিত বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলে (বিএআরসি)।  ১৯ এপ্রিল,  রবিবার সেমিনারের আয়োজন করে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণা ও উদ্ভাবন কেন্দ্র (বাউ-রিক)।</div>
<div></div>
<div>অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ বলেন, কৃষিতে স্মার্ট প্রযুক্তির ব্যবহার সময়ের দাবি এবং ফসল-পরবর্তী ক্ষতি কমানো খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।</div>
<div></div>
<div>অতিথি হিসেবে কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. সালিম খান বলেন, ফসল-পরবর্তী ক্ষতি এখনো কৃষকদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। তবে আল্ট্রাসনিক প্রযুক্তির মতো উদ্ভাবন এ ক্ষতি কমাতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। আইসিটি বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. আনোয়ার উদ্দিন প্রযুক্তির বিস্তারে ডিজিটাল উদ্ভাবনের গুরুত্ব তুলে ধরেন।</div>
<div>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x_69e4de934fe3f.jpg" alt=""></p>
</div>
<div>বিশেষ অতিথি হিসেবে বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের ডিজিটাল বিশেষজ্ঞ ও টাস্ক টিম লিডার সুপার্না রায় মাঠপর্যায়ে সহজে গ্রহণযোগ্য, বাজার-উপযোগী প্রযুক্তি উদ্ভাবনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। </div>
<div></div>
<div>বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. মো. আব্দুস সালাম গবেষক, নীতিনির্ধারক এবং বেসরকারি খাতের মধ্যে সমন্বয় জোরদারের আহ্বান জানান। এসিআই মোটরস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সুব্রত রঞ্জন দাস প্রযুক্তিটির বাণিজ্যিকীকরণে সহযোগিতার আগ্রহ প্রকাশ করেন।</div>
<div></div>
<div>মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) কৃষি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের কৃষি শক্তি ও যন্ত্র বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল আউয়াল। তিনি জানান, স্মার্ট আল্ট্রাসনিক প্রযুক্তি রাসায়নিক ব্যবহার ছাড়াই সংরক্ষিত ধানকে পোকামাকড়ের আক্রমণ থেকে সুরক্ষা দিতে সক্ষম, যা একই সঙ্গে পরিবেশবান্ধব ও কার্যকর। </div>
<div></div>
<div>কর্মশালার শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন আইসিটি বিভাগের ইডিজিই প্রকল্পের কম্পোনেন্ট লিড ফারুক আহমেদ জুয়েল। সভাপতির বক্তব্যে বাউ-রিকের আরএলসি কমিটির চেয়ারম্যান ও সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. কে. এম. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, এ ধরনের উদ্ভাবন জাতীয় অগ্রাধিকার এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তিনি দ্রুত এ প্রযুক্তির বাস্তব প্রয়োগ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।</div>
<div></div>
<div><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/এবিএম/ইকে</strong></em></span></div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>জ্বালানি নিরাপত্তায় সৌরশক্তির মতো নবায়নযোগ্য শক্তিতে গুরুত্বারোপ</title>
<link>https://digibanglatech.news/174269</link>
<guid>https://digibanglatech.news/174269</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69e1ae687214e.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 16 Apr 2026 21:50:02 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<article>
<p>বৈশ্বিক অস্থিরতায় বিদ্যমান জ্বালানী সংকট মোকাবেলায় বাংলাদেশের চলমান অগ্রাধিকার ভিত্তিক কার্যকর ব্যবস্থার পাশাপাশি সৌরশক্তির মতো বিকল্প জ্বালানি হিসেবে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে সোলার প্যানেল, ব্যাটারি, যন্ত্রাংশ আমদানি এবং এ খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করলেন বিশেষজ্ঞরা। </p>
<p>১৬ এপ্রিল, <span>বৃহস্পতিবার নগরীর একটি রেস্টোরেন্টে বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা আইএসডিই বাংলাদেশ, 'ক্লিন' এবং 'বিডব্লিউজিইডি' এর সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই আহ্বান জানানো হয়। </span></p>
<p><span> "পরিবেশ ও প্রতিবেশ ফোরাম-চট্টগ্রাম" এর আয়োজনে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন ক্যাব বিভাগীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক কাজী ইকবাল বাহার ছাবেরী। পরিবেশ ও প্রতিবেশ ফোরাম-চট্টগ্রামের সভাপতি ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব ফরেস্ট্রি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট সাইন্সের প্রফেসর ড. খালেদ মিসবাহুজ্জমানের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন ক্যাব কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট ও আইএসডিইর নির্বাহী পরিচালক এসএম নাজের হোসাইন, সিনিয়র সাংবাদিক এম নাসিরুল হক, ক্যাব চট্টগ্রাম মহানগরের যুগ্ম সম্পাদক মো. সেলিম জাহাঙ্গীর, সাংগঠনিক সম্পাদক জান্নাতুল ফেরদৌস, রাজনীতিবিদ মিটুল দাস গুপ্ত প্রমুখ।</span></p>
<div id="sp-component-area" class="span8">
<section id="sp-component-wrapper">
<div id="sp-component">
<article class="item-page post-14875 post hentry status-publish category-ফোকাস ">
<section class="entry-content">
<p>সংবাদ সম্মেলনে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইরান যুদ্ধকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক উত্তেজনা এবং হরমুজ প্রণালীর অনিশ্চয়তা বাংলাদেশের মতো আমদানিনির্ভর দেশের জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করেছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বিভিন্ন স্তরের পেশাজীবি ও বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে জ্বালানী সাশ্রয়ী নীতি ঘোষনা, সংকট মোকাবেলায় অগ্রাধিকার ভিত্তিক কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহন, এখনই একই সাথে জ্বালানী সংকটের সময় বিকল্প জ্বালানি হিসাবে নবায়নেোযাগ্য জ্বালানী বিশেষ করে সৌরশক্তি ওপর বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করে কৌশলগতভাবে দ্রুত বিনিয়োগ বাড়ানের দাবি জানানো হয়।</p>
<p>সংবাদ সম্মেলনে "পরিবেশ ও প্রতিবেশ ফোরাম-চট্টগ্রাম" এর সভাপতি ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব ফরেস্ট্রি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট সাইন্স এর প্রফেসর ডঃ খালেদ মিসবাহুজ্জমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন ক্যাব কেন্দ্রিয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট ও আইএসডিই এর নির্বাহী পরিচালক এস এম নাজের হোসাইন, পরিবেশ ও প্রতিবেশ ফোরাম-চট্টগ্রাম এর সদস্য ও চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি এম নাসিরুল হক, সদস্য ও ক্যাব চট্টগ্রাম মহানগরের যুগ্ন সম্পাদক মোঃ সেলিম জাহাঙ্গীর, সাংগঠনিক সম্পাদক জান্নাতুল ফেরদৌস, বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ মিটুল দাস গুপ্ত প্রমুখ।</p>
<p>সংবাদ সম্মেলনে উপস্থাপিত লিখিত বক্তব্যে আরো বলা হয়, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ওমান থেকে আমদানিকৃত জ্বালানির ওপর নির্ভরশীল বাংলাদেশ হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে গেলে সরাসরি সরবরাহ সংকটে পড়ে। ইতোমধ্যে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ, মূল্যস্ফীতি এবং আমদানি ব্যয়ের ওপর এর চাপ স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। ২০২৬ সালের শুরুতেই জ্বালানি আমদানি ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে চলতি হিসাবের ঘাটতি বাড়াচ্ছে, যা টাকার মান কমানো এবং মূল্যস্ফীতি বাড়ার ঝুঁকি তৈরি করছে।</p>
<p>বক্তব্যে আরও বলা হয়, দেশের জ্বালানি ব্যবস্থায় গত এক দশকে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। অভ্যন্তরীণ গ্যাস উৎপাদন কমে যাওয়ায় আমদানিকৃত এলএনজি, এলপিজি ও পেট্রোলিয়ামের ওপর নির্ভরতা বেড়েছে। বর্তমানে দেশের প্রায় ৮০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল, ৬৫ শতাংশ এলএনজি এবং অর্ধেকের বেশি এলপিজি হরমুজ প্রণালীর ওপর নির্ভরশীল। ফলে ওই অঞ্চলে যেকোনো উত্তেজনা সরাসরি জ্বালানি সরবরাহে প্রভাব ফেলে।</p>
<p>সংকটের তাৎক্ষণিক প্রভাবও তুলে ধরা হয়। গ্যাস সংকটে বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতার বড় অংশ অচল হয়ে পড়ছে, শিল্প উৎপাদন কমছে, পরিবহন খরচ বাড়ছে এবং কৃষিতে সেচব্যবস্থা বিঘ্নিত হচ্ছে। বিশেষ করে তৈরি পোশাক খাতে উৎপাদন প্রায় ৪০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যাওয়ার আশঙ্কার কথা উল্লেখ করা হয়। জ্বালানি সংকট দীর্ঘায়িত হলে তা সামগ্রিক অর্থনীতিতে বড় ধরনের ধাক্কা দেবে বলেও সতর্ক করা হয়।</p>
<p>লিখিত বক্তব্যে জ্বালানি আমদানির দীর্ঘমেয়াদি ঝুঁকিও তুলে ধরা হয়। বলা হয়, ২০১৮ সালে এলএনজি আমদানির ওপর নির্ভরতা বাড়ানোর পর থেকে বাংলাদেশ একটি ব্যয়বহুল জ্বালানি কাঠামোর মধ্যে আটকে গেছে। আন্তর্জাতিক বাজারে দামের অস্থিরতা দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইতোমধ্যে এলএনজি ও তেলের দাম কয়েকগুণ বেড়ে যাওয়ায় আমদানি ব্যয়ও দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে।</p>
<p>এই প্রেক্ষাপটে বিকল্প হিসেবে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ওপর জোর দেওয়া হয়। বিশেষজ্ঞরা বলেন, পাকিস্তানের সৌরবিদ্যুৎ বিপ্লব একটি কার্যকর উদাহরণ, যেখানে স্বল্প সময়ে ব্যাপক সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন করে আমদানি নির্ভরতা কমানো সম্ভব হয়েছে। বাংলাদেশেও প্রায় ৪ কোটির বেশি পরিবারের একটি বড় অংশ ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডের ওপর চাপ কমাতে পারে।</p>
<p>তাদের মতে, ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ থেকে কয়েক হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব, যা জ্বালানি আমদানি কমানোর পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সরকারি ভবন এবং কৃষিখাতে সৌরশক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে আরও বড় পরিবর্তন আনা সম্ভব।</p>
<p>সংবাদ সম্মেলনে ১৩ দফা সুপারিশ তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে রয়েছে জ্বালানি সংকট সমাধানে জাতীয় ঐকমত্য গড়ে তোলা, নবায়নযোগ্য জ্বালানির যন্ত্রপাতির আমদানিতে কর ও ভ্যাট প্রত্যাহার, সরকারী-বেসরকারী ভবনে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ কর্মসূচি বাস্তবায়ন, কৃষি কাজে সৌরচালিত সেচ পাম্প বৃদ্ধি, গণপরিবহনে বৈদ্যুতিক যান চালু এবং নবায়নযোগ্য খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর জন্য স্বল্প সুদে ঋনের হার বাড়ানো। এছাড়া জ্বালানি খাতে ভর্তুকি কাঠামো পুনর্বিন্যাস এবং দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধানে গুরুত্ব দেওয়ারও সুপারিশ করা হয়।</p>
<p>বক্তারা বলেন, বর্তমান সংকট শুধু ঝুঁকি নয়, এটি একটি সুযোগও। এখনই সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারলে বাংলাদেশ আমদানিনির্ভর জ্বালানি কাঠামো থেকে বেরিয়ে এসে টেকসই ও স্বনির্ভর জ্বালানি ব্যবস্থার দিকে এগোতে পারবে। অন্যথায় ভবিষ্যতে আরও বড় অর্থনৈতিক চাপের মুখে পড়তে হবে দেশকে।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এএলবি/এমইউআইএম</strong></span></em></p>
<div id="fb-root" class=" fb_reset">
<div>
<div></div>
</div>
</div>
</section>
</article>
</div>
</section>
</div>
<aside id="sp-right" class="span4">
<div class="module ">
<div class="mod-wrapper clearfix">
<div class="mod-content clearfix">
<div class="mod-inner clearfix">
<div class="article_anywhere"></div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</aside>
<p><span> </span> </p>
</article>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>সিমবায়োটিকসের বিনিয়োগ পেল আইফার্মার</title>
<link>https://digibanglatech.news/174169</link>
<guid>https://digibanglatech.news/174169</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69e088c0e458b.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 15 Apr 2026 22:59:35 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div>
<div>
<div>
<div>
<p>বাংলাদেশের কৃষি-প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান আইফার্মারকে ১৫ লাখ মার্কিন ডলার বিনিয়োগ দিয়েছে ইমপ্যাক্ট ইনভেস্টিংয়ের বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্ম সিমবায়োটিকস। ১৫ এপ্রিল, বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানিয়েছে আইফার্মার।</p>
<p>কার্যকরী মূলধন বা ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল হিসেবে এ বিনিয়োগ দেশের কৃষি উপকরণ সরবরাহ ও উৎপাদিত পণ্যের বাজার সংযোগ উন্নয়নে অর্থায়ন করবে আইফার্মার। এই বিনিয়োগ বাংলাদেশের কৃষি সরবরাহ চেইনকে শক্তিশালী করতে এবং কৃষি ইনপুট ও বাজার সংযোগ ব্যবস্থার দক্ষতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এই অর্থায়নের মাধ্যমে আইফার্মার তাদের কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করবে, যা ক্ষুদ্র কৃষকদের জন্য উচ্চমানের কৃষি উপকরণ (যেমন—বীজ, সার ও কীটনাশক) সহজলভ্য করবে। একই সঙ্গে কৃষকদের উৎপাদিত পণ্য সরাসরি প্রাতিষ্ঠানিক ক্রেতা ও পাইকারি বাজারের সঙ্গে সংযুক্ত করার প্রক্রিয়াকে আরও গতিশীল করবে।</p>
<div id="ce48dca3-bfbb-4e81-b2e4-bf7e87cb8cd8">
<div>
<div>
<div>
<div>
<p>আইফার্মারের সহ-প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ফাহাদ ইফাজ বলেন, ‘সিমবায়োটিকসের সঙ্গে আমাদের এই অংশীদারত্ব বাংলাদেশের কৃষকদের সক্ষমতা ও সম্ভাবনার ওপর বৈশ্বিক আস্থার প্রতিফলন। এই ১৫ লাখ মার্কিন ডলারের মূলধন আমাদের খামার থেকে বাজারের দূরত্ব কমিয়ে আনতে সাহায্য করবে।’</p>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div>
<div>
<div data-lang="বিজ্ঞাপন">
<div>
<div id="mcanvas1x1-4e23d238-9b4d-4b21-bf14-df7ee46f05eb-0-0" data-google-query-id="CIuaobPl8ZMDFclGnQkd02seoQ">
<div id="google_ads_iframe_85406138/mCanvas_1x1_0__container__"></div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div id="4471e2e3-8630-42b0-9854-682335cfc702">
<div>
<div>
<div>
<div>
<p>আইফার্মার ২০১৯ সাল থেকে ক্ষুদ্র কৃষকদের জন্য ‘ওয়ান-স্টপ’ সমাধান প্রদান করে আসছে। কৃষকদের সার্বক্ষণিক কৃষিবিষয়ক নানা পরামর্শ প্রদান, জামানতবিহীন অর্থায়ন, মানসম্মত উপকরণ সরবরাহ করছে শুরু থেকেই। সেই সঙ্গে সরাসরি বাজার সংযোগ নিশ্চিত করার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি কৃষকদের আয় বৃদ্ধি ও সরবরাহ চেইনে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতেও কাজ করে যাচ্ছে। বর্তমানে দেশের ৪২টি জেলায় আইফার্মারের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটিতে নিবন্ধিত কৃষকসংখ্যা ৩ লাখ ছাড়িয়েছে।</p>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div id="edbe97f7-e2f5-4ee5-809d-a84e8972b299">
<div>
<div>
<div>
<div>
<p>সিমবায়োটিকস ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগের (এসএমই) অর্থায়নের জন্য নিবেদিত বিশ্বের অন্যতম প্রধান ইমপ্যাক্ট ইনভেস্টিং প্ল্যাটফর্ম। সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠানটি ২০০৫ সাল থেকে বিশ্বের ৯৯টি দেশের ৬৫৫টি প্রতিষ্ঠানে ৯,১০০টির বেশি বিনিয়োগ সম্পন্ন করেছে। যার মোট মূল্য ১১.৬ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/বিজ্ঞপ্তি/এমইউআইএম</strong></span></em></p>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div></div>
</div>
</div>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>কৃষিতে গুরুত্ব পাচ্ছে  জিআইএস ও রিমোট সেন্সিং প্রযুক্তি</title>
<link>https://digibanglatech.news/174194</link>
<guid>https://digibanglatech.news/174194</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69e0caff2a7c9.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 15 Apr 2026 17:42:20 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>কৃষকদের ঝুঁকি কমাতে জলবায়ু-সহনশীল বিকল্প ফসল ব্যবস্থা গ্রহণের ওপর জোর দিয়ে একটি ওয়েবিনার আয়োজন করেছে সার্ক কৃষি কেন্দ্র। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল ২০২৬) অনুষ্ঠিত এই ওয়েবিনারে দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের দেড় শতাধিক বিশেষজ্ঞ ও অংশীজনেরা অংশ নেন।</p>
<p>ওয়েবিনারের শুরুতে সার্ক কৃষি কেন্দ্রের সিনিয়র প্রোগ্রাম স্পেশালিস্ট (ক্রপস) ড. সিকান্দার খান তানভীর স্বাগত বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, পরিবর্তিত জলবায়ু ও বাড়তি অনিশ্চয়তার প্রেক্ষাপটে কৃষকদের জীবিকা সুরক্ষায় অভিযোজনযোগ্য ও টেকসই ফসল ব্যবস্থার বিকল্প নেই।</p>
<p>মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সার্ক কৃষি কেন্দ্রের পরিচালক ড. মো. হারুনূর রশীদ এবং ভারতের আইসিএআর–আইআইএফএসআর-এর সিনিয়র বিজ্ঞানী (এগ্রোনমি) ড. মেরাজ আলম আনসারি।</p>
<p>ড. মোঃ হারুনূর রশীদ তাঁর বক্তব্যে ফসল ব্যবস্থার সঙ্গে মূল্য শৃঙ্খলের সংযোগ এবং খামার থেকে ভোক্তা পর্যন্ত বিপণন ব্যবস্থা শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, দৈনিক, মাসিক ও মৌসুমি আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থা কৃষকদের স্থানভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করতে পারে।</p>
<p>তিনি আরও জানান, জিআইএস ও রিমোট সেন্সিং প্রযুক্তি নির্ভুল কৃষিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে, যা তথ্যভিত্তিক পরিকল্পনা ও সম্পদের দক্ষ ব্যবহার নিশ্চিত করে। ড্রোন ও বিভিন্ন সেন্সর ব্যবহারের মাধ্যমে পানি ও সারের অপচয় কমানো সম্ভব বলেও তিনি উল্লেখ করেন।</p>
<p>পাশাপাশি আধুনিক কৃষিযান্ত্রিকীকরণ উৎপাদনশীলতা বাড়াতে এবং প্রাকৃতিক সম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনায় সহায়ক বলে তিনি মত দেন।</p>
<p>ড. মেরাজ আলম আনসারি কৃষকদের সামনে থাকা বহুমুখী ঝুঁকির চিত্র তুলে ধরেন। তিনি বলেন, খরা, অতিরিক্ত তাপ, অনিয়মিত বৃষ্টিপাত ও বন্যার মতো জলবায়ুগত ঝুঁকি ছাড়াও বাজারে মূল্য অস্থিরতা ও বাধ্যতামূলক কম দামে বিক্রির সমস্যা রয়েছে। এছাড়া খণ্ডিত জমি, স্বল্প যান্ত্রিকীকরণ, আর্থিক সীমাবদ্ধতা, পোকামাকড় ও রোগবালাই এবং পানি সংকট ও মাটির উর্বরতা হ্রাসও বড় চ্যালেঞ্জ।</p>
<p>ওয়েবিনারের শেষাংশে অংশগ্রহণকারীদের সঙ্গে প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। সমাপনী বক্তব্যে নেপালের সার্ক সচিবালয়ের পরিচালক (এআরডি ও এসডিএফ) তানভীর আহমেদ তরফদার আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।</p>
<p>তিনি বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর কৃষি খাতে অভিন্ন চ্যালেঞ্জ রয়েছে, তাই কার্যকর ও সম্প্রসারণযোগ্য সমাধান উদ্ভাবনে যৌথ উদ্যোগ প্রয়োজন। জ্ঞান বিনিময়, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং নীতিগত সমন্বয় জোরদারের আহ্বানও জানান তিনি।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/এবি/ইকে</strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>পরিবেশ ক্ষতিকারক ইউক্যালিপ্টাস গাছ কেটে ফেলতে হবে</title>
<link>https://digibanglatech.news/173909</link>
<guid>https://digibanglatech.news/173909</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69dd21b52837e.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 13 Apr 2026 22:03:17 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেছেন, ইউক্যালিপ্টাস গাছ পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করছে। এই গাছ প্রচুর পানি শোষণ করে, ফলে পরিবেশ ও কৃষি উভয়ই ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই ইউক্যালিপ্টাস গাছ আর লাগানো যাবে না, বরং ফলদ, ঔষধি ও কাঠের গাছ লাগাতে হবে। তিনি ইউক্যালিপ্টাস গাছ কেটে ফেলার আহ্বান জানান।</p>
<p>১৩ এপ্রিল, সোমবার পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার মাড়েয়া বামনহাট ইউনিয়নের গেদিপাড়া এলাকায় ছেতনাই নদী খনন কাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী জানান, একসময় এই নদী স্থানীয় মানুষের চাষাবাদ ও জীবিকার অন্যতম উৎস ছিল। বর্তমানে এটি মরা খালে পরিণত হয়েছে।</p>
<p>তিনি বলেন, সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ২০ হাজার কিলোমিটার নদী, জলাশয় ও খাল খনন, পুনঃখনন এবং পুনরুদ্ধার করা হবে। এর মাধ্যমে পানি সংরক্ষণ করে বাংলাদেশকে আবারও সুজলা-সুফলা, শস্য-শ্যামলা দেশে পরিণত করা হবে।</p>
<p>প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশকে সবুজায়নের উদ্যোগ নিয়েছেন। তাঁর নেতৃত্বে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় ছাড়াও কৃষি, এলজিইডি ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে মহাপরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। এর আওতায় নিয়মিত নদী ও খাল পুনঃখনন করা হচ্ছে এবং ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের পরিকল্পনা রয়েছে। খালের পাশে মাছ চাষ ও হাঁস পালনের ব্যবস্থাও করা হবে।</p>
<p>তিনি জানান, ছেতনাই নদী খনন কাজে প্রায় এক হাজার শ্রমিক যুক্ত হবে, যা কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী খাল খননের কাজে ৬০ শতাংশ শ্রমিক, কৃষক ও শিক্ষার্থীকে সম্পৃক্ত করা হবে। এতে মানুষের অংশগ্রহণ যেমন বাড়বে, তেমনি কর্মসংস্থানও বৃদ্ধি পাবে।</p>
<p>অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রবিউল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল মান্নান, সাধারণ সম্পাদক আসাদুল্লাহ আসাদসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।<br><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/কেআইএস/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>কমল বীজ উৎপাদনে আশা জাগাচ্ছে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন</title>
<link>https://digibanglatech.news/173652</link>
<guid>https://digibanglatech.news/173652</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69da4fd220a56.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 11 Apr 2026 17:56:23 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ব্রি ১০৮ এর নতুন ভ্যারাইটি কমল। এই বীজটি রোপন করলে প্রতি বিঘায় মেলে ৩০ মণ ধান। চারা রোপনের ১২০ দিনের মাথায় চারা থেকে ধানের ফলন মেলে। চাল হয় ছোট ও জিরা শালের মতো চিকন। এই ধানের বীজ উৎপাদনের মাধ্যমে কৃষকের কাছে স্বল্প মূল্যে পৌঁছে দেয়ার উদ্যোগ নিয়েছে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন। ইতিমধ্যে গাজীপুর ও নরসিংদী জেলায় এই বীজ উৎপাদনের পাইলট প্রকল্প হাতে নিয়েছে সংগঠনটি। </p>
<p>গাজীপুরের চুপাইর মৌজায় ৫ জানুয়ারি থেকে ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত সময়ে ৩০ বিঘা জমিতে ১০ জন কৃষক বাংলাদেশ ধান গবেষণা কেন্দ্রে উৎপাদিত ব্রি-১০৮ জাতের কমল প্রত্যয়িত বীজ বপন করে। এই বীজ চাষীদের নিয়ে মত বিনিময় করলো জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন। ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডঃ জুবাইদা রহমানের নির্দেশনায় ১১ এপ্রিল, শনিবার বিকেলে গাজীপুর কালীগঞ্জ উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের চুপারই এলাকার কৃষক আয়েত আলীর বাড়ি সংলগ্ন মাঠে চুক্তিবদ্ধ কৃষকদের সাথে কমল বীজ উৎপাদন ও সংরক্ষণের উপর এই মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।  </p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x_69da4fdc03b27.jpg" alt=""></p>
<p>জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের প্রোগ্রাম পরিচালক খন্দকার মাহফুজুল বাচ্চুর নেতৃত্বে কৃষকদের সঙ্গে উঠোন বৈঠকে বক্তব্য রাখেন জিয়াউর রহমান  ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক ফরহাদ হালিম ডোনার,  ফাউন্ডেশনের পরিচালক  খন্দকার  মাহবুব আলম। ইঞ্জিনিয়ার মাহবুব আলম, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রফেসর ড. আশরাফুল হক, কৃষিবিদ ড.মো. আকিকুল ইসলাম আকিক, মোহাম্মদ আলী,  ড. জাকির হোসেন, ডাক্তার শফিকুল আহাদ সর্দার স্বপন, ফাউন্ডেশন এর সদস্য ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক।</p>
<p>অপরদিকে কৃষক কামাল হোসেন শেখ ও ইব্রাহিম খান ধান রোপন ও উৎপাদন নিয়ে তাদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।  এর আগে চুক্তিবদ্ধ কৃষক ও জমির মালিকদের সাথে মাঠ পরিদর্শন করে সেখানে কৃষকদের সাথে কথা বলেন সংগঠনের কর্মকর্তারা। মাঠজুড়ে ধানের শীষের সমারোহে খুশী তারা। বীজ বপনের ৩১ দিনের মাথায় মিলছে চারা। সব মিলয়ে ধান পেতে সময় লাগে ১৫১ দিন। সেই হিসাবে আগামী ১২-১৫ দিনের মাথায় ধান কাটতে পারবে কৃষক কামাল হোসেনেরা।</p>
<p>জানাগেলো, অচিরেই ন্যায্যমূল্য স্বল্প সময়ে অধিক ফলদায়ী কমল প্রত্যয়িত বীজটি যেন ক্রয় করে জমিতে লাগাতে পারেন সেজন্য এই বীজ উৎপাদন কর্মসূচি হাতে নেয়ার কথা জানিয়েছেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তারা। তারা জানালেন, এবার দুইটি অঞ্চলে বীজ উৎপাদিত হলেও আগামীতে ধীরে ধীরে তা বাড়ানো হবে।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/এমএসআর/ইকে</strong></em></span></p>
<p></p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বাকৃবি সাংবাদিক সমিতির সভাপতি তানভীর, সম্পাদক ইসরাত</title>
<link>https://digibanglatech.news/173573</link>
<guid>https://digibanglatech.news/173573</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69d93eca9b880.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 10 Apr 2026 21:18:14 +0600</pubDate>
<dc:creator>ক্যাম্পাস করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির (বাকৃবিসাস) নতুন কার্যনির্বাহী কমিটিতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন ঢাকা পোস্টের প্রতিনিধি মুসাদ্দিকুল ইসলাম তানভীর এবং সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক প্রথম আলোর প্রতিনিধি ইসরাত জাহান।</p>
<p>১০ এপ্রিল, শুক্রবার বিকালে বাকৃবি সাংবাদিক সমিতির কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত দায়িত্ব হস্তান্তর ও বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এই কমিটি ঘোষণা করা হয়।</p>
<p>ঘোষিত ১৫ সদস্যবিশিষ্ট এই কমিটিতে সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মো. আমান উল্লাহ (আমার দেশ) এবং যুগ্ম-সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন মো. লিখন ইসলাম (দৈনিক নয়া দিগন্ত)। সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন মো. রিয়াজ হোসাইন (দৈনিক আমাদের সময়)।</p>
<p>এ ছাড়া, কমিটির অন্যান্য সম্পাদকীয় পদে রয়েছেন, কোষাধ্যক্ষ সুমন গাজী (কালের কণ্ঠ), দপ্তর সম্পাদক সাঈদা জাহান খুকী (দৈনিক ইনকিলাব), প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক তাসনীম সিদ্দিকা (ক্যাম্পাস ২৪), তথ্য ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক মেহেরাজ হোসেন ইমন (দৈনিক বর্তমান বাংলা), ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিকবিষয়ক সম্পাদক মো. আবু হানিফ (সংবাদ পরিক্রমা)।</p>
<p>কমিটিতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন সাইয়্যেদা গালিব রুহী (ডেইলি দর্পণ), তাহমিনা সোনিয়া (অগ্রযাত্রা প্রতিদিন) ও সাকিব আল তানিউল করিম জীম (বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা)। এ ছাড়া, কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন শাহীন সরদার (দৈনিক যুগান্তর) ও আতিকুর রহমান (দৈনিক বাংলা)।</p>
<p>সাংবাদিক সমিতির বিদায়ী সভাপতি ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার মো. হাবিবুর রহমান রনি নবগঠিত কমিটির নাম গোষণা করেন। সহকারী নির্বাচন কমিশনার হিসেবে ছিলেন কৃষিবিদ ড. জহিরুল হক এবং শাহীদুজ্জামান সাগর।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/ডিপিও/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>শজনের নামে লাজনায় সয়লাব বাজার</title>
<link>https://digibanglatech.news/173349</link>
<guid>https://digibanglatech.news/173349</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69d70b6f8fbf0.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 09 Apr 2026 00:01:47 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>আবহমান কাল থেকেই বসন্তের ঔষধি সবজি হিসেবে সমধিক পরিচিত শজনে। হাম-বসন্তের প্রতিষেধক হিসেবে এর জুড়ি নেই।</p>
<p>ফলে বাজার চাহিদা মেটাতে এরই মধ্যে উদ্ভাবিত হয়েছে শজনের হাইব্রিড সংস্করণ লাজনা। খোলা চোখে, দেখতে একই রকম হওয়ায় লাজনাকে অনেকেই শজনে ভেবে কিনছেন। তবে অনেকটা একরকম হলেও এদের গঠন, ফুল, ফলন, গাছের আকার ও চাষপদ্ধতিতে বেশ কিছু মৌলিক পার্থক্য রয়েছে। সরু আকারে শজনে বছরে একবার হলেও বামন আকারের লাজনা বারোমাসি ফলন হয়।</p>
<p>এ বিষয়ে উদ্ভিদবিদ ও গবেষক জিনিয়া নাসরিন বলেন, শজনেকে যেমন কোথাও শজিনা বা মরিঙ্গা নামে ডাকা হয়, তেমনি লাজনাকে অঞ্চলভেদে রাইখঞ্জন বা বহুপল্লভা বলেও চেনেন কেউ কেউ। তবে দেখতে প্রায় একই রকম হলেও এদের পার্থক্য আছে। </p>
<p>বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি) সূত্রে প্রকাশ, উভয় গাছের উচ্চতা ও গঠনগত দিক থেকে প্রথম পার্থক্যটি স্পষ্ট। দেশি শজনে গাছ সোজা ও লম্বা হয়, যা প্রায় ১০-১২ মিটার বা তারও বেশি উঁচু হতে পারে। এর ডালপালা ওপরের দিকে বিস্তৃত থাকে। অন্যদিকে লাজনা মূলত একটি ঝোপালো বা বামন প্রজাতির গাছ, যার উচ্চতা সাধারণত ৪-৬ মিটারের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। ফলে লাজনার রক্ষণাবেক্ষণ এবং ফল সংগ্রহ করা অনেক সহজ।এদের কাণ্ড ও ডালপালার বৈশিষ্ট্যও আলাদা। শজনের কাণ্ড শক্ত, বাকল বা ছাল কিছুটা মসৃণ ও পাতলা হয়। বয়সের সঙ্গে সঙ্গে এটি বেশ মজবুত কাষ্ঠলগাছে পরিণত হয়।</p>
<p>সূত্র বলছে, শজনের ডাল কেটে মাটিতে পুঁতে দিলেই নতুন গাছ জন্মে। লাজনার কাণ্ড কিছুটা নরম ও মোটা হয়। এটি খুব দ্রুত বাড়ে কিন্তু সাধারণত শজনের মতো অতটা শক্তপোক্ত হয় না। শজনের মতো লাজনাগাছও ডাল থেকে চারা করা যায়, তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে বীজ থেকে চাষ করা হয় লাজনা। ফুল ও ফলনের সময়েও এদের মধ্যে তফাৎ রয়েছে। শজনে মৌসুমি ফলনের গাছ। বছরে একবার, বসন্তের শেষ দিকে ফুল আসে এবং একবারই ফল বা ডাঁটা দেয়। ফুলের রং সাদাটে বা অফ হোয়াইট। গাছে ফুল আসার সময় সব পাতা ঝরে যায়, আর ফুল থেকে ফল হয়েও তা পাতাশূন্য গাছেই ঝুলতে থাকে। লাজনা অবশ্য বারোমাসি জাত হিসেবে পরিচিত। এটি বছরে কমপক্ষে দুইবার, ক্ষেত্রবিশেষে সারা বছর ফুল ও ফল দেয়। লাজনাগাছের ফুল আকারে ছোট, রং গাঢ় ঘিয়ে এবং ফুলের পাপড়িতে লাল রঙের দাগ দেখা যায়, যা শজনের ফুলে থাকে না। এ ছাড়া লাজনায় ফুল এলেও গাছের পাতা ঝরে না বললেই চলে, সারা বছরই পাতার দেখা মেলে।</p>
<p>কৃষিবিদরা জানান, লাজনা রোপণের মাত্র ৬-৮ মাসের মধ্যেই এতে ফলন আসতে শুরু করে, যেখানে শজনে গাছ রোপণের পর ফলন পেতে প্রায় ২ বছর সময় লাগে। ফলে বাজারে সয়লাব শজনের দেখা যাচ্ছে তার অধিকাংশই আসলে  লাজনা।</p>
<p>পরখ করলে বোঝা যায়, শজনের ডাঁটা কিছুটা চিকন, পাতলা এবং লম্বায় এক ফুটেরও বেশি হয়। এটি অনেক বেশি আঁশযুক্ত ও সুস্বাদু। ডাঁটা শুরু থেকে পোক্ত হওয়া পর্যন্ত একদম সবুজ সতেজ থাকে এবং সোজা গড়নের হয়।  বিপরীতে লাজনার ডাঁটা খাটো ও মাংসল হয়। অনেকের মতে, শজনের তুলনায় লাজনা কিছুটা কম সুস্বাদু, কখনো কখনো তেতো স্বাদ পাওয়া যায়। ডাঁটার রং কিছুটা ধূসর-সবুজ, তুলনামূলক মোটা আর হালকা বাঁকা গড়নের। ভেতরের অংশ নরম হলেও বাইরের চামড়া বেশ শক্ত।</p>
<p>তবে উভয় সবজিরই ঔষধি গুণ রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। বসন্তের বিভিন্ন রোগ থেকে মুক্ত রাখতে শজনে ও লাজনা উভয়ই কার্যকর।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/এসআই/এমইউআইএম</strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>হিলিতে ক্যাপসিকামের বাম্পার ফলন, বাজারদরে হতাশ চাষিরা</title>
<link>https://digibanglatech.news/173236</link>
<guid>https://digibanglatech.news/173236</guid>
<description><![CDATA[ &lt;p&gt;দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলায় প্রথমবারের মতো বাণিজ্যিকভাবে বিদেশি সবজি ক্যাপসিকাম চাষ করে সফলতার মুখ দেখছেন স্থানীয় কৃষকরা। অনুকূল আবহাওয়া ও স্বল্প সময়ে অধিক ফলনের কারণে কৃষকদের মধ্যে এ উচ্চমূল্যের সবজি চাষে আগ্রহ বাড়লেও কাঙ্ক্ষিত বাজারদর না পাওয়ায় চাষিদের মধ্যে দেখা দিয়েছে হতাশা। বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী গাউসুল আজম পড়াশোনার পাশাপাশি নিজের জমিতে ক্যাপসিকাম চাষ শুরু&lt;span&gt; &lt;/span&gt;করেছেন। তিনি জানান, এবার ফলন বেশ আশাব্যঞ্জক হয়েছে। তবে বিপত্তি বেঁধেছে বাজারজাতকরণ নিয়ে।&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;গাউসুল  ]]></description>
<enclosure url="https://sarabangla.net/wp-content/uploads/2026/04/capsicam.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 08 Apr 2026 08:30:01 +0600</pubDate>
<dc:creator>সারাবাংলা করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords>হিলিতে, ক্যাপসিকামের, বাম্পার, ফলন, বাজারদরে, হতাশ, চাষিরা</media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://sarabangla.net/wp-content/uploads/2026/04/capsicam.jpg"></p>
<p>হিলি: দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলায় প্রথমবারের মতো বাণিজ্যিকভাবে বিদেশি সবজি ক্যাপসিকাম চাষ করে সফলতার মুখ দেখছেন স্থানীয় কৃষকরা। অনুকূল আবহাওয়া ও স্বল্প সময়ে অধিক ফলনের কারণে কৃষকদের মধ্যে এ উচ্চমূল্যের সবজি চাষে আগ্রহ বাড়লেও কাঙ্ক্ষিত বাজারদর না পাওয়ায় চাষিদের মধ্যে দেখা দিয়েছে হতাশা। বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী গাউসুল আজম পড়াশোনার পাশাপাশি নিজের জমিতে ক্যাপসিকাম চাষ শুরু […]</p>
<p>The post <a href="https://sarabangla.net/news/bangladesh/post-1145091/">হিলিতে ক্যাপসিকামের বাম্পার ফলন, বাজারদরে হতাশ চাষিরা</a> first appeared on <a href="https://sarabangla.net/">Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment</a>.</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>কৃষিপণ্যে উৎসে কর অব্যাহতি চায় বাপা</title>
<link>https://digibanglatech.news/173200</link>
<guid>https://digibanglatech.news/173200</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69d526bde0a2c.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 07 Apr 2026 19:46:41 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>কৃষিপণ্য সরবরাহের বিপরীতে উৎসে কর কর্তন অব্যাহতির প্রস্তাব করেছে বাংলাদেশ এগ্রো-প্রসেসরস অ্যাসোসিয়েশন (বাপা)। এছাড়া ভ্যাটের হার ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে একক অংকে নামানো, ব্যবসায়ী পর্যায়ে ভ্যাটের হার ৭.৫ থেকে কমিয়ে ৩ শতাংশ করা, ৫০ শতাংশ বেশি অব্যাহতি পাওয়া উপকরণ দিয়ে তৈরি পণ্যের সরবরাহ পর্যায়ে ভ্যাট অব্যাহতি চেয়েছে সংগঠনটি।</p>
<p>এছাড়া মিনারেল ওয়াটার (তিন লিটার পর্যন্ত) থেকে সম্পূরক শুল্ক প্রত্যাহারের প্রস্তাব দিয়েছে বাপা। এ বিষয়ে সংগঠনটি জানায়, বড় শহরগুলোতে বিশুদ্ধ পানির নির্ভরযোগ্য উৎস মিনারেল ওয়াটার। মিনারেল ওয়াটার কোনো বিলাসী পণ্য নয়। এটা জরুরি পণ্য। এই পণ্যের ওপর সম্পূরক শুল্ক ধার্য করা কেবল অযৌক্তিক নয়, অন্যায়ও বটে।</p>
<p>সংগঠনটি বন্ডেড প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক নিরীক্ষা চলাকালীন প্রতিষ্ঠানের পণ্য আমদানি কার্যক্রম নির্বিঘ্নভাবে অব্যাহত রাখার লক্ষ্যে সাময়িক প্রাপ্যতা অনুমোদনের প্রস্তাব দিয়েছে। এছাড়া মাসভিত্তিক বন্ডেড প্রতিষ্ঠানের ইউপি অনুমোদন ও ভিন্ন ভিন্ন কমিশনারেটের আওতাধীন প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে অব্যাহতি বন্ড সুবিধা প্রদান করাত প্রস্তাব করা হয়।</p>
<p>এদিকে বাংলাদেশে অ্যাগ্রো কেমিক্যাল ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন স্থানীয়ভাবে বালাইনাশক উৎপাদন ও রপ্তানি করতে প্রয়োজনীয় ৩২টি কাঁচামালের ওপর শুল্ক সুবিধা প্রদানের প্রস্তাব করেছে। আর ফল আমদানিতে করহার কমানোর প্রস্তাব করে বাংলাদেশ ফ্রেশ ফ্রুট ইম্পোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন।</p>
<p>বাংলাদেশ ফার্টিলাইজার অ্যাসোসিয়েশন বিভিন্ন কাঁচামাল আমদানিতে করহার কমানোর প্রস্তাব করে। এছাড়াও কাস্টমস ট্যারিফের সাব হেডিং নোট-২ এর অধীন কৃষিকাজে ব্যবহৃত কীটনাশক পণ্যের আগাম কর অব্যহতি, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় ব্যবহৃত বালাইনাশকের ওপর শুল্ক ও কর হ্রাস, আমদানিমূল্য অনুযায়ী বালাইনাশক পণ্যের ট্যারিফমূল্য নির্ধারণ, বালাইনাশক ফরমুলেশনে ব্যবহৃত সহযোগী উপদানসমূহের সমুদয় কর অব্যহতি, জৈব বালাইনাশক, ফল উৎপাদনে ব্যবহৃত ফ্রুট ব্যাগ, স্টিকি ট্র্যাপ এবং ব্যক্তিগত সুরক্ষামূলক সরঞ্জামের ওপর আরোপিত শুল্ক অব্যাহতির প্রস্তাব করেছে বাংলাদেশ ক্রপ প্রোটেকশন অ্যাসোসিয়েশন।</p>
<p>৭ এপ্রিল, মঙ্গলবার  বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে এনবিআর ভবনে প্রাক-বাজেট আলোচনায় এসব প্রস্তাব তুলে ধরে সংগঠনটি। সভায় সভাপতিত্ব করেন এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান। এসব দাবি শুনে বাপার সমস্যাগুলো সমাধানে কাজ করার আশ্বাস দেন এনবিআর চেয়ারম্যান।</p>
<p>ব্যবসায়ীরা ভ্যাট রিফান্ড নিয়ে অভিযোগের পনিপ্রেক্ষিতে আবদুর রহমান খান বলেন, আপনাদের অনেক টাকা আটকে গেছে, ফেরত পান না, যে অভিযোগ করেছেন। আমরা এই জায়গাটাতে বড় একটা কাজ করছি। আপনারা যাতে করে অটোমেটিক্যালি ফেরত পান—আমাদের যেহেতু রিটার্নগুলোকে এখন অনলাইন করছি, আপনাদের রিফান্ড সিস্টেমও আমরা অনলাইন করছি। এখানে ভ্যাটের রিফান্ড কিন্তু অলরেডি পাওয়া শুরু হয়ে গেছে। অনলাইনে অটোমেটেড পদ্ধতিতে। ইনকাম ট্যাক্সেরটাও আমরা প্রায় কমপ্লিট, এটা যে কোনো সময় ট্রায়াল রান হচ্ছে। এগুলো যখন হয়ে যাবে তখন আমরা আপনাদের ফেরত দিয়ে দেবো, একদম আপনাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে চলে যাবে। মানে এটাকে ডিসিপ্লিন করার জন্য আসলে আমরা আপাতত কিছুদিন ধরে রিফান্ড দিচ্ছি না, বাট এটা আলটিমেটেডলি আপনারা পেয়ে যাবেন।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এমএআর/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ডিজেল সংকটে অচল কৃষিযন্ত্র: আইডি কার্ডেই কি মিলবে মুক্তি</title>
<link>https://digibanglatech.news/172893</link>
<guid>https://digibanglatech.news/172893</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69d20494b6a99.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 05 Apr 2026 00:00:16 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span lang="BN-BD">আধুনিক কৃষিতে শ্রম লাঘব ও উৎপাদন বাড়াতে দেশে কম্বাইন্ড হার্ভেস্টরের জনপ্রিয়তা দ্রুত বাড়ছে</span>, <span lang="BN-BD">যার ব্যবহার বাড়াতে সরকার হাওরাঞ্চলে ৭০ শতাংশ এবং অন্যান্য এলাকায় ৫০ শতাংশ পর্যন্ত ভর্তুকি প্রদান করছে । বর্তমানে দেশের মোট আবাদ করা জমির ১৫ শতাংশ ধান এই ডিজেলচালিত হারভেস্টর দিয়ে কাটা হয়। অন্যদিকে</span>, <span lang="BN-BD">ধান ঝাড়াই করার থ্রেশার মেশিনগুলোও ডিজেলের ওপর নির্ভরশীল</span>। আর<span lang="BN-BD"> ধান কাটার ছোট যন্ত্র রিপার চলে পেট্রল দিয়ে। </span><o:p></o:p></p>
<p><span lang="BN-BD">ডিজেলের এই তীব্র সংকটের কারণে </span><span lang="BN">রাজশাহী</span>, <span lang="BN">চট্টগ্রাম</span>, <span lang="BN">সিলেট</span>, <span lang="BN">গাজীপুর</span>, <span lang="BN">বরগুনা</span>,  <span lang="BN-BD">গোপালগঞ্জ</span>, <span lang="BN-BD">কুষ্টিয়া</span>, <span lang="BN-BD">ফরিদপুর</span>, <span lang="BN">চট্টগ্রাম</span>, <span lang="BN">জামালপুর</span>, <span lang="BN">পটুয়াখালী</span>, <span lang="BN">লালমনিরহাট</span>, <span lang="BN">নীলফামারী</span><span lang="BN-BD"> ও মাদারীপুরের মতো জেলাগুলোতে সেচ কাজ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। অনেক এলাকায় কৃষকরা পাম্পে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থেকেও তেল পাচ্ছেন না</span>, <span lang="BN-BD">আবার কোথাও কোথাও খোলাবাজারে ১৩০ থেকে ১৫০ টাকা পর্যন্ত বাড়তি দামে ডিজেল কিনতে বাধ্য হচ্ছেন</span>, <span lang="BN-BD">যা সরাসরি উৎপাদন খরচ বাড়িয়ে দিচ্ছে।</span><o:p></o:p></p>
<p>ঝিনাইদহ জেলার <span lang="BN-BD">শৈলকূপা উপজেলার কচুয়া গ্রামের কৃষক সুশান্ত বিশ্বাস বলেন</span>, <span lang="BN-BD">পেঁয়াজ আবাদের পরে একই জমিতে আমরা পাট বপন করি। কিন্তু ডিজেল না পেলে পাট আবাদের জন্য জমি প্রস্তুত করা কঠিন হয়ে যাবে। এ ছাড়া যথাসময়ে পানি সেচ দিতে না পারলেও ধানের ফলন খারাপ হতে পারে।</span><o:p></o:p></p>
<p><span lang="BN-BD">ঝিনাইদহ ফুয়েল পাম্প মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম বলেন</span>, <span lang="BN-BD">ডিপো থেকে পাম্পগুলোতে চাহিদা মতো তেল দেওয়া হচ্ছে না। তারপরও এখন পর্যন্ত ডিজেলের সরবরাহ বেশ স্বাভাবিক আছে। কৃষকরা পাম্পে এলে ডিজেল পাচ্ছেন। আশা করছি</span>, <span lang="BN-BD">ডিজেলের সরবরাহে আগামী কয়েক সপ্তাহে তেমন কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না।</span><o:p></o:p></p>
<p><span lang="BN-BD">বরিশালের উজিরপুর উপজেলা</span>র কৃষক বদি মিয়া জানান, পাম্পের তেল না পাওয়ায় <span lang="BN-BD">সময়মতো পানি দিতে না পারায় ধানের চারা শুকিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।</span> তবে এই অবস্থার উত্তরণে ওই এলকার <span lang="BN-BD">উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কাপিল বিশ্বাস জানান</span>, “<span lang="BN-BD">কৃষকদের জন্য ডিজেল প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে প্রত্যয়নপত্রের ব্যবস্থা করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে সমন্বয় করে এই সনদ দেওয়া হচ্ছে</span>, <span lang="BN-BD">যাতে অবৈধ মজুদ রোধ করা যায়।”</span><o:p></o:p></p>
<p>এ বিষয়ে <span lang="BN-BD">সাকুরা পেট্রোল পাম্পের সরকারনিযুক্ত ট্যাগ অফিসার ও উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ বলেন</span>, “<span lang="BN-BD">পাম্পগুলো পর্যাপ্ত জ্বালানি পাচ্ছে না। তারপরও আমরা কঠোর নজরদারির মাধ্যমে সবার মধ্যে সমবণ্টনের চেষ্টা করছি।”</span><o:p></o:p></p>
<p>এদিকে <span lang="BN-BD">গোপালগঞ্জ শহরতলীর বেদগ্রাম এলাকার মিতা ফিলিং স্টেশনে গিয়ে দেখা গেছে</span>, <span lang="BN-BD">ড্রাম</span>, <span lang="BN-BD">বোতল আর বিভিন্ন পাত্র নিয়ে ডিজেল পাওয়ার অপেক্ষায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে রয়েছেন কৃষকরা। কখন প্রয়োজনীয় তেল পেয়ে সেচ দিয়ে ফসল রক্ষা করবেন সেই চিন্তাই যেন তাদের চোখে মুখে। কিন্তু দীর্ঘ সময় বসে থাকার পরও কেউ চাহিদা মত তেল না পেয়ে আর কাওকে ফিরতে হয়েছে খালি হাতে। </span><o:p></o:p></p>
<p>ঝালকাঠির <span lang="BN-BD">উপজেলার কৃষক জামাল উদ্দিন বলেন</span>, <span lang="BN-BD">পেট্রোলচালিত মেশিনের জন্য কাগজপত্র নিয়ে এসেও পাম্পে তেল পাচ্ছি না। এখন বোরো ক্ষেতে পানি দেওয়ার সময় কিন্তু তেলের অভাবে তা সম্ভব হচ্ছে না। আরেক কৃষক মহসিন আলী জানান</span>, <span lang="BN-BD">সকাল থেকে অপেক্ষা করে মাত্র ২০০ টাকার তেল পেয়েছেন</span>, <span lang="BN-BD">যা দিয়ে এক বিঘা জমিতেও সেচ দেওয়া সম্ভব নয়। প্রয়োজন অনুযায়ী ডিজেল ও পেট্রোল পাচ্ছেন না তারা। এতে ট্রাক্টর</span>, <span lang="BN-BD">সেচযন্ত্র পাওয়ার পাম্প</span>, <span lang="BN-BD">পাওয়ার টিলার</span>, <span lang="BN-BD">কীটনাশক দেওয়ার মেশিন</span>, <span lang="BN-BD">ধান কাটা ও মাড়াইয়ের যন্ত্র চালাতে পারছেন না কৃষকরা।</span><o:p></o:p></p>
<p><span lang="BN-BD">কৃষিযন্ত্র খাতের বিশেষজ্ঞরা এই সংকট মোকাবিলায় সমন্বিত এবং প্রযুক্তিভিত্তিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা চালুর প্রস্তাব দিয়েছেন। কৃষি যন্ত্রপাতি সরবরাহকারী কোম্পানিগুলোর কাছে যেহেতু সব যন্ত্রের মালিকদের তালিকা রয়েছে</span>, <span lang="BN-BD">তাই পরিচয়পত্র বা আইডিভিত্তিক তদারকির মাধ্যমে সরাসরি কৃষকদের হাতে তেল পৌঁছে দেওয়া সম্ভব</span> বলে মনে করেন তারা<span lang="BN-BD">।</span><o:p></o:p></p>
<p>সূত্রমতে,<span lang="BN-BD"> একটি কম্বাইন্ড হার্ভেস্টারের জন্য দৈনিক প্রায় ৬০ থেকে ৭০ লিটার ডিজেল প্রয়োজন হয়</span>, <span lang="BN-BD">যা সঠিক বরাদ্দের মাধ্যমে নিশ্চিত করলে কৃষিতে বড় ধরনের বিপর্যয় এড়ানো যাবে এবং জ্বালানি অবৈধ মজুতের সুযোগও থাকবে না। যদি দ্রুত এই সেচ ও ফসল কাটার মৌসুমে ডিজেলের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করা না যায়</span>, <span lang="BN-BD">তবে দেশের প্রধান ফসল বোরোর উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন বাধাগ্রস্ত হতে পারে</span>, <span lang="BN-BD">যা সামগ্রিক খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় ঝুঁকি হয়ে দাঁড়াবে।</span><o:p></o:p></p>
<p class="MsoNormal">প্রসঙ্গত, <span lang="BN-BD">বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে ইরান</span>, <span lang="BN-BD">যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান উত্তেজনার ফলে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় বাংলাদেশে জ্বালানি তেল সরবরাহে বড় ধরনের প্রভাব পড়েছে। দেশে ডিজেলের বার্ষিক চাহিদা প্রায় ৪৫ লাখ মেট্রিক টন হলেও বর্তমানে মজুতের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে মাত্র ১ লাখ ২২ হাজার ৬৬০ টনে। দৈনিক ১২ হাজার টন চাহিদার বিপরীতে বর্তমানে পাওয়া যাচ্ছে ১১ হাজার ৫০০ টন</span>, <span lang="BN-BD">যা সামগ্রিক সরবরাহ ব্যবস্থায় ঘাটতি তৈরি করছে। বিশেষ করে ডিসেম্বর থেকে মে মাস পর্যন্ত চলমান কৃষি সেচ মৌসুমে ডিজেলের গুরুত্ব অপরিসীম</span>, <span lang="BN-BD">কারণ এই সময়ে সব ধরনের কৃষিযন্ত্রে প্রতি মাসে গড় সম্ভাব্য চাহিদা থাকে প্রায় ২ লাখ ৯ হাজার টন। বৃষ্টিপাতের পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে এই ছয় মাস কৃষি খাতের জন্যই দৈনিক প্রায় ৭ হাজার টন ডিজেলের প্রয়োজন হয়।</span></p>
<p class="MsoNormal"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong><span lang="BN-BD">ডিবিটেক/এসএম/এমইউআইএম</span></strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>প্রকৃত মৎস্যজীবী ও সংগঠনই পাবে জলার ইজারা</title>
<link>https://digibanglatech.news/172866</link>
<guid>https://digibanglatech.news/172866</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69d1b90af2210.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 04 Apr 2026 17:21:31 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>আগামীতে দেশের সরকারি জলমহাল ইজারায় ‘জাল যার, জলা তার’ নীতি অনুসরণ করে প্রকৃত জেলেদের স্বার্থ সংরক্ষণ করা হবে বলে জানিয়েছেন ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু। এই জন্য হালনাগাদ ডেটাবেজের ভিত্তিতেই প্রকৃত মৎস্যজীবী বা তাদের নিবন্ধিত সমবায় সমিতিই জলমহাল ইজারা পাওয়ার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবে।</p>
<p>৪ এপ্রিল, শনিবার সুনামগঞ্জ শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনে সরকারি জলমহাল আইন-২০২৬ এর খসড়া চুড়ান্তকরণ শীর্ষক কর্মশালায় এমনটাই জানিয়েছেন মন্ত্রী।</p>
<p> প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভুমিমন্ত্রী বলেন, ''জাল যার জলা তার' 'এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে আগামীতে দেশের প্রকৃত জেলেদের স্বার্থ মাথায় রেখে জলমহাল ইজারা দেওয়া হবে। প্রবাহমান নদী কখনো ইজারার আওতায় আসবেনা। মধ্যস্বত্বভোগী কেউ যেন রাজধানী বা দেশের বাইরে বসে প্রকৃত মৎসজীবিদের হক নষ্ট করতে না পারে সেজন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে সতর্ক থাকার নির্দেশনা দেন। </p>
<p>অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেন, এই আইনের আওতায় প্রকৃত মৎসজীবিদের অগ্রাধিকার নিশ্চিত করা এবং প্রকৃত উপকারীভোগীদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে তালিকা পুর্নবিবেচনা ও সর্বোপরি তারা যেন অধিকতর সুবিধা পায় তা নিশ্চিত করতে হবে। মাঠের প্রকৃত চিত্র যেন ইজারা প্রদানের ক্ষেত্রে উঠে আসে এবং প্রকৃত উপকারভোগীরা যাতে অন্তর্ভুক্ত থাকে সেজন্যে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের মতামতের ভিত্তিতে মন্ত্রণালয়ে সুপারিশ প্রেরণ করা হয় তা  নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশনা প্রদান করেন।</p>
<p>ভুমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এ এস এম সালেহ আহমেদের সভাপতিত্বে কর্মশালায় স্থানীয় সংসদ  সদস্যবৃন্দ, প্রশাসনের  ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বেসরকারি উন্নয়ন সংগঠন বেলা, টিআইবি প্রতিনিধি বক্তব্য দেন। এছাড়াও মৎসজীবি,এনজিও এবং মিডিয়া প্রতিনিধিরা  কর্মশালায় তাদের মতামত তুলে ধরেন।</p>
<p>পরে ভূমিমন্ত্রী মোঃ মিজানুর রহমান মিনু সার্কিট হাউজে বিএনপি এবং এর অংগ সংগঠনের নেতা-কর্মীদের সাথে মতবিনিময় করেন। এসময় স্থানীয় সংসদ সদস্য কলিমউদ্দিন আহমেদ ,কয়সর আহমেদ এবং কামরুজ্জামান কামরুল উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>বাংলাদেশে মৎস্য অধিদপ্তর এসসিএমএফপি প্রকল্পের আওতায় মৎস্যজীবীদের একটি সমন্বিত ডেটাবেজ ও নিবন্ধন ব্যবস্থা পরিচালনা করে। এর মাধ্যমে জেলেদের আইডি কার্ড, মৎস্য-নৌযান ও সরঞ্জামের তথ্য এবং চিংড়ি ই-ট্রেসেবিলিটি সংরক্ষণ করা হয়। এই ডেটাবেজ জেলেদের অভ্যন্তরীণ ই-সেবা প্রাপ্তি ও নিবন্ধন কার্যক্রম সহজ করতে ব্যবহৃত হয়।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এজেকে/এমইউআইএম</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>মেটাল মোটরস&#45;এর যান্ত্রিক কৃষি যান কেনার কিস্তি বিকাশে</title>
<link>https://digibanglatech.news/172858</link>
<guid>https://digibanglatech.news/172858</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202604/image_870x580_69d16027ef814.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 04 Apr 2026 15:02:24 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span lang="BN-BD"><span lang="EN-GB">বাড়ির পাশের বিকাশ এজেন্ট পয়েন্টেই দেয়া যাচ্ছে কৃষি যন্ত্রপাতি পরিবেশক ও প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান </span></span><span lang="EN-GB">মেটাল মোটরস থেকে কেনা মেকানাইজড কৃষি যানবাহনের কিস্তি। এটি</span><span lang="BN-BD"> সরাসরি মেটাল-এর অ্যাকাউন্টে ইলেকট্রনিক মানি (ই-মানি) হিসেবে জমা হচ্ছে। </span><span lang="EN-GB">এতে মাঠ পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট সবার অর্থ ব্যবস্থাপনার ঝুঁকি কমবে এবং লেনদেনের পুরো প্রক্রিয়াটি আরও সময় ও খরচ সাশ্রয়ী হবে বলে মনে করছেন খাত সংশ্লিষ্টরা। </span></p>
<p><span lang="EN-GB">৪ এপ্রিল, শনিবার বিকাশ জানিয়েছে, মাঠ পর্যায়ে বিক্রয়পণ্যের কিস্তি সংগ্রহের প্রক্রিয়াকে আরও সহজ ও নিরাপদ করতে সম্প্রতি বিকাশ ও মেটাল মোটরস লিমিটেড-এর মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।</span><span lang="EN-GB"> </span><span lang="BN-BD">মেটাল এর প্রধান কার্যালয়ে চুক্তি সাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানটির ম্যানেজিং ডিরেক্টর সাদিদ জামিল, ডিরেক্টর সারাহ জামিল ও সাদ জামিল, সিইও মো. মিজানুর রহমান এবং বিকাশ এর চিফ কমার্শিয়াল অফিসার আলী আহম্মেদ, হেড অফ বিজনেস সেলস মাশরুর চৌধুরী, বিজনেস সেলস বিভাগের জেনারেল ম্যানেজার মো. সোমেল রেজা খান সহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।<o:p></o:p></span></p>
<p><span lang="EN-GB"><o:p>কতৃপক্ষের দাবি. </o:p></span><span lang="BN-BD">বিকাশ-এর ‘ক্যাশ কালেকশন সল্যুশন’ ব্যবহার করে </span><span lang="EN-GB">টেলিকম, </span><span lang="BN-BD">সিমেন্ট</span><span lang="EN-GB">, </span><span lang="BN-BD">বেভারেজ</span><span lang="EN-GB">, </span><span lang="BN-BD">লাইফস্টাইল</span><span lang="EN-GB">, </span><span lang="BN-BD">খাদ্য</span><span lang="EN-GB">, </span><span lang="BN-BD">ওষুধ সহ বিভিন্ন খাতে দেশের শীর্ষ প্রতিষ্ঠানগুলো ইতোমধ্যেই তাদের মাঠ পর্যায়ের আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে আরও নিরবচ্ছিন্ন</span><span lang="EN-GB">, </span><span lang="BN-BD">স্বচ্ছ ও নিরাপদ করে তুলতে সক্ষম হয়েছে।</span></p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong><span lang="BN-BD">ডিবিটেক/এমএসআর/এমইউআইএম</span></strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>পহেলা বৈশাখে ৯ উপজেলায় চালু হচ্ছে কৃষক কার্ড; আবেদন অনলাইনে</title>
<link>https://digibanglatech.news/172284</link>
<guid>https://digibanglatech.news/172284</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69caddca1e753.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 30 Mar 2026 13:32:22 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলা <span> ১৪৩৩ সনের প্রথম দিনে (১৪ এপ্রিল, ১ বৈশাখ)  পরীক্ষামূলকভাবে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি উদ্বোধনের পর  দেশের ৮ বিভাগের ৯টি উপজেলার ৯টি ব্লকে কৃষক কার্ড বিতরণ করা হবে।   এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষকরা বীজ, সার, সেচ, কৃষি ঋণ এবং খরিফ-১ ও খরিফ-২ মৌসুমে বিশেষ অনুদানসহ ১০টি সুবিধা পাবেন। ইউনিয়ন পর্যায়ে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের মাধ্যমে বা অনলাইনে আবেদন করা যাবে। এনআইডি (NID), পাসপোর্ট সাইজের ছবি, ফোন নম্বর, জমির প্রমাণপত্র, এবং ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর দিয়ে কার্ডের আবেদন করতে হবে। অনলাইনে আবেদনের জন্য সরকার <span jsuid="Tap2nc_2b" data-sfc-cp="" jsaction="mouseenter:&amp;Tap2nc_2b|WOQqYb;mouseleave:&amp;Tap2nc_2b|Tx5Rb;" jscontroller="KMhGd" data-sfc-root="c" data-sfc-cb="" data-complete="true"><a class="H23r4e" target="_blank" data-hveid="CAgQAg" href="https://training.mygov.bd/services/?id=BDGS-1533528311" ping="/url?sa=t&amp;source=web&amp;rct=j&amp;url=https://training.mygov.bd/services/?id%3DBDGS-1533528311&amp;ved=2ahUKEwj76ZKKu8iTAxV3V3ADHSiGGGwQy_kOegQICBAC&amp;opi=89978449" rel="noopener">মাইগভ (myGov)</a></span> বা নির্দিষ্ট পোর্টালের ব্যবস্থা রেখেছে</span></p>
<p>৩০ মার্চ, সোমবার সকালে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে ক্রীড়াকার্ড ও ভাতা প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে <span>‘কৃষক কার্ড’ উদ্বোধনের পরিকল্পনার কথা</span> জানান খোদ প্রধানমন্ত্রী। </p>
<p><span>তিনি </span>বলেন, আগামী ১৪ এপ্রিল থেকে শুরু হতে যাচ্ছে ‘ফার্মার্স কার্ড’ বা ‘কৃষক কার্ড’ প্রদান কর্মসূচি। এভাবেই দেশ এবং জনগণের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে সরকার ধারাবাহিকভাবে প্রতিটি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছে। সেই ধারাবাহিকতায় আজ থেকে শুরু হলো ‘ক্রীড়া কার্ড’।</p>
<div id="div-gpt-ad-1714298156309-0" class="text-center my-3"></div>
<p>প্রাক-পাইলট পর্যায়ে ধারাবাহিকভাবে সব শ্রেণির কৃষকের তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘এরপর দেশের ৮ বিভাগের ৯টি উপজেলার ৯টি ব্লকে কৃষক কার্ড বিতরণ করা হবে। নির্বাচিত উপজেলাগুলো হলো- টাঙ্গাইল সদর, বগুড়ার শিবগঞ্জ, পঞ্চগড় সদর, জামালপুরের ইসলামপুর, ঝিনাইদহের শৈলকুপা, পিরোজপুরের নেছারাবাদ, মৌলভীবাজারের জুড়ী, কুমিল্লা সদর ও কক্সবাজারের টেকনাফ।’</p>
<p>কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই) কর্মসূচিটি বাস্তবায়ন করবে। <span>চার বছরে ১ কোটি ৬৫ লাখ কার্ড বিতরণের পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। </span>এ কর্মসূচির আওতায় ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকেরা গড়ে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে ভর্তুকি বা কৃষি উপকরণ সহায়তা পাবেন। <span> </span>এ ছাড়া খরিফ-১ ও খরিফ-২ মৌসুমে নির্দিষ্ট শ্রেণির কৃষকদের জন্য সরকার নির্ধারিত হারে আর্থিক অনুদান প্রদান করবে।</p>
<p>সূত্রমতে, <span>কৃষি বিমা, আধুনিক কৃষি প্রশিক্ষণ এবং স্মার্ট কৃষি কার্ডের মাধ্যমে আবহাওয়া ও রোগবালাই সংক্রান্ত আগাম তথ্য পাওয়া যাবে।</span></p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এনআই/এমইউএম</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ডাটাবেজের আওতায় আসবে কৃষি উৎপাদন</title>
<link>https://digibanglatech.news/172064</link>
<guid>https://digibanglatech.news/172064</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202605/image_870x580_69fece7724721.jpg" length="161007" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 29 Mar 2026 10:00:47 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>উৎপাদিত ফসলের অপচয় কমাতে কৃষি ডাটাবেজ তৈরির পরিকল্পনা হাতে নিচ্ছে সরকার। ২৮ মার্চ, শনিবার রাজধানীর খামারবাড়ির কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে সরকারের নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়নে কর্মপরিকল্পনা ও বাজেট প্রাক্কলনসংক্রান্ত এক সভায় সেই ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। </p>
<p>সভায় কৃষক কার্ড, খাল খনন, বৃক্ষরোপণ, কৃষি মন্ত্রণালয়ের ১৮০ দিনের কর্মসূচি বিষয়ে কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ ও অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা হয়।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202605/image_870x_69feceaae4bfa.jpg" alt=""></p>
<p>প্রধান অতিথির বক্তব্যে কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, কৃষক কার্ড চালুর মাধ্যমে প্রকৃত কৃষককে চিহ্নিত করে সহায়তা দেবে সরকার। কৃষি ঋণ, সার, বীজ ও প্রযুক্তি সহায়তায় কৃষক কার্ড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।</p>
<p>তিনি আরও বলেন, কৃষক কার্ড কৃষিখাতে বৈপ্লবিক পরিবর্তনের সূচনা করবে। এ কার্ডের ব্যবহার করে কৃষক সরকারি বিভিন্ন কৃষি সহায়তা পাবেন। পাশাপাশি কৃষি উৎপাদনকেও একটি ডাটাবেজের আওতায় আসবে। ফলে ফসলের অপচয় কমবে।</p>
<p>কৃষি সচিব রফিকুল ই মোহামেদের সভাপতিত্বে সভায় কৃষি মন্ত্রণালয় ও আওতাধীন দপ্তর/সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>প্রসঙ্গত, কৃষক কার্ড বাস্তবায়নের প্রি-পাইলটিং কার্যক্রমের ডাটা সংগ্রহ ও ব্যাংক হিসাব খোলার কার্যক্রম ২৯ মার্চ পর্যন্ত চলবে। আগামী পহেলা বৈশাখে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এসএমও/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>কৃষি যান্ত্রিকীকরণে বাংলাদেশকে কারিগরি সহায়তায় আগ্রহী রাশিয়া</title>
<link>https://digibanglatech.news/171713</link>
<guid>https://digibanglatech.news/171713</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69c3f69a9023d.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 25 Mar 2026 18:53:07 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>কৃষি যান্ত্রিকীকরণে বাংলাদেশকে কারিগরি সহায়তার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছে রাশিয়া। ২৫ মার্চ, বুধবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে কৃষি, খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে এই আগ্রহের কথা জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার গ্রিগোরিয়েভিচ খোজিন।</p>
<p>কৃষি মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত বৈঠকে কৃষি খাত, খাদ্য নিরাপত্তা এবং আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যসহ উভয় দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এ সময় কৃষি সচিব রফিকুল ই মোহামেদ, কৃষি মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং ঢাকাস্থ রাশিয়ান দূতাবাসের প্রথম সচিব আনাস্তাসিয়া নেমোভা উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>বৈঠকের শুরুতে কৃষিমন্ত্রী রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানান এবং রাষ্ট্রদূত মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য মন্ত্রীকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান।</p>
<p>মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেন, রাশিয়া বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত বন্ধু। প্রায় ৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে দেশের কৃষি ও প্রযুক্তিসহ নানা খাতে রাশিয়া সহযোগিতা করে আসছে। বাংলাদেশ নন-ইউরিয়া সার, বিশেষ করে এমওপি সারের একটি বড় অংশ রাশিয়া থেকে আমদানি করে। ভবিষ্যতেও এই সরবরাহ যাতে স্বাভাবিক থাকে, সে বিষয়ে মন্ত্রী রাষ্ট্রদূতের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।</p>
<p>পাশাপাশি বাংলাদেশ থেকে আলু, আম, শসা ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্যের আমদানি বাড়াতে রাশিয়ার প্রতি আহ্বান জানান মন্ত্রী।</p>
<p>রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার খোজিন বাংলাদেশের কৃষি খাতে রাশিয়ার সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আগ্রহ প্রকাশ করেন। তিনি জানান, বাংলাদেশ থেকে রাশিয়া নিয়মিতভাবে আলুসহ বিভিন্ন কৃষিপণ্য আমদানি করে থাকে। সার ও বীজ সরবরাহের পাশাপাশি কৃষি যান্ত্রিকীকরণেও তার দেশ কারিগরি সহায়তার বিষয়ে আগ্রহী। মন্ত্রী এ বিষয়ে রাশিয়ার সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এনএ/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>কৃষিই হবে অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি: কৃষি মন্ত্রী</title>
<link>https://digibanglatech.news/171592</link>
<guid>https://digibanglatech.news/171592</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69c25cd3d5b35.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 24 Mar 2026 13:34:51 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>কৃষি, খাদ্য, মৎস ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, কৃষিই হবে অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি।  </p>
<p>২৪ মার্চ, মঙ্গলবার কৃষি মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে কৃষি ও খাদ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সাথে ঈদ পরবর্তি কর্মদিবসে শুভেচ্ছা বিনিময় উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই প্রত্যয় ব্যক্ত করেন মন্ত্রী।</p>
<p><br>অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এবং উপদেষ্টা, কৃষি মন্ত্রণালয় (মন্ত্রী পদমর্যাদা) নজরুল ইসলাম খান, কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব রফিকুল ই মোহামেদ ও খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ ফিরোজ সরকার।</p>
<p>কৃষি মন্ত্রী বলেন,  বিশ্বের যে কোন দেশের চেয়ে বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতি ও পরিবেশ কৃষির জন্য ভালো। বৈজ্ঞানিক উপায়ে চাষাবাদ করলে চাহিদার চেয়েও অধিক পরিমাণে খাদ্য উৎপাদন করা সম্ভব। </p>
<p>মন্ত্রী বলেন, দেশের অধিকাংশ মানুষ কৃষির উপর নির্ভরশীল। আমাদের গ্রামীণ অর্থনীতির মূল বুনিয়াদ কৃষি। সরকারের অগ্রাধিকার কর্মসুচির মাধ্যমে কৃষকের মাঝে কৃষক কার্ড বিতরণ করা হবে। ইতোমধ্যে দেশে খাল খনন কর্মসুচি চালু হয়েছে। কৃষিকে অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি করতে সরকার সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। কৃষি খাতকে ঢেলে সাজানো হচ্ছে। </p>
<p>মন্ত্রী কৃষি ও খাদ্য মন্ত্রণালয়, আওতাধীন দপ্তর সংস্থার সকল পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশ্যে বলেন, দেশের জনগণের সুষম খাদ্যের চাহিদা পূরণ ও আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর দেশ রেখে যাওয়ার জন্য আমরা দায়বদ্ধ।  সকলে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সততা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করলে আমরা একটি সুন্দর দেশ রেখে যেতে পারবো।</p>
<p>মন্ত্রী আরও বলেন, খাদ্য নিরাপত্তা আগামীর দিনে বড় চ্যালেঞ্জ হবে। কৃষি ও খাদ্য বিভাগের সকলকে আন্তরিকতার সাথে কাজ করে এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে। </p>
<p>অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এবং উপদেষ্টা, কৃষি মন্ত্রণালয় নজরুল ইসলাম খান বলেন, দেশের কৃষিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সকলকে দক্ষতার পাশাপাশি সততা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করতে হবে। সরকার দেশব্যাপী  বৃক্ষরোপণ করবে। বৃক্ষরোপণকে সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করে দেশকে সবুজায়ন করতে হবে। জলবায়ুর অভিঘাত মোকাবেলায় বৃক্ষরোপনের এ আন্দোলন সকলের মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/জেডএইচএস/এমইউএম</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>মেঘনায় বৈদ্যুতিক শকে মাছ শিকারের জাল জব্দ</title>
<link>https://digibanglatech.news/170858</link>
<guid>https://digibanglatech.news/170858</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69b79a549093b.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 16 Mar 2026 09:51:35 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span>বৈদ্যুতিক তারযুক্ত বিশেষ ধরনের জাল ব্যবহার করে মেঘনা নদী ও এর শাখা নদীগুলোতে গোপনে ব্যবহৃত হচ্ছে বৈদ্যুতিক শক দিয়ে মাছ শিকারি জাল।  এতে মাছের পোনা, ডিম, এমনকি সাপ ও ব্যাঙসহ বিভিন্ন জলজ প্রাণী মারা যাচ্ছে। হুমকির মুখে পড়েছে নদীর স্বাভাবিক পরিবেশ। </span></p>
<p><span>এমন পরিস্থিতিতে হিজলার মৌলভীরহাট সংলগ্ন নদীতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১৫ মার্চ, রবিবার রাতে অভিযান চালানো হয়। এসময় </span>বৈদ্যুতিক শক দিয়ে মাছ ধরার সময় একটি ট্রলারসহ ইলেকট্রনিক ডিভাইস জব্দ করা হয়েছে। অভিযান পরিচালনা করেন বরিশালের হিজলা উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলম। তিনি জানান, অভিযান টের পেয়ে জড়িত জেলেরা পালিয়ে যায়। তবে ট্রলার থেকে জব্দ করা সরঞ্জামের আনুমানিক মূল্য প্রায় ৪০ হাজার টাকা।</p>
<p>তিনি আরও জানান, অভিযানে হিজলা নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির সাব-ইন্সপেক্টর মো. শাহজাদাসহ পুলিশ সদস্যরা অংশ নেন। অভিযুক্তদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং স্থানীয়দের সচেতন করতেও কাজ চলছে।</p>
<p>মোহাম্মদ আলম বলেন, বৈদ্যুতিক শক ব্যবহারে শুধু মাছ নয়, সাপ, ব্যাঙসহ অন্যান্য জলজ প্রাণীও মারা যায়। এমনকি কোনো মাছ বেঁচে গেলেও তার প্রজননক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়। এতে দীর্ঘমেয়াদে জীববৈচিত্র্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়।</p>
<p>উপজেলা মৎস্য অফিস সূত্রে প্রকাশ, মেঘনা নদী ইলিশের অভয়ারণ্য। পাশাপাশি নদীটির শাখা নদী ও খালগুলোতে প্রায় সব প্রজাতির মাছ পাওয়া যায়। ছোট মাছের মধ্যে বাঁশপাতারি, বৈরালি, বেলে, রিঠা ও গলদা চিংড়ি বেশি পাওয়া যায়।</p>
<p>আর বড় মাছের মধ্যে ইলিশ ছাড়াও ৫ থেকে ১০ কেজি ওজনের পাঙাশ, বাগাড়, বোয়াল ও ভেউস পাওয়া যায়। এই নদী ও শাখা নদীকে ঘিরে হাজারো জেলে দীর্ঘদিন ধরে জীবিকা নির্বাহ করছেন।</p>
<p>স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে,কম সময়ে বেশি মাছ ধরার আশায় একশ্রেণির অসাধু জেলে বৈদ্যুতিক তারযুক্ত বিশেষ ধরনের জাল ব্যবহার করে মেঘনা নদী ও এর শাখা নদীগুলোতে গোপনে বৈদ্যুতিক শক দিয়ে মাছ শিকারে মেতে উঠেছে। বৈদ্যুতিক শক দিয়ে তারা নির্বিচারে ছোট-বড় সব মাছ ধরছে। ফলে মাছের উৎপাদন কমে যাওয়ার পাশাপাশি জীববৈচিত্র্য মারাত্মক হুমকির মুখে পড়ছে। </p>
<p>সূত্রমতে, রিকশা বা ইজিবাইকে ব্যবহৃত ব্যাটারির সঙ্গে ইনভার্টার যুক্ত করে বিদ্যুৎ প্রবাহ তৈরি করা হয়। এরপর দুটি তারের একটি পানিতে ফেলে এবং অন্যটি জালের সঙ্গে যুক্ত করা হয়। এভাবে পানিতে বিদ্যুৎ ছড়িয়ে কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই আশপাশের মাছ ভেসে ওঠে, যা পরে জাল দিয়ে তুলে নেওয়া হয়।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/বিএনও/ইকে</strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ মওকুফে থাকছে ছয় শর্ত</title>
<link>https://digibanglatech.news/170875</link>
<guid>https://digibanglatech.news/170875</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69b7ac8f9bb1c.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 16 Mar 2026 00:00:00 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>অনূর্ধ্ব ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণের সুদ ও আসল সরকার পরিশোধ করবে। তবে এই সুবিধা বাস্তবায়নে ছয়টি শর্ত নির্ধারণ করেছে সরকার। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল নেতৃত্বাধীন সরকার।</p>
<p>এ বিষয়ে গত ১২ মার্চ অর্থ মন্ত্রণালয়ের বাজেট অনুবিভাগ এবং ১৫ মার্চ আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ থেকে পৃথক সরকারি আদেশ জারি করা হয়েছে। আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের উপ-সচিব মো. মামুনুর রশিদ স্বাক্ষরিত ওই আদেশে বলা হয়েছে, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণের সুদ ও আসল পরিশোধের জন্য চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেট থেকে ১ হাজার ৫৬৭ কোটি ৯৬ লাখ ৩৩ হাজার ৪৮০ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।</p>
<p>সরকারি নির্দেশনায় বলা হয়েছে, এই সুবিধা কার্যকর করতে ব্যাংকগুলোকে কয়েকটি শর্ত মানতে হবে। প্রথমত, সুদ আরোপের পরবর্তী সময়ের যে অনারোপিত সুদ রয়েছে তা সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলো তাদের পরিচালনা পর্ষদের অনুমোদন সাপেক্ষে মওকুফ করবে। দ্বিতীয়ত, Suspense হিসাবে স্থানান্তরিত ১৩৭ কোটি ৫৮ লাখ ৩৯ হাজার ৮২৫ টাকা ৬৮ পয়সা ব্যাংকগুলো নিজ দায়িত্বে অবলোপন করে দায় নিষ্পত্তি হিসেবে গণ্য করবে এবং এ সংক্রান্ত কোনো মামলা থাকলে তা প্রত্যাহার করবে।</p>
<p>তৃতীয়ত, বাংলাদেশ ব্যাংক যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে এসব তথ্য পর্যায়ক্রমে নিরীক্ষা (অডিট) সম্পন্ন করবে এবং নিরীক্ষিত চূড়ান্ত হিসাব সরকারের কাছে পাঠাবে। সেই হিসাবের ভিত্তিতে সরকার সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোকে অর্থ পরিশোধ করবে। চতুর্থত, সরকারের পক্ষ থেকে দায় গ্রহণের সঙ্গে সঙ্গে কৃষকের বিরুদ্ধে থাকা সব মামলা ব্যাংকগুলোকে অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে এবং কৃষক যেন কোনো ধরনের হয়রানির শিকার না হন তা নিশ্চিত করতে হবে। এ বিষয়ে অগ্রগতি প্রতিবেদন প্রতি মাসে বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগকে জানাতে হবে।</p>
<p>পঞ্চমত, কোনো ব্যাংক প্রকৃত দায়ের চেয়ে বেশি অর্থ গ্রহণ করেছে বলে প্রমাণিত হলে সেই অতিরিক্ত অর্থ সুদসহ সরকারকে ফেরত দিতে হবে। আর ষষ্ঠত, বরাদ্দকৃত অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে সরকারি সব আর্থিক বিধি-বিধান ও নির্দেশনা কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে।</p>
<p>এদিকে কৃষকদের সেবাকে আরও সহজ ও কার্যকর করতে আগামী ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখ থেকে নতুন কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচি শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং প্রথম ধাপে প্রায় ২ কোটি ২০ লাখ কৃষকের হাতে এই কার্ড তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/এমএআর/ইকে</strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>পহেলা বৈশাখে কৃষি কার্ড উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী</title>
<link>https://digibanglatech.news/170748</link>
<guid>https://digibanglatech.news/170748</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69b64c2579c3c.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 15 Mar 2026 11:31:46 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>আগামী ১৪ এপ্রিল, পহেলা বৈশাখে দেশব্যাপী ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এই  কার্ড চালু হলে কৃষকদের সার, বীজসহ অন্যান্য সরকারি প্রণোদনা ও সহায়তা প্রাপ্তি আরও সহজ ও স্বচ্ছ হবে বলে আশা করছে সরকার।</p>
<p> ১৫ মার্চ, রবিবার বেলা ১১টায় বাংলাদেশ সংসদ সচিবালয়ে ‘কৃষক কার্ড’ বিষয়ে অনুষ্ঠিত উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে কার্ড প্রদান উদ্বোধনের তারিখ গ্রহণের সিদ্ধান্তের সঙ্গে এই আশাবদ ব্যক্ত করা হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।</p>
<p>বৈঠক সূত্রে জানা যায়, আগামী পহেলা বৈশাখ বাঙালির প্রাণের উৎসবে প্রধানমন্ত্রী এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। এরপর পর্যায়ক্রমে সারাদেশের কৃষকদের হাতে এই কার্ড তুলে দেওয়া হবে।</p>
<p>সংসদ সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত গুরুত্বপূর্ণ এই বৈঠকে কৃষি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আমিন উর রশিদ এবং প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>এ ছাড়া বৈঠকে অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/এমএআর/ইকে</strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>কৃষি বাণিজ্য ও আগ্রোইকোলজি নিয়ে সার্ক কৃষি কেন্দ্রের দুই বই উন্মোচন</title>
<link>https://digibanglatech.news/170746</link>
<guid>https://digibanglatech.news/170746</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69b648f0aa10c.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 15 Mar 2026 00:52:07 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>দক্ষিণ এশিয়ায় কৃষি বাণিজ্য, খাদ্য নিরাপত্তা মানদণ্ড এবং টেকসই কৃষি ব্যবস্থার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরে প্রকাশিত হলো  “দক্ষিণ এশিয়ায় সমন্বিত খাদ্য নিরাপত্তা মানদণ্ডের মাধ্যমে কৃষি বাণিজ্য জোরদার” এবং “দক্ষিণ এশিয়ায় কৃষি-খাদ্য ব্যবস্থার টেকসই রূপান্তরের জন্য আগ্রোইকোলজিক্যাল পদ্ধতির প্রসার”।  </p>
<p>বই দুটি সম্পাদনা করেছেন ড. হারুনূর রশীদ, ড. মো. ইউনুস আলী, ড. রাজা উল্লাহ খান, ড. মো. আবদুর রাজ্জাক, পলাশ চন্দ্র গোস্বামী এবং মো. আবুল বাশার। অনুষ্ঠানের শেষে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন সার্ক কৃষি কেন্দ্রের সিনিয়র প্রোগ্রাম স্পেশালিস্ট (ক্রপস) ড. সিকান্দার খান তানভীর এবং সিনিয়র প্রোগ্রাম স্পেশালিস্ট (ফিশারিজ) ড. শরীফুল ইসলাম। অনুষ্ঠানটিন সার্ক কৃষি কেন্দ্রের সিনিয়র টেকনিক্যাল অফিসার ডা. এএইচএম তাসলিমা আকতার।</p>
<p> ১৪ মার্চ, শনিবার সার্ক কৃষি কেন্দ্র অমর একুশে বইমেলা ২০২৬–এ  বইমেলা প্রাঙ্গণে কৃষি উন্নয়ন ও টেকসই খাদ্যব্যবস্থা বিষয়ক বই দুটির () আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বই দুটির মোড়ক উন্মোচন করেন সেন্টার অন ইন্টিগ্রেটেড রুরাল ডেভেলপমেন্ট ফর এশিয়া অ্যান্ড দ্য প্যাসিফিক (সিরড্যাপ)–এর মহাপরিচালক ড. পি. চন্দ্র শেখারা।</p>
<p>সার্ক কৃষি কেন্দ্রের পরিচালক ড. হারুনূর রশীদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের  স্বাগত বক্তব্য দেন সার্ক কৃষি কেন্দ্রের সিনিয়র প্রোগ্রাম স্পেশালিস্ট (লাইভস্টক) ড. মো. ইউনুস আলী। তিনি বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার কৃষিখাতে বিদ্যমান সাধারণ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আঞ্চলিক জ্ঞান বিনিময় ও যৌথ গবেষণা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গবেষক ও নীতিনির্ধারকদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা গড়ে উঠলে খাদ্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা শক্তিশালী হবে এবং টেকসই কৃষি উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।</p>
<p>প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. পি. চন্দ্র শেখারা বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে কৃষি বাণিজ্য সম্প্রসারণে সমন্বিত খাদ্য নিরাপত্তা মানদণ্ড অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। এ ক্ষেত্রে নীতিগত সমন্বয় এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বাড়ানো গেলে আঞ্চলিক খাদ্যবাজারে আস্থা বাড়বে এবং গ্রামীণ অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে।</p>
<p>সভাপতির বক্তব্যে ড. হারুনূর রশীদ বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন, ভূমির অবক্ষয় এবং বাজারের অনিশ্চয়তা দক্ষিণ এশিয়ার কৃষিকে নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আগ্রোইকোলজিক্যাল পদ্ধতি এবং গবেষণাভিত্তিক নীতিমালা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যা টেকসই ও সহনশীল কৃষি-খাদ্য ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সহায়তা করবে।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/এবি/এমইউএম</strong></em></span> </p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>সামুদ্রিক ও মিঠাপানি মাছ চাষে জলবায়ুর প্রভাব নিয়ে সার্ক কৃষি কেন্দ্রের ওয়েবিনার</title>
<link>https://digibanglatech.news/170342</link>
<guid>https://digibanglatech.news/170342</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69b13a83be2e2.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 11 Mar 2026 00:00:00 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>দক্ষিণ এশিয়ায় জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সামুদ্রিক ও মিঠাপানি মাছ চাষে উদ্ভূত সমস্যাগুলো নিয়ে ১০ মার্চ, মঙ্গলবার  একটি আঞ্চলিক ওয়েবিনার করেছে সার্ক কৃষি কেন্দ্র।</p>
<p>ভার্চুয়াল এই সভায়  অংশগ্রহণকারী বিশেষজ্ঞরা জলবায়ুর প্রভাব, অভিযোজন কৌশল এবং টেকসই মাছ চাষ ব্যবস্থাপনার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।</p>
<p>ওয়েবিনারের মূল আলোচক ছিলেন ড. সেভ্যান্ডি জয়াকোডি, চেয়ার প্রফেসর, মাছচাষ ও মৎস্যবিজ্ঞান বিভাগ, ওয়ায়াম্বা বিশ্ববিদ্যালয়, শ্রীলঙ্কা এবং ড. বি কে দাস, পরিচালক, ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব এগ্রিকালচারাল রিসার্চ – সেন্ট্রাল ইনল্যান্ড ফিশারিজ রিসার্চ ইনস্টিটিউট (ভারতীয় কৃষি গবেষণা পরিষদ – কেন্দ্রীয় মিঠাপানি মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট), বারাকপুর, ভারত। </p>
<p>ড. দাস মিঠাপানি মাছ চাষ মাছ চাষে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, নদীর প্রবাহ ও বাসস্থানের পরিবর্তন এবং টেকসই ব্যবস্থাপনার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। ড. জয়াকোডি সামুদ্রিক ও উপকূলীয় মাছ চাষে তাপমাত্রা বৃদ্ধি, তীব্র আবহাওয়া ও ঝুঁকি নিয়ে আলোচনা করেন এবং গবেষণা ও আঞ্চলিক সহযোগিতার গুরুত্বের ওপর জোর দেওয়ার কথা বলেন।</p>
<p>সার্ক কৃষি কেন্দ্রের পরিচালক ড. মো. হারুনূর রশীদ উদ্বোধনী বক্তব্যে বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার মাছ চাষ এবং জলজ পরিবেশ ক্রমেই জলবায়ুর প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। উষ্ণতা বৃদ্ধি, বন্যা, খরা এবং জলমান পরিবর্তন মাছ উৎপাদন ও লাখ লাখ মানুষের জীবিকা বিপর্যস্ত করছে। তিনি আঞ্চলিক সহযোগিতা, জ্ঞান বিনিময় ও গবেষণার মাধ্যমে জলবায়ু-সহনশীল মাছ চাষ ব্যবস্থাপনার গুরুত্ব উল্লেখ করেন।</p>
<p>ওয়েবিনারের সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন করেন ড. মো. শরীফুল ইসলাম, সিনিয়র প্রোগ্রাম বিশেষজ্ঞ (মৎস্য), সার্ক কৃষি কেন্দ্র । তিনি দক্ষিণ এশিয়ার মাছ চাষের প্রধান চ্যালেঞ্জ যেমন লবণাক্ততার বৃদ্ধি, জলবায়ু পরিবর্তন এবং জলপ্রবাহের প্যাটার্ন পরিবর্তন তুলে ধরেন।</p>
<p>সমাপনী বক্তব্যে কাঠমান্ডুর সার্ক সচিবালয়ের পরিচালক (এআরডি অ্যান্ড এসডিএফ) তানভীর আহমেদ তরফদার আঞ্চলিক সহযোগিতার ওপর জোর দিয়ে বলেন, মাছ চাষ দক্ষিণ এশিয়ার খাদ্য নিরাপত্তা, পুষ্টি ও জীবিকার জন্য গুরুত্বপূর্ণ এবং সদস্য দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানো প্রয়োজন।</p>
<p>ওয়েবিনারের শেষাংশে অংশগ্রহণকারীরা অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি করে এবং জলবায়ুর প্রভাব মোকাবিলায় আঞ্চলিক সমন্বয় ও জলবায়ু-সহনশীল মাছ চাষ ব্যবস্থাপনার গুরুত্বের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এবি/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>খামারিদের একটি ডাটাবেজ তৈরিতে গুরুত্বারোপ প্রতিমন্ত্রীর</title>
<link>https://digibanglatech.news/170188</link>
<guid>https://digibanglatech.news/170188</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69af0fad9ecd6.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 09 Mar 2026 20:25:59 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span>ঢাকার সাভারে বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটে (বিএলআরআই) </span>দুই ব্যাচে মহিষ পালনের ওপর প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা ১০০ জন খামারি ও উদ্যোক্তা। প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে বিএলআরআই উদ্ভাবিত আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, মহিষের খাদ্য ও পুষ্টি ব্যবস্থাপনা, রোগ নিয়ন্ত্রণ, উন্নত প্রজনন এবং খামারের বর্জ্য ব্যবস্থাপনাসহ বিভিন্ন বিষয়ে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। </p>
<p>৯ মার্চ, <span>সোমবার বিকেলে ‘বাণিজ্যিকভাবে মহিষ পালনে উদ্যোক্তা উদ্বুদ্ধকরণ’ শীর্ষক এই প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, </span>“প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত খামারিদের একটি ডাটাবেজ তৈরি করা হলে ভবিষ্যতে তাদের বিভিন্ন সরকারি সহায়তা দেওয়া সহজ হবে এবং খামারের পরিধি বাড়িয়ে তারা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারবেন”। </p>
<p>তিনি বলেন, “গবেষণা কার্যক্রম জোরদার করা এবং এ খাতে পর্যাপ্ত বাজেট নিশ্চিত করা প্রয়োজন, যাতে প্রাণিসম্পদ খাতের উৎপাদনশীলতা আরও বৃদ্ধি পায়”।</p>
<p>মন্ত্রী জানান, নির্বাচনি অঙ্গীকার অনুযায়ী দেশের প্রান্তিক খামারি ও উদ্যোক্তাদের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং প্রাণিসম্পদ খাতের সার্বিক উন্নয়নে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে।</p>
<p>খামারিদের সরকারি সহায়তার বিষয়ে তিনি আরও বলেন, “গরুর তুলনায় মহিষ দুধ উৎপাদনে অধিক সক্ষম হওয়ায় মহিষের সংখ্যা ও খামারি বাড়াতে হবে এবং এ বিষয়ে মানুষের আগ্রহ বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। কৃষি ও প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়ন এবং খামারিদের সহায়তা দিতে সরকার ইতোমধ্যে কৃষক ও খামারিদের মধ্যে ‘ফার্মার্স কার্ড’ বিতরণের কার্যক্রম শুরু করছে।</p>
<p>প্রতিমন্ত্রী বলেন, “সরকার নিরাপদ ও মানসম্মত প্রাণিখাদ্য উৎপাদন ও সরবরাহ নিশ্চিত করা, উপজেলা পর্যায়ে খামারিদের প্রশিক্ষণ, প্রয়োজনীয় ওষুধ ও মানসম্মত চিকিৎসা সেবা দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। পোলট্রি ও ডেইরি খাতের প্রবৃদ্ধি বাড়িয়ে প্রোটিনসমৃদ্ধ খাদ্য গ্রামাঞ্চলের মানুষের কাছে সহজলভ্য করা এবং এ খাতকে একটি শিল্পে পরিণত করাই সরকারের লক্ষ্য। নারী উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করা এবং ভ্যাকসিন কর্মসূচি জোরদারের মাধ্যমে প্রান্তিক খামারিদের সক্ষমতা বাড়াতে কাজ করছে সরকার”।</p>
<p>তিনি আরও বলেন “প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোতে দুধ উৎপাদনের একটি বড় উৎস মহিষ হলেও বাংলাদেশে এ খাতে এখনো পিছিয়ে আছে। তাই উন্নত জাতের মহিষ সংগ্রহ, বাছুর খামারিদের মধ্যে বিতরণ এবং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে মহিষ পালন সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে”।</p>
<div dir="auto">অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইন্সটিটিউটের মহাপরিচালক ড. শাকিলা ফারুক।</div>
<p><span>এর আগে প্রতিমন্ত্রী ইনস্টিটিউটের বিভিন্ন গবেষণা কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। এ সময় এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, “দেশে মহিষ পালন ও উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে দুধ ও মাংস উৎপাদনের নতুন সম্ভাবনা তৈরি করা সম্ভব। </span></p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/বিপিও/ইকে</strong></span></em></p>
<div></div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বেপজায় হাইড্রোপনিক্স টেন্ট উৎপাদনে ৩০.৫ মিলিয়ন ডলারের চুক্তি সই</title>
<link>https://digibanglatech.news/169292</link>
<guid>https://digibanglatech.news/169292</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202603/image_870x580_69a5287fe8f1f.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 02 Mar 2026 00:00:11 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p data-block-key="zmy2t">বাংলাদেশে উৎপাদিত হতে যাচ্ছে মাটিবিহীন চাষাবাদের জন্য বিশেষায়িত বহনযোগ্য কাঠামো গ্রিনহাউস হাইড্রোপনিক্স টেন্ট। এজন্য ৩০ দশমিক ৪৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করছে চীন (হংকং)-ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান গ্রিন পিউর হাউসওয়্যার (বিডি) কোম্পানি লিমিটেড। এই অর্থে গ্রিনহাউস হাইড্রোপনিক্স টেন্ট নির্মাণ ছাড়াও ইভিএ ক্যাবিনেট ম্যাট, কার্টন এবং পিই প্যাকেজিং ফিল্মও উৎপাদন করা হবে।</p>
<p data-block-key="zmy2t">এ লক্ষ্যেই বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষের (বেপজা) সঙ্গে একটি ভূমি ইজারা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে গ্রিন পিউর হাউসওয়্যার (বিডি)। বেপজার নির্বাহী চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মোহাম্মদ মোয়াজ্জেম হোসেনের উপস্থিতিতে ঢাকায় বেপজা কমপ্লেক্সে ১ মার্চ, রবিবার এই চুক্তিটি সম্পাদিত হয়েছে। </p>
<div class="text-lg lg:text-[19px] leading-[1.7] text-[#000000] mb-8 story-details">
<div class="block-full_richtext">
<p data-block-key="1h5ib">বেপজার পক্ষে নির্বাহী পরিচালক (বিনিয়োগ উন্নয়ন) মো. তানভীর হোসেন এবং গ্রিন পিউর হাউজওয়্যার (বিডি) কোম্পানি লিমিটেডের পক্ষে এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওয়াং শেনিউ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।</p>
<p data-block-key="5hv8m">এসময় প্রতিষ্ঠানটিকে স্বাগত জানিয়ে বেপজার নির্বাহী চেয়ারম্যান ব্যবসা পরিচালনার ক্ষেত্রে সব ধরনের সহায়তা এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ প্রদানে বেপজার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।</p>
<p data-block-key="aa03l">চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বেপজার সদস্য (প্রকৌশল) আবদুল্লাহ আল মামুন, সদস্য (অর্থ) আ ন ম ফয়জুল হক, নির্বাহী পরিচালক (জনসংযোগ) এ.এস.এম. আনোয়ার পারভেজসহ বেপজার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং প্রতিষ্ঠানটির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। </p>
<p data-block-key="aa03l">জানাগেছে, হাইড্রোপনিক্স টেন্ট একটি নন-ট্র্যাডিশনাল ও উচ্চমূল্য সংযোজনকারী রপ্তানি পণ্য, যা পণ্য বহুমুখীকরণ ও বিশেষায়িত বৈশ্বিক বাজারে প্রবেশে বেপজার কৌশলগত লক্ষ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। উৎপাদিত পণ্যগুলো যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ, যুক্তরাজ্য, কানাডা ও জাপানসহ বিভিন্ন দেশে রপ্তানি করা হবে। প্রতিষ্ঠানটিতে প্রায় তিন হাজার বাংলাদেশি নাগরিকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।</p>
<p data-block-key="aa03l"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/ডিএডি/ইকে </strong></span></em></p>
</div>
</div>
<p data-block-key="zmy2t"></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>কৃষি ঋণে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত সুদ মওকুফের প্রস্তাব অনুমোদন</title>
<link>https://digibanglatech.news/168890</link>
<guid>https://digibanglatech.news/168890</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_69a0199717f43.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 26 Feb 2026 15:00:37 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত সুদসহ কৃষি ঋণ মওকুফের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে। নির্বাচনী ইশতেহার ২০২৬ অনুযায়ী কৃষি, মৎস্য খাতে এই ছাড় দিলো সরকার।</p>
<p>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে ২৫ ফেব্রুয়ারি, বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে মন্ত্রিসভা বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর আগেও বেগম খালেদা জিয়ার শাসনামলে ৫ টাকা পর্যন্ত সুদসহ কৃষি ঋণ মওকুফ করা হয়েছিল।</p>
<p>বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, সরকারি, বেসরকারি ও বিশেষায়িত ব্যাংকের মাধ্যমে কৃষকদের কাছে বিতরণ করা প্রায় ১,৫৫০ কোটি টাকার ঋণ এ মওকুফ কর্মসূচির আওতায় আসবে। এতে আনুমানিক ১২ লাখ কৃষক প্রত্যক্ষভাবে উপকৃত হবেন বলে আশা করা হচ্ছে।</p>
<p>সরকারের দাবি, এ সিদ্ধান্তের ফলে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকরা ঋণের দায় থেকে মুক্ত হয়ে উৎপাদনমুখী কর্মকাণ্ডে আরও মনোযোগ দিতে পারবেন। ঋণের কিস্তিতে যে অর্থ ব্যয় হতো, তা উন্নতমানের বীজ ও আধুনিক প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ করা সম্ভব হবে। পাশাপাশি কৃষকদের ক্রেডিট রেকর্ড উন্নত হবে, ফলে ভবিষ্যতে স্বল্পসুদে ব্যাংক ঋণ গ্রহণ সহজ হবে।</p>
<p>এছাড়া ঋণের বোঝা কমলে কৃষকরা পরবর্তী মৌসুমে নতুন উদ্যমে চাষাবাদ শুরু করতে পারবেন। এতে জাতীয় কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে এবং আমদানিনির্ভরতা কমবে বলে সরকার আশা করছে।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/এসএইচ/ইকে</strong></em></span></p>
<p></p>
<p></p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>কৃষকদের জীবনমান উন্নয়নে প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারে হবে কৃষি কার্ড</title>
<link>https://digibanglatech.news/168500</link>
<guid>https://digibanglatech.news/168500</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_699c11b5786fb.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 23 Feb 2026 13:09:06 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>কৃষকদের জীবনমান উন্নয়নে এবং কৃষি প্রণোদনা বিতরণ প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ ও আধুনিক করার লক্ষ্যে প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে  কৃষি কার্ড চালুর করা হচ্ছে। এ নিয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলনকক্ষে বৈঠক করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।</p>
<p>প্রধান অতিথির সভাপতিত্বে  ২৩ ফেব্রুয়ারি,  সোমবার দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে  ‘কৃষক কার্ড’ চালু সংক্রান্ত সভায় দেশের প্রান্তিক কৃষকদের সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো এবং কৃষি প্রণোদনা বিতরণ প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ ও আধুনিক করার লক্ষ্যে এই কার্ড চালুর বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।</p>
<article>
<p>বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, প্রকৃত কৃষকদের শনাক্তকরণ এবং তাদের কাছে সরাসরি সরকারি সেবা পৌঁছে দেওয়ার ওপর জোর দেন প্রধানমন্ত্রী।</p>
</article>
<article>দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি কৃষি। তাই কৃষকদের জীবনমান উন্নয়নে প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমিয়ে কৃষকরা যাতে ন্যায্য পাওনা ও সরকারি ভর্তুকি সহজে পান, তা নিশ্চিত করতেই এই স্মার্ট কার্ড ব্যবস্থা চালু করা হচ্ছে।
<p>সভায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।</p>
</article>
<article>এ সময় তারা কৃষক কার্ডের কারিগরি দিক, বিতরণ পদ্ধতি এবং ডাটাবেজ তৈরির অগ্রগতি প্রধানমন্ত্রীর সামনে তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রী দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই কার্যক্রম মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় দিক-নির্দেশনা দেন।</article>
<article><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/আইএইচ/ইকে</strong></em></span></article>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>১ মার্চের মধ্যে উপজেলা নির্বাহীদের হালনাগাদ তথ্য দিতে হবে গুগল ফর্মে</title>
<link>https://digibanglatech.news/168466</link>
<guid>https://digibanglatech.news/168466</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_699bd6f3a4da5.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 23 Feb 2026 01:26:46 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span> ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের প্রতিশ্রুতিঅনুযায়ী, আগামী ৫ বছরে দেশজুড়ে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে বিএনপি সরকার। এজন্য সরকার গঠনের পরেই সত্তরের দশকে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শুরু করা খাল কাটা কর্মসূচি আবার ফিরিয়ে আনতে এবার প্রযুক্তির ব্যবহার করা হচ্ছে। একক কোনো মন্ত্রণালয়ের ওপর দায়িত্ব না দিয়ে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়, কৃষি মন্ত্রণালয় এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় সমন্বিত ভাবে এই উদ্যোগ বাস্তাবায়ন শুরু করছে। </span></p>
<p><span>এদিকে অগ্রাধিকার ভিত্তিক এই</span> পরিকল্পনা বাস্তবায়নে২২ ফেব্রুয়ারি, রবিবার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে একটি জরুরি পরিপত্র জারি করা হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের ত্রাণ কর্মসূচি-২ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব শাহ মো. শামসুজ্জোহা স্বাক্ষরিত এই চিঠিতে প্রতিটি উপজেলা থেকে খননযোগ্য খালের হালনাগাদ তথ্য চাওয়া হয়েছে। চিঠিতে সারাদেশের প্রতিটি উপজেলা থেকে সর্বাধিক জনগুরুত্বপূর্ণ এবং আইনি জটিলতামুক্ত, নিষ্কণ্টক, অন্তত ২টি খালের তথ্য পাঠাতে বলা হয়েছে। এক্ষেত্রে তথ্যের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসনের হার্ডকপির পরিবর্তে সরাসরি গুগল ফর্মের মাধ্যমে তথ্য জমা দিতে বলা হয়েছে।</p>
<p>চলতি বছরের ১ মার্চের মধ্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের এই তথ্য পাঠানোর সময় সীমা বেধে দেয়া হয়েছে চিঠিতে। সেখানে শুধু খনন নয়, খালের দুই পাড়ে পরিকল্পিতভাবে বৃক্ষরোপণ করার পরিকল্পনাও উল্লেখ রয়েছে। </p>
<p>একইভাবে <span>কৃষি মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে দেওয়া নির্দেশনা অনুযায়ী ইতোমধ্যে খননযোগ্য খালের তালিকা তৈরি করে পাঠানো শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে। আর সরকারি বাজেটের টিআর, কাবিখা-কাবিটা এবং ইজিপিপি, ইজি পিপি, প্রকল্পের আওতায় এই খননকাজ পরিচালনা করার উদ্যোগ নিয়েছে  দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা অনুযায়ী, এই উদ্যোগের মাধ্যমে গ্রামীণ জনপদে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং স্থানীয় কৃষকরা সরাসরি উপকৃত হবেন।  </span></p>
<p><span>সূত্রমতে, খালখননের এসব কার্যক্রমে সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করবে সরকার। একইসঙ্গে খননকৃত খাল ও রোপিত গাছের সংখ্যা নিরুপণ ও দেখভালেও ব্যবহৃত হবে এআই প্রযুক্তি। আর পুরোকার্যক্রমই দৃশ্যমান করা হবে জিওলোকেশন ম্যাপিংয়ের মাধ্যমে। গুগল আর্থ থেকে নগারিকরা এই কার্যক্রম দেখতে পারবেন বলেও নির্বাচনী ইশতেহার নিয়ে দেয়া এক বক্তব্যে জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। </span></p>
<p><span>প্রসঙ্গত, </span><span> </span>গত ১৯ ফেব্রুয়ারি, বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে খাল কাটা কর্মসূচির বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠক শেষে পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি সাংবাদিকদের জানান, শহীদ জিয়ার সময় খাল কাটা কর্মসূচি একটি বিপ্লবে পরিণত হয়েছিল। দীর্ঘ সময় সংস্কার না হওয়ায় দেশের খালগুলো নাব্যতা হারিয়েছে, যার ফলে কৃষকরা সেচ সংকটে ভুগছেন এবং বর্ষায় জলাবদ্ধতা তৈরি হচ্ছে। তা দূর করতেই প্রণীত নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী খালকাটা কর্মসূচিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। <span>আগামী ১৮০ দিনের, অর্থাৎ ৬ মাসের মধ্যে খাল কাটার কার্যক্রম দৃশ্যমান করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। </span></p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/বিইউডিএম/এমইউএম</strong></span></em></p>
<div class="my-2.5 no-print"></div>
<p><span> </span></p>
<p><span></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>মাটির উর্বরতা হ্রাসে  বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণ করবে সরকার</title>
<link>https://digibanglatech.news/168196</link>
<guid>https://digibanglatech.news/168196</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_699867e190d07.jpg" length="49398" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 20 Feb 2026 16:56:11 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span>কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণ এবং কৃষকের ন্যায্যমূল্য প্রাপ্তি—এই তিনটি বিষয়কে সামনে রেখে কাজ শুরু করছে নতুন সরকার। এক্ষেত্রে </span>মাটির উর্বরতা হ্রাস সমস্যা মোকাবেলায় বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন কৃষি, খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন। </p>
<p>তিনি বলেছেন, <span>কৃষি জমিতে হেভি মেটালের মাত্রা বৃদ্ধির ফলে উর্বরতা হ্রাস পাচ্ছে, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। এ সমস্যা মোকাবিলায় বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে। </span></p>
<p>২০ ফেব্রুয়ারি, শুক্রবার কুমিল্লা সার্কিট হাউজে কুমিল্লা জেলা প্রশাসন আয়োজিত কৃষি, খাদ্য ও মৎস্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন মন্ত্রী। এসময় টেকসই কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে মাটি পরীক্ষা, পরিবেশবান্ধব চাষাবাদ এবং জৈব উৎপাদন বাড়ানোর ওপর জোর দেন হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন।</p>
<p>নিরাপদ খাদ্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, দেশের পুষ্টি চাহিদা পূরণ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। এ খাতের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, রোগ নিয়ন্ত্রণ, মানসম্মত খাদ্য উৎপাদন এবং রপ্তানি সম্ভাবনা বাড়াতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করতে হবে।</p>
<p>তিনি বলেন, দেশের প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ কৃষির সঙ্গে সম্পৃক্ত। এই বাস্তবতায় কৃষি খাতের টেকসই উন্নয়ন ছাড়া জাতীয় অর্থনীতির ভিত মজবুত করা সম্ভব নয়; কৃষি খাত শক্তিশালী হলেই মজবুত হবে জাতীয় অর্থনীতি।কৃষক ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কল্যাণ নিশ্চিত করাই সরকারের অগ্রাধিকার আর মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সক্রিয় সহযোগিতাই এ লক্ষ্য অর্জনের প্রধান শর্ত।</p>
<p>মন্ত্রী আরও বলেন, কৃষি সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোকে সমন্বিত কাঠামোর আওতায় এনে কাজ করার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। তিনি ব্যক্তিগতভাবে দীর্ঘ তিন দশক ধরে কৃষির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে বলেন, কৃষির সম্ভাবনা কাজে লাগাতে হলে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের দায়িত্বশীল ও আন্তরিক হতে হবে। তিনি বলেন, আপনারা দায়িত্ব যত গুরুত্ব দিয়ে পালন করবেন, দেশের উন্নয়ন তত দ্রুত এগিয়ে যাবে।</p>
<p>জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান এর সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আব্দুর রউফ, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. আবু সুফিয়ান, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক শামসুল আলম, চট্টগ্রাম আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রণ দপ্তরের পরিচালক এস এম কায়সার আলীসহ বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তারা।</p>
<p>মতবিনিময় সভায় বক্তারা কৃষি, খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের চলমান কার্যক্রম, সেবার মানোন্নয়ন এবং মাঠপর্যায়ের চ্যালেঞ্জ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। পাশাপাশি বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনার বিষয় তুলে ধরে তা সমাধানে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/ডিপিএএ/এমইউএম</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>রমজানে ১০ লাখ পরিবারকে সুলভ মূল্যে প্রোটিন খাদ্য দেবে সরকার</title>
<link>https://digibanglatech.news/168074</link>
<guid>https://digibanglatech.news/168074</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_6996f5e08d6aa.jpg" length="347945" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 19 Feb 2026 13:03:37 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ, কৃষি এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, “রমজান মাস উপলক্ষে নিম্নআয়ের মানুষের জন্য সুলভ মূল্যে প্রোটিনসমৃদ্ধ খাদ্য সরবরাহের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এই কর্মসূচির আওতায় সারাদেশে প্রায় ১০ লাখ পরিবারকে দুধ, ডিম, মাংস ও মাছ সরবরাহ করা হবে।” </p>
<p>ভবিষ্যতে এই কর্মসূচি আরো সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান তিনি।</p>
<p> ১৯ ফেব্রুয়ারি, বৃহস্পতিবার  রাজধানীর প্রাণিসম্পদ গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সম্মেলন কক্ষে রমজান মাসে সুলভ মূল্যে দুধ, ডিম ও মাংস বিক্রয় কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমনটাই জানান মন্ত্রী।</p>
<p>সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, “প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে জনগণের কল্যাণে কাজ করার যে অঙ্গীকার সরকার করেছে, তারই ধারাবাহিকতায় এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এ কর্মসূচির ফলে বাজারে মূল্য স্থিতিশীল রাখতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে এবং সাধারণ ভোক্তারাও উপকৃত হবেন।”</p>
<p>তিনি আরো বলেন, “রমজান মাসে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়িয়ে দেয়, যার ফলে নিম্নআয়ের মানুষের ভোগান্তি বাড়ে। সরকারের এ উদ্যোগ সেই কষ্ট লাঘবে সহায়ক হবে।”</p>
<p>সরকারের নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষি কার্ড ও হেলথ কার্ড চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সততা, নিষ্ঠা ও সমন্বিত টিমওয়ার্কের কোনো বিকল্প নেই। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান জনগণের কল্যাণে কাজ করে মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন। একইভাবে বেগম খালেদা জিয়া গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আপসহীন ভূমিকা রেখেছেন।”</p>
<p>অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. আবু সুফিয়ান। বিশেষ অতিথি ছিলেন- মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মুহাম্মদ জাবের, বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিলের সভাপতি মশিউর রহমান এবং বাংলাদেশ ক্যাটল অ্যান্ড ফ্যাটেনিং ফার্মার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন। এছাড়াও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/এসএইচ/ইকে</strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>কৃষির উন্নয়ন হলে অর্থনীতি হবে স্থিতিশীল: কৃষি মন্ত্রী</title>
<link>https://digibanglatech.news/168005</link>
<guid>https://digibanglatech.news/168005</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_69965dba75c3e.jpg" length="108853" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 18 Feb 2026 16:49:13 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span>কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এই তিনটি খাত দেশের অর্থনীতির মূলভিত্তি। সমন্বিত পরিকল্পনা ও কার্যকর বাস্তবায়নের মাধ্যমে এ খাতগুলোর উন্নয়নের মাধ্যমে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি আরও শক্তিশালী এবং টেকসই করতে চান কৃষি, খাদ্য এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। </span></p>
<p><span>১৯ ফেব্রুয়ারি, বুধবার </span>দুপুরে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এমন প্রত্যাশার কথা জানান তিনি। এ সময় প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকুও উপস্থিত ছিলেন। এসময় নতুনমন্ত্রীর সঙ্গে মন্ত্রণালয়, বিভিন্ন অধিদপ্তর ও দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পরিচয় করিয়ে দেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মুহাম্মদ জাবের। </p>
<p>উপস্থিত কর্মকর্তাদের উদ্দেশে সচিবালয়ে নিজের প্রথম কার্য দিবসে কৃষিমন্ত্রী আমিন উর রশিদ বলেন, ‘কৃষি উন্নয়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বিশ্বাস করেন, দেশে কৃষির উন্নয়ন হলে প্রধান অর্থনীতি স্থিতিশীল হবে। বিশ্বের অনেক দেশ বছরের ছয় থেকে আট মাস বরফে আচ্ছাদিত থাকে। তবু তারা উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। অথচ বাংলাদেশ এমন একটি দেশ, যেখানে ১২ মাস ফসল উৎপাদনের সুযোগ রয়েছে। অনুকূল আবহাওয়া ও উর্বর জমি আমাদের বড় সম্পদ। বাংলাদেশকে সেরা ও সুন্দর রাষ্ট্রে পরিণত করতে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।’</p>
<p>মন্ত্রী বলেন, ‘মাছ ও ভাত বাঙালির খাদ্যসংস্কৃতির সঙ্গে অবিচ্ছেদ্যভাবে জড়িত। পৃথিবীর যেখানেই বাঙালি যান না কেন, তিনি ভাত ও মাছের স্বাদ খোঁজেন। এটি আমাদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের অংশ। সংশ্লিষ্ট সব অভিজ্ঞ কর্মকর্তা ও বিশেষজ্ঞদের সমন্বিত প্রচেষ্টায় বাংলাদেশকে কৃষি উৎপাদনে বিশ্বে একটি মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানে পৌঁছে দিতে হবে। সরকার জনকল্যাণে আন্তরিক। জনগণের প্রত্যাশা পূরণে আমরা দায়িত্ব পালন করছি। দেশের আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক সম্পদকে কাজে লাগিয়ে কৃষিপণ্য রপ্তানির বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে।’</p>
<p>তিনি আরও বলেন, সরকার সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে প্রস্তুত। তবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আন্তরিক সহযোগিতা ছাড়া কাক্সিক্ষত সাফল্য অর্জন সম্ভব নয়। দুর্নীতিমুক্ত ও পেশাদারিত্বপূর্ণ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করে সম্মিলিতভাবে কাজ করলে ইতিহাস সৃষ্টি করা সম্ভব হবে।</p>
<div class="">
<p>কৃষি, খাদ্য এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। জনগণের প্রত্যাশা অনেক বেশি। অতীতে রাষ্ট্র পরিচালনায় যে সীমাবদ্ধতা ছিল, তা থেকে শিক্ষা নিয়ে বর্তমান সরকার সর্বোচ্চ সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।</p>
<div class="">
<div>
<p>তিনি আরও বলেন, দেশের খাল-বিল, নদী-নালা, জলাশয়গুলো মৎস্যসম্পদের মূল ভা-ার। কিন্তু বিভিন্ন কারণে অনেক জলাশয় ভরাট ও দখল হয়ে গেছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এসব জলাশয় চিহ্নিত করে পুনরুদ্ধার ও সংরক্ষণের উদ্যোগ নিতে হবে।</p>
<p>প্রতিমন্ত্রী বলেন, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করলে মন্ত্রণালয় থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা দেওয়া হবে। পারস্পরিক বোঝাপড়া ও সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই কাক্সিক্ষত উন্নয়ন সম্ভব। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে খাতভিত্তিক বৈঠকের মাধ্যমে বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হবে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীও কৃষি উন্নয়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেন এবং বিশ্বাস করেন যে কৃষির উন্নয়নই টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির প্রধান চালিকাশক্তি।</p>
</div>
</div>
</div>
<div class="social_share_holder">
<div class="social_shares roundicons do_not_print" data-show="copy,facebook,messenger,twitter,viber,whatsapp,linkedin,pinterest,print" data-hide=""><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/ডিআর/ইকে</strong></span></em></div>
</div>
<div class="google-auto-placed ap_container"></div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>দেশের শস্য ভাণ্ডারে যুক্ত হলো ছয়টি নতুন ধানের জাত</title>
<link>https://digibanglatech.news/166521</link>
<guid>https://digibanglatech.news/166521</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202602/image_870x580_69857b3278566.jpg" length="75711" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 06 Feb 2026 00:03:27 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>দেশের শস্য ভাণ্ডারে দুটি হাইব্রিডসহ আরও ছয়টি নতুন ধানের জাত যুক্ত হয়েছে। উদ্ভাবিত জাতগুলোর মধ্যে একটি ভিটামিন-ই সমৃদ্ধ, একটি লবণাক্ততা সহনশীল, একটি ব্লাস্ট রোগ প্রতিরোধী, একটি হাওরাঞ্চলের উপযোগী ও ঠান্ডা সহনশীল এবং দুটি লজিং টলারেন্ট বা ঢলে পড়া প্রতিরোধী হাইব্রিড জাত।</p>
<p>সর্বশেষে ৬টি নতুন জাতসহ ব্রি উদ্ভাবিত জাতের সংখ্যা দাঁড়ালো ১২৭টিতে।</p>
<p>নতুন অবমুক্ত হওয়া ব্রি ১১৫ একটি ভিটামিন-ই এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ জাত। এটি বাংলাদেশের প্রথম উচ্চ ফলনশীল কালো চালের ধান। গড় ফলন হেক্টর প্রতি ৭ দশমিক ৪ টন এবং জীবনকাল ১৩৭-১৪২ দিন। ধানের দানা কালো এবং গাছ লম্বা ও চিকন। ১০০০ ধানের ওজন প্রায় ১৭ দশমিক ৮ গ্রাম। ভিটামিন-ই এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যথাক্রমে ১৪ দশমিক ৯৮ মিলিগ্রাম/কেজি এবং ৫৩৬ দশমিক ৬১ ইউএম প্রতি ১০০ গ্রামে।</p>
<div>
<p>ব্রি ১১৬ বোরো মৌসুমের উচ্চ ফলনশীল নাবি জাত। গড় জীবনকাল ১৫৪ দিন। দশটি অঞ্চলে ব্রি ৯২-এর চেয়ে ১৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ বেশি ফলন দিয়েছে। হেক্টরে গড় ফলন ৮ দশমিক ৫৯ টন, উপযুক্ত পরিবেশে ১০ দশমিক ৩৬ টন পর্যন্ত ফলন সম্ভব।</p>
<p>ব্রি ১১৭ স্বল্প জীবনকালীন, লবণাক্ততা সহনশীল ও ব্লাস্ট রোগ প্রতিরোধী জাত। গড় ফলন হেক্টর প্রতি ৮ দশমিক ৬ টন, উপযুক্ত পরিচর্যায় ৯ দশমিক ৯০ টন। ধানের দানা সোনালী, জীবনকাল ১২৯-১৩৫ দিন। অ্যামাইলোজ ২৪ দশমিক ২ শতাংশ, প্রোটিন ৯ দশমিক ৩ শতাংশ।</p>
<p>ব্রি ১১৮ হাওরাঞ্চলের উপযোগী ঠান্ডা সহনশীল জাত। বপন অক্টোবরের শেষ সপ্তাহেও ধান চিটা হবে না। স্বাভাবিক সময়ে ৬ দশমিক ৯-৮ দশমিক ৫ টন ফলন সম্ভব। অ্যামাইলোজ ২৮ দশমিক ৩ শতাংশ, প্রোটিন ৯ দশমিক ১ শতাংশ। দশটি অঞ্চলে ব্রি ধান-২৮-এর চেয়ে ২২ দশমিক ৮৩ শতাংশ বেশি ফলন দিয়েছে।</p>
<p>ব্রি হাইব্রিড ধান ৯ ও ১০ লজিং টলারেন্ট। ঢলে পড়া প্রতিরোধী এবং মাঝারি মাত্রায় লবণাক্ততা সহনশীল। চারা থেকে পরিপক্ব অবধি ৪-৮ ডিএস লবণ সহ্য করতে পারে। কৃষকের মাঠে স্বাভাবিক অবস্থায় ৯ দশমিক ৫-১০ দশমিক ৫ এবং ৯ দশমিক ৭-১০ দশমিক ৭ টন পর্যন্ত ফলন দেয়।</p>
<p>কৃষি মন্ত্রণালয়ে ৫ ফেব্রুয়ারি, বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত জাতীয় বীজ বোর্ডের ১১৫তম সভায় বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) উদ্ভাবিত এই ছয়টি উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত সারাদেশে চাষাবাদের জন্য অবমুক্ত করা হয়।</p>
<p>সভায় কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোহাম্মদ এমদাদ উল্লাহ মিয়ান সভাপতিত্ব করেন। ব্রি মহাপরিচালক ড. মোহাম্মদ খালেকুজ্জামানসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>এসময় জানানো হয়, নতুন উদ্ভাবিত জাতগুলোসহ ব্রি’র ৩৯টি জাত বিভিন্ন বৈরী পরিবেশ সহনশীল। ব্রি উদ্ভাবিত জাত ও প্রযুক্তি মাঠ পর্যায়ে কৃষকের দোরগোড়ায় পৌঁছানোর ফলে বাংলাদেশ ধান উৎপাদনে বিশ্বের তৃতীয় স্থানে রয়েছে। স্বাধীনতার আগে ১৯৭১ সালে মাথাপিছু জমির পরিমাণ ২০ শতাংশ, এখন ১০ শতাংশে নেমে এসেছে। একই সময়ে জনসংখ্যা আড়াই গুণ বেড়েছে, কিন্তু খাদ্য উৎপাদন প্রায় ৪ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।</p>
</div>
<div><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/বিটিএন/এসএম</strong></span></em></div>
<div class="BT_inner_A1_C2 aligncenter w100p pt10 pb10">
<div class="300adWnC">
<div id="BT_inner_A1_C2" data-google-query-id="CIOkhoqNxJIDFRqgZgIdP8URfw"></div>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>যবিপ্রবিতে দুই দিনব্যাপী লাইফটেক&#45;২০২৬ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত</title>
<link>https://digibanglatech.news/164294</link>
<guid>https://digibanglatech.news/164294</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_696b7212ab485.jpg" length="120362" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 17 Jan 2026 15:27:49 +0600</pubDate>
<dc:creator>ক্যাম্পাস করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="MsoNormal"><span>মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আক্তার বলেছেন, বিশ্বব্যাপী খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিজ্ঞান, স্বাস্থ্য ও প্রযুক্তির সমন্বিত কাজ অপরিহার্য। টেকসই উন্নয়ন, খাদ্য নিরাপত্তা ও পুষ্টি নিশ্চিত করতে বিজ্ঞানভিত্তিক গবেষণার কোনো বিকল্প নেই। তিনি বলেন, আধুনিক প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনী গবেষণার মাধ্যমে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতকে আরও শক্তিশালী করতে হবে।</span></p>
<p class="MsoNormal"><span>১৭ জানুয়ারি, শনিবার সকালে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) জীববিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদের আয়োজনে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম একাডেমিক ভবনের অধ্যাপক মোহাম্মদ শরিফ হোসেন গ্যালারিতে “লাইফ সাইন্স, হেলথ অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি (লাইফটেক-২০২৬)” শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আক্তার এসব কথা বলেন। লাইফ সায়েন্স, হেলথ ও বায়োটেকনোলজি সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক গবেষণা ও উদ্ভাবনী ধারাগুলোকে একত্রিত করা ও বৈজ্ঞানিক জ্ঞানের উন্নয়ন সাধন এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনের উদ্দেশ্য। দুই দিনব্যাপী এ আন্তর্জাতিক কনফারেন্সে দেশ ও বিদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে। কনফারেন্সে জীববিজ্ঞান, স্বাস্থ্য ও বায়োটেকনোলজি বিষয়ক গবেষণাপত্র উপস্থাপন, পোস্টার প্রেজেন্টেশন এবং বৈজ্ঞানিক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।</span></p>
<p class="MsoNormal"><span>মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আক্তার প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গবেষণার মান উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক মানের করতে এধরনের কনফারেন্স ও সেমিনারের কোনো বিকল্প নেই। তিনি বলেন, বাংলাদেশ হলো মাছে ভাতে বাঙালির দেশ। এই দেশ মাছ উৎপাদন ও রপ্তানিতে অনেক এগিয়ে। মাছ শুধু প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবারই নয় মাছে রয়েছে ত্বকের জন্য বিশেষ উপাদান যা আমাদের ত্বককে ভালো রাখে। দক্ষিণাঞ্চলকে বলা হয় মাছের অভয়ারণ্য। বিভিন্ন প্রজাতির মাছ চাষে এই অঞ্চলের চাষিরা তাদের ধারাবাহিক সফলতা বজায় রেখে চলেছে। এই ধারাকে আরও বেগবান করতে ইতোমধ্যে অনেক কার্যকরী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। আশা করি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রিক গবেষণা এই ধারায় আরও নতুন মাত্রা যোগ করবে।</span></p>
<p class="MsoNormal"><span>কনফারেন্সের প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে যবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আব্দুল মজিদ জীববিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদের সফলতা তুলে ধরে বলেন, এই অনুষদ শুধু গবেষণায় এগিয়ে নয়, আধুনিক গবেষণাকে কাজে লাগিয়ে খুলনা অঞ্চলের মৎস্য চাষী থেকে শুরু করে ফুল চাষীদের জন্য নতুন মাত্রা যোগ করেছে। তিনি আরও বলেন, যবিপ্রবিতে এধরনের আন্তর্জাতিক সম্মেলন শিক্ষার্থী ও গবেষকদের জন্য জ্ঞান বিনিময়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্লাটফর্ম। এতে দেশি-বিদেশি গবেষকদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা প্রীতি বাড়বে।  </span></p>
<p class="MsoNormal"><span>কনফারেন্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন কনফারেন্সের সম্মানিত অতিথি ও এশিয়ান ফেডারেশন অব বায়োটেকনোলজির ভাইস প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ড. এম মোজাম্মেল হক। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ, খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নাজমুল আহসান, যবিপ্রবির কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. হোসেন আল মামুন, কনফারেন্সের আহবায়ক ও জীববিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. সিরাজুল ইসলাম, কনফারেন্সের অরগানাইজিং সেক্রেটারি অধ্যাপক. ড. মো. আমিনুর রহমান। এছাড়াও কনফারেন্সে দেশি-বিদেশি গবেষক ও আলোচকসহ যবিপ্রবির বিভিন্ন অনুষদের ডিনবৃন্দ, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন যবিপ্রবির জীববিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদের শিক্ষার্থী সাজ্জাদ হোসেন রুপম ও শান্তা সেন।</span></p>
<p class="MsoNormal"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এমএনএইচ/এএম</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>দেশের প্রথম অ্যাগ্রোইকোফিজিওলজি ল্যাবরেটরির উদ্বোধন</title>
<link>https://digibanglatech.news/163702</link>
<guid>https://digibanglatech.news/163702</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_6963e2434696e.jpg" length="64942" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 11 Jan 2026 18:52:57 +0600</pubDate>
<dc:creator>ক্যাম্পাস করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<article>
<p>জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় মাটির স্বাস্থ্য উন্নত করে টেকসই কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তোলার মাধ্যমে নিরাপদ ও পুষ্টিসম্মত খাদ্য উৎপাদনে দেশে প্রথম বারের মতো স্থাপিত হলো অ্যাগ্রোইকোফিজিওলজি ল্যাবরেটরি। পল্লী কর্মসহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ) আর্থিক সহায়তায় শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের এগ্রিকালচারাল বোটানি বিভাগে ল্যাবটি স্থাপন করেছে ওয়েভ ফাউন্ডেশন।</p>
<p>রাজধানীর আগারগাঁওয়ের শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) ডা. কাজী এম বদরুদুজ্জা রিসার্চ সেন্টারে ১১ জানুয়ারি (রবিবার) ল্যাবটির উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. আব্দুল লতিফ।</p>
<article>পিকেএসএফের রুরাল মাইক্রো-এন্টারপ্রাইজ ট্রান্সফরমেশন প্রজেক্টের আওতায় এটি বাস্তবায়ন করা হয়। ল্যাবটির সার্বিক তত্ত্বাবধানে রয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক প্রফেসর ড. মুহাম্মদ মাহবুব ইসলাম এবং প্রফেসর ড. এ কে এম রুহুল আমীন।
<p>প্রফেসর ড. মুহাম্মদ মাহবুব ইসলাম বলেন, ল্যাবটিতে মাইক্রোব্যালেন্স, প্ল্যান্ট অ্যান্ড সয়েল ডাইজেশন সিস্টেম, ফ্লেম ফটোমিটার, প্ল্যান্ট ওভেন এবং কন্ডাক্টিভিটি মিটার স্থাপন করা হয়েছে। এসব যন্ত্রপাতির মাধ্যমে মাটি ও উদ্ভিদের বিভিন্ন পুষ্টি ও ক্ষতিকর উপাদানের মাত্রা নির্ণয় করা সম্ভব হবে।</p>
</article>
<article>একই সঙ্গে প্রতিকূল পরিবেশে উদ্ভিদের সংবেদনশীলতা যাচাই, আধুনিক স্মার্ট কৃষি প্রযুক্তি প্রয়োগ— যেমন মাটিতে জৈব উপাদান সংযোজন এবং ন্যানো প্রযুক্তির ব্যবহার করে মাটির স্বাস্থ্য উন্নয়নের কাজ করা হবে। এর ফলে ফসলের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির পাশাপাশি নিরাপদ ও পুষ্টিমানসমৃদ্ধ খাদ্য নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
<p>তিনি আরও বলেন, এমএস ও পিএইচডি কোর্সের শিক্ষার্থীরা ইতোমধ্যে এই ল্যাব তাদের গবেষণাকাজে ব্যবহার করছেন। বাংলাদেশে এটিই প্রথম অ্যাগ্রোইকোফিজিওলজি ল্যাবরেটরি।</p>
<article>
<p>এমন একটি কার্যকর ল্যাব স্থাপনে সহায়তার জন্য পিকেএসএফ ও ওয়েভ ফাউন্ডেশনকে ধন্যবাদ জানান শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. আব্দুল লতিফ। তিনি বলেন, কৃষিখাতে ক্রমাগত পরিবর্তন হচ্ছে এবং সেই পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগোতে গবেষণার কোনো বিকল্প নেই। গবেষণার মাধ্যমেই কৃষিতে টেকসই উন্নয়ন সম্ভব। এই ল্যাব কৃষি সংশ্লিষ্ট গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।</p>
<p>বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পল্লী কর্মসহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ) ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর ড. আকন্দ মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, বিশ্বের অধিকাংশ দেশে গবেষণায় বড় পরিসরে বরাদ্দ থাকলেও আমাদের দেশে সেই চিত্র ভিন্ন।</p>
</article>
<article><span>তারপরও নানা সীমাবদ্ধতার মধ্যেও পিকেএসএফ চায় দেশের কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গবেষণা কার্যক্রম যেন অব্যাহত থাকে। সে লক্ষ্যেই সাধ্যের মধ্যে সব ধরনের সহযোগিতা করা হচ্ছে।</span>
<p>সভাপতির বক্তব্যে ওয়েভ ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক মহসীন আলী বলেন, অ্যাগ্রোইকোলজি বা পরিবেশসম্মত কৃষিকে প্রাধান্য দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছে ওয়েভ ফাউন্ডেশন। এরই অংশ হিসেবে গো-গ্রিন সেন্টার স্থাপন করা হয়েছে, যেখানে অ্যাগ্রোইকোলজি ও ট্যুরিজমকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।</p>
<p>উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. বেলাল হোসেন, ট্রেজারার প্রফেসর মো. আবুল বাশার, ডিন (পোস্টগ্র্যাজুয়েট) ড. সালাউদ্দিন মো. চৌধুরী, ওয়েভ ফাউন্ডেশনের সহকারী পরিচালক নির্মল দাস, পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) প্রফেসর ড. মো. সরওয়ার হোসেন, গবেষণা পরিচালক ড. এফ এম আমিনুর রহমানসহ অন্যান্যরা।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/পিকেও/এমইউএম</strong></span></em></p>
</article>
</article>
</article>
<div ad-position="desktop-details-section-5" class="ads mb-2 d-flex justify-content-center ad-728x90" ad-id="69">
<div class="desktop-ads">
<div>
<div id="gpt-ad-desktop-details-section-5-69-0" data-google-query-id="CO7M5fiEhJIDFbmQrAIdmmotKA"></div>
</div>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ডিসেম্বর নাগাদ চালু হবে শিবচরের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ইউনিট</title>
<link>https://digibanglatech.news/163578</link>
<guid>https://digibanglatech.news/163578</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_69628959860c4.jpg" length="145658" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 10 Jan 2026 18:17:30 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>আগামী ডিসেম্বর নাগদ মাদারীপুরে বর্জ্য প্রক্রিয়াজাতের মাধ্যমে তৈরি হবে জৈব সার। স্বল্প মূল্যে সেই সার ব্যবহার করে বাড়বে স্থানীয় উৎপাদন। </p>
<p>এ লক্ষ্যেই শিবচর পৌরসভার চরশাম্যাইল ও শ্যামাইল মৌজায় ২ দশমিক ৬৮ একর জমিতে স্থাপিত হয়েছে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ইউনিট। প্রায় ১২ কোটি টাকা ব্যয়ে ২০২৩ সালে এটি  নির্মাণ শুরু করে টার্ন নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x_6962894a8a213.jpg" alt=""></p>
<p>সূত্রমতে, নির্মাণ কাজ প্রায় শেষ হয়েছে। এখন শুধু উদ্বোধনের অপেক্ষা। আধুনিক শিবচর পৌরসভা গড়ার লক্ষ্যে ২০২৬ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে এটি পুরোপুরি চালুর কথা বলছে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতর।</p>
<p>জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতরের মাদারীপুরের শিবচরের প্রকৌশলী শামীমা নাসরিন বলেন, এটি চালুর মাধ্যমে শিবচর পৌরসভার চিত্র পাল্টে যাবে। সড়কে কোনো ময়লা থাকবে না। বাসাবাড়ির নোংরা ও আবর্জনা সংগ্রহ করে এই প্রকল্পে নিয়ে আসা হবে। পরে তৈরি হবে জৈব সার। এখান থেকে থেকে সাধারণ কৃষকরা কম খরচে সার কিনে জমিতে দিতে পারবেন। এছাড়া এটি চালু হলে বেকারদের কর্মসংস্থানেরও তৈরি হবে। সবকিছু মিলিয়ে এখানকার মানুষের জীবনযাত্রার মানের ব্যাপক পরিবর্তন আসবে।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x_6962895d47df5.jpg" alt=""></p>
<p>প্রকল্প সূত্রে প্রকাশ, শিবচর পৌরসভার বাসাবাড়ি থেকে প্রতিদিন ময়লা-আবর্জনা সংগ্রহ করে এই ইউনিটের মাধ্যমে প্রক্রিয়াজাত করে উৎপাদন হবে জৈব সার। যা স্বল্প দামে এখান থেকে কিনে জমিতে ব্যবহার করলে ফসল উৎপাদন বাড়ার আশা প্রান্তিক চাষিরা। এতে প্রতি বছর সাশ্রয় হবে কোটি কোটি টাকা। আর এটি চালু হলে তৈরি হবে কর্মসংস্থান, বলছেন স্থানীয়রা। এছাড়া সুপেয় পানি সরবরাহও করা হবে এই প্রকল্পের মাধ্যমে।।</p>
<p>জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতর সূত্র জানায়, বায়ু দূষণরোধ ও পরিবেশবান্ধব পৌর শহর গড়ে তুলতেই এই প্রকল্প ব্যাপক ভূমিকা রাখবে বলে জানান ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি ও কর্তৃপক্ষ। উপজেলার নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন ব্যবস্থা সম্প্রসারণ ও উন্নয়ন প্রকল্পটিতে নিজেদের অর্থায়নে দুই বছর জৈব সার উৎপাদন করবে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এরপর থেকে সরকারিভাবে তৈরি হবে জৈব সার। এটি জেলার প্রথম সমন্বিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ইউনিট। </p>
<p>এই ইউনটি আশা জাগিয়েছে কৃষক সোহবার মাতবরের। তিনি বলেন, আমাদের বাড়ির পাশে তৈরি হয়েছে জৈব ফ্যাক্টরি। এখান থেকে সার কিনে জমিতে দিতে পারব। বাজার থেকে আর বেশি দামে সার কিনতে হবে। এতে আমাদের ফসলও ভালো হবে।</p>
<p>স্থানীয় বাসিন্দা ওহিদুর রহমান বলেন, এই আধুনিক বর্জ্য নিষ্কাশন প্রকল্প চালু হলে আমাদের মতো বেকার যুবকেরা কাজ পাবে। এখান থেকে তৈরি জৈব সার ও সুপেয় পানির ব্যবস্থা চালু হলে এলাকার মানুষও উপকৃত হবেন।</p>
<p>ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান টার্ন এর প্রতিনিধি মিলন মিয়া বলেন, আমাদের প্রকল্পের কাজ প্রায় শেষ। এখন হস্তান্তর প্রক্রিয়া বাকি। এটিও শিগ্‌গিরই সম্পন্ন হবে। আগামী দুই বছর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নিজেরাই ময়লা-আবর্জনা সংগ্রহ করে জৈব সার তৈরি করবে। এরপর জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতর নিজেদের জনবল দিয়ে তৈরি করবে সার।<br><span style="text-decoration: underline;"><em><strong>ডিবিটেক/ডিএমও/ইকে</strong></em></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ফসলের সহনশীলতা বাড়াতে শৈবালভিত্তিক বায়োস্টিমুল্যান্ট নিয়ে গবেষণা</title>
<link>https://digibanglatech.news/163368</link>
<guid>https://digibanglatech.news/163368</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_695fa4259b9a3.jpg" length="135072" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 08 Jan 2026 16:34:54 +0600</pubDate>
<dc:creator>ক্যাম্পাস করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে দেশের কৃষিজমির লবণাক্ততা, খরা ও তাপমাত্রাজনিত চাপের কারণে ফসল উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। এমন পরিস্থতি খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় ধরনের হুমকি। ফলে পরিবেশবান্ধব ও টেকসই সমাধান খুঁজতে সামুদ্রিক শৈবালভিত্তিক বায়োস্টিমুল্যান্ট নিয়ে গবেষণা শুরু করেছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) একদল গবেষক।</p>
<p>৮ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অনুষদের সম্মেলন হলে ‘জলবায়ু পরিবর্তনজনিত অজৈব চাপ মোকাবিলায় ফসলের সহনশীলতা বৃদ্ধিতে সামুদ্রিক শৈবালভিত্তিক বায়োস্টিমুল্যান্ট ব্যবহারের পরিবেশবান্ধব কৌশল’ শীর্ষক এক উদ্ভাবনী কর্মশালায় তুলে ধরা হলো তাদের গবেষণার বিভিন্ন দিক। তারা  জানান, গত ৩৫ বছরে বাংলাদেশে লবণাক্ত জমির পরিমাণ প্রায় ২৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০১০ সালের হিসাবে দেশের প্রায় ১০ লাখ ৫৬ হাজার হেক্টর জমি লবণাক্ততায় আক্রান্ত, যা উপকূলীয় অঞ্চলের মোট আবাদি জমির প্রায় ৩০ শতাংশ। পাশাপাশি দেশের প্রায় ৪১ থেকে ৫০ শতাংশ এলাকা কোনো না কোনো সময় খরার কবলে পড়ে। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে এসব সংকট আরও তীব্র আকার ধারণ করছে।</p>
<p>কর্মশালার প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাকৃবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাতে কৃষি খাত আজ বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। এসব সংকট মোকাবিলায় টেকসই ও পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি উদ্ভাবনের কোনো বিকল্প নেই। তিনি আরও বলেন, সামুদ্রিক শৈবালভিত্তিক বায়োস্টিমুল্যান্ট ব্যবহার করে ফসলের সহনশীলতা বাড়ানোর এই গবেষণা কৃষির টেকসই ভবিষ্যৎ গঠনে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে। একই সঙ্গে তিনি গবেষণার ফলাফল মাঠপর্যায়ে প্রয়োগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।</p>
<p>কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করে বাকৃবির বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড মলিকুলার বায়োলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. তাহজিব-উল-আরিফ জানান, বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় বিপুল পরিমাণ সামুদ্রিক শৈবাল পাওয়া যায়, যা এখনো যথাযথভাবে ব্যবহার করা হয়নি। বর্তমানে দেশে ৪৭ প্রজাতির সবুজ, ৫৯ প্রজাতির বাদামী এবং ৯৪ প্রজাতির লাল শৈবাল শনাক্ত করা হয়েছে।</p>
<p>তিনি বলেন, এসব শৈবালে থাকা ফেনোলিক যৌগ, পলিস্যাকারাইড এবং বিভিন্ন খনিজ উপাদান উদ্ভিদের বৃদ্ধি ও প্রতিকূল পরিবেশে টিকে থাকার সক্ষমতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। গবেষণার অংশ হিসেবে হাইপনিয়া, গ্রাসিলারিয়া, সারগাসাম ও এন্টারোমর্ফা প্রজাতির শৈবাল থেকে কার্যকর নির্যাস তৈরি করে ধান ও গমের ফলন বৃদ্ধিতে এর কার্যকারিতা পরীক্ষা করা হচ্ছে। পাশাপাশি কম্পিউটেশনাল (ইন সিলিকো) পদ্ধতিতে শৈবালের জৈব সক্রিয় উপাদানগুলোর কর্মপদ্ধতিও বিশ্লেষণ করা হচ্ছে।</p>
<p>প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. শায়লা শারমিনের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন অধ্যাপক ড. মাসুম আহমাদ, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন শাখার পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোশাররফ উদ্দীন ভূঁঞা এবং বাকৃবি রিসার্চ সিস্টেমের (বাউরেস) পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. হাম্মাদুর রহমান। এ ছাড়া বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষার্থীরা কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন।</p>
<p>সেমিনারে গবেষণা দলের সদস্য অধ্যাপক ড. শায়লা শারমিন ও অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল হান্নান জানান, শৈবালের জৈব সক্রিয়তায় কম্পিউটেশনাল (ইন সিলিকো) প্রযুক্তির সফল প্রয়োগে ফসলের শরীরবৃত্তীয় ও আণবিক স্তরে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। বর্তমানে গমের জাত ‘বিডব্লিউএমআরআই গম-১’-এর ওপর গ্রাসিলারিয়া শৈবাল নির্যাসের কার্যকারিতা পরীক্ষা করা হচ্ছে। গবেষণা শেষে ২ থেকে ৩টি কার্যকর বায়োস্টিমুল্যান্ট বাজারে আনার পরিকল্পনা রয়েছে, যা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি-২, ১৩ ও ১৪) অর্জনে সহায়ক হবে।<br><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/ডিপিও/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>গভীর সমুদ্রে গবেষণায় প্রধান উপদেষ্টার গুরুত্বারোপ</title>
<link>https://digibanglatech.news/163126</link>
<guid>https://digibanglatech.news/163126</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202601/image_870x580_695ce7ba6aed6.jpg" length="88114" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 06 Jan 2026 15:44:17 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p></p>
<p>বঙ্গোপসাগরের তলদেশে প্লাস্টিকের অস্তিত্ব ও জেলিফিশের অস্বাভাবিক আধিক্য নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের স্থলভাগের সমপরিমাণ অঞ্চল জলভাগ হলেও এই বিপুল সম্পদ আমরা এখনো পুরোপুরি কাজে লাগাতে পারিনি। </p>
<p>৬ জানুয়ারি (মঙ্গলবার) সকালে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ ও ইকোসিস্টেম-সংক্রান্ত এক গবেষণা প্রতিবেদন জমা দেওয়ার সময় তিনি এসব কথা বলেন।</p>
<p>গবেষণা জাহাজ ‘আরভি ডক্টর ফ্রিডজফ ন্যানসেন’ কর্তৃক পরিচালিত এই জরিপ ও গবেষণা প্রতিবেদনটি প্রধান উপদেষ্টার কাছে হস্তান্তর করে এ সংক্রান্ত কমিটি।</p>
<p>গত বছরের ২১ আগস্ট থেকে ২১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আটটি দেশের ২৫ জন বিজ্ঞানীর সমন্বয়ে এই জরিপ চালানো হয়, যার মধ্যে ১৩ জন ছিলেন বাংলাদেশি। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব মেরিন সায়েন্সেস-এর অধ্যাপক সায়েদুর রহমান চৌধুরী বৈঠকে গবেষণা উপাত্ত তুলে ধরেন।</p>
<p> তিনি জানান, গবেষণায় ৬৫ প্রজাতির নতুন জলজ প্রাণীর অস্তিত্ব পাওয়া গেলেও পরিবেশগত ভারসাম্যহীনতার চিত্র ফুটে উঠেছে।</p>
<p>অধ্যাপক সায়েদুর বলেন, ‘বাংলাদেশে গভীর সমুদ্রে জেলিফিশের আধিক্য মাত্রাতিরিক্ত বেড়ে গেছে। এটা ইমব্যালেন্সের (ভারসাম্যহীনতা) লক্ষণ। ওভারফিশিংয়ের কারণে এটি হয়েছে।’ এছাড়া দুই হাজার মিটার গভীরতায়ও প্লাস্টিক পাওয়া গেছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয়। ২০১৮ সালের গবেষণার তুলনায় দেখা গেছে, গভীর সমুদ্রে বড় মাছের সংখ্যা কমে যাচ্ছে এবং স্বল্প গভীরতায়ও মাছের পরিমাণ আশঙ্কাজনকভাবে হ্রাস পেয়েছে।</p>
<p>বৈঠকে জানানো হয়, গভীর সমুদ্রে ২৭০ থেকে ২৮০টি বড় ট্রলার মাছ আহরণ করলেও এর মধ্যে ৭০টি ট্রলার ‘সোনার’ (Sonar) ব্যবহার করে ‘টার্গেটেড ফিশিং’ করছে। এটি অত্যন্ত আগ্রাসী পদ্ধতি হওয়ায় বড় মাছ ধরা পড়লেও ক্ষুদ্র জেলেরা ক্ষতির মুখে পড়ছেন। এ প্রসঙ্গে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেন, ‘এভাবে টার্গেটেড ফিশিং হলে বঙ্গোপসাগর মাছশূন্য হয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। ‘সোনার ফিশিং’ নিয়ে সরকার সিদ্ধান্ত নেবে।’</p>
<p>তবে গবেষণায় টুনা মাছের আধিক্য ও উজ্জ্বল সম্ভাবনার কথা জানানো হয়েছে। এছাড়া সুন্দরবনের নিচে একটি ‘ফিশিং নার্সারি’র সন্ধান পাওয়া গেছে, যা সংরক্ষণে সরকার নির্দেশ দিয়েছে।</p>
<p>প্রধান উপদেষ্টা তার বক্তব্যে বলেন, সামুদ্রিক সম্পদকে কাজে লাগাতে পর্যাপ্ত গবেষণা ও পলিসি সাপোর্ট প্রয়োজন। বৈঠকে জানানো হয়, যুক্তরাজ্যের রয়েল নেভির একটি বহুমুখী সার্ভে ভেসেল ‘এইচএমএস এন্টারপ্রাইজ’ বাংলাদেশ নৌবাহিনীর কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়ায় রয়েছে, যা সমুদ্র গবেষণায় সক্ষমতা বাড়াবে। প্রধান উপদেষ্টা জাপান, ইন্দোনেশিয়া ও মালদ্বীপের সাথে যৌথ গবেষণার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, বিশেষজ্ঞ জ্ঞানের সমন্বয়েই অর্থনীতির নতুন দিগন্ত উন্মোচন হবে।</p>
<p>প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক বিষয়ক বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী ও মৎস্য অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক ড. মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন বৈঠকে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন।<br><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এমআই/ইকে </strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্রলারে ব্যবহৃত সোনার ও শক প্রযুক্তি নিয়ে উপদেষ্টার উদ্বেগ</title>
<link>https://digibanglatech.news/161724</link>
<guid>https://digibanglatech.news/161724</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_694a99a951bd3.jpg" length="62604" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 23 Dec 2025 17:32:09 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span lang="BN-BD" style="font-family: 'Shonar Bangla',serif; mso-ascii-font-family: 'Times New Roman'; mso-hansi-font-family: 'Times New Roman';">মাছ শিকারে ব্যবহৃত বাণিজ্যিক ট্রলারে ব্যবহৃত সোনার ও শক প্রযুক্তি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন</span><span lang="BN-BD"> </span><span lang="BN-BD" style="font-family: 'Shonar Bangla',serif; mso-ascii-font-family: 'Times New Roman'; mso-hansi-font-family: 'Times New Roman';">মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার।</span><span lang="BN-BD"> </span><span lang="BN-BD" style="font-family: 'Shonar Bangla',serif; mso-ascii-font-family: 'Times New Roman'; mso-hansi-font-family: 'Times New Roman';">তিনি বিশেষভাবে ক্ষতিকর মাছ ধরার গিয়ার ব্যবহারের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন</span>, <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Shonar Bangla',serif; mso-ascii-font-family: 'Times New Roman'; mso-hansi-font-family: 'Times New Roman';">আগে ব্যবহৃত গিয়ারগুলোকেই পরিবর্তন করে এখন পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের জন্য ক্ষতিকর রূপ দেওয়া হচ্ছে</span>; <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Shonar Bangla',serif; mso-ascii-font-family: 'Times New Roman'; mso-hansi-font-family: 'Times New Roman';">এমনকি ইলেকট্রিক শক ব্যবহার করেও মাছ ধরা হচ্ছে যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।</span><o:p></o:p></p>
<p><span lang="BN-BD" style="font-family: 'Shonar Bangla',serif; mso-ascii-font-family: 'Times New Roman'; mso-hansi-font-family: 'Times New Roman';">২৩ ডিসেম্বর</span>, <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Shonar Bangla',serif; mso-ascii-font-family: 'Times New Roman'; mso-hansi-font-family: 'Times New Roman';">মঙ্গলবার বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) অডিটোরিয়ামে বাংলাদেশ ফিশারিজ রিসার্চ ফোরাম (বিএফআরএফ)-এর উদ্যোগে ১০ম দ্বিবার্ষিক মৎস্য সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই উদ্বেগের কথা প্রকাশ করেন তিনি</span><span lang="HI" style="font-family: 'Mangal',serif; mso-ascii-font-family: 'Times New Roman'; mso-hansi-font-family: 'Times New Roman'; mso-bidi-language: HI;">।</span><o:p></o:p></p>
<p>‘<span lang="BN-BD" style="font-family: 'Shonar Bangla',serif; mso-ascii-font-family: 'Times New Roman'; mso-hansi-font-family: 'Times New Roman';">আর্টিসনাল ট্রলার ও ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্রলার ভিন্ন ভিন্ন পথে মাছ ধরছে এবং ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্রলারে ব্যবহৃত কিছু প্রযুক্তি নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করছে’ উল্লেখ করে</span><span lang="BN-BD"> </span><span lang="BN-BD" style="font-family: 'Shonar Bangla',serif; mso-ascii-font-family: 'Times New Roman'; mso-hansi-font-family: 'Times New Roman';">ফরিদা আখতার</span> <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Shonar Bangla',serif; mso-ascii-font-family: 'Times New Roman'; mso-hansi-font-family: 'Times New Roman';">বলেন</span>, <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Shonar Bangla',serif; mso-ascii-font-family: 'Times New Roman'; mso-hansi-font-family: 'Times New Roman';">সাগরে সাতবার গিয়ে একবার মাছ পাওয়ার পদ্ধতি যেমন গ্রহণযোগ্য নয়</span>, <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Shonar Bangla',serif; mso-ascii-font-family: 'Times New Roman'; mso-hansi-font-family: 'Times New Roman';">তেমনি একবারে গিয়ে সব মাছ তুলে আনার জন্য সোনার (সাউন্ড নেভিগেশন অ্যান্ড রেঞ্জিং) প্রযুক্তির ব্যবহারও সঠিক হতে পারে না।</span> <o:p></o:p></p>
<p><span lang="BN-BD" style="font-family: 'Shonar Bangla',serif; mso-ascii-font-family: 'Times New Roman'; mso-hansi-font-family: 'Times New Roman';">মৎস্য উপদেষ্টা বলেন</span>, <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Shonar Bangla',serif; mso-ascii-font-family: 'Times New Roman'; mso-hansi-font-family: 'Times New Roman';">সম্প্রতি জানা গেছে ২২৩টি ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্রলারের মধ্যে প্রায় ৭০টিতে সোনার প্রযুক্তি ব্যবহৃত হচ্ছে</span>, <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Shonar Bangla',serif; mso-ascii-font-family: 'Times New Roman'; mso-hansi-font-family: 'Times New Roman';">যার ফলে সমুদ্রে ওভারফিশিংয়ের ঝুঁকি বেড়েছে। এসব সমস্যা মোকাবিলায় কার্যকর নীতিমালা প্রণয়ন জরুরি</span><span lang="HI" style="font-family: 'Mangal',serif; mso-ascii-font-family: 'Times New Roman'; mso-hansi-font-family: 'Times New Roman'; mso-bidi-language: HI;">।</span><o:p></o:p></p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x_694a99a86c076.jpg" alt=""></p>
<p><span lang="BN-BD" style="font-family: 'Shonar Bangla',serif; mso-ascii-font-family: 'Times New Roman'; mso-hansi-font-family: 'Times New Roman';">তিনি আরও বলেন</span>, <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Shonar Bangla',serif; mso-ascii-font-family: 'Times New Roman'; mso-hansi-font-family: 'Times New Roman';">মাছ শুধু পেট ভরানোর খাদ্য নয়</span>; <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Shonar Bangla',serif; mso-ascii-font-family: 'Times New Roman'; mso-hansi-font-family: 'Times New Roman';">এটি বিশেষ পুষ্টির একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস। মাছের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট</span>, <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Shonar Bangla',serif; mso-ascii-font-family: 'Times New Roman'; mso-hansi-font-family: 'Times New Roman';">ক্যালসিয়ামসহ এমন পুষ্টি উপাদান পাওয়া যায়</span>, <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Shonar Bangla',serif; mso-ascii-font-family: 'Times New Roman'; mso-hansi-font-family: 'Times New Roman';">যা চোখ</span>, <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Shonar Bangla',serif; mso-ascii-font-family: 'Times New Roman'; mso-hansi-font-family: 'Times New Roman';">হাড় ও মেধা বিকাশে সহায়ক। বাঙালির মেধা বিকাশের পেছনেও মাছভিত্তিক খাদ্যাভ্যাস একটি বড় ভূমিকা রেখেছে।</span> <o:p></o:p></p>
<p><span lang="BN-BD" style="font-family: 'Shonar Bangla',serif; mso-ascii-font-family: 'Times New Roman'; mso-hansi-font-family: 'Times New Roman';">সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদের প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন</span>, <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Shonar Bangla',serif; mso-ascii-font-family: 'Times New Roman'; mso-hansi-font-family: 'Times New Roman';">বাংলাদেশ এখনো এর পূর্ণ সম্ভাবনার সদ্‌ব্যবহার করতে পারেনি</span>; <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Shonar Bangla',serif; mso-ascii-font-family: 'Times New Roman'; mso-hansi-font-family: 'Times New Roman';">বর্তমানে মাত্র প্রায় ৩০ শতাংশ সম্পদ ব্যবহার হচ্ছে। বরং যেটুকু ব্যবহার হচ্ছে</span>, <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Shonar Bangla',serif; mso-ascii-font-family: 'Times New Roman'; mso-hansi-font-family: 'Times New Roman';">সেখানেও নানা সমস্যা রয়েছে।</span>  <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Shonar Bangla',serif; mso-ascii-font-family: 'Times New Roman'; mso-hansi-font-family: 'Times New Roman';">মৎস্যজীবীদের জন্য প্রণোদনার ক্ষেত্রেও বৈষম্য রয়েছে। কৃষি খাতে যে পরিমাণ সহায়তা দেওয়া হয় সেই তুলনায় মৎস্যজীবীরা যথাযথ প্রণোদনা পান না। নিষেধাজ্ঞা সময়ে তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী সহায়তা না পাওয়ার কারণেই অনেক সময় তারা অনিচ্ছাকৃতভাবে নিয়ম লঙ্ঘনে বাধ্য হন</span><span lang="HI" style="font-family: 'Mangal',serif; mso-ascii-font-family: 'Times New Roman'; mso-hansi-font-family: 'Times New Roman'; mso-bidi-language: HI;">।</span><o:p></o:p></p>
<p><span lang="BN-BD" style="font-family: 'Shonar Bangla',serif; mso-ascii-font-family: 'Times New Roman'; mso-hansi-font-family: 'Times New Roman';">উপদেষ্টা জানান</span>, <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Shonar Bangla',serif; mso-ascii-font-family: 'Times New Roman'; mso-hansi-font-family: 'Times New Roman';">ইলিশের মাইগ্রেশন রুটে প্রতিবন্ধকতা চিহ্নিত করে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় ড্রেজিং কার্যক্রমের জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে</span><span lang="HI" style="font-family: 'Mangal',serif; mso-ascii-font-family: 'Times New Roman'; mso-hansi-font-family: 'Times New Roman'; mso-bidi-language: HI;">।</span><o:p></o:p></p>
<p><span lang="BN-BD" style="font-family: 'Shonar Bangla',serif; mso-ascii-font-family: 'Times New Roman'; mso-hansi-font-family: 'Times New Roman';">সম্মেলনে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ওয়ার্ল্ডফিশ বাংলাদেশের কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ ড. ফারুক-উল ইসলাম। সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশে এফএও প্রতিনিধি (অ্যাড-ইন্টারিম) ড. দিয়া সানো। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবদুর রউফ</span>, <span lang="BN-BD" style="font-family: 'Shonar Bangla',serif; mso-ascii-font-family: 'Times New Roman'; mso-hansi-font-family: 'Times New Roman';">বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক অনুরাধা ভাদ্রা এবং এসিআই পিএলসি-এর গ্রুপ অ্যাডভাইজার ড. এফ. এইচ. আনসারী।</span> <o:p></o:p></p>
<p><span lang="BN-BD" style="font-family: 'Shonar Bangla',serif; mso-ascii-font-family: 'Times New Roman'; mso-hansi-font-family: 'Times New Roman';">অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিএফআরএফ-এর সভাপতি ড. জোয়ার্দার ফরুক আহমেদ। স্বাগত বক্তব্য দেন মহাসচিব মনিরুল ইসলাম এবং ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন সহ-সভাপতি খালেদ কানক</span><span lang="HI" style="font-family: 'Mangal',serif; mso-ascii-font-family: 'Times New Roman'; mso-hansi-font-family: 'Times New Roman'; mso-bidi-language: HI;">।</span><o:p></o:p></p>
<p><strong><i><u><span lang="BN-BD" style="font-family: 'Shonar Bangla',serif; mso-ascii-font-family: 'Times New Roman'; mso-hansi-font-family: 'Times New Roman';">ডিবিটেক/জেএনও/এমইউএম</span></u></i></strong><o:p></o:p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>প্রাণিসম্পদে গ্রিনহাউস গ্যাস কমাতে সার্ক বিশেষজ্ঞদের আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ শুরু</title>
<link>https://digibanglatech.news/161597</link>
<guid>https://digibanglatech.news/161597</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_69494821c6bb3.jpg" length="119905" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 22 Dec 2025 17:30:58 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div class="flex flex-col text-sm pb-25">
<article class="text-token-text-primary w-full focus:outline-none [--shadow-height:45px] has-data-writing-block:pointer-events-none has-data-writing-block:-mt-(--shadow-height) has-data-writing-block:pt-(--shadow-height) [&amp;:has([data-writing-block])&gt;*]:pointer-events-auto [content-visibility:auto] supports-[content-visibility:auto]:[contain-intrinsic-size:auto_100lvh] scroll-mt-[calc(var(--header-height)+min(200px,max(70px,20svh)))]" dir="auto" data-turn-id="934c109d-fe92-4e8a-ae6a-bc229d9b2e4a" data-testid="conversation-turn-2" data-scroll-anchor="true" data-turn="assistant" tabindex="-1">
<div class="text-base my-auto mx-auto pb-10 [--thread-content-margin:--spacing(4)] @w-sm/main:[--thread-content-margin:--spacing(6)] @w-lg/main:[--thread-content-margin:--spacing(16)] px-(--thread-content-margin)">
<div class="[--thread-content-max-width:40rem] @w-lg/main:[--thread-content-max-width:48rem] mx-auto max-w-(--thread-content-max-width) flex-1 group/turn-messages focus-visible:outline-hidden relative flex w-full min-w-0 flex-col agent-turn" tabindex="-1">
<div class="flex max-w-full flex-col grow">
<div data-message-author-role="assistant" data-message-id="a4a92142-ab1b-4875-b90a-12910367d64e" dir="auto" class="min-h-8 text-message relative flex w-full flex-col items-end gap-2 text-start break-words whitespace-normal [.text-message+&amp;]:mt-1" data-message-model-slug="gpt-5-2">
<div class="flex w-full flex-col gap-1 empty:hidden first:pt-[1px]">
<div class="markdown prose dark:prose-invert w-full break-words light markdown-new-styling">
<p data-start="100" data-end="458">দক্ষিণ এশিয়ায় প্রাণিসম্পদ খাত থেকে নির্গত গ্রিনহাউস গ্যাস হ্রাস এবং জলবায়ু-বান্ধব উৎপাদন ব্যবস্থা জোরদারের লক্ষ্যে সার্কভুক্ত দেশগুলোর নীতিনির্ধারক, বিজ্ঞানী ও উন্নয়নকর্মীদের অংশগ্রহণে তিন দিনব্যাপী একটি আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। ২২ ডিসেম্বর, সোমবার ( ২০২৫) ভার্চুয়াল মাধ্যমে শুরু হওয়া এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করেছে সার্ক এগ্রিকালচার সেন্টার (এসএসি)।</p>
<p data-start="460" data-end="796">‘দক্ষিণ এশিয়ায় প্রাণিসম্পদ খাত থেকে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন নিরূপণের ইনভেন্টরি উন্নয়ন এবং উপযুক্ত খাদ্য কৌশলের মাধ্যমে তা প্রশমনের কৌশল’ শীর্ষক এ প্রশিক্ষণের মূল উদ্দেশ্য হলো- প্রাণিসম্পদ খাতের নির্গমন পরিমাপের সক্ষমতা বৃদ্ধি করা এবং বৈজ্ঞানিকভাবে কার্যকর খাদ্য ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বাস্তবসম্মত প্রশমন উদ্যোগ গ্রহণে দেশগুলোকে সহায়তা করা।</p>
<p data-start="798" data-end="1226">উদ্বোধনী ও স্বাগত বক্তব্যে সার্ক এগ্রিকালচার সেন্টারের পরিচালক ড. মো. হারুনুর রশীদ বলেন, দক্ষিণ এশিয়ায় খাদ্য নিরাপত্তা, পুষ্টি ও গ্রামীণ জীবিকায় প্রাণিসম্পদ খাতের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে একই সঙ্গে এই খাত মিথেন ও নাইট্রাস অক্সাইডসহ উল্লেখযোগ্য পরিমাণ গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনের উৎস। তিনি বলেন, “উৎপাদনশীলতা অক্ষুণ্ন রেখে পরিবেশগত প্রভাব কমাতে হলে নির্ভরযোগ্য নির্গমন ইনভেন্টরি ও বিজ্ঞানভিত্তিক খাদ্য হস্তক্ষেপ অপরিহার্য।”</p>
<p data-start="1228" data-end="1691">প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সার্ক ও বিমসটেক বিষয়ক মহাপরিচালক এস এম মাহবুবুল আলম বলেন, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক নীতিনির্ধারণে জলবায়ু-স্মার্ট প্রাণিসম্পদ চর্চার গুরুত্ব ক্রমেই বাড়ছে। তিনি উল্লেখ করেন, আন্তর্জাতিক জলবায়ু অঙ্গীকারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দক্ষিণ এশিয়ার প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন কৌশল সাজাতে হবে, একই সঙ্গে ক্ষুদ্র খামারিদের স্বার্থ সুরক্ষিত রাখতে হবে। এ ক্ষেত্রে আঞ্চলিক সহযোগিতা ও প্রমাণভিত্তিক নীতিনির্ধারণের ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।</p>
<p data-start="1693" data-end="2057">বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন নেপালে অবস্থিত সার্ক সচিবালয়ের কৃষি, গ্রামীণ উন্নয়ন ও সামাজিক উন্নয়ন তহবিল (এআরডি ও এসডিএফ) বিষয়ক পরিচালক তানভীর আহমদ তোরফদার। তিনি জলবায়ু সহনশীল কৃষি ও টেকসই প্রাণিসম্পদ উন্নয়নে সার্কের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, এ ধরনের সক্ষমতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ আঞ্চলিক জলবায়ু অভিযোজন ও প্রশমন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।</p>
<p data-start="2059" data-end="2363">অনুষ্ঠানে অতিথি অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভারতের ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব এগ্রিকালচারাল রিসার্চের (আইসিএআর) সহকারী মহাপরিচালক (অ্যানিম্যাল নিউট্রিশন অ্যান্ড ফিজিওলজি) ড. এ কে সামন্ত। তিনি প্রাণিসম্পদ পুষ্টি গবেষণাকে জাতীয় গ্রিনহাউস গ্যাস ইনভেন্টরি ও নীতিনির্ধারণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে সমন্বয়ের ওপর গুরুত্ব দেন।</p>
<p data-start="2365" data-end="2784">মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ভারতের আইসিএআর–ন্যাশনাল ডেইরি রিসার্চ ইনস্টিটিউট, কারনালের প্রধান বিজ্ঞানী ড. নিতিন ত্যাগী। তিনি দক্ষিণ এশিয়ায় প্রাণিসম্পদ খাত থেকে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাসের চ্যালেঞ্জ তুলে ধরে বলেন, ক্ষুদ্র খামার-নির্ভর উৎপাদন ব্যবস্থা, নিম্নমানের খাদ্য সম্পদ এবং পর্যাপ্ত তথ্যের অভাব বড় বাধা হিসেবে রয়ে গেছে। এসব সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে উঠতে সমন্বিত গবেষণা ও নীতিগত সহায়তার প্রয়োজনীয়তার কথা তিনি উল্লেখ করেন।</p>
<p data-start="2786" data-end="3107">প্রশিক্ষণের সার্বিক কাঠামো ও লক্ষ্য তুলে ধরেন এসএসি’র সিনিয়র প্রোগ্রাম স্পেশালিস্ট (লাইভস্টক) ড. মো. ইউনুস আলী। তিনি জানান, এ কর্মসূচির মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীদের গ্রিনহাউস গ্যাস ইনভেন্টরি তৈরির আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত পদ্ধতি, বিশেষ করে আন্তঃসরকারি জলবায়ু পরিবর্তন প্যানেল (আইপিসিসি) প্রস্তাবিত পদ্ধতির সঙ্গে পরিচিত করা হবে।</p>
<p data-start="3109" data-end="3264" data-is-last-node="" data-is-only-node="">আয়োজকদের মতে, এই আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোকে প্রাণিসম্পদ খাতে পরিবেশবান্ধব, জলবায়ু সহনশীল ও টেকসই উন্নয়ন পথরেখা প্রণয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।</p>
<p data-start="3109" data-end="3264" data-is-last-node="" data-is-only-node=""><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এমএবি/এইচআই</strong></span></em></p>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div class="z-0 flex min-h-[46px] justify-start"></div>
<div class="mt-3 w-full empty:hidden">
<div class="text-center"></div>
</div>
</div>
</div>
</article>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>‘আলু সরবরাহের চেইন শক্তিশালীকরণে প্রযুক্তি সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ’</title>
<link>https://digibanglatech.news/160678</link>
<guid>https://digibanglatech.news/160678</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_693d9a3996f82.jpg" length="93328" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 13 Dec 2025 21:24:40 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>দেশের আলু ব্যবসায় উৎপাদন থেকে বিপননের প্রতিটি ধাপকে আরও শক্তিশালী করে বৈশ্বিক বাজারে প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান নিশ্চিত করতে কৌশলগত অগ্রাধিকার, প্রযুক্তিগত সমাধান ও কার্যকর নীতিগত সহায়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বিশেষজ্ঞরা।</p>
<p>১৩ ডিসেম্বর, শনিবার ‘আলু উৎসব ২০২৫’-এ অনুষ্ঠিত একটি সেমিনারে এমন মতামত উঠে আসে। রাজধানীর আন্তর্জাতিক কনভেনশন সেন্টার (আইসিসিবি) বাংলাদেশ কোল্ড স্টোরেজ অ্যাসোসিয়েশনের (বিসিএসএ) প্রথম বারের মতো অনুষ্ঠিত হচ্ছে এই আলু উৎসব। </p>
<div class="storyCard eyOoS">
<div class="   
                  story-element">
<div class="story-element story-element-text">
<p>মেলায় আলু থেকে তৈরি বিভিন্ন ধরনের খাদ্যপণ্য প্রদর্শন করা হচ্ছিল বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বারি) স্টলে। সেখানে থাকা প্রতিষ্ঠানটির কন্দাল ফসল গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা এ টি এম তানজিমুল ইসলাম জানালেন, মূলত আটার পরিবর্তে আলুর ফ্লেক্স ব্যবহার করা হয়। ফলে আটা দিয়ে যেসব পণ্য তৈরি করা যায়, সেগুলো আলু দিয়েও বানানো যায়।</p>
<p>এছাড়াও বারির কন্দাল ফসল গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা এ টি এম তানজিমুল ইসলাম জানান, দেশে বর্তমানে সব মিলিয়ে প্রায় ২০০ প্রজাতির আলু রয়েছে। এর মধ্যে বারি উদ্ভাবিত জাত ১০৬টি। বাকিগুলো বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের উদ্ভাবিত।</p>
</div>
</div>
</div>
<div><span> বিকেলে আলু রপ্তানির সম্ভাবনা বিষয়ে মেলা প্রাঙ্গণে ‘বাংলাদেশের আলু ভ্যালু চেইন শক্তিশালীকরণ: বৈশ্বিক প্রতিযোগিতার জন্য কৌশলগত অগ্রাধিকার, প্রযুক্তিগত সমাধান ও নীতিগত পথনির্দেশনা’ বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। </span>সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. মো. মাহমুদুর রহমান। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ড. এম. মাসরুর রিয়াজ।</div>
<p>প্যানেল আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির কৃষি বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান ড. আব্দুর রহিম, কৃষি অর্থনীতিবিদ ও ইউনিভার্সিটি অব গ্লোবাল ভিলেজ (ইউজিভি)-এর সাবেক উপাচার্য ড. জাহাঙ্গীর আলম এবং গাজীপুর বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বারি) চিফ সায়েন্টিফিক অফিসার ড. খুরশীদ আলম।</p>
<p>আলোচনায় বক্তারা বলেন, উৎপাদন-পরবর্তী ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন, আধুনিক কোল্ড-চেইন অবকাঠামো গড়ে তোলা, আলু প্রক্রিয়াজাত শিল্পের সম্প্রসারণ, রফতানিযোগ্য মান নিশ্চিতকরণ এবং সমন্বিত নীতিগত সহায়তা জোরদার করা গেলে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক বাজারে আলুভিত্তিক পণ্যে শক্ত অবস্থান অর্জন করতে পারবে।</p>
<p>সেমিনারটি সঞ্চালনা করেন ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) সিনিয়র ভাইস-প্রেসিডেন্ট এবং বাংলাদেশ কোল্ড স্টোরেজ এসোসিয়েশনের পরিচালক রাজীব এইচ চৌধুরী।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/ডিএম/ইকে</strong></span></em></p>
<p>আলুর ভ্যালু চেইন হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে আলু চাষের শুরু থেকে বীজ উৎপাদন, ফসল ফলানো, সংগ্রহ, প্রক্রিয়াজাতকরণ (যেমন চিপস, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই তৈরি), সংরক্ষণ (কোল্ড স্টোরেজ), পরিবহন, বাজারজাতকরণ এবং অবশেষে ভোক্তার কাছে পৌঁছানো পর্যন্ত প্রতিটি ধাপের মাধ্যমে আলুর মূল্য বৃদ্ধি করা হয়।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>এগ্রো&#45;ইকোলজিক্যাল ফার্মিংয়ে বিশেষ গুরুত্বারোপ</title>
<link>https://digibanglatech.news/160434</link>
<guid>https://digibanglatech.news/160434</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_693a8054b0c19.jpg" length="114003" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 11 Dec 2025 09:28:22 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div class="html-div xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl">
<div dir="auto" class="html-div xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl">
<div data-ad-rendering-role="story_message" class="html-div xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl">
<div class="x1l90r2v x1iorvi4 x1g0dm76 xpdmqnj" data-ad-comet-preview="message" data-ad-preview="message" id="_r_693_">
<div class="x78zum5 xdt5ytf xz62fqu x16ldp7u">
<div class="xu06os2 x1ok221b">
<div class="html-div xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl">
<div class="xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs x126k92a">
<div dir="auto">নিরাপদ কৃষির প্রসারে কার্যক্রম বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে এগ্রো-ইকোলজিক্যাল ফার্মিংয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন পিকেএসএফ-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ ফজলুল কাদের।</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto"> পিকেএসএফ ভবন-১-এ ৯ ডিসেম্বর, মঙ্গলবার ২০২৫-২৬ অর্থবছরে পিকেএসএফ-এর কৃষি ইউনিটভুক্ত কার্যক্রমের বাজেট অবহিতকরণ ও কার্যক্রম পর্যালোচনা বিষয়ক এক কর্মশালায় সভাপতির বক্তব্যে এমনটা জানান তিনি। </div>
<div dir="auto"> 
<div class="xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs x126k92a">
<div dir="auto">মোঃ ফজলুল কাদের বলেন, রাসায়নিক দ্রব্যের উপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা মাটির জীবনীশক্তিকে ক্রমাগত ক্ষয় করে চলেছে ফলে মাটির উৎপাদনশীলতা হ্রাস পাচ্ছে। এছাড়া, এর ক্ষতিকর প্রভাব পড়ছে মাটি, পানি, পরিবেশে এবং মানব স্বাস্থ্যর উপরও। এ অবস্থা থেকে উত্তরণের সবচেয়ে টেকসই ও কার্যকর পথ হলো এগ্রো-ইকোলজিক্যাল ফার্মিং। এ পদ্ধতির মাধ্যমে মাটির স্বাভাবিক উর্বরতা পুনরুদ্ধারের পাশাপাশি রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহারের খরচের চেয়ে কম খরচে উৎপাদন নিশ্চিত করে কৃষকরা অধিকতর লাভবান হচ্ছেন।</div>
</div>
</div>
</div>
<div class="x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs xtlvy1s x126k92a">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">কর্মশালায় অন্যান্যের মধ্যে পিকেএসএফ-এর উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. আকন্দ মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম এবং পিকেএসএফ-এর সহযোগী সংস্থাসমূহের প্রধান নির্বাহীসহ পিকেএসএফ ও সহযোগী সংস্থাসমূহের বিশেষজ্ঞ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।</div>
<div dir="auto"><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এফএস/ইকে</strong></span></em></div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div id="_r_694_" class="html-div xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl x1n2onr6">
<div class="html-div xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl x1n2onr6">
<div class="html-div xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl">
<div class="x1n2onr6">
<div class="x1n2onr6">
<div class="x6ikm8r x10wlt62 x10l6tqk"></div>
<div class="x6ikm8r x10wlt62 x10l6tqk"></div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div class="html-div xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl x6ikm8r x10wlt62"></div>
</div>
</div>
<div>
<div class="xabvvm4 xeyy32k x1ia1hqs x1a2w583 x6ikm8r x10wlt62" data-visualcompletion="ignore-dynamic">
<div>
<div>
<div>
<div class="x1n2onr6">
<div class="x6s0dn4 xi81zsa x78zum5 x6prxxf x13a6bvl xvq8zen xdj266r xat24cr x1c1uobl xyri2b x1diwwjn xbmvrgn x1yrsyyn x18d9i69">
<div class="x6s0dn4 x78zum5 x1iyjqo2 x6ikm8r x10wlt62"></div>
<div class="x1c4vz4f x2lah0s xci0xqf"></div>
<div class="x9f619 x1ja2u2z x78zum5 x2lah0s x1n2onr6 x1qughib x1qjc9v5 xozqiw3 x1q0g3np xyri2b x1c1uobl x1ws5yxj xw01apr x4cne27 xifccgj x123j3cw xs9asl8"></div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>আন্তঃসীমান্ত প্রাণী রোগ মোকাবেলায় সার্কের যৌথ উদ্যোগ</title>
<link>https://digibanglatech.news/160354</link>
<guid>https://digibanglatech.news/160354</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_69393e7555ecf.jpg" length="91132" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 10 Dec 2025 15:14:59 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><br>দক্ষিণ এশিয়ায় আন্তঃসীমান্ত প্রাণী রোগের প্রভাব মূল্যায়ন শীর্ষক দুই দিনব্যাপী আঞ্চলিক কর্মশালা এবং সার্ক প্রধান ভেটেরিনারি কর্মকর্তা ফোরামের সভা বসেছে শ্রীলঙ্কার কলম্বোতে। ঢাকার সার্ক কৃষি কেন্দ্র এবং  শ্রীলঙ্কার প্রাণি উৎপাদন ও স্বাস্থ্য বিভাগের যৌথ উদ্যোগে ১০ ডিসেম্বর, বুধবার শুরু হওয়া কর্মশালায় বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, মালদ্বীপ, নেপাল, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কাসহ বিশ্ব প্রাণী স্বাস্থ্য সংস্থা এশিয়া-প্যাসিফিক, খাদ্য ও কৃষি সংস্থা এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় আঞ্চলিক কার্যালয়, প্রাণি ও ফসল উৎপাদন ব্যবস্থা উদ্যোগ এবং অন্যান্য আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সংস্থার নীতি-নির্ধারক, বিজ্ঞানী ও ভেটেরিনারি বিশেষজ্ঞরা অংশ নিয়েছেন।</p>
<p>কর্মশালার উদ্বোধনীতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রযুক্তি, পরীক্ষাগার সক্ষমতা ও আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থায় বিনিয়োগ বাড়ানোর গুরুত্ব তুলে ধরেন শ্রীলঙ্কার কৃষি, প্রাণিসম্পদ, ভূমি ও সেচ মন্ত্রণালয়ের সচিব ডি.পি. উইক্রেমাসিংহে। তিনি বলেন, প্রাণী স্বাস্থ্যের সুরক্ষা নিশ্চিত করা খাদ্য নিরাপত্তা, গ্রামীণ অর্থনীতি এবং আঞ্চলিক বাণিজ্যের জন্য অপরিহার্য।</p>
<p>অনুষ্ঠানের সম্মানিত অতিথি একই মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. পালিকা ফার্নান্দো দেশটির ভেটেরিনারি সেবা ও রোগ নজরদারি ব্যবস্থার উন্নয়ন কার্যক্রম তুলে ধরেন। তিনি বলেন, আঞ্চলিক কর্মশালা একে অপরের অভিজ্ঞতা শেয়ার এবং কৌশল সমন্বয়ের সুযোগ তৈরি করে।</p>
<p>সার্ক সচিবালয়ের পক্ষে নেপালের (এআরডি এবং এসডিএফ) পরিচালক তানভীর আহমেদ তরফদার  জাতীয় রোগ নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি ও আঞ্চলিক কাঠামোর সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি জানান, সার্ক সচিবালয় সীমান্ত-পারের সহযোগিতা, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সমন্বিত রিপোর্টিং ব্যবস্থায় আরও জোর দেবে।</p>
<p>সার্ক কৃষি কেন্দ্রের পরিচালক ড. মো. হারুনূর রশীদ বলেন, “একটি দেশ একা আন্তঃসীমান্ত প্রাণী রোগ মোকাবেলা করতে পারবে না। যৌথ জ্ঞান, অভিজ্ঞতা ও সমন্বিত পদক্ষেপই দক্ষিণ এশিয়ার প্রাণিসম্পদ খাতকে টেকসইভাবে রক্ষা করতে পারে।”</p>
<p>সভাপতির সমাপনী বক্তব্যে টেকসই আঞ্চলিক প্রতিশ্রুতির গুরুত্ব তুলে ধরেন শ্রীলঙ্কার  প্রাণি উৎপাদন ও স্বাস্থ্য বিভাগের প্রধান ভেটেরিনারি কর্মকর্তা ও মহাপরিচালক ড. কে.কে. সরথ।</p>
<p>স্বাগত বক্তব্যে সার্ক কৃষি কেন্দ্রের সিনিয়র প্রোগ্রাম বিশেষজ্ঞ ড. মো. ইউনুস আলী বলেন, প্রাণি রোগ নজরদারি, যৌথ গবেষণা এবং দ্রুত প্রতিক্রিয়া ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রাণিসম্পদ নির্ভর গ্রামীণ জীবিকা রক্ষা সম্ভব।</p>
<p>প্রসঙ্গত, দুই দিনব্যাপী কর্মশালায় প্রযুক্তিগত সেশন, দেশভিত্তিক উপস্থাপনা এবং ফোকাসড গ্রুপ আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। মূল সুপারিশসমূহ সার্ক প্রধান ভেটেরিনারি কর্মকর্তা ফোরামে নীতি-পর্যায়ে প্রেরণ করা হবে। বৈঠকটি আন্তঃসীমান্ত প্রাণী রোগ মোকাবেলায় আঞ্চলিক সহযোগিতা শক্তিশালীকরণ এবং কোটি মানুষের জীবিকা রক্ষায় সার্কভুক্ত দেশগুলোর যৌথ অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এবি/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>কাপ্তাইয়ে বারি&#45;৪ জাতের লাউয়ে আশার আলো</title>
<link>https://digibanglatech.news/160308</link>
<guid>https://digibanglatech.news/160308</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_6937c6678b1b4.jpg" length="168663" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 09 Dec 2025 10:50:00 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>পাহাড়ে চাষ উপযোগী ফসলের জাত এবং অন্যান্য কৃষিপ্রযুক্তি উদ্ভাবন করার জন্য ১৯৭৬ সালে কর্ণফুলী নদীর মোহনায় রাইখালী ইউনিয়নে প্রায় ১০০ একর জমিতে গড়ে ওঠে রাইখালী পাহাড়ি কৃষি গবেষণা কেন্দ্র। বিভিন্ন ফসল নিয়ে গবেষণা করে থাকে কাপ্তাই উপজেলার  ‍কৃষি গবেষণা কেন্দ্রটি। দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর পাহাড়ে বারি-৪ লাউ চাষে সাফল্যের মুখ দেখলো। বহুদিন ধরে বারি-৪ জাতের লাউ চাষ করে এলেও এবারই প্রথম গবেষণা কেন্দ্রে ব্যাপক আকারে ফলন এসেছে।</p>
<p>সেখানে এখন মাঠের বিস্তীর্ণ এলাকার মাচাজুড়ে চাষ হচ্ছে বারি-৪ জাতের লাউ। ঝুলতে দেখা গেছে বিভিন্ন আকারের লাউ। দেখতে যেমন সুন্দর; তেমনই বেশ পরিপক্ব।</p>
<p>গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ড. মুহাম্মদ জিয়াউর রহমান জানান, এ জাতের লাউয়ের প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে তাপ সহনশীল এবং সারাবছর চাষ করা যায়। পার্বত্য অঞ্চলে চাষের জন্য উপযোগী একটি জাত। গাঢ় সবুজ রঙের ফলের গায়ে সাদাটে দাগ থাকে। প্রতিটি গাছে ১০-১২টি ফল পাওয়া যায়। যার গড় ওজন প্রায় আড়াই কেজি।</p>
<p>তিনি জানান, লাউগুলো লম্বায় ৪২-৪৫ সেন্টিমিটার এবং ব্যাস ১২-১৩ সেন্টিমিটার হয়ে থাকে। চারা রোপণের ৭০-৮০ দিনের মধ্যে ফল সংগ্রহ করা যায়। গাছের জীবনকাল ১৩০-১৫০ দিন হয়ে থাকে। প্রতি হেক্টরে ফলন হয় ৮০-৮৫ টন। জাতটি তাপসহিষ্ণু হওয়ায় বছরজুড়ে চাষ করে কৃষকেরা লাভবান হতে পারেন।</p>
<p>তিনি আরও জানান, বাংলাদেশের সব এলাকার পাশাপাশি পাহাড়ে জাতটি চাষ করার জন্য বেশ উপযোগী। গ্রীষ্মকালে চাষের জন্য ফাল্গুনের শেষে আগাম ফসল হিসেবে চাষ করা যায়। চৈত্র মাসেও বীজ বপন করে বৈশাখ মাসে চারা রোপণ করা সম্ভব হয়।</p>
<p>স্থানীয় কৃষকেরা মনে করছেন, নতুন জাতের লাউ চাষ করতে পারলে তারা বেশ লাভবান হতে পারবেন। বাজারে লাউয়ের চাহিদা সারাবছরই থাকে। তাই এই জাতের প্রতি কৃষকদের ব্যাপক আগ্রহ দেখা গেছে। </p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/একেজেএন/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>খাদ্যে ভেজালে ডিজিটাল মাধ্যমে অভিযোগ ও নিষ্পত্তির সুযোগ দাবি</title>
<link>https://digibanglatech.news/160196</link>
<guid>https://digibanglatech.news/160196</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202512/image_870x580_69344a85a4cac.jpg" length="84592" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 06 Dec 2025 19:24:16 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বাজারের ৭১ শতাংশ সবজিতে অতিরিক্ত কীটনাশক, তেলের নমুনায় বিপজ্জনক ট্রান্স–ফ্যাট এবং দুর্বল নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার কারণে জনস্বাস্থ্যের ওপর বড় ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। খাদ্যমান নিয়ে অনলাইন প্রতারণার অভিযোগ বাড়ছে। এমন পরিস্থিতিতে ডিজিটাল মাধ্যমে অভিযোগ জানানোর সুযোগ বৃদ্ধি ও প্রতিকার পাওয়া সহজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন খাত সংশ্লিষ্টরা।</p>
<p>৬ ডিসেম্বর, শনিবার দুপুরে রাজধানীর ফার্মগেটে তুলা উন্নয়ন ভবনে অনুষ্ঠিত নিরাপদ খাদ্যের নিশ্চয়তা ও ভোক্তা অধিকার প্রতিষ্ঠার পথরেখা ও করণীয় নিয়ে অনুষ্ঠিত জাতীয় সেমিনারে এই দাবি তোলা হয়। </p>
<p>কৃষিবিজ্ঞানী ড. মোহাম্মদ জয়নুল আবেদীন, সাবেক কৃষি সচিব আনোয়ার ফারুক, বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের অতিরিক্ত পরিচালক কাওছারুল ইসলাম সিকদার, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক ড. মোহাম্মদ এনায়েত-ই-রাব্বি, বিএসটিআই এর উপ-পরিচালক এনামুল হক, কৃষি অর্থনীতিবিদ ড. নজরুল ইসলাম, ক্যাবের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট হুমায়ূন কবীর ভূঁইয়া, ক্যাবের ঢাকা জেলা কমিটির সভাপতি বিগ্রেডিয়ার জেনারেল (অব:) সামস এ খান এবং ক্যাবের নির্বাহী কমিটির সদস্য শওকত আলী খান আলোচনায় অংশ নেন।</p>
<div>
<p>বক্তারা বলেন, আগামী জাতীয় নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক দলগুলোকে তাদের ইশতেহারে খাদ্য নিরাপত্তা ও ভোক্তা অধিকার নিশ্চিতের বিষয়ে সুস্পষ্ট অঙ্গীকার রাখতে হবে। নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর সমন্বয় জোরদার না হলে টেকসই পরিবর্তন সম্ভব নয়। পাশাপাশি শুধুমাত্র ঢাকা কেন্দ্রিক সেমিনার নয়, তৃণমূলে ভোক্তা সুরক্ষা পৌঁছে দিতে ক্যাবের উপজেলা পর্যায়ের কমিটিগুলোকে সক্রিয় করতে হবে।</p>
</div>
<p>সেমিনারে মূল প্রবন্ধে বাংলাদেশ সেফ এগ্রো ফুড ইফোর্টস (বিএসএএফই) এর লিংক পরিচালক মাহমুদ হাসান জানান, প্রতিবছর প্রায় ৩ কোটি মানুষ খাদ্যবাহিত রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে থাকে। বাজারে ভেজাল, বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপন, অনিরাপদ পণ্য এবং অনলাইন প্রতারণার অভিযোগ বাড়ছে। ডিএনসিআরপি'তে গত বছর জমা পড়া ৮০ হাজারের বেশি অভিযোগ থেকে জানা যায়, দেশে ভোক্তা অধিকার লঙ্ঘন মারাত্মকভাবে বাড়ছে।</p>
<p>কনজুমারস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) সভাপতি ও বাংলাদেশ সরকারের সচিব (পিএরএল) এএইচএম সফিকুজ্জামান সভাপতিত্ব করেন। তিনি বলেন, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতের লক্ষ্যে আপনাদের (বিএসএএফই) সাথে ক্যাব থাকবে। কারণ, ক্যাবের লক্ষ্য ভোক্তার জন্য নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা। ক্যাবের আন্দোলনের ফলেই জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর পেয়েছি। অথচ তারা (ভোক্তা অধিদপ্তরের প্রতিনিধি) আজকের এই আলোচনায় নেই, এটা দুঃখজনক। কিন্তু, ক্যাব চায় সবাইকে নিয়ে নাগরিকদের ভোক্তা অধিকার প্রতিষ্ঠা করা।</p>
<p>তিনি বলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে যারা সরকার গঠন করবে, তাদের উচিত নাগরিকদের জন্য সেফ ফুড (নিরাপদ খাদ্য) নিশ্চিতের অঙ্গিকার করা। কারণ, এটি এখন রাজনৈতিক দলগুলোর অন্যতম দায়িত্ব। অথচ, এ সকল বিষয়ে কোনো আলোচনা দেখা যাচ্ছে না।</p>
<p>নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নজরুল ইসলাম বলেন, দেশে দিন দিন জনসংখ্যা বাড়ছে, তাই খাদ্যের উৎপাদনও বাড়াতে হবে। কিন্তু এই উৎপাদন বাড়াতে গিয়ে আমরা রাসায়নিক সারের ওপর ঝুঁকে পড়ছি। কৃষকরা রাসায়নিক সারের ওপর এত বেশি নির্ভর হয়ে গেছে যে এখন আর কৃষিপণ্যের উৎপাদনই হচ্ছে না। অর্থাৎ মাটি তার উৎপাদন ক্ষমতাই হারিয়ে ফেলছে। উৎপাদন ক্ষমতা ঠিক রাখতে কৃষকদের রাসায়নিক সার বিমুখ করতে হবে এবং জৈব সার নির্ভর করতে হবে।</p>
<p>সভাপতির বক্তব্যে ক্যাবের সভাপতি এ. এইচ. এম. সফিকুজ্জামান বলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে যারা সরকার গঠন করবে, তাদের উচিত নাগরিকদের জন্য নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতের অঙ্গীকার করা। কারণ, এটি এখন রাজনৈতিক দলগুলোর অন্যতম দায়িত্ব। অথচ এসব বিষয়ে কোনো আলোচনা দেখা যাচ্ছে না। তাই নতুন সরকার বা বিরোধী দল যাতে নিরাপদ খাদ্য নিয়ে কাজ করে, সেই বিষয়ে আমাদের সোচ্চার হতে হবে এবং দ্রুত মাঠে নামতে হবে।</p>
<p>তিনি আরও বলেন, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতের লক্ষ্যে আপনাদের (বিএসএএফই) সঙ্গে ক্যাব থাকবে। কারণ, ক্যাবের লক্ষ্য ভোক্তার জন্য নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা। ক্যাবের আন্দোলনের ফলেই জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর পেয়েছি। অথচ তারা (ভোক্তা অধিদপ্তরের প্রতিনিধি) এই আলোচনায় নেই, এটি দুঃখজনক। কিন্তু ক্যাব চায় সবাইকে নিয়ে নাগরিকদের ভোক্তা অধিকার প্রতিষ্ঠা করা।</p>
<p>সেমিনারে মূল ধারণাপত্রে সকল অংশীজনদের মধ্যে শক্তিশালী অংশীদারিত্ব জোরদার করা, খাদ্য বাজারে জবাবদিহি বাড়ানো, ভোক্তা সচেতনতা বৃদ্ধি ও অংশগ্রহণের সুযোগ বৃদ্ধি করা, গবেষণা ও প্রমাণভিত্তিক নীতিমালা প্রণয়ন, ডিজিটাল মাধ্যমে অভিযোগ জানানো ও প্রতিকার পাবার সুযোগ বৃদ্ধি করা, নিরাপদ খাদ্য নীতিমালা প্রণয়ন করা, ভোক্তা সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য সহায়তা করা, টেকসই, পরিবেশবান্ধব ও জলবায়ূ-সংবেদনশীল নীতিমালা অনুশীলন করার উপর গুরুত্বারোপ করা হয়।<br><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/বিটিএন/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>১ জনের জন্য ৩ গাছ দরকার, ঢাকায় রয়েছে ২৮ জনে একটি </title>
<link>https://digibanglatech.news/159979</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159979</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_692c85117d605.jpg" length="80884" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 30 Nov 2025 21:28:44 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>রাজধানীতে একটি গাছ ভাগ হচ্ছে প্রায় ২৮ জন মানুষের মধ্যে৷ যা স্বাভাবিক পরিবেশগত ভারসাম্যের তুলনায় অনেক গুণ কম। দেশে আড়াই লাখ একর বন দখল হয়ে গেছে। ২০১৫ সালের তুলনায় বনায়ন কমেছে এক লাখ একর।</p>
<p>৩০ নভেম্বর, রবিবার রাজধানীর তুলা উন্নয়ন বোর্ডের মিলনায়তনে বাংলাদেশ কৃষি সাংবাদিক ফোরাম (বিএজেএফ) আয়োজিত ৪ দিনব্যাপি ‘কৃষি ও খাদ্যে রাজনৈতিক অঙ্গীকার’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলন ও কর্মশালার সমাপনী অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপকালে বন অধিদপ্তরের উপপ্রধান বন সংরক্ষক মো. জাহিদুল কবির এসব তথ্য জানিয়েছেন।</p>
<p>জাহিদুল কবির বলেন, প্রতিদিন একজন মানুষের কমপক্ষে ৫৫০ লিটার অক্সিজেন প্রয়োজন। আর এই অক্সিজেন সরবরাহ করতে কমপক্ষে তিনটি পূর্ণবয়স্ক গাছ লাগে। কিন্তু ঢাকায় বাস্তবতায় দেখা যাচ্ছে ২৮ জন মানুষের জন্য মাত্র একটি গাছ রয়েছে। আমরা ভয়াবহ সংকটের মধ্যে বসবাস করছি। আর মানবসৃষ্ট কর্মকাণ্ডে জীববৈচিত্র্য ও ইকোসিস্টেম মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।চোরা শিকার, বনভূমি দখল, আগুন, অবৈধভাবে নির্মাণ, ম্যানগ্রোভ বিনষ্টকরণ ও অনিয়ন্ত্রিত নৌযান চলাচলের কারণে বন ও বন্যপ্রাণী ক্রমাগত হুমকির মুখে। জলবায়ু পরিবর্তনের চাপও এসব বনকে নাজুক করে তুলছে।</p>
<p>উপপ্রধান বন সংরক্ষক আরও জানান, দেশের বনাঞ্চলে বর্তমানে প্রায় ৩৯৪ মিলিয়ন ঘনফুট কাঠসম্পদ আছে। আর দেশের মোট গাছের আচ্ছাদন অর্থাৎ বনভূমি ও বনভূমির বাইরে থাকা গাছ মিলিয়ে ৯৭৩ মিলিয়ন টন কার্বন ধারণ করছে। এর মধ্যে শুধু বনাঞ্চলেই রয়েছে ২৫১ মিলিয়ন টন কার্বন।</p>
<p>বন সম্প্রসারণ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ব্যক্তি পর্যায়ে চারা বিতরণ নিয়ে তিনি বলেন, আমরা এখন পর্যন্ত ৪ লাখ ১৯ হাজার চারা বিনামূল্যে বিতরণ করেছি। এই উদ্যোগ মানুষকে বৃক্ষরোপণে উৎসাহিত করবে এবং দীর্ঘমেয়াদে দেশের কার্বন ধারণ ক্ষমতা বাড়াবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি। </p>
<p>প্রধান অতিথির বক্তব্যে বন অধিদপ্তরের প্রধান বন সংরক্ষক মো. আমীর হোসাইন চৌধুরী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বনায়নই সবচেয়ে কার্যকর ও স্বল্পব্যয়ী প্রাকৃতিক সমাধান।মানুষের আরাম–আয়েশ যত বাড়ছে, ততই বাড়ছে জ্বালানি ব্যবহার ও কার্বন নিঃসরণ। উন্নত বিশ্বের মতো বাংলাদেশও ভবিষ্যতে শিল্পঘন দেশে পরিণত হলে কার্বন নিঃসরণ আরও বাড়বে। যদিও এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ দূষণকারী শীর্ষ দেশের তালিকায় নেই।</p>
<p>তিনি বলেন, পৃথিবীতে এমন অনেক দেশ রয়েছে যাদের বনায়ন ছাড়াও টিকে থাকা সম্ভব। কিন্তু বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম ঘনবসতিপূর্ণ দেশ—প্রতি বর্গকিলোমিটারে প্রায় ১২০০ মানুষ বাস করে। অন্যদিকে বিশ্বের মোট বনভূমির প্রায় ২০ শতাংশ রয়েছে রাশিয়ার মতো দেশে, যেখানে জনসংখ্যা ঘনত্ব মাত্র ৯ জন। ফলে বাংলাদেশে বনভূমির চাপ বেশি এবং বননির্ভরতা আরও বেশি।</p>
<p>বিশ্বের অর্ধেক বনভূমি মাত্র পাঁচটি দেশ রাশিয়া, কানাডা, ব্রাজিল, চীন ও যুক্তরাষ্ট্র—বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সেই তুলনায় বাংলাদেশের বন অবস্থান একেবারে তলানিতে। ঢাকা শহরে এক শহরের জন্য ন্যূনতম ২০ শতাংশ সবুজ এলাকার কথা বলা হলেও দুই সিটি করপোরেশন মিলিয়ে রয়েছে মাত্র ১০ শতাংশের একটু বেশি বলেও জানান তিনি। </p>
<p>বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্লান্টার স্কিল ডেভেলপমেন্টের প্রধান নির্বাহী ও গবেষক আবুল কালাম আজাদ বলেন, বাংলাদেশের উর্বর পরিবেশ ও কৃষিতে ব্যাপক সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও রাজনৈতিক অসহযোগিতা, মূল্যবোধের সংকট, বণ্টননীতির অভাব এবং সঠিক নেতৃত্বের ঘাটতির কারণে উন্নয়ন ব্যাহত হচ্ছে। মাঠপর্যায়ে সিন্ডিকেট, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, চাঁদাবাজি ও দুর্বল বাস্তবায়নব্যবস্থা কৃষি, বনায়ন ও পরিবেশ উন্নয়নে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে।  মূল্যবোধসম্পন্ন মানুষ তৈরি এবং সুশাসন নিশ্চিত হলে খাদ্যনিরাপত্তা ও পরিবেশ সুরক্ষায় কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আনা সম্ভব বলেও মন্তব্য করেন তিনি।</p>
<p>সম্মেলনে বাংলাদেশ কৃষি সাংবাদিক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক আবু খালিদের সঞ্চালনায় এবং সভাপতি সাহানোয়ার সাইদ শাহীন সভাপতিত্ব করেন।</p>
<p>প্রসঙ্গত, ৪ দিনব্যাপী এ সম্মেলনের কো-স্পন্সর আস্থা ফিড ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। সহযোগী স্পন্সর হিসেবে রয়েছে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ, লাল তীর সিডস লিমিটেড, ওয়ার্ল্ড পোল্ট্রি সায়েন্স অ্যাসোসিয়েশন–বাংলাদেশ ব্রাঞ্চ, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট, বন অধিদপ্তর, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, মৎস্য অধিদপ্তর এবং প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর।<br><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/পিআর/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>কম ব্যয়ে মাছের উৎপাদন ব্যয় বাড়াতে আইপিআরএস প্রযুক্তি উদ্ভাবন</title>
<link>https://digibanglatech.news/159941</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159941</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_692b3371431b8.jpg" length="117826" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 29 Nov 2025 20:29:00 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>মাছের উৎপাদন  ব্যয় কমাতে নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন করার কথা জানালেন প্রাণ আরএফএল চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) আহসান খান চৌধুরী। তিনি বলেন, আমরা মৌলভীবাজারে একটা ফার্ম নিয়েছি। এটা ১ হাজার ৮০০ বিঘার একটা ফার্ম হবে। আমরা এখানে কার্প মাছের চাষ করবো। আইপিআরএস প্রযুক্তিতে চাষ হবে। আমাদের বাংলাদেশে আইপিআরএস প্রযুক্তি বিগত দিনে ছিল না, চীনে ছিল। এই আইপিআরএস প্রযুক্তি মানে মাছ খাবে কম বাড়বে বেশি। এটা হলো আইপিআরএস প্রযুক্তি। এই প্রযুক্তিতে মাছকে ভালোভাবে এক্সারসাইজ করানো হবে। একটা টানেলের মধ্যদিয়ে, এতে মাছ খুব অল্প সময়ে বড় হবে। এই প্রযুক্তি আমরা আনতে যাচ্ছি। বাংলাদেশে বোধহয় এটা তৃতীয় ফার্ম হবে। গোদাগাড়ীতেও (রাজশাহী) আমাদের ফার্ম আছে। এই মাছের জন্য আমরা কাজ করবো।</p>
<p>বাংলাদেশ কৃষি সাংবাদিক ফোরামের (বিএজেএফ) আয়োজনে ২৯ নভেম্বর, শনিবার  রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ‘কৃষি ও খাদ্যে রাজনৈতিক অঙ্গীকার’ শীর্ষক চার দিনব্যাপী সম্মেলনের তৃতীয় দিনে ‘কৃষি ও গ্রামীণ অর্থনীতিতে রাজনৈতিক অঙ্গীকার’ শীর্ষক সভায় এমনটাই জানান তিনি। </p>
<p>বিএজেএফের সাধারণ সম্পাদক আবু খালিদের সঞ্চালনায় এতে সভাপতিত্ব করেন বিএজেএফ সভাপতি সাহানোয়ার সাইদ শাহীন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।</p>
<p>বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আহসান খান চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশের কৃষি ক্ষেত্রে এখনো অনেক বিপ্লব সাধন হয়নি। আমি মনে করি আমাদের অনেক দূর এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ আছে। আমরা আগাবো। কৃষির ক্ষেত্রে বলবো যে, আপনার রোলটা আপনি বোঝেন, আরও প্রগতিশীল কৃষির জন্ম দেন বাংলাদেশে। ভালো কৃষি বাংলাদেশের জন্য নিয়ে আসেন যেন বাংলাদেশের কৃষক আরও এগিয়ে যান। তাই একটু নতুন চিন্তাভাবনার দরকার। প্রতি কয়েক বছরে ইন্ডাস্ট্রি যদি ডিফল্টে গিয়ে কিছু রিসেট বাটনে টিপ না দেওয়া হয়, তাহলে বোধহয় ইন্ডাস্ট্রি প্রপারলি আগাতে পারবে না। আমি মনে করি কৃষিরও কিন্তু রিসেট বাটনের দরকার আছে।</p>
<p>তিনি আরও বলেন, আমাদের মাছে আগাতে হবে, আমাদের মুরগিতে আগাতে হবে, হর্টিকালচারে আগাতে হবে। আমরা আমাদের কথা যেটা বলবো সেটা হচ্ছে—আমারা যারা ব্যবসায়ী আছি, আমরা ব্যবসা করবো। আমরা এক জায়গা থেকে মাছ কিনবো, আরেক জায়গায় বিপণন করবো এবং কেনা-বেচার মধ্যে যেটা লাভ, আমরা পরিমিত লাভ করবো। আর যখন আমরা বেশি লাভ করি তখন সাংবাদিকরা আমাদের ধরিয়ে দেবেন যে আমাদের জন্য লাভ করাটা পরিমিত হচ্ছে না। তাহলে কিন্তু জবাবদিহিমূলক বাংলাদেশ আসবে, সুন্দর বাংলাদেশ আসবে এবং কৃষি মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে আসতে পারবে।</p>
<p>কালেক্টিভ ফার্মিংয়ের গুরুত্ব তুলে ধরে প্রাণ-আরএফএলের চেয়ারম্যান বলেন, আজ থেকে ৩০ বছর আগে থাইল্যান্ডের কৃষির অবস্থান বাংলাদেশের মতোই ছিল। বাট তাদের রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে তারা ব্যাপক পরিবর্তন করেছে এবং কৃষিতে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। আশা করি আপনাদের তত্ত্বাবধানে এবং আমাদের সবার সমষ্টিগত প্রয়াসে কৃষি আগামীদিনে আরও এগিয়ে যাবে।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এএইচ/ওআর</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>হাইড্রোপনিক্স ম্যাপিং  ও  জৈব সার প্রযুক্তিতে তাগিদ আমির খসরুর</title>
<link>https://digibanglatech.news/159916</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159916</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_692acc9fb640b.jpg" length="98068" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 29 Nov 2025 16:37:38 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>হাইড্রোপনিক্স ম্যাপিং করে পানির বিভিন্ন স্তরে উদ্ভাবনী চাষাবদে সরকারি বিনিয়োগ ও জৈব সার প্রযুক্তি বিকাশে তাগিদ দিয়েছেন বিএনপি'র স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। </p>
<p>একইসঙ্গে খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ এবং কোল্ড স্টোরেজ ব্যবস্থাপনায় এই খাতের ৪০ শতাংশ অপচয় রোধ করে মোট দেশজ উৎপাদনে নজর দিয়ে রফতানি বাজার বাড়াতে সরকারি-যৌথ অংশীদারিত্বে স্মার্ট কৃষিতে জোর দিয়েছেন তিনি।</p>
<p>তিনি বলেছেন, এ জন্য সরকারি নীতি সহযোগিতার পাশাপাশি কৃষি ও কৃষকদের প্রশিক্ষণের বিকল্প নেই। সব স্টেক হোল্ডারদের হলিস্টিক এ্যাপ্রোচে এজন্য একটি মোর্চা গঠন করতে হবে। পানিতে বিভন্ন স্তরে মাছের চাষ ও রকমারি জলজ চাষাবাদের সময় সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদনে আমরা গুরুত্ব দিতে পারি।</p>
<p>২৯ নভেম্বর, শনিবার, রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে কৃষি এবং খাদ্যে রাজনৈতিক অঙ্গীকার শীর্ষক ৪ দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সম্মেলনের তৃতীয় দিনে কৃষি ও গ্রামীণ অর্থনীতিতে রাজনৈতিক অঙ্গীকার বিষয়ক সেমনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন আমির খসরু।</p>
<p>তিনি বলেন, কৃষক বাঁচাতে বাজারে দাম বেঁধে দেয়ার দরকার নেই। কৃষকদের প্রযুক্তি ও ঋণ সহায়তা দিতে হবে। পণ্যের ভ্যালু অ্যাড শেখাতে হবে। </p>
<p>নিজেদের সরকারের সময়ে 'কৃষিতে ভালো করেছি তবে বিপ্লব হয়নি' মন্তব্য করে খসরু বলেন, খাদ্য আমদানি নির্ভরতা কমাতে না পারলে বৈশ্বিক রাজনীতির শিকার হতে হবে। কৃষকের দাম কমিয়ে দেয়া নির্বুদ্ধিতা। তাই দাম কমালে তা তিন মিনিট পরে আবার বাড়ে।</p>
<p>বাংলাদেশ কৃষি সাংবাদিক ফোরামের  (বিএজেএফ) আয়োজনে সংগঠনের সভাপতি সাহনোয়ার সাইদ শাহীনের সভাপতিত্বে সেমিনারে আরএফএল চেয়ারম্যান ও সিইও আহসাস খান চৌধুরী বক্তব্য রাখেন।</p>
<p>সেমিনার সঞ্চালনা করেন বিএজেএফ সাধারণ সম্পাদক আবু খালেদ।<br><strong>ডিবিটেক/আইএইচ/ওআর</strong></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>মাছ চাষে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ ও ভর্তুকির আহ্বান</title>
<link>https://digibanglatech.news/159908</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159908</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_692a63c47890f.jpg" length="134858" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 29 Nov 2025 00:07:53 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>মানুষের বেঁচে থাকার জন্য খাওয়া খাদ্য যেন রোগের উৎস না হয়, তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়ে মাছ চাষে অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার। একইসঙ্গে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাত সরকারি ভর্তুকি নিয়েও নিজের আক্ষেপের কথা তুলে ধরেছেন তিনি। তিনি বলেছেন, কৃষিতে আমরা প্রায়ই ভর্তুকির কথা শুনি, কিন্তু মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাত তা থেকে বঞ্চিত। এই খাতেও ভর্তুকি দেওয়া এখন সময়ের দাবি। এছাড়াও দেশের সামগ্রিক পুষ্টিচিত্র নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় ‘গড় হিসাবের’ ওপর নির্ভরতাকে একটি বিপজ্জনক প্রবণতা হিসেবে অভিহিত করেছেন সরকারের এই উপদেষ্টা। </p>
<p>রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে বাংলাদেশ কৃষি সাংবাদিক ফোরাম (বিএজেএফ) আয়োজিত চার দিনব্যাপী ‘কৃষি ও খাদ্যে রাজনৈতিক অঙ্গীকার’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলন ও কর্মশালার দ্বিতীয় দিন,২৮ নভেম্বর, শুক্রবার  প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমন মন্তব্য করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা।</p>
<p>অনুষ্ঠানে দেশ-বিদেশের বিশেষজ্ঞ, বিজ্ঞানী, অর্থনীতিবিদ ও কৃষি খাতের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>‘জাতীয় প্রাণী সম্পদ সপ্তাহ : পুষ্টি নিরাপত্তায় প্রাণি ও মৎস্য খাত’ বিষয়ক সেমিনারে  একুয়াকালচারে অনিয়ন্ত্রিত ফিড ও অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের কারণে ভবিষ্যতে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (এএমআর) মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে। জনস্বাস্থ্য রক্ষায় এসব বিষয়ে এখনই নিয়ন্ত্রণ জরুরি। </p>
<p>দেশের সামগ্রিক পুষ্টিচিত্র নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় গড় হিসাবের ওপর নির্ভরতা একটি ‘বিপজ্জনক প্রবণতা’। ধনী মানুষের আয় দিয়ে গরিব মানুষকে বিচার করবেন না। কৃষিতে আমরা ভর্তুকির কথা শুনি। কিন্তু প্রাণি ও মৎস্য সম্পদে আমরা ভর্তুকি পাই না। এ খাতেও ভর্তুকি দরকার।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x_692a642f12c43.jpg" alt=""></p>
<p>ভবিষ্যৎ স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে সতর্ক করে উপদেষ্টা বলেন, একুয়াকালচারে অনিয়ন্ত্রিত ফিড ও অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের কারণে ভবিষ্যতে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (এএমআর) মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে। জনস্বাস্থ্য রক্ষায় এসব বিষয়ে এখনই নিয়ন্ত্রণ জরুরি। তিনি আরও বলেন, পৃথিবীর অনেক দেশে যেসব প্রাণিসম্পদ বিলুপ্ত হয়ে গেছে, সেগুলোর অনেকগুলোই আমাদের দেশে টিকে আছে। দেশি জাতের মাছ, মাংস ও প্রাণিসম্পদ বাংলাদেশের অমূল্য সম্পদ, যেগুলো রক্ষা করা এখন সময়ের দাবি।</p>
<p>গ্রামীণ খাদ্যব্যবস্থার বৈচিত্র্য রক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে ফরিদা আখতার বলেন, উৎপাদনকারী জেলার মানুষও অনেক সময় নিজ এলাকার দেশীয় মাছ খেতে পারেন না। উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, সুনামগঞ্জে দেশীয় মাছের স্বাদ অত্যন্ত ভালো হলেও অনেক সুনামগঞ্জবাসী এখন একোয়াকালচারের পাঙ্গাশ খেতে বাধ্য হচ্ছেন। এসব বাস্তব তথ্য সাংবাদিকদের তুলে ধরার আহ্বান জানান তিনি।</p>
<p> বিএজেএফ’র সভাপতি সাহানোয়ার সাইদ শাহীনের সভাপতিত্বে সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. আবদুর রউফ, বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট এর সাবেক মহাপরিচালক ড. কাজী ইমদাদুল হক, এসিআই এগ্রিবিসনেসেস প্রেসিডেন্ট ও গ্রুপ উপদেষ্টা ড. ফা হ আনসারী, আস্থা ফিড ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড এর চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন চৌধুরী, বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোঃ সাজেদুল করিম সরকার। </p>
<p>বিএজেএফ সাধারণ সম্পাদক আবু খালিদের সঞ্চালনায় সম্মেলনে সামুদ্রিক মৎস্য ব্যবস্থাপনা ও সুনীল অর্থনীতি নিয়ে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন মৎস্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক ও সাসটেইনেবল কোস্টাল এন্ড মেরিন ফিশারিজ প্রকল্প পরিচালক মো. জিয়া হায়দার চৌধুরী।</p>
<p>বক্তব্যে বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. সাজেদুল করিম সরকার বলেন, পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএলআরআই) এখন পর্যন্ত ৯৭টি প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছে। দুধ, ডিম ও মাংস উৎপাদনে জেনেটিক উন্নয়ন, ফডার (ঘাস চাষ) প্রযুক্তি ও আধুনিক গবেষণার ফলে দেশের পুষ্টি চাহিদা পূরণের সক্ষমতা বহুগুণ বেড়েছে।</p>
<p>মাছের খাদ্য রপ্তানিতে নতুন সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করে আস্থা ফিড ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশের উৎপাদিত ফিশ ফিড এখন আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানি হচ্ছে, যা দেশের রপ্তানি খাতে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। তবে এ খাতকে টেকসই করতে ফিশ ফিডের জন্য বিশেষ রপ্তানি প্রণোদনা নীতির প্রয়োজন রয়েছে।</p>
<p>ভ্যালু চেইন শক্তিশালী করার আহ্বান জানিয়ে এসিআই এগ্রিবিজনেসের প্রেসিডেন্ট ও এসিআই লিমিটেডের গ্রুপ উপদেষ্টা ড. ফা হ আনসারী বলেন, কৃষি ভ্যালু চেইন শক্তিশালী হলে কৃষকের ওপর মধ্যস্বত্বভোগীদের চাপ কমবে এবং খাদ্যপণ্যের দামের অস্থিরতাও নিয়ন্ত্রণে আসবে। গবেষণা থেকে শুরু করে প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বাজারজাতকরণ পর্যন্ত সমন্বিত ব্যবস্থাপনার ওপর তিনি গুরুত্ব দেন।</p>
<p>দীর্ঘমেয়াদি গবেষণা নীতির তাগিদ দিয়ে বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের সাবেক মহাপরিচালক ড. কাজী ইমদাদুল হক বলেন, কৃষিকে টেকসই করতে উৎপাদনের পাশাপাশি ভ্যালু চেইন শক্তিশালী করা এবং গবেষণায় দীর্ঘমেয়াদি নীতির ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তন, কৃষিজমি হ্রাস ও মূল্যনীতির দুর্বলতা বড় চ্যালেঞ্জ বলেও তিনি উল্লেখ করেন।</p>
<p>বিএজেএফ'র চার দিনের এ সম্মেলনে কো-স্পন্সরশীপে রয়েছে আস্থা ফিড ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। এছাড়াও সহযোগীতায় রয়েছে এসিআই এগ্রিবিজনেসেস, প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ, লাল তীর সিডস লিমিটেড, ওয়ার্ল্ড পোল্ট্রি সায়েন্স এ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ ব্রাঞ্চ; বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট, বন অধিদপ্তর, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, মৎস্য অধিদপ্তর ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর।<br><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এফএস/ইকে</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>কৃষির যান্ত্রিকীকরণে গত বছরে সরকারের সাশ্রয় চার হাজার কোটি টাকা</title>
<link>https://digibanglatech.news/159880</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159880</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_6928789975f63.jpg" length="90773" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 27 Nov 2025 18:13:35 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>কৃষির যান্ত্রিকীকরণ প্রকল্পের ৬শ কোটি টাকা সরকারকে ফেরত দিয়েছে মন্ত্রণালয়। মাত্র ২০ কোটি টাকা দিয়ে প্রকল্প সমাপ্ত ক করে প্রকল্পের দুর্নীতি কমাতে ২৫০০ কোটি টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে। এভাবে গত বছরে চার হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় হয়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষি সচিব ড. মোহাম্মদ এমদাদ উল্লাহ মিয়ান। </p>
<p>তিনি বলেছেন, দেশের কৃষি খাতে সামগ্রিক উন্নয়ন ও আধুনিকীকরণ নিশ্চিত করতে আগামী ২৫ বছরের জন্য দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হচ্ছে। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই এ পরিকল্পনার চূড়ান্ত খসড়া প্রস্তুত করা হবে। আমরা এমনভাবে পরিকল্পনা নিচ্ছি যাতে করে সারের খরচ বছরে দুই থেকে তিন হাজার কোটি টাকার সাশ্রয় হয়। ইতোমধ্যে সারে চলতি বছরেই ১ হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় করেছি। </p>
<p>২৭ নভেম্বর, বৃহস্পতিবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে বাংলাদেশ কৃষি সাংবাদিক ফোরাম (বিএজেএফ) আয়োজিত ৪ দিনব্যাপি ‘কৃষি ও খাদ্যে রাজনৈতিক অঙ্গীকার’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের উদ্ভোধনী 'কৃষির রূপান্তর: দেশীয় উপযোগী কৃষিযন্ত্র ও কৃষিপণ্য রপ্তানি চ্যালেঞ্জ' সেমিনারে এসব কথা বলেন কৃষি সচিব।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x_69287895ed22b.jpg" alt=""></p>
<p>বিএজেএফের সাধারণ সম্পাদক আবু খালিদের সঞ্চালনায় এতে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনটির সভাপতি সাহানোয়ার সাইদ শাহীন।</p>
<p>প্রধান অতিথির বক্তব্যে কৃষি সচিব বলেন, তিন বছর পর পেয়াজ ও আদা আমদানি করা হবে না। এক বছরে চার হাজার কোটি টাকার সাশ্রয় করা হয়েছে। এর মাধ্যমে প্রকল্প দুর্নীতি ও অপচয় কমানো হয়েছে। কৃষকের প্রয়োজনে বিভিন্ন খাতে ব্যয় করা হচ্ছে। কৃষকের দাম দেওয়া ছাড়া কৃষকবান্ধব কৃষি অর্থনীতি হবে না। দেশের কৃষককের স্বার্থ সুরক্ষায় সব ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হবে। </p>
<p>কৃষি সচিব আরও বলেন, সবজির দাম ১০০ টাকা হলে সেটি সবাই স্বাভাবিকভাবেই নেয়। কিন্তু পেঁয়াজের কেজি ১০০ টাকা হলেই সেটা নিয়ে বিভিন্ন আলোচনা-সমালোচনা তৈরি হয়। কৃষককে কি পেঁয়াজের দাম দিতে হবে না? আমরা চাই কৃষক যেন তার উৎপাদিত ফসলের নায্য মূল্য পান। এছাড়া আগামী তিন বছরের মধ্যে আদা ও পেঁয়াজ বাংলাদেশকে স্বয়ংসম্পূর্ণ করতে চাই। একই সাথে আলুর দাম না পেয়ে কৃষকের আত্মহত্যা করার ঘটনায়ও আক্ষেপ প্রকাশ করেন তিনি বলেন, আলুর দাম কমে গেছে, আমার খুব কষ্ট হয়। কৃষকদের সঠিক মূল্যায়নে সরকারকে আরো এগিয়ে আসতে হবে।</p>
<p>বিএজেএফ সভাপতি সাহানোয়ার সাইদ শাহীন বলেন, কৃষক ও কৃষির স্বার্থ সুরক্ষায় রাজনৈতিক অঙ্গীকার প্রয়োজন। প্রতিট রাজনৈতিক দলকে তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে এ বিষয়ে স্পষ্ট ও দীর্ঘমেয়াদী কৌশল থাকতে হবে। আমাদের লক্ষ্য হলো কৃষিকে টেকসই করতে রাজনীতির সঙ্গে যোগসূত্র স্থাপন করা। কৃষির রূপান্তর টেকসই করতে উন্নত প্রযুক্তি ও কৃষক বান্ধব নীতি প্রণয়ন করতে হবে।</p>
<p>অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (ব্রি) যান্ত্রিক পদ্ধতিতে ধান চাষাবাদ প্রকল্পের পরিচালক ড. কে এম সাইফুল ইসলাম। তিনি বলেন, কৃষি যান্ত্রিকীকরণের ধারায় ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ বাস্তবায়নে আমরা গুরুত্ব দিচ্ছি। শ্রীলঙ্কা ও জাপানসহ বিভিন্ন দেশের প্রযুক্তিগত সহযোগিতায় স্থানীয়ভাবে মানসম্পন্ন কৃষিযন্ত্র উৎপাদন এখন বাস্তবে রূপ নিচ্ছে, যা দেশের কৃষিতে সময় সাশ্রয়, ব্যয় হ্রাস ও নতুন শিল্প তৈরিতে বড় ভূমিকা রাখবে। দেশের কৃষিযন্ত্র বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়—এমন পরিস্থিতি পরিবর্তন করে স্থানীয়ভাবে মানসম্পন্ন কৃষিযন্ত্র তৈরির সক্ষমতা গড়ে তুলতেই ব্রি বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। আন্তর্জাতিকমান বজায় রেখে দেশের মাটিতে প্রযুক্তি বানানোর সক্ষমতা অর্জনই এখন মূল লক্ষ্য।</p>
<p>বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (ব্রি) প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা দুরুল হুদা বলেন, দেশে আধুনিক কৃষিযন্ত্র উৎপাদনের সবচেয়ে বড় বাধা লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং খাতের অদক্ষতা ও অবকাঠামোগত দূর্বলতা। কম্বাইন হারভেস্টার ও রাইস ট্রান্সপ্লান্টারের মতো অত্যাধুনিক কৃষিযন্ত্র ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ হিসেবে তৈরি হওয়ার পথে বড় বাধা তৈরি হচ্ছে। স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরও দেশে কোনো রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠেনি যেখানে ইঞ্জিন তৈরি হয়। অতীতে যেগুলো ছিল—মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি, ডিজেল প্ল্যান্ট বা চট্টগ্রাম স্টিল মিল—সেগুলো পরিচালনায় ব্যর্থ হওয়ায় শিল্পভিত্তি দুর্বল হয়ে পড়ে। বেসরকারি খাতেও সক্ষমতা বৃদ্ধি পায়নি। ফলে আধুনিক কৃষিযন্ত্র, বিশেষত কম্বাইন হারভেস্টার ও রাইস ট্রান্সপ্লান্টার উৎপাদনে দেশ পিছিয়ে আছে।</p>
<p>পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ) ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফজলুল কাদের বলেন, শুধু উৎপাদন নয়, কৃষিকে একটি লাভজনক, শিক্ষিত ও ডিগনিফাইড পেশা হিসেবে গড়ে তোলাই এখন প্রধান উদ্দেশ্য। পিকেএসএফ মূলত সহযোগী সংস্থার মাধ্যমে কাজ করছে। বর্তমান সময়ে এ সংস্থাগুলো বছরে প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার কোটি টাকা মাঠ পর্যায়ে বিতরণ করছে, যার প্রায় ৪০ শতাংশই কৃষিক্ষেত্রে ব্যবহার হয়। বাংলাদেশের মোট কৃষি অর্থায়নের প্রায় ৮৫ শতাংশ এমএফআই সেক্টর দিয়ে হচ্ছে, তাই এই ক্ষেত্রটি এখন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।<br>বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (ব্রি) মহাপরিচালক ড. মোহাম্মদ খালেকুজ্জামান বলেন, ব্রির মূল ম্যান্ডেট হচ্ছে ধানভিত্তিক সব ধরনের গবেষণা এগিয়ে নেওয়া। দেশের খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই গবেষণাকাজ কয়েক দশক ধরে অব্যাহত রয়েছে। স্বাধীনতার পর দেশের প্রধান চাহিদা ছিল খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করা। সে সময় প্রতি হেক্টরে দেড় থেকে দুই টন ধান উৎপাদন হতো, সেখানে এখন আধুনিক জাত ও প্রযুক্তির কারণে অনেক জায়গায় ৮ থেকে ১০ টন পর্যন্ত উৎপাদন হচ্ছে। হাইব্রিড ধানের জাত উদ্ভাবনে জোর দেওয়া হচ্ছে। ভবিষ্যতে ধানের গড় ফলন হেক্টরে ১০ টনের উপরে যাবে।</p>
<p>প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ–এর পরিচালক (বিপণন) কামরুজ্জামান কামাল বলেন, বিশ্ব এগ্রো প্রসেসিং বাজার ৪ ট্রিলিয়ন ডলারের হলেও বাংলাদেশের অংশ মাত্র ১ বিলিয়ন ডলার—এখানে বড় সম্ভাবনা রয়েছে। তবে খাতে ভ্যারাইটি ও মানের ঘাটতি আছে, ৪০০ প্রতিষ্ঠান থাকলেও সবাই উন্নত মানের পণ্য উৎপাদন করতে পারছে না।  কৃষিপণ্য রপ্তানিতে ১৮টি দপ্তরের অনুমতির জটিলতা সময় ও খরচ বাড়ায়, তাই ওয়ান স্টপ সার্ভিস ও কান্ট্রি ব্র্যান্ডিং জরুরি। কোয়ালিটি কন্ট্রোল ও আন্তর্জাতিক মানের ল্যাবের সংকট রয়েছে, অনেক পরীক্ষা বিদেশে করাতে হয় এবং বিএসটিআই–এর মান সব দেশে গ্রহণযোগ্য নয়। নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে গ্রাম পর্যায় থেকেই কাজ শুরু করার তাগিদ দেন তিনি।</p>
<p>প্রবন্ধ উপস্থাপন করে রফতানিযোগ্য আম উৎপাদন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ আরিফুর রহমান বলেন, গত ৫ বছরে আম রফতানি বেড়েছে ৩ গুণ। আর এই সময়ে আম আমদানি শুণ্যে নেমেছে। বর্তমানে ৩৮ টি দেশে আম রফতানি হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি আম রফতানি যুক্তরাজ্যে। আম রফতানিতে ইউরোপের বাজার দখলের সুযোগ রয়েছে। তবে পরিবহণ ও বিমান ভাড়ার কারণে সেভাবে আম রফতানি বাড়ানো যাচ্ছেনা। অনেক সময় বেশি ভাড়া দিলেও বিমানে জায়গা পাওয়া যায়না। কৃষিপণ্য রফতানিতে বিমানে নির্দিষ্ট যায়গা বরাদ্দ থাকা উচিত।</p>
<p>বিএজেএফ'র চার দিনের এ সম্মেলনে কো-স্পন্সরশীপে রয়েছে আস্থা ফিড ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। এছাড়াও সহযোগীতায় রয়েছে এসিআই এগ্রিবিজনেসেস, প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ, লাল তীর সিডস লিমিটেড, ওয়ার্ল্ড পোল্ট্রি সায়েন্স এ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ ব্রাঞ্চ; বাংলাদেশ ধান গবেষণা প্রতিষ্ঠান, বন অধিদপ্তর, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, মৎস্য অধিদপ্তর ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এএইচটি/এমইউএম/</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>হাইব্রিড সবজি বীজ উৎপাদনে আঞ্চলিক সহযোগিতা বাড়াতে সার্কের আহ্বান</title>
<link>https://digibanglatech.news/159760</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159760</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_692495fc468c6.jpg" length="137191" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 24 Nov 2025 20:30:06 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>দক্ষিণ এশিয়ার সবজি বীজ খাতে প্রযুক্তিগত অগ্রগতি ও আঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে সার্ক কৃষি কেন্দ্র (এসএসি) আয়োজিত তিন দিনব্যাপী ভার্চুয়াল প্রশিক্ষণ কর্মশালা “সার্ক সদস্য দেশসমূহে সবজি ফসলের হাইব্রিড বীজ উৎপাদনে সাম্প্রতিক অগ্রগতি” ২৪ নভেম্বর, সোমবার উদ্বোধন করা হয়। প্রশিক্ষণের মূল উদ্দেশ্য হলো সদস্য দেশগুলোর অংশগ্রহণকারীদের হাইব্রিড সবজি বীজ উৎপাদনে ব্যবহৃত সর্বশেষ কৌশল সম্পর্কে ধারণা প্রদান করা। সার্কের বিভিন্ন দেশ থেকে বিজ্ঞানী ও বিশেষজ্ঞরা এতে অংশ নিচ্ছেন।</p>
<p>উদ্বোধনী বক্তব্যে সার্ক কৃষি কেন্দ্রের পরিচালক ড. মো. হারুনূর রশীদ বলেন, দক্ষিণ এশিয়ায় খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হাইব্রিড বীজ প্রযুক্তি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আঞ্চলিক উৎপাদনশীলতা বাড়াতে গবেষণার সক্ষমতা বৃদ্ধি, মানসম্মত বীজ উৎপাদন এবং জলবায়ু-সহনশীল প্রযুক্তির ব্যবহারের ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন। তিনি আরও বলেন, সহযোগিতা বৃদ্ধি, জ্ঞান বিনিময় এবং সক্ষমতা উন্নয়নই উচ্চমানের, জলবায়ু-সহনশীল হাইব্রিড সবজি বীজ উৎপাদনকে আরও শক্তিশালী করবে।</p>
<p>প্রশিক্ষণের লক্ষ্য ও কারিগরি সেশনসমূহ উপস্থাপন করে সার্ক কৃষি কেন্দ্রের সিনিয়র কর্মসূচি বিশেষজ্ঞ (ফসল) ড. সিকান্দার খান তানভীর জানান, বিভিন্ন সবজি ফসলের হাইব্রিডায়ন পদ্ধতি, প্রক্রিয়াজাতকরণ কৌশল এবং বীজ বিপণনসহ গুরুত্বপূর্ণ কারিগরি বিষয়গুলো এ প্রশিক্ষণে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যা সদস্য দেশগুলোর বীজ উৎপাদন দক্ষতা বৃদ্ধি করবে।</p>
<p>মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ভারতের কৃষি গবেষণা পরিষদের (আইসিএআর) অতিরিক্ত মহাপরিচালক ড. সুধাকর পাণ্ডে। তিনি বলেন, হাইব্রিড বীজ উৎপাদনের সাম্প্রতিক অগ্রগতি ফলন বৃদ্ধি, গুণগত মান উন্নয়ন এবং রোগ–পোকার আক্রমণ ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখছে। দক্ষিণ এশিয়ায় সবজি উৎপাদন বৃদ্ধিতে আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারের ওপর তিনিও গুরুত্ব দেন।</p>
<p>বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সার্ক সচিবালয়ের পরিচালক (এআরডি ও এসডিএফ) তানভীর আহমেদ তরফদার বলেন, পুষ্টি নিরাপত্তা অর্জনে সদস্য দেশগুলো যখন সবজি উৎপাদন বৃদ্ধি করার জন্য গুরুত্ব দিচ্ছে, তখন এই প্রশিক্ষণ অত্যন্ত সময়োপযোগী। তিনি বলেন, অভিজ্ঞতা বিনিময়, দেশভিত্তিক উপস্থাপনা এবং আঞ্চলিক সহযোগিতা হাইব্রিড বীজ উন্নয়ন ও বাণিজ্যিকীকরণে আরও গতি আনবে।</p>
<p>প্রধান অতিথি কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (পিপিসি) ড. মো. মাহমুদুর রহমান বলেন, হাইব্রিড সবজি বীজ ফলন, গুণগত মান এবং কৃষকের আয় বৃদ্ধির অন্যতম কার্যকর মাধ্যম। তবে মানসম্মত বীজের সীমিত প্রাপ্যতা, জলবায়ুগত চাপ এবং প্রশিক্ষিত জনবলের ঘাটতি এখনও বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে।</p>
<p>সেশনে অংশগ্রহণকারীরা অঞ্চলের হাইব্রিড সবজি বীজে আমদানি-নির্ভরতা, গবেষণা–প্রসার (এক্সটেনশন) ব্যবস্থার দুর্বলতা এবং বীজ সার্টিফিকেশন ও কোয়ারেন্টাইন ব্যবস্থার ঘাটতি নিয়ে আলোচনা করেন। বিশেষজ্ঞরা যৌথ গবেষণা, জার্মপ্লাজম বিনিময়, সরকারি–বেসরকারি অংশীদারিত্ব এবং সমন্বিত বীজ মানদণ্ড প্রণয়নের ওপর জোর দেন, যাতে আঞ্চলিক বীজ নিরাপত্তা শক্তিশালী হয়।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>বিডিটেক/এবিএম/আইএইচ</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>প্রাণিসম্পদ সপ্তাহ শুরু ২৬ নভেম্বর, ৫ ক্যাটাগরিতে পদক পাবেন ১৫ জন</title>
<link>https://digibanglatech.news/159742</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159742</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_69242aafaeee5.jpg" length="123791" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 24 Nov 2025 15:02:04 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>প্রযুক্তির সম্প্রসারণের মাধ্যমে প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন ও নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়াতে ২৬ নভেম্বর, বুধবার থেকে শুরু হচ্ছে জাতীয় প্রাণিসম্পদ সপ্তাহ।  ‘দেশীয় জাত, আধুনিক প্রযুক্তি: প্রাণিসম্পদে হবে উন্নতি’ প্রতিপাদ্যে এবারের সপ্তাহে  মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে অবদানের জন্য প্রথমবারের মতো পাঁচ ক্যাটাগরিতে  ১৫ জনকে দেয়া হবে সম্মাননা। </p>
<p>গবাদিপশুর খামারি (গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া ও অন্যান্য); পোল্ট্রি খামার (হাঁস, মুরগি, কবুতর, টার্কি, কোয়েল ও অন্যান্য); প্রাণী ও প্রাণিজাত পণ্য উৎপাদন (মাংস, দুধ ও ডিম) প্রক্রিয়াজাতকরণ, বাজারজাতকরণ ও রপ্তানি; প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনায় ব্যক্তি/ প্রতিষ্ঠান/অ্যাসোসিয়েশন/ সমবায় সমিতি/গণমাধ্যম/এনজিও/প্রাণিসম্পদ সংক্রান্ত সমাজ ভিত্তিক সংগঠনের অবদান/সমগ্র কর্মজীবনের অবদান এবং প্রান্তিক চাষী/নারী ও অনগ্রসর খামারিদের প্রাণিসম্পদ উন্নয়নে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে দেয়া হবে এই সম্মাননা।</p>
<p>জাতীয় প্রাণিসম্পদ সপ্তাহের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রতিটি ক্যাটাগরিতে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অধিকারীকে যথাক্রমে স্বর্ণ, রৌপ্য এবং ব্রোঞ্জ পদকে ভূষিত করা হবে। </p>
<p>২৪ নভেম্বর, সোমবার সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য দিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার।  এসময় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. ইমাম উদ্দীন কবীর, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. আবু সুফিয়ান-সহ মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>তিনি জানান,  প্রথমবারের মতো ২৬ নভেম্বর থেকে ২ ডিসেম্বর জাতীয় প্রাণিসম্পদ সপ্তাহ একযোগে কেন্দ্রীয় পর্যায়ে ঢাকায় এবং জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে অর্থাৎ সমগ্র দেশব্যাপী উদযাপিত হতে যাচ্ছে। জাতীয় প্রাণিসম্পদ সপ্তাহ আয়োজনের মধ্যে রয়েছে প্রাণিসম্পদ পদক প্রদান, বিভিন্ন ধরনের সচেতনতামূলক কার্যক্রম, র‍্যালি, আলোচনা, সেমিনার, কর্মশালা, প্রদর্শনী ইত্যাদি।</p>
<p>তিনি বলেন, এই সপ্তাহ পালনের মূল উদ্দেশ্য প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন, প্রযুক্তির সম্প্রসারণ, নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন সম্পর্কে জনগণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি।</p>
<p>তিনি বলেন, “বাংলাদেশের সামগ্রিক আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে প্রাণিসম্পদ খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। জিডিপিতে এ খাতের অবদান ১ দশমিক ৮১ শতাংশ, জিডিপতে প্রবৃদ্ধির হার ৩ দশমিক ১৯ শতাংশ, কৃষিজ জিডিপিতে ১৬ দশমিক ৫৮ শতাংশ  এবং অর্থমূল্যে প্রাণিসম্পদ জিডিপির আকার দাঁড়িয়েছে ৯১ হাজার ৩৬ কোটি টাকা।”</p>
<p>উপদেষ্টা বলেন, “পোল্ট্রি শিল্প বর্তমানে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম কর্মসংস্থানের খাত—যেখানে প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকার বেশি বেসরকারি বিনিয়োগ রয়েছে। দেশে নিবন্ধিত ৮৫,২২৭টি বাণিজ্যিক এবং প্রায় ১,৯১,০০০টি প্রান্তিক পোল্ট্রি খামার রয়েছে। প্রতিদিন গড়ে ৬ কোটি ৬৮ লাখ ডিম উৎপাদিত হচ্ছে—যা নিঃসন্দেহে এক বড় সাফল্য।”</p>
<p>তিনি জানান, রোগ নিয়ন্ত্রণে সরকার উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ নিয়েছে। লাম্পি স্কিন ডিজিজ (এলএসডি) প্রতিরোধে ১৭ লক্ষ ডোজ টিকা, ক্ষুরা রোগ (এফএমডি) নির্মূলে নির্দিষ্ট অঞ্চলে জোনিং কার্যক্রম এবং ছাগলের পিপিআর রোগ নিয়ন্ত্রণে প্রায় ৬ কোটি ডোজ টিকা প্রয়োগ করা হয়েছে।</p>
<p>সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, সপ্তাহব্যাপী অনুষ্ঠানমালা এবং প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনীর কেন্দ্রীয় কর্মসূচি বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আগামী ২৬ নভেম্বর (বুধবার) সকাল ৯টায় উদ্বোধন করা হবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি থাকবেন পরিকল্পনা উপদেষ্ট ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ। প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস প্রাণিসম্পদ সপ্তাহের জন্যে ভিডিওতে শুভেচ্ছা বার্তা দেবেন। প্রধান অতিথি প্রাণিসম্পদ মেলাও উদ্বোধন করবেন। মেলা চলবে তিনদিন।</p>
<p>জাতীয় প্রাণিসম্পদ সপ্তাহ উপলক্ষে ২৭ ও ২৮ নভেম্বর দুই দিনব্যাপী সেমিনার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের পুরনো বাণিজ্য মেলার মাঠে প্রাণিসম্পদ মেলা প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হবে জানিয়ে তিনি বলেন, কেন্দ্রীয়ভাবে উদযাপিত প্রাণিসম্পদ সপ্তাহের প্রধান আকর্ষণ হচ্ছে তিন দিনব্যাপী প্রাণিসম্পদ ও সংশ্লিষ্ট উপাদান, যন্ত্রপাতি, খাদ্য প্রদর্শন। বিভিন্ন ক্যাটাগরির স্টল ও প্যাভিলিয়ন থাকবে, যেমন- সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, স্থানীয় জাতের প্রাণিসম্পদ, লাইভএনিম্যাল ফার্মস, লাইভ এনিম্যাল ও ফডার এন্টারপ্রাইজ, পেট ও বার্ডস কেয়ার শপস, লাইভস্টক ইকুইপমেন্টস ও জেনেটিক্স কোম্পানি, ফুড প্রসেসিং ও ভ্যালু অ্যাডেড কোম্পানি, অ্যানিম্যাল হেলথ কোম্পানি, লাইভস্টক ইন্ডাস্ট্রিজ কোম্পানি, অ্যাসোসিয়েশন ইনফো বুথ, ওয়াচ টাওয়ার, নামাজের স্থান, সেমিনার হল, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, নিরাপত্তা ও জরুরি সেবা বুথ ইত্যাদি।</p>
<p>প্রধান কর্মসূচি ও উল্লেখযোগ্য কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান, জাতীয় প্রাণিসম্পদ পদক প্রদান, প্রাণিসম্পদ প্রযুক্তি সম্প্রসারণ, নিরাপদ খাদ্য, পশুপালন, দুগ্ধ, মাংস ও ডিম উৎপাদন, রোগ প্রতিরোধ, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং আধুনিক প্রযুক্তি বিষয়ে সেমিনার ও আলোচনা, ফুড ফেস্টিভ্যাল ও প্রদর্শনী, পুরষ্কার বিতরণ ও কেন্দ্রীয় সমাপনী অনুষ্ঠান এবং সব বিভাগের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে র‍্যালি, আলোচনা সভা, প্রদর্শনী, গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগির জন্য ভ্যাকসিনেশন ক্যাম্প, বিনামূল্যে কৃমিনাশক বিতরণ, কৃত্রিম প্রজনন সেবা ও ভেটেরিনারি মেডিকেল ক্যাম্প, স্কুল ফিডিং কর্মসূচি, চিত্রাঙ্কণ ও কুইজ প্রতিযোগিতা, প্রাণিসম্পদ টেকসই উন্নয়নে তরুণ/নারী উদ্যোক্তা ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মতবিনিময় সভা, সাংস্কৃতিক ও সমাপনী অনুষ্ঠান উল্লেখযোগ্য।<br><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/আরবি/ইক</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>নতুন প্রযুক্তির চিংড়ি চাষে চাষীদের সহযোগিতা প্রত্যাশা</title>
<link>https://digibanglatech.news/159669</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159669</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_6921553d44667.jpg" length="76628" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 22 Nov 2025 09:17:53 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>সরকার ও উন্নয়ন সংস্থার সহযোগিতা বাড়লে দ্রুত নতুন প্রযুক্তি গ্রহণ করে দেশে নিবিড় পদ্ধতিতে চিংড়ি চাষের একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচিত করতে সক্ষম হবেন বলে মনে করেন সাতক্ষীরার চিংড়ি চাষীরা।  </p>
<p>জেলার ‘চিংড়ি চাষ প্রদর্শনী খামার ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র’ মিলনায়তনে ২১ নভেম্বর, শুক্রবার অনুষ্ঠিত নিবিড় পদ্ধতিতে চিংড়ি চাষের গবেষণা প্রকল্পের  ফল প্রদর্শনী এবং সমাপনী কর্মশালায় এই অভিব্যক্তি প্রকাশ করেছেন তারা। </p>
<p>কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন সাতক্ষীরা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা জি. এম. সেলিম। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য অধিদপ্তর খুলনা বিভাগের পরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলার সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম।</p>
<p>আলোচনাপর্বে অংশ নেন মৎস্য অধিদপ্তরের খুলনা বিভাগের উপ-পরিচালক বিপুল কুমার বসাক, সাসটেইনেবল কোস্টাল অ্যান্ড মেরিন ফিশারিজ প্রজেক্টের উপপ্রকল্প পরিচালক ড. মো. শরিফুল আজম, সহকারী প্রকল্প পরিচালক আ. ন. ম. মুশফিক সালেহীন, এবং সিনিয়র সহকারী পরিচালক ফারহানা তাছলিমা। বক্তারা বলেন, নিবিড় পদ্ধতির চিংড়ি চাষ উপকূলীয় অঞ্চলে উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি পরিবেশ-বান্ধব পদ্ধতিতে টেকসই মৎস্যচাষ নিশ্চিত করবে।</p>
<p>অনুষ্ঠানে প্রকল্পের ধারণাপত্র উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ও প্রকল্পের মূখ্য গবেষক ড. মো. হাসান ফারুক। তার সঙ্গে সহকারী মূখ্য গবেষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাবির অধ্যাপক ড. হাবিবুল্লাহ আল মামুন। তারা উপস্থাপনায় জানান, নিবিড় পদ্ধতিতে চিংড়ি চাষে পানির গুণগত মান, খাদ্য ব্যবস্থাপনা, রোগ প্রতিরোধ ও উৎপাদনশীলতা বিষয়ে নানা ইতিবাচক ফলাফল পাওয়া গেছে। মাঠপর্যায়ের পরীক্ষামূলক চাষে উৎপাদন পূর্বের তুলনায় উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে বলেও জানানো হয়।</p>
<p>কর্মশালার মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন বিভিন্ন উপজেলার চিংড়ি চাষিরা। তারা নিজেদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে নতুন প্রযুক্তি ও গবেষণার ফলাফল বাস্তবে প্রয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেন। বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, গবেষণা প্রকল্পের সুপারিশসমূহ বাস্তবায়িত হলে চিংড়ি উৎপাদনে সাতক্ষীরাকে আরও এগিয়ে নেওয়া যাবে।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/প্রবি/ইক</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>‘সয়াবিন আমদানির জন্য এক বিলিয়ন ডলারের চুক্তি&amp;apos;</title>
<link>https://digibanglatech.news/159637</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159637</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_691f57bace1c3.jpg" length="134892" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 20 Nov 2025 21:02:57 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ট্রেসি অ্যান জ্যাকবসন ২০ নভেম্বরম বৃহস্পতিবার নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে অবস্থিত মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ (এমজিআই)–এর অঙ্গপ্রতিষ্ঠান সোনারগাঁ সিডস ক্রাশিং মিলস লিমিটেড পরিদর্শন করেছেন।সেখানে মেঘনা গ্রুপের সোনারগাঁ সিডস ক্রাশিং মিলের জেটিতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানীকৃত সয়াবিন দানা লোড–আনলোড কার্যক্রম পরিদর্শন করেন তিনি। </p>
<p>এ সময় তাকে স্বাগত জানান এমজিআই-এর পরিচালক তানজিমা মোস্তফা ও ব্যারিস্টার তাসনিম মোস্তফা। এছাড়া এমজিআইয়ের শীর্ষ কর্মকর্তারা এবং যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের প্রতিনিধি দলও উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>পরিদর্শনকালে রাষ্ট্রদূত জ্যাকবসন সয়াবিন ক্রাশিং সুবিধা ঘুরে দেখেন এবং বাংলাদেশ–যুক্তরাষ্ট্র কৃষি বাণিজ্যের দ্রুত সম্প্রসারণের বিষয়টি তুলে ধরেন।</p>
<p>তিনি বলেন, “আমরা মেঘনা গ্রুপ, সিটি গ্রুপ এবং ডেল্টা অ্যাগ্রোর সঙ্গে এক বিলিয়ন ডলারের মার্কিন সয়াবিন আমদানির জন্য চুক্তি করেছি। দেড় বছর আগে যেখানে আমদানি ছিল ৩৫০ মিলিয়ন ডলার, সেখান থেকে এ বছর ৫০০ মিলিয়ন এবং এখন তা এক বিলিয়ন ডলারের পথে। এটি সত্যিকার অর্থে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি। এটি দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও মজবুত করছে।” তিনি আরও বলেন, “উচ্চমানের মার্কিন সয়াবিন আমেরিকান কৃষক এবং বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠান—বিশেষত মেঘনার মতো কোম্পানির জন্যই লাভজনক।”</p>
<p>তিনি আরও জানান, এই বর্ধিত বাণিজ্য দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারে এবং বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি তিনি মেঘনা গ্রুপকে তাদের আতিথেয়তার জন্য ধন্যবাদ জানান।</p>
<p>এমজিআই পরিচালক তানজিমা মোস্তফা বলেন, মেঘনা গ্রুপের চেয়ারম্যান সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র সফরে গিয়ে বিপুল পরিমাণ মার্কিন সয়াবিন আমদানির প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। সেই ধারাবাহিকতায় তারা ইতোমধ্যে ৭ লাখ মেট্রিক টনের বেশি সয়াবিন আমদানি করেছেন, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। তাদের লক্ষ্য এক মিলিয়ন টন আমদানি করা। এ বছর বাংলাদেশ যে পরিমাণ মার্কিন সয়াবিন আমদানি করেছে, তার অর্ধেকের বেশি আমদানি করেছে মেঘনা গ্রুপ।</p>
<p> তিনি জানান, বর্তমানে এমজিআইয়ের দুটি ক্রাশিং মিল যথাক্রমে মেঘনা সিডস ক্রাশিং মিলস ও সোনারগাঁও সিডস ক্রাশিং মিলস মোট দৈনিক ৭ হাজার ৫০০ টন সয়াবিন ক্রাশিং সক্ষমতা রয়েছে, যা দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ।</p>
<p>গত ৩১ জুলাই বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের ওপর পাল্টা শুল্ক ৩৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২০ শতাংশ আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসন। যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টা শুল্ক কমিয়ে আনতে অন্য পদক্ষেপের পাশাপাশি দেশটি থেকে আমদানি বাড়ানোর অঙ্গীকার করেছিলেন ব্যবসায়ীরা। গত মাস থেকে ব্যবসায়ীদের অঙ্গীকারের আমদানি পণ্য চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাতে শুরু করে।</p>
<p>ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, জুলাই মাসের শেষে যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রায় চার লাখ টন সয়াবিনবীজ আমদানির তাৎক্ষণিক সমঝোতা হয়। এমজিআই চেয়ারম্যান মোস্তফা কামাল ১৩ কোটি মার্কিন ডলারের তিন লাখ টন সয়াবিনবীজ আমদানির সমঝোতা করেন। যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফেরার পর আরও দুই লাখ টন সয়াবিনবীজ আমদানির ঋণপত্র খুলেছে এমজিআই। সব মিলিয়ে গ্রুপটি পাঁচ লাখ টন সয়াবিনবীজ আমদানি করছে যুক্তরাষ্ট্র থেকে। সয়াবিন তেল ও প্রাণিখাদ্য তৈরির কাঁচামাল হলো সয়াবিনবীজ।</p>
<p><em><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/এনডি/আইএইচ</strong></span></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>রজত জয়ন্তীতে কৃষিতে ভেজাল ও নকলমুক্ত উপজেলা ঘোষণা করবে বিএজেএফ</title>
<link>https://digibanglatech.news/159472</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159472</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_6919e245d78c5.jpg" length="81563" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 16 Nov 2025 19:40:22 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>দেশের কৃষি অর্থনীতিকে রাজনৈতিক অঙ্গীকারের অধীনে আনার প্রত্যয় নিয়ে প্রতিষ্ঠার ২৫ বছর পূর্তিতে ২৫ দিনব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ কৃষি সাংবাদিক ফোরাম (বিএজেএফ)। এর মধ্যে তিনদিনব্যাপী আন্তর্জাতিক কৃষি ও খাদ্য সম্মেলন করবে সংগঠনটি। প্রযুক্তির এই সময়ে দেশের প্রথম কোনো একটি উপজেলাকে ভেজাল ও নকলমুক্ত কৃষি উপকরণ এলাকা ঘোষণা করার প্রক্রিয়া শুরু করবে বিআইজেএফ। এজন্য কারিগরি দক্ষতা ও টেকসই পদ্ধতি নিয়ে খাত সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে ইতিমধ্যেই কাজ শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিএজেএফ সভাপতি সাহানোয়ার সাইদ শাহীন। এছাড়াও ২৫ দিন ব্যাপী কর্মসূচিতে ভবিষ্যতমুখী কৃষি অর্থনীতির নানা বিষয়ে সেমিনার-সিম্পোজিয়াম থাকছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।   </p>
<p> ১৬ নভেম্বর, রবিবার রাজধানীর তুলা উন্নয়ন বোর্ডের কনফারেন্স রুমে এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সাহানোয়ার সাইদ শাহীন জানান, ২০০০ সালে প্রতিষ্ঠিত বিএজেএফ এখন পর্যন্ত কৃষি সাংবাদিকতা, কৃষকের অধিকার ও খাদ্যনীতি নিয়ে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। দেশের কোনো সাংবাদিক সংগঠনের এমন বৃহৎ কর্মসূচি আগে আয়োজন হয়নি। বিএজেএফ বাংলাদেশের একমাত্র সাংবাদিক সংগঠন, যারা ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অব অ্যাগ্রিকালচারাল জার্নালিস্টস (আইএফএএজে)-এর সদস্যভুক্ত। ২৫ দিনব্যাপী কর্মসূচির মূল আয়োজন হিসেবে তিন দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সম্মেলন ও প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজন করা হবে। ছয়টি সেশনে অনুষ্ঠিত এসব আয়োজনে মূল থিম নির্ধারণ করা হয়েছে ‘কৃষি ও খাদ্যে রাজনৈতিক অঙ্গীকার’। প্রধান তিনটি সেমিনারে থাকছে- পুষ্টি নিরাপত্তাও মৎস্য প্রাণীসম্পদ খাত, গ্রামীণ ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে ব্যাংকিং: কৃষি ও খাদ্য খাতে বিনিয়োগ, খাদ্য ও কৃষি ক্ষেত্রে বাণিজ্য ও কূটনীতি। </p>
<p>শাহীন বলেন, কৃষি ও খাদ্যে রাজনৈতিক অঙ্গীকারের ঘাটতি বহুদিনের। আমরা রাজনীতিবিদদের সংশোধন করতে পারব কি না জানি না, তবে কোথায় পরিবর্তন প্রয়োজন—তা স্পষ্টভাবে তুলে ধরব। তাছাড়া অনুষ্ঠানের প্রতিটি সেশনে সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, উপদেষ্টা, রাজনৈতিক দলগুলোর শীর্ষ নেতা এবং বিভিন্ন মহলের প্রতিনিধিরা যোগ দেওয়ার বিষয়ে সম্মতি জানিয়েছেন। পাশাপাশি ভেজাল ও নকল কৃষি উপকরণ থেকে কৃষক ক্ষতির শিকার হলেও কোনো জায়গা এখন পর্যন্ত নকলমুক্ত ঘোষিত হয়নি। আমরা সরকার ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয়ে এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন করতে চাই।</p>
<p>এ ছাড়া দেশের ছয়টি ভৌগোলিক অঞ্চলে সাংবাদিকরা সরাসরি কৃষকের ক্ষেত এ গিয়ে তাদের বক্তব্য শুনবেন—এ উদ্যোগকে ‘কৃষকের দুয়ারে সাংবাদিক’ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।</p>
<p>সংবাদ সম্মেলনে বিএজেএফের সাধারণ সম্পাদক আবু খালিদ বলেন, কোনো সম্মেলন সফল করতে হলে সংশ্লিষ্ট খাতের সব স্টেকহোল্ডারের উপস্থিতি নিশ্চিত করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সেই দর্শন থেকেই আমরা আমাদের আন্তর্জাতিক সম্মেলনের কাঠামো সাজিয়েছি। কৃষির তিনটি বড় খাত—ফসল, মৎস্য–প্রাণিসম্পদ এবং খাদ্য—এই তিনটি বিষয়কে কেন্দ্র করে আমরা তিন দিনের কর্মসূচি নির্ধারণ করেছি। প্রতিটি সেশনে এ সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোক্তা, খামারি, নীতিনির্ধারকসহ সব পক্ষ যেন এক মঞ্চে মতামত তুলে ধরতে পারেন সেটিই আমাদের মূল লক্ষ্য।</p>
<p>তিনি বলেন, কৃষিকে কেন্দ্র করে এমন বিস্তৃত অংশগ্রহণের আন্তর্জাতিক মানের আয়োজন এ দেশে এই প্রথম হতে যাচ্ছে। বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ হয়েও কৃষি ও কৃষককে এখনো অবহেলার অভিযোগ শোনা যায়। কৃষকের ন্যায্য দাম না পাওয়া, মূল্যচক্রের সমস্যা, উপকরণের সংকটসহ অনেক বিষয় এই সম্মেলনে গুরুত্বের সঙ্গে উপস্থাপন করা হবে।</p>
<p>সংবাদ সম্মেলনে সহসভাপতি ইয়াছির ওয়ারদাদ ও আ ন ম মহিবুব উজ জামান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এমদাদুল হক তুহিন, সহসাংগঠনিক সম্পাদক আলতাফ হোসেন ও আফসানা মিমি, অনুষ্ঠানবিষয়ক সম্পাদক সালেহ মোহাম্মদ রশিদ অলক, প্রকাশনা সম্পাদক আসাদুজ্জামান নূর প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p><span style="text-decoration: underline;"><strong>ডিবিটেক/আরও/ইক</strong></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>টেকসই প্রবৃদ্ধির জন্য জাতীয় অ্যাকুয়াকালচার নীতি জরুরি</title>
<link>https://digibanglatech.news/159465</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159465</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_6919ad90e819c.jpg" length="119237" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 16 Nov 2025 15:54:38 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>দেশের দ্রুত বর্ধনশীল অ্যাকুয়াকালচার খাতের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে ১৬ নভেম্বর, রবিবার রাজধানীর শেরাটন ঢাকায় অনুষ্ঠিত হলো একটি জাতীয় কর্মশালা। অ্যাকুয়াকালচার নেটওয়ার্ক অফ বাংলাদেশ (এএনবি) আয়োজিত এই কর্মশালায় সহযোগিতা করেছে সি–ই–এফ–এ–এস, ইভলভড রিসার্চ কনসাল্টিং এবং ম্যাকঅ্যালিস্টার এলিয়ট অ্যান্ড পার্টনার্স (ইউকে)। অনুষ্ঠানে নীতিনির্ধারক, গবেষক, শিল্প উদ্যোক্তা, চাষি ও বিভিন্ন উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশনেন।</p>
<p>বাংলাদেশে অ্যাকুয়াকালচার খাত সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ব্যাপক বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে প্রবৃদ্ধির সঙ্গে পরিবেশগত ক্ষয়ক্ষতি, রোগব্যাধি, বায়োসিকিউরিটি চ্যালেঞ্জ এবং বিশেষ করে উপকূলীয় অঞ্চলে চিংড়ি, প্রন ও কাঁকড়ার চাষে ঝুঁকিও বেড়েছে। অংশগ্রহণকারীরা বলেন, ১৯৯৮ সালের জাতীয় মৎস্য নীতি সাধারণ নির্দেশনা প্রদান করলেও বর্তমান চাহিদা ও চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় এটি পর্যাপ্ত নয়।</p>
<p>কর্মশালার উদ্বোধনী বক্তব্য দেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের মৎস্য ও সামুদ্রিক সম্পদ প্রযুক্তি বিভাগের প্রফেসর ড. মো. লিফাত রাহি।</p>
<p>অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের অ্যাকুয়াকালচারের বর্তমান অবস্থা ও অগ্রগতি শীর্ষক শীর্ষক কী-নোট উপস্থাপন করেন তুলে ধরেন মৎস্য অধিদপ্তরের পরিচালক (ইনল্যান্ড) ড. মো. মোতালেব হোসেন। “অ্যাকুয়াকালচারের টেকসই বৃদ্ধিতে পদক্ষেপ: বাংলাদেশের জন্য জাতীয় নীতির প্রয়োজনীয়তা” শীর্ষক কী-নোট উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ড. মো. আবদুল ওহাব। </p>
<p>অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটির ভাইস ভাইস চ্যান্সেলররিয়ার অ্যাডমিরাল ড. খন্দকার আখতার হোসেন।</p>
<p>রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মৎস্য বিজ্ঞান অনুষদের ডীন প্রফেসর ড. মো. মোস্তাফিজুর রহমান মন্ডলের সঞ্চালনায় প্যানেল আলোচনায় অংশনেন সহযোগী অধ্যাপক ড. হেলেনা খাতুন, ওয়ার্ল্ডফিশ বাংলাদেশ কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ ড. ফারুকুল ইসলাম,মৎস্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো. জিয়া হায়দার চৌধুরী, ময়মনসিংহ মৎস্য ফার্ম  ও  হ্যাচারি মালিক সমিতির সভাপতি সাজ্জাদ হোসেন, ফিশটেক হ্যাচারি ব্যবস্থাপনা পরিচালক  মোহাম্মদ তারিক সরকার।  </p>
<p>সরকারি প্রতিনিধি, হ্যাচারি মালিক ও নারী নেত্রীসহ অন্যান্য স্টেকহোল্ডারগণ  জাতীয় নীতি প্রণয়নের ক্ষেত্রে জলবায়ু সহনশীলতা, জেন্ডার সমতা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন সমুদ্রিক স্থান পরিকল্পনাকে অগ্রাধিকার দিতে বলেন। <br>বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটির ড. মারিয়া জামান, অ্যাকুয়াকালচারে লিঙ্গ সমতা ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তি নীতি পর্যায়ে কীভাবে শক্তিশালী করা যায় সে সম্পর্কে আলোচনা করেন। <br>সমাপনী বক্তব্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মুহাম্মদ জাবের টেকসই অ্যাকুয়াকালচার নিশ্চিত করতে সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. আবদুর রউফ।</p>
<p>কর্মশালার সভাপতিত্ব করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও অ্যাকুয়াকালচার নেটওয়ার্ক অফ বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. মো. মনিরুল ইসলাম। তিনি বলেন, টেকসই অ্যাকুয়াকালচার নিশ্চিত করতে গবেষণা, শিল্প, সরকারি সংস্থা ও চাষিদের মধ্যে সমন্বিত উদ্যোগ অত্যন্ত জরুরি।</p>
<p><em><strong>ডিবিটেক/এসকে/ইক</strong></em></p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>প্রণোদনা পাবেন আলু চাষিরা: কৃষি উপদেষ্টা</title>
<link>https://digibanglatech.news/159379</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159379</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202504/image_870x580_67fe3269377c9.jpg" length="105963" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 13 Nov 2025 17:38:05 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>চলতি মৌসুমে আমনের বাম্পার ফলন হবে বলে আশা প্রকাশ করছেন কৃষি ও স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তিনি বলেছেন, এ মৌসুমে সবজির উৎপাদনও খুবই ভালো। বাজারে সবজির সরবরাহ ভালো, দামও সহনীয় পর্যায়ে আছে। এবার আলু চাষিরা বড় ধরনের লোকসানে আছেন, এবার তারা ভালো দাম পাননি। সে কারণে আলু চাষিদের প্রণোদনা দেওয়ার একটা ব্যবস্থা করা হবে।</p>
<p>১৩ নভেম্বর বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফকালে এসব কথা বলেন কৃষি উপদেষ্টা। </p>
<p>বাজারে আমনের চাষ ভালো হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, এবার আমনের চাষ ও ফলন ভালো হয়েছে। আমরা একটি দাম নির্ধারণ করে দিয়েছি। আমনের প্রতি কেজি চৌত্রিশ টাকা, আতপ চাল ঊনপঞ্চাশ টাকা ও সেদ্ধ চাল পঞ্চাশ টাকা কেজি।</p>
<p>তবে আশার কথা পেঁয়াজ আমদানি করতে হয়নি, আমদানি করতেও হবে না। গ্রীষ্মকালীন মুড়িকাটা পেঁয়াজও কিছু দিনের মধ্যে বাজারে চলে আসবে। বাজারে পেঁয়াজের কোনো ঘাটতিও হবে না। কিছু কিছু অসাধু গোষ্ঠী এই পণ্যটির দাম বাড়ানোর চেষ্টা করছেন। তারা সফল হবে না।</p>
<p>এর আগে রাজধানীর গাবতলীতে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) বিভিন্ন গবেষণা ও প্রক্রিয়াজাত কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে উপদেষ্টা বলেছিলেন, 'টিস্যু কালচার কেন্দ্রে আলু, আনারস, খেজুর ও বিভিন্ন ফুলের টিস্যু কালচার করা হচ্ছে। আমরা খেজুর রপ্তানি করে আনি। স্থানীয়ভাবে এ প্রযুক্তির মাধ্যমে উৎপাদিত চারা ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে দিলে আমদানি নির্ভরতা কমবে। নেদারল্যান্ডসহ বিভিন্ন দেশ থেকে চড়া দামে আলু বীজ আমদানি করতে হয়। কিন্তু দেশে উন্নত জাতের আলু বীজ উৎপাদন করা গেলে কৃষির জন্য তা অত্যন্ত উপকারী হবে।'</p>
<p><em><strong>ডিবিটেক/জেএন/ইক</strong></em></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>কৃষকে সেবার রুটসোর্স নিয়ে নাসা চ্যালেঞ্জে ডুয়েটের ব্লুডট</title>
<link>https://digibanglatech.news/159192</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159192</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_691030bbee34d.jpg" length="95865" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 09 Nov 2025 10:12:41 +0600</pubDate>
<dc:creator>ক্যাম্পাস করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<div>
<div dir="auto">
<div dir="auto">কৃষকের জন্য মহাকাশ প্রযুক্তি নিয়ে এবার নাসা ইন্টারন্যাশনাল স্পেস অ্যাপস চ্যালেঞ্জ ২০২৫-এর গ্লোবাল নামিনেশন পেয়েছে ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুরের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের শিক্ষার্থীদের দল ‘ব্লুডট’ (BlueDot)। এই দলের সদস্যরা হলেন — রাফিউজ্জামান রাফি, এস. এম. মোহায়মেনুল ইসলাম, মোহতামিম হক, সিয়াম শেখ, নিশান দাস ও অভিজিৎ মণ্ডল। প্রকল্পের মেন্টর হিসেবে ছিলেন ইন্সপায়রিং বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা ইমরান ফাহাদ। তার অনুপ্রেরণায় রুটসোর্স (RootSource) নামে একটি অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করেছে তারা। </div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">
<div dir="auto">জাতীয় রাউন্ডে নাসার স্যাটেলাইট ডেটা ব্যবহার করে কৃষকদের জন্য একটি সহজবোধ্য ও কার্যকর সহায়ক প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে ডুয়েটের ব্লুডট। বিশ্বজুড়ে কৃষকরা অনিশ্চিত আবহাওয়া, ফসলহানি, ঋণ ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। অথচ নাসার স্যাটেলাইটগুলো ইতোমধ্যে মাটির আর্দ্রতা, বৃষ্টিপাত, উদ্ভিদের স্বাস্থ্য ও দুর্যোগ পরিস্থিতি রিয়েল-টাইমে ট্র্যাক করে। কিন্তু এই মূল্যবান তথ্য কৃষকের নাগালের বাইরে থাকায় তারা সময়মতো সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না। RootSource সেই জটিল বৈজ্ঞানিক তথ্যগুলোকে কৃষকের জন্য সহজ ও ব্যবহারযোগ্য ভাষায় উপস্থাপন করে।</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">প্রকল্পটি মূলত নাসার সহযোগিতায় তৈরি একটি কৃষি-ভিত্তিক গবেষণামূলক সিস্টেম, যেখানে নাসার SMAP, GPM, MODIS, LANDSAT, GRACE ও POWER সহ বিভিন্ন কৃষি ও আবহাওয়া স্যাটেলাইটের তথ্য একত্রে বিশ্লেষণ করে তৈরি করা হয়েছে একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) নির্ভর পরামর্শব্যবস্থা — যা কৃষকদেরকে বৈজ্ঞানিক ও তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করবে।</div>
</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">এই প্রকল্পটি দিয়ে বিশ্বের ১৬০টিরও বেশি দেশ ও অঞ্চল থেকে জমা পড়া ১১ হাজার ৫০০টিরও বেশি প্রকল্পের মধ্যে স্থান পেয়ে এই স্বীকৃতি অর্জন করেছে ডুয়েটের শিক্ষার্থীরা। এর আগে আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি–বাংলাদেশ (AIUB), বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) এবং বেসিস স্টুডেন্টস ফোরাম-এর সহযোগিতায় নাসা স্পেস অ্যাপস চ্যালেঞ্জের নয়টি আঞ্চলিক পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগীয় অঞ্চল থেকে গ্লোবাল রাউন্ডের জন্য নির্বাচিত সাতটি দলের একটি হলো ডুয়েটের টিম ব্লুডট।</div>
<div dir="auto">
<h1><a href="https://digibanglatech.news/158086" target="_blank" rel="noopener">নাসা স্পেস অ্যাপস চ্যালেঞ্জের বাংলাদেশ পর্বে বিজয়ী হলেন যারা</a></h1>
<div>
<div>প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালে ‘লুনার ভিআর প্রজেক্ট’ বেস্ট ইউজ অব ডাটা ক্যাটাগরিতে চাঁদে ভ্রমণের অভিজ্ঞতা দিবে এমন ভার্চুয়াল অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয় শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘টিম অলীক। ২০২১ সালে ‘বেস্ট মিশন কনসেপ্ট’ ক্যাটাগরিতে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয় খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) এবং বাংলাদেশ আর্মি ইউনিভার্সিটি অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি (বাউয়েট) সম্মিলিত দল ‘টিম মহাকাশ’ এবং ২০২২ সালে "টিম ডায়মন্ডস" - "সবচেয়ে অনুপ্রেরণামূলক" বিভাগে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়। এবং নাসা ইন্টারন্যাশনাল স্পেস অ্যাপস চ্যালেঞ্জ ২০২৩-এর বেস্ট স্টোরিটেলিং ক্যাটাগরিতে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশের টিম ভয়েজার্স।</div>
</div>
</div>
<div dir="auto">
<div>
<p><em><strong>ডিবিটেক/ডিএসএস/ইক/</strong></em></p>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div>
<div dir="auto"></div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>টেকসই কৃষি চর্চা নিয়ে ঢাকায় ‘অ্যাগ্রো&#45;ফাউন্ডার কানেক্ট’ অনুষ্ঠিত</title>
<link>https://digibanglatech.news/159194</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159194</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_69103cd7ecdf0.jpg" length="121829" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 09 Nov 2025 00:04:33 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে শতাধিক এগ্রিটেক উদ্যোক্তা, বিনিয়োগকারী ও উন্নয়ন অংশীদারদের নিয়ে রাজধাীর ইন্টারঅ্যাক্টিভ কেয়ারস স্কিল সেন্টারে অনুষ্ঠিত হলো অ্যাগ্রো-ফাউন্ডার কানেক্ট। অনুষ্ঠানে কৃষি খামার, এগ্রি-টেক স্টার্টআপ এবং রফতানিকারকরা তাদের অভিজ্ঞতা, কৌশল এবং সাফল্যের গল্প তুলে ধরেন। এছাড়াও প্রযুক্তি ও প্রকৌশল ব্যবহারের মাধ্যমে উৎপাদন বৃদ্ধি, টেকসই কৃষি চর্চা এবং নতুন বাজারে প্রবেশ নিয়ে আলোচনা হয়।<o:p></o:p></p>
<p>অনুষ্ঠানের বিভিন্ন সেশনে বিশেষজ্ঞরা কৃষি, এগ্রি-টেক স্টার্টআপ এবং পণ্য রফতানি সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো তুলে ধরেন। ইন্টারন্যাশনাল ফার্টিলাইজার ডেভেলপমেন্ট সেন্টারের (আইএফডিসি) কান্ট্রি ডিরেক্টর মুন্তাসির শাকিব খান আধুনিক কৃষি চর্চা ও ডিজিটাল টুলসের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা <o:p></o:p>করেন। ফ্রেশি ফার্মের জাহিদুল ইসলাম জাহিদ হাই-ভ্যালু কৃষি পণ্যের সম্ভাবনা ও গ্রামীণ উদ্যোক্তাদের জন্য সুযোগের দিকগুলো শেয়ার করেন। এক্সপোর্ট সেবা’র জাহিদ হোসেন উদ্যোক্তাদের আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশ এবং রফতানি সম্প্রসারণের কৌশল নিয়ে আলোচনায় অংশ নেন।<o:p></o:p></p>
<p>অংশগ্রহণকারীরা মূল্য সংযোজিত কৃষি, টেকসই চর্চা এবং রফতানির প্রস্তুতি নিয়ে নানা দিক নিয়ে আলোচনা করেন। অনুষ্ঠান শেষ হয় প্রশ্নোত্তর পর্বে, যেখানে উদ্যোক্তারা একে অপরের অভিজ্ঞতা ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে মতবিনিময় করেন।<o:p></o:p></p>
<p>বাংলাদেশে কৃষি খাতকে আরও শক্তিশালী ও আধুনিক করার উদ্দেশ্যে ৭ নভেম্বর শুক্রবার  এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিলো লাইট অব হোপ ভেঞ্চারস। অনুষ্ঠানে লাইট অব হোপ ভেঞ্চারসের প্রতিষ্ঠাতা ওয়ালিউল্লাহ ভূঁইয়া বলেন, “বাংলাদেশে আগামী প্রজন্মের প্রভাবশালী স্টার্টআপগুলো কৃষি খাত থেকেই আসবে। অ্যাগ্রো-ইনোভেশন শুধু প্রযুক্তি নয়, এটি জীবনযাত্রা উন্নয়ন, জলবায়ু সহনশীলতা এবং কোটি মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও গুরুত্বপূর্ণ।”</p>
<p>তিনি আরও বলেন, “আমাদের লক্ষ্য এমন একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা, যেখানে উদ্যোক্তারা আইডিয়া শেয়ার করতে, অংশীদারিত্ব গড়তে এবং একে অপরের কাছ থেকে শিখতে পারে। লাইট অব হোপ ভেঞ্চারস এই সংযোগগুলোকে বাস্তব ও দীর্ঘমেয়াদি প্রভাবের দিকে নিয়ে যেতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”<o:p></o:p></p>
<p>লাইট অব হোপ ভেঞ্চারস নিজেকে গড়ে তুলতে চায় বাংলাদেশের এসএমই খাতের জন্য ‘ওয়াই কমবিনেটর’ হিসেবে। এটি কৃষি, শিক্ষা, উৎপাদন, সেবা এবং উদীয়মান প্রযুক্তি খাতে উদ্যোক্তাদের মেন্টরশিপ, বিনিয়োগ সংযোগ এবং নতুন বাজারে প্রবেশের সুযোগ দেয়। এখন প্রায় ৮টি খাতে ১,০০০-এর বেশি স্টার্টআপ ও এসএমই উদ্যোক্তা এই ভেঞ্চারসের অংশ।<o:p></o:p></p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বিএডিসি ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি রানা, সম্পাদক জুয়েল</title>
<link>https://digibanglatech.news/159141</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159141</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_690cdc743d63a.jpg" length="63910" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 06 Nov 2025 19:55:58 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচনে সভাপতি মো. মাসউদুল করিম রানা, সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. সাজ্জাদ হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক মো. জুয়েল মিয়া নির্বাচিত হয়েছেন।</p>
<p>৬ নভেম্বর, বৃহস্পতিবার বিকালে রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউ সেচ ভবনের বিএডিসি অডিটোরিয়ামে অ্যাসোসিয়েশনের বার্ষিক সাধারণ সভা এবং ২০২৫-২০২৭ মেয়াদে কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।</p>
<p>কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাচিতরা অন্যান্যরা হলেন- সহসভাপতি (ঢাকা অঞ্চল) মর্তুজা সিদ্দিকী, সহসভাপতি (চট্টগ্রাম অঞ্চল) মো. বেলাল হোসেন, সহসভাপতি (রাজশাহী অঞ্চল) ইমরান সহসভাপতি ( সিলেট অঞ্চল) এস এম রাকিবুল ইসলাম, সহসভাপতি (খুলনা অঞ্চল) আসিফ মাহমুদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আসমাউল বিন হোসেন ও মো. মোস্তাফিজুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আরাফাত রহমানসহ  ২৩ সদস্য বিশিষ্টি কমিটি গঠন করা হয়েছে।</p>
<p>পরে  নির্বাচিত সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করানো হয়।</p>
<div>
<p>এর আগে ‘৪র্থ শিল্প বিপ্লবে স্মার্ট ইরিগেশন বাস্তবায়নে বিএডিসি’র ভূমিকা ও চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। বিএডিসি ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন সভাপতি মো. নজরুল ইসলাম খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন চেয়ারম্যান (গ্রেড-১) মো. রুহুল আমিন খান, বিশেষ অতিথি ছিলেন আইডিইবি অন্তর্বর্তীকালীন কেন্দ্রীয় কমিটি আহবায়ক ইঞ্জিনিয়ার মো. কবির হোসেন, বিএডিসির সদস্য পরিচালক (সেচ) ও যুগ্ম সচিব, মো. ইউসুফ আলী, বিএডিসি প্রধান প্রকৌশলী (সেচ) মুহাম্মদ বদিউল আলম সরকার ও অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (পশ্চিমাঞ্চল) ড. খান ফয়সল আহমেদ।</p>
</div>
<div>ডিবিটেক/বিটি/ইক</div>
<div class="BT_inner_A1_C2 aligncenter w100p pt10 pb10">
<div class="300adWnC">
<div id="BT_inner_A1_C2" data-google-query-id="CJLa57mF3pADFXwB6QUdxrcHSg"></div>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>মার্কিন তুলা রপ্তানিকারকদের কাছে প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তিগত সহায়তা চেয়েছে বাংলাদেশ</title>
<link>https://digibanglatech.news/159078</link>
<guid>https://digibanglatech.news/159078</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202511/image_870x580_690a5558bf6de.jpg" length="97967" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 04 Nov 2025 20:59:32 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশের টেক্সটাইল ও পোশাক কারখানাগুলোর  দক্ষতা ও উৎপাদনশীলতা বাড়াতে মার্কিন তুলা রপ্তানিকারকদের কাছে প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তিগত সহায়তা চেয়েছে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)। অপরদিকে বাংলাদেশে তুলা রপ্তানির ক্ষেত্রে বাণিজ্যিক ডকুমেন্টেশন প্রস্তুতে বেশ কিছু প্রতিবন্ধকতা ও জটিলতা দেখা দেয়ায় বিজিএমইএ’র সহযোগিতা চেয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের তুলা রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান কটন ইউএসএ-এর উদ্যোগে মার্কিন তুলা রপ্তানিকারকদের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল। </p>
<p>রাজধানীর উত্তরার বিজিএমইএ কমপ্লেক্সে ৪ নভেম্বর, মঙ্গলবার রাজধানীর উত্তরার বিজিএমইএ কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এই অনুরোধ জানানো হয়।  একই সঙ্গে, বিজিএমইএ ইনোভেশন সেন্টারে মিলগুলোর উৎপাদন বৃদ্ধি ও অপচয় হ্রাসে গবেষণা পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় কারিগরি সহযোগিতা ও জ্ঞান প্রদানের আহ্বান জানানো হয়।</p>
<p>মার্কিন তুলা রপ্তানিকারকদের দাবির প্রেক্ষিতে বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান প্রতিনিধি দলকে লিখিত আকারে তাদের প্রস্তাবনা জানানোর আহ্বান জানান। একইসঙ্গে তিনি প্রতিনিধিদলকে আশ্বস্ত করেন যে, বিজিএমইএ বিষয়টি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে যথাযথভাবে উপস্থাপন করবে, যাতে দ্রুত এই জটিলতাগুলোর নিরসন করা যায়।</p>
<p>বৈঠকে মার্কিন প্রতিনিধিদলে ইকম-এর লি ইন, কারগিল-এর ক্রিস্টা রিকম্যান, এলডিসি-এর ডিয়েগো লোজাদা, ওলাম এগ্রি-এর ওয়েসলি রেন্টজ, ক্যারোলিনা কটন গ্রোয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন-এর ওয়েন বোসম্যান, স্ট্যাপলকটন কো-অপারেটিভ-এর ক্রিস জোন্স এবং কটন কাউন্সিল ইন্টারন্যাশনাল-এর উইল বেটেনডর্ফ ও আলী আরসালান উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খানের নেতৃত্বে বিজিএমইএর পক্ষ থেকে আলোচনায় অংশ নেন সিনিয়র সহ-সভাপতি ইনামুল হক খান ও পরিচালক নাফিস-উদ-দৌলা।</p>
<p>দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বৃদ্ধি, মার্কিন তুলার ব্যবহার সম্প্রসারণ এবং বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানিতে নবঘোষিত শুল্ক সুবিধা কাজে লাগাতে করণীয় নির্ধারণে বৈঠকে সম্প্রতি ঘোষিত মার্কিন নির্বাহী আদেশ, যেখানে পোশাক উৎপাদনে ন্যূনতম ২০% মার্কিন কাঁচামাল ব্যবহার করা হলে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানির ক্ষেত্রে নতুন আরোপিত অতিরিক্ত শুল্ক থেকে আনুপাতিক ছাড় পাওয়ার সুযোগ নিয়েও আলোচনা হয়। </p>
<p>বৈঠকে কটন কাউন্সিল ইন্টারন্যাশনালের প্রতিনিধিরা বলেন, বাংলাদেশের টেক্সটাইল ও পোশাক শিল্প বিশ্ববাজারে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে। অন্যদিকে, মার্কিন তুলা তার টেকসই গুণাবলী, নির্ভরযোগ্যতা এবং উচ্চমানের জন্য সুপরিচিত। আমরা বিশ্বাস করি, মার্কিন তুলা ব্যবহারের মাধ্যমে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানিকারকরা তাদের পণ্যের মান আরও উন্নত করতে পারবে এবং মার্কিন বাজারে শুল্ক সুবিধা কাজে লাগিয়ে নিজেদের ব্যবসা সম্প্রসারিত করতে পারবে। </p>
<p>বৈঠকে বাংলাদেশের বাজারে মার্কিন তুলা সরবরাহ আরও সহজ ও দ্রুত করতে লজিস্টিক ও অবকাঠামো উন্নয়নের উপায় নিয়েও আলোচনা হয়। বিশেষ করে, যুক্তরাষ্ট্র থেকে তুলা আমদানি ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে একটি ওয়্যারহাউজ স্থাপনের সম্ভাবনা নিয়েও মতবিনিময় করা হয়, যা বাস্তবায়িত হলে শিল্পের লিড টাইম কমবে।</p>
<p>উভয় পক্ষ নতুন শুল্কনীতি এবং মার্কিন কাঁচামাল ব্যবহারের পরিমাপ পদ্ধতি সম্পর্কে স্বচ্ছতা ও ট্রেসেবিলিটি নিশ্চিত করতে যৌথভাবে কাজ করতে সম্মত হয়।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>মাটি ও ফসলের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় জৈব সার ব্যবহারে ভর্তুকি ও প্রণোদনা দাবি</title>
<link>https://digibanglatech.news/158877</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158877</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_6902625fce7a4.jpg" length="102937" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 29 Oct 2025 21:54:20 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>মাটি ও ফসলের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় জৈব সার ব্যবহারে কৃষকদের জন্য ভর্তুকি ও প্রণোদনা দাবি করেছেন কৃষি বিশেষজ্ঞ ও নীতি-নির্ধারকেরা। এক্ষেত্রে সরকারের  দ্রুত সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ দেখতে চান তারা।</p>
<p>২৯ অক্টোবর, বুধবার  বিকেলে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে একশনএইড বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বারি) যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত ‘মাটি ও ফসলের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় জৈব সারে ভর্তুকি’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় বক্তারা এ দাবি জানান। অনুষ্ঠানটিতে সহ-আয়োজক হিসেবে ছিলো আরও ২৯টি প্রতিষ্ঠান।</p>
<p>এই দাবির পরিপ্রেক্ষিতে গোলটেবিল আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোহাম্মদ এমদাদ উল্লাহ মিয়ান বলেন, ‘আমরা জৈব সার নিয়ে নতুনভাবে ভাবছি এবং সমন্বিত পদ্ধতিতে কীভাবে বিনিয়োগ করা যায়, তার একটি রোডম্যাপ তৈরির কাজ চলছে।’</p>
<p>তবে খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বাস্তব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা সবার সম্মিলিত দায়িত্ব উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘২০৫০ সাল পর্যন্ত দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ চলছে, যেখানে মন্ত্রণালয়সহ সব অংশীজন বিভাগ ও জেলা পর্যায়ে সমন্বিতভাবে কাজ করার সুযোগ রয়েছে।’</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x_6902626079b63.jpg" alt=""></p>
<p>সচিব জানান, বর্তমানে মোট কৃষি বাজেটের ৭০ শতাংশ ভর্তুকি খাতে ব্যবহৃত হয়, যার প্রায় ৮০ শতাংশই রাসায়নিক সারের জন্য ব্যয় করা হয়। সরকার রাসায়নিক সারের ব্যবহার ৩২-৩৫ শতাংশ হ্রাস এবং জৈব সারের ব্যবহার বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে। তবে অপব্যবহার রোধ ও ভারসাম্য বজায় রাখতে নিবন্ধন ও পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা শক্তিশালী রাখা হবে।</p>
<p>বিশেষজ্ঞদের সুপারিশ ও চ্যালেঞ্জ আলোচনায় প্রতি টন জৈব সারের জন্য ৫ হাজার টাকা প্রণোদনা, বিনিয়োগ বা ভর্তুকি দেওয়ার সুপারিশ করেন বারির সিনিয়র সাইন্টিফিক অফিসার ড. নাজিম উদ্দিন। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে জৈব সারের চাহিদা ৬০-৬৫ লাখ টন। এই সার উৎপাদনের জন্য দেশে ৭৫ শতাংশের বেশি কাঁচামাল রয়েছে। প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হলে শতভাগ চাহিদা পূরণ করা সম্ভব।’</p>
<p>বাংলাদেশ মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট (এসআরডিআই)-এর মহাপরিচালক ড. সামিয়া সুলাতানা গুরুত্বারোপ করে বলেন, ‘মাটির স্বাস্থ্য সুরক্ষায় জৈব সারের কোনো বিকল্প নেই। মাটি ও কৃষিকে বাঁচাতে রাসায়নিক সারের পাশাপাশি জৈব সার উৎপাদন, বিপণন ও ব্যবহারে অধিক গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।’</p>
<p>বক্তারা কৃষিতে যুব ও নারীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে জৈব উপকরণভিত্তিক উদ্যোগগুলোকে উৎসাহিত করার আহ্বান জানান। পাশাপাশি তারা কৃষিবান্ধব পরিবেশ চর্চায় গবেষণা ও উদ্ভাবন জোরদার করা, সচেতনতা ও সম্প্রসারণ সেবা বাড়ানো এবং সরকারি, বেসরকারি ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দৃঢ় সমন্বয় তৈরির ওপর জোর দেন।</p>
<p>একশনএইড বাংলাদেশ-এর কান্ট্রি ডিরেক্টর ফারাহ কবিরের সঞ্চালনায় গোলটেবিল আয়োজনে আরও বক্তব্য দেন বারি’র সাকে মহাপরিচালক ড. শহিদুল ইসলাম, বি-সেইফ ফাউন্ডেশন এর সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম সিদ্দিক রানা, সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড রিসার্চ ইন সায়েন্সেস এর প্রধান বিজ্ঞানী ড. লতিফুল বারী প্রমুখ।</p>
<article class="my-5">
<p>আলোচনায় অন্যান্য বক্তারা বলেন, কৃষিতে যুব ও নারীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে জৈব উপকরণভিত্তিক উদ্যোগগুলোকে উৎসাহিত করতে হবে; কৃষিবান্ধব পরিবেশ চর্চায় গবেষণা ও উদ্ভাবন জোরদার করতে হবে; সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কার্যক্রম ও সম্প্রসারণ সেবা বাড়াতে হবে এবং সরকারি, বেসরকারি ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দৃঢ় সমন্বয় তৈরি করতে হবে।</p>
</article>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>কৃষকদের  কৃষকদের বিমা সুরক্ষা চুক্তিবদ্ধ গার্ডিয়ান  ও এগ্রিভেঞ্চারের</title>
<link>https://digibanglatech.news/158788</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158788</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_68ff8c090ed6c.jpg" length="86139" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 27 Oct 2025 17:10:12 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশের কৃষকদের আর্থিক নিরাপত্তা দেয়ার লক্ষ্যে অ্যাগ্রোফিনটেক স্টার্টআপ এগ্রিভেঞ্চার লিমিটেড চুক্তি করলো প্রযুক্তি বান্ধব বীমা কোম্পানি গার্ডিয়ান লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড। চুক্তির মাধ্যমে এই দুই প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে কৃষকদের জন্য ‘ক্রেডিট শিল্ড ইন্স্যুরেন্স’ সেবা চালু করেছে। এর ফলে, কোন অপ্রত্যাশিত বিপর্যয়ের সময়েও কৃষকদের অতিরিক্ত ঋণের ভার বহন করতে হবে না। পাশাপাশি, কৃষির সাথে আধুনিক প্রযুক্তি ও আর্থিক সুরক্ষার সমন্বয় ঘটিয়ে একটি শক্তিশালী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক কৃষিভিত্তিক ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনাও হাতে নেয়া হয়েছে। </p>
<p>নতুন এ চুক্তি সম্পর্কে এগ্রিভেঞ্চারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাবিব রিদওয়ান বলেন, “প্রযুক্তিই শক্তির মূল উৎস। ডিজিটাল উদ্ভাবন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থায়নের মাধ্যমে আমরা বাংলাদেশের কৃষিকে আরও উৎপাদনশীল এবং শক্তিশালী করে তুলতে পারি। কৃষকদের অন্যতম প্রধান সমস্যা হচ্ছে আর্থিক অনিশ্চয়তা, আর গার্ডিয়ানের সাথে আমাদের অংশীদারিত্ব এই অনিশ্চয়তা দূর করার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখবে।” </p>
<p>অন্যদিকে, গার্ডিয়ান লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ডিএমডি শেখ রকিবুল করিম বলেন, “আমরা বিশ্বাস করি, প্রকৃত উন্নয়ন তখনই সম্ভব যখন সবার জন্য সুরক্ষা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। কৃষকরা আমাদের অর্থনীতির মেরুদণ্ড স্বরূপ। অথচ তারাই সবচেয়ে বেশি আর্থিক ঝুঁকির মধ্যে থাকেন। তাই, এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে আমরা নিশ্চিত করতে চাই, তাদের পরিশ্রম যেন বৃথা না হয়, সেই সাথে ভবিষ্যৎও যেন নিরাপদ ও সুরক্ষিত থাকে।”     </p>
<p>সূত্রমতে, এই চুক্তি অনুষ্ঠানে এগ্রিভেঞ্চারের পক্ষ থেকে এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও এক্সিকিউটিভ চেয়ারম্যান আমিরুল মোস্তফা আরেফিন, পিপল গ্রোথ স্ট্রাটেজির ব্যবস্থাপক অভিজিৎ ঘোষ,  সিনিয়র ইনক্লুসিভ ফাইন্যান্স অ্যান্ড ক্যাপিটাল গ্রোথের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ নাফিজা কানিজ ইরিন উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>গার্ডিয়ান এর পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন ইভিপি ও হেড অব মাইক্রো, ডিজিটাল চ্যানেল এবং এডিসি আব্দুল হালিম, এসএভিপি আসিফ বিন মুজিব, ভিপি নওশাদুল করিম চৌধুরী, এভিপি তানিম বুলবুল এবং বিজনেস রিলেশনশিপ ম্যানেজার শারমিন আক্তার শাওন ও অন্তরা ভট্টাচার্য।</p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>উপকূলে রেইন ওয়াটার হার্ভেস্টিং প্রকল্পে সৌদি সহযোগিতা কামনা</title>
<link>https://digibanglatech.news/158508</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158508</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_68f5012782196.jpg" length="109639" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 19 Oct 2025 17:18:35 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>পরিবেশ উপদেষ্টা বাংলাদেশের জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি মোকাবিলা, দেশে সবুজায়ন, এবং উপকূলীয় লবণাক্ত অঞ্চলের স্থানীয় জনগণের জন্য রেইন ওয়াটার হার্ভেস্টিং-এর মাধ্যমে সুপেয় পানি সরবরাহ বিষয়ক উদ্যোগে সৌদি সরকারের সহযোগিতা কামনা করেছে অন্তর্বর্তী সরকার।</p>
<p>১৯ অক্টোবর, রবিবার বাংলাদেশে নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ড. আবদুল্লাহ জায়াফের এইচ. বিন আবিয়াহ সচিবালয়ে সৌজন্য সাক্ষাতে এলে এই সহযোগিতা চান পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।</p>
<p>সাক্ষাৎকালে তিনি বলেন, বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাতে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর একটি। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।</p>
<p>সৌদি রাষ্ট্রদূত ড. আবদুল্লাহ জায়াফের এইচ. বিন আবিয়াহ আসন্ন ইসলামিক কনফারেন্সের ৫ম সেশনে পরিবেশ উপদেষ্টার অংশগ্রহণের আহ্বান জানান এবং বাংলাদেশের পরিবেশ সংরক্ষণ ও জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধিতে সৌদি সরকারের সম্ভাব্য সহযোগিতা এবং পারস্পরিক সম্পর্ক আরও জোরদারের আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি দুই দেশের মধ্যে পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও পানি ব্যবস্থাপনা খাতে যৌথ উদ্যোগের সম্ভাবনা নিয়েও মতবিনিময় করেন।</p>
<p>পরে পরিবেশ ও পানি সম্পদ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ রাবার বোর্ডের উন্নয়ন ও সার্বিক কার্যক্রম পর্যালোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন। সভায় তিনি রাবার শিল্পের টেকসই উন্নয়নে পরিবেশবান্ধব পদ্ধতি অনুসরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং গবেষণা, রপ্তানি সুযোগ বৃদ্ধি ও নীতিগত সহায়তার বিষয়ে দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।</p>
<p>এসময় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ, অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) মো. খায়রুল হাসান, যুগ্মসচিব (আইন) শাহানারা ইয়াসমিন লিলিসহ মন্ত্রণালয় ও রাবার বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p><br><br></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>সার্ক কৃষি কেন্দ্রের প্রকল্পে ক্ষুদ্র কৃষকের জীবিকায় নতুন দিগন্ত</title>
<link>https://digibanglatech.news/158439</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158439</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_68f27b3feedce.jpg" length="129701" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 17 Oct 2025 15:22:22 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বগুড়ার পল্লীউন্নয়ন একাডেমি (আরডিএ)-তে শুক্রবার (১৭ অক্টোবর ২০২৫) দুই দিনব্যাপী এক কর্মশালার মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে সার্ক কৃষি কেন্দ্র (এসএসি) বাস্তবায়িত প্রকল্প “ক্ষুদ্র কৃষকদের জীবিকা উন্নয়ন: মূল্য শৃঙ্খল উন্নয়নের মাধ্যমে ক্ষুদ্র কৃষিভিত্তিক ব্যবসা সম্প্রসারণ”।</p>
<p> সার্ক ডেভেলপমেন্ট ফান্ড (এসডিএফ)-এর অর্থায়নে এই প্রকল্পটি বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, মালদ্বীপ ও শ্রীলঙ্কা এই পাঁচটি সদস্য দেশে বাস্তবায়িত হয়। এর মূল লক্ষ্য ছিল ক্ষুদ্র কৃষকদের আয় বৃদ্ধি, মূল্য সংযোজিত কৃষিপণ্য উন্নয়ন এবং টেকসই জীবিকা নিশ্চিত করা।</p>
<p>প্রকল্পের আওতায় কাঁঠাল ও ক্যাসাভা চিপস, গাজর ও মূলার আচার, আদা গুড়া, মোরিঙ্গা-ভিত্তিক পণ্য ও ভার্জিন নারকেল তেলের মতো বহু উদ্ভাবনী পণ্য তৈরি করা হয়, যা কৃষিপণ্যের অপচয় রোধ ও আয় বৃদ্ধিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে। প্রকল্পের বাস্তবায়ন সহযোগী ছিল বাংলাদেশে আরডিএ, ভুটানে কৃষি বিপণন ও সমবায় বিভাগ, ভারতে এম.এস. স্বামীনাথন রিসার্চ ফাউন্ডেশন, মালদ্বীপে কৃষি ও প্রাণী কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং শ্রীলঙ্কায় কৃষি বিভাগ।</p>
<p>উদ্বোধনী অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন সার্ক কৃষি কেন্দ্রের পরিচালক ড. হারুনূর রশিদ। তিনি তাঁর বক্তব্যে প্রকল্পের উদ্দেশ্য, ছয় বছরের অর্জন ও চ্যালেঞ্জ তুলে ধরে বলেন, “এই প্রকল্প ক্ষুদ্র কৃষকদের আয় ও উদ্যোক্তা সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।”</p>
<p>অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ড. এ. কে. এম. ওয়ালি উল্লাহ, মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব), আরডিএ, বলেন, “প্রকল্পটি জাতীয় নীতিমালা শক্তিশালীকরণ, নারী উদ্যোক্তা উন্নয়ন ও সার্ক দেশগুলোর কৃষিভিত্তিক মূল্য শৃঙ্খল উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছে।”</p>
<p>বিশেষ অতিথি তানভির আহমেদ তরফদার, পরিচালক (এআরডি ও এসডিএফ), সার্ক সচিবালয়, প্রকল্পের সাফল্যের প্রশংসা করে বলেন, “আঞ্চলিক প্রতিষ্ঠান ও জাতীয় সরকারের মধ্যে সমন্বয় জোরদার করা এখন সময়ের দাবি।”</p>
<p>সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সার্ক ডেভেলপমেন্ট ফান্ডের (এসডিএফ) অফিসার ইন চার্জ ওয়াসিম শাহজাদ। তিনি সার্ক কৃষি কেন্দ্র ও অংশীদারদের প্রশংসা করে বলেন, “এই প্রকল্পের সাফল্য দক্ষিণ এশিয়ার গ্রামীণ উন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদি পরিবর্তনের সূচনা করেছে।” এছাড়া শবনম শিবাকোটি, সদস্য, এসএসি গভর্নিং বোর্ড ও যুগ্মসচিব, নেপাল কৃষি ও প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রণালয়, টেকসই মূল্য সংযোজিত কৃষি ব্যবসার জন্য আঞ্চলিক সহযোগিতা ও নীতিগত সামঞ্জস্যের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।</p>
<p>প্রকল্পের সমন্বয়ক ড. মো. ইউনুস আলী উদ্বোধনী বক্তব্যে প্রকল্পের অর্জন ও চ্যালেঞ্জ তুলে ধরেন এবং আঞ্চলিক অংশীদারিত্ব জোরদারের আহ্বান জানান। ড. নওশের আলী সারদার, প্রকল্প সম্পন্ন প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন, যেখানে কৃষকের আয় বৃদ্ধি, ফসল পরবর্তী ব্যবস্থাপনা ও প্রযুক্তি গ্রহণে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির বিষয়গুলো উঠে আসে। <br><br></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>মৎস্য উৎপাদন ও রফতানি বাড়াতে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়&#45;বিএসএফএফ চুক্তি সই</title>
<link>https://digibanglatech.news/158323</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158323</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_68edfcf5acfe8.jpg" length="135181" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 14 Oct 2025 10:34:33 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>প্রযুক্তি প্রয়োগ করে বাংলাদেশেও উন্নতমানের মাছ উৎপাদন ও রফতানিতে একটি গবেষণা প্রকল্প হাতে নিয়েছে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়। এ লক্ষ্যে ১৩ অক্টোবর, সোমবার বাংলাদেশ শ্রিম্প অ্যান্ড ফিস ফাউন্ডেশন (বিএসএফএফ) একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে। গবেষণা থেকে বাজারজাত উদ্যোগের অংশ হিসেবে এই চুক্তিটি হয়েছে। </p>
<p>বাংলাদেশ সচিবালয়ের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সচিব মো: আনোয়ার হোসেনের উপস্থিতিতে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের পক্ষে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব বায়োটেকনোলজি (এনআইবি) এর মহাপরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ ছগীর আহমেদ এবং বাংলাদেশ শ্রিম্প অ্যান্ড ফিস ফাউন্ডেশনের পক্ষে সংস্থাটির চেয়ারম্যান সৈয়দ মাহমুদুল হক চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এসময় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিএসএফএফএর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। </p>
<p>১৪ অক্টোবর, মঙ্গলবার মন্ত্রণালয় সূত্রে প্রকাশ, এই সমঝোতা স্মারক বাস্তবায়নের মাধ্যমে এনআইবির বিদ্যমান সুযোগ-সুবিধা ও প্রযুক্তিগত সহায়তায় বাংলাদেশে শ্রিম্প অ্যাকুয়াকালচার, হাইব্রিড মাছসহ রপ্তানিমুখী বিভিন্ন প্রজাতির মাছ উৎপাদন এগিয়ে নেওয়ার জন্য কাজ করতে হবে। সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড ও মালয়েশিয়ার মতো দেশগুলোতে উন্নত প্রযুক্তিতে তেলাপিয়াসহ প্রোটিন ও পুষ্টি সম্পন্ন অন্যান্য মাছ চাষের মাধ্যমে কম দামে পুষ্টিসম্পন্ন ও আন্তর্জাতিক মানের মাছ উৎপাদন করা হয়। একই পদ্ধতি ও তাদের প্রযুক্তি প্রয়োগ করে বাংলাদেশেও উন্নতমানের মাছ উৎপাদন ও রপ্তানি করার পথ উন্মুক্ত হবে।</p>
<p>মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় ও যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে প্রযুক্তি ও অংশীদারিত্ব ও সম্পদের অংশীদারিত্ব ভাগাভাগির মাধ্যমে দেশকে উন্নয়নের পথে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যেই এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।</p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>আইএফএডি&#45; কে প্রযুক্তিগত সহায়তায় সামাজিক ব্যবসা তহবিল গঠনের আহ্বান</title>
<link>https://digibanglatech.news/158284</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158284</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_68ec94d2bdcff.jpg" length="110330" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 13 Oct 2025 08:56:56 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশের তরুণ কৃষি-উদ্যোক্তা, নারী, কৃষক এবং খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকারীদের সহায়তার লক্ষ্যে একটি ‘সামাজিক ব্যবসা তহবিল’ গঠনের জন্য আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিল গঠনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।</p>
<p>ফোরাম)-এর সাইডলাইনে আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিলের (আইএফএডি) প্রেসিডেন্ট আলভারো লারিওর সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি এই প্রস্তাব দেন।</p>
<p>অধ্যাপক ইউনূস বলেন, “এ ধরনের একটি তহবিল দরিদ্র জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবাসহ বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা সমাধানে ভূমিকা রাখবে এবং তরুণ, কৃষক, নারী ও মৎস্যখাতের সঙ্গে জড়িতদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে সহায়তা করবে।”</p>
<p>বৈঠকে দুই নেতা বাংলাদেশের গভীর সমুদ্র মৎস্য আহরণ শিল্প চালু করা, আম ও কাঁঠালের রপ্তানি বৃদ্ধি, জলবায়ু সহনশীল কৃষি উদ্যোক্তা তৈরি এবং মহিষের দুধ থেকে মোজারেলা চিজসহ দুগ্ধজাত পণ্য উৎপাদনে খামারিদের সহায়তা– এসব কৌশলগত বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।</p>
<p>প্রধান উপদেষ্টা আইএফএডি প্রেসিডেন্টকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান এবং কৃষি, সামাজিক ব্যবসা ও প্রযুক্তি খাতে সহযোগিতার সম্ভাবনা যাচাইয়ে একটি প্রতিনিধি দল পাঠানোর আহ্বান জানান।</p>
<p>আইএফএডি প্রেসিডেন্ট আলভারো লারিও বলেন, সংস্থাটি বাংলাদেশে সামাজিক ব্যবসা উদ্যোগে অংশীদার হতে এবং বেসরকারি খাতের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদারে আগ্রহী। তিনি জানান, বর্তমানে আইএফএডি অর্ধ ডজনেরও বেশি কৃষি প্রকল্পে অর্থায়ন করছে।</p>
<p>ড. ইউনূস ফল প্রক্রিয়াজাতকরণ, কোল্ড স্টোরেজ, গুদামজাতকরণ এবং আম-কাঁঠালের মতো গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ফলের রপ্তানি সম্প্রসারণে প্রযুক্তিগত সহায়তা ও বিনিয়োগের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।</p>
<p>তিনি বলেন, “আমরা ইতোমধ্যে আম রপ্তানি শুরু করেছি, তবে পরিমাণ এখনো সীমিত। চীন বাংলাদেশ থেকে বিপুল পরিমাণে আম ও কাঁঠাল আমদানিতে আগ্রহ দেখিয়েছে।”</p>
<p>বঙ্গোপসাগরের গভীর সমুদ্র মৎস্য আহরণের অনাবিষ্কৃত সম্ভাবনা উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “বিনিয়োগ ও প্রযুক্তিগত জ্ঞানের ঘাটতির কারণে বেশিরভাগ জেলে এখনো অগভীর পানিতে মাছ ধরেন। আমরা এখনো গভীর সমুদ্রে যেতে সাহস পাই না। আইএফএডি অর্থায়ন ও প্রযুক্তিগত সহায়তার মাধ্যমে এই খাতে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি সম্ভব।</p>
<p>প্রসঙ্গত, ১৯৭৮ সালে বাংলাদেশে কার্যক্রম শুরুর পর থেকে ইফাদ ৩৭টি প্রকল্পে অংশীদার হয়েছে, যার সম্মিলিত মূল্য ৪.২৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এর মধ্যে ১.১৩ বিলিয়ন ডলার সরাসরি আইএফএডি অর্থায়িত। বর্তমানে বাংলাদেশে ৪১২ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের ছয়টি প্রকল্প চলছে, আরও একটি প্রকল্প পাইপলাইনে রয়েছে।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ঠাকুরগাঁওয়ে সারের জন্য মানববন্ধন</title>
<link>https://digibanglatech.news/158282</link>
<guid>https://digibanglatech.news/158282</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202510/image_870x580_68ec62bf3b6b8.jpg" length="132303" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 12 Oct 2025 19:24:17 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>২০২৩ সালে জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয় বিসিআইসি ডিলারদের বরাদ্দ করা সারের মধ্য ৬০ ভাগ খুচরা ব্যবসায়ীদের দিতে হবে। এটি বাস্তাবায়ন হলে সারের সংকট থাকবে না। কৃষকরা তাদের সুবিধামতো সার খুচরা বিক্রেতাদের কাছ থেকে কিনতে পারবে। </p>
<p>সেই প্রজ্ঞাপন বাস্তবায়নের দাবিতে ১২ অক্টোবর, রবিবার দুপুরে ঠাকুরগাঁও জেলার বালিয়াডাঙ্গীতে <span>খুচরা সার বিক্রেতা আইডি কার্ডধারীদের সার দেওয়ার দাবিতে </span>মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন স্থানীয় কৃষক ও খুচরা ব্যবসায়ীরা। </p>
<p>উপজেলা সার বিক্রেতা অ্যাসোসিয়েশনের ব্যানারে বালিয়াডাঙ্গী চৌরাস্তায় ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচি চলাকালে ডিলার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার সভাপতি সাবুল ইসলামসহ বক্তারা অভিযোগ করেন, চলতি মৌসুমে আলু, গম ভুট্টাসহ নানা রকম ফসল উৎপাদন করবে কৃষকরা। কৃষকের প্রয়োজন মতো খোলা বাজার থেকে সার ক্রয় করতো। কিন্তু বর্তমানে খোলা বাজারে তীব্র সার সংকটের কারণে এমন অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।  </p>
<p>এমন পরিস্থিতিতে প্রশাসনের সিদ্ধান্তে খুচরা ব্যবসায়ী পর্যায়ে পর্যাপ্ত সার বরাদ্দের দাবি পূরণ না হলে অবিলম্বে তা কার্যকর না হলে ইউএনও-কৃষি অফিস ঘেরাওয়ের ঘোষণা দেন বক্তারা।</p>
<p>বক্তারা বলেন, খুচরা সার বিক্রেতার মাধ্যমে সার প্রদান করলে প্রকৃত কৃষকদের কোন রকম হয়রানি হতে হবে না। অবিলম্বে সরকারের প্রতি খুচরা সার বিক্রেতা আইডি কার্ডধারীদের সার দেওয়ার দাবি জানান। </p>
<p>মানববন্ধনে অন্যান্যের মাঝে বক্তব্য রাখেন, খুচরা সার বিক্রেতা ইয়াকুব আলী, মিজানুর রহমান, মিস্টার, নাসিরুল, কৃষক সাদেকুল। মানববন্ধন কর্মসূচিতে সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন, সাংবাদিক হারুন অর রশিদ, সাংবাদিক হাসান আলী।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>দক্ষিণ কোরিয়ায় জলবায়ু&#45;সহনশীল কৃষি নিয়ে বক্তব্য রাখলেন বাকৃবি উপাচার্য</title>
<link>https://digibanglatech.news/157844</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157844</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202509/image_870x580_68d8924ae35e8.jpg" length="122168" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 28 Sep 2025 00:01:57 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>দক্ষিণ কোরিয়ায় গ্লোবাল হাই-টেক ক্লাইমেট-স্মার্ট এগ্রিকালচারাল ইউনিভার্সিটি নেটওয়ার্ক (জিএইচএএন) বিষয়ক আন্তর্জাতিক কর্মশালায় অংশগ্রহণ করছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া। </p>
<p>এছাড়াও বাকৃবির ফোকাল পয়েন্ট অধ্যাপক ড. মো. শামসুল আলম ভূঁইয়া এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মুজিবুর রহমানও এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করছেন।</p>
<p> বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ ও প্রকাশনা দফতরের এক প্রেস রিলিজে  বিষয়টি জানানো হয়। তিনদিনব্যাপী এই কর্মশালা শেষ হয় ২৭ সেপ্টেম্বর, শনিবার।</p>
<p>এতে বলা হয়, জিএইচএএন রাউন্ডটেবিল প্যানেল আলোচনা পর্বে অধ্যাপক ড. ভূঁইয়া দক্ষিণ এশিয়া আঞ্চলিক হাবের জন্য বাকৃবির প্রার্থী হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণায় উচ্চ-প্রযুক্তি ও টেকসই কৃষির প্রচার এবং জলবায়ু-সহনশীল কৃষি বিষয়ক বিষয়গুলোর উপর আলোকপাত করে বক্তব্য রাখেন।</p>
<p>প্রসঙ্গত, জিএইচএএন হলো কৃষিক্ষেত্রে উন্নত প্রযুক্তি ও জলবায়ু-বান্ধব পদ্ধতির একটি শিক্ষামূলক ও গবেষণামূলক প্ল্যাটফর্ম যা জলবায়ু-বান্ধব, টেকসই কৃষি উন্নয়নে সহায়ক ভূমিকা পালন করে আসছে।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>আইইবিতে রাইস ব্রাণ শিল্পের সম্ভাবনা ও কৌশল নিয়ে আলোচনা</title>
<link>https://digibanglatech.news/157831</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157831</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202509/image_870x580_68d803f8818c7.jpg" length="66855" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 27 Sep 2025 19:33:57 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>অভ্যন্তরীণ ও বৈশ্বিক বাজার চাহিদার নিরিখে বাংলাদেশে ধানের কুঁড়া থেকে উৎপাদিত ভোজ্য তেলের যোগান সহজলভ্য করার বিষয়ে সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন খাত সংশ্লিষ্টরা। ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি) এর কৃষিকৌশল বিভাগরে উদ্যোগে ২৭ সেপ্টম্বর, শনিবার বিকেলে রাজধানী রমনার আইইবি সদর দফতরের শহীদ প্রকৌশলী ভবনের কাউন্সিল অনুষ্ঠিত Rice Bran Oil- Potentiality in Bangladesh শীর্ষক সেমিনারে এই দাবি জানানো হয়।  </p>
<p>এই দাবি শুনে সেমিনারে প্রধান অতিথি কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের (ডিএই) মহাপরিচালক কৃষিবিদ মো. সাইফুল আলম বলেন, “ধান আমাদের প্রধান খাদ্যশস্য। এর ভুসি থেকে উৎপাদিত তেলের সম্ভাবনা কাজে লাগাতে পারলে কৃষি ও শিল্প দুই খাতই উপকৃত হবে। সরকার কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে, জরপব ইৎধহ ঙরষ উৎপাদনকে এগিয়ে নিতে নীতি সহায়তা অব্যাহত থাকবে। এছাড়া কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে কৃষি প্রকৌশলীদের জন্য একটি কৃষি প্রকৌশল উইং বাস্তবায়নের কাজ চলমান যা খাদ্য প্রক্রিয়াজাত ও যান্ত্রিকীকরণে সহায়তা বৃদ্ধি করবে।” আমরা কৃষিতে টেকসই উৎপাদন ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারলে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ কৃষিতে সয়ংসম্পূর্ণ হবে আশা করছি। </p>
<p>সেমিনারে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আইইবি‘র ভাইস-প্রেসিডেন্ট (এইচআরডি) প্রকৌশলী শেখ আল আমিন বলেন, ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি) প্রকৌশলীদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি জন্য কাজ করে থাকেন। রাচই ব্যান্ড তেল মানব দেহের জন্য ভালো হওয়ার পরও আমরা গ্রহণ না করে বিদেশে রপ্তানি করছি আর বিদেশ থেকে আমদানি করছি ক্ষতিকর তেলগুলো। রাচই ব্যান্ড তেলের উৎপাদন বৃদ্ধি ও সহজলভ্য করার জন্য আজকের সেমিনার থেকে প্রাপ্ত সুপারিশমালা স্ব স্ব সংস্থা, মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করা হবে। </p>
<p>অপর ‍বিশেষ অতিথি বাংলাদেশ ইডিবল ওয়েল লিমিটেডের মহাব্যবস্থাপক (কিউএ এন্ড ইএমএস) মো. ইমতিয়াজ মাসুদ বলেছেন, বর্তমানে উৎপাদনকৃত রাইচ ব্যান্ড তেলের ৯০ শতাংশ ভারতে রপ্তানি করা হচ্ছে। রাইচ ব্যান্ড তেলের চাহিদা বাংলাদেশের বাজারে কম থাকায় বাহিরে রপ্তানি করা হচ্ছে। অন্য তেলের তুলনায় রাইচ ব্যান্ড তেলের দামি কিছু বেশি হওয়ায় সকলেই গ্রহণ করতে সক্ষম হচ্ছেন না। রাচই ব্যান্ড তেল সহজলভ্য করতে হলে সরকারের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। রাইচ ব্যান্ড তেলের মিলগুলো অটোমেশন করা হলে উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি দামও কমে আসবে। রাইচ ব্যান্ড তেলের উৎপাদন বৃদ্ধি ও সহজলভ্য করার জন্য তিনি সরকারের সহযোগিতা কামনা করেন।</p>
<p>স্বাগত বক্তব্যে, খান, আইইবি সম্মানী সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী মো. সাব্বির মোস্তফা বলেন, বাংলাদেশ কৃষি প্রধান দেশ হওয়ায় কৃষিবিদদের ভূমিকা অপরিসীম। আজকের সেমিনারের বিষয়বস্তু বর্তমান সময়োপযোগী। আজকের সেমিনার হতে প্রাপ্ত সুপারিশমালা বাস্তবায়নের জন্য স্ব স্ব সংস্থা, মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। </p>
<p>সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন গাজীপুরের বিআরআরআই পরিচালক (এডমিন ও সিএস) (পিআরএল) ড. মো. আনোয়ারুল হক। তিনি বলেন, “ব্রি দীর্ঘদিন ধরে ধানের ভুসি নিয়ে গবেষণা করছে। সঠিক সময়ে ভুসি সংগ্রহ ও আধুনিক প্রক্রিয়াজাত প্রযুক্তি ব্যবহার করলে সর্বোচ্চ মানের তেল উৎপাদন সম্ভব। এজন্য সরকার, গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও বেসরকারি খাতকে যৌথভাবে কাজ করতে হবে।”</p>
<p>আইইবি কৃষিকৌশল বিভাগের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী গোলাম মাওলার  সভাপতিত্ব সেমিনারে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ভাইস-চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মোহাম্মদ সরোয়ার মাওলা। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন আইইবি কৃষিকৌশল বিভাগের সম্পাদক প্রকৌশলী মোঃ বেলাল সিদ্দিকী।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>আইএফপিআরআই ও সার্ক কৃষি কেন্দ্রের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর</title>
<link>https://digibanglatech.news/157766</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157766</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202509/image_870x580_68d524589d4f2.jpg" length="78116" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 25 Sep 2025 15:15:52 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে আন্তর্জাতিক খাদ্যনীতি গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইএফপিআরআই) এবং সার্ক কৃষি কেন্দ্র (এসএসি)-এর মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থার (সার্ক) মহাসচিব রাষ্ট্রদূত মো. গোলাম সারোয়ার প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এবং আইএফপিআরআই মহাপরিচালক ড. জোহান সুইনেন বিশেষ অতিথি হিসেবে যোগ দেন।</p>
<p>অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সার্ক কৃষি কেন্দ্রের পরিচালক ড. মো. হারুনূর রশিদ, আইএফপিআরআই দক্ষিণ এশিয়া অফিসের পরিচালক ড. শহীদুর রশিদ (নয়াদিল্লি), আইএফপিআরআই-এর সিনিয়র পরিচালক ড. পূর্ণিমা মেনন (ওয়াশিংটন) এবং আইএফপিআরআই-এর ব্যবসা উন্নয়ন ও বহিঃসম্পর্ক পরিচালক ড. টেউনিস ভ্যান রিনেন (ওয়াশিংটন)।</p>
<p>এই সহযোগিতা কৃষি গবেষণা, সম্প্রসারণ সেবা, পুষ্টি ও নীতিনির্ধারণসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে সমন্বয় জোরদার করার লক্ষ্যে গৃহীত হয়েছে। সার্ক মহাসচিব রাষ্ট্রদূত মো. গোলাম সারোয়ার বলেন, সার্ক কৃষি কেন্দ্র ও আইএফপিআরআই-এর এ সমঝোতা স্মারক আঞ্চলিক সহযোগিতা শক্তিশালী করতে বিশেষ ভূমিকা রাখবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, এ ধরনের অংশীদারিত্ব কৃষি ও সংশ্লিষ্ট খাতে প্রযুক্তি উন্নয়ন এবং কার্যকর সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।</p>
<p>আইএফপিআরআই মহাপরিচালক ড. সুইনেন বলেন, জ্ঞান আহরণ ও ব্যবস্থাপনা, কৃষি বাণিজ্য, নীতি উদ্ভাবন এবং সক্ষমতা উন্নয়নের ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও বৃদ্ধি পাবে।শেষে, খাদ্যনিরাপদ, সহনশীল ও সমৃদ্ধ দক্ষিণ এশিয়া গড়ে তোলার লক্ষ্যে যৌথ প্রতিশ্রুতির মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটির সমাপ্তি ঘটে।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বাংলাদেশে জলবায়ু&#45;সহনশীল কৃষিতে সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত অস্ট্রেলিয়ার</title>
<link>https://digibanglatech.news/157733</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157733</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202509/image_870x580_68d3fcf0325a4.jpg" length="108776" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 24 Sep 2025 16:14:53 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="alignfull">বাংলাদেশে কৃষি উৎপাদনশীলতা ও জলবায়ু সহনশীলতা বাড়াতে নিজেদের প্রতিশ্রুতির কথা পুনর্ব্যক্ত করেছে অস্ট্রেলিয়া। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ঝুঁকিপূর্ণ উপকূলীয় অঞ্চলে টেকসই কৃষি-খাদ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর জোর দিচ্ছে দেশটি।</p>
<p class="alignfull">বাংলাদেশে নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার ডেপুটি হাইকমিশনার ক্লিনটন পোবকে এ সপ্তাহে ঢাকায় অনুষ্ঠিত জলবায়ু-সহনশীল ও টেকসই কৃষি-খাদ্য ব্যবস্থার উন্নয়নের ওপর এক কর্মশালায় অংশ নিয়ে এই আশ্বাস দেন। ২৪ সেপ্টেম্বর, বুধবার ঢাকার অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।</p>
<div class="viewport jw_article_body">
<p class="alignfull">অনুষ্ঠানে পোবকে বলেন, পরিবেশের ক্ষয়ক্ষতি রোধ ও কৃষিতে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় বাংলাদেশের সঙ্গে ধারাবাহিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে অস্ট্রেলিয়া।</p>
<div class="BT_inner_A1_C2 aligncenter w100p pt10 pb10">
<div class="300adWnC">কর্মশালায় অস্ট্রেলিয়ান সেন্টার ফর ইন্টারন্যাশনাল এগ্রিকালচারাল রিসার্চের (এসিআইএআর) অর্থায়নে পরিচালিত বিভিন্ন প্রকল্পের অবদানের ওপর আলোকপাত করা হয়।</div>
</div>
<p class="alignfull">কমনওয়েলথ সায়েন্টিফিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিসার্চ অর্গানাইজেশনের (সিএসআইআরও) সহযোগিতায় এসব প্রকল্পের মাধ্যমে জলবায়ু সহনশীল শস্য উৎপাদন ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং বাংলাদেশের লবণাক্ত উপকূলীয় অঞ্চলে টেকসই কৃষি পদ্ধতি প্রসারে গবেষণা চালানো হচ্ছে।</p>
<div class="BT_inner_A1_C3 aligncenter w100p pt10 pb10">
<div class="300adWnC">এই প্রকল্পগুলো স্থানীয় কৃষকদের জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে কৃষি উৎপাদন বাড়াতে এবং দীর্ঘমেয়াদি খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে সহায়তার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে। এই উদ্যোগগুলো বাংলাদেশের কৃষি খাত শক্তিশালী করা এবং বৈশ্বিক জলবায়ু কর্মসূচিতে অবদান রাখতে অস্ট্রেলিয়ার বৃহত্তর প্রচেষ্টার অংশ।</div>
</div>
</div>
<div class="btGoogleNews"></div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>সার্ক কৃষি কেন্দ্রের আধুনিক ফসল প্রযুক্তি বিষয়ক আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ শুরু</title>
<link>https://digibanglatech.news/157659</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157659</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202509/image_870x580_68d13307291d6.jpg" length="115603" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 22 Sep 2025 17:29:52 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>সার্ক কৃষি কেন্দ্র আয়োজিত চার দিনব্যাপী আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি “ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার ও বীজের জেনেটিক বিশুদ্ধতা”  ২২ সেপ্টেম্বর, সোমবার ভার্চুয়ালি উদ্বোধন করা হয়েছে। এতে সার্কভুক্ত দেশগুলোর শীর্ষস্থানীয় কৃষি বিজ্ঞানী, বিশেষজ্ঞ ও নীতিনির্ধারকেরা অংশ নিচ্ছেন। তারা আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি এবং টেকসই খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কৌশল নিয়ে আলোচনা করবেন।</p>
<p>প্রশিক্ষণের লক্ষ্য হলো আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদার করা, জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময় করা এবং উদ্ভাবনী কৃষি প্রযুক্তি গ্রহণে উৎসাহিত করা, যাতে সার্কভুক্ত দেশগুলো খাদ্য নিরাপত্তা ও টেকসই কৃষি উন্নয়নে আরও এগিয়ে যেতে পারে।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202509/image_870x_68d1332040e72.jpg" alt=""></p>
<p>কর্মসূচির উদ্বোধনী বক্তব্যে সার্ক কৃষি কেন্দ্রের সিনিয়র প্রোগ্রাম স্পেশালিস্ট (ফসল) ড. সিকান্দার খান প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্য তুলে ধরেন। এ সময় “আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি: ধারণা, গুরুত্ব ও দক্ষিণ এশিয়ায় প্রাপ্যতা” শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন মেক্সিকোর আন্তর্জাতিক ভুট্টা ও গম উন্নয়ন কেন্দ্র (সিমিট)-এর প্রধান বিজ্ঞানী ড. ভেলু গোবিন্দন।</p>
<p>বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সার্ক সচিবালয়ের (নেপাল) পরিচালক (এআরডি অ্যান্ড এসডিএফ) তানভীর আহমেদ তরফদার। তিনি বলেন, বিশ্বের জনসংখ্যা দ্রুত বাড়ছে, ফলে আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহারের আর বিকল্প নেই। তিনি বীজের জেনেটিক বিশুদ্ধতা, পানির টেকসই ব্যবহার এবং আধুনিক প্রযুক্তি গ্রহণের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। </p>
<p>প্রধান অতিথি কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (পিপিসি) ড. মো. মাহমুদুর রহমান বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার কৃষি বর্তমানে মাটির অবক্ষয় ও জলবায়ুজনিত দুর্যোগের চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ আধুনিক ফসল উন্নয়ন প্রযুক্তি ও মানসম্মত বীজ ব্যবহারে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। এ ক্ষেত্রে ব্রি, বারি, বিনা এবং অন্যান্য কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের অবদান বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। তিনি আরও বলেন, কৃষিক্ষেত্রে অগ্রগতি অবশ্যই টেকসই হতে হবে এবং এজন্য নির্ভুল কৃষি (প্রিসিশন এগ্রিকালচার) ও আধুনিক গবেষণাকে গুরুত্ব দিতে হবে।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>আড়াই লাখ টাকার কৃষি ঋণে লাগবে না সিআইবি চার্জ</title>
<link>https://digibanglatech.news/157471</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157471</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202507/image_870x580_6889b1a58162c.jpg" length="79246" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 15 Sep 2025 18:38:35 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="alignfull">বাংলাদেশ ব্যাংক ঘোষণা করেছে, কৃষি ও পল্লিঋণের ক্ষেত্রে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণে কোনও ধরনের ক্রেডিট ইনফরমেশন ব্যুরো (সিআইবি) চার্জ আর নেওয়া হবে না। অর্থাৎ, ব্যাংক ও নেটওয়ার্কের নিজস্ব ব্যবস্থায় কৃষি ঋণ প্রদানের সময় গ্রাহককে সিআইবি রিপোর্টের ফি দিতে হবে না।</p>
<p class="alignfull">১৫ সেপ্টেম্বর, সোমবার কৃষিঋণ বিভাগের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংক এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, আগে ব্যাংকগুলোকে চার্জ মওকুফের সুযোগ দেওয়া হলেও কিছু প্রতিষ্ঠান তা ঠিকমতো অনুসরণ করেনি। পরে কৃষিঋণ ঘোষণার পর কিছু ব্যাংক চার্জ আদায়ের জন্য আবেদন করলেও, নতুন প্রজ্ঞাপনে আগের সিদ্ধান্তকে বহাল রেখে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, ২ লাখ ৫০ হাজার টাকার নিচে কৃষি ঋণে শুধু নির্ধারিত সুদ ছাড়া আর কোনও চার্জ, প্রসেসিং ফি বা মনিটরিং ফি নেওয়া যাবে না।</p>
<div class="viewport jw_article_body">
<p class="alignfull">বাংলাদেশ ব্যাংকের সিদ্ধান্তের মূল উদ্দেশ্য হলো কৃষকদের ঋণপ্রাপ্তি আরও সহজ ও সুবিধাজনক করা।</p>
<p class="alignfull">উল্লেখ্য, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক কৃষি ও পল্লি খাতে ৩৯ হাজার কোটি টাকা ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। এর মধ্যে নিজস্ব নেটওয়ার্কের মাধ্যমে বিতরণ করা যেকোনও ঋণের জন্য সিআইবি রিপোর্ট বাধ্যতামূলক হলেও, ২ লাখ ৫০ হাজার টাকার নিচে ঋণে চার্জ মওকুফ থাকবে।</p>
</div>
<div class="btGoogleNews"></div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>দেশজুড়ে কৃষিবিদ ঐক্য পরিষদের ‘এগ্রি ব্লকেড’</title>
<link>https://digibanglatech.news/157021</link>
<guid>https://digibanglatech.news/157021</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202508/image_870x580_68b3b567dbcc0.jpg" length="81125" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 31 Aug 2025 08:38:00 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ডিপ্লোমাধারীদের ‘অযৌক্তিক’ দাবির বিরুদ্ধে এবং নিজেদের প্রস্তাবিত ৩ দফা দাবি বাস্তবায়নের লক্ষে ৩১ আগষ্ট, রবিবার দেশজুড়ে ‘এগ্রি ব্লকেড’ পালন করতে যাচ্ছে কৃষিবিদ ঐক্য পরিষদ। কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর পাশাপাশি প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও এই কর্মসূচি পালিত হবে বলে জানাগেছে। সংগঠনটির ফেসবুক গ্রুপে ঘোষিত ধর্মঘট অনুযায়ী বিকাল ৪ টায় আগারগাঁওয়ে ‘এগ্রি ব্লকেড’ কর্মসূচি পালন করবেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।</p>
<p>এছাড়াও দেশের দেশের বিভিন্ন স্থানে একেক সময়ে এই ব্লকেড কর্মসূচি পালিত হবে।</p>
<p>সবার আগে সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে ব্লকেড কর্মসূচি পালন করবে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা। ১১টা ৩০ মিনিটে ঢাকা-পটুয়াখালী মহাসড়কে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা,<span>বিকাল ৩টায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেইন গেট অর্থাৎ শহীদ মীর মুগ্ধ তোরণে, </span>জুলাই-৩৬ গেটের সামনে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এবং বিকাল ৪ টায় হাজি দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় গেটে হাবিপ্রবির শিক্ষার্থীরা এই কর্মসূচি পালন করবেন।</p>
<p>এছাড়াও গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় সহ দেশের সকল কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অনুষদের শিক্ষার্থীরা এই কর্মসূচি পালন করবেন বলে জানা গেছে। কর্মসূচি অনুযায়ী, <span>‘৩ দফা’ দাবী বাস্তবায়নে দুপুর ১টায় গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এর </span><span class="html-span xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl x1hl2dhg x16tdsg8 x1vvkbs"><a class="html-a xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl x1hl2dhg x16tdsg8 x1vvkbs" tabindex="-1"></a></span><span>বিক্ষোভ সমাবেশ করবে বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি বিভাগ।</span></p>
<p><span>এর আগে ৩০ আগস্ট রাতে কৃষিবিদদের ৩ দফা দাবি আদায়ে এবং ডিপ্লোমাধারীদের বোনদের প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করার প্রতিবাদে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে কৃষিবিদদের মশাল <span class="html-span xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl x1hl2dhg x16tdsg8 x1vvkbs"><a class="html-a xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak xexx8yu xyri2b x18d9i69 x1c1uobl x1hl2dhg x16tdsg8 x1vvkbs" tabindex="-1"></a></span>মিছিল হয়েছে। </span></p>
<p>এ বিষয়ে কৃষিবিদ ঐক্য পরিষদের অন্যতম সংগঠক ও শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ইমরান হোসেন ইমন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে কৃষিবিদরা তাদের যৌক্তিক দাবিগুলো জানিয়ে আসছে। আমরা শান্তিপূর্ণভাবে সরকার ও যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে একটা নিরপেক্ষ সমাধান আশা করেছিলাম। কিন্ত আমাদের নীরবতা ও শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকে তারা দুর্বলতাভেবে ভুল করেছে। আগামীকাল দেশব্যাপী এগ্রি ব্লকেড কর্মসূচি আয়োজিত হবে। আমাদের দাবি দাওয়া মেনে নেওয়া না হলে সামনে আরও কঠোর কর্মসূচি আসবে।</p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>যবিপ্রবি’র রোগমুক্ত জারবেরা ফুলের অনুচারা  বিতরণ</title>
<link>https://digibanglatech.news/156858</link>
<guid>https://digibanglatech.news/156858</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202508/image_870x580_68adf11565e7d.jpg" length="96958" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 26 Aug 2025 20:38:38 +0600</pubDate>
<dc:creator>ক্যাম্পাস করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="MsoNormal"><span>আধুনিক ও উন্নতমানের-রোগমুক্ত জারবেরা ফুলের অনুচারা যশোরের গদখালির বাণিজ্যিক ফুল চাষীদের মাঝে বিতরণের উপলক্ষ্যে ২৬ আগস্ট মঙ্গলবার যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ল্যাবরেটরি অফ ফাংশনাল জিনোমিক্স অ্যান্ড প্রোটিওমিক্স, জিইবিটি বিভাগ। </span></p>
<p class="MsoNormal"><span>অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের উক্ত বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ যশোর জেলার ঝিকরগাছা উপজেলার ফুলের রাজ্য খ্যাত গদখালির পানিসারার মাঠ পর্যায়ে সরাসরি নিয়োজিত বাণিজ্যিক ফুলচাষীরা স্বতস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আব্দুল মজিদ।</span></p>
<p class="MsoNormal"><span> </span><span>প্রধান অতিথির বক্তব্যে যবিপ্রবি উপাচার্য বলেন, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ফুলের বাগান হলো গদখালী যা যশোর জেলার ঝিকরগাছা উপজেলায় অবস্থিত। এখানে প্রায় চার হাজার বিঘা জমিতে বিভিন্ন ধরনের ফুল চাষ করা হয়, যা দেশের ফুলের চাহিদার বৃহৎ অংশ পূরণ করে। বাংলাদেশের এই সম্ভাবনাময় অংশ নানা সমস্যা ও প্রতিবন্ধকতায় জর্জরিত। ফুলচাষীসহ আমাদের সকলকে এই প্রতিকূলতা কাটিয়ে উঠতে সচেষ্ট হতে হবে, তবেই আমরা দেশীয় ফুলের চারার চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক চাহিদার যোগান দিতে পারবো। আমাদের দেশে পর্যাপ্ত পরিমানের গবেষণা ল্যাব আছে। কিন্তু দক্ষ ও মানসম্মত গবেষকের অনেক অভাব। তাই শিক্ষার্থীদেরকে ভালো ও দক্ষ গবেষক হওয়া জন্য সর্বদা চেষ্টা করতে হবে। আমাদের দেশে অর্থনৈতিক প্রাচুর্যতা কম থাকায় ফুলচাষী ও এর সংশ্লিষ্ট সবাইকে একজোট হয়ে কাজ করার জন্য উদ্ভুদ্ধ করেন। তিনি বলেন- আমাদের সবাইকে মাটি ও মানুষের জন্য কাজ করতে হবে। এদেশের উন্নয়নে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। তিনি শুধু জারবেরাই নয় বরং অন্যান্য সকল ফুলের উৎপাদন ও গুণগতমান নিয়ে কাজ করার জন্য যবিপ্রবি গবেষকদের আহবান জানান এবং ফুল চাষীদের সর্বাত্নক সহযোগীতার জন্য গদখালীতে একটি ল্যাব স্থাপনের আগ্রহ প্রকাশ করেন।</span></p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202508/image_870x_68adf17aa2198.jpg" alt=""></p>
<p class="MsoNormal"><span> </span><span>অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে শুরুতে যবিপ্রবির ট্রেজারার অধ্যাপক ড. হোসেন আল মামুন জারবেরা ফুলের ইতিহাস তুলে ধরেন। তিনি বলেন- জারবেরা ফুল মূলত দক্ষিণ আফ্রিকার স্থানীয়, যেখানে এটিকে “ট্রান্সভাল ডেইজি” বা “আফ্রিকান ডেইজি” নামেও পরিচিত। জার্মান উদ্ভিদবিজ্ঞানী ট্রাগোট জরবারের নামে এই ফুলের নামকরণ করা হয়। জারবেরার প্রথম বৈজ্ঞানিক বর্ণনা তৈরি হয় ১৮৮৯ সালে, এবং এটি দ্রুত সারা বিশ্বে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে এর উজ্জ্বল রঙ ও বৈচিত্রের জন্য।</span></p>
<p class="MsoNormal"><span> </span><span>অনুষ্ঠানে যশোর ফুল উৎপাদক ও বিপণন সমবায় সমিতি লি. (জেএফএস) এর সভাপতি মোঃ আব্দুর রহিম তার বক্তব্যে বলেন- গদখালীকে “ফুলের রাজধানী” হিসাবেও অভিহিত করা হয়, কারণ এখানে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে ফুল চাষ করা হয় এবং এই অঞ্চলের ফুল সারাদেশে সরবরাহ করা হয়। ১৯৮২ সাল থেকে এখানে বাণিজ্যিক ফুল চাষ শুরু হয়েছে। ২০০৬ সাল থেকে আধুনিকভাবে এই জারবেরা ফুলের চাষ শুরু হয়। জারবেরার চারা পাশ্ববর্তী দেশ ভারত থেকে আমদানি করা হয়ে থাকে যা আমাদের জন্য অনেক ব্যয় বহুল ও সময় সাপেক্ষ। জেএফএস এর সাধারণ সম্পাদক মীর ফারুখ আহম্মদ বলেন- আমরা বেশ কয়েকবার বিশ্ববিদ্যালয়ের চারা সংগ্রহ করেছি এবং বাণিজ্যিকভাবে চাষও করেছি। অন্যান্য চারার তুলনায় যবিপ্রবি অনুচারার গুণগতমান অনেক ভালো। আমার যদি এই চারাগুলো স্বল্পমূল্যে এবং যথা সময়ে পাই তবে সেটি ফুল চাষে অনবদ্য ভূমিকা রাখবে এবং সেটি আমাদের ভোগান্তিও কম করবে।</span></p>
<p class="MsoNormal"><span>জারবেরা ফুলের গবেষণা প্রকল্পটির পরিচালক জিইবিটির সহযোগী অধ্যাপক ড. মোঃ আব্দুর রউফ সরকার তার বক্তব্যে বলেন- যবিপ্রবি উক্ত জারবেরা ফুলের গবেষণা ও ফুলচাষীদের চাহিদা মাফিক অনুচারা উৎপাদনের মাধ্যমে যশোরের গদখালীর ফুলচাষীদের বাণিজ্যিকভাবে ফুল চাষের ক্ষেত্রে সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দিতে চান এবং তিনি তার গবেষণার মাধ্যমে যশোর অঞ্চলের তথা দেশের কৃষির সামগ্রিক উন্নয়নে যবিপ্রবির ভূমিকা পালনের আশ্বাস দেন।</span></p>
<p class="MsoNormal"><span> </span><span>উক্ত অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন যবিপ্রবি জীববিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোঃ সিরাজুল ইসলাম, জিইবিটি বিভাগের অধ্যাপক ড. মোঃ নাজমুল হাসান, যশোর ফুল উৎপাদক ও বিপণন সমবায় সমিতি লি. (জেএফএস) এর অন্যান্য সদস্যবৃন্দ ও অন্যান্য বাণিজ্যিক ফুলচাষীরা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের জিইবিটি বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীবৃন্দ। অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করেন ল্যাবরেটরি অফ ফাংশনাল জিনোমিক্স অ্যান্ড প্রোটিওমিক্স প্রকল্পটির সহযোগী প্রকল্প পরিচালক ও ল্যাব হেড অধ্যাপক ড. শেখ মিজানুর রহমান এবং সম্পূর্ণ অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনায় ছিলেন জিইবিটি বিভাগের এম.ফিল শিক্ষার্থী নাসরিন আক্তার।</span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>নানা আয়োজনে যবিপ্রবিতে  জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উদযাপন</title>
<link>https://digibanglatech.news/156648</link>
<guid>https://digibanglatech.news/156648</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202508/image_870x580_68a514d8ddff5.jpg" length="157897" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 20 Aug 2025 00:19:46 +0600</pubDate>
<dc:creator>ক্যাম্পাস করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="MsoNormal"><span>যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) গবেষণা পুকুরে পোনা অবমুক্তকরণ, শোভাযাত্রা, সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভাসহ নানা আয়োজনে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ-২০২৫ উদযাপন করা হয়েছে। এ বছর জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উদযাপনের প্রতিপাদ্য হচ্ছে ‘অভয়াশ্রম গড়ে তুলি, দেশি মাছে দেশ ভরি।’</span></p>
<p class="MsoNormal"><span> ১৯ আগস্ট, মঙ্গলবার যবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আব্দুল মজিদ জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ-২০২৫ উপলক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারীজ অ্যান্ড মেরিন বায়োসায়েন্স (এফএমবি) বিভাগ আয়োজিত নানা কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।</span></p>
<p class="MsoNormal"><span>যবিপ্রবির জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষ্যে আয়োজিত কর্মসূচি শুরু হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম  একাডেমিক ভবনের সামনে থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মাধ্যমে। শোভাযাত্রাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান সড়ক হয়ে গবেষণা পুকুর সংলগ্ন রাস্তায় গিয়ে শেষ হয়। পরে গবেষণা পুকুরে বিভিন্ন জাতের পোনা অবমুক্ত করা হয়। শিক্ষার্থীরা রঙ-বেরঙের ব্যানার, ফেস্টুন ও প্ল্যাকার্ড নিয়ে শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করে।</span></p>
<p class="MsoNormal"><span>শোভাযাত্রা ও পোনা অবমুক্তকরণ কর্মসূচি শেষে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে যবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আব্দুল মজিদ শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আমাদের বলা হয় মাছে-ভাতে বাঙালি। এই স্লোগান যেন দীর্ঘজীবি হয় সেই প্রত্যাশা করি। এই প্রত্যাশা পূরণের দায়িত্ব তোমাদের। তোমাদের পরামর্শ ও দিক-নির্দেশনায় মাছ চাষীরা মাছের ফলন বৃদ্ধি করতে পারবে। দেশে বর্তমানে দেশি মাছের উৎপাদন কমতে শুরু করেছে। এই উৎপাদন কিভাবে বৃদ্ধি করা যায়, সেই বিষয়ে তোমরা বিভিন্ন পদক্ষেপ হাতে নিতে পারো। বিভিন্ন এলাকায় যেয়ে মৎস্য চাষীদের নিয়ে ক্যাম্পেইন করে তাদের সচেতনতা বৃদ্ধি করতে পারো। এতে করে দেশের আমিষ চাহিদা পূরণের পাশাপাশি বিদেশে আমরা বিভিন্ন প্রজাতির মাছ রফতানি করে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হতে পারি। আমরা ইতোমধ্যে সাতক্ষীরাতে কোস্টরাল অ্যান্ড ব্রাকেশওয়াটার সেন্টার খুলতে যাচ্ছি। যার লক্ষ্য সামুদ্রিক মাছ ও প্রাণিজ বিষয়ে গবেষণা করা। এই সেন্টার ব্যবহার করে আমাদের শিক্ষার্থীরা মৎস্য গবেষণায় আরও অবদান রাখবে বলে আমি মনে করি।</span></p>
<p class="MsoNormal"><span>ফিশারিজ অ্যান্ড মেরিন বায়োসায়েন্স বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. আমিনুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন জীববিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. সিরাজুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে যবিপ্রবির ফিশারীজ অ্যান্ড মেরিন বায়োসায়েন্স বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ড. মো. আনিছুর রহমান, অধ্যাপক ড. মঞ্জুরুল হক, অধ্যাপক ড. মীর মোশাররফ হোসেন, সহকারী অধ্যাপক অনুশ্রী বিশ্বাস, প্রভাষক শারমিন নাহারসহ বিভাগের বিভিন্ন বর্ষের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।</span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>উদ্ভিদের জৈবনিরাপত্তা শক্তিশালীকরণে সার্কের কর্মশালা</title>
<link>https://digibanglatech.news/156639</link>
<guid>https://digibanglatech.news/156639</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202508/image_870x580_68a481c3cd9ca.jpg" length="119694" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 19 Aug 2025 18:53:38 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>সার্ক কৃষি কেন্দ্রের উদ্যোগে ১৯ আগস্ট, মঙ্গলবার থেকে শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী আঞ্চলিক কর্মশালা ‘দক্ষিণ এশিয়ায় উদ্ভিদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় কৃষি জৈবনিরাপত্তা’। ভার্চুয়াল এই কর্মশালায় সার্কভূক্ত দেশসমূহের বিশেষজ্ঞ, নীতিনির্ধারক ও গবেষকেরা উদ্ভিদের স্বাস্থ্য ও সীমান্ত পেরিয়ে আসা জৈব হুমকি মোকাবিলার চ্যালেঞ্জ নিয়ে মতবিনিময় করছেন।</p>
<p>উদ্বোধনী অধিবেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত পররাষ্ট্র সচিব (সার্ক ও বিমসটেক) আবদুল মোতালেব সরকার। তিনি বলেন, খাদ্য নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক বাণিজ্য রক্ষায় দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোকে যৌথভাবে কাজ করতে হবে।</p>
<p>সার্ক কৃষি কেন্দ্রের পরিচালক ড. মো. হারুনূর রশীদ কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের স্বাগত জানান এবং কারিগরি অধিবেশনের সভাপতিত্ব করেন। তিনি বলেন, সীমান্ত পেরিয়ে আসা কীটপতঙ্গ ও রোগব্যাধি থেকে ফসল রক্ষায় জৈবনিরাপত্তা অত্যন্ত জরুরি। একটি সমন্বিত আঞ্চলিক কৌশলই কৃষিকে টেকসই ও নিরাপদ করতে পারে।</p>
<p>বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের নির্বাহী চেয়ারম্যান (রুটিন দায়িত্ব) ড. নাজমুন নাহার করিম। তিনি গবেষণা ও নীতিনির্ধারণের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। সম্মানিত অতিথি হিসেবে নেপালের সার্ক সচিবালয়ের পরিচালক (এআরডি ও এসডিএফ) তানভীর আহমেদ তরফদার নিরাপদ বাণিজ্যের জন্য অভিন্ন উদ্ভিদ কোয়ারেন্টাইন মানদণ্ডের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন।</p>
<p>ভারতের আইসিএআর-এনবিপিজিআরের উদ্ভিদ কোয়ারেন্টাইন বিভাগের প্রধান বিজ্ঞানী ড. ভি. সেলিয়া চাল্লাম মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। তিনি জলবায়ু পরিবর্তন ও উন্মুক্ত সীমান্তের কারণে গমের ব্লাস্ট, ফল আর্মিওয়ার্ম ও পঙ্গপালসহ নতুন নতুন রোগ-বালাইয়ের ঝুঁকি বাড়ছে বলে উল্লেখ করেন।</p>
<p>কর্মশালার উদ্দেশ্য ও কর্মসূচি তুলে ধরেন সার্ক কৃষি কেন্দ্রের সিনিয়র প্রোগ্রাম স্পেশালিস্ট (ফসল) ড. সিকান্দার খান তানভীর। তিনি জানান, এ কর্মশালা সার্কভুক্ত দেশগুলোর জন্য চ্যালেঞ্জ, সম্ভাবনা ও সম্মিলিত উদ্যোগ নির্ধারণে পরামর্শক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে। আলোচনায় বিশেষজ্ঞরা আঞ্চলিক নেটওয়ার্ক শক্তিশালী করা, প্রারম্ভিক সতর্কতা ও নজরদারি ব্যবস্থা গড়ে তোলা, কৃষকদের মধ্যে সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনা (আইপিএম) বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।</p>
<p>তিন দিনব্যাপী এ কর্মশালায় সার্ক উদ্ভিদ স্বাস্থ্য বায়োসিকিউরিটি নেটওয়ার্ক গঠন, তথ্য বিনিময়ের রিয়েল-টাইম ব্যবস্থা এবং গবেষণা ও উন্নয়ন সহযোগিতা বাড়াতে করণীয় বিষয়ে সুপারিশ প্রণয়ন করা হবে।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বিলুপ্তপ্রায় মাছকে ফিরিয়ে আনতে গবেষকদের প্রতি আহ্বান</title>
<link>https://digibanglatech.news/156574</link>
<guid>https://digibanglatech.news/156574</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202508/image_870x580_68a2e4a745ef3.jpg" length="62118" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 18 Aug 2025 13:24:23 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span>`অভয়াশ্রম গড়ে তুলি, দেশি মাছে দেশ ভরি' প্রতিপাদ্যে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে চলছে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ। চাষাবাদে আধুনিক প্রযুক্তি, মাছের রক্ষণাবেক্ষণ এবং বাজারজাতকরণ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে চলছে প্রদর্শনী, কর্মশালা ও আলোচনা সভা। </span></p>
<p><span>১৮ আগস্ট, সোমবার সকালে এই আয়োজনের উদ্বোধন করেন উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এসময় তিনি গবেষণার মাধ্যমে বিলুপ্তপ্রায় মাছকে ফিরিয়ে আনতে গবেষকদের প্রতি আহ্বান জানান।</span></p>
<p><span> ইউনূস মৎস্য খাতের অপার সম্ভাবনা বিশেষ করে গভীর সমুদ্রে মৎস্য আহরণের সুযোগকে কাজে লাগানোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে বলেন, অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণের পাশাপাশি মাছের রপ্তানি বৃদ্ধির জন্য বাজার সম্প্রসারণ, পণ্যে বহুমুখীকরণের জন্য গবেষণাসহ অন্যান্য কার্যক্রম চালিয়ে যেতে হবে। এসব কার্যক্রম বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সব সরকারি দপ্তর, বেসরকারি সংগঠন, রপ্তানি ও আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। </span></p>
<p><span>পরিবেশবান্ধব চাষাবাদের মধ্য দিয়ে মৎস্যখাতকে সমৃদ্ধ করতে মনোযোগী হতে বলে শান্তিতে নোবেলজয়ী এই অর্থনীতিবিদ বলেন, আমরা কেবল নদী শাসনের কথা বলি। নদী পালনের কথা বলি না। আমাদের সব বর্জ্য পানিতে ছেড়ে দিচ্ছি। কিন্তু এই বর্জ্য যে বিষ হয়ে আমাদের দিকে আসছে, সেটাও আমরা গ্রাহ্য করছি না। বর্জ্য ছাড়াও যত রকমের বিষ, শরীরের যত রকমের অনিষ্টকারী জিনিস আছে, সব পানির মধ্যে ঢালছি আমরা।</span></p>
<p>অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা বলেন, যথাযথ ব্যবস্থাপনার অভাবে শত শত প্রজাতির ঐতিহ্যবাহী দেশীয় মাছ ক্রমান্বয়ে হারিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটে লাইফ জিন ব্যাংক স্থাপন করা হয়েছে।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202508/image_870x_68a2e31dab60f.jpg" alt=""></p>
<p>তিনি বলেন, আমাদের দেশের জনগণের প্রাণিজ আমিষের চাহিদার অধিকাংশই মাছ থেকে পূরণ হয়। একই সঙ্গে ১২ লাখ নারীসহ কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর একটি বিরাট অংশ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে এ কাজের সঙ্গে জড়িত। এ খাতের ব্যাপক সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে আরও বিপুলসংখ্যক তরুণ সফল উদ্যোক্তা হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।</p>
<p>তিনি আরও বলেন, সমুদ্র আমাদের জন্য উপহার নিয়ে অপেক্ষা করছে। আমরা এখনো সেই উপহারটা তার কাছ থেকে আনতে যেতে পারিনি। আমাদের জানতে হবে কি কি ধরনের মৎস্য সম্পদ এ সমুদ্রের পানির তলায় আছে। আমাদের বুঝতে হবে কেন আমরা এটা পারছি না।</p>
<div class="adv-img text-center marginTopBottom20 hidden-print">
<p>অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টা পুরস্কার বিজয়ীদের হাতে জাতীয় মৎস্য পদক-২০২৫ তুলে দেন। </p>
<p><span>অনুষ্ঠানে উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, সরকারের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা, দেশব্যাপী মৎস্যচাষী, উদ্যোক্তা ও গবেষকগণ অংশ নেন।</span></p>
<div class="clearfix"></div>
<div class="my-2" id="related_more"></div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>পারিবারিক পশুপালনে নতুন কর্মপরিকল্পনা নিয়ে সার্কের আঞ্চলিক কর্মশালা</title>
<link>https://digibanglatech.news/156413</link>
<guid>https://digibanglatech.news/156413</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202508/image_870x580_689b331f9d66b.jpg" length="99844" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 12 Aug 2025 13:25:56 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>দক্ষিণ এশিয়ায় জাতিসংঘ ঘোষিত পরিবারভিত্তিক কৃষি দশক (ইউএনডিএফএফ) ও টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনের লক্ষ্যে “টেকসই পারিবারিক পশুপালন” নিয়ে তিন দিনব্যাপী সার্ক আঞ্চলিক কর্মশালা চলছে নেপালের কাঠমান্ডুতে। বাংলাদেশ, ভুটান, মালদ্বীপ, নেপাল, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কাসহ সার্কভুক্ত ছয়টি দেশের প্রতিনিধি কর্মশালায় অংশ নিচ্ছেন। এছাড়া মঙ্গোলিয়া, তাজিকিস্তান, কিরগিজস্তান ও ভারতের কৃষক সংগঠনের প্রতিনিধি, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বক্তা, প্রাণিসম্পদ বিজ্ঞানী, পেশাজীবী ও একাডেমিকরা উপস্থিত রয়েছেন।</p>
<p>ঢাকাস্থ সার্ক কৃষি কেন্দ্রের সিনিয়র প্রোগ্রাম স্পেশালিস্ট (লাইভস্টক) ড. মো. ইউনুস আলীর সমন্বয়ে ১১ আগস্ট শুরু হওয়া এ কর্মশালায় প্রায় ৬৫ জন প্রতিনিধি অংশ নিচ্ছেন। তিন দিনব্যাপী আলোচনার শেষে টেকসই পারিবারিক পশুপালন ত্বরান্বিত করতে নীতিগত সুপারিশ ও কর্মপরিকল্পনা প্রকাশ করা হবে। এতে পশু পালনে প্রযুক্তির ব্যবহার এবং প্রযুক্তি আঞ্চলিক প্রযুক্তি জ্ঞান ও অ্যাপ্লিকেশন বিনিময়ের বিষয়েও আলোচনা হবার কথা রয়েছে। </p>
<p>সার্ক কৃষি কেন্দ্র, নেপালের কৃষি ও পশুপালন উন্নয়ন মন্ত্রণালয়, ফিলিপাইনের এশিয়ান ফার্মার্স অ্যাসোসিয়েশন (এএএফএ) এবং হেইফার ইন্টারন্যাশনাল, নেপালের যৌথ আয়োজনে কর্মশালায় দক্ষিণ এশিয়ায় পারিবারিক পশুপালন ও চরাঞ্চলভিত্তিক পশুপালনকে শক্তিশালী করার জন্য কৌশল ও কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।</p>
<p>নেপালের কৃষি ও পশুপালন উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের সচিব (কৃষি উন্নয়ন) ড. গোবিন্দ প্রসাদ শর্মা প্রধান অতিথি হিসেবে কর্মশালার উদ্বোধন করেন। সার্ক সচিবালয়ের পরিচালক (এআরডি ও এসডিএফ) তানভীর আহমাদ তোরফদার এবং নেপালের প্রাণিসম্পদ বিভাগের মহাপরিচালক ড. রাম নন্দন তিওয়ারি বিশেষ অতিথি ছিলেন।</p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>পুনর্জীবনধর্মী কৃষি পদ্ধতিতে গুরুত্বারোপ</title>
<link>https://digibanglatech.news/156253</link>
<guid>https://digibanglatech.news/156253</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202508/image_870x580_68935fd64122f.jpg" length="115002" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 06 Aug 2025 18:00:11 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p class="MsoNormal" style="margin-bottom: 0in; line-height: normal; text-align: left;"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সার্ক</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">কৃষি</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">কেন্দ্র</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">আয়োজিত</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">তিন</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">দিনব্যাপী</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">একটি</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ভার্চুয়াল</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পরামর্শ সভায়</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">দক্ষিণ</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">এশিয়ার</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">কৃষি</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">খাতে</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পরিবেশবান্ধব</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">এবং</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">টেকসই</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পদ্ধতির</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">রূপান্তরে</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পুনর্জীবনধর্মী</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">কৃষি</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পদ্ধতি</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">প্রসারে</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">একযোগে</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">কাজ</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">করার</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ওপর</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">গুরুত্বারোপ</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">করা</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">হয়েছে।</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> “</span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সার্ক</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সদস্য</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">রাষ্ট্রসমূহে</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পুনর্জীবনধর্মী</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">কৃষির</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">প্রসার</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;">” </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">শীর্ষক</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">এই</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">অনলাইনভিত্তিক</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">আঞ্চলিক</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সভাটি</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">৪</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">থেকে</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">৬</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">আগস্ট</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পর্যন্ত</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">অনুষ্ঠিত</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">হয়।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" style="margin-bottom: 0in; line-height: normal; text-align: left;"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সভায়</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সার্কভুক্ত</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ছয়টি</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">দেশের</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সরকারি</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">কর্মকর্তা</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;">, </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">কৃষি</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">গবেষণা</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">প্রতিষ্ঠানের</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">বিজ্ঞানী</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;">, </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">কৃষি</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">বিশ্ববিদ্যালয়ের</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">শিক্ষক</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">এবং</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">আন্তর্জাতিক</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সংস্থার</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">প্রতিনিধি</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">অংশগ্রহণ</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">করেন।</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">এই</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পরামর্শসভায়</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">বক্তারা</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">দক্ষিণ</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">এশিয়ার</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">কৃষিতে</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ক্রমবর্ধমান</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">জলবায়ু</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পরিবর্তন</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;">, </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">মাটির</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">স্বাস্থ্য</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">অবনতি</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;">, </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পানি</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সংকট</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ও</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">রাসায়নিক</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">উপাদানের</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ওপর</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">নির্ভরশীলতা</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">কমিয়ে</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">টেকসই</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">কৃষি</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ব্যবস্থা</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">গড়ে</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">তোলার</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">প্রয়োজনীয়তার</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">কথা</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">বলেন।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" style="margin-bottom: 0in; line-height: normal; text-align: left;"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সভার</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">উদ্বোধনী</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">দিনে</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">প্রধান</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">অতিথি</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">হিসেবে</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">উপস্থিত</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ছিলেন</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পররাষ্ট্র</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">মন্ত্রণালয়ের</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">অতিরিক্ত</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পররাষ্ট্র</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সচিব</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> (</span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সার্ক</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ও</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">বিমসটেক</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;">) </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">আবদুল</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">মোতালেব</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সরকার।</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">তিনি</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">বলেন</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;">, </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">কৃষির</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পরিবেশগত</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">চ্যালেঞ্জ</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">মোকাবিলায়</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">দক্ষিণ</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">এশিয়ার</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">দেশগুলোকে</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">একসঙ্গে</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">কাজ</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">করতে</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">হবে।</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">তিনি</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পুনর্জীবনধর্মী</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">কৃষি</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পদ্ধতিকে</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">বাস্তবায়নের</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">মাধ্যমে</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">মাটির</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">স্বাস্থ্য</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ও</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">জীববৈচিত্র্য</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পুনরুদ্ধারের</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ওপর</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">জোর</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">দেন</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">এবং</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">এই</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">প্রক্রিয়ায়</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">নীতিনির্ধারক</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;">, </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">গবেষক</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ও</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">প্রযুক্তির</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">কার্যকর</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সংযুক্তির</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">আহ্বান</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">জানান।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" style="margin-bottom: 0in; line-height: normal; text-align: left;"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সার্ক</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">কৃষি</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">কেন্দ্রের</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পরিচালক</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ড</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;">. </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">মো</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;">. </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">হারুনূর</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">রশীদ</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সভার</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সভাপতিত্ব</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">করেন</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">এবং</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">উদ্বোধনী</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">বক্তব্য</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">প্রদান</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">করেন।</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">তিনি</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">বলেন</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;">, </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পুনর্জীবনধর্মী</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">কৃষি</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">কেবল</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">একটি</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পদ্ধতিগত</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">বিকল্প</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">নয়</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;">, </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">বরং</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">এটি</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">একটি</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">রূপান্তরমূলক</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ধারণা</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;">, </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">যা</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">মাটির</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">প্রাণশক্তি</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ফিরিয়ে</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">আনে</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">এবং</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">কৃষিকে</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">প্রকৃতির</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সঙ্গে</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পরিচালনার</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পথ</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">দেখায়।</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">তিনি</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">জানান</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;">, </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">এই</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পদ্ধতির</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">মাধ্যমে</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">কৃষি</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;">-</span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">খাদ্য</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ব্যবস্থা</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">আরও</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সহনশীল</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;">, </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পরিবেশবান্ধব</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">এবং</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">কৃষকবান্ধব</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">হয়ে</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">উঠতে</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পারে।<o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" style="margin-bottom: 0in; line-height: normal; text-align: left;"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">বিশেষ</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">অতিথির</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">বক্তব্যে</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">নেপালের</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সার্ক</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সচিবালয়ের</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পরিচালক</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> (</span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">এআরডি</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ও</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">এসডিএফ</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;">) </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">তানভীর</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">আহমেদ</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">তরফদার</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">বলেন</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;">, </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পুনর্জীবনধর্মী</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">কৃষি</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">অর্থনৈতিকভাবেও</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">লাভজনক।</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">এটি</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পরিবেশের</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">উন্নয়ন</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ঘটানোর</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পাশাপাশি</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">কৃষকের</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">আয়</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">বৃদ্ধিতেও</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সহায়ক।</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">তিনি</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">কৃষির</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">এই</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পদ্ধতিকে</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">প্রসারে</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সরকারি</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;">, </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">গবেষণা</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ও</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">বেসরকারি</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">খাতের</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">মধ্যে</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সমন্বিত</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">কাঠামো</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">তৈরির</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ওপর</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">গুরুত্বারোপ</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">করেন।</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"><o:p></o:p></span></p>
<p class="MsoNormal" style="margin-bottom: 0in; line-height: normal; text-align: left;"><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">তিন</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">দিনব্যাপী</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">এই</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সভায়</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ছয়টি</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">কারিগরি</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">অধিবেশনে</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">২০</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">জনের</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">বেশি</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">কৃষি</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ও</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পরিবেশ</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">বিশেষজ্ঞ</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">তাদের</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">গবেষণা</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;">, </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">প্রযুক্তি</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">উদ্ভাবন</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">এবং</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">দেশীয়</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">অভিজ্ঞতা</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">উপস্থাপন</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">করেন।</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সদস্য</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">দেশগুলোর</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পক্ষ</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">থেকে</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">উপস্থাপিত</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">প্রতিবেদনগুলোতে</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">মাটির</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ক্ষয়</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;">, </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সেচের</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পানির</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সংকট</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;">, </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">রাসায়নিক</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সারের</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ক্ষতিকর</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">প্রভাব</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">এবং</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">কৃষকের</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">আর্থিক</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">দুরবস্থার</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">কথা</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">তুলে</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ধরা</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">হয়।</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">আলোচনায়</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">অংশগ্রহণকারীরা</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">বলেন</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;">, </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">এই</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সংকট</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">মোকাবিলায়</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">প্রয়োজন</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">কৃষক</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পর্যায়ে</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">জ্ঞান</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">ও</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">দক্ষতা</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">বৃদ্ধির</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">উদ্যোগ</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;">, </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">মাঠ</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পর্যায়ে</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">প্রশিক্ষণ</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সম্প্রসারণ</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">এবং</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">বড়</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">পরিসরের</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সরকারি</span><span style="font-size: 11.0pt; mso-bidi-font-family: Calibri; mso-bidi-theme-font: minor-latin;"> </span><span style="font-size: 11.0pt; font-family: 'Nirmala UI',sans-serif;">সহায়তা।<o:p></o:p></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>দক্ষিণ এশিয়ার কৃষি রূপান্তরে সার্কের ভার্চুয়াল আঞ্চলিক সভা শুরু</title>
<link>https://digibanglatech.news/156195</link>
<guid>https://digibanglatech.news/156195</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202508/image_870x580_6890ddf538a05.jpg" length="110422" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 04 Aug 2025 17:21:27 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>সার্ক কৃষি কেন্দ্র কর্তৃক আয়োজিত তিন দিনব্যাপী ভার্চুয়াল আঞ্চলিক পরামর্শ সভা “সার্ক সদস্য রাষ্ট্রসমূহে পুনরুজ্জীবিত কৃষি পদ্ধতির প্রসার” শীর্ষক অনুষ্ঠান ৪ আগস্ট, সোমবার শুরু হয়েছে। এটি আগামী ৬ আগস্ট, বুধবার শেষ হবে। </p>
<p>এতে সার্ক সদস্য দেশসমূহের প্রতিনিধিবৃন্দ, বিভিন্ন কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান, কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করছেন। এই আঞ্চলিক পরামর্শ সভার মূল লক্ষ্য হচ্ছে দক্ষিণ এশিয়ায় ক্ষয়িষ্ণু মাটির পুনরুদ্ধার, জীববৈচিত্র্য বৃদ্ধি এবং জলবায়ু সহনশীল কৃষি-খাদ্য ব্যবস্থা গড়ে তুলতে আঞ্চলিক সহযোগিতা, জ্ঞান বিনিময় এবং নীতিগত সমন্বয় জোরদার করা।</p>
<p>উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত পররাষ্ট্র সচিব (সার্ক ও বিমসটেক) আবদুল মোতালেব সরকার। তিনি বলেন, “দক্ষিণ এশিয়ায় পুনরুজ্জীবিত কৃষি পদ্ধতির প্রসার সময়ের দাবি। মাটির স্বাস্থ্যের পুনরুদ্ধার, ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার এবং বাস্তবভিত্তিক কৌশল গ্রহণের মাধ্যমে এই পরিবর্তন সম্ভব। এ ক্ষেত্রে সার্ক কৃষি কেন্দ্রকে নেতৃত্ব দিতে হবে, যা জীববৈচিত্র্য রক্ষায়ও সহায়ক হবে।”</p>
<p>অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব ও স্বাগত বক্তব্য দেন করেন সার্ক কৃষি কেন্দ্রের পরিচালক ড. মোঃ হারুনূর রশীদ। এসময় তিনি বলেন, “দক্ষিণ এশিয়ায় টেকসই ও উদ্ভাবনী কৃষি চর্চা প্রসারে সার্ক কৃষি কেন্দ্র নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। পুনরুজ্জীবিত কৃষি পদ্ধতি- পরিবেশগত সমস্যা মোকাবেলায় সহায়ক হওয়ার পাশাপাশি কৃষি ব্যবস্থার দীর্ঘমেয়াদি উৎপাদনশীলতা ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করে।”</p>
<p>অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন নেপালের সার্ক সচিবালয়ের পরিচালক (এআরডি ও এসডিএফ) তানভীর আহমেদ তরফদার। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, “পুনরুজ্জীবিত কৃষি শুধু পরিবেশ ও মাটির স্বাস্থ্য উন্নত করে না, এটি অর্থনৈতিকভাবে কৃষকদের জন্য লাভজনকও। এই পদ্ধতির বিস্তার ঘটাতে আঞ্চলিক সহযোগিতা ও অংশীদারিত্ব গুরুত্বপূর্ণ।”</p>
<p>অনুষ্ঠানে বিশেষজ্ঞ উপস্থাপনায় অংশ নেন ইন্টারন্যাশনাল মেইজ অ্যান্ড হুইট ইমপ্রুভমেন্ট সেন্টার, বাংলাদেশের সিনিয়র সায়েন্টিস্ট ও ক্রপিং সিস্টেম অ্যাগ্রোনমিস্ট ড. দেবাশীষ চক্রবর্তী এবং সার্ক কৃষি কেন্দ্রের সিনিয়র প্রোগ্রাম স্পেশালিস্ট (ফসল) ড. সিকান্দার খান তানভীর । তারা যথাক্রমে “রিজেনারেটিভ কৃষি: মাটি, বিজ্ঞান ও সংরক্ষণের মাধ্যমে পৃথিবীর ভারসাম্য ফিরিয়ে আনা”এবং পরামর্শ সভার উদ্দেশ্য ও কার্যক্রম সম্পর্কে উপস্থাপনা দেন।</p>
<p>সভার প্রথম দিনে সার্ক সদস্য রাষ্ট্রসমূহের মনোনীত বিজ্ঞানী ও ফোকাল পয়েন্ট প্রতিনিধিরা দেশভিত্তিক উপস্থাপনা প্রদান করেন। এতে দেশগুলোর রিজেনারেটিভ কৃষি সংক্রান্ত বর্তমান অবস্থা, চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>কাফকো&#45;কে দৈনিক ৫৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস দেবে কেজিডিসিএল</title>
<link>https://digibanglatech.news/156069</link>
<guid>https://digibanglatech.news/156069</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202507/image_870x580_688a0609b45ad.jpg" length="107745" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 30 Jul 2025 16:47:07 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>সার উৎপাদন প্রক্রিয়াকে চলমান রাখতে কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিমিটেডকে (কাফকো) দৈনিক গড়ে ৫৫ মিলিয়ন ঘনফুট (MMCFD) হারে প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহ করবে কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেড (কেজিডিসিএল)। এ লক্ষ্যে ৩০ জুলাই, বুধবার রাজধানীর কাওরানবাজারাস্থ পেট্রোবাংলা কার্যালয়ে উভয় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একটি গ্যাস বিক্রয় চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। </p>
<p>কেজিডিসিএল-এর পক্ষে কোম্পানির সচিব কবির উদ্দিন আহম্মদ এবং কাফকো'র পক্ষে সিসিও ও কোম্পানি সচিব খাজা সাইদুর রহমান নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।</p>
<p>জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সম্মানিত সচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ ওবায়দুর রহমান, কেজিডিসিএল-এর পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান এস এম মঈন উদ্দীন আহম্মেদ, পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান রেজানুর রহমান, বিসিআইসি চেয়ারম্যান মোঃ ফজলুর রহমান এবং কেজিডিসিএল-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ, কাফকো এবং পেট্রোবাংলার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>চুক্তি স্বাক্ষর শেষে কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফেকা)- এর পক্ষে শিল্প সচিব মোঃ ওবায়দুর রহমান কেজিডিসিএল-এর পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান এস এম মঈন উদ্দীন আহম্মেদ এর নিকট বকেয়া গ্যাস বিল বাবদ ৯২৩ কোটি ৮১ লক্ষ ১৮ হাজার ৬১৬ টাকা এবং ডিমান্ড চার্জ বাবদ ৩৪ কোটি ৩৭ লক্ষ ৩৫ হাজার ৮৪৮ টাকার দুটি চেক হস্থান্তর করন। এরপর কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (কেজিডিসিএল) এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌ. সালাহউদ্দিন পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান মোঃ রেজানুর রহমান এর নিকট বকেয়া বাবদ ৬৩৪ কোটি ১ লক্ষ ৭৭ হাজার ২৬৫ টাকার চেক হস্থান্তর করবেন।</p>
<p></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>কৃষি&#45;কৃষি ক্যাডারদের ন্যায্য অধিকার ও সুযোগ নিশ্চিতের আহ্বান</title>
<link>https://digibanglatech.news/155931</link>
<guid>https://digibanglatech.news/155931</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202507/image_870x580_68836fbf7a55c.jpg" length="90615" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Fri, 25 Jul 2025 16:51:51 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে তরুণদের সম্পৃক্ততা ও চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের সম্ভাবনা নিয়ে রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হলো 'এগ্রি ফ্রন্টিয়ার্স ২০২৫: ভবিষ্যৎ কৃষির জন্য তারুণ্য ও প্রযুক্তির সক্ষমতা উন্নয়ন' বিষয়ক সেমিনার। ২৫ জুলাই, শুক্রবার ঢাকার তুলা উন্নয়নের বোর্ডের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সেমিনারে ৩৮ থেকে ৪৩ তম  ব্যাচের কৃষি ক্যডারের প্রায় ৩ শতাধিক কৃষি কর্মকর্তা সেমিনারে অংশ নেন।  </p>
<p>‘ইয়াং এগ্রিকালচার ক্যাডার অফিসার ফোরাম (ইয়াকফ) আয়োজিত সেমিনারের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কৃষিবিদ মো. সাইফুল আলম।</p>
<p>তিনি বলেন, 'চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে আমাদের কৃষিকে আরও উৎপাদনশীল, আধুনিক ও টেকসই করে গড়ে তুলতে হবে। বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে কৃষি খাতে প্রযুক্তির দক্ষ প্রয়োগই পারে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে।</p>
<p>তিনি আরও বলেন, কৃষি উৎপাদনের ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে দেশের প্রতিটি কোণে কৃষি কর্মকর্তারা রোদ, বৃষ্টি উপেক্ষা করে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। অথচ দুঃখজনকভাবে এই নিবেদিতপ্রাণ কর্মকর্তারা অন্যান্য অনেক ক্যাডারের তুলনায় কম সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছেন এবং নানা ক্ষেত্রে অবহেলার শিকার হচ্ছেন। কৃষি কর্মকর্তাদের ন্যায্য অধিকার ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।'</p>
<p>সেমিনারে অনান্যদের মধ্যে আরো বক্তব্য রাখেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) অবসরপ্রাপ্ত বিসিএস (কৃষি) অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব আহমেদ আলী চৌধুরী ইকবাল, উদ্ভিদ সংগনিরোধ উইং এর পরিচালক মো. আব্দুর রহিম, হর্টিকালচার উইং এর পরিচালক এস এম সোহরাব উদ্দিন, ক্রপস্ উইং এর পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ড. মোঃ হজরত আলী, ঢাকা অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক ড. মো. জাকির হোসেন, প্রশাসন ও অর্থ উইং এর অতিরিক্ত পরিচালক ড. মোহাম্মদ কাজী মজিবুর রহমান, উদ্ভিদ সংরক্ষণ উইং উপপরিচালক (বালাইনাশক প্রশাসন) মো. নূরে আলম সিদ্দিকী, প্রশাসন ও অর্থ উইং এর উপপরিচালক (প্রশাসন) মো. মুরাদুল হাসান, লিগ্যাল ও সাপোর্ট সার্ভিসেসের উপপরিচালক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, প্রোগ্রাম অন এগ্রিকালচারাল এন্ড রুরাল ট্রান্সফরমেশন ফর নিউট্রিশন ইন্টারপ্রেনিউরশীপ এন্ড রেজিলিয়েন্স ইন বাংলাদেশ (পার্টনার) প্রকল্পের প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর আবুল কালাম আজাদ, জগন্নাথপুর ও মোহনগঞ্জ উপজেলায় দুটি কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট স্থাপন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক কে এম বদরুল হক ও উদ্ভিদ সংগনিরোধ উইং এর অতিরিক্ত উপপরিচালক (আমদানি) বনি আমিন খান। </p>
<p>সেমিনারে ইয়াকফের সম্পাদক কৃষিবিদ মাইনুদ্দিন সাদ স্বাগত বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, বর্তমান সময়ে কৃষি শুধু মাঠে কাজ করার পেশা নয়, বরং গবেষণা, প্রযুক্তি ব্যবহার এবং আন্তর্জাতিক মানের চিন্তাশক্তির প্রয়োগের একটি বড় ক্ষেত্র। সেমিনারের মাধ্যমে তরুণ কৃষিবিদদের মধ্যে নেতৃত্ব, উদ্ভাবনী চিন্তা এবং আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের বিষয়ে সচেতনতা তৈরি করাই ছিল এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য।</p>
<p>স্বাগত বক্তব্যের পর প্রজন্মের সেতুবন্ধন, উদ্ভাবনের চালিকা শক্তি ও কৃষির রূপান্তরের উপর ৩ টি আলাদা আলাদা প্রবন্ধ উপস্থাপিত হয়। সেখানে কীভাবে উদ্ভাবনী প্রযুক্তি ব্যবহার করে কৃষি উৎপাদন বাড়ানো যায়, কীভাবে যুবসমাজকে কৃষি উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলা যায় এবং কীভাবে কৃষিকে বাণিজ্যিক সম্ভাবনার অন্যতম প্রধান খাত হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব বিষয়গুলো উঠে আসে। </p>
<p>এরপর ভবিষ্যৎ কৃষিতে তারুণ্য ও প্রযুক্তির সমন্বয়’ শীর্ষক উন্মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন বিভিন্ন ব্যাচের কৃষি ক্যাডার কর্মকর্তারা, যেখানে তারা বাস্তব অভিজ্ঞতা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে মতবিনিময় করেন। উন্মুক্ত আলোচনা পর্বে অংশগ্রহণকারীরা ভবিষ্যৎ কৃষি ব্যবস্থার চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা নিয়ে নিজেদের মতামত দেন।</p>
<p>সেমিনারের সমাপনী বক্তব্যে ইয়াকফের সভাপতি কৃষিবিদ মো. এমাজ উদ্দিন বলেন, 'এই আয়োজন কোনো একদিনের অনুষ্ঠান নয় বরং এটি একটি চলমান চিন্তাধারার অংশ। আমরা চাই তরুণ কৃষিবিদরা শুধু কর্মকর্তা হিসেবে নয়, চিন্তাশীল নেতা, গবেষক ও উদ্ভাবক হিসেবেও নিজেদের গড়ে তুলুক।'</p>
<p>প্রসঙ্গত, দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় কর্মরত ৪টি বিসিএস (৩৮, ৪০, ৪১, ৪৩ তম) এর ৮০০ শতাধিক কৃষি কর্মকর্তাবৃন্দের নিয়ে ইয়াং এগ্রিকালচার ক্যাডার অফিসার্স ফোরাম (ইয়াকফ) নামের সংগঠনটি কৃষির ভবিষ্যত গঠন ও কৃষি ক্যাডারদের নায্য দাবি-দাওয়া বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে সার্ক বুক কর্নার উদ্বোধন</title>
<link>https://digibanglatech.news/155841</link>
<guid>https://digibanglatech.news/155841</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202507/image_870x580_687f9493dd203.jpg" length="103704" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 22 Jul 2025 01:40:25 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>দক্ষিণ এশীয় কৃষি গবেষণার ওপর শিক্ষার্থী ও গবেষকদের সহজ প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করতে গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (গাকৃবি) গ্রন্থাগারে একটি সার্ক কৃষি কেন্দ্র বুক কর্নার উদ্বোধন করা হয়েছে।</p>
<p>২২ জুলাই, মঙ্গলবার, এ বুক কর্নারটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. জিকেএম. মোস্তাফিজুর রহমান এবং সার্ক কৃষি কেন্দ্রের পরিচালক ড. মো. হারুনূর রশিদ। </p>
<p>উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. ময়নুল হক এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. সফিউল ইসলাম আফ্রাদ।</p>
<p>অনুষ্ঠানটি সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয় গ্রন্থাগারের প্রধান অধ্যাপক ড. মো. ইউনুস মিয়া। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সার্ক কৃষি কেন্দ্রের সিনিয়র প্রোগ্রাম স্পেশালিস্ট (লাইভস্টক) ড. মো. ইউনুস আলী, (ক্রপস) ড. সিকান্দার খান তানভীর, এবং (ন্যাচারাল রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট) ড. রাজা উল্লাহ খান।</p>
<p>এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, শিক্ষার্থী ও সার্ক কৃষি কেন্দ্রের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন। প্রায় ২০০টি গবেষণামূলক বই নিয়ে গঠিত এই বুক কর্নারে কৃষি, উদ্যানতত্ত্ব, পশুপালন, হাঁস-মুরগি, মৎস্য, প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা, জলবায়ু-স্মার্ট কৃষি, খরা ও লবণাক্ততা-প্রবণ অঞ্চলের জন্য অভিযোজন কৌশলসহ নীতিগত বিভিন্ন বিষয়ের ওপর প্রকাশনা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।</p>
<p>উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. জিকেএম. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, “এই বইগুলোতে সমৃদ্ধ গবেষণা ও বিশ্লেষণ রয়েছে, যা আমাদের শিক্ষার্থী, গবেষক এবং শিক্ষকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ হিসেবে কাজ করবে।”</p>
<p>সার্ক কৃষি কেন্দ্রের পরিচালক ড. মো. হারুনূর রশিদ বলেন, “এই বইগুলো দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর কৃষি গবেষক ও একাডেমিয়ার মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতার প্রতিফলন। পোস্টগ্র্যাজুয়েট, পিএইচডি শিক্ষার্থী ও গবেষকদের জন্য এগুলো একান্ত প্রয়োজনীয় রেফারেন্স ম্যাটেরিয়াল।”</p>
<p>তিনি আরও জানান, সার্ক কৃষি কেন্দ্র দক্ষিণ এশিয়ায় কৃষি ব্যবস্থার টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে গবেষণা, নীতিনির্ধারণী সংলাপ ও দক্ষতা উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। প্রতিষ্ঠানটি নিয়মিতভাবে গবেষণা প্রকাশনা, কর্মশালা এবং সদস্য দেশগুলোর মধ্যে প্রযুক্তি বিনিময়ের মাধ্যমে জ্ঞান ছড়িয়ে দিচ্ছে।</p>
<p>প্রসঙ্গত, সার্ক কৃষি কেন্দ্র এখন পর্যন্ত ২৫০টিরও বেশি কৃষি-গবেষণাভিত্তিক বই প্রকাশ করেছে এবং তা নিয়মিতভাবে দক্ষিণ এশিয়ার কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানে বিতরণ করছে।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>কৃষি গুচ্ছের ৫ বিশ্ববিদ্যালয়ে শূন্য আসনের অপেক্ষমান থেকে মেধাতালিকা প্রকাশ</title>
<link>https://digibanglatech.news/155351</link>
<guid>https://digibanglatech.news/155351</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202507/image_870x580_686b814db0766.jpg" length="92073" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 07 Jul 2025 09:13:59 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল ডেস্ক</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span>২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের কৃষি গুচ্ছভুক্ত ৯ বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে পাঁচটিতে আসন শূন্য রয়েছে। এসব আসনে ভর্তির জন্য অপেক্ষমাণ ভর্তিচ্ছুদের মধ্য থেকে নতুন মেধাতালিকা প্রকাশ করা হয়েছে ৬ জুলাই (রবিবার)।  </span></p>
<p><span>আসন শূন্য থাকা পাঁচ বিশ্ববিদ্যালয় হলো, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ও কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়। </span></p>
<p>এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২০২৪-২০২৫ শিক্ষাবর্ষে ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান)/স্নাতক শ্রেণির কৃষি গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার ৭ম অটোমাইগ্রেশন শেষ করা হয়। এরপর শূন্য আসনের জন্য অপেক্ষমান তালিকায় স্থানপ্রাপ্ত প্রার্থীদের মেধাক্রম অনুযায়ী কাঙ্ক্ষিত বিশ্ববিদ্যালয় ও ডিগ্রি/বিষয় পছন্দক্রম অনুসারে ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। </p>
<p>প্রকাশিত ফল অনুযায়ী, <span>পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩১ জন, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে  ১৬ জন, খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের দুইটি বিভাগে মোট ৪৪ জন, হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই বিষয়ে মোট ৪২ জন  এবং কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই বিভাগে সর্বোচ্চ ৫৪ জন ভর্তির ডাক পেয়েছেন। </span></p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202507/image_870x_686b81b8e254c.jpg" alt=""></p>
<div class="post-text mt-4">
<div class="post-text mt-4">
<div class="post-text mt-4">
<div>
<div>
<div>
<div>
<p>০৭-জুলাই/ডিজিবিটেক/সিসি</p>
</div>
<div></div>
<p></p>
</div>
<div></div>
</div>
<div></div>
</div>
</div>
<div class="d-flex flex-row post-tags align-items-center mt-5"></div>
</div>
</div>
<div class="inside-ad-container no-print">
<div class="biggapon text-center -only" data-nosnippet="">
<div></div>
</div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>হুমকিতে বিএডিসি সিপিআই সিস্টেম?</title>
<link>https://digibanglatech.news/155089</link>
<guid>https://digibanglatech.news/155089</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202506/image_870x580_685ff17337524.jpg" length="95906" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 28 Jun 2025 17:43:29 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলকে দ্রুত মরুকরণের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য বিএডিসি প্রথমবারের মতো দেশে সিপিআই সিস্টেম চালু করা উদ্যোগ নিয়েছে। পানির অপচয় রোধ করার জন্য ইউরোপের বিভিন্ন দেশে সেন্টার পিভট ইরিগেশন (সিপিআই) সিস্টেমে সেচ কাজ পরিচালনা করা হয়। সিপিআই সিস্টেমে স্প্রে আকারে বৃষ্টির মতো করে পানি ছিটিয়ে দেওয়া হয়। যার ফলে ফসলের পাতা ও মাটি সসুষমভাবে পানি পেয়ে থাকে। এই পদ্ধতিতে পানির ব্যবহার বা কর্মদক্ষতা প্রায় ৮৫ থেকে ৯৮ শতাংশ বৃদ্ধি পায়। তবে চট্টগ্রাম কাস্টমস-এর কর্মকর্তাদের স্বেচ্ছাচারিতা আর অসহযোগিতার কারণে সিপিআই প্রকল্পটি ভেস্তে যাওয়ার আশঙ্কা করছে আমদানিকারী প্রতিষ্ঠান শেরপা পাওয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড।</p>
<p>২৮ জুন (শনিবার) ঢাকা রিপোটার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) এক সংবাদ সম্মেলনে এই আশঙ্কা প্রকাশ করেন শেরপা পাওয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আবু তাহের। এ সময় সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন কোম্পানিটির ডেপুটি ব্যবস্থাপনা পরিচালক রুহুল আমিন ও প্রজেক্ট ইনচার্জ মাহবুবুর রহমান।</p>
<p><span>সংবাদ সম্মেলনে আবুতাহের বলেন, ‘ বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) আওতায় পাবনা, নাটোর ও সিরাজগঞ্জে ভূ-উপরিস্থ পানি কাজে লাগাতে যে সেচ উন্নয়ন প্রকল্প নেওয়া হয়েছে, তাতে সিপিআই যন্ত্র অপরিহার্য। অথচ এসব কৃষি যন্ত্রপাতি (প্রযুক্তি) সম্পর্কে ধারণা নেই, এমন লোক দায়িত্বে থাকায় কাস্টমসে হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। ফলে কাস্টমসের অসহযোগিতা চলতে থাকলে প্রকল্পটি ভেস্তে যেতে পারে। </span></p>
<p><span>তিনি কৃষি যন্ত্রপাতি আমদানির বিষয়টি সহজ করার দাবি জানান।</span></p>
<div class="dNewsDesc" id="contentDetails">
<p>তাহের বলেন, সিপিআই সিস্টেমটি একটি সম্পূর্ণ সিস্টেম যার একটি যন্ত্রাংশকে যদি সিস্টেম থেকে বিযুক্ত করা হয়, তাতে সম্পূর্ণ সিস্টেমটি অকার্যকর হয়ে যাবে। যে কারণে প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান এই যন্ত্রটিকে একক সিস্টেম হিসেবে রপ্তানি করে থাকে। বিএডিসির কার্যাদেশ এবং চট্টগ্রামের কাস্টমস হাউস কমিশনারের কাছে পাঠানো চিঠিতেও সিপিআই সিস্টেমকে একক সিস্টেম হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। কিন্তু চট্টগ্রাম কাস্টমস-এর কর্মকর্তা  এ এইচ এম মাহবুবুর রশিদ এবং মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম সিপিআই সিস্টেমকে একক সিস্টেম হিসেবে গ্রহণ করতে রাজি নন।</p>
<p>তিনি আরো বলেন, কৃষিযন্ত্র হিসেবে এর প্রকৃত ডিউটির হওয়ার কথা ছিল ১২ লাখ সাড়ে ৫ হাজার টাকা। কিন্তু চট্টগ্রাম কাস্টমস সিস্টেমটির বিভিন্ন যন্ত্রাংশকে আলাদা করে, বিশেষ করে সিস্টেমটির যন্ত্রাংশ ওয়াটার ডিস্ট্রিবিউশনও টাওয়াবে ব্যবহৃত ৫ টন পাইপকে আলাদা করে শুল্কায়ন করছে। এই পদ্ধতিতে শুল্কায়ন করা হলে শুল্ক ও জরিমানাসহ কমবেশি ৪২ লাখ টাকা দিতে হবে। এছাড়া খালাস না করতে পারায় প্রতিদিন আমাদের ১৫০–২০০ ডলার অতিরিক্ত বন্দর চার্জও গুনতে হচ্ছে। </p>
<p>‘এই সমস্যা নিরসনে বিএডিসি থেকে গত ২৫ জুন চট্টগ্রাম কাস্টমস কমিশনার বরাবর সিস্টেমটিকে একক কৃষি যন্ত্র হিসেবে উল্লেখ করে পত্র প্রদান করেছেন। এর আগে গত ২৪ জুন আমরা এ বিষয়ে অবহিত করিয়ে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস কমিশনারের কাছে একটি চিঠি জমা দিয়েছি। কিন্তু এখন পর্যন্ত তার দপ্তর থেকে আমরা ইতিবাচক কোনো সাড়া পাইনি’ -যোগ করেন শেরপা ইঞ্জিনিয়ারিং ব্যবস্থাপনা পরিচালক।</p>
<p>তিনি আরো বলেন, সিপিআই সিস্টেমটি বাংলাদেশে সর্বপ্রথম যন্ত্র হিসেবে স্থাপন করা হবে বিধায় প্রস্তুতকারী অস্টিয়ার প্রতিষ্ঠান থেকে দুইজন প্রতিনিধি বাংলাদেশে আসার কথা রয়েছে। কিন্তু আমাদের সিস্টেমটি কাস্টমস বিভাগে আটকে থাকায় তাদের আসার ব্যাপারে আমরা সম্মতি জানাতে পারছি না। এছাড়া কাস্টমস বিভাগের অসহযোগিতা অব্যাহত থাকলে পুরো প্রকল্পটি ভেস্তে যাবার আশঙ্কা রয়েছে। এতে আমাদের প্রতিষ্ঠান সীমাহীন আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হবে। একই সঙ্গে বাংলাদেশও কৃষির ক্ষেত্রে একটি আধুনিক ও উন্নত প্রযুক্তি থেকে বঞ্চিত হবে।</p>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ফিনটেক উইগ্রো নিয়ে পরস্পর বিরোধী তথ্য প্রকাশ</title>
<link>https://digibanglatech.news/155054</link>
<guid>https://digibanglatech.news/155054</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202506/image_870x580_685d711f5f8dd.jpg" length="85828" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 26 Jun 2025 21:10:48 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span>জয়পুরহাটে প্রায় এক হাজার ক্ষুদ্র কৃষককে কৃষি উপকরণ ও প্রশিক্ষণসহায়তা দিয়েছে কৃষিভিত্তিক ফিনটেক প্ল্যাটফর্ম <strong><a href="https://www.wegro.global/" target="_blank" rel="noopener">উইগ্রো</a></strong>। বিপরীতে অনুমতি ছাড়াই ওই অঞ্চলে ব্যবসায় পরিচালনা এবং জমির দলিল, স্বাক্ষর করা ফাঁকা স্ট্যাম্প ও ইন্স্যুরেন্সের নামে নেয়া টাকা ফেরত দিতে বাধ্য হওয়ারও খবর পাওয়া গেছে। </span><span></span></p>
<p>তবে সেখানে কৃষকদের মধ্যে অনেকেই ঋণসুবিধা নিয়ে সফলভাবে মৌসুমভিত্তিক চাষাবাদ সম্পন্ন করেছেন; বাকিরা এখনো এ প্রকল্পের অধীনে চাষাবাদ ও গবাদিপশু পালনের সঙ্গে যুক্ত বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে <span>উইগ্রো টেকনোলজি লিমিটেড। এতে বলা হয়েছে, জয়পুরহাটের আক্কেলপুরের প্রায় ১৩০ কৃষক উইগ্রোর সহায়তা লাভ করেছেন উইগ্রোর সহায়তা পাওয়া ৫০ জনের বেশি কৃষক ও তাদের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে গত সোমবার আয়োজিত অনুষ্ঠানে গত দুই বছরে প্রকল্পের অগ্রগতির বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। উইগ্রোর চিফ অপারেটিং অফিসার (সিওও) ফাইয়াজ সাফির, প্রতিষ্ঠানটির হেড অব বিজনেস ডেভেলপমেন্ট আরিফ রহমান ও  আক্কেলপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনজুরুল আলম ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বলে জানাগেছে।</span></p>
<p><span>অনুষ্ঠানে জানানো হয়, দেশের ৪০টির বেশি উপজেলায় প্রায় ১২ হাজার কৃষকের সঙ্গে কাজ করছে উইগ্রো প্ল্যাটফর্ম। এ পর্যন্ত কৃষকদের প্রায় ১ কোটি ২ লাখ মার্কিন ডলার ঋণ দিয়েছে উইগ্রো। এর মধ্যে সফল কার্যক্রমের ফলে কৃষকেরা ৭৮ লাখ ডলার পরিশোধ করে দিয়েছেন।</span></p>
<p><span> </span><span>সূত্রমতে, ওই অনুষ্ঠানের পরদিন বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জেলার আক্কেলপুর উপজেলা পরিষদ চত্বরে জয়পুরহাটের ১৫৪ কৃষকের জমির দলিল, স্বাক্ষর করা ফাঁকা স্ট্যাম্প ও ইন্স্যুরেন্সের নামে নেওয়া টাকা ফেরত দিতে বাধ্য হয়েছে উইগ্রো টেকনোলজি লিমিটেড। গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আক্কেলপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুনজুরুল আলম। ভুক্তভোগী দিলবর হোসেন, মুক্তার হোসেন প্রমুখ টাকা ফেরত পাওয়ার কথা নিশ্চিত করেছেন। </span></p>
<p>এ বিষয়ে উইগ্রোর চিফ অপারেটিং অফিসার ফাইয়াজ সাফির গণমাধ্যমেকে বলেছেন, ‘সোহেল রানা নামে এক কর্মকর্তার কারণে গ্রাহকদের ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে। এ কারণে আমরা দুঃখিত। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা ১৫৪ জনের টাকা, দলিলসহ যাবতীয় ডকুমেন্ট ফেরত দিয়েছি। ৩০ জুনের মধ্যে অন্য ভুক্তভোগীদের টাকা ফেরত দেওয়া হবে।’ </p>
<p>প্রতারণার প্রমাণ পাওয়ার পর সোহেল রানাকে ৭ দিনের কারাদণ্ড  এবং সেই সঙ্গে সংস্থাটির কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুনজুরুল আলম। তিনি জানান, ১৫৪ কৃষক দলিল, টাকা পেয়েছেন। অন্যদেরও ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন সংস্থার কর্তৃপক্ষ। নির্ধারিত সময় প্রতিশ্রুতি রক্ষা না করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।</p>
<p>জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অনুমতি না নিয়ে তিন বছর ধরে জেলা সদরের বারিধারা মহল্লায় উইগ্রো কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে প্রকাশ, ফিনটেক প্রতিষ্ঠানটি কৃষিঋণ দেওয়ার কথা বলে কৃষকদের কাছ থেকে ফাঁকা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর, ব্যাংক চেকের ফাঁকা পাতা, জামানত হিসেবে বাড়ি-জমির দলিল ও ইন্স্যুরেন্সের কথা বলে এক হাজারের বেশি কৃষকের কাছ থেকে সাড়ে তিন হাজার করে টাকা নেয়। পরে তাদের ঋণ দেওয়া হয়নি। আটকে রাখা হয়েছে স্বাক্ষরিত ফাঁকা স্ট্যাম্প, চেকের পাতা ও ইন্স্যুরেন্সের টাকা। আড়াই মাস তাদের পেছনে ঘুরে না পেয়ে বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা। </p>
<p>প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালে উইগ্রো ‘বাংলাদেশ ইনোভেশন অ্যাওয়ার্ডস’-এ বেষ্ট স্টার্টআপ ইনোভেশন ও কৃষি খাতে বেস্ট ইনোভেশন পুরস্কার লাভ করে এবং ২০২৪ সালে সিঙ্গাপুর ফিনটেক ফেস্টিভ্যালে উইনার হিসেবে পুরস্কার লাভ করে।</p>
<div class="print-none oHRqW"></div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>১৫টি প্রযুক্তি গ্রাম গড়ছে ব্রি</title>
<link>https://digibanglatech.news/154873</link>
<guid>https://digibanglatech.news/154873</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202506/image_870x580_685745a3bfbd1.jpg" length="407719" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 21 Jun 2025 21:43:19 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>স্থানভিত্তিক ধানের জাত ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং বিদ্যমান গবেষণাগার উন্নয়ন কার্যক্রম এগিয়ে নিতে ৬টি আঞ্চলিক কর্যালয়ের অধীনে ১৫টি প্রযুক্তি গ্রাম গড়ে তুলছে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি)। ইতিমধ্যে নতুন আঞ্চলিক কার্যালয়েও স্যাটেলাইট স্টেশন স্থাপন, গবেষণা ল্যাব উন্নয়ন, ব্রি উদ্ভাবিত প্রযুক্তিসমূহ দ্রুত কৃষক পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে কাজ শুরু হয়েছে। প্রযুক্তি গ্রাম গুলোতে স্থানীয়ভাবে জার্মপ্লাজম সংগ্রহ, ব্রি অবমুক্ত জাতের গড় ফলন বৃদ্ধির লক্ষ্যে কৃষক পর্যায়ে উন্নতমানের বীজ উৎপাদন, বীজ প্রক্রিয়াকরণ ও সংরক্ষণ, কার্যকরী গবেষণা ও প্রযুক্তি উদ্ভাবনের লক্ষ্যে ব্রি’র জনবলের উচ্চ শিক্ষা এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরও দক্ষতা উন্নয়নে কৃষি সম্প্রসারণ কর্মীসহ ব্রির জনবল এবং কৃষকের প্রশিক্ষণ চলমান রয়েছে।</p>
<p>২১ জুন, শনিবার গাজীপুরস্থ ব্রি সদর দপ্তরে ‘নতুন ৬টি আঞ্চলিক কার্যালয় স্থাপনের মাধ্যমে স্থানভিত্তিক ধানের জাত ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং বিদ্যমান গবেষণাগার উন্নয়ন (এলএসটিডি)’ শীর্ষক প্রকল্পের বাস্তবায়ন অগ্রগতি বিষয়ক কর্মশালায় এসব তথ্য জানানো হয়।</p>
<p>প্রকল্প বাস্তবায়নের মেয়াদ ২০২৩ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২৮ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত।</p>
<p>ব্রি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন ব্রির মহাপরিচালক ড. মোহাম্মদ খালেকুজ্জামান। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (পরিকল্পনা অনুবিভাগ) মো. মাহবুবুল হক পাটওয়ারী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্রির পরিচালক (গবেষণা) ড. মো. রফিকুল ইসলাম এবং পরিচালক (প্রশাসন ও সাধারণ পরিচর্যা) ড. মুন্নুজান খানম। মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রকল্প পরিচালক ড. মো. মোফাজ্জল হোসেন।</p>
<p>এতে মূল প্রবন্ধে বলা হয়, ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার খাদ্য ও পুষ্টির নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে পরিবর্তিত জলবায়ুর সাথে মিল রেখে স্থানভিত্তিক ধানের জাত ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও উন্নয়নসহ ব্রির মূল গবেষণা কার্যক্রমকে সহায়তা করাই এলএসটিডি প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য। আঞ্চলিক কার্যালয় এবং স্যাটেলাইট স্টেশন স্থাপন ছাড়াও এ প্রকল্পের উদ্দেশ্যের মধ্যে রয়েছে স্থানভিত্তিক ৬টি নতুন জাত এবং ২০টি প্রযুক্তি উদ্ভাবন।</p>
<p>স্থানভিত্তিক সমস্যা নিরুপণ (কৃষিতে অনগ্রসর দক্ষিণাঞ্চল ও পাহাড়ি এলাকাসহ) কার্যকরী সমাধানের উদ্যোগ গ্রহণ এবং প্রয়োগিক গবেষণা জোরদারকরণ। ব্রির বিদ্যমান ১১টি আঞ্চলিক কার্যালয়ের গবেষণা ল্যাব জোরদারকরণ এবং প্রস্তাবিত আঞ্চলিক কার্যালয়ে গবেষণা ল্যাব উন্নয়ন। সারাদেশে মোট ১৫টি ‘প্রযুক্তি গ্রাম’ সৃষ্টির মাধ্যমে ব্রি উদ্ভাবিত প্রযুক্তিসমূহ দ্রুত সময়ে কৃষক পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া।</p>
<p>মূল প্রবন্ধে প্রকল্পের অগ্রগতি তুলে ধরে জানানো হয়, ১টি জাতের উদ্ভাবন প্রক্রিয়াধীন এবং ৫টি প্রযুক্তি উদ্ভাবনের কাজ চলমান। এছাড়াও ব্রি আঞ্চলিক কার্যালয় এবং কৃষি সম্পসারণ অধিদপ্তরের সার্বিক সহযোগিতায় প্রাথমিকভাবে ১৫টি প্রযুক্তি গ্রাম নির্বাচন করা হয়েছে।</p>
<p>প্রযুক্তি গ্রামগুলোতে ‘‘সার্ভিস প্রোভাইডার’’ নির্বাচন করে ব্রি উদ্ভাবিত প্রযুক্তির প্রদর্শনী এবং কৃষকদের প্রযুক্তি বিষয়ক কলাকৌশলগত সেবা ও প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে। ব্রি উদ্ভাবিত উফশী আমন জাতের ধান চাষাবাদে উদ্বুদ্ধকরণে স্থানীয় কৃষকদের জন্য ১৬৫টি মাঠ দিবস ও ফসল কর্তন কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>আরো নতুন ৩টি ধান আনলো ব্রি</title>
<link>https://digibanglatech.news/154783</link>
<guid>https://digibanglatech.news/154783</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202506/image_870x580_68539f947ca20.jpg" length="126543" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 19 Jun 2025 01:26:57 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span>লবণাক্ততা সহনশীল, উচ্চ ফলনশীল এবং ব্লাস্ট রোগ প্রতিরোধী আরো তিনটি জাত উদ্ভাবন করেছে বাংলাদশে ধান গবষেণা ইনস্টিটিউট (ব্রি)। নতুন উদ্ভাবিত জাতগুলোর মধ্যে ব্রি ধান১১২ লবণাক্ততা সহনশীল ও মাঝারি জীবনকালীন রোপা আমনের জাত। উচ্চ ফলনশীল ব্রি ধান১১৩ জাতটি বোরো মওসুমের জনপ্রিয় জাত ২৯ এর বিকল্প হিসেবে হেক্টরে  ১০.১ টন পর্যন্ত ফলন দিতে সক্ষম। এছাড়াও ব্রি ধান১১৪ বোরো মওসুমের দীর্ঘ জীবনকালীন ব্লাস্ট রোগ প্রতিরোধী জাত। নতুন উদ্ভাবিত এই তিনটি জাতসহ এখন পর্যন্ত ব্রি সর্বমোট ১২১টি জাত উদ্ভাবন করেছে যার ৮টি হাইব্রিড। </span></p>
<p><span>জানাগেছে, কৃষি সচিব ড. মোহাম্মদ এমদাদ উল্লাহ মিয়ান এর সভাপতিত্বে জাতীয় বীজ বোর্ডের (এনএসবি) ১১৪তম সভায় এই তিনটি ধানের জাতকে অনুমোদন দেয়া হয়। এরপর ১৭ জুন কার্যপত্র প্রকশ করা হয়। সবশেষ ১৮ জুন বিষয়টি সোশ্যাল মিডিয়ায় পেজে শেয়ার করে ব্রি রাইস মিউজিয়াম। খোঁজ নিয়ে জানাগেছে নতুন বীজের অনুমোদন দেয়া এই </span><span>সভায় অন্যান্যের মধ্যে ব্রি’র মহাপরচিালক ড. মোহাম্মদ খালেকুজ্জামান ও বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সির মহাপরিচালক কৃষিবিদ মো: জয়নাল আবেদীন, ন্যাশনাল এগ্রিকালচারাল রিসার্চ সিস্টেম এর মহাপরিচালক <span data-huuid="16616103641126684665"> ড. </span><span data-huuid="16616103641126684672">মো. </span><span data-huuid="16616103641126684679">আব্দুল্লাহ ইউছুফ আখন্দ</span> সহ কৃষি মন্ত্রণালয়ের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা ও  প্রাইভেট সেক্টরের প্রতিনিধি, কৃষক প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। </span></p>
<p><span>ব্রি রাইস মিউজাম সূত্রে প্রকাশ, </span> চারা অবস্থায় ১২ ডিএস/মি. (৩ সপ্তাহ পর্যন্ত) লবণাক্ততা সহ্য করতে পারে ব্রি ধান১১২। উপরন্তু এ জাত অংগজ বৃদ্ধি থেকে প্রজনন পর্যায় পর্যন্ত লবণাক্ততা সংবেদনশীল সব ধাপে ৮ ডিএস/মি. মাত্রার লবণাক্ততা সহ্য করে ফলন দিতে সক্ষম। এ জাতটির দানা মাঝারি চিকন ও শীষ থেকে ধান সহজে ঝরে পড়ে না। জাতটির জীবনকাল তুলনামূলক কম হওয়ায় উপকূলীয় লবণাক্ত অঞ্চলে ফসল কর্তনের পর মধ্যম উঁচু থেকে উঁচু জমিতে সূর্যমুখী ও লবণ সহনশীল সরিষা আবাদের সুযোগ তৈরি হবে।</p>
<p>ব্রি ধান১১৩ জাতটি মাঝারি চিকন দানার উচ্চ ফলনশীল জাত। এ জাতের ডিগ পাতা খাড়া, প্রশস্ত ও লম্বা এবং ধান পাকলেও সবুজ থকে। পূর্ণ বয়স্ক গাছের গড় উচ্চতা ১০২ থেকে ১০৫ সেন্টিমিটার। এ জাতের গাছ শক্ত এবং মজবুত বিধায় সহজে হেলে পড়ে না। জাতটির গড় জীবনকাল ১৪৩ দিন। ১০০০টি পুষ্ট ধানের ওজন গড়ে ১৯ দশমিক ৪ গ্রাম। চালের আকার আকৃতি মাঝারি চিকন এবং রং সাদা, দেখতে অনেকটা নাইজারশাইলের মতো। এ ধানের চালে অ্যামাইলোজের পরিমাণ ২৮ শতাংশ এবং ভাত ঝরঝরে। এছাড়া প্রোটিনের পরিমাণ ৮ দশমিক ৪ শতাংশ। প্রস্তাবিত জাতের ফলন পরীক্ষায় এ জাতটি ব্রি ধান৮৮ এর চেয়ে ১১ দশমিক ৫ শতাংশ বেশি ফলন দিয়েছে। এ জাতের গড় ফলন হেক্টরে ৮ দশমিক ১৫ টন। উপযুক্ত পরিবেশে সঠিক ব্যবস্থাপনা করলে এ জাতটি হেক্টরে ১০ দশমিক ১ টন পর্যন্ত ফলন দিতে সক্ষম। ফলে বোরো মওসুমের জনপ্রিয় জাত ২৯ এর বিকল্প হিসেবে ভাবা হচ্ছে এই ধানটিকে।</p>
<p>ব্লাস্ট প্রতিরোধী বোরো মওসুমের দীর্ঘ মেয়াদি জাত ব্রি ধান১১৪। এ জাতের ডিগ পাতা খাড়া, প্রশস্ত ও লম্বা, গাছ মজবুত এবং হেলে পড়ে না। পাতার রং গাঢ় সবুজ। এর গড় ফলন হেক্টর প্রতি ৭ দশমিক ৭৬ টন। তবে উপযুক্ত পরিচর্যায় এর ফলন হেক্টরে ১০ দশমিক ২৩ টন পর্যন্ত পাওয়া যায়। এ জাতের দানা মাঝারি মোটা এবং সোনালি বর্ণের। এ জাতের গড় জীবনকাল ১৪৯ দিন, যা বোরো মওসুমের জনপ্রিয় জাত ব্রি ধান৮৯ এর সমান জীবনকাল। ১০০০টি পুষ্ট ধানের ওজন গড়ে ১৭ দশমিক ৪ গ্রাম। চালে অ্যামাইলোজের পরমিাণ ২৭ শতাংশ এবং প্রোটিনের পরমিাণ ৭ দশমিক ৭ শতাংশ। ভাত ঝরঝরে। জাতটির বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো ব্লাস্ট রোগ প্রতিরোধী। এ জাতটিতে ব্লাস্ট রোগ প্রতিরোধী প্রকট জিন পিআই৯ বিদ্যমান এবং আর্টিফিসিয়াল ইনোকুলেশনে উচ্চ মাত্রার রোগ প্রতিরোধী (স্কোর-০) ক্ষমতার বলে পরীক্ষামূলক চাষে প্রমাণ মিলেছে।</p>
<p><span>১৯৭০ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে উচ্চফলনশীল ধানের জাত এবং ধান উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য কাজ করছে ব্রি। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই নিয়মিত গবেষণার মাধ্যমে উচ্চ ফলনশীল আধুনিক ধানের নিত্য নতুন জাত উদ্ভাবন করছে। তাদের কালিজিরা এবং কাটারিভোগ ধানের বাংলাদেশের ভৌগলিক নির্দেশক পন্য হিসেবে নিবন্ধিত হয়েছে।​ গত ৫০ বছরে ধান উৎপাদন তিনগুণের বেশি বেড়েছে। </span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ঢাকায় রঙিন মুরগির জাত উন্নয়নে সেমিনার  অনুষ্ঠিত</title>
<link>https://digibanglatech.news/154707</link>
<guid>https://digibanglatech.news/154707</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202506/image_870x580_6851494648ae0.jpg" length="93888" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Tue, 17 Jun 2025 13:52:54 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>রঙিন মুরগীর (কালার বার্ড) জেনেটিক উন্নয়ন ও খামারিদের জন্য লাভজনক, টেকসই ও আধুনিক প্রজনন প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হলো ‘SASSO Breeding for Value’ শীর্ষক একটি আন্তর্জাতিক সেমিনার। রাজধানীর মগবাজারে হলিডে ইন ঢাকা সিটি সেন্টার হোটেলের ইলিশ কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত হয়।</p>
<p> প্রাণিজ প্রজনন প্রতিষ্ঠান হেন্ড্রিক জেনেটিকস (Hendrix Genetics)-এর আয়োজনে অনুষ্ঠিত সেমিনারে বাংলাদেশ ছাড়াও স্পেন, ফ্রান্স এবং কোরিয়ার প্রতিনিধিরা অংশ নেন। পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের খামার মালিক, হ্যাচারি উদ্যোক্তা, পোলট্রি ব্যবসায়ী, গবেষক, শিক্ষক, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা, সাংবাদিক এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীরা।</p>
<p>সেমিনারের সঞ্চালনা করেন Hendrix Genetics-এর কান্ট্রি ম্যানেজার (বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল ও শ্রীলঙ্কা) মো. মাহিউদ্দিন।</p>
<p>তিনি বলেন, “পোলট্রি শিল্প এখন শুধু খাদ্য নিরাপত্তার জন্য নয়, বরং অর্থনৈতিক উন্নয়ন, পুষ্টি নিশ্চিতকরণ ও কর্মসংস্থানের এক গুরুত্বপূর্ণ খাত হয়ে দাঁড়িয়েছে। দেশি স্বাদের মুরগির প্রতি মানুষের আগ্রহ থাকলেও খামারিরা উৎপাদনের দিক থেকে পিছিয়ে থাকেন। এ সমস্যা সমাধানে SASSO ব্রিড একটি আধুনিক ও পরীক্ষিত সমাধান।”</p>
<p>তিনি আরও বলেন, “SASSO ব্রিড দেশি স্বাদ বজায় রেখে ডিম ও মাংস উৎপাদনে সক্ষম। এটি সহজে পালনযোগ্য, রোগ প্রতিরোধে সক্ষম এবং খরচ সাশ্রয়ী। ইতোমধ্যে আফ্রিকা, লাতিন আমেরিকা ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় এই ব্রিড ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। বাংলাদেশেও এটি গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”</p>
<p>সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন ফ্রান্সভিত্তিক ব্রিড ব্র্যান্ড, SASSO এর এডুয়ার্ড প্যারোট (Edouard Perrout) আলবা মেসাস রোমারো (Alba Mesas Romero), ড. মিওং সিওব কিম (Dr. Myeong Seob Kim (Hipra), হেনড্রিক্স জেনেটিক্সের টেকনিক্যাল ম্যানেজার, ডা.আলী হায়দার ও টেকনিক্যাল সার্ভিস ম্যানেজার এশিয়া লেয়ার ডা. মেহেদী হাসান। উপস্থাপনায় তারা এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা নিয়ন্ত্রণ, হ্যাচারি ব্যবস্থাপনা, ফিড কোয়ালিটি, গরমের সময় পাখির যত্ন, ভ্যাকসিন প্রয়োগ কৌশল ও পানির মান সংক্রান্ত নানা বিষয় উঠে আসে।</p>
<p>সেমিনারের অংশগ্রহণকারীদের প্রযুক্তিগত জ্ঞান যেমন গভীরভাবে প্রকাশ পায়, তেমনি এই শিল্পে উন্নতির প্রতি তাদের আগ্রহ ও প্রতিশ্রুতিও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।</p>
<p>সেমিনারে অংশ নেওয়া একাধিক খামারি ও উদ্যোক্তা বলেন, দেশে এখনো গবেষণালব্ধ ও টেকসই প্রজনন প্রযুক্তির বিস্তার সীমিত। ফলে খামারিরা বহুক্ষেত্রে লোকসানে পড়েন কিংবা কাঙ্ক্ষিত উৎপাদন পান না। অথচ সাশ্রয়ী ও উৎপাদনক্ষম ব্রিড, যেমন SASSO, ব্যবহার করলে একই সঙ্গে দেশি মুরগির স্বাদ বজায় রাখা ও উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব।</p>
<p>আলোচনায় উঠে আসে, দেশি বা ট্র্যাডিশনাল মুরগির চাহিদা এখন শুধু বাংলাদেশে নয়, গোটা দক্ষিণ এশিয়াতেই বাড়ছে। স্থানীয় জাতগুলো স্বাদের কারণে জনপ্রিয় হলেও তাদের উৎপাদনক্ষমতা কম হওয়ায় বাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়ছে। এ প্রেক্ষাপটে উন্নত জেনেটিক ব্রিড, সঠিক ব্যবস্থাপনা ও সচেতনতা বৃদ্ধি জরুরি।</p>
<p>১৬ জুন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত বিভিন্ন সেসনের পাশাপাশি অংশগ্রহণকারীরা পারস্পরিক মতবিনিময়, অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেন।</p>
<p>সেমিনার শেষে আয়োজক প্রতিষ্ঠান হেনড্রিক্স জেনেটিক জানায়, দেশের পোলট্রি শিল্পে প্রযুক্তিনির্ভরতা বাড়াতে তারা নিয়মিতভাবে এ ধরনের সেমিনারের আয়োজন করতে চায়। দেশের বিভিন্ন স্থানে খামারিদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিতে তারা সর্বদা কাজ করছে।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>স্বল্প&#45;কার্বন চাল উৎপাদনে ১.৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে এডিবি</title>
<link>https://digibanglatech.news/154536</link>
<guid>https://digibanglatech.news/154536</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202506/image_870x580_6846e1bc6d792.jpg" length="121634" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 09 Jun 2025 15:29:50 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশ, কম্বোডিয়া, চিন, পাকিস্তান এবং ফিলিপাইনে স্বল্প-কার্বন নির্গমনভিত্তিক চালের উৎপাদন বাড়াতে বড় বিনিয়োগের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে এশিয়ান উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)।</p>
<p>৯ জুন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এডিবি জানায়, গেটস ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় এডিবি এবং সিজিআইএআর, আজ (সোমবার) একটি নতুন উদ্যোগ চালু করেছে। যা স্থায়ী এবং স্বল্প-কার্বন নির্গমনভিত্তিক চাল উৎপাদনে বিনিয়োগ বাড়াতে সহায়তা করবে। এশিয়া এবং প্যাসিফিকের লাখ লাখ দুর্বল ক্ষুদ্র কৃষক পরিবারের জীবন উন্নত করতেও এটি সহায়তা করবে।</p>
<p>ভাত এই অঞ্চলের জীবনরেখা উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এটি প্রতিদিন এই অঞ্চলের মোট জনসংখ্যার অর্ধেকের বেশি মানুষের খাবারের চাহিদা মেটায় এবং মিলিয়ন মিলিয়ন গ্রামীণ দরিদ্র মানুষের জীবিকার ভিত্তি। তবে ধান চাষ বাড়তি চাপের মুখোমুখি হচ্ছে। উৎপাদন কমে যাওয়া এবং জল সম্পদের সংস্থাপন থেকে শুরু করে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনে নানা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ছে। এই চ্যালেঞ্জগুলোর সমাধান করা না হলে, খাদ্য নিরাপত্তা এবং সবচেয়ে দরিদ্র এবং ঝুঁকিতে থাকা সম্প্রদায়গুলোর উন্নয়নকে বিপদে ফেলবে।</p>
<p>বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ধান এশিয়ায় খাদ্য নিরাপত্তার জন্য অপরিহার্য। এটি এই অঞ্চলের ক্যালরির এক চতুর্থাংশেরও বেশি এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় প্রয়োজনীয় ক্যালরির অর্ধেকের চাহিদা মেটায়। শত শত মিলিয়ন ছোট কৃষকের জন্য, ধান শুধুমাত্র খাদ্য নয়, এটি তাদের জীবিকা নির্বাহের উৎস।</p>
<p>এডিবির সহ সভাপতি ফাতিমা ইয়াসমিন বলেন, আজ সেই জীবিকা ক্রমবর্ধমানভাবে চরম আবহাওয়া এবং পরিবেশগত অবক্ষয়ের কারণে হুমকির মুখে। গেটস ফাউন্ডেশনের সঙ্গে সমন্বিতভাবে অর্থায়িত নবনির্মিত এডিবি–সিজিআইএআর ক্লিয়ারিং হাউজ ফ্যাসিলিটির মাধ্যমে এই উদ্যোগটি অঞ্চলের সবচেয়ে দরিদ্র জনগণের জন্য টেকসই পানি ব্যবহার, অন্তর্বর্তী মূল্য শৃঙ্খল এবং উন্নত পুষ্টির সঙ্গে স্থিতিস্থাপক, উচ্চ ফলনশীল এবং নিম্ন-নিষ্ক্রিয় কৃষি অনুশীলনকে উৎসাহিত করবে।</p>
<p>এডিবির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এডিবি ২০২৫-২০৩০ সালের মধ্যে এই প্রকল্পের মাধ্যমে ১ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি বিনিয়োগ করার পরিকল্পনা করছে যা টেকসই উপায়ে উৎপাদনশীলতার উন্নয়ন করতে, কঠোর জলবায়ু পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে এবং পানি ও কার্বনের পরিমাণ কমাতে সাহায্য করবে। এটি ২০৩০ সালের মধ্যে খাদ্যব্যবস্থা রূপান্তরের জন্য এডিবির ৪০ বিলিয়ন ডলারের বৃহত্তর প্রতিশ্রুতির একটি অংশ, যা মে মাসে ঘোষণা করা হয়েছিল।</p>
<p>আন্তর্জাতিক চাল গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইআরআরআই) এর ডিরেক্টর জেনারেল ইয়ভন পিন্টো বলেন, এই যৌথ উদ্যোগটি এডিবির সঙ্গে সিজিআইএআর এর কৌশলগত সহযোগিতাকে আরও জোরদার করবে।</p>
<p>তিনি বলেন, এডিবি এবং গেটস ফাউন্ডেশনসহ অংশীদারদের সঙ্গে আমরা এশিয়ার চাল খাতের টেকসই এবং স্থিতিস্থাপক রূপান্তর করতে পারি এবং বর্তমানে ও ভবিষ্যতে লাখ লাখ ক্ষুদ্র কৃষকের জীবনকে পরিবর্তন করতে পারি।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>স্মার্ট উদ্যোগে পৌনে ২ কোটি মানুষের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন</title>
<link>https://digibanglatech.news/153890</link>
<guid>https://digibanglatech.news/153890</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202505/image_870x580_682abcbda09a8.jpg" length="130986" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 18 May 2025 23:08:24 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>টেকসই উন্নয়নে দেশের কৃষিতে যান্ত্রিকীকরণ ও প্রযুক্তি ব্যবহারের সুযোগ করে দিয়ে গত পাঁচ বছরে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় নানা উদ্যোগের মাধ্যমে ১ কোটি ৮০ লক্ষাধিক মানুষের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন এনেছে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশ। রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে রাবিবার (১৮ মে) অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। </p>
<p>সংবাদ সম্মেলনে উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে নেয়া হাওর অঞ্চলে জলবায়ু-স্মার্ট কৃষি, মৌচাষে মূল্য সংযোজন, যশোরে কৃষকের আয় বৃদ্ধি, গাজীপুরে যুব প্রশিক্ষণ কর্মসূচি এবং দুর্যোগপ্রবণ চরাঞ্চলে বিকল্প জীবিকার সুযোগ সৃষ্টিতে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশ বিশেষ ভূমিকা রাখতে সক্ষম হয়েছে।</p>
<p>এসময় স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নাসের এজাজ বিজয় বলেন, আমাদের ভূমিকা শুধু ব্যাংকিংয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। ২০২৪ সালেই আমাদের কমিউনিটি প্রোগ্রামগুলো থেকে প্রায় ১০ লাখ মানুষ উপকৃত হয়েছে। ম্যানগ্রোভ রোপণ, কৃষি উদ্ভাবন, গ্রামীণ চক্ষু চিকিৎসা সেবা এবং দক্ষতা প্রশিক্ষণের মতো উদ্যোগগুলো ব্যাংকের দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক প্রভাব তৈরির লক্ষ্যেরই অংশ।</p>
<p>নাসের এজাজ বলেন, ‘একটি সীমিত শাখা-সম্পন্ন বিদেশি ব্যাংক হিসেবে আমাদের নির্ভরযোগ্য স্থানীয় অংশীদাররাই আমাদের প্রকৃত শক্তি। আমরা সংখ্যার চেয়ে মানুষের জীবনে বাস্তব পরিবর্তনে গুরুত্ব দিই।’</p>
<p><span lang="BN">স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশের কান্ট্রি হেড</span>, <span lang="BN">কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স ও ব্র্যান্ড ও মার্কেটিং</span>,<span lang="BN"> বিটপি দাস চৌধুরী জানিয়েছেন, </span>এসএএফ এর সহযোগিতায় ‘<span lang="BN">স্মার্ট কৃষি গ্রাম উদ্যোগ’ এর মাধ্যমে </span><span lang="BN">যান্ত্রিকীকরণ</span>, <span lang="BN">সমন্বিত পোকামাকড় ব্যবস্থাপনা</span>, <span lang="BN">ফসল পরবর্তী পরিচর্যা ও <span lang="BN">উপকরণ সরবরাহকারী ও পরামর্শদাতা নেটওয়ার্ক গড়ে তুলে <span lang="BN">১৪৫০ জন কৃষকের মধ্যে ৬০ </span>শতাংশের বেশি কৃষকে উৎপাদন বৃদ্ধি ও খরচ কমানো সম্ভব হয়েছে।  ইউসেপ বাংলাদেশ এর সহযোগিতায় </span></span><span lang="BN">গাজীপুরে যুব দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান প্রকল্পে স্থানীয় পর্যায়ে <span lang="BN">মোবাইল সার্ভিসিং মোবাইল সার্ভিসিং, মেশিন চালনার মতো প্রশিক্ষণ দিয়ে গ্র্যাজুয়েটদের গড় মাসিক আয় ১০,<span lang="BN">০০০ টাকার বেশি হয়েছে।</span></span></span></p>
<p><span lang="BN"><span lang="BN"><span lang="BN">এছাড়াও ব্র্যাক এর মাধ্যমে হাওর অঞ্চলের কৃষকদের খাদ্য নিরাপত্তায় বন্যা স্থানীয় বাজার চ্যানেল ও কৃষি উপকরণ সহায়তার মাধ্যমে সহনশীল ফসল পরিকল্পনা ও জলবায়ু-সহনশীল কৃষি কৌশল গ্রহণের সুফল হিসেবে ১৫০০ কৃষকের ৮০% জানিয়েছেন, তাদের খাদ্যের প্রাপ্যতা বেড়েছে এবং বছরের সব সময় আয় হচ্ছে। কেএমএসএস এর মাধ্যমে যশোরে সংগঠিত ফুলচাষ কেন্দ্রে বাজার ও পাইকারি ক্রেতাদের মধ্যে সরাসরি ব্যবসায়িক যোগাযোগের মাধ্যমে পণ্য সরবরাহের সুবিধা নিশ্চিত করে জারবেরা চাষ, পলিহাউস ব্যবস্থাপনা, ছাঁটাই পদ্ধতি ও পোকামাকড় নিয়ন্ত্রণ করা গেছে। এতে প্রতি ফুলচাষী কৃষকের গড় মাসিক আয় ২,০০০ থেকে ৫,০০০ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে।  উন্নয়ন সংস্থা বাসা এর মাধ্যমে </span></span></span><span lang="BN">নিরাপদভাবে মধু সংগ্রহ ও প্রক্রিয়াজাতকরণ</span>, <span lang="BN">আর্থিক পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে <span lang="BN">প্রতি মৌচাষির বার্ষিক আয় ২৫</span>,০০০ টাকার বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে।</span></p>
<p><span lang="BN">বিটপী বলেন</span>,  “<span lang="BN">আমাদের অংশীদার ও কমিউনিটিগুলো সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তনের চালক। এই যাত্রায় তাদের পাশে </span>থেকে কাজ করতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। <span lang="BN">এ বছরের প্রতিটি সাফল্য কেবল সংখ্যায় সীমাবদ্ধ নয় — প্রতিটি মাঠ</span>, <span lang="BN">ঘর</span>, <span lang="BN">পলিহাউস আর মৌচাকে গড়ে উঠেছে আশার গল্প</span>, <span lang="BN">আত্মমর্যাদা আর টিকে থাকার অনুপ্রেরণা।</span>“</p>
<div id="related_more">
<div>
<div>
<div>
<div id="flex-left-image">
<div>
<div>
<div>
<p>ঠেঙ্গামারা মহিলা সবুজ সংঘের (টিএমএসএস) প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক হুসনে আরা বেগম বলেন, ‘স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড শুধু একজন দাতা নয়, তারা প্রকৃতপক্ষে আমাদের উন্নয়ন সহযোগী। তারা কমিউনিটির প্রয়োজনকে সম্মান করে এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রভাবের দিকে নজর রাখে।’</p>
<p>তিনি আরও বলেন, এটা খুবই বিরল, যেখানে কোনো করপোরেট প্রতিষ্ঠান ক্ষুদ্র কৃষক বা দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে কেন্দ্র করে প্রকল্প বাস্তবায়ন করে, বিনিময়ে তা প্রচার বা স্বল্পমেয়াদি লাভ চায় না।</p>
<p>ইস্পাহানি ইসলামিয়া আই ইনস্টিটিউট অ্যান্ড হসপিটালের সিইও একেএম আখতারুজ্জামান জানান, তাদের সঙ্গে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ডের অংশীদারিত্ব শুরু হয় ভ্রাম্যমাণ চোখের হাসপাতাল থেকে, যা এখন স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রকল্পে সম্প্রসারিত হয়েছে।</p>
<p>ফ্রেন্ডশিপের নির্বাহী পরিচালক রুনা খান বলেন, আমরা মূলধারার বাইরের মানুষের সঙ্গে কাজ করি- যাদের একসাথে স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও জীবিকা প্রয়োজন। স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ডের সামগ্রিক দৃষ্টিভঙ্গিই এ কাজকে সম্ভব করে তুলেছে।</p>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<p></p>
<p><span lang="BN"><span lang="BN"></span></span><span lang="BN"><span lang="BN">  </span></span></p>
<p></p>
<p><span lang="BN"> </span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>অপুষ্টি মোকাবিলায় খাদ্য প্রকৌশলে মনযোগী হওয়ার আহ্বান</title>
<link>https://digibanglatech.news/153725</link>
<guid>https://digibanglatech.news/153725</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202505/image_870x580_6824067989150.jpg" length="99509" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 14 May 2025 00:01:03 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>মাইক্রো নিউট্রিয়েন্টস এর অভাবে দেশে প্রতিনিয়ত চিকিৎসা ব্যয় বাড়ছে। এক ধাচের খাবর খাওয়ার কারণে এই সমস্যাটা বাড়ে। এ জন্য জিএম খাদ্য ‍উৎপাদনে মনোযোগী হওয়া দরকার বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, সুস্থ দেহের অন্যতম হচ্ছে খাদ্য। খাদ্য প্রকৌশলে গুরুত্বারোপের মাধ্যমে চিকিৎসা ব্যয় যেমন কমানো সম্ভব তেমনি জাতীয় স্বাস্থ্যমানও উন্নত হবে। </p>
<p>মঙ্গলবার (১৩ মে) সন্ধ্যায় রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (আইইবি) সদর দফতরে কৃষিকৌশল বিভাগের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত  ‘খাদ্য সম্মৃদ্ধকরণ এবং অনুপুষ্টির অভাব জনিত অপুষ্টি মোকাবিলায় এর প্রয়োজনীয়তা’ শীর্ষক সেমিনারে এ বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।</p>
<p>সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজউক চেয়ারম্যান ও আইইবির প্রেসিডেন্ট প্রকৌশলী মোহাম্মদ রিয়াজুল ইসলাম (রিজু)। তিনি উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ‘আজকের সেমিনারের বিষয়বস্তু বর্তমান প্রেক্ষাপটে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। খাদ্য সম্মৃদ্ধকরণ এর মাধ্যমে খাদ্যের পুষ্ঠিগুণ ধরে রাখা যায়। আমাদের দেশে লবণ, চাল, তেলসহ বিভিন্ন খাদ্য পণ্যের খাদ্য সম্মৃদ্ধকরণ করা হয়।</p>
<p>বিশেষ অতিথি’র বক্তব্যে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের খাদ্য প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিভাগের অধ্যাপক (অব.) খ ড. প্রকৌশলী এম. বোরহান উদ্দিন বলেন, ‘সূর্যের আলোর মাধ্যমে ভিটামিন ডি তৈরি হয়। অন্যান্য ভিটামিন খাদ্যের মাধ্যমে তৈরি হয়। আমরা শরীরে খাদ্যের অভাব হলে ক্ষুধা লাগে কিন্তু ভিটামিন এর অভাব হলে আমরা বুঝতে পারি না। যার কারণে আমরা নানা রোগে আক্রান্ত হই। আমরা একই ধরনের খাদ্য বার বার গ্রহণ করি যার জন্য ভিটামিন এর অভাব পূরণ হয় না। তাই আমাদের খাবারের ভিন্নতা আনতে হবে। আমাদের দেশে লবণে আয়োডিন যুক্ত করার জন্য একটি সেল রয়েছে। কিন্তু চাল, তেলসহ অন্যান্য পণ্য তদারকি করার তেমন কোনো সেল নেই।’</p>
<p>বিশেষ অতিথি’র বক্তব্যে আইইবির ভাইস-প্রেসিডেন্ট প্রকৌশলী শেখ আল আমিন বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রাচীনতম এবং প্রকৌশলীদের একমাত্র জাতীয় পেশাজীবী প্রতিষ্ঠান আইইবি। আইইবি পরিচালিত হয় কেন্দ্র, উপকেন্দ্র, ডিভিশন, ওভারসীস চ্যাপ্টারের মাধ্যমে। ডিভিশনগুলো যে সকল সেমিনার, সিম্পোজিয়াম, গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করেন সেগুলো আইইবি এইচআরডি এর তত্ত্বাবধানে আয়োজিত হয়।’আইইবির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী মো. সাব্বির মোস্তফা খান বলেন, ‘বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ ভিটামিন ডি সহ বিভিন্ন ভিটামিনে অভাব রয়েছে।’</p>
<p>সভাপতিত্ব করেন আইইবির কৃষিকৌশল বিভাগের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী গোলাম মাওলা। সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য দেন আইইবি কৃষিকৌশল বিভাগের ভাইস-চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মোহাম্মদ সরোয়ার মাওলা। সেমিনার সঞ্চালনা করেন আইইবির কৃষিকৌশল বিভাগের সম্পাদক প্রকৌশলী মো. বেলাল সিদ্দিকী।</p>
<p>সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ফুড ফর্টিফিকেশনের কান্ট্রি প্রোগ্রাম ম্যানেজার ইঞ্জিনিয়ার মো. গুলজার আহম্মেদ। মূল প্রবন্ধে তিনি খাদ্য সমৃদ্ধকরণ এর ওপরে বিশদ আলোকপাত করেন। তিনি বিশ্বে ও বাংলাদেশে খাদ্য সমৃদ্ধকরণ এর বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরেন। সেমিনারে খাদ্য সম্মৃদ্ধকরণ এর বর্তমান অবস্থা, চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যৎ করণীয় বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উপস্থাপন করা হয়।</p>
<p>মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনের পরে উন্মুক্ত আলোচনায় বক্তারা বলেন, ‘বাংলাদেশে বহু মানুষ পর্যাপ্ত পরিমাণে খাবার গ্রহণ করলেও তারা প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও খনিজ উপাদানের ঘাটতিতে ভুগছেন, যা শিশুদের বৃদ্ধি, নারীদের মাতৃত্বকালীন স্বাস্থ্য এবং দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে বাধা সৃষ্টি করছে। এই অনুপুষ্টির ঘাটতি দূর করতে খাদ্য সম্মৃদ্ধকরন-ফুড ফর্টিফিকেশন একটি কার্যকর ও টেকসই সমাধান হতে পারে। খাদ্যের মাধ্যমে আয়োডিন, আয়রন, জিঙ্ক, ভিটামিন-এ, ফলিক এসিড, ভিটামিন বি ১, বি-৬, বি-১২ ইত্যাদি উপাদান যোগ করলে জনগণের অনুপুষ্টিগত ঘাটতি পূরণ করা সম্ভব।’</p>
<p>অংশগ্রহণকারীরা খাদ্য নিরাপত্তা এবং জনস্বাস্থ্য উন্নয়নে সম্মিলিতভাবে কাজ করার অঙ্গীকার করেন। সেমিনার শেষে একটি কার্যকর সুপারিশমালা প্রণয়ন করা হয়, যা ভবিষ্যতে নীতিনির্ধারকদের জন্য সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>আইসিসিবিতে মেডিটেক্স, হেলথ ট্যুরিজম, ফুড অ্যান্ড অ্যাগ্রো সম্মেলন শুরু</title>
<link>https://digibanglatech.news/153538</link>
<guid>https://digibanglatech.news/153538</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202505/image_870x580_681c9247c60df.jpg" length="112328" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 08 May 2025 16:15:45 +0600</pubDate>
<dc:creator>ক্যাম্পাস করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>রাজধানীর কুড়িলে অবস্থিত ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরা (আইসিসিবি) সম্মেলন কেন্দ্রে শুরু হয়েছে চিকিৎসা সরঞ্জাম, স্বাস্থ্য পর্যটন সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী। আগামী শনিবার রাত ৮টা পর্যন্ত সম্মেলন কেন্দ্রের চার নম্বর হলে মেডিটেক্স; তিন নম্বর হলে  হেলথ ট্যুরিজম এবং কৃষি ও খাদ্য যন্ত্রপাতি সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী অ্যাগ্রো অ্যান্ড ফুড মেলা বসেছে এক ও দুই নম্বর হলে।  প্রদর্শনীকালীন ‘কফি ফেস্টিভাল’ চলছে হল-১ এ। </p>
<p>দেশি-বিদেশি হাসপাতাল ও চিকিৎসকদের সহযোগিতা বিষয়ক এ প্রদর্শনীসমূহে বাংলাদেশ, ভারত, চীন, ও থাইল্যান্ডসহ ১৫টিরও অধিক দেশের ৫০০ টিরও অধিক বুথ নিয়ে প্রায় ৩০০টি কোম্পানি অংশগ্রহণ করেছে।  প্রদর্শনীতে থাকছে সংশ্লিষ্ট শিল্প সম্পর্কিত ৬টি আন্তর্জাতিক সেমিনার।  ফুড বাংলাদেশ ও অ্যাগ্রো বাংলাদেশ প্রদর্শনীতে খাদ্য, কৃষি ও প্লাস্টিক শিল্পের অত্যাধুনিক সরঞ্জাম, উন্নত প্রযুক্তি, পণ্য এবং পরিষেবা বিষয়ক এ প্রদর্শনীসমূহে বাংলাদেশ, ভারত, চীন, পাকিস্তান, মালয়েশিয়া, ইউক্রেন, মিশরসহ ১২টিরও অধিক দেশের ৪৮০ টিরও অধিক বুথ নিয়ে প্রায় ২৫০টি কোম্পানি অংশগ্রহণ করছে।  </p>
<p>কনফারেন্স অ্যান্ড এক্সিবিশন ম্যানেজমেন্ট সার্ভিসেস (সেমস-গ্লোবাল ইউএসএ) এর আয়োজনে বৃহস্পতিবার প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন নেদারল্যান্ডস দূতাবাসের ডেপুটি হেড অফ মিশন থিজ উডস্ট্রা। </p>
<p> বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন  বাংলাদেশ অ্যাগ্রো-প্রসেসরস এসোসিয়েশন (বাপা) সভাপতি, মোঃ আবুল হাশেম; ইউরোপিয় ইউনিয়ন চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশের, চেয়ারপারসন নুরিয়া লোপেজ; ইফাদ মাল্টি প্রোডাক্টস লিমিটেডের চিফ অপারেটিং অফিসার মাহবুব বাসেত ; সুইসকন্ট্যাক্ট এর ডেপুটি কান্ট্রি ডিরেক্টর ইশরাত ফাতেমা ।</p>
<p>স্বাগত বক্তব্য দেন, আয়োজক প্রতিষ্ঠান সেমস-গ্লোবাল ইউএসএ অ্যান্ড এশিয়া প্যাসিফিকের প্রেসিডেন্ট অ্যান্ড গ্রুপ ম্যানেজিং ডিরেক্টর মেহেরুন এন. ইসলাম। আরো বক্তব্য দেন সুইসকন্ট্যাক্ট টিম লিড (বিল্ডিং ইয়ুথ এমপ্লোয়েবিলিটি থ্রো স্কিলস- বি.ওয়াই.ই.টি.এস প্রকল্প) নাদিয়া আফরিন শামস ।</p>
<p>আয়োজক সূত্রে প্রকাশ, প্রদর্শনীতে থাকছে সংশ্লিষ্ট শিল্প সম্পর্কিত ৬টি আন্তর্জাতিক সেমিনার। সুইসকন্ট্যাক্ট এর সহযোগিতায় ০৮ মে, ‘স্ট্রেংথেনিং অ্যাগ্রো-প্রসেসিং এসএমইজ: ক্রিয়েটিং অ্যা বিজনেস-ফ্রেন্ডলি এনভায়রনমেন্ট ফর গ্রোথ অ্যান্ড এক্সপোর্ট’ শীর্ষক সেমিনার (বিকাল ৪:০০–৫:০০টা); সুইসকন্ট্যাক্ট এর সহযোগিতায় ‘এক্সপোর্ট অপরচুনিটিজ ইন আনকনভেনশনাল মার্কেট ফর বাংলাদেশি এসএমইজ’ (বিকাল ৪:০০টা–৫:০০টা); বিটিএল এর সহযোগিতায় ‘হোয়্যার ইনোভেশন মিটস বিউটি অ্যান্ড ওয়েলনেস’ (বিকাল ৫:৩০টা–৬:৩০টা); ১০ মে, কনপাস কর্পোরেশন এর সহযোগিতায় ‘অ্যাগ্রোইকোলজি: বিল্ডিং রেজিলিয়েন্স টু ক্লাইমেট চেঞ্জ’ (সকাল ১১:৩০টা–দুপুর ১২:৩০টা); সুইসকন্ট্যাক্ট এর সহযোগিতায় ‘আনলকিং বাংলাদেশের এক্সপোর্ট পোটেনশিয়াল ইন দ্য অ্যাগ্রো-প্রসেসিং সেক্টর’ (বিকেল ৪:০০টা–৫:০০টা); কিভা হান এর সহযোগিতায় ‘ক্যাফে কালচার ফেনোমেনা’ (বিকাল ৫:১৫টা–সন্ধ্যা ৭:০০টা) অনুষ্ঠিত হবে।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>খাদ্য নিরাপত্তা ও কৃষকের ন্যায্যতা নিশ্চিতে গবেষণা ও প্রযুক্তিতে গুরুত্বারোপ</title>
<link>https://digibanglatech.news/153428</link>
<guid>https://digibanglatech.news/153428</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202505/image_870x580_68187c26bc6e3.jpg" length="98355" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 05 May 2025 13:50:19 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>কৃষির আধুনিকায়নে গবেষণা ও প্রযুক্তির টেকসইয়ের ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন খাত সংশ্লিষ্টরা।  <span>সোমবার (৫ মে)  রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁয় হোটেলে কৃষি, খাদ্য নিরাপত্তা ও প্রাণ-প্রকৃতি সম্মেলনের বক্তারা এই আহ্বান জানান। </span></p>
<p><span>অনুষ্ঠানে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, অতিরিক্ত কীটনাশক ব্যবহারের কারণে মাছ ও ফসল দূষিত হচ্ছে। তাই কীটনাশক ব্যবহারে নীতি গ্রহণ করতে হবে। উৎপাদন বৃদ্ধি করতে গিয়ে আধুনিক কৃষির নামে মাটি ও পানির উর্বরতা ধ্বংস করা হচ্ছে।</span></p>
<p data-block-key="enfje">তিনি আরো বলেন, এক সময় কৃষির অধীনেই মৎস ও প্রাণী সম্পদ ছিল। এখন এগুলো আলাদা হয়েছে। পণ্য ভিত্তিক কৃষকও আলাদা হয়েছে। মৎসের ক্ষেত্রে আমরা যদি দেখি, উন্মুক্ত জলাশয় থেকে মাছ আরোহণে বাংলাদেশ ভারতের পরই ২য় স্থানে আছে। অথচ হাওর, নদী-নালা ধ্বংস করছি আমরা। জলাশয়গুলোকে রক্ষা করতে চাচ্ছি যখন তখন আবার দেখা যাচ্ছে কৃষিতে ব্যবহৃত কীটনাশকে মাছ মারা যাচ্ছে।</p>
<p><span>বক্তব্যে কৃষি সচিব ড. মোহাম্মদ এমদাদ উল্লাহ মিয়ন</span><span>বলেছেন,  কৃষি আধুনিকায়নে ২৫ বছর মেয়াদি পরিকল্পনা করতে যাচ্ছে সরকার। </span>আমাদের ডেল্টাপ্ল্যানে ছয়টি হটস্পট রয়েছে। সে অনুযায়ী কীভাবে এ সেক্টরকে ঢেলে সাজানো যায়, সে কাজ চলছে। এতে ৯টি থিমেটিক এলাকায় ভাগ করে নেওয়া হয়েছে। শিগগিরই এর অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত জানাতে পারবো।</p>
<p class="alignfull">মাটির ঊর্বরতা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে উল্লেখ করে কৃষি সচিব আরো বলেন, আমাদের কৃষি কমিশন না থাকা নিয়ে বিভিন্ন কথা হয়। এ সেক্টরে কোনও নতুনত্ব আসেনি বা দীর্ঘমেয়াদি কোনও পরিকল্পনা নেওয়া হয়নি। তবে আমরা সবকিছু যাচাই করে বাস্তব পদক্ষেপ নিতে চাই। কৃষির স্বাস্থ্যের কথা বললে মাটির ঊর্বরতার কথা বলতে হয়। আমরা সেটি নিয়ে কাজ করছি। কেননা,মাটির ঊর্বরতা অনুযায়ী কোন অঞ্চলে বা কোন মাটিতে কী ধরনের ফসল উৎপাদন ভালো হয়, তা যাচাই করে ফসল উৎপাদনের দিকে এগোতে হবে।</p>
<p class="alignfull"><span>বাংলাদেশ প্রাণী সম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের সাবেক মহাপ‌রিচালক ড. জাহাঙ্গীর আলম বলেছেন, স্বাধীনতার পর গত ৫৪ বছরে দেশের কৃ‌ষি খাতে সবচেয়ে বে‌শি দৃশ্যমান উন্নয়ন হয়েছে। স্বাধীনতার পর আমাদের খাদ্য শস্য উৎপাদন ছিল ১ কো‌টি টন, যা এখন ৫ কো‌টি টন ছা‌ড়িয়েছে। এ সময়ে ‌দেশের কৃ‌ষি‌ খাতের মোট উৎপাদন ৩ হারে বেড়েছে, যেখানে সারা বিশ্বে ২ দশ‌মিক ৪ শতাংশ হারে বেড়েছে। উৎপাদনের দিক থেকে আমরা যথেষ্ট এগিয়ে‌ছি। কিন্তু তারপরও আমাদের খাদ্য সংকট আছে, সমস্যা আছে। ‌প্রতি বছর আমাদের‌কে ১ কো‌টি টনের বে‌শি বি‌ভিন্ন ধরনের খাদ্যপণ্য আমদা‌নি করতে হয়। আমরা খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে গে‌ছি বলা হয়ে থাকে। এ‌টা কথার কথা, অনেকটা রাজ‌নৈ‌তিক—এর কোনো ভি‌ত্তি নেই।</span></p>
<p class="alignfull"><span>বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও কৃষকের আয় ন্যায্যতা নিশ্চিতে গবেষণায় ও প্রযুক্তিতে গুরুত্ব আরোপ করে এসিআই এগ্রিবিজনেসের প্রেসিডেন্ট ড. এফ এইচ আনসারী বলেন, ক্রমাগত ফার্ম লেবার কমছে। ১৯৬০ সালে ৬০ শতাংশ মানুষ কৃষি কাজে যুক্ত ছিল। তা অর্ধেক হ্রাস পেয়ে এখন নেমেছে ৩০ শতাংশে। ২০৩০ সাল নাগাদ সেটি ২৫ শতাংশে নামবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিদ্যমান এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য প্রয়োজন তরুণদের অন্তর্ভুক্ত করা। আর উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার করার ফলে কৃষি খাতে তরুণদের আগ্রহ বাড়বে। ধানকেন্দ্রিক গবেষণাকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেয়া হয়। এর পাশাপাশি গম-ভূট্টায় শক্তিশালী গবেষণা প্রয়োজন। কৃষি গবেষণায় উন্নত ল্যাবরেটরি, পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপের অংশীদারত্বকে উৎপাদন পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া ও উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার করার মাধ্যমে কৃষিতে ব্যাপক পরিবর্তন আনয়ন করতে হবে।</span></p>
<p class="alignfull">এছাড়াও <span>কৃষিখাতে ঋণ দেয়ার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা থাকলেও ব্যাংকগুলো তা যথাযথভাবে পালন করছে না বলে অভিযোগ করেছেন ইস্ট কোস্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান আজম জে চৌধুরী। তিনি বলেন, কৃষিখাতে আমাদের উৎপাদন বাড়াতে ব্যাংকের ঋণব্যবস্থাকে উন্নতি করতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংক প্রায় ৩৮ হাজার কোটি টাকা এ খাতে ঋণের জন্য নির্ধারণ করে রাখলেও অধিকাংশ বেসরকারি ব্যাংক তা মানছে না। ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে কিভাবে সাধারণ কৃষক আরো বেশি সুবিধা নিতে পারে, সে বিষয়ে ভূমিকা রাখা প্রয়োজন। এক্ষেত্রে বিশেষায়িত ও বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর জন্য বিশেষায়িত নিয়ম থাকতে হবে।</span></p>
<div class="mt-4">
<div class="max-w-none prose dark:prose-invert mb-3 break-words prose-xl prose-p:text-[18px] prose-p:leading-[30px] prose-p:font-medium text-[#101828] dark:text-bb-text-dark">
<p data-block-key="3eud"></p>
</div>
</div>
<div class="print:hidden flex justify-center items-center" id="article-bottom">
<div id="ats-insert_ads-44-wrapper" class="insert_ads insert_ads-16 unrendered"></div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>৮ মে ঢাকায় বসছে কৃষি&#45;স্বাস্থ্য&#45;পর্যটন প্রযুক্তির ত্রিমাত্রিক মেলা</title>
<link>https://digibanglatech.news/153361</link>
<guid>https://digibanglatech.news/153361</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202505/image_870x580_6815f75be97ac.jpg" length="113526" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sat, 03 May 2025 11:59:25 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>আগামী ৮ মে রাজধানীর কুড়িলে ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) বসছে তিন দিনব্যপাী কৃষি-স্বাস্থ্য-পর্যটন প্রযুক্তির মেলা-মেডিটেক্স, হেলথ ট্যুরিজম এবং খাদ্য ও কৃষি যন্ত্রপাতি নিয়ে ত্রিমাত্রিক প্রদর্শনী। <o:p></o:p>প্রতিদিন সকাল সাড়ে ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত প্রদর্শনীতে থাকছে আধুনিক প্রযুক্তি চিকিৎসা সরঞ্জাম, স্বাস্থ্য ও পর্যটন সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী। <o:p> </o:p></p>
<p>প্রদর্শনীতে কৃষির নতুন প্রযুক্তি এবং রাসায়নিকমুক্ত খাবারের পাশাপাশি চিকিৎসায় ব্যবহৃত নতুন প্রযুক্তি নিয়ে মেলায় হাজির হবেন খাত সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী ও সেবাদাতারা।  </p>
<p>প্রদর্শনীর আয়োজন নিয়ে রাজধানীর গুলশান লিংকরোডের সেমস বাংলাদেশের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, আন্তর্জাতিক এ প্রদর্শনীতে বাংলাদেশ, ভারত, চীন, সংযুক্ত আরব আমিরাত, থাইল্যান্ড, দক্ষিণ কোরিয়া ও শ্রীলংকাসহ ১৫টিরও অধিক দেশের ৫০০ টিরও অধিক বুথ নিয়ে প্রায় ৩৫০টি কোম্পানি অংশগ্রহণ করবে। প্রদর্শনীটি সংশ্লিষ্ট শিল্পের ক্রেতা ও বিক্রেতাদের জন্য একটি ওয়ান স্টপ প্লাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে।</p>
<p>সংবাদ সম্মেলনে সেমস-গ্লোবাল ইউএসএ অ্যান্ড এশিয়া প্যাসিফিকের প্রেসিডেন্ট অ্যান্ড গ্রুপ ম্যানেজিং ডিরেক্টর মেহেরুন এন. ইসলাম, সেমস-গ্লোবালের নির্বাহী পরিচালক তানভীর কামরুল ইসলাম, সেমস-বাংলাদেশের হেড অব মার্কেটিং অ্যান্ড সেলস মাহমুদ রিয়াদ হাসান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।<o:p></o:p></p>
<p>আয়োজকরা জানান, আগামী ৮-১০ মে আইসিসিবিতে বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবা, চিকিৎসা সরঞ্জাম, অস্ত্রোপচার ও ডেন্টাল যন্ত্রপাতি, হাসপাতালের সরঞ্জাম ও সরবরাহ কেন্দ্রিক অন্যতম সুপ্রতিষ্ঠিত ও শীর্ষস্থানীয় আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী ‘১৬তম মেডিটেক্স বাংলাদেশ ২০২৫ ইন্টারন্যাশনাল এক্সপো’ ছাড়াও একইসঙ্গে ‘৯ম বাংলাদেশ ক্লিনিক্যাল ল্যাব এক্সপো ২০২৫’ এবং ‘১১তম ফার্মা বাংলাদেশ ২০২৫ ইন্টারন্যাশনাল এক্সপো’।</p>
<p>প্রদর্শনীতে স্বাস্থ্যসেবা, মেডিকেল ট্যুরিজম ও তৎসংশ্লিষ্ট সেবা সম্পর্কিত বাংলাদেশের একমাত্র ও বৃহত্তম প্রদর্শনী - ‘৮ম ইন্টারন্যাশনাল হেলথ ট্যুরিজম অ্যান্ড সার্ভিসেস এক্সপো বাংলাদেশ ২০২৫’ অনুষ্ঠিত হবে। পাশাপাশি চলবে স্বাস্থ্য পর্যটন এবং চিকিৎসা ক্ষেত্রে উন্নত প্রযুক্তি ও সেবা নিয়ে স্বাস্থ্য সমস্যার সমাধান, দেশি-বিদেশি হাসপাতাল ও চিকিৎসকদের সহযোগিতা বিষয়ক প্রদর্শনী।   </p>
<p>একই সময়ে থাকছে, খাদ্য ও কৃষিজ যন্ত্রপাতি, খাদ্য ও পানীয় পণ্য এবং প্যাকেজিং সামগ্রী সম্পর্কিত শীর্ষস্থানীয় আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী - ‘৮ম ফুড বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল এক্সপো ২০২৫’ এবং ‘৮ম অ্যাগ্রো বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল এক্সপো ২০২৫’, একইসাথে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ‘৮ম পোল্ট্রি অ্যান্ড লাইভস্টক বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল এক্সপো ২০২৫’ এবং ‘৫ম ফুড প্যাক এক্সপো ২০২৫’। এছাড়াও খাদ্য, কৃষি ও প্লাস্টিক শিল্পের অত্যাধুনিক সরঞ্জাম, উন্নত প্রযুক্তি, পণ্য এবং পরিষেবা বিষয়ক এ প্রদর্শনীসমূহে বাংলাদেশ, ভারত, জার্মানি, দক্ষিণ কোরিয়া, শ্রীলংকা ও চীনসহ ১২টিরও অধিক দেশের ৪৮০ টিরও অধিক বুথ নিয়ে প্রায় ২৫০টি কোম্পানি অংশগ্রহণ করবে। <o:p></o:p></p>
<p>নেদারল্যান্ডস দূতাবাসের অর্থায়নে সেমস গ্লোবাল ও বাইটস (বিওয়াইইটিএস.) প্রকল্পের আয়োজনে, সুইসকন্ট্যাক্ট এর বাস্তবায়নে এবারের ‘৮ম অ্যাগ্রো বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল এক্সপো ২০২৫’ প্রদর্শনীর অন্যতম আকর্ষণ হিসেবে অনুষ্ঠিত হবে প্রিমিয়ার কো-ইভেন্ট ‘অ্যাগ্রো বাংলাদেশ গ্লোবাল গেটওয়ে’। যা, বিশ্বব্যাপী কৃষি উদ্ভাবন, ব্যবসায়িক নেটওয়ার্কিং, বাংলাদেশের কৃষি খাতের টেকসই প্রবৃদ্ধির প্রবেশদ্বার এবং কৃষি খাতের অগ্রগতিতে কার্যকর ভূমিকা পালন করবে। পাশাপাশি, কৃষিজাত পণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণে সম্পৃক্ত ক্ষুদ্র ও মাঝারি প্রতিষ্ঠানসমূহকে আন্তর্জাতিক বাজারের সাথে যুক্ত করতে এই উদ্যোগটি বিশেষ ভূমিকা পালন করবে বলেও আয়োজকদের অভিমত। এছাড়া, ‘৮ম ফুড বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল এক্সপো ২০২৫’ প্রদর্শনীকালীন কফি ফেস্ট অনুষ্ঠিত হবে। যেখানে কফি বিন এবং কফি যন্ত্রপাতি প্রদর্শনসহ বারিস্তা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে।<o:p></o:p></p>
<p><o:p>প্রসঙ্গত </o:p>, আয়োজক প্রতিষ্ঠান সেমস-গ্লোবাল ইউএসএ, নিউইয়র্ক ভিত্তিক একটি পেশাদার বহুজাতিক প্রদর্শনী ও সম্মেলন আয়োজক সংস্থা। ১৯৯২ সালে প্রতিষ্ঠিত, সেমস-গ্লোবাল ৩২ বছরেরও বেশি সময় ধরে ৪টি মহাদেশে সফলতার সাথে ব্যবসায়িক পরিমণ্ডলে পেশাদার বি-টু-বি ট্রেড শো আয়োজন করে আসছে। ৪টি মহাদেশে বিশ্বের অত্যন্ত সম্ভাবনাময় এবং উন্নয়নশীল দেশে প্রতি বছর সংগঠনটি সফলভাবে ৪০টি ট্রেড শো আয়োজনের মাধ্যমে নির্মাতা ও সংশ্লিষ্ট শিল্প সেক্টরের অগ্রগতিতে ব্যাপক ভূমিকা পালন করেছে। <span style="font-size: 13.0pt; font-family: Kalpurush;"><o:p></o:p></span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>পুষ্টির যোগান দেবে বি১০৭ ধান</title>
<link>https://digibanglatech.news/153067</link>
<guid>https://digibanglatech.news/153067</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202504/image_870x580_680a15cb93889.jpg" length="112308" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 24 Apr 2025 14:39:41 +0600</pubDate>
<dc:creator>লোকাল করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ভাতে পুষ্টি বাড়াতে উদ্ভাবিত হয়েছে নতুন জাতের ধান ব্রি-১০৭। পুষ্টি সমৃদ্ধ প্রিমিয়াম কোয়ালিটির এই বালাম ধানের জাতটি উদ্ভাবন করেছে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি)।</p>
<p>এ ধান থেকে তৈরি চালের ভাত খেলেই মিলবে শরীরের প্রয়োজনীয় প্রোটিন। মাঠ পর্যায়ে সারাদেশে চাষাবাদের জন্য ২০২৪ সালে অবমুক্ত করা হয় উচ্চ প্রোটিন সমৃদ্ধ প্রিমিয়াম কোয়ালিটির ধান ব্রি-১০৭।</p>
<p>এ ধানের চালে অ্যামাইলোজের পরিমাণ শতকরা ২৯ দশমিক ৩ ও প্রোটিনের পরিমাণ ১০ দশমিক ২ ভাগ। এটি একটি উচ্চ ফলনশীল বোরো মৌসুমের জাত। এছাড়া জাতটিতে রোগ-বালাই ও পোকা-মাকড়ের আক্রমণ প্রচলিত যেকোনো জাতের চেয়ে অনেক কম।</p>
<p>গোপালগঞ্জ ব্রি, আঞ্চলিক কার্যালয়ের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. আমিনা খাতুন জানান, ধানটির জীবনকাল ১৪৮ দিন। হেক্টরে এ জাতের ধান ৮ দশমিক ১৯ থেকে ৯ দশমিক ৫৭ মেট্রিক টন ফলানো সম্ভব। গোপালগঞ্জের মাঠে ধান ব্রি-১০৭ জাত ৮ দশমিক ৭৫ মেট্রিক টন ফলন দিয়েছে।বিশাল জনগোষ্ঠীর পুষ্টিহীনতা দূর করতে এ ধান ব্যাপক ভূমিকা রাখবে।</p>
<p>স্থানীয় কৃষক জেভিয়ার হালদার বলেন, ‘আমি কোটালীপাড়া কৃষি অফিসের সহযোগিতা ও নির্দেশনায় ধান ব্রি-১০৭ বপন করি। এ ধান চাষাবাদ করে আমি অধিক ফলন পেয়ে লাভবান হয়েছি। আগামী বছর অনেক কৃষকই এ জাতের ধান লাগানোর পরিকল্পনা নিয়েছেন।’</p>
<p>কোটালীপাড়া উপজেলার উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মনোজ কুমার মৃধা বলেন, এ জাতের ধান আবাদ সম্প্রসারণে কাজ করবে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। এতে দেশ খাদ্যে আরও স্বয়ংসম্পূর্ণ হবে।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>বাংলাদেশের মৎস্যখাতে প্রযুক্তি সহায়তায় আগ্রহী কোরিয়া</title>
<link>https://digibanglatech.news/153017</link>
<guid>https://digibanglatech.news/153017</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202504/image_870x580_6808d51945bc4.jpg" length="74844" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 23 Apr 2025 15:53:37 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span>বাংলাদেশের মৎস্যখাতে প্রযুক্তিগত গবেষণা সহযোগিতার ক্ষেত্রে একটি সমঝোতা স্মারক সইয়ের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন কোরিয়া প্রজাতন্ত্রের মৎস্যবিষয়ক ভাইস মিনিস্টার এবং জাতীয় মৎস্য বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের প্রেসিডেন্ট চোল ইয়ং সি। দেশটির বন্দরনগরী বুসানে বাংলাদেশের সফররত মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতারের সঙ্গে বৈঠকে এই আগ্রহ প্রকাশ করেন তিনি। </span></p>
<p><span>চোল ইয়ং সি বলেন, দক্ষিণ কোরিয়া সরকার মৎস্যখাতে বাংলাদেশের সাথে দ্বি-পাক্ষিক সহযোগিতা বৃদ্ধির উপায় খুঁজে বের করবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, আলোচনার ক্ষেত্রগুলোতে পারস্পরিক বোঝাপড়া এবং আরও সহযোগিতার বিকাশ উভয়পক্ষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।  </span></p>
<p><span>তিনি আরও বলেন, দক্ষিণ কোরিয়া ইতোমধ্যেই অবৈধ মাছ ধরার পাশাপাশি গভীর সমুদ্রে টুনা মাছ ধরার ট্র্যাকিংয়ের অত্যাধুনিক ব্যবস্থা উদ্ভাবন করেছে। নির্দিষ্ট প্রস্তাবের ভিত্তিতে এই ক্ষেত্রগুলোতে বাংলাদেশকে কোরিয়া সহযোগিতা করতে পারে। প্রযুক্তিগত গবেষণা সহযোগিতার ক্ষেত্রে আমাদের দুই দেশের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক সই করা যেতে পারে।  </span></p>
<p><span>কোরিয়া প্রজাতন্ত্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তৌফিক ইসলাম শাতিলের উপস্থিতিতে এই বৈঠকে উপদেষ্টা ছাড়াও বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলে উপস্থিত ছিলেন-  বিএফডিসির চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত সচিব) সুরাইয়া আখতার জাহান, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. আব্দুর রউফ এবং বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটর (বিএফআরআই)  মহাপরিচালক ড. অনুরাধা ভদ্র।</span></p>
<p><span>বৈঠকে ফরিদা আখতার বাংলাদেশের </span>সামুদ্রিক মৎস্য এবং এ সম্পর্কিত প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন, মেরিকালচার ও গভীর সমুদ্রে মাছ ধরার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অপার সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন। <span>মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত বৈঠকে </span>মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা গভীর সমুদ্রে অবৈধ মাছ ধরার বিরুদ্ধে নজরদারি জোরদার, গভীর সমুদ্রে টুনা মাছ ধরায় সক্ষমতা অর্জন, সামুদ্রিক সম্পদের মজুদ নির্ণয়ে সহায়তা, সামুদ্রিক মৎস্য গবেষণায় সক্ষমতা বৃদ্ধি, গবেষকদের জন্য দক্ষিণ কোরিয়ায় অধ্যয়নের সুযোগ প্রদান, মূল্য সংযোজন পণ্য উন্নয়ন এবং খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ প্ল্যান্ট উন্নয়নের মাধ্যমে মৎস্য পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে দক্ষিণ কোরিয়ার সহযোগিতা কামনা করেন।  </p>
<p>দ্বি-পাক্ষিক আলোচনায় উপদেষ্টা ফরিদা আখতার কোরিয়ান মন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, বাংলদেশ সরকার সাধারণ মানুষের আমিষ চাহিদা পূরণে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি জানতে পেরেছেন যে, কোরিয়ান সরকার তার জনগণকে ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে মাছের যোগান দেওয়ার জন্য নানা পদক্ষেপে নিয়েছে। উভয় দেশেরই কমন ও বৈশ্বিক অনেক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হচ্ছে। এর মধ্যে জলবায়ু পরিবর্তন, সমুদ্রে দূষণ, আইইউই ফিসিং, অধিক মৎস্য আহরণ, অবৈধ ফিসিং গিয়ার ব্যবহার বিশেষভাবে উল্লেখ্য।</p>
<p>উপদেষ্টা এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশ ও কোরিয়া প্রজাতন্ত্র একত্রে কাজ করতে পারে মর্মে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এজন্য উভয় দেশের সরকার ও প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে প্রয়োজনীয় সমঝোতা স্মারক সই করা যেতে পারে মর্মে উপদেষ্টা প্রস্তাব করেন।</p>
<p>কোরিয়ার ভাইস মিনিস্টার প্রস্তাবের সঙ্গে একমত পোষণ করে বলেন, মৎস্যখাতে বাংলাদেশের প্রচুর সম্ভাবনা রয়েছে। ভাইস মিনিস্টার আশ্বস্ত করেন, দক্ষিণ কোরিয়া সরকার মৎস্যখাতে বাংলাদেশের সাথে দ্বি-পাক্ষিক সহযোগিতা বৃদ্ধির উপায় খুঁজে বের করবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, আলোচনার ক্ষেত্রগুলোতে পারস্পরিক বোঝাপড়া এবং আরও সহযোগিতার বিকাশ উভয়পক্ষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।  </p>
<p>সফরকালে উপদেষ্টা এরই মধ্যে কোরিয়া মেরিটাইম ইনস্টিটিউটের (কেএমআই) সভাপতি, কোরিয়ান ফিশারিজ রিসোর্সেস এজেন্সির (এফআইআরএ) সভাপতি, পুকিয়ং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন, কোরিয়া ফিশারিজ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতিসহ অন্যান্যদের সাথেও দ্বি-পাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হয়েছেন। এছাড়াও বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল বুসান ফিস প্রসেসিং এবং এক্সপোর্ট সেন্টার গংসু ফিস ভিলেজ পরিদর্শন ও প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মকর্তাদের সঙ্গে অভিজ্ঞতা বিনিময় করেন।  </p>
<p><span> </span></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>৮ দফা দাবিতে কৃষি প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের  ‘অ্যাগ্রি ব্লকেড’</title>
<link>https://digibanglatech.news/152927</link>
<guid>https://digibanglatech.news/152927</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202504/image_870x580_6805e20c329c6.jpg" length="101303" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Mon, 21 Apr 2025 11:13:18 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>উচ্চশিক্ষার সুযোগসহ আট দফা দাবিতে ঢাকার খামারবাড়িতে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সব গেট বন্ধ করে পূর্ব ঘোষিত ‘অ্যাগ্রি ব্লকেড’ কর্মসূচি পালন করছেন কৃষি প্রকৌশল তথা ডিপ্লোমা শিক্ষার্থীরা। বাইরে <span>রাস্তায় পুলিশ ও সেনা সদস্যদের সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। </span></p>
<p class="rtejustify">সোমবার সকাল থেকে খামারবাড়ি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সামনে কৃষি ডিপ্লোমা ছাত্র অধিকার আন্দোলনের ব্যানারে বিক্ষোভ করতে দেখা যায় শিক্ষার্থীদের। <span> ‘কৃষি ডিপ্লোমা ছাত্র অধিকার আন্দোলন’-এর ব্যানারে </span>কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থী আসাদুজ্জামান আবিদ বলেন, সকাল ৯টা থেকে তারা প্রায় ২ হাজার শিক্ষার্থী দাবি আদায়ের জন্য অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন।  <span>দেশে সরকারি ১৮টি কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট এবং ২৬০টি বেসরকারি কৃষি কলেজে চার বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা কোর্সে প্রায় ২৫ হাজার শিক্ষার্থী আছেন। এ শিক্ষার্থীরা কর্মক্ষেত্রে উচ্চশিক্ষা ও সুযোগ-সুবিধায় বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন ।</span></p>
<p>আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো হলো, ডিপ্লোমা কৃষিবিদদের পাবলিক কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের সুযোগ দিতে হবে। উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাকে দ্বিতীয় শ্রেণির কর্মচারী হিসেবে গেজেট করে প্রজ্ঞাপন জারি করতে হবে এবং প্রতিবছর নিয়োগের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হবে। কৃষি ডিপ্লোমা শিক্ষার মান উন্নয়নের জন্য শিক্ষকসংকট দূর করতে হবে। </p>
<div id="content-details">
<p>এছাড়া, কৃষি ডিপ্লোমা শিক্ষাকে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) অধীন থেকে বের করে সম্পূর্ণভাবে কৃষি মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠা, সব কৃষি গবেষণাপ্রতিষ্ঠানে সহকারী বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা পদটি শুধু ডিপ্লোমা কৃষিবিদদের জন্য সংরক্ষিত করা, ডিপ্লোমা কৃষিবিদদের বেসরকারি চাকরির ক্ষেত্রে ন্যূনতম দশম গ্রেডের পে-স্কেলে বেতন প্রদান, কৃষি ডিপ্লোমা শিক্ষার্থীদের মাঠ সংযুক্তি ভাতা প্রদান এবং উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের চাকরিতে প্রবেশের পর ছয় মাসের ফাউন্ডেশন ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করার দাবি জানান তারা।</p>
<p></p>
</div>
<div class="adv-img text-center d-print-none">
<div id="div-gpt-ad-2189815-8" class="text-center" data-google-query-id="CLKC8ei66IwDFQAagwMdS58BCQ"></div>
</div>
<p class="rtejustify"></p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>ফলের মাছি পোকা দমনে বাকৃবি গবেষকের নতুন প্রযুক্তি</title>
<link>https://digibanglatech.news/152912</link>
<guid>https://digibanglatech.news/152912</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202504/image_870x580_6804fd9c6d91e.jpg" length="113070" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Sun, 20 Apr 2025 17:58:30 +0600</pubDate>
<dc:creator>ক্যাম্পাস করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>মাছি একটি বিশেষ ধরনের পোকা, যা সারা বিশ্বের হর্টিকালচার ইন্ডাস্ট্রির বিকাশে অন্যতম প্রতিবন্ধকতা। মাছি পোকার সংক্রমণের কারণে বাংলাদেশের আমসহ বিভিন্ন ফল ইউরোপ ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানিতে সমস্যা হয়। কারণ অনেক দেশ এই পোকাকে ‘কোয়ারেন্টাইন পেস্ট’ হিসেবে বিবেচনা করে।</p>
<p>এ মাছি পোকা দমনের জন্য বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) কীটতত্ত্ববিদ ও গবেষক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবুল মঞ্জুর খান একটি নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছেন। নতুন এ প্রযুক্তির নাম দেওয়া হয়েছে ‘ফ্রুট ফ্লাই ট্র্যাপ’। </p>
<p>বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মাছি পোকা দমনে নানান পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। উদাহরণস্বরূপ- অস্ট্রেলিয়া এবং আমেরিকায় মাছি পোকা দমনের জন্য ‘মাসট্র্যাপিং পদ্ধতি’ ব্যবহৃত হয়, যেখানে বিশেষ ধরনের ট্র্যাপে পুরুষ পোকা আকৃষ্ট করে ধ্বংস করা হয়। ফলে স্ত্রী পোকাগুলো প্রজনন করতে পারে না এবং ধীরে ধীরে এদের সংখ্যা হ্রাস পায়। বাংলাদেশে প্রচলিত ট্র্যাপের মধ্যে সাধারণত লিউর এবং সাবান-পানি ব্যবহৃত হয়, যার কার্যকারিতা বজায় রাখতে নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়।</p>
<p><img src="https://digibanglatech.news/uploads/images/202504/image_870x_6804fd9d2d289.jpg" alt="" width="1029" height="603"></p>
<p>ড. মঞ্জুর খান তার গবেষণায় দেখেছেন, প্রচলিত পদ্ধতির পরিবর্তে নতুন উদ্ভাবিত ট্র্যাপ ব্যবহার করা গেলে অধিক কার্যকর ফলাফল পাওয়া যাবে। তার উদ্ভাবিত ট্র্যাপের মূল বৈশিষ্ট্য হলো- এতে মাছি পোকা মারার জন্য কোনো রাসায়নিক উপাদান (কীটনাশক) বা পানি ব্যবহার করার প্রয়োজন হয় না। লিউর কর্তৃক আকৃষ্ট হয়ে বিভিন্ন প্রজাতির মাছি পোকা খুব সহজেই উদ্ভাবিত ট্র্যাপে প্রবেশ করতে পারে কিন্তু ট্র্যাপের বিশেষ গঠন শৈলীর কারণে পোকাগুলো একবার ট্র্যাপে প্রবেশ করলে আর বের হতে পারে না। ফলে পোকাগুলো ওই ট্র্যাপের ভেতরে আটকে পড়ে মারা যায়।</p>
<p>গবেষক ড. মঞ্জুর খান জানান, এই ট্র্যাপের বাণিজ্যিক উৎপাদনের মাধ্যমে কৃষকদের কাছে সহজলভ্য করা সম্ভব হবে। এতে করে তাদের কম কীটনাশক ব্যবহারে উৎপাদন ব্যয় কমবে এবং ফসলের গুণগত মান বজায় থাকার পাশাপাশি পরিবেশ রক্ষা পাবে। এটি প্রযুক্তি কুমড়া, লাউ, করলা, তরমুজ, বাঙ্গি, আম, পেয়ারা এবং ড্রাগন ফলসহ বিভিন্ন ফসলে সফলভাবে প্রয়োগ করা সম্ভব।</p>
<div id="content-details">
<p>তিনি আরো জানান, এই ট্র্যাপের উৎপাদন এবং কৃষকের নিকট পৌঁছে দিতে সর্বমোট ৫০ টাকার মতো ব্যয় হতে পারে, যা খুবই সাশ্রয়ী এবং কৃষকদের কাছে বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহারের সুযোগ তৈরি করবে। এই ট্র্যাপ এতটাই টেকসই যে, একবার কিনলে জমিতে কমপক্ষে ৫ বছর পর্যন্ত ব্যবহার করা যাবে। শুধু ট্র্যাপের ভেতরের লিউর পরিবর্তন করতে হবে।</p>
<p>গবেষকের দাবি, অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায় অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) একটি সম্মেলনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আগত বিশেষজ্ঞদের সামনে এই ট্র্যাপের কার্যকারিতা তুলে ধরা হয়। তারা এ উদ্ভাবনের প্রশংসা করেন। এই ট্র্যাপের বিশেষত্ব হলো এর ভেতরে থাকা লিউর দীর্ঘদিন ধরে কার্যকর থাকে এবং প্রচলিত পদ্ধতির তুলনায় বেশি সুবিধাজনক। তবে এর পেটেন্ট এবং প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি নিশ্চিত করা প্রয়োজন, যাতে এটি বৃহৎ পরিসরে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন করা যায়।</p>
<div class="adv-img text-center d-print-none">
<div id="div-gpt-ad-1629095765760-0" class="text-center" data-google-query-id="CNOPhOfh5owDFbiPrAIdHFwMCA">
<div id="google_ads_iframe_/401241791/Native-Type-ads_0__container__"></div>
</div>
</div>
<p>এ উদ্ভাবন বাংলাদেশের কৃষি ক্ষেত্রে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারে এবং মাছি পোকার কারণে আমসহ অন্যান্য ফল রপ্তানির প্রতিবন্ধকতা কমিয়ে আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে দাবি তারা।</p>
<p>অধ্যাপক ড. মঞ্জুর খান ২০১৭ সালে অস্ট্রেলিয়া থেকে ফিরে এ গবেষণা শুরু করেন এবং ২০২০ সালে এ প্রযুক্তি উদ্ভাবনে চূড়ান্ত সফলতা অর্জন করেন। উদ্ভাবিত ট্র্যাপ ব্যবহার করে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের অর্থায়নে নিরাপদ আম উৎপাদনে অধিকতর গবেষণা চলমান রয়েছে।</p>
<div class="adv-img text-center d-print-none"></div>
<p></p>
<p></p>
</div>
<div class="adv-img text-center d-print-none">
<div id="div-gpt-ad-2189815-8" class="text-center" data-google-query-id="CM6PhOfh5owDFbiPrAIdHFwMCA"></div>
</div>
<div class="adv-img text-center d-print-none">
<div id="div-gpt-ad-1684647258213-0" data-google-query-id="CM2PhOfh5owDFbiPrAIdHFwMCA"></div>
</div>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>গুচ্ছের ওয়েবসাইটে কৃষিতে ভর্তির ফল প্রকাশ</title>
<link>https://digibanglatech.news/152762</link>
<guid>https://digibanglatech.news/152762</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202504/image_870x580_67fef482e9639.jpg" length="103929" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Wed, 16 Apr 2025 00:07:15 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>ওয়েব সাইটে কৃষি গুচ্ছভুক্ত ৯টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। ফল জানতে কৃষি গুচ্ছের ভর্তিবিষয়ক <strong><a href="https://acas.edu.bd/">ওয়েবসাইটে</a></strong> গিয়ে সাইন ইন পৃষ্ঠায় নিজের পিন নম্বর ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করতে হবে। এরপর ড্যাশবোর্ডে ‘ফলাফল’ অপশনটি নির্বাচন করলেই ফলাফল দেখা যাবে। সেই সঙ্গে ফলাফলপত্রটিও ডাউনলোড বা প্রিন্ট করা যাবে।</p>
<p>প্রকাশিত ফল অনুযায়ী, মেধাতালিকায় উর্ত্তীণ হয়েছেন ৩ হাজার ৮৬৩ জন ভর্তিচ্ছু। মেধাতালিকার ফল কৃষি গুচ্ছভুক্ত ভর্তি পরীক্ষার ওয়েবসাইটে দেখা যাচ্ছে।</p>
<p>মঙ্গলবার (১৫ এপ্রিল) রাত ১০টার পর এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ তথ্য জানান বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া। এসময় তিনি বলেন, এবারের ভর্তি পরীক্ষায় সর্বোচ্চ নম্বর উঠেছে ৮৪ দশমিক ২৫। সর্বনিম্ন নম্বর উঠেছে ৪৪ দশমিক ৫। জিপিএর মার্কসসহ সর্বোচ্চ নম্বর উঠেছে ১২৯ দশমিক ৭৭। ১ হাজার টাকা জমাদানের মাধ্যমে ভর্তি পরীক্ষার ফল পুনঃনিরীক্ষণের জন্য আবেদন করা যাবে ১৬ এপ্রিল থেকে ১৭ এপ্রিল পর্যন্ত।</p>
<p>এবারের ভর্তি পরীক্ষায় সারা দেশে মোট ৩ হাজার ৮৬৩টি আসনের বিপরীতে আবেদন করেন ৯৪ হাজার ২০ জন শিক্ষার্থী। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়সহ ৯টি কেন্দ্র ও ১৩টি উপকেন্দ্রে একযোগে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।</p>
<p> প্রসঙ্গত, বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক আসনসংখ্যা হলোবাকৃবিতে ১১১৬, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪৩৫, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৭০৫। এছাড়া চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৭৫, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫৮০, খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৫০, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪২৩, হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৯৯ ও কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৮০টি আসন রয়েছে।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>পরিবেশবান্ধব বীজ প্রযুক্তি উন্নয়নে নেদারল্যান্ডের সঙ্গে চুক্তি সই</title>
<link>https://digibanglatech.news/152596</link>
<guid>https://digibanglatech.news/152596</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202504/image_870x580_67f87523f3047.jpg" length="104071" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 10 Apr 2025 22:25:00 +0600</pubDate>
<dc:creator>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p>পরিবেশবান্ধব বীজ প্রযুক্তি উন্নয়নে নেদারল্যান্ডের প্রতিষ্ঠান সিডএনএলের সঙ্গে চুক্তি সই বাংলাদেশ সিড অ্যাসোসিয়েশন। এছাড়াও নেদারল্যান্ডের গ্রিন হাউস ডেল্টা কোম্পানি ও বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠান এসিআই লিমিটেডের মধ্যে একটি এমওইউ স্বাক্ষরিত হয় গাজীপুরের মৌনায় ২০ হাজার বর্গফুটের একটি গ্রিনহাউস স্থাপনের জন্য।</p>
<p>বিনিয়োগ সম্মেলনের শেষ দিন বৃহস্পতিবার (১০ এপ্রিল) রাজধানীর অনুষ্ঠিত 'কৃষি ও কৃষি প্রক্রিয়াকরণ' সেমিনার শেষে এই চুক্তি দুটি সম্পাদিত হয়েছে। বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই সেমিনারে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশ (ইউরোচেম)-এর নুরিয়া লোপেজ বলেন, এ দেশের উর্বর মাটি, অনুকূল জলবায়ু ও শক্তিশালী গ্রামীণ ভিত্তি রয়েছে। যা কৃষিখাতে বিনিয়োগ ও ফসলের প্রক্রিয়াকরণের জন্য একটি সম্ভাবনাময় জায়গায় পরিণত করবে।</p>
<p>সেশনের মূল প্রবন্ধে চীন, আসিয়ান ও মধ্যপ্রাচ্যের মধ্যে থাকায় বাংলাদেশ থেকে ৩০০ কোটিরও বেশি ভোক্তার সাথে সরাসরি বাণিজ্য সম্ভব বলে মন্তব্য করেন বিডার আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ প্রমোশনের পরিচালক আরিফুল হক। তিনি জানান, বাংলাদেশের বন্দরগুলোর উন্নয়নে নানা প্রকল্প চলমান। এ কাজগুলো সম্পন্ন হলে রপ্তানির জন্য পরিবহনের সময় এক-তৃতীয়াংশ কমানো সম্ভব। বাংলাদেশে ইইউ ও চীনে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার রয়েছে। আগামী পাঁচ বছর ৭ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি ধরে রাখার সক্ষমতা আছে আমাদের। যে কারণে এ দেশ বিনিয়োগের জন্য ভালো।</p>]]> </content:encoded>
</item>

<item>
<title>আরএএস প্রযুক্তিতে মাছ চাষ নিয়ে সভা করলো অগিলে রিসোর্সেস</title>
<link>https://digibanglatech.news/151810</link>
<guid>https://digibanglatech.news/151810</guid>
<description><![CDATA[  ]]></description>
<enclosure url="https://digibanglatech.news/uploads/images/202503/image_870x580_67cab04a17b14.jpg" length="70906" type="image/jpeg"/>
<pubDate>Thu, 06 Mar 2025 23:37:40 +0600</pubDate>
<dc:creator>সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট</dc:creator>
<media:keywords></media:keywords>
<content:encoded><![CDATA[<p><span>অ্যাকুয়া প্রযুক্তির রিসার্কুলেটিং অ্যাকোয়াকালচার সিস্টেমে (RAS) প্রচলিত খামারের তুলনায় মাত্র দুই শতাংশ জমিতে সম পরিমানের সুস্বাদু মাস উৎপাদনের  করা যায়। এই প্রযুক্তিতে নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে ভূগ্ভর্স্থ পানি ব্যবহার করে মাছ চাষের পাশাপাশি গ্রিনহাউস পদ্ধতিতে একইসঙ্গে শাক-সব্জিও চাষ করা যায়। এই চাষাবাদ পদ্ধতিতে প্রতিদিন যে পরিমাণ পানি ও কার্বনডাই অক্সাইড নির্গত হয় তা গ্রিন হাউসে সরবারহ করে পুরো প্রক্রিয়াটিকে শতভাগ দূষণমুক্ত রাখে। </span></p>
<p><span>বৃহস্পতিবার গুলশানের এল আর ভিলা কনকর্ড হাউসের অগিলে রিসোর্সেস (Agile Resources)  ইনকরপোরেশন কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় এমনটাই তুলে ধরেন বক্তারা। আরএএস প্রযুক্তিতে মাছ চাষের প্রকল্প বিষয়ে বাংলদেশে এই শিল্পের সম্ভাবনা ও সর্বশেষ অগ্রগতি নিয়ে অনুষ্ঠিত এই সভায় উপস্থিত ছিলেন নরওয়ের আরএএস প্রযুক্তি ও নলেজ শেয়ারিং প্রতিষ্ঠান নোরাস ওয়াটারটেক এএস (NORAS Watertech AS)।   </span></p>
<p><span>অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন নরওয়ের ডেপুটি হেড অব মিশন মারিয়ান রাবে নায়েভেলসরুড (Marianne Rabe Knaevelsrud)। তিনি বাংলাদেশে এই প্রযুক্তি সংশ্লেষে  ঢাকাস্থ নরওয়ের দূতাবাসের পক্ষ থেকে সব ধরণের সহযোগিতার আশ্বাস দেন৷ অন্যান্যের মধ্যে নরওয়েজিয়ান দূতাবাসের ইকোনমিক অ্যাফেয়ার্স ও ট্রেড অ্যাডভাইজর সাইয়েদ মুনতাসির বাইজিদ, অগিলে রিসোর্সেস ইন করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী প্রমুখ।  </span></p>
<p><span>আলোচনা সভার সঞ্চালক ও প্রধান অতিথি ছিলেন অগিলে রিসোর্সেস প্রতিষ্ঠাতা প্রধার্ন নির্বাহী কর্মকর্তা কামরুজ্জামান খান সোহেল (Quamruzzaman Khan Sohel)। সভায় আগ্রহী উদ্যোক্তাদের মধ্যে চট্টগ্রামের হোটেল আগ্রাবাদের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হাকিম আলী, শামসুজ্জামান খান, চেয়ারম্যান,  এ. কে. খান অ্যান্ড কোং লিমিটেডের চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান খান, বিচ হ্যচারী লিমিটেডের প্রতিনিধি প্রমুখ। </span></p>
<p><span></span></p>
<p><span>  </span></p>]]> </content:encoded>
</item>

</channel>
</rss>